বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৯ / ৩০৬ · ৬,৮০১৬,৯০০ / ৩০,৮৩২

৬,৮০১.
প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর কোন স্থানে অবস্থিত?
  1. ময়নামতি
  2. বিক্রমপুর
  3. মহাস্থানগড়
  4. পাহাড়পুর
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৮০২.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
  2. আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
  3. জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ।
  4. আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৩ নং অনুচ্ছেদে  গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ৩২ নং অনুচ্ছেদে জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ সম্পর্কে বলা হয়েছে।   
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা। 
- ৩১ নং অনুচ্ছেদ : আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের সম্পর্কে বলা হয়েছে।  

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬,৮০৩.
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত কোন সময়কালের জন্য গণনা করা হয়?
  1. ১ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত ১ বছরের জন্য গণনা করা হয়।

মোট দেশজ উৎপাদন:

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।

উল্লেখ্য:
⇒ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮০৪.
What is the height of the National Monument?
  1. 45.72 feet
  2. 50 feet
  3. 154 feet
  4. 150 feet
  5. 144 feet
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মি)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৮০৫.
কার সময়ে 'সিপাহী বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল?
  1.  লর্ড ডালহৌসী
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং।
- লর্ড ক্যানিং ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয় ছিলেন।
- তাঁর প্রশাসনের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লব-এর শুরু।
- লর্ড ক্যানিং বিদ্রোহটি দমন করেন এবং এ ঘটনার পর ১৮৫৮ সালে পার্লামেন্টারি আইন পাস হয়।

⇒ সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ সিপাহি বিদ্রোহের কারণ:
ক. সেনাবাহিনীতে সিপাহি পদে ভারতীয়দের সংখ্যা বেশি ছিল। সেখানে ৫০ হাজার ব্রিটিশ এবং ৩ লাখ ভারতীয় সিপাহি ছিল।
খ. ১৮৫৬ সালের পর ভারতের বাইরেও সৈন্যদের কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
গ. কামান ও বন্দুকের কার্তুজ পিচ্ছিল করার জন্য গরু ও শূকরের চর্বি ব্যবহারের গুজব নিয়ে ধর্মীয় অশান্তি তৈরি করা হয়েছিল।
ঘ. সৈন্যদের আন্দোলনকে সমর্থন জানানোর জন্য সাধারণ মানুষ প্রস্তুত ছিলেন। এই আন্দোলন দ্রুতই সৈন্যদের থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ব্রিটিশ সরকার কঠোর হাতে এ বিদ্রোহ দমন করে। এ বিদ্রোহে প্রায় এক লাখ ভারতীয় মারা যায়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮০৬.
দেশের সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. খ) আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  3. গ) পলাশ সার কারখানা
  4. ঘ) শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
ব্যাখ্যা
শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণে স্থাপিত  দেশের অত্যাধুনিক ডিসিএস, পিএলসি সম্বলিত শক্তি সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব দৈনিক ১৭৬০ মে.টন উৎপাদনক্ষমতা সম্পন্ন সর্ববৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপদনকারী একটি সরকারি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
- এসএফসিএল কারখানাটি সিলেট শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।  
- ২৪ মার্চ, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এনজিএফএফএল এলাকায় শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। প্রকল্পে নির্মাণ কাজ এপ্রিল, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ শুরু হয়।
- কারখানার নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করে ২০ সেপ্টেম্বর,২০১৫ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ইউরিয়া উৎপাদন হয়। পরবর্তীতে পিজিটিআর ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজ সম্পাদন করে ২৯ ফেব্রুয়ারী,২০১৬ খ্রিস্টাব্দ Final Acceptance Certificate ইস্যু করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৮০৭.
LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ কয়টি সুবিধা হারাবে?
ব্যাখ্যা
LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে।
- ২০২৬ সালে LDC-ভুক্ত দেশের তালিকা থেকে উর্ত্তীণ হবে বাংলাদেশ, নেপাল, লাওস।

উল্লেখ্য,
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা।
- এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য ও অন্যান্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ ৩টি সুবিধা হারাবে।
- বাংলাদেশ যদি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্কছাড় সুবিধা কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে এবং দেশি শিল্পকারখানা তীব্র প্রতিযোগিতায় পড়ে অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
- কিছু দেশ ও অঞ্চলে বাংলাদেশের বাণিজ্যে শুল্কছাড় সুবিধা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে, আর ওষুধ উৎপাদনে মেধাস্বত্বে ছাড় সুবিধা থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট।
৬,৮০৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. চীন
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান:
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল – তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। 

- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

​উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮০৯.
’স্থানীয় শাসন’ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের কোন পরিচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ১ম পরিচ্ছেদ
  2. ২য় পরিচ্ছেদ
  3. ৩য় পরিচ্ছেদ
  4. ৪র্থ পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
- সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ ৫টি পরিচ্ছেদ রয়েছে।
- ১ম পরিচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা,
- ৩য় পরিচ্ছেদ: স্থানীয় শাসন,
- ৪র্থ পরিচ্ছেদ: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ,
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬,৮১০.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হয়-
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে সার্বভৌম বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হয়।
- স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।
- তাজউদ্দীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন; সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
৬,৮১১.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. মাশরাফি বিন মর্তুজা
  2. সাকিব আল হাসান
  3. তামিম ইকবাল খান
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি ৭০টি টেস্ট, ওয়ানড ২২১টি ওয়ানডে এবং ৮৬টি টি-২০ মোট ৩৭৭ টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন।
এছাড়াও তামিম ইকবাল খান- ৩৪৮ টি, সাকিব আল হাসান- ৩৪৩ টি এবং মাশরাফি বিন মর্তুজা- ৩১০ টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ খেলেছেন।
উৎসঃ ক্রিকিনফোর ওয়েবসাইট।
৬,৮১২.
তানসেন কে ছিলেন? 
  1. সম্রাট আকবরের সভাকবি 
  2. সম্রাট বাবরের মন্ত্রী 
  3. সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের অর্থমন্ত্রী
  4. একজন নৃত্যশিল্পী
ব্যাখ্যা

⇒ তানসেন মুঘল সম্রাট আকবরের রাজদরবারের সভাকবি  ছিলেন।

তানসেন:
- তানসেন ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ।
- তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজদরবারের সঙ্গীতজ্ঞ ও সভাকবি ছিলেন।
- তিনি শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
- তিনি মুঘল বাদশাহ আকবরের রাজদরবারের নবরত্নের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
- তিনি দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৬,৮১৩.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে কত তারিখ?
  1. ৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  2. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  3. ১১ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  4. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৮১৪.
নিম্নের কোনটি ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ?
  1. চকবাজার শাহি মসজিদ
  2. হারানো মসজিদ
  3. তারা মসজিদ
  4. বিনত বিবির মসজিদ
ব্যাখ্যা
ঢাকার প্রথম মসজিদ:
- ‘মসজিদের শহর’ ঢাকা।
- ‘বিনত বিবির মসজিদ’ ঢাকার প্রাচীনতম মসজিদ। 
- বিনত বিবির মসজিদ বাংলাদেশের ঢাকা শহরের পুরানো ঢাকা এলাকায় অবস্থিত একটি মধ্যযুগীয় মসজিদ।
- নারিন্দা পুলের উত্তর দিকে অবস্থিত এই মসজিদটির গায়ে উৎকীর্ণ শিলালিপি অনুসারে ৮৬১ হিজরি সালে, অর্থাৎ ১৪৫৭ খ্রিস্টাব্দে সুলতান নাসিরুদ্দিন মাহমুদ শাহের শাসনামলে মারহামাতের কন্যা মুসাম্মাত বখত বিনত বিবি এটি নির্মাণ করান। 
- ১৪৫৬ খ্রিস্টব্দে ইসলাম খাঁর আগমনের প্রায় দেড়শ বছর আগে বাংলার সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমুদের আমলে ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদটি নির্মিত হয়।
- বাংলা ১৩৩৭ সালে এ মসজিদটির দ্বিতীয় সংস্করণ করা হয় এবং দ্বিতীয় গম্বুজটি স্থাপন করা হয়।

অন্যদিকে,
- ঢাকার প্রাচীন মসজিদগুলোর মধ্যে চকবাজার শাহি মসজিদ (স্থাপিত : ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দ), বেগমবাজার মসজিদ (স্থাপিত : ১৭০৪ খ্রিস্টাব্দ), তারা মসজিদ (স্থাপিত : ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ), মুসা খাঁর মসজিদ (স্থাপিত : ১৮০০ খ্রিস্টাব্দের শুরুর দিকে) অন্যতম।
- দেশের প্রাচীনতম মসজিদ হারানো মসজিদ। বাংলাদেশে ইসলাম প্রচারের প্রাচীনতম নিদর্শন ৬৯ হিজরিতে সাহাবা আমলে তৈরি ‘হারানো মসজিদ’। রংপুর-কুড়িগ্রাম জাতীয় মহাসড়কের প্রায় ১ কিলোমিটার দক্ষিণে লালমনিরহাট সদর উপজেলার পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নে মসজিদটি অবস্থিত।
- ‘জাতীয় মসজিদখ্যাত’ ‘বায়তুল মোকাররম’ আধুনিক ঢাকার কেন্দ্রস্থলে নির্মিত হয় ২৬ ডিসেম্বর ১৯৬২।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৮১৫.
কোন দেশের নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব
কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে
পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৬,৮১৬.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কোন মুসলিম নেতার অবদান উল্লেখযোগ্য?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  2. হোসেন শহীদ সোরাওয়ার্দী
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।
 
উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৬,৮১৭.
বাংলাদেশের কোন জেলা শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার:
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। 
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ ও প্রাচ্যের ভেনিস সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই বরিশাল নগরীতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী ও খাল।
- এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল এইসব নদী ও খালের উপর।
- ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।
- ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। 
- বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারাল ম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম।
- কৃষিই ছিল এ দেশের অর্থনীতির মূল উৎস।
- পর্যটক রালফ ফিস ১৫৮০ সালে বাকলাকে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশমবস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৮১৮.
জাতীয় অগ্রাধিকার লক্ষ্যমাত্রায় চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যা কত শতাংশের নিচে আনার জন্য বলা হয়েছে?
  1. ৩%
  2. ৫.৬%
  3. ৭%
  4. ১০%
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals.
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

National Priority Targets - NPT (জাতীয় অগ্রাধিকার লক্ষ্যমাত্রা):
- বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে যত দ্রুত সম্ভব এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ৩৯টি সূচক নির্ধারণ করা হয়েছে।

SDG 1 - সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান:
- NPT ১: চরম দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত ৩% এর নিচে হ্রাস করা।
- NPT ২: জাতীয় দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী জনসংখ্যার অনুপাত ১০% এর নিচে হ্রাস করা।

উৎস: SDG Tracker বাংলাদেশ।
৬,৮১৯.
বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি বাংলাদেশের নেত্রকোণা জেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
৬,৮২০.
বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে? 
  1. সেনাপ্রধান
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী:
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত।
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (AFD) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিভাগ।
- এই বিভাগটি মন্ত্রী পদমর্যাদা ভোগ করে এবং বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (MoD) সাথে সমান্তরাল কাজ করে।
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক রাষ্ট্রপতি।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রদত্ত ক্ষমতাবলে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবর্গ, বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি, সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল,
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের নিয়োগ প্রদান করেন।
- তাছাড়া জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান ও সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

এছাড়াও,
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক ((Supreme Command) এবং বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের চ্যান্সেলর।
- বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতগণ মহামান্য রাষ্ট্রপতির নিকট পরিচয়পত্র (Credentials) পেশ করেন।
- জাতীয় দিবসসমূহে মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশ্যে বাণী প্রদান করেন এবং বঙ্গভবনে সংবর্ধনার আয়োজন করেন।

উৎস: ⅰ) সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
ii) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়।

৬,৮২১.
বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিল কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিল - ৭টি ।

• বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৮২২.
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন-
  1. Allienet
  2. Accord
  3. Alliance
  4. Antros
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord I
- অ্যাকর্ড হল ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে একটি স্বাধীন, আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা বাংলাদেশে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্পের লক্ষ্যে কাজ করে।
- অ্যাকর্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলিকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জন্য নিরাপদ করে তুলতে - এবং নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।

উৎসঃ Accord Bangladesh, দ্যা ডেইলি স্টার।

৬,৮২৩.
রেশম পোকা যে পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে-
  1. রাবার
  2. তুত
  3. কাঞ্চন
  4. কাউন
ব্যাখ্যা

রেশম পোকা তুত পাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। 
- রেশম পোকার চাষ হয় রাজশাহীতে।
- সুতা উৎপাদনের এই পোকা ব্যবহৃত হয়।
- রাজশাহীকে সিল্ক সিটি বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৬,৮২৪.
বাংলাদেশের শিল্পখাতে কয়টি উপখাত রয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের শিল্পখাতের উপখাত:
বাংলাদেশের শিল্পখাতে বর্তমানে ৫টি উপখাত রয়েছে। যথা-
- খনিজ ও খনন খাত
- নির্মাণ খাত
- ম্যানুফ্যাকচারিং খাত
- বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
- পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৬,৮২৫.
What is the size of the 2025-2026 fiscal year budget of Bangladesh?
  1. 7,92,999 crore Taka
  2. 7,98,999 crore Taka
  3. 7,89,999 crore Taka
  4. 7,88,999 crore Taka
  5. None of these
ব্যাখ্যা
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬ অর্থ মন্ত্রণালয়।
৬,৮২৬.
What does 'E-TIN' stands for?
  1. Electronic Taxpayer's Institutional Number
  2. eFiling Taxpayer's Individual Number
  3. Electronic Taxpayer's Identification Number
  4. Electronic Taxpayer's Individual Number
ব্যাখ্যা
E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৬,৮২৭.
EBDO এবং PODO নামে পরিচিত দুটি আদেশ জারি করেন -
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) লিয়াকত আলী
  3. গ) ইস্কাদার মির্জা
  4. ঘ) টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
• আইয়ুব খান ১৯৫৯ সালে 'নির্বাচিত সংস্থাসমূহ (অযোগ্যতা) আদেশ, ১৯৫৯' (Elective Bodies Disqualification Order 1959) এবং 'সরকারি পদ লাভের অযোগ্যতা সংক্রান্ত আদেশ' (Public Office Disqualification Order) নামে দুটি আদেশ জারি করেন।
- এ দুটি আদেশ সংক্ষেপে EBDO এবং PODO নামে পরিচিত হয়।
- 'পোডো' (PODO- Public Office Disqualification Order)-তে বলা হয় যে, যারা দুর্নীতির কারণে সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন তারা ১৫ বছরের মধ্যে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক পদে নির্বাচন করতে পারবেন না। 
- অপরদিকে 'এবডো' (EBDO- Elective Bodies Disqualification Order ) তে বলা হয় যে, বিশেষ আদালতে অভিযুক্ত কোনো ব্যক্তি বা রাজনীতিবিদ ইলেকটিভ বডির নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না বলে সম্মত হলে শুধুমাত্র তখন বিচার এড়াতে পারবেন। 'এবডো' নামক কালাকানুন বা আদেশ জারি করে আওয়ামী লীগ নেতা হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী, আতাউর রহমান খান, শেখ মুজিবুর রহমান, সীমান্ত গান্ধী খান আব্দুল গফফার খান, মিঞা মমতাজ দৌলতানা, সিন্ধুর নেতা এম. এ. খুরোসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতাকে অভিযুক্ত করা হয়। সোহ্রাওয়ার্দীসহ অনেক রাজবন্দী নেতার বিরুদ্ধে 'হেবিয়াস কর্পাস' রীট মামলা দায়ের করা হয় ।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক। 
৬,৮২৮.
'ফাগুন হাওয়ায়' চলচ্চিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. নুর ইমরান মিঠু
  2. তৌকীর আহমেদ
  3. মোস্তফা কামাল রাজ
  4. মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
ব্যাখ্যা
ফাগুন হাওয়ায়:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়'।
- চলচ্চিত্রটির নির্মাতা 'তৌকীর আহমেদ'।
- 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- আমার জন্মভূমি, আবার তোরা মানুষ হ ও মেঘের পর মেঘ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৮২৯.
আমার সোনার বাংলা' রবীন্দ্র সংগীতের প্রথম কত পঙ্ক্তি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে স্বীকৃত?
  1. ১০
  2. ১২
  3. ১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংগীত:
- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
৬,৮৩০.
সুশীল সমাজের মৌলিক উপাদান কী কী?
  1. গোপনীয়তা
  2. বৈধতা
  3. জনমত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Civil Society.
- সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী, যারা সবসময় জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করে।
- সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ স্বতন্ত্র কোন রাজনীতি করে না, কারণ এরা কোন দলের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না, হোক সরকারি বা বিরোধী কোন দল।
- সুতরাং সুশীল সমাজ হলো এমন এক ধরনের গোষ্ঠী যারা কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সংযুক্ত না থেকে সবসময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে।

• সুশীল সমাজের রয়েছে চারটি মৌলিক উপাদান -
১. বহুত্ববাদ বা বহুদলীয় গণতন্ত্র বা উদার গণতন্ত্র,
২. জনমত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা,
৩. গোপনীয়তা ও
৪. বৈধতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং ব্রিটানিকা।

৬,৮৩১.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য বঙ্গবন্ধু কর্তৃক গঠিত গোপন পরিষদের নাম কি?
  1. স্বাধীন বাংলা মুক্তি পরিষদ
  2. স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ
  3. স্বাধীন বাংলা সংগ্রাম পরিষদ
  4. স্বাধীন বাংলা স্বাধীনতা পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ:
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা ও সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করেন এবং সমস্ত রাজনৈতিক কর্মকান্ড নিষিদ্ধ করেন। 
- ১১ অক্টোবর শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। একের পর এক মিথ্যা মামলা দিয়ে তাঁকে হয়রানি করা হয়। 
- ১৪ মাস পরে শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিয়ে পুনরায় জেলগেটেই গ্রেফতার করা হয়।
- ১৯৬১ সালে হাইকোর্ট কর্তৃক আটকাদেশ অবৈধ ঘোষণা করার পর শেখ মুজিবুর রহমান কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন। 
- এ সময় তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের লক্ষ্যে কাজ করার জন্য উদ্যমী ছাত্র নেতৃবৃন্দদের নিয়ে 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' নামে একটি গোপন সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: মুজিব জন্মশতবর্ষ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৬,৮৩২.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অনুযায়ী বাজেটের কত শতাংশ এডিপিতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে?
  1. ২১.৬%
  2. ২৬.৩%
  3. ২৯.৭%
  4. ৩৩.২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫:

- বাজেটের ক্রম: ৫৩তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৪তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের ২৫তম।
- বর্তমান সরকারের টানা ১৬তম বাজেট।
- বাজেট উত্থাপন: ৬ জুন, ২০২৪।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ৩০ জুন, ২০২৪ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৪।
- জিডিপির আকার: ৫৫ লাখ ৯৭ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৫১,৬০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৫,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৪.৭% ও বাজেটের ৩৩.২%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৬,৮৩৩.
সংবিধান অনুসারে কার দণ্ড মওকুফের এখতিয়ার রয়েছে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রদান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৯ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে মহামান্য রাষ্ট্রপতি কোন কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত দণ্ডের মার্জনা প্রদান করতে পারেন।
এতে বলা হয়,
- “কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত যে−কোন দণ্ডের মার্জনা, বিলম্বন ও বিরাম মঞ্জুর করিবার এবং যে−কোন দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করিবার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির থাকিবে।”
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৬,৮৩৪.
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BINA) এর প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান কোথায়? 
  1. কক্সবাজার
  2. চাঁদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ‍ইনস্টিটিউট (বিনা) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) প্রধান কার্যালয়ের অবস্থান।
- প্রধান কার্যালয়ের  মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- বিনা’র মোট ১৩ (তেরো)টি  উপকেন্দ্র রয়েছে। 
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা’র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়। 

উৎস: BINA এর ওয়েবসাইট।

৬,৮৩৫.
বাংলাদেশে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কতটি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান - ৪টি।

• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:

- সংবিধান হলো গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। 
 - সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান- ৪টি।
- নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, মহা হিসাব নীরিক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়।

- সাংবিধানিক পদ মোট ১১টি। কিন্তু শপথযুক্ত সাংবিধানিক পদ ৯টি। 
১. রাষ্ট্রপতি,
২. প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ-মন্ত্রী,  
৩. স্পীকার,
৪. ডেপুটি স্পিকার, 
৫. নির্বাচন কমিশনার,  
৬. প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতি, 
৭. মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, 
৮. সংসদ সদস্যগণ,
৯. সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যগণ,  
১০. অ্যাটর্নি জেনারেল, 
১১. ন্যায়পাল। 
- তবে নিয়োগ ও শপথ নেই ন্যায়পালের। তাই সাংবিধানিক পদে নিযুক্ত ১০টি। শপথবিহীন সাংবিধানিক পদ দুটি- ন্যায়পাল ও অ্যাটর্নি জেনারেল।

উৎস:
পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান, জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

জাতীয় তথ্য বাতায়নের লিঙ্ক: [Link]
৬,৮৩৬.
‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর ২৭ দফায় ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানকে কী ধরনের স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. ঐতিহাসিক
  2. সামাজিক
  3. রাজনৈতিক
  4. সাংবিধানিক
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর ২৭ দফা:
বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

তথ্যসূত্র- জুলাই ঘোষণাপত্র।

৬,৮৩৭.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটিতে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  2. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  3. মনোরঞ্জন ধর
  4. অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় - ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।

- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৩৮.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন -
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
- এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।

অন্যদিকে -
- লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
- বঙ্গবঙ্গ (১৯০৫) কার্যকর হয় লর্ড কার্জনের সময়ে।
- লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে ।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৬,৮৩৯.
দেশে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার কতজন?
  1. ১২৩৪ জন
  2. ১৫২০ জন
  3. ১৯২৭ জন
  4. ১৩২০ জন
ব্যাখ্যা

• দেশে তৃতীয় লিঙ্গের মোট ভোটার: 
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ সাল পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর হয়েছে, তাদের সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করে ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। 
- নতুন তালিকা অনুযায়ী বর্তমানে দেশে মোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন।
- নির্বাচন কমিশনের তথ্যমতে, 
• পুরুষ ভোটার: ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন। 
• নারী ভোটার: ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন। 
• তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার:  ১ হাজার ২৩৪ জন।

তথ্যসূত্র: বাসস। (Link) 

৬,৮৪০.
জিয়াউদ্দিন বারাণী ছিলেন একজন -
  1. ক) ঐতিহাসিক
  2. খ) কবি
  3. গ) সম্রাট
  4. ঘ) সুলতান
ব্যাখ্যা
উত্তর: ঐতিহাসিক 

- ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হলে বাংলার ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা হয় ৷
- বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না, বরং তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকেই সুযোগ পেলেই স্বাধীনতার জন্য দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।
- এজন্য ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারাণী বাংলাকে বুলঘাকপুর বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন৷
- তখন থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় দু'শ বছর ধরে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতা ভোগ করেছিল। 

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির ইতিহাস, ওপেন স্কুল।
৬,৮৪১.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন, ২০২৩ অনুযায়ী 'BPSC' কিভাবে গঠিত হয়?
  1. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৪ জন ও অনূর্ধ্ব ১৬ সদস্যের সমন্বয়ে
  2. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে
  3. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৪ জন ও অনূর্ধ্ব ১৫ সদস্যের সমন্বয়ে
  4. ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ১৮ সদস্যের সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
কর্ম কমিশন আইন ২০২৩:
- জাতীয় সংসদে ২৩ জানুয়ারি, ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আইন-২০২৩ বিল’ পাস হয়েছে।
- এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে Bangladesh Public Service Commission Ordinance, 1977 (Ordinance No. LVII of 1997) এর অধীন প্রতিষ্ঠিত Bangladesh Public Service Commission, বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন নামে অভিহিত হবে এবং এটি এভাবে বহাল থাকবে যেন যে এটা এই আইনের অধীন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ১ জন সভাপতি এবং অন্যূন ৬ জন ও অনূর্ধ্ব ২০ সদস্যের সমন্বয়ে।
- কমিশন প্রজাতন্ত্রের জনবল নিয়োগের উদ্দেশে সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিবিধান সাপেক্ষে পরীক্ষা নেওয়ার পদ্ধতি ও শর্তাবলি নির্ধারণ করতে পারবে। 

উল্লেখ্য,
- এই বিলে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (পিএসসি) পরিচালিত কোনো পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের দায়ে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদন্ড এবং অর্থদন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৬,৮৪২.
জমিদারি প্রথা রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মাওলানা আব্দুর রশিদ
ব্যাখ্যা
• জমিদারি প্রথা (১৯৫০) রদে প্রধান ভূমিকা পালন করেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ১৮৭৩ সালে বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৩৫ সালে কলকাতার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪৩) ছিলেন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সপ্তম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৮৪৩.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর প্রথম প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১
  3. ৫ জানুয়ারি, ১৯৯২
  4. ১২ জুলাই, ১৯৯২
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৬,৮৪৪.
E-TIN এ কয়টি ডিজিট থাকে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
E-TIN:

- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
- 'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধনের আধুনিক সংস্করন।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই- টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
৬,৮৪৫.
১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান কোন স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে হয়েছিল?
  1. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. জেনারেল আইয়ুব খান
  3. খাজা নাজিমউদ্দীন
  4. জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যূত্থানঃ
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসে ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে এ আন্দোলন। 
- পরবর্তীতে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে শহরে ও গ্রামের শ্রমিক-কৃষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। 
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা এই দুর্বার আন্দোলন, ১৯৬৯ সালে গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এই আন্দোলন ছিল সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- আইয়ুব খানের পতনকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের দুই অংশের মানুষ প্রথমবার একসাথে আন্দোলনে নামে। 
- আইয়ুব খানের পতনের মধ্যে দিয়ে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
- ১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্ব পাকিস্তানি নিহত হয়েছিলেন। 
- এছাড়াও ৩৪ জন শিল্প-কারখানার শ্রমিক, ২০ জন ছাত্র, ৭ জন সরকারি কর্মচারী, ৫ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ১ জন স্কুল শিক্ষক অন্যতম।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৪৬.
জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে কোন সাল থেকে? 
  1. ২০৫০ সাল 
  2. ২০৬২ সাল 
  3. ২০৬৫ সাল 
  4. ২০৭০ সাল 
ব্যাখ্যা

• 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- নতুন এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না। 
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

৬,৮৪৭.
‘স্ফুলিঙ্গ’ ছায়াছবির পরিচালক কে?
  1. তৌকির আহমেদ
  2. মোস্তফা সরওয়ার ফারুকী
  3. আব্দুল জব্বার
  4. সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যা

‘স্ফুলিঙ্গ’ ছায়াছবি:
- স্ফুলিঙ্গ বাংলাদেশি বাংলা নাট্য চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করছেন তৌকির আহমেদ।
- এটি তৌকির আহমেদ পরিচালিত সপ্তম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
- ছায়াছবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে গড়া উঠতি স্বাধীন সঙ্গীতদলের সদস্যদের নিজ পারিবারিক বন্ধন, প্রেম ও দ্বন্দ্বের পাশাপাশি তাদের দেশপ্রেমে শেখ মুজিবের আদর্শ, অতীতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া তাদের বয়সী তরুণদের মনোবল ও বিভিন্ন পরিস্থিতির সাথে বর্তমান সময়ের তারুণ্যের সমান্তরাল গল্পের চিত্রায়ণ ঘটেছে।
- চিত্র্যনাট্যের মূল চরিত্রসমূহে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা, জাকিয়া বারী মম, পরীমনি, মামুনুর রশীদ, আবুল হায়াত, শহীদুল আলম সাচ্চু, রওনক হাসান, ফখরুল বাশার মাসুম ও হাসনাত রিপন।

উৎস: ২৮ নভেম্বর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।

৬,৮৪৮.
FAO প্রতিবেদন অনুযায়ী, সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ কততম?
  1. ১ম
  2. ৩য়
  3. ১০ম
  4. ১৪তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
বিশ্বের মৎস্য সম্পদ বিষয়ক প্রতিবেদন:
 
- ৭ জুন ২০২৪ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা (FAO) বিশ্বের মৎস্য সম্পদ বিষয়ক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম: The State of World Fisheries and Aquaculture 2024.প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২২ সালে 
- সামুদ্রিক মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ ১৪ তম।
- চিংড়ি উৎপাদনে ৮ম ও ইলিশ উৎপাদনে প্রথম।

সূত্র- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থা (FAO) ওয়েবসাইট।
৬,৮৪৯.
আসাদুজ্জামান আসাদ কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে শহীদ হন?
  1. ৫২ এর ভাষা আন্দোলন
  2. ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন
  3. ৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলন
  4. ৬৯ এর গণ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
গণঅভ্যুত্থান:
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ শহীদ হন।
- তিনি ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ সালে শহীদ হন।
- এইজন্য বাংলাদেশে ২০ জানুয়ারিকে শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উলেক্ষ্য,
⇒ বাঙালি জাতির রাজনৈতিক বিকাশের ইতিহাসে ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের গুরুত্ব অসামান্য।
• এ গণআন্দোলনের ফলেই অত্যাচারী ও স্বৈরাচারী আইয়ুব-মোনায়েম খানের পতন ত্বরান্বিত হয়। আইয়ুব-মোনায়েম খান নিক্ষিপ্ত হয় ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে।
• পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি পূর্ব বাংলার সংগ্রামী ছাত্র জনতা পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর পুলিশী নির্যাতন, দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের করে।
•  মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন মতিউর রহমান।
• আসাদুজ্জামান আসাদ শহীদ হবার পর সংঘটিত এ ঘটনায় ছাত্র জনতা আরও রুদ্ররোষে ফেটে পড়ে, সারাদেশে আন্দোলনের আগুন জ্বলে ওঠে, শুরু হয় গণঅভ্যুত্থান।

 সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,৮৫০.
আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন -
  1. সভাপতি
  2. সাধারণ সম্পাদক
  3. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
  4. সহ-সভাপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ  বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো ও বৃহৎ রাজনৈতিক দলের অন্যতম বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে আওয়ামী লীগ মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নতুন এই দলের নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ।
- মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে সভাপতি, আতাউর রহমান খান, শওকত হোসেন ও আলী আহমদ খানকে সহ-সভাপতি, শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক, শেখ মুজিবুর রহমানকে (যিনি তখন কারাবন্দি ছিলেন), খোন্দকার মোশতাক আহমদ ও এ.কে রফিকুল হোসেনকে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করে আওয়ামী লীগ গঠিত হয়।
- জন্মলগ্ন থেকেই আওয়ামী লীগ ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক দল ছিল।
- ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবরের তৃতীয় কাউন্সিল সভায় ধর্মনিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী হিসেবে দলের নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়া হয়।
- দলটি কল্যাণমূলক অর্থনীতিতে বিশ্বাস করে। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, যুবক ও মহিলাদের মধ্যে এই দলের অঙ্গ-সংগঠন রয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৮৫১.
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কয়টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে তিনটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে
-যথা:
- সেবা খাত
- কৃষিখাত ও
- শিল্পখাত।

উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯ টি খাতের ৬ টি খাত আবার উপখাত নিয়ে বিভক্ত।
- বাংলাদেশে বর্তমানে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান-১১.৫০%
- সেবা খাত-৫১.৪৪% 
- শিল্প খাত- ৩৭.০৭%

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৬,৮৫২.
ওরাওঁ জনগােষ্ঠীর বসবাস কোন অঞ্চলে?
  1. ক) সমতট
  2. খ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. গ) বরেন্দ্র
  4. ঘ) হরিকেল
ব্যাখ্যা
- ওরাওঁ  বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। 
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে। 
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়। 
- এ কারণে অধিকাংশ গবেষক মনে করেন যে, ওরাওঁরা দ্রাবিড়ভাষী কুড়ুখ জাতির উত্তর পুরুষ।
-  ১৮৮১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যায় যে, তারা বরেন্দ্র অঞ্চল ছাড়াও ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলায়ও বসবাস করত।
- ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর লোকেরা ভারতে তাদের আদি বাসস্থান থেকে ঠিক কবে এবং কি কারণে বাংলাদেশের  বরেন্দ্র অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করেছিল তা বলা যায়না। - শুধু এটুকু জানা যায় যে, তারা মুগল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৬,৮৫৩.
২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে কোনটিকে ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ফার্নিচার
  2. পেপার ও প্যাকেজিং
  3. তামা ও কাচ
  4. চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

২০২৬ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে কোন খাত ঘোষণা করা হয়েছে- পেপার ও প্যাকেজিং।

• ২০২৬ সালের বর্ষপণ্য : 

পেপার ও প্যাকেজিংকে এবারের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করে পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে  ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করেন করেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।।

- বর্ষপণ্য ঘোষণার ফলে পেপার প্যাকেজিং শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রফতানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে। 

-  রফতানি প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতি বছর একটি পণ্যকে বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 
-  পেপার ও প্যাকেজিংকে চলতি বছরের বর্ষপণ্য ঘোষণা করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- ২০২৫ সালের 'বর্ষপণ্য' ছিলো আসবাবপত্র বা ফার্নিচার। 

উৎস: বনিক বার্তা।

৬,৮৫৪.
পাখি ছাড়া 'বলাকা' কাঞ্চন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) উন্নত জাতের ধানশস্য
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য
  3. গ) উন্নত জাতের ইক্ষুশস্য
  4. ঘ) উন্নত জাতের গমশস্য
ব্যাখ্যা
গমের উন্নত জাত:- সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, কাঞ্চন, আকবর, বরকত, অগ্রণী ইত্যাদি।
- কয়েকটি উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য হল বর্ণালী, শুভ্রা, উত্তরণ।
- কয়েকটি  উন্নত জাতের ইক্ষুশস্য হল ঈশ্বরদী, লটারি, জাবাসি, মিশ্রিমালা, গেণ্ডারিয়া ইত্যাদি।
- কয়েকটি উন্নত জাতের ধানশস্য হল ময়না, মালা, আশা, প্রগতি, মুক্তা, প্রভৃতি। 

 সুত্র: কৃষি বাতায়ন।
৬,৮৫৫.
বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা নীতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৭৩-১৯৭৮) জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

⇒ বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট দুটি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে -
• প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০০৪ সালের জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে নিট প্রজনন হার-১ অর্জন করা।
- কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় কর্মসূচিতে গতিশীলতা আনার জন্য জনসংখ্যানীতিকে হালনাগাদ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

• ২য় ও সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- এই জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্যে ছিলো ২০১৫ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭২ শতাংশ উন্নীত করে নিট প্রজনন হার ১ অর্জন করা।
- এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

উৎস: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৬,৮৫৬.
নিচের কোনটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম?
  1. তিনকন্যা
  2. রায়বেশে নৃত্য
  3. হত্যাযজ্ঞ
  4. নবান্ন
ব্যাখ্যা
নবান্ন হলো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩
- সংগ্রাম
- মইটানা
- পইন্যার মা
- মনপুরা ৭০
- দুর্ভিক্ষ
- দ্য রেবেল ক্রো প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- তিনকন্যা ও রাঁয়বেশে নৃত্য : কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম
- হত্যাযজ্ঞ ও চরদখল : এসএম ‍সুলতানের চিত্রকর্ম।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৬,৮৫৭.
মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. উপসচিব
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

৬,৮৫৮.
"ধর্মীয় স্বাধীনতা" বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত? 
  1. অনুচ্ছেদ - ৩৬ 
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৭ 
  3. অনুচ্ছেদ - ৪১
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৯ 
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা
(১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে। 
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে ।
(খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
(২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না। 
- জরুরি অবস্থার সময়ও এই বিধানটি রহিত করা যায় না। 

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৩৬- চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭- সমাবেশের স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৬,৮৫৯.
২০০০ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে কয়টি দেশ?
  1. ১৮৮টি
  2. ১৮৯টি
  3. ১৯০টি
  4. ১৯১টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
৬,৮৬০.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে জিডিপির বৃহৎখাত -
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কর্মসংস্থানের দিক থেকে
বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
ছোট খাত – শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
• কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%।

• জিডিপির
সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
ছোট খাত - কৃষিখাত।

অন্যদিকে,
সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২। 
৬,৮৬১.
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা কে?
  1. ড. মসিউর রহমান
  2. ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী
  3. অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী
  4. সালমান ফজলুর রহমান
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা:
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭ জন উপদেষ্টা রয়েছে তারা হলেন- 
ড. মসিউর রহমান - প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা। 
• ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বীর বিক্রম - প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা।
•  অধ্যাপক ড. গওহর রিজভী - প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ক উপদেষ্টা ।
•  সালমান ফজলুর রহমান - প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ।
•  ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী - প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ।
•  সজীব আহমেদ ওয়াজেদ - প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা ।
•  মেজর জেনারেল (অবঃ) তারিক আহমেদ সিদ্দিক - প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা ।

- রুলস অব বিজনেস ১৯৯৬ এর রুল ৩ বি (১) অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- উপদেষ্টা পদে থাকাকালে তারা মন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

উৎস: প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের ওয়েবসাইট (লিংক)।
৬,৮৬২.
লর্ড লিটন কত সালে 'আমর্স অ্যাক্ট' প্রবর্তন করেন?
  1. ১৮৭৬ সালে
  2. ১৮৭৮ সালে
  3. ১৮৮০ সালে
  4. ১৮৮২ সালে
ব্যাখ্যা

- লর্ড লিটন ১৮৭৮ সালে 'আমর্স অ্যাক্ট' প্রবর্তন করেন।

• লর্ড লিটন:

- তিনি  ছিলেন বাংলার গভর্নর (১৯২২-১৯২৭) এবং স্বল্প সময়ের জন্য ভারতের অস্থায়ী ভাইসরয়।
- লর্ড লিটন একটি কঠিন সময়ে বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন।
- তখন উপনিবেশিক সরকার ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন বাস্তবায়ন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিল।
- অপরপক্ষে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেসও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল উক্ত অগ্রহণযোগ্য আইনটি অকার্যকর করতে। 
- গভর্নর জেনারেল হিসেবে তার কার্যকাল কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছিল, তবুও তিনি সে সময় ভারতের রাজনীতিতে কিছু নতুন ধারণা প্রবর্তন করেছিলেন।

» লর্ড লিটন কর্তৃক গৃহীত কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল নিম্নরূপ:

১. দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act), মার্চ ১৮৭৮:
- এই আইন কার্যকর হওয়ার পর লিটন ভারতীয়দের মধ্যে অত্যন্ত অজনপ্রিয় হয়ে ওঠেন।
- এই আইনের মাধ্যমে ম্যাজিস্ট্রেটকে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল যেন তিনি যে কোনো দেশীয় ভাষার সংবাদপত্রের মুদ্রক ও প্রকাশককে এমন একটি চুক্তিতে বাধ্য করতে পারেন, যেখানে তারা সরকারের বিরুদ্ধে বা রানির প্রজাদের প্রতি বিদ্বেষ সৃষ্টি করতে পারে এমন কিছু প্রকাশ না করার অঙ্গীকার করবে।

২. অস্ত্র আইন (Arms Act), ১৮৭৮:
- এই আইনের মাধ্যমে বৈধ অনুমতি ব্যতীত অস্ত্র রাখা, বহন করা বা অস্ত্রের ব্যবসা করা অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।
- এর শাস্তি হিসেবে তিন বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং প্রয়োজনে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছিল।
- আইনের সবচেয়ে নিন্দনীয় দিক ছিল এর বর্ণবৈষম্য- ইউরোপীয়, অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান এবং সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে এই আইনের আওতা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: i) Department of History, Raj Narain College Website. (Link)
ii) বাংলাপিডিয়া।

৬,৮৬৩.
অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনা করে কোন বাহিনী?
  1. ক) পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী
  2. খ) বিমান বাহিনী
  3. গ) যৌথ বাহিনী
  4. ঘ) মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা পরিচালিত প্রথম অভিযান অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত।
- এইদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে অপারেশন জ্যাকপটে অংশ নেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৬,৮৬৪.
বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন -
  1. ক) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. খ) এন্ড্রু ফ্রেজার
  3. গ) ব্যামফিল্ড ফুলার
  4. ঘ) লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বঙ্গভঙ্গ অবিভক্ত বাংলায় তথা সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়। স্যার ব্যামফিল্ড ফুলার নতুন প্রদেশের লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিযুক্ত হন। 
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা। এ প্রদেশের গভর্নর নিযুক্ত হন এন্ড্রু ফ্রেজার। 
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৬৫.
চিকিৎসাবিজ্ঞানে স্বাধীনতা পুরষ্কার ২০২৪ পেয়েছেন কে?
  1. ডা: হরিশংকর দাশ
  2. ডা: মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
  3. ড. মোবারক আহমদ খান
  4. ডা: মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী
  5. উপরের কেউ নয়
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

পুরস্কারপ্রাপ্ত নাগরিক:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৫. ডা: হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা,
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি,
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া,
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা,
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা: মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা,
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৮৬৬.
দেশে সরকারি গণগ্রন্থাগারের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৬৮টি
  2. খ) ৬৯টি
  3. গ) ৭০টি
  4. ঘ) ৭১টি
ব্যাখ্যা
দেশে সরকারি গণগ্রন্থাগারের সংখ্যা - ৭১টি।
সূত্রঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২
৬,৮৬৭.
জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র কোনটি?
  1. হুলিয়া
  2. ওরা ১১ জন
  3. ধীরে বহে মেঘনা
  4. স্টপ জেনোসাইড
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র স্টপ জেনোসাইড।
- প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড।
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন।
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য।

অন্যদিকে,
- "হুলিয়া" চলচ্চিত্রটি মূলত একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, যা তানভীর মোকাম্মেল পরিচালনা করেছেন।
- চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত ওরা ১১ জন স্বাধীন বাংলাদেশে মুক্তিপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত 'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রের নির্মাতা আলমগীর কবির। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৬,৮৬৮.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস কোনটি?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জনগণ
  3. আইনসভা
  4. সশ্বস্ত্র বাহিনী
ব্যাখ্যা
গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার ব্যবস্থা। গণতন্ত্রে সার্বভৌম ক্ষমতার একমাত্র উৎস জনগণ।
জনগণের সম্মতির ভিত্তিতেই গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয় এবং পরিচালিত হয়।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক)
৬,৮৬৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. যশোর
  2. পিরোজপুর 
  3. কুমিল্লা
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব)- ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব)- ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - জামালপুর (৬১.৭০%)।

উল্লেখ্য,
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - ১১,৬০,৬৫,৮০৪ জন (৬৮.৩৪%)।
- জনসংখ্যার মধ্যে শহর অঞ্চলে বসবাস করে- ৫,৩৭,৬৩,১০৭ জন (৩১.৬৬%)
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৬,৮৭০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা কত ছিল?
  1. প্রায় ষোল কোটি
  2. প্রায় সাড়ে ষোল কোটি
  3. প্রায় সতেরো কোটি
  4. প্রায় আঠারো কোটি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.তে: ১,১১৯ জন।
- ০৯ এপ্রিল ২০২৩ প্রকাশিত চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- এদের মধ্যে -
• পুরুষ ৮,৪০,৭৭২০৩ জন এবং
• নারী ৮,৫৬,৫৩,১২০ জন।

উল্লেখ্য,
- ২৭ জুলাই ২০২২ প্রকাশিত জনশুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিলো ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৬,৮৭১.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় -
  1. ক) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  2. খ) ২৭ জানুয়ারি, ১৯৪৯ সালে
  3. গ) ৩১ মার্চ, ১৯৫১ সালে
  4. ঘ) ২১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
• ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
– কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
– রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
– দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়-  ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামছুল আলম।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৭২.
মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয়-
  1. ক) ২৬ মার্চ
  2. খ) ৪ এপ্রিল
  3. গ) ১০ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়। ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৭৩.
জাতীয় সংসদের ২নং আসনটি বাংলাদেশের কোন জেলায়?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের ১নং ও ২নং আসন দুটি পঞ্চগড় জেলায়।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি) সংসদীয় আসন সংখ্যা ১ করে।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নম্বর আসনটি বান্দরবানের।
- ২৯৪-২৯৭ নং আসনগুলো কক্সবাজার জেলায়।
- সংরক্ষিত নারী আসন - ৫০ টি।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৬,৮৭৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ সংবলিত বই 'ভাইয়েরা আমার' এর নামকরণ করেন কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. নজরুল ইসলাম
  3. শেখ রেহানা
  4. কাদের সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা
ভাইয়েরা আমার:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ২০০টি ভাষণ সংবলিত বই 'ভাইয়েরা আমার'।
- ১২ জুন, ২০২৩ সালে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- বইটির ভূমিকা ও নামকরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ভাষণসমগ্রটির সংগ্রহ, সংকলন ও সম্পাদনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম।
- বইটি প্রকাশ করে জিনিয়াস পাবলিকেশন।
- বইটিতে প্রতিটি ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হাইলাইট করে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে।
- এ ছাড়া সূচিতে ভাষণের বিষয়বস্তু, সাল ও তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১২ জুন, ২০২৩।
৬,৮৭৫.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে "Memory of World Register" এ স্থান দিয়েছে -
  1. UNESCO
  2. UNICEF
  3. UNDP
  4. UNFPA
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী কর্তৃক নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের টালবাহানার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।
- ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইনটারন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।

⇒ ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি উত্থাপন করেন।
- এগুলো হলো:
১। চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা।
২। সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
৩। গণহত্যার তদন্ত করা।
৪। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক '৭ই মার্চের ভাষণ' কে 'বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO)।
- ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ‘Memory of the World International Heritage Register'- এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৮৭৬.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক গণভোট কোনটি ?
  1. প্রথম গণভোট
  2. দ্বিতীয় গণভোট
  3. তৃতীয় গণভোট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- ১৯৯১ সালে সাংবিধানিক গণভোট তথা দেশের '৩য় গণভোট' অনুষ্ঠিত হয়।

• বাংলাদেশে গণভোট:
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক অবস্থার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে মোট তিনবার গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এর মধ্যে দুটি প্রশাসনিক গণভোট এবং আরেকটি সাংবিধানিক গণভোট।
- প্রথম গণভোট হয়েছিল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলে ১৯৭৭ সালে।
- দ্বিতীয় গণভোট হয় রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের শাসনামলে ১৯৮৫ সালে।
- সর্বশেষ গণভোট ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

• তৃতীয় গণভোট: 
- গণ আন্দোলনে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদ।
- এর ৩ মাসের মধ্যে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয় বিএনপি। 
- ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারব্যবস্থা থেকে প্রধানমন্ত্রীশাসিত সংসদীয় পদ্ধতির (পার্লামেন্টারি ডেমোক্রেসি) সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট মধ্যরাতে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদে বিল পাস হয়।

তথ্যসূত্র: গণভোট আইন ১৯৯১ এবং  প্রথম আলো পত্রিকা (Link)

৬,৮৭৭.
'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' নাটকটি কোন প্রেক্ষাপটে রচিত?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধ
  3. গ) বঙ্গভঙ্গ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক।
- 'কী চাহ শঙ্খচিল' ও 'স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা' মমতাজুদ্দীন আহমদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক।
- জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় অন্য রাজবন্দি বামপন্থী লেখক রণেশ দাশগুপ্ত মুনীর চৌধুরীকে নাটক লিখতে বলেন।
- মার্কিন নাট্যকার Irwin Shaw রচিত Bury The Dead নাটকের অনুসরণে ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ‘কবর' নাটকটি রচিত হয়েছে।
- রাজবন্দিরা এই নাটকটি জেলেই মঞ্চস্থ করেন। 
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক। 
- কবর মুনীর চৌধুরীর একাঙ্ক বিশিষ্ট নাটক। বাংলা ভাষা আন্দোলনের পক্ষে কাজ করার অভিযোগে মুনীর চৌধুরীকে আটক করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৮৭৮.
কোন পদ্ধতিতে অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর তথ্য সংগ্রহ করা হবে?
  1. CATI
  2. CAPI
  3. PAPI
  4. Online Surveys
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

⇒ চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪:
- আগামী ১০ থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হবে।
- অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪-এ তথ্য সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত হবে "ক্যাপি" (CAPI) পদ্ধতি।
- এতে দেশে প্রথমবারের মতো যুক্ত হচ্ছে ই-কমার্স তথ্য।
-এই অর্থনৈতিক শুমারিতে ৬৫টি প্রশ্ন উঠে আসবে।
- দেশের প্রথম অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয়েছিল ১৯৮৬ সালে।
- রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সম্মেলন কক্ষে শুমারির সফল বাস্তবায়ন নিশ্চিতে কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
- কর্মশালায় জানানো হয়, ৯৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবারের শুমারিতে তথ্য সংগ্রহ করবেন।

উল্লেখ্য,
⇒ CAPI (Computer-Assisted Personal Interviewing) হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে তথ্য সংগ্রহকারীরা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে গিয়ে ডিজিটাল ডিভাইস, যেমন ট্যাবলেট বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করে। এতে সময় বাঁচে এবং তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত হয়।
⇒ Online Surveys- অনলাইন সার্ভে একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার করে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
⇒ পেন অ্যান্ড পেপার ইন্টারভিউ- Pen and Paper Interview (PAPI) পদ্ধতিতে প্রশ্নাবলীর মাধ্যমে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়, যেখানে তথ্য সংগ্রহকারী মাঠে গিয়ে হাতে লেখা রেকর্ডে বা কাগজে তথ্য সংগ্রহ করেন।
⇒ টেলিফোন সাক্ষাৎকার-Computer Assisted Telephone Interviewing (CATI) হলো একটি তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, যেখানে ইন্টারভিউয়াররা ফোনে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন এবং একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহার করে তথ্য সংগ্রহ করেন

তথ্যসূত্র: কালবেলা ও বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৬,৮৭৯.
ঢাকা বিভাগে জেলা কয়টি?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের বিভাগ সংখ্যা আটটি। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩টি জেলা আছে।
জেলা গুলো হলো - ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ি, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরিয়তপুর ও টাঙ্গাইল।
২০১৫ সালে ময়মনসিংহ বিভাগ হওয়ার আগে ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা ছিল - ১৭টি।
উৎসঃ নিকার ওয়েবসাইট।
৬,৮৮০.
স্বাধীন বাংলা বেতারের অনুষ্ঠান নয় কোনটি?
  1. চরমপত্র
  2. জল্লাদের দরবার
  3. মীর জাফরের রোজনামচা
  4. মুক্তির গান
ব্যাখ্যা

⇒ 'মুক্তির গান' বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র।

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্তুত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল:
• 'চরমপত্র',
• 'জল্লাদের দরবার',
• মীর জাফরের রোজনামচা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রিপোর্ট।

৬,৮৮১.
১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মুসলিম আসন ছিল কতটি?
  1. ৯টি
  2. ১৬৭টি
  3. ২২৩টি
  4. ২৩৭টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট সরকার:
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটানোর লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে জনগণ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফাকে তাদের স্বার্থরক্ষার সনদ বলে বিবেচনা করে।
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসসিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আর মুসলিম লীগ মাত্র ১টি আসন লাভ করে। বাকি আসন অন্যরা পায়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক সরকার গঠনের রায় লাভ করে।
- জনগণই যে 'সকল ক্ষমতার উৎস'-এই নির্বাচন তা প্রমাণ করে।
- জনগণ এ নির্বাচনে মুসলিম লীগকে প্রত্যাখ্যান করে এবং পূর্ববাংলায় এর শাসনের অবসান ঘটায়।

⇒ নির্বাচনের ফলাফল:
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে মুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত ২৩৭টি আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে (আওয়ামী লীগ এককভাবে ১৪৩টি) জয়ী হয় এবং প্রদত্ত ভোটের ৬৪% লাভ করে।
- সরকারি দল মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন যা প্রদত্ত ভোটের ২৭% মাত্র।
- বাকি ৫টি মুসলিম আসনের ৪টি পায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এবং ১টি পায় খেলাফত-ই-রব্বানী পার্টি।
- এছাড়া মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনের সবকটিই যুক্তফ্রন্ট লাভ করে।
- নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা গঠনের যোগ্যতা অর্জন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৮২.
বিবিএস প্রকাশিত সর্বশেষ রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,৪২০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭১ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৬৬০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)সর্বশেষ রিপোর্ট:
- মাথাপিছু আয়- ২,৮২০ মার্কিন  ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট জনসংখ্যা: ১৭১.৮৫ মিলিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো

৬,৮৮৩.
বাংলাদেশে বসবাসরত একমাত্র মুসলিম ধর্মীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কারা?
  1. ম্রো
  2. পাঙ্গাল
  3. ক্ষিয়াং
  4. তঞ্চঙ্গ্যা
ব্যাখ্যা
• পাঙাল জনগোষ্ঠী:
- বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
• বসবাস:
- মৌলভিবাজার ও সিলেট অঞ্চলে কিছু লোকের বসবাস।
- যারা ধর্মীয় ভাবে মুসলিম কিন্তু জাতিসত্তার বিচারে মনিপুরি।
- আবার মুসলিম হলেও রীতিনীতিতে তারা মূলধারার বাঙালিদের চেয়ে ভিন্ন।

অপরদিকে,
- ম্রোদের ধর্মের নাম: তোরাই।
- রাখাইনদের বৌদ্ধ ধর্মের।
- তঞ্চঙ্গ্যা বৌদ্ধ ধর্মের।
- সাঁওতাল নিজস্ব ধর্ম রয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৬,৮৮৪.
According to the constitution of Bangladesh, what is the the minimum age of become the the speaker of the parliament?
  1. 25 years
  2. 28 years
  3. 32 years
  4. 35 years
ব্যাখ্যা
স্পিকার:
- সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি হলেন স্পিকার।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পিকার হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উল্লেখ্য,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হলে এবং তাঁর বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হলে বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার এবং সংসদ-সদস্য থাকার যোগ্য হবেন। 
- যেহেতু বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি স্পিকার, তাই স্পিকার হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৮৮৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন কে?
  1. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  2. হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  3. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনে।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৬,৮৮৬.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন
  2. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয় বাংলাদেশ ব্যাংক।   

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন,
- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন,
- বিচার বিভাগ,
- আইন বিভাগ,
- নির্বাহী বিভাগ ইত্যাদি। 

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়:
- দুর্নীতি দমন কমিশন,
- জাতীয় মানবাধিকার কমিশন,
- বাংলাদেশ ব্যাংক,  
- শিক্ষা বোর্ড ইত্যাদি বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৮৮৭.
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে আক্রান্ত হওয়া বাংলাদেশী জাহাজের নাম -
  1. বাংলার অগ্রদত
  2. বাংলার জয়যাত্রা
  3. বাংলার সমৃদ্ধি
  4. বাংলার অগ্রযাত্রা
ব্যাখ্যা
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ:
- বাংলার সমৃদ্ধি নামের একটি জাহাজ ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর সেখানে আটকে পড়ে।
- বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজটির মালিক বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।
- ২৬শে জানুয়ারি, ২০২২ এটি ভারতের মুম্বাই বন্দর থেকে যাত্রা করে এবং তুরস্কের ইরেগলি হয়ে ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরের বহির্নোঙ্গরে পৌঁছায়।
- জাহাজটি বন্দরে পৌঁছানোর পরদিন ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলা শুরু হয়।
- জাহাজটি ইউক্রেন থেকে সিরামিক ক্লে নিয়ে ইতালির রেভেনা বন্দরে যাবার কথা ছিল।

উল্লেখ্য,
- ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগর তীরের একটি বন্দরে বাংলার সমৃদ্ধি নামের জাহাজটি ২৯ জন বাংলাদেশি নাবিকসহ আটকে পড়েছিল, সেই জাহাজে রকেট হামলায় একজন বাংলাদেশি নাবিক মারা গেছেন।

উৎস: ৩ মার্চ ২০২২, বিবিসি। 
৬,৮৮৮.
সম্প্রতি, দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্স উদ্বোধন করা হয়েছে কোথায়?[জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  2. আগারগাও, ঢাকা
  3. ভাটিয়ারী, চট্টগ্রাম
  4. সাভার ঢাকা
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্সে:
- ময়মনসিংহের ত্রিশালে দেশের প্রথম অলিম্পিক কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্থর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক
অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

- ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সালে দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রায় ১৭৩ একর জমিতে অলিম্পিক কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করেন তিনি।
- এ সময় সেনাপ্রধান বলেছেন, “আমরা বহু বছর ধরে অলিম্পিক কমপ্লেক্সের স্বপ্ন দেখছি। অনেক স্থানে আমরা জায়গা দেখিছি এবং যে কোনো কারণেই হোক তা বাস্তবায়ন হয়নি। তারপর আর্মি ট্রেনিং স্কুলের পাশে এটি করার চিন্তা করি এতে স্পোর্টসেরও ভালো হবে এবং তদারকিও করা যাবে। এবং জাতীয় পর্যায়ে ক্রীড়াতে আমরা বড় এটি অবদান রাখতে পারব।”

উৎস: বিডিনিউজ২৪ [লিংক]

৬,৮৮৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৪নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪৩নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৪১নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪২নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দশম ভাগের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ১৪২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও -
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে:
তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরুপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হক]ব বলে স্পষ্টরুপে উল্লেখ না থাকলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরুপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন, এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।

অন্যদিকে:
- ১৪১নং অনুচ্ছেদে জরুরী বিধানাবলী,
- ১৪৩নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি এবং
- ১৪৪নং অনুচ্ছেদে সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৮৯০.
জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' প্রদান করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. চিফ হুইপ
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৬,৮৯১.
ইস্কান্দার মির্জা কোন সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন?
  1. টিক্কা খান
  2. মালিক ফিরোজ খান
  3. গোলাম মোহাম্মদ
  4. ওমরাও খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৮৯২.
BGMEA কোন শিল্পের অ্যাসোসিয়েশন?
  1. ইস্পাত শিল্প
  2. জাহাজ শিল্প
  3. তৈরি পোশাক শিল্প
  4. কাগজ শিল্প
ব্যাখ্যা
The Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association (BGMEA):
- বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএমইএ) দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- BGMEA ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বিজিএমইএ ১৯৮০ এর দশকের শুরুতে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে শুরু হয়েছিল এবং বর্তমানে প্রায় ৪৫০০ সদস্য কারখানা রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিজিএমইএ পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, কারখানায় শ্রমিকদের অধিকার এবং সামাজিক সম্মতি নিশ্চিত করার জন্য নিবেদিত।
- BGMEA বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
৬,৮৯৩.
পাল শাসন আমলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি ‘জগদ্দল বিহার’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) নওগাঁ
  4. ঘ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পাল শাসনামলের ঐতিহাসিক পুরাকীর্তি 'জগদ্দল বিহার' রাজা রামপাল কর্তৃক নির্মিত।
এটি নওগাঁ জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- শালবন বিহার (সর্বপ্রাচীন) কুমিল্লার ময়নামতিতে অবস্থিত।
- বাসু বিহার অবস্থিত বগুড়ার শিবগঞ্জে।
- উয়ারী বটেশ্বর অবস্থিত নরসিংদীতে।

সূত্রঃ http://www.archaeology.gov.bd

৬,৮৯৪.
'বিশ্ব শান্তি সম্মেলন ২০২১' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) প্যারিস
  2. খ) কোপেনহেগেন
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) দোহা
ব্যাখ্যা
৪ ডিসেম্বর ২০২১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের অংশ হিসেবে ঢাকায় দুই দিনব্যাপী ‘বিশ্ব শান্তি সম্মেলন ২০২১’ শুরু হয়।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৬,৮৯৫.
সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন কার উপর ন্যস্ত?
  1. আইনসভা
  2. হাইকোর্ট
  3. আইনমন্ত্রনালয়
  4. সুপ্রিমকোর্ট
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

• সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা:
- সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৮৯৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১৪ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১ টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৮৯৭.
সাঁওতাল জাতিসত্তার বসবাস বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে?
  1. ক) দক্ষিণবঙ্গে
  2. খ) উত্তরবঙ্গে
  3. গ) পশ্চিমবঙ্গে
  4. ঘ) পার্বত্য অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• সাঁওতাল জাতিসত্তা :
- বাংলাদেশে সাঁওতালরা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতিসত্তা।
- উত্তরবঙ্গের রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, নবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী প্রভৃতি জেলায় তারা বাস করে।
- উত্তরবঙ্গে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর মধ্যে তাদের জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 

• ব্রিটিশ সরকার ১৮৩৬ সালে ভারতবর্ষের বিহার রাজ্যে সাঁওতালদের নিরাপদ বসবাসের জন্য একটি এলাকা নির্দিষ্ট করে দেয়, যা সাঁওতাল পরগণা নামে পরিচিত। 
- পরে সেখানে বহিরাগত মহাজন ও ব্যবসায়ীরা তাদের উপর নিপীড়ন শুরু করে। 
- তারা সহজ সরল সাঁওতালদেরকে বিভিন্ন কৌশলে ঋণের জালে জড়িয়ে ফেলে।
- এই শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাঁওতালরা অবশেষে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
- ১৮৫৫ সালের সেই বিদ্রোহ ইতিহাসে ‘সাঁওতাল বিদ্রোহ' নামে পরিচিত হয় ।
- এই বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই সিধু ও কানহুকে তারা তাদের জাতীয় বীর হিসেবে ভক্তি করে। 
- এতে প্রায় ১০ হাজার সাঁওতাল বিদ্রোহী নিহত হন।

উৎস:  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৬,৮৯৮.
শায়েস্তা খানকে বাংলার সুবেদার হিসেবে নিয়োগ দেন কে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সম্রাট বাবর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা

শায়েস্তা খান:
- ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন।
- ১৬৬৩ সালে বাংলার সুবাদার মীর জুমলার মৃত্যু হলে ১৬৬৪ সালে আওরঙ্গজেব তাঁকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।

⇒ শায়েস্তা খানকে বাংলার সুবেদার হিসেবে নিয়োগ দেন সম্রাট আওরঙ্গজেব।
- সিংহাসনে আরোহণের পর আওরঙ্গজেব তাঁকে উচ্চতর পদমর্যাদা দান করেন এবং উত্তরাধিকার যুদ্ধে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে মর্যাদাপূর্ণ আমীর-উল-উমারা (আমীরদের বা অভিজাতদের প্রধান) উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- দুই দফায় ২২ বছর তিনি বাংলা শাসন করেন। প্রথমে ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ সাল এবং দ্বিতীয় বার ১৬৮০ থেকে ১৬৮৮ সাল পর্যন্ত যা ছিল মুঘল আমলে বাংলার দীর্ঘতম শাসনকাল। 
- তাঁর ছয়জন দক্ষ পুত্র শাসনকাজে তাঁকে সহায়তা করেছেন। 

⇒ শায়েস্তা খানের বিজয়াভিযানের মধ্যে চট্টগ্রাম বিজয় উল্লেখযোগ্য।
- ১৪৫৯ সালে আরকান রাজ চট্টগ্রামকে বাংলার সুলতানদের নিকট থেকে দখল করে নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম পুনর্দখলের উদ্দেশ্য শায়েস্তা খান সেনাবাহিনী প্রেরণ করেছিলেন। তাঁর সেনাবাহিনী সন্দ্বীপ দখল করে চট্টগ্রামের দিকে মনোনিবেশ করেন। এ সময় চট্টগ্রামের মগ-রাজা ও স্থানীয় পর্তুগিজদের মধ্যে বিবাদ বাঁধে। চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গীরা তখন নোয়াখালিতে এসে আশ্রয় নেয়। শায়েস্তা খান ফিরিঙ্গী নেতাকে নিজ দলভুক্ত করেন। ১৬৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ফিরিঙ্গীদের ৪০টি রণতরী সহ ইবনে হুসাইনের নেতৃত্বে বিশাল নৌবাহিনীসহ চট্টগ্রামে আক্রমণ করে। সম্মিলিত বাহিনীর মুকাবিলায় আরাকান বাহিনী পরাজিত হয়।

উল্লেখ্য,
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
- তিনি লালবাগ কেল্লা, শায়েস্তা খান মসজিদ, ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।
- ১৬৯৪ সালে তিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৮৯৯.
বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান -
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  3. নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  4. অপরিবর্তিত
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান:
- কৃষিখাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।

⇒ স্থিরমূল্যে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান:
- ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে: ১৩.৬২ শতাংশ,
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে: ১৩.১৪ শতাংশ,
- ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে: ১২.৫৬ শতাংশ,
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে: ১২.৫২ শতাংশ,
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে: ১২.০৭ শতাংশ,
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরে: ১১.৫০ শতাংশ।
- ২০২২-২০২৩ অর্থবছরে: ১১.২০ শতাংশ।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে: ১১.০২ শতাংশ।

⇒ সার্বিকভাবে অর্থনীতিতে কৃষি খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৯০০.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির নাম কী?
  1. ক) TICFA
  2. খ) PTA
  3. গ) FTA
  4. ঘ) SAPTA
ব্যাখ্যা
• ২৫ নভেম্বর, ২০১৩ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করতে এবং মোকাবেলা করার জন্য একটি বার্ষিক ফোরাম প্রতিষ্ঠার জন্য বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি ( TICFA ) স্বাক্ষর করে।
• Trade and Investment Cooperation Forum Agreement (TICFA).
 
সূত্র: U.S. Embassy in Bangladesh Website.