বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭৬ / ৩০৬ · ৭,৫০১৭,৬০০ / ৩০,৮৩২

৭,৫০১.
বাংলাদেশ কোন সংস্থার সদস্য দেশ নয়?
  1. IMF
  2. NAM
  3. OIC
  4. ASEAN
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ IMF, NAM, OIC সদস্য দেশ  কিন্তু আসিয়ানে সদস্য দেশ নয়।

ASEAN:

- ASEAN এর পূর্ণরূপ Association of Southeast Asian Nations.
- এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি অর্থনৈতিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশগুলো: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ IMF এর সদস্য পদ লাভ করে ১৭ আগস্ট ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ NAM সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ OIC সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে।

উৎস: ASEAN ওয়েবসাইট।
৭,৫০২.
দেশে ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু করেছে কোন প্রতিষ্ঠান? [মে, ২০২৫]
  1. আইসিডিডিআরবি
  2. বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়
  3. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  4. বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তি:
- বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ ক্যানসারে আক্রান্ত হন এবং ১ লাখ ১৭ হাজার মানুষ মারা যান।
- ক্যানসারের ওপর নজরদারি করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান গ্লোবোক্যান এ তথ্য জানায়।
- বাংলাদেশে ক্যানসার চিকিৎসার একটি বড় দুর্বলতা হচ্ছে, দেশে ঠিকভাবে রোগ শনাক্ত হয় না।
- সম্প্রতি, দেশে ক্যানসার শনাক্তে জিন প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- গত ২৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) জিনোম সিকোয়েন্সিং–ভিত্তিক ক্যানসার শনাক্ত শুরু করেছে।
- এতে অল্প সময়ে রিপোর্ট পাওয়া যাবে। এ ছাড়া কোনো ওষুধ ক্যানসারের ক্ষেত্রে অকার্যকর হয়ে থাকলে, তাও জানিয়ে দেবে আইসিডিডিআরবি।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান যুগে তিনভাবে বা তিন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ক্যানসার শনাক্ত হয়। ইমিউনোহিস্টো কেমিস্ট্রি (আইএইচসি), রিভার্স ট্রান্সক্রিপশন পলিমারেজ চেইন রিঅ্যাকশন (আরটি–পিসিআর) টেস্ট এবং নেক্সট জেনারেশন সিকোয়েন্সিং (এনজিএস)। 
- ক্যানসার শনাক্তে আইএইচসি পরীক্ষা বাংলাদেশে বেশি হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
৭,৫০৩.
আইসিডিডিআর,বি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬৩ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা

ICDDR,B:
- ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.

- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
-  এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে। 

⇒ এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন। লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়। দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে। আইসিডিডিআর,বি-এর গবেষণা কার্যক্রম পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং বিভিন্ন অন্যান্য সংক্রামক রোগ।

তথ্যসূত্র - icddr,b., বাংলাপিডিয়া।

৭,৫০৪.
ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন -
  1. মজনু শাহ
  2. সৈয়দ আহমদ
  3. দুদু মিয়া
  4. তিতুমীর
ব্যাখ্যা

ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫০৫.
জাতীয় সংসদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ক) ৩ বছর
  2. খ) ৪ বছর
  3. গ) ৫ বছর
  4. ঘ) ৬ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়। বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে। রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৫০৬.
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন কার্যক্রমে আরো স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনয়নের জন্য কোন মোবাইল অ্যাপটি তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক) লেবার ইন্সপেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন (লিমা)
  2. খ) লেবার ইন্সপেকশন অ্যাপ্লিকেশন (লিয়া)
  3. গ) শ্রমিকদের কথা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন কার্যক্রমে আরো স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনয়নের জন্য লেবার ইন্সপেকশন ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন (লিমা) নামে একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এতে সহায়তা প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএলও। ‘শ্রমিকদের স্বাস্থ্যকথা’ নামেও একটি মোবাইল অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে।
৭,৫০৭.
‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’ কত সাল পাস হয়?
  1. ১৯০৭ সালে 
  2. ১৯০৯ সালে 
  3. ১৯১১ সালে 
  4. ১৯১৯ সালে 
ব্যাখ্যা

• ‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’:
- ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রবর্তনের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৯ সালে ‘ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ পাস করে যা ‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’ নামেই অধিক পরিচিত।
- এই আইনে প্রথম মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের বিধান রাখা হয়।
- সাম্প্রদায়িক প্রতিনিধিত্বের দাবি স্বীকার করে এ আইনে মুসলিম সম্প্রদায়কে পৃথকভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচনের (পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা) অধিকার দেয়া হয়। 
- এর মাধ্যমে আইন সভার সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলেও প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল না। 
- তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করায় স্বভাবতই তারা খুশী হয়, যদিও কংগ্রেস এতে ক্ষুব্ধ ছিল
কংগ্রেসের নরমপন্থীরাও সন্তুষ্ট ছিল না ।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের সংস্কার আইন ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়।
- আইন সভার নির্বাচিত সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন না। তাছাড়া তাদেরকে কোন ক্ষমতাও দেয়া হয়নি। 
- কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন সভাগুলোতে তারা সব সময়ই সংখ্যালঘু ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে এ সংস্কার আইনের মাধ্যমে ভারতে প্রতিনিধিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের কোন ইচ্ছাই ইংরেজদের ছিল না।
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৫০৮.
একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন -
  1. ১৬ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান
  2. ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান
  3. ১৮ জন ব্যক্তি ও ২টি প্রতিষ্ঠান
  4. ১৯ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ জন ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।
৭,৫০৯.
২০২৪ সালের 'কুল-বিএসপিএ' বর্ষসেরা খেলোয়াড় হয়েছেন কে?
  1. নাহিদ রানা
  2. মেহেদি হাসান মিরাজ
  3. ঋতু পর্ণা চাকমা
  4. আর্চার সাগর ইসলাম
ব্যাখ্যা
বিএসপিএ'র বর্ষসেরা:
- ‘কুল-বিএসপিএ’ ২০২৪ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ। 
- কুল-বিএসপিএ স্পোর্টস অ্যাওয়ার্ড ২০২৪ তুলে দেয় ক্রীড়া সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপি)।
- ১৫টি ক্যাটাগরিতে ১৩ ব্যক্তি, দল ও সংস্থাকে দেওয়া হয়েছে স্বীকৃতি।  

অন্যদিকে,
- দর্শক, সমর্থকদের ভোটে পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের মিডফিল্ডার ঋতু পর্ণা। 

উল্লেখ্য,
- দেশের ক্রীড়াসাংবাদিক ও ক্রীড়ালেখকদের প্রাচীন সংগঠন বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)।
- ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দুই বছর পর অর্থাৎ ১৯৬৪ সাল থেকে দেশ সেরা ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্টদের স্বীকৃতি জানিয়ে আসছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৭,৫১০.
‘বঙ্গবন্ধু নৌবহর’ কত তারিখে  উদ্বোধন করা হয়েছিল?
  1. ক) ৯ অক্টোবর, ১৯৭১
  2. খ) ১৯ অক্টোবর, ১৯৭১
  3. গ) ৯ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৯ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু নৌবহর
- মুক্তিযুদ্ধ  ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় এবং ঐ বছর ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের মধ্য দিয়ে এর পরিসমাপ্তি ঘটে।
- পাকিস্তান নৌবাহিনী থেকে বেরিয়ে আসা নৌ সেনাদের নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ৯ নভেম্বর প্রথম নৌবহর ‘বঙ্গবন্ধু নৌবহর’ উদ্বোধন করা হয়।
- এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল মাত্র ৬টি ছোট নৌযান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১১.
সতীদাহ প্রথা কবে রহিত হয়?
  1. ১৮১৯ সালে
  2. ১৮২৯ সালে
  3. ১৮৩৯ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো সদ্য বিধবা নারীকে স্বামীর চিতায় সহমরণ বা আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করার এক অমানষিক ও অমানবিক প্রথা।
- সতীদাহ প্রথা ছিল মূলত সামাজিক ও ধর্মীয় হত্যাকাণ্ড। 

⇒ ১৭৯৯ সালে উইলিয়াম কেরি এই প্রথা বন্ধের প্রয়াস নেন।
- গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলির কাছে তিনি সতীদাহ বন্ধের আবেদন জানান।
- এরপর রামমোহন রায় ১৮১২ সালে সতীদাহবিরোধী সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৮২৮ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন। লর্ড বেন্টিঙ্কের কাছে রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য আবেদন করেন। লর্ড বেন্টিঙ্ক রামমোহনের যুক্তির সারবত্তা অনুভব করে আইনটি পাসে উদ্যোগী হন।
- ব্রিটিশ শাসনের ক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও তিনি ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাস করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৮৩২ সালে প্রিভি কাউন্সিল রক্ষণশীল হিন্দুদের আপিল খারিজ করে লর্ড বেন্টিঙ্কের আদেশ বহাল রাখেন। এই বিজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির বাদশাহ দ্বিতীয় আকবর রামমোহনকে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন। এরপর ভারতবর্ষ থেকে সতীদাহ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ করতে আরও তিন দশক লেগে যায়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫১২.
'বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল' এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন -
  1. ক) ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  2. খ) ডা. মোঃ আব্দুল মবিন
  3. গ) ডা. সিতারা বেগম
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল' এর সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন - ডা. মোঃ আব্দুল মবিন, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।

• বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল:

-  ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে বিএমএ এবং যুক্তরাজ্য যৌথ ভাবে ডা. মোঃ আব্দুল মবিন ও জাফরুল্লাহকে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ভারতে পাঠায়।
-  ডা. মোঃ আব্দুল মবিন ও জাফরুল্লাহ বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেলাঘরে ৪৮০ শয্যা বিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল   স্থাপন করেন।
- এই হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছিলেন এই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা।
- প্রতিষ্ঠানটি সমাজ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান রাখায় দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক লাভ করে।
- বর্তমানে সারাদেশে গণস্বাস্থ্যের ৪০টি মেডিকেল সেন্টার রয়েছে।  
- স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১৯৭১ সালের মার্চে ব্রিটেনে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি চিকিৎসক নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)।
- যার সভাপতি ছিলেন ডা. এ এইচ সায়েদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

উৎস: ঢাকা ট্রিবিউন ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
৭,৫১৩.
সেনদের মধ্যে কে প্রথম ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. হেমন্ত সেন
ব্যাখ্যা
লক্ষ্মণ সেন:
- লক্ষ্মণসেন সেন বংশের তৃতীয় শাসক।
- লক্ষ্মণসেন প্রায় ২৮ বছর রাজত্ব করেন।
- বল্লাল সেন ও রমাদেবীর পুত্র লক্ষ্মণ সেন ১১৭৯ সালে প্রায় ৬০ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেন গৌড়, কলিঙ্গ, কামরূপ ও কাশীতে বিজয় অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।
- গৌড় লক্ষ্মণসেনের রাজত্বকালেই পুরোপুরি সেন সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল।
- তিনিই সেনদের মধ্যে প্রথম রাজা যিনি ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দুশাসনের পতন হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- লক্ষ্মণ সেন একজন বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বল্লাল সেনের অসমাপ্ত অদ্ভুতসাগর সমাপ্ত করেছিলেন।
- ভারত প্রসিদ্ধ পণ্ডিত হলায়ূধ তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১৪.
Where does Rakhain tribe mainly live?
  1. Rangamati
  2. Bandarban
  3. Rajshahi
  4. Patuakhali
ব্যাখ্যা
রাখাইন:

- রাখাইন  বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী যারা আঠারো শতকের শেষে আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- রাখাইনদের হাজার বছরের পুরানো এক সমৃদ্ধ ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে।
- আদি ব্রাহ্মীলিপিতে প্রথম লিখিত আকারে পালি ভাষায় ‘আরাখা’ অর্থাৎ রক্ষ বা রক্ষিতা অথবা রক্ষক শব্দ থেকে রাখাইন শব্দটির উৎপত্তি। - আর্য বংশোদ্ভূত প্রকৃতি উপাসক রাখাইনরা প্রাচীনযুগে মগধ রাজ্যে বসবাস করত।
- উল্লেখিত সময়ে মগধ থেকে রখঙ্গ, রখাইঙ্গপি, আরখঙ্গ, রোসাঙ্গ, রাখাইনপ্রে বা আরাকানে এসে বসবাস শুরু করলে মগধী বা মগ রূপে ইতিহাসে পরিচিতি লাভ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩' অনুযায়ী কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা এসেছে?
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. গ) সৌদি আরব
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

সূত্র: সময় নিউজ।
৭,৫১৬.
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) মুজিব আমার পিতা
  2. খ) চিরঞ্জীব মুজিব
  3. গ) টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
  4. ঘ) হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি
ব্যাখ্যা
- 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব'।
- দেশের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র 'মুজিব আমার পিতা'।
- বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পরবর্তী ঘটনা নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র '৫৭০'।
- বঙ্গবন্ধুর শৈশব থেকে তরুণ বয়স পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনার আলোকে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই'।
- বঙ্গবন্ধুর আলোচিত ইংরেজি তথ্যচিত্র 'দ্য অল টাইম হিরো’-এর বাংলায় নির্মিত শিরোনাম 'হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি'। এটি পরিচালনা করেন নোমান রবিন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছেলেবেলা নিয়ে সরকারি অনুদানে নির্মিত চলচ্চিত্র 'টুঙ্গিপাড়ার দুঃসাহসী খোকা'।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল - ২০২২
৭,৫১৭.
সংসদীয় গণতন্ত্রে সরকারের ক্ষমতা চর্চা কীভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকে?
  1. প্রশাসনিক বিভাগের মাধ্যমে
  2. আদালতের মাধ্যমে
  3. সাংবাদিকতার মাধ্যমে
  4. রাজনৈতিক দলগুলোর মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক দল:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের ক্ষমতা চর্চা সাংবিধানিকভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকে, যা তাত্ত্বিকভাবে জনগণের হাতে থাকলেও বাস্তবে রাজনৈতিক দলগুলো দ্বারা পরিচালিত হয়।
- উন্নত গণতন্ত্রে কার্যকর বিরোধী দলগুলো ক্ষমতাসীন দলগুলোর চেয়ে বেশি অবদান রাখে।
- সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংসদ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান।
- সরকার ও বিরোধী দলের সৌহার্দপূর্ণ সহাবস্থান, পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ওপর গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার কার্যকারিতা ও স্থায়িত্ব নির্ভর করে।
 
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫১৮.
ঐতিহাসিক ছয় দফার চতুর্থ দফা কোনটি?
  1. কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা
  2. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  3. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
  4. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৫১৯.
এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট কত সদস্য বিশিষ্ট পূর্নাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করে?
  1. ৪ জন
  2. ১৪ জন
  3. ১১ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
•  ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ :
- শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট ১৪ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ জয়ে মুসলিম লীগ ক্ষুদ্ধ হয় ।
- তারা যুক্তফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আরম্ভ করে।
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২১শে ফেব্রুয়ারিকে সরকারি ছুটি ও বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিলে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- নিউইয়র্ক টাইমস'-এ ফজলুল হকের এক সাক্ষাৎকার বিকৃত করে প্রকাশিত হয় যে, তিনি পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা চান।
-এতে মুসলিম লীগ সরকার তাঁকে রাষ্ট্রদ্রোহী বলে ঘোষণা দেয়।
-অবশেষে কেন্দ্রীয় মুসলিম লীগ সরকার ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ৯২ (ক) ধারা বলে ১৯৫৪ সালের ৩০শে মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে পূর্ব বাংলায় গভর্নরের শাসন জারি করে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৭,৫২০.
পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অঙ্কন করেন কারা?
  1. ক) মিশরীয় বিজ্ঞানীরা
  2. খ) গ্রিক বিজ্ঞানীরা
  3. গ) সিন্ধুসভ্যতার ব্যবসায়ীরা
  4. ঘ) রোমান ভূগোলবিদরা
ব্যাখ্যা
- গ্রিকরা প্রথম বিজ্ঞান চর্চা শুরু করে খ্রিস্টপূর্ব ৬০০ অব্দে।
- পৃথিবীর মানচিত্র প্রথম অংকন করেন গ্রিক বিজ্ঞানিরা।
- তারাই প্রথম প্রমাণ করেন যে, পৃথিবী একটি গ্রহ এবং তা নিজ কক্ষপথে আবর্তিত হয়।
- গ্রিক জ্যোতির্বিদরা সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের কারণ নির্ণয় করতে সক্ষম হন।
- চাঁদের নিজস্ব কোনো আলো নেই, বজ্র ও বিদ্যুৎ জিউসের ক্রোধের কারণে নয় প্রাকৃতিক কারণে ঘটে।
- এই সত্য তারাই প্রথম আবিষ্কার করেন।
- বিখ্যাত গণিতবিদ পিথাগোরাস, চিকিৎসা বিজ্ঞানী হিপোক্রেটসের যথেষ্ট খ্যাতি ছিল।
-  গ্রিক শিল্পের বিশেষ করে স্থাপত্য ও ভাস্কর্যে বিশেষ উন্নতি হয়েছিল। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫২১.
Jamuna Rail Bridge features _______ pillars and _______ spans.
  1. 50, 49
  2. 49, 50
  3. 49, 48
  4. 50, 48
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- যমুনা রেল সেতুতে ৫০টি পিলার এবং ৪৯টি স্প্যান রয়েছে।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা)।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৭,৫২২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. রুপালী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [মে, ২০২৫]
• বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অপরদিকে,
- রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক এগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
• ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।
• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৭,৫২৩.
কার পরামর্শে রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভেঙ্গে দেন?
  1. ক) চিফ হুইপ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ঘোষণা করা, ভেঙ্গে দেওয়া এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ প্রদান করবেন
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির সাথে মন্ত্রিসভার সংযোগ রক্ষা করবেন।
- মন্ত্রিসভার বক্তব্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত করা এবং প্রয়োজনবোধে সে সম্পর্কে ব্যাখ্যা প্রদান করার দায়িত্ব তাঁর ওপরই অর্পিত।
- বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর রাষ্ট্রপ্রধান। 
- রাষ্ট্রপতির দণ্ডিত ব্যক্তির দণ্ডাদেশ স্থগিত, হ্রাস বা দণ্ডিতকে ক্ষমা করার অধিকার রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৫২৪.
'গ্রীন এক্সপ্রেস' কোন ফসলের জাত?
  1. বাঁধাকপি
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাত: 
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত - হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত - গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত - বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৭,৫২৫.
হস্তলিখিত সংবিধানে গণপরিষদের সদস্যরা সাক্ষর করেন কত তারিখে?
  1. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ তারিখ স্পিকারের আমন্ত্রণে সংবিধানে সর্ব প্রথম স্বাক্ষর দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- প্রথমে সংবিধানের বাংলা এবং পরে ইংরেজি পাঠে।
- তারপর স্বাক্ষর করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ।
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭,৫২৬.
‘জেকে ১৯৭১’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা -
  1. ক) রফিকুল আনোয়ার
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) ফাখরুল আরেফিন খান
  4. ঘ) শ্যাম বেনেগাল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সিনেমা ‘জেকে ১৯৭১’ 
-  চলচ্চিত্রটির নির্মাতা - ফাখরুল আরেফিন খান।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে সহায়তার জন্য ফরাসি যুবক জ্যঁ কুয়ে ছিনতাই করেছিলেন ‌পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের [পিআইএ] একটি বিমান। এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। 

সূত্র: প্রথম আলো 
৭,৫২৭.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির অনুমতি ছাড়া বিদেশি উপাধি গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়?
  1. অষ্টম সংশোধনী
  2. নবম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. দশম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনী:
- অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনবলে -
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে ইবহমধষর শব্দটি পরিবর্তন করে ইধহমষধ করা হয় এবং উধপপধ পরিবর্তন করে উযধশধ করা হয়;
(৪) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

অন্যদিকে:
- সপ্তম সংশোধনী আইন ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর এই আইন পাস হয়। এই আইন দ্বারা সংবিধানের ৮৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়; এর দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়।

- দশম সংশোধনী আইন ১৯৯০ সালের ১২ জুন দশম সংশোধনী আইন কার্যকর হয়। এর দ্বারা, অন্যান্যের মধ্যে, সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে পরবর্তী ১০ বছরের জন্য জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য ৩০টি আসন সংরক্ষণের বিধান করা হয়, যেসব আসনে নারীরা নির্বাচিত হবেন সংসদ সদস্যদের ভোটে।

- নবম সংশোধনী আইন সংবিধান আইন, ১৯৮৯ (নবম সংশোধনী) পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে। এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়; রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৫২৮.
বাংলাদেশে কতটি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ লাভ করেছে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত ৯টি পণ্য ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ লাভ করেছে।
এগুলো হলো:
- জামদানি (২০১৬-বিসিক)
- ইলিশ (২০১৭-মৎস্য অধিদপ্তর)
- ক্ষীরশাপাতি আম (২০১৯-কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট)
- ঢাকাই মসলিন (২০২০-তাঁত বোর্ড)
- রাজশাহীর সিল্ক (২০২১-রেশম বোর্ড)
- রংপুরের শতরঞ্জি (২০২১-বিসিক)
- নেত্রকোনার বিজয়পুরের সাদা মাটি (২০২১- নেত্রকোনা জেলা প্রশাসন)
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ (২০২১-BRRI) এবং
- বাংলাদেশি কালিজিরা (২০২১-BRRI)।
- World Intellectual Property Organization (WIPO) বিভিন্ন পণ্যের জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (GI) সনদ প্রদান করে থাকে। তবে এই সনদ সরাসরি WIPO প্রদান করে না।
- WIPO এর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশে প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর WIPO এর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশে GI সনদ প্রদান করে থাকে।
- ভৌগলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ উৎপাদকদের পণ্যের স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠা দেয়। এতে অন্য দেশের সমজাতীয় পণ্য থেকে তাদের পণ্য আলাদাভাবে চেনা যায়। এর ফলে তাদের এই পণ্যের আলাদা রেপুটেশন তৈরি হয়।
(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং WIPO ওয়েবসাইট)
৭,৫২৯.
What is the length of the entire route of 'Bangabandhu Tunnel'?
  1. 3.32 kilometres
  2. 3.23 kilometres
  3. 9.39 kilometres
  4. 9.93 kilometres
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৭,৫৩০.
বাংলাদেশে সংবিধানের পঞ্চম ভাগ কী সম্পর্কিত?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. আইনসভা
  4. নির্বাচন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগ: সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭,৫৩১.
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা-
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. স্পিকারের
  4. জাতীয় সংসদের
ব্যাখ্যা
• আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে — জাতীয় সংসদের।

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে:
"জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে।

• তবে শর্ত থাকে যে,
সংসদের আইন দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭,৫৩২.
নিচের কোন এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. বরিশাল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৩৩.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা
  2. খ) শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) যুক্তফ্রন্ট গঠন 
  4. ঘ) শাসনতন্ত্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ইতিহাসে  আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠ - ২৩ জুন ১৯৪৯ সালে।
• যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল- ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরে,
• শাসনতন্ত্র আন্দোলন হয় ১৯৫৬ সালে;
• শিক্ষা আন্দোলন হয় - ১৯৬২ সালে

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৫৩৪.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার কতজন আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার জন আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৩৫.
দলীয় প্রতীকে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৪
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৮
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
• ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং ২০২১ সালে দশম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় । 
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন চালু হয় ১৯৯৭ সাল থেকে । 
• দলীয় প্রতীক নিয়ে প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬
• একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও ৩ জন নির্বাচিত নারী সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত ।

তথ্যসূত্র:- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া ।
৭,৫৩৬.
কোন জাতিগোষ্ঠী 'কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট' গড়ে তুলেছে -
  1. ক) চাকমা
  2. খ) বনযোগী
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) খুমি
ব্যাখ্যা
বম বা বনযোগী জাতিগোষ্ঠী 'কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট' গড়ে তুলেছে ।

• কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট:
- পার্বত্য চট্টগ্রামে কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) নতুন সশস্ত্র সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।
- বান্দরবানের বম বা বনযোগী জাতিগোষ্ঠীর কিছু ব্যক্তি এটি গড়ে তুলেছে।
- রাঙামাটি ও বান্দরবান অঞ্চলের ছয়টি জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে তারা। সেগুলো হলো বম, পাংখোয়া, লুসাই, খিয়াং, ম্রো ও খুমি।
- তারা রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি এবং বান্দরবানের রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা ও আলীকদম—এই উপজেলাগুলো নিয়ে আলাদা   রাজ্যের দাবি করেছে।
- সংগঠনের সভাপতি নাথান বম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর পাস করে।
- জেএসএসের ছাত্র সংগঠন পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ (পিসিপি) ঢাকা মহানগর শাখা ও কেন্দ্রীয় কমিটির একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন।
- খাগড়াছড়ির চেঙ্গী স্কোয়ারের পাশে এম এন লারমার ভাস্কর্যটির অন্যতম কারিগর ছিলেন।
- কুকিচীন জাতীয় ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (কেএনডিও) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ছিলেন।

উৎস: বাংলাট্রিবিউন ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৫৩৭.
বাংলা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে প্রথম ব্যাখ্যা কে প্রদান করেন?
  1. ক) ইলিয়াস শাহ
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) আবুল ফজল
  4. ঘ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
- মোগল সম্রাট আকবরের ইতিহাস লেখক আবুল ফজল বাংলা নামের উৎপত্তির একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। 
- তার মতে এদেশের প্রাচীন নাম ছিল ‘বঙ্গ'। 
- এর আগে আমরা অবশ্য একটি ছোট জনপদ হিসেবে বঙ্গ নামক অঞ্চলের সাথে পরিচিত হয়েছি। 
- আবুল ফজলের মতে প্রাচীনকালে এই বঙ্গ অঞ্চলের রাজারা ১০ গজ উঁচু ও ২০ গজ চওড়া প্রকাণ্ড ‘আল বা বাঁধ’ নির্মাণ করতেন।
-  এ থেকে বঙ্গ+আল=বঙ্গাল, বাঙ্গাল বা ‘বাঙ্গালা' নাম হয়েছে। 
- তবে একথা ঠিক মুসলিম আমলের পূর্বে ‘বঙ্গ’ ও বাঙ্গালা বাংলার অংশ বিশেষের নাম ছিল।
-  আবুল ফজল সে সময়ের বাংলার একটি সীমা এঁকেছেন।
-  তার মতে বাংলা চট্টগ্রাম থেকে রাজমহলের নিকট তেলিয়াগর্হি পর্যন্ত চারশত ক্রোশ লম্বা ছিল। 
- পূর্ব ও উত্তর দিক ছিল পাহাড়ে ঘেরা । বাংলার দক্ষিণে ছিল সাগর আর পশ্চিমে বিহার প্রদেশ। তখন প্রদেশগুলোর নাম হয় 'সুবা’। সুবা বাংলা তখনও চট্টগ্রাম থেকে তেলিয়া গর্হি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। 
- ব্রিটিশ শাসন যুগেও সীমারেখার তেমন কোন পরিবর্তন হয়নি। 
- তখন চট্টগ্রাম থেকে রাজমহল এবং হিমালয় পর্বত থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বাংলার বিস্তার ছিল। 
- ১৯৪৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত সিলেট জেলা ছিল আসামের সাথে যুক্ত। পরে তা আবার বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয় ।
 
উৎস : ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৫৩৮.
বাংলা সন প্রবর্তন করেন কে এবং কত সালে?
  1. ক) সম্রাট আকবর, ১৫৬৫ সালে
  2. খ) সম্রাট আকবর, ১৫৫৬ সালে
  3. গ) সম্রাট আকবর, ১৬৬৫ সালে
  4. ঘ) সম্রাট আকবর, ১৬৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর ১৫৫৬ সাল বা আরবি ৯৯২ হিজরিতে খ্রিস্টাব্দে হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত করেন। উৎসঃ সাহিত্য কণিকা-অষ্টম শ্রেণী
৭,৫৩৯.
সর্বপ্রথম ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৯০
  2. খ) ১৮৮৫
  3. গ) ১৮৯৯
  4. ঘ) ১৯০৩
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ। 
- ১৮৮৫ সালে বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গভর্ণমেন্ট এ্যাক্টের মাধ্যমেই সর্বপ্রথম ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়
-  উক্ত আইন বলে ইউনিয়ন পর্যায়ে গঠিত স্থানীয় সরকারকে তখন ইউনিয়ন কমিটি বলা হত। 
- তবে এরও পূর্বে ১৮৭০ সালে প্রণীত ‘গ্রাম চৌকিদারী আইন' আইনের মাধ্যমেই মূলতঃ ইউনিয়ন পরিষদের ভিত্তি রচিত হয়। 
- ১৯১৯ সালে প্রণীত ‘বঙ্গীয় পল্লী স্বায়ত্বশাসন' আইনের মাধ্যমে চৌকিদারী পঞ্চায়েত ও ‘ইউনিয়ন কমিটি'র কাজ একত্রিত করে ইউনিয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়। 
- পরবর্তীতে পাকিস্তান সৃষ্টির পর ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র আদেশের মাধ্যমে পূর্ববর্তী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সংশোধন করা হয় এবং চার স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয় যার সর্বনিম্নস্তর ছিল ইউনিয়ন কাউন্সিল। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালে এক সরকারি আদেশ বলে ইউনিয়ন কাউন্সিল বিলুপ্ত করে ‘ইউনিয়ন পঞ্চায়েত' গঠনের বিধান করা হয়। 
- এর পরের বছরই ইউনিয়ন পঞ্চায়েতগুলোকে আবার ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়। 
- ১৯৭৬ সালে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে অন্যান্য স্থানীয় সরকারসমূহের সাথে ইউনিয়ন পরিষদের সংগঠন ও কার্যাবলির ক্ষেত্রেও কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়। 
- পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) অধ্যাদেশের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের গঠন প্রণালী নতুনভাবে নির্ধারণ করা হয়। 
- ১৯৯৩ সালে তৎকালীন সরকার জাতীয় সংসদে ২০৯ নং আইন হিসেবে ১৯৮৩ সালে অধ্যাদেশ সংশোধন করে একটি আইন প্রণয়ন করে এবং এর ফলে ইউনিয়ন পরিষদের গঠন ও কার্যক্রম ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়। 
- ১৯৯৬ সালে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় পরিবর্তন আসার পর ১৯৯৭ সালে জাতীয়  সংসদ আরও একটি আইন প্ৰণয়ন করা হয় যার মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদের ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা হয়।
 
উৎস: সমাজকল্যাণ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৫৪০.
বাংলাদেশে কোন ধরণের প্রবাসীর সংখ্যা বেশি?
  1. পেশাজীবী
  2. দক্ষ
  3. আধা-দক্ষ
  4. স্বল্প-দক্ষ
ব্যাখ্যা
প্রবাসী বাংলাদেশী:
- স্বল্প-দক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা বেশি।

• ২০২২ সালে শ্রেণিভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা:
• স্বল্প-দক্ষ – ৭৩.৬৯%
• দক্ষ ২২.২২%
• আধা-দক্ষ – ৩.৭৭%
• পেশাজীবী – ০.৩২%
- পূর্বের বছরগুলোতে দেখা গিয়েছে, স্বল্প-দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
-  ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক রেমিটেন্স (১৭.৮%) এসেছে।
- আবার, সৌদি আরব থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিটেন্স এসেছে যা প্রায় ১৭.৭%।
- ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২১৩,৫৭২ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
- তার মধ্যে সৌদি আরব গিয়েছে সবচেয়ে বেশি ৮৫,৩১৯ জন।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ এবং লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৭,৫৪১.
সর্বশেষ কৃষশুমারি কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?(নভেম্বর, ২০২৪)
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।
৭,৫৪২.
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন-
  1. কুতুবউদ্দীন আইবক
  2. বখতিয়ার খলজী
  3. সুলতান মাহমুদ
  4. শের শাহ
ব্যাখ্যা

• বখতিয়ার খলজী:
- বখতিয়ার খলজী  ১২০৫ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে নদীয়া জয় করেন এবং বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 

- ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী বিহার আক্রমণ করেন এবং ওদন্তপুরী বৌদ্ধবিহারটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে।
- অতঃপর তারা সে স্থান থেকে মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন করে প্রত্যাবর্তন করে।
- তিনি কুতুবউদ্দীন আইবকের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে মূল্যবান উপহার প্রদান করেন। 
- অপরপক্ষে কুতুবউদ্দীনও তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা জানান।
- অতঃপর ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের শীতকালে তিনি ঝাড়খন্ডের দুর্গম অরণ্যাঞ্চলের মধ্য নদীয়া আক্রমন করেন।
- রাজা লক্ষ্মণসেন নৌপথে তাঁর রাজধানী বিক্রমপুরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- ইতোমধ্যে বখতিয়ার খলজীর মূল বাহিনীও এসে পড়েছিল।
- ফলে নদীয়া মুসলমানদের  অধিকারে আসে।

- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

৭,৫৪৩.
সরাসরি সরকার গঠন করতে চায় না, বরং সরকারের নীতি প্রভাবিত করতে চায় -
  1. রাজনৈতিক দল
  2. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. উচ্চ আদালত
ব্যাখ্যা
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure group) সরকার গঠন করে না, বরং নীতিতে প্রভাব ফেলে।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
• সমজাতীয় মনোভাব: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা সাধারণত সমজাতীয় মনোভাব সম্পন্ন হয়ে থাকে।
• বেসরকারি সংগঠন: চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও রাজনৈতিক সংগঠন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৪৪.
পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে কোন ব্যাংক গঠিত হয়?
  1. ক) সোনালি ব্যাংক
  2. খ) অগ্রণী ব্যাংক
  3. গ) জনতা ব্যাংক
  4. ঘ) রূপালি ব্যাংখ
  5. ঙ) পূবালি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে এদেশে অবস্থিত পাকিস্তানি মালিকানাধীন ব্যাংকসমূহ জাতীয়করণ করা হয়। পাকিস্তান আমলের ইউনাইটেড ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংক নিয়ে জনতা ব্যাংক গঠিত হয়। সোনালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, দ্য ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও দ্য প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে । হাবিব ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংক নিয়ে অগ্রণী ব্যাংক গঠিত হয়। রূপালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক ও দ্য স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক নিয়ে। পূবালী ব্যাংক গঠিত হয় দ্য অস্ট্রেলেশিয়া ব্যাংক ও দ্য ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক নিয়ে।(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৫৪৫.
সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণের বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৬
  2. অনুচ্ছেদ ৬৭ 
  3. অনুচ্ছেদ ৬৮ 
  4. অনুচ্ছেদ ৬৯
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ সংসদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা নির্ধারণ করে।
- সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ বলে, সংসদে নির্বাচিত হতে হলে একজন প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে.
- এবং বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।
- কিন্তু কোনো ব্যক্তি নির্বাচিত হতে পারবে না, যদি তিনি:
• কোনো আদালত দ্বারা অপ্রকৃতিস্থ ঘোষণা প্রাপ্ত হন,
• দেউলিয়া থাকেন এবং দায় মুক্তি পাননি,
• অন্য দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন বা অন্য দেশের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেছেন,
• গুরুতর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন এবং কারাদণ্ডের পাঁচ বছর পূর্ণ না হয়,
• ১৯৭২ সালের যোগসাজশী মামলায় দণ্ডিত হন, অথবা
• কোনো আইন অনুযায়ী নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষিত হয়েছে।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হবে যদি:
- শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করার ৯০ দিনের মধ্যে তা করতে না পারেন,
- অনুমতি ছাড়া ৯০ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকেন,
- সংসদ ভাঙে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদের ভিত্তিতে অযোগ্য হন, বা
- ৭০ নং অনুচ্ছেদের শর্ত পূরণ হয়।
- সদস্য চাইলে স্পীকারের কাছে লিখিতভাবে পদত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার পত্র প্রাপ্ত হলে তার আসন শূন্য ধরা হবে।

সংবিধানের ৬৮ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ-সদস্যদের পারিশ্রমিক, ভাতা ও বিশেষ অধিকার নির্ধারণ করা হবে সংসদের আইন বা রাষ্ট্রপতির আদেশ অনুযায়ী।

সংবিধানের ৬৯ নং অনুচ্ছেদ:
- সংবিধানের ৬৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কেউ শপথ গ্রহণের আগে বা অযোগ্য অবস্থায় আসন গ্রহণ বা ভোট দিলে, প্রতি দিনের জন্য এক হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে।

উৎস: Laws Of Bangladesh. 

৭,৫৪৬.
'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' কবে জারি করা হয়?
  1. জুন, ১৯৭১
  2. জুলাই, ১৯৭১
  3. আগস্ট, ১৯৭১
  4. সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশে পাকিস্তানের পক্ষের সহযোগী বাহিনী:
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে লে. জেনারেল টিক্কা খান 'পূর্ব পাকিস্তান রাজাকার অর্ডিন্যান্স' জারি করেন।
- শুরুতে আনসার, মুজাহিদদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়।
- পরে পাকিস্তানপন্থি অনেকে এই বাহিনীতে যোগ দেয়।
- এই বাহিনী গঠনে জেনারেল নিয়াজির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

উল্লেখ্য,
- রাজাকারদের প্রশিক্ষণের মেয়াদ ছিল এক সপ্তাহ। রাজাকারদের ট্রেনিং দিত পাকিস্তান সেনাবাহিনী। দখলদার বাহিনীর দোসর হিসেবে তারা মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে। রাজাকার বাহিনী ছাড়াও আলবদর এবং আলশামস নামে আরও দুটি বাহিনী ছিল। এরাও বিভিন্নভাবে হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে।মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতায় প্রথম যে সংগঠনের জন্ম হয় তা হলো 'শান্তি কমিটি'। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে শান্তি কমিটি গঠন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৪৭.
কত সালে পাকিস্তান সংবিধানে বাংলা ভাষা পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানে বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এর আগে ১৯৫৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেলউদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

৭,৫৪৮.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে মোট কত জনকে বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করা হয়?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৬ জন
  3. ৬৭৮ জন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৪৯.
”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. গোপাল চন্দ্র পাল
  3. শ্যামল চৌধুরী
  4. নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা

- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটি খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ২০১৩ সালে এই ভাস্কর্যটি তৈরি হয়।
- ”দুর্বার বাংলা” ভাস্কর্যটির  ভাস্কর গোপাল চন্দ্র পাল।

এছাড়াও,
• কিছু গুরত্বপূর্ণ কিছু ভাস্কর্যিএবং তাদের স্থপতি।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ এর স্থপতি- সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এর স্থপতি- হামিদুর রহমান।
- সাবাশ বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির স্থপতি- নিতুন কুন্ডু।
- সংশপ্তক ভাস্কর্যটির স্থপতি- হামিদুজ্জামান।
-  বিজয় ৭১” ভাস্কর্যটির স্থপতি- শ্যামল চৌধুরী।
- ”মোদের গর্ব” ভাস্কর্যটির স্থপতি- অখির পাল।
- মিশুক ভাস্কর্যটির স্থপতি- মুস্তফা মনোয়ার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পত্রিকার রিপোর্ট।

৭,৫৫০.
কার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিতি পায়?
  1. ক) সিকান্দর শাহ
  2. খ) গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
  3. গ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ঘ) ফিরুজ শাহ তুঘলক
ব্যাখ্যা
• শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- বাংলায় সুলতানী আমলের সূত্রপাত ১৩৩৮ সালে যা ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- সুলতানি আমলে বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তৃতি লাভ করে।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ হলেন `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজত্বকাল ছিল ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্র করে বাঙ্গালাহ নাম দেন এবং এর অধিবাসীদের বাঙ্গালি নাম দেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় ।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৫১.
দেশে রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি?
  1. ৩টি
  2. ৬টি
  3. ৯টি
  4. ৪৩টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।

বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ব্যাংক রয়েছে ৬টি, এগুলো হলো
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি
• জনতা ব্যাংক পিএলসি
• রূপালী ব্যাংক পিএলসি
• অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি 
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি (বিডিবিএল)
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক এর ওয়েবসাইট।
৭,৫৫২.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স -
  1. ২৫ বছর
  2. ২৮ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৩ বছর
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উল্লেখ্য,
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন।
- যেহেতু বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার, তাই স্পিকার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৫৫৩.
বঙ্গবন্ধু কবে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন কবে?
  1. ক) ১ মার্চ ১৯৬৪
  2. খ) ২ সেপ্টেম্বর ১৯৬২
  3. গ) ১৯ মার্চ ১৯৬৬
  4. ঘ) ৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামী লীগের ৬ষ্ঠ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এই কাউন্সিলেই বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৭৪ সালের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
এর আগে ১৯৫৩ সালের ৫ জুলাই তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে বন্দি অবস্থায় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
(সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক এবং বাংলাপিডিয়া)
৭,৫৫৪.
বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ২ ডিসেম্বর
  2. খ) ৬ ডিসেম্বর
  3. গ) ৪ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৮ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে বিশ্বের ১৮টি দেশে আগামী ৬ ডিসেম্বর মৈত্রী দিবস উদযাপন করবে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশ ও ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে মৈত্রী দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুটি দেশ। 
উৎস: দৈনিক যুগান্তর। 
৭,৫৫৫.
নিচের কোনটি গমের উন্নত জাত?
  1. ক) শুকতারা
  2. খ) প্রতিভা
  3. গ) আশা
  4. ঘ) মেজর
ব্যাখ্যা
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরভ। 
• ধানের উন্নত জাত:- ইরাটম , হীরা , মুক্তা, আশা , মালা , হরি , নারিকা-১।
• মরিচের উন্নত জাত:- মেজর, চন্দ্রমুখী,সনিক, যমুনা, চাতক। 
• বেগুনের উন্নত জাত:- শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১। 

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭,৫৫৬.
আগরতলা মামলার বিচারকার্যে ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. এম.আর.খান
  2. এস.এ.রহমান
  3. টি.এইচ.খান
  4. মকসুমুল হাকিম
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫৭.
নিচের কোন এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• কুমিল্লা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫৮.
পানিপথ কোন নদীর তীরে অবস্থিত ছিল?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. যমুনা
  3. তিস্তা
  4. ধলেশ্বরী
ব্যাখ্যা

পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল: ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্।
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।

• পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল: হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল: মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৫৫৯.
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ লাভ করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ মৎস গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
  4. ঘ) ধান গবেষণা ইনিস্টিটিউট (BRRI)
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পেয়েছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল। 
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে স্বাধীনতা পদকে ভূষিত করার মাধ্যমে কৃষি গবেষণাকে মূল্যায়ন ও গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- এ  স্বীকৃতি কৃষি গবেষণা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

[ উৎস: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২১]
৭,৫৬০.
১৮৫৮ সালের আইন অনুযায়ী গভর্নর জেনারেল কোন নতুন উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. সম্রাট
  2. লর্ড প্রোটেক্টর
  3. ভাইসরয়
  4. চ্যান্সেলর
ব্যাখ্যা

ভারত শাসন আইন:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়। ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়। ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ব্রিটিশ সরকার ভারত বিষয়ক মন্ত্রকের হাতে এর শাসন ব্যবস্থার কার্যাদি হস্তান্তর করে। ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল ভাইসরয় উপাধি নিয়ে শাসনকার্য পরিচালনা করার নিয়ম প্রবর্তিত হয়।
- ১৮৫৭ সালে সিপাহী অভ্যুত্থান ঘটার প্রেক্ষিতে ভারতে সিভিল প্রশাসনের ভিত্তি মজবুত করার লক্ষে ১৮৫৮ থেকে ১৮৬৪ সাল পর্যন্ত সামরিক আইন, ভারতীয় পরিষদ (১৮৬১) ইত্যাদি প্রশাসনিক সংস্কারেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৬১.
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ কোথায় পাঠ করা হয়?
  1. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান 
  2. শাহবাগ
  3. পল্টন  
  4. মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

উৎস: জুলাই ঘোষণাপত্র।

৭,৫৬২.
পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৪৭ সালে সূচিত রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন শুরু হয়।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ সালে প্রতিবাদ ও রক্তক্ষয়ী সংগ্রামে রূপ লাভ করে।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
-১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর পঞ্চাশের দশকব্যাপী ছিল আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তুতিকাল।
- ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে সকল রাজনৈতিক আন্দোলনের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
- পাকিস্তানি শাসনপর্বে এটি বাঙালিদের জাতীয় মুক্তির প্রথম আন্দোলন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৬৩.
রাষ্ট্র একটি -
  1. ক) রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  2. খ) সামাজিক প্রতিষ্ঠান
  3. গ) অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  4. ঘ) জাতীয় প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।

- পৃথিবীর সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল বলেছেন, 'কতিপয় গ্রাম ও পরিবারের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সংগঠনই রাষ্ট্র'।
- অধ্যাপক গার্নারের সংঙ্গায় রাষ্ট্রের প্রকৃত রূপ স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভূখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর | নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত, স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।

রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয় উপাদান গুলি হল নিম্নরূপ:-
১) জনসমষ্টি; রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান হলো জনসমষ্টি। কারণ জনসমষ্টি ছাড়া রাষ্ট্রের কোন অস্তিত্ব থাকে না। তবে জনসমষ্টি কত হতে হবে তা নির্দিষ্ট করে কোথাও বলা হয়নি। চীন ও ভারতের মতো বহু জনসমষ্টি ব্রিটিশ রাষ্ট্রের অস্তিত্ব যেমন লক্ষ্য করা যায় তেমনি ভাটিকান সিটির মতো অল্প সংখ্যা বিশিষ্ট রাষ্ট্রেরও উল্লেখ পাওয়া যায়।

২) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড : রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হলো নির্দিষ্ট ভূখন্ড। ভৌগলিক সীমারেখা দ্বারা আবদ্ধ একটি অঞ্চল কে নির্দিষ্ট ভূখন্ড বলা হয়। | নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছাড়া একটি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য ইহুদিদের যতদিন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট ভূখন্ড ছিলনা, ততদিন পর্যন্ত তারা নিজেদের রাষ্ট্র গড়ে তুলতে পারেনি। ভূখন্ড বলতে জল, স্থল ও আকাশ তিনটি সীমাকেই একত্রে বোঝায়।

৩) সরকার: রাষ্ট্র গঠনের অপরিহার্য উপাদান  হলো সরকার। সরকার হল রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক। কারণ সরকার ছাড়া কোনো রাষ্ট্র তার নির্দিষ্ট | লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনা। আবার মানব শরীরকে যেমন মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করে তেমনি রাষ্ট্রকে নিয়ন্ত্রণ করে সরকার। সরকার বলতে বোঝায় শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে। সরকারের বিভিন্ন রূপ হতে পারে। যথা-
ক) গণতান্ত্রিক সরকার,
খ) প্রজাতান্ত্রিক সরকার,
গ)সমাজতান্ত্রিক সরকার।

৪) সার্বভৌমিকতা: সরকারকে যদি রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলে উল্লেখ করা হয় তাহলে সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের প্রাণ। সার্বভৌমিকতা বলতে রাষ্ট্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা কে বোঝায়। এই সার্বভৌমিকতার নির্দেশে-ই হলো আইন। যাকে আমরা অমান্য | করতে পারবোনা। সার্বভৌমিকতা হল রাষ্ট্রের চরম অসীম অবিভাজ্য ও অহস্তান্তরযোগ্য ক্ষমতা।

সূত্র- রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৬৪.
ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থের সম্পাদক ছিলেন?
  1. করিম উল্লাহ
  2. অধ্যাপক মনসুর আহমদ
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন গ্রন্থ 'একুশে ফেব্রুয়ারী'।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৬ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় তাঁর প্রথম রচনা একটি ছোটগল্প ‘অশ্রুভেজা পথ চলতে’ সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- পরে ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা।
- এ বছর তিনি ‘ঢাকা প্রগতি লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
৭,৫৬৫.
নদীর মৎস্য কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) বাগেরহাট
  4. ঘ) চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন (ময়নসিংহ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরো ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
গবেষণা কেন্দ্র গুল হচ্ছেঃ
- নদীর মৎস্য কেন্দ্র - চাঁদপুর।
- স্বাদু পানির মৎস্য কেন্দ্র - ময়মনসিংহ।
- লোনাপানির মৎস্য কেন্দ্র - খুলনা।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র - কক্সবাজার।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র - বাগেরহাট।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
৭,৫৬৬.
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম মারা যান কত বঙ্গাব্দে?
  1. ক) ১৩৮২ বঙ্গাব্দ
  2. খ) ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ
  3. গ) ১৩৮৪ বঙ্গাব্দ
  4. ঘ) ১৩৮১ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ২৪ মে কাজী নজরুল ইসলামকে ভারত থেকে সপরিবারে ঢাকায় আনা হয়। তাকে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৭৪ সালের ৯ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিশেষ সমাবর্তনের মাধ্যমে তাকে ‘ডি. লিট’ উপাধি বা সম্মাননা প্রদান করে।
১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কবিকে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব এবং ফেব্রুয়ারি মাসে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
১৯৭৬ সালের ২৯ আগস্ট বাংলা ১২ ভাদ্র ১৩৮৩ বঙ্গাব্দ ঢাকার পিজি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
তাকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশে সমাহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৭,৫৬৭.
বর্তমানে একনেকের বিকল্প চেয়ারম্যান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করবেন কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী
  2. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর 
  3. খলিলুর রহমান
  4. মো. সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) পুনর্গঠন:
• একনেকের চেয়ারম্যান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
• বিকল্প চেয়ারম্যান: স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
• সদস্যরা:
- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী : আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী : সালাহউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র মন্ত্রী : খলিলুর রহমান।
- বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী : খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
- আইন মন্ত্রী : আসাদুজ্জামান।
- স্বাস্থ্যমন্ত্রী : সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
- সড়ক পরিবহন, সেতু, রেল, নৌপথ মন্ত্রী : শেখ রবিউল ।
- সংশ্লিষ্ট এজেন্ডাভুক্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীরাও সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবেন। এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৭,৫৬৮.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে কোন দলের বিপক্ষে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. শ্রীলংকা
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৭,৫৬৯.
কক্সবাজার থেকে কত কিলোমিটার দূরে সেন্টমার্টিন দ্বীপ?
  1. ৯০ কিলোমিটার
  2. ১২০ কিলোমিটার
  3. ১৫০ কিলোমিটার
  4. ১০২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
"সেইন্ট মার্টিন দ্বীপ" বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। 
- কক্সবাজার জেলা শহর থেকে ১২০কিলোমিটার দূরে সাগর বক্ষের একটি ক্ষুদ্র দ্বীপ সেন্টমার্টিন। চারদিকে শুধুপানি আর পানি।
- এর আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- স্থানীয়দের কাছে এটি "নারিকেল জিঞ্জিরা" নামে পরিচিত।

উৎসঃ টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট।
৭,৫৭০.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল:
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দল।
- ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের কিছুদিন পূর্বে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) গঠন করেন।
- এসময় দলটির আহ্বায়ক ছিলেন বিচারপতি আবদুস সাত্তার।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠন করেন।
- এবছরই বাংলাদেশ জাতীয়বাদী ফন্ট্রের ব্যানারে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভ করেন।
- জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় রেখে ঢাকার রমনা ময়দানে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনের ঘোষণা দেন।
- ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করে ক্ষমতাসীন হয়।

⇒ ১৯৮১ সালে চট্টগ্রামে এক সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান মৃত্যুবরণ করেন।
- পরে তার সহধর্মিণী বেগম খালেদা জিয়া দলটির নেতৃত্বে আসেন।

এছাড়াও,
⇒ রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে বিএনপি ১৯৮৬ সালের ৭ মে অনুষ্ঠিত ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে।
- যদিও ১৯৮৮ সালের ৪র্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ করেছিল।
- প্রথম ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে জিয়াউর রহমানের স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৭১.
সিন্ধু বিজয়ের প্রধান মুসলিম সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. খালিদ বিন ওয়ালিদ
  2. কুতুবউদ্দিন আইবক
  3. মুহাম্মদ বিন কাসিম
  4. মাহমুদ গজনভী
ব্যাখ্যা

সিন্ধু বিজয়:
- সিন্ধু বিজয়ের প্রধান মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

আরবদের সিন্ধু বিজয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলমানদের আগমনের সূচনালগ্ন ধরা হয়।
- এ ঐতিহাসিক ঘটনার প্রধান কুশীলব ছিলেন আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম ও সিন্ধুর তৎকালীন রাজা দাহির।
- প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।

উল্লেখ্য,
- খলিফা প্রথম ওয়ালিদের সময় মুসলমানগণ সিন্ধু অভিযান করে। খলিফার অনুমতি নিয়ে ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এই অভিযান পাঠান। সিন্ধু বিজয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের বিস্তার সাধন এবং অর্থ সম্পদ লাভ।
- মুহম্মদ বিন কাসিম এক শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে সিন্ধুদেশ আক্রমণ করেন। তিনি দাইবুল, নীরুন, সিওয়ান ও সিসাম দখল করে আরও উত্তরে অগ্রসর হন। সিন্ধুরাজ দাহির রাওয়ার দুর্গ রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি যুদ্ধে নিহত হন।
- রাওয়ার দখলের পর মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর রাজধানী আলোর জয় করেন।
- এরপর মুলতানও মুসলমানদের দখলে আসে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৭২.
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের নতুন নোট অবমুক্ত করে?
  1. ক) ১৫০ টাকা
  2. খ) ২০০ টাকা
  3. গ) ২৫০ টাকা
  4. ঘ) ২০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৭ মার্চ ২০২০ প্রথমবারের মতো ২০০ টাকা মূল্যমানের নোট অবমুক্ত করে।
এছাড়া ১০০ টাকার সোনা ও রুপার স্মারক মুদ্রা বাজারে ছাড়া হয়।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
৭,৫৭৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- 
  1. রংপুর
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. বগুড়া
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

আলু উৎপাদন:
​• আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- প্রথম: রংপুর জেলা।
- (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা।
- (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ।
- (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ।
- (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪।

৭,৫৭৪.
মুক্তিযুদ্ধে কোন দুইটি গানবোট নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী?
  1. পদ্মা ও যমুনা
  2. মেঘনা ও যমুনা
  3. পদ্মা ও পলাশ
  4. বানৌজা ও পলাশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নৌবাহিনী ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধীনে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্ম হয়।
- ঐ বছর জুলাই মাসে সেক্টর কমান্ডারদের কনফারেন্সের ঘোষণা মোতাবেক বাংলাদেশ নৌবাহিনী আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাঙালি অফিসার ও নাবিক পশ্চিম পাকিস্তান ত্যাগ করে দেশে এসে বাংলাদেশ নৌবাহিনী গঠন করেন।
- ভারত থেকে প্রাপ্ত ‘পদ্মা’ ও ‘পলাশ’ নামের ছোট দুটি গানবোট এবং ৪৯ জন নাবিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।
- জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সকল নাবিক শত্রুর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হয়।
- পাশাপাশি ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে নির্ভীক ডুবুরীদল সমুদ্র ও নদী বন্দর সমূহে বিধ্বংসী আক্রমণ পরিচালনা করে।
- এতে হানাদার বাহিনীর ২৬ টি জাহাজ ধ্বংস হয় ও সমুদ্রপথ কার্যত অচল হয়ে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে এ ধরনের সফল আক্রমণ মুক্তিযুদ্ধের এক গৌরবময় অধ্যায়ের সুচনা করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৭৫.
স্থিরমূল্যে জিডিপিতে বনজ সম্পদ খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১.৪৩ শতাংশ
  2. খ) ১.৬৪ শতাংশ
  3. গ) ৩.৫২ শতাংশ
  4. ঘ) ৬.৭৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিথাতের উপখাতসমূহের অবদান
বনজসম্পদ - ১.৬৪ শতাংশ
পশুসম্পদ - ১.৪৩ শতাংশ
মৎস্যখাত - ৩.৫২ শতাংশ
শস্য উৎপাদন উপখাত - ৬.৭৬ শতাংশ
সার্বিক কৃষিখাত - ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৭,৫৭৬.
সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) উইন্সটন চার্চিল
  2. খ) রামজে ম্যাকডোনাল্ড
  3. গ) অষ্টম এডওয়ার্ড
  4. ঘ) লর্ড ওয়াভেল
ব্যাখ্যা
ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার বিষয়ক সাইমন কমিশনের রিপোর্ট প্রত্যাখ্যান এবং লন্ডনের গোলটেবিল আলোচনা (১৯৩১) ব্যর্থ হওয়ার পর ১৯৩২ সালের ১৬ আগস্ট তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী রামজে ম্যাকডোনাল্ড সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদ ঘোষণা করেন।

এই সাম্প্রদায়িক রোয়েদাদে ভারতের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের জন্যে পৃথক নির্বাচনের কথা বলা হয়। মুসলিম লীগ এই রোয়েদাদ গ্রহণ করলেও কংগ্রেস এটি গ্রহণ করেনি। মহাত্মা গান্ধীর প্রবল বিরোধিতার কারণে এই রোয়েদাদ প্রত্যাহার করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৫৭৭.
The Ministry of Liberation War was formed-
  1. 2001
  2. 2002
  3. 2003
  4. 2004
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:

- ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়।
- মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, ভেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়।
- পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়রবসাইট।
৭,৫৭৮.
বাংলাদেশ ক্রিকেট জাতীয় দল বিদেশে কয়টি টেস্ট সিরিজ জিতেছে? (সেপ্টেম্বর,২০২৪)
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সম্প্রতি, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুইটি টেস্ট ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়ে হোয়াইটওয়াশ  করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল।  এ নিয়ে বিদেশের মাটিতে তৃতীয়বারের মতো টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। 

• টেস্ট ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ২৬ জুন ২০০০ সালে আইসিসির দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- এরপর থেকে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পাচ্ছে।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টে ক্যাপ্টেন ছিলেন নাঈমুর রহমান।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় ।
- তার আগে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।

সূত্র- আইসিসি, বিসিবি ওয়েবসাইট।
৭,৫৭৯.
“মিন্টু” ও “বাহার” কোনটির উন্নত জাতের নাম? 
  1. আলু
  2. পুঁই শাক
  3. টমেটো
  4. মিষ্টি কুমড়া 
ব্যাখ্যা

ফসলের উন্নত জাতের নাম:
- 'মিন্টু' ও 'বাহার' টমেটো'র উন্নত জাতের নাম।
- টমেটো'র অন্যান্য উন্নত জাতের নাম-
- মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী, অপূর্ব।
- এগুলো হলো বাংলাদেশে উদ্ভাবিত জনপ্রিয় হাইব্রিড বা উন্নত জাতের টমেটো, যা বেশি ফলনশীল এবং স্বাদে সুস্বাদু।
-------------------------
অন্যদিকে,
• আলুর উন্নত জাতের নাম- ডায়মন্ড, কুফরী, সিন্দুরী, কার্ডিনাল।
• পুঁই শাকের উন্নত জাতের নাম- সবুজ, চিত্রা।
• মিষ্টি কুমড়ার উন্নত জাতের নাম- হাজী ও দানেশ। 
---------------------
উল্লেখ্য,
• আরও কিছু ফসলের নাম ও জনপ্রিয় জাত:
• কলা: কানাইবাসি, মোহনবাসি, অগ্নিশ্বর, বীটজবা, চম্পা। 
• পাট: সিভিএল, তোষা। 
• ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্র, মোহর, সুপার সুইট কর্ন, উত্তরণ।
• গম: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, শতাব্দী, আকবর, বরকত।
• ধান: হরি, হীরা, ময়না, ইরাটম, ব্রিশাইল, চান্দিনা, মুক্তা, আশা, প্রগতি।
• আম: মহানন্দা, মোহনভোগ, গোপালভোগ, গৌড়মতি।
• তামাক: সুমাত্রা, ম্যানিলা।
• বেগুন: উত্তরা, শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, কাজল।
• তরমুজ: পদ্মা, মধুবালা।
• সরিষা: সফল, অগ্রণী, কল্যাণীয়া।
• পেয়ারা: কাজী, স্বরূপকাঠি, কাঞ্চননগর। 
• তুলা: রুপালি, ডেলফোস। 
• মরিচ: যমুনা, চন্দ্রমুখী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৭,৫৮০.
বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এ.আই) সংবাদ উপস্থাপকের নাম কী?
  1. জয়
  2. জয়ীতা
  3. মেরিনা
  4. অপরাজিতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- বাংলাদেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক হচ্ছে 'অপরাজিতা'
- ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই বেসরকারি টিভি নেটওয়ার্ক চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের পর্দায় হাজির হন এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ উপস্থাপক।
- এই দিনেই প্রথমবারের মতো দেশের কোনো টিভি চ্যানেলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক দেখা গিয়েছে।
- অপরাজিতার পুরোটাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সফটওয়্যারে তৈরি।
- তার যে অবয়ব, তা শুধু পর্দাতেই দেখা যায়; বাস্তব জীবনে তার কোনো শারীরিক উপস্থিতি নেই।

উল্লেখ্য,
- চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া ২০১৮ সালে বিশ্বের প্রথম এআই সংবাদ উপস্থাপক শুরু করেছিল।

তথ্যসূত্র: ১৯ জুলাই ২০২৩,প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৫৮১.
কত সালে আইয়ুব খানের পতন হয়?
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খানের  মৌলিক গণতন্ত্র: 
- আইয়ুব খানের সামরিক শাসনব্যবস্থা ছিল এক ধরনের প্রতিনিধিত্বমূলক একনায়কতন্ত্র। 
- তিনি ১৯৫৯ সালে  মৌলিক গণতন্ত্র নামে একটি নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় প্রতিষ্ঠানসমূহকে পাঁচটি স্তরে বিন্যস্ত করা হয়েছিল।
- ইউনিয়ন পরিষদ ছিল সর্বনিম্ন স্তর এবং এর সদস্যদের বলা হতো মৌলিক গণতন্ত্রী।
- পৌর এলাকায় একই ধরনের ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল।
- এক্ষেত্রে কতগুলো ছোট ইউনিয়ন পরিষদকে একত্রিত করে মিউনিসিপ্যাল কমিটি গঠন করা হতো এবং তারা একই ধরনের কাজ করত।
- ১৯৬০ সালে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সদস্যরাই আইয়ুব খানের প্রেসিডেন্ট পদ সুনিশ্চিত করেন।
- ১৯৬২ সালের সংবিধান অনুযায়ী তাদের নিয়েই একটি নির্বাচকমন্ডলী গঠিত হয়।
- এই নির্বাচকমন্ডলীর ভোটে প্রেসিডেন্ট এবং জাতীয় পরিষদ ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যগেণ নির্বাচিত হতেন।
- আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থা দৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সুযোগ পায় নি এবং আইয়ুব খানের স্বপ্নও সফল হয় নি।
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব খানের পতন হয় এবং তাঁর পতনের সঙ্গে সঙ্গে মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থারও অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭,৫৮২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘চলাফেরার স্বাধীনতা‘ বিষয়টি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৪নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চলাফেরার স্বাধীনতা।

এছাড়াও, 
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৫৮৩.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় কোন ভাইসরয়ের আমলে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড লিটন
  4. লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
হান্টার কমিশন:
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়। এতে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।
- কমিশনটি ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড রিপনের আমলে গঠিত হয়েছিলো।

- লর্ড লিটনের পদত্যাগের পর লর্ড রিপন ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন। তার শাসনকাল ১৮৮০ - ১৮৮৪ সাল।
- তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন এবং ভারতবাসীর আশা আকাঙ্খার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে উদারনীতি অবলম্বন করেন।
- তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্কার কাজ হচ্ছে -
- আফগান সীমান্ত সমস্যার সমাধান,
- সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
- শিক্ষা কমিশন গঠন (হান্টার কমিশন),
- স্থানীয় স্বায়ত্বশাসনমূলক আইন, রাজ্বস্ব ও প্রজাস্বত্ব আইন,
- ফ্যাক্টরি আইন (দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের নিয়ম) ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর ইতিহাস বই, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।
৭,৫৮৪.
তিব্বতের রাজার অনুরোধে বৌদ্ধধর্ম প্রচারে কোন বাঙালি তিব্বত গমন করেন?
  1. ক) শুদ্ধোধন
  2. খ) কৌটিল্য
  3. গ) অতীশ দীপঙ্কর
  4. ঘ) আর্যভট্ট
ব্যাখ্যা
অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান একজন বৌদ্ধ ধর্মগুরু, পণ্ডিত ও দার্শনিক। তিনি ৯৮০ সালে মুন্সিগঞ্জের বজ্রযোগিনি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিব্বতের রাজা চ্যান চাবের একান্ত অনুরোধে বৌদ্ধধর্মের প্রসারে অতীশ দীপঙ্কর ১০৪০ খ্রিস্টাব্দে তিব্বত গমন করেন। ১০৫৩ সালে তিনি তিব্বতের লাসায় দেহত্যাগ করেন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৭,৫৮৫.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কোথায় ঘটেছিল?
  1. ঢাকা 
  2. কুমিল্লা 
  3. গাজীপুর 
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ:
- ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের জয়দেবপুরের জনগণ সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল।
- এটিই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। 

⇒ ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি রেজিমেন্ট জয়দেবপুরের (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করার জন্য পৌঁছে যায়।
- এ খবর জানাজানি হতেই বিক্ষুব্ধ জনতা জয়দেবপুরে এক প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
- সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করলে অকুস্থলেই শহীদ হন অনেকে।
- এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৮৬.
নিচের কোনটি ব- দ্বীপ পরিকল্পনায় দুর্যোগঝুঁকিপ্রবণ হটস্পট হিসেবে বিবেচিত?
  1. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল
  3. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ একটি দীর্ঘমেয়াদি, আন্তঃখাত সমন্বিত, অভিযোজনভিত্তিক কারিগরি ও অর্থনৈতিক মহাপরিকল্পনা।
- দীর্ঘ মেয়াদে উন্নয়নকে টেকসই করতে ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় দুর্যোগঝুঁকি হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব হ্রাসে বিভিন্ন পদক্ষেপ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ব- দ্বীপ পরিকল্পনায় দুর্যোগঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
(১) উপকূলীয় অঞ্চল: ঘূর্ণিঝড়প্রবণ অঞ্চল- ১৩টি উপকূলীয় ও ৬টি ৩ নদী বাহিত জেলা;
(২) বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল;
(৩) হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭টি জেলা;
(৪) পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল;
(৫) নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল এবং
(৬) নগরাঞ্চল ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় চিহ্নিত ৬টি হটস্পট প্রায়শই দুর্যোগ কবলিত হয়।
- এনপিডিএম-এ দুর্যোগ হটস্পট বিবেচনায় অঞ্চলভিত্তিক পরিকল্পনায় গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা ২০২১-২০২৫ এর প্রধান কার্যক্রম ও লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে ব-দ্বীপ পরিকল্পনার হটস্পটের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা।
৭,৫৮৭.
বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা প্রথম কোথায় উত্তোলন করা হয়?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলায়
  2. খ) পল্টন ময়দানে
  3. গ) কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে
  4. ঘ) বৈদ্যনাথতলায়
ব্যাখ্যা
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনসহ দেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি মানচিত্র ব্যতীত বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় পতাকা গৃহিত হয়।
- এটির ডিজাইনার ছিলেন পটুয়া কামরুল হাসান।
- পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে নিউক্লিয়াসের সদস্যরা তৈরি করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
৭,৫৮৮.
নিচের কোনটি টমেটোর উন্নত জাত?
  1. অপূর্ব
  2. মােহর
  3. বসরাই
  4. করবী
ব্যাখ্যা
- 'অপূর্ব' টমেটোর উন্নত জাত। 

এছাড়াও, 
- টমেটোর উন্নত জাত- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, সিদুর ও শ্রাবণী।

অন্যদিকে: 
- কলার জাত- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মােহনাশী, বীটজবা, সিঙ্গাপুরি , বসরাই, চম্পা, করবী
- ভুট্টার জাত- বর্ণালি, শুভ্রা, খইভুট্টা, মােহর উত্তরণ, সুপার সুইট কর্ন, সােয়ান-০২।

সূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৭,৫৮৯.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) আইএলও
  2. খ) ডব্লিউএইচও
  3. গ) ইউনেস্কো
  4. ঘ) ইউনিসেফ
ব্যাখ্যা
• UNESCO (United Nations Educational Scientific and Cutural Organization ) ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করে এবং ২০০০ সাল থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারি 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে পালিত হচ্ছে।

SOURCE: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট 
৭,৫৯০.
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে কার নিকট দায়ী থাকিবে?
  1. সুপ্রিমকোর্ট
  2. সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা

• মন্ত্রিসভা সম্পর্কিত বিষয়বলি সংবিধানের ৫৫নং অনুচ্ছেদে উল্লিখিত।

⇒ ৫৫(১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।
⇒ ৫৫(২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তত্বে এই সংবিধান-অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হইবে।
⇒ ৫৫(৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকিবেন।
⇒ ৫৫(৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে।
⇒ ৫৫(৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিরূপে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হইবে, রাষ্ট্রপতি তাহা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করিবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলিয়া তাহার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
⇒ ৫৫(৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭,৫৯১.
স্বত্ববিলোপ নীতি আরোপ করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
• স্বত্ববিলােপ নীতি
ব্রিটিশ সরকার ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য যেসব নীতি অবলম্বন করে সেগুলির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযােগ্য হল স্বত্ববিলােপ নীতি।

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তক ও প্রবর্তনকাল 
বড়োলাট লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ খ্রি: স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন ।
 
• স্বত্ববিলোপ নীতির মূল বক্তব্য 
- লর্ড ডালহৌসির উল্লেখযােগ্য সাম্রাজ্য বিস্তার নীতি ছিল স্বত্ববিলােপ নীতি ।
- তিনি এক ঘােষণায় বলেন যে , কোনাে ব্রিটিশ আশ্রিত দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে সেই রাজ্যটি সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে ।
- এই নীতি স্বত্ববিলােপ নীতি নামে পরিচিত।

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ পদ্ধতি 
লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়ােগ করার আগে দেশীয় রাজ্যগুলিকে তিনভাগে ভাগ করেন –
(ক) স্বাধীন দেশীয় রাজ্য
(খ) কোম্পানির সৃষ্ট রাজ্য
(গ) কোম্পানির আশ্রিত বা কোম্পানির অধীনস্থ রাজ্য

• স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ 
- স্বত্ববিলোপ নীতি কঠোরভাবে প্রয়োগ করে ডালহৌসী প্রথমেই ব্রিটিশ প্রভাবাধীন সাতারা রাজ্যটি দখল করেন ১৮৪৮ খ্রিঃ,
- এরপর ১৮৫৩ সালে নাগপুরের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে তাঁর রাজ্যটি গ্রাস করা হয়, এক্ষেত্রে ডালহৌসীর যুক্তি ছিল যে, নাগপুর রাজ্যটি নাকি ইংরেজরাই সৃষ্টি করেছিল।
- ঝাঁসির রাজা গঙ্গাধর রাও-এর প্রয়াণ হলে ডালহৌসী তাঁর দত্তক পুত্রকে মেনে নিতে রাজি হলেন না এবং ঝাঁসির রানির মতামতকে উপেক্ষা করেই ঝাঁসি রাজ্যটি দখল করা হল।
- এছাড়া ভগৎপুর, করৌলী, সম্বলপুর, উদয়পুর, বাগৎ প্রভৃতি রাজ্যগুলি একই কারণে গ্রাস করা হয়, যদিও উদয়পুর কোম্পানির সৃষ্ট দেশীয় রাজ্য ছিল না।

উৎস: দ্বাদশ শ্রেণির ইতিহাস ১ম পত্র বই।
৭,৫৯২.
কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম প্রথম চালু হয়-
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

- সরকারের সর্বনিম্ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যসেবা কাঠামো হচ্ছে কমিউনিটি ক্লিনিক
- কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম প্রথম চালু হয় ১৯৯৮ সালে।
- বর্তমানে চালু থাকা কমিউনিটি ক্লিনিক সংখ্যা ১৩৮৮১টি।
- কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে হেলথ কার্ড চালু হয় ২০২০ সালে।

৭,৫৯৩.
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• শরিফ ওসমান হাদি:
- ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি।
- তিনি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারে নেমেছিলেন।
- ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
- উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
- ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধাদের চোখে তিনি এক লড়াকু যোদ্ধা। 

উৎস: প্রথম আলো ও বিএসএস।

৭,৫৯৪.
বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক-
  1. ক) শাপলা
  2. খ) দোয়েল
  3. গ) হরিণ
  4. ঘ) বলাকা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিমানের বাণিজ্যিক নাম বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
- ৪ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে কার্যক্রম শুরু হয়।
- বাংলাদেশ বিমানের প্রতীক বলাকা।
- ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- শ্লোগান 'আকাশে শান্তির নীড়'
- বিমান বহরে বর্তমানে উড়োজাহাজ সংখ্যা ২১টি।

উৎস: বাংলাদেশ বিমানের ওয়েবসাইট।
৭,৫৯৫.
'আমি কোনো ব্লকে নেই। প্রাচ্য ব্লকেও নয়, পাশ্চাত্য ব্লকেও নয়—আমি স্বাধীন নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী।' - কার উক্তি?
  1. ক) এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর পররাষ্ট্রনীতি
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতিতে বিশ্বাসী।
- তিনি বিশ্বাসী ছিলেন এ জোটনিরপেক্ষ নীতিতে।
- এজন্যই ১৯৭২ সালের মে মাসে আমেরিকান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনের সাথে এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে, 'আমি কোনো ব্লকে নেই। প্রাচ্য ব্লকেও নয়, পাশ্চাত্য ব্লকেও নয়—আমি স্বাধীন নিরপেক্ষ বৈদেশিক নীতিতে বিশ্বাসী।'

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৭,৫৯৬.
সাত গম্বুজ মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আরমানিটোলা
  2. খ) মোহাম্মদপুর
  3. গ) লালবাগ
  4. ঘ) চকবাজার
ব্যাখ্যা
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত। এটির নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান। ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।
- তবে অন্য তথ্যমতে এটির নির্মাতা শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ)।
- বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আছে।

(তথ্যসূত্র: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট)
৭,৫৯৭.
‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’- উক্তিটি কোন পত্রিকায় প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে মুদ্রিত হতো?
  1. প্রগতি
  2. দৈনিক আজাদ
  3. শিখা
  4. সমকাল
ব্যাখ্যা
শিখা পত্রিকা: 
- শিখা ১৯২৬ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মুসলিম সাহিত্য-সমাজের মুখপত্র।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি ও বাণিজ্য বিভাগের অধ্যাপক আবুল হুসেন ছিলেন শিখা পত্রিকার প্রথম সংখ্যার সম্পাদক।
- শিখা বছরে একবার প্রকাশিত হত।
- প্রথম সংখ্যার প্রকাশকাল চৈত্র ১৩৩৩ (৮ এপ্রিল ১৯২৭)। 

উল্লেখ্য,
- শিখার প্রতিটি সংখ্যার শিরোদেশে ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’ কথাটি মুদ্রিত থাকত।
- এ উক্তিকেই শিখা পত্রিকার লেখকগোষ্ঠী তাদের মটো বা আদর্শবাণী হিসেবে বিবেচনা করত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৫৯৮.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. মনজুর কাদের
  2. এস.এ.রহমান
  3. টি.এইচ.খান
  4. এম.আর.হাকিম
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৯৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৩৮%
  2. ৩৯%
  3. ৪০%
  4. ৪১%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান: ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান: ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান: ৫১.০৮%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭,৬০০.
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন -
  1. নুরুল হক ভূঞা
  2. আবদুল মতিন
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. শামসুল আলম
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
• ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
•  কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
• এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ব বাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশ ব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

অন্যদিকে, 
• ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
• ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
• ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।