বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৯ / ৩০৬ · ৪,৮০১৪,৯০০ / ৩০,৮৩২

৪,৮০১.
কত সালে সংবিধানের সর্বশেষ সংশোধনী 'সপ্তদশ সংশোধনী' সংসদে গৃহীত হয়?
  1. ক) ২০১৯ সালে
  2. খ) ২০১৭ সালে
  3. গ) ২০১৬ সালে
  4. ঘ) ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
সপ্তদশ সংশোধনী:
- ২০১৮ সালের ৮ জুলাই পাস হয়।
- উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২৯ জুলাই, ২০১৮।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৮০২.
১৯৪৭ সালে 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলা’ রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) এ. কে. ফজলুল হক
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা
'স্বাধীন সার্বভৌম অখণ্ড বাংলার' পরিকল্পনা

- ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার পর লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত বিভাগ এবং এর পাশাপাশি বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলসহ অনেক কংগ্রেস নেতাও ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগের সিদ্ধান্তকে মেনে নেন ।

- বাঙালি জাতির এ দুঃসময়ে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও অবিভক্ত বাংলার সে সময়ের মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব আবুল হাশিম ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা প্রদেশকে বিভক্তির বিরোধিতা করেন।
- শরৎচন্দ্র বসু, কিরণ শংকর রায়, সত্য রঞ্জন বক্সীর মতো প্রগতিশীল ও অসাম্প্রদায়িক কংগ্রেস ও ফরোয়ার্ড ব্লক নেতাগণও বাংলাকে বিভক্ত করার বিরোধিতা করেন।
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এসব প্রগতিশীল নেতার সাথে পরামর্শ করে ১৯৪৭ সালের ২৭ এপ্রিল 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলা’ রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

- 'স্বাধীন বাংলা' রাষ্ট্রগঠন আন্দোলনের নেতাগণ বিশেষ করে অবিভক্ত বাংলার কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের অসাম্প্রদায়িক ও প্রগতিশীল নেতাগণ ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি যৌথ কমিটি গঠন করেন।
- এ যৌথ কমিটি ১৯৪৭ সালের ২০ মে স্বাধীন বাংলার ভবিষ্যৎ সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে একটি রূপরেখাও প্রণয়ন করে।

এ রূপরেখা অনুযায়ী স্বাধীন সার্বভৌম অখণ্ড বাংলার ভবিষ্যৎ সংবিধানের বৈশিষ্ট্য হবে নিম্নরূপ:

১। বাংলা হবে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। ভারতের অবশিষ্ট অংশের সাথে এর সম্পর্ক কীরূপ হবে তা স্বাধীন বাংলার পরিচালক ও সংগঠকবন্দই নির্ধারণ করবেন।
২। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার আইনসভা গঠিত হবে যুক্ত নির্বাচন ও সর্বজনীন প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচিত প্রতিনিধিদেরকে নিয়ে।
৩। স্বাধীন বাংলার প্রস্তাব গৃহীত হলে বর্তমান মন্ত্রিসভা ভেঙে দিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে।
৪। অন্তর্বর্তীকালীন মন্ত্রিসভার প্রধানমন্ত্রী হবেন একজন মুসলমান। তবে মন্ত্রিসভায় সমান সংখ্যক মুসলমান ও হিন্দু মন্ত্রী থাকবেন।
৫। স্বাধীন বাংলার সামরিক ও পুলিশ বাহিনীসহ অন্যান্য সকল চাকরিতে হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সংখ্যাসাম্যের ব্যবস্থা থাকবে।
৬। সংবিধান প্রণয়নের জন্য একটি গণপরিষদ গঠিত হবে। গণপরিষদের সদস্য সংখ্যা হবে ৩০ জন, এর মধ্যে ১৬ জন হবেন মুসলমান এবং ১৪ জন হবেন হিন্দু। তাঁরা বর্তমান আইনসভার মুসলমান ও অমুসলমান সদস্যগণের দ্বারা পৃথকভাবে নির্বাচিত হবেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৪,৮০৩.
ঐতিহাসিকগণ কাকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহের রাজত্বকাল বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি উজ্জ্বল অধ্যায়।
- একজন সামান্য শাসক থেকে একত্রিত বৃহৎ বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে এখানে সুষ্ঠু প্রশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক শাসন প্রতিষ্ঠিত করায় ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে উচ্চ স্থান অধিকার করে আছেন।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয় এবং সামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে শাহ-ই-বাঙ্গালাহ বলা হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮০৪.
রাঢ় জনপদ বলতে কোন অঞ্চলকে বোঝানো হতো?
  1. পূর্ব বাংলা 
  2. উত্তর বাংলা
  3. দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা
  4. পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চল
ব্যাখ্যা

রাঢ় জনপদ:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকে বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।

• রাঢ় জনপদটি ২টি অংশে বিভক্ত ছিল।
- দক্ষিণ রাঢ় এবং উত্তর রাঢ় নিয়ে ছিল রাঢ় জনপদ। এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- বৌদ্ধ পুঁথি ও বিদেশী পর্যটকদের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, তৎকালে তাম্রলিপ্তি একটি বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য বন্দর ছিল।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮০৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করবেন? 
  1. ১৫ নং
  2. ১৭ নং
  3. ১৮ক নং
  4. ১৯ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করবেন।

⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
- ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৮০৬.
স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ক) ১৬ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ৪ মার্চ, ১৯৭২
  4. ঘ) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
৪ মার্চ, ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়।

- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০০৮ সালে : ১০০০ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।

(সূত্র: প্রথম আলো)
৪,৮০৭.
'সুতরাং' ছবির নায়িকা কে ছিলেন?
  1. শবনম
  2. ববিতা
  3. শাবানা
  4. কবরী
ব্যাখ্যা
সুতরাং:
- সুতরাং ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতাপূর্ব একটি পাকিস্তানি বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র।
- ছবিটি পরিচালনা করেছেন সুভাষ দত্ত.
- তিনি এই ছবিতে একটি গ্রামের ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
- সুভাষ দত্ত ছাড়াও ছবির প্রধান প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন কবরী, রানী সরকার, বেবী জাসমীন, বেবী জামান, মেছবাহ, আকবর, মঞ্জুর, ইনাম, সিরাজ, মেহেদী, খান জইনুলসহ আরো অনেকে।
- সৈয়দ শামসুল হক এই চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্য, সংলাপ রচনা করেছিলেন এবং সকল গানের গীতিকার ছিলেন.

উল্লেখ্য,
- এটি কবরী অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র।
- সুভাষ দত্তের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র।
- এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সত্য সাহার চলচ্চিত্র সংগীত পরিচালনার অভিষেক ঘটে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র সম্মাননা লাভ করেছিল।
- ১৯৬৫ সালে ফ্রাংকফুর্ট চলচ্চিত্র উৎসবে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: BBC.
৪,৮০৮.
ICDDR,B কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (ICDDR,B- International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh) ১৯৬০ সালের দিকে সিয়াটো জোটের The Cholera Research Laboratory (CRL) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৭৮ সালে এটি ICDDR,B নামধারণ করে।

ICDDR,B ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত। ICDDR,B অন্যতম সাফল্য হলো খাবার স্যালাইন উদ্ভাবন
প্রতিষ্ঠানটির প্রথম বাংলাদেশি নির্বাহী পরিচালক হলেন বর্তমান নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ। তিনি গত ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

(তথ্যসূত্র: ICDDR,B ওয়েবসাইট)
৪,৮০৯.
সংবিধানের যে ধারায় ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে-
  1. ক) ধারা ৯
  2. খ) ধারা ১০
  3. গ) ধারা ১১
  4. ঘ) ধারা ১২
ব্যাখ্যা

ধারা ১২ তে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে ।
ধারা ১১ তে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলা হয়েছে ।
ধারা ১০ এ সমাজতন্ত্র ও শোষণ মুক্তির কথা বলা হয়েছে।
ধারা ৯ এ জাতীয়তাবাদের কথা ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ১২: ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
ধর্ম নিরপেক্ষতা নীতি বাস্তবায়নের জন্য
(ক) সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা,
(খ) রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা দান,
(গ) রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অপব্যবহার,
(ঘ) কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির প্রতি বৈষম্য বা তাহার উপর নিপীড়ন,
বিলোপ করা হইবে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

৪,৮১০.
'বুলন্দ দরওয়াজা' কোন মুঘল সম্রাটের সময়ের স্থাপনা?
  1. বাবর
  2. আকবর
  3. হুমায়ুন
  4. জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
মুঘল স্থাপনা:
- মুঘল যুগে স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- প্রায় সব মুঘল সম্রাট স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকর্ষণীয় সৌধ, ইমারত, মসজিদ, উদ্যান এমনকি ময়ূর সিংহাসন মুঘলদের কীর্তির অবিনশ্বর স্বাক্ষর বহন করে।
- মুঘল যুগে চিত্রশিল্পও বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে ছিল।

• বাবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আগ্রায় পানিপথের কাবুলিবাগ নামক স্থানে মসজিদ নির্মিত হয়।

• হুমায়ুনের সময় স্থাপত্যসমূহ:
- হুমায়ুনের আমলে দিল্লিতে দীন-পানাহ ভবন, আগ্রায় ও ফতেহাবাদে নির্মিত মসজিদ তাঁর সময় কালের স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

• আকবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আকবরের আমলে নির্মিত প্রাসাদ, দুর্গ, মসজিদ ও সৌধগুলোর মধ্যে ফতেহপুর সিক্রি, হুমায়ুনের সমাধি, ইবাদতখানা, বুলন্দ দরওয়াজা, পাঁচ মহল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

• জাহাঙ্গীরের ভূমিকা:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে আকবরের সমাধি সৌধ, ইতমাতুদ্দৌলার সমাধি সৌধ এবং তাঁর নিজের জন্য নির্মিত সমাধি সৌধের নাম উল্লেখ করা যায়।

• আওরঙ্গজেবের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে নির্মিত লাহোরের বাদশাহী মসজিদ স্থাপত্য শিল্পের এক বিশেষ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮১১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি কোনটি?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  2. ভাওয়াল বনাঞ্চল
  3. মধুপুর বনাঞ্চল
  4. সিলেট বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল:

- বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল।
- দেশের মোট বনভূমির ৪০ শতাংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে।
- সারা দেশে যে পরিমাণে বৃক্ষ বেড়েছে, তার ৭৮ শতাংশ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে। 
- বৃক্ষের বেশির ভাগই প্রাকৃতিক বন কেটে ও কৃষিজমিতে রোপণ করা ফলবাগান ও কাঠবাগান।
- দেশের মোট বনভূমি ও জীববৈচিত্র্যের বড় অংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে।
- হাতি, চিতাসহ দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী সেখানে এখনো বাস করে।

তথ্যসুত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২২ মার্চ ২০২২।
৪,৮১২.
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম-
  1. রাজ কাঁকড়া
  2. গণ্ডার
  3. পিপীলিকাতুক ম্যানিস
  4. স্নো লোরিস
ব্যাখ্যা
• রাজ কাঁকড়া:
- বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম রাজ কাঁকড়া।
- রাজ কাঁকড়া (অশ্বখুরাকৃতির কাকড়া বা সাগর কাঁকড়া) প্রকৃত পক্ষে কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড।
- এরা Xiphosura (গ্রীক, xiphos, তলোয়ার এবং uros, লেজ) বর্গের অর্ন্তভুক্ত।
- পৃথিবীব্যাপী ৩টি গনের অধীনে এদের ৪টি জীবিত প্রজাতি রয়েছে।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে "জীবন্ত জীবাশ্ম" বলা হয় যা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৮১৩.
পলাশির যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৬ সালের ২৩শে জুন
  2. ১৭৫৬ সালের ২১শে জুন
  3. ১৭৫৭ সালের ২১শে জুন
  4. ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন
ব্যাখ্যা
পলাশির যুদ্ধের ঘটনা: 
- পলাশির যুদ্ধ বাংলা তথা এ উপমহাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশির আমবাগানে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ইতোমধ্যে রবার্ট ক্লাইভ তার অবস্থান সুদৃঢ় করে সন্ধি ভঙ্গের অজুহাতে সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
- নবাবের পক্ষে দেশপ্রেমিক মীর মদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে প্রাণপণ যুদ্ধ করেন।
- যুদ্ধে মীর মদন নিহত হন।
- নবাবের বিজয় আসন্ন জেনে মীর জাফর ষড়যন্ত্রমূলকভাবে যুদ্ধ থামিয়ে দেয়।
- মীর জাফরের ষড়যন্ত্রে নবাব পরাজিত হন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৮১৪.
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
  1. ক) গৌড়
  2. খ) সোনারগাঁ
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) হুগলী
ব্যাখ্যা
১৬১০ সালে বাংলায় মোঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মোঘল পূর্ব যুগে বাংলার হিন্দু ও মুসলিম শাসকগণ ঢাকার চারদিকে বিভিন্ন অবস্থানে রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।
- এরকম উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রাজধানী হলো - সোনারগাঁ, বিক্রমপুর, ভাওয়াল ইত্যাদি।

পরবর্তীতে,
- ইসলাম খানের হাত ধরে ১৬১০ সালে বাংলায় মোঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
- ঢাকার নতুন নামকরণ করা হয় - জাহাঙ্গীরনগর।
- বাংলায় মোঘল শাসনের কেন্দ্রবিন্দু ছিলো - ঢাকা।

উৎস: ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট।
৪,৮১৫.
'বেতবুনিয়া ভূ উপগ্রহকেন্দ্র' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্ৰ:
- বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি।
- সেগুলো হলো:
i) রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫),
ii) গাজীপুরের তালিবাবাগ (১৯৮২),
iii) ঢাকার মহাখালী (১৯৯৫), ও
iv) সিলেট (১৯৯৭)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ জুন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাঙামাটির বেতবুনিয়া (১৯৭৫) ভূ-উপগ্রহটি কেন্দ্রটি উদ্বোধন করেছিলেন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৮১৬.
টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের কোন নদীর উজানে নির্মিত?
  1. পদ্মা
  2. সুরমা
  3. বরাক
  4. মেঘনা
ব্যাখ্যা

টিপাইমুখ বাঁধ:
-বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উজানে ভারতের বরাক নদীর ওপর নির্মিতব্য বাঁধটি টিপাইমুখ বাঁধ নামে পরিচিত।
- এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে ভারত সরকার এই কাজ করেছে।
-  ১৯৩০-এর দশক থেকে আসামের কাছাড় উপত্যকায় এক ভয়াবহ বন্যা হওয়ার পর থেকে একটি দীর্ঘমেয়াদি বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা করা হয়; যার অংশ হিসেবে ১৯৫৪ সালে ভারতের Central Water Commission (CWC) একটি বহুমুখী জলাধারের জন্য সমীক্ষার কাজ হাতে নেয়।
- এই বাঁধের উচ্চতা ১৬২.৮ মিটার।

[টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের  কোন নদীর  উজানে নির্মিত তখন উত্তর হবে -  সুরমা ও কুশিয়ারা। আর যদি প্রশ্নে ভারতের কোন নদীর উজানে নির্মিত, উত্তর হবে - বরাক নদী। আর প্রশ্নে বাংলাদেশ বা ভারত না থাকে তাহলে অপশন অনুযায়ী উত্তর করতে হবে।]

উৎস: কালের কন্ঠ ও নয়া দিগন্ত পত্রিকা রিপোর্ট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৮১৭.
বিকেএসপি হলো-
  1. একটি ক্রীড়া শিক্ষা সংস্থার নাম
  2. একটি সংবাদ সংস্থার নাম
  3. একটি কিশোর ফুটবল টিমের নাম
  4. একটি সঙ্গীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি: 
- দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।

- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়। 
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে।প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৮১৮.
গণভোটের বিধান বাতিল করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) ষোঢ়শ
ব্যাখ্যা
গণভোট: 
-২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে গনভোটের বিধান বাতিল করা হয়।  
- গণভোট সংক্রান্ত সংবিধানের দুটি অনুচ্ছেদ হলো : ৪৮ এবং ৫৬. তবে বর্তমানে এই অনুচ্ছেদ দুটিতে গনভোটের বিধান আর নেই।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল। 
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ। (প্রশাসনিক )
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই। (প্রশাসনিক)
- তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক )।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও জাতীয় দৈনিক ।
৪,৮১৯.
রংপুর বিভাগে কতটি জেলা রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
রংপুর বিভাগ:
- আয়তন: ১৬৩৭৪.০৯১ বর্গকিলোমিটার।
- অবস্থান: ২৫°২০´ থেকে ২৬°৩৭´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°৫০´ থেকে ৮৯°৫৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।
- সীমানা: উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, দক্ষিণে জয়পুরহাট, বগুড়া ও জামালপুর জেলা, পূর্বে ভারতের আসাম রাজ্য, পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।
- রংপুর বিভাগ গঠিত হয় ২৫ জানুয়ারী ২০১০ সালে।
- জেলা: ৮টি।
- উপজেলা: ৫৮টি।

উৎস- বাংলাপিডিয়া ও রংপুর বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪,৮২০.
দেশে প্রথম সামরিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন কোথায় করা হবে?
  1. মিরসরাইয়ে
  2. গাজীপুরে
  3. ভাটিয়ারীতে
  4. কুমিল্লায়
ব্যাখ্যা

• দেশে প্রথম সামরিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন:
- সামরিক ও প্রতিরক্ষাশিল্পে সক্ষমতা বাড়াতে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ‘ডিফেন্স ইকোনমিক জোন’ বা সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন করবে সরকার।

- মিরসরাইয়ে বাতিল হওয়া ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাবিত জায়গায় এই সামরিক অর্থনৈতিক অঞ্চল করা হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) গভর্নিং বোর্ডের সভায় এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: প্রথম আলো।

৪,৮২১.
বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. উত্তরাধিকার
  2. বাংলা একাডেমি পত্রিকা
  3. ধানশালিকের দেশ
  4. বাংলা একাডেমি সমাচার
ব্যাখ্যা
- 'বাংলা একাডেমি সমাচার' বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

- বাংলা একাডেমি থেকে ছয়টি পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
বাংলা একাডেমি পত্রিকা:
- গবেষণামূলক ত্রৈমাসিক।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উপর বিশেষ গুরুত্বসহ অন্যান্য বিষয়েও বাংলায় রচিত গবেষণামূলক প্রবন্ধ এতে প্রকাশিত হয়।

উত্তরাধিকার:
- মাসিক পত্রিকা।
- এতে সৃজনশীল রচনা, যথা: গল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, নাটক, গ্রন্থ-সমালোচনা ইত্যাদি মুদ্রিত হয়।

ধানশালিকের দেশ:
- ত্রৈমাসিক কিশোর পত্রিকা।
- কিশোরোপযোগী গল্প, কবিতা, ছড়া ইত্যাদি এই পত্রিকায় মুদ্রিত হয়।

• বাংলা একাডেমি বিজ্ঞান পত্রিকা:
- ষাণ্মাসিক এই পত্রিকাটি বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার সমন্বয়ে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বার্তা:
- একাডেমির কার্যক্রম ও যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বিবরণ এতে উপস্থাপিত হয়ে থাকে।
- বর্তমানে এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

• বাংলা একাডেমি জার্নাল:
- ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত ষাণ্মাসিক পত্রিকা।
- বাংলা সাহিত্যের নির্বাচিত রচনা ইংরেজির অনুবাদ এবং বাংলা সাহিত্য ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় রচিত মৌলিক রচনা এতে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি অনিয়মিত প্রকাশনা।

সূত্র: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৮২২.
পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নামে পরিচিত হচ্ছে-
  1. দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য
  2. দু'টি উন্নত জাতের ধানশস্য
  3. দু'টি উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য
  4. দু'টি উন্নত জাতের ইক্ষু
ব্যাখ্যা
• পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নামে পরিচিত হচ্ছে- দু'টি উন্নত জাতের গমশস্য। 

• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা
- দোয়েল
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
------------------------- 
• বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
ধান - ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১,মালাইরি।
গম - অগ্রণী, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
ভুট্টা - উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্র।
তুলা - রূপালী ও ডেলফোজ।
টমেটো - মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
বেগুন - ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৪,৮২৩.
'প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে'-সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে এর উল্লেখ আছে?
  1. ১১ নং
  2. ১৭ নং
  3. ২১ নং 
  4. ২৭ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
- প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যবোধের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷

⇒ গণতন্ত্র:
- সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং মানবসত্তার মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
- রাষ্ট্রীয় সকল কাজে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য।
- প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত হবে।
- সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে। 

অন্যদিকে -
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।
- ২১ নং  অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশের নাগরিকদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ কর্তব্য রয়েছে, যার মধ্যে প্রধান হলো সংবিধান ও আইন মেনে চলা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।
- ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।

৪,৮২৪.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা কে? 
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. আইনমন্ত্রী
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার 
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- সংবিধানের  অনুচ্ছেদ-৬৪ (১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- (২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- তিনি দেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- ১৬ তম অ্যাটর্নি জেনারেলজনাব আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
- ১৭ তম অ্যাটর্নি জেনারেলজনাব মোঃ আসাদুজ্জামান। [আগস্ট, ২০২৫]।

উল্লেখ্য,
-  দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতির বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। [আগস্ট, ২০২৫]।
-  দেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এম, নাসির উদ্দিন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৪,৮২৫.
মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি যুদ্ধ করেন কোন সেক্টরে?
  1. ১১
ব্যাখ্যা
তারামন বিবি:

- তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের (বীর উত্তম)।
- বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি।
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করে।
- মৃত্যুবরণ করেন ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং ডেইলি স্টার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১।
৪,৮২৬.
দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে কোথায়?
  1. গাজীপুর
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. কুমিল্লা
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

 ⇒ নারায়ণগঞ্জে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নে নির্মিত দেশের প্রথম ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- পর্যায়ক্রমে সকল জেলায় ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ নির্মাণ করা হবে।
- ‘জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ আরে স্থপতি- আব্দুল হামিদ চঞ্চল।
- স্মৃতিস্তম্ভের ফলকে উল্লেখ করা হয়েছে ২১ জন শহীদের নাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাসস।

৪,৮২৭.
বাংলাদেশ-ভুটান যৌথ উদ্যোগে কোথায় জিটুজি ভিত্তিক বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে?
  1. লালমনিরহাট
  2. শরীয়তপুর
  3. গোপালগঞ্জ
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৪,৮২৮.
শিক্ষার মূল লক্ষ্য কি?
  1. মানুষকে সৎ হিসেবে গড়ে তোলা
  2. মূল্যবোধ জাগানো ও ব্যক্তির গুণাবলির যথার্থ বিকাশ
  3. বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করা
  4. বৃত্তিমূলক দক্ষতা বাড়ানো
ব্যাখ্যা
শিক্ষার সাধারণ উদ্দেশ্য:

- ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে নৈতিক, মানবিক, সাংস্কৃতিক, বিজ্ঞানভিত্তিক ও সামাজিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠাকল্পে শিক্ষার্থীদের মননে, কর্মে ও ব্যবহারিক জীবনে উদ্দীপনা সৃষ্টি করা।
- মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করে তোলা ও তাদের চিন্তা-চেতনায় দেশাত্ববোধ, জাতীয়তাবোধ এবং তাদের চরিত্রে সুনাগরিকের গুণাবলির যেমন: ন্যায়বোধ, অসাম্প্রদায়িক-চেতনাবোধ, কর্তব্যবোধ, মানবাধিকার সচেতনতা, মুক্তবুদ্ধির চর্চা, শৃঙ্খলা, সৎ জীবনযাপনের মানসিকতা, সৌহার্দ্য, অধ্যবসায় ইত্যাদি বিকাশ ঘটানো।
- জাতীয় ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ধারা বিকশিত করে প্রজন্ম পরম্পরায় সঞ্চালনের ব্যবস্থা করা।
- দেশজ আবহ ও উপাদান সম্পৃক্ততার মাধ্যমে শিক্ষাকে শিক্ষার্থীর চিন্তা-চেতনা ও সৃজনশীলতার উজ্জীবন এবং তার জীবনঘনিষ্ঠ জ্ঞান বিকাশে সহায়তা করা।
- দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি সাধনের জন্য শিক্ষাকে সৃজনধর্মী, প্রয়োগমুখী ও উৎপাদন সহায়ক করে তোলা; শিক্ষার্থীদেরকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব হিসেবে গড়ে তোলা এবং তাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশে সহায়তা করা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৮২৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের মৌলিক অধিকার সমূহ বলবৎ করার জন্য কোনো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি কোন অনুচ্ছেদ বলে আদালতে আবেদন করতে পারে?
  1. ক) ৭
  2. খ) ১১
  3. গ) ১০২
  4. ঘ) ৩১
ব্যাখ্যা
সংবিধানে ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্যের উল্লেখ আছে
১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র এবং মানবাধিকারের উল্লেখ
৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারের কথা বলা আছে।
মৌলিক অধিকার সমূহ বলবৎ করার জন্য কোনো সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি ১০২ নং অনুচ্ছেদ বলে আদালতে আবেদন করতে পারেন
১০১ নং অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার, ১০৩ নং অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগের এখতিয়ার এবং
১০৫ নং অনুচ্ছেদে আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা বিষয়ে বলা হয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৪,৮৩০.
মুক্তিযুদ্ধে ১ নম্বর সেক্টর ছিলো নিচের কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গন (১ নং সেক্টর)

⇒ ১নং সেক্টর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
• সাব-সেক্টর ঋষিমুখ — কমান্ডার ক্যাপ্টেন শামসুল ইসলাম।
• সাব-সেক্টর শ্রীনগর — কমান্ডার ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান (পরে ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান)।
• সাব-সেক্টর মনুঘাট — কমান্ডার ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান।
• সাব-সেক্টর তবলছড়ি — কমান্ডার সুবেদার আলী হোসেন।
• সাব-সেক্টর ডিমাগিরী — কমান্ডার জনৈক সুবেদার।
• এ সেক্টরে প্রায় ১০,০০০ মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
- নিয়মিত বাহিনী (ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী) ছিল প্রায় ২,০০০ জন।
- গণবাহিনীর সদস্য সংখ্যা ছিল প্রায় ৮,০০০।
- গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৮৩১.
নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. জনসংখ্যা গবেষণা
  2. নদী গবেষণা
  3. মিঠাপানি গবেষণা 
  4. বন্দর গবেষণা
ব্যাখ্যা

NIPORT:
- NIPORT এর পূর্ণরূপ National Institute of Population Research and Training.
- NIPORT হল বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
- এটি মূলত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ।
- এর মূল কাজ:
• জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা খাতে গবেষণা পরিচালনা করা,
• সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া,
• নীতি নির্ধারণে সহায়তা করা ।

→ উল্লেখ্য:
- নিপোর্টের আওতায় ১৪টি আঞ্চলিক জনসংখ্যা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (RPTI) আছে।
- এছাড়া এর আওতায় রয়েছে ২১টি আঞ্চলিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (RTC)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)।

৪,৮৩২.
কোন আইনের মাধ্যমে ভারতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে?
  1. রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩
  2. পিটস ইন্ডিয়া অ্যাক্ট, ১৭৮৪
  3. ভারত শাসন আইন, ১৮৫৮
  4. ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অ্যাক্ট, ১৮৬১
ব্যাখ্যা

 • ভারত শাসন আইনম - ১৮৫৮:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট 'ভারত শাসন আইন' নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়।
- ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতবর্ষে ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর আওতায় চার সদস্য বিশিষ্ট গভর্নর জেনারেল অ্যান্ড কাউন্সিলকে ক্ষুদ্র পরিসরের আইনসভা বলা যেতে পারে।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৬১ সালে ভারত সরকারকে বাংলায় প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভা স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
- এর ফলে ১৮৬১ সালের ১আগস্ট ভারতীয় কাউন্সিল আইন ঘোষিত হয়।
- বঙ্গীয় আইনসভা প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও দেওয়া হয়

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩৩.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে নিচের কোন দেশে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সিঙ্গাপুর
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো:
- যুক্তরাজ্য
- অস্ট্রেলিয়া
- নিউজিল্যান্ড
- জাপান
- কানাডা
- তুরস্ক
- রাশিয়া
- বেলারুশ
- লিচেনস্টাইন
- নরওয়ে এবং
- সুইজারল্যান্ড।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৪,৮৩৪.
উপমহাদেশে ’সিভিল সার্ভিস’ গঠন করেন কে?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
• লর্ড কর্নওয়ালিস:
 - ১৭৮৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭৯৩ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলায় ফোর্ট উইলিয়ম এর গভর্নর জেনারেল।
- তিনি ছিলেন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার রূপকার।
- ১৭৮৪ সালের পিট-এর ভারত আইন এর অধীনে কর্নওয়ালিস ফোর্ট উইলিয়মের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
-  তিনি প্রশাসন থেকে কোম্পানির বাণিজ্যকে আলাদা করেন এবং প্রশাসনকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য উচ্চ বেতনভোগী ও পেশাগতভাবে সুশৃঙ্খল ‘সিভিল সার্ভিস’ গঠন করেন।
- জেলা পর্যায়ে প্রশাসন ব্যবস্থাকে তিনি পুনর্বিন্যাস করেন। 
- চার্লস কর্নওয়ালিস বিচার এবং পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থার উপর সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করেন।
- তিনি চারস্তর বিশিষ্ট বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ ব্যবস্থায় বিচার বিভাগের সর্ব নিম্নে ছিল মুনসিফ আদালত এবং সর্বোচ্চে ছিল সদর আদালত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৩৫.
চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন -
  1. মুর্শিদ কুলি খান
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা

সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
-তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৩৬.
দেশের প্রথম ‘স্টিল আর্চ ব্রিজ’ নির্মিত হতে যাচ্ছে কোন নদীর উপর?
  1. ক) ফেনী
  2. খ) তিস্তা
  3. গ) ব্রহ্মপুত্র
  4. ঘ) কর্ণফুলী
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ‘স্টিল আর্চ ব্রিজ’ নির্মাণ হতে যাচ্ছে ময়মনসিংহের কেওয়াটখালীস্থ ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর। এই সেতুর বৈশিষ্ট্য হলো নদের দু পাশে পিলার থাকলেও মাঝে কোনো পিলার বসানো হয় না। অনেকটা ধনুকের মতো এই ধরনের ব্রিজ দেখতে পাওয়া যায় অস্ট্রেলিয়ার শহর সিডনির হার্বারে। সিডনির হার্বারের আদলে বাংলাদেশে এই সেতু নির্মাণে ব্যয় হবে ৩ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে এশিয়ার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) ঋণ হিসেবে দেবে ১ হাজার ৯০৯ কোটি টাকা। বাকি টাকা সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে বরাদ্দ দেওয়া হবে।
উৎস: দেশরূপান্তর পত্রিকা
৪,৮৩৭.
ভাষাভাষী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা পৃথিবীর কততম ভাষা?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• বাংলা ভাষা:

- বাঙালি জনগোষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা।
- বাংলা ভাষা 'ইন্দো-ইউরোপীয়' ভাষা-পরিবারের সদস্য।
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় 'অহমিয়া' ও 'ওড়িয়া'।
- ধ্রুপদি ভাষা 'সংস্কৃত' এবং 'পালির' সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

[বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণী (নতুন বই) অনুসারে, মাতৃভাষার দিক থেকে বিশ্বে বাংলা ভাষার অবস্থান ষষ্ঠ। Ethnologue এর রিপোর্ট অনুসারে, ভাষাভাষীর জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলা ভাষার অবস্থান সপ্তম।]

[আমরা অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে সপ্তম উত্তর নিয়েছি তবে এই প্রশ্নটি পরীক্ষায় আসলে আপনি চাইলে নিজ বিবেচনায় উত্তর করতে পারেন।]

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ), Encyclopedia Britannica (Link).
৪,৮৩৮.
পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান বাংলাদেশের সংবিধানে কততম সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. চতুর্দশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) সংসদে পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন এবং তা রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে ৩ জুলাই এই সংশোধনীর মাধ্যমে যে অনুচ্ছেদ ও বিষয়গুলো পরিবর্তিত হয়, সেগুলো হচ্ছে -
১. সংবিধানের প্রস্তাবনায় সংশোধন,
২. ২ক অনুচ্ছেদে পরিমার্জন।
৩. ৪ক অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপন (জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত)
৪. ৭ক ও ৭খ অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ।
৫. সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত)।
৬. সংবিধানের ৯, ১০, ১২ নং অনুচ্ছেদের সংযোজন ও পরিমার্জন।
৭. সংবিধানে ১৮ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিধান)।
৮. সংবিধানে ২৩ক অনুচ্ছেদের সন্নিবেশ (ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্পর্কিত)।
৯. ৪২ নং অনুচ্ছেদের সংশোধন ও ৪৪ নং অনুচ্ছেদের প্রতিস্থাপন।
১০. ৫৮ক অনুচ্ছেদের বিলোপ (তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা)।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
৪,৮৩৯.
সম্প্রতি ক্রিকেটের আইন প্রণেতা 'এমসিসি'র আজীবন সদস্যপদ লাভ করেন কোন বাংলাদেশী?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) মাশরাফি বিন মর্তুজা
  3. গ) তামিম ইকবাল
  4. ঘ) মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
• এমসিসি:
- মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি)।
- ক্রিকেটের আইন প্রণেতা সংস্থা হিসেবে পরিচিত এমসিসি।
- ক্রিকেটের আইন প্রণেতা 'এমসিসি'র আজীবন সদস্য হলেন - মাশরাফি বিন মর্তুজা।
- তিনি দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ক্রিকেটের আইন প্রণেতা সংস্থা এমসিসির আজীবন সদস্য হলেন।

- এর আগে সাবেক বিসিবি প্রধান সাবের হোসেন চৌধুরী সম্মানসূচক আজীবন সদস্য হয়েছিলেন।
- এমসিসির প্রতিবেদনে মাশরাফিকে বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। যিনি দীর্ঘ ১৯ বছর দেশের হয়ে ইম্প্যাক্টফুল পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।

- বেশ কিছু কমিটির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ম-কানুন, ক্রিকেট-সংক্রান্ত গবেষণা ও বিশ্লেষণ করে থাকে এই ক্লাবটি।
- এর আগে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান এমসিসির ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির সদস্য হয়েছিলেন। তবে জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপন করে নিষিদ্ধ হওয়ার পর তিনি পদত্যাগ করেন।

তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ (৫ এপ্রিল, ২০২৩)।
৪,৮৪০.
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় এ কে ফজলুল হক কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র
  2. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার
  3. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী
  4. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল 'যুক্তফ্রন্ট' নামে জোট গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। যথা:
১. আওয়ামী মুসলিম লীগ হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি মওলানা আতাহার আলী।
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৪,৮৪১.
বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন:
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

 ⇒ কর্পোরেশনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- চিনি উৎপাদনের পরিমাণ এবং আহরণের হার বৃদ্ধি;
- উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারপূর্বক উচ্চ ফলনশীল আখচাষ ও চিনিকলে সরবরাহ;
- প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি  ও কারখানার আধুনিকায়ন;
- উৎপাদিত পণ্য বিপণন, বাজার সম্প্রসারণ ও ব্যয় সংকোচনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থা সুসংহতকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ওয়েবসাইট।

৪,৮৪২.
ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ১৯৭৫ সালে 
  2. ১৯৮০ সালে 
  3. ১৯৮৫ সালে 
  4. ১৯৯০ সালে  
ব্যাখ্যা

পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার- সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার নামেও পরিচিত।
- সোমপুর মহাবিহারের ধ্বংসাবশেষ বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলের পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- প্রায় ৩০০ বছর ধরে এটি বৌদ্ধদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মচর্চা ও শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- বর্তমানে এটি একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত প্রাচীন বৌদ্ধ ধর্মকেন্দ্র।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষ ভাগে বা নবম শতকের শুরুতে এই মহাবিহার নির্মাণ শুরু করেন।
- ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম এই বিশাল স্থাপত্যকীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহারকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ভারতের নালন্দা মহাবিহার-এর সঙ্গে তুলনীয়।
- অনেকের মতে, এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ বৌদ্ধবিহার।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাপিডিয়া। 

৪,৮৪৩.
দেশে সর্বপ্রথম উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৭ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৬৫/৬৬ সাল থেকে দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম ‍শুরু হয়।
- এর আওতায় বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুর জেলায় প্রায় ১.৯৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে বনায়ন করা হয়েছে।
- এছাড়া আরো ৩ লক্ষ হেক্টর উপকূলীয় ভূমিতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র:বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
৪,৮৪৪.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় কোন বিদেশি মিশনে?
  1. কলকাতা
  2. টোকিও
  3. ওয়াশিংটন
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
- বিদেশি কোন দুতাবাস হিসেবে ভারতের কলকাতা মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়। 
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল, রবিবার কলকাতার পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন অফিসের সব বাঙালি কর্মকর্তা–কর্মচারী একযোগে আনুগত্য প্রকাশ করল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি।
- কার্যালয়ের নাম পাল্টে হয়ে গেল ‘গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক মিশন।
- মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হলো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।
- প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করল।

সূত্র: প্রথম আলো।
৪,৮৪৫.
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে গঠিত দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠিত হয়?
  1. ৩রা মার্চ, ১৯৪৮
  2. ১২ই মার্চ, ১৯৪৮
  3. ৪ঠা মার্চ, ১৯৪৮
  4. ২রা মার্চ, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৮ সালের প্রথম থেকেই শিক্ষিত বাঙালি সমাজ বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
- এ সময় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের এক সভায় শিক্ষার প্রাথমিক স্তর থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে বাংলাকে গ্রহণের প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
-  মুসলিম লীগের সকল সদস্য এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
- এ ঘটনায় পূর্ব বাংলার শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে প্রতিবাদ করতে থাকে।
- ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঢাকার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।
- ২রা মার্চ, ১৯৪৮ সালে দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৪,৮৪৬.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড -
  1. ক) আদমজী ইপিজেড
  2. খ) উত্তরা ইপিজেড
  3. গ) মংলা ইপিজেড
  4. ঘ) কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড।
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।

• বাংলাদেশ  ইপিজেড:

- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি EPZ - এর নাম KEPZ-Korean EPZ in Anowara Chittagong.
- ১৯৯৯ সালে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় দেশের প্রথম বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (ইপিজেড) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- কিন্তু ২৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও চালু হয়নি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড। ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৪,৮৪৭.
কোন রাজবংশের শাসনামলে শালবন বিহার নির্মিত হয়?
  1. দেব
  2. সেন
  3. পাল
  4. চন্দ্র
ব্যাখ্যা

• শালবন বৌদ্ধ বিহার:
- শালবন বৌদ্ধ বিহার বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- কুমিল্লা জেলার লালমাই-ময়নামতি প্রত্নস্থলের অসংখ্য প্রাচীন স্থাপনাগুলোর একটি এই বৌদ্ধ বিহার।
- এতে ৭ম-১২শ শতকের প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন পাওয়া যায়।
- শালবন বৌদ্ধ বিহার দেব বংশের কীর্তি।
- ধারণা করা হয় যে খৃষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের ছয়টি নির্মাণ ও পুনঃনির্মাণ পর্বের কথা জানা যায়।
- খৃষ্টীয় অষ্টম শতাব্দীর মধ্যে তৃতীয় পর্যায়ে কেন্দ্রীয় মন্দিরটি নির্মাণ করা হয় ও বিহারটির সার্বিক সংস্কার হয় বলে অনুমান করা হয়।
- চতুর্থ ও পঞ্চম পর্যায়ের নির্মাণকাজ ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয় নবম-দশম শতাব্দীতে।

তথ্যসূত্র: কুমিল্লা জেলার ওয়েবসাইট।

৪,৮৪৮.
মুক্তিযুদ্ধে অস্থায়ী সরকার কোন জেলায় গঠিত হয়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) গোপালগঞ্জ
  4. ঘ) যশোর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিতি।
- ১০ এপ্রিল ঘোষিত মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমান মেহেরপুর জেলা)  ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলার পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর।
- ১০ এপ্রিল ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে মুজিবনগর প্রশাসনের সকল কর্মকান্ডের বৈধকরণ করা হয়।
- যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের মৌলিক আইনের ভিত্তি ছিল এই স্বাধীনতার সনদ।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশের সংবিধান কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এটিই ছিল দেশের সংবিধান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত  বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৪৯.
মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী কোন এলাকায় সক্রিয় ছিল?
  1. গোপালগঞ্জ
  2. মানিকগঞ্জ
  3. মাগুরা
  4. সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা

হেমায়েত বাহিনী:
- মুক্তিযুদ্ধে বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত হেমায়েত উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত বাহিনী- হেমায়েত বাহিনী। 
- হেমায়েত বাহিনী স্থানীয় যুবকদের নিয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী গেরিলা বাহিনী। 
- হেমায়েত বাহিনী- মূলত বরিশাল, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, ফরিদপুর এবং বাগেরহাট ও যশোরের কিছু অঞ্চলে অত্যন্ত সক্রিয় ছিল।
- এই বাহিনী নদী ও উপকূল ব্যবহার করে পাকিস্তানি সেনা ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করত।
- এবং নদী উপকূলীয় এলাকায় পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলত এবং বেশ কিছু এলাকা মুক্তও করেছিল।

• সেক্টর এলাকার বাইরে গঠিত উল্লেখযোগ্য আঞ্চলিক বাহিনীসমূহ:
- হেমায়েত বাহিনী – গোপালগঞ্জ, বরিশাল।
- কাদেরিয়া বাহিনী – টাঙ্গাইল। 
- আকবর বাহিনী – মাগুরা।  
- লতিফ মীর্জা বাহিনী – সিরাজগঞ্জ, পাবনা।  
- জিয়া বাহিনী – সুন্দরবন। 
- আফসার ব্যাটালিয়ন – ভালুকা, ময়মনসিংহ।
- বাতেন বাহিনী – টাঙ্গাইল। 
- হালিম বাহিনী – মানিকগঞ্জ। 

- এছাড়া ঢাকার গেরিলা দল (‘ক্র্যাক প্লাটুন’) ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটাত।
- এই বাহিনীসমূহ মূলত মুক্তিযুদ্ধের সময় আঞ্চলিক এবং শহুরে প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৪,৮৫০.
মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) জীবন থেকে নেওয়া
  2. খ) রক্তাক্ত বাংলা
  3. গ) অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  4. ঘ) আলোর মিছিল
ব্যাখ্যা
জীবন থেকে নেওয়া চলচ্চিত্রটি ১৯৭০ সালের এপ্রিলে মুক্তি পায়৷ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে নির্মিত এটি একমাত্র চলচ্চিত্র যা মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে মুক্তি পায়। রক্তাক্ত বাংলা (১৯৭২), অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২) এবং আলোর মিছিল (১৯৭৪) যথাক্রমে মমতাজ আলী, সুভাষ দত্ত এবং মিতা পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র যা দেশ স্বাধীনের পরে মুক্তি পায়। (সূত্রঃ রোর বাংলা, দৈনিক কালেরকণ্ঠ এবং বিডিনিউজ২৪)
৪,৮৫১.
১৮৫৭ খ্রি. ব্যারাকপুরে, সর্বপ্রথম কার নেতৃত্বে সিপাহীরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন?
  1. অমল পান্ডে
  2. মঙ্গল পান্ডে
  3. নোমান পান্ডে
  4. অসীম পান্ডে
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ:
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চের বিকেল, ব্রিটিশ ভারতের দেশীয় সেনাদের প্রশিক্ষণ চলছিল ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে।
- প্রশিক্ষণে ব্যবহার করা হচ্ছিল ‘বিতর্কিত’ এনফিল্ড রাইফেল।
- একজন সিপাহি প্রশিক্ষণের সময় চর্বিযুক্ত কার্তুজ ব্যবহারে অস্বীকৃতি জানান।
- তাকে গ্রেপ্তার করার চেষ্টা করলে বিক্ষুব্ধ হয়ে ইংরেজ অফিসারকেই গুলি করে বসেন।
- সেই সিপাহির নাম মঙ্গল পাণ্ডে।
- লেফটেন্যান্ট বফকে গুলি করার সময় সৈনিকদের কেউ কেউ তাকে আটকানোর চেষ্টা করলেও বাকিরা মঙ্গল পাণ্ডের পক্ষ নেন।
- ২৯ মার্চ, ১৮৫৭ খ্রি. ব্যারাকপুরে মঙ্গল পান্ডে নামক জনৈক সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
- তাঁকে এবং তাঁর সঙ্গীদের প্রাণদন্ডে দন্ডিত করে বিদ্রোহ দমন করতে চেষ্টা করা হয়।

উৎস: ইতিহাস এসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৫২.
শহীদ আবু সাঈদ কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন?
  1. বাংলা বিভাগ
  2. ইংরেজি বিভাগ 
  3. রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
  4. হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে শহীদ হয়েছিলেন।
⇒ রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৪,৮৫৩.
আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. সরদার শরন সিং
  2. সমর সেন
  3. আর.কে. দিক্ষিত
  4. বিজয় লক্ষ্মী পণ্ডিত
ব্যাখ্যা
• আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধ ছিলেন সমর সেন।

• সমর সেন (জন্ম: ১০ অক্টোবর, ১৯১৬ — মৃত্যু: ২৩ আগস্ট, ১৯৮৭)
- তিনি ছিলেন একজন উল্লেখযোগ্য বাংলাভাষী স্বাধীনতা - উত্তর কালের ভারতীয় কবি এবং সাংবাদিক।
- তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ দীনেশচন্দ্র সেনের পৌত্র।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৮৫৪.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়:
- ২৩ অক্টোবর, ২০০১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহ/সংগঠনসমূহ:
• বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট,
• জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল,
• বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ,
• জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ,
• মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর,
• স্বাধীনতা স্তম্ভ কমপ্লেক্স,
• মুজিবনগর স্মৃতি কমপ্লেক্স,
• মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৪,৮৫৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সত্য নয়?
  1. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা
  2. রাষ্ট্রপতির নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে
  3. এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা
  4. এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা:
 - বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এই ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান।
- তার নেতৃত্বেই নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হয়।

এছাড়াও,
- তবে ১৯৭৫ থেকে ১৯৯১ সময়ে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত ছিলো।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে।
- বাংলাদেশের আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত যা এককক্ষ বিশিষ্ট।
- বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক এবং রাজনৈতিক ব্যবস্থা বহুদলীয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম  শ্রেণি এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৮৫৬.
চট্টগ্রাম কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৪নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- এই সেক্টরের পাঁচটি সাব-সেক্টর ছিল।
- এই সেক্টরে প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
- এদের মধ্যে ছিলেন ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট হাজার।
- এই বাহিনীর গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৫৭.
বাংলাদেশে নিম্ন দারিদ্র্য সীমার নিচের বসবাসকারী জনসংখ্যা কত শতাংশ?
  1. ৮.৮৫ শতাংশ
  2. ৯.১৫ শতাংশ
  3. ১০.৫ শতাংশ
  4. ১২.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে অতি বা নিম্ন দারিদ্র্য হার ১০.৫ শতাংশ।
- উচ্চ দারিদ্র্য হার ২০.৫ শতাংশ।
- দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে ও কুড়িগ্রাম জেলায়।
- দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম ঢাকা বিভাগে ও নারায়ণগঞ্জ জেলায়।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪,৮৫৮.
'World Migration Report 2022’ প্রতিবেদন অনুযায়ী, রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা ১ ডিসেম্বর, ২০২১ ‘World Migration Report 2022’ প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০ সালে রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে শীর্ষ ৫ দেশ:
- ভারত
- চীন
- মেক্সিকো
- ফিলিপাইন
- মিসর

অভিবাসীদের গন্তব্যে শীর্ষ ৩ দেশ : ১. যুক্তরাষ্ট্র, ২. জার্মানি, ৩. সৌদি আরব।
অভিবাসী পাঠানোয় শীর্ষ ৩ দেশ : ১. ভারত, ২. মেক্সিকো, ৩. রাশিয়া।
অভিবাসী পাঠানোয় বাংলাদেশ : ৬ষ্ঠ।
রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশ : ৮ম (২১.৭৫ বি.মা.ড)।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৪,৮৫৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবিতে যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা
  2. আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক নির্বাচন ক্ষমতা
  4. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
ব্যাখ্যা
- ‘ছয় দফায়’ আঞ্চলিক নির্বাচন ক্ষমতা' বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

৬ দফা:

 - ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলের নেতারা একটি সম্মেলনের আহবান করেন যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ৬ দফা দাবিগুলো হলো যথাক্রমে- 
১। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা,
২। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
৩। মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৪। রাজস্ব, কর বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা,
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা,
৬। আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা,
- এই ৬ দফার মধ্যে ৩ টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩ টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক দাবি ছিল।
- বঙ্গবন্ধু এই ৬ দফা কে “আমাদের বাঁচার দাবি” হিসেবে আখ্যা দেন।
- ঐতিহাসিক এই ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’র সাথে তুলনা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৮৬০.
রাষ্টপতি নির্বাচন বাংলাদেশের সংবিধানে কততম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) সপ্তম তফসিল
  2. খ) পঞ্চম  তফসিল
  3. গ) চতুর্থ তফসিল
  4. ঘ) দ্বিতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
• ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে :
- প্রথম তফসিল:- অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল:- রাষ্টপতি নির্বাচন।
- তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
- পঞ্চম তফসিল–১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল -১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ।

উৎস:-  বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৮৬১.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ১১টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

সেক্টরগুলো:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ২ নং সেক্টর,
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ: ৩ নং সেক্টর,
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ: ৪ নং সেক্টর,
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ: ৫ নং সেক্টর,
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ: ৭ নং সেক্টর,
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ৮ নং সেক্টর,
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ: ৯ নং সেক্টর,
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন: ১০ নং সেক্টর,
- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল: ১১ নং সেক্টর।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৪,৮৬২.
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি কোন জেলায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায়।
- বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

 তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৮৬৩.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে কতজনকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ছয়জন
  2. সাতজন
  3. আটজন
  4. নয়জন
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে (বর্তমানে ৬৭২ জন) চারটি বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করে।
- এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয় সাতজনকে।
এরা হলেন:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ (সাবেক ইপিআর)
- সিপাহী মোস্তফা কামাল (সেনাবাহিনী)
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান (বিমানবাহিনী)
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ (সাবেক ইপিআর)
- সিপাহী হামিদুর রহমান (সেনাবাহিনী)
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন (নৌবাহিনী)
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (সেনাবাহিনী)।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৪,৮৬৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন প্রকৃতির নেতৃত্বের অধিকারী ছিলেন?
  1. ক) সম্মোহনী
  2. খ) প্রশাসনিক  
  3. গ) রাজনৈতিক
  4. ঘ) বিশেষজ্ঞসুলভ 
ব্যাখ্যা
- জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার সর্বপ্রথম সম্মোহনী নেতৃত্বের ধারণা দেন।
- কোন বিশেষ নেতা যখন তার বক্তব্য, চারিত্রিক দৃঢ়তা, সাহসিকতা, কর্মপদ্ধতি ও মোহনীয় ব্যক্তিত্বের প্রবল স্পর্শে রাষ্ট্রের নাগরিকদের তার প্রতি আনুগত্য প্রকাশে অনুপ্রাণিত ও উদ্বুদ্ধ করতে সক্ষম হয় তখন সেই নেতৃত্বকে সম্মোহনী নেতৃত্ব বলে।
- জনগণ সম্মোহনী নেতৃত্বের কর্মকান্ডে আপ্লুত, বিমুগ্ধ ও অন্ধ অনুকরণে অনুপ্রাণিত হয়।
- জনগণের বিশ্বাস অর্জন করে তাদের মনের মণিকোঠায় পৌঁছে যায় সম্মোহনী নেতৃত্ব।
- সম্মোহনী নেতৃত্বের অধিকারী ব্যক্তি সাধারণত রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করে দেশের সামগ্রিক কল্যাণে এমন কি স্বাধীনতা অর্জনে অদম্য ভূমিকা রাখেন।
- সম্মোহনী নেতৃত্বের অধিকারী হলেন ব্রিটিশ ভারতের মহাত্মা গান্ধী, বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ইন্দোনেশিয়ার সুকর্ণ, দক্ষিণ আফ্রিকার নেলসন ম্যান্ডেলা প্রমুখ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৬৫.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৬৯
  4. ব্রি ধান ৭৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৪,৮৬৬.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট কতটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশে এ যাবত মোট ১২ টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
• সর্বশেষ  দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি। 
• নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে ।

উল্লেখ্য,
•  বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ (সরাসরি নির্বাচিত ৩০০ আসন + সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০)
• প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারের সরাসরি ভোটের ভিত্তিতে প্রতি আসন থেকে একজন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
•  সাধারণত প্রতি ৫ বছর অন্তর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
•  ৩রা জুলাই, ২০১১ তারিখে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৪৫ হতে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়েছে।
•  বাংলাদেশের সংবিধানে সর্বোচ্চ আইন পরিষদকে বাংলায় ‘জাতীয় সংসদ’ এবং ইংরেজিতে ‘হাউজ অব্ দ্য নেশন’ বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন এবং জাতীয় সংসদ ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৬৭.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষার্থী  ছিলেন?
  1. বাংলা বিভাগ
  2. রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
  3. গণিত বিভাগ
  4. ইংরেজি বিভাগ
ব্যাখ্যা

আবু সাঈদ:
- আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের  শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাঈদ।

উৎস: প্রথম আলো।

৪,৮৬৮.
খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?
  1. সেলিনা পারভীন
  2. শিরীন বানু মিতিল
  3. হামিদা বেগম
  4. বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৪,৮৬৯.
'Keystone of the Cabinet Arch' হিসেবে পরিচিত -
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) হুইপ
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনি তাঁর প্রয়োজন অনুসারে মন্ত্রি নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেন এবং দপ্তর বন্টন করেন বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তিনি মন্ত্রীদেও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
- তিনি মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় করেন। প্রধানমন্ত্রী যেকোন সময়ে যেকোন মন্ত্রীকে পদত্যাগের অনুরোধ করতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে মন্ত্রিসভার অস্তিত্ব থাকে না।
- মন্ত্রিসভার অধিবেশন আহবান , কার্যসূচী নির্ধারণ ,অধিবেশন সভা পরিচালনা ,মন্ত্রীদের দপ্তর বন্টন , মন্ত্রী ও বিভিন্ন দপ্তরের কার্যাবলী পরিচালনা ও তত্ত্বাবধান করা প্রভূতি সকল দায়িত্ব মূলত তার উপর ন্যস্ত।
- এজন্য তাকে ক্যাবিনেট তোরণের প্রধান স্তম্ভ (Keystone of the Cabinet Arch) বলা হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৭০.
নিচের কোন উপজাতিটি বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. কোল
  2. গুর্খা
  3. আফ্রিদি
  4. তঞ্চঙ্গা
ব্যাখ্যা
আফ্রিদি উপজাতি বাংলাদেশে বসবাস করে না। এরা পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশের পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী একটি জাতিগোষ্ঠী।

বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
এগুলো হলো:
- ওরাওঁ
- কোচ
- কোল
- খাসিয়া/খাসি
- খিয়াং
- খুমি
- গারো
- চাক
- চাকমা
- ডালু
- তঞ্চঙ্গা
- ত্রিপুরা
- পাংখোয়া/পাংখো
- বম
- বর্মণ
- মণিপুরী
- মারমা
- পাহাড়ী/মালপাহাড়ী
- মুন্ডা
- ম্রো/মুরং
- রাখাইন
- লুসাই
- সাঁওতাল
- হাজং
- মাহাতো/কুর্মি মাহাতো/বেদিয়া মাহাতো
- কন্দ
- কড়া
- গঞ্জু
- গড়াইত
- গুর্খা
- তেলী
- তুরি
- পাত্র
- বাগদী
- বানাই
- বড়াইক/বাড়াইক
- বেদিয়া
- ভিল
- ভূমিজ
- ভূঁইমালী
- মালো/ঘাসিমালো
- মাহালী
- মুসহর
- রাজোয়াড়
লোহার
- শবর
- হুদি
- হো
- খারিয়া/খাড়িয়া
- খারওয়ার/খেড়োয়ার।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গেজেট ও ব্রিটানিকা)
৪,৮৭১.
দিনেমাররা বাংলায় আগমন করেছিলো -
  1. ক) ১৬৭৪ সালে
  2. খ) ১৬৭৬ সালে
  3. গ) ১৬৭৮ সালে
  4. ঘ) ১৬৬১ সালে
ব্যাখ্যা
• দিনেমার:
- দিনেমার বা ডেনমার্কের অধিবাসী একদল বণিক বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে ‘ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করেন।
- উপমহাদেশে আগমন- ১৬২০ সালে।
- বাংলায় আগমন- ১৬৭৬ সালে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৭২.
কোন দুইজন বীরশ্রেষ্ঠের সমাধি ঢাকার মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে অবস্থিত?
  1. মতিউর রহমান ও হামিদুর রহমান
  2. নূর মোহাম্মদ শেখ ও রুহুল আমিন
  3. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ও মুন্সী আব্দুর রউফ
  4. হামিদুর রহমান ও রুহুল আমিন
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠের কবরস্থান:
- বাংলাদেশের সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে: 
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান;
- ও  বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান এর সমাধি অবস্থিত ঢাকার মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।

• মতিউর রহমান:
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি যোগদানের উদ্দেশ্যে ২০ আগস্ট ১৯৭১ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান (T-33 Jet) ছিনিয়ে এনে ভারতের দিকে উড়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
- কিন্তু বিমানটি ভূপাতিত হলে তিনি শহীদ হন।

• হামিদুর রহমান:
- হামিদুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় ৪ নম্বর সেক্টরের একজন সাহসী যোদ্ধা ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর, মেলাঘর সাব-সেক্টরের বাউফাল সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাদের সাথে সম্মুখযুদ্ধে তিনি অসীম সাহসিকতা প্রদর্শন করেন।
- শত্রুর প্রচণ্ড গুলিবর্ষণের মাঝেও তিনি ব্রিজের দিকে অগ্রসর হয়ে সফলভাবে আক্রমণ পরিচালনা করেন এবং ঐ যুদ্ধে শহীদ হন।

উল্লেখ্য, 
• বাকি পাঁচজন বীরশ্রেষ্ঠের সমাধিস্থল:
- বীরশ্রেষ্ঠ মো. রুহুল আমিন — লোহাগাড়া, নোয়াখালী।
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ — নওয়াপাড়া, যশোর।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর — শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ — বুড়িঘাটা, রাঙামাটি।
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল — আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB).

৪,৮৭৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, কোন খাতের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ?
  1. কৃষি খাত
  2. শিল্প খাত
  3. সেবা খাত
  4. নির্মাণ খাত
ব্যাখ্যা

উত্তর: গ. (সেবা খাত – ৪.৫১%)

• খাতভিত্তিক সারসংক্ষেপ (অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৫):


১. সেবা খাত:

জিডিপিতে অবদান: ৫১.৬২%;
প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ৩৭.৯৬%।
 
২. শিল্প খাত:
জিডিপিতে অবদান: ৩৭.৪৪%;
প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ১৭.৩৭%।
 
৩. কৃষি খাত:
জিডিপিতে অবদান: ১০.৯৪%;
প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%;
নিয়োজিত শ্রমশক্তি: ৪৪.৬৭%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

৪,৮৭৪.
বাংলাদেশের প্রথম সরকার কোথায় শপথ গ্রহণ করে?
  1. ঢাকা
  2. কলকাতা
  3. আগরতলা
  4. মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠন: 
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী কর্তৃক গণহত্যা শুরু হলে বিচ্ছিন্নভাবে বাঙালিরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়।
- শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশী সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- তখন মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৮৭৫.
ভারতীয় উপমহাদেশে রেলপথ ব্যবস্থার জনক হিসেবে কাকে বলা হয়?
  1. লর্ড ডালহৌসী
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসি:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত যত সাম্রাজ্যবাদী শাসক এ উপমহাদেশে প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে লর্ড ডালহৌসী ছিলেন ঘোর সাম্রাজ্যবাদী। লর্ড ডালহৌসীর সাম্রাজ্যবাদ নীতির তিনটি লক্ষ্য ছিল-
ক. পাশ্চাত্য সভ্যতা ও শাসনের প্রসার,
খ. ইংরেজ সাম্রাজ্যের সংহতি স্থাপন ও,
গ. উপমহাদেশে ব্রিটিশ পণ্যের বাজার সৃষ্টি।

⇒ ডালহৌসী কঠোরতার সাথে স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রসারের পথ আরও প্রশস্ত করে তোলেন।
- তিনি গভর্নর জেনারেলের কাজের চাপ কমানোর লক্ষ্যে বাংলার জন্য একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর (ছোট লাট) নিযুক্ত করেন। সমগ্র ব্রিটিশ ভারতকে বিভিন্ন জেলায় ভাগ করা হয়।
- তিনি বার্ষিক সংবাদ সংগ্রহের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন এবং বে-সামরিক কর্মচারীদের বিভাগীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। 
- তিনি বিধবা বিবাহ আইন পাস করে হিন্দু বিধবা বিয়েকে আইনসঙ্গত করেন। এ বিষয়ে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ডালহৌসীকে সাহায্য করেন।
- তিনি পূর্তবিভাগের প্রতিষ্ঠিত গঙ্গা খাল খনন ও জল সেচ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করেন।
- তিনি রাজপথ ও সড়কগুলোর উন্নয়ন করেন। তাঁরই সময়ে কলকাতা হতে পেশোয়ার পর্যন্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড পুনরায় চালু হয়।
- এদেশীয় রেলপথ ব্যবস্থার জনক ছিলেন ডালহৌসী। তাঁর সময়ে বোম্বাই হতে টানা পর্যন্ত রেললাইন চালু হয় (১৮৫৩ খ্রি:)।
- ডালহৌসি ডাক বিভাগের সংস্কার, কলকাতা হতে আগ্রা পর্যন্ত প্রথম টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা ও পেনী পোস্টকার্ড ব্যবস্থা চালু করেন।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন এবং চা ও কফি বাগানের প্রসার সাধন করেন।
- তিনি রুরকির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও স্থাপন করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৪,৮৭৬.
দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ কোথায় অবস্থিত?
  1. নীলফামারী
  2. সৈয়দপুর
  3. রংপুর
  4. গাইবান্ধা 
ব্যাখ্যা

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৪,৮৭৭.
পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
পেঁয়াজ উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে তৃতীয়।
একই সঙ্গে পেঁয়াজ আমদানিতে শীর্ষে বাংলাদেশ।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের হিসাবে দেশে এখন সাড়ে ৩৩ লাখ টনের বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হচ্ছে। বাংলাদেশের চেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন হয় চীন ও ভারতে।

সূত্র: কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৪,৮৭৮.
ভ্রাম্যমান জনগোষ্ঠী 'বেদে' সম্প্রদায়ের আদি নাম কী?
  1. মনতং
  2. মুরং
  3. রাজবংশী
  4. নাগা
ব্যাখ্যা

বেদে:
- বেদে সাধারণভাবে বাদিয়া বা বাইদ্যা নামে পরিচিত একটি ভ্রাম্যমাণ জনগোষ্ঠী।
- কথিত আছে যে, ১৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে শরণার্থী আরাকানরাজ বল্লাল রাজার সাথে এরা ঢাকায় আসে।
- পরবর্তীকালে তারা ইসলাম ধর্মে দীক্ষা নেয়।
- এরা প্রথমে বিক্রমপুরে বসবাস শুরু করে এবং পরে সেখান থেকে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, এমনকি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামেও তারা ছড়িয়ে পড়ে।
- বেদের আদি নাম মনতং।
- অধিকাংশ বেদেই চিকিৎসার সাথে সম্পৃক্ত বলে মনতংরা কালক্রমে বেদে নামে অভিহিত হয়।
- বেদেরা আরাকান রাজ্যের মনতং আদিবাসী (Mon-tong) গোত্রের দেশত্যাগী অংশ। তাই এরা নিজেদের মনতং বলে পরিচয় দিতে বেশি আগ্রহী।
- যুদ্ধ ও শিকারে অতিশয় দক্ষ বেদেরা কষ্টসহিষ্ণু ও সাহসী।
- এদের গাত্রবর্ণ ও আকৃতি বাঙালিদের মতোই।
- বেদেদের নিজস্ব ভাষা আছে। ওই ভাষার নাম ঠেট বা ঠের। স্বগোত্রীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময় তারা ওই ভাষা ব্যবহার করে থাকে। তবে বাংলা ভাষাভাষীদের সঙ্গে তারা বাংলা ভাষা ব্যবহার করে।
- বেদেদের সমাজ পিতৃপ্রধান হলেও মেয়েরা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- নৌকাই তাদের জীবন-জীবিকার সব। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে, এক নগর থেকে আরেক নগরে ঘুরে বেড়ায় নৌকা দিয়ে।
- বেদেরা সাপ ধরে খেলা দেখায় এবং সাপের বিষ বিক্রি করে।
 - এ ছাড়া তারা তাবিজ-কবচও বিক্রি করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৮৭৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি -
  1. মারমা
  2. ত্রিপুরা
  3. সাঁওতাল
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- জনশুমারির তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০ টি। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শুমারি অনুযায়ী, 
- ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে - মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে  ত্রিপুরা।
- চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল।

- জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ (২৭ জুলাই, ২০২২)।
৪,৮৮০.
বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম কী নিয়ে গবেষণা করে?
  1. উদ্ভিদ
  2. প্রাণী
  3. জলবায়ু
  4. পানি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম:
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম (বিএনএইচ) দেশের উদ্ভিদ প্রজাতির উপর মাঠ পর্যায়ে পরিচালিত জরীপের মাধ্যমে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্তসহ শুষ্ক উদ্ভিদ নমুনা সংরক্ষণ এবং শ্রেণীবিদ্যা বিষয়ক গবেষণার একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। 
- ন্যাশনাল হারবেরিয়াম পুঙ্খাণুপুঙ্খ অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে ফুল-ফল সমেত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির নমুনা, উহাদের প্রাচুর্য, প্রাপ্তিস্থান, প্রচলিত ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্যাদিসহ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংগ্রহ, সনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করে সংরক্ষণ করে থাকে।
- ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে ‘‘বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইস্ট পাকিস্তান’’ শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম এর প্রাথমিক কাঠামো বিনির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।
-  ১৯৭৫ সালের ১ জুলাই থেকে ইহা ‘‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম’’ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নির্বাহী আদেশে ১ জুলাই ১৯৯৪ থেকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম জনবলসহ কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে স্থানান্তরিত হয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনে ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১ জুলাই থেকে জনবলসহ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরিত করা হয় এবং ২০০৪ সালে ১৬ অক্টোবর হারবেরিয়ামকে পরিদপ্তর হিসেবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের  সংযুক্ত দপ্তর (Attached Department) ঘোষণা করা হয়।
-  ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০০ তারিখে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাজ্যের আর্থিক সহায়তায় মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান প্রাঙ্গনে ১.২৪ একর জমির উপর নির্মিত আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন করেন। 

 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৮৮১.
মানব জীবনের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৫(ঘ)
  2. ১৫(গ)
  3. ১৫(খ)
  4. ১৫(ক)
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
 - সংবিধানের ১৫নং অনুচ্ছেদে মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়
ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা।
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার;
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার;
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৮৮২.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে সর্বমোট কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়েছিল?
  1. ৬৭১ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৬৭৯ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
⇒ সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন।
⇒ ২য় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম: ৬৮ জন।
⇒ ৩য় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম: ১৭৫ জন।
⇒ ৪র্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক: ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
⇒ বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন।
⇒ বীর উত্তম: ৬৭ জন।
⇒ বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
⇒ বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৮৮৩.
পূর্ব বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটির সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. ফররুখ আহমেদ
  2. আল মাহমুদ
  3. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
  4. গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা

• পূর্ব বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি:
⇒ পূর্ব বাংলার জনগণের আন্দোলনের মুখে প্রাদেশিক সরকার ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে বাংলা ভাষা সংস্কারের জন্য মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁকে সভাপতি এবং কবি গোলাম মোস্তফাকে সম্পাদক করে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করে।

- দেড় বছর ব্যাপক আলাপ আলোচনার পর কমিটি সরকারের কাছে রিপোর্ট পেশ করে।
- এই রিপোর্টে বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ ও বর্ণমালার প্রচুর সংস্কারের পরামর্শ দেয়া হয়।
- নতুন ভাষার নামকরণ হয় 'সহজ বাংলা'। কমিটি রোমান বা উর্দু হরফে বাংলা লেখার প্রশ্নকে কমপক্ষে বিশ বছরের জন্য স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়।
- এ সময়ের মধ্যে উর্দু ভাষাকেও প্রয়োজনীয় সংস্কারের আহ্বান জানায়।
- এই রিপোর্টটি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর পছন্দ হয়নি বলেই তা শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, বাংলাদেম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৮৮৪.
মৌলিক গণতন্ত্র কয়টি স্তরে বিভক্ত ছিল?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।

মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল।

যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য যে,
[শুধুমাত্র বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৮৫.
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BIDS) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্পদের সর্বনিম্ন জেলা কোনটি?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) সুনামগঞ্জ
  4. ঘ) নীলফামারী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (BIDS) ৩০সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে Extreme Poverty : The Challenges of Inclusion in Bangladesh নামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে এই বছরই প্রথমবারের মত ধর্ম ও জাতি ভিত্তিতে ধনী-গরীবের হার নির্ণয় করা হয়েছে। 
প্রতিবেদন অনুসারে -
সম্পদের সর্বনিম্ন জেলা - সুনামগঞ্জ।
সুনামগঞ্জ জেলায় একটির বেশি সম্পদ নেই - ৬৭.৪৯% মানুষের।
আয় বৈষম্য বেশি - খুলনা জেলায়।
আয় বৈষম্য কম - কক্সবাজার জেলায়।
চরম দারিদ্র্যে শীর্ষ উপজেলা - নাইক্ষ্যংছড়ি, বান্দরবান (৮১.৭%)।
দেশে মোট জনসংখ্যার মধ্যে এক কোটি ৭০ লাখ মানুষ অতি দরিদ্র।
চরম দারিদ্র্য কম - নারায়ণগঞ্জে (০.০%)।
চরম দারিদ্র্য বেশি - কুড়িগ্রাম (৫৩.৯%)।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে চরম দারিদ্র্য সবচেয়ে বেশি - ম্রো (৯৮.১%)।
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে চরম দারিদ্র্য সবচেয়ে কম - মণিপুরী (৭.৭%)।
জনসংখ্যায় সবচেয়ে বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী চাকমাদের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের হার - ৭১.০%। 
ধর্মীয় ভিত্তিতে চরম দারিদ্র্য -
মুসলিম - ১১.১%
হিন্দু - ১৩.৯%
বৌদ্ধ - ২২.৩%
খ্রিষ্টান - ২১.৪%
অন্যান্য - ৬১.১%
৪,৮৮৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী সংসদে পাশ হয় কবে?
  1. ১২ জুলাই, ১৯৭৩ সালে
  2. ১৩ জুলাই, ১৯৭৩ সালে
  3. ১৪ জুলাই, ১৯৭৩ সালে
  4. ১৫ জুলাই, ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম সংশোধনী:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালে।
- সংসদে উত্তাপিত হয় ১২ জুলাই ১৯৭৩ সালে।
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ১৫ জুলাই, ১৯৭৩ সালে।
- প্রথম সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ বা যুদ্ধাপ আন্তর্জাতিক আইনে অন্যান্য অপরাধ' এর বিচার ও শাস্তি অনুমোদন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৪,৮৮৭.
Who was the Governor of East-Bangla during the Language movement?
  1. Khaja Nijamuddin
  2. Golam Mahmud
  3. Firoz Khan Nun
  4. Nurul Amin
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।
৪,৮৮৮.
নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হবে’- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১২০
  2. অনুচ্ছেদ ১২১
  3. অনুচ্ছেদ ১২৪
  4. অনুচ্ছেদ ১২৬
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১২৬-এ বর্ণিত আছে যে, "নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হবে"। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনকে তার কাজ সম্পন্ন করতে নির্বাহী বিভাগ থেকে প্রয়োজনীয় সাহায্য-সহযোগিতা প্রদান করা রাষ্ট্রের সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের জন্য বাধ্যতামূলক। 

অনুচ্ছেদ ১২৬: নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান:
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপালনে সহায়তা করা সকল নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১২৪: নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা: এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা নির্বাচনী এলাকার সীমা নির্ধারণ, ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং সংসদের যথাযথ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয়সহ সংসদের নির্বাচন-সংক্রান্ত বা নির্বাচনের সহিত সম্পর্কিত সকল বিষয়ে বিধান প্রণয়ন করিতে পারিবেন।

- অনুচ্ছেদ ১২০: নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ: এই ভাগের অধীন নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালনের জন্য যেরূপ কর্মচারীর প্রয়োজন হইবে, নির্বাচন কমিশন অনুরোধ করিলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কমিশনকে সেইরূপ কর্মচারী প্রদানের ব্যবস্থা করিবেন।

- অনুচ্ছেদ ১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা: সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাইবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৪,৮৮৯.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ছিল-
  1. ক) ৩০টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৩ সালে অর্থাৎ প্রথম জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন ছিল ১৫টি।
- তখন সংসদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩১৫টি।
- ১৯৭৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৩০ টি।
- তখন মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩৩০ টি।
- পরবর্তীতে ২০০১ সালে সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৪৫ টি।
- সর্বশেষ ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন করা হয় ৫০ টি।
- ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

৪,৮৯০.
ইলিয়াস শাহি বংশের শেষ সুলতান কে ছিলেন?
  1. ক) গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  2. খ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস
  3. গ) সুলতান সিকান্দার শাহ
  4. ঘ) ইলিয়াস উদ্দিন গাজি
ব্যাখ্যা
- গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ ছিলেন বঙ্গের শ্রেষ্ঠ সুলতানদের অন্যতম এবং ইলিয়াস শাহি বংশের শেষ সুলতান।
- তিনি তার  প্রজারঞ্জক ব্যক্তিতের জন্য খ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি মুসলমান শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশ এবং বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতার জন্য বঙ্গের ইতিহাসে এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছেন। 
- তাঁর রাজত্বকালেই বাঙালি কবি শাহ্ মুহাম্মদ সগীর ‘ইউছুফ-জুলেখা’ কাব্য রচনা করেন এবং আযম শাহের রাজত্বকালেই বিখ্যাত সুফি সাধক নূর কুতুব-উল-আলম ইসলাম শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্রে হিসেবে পাণ্ডুয়ার আস্তানা গড়ে তোলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রণি।
৪,৮৯১.
বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় মার্কিন ডলারে (আনুমানিক) - [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
  1. ২২৫০
  2. ২৭৮৪
  3. ২২৭০
  4. ২৮২০
ব্যাখ্যা
তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন ছিল, বর্তমান প্রেক্ষাপটের সাথে সঙ্গতি রেখে প্রশ্নটি মডিফাই করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:

- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪,৮৯২.
প্রবাসী আয়কে কোনটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. ক) GNP
  2. খ) GDP
  3. গ) NNP
  4. ঘ) NDP
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP তে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হলো রপ্তানী।
- বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।

অন্যদিকে -
• মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP) হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

• NNP (Net National Product): মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

• NDP (Net Domestic Product): মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন।

উৎস: অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৮৯৩.
শশাঙ্ক বাংলার কোন জনপদের রাজা ছিলেন?
  1. বঙ্গ
  2. গৌড়
  3. সমতট
  4. পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে অবস্থিত গৌড় রাজ্য ।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

অন্যদিকে,
- বঙ্গ একটি অতি প্রাচীন জনপদ। বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল। 
-  প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল। রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- সমতট পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান। সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত। 

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,৮৯৪.
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (Institute of Epidemiology, Disease Control and Research-IEDCR) ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ সরকারের একটি গবেষণা ইনস্টিটিউট যা বাংলাদেশে মহামারী ও সংক্রামক ব্যাধি গবেষণা ও রোগ নিয়ন্ত্রণ বিষয় নিয়ে কাজ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।
- বর্তমান পরিচালক প্রফেসর ডা. তাহমিনা শিরিন।
(তথ্যসূত্র: IEDCR ওয়েবসাইট)
৪,৮৯৫.
মুঘল সম্রাট বাবরের পুরো নাম কি?
  1. ক) তৈমুর লং
  2. খ) জহির উদ্দিন
  3. গ) জালাল উদ্দিন
  4. ঘ) শামসুদ্দিন
ব্যাখ্যা

জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবর। ভারতীয় উপমহাদেশে পরাক্রমশালী মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি।
১৪৮৩ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি বর্তমান উজবেকিস্তানের আন্দিজানে জন্ম হয়েছিল মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবরের।
উৎসঃ বিবিসি

৪,৮৯৬.
সম্প্রতি, সরকার দেশে কত টাকার কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন?
  1. ২০ হাজার টাকা
  2. ১০ হাজার টাকা
  3. ৫০ হাজার টাকা
  4. ৩০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

- নতুন সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠকেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতের কৃষকেরা এ সুবিধা পাবেন।
-  এ সিদ্ধান্তের ফলে মওকুফ হবে মোট ১ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।
- এতে প্রায় ১২ লাখ কৃষক সুফল পাবেন।
- সরকারের এ সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কৃষি খাতের মেরুদণ্ডকে শক্তিশালী করা। এতে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা ঋণের দায় থেকে মুক্ত হতে পারবেন, যা তাঁদের কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি করবে এবং দেশের কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

উৎস: প্রথম আলো।

৪,৮৯৭.
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২' অনুযায়ী আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) চাপাইনবাবগঞ্জ জেলা
  2. খ) দিনাজপুর জেলা
  3. গ) রংপুর জেলা
  4. ঘ) রাজশাহী জেলা
ব্যাখ্যা
'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২:
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯৪,৯৩,০০০ একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,১২,০০০ একর।
- বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
• আম: রাজশাহী জেলা।
• লিচু: দিনাজপুর জেলা।
• আনারস: টাঙ্গাইল জেলা।
• কাঠাল: গাজীপুর জেলা।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২২।
৪,৮৯৮.
কোন উপজাতিটির আবাসস্থল “বিরিশিরি” নেত্রকোনায়?
  1. ক) সঁওতাল
  2. খ) গারো
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) মুরং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর অন্যতম গারো সম্প্রদায়।
- গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে স্বচ্ছন্দবোধ করে।
- গারোরা ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলের মধুপুর এবং গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস করে।
- গারোদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে।
- গারো নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম ‘আচিক খুসিক’ যার অর্থ পাহাড়ী ভাষা। তবে সমতলের গারোদের ভাষা ‘লামদানী’ নামে পরিচিত।
- গারোদের প্রধান উৎসবের নাম ওয়ানগালা। এটি কৃষিকেন্দ্রিক উৎসব।
- গারো সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- তাদের আদি ধর্মের নাম ‘সাংসারেক’ যার প্রধান দেবতা ছিলো ‘তাতারা রাবুগা’। তবে বর্তমানে অধিকাংশ গারো খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারি।

সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী।

৪,৮৯৯.
জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যগণ পুনঃ প্রশ্ন করার যে সুযোগ পান তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) বুলেটিন
  2. খ) Point of Order
  3. গ) ক্রসবেঞ্চার
  4. ঘ) সম্পূরক প্রশ্ন
ব্যাখ্যা

- সংসদ সদস্যরা কোনো প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পর প্রশ্ন সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে পুনরায় যে প্রশ্ন উত্থাপন করে তাকে সম্পূরক প্রশ্ন (Supplementary Question)।
- Point of Order এক প্রকার আপত্তি । নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।
- সংসদের প্রত্যেক বৈঠকের কার্যপ্রণালীর সংক্ষিপ্ত বিবরনীকে বুলেটিন বলে।
- প্রধান রাজনৈতিক দলের বাইরে যেসব সদস্য থাকে তারা ক্রসবেঞ্চার ( Crossbencher ) নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

৪,৯০০.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৯নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।