বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ৬০১৭০০ / ৩০,৮৩২

৬০১.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম কোথায় স্থাপিত হয়েছিল?
  1. ক)  মেহেরপুর, কুষ্টিয়া
  2. খ) কালুরঘাট, চট্রগ্রাম
  3. গ) মুজিবনগর, কুষ্টিয়া
  4. ঘ) নাটোর, রাজশাহী
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র: 
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়েছিল চট্টগ্রামের কালুরঘাটে। 
- ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রটি পাকিস্তান হানাদার বিমান বাহিনীর বোমা বর্ষণের স্বীকার হয়। 
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’। 
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছে। 
- চরমপত্র সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান। 
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬০২.
ইংরেজরা প্রথম কোথায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে?
  1. সুরাটে
  2. হুগলি
  3. চট্টগ্রাম
  4. কলকাতা
ব্যাখ্যা

• ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

৬০৩.
বাংলাদেশ রেলওয়ের সবচেয়ে বড় কারখানা কোথায়?
  1. সৈয়দপুর
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেলওয়ে:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- নাট-বল্টু থেকে শুরু করে রেলওয়ের ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লাইনের বগি মেরামতসহ সব কাজ করা হয়। 
- ১১০ দশমিক ২৯ একর জায়গায় প্রতিষ্ঠিত কারখানাটিতে রয়েছে ২৮টি শপ (উপকারখানা)।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২১ আগস্ট ২০২৩, ইত্তেফাক।
৬০৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. কুষ্টিয়া
  2. ঝিনাইদহ
  3. ফরিদপুর
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪:
উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- ধান: ময়মনসিংহ।
- গম: ঠাকুরগাঁও।
- চা: মৌলভীবাজার।
- তামাক: কুষ্টিয়া।
- পাট: ফরিদপুর।
- আলু: রংপুর।
- ভুট্টা: দিনাজপুর।
- তুলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৬০৫.
বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে -
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশী পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
নিচে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দেশে জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত পণ্য রপ্তানির চিত্র তুলে ধরা হলো -

→ যুক্তরাষ্ট্র - (প্রথম)।
→ জার্মানি - (দ্বিতীয়)।   
→ যুক্তরাজ্য - (তৃতীয়)।
→ ফ্রান্স - (চতুর্থ)।   
→ নেদারল্যান্ডস - (পঞ্চম)।      

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৬০৬.
সিপাহী বিদ্রোহের সময় দিল্লির সম্রাট ছিলেন কে?
  1. বাহাদুর শাহ
  2. আওরঙ্গজেব
  3. আলীবর্দী খাঁ
  4. শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ:
- সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে। ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে। এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ এ সংগ্রামের পরোক্ষ কারণ:
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।

⇒ এ সংগ্রামের প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়। এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো। গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে। এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০৭.
কোন জেলায় শালবন রয়েছে?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
শালবন মূলত টাঙ্গাইল, গাজীপুর, ময়মনসিংহ ও শেরপুর জেলায় অবস্থিত। এছাড়া উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, রংপুর, নওগা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলায় সামান্য পরিমাণে শালবন রয়েছে। শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার হেক্টর। যা বনবিভাগ নিয়ন্ত্রিত মোট বনভূমির প্রায় ৭.৫ শতাংশ। এ বনের প্রধান বৃক্ষ শাল বা গজারী। অন্যান্য গাছের মধ্যে বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। (সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬০৮.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় বর্তমানে কতটি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হচ্ছে?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
- শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানোর লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে সম্প্র্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) চালু হয়।
- শুরুতে ছয়টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ১০টি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
এগুলো হলো:
- শিশুদের যক্ষ্মা
- পোলিও মাইলাইটিস
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার
- হেপাটাইটিস-বি
- হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ
- হাম
- রুবেলা
- নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার ৮৬ শতাংশ।
(সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৬০৯.
ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের জন্যে একুশে পদক-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ক) কবি কাজী রোজী
  2. খ) বুলবুল চৌধুরী
  3. গ) গোলাম মুরশিদ
  4. ঘ) উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২১ প্রাপ্তরা (মোট ২১ জন):
- ভাষা আন্দোলনে : মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর), শামছুল হক (মরণোত্তর) ও আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
- শিল্পকলায় : পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত), রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়), সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়), আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক), সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র), ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি), পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
- মুক্তিযুদ্ধে : গোলাম হাসনায়েন, ফজলুর রহমান খান ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
- সাংবাদিকতায় : অজয় দাশগুপ্ত
- গবেষণায় : ড. সমীর কুমার সাহা
- শিক্ষায় : মাহফুজা খানম
- অর্থনীতিতে : ড. মির্জা আব্দুল জলিল
- সমাজসেবায় : প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
- ভাষা ও সাহিত্যে : কবি কাজী রোজী, বুলবুল চৌধুরী ও গোলাম মুরশিদ।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার)
৬১০.
’বেঙ্গল প্যাক্ট’ (১৯২৩) অনুযায়ী সরকারি চাকরিতে মুসলমানদের জন্য কত শতাংশ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়?
  1. ৪০ শতাংশ
  2. ৫০ শতাংশ
  3. ৫৫ শতাংশ
  4. ৬০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

’বেঙ্গল প্যাক্ট’ ও চিত্তরঞ্জন দাশ:
- চিত্তরঞ্জন দাশের সময়ে ভারতবর্ষের রাজনীতিতে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য সমস্যাটি অত্যন্ত প্রকট ছিল।
- ১৯২৩ সালে তিনি মুসলমান সম্প্রদায়ের সাথে একটি চুক্তি করেন যা ’বেঙ্গল প্যাক্ট’ নামে পরিচিত।
- ’বেঙ্গল প্যাক্ট’ এ সরকারি চাকুরিতে মুসলমানদের জন্য শতকরা ৫৫ ভাগ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়। 
- যতদিন মুসলমানরা ৫৫ শতাংশে না পৌঁছায়, ততদিন পর্যন্ত মোট সরকারি চাকুরির ৮০ ভাগ মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- রাজনৈতিক নিষ্ঠা ও গভীর দেশপ্রেমের জন্য এই উপমহাদেশের জনগণ চিত্তরঞ্জন দাশকে 'দেশবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৬১১.
বাংলাদেশের প্রথম কোন পর্বতারোহী সেভেন সামিট জয় করেন?
  1. মূসা ইব্রাহীম
  2. নিশাত মজুমদার
  3. ওয়াসফিয়া নাসরিন
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ে বাংলাদেশ
- প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মূসা ইব্রাহীম (২৩মে, ২০১০ সালে)। 
- বাংলাদেশের হয়ে দুই বার এভারেস্টের চূড়ায় আরোহন করেছেন- এম এ মুহিত।
- প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন- নিশাত মজুমদার (১৯ মে, ২০১২)।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় নারী হিসেবে ওয়াসফিয়া নাজরীন ২৬ মে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন।
- ওয়াসফিয়া বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী যিনি সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।
- পাঁচজন বাংলাদেশের এভারেস্ট বিজয় করেছেন।
- মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো: খালেদ হোসাইন।
- বাংলাদেশ এভারেস্ট বিজয়ী দেশ ৬৭তম। 

সূত্র- প্রথম আলো।  
৬১২.
‘মোহর’ ও ‘শুভ্রা’ বাংলাদেশের কৃষিতে কিসের উচ্চফলনশীল জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) পাট
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘মোহর’ ও ‘শুভ্রা’ উচ্চফলনশীল ভুট্টার জাত। 
এছাড়া অন্যান্য উচ্চফলনশীল ভুট্টার জাত = খৈ ভুট্টা, বর্ণালী, বারি সুইটকর্ন, বারি ভুট্টা, বারি হাইব্রিড ভুট্টা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬১৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য, অনুপস্থিতি, অসুস্থতা, অসমর্থ প্রভৃতির-কালে তাঁর দায়িত্ব পালন করিবেন কে? 
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. আইন মন্ত্রী 
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়। 
- সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে। 
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে। 
- এতে ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ এবং ১১ টি ভাগ রয়েছে।
- ৭টি তফসিল রয়েছে।

৫৪ নং অনুচ্ছেদ: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার; 
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা, দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬১৪.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক এর ডিজাইনার কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. আবদুর রউফ
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

অন্যদিকে, 
- বাংলাদেশ সরকারের মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন সাহা।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়/জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
-  বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন রফিকুন্নবী।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
৬১৫.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৪৩.৫ বিলিয়ন মা. ডলার
  2. ৪৫.৫ বিলিয়ন মা. ডলার
  3. ৫১.৫ বিলিয়ন মা. ডলার
  4. ৫৪.৫ বিলিয়ন মা. ডলার
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে পণ্য ও সেবা খাত মিলিয়ে মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এর মধ্যে পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৪৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং সেবা রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ৭.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো)
৬১৬.
শিশুদের জন্য ‘শিশুস্বর্গ’ ও ‘চারুপীঠ’ নামে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. এস এম সুলতান
  2. হাশেম খান
  3. জয়নুল আবেদীন
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
এস এম সুলতান:
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- এস এম সুলতান নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ' ও 'চারুপীঠ' নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।

• এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- হত্যাযজ্ঞ,
- চরদখল,
- সভ্যতার ক্রমবিকাশ প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬১৭.
During the Liberation War of Bangladesh in 1971, which committee in the USA did Dr. Muhammad Yunus establish?
  1. National Liberation Council
  2. Bangladesh Citizens Committee (BCC)
  3. Bangladesh Economic Forum
  4. National Unity Front 
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, মুহাম্মদ ইউনূস তখন যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনারত। অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সেখানে স্বাধীনতার পক্ষে সমর্থন জোগাতে বাঙালিদের সংগঠিত করা, তহবিল সংগ্রহের পাশাপাশি মার্কিন প্রশাসনসহ জাতিসংঘে কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি একটি নাগরিক কমিটি (Bangladesh Citizens Committee) প্রতিষ্ঠা করেন এবং অন্য বাংলাদেশিদের সাথে যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তিযুদ্ধের জন্য সমর্থন সংগ্রহ করতে বাংলাদেশ ইনফরমেশন সেন্টার পরিচালনা করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশভিলে তাঁর নিজ বাড়ি থেকে প্রকাশ করতেন ‘বাংলাদেশ নিউজলেটার’।

⇒ অধ্যাপক ইউনূস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণের বিষয়ে আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন’-এ তিনি এসব উল্লেখ করেছেন।

এছাড়াও,
- ১৯৭৪ সালে মুহাম্মদ ইউনূস তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রকল্পটিকে আরও কার্যকর করতে ইউনূস এবং তার সহযোগীরা 'গ্রাম সরকার' কর্মসূচি প্রস্তাব করেন। যেটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তন করেন। এই কর্মসূচির অধীনে ২০০৩ সালে ৪০,৩৯২টি গ্রাম সরকার গঠিত হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য।

উৎস: i) Nelson Mandela Foundation ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬১৮.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে কৃষক দিবস কবে পালিত হয়েছে?
  1. ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫
  2. ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

কৃষক দিবস:
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কৃষক দিবস পালিত হয়েছে ৩০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে।
- দিবসটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ও এর সম্প্রসারণ কেন্দ্র (বাউএক)-এর উদ্যোগে উদযাপিত হয়।
- এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘কৃষকবান্ধব প্রযুক্তির সম্প্রসারণই হোক আমাদের অঙ্গীকার’।
- দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য কৃষক শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা এবং কৃষি গবেষণাগার ও খামার পরিদর্শন করা হয়।
- সফল কৃষক ও কৃষাণীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
- প্রতি বছর জানুয়ারির শেষ বৃহস্পতিবার কৃষক দিবস উদযাপন করা হবে।

সূত্র: প্রথম আলো। 

৬১৯.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম:
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম- বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম করা হয়- ২০০২ সালে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা: বিশ্বব্যাংক।
- বাংলাদেশে বৈদেশিক সাহায্য শীর্ষ- আইডিএ।
- জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- যা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।

৬২০.
উপমহাদেশে সর্বশেষে আগত ইউরোপীয় বণিকদের কোম্পানি কোনটি?
  1. ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  2. পর্তুগিজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  3. ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  4. ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
ব্যাখ্যা

ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- উপমহাদেশে সর্বশেষে আগত ইউরোপীয় বণিকদের কোম্পানি হচ্ছে ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি।
- ১৬৬৪ সালে এই বাণিজ্যিক কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬৬৮ সালে কোম্পানি সর্বপ্রথম সুরাট এবং পরের বছর মসলিপট্টমে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬৭৩ সালে পন্ডিচেরিতে ফরাসি উপনিবেশ গড়ে ওঠে।
- ১৬৭৪ সালের পর থেকে তারা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাংলায় সম্প্রসারিত করে।
- কোম্পানি বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানের কাছ থেকে গঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত চন্দননগর নামক স্থানটি কিনে নেয়।
- ১৬৯০ থেকে ১৬৯২ সালের মধ্যে চন্দননগর একটি শক্তিশালী সুরক্ষিত ফরাসি বাণিজ্য কুঠিতে পরিণত হয়।
- ১৬৯৬ সালে কোম্পানি এখানে একটি শক্তিশালী দুর্গ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
উল্লেখ্য,
- সর্বপ্রথম এদেশে পর্তুগিজ বনিকরা বানিজ্য করার জন্য আসে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬২১.
কোন মুঘল সম্রাট গৌড়ের নাম 'জান্নাতাবাদ' করেন?
  1. ক) সম্রাট হুমায়ুন
  2. খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. গ) সম্রাট বাবর
  4. ঘ) সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট হুমায়ুন
- মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন। 
- বাবরের শাসনামলে হুমায়ুন বাদাখশান, হিসার ফিরোজা এবং সম্বলের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- পিতা বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন' নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একজন সুদক্ষ এবং নির্ভীক যোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর সুপরিকল্পনার বড়ই অভাব ছিল।
- তিনি অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী গুজরাটের বাহাদুর শাহের বিরুদ্ধে অযথা সময় নষ্ট করেন।
- অথচ শের শাহের শক্তিবৃদ্ধির বিষয়ে তিনি ছিলেন সম্পূর্ণ উদাসীন।
- চুনার দুর্গ জয়ের পর সম্রাট হুমায়ুন দীর্ঘ সময় নষ্ট করেন।
- বাংলাকে ‘জান্নাতাবাদ' নামকরণ করে তিনি বাংলায় প্রায় ৮ মাস আরাম-আয়েশে ডুবে থাকেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, ওপেন স্কুল।
৬২২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.২১%
  3. ১.৩২%
  4. ১.৩৭%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৬২৩.
দিল্লি থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন কে?
  1. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  2. শায়েস্তা খান
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা
মুহম্মদ বিন তুঘলক:
- গিয়াসউদ্দীন তুঘলকের মৃত্যুর পর তাঁর জ্যেষ্ঠপুত্র মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লীর সিংহাসনে আরোহন করেন।
- তাঁর রাজত্বকালের প্রথম তের বছর দেশে শান্তি বিরাজমান ছিল।
- এ সময়ের মধ্যে মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লি থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন।
- এছাড়াও খোরাসান অভিযান, কারাচিল অভিযান, প্রতীক মুদ্রার প্রচলন, দোয়াবে কর বৃদ্ধি ইত্যাদি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
- সিন্ধুর বিদ্রোহ দমনকালে ক্লান্ত সুলতান মৃত্যু বরণ করেন।
- তিনি জ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অসাধারণ পন্ডিত ছিলেন। 

অন্যদিকে -
- সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লির কুতুব মিনার নির্মাণ করেন।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার প্রথম স্বাধিন সুলতান। তিনি রাজধানী সোনারগায়ে প্রতিষ্ঠা করেন।
- শায়েস্তা খান লালবাগ কেল্লা, ছোট কাটরা, সাতগম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬২৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বিগ্রেড আকারে কয়টি ফোর্স গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানী (সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে) বিগ্রেড আকারে তিনটি ফোর্স গঠন করেছিলেন। এসকল ফোর্সের প্রধানদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে ফোর্সগুলোর নামকরণ করা হয়।
ব্রিগেড ফোর্স ও প্রধানরা হলেন -
১. কে ফোর্স - খালেদ মোশাররফ
২. জেড ফোর্স - জিয়াউর রহমান
৩. এস ফোর্স - কে এম শফিউল্লাহ

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণীর বোর্ড বই

৬২৫.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্যের শুনানি হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. খ) করাচি আদালতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) ঢাকা কোর্টে
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছাড়া এই মামলার আরো আসামি ছিলেন ৩৪ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন, ১৯৬৮ সালে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

- মামলার বিচারের জন্যে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান।
- অপর দুই সদস্য হলেন এম আর খান এবং মুকসুমুল হাকিম।

- বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কৌশুলী ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম, আব্দুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- সরকার পক্ষের কৌশুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের এবং অ্যাডভোকেট জেনারেল টি এইচ খান।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া।

৬২৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?
  1. ৪৮ নং
  2. ৫৫ নং
  3. ৫৮ নং
  4. ৬২ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা -
- ৫৫ (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবে, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।
- ৫৫ (২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে।
- ৫৫ (৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবেন।
- ৫৫ (৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
- ৫৫ (৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হবে, রাষ্ট্রপতি তা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে তার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
- ৫৫ (৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

এছাড়া,
- ৪৮ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ৫৮ নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য মন্ত্রীগণের পদের মেয়াদ।
- ৬২ নং অনুচ্ছেদ: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬২৭.
'মনপুরা-৭০' কি?
  1. একটি উপজেলা
  2. একটি নদীবন্দর
  3. একটি উপন্যাস
  4. একটি চিত্রশিল্প
ব্যাখ্যা
• মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ৩০ অক্টোবর ২০১৬, প্রথম আলো।
৬২৮.
দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে কোন তারিখ? 
  1. ১ বৈশাখ, ১৪৩৩
  2. ১ চৈত্র, ১৪৩৩
  3. ৩ বৈশাখ, ১৪৩৩
  4. ২ চৈত্র, ১৪৩৩
ব্যাখ্যা

- দেশে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে ১ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ। 
- আসন্ন পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ উপলক্ষে আগামী ১৪ এপ্রিল পরীক্ষামূলকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- কর্মসূচিটি বাস্তবায়নের প্রাথমিক ধাপে আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সারা দেশের সব শ্রেণির কৃষকের তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
- এরপর প্রাক-পাইলট পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ৯টি নির্বাচিত উপজেলার ৯টি ব্লকে এই কার্ড বিতরণ করা হবে।
- নির্বাচিত উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল সদর, বগুড়ার শিবগঞ্জ, পঞ্চগড় সদর, জামালপুরের ইসলামপুর, ঝিনাইদহের শৈলকুপা, পিরোজপুরের নেছারাবাদ, মৌলভীবাজারের জুড়ী, কুমিল্লা সদর ও কক্সবাজারের টেকনাফ।
- কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়ন করবে।

উৎস: পত্রিকার নিউজ।[লিঙ্ক]

৬২৯.
ব্রিটিশ বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধে তিতুমীর শহীদ হন -
  1. ক) ১৮৬৭ সালে
  2. খ) ১৮৯৫ সালে
  3. গ) ১৮৩১ সালে
  4. ঘ) ১৮৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
তিতুমীরের কৃষক বিদ্রোহ
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর (১৭৮২-১৮৩১) পশ্চিম বাংলার চব্বিশ পরগনা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিতুমীর প্রথম জীবনে নদীয়া জেলার জমিদারের লাঠিয়াল বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করেন।
- পরবর্তীতে তিনি হজ্জ্বব্রত পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় যান। সেখানে গিয়ে ওহাবী আন্দোলনের নেতা সৈয়দ আহমদ বেরেলভির সান্নিধ্য লাভ করেন এবং তাঁর মতাদর্শে উদ্বুদ্ধ হন।
- তিতুমীর দেশে ফিরে একদিকে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন অপরদিকে জমিদার, নীলকর ও ব্রিটিশ বাহিনীর নির্মম অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে জনগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা করেন। 
- শীঘ্রই পশ্চিম বাংলার বিশাল অঞ্চল জুড়ে তিতুমীরের নেতৃত্বে কৃষক বিদ্রোহ দেখা দেয়। অত্যাচারী নীলকর, জমিদার ও ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে একাধিক জায়গায় তিতুমীরের বাহিনীর সংঘর্ষ হয়। 
- চূড়ান্ত সংঘর্ষ বাঁধে বারাসাতের অদূরে নারিকেলবাড়িয়া নামক স্থানে। 
- সেখানে তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে শাসকগোষ্ঠির আক্রমণের বিরুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। 
- আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত কর্ণেল সুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ বাহিনীর কামানের গোলার আঘাতে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। 
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ সম্মুখ যুদ্ধে ৫০ জন সহযোদ্ধাসহ তিতুমীর শহীদ হন।
-  এভাবে তিতুমীরের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটে।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৩০.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্য ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ফ্লোরিডা
  2. টেক্সাস
  3. নিউইয়র্ক
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলা নববর্ষ:
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ (পহেলা বৈশাখ) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- অঙ্গরাজ্যের গভর্নর অফিস আলবেনিতে বাঙালি জাতির সবচেয়ে বড় এই উৎসব উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
- এটি মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে, ৩২ স্টেট সিনেটের লুইস সেপুলভেদার প্রস্তাবে এবং আইনসভার ২২ জানুয়ারির অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়েছে।
- গভর্নর ক্যাথি হোকুল ২৩৪ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করেন।
- এই স্বীকৃতি প্রবাসী বাঙালিদের জন্য অনেক বড় একটি অর্জন।
- এছাড়া এই স্বীকৃতি নিউইয়র্কের বহুসাংস্কৃতিক পরিচয়ের প্রতিফলনও ঘটায়।
- এর মাধ্যমে ১৪ এপ্রিল শুধু উৎসবের দিন নয়, বরং বাঙালির ঐতিহ্য, ভাষা ও সংস্কৃতি আন্তর্জাতিকভাবে উদযাপন করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- পহেলা বৈশাখে নিউইয়র্কে মঙ্গল শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা ও পরিবারিক মিলনমেলা আয়োজন করা হয়ে থাকে। 

উৎস: প্রথম আলো ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা। 

৬৩১.
'তেনেরিফে দ্বীপ' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মেক্সিকো
  2. জাপান
  3. স্পেন
  4. উত্তর আমেরিকা
ব্যাখ্যা
'তেনেরিফে দ্বীপ' স্পেনে অবস্থিত।

তেনেরিফে দ্বীপ
:
- স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে তেনেরিফে দ্বীপ অবস্থিত।
- মোট আয়তন: ২,০৩৪ বর্গকিমি।
- তেনেরিফে দ্বীপের সর্বোচ্চ বিন্দু তেইদে (৩,৭১৮ মিটার)।
- এটি ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ সর্ববৃহৎ দ্বীপ।
- আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিম উপকূলের বিপরীতে আটলান্টিক মহাসাগরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- তেনেরিফের অর্থনীতি প্রধানত কৃষিভিত্তিক।

উৎস: Britannica.
৬৩২.
টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক কে?
  1. তামিম ইকবাল
  2. মাহমুদুল্লাহ
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাশরাফি বিন মর্তুজা
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটে তিনজন অধিনায়ক রয়েছে।
- টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক - মমিনুল হক
- ওয়ানডে ক্রিকেটে অধিনায়ক - তামিম ইকবাল
- টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে অধিনায়ক - মাহমুদুল্লাহ
৬৩৩.
কোন অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে?
  1. ক) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. খ) আমেরিকা
  3. গ) মধ্য এশিয়া
  4. ঘ) মধ্যপ্রাচ্য
ব্যাখ্যা
- প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে  সৌদি আরব থেকে।
- দ্বিতীয় ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; তৃতীয় যুক্তরাজ্য।
- ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাজ্য।
৬৩৪.
ক্রলিং পেগ কী?
  1. স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  2. দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার পদ্ধতি
  3. সামরিক সরঞ্জাম
  4. বৈদেশিক মুদ্রার অতিমূল্যায়ন
ব্যাখ্যা
ক্রলিং পেগ:
- ‘ক্রলিং পেগ’হচ্ছে দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের একটি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে।
- ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও পারবে না।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে দুইবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির হারে লাগাম টানার লক্ষ্যে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- নতুন মুদ্রানীতিতে নীতি সুদহার ৮ শতাংশ করা হয়েছে।
- সেই সঙ্গে ডলারের বিনিময় মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ক্রলিং পেগ নামে নতুন একটি পদ্ধতি ব্যবহারের চিন্তা করা হচ্ছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, ডিসেম্বর, ২০২৩ শেষে দেশে এখন সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৪১ শতাংশ। 

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৬৩৫.
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকার মালিবাগে
  2. জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে
  3. চট্টগ্রামের রাউজানে
  4. দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে
ব্যাখ্যা
মহামুনি বিহার:

- মহামুনি বিহার চট্টগ্রামের রাউজানে অবস্থিত।
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়।
- এ মন্দিরকে কেন্দ্র করে মং সার্কেল রাজা ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামুনি মন্দির চত্বরে মেলার প্রবর্তন করেন, যা চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়।

তথ্যসুত্র - দৈনিক সমকাল, ১৪ এপ্রিল ২০১৮ ।
৬৩৬.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান OIC ২য় শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন-
  1. ক) ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩
  2. খ) ২০-২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩
  3. গ) ২০-২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  4. ঘ) ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন।
৬৩৭.
বর্তমানে দেশে সরকারি মেরিন একাডেমি কতটি?
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশে সরকারি মেরিন একাডেমি - ৫টি।  যথা:
- চট্টগ্রাম,
- সিলেট,
- বরিশাল,
- পাবনা ও
- রংপুর।
৬৩৮.
যুব বিশ্বকাপ ২০২০ এ ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল -
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
যুব বিশ্বকাপ ২০২০:
- ২০২০ সালে যুব বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকায়।
- ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে ভারতের অনুর্ধ্ব ১৯ দলকে হারিয়ে শিরোপা জিতে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব ১৯ দল।
- যে কোন স্তরের ক্রিকেটে কোন বিশ্বকাপ জেতা বাংলাদেশের জন্যে এটাই প্রথম।
- ১৯৯৭ সালের পর এই প্রথম ক্রিকেটের কোন বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের ট্রফি জিতলো বাংলাদেশ।
- প্লেয়ার অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলি।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও বিবিসি বাংলা, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০।
৬৩৯.
কত খ্রিস্টাব্দে পানিপথের ৩য় যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

পানিপথের ৩য় যুদ্ধ:
- ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের ৩য় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মারাঠাশক্তি।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মারাঠাশক্তি।
- অষ্টাদশ শতকের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধগুলোর মধ্যে ভয়াবহতম ছিল এই যুদ্ধ।
- দু’পক্ষের প্রায় সত্তর হাজার সৈন্য প্রাণ হারিয়েছিলন।
- বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেও আফগান বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়েছিল পেশওয়া শক্তি।
- পরে মারাঠাদের ওপর বীভৎস হত্যালীলা চালিয়েছিল আফগান সৈন্যরা। 
- এই যুদ্ধে পরাজিত হলে মারাঠা সাম্রাজ্য তছনছ হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
• পানিপথের ১ম যুদ্ধ: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
• পানিপথের ২য় যুদ্ধ: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৬৪০.
উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা -
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  4. রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা

রবার্ট ক্লাইভ:
- উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা রবার্ট ক্লাইভ।
- উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে রবার্ট ক্লাইভের স্থান বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
- তরুণ বয়সে মাদ্রাজে (বর্তমান চেন্নাই) ঈস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির চাকুরী গ্রহণ করে স্বীয় কর্ম প্রচেষ্টার দ্বারা উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষর করলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে।
- রবার্ট ক্লাইভের চারিত্রিক দোষ থাকা সত্বেও উপমহাদেশে ইংরেজ শক্তির গোড়াপত্তনে তাঁর অবদান অস্বীকার করা যায় না।
- উপমহাদেশের ইতিহাসে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে লর্ড ক্লাইভের নাম অবিস্মরণীয়।
- কেননা প্রথম পর্যায়ে তিনি দাক্ষিণাত্যে কোম্পানিকে রক্ষা করেন।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি বাংলা জয় করেন। তৃতীয় পর্যায়ে তিনি নবাব ও সম্রাটকে নিয়ন্ত্রণ করে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪১.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কততম জনশুমারী অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ৪র্থ
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৬ষ্ঠ
  4. ঘ) ৭ম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারী অনুষ্ঠিত হয়

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ 
- জানশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২।
- তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন। 

- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.২২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে – ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
- খানার সংখ্যা - ৪,১০,১০,০৫১ জন।
- খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা – ৪.০ জন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। 
৬৪২.
মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক কেন্দ্রস্থল-
  1. ক) মন্ত্রণালয়
  2. খ) বিভাগ
  3. গ) সচিবালয়
  4. ঘ) পিএমও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোতে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়। সচিবালয় বাংলাদেশের সামগ্রিক প্রশাসন ব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র। সচিবালয় সরকারের কর্মসূচি, নীতি ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মূল্যায়ন করে থাকে। প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ। সচিবালয় হচ্ছে সকল ক্ষমতা আধার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬৪৩.
নিচের কোন জেলায় কন্দ নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাজশাহী
  3. দিনাজপুর
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি। এগুলো কন্দদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬৪৪.
'চেরাউ নৃত্য' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য?
  1. পাংখোয়া
  2. লুসাই
  3. হাজং
  4. বম
ব্যাখ্যা
বম জনগোষ্ঠী:
- বাংলাদেশের বান্দরবানে বেশিরভাগ বম জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- বমদের গ্রামগুলির চারপাশে শক্ত গাছের খুঁটি পুঁতে বেষ্টনী তৈরি করা হতো।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়। মাচাং বাঁশ বা কাঠ দিয়ে তৈরি করা হয়।
- সামাজিক আচার-আচরণ, বিচার সালিশ এবং বিবাদ মীমাংসার জন্য এদের নিজস্ব সামাজিক অবকাঠামো আছে।
- এই কাঠামো সামগ্রিকভাবে সামাজিক আচার-ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। এটি পরিবেশ থেকে নেওয়া নৃত্যানুষ্ঠান।
- 'চেরাউ নৃত্য' বম জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্য।
- বমদের চেরাউ নৃত্য ও সঙ্গীত আসলে কোন আনন্দের বা উৎসবের নৃত্য বা গান নয়।
- এ নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয় বম পরিবারের দুঃখ ও শোকের দিনে। বিশেষ করে পরিবারের কারও অকাল বা অস্বাভাবিক মৃত্যু হলে এই গান করা হয়।
- শোকের সময় মানুষকে সান্ত্বনা ও সাহস দেওয়ার এটাই বমদের রীতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৪৫.
প্রত্যায়িত বীজ কোন রংয়ের ট্যাগ দেখে চিহ্নিত করা হয়?
  1. সাদা রং
  2. সবুজ রং
  3. নীল রং
  4. লাল রং
ব্যাখ্যা
⇒ বীজের ট্যাগ ট্যাগ ৪ ধরনের

ক. প্রজনন বীজ বা মৌল বীজ - সবুজ।
খ. ভিত্তি বীজ - সাদা।
গ. প্রত্যায়িত বীজ - নীল।
ঘ. মান ঘোষিত বীজ - হলুদ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৬৪৬.
‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ বিখ্যাত এই গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. খ) আব্দুল গাফফার
  3. গ) আলতাফ মাহমুদ
  4. ঘ) আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• বীর মুক্তিযোদ্ধা, চলচিত্র পরিচালক, প্রযোজক, রচয়িতা, গীতিকবি ও সুরকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।
• ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। 
• তার কালজয়ী কিছু গান:-
- একবা যেতে দে না আমায়,
- একতারা তুই দেশের কথা,
- গানেরি পাতায় স্বরলিপি,
- চোখ যে মনের কথা বলে,
- আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল,
- আছেন আমার মোক্তার,
- ভেঙ্গেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা,
- সবাই তো ভালবাসা চায়,
- ঢাকা শহর আইসা আমার,
- হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু ইত্যাদি।     

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।  
৬৪৭.
'Nasirabad' is the former name of -
  1. ক) Barishal
  2. খ) Khulna
  3. গ) Chattogram
  4. ঘ) Mymensingh
ব্যাখ্যা
ময়মনসিংহ জেলার পূর্বনাম - নাসিরাবাদ। 

মোগল আমলে মোমেনশাহ নামে একজন সাধক ছিলেন, তাঁর নামেই মধ্যযুগে অঞ্চলটির নাম হয় মোমেনশাহী।
ষোড়শ শতাব্দীতে বাংলার স্বাধীন সুলতান সৈয়দ আলাউদ্দিন হোসেন শাহ তাঁর পুত্র সৈয়দ নাসির উদ্দিন নসরত শাহ'র জন্য এ অঞ্চলে একটি নতুন রাজ্য গঠন করেছিলেন, সেই থেকেই নসরতশাহী বা নাসিরাবাদ নামের সৃষ্টি।
নাসিরাবাদ নাম পরিবর্তন হয়ে ময়মনসিংহ হয় একটি ভুলের কারণে।
বিশ টিন কেরোসিন বুক করা হয়েছিল বর্জনলাল এন্ড কোম্পানীর পক্ষ থেকে নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে।
এই মাল চলে যায় রাজপুতনার নাসিরাবাদ রেল স্টেশনে। এ নিয়ে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
পরবর্তীতে আরো কিছু বিভ্রান্তি ঘটায় রেলওয়ে স্টেশনের নাম পরিবর্তন করে ময়মনসিংহ রাখা হয়। সেই থেকে নাসিরাবাদের পরিবর্তে ময়মনসিংহ ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

উৎসঃ ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট
৬৪৮.
বাঙালির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত-
  1. ক) ছয় দফা
  2. খ) এগারো দফা
  3. গ) উনিশ দফা
  4. ঘ) একুশ দফা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৬৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে জিডিপিতে কোন খাতের অবদান বেশি?
  1. কৃষিখাত
  2. শিল্পখাত
  3. সেবাখাত
  4. নির্মাণ খাত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬৫০.
নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম বাঙালি কে?
  1. ড. মুহম্মদ ইউনুস
  2. অমর্ত্য সেন
  3. রীতু দাশ গুপ্তা
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সারদা দেবী।

- ঠাকুর বাড়ির অনুকূল পরিবেশে শৈশবেই রবীন্দ্রনাথের কবি-প্রতিভার উন্মেষ ঘটে। ১৮৭৬ সালে পনের বছর বয়সে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'বনফুল'। অতঃপর কবিতা, উপন্যাস, ছোটগল্প, নাটক, প্রবন্ধ, শিশুসাহিত্য, ভ্রমণসাহিত্য, রম্যরচনা, সংগীত ইত্যাদি শাখায় রবীন্দ্রনাথ রেখে গেছেন তাঁর অসামান্য শিল্প-প্রতিভার স্বাক্ষর।

- ১৯০১ সালে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন 'শান্তিনিকেতন বিদ্যালয়।' এ বিদ্যালয়ই পরবর্তীকালে 'বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়'-এ রূপলাভ করে।

- ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ তাঁর ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' (১৯১১) কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন, তিনি নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রথম বাঙালি।
-রবীন্দ্রনাথ কখনও সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হননি, তবে সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্নও রাখেননি; বরং তিনি ছিলেন স্বাদেশিকতার বরেণ্য পুরুষ। ১৮৯৬ সালে কলকাতায় যে কংগ্রেস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, ‘বন্দে মাতরম্’ গান গেয়ে রবীন্দ্রনাথ তার উদ্বোধন করেন।

-  ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের সময় রবীন্দ্রনাথ বঙ্গভঙ্গের তীব্র বিরোধিতা করেন। বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত এক প্রবন্ধে কবি তাঁর মনোভাব ব্যক্ত করেন।

-  ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল রাউলাট অ্যাক্ট-এর বিরুদ্ধে পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগে এক জনসমাবেশে ভারতীয়দের ওপর ব্রিটিশ পুলিশ আকস্মিকভাবে গুলি চালিয়ে অসহায় ব্যক্তিদের হত্যা করে। ইংরেজের এই অত্যাচারী মূর্তি দেখে রবীন্দ্রনাথ ভাইসরয়কে এক পত্র লিখে ‘নাইট’ উপাধি ফিরিয়ে দেন।

- ১৯৪০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কবি কালিম্পঙ গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটতে থাকে। ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২ শ্রাবণ ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬৫১.
পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয় কবে? 
  1. ১৯৫৭ সালের ৮ জুন
  2. ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর
  3. ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর
  4. ১৯৫৭ সালের ২৫ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সামরিক শাসন:

• পাকিস্তানের ১ম সামরিক শাসন জারি হয়: ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর।
• জারি করেন: পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা।
• ইস্কান্দার মির্জা সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন।
• ফলাফল: সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়। সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়। 
• মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন। 
• ২৭ অক্টোবর ১৯৫৮ জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন। 
• ১৯৬২ সালের ৮ জুন আইয়ুব খান সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন।
• ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৫২.
বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?
  1. আব্দুর রউফ
  2. হাশেম খান
  3. সমরজিৎ রায় চৌধুরী
  4. আবুল বারক আলভী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।

উল্লেখ্য,
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।

উৎস: ⅰ) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
iii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৬৫৩.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বার্ষিক রিপোর্ট কার কাছে জমা দিতে হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. প্রধানমন্ত্রীর কাছে
  3. জাতীয় সংসদের কাছে
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- ব্রিটিশ শাসনের ঐতিহ্যবাহী অধিকাংশ দেশে ‘সিভিল’ বা ‘পাবলিক’ সার্ভিস কমিশন গঠনের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি চাকুরিতে নিয়োগ প্রদান এবং চাকুরি সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে সকল সিদ্ধান্ত যাতে মেধা ও সমদর্শিতার নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয় তা নিশ্চিতকরণ।
- বাংলাদেশে এই সংস্থা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নামে অভিহিত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে (৯ম ভাগের ২য়) কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন তার বার্ষিক প্রতিবেদন রাষ্ট্রপতিকে জমা দেয়।

উল্লেখ্য, সংবিধানের ১৪১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে -
- প্রত্যেক কমিশনকে প্রতি বছর মার্চ মাসের শুরুর দিনে বা তার আগেই, আগের বছরের (৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব কাজকর্মের একটা রিপোর্ট তৈরি করে রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিতে হবে।
(২) এই রিপোর্টের সঙ্গে একটা ছোট নোট (মেমো) থাকবে, যেখানে লেখা থাকবে—
(ক) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের পরামর্শ মানা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন মানা হলো না, তার কারণ;
(খ) কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল, কিন্তু করা হয়নি—সেইসব ক্ষেত্রগুলো কী ছিল এবং কেন আলোচনা করা হলো না, তার কারণ;
কমিশন যতটা জানে, ততটা সব লিখে রাখবে।
(৩) যে বছর এই রিপোর্ট রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দেওয়া হয়েছে, সেই বছর ৩১ মার্চের পর সংসদের যে প্রথম বৈঠক হবে, সেখানে রাষ্ট্রপতি এই রিপোর্ট আর সেই নোটটা সংসদে উপস্থাপন করবেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৬৫৪.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) অষ্টম
  2. খ) দ্বাদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী (১৯৯১)

- উত্থাপনকারী: তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- সংসদে পাশের তারিখ: ৬ আগস্ট, ১৯৯১।

বিষয়বস্তু:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন
- উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রী পদগুলো বাতিল ঘোষণা।

বাংলাদেশের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। এই পদ্ধতিতে সকল Executive Power প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর কর্তৃত্বে পরিচালিত মন্ত্রী পরিষদ হলেন বাংলাদেশের Real Administrator। অর্থাৎ, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান। তিনি হলেন সমগ্র শাসন-ব্যবস্থার মধ্যমণি।

উল্লেখ্য,  দ্বাদশ সংশোধনীকে চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬৫৫.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. ইরাটম
  2. মালা
  3. হিরা
  4. বিপ্লব
  5. প্রভাতী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৬৫৬.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দ্বিতীয় খেতাব -
  1. বীরপ্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীরউত্তম
  4. বীরবিক্রম
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।

যথা -
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,(মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
• বীর উত্তম ৬৮ জন,(মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- উল্লেখ্য, বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৬৫৭.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রার পরিমাণ কত?
  1. ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি 
  2. ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি 
  3. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি 
  4. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি 
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৬৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ কে?
  1. মনু মিয়া
  2. নূর হোসেন
  3. শংকু সমজদার
  4. রফিকউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ:
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ দেশব্যাপী হরতাল চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন শংকু সমজদার।
- ওই সময় রংপুরের কৈলাশ রঞ্জন বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল সে।
- তাকে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ হিসেবে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের গেজেটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম শহীদ হিসেবে ২০১২ সালে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পেয়েছিল রংপুরের শঙ্কু সমাজদার।
- পরে ক্যাটগরির মধ্যে পড়ে না বলে তার নাম প্রত্যাহার করা হয়।

অন্যদিকে -
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মনু মিয়া।
- ১৯৮৭ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদ হন নূর হোসেন।
- ভাষার আন্দোলনের প্রথম শহিদ রফিকউদ্দিন আহমেদ।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৬৫৯.
'সাড সুক মেনসিম' কোন নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী উৎসব?
  1. ক) ওরাঁও
  2. খ) কোচ
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
সাড সুক মেনসিম খাসিয়া জনগোষ্ঠীর ঐহিত্যবাহী উৎসব।
- সাড সুক মেনসিম অর্থ হৃদয়ের আনন্দ নৃত্য
- এটি মূলত নাচ উৎসব। সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধির জন্যে সৃষ্টিকর্তার প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে সাড সুক মেনসিম উৎসব পালন করা হয়।

(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৬৬০.
দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠিকার নাম কী?
  1. অপরাজিতা
  2. জয়ীতা
  3. মেরীনা
  4. নীলাঞ্জনা
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠিকা:

- দেশে প্রথমবারের মত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) রোবট সংবাদ পাঠিকার নাম অপরাজিতা।
- চ্যানেল ২৪ এর বুধবার সন্ধ্যা ৭টার বুলেটিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়।
- সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সংবাদ সঞ্চালনার বিষয়টি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
- চলতি বছরের এপ্রিলে 'ফেদা' নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায় কুয়েত নিউজ।
- ৯ জুলাই ভারতের একটি বেসরকারি ওড়িশা টেলিভিশন লিমিটেড (ওটিভি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়। এর নাম ছিল লিসা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৯ জুলাই ২০২৩।
৬৬১.
টেকনাফ ও তেতুঁলিয়া কোন দুটি জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান ও নীলফামারী
  2. কক্সবাজার ও দিনাজপুর
  3. চট্টগ্রাম ও কুড়িগ্রাম
  4. কক্সবাজার ও পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
টেকনাফ উপজেলা: 
- টেকনাফ কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত। 

তেতুঁলিয়া উপজেলা: 

- তেতুঁলিয়া পঞ্চগড় জেলার একটি উপজেলা। 
- ইংরেজী ১৮৬০ সন হতে ১৮৬৯ সন পর্যন্ত রংপুর জেলার একটি মহুকুমা হিসেবে প্রশাসনিক ইউনিটের মর্যাদা লাভ করে।
- শিল্প, বাণিজ্য ও নদী বন্দর হিসেবে তেতুলিয়া ছিল সুবিখ্যাত। 
- ১৯৪৭ সনের ১৮ আগস্ট স্যার রেডক্লিপ ভারতের জলপাইগুড়ি জেলার অন্য ৪ টি থানার সঙ্গে তেতুলিয়াকে পূর্ব পাকিস্তানের দিনাজপুরের সাথে যুক্ত করে দেন ।
- তেতুলিয়া বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা।
- এ উপজেলার তিন দিকে ভারত শুধুমাত্র দক্ষিন দিকে পঞ্চগড় সদর উপজেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬৬২.
Biofloc Techonology কিসের সাথে জড়িত?
  1. ক) ধান উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
  2. খ) মাছ উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
  3. গ) ডিম উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
  4. ঘ) পেয়াজ উৎপাদনের আধুনিক প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
- মাছের বর্জ্য থেকে খাদ্য তৈরি করে মাছকে খাওয়ানোর আধুনিক পদ্ধতিকে Biofloc Techonology বলে। 
- এই পদ্ধতিতে সনাতন পদ্ধতির থেকে ২৫-৩০ গুন বেশি মাছ উৎপাদন করা সম্ভব।

Source:- The Fish Site.
৬৬৩.
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয় কবে?
  1. ০১ জানুয়ারি ২০২৪
  2. ০১ নভেম্বর ২০২৩
  3. ১০ ডিসেম্বর ২০২৩
  4. ০১ ডিসেম্বর ২০২৩
ব্যাখ্যা
ঢাকা-কক্সবাজার বাণিজ্যিক ট্রেন:
⇒ ০১  ডিসেম্বর ২০২৩ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
⇒ প্রথম দিনে প্রায় ৯০০ যাত্রী নিয়ে পর্যটন নগরীর আইকনিক রেলস্টেশন থেকে 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস' নামে ট্রেনটি ছেড়ে যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে।
⇒ এই রুটে ট্রেনের গতিসীমা ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে।
⇒ কয়েক দফা পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচলের সফল কার্যক্রম শেষে গত ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার রেল সংযোগ উদ্বোধন করেন। এ সময় ডিসেম্বর থেকে দুটি ট্রেন চালুর নির্দেশ দেন তিনি।

⇒ পর্যটক এক্সপ্রেস:
⇒ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চালু হয় নতুন ট্রেন ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’।
⇒ ননস্টপ আন্তঃনগর ট্রেন 'পর্যটক এক্সপ্রেস' যাত্রা শুরু করেছে ১০ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
⇒ ট্রেনটির প্রথম যাত্রায় ঢাকা থেকে কক্সবাজার যাচ্ছেন ৭৮৫ যাত্রী। 

উল্লেখ্য,
⇒ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১১ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে নবনির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন উদ্বোধন করেন।
⇒ ১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখ থেকে বিরতিহীন 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস' চলাচলের মধ্যে দিয়ে রুটটিতে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহন শুরু করে রেলওয়ে।

উৎস: Live MCQ সালতামামি ২০২৩। ১০ জানুয়ারি, ২০২৪, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৬৬৪.
নিচের কোনটি বাঙালি জাতির 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত?
  1. ৬ দফা
  2. ৭ মার্চের ভাষণ
  3. ১১ দফা
  4. লাহোর প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৬৬৫.
সংবিধান অনুযায়ী নাগরিকের কর্তব্য কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২১নং অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি করমচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে ।
নাগরিকের কর্তব্য ৪টি
আইন মান্য করা
নাগরিক দায়িত্ব পালন করা
শৃঙ্খলা রক্ষা করা
জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা

সূত্র:বাংলাদেশ সংবিধান।
৬৬৬.
মুক্তিযোদ্ধা দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ৫ ডিসেম্বর
  3. ১৪ ডিসেম্বর
  4. ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস : ৭ মার্চ
- স্বাধীনতা দিবস এবং জাতীয় দিবস : ২৬ মার্চ
- জাতীয় শোক দিবস : ১৫ আগষ্ট
- সশস্ত্রবাহিনী দিবস : ২১ নভেম্বর
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস : ০১ ডিসেম্বর
- বিজয় দিবস : ১৬ ডিসেম্বর

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকা।
৬৬৭.
Where is the sculpture 'Shikha Anirban' located?
  1. Dhaka Cantonment
  2. Shahbagh
  3. Suhrawardy Udyan
  4. National Memorial, Savar
ব্যাখ্যা

• শিখা অনির্বাণ: 
- শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
- যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভেসার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয় ৷
ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় এটি স্থাপিত

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ৷

৬৬৮.
ফ্লাউড কমিশনের সাথে নিম্নের কোন আন্দোলন সম্পর্কিত?
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. টঙ্ক আন্দোলন
  3. ওয়াহাবি আন্দোলন
  4. ফরায়েজি আন্দোলন
ব্যাখ্যা

ফ্লাউড কমিশন:
- ফ্লাউড কমিশন ১৯৩৮ সালে বঙ্গীয় সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ভূমি রাজস্ব কমিশন। 
- ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর এ.কে ফজলুল হক মুসলিম লীগ ও কংগ্রেস ব্যতিরেকে অন্যান্য সংসদীয় দলের সমর্থন নিয়ে একটি কোয়ালিশন সরকার গঠন করেন। 
- এ উদ্দেশ্যে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউড-এর নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশনের বিচার্য ছিল ভূমি রাজস্ব প্রশাসন সংক্রান্ত সমস্যাবলির সমাধান বিশেষত জমিদারি প্রথা বাতিল সংক্রান্ত বিষয় বিবেচনা করা।
- ১৯৪০ সালের ২ মার্চ কমিশনের সুপারিশমালা পেশ করা হয়। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল এবং ভূমি নিয়ন্ত্রণে সকল মধ্যবর্তী স্বত্ব বিলোপ সাধন উক্ত সুপারিশমালার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এ সুপারিশগুলি ১৯৪৪ সালের প্রশাসনিক তদন্ত কমিটির জোরালো সমর্থন লাভ করে। কিন্তু ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশমালা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সরকার খুব বেশিদূর অগ্রসর হতে পারে নি। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, ১৯৪৩ সালের মহাদুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক অস্থিরতা এবং ভারত বিভাগের রাজনীতি প্রভৃতি ছিল এর প্রধান অন্তরায়। এসব সীমাবদ্ধতার কারণে ফজলুল হক, খাজা নাজিমউদ্দীন ও সোহরাওয়ার্দী সরকারের আমলে ফ্লাউড কমিশন রিপোর্টের বাস্তবায়ন স্থগিত থাকে, যদিও সব কটি সরকারই জমিদারি প্রথা উচ্ছেদের ব্যাপারে যথেষ্ট আগ্রহী ছিল। পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর আওতায় ১৯৫১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটে। 

⇒ তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন।
- ১৯৪৬-৪৭ সালে এ আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
- মূলত তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার প্রাদেশিক কৃষকসভার কম্যুনিস্ট কর্মীরা।
- তাদের নেতৃত্বে বর্গাচাষিরা ভূমিমালিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়। খুব দ্রুত নিচের স্তরে এর নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
- এ তেভাগা আন্দোলন বাংলার ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
- আন্দোলনটি তীব্র আকার ধারণ করে দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ, যশোর এবং চবিবশ পরগনা জেলায়। 
- এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বর্গাচাষিদের অধিকার আদায়।

⇒ তেভাগা আন্দোলনের মূল কারণ ছিল:
- জমির মালিক ও বর্গাচাষীদের মধ্যে ফসলের ভাগ নিয়ে অসন্তোষ।
- বর্গাচাষীদের উপর জমিদার ও জোতদারদের শোষণ।
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং এর পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট।
- ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ যা উৎপাদিত ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ চাষীদের দেয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি।

⇒ তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন নড়াইলের অমল সেন।

অন্যদিকে,
- ১৯৪৬-৫০ সালে উত্তর ময়মনসিংহে কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত আন্দোলন টঙ্ক আন্দোলন নামে পরিচিত।
- পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় প্রায় একই সময়ে দুটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের শুরু হয়। পূর্ব বাংলার আন্দোলনটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত, আর পশ্চিম বাংলার আন্দোলনের নাম ওয়াহাবি বা ‘তারিক-ই- মুহম্মদীয়া'।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) সংগ্রামের নোটবুক।

৬৬৯.
সোমপুর মহাবিহার কোন সাম্রাজ্যের শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. মৌর্য
  2. গুপ্ত
  3. পাল 
  4. সেন
ব্যাখ্যা

সোমপুর মহাবিহার
- পাহাড়পুরের এই বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের শাসনামলে।
- ১৯৮৫ সাল থেকে এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬৭০.
মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রকাশিত ডাকটিকেটের ডিজাইনার কে ছিলেন?
  1. ক) বিপি চিতনিশ
  2. খ) বিমান মল্লিক
  3. গ) মইনুল ইসলাম
  4. ঘ) এম এ হুদা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার বেশ কয়েকটি ফিল্ড পোস্ট অফিস চালু করে এবং মুক্তাঞ্চলের ডাকঘরসমূহের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর পরিবহণ ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডাকবিভাগকে ন্যস্ত করে। ডাকটিকিট ডিজাইনার বিমান মল্লিক আটটি ডাকটিকিটের ডিজাইন করেন এবং তা ১৯৭১ সনের জুনে মুজিবনগর সরকারের কাছে পাঠান এবং সেগুলি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
৬৭১.
মুক্তিযুদ্ধে সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ক) ৫৫ টি
  2. খ) ৬০ টি
  3. গ) ৬৪ টি
  4. ঘ) ৬৬ টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। এই সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
-  যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৭২.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) এর নামকরণ হয়-
  1. ক) ১৯৭৪
  2. খ) ১৯৭৬
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে। ক্রীড়ার মানোন্নয়ন, উদীয়মান ও প্রতিভাবান শিশু-কিশোর-তরুণ ক্রীড়াবিদদের নিবিড় প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়।
ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে। ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়।
১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়। রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৬৭৩.
দেশের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত? [মে, ২০২৫]
  1. প্রায় ১ শতাংশ
  2. প্রায় ২ শতাংশ
  3. প্রায় ৫ শতাংশ
  4. প্রায় ৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী:
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৬৭৪.
১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) লর্ড চার্লস হার্ডিঞ্জ
  2. খ) লর্ড কার্জন
  3. গ) রাজা চতুর্থ জর্জ
  4. ঘ) রাজা পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা
• লর্ড চার্লস হার্ডিঞ্জ ১৯১১ সালের ২৫ আগস্ট গোপনে প্রেরিত এক বার্তায় ভারত সরকার ভারতের প্রশাসনে নির্দিষ্ট কিছু পরিবর্তনের সুপারিশ করে। 
- গভর্নর জেনারেলের উপদেশ অনুযায়ী রাজা পঞ্চম জর্জ ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে দিল্লিতে তাঁর রাজ্যাভিষেক দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করা ও ভারতের প্রশাসনে সুনির্দিষ্ট কতিপয় পরিবর্তন আনয়নের কথা ঘোষণা করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৭৫.
২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি জনবল প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয় কোন দেশে?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) কাতার
  3. গ) মালোশিয়া
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• ২০২২ সালে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন) ।


উৎস: (প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ‘জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো) ।
৬৭৬.
পৌরসভার সদস্যগণের পদবি কী?
  1. ক) মেম্বার
  2. খ) কমিশনার
  3. গ) কাউন্সিলর
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
পৌরসভা
পৌরসভা হচ্ছে শহরের জনগণের স্থানীয় সমস্যাগুলো সমাধান এবং উন্নয়নমূলক কাজ করার জন্য স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।

পৌরসভার গঠন 

- একজন মেয়র, কয়েকজন কাউন্সিলর ও কয়েকজন মহিলা কাউন্সিলর নিয়ে পৌরসভা হয়।
- মেয়র ও কাউন্সিলরগণ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
- তিনটি ওয়ার্ড হতে সংরক্ষিত আসনে একজন মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
- একটি পূর্ণাঙ্গ পৌরসভায় সাধারণত ১৮টি ওয়ার্ড থাকে।
- সে হিসাবে পৌরসভার মোট সদস্যসংখ্যা হলো: একজন মেয়র, আঠারো জন কাউন্সিলর, ছয়জন মহিলা কাউন্সিলরসহ মোট পঁচিশ জন।
- পৌরসভার নির্বাচিত প্রধানের পদবি 'মেয়র'।
- পৌরসভায় নির্বাচিত সদস্যকে 'কাউন্সিলর' বলা হয়।
- পৌরসভার নির্বাচন হয় প্রত্যক্ষ ভোটে।
- পৌরসভার মেয়র, কাউন্সিলরদের কার্যকালের মেয়াদ ৫ বছর।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৬৭৭.
বাংলাদেশ কত সালে আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংস্থার (আইএলও) সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. ১৯৭২ সালের ২২ জুন 
  3. ১৯৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭৪ সালের ১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

​​​​ILO:
- ILO এর পূর্ণরূপ International Labour Organization.
- সংস্থাটি ভার্সাই চুক্তির ফলশ্রুতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯১৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৭টি। আগস্ট, ২০২৫)
- জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ: ১৯৪৬ সালে।
- ILO জাতিসংঘের প্রথম বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- বর্তমান মহাপরিচালক: Gilbert F. Houngbo (টোগো)
- প্রথম আফ্রিকান যিনি ILO-এর প্রধান হন (২০২২ থেকে দায়িত্বে)।
- ILO ১৯৬৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: ILO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৬৭৮.
রাজু ভাস্কর্যের স্থপতি -
  1. ক) নিতুন কুন্ডু
  2. খ) শামীম শিকদার
  3. গ) মৃণাল হক
  4. ঘ) শ্যামল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
রাজু ভাস্কর্য
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে কয়টি ভাস্কর্য মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে তার মধ্যে অন্যতম প্রধান হচ্ছে রাজু ভাস্কর্য।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি চত্বরে অবস্থিত।
- ১৯৯২ সালের ১৩ মার্চ তদান্তিন প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনসমূহের জোট গণতান্ত্রিক ছাত্র ঐক্যের সন্ত্রাস বিরোধী মিছিল চলাকালে সন্ত্রাসীরা গুলি করলে মিছিলের নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় নেতা মঈন হোসেন রাজু নিহত হন।
- রাজুসহ সন্ত্রাস বিরোধী আন্দোলনের সকল শহীদের স্মরণে নির্মিত হয় এই ভাস্কর্যটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মইন হোসেন রাজু ছিলেন ছাত্র ইউনিয়নের নেতা। 
- এই ভাস্কর্যের স্থপতি ছিলেন ভাস্কর শ্যামল চৌধুরী।
- তার সহযোগী ছিলেন গোপাল পাল।

উৎস: i) চ্যানেল আই অনলাইন।
         ii) সমকাল, ৪ জুলাই, ২০২১।
৬৭৯.
দেশে প্রথমবার জীবানু শনাক্তকরণ কিট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. এসিআই এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড
  2. বাংলাদেশ বায়োটেক লিমিটেড
  3. ইস্পাহানি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড
  4. এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড
- অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু শনাক্তকরণ আরটি পিসিআর কিট তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেড।
- প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করবে কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান বায়োনিয়ার করপোরেশন।
- গবেষণা সহায়তা করবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)।
- নতুন এই কিটের মাধ্যমে মাত্র দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যে মানবদেহে অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী ২৫ ধরনের জীবাণু শনাক্তকরণ সম্ভব হবে।

সূত্র- এএফসি এগ্রো বায়োটেক লিমিটেডের ওয়েবসাইট। 
৬৮০.
কৃষিজাত কোন পণ্যটি ‘হোয়াইট গোল্ড’ হিসেবে পরিচিত?
  1. চা
  2. পাট
  3. চিংড়ি
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা
কৃষিজাত পণ্য চিংড়ি ‘হোয়াইট গোল্ড’ হিসেবে পরিচিত।

White gold:

- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- চিংড়ি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী রপ্তানি পণ্য।
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬৮১.
কোন গাছের কাঠ হতে দিয়াশলাই-এর কাঠি তৈরি হয়?
  1. গরান
  2. ধুন্দল
  3. গেওয়া
  4. চাপালিশ
ব্যাখ্যা
• দিয়াশলাই শিল্প:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
• কাগজ শিল্প:- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
• রেয়ন শিল্প:- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮২.
ইউনিয়নের সালিশি আদালত গঠিত হয় -
  1. ক) ৪ জন সদস্য নিয়ে
  2. খ) ৬ সদস্য নিয়ে
  3. গ) ৩ জন সদস্য নিয়ে
  4. ঘ) ৫ জন সদস্য নিয়ে
ব্যাখ্যা

৫ (১) একজন চেয়ারম্যান এবং উভয়পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন করিয়া মোট চারজন সদস্য লইয়া গ্রাম আদালত গঠিত হইবেঃতবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক পক্ষ কর্তৃক মনোনীত দুইজন সদস্যের মধ্যে একজন সদস্যকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হইতে হইবে
- [:তবে আরো শর্ত থাকে যে, তফসিলের প্রথম অংশে বর্ণিত ফৌজদারী মামলার সহিত নাবালক এবং তফসিলের প্রথম ও দ্বিতীয় অংশে বর্ণিত ফৌজদারী ও দেওয়ানী মামলার সহিত কোন নারীর স্বার্থ জড়িত থাকিলে, সংশ্লিষ্ট পক্ষ সদস্য মনোনয়নের ক্ষেত্রে একজন নারীকে সদস্য হিসাবে মনোনয়ন প্রদান করিবেন।]

উৎস: গ্রাম আদালত আইন ২০০৬ (http://bdlaws.minlaw.gov.bd/)

৬৮৩.
বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ক) ১৬ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২০ বছর
  4. ঘ) ২১ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১২২ নং অনুচ্ছেদে "ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা" সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ১২২ঃ ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
(১) প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

৬৮৪.
বাংলায় ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন শুরু হয় কবে?
  1. ১৭৫০ সালে
  2. ১৭৫৭ সালে
  3. ১৭৬০ সালে
  4. ১৭৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে। এই সব অঞ্চলে ইংরেজদের সঙ্গে বিদ্রোহী ফকির-সন্ন্যাসীদের বহু সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।

উল্লেখ্য,
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া। 
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- অপরদিকে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন।
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন তিনি। ফলে তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৮৫.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪(৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ডিজাইনার- কামরুল হাসান।
- ব্যবহারের অধিকার রয়েছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।
- এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

৬৮৬.
রোহিতগিরি কী?
  1. ক) দেবপর্বত
  2. খ) লালমাই পাহাড়
  3. গ) আনন্দবিহার
  4. ঘ) হরিকেল
ব্যাখ্যা
-  পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলায় সবচেয়ে শক্তিধর রাজবংশ হচ্ছে চন্দ্রবংশ। 
- খ্রিস্টীয় দশম শতকের শুরুতেই চন্দ্রবংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় । 
- প্রায় দেড়শ বছর এই বংশ শাসনকার্য পরিচালনা করে । 
- এই বংশের প্রথম শক্তিধর রাজার নাম ত্রৈলোক্যচন্দ্র। তিনি মহারাজাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন। 
- কুমিল্লার লালমাই পাহাড়কে সে যুগে বলা হতো রোহিতগিরি
-  ত্রৈলোক্যচন্দ্রের পিতা ছিলেন সুবর্ণচন্দ্র এবং পিতামহ ছিলেন পূর্ণচন্দ্র।
-  শক্তিধর ত্রৈলোক্যচন্দ্র হরিকেল দখল করেছিলেন। 
- এই সাথে তিনি চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল ও এর চারপাশের অঞ্চল) জয় করেন। একে একে তাঁর অধিকারে আসে বঙ্গ ও সমতট।
- ত্রৈলোক্যচন্দ্র প্রায় ত্রিশ বছর (আনুমানিক ৯০০-৯৩০ খ্রি.) শাসন করেন । 
 
======
 খড়গ বংশের শাসনের পর অষ্টম শতকের মাঝামাঝি একই অঞ্চলে দেববংশের উদ্ভব হয়। 
দেববংশের রাজাদের রাজধানী ছিল দেবপর্বতে। 
কুমিল্লার নিকট ময়নামতির দক্ষিণে ছিল এই দেবপর্বত। 
সমগ্র সমতট অঞ্চল জুড়ে দেবরাজাদের রাজত্ব ছিল। 
দেবরাজা আনন্দের রাজধানীতে ‘আনন্দবিহার' বলে একটি বৌদ্ধ বিহার নির্মাণ করা হয় । 
আনুমানিক ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত দেবরাজাদের শাসন চালু থাকে । 
 

উৎস : ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬৮৭.
বাংলাদেশ হাউজ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কানাডা
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে নবনির্মিত ‘বাংলাদেশ হাউজ’ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৬৮৮.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. ক) শামীম শিকদার
  2. খ) হামিদুর রহমান
  3. গ) মৃণাল হক
  4. ঘ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• হামিদুর রহমান:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
৬৮৯.
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত সালে নোবেল পুরষ্কার পান?
  1. ১৯১৩
  2. ১৯১৪
  3. ১৯২৩
  4. ১৯২৪
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাধারে একজন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর ছদ্মনাম: ভানুসিংহ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ছিলেন দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের চতুর্দশ সন্তান।
- তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: চোখের বালি, গোরা, ঘরে বাইরে, চতুরঙ্গ, শেষের কবিতা, যোগাযোগ, চার অধ্যায় ইত্যাদি।
- ব্রিটিশরা তাঁকে 'নাইট' উপাধিতে ভূষিত করে ১৯১৫ সালে।
- তাঁর মৃত্যু: ৭ আগস্ট ১৯৪১ (বয়স ৮০), কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে।

উল্লেখ্য,
- ১৯১৩ সালে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
- বিশ্বভারতীর সেফ্টি ভল্টে রাখা ছিল সেই অনন্য সম্মান।
- কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় এটাই, যে ২০০৪ সালে রবীন্দ্রনাথের নোবেল চুরি হয়ে যায়।
- পরবর্তীকালে সুইডিশ অ্যাকাডেমি নোবেলের দুটি রেপ্লিকা দিয়েছিল বিশ্বভারতীকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৯০.
'বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড' পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কোন পরিকল্পনার অন্তর্গত?
  1. ক) অপারেশন এঞ্জেল
  2. খ) অপারেশন সার্চলাইট
  3. গ) অপারেশন চেঙ্গিস খান
  4. ঘ) অপারেশন ক্যাক্টাস লিলি
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট

পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।

এ অপারেশনের উদ্দেশ্য ছিল -

- ঢাকাসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ এবং বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনে হত্যা,
- সামরিক আধা সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্রীকরণ,
- অস্ত্রাগার, রেডিও ও টেলিফোন এক্সচেঞ্জ দখলসহ প্রদেশের সামগ্রিক কর্তৃত্ব গ্রহণ এবং
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন কঠোর হস্তে দমন করে প্রদেশে পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৯১.
কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম
  1. রাখাইন
  2. মারমা
  3. পাঙ্গন
  4. খিয়াং
ব্যাখ্যা

পাঙন:
- বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পাঙাল বা পাঙন।
- বাংলাদেশের সিলেট ও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় এই গোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।

⇒ কথিত আছে যে, মণিপুর রাজ্যে ভারতবর্ষের কোনো এক অঞ্চলের পাঠান মুসলিম ব্যবসা-বাণিজ্য করতে মণিপুর যান। তাঁদের একজন এক মৈতৈ মণিপুরী মেয়ের সঙ্গে প্রেমে আবদ্ধ হন এবং তাঁকে বিবাহ করে সন্তানাদিসহ সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। মৈতৈই  মা ও পাঠান মুসলিম পিতার বংশধররাই পরে পাঙান বা মণিপুরী মুসলিম নামে পরিচিতি পায়। তারা মায়ের ভাষায় কথা বলে এবং পিতার ধর্ম পালন করে। 

⇒ পাঙনরা সুন্নী মুসলিম। তবে স্থানীয় বাঙালী মুসলিম জনগোষ্ঠির সঙ্গে পাঙনদের সামাজিক কোনো সম্পর্ক নেই বললেই চলে। তাদের ধর্মাচরণ, সমাজব্যবস্থা ও রীতিনীতির সাথে বাঙালি মুসলমানদের পার্থক্য রয়েছে। পাঙনরা প্রচণ্ড ধর্মভীরু ও রক্ষণশীল।

উৎস: i) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
ii) BBC.

৬৯২.
ঐতিহাসিক ছয় দফায় ‘প্যারামিলিটারি বাহিনী’ গঠনের কথা উল্লেখ আছে-
  1. ষষ্ঠ দফায়
  2. দ্বিতীয় দফায়
  3. প্রথম দফায়
  4. পঞ্চম দফায়
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:   
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ই ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলনের আহ্বান করেন।
• আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোর পৌঁছান।
• সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ প্রস্তাব পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখ্যান করেন।
• বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করেন এবং ছয় দফা সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করে ঢাকায় ফিরে আসেন.
• ২১শে ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।

♣ দফাগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১ নং দফা:  
লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র হিসেবে গঠন করতে হবে।
• এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা।
• প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা হবে সার্বভৌম।

২ নং দফা:  

• ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়।
• অন্যান্য বিষয় থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে।

৩ নং দফা:  

• ক. দেশের দুই অঞ্চলের জন্য সহজে বিনিময়যোগ্য দুটি মুদ্রা চালু থাকবে।
•মুদ্রা লেনদেনের হিসাব রাখার জন্য দুই অঞ্চলের জন্য দুইটি স্বতন্ত্র স্টেট ব্যাংক থাকবে।
• মুদ্রা ও ব্যাংক পরিচালনার ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে। 
অথবা;
• খ. দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে, যাতে এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে মুদ্রা ও মূলধন পাচার হতে না পারে।
•  একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে এবং দুইটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাংক থাকবে।

৪ নং দফা:

• সকল প্রকার কর ও শুল্ক ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা থাকবে প্রাদেশিক সরকারের হাতে। 
• আদায়কৃত অর্থের একটি নির্দিষ্ট অংশ ফেডারেল তহবিলে জমা হবে।
• এ দ্বারা ফেডারেল সরকার ব্যয় নির্বাহ করবে।

৫ নং দফা:  

• বৈদেশিক মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রদেশগুলোর হাতে পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে।
• বৈদেশিক বাণিজ্য ও সাহায্যের ব্যাপারে প্রদেশগুলো যুক্তিযুক্ত হারে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা মিটাবে।

৬ নং দফা: 
• আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য প্রদেশগুলো নিজস্ব মিলিশিয়া বা প্যারামিলিটারি বাহিনী বা আধা সামরিক বাহিনী গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে। 

উৎস:
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৩.
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম কত সালে আওয়ামী-লীগের সভাপতি হন?
  1. ক) ১৯৭৮ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৯০ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
•শেখ হাসিনা:
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ৬ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফিরে আসেন।
- তার আগেই ১৯৮১ সালের ১৪ – ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

এছাড়াও
 • মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহ:
১. শেখ মুজিব আমার পিতা
২. দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা
৩. ওরা টোকাই কেন?
৪. বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম
৫. আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম
৬. আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি
৭. সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র
৮. সাদা কালো
৯. সবুজ মাঠ পেরিয়ে
১০. Miles to Go
১১. The Quest for Vision - 2021

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
৬৯৪.
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
  1. ক) ২৬ মার্চ
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর
  3. গ) ২১শে ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস। ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর ২৬ শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। সেজন্যে একে স্বাধীনতা দিবস বলা হয়। ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং ২১ শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। (সূত্রঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৬৯৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রণয়নে কোন ব্রিটিশ আইন প্রণেতা সাহায্য করেন?
  1. আই গাথরি
  2. জন স্মিথ
  3. উইলিয়াম জোন্স
  4. থমাস ম্যাকলয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন: 
- সংবিধান রচনার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ ‘গণপরিষদ আদেশ’ জারি করা হয়।
- এরপর ১০ এপ্রিল, ১৯৭২ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদে সদস্য ছিলেন ৪০৩ জন।
- মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের সভাপতিত্বে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে শাহ আবদুল হামিদ স্পিকার ও মোহাম্মদ উল্লাহ ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন। ২ মে, ১৯৭২ শাহ আবদুল হামিদ মারা গেলে মোহাম্মদ উল্লাহ স্পিকার নির্বাচিত হন।
- গণপরিষদ অধিবেশনের পরদিন ১১ এপ্রিল গণপরিষদে খসড়া সংবিধান-প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।

⇒  সরকারের আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৩৪ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়। 
- সংবিধান প্রণয়নের সময় জনগণের মতামত সংগ্রহের জন্য মতামত আহ্বান করা হয়।
- সংগৃহীত মতামত থেকে ৯৮টি সুপারিশ গ্রহণ করা হয়।
- গণপরিষদ ভবনে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির বৈঠকে সহযোগিতা করেন ব্রিটিশ আইনসভার খসড়া আইন-প্রণেতা আই গাথরি।
- সংবিধান লেখার পর এর বাংলা ভাষারূপ পর্যালোচনার জন্য ড. আনিসুজ্জামানকে আহ্বায়ক, সৈয়দ আলী আহসান এবং মযহারুল ইসলামকে ভাষা বিশেষজ্ঞ হিসেবে একটি কমিটি গঠন করে পর্যালোচনার ভার দেওয়া হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর সংসদে পাস হওয়া সংবিধানের হাতের লেখা কপির উপর সইয়ের জন্য দিন নির্ধারণ করা হয়। 
- দুই দিনব্যাপী এ সই অনুষ্ঠানে একে একে ৪০৩ জন গণপরিষদ সদস্যের মধ্যে ৩৯৯ জন সই করেন। মানবেন্দ্র নারায়ণ চাকমা (পি.ই. ২৯৯), সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (পি.ই. ২২১), আজিজার রহমান (পি.ই. ২২) ও এম ইব্রাহিম (পি.ই. ৮২) সই দানে বিরত থাকেন।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) সংবিধান থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৯৬.
বাংলাদেশে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ২০২৩ সালে
  2. ২০২৪ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে
- ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়।
- যা 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৬৯৭.
বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচে অধিনায়ক ছিলেন কে?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. খালেদ মাহমুদ সুজন
  3. নাঈমুর রহমান
  4. গাজী আশরাফ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ২৬ জুন ২০০০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের দশম পূর্ণাঙ্গ সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- এর ফলে বাংলাদেশ নিয়মিত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণসহ বিশ্বের সেরা দলগুলোর সঙ্গে খেলার সুযোগ পায়।
- বাংলাদেশের অভিষেক টেস্ট ম্যাচে অধিনায়ক ছিলেন নাঈমুর রহমান।
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলতে নামা বাংলাদেশ,
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে প্রথম টেস্ট জয়ের স্বাদ পায়।
- তবে তার আগেই, ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।
৬৯৮.
ট্যাক্স হলিডে বলতে বুঝায় -
  1. ক) ট্যাক্স দিবস পালনের জন্য ছুটি
  2. খ) অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্তা
  3. গ) ট্যাক্স খেলাপিদের জন্য বিশেষ আইন
  4. ঘ) ট্যাক্স সংগ্রহের জন্য ছুটির দিন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি।
যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।

কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে। বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।
শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে।
অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্তা।

সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান কে কর অবকাশ দেয়া হয়েছে যারা শিল্প অঙ্গীকার করেছে এবং সকল শর্ত পূরণ করে ১ জুলাই ২০১১ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর
৬৯৯.
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নয় -
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পীকার
  3. গ) প্রতিমন্ত্রী
  4. ঘ) উপমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নয় - স্পীকার। তিনি হচ্ছেন সংসদের নীরপেক্ষতার প্রতীক।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ সংবিধান ৫৫। (১)অনুযায়ী,
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী লইয়া এই মন্ত্রিসভা গঠিত হইবে।

- বাংলাদেশ সংবিধান  ৫৬। (১) একজন প্রধানমন্ত্রী থাকিবেন এবং প্রধানমন্ত্রী যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রী থাকিবেন।

(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন: 

(৩) তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
৭০০.
আওয়ামী লীগ কত সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- আওয়ামী লীগ এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকাটা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা, 
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।