বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩৩ / ৩০৬ · ৩,২০১৩,৩০০ / ৩০,৮৩২

৩,২০১.
সংবিধানে প্রস্তাবনার প্রথম ভাগে কী ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  3. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা
  4. মূলনীতি গ্রহণ
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,২০২.
ইংরেজ সেনাপতি ওয়াটসন ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যকার সম্পাদিত সন্ধি কী নামে পরিচিত?
  1. আলীনগরের সন্ধি
  2. মুর্শিদাবাদ সন্ধি
  3. দিল্লি সন্ধি
  4. ভাগীরথী সন্ধি
ব্যাখ্যা
- ইংরেজ সেনাপতি ওয়াটসন ও নবাব সিরাজউদ্দৌলার মধ্যকার সম্পাদিত সন্ধি আলীনগরের সন্ধি নামে পরিচিত।

আলীনগরের সন্ধি :
- কলকাতা অধিকার করার পর নবাব সিরাজউদ্দৌলা সেনাপতি মানিক চাঁদকে কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে রেখে রাজধানী মুর্শিদাবাদ ফিরে যান।
-  অন্ধকূপ-হত্যা কাহিনী এবং নবাব কর্তৃক কলকাতা দখলের সংবাদ মাদ্রাজে পৌঁছলে ইংরেজ সেনাপতি ওয়াটসন ও রবার্ট ক্লাইভ কলকাতা দখলের জন্যে অভিযান শুরু করে।
- মানিক চাঁদের নামমাত্র প্রতিরোধ ভেঙ্গে কলকাতা পুনরায় দখল করে নেন।
- নবাব চারদিকে ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল লক্ষ করে ইংরেজদের সাথে এক অপমানজনক সন্ধি করতে বাধ্য হন।
- এ সন্ধিই বিখ্যাত 'আলী নগরের সন্ধি' নামে খ্যাত।
- এ সন্ধির শর্তানুসারে নবাব দিল্লির সম্রাট কর্তৃক ইংরেজদের প্রদত্ত সকল বাণিজ্যিক সুযোগ সুবিধা, যুদ্ধের ক্ষয়-ক্ষতি প্রদান, টাকশাল নির্মাণ এবং দুর্গ সংস্কার করার অনুমতি প্রদান করেন।

উৎস:ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২০৩.
বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন কে?
  1. শিবনারায়ণ দাস
  2. জহুরুল হক
  3. সিরাজুল আলম খান
  4. আ স ম আব্দুর রব
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন।
- মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আব্দুর রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।

সূত্র-  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২০৪.
বিবিএস রিপোর্ট অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে মহিলা প্রতি মোট প্রজনন হার কত?
  1. ১.৯২
  2. ২.০৪
  3. ২.০৮
  4. ২.১০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019 অনুসারে ১৫-৪৯ বয়সী মহিলা প্রতি সন্তান প্রজনন হার বা মোট প্রজনন হার ২.০৪।
- গ্রামাঞ্চলে : ২.৩৭
- শহরাঞ্চলে : ১.৬৭।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019)
৩,২০৫.
স্বাধীন দেশ হিসেবে পাকিস্তান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ২২শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  2. ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. ২২শে এপ্রিল, ১৯৭৪
  4. ২৪শে এপ্রিল, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে পাকিস্তানের স্বীকৃতি:
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

• ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC-এর দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসি সম্মেলনে যোগদানের শর্ত হিসেবে বাংলাদেশ পাকিস্তান থেকে এই স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছিল। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত। উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।
- নানা বাধা-বিপত্তির পরও দেখা যায় স্বাধীন হবার মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হয়েছিল আর শতাধিক দেশের স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- বিজয়ের পর পরই ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৩,২০৬.
চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের প্রধান সংগঠক কে ছিলেন?
  1. তিতুমীর
  2. ইলা মিত্র
  3. মাস্টারদা সূর্য সেন
  4. বটুকেশ্বর দত্ত
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্য সেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- বিএ পড়ার সময় তিনি তাঁর এক শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন।
- অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামে বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- সূর্য সেন ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে বিপ্লবী যুগান্তর দলকে পুনরুজ্জীবিত করেন। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে 'মাস্টারদা' আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,২০৭.
ধর্মসাগর দীঘি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ধর্মসাগর:
- ধর্মসাগর মূলত একটি প্রাচীন দীঘি।
- দীঘিটি কুমিল্লা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত।
- এই দীঘির আয়তন ২৩.১৮ একর।
- ত্রিপুরা রাজ্যের অধিপতি মহারাজা ধর্মমাণিক্য এই দীঘিটি খনন করেন।
- তারই নামানুসারে দিঘিটির নামকরণ করা হয় ‘ধর্মসাগর’।
- ১৪৫৮ সালে দীঘিটি খনন করা হয়।
- 'রাজমালা' গ্রন্থ অনুযায়ী ধর্মমাণিক্য সুদীর্ঘ ৩২ বৎসর রাজত্ব করেন (১৪৩১-৬২ খ্রীস্টাব্দ)।
- কুমিল্লা শহর ও তার আশেপাশের অঞ্চল তাঁর রাজত্বের অধীন ছিল। জনগণের পানীয় জলের সুবিধার জন্য দীঘিটি খনন করেন।

তথ্যসূত্র - কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট।
৩,২০৮.
২০২৪ সাল পর্যন্ত শেখ হাসিনা কতবার প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন?
  1. ৪ বার
  2. ৫ বার
  3. ৬ বার
  4. ৭ বার
ব্যাখ্যা
শেখ হাসিনা:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৫ সন্তানের মধ্যে জ্যেষ্ঠ শেখ হাসিনা।
- গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- শেখ হাসিনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৩ সালে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ছাত্রজীবন থেকেই শেখ হাসিনা সকল গণআন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
- শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোটবোন শেখ রেহানা সে সময় পশ্চিম জার্মানিতে অবস্থান করায় বেঁচে যান।
- ১৯৮০ সালে ইংল্যান্ডে থেকে তিনি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
- ছয় বছরের নির্বাসিত জীবন শেষ করে অবশেষে তিনি ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন।
- তিনি এখন পর্যন্ত (২০২৪) ৫ বার প্রধানমন্ত্রী ও ৮ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৯৬, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন।
- ১৯৮৬, ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,২০৯.
রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের ক্ষমতা কার হাতে রয়েছে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রীপরিষদ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে, রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের ক্ষমতা জাতীয় সংসদ এর হাতে রয়েছে।

রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:

৫২। (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারিবে; ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করিতে হইবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারিবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন। 
(২) এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন অভিযোগ তদন্তের জন্য সংসদ কর্তৃক নিযুক্ত বা আখ্যায়িত কোন আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা কর্তৃপক্ষের নিকট সংসদ রাষ্ট্রপতির আচরণ গোচর করিতে পারিবেন। 
(৩) অভিযোগ-বিবেচনাকালে রাষ্ট্রপতির উপস্থিত থাকিবার এবং প্রতিনিধি-প্রেরণের অধিকার থাকিবে। 
(৪) অভিযোগ-বিবেচনার পর মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে অভিযোগ যথার্থ বলিয়া ঘোষণা করিয়া সংসদ কোন প্রস্তাব গ্রহণ করিলে প্রস্তাব গৃহীত হইবার তারিখে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবে। 
(৫) এই সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ-অনুযায়ী স্পীকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব-পালনকালে এই অনুচ্ছেদের বিধানাবলী এই পরিবর্তন-সাপেক্ষে প্রযোজ্য হইবে যে, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় স্পীকারের উল্লেখ ডেপুটি স্পীকারের উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে এবং (৪) দফায় রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইবার উল্লেখ স্পীকারের পদ শূন্য হইবার উল্লেখ বলিয়া গণ্য হইবে; এবং (৪) দফায় বর্ণিত কোন প্রস্তাব গৃহীত হইলে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনে বিরত হইবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,২১০.
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ঢাকায় সর্বপ্রথম কবে ছাত্রজনতা ধর্মঘট পালন করে?
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ একটি স্মরণীয় দিন। গণপরিষদের ভাষা তালিকা থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাখার প্রতিবাদস্বরূপ ঐ দিন ঢাকা শহরে প্রথম ধর্মঘট পালিত হয়।
ধর্মঘটের পক্ষে ‘রাষ্ট্রভা্ষা বাংলা চাই’ এই স্লোগানে মিছিল করার সময় শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী গোলাম মাহবুব, শওকত আলী, আবদুল ওয়াহেদ প্রমুখ গ্রেফতার হন।
একজন পুলিশের নিকট থেকে রাইফেল ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের আঘাতে মোহাম্মদ তোয়াহা মারাত্মকভাবে আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ১২-১৫ মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
৩,২১১.
ডা. জাফরুল্লাহ প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন বাংলার প্রথম হাসপাতাল-
  1. ক) গণস্বাস্থ্য মেডিকেল
  2. খ) হার্ট ফাউন্ডেশন
  3. গ) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
  4. ঘ) গণস্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
- গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম স্বাস্থ্য কেন্দ্র বা হাসপাতাল, যা বর্তমানে দেশের সুপরিচিত স্বাস্থ্য সেবা প্রতিষ্ঠান।
- ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ছিলেন এই গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা।
- প্রতিষ্ঠানটি তার সমন্বিত সমাজ স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা সেবা বা জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদান রাখায় দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক লাভ করে।
- বর্তমানে সারাদেশে গণস্বাস্থ্যের ৪০টি মেডিকেল সেন্টার রয়েছে। 
- সারাদেশে ৪৩টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মেয়েদের ড্রাইভিং স্কুল, ভেটেরিনারি ফার্ম, রোহিঙ্গাদের জন্য ১৫টা মেডিকেল ক্যাম্প, এগ্রিকালচারাল ফার্ম, ওয়েল্ডিং অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ফার্ম রয়েছে। 
- স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১৯৭১ সালের মার্চে ব্রিটেনে বসবাসরত এক হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি চিকিৎসক নিয়ে গঠিত হয় বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ)। যার সভাপতি ছিলেন ডা. এ এইচ সায়েদুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
-  ১৯৭১ সালের মে মাসের প্রথম দিকে বিএমএ এবং যুক্তরাজ্য যৌথভাবে এম এ মোবিন ও জাফরুল্লাহকে মুক্তিযুদ্ধে সহায়তা করার জন্য ভারতে পাঠায়। তারা বাংলাদেশ অস্থায়ী সরকারের সহায়তায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মেলাঘরে ৪৮০ শয্যা বিশিষ্ট বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল স্থাপন করেন। এই হাসপাতালের কমান্ডিং অফিসার ছিলেন সেনাবাহিনীর চিকিৎসক ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম। যিনি তার বিশেষ অবদানের জন্য বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত হন।
- স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশ ফিল্ড হাসপাতাল ঢাকার ইস্কাটনে পুনঃস্থাপিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের এপ্রিলে গ্রামকে উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু রূপে গড়ে তোলার জন্য ‘চল গ্রামে যাই’ স্লোগানে হাসপাতালটি সাভারে স্থানান্তরিত হয়। তখন নামকরণ করা হয় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র। এই নাম দেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উৎস: ঢাকা ট্রিবিউন, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,২১২.
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
  1. ক) ১০,০০০ টাকা
  2. খ) ১৮,০০০ টাকা
  3. গ) ২০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ২৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা:
- জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনযাত্রা মানোন্নয়নে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।
- বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাগণ মাসিক ২০,০০০ টাকা করে সম্মানি পাচ্ছেন।
- এছাড়া, ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতাও দেয়া হচ্ছে।
- খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানি ভাতাসহ ১০,০০০ টাকা হারে বছরে ২টি উৎসব ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বর্তমানে বীরশ্রেষ্ঠদের ৩৫,০০০ টাকা, বীর উত্তমদের ২৫,০০০ টাকা এবং
- বীর বিক্রম ও বীর প্রতীকদের ২০,০০০ টাকা হারে মাসিক সম্মানি প্রদান করা হয়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৩,২১৩.
খরা সহনশীল জাতের ধান -
  1. ব্রি ধান-৫১
  2. ব্রি ধান-৫২
  3. ব্রি ধান-৫৫
  4. ব্রি ধান-৭৯
ব্যাখ্যা
খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫,
• ব্রি ধান-৫৬,
• ব্রি ধান-৫৭,
• ব্রি ধান-৬৫,
• ব্রি ধান-৬৬,
• ব্রি ধান-৭১.

অন্যদিকে,
⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১, 
• ব্রি ধান-৫২, 
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: i) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ii) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৩,২১৪.
When did the journey begin of financial services through mobile in Bangladesh?
  1. ক) 2011
  2. খ) 2012
  3. গ) 2013
  4. ঘ) 2014
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:

- বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় মার্চ ২০১১ সালে।
- ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম সেবাটি চালু করে, যার নাম এখন রকেট।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- ২০১৯ সালের মার্চে চালু হয় ডাক বিভাগের সেবা নগদ।
- পরে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিকাশ সেবা চালু হয়।
- বর্তমানে বিকাশ,রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ,উপায়,শিওর ক্যাশসহ ১৫টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো,২৯ মার্চ ২০২১।
৩,২১৫.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত বছর?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে-
- বাংলাদেশের একজন ভোটারের সর্রনিম্ন বয়স ১৮ বছর,
- বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর,
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,২১৬.
'মাদার অব হিউম্যানিটি' উপাধিতে কাকে ভূষিত করা হয়?
  1. শিরীন শারমিন
  2. ইন্দিরা গান্ধী
  3. শেখ হাসিনা
  4. মাদার তেরেসা
ব্যাখ্যা
মাদার অব হিউম্যানিটি:
- মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্যাতনের শিকার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেয়ায় ইতোমধ্যে বিশ্বের কাছে প্রশংসিত হয়েছে বাংলাদেশ।
- ব্রিটিশ মিডিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ (মানবতার জননী) বলে আখ্যায়িত করেছে।
- কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে ব্রিটেনভিত্তিক গণমাধ্যম 'চ্যানেল ফোর'। 
- চ্যানেলটির এশিয়া প্রতিনিধি জনাথান মিলার তার প্রতিবেদনে তুলে ধরেন ক্যাম্পে থাকা রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবনের কিছু অংশ।
- ওই প্রতিবেদনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘মাদার অব হিউম্যানিটি’ বলে ভূষিত করা হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রচ্ছদ প্রতিবেদন করেছে নেদারল্যান্ডসের নামকরা 'ডিপ্লোম্যাট ম্যাগাজিন'।
- সাময়িকীটি তাদের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের শিরোনাম করেছে ‘শেখ হাসিনা : মাদার অব হিউম্যানিটি’।

উৎস: কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।
৩,২১৭.
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক কে?
  1. হাসনাত আব্দুল্লাহ
  2. সারজিস আলম
  3. আখতার হোসেন
  4. নাহিদ ইসলাম
ব্যাখ্যা
National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
 - নাহিদ ইসলামকে দলটির  আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।
৩,২১৮.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সেনেগাল
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৩,২১৯.
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন-
  1. এম জি তোয়াব
  2. সদরুদ্দিন আহমেদ
  3. সাইফুল আজম
  4. এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা

এ কে খন্দকার
- এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার যিনি এ. কে. খন্দকার নামে পরিচিত
- তারঁ জন্ম: জানুয়ারি ১, ১৯৩০ সাল।
- তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। 
- মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি কঠোর মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে বিজয়ের দিকে পরিচালিত প্রচেষ্টাগুলোর সমন্বয়সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন এবং তাঁর যোগ্যতম পরিচালনায় যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিমান বাহিনী পুনর্গঠনে সক্ষম হন।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশাত্মবোধ ও সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারকে ‘বীর উত্তম’খেতাবে ভূষিত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,২২০.
শিশুর সহায়তা হট লাইন নম্বরটি কত?
  1. ১০২
  2. ১০৯
  3. ৯৯৯
  4. ১০৯৮
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামূলক কল সেন্টার।

- চারপাশে শিশুদের যে কোন সমস্যা হলে বিনামূল্যে কল করে সেবা নেওয়া যাবে।

অন্যদিকে,
- ১০২: ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের ঢাকা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে চালু হয়েছে নতুন হটলাইন নম্বর ১০২। যেকোন জরুরি সেবা গ্রহণের জন্য এই নম্বরে ফোন করা যাবে সকল অপারেটর থেকে।
- ১০৯: বাংলাদেশ সরকার ও ডেনমার্ক সরকারের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের আধীন নারী নির্যাতন প্রতিরোধকল্পে মাল্টিসেক্টরাল প্রোগামের প্রোগ্রামের আওতায় নারী নির্যাতন প্রতিরোধে ন্যাশনাল হেল্পলাইন সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। এখানে বিনামূল্যে ফোন করে আপনি জরুরী মুহুর্তে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এ্যাম্বুলেন্স এর সাহায্য নিতে পারবেন। এছাড়া যে কোন অপরাধের তথ্যও পুলিশকে জানাতে পারবেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,২২১.
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হচ্ছে -
  1. একুশে পদক
  2. বাংলা একাডেমি পদক
  3. স্বাধীনতা পদক
  4. প্রধানমন্ত্রী পদক
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পদক:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হলো 'স্বাধীনতা পদক',
- এটি ১৯৭৭ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে।
- এই পদকটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দ্বারা প্রদান করা হয়ে থাকে।
- 'একুশে পদক' হলো দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক,
- এটি ১৯৭৬ সাল থেকে প্রদান করা হচ্ছে। 

সূত্র: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,২২২.
বাংলাদেশের জাতীয়তা:
  1. বাঙালি
  2. বাংলাদেশি
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয়:
- বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ: আম গাছ।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল,
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল,
- জাতীয় ফুল: শাপলা,
- জাতীয় মাছ: ইলিশ,
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার,
- জাতীয় খেলা: কাবাডি,
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা,
- জাতীয়তা: বাংলাদেশি,
- জাতীয় শিশুপার্ক: ঢাকা শিশু পার্ক,
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম মসজিদ,
- জাতীয় প্রতীক: উভয় পাশে ধানের শীষ বেষ্টিত পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল,
- জাতীয় মনোগ্রাম: লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র, বৃত্তের উপরে লেখা ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ এবং নিচে লেখা ‘সরকার’। বৃত্তের দু’পাশে দুটি করে চারটি তারকা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,২২৩.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে কত বিলিয়ন আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার?
  1.  ৬৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2.  ৬৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3.  ৫৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4.  ৬০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আয়:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- এর মধ্যে পণ্য থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার।
- আর সেবা থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয় হবে বলে সরকার আশা করছে।

অন্যদিকে,
- দেশে কৃষি উৎপাদন বাড়িয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষকদের মধ্যে ৩৯ হাজার কোটি টাকা ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ রাজস্ববোর্ড ও  বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকা। লিঙ্ক]

৩,২২৪.
NAEM এর পূর্ণরূপ-
  1. National Academy for Educational Management
  2. National Authority for Education Monitoring
  3. National Association of Educational Ministries
  4. National Agency for Education and Management
ব্যাখ্যা
নায়েম(NAEM): 
- এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management.
- বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র।
- এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের।
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।

উৎস: নায়েম ওয়েবসাইট। 
৩,২২৫.
‘দোয়েল’ কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৩,২২৬.
ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) লালমণিরহাট
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
• ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
• তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে। 
• নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়। এ কারণে অধিকাংশ গবেষক মনে করেন যে, ওরাওঁরা দ্রাবিড়ভাষী কুড়ুখ জাতির উত্তর পুরুষ।
• ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁড়ুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
• এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁড়ুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।     

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৩,২২৭.
'গারো উপজাতি' প্রধানত কোন জেলায় বাস করে?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়াও শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলিবাজার গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম সাংসারেক।
- গারোদের প্রধান দেবতা তাতারা রাবুগা।
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- গারোদের উৎসব ওয়ানগালা।
- গারোদের ভাষা মান্দি।
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
উৎসঃ ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৩,২২৮.
বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২২ জুন, ১৯৭২
  2. ১১ মে, ১৯৮৫
  3. ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩
  4. ২৮ জুন, ১৯৮৫
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা:
- FAO-এর পূর্ণরূপ: Food and Agriculture Organization.
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে।
- সদর দপ্তর: রোম, ইতালি।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে: ১৯৪৬ সালে।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ১৯৫টি (১৯৪টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন)।
- বর্তমান মহাপরিচালক: ড. কু ডংগিউ (Qu Dongyu)।
- প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য:  ক্ষুধা দূরীকরণ এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে পুষ্টি ও জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩ তারিখে।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ২৮ জুন UNIDO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৫ সালের ১১ মে WIPO এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ২২ জুন ILO এর সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৩,২২৯.
সংবিধানে কয়টি ভাগ বা অধ্যায় আছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,২৩০.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে ছিলেন?
  1. মৃণাল হক
  2. নিতুন কুন্ডু
  3. তানভীর কবির
  4. শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পরবর্তী সময়ে সেখানে নির্মিত হয় একটি স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৩ সালের ৩১ আগস্ট সরকার মুজিবনগরে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের নির্দেশ দেয়। 
- ১৯৭৪ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এ প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। 
- মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ বাঙালির স্বাধীনতা যুদ্ধ ও আত্মত্যাগের প্রতীক। 
- ২০.১০ একর জমির উপর স্মৃতিসৌধটি স্থাপিত। 
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এ স্মৃতিসৌধ নির্মিত। 
- স্থপতি তানভীর কবিরের নকশায় এ সৌধটিকে উদীয়মান সূর্যের প্রতীক বলে মনে হয়। 
- ২৩টি স্তম্ভ পাকিস্তানের ২৩ বছর শাসনের প্রতীক। 
- এই ২৩ বছরে বাঙালি জাতি ধীরে ধীরে যে সংগ্রাম গড়ে তোলে, তার প্রতীকও ২৩টি স্তম্ভ। 
- ৩ ফুট ৬ ইঞ্চি উচ্চতায় ১৬০ ফুট ব্যাসে বেদীটি নির্মিত। 
- ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে এখানে পাঠাগার, মসজিদ ও অতিথিশালা নির্মাণ করে একে মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ কমপ্লেক্সে রূপান্তরিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,২৩১.
সাঁওতালদের বসবাস নেই কোন অঞ্চলে -
  1. ক) চট্রগ্রাম
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) রংপুর
ব্যাখ্যা
• সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
• তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
• প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
• সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি।
• সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
• সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই। খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা তাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারিত হচ্ছে। 
• প্রধান উৎস: সোহরাই।

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,২৩২.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' ইংরেজী কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১১৭০ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১১৭৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- কোম্পানির মুর্শিদাবাদের প্রতিনিধি রিচার্ড বেচারের ভাষায় ‘দেশের কয়েকটি অংশে যে জীবিত মানুষ মৃত মানুষকে ভক্ষণ করিতেছে তাহা গুজব নয়, অতিসত্য।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মৃত্যু বরণ করে।
- ইংরেজ সরকার বাংলার জনগণকে এই বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
- বরং ১৭৬৫-৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাৎসরিক রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ যা ছিল, দুর্ভিক্ষের বছরও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ প্রায় তার কাছাকাছি ছিল। ফলে চরম শোষণ নির্যাতনে বাংলার মানুষ হত দরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৩.
“দ্য রেবেল ক্রো” কি?
  1. ক) প্রখ্যাত ম্যুরাল
  2. খ) একটি চিত্রকর্ম
  3. গ) একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য
  4. ঘ) অস্কার বিজয়ী ফিল্ম
ব্যাখ্যা

১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত পঞ্চাশের মন্বন্তরের পটভূমিতে বিভিন্ন ছবি এঁকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন খ্যাতি অর্জন করেন।
দুর্ভিক্ষের উপর তার চিত্রকর্মের মধ্যে ম্যাডোনা-৪৩, দ্য রেবেল ক্রো উল্লেখযোগ্য।
এছাড়া তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে নবান্ন, সংগ্রাম, মনপুরা-৭০, মইটানা, পাইন্যার মা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

৩,২৩৪.
কোন বিদেশি মিশনের প্রথম বাংলাদেশে পতাকা উত্তোলিত হয়?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) কলকাতা
  3. গ) টোকিও
  4. ঘ) ওয়াশিংটন
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল, রবিবার কলকাতার পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন অফিসের সব বাঙালি কর্মকর্তা–কর্মচারী একযোগে আনুগত্য প্রকাশ করল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি। কার্যালয়ের নাম পাল্টে হয়ে গেল ‘গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক মিশন।’ মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হলো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করল।
সূত্রঃ প্রথম আলো।

৩,২৩৫.
পলাশীর যুদ্ধে কে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেনি?
  1. উমিচাঁদ
  2. ইয়ার লতিফ
  3. মোহনলাল
  4. রায় দুর্লভ
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলার সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধক্ষেত্রে নবাবের সেনাপতি মীরজাফর, জগৎশেঠ, রায় দুর্লভ, ইয়ারলতিফ, উমিচাঁদ প্রমূখ তাদের সৈন্যবাহিনীসহ নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে ইংরেজদের জয়ের সুযোগ করে দেয়।
- মীরমদন, মোহনলাল প্রমুখ দেশপ্রেমিক সৈনিকগণ ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রাণপণে যুদ্ধ করেন এবং ইংরেজদের গোলার আঘাতে মীরমদনের মৃত্যু হয়।
- নবাব পরাজিত ও নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।
- পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনাদের একটি দল 'সিনফ্রে'র সেনাপতিত্বে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণি।
৩,২৩৬.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর কত হাজার সৈন্য আত্মসমর্পণ করে?
  1. ৯০ হাজার
  2. ৯১ হাজার
  3. ৯৩ হাজার
  4. ৯৭ হাজার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে পাকি-বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- ১৬ ডিসেম্বর বিকালে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

⇒ তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৩৭.
India-Bangladesh Friendship Pipeline (IBFPL) will transport diesel from India to BPC depot in.
  1. ক) Tamabil
  2. খ) Akhaura
  3. গ) Benapole
  4. ঘ) Parbatipur
ব্যাখ্যা
- ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন (IBFPL) ভারত থেকে বিপিসি ডিপোতে ডিজেল পরিবহন করবে-পার্বতীপুর
- এই পাইপলাইন প্রকল্পের প্রাক্কলন ছিল ৫২০ কোটি টাকা।
এর মধ্যে--
ভারত সরকার ৩০৩ কোটি টাকা দেয় এবং বাংলাদেশ সরকার বাকি অর্থ ২১৭ কোটি টাকা দেয়।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়কাল ২০২০ থেকে জুন ২০২২ সাল পর্যন্ত।

- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৮ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করেন।
- চুক্তি স্বাক্ষরের ১৭ মাস পর ২২ ইঞ্চি ব্যাসের পাইপের প্রথম চালানটি ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে বাংলাদেশে আসে।

- ভারতের লুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড এবং বাংলাদেশের মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন স্থাপন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক -টিপু সুলতান

- পাইপলাইনের মাধ্যমে বছরে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ভারত থেকে বাংলাদেশে আমদানি করা যাবে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে লুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল) থেকে পশ্চিমবঙ্গ রেলওয়ের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ২ হাজার ২০০ টন ডিজেল আমদানি করে
- শিলিগুড়ির লুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেড এবং পার্বতীপুর তেল ডিপোর মধ্যে দূরত্ব প্রায় ১৩০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র: দৈনিক পত্রিকা নিউজ।
৩,২৩৮.
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
  1. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  2. সিপাহী হামিদুর রহমান
  3. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  4. ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
ব্যাখ্যা

- মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত আছেন ২ জন বীরশ্রেষ্ঠ।
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ও বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।

• বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান:
- তার জন্ম ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, খদ্দখালিশপুর, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।
- ১৯৭১ সালে আনসারে স্বল্প সময় কাজ করে ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সেনাবাহিনীর ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- অক্টোবর ১৯৭১, মৌলভীবাজার জেলার ধলই সীমান্ত চৌকি আক্রমণে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- সামনে থেকে যুদ্ধ করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন।
- প্রথমে তাকে সমাহিত করা হয় আমবাসা গ্রাম, কমলপুর, ত্রিপুরা, ভারত।
- পরে তার দেহাবশেষ দেশে এনে ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে, 
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান শহীদ হন ২০ আগস্ট ১৯৭১।
- তাকে প্রথমে সমাহিত করা হয় মাসরুর বিমান ঘাঁটি, করাচি, পাকিস্তান।
- পরবর্তীতে ২৪ জুন ২০০৬, ৩৫ বছর পর তার দেহাবশেষ দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,২৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়-
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা

♦ সংবিধান:
- গণপরিষদের মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয়।
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক: আব্দুর রউফ।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩টি। 
- ভাগ বা অধ্যায়: ১১টি।
- তফসিল: ৭টি।
- প্রস্তাবনা: ১টি।
- মূলনীতি: ৪টি।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন: ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

♦ সংবিধান প্রণয়ন কমিটি:
- মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ)।
- কমিটির প্রধান বা সভাপতি: ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য: বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,২৪০.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম- 
  1. বৈষম্যহীন ও টেকসই উন্নয়নমুখী বাজেট 
  2. অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও সমৃদ্ধির পথে অগ্রসর
  3. বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়
  4. অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত 
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- বাজেটের ক্রম : ৫৪-তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৫-তম)। 
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'। 
- বাজেট উত্থাপনের তারিখ: ২ জুন, ২০২৫ সাল। 
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। (অর্থ উপদেষ্টা)
- বাজেট অনুমোদন: অনুমোদন ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর - ১ জুলাই, ২০২৫।

​উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট। 

৩,২৪১.
মুজিবনগর সরকারের চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্বে ছিলেন-
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  2. খ) ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী
  3. গ) লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব
  4. ঘ) গ্রুফ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ, অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম.মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান, প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী, চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুফ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
৩,২৪২.
২০২২ সালে কততম জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়?
  1. ৫ম
  2. ৬ষ্ঠ
  3. ৭ম
  4. ৮ম
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশে স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৪ সালে প্রথম জনশুমারি ও গৃহগণনা করা হয়। 
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ছয়টি আদম শুমারি ও গৃহগণনা শুমারি পরিচালিত হয় যার সর্বশেষটি হয় ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩,২৪৩.
Which is the full form of VAT?
  1. ক) Visual Added Tax
  2. খ) Valuable Added Tax
  3. গ) Value Added Tax
  4. ঘ) Variety Added Taxation
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:

- VAT এর পূর্ণরূপ Value Added Tax.
- মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর।
- সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়।
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়। সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
৩,২৪৪.
দেশের যে জনপদে অধিক আম উৎপাদন হয় -
  1. ক) সমতট
  2. খ) পুন্ড্র
  3. গ) হরিকেল
  4. ঘ) বরেন্দ্র
ব্যাখ্যা

দেশের অধিক আম উৎপাদন হয় বরেন্দ্র জনপদে। 
- বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়। 
- রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর আম চাষের জন্য বিখ্যাত জেলা।

- কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের জনপদের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৩,২৪৫.
সম্প্রতি দেশের সকল কাঁচাবাজারে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয় কবে?
  1. ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  2. ১ অক্টোবর, ২০২৪
  3. ১ নভেম্বর, ২০২৪
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ:
- অতিমাত্রায় পলিথিন ও পস্নাস্টিক ব্যবহারের কারণে মানব শরীরে বাসা বাঁধছে ক্যানসারসহ নানা রোগ।
- পলিথিন ও পস্নাস্টিক পণ্য কয়েকশ বছরেও মাটির সঙ্গে মেশে না। বরং মাটির উর্বরতা নষ্ট করছে। সেই সঙ্গে সাগর-মহাসাগরকে বিষিয়ে তুলছে বিষাক্ত পলিথিন ও পস্নাস্টিক।
- বাংলাদেশ ২০০২ সালে ১ মার্চ আইন করে বিষাক্ত পলিথিন উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে।
- আইনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকলেও ২০ বছর ধরে বেড়েই চলেছে পলিথিনের উৎপাদন ও ব্যবহার।
- সরকার ২০১০ সালে আরেকটি আইন করে।
- পলিথিনের বদলে পাটের ব্যবহারের জন্য জারি করা হয় 'পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০'।
- আইনে ১১টি পণ্যের মোড়ক হিসেবে পস্নাস্টিক বা পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছিল।

⇒ ২০২৪ সালের  ১ অক্টোবর থেকে দেশের সকল সুপারশপে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়।
- ১ অক্টোবর থেকে সুপারশপে কোনো ধরনের পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ রাখা যাবে না এবং ক্রেতাদের দেওয়া যাবে না।

⇒ ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে দেশের সকল কাঁচাবাজারে পলিথিন বা পলিপ্রপিলিনের ব্যাগ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
৩,২৪৬.
ফসলের বীজ আমদানির ক্ষেত্রে 'Post-Entry Quarantine Centre'- এর কাজ হলো- 
  1. ক) আমদানিকৃত বীজের বিতরণ
  2. খ) আমদানিকৃত বীজের সংরক্ষণ
  3. গ) আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষা
  4. ঘ) শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানো
ব্যাখ্যা
- আমদানিকৃত বীজের রোগ-বালাই পরীক্ষার জন্য Post-Entry Quarantine Centre স্থাপনের জন্য প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
- শস্য সংগ্রহোত্তর ফসলের ক্ষতি কমানোর জন্য - ‘Post Harvest Management’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
৩,২৪৭.
বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে কোন সম্প্রদায়ের মানুষ বেশি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
মারমা - ২,২৪,২৯৯।
ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
গারো - ৭৬,৮৫৪।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৩,২৪৮.
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার কত শতাংশ হারে বোনাস প্রদান করে থাকে?
  1. ক) ১ শতাংশ
  2. খ) ২ শতাংশ
  3. গ) ২.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে অবৈধপথে অর্থ প্রেরণ বন্ধ করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে ২ শতাংশ প্রণোদনা বা বোনাস প্রদান চালু করে।
এ উদ্যোগের ফলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের রেমিট্যান্স আহরণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌছায় যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
(সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক প্রথম আলো)
৩,২৪৯.
কে মীর জুমলাকে বাংলার সুবাদারের দায়িত্ব দেন?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
- উত্তরাধিকার যুদ্ধে জয়ী হতে আওরঙ্গজেব সেনাপতি মীর জুমলাকে বাংলায় শাহ সুজাকে দমন করার জন্য প্রেরণ করলে মীর জুমলা রাজধানী জাহাঙ্গীরনগর পর্যন্ত এসেছিলেন।
- সম্রাট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আওরঙ্গজেব মীর জুমলাকে (১৬৬০-১৬৬৩ খ্রি.) বাংলার সুবাদারের দায়িত্ব দেন।
- সুবাদার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে মীর জুমলা অহোমরাজের বিরুদ্ধে অভিযান চালনা করেন।
- এক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জিত না হলেও কুচবিহার ও আসাম বিজয় মীর জুমলা সামরিক প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে।
- তাঁর সময়েই কুচবিহার সম্পূর্ণরূপে প্রথমবারের মতো মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে আসে।
- আসাম অভিযানের দ্বারা তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের সীমান্ত আসাম পর্যন্ত বর্ধিত করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৫০.
বখতিয়ার খলজি কোন শতাব্দীতে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত করেন?
  1. দশম
  2. দ্বাদশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. একাদশ
ব্যাখ্যা
• বখতিয়ার খলজি:
- ত্রয়োদশ শতকে ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি কর্তৃক নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়।
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 
- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,২৫১.
বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর কোথায় চালু করা হবে? (আগস্ট, ২০২৫)
  1. রংপুর
  2. কুমিল্লা
  3. গাজীপুর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর:
- স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে একটি কনস্যুলার দপ্তর পরিচালনা করতে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- ২০২৫ সালের জুলাই মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার দপ্তর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রস্তাবিত আঞ্চলিক দপ্তরটিতে বিদেশে কর্মরত ও বিদেশগামী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব কনস্যুলার সেবা দেওয়া হবে।
- পাশাপাশি দপ্তরটি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফর, প্রতিনিধিদলের সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাগরিকদের কনস্যুলার সেবা দিতে আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।
- এসব অফিস কনস্যুলার সেবা দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের কাজও করে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।

৩,২৫২.
নিচের কোন জেলায় 'পাংখোয়া' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. দিনাজপুর
  3. রাঙামাটি
  4. ময়মনসিংহ
  5. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

পাংখোয়া:
- পাংখোয়া বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ।
- প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’।
- তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’।
- খোজিং পূজা শ্রাবণ মাসে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- এই পূজা পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাংখোয়া সমাজে পিতাই পরিবারের প্রধান।
- পিতার মৃত্যুর পর পুত্রসন্তানরা পারিবারিক বিষয়-আশয়ের উত্তরাধিকারী হয়ে থাকে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী দুটো গোত্রে বিভক্ত পাংখোয়া ও ভানজাঙ।
- ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান ও পূজাপার্বণ নিয়ে পাংখোয়াদের নিজস্ব সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠীতেই মৃতদেহ কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৩,২৫৩.
বাংলার সর্বপ্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেছিল কারা?
  1. গুপ্ত
  2. মৌর্য
  3. পাল
  4. সেন
ব্যাখ্যা
• পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা:
প্রাচীন বাংলার রাজবংশসমূহের তালিকায় পালবংশ বিখ্যাত একটি রাজবংশ। এই বংশই বাংলার সর্বপ্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ বলে ধারণা করা হয়। পাল রাজারা প্রায় চারশ বছর যাবৎ এদেশে রাজত্ব করেন। ৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে রাজা গোপাল বাংলায় পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন। এক অরাজকতাপূর্ণ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সামন্তরা গোপালকে ক্ষমতায় বসান। রাজা গোপালের প্রতিষ্ঠিত রাজবংশই পাল বংশ নামে ইতিহাসে প্রসিদ্ধ হয়ে আছে।

• পাল বংশের পতন:
রাজা রামপালের মৃত্যুর পর পাল সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়। অল্পদিনের মধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে যায় পাল রাজবংশ। সমাপ্ত হয় দীর্ঘ ৪শ বছরের পাল শাসন। এভাবে বাংলার ক্ষমতার মসনদে অন্য একটা রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হবার পথ সৃষ্টি হয়ে যায়।
উত্থান আর পতন ইতিহাসের চিরন্তন ধারা। একদা মহাপ্রতাপে পাল রাজবংশ বাংলার মসনদে ক্ষমতাসীন হয়েছিল। অতঃপর ইতিহাসের অমোঘ ধারায় মিলিয়ে যায় তাদের রাজত্ব। পাল বংশের পতনের পর বাংলায় সেন বংশের উত্থান ঘটে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৫৪.
১৯৭৬ সালের স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশে কয় স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু হয়?
  1. তিন
  2. দুই
  3. চার
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার:
- ১৯৭৬ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমানের নতুন সরকার স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশ জারি করে।
- এতে তিন ধরনের গ্রামীণ স্থানীয় সরকার গঠনের বিধান রাখা হয়, যথা, ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ এবং জেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদের গঠন ও কার্যাবলি বলতে গেলে ১৯৭৩ সালে রাষ্ট্রপতির ২২ নং অধ্যাদেশের অনুরূপই থেকে যায়।
-  ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদকাল পাঁচ বছর নির্ধারিত ছিল।
- ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও সদস্যদের যোগ্যতা, তাদের অপসারণ প্রক্রিয়া এবং একইভাবে ইউপি কার্যক্রম কি হবে স্থানীয় সরকার অধ্যাদেশে তার বিস্তারিত বিবরণ দেয়া হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,২৫৫.
BSTI কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. খাদ্য মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

BSTI:
- BSTI এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Standards and Testing Institution.
- BSTI বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি মান নিয়ন্ত্রণ সংস্থা।
- এটি শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- BSTI বিভিন্ন পণ্যের অনুমোদন, মান ও পরিমাণ পর্যবেক্ষণ ইত্যাদি কাজ করে থাকে।

উৎস: BSTI ওয়েবসাইট।

৩,২৫৬.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান-
  1. টুঙ্গিপাড়া
  2. টংগী
  3. টাঙ্গাইল
  4. টঙ্গিবাড়ী
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান।
- ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন।
- ১৯৭৫ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বঙ্গবন্ধুর বহিষ্কারাদেশ তুলে দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা, ১০ আগস্ট, ২০১০।
৩,২৫৭.
Bangladesh is scheduled to officially become a developing country in
  1. ক) 2025
  2. খ) 2026
  3. গ) 2027
  4. ঘ) 2028
ব্যাখ্যা
- স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে পূর্ণ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পথে বাংলাদেশ।
- ২০২৬ সালে এ উত্তরণ ঘটবে বাংলাদেশের।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৬তম বৈঠকের ৪০তম প্লেনারি সভায় এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- আর এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপে উত্তরণের সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করল।
- বাংলাদেশের পাশাপাশি লাও ও নেপালও উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে।
- এই তিন দেশ উত্তরণের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর প্রস্তুতির সময় পাবে। অর্থাৎ, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে গণ্য হবে। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
৩,২৫৮.
’বরিশাল’ মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরের অন্তর্গত ছিল?
  1. ৯নং
  2. ৫নং
  3. ২নং
  4. ৩নং
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন সেক্টর ৯নং :
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর ৯নং ’।
- ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন।
- এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,২৫৯.
নিচের কোন শাসনের নিষ্পেষণে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক আদর্শ ভুলণ্ঠিত হয়?
  1. গণতান্ত্রিক শাসন
  2. একদলীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা
  3. বহুদলীয় গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা
  4. সামরিক শাসন
ব্যাখ্যা
গণতান্ত্রিক আদর্শ ভুলণ্ঠিত:

- ১৯৭২ সালে শুরু হওয়া গণতান্ত্রিক অভিযাত্রা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের মধ্যে দিয়ে স্তব্ধ হয়ে যায়।
- পরবর্তী প্রায় ১৫ বছর সামরিক শাসনের নিষ্পেষণে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক আদর্শ ভুলণ্ঠিত হয়।
- স্বৈরাচার বিরোধী তীব্র আন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশে সামরিক শাসনের অবসান হয়।
- ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক শাসনের পুন:সূচনা হয়।
- জনমত যাচাইয়ের সর্বোৎকৃষ্ট মাধ্যম হল-নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৬০.
জিএসপি (GSP) এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. Generalized System of Preference
  2. Global System of Positioning
  3. Global Strategic Partnership
  4. Government Support Program
ব্যাখ্যা

⇒ জিএসপি (GSP) এর পূর্ণরূপ 'Generalized System of Preferences'.

♦ GSP:
→ Generalized System of Preferences (GSP) হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা।
→ GSP হচ্ছে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার।
→ ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথম GSP সুবিধা চালু করে।
→ নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।

♦ উল্লেখ্য:
→ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
→ যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।
→ যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা পাবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত।

তথ্যসূত্র - ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।

৩,২৬১.
গবেষণামূলক বই ‘৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান' এর লেখক কে?
  1. আহম্মদ ফয়েজ
  2. নুরে আলম
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. ফাহিমউর রহমান
ব্যাখ্যা
৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- সাংবাদিক ও গবেষক মুহাম্মদ নূরে আলমের গবেষণামূলক বই ‘৩৬শে জুলাই গণঅভ্যুত্থান’।
- বইটি অমর একুশে বইমেলা-২৫ এ প্রকাশিত হয়।
- বইটিতে ৫টি অধ্যায় রয়েছে। 
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন, গণহত্যা, জুলাই বিপ্লবের রক্তাক্ত দিনলিপি, জুলাই শহিদদের বীরত্ব গাঁথা ইত্যাদি নানান বিষয় নিয়ে বইটি প্রকাশ করেছে ৩৬শে জুলাই থিঙ্কট্যাঙ্ক গ্রুপ।
- বইটিতে বিচার বহির্ভূত হত্যা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, ও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ব্যাপক ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ ও গণহত্যার বর্ণনার রয়েছে বিস্তারিতভাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৩,২৬২.
দর্শনা কেরু এন্ড কোং লিঃ - এর উৎপাদিত মূল পণ্য কি?
  1. ক) ফরেন লিকার
  2. খ) চিটাগুড়
  3. গ) চিনি
  4. ঘ) জৈব সার
ব্যাখ্যা

১৯৩৮ সালে এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের অধীনে স্থাপিত হয়। সে সময় এর অধীনে একটি চিনি কারখানা, একটি ডিষ্টিলারী ইউনিট ও একটি ওষুধ কারখানা যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতা লাভের পর, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার এই প্রতিষ্ঠানটিকে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে।
এখানকার মূল পণ্য হচ্ছে আখ থেকে উৎপাদিত চিনি। তবে আখ থেকে চিনি বের করে নেওয়ার পর যে উপজাত-দ্রব্য (চিটাগুড়, ব্যাগাস ও প্রেসমাড) পাওয়া যায় তা থেকেও বিভিন্ন পণ্য উৎপাদিত হয়। উপজাত-দ্রব্য হতে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে উলেখযোগ্য হচ্ছে দেশি মদ, বিদেশি মদ, ভিনেগার, স্পিরিট ও জৈব সার। এখানে নয়টি ব্র্যান্ডের ‘ফরেন লিকার’ বা বিদেশি মদ তৈরি হয়।
উৎসঃ দামুড়হুদা উপজেলার ওয়েবসাইট।

৩,২৬৩.
'ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা -
  1. ৪৫৯টি
  2. ৪৯৫টি
  3. ৪৫৬টি
  4. ৪৯৬টি
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।
- গ্রাম ৯০০৪৯টি।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা।
৩,২৬৪.
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৭ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল ৪৩০ জন সদস্য বিশিষ্ট গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণ-পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
 
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৬৫.
হিমসাগর কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) আম
  3. গ) কলা
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
হিমসাগর হলো হলো আমের একটি জাত। এটি ক্ষীরসাপাত নামেও পরিচিত।

আমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- মহানন্দা
- আম্রপালি
- হাড়িভাঙ্গা
- ফজলি
- ল্যাংড়া
- গোপালভোগ
- মোহনভোগ
- বান্দিগুড়ি
- গৌরমতি
- সূর্যপুরী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৩,২৬৬.
বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা ছিল-
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
• ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।

যেহেতু প্রশ্নে ১০ ই এপ্রিল নেই, তাই কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ১৭ ই এপ্রিল উত্তর গ্রহণ করা হয়েছে।

- মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসাবে কার্যকর হয়।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
-  প্রথম বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এ ঘোষণা প্রবাসী মুজিবনগর সরকার পরিচালনার অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান হিসেবে কার্যকর হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের নতুন সংবিধান প্রণীত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এ ঘোষণা দেশের সংবিধান হিসেবে কার্যকর ছিল।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা: 
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী সেনারা ভারী অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ইতিহাসের জঘন্যতম গণহত্যায় লিপ্ত হয়।
- নিরস্ত্র ঘুমন্ত বাঙ্গালির ওপর বিভৎস এ আক্রমণ অখন্ড পাকিস্তানের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেয়।
- আনুমানিক রাত দেড়টার দিকে গ্রেপ্তার হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।

• 'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র-- মুজিবনগর, বাংলাদেশ-- তারিখ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১': 
আমরা, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা, সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী বাংলাদেশের জনগণ যেক্ষমতাদিয়েছেন, সে মোতাবেক,তাদেরসর্বোচ্চ চাওয়া দ্রষ্টব্য যে আমাদের সংগঠিত করে একটি শাসনণতন্ত্র গঠন করা। সমাবেশ করে পারষ্পরিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্র ঘোষণা ও গঠন করছি এবং আগেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতারঘোষণা নিশ্চিত করছি, এবং এতদ্বারা আমরা আরও সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছি যে শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্রপ্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন,এবং রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন।

উৎস: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৩,২৬৭.
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা-
  1. ISI 
  2. M-19
  3. FBI
  4. M-16 
ব্যাখ্যা

• এফবিআই (FBI):
- এফবিআই (FBI)-এর পূর্ণরূপ- Federal Bureau of Investigation.
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা।
- এই সংস্থাটি বিশ্বের অন্যতম দক্ষ, বৃহৎ ও শক্তিশালী নিরাপত্তা ও অপরাধ দমন সংস্থা হিসেবে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে সাধারণ নাগরিক পর্যন্ত প্রায় সবার সম্পর্কিত তথ্য এই সংস্থার নিকট সংরক্ষিত থাকে।
- দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, অপরাধ তদন্ত ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখাই এর প্রধান দায়িত্ব।
- এফবিআই প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৮ সালের জুলাই মাসে। 
- এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটনে অবস্থিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি রাজ্যেই এই সংস্থার কার্যালয় রয়েছে।

অন্যদিকে, 
- ISI- পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা। 
- M-I6- যুক্তরাজ্যের বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা।
- M-19- কলম্বিয়ার একটি শহুরে গেরিলা সংগঠন।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থার ওয়েবসাইট। 

৩,২৬৮.
কোন রাজনীতিবিদ 'দেশবন্ধু' উপাধি পেয়েছিলেন?
  1. চিত্তরঞ্জন দাশ
  2. পন্ডিত মতিলাল নেহরু
  3. অমর্ত্য সেন
  4. সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
চিত্তরঞ্জন দাশ:
- চিত্তরঞ্জন দাশ সাধারণত দেশবন্ধু বলে আখ্যায়িত। 

⇒ তিনি বিশ শতকের বাংলার সবচেয়ে প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অন্যতম।
- বিশ শতকের প্রথম দিকে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
- অনুশীলন সমিতির মতো বিপ্লবী সংগঠনের সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন।
- এস.এন ব্যানার্জী, বি.সি পাল ও অরবিন্দ ঘোষের সহকর্মী হিসেবে তিনি বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫)-কে বাংলায় বিপ্লবী কর্মকান্ড বিস্তৃত করতে সদ্ব্যবহার করেন।
- ১৯১৭ সালে ভবানীপুরে অনুষ্ঠিত বাংলার প্রাদেশিক সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন তিনি।
- তিনি ব্যাঙ্গল প্যাক্ট এর প্রবক্তা।

⇒ চিত্তরঞ্জন দাস বাংলার বহু রাজনৈতিক নেতার রাজনৈতিক গুরু।
- তাদের মধ্যে সুভাষচন্দ্র বসু, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, বিধানচন্দ্র রায়, শরৎচন্দ্র বসু, যতীন্দ্রমোহন সেনগুপ্ত প্রভৃতি ব্যক্তিবর্গ উল্লেখযোগ্য।
- তিনি সব সময় ব্রিটিশবিরোধী লড়াইকে জোরদার করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে নিজের মত প্রকাশ করেছেন।
- একসময় তিনি কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে 'স্বরাজ দল' নামের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই স্বরাজ দলের প্রার্থী হিসেবেই ১৯২৪ সালে কলকাতা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন।
- এ সময়ে তিনি নারী শিক্ষা, বিধবা বিবাহ ইত্যাদির পক্ষে অনেক কাজ করেন।
- বাংলার এই বলিষ্ঠ নেতা মাত্র ৫৫ বছর বয়সে ১৯২৫ সালের জুন মাসে মারা যান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,২৬৯.
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন-
  1. এপিআর
  2. আনসার ভিডিপি
  3. পুলিশ
  4. ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
• ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক রেজিমেন্ট।
• এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্ববৃহৎ সংগঠন।
• ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে মেজর আব্দুল গনি এই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠা করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৩,২৭০.
বিএফআইডিসি নিম্নের কোন শিল্প নিয়ে গবেষণা করে?
  1. ধান
  2. গম
  3. মৎস্য
  4. রাবার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফআইডিসি):
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৫৯ সালের ৩ অক্টোবর তারিখে প্রকাশিত ৬৭ নং অধ্যাদেশ বলে বর্তমান বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় ৭৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকায় নিজস্ব ভবনে অবস্থিত।
- ১৯৬০-৬১ সনে কাপ্তাইস্থ কাঠ (লগ) আহরণ প্রকল্পের মাধ্যমে বিএফআইডিসি'র যাত্রা শুরু হয়।
- সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৯৬১-৬২ সালে বনবিভাগ হতে কর্পোরেশনের কাছে দেশের রাবার চাষ ও এর উন্নয়নের কার্যক্রম ন্যস্ত করা হয়।
- দেশের বনভূমি থেকে বনজ সম্পদ আহরণ, কাঠ ভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, বনজ সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার, প্রক্রিয়াজাত করা এবং রাবার বাগান সৃষ্টি, কাঁচা রাবার উৎপাদন ও বাজারজাত করা এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

• ভিশন: পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্রাকৃতিক রাবার এবং কাঠজাত পণ্য উৎপাদন ও বিপণন।
• মিশন: গবেষণা, আধুনিক ও লাগসই প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য প্রাকৃতিক রাবার এবং স্মার্ট কাঠজাত পণ্য উৎপাদন।
• উদ্দেশ্য:
- বনবিভাগ ও বিএফআইডিসি’র বাগান হতে কাঠ ও জীবনচক্র হারানো রাবার কাঠ আহরণ;
- বনবিভাগ হতে প্রাপ্ত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ, উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপনন;
- বনজিসম্পদের বাণিজ্যিক ও সর্বোচ্চ ব্যবহারকল্পে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা;
- আহরিত কাঠ চিড়াই, ট্রিটমেন ও সিজনিং এর মাধ্যমে গুণগতমান ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি;
- বাণিজ্যিকভাবে আধুনিক আসবাবপত্র/ কাঠসামগ্রী তৈরী ও সরবরাহ;
- পাহাড়ী ও প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনপদে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি .

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৩,২৭১.
১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট কয়টি দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ২০টি
  2. ২২টি
  3. ২৪টি
  4. ২৬টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।
- ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়।
- ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
- কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা হয়।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর।
- এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'নৌকা' প্রতীক নিয়ে ঐতিহাসিক ছয় দফার পক্ষে প্রচারাভিযানে নামেন।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,২৭২.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনের সাংকেতিক নাম কোনটি?
  1. অপারেশন জ্যাকপট
  2. অপারেশন বিগ বার্ড
  3. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  4. অপারেশন থান্ডার বোল্ট
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:

- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।
৩,২৭৩.
বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের প্রধান ছিলেন কে?
  1. ক) সিরাজুল আলম খান
  2. খ) তোফায়েল আহমেদ
  3. গ) শেখ ফজলুল হক মনি
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স বা মুজিব বাহিনী মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী। আওয়ামীলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়ে এই বাহিনী গঠন করা হয়।
মুজিব বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ ফজলুল হক মনি।

মুজিব বাহিনীর ১৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমান্ডের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে তোফায়েল আহমদ, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল কুদ্দুস মাখন প্রমুখ অন্যতম।

মুজিব বাহিনীর মোট সদস্য ছিলো প্রায় পাঁচ হাজার। এ বাহিনীকে চারটি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল উবানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ভারতের দেরাদুনের পাহাড়ি এলাকায় এই বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
মুজিব বাহিনীর গঠন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে মুজিবনগর সরকার অবহিত ছিল না। এই বাহিনী মুজিবনগর সরকারের প্রতি কোন আনুষ্ঠানিক আনুগত্যও প্রকাশ করেনি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,২৭৪.
বর্তমানে বাংলাদেশে মাতৃত্বকালীন ছুটি কত মাস?
  1. ক) ৩ মাস
  2. খ) ৪ মাস
  3. গ) ৫ মাস
  4. ঘ) ৬ মাস
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে বাংলাদেশে মাতৃত্বকালীন ছুটি ছয় মাস বা ১৮০ দিন । 

• ২০১১ সালের ৯ জানুয়ারি ১৯৭ ধারার উপধারা-১ সংশোধন করে মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ বেতনসহ চার মাস থেকে ছয় মাসে উন্নীত করা হয়েছিল। 
- নতুন সংশোধনীতে সন্তানসহ সরকারি চাকরিতে প্রথম যোগ দেওয়া নারীদের জন্যও সেই সুযোগ রাখা হয়েছে।
 
উৎস: প্রথম আলো।
৩,২৭৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ২ (ক) নং
  2. ৪ (ক) নং
  3. ৫ নং
  4. ৪ (২) নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪ক নং অনুচ্ছেদে সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসসমূহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।

২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধারাটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ২ক অনুচ্ছেদ : রাষ্ট্রধর্ম
- ৪ (২) নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় পতাকা এবং
- ৫ নং অনুচ্ছেদ : রাজধানী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
৩,২৭৬.
দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) তিস্তা ব্যারেজ সেচ প্রকল্প
  2. খ) মুহুরী সেচ প্রকল্প
  3. গ) গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
  4. ঘ) সাঙ্গু সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প হলো গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প। এটি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় অবস্থিত।
- ১৯৫৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৯ সালে শেষ হয়।
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্পের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমি সেচের আওতাধীন হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ প্রায় ৫৬ লক্ষ হেক্টর।
(সূত্রঃ কুষ্টিয়া জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৩,২৭৭.
বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন কে?
  1. লর্ড বেন্টিংক
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
সামাজিক সংস্কার:

- সংস্কারপন্থী বাঙালি নেতা ও শিক্ষিত শ্রেণির উদারবাদীদের সহযোগিতায় ইংরেজ শাসকরা সামাজিক ধর্মীয় অনেক অমানবিক প্রথা কুসংস্কার দূর করতে সক্ষম হন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক, রাজা রামমোহন রায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর কোনো বিধবাকে স্বামীর সঙ্গে মরতে বাধ্য করলে তা আইনত দণ্ডনীয় বলে আইন জারি করা হয়।
- লর্ড এলেনবরা-এর সময়ে ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে দাস প্রথা উচ্ছেদ করা হয়।
- লর্ড ডালহৌসি পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করে বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৭৮.
হুসেন শাহি আমলের সূচনা হয় কত সালে?
  1. ১৪৯৩ সালে
  2. ১৫৩৮ সালে
  3. ১৪৫২ সালে
  4. ১৩৫২ সালে
ব্যাখ্যা
হুসেন শাহি বংশ: 
- হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে বাংলার সিংহাসনে বসেন সৈয়দ হুসেন।
- সুলতান হয়ে তিনি 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বাংলায় 'হুসেন শাহি বংশ' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়।
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহি আমল (১৪৯৩-১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) ছিল নানা কারণে তাৎপর্যপূর্ণ।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের প্রধান সুলতান।
- পিতা সৈয়দ আশরাফ-আল-হুসাইনি ও ভাই ইউসুফের সাথে তিনি তুর্কিস্তানের তিরমিজ শহর থেকে বাংলায় আসেন এবং রাঢ়ের চাঁদপাড়া গ্রামে প্রথমে বসবাস শুরু করেন।
- হুসেন শাহ পরে রাজধানী গৌড়ে যান এবং মুজাফফর শাহের অধীনে চাকরি লাভ করেন।
- পরে তিনি উজির হন। এভাবেই তিনি বাংলার ক্ষমতায় আসেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,২৭৯.
বর্তমানে বাংলাদেশ কয়টি শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:

- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে শান্তিরক্ষা বাহিনীর জন্য সদস্য সংগ্রহ করা হয়।
- বাংলাদেশের সেনাবাহিনীও জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- সর্বপ্রথম বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সৈন্য পাঠায়।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।
- UNIIMOG মিশনে ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

⇒ বিগত চার দশক ধরে শান্তিরক্ষা মিশনে বিশেষ অবদান রাখছে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৪০টি দেশে ৬৩টি মিশনে অংশ গ্রহণ করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ১১টি শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত রয়েছে

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট। [link]
ii) ARMED FORCES DIVISION ওয়েবসাইট।
৩,২৮০.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৬ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ ৫ বছর।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৩,২৮১.
মুজিবনগর সরকারের শিক্ষা, অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন -
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. এম.মনসুর আলী
  3. এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার: 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। 
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,২৮২.
Which article of the constitution of Bangladesh guarantees that all citizens are equal before law?
  1. Article 17
  2. Article 47
  3. Article 31
  4. Article 11
  5. Article 27
ব্যাখ্যা
আইনের দৃষ্টিতে সমতা:
- সংবিধানের ২৭নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।'
 
অন্যদিকে -
- ১১ নং অনুচ্ছেদে 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার' বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।
- ৪৭ নং অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,২৮৩.
নূন্যতম কতজন সংসদ সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পীকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন?
  1. ৪৫ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৯০ জন
  4. ১৫১ জন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:

- জাতীয় সংসদ  গণপ্রজাতন্ত্রী  বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পীকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,২৮৪.
‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’ ভাষা আন্দোলনের সময়ে রচিত জনপ্রিয় গানটির রচয়িতা-
  1. ক) আবদুল লতিফ
  2. খ) আবদুল গাফফার চৌধুরী
  3. গ) আলতাফ মাহমুদ
  4. ঘ) গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা

- ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের সময়ে লেখা ও সুর করা আবদুল লতিফের সবেচেয়ে জনপ্রিয় ও বিখ্যাত গান - ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’ এবং “তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি “।
- গোবিন্দ হালদার - এক সাগর রক্তের বিনিময়ে/মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে/পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে…
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' গানটির সুরকার দুইজন। প্রথমে আব্দুল লতিফ গানটিতে সুর দেন এবং পরবর্তীতে আলতাফ মাহমুদ গানটিতে সুর দেন। বর্তমানে যে সুরে গানটি গাওয়া হয় সেটি আলতাফ মাহমুদের দেয়া।
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' -সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারিতে গানটি রচনা করেন।

[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]

৩,২৮৫.
বাংলাদেশে সর্বশেষ [অক্টোবর, ২০২৪] নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল 'গণসংহতি আন্দোলন' দলের প্রতীক কী?
  1. কেটলি
  2. ট্রাক
  3. মাথাল
  4. ঈগল
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল হলো গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি।
- যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে।
- রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠে নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে।
- রাজনৈতিক দল হচ্ছে মতাদর্শ ভিত্তিক সুসংবদ্ধ সংগঠন।
- এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ করা।
- রাজনৈতিক দলকে জনসমর্থন আদায়ের জন্য রাজনৈতিক কর্মসূচির বাইরেও, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি নিজ কর্মসূচিতে সন্নিবেশিত করতে হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল:
- বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৪৮টি।
- সর্বশেষ ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে 'গণসংহতি আন্দোলন' নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধন লাভ করে।

⇒ 'গণসংহতি আন্দোলন' দলের প্রতীক মাথাল।
- নিবন্ধন নং: ৫৩।
- প্রধান সমন্বয়কারী: জনাব জোনায়েদ সাকি।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,২৮৬.
বর্তমানে মৎস্য সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৪.৫%
  2. খ) ৫.৭৪%
  3. গ) ৬.৩২%
  4. ঘ) ৫.৩৭%
ব্যাখ্যা

বর্তমানে মৎস্য সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৭৪%।
- কৃষি ও বনজ সম্পদের প্রবৃদ্ধির হার ২.৬৫% ।
- কৃষির উপখাত হিসেবে সব থেকে বেশি প্রবৃদ্ধি বনজ সম্পদের ৬.১২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২১।

৩,২৮৭.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ডাবল সেঞ্চুরি কে করেন?
  1. তামিম ইকবাল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মমিনুল হক
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

টেস্টে প্রথম:
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।

৩,২৮৮.
২০২৫ সালে কতজন নারী 'অদম্য নারী পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
'অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫:
- ২০২৫ সালের ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৪’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- পাঁচজন নারী ও বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল পেয়েছেন ‘অদম্য নারী পুরস্কার- ২০২৫’।

⇒ ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.
৩,২৮৯.
কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদী
  2. অসাম্প্রদায়িকতা
  3. বাঙ্গালী সামাজিক চেতনা
  4. দ্বি-জাতি তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ভিত্তি:
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল।
- স্বাধীন বংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পেছনে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য। 
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তা-ই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।

অন্যদিকে,
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারতীয় উপমহাদেশে পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্রের উদ্ভব হয়।
- ১৯৪৭ সালের সেপ্টেন্বরে পূর্ব বাংলায় ‘তমুদ্দুন মজলিস’ নামে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- তমুদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন তরুণ অধ্যাপক আবুল কাশেম। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,২৯০.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড কার্জন
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়।
- বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৩,২৯১.
কার সময়ে ভারতে প্রথম রেলব্যবস্থা চালু হয়?
  1. ক) লর্ড বেন্টিংক
  2. খ) লর্ড ওয়েলেসলি
  3. গ) লর্ড ডালহৌসি
  4. ঘ) লর্ড রিডিং
ব্যাখ্যা
ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল লর্ড ডালহৌসির সময়ে মুম্বাইয়ে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
১৮৫৪ সালে হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত বাংলায় প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়। বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর দর্শনা থেকে জগতী পর্যন্ত ৫৩ কি.মি. রেললাইন উদ্বোধন করা হয়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৩,২৯২.
উপকূলীয় বনের বৃক্ষ কোনটি?
  1. পশুর
  2. গেওয়া
  3. কেওড়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

উপকূলীয় বন:
- সমুদ্র উপকূলে প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠা বনকে উপকূলীয় বন বলা হয়।
- এ ছাড়া পরিকল্পিত উপায়ে সমুদ্র উপকূলে সামাজিক বন গড়ে তোলা হলেও তাকে উপকূলীয় বন বলে।
- কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ভোলা, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় উপকূলীয় বন অবস্থিত।
- খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পটুয়াখালীর উপকূলীয় বন সুন্দরবন নামে পরিচিত।
- প্রতিনিয়ত সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বনও বলা হয়।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের মোট আয়তন ৬ হাজার বর্গ কিলোমিটার।
- এ বন পৃথিবীর বৃহত্তম উপকূলীয় প্রাকৃতিক বন।
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরি। এ ছাড়া পশুর, গেওয়া, গরান, কেওড়া, গোলপাতা প্রভৃতি এ বনের উল্লেখযোগ্য বৃক্ষ।
- এ বনের প্রধান আকর্ষণ রয়েল বেঙ্গল টাইগার। চিত্রা হরিণ, চিতাবাঘ, বন্য শূকর, বানর, কুমির, ঘড়িয়াল, অজগর এবং নানা প্রজাতির পাখি, কীটপতঙ্গ এ বনে বাস করে।
- এ বনের বৃক্ষ থেকে প্রাপ্ত কাঠ গৃহনির্মাণ, নিউজপ্রিন্ট তৈরি ও জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, ৭ম শ্রেণি বোর্ড বই।

৩,২৯৩.
কোন তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সরকারিভাবে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ১২ এপ্রিল
  2. ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল
  3. ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ৬ জুন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ সে পতাকাটিই ছাত্ররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলন করে।
- এদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনে ছাত্রসমাজকে সঙ্গে নিয়ে পতাকা ওড়ান তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।

- এই জাতীয় পতাকাটি প্রথম তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭০ সালের ৬ জুন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সার্জেন্ট জহুরুল হক হলের ১১৬ নম্বর কক্ষে এই পতাকা তৈরি করেন কয়েকজন ছাত্রনেতা।
- জাতীয় পতাকা তৈরির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ছাত্রনেতা কাজী আরেফ আহমেদ, শিব নারায়ণ দাস সহ ২২ জন।

- বিদেশে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল। 
- ভারতের কলকাতায় বাংলাদেশ মিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

- স্বাধীনতার পর পতাকা থেকে মানচিত্র বাদ দেওয়া হয়। পতাকার মাপ ও রঙ নির্ধারণ করে পরিমার্জন করা হয় পতাকা।
- যা আজ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা।

- সবুজ আয়তক্ষেত্রের মাঝখানে লাল বৃত্ত, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

উৎস:  বিডিনিউজ-২৪।

৩,২৯৪.
উপমহাদেশে প্রথম কার শাসনামলে ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থা চালু হয়?
  1. শেরশাহ
  2. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  3. শায়েস্তা খান
  4. কুতুবউদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা

শেরশাহ:
- শেরশাহ ভারতবর্ষের সম্রাট ও শূর রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- শের খান ১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে সুরজগড়ের যুদ্ধে মাহমুদ শাহ ও জালাল খানের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেন।
- ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে শের খান বাংলা আক্রমণ করে সুলতান মাহমুদ শাহকে পরাজিত করেন।
- কিন্তু মুগল সম্রাট হুমায়ুন বাংলা অভিমুখে অগ্রসর হলে শের খান বাংলা ত্যাগ করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে (বক্সারের নিকটে) হুমায়ুনকে পরাভূত করে তিনি ‘শাহ’ উপাধি গ্রহণ করেন এবং বাংলা পুনর্দখল করে খিজির খানকে এর শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন।
- পরবর্তী বছর পুনরায় হুমায়ুনকে পরাজিত ও ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত করে তিনি দিল্লির সিংহাসন অধিকার করেন।

উল্লেখ্য,
- শেরশাহ উপমহাদেশে ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থা চালু করেণ, মুদ্রা ব্যবস্থার সংস্কার সাধন করেন, বিখ্যাত ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' নির্মাণ করেন।

অন্যদিকে -
- সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবেক দিল্লির কুতুব মিনার নির্মাণ করেন।
- মুহম্মদ বিন তুঘলক দিল্লি থেকে রাজধানী দেবগিরিতে স্থানান্তর করেন।
- শায়েস্তা খান লালবাগ কেল্লা, ছোট কাটরা, সাতগম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,২৯৫.
স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. ক) ইউনিয়ন পরিষদ
  2. খ) জেলা পরিষদ
  3. গ) গ্রাম পরিষদ
  4. ঘ) উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার হলো এমন সরকার ব্যবস্থা যা ছোট ছোট এলাকার স্থানীয় প্রয়োজন মেটাবার জন্যে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত ও আইনের মাধ্যমে ক্ষমতাপ্রাপ্ত।
বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে। এদের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ।
স্থানীয় সরকারের স্তরসমূহ:
- ইউনিয়ন পরিষদ
- উপজেলা প্রশাসন
- জেলা পরিষদ।
এছাড়া, শহরাঞ্চলে পৌরসভা ও ১২টি শহরে সিটি কর্পোরেশন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি স্থানীয় পার্বত্য জেলা পরিষদ রয়েছে।
গ্রাম পরিষদ বর্তমানে স্থানীয় সরকারের অংশ নয়।
(সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৩,২৯৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফার পঞ্চম দফা কী ছিল?
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  2. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  3. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,২৯৭.
কার উদ্যোগে বেঙ্গল প্যাক্ট সম্পাদিত হয়?
  1. ক) শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী
  2. খ) দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  3. গ) জওহরলাল নেহরু
  4. ঘ) সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯২৩ সালের ডিসেম্বরে বাংলার হিন্দু ও মুসলিম নেতাদের মধ্যে বেঙ্গল প্যাক্ট নামে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তি সম্পাদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস।
মুসলমানদের পক্ষে আব্দুল করিম, মুজিবুর রহমান, আকরম খাঁ, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী প্রমুখ প্রতিনিধিত্ব করেন। ১৯২৫ সালে চিত্তরঞ্জন দাসের মৃত্যু হলে বেঙ্গল প্যাক্ট তার গুরুত্ব হারায়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৩,২৯৮.
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের নারীরা সর্বপ্রথম কত সালে অংশগ্রহণ করে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০৫ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০০০ সালে ৫ নারী পুলিশের একটি টিম প্রথমবারের মতো শান্তিমিশনে পূর্ব তিমুরে অংশ নেয়।
- পরবর্তী সময়ে নানা কারণে আর নারী পুলিশের কোনো টিম মিশনে অংশ নেয়নি।
- এরপর সব বাধা অতিক্রম করে ২০১০ সালে বাংলাদেশ নারী পুলিশের প্রথম কনটিনজেন্ট পাঠানো হয় শান্তিরক্ষা হাইতি মিশনে।
- এ কনটিনজেন্টে ছিল নারী পুলিশের ১৬৮ সদস্য।
- আর এর মধ্যদিয়েই ব্যাপক আকারে শান্তি মিশনে বাংলাদেশ নারী পুলিশের যাত্রা শুরু।
- ২০১৫ সালের ৯ এপ্রিল শান্তিরক্ষা কঙ্গো মিশনে যোগ দিতে ঢাকা ত্যাগ করেন বাংলাদেশ নারী পুলিশের দ্বিতীয় কনটিনজেন্টের ১২৫ সদস্য।
- ১৯৮৮ সালে ইরাকের দাঙ্গা মেটাতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সর্বপ্রথম অংশ নেন বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা।

সূত্র- প্রথম আলো।
৩,২৯৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - 
  1. ১.০২%
  2. ১.১২%
  3. ১.২৪%
  4. ১.৩৩%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা:   
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করা হয়।
- ১৯৮১ সালে দ্বিতীয় ও পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহগণনা ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%। 
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%। 
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%। 

উল্লেখ্য,
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০,০৬৭ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

৩,৩০০.
কোন নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় সাংগ্রাই উৎসব পালন করে?
  1. ক) গারো
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইনদের প্রধান উৎসব হলো সাংগ্রাই। এটা এদের বর্ষবরণ উৎসব যা চৈত্রসংক্রান্তিতে পালন করা হয়। মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবও সাংগ্রাই নামে পরিচিত।
গারোদের প্রধান উৎসব হলো ওয়ানগালা। ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসব বৈসু এবং সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই নামে পরিচিত।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)