বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৭ / ৩০৬ · ৬,৬০১৬,৭০০ / ৩০,৮৩২

৬,৬০১.
বন অধিদপ্তরের ঘোষণা অনুযায়ী, কোনটি রক্ষিত এলাকা নয়?
  1. ভাউয়াল জাতীয় উদ্যান
  2. হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান
  3. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রক্ষিত এলাকা:
- দেশে বর্তমানে রক্ষিত এলাকার সংখ্যা (Terrestrial & Marine) ৫৩টি এবং পরিমাণ ৮,১৭,৯৭১.৬১৩ হেক্টর।
- এর মধ্যে Terrestrial রক্ষিত এলাকার পরিমাণ ৪,৬৯,৮৭১.৬১৩ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের ৩.১৮ শতাংশ।

⇒ বন অধিদপ্তরের রক্ষিত এলাকার তালিকা:
- ভাউয়াল জাতীয় উদ্যান, মধুপুর জাতীয় উদ্যান, রামসাগর জাতীয় উদ্যান, হিমছড়ি জাতীয় উদ্যান, লাওয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান, নিঝুমদ্বীপ জাতীয় উদ্যান, মেধাকচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান, খাদিমনগর জাতীয় উদ্যান, বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান, কাদিগর জাতীয় উদ্যান, কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান, নবাবগঞ্জ জাতীয় উদ্যান, সিংড়া জাতীয় উদ্যান, আলতাদিঘী জাতীয় উদ্যান, বিরগঞ্জ জাতীয় উদ্যান, রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চর কুকরি-মুকরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, পাবলাখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ফাসিয়াখালী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, দুধপুকুরিয়া-ধোপাছড়ি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, হাজারীখিল বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সাঙ্গু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সোনারচর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ঢাংমারী বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, চাঁদপাই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, দুধমুখি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, টেকনাফ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, নগরবাড়ী-মোহনগঞ্জ ডলফিন অভয়ারণ্য, শিলন্দা-নাগডেমরা ডলফিন অভয়ারণ্য, নাজিরগঞ্জ ডলফিন অভয়ারণ্য, সুন্দরবন (পূর্ব)  বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সুন্দরবন (পশ্চিম) বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সুন্দরবন (দক্ষিণ) বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া, চরমুগুরিয়া ইকোপার্ক, রাতারগুল বিশেষ জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এলাকা, আলতাদীঘি জলাশয় বিশেষ জীববৈচিত্র সংরক্ষণ এলাকা, জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান, মিরপুর,
টিলাগড় ইকোপার্ক ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র, মাধবকুন্ড ইকোপার্ক, শেখ জামাল ইনানী জাতীয় উদ্যান, পানখালী বন্যপ্রাণী (ডলফিন) অভয়ারণ্য, শিবসা বন্যপ্রাণী (ডলফিন) অভয়ারণ্য, ভদ্রা বন্যপ্রাণী (ডলফিন) অভয়ারণ্য, পদ্মা সেতু বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ধর্মপুর জাতীয় উদ্যান, সেন্টমার্টিন মেরিন প্রোটেক্টেড এরিয়া, বাইশারী ব্যাংডেপা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, মধুটিলা ইকোপার্ক।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৬,৬০২.
নিম্নের কোনটির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণে বাধ্য নয়?
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  2. সংসদ অধিবেশন আহ্বান
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  4. সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 
- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

⇒ সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ১৪১ক অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির জরুরী-অবস্থা ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে।
-  সংবিধানের ৭২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন এবং এই দফার অধীন তাঁহর দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৬০৩.
বর্তমানে দেশে স্বীকৃত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কয়টি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বর্তমানে দেশে স্বীকৃত ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%। এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য। 

⇒ সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

৬,৬০৪.
কত সালে পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয়?
  1. ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৭
  2. ৭ নভেম্বর ১৯৫৮
  3. ৭ অক্টোবর ১৯৫৮
  4. ৪ আগস্ট ১৯৫৭
ব্যাখ্যা
সামরিক শাসন:
- পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা ও মন্ত্রীপরিষদ বাতিল করেন।
- ২৭ অক্টোবর ১৯৫৮ জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে হটিয়ে ক্ষমতা দখল করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।

- ১৯৬২ সালের ৮ জুন আইয়ুব খান সামরিক শাসন প্রত্যাহার করেন।
- ইয়াহিয়া খান ১৯৬৯ সালের ২৫শে মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৬০৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় হয় কোনটি থেকে?
  1. তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।

অন্যদিকে-
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৬,৬০৬.
রবি শস্য বলতে কী বুঝায়?
  1. শীতকালীন শস্য
  2. গ্রীষ্মকালীন শস্য
  3. বসন্তকালীন শস্য
  4. বর্ষাকালীন শস্য
ব্যাখ্যা
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
৬,৬০৭.
বাংলাদেশের জিডিপি-তে সেবাখাতের অবদান কত? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ১১.০২%
  2. ৩৭.৯৫%
  3. ৪৬.৪২%
  4. ৫১.০৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৬,৬০৮.
'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' গ্রন্থ দুটি কে রচনা করেন?
  1. বিজয়সেন
  2. বল্লালসেন
  3. লক্ষ্মণসেন
  4. জয়দেব সেন 
ব্যাখ্যা

- সেন রাজা বল্লালসেন একজন সুপণ্ডিত ছিলেন এবং তিনি 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' নামক দুটি বিখ্যাত স্মৃতিশাস্ত্র গ্রন্থ রচনা করেন।    

বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন ।
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন ।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে ‘অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬০৯.
হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে বিখ্যাত-
  1. ক) সুলতানা
  2. খ) মোহিনী
  3. গ) মধুবালা
  4. ঘ) বিশাল
ব্যাখ্যা
• 'মধুবালা' নামটি হলদে জাতের তরমুজ হিসেবে বিখ্যাত।
• আরও কিছু উচ্চ ফলনশীল তরমুজের জাত হলো:
- অশোক,
- সুলতানা,
- মোহিনী,
- বিশাল ইত্যাদি।
৬,৬১০.
ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৮২০
  2. ১৮২৬
  3. ১৮২৮
  4. ১৮৩৩
ব্যাখ্যা
১৮২৮ সালে রামমোহন রায় ব্রাহ্মসভা (পরবর্তীসময়ে ব্রাহ্মসমাজ) অর্থাৎ ঈশ্বরের সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বস্তুত হিন্দুধর্মের নতুন একটি শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- রামমোহনের ধর্মীয় ধ্যান-ধারণা মৌলিক হলেও তা ইসলাম ও খ্রিস্টধর্ম দ্বারা খানিকটা প্রভাবিত হয়েছিল।
- তাঁর সংস্কারমূলক ও উদারবাদী ধারণাসমূহের প্রচারের জন্য ১৮২১ সালে রামমোহন সম্বাদ কৌমুদী নামে বাংলা সংবাদপত্র ও ১৮২২ সালে মিরাত-উল-আখবার নামে ফারসি সংবাদপত্র প্রকাশ করেন।
রাজা রামমোহন রায়(১৭৭২/৭৪-১৮৩৩):
- তিনি ছিলেন হিন্দুধর্মের মহান সংস্কারক।
- পশ্চিম বাংলার রাধানগর গ্রামে এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম।
- ১৮১৪ সালের মাঝামাঝিতে তিনি সিদ্ধান্ত নেন যে, তিনি তাঁর জীবনকে সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। তাঁর কলকাতা পৌঁছার এক বছরের মধ্যেই সমমনা ব্যক্তিদের নিয়ে তিনি আত্মীয় সভা (বন্ধুদের সমিতি) নামে একটি একান্ত সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এর সদস্যবৃন্দ ওই সময়কার ধর্মীয় ও সামাজিক সমস্যাবলি নিয়ে আলোচনার জন্য তাঁর বাসায় নিয়মিত মিলিত হতেন। 
- রামমোহন হিন্দু সংস্কারের এক মহান যুগের সূত্রপাত করেন। তিনি সতীদাহের মতো কুপ্রথার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে সক্ষম হন, যা ১৮২৯ সালে বিশেষ আইনের মাধ্যমে এ প্রথা বন্ধ করতে সরকারকে প্রভাবিত করে। রামমোহন প্রতিমা পূজাকেও দৃঢ়ভাবে বর্জন করেন এবং তিনি বিশ্বাস করতেন যে, হিন্দুধর্ম এক সর্বজনীন ঈশ্বরের পূজা করতে নির্দেশ দেয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৬১১.
'ওয়ানগালা' কোন ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর উৎসব?
  1. গারো
  2. মারমা
  3. চাকমা
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা
ওয়ানগালা:

- গারোদের অন্যতম বড় উৎসব ওয়ানগালা।
- সাধারণত শীতের শুরুতে নতুন ফসল ঘরে তোলার পর এ উৎসবের আয়োজন করা হয়।
- গারো ভাষায় ‘ওয়ানা’ শব্দের অর্থ দেবদেবীর দানের দ্রব্যসামগ্রী আর ‘গালা’ শব্দের অর্থ উৎসর্গ করা।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে গারোরা তাদের দেবতার কাছে ফসল উৎসর্গ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে।
- ১৯ নভেম্বর শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফুলছড়ি গারোপল্লির মাঠে দিনব্যাপী এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১১ নভেম্বর ২০২৩।
৬,৬১২.
কাকে নিয়োগ দানে রাষ্ট্রপতি কারো পরামর্শ গ্রহণ করেন না?
  1. তিন বাহিনীর প্রধান
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রতিমন্ত্রী
  4. মহাহিসাব রক্ষক
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ:
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
- অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ করেন।
- রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগের
- দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত।
- তিন বাহিনীর (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) প্রধানদের তিনিই নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতিত রাষ্ট্রপতি তাঁর সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেন।
-  রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৬,৬১৩.
বাংলাদেশে টাকা-রুপি কার্ড চালু হবে -
  1. ক) সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  2. খ) অক্টোবর, ২০২৩
  3. গ) নভেম্বর, ২০২৩
  4. ঘ) ডিসেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে টাকা-রুপি কার্ড:
- সাম্প্রতিক ডলার সংকটের কারণে ডলারের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবার সরাসরি রুপি ব্যবহার করে আমদানি-রফতানির মূল্য লেনদেনের কথা জানিয়েছে।
- ১১ জুলাই, ২০২৩ থেকে ভারতের সাথে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে রুপির ব্যবহার শুরু করেছে বাংলাদেশ।
- যা ব্যবসার খরচ কমাবে।
- বাড়াবে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা।
- ঢাকায় দুই দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
- একটি পাইলট কর্মসূচি হিসেবে এই লেনদেন চালু হচ্ছে।
- আপাতত শুধুমাত্র রূপিতে লেনদেন হবে, পর্যায়ক্রমে টাকায়ও লেনদেন চালু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
- এখন বাংলাদেশের কোনও ব্যবসায়ী ভারতের সাথে আমদানি বা রফতানির ক্ষেত্রে রুপিতে এলসি খুলতে চাইলে তা করতে পারবেন।
- এতদিন বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের পুরোটাই হতো মার্কিন ডলারে।
- প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ও বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড (ইবিএল) ব্যাংক এবং ভারতের স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (এসবিআই) ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্রেডিট অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব ইন্ডিয়া (আইসিআইসিআই) ব্যাংক রুপিতে বাণিজ্য লেনদেনের নিষ্পত্তিতে অংশ নিচ্ছে।
- বাংলাদেশী ব্যাংকগুলো ভারতের দুই ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট খুলেছে।
- টাকা-রুপির বিনিময় মূল্য নির্ধারিত হবে, ডলারের বিপরীতে দুই মুদ্রার দর বিবেচনায় নিয়ে।
- ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ‘টাকা-রুপি’ ডুয়েল কারেন্সি কার্ড চালু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার। 

উৎস: ১১ জুলাই ২০২৩, দৈনিক ইনকিলাব।
৬,৬১৪.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম-
  1. ক) বঙ্গভবন
  2. খ) যমুনা
  3. গ) গণভবন
  4. ঘ) পিএমও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম গণভবন।
- গণভবন অবস্থিত শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইংরেজি নাম পিএমও।
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবস্থান তেজগাঁও, ঢাকা।
- রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম বঙ্গভবন।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৬১৫.
১৯৬০ সালে আইয়ুব খান শাসনতন্ত্র রচনার জন্য যে কমিশন গঠন করেন তার নাম-
  1. শরীফ কমিশন
  2. হামুদুর রহমান কমিশন
  3. ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন
  4. মোমিন কমিশন
ব্যাখ্যা

• শাসনতন্ত্র বিরোধী আন্দোলন:
- বাষট্টির ছাত্র আন্দোলনের দ্বিতীয় পর্বের সূচনা ঘটে আইয়ুব খান কর্তৃক পরিকল্পিত শাসনতন্ত্রকে কেন্দ্র করে।
- আইয়ুব খান ১৯৬০ সলের জানুয়ারি মাসে মৌলিক গণতন্ত্রের নির্বাচন শেষে ১৫ ফেব্রুয়ারি ৯৫.৬ শতাংশ মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- এর দুদিন পর পাকিস্তানের শাসনতন্ত্র রচনার জন্য 'ব্যুরো অব ন্যাশনাল রিকনস্ট্রাকশন' (BNR) নামক একটি কমিশন গঠন করেন।
- কমিশন '৬২ সালের ২৮ এপ্রিল জাতীয় পরিষদের এবং ৬ মে প্রাদেশিক পরিষদের পরোক্ষ নির্বাচনের সুপারিশ করে।
- কমিশন আইয়ুব খানের সাংবিধানিক পরিকল্পনা সম্বলিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এতে ব্রিটিশ পদ্ধতির পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র পাকিস্তানে প্রযোজ্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়।

উৎস:ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬১৬.
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার ধরন কীরূপ?
  1. একদলীয়
  2. দ্বি-দলীয় 
  3. বহুদলীয়
  4. সমাজতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে রাজনৈতিক ব্যবস্থা: 
- বাংলাদেশে বহুদলীয় সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- স্বাধীন বাংলাদেশের সূচনালগ্নেই এ দেশে বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় প্রয়োজনে বাকশাল নামে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- ১৯৭৯ সালের এপ্রিলে সংবিধান থেকে বাকশাল ব্যবস্থা বাতিল করে বহুদলীয় ব্যবস্থা পুনঃস্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া

৬,৬১৭.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চিলমারী, কুড়িগ্রাম
  2. ভূরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
  3. হাতীবান্ধা, লালমনিরহাট
  4. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

- কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে সোনাহাট স্থলবন্দর অবস্থিত।

• সোনাহাট স্থলবন্দর:

- স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর দেশের ১৮তম স্থলবন্দর হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দর।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়সহ সেভেন সিস্টারস রাজ্যগুলোর সঙ্গে সীমান্ত বাণিজ্যের অন্যতম প্রবেশদ্বার এটি।
- ২০২৫ সালে এপ্রিল মাসে বাংলাদেশ-ভারত স্থলবন্দরবিষয়ক যৌথ বৈঠকে সোনাহাটকে আঞ্চলিক ট্রানজিট পয়েন্টে রূপান্তরের প্রস্তাব তোলা হয়।

• দেশের কয়েকটি স্থলবন্দর:
- বেনাপোল: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর এবং যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় অবস্থিত।
- হিলি: এটি দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলায় অবস্থিত এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর।
- ভোমরা: সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- বুড়িমারী: লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত।
- বিরল: দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
- দর্শনা: চুয়াডাঙ্গা জেলায় অবস্থিত।
- আখাউড়া: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাবান্ধা: পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- টেকনাফ: বাংলাদেশের মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত একমাত্র স্থলবন্দর।
- তামাবিল: সিলেট জেলায় অবস্থিত।

উৎস: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৬,৬১৮.
বাংলাদেশের সকল মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় অফিস কী নামে পরিচিত?
  1. ক) মন্ত্রণালয়
  2. খ) সচিবালয়
  3. গ) অধিদপ্তর
  4. ঘ) পরিদপ্তর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সকল মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় অফিসকে সচিবালয় বলা হয়। 

• কেন্দ্রীয় প্রশাসন চারটি শাখা:
- সচিবালয়: সকল মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় অফিসকে বলা হয় সচিবালয়। সচিবালয়ের অধীনস্ত মন্ত্রণালয় সমন্বয়ের জন্য পৃথক যে Unit আছে তাকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বলা হয় এবং এর প্রধান মন্ত্রিপরিষদ সচিব। রাষ্ট্রপতি সচিবালয়, কর্মকমিশন সচিবালয়, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, জাতীয় সংসদ সচিবালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়
- মন্ত্রণালয়: সচিবালয়ের অধীন একটি প্রশাসনিক ইউনিট হলো মন্ত্রণালয়, যার নির্বাহী প্রধান হলেন মন্ত্রী এবং প্রশাসনিক প্রধান সচিব। মন্ত্রীপরিষদের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সরকারের প্রধান। মন্ত্রীপরিষদ তাদের কাজকর্মের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
-  অধিদপ্তর: মন্ত্রণালয়ের অধীন এক বা একাধিক ইউনিটকে অধিদপ্তর বলে । যার প্রধান মহাপরিচালক বা Director General, যিনি অতিরিক্ত সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন - পরিদপ্তর: অধিদপ্তরের অধিনস্ত এক বা একাধিক প্রশাসনিক ইউনিটকে পরিদপ্তর বলে। যার প্রধান হলেন পরিচালক, যিনি যুগ্ম সচিব বা উপ-সচিব পদ মর্যাদা সম্পন্ন ।
-  কর্পোরেশন: যে অফিসের প্রধানের পরবর্তী চেয়ারম্যান অর্থাৎ সরকারের অতিরিক্ত সচিব মর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তি সেই অফিসকে বলা হয় কর্পোরেশন। কর্পোরেশনগুলো সাধারণত বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
৬,৬১৯.
সরকারি প্রধান বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. গ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ এবং BADC ওয়েবসাইট)
৬,৬২০.
বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি:
- দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 
- কোনো কোনো বছর জার্মানি শীর্ষস্থানে ছিল। 

- যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ৮৬৯ কোটি ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানির ১৮ শতাংশ। 
- এর আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বাড়ে ১৪ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৬০ কোটি ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি তালিকায় প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের ওভেন, অর্থাৎ শার্ট-প্যান্ট জাতীয় পোশাক।
- ওভেন পোশাকের রপ্তানি ছিল ৪৯৫ কোটি ডলার। 
- দেশটিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ওভেনের অংশ ২৭ শতাংশ।
- তৈরি পোশাকের নিট ক্যাটেগরির পণ্য অর্থাৎ গেঞ্জি ও সোয়েটার জাতীয় পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার।
- নিটওয়্যারে অংশ ১২ শতাংশ। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৬,৬২১.
ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে কোন স্বাধীন রাজ্যে গড়ে উঠে?
  1. পাটন
  2. রাজমহল
  3. সমতট
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যে গড়ে উঠে।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান  পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।

৬,৬২২.
‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
• 'বলাকা' হচ্ছে- উন্নত জাতের গমশস্য। 

• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা, 
- দোয়েল,
- কাঞ্চন,
- আকবর,
- সোনালিকা,
- সৌরভ,
- গৌরব,
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
------------------------- 
• বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৬,৬২৩.
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ভাষণটি ইউনেস্কো কোন তারিখে 'বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
  2. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সাল
  3. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সাল
  4. ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সাল
ব্যাখ্যা
৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO)।
• ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য “Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
• এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৬,৬২৪.
ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের প্রেক্ষাপট কোনটি?
  1. ক) ১৯৩৭ সালের সাধারণ নির্বাচন
  2. খ) ভারত ছাড় আন্দোলন
  3. গ) মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনা
  4. ঘ) ক্রিপস প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের পর মুসলিম লীগকে প্রায় উপেক্ষা করে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে কংগ্রেস সরকার গঠন করে। 
- যেভাবে কংগ্রেসের সরকার পরিচালিত হচ্ছিল তাতে ভারতের মুসলমানদের মধ্যে দ্রুত হিন্দু আধিপত্যের ভীতি ছড়িয়ে পড়ে।
-  এমনি রাজনৈতিক পটভূমিতে মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে ১৯৪০ সালের লাহর প্রস্তাব গৃহীত হয়।
-  এর মূল কথা ছিলঃ ভারতের উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিমে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলে ‘স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ' প্রতিষ্ঠা করা। 
- বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এবং তৎকালীন মুসলিম লীগ নেতা এ.কে ফজলুল হক ছিলেন এ প্রস্তাবের উপস্থাপক। 
- এ প্রস্তাব গৃহীত হওয়ার পর ভারতের মুসলমান সম্প্রদায় ও তাদের দল মুসলিম লীগ সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক কর্মসূচি ও দিকনির্দেশনা লাভ করে । 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। 
- লাহোর প্রস্তাবে ব্যক্ত রাষ্ট্রচিন্তার পথ ধরেই তৎকালীন পাকিস্তান ও পরবর্তীতে পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে। 
 
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৬২৫.
১৯৬৬ সালের ৬ দফায় কয়টি দফা অর্থনৈতিক বিষয়ক ছিল না?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
- ৬ দফায়  অর্থনৈতিক বিষয়ক ছিল না - ৩টি 
- যথা- শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি, কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা, আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা।
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ছয় দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালে।

• ছয় দফা:
ছয় দফা আন্দোলনে যে দাবিসমূহ ছিল তা হলো-
১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি,
২। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
৩। অর্থ ও মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৪। রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৬। আঞ্চলিক বাহিনী গঠন সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস:
পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৬২৬.
বর্তমানে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার কত? [মে, ২০২৫]
  1. ১৫%
  2. ২০%
  3. ২৫%
  4. ৩০%
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার ২৫%।

করমুক্ত আয়সীমা:

- আয়কর আইনের অধীনে আরোপযোগ্য বা পরিশোধযোগ্য কোনো প্রকারের কর বা সারচার্জ হলো আয়কর।
- সাধারণভাবে, মোট আয়ের করহারের তফসিল অনুযায়ী করহার প্রয়োগ করে একজন করদাতার মোট আয়ের উপর আরোপযোগ্য আয়করের পরিমান নিরূপণ করা হয়।
- আয়কর আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ১২ নং আইন) এর ধারা ২(৬৯) এ সংজ্ঞায়িত ব্যক্তিগণের মধ্যে অনিবাসী বাংলাদেশীসহ সকল স্বাভাবিক ব্যক্তি (Indivisual), হিন্দু অবিভক্ত পরিবার ও অংশীদারি ফার্মের ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর আয়করের হার নিম্নরূপ হবে:
• সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
• মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
• কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য।
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%,
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%,
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%,
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%,
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তী অর্থবছরে অর্থাৎ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সর্বোচ্চ করের হার হবে ৩০ শতাংশ।



উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
৬,৬২৭.
বিচার বিভাগের কার্যাবলি কোনটি?
  1. বিচার সংক্রান্ত কাজ
  2. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা
  3. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

⇒ বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬২৮.
২০২০-২১ অর্থবছরে রপ্তানি বাণিজ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে কোনটি?
  1. ক) ওভেন পোশাক
  2. খ) নীটওয়্যার
  3. গ) হোম টেক্সটাইল
  4. ঘ) পাট ও পাটজাত দ্রব্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে বিগত দুই দশক যাবৎ নীটওয়্যার খাত অতীব সম্ভাবনাময় ও প্রতিশ্রুতিশীল খাত হিসাবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
- রপ্তানি বাণিজ্যে বর্তমানে এ খাতটি প্রথম অবস্থানে রয়েছে।
- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে এ খাতের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ১৬৯৬০.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা বিগত ২০১৯-২০ অর্থ বছরের রপ্তানি ১৩৯০৮.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২১.৯৪% বেশী।
- ২০২০২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে নীটওয়্যার খাতের অবদান হলাে ৪৩.৭৬%।
- ২০০৭-২০০৮ অর্থ বছরের তুলনায় ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে নীটওয়্যার খাতে প্রবৃদ্ধির পরিমাণ ২০৭% যা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
- নীটওয়্যার খাতের প্রধান ৫টি বাজার হচ্ছে: জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও স্পেন।

- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে ওভেন পোশাক খাতের অবদান হলাে ৩৭.৪০%।
- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে পাট ও পাটজাত দ্রব্য খাতের অবদান হলাে ৩.০০%।
- ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানিতে হোম টেক্সটাইল খাতের অবদান হলাে ২.৯২%।


উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০-২০২১।
৬,৬২৯.
আওয়ামী লীগের প্রথম যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন কে?
  1. ক) শামসুল হক
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আতাউর রহমান খান
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ

নতুন দল গঠনের তৎপরতা ও প্রস্তুতির পর ১৯৪৯ সালের ২৩-২৪শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেন নামের একটি বাড়িতে কর্মী সম্মেলন হয়।
- ৩০০ জন শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধি এতে অংশ নেন।
- সভায় সর্বসম্মতভাবে ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- মাওলানা ভাসানীকে সভাপতি, শামসুল হককে সম্পাদক এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও খন্দকার মোশতাক আহমদকে যুগ্ম সম্পাদক করে ৪০ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ঢাকার আরমানিটোলায় ২৪শে জুন সদ্য গঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। 
- ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শ ধারণ করে দলের নাম ‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ’ করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বেই দলটি বাঙালিদের প্রধান রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৩০.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. একুশের গল্প
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. কবর
  4. মায়ের ভাষা
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬,৬৩১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. ১১ নং সেক্টর
  2. ৮ নং সেক্টর
  3. ৫ নং সেক্টর
  4. ৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুুদ্ধের সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া
৬,৬৩২.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৬নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৬৩৩.
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হয়-
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি:
-  ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৩৪.
বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. রুবানা হক
  2. মাতলুব আহমেদ
  3. মাযহারুল হক
  4. রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
⇒ বিজিএমইএ এর বর্তমান সভাপতি রফিকুল ইসলাম। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৬৩৫.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কত তারিখে 'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি পালন করেছে?
  1. ৩০ জুলাই, ২০২৪
  2. ৩১ জুলাই, ২০২৪
  3. ১ আগস্ট, ২০২৪
  4. ২ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি:
- বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি- কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতায় অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণহানি হয়েছে।
- এমতাবস্থায় আন্দোলন দমনের জন্য সাধারণ ছাত্র ও আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার চালানো হয়েছে।
- যা রীতিমতো দেশের সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
- আর এরই প্রতিবাদে ছাত্ররা তাদের কর্মসূচি 'মার্চ ফর জাস্টিস' পালন করেছে।

⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে।
- ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৬,৬৩৬.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল কত?
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

সূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৩৭.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. লুসাই
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৬৩৮.
গণপরিষদের অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন কত সালে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৩৯.
‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. ২০০৪ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে ৫টি।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

⇒ পহেলা বৈশাখে মঙ্গল শোভযাত্রা:
- প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখ বাঙালির জীবনে মঙ্গলের আহ্বান আর শুচিতার কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা আয়োজন করা হয় যা মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে পরিচিত।
- মূলতঃ চারুকলা অনুষদের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে ও ব্যবস্থাপনায় এই আয়োজন করা হলেও শহরের সকল স্তরের মানুষ এই আনন্দযাত্রায় স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণ করে থাকেন।
- আশির দশকে বন্যা ও সামরিক শাসনের নাগপাশে বিপর্যস্থ জনপদে সৃষ্টিশীল ও গণমুখী প্রতিবাদ গড়ে তোলার মানসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের উদ্যোগে ১৯৮৯ সালের পহেলা বৈশাখ মঙ্গল শোভাযাত্রা (wellbeing procession) আয়োজন করা হয়।
- এর পর থেকে প্রতি বছর বাংলা নববর্ষের প্রথম দিনে বিগত বছরের সকল অমঙ্গল আর গ্লানিকে পিছনে ফেলে আগত বছরের সাফল্য কামনায় বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনায় এটি উদযাপিত হয়ে আসছে।
- বাঙালি ঐতিহ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রার অপরিসীম প্রভাবের স্বীকৃতি হিসেবে ইউনেস্কো ২০১৬ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র এগারোতম অধিবেশনে পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাজাত্রা-কে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৬,৬৪০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) ক্যাপটেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। তিনিই স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে,
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিবনগর সরকারের উপ-রাষ্ট্রপতি এবং ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৬৪১.
মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান -
  1. ক) ১১৫.৭ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
  2. খ) ১০৯.৩ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
  3. গ) ১১৯.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
  4. ঘ) ১০৭.৯ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে
ব্যাখ্যা
- গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১–এর গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।

মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।
 
উৎস: gazipur.gov.bd
৬,৬৪২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় রাজসাক্ষীসহ মোট সাক্ষীর সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ২২৫ জন
  2. খ) ২২৮ জন
  3. গ) ২২৭ জন
  4. ঘ) ২৩০ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন বেলা এগারোটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- সাক্ষীর সংখ্যা ছিল সরকার পক্ষে ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন। 
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্ত আইনজীবীদের নিয়ে একটি ডিফেন্স টিম গঠন করা হয়।
- অন্যদিকে যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলি ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান। 
- ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস এ রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম।
- ২৯শে জুলাই ১৯৬৮ সালে মামলার শুনানি পুনরায় শুরু হয়। 
- স্যার টমাস উইলিয়াম ৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,৬৪৩.
আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণের সময় বাংলায় কোন জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ করা হয়?
  1. ক) রাঢ়
  2. খ) বরেন্দ্র
  3. গ) গঙ্গারিডি
  4. ঘ) হরিকেল
ব্যাখ্যা
গ্রিকবীর আলেকজান্ডার খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬-২৭ অব্দে ভারতবর্ষে আক্রমণ করেন। তার সময়ে বাংলায় ‘গঙ্গারিডি’ নামে একটি শক্তিশালী জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ করা হয়।
পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে ‘গঙ্গারিডি’ রাজ্যের অবস্থান ছিলো।
আলেকজান্ডার কর্তৃক ভারত আক্রমণের সময় ‘প্রাসিয়র’ নামে আরেকটি রাজ্যেরও অস্তিত্ব ছিলো।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৬,৬৪৪.
সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদিত হয় কোন বিভাগে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) সিলেট
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
⇨ সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় রংপুর বিভগে (৬৩,৭৫,০০৫ মে.টন)। দ্বিতীয়– রাজশাহী বিভাগ (৬২,২৫,৯৯৪ মে.টন)। 
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আউশ ধান উৎপাদন সিলেট বিভাগ (৬,১৭,২৫৬ মে.টন)।
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদন রংপুর বিভাগ (২৯,৬৪,৪৮১ মে.টন)।
⇨ বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদন রাজশাহী বিভাগ (৩৩,৮৩,৫২১ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১।
৬,৬৪৫.
কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  2. ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  3. ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  4. ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
না ভোট:
- ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোটাররা প্রথমবারের মতো ‘না ভোট’ প্রয়োগ করেছিল।
- ওই সময় জারি করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ধারা ৩১(৫) (বিবি)-তে এ বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এ বিধান অনুযায়ী ব্যালট পেপারের সবশেষ প্রার্থীর স্থানে লেখা থাকে ‘ওপরের কাউকে নয়’ এবং ভোটারদের সহজ পরিচিতির জন্য মার্কা রাখা হয় ‘ক্রস’।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত এটি সর্বশেষ ভোট। 

উল্লেখ্য,
- সারা দেশে মোট প্রদত্ত ৬ কোটি ৯৭ লাখ ৫৯ হাজার ২১০ ভোটের মধ্যে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৪৩৭টি ‘না ভোট’ পড়েছিল।
- উল্লেখ্য, ওই নির্বাচনে ৩৮টি দল অংশগ্রহণ করলেও মাত্র ৬টি দল ‘না ভোটের’ শতাংশের বেশি ভোট পেয়েছিল।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের এই ধারাগুলো ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সালে সংসদ কর্তৃক পাসকৃত আইনের ধারা ৩১-এর সংশোধনী (খ) ও (গ) দ্বারা বিলুপ্ত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬,৬৪৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান -
  1. ক) ৩৩টি
  2. খ) ৩৪টি
  3. গ) ৩৬টি
  4. ঘ) ৩৮টি
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
৬,৬৪৭.
’বাঁশের কেল্লা’ দূর্গের সাথে কার নামটি জড়িত?
  1. সৈয়দ আহমদ
  2. মঈনুদ্দিন
  3. দুুদুমিয়া
  4. তিতুমীর
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:
- তিতুমীর ১৮৩১ সালের অক্টোবর মাসে নারকেলবাড়িয়ায় এক দুর্ভেদ্য বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- তিনি তাঁর মুজাহিদ বাহিনীতে বিপুল সংখ্যক মুজাহিদ নিয়োগ করে তাদের সামরিক প্রশিক্ষণ দান করেন।
- অচিরেই মুজাহিদদের সংখ্যা প্রায় পাঁচ হাজারে উপনীত হয়।
- সামরিক প্রস্ত্ততি সম্পন্ন করে তিতুমীর নিজেকে ‘বাদশাহ’ বলে ঘোষণা দেন।
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বে ১০০ অশ্বারোহী,
- ৩০০ স্থানীয় পদাতিক, দুটি কামানসহ গোলন্দাজ সৈন্যের এক নিয়মিত বাহিনী তিতুমীরের বিরুদ্ধে প্রেরণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৪ নভেম্বর ইংরেজ বাহিনী মুজাহিদদের উপর আক্রমণ চালায়।
- মুজাহিদগণ সাবেকি ধরনের স্থানীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আধুনিক অস্ত্র সজ্জিত ইংরেজ বাহিনীকে প্রতিরোধ করতে ব্যর্থ হয়ে বাঁশের কেল্লায় আশ্রয় নেয়।
- ইংরেজরা কামানে গোলাবর্ষণ করে কেল্লা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত করে দেয়।
- বহুসংখ্যক অনুসারিসহ তিতুমীর যুদ্ধে শহীদ হন (১৯ নভেম্বর ১৮৩১)। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৪৮.
কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়া শপথ গ্রহণ করেন?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
ব্যাখ্যা

⇒ পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বেগম খালেদা জিয়া।

পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ৭৬টি রাজনৈতিক দল অংশ নেয়।
- এই নির্বাচনে ভোট পড়ে ৫২.৩৭ শতাংশ।
- নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বিরোধী দল হিসেবে সংসদে যায়।

⇒ নির্বাচনের ফলাফল:
- বিএনপি: ১৪০টি আসন।
- আওয়ামী লীগ: ৮৮টি আসন।
- জাতীয় পার্টি: ৩৫টি আসন।
- জামায়াতে ইসলামী: ১৮টি আসন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৬,৬৪৯.
পলাশির যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ক) জুন ২৩, ১৭৫৮
  2. খ) জুন ২৪, ১৮৫৭
  3. গ) জুন ২৩, ১৭৫৭
  4. ঘ) জুন ২৩, ১৮৫৭
ব্যাখ্যা
• পলাশির যুদ্ধ ২৩ জুন, ১৭৫৭ সংঘটিত হয়েছিল।  

- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলার নবাব সিরাজুদ্দৌলা এবং রবার্ট ক্লাইভ নেতৃত্বাধীন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর মধ্যে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আম্রকাননে সংঘটিত এই যুদ্ধে নবাব সিরাজুদ্দৌলা পরাজিত হন এবং এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য স্তিমিত হয়।
- বাংলায় প্রায় দুইশ বছরের ইংরেজ শাসনের সূত্রপাত ঘটে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৬৫০.
বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. অনুচ্ছেদ- ১৪৫
  2. অনুচ্ছেদ- ১৪৬
  3. অনুচ্ছেদ- ১৪৮
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪৯
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
অনুচ্ছেদ-১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা
১৪৬। "বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

এছাড়াও-
• বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল।
অনুচ্ছেদ-১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি।
অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ।
অনুচ্ছেদ-১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত।
অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৬৫১.
ডিপিএড উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিষ্ঠান সনদ প্রদান করে?
  1. ক) পিটিআই
  2. খ) নেপ
  3. গ) এনসিটিবি
  4. ঘ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
ডিপিএড উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান করে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী /National Academy for Primary Education (NAPE).
Source: nape.gov.bd
৬,৬৫২.
সোমপুর মহাবিহার বাংলার কোন শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন? 
  1. মৌর্য
  2. পাল
  3. গুপ্ত
  4. চন্দ্র
ব্যাখ্যা

⇒ সোমপুর মহাবিহার বাংলার পাল শাসন আমলের স্থাপত্য কীর্তির নিদর্শন।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। 
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।

৬,৬৫৩.
গুপ্তদের পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে কয়টি স্বাধীন রাজ্যের সৃষ্টি হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন:
- ষষ্ঠ শতকের প্রথমার্ধেই ভারতের বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- দুর্ধর্ষ পাহাড়ি জাতি হুনদের আক্রমণে টুকরো টুকরো হয়ে যায় গুপ্ত সাম্রাজ্য।
- এ সুযোগে বাংলাদেশে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি ছিল প্রাচীন 'বঙ্গরাষ্ট্র' এবং দ্বিতীয় স্বাধীন রাষ্ট্রের নাম গৌড়রাজ্য।

⇒ স্বাধীন বঙ্গরাষ্ট্র:
- স্বাধীন বঙ্গরাষ্ট্রের প্রাচীন রাজারা তামার পাতে খোদাই করে বিভিন্ন ঘোষণা বা রাজকীয় নির্দেশ জারি করতেন। এগুলোকে বলা হতো তাম্র শাসন। স্বাধীন বঙ্গরাষ্ট্রের যুগে এরূপ সাতটি তাম্র শাসন পাওয়া গেছে। এসব থেকে জানা যায় যে, গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচার দেব নামে তিনজন রাজা স্বাধীন বঙ্গরাজ্য শাসন করেছেন। উল্লিখিত তিন রাজা ৫২৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রাজত্ব করেছিল। এক সময় বঙ্গ রাষ্ট্রের পতন ঘটে। ধারণা করা হয়, দাক্ষিণাত্যের চালুক্য বংশের রাজা কীর্তি বর্মণের হাতে স্বাধীন বঙ্গরাজ্যের পতন ঘটেছিল। তবে কারো কারো মতে স্বাধীন গৌড় রাজ্যের উত্থান ঘটলে বঙ্গরাজ্যের পতন ঘটে। 

⇒ স্বাধীন গৌড়রাজ্য:
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে পরবর্তী গুপ্তবংশ নামে পরিচিত গুপ্ত উপাধি নেয়া রাজাগণ বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ ও মগধে ক্ষমতা বিস্তার করেছিলেন। বিভিন্ন কারণে গুপ্ত বংশের রাজারা দুর্বল হয়ে পড়লে এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে মগধে শশাঙ্ক নামক এক খ্যাতিমান শাসক গৌড় রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেন। প্রাথমিক যুগে শশাঙ্ক ছিলেন গুপ্ত রাজ মহাসেন গুপ্তের একজন মহাসামন্ত। ৬০৬ খ্রিস্টাব্দের আগে কোন এক সময় তিনি গৌড়ের স্বাধীন নরপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। তিনি কর্ণসুবর্ণে রাজধানী স্থাপন করেন। প্রাথমিক সময়ে স্বাধীন গৌড় রাষ্ট্রের রাজা শশাঙ্ক দণ্ডভুক্তি রাজ্য, উড়িষ্যার উৎকল ও কঙ্গোগ রাজ্য এবং বিহারের মগধ রাজ্য জয় করে তার রাজ্যসীমা বৃদ্ধি করেন। পশ্চিমে তার রাজ্য বারানসী পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। কামরূপ রাজারাও শশাঙ্কের হাতে পরাজিত হন।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৫৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল কোনটি? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ইউ.এম.সি. জুট মিলস
  2. আমিন জুট মিলস
  3. আদমজী জুট মিলস
  4. আকিজ জুট মিলস
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আকিজ জুট মিল:

- বর্তমানে বিশ্বের তথা বাংলাদেশের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে।
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
⇒ আদমজী জুট মিল:
- ১৯৫১ সালে নারায়ণগঞ্জের আদমজীনগরে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম পাটকল ‘আদমজী জুট মিল’।
- এটি ছিল বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরে এটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- তখন থেকে ১৯৮০ এর দশকের কয়েকটি বছর ব্যতীত অন্য সব বছর এটি বিপুল পরিমাণে ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
- ৩০ জুন, ২০০২ এটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উৎস: i) জতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
৬,৬৫৫.
রেমিট্যান্স আহরণে শীর্ষ ব্যাংক কোনটি?
  1. ক) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
  3. গ) অগ্রনী ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রেরিত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৮২০.৪৭ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে ৪১৪.৯৯ কোটি মার্কিন ডলার।
দ্বিতীয় ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড ২০২.৭৭ কোটি ডলার। তৃতীয় অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড ১৭৬.২৭ কোটি ডলার। চতুর্থ সোনালী ব্যাংক লিমিটেড ১২৯.০৪ কোটি ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
৬,৬৫৬.
সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৬ জন
  2. ৫ জন
  3. ৮ জন
  4. ৯ জন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সদস্য সংখ্যা ৫ জন। 

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।ি
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নিয়োগ প্রদান করেন।

⇒ বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম এম নাসির উদ্দীন।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- অন্য চার নির্বাচন কমিশনার হলেন অতিরিক্ত সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, জেলা ও দায়রা জজ (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রহমানেল মাসুদ, যুগ্ম সচিব (অবসরপ্রাপ্ত) বেগম তহমিদা আহমদ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৬৫৭.
দর্শনা (চুয়াডাঙ্গা) স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর এর নাম কী?
  1. ক) কৃষ্ণনগর
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) পেট্রোপোল
  4. ঘ) ডাউকি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলা বেনাপোল ভারতীয় পেট্রাপোল স্থলবন্দর।
• ভারতের বাংলা প্রদেশের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দরের সাথে সংলগ্ন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর।
• সিলেটের তামাবিল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর যথাক্রমে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি এবং পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দরের সাথে সংযুক্ত।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৬,৬৫৮.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব?
  1. ক) ১১০৩ জন
  2. খ) ১১১৬ জন
  3. গ) ১১২৫ জন
  4. ঘ) ১১৩৫ জন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৬.৬৫ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারঃ ১.৩৭%।
- পুরুষ-মহিলা অনুপাতঃ ১০০.২ঃ১০০।
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১২৫ জন।

৬,৬৫৯.
‘বরেন্দ্রভূমি’ প্রাচীন কোন জনপদের সাথে সম্পর্কিত?
  1. পুন্ড্র
  2. রাঢ়
  3. বঙ্গ
  4. সমতট
ব্যাখ্যা

পুন্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তীকালে এর নাম মহাস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৬০.
বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. বখতিয়ার খলজি
  3. মুহাম্মদ বিন কাসিম
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে বাংলায় তুর্কি শাসনের প্রথম পর্যায় ধরা হয়।
- এ সময়ের শাসকরা পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না।
- কেউ ছিলেন বখতিয়ারের সহবোদ্ধা খলজি মালিক, আবার কেউ তুর্কি বংশের শাসক।
- সবাই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হিসেবে শাসন করতেন।
- পরবর্তীকালে অনেক শাসক দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছিলেন।
- কিন্তু তাঁদের বিদ্রোহ শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি; দিল্লির আক্রমণে ব্যর্থ হয়।
- এ যুগ ছিল বিদ্রোহ ও বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ।
- ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলার নাম দেন ‘বুলগাকপুর’, অর্থ ‘বিদ্রোহের নগরী’।

- বখতিয়ার খলজির মৃত্যুর পর তাঁর সহযোদ্ধাদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- তাঁর তিনজন সহযোদ্ধা খলজি মালিক ছিলেন—মুহম্মদ শিরান খলজি, আলি মর্দান খলজি, হুসামউদ্দিন ইওজ খলজি।
- অনেকের ধারণা ছিল আলি মর্দান খলজি বখতিয়ার খলজির হত্যাকারী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,৬৬১.
২০২৩ সালের জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন -
  1. ক) রহমত উল্লাহ
  2. খ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
  3. গ) কাউছার হামিদ মোল্লা
  4. ঘ) মোহাম্মদ আনিছুল হক
ব্যাখ্যা
২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন - মোহাম্মদ আবদুল মুহিত।

• জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশন:
- জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ।
- জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিত সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের (পিবিসি) সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

- তিনি ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশনের সদস্যরা ২০২৩ সালের জন্য ক্রোয়েশিয়াকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ ও জার্মানিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে।
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রাষ্ট্রদূত মুহিত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে কমিশনের সভাপতির পদ হস্তান্তর করেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা।
৬,৬৬২.
২০১৯ সালে ‘একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প’ এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় -
  1. ক) আমার বাড়ি মামার খামার প্রকল্প
  2. খ) মামার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প
  3. গ) আমার বাড়ি আমার খামার প্রকল্প
  4. ঘ) খামারবাড়ি প্রকল্প
৬,৬৬৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের সরকারের চীফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশারফ
  2. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খোন্দকার
  3. কর্ণেল (অব) এম এ জি ওসমানী
  4. কর্ণেল (অব) এম এ রব
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৬৬৪.
অপারেশন জ্যাকপট পরিচালিত হয় কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ১০ জুলাই
  2. ১৯৭১ সালের ০১ আগস্ট
  3. ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট
  4. ১৯৭১ সালের ২০ আগস্ট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
এইদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়। মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এই অপারেশনে অংশ নেয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৬,৬৬৫.
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম কী?
  1. গণভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. যমুনা
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন 'যমুনা'কে সরকারি বাসভবন হিসেবে বেছে নেয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- সরকারপ্রধানের নিরাপত্তা ও সচিবালয়ে যাতায়াতের সুবিধার্থে রাজধানীর হেয়ার রোডের এই ভবনেই তিনি উঠবেন বলে জানিয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
- ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ছিল গণভবন। 
- অন্তর্বর্তী সরকার গণভবনকে 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর' করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- বর্তমানে সেখানে জাদুঘরের নির্মাণকাজ চলছে।
- ফলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর বসবাসের সুযোগ নেই।

উৎস: প্রথম আলো এবং যুগান্তর।

৬,৬৬৬.
বর্তমান রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি?
  1. ২০তম
  2. ২১তম
  3. ২২তম
  4. ২৩তম
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু।
- ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন ২৪ এপ্রিল, ২০২৩।
- মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
- ২০০৬ সালে তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসরে যান।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নামেই বেশি পরিচিত।
- পেশায় আইনজীবী মো. সাহাবুদ্দিন ১৯৮২ সালে বিসিএস (বিচার) ক্যাডারে যোগ দেন।
- বিচারকের বিভিন্ন পদে চাকরি শেষে ২০০৬ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসর নেন।

 উৎস: ২২ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
৬,৬৬৭.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি কয়টি?
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৪টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ভারত এবং আয়ারল্যাণ্ডের ন্যায় বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

-⇒সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি হলো:
• জাতীয়তাবাদ,
• সমাজতন্ত্র,
• গণতন্ত্র ও
• ধর্মনিরপেক্ষতা।

উৎস: পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।
৬,৬৬৮.
ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য কোন সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশ নেয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ও বিশ্বজনমত:

• যুক্তরাজ্য সরকার ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে। 
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে সারা বিশ্ব ও পরাশক্তিসমূহ দুভাগে ভাগ হয়েছিল।
• একভাগের নেতৃত্বে পাকিস্তান, চীন, আমেরিকা ও মুসলিম দেশসমূহ।
• অন্যদিকে ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং জোট নিরপেক্ষ দেশসমূহ।
• সৌদি আরব, ইরান, ইরাক প্রভৃতি দেশসমূহ এবং ওআইসি বাংলাদেশে পাকিস্তানের গণহত্যার প্রতিবাদ করেনি বরং পাকিস্তানকে সমর্থন করতে বিশ্বের মুসলমানদের আহ্বান জানিয়েছে।
• সোভিয়েত বলয়ভুক্ত দেশসমূহ সরাসরি বাংলাদেশকে সমর্থন করেছে। 
• চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে। 
• জাতিসংঘে স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে তিন পরাশক্তির বিভাজনের কারণে জাতিসংঘ মুক্তিযুদ্ধে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি।
• জাতিসংঘের উদ্বাস্তু বিষয়ক প্রতিষ্ঠান ইউএনএইচসিআর শরণার্থীদের সহায়তা করেছিল।
• মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৬৯.
দেশের প্রথম ধান জাদুঘর অবস্থিত -
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) চাদঁপুর
ব্যাখ্যা
• ধান জাদুঘর:
- দেশের প্রথম ধান জাদুঘর অবস্থিত - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), গাজীপুর
- ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্যনিরাপত্তায় উৎপাদন বাড়াতে উদ্ভাবন হয়েছে ধানের উচ্চফলনশীল নতুন নতুন জাত। তাই হারিয়ে যেতে বসা ঐতিহ্যগুলোকে ধরে রাখতে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে (ব্রি) স্থাপন করা হয়েছে দেশের প্রথম রাইস মিউজিয়াম বা ধান জাদুঘর।
- এখন পর্যন্ত উদ্ভাবিত ১০৮টি ধানের জাত তাকে তাকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে
- ব্রি উদ্ভাবিত নতুন জাতের প্রদর্শনীর পাশাপাশি এ জাদুঘরের মাধ্যমে আধুনিক ধান বিষয়ক কৃষিপ্রযুক্তি দেশি-বিদেশি পরিদর্শকদের জন্য - তুলে ধরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ধানের জাত ও প্রযুক্তিগুলোর নমুনা ও রেপ্লিকা স্থাপন করা হয়েছে।
- কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় সব কটি জাত এই জাদুঘরে রাখা হয়েছে।
- জাদুঘর প্রকল্পের পরিচালক আবদুল মোমিন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
৬,৬৭০.
বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ কত বছর নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

• প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়:
- 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত সরকার।
- তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই।
- রয়েছে শিক্ষক সংকট। নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা।
- প্রাথমিকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা উপযোগী নয় বলে আপাতত প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ৫ বছরেই রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেকাফ।

৬,৬৭১.
Power System Master Plan অনুযায়ী ২০৪১ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪০ হাজার মেগাওয়াট
  2. খ) ৩৫ হাজার মেগাওয়াট
  3. গ) ৬০ হাজার মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৮০ হাজার মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎখাতের উন্নয়নে সুদূর প্রসারী ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২১, ২০৩০ ও ২০৪১ সাল নাগাদ বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিম্নবর্ণিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে:
২০২১ সালে ২৪,০০০ মেগাওয়াট।
২০৩১ সালে ৪০,০০০ মেগাওয়াট।
২০৪১ সালে ৬০,০০০ মেগাওয়াট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৬৭২.
একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন-
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) আতাউর রহমান খান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- ২১ দফার প্রথম দফা ছিলো বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
- ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ৫ টি যথা - ১,১০,১৬,১৭,১৮ । 

এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

উৎস- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,৬৭৩.
সার্বজনীন পেনশন কর্মসূচির সর্বশেষযুক্ত স্কিম কোনটি?
  1. প্রগতি
  2. সুরক্ষা
  3. প্রত্যয়
  4. প্রবাসী
ব্যাখ্যা

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে যুক্ত হলো 'প্রত্যয় স্কিম'
⇒ সরকার, ১৩ মার্চ, ২০২৪ খ্রি. তারিখে জারীকৃত এস.আর.ও. নং-৪৭-আইন/২০২৪ এর মাধ্যমে সকল স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানসমূহের চাকুরিতে যে সকল কর্মকর্তা বা কর্মচারী ০১ জুলাই, ২০২৪ খ্রি. তারিখ ও তৎপরবর্তী সময়ে নতুন যোগদান করবেন, তাদেরকে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা আইনের অন্তর্ভুক্ত করেছে।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে সরকার এ স্কিমটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। 

সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):

- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ২৪ জানুয়ারি-২০২৩ জাতীয় সংসদে 'সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থাপনা বিল ২০২৩' পাস হয়েছে।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৬৭৪.
প্রাচীন জনপদ গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কোনটি?
  1. কোটিবর্ষ
  2. মহাস্থানগড়
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. তাম্রলিপ্তি
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৭৫.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
ব্যাখ্যা

কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন 'জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই
বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬,৬৭৬.
কোনটি সামাজিক সমস্যার জন্য দায়ী নয়?
  1. মূল্যবোধগত দ্বন্দ্ব
  2. শিল্পায়ন ও শহরায়ন
  3. সামাজিক আদর্শ
  4. মৌলিক চাহিদার অপূরণ
ব্যাখ্যা

• সামাজিক সমস্যার সাধারণ কারণসমূহ:

১। মূল্যবোধগত দ্বন্দ্ব
- মূল্যবোধ মানুষের আচরণের চালিকা শক্তি।
- সাংস্কৃতিক শূন্যতা ও মূল্যবোধের দ্বন্দ্ব সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে।

২। শিল্পায়ন ও শহরায়নের প্রভাব
- দ্রুত শিল্পায়ন ও নগরায়নের কারণে বস্তুগত পরিবর্তন ঘটে।
- সমাজের অন্যান্য উপাদান সমানভাবে পরিবর্তিত না হলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

৩। মৌলিক চাহিদার অপূর্ণতা
- খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা ইত্যাদি মৌলিক চাহিদা পূরণ না হলে সামাজিক সমস্যা তৈরি হয়।

সামাজিক সমস্যার অন্যন্য কারনগুলো মধ্যে রয়েছে -
• সামাজিক কাঠামোর ত্রুটি
• সম্পদ ও সুযোগের অসম বণ্টন
• মানসিক চাপ ও বিচ্যুত আচরণ
• সামাজিক পরিবর্তন

তথ্যসূত্র: সমাজকর্ম ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৬৭৭.
দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী কে?
  1. সাইদা খানম
  2. তাহমিনা হক
  3. মজিদা খাতুন
  4. সাইদা বেগম
ব্যাখ্যা
সাইদা খানম:
- দেশের প্রথম নারী আলোকচিত্রী সাইদা খানম।
- সাইদা খানম-এর জন্ম ১৯৩৭ সালের ২৯ ডিসেম্বর।
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি ১৯৬৮ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে স্নাতকোত্তর করেন।
- পরবর্তীকালে ১৯৭২ সালে পুনরায় লাইব্রেরি সায়েন্সে স্নাতকোত্তর করেন। 
- সাইদা খানম আলোকচিত্র সাংবাদিক হিসেবে ১৯৫৬ সাল থেকে 'বেগম' পত্রিকায় কাজ করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৯ সালে মাত্র ১২ বছর বয়সে সাপ্তাহিক বেগম পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে তাঁর প্রথম গল্প। 
- ১৯৬২ সালে ‘চিত্রালী’ পত্রিকার হয়ে একটি অ্যাসাইনমেন্টে গিয়ে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও অস্কারজয়ী সত্যজিৎ রায়ের ছবি তুলে সমাদৃত হন সাইদা খানম।
- সৃষ্টিশীল আলোকচিত্রী হিসেবে সাইদা খানম ২০১৯ সালে একুশে পদক পান। 

উৎস: i) প্রথম আলো। 
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৭৮.
একমাত্র খেতাব প্রাপ্ত বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. অস্ট্রিয়া
  4. হাঙ্গেরি
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং
সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৭৯.
বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি কোনটি?
  1. ত্রিপুরা
  2. মুরং
  3. রাজবংশী
  4. পাঙন
ব্যাখ্যা
পাঙন উপজাতি:

- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

তথ্যসূত্র - ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
৬,৬৮০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বিয়ানীবাজার
  2. বিবিয়ানা
  3. তিতাস
  4. বাখরাবাদ
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র:
- জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

⇒ দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৫৮১৮.৩ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার – ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%)।
- শিল্পখাতে ব্যবহার – ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]
- ক্যাপটিভ – ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার – ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৬৮১.
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ কতজন পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পণ করেন?
  1. ৯২,০০০
  2. ৯৩,০০০
  3. ৯৪,০০০
  4. ৯৫,০০০
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তান বাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খন্দকার (এ.কে খন্দকার)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৬,৬৮২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?
  1. ১১টি
  2. ৩৪টি
  3. ৩৯টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। এই সেক্টরগুলোকে আবার ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
-  যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৮৩.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন- 
  1. ওহিউল্লাহ
  2. রফিকউদ্দিন আহমদ
  3. আব্দুল বরকত
  4. আব্দুস সালাম
ব্যাখ্যা

• প্রথম শহীদ:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন রফিকউদ্দিন আহমদ।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে তিনি ঘটনাস্থলেই শহীদ হন।
- তাকে আজিমপুর গোরস্থানে দাফন করা হয়।
 • প্রেক্ষাপট: 
- পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা এক জনসভায় ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা।” 
- এর প্রতিক্রিয়ায় ৩১ জানুয়ারি, বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক দলের সভায় আলাউদ্দিন রহমান খানের সভাপতিত্বে কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়। 
- কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ আহ্বায়ক কাজী গোলাম মাহবুবের নেতৃত্বে ফেব্রুয়ারি (৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ) রোজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর ফলে সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করলেও ১২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সমবেত হয়ে “রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই” শ্লোগান দিতে থাকে। 
- পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ হয়। 
- এই মিছিলে রফিকউদ্দিন আহমদের সঙ্গে শহীদ হন আব্দুল বরকত, আব্দুস সালাম, আবুল জব্বার প্রমুখ।
- নয় বছরের শিশু ওহিউল্লাহও পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

উৎস:
i) মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ;
ii) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট;
iii) বাংলাপিডিয়া।

৬,৬৮৪.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে কে নিয়োগ দেন?
  1. সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণের সরাসরি ভোটে 
  4. বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ:
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করেন।  
- যেই সংসদ সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হিসেবে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করবেন।
- প্রধানমন্ত্রী হলো সরকারপ্রধান এবং সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তিনি সংসদের নেতা এবং মন্ত্রিসভার প্রধান, যার মাধ্যমে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স ন্যূনতম ২৫ বছর হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার জন্য তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা নেত্রী হতে হবে।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে। সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা অত্যন্ত উচ্চ
- যদিও প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করেন, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ এবং সংবিধান অনুযায়ী তিনি সংসদের কাছে দায়ী থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি

৬,৬৮৫.
বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমনের সময় লক্ষ্মণ সেন কোথায় অবস্থান করছিলেন?
  1. কনৌজ
  2. বিক্রমপুর
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. নদীয়া
ব্যাখ্যা
বখতিয়ার খিলজির বাংলা আক্রমণ:
- তের শতকের প্রথম দিকে (১২০৪ সালে) বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- দুর্বল লক্ষ্মণ সেন কোনো প্রতিরোধ না করে নদীপথে দক্ষিণপূর্ব বাংলায় চলে যান।
- এর ফলে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম বাংলা বখতিয়ার অধিকার করেন এবং লক্ষ্মণাবতীকে (গৌড়) কেন্দ্র করে বাংলায় মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দুশাসনের পতন হয়েছিল বলে ধরা হলেও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় লক্ষ্মণ সেন আরও কয়েক বছর রাজত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৮৬.
বীর মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি কোন সম্প্রদায়ের?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) গারো
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) রাখাইন
ব্যাখ্যা
কাকন বিবি:
- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে।
- তিনি ১৯৭১ সালে ৫নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন।
- যুদ্ধে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
- কাকন বিবি কে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।

উৎস: i) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী।
         ii) ২২ মার্চ ২০১৮, প্রথম আলো।
৬,৬৮৭.
ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কখন?
  1. ক) আঠারো শতকের শেষার্ধে
  2. খ) উনিশ শতকের প্রথমার্ধে
  3. গ) উনিশ শতকের শেষার্ধে
  4. ঘ) আঠারো শতকের প্রথমার্ধে
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- এই আন্দোলনের কেন্দ্র ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।
- ১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
৬,৬৮৮.
কোন সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৪নং সেক্টর
  3. ৮নং সেক্টর
  4. ১০নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধীনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৮৯.
বাংলাদেশের গ্রাম সংখ্যা কত?
  1. ক) প্রায় ৮৪ হাজার
  2. খ) প্রায় ৮৫ হাজার
  3. গ) প্রায় ৮৬ হাজার
  4. ঘ) প্রায় ৮৭ হাজার
ব্যাখ্যা
পঞ্চম আদমশুমারির তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রাম সংখ্যা ৮৭,১৯১ টি।
৬,৬৯০.
"তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে প্রযোজ্য নয়। সাম্প্রতিক তথ্যের জন্য ব্যাখ্যা, সাম্প্রতিক সমাচার ও ডাইনামিক প্যানেল দেখুন।"
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে জিডিপি এর -
  1. ১৪.৮%
  2. ১৩.৪%
  3. ১৫.৪%
  4. ১৬.২%
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেটে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে জিডিপি এর - ১৫.৪%।

• বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা - ৭.৫%
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।

সূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪।
৬,৬৯১.
প্রথম চা নিলাম কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়-
  1. ক) আগ্রাবাদ
  2. খ) শ্রীমঙ্গল
  3. গ) মালনীছড়া
  4. ঘ) পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাজারে চা রপ্তানির সুবিধার্থে ১৬ জুলাই ১৯৪৯ বন্দরনগরী চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয়। 
- ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ চায়ের রাজধানী মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয় দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র।
- ১৪ মে ২০১৮ শ্রীমঙ্গল চা নিলাম কেন্দ্রের প্রথম নিলাম অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৬,৬৯২.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষিখাতের অবদান -
  1. ক) ১১.৩৪%
  2. খ) ১১.৯৭%
  3. গ) ১১.৫০%
  4. ঘ) ১১.৬৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনীতি/জিডিপিতে,
   - কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%
   - কৃষিখাতে শ্রমশক্তি নিয়োজিত - ৪০.৬%
   - কৃষিখাতে প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%
 
   - শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%
   - শিল্পখাতে শ্রমশক্তি নিয়োজিত - ২০.৪%
   - শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার - ১০.৪৪%
 
   - সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%
   - সেবাখাতে শ্রমশক্তি নিয়োজিত - ৩৯.০%
   - সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৩১%
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৬,৬৯৩.
'কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা' ছয় দফার কততম দফায় অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. প্রথম দফা
  2. দ্বিতীয় দফা
  3. তৃতীয় দফা
  4. চতুর্থ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৬৯৪.
সচিবদের পদমর্যাদা অনুযায়ী সবার নিচে অবস্থান কার? 
  1. অতিরিক্ত সচিব
  2. সচিব
  3. সহকারী সচিব
  4. উপসচিব
ব্যাখ্যা

সচিবালয়ের প্রশাসনিক কাঠামো: 
- মন্ত্রী
    ↓
- সচিব
    ↓
- অতিরিক্ত সচিব
    ↓
- যুগ্ম সচিব
    ↓
- উপসচিব
    ↓
- সিনিয়র সহকারী সচিব
    ↓
- সহকারী সচিব
    ↓
- প্রশাসনিক কর্মকর্তা

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৩পৃষ্ঠা।

৬,৬৯৫.
'পলাশীর প্রথম ব্যারন' কার উপাধি ছিল?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. ওয়াটসন
  3. কার্টিয়ার
  4. রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
রবার্ট ক্লাইভ: 

• উপমহাদেশের ইংরেজ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন লর্ড ক্লাইভ।
• প্রথম পর্যায়ে তিনি দাক্ষিণাত্যে কোম্পানিকে রক্ষা করেন; দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি বাংলা জয় করেন। তৃতীয় পর্যায়ে তিনি নবাব ও সম্রাটকে নিয়ন্ত্রণ করে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হন এবং ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।
• তাঁর উপাধি ছিল পলাশীর প্রথম ব্যারন।
• ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে রবার্ট ক্লাইভ বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে। 
• ক্লাইভ মধ্যবর্তী রাজ্য হিসেবে কোম্পানি ও মারাঠাদের মধ্যে অযোধ্যা রাজ্যকে প্রতিষ্ঠা করেন। 
• লর্ড ক্লাইভ উপমহাদেশে ইংরেজ সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার মর্যাদা পেলেও বাংলায় জালিয়াতি এবং উৎকোচ গ্রহণের অপরাধে স্বদেশবাসী তাঁর বিরুদ্ধে পার্লামেন্টে বহু অভিযোগ উত্থাপন করেন। 
• ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে স্বগৃহে ক্লাইভ আত্মহত্যা করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 
৬,৬৯৬.
'দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে' ছয় দফার কত নং দফায় এই বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬৯৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. শাসন বিভাগ
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান বাংলাদেশের মৌলিক ও সর্বোচ্চ আইন। 
- বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট তা নির্ধারণ করার অধিকারী, নির্বাহী বিভাগ নয়। অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্ট হলো সংবিধানের ব্যাখাকারক বা অভিভাবক।
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে  ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল। 

 উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৬৯৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে নির্মিতব্য বায়োপিকের চিত্রনাট্যকার হচ্ছেন -
  1. ক) অতুল তিওয়ারি
  2. খ) শ্যাম বেনেগাল
  3. গ) শামা জাইদি
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ে
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হচ্ছে বায়োপিক 'বঙ্গবন্ধু'।
পরিচালক: ভারতের শ্যাম বেনেগাল। সহযোগী পরিচালক দয়াল নিহালানি।
চিত্রনাট্য: অতুল তিওয়ারি এবং শামা জাইদি।
এতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন আরিফিন শুভ। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে আরও ৪৯ জন বাংলাদেশি তারকা অভিনয় করবেন।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)

 
৬,৬৯৯.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ১০ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৬,৭০০.
লুসাই ক্ষুদ্র  নৃ-গোষ্ঠী কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. মুসলিম
  2. হিন্দু
  3. বৌদ্ধ
  4. খ্রিস্টান
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।