বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৪ / ৩০৬ · ৬,৩০১৬,৪০০ / ৩০,৮৩২

৬,৩০১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট কার্যকর হয় কবে?
  1. ১ জুন, ২০২৫
  2. ৩০ জুন, ২০২৫
  3. ১ জুলাই, ২০২৫
  4. ৩১ জুলাই, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৬,৩০২.
বিরোধী দলের কাজ কোনটি?
  1. রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ
  2. গণতন্ত্র রক্ষা
  3. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩০৩.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ কে?
  1. আসাদউজ্জামান
  2. মতিউর
  3. রুস্তম
  4. সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- আসাদউজ্জামান বা শহীদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৬,৩০৪.
বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ১৯৩৭
  2. ১৯৭২
  3. ১৯১০
  4. ১৯২১
ব্যাখ্যা

• বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি:
- বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এটি পূর্ববঙ্গের প্রথম জাদুঘর হিসেবে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন দিঘাপতিয়া রাজ পরিবারের বংশধর শরৎকুমার রায়, আইনজীবী ও ইতিহাসবিদ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় এবং ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ববিদ রামপ্রসাদ চন্দ্র।
- প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলার ঐতিহ্য ও নিদর্শন সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম জাদুঘর হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।

উল্লেখ্য, 
- বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটি বিভিন্ন গবেষণা ও প্রকাশনা কার্যক্রম পরিচালনা করত, যার মধ্যে বার্ষিক প্রতিবেদন, মনোগ্রাফ, শিলালিপি ও সংস্কৃত পান্ডুলিপি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- তবে প্রতিষ্ঠাতাদের মৃত্যুর পর এবং ১৯৪৭ সালে দেশের বিভাজনের পর সোসাইটির কার্যক্রম ধীরে ধীরে কমে যায়।
- অবশেষে ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠানটি বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- যদিও বরেন্দ্র জাদুঘর আজও গবেষণার ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক গৌরবের প্রতীক হিসেবে টিকে আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৩০৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কোন ভাষায় লেখা হয়েছে?
  1. বাংলা
  2. ইংরেজি
  3. বাংলা ও ইংরেজি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধান ২টি ভাষায় রচিত (বাংলা ও ইংরেজি)।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানে মোট ১৫৩ অনুচ্ছেদ রয়েছে ।
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন ।
- বাংলাদেশ সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
- এতে ১১ টি ভাগ বা অধ্যায় রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু এবং সাতটি তফসিল দিয়ে শেষ হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৩০৬.
পানাম নগর কোন জেলার অন্তর্গত?
  1. কুমিল্লা
  2. বগুড়া
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
• পানাম নগরঃ
- পানাম নগর বাংলাদেশের চারশত বছর প্রাচীন নগর।
- সোনারগাঁ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন জাদুঘর হতে ০.৫ কি.মি. উত্তরে অবস্থিত।
- এটি নারায়নগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের নগর ভিত্তীক একটি প্রাচীন নগরীর মডেল হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
- ‘‘পাইনাম’’ ফার্সি শব্দ।
- পাইনাম থেকে পানাম। অর্থ আশ্রয়।
- ধারনা করা যেতে পারে ঐতিহাসিক ‘‘সড়কে-ই-আযম’’ গ্রান্ড ট্রাংঙ্ক রোডের সমাপ্তি এ পানাম নগরেই হয়েছিল।
- সে সুবাদে পানাম নগরী ‘‘সরকার-ই-সোনারগাঁওয়ের’’ পরগনার হেড কোয়ার্টার হিসেবে ও বিবেচিত।
- সোনারগাঁয়ের নান্দনিক চারু ও কারু শিল্পের জন্যে বিখ্যাত মসলিনের আড়ং ছিল পানাম নগর।
- সোনারগাঁয়ের পৃথিবীখ্যাত নান্দনিক চারু ও কারুশিল্পর জন্যে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৩০৭.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে জনসংহতি সমিতির পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
  2. প্রসেনজিত চাকমা
  3. উষাতন তালুকদার
  4. রাজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি:
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়েছিল ‘পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তি’।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।
৬,৩০৮.
Inclusive Development Index ( IDI) - এর ভিত্তিতে, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত?
  1. ক) প্রথম স্থান
  2. খ) দ্বিতীয় স্থান
  3. গ) তৃতীয় স্থান
  4. ঘ) চতুর্থ স্থান
ব্যাখ্যা
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম World Economic Forum কর্তৃক প্রকাশিত Inclisive Devolopment Index (IDI) ২০১৮ এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান দ্বিতীয় ।
- প্রথম স্থানে রয়েছে - নেপাল,
- তৃতীয় স্থানে - পাকিস্তান এবং
- চতুর্থ স্থানে রয়েছে - ভারত।
৬,৩০৯.
বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক কে?
  1. ক) সেনাপ্রধান
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেগুলো নিম্নরুপ:-
• সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক,
• সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর 
• বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি 
• স্কাউট
• এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান।

পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
• ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
• জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
• জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
• জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
• রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
• প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং।
৬,৩১০.
জনগণের ভোটে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন-১৯৭৮: 
- বাংলাদেশে জনগণের সরাসরি ভোটে প্রথম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৮ সালে।
- এই নির্বাচনে জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- এর পূর্বে সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন।
- গণভোটে জয়লাভের এক বছর পরই দেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- সংসদ নির্বাচনের পূর্বেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়ে জিয়াউর রহমান তাঁর ক্ষমতা শক্তিশালী করতে চেয়েছিলেন।
- ৩ জুন, ১৯৭৮ নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জেনারেল (অবঃ) এম এ জি ওসমানীকে পরাজিত করে জিয়াউর রহমানরাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- নির্বাচনে জিয়াউর রহমান ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৩৩ হাজার ৬ শত ৭ ভোট এবং ওসমানী ৪৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ২ শত ভোট পায়। 
- ১২ জুন ১৯৭৮ জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩১১.
'কাবিখা' কোন ধরনের কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. টিকাদান কর্মসূচি
  2. কাজের প্রশিক্ষণ
  3. নিরক্ষরতা দূরীকরণ
  4. দারিদ্র বিমোচন
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- 'কাবিখা' বা 'কাজের বিনিময়ে খাদ্য' দারিদ্র বিমোচন কর্মসূচীর অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

তথ্যসূত্র - সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,৩১২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং তফসিল বর্তমানে বিলুপ্ত?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. চতুর্থ তফসিল
  4. ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিল বর্তমানে বিলুপ্ত। 

বাংলাদেশের সংবিধান:

- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।

• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
৬,৩১৩.
কোনটি কন্দাল জাতীয় ফসল?
  1. ক) তাল
  2. খ) আনারস
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
কন্দাল ফসল হলো সে সব ফসল যাদের মূল বা কাণ্ড স্ফিত হয়ে অঙ্গে পরিণত হয়। আলু, মেটে আলু, মিষ্টি আলু, কচু প্রভৃতি কন্দাল ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৬,৩১৪.
শরীফ শিক্ষা কমিশন কত তারিখ গঠন করা হয়?
  1. ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৫৮
  2. ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৫৯
  3. ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৬০
  4. ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৬১
ব্যাখ্যা
শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬২:
- ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৫৮  সালে আইয়ুব খান পাকিস্তানের শিক্ষা সচিব এস. এম. শরীফকে চেয়ারম্যান করে মোট ১১ সদস্য বিশিষ্ট শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট দেয় যে "অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা বস্তুত অবাস্তব কল্পনা মাত্র"।
- এর ফলে ছাত্ররা গণতান্ত্রিক শিক্ষার দাবিতে শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় যা শিক্ষা আন্দোলন নামে পরিচিত।

• শরীফ কমিশন এর সুপারিশ সমূহ:
- শিক্ষাখাতে ব্যয়কে শিল্পে মূলধন বিনিয়োগের দৃষ্টিতে দেখার সুপারিশ করে কমিশন শিক্ষা সস্তায় পাওয়া সম্ভব নয় বলে অভিমত ব্যক্ত করে অবৈতনিক প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনে সরকারী অর্থের পরিবর্তে জনগণের অর্থ বিনিয়োগের জোর দেয়া হয়।
- ৬ষ্ঠ শ্রেণী হতে ডিগ্রী পর্যন্ত ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক ভাষা করা।
- এস.এস.সি পরীক্ষায় তৃতীয় বিভাগে উত্তীর্ণদের জন্য পরবর্তী শিক্ষার দ্বার রুদ্ধকরণ।
- দু বছরের ডিগ্রি কোর্সকে তিন বছরে বৃদ্ধি করার এক অবৈজ্ঞানিক শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে।
- বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগে পাঠ্যসূচির অবৈজ্ঞানিক সুলভ ও স্কুলসমূহের কারিকুলাম অযৌক্তিকভাবে রদবদলের এক ভৌতিক সুপারিশ করে।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বায়ত্তশাসনের পরিবর্তে পূর্ণ সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা, বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাজনীতি নিষিদ্ধ করা, ছাত্র-শিক্ষকদের কার্যকলাপের ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখার প্রস্তাব ।
 - শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রম করাতে ১৫ ঘণ্টা কাজের বিধান রাখা হয়েছিল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৩১৫.
কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.২৭ কিলোমিটার
  2. ৩.৩০ কিলোমিটার
  3. ৩.৩২ কিলোমিটার
  4. ৩.৩৭ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল:
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- টানেলের ভেতরে থাকা দুটি টিউব বা সুড়ঙ্গের প্রতিটির দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার করে।
- এই প্রকল্পে ব্যয় হচ্ছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি টাকা।
- টানেলের নগর প্রান্ত পতেঙ্গায়।
- নদীর তলদেশ দিয়ে এই টানেল মিলিত হয়েছে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সিইউএফএল ও কাফকোর মাঝবরাবর এলাকায়।

উৎস: ২৮ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
৬,৩১৬.
সুন্দরবনের পশ্চিমে কোন নদী অবস্থিত?
  1. ক) রায়মঙ্গল
  2. খ) মাতামুহুরী
  3. গ) পশুর
  4. ঘ) বলেশ্বর
ব্যাখ্যা
রায়মঙ্গল নদী: 

- ইছামতি-কালিন্দী-রায়মঙ্গল মূলত একই নদী, বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। ইহা
- একটি জোয়ারে মোহনার নদী। ইছামতি নদী সাতক্ষীরা জেলার পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে কালিন্দী নামে প্রবাহিত হয়ে আরও দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর প্রবেশের পর রায়মঙ্গল নাম ধারণ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সুন্দরবনের পশ্চিমে রায়মঙ্গল নদী অবস্থিত।
- মোহনায় রায়মঙ্গল নদীর মুখ ফানেলের মতো। একসময় এই পথে স্টিমার সার্ভিস কলকাতা থেকে বরিশাল হয়ে বাংলাদেশের অন্যান্য বন্দরে চলাচল করতো।
- রায়মঙ্গল জোয়ারভাটা দ্বারা প্রভাবিত নদী এবং এর পানি লবণাক্ত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৩১৭.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘স্বাধীনতা পদক’ প্রদান করে-
  1. ক) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. খ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
  3. গ) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
‘স্বাধীনতা পদক’ বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে এই পদক প্রদান করা হচ্ছে।
স্বাধীনতা পদক প্রাপ্তদের প্রত্যেককে আঠারো ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম স্বর্ণ দ্বারা নির্মিত একটি পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা, পাঁচ লক্ষ টাকা এবং একটি সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।
অন্যদিকে, একুশে পদক প্রদান করা হয় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে।

(সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৬,৩১৮.
নিম্নোক্ত কোন উপন্যাসে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে?
  1. দেবেশ রায়ের 'তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত'
  2. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের 'পূর্ব-পশ্চিম'
  3. শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের 'যাও পাখি'
  4. অভিজিৎ সেনের 'রহুচণ্ডালের হাড়'
ব্যাখ্যা
'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাস:
• সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বিশিষ্ট, ব্যতিক্রমী ও বড়ো মাপের এই উপন্যাস, 'পূর্ব-পশ্চিম'।
• ধারাবাহিকভাবে 'দেশ' পত্রিকায় প্রকাশিত সেই সুদীর্ঘ উপন্যাসের প্রথম দুটি পর্ব-সূচনাপর্ব ও যৌবন-নিয়েই 'পূর্ব-পশ্চিম'-এর এই প্রথম খণ্ড।
• বিশাল ক্যানভাসে চিত্রিত এই উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ একইসঙ্গে ছুঁয়ে আছে এপার এবং ওপার বাংলা। শুরু সেই পঞ্চাশের মধ্যভাগে। দু-বাংলার রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রের পালাবদলের স্রোত কীভাবে এসে মিশেছে এই আশির দশকের মোহনায়, এ-উপন্যাস তার এক জীবন্ত দলিল।

• একদিকে নেহরুর মৃত্যু, ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ, লালবাহাদুরের অকালপ্রয়াণ, ইন্দিরার অভ্যুত্থান, অর্থনৈতিক ক্রমাবনতি, তরুন সমাজের মধ্যে জেগে-ওঠা বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা-উম্মাদনা, উগ্রপন্থী রাজনীতি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-যুদ্ধ; অন্যদিকে ভাষা-আন্দোলনের অব্যবহিত পরবর্তী সময়, গনতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন, বাংলাদেশ মুক্তি-আন্দোলন, স্বাধীনতা-পরবর্তীকালে যুবসমাজের হতাশা, মুজিব-হত্যা-এ-সমস্ত কিছুকে ছুঁয়ে প্রবাহিত 'পূর্ব-পশ্চিম'-এর ঘটনাস্রোত।

• দুই বাংলার দুই পরিবারকে কেন্দ্র করে রচিত এই উপন্যাস বিশেষ কোন চরিত্রকে মূল চরিত্র বলা যাবে না। একই সঙ্গে অনেকগুলি
প্রধান চরিত্র। এইসব চরিত্রের কেউ-কেউ আবার পূর্ব বা পশ্চিম বাংলার গণ্ডিতেই আবর্তিত নয়, ইউরোপ-আমেরিকাতেও গেছে।

উৎস: 'পূর্ব-পশ্চিম' উপন্যাস সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়।
৬,৩১৯.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে নিশাত মজুমদার কত সালে এভারেস্ট জয় করেন?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ী নারী:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ন’টার সময় তিনি এভারেস্ট শিখরে পা রাখেন।
- নিশাত মজুমদার ও সেই সঙ্গে আর এক বাংলাদেশী এম এ মুহিতের এভারেস্ট শীর্ষে আরোহণ করেন।
- ২০১০ সালের ২৩শে মে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- তবে বাংলাদেশের কোনও মহিলা হিসেবে প্রথম সেই কৃতিত্বের অধিকারিণী হলেন নিশাত মজুমদার।
- এভারেস্টজয়ী নিশাত মজুমদার এর আগে ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে হিমালয়ের মেরা পর্বতশৃঙ্গ (২১ হাজার ৮৩০ ফুট) জয় করেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ মে ২০১২।
৬,৩২০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুসারে, প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. তৈলবীজ
  2. গম
  3. তুলা
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

শিল্পজাত পণ্য আমদানি:
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়: তৈলবীজ।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৩২১.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত-
  1. ঢাকা
  2. দিনাজপুরে
  3. ময়মনসিংহে
  4. জয়দেবপুরে
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট। 
৬,৩২২.
‘চুড়িহাট্টা মসজিদ’ কে নির্মাণ করেন?
  1. কাসিম খান জুয়িনী
  2. মীর জুমলা
  3. শাহ সুজা
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

- চুড়িহাট্টা মসজিদটি নির্মাণ করেন শাহ সুজা।
- শাহ সুজা ছিলেন সম্রাট শাহজাহান ও সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের দ্বিতীয় পুত্র।
- শাহ সুজার নিযুক্তির সময় ঢাকা সুবাহ-বাংলার রাজধানী ছিল।
- কিন্তু পরবর্তীকালে তিনি রাজধানী রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন ।
- সুজা বড় নির্মাতা ছিলেন। ঢাকার প্রাচীন মুগল দালানগুলি তাঁর সময়েই নির্মিত হয়।
- দালানগুলি হলো বড় কাটরা, ঈদগাহ, হোসেনী দালান এবং চুড়িহাট্টা মসজিদ। চকবাজারের একটু দক্ষিণে বুড়িগঙ্গার তীরে ১৬৬৪ সালে বড় কাটরা তৈরি করা হয় ।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩২৩.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’ এর পরিচালক কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. ফাখরুল আরেফিন খান
  4. মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্র: ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’ (Jean Kay 1971)।
- এর পরিচালক: ফাখরুল আরেফিন খান।
- ঘটনার পটভূমি: ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর।
- মূল চরিত্র: ফ্রান্সের এক তরুণ জঁ ক্যা (Jean Kay)
- এটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
- ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ফ্রান্সের এক তরুণ, জঁ ক্যা, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (PIA) একটি বিমান ছিনতাই করেন।
- তার একমাত্র দাবি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০ টন ওষুধ পাঠানো।
- এই সাহসিকতা ও মানবিকতার প্রতীক জঁ ক্যা-কে কেন্দ্র করেই ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো।

৬,৩২৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৬,৩২৫.
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. সরকার গঠন করা
  2. নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
  3. রাজনৈতিক দল গঠন করা
  4. সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা
ব্যাখ্যা

- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্য সংখ্যা রাজনৈতিক দলের তুলনায় সাধারণত কম হয় এবং অভিন্ন স্বার্থের পরিপ্রেক্ষিতে গোষ্ঠীর সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ থাকে।
- সাংগঠনিক দিক থেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দল অপেক্ষা দুর্বল।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের স্বার্থের অনুকূলে প্রভাবিত করাই হল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান উদ্দেশ্য।

চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
• দলীয় সংগঠনবিহীন,
• দলীয় কর্মসূচিবিহীন,
• নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া,
• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা,
• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়,
• সমজাতীয় মনোভাব,
• বেসরকারি সংগঠন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩২৬.
বাংলাদেশে 'মূসক' কত সাল থেকে চালু হয়?
  1. ১ জানুয়ারি, ১৯৯০ সাল
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১ সাল
  3. ১ জুলাই, ১৯৯২ সাল
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সাল
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর(মূসক) :
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট বা মূসক চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।
৬,৩২৭.
মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯২৫ সালে
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন:
- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘঠিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩২৮.
সংসদ সদস্য পদের আসন শূন্য হবার কারন নয় কোনটি?
  1. ক) বিনা অনুমতিতে একাধারে ৬০ দিন অনুপস্থিত থাকলে
  2. খ) নিজ দল ব্যতীত অন্য দলের পক্ষে ভোট প্রদান করলে
  3. গ) স্পিকারের নিকট পদত্যাগ করলে
  4. ঘ) বিনা অনুমতিতে একাধারে ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ সদস্যদের আসন শূন্য হয় যদি: 

- যদি কোনো সংসদ সদস্য একাধারে ৯০ দিন সংসদে অনুপস্থিত থাকেন।
- নিজ দল হতে পদত্যাগ করেন।
- স্পিকারের নিকট পদত্যাগ পত্র জমা দেন।
- সংবিধানের ৬৬(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অযোগ্য হয়ে যান। 
- সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতি উদ্ভব হয়।


তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৩২৯.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য ন্যূনতম কত বছর হতে হবে?
  1. ৩৫ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের বিবরণ:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ হল এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা।
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে এই জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- পূর্ণ মেয়াদে প্রতি পাঁচ বছর পর পর জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আইন প্রণয়ন ও সংবিধান সংশোধনের জন্য যথাক্রমে সংখ্যাগরিষ্ঠতা ও দুই-তৃতীয়াংশ সংসদ সদস্যের সম্মতি থাকতে হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার নূন্যতম বয়স ২৫ বছর।
- সংবিধানের ৪৮(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
- সংবিধানের ১২২(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটাধিকার- এই নীতির ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।'
- তাই ভোটার হওয়ার নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৩৩০.
'আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ২৫ জুন, ১৯৪৯
  2. খ) ২৩ জুন, ১৯৪৯
  3. গ) ২১ জুন, ১৯৪৯
  4. ঘ) ২৭ জুন, ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
- ঢাকার কে এম দাস লেনের রোজগার্ডেনে এক কর্মী সম্মেলনে পূর্ব বাংলার বাঙালি প্রগতিশীল নেতা ও কর্মী ঢাকায় মিলিত হয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠন করেন।
- নবগঠিত এই দলের সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক।
- যুগ্ম সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৫৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।

উৎসঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
৬,৩৩১.
“Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan” — উক্তিটি কে প্রদান করেন?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. মোহাম্মদ আলী
ব্যাখ্যা

“Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan” — উক্তিটি কে প্রদান করেন : মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ:

- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯ মার্চ ১৯৪৮ পূর্ববাংলা সফরে আসেন।
- ভাষার প্রশ্নে তিনি স্বৈরাচারী মনোভাব প্রদর্শন করেন।
- ২১ মার্চ ১৯৪৮ ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় তিনি ঘোষণা করেন যে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হবে উর্দু, অন্য কোনো ভাষা নয়।
- এই ঘোষণার প্রতিবাদে জনসভার কিছু অংশ থেকে মৃদু ‘নো’, ‘নো’ ধ্বনি শোনা যায়।
- ২৪ মার্চ ১৯৪৮ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তিনি পুনরায় ঘোষণা করেন যে, ( “Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan”) পাকিস্তানের সরকারি ভাষা অবশ্যই উর্দু হবে।
- এ বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ হিসেবে উপস্থিত গ্রাজুয়েটরা ‘না’, ‘না’ ধ্বনি উচ্চারণ করেন।
- ২৪ মার্চ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের একটি প্রতিনিধিদল জিন্নাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এবং বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে একটি স্মারকলিপি পেশ করে।
- স্মারকলিপিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- জিন্নাহর ঘোষণায় পূর্ববাংলার মানুষের মনে পাকিস্তান সরকারের প্রতি সন্দেহ ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়।
- ফলে ভাষা আন্দোলন ক্রমান্বয়ে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ নেয়।
- তবে জিন্নাহর জনপ্রিয়তা ও সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধাবোধের কারণে ভাষা আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে।
- এমনকি তমাদ্দুন মজলিশ আন্দোলনের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে।
- তবুও ভাষার প্রশ্নে ছাত্রদের মনে ক্ষোভ অব্যাহত থাকে।
- ছাত্ররা ১৯৪৮ থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ১১ মার্চ ভাষা দিবস পালন করতেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৩২.
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজী কোন দেশের সেনাপতি ছিলেন?
  1. আরব সেনাপতি
  2. তুর্কি সেনাপতি
  3. ভারতীয় সেনাপতি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- তিনি আফগানিস্তানের গরমশির এলাকার অধিবাসী ছিলেন।
- তিনি তুর্কীদের খিলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি দ্বাদশ শতাব্দীতে ভারতবর্ষে আসেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
-  বাংলা জয় করেন ১৩ শতকে।
- ১২০৬ সালে বখতিয়ার খিলজী ইহলোক ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলার ইতিহাস; সুলতানি আমল: আব্দুল করিম।
৬,৩৩৩.
ভবন নির্মাণের সময় কি মেনে চলা বাধ্যতামূলক?
  1. ক) বিল্ডিং অধ্যাদেশ
  2. খ) বিল্ডিং কোড
  3. গ) ভবন অননিয়ম
  4. ঘ) ভবন আইন
ব্যাখ্যা

বিল্ডিং কোড যেকোনো দেশের ইমারত নির্মাণের সাথে সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান; যা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হলে ভবনের নির্মাণ ও ব্যবহারের সময় জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হবে না বলে আশা করা হয়।
বাংলাদেশে ১৯৯৩ সালে প্রথম ‘বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড ১৯৯৩’ প্রণীত হয়। তার আগে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান আমলে 'বিল্ডিং কন্সট্রাকশন অ্যাক্ট' প্রণীত হয়েছিল।
পরবর্তীতে, ২০০৬ সালে ১৯৫২ সালের বিল্ডিং কন্সট্রাকশন অ্যাক্টকে যুগোযোপযোগী করার জন্য সংশোধন করে এর আইনগত ভিত্তি দেওয়া হয়।
বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড ২০০৬: মোট দশটি ভাগে বিভক্ত কোডটির -
- প্রথম ভাগে ইতিহাস ও উদ্দেশ্য,
- দ্বিতীয় ভাগে কোডটি বাস্তবায়নের পক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কাঠামো, পারমিট ও পরিদর্শন,
- তৃতীয়ভাগে নগর-পরিকল্পনা ও স্থাপত্য ডিজাইনসহ ভবনের শ্রেণিবিন্যাস,
- চতুর্থ ভাগে অগ্নি নির্বাপন ও প্রতিরোধ,
- পঞ্চম ভাগে সুপারিশকৃত বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস,
- ষষ্ঠভাগে স্ট্রাকচারাল ডিজাইন,
- সপ্তম ভাগে কন্সট্রাকশন,
- অষ্টমভাগে গ্যাস-বৈদ্যুতিক-যান্ত্রিক-শব্দ-পানি ও পয়ের ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তা,
- নবম ভাগে পুনর্নিমাণ ও সংস্কার এবং
- দশমভাগে সাইন বা চিহ্ন বিষয়টি যুক্ত হয়েছে।
উল্লেখ্য, জটিলতা বিবেচনায় নগর-পরিকল্পনার অংশটিকে দ্বিতীয়ভাগে অবাস্তবায়নযোগ্য মনে করে বাদ দেয়া হয়েছে।
উৎসঃ প্রথম আলো ও বিডিনিউজ আর্কাইভ।

৬,৩৩৪.
‘ভাটিয়ালি’ গান বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকজ সংস্কৃতি হলো ভাটিয়ালি গান। ভাওয়াইয়া গান রংপুর অঞ্চল এবং গম্ভীরা গান চাপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকজ সংস্কৃতি এবং ভাণ্ডারী গানের জন্যে চট্টগ্রাম বিখ্যাত।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৬,৩৩৫.
ভারতবর্ষের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয় কোনটিকে?
  1. পলাশীর যুদ্ধ
  2. সিপাহী বিদ্রোহ
  3. ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  4. অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
সিপাহী বিদ্রোহ:
- পলাশী যুদ্ধের একশ বছর পর ভারতের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে প্রধানত সিপাহীদের নেতৃত্বে যে ব্যাপক সশস্ত্র বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, তাকেই ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিকভাবে চরম শোষণ, সামাজিকভাবে হেয় করা, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, সর্বোপরি ভারতীয় সৈনিকদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ- এসবই মহাবিদ্রোহ বা প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি রচনা করেছে।
- বিদ্রোহের আগুন প্রথম জ্বলে উঠে পশ্চিম বঙ্গের ব্যারাকপুরে।
- ১৮৫৭ খ্রিস্টাব্দের ২৯ মার্চ বন্দুকের গুলি ছুড়ে বিদ্রোহের সূচনা করেন মঙ্গলপান্ডে নামে এক সিপাহী।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র।
- বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয়।
- বিদ্রোহীরা দিল্লি দখল করে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে ভারতবর্ষের বাদশা বলে ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- ইংরেজ গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিং সিপাহী জনতার এই বিদ্রোহ নিষ্ঠুর এবং অত্যন্ত কঠোর হাতে দমন করে।
- এই সংগ্রামের সঙ্গে জড়িতদের বেশির ভাগ হয় যুদ্ধে শহিদ হন অথবা তাঁদের ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়।
- মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে রেঙ্গুনে (ইয়াঙ্গুন, মায়ানমার) নির্বাসিত করা হয়।
- এভাবে নিষ্ঠুর নির্যাতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩৬.
বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯০১সালে
  2. ১৯০৩সালে
  3. ১৯০৫সালে
  4. ১৯১১সালে
ব্যাখ্যা
♦ বঙ্গভঙ্গ 
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- এটি ভারতীয় উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এ বঙ্গভঙ্গকে পূর্ববাংলার মুসলমান সম্প্রদায় আশীর্বাদ বলে স্বাগত জানায়।
- কিন্তু হিন্দু জনগণ বিশেষ করে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা এটিকে কোনভাবেই মেনে নেয় নি।
- তারা নানারকম ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তাদের এ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করে।
- ফলে তাদের এ চাপের মুখে পড়ে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- এবং পুনরায় পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে একত্রিত করা হয়। এটিই মূলত বঙ্গভঙ্গ রদ।
♦ বঙ্গভঙ্গ রদ
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।
♦ বঙ্গভঙ্গ রদের ফলাফল
- বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু – মুসলমানদের সম্প্রতি নষ্ট হয়। সাম্প্রদায়িকতা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ প্রসার লাভ করে।
- ধর্মকেন্দ্রিক জাতীয়তার বীজ অঙ্কুরিত হয়।
- মুসলমানদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
- তারা বুঝতে পারে যে আপস নয় বরং সংগ্রামের পথেই উন্নতি ও স্বাধীনতার পথে তাদেরকে আগাতে হবে।
- অর্থাৎ মুসলমানগণ তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণে আরও তৎপর হয়ে উঠতে থাকে।

উৎস- বাংলাপিডিয়া। 
৬,৩৩৭.
মারমা জাতিগোষ্ঠী গ্রামকে তাদের ভাষায় কী বলে?
  1. পুঞ্জি
  2. কার্বারি
  3. রোয়াজা
  4. রোয়া
ব্যাখ্যা

মারমা:
- বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের ভিন্ন নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে মারমাদের অবস্থান দ্বিতীয়। 
​- মারমা নৃগোষ্ঠীর অধিকাংশই রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বাস করে। 'মারমা' শব্দটি 'ম্রাইমা' শব্দ থেকে উদ্ভূত।
- পাবর্ত্য অঞ্চলে বোমাং সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত মারমা সমাজের প্রধান হলেন বোমাং চিফ বা বোমাং রাজা।
- প্রত্যেক মৌজায় কতগুলো গ্রাম রয়েছে। গ্রামবাসী গ্রামের প্রধান মনোনীত করে। 
​- মারমারা গ্রামকে তাঁদের ভাষায় 'রোয়া' এবং গ্রামের প্রধানকে 'রোয়াজা' বলে।
- মারমাদের জীবিকার প্রধান উপায় হচ্ছে কৃষি। তাঁদের চাষাবাদের প্রধান পদ্ধতিকে জুম বলা হয়।
- মারমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাঁরা এ ধর্মেরই অনুষ্ঠানাদি উদযাপন করে।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৮ম শ্রেণি।

৬,৩৩৮.
সম্প্রতি দেশের প্রথম ভার্চুয়াল ডেবিট কার্ড চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. ক) আল আরাফাহ ইসলামি ব্যাংক
  2. খ) ডাচ বাংলা ব্যাংক
  3. গ) মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক
  4. ঘ) ইউনাইটেড কমার্সিয়াল ব্যাংক
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ভার্চুয়াল ডেবিট কার্ড:
- ভিসা নেটওয়ার্কের আওতায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক (এমটিবি) সম্প্রতি দেশের প্রথম ভার্চুয়াল ডেবিট কার্ড চালু করেছে।
- এমটিবির প্রধান কার্যালয়ে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান এই কার্ডটির উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র: সমকাল (৮ আগস্ট, ২০২৩) ।
৬,৩৩৯.
কত সাল থেকে প্রতিবছর ১ জানুয়ারি 'পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস' উদ্‌যাপন করা হচ্ছে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৩ সাল থেকে শুরু হয় বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ।
- তবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের নির্ধারিত কয়েকটি বিষয়ের বই শিক্ষার্থীদের দেওয়া হতো।
- ওই সময়ে একজন শিক্ষার্থীকে অর্ধেক নতুন আর অর্ধেক পুরোনো বই দেওয়া হতো।
- শিক্ষার্থীরা সব বই পাওয়ার জন্য মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত অপেক্ষা থাকতে হতো।
- ঝরে পড়া রোধ, শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ধরে রাখার নিমিত্তে ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার।
- ২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর ১ জানুয়ারি 'পাঠ্যপুস্তক উৎসব দিবস' উদ্‌যাপন করা হচ্ছে। 

সূত্র: দেশ রূপান্তর ও প্রথম আলো।
৬,৩৪০.
লাহোর প্রস্তাবে কোন তত্ত্বের রাজনৈতিক রূপ প্রকাশ পায়?
  1. সাম্যবাদ তত্ত্ব
  2. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা তত্ত্ব
  4. একজাতি তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• লাহোর প্রস্তাব:
- লাহোর প্রস্তাব ভারতীয় উপমহাদেশে বসবাসকারী মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিকে নির্দেশ করে।
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাধারণ অধিবেশনে বাংলার তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী শেরে বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।
- অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছিলেন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ, এবং চৌধুরী খালিকুজ্জামানসহ অন্যান্য মুসলিম নেতৃবৃন্দ প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানান।

- লাহোর প্রস্তাব মূলত জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের রাজনৈতিক রূপ।
- দ্বি-জাতি তত্ত্ব অনুযায়ী ভারতবর্ষে দু’টি পৃথক জনগোষ্ঠী রয়েছে—হিন্দু ও মুসলমান।
- জিন্নাহর মতে, মুসলমানদের ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, আশা-আকাঙ্ক্ষা হিন্দুদের থেকে ভিন্ন।
- এই প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত হয় যে ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব অঞ্চলে যেখানে মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেসব অঞ্চলে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ গঠন করা হবে।
- ২৪ মার্চ ১৯৪০ লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- এর মাধ্যমে ভারতীয় মুসলমানদের পৃথক আবাসভূমি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়।
- পরে ১৯৪৬ সালের এপ্রিল মাসে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে প্রস্তাবটি সংশোধিত হয়।
- একাধিক রাষ্ট্রের (States) পরিবর্তে কেবল একটি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবের মাধ্যমে মুসলিম লীগের নেতৃত্বে মুসলমানরা তাদের জন্য স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নেতৃত্ব দান করেন, যা শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ভারত-বিভাজনের মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম দেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী

৬,৩৪১.
জেনারেল এরশাদ কার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন?
  1. বিচারপতি আবদুর রহমান বিশ্বাস
  2. বিচারপতি শাহাবুদ্দীন
  3. বিচারপতি আবদুস সাত্তার
  4. বিচারপতি এ.এফ.এম. আহসানউদ্দিন
ব্যাখ্যা

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিষ্ঠা:
- এরশাদ বিরোধী আন্দোলন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ ঘোষণার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়৷
- সারাদেশে আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করলে সরকার ২৭ নভেম্বর ১৯৯০ জরুরি অবস্থা জারি ও রাজনৈতিক তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- তবে দমনমূলক ব্যবস্থায় আন্দোলন দমানো সম্ভব হয়নি। বরং বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবীসহ জনগণ আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
- জরুরি অবস্থা উপেক্ষা করে জনগণ রাস্তায় নেমে এরশাদের পদত্যাগ দাবি করে।
- সামরিক বাহিনী এরশাদকে সমর্থন প্রত্যাহার করলে, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের দাবি মেনে নিতে বাধ্য হন।
• ৩ ডিসেম্বর ১৯৯০: এরশাদ একই দিনে রাষ্ট্রপতি ও সংসদ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেন। আন্দোলনরত দলগুলো এরশাদের এই ঘোষণাকে অপকৌশল হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে।
• ৪ ডিসেম্বর ১৯৯০: এরশাদ পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।
• ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০: উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমেদ পদত্যাগ করেন।
- তিন-জোটের মনোনীত প্রার্থী, প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দীন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেওয়া হয়।
- এরশাদ জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে বিচারপতি শাহাবুদ্দীনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
- এর মাধ্যমে এরশাদের শাসনের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়৷
- এটি দেশের প্রথম অসামরিক উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের উদাহরণ।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৪২.
Khulna was included in how many sectors in the liberation war?
  1. ক) Sector 5
  2. খ) Sector 6
  3. গ) Sector 9
  4. ঘ) Sector 8
ব্যাখ্যা
-১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। 
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- ৮ নং সেক্টর  এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে।
- সেক্টরের সৈন্যদের মধ্যে ৩০০০ ছিল নিয়মিত বাহিনী এবং ২৫০০০ গেরিলা সৈন্য।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া,  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৪৩.
ভারতবর্ষে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন কে?
  1. রামমোহন রায়
  2. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

সতীদাহ প্রথা: 
- সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন: লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক।
- গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন: রামমোহন রায়।
- আইন পাসের বছর: ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দ।
- আইন: "রেগুলেশন XVII"।
- আইনের বিষয়বস্তু: হিন্দু বিধবা নারীদের জীবন্ত দাহ বা সতীদাহ প্রথা বেআইনি ঘোষণা।
- লর্ড বেন্টিঙ্কের দৃষ্টিভঙ্গি: মানবহিতৈষী সংস্কারপন্থী।
- প্রভাব: সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ ও সমাজে সংস্কার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,৩৪৪.
১৯৬২ এর শিক্ষা আন্দোলনের কয় দফা দাবি ছিল?
  1. ২১ দফা
  2. ২৩ দফা
  3. ২২ দফা
  4. ১৪ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে ২২ টি দফা ছিল।

৬২-র শিক্ষা আন্দোলন:

- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরীফ কমিশনের শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
- ৬২-র শিক্ষা কমিশন পশ্চিম পাকিস্তানিদের পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বৃদ্ধি করে।
- ১৯৬১ সালের শেষ দিকে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে পরিচালিত আন্দোলন দমনে আইয়ুব সরকার গ্রেপ্তার নির্যাতন চালালে ছাত্র গণআন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।
- ১০ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ছাত্ররা ১৭ সেপ্টেম্বর হরতালের ডাক দেয়। 
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র নিহত এবং কয়েক শত আহত হয়।
- তারপর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৪৫.
'স্নো হোয়াইট' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. ফুলকপি
  4. বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা

• ফুলকপি ফসলের উন্নত জাত এর নাম: স্নো হোয়াইট।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: লাল তীর সীড কোম্পানী 
- জীবনকালঃ: ৪০-৪৫ দিন দিন।

এ জাতের এর বৈশিষ্ট:
১। উচ্চফলনশীল, তাপ ও আদ্রতা সহনশীল আগাম জাত।
২। খেতে মোলায়েম ও সুস্বাদু।
৩। উজ্জল সাদা রঙের ও টাইট।

এছাড়া ও 
• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।
• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: বলাকা, কাঞ্চন, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, সৌরভ, গৌরব, অঘ্রাণী প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

৬,৩৪৬.
রিবন রেটিং কী? 
  1. পাট চাষের পদ্ধতি
  2. সার প্রয়োগ পদ্ধতি
  3. পাট পচানোর পদ্ধতি
  4. মাছ চাষ পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

- রিবন রেটিং হলো পাটের আঁশ ছাড়ানোর একটি আধুনিক পদ্ধতি, যা পাট পচানো হয়।
- যেখানে কাঁচা পাট গাছ থেকে ফিতার মতো ছাল আলাদা করে অল্প পানিতে পচানো হয়। 
- রিবন রেটিং পদ্ধিতির সুবিধা হলো : অল্প পানিতে অধিক পাট পচানো যায়;
- পাট পচানের জন্য পরিমিত পানির অভাব হলে এ পদ্ধতি সহজে ব্যবহার করা যায় ও পচানোর জন্য কম পানি লাগে;
- পচানোর জন্য জায়গা ও সময় কম লাগে; পাট পচানের জন্য পরিবহন খরচ কম লাগে;
- এ পচন পদ্ধতি স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশেবান্ধব; কাটিংসমুক্ত উন্নতমানের আঁশ পাওয়া যায়;
- ভালো আঁশে বেশি মূল্য পাওয়া যায় ও পাটখড়িগুলো শক্ত থাকে,
- জ্বালানি হিসেবে বিভিন্ন কাজের ব্যবহারে সুবিধাজনক ও টেকসই হয়।   

উৎস:  কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৬,৩৪৭.
মুহাম্মদ ঘুরী ও পৃথ্বীরাজ চৌহানের মধ্যে ২য় তরাইনের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ৭১৬
  2. ৭১২
  3. ১১৯০
  4. ১১৯২
ব্যাখ্যা
• তরাইনের ২য় যুদ্ধ:
তরাইনের ২য় যুদ্ধ ১১৯২ সালে বর্তমান হরিয়ানার থানেশ্বরের নিকটে তরাইন নামক শহরের নিকটে সংঘটিত হয়।
- এই স্থান দিল্লি থেকে ১৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত।
- মুহম্মদ ঘুরির নেতৃত্বাধীন ঘুরি বাহিনী ও পৃথ্বীরাজ চৌহানের নেতৃত্বে চৌহান রাজপুত বাহিনীর মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- এই যুদ্ধে মুহাম্মদ ঘুরী, পৃথ্বীরাজ চৌহানকে পরাজিত করেছিলেন এবং এই বিজয় দিল্লি সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করে।
- তিনি ভারতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন এবং দেশে তিনি 'মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা' হিসাবেও পরিচিত।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার কোন ভাগে সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখার ঘোষণা রয়েছে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৩৪৯.
বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গকিলোমিটার?
  1. ৪,১৪৩ বর্গকিমি
  2. ৬,০১৭ বর্গকিমি
  3. ১০,০০০ বর্গকিমি
  4. ৮,০০০ বর্গকিমি
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬,৩৫০.
‘প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের লক্ষ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৮ (১) নং
  2. ১৯ (১) নং
  3. ১৯ (২) নং
  4. ২০ (১) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ১৯ (২) নং অনুচ্ছেদে '‘প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের লক্ষ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে’' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৮ (১) নং: জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।
- অনুচ্ছেদ ২০ (১) নং: কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং “প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৩৫১.
বর্তমানে দেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম-  [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন
  2. কায়সার আহমেদ
  3. মোঃ আসাদুজ্জামান
  4. মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
ব্যাখ্যা

- দেশে বর্তমানে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়ি্ত্ব্য কেউ নেই।
- বর্তমানে দেশের অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম- জনাব মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ,

- যিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন;
- কারণ মো. আসাদুজ্জামান পদত্যাগ করার পর তিনি এই পদে এসেছেন। 
- বর্তমান দায়িত্বপ্রাপ্ত: মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
- পদবি: অ্যাটর্নি জেনারেল (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
- পূর্ববর্তী: মো. আসাদুজ্জামান (৮ আগস্ট ২০২৪ – ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫) 

অ্যাটর্নি জেনারেল:

- অনুচ্ছেদ- ৬৪ (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- (২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- তিনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- ১৬ তম অ্যাটর্নি জেনারেলজনাব আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
- ১৭ তম অ্যাটর্নি জেনারেল জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৬,৩৫২.
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার কথা বলা হয়েছে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে? 
  1. অনুচ্ছেদ-৩
  2. অনুচ্ছেদ-২
  3. অনুচ্ছেদ-১
  4. অনুচ্ছেদ-৪
ব্যাখ্যা

- ২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার কথা।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ -১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ - ৩: রাষ্ট্রভাষা।
- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক এর কথা ৪ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদে বলা আছে - জাতির পিতার প্রতিকৃতির কথা।
- ৫ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে-প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৬,৩৫৩.
The Ministry of Liberation War Affairs has been established in -
  1. ক) 23 October, 2000
  2. খ) 23 October, 2001
  3. গ) 23 October, 2002
  4. ঘ) 23 October, 2003
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২৩ অক্টোবর, ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ/সংগঠনসমূহ:
• বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট,
• জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল,
• বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,
• জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ,
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর,
• স্বাধীনতা স্তম্ভ কমপ্লেক্স,
• মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স,
• মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৬,৩৫৪.
কোন সম্রাটের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সম্রাট হুমায়ূন
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা

- প্রথম দিকে বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন ঈসা খান।
- বারোভূঁইয়াদের দমন করার জন্য সম্রাট আকবর বিশেষ মনোযোগ দেন।
- এজন্য তিনি ১৫৮৩ সালে শাহবাজ খান, ১৫৮৫ সালে সাদিক খান, ১৫৮৬ সালে উজির খান ও ১৫৯৪ সালে রাজা মানসিংহকে বাংলার সুবাদার করে পাঠান।
- তাঁরা ঈসা খান ও অন্যান্য জমিদারের সাথে বহুবার যুদ্ধ করেন।
- কিন্তু বারোভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খানকে সম্পূর্ণ পরাজিত করা সম্ভব হয়নি।
- তিনি সম্রাট আকবরের আনুগত্য স্বীকারের বিনিময়ে নিজের আধিপত্য বজায় রাখেন।
-১৫৯৯ সালে ঈসা খানের মৃত্যু হলে বারোভূঁইয়াদের নেতা হন তাঁর পুত্র মুসা খান।
- এদিকে ১৬০১ সালে মানসিংহকে দ্বিতীয়বারের মতো বাংলায় পাঠানো হয়। এবার মানসিংহ কিছুটা সফল হন।
- ১৬০৩ সালে মুসা খান এক নৌযুদ্ধে মানসিংহের হাতে পরাজিত হন।
- কিন্তু চূড়ান্ত সাফল্য অর্জন করার আগে সম্রাট আকবরের অসুস্থতার খবর আসে।
- সম্রাটের ডাকে মানসিংহ আগ্রায় ফিরে যান।
- সম্রাট আকবরের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সেলিম 'জাহাঙ্গীর' নাম ধারণ করে ১৬০৫ সালে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি মানসিংহকে আবার বাংলায় প্রেরণ করেন।
- এক বছর পর ১৬০৬ সালে কুতুব উদ্দিন কোকাকে বাংলার প্রাদেশিক শাসক বা সুবাদার নিয়োগ করা হয়।
- কুতুব উদ্দিন শের আফকুনের হাতে প্রাণ হারান।
- তাঁর পরবর্তী সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খান এক বছর পর মারা যান।
- এর পর ইসলাম খান ১৬০৮ সালে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন।
- বারোভূঁইয়াদের মোকাবিলা করার জন্য ইসলাম খান শক্তিশালী নৌবহর গড়ে তোলেন।
- মুসা খানের সাথে প্রথম সংঘর্ষ বাধে ১৬০৯ সালে করতোয়া নদীর পূর্বতীরে যাত্রাপুরে।
- সেখানে মুসা খানের দুর্গ ছিল। যুদ্ধে মুসা খান ও অন্যান্য জমিদার শেষ পর্যন্ত পিছু হটেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকায় প্রবেশ করেন। এ সময় থেকে ঢাকা হয় বাংলার রাজধানী।
- সম্রাটের নাম অনুসারে ঢাকার নাম রাখা হয় 'জাহাঙ্গীরনগর'। 
- বাংলার বারোভূঁইয়াদের পরাজিত করে সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালের কৃতিত্বপূর্ণ কাজ।
- আর এ কৃতিত্বের দাবিদার সুবাদার ইসলাম খান (১৬০৮-১৬১৩ সালে)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,৩৫৫.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে-
  1. ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল
  4. ১৯৭২ সালের ২১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে  ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- এ কমিটি অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান তৈরি করে এবং তা গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- গণপরিষদে সদস্যগণ পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন অবশেষে পরিমার্জিত হয়ে উক্ত সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২   থেকে তা কার্যকর হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে একটি আর্দশ সংবিধান প্রণয়ন করে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধানের ইতিহাস।
৬,৩৫৬.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস কী?
  1. ক) আয়কর
  2. খ) মূল্য সংযোজন কর
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা
সরকারের রাজস্বের উৎস:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলত কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে। 
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বের প্রধান উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর।
- এই খাত থেকে আসে ১,৬৩,৮৩৭ কোটি টাকা।

অন্যদিকে -
- ২য় উৎস: আয়কর, এই খাত থেকে আসে ১,৫৩,২৬০ কোটি টাকা।
- ৩য় উৎস: সম্পূরক শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৬০,৭০৩ কোটি টাকা।
- ৪র্থ উৎস: আমদানি শুল্ক, এই খাত থেকে আসে ৪৬,০১৫ কোটি টাকা।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
৬,৩৫৭.
কুমিল্লার ময়নামতিতে সন্ধান পাওয়া প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?
  1. নালন্দা বিহার
  2. সোমপুর বিহার
  3. শালবন বিহার
  4. জগদল বিহার
ব্যাখ্যা
সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৬,৩৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় গড়ে ওঠা আঞ্চলিক বাহিনী কোনটি?
  1. ক) কাদেরিয়া বাহিনী
  2. খ) বাতেন বাহিনী
  3. গ) হেমায়েত বাহিনী
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী

নিয়মিত বাহিনী (Mukhti Fouz সংক্ষেপে M.F.) এবং অনিয়মিত বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাগণের (Freedom fighter = F.F.) পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় কিছু সাহসী স্বাধীনতাকামী ব্যক্তির নেতৃত্বে দেশের অভ্যন্তরেই বিশেষ বাহিনী গড়ে ওঠে। এসব বাহিনীকে 'আঞ্চলিক বাহিনী' বলা হয় ।

- এসব আঞ্চলিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় লক্ষাধিক।
- এছাড়াও তাদের সাথে ছিল স্বেচ্ছাসেবক; তাদের সংখ্যাও ছিল তিন থেকে চার লক্ষের মতো। 

কয়েকটি উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক বাহিনী হলো -

১. কাদেরিয়া বাহিনী
২. হেমায়েত বাহিনী
৩. আফসার বাহিনী
৪. আকবর বাহিনী
৫. বাতেন বাহিনী 
৬. হালিম বাহিনী
৭. জিয়া বাহিনী
৮. রফিক মীর্জা বাহিনী


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৬,৩৫৯.
ঐতিহাসিক ‘ছয়দফা’ কে কিসের সঙ্গে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) মাগনাকাটা
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মূখ্য আইন
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ‘ছয়দফা’ দাবী কে ‘ম্যাগনাকর্টা’ বা ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ‘ছয়দফা’ দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৩৬০.
'কর্ণসুবর্ণ' কোন জনপদের রাজধানী শহর ছিল?
  1. সমতট
  2. গৌড়
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৬১.
কোন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীদের গ্রামকে ’পুঞ্জি’ বলা হয়?
  1. মারমা
  2. খাসিয়া
  3. সাঁওতাল
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।

- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৩৬২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'এস' ফোর্সের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. কে.এম.সফিউল্লাহ
  2. এস.কে.সাইফুল্লাহ
  3. এ.কে.এম শামীম
  4. আ.ক.ম সহিসুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:

- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- 'জেড' ফোর্স, 'কে' ফোর্স, 'এস' ফোর্স নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স।
- জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬,৩৬৩.
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ফারাক্কা পানি চুক্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- এর অবস্থান বাংলাদেশ থেকে ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।

উল্লেখ্য,
- ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।

⇒ ফারাক্কা পানি চুক্তি:
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।
- চুক্তি অনুযায়ী, শুষ্ক মৌসুমে অর্থাৎ ১ জানুয়ারি - ৩১শে মে পর্যন্ত দুই দেশ চুক্তিতে উল্লেখিত ফর্মুলা অনুযায়ী পানি ভাগাভাগি করে নেবে।
- চুক্তিতে বলা হয়েছে, নদীতে ৭০ হাজার কিউসেক বা তার কম পানি থাকলে দুই দেশ সমান সমান পানি ভাগ করে নেবে।
- পানির পরিমাণ ৭০ হাজার কিউসেক থেকে ৭৫ হাজার কিউসেক হলে ৪০ হাজার কিউসেক পাবে বাংলাদেশ, অবশিষ্ট প্রবাহিত হবে ভারতে।
- আবার নদীর পানির প্রবাহ যদি ৭৫ হাজার কিউসেক বা তার বেশি হয় তাহলে ৪০ হাজার কিউসেক পানি পাবে ভারত, অবশিষ্ট পানি প্রবাহিত হবে বাংলাদেশে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা।
৬,৩৬৪.
পাল বংশের শেষ 'মুকুটমণি' ছিলেন-
  1. দেবপাল
  2. রামপাল
  3. ধর্মপাল
  4. মহিপাল
ব্যাখ্যা
• পাল বংশ:
- দ্বিতীয় শূরপালের পর রামপাল পাল বংশের রাজা হন।
- লিপি প্রমাণে বলা যায় তিনি ৪২ বছর  রাজত্ব করেন।
- তিনি আনুমানিক ১০৮২-১১২৪ খ্রি পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- প্রথম দিকে তাঁর রাজ্য বিহার ও পশ্চিম বাংলার অংশবিশেষে সীমাবদ্ধ ছিল।
- অগ্রজ দুই ভ্রাতার পর রামপাল বেশ প্রৌঢ় অবস্থায় সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তাঁর রাজত্বকাল ছিল নিঃসন্দেহে সাফল্যপূর্ণ।
- সীমিত সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়েও উত্তর বাংলাকে পাল সাম্রাজ্যভুক্ত করে।
- তাঁর মৃত্যুর পর এই সাম্রাজ্য দ্রুত গতিতে বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।
- তাই রামপালকে পালবংশের শেষ 'মুকুটমণি' বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালের প্রধান ঘটনা ছিল উত্তর বাংলার সামন্ত বিদ্রোহ।
- 'রামচরিত' কাব্যে এই বিদ্রোহ ও বিদ্রোহোত্তর ঘটনাবলীর পাওয়া যায়।
- গোপালের উত্থানের মধ্যে দিয়ে  পাল রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পাল রাজবংশ প্রায় ৪শ বছর স্থায়ী ছিল।

উৎস: ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৬৫.
পাংখোয়ারা নিজেদের কোন ধর্মবিশ্বাসের অনুসারী বলে দাবি করে?
  1. খ্রিস্টান
  2. বাহাই
  3. জৈন
  4. বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা

- পাংখোয়ারা নিজেদের বৌদ্ধ দাবি করে। 

পাংখোয়া :
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১৩টি অদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ বলে দাবি করে থাকে।
- তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’, যেমন লুসেইদের ‘পুথিয়ান’।
- বিশ্বসৃষ্টি সম্পর্কে তাদের সমাজে অনেক পৌরাণিক গল্পকাহিনী প্রচলিত আছে। সৃষ্টিকর্তা ‘পত্যেন’-এর পরই তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’। 

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

৬,৩৬৬.
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র জারি হয় -
  1. ক) ৭ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ৭ এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৩৬৭.
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনারের নাম কী?
  1. ক) সেলেনিয়া
  2. খ) জেরেমি করবিন
  3. গ) জেরেমি ব্রুয়ার
  4. ঘ) অলগা কেটরিন
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনার:

- বাংলাদেশে নবনিযুক্ত  অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনারের নাম জেরেমি ব্রুয়ার।
- ব্রুর ফরেন অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড ট্রেড বিভাগের একজন সিনিয়র ক্যারিয়ার অফিসার ছিলেন।
- তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া মেরিটাইম শাখার সহকারী সচিব ছিলেন।
- তিনি এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে বিদেশে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- ব্রুয়ার মেলবোর্ন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর এবং অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটি থেকে ব্যাচেলর অফ আর্টস করেছেন।

তথ্যসূত্র - দ্যা ডেইলী স্টার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯।
৬,৩৬৮.
রাজনৈতিক দল সমূহের দলীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কী অর্জন করা হয়?
  1. ব্যক্তিগত স্বার্থ
  2. জাতীয় উন্নতি ও সমৃদ্ধি
  3. শুধু রাজনৈতিক ক্ষমতা
  4. সামাজিক বিশৃঙ্খলা
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য:
- রাজনৈতিক দলের প্রধান প্রধান উদ্দেশ্য হলো-
১. রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে আদর্শগতভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কর্মসূচি ও নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করা;
২. রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কিছু নীতিমালা ও পরিকল্পনা জনগণের নিকট পেশ করে জনসমর্থন সৃষ্টিকরা;
৩. দলীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় উন্নতি ও সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা;
৪. বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের শাসনভার গ্রহণ ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৬৯.
মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর-
  1. জেলা প্রশাসন
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. সচিবালয়
  4. উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর তিনটি। যথা- 
- বিভাগীয় প্রশাসন,
- জেলা প্রশাসন ও
- উপজেলা প্রশাসন।
• মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর - বিভাগীয় প্রশাসন‌।
• মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা প্রশাসন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।।
৬,৩৭০.
কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে বীর উত্তম খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৬৮
  2. ৬৯
  3. ১৭৮
  4. ১৭৭
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী।
- মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে তিনি এই প্রস্তাব করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।

উল্লেখ্য,
- ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হলো তাঁরা হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৭ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৪ জন,
• বীর প্রতীক ৪২৪ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
৬,৩৭১.
বাংলাদেশের মোট আয়তনের কতভাগ বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ২৫ ভাগ
  2. খ) ১৯ ভাগ
  3. গ) ১৭ ভাগ
  4. ঘ) ২৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
• পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়।
• বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ

সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৬,৩৭২.
বাংলাদেশে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. কক্সবাজার 
  3. চট্টগ্রাম
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

- জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হয়েছে।
-  ৬ ডিসেম্বর ২০২২ এটি উদ্বোধন করা হয়।
- এটির আয়তন মোট ১০০০ একর। অঞ্চলটিতে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থান হবে।
- এই অর্থনৈতিক অঞ্চলে অটোমোবাইল, ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি, মোবাইল ইকুইপমেন্টসহ প্রভৃতি উৎপাদন হবে।
- এটি হবে এশিয়ায় জাপানের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ কেন্দ্র।
- জিটুজি  ব্যবস্থার অধীনে নির্মিত এটি দেশের অর্থনৈতিক অঞ্চল।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৬,৩৭৩.
বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬২.১
  2. খ) ৬৩.৪
  3. গ) ৬৫.৫
  4. ঘ) ৫৮.৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৬৩.৪ শতাংশ।
এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলে এই হার ৬২.৭ এবং শহরাঞ্চলে ৬৪.৪। আধুনিক জন্ম নিযন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৬২.১ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019)
৬,৩৭৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার কোন ভাগে শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৩৭৫.
মহাত্মা গান্ধীর সম্পাদনায় প্রকাশিত পত্রিকার নাম কী?
  1. Indian Opinion
  2. Indian liberation
  3. Indian Happiness
  4. Indian Observer
ব্যাখ্যা
মাহাত্ম গান্ধী:
- অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মহাত্মা গান্ধী।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর গুজরাটের পোরবন্দ নামক স্থানে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী বা মহাত্মা এই উপাধিটি রবীন্দ্রনাথ প্রদান করেন।
- ইন্ডিয়ান ওপিনিয়ন ১৯০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে মহাত্মা গান্ধী এবং এমএইচ নাজার সম্পাদনা করেছিলো। 

সূত্র: ব্রিটানিকা ও Gandhi Research Foundation.
৬,৩৭৬.
‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড’ প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. ক) জাহাঙ্গির আলম
  2. খ) আয়শা এরিন
  3. গ) তানভির মোকাম্মেল
  4. ঘ) সুমন আহমেদ
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পায় প্রামাণ্যচিত্র ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড’।
প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন আয়শা এরিন।
প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন কে এইচ এন রিসার্চ টিম (বাংলাদেশ), ডিডি রিসার্চ (ইউরোপভিত্তিক) ও আইডিয়াল থিংকারস অ্যাসোসিয়েশন।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।
৬,৩৭৭.
বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যার প্রধান কারণ কোনটি?
  1. কৃষি নির্ভরতা
  2. প্রযুক্তিহীনতা
  3. অধিক জনসংখ্যা
  4. রাজনৈতিক অস্থিরতা
ব্যাখ্যা
বেকারত্ব বৃদ্ধি:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা বেকারত্ব।
- আর অতিরিক্ত জনসংখ্যাই আমাদের (বাংলাদেশের) বেকার সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ।
- জনসংখ্যা অনুপাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করা যাচ্ছে না বলে বাংলাদেশে বেকারের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলছে।
- স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৯৬-৯৭ পর্যন্ত সময়ে দেশে শ্রমশক্তি তথা কর্মক্ষম জনশক্তির পরিমাণ দ্বিগুণ হলেও সে অনুপাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পায়নি।

উল্লেখ্য,
- কাজ করার সামর্থ্য ও ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কাজ করার চেষ্টা চালিয়ে কর্মলাভে ব্যর্থ হওয়ার ফলে সক্ষম ব্যক্তির কর্মহীন অবস্থাই হলো বেকারত্ব।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে এদেশে কর্মের সুযোগ বৃদ্ধি প্রাপ্ত না হওয়ার ফলে বেকারত্ব ক্রমশ বেড়ে চলেছে।
- বেকারত্ব দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং ক্রমাগতভাবে বেকার ব্যক্তিকে সুবিধা বঞ্চিত করে তোলে। 

তথ্যসূত্র: সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, এবং এসএসসি প্রোগ্রাম- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৭৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'আকবর বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. মাগুরা
  2. বরিশাল
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৬,৩৭৯.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৩.৯৭%
  2. ৩.৫৭%
  3. ৫.৯৭%
  4. ৪.২২%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৬,৩৮০.
কতজন সদস্য নিয়ে শরিফ কমিশন গঠিত হয়েছিল?
  1. ৯ জন
  2. ১০ জন
  3. ১১ জন
  4. ১২ জন
ব্যাখ্যা

• ১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন:
- আইয়ুব খান শিক্ষা সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন।
- তদানীন্তন শিক্ষা সচিব এস.এম. শরীফকে সভাপতি করে গঠিত এগার সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন 'শরিফ কমিশন' নামে অভিহিত।
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।

- কমিশন ১৯৫৯ সালের ২৬ আগস্ট তার সুপারিশ পেশ করে। কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশ ছিল নিম্নরূপ:
• তিন বছরের বি.এ কোর্স পদ্ধতি চালু করা (এর আগে ছিল দু'বছরের বি.এ পাস কোর্স)।
• স্কুল-কলেজের সংখ্যা সীমিত রাখা।
• শিক্ষা ব্যয়ের শতকরা ৮০ ভাগ অভিভাবককে বহন করতে হবে।
• ৬ষ্ঠ শ্রেণি হতে ডিগ্রি স্তর পর্যন্ত ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক করা হবে।

- কমিশনের এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়।
- ঢাকা কলেজে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত।
- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েকশ' আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

৬,৩৮১.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতাল ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬,৩৮২.
কোনটি উন্নত জাতের আমের নাম?
  1. ক) মোহনবাঁশি
  2. খ) বীটজবা
  3. গ) গৌড়মতি
  4. ঘ) অগ্নিশ্বর
ব্যাখ্যা
• কয়েকটি উন্নত জাতের আমের নামঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।
• উন্নত জাতের কলার নামঃ
- অগ্নিশ্বর,
- কানাইবাশি,
- মোহনবাঁশি
- বীটজবা ইত্যাদি‌।
৬,৩৮৩.
'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০' বাস্তবায়নে কোন দেশ বাংলাদেশকে সাহায্য করছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) চীন
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা 'ব-দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০' দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৬,৩৮৪.
বাংলাদেশের একমাত্র নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
 • নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর:
- বাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক বা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬৫ সালে।
- জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি। 
- এই জাদুঘরে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জাতি তাত্ত্বিক সামগ্রী প্রদর্শিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (১৯১০)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া
৬,৩৮৫.
আতাউর রহমান খান নেতৃত্বাধীন মন্ত্রীসভায় বঙ্গবন্ধু কোন দপ্তরের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) কৃষি ও সমবায়
  2. খ) সিভিল সাপ্লাই
  3. গ) শিল্প ও বাণিজ্য
  4. ঘ) শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ এই মন্ত্রিসভায় শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
- কিন্তু ১৯৫৭ সালের ৩০ মে দলীয় কাজে মনোনিবেশের জন্যে স্বেচ্ছায় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
- ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কৃষি ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৬,৩৮৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন সিটি কর্পোরেশনে সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে?
  1. কুমিল্লা
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৬,৩৮৭.
নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি কোন সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন?
  1. ক) রাখাইন
  2. খ) গারো
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) মণিপুরী
ব্যাখ্যা
নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে। পরবর্তীতে তিনি ইসলামধর্ম গ্রহণ করে প্রথমে একজন বাঙালি এবং পরে একজন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেন।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৫ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন। এক পর্যায়ে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।

কাঁকন বিবি কে ১৯৯৭ সালে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি। ২০১৮ সালের ২১শে মার্চ তিনি মারা যান।

(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
৬,৩৮৮.
বাংলা একাডেমির ‘কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছেন কে?
  1. কথাশিল্পী বর্ণালী সাহা
  2. কবি আল মুজাহিদী
  3. কবি মোহাম্মদ রফিক
  4. অধ্যাপক হ্যান্স হার্ডের
ব্যাখ্যা
কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত দ্বি-বার্ষিক পুরস্কার 'কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার'।
- সম্প্রতি, ‘কবি জসীমউদ্দীন সাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ এ ভূষিত হয়েছেন কবি আল মুজাহিদী।
- কবি আল মুজাহিদী কবিতা ছাড়াও তিনি গল্প, উপন্যাস, সমালোচনা ইত্যাদি সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রেখেছেন।

উল্লেখ্য,
- ‘সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ এ ভূষিত হয়েছেন অধ্যাপক হ্যান্স হার্ডের ও কথাশিল্পী বর্ণালী সাহা।
- কবি জসীমউদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য দুই লাখ টাকা এবং সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ সাহিত্য পুরস্কারের অর্থমূল্য প্রতিটি এক লাখ টাকা।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ‘অমর একুশে বইমেলা ২০২৫’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের পুরস্কারের অর্থ, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৬,৩৮৯.
বাংলাদেশ কত সালে আইওটিসি-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
আইওটিসি:
- IOTC-এর পূর্ণরূপ: Indian Ocean Tuna Commission.

উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক জলসীমায় মাছ ধরতে লং লাইনার ও পার্সসেইনার ধরনের জাহাজের প্রয়োজন হয়।
- ২০১৮ সালে ইন্ডিয়ান ওশান টুনা কমিশনের (আইওটিসি) সদস্যপদ পেয়েছে বাংলাদেশ। 
- আইওটিসির সদস্য হওয়ায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমায় (বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমায়) মাছ ধরার অধিকার পেয়েছে।
- তবে আইওটিসির সদস্যদেশ হিসেবে সংস্থাটিকে প্রতিবছর ৭০ হাজার মার্কিন ডলার (৭৭ লাখ টাকা) দিতে হয় বাংলাদেশকে।
- প্রকল্প দপ্তর জানিয়েছে, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ আইওটিসির সদস্যপদ লাভ করলেও এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক জলসীমায় মাছ ধরেনি।
- প্রতিবছর অক্টোবরে শুরু হয় টুনা মাছের মৌসুম।

উৎস: i) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ২২ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো।
৬,৩৯০.
’অর্থবিল’ সম্পর্কিত বিধানাবলী সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত?
  1. ৮০ নং
  2. ৮১(১) নং
  3. ৮৩ নং
  4. ৮০(২) নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদ অর্থবিল সম্পর্কিত।

• অর্থবিল:
৮১(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে:
- কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ;
- সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন;
- সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ;
- সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ;
- সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা;
- উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়।

৮১(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না।

৮১(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

অন্যদিকে,
• সংবিধানের ৮০ অনুচ্ছেদ আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি সম্পর্কিত।
- ৮০(০২) সংসদ কর্তৃক কোন বিল গৃহীত হইলে সম্মতির জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিতে হইবে।

• সংবিধানের ৮৩ নং অনুচ্ছেদ, সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৬,৩৯১.
মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খুলনা
  3. চট্রগ্রাম
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ও জেলা:
• বিভাগ
১. চট্টগ্রাম (৮১০২৮৩ মেট্রিক টন)
২. খুলনা (৭৫৬২২৫মেট্রিক টন)
৩. রাজশাহী (৫৩৩৬১৩মেট্রিক টন)
•জেলা
১. ময়মনসিংহ  (৩,৩৩,৮৭৭ মেট্রিক টন)
২. কুমিল্লা  (৩,০৩,৭১৩ মেট্রিক টন)
৩. যশোর  (২,৩৫,৬৬৫মেট্রিক টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
৬,৩৯২.
'পাঁচসালা বন্দোবস্ত’ প্রবর্তন করেছিলেন কে?
  1. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা

• পাঁচসালা বন্দোবস্ত:
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।
- অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থায় হেস্টিংস জমিদারদের সঙ্গে এক সালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৯৩.
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা কে?
  1. সালাউদ্দিন আহমদ
  2. এ এম আমিন উদ্দিন
  3. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু
  4. মাহবুবে আলম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অ্যাটর্নি-জেনারেল:

- অ্যাটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- প্রসঙ্গত, অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি সাংবিধানিক পদ হলেও এপদের শপথ গ্রহণ করতে হয় না।
- অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং নিয়োগ লাভের পর তিনি রাষ্ট্রপতি বরাবরে যোগদানপত্র দাখিল সাপেক্ষে পদে আসীন হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন।
- তিনি ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল।

অন্যদিকে -
- জনাব সালাউদ্দিন আহমদ ১৪তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- জনাব মাহবুবে আলম ১৫তম অ্যাটর্নি জেনারেল।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
          ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৬,৩৯৪.
The length of the proposed Padma breezes is:
  1. 6.15 km
  2. 6.35 km
  3. 6.50 km
  4. 6.75 km
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৬,৩৯৫.
প্রথম 'অল ইন্ডিয়া রেডিও-ঢাকা' সম্প্রচার হয় কত সনে?
  1. ১৯৩৯
  2. ১৯২৬
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৩৫
ব্যাখ্যা
অল ইন্ডিয়া রেডিও:
- 'অল ইন্ডিয়া রেডিও' হল ভারত সরকারের একটি বেতার সম্প্রচার সংস্থা। 
- এটি 'আকাশবাণী' নামেও পরিচিত।
- এটি ভারতের বৃহত্তম বেতার নেটওয়ার্ক।
- ১৯২৭ সালের ২৩শে জুলাই 'অল ইন্ডিয়া রেডিও' এর যাত্রা শুরু হয়।
- 'অল ইন্ডিয়া রেডিও-ঢাকা' বলতে বোঝানো হয় অল ইন্ডিয়া রেডিওর ঢাকা কেন্দ্র অথবা ঢাকা থেকে সম্প্রচারিত অল ইন্ডিয়া রেডিওর কোনো অনুষ্ঠান।
- ১৯৩৯ সালের ১৬ই ডিসেম্বর 'অল ইন্ডিয়া রেডিও-ঢাকা' যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র - আকাশবাণী ওয়েবসাইট।
৬,৩৯৬.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা কে ছিলেন?
  1. হাজী ওয়ালীউল্লাহ
  2. মজনু শাহ
  3. তিতুমীর
  4. হাজী শরীয়তুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ফকির মজনু শাহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ঐতিহাসিক ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন মজনু শাহ।
- তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের মাদারিয়া তরিকার সুফি সাধক।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করেন।

⇒ বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ। ইংরেজ সরকার তীর্থস্থান দর্শনের উপর করারোপ করে, ভিক্ষা ও মুষ্টি সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে। তাছাড়া তাদেরকে ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করতে থাকে। ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়।
- বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ। আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি। ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন। ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এই সব অঞ্চলে ইংরেজদের সঙ্গে বিদ্রোহী ফকির-সন্ন্যাসীদের বহু সংঘর্ষ সংঘটিত হয়। এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে ।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৭.
নিচের কোনটি গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নয়?
  1. পৌরসভা
  2. জেলা পরিষদ
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
- পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৯৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম ভাগের বিষয়বস্তু-
  1. নির্বাচন
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. আইনসভা
ব্যাখ্যা

- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৬,৩৯৯.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য ' বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করে কতজন ?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্নেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, সব মিলিয়ে বর্তমানে বীর উত্তম খেতাব প্রাপ্ত - ৬৮ জন

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট প্রথম আলো রিপোর্ট)
 
৬,৪০০.
Which subject is more focused in the national anthem of Bangladesh?
  1. ক) Natural beauty of Bangladesh
  2. খ) General people of Bangladesh
  3. গ) History of Bangladesh
  4. ঘ) Culture of Bangladesh
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংগীত:

- বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রতি বেশি আলোকপাত করা হয়। 
- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- গানটির গীতিকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।