বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৬ / ৩০৬ · ৬,৫০১৬,৬০০ / ৩০,৮৩২

৬,৫০১.
৭ম শতাব্দীতে হিউয়েন সাং-এর দীক্ষাগুরু কে ছিলেন?
  1. অতীশ দীপঙ্কর
  2. শীলভদ্র
  3. কাহ্নপা
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
• নালন্দা মহাবিহার:
-  নালন্দা মহাবিহার সাত শতকে প্রসিদ্ধি অর্জনকারী বৌদ্ধ শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র।
- বিহারের পাটনা থেকে ৮৫ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে এবং আধুনিক রাজগিরের ১১ কিমি উত্তরে অবস্থিত বড়গাঁও গ্রামের কাছে নালন্দার প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ রয়েছে।
- বাংলার ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত হলেও নালন্দা মহাবিহারের সঙ্গে এতদঞ্চলের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।
- গুপ্ত সম্রাটগণই নালন্দা মহাবিহারের নির্মাতা এবং সম্রাট প্রথম কুমারগুপ্তই সম্ভবত এক্ষেত্রে প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেন। 
- ফা-হিয়েন এর ভ্রমণ বিবরণীতে নালন্দায় বৌদ্ধ স্থাপনার কোন উল্লেখ না থাকায় এ বিষয়ে কিছুটা নিশ্চিত হওয়া যায়।
- সাত শতকের দিকে নালন্দা একটি শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে খ্যাতি লাভ করে।
- চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং পড়াশোনার জন্য এখানে কয়েক বছর অতিবাহিত করেন।
- তাঁর সময় থেকেই নালন্দা বিশিষ্ট পুরোহিতগণের তত্ত্বাবধানে শিক্ষা ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে ধীরে ধীরে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছিল।
- হিউয়েন-সাং-এর ভ্রমণের ৩০ বছরের মধ্যে ই-ৎসিঙ (৬৭৫ থেকে ৬৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১০ বছর এখানে শিক্ষাগ্রহণ করেন) সহ কমপক্ষে ১১ জন কোরীয় ও চৈনিক তীর্থযাত্রীসহ বিশিষ্টজনেরা নালন্দা ভ্রমণ করেন বলে জানা যায়। 
- নালন্দার পন্ডিতগণ ছিলেন স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত।
- হিউয়েন-সাং এবং ই-ৎসিঙ উভয়েই নালন্দার শিক্ষকগণের উচ্চ প্রশংসা করেছেন।
- হিউয়েন-সাং যখন নালন্দায় ছিলেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন - এর অধ্যক্ষ।
- শীলভদ্র ছিলেন সর্বপ্রথম বাঙালি বৌদ্ধ শিক্ষক যিনি বাংলার বাইরে এরূপ দুর্লভ সম্মান অর্জন করেন।
- হিউয়েন-সাং নিজেও শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।
- পরবর্তী পাল রাজাদের দলিলপত্রেও বিভিন্ন প্রসঙ্গে নালন্দার উল্লেখ পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫০২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি?
  1. ৭২ নং
  2. ৭২(১) নং
  3. ৭৩ নং
  4. ৭৪ নং
ব্যাখ্যা
•গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭২ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন রাষ্ট্রপতি।
- তবে এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।
- নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ও নতুন বছরের অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণদান করেন।
- রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হয়।
- সময়ে সময়ে রাষ্ট্রপতি সংসদে বাণী প্রেরণ করেন।
- তিনি সংসদ মুলতবি রাখতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শে তিনি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- সংবিধানে বর্ণিত কয়েকটি পরিস্থিতিতে যেমন- রাষ্ট্রপতির অভিশংসন এর ক্ষেত্রে স্পিকার সংসদ আহ্বান করতে পারেন।

উল্লেখ্য,
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- সংসদীয় রীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রপতি প্রতি বছর জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন।
- এর আগে, রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০২৪ সালের প্রথম সংসদ অধিবেশন আহ্বান করেন।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় স্পিকার যথাক্রমে জাতীয় সংসদের নেতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) ৩০ জানুয়ারি, ২০২৪, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
৬,৫০৩.
প্রথমবারের মতো জিরার একটি জাত উদ্ভাবন করে-
  1. ক) BARI
  2. খ) BARC
  3. গ) BINA
  4. ঘ) BSMRAU
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) একদল গবেষক ‘বারি জিরা-১’ নামে প্রথমবারের মতো জিরার একটি জাত উদ্ভাবন করে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।
৬,৫০৪.
সদস্যদের আসন শূন্য হওয়ার শর্তাবলী বর্ণিত আছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. ৬৭(১)
  2. ৭০
  3. ৭৩
  4. ৭৬
ব্যাখ্যা
• সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
৬৭। (১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি

(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।

অন্যদিকে,
- ৭০। রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।
- ৭৩। সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- ৭৬। সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৫০৫.
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ট্রিপল সেঞ্চুরি করা প্রথম বাংলাদেশি কে?
  1. ক) তামিম ইকবাল
  2. খ) রকিবুল হাসান
  3. গ) শাহরিয়ার নাফিস
  4. ঘ) মার্শাল আইয়ুব
ব্যাখ্যা

রকিবুল হাসান - ৩১৩ (২০০৬-০৭)
তামিম ইকবাল - ৩৩৪ (২০১৯-২০)।
(রেফারেন্স- প্রথম আলো)

৬,৫০৬.
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার: 
- ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ নির্বাচিত সাংসদগণ আগরতলায় একত্রিত হয়ে এক সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে সরকার গঠন করেন।
- এই সরকার স্বাধীন সার্বভৌম "গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার"।
- স্বাধীনতার সনদ (Charter of Independence) বলে এই সরকারের কার্যকারিতা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়।
- ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১ মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামে বৈদ্যনাথ তলায় "গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার" আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির এই সরকারের মন্ত্রী পরিষদ সদস্যদের শপথ পাঠ করান জাতীয় সংসদের স্পীকার অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

যে সমস্ত নেতৃবৃন্দকে নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় তাঁরা হলেন: 
১। রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (পাকিস্তানে বন্দী)
২। উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম (ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি)
৩। প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ (প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৪। অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৫। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ (আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)
৬। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামরুজ্জামান (ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত)

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৬,৫০৭.
খান জাহান আলী সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত হয়েছে?
  1. রুপসা নদী
  2. আত্রাই নদী
  3. ইছামতি নদী
  4. তিস্তা নদী
ব্যাখ্যা
খান জাহান আলী সেতু:
- খানজাহান আলী সেতু রূপসা নদীর উপর নির্মিত একটি সেতু।
- এটি রূপসা সেতু নামেও পরিচিত।
- এই সেতুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো দুই প্রান্তে দুটি করে মোট চারটি সিড়ি রয়েছে যার সাহায্যে মূল সেতুতে উঠা যায়।
- রূপচাঁদ সাহার কাটা খালটি আজ বিশাল রূপসা নদী।
- যা দেখে জীবনানন্দ দাশ মুগ্ধ হয়ে লিখেছিলেন ‘রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেড়া পালে ডিঙ্গা বায়; রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে’রূপসা নদীর ওপর একটি সেতু হয়েছে লোকে বলে রূপসা সেতু।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৫০৮.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. আইনমন্ত্রী
  2. আইন সচিব
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হচ্ছেন - অ্যাটর্নি জেনারেল।

সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে "অ্যাটর্নি জেনারেল" সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ-৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল - 
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি - জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৫০৯.
'শিংনাথ' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) বেগুন
  2. খ) টমেটো
  3. গ) গম
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
বেগুনের উন্নত জাত:-
• শুকতারা, তারাপুরী,ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, লাফফা, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
• শিংনাথ- একটি বারমাসী জাত। গাছ বেশ উঁচু, পাশেও অধিক, শাখা প্রশাখার সংখ্যা প্রচুর। পাতা সরু ধরনের। এর ফল সরু, লম্বায় প্রায় ৩০ সেমি. ও বেগুনী রংয়ের।

• টমেটোর উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা , শ্রাবণী
• গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী   
• আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।

তথ্যসূত্র:- কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৬,৫১০.
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. সিলেট
  2. হবিগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার:
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
- ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের বর্তমান পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইডেন কলেজে ছাত্রী থাকাকালে প্রীতিলতা লীলা নাগের নেতৃত্বাধীন দীপালি সংঘের অন্তর্ভুক্ত শ্রীসংঘের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে।
- প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে প্রীতিলতা যোগ দেন সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে।
- ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে।
- ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাত্ক্ষণিকভাবে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন।
- তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরো উজ্জীবিত করে তোলে।
- পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবটি এখন ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা জাদুঘর’ নামে পরিচিত।

উৎস: ৩ নভেম্বর, ২০২১, কালের কন্ঠ।
৬,৫১১.
বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে?
  1. পাঁচটি
  2. ছয়টি
  3. সাতটি
  4. আটটি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

৬,৫১২.
জাতীয় চার নেতার অন্তর্ভূক্ত নয় -
  1. ক) এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  2. খ) এ. কে. ফজলুল হক
  3. গ) ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর গভীর রাতে ১৫ই আগস্ট হত্যাকাণ্ডের খুনিচক্র সেনাসদস্যরা দেশত্যাগের পূর্বে খন্দকার মোশতাকের অনুমতি নিয়ে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে বেআইনিভাবে প্রবেশ করে সেখানে বন্দি অবস্থায় থাকা মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতা— সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামানকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
- এ হত্যাকাণ্ড ছিল ৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত, স্বাধীনতাবিরোধী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গোষ্ঠীর সম্মিলিত ষড়যন্ত্র ও নীলনক্সার বাস্তবায়ন।
- ১৫ ই আগস্ট ও ৩রা নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড একই গোষ্ঠী সংঘটিত করে।
- উভয় হত্যাকাণ্ডের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের অর্জনসমূহ ধ্বংস ও দেশকে নেতৃত্বশূন্য করে পাকিস্তানি ভাবাদর্শ প্রতিষ্ঠা করা। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৫১৩.
বাংলাদেশে সর্বাধিক উৎপাদিত মাছ কোনটি?
  1. কাতল
  2. চিংড়ি
  3. ইলিশ
  4. তেলাপিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে পরিমাণে সর্বাধিক হলো ইলিশ মাছ।
২০১৮-২০১৯ সময়ে ইলিশ মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ৫.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন যা দেশের মোট উৎপাদিত মাছের প্রায় ১২.১৫ ভাগ।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৬,৫১৪.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৬.১৫ কি. মি.
  2. ৬.৫০ কি. মি.
  3. ৬ কি. মি.
  4. ৬.০৫ কি. মি.
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
 
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
৬,৫১৫.
খড়ক বংশের রাজা রাজভট্টের রাজধানী -
  1. ক) কর্মান্তবাসক
  2. খ) পাটালিপুত্র
  3. গ) পুন্ড্রনগর
  4. ঘ) কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

 চৈনিক পরিব্রাজক শ্রমণ শেং চি সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধে এ অঞ্চল পরিভ্রমণ করার সময় রাজভট্ট ছিলেন সমতটের শাসক। এই রাজভট্টই খড়গ বংশের রাজা রাজভট্ট নামে পরিচিত। 
- রাজা রাজভট্টের রাজধানী (জয়স্কন্ধবার) ছিল কর্মান্তবাসক, কুমিল্লার সন্নিকটে বড় কামতার সঙ্গে যাকে অভিন্ন বলে শনাক্ত করা হয়েছে। 
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিমি দক্ষিণ-পশ্চিমে কৈলাণ থেকে উদ্ধারকৃত শ্রীধারণ রাতের তাম্রশাসনে রাজাকে ‘সমতটেশ্বর’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যার রাজধানী ছিল দেবপর্বত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৫১৬.
কোথায় গারোদের আবাস নেই?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নেত্রকোনা
  3. জামালপুর
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
- বান্দরবানে গারোদের আবাস নেই।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।


উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৫১৭.
নিচের কোন নেতা চার খলিফার অর্ন্তভূক্ত নন?
  1. ক) আ. স. ম. আব্দুর রব
  2. খ) এ কে খন্দকার
  3. গ) আব্দুল কুদ্দুস মাখন
  4. ঘ) নুরে আলম সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় ।
“স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন -

১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ)
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)
- এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।

উৎস:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫১৮.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে-
  1. ক) ৭৫ বছর
  2. খ) ৭৪.২ বছর
  3. গ) ৭২.৬ বছর
  4. ঘ) ৭৪ বছর
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে- ৭৪ বছর।
- বর্তমান গড় আয়ু - ৭২.৬ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার হবে - ১.১৮%।
- বর্তমান হার - ১.৩৭%।
- মেয়াদান্তে মাথাপিছু আয় হবে - ৩০৫৯ মার্কিন ডলার।
- বর্তমান মাথাপিছু আয় - ২০৬৪ মার্কিন ডলার।

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)
৬,৫১৯.
মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোন দেশের?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় গণপরিবহণের জন্য ‘ঢাকা মেট্রোরেল’ হলো ‘জাইকা’-এর অর্থায়নে একটি সরকারি প্রকল্প।
- প্রকল্পটি রাষ্ট্রায়ত্ত ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) পরিচালনা করছে।
- প্রকল্পের জন্য মোট ৫টি রুট লাইন প্রস্তাব করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে এমআরটি লাইন ১, ২, ৪, ৫, এবং ৬।
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে মেট্রোরেল চালু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- ডিএমটিসিএলের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পটির নাম ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

তথ্যসূত্র - Dhaka Metro Mass Rapid Transit System ওয়েবসাইট।
৬,৫২০.
“ইন্ডিয়া এ্যাক্ট” আইন কবে পাস হয়?
  1. ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• ইন্ডিয়া এ্যাক্ট (১৭৮৪ খ্রি:):
 - রেগুলেটিং এ্যাক্ট-এর ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী উইলিয়াম পিট একটি আইন পাস করেন যা ইতিহাসে ‘পিট এর ইন্ডিয়া এ্যাক্ট’ নামে পরিচিত।
- এ আইন দ্বারা পার্লামেন্ট উপমহাদেশ শাসনের সকল ক্ষমতা গ্রহণ করে।
- এ আইনের বলে ব্রিটিশ সরকারের নিযুক্ত ৬ জন এবং ইংল্যান্ডের মন্ত্রী সভার ১ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত ‘বোর্ড অফ কন্ট্রোল’ এর উপর উপমহাদেশ শাসন ও পর্যবেক্ষণের ভার অর্পিত হয়। গভর্নর জেনারেলের ক্ষমতা বাড়ানো হয়। সুপ্রীম কোর্টের ক্ষমতা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়।
- এছাড়া, কোম্পানির তিনজন ডাইরেক্টর নিয়ে একটি ‘সিক্রেট কমিটি’ও গঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫২১.
কৌলীন্য প্রথা প্রবর্তন করেন কে?
  1. হেমন্ত সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
- বল্লাল সেন ছিলেন বাংলার সেন বংশের তৃতীয় শাসক। তিনি ১১৬০ সাল থেকে ১১৭৮ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- বল্লাল সেন তন্ত্র হিন্দুধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। ফলে তার রাজত্বকালে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের প্রসার ঘটে।
- হিন্দু সমাজকে নতুন করে গঠন করার উদ্দেশ্যে তিনি কৌলীন্য প্রথা প্রবর্তন করেন। কৌলীন্য প্রথার ফলে ব্রাহ্মণরা হিন্দু সমাজে অধিকতর সামাজিক মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী হন। তবে কিছু সূত্রমতে কৌলীন্য প্রথার উদ্ভব ঘটে পাল আমলে।
- বল্লাল সেন অত্যন্ত সুপণ্ডিত ছিলেন। দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর তার রচিত দুটো গ্রন্থ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৬,৫২২.
বাংলাদেশে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে -
  1. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  2. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  3. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  4. সিটি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদনক্রমে ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকের প্রতিনিধি হয়ে যে সব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার মাধ্যমে জনগণকে ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে তাকে এজেন্ট ব্যাংক বলা হয়।
- এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসরত প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর মাঝে সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা দেয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা-সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে।
- ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- যে কারণে ১৭ জানুয়ারি এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে প্রথম এজেন্ট আউটলেট খোলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু করে ব্রাজিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৬,৫২৩.
প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন -
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. হাবিবুল বাশার
  3. গাজী আশরাফ
  4. নাইমুর রহমান
ব্যাখ্যা
ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় ২০০৫ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

অন্যদিকে -
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ৬ জানুয়ারি ২০১৭, প্রথম আলো।
        iii) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, প্রথম আলো।
        iv)  ১৪ জুন ২০২৩, সময় নিউজ।
৬,৫২৪.
'ভিজিএফ' নিচের কোন কর্মসূচির আওতাভুক্ত?
  1. সামাজিক নিরাপত্তা
  2. অর্থনৈতিক উন্নয়ন
  3. স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা
  4. সামাজিক আন্দোলন
ব্যাখ্যা

মানবিক সহায়তা কর্মসূচি:
- দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে এবং কৃষি ক্ষেত্রে কর্মহীন সময়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মাধ্যমে দেশব্যাপী মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে থাকে।
- এই মানবিক সহায়তা কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
(১) দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)
(২) খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)

⇒ দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ):
- ভিজিএফ একটি মানবিক সহায়তা কর্মসূচি, যার মাধ্যমে সরকার দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করে থাকে।
- ভিজিএফ কর্মসূচিতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে খাদ্যশস্য সরবরাহ করা হয়।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র পরিবারের দারিদ্র্য হ্রাস করা:
(১) দুঃস্থ ও গরীর জনগণের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন করার লক্ষ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
(২) পীড়িত জনগণ এবং শিশুদের রোগ প্রতিরোধ করা;
(৩) মন্দার সময়ে কর্মহীন জনগণের মধ্যে খাদ্য সরবরাহ করা;
(৪) উপকারভোগীদেরকে সাময়িক সাহায্যের মাধ্যমে দারিদ্র্য নিরসনে অবদান রাখা, বিশেষ করে অতিদরিদ্র জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।

৬,৫২৫.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা কত দিন ক্ষমতায় ছিল?
  1. ১৪ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪২ দিন
  4. ৫৬ দিন
ব্যাখ্যা

- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল। 

যুক্তফ্রন্ট: 
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জনের পর ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল ক্ষমতায় আসে।
- নির্বাচনে ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসনে জয়লাভ করেছিল তারা।
- যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠনের মাত্র ৫৬ দিন পর, ১৯৫৪ সালের ৩০ মে তৎকালীন পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ এই সরকার ভেঙে দেন এবং পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রীয় শাসন জারি করেন। 
- যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন বা প্রায় দুই মাস ক্ষমতায় ছিল। 

সূত্র: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫২৬.
বাংলাদেশ ও কোন দেশের যৌথ উদ্যোগে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হয়?
  1. জাপান
  2. ভারত
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা
- পটুয়াখালী জেলা কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী এলাকা অবস্থিত কয়লাভিত্তিক পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- বাংলাদেশ চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের অধীনে নির্মিত কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা ১,৩২০ মেগাওয়াট।
- কেন্দ্রটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয় ২.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যার মধ্যে ১.৯৮ বিলিয়ন ডলার ঋণ প্রদান করে চীনের এক্সিম ব্যাংক।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও ডেইলি স্টার)
৬,৫২৭.
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী নিধনযজ্ঞ সরাসরি নেতৃত্বে দিয়েছিলেন কে?
  1. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজীর
  2. জেনারেল টিক্কা খান
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা

বুদ্ধিজীবী হত্যা :
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। 
- বুদ্ধিজীবী হত্যা স্পষ্টতই ছিল সামরিক জান্তার নীলনকশার বাস্তবায়ন। 
- নীলনকশার লক্ষ্য ছিল বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করে বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বহীন এবং বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়ায় পরিণত করা। 
- বুদ্ধিজীবী নিধনের নীলনকশা পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নেতৃত্বে অন্যূন দশ জনের একটি কমিটি কর্তৃক প্রণীত হয়।
- ১৪ ডিসেম্বরের নিধনযজ্ঞ সরাসরি রাও ফরমান আলী কর্তৃক পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর গভর্নর হাউজে ফেলে যাওয়া রাও ফরমান আলীর ডায়েরীর পাতায় বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের একটি তালিকা পাওয়া যায় (যাঁদের অধিকাংশই ১৪ ডিসেম্বরে নিহত হন)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৫২৮.
নিচের কোনটি সরকার কাঠামোর অংশ নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ পুলিশ
  2. খ) আপিল বিভাগ
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। সিভিল সোসাইটি হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
এই গোষ্ঠী সরকারি কাঠামোর বাহিরে অবস্থান করে সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি গ্রহণ, পরিচালনা ও নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ, আপিল বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সরকার কাঠামোর অংশ।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক)
৬,৫২৯.
গণপরিষদ আদেশ কোন তারিখ থেকে কার্যকর ধরা হয়?
  1. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি বঙ্গবন্ধুকে গণপরিষদের দলীয় নেতা নির্বাচন করে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন আবু সাদাত মো. সায়েম।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৩০.
‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’এর বিকল্প চেয়ারপারসন হলেন-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ‘বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন’ নিম্নরূপে গঠন করেছে-
প্রধানমন্ত্রী: চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, অর্থ মন্ত্রণালয়: বিকল্প চেয়ারপারসন
মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: ভাইস চেয়ারপারসন
পরিকল্পনা কমিশনের সদস্যগণ: সদস্য
সচিব, পরিকল্পনা বিভাগ: সদস্য-সচিব
[সূত্র- বাংলাদেশ গেজেট, ১৫ এপ্রিল ২০১৯]
৬,৫৩১.
আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৫ সালের ২১ শে অক্টোবর আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দ বাদ দেওয়া হয়। অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে তা করা হয়। একই কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয়বারের মতো আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। (সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৬,৫৩২.
কোন মুঘল সম্রাটকে পরাজিত করে শের খান ‘শের শাহ’ উপাধি ধারন করেন?
  1. ক) মুঘল সম্রাট বাবর
  2. খ) মুঘল সম্রাট আকবর
  3. গ) মুঘল সম্রাট শাহজাহান
  4. ঘ) মুঘল সম্রাট হুমায়ন
ব্যাখ্যা

- শেরশাহ বিহারের শাসনকর্তা বাহারাম খানের অধীনে কর্মরত থাকাকালীন নিজগুণে তাঁর আস্থা অর্জনে সক্ষম হন। এ সময় একটি বাঘ হত্যা করে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিলে ফরিদ ‘শের খান’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- পরবর্তীকালে চৌসার যুদ্ধে সম্রাট হুমায়ুনকে পরাজিত করে ‘শেরশাহ’ উপাধি ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে বসেন তিনি ।
- ১৫৪১ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ বাংলা আক্রমণ করে বাংলার সুলতান খিজির খানকে পরাজিত ও বিতাড়িত করেন।
- বাংলায় যাতে বিদ্রোহ সংঘটিত হতে না পারে সে জন্য তিনি বাংলাকে ১৯টি সরকারে বিভক্ত করে প্রত্যেকটির শাসনভার একজন আমিনের উপর ন্যস্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনী ও বাংলাপিডিয়া।

৬,৫৩৩.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪]
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ফরিদপুুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় - ফরিদপুুর জেলায়।
- ফরিদপুর জেলায় ২০২৩-২৪ বছরে মোট ১৪.১৮৪ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়।
- এবং মোট পাটের আবাদ হয়- ১২,৩৭৩২০ মে.ট.

​এছাড়াও,
​- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
-গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
-চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

​​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৬,৫৩৪.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ পাশ করা হয় -
  1. ক) ১ জুন, ২০২৩
  2. খ) ৬ জুন, ২০২৩
  3. গ) ১৬ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ২৬ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য জাতীয় বাজেট পেশ করেন।
- এটি বাংলাদেশের ৫২তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম) বাজেট।
- বাজেট পেশ হয়: ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পাশ হয়: ২৬ জুন,২০২৩।
- বাজেট কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৩।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয়: ৬ জুন, ২০২৩।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেটের মূল লক্ষ্য: ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। 

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৬,৫৩৫.
জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে কোন উদ্ভিদ জন্মায়?
  1. গর্জন
  2. তেলসুর
  3. চাপালিশ
  4. গরান
  5. লোহাকাঠ
ব্যাখ্যা
স্রোতজ (ম্যানগ্রোভ) বা গরান বনভূমি:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশ খুলনা এবং দক্ষিণ পূর্বাংশে নোয়াখাসী ও চট্টগ্রাম জেলার উপকূলে জোয়ার ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যেসব উদ্ভিজ্জ জন্মায় তাদের স্রোতজ বা গরান বনভূমি বলা হয়।
- প্রধানত সুন্দরবনে এসব উদ্ভিদ বেশি জন্ম নেয়।
- স্যাঁতসেঁতে লোনা পানিতে সুন্দরী, গেওয়া, পশুর, ধুন্দল, কেওড়া, বাইন, গরান, গোলপাতা ইত্যাদি বৃক্ষ এ বনভূমির অন্তর্গত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,৫৩৬.
কোন তারিখে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে?
  1. ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১২ মে, ১৯৭২
  4. ১৪ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ:
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২
গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
সংবিধান গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩৭.
প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজ্য কোনটি?
  1. গৌড়
  2. পুন্ড্র
  3. রাঢ়
  4. বরেন্দ্র
ব্যাখ্যা
গৌড় রাজ্য:
- প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজ্য গৌড় রাজ্য।
- খ্রিস্টপূর্ব ৭৩০ অব্দে মালদহ অঞ্চলে ভোজ বংশীয় গৌড় নামক জনৈক ব্যক্তি যে রাজ্যের পত্তন করেছিলেন কালক্রমে তাই গৌড় রাজ্য নামে পরিচিত হয়।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল গৌড় রাজ্যের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে গৌড়ের নাম লখনৌতি (প্রদেশের নামে) পরিচিতি পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৩৮.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. বিচারপতি এবি সিদ্দিকি
  3. বিচারপতি এসএম হুদা
  4. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়।
- নির্বাচনে জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ৭ টি নারী আসনসহ মোট বরাদ্দকৃত আসন ছিল ১৬৯ টি।
- বেশিরভাগ রাজনৈতিক দল সবকয়টি আসনে প্রার্থী দাঁড় করাতে পারেনি।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল প্রধান হয়ে দেখা দেয়।
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে।
- বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন।
- তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- অপরপক্ষে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৫৩৯.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৪০.
আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) রংপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
দেশের সবচেয়ে বড় প্রশাসনিক বিভাগ: চট্টগ্রাম এবং ক্ষুদ্রতম: ময়মনসিংহ। উৎস: নিকার।
৬,৫৪১.
ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো-
  1. অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
  2. ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা
  3. ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া
  4. বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা

তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন।

- ১৯৮২ সালে প্রথমবারের মতো জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণয়ন করা হয়েছিল । 
- এরপর ২০০৫ সালে এই নীতি নবায়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে আবার এই জাতীয় ঔষধ নীতি নবায়ন করা হয়েছে।
প্রথম ঔষধ নীতি অনুসারে ,
[ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো- অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা] উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে। 
-------------------- 

• "জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬”: 

১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে। 

জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্যসমূহ:
১। জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ঔষধ সহজে ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং সুষ্ঠু পরিবেশন ব্যবস্থা (Dispensing) নিশ্চিত করা।
৩। স্থানীয় সকল পদ্ধতির ঔষধ প্রস্তুতকারী শিল্পসমূহকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে মানসম্পন্ন ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়।
৪। দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৫। ঔষধের কার্যকর নজরদারী (Surveillance) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উৎসঃ dgda.gov.bd, জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬। 

৬,৫৪২.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?
  1. রাজিয়া সুলতানা
  2. রাজিয়া মরিয়ম
  3. রাজিয়া বানু
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- বিরোধী দলীয় একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। -
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৬,৫৪৩.
রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করার ক্ষমতা রয়েছে কার?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিমকোর্ট
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় আইনসভার ক্ষমতা ও কার্যবলী :
- বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।
- সংবিধান লঙ্ঘন, গুরুতর অপরাধ, দৈহিক ও মানসিক অসুস্থতা ও অক্ষমতার জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন বা অপসারণ করতে পারে জাতীয় সংসদ।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, ন্যায়পাল ইত্যাদি পদের নির্বাচনি ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,৫৪৪.
বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন দূর্গনগরী কোনটি?
  1. মহাস্থানগড়
  2. ময়নামতি
  3. পাহাড়পুর
  4. উয়ারী বটেশ্বর
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- পূর্বে মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বগুড়া শহর হতে ১৫ কিঃমিঃ দূরে পুণ্ড্রবর্ধনের প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দূর্গনগরী।
- সমগ্র বাংলার সর্বপ্রধান ও সর্বপ্রাচীন এ দুর্গ নগরী ইটের বেষ্টনী প্রাচীর দ্বারা সুরক্ষিত যা উত্তর দক্ষিনে ১৫২৫ মিঃদীর্ঘ এবং পূর্ব পশ্চিমে ১৩৭০মিঃ প্রশস্থ ও চতুপার্শ্বস্থ সমতল ভূমি হতে ৫মিঃ উঁচু।
- কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য, গুপ্ত এবং পাল শাসকবর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

তথ্যসূত্র - বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫৪৫.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কোন শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথম অংশ নেয়?
  1. UNTSO
  2. UNAMIR
  3. UNIIMOG
  4. UNTAC
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৮৮ সালে United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হয়।
- তারপর থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ৪০টি দেশে জাতিসংঘের মোট ৫৪টি মিশনে অংশ নিয়েছে।
- জাতিসংঘ মিশনে শান্তিরক্ষী প্রেরণে বর্তমানে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।

অন্যদিকে,
- UNTSO হলো ফিলিস্তিনে নিয়োজিত জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন।
- UNTAC (United Nations Transitional Authority in Cambodia) হলো কম্বোডিয়ায় প্রেরিত মিশন।

উৎস: জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ওয়েবসাইট।
৬,৫৪৬.
বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গী
  2. কালিগঞ্জ
  3. গজারিয়া
  4. সাভার
ব্যাখ্যা
ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।
৬,৫৪৭.
বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা ঘটে কবে?
  1. ১৩২৮ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা ঘটে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে।

সুলতানি আমল:

- ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হলে বাংলার ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা হয়।
- এরপর থেকে ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা মুসলিম শাসনাধীনে ছিল।
- বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না, বরং তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
- কিন্তু দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকেই সুযোগ পেলেই স্বাধীনতার জন্য দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।
- এজন্য বাংলাকে বুলঘাকপুর বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।

উল্লেখ্য,
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন।
- ১৩৩৮ থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় দু'শ বছর ধরে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতা ভোগ করেছিল।
- বাংলার এই স্বাধীন সুলতানি যুগে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ, ইলিয়াস শাহী বংশ, রাজা গণেশের বংশ, হাবশি সুলতান এবং পরবর্তীতে হোসেন শাহী বংশের শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন।
- এ সময় বাংলার সুলতানগণ বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাসংস্কৃতির উৎকর্ষ সাধন, জনকল্যাণকামী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন।
- তাই দু'শ বছরের এ স্বাধীন যুগটিকে বাংলার গৌরবময় যুগ বলা হয়।

এছাড়াও,
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওকে স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজধানী করেন।
- জালালউদ্দিন মাহমুদ শাহ তার রাজধানী গৌড়ে স্থানান্তরিত করেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ সিংহাসনে আরোহণ করে রাজধানী গৌড় থেকে একডালাতে স্থানান্তরিত করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৪৮.
ওলন্দাজরা কোন যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হয়?
  1. প্লাসি যুদ্ধ
  2. বিদরার যুদ্ধ
  3. পতিয়ালার যুদ্ধ
  4. বক্সারের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

ওলন্দাজ ও দিনেমার:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- তারা 'ডাচ ইস্টইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে বাণিজ্যের উদ্দেশে ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে উপমহাদেশে আসে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া, বাকুড়া, বলাসোর, কাশিমবাজার এবং বরানগরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- কিন্তু অপর ইউরোপীয় শক্তি ইংরেজদের সঙ্গে তাদের ব্যবসায়-বাণিজ্য নিয়ে বিরোধ শুরু হয় এবং একই সঙ্গে তারা বাংলার শাসকদের সঙ্গে বিরোধে জড়িয়ে পড়ে।
- ১৭৫৯ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা বিদরার যুদ্ধে ইংরেজদের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
- ফলে ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে শেষ পর্যন্ত সকল বাণিজ্যকেন্দ্র গুটিয়ে তারা এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

⇒ ওলন্দাজদের মতোই দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার জন্য 'ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- ১৬২০ খ্রিস্টাব্দে তারা দক্ষিণ ভারতের ত্রিবান্ধুর এবং ১৬৭৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার শ্রীরামপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- কিন্তু এদেশে লাভজনক ব্যবসা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮৪৫ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্যিক সফলতা ছাড়াই দিনেমাররা এদেশ ত্যাগ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৪৯.
'দিওয়ান-ই-খাস' কোন মুঘল সম্রাটের আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি?
  1. বাবর
  2. শাহজাহান
  3. আকবর
  4. হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- The Prince of Builder নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫০.
'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানটির সুরকার কে?
  1. ক) আলতাফ মাহমুদ
  2. খ) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. গ) আবদুল লতিফ
  4. ঘ) ড. মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষিত রচিত সাহিত্যকর্ম:
- আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী রচনা করেন ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি'।
- সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফ রচনা ও সুর করেন 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং ‘তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'র মতো সঙ্গীত।
- 'সালাম সালাম হাজার সালাম' গীতিকার-ফজলে খোদা; শিল্পী-আব্দুল জব্বার।
- ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক।
- জহির রায়হান রচনা করেন ‘আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি
৬,৫৫১.
মুক্তিযুদ্ধে কুষ্টিয়া কত নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) ৫ নং সেক্টর
  2. খ) ৬ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। 
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- ৮ নং সেক্টর এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে।
- সেক্টরের সৈন্যদের মধ্যে ৩০০০ ছিল নিয়মিত বাহিনী এবং ২৫০০০ গেরিলা সৈন্য।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া,  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫২.
ছয় দফার কত নং দফাটি পররাষ্ট্র সংক্রান্ত?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৩.
’লাহোর প্রস্তাব’ কত তারিখে উত্থাপিত হয়?
  1. ১৭ মার্চ,১৯৪১ সাল
  2. ২৩ মার্চ,১৯৪০ সাল
  3. ২৩ মে,১৯৪০ সাল
  4. ২১ মার্চ,১৯৪২ সাল
ব্যাখ্যা
• ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাঞ্জাবের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ.কে. ফজলুল হক উপমহাদেশের মুসলমানদের স্বার্থ সম্বলিত একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে সভায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক "লাহোর প্রস্তাব" বা "পাকিস্তান প্রস্তাব" নামে অভিহিত।
• লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্য বা বৈশিষ্ট্য :
- ভৌগোলিক দিক থেকে সংলগ্ন এলাকাগুলোকে পৃথক অঞ্চল বলে গণ্য করতে হবে।
- এ সকল অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমানা প্রয়োজন মত পরিবর্তন করে ভারতবর্ষের উত্তরপশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের যে সকল স্থানে মুসলমানেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানে 'স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো' (Independent States) প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
- এ সমস্ত স্বাধীন রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হবে সার্বভৌম ও স্বায়ত্তশাসিত।
- ভারতের ও নবগঠিত মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক, শাসনতান্ত্রিক ও অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা করা হবে।
- দেশের যে-কোনো ভবিষ্যৎ শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনায় উক্ত বিষয়গুলোকে মৌলিক নীতি হিসাবে গ্রহণ করতে হবে।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।

উৎস: এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৪.
‘যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গুনিয়া
  2. খ) সেতাবগঞ্জ
  3. গ) সরিষাবাড়ী
  4. ঘ) আশগঞ্জ
ব্যাখ্যা
যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী থানার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
এটি ১৯৯২ সালে স্থাপিত হয়। এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫.৬১ লক্ষ মেট্রিক টন।
এটিতে দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে। এর মধ্যে চালু কারখানা ৬টি।
(সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৬,৫৫৫.
'দানসাগর' নামক গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. বিজয় সেন
  4. লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
বল্লাল সেন:
- বাংলার পাল যুগের অবসানের পর বার শতকের দ্বিতীয় ভাগে সেন শাসনের সূচনা হয়।
- বাংলায় সেনবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হেমন্ত সেন।
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বাংলাদেশে বিজয় সেনের সময়ই সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন। কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৫৬.
আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে কোন বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়? [সেপ্টেম্বর- ২০২৫]
  1. পায়রা বন্দর
  2. মোংলা বন্দর
  3. চট্টগ্রাম বন্দর
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

অনলাইন গেট পাস: 
- আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
- এর ফলে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কমবে এবং যানজট হ্রাস পাবে। টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) আওতায় ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।
- ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে দ্রুত গেট পাস সংগ্রহ করা যাবে।
- প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার যানবাহন বন্দরের মাধ্যমে চলাচল করায় এই ব্যবস্থা কার্যক্রমকে আরও সহজ করবে।

​অন্যদিকে, 
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।

উৎস - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিক।

৬,৫৫৭.
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে কে শহিদ হয়েছিলেন?
  1. আবদুল মতিন
  2. ওয়াজিউল্লাহ
  3. জহিরুল হক
  4. রফিকউদ্দিন 
ব্যাখ্যা

• বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূলে ছিল শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।
- এই কমিশন গঠিত হয়েছিল আইয়ুবের সামরিক শাসন জারির পরপর, ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরিফ।
- এই কারণে রিপোর্টটি শরিফ কমিশন রিপোর্ট নামেই পরিচিতি পেয়েছে।
- কমিশন রিপোর্ট দাখিল করেছিল আট মাসের মাথায় ২৬ আগস্ট ১৯৫৯।

⇒ ক্ষমতায় এসেই আইয়ুব খান (অক্টোবর ১৯৫৮) সামরিক শাসন জারি করেছিলেন, এ সময় সব ধরনের রাজনীতি ছিল নিষিদ্ধ।
- ছাত্ররাজনীতি স্থায়ীভাবে নিষেধ করার মধ্যে সবাই আইয়ুবের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার মতলব আঁচ করেছিলেন।

 উল্লেখ্য,
- কমিশনের চেয়ারম্যান ড. শরিফ আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে আইয়ুবের শিক্ষক ছিলেন।
- ১৯৫৯ সালে শরিফ কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
- তবে সামরিক আইন জারি থাকায় তখন আন্দোলন তেমন জোরদার হতে পারেনি।
- ১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহার হওয়ায় শিক্ষা কমিশন রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
- আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে ১৪৪ ধারার মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রদেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়।
- এদিন ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে, পুলিশের বাধার মুখেও ছাত্রদের মিছিল এগিয়ে গেলে পুলিশ গুলি চালায়।
- এতে মোস্তফা ও বাবুল নামের দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং পরদিন গুলিবিদ্ধ ওয়াজিউল্লাহ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার শেষ পর্যন্ত শরিফ কমিশন রিপোর্টের বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

৬,৫৫৮.
Article 2 of the Constitution of Bangladesh discusses which of the following issues?
  1. National anthem, flag and emblem
  2. The capital
  3. The territory of the Republic
  4. The state language
  5. The state religion
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ -
১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ, 
৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৫৫৯.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, কার সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবেনা?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সুপ্রিমকোর্টের
  3. প্রধানমন্ত্রীর
  4. সংসদের
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

• অনুচ্ছেদ - ৬৩ : যুদ্ধ - 

১. সংসদের সম্মতি ব্যতীত যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না কিংবা প্রজাতন্ত্র কোন যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৫৬০.
ভাষা শহিদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কবে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপণ করেন?
  1. ১৯৪৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৪৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৪৭ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ও ধীরেন্দনাথ দত্ত:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান প্রথমগণপরিষদ অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যদের ভোটে তা অগ্রাহ্য হয়।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তিনি থাকতেন কুমিল্লা শহরে।
- ১৯৪৬ সালে কংগ্রেস থেকে বঙ্গীয় বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকবাহিনী তাকে কুমিল্লার বাসা থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে।
- ১৯৫৬-৫৮ সালের পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের মন্ত্রীসভায় তিনি স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৫৬১.
'হায়ারোগ্লিফিক্স' লিখন পদ্ধতি প্রচলিত ছিলো কোন সভ্যতায়?
  1. ক) ক্যালডীয় সভ্যতা
  2. খ) মিসরীয় সভ্যতা
  3. গ) ফিনিশীয় সভ্যতা
  4. ঘ) সুমেরীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
সভ্যতায় মিশরীয়দের অন্যতম অবদান হলো বর্ণমালার আবিষ্কার। প্রথমদিকে মিশরীয়রা চিত্রলিপির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করতো যাকে বলা হতো হায়ারোগ্লিফিক্স বা পবিত্র অক্ষর।
আনুমানিক ৫০০০ বছর পূর্বে মিশরীয়রা ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে। বর্ণমালা ব্যতীত মিশরীয়রা নলখাগড়া থেকে প্যাপিরাস নামক কাগজ উদ্ভাবন করে যা থেকে পেপার শব্দের উৎপত্তি হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৫৬২.
কোনটি নৌ-বীমার অত্যাবশ্যকীয় শর্ত নয়?
  1. যাত্রার নিরাপদ সময়
  2. নিরাপত্তা বহর সাথে রাখা
  3. জলদস্যুর উৎপাত
  4. যাত্রার সুনির্দিষ্ট তারিখ
  5. সম্পদের নিরপেক্ষতা ঘোষণা
ব্যাখ্যা
নৌ বীমা:
- নৌবীমা মূলত সম্পত্তি বীমা।
- সমুদ্র পথে চলাচলকালে টাকায় পরিমাপযোগ্য সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি ও বিপদজনিত ঝুঁকির বিপরীতে যে বীমা করা হয় তাকে নৌবীমা বলে।
- নৌবীমার গুরুত্ব ও তাৎপর্য হলো নৌ বিপদ সমূহের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা, আমদানী-রপ্তানী বাণিজ্যের সম্প্রসারণ, ব্যবসায়িক দক্ষতা বৃদ্ধি, সঞ্চয় সংগ্রহ ও মূলধন গঠন, কর্ম সংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি, অদৃশ্যমান রপ্তানী আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি, সামুদ্রিক ক্ষতি সর্বনিম্ন করণ প্রভৃতি।

⇒ নৌ বীমায় ব্যবহৃত কতিপয় শব্দ ও ধারা হলো বীমাকারীর নাম, বীমাকৃত বিষয়বস্তু ও বীমাকৃত ঝুঁকির উল্লেখ, সমুদ্র যাত্রা বা অভিযাত্রা বা উভয়েরই উল্লেখ, বীমাকৃত অর্থের পরিমাণ, বীমাকারী বা বীমাকারীগণের নাম, বীমাপত্রের প্রাথমিক শব্দাবলী, স্বত্ব নিয়োগ ধারা, হারান বা না হারান, সমুদ্র যাত্রার বিবরণ, জাহাজের নাম, কাপ্তানের নাম, ঝুঁকির আরম্ভ ও পরিসমাপ্তি, ঘাটে ভিড়ান ও অবস্থান, যাত্রার পরিবর্তন, যাত্রা পরিত্যাগ, ব্যয়দাবী ও শ্রমধারা, পরিহার ধারা, প্রতিদান ধারা, স্মারকলিপি ধারা, পণ্যগার থেকে পণ্যাগার ধারা, যুদ্ধ বিগ্রহের ধারা, ব্যর্থতার ধারা, জাহাজ বা পণ্য বন্ধকীতে ঋণ গ্রহন ধারা মেয়াদ বৃদ্ধি ধারাসহ সময়, পণ্য ও মাসুল ধারা উল্লেখযোগ্য।

⇒ নৌ-বীমার শ্রেণীবিন্যাস:
১। জাহাজ বীমা,
২। পণ্য বীমা,
৩। মাসুল বীমা,
৪। দায়-বীমা।

⇒ ব্যক্ত প্রকাশিত শর্তাবলী:
১। যাত্রার নিরাপদ সময়,
২। যাত্রার সুনির্দিষ্ট তারিখ:,
৩। নিরাপত্তা রক্ষী সাথে রাখা,
৪। সম্পদের নিরপেক্ষতা ঘোষণা।

অন্যদিকে,
- জলদস্যুর উৎপাত নৌ-বীমার অত্যাবশ্যকীয় শর্ত নয়।

উৎস: ব্যাংকিং এন্ড ইন্স্যুরেন্স, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৬৩.
DAE stand for-
  1. ক) Develop Annual Employment
  2. খ) Department of Agricultural Extension
  3. গ) Department of Agriculture and Engineering
  4. ঘ) Development of Agriculture Extension
ব্যাখ্যা

 DAE stand for Department of Agricultural Extension (কৃষি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)।

- ১৯৮২ সালে ফসল প্রযুক্তি সম্প্রসারণে নিয়োজিত ছয়টি সংস্থা যথা ডিএ (ইএন্ডএম), ডিএ (জেপি), উদ্ভিদ সংরক্ষণ পরিদপ্তর, হর্টিকালচার বোর্ড, তামাক উন্নয়ন বোর্ড এবং সার্ডি একত্রিভূত করে বর্তমান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়।

- বর্তমানে ৮টি উইং এর সমন্বয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ‘‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দায়িত্ব হলো সকল শ্রেণীর চাষীদেরকে তাদের চাহিদা ভিত্তিক ফলপ্রসূ ও কার্যকর সম্প্রসারণ সেবা প্রদান করা যাতে তারা তাদের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার করে স্থায়ী কৃষি ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।’’

সূত্র: বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (dae.gov.bd)

৬,৫৬৪.
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  3. রাজশাহী ‍বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: প্রথম আলো।

৬,৫৬৫.
জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র সূচক-২০২৫ অনুসারে, কোন বিভাগে সবচেয়ে কম দারিদ্র্য রয়েছে? 
  1. খুলনা 
  2. ঢাকা 
  3. রাজশাহী 
  4. চট্টগ্রাম 
ব্যাখ্যা

জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক:
- ৩১ জুলাই ২০২৫ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) পক্ষ থেকে ‘বাংলাদেশের জাতীয় বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।
- দেশে প্রথমবারের মতো বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক (এমপিআই) প্রকাশ করেছে পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। 
- এ সূচকে ব্যক্তির আয়-রোজগারের ভিত্তিতে দারিদ্র্য নিরূপণ করা হয় না, বরং বিভিন্ন সেবার প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দারিদ্র্য নির্ধারণ করা হয়।
- মোট ১১টি সূচকের সমন্বয়ে এই দারিদ্র্য হিসাব করা হয়। সেগুলো হলো, বিদ্যুতের প্রাপ্যতা, স্যানিটেশন, পানির প্রাপ্যতা, আবাসনের মান, রান্নার জ্বালানির প্রাপ্যতা, সম্পদের প্রাপ্যতা, ইন্টারনেট সংযোগ, বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতির হার, শিশুদের শিক্ষাকালের ব্যাপ্তি, পুষ্টি এবং প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা।
- ২০১৬ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপ (হেইস) এবং ২০১৯ সালের বহু সূচকবিশিষ্ট গুচ্ছ জরিপের (মিকস) ওপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। 

⇒ এমপিআই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, দেশে ২৪.৫ শতাংশ মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্যে রয়েছে, যা সংখ্যায় প্রায় ৩ কোটি ৯৮ লাখ। 
- গ্রামীণ এলাকায় এই হার ২৬.৯৬ শতাংশ, আর শহরে ১৩.৪৮ শতাংশ। 
- সিলেট বিভাগে এই দারিদ্র্যের হার সর্বোচ্চ (৩৭.৭০ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম খুলনা বিভাগে।
- এই দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি বান্দরবানে (৬৫.৩৬ শতাংশ) এবং সবচেয়ে কম ঝিনাইদহে (৮.৬৬ শতাংশ)। 

উৎস: প্রথম আলো।

৬,৫৬৬.
বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের জন্য কত তারিখে গ্রেফতার হয়েছিলেন?
  1. ১১ মার্চ ১৯৪৮
  2. ২২ মার্চ ১৯৪৮
  3. ১১ মার্চ ১৯৫২
  4. ২২ মার্চ ১৯৫২
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু:
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। এটাই ছিল ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তথা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এ দেশে প্রথম সফল হরতাল।
- এই হরতালে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্ব দেন। তাকে লাঠিপেঠাও করা হয়।
- পরে বঙ্গবন্ধুসহ বেশ কয়েকজনকে কারাগারে নেওয়া হয়। স্বাধীন পাকিস্তানের রাজনীতিতে এটিই তাঁর প্রথম গ্রেফতার।
- পাঁচ দিন কারাবন্দি থেকে ১৫ মার্চ সন্ধ্যায় মুক্তি পান তিনি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন। (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২)।
৬,৫৬৭.
৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালিত হয় কবে?
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা
চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪:
- প্রতি ১০ বছর পর পর এই শুমারি করছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি ১০-২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪ সাল পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
- এই শুমারিতে প্রথম ট্যাবের মাধ্যমে ক্যাপি পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, আয়-ব্যয়, কর্মী সংখ্যা, তাদের সুযোগ সুবিধা, আয়-ব্যয়, কর প্রদান ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 
- ২৯ জানুয়ারি ২০২৫ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০২৪ সালের অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করে। 

শুমারি অনুযায়ী-
• অর্থনৈতিক ইউনিট- স্থায়ী: ৬২,৮৮,২১৪; অস্থায়ী: ৫,৭৬,৬২১; পারিবারিক ইউনিট: ৫০,১২,৫২৯।
• অর্থনৈতিক ইউনিটের অবস্থান- গ্রাম: ৮৩,৪৬,১৬১; শহুরে: ৩৫,৩১,২০৩।
• অর্থনীতিতে যুক্ত প্রতিষ্ঠান- উৎপাদন: ১০,৪১,৪৬৮; সেবা: ১,০৮,৩৫,৮৯৬।
• ইউনিটে যুক্ত প্রধান- পুরুষ ১,১১,০৯,০০২; মহিলা: ৭,৬৮,০৪২; হিজড়া: ৩২০।
• অঞ্চলভেদে কর্মরত জনশক্তি- গ্রাম: ১,৭৪, ৭৯,১৭০; শহুরে: ১,৩২,৮১,৮৬৪।

উল্লেখ্য,
- দেশের সর্বপ্রথম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ২য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০০১ এবং ২০০৩ সালে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হয়, ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারির প্রাথমিক প্রতিবেদন। [Link]
৬,৫৬৮.
জাতীয় বাজেট প্রথম কখন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রদান করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৩-৭৪ অর্থবছরে
  2. খ) ১৯৭৪-৭৫ অর্থবছরে
  3. গ) ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরে
  4. ঘ) ১৯৭৬-৭৭ অর্থবছরে
ব্যাখ্যা
 কালো টাকা সাদা:
- ১৯৭৫ সালের ৬ এপ্রিল তৎকালীন বঙ্গবন্ধু সরকার হঠাৎ এক ঘোষণায় ১০০ টাকার নোট অচল করেছিল।
- অর্থমন্ত্রী এ আর মল্লিক ১৯৭৫-৭৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় প্রথম কখন কালো টাকা সাদা করার সুযোগ প্রদান করেন। 
- এটাই বাংলাদেশের ইতিহাসে এখন পর্যন্ত কালোটাকার বিরুদ্ধে একমাত্র সরকারি পদক্ষেপ।

উল্লেখ্য, 
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ঘোষণা দিয়েছেন যে কেউ যদি বিদেশ থেকে অর্থ আনেন, তাহলে ৭ শতাংশ কর দিলেই হবে।
- আর বিদেশে অবস্থিত স্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে না আনলে ওই সম্পদের মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ এবং বিদেশে অবস্থিত অস্থাবর সম্পত্তি বাংলাদেশে না আনলে এর ওপর ১০ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে।

উৎস: প্রথম আলো, ১১ জুন ২০২২।
৬,৫৬৯.
দেশে কত সালে প্রথম EPZ স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- দেশে ১৯৮৩ সালে প্রথম EPZ স্থাপিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।

৬,৫৭০.
বাংলার ভেনিস বলা হয় যে শহরকে-
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) ভোলা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
বাংলার ভেনিস:

- বরিশালকে বাংলার ভেনিস বলা হয়।
- প্রাচীন চন্দ্র দ্বীপের বর্তমান নাম - বরিশাল।
- বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহর।
- বাংলার ভেনিস নামে পরিচিত এ শহরটি বরিশাল জেলায় অবস্থিত ও এটি বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর।
- এটি বাংলাদেশ এর একটি অন্যতম সুন্দর শহর।
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এই শহর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৫৭১.
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ এ সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করে কোনটি?
  1. ন’ ডরাই
  2. মায়া দ্য লস্ট মাদার
  3. ফাগুন হাওয়ায়
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
গত ৩ ডিসেম্বর ২০২০ তথ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ বিজয়ীদের নামের প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে।
এতে যুগ্মভাবে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার লাভ করে তৌকির আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘ফাগুন হাওয়ায়’ এবং তানিম রহমান অংশু পরিচালিত ‘ন’ ডরাই’।
সেরা অভিনেতা তারিক আনাম খান।
সেরা অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল।
সেরা পরিচালক তানিম রহমান অংশু।
মোট ২৬টি ক্যাটাগরিতে চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ প্রদান করা হয়।
এছাড়া আজীবন সম্মাননা লাভ করেন চিত্রনায়ক সোহেল রানা এবং কোহিনুর আক্তার সুচন্দা।
(সূত্র: তথ্য মন্ত্রণালয়)
৬,৫৭২.
কত সালে পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত কোন বিষয়কে ইউনেস্কাে World Heritage Register - এর তালিকাভুক্ত করে?
  1. ক) 2015
  2. খ) 2017
  3. গ) 2018
  4. ঘ) 2016
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কোর মেমোরি অফ ওয়ার্ল্ড রেজিস্টার প্রোগ্রামে এর মাধ্যমে বিশ্ব জুড়ে যেসব তথ্যভিত্তিক ঐতিহ্য রয়েছে সেগুলোকে সংরক্ষণ এবং পরবর্তী প্রজন্মের যাতে তা থেকে উপকৃত হতে পারে সে লক্ষ্যেই এ তালিকা প্রণয়ন করে ইউনেস্কো।
২০১৬ সালে বাংলাদেশ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে মেমোরি অফ ওয়ার্ল্ড রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য আবেদন করা হয়। ২০১৭ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক এর অনুমোদন হয়। ভাষণটি পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত। তবে, অডিও এবং ভিডিও কপি অক্ষত রয়েছে।
উৎসঃ ইউনেস্কো সাইট এবং বিবিসি।
৬,৫৭৩.
‘পরার্থপরতার অর্থনীতি’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. আকবর আলী খান
  2. ড. মুহম্মদ ইউনুস
  3. ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. ড. সালাউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

- ড. আকবর আলী খান দেশের খ্যাতনামা একজন অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি হবিগঞ্জ মহকুমার প্রশাসক ছিলেন 
- যুদ্ধকালীন সময়ে সক্রিয়ভাবে মুজিবনগর সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন। 
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি সরকারি চাকরি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত হন। 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টাও হয়েছেন। 
- তিনি রেগুলেটরি রিফর্মস কমিশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন।
- আকবর আলি খান লিখেছেন সমাজ, সাহিত্য, রাজনীতি ও অর্থনীতি বিষয়ে। 

• তাঁর নির্বাচিত বই সমূহ:
- পরার্থপরতার অর্থনীতি।
- পুরানো সেই দিনের কথা।
- বাংলাদেশের সত্তার অন্বেষা।
- অন্ধকারের উৎস হতে।
- আজব ও জবর-আজব অর্থনীতি।

উৎস: বাংলাট্রিবিউন এবং প্রথম আলো।

৬,৫৭৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা-
  1. ক) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা
  4. ঘ) রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবি
ব্যাখ্যা

• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৬৬ সালের ছয় দফার প্রথম দফা ছিল প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
• ৬ দফার বাকি দফাগুলো হলোঃ
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৬,৫৭৫.
কোন দিনটিকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৭ এপ্রিল
  3. গ) ২৬ মার্চ
  4. ঘ) ২৫ মার্চ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস যা ২৬শে মার্চ তারিখে পালিত বাংলাদেশের জাতীয় দিবস।
• ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে (কাল রাত) তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণ আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রাম শুরু করে।
• ১৯৭২ সালের ২২ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়।  

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬,৫৭৬.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন কবে?
  1. ক) ২২ মার্চ, ১৯৭৫
  2. খ) ২২ মার্চ, ১৯৭৪
  3. গ) ২২ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ঘ) ১৭ মার্চ ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• ইসলামের প্রচার-প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ১৯৭৫ সালের ২২ মার্চ  এক অধ্যাদেশবলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২৮ মার্চ ১৯৭৫ সালে ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন’ এ্যাক্ট প্রণীত হয়।
- বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান। সুপ্রাচীনকাল থেকে এ দেশে ইসলামী আর্দশ ও মূল্যবোধের লালন ও চর্চা হয়ে আসছে।
- এ প্রতিষ্ঠানটি কেন্দ্রীয়ভাবে ১৭টি বিভাগ, ৭টি প্রকল্প, ১টি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী, মাঠপর্যায়ে ৮টি বিভাগীয়সহ ৬৪টি জেলা কার্যালয় এবং
- আর্তমানবতার সেবায় ৫০টি ইসলামিক মিশন কেন্দ্র, ৭টি ইমাম প্রশিক্ষণ  একাডেমী কেন্দ্রের মাধ্যমে সারাদেশে নানামুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

সূত্র: ইসলামিক ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট। 
৬,৫৭৭.
কোন শাসককে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়?
  1. গোপাল
  2. রামপাল
  3. মদনপাল
  4. ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

রামপাল:
- রামপাল রাজা হয়েই বরেন্দ্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন।
- এই সময় কৈবর্তদের নেতা ছিলেন ভীম। প্রথম চেষ্টায় রামপাল ব্যর্থ হন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের উপর রামপালের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তাঁর রাজত্বের শেষের দিকে তিনি কামরূপ এবং উড়িষ্যার উপরও প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন।
- রামপালকে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়।
- কবি সন্ধ্যাকর নন্দী ‘রামচরিত’ নামে রামপালের জীবনী লিখেন।
- রামপালের মৃত্যুর পর পাল সাম্রাজ্যের গৌরব দ্রুত বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৫৭৮.
কত সালে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা): 
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার ‘ফুড ফর ওয়ার্ক’ বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ /পুননির্মাণ
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৫৭৯.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য “বীর প্রতীক” উপাধি লাভ করে কতজন?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা

১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৫৮০.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত হন?
  1. বিক্রমাদিত্য
  2. সম্রাট বাবর
  3. ইব্রাহিম লোদী
  4. সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী। 
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। 
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। 
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। 
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। 
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উল্লেখ্য,
- পানিপথের ২য় যুদ্ধ: ১৫৫৬  খ্রিস্টাব্দ।
- পানিপথের ৩য় যুদ্ধ: ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দ।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৮১.
ডা. মিলন কোন আন্দোলনের সময় শহীদ হয়েছিলেন?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:

- ডা. মিলন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় শহীদ হয়েছিলেন।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯০ সালে ছাত্র-জনতা-পেশাজীবী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের আন্দোলনের ফলে স্বৈরাচার এরশাদের পতন হয়েছিল।
- নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর পুলিশের গুলিতে ঢাকার জিরো পয়েন্টে নূর হোসেন মারা যান।
- এ সময় তার গায়ে সাদা রঙ দিয়ে লেখা ছিলো 'স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।
- এ আন্দোলনে প্রাণ হারান নূর হোসেন, সেলিম, দেলোয়ার, তাজুল, ডা. মিলন, নূরুল হুদা, বাবুল, ফাত্তাহসহ অনেকে।
- নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ৬ ডিসেম্বর ২০১৭।
৬,৫৮২.
খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কতজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৫৮৩.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২' কোন ধরনের স্যাটেলাইট?
  1. ওয়েদার স্যাটেলাইট
  2. ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট
  3. আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
  4. কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২:
- দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’।
- এর ধরন নির্ধারণের জন্য ফ্রান্সের প্রাইস ওয়াটার হাউস কুপার্সকে (পিডব্লিউসি) নিয়োগ দিয়েছে বিএসসিএল। 
- এটি একটি আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট।
- এই স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া, নজরদারি বা নিরাপত্তাসংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হবে।
- ২০২৩ সালে মহাকাশে যাচ্ছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২। 

উল্লেখ্য,
- ২০১৮ সালের ১২ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।

উৎস: ৬ মার্চ, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৬,৫৮৪.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্রুততম উইকেট সেঞ্চুরিয়ান বোলার কে?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) মোস্তাফিজুর রহমান
  3. গ) মেহেদি হাসান মিরাজ
  4. ঘ) তাইজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
টেস্টে দ্রুততম ১০০ উইকেট:

- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্রুততম উইকেট সেঞ্চুরিয়ান বোলার মেহেদি হাসান মিরাজ।
- মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এই টেস্টটি মিরাজের ক্যারিয়ারের ২৪তম টেস্ট।
- মিরাজ পেছনে ফেললেন তাইজুল ইসলাম, সাকিব আল হাসান ও মোহাম্মদ রফিককে।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে ১০০ উইকেট পেয়েছেনই এখন পর্যন্ত এই ৪ জন বোলার।
- এর মধ্যে মাইলফলকটাতে পৌঁছাতে তাইজুলের লেগেছে ২৫ টেস্ট, সাকিবের ২৮ ও রফিকের ৩৩ টেস্ট।
- চার স্পিনারের মধ্যে শুধু মিরাজই ডানহাতি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
৬,৫৮৫.
আধুনিক প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণ বলা-
  1. সুশীল সমাজকে
  2. সংবাদমাধ্যমকে
  3. রাজনৈতিক দলকে
  4. আমলাতন্ত্রকে
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দলকে আধুনিক প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল বা সরকার গঠন করা।
- এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দল জনমত গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে থাকে।
- সংবাদ মাধ্যম জনমতের প্রকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মিডিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করতে সক্ষম হয় এবং এটি নীতি নির্ধারণ ও সরকারী কর্মকাণ্ডের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৬,৫৮৬.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে সরকার কতটি সংস্কার কমিশন গঠন করেছে?  
  1. ৬টি 
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়।
- এ সরকারের অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতের সংস্কার।
- সেজন্য গঠন করা হয়েছে ১১টি সংস্কার কমিশনসহ বিভিন্ন টাস্কফোর্স ও কমিটি।

• সংস্কার কমিশন: 
১. নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন,
২. বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন,
৩. দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার ,
৪. পুলিশ সংস্কার কমিশন,
৫. জনপ্রশাসন সংস্কার,
৬. সংবিধান সংস্কার কমিশন,
৭. নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন,
১০. স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন,
১১. স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। 

তথ্যসূত্র: প্রধান ‍উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।

৬,৫৮৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুযায়ী কোন বিভাগের দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিভাগের দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম এবং রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি। সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০১৯।
৬,৫৮৮.
বর্তমানে রেমিট্যান্স প্রাপ্তির দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা

বৈশ্বিক রেমিটেন্স প্রবাহঃ
গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে ‘COVID-19 Crisis Through a Migration Lens’ নামক প্রতিবেদন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে -
- শীর্ষ দেশ - ভারত (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ৮৩.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- দ্বিতীয় - চীন
- অষ্টম - বাংলাদেশ (রেমিট্যান্সের পরিমাণ - ১৮.৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সৌদি আরব থেকে এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে- সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।

সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৬,৫৮৯.
সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম কি?
  1. সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
  2. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  3. দি সোনালী ব্যাংক
  4. সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫৯০.
BTRC-এর ইংরেজি পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Telephone Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  3. Bangladesh Telecom Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telephone and Telegraph Regulatory Commission
ব্যাখ্যা
BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
– Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন, যা বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- বিটিআরসি ৩১শে এপ্রিল থেকে তার যাত্রা শুরু করে।
- ২০০২ সালের জানুয়ারিতে উক্ত আইনের কার্যক্রম পরিচালনা করা।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

উৎস: BTRC ওয়েবসাইট।
৬,৫৯১.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরুণদের দ্বারা গঠিত নতুন দল 'জাতীয় নাগরিক পার্টি' বা 'এনসিপি' আত্মপ্রকাশ করে কবে?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  2. ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  3. ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  4. ১ মার্চ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় নাগরিক পার্টি:
- জুলাই গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরুণদের দ্বারা গঠিত নতুন দল 'জাতীয় নাগরিক পার্টি' বা 'এনসিপি'।
- এর পূর্ণরূপ 'ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি' (এনসিপি)।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে নতুন এই রাজনৈতিক দল আত্মপ্রকাশ করেছে।
- দলটির কমিটিতে মোট ১৫১টি পদ রয়েছে।
• আহ্বায়ক: নাহিদ ইসলাম।
• সদস্যসচিব: আখতার হোসেন।
- জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দুজনের নাম ঘোষণা করেন জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে শহীদ ইসমাঈল হোসেন রাব্বির বোন মীম আক্তার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
৬,৫৯২.
১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন কিসের জন্ম দিয়েছিল? 
  1. এক রাজনৈতিক মতবাদের
  2. এক সাংস্কৃতিক আন্দোলনের
  3. এক নতুন জাতীয় চেতনার
  4. এক নতুন সমাজ ব্যবস্থার
ব্যাখ্যা
• ১৯৫২ সালে তৎকালীন ভাষা আন্দোলন এক নতুন জাতীয় চেতনার জন্ম দিয়েছিল।

• বাংলা ভাষা আন্দোলন ছিল ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ পর্যন্ত তৎকালীন পূর্ব বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশে) সংঘটিত একটি সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন।
• মৌলিক অধিকার রক্ষাকল্পে বাংলা ভাষাকে ঘিরে সৃষ্ট এ আন্দোলনের মাধ্যমে তদানীন্তন পাকিস্তান অধিরাজ্যের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গণদাবীর বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
• ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিতে এ আন্দোলন চূড়ান্ত রূপ ধারণ করলেও বস্তুত এর বীজ রোপিত হয়েছিল বহু আগে, অন্যদিকে এর প্রতিক্রিয়া এবং ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী।

এছাড়াও
• ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পূর্বেই বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে আলোচনার সূত্রপাত হয়।
• পাকিস্তান সরকার বাংলাভাষাকে উপেক্ষা করার নীতি অবলম্বন করলে ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চে ভাষা আন্দোলন
শুরু হয়।
• ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে আন্দোলন করতে যেয়ে ৬ জন শহীদ হন।
• বাংলা ভাষার প্রতি হটকারী সিদ্ধান্তের ফলে মুসলিম লীগের পতন ঘটে।
• রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে ছাত্র সমাজের উত্থান ঘটে।
• অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও নারী জাগরণের সূচনা ঘটে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৯৩.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ১১টি
  2. ১৭টি
  3. ৫৪টি
  4. ৬৪টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৫৯৪.
মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন কবি কে?
  1. ক) সৈয়দ সুলতান
  2. খ) শাহ মুহম্মদ সগীর
  3. গ) দৌলত উজির বাহরাম খান
  4. ঘ) শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের মধে সর্বাপেক্ষা প্রাচীন কবি শাহ মুহাম্মদ সগীর।
- তাঁর জন্ম আনুমানিক ১৪-এর শেষ থেকে ১৫ শতক। 
- তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্য 'ইউসুফ জোলেখা'।
- ইউসুফ-জুলেখা কাব্যে গৌড় সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের (১৩৮৯-১৪১০) স্তুতি আছে।
- পারসি কবি আব্দুর রহমান জামি রচিত ইউসুফ জোলেখা থেকে তিনি এ কাহিনী গ্রহণ করেছেন। 

অন্যদিকে, 
• সৈয়দ সুলতানের জীবনকাল আনু্মানিক ১৫৫০ থেকে ১৬৪৮ খ্রিষ্টাব্দ। 
• দৌলত উজির বাহরাম খান ষােড়শ শতাব্দীতে চট্টগ্রামের ফতেহাবাদ বা জাফরাবাদে জন্মগ্রহণ করেন।
• শাহ মুহম্মদ গরীবুল্লাহ ১৮শ শতকের মধ্যভাগে জন্মগ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬,৫৯৫.
BITAC is an institution for technical support/ assistance to
  1. Cottage industries
  2. Industries
  3. RMG
  4. All of these
ব্যাখ্যা
বিটাক:

- এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল টেকনিক্যাল অ্যাসিসট্যান্স সেন্টার।
- বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রিকে 'বিটাক' প্রযুক্তিগত সহায়তা করে থাকে।
- ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার নামে।
- ১৯৭২ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বিটাক রাখা হয়।
- প্রধান নির্বাহী হলেন মহাপরিচালক।
- বর্তমানে এর পাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে ঢাকা (১৯৬৪), চট্টগ্রাম (১৯৭৬), চাঁদপুর (১৯৮৩), খুলনায়
(১৯৯৩) এবং বগুড়া (২০০৬)।

তথ্যসূত্র - বিটাক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৫৯৬.
অপারেশন জ্যাকপট বলতে কী বুঝেন?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনীর অভিযান
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধে ক্র‍্যাক প্লাটুনের অভিযান
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট এর অভিযান
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধে নৌ কমান্ডোদের অভিযান
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোরা পরিচালিত প্রথম অভিযান অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত।
- এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়।
- এতে পাকবাহিনীর ২৬টি নৌযান ধ্বংস হয়।
- মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোরা চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।

৬,৫৯৭.
মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা  ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ডকে কোন উপাধি দেয়া হয়?
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর প্রতীক
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর উত্তম
ব্যাখ্যা
ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ড:

- বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা  ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ডকে বীর প্রতীক উপাধি দেয়া হয়।
- ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ড ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।
- ওডারল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকায় বাটা সু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে ওডারল্যান্ড ১৯৭০ সালের শেষের দিকে প্রথম  ঢাকায় আসেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গেরিলা কমান্ডো হিসেবে স্বীয় অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এবং স্বয়ং ২নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা শাখার সক্রিয় সদস্যরূপে অকুতোভয় ওডারল্যান্ড বাটা ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণসহ টঙ্গীর  কয়েকটি গোপন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত গেরিলা রণকৌশলের প্রশিক্ষণ দিতেন।
- উইলিয়ম ওডারল্যান্ড ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত ঢাকায় বাটা সু কোম্পানিতে চাকুরিরত ছিলেন।
- পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় পার্থের এক হাসপাতালে ২০০১ সালের ১৮ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
- সর্বোমোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব দেয়া হয়।
- ২ জন নারীকে বীর প্রতীক খেতাব দেয়া হয়।
- ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস- বাংলা পিডিয়া।
৬,৫৯৮.
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৭
  2. অনুচ্ছেদ-২৯
  3. অনুচ্ছেদ-৩২
  4. অনুচ্ছেদ-৩৪
ব্যাখ্যা

সংবিধান: অনুচ্ছেদ-২৯: ’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’।
- অনুচ্ছেদ ২৯ (১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকিবে।
- অনুচ্ছেদ ২৯(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

 এছাড়াও,
- সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে, "সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী"।
- সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে, জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ।
- সংবিধানের ৩৪ নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ"।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৫৯৯.
নিচের কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়?
  1. সংবিধান প্রণয়ন
  2. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
  3. বিচার সংক্রান্ত কাজ
  4. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা
ব্যাখ্যা
• সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৬০০.
বাংলাদেশ কত সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হয়?
  1. ১৯৯৪
  2. ১৯৯৫
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (World Trade Organization):
- ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র আফগানিস্তান। ২৯ জুলাই, ২০১৬ সালে দেশটি বিশ্ব বানিজ্য সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেছিল।
- বাংলাদেশ সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
-  WTO এর পূর্বসুরী সংস্থা GATT.
- GATT প্রতিষ্ঠিত হয়- ১৯৪৮ সালে ২৩ সদস্য নিয়ে। 
-  বাংলাদেশ WTO এর সদস্যপদ লাভ করে- ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।

উৎস: বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।