বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫২ / ৩০৬ · ৫,১০১৫,২০০ / ৩০,৮৩২

৫,১০১.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলা ‘বীর প্রতীক’ উপাধি পান?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. কেউ না
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।
৫,১০২.
‘বাংলাদেশ অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ’ জারি করে কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
  3. ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর
  4. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নঃ
- সংবিধান হলো একটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। 
- সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উদ্দেশ্য, আদর্শ ও লক্ষ্য প্রতিফলিত হয়। 
- তৎকালীন সরকার বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি ‘বাংলাদেশ অস্থায়ী সাংবিধানিক আদেশ’ জারী করে।
- এই আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে এবং প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা থাকবে।
- এই আদেশে আরো বলা হয় একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান প্রবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত মন্ত্রিসভা বাংলাদেশের একজন নাগরিককে রাষ্ট্রপতি মনোনীত করবেন।
উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১০৩.
বাংলাদেশ ওআইসি (OIC) শ্রম কেন্দ্রের সংবিধিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করে কবে?
  1. ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ১৩ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ১৮ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ২০ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ওআইসি শ্রম কেন্দ্র সংবিধিতে স্বাক্ষর:
- ওআইসি শ্রম কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শ্রম সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য।
- ওআইসি শ্রম কেন্দ্র সংবিধি হল একটি দলিল যা শ্রম কেন্দ্রের কার্যক্রম, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং এর সংগঠন সম্পর্কে নিয়ম ও কাঠামো নির্ধারণ করে।
- এই সংবিধি OIC এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে শ্রম এবং কর্মসংস্থান সংক্রান্ত সহযোগিতাকে কার্যকর করতে সহায়তা করে।
- গত ১৩ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) শ্রম কেন্দ্রের সংবিধিতে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছে বাংলাদেশ।
- সৌদি আরবের জেদ্দায় ওআইসি সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- এ দলিলে স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলাদেশ শ্রম অধিকার ও শ্রমিকদের কল্যাণ বৃদ্ধিতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৫,১০৪.
সিপাহী বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ কী ছিল?
  1. ব্রিটিশদের কর নির্ধারণ
  2. জমিদারদের ক্ষোভ
  3. ধর্মীয় অনুভূতির অবমাননা
  4. সৈন্যদের বেতন বৃদ্ধি না পাওয়া
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ এ সংগ্রামের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
• পরোক্ষ কারণ: রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।

• প্রত্যক্ষ কারণ: ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়। এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো। গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে। এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১০৫.
কত সালে 'আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১' গঠিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল - ১:
- ২০১০ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের পূর্বক্ষণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- প্রথমে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করে বিচার কাজ শুরু হলেও মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং তদন্ত কাজ দ্রুত সমাপ্ত হয়ে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হতে থাকলে ২২ মার্চ ২০১২ তারিখে আরও একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।

উল্লেখ -
- বিচারাধীন মামলার সংখ্যা বিবেচনায় ট্রাইব্যুনাল-২ এর কার্যক্রম ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ থেকে স্থগিত রাখা হয়েছে।

উৎস: ২৫ মার্চ ২০২০, প্রথম আলো।
৫,১০৬.
‘হীরা ও রূপালী-১‘ কিসের উচ্চফলনশীল জাত?
  1. মরিচ
  2. তুলা
  3. বেল
  4. নারিকেল
ব্যাখ্যা
• তুলার চাষ:
-  বাংলাদেশে দুই ধরনের তুলা চাষ করা হয়।
- সমতল এলাকার ৭টি জোনে সমভূমির তুলা বা আপল্যান্ড কটন এবং
- পার্বত্য এলাকার ২টি জোনে পাহাড়ি তুলার চাষ করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
 
• তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং
- হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৫,১০৭.
দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা কত? (জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২)
  1. ৪৯টি
  2. ৫১টি
  3. ৪৭টি
  4. ৫০টি
ব্যাখ্যা

- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)। 
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৫,১০৮.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপাদন হয়? [জুন, ২০২৫]
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ফরিদপুর
  3. সাতক্ষীরা
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
তুলা:
- বস্ত্র শিল্পের মূল ও প্রধান উপাদান তুলা।
- তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল এবং আন্তর্জাতিক শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি শিল্প বস্ত্রশিল্পের প্রধান কাঁচামাল তুলা।

⇒ তুলা থেকে আঁশ ছাড়াও ভোজ্য তেল, খৈল, জ্বালানি উপজাত হিসাবে পাওয়া যায়।
- খৈল গবাদি পশু ও মাছের খাদ্য হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- তুলা উৎপাদন, জিনিং, টেক্সটাইল, গার্মেন্টস, ভোজ্য তেল এবং সাবান শিল্প ইত্যাদির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ লোকের জীবিকা নির্বাহ করে।
- তুলা বিশ্বের অন্যতম টেক্সটাইল তন্ত্র এবং তুলা অর্থনৈতিক ও সামাজিক কল্যাণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে।
- বর্তমানে বস্ত্র এবং গার্মেন্টস খাত বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
৫,১০৯.
'টাকা বন্ড' ছাড়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কোন স্টক এক্সচেঞ্জে?
  1. ক) NSE
  2. খ) LSE
  3. গ) Nasdaq
  4. ঘ) FSE
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাজ্যের লন্ডনে IFC এর সহযোগিতায় লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে (LSE) বাংলা বন্ড ছাড়ার পর এবার টাকা বন্ড ছাড়ার উদ্যোগ নেয় IFC।
- এর উদ্দেশ্য হল বন্ড ছেড়ে টাকা তুলে দেশের বিভিন্ন শিল্পে বিনিয়োগ করা।
-  অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ERD) এ বন্ড ছাড়ার প্রাথমিক সম্মতি দেয়। 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
৫,১১০.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ১৯ টি
  2. ৯ টি
  3. ৮ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।

- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,১১১.
শ্রী চৈতন্যের আবির্ভাব ঘটেছিল যে সুলতানের শাসনামলে -
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সম্রাট হুমায়ুন
  3. গিয়াস উদ্দিন খলজি
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ ‘আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এর শাসনকালে শ্রী চৈতন্যদেবের আবির্ভাব বাংলার ইসলামের ইতিহাস আলোচনা প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য ঘটনা।
- চৈতন্যদেব হুসেন শাহের আমলে বৈষ্ণব ধর্ম প্রচারের অবাধ সুযোগ লাভ করেন। হুসেন শাহ শ্রী চৈতন্য দেবকে যথেষ্ট সম্মান করতেন।
-  চৈতন্যদেবের গৌড়ে আগমনের সময় হুসেন শাহ তার কর্মচারীদের চৈতন্যদেবের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও সহযোগিতা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ নিঃসন্দেহে মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে একজন শ্রেষ্ঠ নরপতি ছিলেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর শাসনকালকে মুসলমান শাসনের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সমকাল পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,১১২.
সরকারের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে সমালোচনা করে -
  1. বিরোধী দল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা:

• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না। বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ। এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়। শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে। জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, “যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই”।

• বিকল্প নীতি উত্থাপন:
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা। এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দিল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে। এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

• সমস্যা চিহ্নিত করা :
- রাষ্ট্রে অনেক ধরনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান থাকে। এ ধরনের সমস্যাগুলো সমগ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষে বিরোধীদল সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১১৩.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল-
  1. নারীদের সংরক্ষিত আসন
  2. জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা
  3. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
  4. বেরুবাড়ি হস্তান্তর
ব্যাখ্যা

• প্রথম সংশোধনী:
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকরের ৭ মাস পর ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই প্রথম সংশোধনী বিল পাস হয়।
- এই সংশোধন অনুযায়ী গণহত্যা কিংবা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য আইন প্রণয়নের বিধান রাখা হয়।

অপরদিকে,
• দ্বিতীয় সংশোধনী: 
- এই সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটি পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিনা বিচারে যে কাউকে আটকের বিধান করা হয়।
- মূলত এ সংশোধনীর মাধ্যমে শাসন বিভাগ তথা নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• তৃতীয় সংশোধনী
- বাংলাদেশ ভারতকে বেরুবাড়ি হস্তান্তর করে।
- এ হস্তান্তরের শর্ত ছিল ভারত দহগ্রাম-আঙ্গরপোতায় যাবার জন্য বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডোর প্রদান করবে।
- ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী পাস হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান , আরিফ খান।

৫,১১৪.
'ওয়ানগালা' উৎসব কাদের?
  1. গারোদের
  2. মারমাদের
  3. কুকিদের
  4. চাকমাদের
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ছাড়াও টাঙ্গাইল, সিলেট, শেরপুর, জামালপুর, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, ঢাকাও গাজীপুরজেলায় গারোরা বাস করে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

অপরদিকে,
- বৈসাবি বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের তিনটি প্রধান আদিবাসী সম্প্রদায়ের - ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমাদের - নববর্ষের উৎসবের একটি সম্মিলিত নাম।
- রথযাত্রা বা রথদ্বিতীয়া একটি আষাঢ় মাসে আয়োজিত অন্যতম প্রধান হিন্দু উৎসব।
- সাংগ্রাই বাংলাদেশী মারমা এবং রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসবের নাম।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

৫,১১৫.
বিবিসি বাংলা ভাষায় সম্প্রচার শুরু করে কখন থেকে?
  1. ক) ১৯৩৫ সাল
  2. খ) ১৯৪১ সাল
  3. গ) ১৯৪৩ সাল
  4. ঘ) ১৯৫২ সাল
ব্যাখ্যা
১৯৪১ সালের ১১ অক্টোবর বিবিসি বাংলা ভাষায় সম্প্রচার শুরু করে। শুরুতে এতে কেবল অনুবাদকৃত নিউজলেটার পাঠ করা হতো। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় থেকে বিবিসি বাংলায় সংবাদ যুক্ত হয়। বিসিসি বাংলার বর্তমান প্রধান সাবির মুস্তফা। তিনি ২০০১ সাল থেকে বিবিসি বাংলার দায়িত্বে আছেন। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
৫,১১৬.
ময়মনসিংহ দেশের কততম শিক্ষা বোর্ড?
  1. ক) ১১তম
  2. খ) ১২তম
  3. গ) ১০ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা
২ নভেম্বরঃ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ - দেশের ১১তম শিক্ষা বোর্ড, এই তারিখে তাদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন।
৫,১১৭.
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশ কোন পুস্তিকা প্রকাশ করে?
  1. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  2. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  3. মায়ের ভাষা
  4. বাংলা ভাষা
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১১৮.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থায় বেসিক ডেমোক্র্যাট কতজন ছিল?
  1. মোট ৪০ হাজার
  2. মোট ৬০ হাজার
  3. মোট ৮০ হাজার
  4. মোট ৭০ হাজার
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১১৯.
কত সালে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৮ সাল
  4. ২০২৪ সাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ:
- সকল স্তরের জনসাধারণের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩ এর আলোকে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়।
- এটি ফেব্রুয়ারি ২০১৫ থেকে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে প্রতিবছর ০২ ফেব্রুয়ারি 'জাতীয় নিরাপদ খাদ্য দিবস' হিসেবে উদ্যাপিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ একটি কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী সংস্থা।
- সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট সকল সরকারি ও বেসরকারি অংশীজনের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে খাদ্যের ভেজাল রোধে সচেতনতামূলক প্রচারণাসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, খাদ্যের নিরাপত্তা ও গুণগতমান পরীক্ষণ, রেস্তোরাঁর গ্রেডিং ও মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৫,১২০.
ফিফা-২০২৬ বিশ্বকাপের বলের নাম কী?
  1. ট্রিবল
  2. ট্রায়োন্ডা
  3. ট্র্যালিন
  4. ট্রানিজম
ব্যাখ্যা

• ফিফা-২০২৬ বিশ্বকাপের বলের নাম ট্রায়োন্ডা।
- ট্রায়োন্ডা নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—ট্রাই ও ওন্ডা।
- ট্রাই মানে তিন আর ওন্ডা মানে ঢেউ।
- বলে লাল, সবুজ ও নীল—এই তিন রঙের ঢেউ দিয়ে আয়োজক দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে।

• ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- আয়োজক দেশ: ৩টি।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
• কানাডা এবং
• মেক্সিকো।

- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।

৫,১২১.
বাংলাদেশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BCIC
  2. TCB
  3. TBI
  4. BSTI
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের পণ্য মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান BSTI.

BSTI:
- BSTI এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- BSTI বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৫ সালে।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

তথ্যসূত্র - BSTI ওয়েবসাইট।
৫,১২২.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের আয়তন কত একর?
  1. ক) ২১৫ একর
  2. খ) ২১৬ একর
  3. গ) ২২০ একর
  4. ঘ) ২২৫ একর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ: 

- ১৯৬১ সালে ৯ তলা এ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- মার্কিন স্থপতি লুই আই কান এর মূল স্থপতি।
- রাজধানী ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
- আয়তন ২১৫ একর।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, Live MCQ লেকচার।
৫,১২৩.
বাংলাদেশ কৃষি পরিসংখ্যান ২০২২ অনুযায়ী, মোট ফসলি জমির পরিমাণ -
  1. ১৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর
  2. ১৬০.৫৬ লক্ষ হেক্টর
  3. ১২০.৫৬ লক্ষ হেক্টর
  4. ১০০.২৯ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশে মোট মোট ফসলি জমি  - ১৬০.৫৬ লক্ষ হেক্টর।
- আবাদি জমির পরিমাণ - ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর।
- এক ফসলি আবাদি জমি - ২১.১০ লক্ষ হেক্টর ।
- দুই ফসলি জমি - ৪১.২৫ লক্ষ হেক্টর।
- তিন ফসলি জমি - ১৮.৬৬ লক্ষ হেক্টর।
- চর ফসলি জমি - ০.১৭ লক্ষ হেক্টর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।[লিঙ্ক]
৫,১২৪.
নিচের কোন জনপদের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ?
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা
গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১২৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে কয়টি তারকা থাকে?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)।
- এই মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে রয়েছে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার - কামরুল হাসান।
- জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল, তার উপর ৩ টি পরস্পর সংযুক্ত পাট পত্রক এবং তার দুপাশে ২ টি করে তারকা।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয়/জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
-  বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন রফিকুন্নবী।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,১২৬.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরউত্তম
  2. খ) বীরবিক্রম
  3. গ) বীরশ্রেষ্ঠ
  4. ঘ) বীরপ্রতীক
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
৫,১২৭.
বর্তমানে 'বীর বিক্রম' খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ১৭২ জন
  2. ১৭৩ জন
  3. ১৭৪ জন
  4. ১৭৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৫,১২৮.
অভিবাসী পাঠানোয় বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব অভিবাসন প্রতিবেদন-২০২২ঃ
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ১ ডিসেম্বর, ২০২১ ‘World Migration Report 2022’ প্রকাশ করে।
• প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালে রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে শীর্ষ ৫ দেশঃ
১ ভারত (৮৩.১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)
২ চীন (৫৯.৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)
৩ মেক্সিকো (৪২.৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)
৪ ফিলিপাইন (৩৪.৯১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)
৫ মিসর (২৯.৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)
- অভিবাসীদের গন্তব্যে শীর্ষ ৩ দেশ: ১. যুক্তরাষ্ট্র, ২. জার্মানি, ৩. সৌদি আরব।
- অভিবাসী পাঠানোয় শীর্ষ ৩ দেশ: ১. ভারত, ২. মেক্সিকো, ৩. রাশিয়া।
- অভিবাসী পাঠানোয় বাংলাদেশ: ৬ষ্ঠ।
- রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ: ৮ম (২১.৭৫ বি.মা.ড)।

৫,১২৯.
বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন -
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. কর্নেল ওসমানী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার শপথ গ্রহণ করে - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে।
- এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন - এম.এ.জি ওসমানী।

যেহেতু, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন, সেহেতু তিনিই কার্যত মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৫,১৩০.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সর্বোচ্চ গন্তব্য কোন দেশ? 
  1. কানাডা 
  2. জার্মানি 
  3. যুক্তরাষ্ট্র 
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির সর্বোচ্চ গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি:

- দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের হিসাবে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২০১টি দেশ ও অঞ্চলে মোট ৪ হাজার ৬৫৭ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশের গন্তব্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয় ৭৫৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত দেশের তৈরি পোশাকের দেশ ভিত্তিক রপ্তানি হিসাব অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এ খাতের সবচেয়ে বড় বাজার হিসেবে অবস্থান করছে। ইউরোপীয় বাজারে বাংলাদেশের আরএমজি রপ্তানি হয়েছে ১৯.৭১ বিলিয়ন ডলার যা দেশে মোট আরএমজি রপ্তানির ৫০.১০ শতাংশ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার (১৯.১৮ শতাংশ)।
- কানাডা ও যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হয়েছে যথাক্রমে ১.৩০ বিলিয়ন ডলার (৩.৩১ শতাংশ) এবং ৪.৩৫ বিলিয়ন ডলার (১১.০৫ শতাংশ)।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ৯.১০ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৩.৭৯ শতাংশ এবং কানাডায় ১২.০৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। 
- ইউরোপের মধ্যে জার্মানি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার, যেখানে রপ্তানি হয়েছে ৪.৯৫ বিলিয়ন ডলার। এরপর রয়েছে স্পেন (৩.৪০ বিলিয়ন ডলার), ফ্রান্স (২.১৬ বিলিয়ন ডলার), নেদারল্যান্ডস (২.০৯ বিলিয়ন ডলার), পোল্যান্ড (১.৭০ বিলিয়ন ডলার), ইতালি (১.৫৪ বিলিয়ন ডলার) এবং ডেনমার্ক (১.০৪ বিলিয়ন ডলার)।

এছাড়াও,
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিকস: কি ইনসাইটস অ্যান্ড ট্রেন্ডস ইন ২০২৪’ শীর্ষক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
ii) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
iii) প্রথম আলো।

৫,১৩১.
'বীরশ্রেষ্ঠ' ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর শহীদ হন -
  1. ক) ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১
  2. খ) ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
-  পিতা আব্দুল মোতালেব হাওলাদার ছিলেন কৃষক ও শৌখিন গাইয়ে এবং মা সাফিয়া বেগম ছিলেন গৃহিণী।
- পিতার আর্থিক দৈন্যতার কারণে মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সে মামার বাড়ি মুলাদি উপজেলার পাতারচর গ্রামে গমন করেন।
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
 - তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৫,১৩২.
’ন্যায়পাল’ সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়ছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭৫ নং
  3. ৭৭ নং
  4. ৮০ নং
ব্যাখ্যা
• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
 - ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৫,১৩৩.
'আমার দেখা নয়া চীন' বইটি সম্পাদনা করেন-
  1. অধ্যাপক ফখরুল আলম
  2. শেখ হাসিনা
  3. অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান
  4. শেখ রেহানা
ব্যাখ্যা

• 'আমার দেখা নয়া চীন' বইটির লেখক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• বইটির ভূমিকা লিখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
• সম্পাদনা করেন অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান।
• ইংরেজি অনুবাদ করেন অধ্যাপক ফখরুল আলম।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মার্চ-২০২০।

৫,১৩৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. পঞ্চগড় 
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা।
- অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।


উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রথম আলো।

৫,১৩৫.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম 
  2. খ) এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী 
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল ঘোষিত মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলার পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর।
- তাজউদ্দিন আহমেদ ১২ এপ্রিল মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - প্রেসিডেন্ট।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম - ভাইস-প্রেসিডেন্ট।
- তাজউদ্দীন আহমেদ - প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ - পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ।
- এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান - অভ্যন্তরীণ সরকার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন।
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী - অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৫,১৩৬.
'সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা' হলো বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার -
  1. অঙ্গীকার
  2. ঘোষণা
  3. বিধি
  4. উদ্দেশ্য
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:

- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,১৩৭.
Where is Uttara Ganobhaban located?
  1. Dhaka
  2. Rajshahi
  3. Bogura
  4. Natore
  5. Cumilla
ব্যাখ্যা
উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- ১৯৫২ সালে দিঘাপতিয়ার শেষরাজা প্রতিভানাথ রায় সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান।
- পরবর্তীতে রাজ প্রাসাদটি ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণে আসে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- উত্তরা গণভবন ৪১.৫১ একর জমির উপর অবস্থিত।
- বর্তমানে এই রাজপ্রাসাদ থেকে হারিয়ে যাওয়া রাজা-রাণীর ব্যবহৃত ঐতিহাসিক দ্রব্যসামগ্রী উদ্ধার করে একটি সংগ্রহশালা নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।

উল্লেখ্য,
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,১৩৮.
শেখ মুজিবুর রহমান কখন আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ১৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২৩ জুলাই, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ৬ দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলার কারণ - এটি বাঙালির ন্যায্য অধিকারের সনদ।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩৯.
নিচের কোনটি জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত? 
  1. ব্রি ধান৮৪
  2. ব্রি ধান৬৪
  3. ব্রি ধান৬২
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- ব্রি ধান৬২;
- ব্রি ধান৬৪;
- ব্রি ধান৭২;
- ব্রি ধান৭৪;
- ব্রি ধান৮৪;
- ব্রি ধান১০০;
- ব্রি ধান১০২.

- ব্রি ধান৬২ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক Jirakateri এবং BRRI dhan39 জাতের মধ্যে সঙ্করাণের পর দুইবার র‍্যাপিড জেনারেশন অ্যাডভান্স (RGA) করে বংশানুক্রম সিলেকশান (Pedigree Selection) এর মাধ্যমে উদ্ভাবিত।
- জাতটি ২০১৩ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক রোপা আমন মৌসুমে জন্য অনুমোদন লাভ করে।

- ব্রি ধান৬৪ এর চালে উচ্চ মাত্রায় অত্যাবশ্যকীয় খাদ্যোপাদান জিঙ্ক রয়েছে।
- মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, বুদ্ধিমত্তাসহ নানাবিধ শারীরবৃত্তীক প্রক্রিয়ার জন্য জিঙ্ক অতি প্রয়োজনীয়।
- ব্রি ধান৬৪ তে জিঙ্কের পরিমান প্রচলিত জাতের চেয়ে কমপক্ষে ৮ মিলিগ্রাম বেশি। 

- ব্রি ধান৮৪  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুরে  উদ্ভাবন করা হয়েছে।
-  বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক ২০১৭ সালে জাতটি ছাড়করণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সিটিউট।

৫,১৪০.
বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত তামাকের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা হলো -
  1. আবগারি শুল্ক
  2. বহিঃশুল্ক
  3. বাণিজ্য শুল্ক
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত তামাকের ওপর যে কর ধার্য করা হয় তা হলো আবগারি শুল্ক।

আবগারি শুল্ক:
- আবগারি শুল্ক  দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের ওপর আরোপিত কর। 
- সরকারি কোষাগারে রাজস্ব বৃদ্ধির জন্য আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়, যা দিয়ে সরকারি ব্যয় মেটানো হয়।
- এটা সরকারের আয়ের একটা উৎস।
- আবগারি শুল্ক সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, আবার এটি আয়ের পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে।
- করারোপের সুবিধার নীতি প্রয়োগের জন্যও আবগারি শুল্ককে ব্যবহার করা যেতে পারে, যেমন, কোনো বিশেষ দ্রব্যের (যথা, তামাকের) ওপর আবগারি শুল্ক সংগ্রহ করে উক্ত তহবিল ওই দ্রব্যের ভোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে সহায়তার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। 
- ১৯৯১-৯২ সালে মূসক-এর আওতা বহির্ভুত যেসব দ্রব্য ও সেবার ওপর আবগারি শুল্ক আরোপযোগ্য ছিল, সেগুলি হলো তামাক, প্রাকৃতিক গ্যাস ও পেট্রোলজাত দ্রব্য, সংবাদপত্রের কাগজ, সোনা-রুপা ও সোনা-রূপার জিনিসপত্র, লবণ, ব্যাংক চেক এবং সাধারণ ইট।

অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক: কিছু বিলাস সামগ্রীর আমদানি ও ব্যবহারকে নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এসব পণ্যের উপর মুসক ছাড়াও বিভিন্ন হারে অতিরিক্ষ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়ে থাকে।
- বহিঃশুল্ক: আমদানি-রপ্তানির উপর আরোপিত শুল্ককে বহিঃশুল্ক বলে।
- বাণিজ্য শুল্ক: বাণিজ্য শুল্ক কেন্দ্রীয় সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস। সাধারণতঃ আমদানি-রপ্তানির উপর এই শুল্ক ধার্য করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর: দেশের পণ্য সামগ্রীর উৎপাদন থেকে ভোগ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সংযোজিত মূল্যের ভিত্তিতে এ কর ধার্য করা হয়। এটি একটি পরোক্ষ কর। এটি সংক্ষেপে ভ্যাট নামে পরিচিত।

উৎস: i)  অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৫,১৪১.
বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি ইপিজেড এর সংখ্যা -
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৮টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫,১৪২.
মেজর এম এ জলিল কত নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ৬ নং
  2. ৭ নং
  3. ৮ নং
  4. ৯ নং
ব্যাখ্যা
৯ নং সেক্টর: 
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। 
- হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। 
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন। 
- এই সেক্টরে প্রায় বিশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করে। 
- এই সেক্টরকে টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ ও শমসেরনগর তিনটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। 
- ডিসেম্বর মাসে চূড়ান্ত আক্রমণের পূর্বে এই সেক্টরকে ৮ নং সেক্টরের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং এর দায়িত্ব অর্পিত হয় মেজর মঞ্জুরের উপর।

এছাড়া,
- ৬ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
- ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
- ৮ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম এ মঞ্জুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,১৪৩.
বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি বা বাংলা প্রদেশকে দু’ভাগে ভাগ করার পরিকল্পনা গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে এর বাস্তবায়ন হয়।
এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ। প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা। অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।

সূত্র: বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১৪৪.
নির্বাচন কমিশন কী ধরনের সংস্থা?
  1. স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা
  2. পূর্ণ সরকারি সংস্থা
  3. স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক সংস্থা।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১৪৫.
দ্বৈত শাসন বলতে বোঝানো হয়-
  1. ক) রাজা ও মন্ত্রীর শাসন ব্যবস্থা
  2. খ) একাধিক শাসকের শাসন ব্যবস্থা
  3. গ) দুটি রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা
  4. ঘ) প্রশাসনে দুটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতি
ব্যাখ্যা
- ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন দ্বারা বৃটিশ ভারতীয় প্রদেশগুলোতে দ্বৈতশাসন প্রবর্তন করা হয়।
- দ্বৈতশাসন বলতে কোনো প্রশাসনে দুটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিকে বোঝায়।
- সাধারণত এরূপ ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিষয়সমূহকে দুই ভাগে বিভক্ত করা হয় এবং এগুলো পরিচালনার জন্য দু'ধরনের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ সৃষ্টি করা হয়।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫,১৪৬.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯২১ সালে
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,১৪৭.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) বীরসিংহ
  2. খ) কাঁঠালপাড়া
  3. গ) মেহেন্দিগঞ্জ
  4. ঘ) দেবানন্দপুর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতার নাম ভাগবতী দেবী।
- অসাধারণ মেধা আর অধ্যবসায়ের ফলে তিনি মাত্র একুশ বছর বয়সে সংস্কৃত সাহিত্য, ব্যাকরণ, ন্যায়, বেদান্ত, স্মৃতি ইত্যাদি বিষয়ে অগাত পাণ্ডিত্য অর্জন করেছিলেন।
- ১৮৩৯ সালে কলকাতার ‘সংস্কৃত কলেজ’ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয়।

- তাঁকে বাংলা গদ্য সাহিত্যের জনক বলা হয়।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহের পক্ষে কঠোর অবস্থান নেন এবং তাঁর নিরলস প্রচেষ্টার কারণে ১৮৫৬ সালে গভর্নরের সাহায্য নিয়ে বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৯১ সালে ৭১ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
৫,১৪৮.
রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পেতে হলে কমপক্ষে কতটি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন থানায় কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করতে হয়?
  1. ৫০টি
  2. ৮০টি
  3. ১০০টি
  4. ১১০টি
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে।
- প্রথমত, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়;
- দ্বিতীয়ত, ওই সব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি;
- তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। 
ii) BBC.
৫,১৪৯.
কত সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু হয়েছিল?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA):
- BAPA (Bangladesh Poribesh Andolon) একটি পরিবেশবাদী সংগঠন।
- বাংলাদেশের পরিবেশ রক্ষার জন্য দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ২০০০ সালে Bangladesh Poribesh Andolon (BAPA) চালু করা হয়েছিল।
- ২০০০ সালে বাংলাদেশে পরিবেশ রক্ষার জন্য একটি দেশব্যাপী, ঐক্যবদ্ধ এবং শক্তিশালী নাগরিক আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (BAPA) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশগত অবক্ষয় রোধ করা এবং দেশের পরিবেশ সুরক্ষায় জনগণকে সাথে নিয়ে কাজ করা।

⇒ বাংলাদেশের পরিবেশ দ্রুত নষ্ট হচ্ছে। শহুরে বাতাসের মান হ্রাস পাচ্ছে। ভূ-পৃষ্ঠের জলাশয়গুলি দূষিত, সীমাবদ্ধ এবং অবক্ষয়িত হচ্ছে। উধাও হয়ে যাচ্ছে বন ও খোলা জায়গা। কোলাহল বাড়ছে। বিলুপ্ত হচ্ছে জীববৈচিত্র্য।
- এই অবক্ষয়ের প্রক্রিয়াগুলোকে ধীরগতি ও বিপরীতমুখী করা না হলে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক অগ্রগতি ধীরে ধীরে ব্যাহত হবে এবং বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়বে।
- বাংলাদেশের পরিবেশ-পন্থী শক্তিরা বাংলাদেশের পরিবেশগত সমস্যা নিয়ে আলোচনা করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য করণীয় নির্ধারণের জন্য বাংলাদেশ পরিবেশ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে (ICBEN) একত্রিত হয়।
- ICBEN ২০০০ এর সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে, BAPA গঠিত হয়।

উৎস: BAPA ওয়েবসাইট।
৫,১৫০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৩.১২ শতাংশ
  2. ৩.২১ শতাংশ
  3. ৫.৮০ শতাংশ
  4. ৬.৬৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:

- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇒ সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে –
কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.২১% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ২.৬১ শতাংশ।
একই সময়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।
সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৫.৮৪ শতাংশ।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫,১৫১.
বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান কত বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ৩০ বছর
  2. ৫০ বছর
  3. ৭০ বছর
  4. ১০০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে:
• বন্যা,
• নদী ভাঙন,
• নদী ব্যবস্থাপনা,
• নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ,
• বর্জ্য ব্যবস্থাপনা,
• বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৫,১৫২.
গৌড়ের 'আদিনা মসজিদ' নির্মাণ করেন কোন শাসক?
  1. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. সুলতান সিকান্দার শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা
সিকান্দর শাহ:
- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন।
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- তাঁর সময় তৈরি আদিনা মসজিদ মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৫৩.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. নাইমুর রহমান
  3. তামিম ইকবাল
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
 
উৎস:
i) ESPNcricinfo.
ii) Cricinfo ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫,১৫৪.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে-
  1. ক) ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর
  2. খ) ১৯৭১ সালের ২৫ নভেম্বর
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২১ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে। ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করে। ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে। যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়। [সূত্র: একাদশ -দ্বাদশ শ্রেণীর (উন্মুক্ত) ইতিহাস বই]
৫,১৫৫.
হোসেন শাহী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা: 
- হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আলাউদ্দিন হোসেন শাহ। 
- তিনি ছিলেন আরবের সৈয়দ বংশের লোক। 
- তিনি হাবশি সুলতান বরবক শাহের আমলে বাংলায় আসেন এবং চাকুরি গ্রহণ করেন। 
- সর্বশেষ হাবশি সুলতান মুজাফ্ফর শাহ তাঁকে উজির নিযুক্ত করেন।
- মুজাফ্ফর শাহের স্বৈর শাসনে দেশে বিদ্রোহ দেখা দেয়।
- গৌড়ের অনেক অধিবাসীকে তিনি নির্মমভাবে হত্যা করেন।
- দেশের এরূপ পরিস্থিতিতে হোসেন শাহ হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে বাংলার সিংহাসনে বসেন।
- তিনি আলাউদ্দিন হোসেন শাহ উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর নামানুসারেই তাঁর বংশের নাম হয় হোসেন শাহী বংশ।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৫৬.
২০২০ সালে কোন বাংলাদেশি 'ইউনেস্কো উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন?
  1. ক) সায়মা ওয়োজেদ পুতুল
  2. খ) ড. ফেরদৌস কাদরী
  3. গ) মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা
  4. ঘ) ড. নুসরাত জাহান
ব্যাখ্যা
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ইউনেস্কো কর্তৃক 'ইউনেস্কো উইমেন ইন সায়েন্স অ্যাওয়ার্ড' বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। বিশ্বের ৫ টি অঞ্চল থেকে ৫ জন নারী বিজ্ঞানী কে গবেষণার জন্যে এ পদক প্রদান করা হয়।
- এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের ড. ফেরদৌস কাদরী এ পুরস্কারের জন্যে মনোনীত হন। তিনি আইসিডিডিআর'বি তে কর্মরত আছেন। উন্নয়নশীল দেশে শিশুদের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে অবদানের জন্যে তাকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ড. ফেরদৌস কাদেরী সম্প্রতি ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো)
৫,১৫৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. মজিদ খান শিক্ষা কমিশন
  2. সামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. আকরাম খান শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরাত‑এ‑খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন-১৯৭২:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী কুদরত-ই-খুদা-কে প্রধান করে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালে গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

তথ্যসূত্র - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৫,১৫৮.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. খ) ২৫ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুই শতেরও বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৫,১৫৯.
শিক্ষা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. ড. জিনবোধি ভিক্ষু
  2. ড. নিয়াজ জামান
  3. ড. মাযহারুল ইসলাম
  4. রোকেয়া সুলতানা
ব্যাখ্যা

শিক্ষা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করেন ড. নিয়াজ জামান। 

একুশে পদক ২০২৫:
⇒ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন। পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

অন্যদিকে,
- ড. জিনবোধি ভিক্ষু শিক্ষায় বিশেষ অবদানের জন্য একুশে পদক লাভ করেন ২০২৪ সালে।
- ড. মাযহারুল ইসলাম শিক্ষায় একুশে পদক লাভ করেন ২০২৩ সালে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৫,১৬০.
"নানান দেশের নানান ভাষা।
বিনে স্বদেশীয় ভাষা,
পুরে কি আশা।।" - গানটির রচয়িতা কে?
  1. অতুল প্রসাদ সেন
  2. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. নিধু বাবু
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত টপ্পাগান- "নানান দেশের নানান ভাষা।
                           বিনে স্বদেশীয় ভাষা
                            পুরে কি আশা।।" -এর রচয়িতা নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত (১৭৪১-১৮৩৯)
কবিগানের সমসাময়িক কালে কলকাতা ও শহরতলীতে টপ্পাগান নামে রাগ-রাগিনী সংযুক্ত এক ধরনের ওস্তাদি গানের প্রচলন ছিল। হিন্দি টপ্পাগান এর আদর্শ। 
- বাংলা  টপ্পাগানের জনক ছিলেন  নিধু বাবু বা রামনিধি গুপ্ত ।
- তাঁর টপ্পাগানের সংকলনের নাম গীতরত্ন (১৮৩২)। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫,১৬১.
প্রাচীন গুপ্ত সম্রাজের রাজধানী ছিল-
  1. সোনারগাঁও
  2. মুর্শিদাবাদ
  3. মহাস্থানগড়
  4. রহিতগিরি
ব্যাখ্যা

- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে। 
- গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি 'প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবেপরিগণিত হতো।
- মৌর্যদের মতো গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।

৫,১৬২.
মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ কে ছিলেন?
  1. কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
  2. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার
  3. কর্নেল আবদুর রব
  4. মেজর খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী গঠন ও কার্যক্রম: 
- মুজিবনগর সরকার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিতভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী।
- এছাড়া চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল (অব.) আবদুর রব।
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৫,১৬৩.
৭ই মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্রের নাম কী?
  1. ওরা ১১ জন
  2. তর্জনী
  3. মাইক
  4. দ্য স্পিচ
ব্যাখ্যা
মাইক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্রমাইক’।
- চলচ্চিত্র ‘মাইক’ তরুণ লেখক, কলামিস্ট ও সংগঠক এফ এম শাহীনের প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন এফ এম শাহীন ও হাসান জাফরুল (বিপুল)।
- এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণসহ স্বাধীনতার ইতিহাস জানতে পারবে।
- মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে মাইক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাজাকারদের যেভাবে উত্থান ঘটেছিল, সেই ইতিহাস এ সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে।
- সিনেমায় দাইয়ান, সানজিদ, মেঘসহ চার শিশুশিল্পী অভিনয় করে।

অন্যদিকে -
- চাষী নজরুল ইসলামের 'ওরা ১১ জন' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র।
- ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত সোহেল রানা বয়াতি নির্মিত চলচ্চিত্র ‘তর্জনী’।
- ১৯৭১ এর ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই দৃপ্ত ভাষণ নিয়ে গুণী নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র ‘দ্য স্পিচ’।

উৎস: ২৮ মার্চ, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৫,১৬৪.
'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' এর সদস্য নন -
  1. ক) তোফায়েল আহমেদ
  2. খ) শাজাহান সিরাজ
  3. গ) আ. স. ম. আব্দুর রব
  4. ঘ) আব্দুল কুদ্দুস মাখন
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় । “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন -
১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ)
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)
• এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,১৬৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা

- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

তথ্যসূত্র- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৫,১৬৬.
বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৬ (ছয়) টি
  2. ৭ (সাত) টি
  3. ৮ (আট) টি
  4. ৯ (নয়) টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------------- 
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
-  পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৫,১৬৭.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস কত তারিখ?
  1. ১২ জুলাই
  2. ৭ আগস্ট
  3. ৩ আগস্ট
  4. ৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

⇒ সর্বশেষ ১৬ জুলাই 'জুলাই শহীদদিবস' এবং ৫ আগস্ট 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস, পালন করার জন্যে সরকার পরিপত্র জারি করে।

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ৫ ই আগস্ট ২০২৫ সাল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।
- জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।

​উৎস: প্রথম আলো  

৫,১৬৮.
কোন মুঘল সম্রাট বাংলার নাম দেন জান্নাতাবাদ?
  1. হুমায়ুন
  2. জাহাঙ্গীর
  3. আকবর
  4. শাজাহান
ব্যাখ্যা
মুঘল সম্রাট হুমায়ুন:
- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬) মুঘল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানীর নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।
- হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।

উল্লেখ্য, 
- মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট জাহাঙ্গীর।
- মুঘল সম্রাট শাহজাহানের অমোঘ প্রেমের নিদর্শন তাজমহল নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,১৬৯.
আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশ ২০২৫ অনুযায়ী, জোটগত নির্বাচনে একজন প্রার্থী কোন প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে?
  1. জোটের সাধারণ প্রতীক 
  2. নিজ দলের প্রতীক
  3. স্বতন্ত্র প্রতীক
  4. যেকোনো প্রতীক 
ব্যাখ্যা

• গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর গেজেট জারি করেছে সরকার।
- এতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জোটগতভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান যুক্ত করাসহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
- নভেম্বর ৪, ২০২৫ তারিখে আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে।
- ২৩ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।


• মূল সংশোধনীসমূহ:
- জোটগত নির্বাচনে প্রতীক: নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জোটবদ্ধ হলেও প্রার্থীকে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করতে হবে। জোটের কমন প্রতীক ব্যবহারের সুযোগ সীমিত/বাতিল।
- ‘না ভোট’ পুনরায় চালু: একক প্রার্থীর আসনে ভোটাররা ‘না’ ভোট দিতে পারবেন, যাতে অবাধ/অপ্রতিদ্বন্দ্বী নির্বাচন এড়ানো যায়।
- আদালত কর্তৃক ঘোষিত পলাতক বা ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
- সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান, কোস্ট গার্ড) কে নির্বাচনকালীন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় যুক্ত করা হয়েছে।
- সমান ভোটের ক্ষেত্রে: লটারির পরিবর্তে পুনঃভোট অনুষ্ঠিত হবে।
- নির্বাচনী জামানত: ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 
- আচরণবিধি লঙ্ঘন: সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ডের বিধান।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) অপব্যবহার (যেমন ফেক নিউজ/ডিপফেক)-কে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য; প্রার্থীর আয়-সম্পত্তির বিবরণ প্রকাশ বাধ্যতামূলক; ইভিএম ব্যবহার বাতিল; প্রবাসীদের পোস্টাল ব্যালটের বিধান (পরবর্তী সংশোধনীতে আরও স্পষ্ট)।


তথ্যসূত্র: i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।  

৫,১৭০.
গান্ধীজি কত সালে "ভারতছাড়" আন্দোলন প্রচার করেন?
  1. ১৯৪৩ সাল
  2. ১৯৪২ সাল
  3. ১৯৪৪ সাল
  4. ১৯৪৭ সাল
ব্যাখ্যা

• গান্ধীজি কত সালে "ভারতছাড়" আন্দোলন প্রচার হয় ১৯৪২ সালে।

'ভারত ছাড়' আন্দোলন

- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে ক্রিপস মিশন প্রস্তাব সব মহল প্রত্যাখ্যান করলে সমগ্র ভারত ব্যাপী তীব্র গণঅসন্তোষ দেখা দেয়।
- উপমহাদেশের বাইরে এ সময় পৃথিবী ব্যাপী চলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ।
- জার্মানির মিত্র রাষ্ট্র জাপানের ভারত আক্রমণের আশঙ্কায় ভারতীয়দের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- গান্ধীজি ভারতে ব্রিটিশ সরকারের উপস্থিতিকে এই আক্রমণের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- সুতরাং ব্রিটিশ সরকার ভারত ছাড়লে জাপানের ভারত আক্রমণের পরিকল্পনার পরিবর্তন হতে পারে।
- এই চিন্তা করে তিনি ইংরেজদের ভারত ছেড়ে যেতে বলেন।
- শুরু হয় কংগ্রেসের 'ভারত ছাড়' আন্দোলন।
- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে মহাত্মা গান্ধীর ডাকে এই আন্দোলনে জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির এক অধিবেশনে তিনি তাঁর দৃঢ় ঘোষণায় উল্লেখ করেন 'আমি অবিলম্বে স্বাধনিতা চাই।
- এমনকি এই রাত্রির মধ্যেই, ঊষালগ্নের আগেই যদি তা সম্ভব হয়।'
- তিনি আরো বলেন 'আমরা লড়াই করে স্বাধীনতা অর্জন করবো। আর এ হবে আমাদের জীবনে শেষ লড়াই।'

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৭১.
At which university was the 'July 36 Gate' constructed?
  1. Sylhet Agricultural University
  2. Khulna  University
  3. Rajshahi University
  4. University of Dhaka
ব্যাখ্যা

জুলাই ৩৬ গেইট:
-সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে  জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘জুলাই ৩৬ গেইট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ২৪ এর জুলাইয়ের শহীদ ও আহত বীর সন্তানদের প্রতি সম্মান জানিয়ে গেইটটির নাম ‘জুলাই ৩৬’ রাখা হয়েছে। নামটির প্রতিটি অংশে নিহিত আছে স্মৃতি ও প্রতিজ্ঞা।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস, আঞ্চলিক অফিস, সিলেট।

৫,১৭২.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম আসন কয়টি ছিল?
  1. ২২৩টি
  2. ২৩৬টি
  3. ২৩৭টি
  4. ২৯৮টি
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আসন বণ্টন:
১) মুসলমান আসন - ২৩৭টি (৯টি মহিলা আসনসহ)
২) সাধারণ বর্ণ হিন্দু - ৩১টি (১টি মহিলা আসনসহ)
৩) তফশিলি জাতি হিন্দু - ৩৮টি (২টি মহিলা আসনসহ)
৪) বৌদ্ধ - ২টি
৫) খ্রিস্টা - ১টি
সর্বমোট ৩০৯টি (১২টি মহিলা আসনসহ)

নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- ফলে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।
- ফলে, যুক্তফ্রন্ট মোট আসন লাভ করে ২১৫টি+৮টি+১৩টি=২৩৬টি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৭৩.
স্বাধীনতা-উত্তর কোন জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি নিরপেক্ষ অন্তর্বতীকালীন সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
ব্যাখ্যা
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন-১৯৯১:
- স্বাধীনতা-উত্তর একমাত্র পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি পরিচালিত হয় একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বতীকালীন সরকারের অধীনে।

⇒ ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচন ছিল ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র রক্ষার ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের ফসল।
- নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রথম ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যদিও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সংবিধানের অংশ ছিল না, কিন্তু সবগুলো রাজনৈতিক দলের সম্মতির ভিত্তিতে সেটি করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষে সুপ্রীমকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তিন জোটের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য হতে ১৭ জন উপদেষ্টা নিয়োগ করেন।
- এই নির্বাচনে বিজয়ী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি।
- ১৯৯১ সালের ২০শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে খালেদা জিয়া।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৭৪.
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. তোফাজ্জল হোসেন
  2. গাজীউল হক
  3. কাশেম আলী
  4. অলি আহাদ
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
- সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
৫,১৭৫.
জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাকালীন চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. ক) আনোয়ার হোসেন মঞ্জু
  2. খ) নাজিউর রহমান মঞ্জু
  3. গ) মেজর জিয়াউর রহমান
  4. ঘ) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
জাতীয় পার্টি (জে.পি):
- ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি লে. জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে চেয়ারম্যান করে গঠিত রাষ্ট্রীয় আনুকূল্য প্রাপ্ত একটি মধ্যপন্থী দল।
- ১৯৮৬ সালের মে মাসে এবং এরপর ১৯৮৮ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে এ দল সহজেই বিজয় অর্জন করে।
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহ এবং ছাত্রদের দ্বারা পরিচালিত আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- ১৯৯১ সালে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত দেশের পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে জয়ী হয়ে তৃতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়।
- জাতীয় পার্টি এখন নেতৃত্বের প্রশ্নে জাতীয় পার্টি (এরশাদ), জাতীয় পার্টি (আনোয়ার হোসেন মঞ্জু) এবং জাতীয় পার্টি (নাজিউর রহমান মঞ্জু) এই তিন ভাগে বিভক্ত।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৫,১৭৬.
কোন্ সংস্থা বাংলাদেশের GDP হিসাব করে?
  1. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. অর্থ বিভাগ 
  4. বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা

♦ মোট দেশজ উৎপাদন (GDP):
- GDP এর পূর্ণরূপ Gross Domestic Product.
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) সাধারণত ১ বছরের জন্য গণনা করা হয়।

♦ বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি:
- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে ।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।

♦ মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত-
• দেশের অভ্যন্তরীণ আয়।
• দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়।
• দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা।
• বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়।

→ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

♦ বর্তমান জিডিপি:
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

♦ উল্লেখ্য:
→ বাংলাদেশ ব্যাংক: বাংলাদেশ ব্যাংক (কেন্দ্রীয় ব্যাংক) মুদ্রানীতি, বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ, ব্যাংকিং সেক্টর নিয়ন্ত্রণ, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি দায়িত্ব পালন করে।
→ অর্থ বিভাগ: অর্থ বিভাগ (Ministry of Finance-এর অংশ) বাজেট প্রণয়ন, রাজস্ব সংগ্রহ, ব্যয় বরাদ্দ, ফিসকাল পলিসি নির্ধারণ করে। 
→ বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন: পরিকল্পনা কমিশন (Planning Commission) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রকল্প অনুমোদন, উন্নয়ন বাজেট বরাদ্দ ইত্যাদি করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট, অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৭৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৮২টি
  2. ৭৬টি
  3. ৮৬টি
  4. ৮৭টি
ব্যাখ্যা

বিসিক শিল্পনগরীসমুহের অবদান:
- দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৮২টি।
- সারাদেশে অবস্থিত বিসিকের ৮২টি শিল্পনগরীতে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৬,১৩৫টি শিল্প ইউনিটের অনুকূলে ১১,১৭৪টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ৪,৬২৭টি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনরত আছে।
- ৮২টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫,৩৯৪.৯৯ কোটি টাকা।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬৩,৭১৬.৮৭ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩,০৪৬.০৫ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 

৫,১৭৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জনগণ
  4. উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।
- সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,১৭৯.
কাবাডিকে জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি।
- হাডুডু নামটির পোশাকি নাম কাবাডি।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- কাবাডি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর অন্যতম।
- গ্রামাঞ্চলে অধিক জনপ্রিয় হওয়ায় একে ‘গ্রামবাংলার খেলা’ বলা হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে ভারতের বিরুদ্ধে।
- ১৯৭৮ সালে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়; ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।
- ১৯৯৯ সালে সরকার আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডি বাধ্যতামূলক করে।

উৎস: প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।

৫,১৮০.
মুক্তিযুদ্ধে কয়টি ব্রিগেড ফোর্সের নাম পাওয়া যায়?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- তখন সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এবং ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৫,১৮১.
নিচের কোন সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত?
  1. ক) ESCAP
  2. খ) PLO
  3. গ) IAEA
  4. ঘ) CIRDAP
ব্যাখ্যা
- CIRDAP এর সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত।

CIRDAP

- CIRDAP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Center on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific.
- ১৯৭৯ সালের বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পল্লী জনগণের দারিদ্র্য বিমোচনে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় (চামেলি হাউজে) অবস্থিত।
- বর্তমানে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত: 
• IJSG
• BIMSTEC
• SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি। 

অন্যদিকে, 
- ESCAP এর সদর দপ্তর- ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- IAEA এর সদর দপ্তর- ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- PLO এর সদর দপ্তর- রামাল্লা, ফিলিস্তিন।

উৎস: সিরডাপ ওয়েবসাইট এবং অন্যান্য সংস্থার নিজস্ব ওয়েবসাইট।
৫,১৮২.
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক ২০২৩ -এ ভূষিত
  1. নূরজাহান বেগম
  2. ড. মোহাম্মদ জাফর ইকবাল
  3. মাকসুদুল আলম
  4. সেঁজুতি সাহা
ব্যাখ্যা
ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক ২০২৩:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। 
- ১৯৩০ সালের ৮ আগস্ট গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় সম্ভ্রান্ত শেখ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
-  বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ২০২১ সালে প্রবর্তিত হয়।
- প্রতিবছর ৮ অগাস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক দেওয়া হয়।
- ২০২৩ সালে জাতীয় নারী ফুটবল দল এবং চার বিশিষ্ট নারীকে এ বছরের পদকের জন্য নির্বাচিত করে মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• এছাড়াও,
- রাজনীতিতে - অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন (মরণোত্তর)।
- শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলায় নাসিমা জামান ববি ও অনিমা মুক্তি গোমেজ
- গবেষণায় -  ডা. সেঁজুতি সাহা (মলিকুলার বায়োলজিস্ট)।
- সাফ ফুটবল ২০২২-এ অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় জাতীয় নারী ফুটবল দল এবারের এই পদক লাভ করে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৫,১৮৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা -খাগড়াছড়ি
  1. বাগেরহাট

  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৫,১৮৪.
বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কাকে ফাঁসি দেওয়া হয়?
  1. ক) বিনয় সেন
  2. খ) প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
  3. গ) ক্ষুদিরাম বসু
  4. ঘ) লোকনাথ বল
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থিদের নেতৃত্বে স্বদেশী আন্দোলন ও সহিংস আন্দোলনের ‍সূত্রপাত ঘটে।
- এ সময় বিভিন্ন বিপ্লবী ও চরমপন্থি গ্রুপ ইংরেজদের উপর গুপ্ত হামলা চালায়। ১৯০৮ সালের ৩০ এপ্রিল ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে হত্যা করতে গিয়ে দুজন ইংরেজ হত্যার অভিযোগে ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকী গ্রেফতার হন।
- প্রফুল্ল চাকী আত্মহত্যা করেন এবং ক্ষুদিরামকে বিচারে ফাঁসি দেওয়া হয়।
- ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মুজফফরপুর কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৫,১৮৫.
'সন্তু রায়' পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র কোনটি?
  1. ধীরে বহে মেঘনা
  2. শ্যামল ছায়া
  3. টিয়ার্স অব ফায়ার
  4. গেরিলা
ব্যাখ্যা
সন্তু রায় পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র টিয়ার্স অব ফায়ার।

টিয়ার্স অব ফায়ার:
- 'টিয়ার্স অব ফায়ার' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তথ্যচিত্র।
- সন্তু রায় পরিচালিত টিয়ার্স অফ ফায়ার ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে একটি ডকুমেন্টারি।
- বুদ্ধিজীবীসহ পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের পরিবারের সদস্য এবং আত্মীয়রা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নয় মাসের মধ্যে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর দ্বারা পরিচালিত নৃশংসতার ভয়াবহ বিবরণ দেয়।

অন্যদিকে,
ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ধীরে বহে মেঘনা।
- এর পরিচালক আলমগীর কবির।
- এটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।

শ্যামল ছায়া:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যাত্রাপথে যখনই দেখা পেয়েছেন সাধারণ বাঙালিদের, তখনই পেয়েছেন তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, অসুস্থ হলে সেবা-শুশ্রূষা পেয়েছে পরম আন্তরিকতায়।
- এ রকম একটি অখ্যান নিয়ে প্রখ্যাত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘শ্যামলছায়া’।

গেরিলা চলচ্চিত্র:
- গেরিলা ২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- নাসির উদ্দিন ইউসুফ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে চলচ্চিত্রটি।
- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।

উৎস: ৯ ডিসেম্বর, ২০১৪, The daily Sta।
৫,১৮৬.
বর্তমানে দেশে স্বাক্ষরতার হার কত?
  1. ক) ৭৩.৯%
  2. খ) ৭২.৭%
  3. গ) ৬৯.৯%
  4. ঘ) ৭১.৮%
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশে স্বাক্ষরতার হার - ৭৩.৯%। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি- ২০২০]
৫,১৮৭.
জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত পঞ্চাশটি আসন কত বছরের জন্য বহাল রাখা হয়েছে?
  1. ২৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
সপ্তদশ সংশোধনী:
- নারী আসন।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসন আরও ২৫ বছর বহাল রাখার বিধান আনা হয়েছে।

• ষোড়শ সংশোধনী:
-
বিচারপতি অপসারণ।
-
এই সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনা হয়।
- ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বিলটি সংসদে পাস হয়।
- আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে উত্থাপন করেছিলেন।
- তবে আপীল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে অপসারণের ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ফিরিয়ে নিয়েছিল।
- পরে তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছিল।
- আওয়ামী লীগ সরকার আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করে।
- দীর্ঘ সময়ে রিভিউ আবেদনের নিস্পত্তি হয়নি।
- আর এই রিভিউ আবেদন আদালতে নিস্পত্তির অপেক্ষায় থাকলেও বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে থাকার সেই সংশোধনী বহাল রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৫,১৮৮.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আহত কত জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৭৩৪ জন
  2. ৮৪০ জন
  3. ১২০১ জন
  4. ১৪০১ জন
ব্যাখ্যা
জুলাই যোদ্ধা:
- গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ১৪০১ জনকে জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
- অতি গুরুতর ৪৯৩ জন আহতকে 'ক' শ্রেণিতে এবং গুরুতর আহত ৯০৮ জনকে 'খ' শ্রেণিতে রেখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা প্রকাশ করে।
- গেজেটে আহতদের মেডিকেল কেস আইডি, নাম, বাবা-মায়ের নাম ও স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়।
- আহতদের ধরন ভেদে ‘গ’ শ্রেণির তালিকাও প্রকাশ করবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এসব তালিকা ধরে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের আর্থিকভাবে সহায়তা করবে সরকার।

উল্লেখ্য,
- গত ১৫ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থানে ৮৩৪ জন শহীদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৫,১৮৯.
Who was the finance minister of the Mujibnagar government?
  1. Tajuddin Ahmed
  2. M Mansoor Ali
  3. Abul Hasnat Muhammad Kamaruzzaman
  4. Khandaker Mushtaq Ahmed
  5. Syed Nazrul Islam
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য:
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন গণপরিষদের আওয়ামীলীগের হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন- তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- শপথগ্রহণের সময় শতাধিক ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিক এবং প্রচার মাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৫,১৯০.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা

- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

উৎসঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট।

৫,১৯১.
What is the name of the Indian land port adjacent to the Benapole land port?
  1. ক) Dawkey
  2. খ) Krishnanagar
  3. গ) Petrapol
  4. ঘ) Sutarkandi
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের সর্ববৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এ স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশ পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁ থানার পেট্রাপোলে অবস্থিত।
- শূল্ক আইন ১৯৬৯ এর আওতায় ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশনের অধীনে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর ধারা মোতাবেক প্রঞ্জাপন নং-এস আর ও নং-৪৯৩/ডি/কাস/৭৯, তারিখ ০৬-০৭-১৯৭৯ এর  মাধ্যমে ওয়্যারহাউজিং স্টেশন ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের অক্টোবরে ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন বিলুপ্ত হওয়ার পর বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাট মন্ত্রণালয়ের বিলুপ্ত সেল এর উপর ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর ন্যাস্ত হয়।
- ২০০২ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশন কে স্থলবন্দর ঘোষণা করে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীন ন্যাস্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৫,১৯২.
প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জয়যাত্রা
  2. বিদ্রোহ
  3. ওরা এগারো জন
  4. সংগ্রাম
ব্যাখ্যা
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
৫,১৯৩.
'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয় কাকে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- তিনি 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' হিসেবে খ্যাত।
- ১৮৯২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরে সম্ভ্রান্ত এক পরিবারে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯২১ সনে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হবার পর দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের অসাম্প্রদায়িক মানসিকতা, উদার দৃষ্টিভঙ্গি ও গভীর স্বদেশপ্রেম দ্বারা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দারুণভাবে অনুপ্রাণিত হন।
- ১৯২১ সালে শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গীয় আইন পরিষদে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।
- তিনি ব্রিটিশ শাসন অবসানের লক্ষ্যে হিন্দু-মুসলিম ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯২৩ সালে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ এর নেতৃত্বে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তি সম্পাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৪৯ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৩ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মৃত্যুবরণ করেন।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
- বাংলাদেশের তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামেই পরিচিত।

উৎস: i) সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৯৪.
Who was the first to implement military rule in Pakistan?
  1. ক) Malik Feroze Khan
  2. খ) General Ayub Khan
  3. গ) Iskandar Mirza
  4. ঘ) General Yahya Khan
ব্যাখ্যা
পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:

- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৯৫.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন যথাক্রমে -
  1. ক) মজনু শাহ ও ভবানী পাঠক
  2. খ) ইলা মিত্র ও হাজী মোহাম্মদ মুহসিন
  3. গ) মাস্টার দ্য সূর্য সেন ও ভবানী পাঠক
  4. ঘ) মঙ্গল পান্ডে ও ইলা মিত্র
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ (১৭৬০-১৮০০)
• বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল প্রথম ব্রিটিশ বিরোধী বিদ্রোহ।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ চলে।
• আন্দোলনকারী ফকির-সন্ন্যাসীগণ ছিলেন মাদারিয়া সুফি তরিকার অনুসারী।
• নবাব মীর কাশিম ইংরেজদের সঙ্গে যুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসীদের সাহায্য চান।
• বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
• সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
• তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
• ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
• ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন। -১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
• তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে ফকির।
• মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
• মজনু শাহর মত্যুর পর নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ।ণ
• ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চুড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি এবং ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৯৬.
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট কতটি দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৪টি দল
  2. ১৬টি দল
  3. ১৮টি দল
  4. ২৪টি দল
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ব্যালট বাক্সে ব্যবহারের জন্য সরকার চূড়ান্তরূপে মোট ২৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট করেন।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ 'হারিকেন' প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্ট 'নৌকা' প্রতীক গ্রহণ করে। 
- ভোটগ্রহণ ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. আজফার। 

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ও জোট:
- ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে।
- মুসলমান আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মুসলিম লীগ, পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলামী, যুবলীগ, গণতন্ত্রী দল, খেলাফতে রব্বানী পার্টি প্রভৃতি।
- অমুসলমান আসনে অংশগ্রহণ করে পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, তফশিলি ফেডারেশন, গণসমিতি, অভয় আশ্রম (কুমিল্লা), পূর্ব পাকিস্তান সমাজতন্ত্রী দল প্রভৃতি।
- কমিউনিস্ট পার্টির মুসলমান সদস্যগণ মুসলমান আসনে এবং হিন্দু সদস্যগণ হিন্দু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- মুসলমান আসনে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি এবং নেজামে ইসলামী 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে সম্মিলিতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
- হিন্দু আসনে গণসমিতি, অভয় আশ্রম ও পূর্ব পাকিস্তান সমাজতান্ত্রিক দল 'সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৯৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জিয়াউর রহমান
  3. কর্নেল এম এ রব
  4. কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
ব্যাখ্যা
জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কর্নেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানী (যিনি এম.এ.জি. ওসমানী নামে পরিচিত) মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তার নেতৃত্বেই মুক্তিবাহিনী সংগঠিত হয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালায়।
- তিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন এবং ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতেও কাজ করেছিলেন।
- তার সামরিক জ্ঞান ও নেতৃত্বের দক্ষতার কারণে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর নেতৃত্বের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে গঠিত অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার তাকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিযুক্ত করে।
- তার অধীনে মুক্তিবাহিনী ১১টি সেক্টরে বিভক্ত হয়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালায়।
- এছাড়াও তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পরিকল্পনা এবং কৌশল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তার দক্ষ পরিচালনায় মুক্তিবাহিনী পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে পরাজিত করতে সক্ষম হয় এবং ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,১৯৮.
'All parties state language movement committee' was formed on-
  1. 18 February, 1952
  2. 20 February, 1952
  3. 2 February, 1952
  4. 31 January, 1952
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন:  
১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। 
• পরিষদের আহবায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব। 
• এ সভায় একুশে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।  

♣♣ 
• ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ৩ সদস্যবিশিষ্ট 'তমদ্দুন মজলিশ' গঠিত হয়। 
• এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
• এ সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়। 

• তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ';
• যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঞা।

• ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। 

• ১৯৪৮ সালের ২রা মার্চ দেশের ছাত্রসমাজ বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
• রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহ্বানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।  

• ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পল্টন ময়দানে ঘোষণা দেন, পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু ।
• এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুরু হয়ে যায়।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০শে জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘটের আহ্বান করে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,১৯৯.
রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য-
  1. নির্বাচন দেওয়া
  2. সামাজিক মূল্যবোধ শিক্ষা দেওয়া
  3. দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
•রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য:
১. রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে আদর্শগতভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে কর্মসূচি ও নীতিমালা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করা;
২. রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কিছু নীতিমালা ও পরিকল্পনা জনগণের নিকট পেশ করে জনসমর্থন সৃষ্টি করা;
৩. দলীয় নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় উন্নতি ও সমৃদ্ধি অর্জন করা এবং জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা;
৪. বৈধ ও নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের শাসনভার গ্রহণ ও রাজনৈতিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২০০.
চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার কত শতাংশ কৃষি ঋণ বিতরণ করা হয়েছে?
  1. ৬০.৩৫ %
  2. ৭৩.৬৫%
  3. ৫৫.২৩%
  4. ৬১.৫৪%
ব্যাখ্যা

চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৬১.৫৪% কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
- চলতি বছর কৃষি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ২৬২৯২ কোটি টাকা।
- ইতিমধ্যে ১৬১৮০.৮২ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণ করা হয়ে হয়েছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১