বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৯ / ৩০৬ · ২,৮০১২,৯০০ / ৩০,৮৩২

২,৮০১.
নিচের কোনটি অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বা কার্যাবলির মধ্যে পড়ে না?
  1. রাষ্ট্রের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করা
  2. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা
  3. সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা
  4. সংসদে সরাসরি আইন প্রণয়ন করা
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বা কার্যাবলির মধ্যে পড়ে না- সংসদে সরাসরি আইন প্রণয়ন করা।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা। তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন। বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

২,৮০২.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধের মীমাংসা হয় কবে?
  1. ৭ জুলাই, ২০১২
  2. ৭ জুলাই, ২০১৪
  3. ১৪ মার্চ, ২০১২
  4. ১৪ মার্চ, ২০১৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে 'The Territorial Waters and Maritime Zones Act' পাশ করেন।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সমুদ্র বিজয় হয়।

বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায় ।

বাংলাদেশ বনাম ভারত:
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই নেদারল্যান্ডে অবস্থিত স্থায়ী সালিশি আদালত (UNCLOS) এই রায় আদালতের রায়ে বাংলাদেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে ১, ১৮, ৮১৩ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল, ১২ নটিক্যাল মাইল রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা, ২০০ নটিক্যাল মাইল একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল (Exclusive Economic Zone - EEZ) এবং চট্টগ্রাম উপকূল থেকে ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত মহীসোপানের তলদেশে অবস্থিত সব ধরনের প্রাণিজ ও অপ্রাণিজ সম্পদের ওপর সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
• অর্জিত মোট সমুদ্রসীমা: ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.,
• উপকূলীয় দৈৰ্ঘ্য: ৭১২ কিলোমিটার,
• টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল,
• EEZ সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল, 
• মহীসোপান এলাকা: ৩৫০ নটিক্যাল মাইল, 
• বঙ্গোপসাগরের গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার,
• সর্বোচ্চ গভীরতা: ৫,২৫৮ মিটার,
• পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ: Bengal Fan.

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
         ii) ২৪ অক্টোবর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
২,৮০৩.
দেশে বর্তমানে কতটি প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি প্রশাসনিক বিভাগ রয়েছে।
এগুলো হলো:
- ঢাকা বিভাগ (সর্বাধিক ১৩টি জেলা ও জনসংখ্যা বৃহত্তম)
- চট্টগ্রাম বিভাগ (আয়তনে বৃহত্তম)
- রাজশাহী বিভাগ
- খুলনা বিভাগ
- সিলেট বিভাগ
- বরিশাল বিভাগ (জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম)
- রংপুর বিভাগ
- ময়মনসিংহ বিভাগ (আয়তনে ক্ষুদ্রতম ও সর্বশেষ বিভাগ)।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
২,৮০৪.
'ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. গাজীপুর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
সার কারখানা:
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র- সিলেট জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৮০৫.
ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলেন-
  1. ক) নবাব সলিমুল্লাহ
  2. খ) মির্জা আহমেদ খান
  3. গ) মির্জা গোলাম পীর
  4. ঘ) শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’। খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।

সূত্র: dhaka.gov.bd
--------------------

তারা মসজিদ পুরানো ঢাকার আরমানিটোলায় আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত। সাদা মার্বেলের গম্বুজের ওপর নীলরঙা তারায় খচিত এ মসজিদ নির্মিত হয় আঠারো শতকের প্রথম দিকে। মসজিদের গায়ে এর নির্মাণ-তারিখ খোদাই করা ছিল না।

জানা যায়, আঠারো শতকে ঢাকার 'মহল্লা আলে আবু সাঈয়ীদ'-এ (পরে যার নাম আরমানিটোলা হয়) আসেন জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান)। ঢাকার ধণাঢ্য ব্যক্তি মীর আবু সাঈয়ীদের নাতি ছিলেন তিনি। মির্জা গোলাম পীর এ মসজিদ নির্মাণ করেন। ‌মির্জা সাহেবের মসজিদ হিসেবে এটি তখন বেশ পরিচিতি পায়। ১৮৬০ সালে মারা যান মির্জা গোলাম পীর। পরে, ১৯২৬ সালে, ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন। সে সময় জাপানের রঙিন চিনি-টিকরি পদার্থ ব্যবহৃত হয় মসজিদটির মোজাইক কারুকাজে।

সূত্র: parjatan.gov.bd
২,৮০৬.
টঙ্ক আন্দোলন প্রধানত কোন গোষ্ঠীর কৃষকরা পরিচালনা করেছিল?
  1. ত্রিপুরা ও মারমা
  2. চাকমা ও মারমা
  3. গারো ও হাজং
  4. মণিপুরী ও সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
টঙ্ক (Tonk) আন্দোলন:
- ১৯৪৬-৫০ সালে উত্তর ময়মনসিংহে কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত আন্দোলন টঙ্ক আন্দোলন নামে পরিচিত।
- টঙ্ক মানে ধান ফলনের প্রতিশ্রুত খাজনা। স্থানীয় ভাষায় টংক শব্দটি 'জমিতে উৎপাদিত ফলনের প্রদেয় খাজনাকে' বুঝায়।
- টঙ্ক মূলত মুদ্রা-পূর্বকালের প্রথা। কৃষকরা ধানে তাদের খাজনা পরিশোধ করত। জমিতে ফসল হোক বা না হোক, নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান খাজনা দিতেই হবে।
- প্রথাগতভাবে টংক প্রজারা প্রতি ১.২৫ একর জমির জন্য ১০ থেকে ১৫ মণ ধান খাজনা দিত। ধানের দর ছিল প্রতি মণ সোয়া দুই টাকা। ফলে প্রতি সোয়া একরে খাজনা পড়ত ১৭ টাকা। অথচ একই সময় জোতজমির খাজনা ছিল প্রতি সোয়া একরে ৫ থেকে ৭ টাকা। সুতরাং ধানে খাজনা দিলে টাকার হিসাবে এটি দ্বিগুণেরও বেশি ছিল।
- ময়মনসিংহের কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, হালুয়াঘাট, শ্রীবর্দি ইত্যাদি থানায় বিশেষ করে সুসং এলাকায় ভয়ংকর টংক ব্যবস্থা ছিল। এসব স্থানে প্রধানত গারো ও হাজং গোষ্ঠীর লোকেরা চাষাবাদ করত।
- এই প্রথা কৃষকদের উপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করত এবং তাদের শোষণ করত।

⇒ তৎকালীন উত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং ১৯৫০ সালে টঙ্ক প্রথা ও জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের মাধ্যমে এই আন্দোলনের সমাপ্তি হয়। তেভাগা, নানকার, নাচোল আন্দোলনের মতো এটিও ছিলো কৃষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন।

উল্লেখ্য,
- টঙ্ক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন সুসং-দুর্গাপুরের জমিদার সন্তান কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মণি সিংহ। টঙ্ক আন্দোলনে যে সকল লড়াকু বীর শহীদ হন, তাদের মধ্যে রাসমণি অন্যতম। তিনিই টঙ্ক আন্দোলনের প্রথম শহিদ। তিনি টঙ্ক ও কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেত্রীও ছিলেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৮০৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গম উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ফরিদপুর
  2. ঠাকুরগাঁও
  3. দিনাজপুর
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

গম:
- গম বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দানাজাতীয় খাদ্যশস্য।
- দানাজাতীয় খাদ্যশস্যের মধ্যে ধান ও ভুট্টার পরেই গমের অবস্থান।
- গম অধিক পুষ্টিগুণ সম্পন্ন, কৃষি উপকরণ সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব একটি ফসল।
- গম বপনের উপযুক্ত সময় নভেম্বর মাসের ১৫ থেকে ৩০ পর্যন্ত (অগ্রহায়ণ মাসের ১ম থেকে ২য় সপ্তাহ পর্যন্ত)।

⇒ গম চাষোপযোগী মাটির বৈশিষ্ট্য:
- দোআঁশ অথবা মাঝারি দোআঁশ মাটি গম চাষের জন্য ব্যাপক উপযোগী। অধিকন্তু এটেল দোআঁশ মাটিও গমের চাষের জন্য নির্বাচিত করা যেতে পারে।
- উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি গম চাষের জন্য উপযুক্ত। হাওড় বা বিল অঞ্চল গম চাষের জন্য অনুপযোগী।
- সহজে পানি নিস্কাশিত হয় এমন ভারী মাটিতে (যেমন, এঁটেল ও এঁটেল দোআঁশ) গমের চাষ করা যেতে পারে।
 -লবণাক্ত মাটি গম চাষের অনুকুল নয়।

উল্লেখ্য,
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি গম উৎপন্ন হয় ঠাকুরগাঁও জেলায় ও বিভাগ অনুসারে রাজশাহী বিভাগে।
 
উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
iii) কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮০৮.
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন কে?
  1. সম্রাট হুমায়ুন
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট বাবর
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

•বাংলা নববর্ষ
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন। 
- এ দিনটি বাংলা নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালি জাতির একটি সর্বজনীন লোক উৎসব।
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতু নির্ভর। 
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলা সন প্রবর্তন করেন। 
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। 
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল যা পরে 'বঙ্গাব্দ' নামে পরিচিত হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২,৮০৯.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. রাজশাহী
  3. রংপুর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২,৮১০.
BRRI এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Rural Research Institute
  2. Bangladesh Rice Research Institute
  3. Bangladesh River Research Institute
  4. Bangladesh Resource and Research Institute
ব্যাখ্যা

 BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।
- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

২,৮১১.
বাংলায় বারো ভূঁইয়ার অভ্যুত্থান ঘটেছিল কার শাসনামলে?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট আরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- আকবর সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন।
- আকবরের দরবারে জ্ঞানী, গুণী, বিদ্যান, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য তাঁর আদেশে প্রাচীন বর্ষপঞ্জি সংস্কার করে বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয়।
- মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮১২.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা কবে করা হয়?
  1. ১৫-২১ জুন ২০২২
  2. ১৫-২১ জুলাই ২০২১
  3. ১৫-২১ জুন ২০২৩
  4. ১৫-২১ জুলাই ২০২২
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রম ১৫-২১ জুন ২০২২ সময়ে সম্পন্ন করা হয়।
- আকস্মিক বন্যাজনিত কারণে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও নেত্রকোনা জেলার তথ্যসংগ্রহ কার্যক্রমের সময়সীমা ২৮ জুন ২০২২ পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- শুমারিতে জিআইএস (Geographic Information System) বেইজড ডিজিটাল ম্যাপ ব্যবহার করে CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing) পদ্ধতিতে ট্যাবলেট এর মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারিতে প্রথমবারের মতো একটি ওয়েবভিত্তিক Integrated Census Management System (ICMS) প্রবর্তন করা হয়েছে যা ব্যবহার করে সদর দপ্তরে স্থাপিত Network Operations Centre (NOC) এর ডিজিটাল ডিসপ্লের মাধ্যমে শুমারিকালীন সকল গণনা এলাকা, গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলা পর্যায়ের গণনা কার্যক্রম তদারকি সম্ভব হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
২,৮১৩.
নিচের কোনটি ভুল?
  1. ক) ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ
  2. খ) ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ
  3. গ) মির্জাপুর গার্লস ক্যাডেট কলেজ
  4. ঘ) জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১২টি ক্যাডেট কলেজ রয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ,
- মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ,
- রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ,
- বরিশাল ক্যাডেট কলেজ,
- পাবনা ক্যাডেট কলেজ,
- সিলেট ক্যাডেট কলেজ,
- রংপুর ক্যাডেট কলেজ,
- কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ,
- ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ,
- জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ।
এগুলোর মধ্যে প্রথম নয়টি ছেলেদের, পরের তিনটি মেয়েদের জন্য সংরক্ষিত।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো

২,৮১৪.
কোন দেশের সহযোগিতায় বাংলাদেশ ২০২৬ সালে দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
- আর্থ অবজারভেটরি ক্যাটাগরির স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হবে।
- এতে অপটিক্যাল ভিএইচআর (Synthetic Aperture Radar-SAR) ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি ও সমুদ্র এলাকার ছবি তোলা যাবে।
- রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা Roscosmos এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান Glavkosmos'র সঙ্গে এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি (BSCL)।

২,৮১৫.
দেশের মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থার জন্য সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. একনেক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক: 
- দেশের মুদ্রা ও আর্থিক ব্যবস্থার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। 
- ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ (১৯৭২ সালের পিও নং ১২৭) অনুসারে ঢাকায় একটি কর্পোরেট সংস্থা হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়, যা ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে কার্যকর হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, খুলনা, বগুড়া, রাজশাহী, সিলেট, বরিশাল, রংপুর এবং ময়মনসিংহে এর দশটি অফিস রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
২,৮১৬.
নিম্নের কোনটি পূর্বে রোহিতগিরি নামে পরিচিত ছিল?
  1. সীতাকোট বিহার
  2. ময়নামতি
  3. সোমপুর মহাবিহার
  4. মহামুনি বিহার
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:
- কুমিল্লা শহর থেকে মাত্র ৭ কিলোমিটার পশ্চিমে ময়নামতি অবস্থিত।
- ময়নামতিতে রয়েছে ৮ম শতকের পুরার্কীতির নিদর্শন।
- ময়নামতির উত্তর - দক্ষিণে রয়েছে প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ২ কিলোমিটার প্রস্থ নিয়ে বিস্তৃত প্রাচীনকালের রোহিতগিরি যা লালমাটির পাহাড় নামে পরচিতি।
- এর উত্তরাংশ দশম শতকে দেব বংশের রাজা মানিক্য চন্দ্রর রাজধানীকে কন্দ্রে করে তার স্ত্রী মরণামতরি নামে নামকরণ করা হয় ময়নামতি।

⇒ ময়নামতি বৌদ্ধ বিহার:
- লালমাই ময়নামতি গিরি শ্রেণীর মধ্যবর্তী স্থানে এই বিহারটি অবস্থিত।
- এই বিহারটির প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য ৫৫০ ফুট।
- চারটি বাহুতে মোট ১১৫টি ভিক্ষু কক্ষ আছে যাতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বসবাস করতেন।
- এর মধ্যবর্তী স্থানে রয়েছে বিশাল প্রবেশ দ্বার।
- উম্মুক্ত চত্বরে ক্রশাকৃতির প্রধান মন্দির।
- মূল বিহারটি দেব বংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব কর্তৃক আনুমানিক ৮ম শতাব্দীতে নির্মিত হয়েছে।
- শালবন বিহার খনন করে অসংখ্য মূল্যবান প্রত্নতত্ত্ব আবিস্কার করা হয়েছে।
- এগুলোর মধ্যে আছে ৮টি তাম্রলিপি, ১৮টি স্বর্ণ ও ৩৫০টি রৌপ্য মুদ্রা, স্বর্ণালংকার, নানা ধরণের মূর্তি, পোড়ামাটির বিএফলক, সীল ও নিত্য ব্যবহার্য দ্রব্য।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
২,৮১৭.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথমবারের মতো উত্তোলন করেন কে? 
  1. কামরুল হাসান
  2. সিরাজ চৌধুরী
  3. আ স ম আব্দুর রব
  4. মাওলানা ভাসানী 
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা: 
- জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন হয় ২রা মার্চ, ১৯৭১ সালে।
- স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের পশ্চিম দিকের গেটে।
- উত্তোলন করেন: ছাত্রনেতা আ. স. ম. আবদুর রব।
- বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার পূর্বেই পাকিস্তান রাষ্ট্রকে প্রত্যাখ্যানের শামিল।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু ১৯৭২ সালে পটুয়া কামরুল হাসানকে দায়িত্ব দেন জাতীয় পতাকার নকশা চূড়ান্ত করার।
- পটুয়া কামরুল হাসানের হাতেই আমাদের জাতীয় পতাকা বর্তমান রূপ লাভ করেছে।

​উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।

২,৮১৮.
নিচের কোন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র নির্মাতা অস্কার পুরস্কার লাভ করেছেন?
  1. ক) তারেক মাসুদ
  2. খ) মোস্তফা সালােয়ার ফারুকী
  3. গ) সত্যজিৎ রায়
  4. ঘ) মাের্শেদুল ইসলাম
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সত্যজিৎ রায় অস্কার লাভ করেছেন তবে উনার জাতীয়তা বাংলাদেশী না হওয়ায় প্রশ্নের উত্তর হবে কেউই না।
২,৮১৯.
মেজর আবু ওসমান চৌধুরী কত নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন-
  1. ক) ৪ নং
  2. খ) ৬ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ৯ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে মেজর আবু ওসমান চৌধুরী ৮ নং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।
সমগ্র কুষ্টিয়া জেলা, ফরিদপুরের অংশবিশেষ এবং দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলার এলাকা ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
সম্প্রতি এই সেক্টর কমান্ডার মৃত্যুবরণ করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
২,৮২০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮
  2. অনুচ্ছেদ ৫০
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৪
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ-  ৫২: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন।
- ৫২। (১) এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যাইতে পারে।
- ইহার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করিয়া একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; 
- স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হইতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হইতে পারবে না; 
- এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করিবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৪৮ । রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ- ৫০। রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ- ৫৪। অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,৮২১.
কার পূর্ব অনুমোদন ব্যতীত বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করতে পারবে না?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কোনো নাগরিক কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের নিকট থেকে কোন খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করার পূর্বে রাষ্ট্রপতির  অনুমোদন লাগবে। 

• সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: 
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হইতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করিবেন না। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৮২২.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপিত প্রথম ইউনিটের ক্ষমতা কত মেগা ওয়াট?
  1. ১০০০
  2. ১২০০
  3. ১৩৫০
  4. ১৫০০
  5. ১৫৫০
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থাপিত প্রথম ইউনিটের ক্ষমতা ১২০০ মেগা ওয়াট।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।  
- মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম-২৩৫।

তথ্যসূত্র - রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
২,৮২৩.
কোন পত্রিকাটি তমুদ্দিন মজলিশের ‍মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হতো?
  1. ক) সংবাদ
  2. খ) মিল্লাত
  3. গ) সৈনিক
  4. ঘ) ইত্তেফাক
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর তমুদ্দিন মজলিসের মুখপাত্র হিসেবে সাপ্তাহিক ‘সৈনিক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর। ঢাকার আজিমপুর রোডের ১৯ নং বাড়ি থেকে পত্রিকাটি প্রকাশিত হতো।
- ১৯৬১ সাল পর্যন্ত পত্রিকাটি চালু ছিল।
- তমুদ্দিন মজলিশ ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২,৮২৪.
উল্লেখিত দেশসমূহের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স আসে-
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) কাতার
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
⇨ প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
⇨ দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
⇨ ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
⇨ ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
⇨ সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
২,৮২৫.
গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় কত খ্রিষ্টাব্দে?
  1. ক) ৩২৭ খ্রিষ্টাব্দ
  2. খ) ৩২৬ খ্রিষ্টাব্দ
  3. গ) ৩১২ খ্রিষ্টাব্দ
  4. ঘ) ৩২০ খ্রিষ্টাব্দ
ব্যাখ্যা
• ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় ৩২০ খ্রিষ্টাব্দে। তখন বাংলায় কিছু স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। এগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় সমতট রাজ্য ও পশ্চিম বাংলার পুষ্করণ রাজ্য উল্লেখযোগ্য।
• গুপ্ত সম্রাট প্রথম চন্দ্রগুপ্তের রাজত্বকালেই উত্তর বঙ্গের কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনে আসে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮২৬.
২০১৩ সালে UNESCO'র ঐতিহ্যের তালিকায় বাংলাদেশের কোন শিল্পকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) মসলিন
  2. খ) জামদানি
  3. গ) নকশী কাঁথা
  4. ঘ) রিকশা নকশা
ব্যাখ্যা
বংলাদেশের সাংস্কৃতিতে জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০১৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র অষ্টম অধিবেশনে ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন্ শিল্পকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
------
সর্বশেষ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি পায় -  শীতল পাটি তৈরি শিল্প।
===============
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলো হলো:
- বাউল গান (২০০৮)
- জামদানি বুনন শিল্প (২০১৩)
- পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬)
- শীতল পাটি তৈরি শিল্প (২০১৭)।

(তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)
২,৮২৭.
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার কোন আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন?
  1. তেভাগা আন্দোলনে
  2. ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধে
  3. ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে
  4. সত্যাগ্রহ আন্দোলনে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলন:
- বাংলায় সশস্ত্র আন্দোলনের সময়কাল: ১৯১১-১৯৩০ সাল।
- এই আন্দোলনের চট্রগ্রামের নেতা ছিলেন- মাস্টারদা সুর্য সেন।
- মাস্টারদা সুর্য সেন ১৯৩০ সালে চট্রগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করেন ।
- ইংরেজ মেজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডকে বোমা মেরে হত্যা করে ক্ষুদিরাম।
- কিংসফোর্ডকে বোমা মেরে হত্যার অভিযোগে ফাঁসি দেয়া হয় ক্ষুদিরামকে।
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ছিলেন মাস্টারদা সূর্যসেন শিষ্য এবং নারী বিপ্লবী।
- বিপ্লবী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র আন্দোলনে সাথে জড়িত ছিলেন।
- তিনি পাহাড়তলী রেলওয়ে ক্লাব আক্রমণ করেন- ১৯৩২সালে।
- প্রীতিলতা আত্মহত্যা করেন - পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে।
- অস্ত্র লুণ্ঠন অভিযোগে মাস্টারদা সূর্যসেনকে  ফাঁসি দেওয়া হয় - জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে।

⇒ এছাড়াও,
- সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা ছিল - ঢাকার অনুশীলন সমিতির।
- সশস্ত্র বিপ্লবী সংগঠক সাধনা প্রতিষ্ঠিত হয় - ময়মনসিংহে।
- ঢাকার অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক - পুলিন বিহারী দাস।
- কয়েকজন বিপ্লবী নেতা ছিলেন- বিনয়বসু, দীনেশগুপ্ত ও সূর্যসেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৮২৮.
'বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মুন্সীগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরী:
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি গাজীপুরে অবস্থিত।
- এটি একটি রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত বাণিজ্যধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সামরিক যন্ত্রাংশ তৈরি ও যুক্তকরণের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮২৯.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কত খ্রিষ্টাব্দে উঠিয়ে দেয়া হয়?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৫০ সালে
  3. গ) ১৯৫২ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার মুসলমানগণ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল।
- উইলিয়াম হান্টারের মতে, “গত পঁচাত্তর বছরের মধ্যে বাংলার মুসলমান পরিবারগুলোর অস্তিত্ব হয় পৃথিবীর বুক থেকে মুছে গেছে, না হয় ইংরেজদের সৃষ্ট নতুন ধনী সমাজের নীচে এ সময় ঢাকা পড়েছে।”
- এ সময় নায়েব গোমস্তাদের অত্যাচার সীমা ছাড়িয়ে যায়।
- ফলে লর্ড ক্যানিং ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে রাজস্ব আইন দ্বারা খাজনা বৃদ্ধি বন্ধ করেন এবং ১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দে প্রজাস্বত্ব আইন দ্বারা জমি থেকে উচ্ছেদ নিষিদ্ধ করে দেন।
- পাকিস্তান অর্জনের পর ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত উঠিয়ে দিয়ে প্রজাদের সঙ্গে সরাসরি জমির বন্দোবস্ত দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়
- জমিদার পুত্র লর্ড কর্ণওয়ালিস যে আশায় এ প্রথা চালু করেছিলেন তাঁর সে আশা সম্পূর্ণ বিফল হয়েছিল।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩০.
আমলাদের কাজ কি?
  1. ক) নীতি নির্ধারণ
  2. খ) আইন প্রণয়ন
  3. গ) নীতি বাস্তবায়ন
  4. ঘ) রাষ্ট্র পরিচালনা
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র ছাড়া দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করা অসম্ভব। আমলাতন্ত্র রাষ্ট্রের নাগরিকের সার্বিক কল্যাণ সাধন করতে পারে। আমলাদের মাধ্যমেই সরকারি আইন ও নীতি কার্যকর করা হয়ে থাকে। আমলাদের দক্ষতা আইন প্রণয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। আমলাদের মাধ্যমেই শাসন কার্যে ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। তবে একটি অসৎ অদক্ষ আমলাতন্ত্র যেকোন রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে প্রভূত পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
২,৮৩১.
এফ আর খান-এর পরিচয় কী হিসেবে?
  1. কবি
  2. ভাস্কর
  3. নাট্যকার
  4. স্থপতি
ব্যাখ্যা

এফ আর খান:
- ফজলুর রহমান খান পেশায় স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার এবং স্থপতি।
- তিনি ১৯২৯ সালে মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার বালিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ-এ ভর্তি হন।
- ১৯৫০ সালে তিনি কলকাতার শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অধিকার করে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান স্কিডমুর-এ যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়।
- ফজলুর রহমান খান শিকাগোর একশ তলা উঁচু জন হ্যানকক সেন্টার এবং একশ দশ তলা উঁচু সিয়ার্স টাওয়ার-এর নকশা তৈরি করেন।
- ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডস কর্তৃক ‘কন্সট্রাকশনস ম্যান অব দি ইয়ার’ মনোনীত হওয়ার পর ১৯৭১ সালে শিকাগোর ওন্টারিও সেন্টারে  একটি ফলকে তাঁর সম্বন্ধে মন্তব্য লেখা হয় ‘ইনোভেশন ফলোজ প্রোগ্রাম’।
- ১৯৮২ সালের ২৬ মার্চ তিনি হূদরোগে মারা যান।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৮৩২.
নিচের কোনটি যৌথ মূলধনী কোম্পানির বৈশিষ্ট্য?
  1. অসীম দায়
  2. স্থায়িত্বের অনিশ্চয়তা
  3. ব্যক্তি নির্ভরশীলতা
  4. কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
ব্যাখ্যা
যৌথ মূলধনী কোম্পানি
যৌথমূলধনী ব্যবসায় বা কোম্পানি সংগঠন হলো আইনসৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী এমন এক ধরনের বৃহদায়তন ব্যবসায় সংগঠন যা অদৃশ্য, চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী, যা নিজের নাম ও গিল দ্বারা পরিচিত ও পরিচালিত হয়, যেখানে মালিকানা সীমিত দায়বিশিষ্ট শেয়ার সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত।

কোম্পানির বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত করে ১৮৮২ সালে প্রথম ভারতীয় কোম্পানি আইন প্রণয়ন করা হয়। পরে এর ব্যাপক পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা হয় ১৯১৩ সালে। আবার পরিবর্তন ও পরিবর্তন করে বাংলাদেশে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন প্রবর্তিত হয়, যা আজও কার্যকর রয়েছে। ১৯৯৪ সালে কোম্পানি আইনের ২(১-২) ধারায় বলা হয়েছে যে, কোম্পানি বলতে কোম্পানি আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত বা কোনো বিদ্যমান কোম্পানিকে বোঝায়।

অর্থাৎ কোম্পানি হলো আইন সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, যার দায় আইন দ্বারা সীমিত, চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী, নিজ নাম ও সিলমোহর দ্বারা পরিচালিত হয় এবং বিনিয়োগকারী মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় শেয়ার ক্রয় করে মূলধন তহবিল গঠন করে।

কোম্পানি সংগঠনের বৈশিষ্ট্য:
- আইন দ্বারা সৃষ্টি
- কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
- চিরন্তন অস্তিত্ব
- সীমাবদ্ধ পায়
- নিজস্ব সিলমোহর
- শেয়ার মূলধন

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩৩.
কোন সময় কালকে মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়?
  1. ক) ১৭০৭ থেকে ১৭৫৫ সময় কালকে
  2. খ) ১৭০৭ থেকে ১৭৫৭ সময় কালকে
  3. গ) ১৭০৭ থেকে ১৮৫৪ সময় কালকে
  4. ঘ) ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে
ব্যাখ্যা
• মোগল শাসন:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যকে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোগল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চ‚ড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মোগল সাম্রাজ্য পতনের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বহিঃআক্রমন প্রভৃতি বিষয়কে দায়ী করা হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩৪.
'মুক্তিযোদ্ধা দিবস' হিসেবে পালিত হয় -
  1. ক) ২৭ মার্চ
  2. খ) ১৫ ডিসেম্বর
  3. গ) ১ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
১ ডিসেম্বরে পালিত দিবসগুলো হলো -
- বিশ্ব এইডস দিবস
- মুক্তিযোদ্ধা দিবস
২,৮৩৫.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ রাজা কে ছিল?
  1. শ্রী গুপ্ত
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
গুপ্তযুগ:
- বাংলায় গুপ্তরা শাসন করে ৩২০ থেকে ৪১৫ সাল পর্যন্ত।
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী গুপ্ত।
- গুপ্ত যুগ প্রাচীন ভারতের স্বর্ণ যুগ হিসেবে পরিচিত।
- এই সম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা প্রথম চন্দ্রগুপ্ত।
- এর শ্রেষ্ঠ রাজা ছিল সমুদ্রগুপ্ত।
- তাকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন বলা হয়।
- দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের উপাধি ছিল বিক্রমাদিত্য।
- চীনা পরিব্রাজক ফাহিয়েন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময় ভারতবর্ষে আসেন।
- গুপ্ত বংশ ধ্বংস হয় হুন শক্তির হাতে।
- এই সময় পণ্ডিত ছিলেন আর্যভট্ট, কালিদাস, বিষ্ণুশর্মা, বরাহমিহির।

উল্লেখ্য,
- পাল আমল ছিল বংশানুক্রমিক রাজবংশ।
- এই বংশ সবচেয়ে বেশি শাসন করেছিল।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৮৩৬.
দুর্নীতি দমন কমিশনের টোল ফ্রি হটলাইন নাম্বার কোনটি?
  1. ১০০
  2. ১০৬
  3. ১০৯
  4. ৯৯৯ 
  5. ৩৩৩ 
ব্যাখ্যা

১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার
- দুর্নীতির ঘটনা তাৎক্ষণিক প্রতিরোধের লক্ষ্যে কমিশন ২০১৭ সালের ২৭ শে জুলাই দুদক অভিযোগ কেন্দ্রের টোল ফ্রি হটলাইন ১০৬ এর কার্যক্রম শুরু করে।

উল্লেখ্য বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। 
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার। 
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন। 
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার। 
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার। 
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার। 
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৮৩৭.
দেশের সবচেয়ে সর্ববৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায়
  2. কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায়
  3. কক্সবাজারের সদর উপজেলায়
  4. কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায়
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহৎ বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র:
⇒ কক্সবাজার সদর উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে খুরুশকুল ইউনিয়নের অবস্থান।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশের বৃহৎ বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজারের খুরুশকুলে।
⇒ এর উৎপাদন ক্ষমতা ৬০ মেগাওয়াট 
⇒ বায়ু বিদ্যুতে বাংলাদেশে বড় আকারের এটিই প্রথম কোনো প্রকল্প।
⇒ এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগে। ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি নির্মাণ করছে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র।
⇒ কক্সবাজারে স্থাপিত ৬০ মেগাওয়াটের বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩১ মার্চ
⇒ বেসরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়ন হওয়া প্রকল্পটিতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে চীন।
⇒ চীনের অর্থায়নে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র -Live MCQ সালতামামি ২০২৩, কালের কণ্ঠ (১৩ অক্টোবর, ২০২৩)।
২,৮৩৮.
বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডা. সেতারা বেগম কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন?
  1. ৪ নম্বর
  2. ২ নম্বর
  3. ১১ নম্বর
  4. ৫ নম্বর
ব্যাখ্যা
• বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ডা. সেতারা বেগম ২ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন।
------------------------------------ 
নারী মুক্তিযোদ্ধা সেতারা বেগম: 

সেতারা বেগম বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক বিশিষ্ট নারী মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল বা চিকিত্সাকেন্দ্র স্থাপনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা:
• ২ নম্বর সেক্টরে 'বাংলাদেশ হাসপাতাল' নামক একটি হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল, যা প্রথমে ভারতের সোনামুড়ায় স্থাপিত হয়।
• নিরাপত্তার কারণে এটি পরবর্তীতে আগরতলার কাছে বিশ্রামগঞ্জে স্থানান্তর করা হয়।

চিকিৎসক হিসেবে কার্যক্রম:
• ডা. সিতারা বেগম জুলাইয়ের শেষ দিকে বাংলাদেশ হাসপাতালে যোগ দেন এবং হাসপাতালের সিও (কমান্ডিং অফিসার) হিসেবে কাজ করেন।
• তিনি হাসপাতালের কার্যক্রম পরিচালনা এবং আহত মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসায় অসাধ্য সাধন করে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি সহানুভূতি:
• পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে আহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিদিনই এ হাসপাতালে পাঠানো হতো।
• আহত মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল চাঙা রাখতে ডা. সিতারা বেগম ও তাঁর সহযোগীদের অবদান সত্যিই স্মরণীয়।

সেতারা বেগমের এই অসাধারণ অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সাহসিকতা এবং ত্যাগের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

উৎস: ১৬ জুন ২০২১, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৮৩৯.
বাংলাদেশের কোন নৃগোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক?
  1. গারো
  2. রাখাইন
  3. চাকমা
  4. সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মধ্যে খাসিয়া এবং গারো বা মান্দি সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। বাকি সবগুলো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া]
২,৮৪০.
সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫
  2. অনুচ্ছেদ ৬
  3. অনুচ্ছেদ ৪
  4. অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
- সংবিধানে নাগরিকত্ব নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে ৬নং অনুচ্ছেদে। 

অনুচ্ছেদ ৬৷ নাগরিকত্ব:
৬। (১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
৬। (২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

এছাড়া,
- অনুচ্ছেদ ৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
- অনুচ্ছেদ ৫৷ রাজধানী
- অনুচ্ছেদ ৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২,৮৪১.
লালবাগ কেল্লার চত্বরে কতটি স্থাপনা রয়েছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:

- কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১. কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা।
২. পরীবিবির সমাধি।
৩. উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।

- একদম শুরুর দিকে এই কেল্লার নাম ছিল “কেল্লা আওরঙ্গবাদ”।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- সর্বপ্রথম লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন আজম শাহ।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন
- আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৮৪২.
কততম জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না?
  1. দ্বিতীয় সংসদ
  2. চতুর্থ সংসদ
  3. পঞ্চম সংসদ
  4. ষষ্ঠ সংসদ
ব্যাখ্যা
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান খান (দ্বিতীয় সংসদ)।
- সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ ষষ্ঠ সংসদ (১২ দিন)।
- প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ সপ্তম সংসদ।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয়)
২,৮৪৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি পাওয়া বীরাঙ্গনার সংখ্যা -
  1. ক) ৪৪০
  2. খ) ৪৪৮
  3. গ) ৪৪৯
  4. ঘ) ৪৪৬
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি প্রাপ্ত বীরাঙ্গনার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- জতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের ৭৮ তম সমাবেশ এ সর্বশেষ আরো ৬ জন নারী মুক্তিযোদ্ধা কে বীরাঙ্গনা উপাধিতে সম্মানিত করা হয়।
- ছয় বীরাঙ্গনা হলেন:
- ঝিনাইদহ মহেশপুরের মোছা. ফাতেমা বেগম
- চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার খতিজা বেগম
- রাঙ্গামাটির কাউখালীর বগাপাড়ার চিখন চোখ তঞ্চাগ্যা ও কিনা পুতি তংচংগ্যা
- কুষ্টিয়ার চৌড়হাসের মোছা. জাহানারা বেগম
- জামালপুরের রঘুনাথপুরের মোছা. ফিরোজা বেওয়া।

উৎস: bonik barta, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
২,৮৪৪.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.৩৪%
  2. ১.৭৯%
  3. ৪.৫১%
  4. ৩.৩০%
ব্যাখ্যা
• ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:

• কৃষি (Agriculture) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছেে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

এছাড়াও, 
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে শিল্প খাতের হার ৪.৩৪% শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের হার ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস।
২,৮৪৫.
ঢাকার লালবাগের দুর্গ নির্মাণ করেন-
  1. শাহ সুজা
  2. শায়েস্তা খান
  3. মীর জুমলা
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা

• ঢাকার লালবাগের দুর্গ নির্মাণ করেন: 'শায়েস্তা খান'। 

• লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
-  এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন। 

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৮৪৬.
ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ জেলা (৬ষ্ঠ জনশুমারি)- 
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- মােট ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬,৫০,১৫৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠী মােট জনসংখ্যার ০.৯৯%।
- ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ বিভাগ চট্টগ্রাম; ৯,৯০,৮৬০ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন বিভাগ বরিশাল; ৪,১৮১ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর বসবাসে শীর্ষ জেলা রাঙ্গামাটি; ৩,৭২,৮৬৪ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর বসবাসে সর্বনিম্ন জেলা লালমনিরহাট; ১১৮ জন।
- কোন ক্ষুদ্র নৃ-গােষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চাকমা; ৪,৮৩,২৯৯ জন।

উৎসঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরাে (BBS)
২,৮৪৭.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-
  1. রানীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. টেকের হাটে
  4. বিয়ানী বাজারে
ব্যাখ্যা
চীনামাটি(White Clay or China Clay): 

- কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের কর্দম প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ভূ-পৃষ্ঠে অথবা অন্তর্ভূ-পৃষ্ঠে (subsurface) চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে প্রাপ্ত চীনামাটির গুণগত মান উন্নত নয়।
- এ চীনামাটির সঙ্গে আমদানিকৃত উচ্চ মানসম্পন্ন কর্দম মিশিয়ে তা দেশের  সিরামিক শিল্প কারখানাগুলিতে ব্যবহূত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৮৪৮.
জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী পাশ হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ১৯৯২ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- এই লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে সংশোধনীর পক্ষে অধিকাংশের রায় পড়লে ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।

- এর আগে ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
২,৮৪৯.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ 'গণ পরিষদ আদেশ' জারি করা হয় -
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
গণ পরিষদ আদেশ
• ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক 'গণ পরিষদ আদেশ' জারি করা হয়। এ আদেশ বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ।
• গণপরিষদ আদেশে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সাবেক পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ ও পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচিত সদস্য (৪৬৯ জন) নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, কয়েকজনের স্বাভাবিক মৃত্যু, দালালি, দলত্যাগ ইত্যাদি কারণে ৬৬ জন সদস্য বাদ পড়লে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ যাত্রা শুরু করে।
• ১০ এপ্রিল ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের অধিবেশন উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ৪১৪ জন গণপরিষদ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
• গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।

অন্যদিকে,  
• ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন।
• সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২,৮৫০.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন-
  1. শাহ আব্দুল হামিদ
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  4. মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ গণপরিষদ
গণপরিষদ​ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংবিধান অধিবেশন।
রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন - ১০ এপ্রিল ১৯৭২।
গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয়-১২ অক্টোবর ১৯৭২।
গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন - ড. কামাল হোসেন।
গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন - শাহ আব্দুল হামিদ।
গণপরিষদের ডেপুটি স্পিকার ছিলেন- মোহাম্মদ উল্লাহ।
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগীশ।
সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন - ৩৪ জন।
একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন - সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৫১.
১৯৪৭ সালের ৩ জুন পরিকল্পনা পেশ করেন কে?
  1. ক) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) এ কে ফজলুল হক
  3. গ) বলদেব সিং
  4. ঘ) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা
• মন্ত্রিমিশন পরিকল্পনার পর ভারতে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করা নিয়ে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের মধ্যে চরম অন্তর্দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
• মুসলিম লীগ ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস এবং ২ সেপ্টেম্বর ‘কালাে দিবস' ঘােষণা করলে ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়। ফলে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এটলি ১৯৪৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘােষণা প্রদান করেন।
• ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ঘােষণাকে বাস্তব রূপ দেওয়ার জন্য লর্ড ওয়াভেলের স্থলে লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ভারতের নতুন ভাইসরয় নিয়ােগ করেন।
• লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের ২২ মার্চ দিল্লিতে আগমন করেন এবং ২৪ মার্চ শপথ গ্রহণ করেন।
• কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ নেতাদের সাথে ক্ষমতা হস্তান্তর এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সৃষ্টির জন্য তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালান।
• ১৯৪৭ সালের ২ জুন নেহেরু, জিন্নাহ ও শিখ নেতা বলদেব সিং-এর সাথে ঘরােয়া বৈঠকে মিলিত হয়ে মাউন্টব্যাটেন যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেন তা তিনি ১৯৪৭ সালের ৩ জুন জনগণের সামনে তুলে ধরেন।
• এটিই ৩ জুন পরিকল্পনা বা মাউন্টব্যাটেন পরিকল্পনা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৮৫২.
ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ’ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ কবে দেখা দেয়?
  1. ১২৭৬ বঙ্গাব্দ
  2. ১১৭৬ বঙ্গাব্দ
  3. ১১৭০ বঙ্গাব্দ
  4. ১১৫০ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা
• ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- দিউয়ানী ও দ্বৈত শাসনের পরিণাম ছিল বাংলায় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের ধ্বংসলীলা।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দ (১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে) গ্রীষ্মকালে দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- কোম্পানির মুর্শিদাবাদের প্রতিনিধি রিচার্ড বেচারের ভাষায় 'দেশের কয়েকটি অংশে যে জীবিত মানুষ মৃত মানুষকে ভক্ষণ করিতেছে তাহা গুজব নয়, অতিসত্য।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ মৃত্যু বরণ করে।
- ইংরেজ সরকার বাংলার জনগণকে এই বিপর্যয় থেকে রক্ষার জন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি।
- বরং ১৭৬৫-৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাৎসরিক রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ যা ছিল, দুর্ভিক্ষের বছরও রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ প্রায় তার কাছাকাছি ছিল।
- ফলে চরম শোষণ নির্যাতনে বাংলার মানুষ হত দরিদ্র ও অসহায় হয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য,
- দুর্ভিক্ষের কারণে জনগণকে খাজনার দায় থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়নি।
- তদুপরি পরের বছর শতকরা ১০ টাকা খাজনা বৃদ্ধি করা হয়। ফলে

উৎস: - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৩.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ০১ ডিসেম্বর
  2. খ) ১০ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১৫ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এ দেশীয় দোসররা বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ডাক্তার, শিক্ষক প্রমুখ পেশার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা ও গুম করে।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করা। তাই এ দিনটিকে স্বাধীন বাংলাদেশে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৮৫৪.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(BIDA) এর গর্ভনিং বোর্ড এর প্রধান কে?
  1. ক) অর্থমন্ত্রী  
  2. খ) বাণিজ্যমন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) শিল্পমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(BIDA) এর গর্ভনিং বোর্ড এর প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
• প্রতিষ্ঠিত হয়-৩০ আগস্ট,২০১৬ সালে কার্যালয়- আগারগাঁও,ঢাকা। 
• অন্যদিকে --শিল্পমন্ত্রী , বাণিজ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী হলো ঐ বোর্ড এর সদস্য।

সূত্র: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
২,৮৫৫.
মোংলা বন্দর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. পশুর
  2. পদ্মা
  3. মেঘনা
  4. বলেশ্বর
ব্যাখ্যা
মোংলা বন্দর:
- পশুর নদীর তীরে মোংলা বন্দর অবস্থিত।
- মোংলা বন্দর খুলনার অন্যতম শেষ্ঠ আকর্ষন এবং বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর তাই দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে তথা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে এ বন্দর ব্যাপক ভূমিকা রেখে চলেছে।
- ১৯৫০ সালে ১১ ডিসেম্বর বৃটিশ বাণিজ্যিক জাহাজ The City of Lyons" সুন্দরবনের মধ্যে পশুর নদীর জয়মনিগোল নামক স্থানে নোঙ্গর করে ।
- এটাই ছিল মোংলা বন্দর প্রতিষ্ঠার শুভ সুচনা।
- মে ১৯৭৬ সালে চালনা বন্দর কর্তৃপক্ষ নামক একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- পুনঃরায় ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২,৮৫৬.
২০২৪ সালে শিক্ষায় একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. লুৎফর রহমান রিটন
  2. কাওসার চৌধুরী
  3. ড. জিনবোধি ভিক্ষু
  4. রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একুশে পদক-২০২৪:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবার একুশে পদক পেয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীত ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেলেন।
 
উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দু’জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)। 
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় দু’জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে চার জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর, রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ(মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় একজন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।
 
উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২,৮৫৭.
মুরংদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. চিয়া-ছট-প্লাই
  2. মুৎসলোং
  3. বিজু
  4. সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা
মুরং:
- ম্রো আদিবাসী জনগোষ্ঠী ম্রু ও মুরং নামেও পরিচিত।
- ম্রোরা নিজেদেরকে ‘মারুচা’ বলে অভিহিত করে থাকেন। ম্রো ভাষায় ‘মারু’ শব্দের অর্থ মানুষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় এদের অধিক সংখ্যক বসতি রয়েছে।
- জেলার তোইন, মঙ্গু, তৈনফা, লুলোইং, উত্তরহানগড়, দক্ষিণ হানগড়, তঙ্কাবতী, হরিণঝুড়ি, টেকের পানছড়ি, রেনিখ্যং, পানতলা, থানখ্যং, সোয়ালক, তিনডো, সিংপা, আলীখং এবং ভারিয়াতালি মৌজায় এদের বসবাস।

⇒ ম্রোদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও পূর্বে বর্ণমালা ছিল না। ইদানীং ম্রোদের নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি হয়েছে। ম্রোরা তিববতী-বর্মী গ্রুপের একটি বিশেষ ভাষায় কথা বলে। ম্রো সমাজে কয়েকটি পরিবার মিলে এক একটি গোত্র গঠিত হয়। একই দল বা গোত্রভুক্ত ছেলেমেয়ের বিয়ে নিষিদ্ধ। ম্রোদের বংশ পরিচয় পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের প্রধান ধর্মীয় উৎসবের নাম ‘চিয়া-ছট-প্লাই’ অর্থাৎ গো-হত্যা উৎসব। কলাপাতায় লিপিবদ্ধ করা সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মুরংদের ধর্মীয় বিধান ক্ষুধার্ত এক ষাঁড় খেয়ে ফেলার শাস্তিস্বরূপ গো-হত্যা করে এই ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়। উল্লেখ্য, এদের কোনো ধর্মগুরু নেই, ধর্মগ্রন্থ নেই, এমনকি কোনো নিজস্ব মন্দিরও নেই।

⇒ ম্রো ভাষায় কান ফোঁড়ানোকে বলে ‘রইক্ষারাম’। ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সকলকে কান ফোঁড়াতে হয়। ম্রোরা ধর্মপ্রাণবাদী এবং তাদের তিনজন দেবতা আছে- তুরাই যিনি বিশ্ব সৃষ্টিকর্তা, সাংতুং অর্থাৎ পাহাড়ের দেবতা এবং ওরেং যিনি নদীর দেবী। ম্রোদের একাংশ খ্রিস্টান ধর্মমতে বিশ্বাসী। ম্যানলে নামে এক ম্রো প্রবর্তিত নতুন ধর্ম ‘ক্রামা’ চালুর পরে বেশ কিছুসংখ্যক লোক এই ধর্মে দীক্ষিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) আমার বাংলা বই, পঞ্চম শ্রেণি।
২,৮৫৮.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কোন গভর্নর জেনারেল অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সর্বাধিক প্রয়োগ করেন?
  1. ক) লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. খ) লর্ড ওয়েলেসলি
  3. গ) লর্ড ডালহৌসি
  4. ঘ) ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির অনুযায়ী ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের অধীনে ও নিরাপত্তায় থেকে রাজ্য শাসনে অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা প্রদান করা হতো।
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সর্বাধিক প্রয়োগ করেন। এই নীতির মাধ্যমে হায়দ্রাবাদ ও মারাঠারাজ্য কোম্পানির অধীনে আসে।
টিপু সুলতান এই নীতিগ্রহণে অস্বীকার করলে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি ব্রিটিশদের নিকট পরাজিত ও নিহত হন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৮৫৯.
দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৭৬টি
  2. ৮২টি
  3. ৮৪টি
  4. ৮৮টি
ব্যাখ্যা

বিসিক শিল্পনগরীসমুহের অবদান:
- দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৮২টি।
- সারাদেশে অবস্থিত বিসিকের ৮২টি শিল্পনগরীতে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৬,১৩৫টি শিল্প ইউনিটের অনুকূলে ১১,১৭৪টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ৪,৬২৭টি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনরত আছে।
- ৮২টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫,৩৯৪.৯৯ কোটি টাকা।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬৩,৭১৬.৮৭ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩,০৪৬.০৫ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

উৎস: বিসিক শিল্প নগরী ওয়েবসাইট।

২,৮৬০.
দেশের বাইরে প্রথম ঔষধ কারখানা স্থাপন করা হয়-
  1. ক) কানাডায়
  2. খ) কেনিয়ায়
  3. গ) কম্বোডিয়ায়
  4. ঘ) মিয়ানামারে
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বৃহত্তম ঔষধ কোম্পানি স্কয়ার।
স্কয়ার ফার্মা দেশের বাইরে প্রথম কেনিয়াতে ঔষধ কারখানা স্থাপন করে।
বর্তমানে বাংলাদেশের ৪৭টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৪৭টি দেশে রপ্তানি করছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২০ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
২,৮৬১.
বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয় -
  1. রাশিয়ায়
  2. ফ্রান্সে
  3. ইংল্যান্ডে
  4. জাপানে
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে। 
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার।
-  ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
উৎস : বাংলাপিডিয়া।
২,৮৬২.
ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ কত শতকে নির্মিত হয়? 
  1. পনেরো শতকে
  2. সতেরো শতকে
  3. চোদ্দ শতকে
  4. ষোল শতকে
ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ পনেরো শতকে নির্মিত হয়।

• ঐতিহাসিক ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- খান-ই-জাহান নির্মাণ করেছিলেন।
- ধারণা করা হয় তিনি ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটি।;
- বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৮৬৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র?
  1. মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিট ঢালাই মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- ৫ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান হস্তান্তর করা হয়।
- এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩৩তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে যুক্ত হলো বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। 
- খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র।

উৎস: i) বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
         ii) ৫ অক্টোবর, ২০২৩, প্রথম আলো।
২,৮৬৪.
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙ্গামাটি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র:
- সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছরি উপজেলায় অবস্থিত একটি গ্যাসক্ষেত্র।
- এই গ্যাস কুপটি ছিল পরিত্যাক্ত। ১৯৬০-এর দশকে মানিকছড়িতে সেমুতাং গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হওয়ার পর তখনকার পাকিস্তান অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি চারটি কূপ খনন করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিঃ।
২,৮৬৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যার দিক দিয়ে কোন বিভাগ সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা: ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম (৬০.০৪%)।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন বিভাগ: বরিশাল (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা: ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা: ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা: ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল: ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ: ৮৫,৮৫৮।
• গারো: ৭৬,৮৫৪।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২,৮৬৬.
দেশে কৃষির সবচেয়ে বড় প্রকল্পের (পার্টনার) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় কত তারিখ?
  1. ৯ অক্টোবর, ২০২৩
  2. ১১ অক্টোবর, ২০২৩
  3. ১৩ অক্টোবর, ২০২৩
  4. ১৬ অক্টোবর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
• কৃষি উন্নয়নে সবচেয়ে বড় প্রকল্প:
- কৃষি উন্নয়নে দেশের সবচেয়ে বড় প্রকল্প উদ্বোধন হয় - ১১ অক্টোবর, ২০২৩।
- দেশের কৃষিতে সবচেয়ে বড় প্রকল্প ‘প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনারশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স (পার্টনার)’ যাত্রা শুরু করেছে।
- এ প্রকল্পের ব্যয় প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- পার্টনার প্রকল্পটি ৫ বছরে বাস্তবায়ন করা হবে।
- ৬৪ জেলার ৪৯৫ উপজেলায় পার্টনার বাস্তবায়িত হবে জুলাই ২০২৩ থেকে ২০২৮ সালের জুন সময়সীমায়।
মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৯১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ১৫১ কোটি ও প্রকল্প সাহায্য হিসেবে আসবে ৫ হাজার ৭৫৯ কোটি টাকা। প্রকল্প সাহায্য হিসেবে বিশ্বব্যাংক দিচ্ছে ৫ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ও ইফাদ দিচ্ছে ৫০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: সমকাল (১১ অক্টোবর, ২০২৩)।
২,৮৬৭.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন এর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা কত সদস্য ছিল?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৪
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা: 
১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র---এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার--আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী---আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
৪. সৈয়দ আজিজুল হক--শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
• পরবর্তীতে ১৫ মে,১৯৫৪ সালে  ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন। ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
২,৮৬৮.
তরাইনের প্রথম যুদ্ধে কে পরাজিত হন?
  1. ক) পৃথ্বীরাজ চৌহান
  2. খ) মুহম্মদ ঘোরি
  3. গ) মুহাম্মদ বিন কাসিম
  4. ঘ) বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা
তরাইনের প্রথম যুদ্ধ (১১৯১ খ্রি.)
- মুহম্মদ ঘোরি ছিলেন ঘোরি রাজবংশের শাসক।
- তিনি ভারতে মুসলিম সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে কৃতিত্ব লাভ করেছিলেন কারণ তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের বেশিরভাগ অংশ আক্রমণ করেছিলেন। 
- ১১৮৯ খ্রি. ভাতিন্দা দখল করে মুহম্মদ ঘোরি চৌহান রাজের বিরুদ্ধে অগ্রসর হলে দিল্লি ও আজমীরের রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান একটি শক্তি সংঘ গঠন করেন।
- পৃথ্বীরাজের আহ্বানে অনেক রাজা সাড়া দেন।
- মুহম্মদ ঘোরী পৃথ্বীরাজের রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইন প্রান্তরে মিলিত পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে মুহম্মদ ঘোরির প্রচন্ড যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধে মুহম্মদ ঘোরির বাহিনী পরাজিত হলে তিনি নিজে আহত হন ও পলায়ন করেন।
- এটি তরাইনের প্রথম যুদ্ধ নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৯.
কোন অর্থবছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) ১৯৯৬-৯৭
  2. খ) ১৯৯৫-৯৬
  3. গ) ১৯৯৭-৯৮
  4. ঘ) ১৯৯৮-৯৯
ব্যাখ্যা
• দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।

সূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২,৮৭০.
অপারেশন সার্চলাইট এর বর্বরতা বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরেন কে?
  1. সাইমন ড্রিং
  2. ডাব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
  3. এরিক ক্ল্যাপটন
  4. লিওন রাসেল
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট ও সাইমন ড্রিং
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা চালায়।
- ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ গোপনে অবস্থান করে এই ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
- পরে ৩০ মার্চ, ১৯৭১ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্রাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে পাকবাহিনীর এর বর্বরতা বহির্বিশ্বে প্রকাশ করেন।
- ২০২১ সালের ১৬ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

অন্যদিকে,
অপারেশন জ্যাকপট
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট ১০ নং সেক্টরে নৌবাহিনী পরিচালিত প্রথম অভিযান 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- এই রাতে নৌ-কমান্ডোরা পাকবাহিনীর ২৬ টি জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দিয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র- দৈনিক প্রথম আলো। বাংলাপিডিয়া।
২,৮৭১.
বিচার বিভাগের কাজ নয় কোনটি?
  1. আইন সংক্রান্ত কাজ
  2. নির্বাচন পরিচালনা
  3. সংবিধান সংরক্ষণ
  4. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

বিচার বিভাগের কার্যাবলি:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ।
২. আইন সংক্রান্ত কাজ।
৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা।
৪. পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ।
৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা।
৬. তদন্ত সংক্রান্ত কাজ
৭. সংবিধান সংরক্ষণ।

উল্লেখ্য,
- নির্বাচন পরিচালনা বিচার বিভাগের কাজ নয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭২.
বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র কোথায়?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) নেত্রকোণা
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর থানার অন্তগত বড়পুকুরিয়ায় দেশের প্রথম কয়লা খনিকে কেন্দ্র করে খনি মুখ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হিসাবে বড়পুকুরিয়া ২ ´১২৫ মেঃ ওঃ কয়লা ভিক্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন কাজ বর্তমানে চলমান ।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী হিসাবে প্রচলিত গ্যাস বা তেলের পরির্বতে বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্প হইতে উত্তোলনকৃত উন্নতমানের বিটুমিনাস কয়লা ব্যবহার করা হইবে।

কয়লা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে - ৫টি; বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ।
-  আবিষ্কৃত ৫টি কয়লাক্ষেত্রে কয়লার মোট মজুদের পরিমাণ - আনুমানিক ৭,৮২৩ মিলিয়ন টন (যা প্রায় ১৮৫ টিসিএফ প্রাকৃতিক গ্যাস সমতুল্য)। 
- মজুদকৃত কয়লা থেকে ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত উত্তোলিত মোট কয়লার পরিমাণ - আনুমানিক ১২.৭৬ মিলিয়ন টন।  
-  বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইট তৈরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২২ ও  দিনাজপুর জেলার ওয়েবসাইট।
২,৮৭৩.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ৩০শে ডিসেম্বর ১৯৫১
  2. ১৯শে জানুয়ারি ১৯৫২
  3. ৩০শে জানুয়ারি ১৯৫২
  4. ১১ই ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩০শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৮৭৪.
দেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চাষ হয়?
  1. ক) সুনামগঞ্জ অঞ্চল
  2. খ) বরিশাল অঞ্চল
  3. গ) খুলনা অঞ্চল
  4. ঘ) কক্সবাজার অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চায় হয়।
দেশের মোট চিংড়ি ঘেরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এ অঞ্চলে অবস্থিত। চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ায় খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের কুয়েত সিটি বলা হয়।

রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড নামে অভিহিত করা হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
২,৮৭৫.
বাংলাদেশ কবে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  2. ১৯৭৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  3. ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
  4. ১৯৭৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ: 
- ১৯৪৫ সালের ২৪শে অক্টোবর আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ আত্মপ্রকাশ করে।
- এজন্য প্রতি বছর ২৪শে অক্টোবরকে জাতিসংঘ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- বিশ্বের স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ জাতিসংঘের সদস্য।
- ৫০টি সদস্যরাষ্ট্র নিয়ে, জাতিসংঘের যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে এর সংখ্যা ১৯৩টি। 
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৮৭৬.
Where is the country's largest wind power plant located?
  1. Cox's Bazar
  2. Dinajpur
  3. Pabna
  4. Khulna
ব্যাখ্যা
কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- দেশের সবচেয়ে বড় বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- কক্সবাজারের ৬০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।
- ১২ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে  দেশের সবচেয়ে বড় এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
- ডিসেম্বর, ২০২৩-এ কেন্দ্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করা হবে।
- দেশের সবচেয়ে বড় এই বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ শুরু হয় ২০২২ সালের ৩১ মার্চ।
- বেসরকারি উদ্যোগে বাস্তবায়িত হওয়া এই প্রকল্পে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিয়েছে চীন।
- বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মুকিত আলম।
- বায়ুবিদ্যুতে দেশের প্রথম কোনো বড় প্রকল্প কক্সবাজারের খুরুশকুলে ৬০ মেগাওয়াট কেন্দ্র।
- চীনের অর্থায়নে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা।

উৎস: ১৩ অক্টোবর,, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
২,৮৭৭.
একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা একটি শহিদ মিনার নির্মাণ করে কবে? 
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  2. ২৩ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৪ 
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩
  4. ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
শহিদ মিনার:

• একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা একটি শহিদ মিনার নির্মাণ করে ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। 
• ড. সাঈদ হায়দার নকশার পরিকল্পনা করেন। 
• শহিদ শফিউরের পিতা ২৪ তারিখে শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন। 
• ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সেই মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে।
• ২১ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ স্বরূপ ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হরতাল পালিত হয়। 
• একুশের ঘটনার প্রতিবাদে দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন।
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতি দেওয়ার পর, ১৯৫৭ সালে পুনরায় শহিদ মিনারটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। 
• ১৯৬৩ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। 
• স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী শহিদ মিনারটি ভেঙে ফেলে। 
• ১৯৭৩ সালে শহিদ মিনারটি পুনঃনির্মাণ করা হয়। 
• কেন্দ্রীয়  শহিদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান।
• যুক্তরাজ্যে কেন্দ্রীয়  শহিদ মিনারের দুইটি প্রতিকৃতি স্থাপিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭৮.
ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান কোনটি? 
  1. টাঙ্গুয়ার হাওর
  2. সুন্দরবন
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার
ব্যাখ্যা

বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান:
• বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি।
- এগুলো হলো:
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার (৩২২তম, ১৯৮৫)
- বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (৩২১তম, ১৯৮৫)
- সুন্দরবন (৭৯৮তম, ১৯৯৭)।
- ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থান সুন্দরবন।


উৎস: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

২,৮৭৯.
ডা. সেতারা বেগম কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ১১
  2. খ) ৮
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
▪ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলা, ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবিকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
▪ তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।  

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
২,৮৮০.
নিচের কোন কারনে একটি চেক ফেরত যায়?
  1. ক) হিসাবে যথেষ্ট উদ্বৃত্ত আছে
  2. খ) স্বাক্ষরে গরমিল নেই
  3. গ) চেকটি ছেড়া নয়
  4. ঘ) এটি চুরি যাওয়া চেক নয়
  5. ঙ) সংখ্যায় ও কথায় কোন মিল নেই
ব্যাখ্যা

Reasons for Cheque Bounce

- Insufficient Funds.
- Date Mentioned on Cheques.
The date is a vital part of the cheque and any sort of difference or problem with the date would end in your cheque being bounced.
- Signature Mismatch.
- Difference in Amount Mentioned in Numbers & Words.
- Damaged Cheque. 
- Overwriting on Cheque.

২,৮৮১.
বাংলাদেশ কত সালে প্রথম জনশক্তি রপ্তানি করে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রথম জনশক্তি রপ্তানি করে ১৯৭৬ সালে।

জনশক্তি রপ্তানি:

- বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহের সাথে সমঝোতা সৃষ্টি হয়।
- শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান ক্ষেত্রে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার ২০০১ সালের ২০ ডিসেম্বর তারিখে ‘প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়’ নামে একটি পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন করে।

⇒ পোশাক খাতের পরপরই দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান জনশক্তি রপ্তানি খাতের।
- ১৯৭৩ সালে সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির ফলে সেসব দেশের ফুলেফেঁপে ওঠা অর্থনীতিই বাংলাদেশসহ তৎকালীন স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জনশক্তি রপ্তানির দ্বারোন্মোচন করে।
- ১৯৭৬ সালে প্রথম জনশক্তি রপ্তানি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি রপ্তানির মূল গন্তব্য উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত (জিসিসি) ছয়টি দেশ।
- অর্থাৎ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, ওমান, বাহরাইন, ও কাতার।
- পরবর্তী সময়ে এই তালিকায় যুক্ত হয় মালয়েশিয়ার নাম।
- এছাড়াও সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডাসহ বিশ্বের প্রায় ১৭০টি দেশে বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছে।

উৎস: i) জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
২,৮৮২.
পাকিস্তান সৃষ্টির কত বছর পরে পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করা হয়?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৯ বছর
  4. ১১ বছর
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- পাকিস্তান সৃষ্টির দীর্ঘ ৯ বছর পর শাসনতন্ত্র বিশেষজ্ঞগণ এ শাসনতন্ত্রটি প্রণয়ন করেছিলেন।
- এ শাসনতন্ত্রের অধীনে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- কিন্তু এ শাসনতন্ত্র যথার্থভাবে কাজ করতে পারেনি।
- এ শাসনতন্ত্র দিনে দিনে অকার্যকর হয়ে পড়ে।
- শাসনতন্ত্রের এ ব্যর্থতার জন্যে (পশ্চিম পাকিস্তানের) শাসকবর্গই দায়ী ছিলেন।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে শাসনতন্ত্র রচনার আড়াই বছরের মধ্যেই এটি বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং সামরিক শাসন জারী করা হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ এবং বিএসএস প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৩.
এশিয়া কাপের শিরোপাজয়ী বাংলাদেশী অধিনায়ক কে?
  1. সাকিব আল হাসান
  2. আকবর আলী
  3. সালমা খাতুন
  4. নিগার সুলতানা
ব্যাখ্যা
♦ নারী ক্রিকেট ও বাংলাদেশ
- ১৯৭২ সালে গঠিত হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
- বাংলাদেশের নারী ক্রিকেট দলের ২০০৭ সালে থাইল্যান্ডের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে।
- ২০০৭ সালের এসিসি প্রতিযোগিতায় শিরোপা জয় করে।
- ২০১১ সালের মহিলাদের ক্রিকেট বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রতিযোগিতায় ৫ম হয়ে একদিনের আন্তর্জাতিকে খেলার মর্যাদা লাভ করে।

- ২০১৮ এসিসি প্রমিলা এশিয়া কাপের ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ শিরোপা জেতে।
- সে আসরে অধিনায়ক ছিলেন সালমা খাতুন।

- ২০১৯ সাউথ এশিয়ান গেমসে অংশ নিয়ে স্বর্ণপদক পায় বাংলাদেশ (শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে)।
- ২০২১ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - বিসিবি ওয়েবসাইট। 
২,৮৮৪.
প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অফিস কোথায় ছিল?
  1. শিমলাতে
  2. আগরতলায়
  3. কলকাতায়
  4. দিল্লিতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ সরকার 'মুজিবনগর সরকার' নামেই বেশি পরিচিত। 
- অনেকে একে প্রবাসী সরকার বলেন। 
- তবে এ সরকারকে বাংলাদেশ সরকার বা মুজিবনগর সরকার বলাই শ্রেয়। 
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল (১৯৭১) নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করে কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায়। 
- নতুন সরকার বৈদ্যনাথতলার নাম পাল্টে রাখেন মুজিবনগর।
-  বাংলাদেশ সরকার কখনই মুজিবনগরে অবস্থান করেননি। 
- কিন্তু 'মুজিবনগর' নামটি প্রতিকী তাৎপর্য বহন করতে থাকে। 
- সরকারের প্রকৃত কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় কোলকাতায়।
মুজিবনগর সরকারের বড় কৃতিত্ব 'স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র' দিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা। বিশ্বে যে ক'টি
- এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং 
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৮৫.
'মৎস্য আইন ১৯৫০'-এর অধীনে কত সেন্টিমিটারের চেয়ে ছোট ইলিশ ধরা, বিক্রি বা মজুত করা নিষিদ্ধ?
  1. ২২ সে.মি
  2. ২৩ সে.মি
  3. ২৪ সে.মি
  4. ২৫ সে.মি
ব্যাখ্যা

মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০:
- দি প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিস এ্যাক্ট-১৯৫০; সাধারণভাবে মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০ নামে পরিচিত।
- নির্বিচারে পোনা মাছ ও প্রজননক্ষম মাছ নিধন সমস্যা দূরীকরণে সরকার মাছের আকার, প্রজনন ও বৃদ্ধির সময়, বিচরণক্ষেত্র ইত্যাদি বিষয়ে কতিপয় বিধি নিষেধ আরোপ করে ১৯৫০ সলে এ আইন প্রণয়ন করে।
- পরবর্তীতে বাস্তব প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে আইনটি উলেস্নখযোগ্য সংশোধন, সংযোজন ও পরিমার্জন করা হয়।

⇒ মৎস্য সংরক্ষণ আইন ১৯৫০' অনুসারে,
- প্রতি বছর জুলাই হতে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের কাতলা, রুই, মৃগেল, কালিবাউস ,ঘনিয়া;
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে মে মাস পর্যন্ত ২৫ সেন্টিমিটারের (১০ ইঞ্চি) ছোট আকারের ইলিশ (যা জাটকা নামে পরিচিত);
- প্রতি বছর নভেম্বর হতে এপ্রিল মাস পর্যমত্ম ২৩ সেন্টিমিটারের (৯ ইঞ্চি) ছোট আকারের পাংগাস;
- প্রতি বছর ফেব্রুয়ারী হতে জুন মাস পর্যন্ত ৩০ সেন্টিমিটারের ( ১২ ইঞ্চি) ছোট আকারের আকারের সিলন, বোল ও আইড় মাছ ধরা, নিজের দখলে রাখা, পরিবহন বা বিক্রয় করা নিষিদ্ধ।
- বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহার করে মাছ মারা যাবে না । অভ্যন্তরীণ জলাভূমিতে বিষ প্রয়োগ , পরিবেশ দূষণ , বাণিজ্যিক বর্জ্য বা অন্যবিধ উপায়ে মাছ ধংসের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাবে না।
- মাছ ধরার ক্ষেত্রে ৪.৫ সেন্টিমিটার বা তদপেক্ষা কম ব্যাস বা দৈর্ঘ্যের ফাঁস বিশিষ্ট ফাঁসজাল এর ব্যবহার নিষিদ্ধ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।

২,৮৮৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'কে ফোর্স' নিম্নের কোন যুদ্ধটি পরিচালনা করেছে?
  1. বিলোনিয়ার যুদ্ধ
  2. চিলমারীর যুদ্ধ
  3. হরশপুর যু্দ্ধ
  4. কিশোরগঞ্জ যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড সংগঠন ও অপারেশন:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিকটা ছিল গেরিলাভিত্তিক কিন্তু এভাবে গেরিলা যুদ্ধ পাকিস্তানি বাহিনীর সুশিক্ষিত সৈন্যদের পদানত করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভূমিকা রাখতে পারছিল না।
- ফলে যুদ্ধ ক্ষেত্রে গতিশীলতা আনয়ন ও মুক্তাঞ্চল গঠনের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর গঠন বিন্যাসের পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- এপ্রিল মাসে মুজিবনগর সরকার গঠিত হলে প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম এ জি ওসমানী সেনাবাহিনীর সদস্যদের নিয়ে নিয়মিত ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
- সম্মুখ সমরের পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সংগে যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার জন্য তিনটি নিয়মিত ব্রিগেড গঠন করা হয়।
- এরা হচ্ছে: জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।

⇒ কে ফোর্স:
- লেঃ কর্নেল খালেদ মোশাররফের নামানুসারে সেপ্টেম্বর ৭১ সনে গঠিত হয় এই বিগ্রেড যার নাম করা হয় কে ফোর্স।
- এই ফোর্সের অন্তর্ভূক্ত ছিল ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ৯ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১০ ইস্ট বেঙ্গলরেজিমেন্ট, ১ ফিল্ড ব্যাটারি (মুজিব ব্যাটারী) আর্টিলারি ও একটি সিগন্যাল কোম্পানী।
- কে ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল দেউশ মন্দভাগ অভিযান, শালদা নদী অভিযান, পরশুরাম, চিতলিয়া, ফুলগাজী, নিলক্ষ্মীর যুদ্ধ, বিলোনিয়ার যুদ্ধ, চাপিলতার যুদ্ধ, কুমিল্লা শহরের যুদ্ধ, নোয়াখালীর যুদ্ধ, কশবার যুদ্ধ, বারচরগ্রাম যুদ্ধ, মিয়াবাজার যুদ্ধ, গাজীপুর যুদ্ধ, সলিয়াদীঘি যুদ্ধ, ফেনী যুদ্ধ, চট্টগ্রাম বিজয় ও ময়নামতি বিজয়।

অন্যদিকে,
- চিলমারীর যুদ্ধ পরিচালনা করেছেন জেড ফোর্স।
- কিশোরগঞ্জ যুদ্ধ, হরশপুর যু্দ্ধ পরিচালনা করেছেন এস ফোর্স।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৮৮৭.
বিজিবির বর্তমান মহাপরিচালক কে?
  1. আশরাফুজ্জামান চৌধুরী
  2. কে এম নাজমুল হক
  3. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী
  4. কাজী গোলাম দস্তগীর
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

বিজিবি:
- বিজিবি-এর পূর্ণরূপ: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ।
- মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, ওএসপি, বিএসপি, এসইউপি, এনডিসি, পিএসসি, এমফিল (Major General Mohammad Ashrafuzzaman, OSP, BSP, SUP, ndc, psc, M Phil) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নতুন মহাপরিচালক হিসেবে যোগদান করেছেন।
- তিনি ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ তারিখ বিদায়ী মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ কে এম নাজমুল হাসান, বিজিবিএম, বিএএম, এনডিসি, পিএসসি (Major General A K M Nazmul Hasan, BGBM, BAM, ndc, psc)-এর নিকট হতে বিজিবি মহাপরিচালকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এ যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর, ঢাকায় সামরিক প্রশিক্ষণ পরিদপ্তরের পরিচালক ও সেনা ক্রীড়া নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৮৮৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ তহবিলের পরিমাণ -
  1. ক) ১০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩০০ কোটি টাকা
  3. গ) ৫০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৭০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ তহবিল:
- ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণের পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের আকার ৪০০ কোটি টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- আগে এই তহবিলের আকার ছিল ১০০ কোটি টাকা।
- অর্থাৎ এই তহবিলের আকার ৫০০ কোটি টাকা করা হয়েছে।
- দেশের সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনকে বিবেচনায় নিয়ে তাদের স্বল্পসুদে ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ বা বিনিয়োগ প্রদান এবং সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্যে ইতিপূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকার একটি আবর্তনশীল পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়।
- এই তহবিলের আকার ৫০০ কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।

উৎস: ১৭ জুলাই, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
২,৮৮৯.
মানব সম্পদ উন্নয়নের জন্য নিচের কোনটি অপরিহার্য?
  1. শিক্ষা
  2. প্রশিক্ষণ
  3. আধুনিক প্রযুক্তি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মানব সম্পদ উন্নয়ন:
- মানব সম্পদ উন্নয়ন একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ এবং অপরিহার্য উপাদান।
- মানব সম্পদ ছাড়া উন্নয়নের অন্যান্য উপাদান অর্থহীন হয়ে পড়ে।
- শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, আধুনিক প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে মানব সম্পদকে অধিকতর দক্ষ ও উৎপাদনশীল করা যায়।
- কাজেই কর্মক্ষম জনশক্তিকে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি জ্ঞানে উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সমৃদ্ধ করার প্রক্রিয়াকে 'মানব সম্পদ উন্নয়ন' বলা যায়। 
- সুতরাং উৎপাদনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানুষের কর্মদক্ষতা সুষ্ঠুভাবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে মানুষের অন্তর্নিহিত কর্মগুণ, সুপ্ত প্রতিভা, উন্নত ও বিকশিত করে তোলাই হল 'মানব সম্পদ উন্নয়ন'।

উৎস: i) শিক্ষা এবং উন্নয়ন, স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৯০.
ইপিআর এর কতজন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন?
  1. ৩ জন
  2. ১ জন
  3. ২ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
- ইপিআর এর ২ জন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি পেয়েছেন ।
- তারা হলেন ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ এবং ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সবথেকে বেশি বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত হয়েছে সেনাবাহিনীর ৩ জন সদস্য।
- তারা হলেন সিপাহী মোস্তফা কামাল, সিপাহী হামিদুর রহমান এবং ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান বিমান বাহিনীর একমাত্র বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
- ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন নৌবাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত বীরশ্রেষ্ঠ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
২,৮৯১.
ঢাকা গেইট এর নির্মাতা কে?
  1. ক) মীর জুমলা
  2. খ) শায়েস্তা খাঁ
  3. গ) শায়েস্তা খান
  4. ঘ) শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
• মীর জুমলা:
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবাদার ছিলেন মীর জুমলা
- এশিয়াটিক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত ঢাকা কোষ-এ বলা হয়েছে, মীর জুমলা ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে ঢাকার সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢাকা গেইট-টি নির্মাণ করেছিলেন।
- ঢাকার সমৃদ্ধ ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে ৩৫০ বছরের প্রাচীন এই তোরণ ‘ঢাকা গেট’।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৮৯২.
বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত -
  1. মাঠ প্রশাসন
  2. সচিবালয়
  3. বিভাগ
  4. জেলা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রশাসনের দুটি স্তর রয়েছে।
- যেমন: কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং মাঠ প্রশাসন।
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব।
- ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন।
- প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়।
- সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়।
- সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না।
- একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন। 
- সচিবালয়ে গৃহীত সিদ্ধান্ত ক্রমান্বরে বিভাগে, জেলা প্রশাসনে এবং উপজেলা প্রশাসনে প্রেরিত হয়।
- সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থিত।
- সকল বিভাগ, দপ্তর ও সংস্থাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
২,৮৯৩.
৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় -
  1. জেড ফোর্স
  2. কে ফোর্স
  3. এস ফোর্স
  4. এল ফোর্স
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৪.
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে? 
  1. তানভীর কবীর
  2. হামিদুর রহমান
  3. হামিদুজ্জামান
  4. অস্কার বাদল
ব্যাখ্যা
• ‘কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি হামিদুর রহমান। 

• কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:

- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
শেরেবাংলা এ.কে. ফজলুল হক এবং আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যুক্তফ্রন্ট সরকার কর্তৃক ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের সর্বত্র স্বতঃস্ফূর্তভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি পালিত হয়।

- এরফলেই শহীদ মিনারের নতুন স্থাপনা নির্মাণ করা সহজতর হয়ে ওঠে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।
- তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। 
- শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। 
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট।
২,৮৯৫.
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত, বিক্রিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর সরকার কর্তৃক আরোপিত কর কে বলে?
  1. আয়কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. বিক্রয় কর
  4. বাণিজ্য কর
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক:
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত, বিক্রিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর সরকার কর্তৃক আরোপিত কর কে আবগারি শুল্ক বলে।
- পরিভাষা হিসেবে ‘আবগারি কর’ ‘আবগারি শুল্ক’ অপেক্ষা ব্যাপকতর অর্থবহন করে।
- এর মধ্যে দ্রব্য বা সেবার উৎপাদন, বিক্রয়, বা ক্রয়ের ওপর আরোপিত কর অন্তর্ভুক্ত।
- তাত্ত্বিকভাবে, ‘আবগারি কর’ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানির ওপর সমভাবে প্রযোজ্য হলেও বাস্তবে তা শুধু অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর আরোপ করা হয়।
- আবগারি শুল্ক সরকারি রাজস্ব সংগ্রহের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়, আবার এটি আয়ের পুনর্বণ্টনের উদ্দেশ্যেও ব্যবহৃত হতে পারে।

অন্যদিকে,
• আয় ও মুনাফা কর:
- আয়কর ও মুনাফা হল প্রত্যক্ষ কর। ব্যক্তির আয়ের উপর আয়কর ও কোম্পানীর মুনাফার উপর মুনাফা কর আরোপ করা হয়।
• আমদানি শুল্ক:
- আমদানির উপর আরোপিত করকে আমদানি শুল্ক বলে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৮৯৬.
রাজা বল্লাল সেন রচিত বিখ্যাত দুটি গ্রন্থের নাম কী? 
  1.  রামচরিত ও চর্যাপদ
  2. দানসাগর ও অদ্ভুত সাগর
  3. পবনদূত ও গীতগোবিন্দ
  4. রাজতরঙ্গিণী ও অর্থশাস্ত্র
ব্যাখ্যা

রাজা বল্লাল সেন: 
- রাজা বল্লাল সেন বিদ্বান ও পণ্ডিত ব্যক্তি ছিলেন।
- তিনি 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুত সাগর' নামে দু'খানি পুস্তক রচনা করেছিলেন।
- তিনি এদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নয়নে যথেষ্ট ভূমিকা রেখেছিলেন।
- তিনি শৈবধর্ম প্রচারের বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছিলেন।
- তিনি 'অরিরাজ নিশঙ্ক শঙ্কর' উপাধিও গ্রহণ করেন।
- শৈবধর্ম প্রচারের জন্য তিনি আরাকান, কামরূপ, নেপাল, উড়িষ্যা ও মগধে দূত পাঠান।
- তাঁর রাজত্বকালে সূফী বাবা আদম শহীদ ইসলাম ধর্ম প্রচারের জন্য এসেছিলেন।
- বল্লাল সেনের সাথে রাজধানী বিক্রমপুরে সূফীর যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধে সূফী শহীদ হয়েছিলেন। শেষ বয়সে তিনি পুত্র লক্ষ্মণ সেনের হাতে রাজত্বের ভার ছেড়ে দিয়ে ধর্ম সাধনায় দিন কাটান।
-  তিনি ১১৭৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১৮ বছর কাল রাজত্ব করেছিলেন।

উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৯৭.
রাষ্ট্রপতিকে অপসারণ করা যায় -
  1. ক) সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে
  2. খ) গুরুতর অসদাচরণজনিত কারণে
  3. গ) শারীরিক অক্ষমতায়
  4. ঘ) সবগুলো কারণে
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির অপসারণ

- সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিসংশিত করা যাবে। 
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৫৩ তে বলা হয়েছে যে, শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতিকে তাঁর পদ হতে অপসারিত করা যেতে পারে। 
- সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
২,৮৯৮.
কোন গ্রন্থ থেকে জানা যায় যে, বঙ্গের উত্তরকালীন নাম 'বঙ্গাল'?
  1. রাজতরঙ্গিণী
  2. ইন্ডিকা
  3. আইন-ই-আকবরী
  4. ঐতরেয় আরণ্যক
ব্যাখ্যা

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ।
- অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল।
- কারণ এ দেশের প্রাচীন রাজাগণ সারাদেশে চওড়া 'আল' নির্মাণ করতেন।
- সেজন্যে 'বঙ্গ' ও 'আল' শব্দ দুটির যোগে 'বঙ্গাল' নামের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ থেকে ধারণা করা হয় যে পানি থেকে শস্যক্ষেত রক্ষার জন্য বড় বড় 'আল' বাঁধা হতো এবং তার ফলে এ অঞ্চলটি 'বঙ্গাল' নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৯৯.
'সোমপুর বিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

সোমপুর বৌদ্ধ বিহার:
- নওগাঁ জেলার সবচেয়ে বিখ্যাত ঐতিহাসিক স্থান বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বিহার।
- জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে সোমপুর বিহার ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেছে।
- ইংরেজ প্রত্নতাত্ত্বিক বুকানন হামিলটন যখন পূর্ব ভারতে জরিপ কাজ পরিচালনা করেন (১৮০৭-১৮১২) তখন তিনি পাহাড়পুরের এই সূতপকে বৌদ্ধ বিহার বলে অনুমান করেন।
- ১৯২৩ সাল থেকে ১৯৩৪ সাল পর্যমত্ম এর খনন কাজ চলে।
- খনন কালে মাটির একটি সিল থেকে জানা যায় যে, এটি সোমপুর বিহার।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল। ৮০০ জন ভিক্ষুর বাসপোযোগী ছিল।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৯০০.
মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কোন সেক্টরের অধীনে নিয়োজিত ছিলেন?
  1. ৮নং সেক্টর
  2. ৯নং সেক্টর
  3. ১০নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
=১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৩নং সেক্টর:
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ, পরে মেজর এএনএম নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৪ নং সেক্টর:
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরাজন দত্ত, পরে ক্যাপ্টেন এ রবের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

= ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

= ৭নং সেক্টর:
-রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নজরুল হক, পরে সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামানের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৮নং সেক্টর:
- কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল,
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর স্থলাভিষিক্ত হন।

= ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম জলিল, পরে মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীনের স্থলাভিষিক্ত হন।

= ১০নং সেক্টর:
- সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন।

= ১১নং সেক্টর:
- টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।