বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫১ / ৩০৬ · ৫,০০১৫,১০০ / ৩০,৮৩২

৫,০০১.
‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?
  1. গম
  2. টমেটো
  3. আলু
  4. তুলা
ব্যাখ্যা
 ফসলের জাতসমূহ:
- আলুর উন্নত জাত:- ডায়মন্ড , কার্ডিনাল, সিন্দুরী।
- টমেটো উন্নত জাত:- বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা , শ্রাবণী।
- তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
- গমের উন্নত জাত:- বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৫,০০২.
এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন কোন প্রদেশের দিউয়ানি লাভ করে?
  1. বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা
  2. বাংলা, বিহার ও আসাম
  3. বাংলা, মাদ্রাজ ও বোম্বে
  4. বাংলা, দিল্লি ও লখনৌ
ব্যাখ্যা

এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে  রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

উল্লেখ্য,
- বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন। ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- এদেশে এসেই তিনি মীর কাশিমের মিত্রশক্তি অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের প্রতি নজর দেন। বক্সার যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি পেয়ে অযোধ্যার নবাবের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন। তারপর তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০০৩.
সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি ও সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিধান যুক্ত করে কোন অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. জাতীয় নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ২০২৫
  2. অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ, ২০২৫
  3. রাষ্ট্রদ্রোহ ও নিরাপত্তা বিধান অধ্যাদেশ, ২০২৫
  4. সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫
ব্যাখ্যা
সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তি বা সত্তার (সংগঠন) যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার বিধান যুক্ত করে সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করে সরকার।
- সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯ সময়োপযোগী করার জন্য সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছে সরকার।
- সংসদ কার্যকর না থাকায় আইন অধিকতর সংশোধন করে আশু ব্যবস্থা নিতে সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদে দেয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- পরে তা ১১ মে, ২০২৫ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- সত্তার কার্যক্রম নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার নিষিদ্ধ করার বিধানও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- অধ্যাদেশে বলা হয়, সত্তার যাবতীয় কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা যাবে।
- এ ছাড়া সত্তা বা তার পক্ষে বা সমর্থনে যেকোনো প্রেস বিবৃতি, প্রচারণা, মিছিল, সভা-সমাবেশ, সংবাদ সম্মেলন বা জনসম্মুখে বক্তব্য দেওয়া নিষিদ্ধ করা যাবে।
- সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী, ‘সত্তা’ বলতে কোনো আইনি প্রতিষ্ঠান, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, বাণিজ্যিক বা অবাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, গোষ্ঠী, অংশীদারি কারবার, সমবায় সমিতিসহ এক বা একাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত যে কোনো সংগঠনকে বোঝায়।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট।
৫,০০৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর কে? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন
  2. শফিকুল ইসলাম
  3. ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার
  4. আহসান এইচ মনছুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী পরিচালিত হয়।
- ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- এর প্রধান কার্যালয় ব্যতীত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আরও দশটি শাখা রয়েছে- 
- মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ ও রংপুর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিলেন আ ন ম হামিদুল্লাহ।  
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হচ্ছেন আহসান এইচ মনছুর (১৩তম)। 
- আর অর্থসচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার।
- গভর্নরের মেয়াদকাল চার বছর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৫,০০৫.
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগোর ডিজাইনার কে?
  1. মুর্তজা বশীর
  2. সব্যসাচী হাজরা
  3. প্রদীপ চক্রবর্তী
  4. রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগোর কনসেপ্ট ও ডিজাইন করেন রামেন্দু মজুমদার এবং প্রদীপ চক্রবর্তী।
- গত ২৬শে মার্চ ২০২১ জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে লোগো উন্মোচন করা হয়।
- মুজিববর্ষের লোগোর ডিজাইনার হলেন সব্যসাচী হাজরা যা ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি উন্মোচন করা হয়।
(তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং মানবজমিন)
৫,০০৬.
নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে প্রথম কততম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
ব্যাখ্যা
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন-১৯৯১:
- নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে প্রথম ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যদিও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সংবিধানের অংশ ছিল না, কিন্তু সবগুলো রাজনৈতিক দলের সম্মতির ভিত্তিতে সেটি করা হয়েছিল।
- ১৯৯১ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষে সুপ্রীমকোর্টের তিনজন বিচারপতির সমন্বয়ে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন এবং তিন জোটের মনোনীত ব্যক্তিদের মধ্য হতে ১৭ জন উপদেষ্টা নিয়োগ করেন।
- এই নির্বাচনে বিজয়ী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি।
- ১৯৯১ সালের ২০শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে খালেদা জিয়া।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতা-উত্তর একমাত্র পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি পরিচালিত হয় একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বতীকালীন সরকারের অধীনে। ফলে নির্বাচনী ফলাফলে দলীয় কোন প্রভাব পড়েনি।
- এই নির্বাচন ছিল ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র রক্ষার ঐক্যবদ্ধ সংকল্পের ফসল।

এছাড়া, 
⇒ বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০০৭.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ ভবন:
- জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
- তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ছিলেন।
- এটি রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯৬৪ সালে ১৫ মিলিয়ন ডলারের অনুমিত ব্যয় ধরে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- সমস্ত সুবিধাদিসহ ৩২ মিলিয়ন ডলারের পরিবর্তিত ব্যয়ে কমপ্লেক্সটির নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
- কমপ্লেক্সটির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে মূল সংসদ ভবন, সংসদ সদস্য, মিনিস্টার ও সেক্রেটারিদের হোস্টেল, অর্থিতি ভবন ও কমিউনিটি বিল্ডিং।
- মাটির উপরে কাঠামোটির উচ্চতা ৪৯.৬৮ মিটার। মূল ভবন কমপ্লেক্সটির নয়টি স্বতন্ত্র বিভাগে বিভক্ত।
- কেন্দ্রীয় ব্লকটি ৩৫৪ আসন ধারণক্ষম অ্যাসেম্বলি কক্ষ নিয়ে গঠিত।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা।
৫,০০৮.
'আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।' উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) ড. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা
• বহু ভাষাবিদ পণ্ডিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলাভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় একটি ভাষণে বলেছিলেন— ‘আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব কথা। প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ দিয়েছেন যে, তা মালা-তিলক-টিকিতে কিংবা টুপি-লুঙ্গি-দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই”।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি।
৫,০০৯.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে ২০২৭ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ২৭ শতাংশ
  2. খ) ৩৫ শতাংশ
  3. গ) ৩৮ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২
দেশিয় কাঁচামাল ও সম্পদ ব্যবহার করে শ্রমঘন শিল্পায়নের পাশাপাশি ৪র্থ শিল্প বিপ্লবের প্রযুক্তিগত সুবিধাকে ধারন করে বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করা, খাতভিত্তিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করা এবং উৎপাদিত পণ্যের গুণগতমানের উৎকর্ষ সাধনই জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর মূল উদ্দেশ্য।

শিল্পনীতির লক্ষ্য
- টেকসই ও পরিবেশসম্মত শিল্পায়নের মাধ্যমে দেশের অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে জনগণের আর্থসামাজিক উন্নয়ন।
- সরকারের সামগ্রিক রূপকল্প ২০৪১ অর্জনের লক্ষ্যে জনশক্তির দক্ষতা, উৎপাদনশীলতা ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে ২০২৭ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে শিল্প খাতের অবদান ৪০ শতাংশে উন্নীতকরণ;
- ৪র্থ শিল্প বিপ্লবসহ দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে খাপ খাইয়ে দীর্ঘ মেয়াদে শিল্পায়ন প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সরকারি ও ব্যক্তি খাতের সক্ষমতার উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র:- শিল্প মন্ত্রণালয়।
৫,০১০.
‘সাবাস বাংলাদেশ’ ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

সাবাস বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ভাস্কর্যগুলোর মধ্যে অন্যতম ভাস্কর্য 'সাবাস বাংলাদেশ'।
- এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: নিতুন কুণ্ডু।
- নির্মাণকাজ শেষ হলে ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি কংক্রিটে তৈরি ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করেন জাহানারা ইমাম।
- মূল ভাস্কর্যটি ৪০ বর্গফুট মাপের একটি বেদির ওপর অবস্থিত।

⇒ ভাস্কর্যটিতে রাইফেল হাতে দুজন মুক্তিযোদ্ধাকে দেখা যায়। দুজনকেই খালি গায়ে উপস্থাপন করা হয়েছে। একজন লুঙ্গি পরা এবং মাথায় গামছা বাঁধা গ্রামীণ যুবা–কৃষকসমাজের প্রতিনিধি। তার এক হাতে রাইফেল ধরা। মুষ্টিবদ্ধ দৃঢ়প্রতিজ্ঞ অন্য হাতটি ওপরে উত্থিত।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) কালের কন্ঠ।

৫,০১১.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. গ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,০১২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় আফসার ব্যাটালিয়ন কোন এলাকায় গড়ে ওঠে?
  1. বরিশাল
  2. পাবনা
  3. ময়মনসিংহ
  4. মাগুরা
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৫,০১৩.
বাংলাদেশে বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা কতটি? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ৪৫টি
  2. ৩৭টি
  3. ৪৩টি
  4. ৪৭টি
ব্যাখ্যা

• ব্যাংকের প্রকারভেদ:
------------------------------------------------
- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৬২ টি।
- অ- তফসিলী ব্যাংকের সংখ্যা মোট ৫ টি।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,( বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক)
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- শরিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ব্যাংক : ১০ টি।
- ডিজিটাল ব্যাংক: ১ টি।

​উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

৫,০১৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৯.৩১%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.৭৪%
  4. ১২.৪৯%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৫,০১৫.
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) কোন রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল?
  1. বিএনপি
  2. জাতীয় পার্টি
  3. বাসদ
  4. ন্যাপ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি): 
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের অন্যতম  শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দল।
- বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল)। 
- ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠিত হয়।
- জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনকে অসামরিকীকরণের অভিপ্রায়ে ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে একটি দল গঠন করেন।
- উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুল সাত্তার ছিলেন এর আহবায়ক।
- জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে, বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলের কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় রেখে ঢাকার রমনা ময়দানে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনের ঘোষণা দেন।
- অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রথম মহাসচিব। জিয়াউর রহমান ছিলেন এর আহবায়ক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৫,০১৬.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস না হওয়ার প্রধান কারণ কী ছিল?
  1. ভারতের আপত্তি
  2. সোভিয়েত ইউনিয়নের ভেটো
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো
  4. চীনের অনুপস্থিতি
ব্যাখ্যা
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেটো দেওয়ায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হয়নি।
- এটি বাংলাদেশের পক্ষে কূটনৈতিক বিজয় ছিল।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিনবারই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।
৫,০১৭.
বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. মোহাম্মদ আইউব খান
  2. আখতার হামিদ খান
  3. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD):
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত।
- বার্ডের প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- বার্ড ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট।

৫,০১৮.
সম্প্রতি কোভিড-১৯ বিষয়ে আয়োজিত World Economic Forum (WEF) এর ভার্চুয়াল আঞ্চলিক সম্মেলনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন?
  1. ক) ৫ দফা
  2. খ) ৩ দফা
  3. গ) ৩১ দফা
  4. ঘ) ৭ দফা
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীতে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত ভার্চুয়াল আঞ্চলিক সম্মেলনে ‘কোভিড-১৯ মোকাবেলায় বাংলাদেশের আঞ্চলিক স্থিতিস্থাপকতা বিনির্মাণ’ বিষয়ে ভাষণ দেন।
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) ‘দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাস এবং অর্থনীতিতে এ সংক্রান্ত প্রভাব মোকাবেলায় আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এই ভার্চুয়াল সম্মেলনের আয়োজন করে। (রেফারেন্স- pmo.gov.bd)
৫,০১৯.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. করমজল, সুন্দরবন
  2. নাইক্ষংছড়ি, বান্দরবান
  3. ফকিরহাট, বাগেরহাট
  4. চকোরিয়া, কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র।
- বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উল্লেখ্য,
- বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির নোনা পানির কুমিরের প্রজনন বৃদ্ধি ও সংরক্ষণে ২০০২ সালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের করমজলে দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজননকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

⇒ বিভিন্ন প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র: সুন্দরবনের করমজল, ময়মনসিংহের ভালুকায়।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র: চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র: ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র: টিলাগড়, সিলেট।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,০২০.
দেশাত্মবোধক গান 'এই পদ্মা এই মেঘনা' গানের গীতিকার কে?
  1. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. আবু জাফর
  3. আপেল মাহমুদ
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
এই পদ্মা এই মেঘনা:
- এই পদ্মা এই মেঘনা একটি দেশাত্মবোধক গান।
- গানের গীতিকার আবু জাফর।
- গানটি বিবিসির জরিপে সর্বকালের সেরা ২০টি গানের মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- আবু জাফর ছিলেন একাধারে গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠশিল্পী, শিক্ষক ও কবি।
- ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’, ‘তোমরা ভুলেই গেছো মল্লিকাদির নাম’, ‘নিন্দার কাঁটা যদি না বিঁধিল গায়ে’-সহ অসংখ্য গানের গীতিকার, সুরকার আবু জাফর।
- রাজশাহী-ঢাকা বেতার এবং টেলিভিশনের নিয়মিত সংগীতশিল্পী ও গীতিকার ছিলেন আবু জাফর।
- তার রচিত দেশাত্মবোধক ও আধুনিক গানগুলো তুমুল আলোড়ন তুলেছিল। 
- বরেণ্য সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন তাঁর সাবেক স্ত্রী।
- ৬ ডিসেম্বর ২০২৪, তারিখে আবু জাফর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৫,০২১.
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে - ২০২৬ এর চ্যাম্পিয়ন দল কোনটি?
  1. সিলেট টাইটানস
  2. রাজশাহী ওয়ারিয়র্স
  3. চট্টগ্রাম রয়্যালস
  4. ঢাকা ক্যাপিটালস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে - ২০২৬:
- বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের দ্বাদশ আসরের ফাইনালে মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ৬৩ রানের বিশাল ব্যবধানে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে উড়িয়ে দেয় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
- ফাইনাল তারিখ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ (শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম, মিরপুর, ঢাকা)।
- চ্যাম্পিয়ন: রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।
- রানার্স-আপ: চট্টগ্রাম রয়্যালস।
- প্লেয়ার অফ দ্য ফাইনাল: তানজিদ হাসান তামিম।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার পত্রিকার রিপোর্ট।

৫,০২২.
১৯২৩ সালে কার নেতৃত্বে বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি হয়েছিল?
  1. ড. মুহাম্মদ সুব্রাদী
  2. চিত্তরঞ্জন দাশ
  3. সুভাষচন্দ্র বসু
  4. এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

বেঙ্গল প্যাক্ট: 
- হিন্দু-মুসলমান মৈত্রী স্থাপনে জাতীয়তাবাদী নেতাদের অনেক সক্রীয় চেষ্টা সত্ত্বেও সে ঐক্য কার্যকরভাবে কখনও স্থাপিত হয় নি। 
- সি.আর দাশ তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের  লক্ষ্যে বঙ্গীয় আইন সভার মুসলিম সদস্যদের সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেন।
- চিত্তরঞ্জন দাশ বাংলার বিশিষ্ট মুসলিম নেতাদের সঙ্গে যুগপৎ আলোচনা চালান এবং এর ফলশ্রুতিতে ১৯২৩ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে তাঁদের সঙ্গে এক চুক্তি করেন।

- চুক্তিটির (যা সাধারণত বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত) শর্তাবলি (বিধানসমূহ) ১৯২৩-এর ১৬ ডিসেম্বর স্বরাজ্য দলীয় সদস্যদের সভায় অনুমোদিত হয়।

• চুক্তিটির বিভিন্ন শত ছিল নিম্নরূপ:
- বঙ্গীয়-আইন সভায় প্রতিনিধিত্ব পৃথক নির্বাচক মন্ডলীর মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
- স্থানীয় পরিষদসমূহে প্রতিনিধিত্বের অনুপাত হবে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের শতকরা ৬০ ভাগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতকরা  ৪০ ভাগ।
- সরকারি চাকরির শতকরা পঞ্চান্ন ভাগ পদ পাবে মুসলমান সম্প্রদায় থেকে। যতদিন ঐ অনুপাতে না পৌঁছানো যায়, ততদিন মুসলমানরা পাবে শতকরা আশি ভাগ পদ এবং বাকি শতকরা কুড়ি ভাগ পাবে হিন্দুরা।
- কোন সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ৭৫ শতাংশের সম্মতি ব্যতিরেকে এমন কোন আইন বা সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা যাবে না, যা ঐ সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্বার্থের পরিপন্থী।
- মসজিদের সামনে বাদ্যসহকারে শোভাযাত্রা করা যাবে না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,০২৩.
What is the current number of billion-dollar companies in Bangladesh's capital market?
  1. ক) 7
  2. খ) 8
  3. গ) 9
  4. ঘ) 10
ব্যাখ্যা
দেশের পুঁজিবাজারে বর্তমানে বিলিয়ন ডলারের কোম্পানির সংখ্যা - ৯টি।
বাজার মূলধন অনুযায়ী কোম্পানিগুলো হলো:
- গ্রামীণফোন লিমিটেড,
- রবি আজিয়াটা,
- ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ,
- ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (BATSC) লিমিটেড,
- স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস,
- পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (UPGDCL),
- রেনেটা লিমিটেড,
- ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (ICB) এবং
- বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
৫,০২৪.
‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী গুমের ঘটনায় দোষী ব্যক্তির সর্বোচ্চ দণ্ড কী নির্ধারণ করা হয়েছে? 
  1. মৃত্যুদণ্ড 
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড
  4. অর্থদণ্ড 
ব্যাখ্যা

• ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫’:  
- চূড়ান্ত অনুমোদন: নভেম্বর ৬, ২০২৫ (উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে)।
- গেজেট প্রকাশ ও জারি: ১ ডিসেম্বর ২০২৫
- সংশোধনী: অধ্যাদেশটি ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ, ২০২৫ সংশোধনকল্পে প্রণীত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে।

• গুমের সংজ্ঞা: রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষ বা তাদের অনুমোদনে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার/আটক করে তার অবস্থান গোপন করা বা অস্বীকার করাকে হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।

• শাস্তি:
- সর্বোচ্চ শাস্তি: মৃত্যুদণ্ড।
- অন্যথায়: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড এবং জরিমানা। 

• ট্রাইব্যুনাল:
- প্রত্যেক বিভাগ বা জেলায় গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইব্যুনাল গঠন।
- বিচার ১২০ দিনের মধ্যে শেষ করতে হবে। 

তথ্যসূত্র:
i) আইন মন্ত্রণালয়। (Link) (Link2) 
ii) বাসস। (Link) (Link2)
iii) প্রথম আলো। (Link) 

৫,০২৫.
NIPORT (নিপোর্ট) কী?
  1. জরুরি সেবা বিষয়ক প্রতিষ্ঠান
  2. অর্থনীতি বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. নদী রক্ষা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান (নিপোর্ট): 
- NIPORT বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক একটি জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। 
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- রাজধানী ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত এ প্রতিষ্ঠানটি জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য এবং পরিবার পরিকল্পনা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতের দক্ষ জনবল তৈরি এবং এ সংক্রান্ত নীতিমালা উন্নয়নে অবদান রাখে।
 
সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
৫,০২৬.
দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে কোন ব্যাংক?
  1. এবি ব্যাংক পিএলসি
  2. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  3. ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
  4. ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড:
- দেশের প্রথম 'সোশ্যাল কারেন্সি কার্ড' চালু করেছে ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি।

⇒ ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘স্কাইফ্লেক্স ভিসা প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে।
- এটি দেশের প্রথম অ্যাপ-ভিত্তিক সোশ্যাল কারেন্সি প্রিপেইড কার্ড।
- এতে কৌশলগত সহযোগিতা দিয়েছে দ্য ইউরস ট্রুলি ও ভিসা।
- এ উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ইবিএল এমডি আলী রেজা ইফতেখার, এএমডি আহমেদ শাহীন ও ডিএমডি এম খোরশেদ আনোয়ার; ভিসার কান্ট্রি ম্যানেজার সাব্বির আহমেদ এবং দ্য ইউরস ট্রুলির চেয়ারম্যান এম জাহাঙ্গীর আলম, এমডি মাহজাবিন ফেরদৌস ও সিইও ব্রেইটি সাবরিন।

উৎস: Eastern Bank PLC ওয়েবসাইট।
৫,০২৭.
'ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির’ বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র বিদ্রোহ কোনটি ছিল?
  1. ফকির বিদ্রোহ
  2. সিপাহী বিদ্রোহ
  3. চাকমা বিদ্রোহ
  4. নীল বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

• ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি ক্ষমতা লাভের পর সর্বপ্রথম যে বিদ্রোহ হয়েছিল তা ইতিহাসে 'ফকির বিদ্রোহ নামে পরিচিত। 
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৫,০২৮.
ভাষা আন্দোলন বাংলা কোন সনে হয়েছিল?
  1. ১৩৫৬ সনে
  2. ১৩৫৭ সনে
  3. ১৩৫৮ সনে
  4. ১৩৫৯ সনে
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: শিক্ষক বাতায়ন।
৫,০২৯.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) নিচের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. ময়মনসিংহ
  4. বগুড়া 
ব্যাখ্যা

• জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ইংরেজি নাম: National Academy for Primary Education (NAPE)
-  ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র:  জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ নভেম্বর ২০১৪।

৫,০৩০.
২০২৫-২০২৬ সালে সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কত?
  1. ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  2. ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
  3. ২ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
  4. ২ লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

- মূল বাজেটে এডিপির আকার ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ ছিল।
ফলে উন্নয়ন ব্যয় মূল বাজেটের তুলনায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কমানো হয়েছে।

- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা এবং দেশীয় অর্থায়ন ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা। পরিচালনসহ বাজেটের অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।

উৎস: বাসস ও অর্থমন্ত্রণালয়।

৫,০৩১.
ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোন নদীর তীরে গড়ে উঠে?
  1. ক) সিন্ধু
  2. খ) গঙ্গা
  3. গ) ভাগিরতী
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
সিন্ধু সভ্যতা
- মহেঞ্জোদারো ও হরপ্পা ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা 'সিন্ধু সভ্যতা'র নিদর্শন।
- আনুমানিক ৩৫০০ খ্রিস্টপূর্ব থেকে ২৫০০ খ্রিস্টপূর্বে সিন্ধু নদীর তীরে এই সভ্যতার সূচনা হয়। 
- ১৯২১ সালে পাঞ্জাবের হরপ্পা ও ১৯২২ সালে সিন্ধুর মহেঞ্জোদারো শহরে খননকার্যের মাধ্যমে সিন্ধু সভ্যতার নির্দশন উন্মোচিত হয়।
- সিন্ধু সভ্যতা ছিলো উন্নত নগর সভ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৫,০৩২.
"যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরি মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।" উক্তিটি কার?
  1. ক) হেমন্ত মুখোপাধ্যায়
  2. খ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  3. গ) অন্নদাশঙ্কর রায়
  4. ঘ) আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বিখ্যাত ব্যক্তিদের মূল্যায়ন এবং উদ্ধৃতি।
• অন্নদাশঙ্কর রায়ের উক্তি
"যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরি মেঘনা বহমান
ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।"      

• প্রখ্যাত মিশরীয় সাংবাদিক মোহাম্মদ হাসনাইন হাইকলের উক্তি "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু বাংলাদেশের সম্পত্তি নন। তিনি সমগ্র বাঙালির মুক্তির অগ্রদূত।" 

• ফিলিস্তান মুক্তি মোর্চার সাবেক নেতা, নোবেল বিজয়ী ইয়াসির আরাফাতের উক্তি "আপোষহীন সংগ্রামী নেতৃত্ব এবং কুসুমকোমল হৃদয় ছিল মুজিবের চরিত্রের বিশেষত্ব।" 

• গণপ্রজাতন্ত্রী ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর উক্তি "শেখ মুজিব নিহত হওয়ার খবরে আমি মর্মাহত। তিনি একজন মহান নেতা ছিলেন। তাঁর অনন্য সাধারণ সাহসিকতা এশিয়া ও আফ্রিকার জনগণের জন্য প্রেরণাদায়ক ছিল।" 

• গণপ্রজাতন্ত্রী কিউবার সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং কিংবদন্তি বিপ্লবী ফিদেল ক্যাস্ত্রো উক্তি  "আমি হিমালয় দেখিনি, কিন্তু শেখ মুজিবকে দেখেছি। ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতায় তিনি হিমালয়ের মতো।" 

উৎস: mujib100.gov.bd
৫,০৩৩.
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় কত ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান?
  1. ক) দুই ধরনের
  2. খ) তিন ধরনের
  3. গ) চার ধরনের
  4. ঘ) পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা
নির্বাচনের প্রকারভেদ:
- গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় দুই ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান। যেমন- প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন।

প্রত্যক্ষ নির্বাচন:
- যখন জনগণ সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করে তখন তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলে । যেমন- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন:
- জনগণ ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন।
- জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের (৫০ জন মহিলা) সদস্য নির্বাচিত করেন।
- এভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। আবার ইলেক্টরাল কলেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,০৩৪.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  2. জনপ্রশাসন
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. চিকিৎসা
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয়: ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

৫,০৩৫.
নিচের কোনটি সুশীল সমাজের অংশ?
  1. ব্র্যাক
  2. বেলা
  3. সুজন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুশীল সমাজ: 
- উদার গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক এবং প্রগতিকামী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।
- ব্র্যাক, যা আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান।
- অপর উদাহরণ হলো গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, যেটি বিশ্বে গণমুখী চিকিৎসাসেবার একটি মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- একটি তথ্য অধিকার আইন পাসের এবং দুর্নীতি দমন কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন গঠনের সফল আন্দোলন।

ব্র্যাকের লক্ষ্য:
- দারিদ্র্য দূরীকরণ এবং সুযোগ তৈরির মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- ব্র্যাক বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন সংস্থা হিসেবে ৫০টিরও বেশি দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে কাজ করছে।
মূল কার্যক্রম:
সামাজিক ক্ষমতায়ন:
- নারী অধিকার ও লিঙ্গ সমতা প্রতিষ্ঠা।
- দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন।
শিক্ষা:
- প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় প্রবেশাধিকার বাড়ানো।
- দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি।
স্বাস্থ্য:
- সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান।
- পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন ব্যবস্থার উন্নয়ন।
অর্থনৈতিক উন্নয়ন:
- মাইক্রোফাইন্যান্স ও কৃষি উদ্যোগ।
- সামাজিক ব্যবসা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা।
সংকট ব্যবস্থাপনা:
- জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা।
- মানবিক সংকট, যেমন রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানে সহায়তা।
উদ্ভাবন ও গবেষণা:
- টেকসই উন্নয়নে নতুন পদ্ধতি ও সমাধান উদ্ভাবন।

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন): 
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’। 

বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা): 
- বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি (বেলা) ১৯৯৩ সালে একটি পরিবেশবাদী আইনজীবী সংগঠন হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এটি পরিবেশগত ন্যায়বিচার এবং আইন সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- বেলা দেশের মানুষের মধ্যে পরিবেশগত ন্যায়বিচারের ধারণা জনপ্রিয় করে তোলে এবং পরিবেশগত অবনতি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কৌশল উদ্ভাবন করে।
- ১৯৯৭ সালে বেলার একটি মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট জনস্বার্থ মামলার (PIL) ধারণা স্বীকৃতি দেয়, যা অসংখ্য প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ন্যায়বিচারের সুযোগ করে দিয়েছে।
- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:২০০৩ সালে বেলা UNEP Global 500 Roll of Honours পুরস্কার লাভ করে।
- বেলার প্রধান নির্বাহী ২০০৯ সালে গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজ এবং TIME ম্যাগাজিনের পরিবেশ নায়ক হিসেবে স্বীকৃতি পান।
২০১২ সালে তিনি রেমন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

উৎস: ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
সুশাসনের জন্য নাগরিক ওয়েবসাইট।
বেলা ওয়েবসাইট।
৫,০৩৬.
২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় প্রথম গুলি চালানোর নির্দেশ কোথায় দেওয়া হয়েছিল?
  1. সংসদ ভবনের কাছে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে
  3. সচিবালয়ের সামনে
  4. ঢাকা মেডিকেল কলেজের কাছে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পুলিশ এই আন্দোলনকে দমনের জন্য কঠোর অবস্থান নেয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তার কাছে জড়ো হওয়া বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দেয়।
- মিছিলে গুলি চালালে শহীদ হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার, শফিউরসহ নাম না জানা অনেক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,০৩৭.
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. বিচারপতি হাবিবুর রহমান
  3. বিচারপতি আব্দুস সালাম
  4. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিয়ন্ত্রণে সর্বপ্রথম ১৯৯১ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়। এর আগে ১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও এর সাংবিধানিক ভিত্তি ছিলো না।

- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় - ৪ বার।
- যথা - ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।

এছাড়াও,
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,০৩৮.
PRSP-এর পূর্ণরূপ -
  1. Poverty Reduction Strategy Programme
  2. Poverty Reduction Scheme Papers
  3. Poverty Reduction Strategy Papers
  4. Poverty Reducing Strategy Papers
ব্যাখ্যা
PRSP:
- PRSP-এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র।
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৫,০৩৯.
সম্প্রতি 'অপারেশন ফাস্ট লাইট' পরিচালনা করা হয় কোথায়? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. মেঘনার চরাঞ্চলে
  2. পদ্মার চরাঞ্চলে
  3. যমুনার চরাঞ্চলে
  4. সেন্টমার্টিন অঞ্চলে
ব্যাখ্যা

অপারেশন ফাস্ট লাইট':
- সময়: ৯ নভেম্বর ২০২৫।
- 'অপারেশন ফাস্ট লাইট' পরিচালনা করা হয় পদ্মার চরাঞ্চলে।
- দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী কাঁকন বাহিনীকে ধরতে কুষ্টিয়া, পাবনা, নাটোর ও রাজশাহী চার জেলার দুর্গম বিস্তীর্ণ পদ্মার চরে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ।
-  ২১ জনকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়েছে। পুলিশ এ অভিযানের নাম দিয়েছে অপারেশন ফাস্ট লাইট।
- অভিযানে ৫টি বিদেশী আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ দেশী অস্ত্র, মাদক ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিমের এই অভিযানে ১ হাজার ২০০ সদস্য অংশ নিয়েছেন।] 

উৎস: প্রথম আলো।লিংক

৫,০৪০.
১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা করেন কে?
  1. ক) এম এ আজিজ
  2. খ) আবু হেনা মোস্তফা কামাল
  3. গ) আবদুল মান্নান
  4. ঘ) আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান ছিল চরমপত্র। এই অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান। স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি এবং উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল।
এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয় এবং জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়করণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৫,০৪১.
জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৩০ নভেম্বর
  2. খ) ১৫ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ৩০ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৫ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
• জাতীয় আয়কর দিবস পালিত হয়  প্রতি বছরের ৩০ নভেম্বর
- ২০০৮ সাল থেকে দেশে আয়কর দিবস উদযাপিত হচ্ছে।
- আগে প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর দিবসটি উদযাপিত হতো।  
- তবে ২০১৬ সাল থেকে ৩০ নভেম্বর আয়কর দিবস পালন করছে এনবিআর।
- এদিন ব্যক্তিশ্রেণির আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দেওয়ারও শেষ দিন।

সূত্র: যুগান্তর ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,০৪২.
What is article 14 of the Bangladesh Constitution?
  1. Emancipation of peasants and workers
  2. Secularism and freedom of religion
  3. Free and compulsory education
  4. Protection and improvement of environment and biodiversity
  5. Socialism and freedom from exploitation
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
উল্লেখ্য,
- ১৪ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে-এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হতে মুক্তি দান করা। 
 
অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,০৪৩.
ভাষা আন্দোলনে কোন পত্রিকা সাহসী ভূমিকা পালন করে?
  1. ইনকিলাব
  2. দৈনিক আজাদ
  3. সমাচার দর্পণ
  4. জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
দৈনিক আজাদ:
- এটি একটি জাতীয় বাংলা দৈনিক পত্রিকা।
- ১৯৩৬ সালের ৩১ অক্টোবর পত্রিকাটি কলকাতা থেকে আত্মপ্রকাশ করে।
- মওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁর সম্পাদনায় বাংলা ও আসামের মুসলমানদের মুখপত্র হিসেবে দৈনিক আজাদ প্রকাশিত হয়।
- এই পত্রিকার সঙ্গে আরো যুক্ত ছিলেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন ও নজীর আহমদ চৌধুরী।
- ভারত বিভাগের (১৯৪৭) পর ১৯৪৮ সালের ১৯ অক্টোবর পত্রিকাটি কলকাতা থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়।
- ভাষা আন্দোলনে দৈনিক আজাদ সাহসী ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,০৪৪.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) নওগাঁ
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) মাগুরা
ব্যাখ্যা
- ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট তামাক উৎপাদন : ৮২,৩৯৯ মে. টন
- তামাক উৎপাদনে প্রথম : কুষ্টিয়া (৩৬,৮৬৯ মে. টন)
- দ্বিতীয় : লালমনিরহাট (১৫,৩০৫ মে. টন)
- তৃতীয় : নীলফামারী (৮,৩৫০ মে. টন)।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯)
৫,০৪৫.
সাঁওতালদের বছর শুরু হয় কোন মাসে?
  1. বৈশাখ
  2. ফাল্গুন
  3. আশ্বিন
  4. কার্তিক
ব্যাখ্যা

⇒ সাঁওতালদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠী মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বসবাস করে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজ ব্যবস্থা পুরুষতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৫,০৪৬.
দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
  2. খ) সাভার, ঢাকা
  3. গ) বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
  4. ঘ) সিতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• প্রথম কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র - বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- বর্তমানে ২টি ইউ্নিটের মাধ্যমে ৪৫০মে: ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হচ্ছে।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি  দিনাজপুর জেলা শহর হইতে প্রায় ৫০ কিঃ মিঃ পূর্বে, পার্বতীপুর উপজেলা হইতে ১৬ কিঃ মিঃ দক্ষিণে এবং ফুলবাড়ী উপজেলা হইতে ৭ কিঃ মিঃ উত্তরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলার ওয়েবসাইট।
৫,০৪৭.
১৯৬৯ সালে ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে কোন সংগঠন?
  1. বাংলাদেশ ছাত্রলীগ
  2. ছাত্র ফেডারেশন
  3. সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  4. ছাত্র অধিকার পরিষদ
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- ১৯৬৯ সালের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তৎকালীন আটজন ছাত্রনেতা সম্মিলিতভাবে গঠন করেন 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ'।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৪৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাভাবিক ব্যক্তির করমুক্ত আয়সীমা কত টাকা? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩ লক্ষ টাকা
  2. ৩.৫ লক্ষ টাকা
  3. ৪ লক্ষ টাকা
  4. ৪.৫ লক্ষ টাকা
  5. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• করমুক্ত আয়কর সীমা:[জুন, ২০২৫]
- স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়কর সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা করদাতা এবং ৬৫ বৎসর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,০০,০০০ টাকা;
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতা এবং প্রতিবন্ধী স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা;
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার করমুক্ত আয়ের সীমা ৫,০০,০০০ টাকা;
- কোনো প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিভাবকের প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫০,০০০ টাকা অধিক হবে; প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা ও মাতা উভয়েই করদাতা হইলে যেকোনো একজন এই সুবিধা ভোগ করবেন।

উৎস: আয়কর পরিপত্র ২০২৪-২০২৫।
৫,০৪৯.
বাংলাদেশের জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত- (মে ২০২৫)
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. সেবা
  4. মৎস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রধান খাত ৩ টি -
 ১. সেবা ( ১৩ টি খাত নিয়ে গঠিত)
 ২. শিল্প,
 ৩. কৃষি,
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবা খাত।
- জিডিপির ছোট খাত- কৃষ খাত।
- সার্বিক ভাবে অর্থনীতিতে ক্রমবর্ধমান খাত- শিল্প খাত ।
-  সার্বিক ভাবে অর্থনীতিতে ক্রমহ্রাসমান খাত- কৃষি খাত।
- সার্বিক ভাবে জিডিপি ১৯ টি খাত নিয়ে গঠিত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৫,০৫০.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস কোনটি?
  1. রেমিটেন্স
  2. বৈদেশিক ঋণ
  3. বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো কর রাজস্ব (Tax Revenue)।

• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৫,০৫১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি প্রস্তাবনা রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,০৫২.
'বাউল্লার চর' নামে পরিচিত কোনটি?
  1. সেন্ট মার্টিন
  2. মহেশখালী
  3. নিঝুম দ্বীপ
  4. সোনাদিয়া
ব্যাখ্যা
নিঝুম দ্বীপ:
- নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার অন্তর্গত।
- এর আয়তন ৯১ বর্গ কিলোমিটার।
- নিঝুম দ্বীপ হাতিয়ার মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে নিঝুম দ্বীপের অবস্থান।
- দ্বীপের তিন দিকে সাগর অন্যদিকে মেঘনার মোহনা।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ১৪ হাজার ৫০ একরের দ্বীপটি ১৯৪০ সালের দিকে জেগে ওঠে।
- ওসমান নামের একজন বাথানিয়া তাঁর মহিষের বাথান নিয়ে প্রথম নিঝুম দ্বীপে বসত গড়েন।
- তখন তাঁর নামেই এই চরের নাম হয় ওসমান চর।
- এই দ্বীপে প্রচুর বালুর ঢিবি বা টিলা ছিল বলে স্থানীয় লোকজন এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চরও বলে ডাকত।
- আবার এ চরে প্রচুর ইচা মাছ (চিংড়ির স্থানীয় নাম) পাওয়া যেত বলে একে ইছামতীর চরও বলা হতো।
- বর্তমানে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে পরিচিত হলেও স্থানীয় লোকজন এখনো এই দ্বীপকে বাইল্যার ডেইল বা বাউল্লার চর বলেই সম্বোধন করে।
- বাংলাদেশের বন বিভাগ সত্তরের দশকে এই দ্বীপে কার্যক্রম শুরু করে।
- নিঝুম দ্বীপ এখন হরিণের অভয়ারণ্য।
- দ্বীপের বিশেষ আকর্ষণ উভচর প্রজাতির মাছ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,০৫৩.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৫,০৫৪.
হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক কে?
  1. কামাল হোসেন
  2. এ.কে.এম আব্দুর রশিদ
  3. মোশারফ হোসেন
  4. আবদুর রউফ
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্বাবধায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৫,০৫৫.
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোন দেশে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল রপ্তানি করেছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল:
- প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হলো ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ সোলার প্যানেল। 

⇒ ২০২৫ সালের ১৯ জুন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ক্লিনগ্রিড ইনকরপোরেশনের কাছে প্রথম চালানটি পাঠানো হয়।
- দেশীয় শিল্পগোষ্ঠী ইস্ট কোস্ট গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্স যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো সোলার (সৌর) পিভি মডিউল রপ্তানির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সরবরাহ চেইনে যুক্ত করল।
- ২১৫ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের চার বছর মেয়াদি এ রপ্তানি চুক্তির আওতায় প্রতিষ্ঠানটি ২০২৮ সাল পর্যন্ত মোট ৬৪ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট সোলার মডিউল সরবরাহ করবে। এর মধ্যে ২০২৫ সালেই ১২ দশমিক ৪০ মেগাওয়াট পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
- আশুলিয়ার সাভারে অবস্থিত রেডিয়েন্ট অ্যালায়েন্সের সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কারখানায় ১০০ ও ২০০ ওয়াট ক্ষমতার সোলার মডিউল উৎপাদিত হচ্ছে। বছরে ৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতার এ কারখানাটি দেশের অন্যতম আধুনিক উৎপাদন প্ল্যান্ট।

উৎস: The Business Standard.
৫,০৫৬.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয় কবে?
  1. ১ জুলাই ১৯৯১
  2. ১ আগস্ট ১৯৯২
  3. ১ জুন ১৯৯১
  4. ১ জুন ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয় — ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর,
- দ্বিতীয় : আয়কর, 
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক, 
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক।

উৎস: এনবিআরের ওয়েবসাইট।

৫,০৫৭.
ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপনের সময় মোগল সুবেদার কে ছিলেন?
  1. ইসলাম খান
  2. ইব্রাহীম খান
  3. শায়েস্তা খান
  4. মীর জুমলা
ব্যাখ্যা
• ইসলাম খান:
- সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করে পাঠান। ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- ইসলাম খান চিশতী ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শায়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

- ইসলাম খান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থা পর্যালোচনা করে উপলব্ধি করেন যে, রাজধানী রাজমহল থেকে সারা বাংলাদেশের উপর সজাগ দৃষ্টি রাখা সম্ভব নয়।
- তাই বাংলাদেশে মোগল শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হলে রাজধানী স্থানান্তর করা প্রয়োজন।
- এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৫৮.
প্রাকৃতিক গ্যাসের সর্বাধিক ব্যবহার হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. খ) সার উৎপাদন
  3. গ) গৃহস্থালি কাজে
  4. ঘ) ক্যাপটিভ
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক গ্যাস দেশের বাণিজ্যিক জ্বালানির সিংহ ভাগ পূরণ করে থাকে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহারের পরিমাণ ১০৮৫.৬ বিলিয়ন ঘনফুট।
খাত অনুযায়ী প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
- বিদ্যুৎ উৎপাদন : ৪৫.৯ শতাংশ
- শিল্পখাত : ১৫.৭ শতাংশ
- ক্যাপটিভ : ১৫.৩ শতাংশ
- গৃহস্থালি : ১৩.৩ শতাংশ
- সার উৎপাদন : ৫.৫ শতাংশ
- সিএনজি : ৩.৬ শতাংশ
- বাণিজ্যিক : ০.৭ শতাংশ
- চা বাগান : ০.১ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ : পৃষ্ঠা-১৪২)
৫,০৫৯.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর ছাত্রনেতা আসাদ কত তারিখে শহীদ হন?
  1. ২০ জানুয়ারি
  2. ২৪ জানুয়ারি
  3. ২৪ ডিসেম্বর
  4. ২০ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

 • শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- তাই ২০ জানুয়ারি 'শহীদ আসাদ দিবস' পালিত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,০৬০.
ভারত শাসন আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৫ সালে
  3. ১৯৩৬ সালে
  4. ১৯৪০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন: 
- তিনটি গোলটেবিল বৈঠকের আলোচনা সম্বলিত একটি শ্বেতপত্র বৃটিশ সরকার প্রকাশ করে ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে।
- সাইমন কমিশনের রিপোর্ট এবং উক্ত শ্বেতপত্রের আলোকে পরের বছর ভারতের জন্য একটা নতুন সংবিধানের খসড়া প্রকাশিত হয়।
- এ খসড়ার ভিত্তিতেই ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে বৃটিশ পার্লামেন্টের উভয় হাউসে ভারতের শাসনকার্যের জন্য একটা নতুন শাসনতন্ত্র গৃহীত হয়।
- এটাই ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের বিখ্যাত ভারত শাসন আইন।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের প্রদত্ত স্বায়ত্তশাসন শুধু তত্ত্বেই ছিল বাস্তবে ছিল না।
- ভারত সচিব, গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের সীমাহীন ক্ষমতার কারণে এ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন 'আড়ম্বরপূর্ণ প্রহসনে' পরিণত হয়।
- ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কেবলমাত্র প্রাদেশিক অংশটুকুকে কার্যকর করা হয় ১৯৩৭ সালে।
- এ আইন অনুসারে ১৯৩৭ সালে প্রাদেশিক আইন পরিষদ গঠনের জন্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সর্বভারতীয় দুটো রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও মুসলীম লীগ সক্রিয়ভাবে অংশ গ্রহণ করে।
- নির্বাচনে যে এগারোটি প্রদেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয় তাতে কংগ্রেস ছয়টি প্রদেশে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- মুসলীম লীগ চারটি প্রদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করলে কোয়ালিশন সরকার গঠনের ইঙ্গিত প্রদান করে।
- কিন্তু একক ভাবে কংগ্রেস মন্ত্রিসভা গঠন করলে রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রাক্কালে কংগ্রের মন্ত্রীরা একে একে পদত্যাগ করে।
- অবসান ঘটে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের কার্যকারিতা।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,০৬১.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. দলীয় সংগঠনবিহীন
  2. দলীয় কর্মসূচিবিহীন
  3. নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• নির্বাচনে প্রার্থী দেওয়া চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয়।

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- নিম্নে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য তুলে ধরা হলঃ

১। দলীয় সংগঠনবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই। এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়। সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষণ।

২। দলীয় কর্মসূচিবিহীন: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই। এটি নির্দলীয় সংগঠন। এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

৩। নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া: চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না। তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। এছাড়াও কোন কোন দেশে চাপসৃষ্টিকারী কোন কোন গোষ্ঠীকে পছন্দের দলের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিতে দেখা যায়।

৪। সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না। বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

৫। সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়: চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৬২.
অবিভক্ত বাংলার কোন নেতা কলকাতা কর্পোরেশনের প্রথম বাঙালি মেয়র ছিলেন?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:
- একে ফজলুল হকের পুরো নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি ছিলেন কলকাতা করপোশনের প্রথম বাঙালি মুসলমান, বাংলার প্রধানমন্ত্রী, পূর্বপাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্ণর, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাগ্মী হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তার বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাকে ‘শের-ই-বঙ্গাল’ উপাধি দেয়। ‘শের-ই-বঙ্গাল’ অর্থ বাংলার বাঘ। সেই থেকে তিনি শেরে বাংলা নামে পরিচিত।
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলার নয়নমণি শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,০৬৩.
মণিপুরী উপজাতি কোন জেলায় বাস করে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রাঙ্গামাটি
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চল মণিপুরী নাচের জন্যে বিখ্যাত। সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায় সংস্কৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ এবং ঐতিহ্যবাহী। তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে। (সূত্র: মৌলভীবাজার জেলা সরকারি ওয়েবসাইট)
৫,০৬৪.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
৫,০৬৫.
বর্তমানে দেশে কতটি  সিটি কর্পোরেশন রয়েছে? (আগস্ট-২০২৫)
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ৮টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

• সিটি কর্পোরেশন:
- বর্তমানে দেশে ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।
- সিটি কর্পোরেশনের এলাকা ও কাজের ওপর এর সদস্যসংখ্যা নির্ভর করে। কর্পোরেশনে একজন মেয়র আছেন।
- তাঁরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

• সিটি কর্পোরেশনগুলো হচ্ছে -
১. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।
২. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন।
৩. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন।
৪. খুলনা সিটি কর্পোরেশন।
৫. রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন।
৬. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন।
৭. সিলেট সিটি কর্পোরেশন।
৮. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন।
৯. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন।
১০. রংপুর সিটি কর্পোরেশন।
১১. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন।
১২. ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন।

• শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন- পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে।
- স্থানীয় শাসনের মতো স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের জীবনধারা উন্নত করার জন্য অপরিহার্য।

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।

৫,০৬৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় রাখাইনদের বসবাস রয়েছে?
  1. বরিশাল
  2. ফরিদপুর
  3. বরগুনা
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
রাখাইনদের নৃতাত্ত্বিক পরিচয় ও আবাস:
- রাখাইনদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য অনেক প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ।
- তারা 'মগধ' রাজ্য থেকে মায়ানমারের আরাকান রাজ্যে বসবাস শুরু করে।
- ১৭৮৪ সালে বার্মিজ রাজা 'বোদোপ্রা' আরাকান রাজ্য জয় করলে বিপুলসংখ্যক রাখাইন সেখান থেকে পালিয়ে বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী এবং কক্সবাজারে আশ্রয় নেয়।
- রাখাইনরা মঙ্গোলীয়দের ভোটবার্মি (Bhotbormi) সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় রাখাইনদের বসবাস।
- পটুয়াখালির কুয়াকাটা ও খেপুপাড়ায় রাখাইনদের বসতি রয়েছে।।
- কক্সবাজারের রামু, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, মানিকছড়ি, টেকনাফ ও চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলাতেও রাখাইনদের বসতি লক্ষ করা যায়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৬৭.
‘রামসার কনভেনশনে’ বাংলাদেশ কত সালে স্বাক্ষর করে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) বা রামসার চুক্তি হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি, যা ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে স্বাক্ষরিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

উল্লেখ্য,
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি।
- ১৯৯৭ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস হিসেবে IUCN, UNESCO-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশে পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা পালন করে আসছেন।

উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
৫,০৬৮.
বঙ্গবন্ধু সেতুতে কয় লেনের সড়ক রয়েছে?
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু বহুমূখী সেতু:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- সেতুটির উপর দিয়ে ৪ লেনের সড়ক রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

এছাড়াও,
- বঙ্গবন্ধু রেলসেতুটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ ও রেলওয়ে পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
- অভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ট্রান্সএশিয়ান রেলপথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।
- একই সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি বেগবান হবে।

অন্যদিকে,
- ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতিসীমা।

উৎস: i) ১০ মে, ২০২৪, প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৫,০৬৯.
পদ্মা ব্যাংক পিএলসি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
পদ্মা ব্যাংক:
- পদ্মা ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের একটি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- পূর্বে এর নাম ছিল দি ফারমার্স ব্যাংক লিমিটেড।
- ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ফার্মার্স ব্যাংক নামে।
- এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহীউদ্দীন খান আলমগীর।
- নানা ধরণের অনিয়ম-দুর্নীতিরি কারণে প্রতিষ্ঠার চার বছরের মাথায় সংকটে পড়ে এটি।
- ২০১৭ সালে ওই ব্যাংকটিকে বাঁচাতে পরিবর্তন আনা হয় পরিচালনা পর্ষদ এবং নির্বাহী কমিটিতেও।
- ২০১৯ সালে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় পদ্মা ব্যাংক। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি  দেশের ৫০টি বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে ১০টি ব্যাংক দুর্বল হয়ে পড়েছে। 
- ২০২৩ সালের ৫ই ডিসেম্বর ব্যাংক খাতে সংস্কারের অংশ হিসেবে প্রোম্পট কারেকটিভ অ্যাকশন-পিসিএ ফ্রেমওয়ার্ক প্রকাশ করে।
- ২০২৫ সালের ৩১শে মার্চ থেকে এটি কার্যকর হবে।
- এর অংশ হিসেবে দুর্বল ব্যাংককে অন্যান্য ব্যাংকের সাথে একীভূত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
- দুর্দশায় পড়া পদ্মা ব্যাংক একীভূত হচ্ছে এক্সিম ব্যাংকের সঙ্গে; সেই লক্ষ্যে বেসরকারি খাতের এ দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- পদ্মা ব্যাংকের সকল দায় দেনা এক্সিম ব্যাংক পরিশোধ করবে। 

উৎস: ১৬ মার্চ ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
৫,০৭০.
'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ অংশীদারী মনোভাবের দ্বারা আবদ্ধ' - কার উক্তি?
  1. অ্যালান বল
  2. জন পিয়ার্স
  3. অ্যালেন পটার
  4. হ্যারি ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সংজ্ঞা:
⇒ অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে 'সংগঠিত গোষ্ঠী' (Organized group) শব্দ দু'টি ব্যবহারের পক্ষে। কারণ এ ধারণার মাধ্যমে গোষ্ঠীর সংগঠনের ব্যাপকতাকে আরো যথার্থভাবে অনুধাবন করা সম্ভব।

⇒ অ্যালান বলের মতে, 'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ 'অংশীদারী মনোভাবের' দ্বারা আবদ্ধ'।

⇒ এইচ জিগলার এর মতে, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন একটি সংগঠিত ব্যক্তি সমষ্টি যার সদস্যগণ সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে না। বরং তাদের লক্ষ্য হল সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা।

⇒ অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, 'স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন'।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৭১.
দেশে প্রথম স্থাপিত কাগজকল কোনটি?
  1. নর্থবেঙ্গল পেপার মিল
  2. কর্ণফুলী পেপার মিল
  3. সিলেট পেপার মিল
  4. খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কাগজকল হলো রাঙামাটি জেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত কর্ণফুলী পেপার মিল।
- এটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- এর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৩০ হাজার মে. টন।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল থেকে প্রাপ্ত বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং BCIC ওয়েবসাইট)
৫,০৭২.
বাংলাদেশের একাত্তরের গণহত্যাকে স্বীকৃতি প্রদানকারী মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. দ্য প্রিভেনশন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড
  2. দ্য হিউম্যান রাইটস ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
  3. জেনোসাইড ওয়াচ ইনস্টিটিউট ফর প্রিভেনশন
  4. লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন
ব্যাখ্যা
একাত্তরের হত্যাকাণ্ড:
⇒ ১৯৭১ সালে বাঙালির ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর পরিচালিত হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন।

অন্যদিকে
• বাংলাদেশিদের ওপর পাকিস্তানিদের নির্মম হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড বা গণহত্যা’ বলে স্বীকৃতি দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
• বিশ্বজুড়ে গণহত্যা প্রতিরোধ, মানুষের নিরাপত্তা ও জবাবদিহি তৈরিতে কাজ করে লেমকিন ইনস্টিটিউট ফর জেনোসাইড প্রিভেনশন।
• বাংলাদেশর স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে এই স্বীকৃতি পায়।
• একাত্তরের হত্যাকাণ্ডকে গণহত্যা হিসেবে চিহ্নিত করে লেমকিন ইনস্টিটিউট।

সূত্র: প্রথম আলো ও দৈনিক যুগান্তর।
৫,০৭৩.
সম্প্রতি, টাইম সাময়িকীর ২০২৫ এ প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় স্থান পেয়েছেন-
  1. হাসনাত আব্দুল্লাহ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. তারেক রহমান
  4. বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাষ্ট্রের খ্যাতিমান টাইম সাময়িকীর করা ২০২৫ সালের বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় আছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
 - ‘টাইম–১০০’ শীর্ষক এই তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসকে ‘লিডার বা নেতা’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে।
- ৬টি ক্যাটাগরিতে মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম প্রকাশ করে মার্কিন এই সাময়িকী।
- নেতাদের তালিকায় অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার, মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শেইনবাউম, যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, ‘লৌহমানবী’ খ্যাত ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো, মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কসহ ২১ জন।

উৎস: প্রথম আলো।লিংক
৫,০৭৪.
চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু বরাদ্দ কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ১৫,১৫৫ টাকা
  2. খ) ৪১,৯৩৩ টাকা
  3. গ) ৩৫,১৫৫ টাকা
  4. ঘ) ৫১,৯৩৩ টাকা
ব্যাখ্যা
• অনুমিত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫%। 
• অনুমিত মুদ্রাস্ফিতির হার - ৫.৬%। 
• মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা (প্রাক্কলিক) - ৩,০০৭ মার্কিন ডলার। 
• মাথাপিছু আয় - ২৮২৪ মার্কিন ডলার। 
মাথাপিছু বরাদ্দ - ৪১,৯৩৩ টাকা। 
• মাথাপিছু ঘাটতি - ১৫,১৫৫ টাকা।

তথ্যসূত্র:- অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৫,০৭৫.
প্রাচীনকালে গ্রীক দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' অর্থে নিচের কোন কথাটি ব্যবহার করতেন?
  1. Polis
  2. Civitas
  3. Civics
  4. State
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রের ধারণা: 
- প্রাচীনকালে গ্রীক দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' অর্থে পোলিস (Polis) কথাটি ব্যবহার করতেন।
- রোমান দার্শনিকগণ 'রাষ্ট্র' বোঝাতে 'সিভিটাস' (Civitas) কথাটি ব্যবহার করতেন।
- প্রাচীন গ্রীক পন্ডিত থেকে শুরু করে আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে রাষ্ট্রের ধারণা বা সংজ্ঞা নিয়ে যথেষ্ট মত পার্থক্য রয়েছে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি উড্রো উইলসন বলেন, "রাষ্ট্র হচ্ছে আইনের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট ভূ-খন্ডে সংগঠিত একটি জনসমাজ।"
- অধ্যাপক জেমস গার্নার বলেন, "সুনির্দিষ্ট ভূখন্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশক্তির নিয়ন্ত্রনমুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।"
- যে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট ভূ-খন্ড, সুসংগঠিত সরকার, জনসমষ্টি ও সার্বভৌম ক্ষমতা রয়েছে তাকে রাষ্ট্র বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৭৬.
‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৪ সালে
  3. গ) ১৯৫৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
জন্মলগ্ন থেকে আওয়ামী মুসলিম লীগ অসাম্প্রদায়িক, ধর্মনিরেপেক্ষ রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী ছিল। ফলে ১৯৫৫ সালে ‘মুসলিম' শব্দটি বাদ দিয়ে দলটিকে একটি অসাম্প্রদায়িক রূপ দেয়া হয় এবং অন্য ধর্মবলম্বীদের জন্য এর দ্বার খুলে দেওয়া হয়। এর মূল নেতা নির্বাচিত হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৫,০৭৭.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

⇒ ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী।
- তাঁর আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি। 

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য। সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা। তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

৫,০৭৮.
‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. শহীদুল্লাহ কায়সার
  2. জাহানারা ইমাম
  3. হুমায়ুন আহমেদ
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
- ‘একাত্তরের দিনগুলি’ গ্রন্থের লেখক জাহানারা ইমাম।
- প্রথম প্রকাশ: ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৬ (ফাল্গুন ১৩৯২)।
- এটি সন্ধানী প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়। 
- ‘সচিত্র সন্ধানী’র পাতায় এর আগে বেরিয়েছিল, পরে বই আকারে প্রকাশিত হয়। 
- জাহানারা ইমাম শহীদ জননী হিসেবে পরিচিত। 
- তিনি একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক ছিলেন। 
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বড় ছেলে শাফী ইমাম রুমী ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা যোদ্ধা ছিলেন।
- জাহানারা ইমামের  বই ‘একাত্তরের দিনগুলি’ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দলিল হিসেবে খ্যাত।

উৎস: একাত্তরের দিনগুলি।
প্রথম আলো ও রকমারি ওয়েবসাইট। 
৫,০৭৯.
বর্তমান জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্যে সংরক্ষিত আসন রয়েছে কয়টি? [জুলাই - ২০২৫]
  1. ৫০টি
  2. ৪০টি
  3. ৪৫টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ: 
- জাতীয় সংসদ ভবনের বর্তমান ভবন ২৮ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০
- ৩০০টি আসনে সরাসরি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অন্য ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকে।
- নারী সংসদ সদস্যগণ ৩০০ জন সংসদ সদস্য দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,০৮০.
২০১৮ সালের শেষে দেশের জিডিপিতে প্রবাসী আয়ের অবদান ছিল কত শতাংশ?
  1. ক) ৩.৪০%
  2. খ) ৪.২০%
  3. গ) ৫.১০%
  4. ঘ) ৫.১৮%
  5. ঙ) ৫.৪০%
ব্যাখ্যা
৮ এপ্রিল ২০১৯ বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রবাসী আয়ে বিশ্বে ৯ম স্থানে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় ছিল ১৫.৫ বিলিয়ন ডলার যা দেশের জিডিপির ৫.৪০ শতাংশ। প্রবাসী আয়ে শীর্ষ দেশ ভারতের আয় ৭৮.৬ বিলিয়ন ডলার। (সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)
৫,০৮১.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এম. মনসুর আলী
  4. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।

• সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)।

• তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।

• খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

• এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৫,০৮২.
যুক্তফ্রন্ট কত দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছিল?
  1. ১০ দফা
  2. ১৫ দফা
  3. ২১ দফা
  4. ২৩ দফা
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্ট :
 - ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নেয়।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত পাঁচটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি,
৪. হাজী দানেশের বামপন্থি গণতন্ত্রী দল ও
৫. খিলাফত-ই-রাব্বানি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'। 
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- এই ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,০৮৩.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ দফা প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফা দাবীর মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার সকল জনসাধারণের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৫,০৮৪.
সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে -
  1. ক) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. খ) বিচারকগণ
  3. গ) চাকরিজীবীগণ
  4. ঘ) সশস্ত্রবাহিনী
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরকার ও জনসাধারণের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- সরকারি কাঠামোর বাইরে থেকে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
- সুশীল সমাজ কাজ করে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে কাজ করে। 
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার।
- আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অ-রাষ্ট্রীয় সংগঠনগুলো চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা পালন করে। যেমনঃ আইএমএফ, জাতিসংঘ, বিশ্ব ব্যাংক ইত্যাদি।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫,০৮৫.
শিক্ষক হয়ে আপনি কিভাবে একজন দুর্বল ছাত্রকে সংশোধন করবেন?
  1. ছাত্রটির মানসিক অবস্থা বুঝে, তার আগ্রহের বিষয় থেকে তাকে মূলস্রোতের আগ্রহে ফিরিয়ে এনে
  2. ভালোভাবে পড়াশুনা করিয়ে
  3. তার মনের ভেতরের প্রবৃত্তিকে উসকে দিয়ে
  4. তাকে ভালোরকম শাসন করে
ব্যাখ্যা
ভালো শিক্ষকের যোগ্যতা ও দক্ষতা:

- শিক্ষক হল মানুষ গড়ার কারিগর। তাই একজন আদর্শ শিক্ষকের কিছু গুনাবলী থাকা দরকার।
- শিক্ষার সর্বস্তরে শিক্ষকই হলেন শিক্ষাকর্মের মূল উৎস।
- প্রত্যেক শিক্ষকের বিষয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহের সৃষ্টি করার দক্ষতা থাকা দরকার।
- একজন ভালো শিক্ষকের পড়ানো, সঠিক পরিচালনা ও গাইড করার যোগ্যতা ও দক্ষতা দরকার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় শিক্ষক বাতায়ন।
৫,০৮৬.
বাংলাদেশের সরকারি নোট কোনগুলো?
  1. ১০, ২, ২০ টাকার নোট
  2. ১, ২, ৫ টাকার নোট
  3. ১০, ২০, ৫ টাকার নোট
  4. ১০, ২, ৫ টাকার নোট
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ব্যাংক নোট: 
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশের নতুন ১০০ টাকার নোটে সামনের অংশে বামপাশে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি এবং মাঝখানে পাতা ও কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি থাকবে।
- পেছনে থাকবে সুন্দরবনের দৃশ্য। জলছাপ হিসেবে দেখা যাবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ, নিচে ‘১০০’ সংখ্যা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

৫,০৮৭.
বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করার পূর্বে কার অনুমোদন লাগবে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করবেন না।

⇒ অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,০৮৮.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কবে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী উত্থাপন করেছিলেন?
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৪৮
  2. খ) ২৪ মার্চ, ১৯৪৮
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮
  4. ঘ) ২২ এপ্রিল, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
• ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১):
- ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
-  ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।

- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভার সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসরণে তিনি মুক্তি সংঘ নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা গঠন করেন। 
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারেরও প্রস্তাব পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যদের বিরোধিতায় এ প্রস্তাব গৃহিত হয়নি।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৫,০৮৯.
What is the universal pension scheme for self-employed persons in Bangladesh?
  1. Progoti
  2. Surokkha
  3. Somota
  4. Probash
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।
৫,০৯০.
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পারস্যের কোন কবির সাথে পত্রালাপ করেন?
  1. হাফিজ
  2. রশিদউদ্দিন
  3. জামি
  4. ওমর খৈয়াম
ব্যাখ্যা

গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ:
- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পিতা সিকান্দর শাহকে পরাজিত ও নিহত করে ১৩৯৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।

⇒ গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জন করেন এবং তিনি চীনে বিশেষ দূত প্রেরণ করেন। চীন সম্রাট ইয়াং লু'র সাথে তিনি দূত বিনিময় করেন। বাংলা থেকে ১৪০৫, ১৪০৮ ও ১৪০৯ খ্রিস্টাব্দে চীন সম্রাটের দরবারে প্রতিনিধি দল প্রেরণ করা হয়, প্রত্যুত্তরে চীন সম্রাটও ১৪১১ খ্রিস্টাব্দে প্রখ্যাত চৈনিক দোভাষী মাহুয়ান-এর নেতৃত্বে একটি চীনা প্রতিনিধি দল বাংলায় প্রেরণ করেন। 

⇒ সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের একজন উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিনি নিজেও কাব্যচর্চা করতেন এবং ফারসি কবিতা রচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
- পারস্যের প্রখ্যাত কবি হাফিজের সাথে তাঁর পত্রালাপ হত। তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন।
- গিয়াসউদ্দিনের প্রশংসা করে কবি সুলতানকে ভারতবর্ষের তোতাপাখি বলে উল্লেখ করেছেন।

⇒ মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে যে সকল শাসক শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে এবং বাংলা সাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে উদার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন তাঁদের মধ্যে সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ অন্যতম। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা লাভকরে শাহ মুহাম্মদ সগীর ইউসুফ জুলেখা কাব্য রচনা করেন। অনেক ঐতিহাসিক বলেন যে, তিনি বাংলা ভাষায় রামায়ণের রচিয়তা কৃত্তিবাসেরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। 

⇒ আজম শাহ বাংলায় অগণিত মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ, এতিমখানা ইত্যাদি নির্মাণ করেন। তিনি মক্কা ও মদিনায় মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য অর্থ ব্যয় করেন এবং দুই শহরের অধিবাসীদের মধ্যে বিলি করার জন্য বহু অর্থ প্রেরণ করেন। 

⇒ দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর সগৌরবে রাজত্ব শেষে ১৪০৯ খ্রিস্টাব্দে আজম শাহ রাজা গণেশের চক্রান্তে নিহত হন। আজম শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সাইফউদ্দিন হামযা শাহ সিংহাসনে বসেন। তিনি মাত্র দু'বছর রাজত্ব করেন। রাজা গণেশের চক্রান্তে সুলতানের ক্রীতদাস শিহাবউদ্দিন তাঁকে হত্যা করে নিজেই সিংহাসনে আরোহণ করেন। বায়েজিদ শাহ উপাধিধারী এই শাসক সম্ভবত: গণেশের চক্রান্তে নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর বায়েজিদের পুত্র আলাউদ্দিন ফিরোজশাহ সুলতান হন। পরবর্তীতে রাজা গণেশ তাকে অপসারণ করে নিজেই সিংহাসনে বসেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,০৯১.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী সুপেয় পানি গ্রহণকারী-
  1. ক) ৯৮.৩ শতাংশ
  2. খ) ৯৭.৬ শতাংশ
  3. গ) ৯৪.৮ শতাংশ
  4. ঘ) ৯৩.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী ৯৮.৩ শতাংশ।
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী ৮১.৫ শতাংশ।
- মোট প্রজনন হার (প্রতি ১৫-৪৯ বৎসর বয়সী মহিলা) ২.০৪ শতাংশ।
- জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬৩.৯ শতাংশ।
৫,০৯২.
ঢাকায় ১৮৫৭ সালে সিপাহি বিদ্রোহের স্মৃতিজড়িত স্থান কোনটি?
  1. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  2. লালবাগ কেল্লা
  3. বাহাদুর শাহ পার্ক
  4. রায়ের বাজার বধ্যভূমি
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:

- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা বাহাদুর শাহ পার্কে ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে।
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য।
- তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,০৯৩.
ষাটগম্বুজ মসজিদে কয়টি গম্বুজ রয়েছে?
  1. ৬০টি
  2. ৬৫টি
  3. ৭০টি
  4. ৮১টি
ব্যাখ্যা
ষাটগম্বুজ মসজিদ:
- এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- ১৫ শতকের দিকে উলঘ খান-ই-জাহান ঐতিহাসিক মসজিদের শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া।
- দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে।
- মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট।
- মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে।
- ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫,০৯৪.
বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশীপ এক্সিবিশেন সেন্টার কত একর জমিতে নির্মিত হয়েছে?
  1. ক) ১০
  2. খ) ১৫
  3. গ) ১৮
  4. ঘ) ২০
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার।
- ছয় উদ্দেশ্যে সরকার রাজধানীর পূর্বাচলে এক্সিবিশন সেন্টারটি নির্মাণ করেছে।
- ২০ একর জমির ওপর নির্মিত এক্সিবিশন সেন্টারটি বাংলাদেশ সরকারের কাছে বুঝিয়ে দিয়েছে ঠিকাদার চাইনিজ স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং কর্পোরেশন।

- সেন্টারটির নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছিলো ৭৭৩ কোটি টাকা। এর মধ্যে চীন সরকারের অনুদান ৫২০ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। বাংলাদেশ সরকারের রয়েছে ২৩১ কোটি এবং রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো ইপিবি অর্থায়ন করেছে ২১ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
- এখানেই প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্র্রিবিউন।
৫,০৯৫.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন?
  1. রাফিয়া বানু
  2. সাজেদা চৌধুরী
  3. রাজিয়া বানু
  4. নুরজাহান মোর্শেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

বাংলাদেশের সংবিধান:

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২, ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ১৭ এপ্রিল।
- দীর্ঘ আলোচনার পর ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে সংবিধানের খসড়া গণপরিষদে উত্থাপন করা হয়।
- পরবর্তীতে, ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ, ঐতিহাসিকভাবে তা কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত উক্ত খসড়ায় স্বাক্ষর করেননি।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
৫,০৯৬.
নবনির্মিত মওলানা ভাসানী সেতু কোন দুটি জেলাকে যুক্ত করেছে?
  1. কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা
  2. গাইবান্ধা, রংপুর
  3. রংপুর, কুড়িগ্রাম
  4. কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

মওলানা ভাসানী সেতু:
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।
- মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৮৮৫ কোটি টাকা।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

তথ্যসূত্র- বাসস। [link]

৫,০৯৭.
Bangladesh Bank is a-
  1. ক) Commercial bank
  2. খ) State Bank
  3. গ) Central Bank
  4. ঘ) Bank of Industry
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক
- বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
-  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩ কোটি টাকা এবং তা প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যমানের ৩ লক্ষ শেয়ারে বিভক্ত।
- প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আ.ন.ম হামিদুল্লাহ। 

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
৫,০৯৮.
ফরায়েজী আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো কোথায়?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।
- ১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
- ১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
৫,০৯৯.
বাংলাদেশের কোন সম্প্রদায়ের মাঝে ‘মাতৃতান্ত্রিক পরিবার’ প্রথা চালু আছে?
  1. চাকমা
  2. মনিপুরী
  3. সাঁওতাল
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের ভাষা বর্মী।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৫,১০০.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম এভারেস্ট জয়ী মহিলা পর্বতরোহী কে?
  1. ক) নিশাত মজুমদার
  2. খ) রাবেয়া ভুঁইয়া
  3. গ) নাজিয়া সুলতানা
  4. ঘ) ওয়াসফিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার (১৯মে, ২০১২)।
- দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম এবং
- এভারেস্টের দুই দিক থেকে দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত।

উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।