বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩১ / ৩০৬ · ৩,০০১৩,১০০ / ৩০,৮৩২

৩,০০১.
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) কী ধরনের সংস্থা? 
  1. সরকারি সংস্থা
  2. ধর্মীয় সংগঠন 
  3. রাজনৈতিক সংস্থা 
  4. মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা
আইন ও সালিশ কেন্দ্র:
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা।
- ১৯৮৬ সালে ৯ জন প্রতিষ্ঠাতা সদস্যের উদ্যোগে এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরুর দিকে আসক মূলত ঢাকা শহরের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারী, কর্মজীবী শিশু এবং শ্রমিকদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করত। ধীরে ধীরে এর কার্যক্রম বিস্তৃত হয় এবং এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবাধিকার সংগঠনে পরিণত হয়।
- সংস্থাটির মূল লক্ষ্য হলো সমানাধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।

সূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র ওয়েবসাইট।
৩,০০২.
বাংলাদেশে কোন মাস থেকে অর্থবছর শুরু হয়?
  1. বৈশাখ
  2. জানুয়ারি
  3. জুলাই
  4. জুন
ব্যাখ্যা
- বাঙালিরা বঙ্গাব্দ ও খ্রিষ্টাব্দকে সাধারণ পঞ্জিকা হিসেবে মেনে চললেও এ দেশের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে।
- চলতি বছরের জুলাই থেকে পরের বছরের জুন অবধি চলে অর্থবছর। এই অর্থবছরকে ভিত্তি ধরে প্রস্তুত ও প্রণয়ন হয় বাংলাদেশের বাজেট।
- ব্রিটিশ আমল থেকে পাকিস্তান আমল এবং সেখান থেকে স্বাধীন বাংলা–এই দীর্ঘসময় ধরে এ অঞ্চল জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরে বাজেট প্রস্তুত ও উত্থাপন করে আসছে।
- জুলাই মাস বাংলাদেশের বর্ষাকাল। এ সময় মাঠে কৃষকদের ফসল থাকে, কয়েক মাস পরেই ফসল ওঠে তাদের ঘরে।
- এ ছাড়াও কিছু কিছু অঞ্চলে এরই মধ্যে ফসল উঠে যায়। বছরের এই মধ্যবর্তী সময়টি কৃষিক্ষেত্রে বাজেটের বিভিন্ন দিক ভেবে ব্যবস্থা নেয়ার মোক্ষম সময়।
- কৃষিপ্রধান দেশ হিসেবে কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চালু হয় এই রীতি।
 - এ ছাড়াও রাজনৈতিক দিক বিবেচনা করলে, জানুয়ারি কিংবা ফেব্রুয়ারিতে নতুন কোনো দল ক্ষমতায় এলে তারা বাজেট প্রণয়নের জন্য বেশকিছু সময় হাতে পায়।
- এ সময় জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার নানা প্রতিফলন বাজেটে তুলে আনার যথেষ্ট সুযোগ পায় সরকারি দল।
 - অভ্যন্তরীণ এসব ব্যাপার ছাড়াও যুক্তরাজ্য ও পশ্চিমা অনেক দেশের সঙ্গে মিলিয়ে অর্থবছর ঠিক করলে ঋণের হিসাব সহজ হয়।
- বিশেষ করে বিশ্বব্যাংকের অর্থবছর শুরু হয় জুলাই থেকে, সে হিসাবে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জুলাই মাসকে অর্থবছর ধরলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সুবিধা হয়।
- এর আগে পাকিস্তান এপ্রিলকে তাদের অর্থবছরের প্রথম মাস হিসাব করলেও বিশ্বব্যাংকের ঋণের আশায় পুনরায় জুলাই মাসকে অর্থবছরের প্রথম মাস ধরে হিসাব করা শুরু করে পাকিস্তান।
- বাংলাদেশের অর্থবছর পরিবর্তন করতে হলে সংবিধানের ১০২(১) নম্বর অনুচ্ছেদে পরিবর্তন আনতে হবে।
 
উৎস: বাংলাদেশের বাজেট সমীক্ষা ও প্রথম আলো।  
৩,০০৩.
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল 'উয়ারী বটেশ্বর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. নরসিংদী
  3. নওগাঁ
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
- প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০০৪.
দেশের কোন জেলায় সর্বাধিক চা-বাগান রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
• চা-বাগান:
- চা বাংলাদেশের অন্যতম অর্থকরী ফসল। রপ্তানি আয়ের অন্যতম উৎস হচ্ছে চা।
- ১৮৫৪ সালে মালনীছড়া চা-বাগান দিয়ে বাংলাদেশে চা শিল্পের গোড়াপত্তন হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান আছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় মোট ৯২ টি চা-বাগান রয়েছে।
এছাড়াও - 
 
- বর্তমানে সিলেট জেলায় মোট চা বাগানের সংখ্যা : ২০ টি (১টি রুগ্ন)।
- হবিগঞ্জে চা-বাগান: ২৪টি। মোট আয়তন-১৫,৭০৩.২৪ হেক্টর।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৩,০০৫.
শায়েস্তাগঞ্জ বাংলাদেশের কততম উপজেলা?
  1. ক) ৪৯১
  2. খ) ৪৯২
  3. গ) ৪৯৩
  4. ঘ) ৯৪৪
ব্যাখ্যা
শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) বাংলাদেশের সর্বশেষ উপজেলা। এটি বাংলাদেশের ৪৯২ তম উপজেলা।
৩,০০৬.
'Alliance' কোন দেশভিত্তিক গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলোর সংগঠন?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Alliance'।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪  এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।
- প্রতিষ্ঠাকালে সংস্থাটির বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ ছিল ৫ বছর।
- অপরদিকে,‌ বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন 'Accord'।
৩,০০৭.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান -এর পদবি কি ছিল?
  1. ক) সিপাহী
  2. খ) ল্যান্স নায়েক
  3. গ) ক্যাপ্টেন
  4. ঘ) মেজর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান:
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের জন্ম ২রা ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, ঝিনাইদহ জেলা শহরের অদুরে কালিগঞ্জের খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
- ১৯৭০ সালে মুজাহিদ বাহিনীতে যোগদান করেন তিনি।
- ১৯৭১ সালের ২রা ফেব্রুয়ারি যোগদান করেন পাকিস্তান সেনা বাহিনীতে।
- প্রশিক্ষণের জন্য গমন করেন চট্টগ্রাম ইবিআরসিতে।
- ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর ২০ বেলুচ রেজিমেন্টের সেনারা হামলা চালায় সেখানে।
- বীরত্ব প্রদর্শন করেন কোদালকাঠি পাকিস্তানী অবস্থান আক্রমণে।
- ২৮শে অক্টোবর ১৯৭১, ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ধলই আক্রমণে সহযোদ্ধাদের জীবন রক্ষার্থে শত্রুর বাঙ্কার ধ্বংস করতে গিয়ে শত্রুর মেশিনগান বাস্টের আঘাতে শাহাদত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে আম্বাসার হাতিমারাছড়া গ্রামে দাফন করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।
- শাহাদাতের ৩৬ বছর পর ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তার দেহাবশেষ স্থানান্তর করে রাষ্ট্রীয় সম্মানে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে পুনঃ সমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,০০৮.
আগুন লেগে সর্বাপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাংলাদেশের কোন গ্যাসক্ষেত্রটি?
  1. টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র
  2. বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্র
  3. তিতাস গ্যাসক্ষেত্র
  4. হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র
ব্যাখ্যা
টেংরাটিলা:

- বাংলাদেশের টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রটি আগুন লেগে সর্বাপেক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- ২০০৫ সালের কানাডীয় কোম্পানি নাইকো রিসোর্সেস পরিচালিত এই গ্যাসক্ষেত্রের একটি কূপ থেকে গ্যাস উত্তোলনের সময় জানুয়ারি ও জুন মাসে পর পর দু'দফা রিগে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটে।
- বিস্ফোরণের কারণে ঐ গ্যাসক্ষেত্র এবং আশেপাশের পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয় বলে সরকারের প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছিল।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ, ১৭ অক্টোবর ২০১৫।
৩,০০৯.
ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন কে?
  1. ইব্রাহিম লোদী
  2. বাবর
  3. আকবর
  4. হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ, ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ:
- বাবর ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ এপ্রিল দিল্লির নিকটবর্তী পানিপথ প্রান্তরে দিল্লির লোদী বংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। 
- বাবরের আত্মজীবনী তুযুক-ই-বাবরী থেকে জানা যায়, এ সময়ে তাঁর সাথে বার হাজার সৈন্য ছিল।
- তাছাড়া পাঞ্জাব জয়ের পর কিছু সংখ্যক অতিরিক্ত সৈন্যও তাঁর সাথে যোগদান করে।
- তাঁর জ্যৈষ্ঠপুত্র হুমায়ুনও তাঁর সাথে যোগ দিয়েছিলেন।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ।
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। 
- তিনি ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১০.
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন কে?   
  1. সম্রাট আকবর
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. সম্রাট বাবর
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মুঘল সম্রাট আকবর পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।

⇒ কৃষিকাজের সুবিধার্থে ও খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য সম্রাট আকবর-এর আদেশে প্রাচীন বর্ষপঞ্জি সংস্কার করে বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয়।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

এছাড়া,
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। 
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০১১.
বাংলাদেশে সবচেয়ে স্বল্পস্থায়ী জাতীয় সংসদ ছিল-
  1. ষষ্ঠ সংসদ
  2. দ্বিতীয় সংসদ
  3. চতুর্থ সংসদ
  4. তৃতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সবচেয়ে স্বল্পস্থায়ী জাতীয় সংসদ ছিল- ষষ্ঠ সংসদ।

• বাংলাদেশে গঠিত সকল সংসদের তালিকা:

- প্রথম সংসদ: ২ বছর ৬ মাস (৭ই এপ্রিল, ১৯৭৩ ৬ই নভেম্বর, ১৯৭৫) আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে।
- দ্বিতীয় সংসদ: ২ বছর ১১ মাস (২রা এপ্রিল, ১৯৭৯ ২৪শে মার্চ, ১৯৮২) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- তৃতীয় সংসদ: ১ বছর ৫ মাস (১০ই জুলাই, ১৯৮৬ ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৮৭) জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে।
- চতুর্থ সংসদ: ২ বছর ৭ মাস (১৫ই এপ্রিল, ১৯৮৮ ৬ই ডিসেম্বর, ১৯৯০) জাতীয় পার্টির নেতৃত্বে।
- পঞ্চম সংসদ: ৪ বছর ৮ মাস (৫ই এপ্রিল, ১৯৯১ ২৪শে নভেম্বর, ১৯৯৫) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- ষষ্ঠ সংসদ: ১২ দিন (১৯শে মার্চ, ১৯৯৬ ৩০শে মার্চ, ১৯৯৬) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে।
- সপ্তম সংসদ: ৫ বছর (১৪ই জুলাই, ১৯৯৬ ১৩ই জুলাই, ২০০১) আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

৩,০১২.
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ড্রাগন ফল উৎপাদনে বর্তমানে শীর্ষ জেলা কোনটি? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ঝিনাইদহ
  2. কুষ্টিয়া 
  3. রাজশাহী 
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

ড্রাগন ফল উৎপাদন:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ড্রাগন উৎপাদনের শীর্ষে আছে ঝিনাইদহ জেলা।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উৎপাদন হয় ৩২ হাজার ৭৬৮ মেট্রিক টন ড্রাগন। 

• উৎপাদনের ২য় স্থানে রয়েছে যশোর। ২০২৪-২৫  অর্থবছরে উৎপাদন হয় ১২ হাজার ৫৫৩ মেট্রিক টন ড্রাগন। আর তৃতীয় শীর্ষ জেলা রাজশাহীতে উৎপাদন হয় ৪ হাজার ৪৭৭ মেট্রিক টন ড্রাগন।

⇒ ড্রাগন ফল মূলত আমেরিকার প্রসিদ্ধ একটি ফল যা বর্তমানে আমাদের দেশেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৭ সালে থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এই ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। ড্রাগন ফলের গাছ এক ধরনের ক্যাকটাস জাতীয় গাছ। এই গাছের কোন পাতা নেই। ড্রাগন ফলের গাছ সাধারনত ১.৫ থেকে ২.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সিটিউট (বারি) কতৃক উদ্ভাবিত ড্রগন ফলের নতুন জাতটি হলো বারি ড্রাগন ফল-১ যা দক্ষিণ -পূর্ব এশিয়াতে জনপ্রিয় ফল। এ ফলের আকার বড়, পাকলে খোসার রং লাল হয়ে যায় ,শাঁস গাঢ় গোলাপী রঙের, লাল ও সাদা এবং রসালো প্রকৃতির । ফলের বীজগুলো ছোট ছোট কালো ও নরম । একটি ফলের ওজন ১৫০ গ্রাম থেকে ৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কৃষি বাতায়ন। 

৩,০১৩.
বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- এটি বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- রঙিন সম্প্রচার শুরু হয়: ১৯৮০ সালে।
- চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়: ১১ই এপ্রিল, ২০০৪ সালের।
- ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়: ২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সালে।

⇒ বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা: ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।

⇒ উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
• নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
৩,০১৪.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ দলিলে যৌথবাহিনীর পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. জগজিৎ সিং অরোরা
  2. স্যাম মানেকশ
  3. আবদুল্লাহ নিয়াজী
  4. জে এফ আর জেকব
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষপর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

উৎস:
- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
- ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, প্রথম আলো।

৩,০১৫.
বাংলাদেশের বর্তমানে রক্তদান কার্যক্রমে কোন প্রতিষ্ঠানটি শীর্ষে আছে?
  1. ক) কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন
  2. খ) রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
  3. গ) সন্ধানী
  4. ঘ) ঢাকা মেডিকেল কলেজ
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩,০১৬.
গ্রামীণ জনগণকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রথম সেবা কেন্দ্র -
  1. ক) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
  2. খ) ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
  3. গ) কমিউনিটি ক্লিনিক
  4. ঘ) গ্রামীণ ক্লিনিক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ জনগণকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য প্রথম সেবা কেন্দ্র - কমিউনিটি ক্লিনিক। 
- বর্তমানে সারা দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে - ১৪,১৪১টি।
- প্রতিদিন গড়ে ৪০ জন সেবা প্রার্থী একটি কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে সেবা গ্রহণ করে থাকেন এবং এদের ৯৫ শতাংশই নারী ও শিশু। 
- ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত এসব কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে মানুষ সেবা নিয়েছে ১১১.১৭ কোটিরও বেশি বার।  

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৩,০১৭.
কত সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র: 
- জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন।
- তিনি প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে এক অদ্ভুত ও নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন।
- তার এই নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র'।
- মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র, যাতে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল।
- ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
- প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,০১৮.
১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি নিখোঁজ ও শহীদ হন-
  1. ক) জহির রায়হান
  2. খ) মুনির চৌধুরী
  3. গ) আব্দুল হাই
  4. ঘ) মাহবুবুল আলম
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক জহির রায়হান নিখোঁজ হয়েছিলেন ঢাকার মিরপুরে। পরবর্তীতে উদ্‌ঘাটিত হয়েছে জহির রায়হান অন্তর্ধান রহস্যের। [সূত্র: প্রথম আলো]
৩,০১৯.
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী নবাব পরিবারের সরকারি বাসভবন ছিল-
  1. ক) লালবাগ
  2. খ) আহসান মঞ্জিল
  3. গ) বড়কাটরা
  4. ঘ) কার্জন হল
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:- 
- আহসান মঞ্জিল  বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কুমারটুলি এলাকায় ঢাকার নওয়াবদের আবাসিক প্রাসাদ ও জমিদারির সদর কাচারি ,বর্তমানে জাদুঘর।
- মুগল আমলে এখানে জামালপুর পরগনার জমিদার শেখ এনায়েতউল্লাহর রঙমহল ছিল।
- পরে তাঁর পুত্র মতিউল্লাহর নিকট থেকে রঙমহলটি ফরাসিরা ক্রয় করে এখানে একটি বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৮৩০ সালে খাজা আলীমুল্লাহ ফরাসিদের নিকট থেকে কুঠিবাড়িটি কিনে নেন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার সাধন করে এটি নিজের বাসভবনে পরিণত করেন।
- এ বাসভবনকে কেন্দ্র করে খাজা আব্দুল গনি মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানি নামক একটি ইউরোপীয় নির্মাণ ও প্রকৌশলী প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান যার প্রধান ইমারত ছিল আহসান মঞ্জিল।
- ১৮৫৯ সালে আহসান মঞ্জিলের নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৮৭২ সালে সমাপ্ত হয়।
- আবদুল গনি তাঁর পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ র নামানুসারে ভবন এর নামকরণ করেন আহসান মঞ্জিল।
- ওই যুগে নবনির্মিত প্রাসাদ ভবনটি রঙমহল এবং পূর্বেকার ভবনটি অন্দরমহল নামে পরিচিত ছিল।
-  নওয়াব আহসানুল্লাহ অন্দরমহলটি পুনর্নির্মাণ এবং রঙমহলটি মেরামত করান।
- পরে নওয়াব আহসানুল্লাহ তা সংস্কার করিয়ে নিয়েছিলেন।
- আহসান মঞ্জিল দেশের একটি উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন।
- ১ মিটার উচু বেদির উপর স্থাপিত দ্বিতল প্রাসাদ ভবনটির আয়তন ১২৫.৪ মি x ২৮.৭৫মি। নিচতলায় মার্বেল পাথরে শোভিত।
- খাজা সলিমুল্লাহ তাঁর যাবতীয় রাজনৈতিক কর্মকান্ড এ প্রাসাদ থেকেই পরিচালনা করেছেন। 
- আহসান মঞ্জিলের ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক গুরুত্ব অনুধাবন করে বাংলাদেশ সরকার ভবনটিকে সংস্কার করে জাদুঘরে পরিণত করার উদ্যোগ নেয়।
- ১৯৮৫ সালে আহসান মঞ্জিল ও সংলগ্ন চত্বর অধিগ্রহণ করা হয়।
-গণপূর্ত ও স্থাপত্য অধিদপ্তরের দায়িত্বে এর সংস্কার কাজ সমাপ্ত হয় ১৯৯২ সালে। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৩,০২০.
লর্ড ডালহৌসি কার সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন?
  1. জগদীশচন্দ্র বসু
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. লর্ড বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন:
- সংস্কারপন্থী বাঙালি নেতা ও শিক্ষিত শ্রেণির উদারবাদীদের সহযোগিতায় ইংরেজ শাসকরা সামাজিক ধর্মীয় অনেক অমানবিক প্রথা কুসংস্কার দূর করতে সক্ষম হন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক, রাজা রামমোহন রায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- লর্ড ডালহৌসি পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করে বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন। 
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক রাজা রামমোহন রায় প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- লর্ড এলেনবরা-এর সময়ে দাস প্রথা উচ্ছেদ করা হয়। পরবর্তী সময়ে দেবতার নামে শিশু হত্যা নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২১.
কৈবর্ত বিদ্রোহ কোন পাল রাজার শাসনামলে হয়েছিল?
  1. প্রথম মহীপাল
  2. দ্বিতীয় মহীপাল
  3. রামপাল
  4. ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে।
- এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য। তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন। কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০২২.
প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর-
  1. ক) সমতট
  2. খ) তাম্রলিপ্ত
  3. গ) গৌড়
  4. ঘ) পুন্ড
ব্যাখ্যা
• জনপদ:
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে তাম্রলিপ্ত অন্যতম।
- এই জনপদের অবস্থান ছিলো হরিকেল ও রাঢ়ের দক্ষিণে।
- বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুক এলাকা ছিলো তাম্রলিপ্ত জনপদের কেন্দ্রস্থল।
- তাম্রলিপ্ত প্রাচীন বাংলার একটি বিখ্যাত বন্দর। 
- সপ্তম শতক হতে তাম্রলিপ্ত জনপদ ‘দণ্ডভুক্তি’ নামে পরিচিত হতে থাকে।
- দণ্ড মানে হলো পথ আর ভুক্তি অর্থ প্রদেশ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং আনন্দবাজার পত্রিকা।
৩,০২৩.
মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর ছিল-
  1. ক) ডালহৌসি স্ট্রিট, কলকাতা
  2. খ) কলেজ স্ট্রিট, কলকাতা
  3. গ) থিয়েটার রোড, কলকাতা
  4. ঘ) পার্ক স্ট্রিট, কলকাতা
ব্যাখ্যা

- প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার সেখান থেকে মুক্তিযুদ্ধের যাবতীয় রাজনৈতিক ও সামরিক দিক নির্দেশনা দিত।
- অন্যদিকে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় বর্তমান মুজিবনগরে প্রবাসী সরকারের গঠন ও শপথ অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছিল।

৩,০২৪.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন কে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. মোঃ তৌহিদ হোসেন
  2. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  3. চৌধুরী রফিকুল আবরার
  4. আলী ইমাম মজুমদার
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা: 
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা সহ বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা ২৩ জন।
- অন্তর্বর্তী সরকারের নতুন শিক্ষা উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন চৌধুরী রফিকুল (সি আর) আবরার।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও মানবাধিকারকর্মী।
- ৫ মার্চ বঙ্গভবনে সি আর আবরারকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা হিসেবে প্রথমে দায়িত্বে ছিলেন অধ্যাপক ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
- বর্তমানে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ শুধু পরিকল্পনা উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করছেন।

তথ্যসূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট। [Link]
৩,০২৫.
বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক ছিলেন -
  1. তুঘান খান
  2. আলাউদ্দিন আলি
  3. মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি
  4. নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
ব্যাখ্যা
তুর্কি শাসন:
- ১২২৭ থেকে ১২৮১ সাল পর্যন্ত তেমন ১৫ জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন।
- বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক ছিলেন নাসিরুদ্দিন মাহমুদ।
- এ সময় থেকে বাংলার শাসনকর্তারা দিল্লির সুলতানদের কাছ থেকে নিয়োগ লাভ করে এখানকার শাসক হতেন।
- বাংলায় দিল্লির অনুগত কোনো শাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং দিল্লির মনোনীত তুর্কি শাসকরাই একের পর এক বিরোধিতা অব্যাহত রাখেন।
- দিল্লির শাসকরা যেমন, ইলতুতমিশ, বলবন, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও মুহাম্মদ বিন তুঘলক বাংলার শাসকদেরকে প্রতিহত করতে একের এর এক অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।
- দিল্লির শাসনকালে বাংলায় বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ লেগেই ছিল।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার তৎকালীন স্বাধীন শাসক তুগ্রিল খানকে দমনের জন্য নিজেই আক্রমণ করেন।যুদ্ধে তুগ্রিল খান নিহত হন। ফলে বাংলা দিল্লির শাসনাধীন হয়।
- ১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মারা গেলে বঘরা খান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম ধারণ করে ১২৯০ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৩২৫ সালে দিল্লির শাসক গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলা অধিকার করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২৬.
হরিকেল জনপদের অবস্থান বাংলার কোন প্রান্তে ছিল?
  1. পূর্ব
  2. পশ্চিম
  3. উত্তর
  4. দক্ষিণ
ব্যাখ্যা
হরিকেল জনপদের অবস্থান বাংলার পূর্ব প্রান্তে ছিল।

হরিকেল জনপদ:

- চট্টগ্রাম ও সিলেট প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদের অংশ ছিল।
- চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ অঞ্চলের একটি পুরানো মন্দিরে আবিষ্কৃত কান্তিদেবের (খ্রিস্টীয় নয় শতক) অসম্পূর্ণ তাম্রলিপিটি হরিকেল সম্পর্কিত সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য দলিল।
- খ্রিস্টীয় সাত শতকের প্রাচীন ভারতীয় লেখকগণ পূর্বভারতীয় একটি অঞ্চলকে হরিকেল বলে উল্লেখ করেন।
- এটি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য।
- মহারাজাধিরাজ কান্তিদেব হরিকেলের শাসক ছিলেন।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,০২৭.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পন্সর কোন মোবাইল কোম্পানী?
  1. গ্রামীণফোন
  2. রবি
  3. বাংলালিংক
  4. টেলিটক
ব্যাখ্যা
জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন স্পন্সর:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের নতুন স্পন্সর হয়েছে রবি আজিয়াটা লিমিটেড
- সাড়ে তিন বছরের জন্য টেলিকম সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে চুক্তি করেছে।
- চুক্তির মেয়াদ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী ২০২৭ সালের জুলাই পর্যন্ত।
- বিসিবির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে দুই পক্ষ।
- চুক্তি অনুসারে, দেশের সর্বোচ্চ ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিবিকে রবি প্রদান করবে ৫০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪।
৩,০২৮.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের অন্যতম ভূমিকা হল-
  1. সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা
  2. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
  3. সমস্যা চিহ্নিত করা
  4. জনকল্যাণে কাজ করা
ব্যাখ্যা
• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা:
- দল প্রথার ভিত্তিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে যে দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সে দলই শাসনকার্য পরিচালনা করে।
- নির্বাচনে পরাজিত দল বা দলগুলি আইন সভাতে বিরোধী দলের ভূমিকা নেয়।
- একটি আদর্শ বিরোধী দল কেবল বিরোধীতার খাতিরেই বিরোধীতা করে না।
- বরং সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা, ভুলগুলো ধরিয়ে দেয়া এবং জাতীয় স্বার্থে প্রয়োজন মাফিক সরকারকে পরামর্শ দেয়ার দায়িত্ব পালন করে।

• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়। শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে। জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, "যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই"।

• বিকল্প নীতি উত্থাপনঃ
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে। এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

• সমস্যা চিহ্নিত করা:
- রাষ্ট্রে অনেক ধরনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান থাকে।
- এ ধরনের সমস্যাগুলো সমগ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষে বিরোধীদল সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারে।

• জনমত গঠন:
- রাষ্ট্র ও সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের মধ্যে কোন দুর্বলতা চিহৃিত করতে পারলে, সেগুলো ব্যবহার করে বিরোধী দল নিজেদের পক্ষে জনমত গঠনের চেষ্টা করতে পারে।
- বিরোধী দল যদি তাদের যুক্তির স্বপক্ষে শক্তিশালী জনমত গড়ে তুলতে পারে তাহলে পরবর্তী নির্বাচনে তাদের ক্ষমতায় আসার পথ সুগম হয়।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- আর এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২৯.
সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন কে?
  1. মুসা খাঁ
  2. আওরঙ্গজেব
  3. শেরশাহ
  4. ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা

সোনারগাঁও:
-সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
-বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
-প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
-বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈশা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
-১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,০৩০.
চাকমা গ্রামের প্রধান-
  1. হেডম্যান
  2. মৌজা
  3. কারবারি
  4. পুঞ্জি
ব্যাখ্যা
♦ চাকমাঃ  
- চাকমা গ্রামের প্রধান হলেন কারবারি।
- চাকমাদের কয়েকটি পাড়া নিয়ে গঠিত হয় মৌজা।
- চাকমা মৌজার প্রধান হলেন হেডম্যান।
- খাসিয়া গ্রামগুলো পরিচিত পুঞ্জি নামে।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী। 
৩,০৩১.
ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কখন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে?
  1. ১৬৯০ সালে
  2. ১৭৬৫ সালে
  3. ১৭৯৩ সালে
  4. ১৮২৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি — ১৭৬৫ সালে — বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে
-------------------- 
• কোম্পানির দেওয়ানি লাভ: 
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে দেওয়ানি লাভের পর প্রকৃতপক্ষে ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লাভে সক্ষম হয়।
- বক্সারের যুদ্ধে বাংলার নবাব, অযোধ্যার নবাব এবং দিল্লীর সম্রাটের পরাজয় ইংরেজ শক্তিকে এই ক্ষমতা লাভের সুযোগ করে দেয়।
- বক্সারের যুদ্ধের পর — ক্লাইভ দ্বিতীয়বার (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ) ভারতবর্ষে এলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
- ক্লাইভ দেশ থেকে ফিরে অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন। 
- তার বিনিময়ে আদায় করে নেন — কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি।
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।

- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে — কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি দান করা হয়।
- মোগল সম্রাট — দ্বিতীয় শাহ্ আলম একটি ফরমানের মাধ্যমে — বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি ইংরেজ কোম্পানির হাতে তুলে দেন।
- ইংরেজরা এর বিনিময়ে শাহ্ আলমকে বছরে ২৬ লক্ষ টাকা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- এই টাকা নিয়মিত পাঠাবার জামিনদার হবে কোম্পানি।
- ইতিহাসে এটি — এলাহাবাদ চুক্তি নামে পরিচিত। 
- ১৭৬৫ সালের ১২ই অগাস্ট এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে জয়ী হয়ে 'ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি' বাংলা তথা ভারতবর্ষে তাদের কর্তৃত্বের ভিত্তি রচনা করেন।
- ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে বাংলা, বিহার, অযোধ্যা ও দিল্লির সম্রাটের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করলে, ইংরেজদের সেই ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৩,০৩২.
‘বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড’ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. খ) পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়
  3. গ) কৃষি মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
ঐতিহ্যবাহী রেশম শিল্পের ব্যাপক সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হয়। যা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। যার প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড]
৩,০৩৩.
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র কোনটি?
  1. শ্রাবণ বিদ্রোহ
  2. ছত্রিশ জুলাই
  3. দ্য হিরোস আউটসাইড
  4. আমাদ’স ড্রিম
ব্যাখ্যা

'আমাদ'স ড্রিম' (Amad's Dream):
- ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রবাসীদের ভূমিকা নিয়ে নির্মিত তথ্যচিত্র আমাদ’স ড্রিম।
- নির্মাতা: আশিষ কিফায়েত।

⇒ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- দেশজুড়ে যখন লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে, সেই ঢেউ শুধু সীমান্তের ভেতরেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের নানা প্রান্তে থাকা প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে।
- কেউ সরাসরি আন্দোলনে অংশ নিতে দেশে ফিরে আসেন, আবার কেউ বিদেশে থেকেও অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সহায়তার মাধ্যমে আন্দোলনকে শক্তিশালী করে তুলেছিলেন।
- প্রবাসীদের এই সক্রিয় ভূমিকা বিশেষ করে প্রবাসী নারীদের অবদান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার আশিষ কিফায়েত নির্মাণ করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র ‘আমাদ’স ড্রিম’।
- এটি কেবল প্রবাসী জীবনের গল্প নয়, বরং প্রতিফলিত করে ২০২৪ সালের জুলাই গণআন্দোলনের সময় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিদের সক্রিয় ভূমিকা।
- কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আন্দোলনের বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন, কেউ আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন, আবার কেউ নিজেদের পেশাগত দক্ষতা ব্যবহার করেছেন আন্দোলনের পক্ষে।

উৎস: i) The Daily Star.
ii) যুগান্তর।

৩,০৩৪.
আগরতলা মামলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষের আইনজীবী কবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন?
  1. ১৯ জুন, ১৯৬৮ 
  2. ৫ জুলাই, ১৯৬৯
  3. ১৮ জুলাই, ১৯৬৮
  4. ৫ আগস্ট, ১৯৬৮
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলায় হাইকোর্টে রিট আবেদন: 

• কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টে আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়। 
• ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় মামলার শুনানি শুরু হয়। 
• মামলাটি পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে ছিল । 
• মামলায় সরকার পক্ষে সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন।
• রাজসাক্ষীসহ মোট ছিল ২২৭ জন। 
• যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আইনজীবী প্রেরণ করেন।
• প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে রিট করেন। 
• তিনি ৫ আগস্ট, ১৯৬৮ বঙ্গবন্ধুর পক্ষে বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করেন।
• তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ। 
• প্রথম শুনানি শুরু হয় ১৯ জুন। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর পক্ষে আইনজীবী নিয়োগের পর ২৯ জুলাই পুনরায় শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৩৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল?
  1. চলন বিল
  2. আড়ায়াল বিল
  3. চাতলার বিল
  4. হালতির বিল
ব্যাখ্যা
চলন বিল:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল।
- এটি রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, এবং পাবনা জেলা জুড়ে বিস্তৃত।
- নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিস্তৃত অংশ জুড়ে যে জলভূমি, বর্ষা এবং বর্ষা পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সেটাই বিখ্যাত চলনবিল।
- শুকনা মৌসুমে এসব বিলে জল থাকে না।
- জুলাই থেকে অক্টোবর পর্যন্ত চলনবিল ভ্রমণের উপযুক্ত সময়।
- ব্রহ্মপুত্র নদ যখন তার প্রবাহপথ পরিবর্তন করে বর্তমান যমুনায় রূপ নেয়, সে সময়েই চলনবিলের সৃষ্টি।
- বর্তমানে চলনবিল অনেকখানি হ্রাস পেয়ে আয়তন দাঁড়িয়েছে ১১৫০ বর্গকিলেমিটারে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,০৩৬.
বাংলায় ইংরেজরা সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে কত সালে?
  1. ১৭৫২ 
  2. ১৭৬৩ 
  3. ১৭৫৫ 
  4. ১৭৬৫ 
ব্যাখ্যা

কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- ১৭৬৫ সালে মীর জাফরের মৃত্যুর পর তার পুত্র নাজিম-উদ-দৌলাকে শর্তসাপেক্ষে বাংলার সিংহাসনে বসানো হয়।
- শর্ত থাকে যে, তিনি তার পিতার মতো ইংরেজদের নিজস্ব পুরাতন দস্তক অনুযায়ী বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে দেবেন এবং দেশীয় বণিকদের অবাধ বাণিজ্যের সুবিধা বাতিল করবেন।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব বা খাজনা ও কর আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব অর্থাৎ দেওয়ানি লাভ করে।
- ১৭৬৫ সালে দেওয়ানি লাভের পর ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,০৩৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়?
  1. ২৫
  2. ২৮
  3. ৪০
  4. ৪২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ২৮ অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়।

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।

⇒ সংবিধানের ২৮ নং অনুচ্ছেদ - ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য
- ২৮(১) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ন, নারী পুরুষ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না।
- ২৮(২) নং: রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবেন।
- ২৮(৩) নং: কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না।
- ২৮(৪) নং: নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যেকোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন হতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ২৫ নং: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ৪০ নং: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ নং: সম্পত্তির অধিকার

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,০৩৮.
দেশের কততম ব্যাংকনোট হিসেবে ২০০ টাকা মূল্যমানের নোট বাজারে ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক?
  1. ক) ষষ্ঠ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) নবম
ব্যাখ্যা
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাজারে আসছে ২০০ টাকা সপ্তম ব্যাংকনোট। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ এ নতুন নোট বাজারে ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রথম বছরে স্মারক ও প্রচলিত/নিয়মিত, এই দুই ধরনের ২০০ টাকার নোট থাকবে। দ্বিতীয় বছর থেকে বাজারে স্মারক নোট ছাড়া হবে না, নিয়মিত নোট থাকবে। নিয়মিত নোটেই শুধু লেনদেন করা যায়। প্রাথমিকভাবে ২০০ টাকার নোটের উপর ‘মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বিশেষ নোট’ কথাটি লেখা থাকবে। তবে ২০২১ সালের পর যে নোটগুলো ছাড়া হবে তাতে আর তা আর লেখা থাকবে না। বিশেষ বিশেষ ঘটনাকে স্মরণীয় রাখতে এর আগে ৬ ধরনের স্মারক নোট তৈরি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এই বহরে যুক্ত হচ্ছে ২০০ টাকার নোট। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
৩,০৩৯.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৫০
  2. অনুচ্ছেদ-১৪৫ক
  3. অনুচ্ছেদ-১৪২
  4. অনুচ্ছেদ-১৪৮
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫০ তে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এছাড়াও-
• বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,০৪০.
বাংলাদেশ কত সালে Interpol-এর সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সদস্য পদ লাভ করে- ১৪ অক্টোবর ১৯৭৬ সালে। 

Interpol:
- Interpol-এর পূর্ণরূপ: International Criminal Police Organization.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ৭ সেপ্টেম্বর, ১৯২৩।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
- সদর দপ্তর: লিঁও, ফ্রান্স।
- ইন্টারপোলের ভাষা: ইংরেজি, ফরাসি, স্প্যানিশ ও আরবি।
- সদস্য সংখ্যা: ১৯৬টি (সর্বশেষ সদস্য: পালাউ)।
- বর্তমান সভাপতি: আহমেদ নাসের আল-রাইসি (২০২১-২০২৫)।
- বর্তমান মহাসচিব: ভালডেসি উরকুইজা (ব্রাজিল)।

⇒ ইন্টারপোলের প্রধান উদ্দেশ্য হল আন্তর্জাতিক অপরাধ, যেমন মানবপাচার, মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসবাদ, যুদ্ধাপরাধ, আর্থিক অপরাধ, সাইবার অপরাধ, এবং অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াই করা।
= বিভিন্ন দেশের পুলিশের মধ্যে তথ্য ও সুরক্ষা সম্পর্কিত সহযোগিতা নিশ্চিত করা।
- ইন্টারপোল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পুলিশদের জন্য তথ্য আদান-প্রদান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ তদন্তে সহায়তা প্রদান করে।
- ইন্টারপোল আন্তর্জাতিকভাবে পলাতক অপরাধীদের ধরার জন্য "লাল নোটিশ" জারি করে, যা বিভিন্ন দেশকে সেই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করার জন্য সতর্ক করে।

উৎস: Interpolsion ওয়েবসাইট।

৩,০৪১.
কোলন ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ফ্লোরকক্সিব নামক জৈবযৌগ আবিষ্কার করেছেন -
  1. ড. জসিম উদ্দিন
  2. ডা. মাজহারুল ইসলাম
  3. ড. আনিসুজ্জামান
  4. ড. মাকসুদুর রহমান
ব্যাখ্যা
কোলন ক্যান্সার ও ড. জসিম উদ্দিন
- প্রাণঘাতী কোলন ক্যান্সারের প্রাথমিক পর্যায়ের নাম কোলনিক অ্যাডেনোমা।
- অ্যাডেনোমায় আক্রান্ত কোষগুলোতে সাইক্লোঅক্সিজেনেজ-২ (কক্স-২) এনজাইম অতিরিক্ত মাত্রায় বিস্তৃত থাকতে দেখা যায়।
- এটি শনাক্তকরণের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও চিকিৎসাবিজ্ঞানী ড. জসিম উদ্দিন একটি জৈব যৌগ আবিষ্কার করেছেন।
- এটি ফ্লোরকক্সিব নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিত।
- এ প্রাণরাসায়নিক যৌগটি প্রাণির দেহে প্রবেশ করানোর পর এটি কক্স-২ এনজাইমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে কাজ করা শুরু করে। 

অন্যদিকে,
- বর্তমানে ড. জসিম উদ্দিন মেরি গেডেস স্ট্যাহলম্যানের ক্যানসার রিসার্চের অধ্যাপক এবং বায়োকেমিস্ট্রির রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবে কর্মরত আছেন।

তথ্যসুত্র - দৈনিক ইত্তেফাক।
৩,০৪২.
সংবিধানের কোন সংশোধনী আইনের মাধ্যমে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়?
  1. ষোড়শ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. সপ্তদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- পঞ্চদশ সংশোধনী  আইনের মাধ্যমে গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়েছিল।

পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল অংশ:
- সময়: ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা: এই আইনের ২০ ও ২১ ধারাকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে, যা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেছিল।
- ওই দুটিসহ পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের মাধ্যমে সংবিধানে যুক্ত ৭ক,৭খ, ৪৪ (২) অনুচ্ছেদ সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করেছেন আদালত।
• সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অংশ ছিল গণভোট।
- এটি ১৯৯১ সালে দ্বাদশ সংশোধনীতে যুক্ত হয়।
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের গণভোটের বিধান বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় বাতিল ঘোষণা করা হলো।
- ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনর্বহাল করা হলো।

 উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয়।
- ২০১১ সালের ৩ জুলাই এ-সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক] বিবিসি বাংলা।লিঙ্ক

৩,০৪৩.
ঈশ্বরদী-১৬ কী?
  1. উন্নত জাতের আখ
  2. উন্নত জাতের ধান
  3. উন্নত জাতের চা
  4. উন্নত জাতের তামাক
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরদী-১৬ উন্নত জাতের আখ।

আখ:

- আখ বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান অর্থকরী ফসল৷ পাট ও তামাকের মতো আখও চাষীদেরকে নগদ অর্থে আজকাল পাট চাষের চেয়ে আখ চাষ অধিক লাভজনক বলে চাষীরা পাটের চেয়ে আখ চাষেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন৷ বাংলাদেশের প্রতিটি জেলাতেই কিছু না কিছু আখের চাষ হয়, তবে জলবায়ুর প্রভাব অনুযায়ী দেশের উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলো আখ চাষের জন্য উপযোগী৷
- উন্নত জাতের আখ: ঈশ্বরদী ২-৫৪, এলজেসি, ঈশ্বরদী ১৬, ঈশ্বরদী ১৯, ঈশ্বরদী ২০, ঈশ্বরদী ২১, ঈশ্বরদী ২২, ঈশ্বরদী ২৪, ঈশ্বরদী ২৫, ঈশ্বরদী ২৬, ঈশ্বরদী ২৭, ঈশ্বরদী ২৮, ঈশ্বরদী ২৯, ঈশ্বরদী ৩০, ঈশ্বরদী ৩১, ঈশ্বরদী ৩২, ঈশ্বরদী ৩৩  ঈশ্বরদী ৩৪, ঈশ্বরদী ৩৫, ঈশ্বরদী ৩৬, ঈশ্বরদী ৩৭, ঈশ্বরদী ৩৮।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৩,০৪৪.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ কে?
  1. নাইমা সুলতানা
  2. রিয়া গোপ
  3. আব্দুল আহাদ
  4. রিমন আহমেদ
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ :
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ ।
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ ৷
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ ৷
- সে ‘জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা' হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - জুলাই আর্কাইভ ও যুগান্তর পত্রিকার রিপোর্ট।

৩,০৪৫.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য অমর্ত্য সেন নোবেল পুরস্কার পান?
  1. ক) সামাজিক অর্থনীতি
  2. খ) মানব উন্নয়ন তত্ত্ব
  3. গ) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্ব
  4. ঘ) মজুরী তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• অমর্ত্য সেন:
-  প্রথম বাঙালি হিসেবে অর্থনীতিতে নোবেল পান অমর্ত্য সেন।
- ১৯৯৮ সালে দুর্ভিক্ষ, মানব উন্নয়ন তত্ত্ব, জনকল্যাণ অর্থনীতি ও গণদারিদ্র্যের অন্তর্নিহিত কার্যকারণ বিষয়ে গবেষণা এবং উদারনৈতিক রাজনীতিতে অবদান রাখার জন্য স্টকহোমে দ্য রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের এই পুরস্কার লাভ করেন ভারতীয় এই অর্থনীতিবিদ।
- অমর্ত্য সেনের অর্থনৈতিক তত্ত্ব - উন্নয়ন অর্থনীতিতে সক্ষমতার দৃষ্টিভঙ্গি , যেখানে তিনি একটি প্রধান অবদানকারী ছিলেন। সক্ষমতার দৃষ্টিভঙ্গি একটি তাত্ত্বিক কাঠামো যা অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য প্রচেষ্টাকে জানাতে সাহায্য করেছে। 
 
উৎস: প্রথম আলো
৩,০৪৬.
কুসুম্বা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।

উৎস: ২৩ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৩,০৪৭.
জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. হুইপ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন এবং সংসদের কর্যক্রম নিয়ন্ত্রন করেন।
 - জাতীয় সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।
- স্পীকার জাতীয় সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পীকার আইন সভা তথা জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।


উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৩,০৪৮.
বর্তমানে কততম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান?
  1. ক) ষষ্ঠ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) নবম
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০- জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন।
৩,০৪৯.
'কাবিখা' কর্মসূচির মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি
  2. প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীণ অবকাঠামো নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ
  3. দারিদ্র্য বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

• কাবিখা কর্মসূচি:
- কাজের বিনিময়ে খাদ্য বা কাবিখা হলো খাদ্য সহায়তার একটি কর্মসূচি।

» কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য :
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো  নির্মাণ /পুনর্নির্মাণ
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি 
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন  এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।
  
তথ্যসূত্র: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট।

৩,০৫০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'যশোর' জেলা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) পাঁচ
  2. খ) ছয়
  3. গ) সাত
  4. ঘ) আট
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর :
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
- সেক্টরগুলোর পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো-
• এক নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা।
• দুই নম্বর সেক্টর: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।
• তিন নম্বর সেক্টর: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ।
• চার নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল।
• পাঁচ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
• ছয় নম্বর সেক্টর: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)।
• সাত নম্বর সেক্টর: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা।
আট নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
• নয় নম্বর সেক্টর: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
• দশ নম্বর সেক্টর: দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ।
• এগার নম্বর সেক্টর: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
৩,০৫১.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন-
  1. এম.এ .ইদ্রিস
  2. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  3. ড.গোলাম মোস্তফা
  4. আব্দুস সাত্তার 
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- হাইকোর্টের ব্রেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
- 'বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
-  তিনি ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে ৫ নভেম্বর ১৯৭৫ পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। 

উল্লেখ্য,
- প্রধান বিচারপতিসহ অন্যান্য বিচারকদের অবসরের বয়স ৭০ বছর করার প্রস্তাব করেছে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন।
- এজন্য বিদ্যমান সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে।
- বিদ্যমান সংবিধানে প্রধান বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর নির্ধারণ করা রয়েছে।
- এই অবসরের বয়সসীমা তিন বছর বৃদ্ধি করে ৭০ করার প্রস্তাব করল কমিশন। 

উৎস: সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট এবং দৈনিক প্রথম আলো।

৩,০৫২.
আইন ও সালিশ কেন্দ্র কী ধরনের সংস্থা?
  1. সরকারি সংস্থা
  2. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান
  3. দাতব্য চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান
  4. মানবাধিকার সংস্থা
ব্যাখ্যা

• আইন ও সালিশ কেন্দ্র:
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংস্থা।
- ১৯৮৬ সালে সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৯ জন।
- শুরুতে আসক ঢাকা শহরের সুবিধাবঞ্চিত ও দরিদ্র নারী, কর্মজীবী শিশু এবং শ্রমিকদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা প্রদান করে।
- এর মূল লক্ষ্য সমানাধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

তথ্যসূত্র: আইন ও সালিশ কেন্দ্র ওয়েবসাইট।

৩,০৫৩.
কোন নদীর তলদেশে বাংলাদেশের প্রথম টানেল নির্মিত হয়েছে?
  1. যমুনা
  2. পদ্মা
  3. কর্ণফুলী
  4. বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
৩,০৫৪.
ভারতবর্ষকে 'দারুল হারব' বা বিধর্মীর দেশ বলে ঘোষণা করেন?
  1. শাহ ওলিউল্লাহ
  2. মীর নিসার আলী
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
•ফরায়েজি মতবাদ:
- হাজী শরিয়ত উল্লাহ ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব’ অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি। 
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয়(ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি বিধর্মী বিজাতীয় শাসিত দেশে জুমা এবং দুই ঈদের নামাজ বর্জনের জন্য মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।নুন-ভাতের দাবিও উত্থাপন করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
-  ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৫.
বাংলাদেশ আইসিসি'র ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে কোন সালে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে 
  2. ২০০০ সালে 
  3. ১৯৯৯ সালে 
  4. ২০০২ সালে  
ব্যাখ্যা

• ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালে গঠিত হয়
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের প্রথম ওডিআই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ৩১ মার্চ ১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে।
- ১৯৯৭ সালে কেনিয়ার বিরুদ্ধে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর  ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে।
- এবং আইসিসির ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শফিকুল হক হিরা।
- দেশের প্রথম টেস্ট জয় আসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: Bangladesh Cricket Board.

৩,০৫৬.
'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা' সম্পর্কে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১৫ নং
  2. ১৪ নং
  3. ১৭ নং
  4. ১৮ নং
ব্যাখ্যা
• ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:
রাষ্ট্র
(ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
(খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করিবার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

অন্যদিকে,
- ১৫৷ মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- ১৪৷ কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।
- ১৮৷ জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা। 

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,০৫৭.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ক) ৩ লক্ষ টাকা
  2. খ) ৪ লক্ষ টাকা
  3. গ) ৫ লক্ষ টাকা
  4. ঘ) ২ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতাদের (পুরুষ) করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লক্ষ টাকা। গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের বাজেটে এই সীমা ছিলো ২.৫ লক্ষ টাকা। মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতাদের সাধারণ করমুক্ত আয় সীমা ৩.৫ লক্ষ টাকা। সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ করহার ২৫ শতাংশ।
(সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড)
৩,০৫৮.
৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয় দফা দাবি পেশ করেন?
  1. ক) ৪ দফা
  2. খ) ৬ দফা
  3. গ) ৮ দফা
  4. ঘ) ১১ দফা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের
ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে। 

• ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয় -
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০৫৯.
কত সালে ‘বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল’ গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭৩
  2. খ) ১৯৭৬
  3. গ) ১৯৭৭
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমের সবোর্চ্চ প্রতিষ্ঠান। পরিকল্পনা ও সম্পদের সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে জাতীয় কৃষি গবেষণা সক্ষমতা জোরদারকরণ বিএআরসির দায়িত্ব যা একই ছাতার নীচে দেশের সমগ্র কৃষি গবেষণা প্রয়াস সমন্বয় সাধন।
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জমির ফসল নিবিড়তা অধিকতর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ধিত খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। কৃষক সমাজের সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র দূরীকরণ, গ্রামীন সম্প্রদায়ের টেকসই স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পিত সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল।
এরই ধারাবাহিকতায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণা সমন্বয়, পরিকল্পনা, গবেষণার বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের জন্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল - এর ওয়েবসাইট।

৩,০৬০.
কোন ঘটনায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর সূচনা হয়?
  1. বিচারাধীন অবস্থায় সার্জেন্ট জহুরুল হককে হত্যা করা
  2. পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান এর মৃত্যু
  3. নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এর উপর পুলিশের গুলি
  4. রাবির ড. শামসুজ্জোহা এর উপর হামলা
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি,  এই মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান শহিদ হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।

- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস।
- ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে।
- সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম শহিদ হন।

- এছাড়া, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল আসামি মুক্তি বাধ্য হয়।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
৩,০৬১.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাংস্কৃতিক সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮
  2. খ) ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
  3. গ) ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮
  4. ঘ) ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

তমদ্দুন মজলিশের গঠনতন্ত্রে বিধৃত এই সংগঠনের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ:
১. কুসংস্কার, গতানুগতিকতা ও প্রতিক্রিয়াশীলতা দূর করে ‘সুস্থ ও সুন্দর’ তমদ্দুন গড়ে তোলা;
২. যুক্তিবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত সর্বাঙ্গ সুন্দর ধর্মভিত্তিক সাম্যবাদের দিকে মানবসমাজকে এগিয়ে নেওয়া;
৩. মানবীয় মূল্যবোধ ভিত্তিক সাহিত্য ও শিল্পের মাধ্যমে নতুন সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করা;
৪. নিখুঁত চরিত্র গঠন করে গণজীবনের উন্নয়নে সহায়তা করা।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
উক্ত পুস্তিকায় নিম্ন লিখিত বিষয়গুলো প্রস্তাব করা হয় -

পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?
- তমদুন মজলিশ

১. বাংলা ভাষাই হবে:
(ক) পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষার বাহন।
(খ) পূর্ব পাকিস্তানের আদালতের ভাষা।
(গ) পূর্ব পাকিস্তানের অফিসাদির ভাষা।
২. পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের ভাষা হবে দুটি - উর্দু ও বাংলা।
৩. বাংলাই হবে পূর্ব পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের প্রথম ভাষা। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা একশতজনই শিক্ষা করবেন।
(খ) উর্দু হবে দ্বিতীয় ভাষা। যারা পাকিস্তানের অন্যান্য অংশে চাকরী ইত্যাদি কাজে লিপ্ত হবেন, তারাই শুধু এ-ভাষা শিক্ষা করবেন। ইহা পূর্ব পাকিস্তানের শতকরা ৫ হইতে ১০ জন শিক্ষা করলেও চলবে। মাধ্যমিক স্কুলের উচ্চতর শ্রেণীতে এই ভাষা দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে শিক্ষা দেওয়া যাবে।
(গ) ইংরেজী হবে পূর্ব পাকিস্তানের তৃতীয় ভাষা বা আন্তর্জাতিক ভাষা। পাকিস্তানের কর্মচারী হিসাবে যাঁরা পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চাকরী করবেন বা যারা উচ্চতর বিজ্ঞান শিক্ষায় নিয়ােজিত হবেন তাঁরাই শুধু ইংরেজী শিক্ষা করবেন। তাদের সংখ্যা পূর্ব পাকিস্তানের হাজারকরা ১ জনের চেয়ে কখনাে বেশী হবে না। ঠিক একই নীতি হিসাবে পশ্চিম পাকিস্তানের প্রদাশেগুলিতে ওখানের স্থানীয় ভাষা বা উর্দু ১ম ভাষা, বাংলা ২য় ভাষা, আর ইংরেজী ৩য় ভাষার স্থান অধিকার করবে।
৪. শাসনকার্য ও বিজ্ঞান-শিক্ষার সুবিধার জন্য আপাততঃ কয়েক বৎসরের জন্য ইংরেজী ও বাংলার উভয় ভাষাতেই পূর্ব পাকিস্তানের শাসনকার্য চলবে। ইতিমধ্যে প্রয়ােজন অনুযায়ী বাংলা ভাষার সংস্কার সাধন করতে হবে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

উল্লেখ্য, বাংলাপিডিয়ার সূত্র অনুসারে, তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর গঠিত হয়।
তবে, এই ক্ষেত্রে স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্রের তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য। তাছাড়া অনেকগুলো বোর্ড বইগুলোতেও তারিখটি ২ সেপ্টেম্বর দেওয়া।
তাই সঠিক উত্তর হিসাবে ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ অধিকগ্রহণযোগ্য।
তবে অপশনে ২ সেপ্টেম্বর, না থাকলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে।
৩,০৬২.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র নিচের কোনটি?
  1. জয়যাত্রা
  2. শ্রাবণ মেঘের দিন
  3. দীপু নাম্বার টু
  4. নন্দিত নরকে
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,০৬৩.
বাংলাদেশের প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য কোন দেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. সৌদি আরব
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা

প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য:
- সর্বশেষ ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশ থেকে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোাটি মার্কিন ডলারের কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে।
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়।
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ভারত, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ দেশেই মোট রপ্তানির প্রায় ৬০ শতাংশ যায়।
- সর্বোচ্চ প্রায় ৯৩ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয় ইউএইতে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৩,০৬৪.
ছয় দফা কর্মসূচির '৬ষ্ঠ দফা' কোন বিষয় সংক্রান্ত ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  3. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,০৬৫.
ওঁরাও জাতিগোষ্ঠীর প্রধান আবাসস্থল কোথায়?
  1. পাহাড়ি অঞ্চল
  2. বরেন্দ্র অঞ্চলে
  3. উপকূলীয় অঞ্চল
  4. চন্দ্রদ্বীপ অঞ্চল
ব্যাখ্যা

• ওরাওঁ :
- ওরাওঁ  বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- এ কারণে অধিকাংশ গবেষক মনে করেন যে, ওরাওঁরা দ্রাবিড়ভাষী কুড়ুখ জাতির উত্তর পুরুষ।
- ১৮৮১ সালের আদমশুমারিতে দেখা যায় যে, তারা বরেন্দ্র অঞ্চল ছাড়াও ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালী জেলায়ও বসবাস করত।
কিন্তু বর্তমানে তাদের সংখ্যা বেশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩,০৬৬.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী বাংলাদেশে চরম দারিদ্রের হার কত?
  1. ৮.৬%
  2. ৫.৬%
  3. ৯.৬%
  4. ১০.৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।

উল্লেখ্য,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
 
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৩,০৬৭.
আইএমএফ মোট কয়টি কিস্তিতে বাংলাদেশকে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তা প্রদান করবে?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ১০টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
▪ বাংলাদেশকে ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ দিতে সম্মত হয়েছে আইএমএফ। 
▪ বর্ধিত ঋণ–সুবিধা (ইসিএফ) ও বর্ধিত তহবিল–সুবিধার (ইএফএফ) আওতায় ৩২০ কোটি ডলার আর রেজিলিয়েন্স সাসটেইনেবিলিটি ফ্যাসিলিটির (আরএসএফ) আওতায় ১৩০ কোটি ডলার ঋণ দেওয়া হবে। ৪২ মাসের মেয়াদে এ ঋণ দেওয়া হবে।
▪ দেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং বিভিন্ন ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টিকারী উপাদান ঠেকাতে নতুন এ ঋণ দেওয়ার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নে সহায়তা দিতে কাঠামোগত পরিবর্তনেও জোর দেওয়া হয়েছে।
মোট সাত কিস্তিতে এই ঋণ দেবে তারা। প্রথম কিস্তির ঋণ মিলবে আগামী ফেব্রুয়ারিতে। আর সর্বশেষ কিস্তির ঋণ পাওয়া যাবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে।
▪ আইএমএফের ঋণের সুদহার হবে বাজারদর অনুযায়ী। তাতে গড় সুদহার হবে ২ দশমিক ২ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং প্রথম আলো।  
৩,০৬৮.
‘শিক্ষার জন্য অর্থ’ কর্মসূচির আওতায় একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাসে কত টাকা পান?
  1. ১০০ টাকা
  2. ১২৫ টাকা
  3. ১৫০ টাকা
  4. ২০০ টাকা
ব্যাখ্যা
শিক্ষার জন্য অর্থ কর্মসূচি:
- প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ঝরেপড়া রোধ ও তাদের উপস্থিতি বাড়াতে উপবৃত্তি কার্যক্রম ভালো ভূমিকা রাখায় উপবৃত্তির টাকা বাড়াতে যাচ্ছে সরকার।
- ২০১৬ সালের জুলাই মাস থেকে প্রথমবারের মত রূপালী ব্যাংক শিওরক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের মোবাইলে উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে।
- এর পর জুলাই ২০১৭ সাল থেকে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় অবস্থিত প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সারা বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপবৃত্তি চালু করা হয়।
- ‘শিক্ষার জন্য অর্থ’ কর্মসূচির আওতায় একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক মাসে ১০০ টাকা পান।
- উপবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের স্কুলে উপস্থিতি থাকার আগ্রহ যেমন বেড়েছে, তেমনি অনেক অভিভাবক বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর ব্যাপারে সচেতন হয়েছেন।
- একজন শিক্ষার্থীকে উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য প্রতিমাসে ন্যূনতম গড়ে ৮৫ শতাংশ পাঠ দিবসে উপস্থিত থাকতে হবে।
- উপবৃত্তির ১০০ টাকা দিয়ে একজন শিক্ষার্থীর খাতা-কলমের খরচ মেটানো সম্ভব।
- প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর এই উপবৃত্তির টাকা প্রদান করা হয়।

উৎস: ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, দৈনিক পূর্বকোণ। [link]
৩,০৬৯.
ডঃ শামসুজ্জোহা ছিলেন -
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ছাত্র
  2. খ) ঢাকা হাইকোর্টের আইনজীবী
  3. গ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
  4. ঘ) রাজশাহী সরকারি কলেজের শিক্ষক
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ -এর আন্দোলন বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছেছিল। সেজন্য এ আন্দোলন গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান নামে অভিহিত হয়েছে।
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্ব বাংলা/পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হল।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে। আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭০.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. সুফলা
  2. অগ্নিশ্বর
  3. কবরী
  4. কাঞ্চন
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

৩,০৭১.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মরণে দেশের বাইরে বিশ্বের প্রথম স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয় অস্ট্রেলিয়ার কোন নগরীতে?
  1. ক) মেলবোর্ন
  2. খ) পার্থ
  3. গ) সিডনি
  4. ঘ) ব্রিজবেন
ব্যাখ্যা
• আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মরণে দেশের বাইরে বিশ্বের প্রথম স্মৃতিসৌধটি নির্মিত হয়  -সিডনি, অস্ট্রেলিয়া (১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০০৬)।

SOURCE:  দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা 
৩,০৭২.
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  2. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  3. ৭ মার্চ ১৯৭১
  4. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে একই দিনে আইনের ধারাবাহিকতা বলবৎকরণ আদেশ নামে একটি আদেশ জারি করেন। স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে যে সকল আইন চালু ছিল, তা রক্ষার্থে এটা করা হয়।
অর্থাৎ ২৬ মার্চ থেকে এটি বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

৩,০৭৩.
Who was the first Independent king of Bengal?
  1. ক) Chandragupta Maurja
  2. খ) Vijay Sen
  3. গ) Shashank
  4. ঘ) Gopal
ব্যাখ্যা

-- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
-- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
-- ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক “স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।”
-- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
-- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তার লাভ করেছিল।
-- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
-- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ। 
-- তিনি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির উন্নয়নের উদ্যোগ নেন।
-- তার আমলে তাম্রলিপ্ত বন্দর গুরুত্ব লাভ করে।
-- তিনি ৬৩৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
-- তার মৃত্যুর প্রায় একশ বছর বাংলার ইতিহাসে যে অরাজকতা, নেতৃত্বের শূন্যতার সৃষ্টি হয় তাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী (এইস এস সি ) বাংলাদেম ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৪.
বর্তমানে দেশে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনার সংখ্যা কত জন?
  1. ৪৩৭
  2. ৪৩৮
  3. ৪৩৬
  4. ৪৩২
ব্যাখ্যা
- জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) ৭৫তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বীরাঙ্গনার সংখ্যা - ৪৩৮ জন।
- গত ২৪ আগস্ট, ২০২১ তারিখে এ বীরাঙ্গনাদের বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট জারি করেছে সরকার।
- তারা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের সহযোগীদের হাতে নির্যাতিত হন।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,০৭৫.
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল
  2. ১৯৭১ সালের ৭ই এপ্রিল
  3. ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল
  4. ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সূচনা এবং মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে মুজিবনগর সরকার গঠন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ গ্রহণের মাধ্যমে এ সরকারের কার্যক্রম শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধকে সঠিকভাবে পরিচালনা, নির্দেশনা সুসংহত করা এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত গঠনের লক্ষ্যে ১৯৭০-এর সাধারণ নির্বাচনে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের প্রতিনিধিদের নিয়ে ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল 'মুজিবনগর সরকার' গঠন করা হয়।
- এটি ছিল প্রথম বাংলাদেশ সরকার।
- ঐ দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয় 'বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা আদেশ'।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,০৭৬.
শাহ সুলতান বলখীর মাজার পাওয়া গেছে-
  1. মহাস্থানগড়ে
  2. পাহাড়পুরে
  3. ময়নামতিতে
  4. সীতাকোট বিহারে
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড়: 
- মহাস্থানগড়ে বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ও সর্ববৃহৎ নগর পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বিদ্যমান। 
- মহাস্থানগড়ে শাহ সুলতান বলখীর মাজার রয়েছে । 
- সম্রাট অশোকের সময়ের খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি পাওয়া গেছে । 
- স্থানটি বগুড়া শহর থেকে ১৩ কিমি ( ৮ মাইল ) উত্তরে করতোয়া নদীর তীরে ।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা  ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) এ বিহার স্থাপন করেন। 
- ময়নামতি কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কি. মি. পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- এর পূর্ব নাম রোহিতগিরি ।  

উৎস:  ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,০৭৭.
রাজবংশী নৃ-গোষ্ঠী নিচের কোন জেলায় বাস করে না?
  1. রংপুর
  2. দিনাজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
 রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী।
- বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়। 
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছ ধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।
- মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- খরা, অনাবৃষ্টি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ‘হুদুমা’ পূজা রাজবংশীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই। 
- রাজবংশীরা মৃতদেহ পুড়িয়ে সৎকার কাজ সম্পন্ন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,০৭৮.
শিশুর জন্মের কত দিনের মধ্যে নবজাতকের জন্ম নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়?
  1. ৪৫ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

নবজাতকের নিবন্ধনপ্রক্রিয়া: 
- সরকারি নিয়মে জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে নবজাতকের নিবন্ধনপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হয়।

উল্লেখ্য,
-'রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়, জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন'-এর তথ্য অনুসারে, এ বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৯ মাসে মোট জন্মনিবন্ধন হয়েছে ৭৭ লাখ ৮১ হাজার ৩৯০ জনের।
- এর মধ্যে ৬ লাখ ৫৭ হাজার ৮৪৮ শিশুর নিবন্ধন হয়েছে জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে,

উৎস: 'রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় এবং প্রথম আলো।

৩,০৭৯.
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য-
  1. দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
  2. দু'দেশের নদীগুলোর পলিমাটি অপসারণ
  3. বন্যা নিয়ন্ত্রণে দু দেশের মধ্যে সহযোগিতা
  4. দু'দেশের নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য- দু'দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি।

• যৌথ নদী কমিশন:

- ১৯৭২ সালের মার্চ মাসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ ও প্রজাতন্ত্রী ভারত সরকারের প্রধানমন্ত্রীদ্বয়ের মধ্যে যৌথ ঘোষণার মাধ্যমে দু’দেশের বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে অভিন্ন নদীর ব্যাপক জরিপ কার্যক্রম পরিচালন এবং নাব্যতা ঠিক রেখে,
- বন্যা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণের বিস্তারিত প্রকল্প প্রণয়ন,
ও প্রধান প্রধান নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সেচ প্রকল্পের উপর সমীক্ষা পরিচালন,
- উভয় দেশের জনগণের পারস্পরিক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে এতদাঞ্চলের পানি সম্পদের ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার,
- এবং বাংলাদেশের সাথে ভারত সংলগ্ন এলাকায় পাওয়ার গ্রীড সংযোজনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য স্থায়ী ভিত্তিতে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত হয়।

• দীর্ঘ মেয়াদে গঙ্গার পানি প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে উভয় দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার প্রয়োজনে এবং দুদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত অন্যান্য নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রেও অনুরূপ চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে একমত হয়। 

উৎস: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
৩,০৮০.
বিশ্ব জলাভূমি দিবস কবে?
  1. ক) ২ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ৬ মার্চ
  3. গ) ১২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

- বিশ্ব জলাভূমি দিবস ২ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয় পাট দিবস ৬ মার্চ।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ৭ এপ্রিল।
- ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ১২ ডিসেম্বর‌।

৩,০৮১.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ অনুযায়ী, জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৫ শতাংশ
  2. খ) ৬.৯ শতাংশ।
  3. গ) ৭.২ শতাংশ।
  4. ঘ) ৭.৫ শতাংশ।
ব্যাখ্যা
জাতীয়_বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটটি হবে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- বাজেট পেশ - ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর হবে - ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর -১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট- ৫২তম ( অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।

- বাজেটের আকার - ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা - ৫ লাখ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি - ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ( ADP) - ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা।
- করমুক্ত আয়সীমা - সাড়ে ৩ লাখ টাকা।
- জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার - ৭.৫ শতাংশ।
- মুদ্রাস্ফীতি হার - ৬ শতাংশ।
- বাজেটের মূল দর্শন হলো ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ।

উৎস: BBC বাংলা, ০১ জুন, ২০২৩।
৩,০৮২.
নিম্নোক্ত কোন সাংবাদিক বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সত্য খবর প্রচার করেছেন?
  1. সাইমন ড্রিং
  2. মার্ক টালি
  3. এস্থনি ম্যাসকারেনহাস
  4. বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধকালীন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিক:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইট শুরু হওয়ার সময় থেকে বিদেশি সাংবাদিকরা পাকিস্তানিদের গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে।
- তারাই প্রথম বহির্বিশ্বে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও বর্বরতার খবর ছড়িয়ে দেয়।

⇒ সাইমন ড্রিং এরকমই একজন সাংবাদিক। ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তান সরকার কিছু বিদেশি সাংবাদিককে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাংলাদেশের কোনো কোনো এলাকা সফর করিয়ে তাদের পক্ষে প্রতিবেদন লেখানোর ফব্দি আঁটে। কিন্তু তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়। নিজ চোখে সব দেখে তারা পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা সম্পর্কে অবহিত হয় এবং সত্য কথা লিখে পত্রিকা ও বেতারের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে তা অবহিত করে।
- এভাবে এস্থনি ম্যাসকারেনহাস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের চাঞ্চল্যকর তথ্য সারা বিশ্বে প্রকাশ করেন।
- বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি পুরোটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে খবর প্রচার করে গেছেন।
- এছাড়া আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতারকেন্দ্র আমাদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল।

⇒ আকাশবাণী কলকাতা থেকে প্রতি রাতে প্রচারিত 'সংবাদ পরিক্রমা' খুবই জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'বজ্রকণ্ঠ' ও 'চরমপত্রসহ' বিভিন্ন অনুষ্ঠান শ্রোতাদের মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৩,০৮৩.
বাড়িতে অতিথি এলে পান-সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী?
  1. গারো
  2. রাখাইন
  3. খাসিয়া
  4. মারমা
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।

⇒ খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
- এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর। 
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 

⇒ খাসিয়া জনগোষ্ঠী কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে।
- ভাত, মাংস, শুঁটকি মাছ ও মধু খাসিয়াদের প্রধান খাদ্য।
- তারা পান-সুপারিকে খুবই পবিত্র মনে করে।
- বাড়িতে অতিথি এলে পান-সুপারি ও চা দিয়ে আপ্যায়ন করায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
৩,০৮৪.
যুক্তফ্রন্টের রাজনৈতিক দল নেজামে ইসলাম পার্টির নেতা ছিলেন কে?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  3. মওলানা আতাহার আলী
  4. শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল 'যুক্তফ্রন্ট' নামে জোট গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। যথা:
১. আওয়ামী মুসলিম লীগ: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি: শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি: মওলানা আতাহার আলী।
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল: হাজী মোহাম্মদ দানেশ।

→ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হয়।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।

৩,০৮৫.
Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইটটি বাংলাদেশের কোন শিল্পকে কেন্দ্র করে তৈরি করা হয়েছে?
  1. ওষুধ শিল্প
  2. সিমেন্ট শিল্প
  3. পর্যটন শিল্প
  4. তৈরি পোশাক শিল্প
ব্যাখ্যা
Mapped in Bangladesh (MiB):
- বাংলাদেশে ম্যাপড ইন বাংলাদেশ (MiB) হল বাংলাদেশের রপ্তানিমুখী আরএমজি শিল্পের সর্বপ্রথম ব্যাপক প্রাথমিক তথ্য ভান্ডার।
- MiB একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং শক্তিশালী করতে তথ্যের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করে।
- এটি উদ্যোগ যা স্বচ্ছতা এবং ট্রেসেবিলিটির মাধ্যমে শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন এবং কাজের পরিবেশের উন্নতি সাধনে বিশ্বাস করে।
- MiB একটি বহুপক্ষীয় Project Advisory Committee (PAC) দ্বারা পরিচালিত, যেখানে ব্র্যান্ড, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, শিল্প সমিতি এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত।
- MiB বাংলাদেশ তৈরি পোশাক শিল্পে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করছে।
- MiB নিয়মিতভাবে তথ্য হালনাগাদ করার জন্য ক্রাউডসোর্সিং পদ্ধতি ব্যবহার করে।

উৎস: Mapped in Bangladesh (MiB) ওয়েবসাইট।
৩,০৮৬.
ঝুমুর কোন অঞ্চলের নাচ হিসেবে স্বীকৃত?
  1. ক) রংপুর, রাজশাহী
  2. খ) দিনাজপুর, গাইবান্ধা
  3. গ) বরিশাল, পটুয়াখালী
  4. ঘ) ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ঝুমুর  রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলের নাচ ।
- অদ্ভুত মনোমুগ্ধকর নাচের নাম ঝুমুর নাচ। মূলত ঝুমুর গান প্রাচীন ধারার লোকসঙ্গীত। অনেক কাল আগে বিশেষ করে সাঁওতালদের মাঝে এটির প্রচলন ছিল।
- প্রাচীন বাংলার বিভিন্ন জনপদেও এ নাচের কথা উল্লেখ রয়েছে। সাহিত্যরত্ন হরেকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়ের মতে ঝুমুরের সঙ্গে কীর্তন মিশে পরবর্তীকালে যাত্রার উদ্ভব ঘটেছে।
- চা বাগানে বসবাসরত চা শ্রমিকেরা প্রায় দেড়শ’ বছর আগে ভারতবর্ষের বিভিন্ন রাজ্য থেকে এদেশে আসে।

উৎস:বাংলাপিডিয়া

৩,০৮৭.
Which type of organization is Tamaddun Majlish?
  1. ক) Literary
  2. খ) Cultural
  3. গ) Political
  4. ঘ) Both a+b
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- প্রতিষ্ঠা ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
- উদ্যোক্তা: অধ্যাপক আবুল কাশেম, পদার্থবিজ্ঞান , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
- অন্য সদস্যরা ছিলেন: কাজী মোতাহার হোসেন,আবুল মনসুর আহমদ
- ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে পুস্তিকা প্রকাশ- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।
- প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক: অধ্যাপক আবুল কাশেম।
- প্রথম সভাপতি: দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ।

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,০৮৮.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২
  4. ৭ মার্চ ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি দখলদারী থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবকে পাকিস্তানি কারাগার হতে মুক্তি দেওয়া হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি তিনি লন্ডন হয়ে বিজয়ীর বেশে স্বদেশ প্রর্ত্যাবর্তন করেন। সারা দেশে আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের বন্যা বয়ে যায়।
- সমাজের সর্বস্তরের লাখো জনতা তেজগাঁ পুরাতন বিমানবন্দরে তাঁকে বীরোচিত অভ্যর্থনা জানায়।
- লন্ডন থেকে প্রকাশিত দৈনিক গার্ডিয়ান পত্রিকার ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারির সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছিল : ‘শেখ মুজিব ঢাকা বিমানবন্দরে পর্দাপণ করা মাত্র নতুন প্রজাতন্ত্র এক সুদৃঢ় বাস্তবতা লাভ করে।’

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,০৮৯.
বক্সারের যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ১৭৫৪ সালে
  2. ১৭৫৬ সালে
  3. ১৭৬৪ সালে
  4. ১৭৬৬ সালে
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ। 
- পলাশীর যুদ্ধের পর ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।
 
⇒ ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৯০.
‘অভ্র’ কীবোর্ডের প্রাথমিক সংস্করণ কত সালে প্রথম উন্মুক্ত করা হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
‘অভ্র’ কি-বোর্ড:
মূল উদ্ভাবক: ডা. মেহদী হাসান খান।
সহ প্রতিষ্ঠাতা: রিফাত নবী,তানবিন ইসলাম সিয়াম, শাবাব মুস্তফা।
উন্নয়নকারী: ওমিক্রনল্যাব।
প্রাথমিক সংস্করণ: ২৬ মার্চ ২০০৩।
স্থায়ী মুক্তি: ৫.৬. ০ / ২৭ আগস্ট ২০১৯।
লে–আউট: প্রভাত, মুনির অপটিমা, অভ্র ইজি (ওমিক্রন ল্যাব প্রকাশিত সহজ একটি লে–আউট), বর্ণনা, জাতীয় (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল প্রকাশিত বাংলা লে–আউট)।
প্ল্যাটফর্ম: উইন্ডোজ (অভ্র), লিনাক্স (ibus-avro), ম্যাক ওএস (iAvro), অ্যান্ড্রয়েড (রিদমিক), আইওএস (রিদমিক)।

সূত্র- বিবিসি। [Link]
৩,০৯১.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিল-টি কোন দেশের সহায়তা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) জাপান
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
  5. ঙ) চীন
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ, শহর খালিশপুর, খুলনা দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা। খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে। কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়। কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ। সূত্রঃ বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)।
৩,০৯২.
সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৩,০৯৩.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে দুর্জয় ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?
  1. ক) নভেরা আহমেদ
  2. খ) শামীম শিকদার
  3. গ) মৃণাল হক
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

- রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক।
তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের - ‘বলাকা’
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’,
- হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’,
- পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’,
- ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’,
- সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’,
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট

৩,০৯৪.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন হয় কোন সালে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা

• উপজেলা নির্বাচন: 
- ১৯৮৪ সালের মার্চ মাসে এরশাদ সরকার সারাদেশে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
- কিন্তু বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রচন্ড বিরোধীতার কারণে উপজেলা নির্বাচন তখনকার মত স্থগিত হয়ে যায়। 
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে। ওই বছর ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ১৯৯০ সালে দ্বিতীয়বারের মতো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছরও ৪৬০টি উপজেলায় এই নির্বাচন হয়।
- ১৯৯২ সালের ২৬ জানুয়ারি 'উপজেলা বাতিল' বিলটি সংসদে পাসের মাধ্যমে উপজেলা পদ্ধতি বাতিল হয়।
- পরে ১৯৯৮ সালের ৩ ডিসেম্বর উপজেলা পরিষদ আইনের মাধ্যমে পুনরায় উপজেলা ব্যবস্থা চালু করে।

উল্লেখ্য,
- একজন চেয়ারম্যান, দুইজন ভাইস চেয়ারম্যান, অধিভুক্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়র (যদি থাকে) ও তিনজন মহিলা সদস্য নিয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত।
- তাছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্য এর পরামর্শকের ভূমিকা পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের প্রধান কাজ হল ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রমের সমন্বয় সাধন করা।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৩,০৯৫.
মুক্তিযুদ্ধে মোট সাব-সেক্টর কয়টি ছিল?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ৫৪টি
  3. গ) ৬৪টি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। ৬৪টি সাব-সেক্টর পরবর্তীতে ৬৪টি জেলা হয়। উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৩,০৯৬.
নিচের কোনটি টমেটোর একটি জাত?
  1. ক) গ্রিন এক্সপ্রেস
  2. খ) ড্রামহেড
  3. গ) মানিক
  4. ঘ) ইসলামপুরী
ব্যাখ্যা
টমেটোর বিভিন্ন জাত: মানিক, রতন, বাহার, মিন্টু, চৈতী, টিপু সুলতান, বারি টমেটো ইত্যাদি।
গ্রিন এক্সপ্রেস ও ড্রামহেড হলো বাঁধাকপি এবং ইসলামপুরী হলো বেগুনের জাত।
(সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৩,০৯৭.
ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ৬ নম্বর
  2. ৭ নম্বর
  3. ৮ নম্বর
  4. ৯ নম্বর
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ ও দায়িত্বরত সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,০৯৮.
ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান কবে শহীদ হন?
  1. ১৯৬৮ সালের ২০ জানুয়ারি
  2. ১৯৬৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
আসাদুজ্জামান আসাদ: 
- ১৯৬৯ সালে পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে উত্তাল দেশ।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি এ দেশের ছাত্রসমাজের ১১ দফা কর্মসূচির মিছিলে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে জীবন দিলেন ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান।
- আসাদের মৃত্যু যেন গণ-আন্দোলনের আগল খুলে দিলো; স্ফুলিঙ্গ হয়ে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ল সারা দেশে।
- গণজাগরণ রূপ নিলো গণ-অভ্যুত্থানে। শহীদ আসাদের শার্ট হয়ে উঠল বাঙালির প্রাণের পতাকা।
- বাংলাদেশের স্বাধিকার আন্দোলনের ইতিহাসে ঊনসত্তরকে ধরা হয় অন্যতম মাইলফলক হিসেবে।
- কোনো রাজনৈতিক দল নয়, এই মহাবিদ্রোহের ভিত্তি রচিত হয়েছিল বাংলার ছাত্রসমাজের হাতে যা শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে নিয়ে যায় চূড়ান্ত স্বাধীনতার পথে।

উৎস: The Daily Star বাংলা (২০ জানুয়ারি, ২০২৪)
৩,০৯৯.
কোন জেলায় বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৩ সালে রেশম বোর্ড, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং সিল্ক ফাউন্ডেশন কে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
৩,১০০.
বাংলাবান্ধা স্থল বন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) যশোর
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর:
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী সীমান্ত অবস্থিত।
-  স্থলপথে আমদানি রপ্তানি সহজ করার জন্য ১২ জানুয়ারি, ২০০২ সালে বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনটিকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।