বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা / ৩০৬ · ৩০১৪০০ / ৩০,৮৩২

৩০১.
'কাস্টিং ভোট' বলতে কী বোঝায়?
  1. স্পিকারের ভোট
  2. স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যদের ভোট
  3. দুই তৃতীয়াংশ ভোট
  4. এক দশমাংশ ভোট
ব্যাখ্যা

কাস্টিং ভোট: (Casting Vote):
​- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী: ”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”
​- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন। একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩০২.
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ প্রঙ্গনে কাকে সমাহিত করা হয়? 
  1. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর 
  2. সিপাহি হামিদুর রহমান
  3. সিপাহি মোস্তফা কামাল
  4. ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ
ব্যাখ্যা
• ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর :
- ১৯৪৯ সালে বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন পদবিধারী ছিলেন।
- তিনি ৭ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- মৃত্যু বরণ করেন-  ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে।
- বীর শ্রেষ্ঠদের মধ্যকার তিনি সর্বশেষ শহিদ হন।
- তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ছোট সোনা মসজিদ প্রঙ্গনে  কাকে সমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৩০৩.
তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র ছিলো-
  1. সাপ্তাহিক সংবাদ
  2. দৈনিক আজাদ
  3. সাপ্তাহিক সৈনিক
  4. নও-বেলাল
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়।
- সংগঠনটি  ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র সাপ্তাহিক সৈনিক প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'।
- যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

উৎস: একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই, বাংলাপিডিয়া।
৩০৪.
সুপ্রিম কোর্ট কত ভাগে বিভক্ত?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court):
- বাংলাদেশে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয়।
- জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
- প্রধান বিচারপতি (Chief Justice) এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্ধারিত সংখ্যক বিচারপতি নিয়ে গঠিত।

• সুপ্রিম কোর্ট দুইটি বিভাগে বিভক্ত:
- হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division)।
- আপীল বিভাগ (Appellate Division)।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ধারা ৯৪ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০৫.
সাধারণত পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক (ECNEC,NEC ) অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) রবিবারে
  2. খ) মঙ্গলবারে
  3. গ) বৃহস্পতিবার
  4. ঘ) বুধবারে
ব্যাখ্যা

- জুন মাসের শেষ রবিবারে সংসদে বাজেট পাশ করা হয়।
- মন্ত্রীসভার নিয়মিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় সোমবার।
- পরিকল্পনা কমিশনের বৈঠক ( ECNEC , NEC ) অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবারে
- ক্রয়সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বুধবারে।
- জুন মাসের প্রথম বৃহস্পতিবার সংসদে বাজেট পেশ করা হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং দৈনিক প্রথম আলো।

৩০৬.
১৯৭২ সালের সংবিধান রচনার কমিটিতে নিম্নের কোন মন্ত্রি ছিলেন?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।
- এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়। এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। এ কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৩৪ জন।

⇒ গণপরিষদে সংবিধান পেশ
- সংবিধান কমিটিতে ড. কামাল হোসেন ছাড়া আরও চার জন মন্ত্রী ছিলেন।
- তারা হলেন যথাক্রমে (১) সৈয়দ নজরুল ইসলাম; (২) তাজউদ্দিন আহমদ; (৩) খন্দকার মুশতাক আহমেদ; (৪) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
- এ ছাড়া ৭ জন মহিলা সদস্যের মধ্যে একজন ছিলেন সংসদ সদস্য।
- এ কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে।
- ঐ অধিবেশনে সংবিধান কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন সংবিধান বিল আকারে গণপরিষদে পেশ করেন।
- ১৩ অক্টোবর গণপরিষদ কিছু কিছু সংশোধনীসহ এ খসড়া সংবিধানের বিধিমালা গৃহীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৭.
ইংরেজ শাসনের প্রথম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কে?
  1. ক) লর্ড ক্লাইভ
  2. খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. গ) কর্নওয়ালিস
  4. ঘ) লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
ক্লাইভের শাসন ব্যবস্থা
• দীউয়ানী লাভের পর ক্লাইভ এদেশ শাসনের জন্য যে শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন তা দ্বৈত শাসন নামে পরিচিত।
• এ ব্যবস্থায় কোম্পানির হাতে ছিল ‘রাজস্ব-আদায়’ ও ‘দেশ রক্ষার ভার’ আর নবারের হাতে ছিল বিচার ও শাসনের ভার।
• এভাবে ধীরে ধীরে এদেশে ইংরেজ শাসন ব্যবস্থার পথ সুগম হতে থাকে।
ক্লাইভই ছিলেন ইংরেজ শাসনের প্রথম প্রতিষ্ঠাতা

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৮.
আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ২১ মার্চ, ১৯৬৬ সাল
  2. ২২ মার্চ, ১৯৬৬ সাল
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সাল
  4. ২৪ মার্চ, ১৯৬৬ সাল
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০৯.
'অবকাশ লাভের অধিকার' কী ধরনের অধিকার?
  1. সামাজিক অধিকার
  2. রাজনৈতিক অধিকার
  3. অর্থনৈতিক অধিকার
  4. নৈতিক অধিকার
ব্যাখ্যা
• সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুখ-শান্তিতে বসবাস করার জন্য আমরা সামাজিক অধিকার ভোগ করি।
যেমন-
- জীবন রক্ষার,
- স্বাধীনভাবে চলাফেরার ও মত প্রকাশের,
- পরিবার গঠনের,
- শিক্ষার,
- আইনের দৃষ্টিতে সমান সুযোগ লাভের,
- সম্পত্তি লাভের;
- ধর্মচর্চার অধিকার ইত্যাদি।

•. রাজনৈতিক অধিকার:
- নির্বাচনে ভোটাধিকার, নির্বাচিত হওয়া এবং সকল প্রকার অভাব-অভিযোগ আবেদনের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়াকে রাজনৈতিক অধিকার বলে।
- এসব অধিকার ভোগের বিনিময়ে নাগরিকরা রাষ্ট্র পরিচালনায় পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের সুযোগ পায়।

অর্থনৈতিক অধিকার:
- জীবনধারণ করা এবং জীবনকে উন্নত ও এগিয়ে নেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপ্রদত্ত অধিকারকে অর্থনৈতিক অধিকার বলে।
যেমন-
- যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ করার অধিকার,
- ন্যায্য মজুরি লাভের অধিকার,
- অবকাশ লাভের অধিকার,
- শ্রমিকসংঘ গঠনের অধিকার।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩১০.
যুক্তফ্রন্ট কত তারিখে গঠিত হয়?
  1. ক) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫১
  2. খ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫২
  3. গ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩
  4. ঘ) ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
 যুক্তফ্রন্ট গঠন
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্ট চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠিত হয়।
- দলগুলো হচ্ছে:
• আওয়ামী মুসলিম লীগ (১৯৪৯ সালে সোহরাওয়ার্দী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত)।
• নেজাম-ই-ইসলামী (মাওলানা আতহার আলীর নেতৃত্বাধীন)।
• কৃষক-শ্রমিক পার্টি (১৯৫৩ সালে শেরে বাংলা কর্তৃক প্রতিষ্ঠি...
• গণতন্ত্রী দল (হাজী দানেশের নেতৃত্বাধীন)।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- নির্বাচনী ইশতেহার ছিল ২১ দফা।
- নির্বাচন ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১১.
মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতিসংঘে উত্থাপিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবে সোভিয়েত ইউনিয়ন সর্বমোট কতবার ভেটো ক্ষমতা প্ৰয়োগ করে?
  1. ক) ২ বার
  2. খ) ৩ বার
  3. গ) ৪ বার
  4. ঘ) ৫ বার
ব্যাখ্যা
- পরাশক্তিগুলোর মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম বাঙালি গণহত্যাকে নিন্দা করে। 
- যুদ্ধবিরতি প্রশ্নে নিরাপত্তা পরিষদে তিনবার ভেটো প্রয়োগ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে বাধাহীন করে তুলতে, ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে এবং স্বাধীনতা লাভের পরপরই সোভিয়েত ইউনিয়ন যে ভূমিকা পালন করেছিল তা বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩১২.
কর্নওয়ালিসের শাসনকালে বিচার ব্যবস্থা কত ভাগে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
বিচার ব্যবস্থা:
- কর্নওয়ালিসের সময় বিচার ব্যবস্থার সংস্কার করা হয়, যা ফৌজদারি ও দেওয়ানি এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়।
- ১৭৯০ খ্রিস্টাব্দে বিচার ব্যবস্থার সংস্কারের ফলে সদর নিজামত আদালত মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় স্থানান্তরিত হয়।
- বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যাকে ১২টি বিভাগে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি বিভাগে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত স্থাপন করা হয়।
- এসব আদালতে দুজন ইংরেজ বিচারক এবং আইন ব্যাখ্যার জন্য কাযি ও মুফতি নিযুক্ত করা হয়।
- লর্ড বেটিঙ্ক বিচার কার্য ও রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব প্রথমবারের মতো দেশীয়দের ওপর ন্যস্ত করেন।
- ১৮৩২ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাংলায় প্রথম জুরি ব্যবস্থা চালু করেন, এবং ভারতীয়দের জুরি সদস্য হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১৩.
কতজন বাংলাদেশী ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক লাভ করেন?
  1. ক) ১ জন
  2. খ) ২ জন
  3. গ) ৩ জন
  4. ঘ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
- শান্তি রক্ষায় সর্বোচ্চ ত্যাগের জন্য জাতিসংঘ  দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক প্রদান করে। 
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদক লাভ করে ৪২টি দেশের ১১৭ জন শান্তিরক্ষী।
- ২০২২ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড পদকপ্রাপ্ত দুইজন বাংলাদেশী হলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম মাহমুদুল হাসান এবং ল্যান্স কর্পোরাল মো. রবিউল মোল্লা।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩১৪.
মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) সপ্তম
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপি'তে কৃষি খাতের অবদান ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ।
- মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - চতুর্থ
- ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

৩১৫.
পাল রাজবংশ কত বছর স্থায়ী ছিল?
  1.  প্রায় ৩৫০ বছর
  2. প্রায় ৪০০ বছর
  3. প্রায় ৫০০ বছর
  4. প্রায় ৪৫০ বছর
ব্যাখ্যা

• পাল বংশ:
- দ্বিতীয় শূরপালের পর রামপাল পাল বংশের রাজা হন।
- লিপি প্রমাণে বলা যায় তিনি ৪২ বছর  রাজত্ব করেন।
- তিনি আনুমানিক ১০৮২-১১২৪ খ্রি পর্যন্ত রাজত্ব করেন।
- প্রথম দিকে তাঁর রাজ্য বিহার ও পশ্চিম বাংলার অংশবিশেষে সীমাবদ্ধ ছিল।
- অগ্রজ দুই ভ্রাতার পর রামপাল বেশ প্রৌঢ় অবস্থায় সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তাঁর রাজত্বকাল ছিল নিঃসন্দেহে সাফল্যপূর্ণ।
- সীমিত সাম্রাজ্যের অধিপতি হয়েও উত্তর বাংলাকে পাল সাম্রাজ্যভুক্ত করে।
- তাঁর মৃত্যুর পর এই সাম্রাজ্য দ্রুত গতিতে বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।
- তাই রামপালকে পালবংশের শেষ 'মুকুটমণি' বলা হয়।
- পাল রাজবংশ প্রায় ৪শ বছর স্থায়ী ছিল।

উল্লেখ্য,
- দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালের প্রধান ঘটনা ছিল উত্তর বাংলার সামন্ত বিদ্রোহ।
- 'রামচরিত' কাব্যে এই বিদ্রোহ ও বিদ্রোহোত্তর ঘটনাবলীর পাওয়া যায়।
- গোপালের উত্থানের মধ্যে দিয়ে  পাল রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ইতিহাস, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩১৬.
দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি কে?
  1. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  2. ওবায়দুল হাসান
  3. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  4. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:

- দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
- রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
- ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে।
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৫৯ সালের ১১ জানুয়ারি নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ থানাধীন ছয়াশী (হাটনাইয়া) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস (অনার্স), এমএসএস (অর্থনীতি) ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ পেয়ে জেলা বার-কমিটিতে যোগদান করেন।
- তিনি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে ২০০৯ সালের ৩০ জুন যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ৬ জুন একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৩১৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন' এর পরিচালক কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. চাষী নজরল ইসলাম
  3. সুভাষ দত্ত
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, হাসান ইমাম, এ টি এম শামসুজ্জামান, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন।
- তাঁদের মধ্যে আছেন খসরু, মুরাদ, হেলাল, নান্টু। ছবির নামটি প্রতীকী।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে।
- এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’। 

উৎস: প্রথম আলো- তারিক মনজুর, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩১৮.
একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন কে?
  1. সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন
  2. শেখ হাসিনা
  3. জাহানারা ইমাম
  4. সেলিনা পারভীন
ব্যাখ্যা
ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি:

- একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন জাহানারা ইমাম।
- ১৯৯২-এর ১৯ জানুয়ারি দেশের ১০১ জন বরেণ্য নাগরিক একটি ঘোষণায় স্বাক্ষর করে গঠন করেছিলেন ‘একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি’।
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল বরেণ্য  বুদ্ধিজীবী, সংস্কৃতিকর্মী, রাজনৈতিক দল ও কর্মিবৃন্দ, দেশপ্রেমিক তরুণ সমাজ এবং প্রজন্ম ’৭১ তাঁর আহবানে এগিয়ে আসেন।
- তাঁদের সক্রিয় সমর্থনে জাহানারা ইমাম ১৯৭১-এর স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের বিরুদ্ধে গণ-আদালত গড়ে তোলেন।
- গণ-আদালত ছিল স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের অপকর্মের বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ।
- তৎকালীন সরকার জাহানারা ইমামসহ গণ-আদালতের সঙ্গে যুক্ত ২৪জন বরেণ্য বুদ্ধিজীবীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করে এবং জাহানারা ইমাম মৃত্যুকালেও এ অভিযোগ থেকে মুক্তি পাননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৮ অক্টোবর ২০২১ ও বাংলাপিডিয়া।
৩১৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে? [ জুন, ২০২৫]
  1. ৪৮ টি
  2. ৫০ টি
  3. ৪৫ টি
  4. ৫৫ টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- চাকমা জনগোষ্ঠী সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- দ্বিতীয় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩২০.
জাতীয় শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার কৌশল বাস্তবায়নের জন্য চিহ্নিত ১০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. ক) সরকারি কর্ম কমিশন
  2. খ) নির্বাচন কমিশন
  3. গ) দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. ঘ) গণমাধ্যম
ব্যাখ্যা
গণমাধ্যম জাতীয় শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠার কৌশল বাস্তবায়নের জন্য চিহ্নিত ১০টি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত নয়। এটি অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান।

• শুদ্ধাচার:

- শুদ্ধাচার বলতে সাধারণভাবে নৈতিকতা ও সততা দিয়ে প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষ বোঝায়। ব্যক্তিপর্যায়ে এর অর্থ হলো কর্তব্যনিষ্ঠা ও সততা, তথা চরিত্রনিষ্ঠা।
- সরকার ‘সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় : জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল’ শিরোনামে একটি জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- ১৮ অক্টোবর ২০১২ অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে কৌশলপত্রটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়।

• শুদ্ধাচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
১. নির্বাহী বিভাগ ও জনপ্রশাসন, ২. জাতীয় সংসদ, ৩. বিচার বিভাগ, ৪. নির্বাচন কমিশন, ৫. অ্যাটর্নি জেনারেল, ৬. সরকারি কর্ম কমিশন, ৭. মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, ৮. ন্যায়পাল, ৯. দুর্নীতি দমন কমিশন, ১০. স্থানীয় সরকার।

• অরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান:
১. রাজনৈতিক দল, ২. বেসরকারি খাতের শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, ৩. এনজিও ও সুশীলসমাজ, ৪. পরিবার, ৫. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ৬ গণমাধ্যম।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর পত্র্রিকা।
৩২১.
'Rules of Business' প্রণয়ন করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

→ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৩২২.
কৃষিতে 'দোয়েল' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. তামাক
  4. ভুট্টা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩২৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে কোনটিকে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা Annual Financial Statement বলে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) অর্থনৈতিক সমীক্ষা
  2. খ) বাজেট
  3. গ) বার্ষিক পরিসংখ্যান
  4. ঘ) একনেকের প্রতিবেদন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৮৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাজেটকে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা Annual Financial Statement বলা হয়।
৩২৪.
দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড "চট্টগ্রাম ইপিজেড" কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৮১
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট সরকারি ইপিজেড ৮টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড।
- এটি ঢাকার সাভারে অবস্থিত।

- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড।
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- ২০০১ সালে ২১৩.৬৬ একর জমিতে যাত্রা শুরু করে।

- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান চট্টগ্রামের পতেঙ্গা।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৩২৫.
ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কত সালে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
ওয়েজ আর্নার্স স্কিম:
- ওয়েজ আর্নার্স স্কিম ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত হয়।
- বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্জিত আয় সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।
- এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকার কারণে আমদানিকারকদের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রার ছাড় হ্রাস পায়, যার ফলে স্কিমটি কার্যকারিতা অর্জন করে।
-  বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের প্রেরিত অর্থ খোলাবাজার বিনিময় হারের কাছাকাছি হারে বিনিময়ের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।

⇒ প্রবাসী কর্মীদের অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের এবং দেশে বিদেশে কর্মীদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
- “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩২৬.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে কোন জেলায় সমাহিত করা হয়েছে?
  1. খুলনা
  2. রাজশাহী
  3. বরিশাল
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন: ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর জন্মস্থান: বাঘচাপড়া, নোয়াখালী।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয়-
• 'পদ্মা',
• 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
- খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে সমাহিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩২৭.
নিচের কোন পরিব্রাজক রাজা চন্দ্রগুপ্তের আমলে উপমহাদেশে আসেন?
  1. ফা হিয়েন
  2. হিউয়েন সাঙ
  3. ইবনে বতুতা
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
মেগাস্থিনিস:
- তিনি ছিলেন একজন ভূগোলবিদ। ৩০২ অব্দে উপমহাদেশে আসেন। 
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের সময়ে গ্রিক পরিব্রাজক মেগাস্থিনিস ভারতবর্ষে আগমন করে ভারতের শাসন প্রকৃতি, ভৌগোলিক বিবরণ, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ ‘ইন্ডিকা’তে লিপিবদ্ধ করেন।

অপর দিকে, 
- ফা হিয়েন:  দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালে  সালে চীনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন ভারতবর্ষে আসেন। (প্রথম চীনা পরিব্রাজক)
- ইবনে বতুতা :  মরক্কোর অধিবাসী ইবনে বতুতা বাংলায় আসেন ১৩৪৬ সালে ফখরুদ্দিন মোবারক শাহের আমলে।
- হিউয়েন সাঙ:  হিউয়েন সাঙ একজন বিখ্যাত চীনা বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী। তিনি সপ্তম শতাব্দীতে ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে ভারতের উদ্দেশ্যে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং  ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২৮.
সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে কোন জেলায়?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. বর্ধমান
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২৯.
‘জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি’র নাম কী?
  1. ক) NICAR
  2. খ) ECNEC
  3. গ) BPSC
  4. ঘ) ECNES
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
একনেকে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।
(সূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া)
৩৩০.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ দফা প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার আপামর জনসাধারণের সমর্থন লাভ করে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৩৩১.
সিপাহি বিপ্লবকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসী 
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড বেন্টিংক
  4. লর্ড ওয়েলেসলী
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং:
- সিপাহি বিপ্লবকালীন ভারতের গভর্নর জেনারেল  ছিলেন লর্ড ক্যানিং।
- ১৮৫৬ থেকে ১৮৬২ সাল পর্যন্ত ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল।
- এবং ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর থেকে ভারতে প্রথম ভাইসরয়।
- লর্ড ক্যানিং কাগজি মুদ্রার প্রচলন করেন।

⇒ অপরদিকে,
•বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তন করেন লর্ড ডালহৌসী।
- এই আইন প্রণয়ন করেন -১৮৫৪ সালে।
- বিধবা বিবাহ আইন পাশ হয়- ১৮৫৬ সালে।
• লর্ড ডালহৌসী  স্বত্ব বিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন।
- রেললাইনের প্রচলন করেন।
• লর্ড বেন্টিংক সতীদাহ প্রথা বিলোপ করেন।
• লর্ড ওয়েলেসলী অধীনতা মুলক নীতির প্রবর্তক।
- ব্রিটিশদের প্রথম সাম্রাজ্যবাদী বড়োলাট।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ¡¡) বাংলাপিডিয়া
৩৩২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৩.৯৭%
  2. ৪.৫১%
  3. ৫.১৭%
  4. ৬.৮২%
ব্যাখ্যা

জিডিপি:
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৪,৭৯,০০১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,৩৯,২১১ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩৩৩.
পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ-এর সংখ্যা/ধাপ কয়টি?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ - এর সংখ্যা/ধাপ - ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।

উৎস: বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) ।
৩৩৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী জিডিপিতে শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী হলো -
  1. ক) ৩৯.০ শতাংশ
  2. খ) ৩৪.৯৯ শতাংশ
  3. গ) ২০.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৪০.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৪৭ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৯৯ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৫৩ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
৩৩৫.
বিশ্বব্যাংক-এর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

প্রবাসী আয়ে বিশ্ব:
- বিশ্বব্যাংক-এর তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে -
- প্রথম স্থানে আছে ভারত,
- দ্বিতীয় স্থানে মেক্সিকো,
- তৃতীয় স্থানে চীন,
- চতুর্থ স্থানে ফিলিপাইন,
- পঞ্চম স্থানে মিসর,
- ষষ্ঠ স্থানে পাকিস্তান,
- সপ্তম স্থানে বাংলাদেশ,
- অষ্টম স্থানে নাইজেরিয়া,
- নবম স্থানে গুয়েতেমালা,
- দশম স্থানে উজবেকিস্তান।
 
উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
৩৩৬.
১২ অক্টোবর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে স্পিকার নির্বাচিত হন কে?
  1. ক) শাহ আবদুল হামিদ
  2. খ) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  3. গ) মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ
  4. ঘ) মুহাম্মদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• গণপরিষদে প্রথম স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ। 
• ১ মে ১৯৭২ স্পিকার শাহ আবদুল হামিদ মৃত্যুবরণ করলে একই বছরের ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ ও মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ।    

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৩৩৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫১
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্নি-জেনারেল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৩৮.
কোনটি সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা?
  1. ক) প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  2. খ) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
  3. গ) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  4. ঘ) বদ্বীপ পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো বদ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০।
• এটি ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের সভায় অনুমোদিত হয়।
• এটি পানিসম্পদ কেন্দ্রিক পরিকল্পনা যার মেয়াদ ১০০ বছর।
• এটি প্রণয়নে সহায়তা করবে নেদারল্যান্ডস।
• এই পরিকল্পনার আওতায় সমগ্র দেশকে ৬টি ভাগে ভাগ করা হয়।
উৎসঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৩৩৯.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Standards and Testing Institution
  2. Bangladesh Standards and Technical Institution
  3. Bangladesh Standards and Technical Institute
  4. Bangladesh Standards and Testing Institute
ব্যাখ্যা

বিএসটিআই:
- BSTI এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭ এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) কে একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও (Department of Agricultural Grading and Marking) বিএসটিআই'র সঙ্গে একীভূত হয়।

⇒ বিএসটিআই-এর কাজ:
- পণ্য, সেবা ও প্রক্রিয়ার জাতীয় মান প্রণয়ন, তদানুযায়ী পণ্য পরীক্ষণ ও পণ্যের গুণগত মান সনদ (সার্টিফিকেশন) প্রদান এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।
- এছাড়া দেশব্যাপী ওজন ও পরিমাপের সকল ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং পরিমাপ যন্ত্রসমূহ ভেরিফিকেশন ও ক্যালিব্রেশনের দায়িত্বেও নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - বিএসটিআই ওয়েবসাইট।

৩৪০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হাত কত?
  1. ৩.০৪%
  2. ৩.৫১%
  3. ৪.২৫%
  4. ৪.৬৩%
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চূড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
৩৪১.
'মনপুরা ৭০’  কী? 
  1. একটি চর
  2. চিত্রকর্ম 
  3. চলচ্চিত্র
  4. স্মৃতিস্তম্ভ্য
ব্যাখ্যা

- মনপুরা ৭০' হলো বিখ্যাত চিত্রশিল্পী জয়নুল আবেদিন কর্তৃক অঙ্কিত একটি চিত্রকর্ম,

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:

- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন জীবনের ২৯ বছর বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে নৌকা (১৯৫৭), সংগ্রাম (১৯৫৯), বীর মুক্তিযোদ্ধা (১৯৭১), ম্যাডোনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালে তিনি গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি 'নবান্ন'।
- 'সোনার বাংলার শ্মশান' হওয়ার আখ্যান ছিল 'নবান্ন'।
- এর পরপরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রচন্ড সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান।
- ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস নিয়ে 'মনপুরা ৭০' শীর্ষক ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি স্ক্রলচিত্র আঁকেন।

এছাড়াও,
- তার ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে আমারা দেখি সাঁওতাল দম্পতি, সাঁওতাল রমণীদ্বয়, মই দেওয়া, সংগ্রাম, বিদ্রোহী, কিংবা কাদায় পড়া কাঠবোঝাই গরুর গাড়ি ঠেলার মতো চিত্রকর্ম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৪২.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে কত তারিখ?
  1. ২৮ অক্টোবর ১৯৭১ সালে
  2. ৪ নভেম্বর ১৯৭১ সালে
  3. ২১ নভেম্বর ১৯৭১ সালে
  4. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়:

- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ কমান্ড' গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
- যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪৩.
অধিদপ্তরের প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. সচিব
  2. পরিচালক
  3. মহাপরিচালক
  4. যুগ্ম সচিব
ব্যাখ্যা
অধিদপ্তর

⇒ সাধারণত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এক বা একাধিক দপ্তরকে অধিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন মহাপরিচালক।
⇒ যিনি অতিরিক্ত সচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।
⇒ অন্যদিকে অধিদপ্তরের অধীনস্ত এক বা একাধিক দপ্তরকে পরিদপ্তর বলে, যার প্রধান হলেন পরিচালক।
⇒ যিনি একজন যুগ্ম সচিব বা উপসচিবের মর্যাদাসম্পন্ন।

সূত্র : পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্ৰেণী।
৩৪৪.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি ভাষার প্রথম বাংলাদেশি চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. জঁ ক্যা ১৯৭১
  2. দ্য ট্রুথ অব সেভেনটি ওয়ান
  3. দ্য লাস্ট কমান্ড
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নাম ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’।

মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত ইংরেজি চলচ্চিত্র:

- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত প্রথম ইংরেজি ভাষার বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নাম ‘জঁ ক্যা ১৯৭১’।
- ছবিটি নির্মাণ করছেন ‘ভুবন মাঝি’ ও ‘গণ্ডি’ খ্যাত পরিচালক ফাখরুল আরেফিন খান।
- এটি সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যেখানে ১৯৭১ সালের ৩ ডিসেম্বর ফ্রান্সের এক তরুণ, জঁ ক্যা, পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (PIA) একটি বিমান ছিনতাই করেন।
- তার একমাত্র দাবি ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য ২০ টন ওষুধ পাঠানো।
- এই সাহসিকতা ও মানবিকতার প্রতীক জঁ ক্যা-কে কেন্দ্র করেই ছবির কাহিনি গড়ে উঠেছে।

সূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৩৪৫.
বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়সসীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. পুরুষ: ৬০ বছর, নারী: ৫৭ বছর
  2. পুরুষ: ৬৫ বছর, নারী: ৬২ বছর
  3. পুরুষ: ৭০ বছর, নারী: ৬৭ বছর
  4. পুরুষ: ৭৫ বছর, নারী: ৭২ বছর
ব্যাখ্যা
বয়স্কভাতা কর্মসূচি:
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৬০ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বয়স পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর  হতে হবে।

বাস্তবায়নকারী দফতর:
সমাজসেবা অধিদফতর

কার্যক্রম শুরুর বছর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৩৪৬.
বাংলাদেশের সর্বশেষ নদীবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. ভোলাগঞ্জ
  4. আমতলী
ব্যাখ্যা

দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া।
- নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ৫৪তম নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

৩৪৭.
কোন পুরস্কারটি বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রদান করা হয়?
  1. সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার
  2. মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার
  3. মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার:
- সমকালীন বাংলা সাহিত্যে অবদান ও সৃষ্টিশীল প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯০ সাল থেকে বাংলা একডেমি এ পুরস্কারটি প্রদান করছে। এতে লেখককে ৫০ হাজার টাকার চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার:
- ২০১০ সাল থেকে মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার প্রদান করে আসছে বাংলা একাডেমি। খ্যাতিমান এবং প্রতিভাবান কবিদের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এক লক্ষ টাকা মূল্যমানের এই পুরস্কার দেয়া হয়।

• মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার:
- বিজ্ঞানসাহিত্যে জনপ্রিয় লেখকদের সামগ্রিক অবদানের জন্য ২০০৫ সাল থেকে মেহের কবীর বিজ্ঞানসাহিত্য পুরস্কার প্রদান করে আসছে বাংলা একাডেমি।

• কবীর চৌধুরী শিশু সাহিত্য পুরস্কার:
- শিশু সাহিত্যের জনপ্রিয় লেখকদের সামগ্রিক অবদান চিহ্নিত করে তাদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৪ সাল থেকে দ্বি-বার্ষিক এ পুরস্কারটি প্রদান করা হয়। পুরস্কারের মূল্যমান এক লাখ টাকা।

• হালীমা শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার:
- জনপ্রিয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গ্রন্থাকারদের অবদান ও তাদের সৃষ্টিশীল প্রতিভার সম্মানে এই পুরস্কার প্রদান করে থাকে বাংলা একাডেমি।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
৩৪৮.
সংবিধানের কোন অধ্যায় ’সংবিধান সংশোধন’ সংবলিত?
  1. সপ্তম অধ্যায়
  2. দশম অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. একাদশ অধ্যায়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩৪৯.
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য কোনটি?
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. বিজয় কেতন
  3. বীর সেনানী
  4. আমরা তোমাদের ভুলব না
ব্যাখ্যা
সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য:
- সাত বীরশ্রেষ্ঠের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’।
- এর উদ্বোধন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।
- ভাস্কর্যটি ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা মিলিটারি পুলিশ চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থিত।
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ সালে ভাস্কর্যটির উদ্বোধন করা হয়।
- ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ ভাস্কর্যটিতে ‘অর্ধবৃত্তাকার প্রাচীরে’ সংগ্রামের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যের সামনে ‘ফোয়ারা’ নদীমাতৃক বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।
- ফোয়ারা থেকে প্রাচীর পর্যন্ত সংযুক্ত রেখাগুলো ‘সূর্যরশ্মির প্রতীক’, যা দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে বীরশ্রেষ্ঠরা জাতির সূর্যসন্তান এবং তাঁরা সূর্যরশ্মির মতো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আলোর দিশারি ও অনবদ্য অনুপ্রেরণার উৎস।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১৩ নভেম্বর, ২০২৩।
৩৫০.
দেশে সাংবিধানিক সংস্কারের জন্য অন্তবর্তী সরকারের কয়টি কমিশন গঠন করা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

সংস্কার কমিশন: 

- রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- বিশিষ্ট নাগরিকদের এসব কমিটির প্রধান করা হয়েছে। 
- জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা জানান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন - ড. বদিউল আলম মজুমদার;
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন - সফর রাজ হোসেন;
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন - বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান;
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন - ড. ইফতেখারুজ্জামান;
• জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন - আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী;
• সংবিধান সংস্কার কমিশন - অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

[সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই কমিশনের প্রধান হিসেবে তার পরিবর্তে আলী রীয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।]  

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৫১.
নিচের কোন অঞ্চলটি হরিকেল জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. কুমিল্লা
  2. নোয়াখালী
  3. ঢাকা
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫২.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?
  1. জাইকা
  2. ইউএনডিপি
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. আইএমএফ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'।
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৩৫৩.
বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করা সর্বশেষ দেশ-
  1. ক) সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস
  2. খ) ডোমিনিকা
  3. গ) কসোভো
  4. ঘ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা

গত ২৫ নভেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের সাথে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দেশ ‘ডোমিনিকা’ (Commonwealth of Dominica) এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
এই নিয়ে বর্তমানে বিশ্বের (জাতিসংঘভুক্ত) ১৫৫টি দেশের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হল।
এর আগে ৩১ আগস্ট, ২০২০ তারিখে ক্যারিবিয়ান আরেক দেশ - সেন্ট কিটস অ্যান্ড নেভিস - এর সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
উল্লেখ্য, ইসরায়েলের সাথে বাংলাদেশের কোন কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।

৩৫৪.
বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচি কত তারিখে পালন করা হয়?
  1. ৭ জুলাই, ২০২৪
  2. ৮ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৫ জুলাই, ২০২৪
  4. ১৬ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্লকেড:
- কোটা সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালের সরকারি পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
- ৫ জুন, ২০২৪ তারিখে হাইকোর্ট ২০১৮ সালের পরিপত্রের আংশিক অবৈধ ঘোষণা করার পর আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
- এটি বাতিলের দাবিতে ৭ জুলাই, ২০২৪ তারিখে সারা দেশে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
- শাহবাগ মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নির্ধারিত হওয়া এই কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘বাংলা ব্লকেড’।

⇒ সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সে সময় কোটা পদ্ধতি বাতিল করে সরকার। পরে ২০২১ সালে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করলে গত ৫ জুন এক রায়ের মাধ্যমে আবারও ফিরে আসে কোটা ব্যবস্থা।
- সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনে নামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
 
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.

৩৫৫.
মন্ত্রণালয়ের সচিবের পরেই কার স্থান?
  1. ক) উপসচিব
  2. খ) অতিরিক্ত সচিব
  3. গ) যুগ্ন সচিব
  4. ঘ) সহকারী সচিব
ব্যাখ্যা
মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর পরেই সচিবের স্থান। আর সচিবের পরে অতিরিক্ত সচিবের স্থান। অতিরিক্ত সচিবের পরেই যুগ্ন সচিবের স্থান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩৫৬.
কার নেতৃত্বে ভারত-পাকিস্থান সীমান্ত নির্ধারণ কমিটি গঠন করা হয়?
  1. ক) ওয়েলেভ
  2. খ) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  3. গ) অ্যাটলি
  4. ঘ) র‍্যাডক্লিফ
ব্যাখ্যা
⇒ ১৯৪৭ সালের ১৫ই জুলাই লন্ডনে কমন্স সভার এক ঘোষণায় ভারত-পাকিস্তান নামে দুইটি স্বাধীন ডোমিনিয়ন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। দুই দেশের সীমানা নির্ধারণের জন্য স্যার র‌্যাডক্লিফের নেতৃত্বে সীমানা ‍নির্ধারণ কমিটি গঠন করা হয়।
⇒ ৯ই আগস্ট র‌্যাডক্লিফ তাঁর সীমান্ত রোয়েদাদ সমাপ্ত করে ভাইসরয়ের কাছে জমা দেন, যা রাহস্যজনক কারণে আলোর মুখ দেখেনি।
⇒ ১৯৪৭ সালে ১৮ই জুলাই ‘ভারত স্বাধীনতা আইন’ প্রণয়ন করা হয়, যার ভিত্তিতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। ১৯৪৭ সালে ১৪ই আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ই আগস্ট ভারত নামে দুইটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৫৭.
বাংলাদেশের সামাজিক সমস্যা কোনটি?
  1. ক) বাল্যবিবাহ
  2. খ) জনসংখ্যা
  3. গ) কুসংস্কার
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- সামাজিক সমস্যার ফলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
 বাংলাদেশে প্রচলিত সামাজিক সমস্যা হলো :
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি 
- বাল্যবিবাহ
- কুসংস্কার 
- দারিদ্র 
- যৌতুক
- নিরক্ষতা 

 (উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়: সপ্তম শ্রেণি)।
৩৫৮.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি-
  1. স্বাধীন
  2. সংবিধান মেনে চলতে হয়
  3. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয়
  4. আইনমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয়
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ:

-  রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
- রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগের দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির।
- তিন বাহিনীর (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) প্রধানদের তিনিই নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতিত রাষ্ট্রপতি তাঁর সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি স্বাধীন।

- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
-  সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থ বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না।
- কোনো কারণে সংসদ কোনো ক্ষেত্রে অর্থ মঞ্জুর করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি ৬০দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৩৫৯.
Which Bangladeshi won the Ramon Magsaysay Award in 2023?
  1. Zakir Hossain
  2. Tanveer Ahmed
  3. Uttam Kumar Das
  4. Karvi Rakhsand
ব্যাখ্যা
ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২৩:
- বাংলাদেশের জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দ এশিয়ার নোবেল খ্যাত রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- তাঁর সঙ্গে সম্মানজনক এই পুরস্কার পেয়েছেন ভারত,  ফিলিপাইন ও পূর্ব  তিমুরের আরো তিন জন।
- ৩১ আগস্ট, ২০২৩ র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে এবারের পুরস্কার জিয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার প্রদান করে থাকে। 

তথ্যসূত্র: বাসস (৩১ আগস্ট, ২০২৩)।
৩৬০.
স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিলো কোথায়?
  1. যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
  2. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  3. ঢাকা সেনানিবাস, ঢাকা
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, ঢাকা
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৯শে মার্চ গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ সংঘটিত হয়।
- ৭ মার্চের ভাষণের পর আন্দোলন দুর্বল করতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী জয়দেবপুরের দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের তাঁদের অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
- কিন্তু বাঙালি সৈন্যরা অস্ত্র জমা না দিয়ে জনতাকে সাথে নিয়ে চান্দিনা-জয়দেবপুর সড়ক অবরোধ করে।

- এতে পাকবাহিনী গুলিবর্ষণ করলে হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা নিহত এবং অনেকে আহত হন।
- পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ।

- এটির স্বরণে জয়দেবপুর চৌরাস্তায় জাগ্রত চৌরঙ্গী নামে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য নির্মিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো এবং গাজীপুর জেলা ওয়েবসাইট।

৩৬১.
পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিলেন?
  1. গোপাল
  2. মহিপাল
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশ:
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ ছিলেন- গোপাল। 
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বাংলার পাল বংশের দ্বিতীয় এবং সর্বশ্রেষ্ঠ রাজা।
- গোপাল রাজ্য প্রতিষ্ঠার সূচনা করলেও পাল সাম্রাজ্যকে সুসংহত করেন গোপালের পুত্র ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
- বিক্রমশীল বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কৃতিত্ব তাঁর।
- নয় শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত সমগ্র ভারতে এটি ছিল বৌদ্ধদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র।
- এছাড়া পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারও ধর্মপালের আরেক কীর্তি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩৬২.
লিখিত বর্ণমালা নেই কোন উপজাতির?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) মনিপুরী
  3. গ) রাখাইন
  4. ঘ) খাসিয়া
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়। প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়। তবে ১৮৮১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যায় যে পাবনা, যশোর, খুলনা, এমনকি চট্টগ্রাম জেলায়ও অল্প সংখ্যায় সাঁওতালদের বসতি ছিল।
সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই। সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদযাপিত হয়।
সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে। সাঁওতালদের সংস্কৃতিচর্চায় লিখিত সাহিত্যের বিকাশ না ঘটলেও লোকগীতি ও লোককাহিনীর সমৃদ্ধ ঐতিহ্য রয়েছে।
সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।
রেফারেন্সঃ বাংলাপিডিয়া।

৩৬৩.
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করেন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. ৬১ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৬২ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৬৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৬৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
এটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে পঞ্চম পরিচ্ছেদের ৬৪নং অনুচ্ছেদে এটর্নি জেনারেল সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- এটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৬৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১৯
  4. অনুচ্ছেদ ২০
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০ - সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১১ - গণতন্ত্র ও মানবাধিকার।
- অনুচ্ছেদ ১২ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ১৩ - মালিকানার নীতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪ - কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৫ - মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৬৫.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত 'ফাগুন হাওয়ায়' চলচ্চিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. তৌকীর আহমেদ
  3. রায়হান রাফি
  4. মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
ফাগুন হাওয়া:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'ফাগুন হাওয়ায়'।
- চলচ্চিত্রটির নির্মাতা 'তৌকীর আহমেদ'।
- 'ফাগুন হাওয়ায়' ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা ও সিয়াম আহমেদ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩৬৬.
বাংলাদেশ কত সালে OIC এর শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৫ সাল
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC এর পূর্ণরূপ Organisation of Islamic Cooperation বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য ৫৭ টি।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব হিসেইন ব্রাহীম তাহা (১২ তম) ।
- অফিসিয়াল ভাষা ৩ টি: আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে

উৎস: OIC website.
৩৬৭.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. চাঁদপুর
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
 
- অবস্থানঃ জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে¦ মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।

ইতিহাসঃ

- ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
- ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩৬৮.
BRRI প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭০ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

- BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত এবং চাষাবাদের কলাকৌশল উদ্ভাবনের লক্ষ্যে BRRI প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র- Bangladesh Rice Research Institute ওয়েবসাইট।

৩৬৯.
কোনটি উদ্যান ফসলের উদাহরণ নয়?
  1. লাউ
  2. ধান
  3. সিম
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- মাঠ ফসল সাধারণত সমষ্টিগতভাবে চাষ করা হয়।
- মাঠ ফসলে সাধারণত বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয় না।
- মাঠ ফসল সাধারণত এক সাথে পরিপক্ক হয় বিধায় এক সাথেই সংগ্রহ করা হয়।
- মাঠ ফসল সাধারণত শুকিয়ে ব্যবহার করা হয়।

উদাহরণস্বরূপ:
- ধান,
- গম,
- ভূট্টা,
- তুলা ইত্যাদি

অন্যদিকে,
উদ্যান ফসল:
- সাধারণত প্রতিটি গাছকে এককভাবে যত্ন নেয়া হয়, যেমন- আম, জাম, কলা ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসলে বেড়া নির্মাণের প্রয়োজন হয়। 
- উদ্যান ফসল পর্যায়ক্রমে পরিপক্ক হয় বিধায় ধাপে ধাপে সংগ্রহ করা হয়, যেমন- টমেটো, বেগুন ইত্যাদি।
- উদ্যান ফসল সাধারণত তাজা অবস্থায় ব্যবহার করা হয়, যেমন-বিভিন্ন ধরনের সবজি ও ফল।

উদাহরণস্বরূপ:
- লাউ, 
- সিম, 
- ফুলকপি, 
- টমেটো,
- আলু ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭০.
খিলাফত আন্দোলনের নেতৃত্বে জড়িত ছিলেন কারা? 
  1. মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরু 
  2. তিতুমীর ও হাজী শরীয়তুল্লাহ
  3. মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী
  4. স্যার সৈয়দ আহমদ খান ও নবাব সলিমুল্লাহ
ব্যাখ্যা

খিলাফত আন্দোলন: 
- খিলাফত ইসলামের একটি ধর্মীয় রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান। মদীনায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম।
- খিলাফত রাজনৈতিক বিবর্তনের ধারায় দামেস্ক, বাগদাদ, কায়রো ও কর্ডোভা হয়ে তুরস্কের অটোমান সুলতানদের অধিকার যায়।
- এ মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের অধিকারী হওয়ায় বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মুসলমানদের মত তুরস্কের সুলতান খলিফার প্রতি ভারতীয় মুসলমানদের আনুগত্য ও সম্মানবোধ অনেক দিন থেকেই ছিল।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) শুরু হলে তুরস্ক নিজের স্বার্থে মিত্র শক্তির (ব্রিটেন, ফ্রান্স ও রাশিয়া ইত্যাদি) বিরুদ্ধে অক্ষ শক্তির (জার্মানী, ইটালী ইত্যাদি) পক্ষে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়ায় ভারতীয় মুসলমানরা রাজনৈতিকভাবে হতবুদ্ধি হয়ে পড়ে।
- এমতাবস্থায় চতুর ব্রিটিশদের প্ররোচনায় ভারতীয় মুসলমানগণ এ শর্তে যুদ্ধে যোগদান করেন যে, যুদ্ধ শেষে ব্রিটিশরা তুরস্কের খিলাফতের মর্যাদা রক্ষা করবে, এর কোন ক্ষতি করবে না।
- কিন্তু যুদ্ধে অক্ষ শক্তি তথা তুরস্ক পরাজিত হলে এবং ব্রিটিশদের মারমুখি অবস্থানের কারণে মুসলমানগণ খলিফার মর্যাদা রক্ষা ও তুরস্কের অখণ্ডতা রক্ষার ব্যাপারে শংকিত হয়ে পড়েন।
- এমতাস্থায় খলিফার মর্যাদা ও খিলাফত রক্ষার দাবীতে ভারতীয় মুসলমানগণ যে আন্দোলন গড়ে তোলে, ইতিহসে এ আন্দোলন 'খিলাফত আন্দোলন' নামে পরিতি।
- আলী ভ্রাতৃদ্বয় (মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী), মওলানা আবুল কালাম আযাদ, ড. এম.এ. আনসারী, হযরত মোহানী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক প্রমুখের নেতৃত্বে এ আন্দোলন পরিচালিত হয়

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, কার উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পিকার
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. ডেপুটি স্পিকার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৫০ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ;
⇒ ৫০(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর মেয়াদে তাঁর পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ শেষ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর উত্তরাধিকারী-কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।

⇒ ৫০(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- একাদিক্রমে হোক বা না হোক-দুই মেয়াদের অধিক রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত থাকবেন না।

⇒ ৫০(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- স্পিকারের উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে রাষ্ট্রপতি তার পদ ত্যাগ করতে পারবেন

⇒ ৫০(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর কার্যভারকালে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, এবং কোন সংসদ-সদস্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে রাষ্ট্রপতিরূপে তাঁর কার্যভার গ্রহণের দিনে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩৭২.
'সম্পূরক বাজেট’ কী ধরণের বাজেট?
  1. ক) আয়ব্যয়ের সমন্বয় সাধন করার বাজেট
  2. খ) উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার অর্থ সম্বলিত বাজেট
  3. গ) সরকারি প্রকল্প সচল রাখার বাজেট
  4. ঘ) মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ সম্বলিত বাজেট
ব্যাখ্যা
- সম্পূরক বাজেট হলো মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থসম্বলিত বাজেট।
 
• বাজেট:
- বাংলাদেশের ২০২২-২৩ অর্থ বছরের বাজেট ৫১তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫২তম)।
- বাজেটের আকার ৬ লক্ষ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে।
- বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৭.৫%।
- বাজেটে মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৫.৬%।
- সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ জনপ্রশাসন খাতে যা বাজেটের ১৯.৯%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লাখ টাকা।
 
উৎস: অর্থবিভাগের ওয়েবসাইট।
৩৭৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৬০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ৬৪ টি
  4. ঘ) ৫৫ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। মোট সাব সেক্টরের সংখ্যা ছিল ৬৪ টি। এছাড়া ৩ টি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
উৎসঃবাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতাঃনবম-দশম শ্রেণী
৩৭৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর -
  1. এম নূরুল ইসলাম
  2. খোরশেদ আলম
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. কাজী হাবিবুল আউয়াল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২ তম)। 

অন্যদিকে -
- এম নূরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৃতীয় গভর্নর। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় গভর্নর ছিলেন তিনি।
- একেএন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় গভর্নর।
- খোরশেদ আলম বাংলাদেশ ব্যাংকের পঞ্চম গভর্নর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩৭৫.
সম্রাট বাবর পিতার দিক থেকে কার বংশধর ছিলেন?
  1.  চেঙ্গিজ খান
  2. আমীর তৈমুর
  3. নাদির শাহ
  4. মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা

- জহিরুদ্দিন মুহাম্মদ বাবর (১৪৮৩-১৫৩০)  ভারতে মুগল বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- পিতার দিক থেকে আমীর তৈমুর (১৩৩৬-১৪০৫ খ্রি.) এবং মায়ের দিক থেকে চেঙ্গিজ খানের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।
- ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে বাবুর তুর্কিস্তানের খোকন্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা উমর শেখ মির্জা ফরগানার অধিপতি ছিলেন।
- ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে পিতার মৃত্যুর পর বাবুর অল্প বয়সে ক্ষমতা লাভ করেন।
- বারবার রাজ্যহারা হয়ে তিনি মধ্যএশিয়া ত্যাগ করেন এবং ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে কাবুল দখল করেন।
- ১৫০৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি বাদশাহ উপাধি গ্রহণ করেন।
- ১৫১১ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বাবুর প্রায় সমগ্র মধ্য এশিয়ার শাসকে পরিণত হন।
- উজবেকগণ কর্তৃক বিতাড়িত হয়ে তিনি ১৫১৪ খ্রি. কাবুলে ফিরে আসেন।
- ভারতীয় উপমহাদেশ অধিকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষে বাবুর ১৫১৫ খ্রিস্টাব্দে বাজাউর, সোয়াত, ইউসুফজাই উপজাতিদের পরাজিত করেন ও ১৫১৯-২০ খ্রি. ভিরা, শিয়ালকোট, সাঈদপুর এবং ১৫২২ খি. কান্দাহার দখল করেন।
- সর্বপরি বাবুর ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের সুলতান ইবরাহিম লোদীকে পরাজিত করে ভারতে মুগল শাসনের সূচনা করেন।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া এবং ব্রিটানিকা।

৩৭৬.
Rail transport in Bangladesh began on -
  1. 1860
  2. 1861
  3. 1862
  4. 1863
  5. 1864
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম রেল লাইন:
- দেশের গণপরিবহন মাধ্যমসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের রেলওয়ে সরকারের সর্ববৃহৎ রাষ্ট্রীয় পরিবহন খাত।
- এ দেশে প্রথম রেলওয়ের সূচনা হয় ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা- জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- রেলওয়ের কার্যক্রম শুরু হয় ব্রিটিশ শাসনামলে ১৮৬২ সালে।
- প্রথম দিকে শুধু অর্থনৈতিক কাজের জন্য রেলপথ চালু করা হয়।
- ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথম এ অঞ্চলে রেলপথ স্থাপন করে।
- ১৮৬২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কলকাতা থেকে রাণাঘাট পর্যন্ত রেলপথ উদ্বোধন করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ওই বছরের ১৫ নভেম্বর রানাঘাট থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ চালু করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে তৎকালীন রেলওয়ে পরিচালিত হতো।
- ১৯৭৩ সালে বোর্ডের কার্যক্রম বিলুপ্ত করে একে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়।

উৎস: i) রেলপথ মন্ত্রণালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৩৭৭.
মেজর সি আর দত্ত মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ৪নং
  2. ৬নং
  3. ৭নং
  4. ৮নং
ব্যাখ্যা

সেক্টর নং ৪
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’।
- এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
- মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।


অন্যদিকে,
- সেক্টর নং ৬:
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার। এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।

- সেক্টর নং ৭:
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
- এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।

• সেক্টর নং ৮: 
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর (পরে লে.কর্নেল) আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর (পরে মেজর জেনারেল) এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

উৎস: বিবিসি বাংলা।[ লিঙ্ক]

৩৭৮.
উপমহাদেশে প্রথম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করেন কে?
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. সম্রাট আকবর
  3. শায়েস্তা খান
  4. লর্ড কর্ণওয়ালিশ
ব্যাখ্যা
ওয়ারেন হেস্টিংস:
- ১৭৫৮ সাল থেকে হেস্টিংস মুর্শিদাবাদে নতুন নওয়াব  মীরজাফর-এর দরবারে কোম্পানির রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন সর্বশেষ গভর্নর এবং প্রথম গভর্নর জেনারেল।
- উপমহাদেশে সর্বপ্রথম রাজস্ব বোর্ড স্থাপন করেন।
- দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান।
- কলকাতা রাজধানী করেন।
- পাঁচশালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রথম ভারতীয় সংবাদপত্র 'বেঙ্গল গেজেট' প্রকাশ করেন।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে সিভিল সার্ভিস অ্যাক্ট পাস করান।

অপরদিকে,
-  লর্ড কর্ণওয়ালিশ: জমিদারি প্রথার সুত্রপাত, চিরস্থায়ী বন্দ্যেবস্ত, সুর্যস্ত আইন প্রবর্তন।
- সম্রাট আকবর: জিজিয়াকর, মনসবদারী প্রথা, স্বর্ণমন্দির নির্মান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩৭৯.
একাদশ জাতীয় সংসদে কয়টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ২০টি
  2. ২৫টি
  3. ৩০টি
  4. ৩৫টি
ব্যাখ্যা
একাদশ জাতীয় সংসদ
 - একাদশ জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২২ অক্টোবর, ২০২৩।
- এটি একাদশ জাতীয় সংসদের ২৫তম এবং চলতি বছরের পঞ্চম অধিবেশন।
- একাদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ২০১৯ সালের ৩০ জানুয়ারি।
- একাদশ জাতীয় সংসদে ২৫টি অধিবেশনে মোট কার্যদিবস ছিল ২৭২ দিন।
- বিল পাস হয়েছে ১৬৫টি।
- একাদশ সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উত্তর দেওয়ার জন্য মোট প্রশ্ন পাওয়া যায় ১ হাজার ৩৩৬টি।
- এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী জবাব দিয়েছেন ৫৬৬টি প্রশ্নের।
- অন্য মন্ত্রীদের জন্য প্রশ্ন পাওয়া যায় ৩০ হাজার ৬৪১টি। এর মধ্যে মন্ত্রীরা জবাব দিয়েছেন ১৭ হাজার ৭৬২টি প্রশ্নের।
- শেষ অধিবেশনে বিল পাসের রেকর্ড
- গত ২২ অক্টোবর একাদশ সংসদের ২৫তম অধিবেশন শুরু  হয়েছিল। 
- মোট ৯ কার্যদিবসের অধিবেশন হলেও প্রথম দিনের বৈঠক মুলতবি করা হয়েছিল। সে হিসাবে এই অধিবেশনের মাত্র ৮ দিনে ২৫টি বিল পাস হয়।
- এর আগে গত দশম সংসদের শেষ অধিবেশনে ১৯টি বিল পাস হয়েছিল। সংসদ অধিবেশনের সংখ্যার দিক থেকেও চলতি সংসদ রেকর্ড করেছে।
- গত ৪ বছর ৯ মাসে একাদশ সংসদের ২৫টি অধিবেশন হয়েছে।
- এর আগে সপ্তম, অষ্টম ও দশম সংসদে সর্বোচ্চ ২৩টি করে অধিবেশন হয়েছিল।
- এ ছাড়া নবম সংসদ ১৯টি ও পঞ্চম সংসদ ২২টি অধিবেশন হয়। ষষ্ঠ সংসদ শেষ হয় মাত্র একটি অধিবেশনের মধ্য দিয়ে।
- সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত অধিবেশনের রেকর্ডও হয়েছে এই সংসদে।
- করোনা মহামারির সময় এক দিনে মাত্র দেড় ঘণ্টার বৈঠকের মাধ্যমে সংসদের একটি বৈঠক শেষ হয়।
- ২০২০ সালের ১৮ এপ্রিল চলতি সংসদের সপ্তম অধিবেশন শুরুর পর তা দেড় ঘণ্টা স্থায়ী হয়।
- করোনাকালে বেশ কয়েকটি অধিবেশন হয়েছিল বিশেষ ব্যবস্থায়। 

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট। 
৩৮০.
বাংলাদেশে ড্রোন তৈরি করবে কোন কোম্পানি?
  1. মিনিস্টার
  2. স্কাই বিজ
  3. ওয়ালটন
  4. প্রবফ্লাই আইটি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে ড্রোন তৈরি:
- বাংলাদেশে ড্রোন তৈরি করবে দেশি কোম্পানি স্কাই বিজ লিমিটেড।
- বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে (বেপজা) কারখানাটি নির্মিত হবে।
- এতে ৫৫০ কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
- আনম্যান্ড এরিয়াল ভেহিকেল (ইউএভি) বা মনুষ্যবিহীন আকাশযান বাণিজ্যিক ও রপ্তানির উদ্দেশ্যে এটিই হবে প্রথম কোনো ড্রোন তৈরির কারখানা।
- এসব ড্রোন কৃষিকাজে কীটনাশক স্প্রে, অগ্নিনির্বাপণ, জরুরি উদ্ধারকাজ, পণ্য সরবরাহ, সিনেমাটোগ্রাফি, ম্যাপিংসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হবে; পাশাপাশি দেশে চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি হবে।
- চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে প্রায় দুই একর জায়গাজুড়ে এই কারখানা করতে স্কাই বিজের ব্যয় হবে ৪ কোটি ৫৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার।

তথ্যসূত্র - সমকাল পত্রিকা রিপোর্ট।
৩৮১.
কোন গভর্নর জেনারেল সতীদাহ প্রথা রহিত করেন? 
  1. লর্ড লিনলিথগো
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

• সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- ভারতীয় হিন্দু সমাজে যুগ যুগ ধরে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।
- রাজা রামমোহন রায়সহ আরো কিছু ভারতীয় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩৮২.
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৯৮৯ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
• বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন ১৯৯০ সালে প্রণীত হয়। 

প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিতকরণের অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে বাধ্যতামূলকভাবে সকল শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষার সমান সুযোগ সুবিধা পৌঁছে দেয়। এ জন্য আইনগত বাধ্যবাধকতা অপরিহার্য হওয়ায় জাতীয় সংসদ কর্তৃক ‘প্রাথমিক শিক্ষা (বাধ্যতামূলককরণ) আইন ১৯৯০’ পাশ করা হয়েছে।
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১/০৮/১৯৯০ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে ৩১/১১/১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট’।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৩৮৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কারা বাংলাদেশের বৈদেশিক মিত্র দেশ ছিল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন ও চীন
  3. ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
ভারত:
- ভারত মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র দেশ ছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু হয়।
- ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী তখন বাংলাদেশকে সমর্থন করার জন্য রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, এবং সামরিক সহায়তা প্রদান করেন।
- ভারতীয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, এবং বিমানবাহিনী যৌথভাবে "মুক্তিবাহিনী"র সঙ্গে একযোগে কাজ করে।

সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মিত্র ছিল, যদিও তার ভূমিকা প্রধানত কূটনৈতিক এবং রাজনৈতিক সমর্থনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।
- সেই পরিস্থিতিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগ করে এবং এই ভেটো প্রয়োগের ফলে পাকিস্তানের উপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়তে থাকে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন জোগাড়ে সাহায্য করে এবং মুক্তিযুদ্ধের ন্যায্যতাকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে। 

অন্যদিকে,
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সামরিক এবং কূটনৈতিকভাবে সমর্থন দিচ্ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও চীন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানকে সামরিক সহায়তা প্রদান করেছিল।
- চীন জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে কথা বলেছিল এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৩৮৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩৮৫.
"বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড" কত সালে গঠিত হয়?
  1. ক) ২০১১
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৩
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
- রেশম শিল্প বাংলাদেশের একটি ঐতিহ্যবাহী কুটির শিল্প। 
- রেশম শিল্পের উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন একীভূত হয়ে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠিত হয়েছে। 
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক প্রদত্ত নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে রেশম চাষকে "আমার বাড়ি আমার খামার" প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
 
৩৮৬.
উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২০.৩০ কি.মি.
  2. খ) ২০.২০ কি.মি.
  3. গ) ২০.১০ কি.মি.
  4. ঘ) ২০.৪০ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন: Japan International Cooperation Agency (JICA)।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

(সূত্র: DMTCL ওয়েবসাইট)
৩৮৭.
তমুদ্দিন মজলিস' কার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. কামরুদ্দীন আহমদ
  2. আবুল কালাম
  3. ফররুখ আহমদ
  4. আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
 - 'তমদ্দুন মজলিস' ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
উল্লেখ্য - তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠার তারিখ নিয়ে তথ্যকল্পদ্রুমের ৭নং পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 
৩৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইটের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোন দেশের?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরাল থেকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেটে করে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটির নির্মাতা ফ্রান্সের থ্যালেস এলিনিয়া। এটির কক্ষপথ হলো ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা।
বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
৩৮৯.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের  শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ব্যাখ্যা

• শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান:
- শপথ গ্রহণ:  ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (মঙ্গলবার)। 
- স্থান: জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা। 
- সংসদ সদস্যদের শপথ পড়ান: প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। 
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পড়ান: রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। 
- প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল ৫০টি (নিবন্ধিত ৬০টি)। 
- ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। 

গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬:

- নির্বাচন ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ (সকাল ৭.৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪.৩০ মিনিট পর্যন্ত)
- মোট সংসদীয় আসন ৩০০টি ভোট অনুষ্ঠিত হয় ২৯৯টি আসনে। 
- নির্বাচনী ফলাফল:
→ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি: ২০৯ আসন,
→ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী: ৬৮ আসন,
→ জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি: ৬ আসন,
→ অন্যান্য: ১৪ আসন,
→ স্থগিত: ৩ আসন,

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। 

৩৯০.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে অবস্থিত জেলার নাম -
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পীরগঞ্জে
  3. পঞ্চগড়
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৩৯১.
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে গঠিত কাউন্সিলের চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) পরিকল্পনামন্ত্রী
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) পনিসম্পদ মন্ত্রী
  4. ঘ) জলবায়ু, পরিবেশ ও বনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক-নির্দেশনা প্রদানের জন্যে বাংলাদেশ সরকার গত ২৯ জুন ২০২০ ডেল্টা গভর্ন্যান্স কাউন্সিল গঠন করে।
এর চেয়ারম্যান হলেন প্রধানমন্ত্রী। ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনামন্ত্রী। সদস্য সচিব হলেন পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সচিব। কাউন্সিলের মোট সদস্য সংখ্যা ১২জন।
(সূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ)
৩৯২.
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে কোন বৃহৎ শক্তিধর দেশ জাতিসংঘে ভেটো দেয়?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে ভেটো প্রদান:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। 
- বর্তমানে সোভিয়েত ইউনিয়ন নাম রাশিয়া।
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো দেয় রাশিয়া।
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে।
- এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।

উল্লেখ্য, 
-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৩.
কোন সুলতানের সাথে পারস্যের কবি হাফিজের পত্র বিনিময় হয়েছিল?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. জালালউদ্দিন ফতেহ শাহ
  3. সিকান্দার শাহ
  4. গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
ব্যাখ্যা

গিয়াস উদ্দিন আজম শাহ:
- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পিতা সিকান্দর শাহকে পরাজিত ও নিহত করে ১৩৯৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।

⇒ গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জন করেন এবং তিনি চীনে বিশেষ দূত প্রেরণ করেন। চীন সম্রাট ইয়াং লু'র সাথে তিনি দূত বিনিময় করেন। বাংলা থেকে ১৪০৫, ১৪০৮ ও ১৪০৯ খ্রিস্টাব্দে চীন সম্রাটের দরবারে প্রতিনিধি দল প্রেরণ করা হয়, প্রত্যুত্তরে চীন সম্রাটও ১৪১১ খ্রিস্টাব্দে প্রখ্যাত চৈনিক দোভাষী মাহুয়ান-এর নেতৃত্বে একটি চীনা প্রতিনিধি দল বাংলায় প্রেরণ করেন। 

⇒ সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের একজন উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিনি নিজেও কাব্যচর্চা করতেন এবং ফারসি কবিতা রচনায় সিদ্ধহস্ত ছিলেন।
- পারস্যের প্রখ্যাত কবি হাফিজের সাথে তাঁর পত্রালাপ হত। তিনি তাঁকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণও জানিয়েছিলেন।
- গিয়াসউদ্দিনের প্রশংসা করে কবি সুলতানকে ভারতবর্ষের তোতাপাখি বলে উল্লেখ করেছেন।

⇒ মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে যে সকল শাসক শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে এবং বাংলা সাহিত্যের উৎকর্ষ সাধনে উদার পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন তাঁদের মধ্যে সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ অন্যতম। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতা লাভকরে শাহ মুহাম্মদ সগীর ইউসুফ জুলেখা কাব্য রচনা করেন। অনেক ঐতিহাসিক বলেন যে, তিনি বাংলা ভাষায় রামায়ণের রচিয়তা কৃত্তিবাসেরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। 

⇒ আজম শাহ বাংলায় অগণিত মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ, এতিমখানা ইত্যাদি নির্মাণ করেন। তিনি মক্কা ও মদিনায় মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য অর্থ ব্যয় করেন এবং দুই শহরের অধিবাসীদের মধ্যে বিলি করার জন্য বহু অর্থ প্রেরণ করেন। 

⇒ দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর সগৌরবে রাজত্ব শেষে ১৪০৯ খ্রিস্টাব্দে আজম শাহ রাজা গণেশের চক্রান্তে নিহত হন। আজম শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সাইফউদ্দিন হামযা শাহ সিংহাসনে বসেন। তিনি মাত্র দু'বছর রাজত্ব করেন। রাজা গণেশের চক্রান্তে সুলতানের ক্রীতদাস শিহাবউদ্দিন তাঁকে হত্যা করে নিজেই সিংহাসনে আরোহণ করেন। বায়েজিদ শাহ উপাধিধারী এই শাসক সম্ভবত: গণেশের চক্রান্তে নিহত হন। তাঁর মৃত্যুর পর বায়েজিদের পুত্র আলাউদ্দিন ফিরোজশাহ সুলতান হন। পরবর্তীতে রাজা গণেশ তাকে অপসারণ করে নিজেই সিংহাসনে বসেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৯৪.
প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার -
  1. ৫০০ টাকা
  2. ৬৫০ টাকা
  3. ৭০০ টাকা
  4. ৮৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (মার্চ, ২০২৫) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৮৫০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
• সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
৩৯৫.
বর্তমানে খুলনা বিভাগে জেলা কয়টি?
  1. ক) ১৩টি
  2. খ) ১২টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্তমানে খুলনা বিভাগে জেলা সংখ্যা ১০টি, ঢাকা বিভাগে ১৩টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ১১টি, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে ৮টি করে, বরিশাল বিভাগে ৬টি, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে জেলার সংখ্যা ৪টি করে।
উৎসঃ নিকার ওয়েবসাইট।
৩৯৬.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজন পুলিশ সদস্যকে রাষ্ট্রীয় উপাধি প্রদান করা হয়? 
  1. ৪ জন 
  2. ৭ জন
  3. ১১ জন 
  4. ১৫ জন
ব্যাখ্যা

◉ মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ৩ জন পুলিশ সদস্য এবং ১ জন অফিসারকে রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয়েছে। অর্থাৎ মোট ৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা/সদস্য রাষ্ট্রীয় খেতাব পান।

মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনীর অবদান: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পুলিশ বাহিনী অসাধারণ বীরত্ব ও আত্মত্যাগের পরিচয় দিয়েছে। স্বাধীনতার আন্দোলনের সূচনালগ্ন থেকেই পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে পুলিশ সদস্যরা।
- ২৫ মার্চ ১৯৭১ সালের কালরাতে রাজশাহী ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্যরা সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। কনস্টেবল মো. শাহজাহান মিয়া ওয়ারলেস বার্তায় সারা দেশে পাক সেনাদের আক্রমণের খবর ছড়িয়ে দেন, যার ফলে অন্যান্য অঞ্চলেও প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হয়।

- চট্টগ্রামে পুলিশ সুপার এম এ সামসুল হক-এর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা স্থানীয় ইপিআর, সেনা ও মুক্তিকামী জনতার সঙ্গে মিলে প্রতিরোধে অংশ নেন। অনেক ক্ষেত্রে তারা জীবন বাজি রেখে পাক সেনাদের মোকাবিলা করেছেন।
- ২৬–২৮ মার্চ সময়ে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে পাক সেনাদের ব্যাপক হামলা হয়। ট্যাঙ্ক, মর্টার শেল ও মেশিনগানের গোলায় বহু পুলিশ সদস্য শহীদ হন। পুলিশ বাহিনীর বহু সদস্যকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তবুও পুলিশের এই আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অনন্য অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।
- মোট ৫৭৫ জন পুলিশ সদস্য মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন।

খেতাবপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যরা:
বীর বিক্রম (৩ জন):
১। মাহবুবউদ্দিন আহমেদ (এসডিপিও, ঝিনাইদহ);
২। তৌফিক আলী (পুলিশ কনস্টেবল);
৩। আব্দুল মান্নান (পুলিশ কনস্টেবল); 

বীর প্রতীক (১ জন):
৪। মোহাম্মদ আলাউদ্দিন (পুলিশ কনস্টেবল)। 

উল্লেখ্য, বাংলাপিডিয়া অনুসারে, পুলিশ বাহিনী থেকে খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা ৫ জন। 

উৎস: 
১। সংগ্রামের নোটবুক। 
২। বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ, ৮ম খণ্ড।

৩৯৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে কমপক্ষে ১৮ বয়স প্রয়োজন হয়?
  1. ১২২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৪৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১১৮ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১১৭ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১২২। (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।

• অন্যদিকে:
- ১৪৪ নং অনুচ্ছেদ: সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব। 
- ১১৮ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা। 
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৩৯৮.
আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের জোট -
  1. ক) Liberal Democratic Front
  2. খ) National Democratic Party
  3. গ) Liberal Democratic Party
  4. ঘ) National Democratic Front
ব্যাখ্যা
NDP গঠন:
- ১৯৬২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট গঠিত হয়।
- এ ফ্রন্টের নামকরণ করা হয় National Democratic Front, যা সংক্ষেপে NDF নামেই সমধিক পরিচিতি অর্জন করে।
- NDF-এর সরকার বিরোধী তথা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে পরিচালিত কর্মকাণ্ড রাজনীতি সচেতন মানুষকে আগ্রহী ও আশাবাদী করে তোলে।
- NDF-এর স্বপ্নদ্রষ্টা ও মূল নেতা ছিলেন হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী।
- NDF গঠিত হলে প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ভীত ও বিচলিত হয়ে পড়েন।
- এজন্যই NDF গঠনের মাত্র এক সপ্তাহ পর করাচিতে সোহ্রাওয়ার্দীকে 'জননিরাপত্তা আইনে' গ্রেপ্তার করা হয়।
- সোহরাওয়ার্দী এ সময় ছিলেন খুবই জনপ্রিয় নেতা।
- তাঁকে গ্রেপ্তার করায় সমগ্র পাকিস্তানে বিশেষ করে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- এ সময় প্রেসিডেন্ট জেনারেল আইয়ুব খান ঢাকা সফরে এলে বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা তার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করে।
- আইয়ুব খান 'জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স' জারি করে নির্মমভাবে এ আন্দোলন দমনের চেষ্টা চালান।
- শেখ মুজিবুর রহমান, আবুল মনসুর আহমদ, কফিলউদ্দিন চৌধুরী, সৈয়দ আলতাফ হোসেন, তাজউদ্দিন আহমদ, কোরবান আলী প্রমুখ প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রখ্যাত সাংবাদিক তোফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া), প্রখ্যাত ছাত্রনেতা কাজী জাফর আহমেদ প্রমুখ আইয়ুব খানের দমননীতির শিকার হন এবং বিনা বিচারে কারারুদ্ধ হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক।
৩৯৯.
বাংলাদেশের GDP এর প্রধান খাত কি?
  1. ক) সেবা খাত
  2. খ) কৃষি খাত
  3. গ) শিল্প খাত
  4. ঘ) অন্যান্য
ব্যাখ্যা

সার্বিকভাবে, বাংলাদেশের জিডিপি ১৫টি খাত নিয়ে গঠিত।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত ও ছােট খাত - কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎ খাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছােট খাত -শিল্পখাত(২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত, শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার- ৬.৪৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার- ৩.১১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান - ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রম বর্ধমান।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০।

৪০০.
২৫ মার্চ পাকসেনাদের নির্মম গণহত্যার শিকার হয় প্রথমে -
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) পিলখানার ইপিআর
  3. গ) পুরান ঢাকা
  4. ঘ) ফার্মগেইটে মিছিলরত বাঙালিরা
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট

- মূল পরিকল্পনায় ছিল রাত ১.০০টা থেকে অপারেশন চালানো হবে।
- কিন্তু পথে বিলম্ব হবে ভেবে সৈন্যরা ১১.৩০ টার সময় রাস্তায় বেরিয়ে পড়ে।
- এ সময় প্রথম আক্রমণের শিকার হয় ফার্মগেইট এলাকায় রাস্তায় মিছিলরত মুক্তিকামী বাঙালিরা
- পাক সেনাদের গুলিতে মুহূর্তের মধ্যে তাদের কণ্ঠরোধ হয়ে যায়।
- একই সাথে আক্রমণ চালানো হয় পিলখানা ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনে। 
- রাত ১.৩০ টার সময় শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।