বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮০ / ৩০৬ · ৭,৯০১৮,০০০ / ৩০,৮৩২

৭,৯০১.
বাংলাদেশের স্থানীয় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নয় কোনটি?
  1. কোচ
  2. পাংখো
  3. মাউরি
  4. খুমি
ব্যাখ্যা
কোচ:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ‘কোচ’।
- বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী, নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।
- কোচ ও রাজবংশীদের প্রায় সময় একই জাতি মনে করা হয়।

পাংখো:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী ‘পাংখো বা পাংখোয়া’।
- বাংলাদেশে চট্টগ্রামের পার্বত্য জেলার রাঙ্গামাটিতে এরা বসবাস করে।

খুমি:
- খুমি  বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী। আদিতে এরা পার্শ্ববর্তী দেশ মায়ানমার থেকে এসে বাংলাদেশের পার্বত্য জেলাসমূহে বসবাস শুরু করে। 
- খুমি জনগোষ্ঠী মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত। 

অন্যদিকে -
- মাউরি: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) Britannica.
৭,৯০২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নওগাঁ
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:

- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২২ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনের শীর্ষে নওগাঁ জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনের শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনের শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৭,৯০৩.
১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে ”চরমপত্র” পাঠ করতেন কে?
  1. সিকান্দার আবু জাফর
  2. মাহবুবুল আলম
  3. এম. আর. আখতার মুকুল
  4. গাজী মাজহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
-স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
-১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
-২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
-স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
 
৭,৯০৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কয়টি তফসিল আছে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৭,৯০৫.
দেশের প্রথম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) শেরপুর
ব্যাখ্যা
- ‘বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি’ হলো দেশের প্রথম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
- এটি নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত যা ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
(সূত্রঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৭,৯০৬.
বাংলাদেশের হাইকোর্ট পঞ্চদশ সংশোধনীকে আংশিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করেছে- 
  1. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  3. ৩ জুলাই, ২০২৫
  4. ৩০ জুন, ২০২৪ 
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:  
- বাংলাদেশের হাইকোর্ট ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে পঞ্চদশ সংশোধনীকে আংশিকভাবে অবৈধ ঘোষণা করেছে।
- পঞ্চদশ সংশোধনী ৩০ জুন, ২০১১ তারিখে জাতীয় সংসদে পাস হয়।
- এবং ৩ জুলাই, ২০১১ রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।
- সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ৫৪টি পরিবর্তন, সংযোজন ও পরিমার্জন আনা হয়।
- তবে বদিউল আলম মজুমদার- সুজন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক- সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।
- হাইকোর্টের রায়ে ২০২৪ সালে বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও দেবাশীষ রায় চৌধুরী ৫৪টির মধ্যে ৬টি বিধান বাতিল করেন।
- বাতিলকৃত ধারার মধ্যে ছিল- ৭(ক), ৭(খ), ৪৪(২) এবং ১৪২।
- এর ফলে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন বাতিল হয়ে যায়।
- বর্তমানে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ ধারা বাতিল করা হয়েছিল।
- তবে হাইকোর্ট পুনর্বহালের রায়ে গণভোট আয়োজনের ক্ষমতা পুনঃসংযোজন করে।
- হাইকোর্টের রায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করার পথ সুগম করেছে।
- এছাড়া, সংবিধানের মৌলিক বিষয়গুলোর পরিবর্তন বা বাতিল করার সুযোগও নিশ্চিত করেছে।
- পাশাপাশি হাইকোর্টের রায়ের ফলে আইন বিভাগের উপর শাসন বিভাগের কর্তৃত্ব কিছু পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে। 

উৎস: 
১. প্রথম আলো;
২. BBC News;
৩. দৈনিক ইত্তেফাক। 

৭,৯০৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসহযোগ আন্দোলন কতদিন স্থায়ী ছিল?
  1. ২৩ দিন
  2. ২৫ দিন
  3. ২৭ দিন
  4. ২৯ দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসহযোগ আন্দোলন:
- অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন।
- এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এছাড়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নির্দেশের মাধ্যমে এ আন্দোলন পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- মুজিবের অসহযোগ আন্দোলনের স্থায়িত্ব ছিল মাত্র ২৫ দিন।
- এই ২৫ দিনে শেখ মুজিব অসাধ্য সাধন করেন।
- ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, এই ২৫ দিনেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায়।
- তখন পাকিস্তানে সামরিক সরকার পুরোপুরি কার্যকর ছিল।
- কিন্তু এই ২৫ দিন পূর্ব বাংলা তথা বাংলাদেশের মানুষ মুজিবের নির্দেশেই পরিচালিত হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) ২৮ মার্চ ২০২২, যুগান্তর।
৭,৯০৮.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন:
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশ (PO-27) বলে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ কর্পোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন গঠিত হয়।
- ০১.০৭.১৯৭৬ তারিখে বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন একীভূত করে বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী বিএসএফআইসি শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে ১৫ টি চিনিকল, ১ টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা এবং ২ টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্পোরেশন এর কর্মকান্ড অব্যাহত আছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিদের্শক্রমে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (বিএসএফআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন চিনিকলের লোকসান কমিয়ে আনার জন্য ২০২০-২০২১ আখ মাড়াই মৌসুম থেকে ১৫ টি চিনিকলের মধ্যে ০৯ টি চিনিকলে আখ মাড়াই অব্যাহত রয়েছে।
- মাড়াই স্থগিতকৃত ৬ টি চিনিকলের আধুনিকীকরণ করে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন।
৭,৯০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. জাপানে
  2. চীনে
  3. ভারতে
  4. ইন্দোনেশিয়ায়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি:

- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪৭%।
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৭.৩৭%।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। 
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭,৯১০.
একুশে পদক পুরস্কার প্রথম চালু করা হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক প্রবর্তিত অন্যতম সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম এ পুরস্কার চালু করা হয়।
জাতীয় জীবনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার একুশে পদক প্রদান করে থাকে।
- প্রতিটি পুরস্কারে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে নগদ ১৮ ক্যারেট মানের তিন ভরি ওজনের স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ।
- শুরুতে পুরস্কারের অর্থের পরিমাণ ছিল পঁচিশ হাজার টাকা।
- সরকার ভাষা আন্দোলনে আত্মদানকারী আবুল বরকত রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুস সালাম ও আবদুল জববার এ চারজন শহীদকে ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
বাংলাপিডিয়া।
৭,৯১১.
’জেড ফোর্স’ ব্রিগেডটি কোন কোন রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ২য়, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
  2. ১ম, ৩য় ও ৯ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
  3. ১ম, ৪র্থ ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
  4. ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
ব্যাখ্যা
• জেড ফোর্স:
- জেড ফোর্স  নামে পরিচিত মুক্তিবাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘জেড’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

•এস ফোর্স:
‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন সফিউল্লাহ।

• কে ফোর্স:
 -‘কে ফোর্স’ ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে ৭ই অক্টোবর গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘কে’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৯১২.
২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত 'সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার' কে পেয়েছেন?
  1. অধ্যাপক মনসুর মুসা
  2. সানাউল হক খান
  3. সুব্রত বড়ুয়া
  4. খসরু চৌধুরী
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত ৮ পুরস্কার:
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমি পরিচালিত আটটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে।
- মোট ৯ জন এ পুরস্কার পেয়েছেন। 

• ২০২৫ সালে সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন অধ্যাপক মনসুর মুসা। ভাষাভিত্তিক গবেষণার মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন খসরু চৌধুরী। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে প্রকৃতি ও বিজ্ঞানচর্চায় সামগ্রিক মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার পেয়েছেন সানাউল হক খান। বাংলা কবিতায় সামগ্রিক মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে সা’দত আলী আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন হাফিজ রশিদ খান। বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সাহিত্য বিষয়ে গবেষণার মূল্যায়নে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার পেয়েছেন তারিক আনাম খান। তিনি অভিনয়, নাট্য নির্দেশনায় ও সংগঠক হিসেবে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে এ পুরস্কার পেয়েছেন। এর অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন শিবব্রত বর্মন। অনুবাদ-সাহিত্যে অনন্য অবদানের মূল্যায়নে তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

• ২০২৫ সালে হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার পেয়েছেন সফিক ইসলাম ‘গণিতের রাজ্যে আনন্দভ্রমণ’ গ্রন্থের জন্য। গণিতকে সহজবোধ্য ও উপভোগ্যভাবে উপস্থাপনের জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

• ২০২৫ সালে রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দুজন। এর মধ্যে প্রথমজন সুব্রত বড়ুয়া। তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা। আর অনূর্ধ্ব ৪৯ বছর বয়সী লেখকদের মধ্যে ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘সিসিফাস শ্রম’ গল্পগ্রন্থের মূল্যায়নে ‘রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পুরস্কার পেয়েছেন আনিসুর রহমান। এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট। 
ii) প্রথম আলো।

৭,৯১৩.
সর্বশেষ প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ অনুসারে, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ১,৬৩,২৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৬৭,১৭,০০০ হেক্টর
  4. ১,৭২,৫৯,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- বনাঞ্চলের পরিমাণ: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯২,৯৬,০০০ একর বা ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৪৯,০০০ একর বা ২০,৪৪,০০০ হেক্টর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪০,০০০ একর বা ৪১,০৫,০০০ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯৩,০০০ একর বা ১৮,৫৯,০০০ হেক্টর।
- চার ফসলি জমি ৪৭,০০০ একর বা ১৯,০০০ হেক্টর।

⇒ উল্লেখ্য:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮৩,৫৮,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭,৯১৪.
বর্তমানে দেশে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৪৯৪টি
  2. ৪৯৩টি
  3. ৪৯৬টি
  4. ৪৯৫টি
ব্যাখ্যা
উপজেলা:
 - বাংলাদেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
- গত ২৬ জুলাই ২০২১ অনুষ্ঠিত নিকারের ১১৭তম সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

এগুলো হলো:
- ৪৯৫তম : ডাসার, (মাদারীপুর)
- ৪৯৪তম : মধ্যনগর, (সুনামগঞ্জ)
- ৪৯৩তম : ঈদগাঁও (কক্সবাজার)।
- গত ১০ আগস্ট ২০২১ নতুন উপজেলাগুলোর গেজেট প্রকাশ করা হয়।

এছাড়াও,
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- বিভাগ রয়েছে ৮টি।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৯১৫.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী ছিলেন -
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
  3. খন্দকার মোশতাক
  4. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠন: 

• মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার। 
• এটি মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। 
• এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়। 

• এ সরকারের বিভিন্রান পদে যারা দায়িত্বে ছিলেন:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুযায়ী সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব গ্রহণ);
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী: এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান;
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ;
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম.এ.জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব;
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার। 
• তাজউদ্দিন আহমেদ ১২ এপ্রিল মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন।
• বাংলাদেশের এই অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের ১২ টি মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ছিল। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭,৯১৬.
কোন দেশের বাণিজ্যিক কোম্পানি ফোর্ট উইলিয়ম দুর্গ নির্মাণ করে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. ফরাসি
  3. ডেনমার্ক
  4. নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
ইংল্যান্ড বা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ নির্মাণ করে।

ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ:
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সর্বাধিক বিখ্যাত দুর্গ হলো ফোর্ট উইলিয়াম।
- ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমেই ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের ঘাঁটি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- বিখ্যাত এই দুর্গটি কলকাতায় অবস্থিত।
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় নিদর্শন এই দুর্গ।
- ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় উইলিয়ামের নামে নামকরণ করা হয়েছে ।

উল্লেখ্য,
- অন্যান্য ইউরোপীয় বণিকদের মতো ইংরেজ বণিকদেরকেও এ অঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যে উৎসাহিত করে; ইংল্যান্ডের একদল বণিক ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' নামে একটি বণিক সংঘ গঠন করে।
- এই সংঘটি ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে রাণী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদি একচেটিয়া বাণিজ্য করার সনদপত্র লাভ করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সুরাট, আগ্রা, আহমদাবাদ, মসলিপট্টমে বাণিজ্যকুঠি স্থাপন করে এদেশে তাদের ভিত্তি মজবুত করে ফেলে।
- বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫৮ খ্রিস্টাব্দে হুগলিতে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কাশিমবাজার, ঢাকা, মালদহেও তাদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ভাগীরথী নদীর তীরের তিনটি গ্রামকে কেন্দ্র করেই কোলকাতা নগরীর জন্ম হয়।
- এখানেই কোম্পানি ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যন্ডের রাজা তৃতীয় উইলিয়মের নাম অনুসারে নির্মাণ করে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯১৭.
দেশের সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. সচিব
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সেনাপ্রধান
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা:
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান।
- তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে আসছে।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রর পদমর্যাদা অনেক উপরে।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ। তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তাঁর শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৭,৯১৮.
স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন কে?
  1. ক) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. খ) আ স ম রব
  3. গ) শাহজাহান সিরাজ
  4. ঘ) নুরে আলম সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। এই ইশতেহার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়। একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক উপাধি দেওয়া হয়। অধ্যাপক ইউসুফ আলী ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৭,৯১৯.
কৃষিক্ষেত্রে ‘বীটজবা’ কিসের জাত?
  1. আম
  2. পেঁয়ারা
  3. কলা
  4. গম
ব্যাখ্যা
- বীটজবা হলো কলার একটি জাত।
কলার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অমৃতসাগর
- অগ্নিশ্বর
- মোহনবাশী
- কানাইবাশী
- চাম্পা
- চিনি চাম্পা
- সবরি
- বারি কলা-১
- বারি কলা-৪ প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৭,৯২০.
অবৈতনিক শিক্ষার ধারনাকে অবান্তর বলা হয় কোন শিক্ষা কমিশনে ?
  1. ক) হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনে
  2. খ) শরীফ শিক্ষা কমিশনে
  3. গ) কবির শিক্ষা কমিশনে
  4. ঘ) মোখলেছুর রহমান শিক্ষা কমিশনে
ব্যাখ্যা
শরীফ কমিশন গঠনের পটভূমি:
১৯৪৭ সালে পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলন দেশে শিক্ষা উন্নয়নের জন্য সর্বাত্মক সুপারিশ প্রণয়ন করেন। পূর্ব পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলন দেশে শিক্ষা উন্নয়নের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সুপারিশ করেন। তদুপরি প্রাদেশিক পর্যায়ে শিক্ষা উন্নয়নের প্রচেষ্টা চলে। সমগ্র পাকিস্তানের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হয়। এ উপলব্ধির ফলশ্রুতিতে জাতীয় শিক্ষার সুসঘবদ্ধ ও সুষম উন্নয়নের নিশ্চয়তা বিধানার্থে ও ঔপনিবেশিক আমলে প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও পূর্ণগঠনের যথাযোগ্য পন্থা সুপারিশ করার জন্য ১৯৫৮ সালে ৩০ শে ডিসেম্বর জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়। এস.এম শরীফকে এ জাতীয় শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়। তাঁর নামানুসারে এ কমিশন শরীফ কমিশন নামেও পরিচিত।

১৯৫৯ সালের ৫ই জানুয়ারী পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ আয়ুব খান কমিশন উদ্ভোধন করেন। 
এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর কমিশন অবিলম্বে আনুষ্ঠানিকভাবে রিপোর্ট প্রণয়নের কাজ শুরু করেন। শিক্ষার বিভিন্ন স্তর ও বিভিন্ন পদ্ধতির সকল দিক সম্পর্কেও একটি সর্বাত্মক প্রশ্নমালা ব্যাপকভাবে পাকিস্তানের সর্বত্র বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বিশেষের নিকট প্রেরণ করা হয় এবং সংবাদপত্র মারফতও প্রচারিত হয়। 

বহু সংখ্যক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিল্প ও বাণিজ্য প্রতিনিধি উচ্চ পদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মচারী এবং বিশিষ্ট প্রতিনিধি স্থানীয় ব্যক্তি তাঁদের মূল্যবান নির্দেশ দ্বারা কমিশনকে রিপোর্ট প্রণয়নে সাহায্য করেছেন। এ কমিশন ১৯৫৯ইং মাসের রিপোর্ট প্রণয়নের কাজ সমাপ্ত করেন এবং এ রিপোর্ট ১৯৬০ সনে সরকারের নিকট পেশ করেন ।

তবে শিক্ষা সম্পর্কে শরীফ কমিশনের প্রতিবেদন ১৯৬২ সালের সবার সামনে প্রকাশিত হলে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। ভাষা আন্দোলনের বিয়োগান্তক স্মৃতি যখন এদেশবাসীর মনে তখনও উজ্জ্বল-ঠিক তখন 'উর্দুকে জনগণের ভাষায় পরিণত করার প্রস্তাব, আরবি এবং পরে রোমান বর্ণমালায় বা হরফে লিপিবদ্ধ করার প্রস্তাব বাঙালি জনগণ মেনে নিতে পারেনি। ছাত্র-শিক্ষক- বুদ্ধিজীবী-তথা সমগ্র বাঙালি জনগণই শরীফ কমিশনের সুপারিশ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে।

শরীফ কমিশন এর সদস্যবৃন্দ:
১০ সদস্য বিশিষ্ট এই কমিশনের সভাপতি ছিলেন আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ও তৎকালীন পাকিস্তানের শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরীফ।
৪ জন বাঙালি শিক্ষাবিদ সদস্য হিসাবে যুক্ত ছিলেন; তারা হলেনঃ
১. ড. মোমতাজউদ্দিন আহমেদ (উপাচার্য, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়),
২. আবদুল হক (সদস্য, ঢাকা মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড),
৩. অধ্যাপক আতোয়ার হোসেন (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) এবং
৪. ড. এম এ রশীদ (অধ্যক্ষ, ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ)।

• শরীফ কমিশন এর সুপারিশ সমূহ:
» শিক্ষাখাতে ব্যয়কে শিল্পে মূলধন বিনিয়োগের দৃষ্টিতে দেখার সুপারিশ করে কমিশন শিক্ষা সস্তায় পাওয়া সম্ভব নয় বলে অভিমত ব্যক্ত করে অবৈতনিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সরকারী অর্থের পরিবর্তে জনগণের অর্থ বিনিয়োগের জোর দেয়া হয়।
» অবৈতনিক শিক্ষার ধারনাকে অবান্তর বলা হয় ।
» ৬ষ্ঠ শ্রেণী হতে ডিগ্রী পর্যন্ত ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক ভাষা করা।
» এস.এস.সি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণদের জন্য পরবর্তী শিক্ষার দ্বার রুদ্ধকরণ।
» দু বছরের ডিগ্রি কোর্সকে তিন বছরে বৃদ্ধি করার এক অবৈজ্ঞানিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে।
» বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগে পাঠ্যসূচির অবৈজ্ঞানিক সুলভ ও স্কুলসমূহের কারিকুলাম অযৌক্তিকভাবে রদবদলের এক ভৌতিক সুপারিশ করে।
»  বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বায়ত্তশাসনের পরিবর্তে পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা, ছাত্র-শিক্ষকদের কার্যকলাপের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখার প্রস্তাব ।
» শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম করাতে ১৫ ঘণ্টা কাজের বিধান রাখা হয়েছিল।


SOURCE: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক; শিক্ষার ইতিহাস - ২, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৯২১.
সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নতুন নাম করেন -
  1. জাহাঙ্গীরনগর
  2. ইসলামাবাদ
  3. জান্নাতাবাদ
  4. ফতেহাবাদ
ব্যাখ্যা

সম্রাট হুমায়ুন:
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।

উল্লেখ্য,
- মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন।
- পিতা বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন' নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
 
উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭,৯২২.
বাংলাদেশের সংবিধান কীভাবে রচিত হয়?
  1. আন্দোলনের মাধ্যমে
  2. রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে
  3. গণপরিষদের মাধ্যমে
  4. সাধারণ আইন পরিষদের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।

সূত্র: বাংলাদের সংবিধান।
৭,৯২৩.
বাংলা ভাষায় লিখিত প্রথম তাম্রলিপি কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৩১ সালে
  2. খ) ১৮৩১ সালে
  3. গ) ১৭৩১ সালে
  4. ঘ) ১৬৩১ সালে
ব্যাখ্যা
তাম্রলিপি:

- ১৯৩১ সালে ওড়িশার বালাশোর জেলায় আবিষ্কৃত হয় বাংলা ভাষায় লিখিত প্রথম তাম্রলিপি।
- প্রাচীনকালে তামার পাতের ওপর দলিল,চুক্তি ও প্রয়োজনীয় বিষয় লেখা হতো।তামার পাতের ওপর লেখা এসব দলিলই ইতিহাসে তাম্রলিপি বা তাম্রশাসন নামে পরিচিত।
- তামার পাতে লিপিবদ্ধ করার পর তাতে রাজকীয় সিল দেওয়া হতো।
- ৪৯ লাইনে লিখিত এই তাম্রলিপি থেকে ‘কম্বোজ বংশ-তিলক’-এর পরিচিতিমূলক বর্ণনা পাওয়া যায়।
- এই তাম্রলিপিটি দশ শতকের দ্বিতীয় ভাগে লিপিবদ্ধ করা হয়। ইর্দা তাম্রলিপি বা তাম্রপত্র নামে এটি পরিচিত।
- ওড়িশার বালাশোরে আরো একটি লিপির সন্ধান পাওয়া যায়। কলন্দ গ্রামে পাওয়ায় এর নাম ‘কলন্দ তাম্রলিপি’ দেওয়া হয়।
- তৃতীয় তাম্রলিপি হিসেবে ‘ভাতুরিয়া তাম্রলিপি’ নামে কম্বোজদের আরো একটি তাম্রপত্র পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ,১৭ মার্চ ২০১৯।
৭,৯২৪.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভার 'স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন' মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। 
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। 
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান। 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব, 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯২৫.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. রাজশাহীতে
  3. ময়মনসিংহে
  4. চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ এপ্রিল শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন জেলা প্রশাসনের সহায়তায় নিজের ৭০টি চিত্রকর্ম নিয়ে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের মাধ্যমে এই সংগ্রহশালার উদ্বোধন করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাটি একটি দ্বিতল ভবনের রূপ লাভ করে।
- এছাড়া শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদকে ঘিরে বাঁধ দিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল উদ্যান গড়ে তোলা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৭,৯২৬.
লাহোর প্রস্তাব পেশ করেন কে?
  1. এ.কে. ফজলুল হক
  2. মাওলানা শওকত আলী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
• লাহোর প্রস্তাব:
- লাহোর প্রস্তাব পেশ করেন এ.কে. ফজলুল হক।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী প্রদেশে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়।
- এর ফলশ্রুতিতে ১৯৩৭ সালে প্রদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- উক্ত প্রাদেশিক নির্বাচনে অধিকাংশ প্রদেশে কংগ্রেস জয়লাভ করে।
- এমনকি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশেও কংগ্রেস জয়লাভ করে।
- মুসলিম লীগের পরাজয় মুসলিম নেতৃবৃন্দকে শংকিত করে তোলে।
- এমন এক বাস্তবতাতে, ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের সাধারণ অধিবেশন আহবান করা হয়।
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কংগ্রেস ও জাতীয়তাবাদী মনোভাব সম্পন্ন মুসলিম নেতাদের তীব্র সমালোচনার কারণে তিনি ধর্মভিত্তিক জাতির ধারণাকে সামনে তুলে ধরে।

উল্লেখ্য, 
- হিন্দু-মুসলিমদের দুটি জাতি হিসাবে দাবী করেন।
- জিন্নাহর সাম্প্রদায়িক দ্বিজাতি তত্ত্ব এবং মুসলিমদের জন্য স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবী।
- এক পর্যায়ে লাহোরে অনুষ্ঠিত উপরোক্ত অধিবেশনের মূল সুর হয়ে ওঠে।
- এই পরিপ্রেক্ষিতে, ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯২৭.
সুদ পরিশোধে চলতি বাজেটে শতকরা কত ভাগ ব্যয় হবে?
  1. ক) ৭.৫ ভাগ
  2. খ) ১০.১ ভাগ
  3. গ) ১১.৩৬ ভাগ
  4. ঘ) ১৪.৭৬ ভাগ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সুদ পরিশোধে মোট ব্যয় হবে ৬৮,৫৯০ কোটি টাকা যা মোট বাজেটের শতকরা প্রায় ১১.৩৬ ভাগ।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক কালেরকন্ঠ)
৭,৯২৮.
রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক কে?
  1. প্লেটো
  2. এরিস্টটল
  3. নিকোলো মেকিয়াভেলি
  4. জন স্টুয়ার্ট মিল
ব্যাখ্যা

 রাষ্ট্রবিজ্ঞান:
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান মূলত রাষ্ট্রের ভিত্তি ও সরকারের মূলনীতি নিয়ে আলোচনা করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান একটি গতিশীল সমাজ বিজ্ঞান।
- রাষ্ট্রের কার্যক্রম, রাষ্ট্রের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং সমস্যা সমাধানের জন্য রাষ্ট্রীয় সংগঠনের সুসংবদ্ধ অধ্যয়নকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বলে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান সরকারের মূলনীতি ও রাষ্ট্রের মূলভিত্তি নিয়ে আলোচনা করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের আধুনিক ধারণাগুলো রাষ্ট্রবিজ্ঞানকে একটি গতিশীল সামাজিক বিজ্ঞানে উন্নীত করেছে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞান রাষ্টীয় সংগঠন, শাসনব্যবস্থা, রাষ্ট্রের উদ্ভব ও বিকাশ, আন্ত:রাষ্ট্রীয় কার্যকলাপ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করে।
- প্লেটোর ন্যায় এরিস্টটল নীতিশাস্ত্র ও রাষ্ট্রনীতির মধ্যকার ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের উপর বিশেষ জোর দিয়েছিলেন।
- এরিস্টটলকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক বলা হয়। 
- এরিস্টটল বিশ্বাস করতেন, একমাত্র রাষ্ট্রের মাধ্যমেই মানুষ সর্বোৎকৃষ্ট নৈতিক জীবন যাপন করতে সক্ষম।
- 'দি পলিটিক্স' গ্রন্থে তাঁর রাষ্ট্রচিন্তার মূল বক্তব্য প্রকাশ পেয়েছে।

অন্যদিকে,
- আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক হিসেবে ইতালীয় দার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে বিবেচনা করা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান: রাষ্ট্রতত্ত্ব, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯২৯.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. অনুপম
  3. কাঞ্চন
  4. প্রভাতী
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৭,৯৩০.
'পাঁচসালা’ এবং 'একসালা’ বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা

'পাঁচসালা’ এবং 'একসালা’ বন্দোবস্ত': 
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস 'পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং 'একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন।
- ইতিহাসে এটি 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয়। -

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৯৩১.
বর্তমানে ‘মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সেগুনবাগিচা
  2. খ) শাহবাগ
  3. গ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. ঘ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা

- ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।

তথ্যসূত্র- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।

৭,৯৩২.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ৫নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৯৩৩.
নিচের কোনটি সুন্দরবনের বৃক্ষ নয়?
  1. হেন্তাল
  2. সুন্দরী
  3. গামার
  4. বাইন
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৩৪.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ সরকারিভাবে কোন রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে?
  1. তর্জনী
  2. মুজিব
  3. বিজয় ৭১
  4. একুশে-১
ব্যাখ্যা
 ‘একুশে-১’ প্রটোটাইপ রকেট:
- প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে ‘একুশে-১’ নামে প্রটোটাইপ রকেট উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
- ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী নাহিয়ান আল রহমান অলি ও তাঁর দল ‘ধূমকেতু এক্স’ সরকারি সহায়তায় এই প্রটোটাইপ রকেটটি তৈরি করেছে।
- আইসিটি মন্ত্রণালয়ের এটুআইর সহযোগিতা ও অর্থায়নে তারা রকেটটি তৈরি করেছে।
- রকেট একুশের ওজন ৪৫ কেজি, লম্বায় ১২ ফুট, ব্যাস সাড়ে ৬ ইঞ্চি।
- এটিকে সাউন্ডিং রকেটও বলা হয়।
- একুশের মাধ্যমে মূলত আবহাওয়ার বার্তা পাওয়া যাবে।
- এটি বায়ুমণ্ডলের ৪৫ কিলোমিটারের মধ্যে উড্ডয়ন করে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। 

উল্লেখ্য,
- সব ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে সরকারিভাবে উৎক্ষেপণ করা হবে রকেট ‘একুশে-১’।

উৎস: ২৬ নভেম্বর ২০২৩, সমকাল। [Link]
৭,৯৩৫.
কোনটি বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ বহনকারী রকেট?
  1. ক) ফ্যালকন ১
  2. খ) ফ্যালকন ৭
  3. গ) ফ্যালকন ৯
  4. ঘ) ফ্যালকন ১১
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

উৎস: বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৭,৯৩৬.
বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্টজয়ী নারী কে?
  1. নিশাত সুলতানা
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. নিশাত মজুমদার
  4. নাজনীন সুলতানা
ব্যাখ্যা
• এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন

উৎস: বিবিসি নিউজ।
৭,৯৩৭.
বর্তমানে অর্থনীতির মোট কয়টি খাত রয়েছে (সেপ্টেম্বর, ২০২৩)?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- অর্থনীতির মোট খাত: ১৯টি (২০১৫-১৬ ভিত্তিবছর)।
- ১৯টি খাত:   
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম। 
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৭,৯৩৮.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. হাবিবুল বাশার
  3. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর, ভারতের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট অধিনায়ক: নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম টেস্ট জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৫ সালে, চট্টগ্রামে।
- প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উল্লেখ্য,  
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ১০০০ রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- শততম টেস্ট ম্যাচ: ২০১৭ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে, কলম্বোতে অনুষ্ঠিত।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি: সাকিব আল হাসান।
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন- মুশফিকুর রহিম।

• বিশেষ তথ্যঃ 
- মোহাম্মদ আশরাফুল টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ ক্রিকেটার হিসেবে সেঞ্চুরি করার রেকর্ড গড়েন।
- তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন ২০০১ সালে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট ম্যাচের তৃতীয় দিনে।

উৎস: ESPNcricinfo.com ও The Business Standard পত্রিকা রিপোর্ট।

৭,৯৩৯.
নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট আসন লাভ করে -
  1. ২২৩টি
  2. ১৬৯টি
  3. ৩০৯টি
  4. ১৯৬টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৪০.
What is the name of the main festival of hill people?
  1. ক) Wangala
  2. খ) Moitora
  3. গ) Boisabi
  4. ঘ) Crama
ব্যাখ্যা
• বৈসাবি উৎসব:
- পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি।
- পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি পালিত হয়- চৈত্র মাসে।
- পাহাড়ের প্রধান তিন সম্প্রদায় ভিন্ন ভিন্ন নামে উৎসবটি পালন করে।
- পাহাড়ের এই উৎসবকে ত্রিপুরারা বলে ‘বৈসুক’, মারমারা বলে ‘সাংগ্রাই’ আর চাকমারা বলে ‘বিঝু’।
- ত্রিপুরাদের বৈসুক থেকে ‘বৈ’, মারমাদের সাংগ্রাই থেকে ‘সা’, আর চাকমাদের বিজু থেকে ‘বি’ একত্রে ‘বৈসাবি’ নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
৭,৯৪১.
ফসল কাটার এক সপ্তাহ আগে সিম জাতীয় শস্য লাগানোর পদ্ধতি কী নামে পরিচিত-
  1. ক) রেলিং পদ্ধতিতে চাষ
  2. খ) রিলে চাষ
  3. গ) রিং বেসিন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- একটি শস্যের ফুল আসার পর কিন্তু কর্তনের প্রায় এক সপ্তাহ পূর্বে কতিপয় সুবিধা পাওয়ার জন্য শিম জাতীয় বীজ বপণ করা হয়, একে রিলে চাষ বলে।
- এভাবে এক জমিতে ২ – ৩ ধরনের ফসল এক সাথে চাষ করার পদ্ধতিকে রিলে চাষ বলে।
- সাধারণত ফল বাগানে যে ধরনের সেচ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে রিং বেসিন বলে।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা।
৭,৯৪২.
How many five-year plans are currently running?
  1. ক) 6th
  2. খ) 7th
  3. গ) 8th
  4. ঘ) 5th
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০- জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন।
৭,৯৪৩.
কত বছরের সাজাপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচনের অযোগ্য?
  1. ক) ৩ বছর
  2. খ) ২ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇨ সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
⇨ তবে অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে সর্বনিম্ন ২ বছর পর্যন্ত সাজা পেলে কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্য হবেন না।
⇨ তবে সাজা শেষ হওয়ার পর ৫ বছর অতিক্রান্ত হলে আবার সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য বিবেচিত হওয়ার যোগ্য হইবেন।
⇨ কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর
সদস্যপদ বাতিল হবে।
⇨ তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৯৪৪.
‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির’ প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কে ছিলেন?
  1. শাহরিয়ার আলম
  2. সেলিনা পারভীন
  3. সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন
  4. জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি:

- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন জাহানারা ইমাম।
- ১৯৯২-এর ১৯ জানুয়ারি দেশের ১০১ জন বরেণ্য নাগরিক একটি ঘোষণায় স্বাক্ষর করে গঠন করেছিলেন ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’।
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল বরেণ্য  বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, রাজনৈতিক দল ও কর্মিবৃন্দ, দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজ এবং প্রজন্ম ’৭১ তাঁর আহবানে এগিয়ে আসেন।
- তাঁদের সক্রিয় সমর্থনে জাহানারা ইমাম ১৯৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে গণ-আদালত গড়ে তোলেন।
- গণ-আদালত ছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের অপকর্মের বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ।
- তৎকালীন সরকার জাহানারা ইমামসহ গণ-আদালতের সঙ্গে যুক্ত ২৪জন বরেণ্য বুদ্ধিজীবীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে এবং জাহানারা ইমাম মৃত্যুকালেও এ অভিযোগ থেকে মুক্তি পাননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ অক্টোবর ২০২১ ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৯৪৫.
'তমদ্দুন মজলিশ' কোন আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সংগঠন?
  1. ৬ দফা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
  4. ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৯৪৬.
সরকারি খাতে বাংলাদেশের পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ পর্যটন শিল্প
  2. বাংলাদেশ রেলওয়ে
  3. বাংলাদেশ ক্যামিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন
  4. বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন সংস্থা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------- 
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন-বিসিআইসি (Bangladesh Chemical Industries Corporation-BCIC):

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) সরকারি খাতে বাংলাদেশের পাবলিক সেক্টর কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) দীর্ঘদিন থেকে সফলতার সাথে ইউরিয়া সার উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে সারের চাহিদা পূরণ করে আসছে।

বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ৮টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
চালু কারখানাগুলোর মধ্যে,
৪টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।

বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।

উৎস:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৭,৯৪৭.
বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন কে?
  1. সামন্ত সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. বিজয় সেন
  4. বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
সেন বংশের পরিচয়: 
- সেন বংশের পূর্বপুরুষরা কর্ণাটক থেকে বাংলার রাঢ়ভূমিতে এসে বসবাস শুরু করেন পাল যুগে।
- সামন্ত সেন সেই বংশে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও তার বাল্য ও যৌবনকাল কেটেছিল কর্ণাটকে, সেখানে কয়েকটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে খ্যাতিও অর্জন করেছিলেন।
- কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে রাঢ়দেশে এসে আশ্রমবাসে বসবাস করেন।
- তার পুত্র হেমন্ত সেন দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালে ভ্রাতৃবিরোধ ও সামন্ত বিরোধের সুযোগ নিয়ে রাঢ় অঞ্চলে সামন্ত (জমিদার) হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- তিনি বাংলায় সেন বংশের শাসন শুরু করলেও তাঁর পুত্র বিজয় সেনই বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
- পাল শাসনামলের ভগ্নদশার সুযোগ নিয়ে বিজয় সেন (১০৯৭-১১৬০ খ্রি.) মহাধিরাজ উপাধি ধারণ করে বাংলায় সেন শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৪৮.
কার নেতৃত্বে বাঁশের কেল্লা নির্মিত হয়?
  1. তিতুমীর
  2. দুদু মিয়া
  3. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  4. মজনু শাহ
ব্যাখ্যা
বাঁশের কেল্লা:
- ১৮৩১ সালের ২৩ অক্টোবর ভারতের কলকাতার বারাসাতের কাছে নারিকেলবাড়িয়া নামক গ্রামে একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করা হয়।
- ইতিহাসে এটিই ‘বাঁশের কেল্লা’ বা ‘নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা’ নামে চিহ্নিত হয়ে আছে।
- ব্রিটিশ শক্তিকে উচ্ছেদের উদ্দেশ্যে একটি বিপ্লবী কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য বাংলার সন্তান মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর ও তাঁর অনুসারীরা এই কেল্লা নির্মাণ করেন।
- বাঁশের কেল্লায় প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিরাট বাহিনী ছিল স্বদেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ ও সংগ্রামী চেতনায় উদ্দীপ্ত।
- তারা তিতুমীরের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা স্থাপন করে।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী, ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- তাঁদের সাধারণ তলোয়ার ও হালকা অস্ত্র নিয়ে তিতুমীর ও তাঁর সেনারা ব্রিটিশ সেনাদের আধুনিক অস্ত্রের সামনে দাঁড়াতে পারেননি।
- সেই যুদ্ধে তিতুমীর শহীদ হন।
- পাশাপাশি ১৮৩১ সালের ১৭ নভেম্বর বাঁশের কেল্লাটিকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭,৯৪৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ক) ১২৭
  2. খ) ১৩৭
  3. গ) ১৩৮
  4. ঘ) ১১৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়। অনুচ্ছেদ-১৩৭ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' পদের নিয়োগ দেয়া হয় এবং ১১৮নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৯৫০.
'কুদুম গুহা' কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. কক্সবাজার
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বান্দরবন
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজার জেলায় রয়েছে 'কুদুম গুহা'। 
- হোয়াই কং পাহাড়ে আকর্ষণীয় এই গুহায় বিরল প্রজাতির বাদুর বাস। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৯৫১.
তালপাতার পুঁথিচিত্র কোন যুগের নিদর্শন?
  1. পাল যুগ
  2. গুপ্ত যুগ
  3. মৌর্য যুগ
  4. কুষাণ যুগ
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশ:
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- সুশাসন, জনকল্যাণ, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা, উন্নত জীবনবোধ ইত্যাদি বাংলায় সর্বপ্রথম পালরাই প্রতিষ্ঠিত করে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন।
- তালপাতার পুঁথিচিত্র পাল যুগের নিদর্শন।
- তালপাতার উপরে চিত্রসম্বলিত বৌদ্ধ গ্রন্থ অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতা পান্ডুলিপির বারোটি রঙ্গিন চিত্র বঙ্গীয় চিত্রকলার প্রাচীনতম নিদর্শন। 
- বর্তমানে দুর্লভ এই পান্ডুলিপি কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটিতে সংরক্ষিত আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৯৫২.
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম কত সালে একুশে পদক লাভ করেন?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষকএবং লেখক, সাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। 
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে শিক্ষকতা করেছেন ৪৩ বছর।
- তিনি সর্বশেষ বিশ্ববিদ্যালয়টির ইমেরিটাস অধ্যাপক ছিলেন। ২০২৩ সালের ২৭শে অগাস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে 'ইমেরিটাস অধ্যাপক' করে।
- তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে থাকা না থাকার গল্প, কাচভাঙা রাতের গল্প, অন্ধকার ও আলো দেখার গল্প, আধখানা মানুষ, দিনরাত্রিগুলি, আজগুবি রাত, তিন পর্বের জীবন এবং নান্দনতত্ত্ব।

⇒ গল্পকার সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় পুরষ্কারসহ সাহিত্যের অনেক সম্মানজনক পুরষ্কারই পেয়েছেন।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৮ সালে তিনি পান একুশে পদক।
- ১৯৯৬ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন তিনি। 'নন্দনতত্ত্ব' বইটির জন্য এই পুরস্কার।
- বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে কাজী মাহবুবুল্লাহ পুরস্কারে ভূষিত হন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ১০ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম ইন্তেকাল করেছেন। 

উৎস: BBC.

৭,৯৫৩.
বাংলদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  2. মফিজ উদ্দিন কমিশন
  3. শাসসুল হক কমিশন
  4. মাজেদ খান কমিশন
ব্যাখ্যা

কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন 'জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই
বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭,৯৫৪.
দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. কাজী গোলাম মাহবুব
  2. শামসুল আলম
  3. নূরুল হক ভুঁইয়া
  4. আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:

• প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ (১৯৪৭):
- ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয়।
- উদ্যোগ: তমদ্দুন মজলিশ।
- উদ্দেশ্য: ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়া।
- আহ্বায়ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

• দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ (১৯৪৮):
- গঠিত: ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ।
- উপস্থিত: দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও ছাত্রসমাজ।
- আহ্বায়ক: শামসুল আলম।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎস: ইতিহাস (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো।

৭,৯৫৫.
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার কোন দিনটিকে 'জাতীয় চা দিবস' হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে?
  1. ২১ মে
  2. ২৩ মে
  3. ২৭ মে
  4. ২৮ মে
ব্যাখ্যা

জাতীয় চা দিবস:
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ২১ মে 'জাতীয় চা দিবস' হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

⇒ ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা, ২০২২ সংশোধনের মাধ্যমে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় দিবসটি পরিবর্তন করেছে।
- উল্লেখ্য, এত দিন ৪ জুন জাতীয় চা দিবস পালন করা হতো।
- এখন আন্তর্জাতিক চা দিবস ২১ মের সাথে মিল রেখে দিবসটি পরিবর্তন করা হয়।
-  ‘চা উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারক বিভিন্ন দেশ ও সংগঠনের আহ্বানে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি ২০২০ সাল থেকে প্রতিবছর ২১ মে আন্তর্জাতিক চা দিবস হিসেবে পালন করে আসছে। চা উৎপাদনকারী দেশগুলো ২১ মে “আন্তর্জাতিক চা দিবস” পালন করে থাকে। বিশ্বের অন্যান্য চা উৎপাদনকারী দেশের সঙ্গে মিল রেখে ২১ মে জাতীয় চা দিবস ঘোষণা করেছে।’

উৎস: প্রথম আলো।

৭,৯৫৬.
Two Taka note bears the signature of -
  1. Governor, Bangladesh Bank
  2. Finance Secretary
  3. President
  4. Finance Minister
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নোট: 
- সরকারি নোট: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।

অন্যদিকে -
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক।
         ii) অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৭,৯৫৭.
ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. বিজু
  2. সাংগ্রাই
  3. ওয়াংগালা
  4. বৈসু
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

৭,৯৫৮.
মেজর আবু তাহের মুক্তিযুদ্ধের সময় কত নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৬ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে ১১ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন প্রথমদিকে মেজর এম. আবু তাহের এবং পরবর্তীতে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।
- ১১ নং সেক্টরের সদরদপ্তর ছিলো মহেন্দ্রগঞ্জ। এই সেক্টরের অধীনে আটটি সাব-সেক্টর ছিলো।
অন্যদিকে,
৬ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন:
- উইং কমান্ডার এম. খাদেমুল বাশার
৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন:
- মেজর এম. এ জলিল
- মেজর এম. এ. মঞ্জুর
- মেজর জয়নাল আদেীন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

৭,৯৫৯.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে কীসের ছবি ছিল?
  1. শাপলা
  2. জাতীয় সংসদ
  3. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
  4. দোয়েল পাখি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ডাকটিকিট:
- ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই  স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একযোগে মুজিবনগর, কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথমবার প্রকাশিত হওয়া ডাকটিকিটের সংখ্যা ছিল ৮টি।
- ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয়।
- প্রথম ডাকটিকিটটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী রঙের।
- ১০ পয়সা মূল্যের এই ডাকটিকিটের বার্তা হলো আমাদের ভূখণ্ড এবং দেশের পরিচয় বিশ্বকে জানানো।
- আর ডাকটিকিটে বাংলাদেশের মাঝ বরারর যাওয়া কর্কটক্রান্তি রেখা দেয়া হয়েছে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২৯ জুলাই জাতীয় ডাকটিকিট দিবস।  ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে 'জাতীয় ডাকটিকিট দিবস' পালিত হয়ে আসছে।

উৎস: i) ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। [link]
         ii) জুলাই ২৯, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
৭,৯৬০.
কোন যুদ্ধের মধ্য দিয়ে নবাবি শাসনের ইতি ঘটে?
  1. বক্সার যুদ্ধ
  2. পানিপথের যুদ্ধ
  3. পলাশীর যুদ্ধ
  4. আলীনগর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• বাংলায় ইংরেজ শাসনের সূচনা:
- তরুণ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ইংরেজ বণিকদের বাংলা থেকে অন্যায় সুবিধা গ্রহণের পথগুলো বন্ধ করে দেওয়ায় তারা নবাবের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন।
- তাই তারা নবাবকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য দেশীয় চক্রান্তকারীদের সাথে হাত মেলান।
- অবশেষে ইংরেজদের সাথে যুদ্ধ বাধে নবাবের।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশির যুদ্ধে নবাবের সেনাপতি মীর জাফর বিশ্বাসঘাতকতা করে যুদ্ধে অংশগ্রহণে বিরত থাকেন।
- অসহায়ভাবে পরাজয় ঘটে সিরাজউদ্দৌলার।
- এভাবেই পলাশীর যুদ্ধের মধ্য দিয়ে নবাবি শাসনের ইতি ঘটে এবং বাংলায় ইংরেজ শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,৯৬১.
আম উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা
কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯ আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম। আম উৎপাদন প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।
[সূত্রঃ কৃষি মন্ত্রণালয়]
৭,৯৬২.
মুক্তিযুদ্ধে ৬নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. হেজামারা
  2. বুড়িমারী
  3. মেলাঘর
  4. হরিণা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সদরদপ্তর:
= ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: হরিণা।

= ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।

= ৩নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।

= ৪ নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।

= ৫নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।

= ৬নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়িমারী (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।

= ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।

= ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।

= ৯নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।

= ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

= ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৯৬৩.
সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে ’রাষ্ট্রপতির অভিশংসন’ সংক্রান্ত বিষয়বলি উল্লেখিত?
  1. ৫১নং
  2. ৫২নং
  3. ৫০নং
  4. ৫৩নং
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ: 

- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
• রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন। রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বা সম্মতি দান করেছেন বলে গণ্য হলে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
• রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।
- সংবিধানের ৫২নং অনুচ্ছেদে ’রাষ্ট্রপতির অভিশংসন’ সংক্রান্ত বিষয়বলি উল্লেখিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

৭,৯৬৪.
'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কোথায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. বাগেরহাট জেলা
  2. নরসিংদী জেলা
  3. কুড়িগ্রাম জেলা
  4. নীলফামারী জেলা
ব্যাখ্যা
'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।

ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:

- 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৭,৯৬৫.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. টঙ্গী
  3. সাভার
  4. মিরপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি):
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বয় রয়েছে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৮৩ সালে অধ্যাদেশের মাধ্যমে নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- ১৯৮৬ সাল থেকে নিয়মিত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- অবস্থান: রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ৫০ কিমি উত্তর-পশ্চিমে, সাভারের জিরানী এলাকায়।
- আয়তন: ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,৯৬৬.
২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৮.৬%
  2. ৯.৯%
  3. ১০.৩%
  4. ১১.৭%
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে রূপকল্প ২০৪১।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
৭,৯৬৭.
দেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. জামদানি শাড়ি 
  3. ঢাকাই মসলিন
  4. খিরসাপাত আম
ব্যাখ্যা

জিআই পণ্য:
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

উল্লেখ্য,
• বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জিআই পণ্য জামদানি শাড়ি।
- জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর আবেদনের ভিত্তিতে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) কর্তৃক দেওয়া হয়। 

অন্যদিকে,
- ইলিশ মাছ জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৭ সালে। 
- খিরসাপাত আম (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৮ সালে। 
- ঢাকাই মসলিন (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০২০ সালে। 

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৭,৯৬৮.
বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর-এর পদবি কী ছিল?
  1. ক) সিপাহী
  2. খ) ল্যান্স নায়েক
  3. গ) ক্যাপ্টেন
  4. ঘ) ল্যাফটেন্যান্ট
ব্যাখ্যা

৭জন বীরশ্রেষ্ঠের পদবি ও সমাধি -
মুন্সী আবদুর রব - ল্যান্স নায়েক (পদবি) - রাঙামাটি জেলার নানিয়ার চরে (সমাধি)।
মোস্তফা কামাল - সিপাহী (পদবি) - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া মোগড়া গ্রামে (সমাধি)।
মতিউর রহমান - লেফটেন্যান্ট (পদবি) - মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান (সমাধি)।
নূর মোহাম্মদ শেখ - ল্যান্সনায়েক (পদবি) - যশোরের শর্শা উপজেলার কাশিমপুর গ্রামে (সমাধি)।
হামিদুর রহমান - সিপাহী (পদবি) - মিরপুরের শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান (সমাধি)।
রুহুল আমিন - ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশার (পদবি) - খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে (সমাধি)।
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - ক্যাপ্টেন (পদবি) - চাঁপাই নবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গনে (সমাধি)।

৭,৯৬৯.
বাংলাদেশ এ পর্যন্ত কয়টি 'Poverty Reduction Strategy Papers' গ্রহণ করে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

• 'PRSP' এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Poverty Reduction Strategy Papers (দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র).
• আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র হচ্ছে PRSP.
• বাংলাদেশ সরকার ২০০৫ থেকে ২০০৮ সালে প্রথম এবং ২০০৯ থেকে ২০১১ সালে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
• এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
• উল্লেখ্য ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
উৎসঃ IMF ও পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৭,৯৭০.
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশীপ-২০২৪ এ 'ফেয়ার প্লে ট্রফি' লাভ করে কোন দেশ?
  1. ভুটান
  2. নেপাল
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ শিরোপা লাভ করে।
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- সাতটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, মালদ্বীপ এবং ভুটান।
- বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। 

তথ্যসূত্র: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
৭,৯৭১.
চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণার কথা প্রথম কে প্রচার করেন?
  1. মেজর রফিকুল ইসলাম
  2. এম এ হান্নান
  3. মীর শওকত আলী
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণা:
- ২৫ মার্চ রাত ১:৩০ মিনিটে হানাদার সেনারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমন্ডিস্থ ৩২ নম্বর বাসভবন হতে গ্রেপ্তার করে।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের মীয়ানওয়ালী কারাগারে বন্দি ছিলেন।
- গ্রেপ্তারের পূর্বে তিনি মধ্যরাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং এ ঘোষণা ওয়‍্যারলেসের মাধ্যমে চট্টগ্রাম প্রেরণ করেন।
- পরের দিন বিবিসি'র প্রভাতি অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণাটি প্রচারিত হয়।
- চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগ নেতা এম এ হান্নান ২৬ মার্চ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষণাটি প্রচার করেন।
- ২৭ মার্চ কালুরঘাটে স্থাপিত অস্থায়ী বেতার কেন্দ্র থেকে বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর পক্ষে স্বাধীনতার আর একটি ঘোষণা পাঠ করেন।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণার কথা প্রচারিত হওয়ার পর মাতৃভূমিকে মুক্ত করার আশায় প্রবল শক্তিতে পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলার জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- হানাদারদের বিরুদ্ধে সর্বত্র সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়।
- স্বতঃস্ফূর্তভাবে বাংলার ছাত্র-যুবক, নারী, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবীসহ সকল পেশাজীবী ও আপামর জনতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- তারা ঢাকা, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, কুমিল্লা, ময়মনসিংহ, যশোর, খুলনা, কুষ্টিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে হানাদারদের বিরুদ্ধে জোর প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- এভাবেই প্রতিরোধ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে দেশকে শত্রু মুক্ত করার জন্য শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৭২.
উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম সিমেন্ট প্ল্যান্ট কোনটি?
  1. ক্রাউন সিমেন্ট
  2. শাহ সিমেন্ট
  3. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  4. হোলসিম সিমেন্ট
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট শিল্প:
- সিমেন্ট শিল্পের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ)।
- বিএসএমএ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে উৎপাদন সক্ষমতার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে শাহ সিমেন্ট।
- এটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার টনের বেশি।

অন্যদিকে -
- দ্বিতীয় স্থানে আছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্ট। কোম্পানিটির দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- ১৯ হাজার মেট্রিক টনের বেশি দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ক্রাউন সিমেন্ট।

উৎস: ১৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
৭,৯৭৩.
দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) হিসেবে নিয়োগ পান -
  1. জাকারিয়া ফয়সাল
  2. এ এন এম হামিদুল্লাহ্‌
  3. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  4. বদিউল আলম মজুমদার
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপিত হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

• নতুন কমিশনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকছেন:
- সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তহমিদা আহমদ
- অবসরারপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: বিডিনিউজ২৪ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।

৭,৯৭৪.
ই-কমার্স কী?
  1. প্রেষণা দানের নতুন পদ্ধতি
  2. নতুন বাজারজাতকরণ পদ্ধতি
  3. পরিবহন ব্যবস্থা
  4. বাণিজ্যিক ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স:

- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
-  ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- বাজারজাতকারী এবং ক্রেতা ব্যাপকভাবে উপকৃত হচ্ছে।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।
- এ ডাটা ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান তথ্যের আদানপ্রদান করছে।
- ট্রান্সমিশনের কাজটি সম্পাদিত হয় সবার ব্যবহার উপযোগী উন্মুক্ত নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বই, কম্পিউটার ইত্যাদি দ্রব্য যা দৃশ্যমান তা বিক্রয়ের বিষয়টি সবার নজর কেড়েছে।

তথ্যসূত্র - ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
৭,৯৭৫.
UNFPA এর প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১৬ কোটি ৫৭ লাখ
  2. ১৬ কোটি ৮৭ লাখ
  3. ১৭ কোটি ৫৭ লাখ
  4. ১৭ কোটি ৮৭ লাখ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন- ২০২৫:
প্রতিবেদনের শিরোনাম: The pursuit of reproductive agency in a changing world.
প্রকাশকাল: জুন ২০২৫।
প্রকাশক: জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA).

প্রতিবেদন অনুযায়ী, 
- বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৫৭ লাখ,
- প্রজনন হার ২.১, এবং
- গড় আয়ু পুরুষ ৭৪ বছর, নারী ৭৭ বছর 

এছাড়া,
- কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা দুই-তৃতীয়াংশ (১১৫ মিলিয়ন)।
- জনসংখ্যার ৭ শতাংশ প্রায় ১.২ কোটি মানুষ ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন- ২০২৫।
৭,৯৭৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ কত গ্রাম?
  1. ক) ৪৫.২৮ গ্রাম
  2. খ) ৫২.৪২ গ্রাম
  3. গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
  4. ঘ) ৭২.৭৫ গ্রাম
ব্যাখ্যা
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম যা চাহিদার (৬০ গ্রাম) তুলনায় বেশি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
৭,৯৭৭.
জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন হয় কোন তারিখে?
  1. ৭ই মার্চ ২০২৩
  2. ৭ই মার্চ ২০২২
  3. ৭ই এপ্রিল ২০২১
  4. ৭ই এপ্রিল ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী:
- দেশে স্বাধীনতার পর ৩০০ আসনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ।
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল।
- ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেন।
- দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্ণ হয় ২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল। 
- সেই উপলক্ষে ২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন হয়।

উৎস: ৭ এপ্রিল, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৭,৯৭৮.
'একুশ দফা' নির্বাচনী ইশতেহার কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন কে?
  1. ক) এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) মওলানা হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্বান্ত হয়। 
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়। যথা- 
১। মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ
২। এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি
৩। মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি এবং 
৪। হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল ‘নৌকা’।
- পূর্ব বাংলার গণমানুষের আশা- আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে যুক্তফ্রন্ট প্রণীত একুশ দফা কর্মসূচির মূখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ
- আওয়ামী মুসলিম লীগের নির্বাচনী কর্মসূচির ৪২ দফা থেকে প্রধান প্রধান দাবি নিয়ে যুক্তফ্রন্টের একুশ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৯৭৯.
নিচের কোনটি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ?
  1. ক) জুলাই, ২০২১ - জুলাই, ২০২৫
  2. খ) জুলাই, ২০২১ - জুন, ২০২৫
  3. গ) জুন, ২০২১ - জুলাই, ২০২৫
  4. ঘ) জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন।
৭,৯৮০.
পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র' করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ সালের সংবিধান:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন দ্বারা নতুন রাষ্ট্র পরিচালিত হতে থাকে।
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এই গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে সংবিধান রচনার জন্য একটি মূলনীতি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান।
- ১৯৫৬ সালে এ সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র' করা হয়।
- এই সংবিধান চালু ছিল মাত্র দু বছর।
- ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করলে সংবিধান স্থগিত করা হয়।
- সংবিধান স্থগিত করার সাথে সাথে পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৮১.
বাংলাদেশে সার্বভৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা হিসেবে কোনটি বিবেচিত?
  1. ক) রাষ্ট্রপতির দপ্তর
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর
  3. গ) সুপ্রিম কোর্ট
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ

বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। বাংলাদেশ সংবিধানে এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়। সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে,


“ 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন-প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদের ওপর ন্যস্ত হবে।”


জাতীয় সংসদই সার্বভৌম আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। জাতীয় সংসদ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে থাকে। জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের আলোকেই একটি দেশের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়। কিন্তু ইহার ক্ষমতা শুধু আইন প্রণয়নের মাঝে সীমাবদ্ধ নয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৭,৯৮২.
'এলাহাবাদ চুক্তি' হয় কার কার মধ্যে?
  1. বাবর ও শের শাহ
  2. সিরাজউদ্দৌলা ও ক্লাইভ
  3. ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. ক্লাইভ ও মীর জাফর
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- ১৭৬৫ সালে ইংরেজ কোম্পানির বাংলার দেওয়ানি লাভের ফলে বাংলাদেশে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েছিল তাকে ঐতিহাসিকেরা দ্বৈত শাসনব্যবস্থা (Dual system of administration) বলে আখ্যায়িত করেছেন।
- ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি বলে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল ইংরেজরা।
- দিউয়ানি এবং নিয়ামত-এই দুটি শাসন কাজের ভাগাভাগিকে এক অর্থে দ্বৈত শাসন বলা যায়।
- রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর।
- অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।
- কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
⇒ বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন।
- ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- এদেশে এসেই তিনি মীর কাশিমের মিত্রশক্তি অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের প্রতি নজর দেন।
- বক্সার যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি পেয়ে অযোধ্যার নবাবের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন।
- তারপর তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি সনদ লাভ করে)।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৮৩.
ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. ব্যারিস্টার আব্দুর রসুল
  2. দাদাভাই নওরোজী
  3. ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র ব্যানার্জী
  4. সুরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
- ১৮৮৫ সালের ডিসেম্বরে কংগ্র্রেসের প্রথম অধিবেশন বসে মুম্বাইয়ে। এতে সভাপতিত্ব করেন বাঙালি ব্যারিস্টার উমেশচন্দ্র ব্যানার্জি।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস হলো সর্বভারতীয় প্রথম রাজনৈতিক সংগঠন।
- এটি ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা ইংরেজ সিভিলিয়ান অ্যালান অক্টোভিয়ান হিউম।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৯৮৪.
কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৯৮৫.
ব্যাংক রেট নির্ধারণ করে -
  1. ক) বাণিজ্যিক ব্যাংক
  2. খ) কৃষি ব্যাংক
  3. গ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. ঘ) বিশেষায়িত ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক:
- ব্যাংক রেট নিধারণ করে - কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক - বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ট্রেজারি বিল ইস্যু করে - সরকার (বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে)।
- ট্রেজারি বিল এক ধরনের স্বল্পমেয়াদি শর্তহীন সরকারি ঋণপত্র।
- ট্রেজারি বিল বিক্রি করে - বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশে ব্যাংক নোট - ৭ টি।
- সরকারি নোট - ৩টি।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে - অর্থ সচিবের।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৯৮৬.
BIDA- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Bangladesh International Development Authority
  2. খ) Bangladesh Investment Development Authority
  3. গ) Bangladesh Investment Development Access
  4. ঘ) Bangladesh Investment Developing Authority
ব্যাখ্যা
• BIDA:
- BIDA (Bangladesh Investment Development Authority) বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।
৭,৯৮৭.
নিচের কোন নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. কোচ
  2. ডোগরা
  3. চাক
  4. ডালু
ব্যাখ্যা

◉ ডোগরা একটি ইন্দো-আর্য নৃগোষ্ঠী, এরা প্রধানত ভারতের জম্মু, হিমাচল প্রদেশ ও পাঞ্জাব অঞ্চলে বসবাস করে। এরা বাংলাদেশে বাস করে না। 

অন্যদিকে: 
চাক:
চাক বাংলাদেশের একটি উপজাতি। বাংলাদেশের বান্দরবান, চট্টগ্রামের চাক পাহাড় ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের বসবাস রয়েছে। চকরা যে ভাষায় কথা বলে সেটি চাক ভাষা নামে পরিচিত। চাকদের ভাষায় 'চক' শব্দের অর্থ 'দাঁড়ানো'।

ডালু:
ডালু জাতি হচ্ছে বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র জাতির নাম। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও শেরপুরের নালিতাবাড়ি অঞ্চলে ডালু জাতির মানুষদের বাস। তাদের অনেকে মনে করেন মণিপুরিই হচ্ছে তাদের আসল ভাষা।

কোচ:
কোচ বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। বর্তমানে কোচ জাতির বিস্তৃতি আদিভূমি কোচবিহার ছড়িয়ে ময়মনসিংহ জেলায় তাদের আবাস গড়ে তোলে । বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী , নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

৭,৯৮৮.
পঞ্চম সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
পঞ্চম সংশোধনী:

- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।
- এই  সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭,৯৮৯.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা কবে চালু হয়?
  1. ৪ জানুয়ারি ১৯৯০
  2. ৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৯০
  3. ৩ মার্চ ১৯৯০
  4. ৪ জানুয়ারি ১৯৯১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (BTCL)।
- দেশব্যাপী সর্বাধুনিক টেলি সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে — ১৯৯০ সালের ৪ জানুয়ারি সর্বপ্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালু করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ।
৭,৯৯০.
আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?
  1. ৫ মার্চ
  2. ৬ মার্চ
  3. ৯ মার্চ
  4. ৮ মার্চ
ব্যাখ্যা

- আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় ৮ মার্চ। 
- ৮ মার্চ পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬।
- এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘আজকের পদক্ষেপ, আগামীর ন্যায়বিচার, সুরক্ষিত হোক নারী ও কন্যার অধিকার’।
- নারীর অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা শুধু আইনের বিষয় নয়, এটি একটি সামাজিক ও মানবিক দায়িত্ব—যা সব নাগরিকের জন্য সমানভাবে জরুরি।
- উত্তরাধিকার সম্পত্তিতে নারীর অধিকার, কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা, সমাজ ও পরিবারে সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং আইনের শাসন বাস্তবায়ন করা।
 
উৎস: প্রথম আল পত্রিকা।

৭,৯৯১.
কত সালে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে মানুষ ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাস্তায় নামলে শহীদ হন সালাম, রফিক, সফিক, বরকত, জব্বার প্রমুখ জাতির সূর্যসন্তান।
- কিন্তু আমরা সেদিনও বাংলা ভাষায় কথা বলার সাংবিধানিক অধিকার পাইনি। তবে সেদিন থেকেই বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে গিয়েছিল।
- তার দু’বছর পর ৭ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয় তারও দু’বছর পর ২৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৯৯২.
বাংলাদেশের মোট সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কত শতাংশ জুড়ে সুন্দরবনের অবস্থান?
  1. ৩৯%
  2. ৪৭%
  3. ৫১%
  4. ৫৭%
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত। 
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বনজ বৈচিত্রের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে সুন্দরী (Heritiera fomes), গেওয়া, গরান এবং কেওড়া।
- ঘাস ও গুল্মের মধ্যে শন, নল খাগড়া , গোলপাতা রয়েছে সুবিন্যস্তভাবে।
- বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
- এটি দেশের বনজ সম্পদের একক বৃহত্তম উৎস। 
- এই বন কাঠের উপর নির্ভরশীল শিল্পে কাঁচামাল জোগান দেয়। 
- এছাড়াও কাঠ, জ্বালানী ও মন্ডের মত প্রথাগত বনজ সম্পদের পাশাপাশি এ বন থেকে নিয়মিত আহরণ করা হয় ঘর ছাওয়ার পাতা, মধু, মৌচাকের মোম, মাছ, কাঁকড়া এবং শামুক-ঝিনুক। 
- বৃক্ষপূর্ণ সুন্দরবনের এই ভূমি একই সাথে প্রয়োজনীয় আবাসস্থল, পুষ্টি উৎপাদক, পানি বিশুদ্ধকারক, পলি সঞ্চয়কারী, ঝড় প্রতিরোধক, উপকূল স্থিতিকারী, শক্তি সম্পদের আধার এবং পর্যটন কেন্দ্র।
- বাংলাদেশের সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ৫১ শতাংশ জুড়ে সুন্দরবনের অবস্থান, বন থেকে আসা মোট আয়ে অবদান প্রায় ৪১ শতাংশ এবং কাঠ ও জ্বালানী উৎপাদনে অবদান প্রায় ৪৫ শতাংশ। 
- অনেকগুলি শিল্প (যেমন: নিউজপ্রিন্ট, দিয়াশলাই, হার্ডবোর্ড, নৌকা, আসবাবপত্র) সুন্দরবন থেকে আহরিত কাঁচামালের উপর নির্ভরশীল।

উৎস: খুলনা জেলার সরকারি ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৭,৯৯৩.
বাংলার প্রথম সেন রাজা কে?
  1. ক) সামন্ত সেন
  2. খ) বিজয় সেন
  3. গ) হেমন্ত সেন
  4. ঘ) বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা
- বাংলায় সেন রাজত্বের সূচনা হয় একাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে। সেনদের আদিনিবাস ছিলো দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটকে।
- সেনরা প্রথমে ছিলো ব্রাহ্মণ এবং পরবর্তীতে পেশা পরিবর্তন করে ক্ষত্রিয় হয়ে যায়। যার কারণে এরা ‘ব্রহ্মক্ষত্রিয়’ নামে পরিচিত।
- বাংলায় ‘সেন বংশের পত্তন’ করেন সামন্ত সেন। কিন্তু তিনি কোন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেননি। তাই তার পুত্র হেমন্ত সেনকে বাংলার ‘প্রথম সেন রাজা’ বিবেচনা করা হয়।
- বিজয় সেন ‘সর্বশ্রেষ্ঠ সেন রাজা’ হিসেবে বিবেচিত।
- ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলার সর্বশেষ সেন রাজা (১২০৪ সাল পর্যন্ত) লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- তবে বিক্রমপুরকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় প্রায় ১২৩০ সাল পর্যন্ত সেন শাসন বিরাজমান ছিলো। এ সময়ের সেন রাজাদের মধ্যে রয়েছে বিশ্বরূপ সেন ও কেশব সেন।
- সেন শাসনামলে হিন্দু সমাজে কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৯৯৪.
বর্তমানে দেশে কয়টি বিদেশি ব্যাংক রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৪]
  1. ৩টি
  2. ৬টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ব্যাংক খাত:

- বর্তমানে দেশে প্রধানত দুই শ্রেণির ব্যাংক রয়েছে।
- যথা:
১। তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

উল্লেখ্য,
⇒ বর্তমানে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬২টি।
- যথা:
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: ১টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

⇒ বিদেশি ব্যাংক:
১. ব্যাংক আল-ফালাহ্ লিমিটেড,
২. কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন,
৩. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড,
৪. সিটিব্যাংক এনএ,
৫. ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান,
৬. হংকং এন্ড সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন লিমিটেড (যুক্তরাজ্য),
৭. স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া,
৮. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক,
৯. উরি ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৭,৯৯৫.
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন। বর্তমানে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের নাম পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন হয়েছে। সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৯৯৬.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
  2. পরিকল্পনা কমিশন
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৯৯৭.
দেশের সর্বোচ্চ (৭১ ফুট) শহীদ মিনার কোনটি?
  1. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
  2. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার
  4. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনার:
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেয় সেই আত্মত্যাগী ভাষাশহীদদের কথা, যারা ভাষার জন্য বুকের তাজা রক্তে রঞ্জিত করেছেন রাজপথ। 
- শহীদ মিনারের উচ্চতা ৭১ ফুট, যা দেশের শহীদ মিনারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এ শহীদ মিনারের স্তম্ভের উচ্চতা ৭১ ফুট করা হয়েছে।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চের ব্যাস রাখা হয়েছে ৫২ ফুট যা ৫২-এর ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চে ব্যবহার করা হয়েছে ৮টি সিঁড়ি, যা দেশ বিভাগ থেকে শুরু করে আমাদের জাতীয় জীবনের স্বাধীনতা অভিমুখী নানা তাৎপর্যমন্ডিত ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা পর্যন্ত ৮টি ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রতীক।
- শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভটি তিনটি ভাগে বিভক্ত, যা প্রথমত বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি, দ্বিতীয়ত মাটি-মানুষ, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং তৃতীয়ত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক মুক্তি, গণতান্ত্রিক চেতনা প্রভৃতি বিষয়কে নির্দেশ করে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান শহীদ মিনারটির উদ্বোধন করেন।

উৎস: ২৭ অক্টোবর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক। 
৭,৯৯৮.
ঐতিহাসিক আগরতলা মামলায় কতজন আসামী ছিলেন?
  1. ক) ৩২জন
  2. খ) ৩৩জন
  3. গ) ৩৪জন
  4. ঘ) ৩৫জন
ব্যাখ্যা
- আইয়ুব-মোনায়েম চক্র ১৯৬৮ সালে পূর্ব-পাকিস্তানের কয়েকজন সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাকিস্তানের স্বার্থ বিরোধী এক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকার অভিযোগ আনে।
- প্রকৃতপক্ষে ছয় দফা আন্দোলনকে নস্যাৎ করাই ছিল এ মামলার মুখ্য উদ্দেশ্য।
- পাকিস্তানের সামরিক সরকার এটিকে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নাম দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবসহ মোট ৩৫ জনকে আসামি করে মামলা করে
- মামলায় বলা হয় আসামিরা ভারতের যোগসাজশে পূর্ব-পাকিস্তানকে পাকিস্তান রাষ্ট্র হতে বিচ্ছিন্ন করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টা করেছে।
- সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনকে দেশের শত্রু হিসেবে প্রমাণ করে চরম শাস্তি দিয়ে বাঙালির ছয় দফা ও স্বাধিকার আন্দোলন চিরদিনের মতো স্তব্ধ করে দেওয়া।
- কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে সামরিক সরকার মামলাটি প্রত্যাহার করে সকল বন্দিকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি। 
৭,৯৯৯.
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে কতটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছিলেন?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি দেশে ফিরে আসার পূর্বে ভুটান ও ভারত ছাড়া আর কোন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পায়নি।
- বঙ্গবন্ধু তাঁর রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মেধা দিয়ে উপলব্ধি করেছেন যে, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতিতে  ২ টি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে। যথা-
১। স্বীকৃতি আদায়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করা এবং 
২। দেশ পুনর্গঠনে বিদেশি সাহায্য-সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- স্বয়ং বঙ্গবন্ধু নবীন রাষ্ট্রটির পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারকের ভূমিকায় ছিলেন।
- তিনি পররাষ্ট্রনীতির দিক-নির্দেশনা দিতে গিয়ে বলেন, ‘ আমরা বাংলাদেশকে দক্ষিণ এশিয়ার সুইজারল্যান্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই'।
- ১৯৭২ সালের সংবিধানে পররাষ্ট্রনীতির রূপরেখায় বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-ভাবনার প্রতিফলন লক্ষ্য করা যায় যার মূল কথা হলো- শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে শত্রুতা নয়।
- বাংলাদেশ সবসময় সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ ও বর্ণবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের নিপীড়িত জনগণের পক্ষে থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,০০০.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ হামিদুর রহমান কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৩নং সেক্টর
  3. ৪নং সেক্টর 
  4. ৬নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান: 

• সিপাহী হামিদুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।
• সাতজন শ্রেষ্ঠ বীরদের অন্যতম বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।
• তিনি ৪ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
• জন্ম:  ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর গ্রামে।
• মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১ সাল।
• তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মাঝে সর্বকনিষ্ঠ।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।
• সমাধি: ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।