বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫৮ / ৩০৬ · ৫,৭০১৫,৮০০ / ৩০,৮৩২

৫,৭০১.
কোনো দেশের কমপক্ষে শতকরা কত ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার?
  1. ১৫ ভাগ
  2. ২৫ ভাগ
  3. ৩০ ভাগ
  4. ৩৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
বনজ সম্পদ:
- বনভূমি ও বনজ সম্পদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ।
- প্রাকৃতিক ও পরিবেশগত অবস্থা ভালো রাখার জন্য যেকোনো দেশের কমপক্ষে শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার।
- কিন্তু বাংলাদেশের মোট বনভূমি মোট ভূখণ্ডের প্রায় শতকরা ১৭.৬২ ভাগ যা অন্যান্য দেশের তুলনায় কম।
- যেমন, আমেরিকায় শতকরা ৩৩.৮৪ ভাগ, জাপানে শতকরা ৬৭ ভাগ, বার্মায় শতকরা ৬৩ ভাগ এবং ভারতে শতকরা ২৩.৭০ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৭০২.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত। এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি। স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে। পর্যায় গুলো হলো- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন; ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন; ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন; ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন; ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন; ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।
৫,৭০৩.
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ -
  1. ময়মনসিংহ
  2. খুলনা
  3. বরিশাল
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ। 
- দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল।

অন্যদিকে -
- বরিশাল বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৬.৯%।
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%। 
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%। 
- খুলনা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৪.৮%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
৫,৭০৪.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ আওয়ামী লীগ সরকারের কততম বাজেট?
  1. ১৫তম
  2. ২২তম
  3. ২৪তম
  4. ১৬তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- বাজেটের ক্রম: ৫২তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- আওয়ামী লীগ সরকারের ২৪তম।
- বর্তমান সরকারের টানা ১৫তম বাজেট।
- বাজেট উত্থাপন: ১ জুন, ২০২৩।
- বাজেট উত্থাপনকারী: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল।
- সংসদে বাজেট পাশ হয় : ২৬ জুন, ২০২৩ ।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৩।
- জিডিপির আকার: ৫০,০৬,৭৮২ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০০,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি : ২,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৭৭,৫৮২ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেট (অনুন্নয়ন বাজেট): ৪, ৩৬, ২৪৭ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৫,৭০৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন কবে?
  1. ২ মার্চ, ১৯৭১
  2. ৪ মার্চ, ১৯৭১
  3. ৫ মার্চ, ১৯৭১
  4. ৭ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মার্চের অসহযোগ আন্দোলন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন ২ মার্চ।
- অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন।
- এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতেই ২ মার্চ ছাত্র সংগঠনগুলি ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিততে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতাহার ঘোষণা করে।
- এতে ‘বাংলাদেশ' নামে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং এর তিনটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
৫,৭০৬.
দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের প্রধান সংগঠনটি কোনটি?
  1. এফবিসিসিআই
  2. বিজিএমইএ
  3. ডিসিসিআই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• FBCCI:
- FBCCI-এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এই সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- এফবিসিসিআই দেশব্যাপী চেম্বার ও সমিতিসমূহ গঠনে সহায়তা প্রদান করে এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ, শিল্প-বাণিজ্য, কৃষি, পর্যটন, মানবসম্পদ এবং যোগাযোগসহ অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে।
- ফেডারেশন অভিন্ন স্বার্থের প্রশ্নে দেশের শিল্প, বাণিজ্য ও বণিক সমিতিসমূহের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলে।
- এফবিসিসিআই আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ফোরামের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের শিল্প-বাণিজ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে বহির্বাণিজ্য সম্পর্ক স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।
- বিদেশী বিনিয়োগ ও যৌথ বিনিয়োগ সহযোগী নির্বাচনে কাজ করে এফবিসিসিআই।

তথ্যসূত্র: FBCCI ওয়েবসাইট।

৫,৭০৭.
বাংলাদেশের কোন জেলায় তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপিত হবে?
  1. ক) পটুয়াখালী
  2. খ) নোয়াখালী
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপিত হবে - কক্সবাজারে।
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বাংলাদেশ যে ক্যাবলে যুক্ত হবে - SEA-ME-WE-6
- এর আগে  ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-5 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
উৎস: সাম্প্রতিক সমাচার, ২০২১
৫,৭০৮.
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মটি কার?
  1. মুর্তজা বশীর
  2. এস. এম. সুলতান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
'রায়বেশে নৃত্য' শিল্পকর্মটি পটুয়া কামরুল হাসানের।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- রায়বেশে নৃত্য,
- তিন কন্যা,
- নাইওর,
- বাংলাদেশ,
- এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও প্রতীকেরও ডিজাইনার।
 
এছাড়া, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের কয়েকটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম:
- ম্যাডোনা-৪৩,
- সংগ্রাম,
- মনপুরা-৭০,
- মইটানা,
- পইন্যার মা,
- নবান্ন,
- দুর্ভিক্ষ,
- দ্য রেবেল ক্রো প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৭০৯.
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে আওয়ামীলীগ আসন লাভ করে-
  1. ১৬০টি
  2. ১৬২টি
  3. ১৬৯টি
  4. ১৮৮টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৯টি আসন ছিল।
- এর মধ্যে সংরক্ষিত আসন ছিল ৭টি। আওয়ামী লীগ ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি মহিলা সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৭টি (সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনসহ) আসনে জয়ী হয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- আওয়ামীলীগ হেরে যায় দুটি আসনে। একটি ময়মনসিংহের নুরুল আমিন এবং অপরটি রাঙামাটির চাকমা রাজা ত্রিদিব রায়ের কাছে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৫,৭১০.
এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিটকয়েন ফাউন্ডেশনে যোগ দেয় -
  1. ক) ভারত
  2. খ) শ্রীলংকা
  3. গ) বাংলাদেশ
  4. ঘ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বিটকয়েন ফাউন্ডেশনে যোগ দেয় - বাংলাদেশ।

• বিটকয়েন:

- বিটকয়েন হলো ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা বা ডিজিটাল কারেন্সি।
- এর লেনদেনের জন্য কোনো ধরনের অর্থনৈতিক বা নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন হয় না।
- ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এ মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন। এ মুদ্রাব্যবস্থাকে পিয়ার-টু-পিয়ার লেনদেন নামে অভিহিত করেন।
- এটি অনেকটা শেয়ারের মতো লেনদেন হয়। তাই এর বিনিময়মূল্য সবসময় ওঠানামা করে।
 বিটকয়েন একটি ক্রিপটোকারেন্সি, যা সাতোশি নাকামোতো নামের একজন অজ্ঞাত ব্যক্তি (বা একাধিক ব্যক্তির একটি দল) ২০০৮সালে তৈরি করেন।
- বিটকয়েন ২০০৯ সালে এর প্রচলন শুরু হয়।  
- বিটকয়েন হচ্ছে ডিজিটাল মুদ্রা যা দিয়ে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পিয়ার-টু-পিয়ার (peer-to-peer) ট্রানজেকশন করা যায়।
- বিটকয়েন বিশ্বের প্রথম ভার্চুয়াল কারেন্সি। 

উৎস: Investpedia Webswite এবং বাংলানিউজ ২৪।[লিঙ্ক]
৫,৭১১.
গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে নির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. ধানমন্ডি
  2. শেরে বাংলা নগর
  3. মতিঝিল
  4. মিরপুর
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর/ July Memorial Museum:  
- অবস্থান: শেরে বাংলা নগর, ঢাকা। 
- ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর গণভবন জনতার দখলে চলে যায়।
- এরপর সরকারি বাসভবন 'গণভবন' -কে রূপান্তর করে তৈরি করা হয়েছে।
- এটি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের সংগ্রাম, দলিল-দস্তাবেজ এবং ঐতিহাসিক ঘটনাবলী সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

- ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এটির নির্মাণকাজ চলে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর মাধ্যমে এটিকে আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। 

উল্লেখ্য, 
- জাদুঘরের অন্যতম উল্লেখযোগ্য নিদর্শন হলো সেখানে সংরক্ষিত একটি রেড টেলিফোন, যেখানে শেখ হাসিনার ফোনালাপের অডিও রেকর্ড রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: 
i) ডেইলি স্টার। 
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 
iiii) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

৫,৭১২.
দ্বিতীয়বারে মত ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৫০ সালে 
  2. ১৯৪৮ সালে 
  3. ১৯৪৭ সালে 
  4. ১৯৫১ সালে 
ব্যাখ্যা

• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালে   ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৭১৩.
পানগাঁও টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্রগ্রাম
  3. খুলনা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

পানগাঁও টার্মিনাল:
- পানগাঁও টার্মিনাল ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম নদীবন্দরভিত্তিক ইনল্যান্ড কনটেইনার টার্মিনাল, যা মূলত চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে নৌপথে পণ্য পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে টার্মিনালটি নির্মাণ করে।
- এই কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে ব্যয় হয় ১৪৯ কোটি টাকা।
- ২০১৩ সালে এটির কার্যক্রম শুরু হয়।

সম্প্রতি,
- এই নৌ টার্মিনাল পরিচালনায় ২২ বছরের জন্য দায়িত্ব পেয়েছে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৫,৭১৪.
Bangladesh played the first one-day international match against which team?
  1. ক) India
  2. খ) England
  3. গ) Kenya
  4. ঘ) Pakistan
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:

- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ  আইসিসি ট্রফি জয় করে ১৯৯৭ সালে।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ পর।
- কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয়টা পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০।
৫,৭১৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান-
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী 
  2. খ) সংসদ নেতা
  3. গ) স্পিকার 
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান রাষ্ট্রপতি
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
-জাতীয় সংসদের প্রধান হলেন স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতি হলেন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট' এর প্রধান।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫,৭১৬.
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাজ্য
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড বাংলাদেশে ছিলেন।
- তিনি বাটা সু কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
- ১৯৭১ সালে ইতিহাসের অন্যতম জঘন্য গণহত্যা শুরু হয় তার চোখের সামনে।
- সেই বর্বরতার বিরুদ্ধে মিত্র বাহিনীর একজন গেরিলা সৈনিক হিসেবে লড়েছিলেন তিনি।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমান্ডো হিসেবে তিনি ছিলেন অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন।
- তার পরিকল্পনায় ও পরিচালনায় ঢাকা ও ঢাকার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বহু অপারেশন সংঘটিত হতে থাকে।
- মেজর হায়দারের দেওয়া এক সনদপত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়, ঔডারল্যান্ড মুক্তিযুদ্ধে যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, নগদ অর্থ, চিকিৎসা সামগ্রী, গরম কাপড় ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করেছেন।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ও অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে 'বীরপ্রতীক' সম্মাননায় ভূষিত করে।
- তিনিই একমাত্র বিদেশি যিনি এ স্বীকৃতি পেয়েছিলেন।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরপ্রতীক পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম ২ নম্বর সেক্টরের যোদ্ধাদের তালিকায় ৩১৭ নম্বর।
- ১৯৯৮ সালের ৭ মার্চ খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে ঔডারল্যান্ডকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- কিন্তু, অসুস্থ থাকায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি তিনি।
- বীরপ্রতীক পদকের সম্মানীর টাকা তিনি দান করে গেছেন মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে।
- তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধার নিদর্শনস্বরূপ গুলশানের একটি রাস্তার নামকরণ করা হয়েছে।
- ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ৮৪ বছর বয়সে বীরপ্রতীক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড মৃত্যুবরণ করেন।

 উৎস: দি ডেইলি স্টার বাংলা। [লিঙ্ক]
৫,৭১৭.
বাংলাদেশ জাতীয় সম্প্রচার নীতি কোন সনে প্রণীত হয়?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
ব্যাখ্যা
জাতীয় সম্প্রচার নীতি:
- বাংলাদেশ জাতীয় সম্প্রচার নীতি ২০১৪ সালে প্রণীত হয়।
- সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত অনুষ্ঠান এবং বিজ্ঞাপনসমূহ শ্রোতা ও দর্শকদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
- এ জন্যে সম্প্রচার মাধ্যমে প্রচারিত অনুষ্ঠানসমূহ মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, আদর্শ ও চেতনা এবং বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ভৌগলিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কিনা সেগুলোও বিচার বিবেচনা করা প্রয়োজন।
- এছাড়া সম্প্রচার মাধ্যমসমূহের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিশ্চিতকরণে সরকারের দায়িত্ব রয়েছে।
- এসব বিষয়কে বিবেচনায় রেখে সম্প্রচার মাধ্যমের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি সুষম নীতিমালা থাকা সমীচীন।

তথ্যসূত্র - তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৫,৭১৮.
সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক গানের নাম-
  1. ধামাইল গান
  2. মনিপুরী গান
  3. ভাওয়াইয়া গান
  4. জারি গান
ব্যাখ্যা
লোকসঙ্গীত:

- ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো ভাটিয়ালি।
- ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসংগীত।ঃ
- রংপুর ও কুচবিহার জেলা এই গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।
- ধামাইল গান প্রধানত সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রচলিত মেয়েদের আচার-কেন্দ্রিক নাচ ও গানের নাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৭১৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?
  1. ক) বাখরাবাদ
  2. খ) হরিপুর
  3. গ) তিতাস
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের -এর দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।
- এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে আবিষ্কার করে - পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি।
- ৬৪ বর্গকিলোমিটার ব্যাপী বিস্তৃত এই গ্যাসক্ষেত্রটির ভূগঠন গম্বুজাকৃতির।
- প্রমাণিত গ্যাস মজুদের পরিমাণ - ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু।

- প্রাথমিক মজুদ, উত্তোলনরত কূপ ইত্যাদির পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- ১৯৯৮ সালে ইউনোক্যাল এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- প্রমাণিত গ্যাস মজুদের পরিমাণ - পরিমাণ ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু।

================
আবার,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা; মজুদের পরিমাণ ৮৩৫০ বি.ঘ.ফু।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস; মজুদের পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু।

দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা ১০৫টি।
এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে:
- বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের - ২৬টি;
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের - ২২টি।


সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২২ এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৭২০.
"আনোয়ারা, বেহুলা ও কাজল" চলচ্চিত্র গুলোর পরিচালনা করেন কে?
  1. মোহাম্মদ নজিবর রহমান
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,৭২১.
Where is 'Uttara Gonobhaban' located?
  1. Rajshahi
  2. Bogura
  3. Natore
  4. Shirajganj
  5. Netrokona
ব্যাখ্যা
উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। 
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭২২.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সম্প্রচার নীতি প্রণীত হয়েছিল কত সালে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সম্প্রচার নীতি:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সম্প্রচার নীতি প্রণীত হয়েছিল ২০১৪ সালে।

⇒ ৬ আগস্ট, ২০১৪ তারিখে ‘জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা, ২০১৪’ অনুমোদন দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। 
- নীতিমালায় বলা হয়েছিল, সামাজিক দায়বদ্ধতা, ভাষা, সংস্কৃতি, ধর্মীয় মূল্যবোধ সমুন্বত রেখে সংবাদ ও অনুষ্ঠান প্রচার করবে। সম্প্রচারে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শ ও সামাজিক মূল্যবোধ নীতিমালায় সমুন্নত রাখতে বলা হয়েছে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন সামরিক, বেসামরিক বা সরকারি তথ্য প্রচার করা যাবে না।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় সম্প্রচার নীতি-২০১৪। 

৫,৭২৩.
কোন শিল্পকে ২০২৪ সালের বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকার?
  1. পাটজাত শিল্প
  2. আইসিটি পণ্য
  3. সিরামিক পণ্য
  4. হস্তশিল্প
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের বর্ষপণ্য:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) ২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।
-  প্রধানমন্ত্রী বলেন এটি নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।
- মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে তুলছে এবং তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে।
- হস্তশিল্প দারিদ্র্য বিমোচনেও অবদান রাখছে।

উৎস: ২১ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো।
৫,৭২৪.
নিচের কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) UNDP
  2. খ) UNESCO
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) UNCTAD
ব্যাখ্যা
The idea to celebrate International Mother Language Day was the initiative of Bangladesh. It was approved at the 1999 UNESCO.
Source: unesco.org
৫,৭২৫.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ
  2. আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
  3. ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
  4. শাহজালাল সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

 উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।


উৎস: i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৫,৭২৬.
ডলারের বিপরীতে টাকার অবমুল্যায়নের অন্যতম প্রভাব কি?
  1. বিদেশে বিনিয়োগে উৎসাহ প্রদান
  2. তারল্য সংকট কাটিয়ে উঠা
  3. খেলাপী ঋণের পরিমান কমিয়ে আনা
  4. রপ্তানী বাড়ানো
ব্যাখ্যা

→ ডলারের বিপরীতে টাকার অবমুল্যায়নের অন্যতম প্রভাব রপ্তানী বাড়ানো।

♦ মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- অবমূল্যায়নের ফলে আমদানি ব্যয়বহুল হয় কারণ একই পরিমাণ বিদেশী পণ্য কিনতে আরও বেশি স্থানীয় মুদ্রার প্রয়োজন হয়।
- আমদানিকৃত কাঁচামাল, জ্বালানি এবং যন্ত্রপাতির উপর নির্ভরশীল দেশগুলিতে, এটি সরাসরি উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি করে, যার ফলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায় ৷

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭২৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজশাহী জেলা কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) আট
  2. খ) সাত
  3. গ) ছয়
  4. ঘ) নয়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
- সেক্টরগুলোর পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো-
এক নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা।
দুই নম্বর সেক্টর: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।
তিন নম্বর সেক্টর: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ।
চার নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল।
পাঁচ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
ছয় নম্বর সেক্টর: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)।
সাত নম্বর সেক্টর: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা
আট নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
নয় নম্বর সেক্টর: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
দশ নম্বর সেক্টর: দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ।
এগার নম্বর সেক্টর: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৫,৭২৮.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে পাণ্ডুলিপিবিহীন ও অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. ক) UNESCO
  2. খ) UNICEF
  3. গ) UNFPA
  4. ঘ) UNHCR
ব্যাখ্যা
- ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে     জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেসকো (UNESCO)। 
- ভাষণটি ইউনেসকো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য ‘Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। - এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭২৯.
সরকারের সকল রাজস্ব ও সেবা ফি বাবদ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ওয়েবভিত্তিক পদ্ধতির নাম কী?
  1. এ-চালান
  2. বি-চালান
  3. ও-চালান
  4. ওয়েব-চালান
ব্যাখ্যা
অটোমেটেড চালান বা এ-চালান: 
- অটোমেটেড চালান (এ-চালান) সরকারের সকল রাজস্ব ও সেবা ফি বাবদ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার ওয়েবভিত্তিক একটি পদ্ধতি।
- অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৯-২০ অর্থবছর হতে অটোমেটেড চালান (এ-চালান) সিস্টেম চালু করা হয়েছে।
- এ-চালান সিস্টেম ব্যবহার করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সকল শাখাসহ সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের যে কোন শাখার কাউন্টার, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস: রকেট/বিকাশ/নগদ/উপায়/টেপ/ওকে ওয়ালেট ইত্যাদি) ও ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে সরকারের সকল রাজস্ব ও সেবা ফি সরকারি কোষাগারে তাৎক্ষণিকভাবে (Real Time) জমা করা যায়।
- চালান জমা দেয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলাদেশ ব্যাংক, হিসাবরক্ষণ অফিস এবং সরকারি সংস্থার হিসাবের মধ্যে কোন পার্থক্য ছাড়াই সংগতিসাধন (Reconciliation) সম্পন্ন হয় এবং প্রতিটি সরকারি প্রতিষ্ঠান তার অংশের জমা তাৎক্ষণিকভাবে দেখতে পান।
- এছাড়া, চালান ভেরিফিকেশন ওয়েবসাইটে গিয়ে চালানের সত্যতা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়।

উৎস: অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট। লিঙ্ক 
৫,৭৩০.
সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারের প্রথম ইংরেজ দূত কে ছিলেন?
  1. এডওয়ার্ড টেরি
  2. পিয়েত্রা ডেলা ভেলা
  3. ক্যাপ্টেন হকিন্স
  4. উইলিয়াম ফিঞ্চ
ব্যাখ্যা
সম্রাট জাহাঙ্গীর:
- সম্রাট জাহাঙ্গীর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট। 
- তিনি জয়পুরের রাজপুত রাজকন্যা ও সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র।
- তিনি তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নুরউদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি ১৬২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেন।

⇒ তিনি ছিলেন একাধারে আকর্ষণীয়, প্রজ্ঞাবান, দয়ালু ও বুদ্ধিমান শাসক।
- তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের সংহতি বাংলার বার ভূঁইয়াদের দমন এবং মেবার বিজয় করেন।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁর পিতার সময়ের বেশকিছু নির্যাতনমূলক আইন বাতিল করেন এবং 'দস্তুর-উল-আমল' নামে ১২টি আইন প্রণয়ন করে দয়া ও উদারতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন। 

⇒ তুযুক-ই-জাহাঙ্গীরী রচনা করে তিনি যথেষ্ট কৃতিত্বের পরিচয় দেন। এটি ছিল তাঁর আত্মজিবনী যেখানে সমসাময়িক মোগল ইতিহাসের অনেক মূল্যবান তথ্য পাওয়া যায়। সাহিত্যের উৎকর্ষতার কারণে তাঁর সময়কালকে অনেকে মধ্যযুগীয় ভারতীয় সাহিত্যের 'অগাস্টাস যুগ' বলে অভিহিত করেন।
- ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণের জন্য তিনি ভারতবর্ষে পর্তুগিজদের সব রকমের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও ইংরেজ বণিকদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেন এবং সুরাটে কারখানা নির্মাণের অনুমতি দেন।
- ক্যাপ্টেন হকিন্স ও টমাস রো নামক দু'জন ইংরেজ দূত ইংল্যান্ডের রাজা প্রথম জেমসের পত্র নিয়ে হাজির হন। এসকল দূতরা ভারতবর্ষে ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য সম্রাটের নিকট থেকে সুবিধা আদায় করেন। তার সময় থেকেই ভারতে ব্রিটিশদের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডের বিস্তারের সূত্রপাত ঘটে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৩১.
কোথায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী:
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ শতাংশ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৫,৭৩২.
কে সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন?
  1. মহাকবি ফেরদৌসী
  2. আলাওল
  3. বাহরাম খাঁ
  4. শাহ মুহম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা
সুলতান মাহমুদ:
- সুলতান মাহমুদ ছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত। 
- মুহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু অভিযানের প্রায় তিনশ বছর পর গজনির সুলতান মাহমুদ ভারত অভিযান করেন। 
- গজনি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলপ্তগীন। 
- আলপ্তগীন এর ক্রীতদাস ও জামাতা গজনীর আমির সবুক্তগীনের পুত্র ছিলেন সুলতান মাহমুদ। 
- এ রাজবংশটি ইসলামের ইতিহাসে 'গজনি রাজবংশ' নামে পরিচিত। 
- সুলতান মাহমুদ ১০০০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মাত্র ২৭ বছরে ১৭ বার ভারতীয় উপমহাদেশে অভিযান পরিচালনা করেন। 
- সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন মহাকবি ফেরদৌসী। 

উল্লেখ্য, 
- ফেরদৌসীর রচিত অমর কাব্যগ্রন্থের নাম শাহনামা। 
- ফেরদৌসীকে বলা হয় প্রাচ্যের হোমার। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৩৩.
৭ই মার্চের ভাষণে কয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়?
  1. ক) ২ দফা
  2. খ) ৩ দফা
  3. গ) ৪ দফা
  4. ঘ) ৫ দফা
ব্যাখ্যা

৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৪ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
উত্থাপিত দফাগুলো হলো-
১. সামরিক আইন প্রত্যাহার করতে হবে,
২. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিতে হবে,
৩. গণহত্যা'র তদন্ত ও বিচার করতে হবে এবং
৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫ম তফসিল।

৫,৭৩৪.
১৫-২১ জুন ২০২২ দেশব্যাপী ষষ্ঠ ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ এর 'শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট' হিসেবে নির্ধারন করা হয়েছে -
  1. ক) ১৪ জুন সন্ধ্যা ৬টা
  2. খ) ১৪ জুন রাত ১০টা
  3. গ) ১৪ জুন রাত ১২টা
  4. ঘ) ১৫ জুন ভোর ৬টা
ব্যাখ্যা
১৫-২১ জুন ২০২২ দেশব্যাপী ষষ্ঠ ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা’ অনুষ্ঠিত হবে। জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)। শুমারি শুরুর আগে ১৪ জুন রাত ১২টাকে ‘শুমারি রেফারেন্স পয়েন্ট/সময়’ হিসেবে ধার্য করা হয়েছে।
এবারই প্রথম ডিজিটাল পদ্ধতিতে জনশুমারি কার্যক্রম পরিচালিত হতে যাচ্ছে। একটি ওয়েবভিত্তিক ইনটিগ্রেটেড সেনসাস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইসিএমএস) প্রস্তুতসহ জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমে (জিআইএস) গণনা এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের কন্ট্রোল ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে।

২৯ অক্টোবর ২০১৯ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে 'জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১' শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদন দেওয়া হয়। ২-৮ জানুয়ারি ২০২১ দেশের ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে ১০ মাস পিছিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তারিখ নির্ধারণ করা হয় ২৫-৩১ অক্টোবর ২০২১। অবশেষে ১৫-২১ জুন ২০২২ দেশব্যাপী ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হবে। 

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
৫,৭৩৫.
বাংলার চুচুড়া ও বাকুঁড়ায় বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে কারা?
  1. ফরাসিরা
  2. ইংরেজরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ বা ডাচ:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- প্রাচ্য বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া বালেশ্বর, কাশিমবাজার এবং বরানগরেও তাদের কুঠি ছিল।
- প্রথমে ওলন্দাজগণ ইংরেজদের সাথে রেশমী সূতা, সুতি কাপড় চাল, ডাল সোরা ও তামাক এদেশ থেকে রপ্তানি করত এবং অন্যদেশ থেকে এদেশে মসলা আমদানি করত।
- ইংরেজদের সাথে তাদের যে বাণিজ্য চুক্তি হয় তা দু'বছরের মধ্যে ভেঙ্গে গিয়ে বিরোধ দেখা দেয়।
- অন্যদিকে বাংলার শাসনকর্তাদের সাথেও তাদের প্রবল বিরোধ দেখা দেয়।
- এ বিরোধ বেশি বেড়ে গেলে ইংরেজগণ ওলন্দাজ কুঠিগুলো দখল করে ফেলে।
- আর এভাবে ওলন্দাজদের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং তাঁরা উপমহাদেশ ছেড়ে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চলে যায়।
- সেখানে তাঁরা উপনিবেশ স্থাপন করে।
- ফলে এদেশে ইংরেজদের শক্তি বেড়ে যায়।
- বর্তমান ইন্দোনেশিয়া ওলন্দাজদের কাছ থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৩৬.
'শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড' এ মূলত কোন ধরনের সার উৎপাদিত হয়?
  1. ক) সুপার ফসফেট
  2. খ) ইউরিয়া
  3. গ) টিএসপি
  4. ঘ) সালফেট
ব্যাখ্যা
- শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থার নিয়ন্ত্রণে বর্তমানে দেশে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
- এর মধ্যে উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে সবচেয়ে বৃহৎ সার কারখানা হলো শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।
- এটি ২০১৬ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত হয়।
- এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৮১ হাজার মে. টন।
- এতে মূলত ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- অন্যদিকে যমুনা সার কারখানা এবং চিটাগাং ইউরিয়া সার কারখানা এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫ লক্ষ ৬১ হাজার মে. টন।
- ১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে স্থাপিত দেশের প্রথম সার কারখানা ন্যাচারাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড ২০১৪ সালে বন্ধ হয়ে যায়।
- একে শাহজালাল সার কারখানার সাথে একীভূত করা হয়।
- কাফকো সার কারখানা বাংলাদেশ ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১৯৯২ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা ও কাফকো সার কারখানায় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প সংস্থা ওয়েবসাইট।
৫,৭৩৭.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা
  2. উপজেলা
  3. ইউনিয়ন
  4. ওয়ার্ড
ব্যাখ্যা

• প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর: 
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর তিনটি। যথা- বিভাগীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামো সর্বোচ্চ স্তর- বিভাগীয় প্রশাসন এবং সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা প্রশাসন।

অন্যদিকে,
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা রয়েছে ৫ ধরনের।
- গ্রাম অঞ্চলের ৩ ধরনের এবং শহর অঞ্চলে ২ ধরনের।
- গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা - ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ।
- শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা - পৌরসভা এবং সিটি কর্পোরেশন।
- মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৫,৭৩৮.
প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  2. মোহাম্মদ রফিক
  3. নাইমুর রহমান দুর্জয়
  4. আকরাম খান
ব্যাখ্যা
টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান দুর্জয়।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার: নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি: হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি: আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার: নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট: মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক: হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার: এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
৫,৭৩৯.
সর্বশেষ কৃষি শুমারি কোন সালে অনুষ্ঠিত হয়? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০২১ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

 কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় - ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ।

৫,৭৪০.
দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য কোনটি?
  1. শীতল পাটি
  2. ঢাকাই মসলিন
  3. জামদানি শাড়ি
  4. ইলিশ
ব্যাখ্যা

• জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য জামদানি শাড়ি।
- বাংলাদেশ ইলিশ ২য় জিআই পন্য।
- খিরসাপাত আম তৃতীয় জিআই পন্য।
- হাঁড়িভাঙ্গা আম চতুর্থ জি আই পন্য।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর।

৫,৭৪১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৩নং সেক্টর
  3. ৪নং সেক্টর
  4. ৫নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ: ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৫,৭৪২.
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি -
  1. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা
  3. মৌলিক অধিকার রক্ষা
  4. ব্যাক্তিস্বাধীনতা রক্ষা
ব্যাখ্যা
• ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা:
 → আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রধান ভিত্তি হল ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা
→ বিচার বিভাগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচারিক কার্য সম্পাদন সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।
→ ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা তথা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিচার বিভাগের ভূমিকাই প্রধান।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৪৩.
নাগরিক সংগঠন 'সুজন' আত্মপ্রকাশ করে কত সালে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০৫ সালে
ব্যাখ্যা
সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে: ১২ নভেম্বর, ২০০২ সালে।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - সুজন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৭৪৪.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুয়ায়ী, দেশে মোট সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭৬.৪৪%
  2. ৭৬.৮৪%
  3. ৭৪.৬৪%
  4. ৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

৫,৭৪৫.
প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
• প্রান্তিক হ্রদ — বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।

• প্রান্তিক হ্রদ:
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বান্দরবান কেরানীহাট সড়কের হলুদিয়ার সন্নিকটে প্রায় ২৫.২৯ একর এলাকা নিয়ে প্রান্তিক হ্রদ গঠিত।

• বান্দরবানে অবস্থিত আরো কয়েকটি হ্রদ:
- বগাকাইন হ্রদ বা বগা লেক, 
- কিয়াচলং হ্রদ ইত্যাদি।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
৫,৭৪৬.
সংবিধানের কোন ভাগে 'নির্বাচন' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ষষ্ঠ ভাগে
  2. চতুর্থ ভাগে
  3. অষ্টম
  4. সপ্তম ভাগে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।

• সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম-ক ভাগ: জরুরী বিধানাবলী ও নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,৭৪৭.
‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি কত তারিখে পালন করা হয়েছিল?
  1. ৩০ জুলাই, ২০২৪
  2. ৩১ জুলাই, ২০২৪
  3. ১ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৩ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি:
- বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবি- কোটা সংস্কার আন্দোলনের সহিংসতায় অনেক শিক্ষার্থীর প্রাণহানি হয়েছে।
- এমতাবস্থায় আন্দোলন দমনের জন্য সাধারণ ছাত্র ও আন্দোলনের সমন্বয়ক এবং বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে গণগ্রেপ্তার চালানো হয়েছে।
- যা রীতিমতো দেশের সংবিধান বিরোধী ও মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে দাবি করা হয়েছে।
- আর এরই প্রতিবাদে ছাত্ররা তাদের কর্মসূচি 'মার্চ ফর জাস্টিস' পালন করেছে।

⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে।
- ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৫,৭৪৮.
নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর আয়োজক দেশ কোনটি?
  1. থাইল্যান্ড
  2. ইরান
  3. ভারত
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ নারী কাবাডি বিশ্বকাপ-২০২৫ এর আয়োজক দেশ বাংলাদেশ।

নারী কাবাডি বিশ্বকাপ:
- বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নারী কাবাডি বিশ্বকাপ আয়োজন করেছে।
- সময়কাল: ১৭ থেকে ২৪ নভেম্বর।
- ভেন্যু: শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়াম।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ১২টি।
- দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, চীনা তাইপে, জার্মানি, ইরান, ভারত, কেনিয়া, নেপাল, পোল্যান্ড, থাইল্যান্ড, উগান্ডা এবং জাঞ্জিবার।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৬ নভেম্বর অফিসিয়াল ট্রফি উন্মোচন করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

৫,৭৪৯.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০নং নৌ-সেক্টরের অধীনে পরিচালিত বিখ্যাত অভিযানটির নাম কী?
  1. অপারেশন লিবারেশন
  2. অপারেশন জ্যাকপট
  3. অপারেশন বিজয়
  4. অপারেশন মুক্তি
ব্যাখ্যা

'অপারেশন জ্যাকপট':
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- যেখানে ১০নং সেক্টর ছিল নৌ-সেক্টর।
- এটি কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না;
- বরং সমুদ্রবন্দর, নদীপথ ও উপকূলীয় এলাকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এই সেক্টরের অধীনে নৌ-কমান্ডোরা গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করত; 
- এর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হলো অপারেশন জ্যাকপট। 
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালের ১৫-১৬ আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত হয়েছিলো। 
- এ অভিযানে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকিস্তানি জাহাজ ও সমরাস্ত্র ধ্বংস করা হয়।
- অপারেশন সফল হওয়ায় পাকিস্তান সরকারের প্রচারণা ভ্রান্ত প্রমাণিত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি পায়।
- ১০নং সেক্টরের কোনো নিয়মিত কমান্ডার ছিল না;
- নৌ-কমান্ডোদের কাজ প্রধান সেনাপতির তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হতো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৫,৭৫০.
বর্তমানে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.৭%
  2. ৫.৫%
  3. ৫.৯%
  4. ৬.২%
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
৫,৭৫১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি?
  1. ময়নামতি
  2. পুণ্ড্রবর্ধন
  3. পাহাড়পুর
  4. সােনারগাঁ
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হলাে পুণ্ড্র।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরেরসুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদ।

অন্যদিকে -
পাহাড়পুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৭৫২.
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাকের বাজারে তৃতীয় বড় সরবরাহকারী দেশ -
  1. চীন
  2. বাংলাদেশ
  3. ভিয়েতনাম
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
রপ্তানিকারক দেশ:
- দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানির ক্ষেত্রে ১৭ শতাংশ নিয়ে শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে মোট ৯৭০ কোটি ডলারের পণ্য। 
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম পোশাক রপ্তানি গন্তব্য এবং চীন ও ভিয়েতনামের পর যুক্তরাষ্ট্রে তৃতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৫,৭৫৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের বিরোধিতা করেছিল জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের কোন দুইটি স্থায়ী রাষ্ট্র?
  1. ক) যুক্তরাজ্য ও চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  3. গ) চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী চীন এ যুদ্ধকে পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে উল্লেখ করে পাকিস্তানকে কৌশলগত সমর্থন দেয়। পক্ষান্তরে, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তাদের মিত্র দেশসমূহ এবং জাপান ও পশ্চিমের অনেক দেশের সাধারণ জনগণ বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেয়। চীন-যুক্তরাষ্ট্র-পাকিস্তান অক্ষের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট ভারত সরকার সোভিয়েত ইউনিয়নের সঙ্গে একটি মৈত্রীচুক্তি স্বাক্ষর করে। এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এক নতুন মাত্রা যোগ হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৫,৭৫৪.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের স্পিকার কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ উল্লাহ
  2. আব্দুর রহমান
  3. মোহাম্মদ হানিফ
  4. শাহ আব্দুল হামিদ
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার মাত্র ১১৬ দিন পর গণপরিষদের এ প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।

⇒ এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়।
- এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫৫.
সাঁওতালদের গ্রামগুলোকে কী নামে ডাকা হয়?
  1. পুঞ্জি
  2. আদাম
  3. রোয়া
  4. দিশাম
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর গ্রাম পরিচিতি:

সাঁওতাল: গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।
খাসিয়া: গ্রামগুলো পুঞ্জি নামে পরিচিত।
চাকমা: গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত।
মারমা: গ্রামগুলো রোয়া নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণি।

৫,৭৫৬.
'কার্ডিনাল' কোন ফসলের জাত?
  1. গম
  2. ভুট্টা
  3. আলু
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

- কার্ডিনাল বাংলাদেশে বহুল প্রচলিত একটি আলুর জাত।

আলুর অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- ললিতা, 
- কার্ডিনাল
- আইলসা, 
- চমক, 
- ধীরা, 
- গ্রানোলা, 
- বিনেলা, 
- আরিন্দা, 
- রাজা, 
- বারাকা ইত্যাদি।

অন্যদিকে: 
- উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।
- ভুট্টার উন্নত জাত: বর্ণালি ও শুভ্রা, উত্তরণ।
- টমেটো উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা, শ্রাবণী। 

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 

৫,৭৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪নং
  2. ৩নং
  3. ৫নং
  4. ১নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ: 
- অনুচ্ছেদ- ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ- ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ- ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম।
• অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷
- অনুচ্ছেদে- ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদে- ৪(ক): জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- অনুচ্ছেদে- ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৫,৭৫৮.
বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠাকারী কে ছিলেন?
  1. আজম শাহ
  2. শের শাহ
  3. ইসলাম শাহ
  4. মোবারক শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলায় আফগান শাসন:
- ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় জয় করে বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- আফগানরা ৩৮ বছর বাংলায় শাসন করে, এর মধ্যে মাত্র ৯ মাস মোগল সম্রাট হুমায়ুন গৌড় অধিকার করেন।
- শেরশাহ যুদ্ধে হুমায়ুনকে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনও অধিকার করেন।
- শেরশাহ ও তাঁর ছেলের সময়ে বাংলাদেশ দিল্লির একটি প্রদেশে পরিণত হয়।
- ১৫৫৬ সালে শেরশাহের ছেলে ইসলাম শাহের মৃত্যুর পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায় এবং মোগল বিজয়ের আগে স্বাধীন থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৫৯.
কোন পত্রিকাটি তথ্য বিকৃতি করে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নেয়?
  1. ক) আজাদ
  2. খ) মর্নিং নিউজ
  3. গ) সৈনিক
  4. ঘ) পাকিস্তান অবজারভার
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে সংবাদপত্রের ভূমিকা ছিলো অসামান্য। সৈনিক, ইত্তেফাক, আজাদ, সংবাদ, অগত্যা, পাকিস্তান অবজারভার দৈনিক মিল্লাত, দৈনিক ইনসাফ, দৈনিক আমার দেশ প্রভৃতি পত্রিকা ভাষা আন্দোলনের সমর্থনে জোরালো ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে মর্নিং নিউজ ছিল উর্দু ভাষার সমর্থক। পত্রিকাটি ভাষা আন্দোলনের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উগ্র প্রচারণা চালায়। ২১ ফেব্রুয়ারির ঘটনাকেও তারা বিকৃত করে ২২ ফেব্রুয়ারি খবর প্রকাশ করে। ২২ ফেব্রুয়ারি বিক্ষুব্ধ জনতা ভিক্টোরিয়া পার্কের কাছে অবস্থিত মর্নিং নিউজের প্রেস ও অফিস জ্বালিয়ে দেয়।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক ইনকিলাব ও প্রথম আলো পত্রিকা]
৫,৭৬০.
ঐতিহাসিক ‘কিন ব্রিজ (Keane Bridge)’ কোন নদীর ওপর স্থাপিত?
  1. বুড়িগঙ্গা নদী
  2. সুরমা নদী
  3. মেঘনা নদী
  4. কুশিয়ারা নদী
ব্যাখ্যা

কিন ব্রিজ (Keane Bridge)
- ক্বীন ব্রীজ হলো বাংলাদেশের সিলেট শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত সুরমা নদীর উপর স্থাপিত একটি লৌহ নির্মিত সেতু।

- সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থলে ক্বীন ব্রীজটি অবস্থিত।
- এটি সিলেটের অন্যতম দর্শনীয় এবং ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসাবে সবার কাছে পরিচিত।
- সুরমা নদীর ওপর নির্মিত এই স্থাপনাটি একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হিসাবেও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
- এই ব্রীজটিকে সিলেট শহরের "প্রবেশদ্বার" বলা হয়। 
- ব্রীজটি ব্রিটিশ গভর্নর মাইকেল ক্বীন এর নামে নামকরণকৃত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৭৬১.
আইন অমান্য আন্দোলন কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৯০৬ সালে
  2. খ) ১৯১৬ সালে
  3. গ) ১৯৩০ সালে
  4. ঘ) ১৯৪২ সালে
ব্যাখ্যা
- মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৩০ সালে ভারতবর্ষ জুড়ে আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- চেমসফোর্ড-মন্টেগু আইনের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে ব্রিটিশ সরকার ভারতের জন্যে নতুন সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সায়মন কমিশন গঠন করে। এতে কোন ভারতীয় প্রতিনিধি না থাকায় কংগ্রেস এই কমিশন বয়কট করে।
- এর অংশ হিসেবেই আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয়। এই আন্দোলন ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত চলে। তবে লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৫,৭৬২.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে কোথায়?
  1. গোপালপুর
  2. জামালগঞ্জ
  3. মহাস্থানগড়
  4. রাণীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৬৩.
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কত ছিল?
  1. ক) ৮.১৫%
  2. খ) ৭.৪০%
  3. গ) ৭.৮০%
  4. ঘ) ৭.২৫%
ব্যাখ্যা
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল- ৭.৪০%
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় অর্জিত প্রবৃদ্ধি ৮.১৫%।   

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৫,৭৬৪.
কত তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. ষষ্ঠ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে পঞ্চম সংশোধনী আইন অনুমোদিত হয়।
- এই আইনের মাধ্যমে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে পরিবর্তন আনা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত জারি করা সকল সামরিক বিধান, সংবিধান সংশোধন ও বিভিন্ন অধ্যাদেশকে বৈধতা প্রদান করা হয়।
- এই সংশোধনীর ফলে 'বাঙালি' জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' জাতীয়তাবাদকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান

৫,৭৬৫.
সম্পদ থেকে মূলধন বিয়োগ করলে হয়:-
  1. লাভ
  2. দায়
  3. রেভিনিউ
  4. ইকুয়িটি
ব্যাখ্যা
সম্পদ থেকে মূলধন বিয়োগ করলে হয় দায়।
সম্পদ:
- সম্পদ হলো সব ধরনের সম্পত্তি যা একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের অধীনে রয়েছে। আর মূলধন হলো সম্পদের মধ্যে স্থায়ী সম্পত্তি যেমন ভবন, যন্ত্রপাতি, গাড়ি ইত্যাদি।
- সম্পদ থেকে মূলধন ক্রয় করা হলে তা হবে সম্পদ বিয়োগ এবং ব্যবসার জন্য এটি হবে দায় বা খরচ।

অন্যদিকে,
লাভ, রেভিনিউ বা ইকুইটি হলো সম্পদের অংশ, যা মূলধন বিয়োগের ফলে কমে না।

উৎস: Investopedia Website.[link]
৫,৭৬৬.
কোন মুঘল সম্রাট চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. বাবর
  4. হুমায়ুন
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতী:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৭৬৭.
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চীফ প্রসিকিউটর কে? (জুলাই-২০২৫)
  1. এডভোকেট মোঃ মনজুর আলম
  2. এডভোকেট রেদওয়ান আহম্মেদ রনজিব
  3. এডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
  4. এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম মন্টু
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- এটি বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি অপরাধ ট্রাইবুনাল যার উদ্দেশ্য হচ্ছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে সংঘটিত আন্তর্জাতিক অপরাধসমূহের বিচার করা।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩-এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ।
- এ্যাটর্নী জেনারেল পদমর্যাদায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের “চীফ প্রসিকিউটর” হিসেবে বর্তমানে নিয়োগপ্রাপ্ত ’জনাব মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম’। 

উৎস: চীফ প্রসিকিউটর কার্যালয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
৫,৭৬৮.
সর্বপ্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কোথায় উত্তোলন করা হয়?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৬৯.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ মইনুল হোসেন
  3. গ) তানভীর কবির
  4. ঘ) ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা
সাভারে অবস্থিত ‘সম্মিলিত প্রয়াস’ বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। এর স্থপতি সৈয়দ মইনুল হোসেন।
১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং ১৯৮২ সালের ১৬ ডিসেম্বর হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ এটি উদ্বোধন করে।
এতে মোট সাতটি স্তম্ভ রয়েছে যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপটকে তুলে ধরে।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৭৭০.
বাঁশের কেল্লা খ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী কে?
  1. ফকির মজনু শাহ
  2. দুদু মিয়া
  3. তিতুমীর
  4. মীর কাশেম
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:

- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাহরিক ই মুহম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৭১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
  3. ইসলামাবাদ হাইকোর্ট
  4. ঢাকা দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”।
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৭২.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ৫নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৭৭৩.
বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের পর মুক্তি পান-
  1. ক) ৩১ মার্চ
  2. খ) ২৭ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ৮ মার্চ
  4. ঘ) ৪ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বঙ্গবন্ধুকে নিরাপত্তা বন্দি হিসেবে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তিনি টানা দুই বছর দুই মাসের অধিক কারান্তরীণ ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলন চলাকালে তিনি ১৬ ফেব্রুয়ারী অনশনে বসেন। এতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে সরকার তাকে ২৭ ফেব্রুয়ারী ফরিদপুর জেল থেকে অসুস্থ অবস্থায় মুক্তি দেয়। (সূত্রঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৫,৭৭৪.
আওয়ামী লীগের ছয়-দফা পেশ করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ১৯৬৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের লাহোরে ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন। 
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
-এটি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত
- ছয় দফার প্রথম দফা ছিল 'প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন'।

• ৬ দফাগুলো হলো-
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রফেসর মোঃমোজাম্মেল হক)।
৫,৭৭৫.
১৯৭২ সালে স্বাক্ষরিত ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তির মেয়াদ ছিল কত বছর?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চুক্তি:

- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১৯ মার্চ ২৫ বছর মেয়াদী একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমান।
- ইন্দিরা গান্ধীর বাংলাদেশ সফরের সময় এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিটিতে মোট ১২টি ধারা ছিল।
- ১৯৯৭ সালের ১৯ মার্চ চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে এবং অতঃপর আর এ চুক্তির নবায়ন করা হয় নি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৭৬.
১৯৮৮ সালের কোন মিশনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়?
  1. UNTSO
  2. UNIIMOG
  3. UNTAG
  4. খ + গ
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ
- ২৯ মে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস।
- ১৯৪৮ সালের ২৯ মে জাতিসংঘ প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন কার্যক্রম শুরু করে।
- জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশনের নাম- UN Truce Supervision Organization।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে প্রথম নারী শান্তিরক্ষী গ্রহণ হয় ২০০৭ সালে, লাইবেরিয়ায়।

- ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন UNIIMOG ও UNTAG -এ যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের এই মিশনে যোগদানের সূচনা হয়।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের এশীয় কার্যালয় অবস্থিত- ঢাকায়।
- ১৯৮৮ সালে সংস্থাটি শান্তিতে নোবেল লাভ করে।
- বাংলাদেশ এই পর্যন্ত ৪৩ টি দেশ ও অঞ্চলে ৬৩ টি মিশন সম্পন্ন করেছে।
- এই শান্তিরক্ষা মিশনে এই পর্যন্ত ১৬৮ বাংলাদেশী শান্তিরক্ষী শহিদ হয়েছেন।

তথ্য - জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ওয়েবসাইট।
৫,৭৭৭.
বর্তমানে দেশে সরকারি মেরিন একাডেমির সংখ্যা -
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে সরকারি মেরিন একাডেমি- ৫টি।
- এইগুলোর অবস্থানঃ চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, পাবনা ও রংপুর।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।

৫,৭৭৮.
Where is Bangabandhu-Pierre Trudeau Agricultural Technology Center located?
  1. Mymensingh
  2. Sherpur
  3. Gazipur
  4. Faridpur
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র:
- বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র গাজীপুরে অবস্থিত।
- ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
৫,৭৭৯.
In which year did the fire occur in the Magurchara gas field?
  1. 1997
  2. 2005
  3. 1998
  4. 2003
  5. 2007
ব্যাখ্যা
মাগুড়ছড়া গ্যাস ক্ষেত্রে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে ১৯৯৭ সালে।
বাংলাদেশের গ্যাস ফিল্ড দুর্ঘটনা:

- এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ২ টি গ্যাস ক্ষেত্রে দুর্ঘটনা হয়।
১. মাগুরছড়া:
- এটি মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে অবস্থিত।
- ১৯৯৭ সালের ১৪ জুন এই গ্যাস ক্ষেত্রে আগুন লাগে।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রের খননের সাথে জড়িত ছিলো মার্কিন কোম্পানি অক্সিডেন্টাল।

২. টেংরাটিলা:
- এটি সুনামগঞ্জের দুয়ারাবাজারে অবস্থিত।
- ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি প্রথম দফা এবং ২৪ জুন দ্বিতীয় দফা এখানে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
- এই গ্যাস ক্ষেত্রের খন কাজের দায়িত্বে ছিলো কানাডিয়ান কোম্পানী নাইকো।

উৎস: প্রথম আলো ও BGFCL.
৫,৭৮০.
রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি কোনটি?
  1. সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন
  2. যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ
  3. খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

→ রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি:
- সরকার বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন,
- নারী শিক্ষার ওপর গুরুত্বসহ বয়স্ক শিক্ষার ব্যবস্থা করা,
- হাসপাতাল,
- দাতব্য চিকিৎসালয়,
- শিশুসদন,
- মাতৃমঙ্গল কেন্দ্র স্থাপন,
- পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্ৰ স্থাপন,
- জনস্বাস্থ্য রক্ষায় বিশুদ্ধ পানীয়জলের সুব্যবস্থা,
- পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা,
- রোগ প্রতিরোধক,
- প্রতিষেধক টিকা প্ৰদান,
- যৌতুক ও বর্ণ বা গোত্রপ্রথা দূরীকরণ,
- বাল্যবিবাহ রোধ,
- জেন্ডার সমতা প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে,
- উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ,
- কৃষিতে ভর্তুকি প্রদান,
- সার, বীজ, কীটনাশক সরবরাহ, সেচের ব্যবস্থা করা,
- খাদ্য গুদামজাতকরণ
- দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন, যথা: রাস্তাঘাট, সেতু, সড়ক, রেলপথ, নৌ-চলাচল, বিমান যোগাযোগ,
- গ্রামীণ উন্নয়ন, কালোবাজারি রোধ,
- খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ,
- নারী ও শিশু পাচার রোধ।

→ রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি:
- সেনাবাহিনী গঠন,
- বাজেট প্রণয়ন,
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,৭৮১.
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা -
  1. সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. নিঝুম দ্বীপ
  3. চলনবিল
  4. লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
৫,৭৮২.
মন্ত্রিসভা কার ইচ্ছাধীন থাকে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) জাতীয় সংসদ
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) সুপ্রিমকোর্ট
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছাধীন থাকে। মন্ত্রিসভার সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ, দপ্তর বন্টন, নিয়োগ ও অব্যাহতি প্রভৃতি প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তবে মন্ত্রিসভার সদস্যগণ একক ও যৌথভাবে জাতীয় সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।

- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা দেশের প্রকৃত শাসক। প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশে রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগদান করে থাকেন।
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ জাতীয় সংসদের সদস্যদের থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে মন্ত্রিসভার এক-দশমাংশ সদস্য সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যায়।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৭৮৩.
যুক্তফ্রন্ট কতটি দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
- যুক্তফ্রণ্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্ট চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি  দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র।
৫,৭৮৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিলোমিটার
  2. ৩.৩৯ কিলোমিটার
  3. ৫.৩৫ কিলোমিটার
  4. ৯.৩৯ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৫,৭৮৫.
ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরে গ্রন্থ লিখেছেন-
  1. ক) নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. খ) এ.কে. ফজলুল হক
  3. গ) স্যার সলিমুল্লাহ
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলিম সমাজকে আলোর পথে টেনে তুলতে যাঁদের অবদান মূল্যবান বলে বিবেচিত হয় সৈয়দ আমীর আলী তাঁদেরই একজন। শুধুমাত্র পাশ্চাত্য শিক্ষাই নয়, মুসলমানদের রাজনৈতিক শিক্ষার গুরুত্বও তিনি অনুভব করেছেন এবং সে কারণে তিনি ‘সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান এসোসিয়েশন’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। তাঁর বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হচ্ছে-‘The Spirit of Islam’ ও ‘A Short History of Saracens’ । এতে ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
৫,৭৮৬.
দেশের ১৬ তম GI পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশের-
  1. ক) ফজলি আম
  2. খ) জামদানি শাড়ি
  3. গ) শীতলপাটি
  4. ঘ) রসগোল্লা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে - ১৬ টি পণ্য।
- সর্বশেষ ২০ জুলাই, ২০২৩ বাংলাদেশের শীতলপাটি দেশের ১৬তম GI পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
১. জামদানি,
২. ইলিশ,
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম।
৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি,
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ,
৬. কালিজিরা,
৭. রংপুরের শতরঞ্জি,
৮. রাজশাহী সিল্ক,
৯. ঢাকাই মসলিন,
১০. বাগদা চিংড়ি,
১১. ফজলি আম,
১২. তুলসীমালা ধান,
১৩. বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই,
১৪. ল্যাংড়া আম,
১৫. আশ্বিনা আম,
১৬. শীতলপাটি ।

তথ্যসূত্র: পত্রিকার রিপোর্ট।

৫,৭৮৭.
জনাব এফ আর খান বাংলাদেশের জন্য গৌরব। তিনি কি ছিলেন?
  1. স্থপতি
  2. ক্যান্সার চিকিৎসক
  3. আণবিক বিজ্ঞানী
  4. কম্পিউটার বিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা
• এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।

- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’ মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে  একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় ‘ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম’।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হূদরোগে মারা যান।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৮৮.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দুইজন নারীকে বীর প্রতীক উপাধীতে ভূষিত করা হয়।
- তারা হলেন : ডা. সিতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- পাঁচজন অবাঙালিও বীরত্বসূচক খেতাব পান, যাদের মধ্যে একজন বিদেশী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৮৯.
বাংলা চাল উৎপাদনে বিশ্ব কত তম? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• চাল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ:
- যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কৃষি দপ্তরের ফরেন অ্যাগ্রিকালচারাল সার্ভিসের তথ্য অনুসারে,

• চাল উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দেশ:
১. চীন।
২. ভারত।
৩. বাংলাদেশ।
৪. ইন্দোনেশিয়া।
৫. ভিয়েতনাম।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.gov) ওয়েবসাইট।
৫,৭৯০.
ফয়জুন্নেসাকে নওয়াব উপাধিতে ভূষিত করেন কে?
  1. এলিজাবেথ
  2. রাজা দ্বিতীয় চার্লস
  3. মহারানী ভিক্টোরিয়া
  4. লেডী চেমস ফোর্ড
ব্যাখ্যা
নওয়াব ফয়জুন্নেসা:
-অবিভক্ত বাংলার রক্ষনশীল মুসলিম সমাজের মধ্যে সমাজসেবা, জমিদারী পরিচালনা, শিক্ষার বার্বিক উন্নয়নে নওয়াব ফয়জুন নেসা দুঃসাহসিক ভূমিকা পালন করেছেন।
- দানবীর হাজী মোঃ মুহসীনের জনহিতকর কার্যবলীর সাথে তাঁর দানশীলতাকে তুলনা করা যেতে পারে।
- জনকল্যাণে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ইংল্যান্ডের তৎকালীন মহারানী ভিক্টেরিয়া তাকে নওয়াব উপাধিতে ভূষিত করেন।

⇒ সমাজসেবা ও সমাজকল্যাণ ক্ষেত্রে তাঁর অবদান:
- সমাজসেবা, দানশীলতা, ও জনহিতকর কাজের মাধ্যমে নওয়াব ফয়জুন্নেসা চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- সমাজসেবার ক্ষেত্রে তাঁর উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপগুলো হচ্ছে- রাস্তাঘাট, সেতু, কার্লভাট প্রভৃতি নির্মাণ পানীয় জলের সুব্যবস্থা করণের জন্য দিঘী, জলাশয়, কুপ খনন, চিকিৎসার জন্য দাতব্য চিকিৎসালয় স্থাপন, মুসাফির খানা নির্মাণ, মক্কা শরীফে মাদ্রাসায় সাওলাতিয়া প্রতিষ্ঠা, মসজিদ ও উপাসনালয় স্থাপন ইত্যাদি।
- তিনি পাল্কীতে চড়ে নিজ জমিদারীর অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন মৌজা ঘুরে ঘুরে প্রজাদের দুর্দশা স্বচক্ষে দেখতেন যা ছিল সেই সময়ে কল্পনাতীত।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৯১.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি কোনটি?
  1. ক) গারো
  2. খ) হাজং
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) মগ
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী মারমা। মারমারা মগ নামে পরিচিত।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।

অন্যদিকে– 
সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২ আর ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮।
চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল।
তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক রিপোর্ট এবং প্রথম আলো।

৫,৭৯২.
স্টক শেয়ারে প্রবর্তিত নতুন পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক) ডিভিডেন্ট
  2. খ) ডিভ্যালু
  3. গ) ডিম্যাট
  4. ঘ) ডিসকাউন্ট
ব্যাখ্যা
- ডিম্যাট বা ডিম্যাটেরিয়ালাইজড ফরম্যাট হল এমন একটি উপায় যেখানে আপনার ফিজিক্যাল শেয়ার এবং সিকিউরিটিগুলি ইলেকট্রনিক উপায়ে রূপান্তরিত এবং সংরক্ষণ করা হয়। 
- ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থাকার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল স্বচ্ছতা।
- অনলাইনে ট্রেড করার সময়, আপনার কেবল একটি ডিম্যাট নম্বর প্রয়োজন এবং বিশাল কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই।
- শেয়ারগুলি আপনার ডিম্যাট অ্যাকাউন্ট থেকে কেনা বা বিক্রি করা যেতে পারে এবং এগুলি ক্রেডিট এবং ডেবিট আকারে রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে। 

উৎস : বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট
৫,৭৯৩.
অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয় কোথায়?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

 অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight):
- অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight) ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একটি পরিকল্পিত সামরিক অভিযান, যা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় শুরু হয়।
- এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ) বাঙালিদের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে দমন করা।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- ১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' বা বাঙালির ওপর নৃশংস হত্যাকাণ্ড পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৫,৭৯৪.
ঐতিহাসিক 'ছয়-দফা' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন—
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
  2. খ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
  3. গ) ২৬ মার্চ ১৯৬৬
  4. ঘ) ৩১ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৭৯৫.
মন্ত্রিসভার কত ভাগ টেকনোক্রেটমন্ত্রী রাখা যায়?
  1. ৮%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৭৯৬.
এলাহাবাদ চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস ও সুজাউদ্দৌলা
  2. রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. রবার্ট ক্লাইভ ও মীর কাশিম
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

⇒ বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন।
- ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- এদেশে এসেই তিনি মীর কাশিমের মিত্রশক্তি অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের প্রতি নজর দেন।
- বক্সার যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি পেয়ে অযোধ্যার নবাবের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন।
- তারপর তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি সনদ লাভ করে)।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৭৯৭.
Which of the following Muslim country was first, to recognize Bangladesh as an independent country?
  1. ক) Saudi Arabia
  2. খ) Kuwait
  3. গ) Egypt
  4. ঘ) Iraq
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:

- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়- ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- সৌদি আরব ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

তথ্যসূত্র - বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।
৫,৭৯৮.
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে কত সালে সমগ্র পাকিস্তানে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টন সম্ভব হয়?
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসার মূলে ছিল বাঙালির অধিকার আদায়ে তার ত্যাগ ও আজীবনের আপসহীন সংগ্রাম।
- পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন বণ্টন ছিল তাঁর অন্যতম প্রধান দাবি।
- এ দাবি আদায় করতে পারলেই যে সকল দাবি আদায় করা সম্ভব, এটি তিনি প্রতিটি বাঙালিকে উপলব্ধি করাতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- এ জন্য বাঙালিরা তার  নেতৃত্বে অবিচল থাকে।
- তাঁর এ দৃঢ় নেতৃত্বের কারণেই ১৯৬৯ সালে ইয়াহিয়া খানের কাছ থেকে সমগ্র পাকিস্তানের ৩১৩টি আসনের মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য ১৬৯টি আসন অর্জন করা সম্ভব হয়েছিল।
- তিনি তাঁর জনসমর্থনের আকাশচুম্বি শক্তি নিয়ে ইয়াহিয়া খানের ওপর প্রচণ্ড চাপ প্রয়ােগ করেছিলেন, যা উপেক্ষা করে সে সময়ে ইয়াহিয়া খানের পক্ষে ক্ষমতায় টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব ছিল।
- বঙ্গবন্ধু তা জানতেন এবং এ জন্য মৌলিক এ দাবি আদায়ে তিনি কোনােরূপ ছাড় না দিয়ে অবিচল থাকেন। ফলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়।
- বাংলা ভাষার অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জনের পর এটি ছিল তখন পর্যন্ত বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য।
- এ অর্জনই ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বাঙালিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথ প্রশস্ত করে। এ নির্বাচনে পূর্বের ন্যায় পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে আসনসংখ্যার সমতার ভিত্তিতে বণ্টন হলে বাঙালিদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভের কোনাে সুযােগ থাকত না।
- বঙ্গবন্ধু এ বিষয়টি পাকিস্তান রাষ্ট্রের শুরু থেকেই উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই সকল আন্দোলনসংগ্রামের মধ্যে এ লক্ষ্য থেকে কখনােই তিনি বিচ্যুত হননি।

উৎস: www.asiaticsociety.org.bd/
৫,৭৯৯.
বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে কত সাল থেকে?
  1. ১৯৭৬ সাল
  2. ২০০১ সাল
  3. ২০১০ সাল
  4. ২০২২ সাল
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার: 
- রবীন্দ্র সাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১০ সাল থেকে বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রদান করে।
- প্রতি বছর দুজনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।
- বাংলা একাডেমি আয়োজিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকীতে পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকদের পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫,৮০০.
'ওরাঁও' জনগোষ্ঠী কোন অঞ্চলে বাস করে?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. সিলেট
  4. বান্দরবন
ব্যাখ্যা
- ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুরুখ ও সাদরি ভাষায় কথা বলে।
- এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি ভাষা।
- কুরুখ একটি আদি কথ্য ভাষা। এর নিজস্ব বর্ণমালা নেই।

- রংপুর, দিনাজপুর এবং সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে ওরাঁও জনগোষ্ঠী।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত ফাগুয়া।

- ত্রিপুরা ও গারোদের ভাষার নাম যথাক্রমে ককবোরক এবং আচিক খুসিক।
- পাঙনদের ভাষা : মেইতেইলোন।

তথ্যসূত্র- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণি।