বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৫ / ৩০৬ · ৬,৪০১৬,৫০০ / ৩০,৮৩২

৬,৪০১.
What is the name of high-yielding and low-GI enriched rice?
  1. ক) BRRI dhan 105
  2. খ) BRRI dhan 97
  3. গ) BRRI dhan 90
  4. ঘ) BRRI dhan 65
ব্যাখ্যা
ধানের বিভিন্ন জাত:

- ব্রি ধান ১০৫ উচ্চ ফলনশীল ও কম জিআই সমৃদ্ধ ধান
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত ধানের জাতের সংখ্যা ১১৩ টি
- ১০৫টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড।
- ৫১টি জাত বোরো মওসুমের জন্য।২৭ টি জাত বোনা এবং রোপা আউশ মওসুম উপযোগী।৪৬ টি জাত রোপা আমন মওসুম উপযোগী।১২টি জাত বোরো ও আউশ উভয়মওসুম উপযোগী। ১টি জাত বোরো, আউশ এবং রোপা আমন মওসুম উপযোগী।১টি জাত বোনা আমন মওসুম উপযোগী।
- বিআর২১, বিআর২৪, ব্রি ধান২৭ এবং ব্রি ধান৬৫ বৃষ্টিবহুল এলাকায় বোনা আউশ হিসেবে চাষের উপযোগী।
- ব্রি ধান৪২, ব্রি ধান৪৩ এবং ব্রি ধান৮৩ খরা-প্রবণ এলাকায় বোনা আউশ হিসেবে চাষের উপযোগী।
- ব্রি ধান৮২ NERICA-10 থেকে বিশুদ্ধ সারি নির্বাচন পদ্ধতিতে উদ্ভাবিত রোপা আউশ মওসুমের স্বল্প জীবনকালীন ধানের জাত
- বৃষ্টি নির্ভর নিম্নভূমি অঞ্চলের জন্য বিআর১০, ব্রি ধান৩০ এবং ব্রি ধান৩১ উদ্ভাবন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৬,৪০২.
ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস কবে ?
  1. ক) ৭ জুন
  2. খ) ৬ জুন
  3. গ) ৫ জুন
  4. ঘ) ৪ জুন
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ৬ দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণ-আন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গী, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জে পুলিশ ও ইপিআরের গুলিতে মনু মিয়া , শফিক, শামসুল হক, মুজিবুল হকসহ মোট ১১ জন বাঙালি নিহত হন।
• প্রতি বছর ৭ই জুন বাংলাদেশে '৬ দফা দিবস' পালন করা হয়। 
• ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ।


SOURCE: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় , সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৪০৩.
বিজু উৎসব কয়দিন ব্যাপী পালিত হয়?
  1. ১ দিন
  2. ২ দিন
  3. ৩ দিন
  4. ৪ দিন
ব্যাখ্যা
বিজু উৎসব:
- নববর্ষ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা যে উৎসব করে তাকে বিজু বলে।
- এই উৎসবের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো পুরনো বছরকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরকে সাদরে গ্রহণ করা।
- চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং পহেলা বৈশাখ নিয়ে মোট তিন দিন ধরে বিজু উৎসব চলে।
- বিজু উৎসবে তিন দিনের আলাদা নামকরণ হয়েছে।
- প্রথম দিন ফুলবিজু, দ্বিতীয় দিন মূলবিজু এবং তৃতীয় দিন গজ্যাপজ্যা।
- ১২ এপ্রিল পালন করা হয় ফুলবিজু।
- চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ১৩ এপ্রিল পালন করা হয় মূলবিজু।
- বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন অর্থাৎ ১৪ এপ্রিল পালন করা হয় গজ্যাপজ্যা (গড়িয়ে পড়ার দিন)। 

উৎস: ২৩ মার্চ, ২০২২, কালের কন্ঠ।
৬,৪০৪.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা কে তৈরি করেন?
  1. শিব নারায়ন দাস
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল হাসান
  4. মোস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- মানচিএ খচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিব নারায়ন দাস।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৪০৫.
কোন পরিস্থিতিতে একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল করা হতে পারে?
  1. দলটি যদি পরপর দুইটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে
  2. দলটি যদি দেশের আইন লঙ্ঘন করে
  3. দলটি যদি নির্বাচনে জয়ী না হয়
  4. দলটি যদি নির্বাচন কমিশনকে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন জমা না দেয়
ব্যাখ্যা

নিবন্ধন বাতিল:
- কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিম্নোক্ত কারণে বাতিল হবে, যথা:
- দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটি কর্তৃক দলকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলে কিংবা নিবন্ধন বাতিলের জন্য দলের প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক বা মহাসচিবদের সমপর্যায়ের পদাধিকারী কর্তৃক দলীয় সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণীসহ কমিশন বরাবর আবেদন করা হলে;
- নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে;
- এই আইন ও বিধিমালার অধীন কমিশনে প্রেরিতব্য কোন তথ্য পরপর তিন বছর প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে;
- রাজনৈতিক দলটি পরপর দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে;

এছাড়াও,
- কমিশন নিবন্ধন বাতিলের পূর্বে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলকে শুনানীর সুযোগ প্রদান করবেন।
- বিলুপ্ত ঘোষিত নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দলের নাম অনুযায়ী অপর কোন দলকে নিবন্ধিত করা হবে না।
- বিলুপ্ত ও বাতিলকৃত নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নাম সরকারি গেজেটে প্রকাশ করা হবে।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৬,৪০৬.
নিম্নের কোন বিভাগ অধ্যাদেশ জারি করতে পারে?
  1. বিচার বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. শাসন বিভাগ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

• সুতরাং অধ্যাদেশ জারি করতে পারে শাসন বিভাগ। 

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান এবং পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪০৭.
বাংলাদেশের প্রথম টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৩.৩২ কিলোমিটার
  2. ৫.৩৫ কিলোমিটার
  3. ৯.৩৭ কিলোমিটার
  4. ৯.৩৯ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিলোমিটার।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিলোমিটার।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৬,৪০৮.
কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা কোন জনপদের কেন্দ্র ছিল?
  1. বঙ্গ
  2. পুন্ড্র
  3. গৌড়
  4. সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটির অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা- পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
-সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।

অন্যান্য প্রাচীন জনপদগুলোর অবস্থান:
- বঙ্গ জনপদ: বৃহত্তর ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি, ঢাকা, বরিশাল, ময়মনসিংহের কিছু অংশ।
- পুণ্ড্র জনপদ: বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী প্রভৃতি অঞ্চল নিয়ে এই জনপদটি গঠিত হয়েছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ: বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- গৌড় জনপদ: বর্তমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে শুরু করে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বহরমপুর এলাকায় এটি বিস্তৃত ছিলো।
- হরিকেল জনপদ: সিলেট ও চট্টগ্রামের অংশবিশেষ ছিলো।
- চন্দ্রদ্বীপ জনপদ: বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪০৯.
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি অবস্থিত-
  1. ক) সারদায়
  2. খ) বাইতুল ইজ্জতে
  3. গ) সুজানগরে
  4. ঘ) ডুলাহাজরায়
ব্যাখ্যা
বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড স্কুল চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত।
উৎসঃ বিজিবি ওয়েবসাইট।
৬,৪১০.
বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে সংবিধানের আনা হয় কত সালে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা জাতীয় সংসদের কাছে ফিরিয়ে নিতে — ২০১৪ সালে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আনা হয়।

ষোড়শ সংশোধনী-
- উত্থাপন:২০১৪ সালের ৭ সেপ্টম্বর।
- গৃহীত: :২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর।

ষোড়শ সংশোধনীর আলোচ্য বিষয়-
৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৪১১.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র -
  1. তর্জনী
  2. গর্জন
  3. স্বাধীনতা
  4. মুক্তি
ব্যাখ্যা
তর্জনী:
- ১৯৭১ সালের অনিশ্চয়তা ভরা দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাতই মার্চের ভাষণ উদ্দীপ্ত করে তুলেছিল পূর্ব বাংলার মানুষকে।
- ২০১৭ সালের অক্টোবরে ইউনেস্কো এই ভাষণকে দিয়েছে ‘বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য’ হিসেবে এক অনন্য স্বীকৃতি। 
- সাতই মার্চের সেই ভাষণে অনুপ্রাণিত হয়ে চলচ্চিত্র বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সোহেল রানা বয়াতি।
- নাম ‘তর্জনী’।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাতই মার্চের ভাষণ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে কেমন প্রভাব ফেলছে, তা এই সিনেমায় তুলে ধরবেন পরিচালক সোহেল রানা।
- এই সিনেমায় ১৯৭১, ১৯৭৫ এবং ২০১৭ এই তিনটা সময়কে দেখানো হয়েছে।
- ‘তর্জনী’ সিনেমার গল্প যৌথভাবে লিখেছেন সোহেল রানা বয়াতি এবং শাহাদাত রাসেল।
- আর চিত্রনাট্য লিখছেন শাহাদাত রাসেল। 

উৎস: ২৫ মার্চ ২০১৯, প্রথম আলো।
৬,৪১২.
ঢাকার আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর কত সালে স্থানান্তর করা হয়?
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ২০১৭ সালে
  3. গ) ২০১৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।
 
৬,৪১৩.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার জিডিপির কত শতাংশ হবে?
  1. ৩০.১১ শতাংশ
  2. ৩২.২২ শতাংশ
  3. ৩৪.৪২ শতাংশ
  4. ৩৬.৫৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে জাতীয় সঞ্চয়ের হার হবে জিডিপির - ৩৪.৪২%
- বর্তমান সঞ্চয়ের হার জিডিপির ৩০.১১%

- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে স্থূল বিনিয়োগের হার জিডিপির - ৩৬.৫৯%
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদান্তে দারিদ্র্যের হার হবে উচ্চমাত্রা - ১৫.৬% এবং নিম্নমাত্রা - ৭.৪%

উৎস: অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
৬,৪১৪.
”তুলা উন্নয়ন বোর্ড” কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- তুলা এবং বস্ত্র উৎপাদনে বাংলাদেশের গৌরবময় ঐতিহ্য আছে। 
 - এ দেশে তুলা উৎপাদনের প্রচেষ্টা খুব সীমিত ছিল।
- স্বাধীনতার আগে স্থানীয় বস্ত্র কলের জন্য কাঁচামালের যোগান দেয়া হতো পশ্চিম পাকিস্তান থেকে। 
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাকিস্তান কাঁচামাল সরবরাহ বন্ধ করে করে দিলে স্থানীয়ভাবে তুলার উৎপাদনের গুরুত্ব অনুভূত হয়েছিল।
- এসময় আমাদের বস্ত্র শিল্পগুলো কাঁচামালের অভাবে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হয়েছিল।
- এই অবস্থায় ১৯৭২ সালে দেশে তুলার চাষ সম্প্রসারণ করার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয় । 
- তুলা উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৪-৭৫ সালে মাঠ পর্যায়ে আমেরিকান আপল্যান্ড তুলা দিয়ে পরীক্ষামূলক তুলার চাষ শুরু করে।
- ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়।
- ১৯৯১ সালে তুলা গবেষনার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়। 
- বর্তমানে তুলা গবেষণা ও সম্প্রসারণ কাজ তুলা উন্নয়ন বোর্ড সম্পাদন করছে।

উৎস: তুলা উন্নয়ন বোর্ড।

৬,৪১৫.
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে কোথায়?
  1. সুরাটে
  2. শ্রীরামপুর
  3. বাকুড়া
  4. কালিকট
ব্যাখ্যা
ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:

- ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উপমহাদেশে আগত সর্বশেষ ইউরোপীয় বণিক কোম্পানি।
- ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক কোম্পানিটি সর্বপ্রথম সুরাটে ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে এবং পরের বছর মুসলিপট্টমে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া ১৬৭৩ খ্রিস্টাব্দে পন্ডিচেরীতে গড়ে তোলে ফরাসি উপনিবেশ।
- ১৬৭৪ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে ফরাসিরা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাংলায় সম্প্রসারিত করে।
- কয়েক বছরের মধ্যে চন্দননগর একটি শক্তিশালী সুরক্ষিত ফরাসি বাণিজ্য কুঠিতে পরিণত হয়।
- ১৬৯৬ খ্রিস্টাব্দে এই অঞ্চলে একটি শক্তিশালী দুর্গ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তিকালে তারা কাশিমবাজার ও বালাসোরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪১৬.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. এম মনসুর আলী
  4. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য:
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন গণপরিষদের আওয়ামীলীগের হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন- তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- শপথগ্রহণের সময় শতাধিক ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিক এবং প্রচার মাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৬,৪১৭.
সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী কতজন আসামীর বীরত্বসূচক খেতাব বাতিল করা হয়?
  1. দুইজন
  2. তিনজন
  3. চারজন
  4. পাঁচজন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।

এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।

এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
৬,৪১৮.
২০২১ সালে শিল্পকলা ক্যাটাগরিতে ভারতের পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব-
  1. ক) মিতা হক
  2. খ) সন্‌জীদা খাতুন
  3. গ) কামাল লোহানী
  4. ঘ) রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
ব্যাখ্যা
২০২১ সালের ভারতের ৭২তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ৭ জন পদ্মবিভূষণ, ১০ জন পদ্মভূষণ এবং ১০২ জন পদ্মশ্রী লাভ করেন।
এর মধ্যে পদ্মশ্রী সম্মাননা লাভ করেন দু'জন বাংলাদেশী। তারা হলেন -
১. শিল্পকলা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব সন্‌জীদা খাতুন এবং
২. সরকারি সেবা ক্যাটাগরিতে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির বীরপ্রতীক।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।
৬,৪১৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে ইউনেস্কোর স্বীকৃত বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা কতটি? 
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
ব্যাখ্যা

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।

- বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট। 

৬,৪২০.
বাংলাদেশের সংবিধান নিয়ে তৈরি ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. সৌমিত্র শেখর
  2. আনিসুল হক
  3. হিমেল আশরাফ
  4. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
ধ্রুব ’৭২’:
 
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান ১৯৭২ সালের সংবিধানকেন্দ্রিক দেশের প্রথম ভাস্কর্য-স্থাপনা ‘ধ্রুব ’৭২’।
- ভাস্কর্যটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ভাস্কর্য-স্থাপনাটির রূপকার উপাচার্য সৌমিত্র শেখর।
- এখানে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা চারটি সুউচ্চ স্তম্ভে উৎকীর্ণ আছে।
- ‘ধ্রুব ’৭২’ স্থাপনা নির্মিত হয়েছে সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের প্লাজায়, যা ‘সংবিধান আঙিনা’ হিসেবে পরিচিত।
 
তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩।
৬,৪২১.
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ একমাত্র উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দেন কোথায়?
  1. রমনার রেসকোর্স ময়দানে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. ঢাকা সেনানিবাসে
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ২১ মার্চ রমনার রেসকোর্স ময়দানে এক জনসভায় এবং ২৪ মার্চ কার্জন হলে অনুষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ঘোষণা করেন 'উর্দুই এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা'।
- উপস্থিত ছাত্ররা 'না না' ধ্বনি দিয়ে এর প্রতিবাদ জানায়।
- আন্দোলনকারীদের তিনি কঠোর সমালোচনা করেন।
- জিন্নাহর এ ঘোষণা পূর্ব বাংলার জনমনে তীব্র অসন্তোষের সৃষ্টি করে।
- এ সময়ে সারা পূর্ব পাকিস্তানেই ভাষা আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪২২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরুষের সাক্ষরতার হার -
  1. ৭৫.৩২%
  2. ৭৬.৭১%
  3. ৭৭.১২%
  4. ৭৮.৪৯%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
​- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

​তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৬,৪২৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত? ( মে ২০২৫)
  1. ২,৭৮০ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬৭০  মার্কিন ডলার
  3. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  4. ২৭,০০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• জিডিপির পরিমাণ- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
-  মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার (মে-২০২৫)।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৬,৪২৪.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে? ( মে - ২৫)
  1. ৭ টি
  2. ৯ টি
  3. ৮ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবর্তক- রাশিয়া।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল- ১৯৭৩ - ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ কারা হয়েছে - ৮ টি।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ- ২০১২ -২০২৫ সাল পর্যন্ত।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন- পরিকল্পনা কমিশন।
- পরিকল্পনা কমিশনের সদর দপ্তর- ঢাকার আগারগাঁও

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।
৬,৪২৫.
পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য কোন সেনানিবাস নির্মাণ করা হয়?
  1. ক) শেখ রাসেল সেনানিবাস
  2. খ) বঙ্গবন্ধু সেনানিবাস
  3. গ) শেখ হাসিনা সেনানিবাস
  4. ঘ) শেখ কামাল সেনানিবাস
ব্যাখ্যা
সেনানিবাস:
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য যে সেনানিবাস প্রতিষ্ঠিত হয় - শেখ রাসেল সেনানিবাস
- শেখ রাসেল সেনানিবাস হল বাংলাদেশের শরীয়তপুরের জাজিরায় অবস্থিত একটি সেনানিবাস।
- পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার জন্য এই সেনানিবাস নির্মাণ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই সেনানিবাসের নাম শেখ রাসেলের নামে রেখেছে।
- ২০২২ সালের ২৯ মার্চ তারিখে এই সেনানিবাস উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: আইএসপিআর ওয়েবসাইট।
৬,৪২৬.
আইন বিভাগের প্রধান কাজ নয় -
  1. শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ
  2. সংবিধান রচনা ও সংশোধন
  3. অনুসন্ধানমূলক কাজ
  4. জবাবদিহিতা
ব্যাখ্যা
জবাবদিহিতা আইন বিভাগের প্রধান কাজ নয়।

আইন বিভাগ:
- আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলিকে বিস্তৃত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।

⇒ আইন বিভাগের কাজ:

(১) আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত: কাজ আইনসভা জনমতের সাথে সঙ্গতি রেখে আইন প্রণয়ন করে ও পুরাতন আইনের সংস্কার করে।
(২) সংবিধান রচনা ও সংশোধন: কোন কোন ক্ষেত্রে আইন পরিষদ গণপরিষদ হিসেবে দেশের
সংবিধান রচনা করে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের আইন পরিষদ গণপরিষদ হিসাবে ১৯৭২ সালের সংবিধান রচনা করেছে। আবার আইন পরিষদ সংবিধান প্রদত্ত নিয়ম অনুসারে সংবিধান সংশোধন করে।
(৩) প্রশাসনিক কাজ: আইন পরিষদ কোন কোন ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কাজ করে। যেমন- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষ সিনেট চুক্তি স্বাক্ষর, যুদ্ধ ঘোষণা, শান্তি স্থাপন এবং পদস্থ কর্মচারীদের নিয়োগের অনুমোদন দান করে।
(৪) শাসন বিভাগকে নিয়ন্ত্রণ: মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারে আইন পরিষদ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা, মূলতবী প্রস্ত াব, অনাস্থা প্রস্তাব ও বাজেট প্রত্যাখানের মাধ্যমে মন্ত্রিপরিষদকে নিয়ন্ত্রণ করে। রাষ্ট্রপতি ধরনের সরকারে আইন পরিষদ অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করতে পারে বলে নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।
(৫) বিচার সংক্রান্ত কাজ: আইনসভা কিছু কিছু বিচার সংক্রান্ত কাজ করে। ইংল্যান্ডের লর্ডসভা সে দেশে আপীল বিচারের সর্বোচ্চ আদালত। কোন কোন ক্ষেত্রে আইনসভা সদস্যদের অসদাচরণের বিচার করে।
(৬) অর্থ সংক্রান্ত কাজ: আইনসভা জাতীয় তহবিলের রক্ষক। আইনসভার অনুমোদন ছাড়া ট্যাক্স ধার্য করা যায় না। আইন সভার অনুমোদন ছাড়া আয়কৃত টাকা ব্যয় করাও যায় না। কারণ আইনসভা বাজেট অনুমোদন করে।
(৭) নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ: কোন কোন দেশের আইন সভা নির্বাচন সংক্রান্ত কাজ করে। যেমন, বাংলাদেশ ও ভারতের আইন পরিষদ রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করে। তাছাড়া স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা আইন সভারই কাজ।
(৮) জনমত গঠন: আইন পরিষদে বিভিন্ন বিষয়ের পক্ষে ও বিপক্ষে বিজ্ঞ আলোচনা জনমত গঠনে সহায়তা করে।
(৯) অনুসন্ধানমূলক কাজ: রাষ্ট্রের কৃষি, শিল্প, শিক্ষা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তথ্য অবহিত হওয়ার জন্য আইন পরিষদ অনুসন্ধান কমিটি গঠন করে। অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্ট আইন পরিষদে যথাযথভাবে আলোচিত হওয়ার পর আইন পরিষদ সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

উৎস: i) পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪২৭.
ওঁরাওদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. বিষু
  2. বৈসুক
  3. জলকেলি
  4. কারাম
ব্যাখ্যা
ওঁরাওদের প্রধান উৎসব কারাম।

ওঁরাও:

- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল।

⇒ ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- এদের নিজস্ব আঞ্চলিক পরিষদ আছে, যা পাহতো নামে পরিচিত।
- এই পরিষদে কয়েকটি গ্রামের প্রতিনিধিরা থাকে।
- অন্যান্য আদিবাসী জাতির মতো ওঁরাও সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক, তবে এদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।

⇒ এদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।
- ওঁরাও সমাজে অতিথি আপ্যায়ন ও উৎসব-অনুষ্ঠানে নেশাদ্রব্য পান করা একটি ঐতিহ্যবাহী অভ্যাস।
- এদের সমাজে নৃত্য ও সংগীত একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

অন্যদিকে,
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- বৈসুক হলো ত্রিপুরাদের উৎসব।
- বিষু তঞ্চঙ্গ্যাদের প্রধান উৎসব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৪২৮.
বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন কোনটি?
  1. ক) ভাষা আন্দোলন
  2. খ) শাসনতান্ত্রিক আন্দোলন
  3. গ) শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন। পরবর্তীকালে এই আন্দোলন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের জন্ম দেয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশের প্রথম পদক্ষেপ ভাষা আন্দোলন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৪২৯.
সম্প্রতি, বহির্বিশ্বের কোথায় ১৪ এপ্রিলকে ‘বাংলা নববর্ষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. টোকিও, জাপান
  2. লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  3. নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র
  4. রোম, ইতালি
ব্যাখ্যা
‘বাংলা নববর্ষ’ স্বীকৃতি:
- বাঙালি জাতির অন্যতম বড় উৎসব ‘বাংলা নববর্ষ’।
- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ১৪ এপ্রিলকে ‘বাংলা নববর্ষ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

- নিউইয়র্কে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩২ স্টেট সিনেট লুইস সেপুলভেদার প্রস্তাবে অঙ্গরাজ্যের আইনসভার অধিবেশনে ২২ জানুয়ারি আইনপ্রণেতারা সর্বসম্মতিক্রমে ১৪ এপ্রিলকে বাংলা নববর্ষ হিসেবে উদ্‌যাপনের এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
- গভর্নর ক্যাথি হোকুল ২৩৪ নম্বর প্রস্তাবের মাধ্যমে তা নিশ্চিত করেন।
- ঘোষণায় উল্লেখ করা হয়, অঙ্গরাজ্যের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের স্বীকৃতি হিসেবে এবং এই রাজ্যে বসবাসরত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি দৃঢ় করার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
২০২২ সাল থেকে বাংলা নববর্ষ নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারে উদ্‌যাপিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৬,৪৩০.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুসারে দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ১৯.৯%
  2. ৭.৮%
  3. ১৮.৭%
  4. ১০.২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।

⇒ সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।

⇒  দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

⇒ জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান -
- কৃষি: ১১.০২%।
- শিল্প: ৩৭.৯৫%।
- সেবা: ৫১.০৪%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বৃদ্ধির হার ৫.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৪৩১.
কোন নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. মারমা
  2. গারো
  3. সাঁওতাল
  4. চাকমা
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৩২.
বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়কের নাম কি?
  1. মোহাম্মদ জাকারিয়া পিন্টু
  2. শেখ মোরছালিন
  3. আরমান ফয়সাল
  4. জামাল ভূঁইয়া
ব্যাখ্যা
♦জামাল ভূঁইয়া
- জামাল ভূঁইয়া বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক।
- বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক হলেও তিনি বেড়ে উঠেছেন ডেনমার্কে।
- জামাল ভূঁইয়া ১০- এপ্রিল ১৯৯০ ইংরেজি সনে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পুরো নাম জামাল হ্যারিস ভূঁইয়া। তার বাবার নাম ইনসান ভূঁইয়া ও মায়ের নাম রাজিয়া আক্তার। 
- ডেনমার্কের কোপেনহেগেন যুব ক্লাবে খেলার মাধ্যমে ফুটবলের পুরোপুরি স্পর্শ তিনি গায়ে মাখেন।
- যদিও সেখানে তিন মৌসুম কাটালেও মাত্র ১ টি ম্যাচে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।
- ওই এক ম্যাচে ১ টি গোল পেয়েছিলেন এই ফুটবলার।
- বাংলাদেশের জার্সি গায়ে লাগানোর তীব্র ইচ্ছা ও স্বপ্ন সঙ্গ করে ২০১১ সালে ঢাকায় পা রাখেন জামাল ভূঁইয়া।
- দুই বছর পরে ২০১৩ সালে বাংলাদেশের হয়ে নেপালের বিপক্ষে খেলার মাধ্যমে তার অভিষেক হয়।
- খেলেছেন শেখ জামাল, শেখ রাসেল, সাইফ সহ বেশ কিছু নামীদামী ক্লাবের হয়ে।
- এমনকি কলকাতা মোহামেডান এর হয়েও খেলেছেন জামাল ভূঁইয়া।
- সম্প্রতি জামাল ভূঁইয়া এবং আর্জেন্টিনার সোল দে মাইয়ো ক্লাবের মধ্যে আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উৎস- প্রথম আলো।
৬,৪৩৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  3. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন।
- এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস।
- তিনি একজন পাকিস্তান সিএসপি কর্মকর্তা ছিলেন। 

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১'।
৬,৪৩৪.
সম্প্রতি ঝাড়খন্ড চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের কোন সিনেমা পুরস্কার লাভ করেছে?
  1. ক) বালিঘড়ি
  2. খ) জলঘড়ি
  3. গ) গেরিলা
  4. ঘ) মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি ঝাড়খন্ড চলচ্চিত্র উৎসবে বাংলাদেশের আসাদ জামানের সিনেমা ‘জলঘড়ি’ (জলঘড়ি - স্টোরি নেভার ডাই) পুরস্কার লাভ করেছে।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২০
৬,৪৩৫.
কোন দেশ মুক্তিযুদ্ধকালীন পাকিস্তানের সমর্থনে ভারত মহাসাগরে সপ্তম নৌবহর পাঠায়?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিনবারই ভেটো দেয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সমর্থনে বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করলে তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।যদিও তা পৌছানোর আগেই পাকিস্তান আত্মসমর্পন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ও মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর।
৬,৪৩৬.
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি)-এর জন্য অর্থনীতিকে মোট কতটি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়?
  1. ০৫টি
  2. ১০টি
  3. ১৫টি
  4. ২০টি
ব্যাখ্যা
❐ বর্তমানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর তথ্য অনুসারে অর্থনীতির মোট খাত ১৯টি।
❐ বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) গণনার জন্য ২০০৫-০৬ সাল ভিত্তিক অর্থনীতিকে সাধারণত ১৫টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়েছিল।
 তবে, এই প্রশ্নটি পুরনো তথ্য অনুসারে করা হয়েছে। তাই এখানে সঠিক উত্তর: ১৫টি।


বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জাতীয় আয় গণনার কাজটি করে থাকে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। এই প্রতিষ্ঠান প্রত্যেক বছর চলতি বাজার মূল্যে ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে থাকে। এ হিসাব করার জন্য বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো GDP ও GNI গণনা করার জন্য উৎপাদন ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) উৎপাদন পদ্ধতিতে GDP পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করেছে। খাতসমূহ হচ্ছে:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত - ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৪৩৭.
চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে বিজু উৎসব পালন করে কারা?
  1. চাকমা
  2. মারমা 
  3. ত্রিপুরা
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা

বিজু উৎসব:
- চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা উপলক্ষে বিজু উৎসব পালন করে।

⇒ চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং পহেলা বৈশাখ নিয়ে মোট তিন দিন ধরে বিজু উৎসব চলে।
- বিজু উৎসবে তিন দিনের আলাদা নামকরণ হয়েছে।
- প্রথম দিন ফুলবিজু, দ্বিতীয় দিন মূলবিজু এবং তৃতীয় দিন গজ্যাপজ্যা।
• বছরের শেষ অর্থাৎ চৈত্র মাসের ২৯ তারিখে ‘ফুল বিজু’।
• চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩০ তারিখে পালন করা হয় মূলবিজু।
• বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পালন করা হয় গজ্যাপজ্যা (গড়িয়ে পড়ার দিন)।

উল্লেখ্য,
- বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয়।
- চাকমারা বিজু, মারমারা সাংগ্রাই, ত্রিপুরারা বৈসুক উৎসব পালন করে।
- রাখাইনদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৪৩৮.
কত সালে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প চালু করা হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা

• প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের জন্য উপবৃত্তি প্রকল্প:
- চালু : ২০০২ সালে শিক্ষার জন্য খাদ্য কর্মসূচি (১৯৯৩) এবং প্রাথমিক শিক্ষার জন্য উপবৃত্তি (১৯৯৯) একীভূত করে সরকার দ্বারা চালু
- উদ্দেশ্য: প্রাথমিক শিক্ষার বিস্তার ও মান উন্নয়ন
- দ্বিতীয় পর্যায়: ২০০৮ সালে পুনরায় গ্রহণ
- সুবিধাভোগী শিক্ষার্থীর লক্ষ্য: তৃতীয় পর্যায়ে ১ কোটি ৩০ লাখ
- উপবৃত্তির পরিমাণ:
- প্রাক-প্রাথমিক: মাসিক ৭৫ টাকা
- প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি: মাসিক ১৫০ টাকা (দুই শিক্ষার্থী থাকলে ৩০০ টাকা)
- ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি: মাসিক ২০০ টাকা (দুই শিক্ষার্থী থাকলে ৪০০ টাকা)
- বর্তমান সুবিধাভোগী: ১ কোটি ৪০ লাখ শিক্ষার্থী
- প্রদানের মাধ্যম: বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত MFS প্রতিষ্ঠান (বিকাশ, রকেট, এমক্যাশ, উপায়, ট্যাপ, মাই ক্যাশ, টেলিক্যাশ, ওকে ওয়ালেট, ইসলামিক ওয়ালেট) এবং ডাক বিভাগের নগদ সেবা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৪৩৯.
বাংলায় প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল কোনটি?
  1. পর্তুগীজ
  2. দিনেমার
  3. ব্রিটিশ
  4. ফরাসি
ব্যাখ্যা
বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:
- পর্তুগীজরা প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল।
- পর্তুগীজরা ভারতীয় উপমহাদেশের কালিকট বন্দরে প্রথম আসে।
- ১৪৯৮ সালে পর্তুগীজদের মধ্যে যে দুঃসাহসী নাবিক প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন, তিনি ভাস্কো-ডা-গামা।
- এরপর ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ছিলেন।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে পর্তুগীজরা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- পর্তুগিজরা কেবল ব্যবসা-বাণিজ্যই করত না, তারা এদেশের জমিদার ও প্রতাপশালী বার ভূঁইয়াদের সেনাবাহিনীতে চাকরী করত।
- তারা সুযোগ পেলেই জুলুম, অত্যাচার ও লুণ্ঠন করতো।
- অনেক সময় সম্রাট বা নবাবের আইন অমান্য করে বিনা শুল্কে স্বাধীনভাবে ব্যবসা চালাত। এতে তাঁরা মোগল সম্রাটের বিরাগভাজন হন।
- পর্তুগিজরা আরও নানা প্রকার অপরাধমূলক কাজ করত।
- তাদের এ অপরাধের মাত্রা বেড়ে গেলে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগিজদের এদেশ থেকে বিতাড়িত করেন।
- সম্রাটের নির্দেশে কাসিম খান তাদের হুগলী কুঠি থেকে বিতাড়িত করেন।
- সর্বশেষ বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে চিরতরে এ দেশ থেকে উচ্ছেদ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৪০.
কোন মুঘল সুবেদার বার ভূঁইয়াদের দমন করেন?
  1. শাহ সুজা
  2. ইসলাম খান
  3. মনিমুখন্দর খান
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• ইসলাম খান চিশতী: 
- আকবরের মৃত্যুর পুত্র জাহাঙ্গীর ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে বসেন।
- তার পিতার নিযুক্ত সুবাদার মানসিংহকে বাংলার সুবাদারি পদে বহাল রাখেন।
- ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁর দুধ-ভাই কুতব-উদ-দীন খান কোকাকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করে পাঠান।
- কতুব-উদ-দীন বর্ধমানের ফৌজদার আলীকুলীকে দমন করার জন্য বর্ধমানে গেলে সেখানে আলী কুলী ও কুতব-উদ-দীন উভয়েই নিহত হন।
- এই আলী কুলীর পরমা সুন্দরী স্ত্রী ছিলেন মেহের-উন-নিসা।
- আর এই মেহের-উন-নিসাই পরে জাহাঙ্গীরের স্ত্রীরূপে নূরজাহান উপাধি লাভ করেন।
- এরপর সম্রাট ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করে পাঠান।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ,
- এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- ইসলাম খান বার ভূঁইয়াদের দমন করেন।
- এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- ইসলাম খান চিশতী ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র,
- তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৪১.
জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে সংবিধানের-  
  1. ৩১(২) নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৭(৪) নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ সংবিধান:
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা।
- ১৯। (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,৪৪২.
“ক্রেসকোগ্রাফ” যন্ত্র আবিষ্কার করেন-
  1. ক) আলবার্ট আইনস্টাইন
  2. খ) জগদীশ চন্দ্র বসু
  3. গ) আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
  4. ঘ) চার্লস ডারউইন
ব্যাখ্যা

জগদীশ চন্দ্র বসুর উল্লেখযেযাগ্য আবিষ্কারের মধ্যে রয়েছে মাইক্রোওয়েভ রিসিভার ও ট্রান্সমিটারের উন্নয়ন, এবং ক্রেসকোগ্রাফ যন্ত্র যা দিয়ে গাছের বৃদ্ধি নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা যায়।
উদ্ভিদের জীবনচক্র তিনি প্রমাণ করেছিলেন।
তিনি গাছেরও যে প্রাণ আছে এটা আবিষ্কার করেন।
বেতার যন্ত্রের প্রথম উদ্ভাবক হিসাবে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
যদিও বেতারের আবিষ্কারক হিসাবে বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন মার্কনি, কারণ জগদীশ বসু এটার আবিষ্কারকে নিজের নামে পেটেন্ট করেননি।
উৎসঃ বিবিসি।

৬,৪৪৩.
বাংলাদেশের কোনো জীবিত ব্যক্তিকে মুক্তিযুদ্ধে দেওয়া সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক পদক কোনটি?
  1. ক) বীর শ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর প্রতীক
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত সর্বমোট মুক্তিযুদ্ধা ৬৭৬ জন।
৪ টি বিভাগে খেতাব দেওয়া হয়। যেমন- বীর শ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক।
বাংলাদেশের কোনো জীবিত ব্যক্তিকে মুক্তিযুদ্ধে দেওয়া সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক পদক বীর উত্তম।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা।
৬,৪৪৪.
'তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন -
  1. ক) আবুল হাসেম
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. গ) আবুল কালাম
  4. ঘ) আবুল হোসেন
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
• প্রতিষ্ঠা ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
• উদ্যোক্তা- অধ্যাপক আবুল কাশেম, পদার্থবিজ্ঞান , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
• অন্য সদস্যরা ছিলেন- কাজী মোতাহার হোসেন,আবুল মনসুর আহমদ
• ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে পুস্তিকা প্রকাশ- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।
• প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক- অধ্যাপক আবুল কাশেম।
• প্রথম সভাপতি- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৪৫.
কে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ১৯৮২ সালে বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করেন?
  1. আব্দুস সাত্তার
  2. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  3. বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
জেনারেল এরশাদ:
- রক্তপাতহীন এক সামরিক অভ্যুত্থান ঘটিয়ে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- তিনি তখন সেনাবাহিনীর প্রধান। রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেই তিনি দেশে সামরিক আইন জারি করেন।

⇒ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ দেশে সামরিক শাসন জারি করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সরিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে নেন জেনারেল এরশাদ। 
- তিনি সামরিক ফরমান জারি করার পর রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ, জাতীয় সংসদ ও মন্ত্রিসভা বাতিল করেন এবং স্থগিত করেন সংবিধানের কার্যকারিতা।
- জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে থাকেন। নানা অপতৎপরতার মাধ্যমে ক্ষমতা ধরে রাখার প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন।
- কিন্তু ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই জেনারেল এরশাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়।
- বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ছাত্র সংগঠন জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলন এগিয়ে নিয়ে যায়। 
- ধীরে ধীরে এরশাদবিরোধী আন্দোলন গণআন্দোলনে রূপ নেয়।
- গণআন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর জেনারেল এরশাদ দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেন।
- প্রবল গণঅভ্যুত্থানের মুখে জেনারেল এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। 

উৎস: i) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
ii) প্রথম আলো।
৬,৪৪৬.
বিচার বিভাগের কার্যাবলি নিচের কোনটি?
  1. আইন সংক্রান্ত কাজ
  2. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
  3. সংবিধান সংরক্ষণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ।
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৪৭.
সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  2. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. সংগঠনের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

• চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা সংবলিত অনুচ্ছেদ:
- ৩৯(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

- ৩৯(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে

(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ৪০ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - চলাফেরার স্বাধীনতা।
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - সংগঠনের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬,৪৪৮.
নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষিতে সরকার কোন কমিশন গঠন করে?
  1. হান্টার কমিশন
  2. সাইমন কমিশন
  3. ইন্ডিগো কমিশন
  4. দুর্ভিক্ষ কমিশন
ব্যাখ্যা

নীল বিদ্রোহ:
- ১৮৫৯ সালে ইংরেজ নীলকরদের সীমাহীন অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নীল চাষিরা যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাই ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে খ্যাত।
- এর নেতৃত্ব দিয়েছিল স্থানীয় পর্যায়ের সাধারণ কৃষকরা।
- বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন নেতা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিচালিত করে।
- এই নেতৃত্ব এতটাই শক্তিশালী এবং সুসংহত ছিল যে শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
- ১৮৬০ সালে সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং ‘ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- ফলে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে।
- দীনবন্ধু মিত্রের লেখা 'নীলদর্পণ' নাটকের কাহিনী চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে, নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষিতে নীল কমিশন (Indigo Commission) গঠিত হয় ৩১ মার্চ, ১৮৬০ সালে এবং কমিশন রিপোর্ট প্রকাশ করে ১৪ আগস্ট, ১৮৬০ সালে।
- ভারতের ন্যাশনাল আর্কাইভ প্রকাশিত রিপোর্টের তথ্য অনুসারে, নীল কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশকাল ১৮৬০ দেওয়া রয়েছে।
- ব্রিটানিকার তথ্য অনুসারে, মার্চ ১৮৬০ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলায় নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষিতে "নীল আইন (Indigo Act)" প্রণয়ন করে এবং একটি কমিশন গঠন করে।
- কমিশন আগস্ট, ১৮৬০ সালে রিপোর্ট প্রদান করে এবং নীল চাষের প্রক্রিয়া পরিবর্তিত হয়। বাংলায় তখন নীল চাষের বিলুপ্তি ঘটলেও বিহারে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত নীল চাষ অব্যাহত ছিলো।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
         ii) ব্রিটানিকা।

৬,৪৪৯.
সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুসারে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে কোনগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়েছে?
  1. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা 
  2. ধর্মীয় সহনশীলতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পরিবেশ সুরক্ষা
  3. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র
  4. রাষ্ট্রীয় ঐক্য, সামরিক শৃঙ্খলা, বৈদেশিক নীতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের মূলনীতি: 
- কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
- বাংলাদেশের সমাজের বহুত্ববাদী চরিত্রকে ধারণ করে এমন একটি বিধান সংবিধানে যুক্ত করা সমীচীন।
- সুতরাং, কমিশন নিম্নোক্ত বিধান অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করছে "বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী, বহু-জাতি, বহু-ধর্মী, বহু-ভাষী ও বহু-সংস্কৃতির দেশ যেখানে সকল সম্প্রদাযের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।

• রাষ্ট্রের মূলনীত :
- কমিশন সংবিধানের মূলনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জাতীযতাবাদ এবং এ সংশ্লিষ্ট সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ অনুচ্ছেদগুলি বাদ দেয়ার সুপারিশ করছে।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।[লিঙ্ক]

৬,৪৫০.
বুড়িমারী স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. গাইবান্ধা
  2. লালমনিরহাট 
  3. রংপুর
  4. চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা

• বুড়িমারী স্থলবন্দরটি:
- স্থলবন্দরটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৯৮৮ সালে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ২০০২ সালে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষিত হলেও এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১০ সালে।
- আমদানি রপ্তানির পরিমাণ অনুযায়ী বুড়িমারী স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম স্থলবন্দর।

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
• বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
• আখাউড়া স্থলবন্দর- আখাউড়া, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষিরা।
• তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর  - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
• বিলোনিয়া স্থলবন্দর - বিলোনিয়া, ফেনী।
• গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর - হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
• রামগড় স্থলবন্দর - রামগড়, খাগড়াছড়ি।
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
• টেকনাফ স্থলবন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
• বিবিরবাজার স্থলবন্দর- বিবিরবাজার কুমিল্লা সদর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ

৬,৪৫১.
বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ডের জন্মস্থান কোন দেশে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. নেদারল্যান্ড
  3. জার্মানি
  4. পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ড:
- বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ডকে বীর প্রতীক উপাধি দেয়া হয়।
- ডব্লিও এ এস ওয়াডারল্যান্ড ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক।
- ওডারল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডের আমস্টারডামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ঢাকায় বাটা সু কোম্পানির প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে ওডারল্যান্ড ১৯৭০ সালের শেষের দিকে প্রথম ঢাকায় আসেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গেরিলা কমান্ডো হিসেবে স্বীয় অভিজ্ঞতাকে পুঁজি করে এবং স্বয়ং ২নং সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধা গেরিলা শাখার সক্রিয় সদস্যরূপে অকুতোভয় ওডারল্যান্ড বাটা ফ্যাক্টরি প্রাঙ্গণসহ টঙ্গীর কয়েকটি গোপন ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়মিত গেরিলা রণকৌশলের প্রশিক্ষণ দিতেন।
- উইলিয়ম ওডারল্যান্ড ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত ঢাকায় বাটা সু কোম্পানিতে চাকুরিরত ছিলেন।
- পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় পার্থের এক হাসপাতালে ২০০১ সালের ১৮ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৫২.
'জুম' চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশের কোন জেলাসমূহে দেখা যায়?
  1. ক) সাতক্ষিরা, যশোহর, কুষ্টিয়া
  2. খ) নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ
  3. গ) বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম
  4. ঘ) চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
ব্যাখ্যা
জুষ চাষ হলো স্থানান্তর চাষাবাদ যা সাধারণত পাহাড়ী এলাকায় করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঢালু পাহাড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা এখনো কিছু কিছু এলাকায় জুষ চাষ করে।
- এছাড়া সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া এবং ময়মনসিংহে গারোদের মধ্যেও জুম চাষ প্রচলিত ছিলো।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৬,৪৫৩.
[তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন; তাই প্রশ্নের ভাষা কিছুটা মডিফাই করা হয়েছে]
বাংলাদেশে বর্তমানে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ হচ্ছে প্রায়-
  1. ক) ৯ কোটি ৭৫ লাখ কেজি
  2. খ) ৯ কোটি ৩৫ লাখ কেজি
  3. গ) ৯ কোটি ৫০ লাখ কেজি
  4. ঘ) ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি
ব্যাখ্যা
- বাণিজ্যিক চা চাষে ১৬৮ বছরের ইতিহাসে ২০২১ সালে সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৬৫ লাখ কেজি চা উৎপাদন করে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। 
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে বর্তমানে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে। 

উৎস: প্রথম আলো
৬,৪৫৪.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা‘র নাম দিয়েছিলেন -
  1. ক) রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  2. খ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  3. গ) পাকিস্তানি ষড়যন্ত্র মামলা
  4. ঘ) আগরতলা মামলা
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে। 
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৫৫.
When did the first gas extraction in the country begin?
  1. 1955
  2. 1957
  3. 1958
  4. 1963
  5. 1967
ব্যাখ্যা
গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৬,৪৫৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. চীন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত
ব্যাখ্যা

• জার্মানী:
⇒ ২০২৫–২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই–ডিসেম্বর সময়ে জার্মানীতে রপ্তানি হয়েছে ২,৩৬৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯.৮৫%।
⇒ জার্মানি বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ।

• জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান পণ্যসমূহ হলো—
- নীটওয়্যার : ১,৩৪৮.৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ওভেন পোষাক : ৮৩৮.৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- হোম টেক্সটাইল: ৫৪.৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- ক্রাস্টেসিয়ানস : ২১.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- বাইসাইকেল : ২৪.৯৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার

⇒ মোট রপ্তানিকৃত নীটওয়্যারের ১২.৮৬%, ওভেন পোষাকের ৯.৪৪%, হোম টেক্সটাইলের ১০.৮০% এবং ক্রাস্টেসিয়ানসের ১১.৪৫% জার্মানীতে রপ্তানি হয়েছে।

⇒ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- ২০২৫–২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই–ডিসেম্বর সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৪,৪৬৭.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানির ১৮.৬২%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৬,৪৫৭.
CAMELS মডেল মূলত কোন খাতের মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়?
  1. Capital Adequacy
  2. Cash Flow
  3. Current Ratio
  4. Collateral Value
  5. Cost Control
ব্যাখ্যা

CAMELS:
- CAMELS ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বাস্থ্য ও ঝুঁকি মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে ছয়টি মানদণ্ড বিবেচনা করা হয়, এর প্রথমটি হলো Capital adequacy.
- কোনো ব্যাংকের কাছে যথেষ্ট মূলধন আছে কিনা, যা দিয়ে তারা আর্থিক ক্ষতি, ঋণ খেলাপি বা বাজার ঝুঁকির মতো পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবে তা বোঝায়।
- মূলধন যত বেশি মজবুত হবে, ব্যাংক তত বেশি নিরাপদ ও স্থিতিশীল থাকবে।
- এই মূল্যায়ন ব্যাংকের দীর্ঘমেয়াদি টিকে থাকা ও গ্রাহকের আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করে।
- 'A' বলতে তাই সরাসরি বোঝানো হয় Asset Quality (সম্পদের মান)।

⇒ CAMELS এর পূর্ণরূপ:
C = Capital Adequacy (মূলধনের পর্যাপ্ততা)
A = Asset Quality (সম্পদের মান)
M = Management Quality (ব্যবস্থাপনার মান)
E = Earnings (আয়)
L = Liquidity (তরলতা)
S = Sensitivity to Market Risk (বাজার ঝুঁকির প্রতি সংবেদনশীলতা)

তথ্যসূত্র - Corporate Finance Institute ওয়েবসাইট।

৬,৪৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয় কখন?
  1. ১৮ এপ্রিল ১৯৭১
  2. ৭ জুলাই ১৯৭১
  3. ১৭ আগস্ট ১৯৭১
  4. ১ অক্টোবর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে এগারোটি সেক্টরে বিভক্ত করা পাশাপাশি পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ সমরে যুদ্ধের জন্যে তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- প্রথম বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয় ১৯৭১ সালের ৭ জুলাই। এটির প্রধান করা হয় মেজর জিয়াউর রহমানকে। তার নামানুসারে প্রথম বিগ্রেডের নাম করা হয় জেড ফোর্স।
- মেজর সফিউল্লাহকে প্রধান করে দ্বিতীয় বিগ্রেড এস ফোর্স গঠন করা হয় ১ অক্টোবর ১৯৭১।
- মেজর খালেদ মোশারফকে প্রধান করে কে ফোর্স গঠন করা হয় ১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর।
(তথ্যসূত্র: ‍মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড বই)
৬,৪৫৯.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বর্তমানে দেশের মাথাপিছু আয় কত? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ২,৭৫৬ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮৬৯  মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• মাথাপিছু আয়:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় এখন ২,৮২০ মার্কিন ডলার 
- ২৭ মে, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

• বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উল্লেখ্য,
- দেশের অভ্যন্তরের মোট আয় এবং রেমিট্যান্সসহ যত আয় হয়, তা ওই দেশের মোট জাতীয় আয়।
- ওই জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে মাথাপিছু আয়ের হিসাব করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

৬,৪৬০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে কোন দেশটি?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৪৬১.
ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি গঠিত হয় কখন?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময়
  2. খ) পয়ষট্টির সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে
  4. ঘ) সত্তরের সাধারণ নির্বাচনে
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক) গঠিত হয়।

এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৬,৪৬২.
একজন ভালো শিক্ষকের কি কি যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার?
  1. ক) জ্ঞানী ও শিক্ষিত হতে হবে
  2. খ) বিষয়ে ব্যুৎপত্তি থাকা দরকার
  3. গ) পড়ানো ও শাসন করার দক্ষতা
  4. ঘ) পড়ানো, সঠিক পরিচালনা ও গাইড করা
ব্যাখ্যা
ভালো শিক্ষকের যোগ্যতা ও দক্ষতা:
- শিক্ষক হল মানুষ গড়ার কারিগর।
- তাই একজন আদর্শ শিক্ষকের কিছু গুনাবলী থাকা দরকার।
- শিক্ষার সর্বস্তরে শিক্ষকই হলেন শিক্ষাকর্মের মূল উৎস।
- একদিকে শিক্ষাদান কাজ যেমন জটিল অন্যদিকে এটি একটি মহান পেশাও বটে।
- একজন ভালো শিক্ষকের পড়ানো, সঠিক পরিচালনা ও গাইড করার যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার।
৬,৪৬৩.
সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানীর নাম কি?
  1. ক) সোনারগাঁ
  2. খ) জাহাঙ্গীরনগর
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) গৌড়
ব্যাখ্যা
সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
--------------
এটা যেহেতু জব সল্যুশনের পরীক্ষার প্রশ্ন, তাই বাতিল হবে না।
প্রথম রাজধানী হিসাবে সোনারগাঁও উত্তর ধরা হচ্ছে।
৬,৪৬৪.
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী কে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. তাইজুল ইসলাম
  2. সাকিব আল হাসান 
  3. মুস্তাফিজুর রহমান
  4. তাসকিন আহমেদ 
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী: 
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হলেন মুস্তাফিজুর রাহমান।
- সাকিব আল হাসানকে সরিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়েছেন বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। 
- ১১৮ ম্যাচে মুস্তাফিজের শিকার এখন ১৫০ উইকেট। ১২৯ ম্যাচে সাকিব নিয়েছেন ১৪৯ উইকেট।
- বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারের রেকর্ড গড়ার পাশাপাশি বিশ্বের চতুর্থ বোলার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১৫০ উইকেট পূর্ণ করেছেন মুস্তাফিজ। 

• আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে শীর্ষ ১০ উইকেট শিকারীদের তালিকা: 
১. রশিদ খান (AFG) → ১৮৮ উইকেট
২. টিম সাউদি (NZ) → ১৬৪ উইকেট
৩. ইশ সোধি (NZ) → ১৬২ উইকেট
৪. মুস্তাফিজুর রাহমান (BAN) → ১৫৮ উইকেট         [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
৫. আদিল রশিদ (ENG) → ১৩৫ উইকেট
৬. ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (SL) → ১৩১ উইকেট
৭. সাকিব আল হাসান (BAN) → ১৪৯ উইকেট
৮. অ্যাডাম জাম্পা (AUS) → ১৩০ উইকেট
৯. মিচেল স্যান্টনার (NZ) → ১১৭ উইকেট
১০. ক্রিস জর্ডান (ENG) → ১০৬ উইকেট

তথ্যসূত্র: 
i) ESPNcricinfo. (Link) 
ii) HOWSTAT. (Link) 
iii) BSS. (Link) 

৬,৪৬৫.
বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রবাসী আয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
ব্যাখ্যা
• প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট ২০২৩:
-  বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘the Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ ডিসেম্বর-২০২৩ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত “Remittances Remain Resilient but Are Slowing”- Migration and Development Brief 39 শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে বিভিন্ন দেশের অবস্থান: 
- প্রথম - ভারত।    
- দ্বিতীয় - মেক্সিকো।   
- তৃতীয় - চীন।    
- চতুর্থ - ফিলিপাইন।   
- পঞ্চম - মিশর।    
- ষষ্ঠ - পাকিস্তান।  
- সপ্তম - বাংলাদেশ। 

তথ্যসূত্র: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট ২০২৩।
৬,৪৬৬.
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয় -
  1. ১৯৯৫-৯৬ অর্থ বছরে
  2. ১৯৯৬-৯৭ অর্থ বছরে
  3. ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে
  4. ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে
ব্যাখ্যা
বয়স্ক ভাতা:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।

⇒ ২০২৪-২৫ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতা: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা: ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: ৮৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।
- মাতৃত্বকালীন ভাতা (৩৬ মাস পর্যন্ত): ৮০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভাতার হার: ১০৫০ টাকা।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতার হার: ২০০০০ টাকা।

উৎস: i) ২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেট।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৬,৪৬৭.
সম্প্রতি কোন ব্যাংক দেশের প্রথম সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড চালু করেছে? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি
  2. ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  3. ইউসিবি ব্যাংক পিএলসি
  4. সিটি ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।
- ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।

উল্লেখ্য, 
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।

সূত্র: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।

৬,৪৬৮.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. সীমান্ত ব্যাংক
  3. ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- এই ব্যাংকটি আর্মি ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট (এডব্লিউটি) দ্বারা পরিচালিত।
- বিস্তৃত পরিসরের কর্পোরেট, খুচরা, এসএমই এবং ইসলামিক ব্যাংকিং পণ্য নিয়ে টিবিএল ১৯৯৯ সাল থেকে বাংলাদেশে কাজ করছে এবং তখন থেকে একটি শক্তিশালী এবং স্থিতিশীল আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনসাধারণের আস্থা অর্জন করেছে।
- চেয়ারম্যান: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। 
- ভাইস চেয়ারম্যান: মেজর জেনারেল মোঃ মাসুদুর রহমান। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আইন ১৯৯৫-এর অধীনে সৃষ্ট সরকার নিয়ন্ত্রিত একটি বিশেষায়িত ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ দ্বারা পরিচালিত ব্যাংক সীমান্ত ব্যাংক।

উৎস: ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।

৬,৪৬৯.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

সেক্টরগুলো:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ২ নং সেক্টর,
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ: ৩ নং সেক্টর,
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ: ৪ নং সেক্টর,
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ: ৫ নং সেক্টর,
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ: ৭ নং সেক্টর,
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ৮ নং সেক্টর,
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ: ৯ নং সেক্টর,
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন: ১০ নং সেক্টর,
- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল: ১১ নং সেক্টর।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৬,৪৭০.
'নাকুগাঁও স্থলবন্দর' এর অবস্থান -
  1. ক) দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  3. গ) গোয়াইনঘাট, সিলেট
  4. ঘ) নালিতাবাড়ী, শেরপুর
ব্যাখ্যা
• সারসংক্ষেপস্থলবন্দর:
১। ঘোষিত স্থলবন্দরের সংখ্যা: ২৫টি
২। চালু স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১২টি (নিজস্ব তত্ত্ববধানে ৭টি+বিওটি ভিত্তিতে ৫টি)
৩। বাস্থবকের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১৮টি
৪। বিওটির ব্যবস্থাপনাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা: ০৬টি
৫। উন্নয়ন কার্যক্রমাধীন স্থলবন্দরের সংখ্যা: ১২টি

• জেলা প্রশাসক সম্মেলনে নিম্নোক্ত ২টি স্থলবন্দরের ঘোষণার দাবী রয়েছে:
০ প্রাগপুর-দৌলতপুর, কুষ্টিয়া।
০ মোঘলহাট-লালমনিরহাট, সদর।

• কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
০ বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর
০ বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
০ আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া
০ ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর
০ নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর
০ তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট
০ সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম
০ দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা
০ বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী

সূত্র: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ
৬,৪৭১.
বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. চট্টগ্রামে
  3. রাজশাহীতে 
  4. খুলনায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি:
- বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি — রাজশাহীতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮২ সালে স্থাপিত হয়।
- ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপ লাভ করে।
- জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে পোস্টাল একাডেমি স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।

৬,৪৭২.
নিচের কোনটি ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন?
  1. পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন
  2. গণ-আজাদী লীগ
  3. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  4. তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৭৩.
সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় প্রতি বছর রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেন কোন অনুচ্ছেদের আলোকে?
  1. ৬৩ নং
  2. ৪৮ নং
  3. ৫৬ নং
  4. ৭৩ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী:
- ৭৩ (১) রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান এবং বাণী প্রেরণ করতে পারবেন।
- ৭৩ (২) সংসদ-সদস্যদের প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় এবং প্রত্যেক বৎসর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান করবেন।
- ৭৩ (৩) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ শ্রবণ বা প্রেরিত বাণী প্রাপ্তির পর সংসদ উক্ত ভাষণ বা বাণী সম্পর্কে আলোচনা করবেন।

অন্যদিকে,
- ৬৩ নং অনুচ্ছেদ: যুদ্ধ।
- ৪৮ অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি।
- .৫৬ নং অনুচ্ছেদ: মন্ত্রিগণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৪৭৪.
মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণের দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. বলধা গার্ডেন
  2. বাহাদুর শাহ পার্ক
  3. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  4. ওসমানী উদ্যান
ব্যাখ্যা

ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যাকব পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খসড়া দলিল নিয়ে অপরাহ্ণ এক ঘটিকায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা এক হেলিকপ্টার বহরে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে বিকাল চারটায় ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছেন।
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন ডেপুটি চীফ অব স্টাফ গ্রুপ-ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৭৫.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৫ সালের মধ্যে অতি দারিদ্র্যের হার কত শতাংশে নামানো হবে?
  1. ক) ৮.৪%
  2. খ) ৭.৪%
  3. গ) ৫.৪%
  4. ঘ) ৪.৮%
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উন্নয়ন পদক্ষেপ
- ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল কাজ হলো প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ এর বাস্তবায়ন এমনভাবে শুরু করা, যাতে উচ্চ মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে দেশ সঠিক পথে থাকে এবং এসডিজির প্রধান প্রধান লক্ষ্যসমূহ অর্জন করা ও ২০৩১ সাল নাগাদ চরম দারিদ্র্য দূর করা যায়।
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় ৬টি বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে-
- মানবস্বাস্থ্য, আত্মবিশ্বাস, কর্মসংস্থান, আয় ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কোভিড-১৯ থেকে দ্রুত পুনরুদ্ধার ।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও দ্রুত দারিদ্র্য হ্রাসকরণ । বার্ষিক গড় জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সপ্তম পরিকল্পনার ৭.৪% থেকে ৮% এ উন্নীতকরণ এবং ২০২৫ সালে প্রবৃদ্ধির হার ৮.৫% এ উন্নীতকরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে । গড় উৎপাদনশীলতা প্রবৃদ্ধি হারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫.৬% । দারিদ্র্যের হার ২০১৯ এর ২০.৫% থেকে কমিয়ে ২০২৫ নাগাদ ১৫.৬% এবং অতি দারিদ্র্যের হার ২০১৯ এর ১০.৫% থেকে ৭.৪% এ নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণরূপে অংশগ্রহণের জন্য প্রত্যেক নাগরিকের ক্ষমতায়নে এবং উন্নয়ন প্রক্রিয়া থেকে সুবিধাপ্রাপ্তি নিশ্চিতকরণে এবং দারিদ্র্য ও ঝুঁকিগ্রস্তদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বিস্তৃত কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন ।
- একটি টেকসই উন্নয়ন পথনকশা প্রণয়ন করা, যা দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় সক্ষম, যা প্রাকৃতিক সম্পদের টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করবে এবং যা অবশ্যম্ভাবী নগরায়ণকে সফলভাবে ব্যবস্থাপনা করবে।
- ২০৩১ সাল নাগাদ উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জনের পথে অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সংস্কার সাধন।
- এসডিজির অভীষ্ট অর্জন এবং এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রভাব প্রশমন।


উৎস: অষ্টম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা-(বাংলা), plandiv.gov.bd.
৬,৪৭৬.
স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে কোন বাংলাদেশী ইউটিউব (YouTube) প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ক) জাবেদ করিম
  2. খ) ফজলুল করিম
  3. গ) জাওয়াদুল করিম
  4. ঘ) মঞ্জুরুল করিম
ব্যাখ্যা

- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা। জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।

সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা ও ইউটিউব অফিসিয়াল সাইট।

৬,৪৭৭.
দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. নগদ
  2. ব্র্যাক
  3. টেলিটক
  4. রবি
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
৬,৪৭৮.
বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন?
  1. ৩২তম 
  2. ৪১তম 
  3. ৩৯তম 
  4. ৪০তম 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতিত্ব করেন ৪১তম অধিবেশনে।
- এটি ১৯৮৬ সালে অনুষ্ঠিত এ অধিবেশেনে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী (Humayun Rasheed Choudhury) সভাপতি নির্বাচিত হন। 
- তিনিই বাংলাদেশের একমাত্র ব্যক্তি যিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের পূর্ণ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

• জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।
- ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাইস্মরণ করিয়ে দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

৬,৪৭৯.
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি-
  1. ক) চাকমা
  2. খ) সাওতাল
  3. গ) মারমা
  4. ঘ) মগ
ব্যাখ্যা
-  বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি- চাকমা
-  চাকমারা বান্দরবান, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও কক্সবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
- তাদের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক । তারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- তাদের প্রধান ভাষা চাকমা বা চাঙমা। তারা গ্রামকে আদাম এবং গ্রামের প্রধানকে বলে কার্বরী।
- চাকমা সমাজের প্রধান হলো চাকমা রাজা।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০ টি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
৬,৪৮০.
প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় কবে?
  1. ২ মার্চ ১৯৭১ সালে
  2. ৪ মার্চ ১৯৭১ সালে
  3. ৭ মার্চ ১৯৭১ সালে
  4. ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।
৬,৪৮১.
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক - [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. জাহানারা আলম
  2. নিগার সুলতানা জ্যোতি
  3. শারমিন আক্তার 
  4. মারুফা আক্তার 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- এটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে।
- এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট ক্রিকেটে মর্যাদা পায় ২০২১ সালে ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।

উৎস: i) বিসিবি।
ii) ICC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬,৪৮২.
২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের কততম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৯তম
  2. ১০তম
  3. ১১তম
  4. ১২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ-২০২৫:
- ২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) এই লিগের আয়োজন করে।

উল্লেখ্য,
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ফরচুন বরিশাল।
- রানার্সআপ: চিটাগাং কিংস।
- টুর্নামেন্ট সেরা: মেহেদী হাসান মিরাজ (খুলনা টাইগার্স)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: তাসকিন আহমেদ (২৫) (দুর্বার রাজশাহী)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: মোহাম্মদ নাইম (৫১১) (খুলনা টাইগার্স)।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
৬,৪৮৩.
একক দীর্ঘতম রেল সেতু কোনটি?
  1. যমুনা সেতু
  2. হার্ডিঞ্জ সেতু
  3. ব্রহ্মপুত্র সেতু
  4. তিস্তা সেতু
ব্যাখ্যা
₻ একক দীর্ঘতম রেল সেতু - হার্ডিঞ্জ সেতু।
অন্যদিকে, 
- বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী (সড়ক এবং রেল) সেতু বাংলাদেশে দীর্ঘতম ও দক্ষিণ এশিয়ার ৫ম এবং বিশ্বের ৯২তম দীর্ঘ সেতু।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং দক্ষিন এশিয়ার বৃহত্তম সেতু ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৮৪.
ভারতে মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন -
  1. ক) মুহম্মদ ঘোরী
  2. খ) মুহম্মদ-বিন-কাসিম
  3. গ) সুলতান মাহমুদ
  4. ঘ) বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা
ভারতে মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুহম্মদ ঘোরী। মুহম্মদ ঘোরী ভারতে অনেকগুলো অভিযান পরিচালনা করেন। মুলতান, সিন্ধু ও পাঞ্জাব জয়ের পর ভারতের হিন্দু রাজশক্তিগুলোর সাথে তাঁর যুদ্ধ হয়। তরাইনের প্রথম যুদ্ধে তিনি পৃথ্বীরাজের নিকট পরাজিত হন। কিন্তু ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে তিনি জয়লাভ করেন। ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে ভাইয়ের মৃত্যুর পর মুহম্মদ ঘোরী ঘোরের সুলতান হন। ১২০৬ খ্রি: মুহম্মদ ঘোরী নিহত হন। [সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি)]
৬,৪৮৫.
নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠান হতে 'মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য' পুরস্কার দেওয়া হয়?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলা একাডেমি
  3. বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির নানা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১ বাংলা একাডেমি পরিচালিত সাতটি পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
২৪ ডিসেম্বর, ২০২১ বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৪তম বার্ষিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ সাত পুরস্কার দেওয়া হয়। 
পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন—
রবীন্দ্র পুরস্কার - ড. আতিউর রহমান।
মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার - ইনাম আল হক।
সাহিত্যিক মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ পুরস্কার - অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।
মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার - সুকুমার বড়ুয়া।
অধ্যাপক মমতাজউদ্দীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার - ফেরদৌসী মজুমদার।
সা'দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার - ড. তসিকুল ইসলাম রাজা।
হালীমা শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার - সৌমিত্র চক্রবর্তী।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
৬,৪৮৬.
When was the Liberation War Museum established?
  1. ক) March 17, 1992
  2. খ) March 22, 1992
  3. গ) March 22, 1996
  4. ঘ) March 17, 1991
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।
৬,৪৮৭.
সম্প্রতি দেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি'-এর নামকরণ করে কোন দেশ?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. থাইল্যান্ড
  3. মালদ্বীপ
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি':
- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি' ১৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে।
- এর গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার।
- ‘মিধিলি’ নামটি দিয়েছে মালদ্বীপ।
- ‘মিধিলি’ অর্থ ‘ফলপ্রসু বিষয়’। 
- আবার কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিধিলি নামের অর্থ হল বিশাল গাছ, অর্থাৎ মহীরুহ।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব আবহওয়া সংস্থার অধিভুক্ত প্রশান্ত-মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নামগুলো পরপর প্রয়োগ করা হয়।
- মিধিলির পরের নামটি মায়ানমারের ‘মিগজাউম’।
- ২০২০ সালে মোট ১৩টি দেশ ১৩টি করে মোট ১৬৯টি নাম দেয়।
- ১৩টি দেশ হলো: বাংলাদেশ, ভারত, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ইরান, কাতার, সৌদি আরব, আরব-আমিরাত এবং ইয়েমেন।
- ডব্লিওএমও'র ভারতীয় উপমহাদেশের এই সদস্য দেশগুলোই নাম দেয়।

উৎস: ১৭ নভেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৬,৪৮৮.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. কক্সবাজার
  3. চাঁদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI):
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- ইনস্টিটিউটের সদরদপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশের মৎস্য খাতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য ক্রমবর্ধমান প্রয়োজনীয়তা মোকাবেলা করার লক্ষ্যে এটি তৈরি করা হয়েছে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদনশীলতা ও স্থায়িত্ব বাড়াতে গবেষণা পরিচালনা, কারিগরি সহায়তা প্রদান এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচী প্রদানে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।
- গবেষণা কেন্দ্রগুলো হচ্ছে:
1. স্বাদুপানি কেন্দ্র ময়মনসিংহে অবস্থিত।
2. নদী কেন্দ্র চাদপুরে অবস্থিত।
3. চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত
4. লোনাপানি কেন্দ্র পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত।
5. সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কক্সবাজারে অবস্থিত

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 

৬,৪৮৯.
সেনদের হটিয়ে কে বাংলার ক্ষমতা দখল করে?
  1. শায়েস্তা খাঁ
  2. মুহম্মদ ঘুরী
  3. বখতিয়ার খলজি
  4. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন। 
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়। 
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৬,৪৯০.
'তুমি বাংলার ধ্রুবতারা, তুমি হৃদয়ের বাতিঘর' গানটির গীতিকার কে?
  1. সামিনা চৌধুরী
  2. নকীব খান
  3. রফিকুল ইসলাম
  4. কামাল চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• মুজিব শতবর্ষের থিম সং - 'তুমি বাংলার ধ্রুবতারা, তুমি হৃদয়ের বাতিঘর।'
- গানটির গীতিকার - কবি কামাল চৌধুরী।
- গানটির সুরকার - নকীব খান।

৬,৪৯১.
সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে অনুসারে, পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য নিয়ে সংসদ গঠিত হবে?
  1. ৬২ নং
  2. ৬৩ নং
  3. ৬৪ নং
  4. ৬৫ নং
ব্যাখ্যা

• সংসদ-প্রতিষ্ঠা সম্পর্কিত বিষয়বলি সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখিত।

⇒ ৬৫(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

 ⇒ তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

  ⇒ ৬৫(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

 ⇒ ৬৫(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

 - তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 ⇒ ৬৫(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।]

 ⇒ ৬৫(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
  
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,৪৯২.
পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. দেবপাল
  4. মহীপাল
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশ:
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান। তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

⇒ গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

⇒ পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। পালযুগে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করেছিল তিববত, জাভা, সুমাত্রা ও মালয়েশিয়াতে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৪৯৩.
বাংলাদেশে সম্প্রতি কততম নারী কাবাডি বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন করছে।
- ২য় নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ টুর্নামেন্টটি ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে।
- এতে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো- বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৬ নভেম্বর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৬,৪৯৪.
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান বাংলাদেশের সংবিধানে কততম সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. পঞ্চদশ
  2. চতুর্দশ
  3. দ্বাদশ
  4. একাদশ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন এবং তা রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ৩ জুলাই এই সংশোধনীর মাধ্যমে যে অনুচ্ছেদ ও বিষয়গুলো পরিবর্তিত হয়, সেগুলো হচ্ছে -
১. সংবিধানের প্রস্তাবনায় সংশোধন,
২. ২ক অনুচ্ছেদে পরিমার্জন।
৩. ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন (জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত)
৪. ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ।
৫. সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত)।
৬. সংবিধানের ৯, ১০, ১২ নং অনুচ্ছেদের সংযোজন ও পরিমার্জন।
৭. সংবিধানে ১৮ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান)।
৮. সংবিধানে ২৩ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্পর্কিত)।
৯. ৪২ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন ও ৪৪ নং অনুচ্ছেদের প্রতিস্থাপন।
১০. ৫৮ক অনুচ্ছেদের বিলোপ (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৬,৪৯৫.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
  1. জয়বাংলা
  2. বাংলাদেশ
  3. আজাদ
  4. মুক্তির ডাক
ব্যাখ্যা
সাপ্তাহিক জয়বাংলা পত্রিকা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা হয়।
- গণমাধ্যম হিসেবে মূল্যবান অবদান রেখেছে এসব পত্র-পত্রিকা।
- সে সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় 'সাপ্তাহিক জয়বাংলা'।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
- ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার Bangladesh (বাংলাদেশ) নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।
- গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরসহ মুক্তিযোদ্ধাদের নানা ধরনের তৎপরতার খবরের পাশাপাশি এই পত্রিকাগুলোতে থাকতো বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন ও আন্দোলনের খবর এবং বাঙালি কুটনীতিকদের কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৪৯৬.
'NIPORT' কোন বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. জনসংখ্যা
  2. প্রাথমিক শিক্ষা
  3. নদী রক্ষা
  4. পরিবেশ রক্ষা
ব্যাখ্যা
NIPORT (নিপোর্ট):
- এর পূর্নরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- NIPORT বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক একটি জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাজধানী ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতের দক্ষ জনবল তৈরি এবং এ সংক্রান্ত নীতিমালা উন্নয়নে অবদান রাখে।

তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
৬,৪৯৭.
বর্তমান সংবিধান সংস্কার কমিটির প্রধান- [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. অধ্যাপক ড. মোবাশ্বের মোমেন
  2. অধ্যাপক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  3. অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  4. অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক ড.  আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।

৬,৪৯৮.
দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে চালুকৃত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন -
  1. ১০৬
  2. ১০৩
  3. ৩৩৩
  4. ৯৯৯
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে এখন থেকে চালু হলো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন ‘১০৬’। বিনা খরচে এবং যে কোন মোবাইল বা টেলিফোন থেকে এই নাম্বারে কল করে দুদককে দুর্নীতির তথ্য, অভিযোগ জানানো যাবে।অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই নম্বরে ফ্রি কল করে দুর্নীতির তথ্য জানানো যাবে।

বিভিন্ন সেবায় হটলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। 
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার।
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন।
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার।
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার।
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৪৯৯.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানকে সাহায্য করতে যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে কোন রণতরী প্রেরণ করেছিলো?
  1. ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড
  2. ইউএসএস তারাওয়া
  3. ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ
  4. ইউএসএস হ্যারি এস. ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে সাহায্য করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে উদ্দেশ্যে ‘টাস্কফোর্স-৭৪’ নামে একটি নৌবহর প্রেরণ করে।
- মার্কিন সপ্তম নৌবহরের ১২টি জাহাজের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স-৭৪ গঠন করা হয় যার নেতৃত্বে ছিলো তৎকালীন বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুদ্ধজাহাজ বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ’
- কিন্তু ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের কঠিন অবস্থানের কারণে এই নৌবহর শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারেনি।
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার আর্কাইভ)
৬,৫০০.
Question (43 to 57) : Choose the correct answer.
৪৩. The Sonakanda fort situated in the district of-
  1. Manshigonj
  2. Hajigonj
  3. Narayangonj
  4. Kushtia
ব্যাখ্যা
সোনাকান্দা দুর্গ:
- সোনাকান্দা দুর্গ  শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্বতীরে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরে অবস্থিত একটি মুগল জলদুর্গ।
- হাজীগঞ্জ দুর্গের প্রায় বিপরীত দিকে এ দুর্গের অবস্থান।
- নদীপথে ঢাকার সাথে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ নদীপথগুলির নিরাপত্তা বিধানের জন্য মুগলগণ কতকগুলি জলদুর্গ নির্মাণ করেছিলেন, সোনাকান্দা দুর্গ তার অন্যতম।
- বন্দর উপজেলা সদর হতে ১.৫ কিঃ মিঃ দূরত্বে অবস্থিত এ দূর্গটি ঐতিহাসিক পুরাকীর্তির একটি নিদর্শণ।
- আনুমানিক ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে সুলতান মীর জুমলা ধলেশ্বরী ও শীতলক্ষ্যা নদীতে জলদস্যুদের নিধন করার জন্য শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরবর্তী সোনাকান্দা এলাকায় এ দূর্গটি স্থাপন করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।