বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭৭ / ৩০৬ · ৭,৬০১৭,৭০০ / ৩০,৮৩২

৭,৬০১.
কোন সুলতানের আমলে ইবনে বতুতা ভারতে এসেছিলেন?
  1. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  2. মুহম্মদ বিন কাসেম
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন।
- তিনি সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনামলে ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে আসেন এবং দীর্ঘ প্রায় আট বছর কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন।
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনকালে বাংলায় সফর করেন।

⇒ ইবনে বতুতা তার 'আর রিহলা' গ্রন্থে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত (A Hell Full Of Good Things) ’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৬০২.
COP- এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Combined Opposition Party
  2. খ) Common Opposition Party
  3. গ) Community Opposed Party
  4. ঘ) Combined Opposition Part
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক জোট গঠিত হয় যা সম্মিলিত বিরোধী জোট +Combined Opposition Party) নামে পরিচিত। এ জোটের শরিক দল ছিল পাঁচটি।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৬০৩.
জুলাই ঘোষণাপত্রের কোন ধারায় শহীদদের ‘জাতীয় বীর’ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ২৩ নং ধারা
  2. ২৪ নং ধারা
  3. ২৫ নং ধারা
  4. ২৮ নং ধারা
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

অন্যদিকে, 
- ২৫ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসংগত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে। 
- ২৭ নং ধারা:  বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।
- ২৮ নং ধারা: ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

উৎস: প্রথম আলো।

৭,৬০৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ৩৯ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ফোর্স তিনটি হলো- জেড ফোর্স, এস ফোর্স এবং কে ফোর্স।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৬০৫.
ভাষাভাষীর জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা ভাষার অবস্থান কত?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
ব্যাখ্যা
ভাষার অবস্থান:

- ভাষাভাষীর জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।
- সারা পৃথিবীতে মোট ২৭ কোটির বেশি সংখ্যক মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে।
- ১ম অবস্থানে: ইংরেজী।
- ২য় অবস্থানে: মান্দারিন (চাইনিজ)।
- ৩য় অবস্থানে: হিন্দী।
- ৪র্থ অবস্থানে: স্প্যানিশ।
- ৫ম অবস্থানে: ফরাসি।
- ৬ষ্ঠ অবস্থানে: আরবী।
- ৮ম অবস্থানে: রাশিয়ান।
- ৯ম অবস্থানে: পর্তুগিজ।
- ১০ম অবস্থানে: উর্দু।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৭,৬০৬.
বার্ড প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
- BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত।।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।
(তথ্যসূত্রঃ বার্ড ওয়েবসাইট)
৭,৬০৭.
২০১৫ সালে 'world Food Prize' কে পেয়েছেন?
  1. ক) ফ্রাঙ্ক ভ্লটার স্টেইনমার
  2. খ) শাইখ সিরাজ
  3. গ) কেনেথ কুইন
  4. ঘ) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০ ডিসেম্বর ২০১৯ মারা যান। তিনি ১৯৭২ সালে ব্র্যাক এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ এনজিও। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের নাইটহুট উপাধি, ২০১৫ সালে 'বিশ্ব খাদ্য পুরস্কার' ও ২০১৯ সালে ইদান পুরস্কার লাভ করেন। (সূত্রঃ দৈনিক সমকাল এবং প্রথম আলো)

৭,৬০৮.
নিচের কোনটি সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস?
  1. আয় ও মুনাফা কর
  2. যানবাহন কর
  3. টোল ও লেভী
  4. সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
(১) কর রাজস্ব এবং
(২) কর বহির্ভূত রাজস্ব।

» কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

» সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎসগুলো হলো:

১। মুনাফা ও লভ্যাংশ – সরকারি শিল্প, কারখানা ও কোম্পানির মুনাফা ও লভ্যাংশ।
২। সুদ – সরকার প্রদত্ত ঋণ থেকে প্রাপ্ত সুদ।
৩। ফি – বিশেষ সুবিধা প্রদানের বিনিময়ে আদায়কৃত অর্থ, যেমন কোট ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি।
৪। জরিমানা – আইন-শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী বা অপরাধী থেকে আদায়।
৫। সরকারি সম্পত্তি – খাল, বিল, নদী, বন, সরকারি খাস জমি ইত্যাদি লীজ দিয়ে অর্জিত আয়।
৬। টোল ও লেভী – সেতু ও অন্যান্য সরকারি নির্মাণ থেকে আদায়।
৭। বাণিজ্যিক আয় – সরকারি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেমন রেল, ডাক ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে প্রাপ্ত আয়।
৮। বিশেষ কর – উন্নয়নমূলক কাজের কারণে জমির মূল্যবৃদ্ধি থেকে প্রাপ্ত আয়।
৯। বিবিধ আয় – ক্ষতিপূরণ, পুরস্কার, বৈদেশিক সাহায্য ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত আয়।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৬০৯.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিযোজিত?
  1. ক) BRRI
  2. খ) BADC
  3. গ) BCSIR
  4. ঘ) BINA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা BADC কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷ এটি বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে। BADC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় যার প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ BADC ওয়েবসাইট)
৭,৬১০.
পাল বংশের 'শেষ মুকুটমণি' বলা হয় কোন শাসককে?
  1. ধর্মপাল
  2. দেবপাল 
  3. রামপাল
  4. গোপাল
ব্যাখ্যা

রামপাল:
- রামপালকে পালবংশের শেষ 'মুকুটমণি' বলা হয়।
- দ্বিতীয় শূরপালের পর রামপাল পাল বংশের রাজা হন।
- লিপি প্রমাণে বলা যায় তিনি ৪২ বছর  রাজত্ব করেন।
- তিনি আনুমানিক ১০৮২-১১২৪ খ্রি পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- প্রথম দিকে তাঁর রাজ্য বিহার ও পশ্চিম বাংলার অংশবিশেষে সীমাবদ্ধ ছিল।
- অগ্রজ দুই ভ্রাতার পর রামপাল বেশ প্রৌঢ় অবস্থায় সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তাঁর রাজত্বকাল ছিল নিঃসন্দেহে সাফল্যপূর্ণ।
- সীমিত সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়েও উত্তর বাংলাকে পাল সাম্রাজ্যভুক্ত করে।
- তাঁর মৃত্যুর পর এই সাম্রাজ্য দ্রুত গতিতে বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালের প্রধান ঘটনা ছিল উত্তর বাংলার সামন্ত বিদ্রোহ।
- 'রামচরিত' কাব্যে এই বিদ্রোহ ও বিদ্রোহোত্তর ঘটনাবলীর পাওয়া যায়।
- গোপালের উত্থানের মধ্যে দিয়ে পাল রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পাল রাজবংশ প্রায় ৪শ বছর স্থায়ী ছিল।

উৎস: ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৬১১.
“সব কটা জানালা খুলে দাও না” -গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গোবিন্দ হালদার
  2. খ) নজরুল ইসলাম বাবু
  3. গ) গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার
  4. ঘ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা
“সব কটা জানালা খুলে দাও না” -গানটির গীতিকার নজরুল ইসলাম বাবু।
তার রচিত অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
-‘একটি বাংলাদেশ তুমি জাগ্রত জনতার’
- ‘আমায় গেঁথে দাও না মাগো একটা পলাশ ফুলের মালা’
- ‘ও আমার আট কোটি ফুল দেইখো গো মালি’ প্রভৃতি।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৭,৬১২.
কৃষিতে 'রূপালী' ও 'ডেলফোজ' কীসের নাম?
  1. তামাক
  2. ভুট্টা
  3. তুলা
  4. গম
ব্যাখ্যা

- 'রূপালী' ও 'ডেলফোজ' হল উন্নত জাতের তুলা।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত তুলার উন্নত জাতগুলোর মধ্যে সিবি-১০, রূপালী ও ডেলফোজ উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
→ ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড-১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব।
→ তামাক: সুমাত্রা, ম্যানিলা।
→ ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ।
→ আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি।
→ টমেটো: বাহার, মানিক, অপূর্ব, মিন্টো।
→ গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, শতাব্দী। 

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

৭,৬১৩.
পাখি ব্যতীত দোয়েল কিসের নাম?
  1. ভুট্টার একটি জাত
  2. গমের একটি জাত
  3. ধানের একটি জাত
  4. সরিষার একটি জাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৭,৬১৪.
Who became the first martyr in our liberation war among the seven Bir Sreshtho?
  1. Noor Mohammad Sheikh
  2. Mohammad Ruhul Amin
  3. Muhammad Mustafa Kamal
  4. Mohiuddin Jahangir
  5. Munshi Abdur Rouf
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ হন ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

বীরশ্রেষ্ঠ:
- বীরশ্রেষ্ঠ বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার। 
- যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে।
 
১। ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর,
- সেক্টর: ৭ নং,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।
 
২। সিপাহী হামিদুর রহমান,
- সেক্টর: ৪ নং,
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
 
৩। সিপাহী মোস্তফা কামাল,
- সেক্টর: ২ নং,
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
- সমাধি স্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।
 
৪। মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- সেক্টর: ১০ নং,
- মৃত্যু: ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।
 
৫। ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান,
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী,
- মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।
 
৬। ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ,
- সেক্টর: ১ নং,
- মৃত্যু: ৮ এপ্রিল, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ১ম শহীদ)।
- সমাধিস্থল: রাঙামাটি শহরের রিজার্ভ বাজারে কেন্দ্রিয় শহীদ মিনারের পাশে। 
 
৭। নূর মোহাম্মদ শেখ,
- সেক্টর: ৮ নং,
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।
 
উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৭,৬১৫.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির বয়স কমপক্ষে কত বছর হতে হবে?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।

- ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

- ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

- ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৬১৬.
'উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এই ঘোষণাটি দিয়েছিলেন -
  1. ক) ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে
  2. খ) ১৯৪৭ সালের এপ্রিল মাসে
  3. গ) ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালের এপ্রিল মাসে
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ছাত্র-শিক্ষকদের সমাবেশে পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন- 'পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু'। উপস্থিত ছাত্ররা ‘না না না -- ধ্বনিতে এর প্রতিবাদ জানায়।
দেশের শিক্ষাবিদ-সাহিত্যিক ও বুদ্ধিজীবী এবং অধিকাংশ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে অবস্থান নেন।

• পাকিস্তান গণপরিষদে বাঙালি সদস্য একাত্তরের শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত রাষ্ট্রভাষা বাংলার পক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এ প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন। দুঃখের বিষয় মুসলিম লীগের অনেক বাঙালি সদস্যও এই বিরোধিতায় যোগ দিয়েছিলেন।
অথচ বাংলা পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হওয়া ছিল যুক্তিযুক্ত। পাকিস্তানের তৎকালীন মোট জনসংখ্যা ছিল ৬ কোটি ৯০ লক্ষ। এর মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লক্ষ বাঙালি। বাকি আড়াই কোটি মানুষের মাতৃভাষাও উর্দু ছিল না।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি।
৭,৬১৭.
আদিনা মসজিদ কে নির্মাণ করেন?
  1. সিকান্দার শাহ
  2. সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  3. খান জাহান আলী
  4. শের শাহ সুরি
ব্যাখ্যা

আদিনা মসজিদ:
- আদিনা মসজিদ  পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হযরত পান্ডুয়া বা ফিরুজাবাদে অবস্থিত।
- এর পেছনের দেয়ালে প্রাপ্ত একটি শিলালিপি অনুসারে এটি ১৩৭৩ খ্রিস্টাব্দে ইলিয়াস শাহের পুত্র সিকান্দর শাহ কর্তৃক নির্মিত। 
- সিকান্দর শাহের মতো সুলতানের পক্ষে, যিনি ১৩৬৯ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে আরব ও পারস্যের সুলতানদের মধ্যে যোগ্যতম এবং পরে ‘বিশ্বাসীদের খলিফা’ বলে ঘোষণা করেছিলেন, এ ধরনের একটি মসজিদ নির্মাণ ছিল তাঁর সম্পদ ও প্রতিপত্তির স্বাভাবিক বহিঃপ্রকাশ। 

⇒ সিকান্দর শাহ:
- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন। 
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- তাঁর সময় তৈরি 'আদিনা মসজিদ' মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭,৬১৮.
বর্তমানে দেশে ভোটাধিকার পাওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ১৪ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা

ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স:
- বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগ 'নির্বাচন' অংশে প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের কথা বলা আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর হতে হবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২(১) ও (২) অনুযায়ী ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
- প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হওয়ার অধিকারী হবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭,৬১৯.
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. চট্টগ্রাম সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:

- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
৭,৬২০.
নিচের কোনটি রবি শস্য-
  1. ক) মিষ্টি কুমড়া
  2. খ) ফুলকপি
  3. গ) পটল
  4. ঘ) করলা
ব্যাখ্যা
ফসলের উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
রবি মৌসুম এবং খরিপ মৌসুম।
সাধারণত রবি শস্য শীতকালে রোপন করে শীতকালে কিংবা গ্রীষ্মকালের শুরুর দিকে উত্তোলন করা হয়। কতিপয় রবি মৌসুমের শস্যের নাম- ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, বোরোধান, গম, আলু এবং সরিষা।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৬২১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, নিম্নের কোন খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্যাপটিভ
  2. শিল্পখাতে
  3. গৃহস্থালির কাজে
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গ্যাসক্ষেত্র:

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%) [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়]।
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]। 
- ক্যাপটিভ: ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]।
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট (১১.০০%)।

⇒ জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এছাড়া,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭,৬২২.
স্বাধীন বাংলাদেশে কয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৪ টি
  2. ৭ টি
  3. ৮ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন  ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়।
- যা 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৭,৬২৩.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (বিএসটিআই)
  2. পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
  3. বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)
  4. ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
ব্যাখ্যা
পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি): 
- পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষায়িত সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশের মেধাসম্পদ বিষয়ক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন ২০২২, পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন ১৯১১ এবং পেটেন্ট ও ডিজাইন বিধিমালা ১৯৩৩ মোতাবেক পেটেন্ট মঞ্জুর ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন নিবন্ধন করা হয়।
- ট্রেডমার্ক আইন ২০০৯ (ট্রেডমার্ক সংশোধনী আইন ২০১৫) ও ট্রেডমার্ক বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক ট্রেডমার্ক ও সার্ভিস মার্ক নিবন্ধন করা হয়।
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন ২০১৩ ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) বিধিমালা ২০১৫ মোতাবেক ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের নিবন্ধন করা হয়।
- মেধাসম্পদের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় শতবর্ষী পেটেন্ট ও ডিজাইন আইন, ১৯১১ এর পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি): 
- বিএবি জাতীয় মান অবকাঠামো (Quality Infrastructure) উন্নয়নের মাধ্যমে দেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন, ভোক্তার অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহায়তা এবং ব্যবসা বাণিজ্যের সম্প্রসারণ তথা দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করে আসছে।
- বিএবি ২০১২ সালে প্রথম অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করে এবং ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সাল পর্যন্ত দেশীয় ও বহুজাতিক মোট ১৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে অ্যাক্রেডিটেশন প্রদান করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৭,৬২৪.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের বর্তমান সাক্ষরতার হার -
  1. ক) ৭৫.২%
  2. খ) ৭৫.৬%
  3. গ) ৭৫.৩%
  4. ঘ) ৭৫.৭%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশের বর্তমান সাক্ষরতার হার - ৭৫.৬%।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে সাক্ষরতার হার (৭+ বয়সে) - ৭৫.২%।
৭,৬২৫.
প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মান করেন কে?
  1. মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. আবদুস সামাদ
ব্যাখ্যা
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
৭,৬২৬.
'Banker to the poor' নিম্নের কোন ব্যক্তির আত্মজীবনী?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. রেহমান সোবহান
  3. রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. মাহবুব আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
Banker to the Poor:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের একটি আত্মজীবনী 'Banker to the Poor'।
- এই বইটি তার মাইক্রোক্রেডিট অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি।

উৎস: i) Rokomari.com
ii) Banker to the Poor.
৭,৬২৭.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'যমুনা' -
  1. উন্নত জাতের ধান
  2. উন্নত জাতের আলু
  3. উন্নত জাতের টমেটো
  4. উন্নত জাতের মরিচ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭,৬২৮.
বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত কোন মূল জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভূক্ত?
  1. ক) অস্ট্রোলয়েড
  2. খ) নেগ্রিড
  3. গ) মঙ্গোলয়েড
  4. ঘ) ভোটচীনীয়
ব্যাখ্যা
অস্ট্রোলয়েডঃ
- অস্ট্রোলয়েড  প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী। নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে  মনে করেন। এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়।
- প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত। পন্ডিতদের মতে, অস্ট্রোলয়েডদের আদি বাসস্থান মধ্য ভারত থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারত এবং সিংহল থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কাল পরিক্রমায় তাদের একটি দল আদি বাসস্থান ত্যাগ করে বাংলায় অভিবাসন করে। 

অতএব প্রদত্ত প্রশ্নের এটিই সঠিক উত্তর।

এছাড়াও,
-  নেগ্রিটো: প্রস্তরযুগে প্রাচীন ভারতের আদিম মানুষ। বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তীতে আসে নেগ্রিটো জনগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।
- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো- অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয়।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া
৭,৬২৯.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে এগারো দফা প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এগারো দফা দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার আপামর জনসাধারণের সমর্থন লাভ করেছিলো।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৬৩০.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক:
  1. ৫ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯ টি
  4. ১০ টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত।
- এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি।
- স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে।

এর পর্যায় গুলো হলো:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৭,৬৩১.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ৩৪ জন
  2. ৩০ জন
  3. ২৯ জন
  4. ৩২ জন
ব্যাখ্যা

• গণপরিষদ:
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
- সংবিধান গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৬৩২.
সংবিধানের রক্ষক ও অভিভাবক বলা হয় কাকে?
  1. আইন বিভাগকে
  2. বিচার বিভাগকে
  3. রাষ্ট্রপ্রধানকে
  4. শাসন বিভাগকে 
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা:
 → বিচার বিভাগের অন্যতম কাজ হল সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়া।
 → এজন্য সংবিধানের রক্ষক ও অভিভাবক বলা হয় বিচার বিভাগকে।
 → সংবিধান রক্ষার মাধ্যমে জনগণের অধিকার নিশ্চিত হয় এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৬৩৩.
জুলাই অভ্যুত্থানে আবু সাঈদ শহিদ হয় কবে?
  1. ১৮ জুলাই, ২০২৪ সালে
  2. ১৬ জুলাই, ২০২৪ সালে
  3. ১৪ জুলাই, ২০২৪ সালে
  4. ১২ জুলাই, ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
জুলাই অভ্যুত্থান:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাইদ।
- ১৬ জুলাই ২০২৪ সালে তিনি শহিদ হন।
- আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
- তার বাবা-মা , মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগম।
- আবু সাইদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।

উৎস: প্রথম আলো।
৭,৬৩৪.
সরকারি গেজেট অনুযায়ী জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা কতজন?
  1. ৮৩২ জন 
  2. ৮৩৪ জন
  3. ৮৩৬ জন
  4. ৮৪৪ জন
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি গেজেটভুক্ত শহীদ:
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের গেজেট অনুসারে, জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬।

⇒ "জুলাই যোদ্ধা" অর্থ জুলাই গণ অভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে আহত ছাত্র-জনতা।
- এছাড়া "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ" অর্থ "তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি।"

উল্লেখ্য,
- ৮৩৪ জনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে সেখানে যুক্ত করা হয় আরও ১০ জনের নাম।
- গত ৩০শে জুন, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন।
- তবে সরাসরি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত না থাকা এবং চারজনের নাম গেজেটে দুইবার উল্লেখ থাকায় গত ৩রা অগাস্ট, ২০২৫ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা থেকে আটজনের নাম বাতিল করে।
- মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

এছাড়াও,
- জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে  ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জনের নাম শহীদ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। 
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৭ জনই গুলিবিদ্ধ হন নিজ বাসার বারান্দা ও ছাদে। ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সড়কে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা। 

তথ্যসূত্র:
i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বিবিসি।
iii) প্রথম আলো।

৭,৬৩৫.
সম্প্রতি কোন দেশ, বাংলাদেশ থেকে সেনা সদস্য নেওয়ার ঘোষণা দেয়? [জুন, ২০২৫]
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. বাহরাইন
  3. কাতার
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
• কাতার বাংলাদেশ থেকে ৭২৫ জন সেনাসদস্য নেবে।
- আগামী দুই মাসের মধ্যে তাঁদের নেওয়া শুরু হবে।
- দেশটিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে এই সেনাসদস্যদের নেওয়া হবে।
- পারস্য উপসাগরীয় দেশ কাতার বাংলাদেশ থেকে সেনা সদস্য নেবে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।
- গালফ যুদ্ধের সময় থেকেই কুয়েতে বাংলাদেশের সেনা সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৭,৬৩৬.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ২য় দাবি ছিলো কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
  3. মার্শাল ল প্রত্যাহার
  4. জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে।
- মার্শাল ল প্রত্যাহার বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের প্রথম দাবি ছিলো।

• ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয় -
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

অন্যদিকে:
- ২১ দফা দাবির প্রথম দফা: বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা
- ৬ দফা দাবির প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৬৩৭.
দুর্নীতি দমন কমিশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৮ নভেম্বর, ২০০৩
  2. ২১ নভেম্বর, ২০০৩
  3. ২৩ নভেম্বর, ২০০৩
  4. ২১ নভেম্বর, ২০০৪
  5. ২৩ নভেম্বর, ২০০৪
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- ২১ নভেম্বর, ২০০৪ তারিখে বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- রুপকল্প: সমাজের সর্বস্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা। 
-  লক্ষ্য: অব্যাহতভাবে দুর্নীতির দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ সাধন করা।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৭,৬৩৮.
আইন প্রণয়ন এর ক্ষমতা -
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. স্পীকারের
  4. জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- পঞ্চম ভাগ,
- আইনসভা,
- ২য় পরিচ্ছেদ,
- আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি,
- আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি,
৮০।
(১) আইনপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হইবে।
(২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতির নিকট কোন বিল পেশ করিবার পর পনর দিনের মধ্যে তিনি তাহাতে সম্মতিদান করিবেন কিংবা অর্থবিল ব্যতীত অন্য কোন বিলের ক্ষেত্রে বিলটি বা তাহার কোন বিশেষ বিধান পুনর্বিবেচনার কিংবা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্দেশিত কোন সংশোধনী বিবেচনার অনুরোধ জ্ঞাপন করিয়া একটি বার্তাসহ তিনি বিলটি সংসদে ফেরত দিতে পারিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৪) রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি অনুরূপভাবে সংসদে ফেরত পাঠান, তাহা হইলে সংসদ রাষ্টপতির বার্তাসহ তাহা পুনর্বিবেচনা করিবেন; এবং সংশোধনীসহ বা সংশোধনী ব্যতিরেকে সংসদ পুনরায় বিলটি গ্রহণ করিলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে এবং অনুরূপ উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন; এবং রাষ্ট্রপতি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলটিতে রাষ্ট্রপতি সম্মতিদান করিলে বা তিনি সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইলে তাহা আইনে পরিণত হইবে এবং সংসদের আইন বলিয়া অভিহিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৬৩৯.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব -
  1. ক) বীরপ্রতীক
  2. খ) বীরশ্রেষ্ঠ
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর উত্তম
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক। 
 
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
৭,৬৪০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কোন সেক্টরের কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
  1. ১০নং
  2. ৯নং
  3. ১১নং
  4. ৮নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিল ১০ নং সেক্টরের অধীনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৪১.
'মূল্য সংযোজন কর' চালু হয় কোন অর্থবছর থেকে?
  1. ক) ১৯৯০-১৯৯১
  2. খ) ১৯৯২-১৯৯৩
  3. গ) ১৯৯১-১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৩-১৯৯৪
ব্যাখ্যা
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর। 
- বাংলাদেশে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থবছরে অর্থাৎ ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- এখান থেকেই বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র;- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭,৬৪২.
যমুনা কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. তামাক
  3. ভুট্টা
  4. মরিচ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা: উন্নত জাতের ধানের নাম।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ: উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭,৬৪৩.
কয়টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়?
  1. ৬ টি
  2. ৫ টি
  3. ৪ টি
  4. ৩টি  
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
- যুক্তফ্রণ্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্ট চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি  দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র।
৭,৬৪৪.
সামগ্রিকভাবে সরকারের কয়টি বিভাগ রয়েছে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা

সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের যন্ত্রস্বরূপ। সরকার বলতে আমরা বুঝি - আইন পরিষদ, রাজনৈতিক দল, মন্ত্রিপরিষদ, শাসনকর্তা, আদালত ও পুলিশ।
সামগ্রিকভাবে সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে, যথা:
১. নির্বাহী বা শাসন বিভাগ,
২. আইন বিভাগ ও
৩. বিচার বিভাগ।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

৭,৬৪৫.
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) জামালপুর
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) টাঙ্গাইল
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৯২ সালে স্থাপিত হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৬১ লক্ষ মেট্রিক টন।
- এটিতে দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে চালু কারখানা ৬টি।

(তথ্যসূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৭,৬৪৬.
বাংলাদেশে কোন নদী প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত?
  1. হালদা নদী
  2. ইছামতী
  3. অড়িয়াল খাঁ
  4. সুরমা
ব্যাখ্যা

• হালদা নদী: 
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম জেলার একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড়ি এলাকা থেকে উৎসারিত হয়ে ফটিকছড়ি উপজেলার উত্তরপূর্ব কোণ দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে। 
- বাংলাদেশে প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষিত- হালদা নদী। 
- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউসের মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।  
- হালদার প্রধান উপনদী ধুরুং খুবই খরস্রোতা।

তথ্যসূত্র: হাটহাজারী উপজেলা।

৭,৬৪৭.
রাখাইন জনগোষ্ঠী প্রধানত কোথায় বসবাস করে?
  1. কক্সবাজার, পটুয়াখালী, বরগুনা
  2. সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা
  3. রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট
  4. খুলনা, যশোর, মাগুরা
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর নাম। 
- এরা মগ নামেও পরিচিত।
- আঠারো শতকের শেষে এরা আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়।
- এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু রখাইন বসতি দেখা যায়। 
- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।
- রাখাইন শব্দটির উৎস পলি ভাষা। 
- ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে, ১৭৮৪ সালে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে রাখাইনদের আগমন ঘটে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

৭,৬৪৮.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়? [মে, ২০২৫]
  1. সেবা খাত
  2. শিল্প খাত
  3. কৃষি খাত
  4. পরিবহন খাত 
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇔ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষি খাতে সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয় এবং সবচেয়ে কম কর্মসংস্থান হয় শিল্পখাতে। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭,৬৪৯.
গাজাগামী 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' অংশগ্রহণকারী শহিদুল আলম পেশায় একজন -
  1. চিকিৎসক
  2. রাজনীতিবিদ
  3. চলচ্চিত্র নির্মাতা
  4. আলোকচিত্রী
ব্যাখ্যা

শহিদুল আলম:
- গাজাগামী 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' অংশগ্রহণকারী শহিদুল আলম পেশায় একজন আলোকচিত্রী। 

⇒ গাজায় ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ ভাঙার বৃহত্তর নৌ-সাহায্য মিশনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা'। 
- এই ফ্লোটিলায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহর যাত্রা শুরু করেছিল গাজার ১৭ বছরের অবরোধ ভাঙতে খাদ্য, ওষুধ আর শিশুদের খেলনা নিয়ে। 
- এর যাত্রীদের মধ্যে আছেন সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও সাংবাদিকেরা।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ কোয়ালিশনের অংশ, যা ২০০৮ সাল থেকে গাজার অবরোধ ভাঙার জন্য লড়ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৭,৬৫০.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১৩টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালে ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে এবং ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৫১.
উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর কে ছিলেন?
  1. রমেশচন্দ্র মজুমদার
  2. স্যার এ. এফ. রহমান
  3. আমিনুল ইসলাম
  4. মোয়াজ্জেম হোসেন
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:

- ১৯২১ সালের ১ জুলাই পূর্ববঙ্গের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নাথান কমিশন গঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোনো স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় নি। রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে একটি সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে ভারত সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করা হলে বঙ্গভঙ্গ রদের রাজকীয় ক্ষতিপুরণ হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন - স্যার পি জে হার্টজ।
- উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন - স্যার এ. এফ. রহমান।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূর্ণ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৫২.
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কি নামে পরিচিত?
  1. কুষ্টিয়া গ্রেড
  2. চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
  3. ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. মেহেরপুর গ্রেড
ব্যাখ্যা
◉ বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল‍্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল:

- বাংলাদেশের স্থানীয় জাতের কালো ছাগল বা ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটকে অন্যতম সেরা জাতের ছাগল বলা হয়।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মাংস এবং চামড়ার জন্য বিখ্যাত।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিষ্কার, শুষ্ক এবং উঁচু জায়গায় থাকতে পছন্দ করে।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।
- বিশ্ববাজারে এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাংসের স্বাদ অন্যসকল জাতের তুলনায় ভাল।
- তাই বিশ্ববাজারে এর চাহিদা অনেক।
- বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের চামড়াজাত পণ্য তৈরির জন্য ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া ব্যবহার করে।
- ২০০৭ সালে এফএও বিশ্বের ১০০টি জাতের ছাগলের ওপরে গবেষণা চালিয়ে 'ব্ল্যাক বেঙ্গল'কে বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জেনোম সিকোয়েন্সিং বা পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের একটি দল।
- ২০২৪ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: ১৮ নভেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
৭,৬৫৩.
'গণহত্যা যাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- দেশের একমাত্র গণহত্যা জাদুঘর খুলনা জেলায় অবস্থিত।
- ২০১৪ সালের ১৭ মে বেসরকারি উদ্যোগে এই জাদুঘরটি যাত্রা শুরু করে।
- পরবর্তীতে সরকার বিষয়টির গুরুত্ব অনুধাবন করে জাদুঘর ট্রাস্টকে খুলনা শহরের সাউথ সেন্ট্রাল রোডে একখণ্ড জমি প্রদান করে।
- সেই জমিতে বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের অধীনে ছয়তলা বিশিষ্ট নতুন জাদুঘর ভবন নির্মিত হচ্ছে। ২০২২ সালের মধ্যে ভবনটির নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার কথা।
- বর্তমানে জাদুঘরের কাজ পরিচালিত হচ্ছে নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার ৬ নম্বর রোডের ৪২৪ নম্বর বাড়িতে।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিবেদন।)
৭,৬৫৪.
উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান কতজন?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ১ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
• উপজেলা পরিষদ:
- উপজেলা পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও স্বায়ত্তশাসনের অধিকার নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলায় মোট ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে।

• ইতিহাস ও আইনগত ভিত্তি:
- উপজেলা ব্যবস্থা প্রথম চালু হয়: ১৯৮২ সালে
- স্থায়িত্ব না পাওয়ায় পরবর্তীতে এটি বিলুপ্ত হয়।
- পুনরায় প্রবর্তনের জন্য: উপজেলা পরিষদ (রহিত আইন পুনঃপ্রচলন ও সংশোধন) আইন, ২০০৯ পাশ হয় (তারিখ: ৬ এপ্রিল ২০০৯)

• উপজেলা পরিষদের গঠন:
- আইন অনুযায়ী উপজেলা পরিষদ নিম্নোক্ত সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়:
- চেয়ারম্যান – সরাসরি নির্বাচিত
- ২ জন ভাইস চেয়ারম্যান – একজন পুরুষ ও একজন নারী, সরাসরি নির্বাচিত।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকল চেয়ারম্যান
- পৌরসভার মেয়র (যদি উপজেলা এলাকায় পৌরসভা থাকে)
- সংরক্ষিত নারী সদস্যগণ – ইউনিয়ন ও পৌরসভার নারী প্রতিনিধিদের মধ্য থেকে নির্বাচিত

- নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন:
- ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার মোট সদস্য সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- সংশ্লিষ্ট নারী সদস্য বা কাউন্সিলরগণ নিজেদের মধ্য থেকে এসব আসনে নির্বাচন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৬৫৫.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ম্যাগনাকার্টা
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মুখ্য আইন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে মুক্তির জন্য ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
- এ কর্মসূচিকে বাংলার জনগণ ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গ্রহণ করে। স্বয়ং বঙ্গবন্ধু এ ছয় দফাকে পূর্ব পাকিস্তানের 'বাঁচার দাবি' বলে অভিহিত করেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৬৫৬.
কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনের নেতা কে?
  1. হাজী মোহাম্মদ মুহসীন
  2. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  3. হাজী শরিয়তউল্লাহ
  4. এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন
- তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন। 
- ১৯৪০-৫০ সময়ে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- আন্দোলনটি নিশ্চিতভাবেই পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ প্রণয়নে প্রভাব বিস্তার করেছিল। 

- এই আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার কৃষকসভার কমিউনিস্ট কর্মীরা। হাজী মোহাম্মদ দানেশ তেভাগা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন। 
- কৃষকদের নিকট তিনি রানী মা হিসেবে পরিচিতি পান।
- কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন অমল সেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৫৭.
দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র -
  1. ক) বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. খ) পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. গ) চুনাপুটিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. ঘ) ঘোনাইগাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• প্রথম কয়লা বিদ্যুতকেন্দ্র:
- দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুতকেন্দ্র - বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- বর্তমানে ২টি ইউ্নিটের মাধ্যমে ৪৫০মে: ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হচ্ছে।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি  দিনাজপুর জেলা শহর হইতে প্রায় ৫০ কিঃ মিঃ পূর্বে, পার্বতীপুর উপজেলা হইতে ১৬ কিঃ মিঃ দক্ষিণে এবং ফুলবাড়ী উপজেলা হইতে ৭ কিঃ মিঃ উত্তরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলার ওয়েবসাইট।
৭,৬৫৮.
কোন নদীতে বাঁধ দিয়ে জলবিদ্যুৎ তৈরি করা হয়?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী নদী:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি প্রধান নদী।
- এটি ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়ে শুরু হয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রামের পতেঙ্গার কাছে বঙ্গোপসাগরে মিলিত হয়েছে।
- এই নদীর মোহনাতে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
- এই নদীর দৈর্ঘ্য ৩২০ কিলোমিটার।
- এটি চট্টগ্রাম ও রাঙামাটির প্রধান নদী।
- এটি বাংলাদেশের খরস্রোতা নদী। 
- প্রধান উপনদী হলো কাসালং, হালদা, বোয়ালখালী।
- এর কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৬৫৯.
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র-
  1. ক) Agriculture Information and Communication Centre
  2. খ) Post Harvest Management
  3. গ) Agriculture Information and Communication Council
  4. ঘ) Post-Entry Quarantine Centre
ব্যাখ্যা
- ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র - Agriculture Information and Communication Centre (AICC)।
- আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষার জন্য Post-Entry Quarantine Centre স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
- শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানোর জন্য - ‘Post Harvest Management’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৭,৬৬০.
জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয় কবে?
  1. ১ আগস্ট, ২০২৫
  2. ২ আগস্ট, ২০২৫
  3. ৩ আগস্ট, ২০২৫
  4. ৫ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর গুরুত্বপূর্ণ ২৮টি দফার সারাংশ:
১. ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা ও গণপ্রতিরোধের ইতিহাস।
২. জাতীয় মুক্তির মূলনীতি - সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার।
৩. ১৯৭২ সালের সংবিধানের দুর্বলতা ও রাজনৈতিক ব্যর্থতা।
৪. বাকশাল ও একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে ৭ নভেম্বর বিপ্লব।
৫. সামরিক স্বৈরতন্ত্রবিরোধী ৯০’র গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব।
৬. ১/১১ ষড়যন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হওয়া।
৭. বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের চিত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার।
৮. গণহত্যা, গুম-খুন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং প্রতিষ্ঠান ধ্বংস।
৯. বাংলাদেশকে ব্যর্থ ও মাফিয়া রাষ্ট্রে রূপান্তরের অভিযোগ।
১০. দুর্নীতি, ব্যাংক লুট ও পরিবেশবিনাশের চিত্র তুলে ধরা।
১১. জনগণের ওপর দীর্ঘ দমনপীড়নের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম।
১২. বিদেশী আধিপত্যবিরোধী আন্দোলন দমন ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন।
১৩. তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে ভোটাধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা।
১৪. বৈষম্যমূলক নিয়োগ নীতি ও তরুণদের প্রতি নিপীড়নের অভিযোগ।
১৫. নিপীড়নের ফলে জনরোষ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের উত্থান।
১৬. কোটা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনের ওপর বর্বরতা।
১৭. নারী-শিশুসহ এক হাজারের বেশি মানুষ হত্যার অভিযোগ।
১৮. ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের প্রেক্ষাপট।
১৯. গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা।
২০. ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আইনি ভিত্তি।
২১. ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ।
২২. সুশাসন, আইনের শাসন ও সাংবিধানিক সংস্কারে জনগণের প্রতিশ্রুতি।
২৩. গুম-খুন, গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের ঘোষণা।
২৪. আন্দোলনকারীদের সুরক্ষা ও শহীদদের জাতীয় বীর ঘোষণা।
২৫. একটি অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ।
২৬. জলবায়ু ও পরিবেশসহ টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।
২৭. ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান।
২৮. এই ঘোষণাপত্রকে গণঅভ্যুত্থান বিজয়ের চূড়ান্ত দলিল হিসেবে ঘোষণা।

তথ্যসূত্র- জুলাই ঘোষণাপত্র।

৭,৬৬১.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে নিম্নের কোনটি পরিলক্ষিত হয় না?
  1. ধানের শীষ
  2. শাপলা
  3. পান পাতা
  4. তারকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

⇒ জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

⇒ এই জাতীয় প্রতীক কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারেন না।
- শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৬৬২.
চাকমাদের গ্রাম প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. রোয়াজা
  2. কারবারি
  3. হেডম্যান
  4. মাঞ্চঝি
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- বাংলাদেশের প্রধান উপজাতি চাকমা।
- চাকমারা নিজেদের কে চাঙামা বলে।
- আদি অবস্থান: চম্পকনগর।
- মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠী।
- চাকমা সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- চাকমা সমাজের প্রধান চাকমা রাজা।
- চাকমা গ্রাম প্রধানের নাম কারবারি।
- চাকমা মৌজা প্রধানের নাম হেডম্যান।
- চাকমাদের  ধর্ম বৌদ্ধ।
- বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বিজু বলে।

উল্লেখ্য,
- সাঁওতালদের গ্রাম প্রধানকে মাঞ্চঝি  বলা হয়।
- মারমাদের গ্রাম প্রধানকে রোয়াজা বলা হয়।

উৎস: ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
৭,৬৬৩.
গারো নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো কোনটি?
  1. পিতৃতান্ত্রিক
  2. সমাজতান্ত্রিক
  3. মাতৃতান্ত্রিক
  4. ভ্রাতৃতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
• উপজাতি:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মধ্যে খাসিয়া এবং গারো বা মান্দি সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
- বাকি সবগুলো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে।
- এরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। এদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে।
- গারোদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তাদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি।
৭,৬৬৪.
নিচের কোনটি প্রাচীন বাংলার জনপদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) পুণ্ড্র
  2. খ) বঙ্গ
  3. গ) সমতট
  4. ঘ) চট্টলা
ব্যাখ্যা
চট্টলা প্রাচীন বাংলা জনপদের অন্তর্ভুক্ত নয়। 

- প্রাচীন বাংলা জনপদসমূহ- বঙ্গ, গৌড়, সমতট, পুণ্ড্র, রাঢ় ইত্যাদি। 

উত্তীর্ণ শিলালিপি ও বিভিন্ন সাহিত্যগ্রন্থে প্রায় ১৬টি জনপদের কথা জানা যায়। তবে একেকটি জনপদের সীমা এক এক রকম ছিল। এই জনপদগুলাে ধীরে ধীরে বর্ধিত হয়ে বর্তমান বাংলার রূপ পরিস্ফুটন হয়েছে। তাই এই জনপদগুলাের গুরুত্ব অপরিসীম।

নিচে কয়েকটি উল্লেখযােগ্য জনপদের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলাে- 

পুন্ড্র:  প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান জনপদ ছিল পুন্ড্র। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত পুন্ড্রদের রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর যা পরবর্তীকালে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত হয়। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের মধ্যে পুন্ড্রই ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। পাথরের চাকতিতে খােদাই করা প্রাপ্ত লিপিগুলােকেই মনে করা হয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিলালিপি।

বঙ্গ:  বঙ্গ নামের সাথে বাংলা নামটি জড়িয়ে আছে। এটি অতি প্রাচীন জনপদ। বর্তমান বাংলাদেশের বিক্রমপুর, ফরিদপুর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালির নিচু জলাভূমি পর্যন্ত ছিল বঙ্গ জনপদের বিস্তৃতি। বঙ্গ জনপদ ছিল খুবই শক্তিশালি অঞ্চল। এই বঙ্গ’ নাম থেকেই বাঙালি জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল। 

গৌড়: প্রাচীন বাংলায় সবচেয়ে জনপ্রিয় জনপদ ছিল গৌড়। তবে এই জনপদটির প্রাথমিক অবস্থান ঠিকমতাে জানা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা হয় ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য নামে স্বাধীন এক রাজ্য। ছিল। যার রাজা ছিলেন শশাঙ্ক এবং রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। রাজা শশাঙ্ক ছিলেন শক্তিশালী রাজা।
তার শাসনামলে প্রাচীন বাংলায় গৌড় জনপদ অনেক সমৃদ্ধ হয়েছিল।

হরিকেল: সপ্তম শতকের লেখকদের বর্ণনায় হরিকেল জনপদের অবস্থান যে পূর্ব বাংলায় ছিল সেটা জানা যায়। বর্তমান সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত এই জনপদ ছিল সমৃদ্ধ। সমতট অনেকেই মনে করেন সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম। গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মােহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী অঞ্চলকেই সম্ভবত সমতট বলঅ হতাে। কামতা ছিল এর রাজধানী।

সূত্র: ২৮ পৃষ্ঠা, বাংলাদেশের ইতিহাস এবং বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৬৬৫.
'ফ্লাউড কমিশন' কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার
  2. খ) শাসন ব্যবস্থা সংস্কার
  3. গ) ভূমি রাজস্ব সংস্কার
  4. ঘ) আর্থিক ব্যবস্থা সংস্কার
ব্যাখ্যা
ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত সমস্যাবলির সংস্কারের লক্ষ্যে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার ১৯৩৮ সালে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডকে প্রধান করে ফ্লাউড কমিশন গঠন করে।
এই কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে।

রিপোর্টে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা তথা জমিদারি ব্যবস্থা বাতিল ও ভূমির উপর কৃষকদের অধিকার পুনস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও ১৯৫০ সালের পূর্বে ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে ১৯৫১ সালের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৬৬৬.
'বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
এ্যাক্রেডিটেশন
- এ্যাক্রেডিটেশন হচ্ছে সাযুজ্য নিরূপনকারী প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের তৃতীয় পক্ষ দ্বারা প্রত্যয়ন করা।
- টেস্টিং এন্ড ক্যালিব্রেশন পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিকে সচরাচর এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করা হয়।
'বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড' শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি বোর্ড।

এছাড়াও
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ৪টি কর্পোরেশন, ৬টি অধিদপ্তর রয়েছে।
কর্পোরেশনগুলো হলো -
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশুন (বিসিআইসি)
• বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
• বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি)
• বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

অধিদপ্তরগুলো হলো -
• বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)
• বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
• বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বি আই এম)
• পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
• ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
• প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয় (বয়লার)।  

উৎস:- শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৭,৬৬৭.
কোন প্রস্তাবের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক ছয় দফা রচিত হয়?
  1. ক) পাঞ্জাব
  2. খ) লাহোর
  3. গ) করাচি
  4. ঘ) সিমলা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনের পটভূমি
- ‘পাকিস্তান’ রাষ্ট্র সৃষ্টি হয়েছিল লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট রচিত হয় মূলত ১৯৪৭ সালেই, যখন লাহোর প্রস্তাব এর ভিত্তিতে দেশ বিভাজন করা হয় ।
- ছয়দফা কর্মসূচীর ভিত্তি ছিল ১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব।
- পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।
- বাংলাদেশের জন্য এই আন্দোলন এতোই গুরুত্বপূর্ণ যে একে ম্যাগনা কার্টা বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।
- প্রতি বছর ৭ই জুন বাংলাদেশে '৬ দফা দিবস' পালন করা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৬৬৮.
একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে কতটি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়?
  1. ৩০টি
  2. ৪৫টি
  3. ৬০টি
  4. ৯০টি
ব্যাখ্যা
সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৬৬৯.
জাতীয় শহিদ মিনারের স্থাপতি-
  1. ক) মুঈনুল হোসেন
  2. খ) তানভীর কবির
  3. গ) হামিদুর রহমান
  4. ঘ) শামিম শিকদার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।

৭,৬৭০.
কার রাজত্বকালে বাংলার উত্তরাংশে মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সম্রাট বিন্দুসার 
  2. সম্রাট অশোক
  3. সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা
মৌর্য বংশের শাসন: 
- আলেকজান্ডারের ভারত প্রত্যাগমনের মাত্র দুই বছর পর ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ভারতের এক বিশাল অঞ্চলের ওপর মৌর্য বংশের শাসন চালু করেন।
- বাংলার উত্তরাংশে মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব)।
- বাংলা তখন মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল।
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী।
- উত্তর বঙ্গ ছাড়াও মৌর্য শাসন কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ), তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিম বঙ্গের তমলুক জেলা) ও সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মৌর্যরাই ছিল ভারতের প্রথম সাম্রাজ্যবাদী শক্তি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,৬৭১.
পদ্মা সেতু জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মুন্সীগঞ্জ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) মাদারীপুর
  4. ঘ) মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু জাদুঘর স্থাপন: 
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার দোগাছি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পদ্মা সেতু সার্ভিস এরিয়া ১-এ স্থাপিত ওই সংগ্রহশালাটির নাম পদ্মা সেতু প্রাণী জাদুঘর। এটি পদ্মা সেতু প্রকল্পেরই অংশ। বাস্তবায়ন করছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ। এই মুহূর্তে জাদুঘরটিতে জনসাধারণের প্রবেশের কোনো সুযোগ না থাকলেও ইতোমধ্যে সেখানে দুই হাজারের বেশি নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে।

• এখানে সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক উপায়ে প্রাণিদেহের নমুনা সংরক্ষণ করা হয়েছে। ফলে নমুনাগুলো দৃষ্টিনন্দন ও দীর্ঘস্থায়ীও।

• ২০১৬ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। পদ্মা অববাহিকার জেলা শরীয়তপুর, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মানিকগঞ্জ অঞ্চলের পশু-পাখি নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে পদ্মা সেতু প্রাণী জাদুঘর। সেতু বিভাগের কাছে হস্তান্তরের পর জাদুঘরটি সবার জন্য উন্মুক্ত হবে।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
৭,৬৭২.
বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে কোন তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ১ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৭,৬৭৩.
প্রেস কাউন্সিল কোন ধরনের সংস্থা?
  1. সরকারী
  2. বেসরকারী
  3. আধা-বিচারিক
  4. স্বেচ্ছাসেবী
ব্যাখ্যা

প্রেস কাউন্সিল:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো প্রেস কাউন্সিল।
- এটি গঠিত হয় ১৯৭৪ সালে
- প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট প্রণয়নের মাধ্যমে এই গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি গঠিত হয়।
- প্রেস কাউন্সিল মূলত একটি আধা-বিচারিক সংস্থা।
- এটি দেশের সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থার স্বাধীনতা রক্ষা এবং মানোন্নয়ন নিশ্চিতকরণে কাজ করে।

• প্রেস কাউন্সিলের অন্যান্য কাজের মধ্যে রয়েছে-
- সংবাদপত্র ও সংবাদ সংস্থাগুলো যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সে জন্য সহায়তা করা।
- সাংবাদিকদের পেশাগত নিয়ম (আচরণবিধি) তৈরি করা।
- সংবাদপত্র ও সাংবাদিকরা যেন সঠিক তথ্য প্রদান করে তা নিশ্চিত করা।
- সাংবাদিকদের মধ্যে দায়িত্ববোধ এবং জনসেবার মনোভাব তৈরি করতে কাজ করে।
- জনগণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রচারে কোনো বাধা থাকলে সেটা পর্যালোচনা করা।
- সাংবাদিকদের সঠিক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেয়া। 

উৎস: বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ওয়েবসাইট। 

৭,৬৭৪.
শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক কত সালে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯৩৭ সালে
  3. ১৯৪০ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
→ ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী প্রদেশে স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হয়।
- ১৯৩৭ সালে প্রদেশে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- উক্ত প্রাদেশিক নির্বাচনে অধিকাংশ প্রদেশে কংগ্রেস জয়লাভ করে।
- এমনকি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশেও কংগ্রেস জয়লাভ করে।
- ১৯৪০ সালে মুসলিম লীগের সাধারণ অধিবেশন আহবান করা হয়।
- মুসলিম লীগের নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ধর্মভিত্তিক জাতির ধারণাকে সামনে তুলে ধরেন।
- হিন্দু-মুসলিমদের দুটি জাতি হিসাবে দাবী করেন।
- জিন্নাহর সাম্প্রদায়িক দ্বিজাতি তত্ত্ব এবং মুসলিমদের জন্য স্বতন্ত্র আবাসভূমির দাবী করেন।
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৬৭৫.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায় অবস্থিত?
  1. লালমাই
  2. মহাস্থানগড়
  3. উয়ারী বটেশ্বর
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
- তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ে সমাহিত।
- শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
- কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৭৬.
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় কাগজকল স্থাপিত হয়?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) বান্দবান
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কাগজকল হলো রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল।
- এটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল থেকে প্রাপ্ত বাঁশ ব্যবহৃত হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং BCIC ওয়েবসাইট)
৭,৬৭৭.
 কোন বাংলাদেশীয় উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. সাঁওতাল
  2.  খাসিয়া
  3. মারমা
  4. ওরাঁও
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে। এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- জীবিকার তাগিদে দলেবলে স্থান ত্যাগ করে এরা নতুন পুঞ্জি রচনা করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতিসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতাল এবং মারমা ওরাঁও উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৭৮.
বাংলাদেশ তরল প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানিকরণে কাতারের সাথে কত বছরের চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) ১০ বছর
  2. খ) ১৫ বছর
  3. গ) ২০ বছর
  4. ঘ) ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-কাতার চুক্তি:
- কাতার থেকে বছরে ১.৮ মিলিয়ন মেট্রিক টন (এমএমটি) করে ১৫ বছর পর্যন্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- ১ জুন, ২০২৩ তারিখে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রতিবছর অতিরিক্ত ১.৮ এমএমটি এলএনজি পাবে।
- এটি ২০২৬ সালে শুরু হবে।
- দোহায় কাতার এনার্জির সদরদপ্তরে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) এবং কাতার এনার্জির এলএনজি ট্রেডিং শাখার মধ্যে এই দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি বিক্রয় ও ক্রয় চুক্তি (এসপিএ) স্বাক্ষরিত হয়।

উৎস: ১ জুন ২০২৩, The Daily Star বাংলা।
৭,৬৭৯.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কোন সালে স্বীকৃত হয়?
  1. ১৯৯৮
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০০
  4. ২০০১
ব্যাখ্যা
• ২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৭,৬৮০.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে কতজনকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ছয়জন
  2. সাতজন
  3. আটজন
  4. নয়জন
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।

এরা হলেন:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর.
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর.।

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৭,৬৮১.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির নেতা কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৬৮২.
কত সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি (হাডুডু)।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- পরের বছর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কাবাডি দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- এই খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বার্মার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়ক এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডির অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছিল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৮৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে কত শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৫.৫৮ শতাংশ
  2. ৬.৫৮ শতাংশ
  3. ৭.৫৮ শতাংশ
  4. ৮.৫৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয় প্রবৃদ্ধি:
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সম্প্রতি পণ্য রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে।
- এতে দেখা যায়, বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এই রপ্তানি তার আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশ বেশি।
- গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানি হয়েছিল ৪ হাজার ৪৪৭কোটি ডলার।

উল্লেখ্য,
- সদ্য বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসের প্রত্যেক মাসেই পণ্য রপ্তানি বেড়েছে।
- তবে গত জুনে রপ্তানি কমেছে সাড়ে ৭ শতাংশ।
- ইপিবির তথ্যানুযায়ী, গত জুনে রপ্তানি হয়েছে ৩৩৪ কোটি ডলারের পণ্য।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৭,৬৮৪.
চট্টগ্রাম বন্দর কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?
  1. হালদা
  2. মেঘনা
  3. কর্ণফুলী
  4. সাঙ্গু
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম বন্দর:
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- দেশের অধিকাংশ পণ্য আমদানি ও রপ্তানি এ বন্দরের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের উত্তর পূর্বে পর্বত শ্রেণি থেকে উৎপন্ন এবং বঙ্গোপসাগরে পতিত কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- সমুদ্র হতে কয়েক মাইল অভ্যন্তরে গভীর সমুদ্রে নোঙর করার সুবিধাই এ বন্দরের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- বঙ্গোপসাগরের বাইরের দিকে বালুচর হতে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে প্রধান ঘাট পর্যন্ত চলমান দূরত্ব হচ্ছে ১৬ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট।
৭,৬৮৫.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধীতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৬ জন
  3. গ) ৭ জন
  4. ঘ) ২ জন
ব্যাখ্যা
মহিলা বীরপ্রতীক:

- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসুত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৭,৬৮৬.
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ আবিষ্কারক দীপংকর তালুকদারের নিজ জেলা কোনটি ?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) বরগুনা
  3. গ) ঝালকাঠি
  4. ঘ) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
• দীপংকর তালুকদার:
- বিশ্বব্যাপী সাড়া ফেলা মহাকর্ষ তরঙ্গ শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্রের 'লাইগো' (লেজার ইন্টাফেরোমিটার গ্র্যাভিটেশনাল-ওয়েভ অবজারভেটরি) যন্ত্র যে সাফল্য দেখিয়েছে, তার অংশীদার বাংলাদেশের বরগুনার সন্তান পদার্থবিজ্ঞানী ড. দীপঙ্কর তালুকদারও।
- যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে অর্জিত তার পিএইচডি গবেষণার বিষয়ও ছিল কৃষ্ণবিবর থেকে উৎসারিত সংকেত বিশ্লেষণ। স্নাতকোত্তর পর্যায়েও তিনি একই বিষয়ে পড়াশোনা করেন।
- দীপঙ্কর তালুকদার ২০০৮ সালে 'লাইগো কোলাবোরেশন' টিমে যোগ দেন।
- বর্তমানে তার কর্মস্থল যুক্তরাষ্ট্রের অরিগন রাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব অরিগনে।
- তিনি সেখানে পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা করছেন লাইগো কলাবোরেশনের সঙ্গে।
- লুইজিয়ানা রাজ্যে অবস্থিত এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি যে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এ গবেষণা সম্পন্ন করেছে, অরিগন বিশ্ববিদ্যালয় তার একটি।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।
৭,৬৮৭.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. যশোর
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন: ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর জন্মস্থান: বাঘচাপড়া, নোয়াখালী।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়। এগুলোকে কোলকাতার গার্ডেনরীচ নৌ ওয়ার্কসপে দুইটি বাফার গান ও মাইন পড লাগিয়ে গানবোটে রূপান্তরিত করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
- খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৭,৬৮৮.
'সূর্যমুখী' নিম্নের কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. হলুদ 
  2. মরিচ 
  3. টমেটো 
  4. বেগুন
ব্যাখ্যা

ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
উন্নত জাতের মরিচ: বাইন, যমুনা, বালিজুরি, সূর্যমুখী, চৌরা, বারিমরিচ, বাগুরা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।
• উন্নত জাতের হলুদ: ডিমলা, পাটনাই, খোচামুদি, দেবিপাট। 
• উন্নত জাতের কলা: চিনি চম্পা, সবরি, কবরী, অগ্নীশ্বর, কানাই খালি, মোহনবাশি, গানা সুন্দরী, মেহের সাগর, জাহাজি, অমৃতসাগর, সিঙ্গাপুরী, জাপকাঠালী, বীটজবা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৭,৬৮৯.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে শহীদ নন?
  1. ক) সালাম
  2. খ) বরকত
  3. গ) আসাদ
  4. ঘ) জব্বার
ব্যাখ্যা

- রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত প্রমুখ ভাষা আন্দোলনের শহীদ।
- আবদুস সালাম (১৯২৫-১৯৫২) একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা-আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে একজন। ভাষা শহীদদের মধ্যে তিনিই সর্বশেষ মারা যান।
- আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি

৭,৬৯০.
বর্তমান বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের একমাত্র নারী সদস্য -
  1. ক) রাজিয়া সুলতানা
  2. খ) রাজিয়া বানু
  3. গ) বেগম রাশেদা সুলতানা
  4. ঘ) বেগম কবিতা খানম
ব্যাখ্যা
বর্তমান নির্বাচন কমিশন
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার: কাজী হাবিবুল আউয়াল
• নির্বাচন কমিশনার:
» ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ আহসান হাবিব খান (অবঃ)
» বেগম রাশেদা সুলতানা
» জনাব মোঃ আলমগীর
» জনাব মোঃ আনিছুর রহমান

• দেশের প্রথম নারী নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বেগম কবিতা খানম। 
• ভারতবর্ষের প্রথম নারী শাসক রাজিয়া সুলতানা।
• বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র নারী সদস্য রাজিয়া বানু।

সূত্র: নির্বাচন কমিশন।
৭,৬৯১.
নিচের কোন উপজাতিটি বাংলাদেশে বসবাস করে না?
  1. ক) মুন্ডা
  2. খ) কোল
  3. গ) উইঘুর
  4. ঘ) গুর্খা
ব্যাখ্যা
উইঘুর উপজাতি বাংলাদেশে বসবাস করে না। এরা চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী মুসলিম জনগোষ্ঠী

অন্যদিকে,
মুন্ডা, কোল এবং গুর্খা বাংলাদেশে বসবাসকারী নৃ-গোষ্ঠী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা)
৭,৬৯২.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সরকার দলীয় হুইপের সংখ্যা কত জন?
  1. ৩জন
  2. ৪জন
  3. ৫জন
  4. ৬জন
ব্যাখ্যা
₻ সরকার দলীয় হুইপ 
- ক্রিকেটার ও সংসদ সদস্য মাশরাফি বিন মুর্তজাসহ পাঁচজন সংসদ সদস্যকে জাতীয় সংসদের সরকার দলীয় হুইপ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি দ্বাদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে মাদারীপুর-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরীকে নিযুক্ত করেছেন। 
- আলাদা প্রজ্ঞাপনে পাঁচজনকে হুইপ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- নড়াইল–২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফি ছাড়া অন্য হুইপরা হলেন দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ইকবালুর রহিম, জয়পুরহাট-২ আসনের আবু সাঈদ আল মাহমুদ (স্বপন), নারায়ণগঞ্জ-২ আসনের মো. নজরুল ইসলাম (বাবু) ও কক্সবাজার-৩ আসনের সাইমুম সরওয়ার (কমল)। 

সূত্র: প্রথম আলো,  প্রতিবেদন ,২৩ জানুয়ারি ২০২৪।  
৭,৬৯৩.
‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি নয় কোনটি?
  1. স্মার্ট প্রযুক্তি
  2. স্মার্ট সরকার
  3. স্মার্ট অর্থনীতি
  4. স্মার্ট নাগরিক
ব্যাখ্যা
- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ এ রূপান্তরের রূপকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।
- প্রতি বছর ১২ ডিসেম্বর পালন করা হয় ‘স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস’।
- মূলত ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার ভিত্তি চারটি। এগুলো হচ্ছে—
১। স্মার্ট নাগরিক
২। স্মার্ট অর্থনীতি
৩। স্মার্ট সরকার ও
৪। স্মার্ট সমাজ।
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তি নয় - স্মার্ট প্রযুক্তি।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।
৭,৬৯৪.
নালন্দা মহাবিহারের আচার্য কে ছিলেন?
  1. ক) হিউয়ান সাঙ
  2. খ) ক্যানিং
  3. গ) মহাস্থবীর শীলভদ্র
  4. ঘ) ফা-হিয়েন
ব্যাখ্যা
- নালন্দা ছিল প্রাচীন ভারতের মগধ রাজ্যে (অধুনা ভারতের বিহার রাজ্য) অবস্থিত একটি খ্যাতনামা মহাবিহার। 
- এটি বিহারের রাজধানী পাটনা শহরের ৯৫ কিলোমিটার (৫৯ মা) দক্ষিণপূর্বে এবং বিহার শরিফ শহরের কাছে অবস্থিত।
 -নালন্দা মহাবিহারের আচার্য ছিলেন মহাস্থবীর শীলভদ্র
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৬৯৫.
স্বাধীন বাংলাদেশকে কখন সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দান করে?
  1. ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ৪ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- ভুটান (প্রথম দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ভারত (দ্বিতীয় দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- পূর্ব জার্মানি : ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- সোভিয়েত ইউনিয়ন : ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২
- সেনেগাল : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাজ্য : ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাষ্ট্র : ৪ এপ্রিল ১৯৭২
- চীন : ৩১ আগস্ট ১৯৭৫।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো, বাংলাপিডিয়া এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৬৯৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে "মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক" সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. নবম ভাগে
  2. অষ্টম ভাগে
  3. সপ্তম ভাগে
  4. ষষ্ঠ ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭,৬৯৭.
According to the constitution of Bangladesh what is the minimum age to become the president?
  1. ক) 25
  2. খ) 30
  3. গ) 35
  4. ঘ) 40
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-৪৮: রাষ্ট্রপতি
(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।

(২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন: 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না। 

(৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি- 
(ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা 
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন। 
 
(৫) প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখিবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করিলে যে−কোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করিবেন।

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৬৯৮.
শাসন বিভাগকে পরামর্শ প্রদান করা কোন বিভাগের কাজ?
  1. ক) বিচার বিভাগ
  2. খ) নির্বাহী বিভাগ
  3. গ) আইন বিভাগ
  4. ঘ) সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগের কাজঃ
১. ন্যায়বিচার করা
২. আইন তৈরি
৩. মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ
৪. আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগ
৫. সংবিধান রক্ষা করা
৬. শাসন বিভাগকে পরামর্শ প্রদান
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

৭,৬৯৯.
বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম-
  1. হরিকেল
  2. তাম্রলিপি
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম- 'পুণ্ড্র'।

'পুণ্ড্র' জনপদ:

- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুন্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
-এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৭০০.
নিচের কেনটি ‘সুনীল অর্থনীতি’র সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) বনজ সম্পদ
  2. খ) খনিজ সম্পদ
  3. গ) মৎস্য সম্পদ
  4. ঘ) সমুদ্র সম্পদ
ব্যাখ্যা
‘সুনীল অর্থনীতি’র সাথে সম্পর্কিত সমুদ্র সম্পদ .
সমুদ্র অর্থনীতির ধারণায় সাগর ও মহাসাগর হলো 'উন্নয়ন অঞ্চল', যেখানে সম্পদ সংরক্ষণ, জীবিত সম্পদের টেকসই ব্যবহার, তেল ও খনিজ সম্পদ উত্তোলন, জৈব সম্ভাবনা, টেকসই জ্বালানি উৎপাদন এবং সমুদ্র পরিবহনকে অন্তর্ভুক্ত করে সমন্বিত পরিকল্পনা করা হয়

উৎস: দৈনিক পত্রিকার রিপোর্ট