বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬১ / ৩০৬ · ৬,০০১৬,১০০ / ৩০,৮৩২

৬,০০১.
নিম্নের কোন জনপদের রাজধানী 'কোটিবর্ষ' ছিল?
  1. গৌড়
  2. হরিকেল
  3. রাঢ়
  4. বঙ্গ
ব্যাখ্যা


রাঢ়: 
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূক্ষভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূক্ষদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল।

এছাড়াও,
হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।

গৌড়:
- গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়।
- আর হয়ত এই গৌড়নগরকে ঘিরেই পরে গৌড় জনপদ গড়ে উঠেছিল।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ।
- মহাভারতের আদি অন্যান্য জনপদের সাথে উচ্চারিত হয়েছে বঙ্গের নাম।
- মহাকবি কালীদাসের রঘুবংশ কাব্যে আছে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কিত কিছু তথ্য।
- তিনি ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলেছেন। আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির 'গঙ্গরিডাই'।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়। একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০০২.
২০২৫ সালের ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছেন-
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল
  4. ১০০ জন জুলাই কন্যা
ব্যাখ্যা

• 'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:
- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

৬,০০৩.
সুপ্রিম কোর্টকে উপদেষ্টামূলক মতামত প্রদানের ক্ষমতা সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে প্রদান করা হয়েছে? 
  1. ১০১নং
  2. ১০৯নং
  3. ১০৩নং
  4. ১০৬নং
ব্যাখ্যা

• ”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১০৬নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

⇒ ১০৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।
অন্যদিকে,
⇒ ১০১নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
⇒ ১০৩নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আপীল বিভাগের এখতিয়ার
⇒ ১০৯নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,০০৪.
কোন ব্যক্তি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না যদি তিনি -
  1. যদি তিনি ঋণ খেলাপী হন
  2. কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেন
  3. প্রজাতন্ত্রের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬২ (১), (২), (৩), (৪) সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা-অযোগ্যতা সম্পর্কে সুস্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।

যোগ্যতা:
- কোন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচিত হবার যোগ্যবলে বিবেচিত হবেন যদি তিনি নিম্নে বর্ণিত যোগ্যতার অধিকারী হন-
- প্রথমত: তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- দ্বিতীয়ত: তাঁর বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

অযোগ্যতা
- কোন ব্যক্তি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না যদি তিনি -
(১) যদি তিনি ঋণ খেলাপী হন।
(২) বাংলাদেশের কোন আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত হন।
(৩) দেউলিয়া বলে ঘোষিত হবার পর দায় হতে অব্যাহতি লাভ না করে থাকেন।
(৪) কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেন।
(৫) কোন নৈতিক স্খলনজনিত ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাবস্ত হয়ে অন্যূন ২ বছর কারাদন্ডে দন্ডিত হন এবং তাঁর মুক্তি লাভের পর ৫ বছর অতিবাহিত না করে থাকেন।
(৬) প্রজাতন্ত্রের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
(৭) কোন আইনের দ্বারা নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন। [অনুচ্ছেদ ৬৬ (২)]

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৫.
কোন প্রতিষ্ঠান ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. কমনওয়েলথ
  3. ইউনেস্কো
  4. ইউনিসেফ
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে। মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৬,০০৬.
দুদক আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ২০০৫
  2. খ) ২০০৪
  3. গ) ২০০৩
  4. ঘ) ২০০২
ব্যাখ্যা
- দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ২১শে নভেম্বর পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।
- তবে দুদক আইন কার্যকর হয় ২০০৪ সালের ৯ মে থেকে।
- একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনার নিয়ে দুদক গঠিত।

(সূত্রঃ দুর্নীতি দমন কমিশন)
৬,০০৭.
৫০ ও ১০০ টাকার নোটে কার স্বাক্ষর করা থাকে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) অর্থমন্ত্রী
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনর
  4. ঘ) অর্থসচিবের
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নোট:
- সরকারি মুদ্রা: ১, ২ ও ৫ টাকার নোট এবং ১, ৫, ১০, ২৫ ও ৫০ পয়সার মুদ্রা।
- সরকারি নোটে স্বাক্ষর থাকে অর্থ সচিবের।
- ব্যাংক নোট: ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মূল্যমানের ৭টি নোট।
- ব্যাংক নোটের প্রবর্তক বাংলাদেশ ব্যাংক এবং এ নোটে স্বাক্ষর থাকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গর্ভনরের।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক।
         ii) অর্থ মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৬,০০৮.
সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের কত ভাগ নারীদের জন্য সংরক্ষিত?
  1. অর্ধেক
  2. দুই-তৃতীয়াংশ
  3. এক-তৃতীয়াংশ
  4. এক-চতুর্তাংশ
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন।
- বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- এগুলো হল ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাজশাহী, সিলেট, খুলনা, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, ময়মনসিংহ, রংপুর ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
- নগরায়নের প্রভাবে সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।

⇒ প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৯.
'রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ক) ৬৫
  2. খ) ৭২
  3. গ) ৭৭
  4. ঘ) ৮৭
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-৭২: সংসদের অধিবেশন
• ৭২(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ-৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ-৭৭: ন্যায়পাল
অনুচ্ছেদ-৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
৬,০১০.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সেগুনবাগিচায়
  2. খ) আগারগাঁওয়ে
  3. গ) শাহবাগে
  4. ঘ) মিরপুরে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারঁগাওয়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।
৬,০১১.
নিচের কোনটি স্থানীয় প্রশাসনের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বিভাগীয় প্রশাসন
  2. জেলা প্রশাসন
  3. উপজেলা প্রশাসন
  4. উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা

স্থানীয় প্রশাসনের অন্তর্ভুক্ত নয়- উপজেলা পরিষদ।
- উপজেলা পরিষদ একটি স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান

স্থানীয় প্রশাসন:
- স্থানীয় শাসন বলতে সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ের তথা বিভাগ,জেলা এবং উপজেলা শাসন ব্যবস্থাকে বুঝায়।
- প্রশাসনের সুবিধার্থে এর সৃষ্টি।
- এ প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় শাসন ও নিয়ন্ত্রণকে নিম্নস্তর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়।
- কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, রাজস্ব আদায় ও সরকারি সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নই এর মুখ্য উদ্দেশ্য।
- এ ব্যবস্থায় স্থানীয় শাসনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিবৃন্দ সরকারের এজেন্ট বা প্রতিনিধি হিসেবে গণ্য।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,০১২.
বর্তমানে বিশ্বে বাঘের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ২য়
  2. ৫ম
  3. ৭ম
  4. ৮ম
ব্যাখ্যা

বাঘের সংখ্যা:
- বিশ্বে বাঘের সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।
- বর্তমানে বাংলাদেশে বাঘের সংখ্যা ১৪৬।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত সুন্দরবনই এখানকার বাঘের মূল বিচরণক্ষেত্র।

- এ ছাড়া খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট এবং শরণখোলার বনাঞ্চলও বাঘের আবাসস্থল।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক বাঘ থাকা দেশগুলোর তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত।
- দেশটিতে বর্তমানে ৩ হাজার ১৬৭টি বাঘ রয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৬,০১৩.
ভারতবর্ষে ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থার প্রচলন করেন কে?
  1. শেরশাহ
  2. মুহম্মদ বাবর
  3. মুহম্মদ হুমায়ুন
  4. মুহম্মদ আকবর
ব্যাখ্যা
বাংলায় আফগান শাসন: 
- বাংলায় আফগান শাসন ১৫৩৮ সালে শেরখান (শেরশাহ) গৌড় জয় করে বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। 
- আফগানরা ৩৮ বৎসর বাংলায় শাসন করে, এর মধ্যে মাত্র নয় মাস মোগল সম্রাট হুমায়ুন গৌড় অধিকার করেন। 
- শেরখান (শেরশাহ) যুদ্ধে হুমায়ুনকে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনও অধিকার করেন। 
- অতএব শেরশাহ ও তাঁর ছেলের সময়ে বাংলাদেশ দিল্লির একটি প্রদেশে পরিণত হয়। 
- ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহের ছেলে ইসলাম শাহের (সলীম শাহ নামেও পরিচিত) মৃত্যুর পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায় এবং সেই থেকে মোগল বিজয় পর্যন্ত স্বাধীন থাকে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০১৪.
প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে বিকল্প সরকার বলতে কী বোঝায়?
  1. সরকারি দল
  2. বিরোধী দল
  3. বিচার বিভাগ
  4. সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা

বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে বিরোধী দলকে বিকল্প সরকার বলা হয়।
- এটি সরকারি দলের নীতি ও কর্মকাণ্ডের প্রতি সমালোচনামূলক নজরদারি রাখে।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি বা দুর্নীতিপরায়ণ না হয়, তা নিশ্চিত করা।
- সরকারের নীতি ও আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করা।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে সরকারি নীতির বিকল্প প্রস্তাব দেয়।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন, যেখানে সরকারের কার্যক্রমে বিরোধী দলের তত্ত্বাবধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৬,০১৫.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কুয়েত
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র, 
২. সৌদি আরব, 
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৪. যুক্তরাজ্য, 
৫. মালয়েশিয়া। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৬,০১৬.
নিচের কোনটি নাগরিকের আইনগত কর্তব্য?
  1. কর প্রদান করা
  2. রাষ্ট্রের সেবা করা
  3. সন্তানদের শিক্ষিত করা
  4. নিজে শিক্ষিত হওয়া
ব্যাখ্যা

• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
- সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৬,০১৭.
যুদ্ধ ঘোষণা করার ক্ষমতা আছে কার?
  1. ক) সুপ্রিম কোর্টের
  2. খ) সংসদের
  3. গ) রাষ্ট্রপতির
  4. ঘ) স্পিকারের
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট ব্যতীত অন্যান্য আদালত প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদ আইন প্রণয়ন করতে পারে।
যুদ্ধ ঘােষণা ও আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুমােদন করার ক্ষমতাও সংসদের।
স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত বিধি ও প্রবিধান সংসদ প্রণয়ন করে।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি

৬,০১৮.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা-
  1. ক) শিবগঞ্জ
  2. খ) তেঁতুলিয়া
  3. গ) থানচি
  4. ঘ) টেকনাফ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ, সর্ব পূর্বের উপজেলা থানচি, সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ এবং সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
উৎসঃ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
৬,০১৯.
কোন যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. পলাশী যুদ্ধ
  2. বক্সারের যুদ্ধ
  3. পানিপথের যুদ্ধ
  4. সিপাহী বিদ্রোহ, ১৮৫৭
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:
- পলাশীর যুদ্ধ নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০২০.
আয়নাঘর কী?
  1. স্বচ্ছ কামরা
  2. পরিবেশ বান্ধব কৃষিকাজ
  3. গোপন কারাগার
  4. একটি হলিউড মুভি
ব্যাখ্যা

⇒ আয়নাঘর দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দা শাখার অধীনে পরিচালিত 'গোপন কারাগার'।

♦ আয়নাঘর:
→ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই (ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স) এবং বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর কাউন্টার-টেরোরিজম ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (সিটিআইবি) দ্বারা পরিচালিত একটি গোপন আটক কেন্দ্রের নাম আয়নাঘর।
→ আয়নাঘর দেশের প্রতিরক্ষা বাহিনীর গোয়েন্দা শাখার অধীনে পরিচালিত হয়।
→ এটি রাজনৈতিক বিরোধীদের, সরকার-সমালোচকদের, সন্দেহভাজন 'চরমপন্থী' বা 'সন্ত্রাসী'দের গুম করে আটক রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
→ মূলত সরকার-বিরোধী চক্রান্তে সন্দেহভাজনদের আটক রাখা হত এখানে।
→ শুধু তৎকালীন সরকারের সমালোচকেরা নন, ‘চরমপন্থী’ বা ‘সন্ত্রাসবাদী’ হিসাবে চিহ্নিত করেও বহু মানুষকে ‘আয়নাঘর’ বা সেই জাতীয় গোপন বন্দিশালাগুলিতে আটক করা হয়েছিল।

♦ আয়নাঘরের অবস্থান:
→ আয়নাঘরের অবস্থান ঢাকা সেনানিবাস এলাকায়, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পাশে, যেখানে প্রাচীর-আবৃত অন্ধকার কক্ষসমূহ ছিল।
→ এতে কমপক্ষে ১৬টি কক্ষ রয়েছে, প্রতিটিতে ৩০ জন করে বন্দি রাখার সক্ষমতা রয়েছে।

♦ উল্লেখ্য:
→ ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বিদেশি গণমাধ্যমকর্মী ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে নিয়ে বহুল আলোচিত ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
→ রাজধানীর আগারগাঁও, কচুক্ষেত ও উত্তরা এলাকায় তিনটি স্পট পরিদর্শন করেন তিনি।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

৬,০২১.
সাবমেরিন ক্যাবল ব্যবহার করে প্রথম কোন উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়?
  1. ক) সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম)
  2. খ) পেকুয়া (কক্সবাজার)
  3. গ) ঝিংলা (কক্সবাজার)
  4. ঘ) আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
ব্যাখ্যা
- সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে প্রথম সন্দীপ (চট্টগ্রাম) উপজেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়।
- সাগর তলদেশে সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের মাধ্যমে সাগর দ্বীপ সন্দ্বীপকে জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডের আওতায় আনা হয়েছে।
- ‘চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড থেকে সন্দ্বীপ পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সাগর তলদেশে এই সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হয়েছে।
- এতে সন্দ্বীপের চার লাখ অধিবাসী গ্রিড বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এলো।
- সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপনের ফলে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় এখানে শিল্প কারখানা স্থাপনসহ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের ব্যাপক প্রসার ঘটবে।’
- সর্বশেষ রাঙ্গাবালি (পটুয়াখালী) উপজেলা বিদ্যুতের আওতায় আসে।

তথ্যসূত্র:- বাংলা ট্রিবিউন এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
৬,০২২.
নিচের কোনটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত?
  1. নায়েম
  2. নিপোর্ট
  3. নিকার
  4. নেপ
ব্যাখ্যা
National Implementation Committee for Administrative Reform (NICAR):
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির আহবায়ক।

National Academy for Educational Management (NAEM):
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)
- ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয় ও  ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।

National Institute of Population Research and Training (NIPORT):
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)
- ১৯৭৭ সালে নিপোর্ট প্রতিষ্ঠিত।

National Academy for Primary Education (NAPE):
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)
- ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৬,০২৩.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
  1. ফ্রাঙ্ক লয়েড রাইট
  2. লেই করবুসিয়ার
  3. জোহানেস বার্গার
  4. লুই আই কান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন ঢাকার শেরে-বাংলা নগর এলাকায় অবস্থিত।
- ভবনটি পৃথক নয়টি ব্লকে বিভক্ত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ কমপ্লেক্স।
- প্রখ্যাত মার্কিন স্থপতি লুই কান এটির মূল স্থপতি।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়। 
- ১৯৬২ সালে মূল নকশা প্রস্তুত করা হয়।
- ১৯৬৪ সালে নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হলে এর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায় ।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮২ সালে ভবনের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

উল্লেখ্য,
- মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

৬,০২৪.
সংসদ প্রণীত বিলে রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি দান করবেন?
  1. ৩০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ১০ দিন
  4. ৪৫ দিন
ব্যাখ্যা

সংবিধান: 
- সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইন প্রণয়নের জন্যে সংসদে আনীত প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- সংসদ বিল গ্রহণ করলে তা সম্মতির জন্যে রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হয়।
- সংসদ বিল রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হলে তিনি তাতে ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি দান করবেন।
- রাষ্ট্রপতি যদি বিলটি ফেরত পাঠান, তাহলে সংসদ তা গ্রহণ করবে।
- পুনরায় তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,০২৫.
সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রভাষা সম্পর্কে কী বলা হয়েছে?
  1. দেশের রাষ্ট্রভাষা হবে বাংলা।
  2. বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
  3. বাংলা হবে আমাদের রাষ্ট্রভাষা।
  4. প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। 

• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,০২৬.
নওয়াব আবদুল লতিফ কোন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করেন?
  1. কলকাতা ন্যাশনাল কলেজ
  2. সেন্ট্রাল ন্যাশনাল স্কুল
  3. ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল
  4. প্রেসিডেন্সি কলেজ
ব্যাখ্যা
• নওয়াব আবদুল লতিফ:
- নওয়াব আবদুল লতিফের জন্ম ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলায়।
- কলকাতা মাদ্রাসায় তিনি ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে আবদুল লতিফ প্রথমে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে এবং কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন এবং ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতার প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের কাউন্সিল আইন অনুযায়ী বাংলায় ব্যবস্থাপক পরিষদ গঠিত হলে তিনি এর সদস্য মনোনীত হন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম  পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,০২৭.
বাংলাদেশে আইএমএফ-এর কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. জিইসি মোড়, চট্টগ্রাম
  2. ধানমন্ডি, ঢাকা
  3. টঙ্গী, গাজীপুর
  4. আগারগাঁও, ঢাকা
ব্যাখ্যা
IMF:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট আইএমএফের সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে কার্যালয় স্থাপন করে আইএমএফ।
- সদস্য দেশে আবাসিক প্রতিনিধির নেতৃত্বে নিজস্ব অফিস পরিচালনা করে সংস্থাটি।
- ঢাকায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ভবনের পঞ্চম তলায় তাদের অফিস ছিল।
- বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও-এ আইএমএফ-এর কার্যালয় অবস্থিত।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
- বর্তমান সদস্য: ১৯১টি।
- সদরদপ্তর: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- এর রিজার্ভ মুদ্রা: ৫টি (ডলার, পাউন্ড, ইয়েন, ইউরো ও ইউয়ান)।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
৬,০২৮.
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের অধীনে দেশে মোট কয়টি রাবারবাগান আছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ২২টি
ব্যাখ্যা
রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোন (৯টি বাগান), সিলেট জোন (৪টি বাগান), টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৬,০২৯.
কোন প্রকার মাটি পাট চাষের জন্য সর্বপেক্ষা উপযোগী?
  1. এঁটেল
  2. দো-আঁশ
  3. বেলে
  4. কংকর
ব্যাখ্যা

• পাট চাষের জন্য সর্বপেক্ষা উপযোগী মাটি হলো দো-আঁশ মাটি। 

• পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- দো-আঁশ মাটিতে বালি, পলি এবং কাদার সুষম মিশ্রণ থাকে, যা ভালো নিষ্কাশন (drainage), পর্যাপ্ত আর্দ্রতা ধরে রাখা এবং উর্বরতা প্রদান করে। এতে পাট গাছের শিকড় ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়, পানি জমে না (waterlogging এড়ানো যায়), এবং ফলন সর্বোচ্চ হয়।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৩০.
কত সালে দেশে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বীমা জাতীয়করণ:
- বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ২৬শে মার্চ Bangladesh Insurance (Emergancy Provision) Order, 1972 জারি করা হয়।
- এতে ১৯৩৮ সালের বীমা আইনটি বাংলাদেশের বীমা আইন বলে বিবেচিত হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়।
- পরবর্তীতে একই সালের ৮ই আগস্ট রাষ্ট্রপতির ৯৫ নং আদেশ বলে তৎকালিন ৭৫টি বীমা প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে প্রথমে ৫টি সংস্থায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যথা- ১. বাংলাদেশ জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, ২. কর্ণফুলী বীমা কর্পোরেশন, ৩. তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, ৪. সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং ৫. রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- অতপর ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (Insurance Corporation Ordinance, 1973) ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৫টি বীমা সংস্থাকে ২টি সংস্থার অধীনে আনা হয়, যথা- ১। জীবন বীমা কর্পোরেশন ও ২। সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
- ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রায়ত্ব বীমা কর্পোরেশনের পাশাপাশি ব্যক্তি মালিকানায় বীমা ব্যবসার অনুমতি দেয়া হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচুর বেসরকারী বীমা ব্যবসা চালু আছে।
 
উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৩১.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার কোথায় গঠিত হয়েছিল?
  1. ঢাকায়
  2. কুষ্টিয়ায়
  3. মুজিবনগরে
  4. কলকাতায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়।
- বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। 
- মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, নির্দেশনা সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়।
- এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার।
- ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,০৩২.
ইক্ষু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. জামালপুর
  2. ফরিদপুর
  3. নাটোর
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইক্ষু উৎপাদনে
প্রথম - নাটোর
দ্বিতীয় - জামালপুর
তৃতীয় - কুষ্টিয়া
চতুর্থ – গাইবান্ধা।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৬,০৩৩.
সমরতন্ত্র দ্বারা প্রভাবিত ছিলো গ্রীসের কোন নগরী?
  1. ক) এথেন্স
  2. খ) মাইসিনি
  3. গ) স্পার্টা
  4. ঘ) পেলোপনেসাস
ব্যাখ্যা
সামরিক নগররাষ্ট্র স্পার্টা:
- প্রাচীন গ্রিসে যে অসংখ্য নগররাষ্ট্র গড়ে উঠেছিল তার একটি ছিল স্পার্টা।
- এ নগররাষ্ট্রের অবস্থান ছিল দক্ষিণ গ্রিসের পেলােপনেসাস নামক অঞ্চলে।
- অন্যান্য নগররাষ্ট্র থেকে স্পার্টা ছিল আলাদা।
- স্পার্টানদের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সমরতন্ত্র দ্বারা তারা প্রভাবিত ছিল।
- মানুষের মানবিক উন্নতির দিকে নজর না দিয়ে সামরিক শক্তি সঞ্চয়ের দিকে তাদের দৃষ্টি ছিল বেশি।
- ৮০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে দীর্ঘ যুদ্ধের পর ডােরিয় যােদ্ধারা স্পার্টা দখল করতে সক্ষম হয়েছিল। এই পরাজিত স্থানীয় অধিবাসীদের ভূমিদাস বা হেলট বলা হতাে। এরা সুযােগ পেলেই বিদ্রোহ করত। পরাজিত অধিবাসী যারা ভূমিদাস হতে বাধ্য হয়েছিল তাদের সংখ্যা ছিল অনেক বেশি। ফলে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা আর বিদ্রোহ দমন ছাড়া স্পার্টার রাজাদের মাথায় আর কোনাে চিন্তা ছিল না।
- স্পার্টানদের জীবন স্পার্টা রক্ষার জন্যই নিয়ােজিত ছিল ।
- স্পার্টার সমাজ তৈরি হয়েছিল যুদ্ধের প্রয়ােজনকে ঘিরে।
- সরকারের মূল উদ্দেশ্য ছিল যুদ্ধের জন্য নাগরিকদের প্রস্তুত করা ও যুদ্ধ পরিচালনা করা।
- সামরিক দিকে অত্যধিক মনােযােগ দেওয়ার কারণে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে তারা ছিল অনগ্রসর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৩৪.
বাংলাদেশে তৈরি Patrol Craft কোন ধরনের বাহন?
  1. সাবমেরিন
  2. যুদ্ধজাহাজ
  3. উড়োজাহাজ
  4. রেল ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
'Patrol craft' বা 'patrol boat' বাংলায় 'টহল জাহাজ' নৌপথ বা সমুদ্রপথ পাহারায় নিয়োজিত জাহাজ।
- এগুলো দ্রুতগতিসম্পন্ন ও অস্ত্রসজ্জিত থাকে। নঁকশা ও কার্য়ক্ষমতা ভেদে এসকল জাহাজের মধ্যে পার্থক্য দেখা যায়।
- নেীবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ বাহিনী এ ধরনের জাহাজ ব্যবহার করে।
- টহল জাহাজ সাধারনত সামুদ্রিক সীমান্ত পাহারায় নিয়োজিত থাকে।
- দুর্জয় শ্রেণি হচ্ছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য নির্মিত বৃহৎ টহল জাহাজের একটি শ্রেণি।
- এই শ্রেণির মোট আটটি জাহাজ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এবং চারটি জাহাজ বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
৬,০৩৫.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে নিম্নের কোনটি নেই? 
  1. তারকা 
  2. পান পাতা 
  3. শাপলা 
  4. ধানের শীষ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে পান পাতা নেই।

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:

- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক। 
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

⇒ জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

⇒ এই জাতীয় প্রতীক কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারেন না।
- শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,০৩৬.
রাজনৈতিক দলের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. গঠনমূলক বিরোধিতা করা
  2. জনমত গঠন করা
  3. নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করা
  4. রাজনৈতিক শিক্ষাদান
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল:  
- রাজনৈতিক দল হচ্ছে একটি দেশের জনগোষ্ঠীর সেই অংশ যারা নির্দিষ্ট আদর্শ বা কর্মসূচির ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে সংগঠিত হয়।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য হলো নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করা।

» এছাড়া অন্যান্য কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে:
- নেতৃত্ব তৈরি
- জনমত গঠন
- রাজনৈতিক শিক্ষাদান
- গঠনমূলক বিরোধিতা করা
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী

৬,০৩৭.
'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে কাকে ভূষিত করা হয়?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
  3. গিয়াসউদ্দিন মহমুদ শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করলেও সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন।
- ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ ইলিয়াস শাহকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুযায়ী, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. শ্রীকাইল
  3. বিবিয়ানা
  4. তিতাস
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু)।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (পরিমাণ – ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু), এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বি.ঘ.ফু)
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু) এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত। 

- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা - ১০৭টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে - বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের – ২২টি। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৬,০৩৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্তম্ভগুলো নিম্নের কোন ঘটনাটির প্রতিনিধিত্ব করে না?
  1. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
  2. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  3. ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন
  4. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন জাতীয় স্মৃতিসৌধের সাতটি স্তম্ভে বর্ণনা করা হয়নি। 
 
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:

- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মি)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান।
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,০৪০.
কে বৈদ্যনাথ তলার নাম মুজিব নগর রাখেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) তাজউদ্দিন আহম্মেদ
  4. ঘ) এম এ হান্নান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ এই স্থানের নামকরণ করেন মুজিবনগর।

• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়।
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন।
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

উৎস: ইতিহাস , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪১.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত) কত?
  1. ৩.৫১%
  2. ৪.২৮%
  3. ৫.৭৪%
  4. ৬.৩৯%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
৬,০৪২.
১৯৭১ সালের কত তারিখে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ১১ জুলাই
  2. ২১ এপ্রিল
  3. ১২ সেপ্টেম্বর
  4. ১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- তখন সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়াও  তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- জেড ফোর্স: মেজর জিয়াউর রহমানের নামের প্রথম অক্ষর 'জেড' থেকে এই নামকরণ হয়।
- কে ফোর্স: মেজর খালেদ মোশাররফের নামের প্রথম অক্ষর 'কে' থেকে এই নামকরণ হয়।
- এস ফোর্স: মেজর কে এম শফিউল্লাহর নামের প্রথম অক্ষর 'এস' থেকে এই নামকরণ হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৬,০৪৩.
নিম্নের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক?
  1. মুক্তির গান
  2. শ্যামলছায়া
  3. নদীর নাম মধুমতি
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়:
- সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' ।

⇒ পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যনাট্য।
- এখানে মুক্তিযুদ্ধকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় তুলে ধরা হয়েছে।
- নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি।

অন্যদিকে -
- তারেক মাসুদ ও তার স্ত্রী ক্যাথেরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হলো 'মুক্তির গান'।
- হুমায়ূন আহমদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘শ্যামলছায়া’।
- তানভীর মোকাম্মেলের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘নদীর নাম মধুমতি’।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো। 

৬,০৪৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. পিরোজপুর
  3. জামালপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৬,০৪৫.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় ২০৪১ সাল নাগাদ দেশের চরম দারিদ্র সীমা কত হবে?
  1. ১% এর কম
  2. ২% এর কম
  3. ৩% এর কম
  4. ৪% এর কম
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা:
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্র সীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে চরম দারিদ্র সীমা হবে ১% এর কম।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৬,০৪৬.
When was the Mujibnagar government formed –
  1. ক) 17 April, 1971
  2. খ) 10 April, 1971
  3. গ) 10 May, 1971
  4. ঘ) 10 March, 1971
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
- পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাই তাঁরই নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৭.
What is the average life expectancy in Bangladesh?
  1. ক) 65 years
  2. খ) 72 years
  3. গ) 70 years
  4. ঘ) 68 years
ব্যাখ্যা
অথনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে-
বাংলাদেশের গড় আয়ু -৭২.৮ বছর। (প্রশ্নে দশমিকের পরের সংখ্যা নেওয়া হয়নি তাই সঠিক ‍উত্তর হবে ৭২ বছর) 
- মোট জনসংখ্যা- ১৭ কোটি ৮ লাখ
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার-১.৩৭%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব-১১৪০/বর্গ কি.মি
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল-৭২.৮ বছর (পুরুষ-৭১.২ এবং নারী-৭৪.৫) 
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক)-৭৫.২%
- প্রাথমিকে ভর্তির হার (২০২০ সাল নাগাদ)- ৯৭.৮১%
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত-১০০.২: ১০০

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৬,০৪৮.
কোন সালের প্রভাত ফেরিতে সর্বপ্রথম একুশের গান “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি গানটি গাওয়া হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির রচয়িতা 'আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী'।
- ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনে এই গানটি ছিল তখনকার ছাত্র-যুবক-জনতার মুখে মুখে।
- ১৯৫৪ সালের প্রভাত ফেরিতে প্রথম গাওয়া হয় আলতাফ মাহমুদের সুরে আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো গানটি এবং এটিই এখন গানটির প্রাতিষ্ঠানিক সুর। 

উল্লেখ্য,
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি'(১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) যুগান্তর।
৬,০৪৯.
বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা কোনটি?
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. মাগুরা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
মাগুরা: 
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি প্রশাসনিক ও সমৃদ্ধ জনপদের নাম মাগুরা।
- বাংলাদেশের প্রথম নিরক্ষরমুক্ত জেলা মাগুরা।
- ১৭৮৬ সালে ব্রিটিশ আমলে বাংলা প্রদেশের প্রথম গঠিত জেলা যশোর।
- ১৯৮৪ সালে দেশের প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের অংশ হিসেবে মাগুরাকে মহকুমা থেকে জেলায় উন্নীত করা হয়। 
- চারটি থানা সংবলিত এই জেলা। থানাগুলো হলো যথাক্রমে-মাগুরা সদর, শ্রীপুর, শালিখা ও মহম্মদপুর।
- যা দুটি সংসদীয় মাগুরা-১ ও মাগুরা-২ নির্বাচনী এলাকায় বিভক্ত।
- মুঘল যুগেই মাগুরার নামকরণ করা হয়।
- ১৮৫৯-৬০ সালের হাজরাপুরে নীলকুঠিকে কেন্দ্র করে নীল অভ্যুত্থান ইতিহাসের একটি মাইলফলক। 

এক নজরে জেলা মাগুরা
- আয়তন : ১০৩৮.৬৬ কিলোমিটার বা ৪১৫.৪৬৪ বর্গমাইল।
- জনসংখ্যা প্রায় ৮ লাখ ১৫ হাজার। এর মধ্যে পুরুষ ৫০.৫৬ শতাংশ, মহিলা ৪৯.৪৪ শতাংশ।
- অবস্থান : যশোর জেলা ও নড়াইল জেলার দক্ষিণে, রাজবাড়ী জেলার উত্তরে, ঝিনাইদহ জেলার পশ্চিমে ও ফরিদপুর জেলার পূর্বে মাগুরা জেলার অবস্থান।

নদ-নদী : জেলায় অনেকগুলো নদী রয়েছে।
- নদীগুলো হচ্ছে- গড়াই নদী, নবগঙ্গা নদী, ফটকি নদী, আলমখালী নদী, মধুমতী নদী, মুচিখালী নদী, মরাকুমার নদ, কুমার নদ, চিত্রা নদী, ভৈরব নদী, সিরাজপুর হাওর নদী বেগবতী নদী।

উৎস: মাগুরা জেলার ওয়েবসাইট।
৬,০৫০.
বখতিয়ার খলজি কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ইরান
  2. আফগানিস্তান
  3. মিশর
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই-মার্গ) অধিবাসী ছিলেন।
- রাজধানী নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষন সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা দখলের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি  বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৫১.
BGMEA গঠিত হয় সালে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
- BGMEA (Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association) হলো দেশের গার্মেন্টস প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের জাতীয় সংগঠন।
- এটি ১৯৮৩ সালে ১২টি ফ্যাক্টরি সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা প্রায় ৪,৫০০ ফ্যাক্টরি।
- BGMEA এর বর্তমান সভাপতি ফারুক হাসান।

(তথ্যসূত্র: BGMEA ওয়েবসাইট)
৬,০৫২.
বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে কৃষিব্যবস্থার উন্নয়নে কত বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফ করেন?
  1. ক) ১৫ বিঘা
  2. খ) ২০ বিঘা
  3. গ) ২৫ বিঘা
  4. ঘ) ৩০ বিঘা
ব্যাখ্যা
কৃষির উন্নয়ন:
- বাংলাদেশের শতকরা ৮৫ ভাগ জনগণের জীবিকা ছিল কৃষির ওপর নির্ভরশীল।
- জাতীয় আয়ের অর্ধেকেরও বেশি আসত কৃষিখাত থেকে। 
- তাই বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে কৃষিব্যবস্থার উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছিলেন। যেমন-
ক) ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মওকুফসহ পূর্বের সমস্ত বকেয়া খাজনা মওকুফ করে দেন
খ) একটি পরিবারের সর্বাধিক ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমির মালিকানা নির্ধারণ করেন.
গ) বাইশ লাখের অধিক কৃষক পরিবার পুনর্বাসন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,০৫৩.
জাতীয় সংসদ ভবন কত সালে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন পৃথিবীর দৃষ্টিনন্দন আইনসভা ভবনের একটি।
- রাজধানী ঢাকার শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবন এলাকার আয়তন ২১৫ একর।
- দৃষ্টিনন্দন এ ভবনের নকশা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত স্থপতি লুই আই কান।
- সংসদ ভবন এলাকাকে প্রধান ভবন, দক্ষিণ প্লাজা ও প্রেসিডেন্সিয়াল প্লাজা এই তিনটি অংশে ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদের পেছন দিকে ক্রিসেন্ট লেক নামে একটি নান্দনিক জলাধার রয়েছে।
- সংসদের মূল ভবনের পাশাপাশি রয়েছে উন্মুক্ত সবুজ পরিসর, মনোরম জলাধার ও সংসদ সদস্যদের কার্যালয়।
- ১৯৬১ সালে ৯ তলা জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবনের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
৬,০৫৪.
নাটক ও নাট্যসাহিত্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৪  লাভ করেন-
  1. সলিমুল্লাহ খান 
  2. সৈয়দ জামিল আহমেদ 
  3. শুভাশিস সিনহা 
  4. মাসুদ খান
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে নাটক ও নাট্যসাহিত্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ লাভ করেন শুভাশিস সিনহা।

• বাংলা একাডেমি পুরস্কার:

- বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়: ১৯৬০ সালে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- কবিতা- মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান,
- বিজ্ঞান: রেজাউর রহমান,
- অনুবাদক: জি এইচ হাবিব,
- গবেষণা- মুহম্মদ শামজাহান মিয়া,
- ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি  ওয়েবসােইট।[লিঙ্ক]

৬,০৫৫.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  3. গ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান;
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,০৫৬.
চাপসৃষ্টিকারী 'সুজন'-এর সম্পাদক কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. বদিউল আলম মজুমদার
  3. সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান
  4. আদিলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা

সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক):
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- এর ২১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি রয়েছে।
- সুজনের সভাপতি জনাব এম হাফিজউদ্দিন খান এবং সম্পাদক ড: বদিউল আলম মজুমদার। 

উল্লেখ্য,
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: সুজন ওয়েবসাইট।

৬,০৫৭.
Thrust sector বলা হয়-
  1. ক) গলদা চিংড়িকে
  2. খ) বাগদা চিংড়িকে
  3. গ) হিমায়িত খাদ্যকে
  4. ঘ) ছাগল পালন কে
ব্যাখ্যা

Thrust sector বলা হয় হিমায়িত খাদ্যকে । 
- খাদ্য তৈরির পর খাওয়ার আগ পর্যন্ত এবং খাদ্যের কাঁচামাল রান্না করা পর্যন্ত সময় যদি আপনি সংরক্ষণ করে রাখতে চান তাহলে হিমায়িত বা ফ্রিজিং পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।
- এই পদ্ধতিতে সংরক্ষিত খাদ্যকে ফ্রোজেন ফুড বলা হয়। হিমায়িত প্রক্রিয়া খাদ্যের ভেতরগত আদ্রতাকে বরফে পরিবর্তন করার মাধ্যমে এর পচন হওয়া রোধ করে বা বিলম্বিত করে। যার ফলে অনেক প্রজাতির ব্যাক্টেরিয়ার বংশ বৃদ্ধি থেমে যায়। 

ফুড ইন্ডাস্ট্রিগুলোয় সাধারণত: দুই ভাবে ফ্রোজেন ফুড তৈরি করা হয় -
- মেকানিকাল ফ্রিজিং
- Cryogenic freezing

- এদের মধ্যে ক্রায়োজেনিক ফ্রিজিং প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে সম্পন্ন হয়। তবে, পারিবারিক পর্যায়ে সাধারণ রেফ্রিজারেটর ব্যবহার করে ফ্রিজিং প্রক্রিয়ায় খাদ্য সংরক্ষণ করা হয়।

৬,০৫৮.
মুজিব শতবর্ষের লোগোর ডিজাইনার কে?
  1. হাশেম খান
  2. সব্যসাচী হাজরা
  3. মুস্তফা আনোয়ার
  4. শিল্পী শাহাবুদ্দিন
ব্যাখ্যা
মুজিব বর্ষ:
 - শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)।
- মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ১৭ মার্চ ২০২১।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- মুজিব বর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান কোথায় অনুষ্ঠিত হয় তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা।
- মুজিব বর্ষ উদ্যাপনে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের তৈরি ওয়েবসাইট www.mujib100.gov.bd
- মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার সব্যসাচী হাজরা।
- মুজিব বর্ষের উদ্বোধন করা হয় ১৭ মার্চ ২০২০, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে।
- ইউনেসকোর ৪০তম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ‘মুজিব বর্ষ’ উপলক্ষে ১ মার্চ তারিখকে বিমা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক চারটি (একটি স্বর্ণমুদ্রা, একটি স্মারক মুদ্রা, ১০০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক নোট ও ২০০ টাকা মূল্যমানের স্মারক নোট) স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]
৬,০৫৯.
১৯৪৭ সালে প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন -
  1. ক) কাজী গোলাম মাহবুব
  2. খ) আবদুল মতিন
  3. গ) শামসুল আলম
  4. ঘ) অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা

অন্যদিকে, 
⇨ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
⇨ ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
⇨ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
⇨ কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,০৬০.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) আরেক ফাল্গুন
  2. খ) একুশে ফেব্রুয়ারি
  3. গ) একুশের গল্প
  4. ঘ) কবর
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:

- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬,০৬১.
দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. কফি আনান
  2. নেলসন ম্যান্ডেলা
  3. আর্থার লুইস
  4. টনি মরিসন
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা
- নেলসন ম্যান্ডেলা বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা।
- দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্রপতি।
- একই সঙ্গে দেশটিতে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই কেপটাউনের কুনু গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
 - ১৯৪৪ সালে যোগ দেন আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসে (এএনসি)।
- ১৯৬২ সালে ম্যান্ডেলা ও তাঁর কয়েকজন সহযোদ্ধাকে গ্রেপ্তার করে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
- ১৯৬৪ সালে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়ে পাঠানো হয় রবেন দ্বীপের কারাগারে।
- দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি মুক্তি পান।
- ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর এই মহান নেতা শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র- ব্রিটানিকা। 
৬,০৬২.
দ্বৈত শাসনের প্রবর্তক কে?
  1. জন কার্টিয়ার
  2. রবার্ট ক্লাইভ
  3. হেনরি ভ্যান্সিটার্ট
  4. জন রাসেল
  5. ফ্রান্সিস এলিস
ব্যাখ্যা
দ্বৈত শাসন:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে।
- রবার্ট ক্লাইভ দেওয়ানি সনদের নামে বাংলার সম্পদ লুণ্ঠনের একচেটিয়া ক্ষমতা লাভ করে।
- দিল্লি কর্তৃক বিদেশি বণিক কোম্পানিকে এই অভাবিত ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের।
- অর্থাৎ যাতে করে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, নবাব পরিণত হন ক্ষমতাহীন শাসকে।
- অথচ নবাবের দায়িত্ব থেকে যায় ষোলআনা। ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
- সারাদেশে শুরু হয় সীমাহীন বিশৃঙ্খলা।
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৬৩.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'উইটসা এমিনেন্ট পারসনস অ্যাওয়ার্ড-২০২১' পদকে ভূষিত হন -
  1. ১১ নভেম্বর, ২০২১ সালে
  2. ১৫ নভেম্বর, ২০২১ সালে
  3. ১৩ নভেম্বর, ২০২১ সালে
  4. ১২ নভেম্বর, ২০২১ সালে
ব্যাখ্যা
১৩ নভেম্বর, ২০২১ সালে, উইটসা এমিনেন্ট পারসনস অ্যাওয়ার্ড-২০২১-পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বিশ্বের ৮০টি দেশের সদস্যভুক্ত সংগঠন ‘ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্স’ তথ্যপ্রযুক্তির অলিম্পিকখ্যাত ‘উইটসা ২০২১’ পুরস্কার দিয়েছে।
উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৬,০৬৪.
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ মুক্তিযুদ্ধে কোথায় শহীদ হন?
  1. ননিয়ার চর, রাঙ্গামাটি
  2. বাগমারা, খুলনা
  3. গোয়ালহাটি, যশোর
  4. কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে শহিদ হয়।

• বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ:

- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গায় ইপিআর-এর ৪নং উইং এ নিজ কোম্পানির সাথে যোগ দিয়ে বিদ্রোহ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- সেক্টর গঠন হলে তাদের উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব।
- ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার গোয়ালহাটি গ্রামে শহিদ হয়।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৬,০৬৫.
নিচের কোন উদ্ভিদ থেকে পেন্সিল তৈরি করা হয়?
  1. ধুন্দল গাছ
  2. গরান গাছ
  3. সুন্দরী গাছ
  4. গেওয়া কাঠ 
ব্যাখ্যা

• ধুন্দল গাছ: 
- ধুন্দল গাছ হলো সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ গাছ।
- সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে ধুন্দল ব্যাপকভাবে জন্মায়।
- এটি সুন্দরবনের উদ্ভিদবৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এর কাঠ খুবই মূল্যবান।
- ধুন্দল গাছ মাঝারি আকারের এবং চিরহরিৎ, অর্থাৎ বছরের সব সময় সবুজ থাকে।
- এই গাছের আরেকটি পরিচিত নাম হলো ‘ক্যাননবল ট্রি’।
- ধুন্দল গাছকে “Puzzle Fruit Tree” ও বলা হয়।
- ধুন্দলের কাঠ শক্ত কিন্তু হালকা, তাই এটি সহজেই কাটা যায় এবং বিভিন্ন আকারে ছাঁচে ফেলা যায়।
- এই কারণে এটি পেন্সিল তৈরি করার জন্য উপযুক্ত।
- এছাড়াও, ধুন্দলের কাঠ নির্মাণ কাজ এবং নৌকা বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি ঘুন-পোকা প্রতিরোধী।
- ধুন্দল বিভিন্ন প্রাণীর খাদ্য ও আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।
- তবে, কাঠ ও অন্যান্য ব্যবহার বেশি হওয়ায় এবং বন ধ্বংসের কারণে এই গাছের সংখ্যা কমে আসছে।  

অন্যদিকে, 
• গরান গাছের ছাল থেকে রং প্রস্তুত করা হয়।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হচ্ছে সুন্দরী। 
• গেওয়া কাঠ থেকে দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত করা হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৬,০৬৬.
বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ কোনটি?
  1. ক) ২০২১-২০৪১
  2. খ) ২০০৯-২০২১
  3. গ) ২০১০-২০২১
  4. ঘ) ২০১২-২০২১
ব্যাখ্যা
• এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি দীর্ঘমেয়াদি বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
• প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিল- ২০১০-২০২১
• এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সুষম ও সমন্বিত উন্নয়ন অর্জন।
• প্রধান লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা।
• দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল- ২০২১-২০৪১ সাল।
• উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
• প্রধান লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করানো। 

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৬,০৬৭.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় প্রথম কত সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে?
  1. ১৪ সদস্য বিশিষ্ট
  2. ৪ সদস্য বিশিষ্ট
  3. ৬ সদস্য বিশিষ্ট
  4. ৮ সদস্য বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠন: 
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- প্রথমে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করেন।
- যুক্তফ্রন্টের অন্যতম নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে ব্যস্ত থাকায় শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভার মুখ্যমন্ত্রী হন।
- তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রির দায়িত্ব ছাড়াও অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন।
- মে মাসে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।
- মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে আবু হোসেন সরকার বিচার,
- স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার, সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব লাভ করেন।
- শেরে বাংলা এবং যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য শেখ মুজিবুর রহমান স্বায়ত্তশাসন আদায়ের ব্যাপারে চেষ্টা চালাতে থাকেন।
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই মন্ত্রিসভা বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা, ২১ ফেব্রুয়ারিকে শহিদ দিবস ও সরকারি ছুটি ঘোষণা।
- এবং বর্ধমান হাউজকে বাংলা একাডেমি করার প্রস্তাবসমূহ অনুমোদন করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৬৮.
সম্প্রতি জাতীয় মহিলা দাবায় হ্যাটট্রিক চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন কে? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. শীলা মজুমদার
  2. সায়মা সিকদার
  3. নাইমা আলী
  4. নোশিন আনজুম
ব্যাখ্যা

জাতীয় মহিলা দাবা চ্যাম্পিয়ন:
- ৪৩ তম জাতীয় মহিলা দাবায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ফিদে মাস্টার নোশিন আনজুম।
এগারো খেলায় ৮.৫ পয়েন্ট নিয়ে তিনি শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছেন।
- মহিলা দাবায় এটি তার হ্যাটট্রিক শিরোপা।
- টানা তিন বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন হলেও নোশিন এখনো ফিদে মাস্টার।
- দু'টি আন্তর্জাতিক মাস্টার নর্ম রয়েছে।
- মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে এখনো আরেকটি নর্ম ও ২২০০ রেটিং প্রয়োজন।

উল্লেখ্য:
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় মহিলা দাবা শুরু হওয়ার পর রানী হামিদ প্রথম ছয়বার টানা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন।
- পরে ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত আবারও জেতেন টানা তিনবার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৬,০৬৯.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুসারে, পুরুষ ও নারীর অনুপাত কত?
  1. ক) ১০১ : ১০০
  2. খ) ৯৯ : ১০০
  3. গ) ৯৮ : ১০০
  4. ঘ) ১০০ : ১০১
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য:

পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০
জানশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS). 
জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।
জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন। পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন; নারী: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন; হিজড়া: ১২,৬২৯ জন। [১৭,৫০৭টি খানার ৮৫,৯৫৭ জনের আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে, তাই মোট জনসংখ্যার সাথে লিঙ্গ ভিত্তিক জনসংখ্যার কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।]
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.২২%
জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে – ১,১১৯ জন।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২২।
৬,০৭০.
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কয়টি জাতীয় জনসংখ্যা নীতি গ্রহণ করেছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

- এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি জাতীয় জনসংখ্যা নীতি গ্রহণ করেছে।
- প্রথম জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- প্রথম জনসংখ্যা নীতি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন পায় ২০০৪ সালে।
- দ্বিতীয় তথা সর্বশেষ জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন হয় ২০১২ সালে।
উৎস: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৬,০৭১.
বাংলাদেশের জিডিপিকে সার্বিকভাবে কতটি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপি পরিমাপ পদ্ধতি:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।  
- জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো:
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ,
২। খনিজ ও খনন,
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প),
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,
৫। পানি সরবরাহ, পয়ঃনিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম,
৬। নির্মাণ,
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত,
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ,
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম,
১০। তথ্য ও যোগাযোগ,
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম,
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম,
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম,
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম,
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা;
১৬। শিক্ষা,
১৭।  মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম,
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন,
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৬,০৭২.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে কে?
  1. ছাত্র ইউনিয়ন
  2. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  3. আওয়ামী লীগ
  4. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,০৭৩.
বাংলাদেশে কত সাল থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে?
  1. ১৯৮৯ সাল
  2. ১৯৯১ সাল
  3. ১৯৯৩ সাল
  4. ১৯৯৭ সাল
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সাল থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন ভরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট যায়ে যে কর আরোপ করা হয়, তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।
- বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট)।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক আসে ভ্যাট থেকে।
- আমদানি শুল্ক এবং আয়করও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে ভ্যাটের অবদান তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,০৭৪.
'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন -
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা
  3. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  4. খিজির হায়াত খান
ব্যাখ্যা
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
৬,০৭৫.
সংসদীয় গণতন্ত্রে শাসন বিভাগের সকল ক্ষমতা কার কাছে ন্যস্ত থাকে?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) মন্ত্রীপরিষদ সচিব
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলো নামমাত্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হলেন শাসন বিভাগ তথা নির্বাহী বিভাগের প্রধান।
• সরকারের অঙ্গ সংগঠন তিনটি :
- আইন বিভাগ,
- শাসন বিভাগ
- বিচার বিভাগ।
• রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।
- তিনি আইন পরিষদের নিকট দায়ী নন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬,০৭৬.
নিচের কোন নৃগোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. খিয়াং
  2. গারো
  3. মারমা
  4. সাঁওতাল
ব্যাখ্যা

গারো: 
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতিসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক।
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে।
​- খিয়াং সাঁওতাল এবং মারমা উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৬,০৭৭.
বাংলাদেশের বাসা-বাড়িতে বিদ্যুতের সাপ্লাই ভোল্টেজ কোনটি?
  1. ক) ১২০ ভোল্ট
  2. খ) ৪৪০ ভোল্ট
  3. গ) ২২০ ভোল্ট
  4. ঘ) ৩৬০ ভোল্ট
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ:
-  যে তড়িৎ প্রবাহ নির্দিষ্ট সময় পরপর দিক পরিবর্তন করে তাকে পর্যাবৃত্ত প্রবাহ (Alternating Current ) বলে। আমাদের দেশে বাসা বাড়িতে সরবরাহকৃত বিদ্যুৎ প্রবাহ প্রতি সেকেন্ডে ৫০ বার দিক পরিবর্তন করে।
অর্থ্যৎ বিদ্যুতের ফ্রিকোয়েন্সি ৫০ হার্জ।
বাসা-বাড়িতে বিদ্যুতের সাপ্লাই ভোল্টেজ - ২২০ ভোল্ট।

- বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি কতৃক ৪ ধরনের বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়।
১। নিম্নচাপ (এলটি): ২৩০/৪০০ ভোল্ট
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: নিম্নচাপ এসি সিঙ্গেল ফেজ ২৩০ ভোল্ট এবং তিন ফেজ ৪০০ ভোল্ট।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

২। মধ্যমচাপ (এমটি): ১১ কেভি
 -বিদ্যুৎ সরবরাহ: মধ্যমচাপ এসি ১১ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৩। উচ্চচাপ (এইচটি): ৩৩ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: উচ্চচাপ এসি ৩৩ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

৪। অতি উচ্চচাপ (ইএইচটি): ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি
- বিদ্যুৎ সরবরাহ: অতি উচ্চচাপ এসি ১৩২ কেভি এবং ২৩০ কেভি।
- ফ্রিকোয়েন্সি: ৫০ সাইকেল/সেকেন্ড।

উৎস: Source: desco.org.bd, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬,০৭৮.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মাথাপিছু জিডিপিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান- [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু জিডিপি:
- মাথাপিছু জিডিপি হলো একটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনকে (জিডিপি) দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যা পাওয়া যায়, সেটি
- সহজভাবে বললে, দেশের মোট উৎপাদিত সম্পদের মধ্যে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য গড় কতটুকু অর্থ বা সম্পদ তৈরি হয়েছে, সেটি হলো মাথাপিছু জিডিপি।
- সম্প্রতি এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক সূচক নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। 
- এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি প্রায় তিন গুণ বেড়েছে। 
- তারপরও দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।
- ২০২৪ সালের সর্বশেষ হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপি এখন ২ হাজার ৬২৫ মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাথাপিছু জিডিপিতে শীর্ষে রয়েছে মালদ্বীপ।
- এই দ্বীপরাষ্ট্রের নাগরিকদের মাথাপিছু জিডিপি হচ্ছে ১১ হাজার ডলারের বেশি।
- তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে শ্রীলঙ্কা; দেশটির মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৪ হাজার ৫১৬ ডলার।
- এ ছাড়া প্রায় ৪ হাজার ডলার নিয়ে ভুটান তৃতীয় ও ২ হাজার ৮০০ ডলার নিয়ে ভারত চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে।
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বনিম্নে আফগানিস্তানের (৪০০ ডলারের বেশি) অবস্থান।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৬,০৭৯.
এক দলীয় সরকার ব্যবস্থার গুণ কোনটি?
  1. ব্যক্তিত্ব বিকাশের সুযোগ দেয়
  2. স্বৈরাচার কায়েম হয়
  3. দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হয় না
  4. দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হয়
ব্যাখ্যা
একদলীয় ব্যবস্থা:
- যখন রাষ্ট্রে একটি মাত্র দল থাকে তখন তাকে একদলীয় ব্যবস্থা বলা হয়।
- একনায়কতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একটিমাত্র দল থাকে।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অস্তিত্ব স্বীকার করা হয় না।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পূর্বে ইতালীর ফ্যাসিষ্ট এবং জার্মানীর নাৎসী দল এই ব্যবস্থার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
- একদলীয় ব্যবস্থায় দলীয় প্রধান সাধারণত সরকার প্রধান হন।

একদলীয় ব্যবস্থার গুণ:
- একদলীয় ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রের একতা বিধান করা সম্ভব। রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন রকম দ্বি-মত থাকে না।
- দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে একদলীয় ব্যবস্থা উপযোগী।
- একদলের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা সম্ভব হয়।
- রাজনৈতিক কলহ একদলীয় ব্যবস্থায় থাকে না বললেই চলে। কঠোরভাবে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮০.
সরকারি চাকরি আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮:
- ২০১৮ সনের ৫৭ নং আইন।
- সরকারি চাকুরি আইন, ২০১৮ (৫৭ নং আইন) এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (৫) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই আইন প্রণয়ন করেন।
- আইনটা এস.আর.ও নং ৩০৫ সংশ্লিষ্টট আইন যা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ দ্বারা জারি করা হয়।
- ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়। 

উল্লেখ্য,
- সরকারি চাকরি আইনে ৬২টি ধারা সংবলিত ১৩টি অধ্যায় আছে।
- এ আইনে সরকারি কর্মচারীদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।
- আইনে সরাসরি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার বিধান রাখা হয়েছে।
- মেধা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ ও সন্তোষজনক চাকরি বিবেচনাক্রমে পদোন্নতি প্রদানের বিধানও রাখা হয়েছে।

উৎস: সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮।
৬,০৮১.
'দিওয়ান-ই-আম' কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. হুমায়ুন
  2. আকবর
  3. বাবর
  4. শাহজাহান
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- The Prince of Builder নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮২.
জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT) কোন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT):
- এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন।
- নিপোর্ট প্রধান কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ সুবিধা ছাড়াও:
-বিভাগীয় ও জেলা শহরে রয়েছে ১২টি পরিবার কল্যাণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (FWVTI),
- উপজেলা পর্যায়ে রয়েছে ২০টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)।
- ১২টি এফডব্লিউভিটিআই,
- ও ৩১টি মাঠ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (FTC) সংযুক্ত রয়েছে।
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

কার্যক্রম:
- মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি।
- প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা ,গবেষণা ও জরিপ পরিচালনা করা।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট।
৬,০৮৩.
’জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩১ 
  2. অনুচ্ছেদ-৩৫ 
  3. অনুচ্ছেদ-৩২
  4. অনুচ্ছেদ-৩০ 
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় ভাগ; মৌলিক অধিকার। 
- অনুচ্ছেদ-৩২ জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হইতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাইবে না।

• কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,০৮৪.
পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট কত সালে গঠন করা হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট গঠন:
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটানোর লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।

- ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে জনগণ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফাকে তাদের স্বার্থরক্ষার সনদ বলে বিবেচনা করে।
- পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসসিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আর মুসলিম লীগ মাত্র ১টি আসন লাভ করে। বাকি আসন অন্যরা পায়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক সরকার গঠনের রায় লাভ করে।
- জনগণই যে 'সকল ক্ষমতার উৎস'-এই নির্বাচন তা প্রমাণ করে।
- জনগণ এ নির্বাচনে মুসলিম লীগকে প্রত্যাখ্যান করে এবং পূর্ববাংলায় এর শাসনের অবসান ঘটায়।

⇒ ১৯৫৪ সালের ৩রা এপ্রিল যুক্তফ্রন্টভুক্ত কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা এ.কে. ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০৮৫.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) ২ক
  2. খ) ১৭ক
  3. গ) ১৮ক
  4. ঘ) ২৩ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদে ‘উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদটি ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা গৃহিত হয়।
এতে বলা হয়েছে, “রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন, ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।”
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান)
৬,০৮৭.
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কোন মন্ত্রনালয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. অর্থমন্ত্রনালয়
  2. শিল্পমন্ত্রনালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রনালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অধিনস্থ দপ্তরসমূহের তালিকা:
- বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB).
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
- যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর
- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস
- বাংলাদেশ চা বোর্ড
----------------------------------------------
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-৬৮/১৯৭২ এর মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৯৭২ সনের ০১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
-  বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি। 

উৎস: টিসিবি ও বাণিজ্য় মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৬,০৮৮.
বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে কোন সম্প্রদায় 'বৈসুক' উৎসব পালন করে?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. তঞ্চঙ্গ্যা
ব্যাখ্যা
বৈসাবি উৎসব:
- বৈসাবি বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উপলক্ষে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রধানতম সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব এটি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রধান তিনটি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব ‘বৈসাবি’।
- প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা বর্ষবরণ উপলক্ষে ত্রিপুরা সম্প্রদায় ‘বৈসুক’, মারমারা ‘সাংগ্রাই’ এবং চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা ‘বিজু’ উৎসব পালন করে।
- তিন উৎসবের আদ্যক্ষর নিয়ে এই উৎসবকে বলা হয় ‘বৈসাবি’।
- সাধারণত, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,০৮৯.
বাংলাদেশের কোন উপজাতির পরিবার মাতৃতান্ত্রিক?
  1. গারো
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
গারোদের পরিবার, বিবাহ ও ধর্ম:
- গারো পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- পরিবারের সকল কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা মাতা বা স্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।
- সে কারণে গারো পরিবারে ও সম্প্রদায়ে পুরুষের প্রাধাণ্য কম।
- এ সমাজে উত্তরাধিকার মাতৃধারায় মা থেকে মেয়েতে বর্তায়।
 এখানে মাতৃবাস রীতি অনুসরণ করা হয়।
- বিয়ের পর গারো দম্পতি স্ত্রীর মায়ের বাড়িতে বসবাস করে।
- ইদানীং শিক্ষিত গারো-দম্পতিদের মধ্যে এর বিপরীত অবস্থা পরিলক্ষিত হয়।
- গারো সম্প্রদায়ে একক বিবাহভিত্তিক পরিবার বিদ্যামান।
- বাংলাদেশে বসবাসরত গারো সম্প্রদায়ের প্রায় শতকরা ৯০ ভাগ ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান।
- এদের ঐতিহ্যগত ধর্মের নাম সাংসারেক।
- বর্তমানে শতকরা প্রায় ৮ ভাগ সাংসারেক ধর্মের অনুসারী এবং বাকি ২ ভাগ ইসলাম ও হিন্দুধর্মে বিশ্বাসী।
- গারোসমাজে ব্যবহৃত 'সাংসারেক' শব্দটি সম্ভবত এসেছে বাংলা সংসার থেকে।
- জগৎ সংসার বোঝাতেই সাংসারেক শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছ।
- সংসার, পরিবার, খানা অর্থাৎ জাগতিক বিষয়কে কেন্দ্র করেই গারোদের ধর্ম।

উল্লেখ্য, খাসিয়াদের পরিবারও মাতৃতান্ত্রিক।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৯০.
এগারসিন্ধুতে দুর্জন সিংহকে পরাজিত করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. মুসা খান
  3. ঈসা খান
  4. মানসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলায় আকবরের শেষ সুবাদার ছিলেন রাজা মানসিংহ।
- তিনি ছিলেন রাজপুত এবং একজন দক্ষ সেনাপতি।
- মানসিংহ তাঁর ছেলে দুর্জন সিংহকে বিশাল বাহিনী নিয়ে ভাটি আক্রমণ করতে পাঠান।
- ব্রহ্মপুত্র তীরে এগারসিন্ধুতে ঈসা খান দুর্জন সিংহকে পরাজিত ও নিহত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৯১.
চাঁদ রায় ও কেদার রায় বাংলার কোন অঞ্চলের জমিদার ছিলেন?
  1. ভাওয়াল
  2. বিক্রমপুর
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. ভুলুয়া
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগে ষোল শতকের মাঝামাঝি থেকে সতের শতকের মধ্য সময় পর্যন্ত পূর্ব বাংলার যেসব জমিদার মুঘলদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে সচেষ্ট ছিলেন তারা ‘বারোভূঁইয়া’ নামে পরিচিত।

বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনারগাঁও এর জমিদার ঈসা খান এবং তার পুত্র মুসা খান।
বারোভূঁইয়াদের মধ্যে অন্যান্যরা হলেন:
- লক্ষণ মাণিক্য : ভুলুয়া (নোয়াখালী)
- চাঁদ রায় ও কেদার রায় : বিক্রমপুর (মুন্সিগঞ্জ)
- বাহাদুর গাজি : ভাওয়াল
- সোনাগাজি : সরাইল (উত্তর ত্রিপুরা)
- ওসমান খান : বোকাইনগর (সিলেট)
- বীর হামির বিষ্ণুপুর (বাকুড়া)
- পরমানন্দ রায় : চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল)
- বিনোদ রায়/মধু রায় : চান্দপ্রতাপ (মানিকগঞ্জ)
- মুকুন্দরা/সত্রজিৎ : ভূষণা (ফরিদপুর)
- রাজা কন্দর্পনারায়ণ/রামচন্দ্র : বরিশাল জেলার অংশবিশেষ।

১৬১১ সালে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান বারোভূঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলা মুঘল অধিকারে আনেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,০৯২.
বড় কাটরা কে নির্মাণ করেছেন?
  1. মুর্শিদকুলি খান
  2. শায়েস্তা খান
  3. ইসলাম খান
  4. শাহ সুজা
ব্যাখ্যা

বড় কাটরা:
- এটি একটি মুঘল নিদর্শন।
- ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে 'বড় কাটরা' অবস্থিত।
- সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়।
- বড় কাটরা মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত।
- আয়তাকারে নির্মিত এ অট্টালিকা দক্ষিণে ও উত্তরে ৬৭.৯৭ মিটার দীর্ঘ এবং ধারণা করা হয় পূর্ব-পশ্চিমে ৭০.১০ মিটার।
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে। এর একটিতে উৎকীর্ণ আছে যে, ইমারতটি ১০৫৩ হিজরিতে (১৬৪৩-৪৪ খ্রি) নির্মিত এবং অন্যটিতে আছে ১০৫৫ হিজরিতে (১৬৪৫-৪৬ খ্রি) নির্মিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৬,০৯৩.
On which date is the first 'Money Day' celebrated in Bangladesh?
  1. ক) 7 March 2021
  2. খ) 26 March 2021
  3. গ) 4 March 2021
  4. ঘ) 17 March 2021
ব্যাখ্যা
নিজস্ব মুদ্রা:

- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে ‘টাকা দিবস’।
- বাংলাদেশে নিজস্ব মুদ্রা চালু হয় ৪ মার্চ ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের।তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়।১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর  করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান। 
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের  ছবি এবং  তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে  প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।

উৎস - দৈনিক প্রথম আলো,৪ মার্চ,২০২১।
৬,০৯৪.
দেশের প্রথম বেসরকারি মুক্তা গবেষণাগার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রামে
  2. খ) সিলেটে
  3. গ) ঝিনাইদহে
  4. ঘ) ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
- ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে তৈরি হচ্ছে দেশের প্রথম বেসরকারি মুক্তা গবেষণাগার।
- স্বাদু পানিতে দেশি প্রজাতির মুক্তা উৎপাদনকারী ঝিনুকের সংরক্ষণ, প্রজনন ও মুক্তা চাষের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মুক্তা উৎপাদন নিয়ে বিস্তর গবেষণার লক্ষ্যে ব্যক্তিগত উদ্যোগে গবেষণাগারটি তৈরি হচ্ছে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রাইয়ান পার্ল হারবারে।
- রাইয়ান পার্ল হারবারের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, গবেষণার মাধ্যমেই তৈরি হবে দেশি প্রজাতির ঝিনুকে উন্নতমানের ‘এ’ গ্রেডের বিভিন্ন ধরনের মুক্তা।
- মুক্তা চাষ বেকারত্ব দূরীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। সুচিশিল্পের মতো নারীরা ঘরে বসেই এই কাজ করে স্বাবলম্বী হতে পারে। তবে আভিজাত্যের প্রতীক এই মুক্তা ব্যবহারে দেশের মানুষ উদ্বুদ্ধ হলে বাজারে ইমিটেশনের পরিবর্তে মুক্তার চাহিদা বাড়বে এবং দেশে মুক্তাশিল্প গড়ে উঠবে।

উৎস: প্রথম আলো।
৬,০৯৫.
সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস কোথায় নেই?
  1. বগুড়া
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
• সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
- সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি।
- সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত।
- কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
- সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।
- খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা তাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারিত হচ্ছে। 
- প্রধান উৎস: সোহরাই।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,০৯৬.
সম্প্রতি, বায়ুদূষণ নিরীক্ষণে বাংলাদেশের সাথে পাঁচ মিলিয়ন ডলার অনুদানের চুক্তি সই করে- [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. চীন
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
অনুদান চুক্তি:
- সম্প্রতি, বায়ুদূষণ নিরীক্ষণে বাংলাদেশের সাথে পাঁচ মিলিয়ন ডলার অনুদানের চুক্তি সই করে জাপান।
- বায়ুদূষণ নিরীক্ষণে সরঞ্জাম উন্নয়ন প্রকল্পে ৮৩৫ মিলিয়ন জাপানি ইয়েন (প্রায় ৫.৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) অনুদান সহায়তা দেবে জাপান।
-  বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব ও জাপানের পক্ষে রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনিচি ও বাংলাদেশে জাইকার প্রধান প্রতিনিধি ইচিগুচি তোমোহিদি চুক্তিতে সই করেন।
- এ প্রকল্পের আওতায় রাজধানী ঢাকা এবং চট্টগ্রামে মূলত যানবাহনের নির্গমন থেকে বায়ু দূষণকারী পদার্থ পরিমাপ ও বিশ্লেষণের ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য বায়ু দূষণ নিরীক্ষণে সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে।
- ফলে বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা বাড়াতে অবদান রাখবে।
- আগামী মার্চ থেকে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে পরিবেশ মন্ত্রণালয় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
৬,০৯৭.
মারি চুক্তি কত সালে সম্পাদিত হয়?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
মারি চুক্তি:
- স্বাধীন পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদ পাকিস্তান সংবিধান রচনায় ব্যর্থ হলে দ্বিতীয় গণপরিষদ ১৯৫৫ সালের ৭ জুলাই মারিতে প্রথম অধিবেশনে মিলিত হয়।
- এ অধিবেশনে পাকিস্তানের সকল প্রদেশের নেতাগণ, বিশেষ করে মুসলিম লীগ, আওয়ামী লীগ ও যুক্তফ্রন্টের নেতৃবৃন্দ সংবিধান সম্পর্কে একটি আপোস চুক্তি সম্পাদন করেন।
- এটি 'মারি চুক্তি' নামে খ্যাত।
- এ চুক্তিতে ৬টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে উভয় অঞ্চলের সংসদ সদস্যগণ একমত হন।
- মারি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন এ. কে. ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী, চৌধুরী মোহাম্মদ আলী, আতাউর রহমান খান ও মোস্তাক হোসেন গুরমানী।
- মারি চুক্তি সম্পাদনের পর ১৯৫৫ সালের ১১ আগস্ট চৌধুরী মোহাম্মদ আলী প্রধানমন্ত্রী হন।
- তার মন্ত্রিপরিষদের অন্যতম সদস্য ছিলেন এ. কে. ফজলুল হক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছিলেন বিরোধী দলের নেতা।

⇒ মারি চুক্তির আলোকে ১৯৫৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পশ্চিম পাকিস্তানের সকল প্রদেশকে একত্রিত করে একটি প্রদেশ গঠন করা হয়।
- অতঃপর ১৯৫৬ সালের ৮ জানুয়ারি দ্বিতীয় গণপরিষদে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের' বিল উত্থাপন করা হয়।
- ২ মার্চ গভর্নর জেনারেল এ বিলে সম্মতি দিলে সংবিধান বলবৎ হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) সংগ্রামের নোটবুক।
iii) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৬,০৯৮.
বাংলাদেশের ইতিহাসে যে ঘটনাটি আগে ঘটেছিল-
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা
  3. গ) তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় তমদ্দুন মজলিশ।
৪ জানুয়ারি, ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলা মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাকার কে.এম. দাস লেনের রোজগার্ডেনে এক কর্মী সম্মেলনে পূর্ব বাংলার বাঙালি প্রগতিশীল নেতা ও কর্মী ঢাকায় মিলিত হয়ে ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' গঠন করেন।
১৯৫২ সালে চূড়ান্ত ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংগঠনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৬,০৯৯.
বাংলাদেশে ’খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি’ গঠিত হয় কবে?
  1. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  4. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ-১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,১০০.
বাংলার ইতিহাসের প্রাচীন যুগের সূচনা কোন শতক থেকে?
  1. ক) খ্রিস্টপূর্ব সপ্তম শতক
  2. খ) খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতক
  3. গ) খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক
  4. ঘ) খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রাচীন যুগ:

- বাংলার ইতিহাসের প্রাচীন যুগের সূচনা খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক থেকে।
- কোন কোন ঐতিহাসির মতে খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক থেকে তেরো শতক পর্যন্ত সময়কাল বাংলার প্রাচীন যুগ
- আবার কিছু ঐতিহাসির মতে খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতক থেকে ষষ্ঠ শতক হলো আদি ঐতিহাসিক যুগ এবং সাত শতক থেকে তেরো শতক হলো প্রাক মধ্যযুগ

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী।