বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭৪ / ৩০৬ · ৭,৩০১৭,৪০০ / ৩০,৮৩২

৭,৩০১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র নৌ সেক্টর ছিল কোনটি?
  1. ৮নং
  2. ৯নং
  3. ১০নং
  4. ১১নং
ব্যাখ্যা
নৌ সেক্টর:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭,৩০২.
চানক্য কার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  4. সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

• চাণক্য:
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।
- তিনি প্রাচীন তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতির অধ্যাপক ছিলেন। 
- তিনি মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের উত্থানে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেন। 
- তিনিই তরুণ চন্দ্রগুপ্তকে শিক্ষা দিয়েছিলেন।
- চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ও তাঁর পুত্র বিন্দুসারের রাজ-উপদেষ্টার কাজ করেছিলেন। 
- চাণক্যকে কৌটিল্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও অভিহিত করা হয়। 
- তিনি প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রবিজ্ঞান গ্রন্থ অর্থশাস্ত্র-এর রচয়িতা। 
- তাঁকেই ভারতের প্রথম অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মনে করা হয়।

• চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

অন্যদিকে, 
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে বলা হয় গুপ্ত বংশের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা। 

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩০৩.
'ছাতক পাহাড়' কোথায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ 
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
- অবস্থান: সিলেট, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলা
-  উচ্চতা: সাধারণত ৬০-৯০ মিটার, তবে কিছু স্থানে ২৪৪ মিটার পর্যন্ত
- সিলেটের জেলার পাহাড়িয়া অঞ্চল শহরের উত্তর-পূর্ব দিকে ১৮৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থানীয় নাম: টিলা (উচ্চতা ৩০-৯০ মিটার)
- উদাহরণ: ছাতক পাহাড়, সুনামগঞ্জ।
- ছাতক পাহাড়  ৪০ বর্গকিমি এলাকা জুড়ে অবস্থিত।
- এ টিলাগুলো মূলত খাসিয়া, জয়ন্তিয়া, গারো ও লুসাই পাহাড়ের বিচ্ছিন্ন অংশবিশেষ।
- এদের ঢাল খাড়া ও উপরিভাগ অসমান।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩০৪.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে নিম্নের কোন সূচকটি ব্যবহার করে?
  1. DSE CDSET Index
  2. DS30 Index
  3. DSE Broad Index
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- স্টক এক্সচেঞ্জ হলো একটি বাজার যেখানে স্টক এবং অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লেনদেন করা হয়।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে সূচক পদ্ধতি অবলম্বন করে।
- সাধারণ শেয়ার বাজারের গতি বা সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়। এগুলো হলো:
i) DSE Broad Index,
ii) DSEX Shariah Index,
iii) DS30 Index,
iv) DSE CDSET Index.

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।
৭,৩০৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৩,৩০,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২,৩০,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৪,৩০,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা - ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা। 
• এনবিআর কর্তৃক রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা - ৩,৩০,০০০ কোটি টাকা। 
• মোট সরকারি ব্যয় - ৫,৯৩,৫০০ কোটি টাকা।  

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৭,৩০৬.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. জেলা প্রশাসন
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. জেলা পরিষদ
  4. উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
• জেলা প্রশাসন: 
- জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন।
- তাঁকে কেন্দ্র করে জেলার সকল সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।
-------------------------------------------------------------
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

•বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা
- ,সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৭,৩০৭.
মানুষবিহীন বিমান বহনে সক্ষম রণতরী চালু করেছে কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. তুরস্ক
ব্যাখ্যা
টিসিজি আনাদোলু:
 
- ১০ এপ্রিল, ২০২৩ প্রথমবারের মতো মানুষবিহীন বিমান বহনে সক্ষম রণতরী চালু করেছে তুরস্ক।
- রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ও আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই প্রথমবারের মতো বিমানবাহী রণতরীটি চালু করল দেশটি।
- নৌ অভিযানে ড্রোনের সক্ষমতা বাড়াতেই তুরস্কের এ উদ্যোগ।
- উভচর রণতরীটির নাম 'টিসিজি আনাদোলু'।
- এটি ছোট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নে সক্ষম হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান বহন করতে পারবে।
- রণতরীটির দৈর্ঘ্য ২৩২ মিটার এবং প্রস্থ ৩২ মিটার।
- এটি বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধযানসহ ১ হাজার ৪০০ সেনা বহন করতে পারবে।
 
তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১১ এপ্রিল ২০২৩।
৭,৩০৮.
বিবিএসের সর্বশেষ রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬৩.২ শতাংশ
  2. খ) ৬৩.৯ শতাংশ
  3. গ) ৬৪.৩ শতাংশ
  4. ঘ) ৬৫.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার:

- জাতীয় পর্যায়ে : ৬৩.৯ শতাংশ।
- গ্রামাঞ্চলে : ৬৩.১ শতাংশ
- শহরাঞ্চলে : ৬৪.৭ শতাংশ
- আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার : ৬২.৩ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
৭,৩০৯.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্সের অর্থ প্রেরণ করে -
  1. ক) আরব আমিরাত
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
• তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
• ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%),
• দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৭,৩১০.
ভাস্কো ডা গামা কালিকট বন্দরে এসেছিলেন-
  1. ক) ১৪৮৬
  2. খ) ১৪৮৮
  3. গ) ১৪৯২
  4. ঘ) ১৪৯৮
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ, জাতি ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে। পনেরো শতকের শুরু থেকেই তারা বাণিজ্যের জন্য দুঃসাহসিক সমুদ্রযাত্রা শুরু করে। ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের আগস্ট মাসে ভাস্কো ডা গামার কালিকটে পৌঁছার কয়েক দশক পরে বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে। পনেরো শতকের শেষ দিক হতেই এশিয়া থেকে মসলা আহরণের উদ্দেশ্যে ভেনিস ও আরব বণিকদের এড়িয়ে বিকল্প পথ অনুসরণের ফলেই এদেশে পর্তুগিজদের অনুপ্রবেশ ঘটে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৭,৩১১.
নির্বাচন কমিশনের স্থায়িত্বকাল কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৭,৩১২.
‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা বইটির লেখক কে? 
  1. জেনারেল ওসমান গনি
  2. জিয়াউর রহমান
  3. এ কে খন্দকার
  4. আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা

- এ কে খন্দকারের লেখা ‘১৯৭১: ভেতরে বাইরে’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোচিত একটি গ্রন্থ।
- এ কে খন্দকার ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে বার্ধক্যের কারণে তিনি ইন্তেকাল করেন।
- মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান (ডেপুটি চিফ অব স্টাফ) এ কে খন্দকার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন।
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণ: 

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা হয়।
- ঐ দিন বিকাল ৪ টা ১৯ মিনিটে পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ ভারতীয় ইস্টার্ন কামান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- নিয়াজী পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: ¡)বাংলাদেশের ইতিহাস ওবিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
¡¡)প্রথম আলো পত্রিকা।

৭,৩১৩.
চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা সর্বাধিক-
  1. রাঙ্গামাটি জেলায়
  2. খাগড়াছড়ি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. সিলেট জেলায়
ব্যাখ্যা
• চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।

- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

উল্লেখ্য, 
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯। 
বিভাগ অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০ জন বাস করে।

• জেলার নিরিখে দেশে, 
রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪ জন।
এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাস করে - চাকমা।

• এরপরই আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
৭,৩১৪.
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
শুরুতে এটির কার্যক্রম ঢাকাস্থ গ্রীনরোড থেকে পরিচালিত হতো। ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হাইড্রোলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে একীভূত করে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট যারা শুরু করে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৭,৩১৫.
 বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. বাক-স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. সমাবেশের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
→  বাংলাদেশের সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করে।

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা

(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে।
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে ।
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।
- জরুরি অবস্থার সময়ও এই বিধানটি রহিত করা যায় না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৩১৬.
পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে প্রাচীনতম কোনটি?
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র 
  3. তাম্রলিপ্ত
  4. বঙ্গ
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র জনপদ:
- পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে প্রাচীনতম।
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়। প্রাচীন এই জনপদের সীমানা চিহ্নিত করে ড. নীহাররঞ্জন রায় লিখেছেন, "পুণ্ড্রবর্ধনের কেন্দ্র বা হৃদয়স্থানের একটি নতুন নাম পাইতেছি দশম শতক হইতে; এ নাম বরেন্দ্র অথবা বরেন্দ্রী।" অর্থাৎ এই প্রাচীন জনপদটি ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দুটো ভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। কতিপয় লিপি প্রমাণে এ কথা বলা যায় যে, বরেন্দ্র পুণ্ড্রবর্ধনেরই অংশবিশেষ। মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।

⇒ বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।

৭,৩১৭.
সংবিধানের কোন তফসিল অনুসারে, প্রধান বিচারপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ পাঠ করান?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি।
- যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।
• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭,৩১৮.
কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের শিক্ষাক্রম প্রণয়ন করে?
  1. ক) পিটিআই (PTI)
  2. খ) নেপ (NAPE)
  3. গ) এনসিটিবি (NCTB)
  4. ঘ) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE)
ব্যাখ্যা
NCTB- National Curriculum and Textbook Board.
৭,৩১৯.
Which of the following is the highest award given to the living freedom fighters?
  1. ক) Bir Shrestho
  2. খ) Bir Uttam
  3. গ) Bir Bikram
  4. ঘ) Bir Protik
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব এবং জীবিতদের মধ্যে সর্বোচ্চ খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
 
========
 
- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত সর্বমোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।
- দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এই খেতাব বাতিল করা হয়েছে।

খেতাব বাতিল হওয়া চার খুনি হলেন-
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীরউত্তম, গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নুর চৌধুরী (বীরবিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীরপ্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) ও নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীরপ্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৩২০.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

আদমশুমারিঃ 
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম আনুষ্ঠানিক আদমশুমারি হয় ১৮৭২ সালে।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৬১ সালে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- দ্বিতীয় আদমশুমারি : ১৯৮১ সালে।
- তৃতীয় আদমশুমারি : ১৯৯১ সালে
- চতুর্থ আদমশুমারি : ২০০১ সালে
- পঞ্চম আদমশুমারি : ২০১১ সালে
- পরবর্তী ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম হবে 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- বাংলাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আদমশুমারি পরিচালনা করে।

অন্যদিকে, 
- স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ভূখণ্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৭,৩২১.
গারোদের সমাজব্যবস্থা হচ্ছে -
  1. পিতৃতান্ত্রিক
  2. মাতৃতান্ত্রিক
  3. যৌথ পরিবারভিত্তিক
  4. উপজাতীয় গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা

গারো: 
- গারোদের সমাজব্যবস্থা মূলত মাতৃতান্ত্রিক (matrilineal)
। অর্থাৎ, সম্পত্তির উত্তরাধিকার, পারিবারিক নাম এবং সামাজিক মর্যাদা নারীর দিক থেকেই বিবেচিত হয়। গারো সমাজে মেয়েরা পারিবারিক সম্পত্তির প্রধান উত্তরাধিকারী, বিশেষ করে কনিষ্ঠ কন্যা পিতামাতার সব সম্পত্তির মালিক হন।

উল্লেখ্য, 
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে। এদের সংখ্যা প্রায় দেড়লক্ষ। বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে। নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৭,৩২২.
নিচের কোনটি গনভোটের অন্তর্ভূক্ত বিষয়বস্তু নয়? 
  1. নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
  2. বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার নিয়োগ
  3. সরকারী দল হইতে সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন
  4. জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

- সরকারী দল হইতে সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন গনভোটের অন্তর্ভূক্ত বিষয়বস্তু নয়।

গণভোট': 

- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
• গণভোটে নিম্নরূপ একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হইবে-
- (ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।
- (খ) আগামী জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে।
- (গ) সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে ঐকমত্য হইয়াছে- সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে।
- (ঘ) জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।

উৎস: গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫।

৭,৩২৩.
বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন মূলত কোন শক্তির বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. মোগল শাসক
  2. ফরাসি বনিক 
  3. ব্রিটিশ শক্তি
  4. মারাঠা আক্রমণকারী
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন ছিল  ব্রিটিশশক্তি বিরোধী আন্দোলন।
- পলাশি যুদ্ধের অল্প বছর পর থেকে এই আন্দোলনের শুরু।
- নবাব মীর কাশিম ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসীদের সাহায্য চান।
- এই ডাকে সাড়া দিয়ে ফকির-সন্ন্যাসীরা নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করে।
- যুদ্ধে পরাজিত হয়ে মীর কাশিম পালিয়ে গেলেও ফকির-সন্ন্যাসীরা তাদের ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকে।
-  বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
- আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
- ১৭৬০ সালে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ সালে মজনু শাহ উত্তর বাংলায় ইংরেজবিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭-১৭৮৬ সাল পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় ইংরেজদের সঙ্গে মজনু শাহ বহু সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
- তাঁর যুদ্ধকৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি অর্থাৎ অতর্কিত আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- ইংরেজদের পক্ষে তাঁকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করা কখনোই সম্ভব হয়নি।
- তিনি ১৭৮৭ সালে মৃত্যুবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবান শাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখেন। ১৮০০ সালে তাঁরা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
- অপরদিকে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী পাঠক ১৭৮৭ সালে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৩২৪.
প্রাচীন বাংলায় স্বাধীন জনপদ ছিল-
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র
  3. রাঢ়
  4. বরেন্দ্র
ব্যাখ্যা
গৌড় রাজ্য:
- প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজ্য গৌড় রাজ্য।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৩০ অব্দে মালদহ অঞ্চলে ভোজ বংশীয় গৌড় নামক জনৈক ব্যক্তি যে রাজ্যের পত্তন করেছিলেন কালক্রমে তাই গৌড় রাজ্য নামে পরিচিত হয়।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড় রাজ্যের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে গৌড়ের নাম লখনৌতি (প্রদেশের নামে) পরিচিতি পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩২৫.
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়রের নাম কী?
  1. আনিসুল হক
  2. মোহাম্মদ হানিফ
  3. সাঈদ খোকন
  4. সাদেক হোসেন খোকা
ব্যাখ্যা
ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইতিহাস:
- ১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।
- প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার
- সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
- এ আইন অনুযায়ী ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে পৃথক দুইটি সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৭,৩২৬.
সি.আর. দাস ফর্মুলা নামে খ্যাত-
  1. বেঙ্গল প্যাক্ট
  2. গণ আন্দোলন
  3. বয়কট কর্মসূচি
  4. অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• বেঙ্গল প্যাক্ট বা বাংলা চুক্তি (ডিসেম্বর, ১৯২৩ সাল) :

- উপমহাদেশের রাজনীতিতে হিন্দু-মুসলমান সমস্যা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন স্বরাজ দলের নেতা চিত্তরঞ্জন দাস।
- ফলে বাংলায় হিন্দু-মুসলমান সমস্যা দূর করার জন্য তিনি যে চুক্তি সম্পাদন করেছিলেন, ইতিহাসে তা বেঙ্গল প্যাক্ট বা বাংলা চুক্তি নামে খ্যাত।
- তাঁর এই প্রচেষ্টা হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের পথ প্রশন্ত করেছিল।
- ১৯২৩ সালের ১৬ই ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সি.আর. দাস ফর্মুলা নামে খ্যাত বাংলা চুক্তি বা বেঙ্গল প্যাক্ট।
-  এটি সম্পাদনা করতে যেসব মুসলমান নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন আব্দুল করিম, আকরম খাঁ, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী। এ ছাড়া, স্যার আব্দুর রহিম, এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সমঝোতা চুক্তি সম্পাদনে সহযোগিতা ও এতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
- অপরদিকে বাংলার কংগ্রেস নেতা সুভাষচন্দ্র বসু চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
৭,৩২৭.
বাংলাদেশে প্রথম ’ইপিজেড’ কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. নীলফামারী
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা:
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ১৫ এপ্রিল ১৯৮১ তারিখে গঠন করা হয় এবং এই প্রতিষ্ঠানটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ব্যবস্থাপনা ও এগুলোর কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব পালন করে। 
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
-  এছাড়া (মংলা, খুলনা), (উত্তরা, নীলফামারী), (ঈশ্বরদী, পাবনা,), কুমিল্লা, (কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম)ও (আদমজী, নারায়ণগঞ্জ,) আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৩২৮.
মাৎস্যন্যায় কোন শাসন আমলে দেখা দেয়?
  1. সেন শাসন আমলে
  2. পাল তাম্র শাসন আমলে
  3. গুপ্ত শাসন আমলে
  4. মোঘল শাসন আমলে
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায়:
- 'মাৎস্যন্যায়' বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- প্রাচীন বাংলার ইতিহাসে পাল রাজবংশ দীর্ঘকাল শাসন করেছে।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- ধর্মপাল, দেবপাল, মহিপাল নামে অনেক পাল রাজারা বাংলা শাসন করেছেন।
- মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি 'মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৩২৯.
বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রতীক কী?
  1. ক) বলাকা
  2. খ) শাপলা
  3. গ) কাছিবেষ্টিত নোঙর
  4. ঘ) রণতরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের নৌবাহিনীর প্রতীক কাছিবেষ্টিত নোঙর।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় কিছু সংখ্যক নাবিক ও তরূণ মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গড়ে তোলা হয় নৌ কমান্ডো দল। 
- মাত্র ২টি গান বোট ‘‘পদ্মা’’ ও ‘‘পলাশ’’ এর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ এবং তাদের দ্বারা পরিচালিত অপারেশানসমূহ বাংলাদেশের সবাধীনতা অর্জনকে ত্বরান্বিত করে।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৩৩০.
স্বাধীনতা সংগ্রামের একমাত্র নৌ-সেক্টর কোনটি?
  1. ক) ১ নম্বর সেক্টর
  2. খ) ১০ নম্বর সেক্টর
  3. গ) ৩ নম্বর সেক্টর
  4. ঘ) ৫ নম্বর সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।

(তথ্যসূত্রঃ স্বাধীনতার দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড এবং বাংলাপিডিয়া)
৭,৩৩১.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনের বক্তা ছিলেন-
  1. ক) কৈলাশ সত্যাথী
  2. খ) ড. জ্যাঁ তিরোল
  3. গ) কাজিও ইশিগুয়ো
  4. ঘ) আবদুল রাজ্জাক গুরনাহ
ব্যাখ্যা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯ নভেম্বর, ২০২২ সালে।
- সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর জনাব মোঃ আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করেন।
- সমাবর্তনে বক্তা ছিলেন- নোবেল বিজয়ী ফরাসী অর্থনীতিবিদ- অধ্যাপক ড. জ্যাঁ তিরোল

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৩৩২.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. রাশিয়া
  2. বাংলাদেশ
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:

- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৭,৩৩৩.
‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি’ শীর্ষক ইশতেহার প্রচার হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ৩ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং তার পরদিন সারা প্রদেশে হরতাল ডাকেন। সকল সরকারি কর্মকান্ড প্রায় অচল হয়ে পড়ে। ৩ মার্চ, ১৯৭১ পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসভায় ‘স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি’ শীর্ষক ইশতেহার প্রচার করে।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া
৭,৩৩৪.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর-
  1. সোনা মসজিদ
  2. চট্টগ্রাম
  3. বেনাপোল
  4. হিলি
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর — বেনাপোল যশোর জেলায় অবস্থিত।
• ২য় বৃহত্তম স্থলবন্দর হলো দিনাজপুরের — হিলি স্থলবন্দর।
------------------------------------- 
বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:  
— স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
— বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা — ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা — ১৬ টি।
— ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর — বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর — BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
— এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৭,৩৩৫.
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কতবার নির্বাচন হয়?
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্ব প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৩ বার।
- যথা: ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩৩৬.
ছয় দফা কর্মসূচির কোন দফা রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা সম্পর্কে?
  1. ষষ্ঠ দফা
  2. পঞ্চম দফা
  3. চতুর্থ দফা
  4. তৃতীয় দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতাদের একটি সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
• ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা-কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
• বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবি।
• ছয় দফা কর্মসূচির ৪র্থ দফা অনুসারে- আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেওয়া হবে।

• ছয় দফা গুলো হলো: 
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩৩৭.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন কে?
  1. নুজহাত আফরীন
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. ফাতেমা হক
  4. নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
৭,৩৩৮.
সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী গৃহীত হয় -
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৭৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় - পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয় এবং সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রথম বারের মতো বাহাত্তরের সংবিধানের মূলনীতি থেকে সরে আসে।
- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংশোধন করায় এই সংশোধনীকে 'First distortion of Constitution' বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।
৭,৩৩৯.
ইউনিয়ন পরিষদে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন -
  1. চেয়ারম্যান
  2. সদস্য
  3. সংরক্ষিত মহিলা সদস্য
  4. উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠনঃ
- চেয়ারম্যান - ১ জন,
- নির্বাচিত সদস্য - ৯ জন এবং
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য - ৩ জন
- অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
উল্লেখ্য, ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৭,৩৪০.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মোট কতজনকে মৃত্যুদন্ড দেওয়া হয়?
  1. ক) ১১ জন
  2. খ) ১২ জন
  3. গ) ১৪ জন
  4. ঘ) ১৫ জন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়৷
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা ও জওয়ান এই হত্যাকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে অংশ নেন৷ - ২ অক্টোবর, ১৯৯৬: হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
- ১৯ নভেম্বর ২০০৯: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।

৭,৩৪১.
"মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" কোথায় অবস্থিত? 
  1. ভোলা 
  2. খুলনা 
  3. বাগেরহাট
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

- "মহিষ প্রজনন ও উন্নয়ন খামার" বাগেরহাটে অবস্থিত।

• এছাড়া ও অন্যান্য প্রাণীর নাম প্রজনন কেন্দ্র সমূহ।
- হরিণ- চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বন্যপ্রাণী- ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।
- গরু- সাভার, ঢাকা।
- ছাগল- টিলাগড়, সিলেট।
- মহিষ- ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- কুমির- করমজল, সুন্দরবন।

উৎস: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।

৭,৩৪২.
অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়ে কোন বিভাগে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. নির্বাহী
  2. বিচার
  3. আইন
  4. কর্ম বিভাগ
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ:
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা। 
অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি। 
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ। 
অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি জেনারেল। 

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৩৪৩.
কত দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান ঘটে?
  1. ৬ দিন
  2. ২৩ দিন
  3. ৪৮ দিন
  4. ৫৬ দিন
ব্যাখ্যা
৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান ঘটে।

যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা:

• মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• শিক্ষা: সৈয়দ আজিজুল হক।
• কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

⇒ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল:
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও ছুটি পালন, শহীদ মিনার নির্মাণ, বর্ধমান হাউসকে বাংলা একাডেমিতে রূপান্তর করা হবে।
- সে সময় 'নিউ ইয়র্ক টাইমস্' পত্রিকার সংবাদদাতা কালাহানকে দেওয়া ফজলুল হকের তথাকথিত সাক্ষাৎকার কেন্দ্রীয় সরকারকে বিচলিত করে তোলে।
- পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ফজলুল হক পূর্ববাংলার স্বাধীনতা ঘোষণার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
- মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হক নানা চেষ্টা করেও কেন্দ্রীয় সরকারকে বোঝাতে ব্যর্থ হন।
- কেন্দ্রীয় সরকার '৫৪ সালের ৩০মে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ৯২(ক) ধারা বলে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বরখাস্ত এবং পূর্ববাংলায় গভর্নরের শাসন ঘোষণা করেন।
- এভাবে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল গোলাম মুহাম্মদ পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন জারী করেন।
- পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন জারি ছিল ১৯৫৫ সালের ২ জুন পর্যন্ত।
- মুসলিম লীগ ও কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্রে মাত্র চার বছরে সাত মন্ত্রিসভার পতন ঘটে।
- কেন্দ্রীয় সরকার তিনবার গভর্নরের শাসন জারি করে।
- যুক্তফ্রন্টের দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারেনি।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন বলবৎ ছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
          ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৩৪৪.
হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ -
  1. ১০১ পৃষ্ঠা
  2. ১০৩ পৃষ্ঠা
  3. ১০৯ পৃষ্ঠা
  4. ১১১ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ ১০৯ পৃষ্ঠা।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি।
- ভাগ বা অধ্যায়: ১১টি
- তফসিল: ৭টি।
- প্রস্তাবনা: ১টি।
- মূলনীতি: ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭,৩৪৫.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ১৬৭টি
  2. ২২৩টি
  3. ৩০৯টি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৩৪৬.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতাল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. রংপুর
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭,৩৪৭.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ 'তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য' থেকে অর্জিত?
  1. ক) ৫৩.৫৮%
  2. খ) ৮৪.৫৮%
  3. গ) ৪৬.০১%
  4. ঘ) ৩৮.৫৭%
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ‘তৈরি পোশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ – ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮% (নীটওয়্যার- ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক - ৩৮.৫৭%)। 

- এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)। 
- রপ্তানিতে ‘প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ২.৮৯% এবং
- ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য’।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘হিমায়িত খাদ্য’। 

উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৭,৩৪৮.
ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ 
ব্যাখ্যা
ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে।
- ওয়ার্ল্ডফিশের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ।
- বার্ষিক উৎপাদন প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিক টন।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১২ শতাংশ। বার্ষিক উৎপাদন প্রায় তিন লাখ ৪৬ হাজার মেট্রিক টন
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র এবং ছয়টি অভয়াশ্রম আছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বিবিসি।
৭,৩৪৯.
Vulnerable Group Feeding (VGF)-কর্মসূচি সরকার কত সালে শুরু করে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে। 
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে, 
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

৭,৩৫০.
তমুদ্দিন মজলিস সংগঠনটি কিসের সাথে জড়িত?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) স্বাধীনতা সংগ্রাম
  3. গ) সংস্কৃতি আন্দোলন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৭,৩৫১.
বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় -
  1. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
  2. মৌলিক অধিকার
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৩৫২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৫ এর তথ্যমতে, বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২,৬২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৭,৩৫৩.
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. যশোর
  3. কুমিল্লা 
  4. কুষ্টিয়া 
ব্যাখ্যা

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ:
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুষ্টিয়া জেলায় অবস্থিত।

⇒ শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শিলাইদহ কুঠিবাড়ি।
- কুষ্টিয়া শহর থেকে ১৫ কিলোমিটার উত্তর পূর্বে কুমারখালি উপজেলার অর্ন্তগত শিলাইদহ ইউনিয়নের খোরেশদপুর কুঠিবাড়ি অবস্হিত ।
- রবীন্দ্রনাথের দাদা প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর ১৮০৭ সালে এ অঞ্চলের জমিদারি পান।
- পরবর্তিতে ১৮৮৯ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে জমিদার হয়ে আসেন।
- এখানে তিনি ১৯০১ সাল পর্যন্ত জমিদারী পরিচালনা করেন। এ সময় এখানে বসেই তিনি রচনা করেন তার বিখ্যাত গ্রন্থ সোনার তরী, চিত্রা, চৈতালী, ইত্যাদি, গীতাঞ্জলী কাব্যের অনুবাদ কাজও শুরু করেন।

⇒ ১৯৫৮ সাল থেকে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ব্যবস্হাপনায় শিলাইদহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কুঠিবাড়িটি গৌরবময় স্মৃতিরূপে সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর কুঠিবাড়িটি গুরুত্ব অনুধাবন করে কবির বিভিন্ন শিল্পকর্ম সংগ্রহপূর্বক একে একটি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- জাদুঘরের নীচ ও দ্বিতীয় তলায় ১৬টি কক্ষেই কবি রবীন্দ্রনাথ, শিল্পী রবীন্দ্রনাথ, জমিদার রবীন্দ্রনাথ, কৃষক বন্ধু রবীন্দ্রনাথ অর্থাৎ নানা বয়সের বিচিত্র ভঙ্গির রবীন্দ্রনাথের ছবি। বাল্যকাল থেকে মৃতু্শয্যার ছবি পর্যন্ত সংরক্ষিত আছে।
- তাছাড়াও রয়েছে শিল্পকর্ম এবং তাঁর ব্যবহার্য আসবাবপত্র দিয়ে পরিপাটি দিয়ে সাজানো ।

উৎস: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৭,৩৫৪.
নিচের কোনটি সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস নয়?
  1. মুনাফা ও লভ্যাংশ
  2. নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়
  3. সরকারি জমি ভাড়া
  4. জরিমানা ও ফি
ব্যাখ্যা

- 'নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়' সরকারি আয়ের কর বহির্ভূত উৎস নয়। 
- এটি সরকারের কর রাজস্ব আয়ের অন্তর্ভুক্ত।

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:

- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
(১) কর রাজস্ব এবং
(২) কর বহির্ভূত রাজস্ব।

» কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

• কর রাজস্বের উৎস: আয় ও মুনাফা কর, আমদানি শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, আবগারি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক, যানবাহন কর, ভূমি রাজস্ব, নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়, অন্যান্য কর ও শুল্ক

• কর-বহির্ভূত সরকারি আয়ের উৎস: মুনাফা ও লভ্যাংশ, সুদ, ফি, জরিমানা, সরকারি সম্পত্তি, টোল ও লেভী, বাণিজ্যিক আয়, বিশেষ কর, বিবিধ আয়

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও অর্থনীতি (দ্বিতীয় পত্র), এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩৫৫.
'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয় -
  1. ক) ১ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ৩ মার্চ, ১৯৭১
  3. গ) ২ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় । “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন -
১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ)
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)
• এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৩৫৬.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, একজন মানুষের মাসিক গড় আয় কত?
  1. ৬,৫১৪ টাকা
  2. ৬,৯১১ টাকা
  3. ৭,৬১৪ টাকা
  4. ৭,৭৮৪ টাকা
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২: 
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার(%), 
→ খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
→ খানাপ্রতি মাসিক ব্যয় - ৩১,৫০০ টাকা।
→ একজন মানুষের মাসিক গড় আয় - ৭,৬১৪ টাকা (শহুরে ১০,৯৫১ টাকা, গ্রামীণ ৬,০৯১ টাকা)।

তথ্যসূত্র: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
৭,৩৫৭.
”জনস্বাস্থ ও নৈতিকতা” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ২৫ নং
  2. ৩৭নং
  3. ১৮নং
  4. ৩৯নং
ব্যাখ্যা
 “জনস্বাস্থ ও নৈতিকতা”  সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

- ২৫ নং অনুচ্ছেদ পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক ।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ সমাবেশেরে স্বাধীনতা  বিষয়ক ।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা  বিষয়ক ।

উল্লেখ্য:

সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির  সমন্বয়  একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।

উৎস
: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭,৩৫৮.
Where is Bangladesh Sugarcrop Research Institute located?
  1. Dhaka
  2. Gazipur
  3. Chattogram
  4. Rangpur
  5. Pabna
ব্যাখ্যা
ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭,৩৫৯.
প্রাচীন বাংলার ক্ষত্রিয় গোত্রের পেশা মূলত কী ছিল?
  1. ক) অধ্যাপনা করা
  2. খ) যুদ্ধ করা
  3. গ) ব্যবসা বানিজ্য করা
  4. ঘ) মাছ ধরা
ব্যাখ্যা

প্রাচীন বাংলার ৪ টি গোত্রের পেশা নিম্নরুপ: 

1. ব্রাহ্মণ- অধ্যয়ন, অধ্যাপনা ও পূজা-পার্বণ করা- এগুলাে ছিল ব্রাহ্মণদের নির্দিষ্ট কর্ম । তারা সমাজে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা লাভ করতাে।
2. ক্ষত্রিয়- ক্ষত্রিয়দের পেশা ছিল যুদ্ধ করা।
3. বৈশ্য- ব্যবসা-বাণিজ্য করা ছিল বৈশ্যদের কাজ।
4. শূদ্র- সবচেয়ে নীচু শ্রেণির শূদ্ররা সাধারণত কৃষিকাজ, মাছ শিকার ও অন্যান্য ছােটখাটো কাজ করত।

বর্ণপ্রথা
- বর্ণপ্রথা উপমহাদেশে আর্যীকরণের পর সামাজিক শ্রেণিসমূহকে বিন্যস্ত করেছিল।
- তাত্ত্বিকভাবে এ বিন্যাসে শ্রেষ্ঠত্বের ক্রম নির্ধারিত হতো সংশ্লিলষ্ট বিভিন্ন বর্ণের অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিবর্গ তাঁদের চরিত্রে ও কর্মে যে সব গুণাগুণের প্রকাশ ঘটাতেন তার ওপর ভিত্তি করে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, 

- ব্রাহ্মণরা ছিলেন ‘সত্ত্বা’র রক্ষক, এবং সে হিসেবে তাদের পবিত্রতম বলে গণ্য করা হতো। ।
- পবিত্রতার এ মাত্রা ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যদের গুণাগুণের প্রতীক, যথাক্রমে ‘রজ’ ও ‘তম’-এর ক্ষেত্রে ক্রমান্বয়ে নিম্নমুখী বলে বিবেচিত হতো।
- সামাজিক শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে নিচু স্তরে থাকা শুদ্রদের এ রকম কোনো গুণই ছিল না বলে মনে করা হতো। 

তথ্যসূত্র:  নীহাররঞ্জন রায়, বাঙালির ইতিহাস : আদি পর্ব, (১ম সংস্করণ)

৭,৩৬০.
সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন-ক্ষমতা কার উপর ন্যস্ত? 
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. বিচার বিভাগ
  3. রাষ্ট্রপতি 
  4. জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
♣ ৬৫ নং অনুচ্ছেদ: সংসদ-প্রতিষ্ঠা; 
 

- (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
- তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

- (২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

- (৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
- তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
• (৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

- (৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৩৬১.
আরবি হরফে বাংলা লেখার অপচেষ্টা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ১৯৪৭ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে।
- এরপর আরবিতে বাংলা শিক্ষা দেয়া শুরু হয়।
- চালু হয় এ ধরনের অনেকগুলো শিক্ষাকেন্দ্র।
- সেখানে বয়স্ক ছাত্রদের বিনামূল্যে আরবি হরফের বই দেওয়া হতে থাকে।
- পূর্ববাংলার জনগণ কিছুদিনের মধ্যেই পাকিস্তানিদের অসাধু উদ্দেশ্য বুঝতে পারে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ববাংলার নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। ফলে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত সৃষ্টি হতে থাকে।
- প্রথমে এগিয়ে আসে পূর্বপাকিস্তান মুসলিম লীগের 'ভাষা কমিটি'।
- এই কমিটির বক্তব্য ছিল, পূর্ববাংলার মানুষকে অশিক্ষিত বানানোর জন্যই শাসকদের এই ষড়যন্ত্র।
- প্রবল নিন্দা জানায় 'পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ'। প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩৬২.
সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ৩২ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩৩ বছর
  4. ২৫ বছর
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং
- সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
- তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর

সূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৭,৩৬৩.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) ভুটান
  3. গ) মালয়েশিয়া
  4. ঘ) সেনেগাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দ্বিতীয় দেশ:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান।
- দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
ওই একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।

- প্রথম মুসলিম ও আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- প্রথম উত্তর আমেরিকান দেশ হিসেবে বার্বাডোস স্বীকৃতি দেয় ২০ জানুয়ারি ১৯৭২।

সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিন এবং নিউইর্য়ক টাইমস আর্কাইভস।
৭,৩৬৪.
'Bangladesh Tea Board' organization under which ministry?
  1. Ministry of Finance
  2. Ministry of Agriculture
  3. Ministry Of Land
  4. Ministry of commerce
  5. Ministry of Food
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ:
- বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে।
- যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।
 
উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
৭,৩৬৫.
স্বাধীনতার ঘােষণাপত্র সংবিধানের কততম সংশােধনীতে সংযোজিত হয়?
  1. ক) একাদশ
  2. খ) ত্রয়ােদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা গৃহীত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান
৭,৩৬৬.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে কোন জেলায়?
  1. সিলেট
  2. পঞ্চগড়
  3. হবিগঞ্জ
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
চা নিলাম কেন্দ্র:
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- এই নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড় ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৭,৩৬৭.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. গাজীপুর
  3. ধামরাই
  4. যাত্রাবাড়ী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি): 
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
- ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, উদীয়মান ও প্রতিভাবান শিশু-কিশোর-তরুণ ক্রীড়াবিদদের নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়।
- ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৭,৩৬৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'অপারেশন কিলো ফ্লাইট' পরিচালনা করে কোন বাহিনী? 
  1. নৌবাহিনী
  2. সেনাবাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. গেরিলা বাহিনী
ব্যাখ্যা

অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর বিমান উইংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান ছিল।
- এটি মূলত একটি দুঃসাহসিক বিমান হামলা যা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়। 
- কিলো ফ্লাইট ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধ বিমান গঠনের সাংকেতিক নাম। 
- এই অপারেশনের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর তেল ডিপো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সরবরাহ লাইন ধ্বংস করা, সেই সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বাড়ানো। 
- ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি ভারত সরকার অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের জন্য আমেরিকায় তৈরী ১টি পুরানো ডিসি-৩ বিমান, কানাডার তৈরী ১টি অটার বিমান এবং ফ্রান্সের তৈরী ১টি এ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার দেয়।
- এর সাথে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে একটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরিত্যক্ত রানওয়ে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
- ২৮ সেপ্টেম্বর মুক্তিবাহিনীর ডিপুটি চিফ অফ স্টাফ এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে ৯ জন পাইলট ও ৪৭ জন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারের সমন্বয়ে যাত্রা শুরু হয় মুক্তিবাহিনীর এয়ার উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর।
- বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

⇒ এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা। ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

⇒ এই ফ্লাইট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, লালমনিরহাট এলাকায় মোট ৫০টি অভিযান সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনা করে।
- এদের মধ্যে মোগলহাটে (১৫ অক্টোবর ৭১), লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁয়ে (১৬ অক্টোবর ৭১), চৌগাছায় (২১ নভেম্বর ৭১), গোদনাইল ও পতেঙ্গায় (৩ ডিসেম্বর ৭১), সিলেটে (৪ ডিসেম্বর ৭১), জামালপুরে (৫ ডিসেম্বর ৭১), মেঘনা নদীতে (৬ ডিসেম্বর ৭১), সিলেটে (৭ ডিসেম্বর ৭১) এবং নরসিংদীতে (১১ ডিসেম্বর ৭১) বিমান হামলা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star বাংলা।

৭,৩৬৯.
বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) ২০১৫ সালের ১ জুন
  2. খ) ২০১৫ সালের ১ জুলাই
  3. গ) ২০১৬ সালের ১ জুন
  4. ঘ) ২০১৬ সালের ১ জুলাই
ব্যাখ্যা
•  ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়।
- আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার।
- বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে।
- এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।

• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।

সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
৭,৩৭০.
'হাড়িভাঙ্গা' কীসের জাত?
  1. ক) কলা
  2. খ) আম
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) লিচু
ব্যাখ্যা
- হাড়িভাঙ্গাহলো আমের একটি জাত।
আমের অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- ল্যাংড়া
- ফজলি
- মহানন্দা 
- আম্রপালি
- গোপালভোগ
- লক্ষ্মণভোগ
- সুরমা
- সূর্যপুরী
- হিমসাগর
- মোহনভোগ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৭,৩৭১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে অভিযুক্ত করা হয় কত তারিখে?
  1. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  2. ২৮ জানুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  3. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  4. ২৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”।
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৩৭২.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের দ্বিতীয় উৎস কোনটি?
  1. আয়,মুনাফা ও মূলধনের উপর কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. রপ্তানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
• জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত করের লক্ষ্যমাত্রা ৪,৩০,০০০ কোটি টাকা যা মোট রাজস্বের ৫৬.৪%।
রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস:

• প্রথম
মূল্য সংযোজন কর - ১,৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা (৩৮.১%)
• দ্বিতীয়
আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর - ১,৫৩,২৬০ কোটি টাকা (৩৫.৬%) 
• তৃতীয়
সম্পূরক শুল্ক - ৬০,৭০৩ কোটি টাকা (১৪.১%) 
• চতুর্থ
আমদানি শুল্ক - ৪৬,০১৫ কোটি টাকা (১০.৭%) 
• পঞ্চম
আবগারি শুল্ক -  ৪,৫৭৯ কোটি টাকা
• ষষ্ঠ
রপ্তানি শুল্ক - ৬৬ কোটি টাকা
• সপ্তম
অন্যান্য -  ১,৫৪০ কোটি টাকা  (১.৪%)
• উল্লেখ্য, দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা ৮৮ লক্ষ প্রায়।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩। 
৭,৩৭৩.
দেশের কোন জেলায় আবাদী জমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. দিনাজপুর
  2. নওগাঁ
  3. ময়মনসিংহ
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২০ দেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
জেলা অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমির পরিমাণ:
- ময়মনসিংহ জেলা : ৭.২৫ লক্ষ একর
- দিনাজপুর জেলা : ৬.৮৪ লক্ষ একর
- নওগাঁ জেলা : ৬.২৯ লক্ষ একর।
(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০)
৭,৩৭৪.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  2. খ) ভাষা আন্দোলন
  3. গ) যুক্তফ্রন্ট গঠন
  4. ঘ) শিক্ষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাটি আগে ঘটেছিল -১৯৪৭ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত। 
- যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল- ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরে। 
- শাসনতন্ত্র আন্দোলন হয়েছিল- ১৯৫৬ সালে এবং 
- শিক্ষা আন্দোলন হয়েছিল- ১৯৬২ সালে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক)। 
৭,৩৭৫.
১৯৪৩ সালের বাংলার ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ছবি সম্বলিত চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. ক) মনপুরা-৭০
  2. খ) ম্যাডোনা-৪৩
  3. গ) সংগ্রাম
  4. ঘ) দুর্ভিক্ষ-৪৩
ব্যাখ্যা
ম্যাডোনো ৪৩ জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম। তার বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে দুর্ভিক্ষ-চিত্রমালা, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, ঝড়, কাক, বিদ্রোহী ইত্যাদি। ১৯৭০ খ্রিস্টাব্দে গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন তার বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি নবান্ন।
৭,৩৭৬.
এস. ই. ফাইবার চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. ক) Lobby Group
  2. খ) Organized group
  3. গ) Interest group
  4. ঘ) Pressure group
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সম্পর্কে তথ্য:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ‘লবি গ্রুপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন - এস. ই. ফাইবার
- অন্যদিকে, “Interest group” - বলে আখ্যায়িত করেছেন - এইচ. জিগলার।
- অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে ‘সংগঠিত গোষ্ঠী’ (Organized group) শব্দ দু’টি ব্যবহারের পক্ষে।
Almond ও Powel চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে চার ভাগে ভাগ করেছেন।
যথা:-
1. Institutional Interest Groups
2. The Associational Interest Groups
3. Anomic Interest Groups
4. Non-Associational Interest Groups.
অন্যদিকে, অ্যালান বল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে দুই ভাগে ভাগ করেছেন।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩৭৭.
গারোদের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. মাতৃতান্ত্রিক পরিবার
  2. ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী
  3. উৎসব: সোহরাই
  4. আদি ধর্ম 'সাংসারেক'
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 

অন্যদিকে -
- বিজু হলো চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের উৎসব।
- বৈসুক হলো ত্রিপুরাদের উৎসব।
- সাংগ্রাই হলো মারমাদের উৎসব।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।
৭,৩৭৮.
কোনটি নদী বন্দর নয়?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. বাঘাবাড়ি
  3. বেনাপোল
  4. চাঁদপুর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থলবন্দর: 
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল শহরে অবস্থিত বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর।
- এই বন্দরটি বেনাপোল-পেট্রাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতের সাথে রপ্তানি-আমদানি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এই বন্দরটি বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত।

এছাড়া,
- ১৯৮৩ সালে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় বড়াল নদীর তীরে স্থাপিত হয়েছে বাঘাবাড়ি নদী বন্দর। 
- চাঁদপুর বন্দর বাংলাদেশের একটি প্রাচীন নদীবন্দর। 
- নারায়ণগঞ্জ বন্দর বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের একটি নদী বন্দর । 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৭,৩৭৯.
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অস্ত্রবিষয়ক গোপন তথ্যবিনিময় ও সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তির নাম -
  1. ক) General Security of Military Intelligence Agreement (GSOMIA)
  2. খ) General Security of Military Information Armament (GSOMIA)
  3. গ) General Security of Military Information AAct (GSOMIA)
  4. ঘ) General Security of Military Information Agreement (GSOMIA)
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অস্ত্রবিষয়ক গোপন তথ্যবিনিময় ও সুরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তির নাম জিসোমিয়া (জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফেরমেশন অ্যাগ্রিমেন্ট)।
৭,৩৮০.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  2. রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  3. এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
  4. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)।
- এটি ১৯৬২ সালে গভর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরি (GPL) নামে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রোডাকশন ইউনিট (PPU) রাখা হয়।
- ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ওষুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে এটি আধুনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি হাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিস, ইউনিসেফ, WHO, আইসিডিডিআরবি প্রভৃতি সংস্থায় মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহ করছে।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ওয়েবসাইট।

৭,৩৮১.
১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট আসন ছিল কত সদস্য বিশিষ্ট?
  1. ৩০০
  2. ৩১৫
  3. ৩২৫
  4. ৩৫০
ব্যাখ্যা

১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্যঃ
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এ সংবিধানটি উৎকৃষ্ট এবং বিভিন্ন দিক দিয়ে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।
- মূল সংবিধান একটি সুলিখিত দলিল।
- এতে ১টি প্রস্তাবনা, ৪টি তফসিল, ১১টি ভাগ এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানে দেশের জন্য একটি এক-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার বিধান করা হয়।
- এতে ৩০০ জন নির্বাচিত আসন রাখা হয়।
- এবং ১৫ জন সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- মোট ৩১৫ জন সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হবে।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে সংরক্ষিত মহিলা আসন বৃদ্ধি করে ৩০ জন।
- এবং চতুর্দশ সংশোধনীতে বৃদ্ধি করে তা ৪৫ জন এবং বর্তমানে ৫০ জন করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৩৮২.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. জনতা ব্যাংক পিএলসি
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
• প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
• বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
• রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক।
• রূপালী ব্যাংক।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৩৮৩.
কৃষক প্রজা পার্টি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৩৬ সাল
  2. খ) ১৯০৫ সাল
  3. গ) ১৯১১ সাল
  4. ঘ) ১৯৪৭ সাল 
ব্যাখ্যা
ফজলুল হক ১৯৩৬ সালের জুলাই মাসে ঢাকায় কৃষক প্রজা পার্টি (কে.পি.পি) প্রতিষ্ঠা করেন। আর্থ-সামাজিক কর্মসূচি সম্বলিত এ রাজনৈতিক দলটি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ পর্যন্ত বাংলার রাজনীতিতে যথেষ্ট প্রভাব বিস্তার করেছিল।
১৯৩৭ সালের নির্বাচনে কে.পি.পি-র প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ। কৃষক ভোটাররা হকের প্রতি বিশাল সমর্থন জানায়। কে.পি.পি-র টিকেটে নির্বাচিত ৩৬ আসনের ৩৩টি আসে পূর্ব বঙ্গ থেকে। এর ফলে কে.পি.পি পূর্ব বঙ্গের একটি দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
৭,৩৮৪.
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয় কবে?
  1. ২০ মার্চ, ১৯৫৬
  2. ২১ মার্চ, ১৯৫৬
  3. ২২ মার্চ, ১৯৫৬
  4. ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র বিল:
- পাকিস্তান সৃষ্টির দীর্ঘ ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র বিশেষজ্ঞগণ এ শাসনতন্ত্রটি প্রণয়ন করেছিলেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- ১৯৫৬ সালের ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- মোট ১০৫ পৃষ্ঠার এ শাসনতন্ত্রে একটি প্রস্তাবনা, ১৩টি অংশ, ২৩৪টি বিধিএবং ৬টি তালিকা সন্নিবেশিত ছিল।
- এ শাসনতন্ত্রে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ছাড়াও প্রাদেশিক শাসন ব্যবস্থার উল্লেখ ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩৮৫.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় ‘কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন ‘মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান কে?
  1. ক) আবু হোসেন সরকার
  2. খ) আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
  3. গ) সৈয়দ আজিজুল হক
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে। • যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা: 
১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র---এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার--আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী---আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
৪. সৈয়দ আজিজুল হক--শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প

পরবর্তীতে ১৫ মে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন। ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
৭,৩৮৬.
বাংলাদেশ আগামী তিন বছরের (২০২৪ পর্যন্ত) জন্য কোন সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ক) জাতিসংঘের মাদকদ্রব্যবিষয়ক কমিশন
  2. খ) ইউনিসেফ
  3. গ) ইউএন ওমেন
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
২০ এপ্রিল ২০২১ বাংলাদেশ আগামী তিন বছরের জন্য যে তিনটি সংস্থার নির্বাহী বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হয়ঃ
- জাতিসংঘের মাদকদ্রব্যবিষয়ক কমিশন,
- ইউনিসেফ ও
- ইউএন ওমেন।

- ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৬ প্রতিষ্ঠিত জাতিসংঘের মাদকদ্রব্য বিষয়ক কমিশন (Commission on Narcotic Drugs-CND) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) একটি সহযোগী সংস্থা।
- এর সদর দপ্তর - অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।
৭,৩৮৭.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৪১ শতাংশ
  2. ৩৮ শতাংশ
  3. ৪৫ শতাংশ
  4. ৪৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
কৃষি খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৫ শতাংশ। 

উল্লেখ্য,
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭,৩৮৮.
প্রথম সংসদের সূচনায় প্রতি বছর রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেন কোন অনুচ্ছেদের আলোকে?
  1. ৭৩
  2. ৭৫
  3. ৪৫
  4. ৫২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী:
(১) রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান এবং বাণী প্রেরণ করতে পারবেন।
(২) সংসদ-সদস্যদের প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় এবং প্রত্যেক বৎসর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান করবেন।
(৩) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ শ্রবণ বা প্রেরিত বাণী প্রাপ্তির পর সংসদ উক্ত ভাষণ বা বাণী সম্পর্কে আলোচনা করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৩৮৯.
বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে?
  1. পাকিস্তান
  2. কেনিয়া
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. স্কটল্যান্ড
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- আইসিসি ট্রফি জয় করে: ১৯৯৭ সালে।
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে: ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে: ৩১ মার্চ, ১৯৮৬ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৭,৩৯০.
কোন সেক্টরে নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
  1. ৮নং সেক্টর
  2. ৯নং সেক্টর
  3. ১০নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১০ নং সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
- নদীমাতৃক বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রপথে পাকিস্তানের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া ছিল নৌ-কমান্ডো আক্রমণের উদ্দেশ্য।
- ১০নং সেক্টরের কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
- অপারেশনের সময় কমান্ডোদের কাজের নিয়ন্ত্রণ থাকত যে এলাকায় অপারেশন পরিচালিত হবে সে এলাকার সেক্টর কমান্ডারের ওপর।
- এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৩৯১.
বাংলাদেশ সুপ্রীম পার্টি (বি.এস.পি) রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক কী?
  1. উদীয়মান সূর্য
  2. সোনালী আঁশ
  3. আপেল
  4. একতারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)
- নির্বাচন কমিশনে (ইসি) রাজনৈতিক দল হিসেবে চূড়ান্তভাবে সর্বশেষ নিবন্ধন পেয়েছে  বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)। 
- দলটির নির্বাচনী প্রতীক একতারা।
- দলটির নিবন্ধন নম্বর ৪৯। 
- এ নিয়ে ইসিতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ৪৪টি।

অপরদিকে,
• উদীয়মান সূর্য প্রতীক গণফোরামের।
• সোনালী আঁশ প্রতীক তৃণমূল বিএনপির।
• আপেল প্রতীক ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের। 

উৎস: নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট (লিংক)।
৭,৩৯২.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান ব্যাংক নোট সরবরাহ করে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. খ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  3. গ) বাণিজ্যিক মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির দপ্তর
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক নোট সরবরাহ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলী (Functions of Central Bank):
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেশের সর্বপ্রধান ব্যাংক।
- ইহা দেশের অর্থ বাজারের সংগঠক, অভিভাবক, পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য যেসকল কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে তার সংক্ষিপ্ত তালিকা নিম্নরূপ:


নোট ও ধাতব মূদ্রা প্রচলন:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কাজই হলো দেশের জন্য প্রয়োজনের আলোকে কাগজী নোট ও ধাতব মুদ্রা তৈরি, মুদ্রণ ও সরবরাহ করা।
- দেশের জনগণের চাহিদা, ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রেখে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ কাজ করে থাকে।

উৎস: ব্যবসা নীতি ও প্রয়োগ-২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৩৯৩.
'সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান' কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
• সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের ঘটনা এবং ৩ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতা হত্যাকাণ্ডের ঘটনার ধারাবাহিকতায় ওই দিনই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনাসদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দী করেন।
- ৬ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ বঙ্গভবনের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করেন।
- তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমদকে গ্রেফতার করেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দেয়ার ঘোষণা দেন।
- একই দিনে তিনি প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে দেশের প্রেসিডেন্টের বানান।
- পরবতীতে ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশপ্রেমবোধ নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- সিপাহি-জনতার সেই বিপ্লবে মুক্ত হন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান।
- ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে সর্বস্তরের সৈনিক ও জনতা সম্মিলিতভাবে নেমে আসে ঢাকার রাস্তায়, ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছাসে আর ভালোবাসায়।
- এটাই  ইতিহাসে সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান নামে পরিচিত।
- বিশাল এক জনসংহতির নজির সৃষ্টি হয় দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি নির্মাণের প্রচেষ্টায়।
-১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থানে ঐ বছরের মধ্য আগস্ট থেকে চলা অস্থিতিশীল পরিস্থিতির অবসান হয়।

উল্লেখ্য,
-বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন পৃথক নামে দিনটি পালন করে।
-বিএনপি দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে।
-জাসদ দিনটিকে পালন করে ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো।
৭,৩৯৪.
আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৫ সালের ২১শে অক্টোবর আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তা করা হয়। একই কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
(সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৭,৩৯৫.
দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা-
  1. ক) কুতুবউদ্দিন আইবক
  2. খ) মুহাম্মদ ঘোরী
  3. গ) শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ
  4. ঘ) সুলতানা রাজিয়া
ব্যাখ্যা
দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ইলতুৎমিশ। 

- ইলতুৎমিশ (১২১০-১২৩৬) দিল্লি সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে বিবেচিত শামসুদ্দীন ইলতুৎমিশ তুর্কিস্তানের ইলবারি গোত্রের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- জনশ্রুতি আছে যে, ইলতুৎমিশের বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা ও সুদর্শন চেহারা তাঁর ভাইদের মনে ঈর্ষার উদ্রেক করে এবং তারা তাঁকে বাল্যকালে ক্রীতদাসরূপে বিক্রি করে দেয়।
- দিল্লির শাসনকর্তা কুতুবউদ্দীন তার নৈপূণ্যে আকৃষ্ট হয়ে তাকে উচ্চমূল্যে ক্রয় করেন।
- ইলতুৎমিশের পদমর্যাদা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- তিনি দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দীনের অধীনে বদায়ুনের শাসনকর্তা নিযুক্ত হন এবং তার সঙ্গে সুলতানের এক কন্যার বিবাহ দেওয়া হয়।
- ইলতুৎমিশ ১২১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট। 
৭,৩৯৬.
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন কে?
  1. ক) জেহাদ
  2. খ) ডা. মিলন
  3. গ) নূর হোসেন
  4. ঘ) মতিউর
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে সংঘটিত উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে স্বৈরাচার আইয়ুব খান সরকারের পতন ঘটে। এই আন্দোলননে ২৪ জানুয়ারি ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর পুলিশের গুলিতে শহিদ হন। একইদিন মকবুল, রুস্তম ও আলমগীর নামে আরও তিনজন শহিদ হন।
এছাড়া ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
অন্যদিকে নূর হোসেন, জেহাদ এবং ডা. মিলন নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,৩৯৭.
'পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি'র ২৫ বছর পূর্তি হয় -
  1. ক) ৫ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  2. খ) ১ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  3. গ) ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
  4. ঘ) ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
• পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- ২ ডিসেম্বর ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।

তথ্যসূত্র: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি, ২০২৩
৭,৩৯৮.
কোন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ প্রবর্তন করা হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. কান চলচ্চিত্র উৎসব
  2. ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  3. বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
  4. টোকিও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
ব্যাখ্যা

জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ:
- দক্ষিণ কোরিয়ার বুসান ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে ‘জুলাই মেমোরিয়াল প্রাইজ’ নামে একটি নতুন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়েছে।
- আগামী ১৭-২৬ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠাতব্য বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ৩০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার দেওয়া হবে।
- সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে ‘ভিশন এশিয়া’ বিভাগে অংশ নেওয়া ছবিগুলোর মধ্যে একটি ছবিকে পুরস্কারটি দেওয়া হবে।
- ভিশন এশিয়া বিভাগে স্থান পেয়েছে বিভিন্ন দেশের ১১টি চলচ্চিত্র।
- সামাজিক ন্যায়বিচার, বাক্স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার অথবা অসাম্যের বিরুদ্ধে লড়াইকে উপজীব্য করে নির্মিত চলচ্চিত্রকে এ পুরস্কার দেওয়া হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৭,৩৯৯.
‘সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ ইত্যাদি অপরাধ’ সম্পর্কে বলা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ৭ (ক)
  2. খ) ৭ (খ)
  3. গ) ১৪২ (ক)
  4. ঘ) ১৫২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ (ক) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় এই সংবিধান বা এটির কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করলে বা করার ষড়যন্ত্র করলে তার এই কাজ রাষ্ট্রদ্রোহিতা হবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হবে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৭,৪০০.
বাংলাদেশে কতটি  বিশেষায়িত ব্যাংক (Specialized Bank) রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

• ব্যাংকের প্রকারভেদ:
------------------------------------------------
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।
- অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,( বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

​উল্লেখ্য,
​• ​তফসিলী ব্যাংক:
- যে ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকাভুক্ত হয়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত নিয়ম-নীতি মেনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে, তাকে তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে।

​• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

​উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।