বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬২ / ৩০৬ · ৬,১০১৬,২০০ / ৩০,৮৩২

৬,১০১.
ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক:

- দেশের প্রথম সাফারি পার্ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি উদ্যান, কক্সবাজার।
- এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ডুলাহাজরা সাফারি পার্ক নামেও পরিচিত।
- কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় ডুলাহাজরা রিজার্ভ ফরেষ্টে মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য সম্বলিত বনাঞ্চলে সাফারী পার্কটি অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,১০২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয় -
  1. ক) ১৭ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ঘ) ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা চূড়ান্তভাবে গৃহীত সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর করেন।
- সবার প্রথমে স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- তারপর যথাক্রমে - সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেন।
- তবে গণপরিষদের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের হাতে লেখা সংবিধান কপিতে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
৬,১০৩.
'Excise Duty' এর পরিভাষা-
  1. ক) অতিরিক্ত কর
  2. খ) অতিরিক্ত দায়িত্ব
  3. গ) সম্পূরক শুল্ক
  4. ঘ) আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

- 'Excise Duty' এর পরিভাষা আবগারি শুল্ক।
- দেশের অভ্যন্তরের উৎপাদিত ও ব্যবহৃত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার উপর আরোপিত করকে আবগারি কর বা শুল্ক বলে।
- Supplement Duties এর পরিভাষা সম্পূরক শুল্ক।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা অভিধান

৬,১০৪.
সিন্ধু বিজেতা প্রথম মুসলিম সেনাপতি ছিলেন-
  1. মুহাম্মদ বিন কাসিম
  2. মাহমুদ গজনভী
  3. আলাউদ্দিন খিলজি
  4. মুহাম্মদ ঘুরি
ব্যাখ্যা
সিন্ধু বিজয়:
- আরবদের সিন্ধু বিজয় উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এটিকে দক্ষিণ এশিয়ায় মুসলমানদের আগমনের সূচনালগ্ন ধরা হয়।
- এ ঐতিহাসিক ঘটনার প্রধান কুশীলব ছিলেন আরব সেনাপতি মুহাম্মদ বিন কাসিম ও সিন্ধুর তৎকালীন রাজা দাহির।
- প্রথম সিন্ধু বিজয়ী মুসলিম সেনাপতি ছিলেন মুহাম্মদ বিন কাসিম।
- খলিফা প্রথম ওয়ালিদের সময় মুসলমানগণ সিন্ধু অভিযান করে।

উল্লেখ্য
- খলিফার অনুমতি নিয়ে ইরাকের গভর্ণর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ এই অভিযান পাঠান।
- সিন্ধু বিজয়ের মূল উদ্দেশ্য ছিল সাম্রাজ্যের বিস্তার সাধন এবং অর্থ সম্পদ লাভ।
- মুহম্মদ বিন কাসিম এক শক্তিশালী বাহিনী নিয়ে সিন্ধুদেশ আক্রমণ করেন।
- তিনি দাইবুল, নীরুন, সিওয়ান ও সিসাম দখল করে আরও উত্তরে অগ্রসর হন।
- সিন্ধুরাজ দাহির রাওয়ার দুর্গ রক্ষার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু তিনি যুদ্ধে নিহত হন।
- রাওয়ার দখলের পর মুহম্মদ বিন কাসিম সিন্ধুর রাজধানী আলোর জয় করেন।
- এরপর মুলতানও মুসলমানদের দখলে আসে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি,  উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১০৫.
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হচ্ছে -
  1. ফার্নেস তেল
  2. ডিজেল
  3. কয়লা
  4. পারমাণবিক পদার্থ
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- প্রকল্প ব্যয় - ১৬,০০০ কোটি টাকা।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ।
৬,১০৬.
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ কোন তফসিলে আলোচিত হয়েছে?
  1. ক) পঞ্চম তফসিল
  2. খ) সপ্তম তফসিল
  3. গ) চতুর্থ তফসিল
  4. ঘ) ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

প্রথম তফসিল
অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।

দ্বিতীয় তফসিল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।

তৃতীয় তফসিল
শপথ ও ঘোষণা।

চতুর্থ তফসিল
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

পঞ্চম তফসিল
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।

ষষ্ঠ তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণা।

সপ্তম তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,১০৭.
সম্প্রতি ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে কোন দেশের পার্লামেন্টে প্রস্তাব আনা হয়েছে?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশে চালানো গণহত্যাকে স্বীকৃতির দাবিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টিভস) একটি প্রস্তাব আনা হয়েছে।
- কংগ্রেসম্যান রো খান্না ও কংগ্রেসম্যান স্টিভ চ্যাবট এ প্রস্তাব তোলেন।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর ২০২২
৬,১০৮.
বাংলাদেশে কোন ধরনের বাজেট প্রণয়ন করা হয়?
  1. ঘাটতি বাজেট
  2. সম্পূরক বাজেট
  3. সুষম বাজেট
  4. উদ্বৃত্ত বাজেট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশে ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করা হয়।

ঘাটতি বাজেট:
- কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
- সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।
- বাজেট ঘাটতি দুভাবে পূরণ করা হয়।
- বৈদেশিক উৎস: এটি মূলত বৈদেশিক ঋণ।
- সরকার বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ থেকে সহজ শর্তে ঋণ নেয়।
- অভ্যন্তরীণ উৎস: সরকার দুভাবে দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেয়।
- যেমন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ব্যাংকবহির্ভূত ব্যবস্থা।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক।

৬,১০৯.
ঢাকা কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম-
  1. ক) বন্ধু
  2. খ) একতা
  3. গ) মৈত্রী
  4. ঘ) পদ্মা
ব্যাখ্যা
ঢাকা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম ''মৈত্রী এক্সপ্রেস'' এবং খুলনা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম ''বন্ধন এক্সপ্রেস''।
Source: railway.gov.bd
৬,১১০.
বাংলাদেশের সরকার প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পীকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের মধ্যমনি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি কেবল মন্ত্রীসভার প্রধান নন; তার উপরই নির্ভর করবে সংসদের মেয়াদ।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে কার্যত সংসদ ভেঙে যায়।
- প্রধানমন্ত্রীই অন্যান্য মন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা বিচার করে তিনি মন্ত্রীদের কার্যত পদত্যাগে বাধ্য করেন।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির তথা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একাধারে সরকার প্রধান, জাতীয় সংসদের নেতা এবং শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- তার নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হয়।
- তিনি দেশ পরিচালনায় মন্ত্রীপরিষদকে নেতৃত্ব দেন। 
- এছাড়াও মন্ত্রীসভার অধিবেশন আহ্বান, কার্যসূচী নির্ধারন, অধিবেশন সভা পরিচালনা, মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন, মন্ত্রীসভার কাজ তত্ত্বাবধান প্রভৃতি দায়িত্ব মূলত প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত।
- এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে 'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' (Keystone of the Cabinet arch) বলা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
- জাতীয় সংসদের প্রধান হলেন স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতি হলেন 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট' এর প্রধান।
 
উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৬,১১১.
কত সাল পর্যন্ত চীনে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে বাংলাদেশ?
  1. ২০২৬ সাল
  2. ২০২৭ সাল
  3. ২০২৮ সাল
  4. ২০২৯ সাল
ব্যাখ্যা
- ২০২৮ সাল পর্যন্ত চীনে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে বাংলাদেশ। 
- চীন সফররত প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে এক সভায় এ ঘোষণা দিয়েছেন চীনের উপপ্রধানমন্ত্রী।
- এরমধ্যে চীনের বাজারে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা ২০২৮ সাল পর্যন্ত বহাল থাকবে। 
- এলডিসি গ্রাজুয়েশনের পর বাংলাদেশের বিদ্যমান শুল্ক ও কোটামুক্ত রপ্তানি সুবিধা আরও দুই বছর বহাল রাখার কথা জানিয়েছেন চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী ডিং শুয়েশিয়াং।
- এ সময় চীনা কোম্পানিগুলোকে এদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। 
- ২০২৬ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের এলডিসি গ্রাজুয়েশন হবে।
- গ্রাজুয়েশনের পর ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র— তিনবছর শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখবে।
- কানাডাও একই সুবিধা দেওয়ার অঙ্গীকার করলেও— দেশটি এখনও তাদের আইন-কানুনে কোনো পরিবর্তন আনেনি।
- জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের কাছে বাংলাদেশ একই সুবিধা চাইলেও, তারা এখনও কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি। 
- ২০২২ সালে চীন তার বাজারে বাংলাদেশকে ৯৯ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিলেও বাংলাদেশ সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারছে না; বরং দেশটিতে রপ্তানি আরও কমেছে। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যানুসারে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে দেশটিতে রপ্তানি হয়েছে ৬৭৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য। আগের অর্থবছরে তা ছিল ৬৮৩ মিলিয়ন ডলার।
- গত অর্থবছর দেশটিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭১৫ মিলিয়ন ডলার। 
- ডব্লিউটিও'র নীতি অনুযায়ী, কোনও উন্নত দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ স্বাক্ষর করতে হলে ৯৯% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিতে হয়, যা দু'টি উন্নয়নশীল দেশের মধ্যে এফটিএ করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
- চীন যেহেতু এখনও উন্নয়নশীল দেশ, তাই দেশটির ১০% পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ আরও দীর্ঘ সময় ধরে শতভাগ পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা আদায় করে নিতে পারে। 
- ট্রাম্প প্রশাসন চীনা পণ্যের ওপর বাড়তি শুল্কারোপ করায় চীনা কোম্পানিগুলো অন্যান্য দেশে স্থানান্তরিত হচ্ছে।
- এ অবস্থায় অধিক পরিমাণে চীনা বিনিয়োগ পাওয়াই ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই সফরের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

উৎস: THE BUSINESS STANDARD বাংলা (২৭ মার্চ, ২০২৫)
৬,১১২.
বর্তমানে দেশে কততম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চলছে? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা
:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

• প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৩-৭৮।
• দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮০-৮৫।
• তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮৫-৯০।
• চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯০-৯৫।
• পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯৭-২০০২।
• ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১১-১৫।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১৬-২০।
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০২০-২৫।

উল্লেখ্য,
⇒ ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৬,১১৩.
নারী এশিয়া কাপে প্রথম বাংলাদেশি নারী আম্পায়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন-
  1.  সাথীরা জাকির জেসি
  2. নাইমা সুলতানা
  3. জাহানারা আক্তার শিল্পী
  4. শামীমা আখতার ডেইজি
ব্যাখ্যা

- নারী এশিয়া কাপে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের হয়ে আম্পায়ারিংয়ের দায়িত্ব পালন করছেন সাথীরা জাকির জেসি।
- শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিত নারী এশিয়া কাপে একমাত্র বাংলাদেশি আম্পায়ার হিসেবে ছিলেন সাবেক নারী দলের এই বোলার।

- বাংলাদেশের নারী আম্পারিংয়ের যাত্রা শুরু হয় চলতি বছরের মার্চে।
- প্রথমবার আম্পায়ার হিসেবে সাথীরা জেসি ও মিশু চৌধুরীকে নিয়োগ দেয় বিসিবি।
- মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের ক্রিকেটে আরও একটি অর্জন যুক্ত হয়েছে নারী এশিয়া কাপে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট

৬,১১৪.
‘কর্ণফুলী কাগজকল’ কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

• কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড: 
- অবস্থান: চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় প্রথম ‘কর্ণফুলী কাগজকল’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর স্থাপিত হয় খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও পাবনায় নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল।
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য, 
- বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলে পঞ্চাশের অধিক কাগজকল রয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বসুন্ধরা পেপার মিল, সোনালি পেপার মিল, হাশেম পেপার ও পাল্প মিল, হোসেন পেপার মিল, পার্ল পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, সাদেক পেপার মিল ইত্যাদি।

- বেসরকারি বেশ কিছু কারখানায় প্রধানত আমদানি করা রাসায়নিক মণ্ড ব্যবহার করে উন্নত মানের কাগজ তৈরি করা হয়।
- আমাদের দেশে মূলত লেখার কাগজ, ছাপার কাগজ, নিউজপ্রিন্ট ও প্যাকেজিং জাতীয় কাগজ-এই চার ধরনের কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এর মধ্যে নিউজপ্রিন্ট সবচেয়ে সস্তা ও কম টেকসই।

তথ্যসূত্র: i) বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
ii)  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
iii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। (Link)

৬,১১৫.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।

⇒ উল্লেখ্য:
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

⇒ অন্যদিকে:
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইউনূস সেন্টার।

৬,১১৬.
বীরপ্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ডা. সেতারা বেগম কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. সেক্টর ১
  2. সেক্টর ২
  3. সেক্টর ৩
  4. সেক্টর ৪
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৬,১১৭.
রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় -
  1. ক) তরমুজ
  2. খ) আনারস
  3. গ) পাট
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
আলু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (৩৫,৫৭,৬৯৬ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - বগুড়া জেলা (১২,৩০,৫০১ মে.টন)

আনারস
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - ঢাকা বিভাগ (১,৩৯,৭৯১ মে.টন)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - টাঙ্গাইল জেলা (১,২৭,৭৯৫ মে.টন)।

লিচু
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - রংপুর বিভাগ (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)

তরমুজ
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা বিভাগ (১,৬১,৩৩১ মে.টন)
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন - খুলনা জেলা (১,৪৪,০১০ মে.টন)

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১
৬,১১৮.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয়?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [ত্রয়োদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯৬।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হয় ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সর্ম্পকিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিবিসি নিউজ, ১০ মে ২০১১।
৬,১১৯.
বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয় কার শাসনামালে?
  1. পঞ্চম জর্জ
  2. লর্ড কর্ণওয়ালিস
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. লর্ড ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদ:
- লর্ড চার্লস হার্ডিঞ্জ  ১৯১১ সালের ২৫ আগস্ট গোপনে এক বার্তায় ভারতের প্রশাসনে নির্দিষ্ট কিছু পরিবর্তনের সুপারিশ করেন।
- রাজা পঞ্চম জর্জ, গভর্নর জেনারেলের লর্ড চার্লস হার্ডিঞ্জ ১৯১১ সালে তার রাজ্য অভিষেকে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা করেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদের কার্যকর হয়- ২০ জানুয়ারি, ১৯১২ সালে।
- দুই বাংলা রচিত হয় ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল।
- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা করেন- রাজা পঞ্চম জর্জ।
- বঙ্গভঙ্গ রদে করেন- লর্ড হার্ডিঞ্জ।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গভঙ্গ করেন- লর্ড কার্জন।
- ১৯০৫ সালে ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়।
- বঙ্গভঙ্গ ফলে নতুন প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয় - উত্তর পূর্বাঞ্চল ও আসাম প্রদেশ।
- বঙ্গভঙ্গ বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলনের  নেতৃত্ব দেন   অরবিন্দ ঘোষ।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
৬,১২০.
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ স্থাপিত হয়-
  1. মহাখালীতে
  2. গাজীপুরে
  3. রাঙামাটিতে
  4. সিলেটে
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। যথা:
- রাঙ্গামাটি (বেতবুনিয়া)
- গাজীপুর (তালিবাবাদ)
- মহাখালী ও
- সিলেট
• বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রটি ১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উদ্বোধন করেন।
• এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।

৬,১২১.
বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  3. ছাতক সিমেন্ট
  4. শাহ সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- বিসিআইসির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ছাতক সিমেন্ট কারখানা দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এখানে ক্লিংকার ও সিমেন্ট উৎপাদন করা হয়। 

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সাল হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উল্লেখ্য,
- সিমেন্ট উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্লিংকার।
- চুনাপাথর ও মাটি থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়াম, সিলিকা, অ্যালুমিনা, আয়রন ইত্যাদিকে বিভিন্ন তাপমাত্রায় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ক্লিংকার প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬,১২২.
বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. রংপুর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি:
- বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮২ সালে স্থাপিত হয়।
- ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপ লাভ করে।
- জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়ন সাধনের লক্ষ্যে পোস্টাল একাডেমি স্থাপিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।
৬,১২৩.
Which of the following sectors earns highest amount of foreign currency for Bangladesh?
  1. Garments
  2. Tea
  3. Shrimp
  4. Leather
  5. Jute
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও
- তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%। 
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
 
উল্লেখ্য,
- ‘শিল্পজাত পণ্য’- এর অবদান/রপ্তানির হার: ৯৭.১১%। 
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: ‘কৃষিজাত পণ্য’ (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: ‘হিমায়িত খাদ্য’ (০.৮৬%)।

➝ একক পণ্য হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করা হয় ⎯ নীট ওয়্যার; পরিমাণ ⎯ ১৭,০৬০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার; রপ্তানি আয়ের ⎯ ৪৬.০১%।
 
◉ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
➝ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
➝ একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ যুক্তরাষ্ট্রে এবং এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ⎯ জাপানে।
 
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৬,১২৪.
বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন ( FBCCI ) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
• বাংলাদেশের বেসরকারি সেক্টরের বাণিজ্য বিষয়ক সর্বোচ্চ সংগঠন।
• ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বর্তমান সভাপতি - জসিম উদ্দিন।
• বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংস্থা হিসেবে পরামর্শমূলক এবং উপদেষ্টা ক্ষমতায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, বেসরকারি বাণিজ্য খাতের স্বার্থ রক্ষা করে।

সূত্র: FBCCI ওয়েবসাইট।
৬,১২৫.
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে নিচের কোন সংস্থাটি?
  1. UNICEF
  2. UNAID
  3. UNESCO
  4. UNCTAD
ব্যাখ্যা

• ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে 'UNESCO'.

• আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

• UNESCO:
- UNESCO-এর পূর্ণরূপ: The United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization.
- এটি হলো জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা।
- ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর UNESCO এর সংবিধান স্বাক্ষরিত হয়।
- কার্যকর হয় ১৯৪৬ সালের ৪ নভেম্বর।
- সদরদপ্তর: প্যারিস, ফ্রান্স।
- বর্তমান মহাপরিচালক: আদ্রে আজুলে (ফ্রান্স)।
- বর্তমান সদস্য: ১৯৪টি।
- বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা প্রকাশ করে ইউনেস্কো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২৭ অক্টোবর ইউনেস্কোতে যোগ দেয়।
- বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ঘোষণা করে ইউনেস্কো।
- বাংলাদেশের পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, ষাটগম্বুজ মসজিদ ও সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে ইউনেস্কো।

উৎস: UNESCO ওয়েবসাইট।

৬,১২৬.
‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. যশোর সেনানিবাসে
  2. ঢাকা সেনানিবাসে
  3. কুমিল্লা সেনানিবাসে
  4. চট্টগ্রাম সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:
- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
৬,১২৭.
নিচের কোনটি অ-তফসিলিভুক্ত ব্যাংক?
  1. বেসিক ব্যাংক লি.
  2. কর্মসংস্থান ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- অ-তফসিল ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংকসমূহ হলো:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।
অন্যদিকে,
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক হলো তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৬,১২৮.
পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে থাকেন কে?
  1. ইউপি সংরক্ষিত মহিলা সদস্যবৃন্দ
  2. জাতীয় সংসদের সদস্যবৃন্দ
  3. উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান
  4. জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান
ব্যাখ্যা
নির্বাচন দুই ভাবে হয়ে থাকে। যথা: প্রত্যক্ষ ব্যবস্থা এবং পরোক্ষ ব্যবস্থা।
প্রত্যক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় জনগণ বা ভোটাররা তাদের ভোটের মাধ্যমে সরাসরি প্রতিনিধি নির্বাচিত করে।
বাংলাদেশে এরূপ নির্বাচনের মধ্যে রয়েছে:
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন
- উপজেলা পরিষদ নির্বাচন
- সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভা নির্বাচন প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
পরোক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থায় জনগণ বা ভোটাররা তাদের ভোটাধিকারের মাধ্যমে প্রথমে নির্বাচকমণ্ডলী তৈরি করে এবং নির্বাচকমণ্ডলীরা পরবর্তীতে তাদের ভোটের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করে।
বাংলাদেশে এরূপ নির্বাচন হলো:
- জেলা পরিষদ নির্বাচন
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
- সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন প্রভৃতি।

জেলা পরিষদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট জেলার সকল স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধিরা তাদের ভোটাধিকারের মাধ্যমে জেলা পরিষদের সদস্যদের নির্বাচন করে থাকে।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,১২৯.
'নেজামে ইসলাম পার্টি' এর নেতা কে ছিলেন?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  4. মওলানা আতাহার আলী
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল 'যুক্তফ্রন্ট' নামে জোট গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। যথা:
১. আওয়ামী মুসলিম লীগ: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি: শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি: মওলানা আতাহার আলী।
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল: হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৬,১৩০.
আইসিসি অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২০ জয় লাভ করে-
  1. ক) ভারত
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম শিরোপা আসে বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের হাত দিয়ে।
অধিনায়ক আকবর আলীর নেতৃত্বে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো শিরোপা অর্জন করে বাংলাদেশের জুনিয়র টাইগাররা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৬,১৩১.
বাংলাদেশের 'শ্বেতস্বর্ণ' বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) ইলিশ মাছ
  2. খ) চিংড়ি মাছ
  3. গ) পাট
  4. ঘ) ধান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- ফিশারিজ গবেষণা ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কক্সবাজারে অবস্থিত।
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত।
- গলদা চিংড়ি চাষ হয় স্বাদু পানিতে আর বাগদা চিংড়ি চাষ হয় লোনা পানিতে। বাগদা চিংড়ি বাণিজ্যিকভাবে চাষ শুরু হয় ১৯৭৬ সালে।
- বাংলাদেশের চিংড়ি সম্পদকে White Gold বলা হয় আর হিমায়িত খাদ্যকে Thurst sector বলা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাগেরহাট জেলার ওয়েবসাইট।
৬,১৩২.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- 
  1. ৩ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৪ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৬,১৩৩.
'জনসমষ্টি' রাষ্ট্র গঠনের কততম উপাদান?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. প্রথম
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান হচ্ছে - জনসমষ্টি।

• রাষ্ট্র:
- আদিম মানুষ প্রথমে গোত্রভিত্তিক বসবাস করতো। সময়ের বিবর্তনে একসময় রাষ্ট্রের উৎপত্তি হয়।
- রাষ্ট্রের সৃষ্টিকারী মূলত মানুষই।
- রাষ্ট্রে বসবাসকারী জনগণকে রাষ্ট্রের নাগরিক বলা হয়।
- প্রত্যেক নাগরিককে রাষ্ট্রের সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়।
- সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্র গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ও অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।

• রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করলে রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান পাওয়া যায়।
যথা: 
(ক) জনসমষ্টি,
(খ) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
(গ) সরকার,
(ঘ) সার্বভৌমত্ব।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৩৪.
বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ -
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. রংপুর
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
ময়মনসিংহ বিভাগ:
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।

⇒ জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ঢাকা বিভাগকে ভেঙ্গে দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।
- এই বিভাগের আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,১৩৫.
আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারি শুল্ক ধার্যের ভিত্তি কী?
  1. মূলধন
  2. অর্জিত মুনাফা
  3. সঠিক হিসাবরক্ষণ
  4. উপরের কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় সরকার:
- কেন্দ্রীয় সরকারকে দেশের অভ্যন্তরে প্রশাসন পরিচালনা, জনগণের জানমালের নিরাপত্তা বিধান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বিচার কার্য প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজ করতে হয়।
- এই কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন।
- কেন্দ্রীয় সরকার তার এই প্রয়োজনীয় অর্থ মূলতঃ কর এবং কর বহির্ভূত খাত থেকে আদায় করে থাকে।

⇒ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ -
১. আয়কর:
- আয়কর সরকারী আয়ের একটি বর্ধমান উৎস। জনগণের ব্যক্তিগত আয়ের উপর এ কার্য করা হয়।
২. ভূমি রাজস্ব:
- কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস হল ভূমি রাজস্ব। স্বাধীনতার পর ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করায় এ খাতে আয় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।
৩. মূল্য সংযোজন কর:
- দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।
8. বাণিজ্য শুল্ক:
- বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
৫. আবগারী শুল্ক:
- চা, চিনি, তামাক, সিগারেট, দিয়াশলাই, কেরোসিন, ঔষধ, প্রসাধনী প্রভৃতির উপর কেন্দ্রীয় সরকার আবগারী শুল্ক ধার্য করে।
৬. স্ট্যাম্প:
- বিভিন্ন দলিল, মামলা-মোকদ্দমার আবেদনপত্র, পাসপোর্ট ইত্যাদির উপর স্ট্যাম্প বসাতে হয়। স্ট্যাম্প বিক্রয়ের মাধ্যমে সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
৭. রেজিস্ট্রেশন:
- বিভিন্ন দলিলপত্র রেজিস্ট্রি করতে হলে সম্পত্তির মূল্যের উপর সরকারকে রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে হয়।
৮. রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও বীমা প্রতিষ্ঠান:
- এসব প্রতিষ্ঠানের লভ্যাংশ কেন্দ্রীয় সরকারের আয় হিসেবে গণ্য।
৯. রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প:
- স্বাধীনতার পরে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনও সরকারী মালিকানায় রয়েছে সেগুলো থেকে সরকারের আয় হয়।
১০. সুদ:
- কেন্দ্রীয় সরকার দেশের বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও সরকারী কর্মচারীদের সুদে ঋণ মঞ্জুর করে থাকে।
১১. ডাক, তার ও দুরালাপনী:
- ফোন, ফ্যাক্স ও ডাক বিভাগের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় সরকার রাজস্ব আয় করে থাকে।
১২. যাতায়াত:
- যাতায়াত খাতে রেলওয়ে ও বিআরটিসি দীর্ঘদিন লোকসানী খাত ছিল। গত বছর রেলওয়ে খাতে আয় হয়েছে ১৩৪ কোটি টাকা। আর বিআরটিসি ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়াতে এটা বর্তমানে সরকারের লাভজনক খাতে পরিণত হয়েছে।
১৩. বন:
- বন যে কোন দেশের জাতীয় সম্পদ। বনাঞ্চল থেকে বাঁশ, কাঠ, মধু ও অন্যান্য বনজ সম্পদ বিক্রয় করে প্রতিবছর কেন্দ্রীয় সরকার কিছু না কিছু আয় করে।
১৪. যানবাহন:
- কেন্দ্রীয় সরকার যানবাহন থেকে কর আদায় করে।

উল্লেখ্য,
- আয়কর, মূল্য সংযোজন কর ও আবগারি শুল্ক ধার্যের ভিত্তি হলো অর্জিত মুনাফা।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৩৬.
একটি চেকের বৈধতা কতদিন?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৯ মাস
  4. ১ বছর
  5. নির্দিষ্ট নয়
ব্যাখ্যা

একটি চেকের বৈধতা ৬ মাস বা ১৮০ দিন।

চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী  একটি চেকের বৈধতার মেয়াদ সাধারণত ইস্যু করার তারিখ থেকে ৬ মাস (১৮০ দিন) পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এরপর আর উক্ত চেকের মাধ্যমে টাকা তোলা যাবে না। 
- তারিখ পরিবর্তন করে প্রস্তুতকারকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে আবার টাকা উত্তোলন করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৩৭.
প্রবন্ধ/গদ্য বিভাগে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার - ২০২৪' পেয়েছেন কে?
  1. জি এইচ হাবীব
  2. সলিমুল্লাহ খান
  3. রেজাউর রহমান
  4. মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার- ২০২৪:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে সামগ্রিক অবদানের জন্য লেখকদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৯৬০ সালে এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ ঘোষণা করা হয় ২৩ জানুয়ারি, ২০২৫ এবং ২৫ জানুয়ারি তালিকাটি স্থগিত করা হয়।
- পরবর্তীতে বাংলা একাডেমি পুরস্কৃত ৭ জন লেখকের তালিকা চূড়ান্ত করে।

- চুড়ান্তভাবে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-
সলিমুল্লাহ খান (প্রবন্ধ/গদ্য),
জি এইচ হাবীব (অনুবাদ),
মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া (গবেষণা),
রেজাউর রহমান (বিজ্ঞান),
• সৈয়দ জামিল আহমেদ (ফোকলোর),
• মাসুদ খান (কবিতা),
• শুভাশিস সিনহা (নাটক ও নাট্যসাহিত্য),।

সূত্র- বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৬,১৩৮.
'গারো উপজাতি' কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. ক) উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে
  2. খ) দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে
  3. গ) উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে
  4. ঘ) দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
• গারো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উপজাতি গোষ্ঠী।
- উত্তর-পূর্ব অঞ্চলে জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায় এদের প্রধান আবাসস্থল।
- অর্থাৎ ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায় গারোরা বসবাস করে।

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার ওয়েবসাইট।
৬,১৩৯.
নিম্নের কোন পর্যটক সোনারগাঁও ভ্রমণ করেছিলেন?
  1. মার্কো পোলো
  2. হিউয়েন সাং
  3. ফা-হিয়েন
  4. ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তিনি ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে আসেন এবং সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের অধীনে দীর্ঘ প্রায় আট বছর কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন।

⇒ ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনকালে বাংলায় সফর করেন।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- সেখান থেকে সরাসরি তিনি কামারু (কামরূপ) পার্বত্য অঞ্চল অভিমুখে রওনা হন।
- সাদকাঁও থেকে কামারু তাঁর বর্ণনায় এক মাসের পথ। এরপর সেখানে তিনি সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের সঙ্গে তাঁর খানকায় সাক্ষাৎ করেন। দরবেশের খানকায় তিন দিন অবস্থানের পর তিনি আন-নহর উল-আয্রাক (নীল নদী অর্থে) নদীর তীরবর্তী হবঙ্ক শহর অভিমুখে রওনা হন।
- এই নদীপথে ১৫ দিন নৌকায় ভ্রমণের পর তিনি সুনুরকাঁও (সোনারগাঁ) শহরে পৌঁছেন (১৪ আগস্ট ১৩৪৬)।
- সোনারগাঁ থেকে একটি চীনা জাহাজে করে তিনি জাভার উদ্দেশে রওনা হন।

অন্যদিকে,
- মার্কো পোলো, হিউয়েন সাং, ফা-হিয়েন সোনারগাঁও ভ্রমণ করেননি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৪০.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় ১৯৭১ সালের কোন তারিখে?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ২৬ মার্চ
  3. গ) ৭ মার্চ
  4. ঘ) ২ মার্চ
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব। সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চে তার বাসভবনে পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।
- ১৯৭২ সালে শিবনারায়ণ দাশের ডিজাইন করা পতাকা থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়। 
- পতাকার মাপ, রং ও তার ব্যাখ্যাসহ একটি প্রতিবেদন দিতে বলা হয় পটুয়া কামরুল হাসানকে। 
- কামরুল হাসান আমাদের জাতীয় পতাকার যে রূপ দিয়েছিলেন সেটিই বর্তমানে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের রক্তের প্রতীক।
-  বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
 
উৎস: বিডিনিউজ 
৬,১৪১.
কোন মুঘল সম্রাটের সময়ে দিল্লির জামে মসজিদ নির্মিত হয়?
  1. শাহজাহান
  2. আকবর
  3. হুমায়ুন
  4. বাবর
ব্যাখ্যা

মুঘল স্থাপনা:
- মুঘল যুগে স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- প্রায় সব মুঘল সম্রাট স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকর্ষণীয় সৌধ, ইমারত, মসজিদ, উদ্যান এমনকি ময়ূর সিংহাসন মুঘলদের কীর্তির অবিনশ্বর স্বাক্ষর বহন করে।
- মুঘল যুগে চিত্রশিল্পও বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে ছিল।

• বাবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আগ্রায় পানিপথের কাবুলিবাগ নামক স্থানে মসজিদ নির্মিত হয়।

• হুমায়ুনের সময় স্থাপত্যসমূহ:
- হুমায়ুনের আমলে দিল্লিতে দীন-পানাহ ভবন, আগ্রায় ও ফতেহাবাদে নির্মিত মসজিদ তাঁর সময় কালের স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

• আকবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আকবরের আমলে নির্মিত প্রাসাদ, দুর্গ, মসজিদ ও সৌধগুলোর মধ্যে ফতেহপুর সিক্রি, হুমায়ুনের সমাধি, ইবাদতখানা, বুলন্দ দরওয়াজা, পাঁচ মহল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

• জাহাঙ্গীরের ভূমিকা:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে আকবরের সমাধি সৌধ, ইতমাতুদ্দৌলার সমাধি সৌধ এবং তাঁর নিজের জন্য নির্মিত সমাধি সৌধের নাম উল্লেখ করা যায়।

• শাহজাহানের সময় কালের স্থাপত্যসমূহ:
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়। দিওয়ান-ই-খাসের অপূর্ব নির্মাণ শৈলী এবং শিল্পকর্মের চমৎকারিত্যের জন্য এটি 'দুনিয়ার বেহেস্ত' বলে অভিহিত।
- ভুবন বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি। ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত। 

• আওরঙ্গজেবের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে নির্মিত লাহোরের বাদশাহী মসজিদ স্থাপত্য শিল্পের এক বিশেষ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৪২.
গতবছর পরীক্ষামূলকভাবে দেশে ৫জি সেবা চালু হয়-
  1. ক) ১০ নভেম্বর
  2. খ) ১২ ডিসেম্বর
  3. গ) ২০ নভেম্বর
  4. ঘ) ২০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- ১২ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখে পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল প্রযুক্তিতে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- রাষ্ট্রায়ত্ত মোবাইল অপারেটর টেলিটক দেশের ছয়টি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে ফাইভ-জি সেবা চালু করেছে।
- বিশ্বের প্রায় ৬০টি দেশে ফাইভ-জি সেবা চালু হয়েছে।

৬,১৪৩.
বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট আবিষ্কার প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. UNICEF
  2. WHO
  3. CARE
  4. ICDDR,B
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
- এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস : icddr,b.
৬,১৪৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগের উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৯৫
  2. অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. অনুচ্ছেদ ৯৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৮
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯০ - নির্দিষ্টকরণ আইন।
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,১৪৫.
সার্বিকভাবে বাংলাদেশের জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি
  2. ১৯টি
  3. ১৫টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

• অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

৬,১৪৬.
বাগেরহাটের 'মিঠাপুকুর' কে খনন করেন?
  1. ক) আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. খ) সুলতান নুসরত শাহ
  3. গ) সম্রাট হুমায়ুন
  4. ঘ) সুজাউদ্দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গেশ্বর নসরৎ শাহের খলিফাতাবাদ টাকশাল সম্ভবতঃ বাগেরহাট শহরের মিঠাপুকুরের নিকটে অবস্থিত ছিল। মিঠাপুকুর পাড়ে সে আমলের একটি মসজিদ আছে। ধারণা করা হয় যে বাগেরহাটের মিঠাপুকুর খনন করেন নুসরৎ শাহ।
৬,১৪৭.
পানিপথের ৩য় যুদ্ধ কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়?
  1. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
  2. ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ
  3. ১৭৩১ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

পানিপথের ৩য় যুদ্ধ:
- ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের ৩য় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মারাঠাশক্তি।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মারাঠাশক্তি।
- অষ্টাদশ শতকের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধগুলোর মধ্যে ভয়াবহতম ছিল এই যুদ্ধ।
- দু’পক্ষের প্রায় সত্তর হাজার সৈন্য প্রাণ হারিয়েছিলন।
- বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেও আফগান বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়েছিল পেশওয়া শক্তি।
- পরে মারাঠাদের ওপর বীভৎস হত্যালীলা চালিয়েছিল আফগান সৈন্যরা। 
- এই যুদ্ধে পরাজিত হলে মারাঠা সাম্রাজ্য তছনছ হয়ে যায়।

• পানিপথের ১ম যুদ্ধ: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
• পানিপথের ২য় যুদ্ধ: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

৬,১৪৮.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. বগুড়া
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৬,১৪৯.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,১৫০.
সংবিধান সংস্কার কমিশন কমিশন কর্তৃক প্রস্তাবিত সংবিধানের মূলনীতি কোনটি?
  1. মৌলিক অধিকার এবং সাংবিধানিক সুরক্ষা
  2. গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, সাম্য এবং কেন্দ্রীকরণ
  3. সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র
  4. ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- ৯ সদস্য বিশিষ্ট সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

⇒ সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন একটি কার্যকর গণতন্ত্র, মৌলিক মানবধিকার সুনিশ্চিতকরণ এবং জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সাতটি প্রধান বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করেছে। সেগুলো যথাক্রমে:
১. ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান আদর্শ এবং ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের জনআকাঙ্ক্ষার প্রতিফলনস্বরূপ সংবিধান ও রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে "সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ ও গণতন্ত্র" প্রস্তাব,
২. ক্ষমতার প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা,
৩. প্রধানমন্ত্রী পদের একচ্ছত্র ক্ষমতা হ্রাস,
৪. অন্তবর্তী সরকার কাঠামোর সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব,
৫. বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ,
৬. শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সুনিশ্চিতকরণ,
৭. মৌলিক অধিকারের আওতা সম্প্রসারণ, সাংবিধানিক সুরক্ষা ও বলবৎযোগ্যতা নিশ্চিতকরণ।

⇒ এছাড়াও,
- সংবিধান কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্রকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
- বাংলাদেশের সমাজের বহুত্ববাদী চরিত্রকে ধারণ করে এমন একটি বিধান সংবিধানে যুক্ত করা সমীচীন। সুতরাং, কমিশন নিম্নোক্ত বিধান অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করছে "বাংলাদেশ একটি বহুত্ববাদী, বহু-জাতি, বহু-ধর্মী, বহু-ভাষী ও বহু-সংস্কৃতির দেশ যেখানে সকল সম্প্রদাযের সহাবস্থান ও যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করা হবে।
- কমিশন সংবিধানের মূলনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা, সমাজতন্ত্র এবং জাতীয়তাবাদ এবং এ সংশ্লিষ্ট সংবিধানের ৮, ৯, ১০ ও ১২ অনুচ্ছেদগুলি বাদ দেয়ার সুপারিশ করছে।

উৎস: i) লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।
ii) সংবিধান সংস্কার কমিশন।
৬,১৫১.
বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা কার উপর ন্যস্ত?
  1. মন্ত্রিসভা
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

- সংসদ যেকোনো নতুন আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
- কোনো নতুন আইন পাশ করতে হলে খসড়া বিলের আকারে তা সংসদে পেশ করা হয়।
- সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে বিলটি গৃহীত হওয়ারপর এবং বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর তা' আইনে পরিণত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

৬,১৫২.
ভোমরা স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. শেরপুর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগনা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এটি ১২ জানুয়ারি ২০০২ স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- এবং ১৯ মে ২০১৩ স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

• স্থলবন্দর:
 
- স্থলবন্দর সীমান্তে অবস্থিত আন্তদেশীয় পণ্য ও যাত্রী যাতায়াত এবং বিনিময় কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। 
- স্থলবন্দরে শুল্ক, অভিবাসন, সীমান্ত নিরাপত্তা বিধান দপ্তর ছাড়াও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণমূলক দপ্তরসমূহের অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়। 
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল ।
- এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো: 
→ হিলি স্থল বন্দর- হাকিমপুর, দিনাজপুর।
→ নাকুগাঁও স্থল বন্দর- নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
→ ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
→ সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
→ বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
→ বিরল স্থল বন্দর- বিরল, দিনাজপুর।
→ টেকনাফ স্থল বন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
→ হালুয়াঘাট স্থল বন্দর- হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
→ আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
→ বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
→ দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
→ তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
→ সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।  

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৬,১৫৩.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম
  2. কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
  3. কুমিল্লার ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম
ব্যাখ্যা
জিআই পণ্য:
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল বিশ্বমানের বিশ্বসেরা ছাগল। 
- বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আবেদন করে।

অন্যদিকে -
- সম্প্রতি দেশের চারটি পণ্য সর্বশেষ জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- নতুন জিআই স্বীকৃতি পাওয়া চারটি পণ্য হলো: টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।
- এখন দেশের ২১টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল।

বাংলাদেশে যেসব পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে:
- জামদানি, ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলেখাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল

উৎস: ১ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো। 
৬,১৫৪.
ব্ল্যাক বেঙ্গল হলো একটি উন্নত জাতের -
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. মহিষ
  4. ভেড়া
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল:
- ব্ল্যাক বেঙ্গল একটি উন্নত জাতের ছাগল।
- বিশ্ববাজারে এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

⇒ এর আকার ছোট।
- পূর্ণবয়স্ক ছাগলের উচ্চতা ৫০ সেন্টিমিটার।
- দেহের বর্ণ মূলত কালো; তবে ধুসর, বাদামি বা সাদাও হয়।
- এদের কানের আকার ১১-১৪ সেন্টিমিটার এবং সামনের দিকে সুচালো।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিষ্কার, শুষ্ক এবং উঁচু জায়গায় থাকতে পছন্দ করে।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মাংস এবং চামড়ার জন্য বিখ্যাত।।
- ২০১৮ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জেনোম সিকোয়েন্সিং বা পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের একটি দল।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) কালের কন্ঠ।
৬,১৫৫.
সম্রাট অশোক কোন সাম্রাজ্যের শাসক ছিলেন?
  1. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  2. মৌর্য সাম্রাজ্য
  3. কুষাণ সাম্রাজ্য
  4. মগধ সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা

• সম্রাট অশোক:
- সম্রাট অশোক ভারতের মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক ছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ অব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন। এর তের বছর পর খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে অশোক পার্শ্ববর্তী কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ভয়াবহ কলিঙ্গ যুদ্ধে সাধারণ মানুষসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়।
- এ ভয়াবহতা সম্রাট অশোকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। এতে করে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং যুদ্ধ পরিহার করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির নীতি গ্রহণ করেন।
-তিনি ঘোষণা করেন 'সব মানুষই আমার সন্তান'।
- সম্রাট অশোক খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ অব্দ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ২৩২ অব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, স্নাতক শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৫৬.
শীতকালে কোন বনভূমির পাতা ঝড়ে যায়?
  1. ক) সিলেট অঞ্চলের বনভূমি
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৬,১৫৭.
Bangladesh Academy for Rural Development কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. কুমিল্লা
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
• BARD:
- BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- এটি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত।।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

সূত্র: বার্ড ওয়েবসাইট।
৬,১৫৮.
দেশে সরকারি বীমা প্রতিষ্ঠান কয়টি?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে সরকারি মালিকানাধীন বীমা প্রতিষ্ঠান দুইটি। এগুলো হলো:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন
- জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্রতিষ্ঠানই ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশে বেসরকারি পর্যায়ে ৩৩টি জীবন বীমা ও ৪৬টি সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
৬,১৫৯.
Bangladesh Rice Research Institute কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. গাজীপুর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BRRI বর্তমান পর্যন্ত ধানের মোট ১০৬টি আধুনিক জাত উদ্ভাবন করেছে।
(তথ্যসূত্রঃ Bangladesh Rice Research Institute ওয়েবসাইট)
৬,১৬০.
কোন রাষ্ট্রপতি একুশে পদক প্রবর্তন করেন?
  1. আবদুস সাত্তার
  2. জিয়াউর রহমান
  3. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা

একুশে পদক:
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালে সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং শিক্ষায় মোট ৯ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়।
- পদক প্রাপ্তরা হলেন:
• সাহিত্যে: আবদুল কাদির, কাজী নজরুল ইসলাম, কবি জসীম উদদীন এবং সুফিয়া কামাল।
• সাংবাদিকতায়: আবুল কালাম শামসুদ্দিন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ও আবদুস সালাম।
• শিক্ষায় মুহম্মদ কুদরত এ খুদা ও মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৬,১৬১.
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?  
  1. ক) বিএসটিআই
  2. খ) বিআইএম
  3. গ) ডিপিডিটি
  4. ঘ) বিটাক
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস( ডিপিডিটি ) অধিদপ্তর ।
• সাবেক ‘পেটেন্ট অফিস’ এবং ‘ট্রেডমার্কস রেজিস্ট্রি’ অফিস দুটি একীভূত করে ২০০৩ সালে পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর হিসাবে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
• এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
 
সূত্র: শিল্প মন্ত্রণালয়।
৬,১৬২.
আইয়ুব খান বিরোধী 'ঘেরাও কর্মসূচি' কে ঘোষণা করেন? 
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. শেখ মুজিবুর রহমান 
  3. মওলানা ভাসানী 
  4. সিরাজুল আলম খান 
ব্যাখ্যা

• মওলানা ভাসানী:
- ১৯৬৮ সালের ডিসেম্বরে পল্টন ময়দানে জনসভা করে গণঅভ্যুত্থানের সূচনা করেছিলেন ন্যাপের সভাপতি মওলানা ভাসানী।
- পরে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামীসহ সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ (ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি) স্বতন্ত্রভাবে গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণা দিলে অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভাসানী সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদে যোগ না দিয়ে ঘেরাও আন্দোলন চালাতে থাকেন।
- তার সঙ্গে ছিল পিকিংপন্থী বলে পরিচিত বামপন্থী দলগুলো এবং শ্রমিক ফেডারেশন ও কৃষক সমিতি। 
- মস্কোপন্থী দলগুলো ক্রমে আওয়ামী লীগের সমর্থনে গিয়ে আন্দোলনে যুক্ত থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে মাওলানা ভাসানী বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামীদের মুক্তি দাবি করেন। ৮ মার্চ (১৯৬৯) পশ্চিম পাকিস্তানে গিয়ে সেখানে পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টোর সাথে সাক্ষাত করে গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র কায়েমের লক্ষ্যে একমত হন।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান কর্তৃক আহুত গোলটেবিল বৈঠক প্রত্যাখান করে শ্রমজীবীদের 'ঘেরাও কর্মসূচী' পালনে উৎসাহ প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র:
i) The Daily Star Bangla,.
ii) বণিক বার্তা।

৬,১৬৩.
কাগমারী সম্মেলনের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2.  মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. শেরেবাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  4. চিত্তরঞ্জন দাস
ব্যাখ্যা

কাগমারী সম্মেলন :
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন।
- স্থান: টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষ।
- সম্মেলনের সভাপতি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের প্রতি 'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৬,১৬৪.
ঐতিহাসিক ‘কিন ব্রিজ’ কোন নদীর ওপর স্থাপিত?
  1. সুরমা
  2. কুশিয়ারা
  3. ধলাই
  4. খোয়াই
ব্যাখ্যা

ক্বীন ব্রীজ:
- ঐতিহাসিক ‘ক্বীন ব্রীজ’ বাংলাদেশের সিলেট শহরের সুরমা নদীর ওপর স্থাপিত।

⇒ সুরমা নদীর উপর অবস্থিত কীন ব্রিজ সিলেটের প্রবেশদ্বার হিসেবেই পরিচিত।
- এক সময় এ ব্রিজটি সিলেটেরই অন্য পরিচয় হয়ে উঠেছিলো।
- সময়ের পরিক্রমায় কীন ব্রিজের সে জৌলুস আর থাকলেও এটি এখনও সিলেটের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের অংশ হয়ে সুরমার বুকে টিকে আছে।
- ১৯৩৬ সালে আসামের শিক্ষামন্ত্রী খান বাহাদুর আবদুল হামিদ এবং আসামের এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্য বাবু প্রমোদ চন্দ্র দত্তের উদ্যোগে ব্রিজটি তেরি হয়।
- ব্রিজটি উদ্বোধন করেন আসামের তৎকালীন গভর্নর মাইকেল কীন (গরপযধবষ কবধহব)। তার নামেই ব্রিজের নামকরণ করা হয়।
- তবে ব্রিজটি সুরমা ব্রিজ নামেও ব্যাপক পরিচিত।
- স্টিলের তৈরী এই ব্রিজটি দৈর্ঘ্যে ৩৯৫ মিটার এবং প্রস্থে ৫.৫০ মিটার।
- তৎকালীন সময়ে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৬ লাখ টাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,১৬৫.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভায় স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. এম. এ. জি. ওসমানী
  4. লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। 
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। 
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান। 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব, 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৬৬.
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) শাহারিয়ার কবির
  2. খ) নীলিমা ইব্রাহীম
  3. গ) জাহানারা ইমাম
  4. ঘ) সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
• একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক ছিলেন জাহানারা ইমাম। 

• জাহানারা ইমাম (১৯২৯-১৯৯৪)  শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত।
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়করূপে তিনি ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামের এক রক্ষণশীল পরিবারে ১৯২৯ সালের ৩ মে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর শৈশবকালে মুসলিম পরিবারের মেয়েদের নিকট আধুনিক শিক্ষালাভের দ্বার উন্মুক্ত ছিল না।
- তবে তিনি তাঁর ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পিতা আবদুল আলীর তত্ত্বাবধানে রক্ষণশীলতার বাইরে এসে আধুনিক শিক্ষা লাভ করেছিলেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৬,১৬৭.
আদমশুমারি ও গৃহগণনার বর্তমান নাম কী?
  1. জনসংখ্যাশুমারী ও গৃহগণনা
  2. লোকশুমারী ও গৃহগণনা
  3. জনশুমারী ও গৃহগণনা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:   
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  
- স্বাক্ষরতার হার: ৭৪.৬৬%। 

উৎস: i) ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা রিপোর্ট ২০২২।
          ii) পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৬,১৬৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন ধারণাটির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত?
  1. পুঁজিবাদী অর্থনীতি
  2. সামাজিক ব্যবসা
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস সামাজিক ব্যবসা ধারণাটির প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত।
- সামাজিক ব্যবসা হচ্ছে এমন ধরনের ব্যবসা যেখানে উদ্যোক্তা বা বিনিয়োগকারী একটি সামাজিক সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যক্তিগত লাভের আশা ছাড়াই বিনিয়োগ করেন।
- এই ব্যবসায় বিনিয়োগকারী একটা সামাজিক সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বিনিয়োগ করবেন, কিন্তু সেই ব্যবসা থেকে বিনিয়োগকারী কোন ধরনের মুনাফা গ্রহণ করবেন না। শুধু বিনিয়োগের অর্থ তুলে নিতে পারবেন। মুনাফার অর্থ দিয়ে নতুন কোনো সামাজিক ব্যবসা শুরু করতে পারেন অথবা বর্তমান ব্যবসার সম্প্রসারণ করতে পারবেন। অর্থ্যাৎ বিশ্বব্যাপী ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধির যে উম্মাদনা দেখা যায় তার বাইরে ব্যবসাকে সামাজিক কল্যাণের জন্য নিয়ে আসাই সামাজিক ব্যবসার মূলকথা।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) মানব জমিন।
৬,১৬৯.
মাতৃত্বকালীন কয় মাসের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৮ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৯ মাস
  4. ১০ মাস
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকালীন ছুটি:
- বাংলাদেশ সরকার ১১ জানুয়ারি ২০১১ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত নারী কর্মীদের জন্য ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করে।
- এটি ৯ জানুয়ারি ২০১১ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- মাতৃত্বজনিত ছুটি বৃদ্ধির ফলে মায়েরা তাদের সন্তানদের বুকের দুধ পান করাতে সমর্থ হবেন এবং এর ফলে নবজাতক শিশুদের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর হবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৬,১৭০.
How many people died in Great Bengal famine of 1770?
  1. One-fifth
  2. One-fourth
  3. One-third
  4. About half
  5. None of these
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে।
- প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে।
- যার ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয় ।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয় ৷
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,১৭১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে কে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
৬৩ নং অনুচ্ছেদ: যুদ্ধ;
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতি সংসদের সম্মতি নিয়ে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন।

⇒ সংবিধানের ৬৩(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সংসদের সম্মতি ছাড়া কোনো যুদ্ধ ঘোষণা করা যাবে না বা প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে অংশ নেবে না।
- রাষ্ট্রপতি যুদ্ধ ঘোষণা করেন, তবে তা অবশ্যই জাতীয় সংসদে সম্মতি সাপেক্ষে করতে হবে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,১৭২.
শিখা অনির্বাণ কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. চট্টগ্রাম সেনানিবাস
  3. কুমিল্লা সেনানিবাস
  4. রাজশাহী সেনানিবাস
ব্যাখ্যা
শিখা অনির্বাণ:
- শিখা অনির্বান বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ।
- যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সৈনিকদের স্মৃতিকে জাতির জীবনে চির উজ্জ্বল রাখার উদ্দেশ্যে এই স্মৃতিস্তম্ভে সার্বক্ষনিক ভাবে শিখা প্রজ্জ্বলন করে রাখা হয়।
- ঢাকা সেনানিবাস এলাকায় এটি স্থাপিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,১৭৩.
বাংলাদেশের ই-পাসপোর্টে কত ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুক্ত হয়েছে?
  1. ক) ৩৬
  2. খ) ৩৭
  3. গ) ৩৮
  4. ঘ) ৩৯
ব্যাখ্যা
• ই-পাসপোর্ট: 
- ই-পাসপোর্টে ৩৮ ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.
- সাধারণ পাসপোর্ট ও ই-পাসপোর্ট এর মধ্যে পার্থক্য হলো, ই-পাসপোর্টে একটি পাতলা ও ছোট আকারের ইলেক্ট্রনিক মাইক্রোপ্রসেসর চিপ যুক্ত থাকবে।
- এ চিপ পাসপোর্টে একটি বিশেষ পাতার ভিতর থাকবে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,১৭৪.
কোনটির ফলে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান
  4. ৭০-এর সাধারণ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন:
- ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে।
- গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রভাব: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফলে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- এর পূর্বে তিনি 'ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা' তুলে নেন।
- জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নতুন সামরিক সরকার বাধ্য হয় ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন দিতে।
- গণঅভ্যুত্থানের ফলে পূর্ববাংলার জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনার বিকাশ ঘটে।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন ও পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করেন।
- ইস্কান্দার মির্জা জেনারেল আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন।
- এর মাত্র তিন সপ্তাহ পর, ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট মির্জাকে উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন।
- এর পরের দিন আইয়ুব খান এক আদেশ জারির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- আইয়ুব খান নিজের ক্ষমতা পাকাপাকি করার জন্য ১৩ জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেন এবং নিজেকে ভূষিত করেন ফিল্ড মার্শাল উপাধিতে।
- তা ছাড়া রাজধানী করাচি থেকে প্রথমে স্থানাস্তর করেন রাওয়ালপিন্ডিতে, পরে ইসলামাবাদে।
- জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৯ সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে নতুন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৮-১৯৬৯ প্রায় ১০ বছর আইয়ুব খানের সামরিক শাসন স্থায়ী হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,১৭৫.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর বিকল্প গ্রাউন্ড স্টেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১:

-গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর গ্রাউন্ড
স্টেশন তৈরি হয়েছে।
এর গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন।
- বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।
- দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ
করা সম্ভব হবে।
- দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে।
- স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার
কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।
- মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১৯৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।

তথ্যসূত্র- গাজীপুর জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,১৭৬.
বর্তমান শহীদ মিনারের নকশা ও পরিকল্পনা করেছেন কে?
  1. হামিদুর রহমান
  2. আবুল হাশিম
  3. নিতুন কুন্ডু
  4. নভেরা আহমেদ 
ব্যাখ্যা

• শহীদ মিনার: 
- বর্তমান শহীদ মিনারের নকশা ও পরিকল্পনা শিল্পী হামিদুর রহমানের। 
- ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারিতে একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করে।
- পুলিশ শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে দেয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ড ও নিপীড়নের প্রতিবাদে ঢাকা শহরে ২৩ ফেব্রুয়ারি হরতাল পালিত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ফুলার রোডে একজন কিশোর নিহত হয়।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় হরতাল পালিত হয়।
- ডা. সাঈদ হায়দারের নকশা অনুসারে রাতে মেডিকেল কলেজের গেইটের সামনে শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয় এবং ২৪ ফেব্রুয়ারি তা উদ্বোধন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালে অস্থায়ী শহীদ মিনারের স্থলে শিল্পী হামিদুর রহমানের নকশা ও পরিকল্পনায় শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে দেয়।
- ১৯৭২ সালে পূর্বের নকশা অনুযায়ী বর্তমান শহীদ মিনারটি পুনরায় নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,১৭৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে রাষ্ট্রপতি কারো সাথে কোন পরামর্শ ব্যতিরেখেই প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. ক) ৪৪ অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৪৮ (৩) অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৬১ অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৬৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
[সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান]
৬,১৭৮.
প্রাথমিক স্তরে ছেলে-মেয়ে উভয়ের জন্য অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে-
  1. ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত
  2. ৬ষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত
  3. ৭ম শ্রেণি পর্যন্ত
  4. ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
- দেশে বর্তমানে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মৌলিক বা বাধ্যতামূলক শিক্ষা চালু রয়েছে।
- সরকারি পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থায় বিনামূল্যে পড়াশুনা করতে পারে খুদে শিক্ষার্থীরা।
 -এবার অবৈতনিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত কার্যকর করতে যাচ্ছে সরকার।
- ফলে অষ্টম শ্রেণি (নিম্ন মাধ্যমিক) পর্যন্ত পড়তে শিক্ষার্থীদের কোনো বেতন লাগবে না।
- শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সরকারের লক্ষ্য শিক্ষাকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করা।
- প্রথম পর্যায়ে নিম্ন মাধ্যমিক স্তরে অবৈতনিক শিক্ষা বাস্তবায়ন করা হবে।
- এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দুই মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
- এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার কোটি টাকা। 

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ (৭ মে ২০২৪)
৬,১৭৯.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কে?
  1. ক) প্রফেসর আবুল কাশেম
  2. খ) অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া
  3. গ) কাজী মোতাহার হোসেন
  4. ঘ) আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে এদের লেখক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম বাংলাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,১৮০.
‘ব্ল্যাক হোল ট্র্যাজেডি’ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৫ সালে
  2. ১৭৫৬ সালে
  3. ১৭৫৭ সালে
  4. ১৭৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

অন্ধকূপ হত্যা (ব্ল্যাক হোল ট্র্যাজেডি):
- অন্ধকূপ হত্যা ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের সময় সংঘটিত হওয়া কথিত ঘটনা।
- এ কাহিনী মূলত কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ইংরেজ সেনাপতি জে.জেড হলওয়েলের বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
- নবাব কর্তৃক ১৭৫৬ সালে জুন মাসে কলকাতার ইংরেজ দুর্গ দখলের পর ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে অবিশ্বাস্য রকম ক্ষুদ্র একটি কক্ষে আবদ্ধ রেখে হত্যা করা হয় বলে এই উপাখ্যানে দাবি করা হয়।

 
⇒ নবাব কলকাতা আক্রমণ করলে (১৬-২০ জুন, ১৭৫৬) ফোর্ট উইলিয়ামের ইংরেজরা পলায়ন করতে বাধ্য হয়।
- জন জেফেনিয়াহ হলওয়েলসহ ১৭০ জন ইংরেজ পলায়নের জন্য সময়মতো জাহাজে উঠতে ব্যর্থ হয় এবং পরিণামে তারা নবাবের সৈন্যদের হাতে বন্দি হয়।
- ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে দুর্গের ১৮ ফুট দীর্ঘ ও ১৪ ফুট ৩ ইঞ্চি প্রস্থ একটি বন্দিশালায় গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে রাত্রিযাপনে বাধ্য করা হয়।
- ১২৩ জন ইংরেজ এই বন্দিশালায় মারা যায়।
- জীবিতদের মধ্যে একজন ছিলেন হলওয়েল।
- তিনি এই শোকাবহ ঘটনার বিস্তৃত বর্ণনা দেন এবং এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার জন্য নবাবকে দায়ী করেন।
- হলওয়েল, জন জেফেনিয়াহ বহুল আলোচিত অন্ধকূপ হত্যা কাহিনীর রচয়িতা।
- উনিশ শতকের প্রথম দিকের অধিকাংশ ইংরেজ ইতিহাসবিদ এ কাহিনী বিশ্বাস করেন এবং অন্ধকূপ হত্যার ঘটনাকে প্রাচ্যদেশীয় শাসকদের বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতার জঘন্য নিদর্শনরূপে গণ্য করেন।
- কিন্তু পরবর্তীকালের ইতিহাসবিদগণ হলওয়েলের কাহিনীর সত্যতা সম্পর্কে সন্দিহান হওয়ার মতো প্রমাণ আবিষ্কার করেন।
- সেই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা নবাবের সম্পূর্ণ অজ্ঞাতেই ঘটেছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৮১.
বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. শিশু কানন
  2. চারুপীঠ
  3. নন্দকানন
  4. শিশু স্বর্গ
ব্যাখ্যা
• শিশু স্বর্গ:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।


                      • শিশু স্বর্গ
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

উৎস: নড়াইল জেলা ওয়েবসাইট ও সমকাল।
৬,১৮২.
প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল -
  1. ১৯৭৩-১৯৭৮
  2. ১৯৭৪-১৯৭৯
  3. ১৯৭৫-১৯৮০
  4. ১৯৭৬-১৯৮১
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৬,১৮৩.
স্বাধীন বাংলাদেশে ‘প্রথম কৃষিশুমারি’ অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৩ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম, ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়৷ পাকিস্তান আমলে ১৯৬০ সালে প্রথম নমুনা আকারে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
[সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট এবং দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকা]
৬,১৮৪.
বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ:
- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- থানাগুলোকে উপজেলা নামে গণ্য করে সর্বত্র নির্বাচিত পরিষদের ব্যবস্থা করা হয়।
- ১৯৯১ সালে উপজেলা পরিষদ বিলুপ্ত করা হলেও ১৯৯৮ সালে আবার উপজেলা গঠনের জন্যে আইন প্রণয়ন করা হয়।
- উপজেলা পরিষদ গঠিত হয় জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত একজন চেয়ারম্যান,
- দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মহিলা),
- এবং কিছু সংখ্যক সদস্য নিয়ে।
- সংশ্লিষ্ট উপজেলার এলাকাভুক্ত প্রত্যেক পৌরসভা বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তি এই পরিষদের সদস্য হবেন।
- এ ছাড়া উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত পদে তিনজন নারী সদস্য মনোনীত হয়ে থাকেন।
- ২০০৯ উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যগণ পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- এই পরিষদের কার্যকাল ৫ বছর।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউ.এন.ও.) পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৮৫.
মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান কে?
  1. শশাঙ্ক
  2. দেবপাল
  3. ধর্মপাল
  4. গোপাল
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান:
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- মাৎস্যন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন। 
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলা যেন পরিণত হয়েছিল মাছের রাজ্যে।
- শাসকের অভাবে সবল অত্যাচার করে দুর্বলের ওপর।
- মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কে মায়া, মমতা, সৌহার্দ্যের যে স্থান তা দখল করে নেয় হিংসা ও দ্বেষ। লামা তারানাথ লিখেছেন, সমগ্র দেশের কোনো রাজা ছিল না।
- এক চরম অরাজক পরিস্থিতিতে বাংলার ইতিহাসে অনেকটা ধূমকেতুর মতো গোপালের আবির্ভাব হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান গোপাল।
- খালিমপুর তাম্রশাসনের বলা হয়েছে যে, মাৎস্যন্যায় দূর করার অভিপ্রায়ে প্রকৃতিগণ গোপালকে রাজা নির্বাচন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৮৬.
তমুদ্দুন মজলিস কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৭ সাল
  2. ১৯৪৯ সাল
  3. ১৯৪৮ সাল
  4. ১৯৪৩ সাল
ব্যাখ্যা

• তমুদ্দিন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দুন মজলিস গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ।
- তমুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
-  ভাষা আন্দোলনে তমুদ্দিন মজলিশ সংগঠন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিল পত্র, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা।

৬,১৮৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ২ জন
  4. ঘ) ৬ জন
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও
- তারামন বিবি।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ডয়েচভেলে রিপোর্ট।
৬,১৮৮.
বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ (বাকশাল) এর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন -
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা বাকশাল গঠন করা হয়।
- এতে রাষ্ট্রপতি হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী হন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস:-  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ।

৬,১৮৯.
ঢাকা কত সালে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত হয়?
  1. ১৮৬৪ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি (পৌরসভা) গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে এটিকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয় এবং ১৯৮৩ সালে একে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশন রূপান্তর করা হয়।

- ১৯৯৪ সালে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ২০০২ সালের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ভেঙে ২টি পৃথক সিটিকর্পোরেশন করা হয়।
সেগুলো হচ্ছে -
১. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও
২. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

তথ্যসূত্র:- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৬,১৯০.
পৃথিবীর অর্ধেক পাট উৎপন্ন হয়-
  1. ভারতে
  2. বাংলাদেশে
  3. চীনে
  4. রাশিয়ায়
ব্যাখ্যা
পাট উৎপাদন:

- পাট উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ।
- ভারতে এখন বৈশ্বিক পাট উৎপাদনের ৬০% পাট উৎপাদন করে।
- ২য় অবস্থানে আছে ভারত।
- ৩য় অবস্থানে আছে মিয়ানমার।
- ৪র্থ অবস্থানে আছে নেপাল।

তথ্যসূত্র - FAO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
৬,১৯১.
কতজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা

- ৩১ জানুয়ারি ১৯৭৪ সালে যুগোস্লাভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রথম ভাষণ দেন।
- ১৮ জুন ১৯৭৪ সালে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ভাষণ দেন।
- ২০১৩ সালে ভারতের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ভাষণ দেন।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে এ পর্যন্ত এই ৩ জন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান বক্তৃতা করেন।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

৬,১৯২.
বাংলাদেশ সম্প্রতি কোন সংস্থার কার্যনির্বাহী ও অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে?
  1. ক) OIC
  2. খ) NAM
  3. গ) Commonwealth
  4. ঘ) SAARC
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথের কার্যনির্বাহী ও অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ।
• এ দুই কমিটিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও কমনওয়েলথ বোর্ড অব গভর্নরসের সদস্য সাইদা মুনা তাসনিম।
• বাংলাদেশ সর্বসম্মতিক্রমে ২০২২-২৪ মেয়াদের জন্য কমনওয়েলথ বোর্ড অব গভর্নরদের নির্বাহী কমিটির (এক্সকো) সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।
• এছাড়া বাংলাদেশ ২০২২-২৩ মেয়াদের জন্য সর্বসম্মতিক্রমে কমনওয়েলথ অ্যাক্রেডিটেশন কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।
৬,১৯৩.
সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় কত তারিখ?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩ সালে
  2. ১৬ মার্চ ১৯৭৩ সালে
  3. ১৮ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে
  4. ৪ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:

- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,১৯৪.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী?
  1. দক্ষিণাঞ্চল
  2. উত্তরাঞ্চল
  3. মধ্যাঞ্চল
  4. পাহাড়ি অঞ্চল
ব্যাখ্যা

গম (Wheat):
- বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো গম চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী।
- এছাড়া দিনাজপুর, রংপুর, পাবনা, রাজশাহী, কুষ্টিয়া, যশোর, বগুড়া প্রভৃতি অঞ্চলে গম চাষ ভালো হয়।
- গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে পারেনি তাই প্রতিবছর গম আমদানি করতে হয়।

গম চাষের নিয়ামক:
তাপমাত্রা: গম চাষের জন্য সাধারণত ১৬° থেকে ২২° সেলসিয়াস তাপমাত্রা প্রয়োজন।
বৃষ্টিপাত : গম চাষে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কম হলেও চলে। সাধারণত গম চাষের জন্য প্রয়োজন ৫০-৭৫ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত। এ কারণে বাংলাদেশে বৃষ্টিহীন শীত মৌসুমে পানি সেচের মাধ্যমেও গম চাষ করা হয়।
মৃত্তিকা: বাংলাদেশের উর্বর দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য বিশেষ সহায়ক।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,১৯৫.
জাতীয় সৃতিসৌধের স্থপতি মাইনুল হোসেন কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ক) ২০১১ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা
স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন (জন্মঃ ৫ মে, ১৯৫২ এবং মৃত্যুঃ ১০ নভেম্বর, ২০১৪) বাংলাদেশের প্রখ্যাত স্থপতি। তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের ও বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের স্থপতি।
ব্যাখ্যা যাচাইঃ প্রথম আলো, বাংলাপিডিয়া এবং লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৬,১৯৬.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ১১ ফেব্রুয়ারি , ১৯৪৮
  2. ২২ জানুয়ারি, ১৯৫০
  3. ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
  4. ৩০ জানুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব।
২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৬,১৯৭.
সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২
  2. ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২
  4. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশের গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল যুক্ত হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- প্রথম মেট্রোরেলের যাত্রা শুরু হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

উৎস: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২, প্রথম আলো।
৬,১৯৮.
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৬,১৯৯.
RPO এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Public Reforms Order
  2. খ) Representation of the People Order
  3. গ) Peoples Representation Order
  4. ঘ) Representation of the People Ordinance
ব্যাখ্যা
- RPO এর পূর্ণরূপ হলো Representation of the People Order.
- ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী Representation of the People Order-১৯৭২ বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ জারি করেন।
- এটি নির্বাচন সংক্রান্ত দেশের প্রধান আইন। আরপিও বর্তমান পর্যন্ত ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয়)
৬,২০০.
‘সর্বজনীন কল্যাণ সাধনকারী এবং মানুষের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য প্রতিষ্ঠান’ -
  1. ক) পরিবার
  2. খ) সমাজ
  3. গ) রাষ্ট্র
  4. ঘ) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা রাষ্ট্রকে ‘সর্বজনীন কল্যাণ সাধনকারী এবং মানুষের স্বাধীনতা ও ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য অপরিহার্য প্রতিষ্ঠান’ বলে ব্যাখ্যা করেছেন।
রাষ্ট্র হলাে নাগরিকদের জন্য। নাগরিকের সুখ ও শান্তি বিধান করার জন্য রাষ্ট্রকে অনেক কাজ করতে হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি