বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৯ / ৩০৬ · ৩,৮০১৩,৯০০ / ৩০,৮৩২

৩,৮০১.
বঙ্গভঙ্গের ফলে কোন আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে?
  1. স্বদেশী আন্দোলন
  2. ভারত ছাড় আন্দোলন
  3. খিলাফত আন্দোলন
  4. সিপাহী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
স্বদেশী আন্দোলন:

- স্বদেশী আন্দোলন ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- এটি গান্ধী পুর্ব আন্দোলনসমূহের মধ্যে সর্বাপেক্ষা সফল আন্দোলন বিবেচনা করা হয়।
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করে যা 'বঙ্গভঙ্গ' নামে পরিচিত। কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন। পরে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এই আন্দোলনের মূল বিষয় ছিলো ইংরেজদের সবকিছু বয়কট ও স্বদেশী পণ্যের ব্যবহার।
- বাংলার সর্বত্র স্বদেশী আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি। যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮০২.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
-  ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ নভেম্বর ২০১৪।

৩,৮০৩.
ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন?
  1. ক) রবার্ট ক্লাইভ
  2. খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. ঘ) লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
১৬০০ সালে ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়। ১৭৫৭ সালে পলাশি যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে ভারতে ব্রিটিশ শাসনের সূচনা হয়। রবার্ট ক্লাইভ ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর নিযুক্ত হন। ১৭৭৪ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। লর্ড ক্যানিং সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় (১৮৫৮)। মাউন্টব্যাটেন ভারতের শেষ ভাইসরয়।(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩,৮০৪.
কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত কোনটি?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাত:

- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত – কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত – কৃষিখাত (৪৫.৩৩% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- সবচেয়ে ছোট খাত – শিল্পখাত (১৭.০২% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।  
- জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত।
- এর প্রবৃদ্ধির হার – ৮.১৮%।
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- এর প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৩,৮০৫.
নিচের কোন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেশি?
  1. বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিটের উদ্বোধন করা হয়।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা (১২০০×২) ২৪০০ মেগাওয়াট।
 
অন্যদিকে,
• বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

• রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- উৎপাদন ক্ষমতা: ১,৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট(সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি)।

• মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা: ১২০০ মেগাওয়াট।

উৎস: i) বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
          ii) বিবিসি বাংলা।

৩,৮০৬.
ফরায়েজী আন্দোলন ছিলো একটি-
  1. ক) কৃষক আন্দোলন
  2. খ) নীলকর বিরোধী আন্দোলন
  3. গ) ব্রিটিশ বিরোধী সশ্বস্ত্র আন্দোলন
  4. ঘ) ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন ছিলো একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন। উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তউল্লাহ ফরায়েজি আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। এই আন্দোলনের কেন্দ্র ছিলো বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চল।

১৮৪০ সালে শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার পুত্র মুহাম্মদ মুহসিন উদ্দিন ওরফে দুদু মিয়া এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেন।
১৮৬২ সালে দুদু মিয়ার মৃত্যুর পর সুযোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
৩,৮০৭.
'গায়ের বধূ' চিত্রকর্মের শিল্পী হলেন-
  1. ক) এস এম সুলতান
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) জয়নুল আবদিন
ব্যাখ্যা
• বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ম্যাডোনা-৪৩ ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন বিখ্যাত হন।
• তাঁর আঁকা আরো কিছু বিখ্যাত চিত্রকর্ম:
- মনপুরা ৭০, 
- সংগ্রাম, 
- পাইন্যার মা,
- গায়ের বধূ, 
- নবান্ন,
- মইটানা ইত্যাদি।
৩,৮০৮.
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অমরকীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয় কোনটি?
  1. হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন
  2. বেঙ্গল প্যাক্ট
  3. সতীদাহ প্রথা নিবারণ
  4. সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
বিধবা বিবাহ:
- হিন্দু বিধবাদের পুনরায় বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে বিধবা বিবাহ বলে।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে অবাধে বাল্যবিয়ের ব্যাপক প্রচলন ছিল।
- ফলে একদিকে বাল্যবিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল; অন্যদিকে সমাজে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল বিধবার সংখ্যা।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের জন্য সমাজসংস্কার আন্দোলন সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
- তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল পান ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই।
- সেদিন তাঁর প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি ‘দ্য হিন্দু উইডো’স রিম্যারেজ অ্যাক্ট ১৮৫৬’ নামে আইন প্রণয়ন করে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধ করেন।
- এ আইন করার লক্ষ্য ছিল কিছু হিন্দু বিধবা শিশু, যারা স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার আগেই বিধবা হয়ে যেত; এ আইন পাসের মাধ্যমে হিন্দু বিধবা বিবাহের সব বাধা দূরীভূত হয়।
- সে বছরই ৭ ডিসেম্বর রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
- সে বিয়ের পাত্র ছিলেন শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন।
- বিদ্যাসাগর পরবর্তীকালে তাঁর নিজ ছেলের সঙ্গে এক বিধবা কন্যার বিয়ে দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,৮০৯.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ত্রিশাল
  2. খ) আগ্রাবাদ
  3. গ) ধানমন্ডি
  4. ঘ) সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত। এটি ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়। লোক ও কারুশিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন, গবেষণা, পৃষ্ঠপোষকতা, উৎসাহদান প্রভৃতির মাধ্যমে লোক ও কারুশিল্পের পুনর্জাগরণ এ ফাউন্ডেশনের প্রধান উদ্দেশ্য।
(সূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট)
৩,৮১০.
Which of the following is not a Non-Scheduled Bank?
  1. Palli Sanchay Bank
  2. Grameen Bank
  3. Ansar VDP Unnayan Bank
  4. Probashi Kallyan Bank
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

অ-তফসিলী ব্যাংকগুলো:
- জুবিলী ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে -
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৩,৮১১.
‘মিশর নীল নদের দান’ কথাটি কে বলেছেন?
  1. ক) সক্রেটিস
  2. খ) পেরিক্লিস
  3. গ) সোলন
  4. ঘ) হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে মিশরের নীল নদের উৎপত্তি। 
- এটি বিভিন্ন দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরে এসে পড়েছে। 
- ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস বলেছেন- মিশর হচ্ছে ‘নীল নদের দান’
- এই নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো।  
- মিশরের অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিনির্ভর।
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল যা ‘নোম’ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৩,৮১২.
'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক পুস্তিকা প্রকাশ পায়-
  1. ক) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ২ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের মুক্তির সনদ ছয় দফা:

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত প্রকার মালিকানার কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. পাঁচ 
ব্যাখ্যা

• মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তিন ধরণের মালিকানার কথা বলা আছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই মালিকানাগুলো হলো:
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা
২. সমবায় মালিকানা
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৩,৮১৪.
বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর কয়টি?
  1. ক) ৭ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১৩ টি
  4. ঘ) ৬ টি
  5. ঙ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে স্বাধীনতার পরপর ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম বিমান চালু হয়। দ্রুত যাতায়াতের জন্য বিমানই একমাত্র মাধ্যম। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮টি অভ্যন্তরীণ রুটসহ ২৫টি আন্তর্জাতিক রুটে বিমান চলাচল করে। বর্তমানে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে। যথা- শাহজালাল, শাহ আমানত ও ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এছাড়া অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে ৭টি। এগুলো হলো- কক্সবাজার, শাহমাখদুম, যশোর, বরিশাল, সৈয়দপুর, ঈশ্বরদী ও কুমিল্লা বিমানবন্দর।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ভূগোল ২য় পত্র (উন্মুক্ত) বই।
৩,৮১৫.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু কোনটি? 
  1. মধুমতি রেলসেতু
  2. রুপসা রেলসেতু
  3. যমুনা রেলসেতু
  4. হার্ডিঞ্জ ব্রিজ
ব্যাখ্যা

• যমুনা রেলসেতু: 
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু হলো যমুনা রেলসেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর নির্মিত একটি ডুয়েল-গেজ, ডাবল-ট্র্যাক রেলসেতু, যা সিরাজগঞ্জ জেলাকে টাঙ্গাইল জেলার ভূয়াপুর উপজেলার সাথে যুক্ত করেছে।
- সেতুটি যমুনা বহুমুখী সেতুর প্রায় ৩০০ মিটার উত্তরে অবস্থিত।
- দৈর্ঘ্য: ৪.৮ কিলোমিটার (৪,৮০০ মিটার)।
- নির্মাণ: ৫০টি পিলারের ওপর ৪৯টি স্প্যানে নির্মিত।
- উদ্বোধন: ২০২৫ সালের ১৮ মার্চ। 
- প্রকল্প ব্যয় প্রায়: ১৬,৭৮০ কোটি টাকা (জাইকা-জাপানের সহায়তায়)।
- দৈনিক ৮৮টি ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা রয়েছে। 
- ব্রড-গেজে ১২০ কিমি/ঘণ্টা এবং মিটার-গেজে ১০০ কিমি/ঘণ্টা গতিতে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

অন্যদিকে, 
- পূর্বে হার্ডিঞ্জ ব্রিজকে বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু বলা হতো যা ১.৮ কিমি দীর্ঘ।
- কিন্তু ২০২৫ সালে যমুনা রেলসেতু উদ্বোধনের পর এটি আর দীর্ঘতম নয়। 
- যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিমি, যা হার্ডিঞ্জ ব্রিজের প্রায় ২.৭ গুণ লম্বা।

তথ্যসূত্র: 
i) প্রথম আলো। (Link)
ii) বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link) 
iii) ডেইলি স্টার। (Link) 

৩,৮১৬.
কেন্দ্রিয় প্রশাসনের অতিগুরুত্বপূর্ণ কাঠামো কোনটি?
  1. হাইকোর্ট
  2. অধিদপ্তর
  3. সচিবালয়
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রিয় প্রশাসন:
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনের অতিগুরুত্বপূর্ণ কাঠামোর নাম সচিবালয়।
- প্রশাসনিক সংগঠনের পদসোপানে সচিবালয়ের স্থান সর্বোচ্চ।
- সচিবালয় মন্ত্রীকে তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ ও পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রণালয়ের কাজকে এগিয়ে নিয়ে থাকে।
- এছাড়া মন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সরবরাহ, সংসদে তা উত্থাপন ও বক্তব্য প্রস্তুত করতে সহযোগিতা প্রদানসহ নানাবিধ প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- সচিবালয় মন্ত্রণালয় চালনার অন্যতম প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেব কাজ করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮১৭.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান
অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
খন্দকার মুশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
৩,৮১৮.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ কত?
  1. ক) ৬.১৫ কি. মি. ও ১৮.১০ মি
  2. খ) ৭.২৫ কি.মি. ও ১৮.২০ মি
  3. গ) ৭.১৫ কি. মি. ও ২০.১০ মি
  4. ঘ) ৬.০৫ কি. মি. ও ১৮.১০ মি
ব্যাখ্যা
এক নজরে পদ্মা সেতু:
• অফিসিয়াল নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু (Padma Multipurpose Bridge)
• সেতুর ধরন: দ্বিতল (ওপরে সড়ক এবং নিচে রেলপথ)
• প্রত্যক্ষভাবে জড়িত স্থান/জেলা/উপজেলা ৩টি- ১. মাওয়া, লৌহজং উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা, ২. শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর জেলা ও ৩. জাজিরা উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা।
• সংযোগস্থল: মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা।
• ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ৪ জুলাই ২০০১।
• নির্মাণকাজ উদ্বোধন: ১২ ডিসেম্বর ২০১৫।
• দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কি.মি. (২০,১৭৭.১৭ ফুট)।
• প্রস্থ: ১৮.১০ মি. (৫৯.৩৮ ফুট)
• সংযোগ সড়কসহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য: ৯.৩০ কি.মি.
• লেন: ৪টি 
• সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর 
• ভূমিকম্পের সহনীয় মাত্রা: রিখটার স্কেল ৯ 
• স্প্যান: ৪১টি
• পিলার বা পিয়ার: ৪২টি
• পাইল: ২৯৪টি 
• নির্মাণের উপাদান: কংক্রিট ও স্টিল 
• ডিজাইন: AECOM (যুক্তরাষ্ট্র)
• সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: JICA
• নির্মাণকারী: চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (চীন)
• নদী শাসক প্রতিষ্ঠান: সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন (চীন)
• নির্মাণ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (দক্ষিণ কোরিয়া) 
• প্রথম স্প্যান বসানো হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে) 
• ৪১তম বা শেষ স্প্যান বসানো হয়: ১০ ডিসেম্বর ২০২০ (১২ ও ১৩ নম্বর পিলারে)

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৩,৮১৯.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান কোনটি?
  1. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  2. অপারেশন বিগ বার্ড
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন থান্ডার বোল্ট
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
৩,৮২০.
'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি' গঠিত হয়—
  1. ক) ১৯৪৮ সালে
  2. খ) ১৯৫০ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- বাঙ্গালির জীবনে ভাষা আন্দোলন এক নতুন চেতনার উন্মেষ ঘটায়। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত ভাষা আন্দোলনের সময়কাল। 
- বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের পরিপ্রেক্ষিতে ভাষা আন্দোলনকে আরো জোরদার করার জন্য ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি "সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি" গঠিত হয়।
- কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন - কাজী গোলাম মাহবুব।

উৎস: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব by ড. মযহারুল ইসলাম
প্রকাশকাল: ১৯৭৪; পৃষ্ঠা নং: ১২৮।

=============
সবার জ্ঞাতার্থে জানিয়ে রাখি,
সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি - বোর্ড বই, সংগ্রামের নোট বুক ও স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড) ইত্যাদিতে "সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ" নামে বর্ণনা করা হয়েছে।

=============
• ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:

- ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক বসে।
- এই বৈঠকে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতা ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে জোরালো মত দেন।
- অবশেষে সভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চত্বর) ছাত্রদের সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
------------------
অন্যদিকে,
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭। এর আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
- দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় - ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামছুল আলম।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড), ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮২১.
‘ভাষা ও সাহিত্যে’ শাখায় একুশে পদক ২০২৫ পেয়েছেন কে?
  1. শহীদুল জহির
  2. হেলাল হাফিজ
  3. আজিজুর রহমান
  4. ক+খ
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১ প্রতিষ্ঠান।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

৩,৮২২.
দারিদ্র্য বিমোচনে পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ) প্রদান করে থাকে -
  1. ক্ষুদ্র ঋণ
  2. ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ
  3. ব্যাংক ঋণ
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ):  
- ১৯৯৯ সালের নভেম্বর মাসে জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে “পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)” প্রতিষ্ঠা  করা হয়।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

উৎস: পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট। 
৩,৮২৩.
 ২০২৪-২৫অর্থবছরে সাময়িক হিসেব অনুসারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ? (আগষ্ট-২০২৫)
  1. ৩.৯২%
  2. ৩.৯৩%
  3. ৩.৯৫%
  4. ৩.৯৭%
ব্যাখ্যা

- সাময়িকভাবে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা (৪৬২ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।
পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৫০,০২,৬৫৪ কোটি টাকা (৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।

৩,৮২৪.
নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. গুরুদাসপুর, নাটোর
  2. লাকসাম, কুমিল্লা
  3. পুঠিয়া, রাজশাহী
  4. বদলগাছী, নওগাঁ
ব্যাখ্যা
নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ি জাদুঘর:
- নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী ১৮৩৪ সালে কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁও-এ এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন ভারত ও এশিয়ার প্রথম নারী নবাব।
- শিক্ষা ও উন্নয়নমূলক কাজে তাঁর ছিল অসামান্য অবদান।
- ১৮৯৪ সালে তিনি লাকসাম উপজেলার পশ্চিমগাঁও-এ নওয়াব ফয়জুন্নেসা জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই নান্দনিক ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের দোতলা প্রাসাদের রয়েছে একটি সুন্দর প্রবেশদ্বার, একতলা বৈঠকখানা, টালির ঘাটসহ পুকুর, মসজিদ,কবরস্থান ও ঈদগাহ।

⇒ বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের শাখা হিসেবে কুমিল্লার লাকসামে ০৬/১১/২০২৩ তারিখ নবাব ফয়জুন্নেছা জমিদার বাড়ী জাদুঘরের শুভ উদ্বোধন ঘোষনা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৩,৮২৫.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে বিমান বাহিনীর সদস্য ছিলেন কে?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল
  2. বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
  3. বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  4. বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা

• বীরশ্রেষ্ঠ ও তাদের কর্মস্থল:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর.।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর.।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৩,৮২৬.
দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে কোথায় নির্বাসনে দেওয়া হয়?
  1. নবদ্বীপ
  2. আন্দামান দ্বীপ
  3. কার্লিউ দ্বীপ
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ:
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ছিলেন সর্বশেষ মুঘল সম্রাট।
- ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন। (এখানে উত্তর কোনটি নয়)
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮২৭.
লক্ষ্ণৌ চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯১৫ সাল
  2. ১৯১৬ সাল
  3. ১৯১৩ সাল
  4. ১৯১৮ সাল
ব্যাখ্যা

• লক্ষ্ণৌ চুক্তি (১৯১৬ খ্রি.):

- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের ভারত শাসন আইন বা মর্লে-মিন্টো সংস্কার আইন ভারতবাসীর সব দাবি-দাওয়া পূরণে যথেষ্ট সহায়ক হয় নি। এ আইনে যদিও প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতি স্বীকার করে নেয়া হয় এবং মুসলমানদের স্বতন্ত্র নির্বাচনের অধিকার প্রদান করা হয় তথাপি এতে মুসলিম সম্প্রদায় পরিপূর্ণভাবে সন্তুষ্ট হতে পারে নি।

-  ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা তাদেরকে বৃটিশ সরকারের প্রতি সন্দিহান করে তোলে। 

- তাছাড়া ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে কানপুর মসজিদের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে কয়েকজন মুসলমান নিহত হলে মুসলমানদের মধ্যে সরকার বিরোধী মনোভাব তীব হয়ে উঠে।

- ইংরেজদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান ক্ষোভ ও অসন্তোষ ভারতের মুসলমানদের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলে। অভিজাত, রক্ষণশীল ও বৃটিশ অনুগত নেতাদের বদলে ১৯১২ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত মুসলিম লীগের তরুন সদস্যগণ দলের মধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠে। 

- ১৯১৩ খ্রিস্টাব্দের মার্চে মুসলিম লীগের লক্ষ্ণৌ অধিবেশনে দলের নতুন গঠনতন্ত্র প্রণীত হয়। এতে বলা হয় যে, জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং স্বরাজ অর্জনই হচ্ছে লীগের অন্যতম উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। এর ফলে ভারতের হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সদ্ভাব সৃষ্টির অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়।

- অতঃপর লীগ ও কংগ্রেস প্রায় একই সময়ে ও স্থানে এদের বার্ষিক অধিবেশন আহবান করে। 

- ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দের ডিসেম্বর মাসে কংগ্রেস এবং মুসলিম লীগ এদের বার্ষিক সম্মেলন লক্ষ্ণৌ শহরে অনুষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত নেয়। এ সময়ে উভয় সম্প্রদায় ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কারের নীতির প্রশ্নে একটা সমঝোতায় আসে।

- এটাই ইতিহাসে লক্ষ্ণৌ চুক্তি নামে পরিচিত। 

উৎস:  বাংলাপিডিয়া এবং ইতিহাস প্রথম পত্র, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮২৮.
সম্প্রতি IEEFA বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে প্রচলিত যে জীবাশ্ম জ্বালানি বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রকাশ করেছে তার সম্ভাব্য রেঞ্জ কী?
  1. 1700-3400 MW
  2. 2000-5000 MW
  3. 3400-4000 MW
  4. 3600-3200 MW
ব্যাখ্যা
• IEEFA:
 - IEEFA-এর পূর্ণরুপ - Energy Economics and Financial Analysis (IEEFA).
- ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) দেখছে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস থেকে ১,৭০০ মেগাওয়াট-৩,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে যার খরচ ৫.২৫ টাকা থেকে ৭.৬ টাকা।
প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে প্রতি ইউনিট বর্তমান খরচ ৮.৮৪ টাকা।
আইইইএফএ বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৪০% বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ২০৪১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বার্ষিক ১.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন (৫ এপ্রিল, ২০২৩)।
৩,৮২৯.
বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির - প্রতীক কী?
  1. মশাল
  2. কোদাল
  3. কাস্তে
  4. হাতুড়ি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির প্রতীক - কাস্তে;
- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রতীক - মশাল,
- বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতীক - হাতুড়ি;
- বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির প্রতীক - কোদাল।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
৩,৮৩০.
বর্তমানে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর(প্রতি হাজারে) হার কত?
  1. ক) ২১ জন
  2. খ) ৮৫ জন
  3. গ) ৩৫ জন
  4. ঘ) ৪২ জন
ব্যাখ্যা

বর্তমানে বাংলাদেশে শিশু মৃত্যুর(প্রতি হাজারে) ২১ জন।
- দেশে শিশুমৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। স্বাধীনতার সময় শিশুমৃত্যুর হার ছিল ১৪১, এখন তা ২১।
- শিশুমৃত্যুর হার কমেছে ৮৫ শতাংশ।

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

৩,৮৩১.
ম্রো জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. বান্দরবান
  2. পটুয়াখালী
  3. সিলেট
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
মুরং/ম্রো:

- ম্রো একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।
- ম্রোরা, ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন।
- ম্রো সমাজ পিতৃতান্ত্রিক। পিতা পরিবারের প্রধান।
- ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,৮৩২.
কোন উপজাতির পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. মারমা
  2. গারো
  3. রাখাইন
  4. হাজং
ব্যাখ্যা
• গারো:
- বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- গারোরা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে। 
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ।

- এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে - ময়মনসিংহে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত।

- একই উপগোত্রের মধ্যে বিবাহ গারো সমাজে নিষিদ্ধ।
- গারোরা নিজেদের আচিক্ মান্দে (পাহাড়ের মানুষ) বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- গারোদের প্রধান খাদ্য ভাত।
- বর্তমানে গারোদের শতকরা নিরানব্বইজনই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।
- তাদের প্রধান উৎসব- ওয়ানগালা।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,৮৩৩.
বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৪৫০০
  2. খ) ৪৫৭১
  3. গ) ৪৬০০
  4. ঘ) ৪৬২২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা স্থানীয় সরকার বিভাগ ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান পকেট বুক ২০১৮ অনুযায়ী ৪৫৭১টি; জাতীয় তথ্য বাতায়ন অনুযায়ী ৪৫৫৪টি এবং পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী ৪৫৬২টি।
৩,৮৩৪.
মিশুকের স্থপতি কে?
  1. ক) শামীম শিকদার
  2. খ) হামিদুর রহমান
  3. গ) হামিদুজ্জামান খান
  4. ঘ) মোস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা

- ১৯৮৫ সালের দ্বিতীয় সাব গেমস এর মাসকট মিশুক এর স্থপতি মোস্তফা মনোয়ার।
- এটি শাহবাগের শিশু পার্কের সামনে অবস্থিত , এটি মূলত হরিণ শাবকের ভাস্কর্য।
- দ্বিতীয় ও ষষ্ঠ সাফ গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ডিরেক্টর ও ভিজুয়ালাইজার-এর দায়িত্ব পালন করেন মোস্তফা মনোয়ার।
- দ্বিতীয় সাফ গেমস-এর মাসকট ‘মিশুক’, ১০ ফুট উঁচু চলমান হরিণ শিশু এবং ষষ্ঠ সাফ গেমস-এর মাসকট ‘অদম্য’ একটি বড় বাঘরূপী জীবন্ত পাপেট নির্মাণ তাঁর বড় সাফল্য। 

উৎস: ইত্তেফাক আর্কাইভ।
৩,৮৩৫.
আয়তনে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি?
  1. ক) বরিশাল
  2. খ) সিলেট
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।

আয়তনে:
- সবচেয়ে বড় : চট্টগ্রাম বিভাগ (৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি)
- সবচেয়ে ছোট : ময়মনসিংহ বিভাগ (১০,৫৫২ বর্গ কিমি)।

জনসংখ্যায়:
- সবচেয়ে বড় : ঢাকা বিভাগ
- সবচেয়ে ছোট : বরিশাল বিভাগ

সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি এবং সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট)
৩,৮৩৬.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকাটির নাম কী?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  2. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  3. আমাদের ভাষা আমাদের দাবি
  4. উর্দু বনাম বাংলা
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৩৭.
বাংলাদেশে ছাগল প্রজনন কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ
  2. খ) টিলাগড়, সিলেট
  3. গ) সাভার, ঢাকা
  4. ঘ) ফকিরহাট, বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
- ছাগল প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত টিলাগড়, সিলেট।
- হরিণ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ডুলাহাজরা, চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত করমজল, সুন্দরবন।
- মহিষ প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- গরুর প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত সাভার, ঢাকা।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলা ও উপজেলার ওয়েবসাইট।
৩,৮৩৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের দশম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়বস্তু কী?
  1. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
  2. নির্বাচন
  3. সংবিধানের সংশোধন
  4. বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:

• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৮৩৯.
কোন সম্রাটের অনুমতিতে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. শাহজাহান
  4. আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

৩,৮৪০.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন পাস হয় -
  1. ক) ২০১৮ সালে
  2. খ) ২০১৯ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন- ২০১৮’ 
- ২০১৮ সালের ১৯শে সেপ্টেম্বর সংসদে পাস হয়েছিলো ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন।

- নতুন আইনে মুক্তিযুদ্ধ, জাতির পিতা, ধর্ম অবমাননা, মানহানির মতো সাইবার অপরাধের জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজার বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডিজিটাল নিরাপত্তা কাউন্সিল ও নিরাপত্তা এজেন্সি গঠনের কথা বলা হয়েছে।

- আইনের ২১ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি ডিজিটাল মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বা জাতির পিতার বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা, প্রচারণা ও মদদ দিলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
এর সর্ব্বোচ শাস্তি ১৪ বছরের সাজার পাশাপাশি জরিমানা দিতে হবে ৫০ লাখ টাকা।

- ২৮ ধারায় বলা হয়েছে, ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত দিলে ভোগ করতে হবে সর্ব্বোচ ১০ বছরের কারাদণ্ড। অন্যদিকে, ২৯ ধারায় মানহানিকর কিছু প্রচার প্রকাশ করলে সাজা হবে তিন বছরের।

- ৩০ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যাংক, বীমা বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন বহির্ভূতভাবে ই-ট্রানজেকশন করলে সর্ব্বোচ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
- এছাড়া হ্যাকিং, কম্পিউটারের সোর্স কোড ধ্বংস ও সরকারি তথ্য বেআইনিভাবে ধারণ, প্রেরণ ও সংরক্ষণ করলে থাকছে নানা শাস্তি ও জরিমানার বিধান।
- নতুন আইনের বেশিরভাগ ধারাই জামিন অযোগ্য।
- তবে এর মধ্যে মানহানির ২৯ ধারাসহ ২০, ২৫ ও ৪৮ ধারার অপরাধে জামিনের বিধান আছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
৩,৮৪১.
ইকরামুল হাসান শাকিল মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন কবে?
  1. ১৭ মে, ২০২৫ সাল
  2. ১৯ মে, ২০২৫ সাল
  3. ২০ মে, ২০২৫ সাল
  4. ২৫ মে, ২০২৫ সাল
ব্যাখ্যা

ইকরামুল হাসান শাকিল: 
- ২০২৫ সালের ১৯ মে সকালে তিনি মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন দেশের সপ্তম বাংলাদেশি হিসেবে।
- তিনি গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- অভিযানটির নাম ছিল “Sea to Summit”। 
- “Sea to Summit” অভিযানটি শুরু হয় কক্সবাজারের ইনানী সৈকত থেকে এবং শেষ হয় বিশ্বের সর্বোচ্চ চূড়ায়। 
- প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে তিনি ৮৪ দিনে এই সাফল্য অর্জন করেন। 
- অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল পরিবেশ সচেতনতা ও প্লাস্টিক দূষণ রোধের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।

উৎস: প্রথম আলো এবং BBC পত্রিকা রিপোর্ট।

৩,৮৪২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  2. ভেঙ্কট গিরি
  3. ফখরুদ্দিন আলি আহমেদ
  4. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ:
- বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের মহান নেতা। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানে বন্দি থাকলেও তার নামেই ন’মাস মুক্তিযুদ্ধ চলে।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী মুজিবনগর সরকারও বঙ্গবন্ধুকে প্রধান করেই গঠন (১৭ এপ্রিল, ১৯৭১) করা হয়েছিল।
- পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকার মাটিতে পা রাখেন।
- এর আগে ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ খবর আসে বঙ্গবন্ধু পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে খুব ভোরে লন্ডন যান।
- ৯ জানুয়ারি টেলিফোনে ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানান এবং অনুরোধ করেন ঢাকার পথে যেন তিনি দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করেন। 
- রাষ্ট্রপতি শ্রী ভরাহগিরি ভেঙ্কট গিরি তখন বঙ্গবন্ধুকে আলিঙ্গন করছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী তাকে স্বাগত জানাচ্ছিলেন।
- তখন ২১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছিল।
- নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানিয়ে প্রদত্ত ভাষণে প্রেসিডেন্ট ভিভি গিরি বলেন, ‘মহোদয়, এই ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দেশের প্রধান হিসেবে আপনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন এ অঞ্চলে স্থায়ী ও অটুট শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ও সম্ভাবনা জোরদার ও সুনিশ্চিত করবে।’
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বিকালে বঙ্গবন্ধু লন্ডন দিল্লি হয়ে প্রাণের শহর ঢাকায় ফিরে আসেন বেলা ১টা ৪১ মিনিটে। 

উল্লেখ্য,
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ভেঙ্কট গিরি।

উৎস: ১০ জানুয়ারি ২০২১, যুগান্তর।
৩,৮৪৩.
ড. স্মিথ কোন শাসককে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছিলেন?
  1. অশোক
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪৪.
পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর নেতৃত্ব ছিলেন কে?
  1. লর্ড কার্নওয়ালিস
  2. মীর জাফর
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ: 
- সিরাজউদ্দৌলা সিংহাসনে আরোহণ করার পর থেকে তাঁকে লড়াই করতে হয়েছে নানা কারণে মনঃক্ষুন্ন ঘরের শত্রু শওকত জং,
- ঘষেটি বেগম দরবারের শত্রু আমাত্য ও বেনিয়া সম্প্রদায় এবং বহিঃশত্রু ইংরেজদের সঙ্গে।
- নবাবের অভ্যন্তরীণ শত্রুদের কাজে লাগিয়ে ইংরেজরা নবাবকে উৎখাতের এক নীল নকশা তৈরি করে।
- পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজ বাহিনীর  নেতৃত্ব দেন- রবার্ট ক্লাইভ।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর সঙ্গে নবাবের বাহিনীর এক যুদ্ধ সংঘঠিত হয়।
- কারণ যুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে প্রধান সেনাপতি মীর জাফরের নেতৃত্বাধীন অধিকাংশ সৈন্য নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে,
- যার ফলে নবাবের পরাজয় ঘটে।
- বন্দী অবস্থায় নির্মমভাবে হত্যা করা হয় বাংলার শেষ স্বাধীন নবাবকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৪৫.
সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল নিচের কোন জেলা?
  1. কুমিল্লা
  2. চট্টগ্রাম
  3. দিনাজপুর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

 সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- প্রাচীন বঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের নতুন নামের আর একটি বিশাল রাজ্য।
- মধ্যবাংলার কিছু অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৮৪৬.
প্রধানত নিচের কোন জেলায় রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা - ৫০টি।
তাদের মধ্যে রাখাইন উপজাতিরা প্রধানত পটুয়াখালী এবং কক্সবাজার জেলায় বসবাস করে। এছাড়াও রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম ও বরগুনা জেলায় কিছু সংখ্যক রাখাইন সম্প্রদায়ের মানুষ বসবাস করে। রাখাইনরা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, পটুয়াখালী জেলা।
৩,৮৪৭.
শান্তিতে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পেয়েছিলেন -
  1. ক) জুলিও কুরি পদক
  2. খ) জুলিও ফ্রিডম পদক
  3. গ) নেহেরু পদক
  4. ঘ) ম্যাগসেসে পদক
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রবর্তিত হয় ১৯৫০ সালে।
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কোনো রাষ্ট্রনেতার সেটিই ছিল প্রথম আন্তর্জাতিক পদক লাভ।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৮৪৮.
ঐতিহাসিক ছয়-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) মুখ্য আইন
  2. খ) বিল অব রাইটস
  3. গ) ম্যাগনাকার্টা
  4. ঘ) পিটিশন অব রাইটস
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
- ঐতিহাসিক ৬-দফাকে  তুলনা করা হয় 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে।
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ ১৯৬৬ অনানুষ্ঠানিক ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

৬ দফার দাবিসমূহ-
- শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
- মুদ্রা ও অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা (স্বতন্ত্র  মুদ্রা)।
- রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
- আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১
৩,৮৪৯.
নিচের কোনটি কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ? 
  1. ভূমিকম্প
  2. বন্যা
  3. সুনামি 
  4. খরা
ব্যাখ্যা

খরা (Drought):
- খরা একটি প্রধান কৃষি-আবহাওয়াজনিত আপদ (Agricultural Hazard).
- খরা হচ্ছে দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টিপাতের অভাব যা জলস্বল্পতার কারণে ঘটে।
- এটি কৃষি উৎপাদন, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এর তীব্রতা, পুনরাবৃত্তি ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা কৃষির জন্য ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
- খরার কারণে মাটিতে এবং ভূ-পৃষ্ঠে জলের ঘাটতি দেখা দেয়, ফলে ফসল ও পশুপালন ব্যাহত হয়।
- মাটির আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় শস্য উৎপাদন কমে যায়, খাদ্য নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এবং কৃষকের আয় হ্রাস পায়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিশেষ করে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় খরার প্রকোপ বেশি দেখা যায়।
- দীর্ঘ অনাবৃষ্টি বা অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাতের কারণে:
•  মাটি ফেটে যায়,
• ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যায়,
• এবং ফসলের উৎপাদন কমে যায়।
- উপকূলীয় অঞ্চলেও খাদ্যদ্রব্যের অভাব প্রকট হয়।
- এছাড়া, তীব্র গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় মানুষের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উৎস:
১. ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়;
২. প্রথম আলো। 

৩,৮৫০.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর প্রধান লক্ষ্য কোনটি?
  1. গোষ্ঠী স্বার্থ সংরক্ষণ
  2. দল গঠন
  3. নির্বাচন অংশগ্রহণ
  4. দেশের উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য :
•  দলীয় সংগঠনবিহীন:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়।
- সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

• দলীয় কর্মসূচিবিহীন:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
- এটি নির্দলীয় সংগঠন।
- এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

•  নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
-তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। 

• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না।
- বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
- তবে পরোক্ষভাবে রাজনীতিক নেতৃবৃন্দের সাথে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। 

• বেসরকারি সংগঠন:
- চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সরকারি স্বীকৃতিও সাধারণত থাকে না।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৮৫১.
বাংলায় বাঁরো ভূইয়াদের স্থায়ী ভাবে দমন করেন কে?
  1. ঈশা খাঁ
  2. জাহাঙ্গীর
  3. ইসলাম খান
  4. আকবর
ব্যাখ্যা
- ইসলাম খান চিশতী ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র।
- তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়। 
- ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণী (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৮৫২.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম পদ্মাসেতু কত তারিখে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৫ জুন ২০২২
  2. ২৫ জুন ২০২২
  3. ২৫ জুলাই ২০২২
  4. ২৮ জুলাই ২০২২
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
 
উৎস: i) ২৫ জুন, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৩,৮৫৩.
বিবিএসের SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যা কত শতাংশ?
  1. ৫৫.২ শতাংশ
  2. ৬০.৭ শতাংশ
  3. ৬৩.৬ শতাংশ
  4. ৬৬.৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ৬৩.৬ শতাংশ।
রিপোর্ট অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা : ১৬.৮২ কোটি।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭ শতাংশ
- জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১,১৪০ জন।
বিভিন্ন বয়সী জনসংখ্যা:
- ০-১৪ বয়সী : ২৮.১ শতাংশ
- ১৫-৪৯ বয়সী : ৫৪.৯ শতাংশ
- ৫০-৫৯ বয়সী : ৮.৭ শতাংশ
- ৬০+ বয়সী : ৮.৩ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
৩,৮৫৪.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. খ) আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় যা অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

• মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমদ।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৩,৮৫৫.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান রাসায়নিক সার কোনটি?
  1. ক) ইউরিয়া
  2. খ) টিএসপি
  3. গ) ডিএপি
  4. ঘ) জিপসাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত রাসায়নিক সারের মধ্যে ইউরিয়া সার প্রধান। মোট উৎপাদিত সারের ৮৫ ভাগের অধিক ইউরিয়া সার।
২০১৮-২০১৯ সালে দেশের সার কারখানাগুলোতে ৭.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদিত। তবে দেশের ইউরিয়া সারের বার্ষিক চাহিদা ২৫ লক্ষ মেট্রিক টনের অধিক।
(সূত্রঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট)
৩,৮৫৬.
যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টর পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৫৭.
আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার এখতিয়ার কার রয়েছে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আইনমন্ত্রী
  3. এটর্নি জেনারেল
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ :

• নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ।
- শীর্ষ কর্মকর্তা (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগ।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত)।

• সংসদ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং ভেঙে দেওয়া (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে)।
- সংসদে ভাষণ ও বাণী প্রদান।
- সংসদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলে সম্মতি দিয়ে আইন কার্যকর করা।
- সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি।

• আর্থিক ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া অর্থ বিল উত্থাপন করা যাবে না।
- সংসদ অর্থ মঞ্জুর করতে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের জন্য তহবিল থেকে অর্থ অনুমোদন।

• বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা:
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ।
- আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা।

• জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
- যুদ্ধ, বিদেশি আগ্রাসন বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা (প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে)।

• অন্যান্য দায়িত্ব:
- জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব।
- খেতাব, পদক ও সম্মাননা প্রদান।
- নাগরিকদের বিদেশি উপাধি গ্রহণে অনুমতি প্রদান।
- রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও দলিল সম্পাদন।
- বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করানো।

• জবাবদিহিতা:
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,৮৫৮.
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার কয়টি মূলনীতির কথা বলা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মূলনীতি:
- ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৮(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি চারটি।
- যথা: জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- এই নীতিসমূহ এবং তার সঙ্গে এই নীতিসমূহ হতে উদ্ভুত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বলে পরিগণিত।

উল্লেখ্য,
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এগুলো হলো:
• জাতীয়তাবাদ:
- মূল সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে।'
• সমাজতন্ত্র:
- মূল সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ানুগ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজ কায়েম করা হবে।'
• গণতন্ত্র:
- সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।
• ধর্ম নিরপেক্ষতা:
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন ধর্মের ব্যবহার, কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।'
 
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৮৫৯.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য তারামন বিবিকে যে উপাধি দেওয়া হয়-
  1. ক) বীর উত্তম
  2. খ) বীরাঙ্গনা
  3. গ) বীরবিক্রম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম
- তারামন বিবি।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

৩,৮৬০.
'ইন্ডিগো কমিশন' গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬১ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
 নীল বিদ্রোহ:
- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ নীলকরদের সীমাহীন অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নীল চাষিরা যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাই ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে খ্যাত।
- এর নেতৃত্ব দিয়েছিল স্থানীয় পর্যায়ের সাধারণ কৃষকরা।
- বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন নেতা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিচালিত করে। এ আন্দোলনে যশোর অঞ্চলের কৃষকদের নেতৃত্ব দেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই। হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার এবং নদীয়ায় মেঘনা সর্দার।
- এই নেতৃত্ব এতটাই শক্তিশালী এবং সুসংহত ছিল যে শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং ‘ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- নীল চাষীদের উপর অত্যাচারের কাহিনী নিয়ে রচিত গ্রন্থের নাম নীলদর্পণ (রচয়িতা: দীনবন্ধু মিত্র)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৬১.
'বড়কামতা' কোন জনপদের রাজধানী ছিলো?
  1. সমতট
  2. রাঢ়
  3. গৌঢ়
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সমতট রাজ্যের রাজধানী ‘বরকামতা’র উৎপত্তির ইতিহাস: 
- বর্তমান ‘বরকামতা’ গ্রামটি একসময় প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ ছিল।
- সাবেক বৃহত্তর কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্রগ্রাম জেলার বিশাল অংশ নিয়ে সমতট রাজ্যের অবস্থান ছিল এবং প্রায় ৫শত মাইল বিস্তৃত ছিল বলে জানা যায়।
- খ্রীষ্টিয় নবম শতাব্দীতে এ অঞ্চলটি হরিকেল অঞ্চলের রাজাদের অধীনে চলে আসে। 
- অষ্টম শতাব্দীতে লালমাই ময়নামতি দেব বংশ এবং দশম থেকে একাদশ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত চন্দ্র বংশের শাসনাধীনে ছিল (ময়নামতির সাবেক নাম ছিল রোহিতগিরি)।
- ১৭৬৫ সালে এ অঞ্চলটি ইংরেজ ‘ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী’র অধীনে আসার পর ১৭৯০সালে জেলাটি ত্রিপুরা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা হয়।
- রাজা কমলাঙ্ক’র শাসনামলে তার নামানুসারে এ জেলার নাম হয়েছিল ‘কমলাঙ্ক’, কালক্রমে ‘কমলাঙ্ক’ থেকে ‘কার্মান্ত,’ ‘কার্মান্ত’ থেকে ‘কর্র্মূল্যা’, ‘কর্মূল্যা’ থেকে ‘কুমিল্যা’ এবং সর্বশেষ ১৯৬০সালে এর নাম পরিবর্তন করে ‘কুমিল্লা’ রাখা হয়।  

উৎস: বরকামতা ইউনিয়নের ওয়েবসাইট (লিংক)।
৩,৮৬২.
MCC এর আজীবন সদস্যপদ পাওয়া প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার-
  1. ক) মুশফিকুর রহমান
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) মাশরাফি বিন মুর্তজা
  4. ঘ) সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা
মের্লবোন ক্রিকেট ক্লাব: 

- ১৭৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় MCC.
- ১৮৩৫০ জন পূর্ণ এবং ৬০০০ সহযোগী সদস্য আছন এই ক্লাবে।
- এই বছর ১৯ জনকে সদস্যপদ দেয়া হয়।
- প্রথম বাংলাদেশি খেলোয়ার হিসেবে মাশরাফি বিন মুর্তজা এই ক্লাব এর সদস্য হয় এই বছর।
- তার আগে ২০০৩ সালে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে প্রশাসনিক বিভাগে MCC এর আজীবন সদস্যপদ পান সাবেক বিবিসি সভাপতি এবং ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য সাবের হোসেন চৌধুরী।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর(০৬ এপ্রিল ২০২৩)।
৩,৮৬৩.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও ক্ষমতায়নে কত কোটি টাকার সংস্থান ব্যায় রাখা হয়েছে?
  1. ১২০ কোটি 
  2. ১২৫ কোটি 
  3. ১৪৫ কোটি 
  4. ১৩০ কোটি 
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরেরে বাজেট: 
- বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে – ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ৪০৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।

এছাড়াও,
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।

উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছরেরে বাজেট।

৩,৮৬৪.
'হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. শামীম শিকদার
  4. এহসান খান
ব্যাখ্যা
হাতির ঝিল:
- 'হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।  

অন্যদিকে,
- হামিদুজ্জামান খান 'সংশপ্তক' এর ভাস্কর।
- 'সাবাস বাংলাদেশ' এর ভাস্কর নিতুন কুণ্ডু।
- স্বােপার্জিত স্বাধীনতার স্থপতি শামীম শিকদার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট  এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,৮৬৫.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. ছাত্র ইউনিয়ন
  2. আওয়ামী লীগ
  3. ছাত্রলীগ
  4. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৩,৮৬৬.
বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কোনটি?
  1. ক্রিকেট
  2. কাবাডি
  3. ফুটবল
  4. হকি
ব্যাখ্যা

কাবাডি:
- বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি।
- মূলত হাডুডু নামটির পোশাকি নাম কাবাডি।
- কাবাডি দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- এই খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়।
- ১৯৭২ সালে কাবাডিকে বাংলাদেশের জাতীয় খেলা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- পরের বছর ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের অপেশাদার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বার্মার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়ক এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে আন্তঃস্কুল প্রতিযোগিতায় কাবাডির অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করেছিল।

উৎস: প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।

৩,৮৬৭.
১৯৭০ সালে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল -
  1. হারিকেন
  2. নৌকা
  3. হাতপাখা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দল:

• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলো পৃথক পৃথকভাবে প্রার্থী মনোনীত করে।
মোট ৭৮১ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেন। 
• জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিল ১৬২ জন 
• ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'। 
• নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক দলের মধ্যে ছিল যথাক্রমে: 
- নিখিল পাকিস্তান কেন্দ্রীয় জমিয়াতুল উলেমা ও নেজামে ইসলাম (৪৫),
- ইসলামী গণতন্ত্রী দল (৫), 
- জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান (৬৯), 
- পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি (৮১), 
- পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কনভেনশন- ৯৩), 
- পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাউন্সিল- ৫০), 
- পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কাইয়ুম- ৬৫) প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৬৮.
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কার নেতৃত্বে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়?
  1. এস এম শরীফ
  2. কুদরাত-ই-খুদা
  3. মওলানা আকরম খাঁ
  4. আতাউর রহমান খান
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে শিক্ষার উন্নয়ন:
- সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদের উন্নয়নে শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বাধীন দেশের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- এই লক্ষ্যে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।

এছাড়াও,
- শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুননির্মাণ করা হয়।
- প্রথমবারের মতো সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় শিক্ষকদের পাওনা ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেন।

অন্যদিকে,
- মওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন (১৯৪৯) প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্মূল্যায়ন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও পুনর্বিন্যাসের ক্ষেত্রে সুপারিশ পেশ করার জন্য ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানে প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়।
- আতাউর রহমান খান শিক্ষা কমিশন (১৯৫৭) পূর্ব পাকিস্তান সরকার প্রদেশে শিক্ষার সার্বিক সংস্কার সুপারিশের জন্য ১৯৫৭ সালের জানুয়ারি মাসে আতাউর রহমান খানকে চেয়ারম্যান করে একটি শিক্ষা কমিশন নিয়োগ করে।
- জাতীয় শিক্ষা বিষয়ক কমিশন (১৯৫৮)  পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষাসচিব এস এম শরীফকে চেয়ারম্যান এবং দশজন শিক্ষাবিদকে সদস্য করে পাকিস্তান সরকার ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর এই কমিশন গঠন করে। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৬৯.
কোন শাসকের আমলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
  3. শশাঙ্ক
  4. গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
ব্যাখ্যা

- বাংলায় সুলতানী আমলের সূত্রপাত ১৩৩৮ সালে যা ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- সুলতানি আমলে বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তৃতি লাভ করে।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ হলেন `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজত্বকাল ছিল ১৩৪২ সাল থেকে ১৩৫৮ সাল পর্যন্ত। এ সময়ে তিনি সমগ্র বাংলাকে একত্র করে বাঙ্গালাহ নাম দেন এবং এর অধিবাসীদের বাঙ্গালি নাম দেন

- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’’ এবং ‘সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহকে বাংলার প্রথম প্রকৃত স্বাধীন সুলতান হিসেবে অভিহিত করা হয় ।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

৩,৮৭০.
বর্তমানে সরকার কয়টি মন্ত্রণালয়ের অধীন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে? [মে, ২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ২২টি
  3. ২৬টি
  4. ২৮টি
ব্যাখ্যা
সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ ২৭ ধরনের ভাতা দেওয়া হয়।
- এসব কর্মসূচিকেই প্রকৃত অর্থে সামাজিক সুরক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- বর্তমানে ২৬টি মন্ত্রণালয়ের অধীন ১৪০টি কর্মসূচির মাধ্যমে সরকার সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

উল্লেখ্য,
- চলতি অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা পাচ্ছেন ৬০ লাখ। তাদের মাথাপিছু মাসিক ভাতা ৬০০ টাকা।
- বিধবা ভাতা পান প্রায় ২৮ লাখ এবং মাথাপিছু ভাতা ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা পান ৩২ লাখ এবং মাথাপিছু ভাতা ৮৫০ টাকা।
- অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিশেষ ভাতা পান ৬০ হাজার। তাদের মাথাপিছু মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা।
- সাধারণত তিন মাস পরপর উপকারভোগীদের টাকা দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
৩,৮৭১.
সুলতান মাহমুদ কত বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন?
  1. ১৩ বার
  2. ১৬ বার
  3. ১৭ বার
  4. ১৯ বার 
ব্যাখ্যা
সুলতান মাহমুদ: 

• জন্ম: ৯৭১ সাল।
• মৃত্যু: ৩০ এপ্রিল ১০৩০ সাল। 
• জন্মস্থান: আফগানিস্তান।
• মাহমুদ ২৭ বছর বয়সে ৯৯৮ সালে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
• সুলতান মাহমুদ ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন ১৭ বার।
• ১০০১ সালে, মাহমুদ ১৫ হাজার ঘোড়া সৈন্যের নেতৃত্বে ভারতে যাত্রা করেন। 
• সুলতান মাহমুদ ছিলেন গজনীর অধিপতি।
• সুলতাল মাহমুদ ভারত আক্রমণ করেন ১০০০ সালে।
• সুলতান মাহমুদের সভাকবি কে ছিলেন মহা কবি ফেরদৌসি।
• আল বিরুনী নামকরা দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ হিসাবে কর্মরত ছিলেন সুলতান মাহমুদের দরবারে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং Live Mcq লেকচার। 
৩,৮৭২.
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত কোনটি?
  1. মরিনী
  2. কবরী
  3. প্রতিভা
  4. সুন্দরী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৩,৮৭৩.
উপজেলা পরিষদের জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত পদ কতটি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
- উপজেলা পরিষদ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম। ১৯৮২ সালে দেশে প্রথম উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় এবং ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে উপজেলা পরিষদের নির্বাচিত পদ তিনটি।
এগুলো হলো:
- চেয়ারম্যান
- ভাইস চেয়ারম্যান
- মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান।
- সংশ্লিষ্ট উপজেলার অন্তর্গত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, অন্তর্গত পৌরসভার মেয়র এবং অন্তর্গত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্দিষ্ট সংখ্যক প্রতিনিধিদের নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই পরিষদের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,৮৭৪.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
  1. ৫:২
  2. ৩:১
  3. ৫:৩
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৩,৮৭৫.
সম্প্রতি সুদানে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী কোন মিশনে দায়িত্বরত অবস্থায় হামলার শিকার হন?(ডিসেম্বর,২০২৫)
  1. UNIMOG 
  2. UNISFA
  3. UNITSO
  4. UNMISS
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা আবেইতে UNISFA মিশনে দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হন।

• ২০২৫ সালের ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা ঘটে। এই হামলায় বাংলাদেশের ৬ জন শান্তিরক্ষী শাহাদাত বরণ করেন।

• নিহত শান্তিরক্ষীদের মৃতদেহ ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে।
• মৃতদেহ এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে দেশে আনা হয়।
• বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম মৃতদেহ গ্রহণ করেন।

উৎস: UNISFA নিউজ ও বিবিসি।

৩,৮৭৬.
পদ্মা সেতু নিচের কোন দুইটি জেলাকে যুক্ত করবে?
  1. ক) শরিয়তপুর ও ফরিদপুর
  2. খ) নৱসিংদী ও মুন্সিগঞ্জ
  3. গ) খুলনা ও সাতক্ষীরা
  4. ঘ) মাদারীপুর ও মুন্সিগঞ্জ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু বাংলাদেশের পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। এর মাধ্যমে লৌহজং, মুন্সিগঞ্জের সাথে শরিয়তপুর ও মাদারীপুর যুক্ত হবে, ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর-পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৩,৮৭৭.
জনশুমারি - ২০২৫ অনুসারে বাংলাদেশে উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ৫০২টি
  2. ৪৯৫টি
  3. ৪৯৩টি
  4. ৪৯৭টি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বিভাগ : ৮টি।
- জেলা : ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন : ১২ টি।
- উপজেলা  :  ৪৯৫ টি।
- মেট্রো থানা :  ১০৫ টি।
- পৌরসভা :  ৩৩০ টি।
- ইউনিয়ন :  ৪,৫৯৬ টি।
- মৌজা :  ৫৮,৮৪৬ টি।
- গ্রাম :  ৯০,০৪৯ টি।
- মহল্লা : ১৫,১৫৩ টি।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২, স্থানীয় সরকার বিভাগ ।
৩,৮৭৮.
'বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স- ২০২৫' কোন দেশের রাষ্ট্রদূতকে প্রদান করা হয়েছে?
  1. ইরান
  2. জাপান
  3. সৌদি আরব
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড:
- কূটনীতিতে অবদান রাখা একজন দেশি ও একজন বিদেশি কূটনীতিককে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- ২০২৫ সালে এ পুরস্কার পান ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ঈসা ইউসুফ ঈসা আল দুহাইলান।
- বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে অবদান রাখায় রাষ্ট্রদূত‌কে এ পুরস্কার দেওয়া হ‌য়।
- প্রতিবেদনমতে, গত তিন বছরে ২২ লাখ বাংলাদেশির কর্মী ভিসা এবং প্রতিদিন দূতাবাস ৭ হাজার ভিসা ইস্যু করছে সৌদি দূতাবাস।

উল্লেখ্য,
- ২০২০ সালে চালু করার সময় এ পুরস্কারের নাম ছিল বঙ্গবন্ধু মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স।
- বর্তমানে পুরস্কারের নাম বাংলাদেশ মেডেল ফর ডিপ্লোম্যাটিক এক্সিলেন্স।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
৩,৮৭৯.
বাংলার সর্বশেষ সুলতান কে?
  1. ক) গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  2. খ) ইলিয়াস শাহ
  3. গ) শামসুদ্দিন মুজাফফর শাহ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলার সর্বশেষ সুলতান:

- বাংলার সর্বশেষ সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ।
- ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ের ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন।
- যা প্রায় দুইশ বছর স্থায়ী ছিলো।
- ১৫৩৮ সালে হুসেন শাহী বংশের শেষ শাসক সুলতান গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহকে (১৫৩৩-১৫৩৮ খ্রি.) পরাজিত করে শের শাহ শূর বাংলায় আফগানি শাসনের সূচনা করেন।
- শের শাহ কর্তৃক আফগান শাসন প্রতিষ্ঠার ফলে বাংলার দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৮০.
‘আমার বাড়ি আমার খামার’ একটি -
  1. ক) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
  2. খ) গ্রাম উন্নয়ন সমিতি
  3. গ) স্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন মডেল
  4. ঘ) সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
•  ‘আমার বাড়ি আমার খামার’ একটি স্থায়ী দারিদ্র্য বিমোচন মডেল
- প্রতিটি বাড়িকেই অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।
- ভূমিহীন অর্থাৎ শূন্য থেকে ৫০ শতক জমির মালিক, চরাঞ্চল/অনগ্রসর এলাকায় এক একর জমির মালিক, সর্বোপরি দরিদ্র বলে সর্বজন স্বীকৃত মানুষই এ প্রকল্পের আওতাভুক্ত হবে।  

• টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার অভীষ্ট-১ এ ‘সর্বত্র সব ধরনের দারিদ্র্যের অবসান’, অভীষ্ট-২ এ ‘ক্ষুধার অবসান, খাদ্য নিরাপত্তা ও উন্নত পুষ্টিমান অর্জন, টেকসই কৃষির প্রসার’ এবং অভীষ্ট-৫ এ ‘লিঙ্গ সমতা অর্জন এবং নারী ও মেয়েদের ক্ষমতায়ন’ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রকল্পটি সকল জেলার সকল ইউনিয়নের প্রত্যেক ওয়ার্ডে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

• প্রকল্পটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো নিজস্ব স্থায়ী পুঁজি সৃষ্টি ও তার স্থায়ী ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি ও অকৃষি উৎপাদন ও আয় বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত সারা দেশে ১২,০৪৬৫ টি গ্রাম উন্নয়ন সমিতি গঠন করা হয়েছে। 

• প্রকল্পের আওতায় গঠিত গ্রাম উন্নয়ন সমিতি ও তার স্থায়ী তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্যে সরকার ‘পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা করেছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৩,৮৮১.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ওয়েসলি
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়।
- বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৮২.
জাতিসংঘের কত তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় ভাষণ প্রদান করা হয়?
  1. ক) ২৯তম
  2. খ) ২৮তম
  3. গ) ২৭তম
  4. ঘ) ২৫তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল অস্তির্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ই সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালের বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৬তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫শে সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো আমাদের মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন।
- ফলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলা ভাষা লাভ করে মর্যাদা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৮৮৩.
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ পাঠানোয় বাংলাদেশ -
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৫ম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ পাঠানোয় বাংলাদেশ শীর্ষে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৩,৮৮৪.
Who is the last Nawab of Dhaka?
  1. Khwaja Nazimuddin
  2. Khwaja Abdul Ghani
  3. Khwaja Habibullah
  4. Khwaja Atiqullah
ব্যাখ্যা
নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর:
- তিনি ২৬এপ্রিল, ১৮৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ঢাকার পঞ্চম এবং শেষ নবাব।
- তাঁর পিতাছিলেন নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর।
- নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুরের শাসনামলেই ঢাকার নবাবপরিবারের সম্পদ ও জৌলুশ কমতে থাকে।
- ১৯৫২ সালে ইস্ট পাকিস্তান এস্টেটঅ্যাকিউজিশন অ্যাক্ট দ্বারা যা চূড়ান্তভাবে বর্জন করতে হয়।
- ২১শে নভেম্বর ১৯৫৮ তারিখে নবাব হাবিবুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিভাগ ওয়েবসাইট।
৩,৮৮৫.
"নাকুগাঁও স্থলবন্দর" বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শেরপুর
  2. যশোর
  3. লালমনিরহাট
  4. চুয়াডাঙ্গা
ব্যাখ্যা
নাকুগাঁও স্থলবন্দর: 
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত একটি স্থলবন্দর,
- এটা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
- এই স্থলবন্দরটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলার ডালু সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।

বিভিন্ন স্থলবন্দর:

- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩,৮৮৬.
'প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন’ বলা হয় কাকে?
  1. অশোক
  2. হর্ষবর্ধন
  3. সমুদ্রগুপ্ত
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা

গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- ভারতে সাম্রাজ্যবাদী গুপ্তদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে।
- শ্রীগুপ্ত হচ্ছেন গুপ্ত বংশের আদি পুরুষ।
- এল্যানের মতে, পাটলীপুত্র (মগধের অভ্যন্তরে) নগরের অদূরে শ্রীগুপ্তের রাজত্ব ছিল।

• প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রথম কুমারগুপ্তের সময় (৪৩২-৪৪৮ খ্রি.) থেকে উত্তর বাংলা গুপ্ত সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে গড়ে ওঠে। গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই বাংলার উত্তরাংশের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শ্রীগুপ্তের কথা বলা হলেও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে। তাঁর উপাধি ছিল মহারাজাধিরাজ।

• গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয় সমুদ্রগুপ্তকে। তিনি সমগ্র বাংলা জয় করেন। তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন বলেও অভিহিত করা হয়।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা অধিকৃত হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজত্বকাল থেকে ছয় শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলার উত্তরাংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি ‘প্রদেশ' বা 'ভুক্তি' হিসেবে পরিগণিত হতো।

উৎস: i) ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।

৩,৮৮৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ 
  2. যশোর
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
- মোট তুলা উৎপাদন: ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন
- আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ২৮৪৪৩.৭৯ একর

বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: খুলনা বিভাগ (৫৭,০১৬.৯৩ বেল)
- দ্বিতীয়: রংপুর বিভাগ (৪,৪০৩.৬৪ বেল)

জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
- প্রথম: ঝিনাইদহ জেলা (২৫,১১৮.৬০ বেল)
- দ্বিতীয়- যশোর জেলা (১০,৮৭৯.৮৭ বেল)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩,৮৮৮.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন লাইব্রেরিতে 'বাংলা কর্নার' স্থাপিত হয়?
  1. ক) সান ফ্রান্সিস্কো পাবলিক লাইব্রেরি
  2. খ) কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরি
  3. গ) ক্যামব্রিজ পাবলিক লাইব্রেরি
  4. ঘ) বোস্টন পাবলিক লাইব্রেরি
ব্যাখ্যা
- নিউইয়র্কের বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল ও কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরির সহযোগিতায় স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে কুইন্স পাবলিক লাইব্রেরিতে বাংলা কর্ণার স্থাপিত হয়।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট 
৩,৮৮৯.
বঙ্গবন্ধু কত সালে প্রথম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটি:

সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথমবারের মতো দলটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৬৬ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৫৫ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগের তৃতীয় সম্মেলনে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট)
৩,৮৯০.
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বিএমটিএফ:
- বিএমটিএফ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর, ১৯৭৯ সালের ১১ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (BMTF) যাত্রা শুরু করে।
- এটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলির মধ্যে একটি।
- বিএমটিএফ এর কার্যক্রম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেড গাজীপুরের শিমুলতলীতে অবস্থিত।
- এর আয়তন ১৫৬.৪৭ একর।
- বিএমটিএফ ১৯টি গতিশীল কারখানা নিয়ে গঠিত।
- সেনাবাহিনী প্রধানের নেতৃত্বে বোর্ড চেয়ারম্যান এবং একজন ব্যবস্থাপনা পরিচালকের নেতৃত্বে বিএমটিএফ এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিএমটিএফ ওয়েবসাইট।

৩,৮৯১.
দেশের সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রটি কোন জেলায় অবস্থিত? [ জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সিলেট
  2. ভোলা 
  3. জামালপুর 
  4. লক্ষিপুর
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের সর্বশেষ  আবিষ্কৃত ৩০তম গ্যাসক্ষেত্র জামালপুরের মাদারগঞ্জে আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এই গ্যাসক্ষেত্রটি তারতাপাড়া গ্রামের কাছে শনাক্ত করা হয়েছে।

- তারতাপাড়া গ্রামে নতুন কূপ খননের পর প্রাথমিক পরীক্ষায় গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। 
- এই কূপ থেকে প্রতিদিন ৭.৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপন্ন হচ্ছে।
- কাজটি পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
-  এটি দেশের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে বর্তমানে ২৯টি চলমান প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। 
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত চলমান গ্যাসক্ষেত্রের নাম হলো ভোলা জেলার ইলিশা-১ (Ilisha-1)।
- ইলিশা-১- ২০২২ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ২০২৩ সালের মে মাসে এর আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। 
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্রের পরে ভোলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এই ইলিশা-১।
- এর আগে ভোলায় 'ভোলা নর্থ' এবং 'শাহবাজপুর' নামে আরও দুটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৩,৮৯২.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন -
  1. ক) অ্যালমন্ড ও পাওয়েল
  2. খ) এলান পটার
  3. গ) মাইরন উহনার
  4. ঘ) অধ্যাপক ফাইনার
ব্যাখ্যা
• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- এলান পটার - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়াও,
 - অধ্যাপক অ্যালমন্ড ও পাওয়েল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বার্থকামী গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক মাইরন উহনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে এক ধরনের স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী হিসেবে অভিহিত করেন।
- অধ্যাপক ফাইনার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে লবি হিসেবে অভিহিত করেন।
-  আলফ্রেড গ্রজিয়ার মতে, “চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে, এমন এক সংগঠিত সামাজিক গোষ্ঠী; যা সরকারকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের আচরণকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।”

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি এবং  এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮৯৩.
কোন দেশের বদ্বীপ পরিকল্পনাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের বদ্বীপ পরিকল্পনা করা হয়েছে?
  1. স্পেন
  2. ইতালি
  3. জাপান
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৩,৮৯৪.
জাতীয় এসএমই নীতিমালা-২০২৫ (খসড়া)-এর মূল লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপিতে এসএমই খাতের অবদান কত শতাংশে উন্নীত করা?
  1. ৩৫
  2. ৩২
  3. ৩০
  4. ২৮
ব্যাখ্যা
জাতীয় এসএমই নীতি-২০২৫:
- এসএমই অর্থাৎ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাত বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ধারাবাহিকভাবে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।
- দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির ক্ষেত্রে এটি অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
- শিল্প খাতের ৯০ শতাংশ কর্মসংস্থান এই খাতের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত।
- সেই সঙ্গে দেশের জিডিপিতেও ৩০ শতাংশের কাছাকাছি অবদান রেখে এই খাতটি বিগত বছরগুলোয় প্রমাণ করেছে।
- সর্বশেষ ২০২২ সালের শিল্পনীতিতেও কুটির, মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে শিল্পায়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে বিকশিত করার সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টির কথা বলা হয়।

⇒ ‘বৈষম্যহীন টেকসই ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্ষমতায়ন’ এই রূপকল্পকে সামনে রেখে সম্প্রতি খসড়া এসএমই নীতিমালা ২০২৫ প্রণীত হয়েছে।
- জানুয়ারি, ২০২৫-এ এই খসড়া এসএমই নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে জাতীয় আয়ে (জিডিপি) এসএমই খাতের অবদান ৩৫ শতাংশে উন্নীতকরণ।

উৎস: শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,৮৯৫.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কে নিয়োগ দেন?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধান বিচারপতি
  3. গ) জাতীয় সংসদ
  4. ঘ) মন্ত্রিপরিষদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৫৫(৩) অনুসারে বলা হয়েছে, 'যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্টপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করবেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান
৩,৮৯৬.
'বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ২নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩নং অনুচ্ছেদে
  3. ৪নং অনুচ্ছেদে
  4. ৫নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:

- স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের মোট এগারটি ভাগ রয়েছে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা' সম্পর্কে বর্ণিত আছে।
- অনুচ্ছেদ ১ - প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২ - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ ৩ - রাষ্ট্রভাষা।
- অনুচ্ছেদ ৪ - জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদ ৫(১) - অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা।
- অনুচ্ছেদ ৫(২) - অনুযায়ী রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।
- অনুচ্ছেদ ৬ - নাগরিকত্ব।
- অনুচ্ছেদ ৭ - সংবিধানের প্রাধান্য।
- অনুচ্ছেদ ৮ - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,৮৯৭.
বাংলায় নবাবী শাসনামলের (১৭০৭ - ১৭৬৩) শেষ নবাব কে ছিলেন?
  1. মুর্শিদকুলী খান
  2. সিরাজউদৌলা
  3. মীর কাসিম
  4. মীর জাফর
ব্যাখ্যা

- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান ১৭০৭ সালে নবাবী শাসনের সূচনা করেন।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলার ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয় স্বাধীন নবাবী আমল।
- তবে প্রশ্নে সাল উল্লেখ রয়েছে, ১৭৬৩ সাল পর্যন্ত। ১৭৬০ - ৬৩ সাল পর্যন্ত মীর কাসিম নবাব ছিলেন
- ১৭৬৪ সালে তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত নবাব নবাব মীর কাসিম, মোঘল সম্রাট শাহ আলম ও অযোধ্যার নওয়াব সুজাউদ্দৌলা বাহিনীর সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- উক্ত যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলা সহ অন্যান্য অঞ্চলে নবাবী শাসন বিলুপ্ত হয় এবং ইংরেজ উপনেবেশিক যুগ চূড়ান্তভাবে শুরু হয়।

উৎস: একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত) ও বাংলাপিডিয়া।

৩,৮৯৮.
বর্তমানে বাফুফের সভাপতি কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. তাবিথ আউয়াল
  2. আবদুস সালাম মুর্শেদী
  3. ইমরুল হাসান
  4. নাসের শাহরিয়ার জাহেদী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (Bangladesh Football Federation):
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাফুফে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৬ সালে।
- এএফসির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৩ সালে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাফ ফেডারেশন ওয়েবসাইট।

৩,৮৯৯.
বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মহেশখালি
  2. খ) টেকনাফ
  3. গ) পেকুয়া
  4. ঘ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
- কক্সবাজারের পেকুয়ায় প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে দেশের সামরিক ইতিহাসে এক গৌরবময় অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
- গত ২০ মার্চ গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নৌবাহিনীর প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বিএনএস শেখ হাসিনা’-এর কমিশনিং অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
- ২০১৭ সালের ১২ মার্চ নৌবহরে দুটি সাবমেরিন (বিএনএস নবযাত্রা ও বিএনএস জয়যাত্রা) যুক্ত করে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে একটি পূর্ণাঙ্গ ত্রিমাত্রিক বাহিনী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ১৪ বছরে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে ৪টি ফ্রিগেট, ৬টি করভেট, ৪টি বড় প্যাট্রোল ক্র্যাফট, ৫টি প্যাট্রোল ক্র্যাফট, ২টি প্রশিক্ষণ জাহাজসহ মোট ৩১টি যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,৯০০.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'চরমপত্র' কথক কে ছিলেন?
  1. আবদুল হান্নান
  2. এম আর আখতার হামিদ
  3. এম আর আখতার মুকুল
  4. কামাল লোহানী
ব্যাখ্যা
• এম. আর আখতার মুকুল (১৯২৯-২০০৪):
- এম আর আখতার মুকুল সাংবাদিক, লেখক, সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সাড়া জাগানো অনুষ্ঠান 'চরমপত্র'-এর কথক।
- তাঁর জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ আগস্ট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের অন্তর্গত চিংগাসপুর গ্রামে।
- ১৯৮৭ সালে দেশে ফিরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র সম্পাদনার দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছুদিন কাজ করেছেন। পরে তিনি ঢাকায় সাগর পাবলিশার্স নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
- এ সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর রচিত ৬০টিরও বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

• এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
⇒পল্লী এক্সপ্রেস (অনুবাদ, ১৯৬০),
⇒রূপালী বাতাস (১৯৭২),রূপালী বাতাস সোনালী আকাশ (১৯৭৩),
⇒মুজিবের রক্তলাল (১৯৭৬),
⇒ভাসানী মুজিবের রাজনীতি (১৯৮৪),
⇒পঞ্চাশ দশকে আমরা ও ভাষা আন্দোলন (১৯৮৫)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।