বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫৯ / ৩০৬ · ৫,৮০১৫,৯০০ / ৩০,৮৩২

৫,৮০১.
Bangavax, a COVID-19 vaccine has recently been developed by which Bangladeshi pharmaceutical company?
  1. Beaxcimco Pharma
  2. Square Pharma
  3. Global Biotech
  4. ACI Pharma
ব্যাখ্যা
বঙ্গভ্যাক্স:

- বাংলাদেশের একটি প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক তাদের উৎপাদিত করোনাভাইরাস টিকা বঙ্গভ্যাক্স মানবদেহে পরীক্ষা চালানোর অনুমতির জন্য আবেদন করেছে।
- এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসনের অনুমোদিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে এই প্রতিষ্ঠানটি।
- যার স্পন্সর করছে গ্লোব বায়োটেক।
- "ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল করতে হলে সাধারণত তৃতীয় একটি পক্ষের মাধ্যমে করতে হয়, সেই তৃতীয় পক্ষ হিসেবেই এই প্রতিষ্ঠানটি কাজ করছে," বলেন মি. নাগ।
- পুরো ট্রায়ালটি পরিচালনা করবে একটি গবেষক দল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ, ১৭ জানুয়ারি ২০২১।
৫,৮০২.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল -
  1. মোমবাতি
  2. বট গাছ
  3. নৌকা
  4. হারিকেন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৩.
বাঙালির জাতীয় ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. শিক্ষা আন্দোলন
  4. ছয়দফা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সময়ে।
মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৮০৪.
উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেছিলেন কে?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. কামাল ফারুক
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. নূরুল আলম
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:

- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৮০৫.
রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির মুখ্য কারণ কোনটি?
  1. অর্থনৈতিক অনুন্নয়ন
  2. মূল্যবোধের অভাব
  3. অবনমিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি
  4. ধর্মীয় অনুশাসনের অনুপস্থিতি
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির মুখ্য কারণ হলো অবনমিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি।
রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো সেসব মনোভাব, বিশ্বাস ও অনুভূতি যা মানুষের রাজনৈতিক আচরণ ও মূল্যবোধকে নিয়ন্ত্রণ করে।
আমাদের দেশে রাজনৈতিক দল ও প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি অবনমিতার কারণে দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলমান রয়েছে।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি : প্রথম পত্র - মো. মোজাম্মেল হক)
৫,৮০৬.
বাংলাদেশের মোট কয়টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশের মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৬-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৫,৮০৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম প্রশাসনিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. সাতক্ষীরায়
  2. মেহেরপুরে
  3. চুয়াডাঙ্গায়
  4. নবাবগঞ্জে
ব্যাখ্যা
₻ প্রথম প্রশাসনিক কেন্দ্র
- মুজিবনগর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদরদপ্তর বা প্রশাসনিক কেন্দ্র।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় এবং ১৪ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গার মুক্তাঞ্চলে সরকারের শপথ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু বিষয়টি অত্যন্ত গোপনীয় হওয়া সত্ত্বেও আকাশবাণীসহ আরও দু’একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে এ তথ্য ফাঁস হয়ে যায়।
- পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণের স্থান নির্ধারিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৮০৮.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি কৃষিক্ষেত্রে সার সরবরাহ করে থাকে?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. গ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষিক্ষেত্রে কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং BADC ওয়েবসাইট)
৫,৮০৯.
বাংলাদেশ কবে এলডিসি উত্তরণ করবে?
  1. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ২৬ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ):
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পরদিনই বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। এতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে এলডিসি উত্তরণ-প্রস্তুতির সময়কাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ জানানো হয়। 

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫,৮১০.
'শরিফ কমিশন' এর বিরুদ্ধে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত হয় কোথায়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা কলেজ
  3. সিলেট এমসি কলেজ
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলন:
- আইয়ুব খান শিক্ষা সংস্কারের উদ্দেশ্যে ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলেন।
- তদানীন্তন শিক্ষা সচিব এস.এম.শরীফকে সভাপতি করে গঠিত এগার সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন ‘শরিফ কমিশন' নামে অভিহিত।
- এ কমিশন ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করেন ।
- কমিশনের এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়। 
- ঢাকা কলেজে সর্বপ্রথম আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। 
- ঐ কলেজের ছাত্ররা ‘ডিগ্রি স্টুডেন্টস ফোরাম' নামক একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করে। 
- এই সংগঠনের নামে ঢাকা শহরের অন্যান্য কলেজের ছাত্ররা আন্দোলন পরিচালনা করে।
- পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আন্দোলনে যোগ দেয়।
- তখন সংগঠনের নাম পরিবর্তন করে করা হয় ‘ইস্ট পাকিস্তান স্টুডেন্টস ফোরাম'। 
- এক পর্যায়ে আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বের হাতে চলে যায়।
- ১৯৬২সালের ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল আহ্বান করা হয়।
- হরতালের দিন ছাত্র জনতা মিলিতভাবে রাস্তায় নেমে পড়ে।
- মিছিলে গুলিবর্ষণ করা হলে বাবুল, বাসকন্টাক্টর গোলাম মোস্তফা ও গৃহভৃত্য ওয়াজিউল্লাহ নিহত হয়।
-  ছাত্রদের আন্দোলনের ফলেই সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত করে।
- এই আন্দোলনের তাৎপর্য এই যে, পরবর্তীকালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে ছাত্ররাই প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। 

উৎস: শিক্ষার ইতিহাস-২,স্কুল অভ্ এগ্রিকালচার এন্ড রুর‍্যাল ডিভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১১.
মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপি’তে কৃষি খাতের অবদান কত?
  1. ক) ১৩.৬%
  2. খ) ১৭.৩%
  3. গ) ১৪.৭%
  4. ঘ) ১২.৯%
ব্যাখ্যা
মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপি’তে কৃষি খাতের অবদান ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি- ২০২০]
৫,৮১২.
বাংলাদেশের কৃষি পরিবেশগত অঞ্চলের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২৪টি
  4. ঘ) ৩০টি
ব্যাখ্যা
- ভূ-প্রকৃতি, পানির সহজলভ্যতা, ফসলের বিন্যাস, মৌসুম, মাটির ধরন, জোয়ার-ভাটা প্রভৃতির উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশগত অঞ্চলে (AEZ) ভাগ করা হয়েছে।
- এই ৩০টি AEZ কে ৮৮টি উপ-অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছে।
- উপ-অঞ্চলগুলোকে ৫৩৫টি কৃষি পরিবেশগত একক এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- কৃষি পরিবেশগত অঞ্চলে একই পরিবেশে এবং মাটির বৈশিষ্ট্যে ফসল উৎপাদন হয়।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯ এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৫,৮১৩.
হাজী শরীয়তউল্লাহর ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নাম কী ছিল?
  1. ওয়াহাবি আন্দোলন
  2. তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া
  3. ফরায়েজি আন্দোলন
  4. নীলবিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
হাজী শরীয়তউল্লাহ:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'। 
- 'ফরায়েজি' শব্দটি আরবি 'ফরজ' (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে।
- যারা ফরজ পালন করেন তাঁরাই ফরায়েজি। 
- বাংলায় যাঁরা হাজী শরীয়তউল্লাহর অনুসারী ছিলেন, ইতিহাসে শুধু তাদেরকেই ফরায়েজি বলা হয়ে থাকে।
- ইসলাম অননুমোদিত সব বিশ্বাস, আচার-আচরণ ও অনুষ্ঠান ত্যাগ করে ইসলাম ধর্মে যা অবশ্যকরণীয়, তা পালন করার জন্য তিনি মুসলমান সমাজকে আহ্বান জানান।
- তিনি বাংলা তথা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসন মেনে নিতে পারেননি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৮১৪.
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে ছিলেন?
  1. এহসান খান
  2. রোহানি বাহারিন
  3. ফয়েজ উল্লাহ
  4. বোরহান আহমেদ 
ব্যাখ্যা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।

⇒ ২১ হাজার ৩০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন। তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।
- টার্মিনালটির যাত্রী ক্যাপাসিটি ১ কোটি ৬০ লাখ।
- টার্মিনালটির ফ্লোর আয়তন ২ লাখ ৩০ হাজার বর্গ মিটার।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার রেলস্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.

৫,৮১৫.
’তিনকন্যা’ ও ’নাইওর' এ দুটি  চিত্রকর্মের চিত্রকর কে? 
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. রফিকুন নবী
  4. এসএম সুলতান
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে,
- জয়নুল আবেদিন চিত্রকর্ম: ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'।
- এসএম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম:  'প্রথম বৃক্ষরোপণ', 'চরদখল', 'জমি চাষ', 'হত্যাযজ্ঞ', এবং 'মাছ ধরা-৩। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৮১৬.
'The Art of Triumph' একটি-
  1. গ্রন্থ
  2. চিত্রকর্ম
  3. স্থাপনা
  4. ড্রোন শো
ব্যাখ্যা

• The Art of Triumph:
- The Art of Triumph হলো ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলাদেশে ঘটে যাওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়কার গ্রাফিতি চিত্রগুলোর একটি সংকলন, যা এই আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি এবং প্রতিরোধের এক শক্তিশালী দলিল হিসেবে কাজ করে।
- এটি শিক্ষার্থীদের আঁকা বিভিন্ন গ্রাফিতি চিত্রের একটি বই যা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিকে তুলে ধরে।
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন (July Shaheed Smriti Foundation) এই সংকলনটির সম্পাদনা ও প্রকাশনার দায়িত্বে ছিল। 

উৎস: The Art of Triumph গ্রন্থ ও টিবিএস নিউজ।

৫,৮১৭.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনৈতিক বিষয়াবলি ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ: 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। 
⇒ তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,৮১৮.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. হাশেম খান
  3. হামিদুর রহমান
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা: 
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেছেন শিল্পী কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি এই ডিজাইনটি গৃহীত হয়, এবং ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে এটি অনুমোদিত হয়।
- পতাকায় গাঢ় সবুজ রঙের মধ্যে একটি লাল বৃত্ত রয়েছে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত।
- ডিজাইনের আয়তক্ষেত্রাকার রূপের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ১০:৬।
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন হিসেবে বিবেচ্য করা হয় শিব নারায়ণ দাসকে। 

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৮১৯.
যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা কারা ছিলেন? 
  1. নবীন মাধব ও বেণী মাধব
  2. মেঘনা সর্দার ও বিশ্বনাথ সর্দার 
  3. বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস
  4. বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার 
ব্যাখ্যা

নীল বিদ্রোহ:
- ইংরেজরা এদেশে এসেছিল ব্যবসা-বাণিজ্য করতে।
- উপমহাদেশের শাসকদের দুর্বলতার সুযোগে তারা এদেশের শাসক হয়ে ওঠে।
- নীল ছিল তাদের সেই বাণিজ্যিক ফসল।
- ঐ সময়ে নীল ব্যবসা ছিল খুবই লাভজনক। বস্তুত বস্ত্র শিল্পের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কাপড় রং করার জন্য ব্রিটেনে নীলের চাহিদা খুব বেড়ে যায়।
- তাছাড়া আমেরিকার ব্রিটিশ উপনিবেশগুলো স্বাধীন হয়ে যাওয়ার কারণে ইংরেজ বণিকদের সেখানকার নীল চাষ বন্ধ হয়ে যায়।
- ফলে বাংলা হয়ে ওঠে নীল সরবরাহের প্রধান কেন্দ্র।
- ১৭৭০ থেকে ১৭৮০ সালের মধ্যে ইংরেজ আমলে বাংলায় নীল চাষ শুরু হয়।
- বাংলাদেশে নীলের ব্যবসা ছিল একচেটিয়া ইংরেজ বণিকদের। ফরিদপুর, যশোর, ঢাকা, পাবনা, রাজশাহী, নদীয়া, মুর্শিদাবাদে ব্যাপক নীল চাষ হতো।
-  শেষ পর্যন্ত ১৮৫৯ সালে প্রচণ্ড বিদ্রোহে ফেটে পড়ে নীল চাষিরা।
- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই।
- হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই।
-  দীনবন্ধু মিত্রের লেখা 'নীলদর্পণ' নাটকের কাহিনি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৮৬০ সালে ব্রিটিশ সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ওপর ভিত্তি করে নীল চাষকে কৃষকদের 'ইচ্ছাধীন' বলে ঘোষণা করা হয়।
- তাছাড়া ইন্ডিগো কন্ট্রাক্ট বাতিল হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে নীল বিদ্রোহের অবসান হয়।
- পরবর্তীকালে নীলের বিকল্প কৃত্রিম নীল আবিষ্কৃত হওয়ায় ১৮৯২ সালে এদেশে নীল চাষ চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮২০.
নিচের কোনটি এস.এম সুলতানের চিত্রকর্ম?
  1. জমি চাষ
  2. ধান মাড়াই
  3. গ্রাম্য কাইজা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
এস.এম  সুলতান: 
- এস.এম  সুলতান (১৯২৩-১৯৯৪) ছিলেন চিত্রকর।
- পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
- তবে এস.এম সুলতান নামেই তিনি সমধিক পরিচিত।
- সুলতানের ছবিতে পরিপূর্ণতা এবং প্রাণপ্রাচুর্যের পাশাপাশি আছে শ্রেণির দ্বন্দ্ব, এবং গ্রামীণ অর্থনীতির কিছু ক্রুর বাস্তবতার চিত্রও।
- হত্যাযজ্ঞ (১৯৮৭) ও চরদখল (১৯৮৮) এরকম দুটি ছবি।
- এস এম সুলতানের চিত্রকর্ম ‘জমি চাষ’,  ‘ধান মাড়াই’ ও ‘গ্রাম্য কাইজা’।
নড়াইল শহরের মাছিমদিয়ায় তাঁর জন্মস্থানে তাঁকে সমাহিত করা হয়।
- সেখানে সরকারি উদ্যোগে গড়ে উঠেছে এস এম সুলতান স্মৃতি সংগ্রহশালা।
- সংগ্রহশালার দ্বিতল ভবনটিতে প্রদর্শনীর জন্য রাখা হয়েছে তাঁর ৭৪টি শিল্পকর্ম।
- এর মধ্যে ২৩টি মূল ছবি। অন্য ৫১টি রেপ্লিকা (মূল ছবি থেকে প্রিন্ট করা)।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বড় চিত্রকর্ম ‘সভ্যতার ক্রমবিকাশ’।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
প্রথম আলো (২৬ মার্চ ২০২১)
৫,৮২১.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম -
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
  3. জহির রায়হান
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকা:
- হাসান হাফিজুর রহমান ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা 'একুশে ফেব্রুয়ারি'।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- হাসান হাফিজুর রহমানের সাহিত্যচর্চার শুরু ছাত্রজীবনথেকেই।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'অমর একুশে' রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।

অন্যদিকে,
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতাটি লেখেন মাহবুব উল আলম চৌধুরী।
- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রথম উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' এর রচয়িতা জহির রায়হান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,৮২২.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করে কত তারিখ?
  1. ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর
  2. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৮২৩.
শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন কবে?
  1. ক) ১৯৪৯ সালে
  2. খ) ১৯৫২ সালে
  3. গ) ১৯৫৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত প্রশ্নের উত্তর : ১৯৫৩ সালে। 

- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটিতে বঙ্গবন্ধু যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন। তখন তার বয়স ছিলো মাত্র ২৯ বছর।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামীলীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে তিনি সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
- এর আগের ১ বছর তিনি ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্বপালন করেন।
- পরে তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৯ মার্চ তিনি আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

সূত্র : কারাগারের রোজনামচা, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট ।
৫,৮২৪.
ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে পড়ে?
  1. স্বজাত্যবোধ
  2. বাঙালি জাতীয়তাবোধ
  3. দ্বিজাতিতত্ত্ব
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮২৫.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কোন আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন?
  1. ঢাকা - ১০
  2. ঢাকা - ১২
  3. গোপালগঞ্জ - ৩
  4. গোপালগঞ্জ - ১
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদ:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টিতে জয়লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ
- ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বায়তুল্লাহ।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৮২৬.
পুন্ড্রনগর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. মহানন্দা
  2. করতোয়া
  3. বাঙ্গালী
  4. ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ-৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা ছিল।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৮২৭.
প্রথম ভারতীয় হিসেবে আইসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন কে?
  1. মীর মোহন আলী
  2. সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. রায় বাহদুর চৌধুরি
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, (১৮৪২-১৯২৩)
- তিনি ছিলেনে একজন লেখক, সাহিত্যিক ও প্রথম ভারতীয় সিভিলিয়ান।
- ১৮৪২ সালের ১ জুন কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের দ্বিতীয় পুত্র এবং রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ।
- সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম ভারতীয়, যিনি (১৮৬৩ সালে) ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস (আইসিএস) পরীক্ষায় সফল হয়েছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৮২৮.
’থ্রি জিরো' তত্ত্ব এর গুরুত্বপূর্ণ লক্ষসমূহের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. শূন্য দারিদ্র্য
  2. শূন্য বেকারত্ব
  3. শূন্য নিরক্ষরতা
  4. শূন্য নেট কার্বন নিঃসরণ
ব্যাখ্যা

'থ্রি জিরো' তত্ত্ব:
- থ্রি জিরো তত্ত্ব আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী অর্থনীতিবিদ।
- গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলাদা সম্মান পেয়েছেন তাঁর এই থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সেগুলো হলো জিরো দারিদ্র্য, জিরো বেকারত্ব ও জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ।

উৎস: Younus Centre.

৫,৮২৯.
নারী ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেছে কে?
  1. সীমা আক্তার
  2. রুবানা হক
  3. পিংকি দাস
  4. ফারজানা হক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান:
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।
- নিজের ৫৩তম ওয়ানডে ইনিংসে এই মাহেন্দ্রক্ষণের দেখা পেলেন ফারজানা।
- ২২ জুলাই, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের মিরপুর স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন ফারজানা।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলীয় রান। 
- ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশের।
- ১৯৯৭ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে লাল সবুজের দল।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- অপরদিকে ওয়ানডে ক্রিকেটে মেহরাব হোসেন অপি।
- এছাড়া টুয়েন্টি ক্রিকেটের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান তামিম ইকবাল খান।

অন্যদিকে-
- বাছাই পর্বে বাংলাদেশ নারী দলের হয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন শারমীন আক্তার।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,৮৩০.
মন্ত্রিসভার সদস্যগণ এককভাবে কার নিকট দায়ী থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রিসভা
ব্যাখ্যা
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- তবে মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে। মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা দেশের প্রকৃত শাসক। প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগদান করে থাকেন।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য, সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৮৩১.
বাংলাদেশে কয়টি শেয়ার বাজার রয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার:

- বাংলাদেশে ২টি শেয়ার বাজার রয়েছে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পূর্বেই ১৯৫৬ সালে ঢাকা শেয়ার মার্কেটের কার্যক্রম শুরু হয়।এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।।ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এক্সচেঞ্জগুলি স্ব-নিয়ন্ত্রিত এবং প্রাইভেট সেক্টর এনটিটি যা বাংলাদেশ সিকিউরিটিস এন্ড একচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) অনুমোদিত পরিচালনা নীতি দ্বারা পরিচালিত।
- সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয় ৮ জুন ১৯৯৩ সালে।
- কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ সরকার কর্তৃক নিয়োগকৃত এবং সিকিউরিটিস নিয়ম পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। বর্তমানে কমিশনে চেয়ারম্যান ব্যতীত তিনজন পূর্ণকালীন সদস্য রয়েছেন। কমিশন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ তথ্য বাতায়ন।
৫,৮৩২.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা কে?
  1. শেরে বাংলা একে ফজলুল হক
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৩৩.
'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানটি কত সালে প্রথম উচ্চারিত হয়েছিল?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই:
- ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানটি ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর তমদ্দুন মজলিস-এর মাধ্যমে প্রথম উচ্চারিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিস"। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে রশীদ ভবনে ছিল এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়।
- "ভাষা আন্দোলনের সাংগঠনিক প্রয়াসের প্রাথমিক কৃতিত্ব গণ আজাদী লীগের। এর পর এ আন্দোলন বেগবান করতে সবচেয়ে অবদান রেখেছে অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা তমদ্দুন মজলিস। 
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর মানে, অর্গানাইজেশনটা প্রতিষ্ঠার দুই সপ্তাহের মধ্যে একটা বই বের করলে 'পাকিস্তানের রাষ্ট্র-ভাষা বাংলা—না উর্দু?’ শীর্ষক পুস্তিকা। এখানে লিখেছিলেন কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ। এই পুস্তিকার প্রথম অংশ সংযোজিত ছিল তমদ্দুন মজলিসের পক্ষে ভাষা বিষয়ক প্রস্তাব, তার প্রথম দফাই ছিল—‘বাংলা ভাষাই হবে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন; পূর্ব পাকিস্তানের আদালতের ভাষা; পূর্ব পাকিস্তানের অফিসাদির ভাষা’।
- ১৯৪৭ সালের ৫ ডিসেম্বর পূর্ব বাংলার তত্কালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিনের সরকারি বাসভবন বর্ধমান হাউজে (বর্তমান বাংলা একাডেমি) বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগ ওয়ার্কিং কমিটির এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা হবে কি হবে না এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্যই এ সভার আয়োজন। বৈঠক চলাকালে বুদ্ধিজীবী সংস্কৃতিকর্মী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বর্ধমান হাউজে মিছিল সহকারে উপস্থিত হয়। মিছিলে একটাই মাত্র স্লোগান উচ্চারিত হয়েছে—‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’।

• পরবর্তীতে ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচিতে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম সভায় ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দীন করাচি থেকে ঢাকায় আসেন। তিনি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বলেন যে, প্রদেশের সরকারি কাজকর্মে কোন ভাষা ব্যবহূত হবে তা প্রদেশের জনগণই ঠিক করবে। কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেবল উর্দু। সঙ্গে সঙ্গে এর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় এবং ‘রাষ্টভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগানে ছাত্ররা বিক্ষোভ শুরু করেন।

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) BBC.
iii) প্রথম আলো।
iv) বণিক বার্তা।

৫,৮৩৪.
নিচের কোনটি শীতকালীন ফসল?
  1. পাট
  2. ভুট্টা
  3. আমন ধান
  4. গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম ২টি।
এগুলো হলো:
- খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম
- রবি বা শীতকালীন মৌসুম।

- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম বা শীতকালীন মৌসুম হিসেবে পরিচিত।

শীতকালীন ফসলসমূহ হলো:
- গম
- বোরো ধান
- মসুর ডাল
- যব
সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
পাট ও আমন ধান গ্রীষ্মকালীন ফসল। ভুট্টা মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
৫,৮৩৫.
কোন প্রতিষ্ঠান রামপুরা-আশুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেস নির্মাণে সহায়তা করছে?
  1. ক) নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  2. খ) আইএফআইসি ব্যাংক
  3. গ) এক্সিম ব্যাংক
  4. ঘ) এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা
রামপুরা-আশুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেস:
- রাজধানীর যানজট কমাতে সড়ক বিভাগের নেওয়া ১০টি বড় প্রকল্পের মধ্যে রামপুরা-আশুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেস অন্যতম।
- পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) উদ্যোগের আওতায় ৪-লেন বিশিষ্ট রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা মহাসড়ক প্রকল্প।
- প্রকল্পটি যানজট নিরসন করবে এবং রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরের মধ্যে উন্নত যোগাযোগ স্থাপন করবে।
- এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) রামপুরা থেকে রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের চার লেন, সাড়ে ১৩ কিলোমিটার পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্পের জন্য লেনদেন উপদেষ্টা হিসেবে ২৬১ মিলিয়ন ডলার বেসরকারি খাতের মূলধন সংগ্রহ করেছে।
- বাংলাদেশে অবস্থিত একটি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, ব্যাংক অব চায়না, ডিবিএস ব্যাংক লিমিটেড এবং ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড থেকে সর্বাধিক ১৯৩ মিলিয়ন ডলার ঋণের মাধ্যমে প্রকল্পটির অর্থায়ন করা হচ্ছে।
- এডিবি প্রকল্পের কাঠামো, আলোচনা, দরপত্রে সহায়তা করেছে এবং বাণিজ্যিক ও আর্থিক সুবিধা প্রদানে সহায়তা করেছে।
- রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ের নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে ২৫ বছরের মধ্যে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে।

উৎস: ৩ আগস্ট ২০২৩, যুগান্তর।
৫,৮৩৬.
দেশের প্রথম 'রাইস মিউজিয়াম' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) রংপুর
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে: 

- ব্রির প্রতিষ্ঠা ১৯৭০ সালে গাজীপুরে।
- প্রতিষ্ঠানটির প্রথম উদ্ভাবিত ধানের জাত ছিল বিআর-১ (চান্দিনা)।
- প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত ১০৮ জাতের মধ্যে কোনোটি উচ্চ ফলনশীল জাত, কোনোটি লবণ, খরা কিংবা বন্যাসহিষ্ণু। কোনো জাত জনপ্রিয়তা পেয়েছে কৃষক পর্যায়ে, কোনোটি আবার ভূমিকা রেখেছে গবেষণায়।
- ২০২২ সালের ১২ মার্চ দেশের প্রথম ‘রাইস মিউজিয়াম’ বা ধান জাদুঘর যাত্রা শুরু করে ব্রি তে।
- শুধু বিভিন্ন জাতের ধানই নয়, দেশের ধান চাষের ঐতিহ্য ও কৃষিপ্রযুক্তির রূপান্তরের একটি চিত্রও পাওয়া যাবে গাজীপুরে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে প্রতিষ্ঠিত এই জাদুঘরে।
- ২০১৮ সালে জাদুঘরটি স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছিল।

উৎস: প্রথম আলো(১৫ মে, ২০২২)।
৫,৮৩৭.
তাজউদ্দিন আহমেদ জন্মগ্রহণ করেন-
  1. ক) যশোদল
  2. খ) কাপাসিয়া
  3. গ) কুড়িপাড়া
  4. ঘ) সাতুরিয়া
ব্যাখ্যা
২৩ জুলাই, ১৯২৫ সালে কাপাসিয়া, গাজীপুরে জন্মগ্রহণ করেন তাজউদ্দীন আহমদ। তিনি বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। জানুয়ারি, ১৯২৫ সালে যশোদল, কিশোরগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। তিনি বাংলাদেশের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি বা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
৫,৮৩৮.
এফ আর খান একজন বিখ্যাত-
  1. ক) চিত্র শিল্পী
  2. খ) রাজনীতিবিদ
  3. গ) বিজ্ঞানী
  4. ঘ) স্থপতি
ব্যাখ্যা

বিশ্বখ্যাত স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি এফ আর খান (ফজলুর রহমান খান)। তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ার (বর্তমানে উইলস টাওয়ার)-এর নকশা প্রণয়ন করেন। তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলী বলা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

৫,৮৩৯.
জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৫ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ৩০ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৫ নভেম্বর
  4. ঘ) ৩০ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয়  প্রতি বছরের ৩০ নভেম্বর
- ২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
- আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হতো।  
- তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর।
- এদিন ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন।

সূত্র: যুগান্তর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৮৪০.
মুক্তিযুদ্ধে তারামন বিবি কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২ নং সেক্টর
  2. ৮ নং সেক্টর
  3. ৯ নং সেক্টর
  4. ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে ‘বীরপ্রতীক’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি। 
- তারামন বিবি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ‘বীরপ্রতীক’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন চতুর্থ সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৪১.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. হস্তশিল্প
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. নীট পোশাক
  4. কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• নীট পোশাক:
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য  নীট পোশাক
- এখাতে  ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোশাক:
 - ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%

• হোম টেক্সটাইল : 
- হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৫,৮৪২.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবার শেষে শহীদ হন কে?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান
  2. বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন
  3. বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান
  4. বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সবার শেষে শহীদ হন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। তিনি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর চাপাইনবাবগঞ্জে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ সমরে শাহাদাত বরণ করেন। তাকে চাপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গনে সমাহিত করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠদের শাহাদাতের তারিখ:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ৮ এপ্রিল ১৯৭১
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ১৮ এপ্রিল ১৯৭১
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : ২০ আগস্ট ১৯৭১
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ২৮ অক্টোবর ১৯৭১
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন : ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৫,৮৪৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ম্যাগনাকার্টা
  2. মুক্তির প্রথা
  3. মুখ্য আইন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।

- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ'ও বলা হয়।
- ম্যাগনা কার্টা হল ইংরেজদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদানকারী একটি দলিল যা রাজা জন তার বিদ্রোহী ব্যারন বা অভিজাতদের চাপে ১৫ জুন, ১২১৫ সালে স্বাক্ষর করেছিলেন। এটিকে বলা হয় ব্রিটিশ গঠনতন্ত্রের বাইবেল।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮৪৪.
বাংলাদেশে আদমশুমারি কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
  4. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৫,৮৪৫.
‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য ও পরিচালনা কে করেছেন?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. তানভীর মোকাম্মেল
  3. মোস্তাফিজুর রহমান
  4. চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

আগুনের পরশমণি:
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: হুমায়ূন আহমেদ।
- নির্মিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মুক্তি পায়: ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে-
• শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত),
• শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা),
• শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক),
• শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ),
• শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৮৪৬.
নিচের কোন অঞ্চলে 'হরিকেল' জনপদ বিস্তৃত ছিল?
  1. কুমিল্লা
  2. ফরিদপুর
  3. সিলেট
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৭.
বাংলাদেশে বর্তমানে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৬ বছর
  2. ১৭ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ১৯ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বর্তমানে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। 
- ৩১ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত যাদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হবে তারা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ (অব:)।

ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স:

- বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগ 'নির্বাচন' অংশে প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের কথা বলা আছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর হতে হবে।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২২(১) ও (২) অনুযায়ী ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
- প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হওয়ার অধিকারী হবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।


উৎস: i) বাংলাদেশ সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

৫,৮৪৮.
বাংলাদেশের কোন জেলা চা উৎপাদনে শীর্ষে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয়-সিলেট এবং দ্বিতীয় বিভাগ চট্টগ্রাম
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি চা উৎপাদন হয় - মৌলভীবাজার এবং দ্বিতীয়  জেলা – হবিগঞ্জ
অন্যদিকে,
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাজশাহী। 
বাংলাদেশের আম উৎপাদনে দ্বিতীয় জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

[উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
৫,৮৪৯.
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কোন কমিশনের অধীনে?
  1. নুরুল ইসলাম কমিশন
  2. রউফ কমিশন
  3. ইদ্রিস কমিশন
  4. মাসুদ কমিশন
ব্যাখ্যা
• ইদ্রিস কমিশন :
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- তাঁর কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই।
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে এই কমিশন।

• নুরুল ইসলাম কমিশন :
- বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
- তিনি ১৯৭৭ সালের ৮ জুলাই দায়িত্ব নেন।
- অব্যাহতি নেন ১৯৮৫ সালের ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি৷ আট বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

• রউফ কমিশন : 
- বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের পর বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফ সিইসি হিসেবে নিযু্ক্ত হন।
- গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচন পরিচালনা করে তাঁর কমিশন।
- তিনি ১৯৯৫ সালের ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: ডয়েচ লেভেল।
৫,৮৫০.
The parliamentary system of Bangladesh was re-established through which amendment of the constitution?
  1. ক) Eighth
  2. খ) Ninth
  3. গ) Eleventh
  4. ঘ) twelfth
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী
সংসদে উত্থাপন: ২ জুলাই, ১৯৯১
উত্থাপনকারী: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা গোলাম হাফিজ
সংসদে গৃহীত: ৬ আগস্ট, ১৯৯১
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১  

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধন আইনের সংশোধন মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
যেখানে-
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন; 
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন; 
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
৪. উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
৫,৮৫১.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ফাগুন হাওয়ায়
  2. আমার জন্মভূমি
  3. আবার তোরা মানুষ
  4. মেঘের পর মেঘ
ব্যাখ্যা

ফাগুন হাওয়ায়:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়'।
- চলচ্চিত্রটির নির্মাতা 'তৌকীর আহমেদ'।
- 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- আমার জন্মভূমি, আবার তোরা মানুষ হ ও মেঘের পর মেঘ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৮৫২.
অপরাজেয় বাংলা কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাসে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কলা ভবন চত্বরে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি প্রাঙ্গনে
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্ত প্রতীক অপরাজেয় বাংলা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে ৬ ফুট উঁচু বেদির ওপর নির্মিত।
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ- প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রদের গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করার জন্য অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করা হয়।
- মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ এটি নির্মাণ করেন।
- এই ভাস্কর্যে অসম সাহসী তিনজন তরুণ-তরুণী মুক্তিযোদ্ধার অবয়ব অপূর্ব দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- দুইজন তরুণ রাইফেল হাতে শত্রুর মোকাবেলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, আর ঔষধের ব্যাগ কাঁধে তরুণী মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ।
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের ছাত্রসমাজের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

এছাড়া-
- রাজু ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টি এস সি প্রাঙ্গনে অবস্থিত।
- সংশপ্তক ভাস্কর্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৫৩.
ইউনেস্কো কবে সুন্দরবনকে World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ১৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম World Heritage হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
৫,৮৫৪.
তেভাগা আন্দোলন কোন জেলায় সংগঠিত হয়?
  1. নওগাঁ
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. নাটোর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• তেভাগা আন্দোলন:

- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন।
- তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন। 
- মূলত তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার প্রাদেশিক কৃষকসভার কম্যুনিস্ট কর্মীরা।
- ১৯৪৬-৪৭ সালে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৮৫৫.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি -
  1. শামীম শিকদার
  2. জয়নাল আবেদিন
  3. হামিদুর রহমান
  4. নিতুন কুন্ডু
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:
- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- ১৯৫৭ সালে বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৮৫৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়?
  1. সাভার
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• সৌরবিদ্যুৎ:
- নরসিংদীতে প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়।
- সৌরবিদ্যুতে চলছে কম্পিউটার, টিভি, ফ্রিজসহ সবই।
- এমনকি পানি তোলা, ওয়েল্ডিং করাসহ সব ভারী যন্ত্রপাতিও চালানো হয় এই বিদ্যুতে।
- বিশ্বের বৃহত্তম সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রম চালু হয় কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। 

উৎস: কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,৮৫৭.
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
  3. ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ আদেশ: 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।
- আদেশটি ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- এই আদেশ অনুসারে ডিসেম্বর, ১৯৭০ এবং জানুয়ারি, ১৯৭১ সালে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে বিবেচিত হয়।
- মৃত্যু এবং আইনে অযোগ্য ঘোষিত হওয়ার ফলে উভয় পরিষদ মিলে সর্বমোট ৪৬৯ জন সদস্যের স্থলে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এই গণপরিষদের উপর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
- গণপরিষদ তার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫৮.
বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি-
  1. পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
  2. দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা
  3. শতবর্ষী পরিকল্পনা
  4. প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা

• বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ :
- বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা।
- ’দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০ ‘ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে ‘ অনুমোদন করা হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ’বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে- নেদারল্যান্ড।

• বাংলাদেশে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে সমগ্র দেশকে মোট ৬টি হটস্পটে বিভক্ত করা হয়েছে।
হটস্পটগুলো হচ্ছে:
১।  উপকূলীয় অঞ্চল, 
২ ।বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
৩। হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, 
৪। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, 
৫। নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং 
৬। নগরাঞ্চল ।

 উৎস:  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড

৫,৮৫৯.
বাংলাদেশ এ পর্যন্ত কতটি টেস্ট খেলায় জয়লাভ করেছে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ১৯টি
  3. গ) ২১টি
  4. ঘ) ২৩টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ তাদের প্রথম উদ্বোধনী টেস্ট ম্যাচটি খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ তারিখে ভারতের বিপরীতে।
- নাঈমুর রহমান দুর্জয় বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট অধিনায়ক। 
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচে ১৪৫ রান করে ইতিহাসে নাম লিখান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল পর্যন্ত, বাংলাদেশ ১৩৭টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছে যার ফলে ১৭টি জয়, ১০২টি পরাজয় এবং ১৮টি ড্র হয়েছে যার সামগ্রিক জয়ের শতাংশ ১২.৪০।

উৎস: HowSTAT! Test Statistics Summary for Bangladesh, Howstat.
৫,৮৬০.
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে কোন সালে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিয়েছিল?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2.  ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

 • ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- বাংলা ভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়— ৯ মে ১৯৫৪।
- বাংলা ভাষাকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়— ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৮৬১.
উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. মানিকগঞ্জ
  3. ময়মনসিংহ
  4. নরসিংদী
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৮৬২.
খেলাপি ঋণ আদায়ে প্রস্তাবিত সরকারি সংস্থার নাম-
  1. ক) Bangladesh Debt Management Corporation
  2. খ) Default Loan Management Company
  3. গ) Bangladesh Asset Management Corporation
  4. ঘ) Bangladesh Resource Management Company
ব্যাখ্যা
খেলাপি ঋণ আদায়ে সরকারি যে করপোরেশন বা সংস্থা করা হচ্ছে, সেটি পরিচালিত হবে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে; যার নাম ঠিক করা হয়েছে ‘বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট করপোরেশন(Bangladesh Asset Management Corporation-BAMCO)’। সংস্থাটির মূল কাজ হবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের খেলাপি বা জামানতি ঋণ আদায় ও কেনাবেচা করা।
[সূত্রঃ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়]
৫,৮৬৩.
একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য কোনটি থাকা অতি আবশ্যক?
  1. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. সুশীল সমাজ
  3. বিরোধী দল
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- সরকারকে সর্বদা বিরোধী দলের দাবির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
- আবার বিরোধী দল অহেতুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
- বস্তুতঃ বিরোধী দল ছাড়া রাজনৈতিক ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬৪.
বাংলাদেশের শাসন বিভাগের কয়টি অংশ?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা

•  শাসন বিভাগের দুইটি অংশ।

• শাসন বিভাগ:
• সরকারের সর্ববৃহৎ বিভাগ হল শাসন বিভাগ।
- যা নির্বাহী বিভাগও বলা হয়।
- শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও আইনের আলোকে রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- জনগণকে সেবা প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকে শাসন বিভাগ।

• শাসন বিভাগের দুটি অংশ থাকে:
• একটি রাজনৈতিক অংশ
• অন্যটি অরাজনৈতিক অংশ।
- রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ শাসন বিভাগের রাজনৈতিক অংশ।
- রাজনৈতিক অংশ অস্থায়ী।
- তাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।
- আমলাগণ শাসন বিভাগের অরাজনৈতিক অংশ, স্থায়ী ও বেতনভূক্ত।
- শাসন বিভাগের ক্ষমতা বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত থাকে।
- যা কেন্দ্রিয় ও মাঠ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত।
- কেন্দ্রে থাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ।
- মাঠ প্রশাসনে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সরকারি দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৬৫.
প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত________ একটি ভরাট বৃত্ত।
  1. ক) লালবর্ণের
  2. খ) গোলাপীবর্ণের
  3. গ) রক্তবর্ণের
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক:
- অনুচ্ছেদ-৪:
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ ৷ 
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত ৷ 
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা ৷ 
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে ৷

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৮৬৬.
এসডিজি এর লক্ষ্যমাত্রা কয়টি?
  1. ১৪টি
  2. ১৫টি
  3. ১৬টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):

- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ।
- SDGS-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
- এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) রয়েছে।
লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
• দারিদ্র্য নির্মূল।
• ক্ষুধামুক্তি।
• সুস্বাস্থ।
• মানসম্মত শিক্ষা।
• লিঙ্গ সমতা।
• বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন।
• সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি।
• উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।
• শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো।
• বৈষম্য হ্রাস।
• টেকসই শহর ও জনগণ।
• পরিমিত ভোগ ও উৎপান।
• জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ।
• সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান।
• স্থলভাগের জীবন।
• শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান।
• অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র - SDG অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৮৬৭.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) আলু
  2. খ) তৈলবীজ
  3. গ) তামাক
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলসমূহ:
- পাট
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।

অন্যদিকে,

আলু, তৈলবীজ ও গম হলো খাদ্যশস্য।

(তথ্যসূত্র: ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৮৬৮.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পশ্চিমবঙ্গের কোন স্থানে 'বাংলাদেশ ভবন' উদ্বোধন করেন?
  1. ক) আসানসোল
  2. খ) কলকাতা
  3. গ) শান্তিনিকেতন
  4. ঘ) মুর্শিবাদ
ব্যাখ্যা
শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা৷ একই মঞ্চে তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি৷
Source: dw.com
৫,৮৬৯.
সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রীয় উৎপাদন যন্ত্র, উৎপাদন ব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণীর মালিকানা কত ধরনের?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৩ঃ মালিকানার নীতি -- “উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷”
৫,৮৭০.
বাংলার ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’-এর সময়কাল -
  1. ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
  2. ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
  3. ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দ
  4. ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ইংরেজ গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৮৭১.
২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন কত জন?
ব্যাখ্যা

রবীন্দ্র পুরস্কার:
- ২০১০ সালে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ২ জন।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায় ড. অসীম দত্ত এবং
- রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’-এ ভূষিত হয়েছেন।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বাংলা একাডেমি আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৭২.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশকে ‘‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’’ নামে অভিহিত করা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ০২
  2. খ) অনুচ্ছেদ ০১
  3. গ) অনুচ্ছেদ ০৬
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ০৩
ব্যাখ্যা
প্রজাতন্ত্রের প্রস্তাবনা
• বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগে ১নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের প্রস্তাবনা রয়েছে।
• এ প্রস্তাবনা অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যা ‘‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’’ নামে
পরিচিতি। 

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ০২ : প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
অনুচ্ছেদ ০৬ : নাগরিকত্ব।
অনুচ্ছেদ ০৩: রাষ্ট্রভাষা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৮৭৩.
'বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি' প্রণয়ন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)
  2. খ) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)
  3. গ) বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী উন্নয়ন বা অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় জাতীয় নীতি ও উদ্দেশ্য সম্বলিত উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য দেশের সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৭৪.
কোন সাল থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে?
  1. ১৯৫৬ সাল
  2. ১৯৭২ সাল
  3. ১৯৯৯ সাল
  4. ২০০০ সাল
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৮৭৫.
The country's first 6-lane Kalna Bridge is being built on which river?
  1. ক) Brahmaputra
  2. খ) Modhumoti
  3. গ) Teesta
  4. ঘ) Payra
ব্যাখ্যা
- মধুমতি নদীর ওপর বাংলাদেশের প্রথম ৬ লেন বিশিষ্ট কালনা সেতু নির্মাণ হচ্ছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে। 
- এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৯০ মিটার ও প্রস্থ ২৭ দশমিক ১ মিটার। 
- আগামী সেপ্টেম্বরে চালু হচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত ৬ লেনের দৃষ্টিনন্দন কালনা সেতু। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৫,৮৭৬.
বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন (UPU) এর নতুন মহাপরিচালক কে?
  1. ক) কিউ ডংগিউ
  2. খ) মাসাহিকো মেটোকি
  3. গ) ওকোনজো ইওয়েলা
  4. ঘ) রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি
ব্যাখ্যা
বিশ্ব ডাক ইউনিয়ন (UPU) এর নতুন মহাপরিচালক - মাসাহিকো মেটোকি।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,৮৭৭.
সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৮৪
  2. ১৯৮৬
  3. ১৯৮৮
  4. ১৯৮৯
ব্যাখ্যা

• অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

• এ সংশোধনীর মৌলিক বিষয়গুলো হল:
- ইসলাম ধর্মকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দান,
- হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি বেঞ্চ যথাক্রমে বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও সিলেটে স্থাপন করা,
- বাংলাদেশের কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে বিদেশ থেকে কোন উপাধি গ্রহণ করতে পারবে।
- রাজধানীর বানান Dacca এর পরিবর্তে Dhaka এবং বাংলা ভাষা ইংরেজি Bengali এর পরিবের্ত Bangla গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও  বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৭৮.
বাংলাদেশের প্রথম ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করা হয়েছে কোন জেলায়? [জুন, ২০২৫]
  1. পাবনা
  2. নাটোর
  3. রাজশাহী
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- এসব বিলে কালেম, কোড়া, ডাহুক, গুড়গুড়ি, জলপিপি, জলময়ূরসহ দেশি জলচর পাখির পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির পরিযায়ী হাঁস দেখা যায়।
- প্রায় শতাধিক পাখি ছাড়াও উভচর, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণীর বসবাস রয়েছে এসব জলাভূমিতে।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৫,৮৭৯.
কোনটি বাংলাদেশের একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি?
  1. প্রাথমিক বৃত্তি
  2. ইজিপিপি
  3. মাতৃমঙ্গল
  4. জেলা সদর হসপিটাল
ব্যাখ্যা
• সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সমূহ :
- বয়স্ক ভাতা
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি)।
- কাজের বিনিময় খাদ্য (কাবিখা)।
- দুঃস্থদের খাদ্য সহায়তা (ভিজিএফ)।
- খাদ্য ও অর্থ সহায়তা (জিআর)।
- গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর)

উৎস : সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।
৫,৮৮০.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ - গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
আলতাফ মাহমুদ: 
- শহীদ আলতাফ মাহমুদ (১৯৩৩-১৯৭১) সঙ্গীতশিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা।  
- তাঁর প্রকৃত নাম এ.এন.এম আলতাফ আলী।
- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি’ ভাষা-শহীদদের উদ্দেশ্যে আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী রচিত এ বিখ্যাত গানটি বর্তমানে যে সুরে গাওয়া হয় তার রচয়িতা আলতাফ মাহমুদ। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তিনি দেশাত্মবোধক গান রচনা ও পরিবেশনার মাধ্যমে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী জনগণকে গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ করেন।
- দেশের সংস্কৃতিচর্চা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর ‘একুশে পদক’-এ ভূষিত করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৮৮১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. ক) ২
  2. খ) ১০
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)

৫,৮৮২.
সামগ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদনে দেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- সামগ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- এরপরই রয়েছে যশোর এবং কুমিল্লা।
- বাংলাদেশ মৎস্য উৎপাদন তরুণদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে মৎস্য উৎপাদন বাড়ছে।

উৎস: কৃষি বর্ষপঞ্জি ২০২০ ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।

৫,৮৮৩.
ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা কে ছিলেন?
  1. মাওলান আজাদ
  2. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. হাজী দুদু মিয়া
  4. মাওলানা আহমদ খান
ব্যাখ্যা

• ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লাহ 
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলার শাসশাইল গ্রামে ১৭৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থান করেন।
- সেখানে তিনি ইসলাম ধর্মের ওপর লেখাপড়া করে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি বুঝতে পারেন যে,বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।
- তাদের মধ্যে অনৈসলামিক রীতিনীতি, কুসংস্কার,অনাচার প্রবেশ করেছে।
- ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার আর অনাচারমুক্ত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
- এই প্রতিজ্ঞার বশবর্তী হয়ে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'।
-  তিনি বাংলা তথা ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসন মেনে নিতে পারেননি।
- তিনি ইংরেজ রাজত্বকে সমালোচনার চোখে দেখতেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বোর্ড বই, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,৮৮৪.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) গম
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) ইক্ষু
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থকরী ফসলগুলো হলোঃ পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, রাবার, তামাক, ফুল ইত্যাদি।
অন্যদিকে, ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ, আলু, সবজী, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৮৮৫.
’জরুরী অবস্থা ঘোষণা’ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?”
  1. ১৪১
  2. ১৪১(ক)
  3. ১৪১(খ)
  4. ১৪৪(গ)
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৪১(ক): জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
(১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য  জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে।
 
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ ঘোষণার বৈধতার জন্য ঘোষণার পূর্বেই প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হইবে।
 
(২) জরুরী-অবস্থার ঘোষণা 
- (ক) পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা যাইবে; 
- (খ) সংসদে উপস্থাপিত হইবে; 
- (গ) একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে কার্যকর থাকিবে না: 
 
- তবে শর্ত থাকে যে, যদি সংসদ ভাঙ্গিয়া যাওয়া অবস্থায় অনুরূপ কোন ঘোষণা জারী করা হয় কিংবা এই দফার (গ) উপ-দফায় বর্ণিত এক শত কুড়ি দিনের মধ্যে সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়, তাহা হইলে তাহা পুনর্গঠিত হইবার পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হইবার পূর্বে ঘোষণাটি অনুমোদন করিয়া সংসদে প্রস্তাব গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত উক্ত ত্রিশ দিনের অবসানে অথবা একশত কুড়ি দিন সময়ের অবসানে, যাহা আগে ঘটে,] অনুরূপ ঘোষণা কার্যকর থাকিবে না। 
 
(৩) যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের বিপদ আসন্ন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইলে প্রকৃত যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ সংঘটিত হইবার পূর্বে তিনি অনুরূপ যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের জন্য বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বিপন্ন বলিয়া জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে,
১৪১(খ) অনুচ্ছেদ- ’জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ’ সম্পর্কিত।
১৪০ অনুচ্ছেদ-  ’বার্ষিক রিপোর্ট’ সংক্রান্ত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৫,৮৮৬.
’জীবন তরী’ কী?
  1. চিত্রকর্ম
  2. কর্মসূচী 
  3. উপন্যাস
  4. হাসপাতাল
ব্যাখ্যা

- ইমপ্যাক্ট ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ ১৯৯৯ সালের এপ্রিল মাসে ‘জীবন তরী’ নামে পরিচিত বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এ ধরনের একটি ভাসমান হাসপাতাল চালু করে। 
- দেশের প্রধান প্রধান নদীর ধারের মানুষ, যারা শহর বা নগরে খুব কমই যেতে পারে, তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ‘জীবন তরী’ ভাসমান হাসপাতালটি সাধারণ চিকিৎসা এবং শল্য চিকিৎসা দুধরনেরই স্বাস্থ্য পরিচর্যা ও সেবা প্রদান করে। 
- জীবন তরী’ হাসপাতালটি অক্টোবর ২০০০ পর্যন্ত ৫৬,৬৭২ জনকে বিভিন্ন চিকিৎসা এবং ৩,৭৮৭ জনকে শল্য চিকিৎসা প্রদান করেছে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৮৮৭.
চলতি বাজেটে মাথাপিছু বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে -
  1. ক) ৪১,৯৩৩ টাকা
  2. খ) ৩৭,৩৩৩ টাকা
  3. গ) ৩৫,৫৫৫ টাকা
  4. ঘ) ৪৫,৮৮৫ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
• বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা।
• মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• গত বছর মাথাপিছু বরাদ্দ ছিল - ৩৭,৩৩৩ টাকা 

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৫,৮৮৮.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়টি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনসংখ্যা নীতি:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম অঙ্গীকার হলো সকল নাগরিকের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫, ১৬, ১৭ ও ১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা, খাদ্য, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় (১৯৭৩-১৯৭৮) জনসংখ্যা সমস্যাকে এক নম্বর জাতীয় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করে ১৯৭৬ সালে একটি জনসংখ্যা নীতি প্রণয়ন করা হয়।

বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট দুটি জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়েছে -
• প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতির রূপরেখা প্রণীত হয় ১৯৭৬ সালে।
- ২০০৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- ২০০৪ সালের জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্য ছিল ২০১০ সালের মধ্যে নিট প্রজনন হার-১ অর্জন করা।
- কিন্তু এ লক্ষ্য অর্জিত না হওয়ায় কর্মসূচিতে গতিশীলতা আনার জন্য জনসংখ্যানীতিকে হালনাগাদ করা একান্ত প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

• ২য় ও সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- এই জনসংখ্যা নীতির উদ্দেশ্যে ছিলো ২০১৫ সালের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারকারীর হার ৭২ শতাংশ উন্নীত করে নিট প্রজনন হার ১ অর্জন করা।
- এর মাধ্যমে ২০৭০ সালের মধ্যে দেশের জনসংখ্যার স্থিতিশীলতা অর্জন করা।

উৎস: পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫,৮৮৯.
সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড যাত্রা শুরু করে-
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮৩ সালে
  3. গ) ১৯৮৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
- 'দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড' হলো দেশের একমাত্র টাকশাল যা গাজীপুর জেলায় অবস্থিত। এটির যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৮ সালে। এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন।
- এতে বিভিন্ন নোট, ডাকটিকিট, স্ট্যাম্প, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, নম্বরপত্র, সনদ ইত্যাদি ছাপানো হয়৷

উৎসঃ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড ওয়েবসাইট।
৫,৮৯০.
'জাতীয় সংবিধান দিবস' পালিত হয় -
  1. ২৩ মার্চ
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ৪ নভেম্বর
  4. ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

⇒ ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস।

উল্লেখ্য,
⇒ ৪৩০ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৮৯১.
বাঙালি জাতি পরিচয়ের ঐতিহাসিক যুগ শুরু হয় কখন?
  1. ক) মৌর্য যুগে
  2. খ) পাল যুগে
  3. গ) সেন যুগে
  4. ঘ) গুপ্ত যুগে
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতি পরিচয়ের ঐতিহাসিক যুগ শুরু হয় গুপ্তযুগ (৩২০ খ্রি.- ৬৫০ খ্রি.) থেকে এবং এ যুগেই প্রথম ক্ষুদ্র রাজ্যপুঞ্জ গুলিকে নিয়ে গঠিত হয় বিশাল রাজ্য।
• যেমন গুপ্তদের সাম্রাজ্যিক ছত্রছায়ায় প্রতিষ্ঠিত হয় ক্ষুদ্র রাজ্যের বদলে বৃহৎ রাজ্য যেমন পূর্ব ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের বঙ্গরাজ্য ও উত্তরাঞ্চলের গৌড় রাজ্য। 
• বৃহৎবঙ্গের প্রথম এবং ঐতিহাসিকভাবে সুনির্দিষ্ট এবং শক্তিশালী শাসক শশাঙ্ক (খ্রিস্টপূর্ব আনু ৬০০ খ্রি.-৬২৫ খ্রি.) তাঁর দক্ষ শাসনের মাধ্যমে বাংলা ও বাঙালিকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেন। 
• তখন থেকেই বাঙালি জাতিসত্ত্বার যাত্রা শুরু এবং পাল ও সেন আমলে এসে সে সত্ত্বা আরো বিকশিত হয়ে বাঙালি জাতির শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করে।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,৮৯২.
কোনটি মরিচের উন্নত জাত?
  1. রুপালী
  2. টিপু সুলতান
  3. আকবর
  4. চাঁদপুরী
ব্যাখ্যা
• মরিচ:
- জাত পরিচিতি: মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী, কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও 
- আকবর হচ্ছে -গমের উন্নত জাত।
- রুপালী হচ্ছে - তুলার উন্নত জাত।
- টিপু সুলতান হচ্ছে- টমেটোর উন্নত জাত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৫,৮৯৩.
দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী সেক্টর কোনটি?
  1. ক) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. খ) তৈরি পোশাক
  3. গ) রেমিট্যান্স
  4. ঘ) পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
দেশের প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী সেক্টর হলো তৈরি পোশাক শিল্প।
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় ছিলো ২৭.৯৫ বিলিয়ন ডলার যা মোট রপ্তানির প্রায় ৮৩ ভাগ।
দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনকারী খাত হলো রেমিট্যান্স ১৮.২০ বিলিয়ন ডলার।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বাংলাদেশ ব্যাংক)
৫,৮৯৪.
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ কবে শেষ হবে?
  1. ২০৩১
  2. ২০৩৫
  3. ২০৪১
  4. ২০৪৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ শেষ হবে ২০৪১ সালে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০১০-২০২১। 

[এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন যা বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পরিবর্তনশীল তথ্যগুলো অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য থেকে দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রূপকল্প ২০৪১:
- ২০৪১ সালের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়তে চেয়েছিল সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার। পাশাপাশি প্রতিটি গ্রামকে শহরে রূপান্তর করা, ২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় ১২ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার করার লক্ষ্য ছিল। এজন্য একটি প্রকল্প নেওয়া হয়। ৪৭ কোটি ১০ লাখ টাকার প্রকল্পটি গ্রহণ করে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি)। এর মধ্যে ১৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকাই খরচ হবে পরামর্শক খাতে।

উল্লেখ্য,
- দেশের পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার বাস্তবায়ন সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত মেয়াদি অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ ২০২০ সালের ডিসেম্বরে অনুমোদিত হয়।
- এটি সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার উত্তরসূরি এবং দীর্ঘমেয়াদি 'বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১' এর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ প্রথম বড় দলিল।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) পরিকল্পনা বিভাগের ওয়েবসাইট।
৫,৮৯৫.
বাংলাদেশের মোট উপজেলার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৪৯১
  2. খ) ৪৯৩
  3. গ) ৪৯৫
  4. ঘ) ৪৯৭
ব্যাখ্যা
- উপজেলা হচ্ছে বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় একটি গুরুত্বপূর্ণ একক।
- কয়েকটি গ্রাম বা ইউনিয়ন মিলে একটি উপজেলা গঠিত হয়।
- কয়েকটি উপজেলা নিয়ে একটি জেলা গঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৮টি বিভাগের অন্তর্গত ৬৪টি জেলায় মোট ৪৯৫টি উপজেলা রয়েছে।

এছাড়াও বাংলাদেশের, 
- মোট জেলা ৬৪টি।
- মোট বিভাগ ৮টি।
- মোট সিটি কর্পোরেশন ১২টি।
- মোট ইউনিয়ন ৪৫৮৮টি।

উল্লেখ্য,
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা- শ্যামনগর (সাতক্ষীরা)।
- বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট উপজেলা কর্ণফুলী।

উৎস: উপজেলাসমূহ | People's Republic of Bangladesh, bangladesh.gov.bd.
৫,৮৯৬.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

৫,৮৯৭.
"আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম।" - বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. পুরাঘটিত অতীত
  2. নিত্যবৃত্ত অতীত
  3. ঘটমান অতীত
  4. সাধারণ অতীত
ব্যাখ্যা
পুরাঘটিত অতীত:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীতকাল বলে।
যেমন:
- খবরটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।
- বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম।
- আমি তোমাকে ভালোবেসেছিলাম।

অন্যদিকে,
সাধারণ অতীত:
অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বোঝায়, তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন –
- তারা সেখানে বেড়াতে গেল।
- তখন বাতিটা জ্বলে উঠল

ঘটমান অতীত:
যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায়, তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে।
যেমন -
- আমরা তখন বই পড়ছিলাম।
- তারা মাঠে খেলছিল।

নিত্যবৃত্ত অতীত কাল:
অতীতকালে যে ক্রিয়া সাধারণভাবে এবং সচরাচর ঘটতো তার কাল নিত্যবৃত্ত অতীত কাল।
যেমন:
- প্রতিদিন সকালে আমরা শহিদ মিনারে আড্ডা দিতাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ) ও ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
৫,৮৯৮.
কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম?
  1. ক) সিলেট বিভাগ
  2. খ) চট্টগ্রাম বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) ঢাকা বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে ১৬.২ শতাংশ। অন্যদিকে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে ৪৭.৩ শতাংশ। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য হার কুড়িগ্রাম জেলায় ৭০.৮ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় ২.৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
৫,৮৯৯.
পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন মেয়াদে হবে?
  1. ২০১৫-২০১৯
  2. ২০১৬-২০২০
  3. ২০১৭-২০২১
  4. ২০১৮-২০২২
ব্যাখ্যা
◉ পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল- ২০১৬-২০২০।

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।

• প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৩-৭৮।
• দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮০-৮৫।
• তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮৫-৯০।
• চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯০-৯৫।
• পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯৭-২০০২।
• ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১১-১৫।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১৬-২০।
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০২০-২৫।

উল্লেখ্য,
⇒ ৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা: 
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%।
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৫,৯০০.
দেশের নবম ইপিজেড কোন জেলায় স্থাপিত হবে?
  1. বরগুনা
  2. রাজবাড়ী
  3. পটুয়াখালী
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
নবম ইপিজেড:

- দেশের নবম ইপিজেড স্থাপিত হবে পটুয়াখালী জেলায়।
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পঁচাকোড়ালিয়া গ্রামে হচ্ছে এই ইপিজেড।
- এর আয়তন ৪১০ দশমিক ৭৮ একর।
- ৩০৬ শিল্প প্লট নিয়ে ১ হাজার ৪৪৩ কোটি টাকা খরচে 'পটুয়াখালী রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা' বা ইপিজেড স্থাপিত হচ্ছে।
- প্রকল্পের আওতায় রাস্তা, ড্রেন নির্মাণের পাশাপাশি ৪টি ৬ তলা কারখানা ভবন, ৩টি ১০ তলা, ৪টি ৬ তলা আবাসিক ভবন, একটি ৬ তলা ও ২টি ৪ তলা অফিস ভবন এবং ২টি অন্যান্য ভবন নির্মাণ করা হবে।
- এ ছাড়াও, বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ১৪টি ১১/০.৪১৫ কেভি সাবস্টেশন, ১৫ কিলোমিটার ১১ কেভি এইচটি লাইন ও একটি ৩৩/১১ কেভি জিআইএস সাবস্টেশন নির্মাণ ও একটি হেলিপ্যাড নির্মাণ করা হবে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৩।