বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৫ / ৩০৬ · ৪,৪০১৪,৫০০ / ৩০,৮৩২

৪,৪০১.
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কত দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৩০-৬০ দিনের মধ্যে
  2. ৬০-৯০ দিনের মধ্যে
  3. ৯০-১২০ দিনের মধ্যে
  4. ১২০-১৫০ দিনের মধ্যে
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৪০২.
‘গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ অর্জন করেন কে?
  1. ক) নাসিমা আক্তার
  2. খ) দীপু মনি
  3. গ) রাবাব ফাতেমা
  4. ঘ) নাসিমা জাহান বিজলী
ব্যাখ্যা
- গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ পেয়েছেন নাজাবি গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্লু  সোলুশনস লি.-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাসিমা জাহান বিজলী (বিনতী)।
- ব্যবসায়িক জীবনে তিনি অটোমোবাইল, ইলেকট্রনিক্স, আইটি ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
  ‘গ্লোবাল ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড ২০২২’ অর্জন করেন বাংলাদেশের নাসিমা জাহান বিজলি।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার এবং প্রথম আলো পত্রিকা।
৪,৪০৩.
বাংলাদেশে  জনসংখ্যায় দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী- (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. মারমা 
  2. খাসিয়া
  3. মণিপুরি 
  4. ত্রিপুরা 
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে,

- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)। 
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৪,৪০৪.
ইলিয়াস শাহ কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. জর্ডান
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন। 
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন। 
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে। 
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪০৫.
দেশে মোট আবাদকৃত জমির কত শতাংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৭৬.১৭%
  2. ৭৮.২৫%
  3. ৮১.২৭%
  4. ৮৩.৫৬%
ব্যাখ্যা

খাদ্যশস্যের চাষ:
- মোট আবাদকৃত জমির ৭৬.১৭% অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়।

উল্লেখ্য,
- আঁশ জাতীয় ফসল: ৪.৭৫% অংশে।
- তৈলবীজ: ৩.৫১% অংশে। 
- মসলা: ২.৩৫% অংশে। 
- ডাল: ২.২৭% অংশে। 
- শীতকালীন সবজি: ১.৯৭% অংশে। 
- ভেষজ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য: ০.৯৯% অংশে। 
- চিনি জাতীয় ফসল: ০.৬২% অংশে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৪,৪০৬.
'বঙ্গবন্ধু-১' একটি?
  1. ক) সেতুর নাম
  2. খ) ডিজিটাল ডাটা সেন্টারের নাম
  3. গ) কৃত্রিম উপগ্রহের নাম
  4. ঘ) বৈদ্যুতিক কেন্দ্রের নাম
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু-১' একটি  কৃত্রিম উপগ্রহ। 
 
এক নজরে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১: 
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১। 
বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক দিক নির্দেশনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বে সামগ্রিক প্রকল্পটি ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য - প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন কর্তৃক বাস্তবায়িত হয়। 
বাংলাদেশ সময় ১১ মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট – ১ মহাকাশে পাঠানো হয়। 
ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
 রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির অগ্রযাত্রার ধারাবাহিকতায় যোগ হয়েছে আরো একটি মাইলফলক। 
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে আজ আমরা মহাকাশে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছি। 
এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।
স্যাটেলাইট পাঠানোর কাজটি বিদেশে করা হলেও এটি নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশ থেকেই। 
এজন্য গাজীপুরের জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায় দুটি গ্রাউন্ড স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে।
 
সূত্র: বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড
৪,৪০৭.
ভারতীয়দের মধ্যে কে সর্বপ্রথম ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ লাভ করেন?
  1. ক) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. খ) সতেন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. গ) হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঘ) বিনয় সেন
ব্যাখ্যা
ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ লাভকারী প্রথম ভারতীয় হলেন শ্রী সতেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
১৮৬৪ সালে তিনি প্রতিযোগিতামূলক পরিক্ষার মাধ্যমে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ লাভ করেন।
তিনি ছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সহোদর।
(সূত্র: Union Public Service Commission ওয়েবসাইট)
৪,৪০৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'শিক্ষার অধিকারের' কথা বলা হয়েছে ?
  1. ক) ১৫ নং
  2. খ) ২৮ নং
  3. গ) ১৯ নং
  4. ঘ) ২২ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থাঃ
- ১৫ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়: 
 
ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা।
 খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার। 
 গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং 
 ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার।

অন্যদিকে,
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ : ‍সুযোগের সমতা।
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ : ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- ২২ নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৪০৯.
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রকৃতি কোনটি?
  1. সমাজতান্ত্রিক
  2. মুক্তবাজার
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. পরিকল্পিত অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
- অর্থনীতিতে যখন সরকারি এবং ব্যক্তিগত খাত একসাথে সহাবস্থান করে তখন সেই অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে।
- বাংলাদেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- কারণ এখানে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের সুসমন্বয় বিদ্যমান।
- বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থায় সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন ব্যবস্থা, ব্যবসায়-বাণিজ্য প্রত্যেক খাতে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানার উপস্থিতি বিদ্যমান।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু সম্পদ ব্যক্তি মালিকানায় রেখে বাকি সম্পদ সরকারকে বাৎসরিক করের বিনিময়ে ব্যক্তি মালিকানার হাতে থাকে।
- সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ খাতসহ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা খাতসমূহে সরকারি উদ্যোগে বিনিয়োগ পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির অধিকাংশই বেসরকারি বিনিয়োগের উপর নির্ভরশীল।
- তবে বেসরকারি বিনিয়োগের উপর সরকারের পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪১০.
বাংলাদেশে প্রথম 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা' কত সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম বইমেলা:
- বাংলাদেশের প্রথম বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৫ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরিতে (বর্তমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি)।
- এটি ছিল মূলত শিশু গ্রন্থমেলা, যার আয়োজন করেছিলেন কথাসাহিত্যিক সরদার জয়েনউদদীন।
- ইউনেস্কো ১৯৭২ সাকে ‘আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ’ হিসেবে ঘোষণা করে।
- সরদার সাহেব এই আন্তর্জাতিক গ্রন্থবর্ষ উপলক্ষে ১৯৭২ সালে ডিসেম্বর মাসে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে একটি আন্তর্জাতিক গ্রন্থমেলার আয়োজন করেন।
- সেই থেকেই বাংলা একাডেমিতে বইমেলার সূচনা।
- ১৯৮৪ সালে সাড়ম্বরে বর্তমানের 'অমর একুশে গ্রন্থমেলা'র সূচনা হয়। 

উৎস: ৩১ জানুয়ারি ২০১৪, প্রথম আলো।
৪,৪১১.
জাতিসংঘের কত তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ক) ২৮ তম
  2. খ) ২৯ তম
  3. গ) ৩০ তম
  4. ঘ) ২৭ তম
ব্যাখ্যা
১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ২৯ তম সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশ ১৩৬ তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
৪,৪১২.
ECNEC এর চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. ঘ) স্পীকার
ব্যাখ্যা
• ECNEC:
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council) 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
৪,৪১৩.
চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপিত হয়-
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১৩ সালে
  3. গ) ২০১৫ সাল
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপিত হয় ১ এপ্রিল, ২০১৩ সালে জার্মানিতে।
- চতুর্থ শিল্প বিপ্লব পরিচিত Industry 4.0 নামে।
৪,৪১৪.
বাংলাদেশ সরকার কতজন আহত ব্যক্তিকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৭২৪ জন
  2. ৮৩৪ জন
  3. ১২০১ জন
  4. ১৪০১ জন
ব্যাখ্যা
জুলাই যোদ্ধা:
- ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ১৪০১ জনকে জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
- অতি গুরুতর ৪৯৩ জন আহতকে 'ক' শ্রেণিতে এবং গুরুতর আহত ৯০৮ জনকে 'খ' শ্রেণিতে রেখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা প্রকাশ করে।
- গেজেটে আহতদের মেডিকেল কেস আইডি, নাম, বাবা-মায়ের নাম ও স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়।
- আহতদের ধরন ভেদে ‘গ’ শ্রেণির তালিকাও প্রকাশ করবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এসব তালিকা ধরে গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের আর্থিকভাবে সহায়তা করবে সরকার।

উল্লেখ্য,
- গত ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫ গণঅভ্যুত্থানে ৮৩৪ জন শহীদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
৪,৪১৫.
প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. মুখ ও মুখোশ
  2. জাগো হুয়া সাভেরা
  3. আকাশ আর মাটি
  4. মাটির পাহাড়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তির নিরবচ্ছিন্ন ধারার সূচনা হয়েছিল ১৯৫৯ সাল থেকে।
- প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- তবে এর পরবর্তী দু-বছর কোনো ছবি মুক্তি পায়নি।
- কিন্তু তার মানে এই নয় যে, এ-সময়ে কোনো ছবি নির্মাণের কাজ চলেনি।
- প্রকৃতপক্ষে ছবি নির্মাণের কাজ চলেছিল বলেই ১৯৫৯ সালে চারটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল। 
• ছবিগুলো ছিল –
- এ জে কারদারের জাগো হুয়া সাভেরা,
- ফতেহ লোহানীর আকাশ আর মাটি,
- মহীউদ্দীনের মাটির পাহাড় ও
- এহতেশামের এদেশ তোমার আমার।

- ১৯৫৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চারটি ছবির মধ্যে জাগো হুয়া সাভেরা অসাধারণ সাফল্য পেয়েছিল।
- এ-সাফল্য বাণিজ্যিক বিবেচনায় নয়, বরং তা ছিল নির্মাতাদের মননশীলতা প্রকাশের ক্ষেত্রে সাফল্য।
- নানা কারণে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এই ছবির অশেষ গুরুত্ব রয়েছে।
- এটি ছিল সত্যিকার অর্থে বাংলাদেশের প্রথম উপন্যাসনির্ভর চলচ্চিত্র।
- ‘সত্যিকার অর্থে’ কথাটা বলার কারণ হলো, এর কাহিনি একটি বিখ্যাত উপন্যাস থেকে নেওয়া হয়েছিল, বলা চলে সেই উপন্যাসেরই একটি চলচ্চিত্রায়ণ।
- এর আগে আর কোনো উপন্যাস নিয়ে কেউ ছবি বানাননি।
- উপন্যাসটির রচয়িতা ছিলেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং উপন্যাসের নাম ছিল পদ্মা নদীর মাঝি।
- বাংলাদেশের মানুষের জীবন লেপ্টে ছিল এই ছবির পরতে পরতে।
- কিন্তু ছবিটির কোথাও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বা পদ্মা নদীর মাঝির কোনো স্বীকৃতি ছিল না।
- বরং এর কাহিনিকার হিসেবে পাকিস্তানের প্রগতিশীল ধারার উর্দু কবি ফয়েজ আহমদ ফয়েজের নামের উল্লেখ রয়েছে।
- তাই প্রকাশ্য উপন্যাসনির্ভর ছবি হিসেবে এর কোনো স্বীকৃতি নেই।

উৎস: কালি ও কলম। (Click to Read)
৪,৪১৬.
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা কত শতাংশ?
  1. ৫%
  2. ১০%
  3. ১৫%
  4. ২০%
ব্যাখ্যা

→ টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগের সর্বোচ্চ সীমা ১০%।

টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন।
- সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৪১৭.
সংবিধানে প্রস্তাবনার কোন ভাগে সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখার ঘোষণা রয়েছে?
  1. ২য় ভাগে
  2. ৩য় ভাগে
  3. ৪র্থ ভাগে
  4. ৫ম ভাগে
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য় - মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য় - শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ - সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম - গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৪১৮.
১৯০৫ সালে নবগঠিত পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর কে ছিলেন?
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মিন্টো
  4. ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা
ব্যামফিল্ড ফুলার:
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার।

⇒ তিনি ১৮৮৫ সালে মধ্য প্রদেশের ভূমি জরিপ ও কর নির্ধারণ এবং কৃষিবিষয়ক কমিশনার হিসেবে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস-এ তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালে ভাইসরয়ের পরিষদের অতিরিক্ত সদস্য এবং ১৯০১-০২ সাল পর্যন্ত ভারত সরকারের সচিব ছিলেন।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে নিয়োগ লাভের পূর্বে ফুলার আসামের প্রধান কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনে সেবা প্রদানের জন্য নাইট উপাধি লাভ করেন।

⇒ বাংলা ও ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫-১৯১১) একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি। কলকাতা ছিল এর রাজধানী। এটি ছিল ব্রিটিশ ভারতের বৃহত্তম প্রদেশ। শাসন কার্যের সুবিধার্থে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সির বিভক্তকরণের কথা চিন্তা করতে থাকে। উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন স্যার রাম্পফিল্ড ফুলার এবং স্যার এন্ড্রু ফ্রেজার। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জনও বহুবার বিষয়টি আলোচনা করেন। অতঃপর ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন হয়। সৃষ্টি হয় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসামকে নিয়ে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে' এক নতুন প্রদেশ এবং এর রাজধানী হয় ঢাকা।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪১৯.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. গাজীপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI):
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- পাটের উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিজেআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বিজেআরআই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের কৃষি গবেষণা, কারিগরী গবেষণা এবং পাট হতে টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- প্রধান কার্যালয়: মানিক মিয়া এভিনিউ ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো'র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।
- রংপুর, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও চান্দিনায় (কুমিল্লা) চারটি আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৪,৪২০.
১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধকালে ANNIHILATE THESE DEMONS শিরোনামের পোস্টারটি কে এঁকেছিলেন?
  1. ক) ভিনসেন্ট ভ্যানগগ
  2. খ) পাবলো পিকাসো
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ থেকে নিরীহ বাঙালির উপর পাকিস্তানী সামরিক বাহিনীর নৃশংস হামলাকে কেন্দ্র করে কামরুল হাসানের ইয়াহিয়ার মুখচ্ছবি দিয়ে আঁকা পোস্টার ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ / 'ANNIHILATE THESE DEMONS' দেশেবিদেশে বিপুলভাবে সাড়া জাগায় এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণে সাধারণ মানুষকেও উদ্বুদ্ধ করে।
মুক্তিযুদ্ধের অনুপ্রেরণামূলক পোস্টার আঁকায় নিতুন কুন্ডু (১৯৩৬-২০০৭), প্রাণেশ মন্ডল প্রমুখ শিল্পী বিশেষ অবদান রাখেন।
স্বাধীনতার পরও অব্যাহত ছিল রাজনৈতিক পোস্টার শিল্পের বিকাশ।
কামরুল হাসান-এর দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে, কাজী হাসান হাবীব (১৯৪৮-১৯৮৮)-এর বাংলাদেশ বনপোড়া হরিণীর মতো আর্তনাদ করে, কাউয়ুম চৌধুরীর আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি প্রভৃতি পোস্টার বাংলাদেশের কতকগুলি রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের সাক্ষী হয়ে আছে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৪২১.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন ও বাতিল সংক্রান্ত সংবিধানের সংশোধনী কোনটি?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী জমির উদ্দিন সরকার এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ জন উপদেষ্টা নিয়ে এই সরকার গঠিত হতো।

অন্যদিকে,
⇒ পঞ্চদশ সংশোধনী: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- সেখানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে রাজনৈতিক সরকারের অধীনে নির্বাচন ব্যবস্থা।
- এই সংশোধনীতে নির্বাচিত সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগের ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার কথা বলা হয়।
- ২০১১ সালের ৩০ জুন এই সংশোধনী আনা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনী বিলটি তৎকালীন আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ সংসদে এনেছিলেন।
- এছাড়াও, রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়।
- তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।

উৎস: ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, BBC.
৪,৪২২.
সংবিধানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাক্ষর করেন -
  1. ক) ১২ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. খ) ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হাতে লেখা সংবিধানের কপিতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
• সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন - সংসদ নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• তারপর যথাক্রমে - সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ স্বাক্ষর করেন।
• একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
• হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৪,৪২৩.
বর্তমানে চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- [আগস্ট, ২০২৫]
  1. সিলেট
  2. হবিগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- চা উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৪,৪২৪.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. ENA
  2. APP
  3. AFP
  4. UNI
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA):
- বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA)।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্তুর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- পরিণতিতে, পাকিস্তানের সামরিক জান্তার কোপানলে পড়ে সংস্থাটি বন্ধ হয়ে যায়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।
- এনা সংবাদ প্রেরণের জন্য পুরোপুরি সরকারি টেলিকম্যুনিকেশন সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দুই দশকের পর এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে এনা শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা সংবাদপত্র সরবারহ করে। 

অন্যদিকে,
- AFP ফ্রান্সের সংবাদ সংস্থা। 
- UNI ভারতের সংবাদ সংস্থা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৪২৫.
বাংলাকে গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি কে উত্থাপন করেন?
  1. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. নুরুল আমিন
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষা:
- ভাষা আন্দোলনের ফলে জনগণের স্বাধিকার আদায়ের পদক্ষেপের সূচনা হয়।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- এর জন্মের পর পশ্চিম পাকিস্তানীদের বৈষম্যমূলক আচরণ শুরু হয়।
- তারা বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতির উপর আঘাত হানে।
- ১৯৪৮ সালে গভর্ণর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকার পল্টন ময়দানে ঘোষণা করেন।
- "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা"।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ অধিবেশনে;
- বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন পূর্ব বাংলার সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে খাজা নাজিমউদ্দিন জিন্নাহর কথার পুনরাবৃত্তি করেন।
- ফলে ছাত্র-সমাজ তীব্র প্রতিবাদ শুরু করে।
- সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি সারা পূর্ব পাকিস্তানে ধর্মঘট আহবান ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বিশ্বের ইতিহাসে এক বিরল স্থান দখল করে আছে।
- জাতিসংঘ ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪২৬.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৯,২০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৮,৯০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৯,৫০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৯,৯০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯,৫০০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দ ২৯,৯৮২ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৪,৪২৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -
  1. ১.১২%
  2. ১.২২%
  3. ১.৩৩%
  4. ১.২১%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

⇒ সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
৪,৪২৮.
কোন সম্মেলনে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার সুপারিশ করা হয়?
  1. লাহোর
  2. করাচি
  3. ঢাকা
  4. ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন  তমুদ্দুন মজলিস গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর।
- তমুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পাশাপাশি পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ, পূর্ববঙ্গ বুদ্ধিজীবী সমাজ, সাংবাদিক সংঘ বিভিন্ন সভা-সমিতিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
- সবকিছুকে উপেক্ষা করে ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংবিধান সভার কাছে সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৪২৯.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়?
  1. ২য় সংশোধনী
  2. ৫ম সংশোধনী
  3. ৮ম সংশোধনী
  4. ১৭তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়।
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়।
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য:
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।
- ১৭তম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিলো নারীদের জন্যে সংরক্ষিত ৫০টি আসন আরও ২৫ বছরের জন্যে সংরক্ষণ করা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৪,৪৩০.
'গারো উপজাতি' কোন জেলায় বাস করে? 
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস — ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।

তাছাড়া,
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।

উল্লেখ্য, 
গারো উপজাতি মূলত ময়মনসিংহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বাস করে। বিশেষ করে, গারো উপজাতির মানুষেরা ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ী অঞ্চলে বসবাস করে। তাদের মূল আবাসস্থল হচ্ছে ময়মনসিংহের গারো পাহাড় এলাকা।
সিলেট জেলায় কিছু সংখ্যক গারো বাস করলেও বেশিরভাগ গারো 'ময়মনসিংহ' জেলায় বাস করে বিধায় উত্তর হিসেবে ময়মনসিংহ গ্রহণ করা হলো।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
৪,৪৩১.
নীতি পর্যালোচনা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'সিপিডি' কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  3. বদিউল আলম মজুমদার
  4. অধ্যাপক রেহমান সোবহান
ব্যাখ্যা
সিপিডি:
- সিপিডি (CPD)-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

অন্যদিকে,
- সুজনের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।

উৎস: i) সিপিডি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৪,৪৩২.
ভারতীয় নবজাগরণের অগ্রদূত বলা হয় কাকে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. বেগম রোকেয়া
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়:
- ভারতীয় নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় জন্ম গ্রহন করেন।

⇒ তিনি সুফি মতবাদে বিশেষভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- তিনি বেদান্তসূত্র বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ করেন।
- তাঁর অন্যান্য রচনার মধ্যে আছে 'তুহফাত-উল-মোয়াহিদ্দীন' (একেশ্বরবাদ সৌরভ) “মানাজারাতুল আদিয়ান' (বিভিন্ন ধর্মের উপর আলোচনা)।
- তিনি ‘সম্বাদ কৌমুদী', 'মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশকও ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপুজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে।
- আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।

⇒ হিন্দুধর্মের সংস্কার তথা নিজ ধর্মীয় মতবাদ প্রচারের উদ্দেশ্যে ‘আত্মীয় সভা' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮২৮ সালে রামমোহন ব্রাহ্মসভা (পরবর্তীসময়ে ব্রাহ্মসমাজ) অর্থাৎ ঈশ্বরের সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বস্ত্তত হিন্দুধর্মের নতুন একটি শাখা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- সতীদাহ প্রথার অযৌক্তিকতা প্রসঙ্গে 'গোস্বামীর সহিত বিচার' ও 'প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।

⇒ তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থ:
- বেদান্ত গ্রন্থ,
- বেদান্তসার,
- পথ্য প্রদান,

অন্যদিকে,
- বেগম রোকেয়াকে বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
- বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে অগ্রদূত সৈয়দ আমীর আলী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৩৩.
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত কয়টি জনগোষ্ঠীর একত্র নাম কুকি-চিন?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট:
- কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট বা কেএনএফকে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ছয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে তারা।
- এগুলো হলো: বম, পাংখোয়া, লুসাই, খিয়াং, ম্রো ও খুমি। 
- তাদের সাংগঠনিক প্রধান নাথান বম।
- নাথান বম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি রুমা উপজেলার এডেনপাড়ার অধিবাসী।
- রুমার এডেনপাড়ায় কুকি চিন ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিও) নামের একটি বেসরকারি সংগঠনেরও প্রতিষ্ঠাতা তিনি। 
- আত্মপ্রকাশের পর কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি এবং বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা ও আলীকদম উপজেলার সমন্বয়ে পৃথক রাজ্যের দাবি করে।

উল্লেখ্য,
- কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সামরিক শাখা কুকি চিন আর্মি (কেএনএ) পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কর্মরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
- কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য গেরিলা প্রশিক্ষণের জন্য মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে যায়।
- ২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে।
- এই দলের সদস্যরাই এখন সেনাবাহিনীর ওপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: ২০ অক্টোবর ২০২২, বিবিসি বাংলা।
৪,৪৩৪.
কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে নিচের কোন সেবাটি দেয়া হয় না?
  1. ক) প্রজনন স্বাস্থ্য ও নিরাপদ মাতৃত্ব
  2. খ) সাধারণ রোগ ও জখম চিকিৎসা
  3. গ) সিজারিয়ান অপারেশন
  4. ঘ) পরিবার পরিকল্পনা সম্পর্কিত পরামর্শ
ব্যাখ্যা
- কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা, প্রজননস্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা সেবা, টিকাদান কর্মসূচি, পুষ্টি, স্বাস্থ্যশিক্ষা, পরামর্শসহ বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। 
- এছাড়া ৩২ ধরনের ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী বিনামূল্যে বিতরণের ব্যবস্থা রয়েছে।
-  শুরুতে কমিউনিটি ক্লিনিকে ডেলিভারির ব্যবস্থা না থাকলেও পরবর্তী সময়ে কোনো কোনো ক্লিনিকে ঘরের কাছে সহজে সন্তান প্রসবের নিরাপদ স্থান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।
 
- কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ লক্ষমাত্রা ১৩৮৬১ টি। 
- তন্মধ্যে ১০৬২৪ টি এইচপিএসপি এবং আরসিএইচসিআইবি এর আওতায় ২৭৫২ টি সহ মোট নির্মিত কমিউনিটি ক্লিনিকের সংখ্যা দাড়ায় ১৩৩৭৬ টি। 
 
উৎস : কমিউনিটি ক্লিনিক ওয়েবসাইট, সময় নিউজ 
৪,৪৩৫.
রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য কী?
  1. জনমত গঠন
  2. নির্বাচনে অংশগ্রহন
  3. সরকার গঠন
  4. নেতৃত্ব তৈরি
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ ও সরকার গঠন:
- প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমূহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

• রাজনৈতিক দলের ভূমিকা :
- সরকার গঠন
- নেতৃত্ব তৈরি,
- জনমত গঠন,
- রাজনৈতিক শিক্ষাদান,
- গঠনমূলক বিরোধিতা,
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা।

উৎস: পৌরনীতি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৩৬.
জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রম হ্রাসমান?
  1. ক) শিল্পখাত
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) প্রবাসী আয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.১১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৫.৩৬ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৪৮ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৩০ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৩২ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
• বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
• ২০১৮-২০১৯ সময়ে কৃষি ও শিল্পখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৩.৬০ ও ৩৫.১৪।
• সুতরাং জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রম হ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
উৎসঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০।

৪,৪৩৭.
মুক্তিযুদ্ধে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কোন দেশের সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে?
  1. সৌদি আরব
  2. আমেরিকা
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের ভুমিকা :
- যুক্তরাজ্যের নীতির মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানের কাঠামোর অভ্যন্তরে বাঙালির স্বাধীকার সমস্যার সমাধান করা।
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যুক্তরাজ্য সরকার নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশের ঘটনায় ব্রিটেন সরকারিভাবে উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে এবং ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী শরণার্থীদের জন্য ব্রিটিশ সরকার আন্তর্জাতিক ত্রাণ তৎপরতায় অংশগ্রহণ করে। 
- ব্রিটিশ সরকারের নিরপেক্ষ নীতির কারণে ব্রিটেনের পত্র-পত্রিকায় ও বেতার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে প্রচারণা সহজতর হয়েছিল। 
- ব্রিটেনের মাটিকে প্রবাসী বাঙালিরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক জনমত গড়ে তোলার জন্য কোন সরকারি বাধা বিঘ্ন ছাড়াই জোরালো আন্দোলন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিল। 
অন্যদিকে,
- চীন পাকিস্তানকে সমর্থন করেছে। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন সরকার পাকিস্তানের পক্ষ অবলম্বন করে।
- সৌদি আরব, ইরান, ইরাক প্রভৃতি দেশসমূহ এবং ওআইসি বাংলাদেশে পাকিস্তানের গণহত্যার প্রতিবাদ করেনি। 
- বরং পাকিস্তানকে সমর্থন করতে বিশ্বের মুসলমানদের আহ্বান জানিয়েছে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৩৮.
বাংলাদেশের সংসদ ভবনের প্রথম অধিবেশন বসে -
  1. ১৯৭৪ সালের ২৮ জুন
  2. ১৯৭৮ সালের ৬ জানুয়ারি
  3. ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি
  4. ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংসদ ভবন:
- বাংলাদেশ সংসদ ভবনের স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই আই কান।
- বাংলাদেশের সংসদ ভবন নয় তলা বিশিষ্ট।
- ২১৫ একর জমির উপর সংসদ ভবন নির্মিত।
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮২ সালে প্রথম অধিবেশন বসে।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।

৪,৪৩৯.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে অর্থনীতির কোন খাতে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে?
  1. কৃষিখাত
  2. শিল্পখাত
  3. সেবাখাত
  4. মৎস্যখাত
ব্যাখ্যা
- বিবিএসের সাময়িক হিসাবে ২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৫.৪৭ শতাংশ।
জিডিপির প্রধান খাতসমূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৬.১২ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫.৬১ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.৪৫ শতাংশ।
উপখাত সমূহের মধ্যে:
- সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি : স্বাস্থ্যখাতে (৯.৯৪ শতাংশ)।
- সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি : খনিজ ও খনন খাতে (০.২৯ শতাংশ)
- মৎস্যখাতে প্রবৃদ্ধি : ৫.৭৪ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪,৪৪০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মধ্যযুগীয় মসজিদ কোনটি?
  1. সাতগম্বুজ মসজিদ
  2. ষাটগম্বুজ মসজিদ
  3. সোনা মসজিদ
  4. তারা মসজিদ
ব্যাখ্যা
 ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- এটি মধ্যযুগীয় সবচেয়ে বড় মসজিদ।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
         ii) ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
৪,৪৪১.
”আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত?
  1. ২৭নং
  2. ৩১নং
  3. ২৯নং
  4. ২৫নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
• সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
• সংবিধানের ৩১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
• সংবিধানের ২৯নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪,৪৪২.
নিচের কোনটি ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত?
  1. সাপ্তাহিক সৈনিক
  2. সাপ্তাহিক ধূমকেতু
  3. সাপ্তাহিক বাংলা
  4. সাপ্তাহিক ইত্তেফাক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল- 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকা। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' -এর উদ্যোক্তা গণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিসেরও মুখপত্র।
- সাপ্তাহিক সৈনিক -এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। 
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। 
- পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

অন্যদিকে,
- তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'।
- মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
- এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
- বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকা প্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।
- 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৪৪৩.
ডাচ–বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. রকেট
  2. নগদ
  3. মাই ক্যাশ
  4. বিকাশ
ব্যাখ্যা

ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বর্তমানে রকেট নামে পরিচিত।
-------------------------------------------
মোবাইল ব্যাংকিং: 
- মোবাইল ব্যাংকিং হলো আধুনিক ডিজিটাল সেবা। 
- এর মাধ্যমে ব্যাংকের শাখায় না গিয়ে মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন ব্যবহার করে যেকোনো স্থান থেকে টাকা পাঠানো, বিল পরিশোধ, ব্যালেন্স চেক ও ক্যাশ-আউট করা যায়।
- এটি দ্রুত, নিরাপদ এবং সুবিধাজনক লেনদেনের একটি ব্যবস্থা।

- বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার সূচনা ও বিকাশ ধাপে ধাপে ঘটেছে।
- দেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক লিমিটেড।
- ২০১১ সালের ৩১ মার্চ সিটিসেল ও বাংলালিংক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এই ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে;
- যা পরবর্তীতে ‘রকেট’ নামে পরিচিতি লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থার পথিকৃত হিসেবে ব্যাংক এশিয়া প্রথম এই সেবা চালু করে।
- এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ কার্যক্রম শুরু হয় এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
- পরবর্তীকালে ২০১৯ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ তাদের নিজস্ব ডিজিটাল আর্থিক সেবা ‘নগদ’ চালু করে।
- বর্তমানে দেশে বিকাশ ও রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ, উপায়, শিওরক্যাশসহ মোট প্রায় ১৫টি ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠান মোবাইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ওয়েবসাইট। 

৪,৪৪৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন দেশ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
মিত্র দেশসমূহ:

ভারত:
- ভারত মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশ ছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়।
- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তখন বাংলাদেশকে সমর্থন করার জন্য রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, এবং সামরিক সহায়তা প্রদান করেন।
- ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, এবং বিমানবাহিনী যৌথভাবে "মুক্তিবাহিনী"র সঙ্গে একযোগে কাজ করে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল, যদিও তার ভূমিকা প্রধানত কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- সেই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং এই ভেটো প্রয়োগের ফলে পাকিস্তানের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে থাকে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ে সাহায্য করে এবং মুক্তিযুদ্ধের ন্যায্যতাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে। 

অন্যদিকে,
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সামরিক এবং কূটনৈতিকভাবে সমর্থন দিচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা প্রদান করেছিল।
- চীন জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলেছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৪৫.
বাংলাদেশে জিডিপি নির্ণয়ে মোট উপখাতের সংখ্যা কতটি?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৫টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে জিডিপি নির্ণয়ে মোট উপখাতের সংখ্যা ১৫টি। এগুলো হলোঃ
- কৃষি ও বনজ
- মৎস্য
- খনিজ ও খনন
- শিল্প বা উৎপাদন
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ
- নির্মাণ
- পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য
- হোটেল ও রেস্তোরাঁ
- পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ
- আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা
- রিয়েল এস্টেট
- লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা
- শিক্ষা
- স্বাস্থ্য
- কমিউনিটি ও ব্যক্তিগত সেবা৷
এসব খাতের সমন্বয়ে তিনটি প্রধান খাত কৃষি, শিল্প ও সেবাখাত গঠিত৷
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিবিএস)
৪,৪৪৬.
'এলিফ্যান্ট পয়েন্ট' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সুন্দরবন
  2. খ) রাঙ্গামাটি
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) টেকনাফ
ব্যাখ্যা
• কক্সবাজার জেলা:
- কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী ।
- একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল।
- প্যানোয়া শব্দটির অর্থ ‘হলুদ ফুল’।
- অতীতে কক্সবাজারের আশপাশের এলাকাগুলো হলুদ ফুলে ঝকমক করত।
- 'এলিফ্যান্ট পয়েন্ট' অবস্থিত এ জেলায়।

- এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 
- ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন ।
- কক্স সাহেবের বাজার হতে কক্সবাজার নামের উৎপত্তি ।
- প্রধান নদনদী: মাতামুহুরী, বাঁকখালী, রেজু, কোহালিয়া ও নাফ ।
- প্রধান দ্বীপ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, সোনাদিয়া, শাহ্পরীর দ্বীপ, ছেডাঁ দ্বীপ ও সেন্টমার্টিন।

তথ্যসূত্র: কক্সবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
৪,৪৪৭.
পূর্ব বাংলার যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভার প্রথম মুখ্যমন্ত্রীর নাম কী?
  1. ক) এ কে ফজলুল হক
  2. খ) চৌধুরী খালেকুজ্জামান
  3. গ) মুহাম্মদ আলী
  4. ঘ) ইস্কান্দার মীর্জা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা। 
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। 
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। 
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়, বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।

যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা:
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করে।
• মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• শিক্ষা: সৈয়দ আজিজুল হক।
• কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৪৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বর্তমানে বাংলাদেশে নারী স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) কত?
  1. ৭৩.৮%
  2. ৭৪.৬%
  3. ৭৫.৮%
  4. ৭৭.৯%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে,
- বর্তমানে বাংলাদেশে স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৭.৯%  
- বর্তমানে বাংলাদেশে নারী স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.৮%
- বর্তমানে বাংলাদেশে পুরুষ স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৮০.১%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৪,৪৪৯.
জাতীয় বাজেট সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের -
  1. অর্থ বিভাগ
  2. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট:
- বাজেট একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর।
- একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৫০.
বাঙালীর মুক্তির সনদ বলা হয় -
  1. ক) ৬ দফা দাবিকে
  2. খ) ১১ দফা দাবিকে
  3. গ) ভাষা আন্দোলনকে
  4. ঘ) ২১ দফা দাবিকে
ব্যাখ্যা
ছয়দফার গুরুত্ব
- ছয় দফা আন্দোলনে স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ব পাকিস্তানীদের চরম বৈষম্যমূলক আচরণ করে।
- তার বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ প্রতিবাদ উচ্চারিত হয় ছয় দফা দাবি ঘোষণার মাধ্যমে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয়দফা দাবিকে ‘বাঙালির বাচাঁর দাবি' হিসেবে উল্লেখ করেন।
- ছয়দফার মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের নিজস্ব অর্থনৈতিক সম্পদ, অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয় ও বৈদেশিক আয়ের উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করা হয়। 
- ছয়দফা দাবিকে বাঙালির ‘মুক্তিসনদ' বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের সময় ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে ৬ দফা দাবিসমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু ছয়দফাকে নির্বাচনী ম্যান্ডেট হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ছয়দফা ও এগার দফার আন্দোলনের সময় বাঙালির মধ্যে যে সচেতনতা ও ঐক্য গড়ে ওঠে তার ফল পাওয়া যায় সত্তরের নির্বাচনে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৫১.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৫ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টর
  3. ৩ নং সেক্টর
  4. ৪ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো। 
- মুক্তিযুদ্ধে ২নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মােশাররফ এবং মেজর এটি এম হায়দার।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো। 
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৫২.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য "জাগ্রত চৌরঙ্গী" এর ভাস্কর কে?
  1. অখিল পাল
  2. আবদুর রাজ্জাক
  3. শামীম শিকদার
  4. হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

• জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন ভাস্কর্য শিল্পী আবদুর রাজ্জাক।
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য।

• জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- ডান হাতে গ্রেনেড, বাঁ হাতে রাইফেল, লুঙ্গি পরা, খোলা শরীর, দৃপ্ত পায়ে পেশিবহুল মুক্তিযোদ্ধার ভাস্কর্যটি ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার সড়কদ্বীপে দাঁড়ানো।
- এটিই দেশে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগ স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- ভাস্কর: আবদুর রাজ্জাক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পত্রিকা রিপোর্ট।

৪,৪৫৩.
কোন প্রতিষ্ঠান 'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ' প্রকাশ করে থাকে?
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
  3. বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  4. আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন ফাউন্ডেশন
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ:
- বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক সকল রকমের তথ্য নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রতিবছর কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ প্রকাশ করে থাকে।

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
• বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো- ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
• সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
• বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
• ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যথা- 
- খরিফ ফসল বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ।
৪,৪৫৪.
২০২৫ সালের একুশে পদক অর্জন করে -
  1. ১৫ ব্যক্তিত্ব ও ২ প্রতিষ্ঠান
  2. ১৬ ব্যক্তিত্ব ও ৩ প্রতিষ্ঠান
  3. ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান
  4. ১৮ ব্যক্তিত্ব ও ২ প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।
৪,৪৫৫.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?
  1. চৈত্র-বৈশাখ
  2. শ্রাবণ-আশ্বিন
  3. কার্তিক-ফাল্গুন
  4. ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
ব্যাখ্যা

ফসলের মৌসুম:
- একটি ফসল বীজ বপন থেকে শুরু করে তার শারীরিক বৃদ্ধি ও ফুল-ফল উৎপাদনের জন্য যে সময় নেয় তাকে ঐ ফসলের মৌসুম বলে।
- অর্থাৎ কোনো ফসলের বীজ বপন থেকে ফসল সংগ্রহ পর্যন্ত সময়কে সে ফসলের মৌসুম বলে।
- বাংলাদেশের জলবায়ুর উপর নির্ভর করে বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের ফসল জন্মে।
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা হয়েছে। যথা-
ক. রবি মৌসুম
খ. খরিপ মৌসুম

⇒ রবি মৌসুম:
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে।
- রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয়, তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে।
- এ মৌসুমে তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।

⇒ খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম। 
- খরিপ মৌসুমকে আবার দু ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন- খরিফ-১ ও খরিফ-২ মৌসুম।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, সপ্তম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৪,৪৫৬.
বর্তমানে SLR রেট কত?
  1. ক) 13%
  2. খ) 4%
  3. গ) 4.75%
  4. ঘ) 14%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে SLR( Statutory Liquidity Ratio) 13%.

-এবং CRR(Cash reserve ratio) 4%

-তবে ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে SLR 5.5% এবং CRR 4%| 

উৎস: bb.org.bd

৪,৪৫৭.
ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে?
  1. ৪০নং
  2. ২৪নং
  3. ৪১নং
  4. ১৭নং
ব্যাখ্যা
’ধর্মীয় স্বাধীনতা’ নিশ্চিত করা হয়েছে সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদ বলে।

অন্যদিকে,
- ২৪ নং অনুচ্ছেদে, জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন নিদের্শনা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে ’অবৈতনিক ও বাদ্যতামূলক শিক্ষার’ কথা বলা হয়েছে।
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা  বিষয়ক ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪,৪৫৮.
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন কোন সংস্থার অধীন?
  1. বিচার বিভাগ
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. মানবাধিকার কমিশন
  4. নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:

- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।
- বর্তমানে অধিকাংশ দলেরই তেমন কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায় না।
- অনেকগুলো ছিল সাইনবোর্ড সর্বস্ব কোনটি বা ব্যক্তি সর্বস্ব কোনটি প্যাড সর্বস্ব।
- নানা কারণে নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর জামানাত বাজেয়াপ্ত হত।
- অনেক দল নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রার্থী মনোয়নও দিতে পারে নি।
- এ ধরনের পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন সকল রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৫৯.
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য ঢাকার মোট কতগুলো সড়কের নামকরণ করা হয়?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৬ টি
  4. ঘ) ৭ টি
ব্যাখ্যা
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখবার জন্য ঢাকার মোট ৫টি  সড়কের নামকরণ করা হয়। 
- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
৪,৪৬০.
'ঢাকা গেইট' কে নির্মাণ করেন?
  1. ইসলাম খান
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. নওয়াব সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।

উল্লেখ্য,
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- সম্প্রতি ঢাকা গেট সংস্কার শেষে নতুন করে উদ্বোধন হয় ঐতিহাসিক ঢাকা গেইট।

উৎস: বিবিসি বাংলা।

৪,৪৬১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুসারে ২০২৫ সালে বাংলাদেশের নিম্ন দারিদ্র হার হবে-
  1. ক) ৭.৪%
  2. খ) ৬.৪%
  3. গ) ৮.৪%
  4. ঘ) ৫.৪%
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা: 
- মেয়াদ : জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
⇒ মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%। 
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার। 
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%। 
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%। 
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%। 
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর। 
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%। 
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট। 

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
৪,৪৬২.
What is the name of Bangladesh Air Force's first operation?
  1. ক) Operation Close Door
  2. খ) Operation Kilo-Flight
  3. গ) Operation Big Bird
  4. ঘ) Operation Jackpot
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো-ফ্লাইট:

- বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম অপারেশন হল 'অপারেশন কিলো-ফ্লাইট'।
- ১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে বিমান বাহিনী গঠিত হয়।
- ভারতীয় বিমান বাহিনীর সহায়তায় ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
- ২০২১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমান বাহিনী বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৬৩.
BSEC -এর অধীনে কয়টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে? 
  1. ৭টি 
  2. ৯টি 
  3. ৫টি 
  4. ১১টি 
ব্যাখ্যা

 • Bangladesh Steel & Engineering Corporation (BSEC)
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়।
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

৪,৪৬৪.
বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন -
  1. ক) স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  2. খ) তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ
  3. গ) ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ঘ) ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসেসে পুরস্কার পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ
- তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে।
- তিনি প্রধানত নারী সমবায় সমিতি গঠন ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে কাজ করেন।

- বাংলাদেশ থেকে এখন পর্যন্ত ১২ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মর্যাদাপূর্ণ ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন।
এ তালিকায় রয়েছেন
- তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ (১৯৭৮)।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ (১৯৮০)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস (১৯৮৪)।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (১৯৮৫)।
- রিচার্ড উইলিয়াম টিম (১৯৮৭)।
- মোহাম্মদ ইয়াসিন (১৯৮৮)।
- অ্যাঞ্জেলা গোমেজ এ পুরস্কার পান ১৯৯৯ সালে। 
- অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ ২০০৪ সালে।
- মতিউর রহমান ২০০৫ সালে
- এম নোমান খান ২০১০ সালে।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে।
- বিজ্ঞানী ফেরদৌসী কাদরী ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২১ সালে।

• ম্যাগসেসে পুরস্কার:

- ১৯৫৭ সালের ১৭ মার্চ মর্মান্তিক এক বিমান দুর্ঘটনায় মারা যান র‍্যামন ম্যাগসেসে।
- ১৯৫৮ সাল থেকে তার নামে প্রতিষ্ঠিত র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন থেকে এ পুরস্কার দেয়া শুরু হয়।
- প্রতিবছর ম্যাগসেসের জন্মদিন ৩১ আগস্ট ম্যানিলা থেকে পুরস্কার বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

- ২০২২ সালে ৬৪তম ম্যাগসেসে পুরস্কার ঘোষণা করা হলো।
- বিজয়ীদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছেন কম্বোডিয়ার মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ৫৪ বছর বয়সী সথেরা চিহিম।
- ফিলিপিন্সের শিশু চিকিৎসক ও অধিকারকর্মী ৬৪ বছর বয়সী বারমাদেত্তে জে মাদ্রিদ।
- জাপানের চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ তাদাশি হাতোরি।
- ইন্দোনেশিয়ায় নদী রক্ষা আন্দোলনে বহুদিন ধরে সক্রিয় ফরাসি পরিবেশবিদ ও চলচ্চিত্র নির্মাতা গ্যারি বেনচেগহিব।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৪,৪৬৫.
প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর পরিচালক কে?
  1. হীরালাল সেন
  2. আবদুল জব্বার খান
  3. অমরেন্দ্রনাথ চৌধুরী
  4. খান আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা

মুখ ও মুখোশ:
​- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
​- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
​- বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
​- ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয়।
​- মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
​- চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
​- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।

​উৎস:
​i) বাংলাপিডিয়া।
​ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।

৪,৪৬৬.
বাংলাদেশের ব্যবসায়ী শীর্ষ সংগঠন কোনটি?
  1. ক) এফবিসিসিআই
  2. খ) বিজিএমইএ
  3. গ) বিকেএমইএ
  4. ঘ) ডিসিসিআই
ব্যাখ্যা

- ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতিনিধিত্বকারী শীর্ষ সংগঠন।
- ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ (১৯৯৪ সালে সংশোধিত) এবং কোম্পানি আইন ১৯১৩ (১৯৯৪ সালে সংশোধিত)-এর অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাসমূহে ১০৫টি স্থায়ী কমিটির মাধ্যমে এফবিসিসিআই বেসরকারি খাতের প্রতিনিধিত্ব করে।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৪৬৭.
২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে কোন শ্রেণি পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ সম্প্রসারনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. ষষ্ঠ শ্রেণি
  2. সপ্তম শ্রেণি
  3. অষ্টম শ্রেণি
  4. দশম শ্রেণি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ :

• প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা:
- শিশুদের জন্য আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু করার আগে শিশুর অন্তর্নিহিত অপার বিস্ময়বোধ, অসীম কৌতুহল, আনন্দবোধ ও অফুরন্ত উদ্যমের মতো সর্বজনীন মানবিক বৃত্তির সুষ্ঠু বিকাশ এবং প্রয়োজনীয় মানসিক ও দৈহিক প্রস্তুতিগ্রহণের পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। 
- কাজেই ৫+ বছর বয়স্ক শিশুদের জন্য প্রাথমিকভাবে এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হবে।
- পরবর্তীকালে তা ৪+ বছর বয়স্ক শিশু পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে। 

• প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ও বাস্তবায়ন :
- প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বৃদ্ধি করে আট বছর অর্থাৎ অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত সম্প্রসারন করা হবে। এটি বাস্তবায়নে দু'টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অবকাঠামোগত আবশ্যকতা মেটানো এবং প্রয়োজনীয়সংখ্যক উপযুক্ত শিক্ষকের ব্যবস্থা করা
• ২০১১-১২ অর্থ বছর থেকে প্রাথমিক শিক্ষায় ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত চালু করার জন্য অনতিবিলম্বে নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে:
- প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক শিক্ষার নতুন শিক্ষাক্রম, পাঠ্যপুস্তক এবং শিক্ষক নির্দেশিকা প্রণয়ন করা:
- প্রাথমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষকের জন্য শিক্ষাক্রম বিস্তারসহ শিখন-শেখানো কার্যক্রমের ওপর ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা;
- শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয় পুনর্বিন্যাস করা।

উৎস: জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০।

৪,৪৬৮.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট কতটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয়েছে?
  1. ক) সাতটি
  2. খ) আটটি
  3. গ) নয়টি
  4. ঘ) দশটি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক ও ২টি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত মোট ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা সম্পূর্ণ হয়েছে। 
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয় ১৯৭৩-১৯৭৮ সময়ে।
- সর্বশেষ অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত।
অন্যদিকে,
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ ২০১০ থেকে ২০২১ এবং দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদ : ২০২১ থেকে ২০৪১ সাল।

- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।

[উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ও বাংলাপিডিয়া]
৪,৪৬৯.
কোনটি নাগরিকের আইনগত কর্তব্য?
  1. দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো
  2. পরিবেশ পরিষ্কার রাখা
  3. শিক্ষার প্রসার ঘটানো
  4. সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
নাগরিকত্ব ও কর্তব্য : বাংলাদেশ
- বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মূলত ও প্রধাণত জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়।
- নাগরিকের যেমন আছে রাষ্টপ্রদত্ত আধিকার, তেমনি আছে রাষ্ট্র নির্ধারিত কর্তব্য।
- রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্য দুই ধরণের। যথা - ১. নৈতিক ও ২. আইনগত কর্তব্য।

১. নৈতিক কর্তব্য :
- মানুষের সেবা করা,
- দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো,
- শিক্ষার প্রসার ঘটানো,
- পরিবেশ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি।

২. আইনগত কর্তব্য
- ভোট দান করা,
- নিয়মিত কর প্রদান,
- আইন মেনে চলা,
- সরকারি সম্পদের রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাউবি।
৪,৪৭০.
বলাকা ও দোয়েল কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ধান
  2. খ) গম
  3. গ) পেঁপে
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বলাকা, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, কাঞ্চন প্রভৃতি হলো গমের কয়েকটি জাত। বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ ইত্যাদি হলো ভুট্টার জাত। ময়না, ইরাটম ইত্যাদি ধানের জাত। ওয়াশিংটন, রাঁচি প্রভৃতি হলো পেঁপে'র জাত।
(সূত্রঃ কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৪,৪৭১.
বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণার সময়কালে ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন কে?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. লর্ড কর্ণওয়ালিস
  4. লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন।
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
• রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
- বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণার সময়কাল ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।

অপরদিকে, 
- লর্ড কার্জন তৎকালীন বাংলা প্রদেশকে ভেঙে পূর্ববাংলা ও পশ্চিম বাংলা নামে দুটি প্রদেশ করেন।
- লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার রূপকার।
- লর্ড মিন্টো পাঞ্জাবের শাসক রণজিৎ সিংয়ের সঙ্গে ১৮০৯ সালে অমৃতসর চুক্তি সম্পাদন ছিল বড় এক বিজয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৪৭২.
অপারেশন সার্চ লাইটের নীল নকশা প্রস্তুত করেন কে?
  1. খাদিম রাজা
  2. টিক্কা খান
  3. আমির আব্দুল্লাহ নিয়াজী
  4. গোলাম মুহাম্মদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৪৭৩.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত তিনটি রাজনৈতিক দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এবং
- জাতীয় পার্টি।

৪,৪৭৪.
রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব কোন ধরনের শাসন ব্যবস্থায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
  1. স্বৈরতন্ত্র
  2. রাজতন্ত্র
  3. সামরিক শাসন
  4. গণতন্ত্র 
ব্যাখ্যা
• গণতন্ত্র:
- গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাজনৈতিক দল।
- গণতন্ত্র সুসংহতকরণে এটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।
- রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন করা।
- জনগণের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি করা এবং কোন বিষযের পক্ষে-বিপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের কাজ।
- জনগণের প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করে এবং শাসন পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দল বিকল্প সরকার ও ছায়া মন্ত্রিসভা হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
- রাজনৈতিক দল তাদের কার্যাবলির মাধ্যমে সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
- রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৪৭৫.
ফরায়েজী আন্দোলনের মূল প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. মুহসীনউদ্দীন
  2. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. মীর নিসার আলী
  4. স্যার সৈয়দ আহমদ
ব্যাখ্যা

ফরায়েজী আন্দোলন:
- ফরায়েজী আন্দোলন ছিল উনিশ শতকে বাংলায় সংঘটিত একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- প্রাথমিক পর্যায়ে এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল ধর্ম সংস্কার, কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনে আর্থ-সামাজিক সংস্কারের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
- এ আন্দোলনের মূল প্রবক্তা হাজী শরীয়তউল্লাহ। 
- হাজী শরীয়তউল্লাহ বাংলায় ব্রিটিশ শাসনকে মুসলমানদের আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচনা করতেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি। তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন। জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ফরায়েজী আন্দোলন অসামান্য দ্রুততার সঙ্গে ঢাকা, ফরিদপুর, বাকেরগঞ্জ (বর্তমান বরিশাল), ময়মনসিংহ, ত্রিপুরা (বর্তমান কুমিল্লা), চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলাসমূহে এবং আসাম প্রদেশে বিস্তারলাভ করে। 

উল্লেখ্য,
- ১৮৪০ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার একমাত্র পুত্র মুহসীনউদ্দীন ওরফে দুদু মিয়াকে ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা ঘোষণা করা হয়।  তিনি ফরায়েজী আন্দোলনকে একটি সুবিন্যস্ত ও শক্তিশালী সাংগঠনিক রূপ দেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৭৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭১.৮০%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৮০.৮০%
  4. ৭৯.৮০%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।

উলেখ্য, 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারীর সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৪,৪৭৭.
বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় নিচের কোনটিতে? [মে,২০২৫]
  1. আমদানি শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. ভূমি উন্নয়ন কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের অর্থনীতি আয় খাত:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
-  বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকারের সর্বচ্চো রাজস্ব আয় হয় মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- এটি পরোক্ষ কর।

• আমদানি শুল্ক (Custom Duties):
- দেশের আমদানিকৃত দ্রব্যের ও সেবার উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আমদানি শুল্ক বলে।

• আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

• সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duties):
- আবগারি শুল্ক বা মূল্য সংযোজন কর বা আমদানি শুল্ক আরোপের পরেও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করে, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলে।
- যেমন, সিরামিক টাইলসের উপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, এবং এনবিআর ওয়েবসাইট।
৪,৪৭৮.
চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সাবমেরিন দুটির নাম:
  1. ক) দুর্জয় ও বিজয়
  2. খ) দুর্গম ও প্রত্যয়
  3. গ) ওসমান ও মধুমতি
  4. ঘ) নবযাত্রা ও জয়যাত্রা
ব্যাখ্যা
চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌ-বাহিনীর দু'টি সামমেরিনের নাম ‘নবযাত্রা' এবং ‘জয়যাত্রা'৷ সূত্রঃ dw.com
৪,৪৭৯.
‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' কোন ধরনের পরিকল্পনা?
  1. ক) স্বল্পমেয়াদি
  2. খ) দীর্ঘমেয়াদি
  3. গ) মধ্যমেয়াদি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।

• জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার ‘বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
• বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

সূত্র: সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি), বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।
 
৪,৪৮০.
জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' প্রদান করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. চিফ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

⇒ জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট:
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৪,৪৮১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১০.৩০%
  2. ১১.০২%
  3. ১১.২০%
  4. ১১.৫০%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৪,৪৮২.
পাবলিক লি. কোম্পানির নূন্যতম সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৫ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি:

- এটা গঠনে বেশি আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় বলে এর গঠন তুলনামূলক বেশি জটিল।
- সদস্য সর্বনিম্ন ৭জন এবং সর্বোচ্চ সদস্য শেয়ারের সংখ্যা দ্বারা সীমাবদ্ধ।
- কাজ শুরু করার জন্য নিবন্ধনপত্র পাওয়ার পর কার্যারম্ভের অনুমতি পত্র সংগ্রহ করতে হয়।
- শেয়ার বিক্ররের জন্য জনসাধারণের নিকট আবেদন জানাতে পারে।
- এক্ষেত্রে বিবরণপত্র বা বিকল্প বিবৃতি তৈরি করে নিবন্ধকের নিকট জমা দিতে হয়।
- এ কোম্পনীর শেয়ার অবাধে হস্তান্তরযোগ্য।

তথ্যসূত্র - ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮৩.
যমুনা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪.৮ কি.মি
  2. ৫.৬ কি.মি
  3. ৬.১৫ কি.মি
  4. ৬.৪৪ কি.মি
ব্যাখ্যা
যমুনা সেতু:

- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়।
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি এবং প্রস্থ ১৮.৫ মিটার।
- এর ৫০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয় ৯৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আইডিএ, এডিবি, জাপানের ওইসিএফ প্রত্যেকে ২২ শতাংশ তহবিল সরবরাহ করে এবং বাকি ৩৪ শতাংশ ব্যয় বহন  করে বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৮৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' এর কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ৪২ নং
  2. খ) ৪৩ নং
  3. গ) ৪৪ নং
  4. ঘ) ৪৫ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৪৪নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' এর কথা বলা হয়েছে'।

সংবিধানের ৪৪নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
৪৪ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে,
- এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করিবার জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করিবার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হইল। 
 
• ৪৪ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে,
- এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটাইয়া সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তাহার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা উহার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারিবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৪৮৫.
বাংলাদেশের নৌ কমান্ডারদের দ্বারা পরিচালিত অভিযানের নাম-
  1. অপারেশন সি হান্ট
  2. অপারেশন বিগ বার্ড
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন কিলোফাইট
ব্যাখ্যা
• অপারেশন জ্যাকপট:
- অপারেশন জ্যাকপট ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
-  ১০নং সেক্টরের কোনো নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৪,৪৮৬.
বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) তে শিল্প খাতের অবদান কত? ( মে ২০২৫)
  1. ৩৭.৯৫%
  2. ৫১.০৪%
  3. ৩৯.৫৬%
  4. ১১.০২%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা: 
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান -৫১.০৪%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)

উৎস: বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৪,৪৮৭.
ইপিজেড (EPZ) কী?
  1. কৃষি উন্নয়ন অঞ্চল
  2. আন্তর্জাতিক বানিজ্য কেন্দ্র
  3. রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা
  4. পরিবহন নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড (Export Processing Zone) - রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা নামে পরিচিত। 

বাংলাদেশে ইপিজেডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

প্রতিষ্ঠা: বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
প্রথম ইপিজেড: প্রথম ইপিজেডটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় স্থাপন করা হয়, যার যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৩ সালে।
মোট ইপিজেডের সংখ্যা:র্তমানে বাংলাদেশে মোট ৯টি ইপিজেড রয়েছে, যার মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।

সরকারি ইপিজেডের বিবরণ:
সংখ্যা: বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি।
অবস্থান: এগুলোর অবস্থান হলো:
• চট্টগ্রাম, 
• সাভার,
• মংলা (খুলনা), 
• উত্তরা (নীলফামারী), 
• ঈশ্বরদী (পাবনা), 
• কুমিল্লা, 
• কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম), 
• আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।

প্রতিষ্ঠা: এগুলো ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশের ইপিজেড সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ করে BEPZA (বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ)।
কৃষিভিত্তিক ইপিজেড: দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড হলো উত্তরা, যা নীলফামারীতে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:
• BEPZA ওয়েবসাইট, 
• বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৮৮.
বাংলাদেশের জাতীয় গাছের নাম কী?
  1. ক) কাঁঠাল গাছ
  2. খ) আম গাছ
  3. গ) বট গাছ
  4. ঘ) জাম গাছ
ব্যাখ্যা

- জাতীয় গাছ : আম গাছ
- জাতীয় পাখি : দোয়েল
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল
- জাতীয় মাছ : ইলিশ
- জাতীয় ফুল : শাপলা
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া)

৪,৪৮৯.
বাংলাদেশ কত সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
WIPO:
- ১৯৬৭ সালে WIPO প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্ণরূপ World Intellectual Property Organization.
- WIPO হলো জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা।
- এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল বা সৃষ্টিশীল কর্মকান্ডকে উৎসাহিত করা।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- WIPO এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি। (জুলাই, ২০২৫)
- সদর দপ্তর অবস্থিত সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়।

তথ্যসূত্র - WIPO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৪৯০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন দেশ থেকে 'বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ' নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হত?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা
গণমাধ্যম:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশে সংবাদপত্রে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা, বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, নেত্রবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙ্গালীদের আন্দোলনের খবর ইত্যাদি প্রকাশিত হত।
- এদের মধ্যে মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত জয় বাংলা, বাংলাদেশ, বঙ্গবাণী, স্বদেশ, রণাঙ্গন, স্বাধীন বাংলা, মুক্তিযুদ্ধ, সোনার বাংলা, বিপ্লবী বাংলাদেশ, জন্মভূমি, বাংলার বাণী, নতুন বাংলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত হতো বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ সংবাদ পরিক্রমা।
- আমেরিকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ নিউজ বুলেটিন, শিক্ষা উল্লেখযোগ্য।
- কানাডা থেকে বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হত।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪,৪৯১.
২০২৪ সালের 'বর্ষপণ্য' কোনটি?
  1. চা-শিল্প
  2. হস্তশিল্প
  3. তৈরি পোশাক
  4. চামড়া শিল্প
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের বর্ষপণ্য:

- হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় এ খাতে বিশেষ নজর দিতে 'হস্তশিল্প'কে 'বর্ষপণ্য' হিসেবে ঘোষণা করেছেন।
- ঢাকায় অনুষ্ঠিত ২৮তম আন্তর্জাতিক বানিজ্যমেলার উদ্বোধনের সময় তিনি এই ঘোষণা দেন।

তথ্যসূত্র - বাসস প্রত্রিকা রিপোর্ট।
৪,৪৯২.
কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৯৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'ধর্মীয় স্বাধীনতা'র কথা বর্ণিত আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৩৮
  3. অনুচ্ছেদ ৬৫ (১)
  4. অনুচ্ছেদ ৪৮(১)
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ ৪১ নং অনুযায়ী, 
ধর্মীয় স্বাধীনতা,
১। আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে,
- প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে; 
- প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে। 
২। কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।

অন্যদিকে -
- অনুচ্ছেদ ৩৮: জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাঢ়বে।
- অনুচ্ছেদ ৬৫ (১):  "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হবে:
- অনুচ্ছেদ ৪৮(১): বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৪৯৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে স্বীকৃতিস্বরূপ কতজন ব্যক্তিকে ’বীর উত্তম’ খেতাব দেওয়া হয়?
  1. ৬৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ৬৯ জন
  4. ৬৪ জন
ব্যাখ্যা

• বীরত্বসূচক খেতাব;
- বীরত্বসূচক খেতাব  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।

- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র।

• স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় বীরত্বসূচক খেতাবের নতুন নামকরণ হয়:
- সর্বোচ্চ পদমর্যাদার খেতাব →  বীরশ্রেষ্ঠ।
- উচ্চ পদমর্যাদার খেতাব →  বীর উত্তম।
- প্রশংসনীয় পদমর্যাদার খেতাব →  বীর বিক্রম।
- বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের খেতাব →  বীর প্রতীক।

• ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়
• বীরশ্রেষ্ঠ- ৭ জন;
• বীর উত্তম- ৬৮ জন;
• বীর বিক্রম- ১৭৫ জন;
• বীর প্রতীক- ৪২৬ জন;

উৎস:
ⅰ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
iii)বাংলাপিডিয়া।

৪,৪৯৫.
‘ঝুমুর নাচ’ কাদের সংস্কৃতির অংশ?
  1. সাঁওতাল 
  2. চাকমা 
  3. গারো 
  4. মারমা
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল: 
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ।
- সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।
- এছাড়া মুন্ডা, ওঁরাও এবং বর্তমানে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের মাঝেও এই গান ও নাচ জনপ্রিয়। 
- ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ।

উৎস:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৪৯৬.
বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক কোনটি?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি
  2. মার্কেন্টাইল ব্যাংক পিএলসি
  3. সীমান্ত ব্যাংক পিএলসি
  4. সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি:
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC) একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- 'কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি' বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি ২০১৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের সম্পূর্ণ মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জন্য আধুনিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করাই প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য।
- প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গ্রাহকদের জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
- ব্যাংকটি অব্যাংকিত জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার মাধ্যমে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪,৪৯৭.
বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?
  1. ক) ১৬ ডিসেম্বর
  2. খ) ২৬ মার্চ
  3. গ) ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা দিবস ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্বিচার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। তখন থেকেই এ দিনটি স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
- কিন্তু ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকার দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবেও উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৯৮.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোথায়?
  1. ঝাড়খন্ড
  2. বিহার
  3. লখনৌ
  4. উড়িষ্যা
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৪৯৯.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. নীলফামারী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
-  বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।

⇒ বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- হিলি স্থলবন্দর: দিনাজপুর।
- ভোমরা স্থলবন্দর: সাতক্ষীরা।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

৪,৫০০.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শেষ হয় -
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৭ সালে
  3. গ) ১৯৬৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ। 
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
-  ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। 
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়। 
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, dhaka.gov.bd.