বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৬ / ৩০৬ · ৪,৫০১৪,৬০০ / ৩০,৮৩২

৪,৫০১.
বিভাগীয় কমিশনারের পদমর্যাদা সম্পন্ন পদ কার সমান?
  1. সিনিয়র সচিব
  2. অতিরিক্ত সচিব
  3. সচিব
  4. উপসচিব
ব্যাখ্যা
বিভাগীয় প্রশাসন: 
- কেন্দ্রের পরেই বাংলাদেশে বিভাগীয় প্রশাসনের স্থান।
- বিভাগীয় প্রশাসনের শীর্ষে অবস্থান করেন বিভাগীয় কমিশনার।
- বিভাগীয় কমিশনার বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন পদস্থ কর্মকর্তা।
- তিনি একজন অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদাসম্পন্ন কর্মকর্তা।
- তিনি মূলত বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব বিষয়ক কর্মকর্তা।
- বিভাগীয় কমিশনার জেলা প্রশাসকদের কার্যাবলি তদারকি করেন।
- তিনি বিভাগীয় প্রশাসন ও জেলা প্রশাসনের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, 
- বিভাগীয় কমিশনার বিভাগের জনকল্যাণমূলক কাজের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন তাঁর দায়িত্ব।
- সাহায্য ও সেবামূলক কাজ, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদিও তাঁকে করতে হয়।
- তিনি বিভাগ পর্যায়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেনি। 
৪,৫০২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কোন আসামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. সার্জেন্ট শামসুল হক
  2. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  3. কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. আসাদুজ্জামান নূর
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র' মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু'।
৪,৫০৩.
বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ অনুসারে, ২০৬২ সাল থেকে বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কী হবে?
  1. ধনাত্মক
  2. স্থিতিশীল
  3. ঋণাত্মক 
  4. শূন্য
ব্যাখ্যা

'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- প্রতিবছর ১১ জুলাই জনসংখ্যা দিবস পালন কর হলেও অনিবার্য কারণে মন্ত্রণালয় গতকাল এই দিবস পালন করেছে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

৪,৫০৪.
গারো উপজাতি প্রধানত কোন অঞ্চলের বাসিন্দা?
  1. ক) টাঙ্গাইল
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
গারোরা বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাস করে। তারা তিব্বত থেকে এদেশে আসে। এরা নৃতাত্ত্বিকভাবে মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর। নিজেদের গারোরা মান্দি বলে পরিচয় দিয়ে থাকে। তাদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তবে গারো ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
৪,৫০৫.
একটি রাজনৈতিক দল কয়টি আসনের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন পান?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৫০টি।
- একেকটি রাজনৈতিক দল ৬টি আসনের বিপরীতে একটি করে সংরক্ষিত নারী আসন পান।
- সেই হিসেবে দ্বাদশ জাতীয়  নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২২৩টি আসনের বিপরীতে ৩৭টি আসন পাবার কথা।
- তবে, ৬২ স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যের মধ্যে মতৈক্য হওয়ায় তাদের ভাগের ১০ আসনেও আওয়ামী লীগই প্রার্থী দেবে।

সূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪,৫০৬.
কোন জেলায় মহান মুক্তিযুদ্ধের মহাপরিকল্পনার প্রথম গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) কুমিল্লা জেলায়
  2. খ) হবিগঞ্জ জেলায়
  3. গ) ঢাকা জেলায়
  4. ঘ) চট্রগাম জেলায়
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া বাংলোয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক:
- হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া চা বাগানের ম্যানেজার বাংলোতে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের মহাপরিকল্পনার প্রথম গোপন বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই গোপন বৈঠক থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সামরিক সর্বাধিনায়ক আতাউল গণি ওসমানীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের শপথবাক্য পাঠ করা হয় এবং তিনি নিজের পিস্তল থেকে ফাঁকা গুলি করে পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের ঘোষণা করেন।

- এ ছাড়া ৪ এপ্রিল থেকে ওই বাংলোটি প্রথমে মুক্তিবাহিনীর সদর দপ্তর এবং পরবর্তী সময়ে ৩ ও ৪ নম্বর সেক্টরের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে প্রকৃতির নয়নাভিরাম পরিবেশে তেলিয়াপাড়া চা বাগানের পাশেই স্থাপন করা হয় 'তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।

তেলিয়াপাড়া আরো কয়েকটি কারণে স্মরণীয়:
- তেলিয়াপাড়াকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিসাক্ষী হিসেবে পরিচিত করার মূল ভূমিকা পালন করেন ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক মেজর খালেদ মোশাররফ। ২৭ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবস্থানরত ৪র্থ বেঙ্গলের মেজর শাফায়াত জামিল কর্তৃক অবাঙ্গালি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল খিজির হায়াত খানসহ ৩জন পাকঅফিসারকে বন্দী এবং সাধারণ অবাঙালি সেনাদের হত্যার পর পরই শমসেরনগর থেকে ফিরে এসে সহ-অধিনায়ক মেজর খালেদ মোশাররফ ইউনিটের অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন।
- তেলিয়াপাড়ার বিদ্রোহী সামরিক অফিসারদের বৈঠকেই যুদ্ধের সুবিধার্থে বাংলাদেশকে কৌশকলগতভাবে ৪টি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করা হয়।


উৎস: মাধবপুর উপজেলা ওয়েবসাইট এবং যায় যায় দিন পত্রিকা নিউজ।
৪,৫০৭.
সরকারি কর্মচারী সার্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় কোন স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পাচ্ছেন?
  1. সুরক্ষা
  2. প্রগতি
  3. সমতা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন পেনশন:

- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে। এগুলো হলো যথাক্রমে- প্রবাস স্কিম, প্রগতি স্কিম, সুরক্ষা ও সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩।
৪,৫০৮.
রাষ্ট্রপতি সংবিধান সংশোধনী বিলে ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে নিচের কোনটি গণ্য হবে?
  1. সম্মতিদান করা হয়েছে বলে গণ্য হবে
  2. সংসদে পুনর্বিবেচনা হবে
  3. স্থগিত হবে
  4. বিলটি বাতিল হবে
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রপতি সংবিধান সংশোধনী বিলে ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি না দিলে বিলটিতে সম্মতিদান করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

দশম অধ্যায়:
- সংবিধানের দশম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু 'সংবিধানের সংশোধন'।
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধন হতে পারবে।
- সংবিধান সংশোধনী বিলের শিরোনামে 'কোন বিধান সংশোধন করা হবে' স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হইবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিবেন, এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৫০৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে "রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন" বলা হয়েছে?
  1. ২৭ নং
  2. ২৮(১) নং
  3. ২৮(২) নং
  4. ২৯ নং
  5. ৩৪ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে "রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন" বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,

• ২৮(১) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ন, নারী পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
• ২৮(২) নং: রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
• ২৮(৩) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না।
• ২৮(৪)  নং: নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না ।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৭ নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২৯ নং: সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৫১০.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরোধী জোট কোনটি?
  1. ক) কনভেনশন মুসলিম লীগ
  2. খ) ডেমোক্রেটিক অ্যাকশন কমিটি
  3. গ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
  4. ঘ) ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট
ব্যাখ্যা
কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টিঃ
১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খান বিরােধী একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে একটি জোট বা COP (Combined Opposition Party) গঠন করে।
-মােহাম্মদ আলী জিন্নাহর বােন ফাতেমা জিন্নাহকে কপ-এর পক্ষে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী করা হয় ।
-নির্বাচনে আইয়ুব খান জয়ী হন।
-প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয়। সেখানেও আইয়ুব খানের কনভেনশন মুসলিম লীগ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী (২০২১ সংস্করণ)।
৪,৫১১.
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. গাজী আশরাফ হোসেন
  4. নাইমুর রহমান
ব্যাখ্যা
ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে। 
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় লাভ করে ২০০৫ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ে দলের বিপক্ষে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ৬ জানুয়ারি ২০১৭, প্রথম আলো।
        iii) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, প্রথম আলো।
        iv)  ১৪ জুন ২০২৩, সময় নিউজ।
৪,৫১২.
২৪ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে বাংলা সনের কত তারিখ কোন মাস?
  1. ৮ই বৈশাখ
  2. ৯ই বৈশাখ
  3. ১০ই বৈশাখ
  4. ১১ই বৈশাখ
ব্যাখ্যা
ইংরেজি থেকে বাংলা সন তারিখ বের করার পদ্ধতি:
- ইংরেজি সন থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করলে বাংলা সন পাওয়া যায়।
- যে কোন ইংরেজি সন, মাস, তারিখ থেকে ৫৯৩ বছর ৩ মাস ১৩দিন বিয়োগ করতে হবে।
- তাহলেই বাংলা তারিখ পাওয়া যাবে।

সুতরাং, 
- ২৪ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে বাংলা সন হবে ১৪১৬ সনের বৈশাখ মাসের ১১ তারিখ।
- অর্থাৎ তারিখটি হবে ১১ই বৈশাখ, ১৪১৬।
৪,৫১৩.
বাংলাদেশে জাতীয় কৃষি দিবস কখন পালিত হয়?
  1. ১লা অগ্রহায়ণ
  2. ১লা ফাল্গুন
  3. ১৫ নভেম্বর
  4. ১লা বৈশাখ
ব্যাখ্যা

•‘জাতীয় কৃষি দিবস':
- প্রতি বছর ১লা অগ্রহায়ণ ‘জাতীয় কৃষি দিবস' ও নবান্ন উৎসব’ হিসেবে পালিত হয়।
- “কৃষিই সমৃদ্ধি”—এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ২০০৮ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথমবার জাতীয় কৃষি দিবস উদযাপিত হয়।
- এরপর থেকে তা নিয়মিতভাবে পালন করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশের জাতীয় কৃষি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ কর্মসংস্থান এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ।
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় এক সোনালি অধ্যায়ের নাম কৃষি।
- বাংলাদেশের কৃষি মূলত ধান ও পাটের ওপর নির্ভরশীল, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ধান হলো প্রধান খাদ্যশস্য, যা উর্বর জমি ও পর্যাপ্ত পানির কারণে বছরের বিভিন্ন সময়ে চাষ করা হয়।
- পাট একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল, যা রপ্তানি ও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে সহায়ক।
- এছাড়া আখ, তুলা, চা, তামাক, রেশম, গম, ভুট্টা, তৈলবীজ, ফুল, সবজি, মাছচাষ ও পশুপালনও কৃষির অংশ।
- কৃষি দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের প্রধান উৎস এবং জিডিপিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

উৎস:
১. বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়;
২. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৫১৪.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন-
  1. ক) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  2. খ) ফজলুল হালিম চৌধুরী
  3. গ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. ঘ) ড. মাহমুদ হাসান
ব্যাখ্যা
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন। তার মেয়াদকাল ছিল ২২ অক্টোবর, ১৯৪৮ থেকে ০৮ নভেম্বর, ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
উৎসঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।
৪,৫১৫.
বাংলায় আগমনকারী প্রথম ইউরোপীয় বণিক -
  1. ক) ওলন্দাজ
  2. খ) ইংরেজ
  3. গ) পর্তুগিজ
  4. ঘ) ফরাসি
ব্যাখ্যা
পর্তুগীজ
• পর্তুগালের অধিবাসীরা পর্তুগিজ বা ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত। 
• ইউরোপীয়দের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাংলায় আগমন করে।
• আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। 
• উপমহাদেশে আগমন- ১৪৯৮ 
• বাংলায় আগমন- ১৫১৬ (হুগলি)
• বাংলায় প্রথম কুঠি-১৫১৭ (হুগলি)
• বাংলা ত্যাগ-১৬৬৬ চট্রগ্রাম থেকে 
• ভারত ত্যাগ-১৯৬১ গয়া থেকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৫১৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-কমান্ডো গঠিত হয়েছিল কোন সেক্টরে?
  1. ১১নং
  2. ৫নং
  3. ২নং
  4. ১০নং
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
- নদীমাতৃক বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রপথে পাকিস্তানের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া ছিল নৌ-কমান্ডো আক্রমণের উদ্দেশ্য।
- ১০নং সেক্টরের কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
- অপারেশনের সময় কমান্ডোদের কাজের নিয়ন্ত্রণ থাকত যে এলাকায় অপারেশন পরিচালিত হবে সে এলাকার সেক্টর কমান্ডারের ওপর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৫১৭.
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে ২০৩০ সালের মধ্যে নিচের কোন লক্ষ্য অর্জনের কথা বলা হয়নি?
  1. উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন
  2. চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ
  3. সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা (Best Practice) অনুসরণে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস্ সরকারের সার্বিক সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।
- নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

উৎস: ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০
৪,৫১৮.
বাংলাদেশ কবে Asian Infrastructure Development Bank (AIIB) - এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২০১৫
  2. ২০১৬
  3. ২০১৭
  4. ২০১৮
ব্যাখ্যা

The Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) কে ‘চীনের বিশ্বব্যাংক’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
এর বর্তমান অনুমোদিত সদস্য সংখ্যা ১০৩টি।
চীনের উদ্যোগে ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর AIIB প্রতিষ্ঠিত হয় যা ২০১৬ সালের ১৬ জানুয়ারি থেকে কর্মকাণ্ড শুরু করে।
- ২২ মার্চ, ২০১৬ সালে বাংলাদেশ এই প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ লাভ করে।
উৎসঃ AIIB ওয়েবসাইট।

৪,৫১৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১ম ভাগে
  2. ২য় ভাগে
  3. ৩য় ভাগে
  4. ৪র্থ ভাগে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- জনগণের মৌলিক অধিকারের উৎস হলো সংবিধান।
- সংবিধান জনগণের মৌলিক অধিকারের রক্ষক।
- সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং অধিকারের নিশ্চয়তার বিধান সন্নিবেশিত থাকে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানে তফসিল আছে ৭টি, সংবিধানে মূলনীতি আছে ৪টি, সংবিধানে প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১ম ভাগ: প্রজাতন্ত্র।
- ২য় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- ৪র্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৫২০.
'জেঁকে ১৯৭১' চলচ্চিত্রটি কে পরিচালনা করেছেন?
  1. তৌকির আহমেদ
  2. নূর-ই আলম
  3. শ্যাম বেনেগাল
  4. ফাখরুল আরেফিন খান
ব্যাখ্যা
জেঁকে ১৯৭১:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র জেঁকে ১৯৭১।
- চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করছেন নির্মাতা ফাখরুল আরেফিন খান।

⇒ ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ফ্রান্সের প্যারিসের আর্লি বিমান বন্দরে পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) একটি বিমান ছিনতাই করেন ফরাসি এক তরুণ। নাম জঁ ক্যা।
- ১৯৭১ সালের ১৩ ডিসেম্বর প্যারিসের আর্লি বিমানবন্দরে বাংলাদেশের জন্য জঁ ক্যা পাকিস্তানের পিআইএ-৭১১ বিমানটি যাত্রীসহ ছিনতাই করেছিলেন।
- পাকিস্তানের সেই বিমান ছিনতাই করে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক বন্ধুতে পরিণত হন তিনি। বিমানটি ছিনতাই করার একটাই উদ্দেশ্য ছিল, বাংলাদেশের স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যে ২০ টন ওষুধ ওই বিমানে তুলে দিতে হবে, তাহলেই কেবল মুক্তি পাবে বিমানের সব যাত্রী। কারণ, বাংলাদেশের যুদ্ধাহত মানুষদের বাঁচাতে চিকিৎসা সেবা প্রয়োজন।
- এটিই হতে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ইংরেজিতে প্রথম পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র।

উৎস: The Business Standard.
৪,৫২১.
গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন—
  1. শাহ আব্দুল করিম
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. শাহ আব্দুল হামিদ
  4. সফিউল্লাহ চৌধুুরী
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫২২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির উদ্দেশ্যের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি
  2. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় শক্তি বৃদ্ধি
  3. অর্থনৈতিক অগ্রগতি
  4. নিজস্ব মতবাদ সদা পরিবর্তন করা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- যে কোন দেশ বহির্বিশ্বের কাছ থেকে তার উদ্দেশ্যাবলি অর্জনের জন্য তার পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করে থাকে।
- বাংলাদেশও এই প্রচলিত রাষ্ট্রীয় নিয়মের বাইরে নয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলিকে আমরা বর্ণনা করতে পারি:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫২৩.
 বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ৫নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৫২৪.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় রাজধানী ঢাকা কোন সেক্টরের আওতায় ছিল?
  1. ১ নং
  2. ২ নং
  3. ৭ নং
  4. ৪ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

সেক্টরগুলো:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী: ১নং সেক্টর,
- রাজধানী ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ২ নং সেক্টর,
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ: ৩ নং সেক্টর,
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ: ৪ নং সেক্টর,
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ: ৫ নং সেক্টর,
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ: ৭ নং সেক্টর,
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ৮ নং সেক্টর,
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ: ৯ নং সেক্টর,
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন: ১০ নং সেক্টর,
- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল: ১১ নং সেক্টর।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
৪,৫২৫.
জনশুমারি পরিচালনা করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IPH
  2. BBS
  3. ICDDRB
  4. CAPI
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৪,৫২৬.
তারামন বিবি কোন খেতাব পেয়েছেন?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর উত্তম
  3. বীর বিক্রম
  4. বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও
- তারামন বিবি।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ডয়েচভেলে রিপোর্ট।
৪,৫২৭.
বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর-
  1. পেট্রাপোল
  2. কৃষ্ণনগর
  3. ডাউকি
  4. মোহাদিপুর
ব্যাখ্যা
• বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।
- যশোর জেলার বেনাপোল সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর পেট্রাপোল।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের — কৃষ্ণনগর স্থলবন্দর।
- সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতের মেঘালয় রাজ্যের — ডাউকি স্থলবন্দর।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গের — মোহাদিপুর স্থলবন্দর।
-----------------
বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৪,৫২৮.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার কয় দফা ছিল?
  1. চার দফা
  2. ছয় দফা
  3. এগারো দফা
  4. একুশ দফা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা। 
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। 
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। 
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়, বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।

যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা:
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করে।
• মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• শিক্ষা: সৈয়দ আজিজুল হক।
• কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫২৯.
এরশাদ ক্ষমতা দখলের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন -
  1. ক) বিচারপতি আব্দুর রহমান বিশ্বাস
  2. খ) বিচারপতি আবদুস সাত্তার
  3. গ) বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. ঘ) জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর উপ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। 
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ড. কামাল হোসেনকে পরাজিত করে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 
- কিন্তু বিচারপতি সাত্তার নির্বাচিত হওয়ার মাত্র চার মাসের মধ্যে ১৯৮২ সালে ২৪ মার্চ সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে। 
- রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাত্তার অপসারিত হন এবং এরশাদ নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সংবিধান স্থগিত, জাতীয় সংসদ বাতিল এবং মন্ত্রিপরিষদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।
-  সামরিক সরকার দেশে সকল প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৫৩০.
মুক্তিযুদ্ধকালীন আকবর বাহিনী কোন অঞ্চলজুড়ে বিস্তৃত ছিলো?
  1. মাগুরা
  2. টাঙ্গাইল
  3. বরিশাল
  4. গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা

আকবর বাহিনী শ্রীপুর, মাগুরার একটি স্থানীয় মুক্তিবাহিনী।
- আকবর বাহিনীর প্রধান ছিলেন আকবর হোসেন মিয়া।
- যুদ্ধের শুরুতে মাত্র কয়েকটি ৩০৩ রাইফেল, ১টি চাইনিজ রাইফেল ও কয়েক রাউন্ড গুলির ওপর নির্ভর করে বাহিনী গড়ে ওঠে।
- যুদ্ধ চলাকালে এ বাহিনী ‘আকবর বাহিনী’ নামে পরিচিতি পায়।
- আকবর হোসেন মিয়া ১৯২৭ সালের ৯ সেপ্টেম্বর শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম গোলাম কাদের মিয়া এবং মাতার নাম নবেজান খাতুন।
- তিনি ১৯৫০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন।
- ১৯৫১ সালে তিনি রয়েল পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে যোগ দেন।
- পাকিস্তানিদের বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে ১৯৫৪ সালে তিনি চাকরি থেকে ইস্তফা দেন।
- ২৪শে এপ্রিল পাকিস্তানি বাহিনী মাগুরা শহর দখল করলে আকবর হোসেন মিয়া প্রশিক্ষণ ক্যাম্প শ্রীপুরে স্থানান্তর করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের জন্য একটি বাহিনী গড়ে তোলেন।
- শ্রীপুর প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এ বাহিনী এলাকায় স্বাধীনতাবিরোধীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে থাকে।
- এ বাহিনীতে ইপিআর ও বেঙ্গল রেজিমেন্টের মোট ১২৮ জন এবং সাধারণ পরিবার থেকে আসা হাজারেরও বেশি যোদ্ধা ছিলেন।
- এ বাহিনীর যোদ্ধারা শ্রীপুর, বালিয়াকান্দি, শৈলকুপা, পাংশা, ঝিনাইদহ, রাজবাড়ী অর্থাৎ ঝিনাইদহের গাড়াগঞ্জ থেকে ফরিদপুরের গোয়ালন্দ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ অঞ্চল তাঁদের দখলে এনেছিলেন।
- অধিনায়ক আকবর হোসেন মিয়ার দক্ষ নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকার বাহিনীর বিরুদ্ধে অসংখ্য সফল অভিযান চালানো হয়েছিল। সেসব অভিযানের মধ্যে শ্রীপুর থানা দখল, শৈলকুপা থানা দখল,

• মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক বাহিনী:

- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত। ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলারা।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক।

৪,৫৩১.
একমাত্র সংস্থা হিসেবে 'একুশে পদক- ২০২৫' পায়-
  1. বাংলা একাডেমী
  2. বিশ্ব সাহিত্য সংস্থা
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক- ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে পদক দেওয়ার জন্য মনোনীত করেছে সরকার।
• পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
- শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর),
- সংগীতে-  উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে - নাসির আলী মামুন, 
- চিত্রকলায়- রোকেয়া সুলতানা,
- গবেষণায়- মঈদুল হাসান,
- ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়- ড. শহীদুল আলম,
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে - মেহেদী হাসান খান,
- সাংবাদিকতায় - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে-  মাহমুদুর রহমান, 
- শিক্ষায় - ড. নিয়াজ জামান, 
- সমাজসেবায়- মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।
৪,৫৩২.
ময়মনসিংহ বিভাগের অন্তর্গত জেলা কোনটি?
  1. ক) মানিকগঞ্চ
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) টাঙ্গাইল
  4. ঘ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ময়মনসিংহ বিভাগ যাত্রা শুরু করে। মোট চারটি জেলা তথাঃ ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা এবং শেরপুর। এর আয়তন ১০৬৬৯ বর্গ কিমি এবং জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষ। মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও টাঙ্গাইল ঢাকা বিভাগের অন্তর্গত। (সূত্রঃ মনময়সিংহ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,৫৩৩.
জাতীয় মানবাধিকার কমশনের বর্তমান চেয়ারম্যান- 
  1. ক) কাজী আব্দুল আউয়াল
  2. খ) আব্দুল রউফ
  3. গ) কামাল উদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) নাসিমা বেগম
ব্যাখ্যা
- ২০০৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠন করে।
- জাতীয় মানবাধিকার কমশনের বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক সচিব ড. কামাল উদ্দিন আহমেদ
- ডিসেম্বর, ২০২২ সালে তিনি নাসিমা বেগমের স্থলাভিষিক্ত হন।

উৎসঃ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের ওয়েবসাইট।
৪,৫৩৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত থাকে?
  1. ৬৫ নং
  2. ৫৫ (৩) নং
  3. ৯৫ নং
  4. ৪৭ (৩) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।

আইন বিভাগ:
- জবাবদিহিতা আইন বিভাগের প্রধান কাজ নয়।
- আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলিকে বিস্তৃত করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে।
- এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে।
- এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি ।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- সংবিধানের ৪৭ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সাথে অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী হিসেবে গণ্য হবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হয়েছে বলে গণ্য হবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
         ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৩৫.
সংসদীয় ভাষায় “বিল” বলতে বোঝায় -
  1. ক) সরকারের খরচের হিসাব
  2. খ) উন্নয়নের জন্য গৃহীত প্রস্তাব
  3. গ) আইনের প্রাথমিক প্রস্তাব
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদে আইন প্রণয়নের পদ্ধতি

- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে 'বিল' (Bill) বলে।

বিল দুই প্রকারের -
  (১) সরকারি বিল,
  (২) বেসরকারি বিল। 

- সরকারি বিল মন্ত্রিগণ উত্থাপন করেন এবং বেসরকারি বিল জাতীয় সংসদের সাধারণ সদস্যগণ উত্থাপন করেন।
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিনের সময় এবং বেসরকারি বিলের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৪,৫৩৬.
বাংলাদেশের কোন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সার্কের 'সাংস্কৃতিক রাজধানী' হিসেবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ময়নামতি
  2. সোনারগাঁও
  3. মহাস্থানগড়
  4. সোমপুর বিহার
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন নগরী।
- প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- প্রত্নতাত্বিক নিদর্শন হতে জানা যায় যে, কয়েক শতাব্দী পর্যন্ত এ স্থান পরাক্রমশালী মৌর্য , গুপ্ত এবং পাল শাসক বর্গের প্রাদেশিক রাজধানী ও পরবর্তীকালে হিন্দু সমান্ত রাজাগণের রাজধানী ছিল।
- বিখ্যাত চীনা পরিব্রাজক হুয়েন সাঙ ভারতবর্ষ ভ্রমণকালে (৬৩৯-৬৪৫) পুন্ড্রনগর পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে।
- ২০১৬ সালে মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি পায়

তথ্যসূত্র: বগুড়া জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৫৩৭.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' এর সময় বাংলার গভর্নর কে ছিলেন?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. লর্ড কার্টিয়ার
  3. লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
• ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে খাদ্যের অভাবে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (১ কোটি) মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
- একে ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়।
- তখন দিল্লীর সম্রাট ছিলেন শাহ আলম।
- জন কার্টিয়ার ১৭৬৯ থেকে ১৭৭২ সাল পর্যন্ত বাংলার ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিলের গভর্নর ছিলেন।
- বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ১৭৬৯-৭০ সালের মহাদুর্ভিক্ষের দ্বারা কার্টিয়ারের শাসনকাল সমালোচনার মুখে পড়ে।
- নায়েব দীউয়ান ও নায়েব নাজিম সৈয়দ মুহম্মদ রেজা খান আসন্ন দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে বারবার জন কার্টিয়ারকে অবহিত করা সত্ত্বেও তিনি তার সতর্কবাণীকে তেমন গুরুত্ব দেন নি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৩৮.
কার হাতে আমাদের জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপ লাভ করেছে?
  1. শিব নারায়ণ দাস
  2. আ. স. ম. আবদুর রব
  3. পটুয়া কামরুল হাসান
  4. এস.এম. সুলতান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মানচিত্র: 
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সমর ব্যবহৃত পতাকায় লাল বৃত্তে সোনালি রঙে বাংলাদেশের মানচিত্র অঙ্কিত ছিল।
- মানচিত্র খচিত পতাকার মাধ্যমে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল এই ভূখণ্ডে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হবে।
- মানচিত্র খচিত এই পতাকা আমাদের সংগঠিত, একত্রিত ও ঐক্যবদ্ধ করেছে।
- ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে জাতীয় পতাকা তৈরির নকশা করা হয়।
- এই পতাকা তৈরির কাজে ছিলেন শিব নারায়ণ দাস। 
- ১৯৭১ সালের অগ্নিঝরা মার্চে যখন উত্তাল সারা দেশ, সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের পশ্চিম দিকের গেটে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ২রা মার্চ, ১৯৭১ সালে প্রথমবারের মতো উত্তোলন করেন ছাত্রনেতা আ. স. ম. আবদুর রব।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসানকে জাতীয় পতাকার নকশা চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- পটুয়া কামরুল হাসানের হাতেই আমাদের জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপ লাভ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৫৩৯.
মুজিবনগর সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. আবদুল মান্নান
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. এম. মনসুর আলী
  4. এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৫৪০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ফরিদপুর
  2. বগুড়া
  3. ঝিনাইদহ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী,

- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - খুলনা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ময়মনসিংহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - বগুড়া।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
৪,৫৪১.
বাংলায় বারো ভূঁইয়াদের সম্পূর্ণরূপে দমন করেন কে?
  1. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. সুবাদার  ইসলাম খান
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সুবাদার  মীর জুমলা 
ব্যাখ্যা

• ইসলাম খান চিশতী:
- আকবরের মৃত্যুর পুত্র জাহাঙ্গীর ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে বসেন।
- তার পিতার নিযুক্ত সুবাদার মানসিংহকে বাংলার সুবাদারি পদে বহাল রাখেন।
- ১৬০৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁর দুধ-ভাই কুতব-উদ-দীন খান কোকাকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করে পাঠান।
- কতুব-উদ-দীন বর্ধমানের ফৌজদার আলীকুলীকে দমন করার জন্য বর্ধমানে গেলে সেখানে আলী কুলী ও কুতব-উদ-দীন উভয়েই নিহত হন।
- এই আলী কুলীর পরমা সুন্দরী স্ত্রী ছিলেন মেহের-উন-নিসা।
- আর এই মেহের-উন-নিসাই পরে জাহাঙ্গীরের স্ত্রীরূপে নূরজাহান উপাধি লাভ করেন।
- এরপর সম্রাট ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করে পাঠান।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ,
- এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- ইসলাম খান বার ভূঁইয়াদের দমন করেন।
- এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- ইসলাম খান চিশতী ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র,
- তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।

উৎস: ¡)বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        ¡¡) বিবিসি বাংলা।[লিঙ্ক]

৪,৫৪২.
নিচের কোনটি আলুর একটি জাত?
  1. ক) বীটজবা
  2. খ) গ্রানোলা
  3. গ) ড্রামহেড
  4. ঘ) উত্তরণ
ব্যাখ্যা
আলুর জাতসমূহ:
- গ্রানোলা
- কার্ডিনাল
- ডায়মন্ড
- আইলসা
- চমক
- ধীরা
- বিনেলা
- আরিন্দা
- রাজা
- বারাকা ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- বীটজবা : কলার জাত
- উত্তরণ : ভুট্টার জাত
- ‍ড্রামহেড : বাধাকপির জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
৪,৫৪৩.
মুক্তিযুদ্ধে 'ক্র্যাক প্লাটুন' কোন শহরে সক্রিয় ছিল?
  1. ঢাকা 
  2. খুলনা 
  3. টাঙ্গাইল 
  4. বরিশাল 
ব্যাখ্যা

ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী একদল তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত দল, যাঁরা তৎকালীন সময় একটি কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছিলেন।
- শাফী ইমাম রুমী ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য ছিলেন।

⇒ মুক্তিযুদ্ধের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর গেরিলা তৎপরতাও বৃদ্ধি পেতে থাকে। যে সব গেরিলা বাহিনী ঢাকা নগরীতে অভূতপূর্ব দুঃসাহসী অভিযান পরিচালনা করে তাদের সদস্যদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
- এই সব গেরিলা বাহিনীর অন্যতম ক্র্যাক প্লাটুন' গড়ে উঠেছিল ২নং সেক্টরের দুঃসাহসী সেনাপতি মেজর হায়দারের নেতৃত্বে, সদস্যদের মধ্যে মোফাজ্জল হোসেন (মায়া), শহীদুল্লাহ খান (বাদল) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন, এই প্লাটুনের তৎপরতা সম্পর্কে জানা যায় এ. এস. এম সামছুল আরেফিন রচিত "মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ব্যক্তির অবস্থান গ্রন্থ থেকে।
- ক্র্যাক প্লাটুনের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অপারেশন ছিল, হোটেল ইন্টারকনটিনেন্টালে, ৫ ও ১১ কেভি পাওয়ার স্টেশান, যাত্রাবাড়ী ব্রিজ, হামিদুল হক চৌধুরীর প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রি, বি ডি আর গেইট ও ধানমণ্ডি, ভোগ ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প আক্রমণ ও ধ্বংস সাধন! মাদারটেক ও ত্রিমোহিনীতে পাকিস্তান সেনা শিবির, বৈদ্যের বাজার ও রূপগঞ্জ থানা আক্রমণ, বিস্ফোরণ এবং শত্রুর জান-মালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.

৪,৫৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
  3. বদরুল হায়দার চৌধুরী
  4. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
- তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতি ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি। প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর। ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর। বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।

এছাড়াও,
- দেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ (২৫তম)। মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সৈয়দ রেফাত আহমেদকে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। আগস্ট, ২০২৪-এ তিনি নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৪,৫৪৫.
আইলসা ও ইরাটম কোন ফসলের জাত?
  1. বাঁধাকপি ও ধানের জাত
  2. ধান ও পেঁয়াজের জাত
  3. বাঁধাকপি ও পেঁয়াজের জাত
  4. আলু ও ধানের জাত
ব্যাখ্যা
• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৪,৫৪৬.
১৯৭১ সালের গণহত্যাকে জেনোসাইড, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ ঘোষণা করে?
  1. ইউনেস্কো
  2. IAGS
  3. ICC
  4. জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
আইএজিএস (IAGS):
• জেনোসাইড বিশেষজ্ঞদের আন্তর্জাতিক সংস্থা আইএজিএস ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞকে ‘জেনোসাইড, মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং যুদ্ধাপরাধ’ ঘোষণা করে প্রস্তাব পাস করে।
- ২৪ এপ্রিল, ২০২৩ সালে আইএজিএস-এর পক্ষ থেকে ভোটের ফলাফলের ভিত্তিতে বাংলাদেশে সংঘটিত জেনোসাইড সংক্রান্ত প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- ভোটদাতা ২১৮ জন সদস্যের মধ্যে ২০৮ জন প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন, যার মাধ্যমে এই প্রস্তাব নিরঙ্কুশ সমর্থনে পাস হয়।
- এ ঘোষণার মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশে একাত্তরে সংঘটিত গণহত্যার বিশ্বজনীন স্বীকৃতির প্রয়াসে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: IAGS ওয়েবসাইট।
৪,৫৪৭.
নিম্নের কোন প্রাচীন মসজিদের সামনে বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি অবস্থিত?
  1. বাঘা মসজিদ
  2. কুসুম্বা মসজিদ 
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- 'বীরশ্রেষ্ঠ' মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- তার পোস্টিং হয় ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরে।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তার অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ।

 ⇒ ছোট সোনা মসজিদ:
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত। 
- মধ্যযুগের সুলতানি আমলের গৌড়নগরীর এক ঐতিহাসিক স্থাপনা ছোট সোনামসজিদ।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনামসজিদ।
- মধ্যযুগে বাংলার স্বাধীন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে (১৪৯৩-১৫১৯) নির্মিত হয় সোনামসজিদ। 

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৫৪৮.
বাংলা ঠুমরি গানের প্রবর্তক কে? 
  1. ক) নিধুবাবু
  2. খ) গোঁজলা গুঁই
  3. গ) অতুল প্রসাদ সেন
  4. ঘ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
ব্যাখ্যা
• বাংলা ঠুমরি গানের প্রবর্তক অতুল প্রসাদ সেন।
-  ঠুমরি একপ্রকার রাগসঙ্গিত ,যার সুর অতি মিষ্টি। সুরের মিষ্টতার কারনেই এর এই নামকরন। 
- অতুপ্রসাদ বাংলায় ঠুমরি গানের প্রবর্তক এবং সুরকার ও গীতিকার হিসাবে সঙ্গীতভুবনে তিনি প্রসিদ্ধতা লাভ করেন। 
- মোদের গরব, মোদের আশা, আ মরি বাংলা ভাষা - তার   অতি বিখ্যাত সৃষ্টি। 
- স্বদেশি, ভক্তিগীতি এবং প্রেমে গানে বিভক্ত প্রায় ২০০টি গান তিনি রচনা করেছেন। 
- কয়েকটি গান ও গীতিগুঞ্জ, ১৯৩১ সালে প্রকাশিত তার গানের সংকলন।

অন্যদিকে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - 

- নিধুবাবু হচ্ছেন বাংলা টপ্পা গানের প্রবর্তক।
- গোঁহলা গুঁই কবিগানের প্রাচীনতম কবি।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - আধুনিক বাংলা গানের জনক। 

 উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
৪,৫৪৯.
আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান-
  1. হাইকোর্ট
  2. আপিল বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রিমকোর্ট
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের: 
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।
- ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
- সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১৯৭৫ থেকে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আনয়নের পূর্ব পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি শাসিত পদ্ধতি চালু ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৫৫০.
জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ক) ২৯ নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ১৯ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ২৩ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

২৪ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা তাৎর্যমণ্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থানসমূহকে বিকৃতি, বিনাশ বা অপসারণ হইতে রক্ষা করিবার জন্য রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন৷

অন্যদিকে,
২৩৷ রাষ্ট্র জনগণের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার রক্ষণের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন এবং জাতীয় ভাষা, সাহিত্য ও শিল্পকলাসমূহের এমন পরিপোষণ ও উন্নয়নের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন, যাহাতে সর্বস্তরের জনগণ জাতীয় সংস্কৃতির সমৃদ্ধিতে অবদান রাখিবার ও অংশগ্রহণ করিবার সুযোগ লাভ করিতে পারেন৷
উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।

২৩ক। রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।]

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান ।

৪,৫৫১.
IDRA কী?
  1. অভ্যন্তরীণ গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  2. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান
  3. আন্তর্জাতিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  4. বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
⇒ IDRA এর মানে হল বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৪,৫৫২.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা কোনটি? 
  1. জাইকা
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. ওআইসি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (Bangladesh Development Forum - BDF)
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: বাংলাদেশ এইড গ্রুপ (Bangladesh Aid Group)
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০০২
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়- ২০০৩ সাল থেকে।
- প্রধান সমন্বয়কারী সংস্থা: বিশ্বব্যাংক (World Bank)

উল্লেখ্য,
-জাইকা (JICA) জাপানের একটি সরকারি সংস্থা,
- এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা হিসাবে পরিচিত। 

তথ্যসূত্র: ইআরডি ওয়েবসাইট। 

৪,৫৫৩.
বঙ্গবন্ধু কত সালে এবং কোন শহরে জােট নিরপেক্ষ আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ১৯৭২, কায়রাে
  2. ১৯৭৪, নয়া দিল্লী
  3. ১৯৭৫, বেলগ্রেড
  4. ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর পূর্ণরূপ: Non-Aligned Movement বা জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন।
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন যা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর স্বার্থ এবং আকাঙ্ক্ষার প্রতিনিধিত্ব করার জন্য গঠিত হয়।
- এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধকালীন পুঁজিবাদী দেশসমূহের জোট ন্যাটো এবং সমাজতান্ত্রিক দেশসমূহের জোট ওয়ারশ থেকে নিরপেক্ষ হিসাবে আন্দোলনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৫ সালের ১৮-২৪ এপ্রিল বান্দুং কনফারেন্সের প্রেক্ষিতে ন্যাম গঠিত হয়।
- ১৯৬১ সালে পুরোনো যুগোস্লাভিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড-এ জন্ম হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের।
- প্রথম কনফারেন্স হয় বেলগ্রেড, ১৯৬১ সালের ১ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ সেপ্টেম্বর, ১৯৬১।
- বর্তমান সদস্য: ১২১টি।
- চেয়ারম্যান: ইলহাম ইলিয়েভ।
- ন্যামের প্রথম প্রেসিডেন্ট: ইয়োসিপ ব্রোজ টিটো (মার্শাল টিটো)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।

⇒ ১৯৭৩ সালের ৫ থেকে ৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত হয় জোটনিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ শীর্ষ সম্মেলন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত ন্যাম-এর ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে।
- এতে প্রথমবারের মতো যোগ দিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বিশ্ব প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।
- সদ্য-স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এ সম্মেলনটি ছিল নানা কারণেই গুরুত্বপূর্ণ।
- জাতিসংঘের সদস্যপদ পাওয়ার ক্ষেত্রে এই সম্মেলন শেষে ঘোষণাপত্রে জোটনিরপেক্ষ দেশগুলো তাদের সমর্থন দেয় বাংলাদেশকে।
- ১৯৭৩ সালের সেই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর সফরসঙ্গী ছিলেন বিশিষ্ট সাংবাদিক ও অমর একুশের ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী।

উৎস: NAM ওয়েবসাইট।
৪,৫৫৪.
Bangladesh Academy for Rural Development (BARD) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গোপালগঞ্জ
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
•  BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান।
- এটির অবস্থান কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে যা ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

সূত্র: বার্ড ওয়েবসাইট।
৪,৫৫৫.
আধুনিক প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণ কোনটি?
  1. নির্বাচন কমিশন
  2. রাজনৈতিক দল
  3. গণমাধ্যম
  4. বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দলকে আধুনিক প্রতিনিধিত্বশীল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রাণ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল বা সরকার গঠন করা।
- এ লক্ষ্য অর্জনে রাজনৈতিক দল জনমত গঠনের মাধ্যমে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে থাকে।
- সংবাদ মাধ্যম জনমতের প্রকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মিডিয়া ব্যবস্থার মাধ্যমে জনগণ তাদের মতামত প্রকাশ করতে সক্ষম হয় এবং এটি নীতি নির্ধারণ ও সরকারী কর্মকাণ্ডের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।

৪,৫৫৬.
৬ দফা দাবি পেশ করা হয় :
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ১৯৬৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধীদলীয় নেতারা তাসখন্দ-উত্তর রাজনীতির গতিধারা নিরূপণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে এক জাতীয় সম্মেলন আহবান করেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন। পরদিন সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন এবং পরদিন পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৫৭.
বাংলাদেশের সবুজ কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ১৯০টি
  2. ১৯৮টি
  3. ২১৮ টি
  4. ২২১টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে লিড সনদপ্রাপ্ত মোট সবুজ কারখানার সংখ্যা  ২১৮ টি  (১ জুন, ২০২৪) । 
- যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (USGBC) এই সনদ দেয়।
- শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে এই সনদ দেয় তারা।
- এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেটপ্রাপ্ত ১০০ লিড কারখানার মধ্যে ৫৪টিই রয়েছে বাংলাদেশে। 

- বর্তমানে  তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত।
- ডব্লিউটিও'র বর্তমান বৈশ্বিক হিসেবে মোট পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দখলে ৬.৪ শতাংশ।
- দেশে বর্তমানে রপ্তানিমুখী ৪,১১৪টি তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে। 

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ ওয়েবসাইট ও ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
৪,৫৫৮.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ক) ইক্ষু
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) ফুল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিজ ফসলকে প্রধান দু’টি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা :
১. খাদ্যশস্য (ধান, গম, ডাল, তেলবীজ, আলু, ভুট্টা, সবজি ও ফলমূল)।
২. অর্থকরী ফসল (পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, তামাক ও ফুল)।

তন্মধ্যে বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য ধান এবং প্রধান অর্থকরী ফসল পাট। 

উৎস: এস.এস.সি. ভূগোল ও পরিবেশ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৫৫৯.
কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ইক্ষু
  2. তেলবীজ
  3. ফুল
  4. তামাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ
- বাংলাদেশ কৃষিপ্রধাণ দেশ।
- এই দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৪৩.৮৯% কৃষিকাজে নিয়োজিত।
- জিডিপি তে কৃষিখাতের অবদান - ১১.০২%।

- বাংলাদেশের কৃষিজ পণ্যকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. খাদ্যশস্য  - চাল, ডাল, গম, তেলবীজ, সবজি, ফলমূল প্রভৃতি।
২. অর্থকরী ফসল - পাট, চা, ইক্ষু, তামাক, ফুল প্রভৃতি।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- ধান বা চাল বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য।

তথ্যসূত্র - ১.বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ( নবম দশম শ্রেণি),
২. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৪,৫৬০.
সংসদীয় ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?
  1. আইনসভা
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
- সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সবার উর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৪,৫৬১.
হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:

⇒ বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
⇒ ২০০০ সালের ২৮ মে মাসে উচ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো নিয়োগ পান নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
⇒ হাইকোর্টের বেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
⇒ প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
⇒ বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
⇒ সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
⇒ দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
⇒ বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

উৎস: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৪,৫৬২.
দেশে প্রথমবারের মতো জাতীয় চা দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ক) ১২ এপ্রিল
  2. খ) ০৪ জুন
  3. গ) ০৯ জুলাই
  4. ঘ) ১০ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
- প্রথমবারের মতো গত ৪ জুন দেশে জাতীয় চা দিবস পালিত হয়। দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিলো ‘মুজিববর্ষের অঙ্গিকার : চা-শিল্পের প্রসার’।
- ১৯৫৭ সালের ৪ জুন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাঙালি হিসেবে পাকিস্তান চা বোর্ডের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন। দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ৪ জুনকে চা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
৪,৫৬৩.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. স্বাধীনতার আন্দোলন
  3. তেভাগা আন্দোলন
  4. কৃষক আন্দোলন
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
-
পাকিস্তান সৃষ্টির আগে, ১৯৪৭ সালের মে মাসে চৌধুরী খলিকুজ্জামান এবং জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দীন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব দেন।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর কেন্দ্রীয় সরকার উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার চেষ্টা করলে এর প্রতিবাদে একটি অরাজনৈতিক সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে তমুদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম।
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- সংগঠনটি মূলত ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটেই গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে তমদ্দুন মজলিস প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- এবং ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্র-ভাষা বাংলা—না উর্দু?’ শীর্ষক পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা – নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫৬৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের দৈনিক মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ কত গ্রাম?
  1. ক) ৪৫.২৮ গ্রাম
  2. খ) ৫২.৪২ গ্রাম
  3. গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
  4. ঘ) ৭২.৭৫ গ্রাম
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের দৈনিক মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম যা চাহিদার (৬০ গ্রাম) তুলনায় বেশি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
৪,৫৬৫.
সর্বপ্রথম 'জাতীয় অধ্যাপক' সম্মাননা প্রদান করা হয় -
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম 'জাতীয় অধ্যাপক' সম্মাননা প্রদান করা হয় ১৯৭৫ সালে।

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক:

- জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।
- বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্য দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকদের এ সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
- সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কোনও বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন।
- তবে ক্ষেত্রবিশেষে মেয়াদ আরও দীর্ঘ হতে পারে।
- পুনর্নিয়োগের ব্যবস্থা আছে।

⇒ ১৯৭৫ সালে সর্বপ্রথম তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন:
• শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন
• শিক্ষাবিদ আবদুর রাজ্জাক এবং
• পরিসংখ্যানবিদ কাজী মোতাহার হোসেন।

উল্লেখ্য,
- সুফিয়া আহমেদ প্রথম নারী হিসেবে ১৯৯৪ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান।

⇒ জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মনোনয়ন কমিটির কাছে প্রতিটি পদের বিপরীতে তিন জন করে যোগ্য ব্যক্তির নাম প্রস্তাব করবে।
- মনোনয়ন কমিটি প্রস্তাবিত ব্যক্তিদের মধ্য থেকে জাতীয় অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য মনোনয়ন দেবে।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য এই মনোনয়ন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পেশ করা হবে।
- রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ নিয়োগ পত্র জারি করবে।

উৎস: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪,৫৬৬.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ২১ ফেব্রুয়ারিকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেয় কবে? 
  1. ১৯৯৮ সালের ১৭ নভেম্বর
  2. ১৯৯৯ সালের ২৭ নভেম্বর
  3. ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর
  4. ২০০১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। 
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট। 

৪,৫৬৭.
সম্প্রতি কত জন নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ক) ৫১২ জন
  2. খ) ৬৫৪ জন
  3. গ) ৫২১ জন
  4. ঘ) ৬৪৫ জন
ব্যাখ্যা
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২ মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের ৬৫৪ নারী বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা প্রদান করে সরকার।
সূত্রঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২
৪,৫৬৮.
কোন করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয়?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) ভূমি উন্নয়ন কর
  3. গ) আবগারি শুল্ক
  4. ঘ) মূসক
ব্যাখ্যা
- যে করের বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় সাধারণত তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমনঃ
- ভূমি উন্নয়ন কর
- আয়কর
- দানকর ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- সম্পূরক শুল্ক, আমদানি কর, মূল্য সংযোজন কর (মূসক), আবগারি শুল্ক ইত্যাদি হলো পরোক্ষ কর যার বোঝা সরাসরি ব্যক্তিকে বহন করতে হয় না৷
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি)
৪,৫৬৯.
বাংলাদেশের ১৭ তম অ্যাটর্নি জেনারেল কে? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. জনাব মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক
  2. জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান
  3. জনাব মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা
  4. জনাব মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান। [ডিসেম্বর, ২০২৪]
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উৎস: i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৫৭০.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. চামড়া
  4. রাসায়নিক দ্রব্য
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি বাণিজ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৪,৫৭১.
"সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ" - এই নীতি কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. অনুচ্ছেদ ৬
  2. অনুচ্ছেদ ৭
  3. অনুচ্ছেদ ৮
  4. অনুচ্ছেদ ৯
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানে “সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” নীতি অনুচ্ছেদ ৭-এ বর্ণিত হয়েছে।

প্রজাতন্ত্র:
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র।
- প্রজাতন্ত্র অংশে অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী বলা হয় 'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ'।

উল্লেখ্য,
- অনুচ্ছেদ ৭ (১) অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।
- অনুচ্ছেদ ৭ (২) অনুযায়ী জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসম হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৫৭২.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদান্তে দেশে চরম দারিদ্র্যের হার কত শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে?
  1. ক) ৩.০ শতাংশের নিচে
  2. খ) ১.০ শতাংশের মধ্যে
  3. গ) ২.০ শতাংশের নিচে
  4. ঘ) ১.০ শতাংশের নিচে
ব্যাখ্যা
• ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩.০ শতাংশের নিচে এবং চরম দারিদ্র্য হার ১.০ শতাংশের নিচে নামিয়ে লক্ষ্যস্থির করা হয়েছে।
• ২০২০ সালে দারিদ্র্যের হার ছিল ১৮.৮ শতাংশ।
• ২০৩১ সালে এটি দাঁড়াবে ৭.০ শতাংশে। 

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৪,৫৭৩.
চিংড়ি চাষ অভিকর আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা

চিংড়ি চাষ অভিকর আইন:
- চিংড়ি চাষ অভিকর আইন, ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৫৩ নং আইন) ১০ নভেম্বর, ১৯৯২ সালে প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে 'চিংড়ি চাষ অভিকর বিধিমালা, ১৯৯৩' প্রণয়ন করা হয়।

• এটি  চিংড়ি চাষ এলাকার উপকৃত জমির উপর অভিকর আরোপকল্পে প্রণীত আইন৷
- ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ ক্ষেত্রে অভিকর আরোপ করার প্রয়োজনীয়তা পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সামুদ্রিক লোনা পানি থেকে রক্ষা ইত্যাদি প্রেক্ষাপটে বিভিন্ন সময় বাঁধ নির্মাণ করে থাকে।
- এ সকল বাঁধ নির্মাণের ফলে বাঁধ সংশ্লিষ্ট স্থানের জমিতে বিশেষ সুবিধার সৃষ্টি হয়, তাই সরকার এ জমিতে কর আরোপ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, যাতে সংগৃহীত কর থেকে সুবিধাবঞ্চিত এলাকার উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।

⇒ এ আইনের ৪ নং ধারানুসারে সরকার কর্তৃক চিংড়ি চাষ এলাকায় নির্মিত বাঁধ বা খননকৃত খাল বা স্থাপিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবয়বের ফলে কোনো জমি উপকৃত হলে বা উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে সরকার উক্ত এলাকায় প্রজ্ঞাপনের নির্ধারিত হারে অভিকর আরোপ ঘোষণা করতে পারে।
- অর্থাৎ, সরকারি পানি ব্যবস্থাপনায় কারো অসুবিধা হলে যেমন ক্ষতিপূরণ পাওয়ায় অধিকার রয়েছে, তেমনি সরকারি বাঁধ নির্মাণের ফলে কারো বিশেষ সুবিধা অর্জিত হলে সে সুবিধার বিপরীতে সরকার কর আরোপ করার অধিকার রাখে।

উৎস: চিংড়ি চাষ অভিকর আইন ১৯৯২।

৪,৫৭৪.
বাংলাদেশ সরকারের বর্তমান অর্থমন্ত্রীর নাম কী?
  1. ক) ড. দিপু মনি
  2. খ) টিপু মুন্সি
  3. গ) আ. হ. ম মোস্তফা কামাল
  4. ঘ) আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন আ. হ. ম মোস্তফা কামাল
- তিনি বাংলাদেশের ১১তম অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- তিনি কুমিল্লা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকে ৪ লাখ ৫ হাজার ২৯৯ ভোট পেয়ে চতুর্থবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালের ১৫ জুন কুমিল্লা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর।

৪,৫৭৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল না-
  1. ভারত
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- অন্যদিকে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল চীন ও যুক্তরাষ্ট্র।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৫৭৬.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ব্যক্তি কে?
  1. ক) অমিত চাকমা
  2. খ) ইউ কে চিং
  3. গ) পীড়েন স্যানাল
  4. ঘ) সাচিং প্রু জেরি
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইউ কে চিং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি মারা যান।
(সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
৪,৫৭৭.
ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয় কোন তারিখে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৯৮
  2. ২৬ মার্চ ১৯৯৯
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০০
  4. ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৫২ সালের পর প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হতে থাকে।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে উর্দু ও বাংলাকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে অনুমোদন করা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- এই স্বীকৃতি ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে এবং বাংলা ভাষার মর্যাদা বেড়েছে।
-  ভাষা আন্দোলনের ফলে ১৯৫৫-তে কেন্দ্রীয় বাংলা উন্নয়ন বোর্ড (বাংলা ভাষায় পাঠ্য পুস্তুক রচনার উদ্দেশ্যে) ও বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত (বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে) হয়।

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,৫৭৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতুতে কয়টি স্প্যান রয়েছে?
  1. ৪১টি
  2. ৪৩টি
  3. ৪৯টি
  4. ৫০টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

এছাড়াও,
- বঙ্গবন্ধু রেলসেতুটি চালু হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সারা দেশের রেলযোগাযোগ ও রেলওয়ে পরিবহন ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
- অভ্যন্তরীণ রেল যোগাযোগ বৃদ্ধির পাশাপাশি ট্রান্সএশিয়ান রেলপথে যুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সক্ষমতা অর্জন করবে বাংলাদেশ।
- একই সঙ্গে দেশের উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি বেগবান হবে।

অন্যদিকে,
- ১৯৯৮ সালে বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পরই ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় কমিয়ে দেওয়া হয় ট্রেনের গতিসীমা।
- বর্তমানে এই সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করে।

উৎস: i) ১০ মে, ২০২৪, প্রথম আলো।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪,৫৭৯.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৯৪
  2. ২০০২
  3. ১৯৯৬
  4. ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এই জাদুঘরের স্থাপিত হয় ১৯৯৬ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৪,৫৮০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘের কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. চীন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান:
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৪,৫৮১.
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল কোনটি?
  1. ছাতা
  2. মোমবাতি
  3. তরবারি
  4. হারিকেন
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে মূলত ৪টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'হারিকেন'।
- নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৮২.
বিশ্ব ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের কোনটি দারিদ্রতম উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শূন্য সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ প্রদান করে?
  1. ক) International Development Association
  2. খ) International Monetary Fund
  3. গ) International Finance Corporation
  4. ঘ) Asian Development Bank
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান IDA দরিদ্রতম উন্নয়শীল দেশগুলোতে শূন্য সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণ প্রদান করে। 

- IDA (International Development Association) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পায়।
- IDA তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। যার কারণে IDA কে Soft Loan Window বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।

তথ্যসূত্র: IDA ওয়েবসাইট
৪,৫৮৩.
জামদানি শাড়ি কত সালে জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

⇒ দেশের প্রথম জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য জামদানি শাড়ি।
- জামদানি শাড়ি জিআই (ভৌগোলিক নির্দেশক) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় ২০১৬ সালে।


উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৪,৫৮৪.
মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. খুলনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম= ৮,৮০,৭৯৭ (মেট্রিকটন);
২. খুলনা= ৮,২২,৩৬১ (মেট্রিকটন);
৩. রাজশাহী= ৫,৭৬,৮৩০ (মেট্রিকটন);

• মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. ময়মনসিংহ= ৩,৪৫,০০১ (মেট্রিকটন);
২. কুমিল্লা= ৩,১৫,৪৫৭ (মেট্রিকটন);
৩. যশোর= ২,৪৮,০৮৯ (মেট্রিকটন)।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

৪,৫৮৫.
অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয় কাকে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. গ) জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
  4. ঘ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে এবং ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা। এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধায়ন করেন জেনারেল টিক্কা খান।

পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন। ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন। পাঁচ পৃষ্ঠার এই পরিকল্পনাটি রাও ফরমান আলী নিজ হাতে লিখেন। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২৪-২৫ মার্চ জেনারেল হামিদ, জেনারেল এ. ও মিঠঠি, কর্নেল সাদউল্লাহ হেলিকপ্টারে করে বিভিন্ন সেনানিবাসে প্রস্ত্ততি পরিদর্শন করেন। সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী। দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম রাজা। লে. জেনারেল টিক্কা খান ৩১ ফিল্ড কমান্ডে উপস্থিত থেকে অপারেশনের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এ ছাড়া এ অভিযানকে সফল করার জন্য ইতোমধ্যে জেনারেল ইয়াহিয়া খানের দু’জন ঘনিষ্ঠ অফিসার মেজর জেনারেল ইখতেখার জানজুয়া ও মেজর জেনারেল এ.ও মিঠঠিকে ঢাকায় আনা হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৫৮৬.
‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’ মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন-
  1. ক) ৩৪ জন
  2. খ) ৩৫ জন
  3. গ) ৩৬ জন
  4. ঘ) ৩৮ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাঃ
১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে আইয়ুব খানের সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে। সরকারি নথিতে এই মামলার নাম ছিলো ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’।
-এ মামলায় বঙ্গবন্ধুসহ অভিযুক্ত ছিলেন ৩৫ জন।
-ঢাকা সেনানিবাসে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার কার্য শুরু হয় ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন।
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৮৭.
দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক কোনটি?
  1. বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  2. প্রাইম ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
  3. মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক 'নগদ':
- দেশের প্রথম ডিজিটাল ব্যাংক ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি'।
- আইনে বিশেষ ছাড় দিয়ে ‘নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংক হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এর ফলে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৬২।

⇒ ব্যাংক কোম্পানি আইনে একক ব্যক্তি, পরিবার বা কোম্পানির কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার ধারণে যে বিধিনিষেধ রয়েছে, সেটিতেই ছাড় দেওয়া হয়েছে নগদকে।
- ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৪ক(১) ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা একই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ব্যাংকের শেয়ার কেন্দ্রীভূত করা যাবে না।
- এ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি, কোম্পানি বা পরিবারের সদস্যরা একক, যৌথ বা উভয় নামে কোনো ব্যাংকের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার কিনতে পারবেন না।
- তবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংকের শেয়ারের ক্ষেত্রে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ওই ধারা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
- অর্থাৎ নগদ ডিজিটাল ব্যাংকে ১০ শতাংশের বেশি শেয়ারধারী রয়েছে।

⇒ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি) থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির ১৯৭২ সালের ১২৭ নম্বর আদেশ)-এর ৩৭(২) (a) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ব্যাংক সোমবার (৩ জুন) থেকে 'নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি’কে তফসিলি ব্যাংকরূপে তালিকাভুক্ত করা হল।
- ফলে এখন থেকে অন্যান্য প্রচলিত ব্যাংকের মতোই কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক।
- তবে ব্যাংকটির সদর দফতর থাকলেও অন্য কোনো শাখা থাকবে না।

উৎস: i) Nagad ওয়েবসাইট।
ii) ৪ জুন ২০২৪, প্রথম আলো।
৪,৫৮৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতে প্রায় কতজন শরণার্থী আশ্রয় নিয়েছিল?
  1. ক) ৯৩ হাজার
  2. খ) ৯৫ হাজার
  3. গ) ১ কোটি
  4. ঘ) ৩০ লক্ষ
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকারের অবস্থান ছিল ভারতে।
- প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারতীয় সরকার মুক্তিযুদ্ধের সমর্থন দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেনি, বিশ্ব জনমত গঠনে ভারতীয় সরকারের উল্যেখযোগ্য অবদান রয়েছে।  
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সরকার বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালায়।
- ত্রিশ লক্ষ মানুষকে তারা হত্যা করে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রায় ছয় লক্ষ নারী নির্যাতিত হন।
- সেসময় প্রায় এক কোটি শরণার্থী ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৮৯.
বাংলাদেশে প্রথম দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত পৃথক করে প্রজ্ঞাপন জারি হয় কবে?
  1. ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  3. ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  4. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত:
- গত ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি করে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতকে সম্পূর্ণভাবে পৃথক করা হয়েছে।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মামলাজট কমাতে এই পৃথককীরণ করা হয়েছে।
- এর ফলে মামলা পরিচালনার সময় বাঁচবে এবং মামলার নিষ্পত্তি বহুলাংশে বৃদ্ধি পাবে।

উল্লেখ্য,
- দেশের অধস্তন আদালতগুলোতে বর্তমানে বিচারাধীন দেওয়ানি মামলার সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ এবং ফৌজদারি মামলা প্রায় ২৩ লাখ।
- ফৌজদারি মামলা দেওয়ানি মামলার তুলনায় বেশি হওয়া সত্ত্বেও ফৌজদারি বিচারককে উভয় ধরনের মামলা পরিচালনা করতে হয়। এর ফলে মামলা নিষ্পত্তির গতি হ্রাস পায় এবং মামলাজট বৃদ্ধি পায়।
- এই বাস্তবতা বিবেচনায় পৃথক ২০৩টি অতিরিক্ত দায়রা আদালত এবং ৩৬৭টি যুগ্ম দায়রা আদালত প্রতিষ্ঠা করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
- এই আদালতগুলোতে বিচারকেরা কেবল ফৌজদারি মামলার বিচার করবেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৪,৫৯০.
সার্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে কয়টি শ্রেণি পেশার মানুষ অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন পেনশন কর্মসূচি:
- অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল অবশ্য ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে আশা প্রকাশ করেছিলেন যে চলতি অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাই থেকেই দেশে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করা হবে।
- পেনশন কর্মসূচি চালুর আগে পাঁচটি সংস্থার সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) হবে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের।
- এগুলো হচ্ছে নির্বাচন কমিশন, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, সোনালী ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড।
- আগে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিলেও সরকার পরে বয়সের বিষয়টি শিথিল করে ৫০ পার হওয়া ব্যক্তিদেরও পেনশন ব্যবস্থার মধ্যে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- চার শ্রেণির ব্যক্তিদের নিয়ে আপাতত পেনশন কর্মসূচি চালু করা হবে।
- তারা হলেন: প্রবাসী বাংলাদেশি, বেসরকারি চাকরিজীবী, অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের কর্মী এবং অসচ্ছল ব্যক্তি।
- মাসিক চাঁদা হতে পারে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা আর সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

উৎস: ৭ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৫৯১.
মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. আখতার হামিদ খান
  2. খাজা সলিমুল্লাহ
  3. নবাব আব্দুল গনি
  4. নবাব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
নবাব আব্দুল লতিফ:
- নওয়াব আবদুল (১৮২৮-১৮৯৩) উনিশ শতকের বাংলার মুসলিম জাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসেবক।
- জন্ম ১৮২৮ সালে ফরিদপুর জেলার রাজাপুর গ্রামে।
- তাঁর পিতা ফকির মাহমুদ ছিলেন কলকাতার সদর দেওয়ানী আদালতের আইনজীবী।
- আবদুল লতিফ কলকাতা মাদ্রাসা থেকে আরবি, ফারসি ও ইংরেজি ভাষায় সর্বোচ্চ ডিগ্রি লাভ করেন।

• সমাজ সংস্কার ও সংগঠন: 
- মুসলিম সমাজে শিক্ষা ও আধুনিক চিন্তার প্রসারে কাজ করেন।
- ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠা করেন Mohammedan Literary Society।
- এই সংগঠন মুসলমানদের রাজনৈতিক ও সামাজিক দাবি তুলে ধরত
- মুসলিমদের জন্য পৃথক শিক্ষা ও চাকরির সুযোগ বৃদ্ধির পক্ষে ছিলেন
- বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)-এর অনেক আগেই পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৫৯২.
জেল হত্যা সংঘটিত হয় কত তারিখ?
  1. ১ নভেম্বর, ১৯৭৫
  2. ৩ নভেম্বর, ১৯৭৫
  3. ৫ নভেম্বর, ১৯৭৫
  4. ৭ নভেম্বর, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
জেল হত্যা দিবস:
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগের চারজন সিনিয়র নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছিল।
- ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে এ দিবস পালন করা হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীরা দেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পূর্বে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটককৃত চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- কতিপয় সেনা কর্মকর্তা পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে আটক এই চার নেতাকে গুলি করে এবং বেয়নেট দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৯৩.
বাংলাদেশে বসবাসরত কোন নৃগোষ্ঠীর মাতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা রয়েছে?   
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. সাঁওতাল
ব্যাখ্যা

গারো নৃগোষ্ঠী: 
- গারোরা বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- বসবাস: টাঙ্গাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর।
- ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা: ময়মনসিংহ (হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া), নেত্রকোনা (দুর্গাপুর, কলমাকান্দা), শেরপুর (নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী), টাঙ্গাইল (মধুপুর)।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয়ে বাসকরে।
- নৃ-বিজ্ঞান অনুযায়ী: মঙ্গোলীয় জাতির তিব্বতি-বর্মী শাখার বোড়ো উপশাখা।
- সমাজ ব্যবস্থা: মাতৃতান্ত্রিক।
- উত্তরাধিকারী কন্যা: নক্না।
- আত্মপরিচয়: আচিক্ মান্দে।
- গোত্র: সাংমা, মারাক, মোমিন, শিরা, আরেং।
- প্রধান ধর্ম: খ্রিস্টধর্ম (ব্যাপ্টিস্ট ও ক্যাথলিক)।
- প্রধান উৎসব: ওয়ানগালা (ধান কাটার উৎসব, ফসল উৎস।
- চাকমা, মারমা, সাঁওতাল পিতৃতান্ত্রিক সমাজ ব্যবাস্থা।

উল্লেখ্য
আদি ইতিহাস
- আদি বাসভূমি: চীনের উত্তর-পশ্চিমের সিনকিয়াং প্রদেশ।
- পরবর্তীতে: তিব্বতে, ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বাংলাদেশ।
- প্রায় ৪–৪.৫ হাজার বছর আগে গারো পাহাড়ে বসতি স্থাপন।
- সর্বশেষ ময়মনসিংহে আশ্রয় নিয়ে ক্ষুদ্র সামন্তরাজ্য প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

৪,৫৯৪.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. লর্ড বেন্টিংক
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়।
- বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৫৯৫.
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ১১ জুলাই
  2. খ) ২২ এপ্রিল
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১০ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। ১৯৮৯ সালে ইউএনডিপি”র উদ্যোগে দিবসটি পালন করা শুরু হয়। ২২ এপ্রিল বিশ্ব ধরিত্রী দিবস। ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। ১০ অক্টোবর বিশ্ব মনসিক স্বাস্থ্য দিবস। (সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৪,৫৯৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতার গোবরা ক্যাম্পে কতজন নারী সশস্ত্র ট্রেনিং গ্রহন করেন?
  1. ক) ৩০০ জন
  2. খ) ৪০০ জন
  3. গ) ৫০০ জন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- কলকাতার গোবরা ক্যাম্পে ৪০০ জন মহিলা মুক্তিযোদ্ধা সশস্ত্র যুদ্ধের ট্রেনিং গ্রহণ করেন।
- ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গোবরা ক্যাম্পে সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছেন অনেক নারী।
- নারী সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের গোবরা, আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে।
- গোবরা ক্যাম্পে মেয়েদের দেওয়া হতো তিন রকম ট্রেনিং। যেমন, সিভিল ডিফেন্স, নার্সিং, অস্ত্র চালনা ও গেরিলা আক্রমণ।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও নানাভাবে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখেন।
- কেউ সশস্ত্র যোদ্ধা হিসেবে, কেউবা মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সংরক্ষণ ও সরবরাহকারীরূপে, কেউবা মুক্তিযোদ্ধাদেরকে আশ্রয় দিয়ে, খাবার রান্না করে, অনুপ্রেরণা যুগিয়ে,   তথ্য সরবরাহ করে, সেবাদান করে ইত্যাদি নানাভাবে ভূমিকা রেখেছেন ।
- মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান পুরুষের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। যেমন: 
- আগরতলার লেম্বুচোরা ক্যাম্পে মহিলা গেরিলা স্কোয়াড-এর আধুনিক অস্ত্রের উচ্চতর ট্রেনিং হয়।
- রণাঙ্গনের যোদ্ধা তারামন বিবি বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত হন।
- চিকিৎসার কাজে মহিলা চিকিৎসকগণের গৌরবময় দৃষ্টান্ত ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম। তিনিও বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও মানবকন্ঠ।
৪,৫৯৭.
পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ২৫ মে,২০২২
  2. ২৫ জুন, ২০২২
  3. ১৬ ডিসেম্বর ২০২২
  4. ১৭ মে ২০২২
ব্যাখ্যা
• পদ্মা সেতু:
- পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয় - ২৫ জুন, ২০২২।
- যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়- ২৬ জুন, ২০২২ সালে।
- উদ্বোধন করেন- শেখ হাসিনা
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
-  পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল ১০০ বছর।
- পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।
- পদ্মা সেতু দিয়ে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে, সময়ও কমবে।
- পদ্মা সেতু মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরিয়তপুর জেলার জাজিরা ও মাদারিপুর জেলার শিবচর পয়েন্টে নির্মিত হয়েছে।

উৎস: ইত্তেফাক, ইনকিলাব এবং সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট ।
৪,৫৯৮.
এভারেস্ট জয়ের ৭০তম বছর পূর্তি হয় -
  1. ক) ২৮ মে, ২০২৩
  2. খ) ২৯ মে, ২০২৩
  3. গ) ৩০ মে, ২০২৩
  4. ঘ) ৩১ মে, ২০২৩
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট জয়ের ৭০ বছর:
- ১৯৫৩ সালের ২৯ মে দিনটি ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়।
- কারণ এদিন পৃথিবীর শীর্ষে অর্থাৎ এভারেস্ট পর্বতের চূড়ায় প্রথমবার মানুষ তাঁর পদচিহ্ন আঁকতে সক্ষম হয়।
- নিউজিল্যান্ডের পর্বতারোহী এডমন্ড হিলারি নেপালের শেরপা জনগোষ্ঠীর তেনজিং নোরগেকে সঙ্গে নিয়ে এই দুঃসাহসী অভিযাত্রা সম্পন্ন করেন।
- ১৮ শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকে এভারেস্ট পর্বত পৃথিবীর উচ্চতম পর্বতের মর্যাদা পায়।
- ব্রিটিশ ভারতের সার্ভেয়ার জেনারেল স্যার জর্জ এভারেস্টের নামানুসারে ১৮৬৫ সালে এর নামকরণ হয়।
- ২০২৩ সালের ২৯ মে এভারেস্ট জয়ের ৭০তম বছর পূর্তি হয়।

উৎস: ২৯ মে, ২০২৩,কালের কন্ঠ।
৪,৫৯৯.
'NAPE' সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. এটি জাতীয় জনশিক্ষা একাডেমি
  2. এটি জাতীয় উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্র
  3. এটি জাতীয় অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা কেন্দ্র
  4. এটি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি
ব্যাখ্যা
• নেপ পরিচিতি:
- এটি জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE)।
- এর পূর্ণরূপ National Academy for Primary Education. 
- এটি সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়।
- ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- উক্ত কলেজগুলোতে ৩ বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব আর্টস ইন এডুকেশন (বিএ ইন এডুকেশন) কোর্স চালু হয় ।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকাস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি সরকারী কবি নজরুল কলেজ হিসেবে রূপান্তরিত হয়।
- অন্য চারটি কলেজ অব এডুকেশন (চট্টগ্রাম, ফেণি, রংপুর ও যশোর) টিচার্স ট্রেনিং কলেজে উন্নীত হয়।
- এছাড়া ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমী স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE)।
৪,৬০০.
মুক্তিযুদ্ধে মর্যাদা অনুসারে ২য় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. বীর প্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীর বিক্রম
  4. বীর উত্তম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।

⇒ এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম: ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম: ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক: ৪২৬জন।

⇒ উল্লেখ্য,
• ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ জনের খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ: ৭ জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক: ৪২৪ জন।

উৎস: ¡) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।