বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭০ / ৩০৬ · ৬,৯০১৭,০০০ / ৩০,৮৩২

৬,৯০১.
নিচের কোন জনগোষ্ঠীটি সমতলে বসবাস করে?
  1. ক) লুসাই
  2. খ) মুন্ডা
  3. গ) মুরং
  4. ঘ) চাক
ব্যাখ্যা
মুন্ডা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গ, খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও সিলেট জেলার চা বাগানে বসবাস করে। এদের ভাষার নাম মুন্ডারি। মুন্ডাদের ধর্মের নাম স্বর্ণা।

অন্যদিকে,

লুসাই, মুরং ও চাক জনগোষ্ঠী চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাস করে।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৬,৯০২.
নিচের কোন জেলায় কোনো EPZ নেই?
  1. নীলফামারী
  2. পাবনা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
এগুলোর অবস্থান হলো-
- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)

- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

অন্যদিকে,
রাজশাহীতে কোনো - EPZ নেই।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৯০৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মেহেরপুর জেলা কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ৬ নং সেক্টর
  2. ৭ নং সেক্টর
  3. ৮ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়। মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
৬,৯০৪.
গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম কী?
  1. অবেং
  2. আচিক
  3. মনখেমে
  4. উমোই
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- তাদের সমাজে মাতা হলো পরিবারের প্রধান। মায়ের বংশ সকল স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির মালিক হয়।
- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

৬,৯০৫.
Which one is the largest tribe in Bangladesh?
  1. Garo
  2. Chakma
  3. Marma
  4. Murong
ব্যাখ্যা
 চাকমা:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি চাকমা।
- চাকমারা বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় সবচেয়ে অধিক চাকমা বসবাস করে।
- তাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- তারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- বিজু হলো চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
- তাদের প্রধান ভাষা চাকমা বা চাঙমা।
- চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন: কারবারি।
- চাকমা সমাজের প্রধান হলো চাকমা রাজা।
- চাকমাদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ: ত্রিপিটক।
- চাকমাদের প্রধান পেশা: কৃষি।
- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস: ফেবো।
- জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা: ৫০ টি।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৯০৬.
মুরং আদিবাসী জনগোষ্ঠী বসবাস করে কোন জেলায়?
  1. রংপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৯০৭.
চাকমাদের গ্রাম প্রধানকে কী বলা হয়? 
  1. কার্বারী
  2. সার্কেল প্রধান
  3. আদাম
  4. হেডম্যান
ব্যাখ্যা

- চাকমা গ্রাম প্রধানের উপাধি হলো 'কার্বারী'। 

চাকমা জাতিসত্তা: 
- পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর মধ্যে চাকমারা জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম। 
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার জেলাতে তাদের বসবাস রয়েছে।
- এছাড়া চাকরিসূত্রে চাকমারা ঢাকা, চট্টগ্রামসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় বসবাস করছে। 
- আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের মিজোরাম, ত্রিপুরা, আসাম, অরুণাচল প্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ও দিল্লীসহ বিভিন্ন রাজ্যে অনেক চাকমা বসবাস করে।
- খাগড়াছড়ি জেলার কিছু অংশ এবং রাঙ্গামাটি জেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে চাকমা সার্কেল যার প্রধান হলেন চাকমা চীফ বা চাকমা রাজা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের আরও দুটি সার্কেলের মতো চাকমা সার্কেলও অনেক মৌজা নিয়ে গঠিত। 
- চাকমা ভাষায় গ্রামকে আদাম বা পাড়া বলা হয়। 
- গ্রাম প্রধানের উপাধি হলো 'কার্বারী'। 

এছাড়াও,
- কয়েকটি 'আদাম' বা গ্রাম নিয়ে গঠিত হয় এক-একটি মৌজা।
- মৌজা প্রধান হলেন 'হেডম্যান' যার নেতৃত্বে মৌজার অধিবাসীদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত খাজনা আদায়, বিভিন্ন সামাজিক বিরোধের বিচারসহ এলাকার উন্নয়ন কার্যক্রম এবং জনগণের ভালমন্দ দেখভালের কাজগুলো পরিচালিত হয়। 

উৎস:  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই।

৬,৯০৮.
ভারতবর্ষে প্রথম আদমশুমারি হয় কোন ব্রিটিশ শাসকের শাসনামলে?
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা
• লর্ড মেয়ো:
- মেয়ো, লর্ড (১৮২২-১৮৭২)  ১৮৬৯ থেকে ১৮৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- লর্ড মেয়োর শাসনামলে ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭০ সালে। 
 
অন্যদিকে,
• লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
• ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
• লর্ড মিন্টো " মর্লিমিন্টো সংস্কার আইওন প্রবর্তন হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৯০৯.
সংবিধানের ২৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন
  2. উপজাতি
  3. জাতীয় সংস্কৃতি
  4. জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ২৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।

• সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- জাতীয়তাবাদ।
• সংবিধানের ২৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- জাতীয় সংস্কৃতি।
• সংবিধানের ২৩(ক)নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,৯১০.
বাংলাদেশ কখন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৭ আগস্ট, ১৯৭২ সালে
  3. গ) ০৫ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে
  4. ঘ) ২৩ মে, ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
IMF:
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা IMF
▪ প্রতিষ্ঠাকাল:- গঠনের সিদ্ধান্ত - ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল।
▪ আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর - ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
▪ কার্যক্রম শুরু:- মার্চ, ১৯৪৭।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান:- নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র। 
▪ প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন:- Bretton Woods Conference.

▪ সদস্য সংখ্যা:- ১৯০টি দেশ (সর্বশেষ - অ্যান্ডোরা; ১৬ অক্টোবর, ২০২০)। 
▪ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য:- ৪৪টি দেশ। 
▪ সদর দপ্তর:- ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র। 
▪ বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে - ১৭ আগস্ট, ১৯৭২ সালে।
▪ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।

তথ্যসূত্র: IMF ওয়েবসাইট।
৬,৯১১.
১৯৬২ সালের শাসনতন্ত্রটি প্রবর্তন করেন কে? 
  1. ইস্কান্দার মির্জা 
  2. আইয়ুব খান
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. শেখ মুজিবুর রহমান 
ব্যাখ্যা
১৯৬২ সালের শাসনতন্ত্র:

• ১৯৬২ সালের শাসনতন্ত্র হল পাকিস্তানের দ্বিতীয় শাসনতন্ত্র। 
• ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ প্রথম শাসনতন্ত্র প্রণীত হয়। 
• ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা আইয়ুব খানের চাপের কারণে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারী করেন। 
• সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খান পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র বাতিল ঘোষণা করেন। 
• তিনি ১৯৬০ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি শাসনতন্ত্র প্রণয়ন সংস্থা গঠন করেন। 
• ১৯৬২ সালের ১লা মার্চ তারিখে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আইয়ুব খান পাকিস্তানের জন্য শাসনতন্ত্র ঘোষণা করেন। 
• এটিই পাকিস্তানের ইতিহাসে ৬২-এর শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯১২.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এ.এইচ. এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
৬,৯১৩.
বাংলাদেশের কোন নারী মুক্তিযোদ্ধা 'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত?
  1. কাঁকন বিবি
  2. সিতারা বেগম
  3. তারামন বিবি
  4. রাবেয়া খাতুন 
ব্যাখ্যা

• কাঁকন বিবি:
- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
- তিনি 'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে। 
- পরবর্তীতে তিনি ইসলামধর্ম গ্রহণ করে প্রথমে একজন বাঙালি এবং পরে একজন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৫ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন। 
- এক পর্যায়ে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
- কাঁকন বিবি কে ১৯৯৭ সালে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।
- ২০১৮ সালের ২১শে মার্চ তিনি মারা যান।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং পত্রিকা রিপোর্ট

৬,৯১৪.
'ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. মুর্শিদাবাদ
  4. কলকাতা
ব্যাখ্যা
ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ: 
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সর্বাধিক বিখ্যাত দুর্গ হলো ফোর্ট উইলিয়াম।
- ফোর্ট উইলিয়ামের মাধ্যমেই ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের ঘাঁটি নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- বিখ্যাত এই দুর্গটি কলকাতায় অবস্থিত।
- ভারতবর্ষে ব্রিটিশদের সামরিক শক্তি প্রদর্শনের একটি বড় নিদর্শন এই দুর্গ।

উল্লেখ্য,
- স্যার চার্লস আইয়ার এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তাঁর উত্তরসূরি জন বিয়ার্ড ১৭০১ সালে ফোর্ট উইলিয়ামের উত্তর-পূর্বাংশের দুর্গপ্রাচীর সংযোজন করেন।
- ১৭০২ সালে তিনি দুর্গের মধ্যভাগে বাণিজ্যকুঠি বা 'গভর্নমেন্ট হাউস' নির্মাণ শুরু করেন, যা ১৭০৬ সালে শেষ হয়।
- এরপর ইংল্যান্ডের রাজার সম্মানে দুর্গটির নামকরণ করা হয় ফোর্ট উইলিয়াম।

উৎস: ২ এপ্রিল, ২০১৪, কালের কন্ঠ।
৬,৯১৫.
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয় কোন দাবিতে?
  1. দ্রব্যমূল্য হ্রাস
  2. তত্ত্বাবধায়ক সরকার
  3. সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার
  4. ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের রায়ের বিরুদ্ধে 'বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' এর মাধ্যমে এই আন্দোলনের সূচনা হয়।

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান: 
- ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয় সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে, এর পরে একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ২০২৪ সালের জুনে পুরনো ৫৬% কোটা পুনর্বহাল করলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রবল ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এই ক্ষোভ থেকেই শুরু হয় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় ক্যাডার দিয়ে আন্দোলন দমন করতে গেলে জনরোষ আরও তীব্র হয়। আন্দোলনকারীরা “জুলাই বিপ্লব” নামে একটি গণজাগরণ শুরু করে, যার চূড়ান্ত রূপ ছিল “মার্চ টু ঢাকা” কর্মসূচি। ৫ আগস্ট ২০২৪ তারিখে এই আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ নেয় এবং শেখ হাসিনার সরকার পদত্যাগ করে।

উল্লেখ্য, 
- এই অভ্যুত্থানের ফলে বাংলাদেশে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়, যার প্রধান হন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। 

৬,৯১৬.
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে কোথায় নির্বাসিত করা হয়?
  1. ক) রেঙ্গুন (বার্মা)
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) মালদ্বীপ
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করা হয়।

• দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ:

- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোগল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।

- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়। 


- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯১৭.
বাংলাদেশের অষ্টম ইপিজেড এর নাম কি?
  1. ক) কর্ণফুলী ইপিজেড
  2. খ) কুমিল্লা ইপিজেড
  3. গ) আদমজী ইপিজেড
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অষ্টম ইপিজেড এর হল কর্ণফুলী ইপিজেড।
- কর্ণফুলী ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে।
- ইপিজেড হলো রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল যা বেপজা এর নিয়ন্ত্রণাধীন।-
বেপজা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।

উৎস:বাংলাপিডিয়া

৬,৯১৮.
মানিক, রতন কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. সরিষা
  3. বাঁধাকপি
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।
• বাধাঁকফি - গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়াই ক্রস, গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রাম হেড
• সরিষা - সফল, অগ্রণী

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৬,৯১৯.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল 'দহগ্রাম ছিটমহল' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. লালমনিরহাট
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ছিটমহল:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ছিটমহল দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা যা লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত এবং ভারতের তিন বিঘা করিডোর দিয়ে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সাথে যুক্ত।

উল্লেখ্য,
- লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়। ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।

⇒ ৬ সেপ্টেম্বর ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৯২০.
'নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ' কোন অনুচ্ছেদের বিষয়?
  1. অনুচ্ছেদ - ২১
  2. অনুচ্ছেদ - ২২
  3. অনুচ্ছেদ - ২৩
  4. অনুচ্ছেদ - ২৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
 - অনুচ্ছেদ ২২: ‘নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’  - রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে ।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২৪: জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৯২১.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘চরমপত্র’ সিরিজের উপস্থাপক ছিলেন কে?
  1. এম.আর. আখতার মুকুল
  2. আবদুল মান্নান 
  3. আবদুল জব্বার
  4. আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র :
-স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়। এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
-১৯৭১-এর ৩০ মার্চ পাকিস্তান বিমান বাহিনী কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। ফলে এটি অচল হয়ে যায়।
-২৫ মে তারিখ কেন্দ্রটি কলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং একই দিনে সেখানে এটি তার কার্যক্রম শুরু করে।
-স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন - আবদুল মান্নান ।
- এম.আর আখতার মুকুল, এর উপস্থাপক ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৯২২.
বঙ্গভঙ্গ রদের সময় ভারতের ভাইসরয় ছিলেন-
  1. ক) কার্জন
  2. খ) মাউন্টব্যাটেন
  3. গ) হার্ডিঞ্জ
  4. ঘ) পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়। কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৯২৩.
বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কী নামে পরিচিত?
  1. কুমিল্লা গ্রেড
  2. ঝিনাইদহ গ্রেড
  3. মেহেরপুর গ্রেড
  4. কুষ্টিয়া গ্রেড
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল:
- বাংলাদেশের স্থানীয় জাতের কালো ছাগল বা ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটকে অন্যতম সেরা জাতের ছাগল বলা হয়।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মাংস এবং চামড়ার জন্য বিখ্যাত।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।
- বিশ্ববাজারে এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।
- সুস্বাদু মাংসের জন্য বিশ্ববাজারে এর চাহিদা অনেক।
- বড় বড় কোম্পানিগুলো তাদের চামড়াজাত পণ্য তৈরির জন্য ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া ব্যবহার করে।
- ২০০৭ সালে এফএও বিশ্বের ১০০টি জাতের ছাগলের ওপরে গবেষণা চালিয়ে 'ব্ল্যাক বেঙ্গল'কে বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জেনোম সিকোয়েন্সিং বা পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের একটি দল।
- সম্প্রতি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: ১৮ নভেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
৬,৯২৪.
'বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা- ১৪৩২’ এ কয়টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২৫টি
  2. ২৮টি
  3. ৩০টি
  4. ৩২টি
ব্যাখ্যা
'বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা- ১৪৩২':
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রায় এবার দেশের ২৮টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছেন।
- তারা নিজ নিজ সংস্কৃতির প্রতীক ও ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করে শোভাযাত্রাকে আরও বর্ণিল করে তুলেছেন।
- এবারের শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’।
- শোভাযাত্রায় সাতটি বড়, সাতটি মাঝারি ও সাতটি ছোট মোটিফসহ মোট ২১টি মোটিফ প্রদর্শিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৯ সাল থেকে পয়লা বৈশাখে শোভাযাত্রা করে আসছে চারুকলা।
- শুরুতে নাম ছিল 'আনন্দ শোভাযাত্রা'।
- নব্বইয়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের পটভূমিতে অমঙ্গলকে দূর করে মঙ্গলের আহ্বান জানিয়ে শোভাযাত্রার নামকরণ হয় 'মঙ্গল শোভাযাত্রা'।
- এই বছর 'মঙ্গল শোভাযাত্রা'র নাম পাল্টে 'বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা' করা হয়েছে।
- ইউনেসকো ২০১৬ সালের ৩০ নভেম্বর 'মঙ্গল শোভাযাত্রা'-কে বিশ্বের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত করে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,৯২৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নেওয়া দেশ হলো -
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সারা বিশ্ব ও পরাশক্তিসমূহ দুভাগে ভাগ হয়েছিল।
- একভাগের নেতৃত্বে পাকিস্তান, চীন, আমেরিকা ও মুসলিম দেশসমূহ, অন্যদিকে ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং জোট নিরপেক্ষ দেশসমূহ।
- সৌদি আরব, ইরান, ইরাক প্রভৃতি দেশসমূহ এবং ওআইসি বাংলাদেশে পাকিস্তানের গণহত্যার প্রতিবাদ করেনি বরং পাকিস্তানকে সমর্থন করতে বিশ্বের মুসলমানদের আহ্বান জানিয়েছে।
- সোভিয়েত বলয়ভুক্ত দেশসমূহ সরাসরি বাংলাদেশকে সমর্থন করেছে।
- চিন পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশের ঘটনায় ব্রিটেন সরকারিভাবে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে এবং ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য ব্রিটিশ সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন সরকার বঙ্গোপসাগর অভিমুখে সপ্তম নৌবহর প্রেরণ করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রশ্নে সমগ্র দুনিয়া দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছিল।
- মূলত সংঘাতটি ছিল পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে।
- এ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পাকিস্তানকে সমর্থন করেছিল: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, তুরস্ক, ইরান, শ্রীলংকা, সৌদি আরব।
- জর্ডান, তুরস্ক, ইরান, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফ্রান্স সে সময় পাকিস্তানি বিমানবাহিনীকে বিমান সহায়তা দিয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
ii) যুগান্তর।
৬,৯২৬.
সম্প্রতি কোন স্থানকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ইলোরা অজরা, ভারত
  2. মহেঞ্জদারো, হরোপ্পা, ভারত
  3. মহাস্থানগড়, বাংলাদেশ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী মহাস্থানগড়:
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড়।
- ২০১৬ সালে মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিল।
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হচ্ছে। 

উল্লেখ্য,
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলংকা।

উৎস: ২৪ নভেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
৬,৯২৭.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়েছিল সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. চতুর্দশ সংশোধনী 
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. সপ্তদশ সংশোধনী 
  4. ষোড়শ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
-  সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ২৫ জুন সংসদে পাস হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়।

 • এ সংশোধনীতে আরো যেসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল, 
- সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীতকরণ।
- সংবিধানের পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদ ৭-এর স্থলে ৭(১) এবং ৭(খ) যুক্ত করা হয়, যার উদ্দেশ্য অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের সমাপ্তি ঘটানো।

উল্লেখ্য,
- নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করেছেন সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ। 
-  এর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়।

উৎস: সংবিধান এবং বিবিসি।

৬,৯২৮.
'বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ' (BIDA) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০১৪
  2. ২০১৫
  3. ২০১৬
  4. ২০১৭
ব্যাখ্যা

• BIDA:
- BIDA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Investment Development Authority বা বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
- কাজ: বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

তথ্যসূত্র: BIDA ওয়েবসাইট।

৬,৯২৯.
বর্তমানে প্রাক-প্রাথমিক স্তরে কতটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষার পাঠ্যপুস্তকে পাঠদান করা হচ্ছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
প্রাক-প্রাথমিক স্তরে বর্তমানে পাঁচটি ক্ষুদ্র নগোষ্ঠী ভাষার পাঠ্যপুস্তক রয়েছে।
এগুলো হলো:
- চাকমা ভাষা
- মারমা ভাষা
- ত্রিপুরা (ককবোরক ভাষা)
- গারো ভাষা ও
- সাদরি ভাষা (ওরাঁও জনগোষ্ঠী)
২০১৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মাতৃভাষায় ছাপানো পাঠ্যপুস্তক বিতরণ করা হচ্ছে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও এনসিটিবি ওয়েবসাইট)
৬,৯৩০.
পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ৬ জুন, ১৯৯১
  2. ১৩ জুন, ১৯৯১
  3. ৩ জুন, ১৯৯৩
  4. ৮ জুন, ১৯৯৩
ব্যাখ্যা

BSEC:
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- ৮ জুন, ১৯৯৩ তারিখে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ -এর অধীনে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসাবে বিএসইসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এ সংস্থা সরকারের সহযোগিতায় তার কর্মপরিধির আওতায় পুঁজিবাজারের সামগ্রিক উন্নয়ন তথা একটি স্বয়ংক্রিয়, টেকসই ও উন্নত পুঁজিবাজার প্রতিষ্ঠার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছে।
- কমিশনের উদ্দেশ্য হলো গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা।
- কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও চারজন কমিশনার নিয়ে গঠিত এবং চেয়ারম্যান কমিশনের প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন এবং সে মোতাবেক বাজার তদারকি করা কমিশনের সার্বিক দায়িত্ব।
- কমিশন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত।

⇒ বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।

৬,৯৩১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ৩২ টি
  3. গ) ৫২ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। এই সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
-  যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯৩২.
দশসালা বন্দোবস্তকে চিরস্থায়ী ঘোষণা করা হয় কোন সালে?
  1. ১৭৯০ সালে
  2. ১৭৯১ সালে
  3. ১৭৯৩ সালে
  4. ১৭৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

দশসালা বন্দোবস্তো:
- ইংরেজ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি ছিল একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এমতাবস্থায় লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংসকে কোম্পানির গভর্নর জেনারেল করে পাঠানো হয়।
- তিনি বাংলায় দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান।
- অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য জমিদারদের সাথে 'পাঁচসালা ভূমি বন্দোবস্ত করেন।
- তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- ১৭৮৬ সালে লর্ড কর্নওয়ালিশকে গভর্নর জেনারেল নিয়োগ করা হয়।
- 'দশসালা বন্দোবস্ত' করেন লর্ড কর্নওয়ালিশ।
- ১৭৯০ সালে তিনি 'দশসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কর্নওয়াশি ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ 'দশসালা বন্দোবস্ত'কে 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' বলে ঘোষণা করেন।

অপরদিকে,
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৯৩৩.
কে জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন?
  1. সেনাপ্রধান
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• রাষ্ট্রীয় কাজের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রী:
- রাষ্ট্রীয় সকল কাজের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী করে থাকেন।
- তিনি যেহেতু প্রশাসনের কেন্দ্রে অবস্থান করেন তাই সকল মন্ত্রণালয়, দন্তর ও অধিদপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধনে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

• জাতির মুখপাত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।
- বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন।

• দলের নেতা:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা।
- সংসদ ও সংসদের বাইরে দলের নীতি নির্ধারণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।
- দলীয় নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভূমিকা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিরোধী দলের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৯৩৪.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন কত তারিখে শুরু হয়?
  1. ৭ এপ্রিল ১৯৭২
  2. ১০ এপ্রিল ১৯৭২
  3. ৭ এপ্রিল ১৯৭৩
  4. ১০ এপ্রিল ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী:
- দেশে স্বাধীনতার পর ৩০০ আসনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ।
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল।
- ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সংসদ অধিবেশনে ভাষণ দেন।
- দেশের সর্বোচ্চ আইনসভা জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্ণ হয় ২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল। 
- সেই উপলক্ষে ২০২৩ সালের ৭ এপ্রিল জাতীয় সংসদের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন হয়।

উৎস: ৭ এপ্রিল, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৬,৯৩৫.
বর্তমানে দেশে গড় আয়ু কত?
  1. ক) ৭০.৭
  2. খ) ৭১.৬
  3. গ) ৭২.০
  4. ঘ) ৭২.৩
  5. ঙ) ৭৩.৮
ব্যাখ্যা
বিগত বছরের চেয়ে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কিছুটা বেড়ে ৭২ দশমিক ৩ হয়েছে। এর মধ্যে পুরুষের আয়ু ৭০ দশমিক ৮ বছর আর নারী ৭৩ দশমিক ৮ বছর। সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)
৬,৯৩৬.
‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চি্ত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) চাষী নজরুল ইসলাম
  2. খ) খান আতাউর রহমান
  3. গ) মুহম্মদ জাফর ইকবাল
  4. ঘ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

‘আমার বন্ধু রাশেদ’ ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। মুহম্মদ জাফর ইকবাল রচিত একই নামের শিশুতোষ উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন মোরশেদুল ইসলাম। ১৯৭১ সালে মফস্বল শহরের কয়েকজন কিশোর কীভাবে মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে, তারই কিছু চিত্র ফুঁটে উঠেছে গল্পে। মোরশেদুল ইসলাম কিশোর চলচ্চিত্র দীপু নাম্বার টু (১৯৯৬) এবং খেলাঘর (২০০৬) নামে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রও নির্মাণ করেন।
(সুত্রঃ দৈনিক পত্রিকা অনুসারে)

৬,৯৩৭.
সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুন:প্রবর্তিত হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. নবম সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• দ্বাদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৮ই সেপ্টেম্বর, ১৯৯১।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়।
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬,৯৩৮.
২০২৫–২৬ অর্থবছরে, উন্নয়ন ব্যয় কত ধরা হয়েছে?
  1. ২,৪৫,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,৪৬,০০০ কোটি টাকা
  3. ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা
  4. ২,৫০,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের  লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি বৃদ্ধির লক্ষমাত্রা- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৬,৯৩৯.
কোন নবাব বর্গি নামে পরিচিত মারাঠি দস্যুদের অত্যাচার দমনে ভূমিকা রাখেন?
  1. ক) সরফরাজ খান
  2. খ) আলিবর্দি খান
  3. গ) সুজাউদ্দীন খান
  4. ঘ) মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা
১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে গিরিয়ার যুদ্ধে আলীবর্দী সরফরাজকে পরাজিত করে মুঘলদের অনুমোদন ছাড়াই বাংলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন। ১৭৪০ সালের নভেম্বরে মুঘল সম্রাট তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করেন। তার সময়ে বর্গি নামে পরিচিত মারাঠি দস্যুরা বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রমণ করে জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল। আলিবর্দি খান ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১০ বছর এদের প্রতিরোধ করে দেশছাড়া করতে সক্ষম হন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৬,৯৪০.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হয়?
  1. প্রত্যক্ষ নির্বাচন
  2. প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছানুসারে
  3. পরোক্ষ নির্বাচন
  4. আদালতের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
নির্বাচনের প্রকারভেদ: 

•  নির্বাচন দুই প্রকার।
যেমন-
প্রত্যক্ষ নির্বাচন
ও পরোক্ষ নির্বাচন।

• প্রত্যক্ষ নির্বাচন:
- যে নির্বাচনে জনগণ সরাসরি ভোট দিয়ে প্রতিনিধি বাছাই করে তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলা হয়।
যেমন-
বাংলাদেশের সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন:
- জনগণ ভোটের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন।
এই জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে যখন রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচন করেন, তখন তাকে বলা হয় পরোক্ষ নির্বাচন।
যেমন-
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৯৪১.
দেশের ৬ষ্ঠ ইলিশ অভয়ারণ্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চাদপুর
  2. খ) ভোলা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) পটুয়াখালী
  5. ঙ) শরীয়তপুর
ব্যাখ্যা
১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বরিশাল জেলার সদর, হিজলা ও মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার ৩১৮ বর্গ কি.মি. এলাকাকে সরকার ইলিশ অভয়ারণ্য ঘোষণা করে। এর আগে চাদপুরে নিম্ন মেঘনা নদী, ভোলার শাহবাজপুর চ্যানেল ও তেতুঁলিয়া নদী, পটুয়াখালীর আন্ধারমানিক নদী ও শরীয়তপুরের নিম্ন পদ্মা নদীকে ইলিশ অভয়ারণ্য ঘোষণা করা হয়। এসব অভয়ারণ্যে মার্চ-এপ্রিল দু'মাস ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকে। (সূত্রঃ বরিশাল জেলা ওয়েবসাইট ও মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬,৯৪২.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬,৯৪৩.
সংস্কৃতিতে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩ পায় -
  1. ক) পবিত্র মোহন দে
  2. খ) সেলিম আল দীন
  3. গ) এ এস এম রকিবুল হাসান
  4. ঘ) ড. ফিরদৌসী কাদরী
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৩: 
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান ২০২৩ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছে।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত  জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে স্বাধীনতা পুরষ্কার দেয় হয়।
- ৯ মার্চ, ২০২৩ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।
- ‘স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ’ ক্ষেত্রে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) সামসুল আলম, মরহুম লেফটেন্যান্ট এ জি মোহাম্মদ খুরশীদ, শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া এবং মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া (বীর বিক্রম)।

- ‘সাহিত্য’ ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন- মরহুম ড. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন)।
- ‘সংস্কৃতি’তে পবিত্র মোহন দে।
- ‘ক্রীড়া’য় এ এস এম রকিবুল হাসান।
- ‘সমাজসেবা/জনসেবা’ ক্ষেত্রে পুরস্কার পেয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর। 
- ‘গবেষণা ও প্রশিক্ষণ’ ক্যাটাগরিতে নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ) এবং ড. ফিরদৌসী কাদরী স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।

উৎস: প্রথম আলো, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৬,৯৪৪.
সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে কে?
  1. রাষ্ট্রপ্রধান
  2. পরিকল্পনামন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আমলাগণ 
ব্যাখ্যা
• সরকারের নীতিমালা বাস্তবায়ন:
- সরকার যে সকল নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করে থাকে আমলাতন্ত্র।
- আমলারা সরকারের আদেশ-নির্দেশ যথাযথভাবে পালন করে।
- আমলাদের দ্বারা সরকারি নীতিমালার সঠিক বাস্তবায়নের উপর সরকারের সাফল্য ব্যর্থতা অনেকাংশে নির্ভর করে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯৪৫.
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান,
- এটি ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই টিসিবি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পথিকৃৎ হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।

উল্লেখ্য, 
- এটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি করে এবং পাট, তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা করে। টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
৬,৯৪৬.
বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ১০২ তম
  2. ১০৫ তম
  3. ১০৭ তম
  4. ১১৬ তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৩:

- প্রকাশ - ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩।
- প্রকাশক - বিশ্ব বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থা (WIPO)।
- সূচকের শিরোনাম - Global Innovation Index 2023
- অন্তর্ভুক্ত দেশ - ১৩২ টি।
- শীর্ষদেশ - সুইজারল্যান্ড। 
- সর্বনিম্ন দেশ - অ্যাঙ্গোলা।
- বাংলাদেশের অবস্থান - ১০৫ তম।

তথ্যসূত্র: বৈশ্বিক উদ্ভাবনী সূচক-২০২৩।
৬,৯৪৭.
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় প্রাপ্তিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে ৭ম অবস্থানে বাংলাদেশ।
- এ বছরে শেষে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
- বিশ্বব্যাংক ও নোমাডের মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ব্রিফ ৩৯-এ এসব তথ্য উঠে এসেছে। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৩ সালের শেষেও বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- রেমিট্যান্সের উৎস হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে আছে সৌদি আরব। 

উৎস: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট-২০২৩ (বিশ্বব্যাংক)।
৬,৯৪৮.
নিচের কোন সাহিত্যিক সার্ক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেননি?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. ফখরুল আলম
  3. আনিসুজ্জামান
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
- হুমায়ূন আহমেদ সার্ক সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেননি। 

• সার্ক সাহিত্য পুরস্কার:

- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলা একাডেমির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯ অর্জন করেন।
- ২০১৫ সালে সেলিনা হোসেন।
- ২০১২ সালে ফখরুল আলম।
- ২০০১ সালে শামসুর রাহমান এই পুরস্কার অর্জন করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৬,৯৪৯.
’সমাবেশের স্বাধীনতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৩৭ নং
  2. ৩৬ নং
  3. ৩৫ নং
  4. ৩৩ নং
ব্যাখ্যা
→ ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতা কথা বলা হয়েছে।

• সমাবেশের স্বাধীনতা:
-
৩৭ নং অনুচ্ছেদে,  জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

• কয়েকটি অনুচ্ছেদ:

- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৬,৯৫০.
গ্রামীণ ব্যাংক কোন ধরণের তালিকার অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) তালিকাভুক্ত ব্যাংক
  2. খ) বাণিজ্যিক ব্যাংক
  3. গ) অ-তফসিলি ব্যাংক
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ ব্যাংক হচ্ছে  অ-তফসিলি ব্যাংক। 

• অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। 
• বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলো ৫টি।
যথা :
১. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. জুবিলি ব্যাংক,
৪. গ্রামীণ ব্যাংক জুবিলি ব্যাংক এবং
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি
• বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি
• বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি । 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৯৫১.
দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে?
  1. আব্দুল ওয়াহাব মিয়া
  2. মো. মোজাম্মেল হোসেন
  3. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
  4. এবিএম খায়রুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। তিনি দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি।
- ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ দেশের ২২তম প্রধান ‍বিচারপতি হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
অন্যদিকে,
- ২১তম প্রধান বিচারপতি : এস কে সিনহা
- ২০তম প্রধান বিচারপতি : মো. মোজাম্মেল হোসেন
- ১৯তম প্রধান বিচারপতি : এবিএম খায়রুল হক।
(সূত্রঃ সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো)
৬,৯৫২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন কে?
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. থমাস জেফারসন
  3. জন অ্যাডামস
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট: রিচার্ড নিক্সন,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী (Secretary of State: উইলিয়াম পিয়ার্স রজার্স,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা: হেনরি কিসিঞ্জার,
- জাতিসংঘে মার্কিন প্রতিনিধি: জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ,
- পাকিস্তানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত: জোসেফ এস. ফারল্যান্ড,
- ঢাকায় নিযুক্ত কনসাল জেনারেল: আর্চার কে. ব্লাড,
- ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত: কেনেথ বি. কিটিং।

উৎস: U.S. Department of State (.gov) ওয়েবসাইট।
৬,৯৫৩.
PRSP এর পূর্ণরূপ-
  1. Public Resource Support Program
  2. Primary Rural Support Project
  3. Poverty Reduction Strategy Paper
  4. Policy Reform Support Plan
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র (PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি,
- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৯৫৪.
When did Pakistan officially recognize Bangladesh as an independent state? 
  1. 1971
  2. 1972
  3. 1974
  4. 1975
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে পাকিস্তানের স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত। উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল। অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- একই বছর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য পদ পায়।

⇒ নানা বাধা-বিপত্তির পরও দেখা যায় স্বাধীন হবার মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হয়েছিল আর শতাধিক দেশের স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- বিজয়ের পর পরই ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৬,৯৫৫.
'এফ আর খান' বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত -
  1. কথাসাহিত্যিক
  2. স্থপতি
  3. রাজনীতিবিদ
  4. অর্থনীতিবিদ
ব্যাখ্যা
এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত স্থপতি।
- বাংলাদেশি-আমেরিকান বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী ফজলুর রহমান খান ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাদের আদিবাড়ি ছিল মাদারীপুর জেলার শিবচরে।

⇒ তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ারের (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) নকশা প্রণয়ন করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের অন্যতম বলা হয়।
- ১৯৫৫ সালে তিনি শিকাগো শহরের স্কিডমোর, ওউইং ও মেরিল নামের প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯৭২ সালে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডে’ ম্যান অব দ্য ইয়ার বিবেচিত হন এবং পাঁচবার স্থাপত্যশিল্পে সবচেয়ে বেশি অবদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসাবে অভিহিত হওয়ার গৌরব লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে আমেরিকার ‘নিউজ উইক’ ম্যাগাজিন শিল্প ও স্থাপত্যের ওপর প্রচ্ছদ কাহিনিতে তাকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসাবে বর্ণনা করে।
- তার অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে শিকাগোর জন হ্যানকক সেন্টার, বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হজ টার্মিনাল এবং বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য মডেল অঙ্কন।
- তিনি Tube in Tube নামে স্থাপত্য শিল্পের এক নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন, যার মাধ্যমে অতি উচ্চ (কমপক্ষে একশ তলা) ভবন স্বল্প খরচে নির্মাণ করা সম্ভব।
- ১৯৯৮ সালে শিকাগো শহরের সিয়ার্স টাওয়ারের পাদদেশে অবস্থিত জ্যাকসন সড়ক পশ্চিম পার্শ্ব এবং ফ্রাঙ্কলিন সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বের সংযোগস্থলটিকে নামকরণ করা হয় "ফজলুর আর. খান ওয়ে"।
- ১৯৮২ সনের ২৬শে মার্চ জেদ্দায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷ 
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) যুগান্তর।
৬,৯৫৬.
দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন কত তারিখে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ৫ জানুয়ারি, ২০২৪
  2. ৬ জানুয়ারি, ২০২৪
  3. ৭ জানুয়ারি, ২০২৪
  4. ৮ জানুয়ারি, ২০২৪
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- ৭ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে একাদশ সংসদের মেয়াদ ২০২৪ সালের ২৯শে জানুয়ারি শেষ হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করতে হবে।
- সিইসি জানান, নির্বাচনী প্রচারণা চলবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
- ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ৭ জানুয়ারি রবিবার।
- দেশের ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের ২ লাখ ৬২ হাজার বুথে এবার প্রায় ১১ কোটি ৯৭ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

 উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
৬,৯৫৭.
রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে পারেন?
  1. স্পীকার
  2. হুইপ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ: 

• রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
• রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন। রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বা সম্মতি দান করেছেন বলে গণ্য হলে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
• রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৬,৯৫৮.
চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের মোট বাজেটের পরিমাণ জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ১৫.১ শতাংশ
  2. ১৬.৩ শতাংশ
  3. ১৭.৯ শতাংশ
  4. ১৯.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরে মোট বাজেটের পরিমাণ ৫,৬৮,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১৭.৯ শতাংশ।
বাজেটে জিডিপির আকার ধরা হয়েছে ৩১ লক্ষ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। বাজেটে এডিপির পরিামাণ ২ লক্ষ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। জিডিপির প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৮.২ শতাংশ। মোট ঘাটতির পরিমাণ ১,৯০,০০০ কোটি টাকা।
[সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট এবং বাংলা ট্রিবিউন]
৬,৯৫৯.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ কে?
  1. মনু মিয়া
  2. ড. শামসুজ্জোহা
  3. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  4. আসাদউজ্জামান
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- আসাদউজ্জামান বা শহীদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

উল্লেখ্য,
মনু মিয়া ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহীদ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৬,৯৬০.
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি লাখ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার কত?
  1. ১৫৮ জন
  2. ১৬৩ জন
  3. ১৬৬ জন
  4. ১৬৮ জন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2020 অনুসারে প্রতি এক লাখ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার:
- জাতীয় পর্যায়ে : ১৬৩ জন।
- গ্রামাঞ্চলে : ১৭৮ জন
- শহরাঞ্চলে : ১৩৮ জন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
৬,৯৬১.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় 'বাতেন বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করেন?
  1. টাঙ্গাইল
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা

আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৬,৯৬২.
লাহােরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যােগদান করেন?
  1. ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  2. ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  4. ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
• OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC
- OIC এর পূর্ণরুপ - The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
---------------
১৯৭৪ সালের ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ (৩২-তম) লাভ করে।

• ওআইসি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু:
- ১৯৭৪ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ওআইসি মহাসচিবের কাছ থেকে একটি বার্তা এলো বঙ্গবন্ধুর জন্য। আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ারি বুমেদিন তাঁর বিশেষ বিমান পাঠিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে লাহোরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
- বিমানে আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুতেফলিকার নেতৃত্বে আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি দল রয়েছে। দলে কুয়েতের আমিরের বিশেষ দূত হিসেবে আছেন কুয়েতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁরা বঙ্গবন্ধুকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান।

- ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রতিনিধিদল ঢাকা এলো ২২ ফেব্রুয়ারি। বঙ্গবন্ধু আলোচনায় জানালেন, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে লাহোর সম্মেলনে যোগদান সম্ভব নয়। আলাপ-আলোচনার পর প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের সঙ্গে ঐকমত্যে উপনীত হলো যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একই সময়ে একযোগে পারস্পরিক স্বীকৃতি দেবে এবং লাহোর ও ঢাকা থেকে এ ঘোষণা একসঙ্গে প্রচার করা হবে—এটাও সিদ্ধান্ত হলো। ২৩ ফেব্রুয়ারি ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল লাহোর যাবে।

- পরবর্তীতে, ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং বঙ্গবন্ধু ২৩ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনে যোগ দিতে লাহোর যান।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ওআইসি সম্মেলনে ভাষণ প্রদান করেন।

উৎস: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং ওআইসি ওয়েবসাইট।
৬,৯৬৩.
'পঞ্চব্রীহি' ধান আবিষ্কার করেন কে?
  1. ডক্টর খালেদ আহমেদ
  2. ডক্টর আবেদ চৌধুরী
  3. ডক্টর আলী আশরাফ
  4. ডক্টর নাঈমুর রহমান
ব্যাখ্যা
পঞ্চব্রীহি:
- ফলন শেষ হওয়ার পর একটি ধানগাছ পুরোপুরি না কেটে ওই একই গাছে বিভিন্ন মৌসুমে আরও চারবার একই ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
- বিভিন্ন মৌসুমে এক গাছ হতে পাঁচ প্রকারের ধান চাষের পদ্ধতিটি হচ্ছে পঞ্চব্রীহি।
- পঞ্চব্রীহির এক ধান গাছে পাঁচবার ফলন হয়।
- ২০২৩ সালের ১২ অক্টোবর লন্ডন-বাংলা প্রেসক্লাব আয়োজিত ‘খাদ্যনিরাপত্তা ও মানবস্বাস্থ্য’ শীর্ষক এক বিশেষ বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এ আবিষ্কারের কথা জানান তিনি।
- পঞ্চব্রীহি ধান চাষে প্রথমবার ১১০ দিন পর ফলন আসে।
- পরের ফলন আসে ৪৫ দিন অন্তর।
- একবার বোরো, দুবার আউশ ও দুবার আমন ধানের ফলন পাওয়া যাবে।
- পঞ্চব্রীহি ধান প্রথমবার হেক্টরপ্রতি উৎপাদন হয় চার টন।
- ধানের চারা প্রতি ৪ সেন্টিমিটার দূরত্বে রোপণ করতে হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ অক্টোবর ২০২৩।
৬,৯৬৪.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাজধানীর নাম Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়?
  1. ৭ম সংশোধনী
  2. ৮ম সংশোধনী
  3. ৯ম সংশোধনী
  4. ১০ম সংশোধনী
  5. ১১তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়।
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৬,৯৬৫.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কাঁঠালের কোন জাতটি উদ্ভাবন করেছেন?
  1. বারি কাঁঠাল-৬
  2. বারি কাঁঠাল-৫
  3. বারি কাঁঠাল-৪
  4. বারি কাঁঠাল-৮
ব্যাখ্যা
বারি কাঁঠাল-৬:
- কাঁঠালের চারা রোপণের মাত্র দেড় বছরেই পাওয়া যাবে ফল।
- বছরের বারমাসই ধরবে কাঁঠাল।
- থাকবে না আঠাও।
- এমন নতুন কাঁঠালের জাত উদ্ভাবন করেছেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) বিজ্ঞানীরা।
- জাতটির নাম দেওয়া হয়েছে বারি কাঁঠাল-৬।
- গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) একদল ফলবিজ্ঞানী কাঁঠালের নতুন জাতটি উদ্ভাবন করেছেন।
- এর আগে তাঁরা কাঁঠালের পাঁচটি জাত উদ্ভাবন করেন।
- সেগুলো হলো বারি কাঁঠাল-১, বারি কাঁঠাল-২, বারি কাঁঠাল-৩, বারি কাঁঠাল-৪ ও বারি কাঁঠাল-৫।
- সম্প্রতি উচ্চফলনশীল বারি কাঁঠাল–৬ জাতটি অবমুক্ত করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় বীজ বোর্ড।

উৎস: ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৬,৯৬৬.
'জগদ্দল মহাবিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. কুমিল্লা 
  3. বগুড়া 
  4. নওগাঁ 
ব্যাখ্যা

জগদ্দল মহাবিহার:
- জগদ্দল মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার ধামুরহাট উপজেলায় অবস্থিত। 

⇒ পাল রাজাদের নির্মিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মগধের বিশালায়তন বিক্রমশীলা মহাবিহার, বিক্রমপুরের বিক্রমপুরী বিহার এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের সোমপুর মহাবিহার ও জগদ্দল মহাবিহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- জগদ্দল মহাবিহার নির্মাণ করেন সম্ভবত রামপাল (১০৭৭-১১২০)। মদনপালের রাজত্বকালে রচিত সন্ধ্যাকরনন্দীর রামচরিতম গ্রন্থ অনুসারে এ বিহারের অবস্থান বরেন্দ্রীতে। বিভূতি চন্দ্র, দানশীল, মোক্ষকর গুপ্ত ও শুভকর গুপ্তের ন্যায় তিববতের কয়েকজন বিখ্যাত বৌদ্ধ পন্ডিত এ বিহারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- শুভকর গুপ্ত ও অভয়কর গুপ্ত বিক্রমশীলা মহাবিহারের অন্যান্য পন্ডিতসহ ওই  বিহারের ধ্বংসের পর জগদ্দল মহাবিহারে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে মনে করা হয়। এখানে তাঁরা বৌদ্ধধর্ম বিষয়ক বহু সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেন।
- আইন-ই-আকবর রচয়িতা আবুল ফজল এ স্থানটিকে রমৌতি বলে উল্লেখ করেছেন। প্রাচীন বাংলার ধর্মমঙ্গল কাব্যগুলিতে রামাবতীর উল্লেখ আছে। 
- বর্তমানে স্থানীয় জনগণ এটিকে বটকৃষ্ণ রায় নামক এক জন জমিদারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করে।

উৎস: i) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
ii) বাংলাপিডিয়া। 

৬,৯৬৭.
বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত জেলা কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৬ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
এক নজরে সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যবলী
- একক বন হিসাবে সুন্দরবন বাংলাদেশের বৃহত্তম বন।
- এই বনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা বাংলাদেশের আয়তনের প্রায় ৪.২% এবং সমগ্র বনভূমির প্রায় ৪৪%।
- ১৮৭৫ সালে সুন্দরবনকে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এ বনভূমির প্রায় ৩২,৪০০ হেক্টর এলাকাকে বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো (UNESCO) পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- তার আগে ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবন রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত ৩টি জেলায় বা সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি। যথা- খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট।
- ১৪ ফেব্রুয়ারিকে 'সুন্দরবন দিবস' পালন করা হয়।
- দুবলার চর ও হিরণ পয়েন্ট সুন্দরবনে অবস্থিত।|
- ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় সুন্দরবন ৯নং সেক্টরের অধীনে ছিলো। 

[সুন্দরবন কয়টি জেলায় অবস্থিত? ৩টি নাকি ৫টি! আমরা তথ্যকল্পদ্রুমের পোস্টের মাধ্যমে এই প্রশ্ন নিয়ে যে কনফিউশন রয়েছে; সেটি তথ্য বিশ্লেষণের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করেছি।
বিস্তারিত দেখুন -  তথ্যকল্পদ্রুমের পোস্ট নং- ০২৩] (লিংক)। 

সূত্র- বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬,৯৬৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪২
  2. ৩৯
  3. ৪০
  4. ৪১
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪০ নং অনুচ্ছেদে পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। 
• আইনের দ্বারা আরোপিত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে কোন পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের কিংবা কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার জন্য আইনের দ্বারা কোন যোগ্যতা নির্ধারিত হইয়া থাকিলে অনুরূপ যোগ্যতাসম্পন্ন প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন আইনসঙ্গত পেশা বা বৃত্তি-গ্রহণের এবং যে কোন আইনসঙ্গত কারবার বা ব্যবসায়-পরিচালনার অধিকার থাকিবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৯৬৯.
বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
পাটের জীবন রহস্য:

- ২০১০ সালে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করে বাংলাদেশি বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে একটি গবেষণাদল।
- প্রথমে তোষা পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কৃত হয়।
- ২০১৩ সালে মাকসুদুল আলম দ্বিতীয় ধাপে দেশি পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেন।
- যার মাধ্যমে প্রাণী বা উদ্ভিদের জেনেটিক (জন্মগত) বৈশিষ্ট্যের বিন্যাস বা নকশা জানা যায়।
- ২০১২ সালে পাটের জন্য ক্ষতিকর ম্যাক্রোফমিনা ফাসিওলিনা নামের এক ধরনের ছত্রাকের জিনোম সিকোয়েন্স জীবনরহস্য উন্মোচন করা।
- যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ইউনিভার্সিটির অণুজীববিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন মাকসুদুল আলম।
- ২০০৮ সালে এই গবেষণার সূত্রপাত হয়। স্বপ্নযাত্রা নামে এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ১১ জন গবেষক ও ২০ জন তথ্য-প্রযুক্তিবিদ।

তথ্যসূত্র - কালের কণ্ঠ, ১৯ জানুয়ারি ২০১১।
৬,৯৭০.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার বিষয়বস্তু রয়েছে কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে সংবিধান কার্যকর হয়।
- মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।

- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার বিষয়বস্তুর ৫টি ভাগ রয়েছে
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৯৭১.
‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার’ কোথায় উদ্বোধন করা হয়?
  1. ক) পূর্বাচল
  2. খ) আগারগাঁও
  3. গ) সেগুনবাগিচা
  4. ঘ) মিরপুর
ব্যাখ্যা
২১ অক্টোবর, ২০২১ সালে, ঢাকার পূর্বাচলে ‘বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার’ উদ্বোধন করা হয়।
রাজধানী ঢাকার অদূরে গড়ে ওঠা পূর্বাচল উপশহরে কাঞ্চণ ব্রিজের কাছে ৪ নম্বর সেক্টরে ২০ একর জমির ওপর বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
উৎস: bdnews24.com
৬,৯৭২.
তেঁতুলিয়া কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. জয়পুরহাট
  3. দিনাজপুর
  4. লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
- তেঁতুলিয়া উপজেলা (পঞ্চগড় জেলা) আয়তন: ১৮৯.১০ বর্গ কিমি।
- অবস্থান: ২৬°২৪´ থেকে ২৬°৩৮´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°২১´ থেকে ৮৮°৩৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- সীমানা: উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে পঞ্চগড় সদর উপজেলা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তর সীমান্তে তেঁতুলিয়া উপজেলা অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৯৭৩.
কৃষিতে ‘মানিক’ কিসের উন্নত জাতের নাম?
  1. উন্নত জাতের কলা
  2. উন্নত জাতের বেগুন
  3. উন্নত জাতের ফুলকপি
  4. উন্নত জাতের টমেটো
ব্যাখ্যা

- উন্নত জাতের টমেটো হল - মিন্টু , বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- অগ্নিশ্বর, কানাইবাশি, মোহনবাঁশি, বীটজবা ইত্যাদি উন্নত জাতের কলার নাম।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।

তথ্যসূত্র - ais.gov.bd।

৬,৯৭৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধানের​ ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

​উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৯৭৫.
বিচার বিভাগের কাজ নয়- 
  1. সংবিধান প্রণয়ন
  2. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
  3. আইনের ব্যাখ্যা করা 
  4. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

•বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৯৭৬.
'Exercise Tiger Lightning  2025' কী? [জুলাই, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বার্ষিক মহড়া
  2. বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ সামরিক মহড়া
  3. বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া
  4. বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর বার্ষিক মহড়া
ব্যাখ্যা
Exercise Tiger Lightning  2025:
- এক্সারসাইজ টাইগার লাইটনিং হচ্ছে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়া।
- এই মহড়াটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড এবং ইউনাইটেড স্টেটস আর্মি প্যাসিফিক কমান্ড এর নেভাডা ন্যাশনাল গার্ড এর যৌথ তত্ত্বাবধানে সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসস্থ প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডে অনুষ্ঠিত হয়।
- এই মহড়ায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা ন্যাশনাল গার্ড এর ৬৬ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের ১০০ জন সদস্য অংশগ্রহণ করেন।
- অনুশীলনটি ২৫ জুলাই- ৩০ জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত মোট ০৬ দিন পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, কৌশলগত যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্যে এই টাইগার লাইটনিং অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র- আইএসপিআর। [link]
৬,৯৭৭.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে পূর্ব বাংলার নামকরণ 'বাংলাদেশ' করেন?
  1. ২ ডিসেম্বর ১৯৬৯
  2. ৩ ডিসেম্বর ১৯৬৯
  3. ৪ ডিসেম্বর ১৯৬৯
  4. ৫ ডিসেম্বর ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
পূর্ব বাংলার নামকরণ:

- ১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি ৬ দফাসহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
২২ ফেব্রুয়ারি জনগণের অব্যাহত চাপের মুখে কেন্দ্রীয় সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ অন্যান্য আসামিকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুকে সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানের ভাষণে ছাত্র সমাজের ১১ দফা দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানান।
- ১৯৬৯ সালের
৫ ডিসেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলার নামকরণ করেন ‘বাংলাদেশ’।
- তিনি বলেন, “একসময় এদেশের বুক হইতে, মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে ‘বাংলা’ কথাটির সর্বশেষ চিহ্নটুকুও চিরতরে মুছিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে। … একমাত্র ‘বঙ্গোপসাগর’ ছাড়া আর কোন কিছুর নামের সঙ্গে ‘বাংলা’ কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই। … জনগণের পক্ষ হইতে আমি ঘোষণা করিতেছি- আজ হইতে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশটির নাম ‘পূর্ব পাকিস্তানে’র পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘বাংলাদেশ’।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৯৭৮.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কতজন সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে?
  1. ক) ৩ জন
  2. খ) ৪ জন
  3. গ) ৫ জন
  4. ঘ) ৬ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ নম্বর ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে কোনো আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন। ১১৮(৩) ধারায় বলা হয়েছে, 'এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বৎসর কাল হইবে'।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৯৭৯.
ঢাকায় ছোট কাটারা নির্মাণ করেন-
  1. ইসলাম খান
  2. শাহ সুজা
  3. মীর জুমলা
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
- তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল।
- তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।
- পরিবিবি ছিল শায়েস্তা খানের মেয়ে। তার আসল না ম ইরান দুখ্‌ত।
-তাঁর আমলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯৮০.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর সমাধি কোথায়?
  1. ক) নড়াইল
  2. খ) যশোর
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯, তদানিন্তন ইপিআর-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর গঠন হলে তাঁর উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব।
- তিনি নিয়োগ পান বয়রা সাব-সেক্টরে।
- এই সাব-সেক্টরের অধীনে গোয়ালহাটি, ছুটিপুর ঘাট, ছুটিপুর সেনাক্যাম্প, বরনী আক্রমণে অংশ নেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- বরনীতে নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার জীবন রক্ষা করেন।
- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র যশোরের কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৯৮১.
'বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
  4. ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।

উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।

৬,৯৮২.
বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক -
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
  3. অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

সোনালী ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্র মালিকানাধীন সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৬,৯৮৩.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. গেওয়া
  2. গরান
  3. কেওড়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

৬,৯৮৪.
'সবুজ ছাতা' কিসের প্রতীক?
  1. প্রাথমিক শিক্ষা
  2. বৃক্ষরোপন
  3. বিশ্ব ভ্রমণ
  4. স্বাস্থ্য সেবা
ব্যাখ্যা
সবুজ ছাতা:

- সবুজ ছাতা  স্বাস্থ্য পরিচর্যা কেন্দ্রের একটি প্রতীক।
- যেখানে বিশেষ করে পরিবার পরিকল্পনা সেবা প্রদান করা হয়।
- যৌন সম্পর্কবাহিত রোগসহ অন্যান্য সাধারণ স্বাস্থ্য সেবারও ব্যবস্থা এখানে আছে।
- জনগণের স্বার্থসংশি­ষ্ট বার্তা বহনের জন্য প্রতীকসমূহ কখনও কখনও খুবই প্রয়োজনীয় মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- শিক্ষার নিম্নহারসম্পন্ন একটি দেশে জনগণের মাঝে স্বাস্থ্যবার্তা আগাম পৌঁছে দেওয়ার জন্য এর ব্যবহার খুবই ফলপ্রসূ।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৮ সালে সবুজ ছাতা প্রতীকের প্রচলন করে।
- স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর থেকে এটি শুরু হয়।
- সাধারণত বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে এ ধরনের প্রচেষ্টা নেওয়া হয় এবং এক্ষেত্রেও এনজিও-র অংশগ্রহণের ফলে এই প্রতীকটির জনপ্রিয়করণ সহজ হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৯৮৫.
স্থিরমূল্যে জিডিপিতে পশুসম্পদ খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১.৪৩ শতাংশ
  2. ১.৬৪ শতাংশ
  3. ৩.৫২ শতাংশ
  4. ৬.৭৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা

বিবিএসের সাময়িক হিসাবে গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষির উপখাতসমূহের অবদান
পশুসম্পদ - ১.৪৩ শতাংশ
বনজসম্পদ - ১.৬৪ শতাংশ
মৎস্যখাত - ৩.৫২ শতাংশ
শস্য উৎপাদন উপখাত - ৬.৭৬ শতাংশ
সার্বিক কৃষিখাত - ১৩.৩৫ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)

৬,৯৮৬.
লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন কে?
  1. সম্রাট আজম শাহ
  2. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  3. নবাব শায়েস্তা
  4. সম্রাট শাহ জাহান
ব্যাখ্যা

• লালবাগ কেল্লার ইতিহাসঃ
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে। 
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। 
- যদিও আজম শাহ খুব কম সময়ের জন্যেই মুঘল সম্রাট হিসেবে ছিলেন। 
- তবুও তার অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তার এই অসাধারণ কাজটি শুরু করেন।
- উল্লেখ্য আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি, 
- এই দুর্গ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার প্রায় এক বছরের মাথায় তার বাবার ডাকে তাকে দিল্লিতে চলে যেতে হয় ।
- সম্রাট আজম শাহ চলে যাওয়ার পর দুর্গ নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। 
- তখন এই দুর্গ নির্মাণের কাজ আদৌ সম্পূর্ণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।
- তৎকালীন নবাব শায়েস্তা খাঁ পুনরায় লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন কাজ থেমে যাওয়ার প্রায় এক বছর পরে। 
- পুরো উদ্যমে আবার কাজ চলতে থাকে দুর্গ নির্মাণের।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৯৮৭.
হিন্দু বিধবা বিবাহের পক্ষে সর্বপ্রথম আন্দোলন করেন কে?
  1. দাদাভাই নওরোজী
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু বিধবা বিবাহের পক্ষে সর্বপ্রথম আন্দোলন করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:

- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন।
- লর্ড ডার্লহৌসীর সহায়তায় ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই বিধবা বিবাহ আইন পাস হলেও তা বাস্তবায়ন সহজ হয়নি।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

উল্লেখ্য,
- বহুবিবাহ এবং বাল্য বিবাহ রোধেও তিনি প্রয়াস চালান।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯৮৮.
বিরোধী দলের কাজ কোনটি?
  1. অধিকার বাস্তবায়ন
  2. গণতন্ত্র রক্ষা
  3. প্রার্থী মনোনয়ন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৯৮৯.
সম্প্রতি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে - [মে, ২০২৫]
  1. তথ্য অধিকার কমিশন
  2. পল্লী বিদ্যুৎ বোর্ড
  3. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  4. জাতীয় পরিকল্পনা কমিশন
  5. জাতীয় অর্থনৈতিক কমিটি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা এনবিআরকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। 
- এটি ভেঙ্গে দুইটি বিভাগে বিভক্ত করা হয়েছে।
- এ সংক্রান্ত ‘রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ’ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- সংস্থাটি ভেঙে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নামে দুটি বিভাগ সৃষ্টি করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, রাজস্ব নীতি বিভাগ কর আইন প্রয়োগ ও কর আদায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে।
- রাজস্ব সংগ্রহের মূল কাজ করবে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

উৎস: প্রথম আলো (১৩ মে ২০২৫)
৬,৯৯০.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. সংবিধান
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• সাংবিধানিক প্রাধান্য:
- সংবিধান রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- এবং জনগণের পক্ষে ঐসব ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল সংবিধানের অধীনে ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সংবিধানে বাংলাদেশের জন্য একটি সর্বোচ্চ আদালত গঠনের ব্যবস্থা করা হয়।
- সুপ্রীম কোর্ট হবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- এই আদালত সংবিধানের প্রাধান্য নিশ্চিত করবে এবং তার স্বাধীনতা সংরক্ষণ করবে।

এছাড়াও,
- সংসদীয় পদ্ধতির সরকার মূল সংবিধানে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রধানকে প্রধানমন্ত্রী করে।
 - এবং মন্ত্রিপরিষদকে দেশের প্রকৃত শাসক করা হয়।
- মন্ত্রিপরিষদ সকল কাজের জন্য সংসদের নিকট জবাবদিহি করবে।

 উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৯৯১.
বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য কোনটি?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. গৌড়
  4. পুন্ড্র
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র জনপদ:
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।
- পুণ্ড্র ‘জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৯৯২.
Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. মার্কেন্টাইল ব্যাংক
  4. সিটি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
Bkash ব্র্যাক ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে।

বিকাশ (Bkash):

- Bkash-এর যাত্রা শুরু ২০১১ সালে।
- ব্র্যাক ব্যাংক যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানি ইন মোশন এলএলসি, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন, গেটস ফাউন্ডেশন, অ্যান্ট ইন্টারন্যাশনাল এবং সফটব্যাংক-এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল আর্থিক সেবা দিয়ে আসছে।

⇒ দেশজুড়ে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার এজেন্ট ও ৫ লাখ ৫০ হাজার মার্চেন্টের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন ধরনের সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বিকাশ একটি ক্যাশলেস ডিজিটাল আর্থিক ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখছে। ফলে, প্রায় ৮ কোটি গ্রাহকের আস্থা নিয়ে বিকাশ এখন প্রতিদিনের সঙ্গী।
- বাংলাদেশের ফিনটেক খাতে অগ্রগামী ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট-২০২৩ এ ‘ফিনটেক পাইওনিয়ার’ সম্মাননায় ভূষিত হয় বিকাশ।

উৎস: বিকাশ ওয়েবসাইট।
৬,৯৯৩.
বিশ্বের যে কোন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কী বলা হয়?
  1. ট্র্যাক জিরো কূটনীতি
  2. ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি
  3. ট্র্যাক ওয়ান কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
ব্যাখ্যা
ট্র্যাক টু কূটনীতি:
- কূটনীতি শব্দটি ফরাসি ভাষার।
- ট্র্যাক টু কূটনীতি বলতে বোঝায় একদেশের সুশীল সমাজ বা মিডিয়া তথা কোনো সমস্যা সমাধানে প্রভাব ফেলে তাকে।

উল্লেখ্য,
- ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভূত হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক উইলিয়াম ডি. ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি. মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ট্র্যাক II কূটনীতিকে ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়ে থাকে।
- বিশ্বের যে কোন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়।
- যেমন - রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি গ্রহন।
- কোন সরকারের পক্ষে বা সরকারের জন্য অন্যদেশের নীতি নির্ধারনের উপর দাতা গোষ্ঠির প্রভাবকে ট্র্যাক থ্রী কূটনীতি বলে।
- পাবলিক কূটনীতি: বিদেশী জনসাধারণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকার স্পন্সরকৃত প্রচেষ্টা।
- একইসাথে বিভিন্নমুখী কূটনৈতিক উদ্যোগকে বিভিন্ন ট্র্যাকে একই সঙ্গে চালিয়ে যাওয়া হয়, তাকে মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি বলে।

⇒ সুশীল সমাজ:
- ইংরেজি ‘সিভিল সোসাইটি’ কথাটির বাংলা অর্থ হল ‘সুশীল সমাজ’।
- সুশীল সমাজের মধ্যে বেসরকারি সংস্থাসমূহ, পেশাজীবী সংস্থাসমূহ, ব্যবসায়ী সংগঠনসমূহ, আইনজীবী সংগঠনসমূহ এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন গণমাধ্যমসমূহ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
- সাধারণভাবে বলা যায়, সুশীল সমাজ হলো একটি সংগঠিত গোষ্ঠী, যার সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে নাগরিক অধিকার অর্জনের জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হয়।
- সুশীল সমাজ ব্যক্তি ও সরকারের মধ্যে একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- সুশীল সমাজ কখনও কখনও সরকার ও জনগণের মধ্যকার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এরা সাধারণত বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।
- সর্বসাধারণের উন্নতি বিধান, রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য গৃহীত কার্যক্রমে স্বাধীনভাবে অথবা সরকারের সহযোগিতায় সুশীল সমাজ অংশগ্রহণ করে থাকে।
- বলা হয়ে থাকে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা কিংবা প্রভাব যেখানে শেষ সেখানেই সুশীল সমাজের শুরু।

⇒ সুশীল সমাজ:
- ইংরেজি ‘সিভিল সোসাইটি’ কথাটির বাংলা অর্থ হল ‘সুশীল সমাজ’।
- সুশীল সমাজের মধ্যে বেসরকারি সংস্থাসমূহ, পেশাজীবী সংস্থাসমূহ, ব্যবসায়ী সংগঠনসমূহ, আইনজীবী সংগঠনসমূহ এবং ব্যক্তি মালিকানাধীন গণমাধ্যমসমূহ অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
- সাধারণভাবে বলা যায়, সুশীল সমাজ হলো একটি সংগঠিত গোষ্ঠী, যার সদস্যরা সরকারের কাছ থেকে নাগরিক অধিকার অর্জনের জন্য স্বতঃস্ফূর্তভাবে একত্রিত হয়।
- সুশীল সমাজ ব্যক্তি ও সরকারের মধ্যে একটি মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- সুশীল সমাজ কখনও কখনও সরকার ও জনগণের মধ্যকার দ্বান্দ্বিক সম্পর্ক নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এরা সাধারণত বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।
- সর্বসাধারণের উন্নতি বিধান, রাজনৈতিক সংস্কৃতি, সুশাসন এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য গৃহীত কার্যক্রমে স্বাধীনভাবে অথবা সরকারের সহযোগিতায় সুশীল সমাজ অংশগ্রহণ করে থাকে।
- বলা হয়ে থাকে, রাষ্ট্রের ক্ষমতা কিংবা প্রভাব যেখানে শেষ সেখানেই সুশীল সমাজের শুরু।

উৎস: i) mecouncil.org
ii) Britannica.
৬,৯৯৪.
দোঁআশ মাটিতে বালি, পলি ও কর্দম কণার অনুপাত কত?
  1. ৩০:৬০:১০
  2. ৪০:২০:৪০
  3. ৪০:৪০:২০
  4. ৩৫:২৫:৪০
ব্যাখ্যা
মাটির বুনট:
- মৃত্তিকার একটি মৌলিক ও স্থায়ী ধরনের ধর্ম হচ্ছে বুনট।
- মৃত্তিকায় বালি, পলি ও কর্দম এই তিন ধরনের কণা থাকে।
- বালি, পলি ও কর্দম কণার তুলনামূলক পরিমাণকে মাটির বুনট বলে।
- এটি একটি মৃত্তিকার প্রধান ভৌত ধর্ম।
- বুনটের উপর মৃত্তিকার অনেক ভৌত গুণাবলী নির্ভর করে।
- মৃত্তিকায় বালি, পলি ও কর্দম কণার পারস্পারিক অনুপাত বা শতকরা হার হলো মাটির বুনট।

⇒ মাটির উপযুক্ত ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনার জন্য বুনট সম্পর্কে পরিস্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন। যেমন, যে মাটি অধিক পলিকণা ধরে রাখে তা শস্য চাষের জন্য উত্তম কারণ পলিমাটি সহজলভ্য পানি ও পুষ্টি উপাদান ধারনের জন্য উপযুক্ত। সুতরাং সেচ পানি নিস্কাশন, শস্য নির্বাচন ইত্যাদি শস্য উৎপাদনে ব্যবহৃত ব্যবস্থাপনা মৃত্তিকার বুনটের উপর নির্ভর করে।

• দোআঁশ মাটি:
- এ ধরনের মাটিতে বালি, পলি ও কর্দম কণার অনুপাত যথাক্রমে ৪০:৪০:২০।
- পানি পরিশোষণ ও ধারণ ক্ষমতা কৃষি কাজের জন্য বিশেষ উপযোগী বলে দোয়াশ মাটি চাষাবাদের জন্য আদর্শ মাটি বলে বিবেচিত।
- প্রায় সব ধরনের ফসলই এ মাটিতে ফলে।
- এ ধরনের জমিতে প্রয়োজন অনুযায়ী মাঝে মাঝে সেচ প্রদান করতে হয়।

⇒ দোআঁশ মাটি বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ মাটিতে বালি, পলি ও কাদা সম পরিমানে থাকে।
- এ মাটির পানি ধারন ক্ষমতা মাঝারী।
- চাষ ব্যবস্থাপনায় পুকুর তৈরির জন্য দোঁআশ মাটি সবচেয়ে ভাল।
- চাষাবাদের জন্য দোআঁশ মাটি উপযুক্ত। এ মাটিতে ধান, পাট, গম, পিয়াজ, মরিচ, ভূট্টা, আলু, শাকসবজি ইত্যাদি ভাল জন্মে।

উৎস: i) কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) NATP-2 ওয়েবসাইট।
৬,৯৯৫.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় টংক আন্দোলন সংঘটিত করেছিলো?
  1. ক) মণিপুরী
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) ওরাঁও
ব্যাখ্যা

- টঙ্ক প্রথা হলো টাকার পরিবর্তে ধানের মাধ্যমে খাজনা আদায়৷
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজং সম্প্রদায়ের মধ্যে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো। ধানের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধে কৃষকদেরকে কয়েকগুণ বেশি খাজনা প্রদান করতে হতো। তাই হাজং কৃষকরা এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।
- কমরেড মনি সিংহ টঙ্ক আন্দোলনে কৃষকদের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হলে টঙ্ক প্রথা উচ্ছেদ হয় এবং টঙ্ক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)

৬,৯৯৬.
Trading Corporation of Bangladesh কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত?
  1. শিল্প
  2. অর্থ
  3. বাণিজ্য
  4. পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: i) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
ii) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬,৯৯৭.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ১০০ উইকেট শিকারী বোলার কে?
  1. এনামুল হক জুনিয়র
  2. নাইমুর রহমান
  3. মোহাম্মদ রফিক
  4. আলমগীর কবির
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৬,৯৯৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) ধারায় বলা হয়েছে ''সকল সময়ে ____ চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।'' শূন্যস্থান পূরণ করুন।
  1. ক) জনগণের সেবা করিবার
  2. খ) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  3. গ) সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  4. ঘ) সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
ব্যাখ্যা

২১৷ (১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য৷

৬,৯৯৯.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্টপতি ছিলেন-
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) মাওলানা ভাষানী
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৭,০০০.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কত জনকে ‘বীরউত্তম’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ৬৮ জন
  2. ১৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে বিভিন্ন খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর এই খেতাব প্রদান করা হয়।

• খেতাব:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- আর ডা. সেতারা বেগম ২ নং সেক্টরেযুদ্ধ করেন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।