বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৬ / ৩০৬ · ২,৫০১২,৬০০ / ৩০,৮৩২

২,৫০১.
নিচের কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী?
  1. ইউজিসি
  2. সিপিডি
  3. দুদক
  4. এনবিআর
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ।
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি। এটি একটি নির্দলীয় বা অরাজনৈতিক সামাজিক গোষ্ঠী যাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে।

তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা। এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না।

আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সুশাসনের জন্যে নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সরকার কাঠামোর অংশ।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি : মো. মোজাম্মেল হক)
২,৫০২.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের লোকসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে -
  1. ৯৩৪ জন
  2. ১,১১৭ জন
  3. ১,১১৯ জন
  4. ১,১৩১ জন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০,০৬৭ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
২,৫০৩.
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে বাংলাদেশের কোন গার্মেন্টস? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ওরিয়েন্ট গার্মেন্টস লিমিটেড
  2. হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড
  3. গ্রিনলিফ গার্মেন্টস লিমিটেড
  4. ফেয়ারটেক্স গার্মেন্টস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা: 
- বাংলাদেশের গাজীপুরের শ্রীপুরে অবস্থিত হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
- হ্যামস গার্মেন্টস লিমিটেড যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) লিড প্লাটিনাম সনদে ১১০ এর মধ্যে ১০৮ স্কোর পেয়েছে। 
- এটি বর্তমানে বিশ্বের যেকোনো গ্রিন ফ্যাক্টরির মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোর।
- হ্যামস গার্মেন্টস হা-মিম গ্রুপের অংশ, যা বাংলাদেশের অন্যতম বড় গার্মেন্টস রপ্তানিকারক।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ২৭৩টি লিড সার্টিফায়েড গ্রিন ফ্যাক্টরি রয়েছে, যার মধ্যে ১১৫টি প্লাটিনাম ও ১৩৯টি গোল্ড মানের।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের শীর্ষ ১০০টি সর্বোচ্চ রেটিংপ্রাপ্ত গ্রিন কারখানার মধ্যে ৬৯টিই এখন বাংলাদেশে অবস্থিত।   [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

তথ্যসূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো। (Link) 

২,৫০৪.
উয়ারি-বটেশ্বর কোন সাম্রাজ্যের আমলে বিকশিত হয়?
  1. ক) মৌর্য
  2. খ) পাল
  3. গ) সেন
  4. ঘ) মোগল
ব্যাখ্যা
উয়ারি-বটেশ্বর
অবস্থান: 
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অদূরে নরসিংদী জেলার বেলাব ও শিবচর উপজেলার ৪ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে উয়ারি এবং বটেশ্বর গ্রামের অবস্থান। উয়ারি ও বটেশ্বর পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ভিন্ন গ্রাম হলেও প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দেশন হিসেবে একসাথে উচ্চারণ করা হয় । গ্রাম দু'টি আশে-পশের সমতল ভূমি থেকে একটু উঁচু। পুরাতন ব্রহ্মপুত্র এবং আড়িয়াল খাঁ নদীর সঙ্গমস্থলের কাছে কয়রা নদীর দক্ষিণ তীরে উয়ারি এবং বটেশ্বর গ্রামের অবস্থান। সম্প্রতি আবিষ্কৃত হলেও এটি ইতোমধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।

উৎপত্তিঃ 
নব্যপ্রস্তর যুগের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নগর সভ্যতার গোড়াপত্তন হতে থাকে। মিশর, মেসোপটেমিয়া, সিন্ধু সভ্যতা অনুরূপ নগর সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃত। মহাস্থানগড় এবং উয়ারি-বটেশ্বর হচ্ছে এর পরবর্তী প্রজন্মের নগর সভ্যতা। খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে একটি দুর্গ নগর হিসেবে উয়ারি-বটেশ্বরের আত্মপ্রকাশ ঘটে বলে ধারণা করা হয়। গ্রিকো- রোমান গণিতবিদ টলেমি (Claudius Ptolemy, ১০০-১৭০খ্রি.) তাঁর Geographia গ্রন্থে উয়ারি-বটেশ্বরকে ‘সোনাগড়া’ বলে উল্লেখ করেছেন । তিনি ভারত, শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ডেও অনুরূপ কিছু প্রাচীন বাণিজ্যিক নগরীর উল্লেখ করেছেন। 
 
মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্গত এই জনপদে ২৫০০ বছর পূর্বে সমৃদ্ধ সংস্কৃতির স্ফূরণ ঘটেছিল। কিন্তু এ সভ্যতা আধুনিক গ্রামীণ সভ্যতার নিচে চাপা পড়েছিল দীর্ঘকাল ।
 
উৎস : সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৫০৫.
নিচের কোনটি জিডিপি'র বৃহৎ খাত?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা: 
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত ও
- সেবাখাত।

 • উল্লেখ্য, সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
২,৫০৬.
সম্প্রতি দেশের পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে কী নামকরণ করা হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. সমন্বিত ইসলামী ব্যাংক
  2. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক 
  4. কেন্দ্রীয় ইসলামী ব্যাংক 
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে নামকরণ করা হয় সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক (Sammilito Islami Bank Limited)। 
- ব্যাংকগুলো হচ্ছে: ফাস্ট সিকিউরিটি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।

⇒ সরকারের পক্ষে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ হবে এই ব্যাংকের মালিক। আগে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’ নামে ট্রেড লাইসেন্স গ্রহণ করা হবে। তারপর যৌথ মূলধনী কোম্পানিজ ও ফার্মগুলো থেকে কোম্পানির নিবন্ধন নেওয়া হবে। তারপর ওই কোম্পানির নামে নতুন ব্যাংক ব্যবসার লাইসেন্স নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হবে।

⇒  ৯ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে পাঁচ ব্যাংক একীভূত করার প্রস্তাব অনুমোদন করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ। এতে সিদ্ধান্ত হয়, নতুন ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন হবে ৪০ হাজার কোটি টাকা, যার মধ্যে পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি। পরিশোধিত মূলধনের ২০ হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার। 

উৎস: i) BRAC EPL.
ii) প্রথম আলো।

২,৫০৭.
পাল রাজারা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
  1. হিন্দুধর্ম
  2. জৈনধর্ম
  3. শাক্তধর্ম
  4. বৌদ্ধধর্ম
ব্যাখ্যা

পাল রাজারা বৌদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এবং তাদের আমলে অনেক বৌদ্ধবিহার নির্মিত হয়।  

পাল রাজবংশ:
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য, 
- পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। পালযুগে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করেছিল তিববত, জাভা, সুমাত্রা ও মালয়েশিয়াতে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫০৮.
রাজনৈতিক দল কিসের ভিত্তিতে কর্মসূচি প্রণয়ন করে?
  1. ব্যক্তিস্বার্থ
  2. সরকারি নীতি
  3. দলীয় মতাদর্শ
  4. আন্তর্জাতিক চাপ
ব্যাখ্যা
⇒ রাজনৈতিক দল দলীয় মতাদর্শের ভিত্তিতে কর্মসূচি প্রণয়ন করে।

রাজনৈতিক দল:
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- এই মতাদর্শের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও ব্যাপক কর্মসূচি রচিত হয় এবং তা বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৯.
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. ক) খাজা সলিমুল্লাহ
  2. খ) সৈয়দ আহমদ খান
  3. গ) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. ঘ) আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
• ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল মুলক, সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান প্রমুখের উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• নওয়াব আব্দুল লতিফ, স্যার সৈয়দ আহমদ খান, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন না।
• মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম ‍লীগে যোগ দেন। তবে ত্রিশের দশকের মাঝামাঝি থেকে জিন্নাহর নেতৃত্বেই ‍মুসলিম লীগ ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৫১০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দেশ তার সপ্তম নৌবহরের যুদ্ধজাহাজ বঙ্গোপসাগরে পাঠিয়েছিল?
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
শত্রু এবং মিত্র দেশ:
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণহত্যার কথা পৃথিবীতে প্রচার হওয়ার পর পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশেরই সমবেদনা বাংলাদেশের পক্ষে ছিল, তবে দুটি খুব গুরুত্বপূর্ণ দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন পাকিস্তানের পক্ষে থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরুদ্ধে কাজ করেছে।
- স্বাধীনতা সংগ্রামের একেবারে শেষের দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার সপ্তম নৌবহরের যুদ্ধজাহাজ বঙ্গোপসাগরে পাঠিয়ে দিয়েছিল।
- স্বাধীনতা যুদ্ধের একেবারে শেষ মুহূর্তে যখন বাংলাদেশ এবং ভারতের যৌথবাহিনীর জয় একেবারে সুনিশ্চিত তখন সেই বিজয়ের মুহূর্তটিকে থামিয়ে দেবার জন্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বারবার জাতিসংঘের সিকিউরিটি কাউন্সিলে যু্‌দ্ধ বিরতির প্রস্তাব নিয়ে এসেছিল এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেটো দিয়ে এ প্রস্তাবকে নাকচ করে দিয়ে আমাদের বিজয়ের পথ সুনিশ্চিত করেছিল।
- তবে, আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে যে দেশটির ভূমিকা ছিল সবচেয়ে বেশি, সেই দেশ হচ্ছে ভারত।
- এই দেশটি প্রায় এক কোটি শরণার্থীর ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নিয়েছিল, আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র, প্রশিক্ষণ আর আশ্রয় দিয়ে সাহায্য করেছিল।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়ার পর ভারত মুক্তিবাহিনীর সাথে মিত্রবাহিনী হিসেবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নেয়।
- এই যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রায় দেড় হাজার সৈনিক প্রাণ দিয়েছিল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৫১১.
পঞ্চাশের মন্বন্তর কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৭০ সালে
  2. ১৮৫০ সালে
  3. ১৯৪৩ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত দুর্ভিক্ষ পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত। বাংলা ১৩৫০ সালে এই দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হওয়ায় একে পঞ্চাশের মন্বন্তর বলা হয়।
এই দুর্ভিক্ষে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ মারা যায়।
এই দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৫১২.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বয়সসীমা-
  1. ক) ৬৩ বছর
  2. খ) ৬৫ বছর
  3. গ) ৬৭ বছর
  4. ঘ) ৬৯ বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান (১২তম) গভর্নর (প্রধান নির্বাহী) হলেন 'আব্দুর রউফ তালুকদার'।
- তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৪ জুলাই, ২০২২ থেকে।
- তাঁর পূর্বে ১১তম গভর্নর  ছিলেন  ফজলে কবির (১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩ জুলাই ২০২২)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের  প্রথম গভর্নর ছিলেন এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর' বলা হয়।
- গভর্নরের মেয়াদকাল: ৪ বছর
- গভর্নরের বয়সসীমা: ৬৭ বছর (২০২০ সালে ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়) 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো ও বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২,৫১৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশের বিরোধিতাকারী দেশ নয় কোনটি?
  1. ক) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ইরান
  3. গ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ইরান, সৌদি আরবসহ বেশ কিছু দেশ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
- এদের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানকে সাহায্য করতে বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে টাস্কফোর্স-৭৪ নামে নৌবহর প্রেরণ করে।
- তবে মার্কিন জনগণ, গণমাধ্যম ও কিছু কংগ্রেসম্যান পাকিস্তানী বর্বরতার নিন্দা জানায় এবং বাঙালিদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে।

অন্যদিকে,
- ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন, ইরাকসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেয়।
- যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, কানাডা, ইতালিসহ পশ্চিমা দেশগুলোর সাধারণ জনগণ ও প্রচারমাধ্যমসমূহে পাকিস্তানী বর্বরতার নিন্দা জানানো হয়।
- লন্ডন ছিলো বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রধান প্রচারকেন্দ্র।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

২,৫১৪.
”আলীনগর সন্ধি”’ স্বাক্ষর করেন কে?
  1. রবার্ট ক্লাইভ
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. জন কার্টিয়ার
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

আলীনগর চুক্তি ১৭৫৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও রবার্ট ক্লাইভ এর মধ্যে মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
- নওয়াব কলকাতার ইংরেজ বসতি অধিকার করেন (১৮-২০ জুন ১৭৫৬) এবং ইংরেজরা তাঁর প্রকৃত ক্ষতিসমূহের প্রতিবিধান করতে অস্বীকার করলে তিনি তাদের কলকাতা শহর থেকে বিতাড়িত করেন।
- তিনি এ শহরের নতুন নামকরণ করেন আলীনগর।
- এ চুক্তি বেশি দিন স্থায়িত্বলাভ করে নি, এর প্রধান কারণ, ইংরেজরা এর শর্তাবলি মেনে চলে নি। ফলে চুক্তিটি ভেঙ্গে যায় এবং ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

২,৫১৫.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, প্রতিটি রাজনৈতিক দলে নারী সদস্যের ন্যূনতম অংশ কত শতাংশ হতে হবে?
  1. ২৫%
  2. ৪৫%
  3. ৩৫%
  4. ৩৩%
ব্যাখ্যা

• নারী সদস্যের অন্তর্ভুুক্তি:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর সবচাইতে আলোচিত পরিবর্তন আনা হয় আদেশ এর Chapter-VI-এ এর মাধ্যমে।
- নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়।
- নিবন্ধনের শর্তগুলোতে মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজনীতিতে মহিলাদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলোতে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারীদের অন্তর্ভুুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও)।
- ২০০৮ সালে নিবন্ধন নেওয়ার সময় দলগুলো তা পূরণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল।
- কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করতে পারেনি নিবন্ধিত দলগুলো।
- বর্তমান কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে দলের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার সময়সীমা ২০২০ এর পরিবর্তে ২০৩০ সাল করার প্রস্তাব দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

২,৫১৬.
'নেতা মোদের শেখ মুজিব' গ্রন্থের রচয়িতা-
  1. ক) আসাদুজ্জামান খান
  2. খ) সেলিনা হোসেন
  3. গ) ড. আতিউর রহমান
  4. ঘ) আবদুল মোমেন
ব্যাখ্যা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সম্পাদিত গবেষণাধর্মী গ্রন্থ ‘নেতা মোদের শেখ মুজিব’। মোড়ক উন্মোচন হয় ৭ ডিসেম্বর, ২০২১।

২,৫১৭.
'মনপুরা-৭০' কী?
  1. উপন্যাস
  2. চলচ্চিত্র
  3. চিত্রকর্ম
  4. নদীবন্দর
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের একটি চিত্রকর্ম পাঁচ লাখ ১৬ হাজার পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে।
- বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় আট কোটি ২৫ লাখ টাকার সমান।
- কাগজের ওপর কালো কালির রেখা ও ওয়াশে করা চিত্রকর্মটি ১৯৭০ সালের।
- তাতে মাটির ওপর পড়ে থাকা মৃত মা ও শিশুর শরীরের অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
- এটি জয়নুলের ‘মনপুরা ৭০’ সিরিজের একটি কাজ।
- দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর জয়নুল আবেদিন এসব বিখ্যাত ছবি আঁকেন।

মনপুরা-৭০:
- 'মনপুরা-৭০' একটি চিত্রকর্ম।
- সারি সারি লাশের পাশে স্বজনহারা এক মানুষের বিলাপের ছবি ‘মনপুরা ৭০'।
- জয়নুল আবেদিন এই বিখ্যাত ছবি আঁকেন দক্ষিণাঞ্চলের চর মনপুরায় ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর।
- এ ঝড়ে প্রাণ হারান লক্ষাধিক মানুষ।
- জয়নুল আবেদিনের এই ছবি শোভা পাচ্ছে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের ৩৫ নম্বর গ্যালারিতে।

সূত্র- প্রথম আলো রিপোর্ট।  
২,৫১৮.
কোন মুঘল সম্রাটের আমলে শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম বিজয় করেন?
  1. আকবর 
  2. জাহাঙ্গীর 
  3. শাহজাহান 
  4. আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

শায়েস্তা খান:
- ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন।
- ১৬৬৩ সালে বাংলার সুবাদার মীর জুমলার মৃত্যু হলে ১৬৬৪ সালে আওরঙ্গজেব তাঁকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- শায়েস্তা খান দুই দফায় সর্বমোট ২২ বছর বাংলা শাসন করেন।

⇒ শায়েস্তা খানের বিজয়াভিযানের মধ্যে চট্টগ্রাম বিজয় উল্লেখযোগ্য।
- ১৪৫৯ সালে আরকান রাজ চট্টগ্রামকে বাংলার সুলতানদের নিকট থেকে দখল করে নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম পুনর্দখলের উদ্দেশ্য শায়েস্তা খান সেনাবাহিনী প্রেরণ করেছিলেন। তাঁর সেনাবাহিনী সন্দ্বীপ দখল করে চট্টগ্রামের দিকে মনোনিবেশ করেন। এ সময় চট্টগ্রামের মগ-রাজা ও স্থানীয় পর্তুগিজদের মধ্যে বিবাদ বাঁধে। চট্টগ্রামের ফিরিঙ্গীরা তখন নোয়াখালিতে এসে আশ্রয় নেয়। শায়েস্তা খান ফিরিঙ্গী নেতাকে নিজ দলভুক্ত করেন। 
- ১৬৬৬ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খানকে চট্টগ্রাম দখলের নির্দেশ দেন। সুবেদারের পুত্র উমেদ খাঁর নেতৃত্বে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় আরাকানীদের পরাজিত করে এবং আরাকানী দূর্গ দখল করে। যথারীতি পর্তুগিজরা আরাকানীদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে মোঘলদের পক্ষ নেয়। মোগল সেনাপতি উমেদ খাঁ চট্টগ্রামের প্রথম ফৌজদারের দায়িত্ব পান। শুরু হয় চট্টগ্রামে মোঘল শাসন। 
- তাঁর শাসনামলে তিনি কুচবিহার বিদ্রোহ দমন করেন, চট্টগ্রাম জয় ও মগ দস্যুদের বিতাড়িত করেন (১৬৬৬ সালে)।
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।
- তিনি লালবাগ কেল্লা, শায়েস্তা খান মসজিদ, ছোট কাটরা, সাত গম্বুজ মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।
- ১৬৯৪ সালে তিনি ৯৪ বছর বয়সে মারা যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫১৯.
সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে কোথায়?
  1. ক) হাওরাঞ্চলে
  2. খ) সুন্দরবন উপকূলে
  3. গ) পার্বত্য চট্টগ্রামে
  4. ঘ) বরেন্দ্রভূমিতে
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত জুম চাষ পদ্ধতি ‘সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি’ নামে পরিচিত। এটি হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে এরূপ চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৫২০.
’খাবার স্যালাইন’ কোন প্রতিষ্ঠান আবিষ্কার করে?
  1. UNICEF
  2. CARE
  3. ICDDR,B
  4. WHO
ব্যাখ্যা

• ICDDR,B- International Center for Diarrheal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
- এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- ICDDR,B ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: ICDDR,B.

২,৫২১.
শ্রমশক্তি জরিপ- ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তিতে নারী কত শতাংশ?
  1. ৪০.৭%
  2. ৪৪.২%
  3. ৪৬.১%
  4. ৪৯.৬%
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ২০২৪ সালের শ্রমশক্তি জরিপ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪৪.২% নারী।
- ২০১৭ সালে এই হার ছিল ৩৬%।
- এই ৪৪.২ শতাংশের মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৫২২.
আইয়ুব খানের শাসনব্যবস্থার নাম কী ছিল?
  1. সামরিক সমাজতন্ত্র
  2. প্রজা সরকার
  3. ইসলামিক গণতন্ত্র
  4. মৌলিক গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• আইয়ুব খানের মৌলিক গণতন্ত্র:
- জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার পর পাকিস্তানের শাসন ও রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তন করার উদ্যোগ নেন।
- তিনি প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে এক অদ্ভুত ও নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন।
- তার এই নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল 'মৌলিক গণতন্ত্র'।
- মৌলিক গণতন্ত্র হচ্ছে একধরনের সীমিত গণতন্ত্র,
- যাতে কেবল নির্দিষ্টসংখ্যক লোকের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার ছিল।
- ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
- প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা।

• নিম্ন থেকে উচ্চ পর্যন্ত স্তরগুলো ছিল:
(১) ইউনিয়ন পরিষদ (গ্রামে) এবং টাউন ও ইউনিয়ন কমিটি (শহরে),
(২) থানা পরিষদ (পূর্ব পাকিস্তানে), তহসিল পরিষদ (পশ্চিম পাকিস্তানে),
(৩) জেলা পরিষদ,
(৪) বিভাগীয় পরিষদ। 

[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুকে মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি ।]

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫২৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের কততম সংশোধনীতে "বিসমিল্লাহির-রাহমানির রাহিম" সংযোজন করা হয়? 
  1. চতুর্থ 
  2. পঞ্চম 
  3. দ্বিতীয় 
  4. প্রথম 
ব্যাখ্যা

পঞ্চম সংশোধনী: 
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রণীত হওয়ার পর থেকে বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে।
- বাংলাদেশের পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) ছিল একটি বিতর্কিত সংশোধনী।

- এই সংশোধনীর মাধ্যমে-
• ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক সরকারের সমস্ত কর্মকাণ্ডকে বৈধতা দেয়া হয়।
সংবিধানের শুরুতে "বিসমিল্লাহির-রাহমানির রাহিম" সংযোজন করা হয়।
• তাছাড়া, বাঙালি জাতিকে ‘বাংলাদেশি’ নামে আখ্যায়িত করা হয়, যদিও এটি পরে পরিবর্তিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ সালে হাইকোর্ট পঞ্চম সংশোধনীর সামরিক শাসন বৈধতা দানকারী অংশটি অবৈধ ঘোষণা করে।
- আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রাখলেও, সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহ’ সংযোজনের অংশটি বাতিল করেনি। 

উৎস:
১. BBC News;
২. প্রথম আলো পত্রিকা;
৩. বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

২,৫২৪.
’সরকারী কর্ম কমিশন’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দশম ভাগ
  2. অষ্টম ভাগ
  3. নবম ভাগ
  4. সপ্তম ভাগ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের নবম ভাগে সরকারী কর্ম কমিশন কথা রয়েছে।

- অনুচ্ছেদ: ১৩৭। কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৮। সদস্য-নিয়োগ,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৯। পদের মেয়াদ,
- অনুচ্ছেদ: ১৪০। কমিশনের দায়িত্ব
- অনুচ্ছেদ: ১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট

অপরদিকে,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,৫২৫.
ইউনিয়ন পরিষদে সংরক্ষিত মহিলা সদস্য কতজন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:

- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫২৬.
সুন্দরবনকে World Heritage ঘোষণা করেছে-
  1. UNDP
  2. ILO
  3. UNICEF
  4. UNESCO
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি ।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০০০০ বর্গ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।

⇒ সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা ৩টি।
- সেগুলো হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা।

⇒ সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
- সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

⇒ ১৮৭৮ সালে সমগ্র সুন্দরবন এলাকাকে সংরক্ষিত বন হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে জাতিসংঘের সংস্থা ইউনেস্কো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ৭৯৮তম 'World Heritage site' বা বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
⇒ ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

উৎস: i) বনবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৫২৭.
কোন দেশ জাতিসংঘে বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ডিসেম্বর মাসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে পাকিস্তানপন্থী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব মোট তিনবার উত্থাপিত হয়।
- বিশেষ করে ৪ ও ৫ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তাব তোলে।
- এসব প্রস্তাব গৃহীত হলে যুদ্ধ তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ হয়ে যেত;
- এবং পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বাংলাদেশে থেকেই যেত, ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হতো।
- এই বাস্তবতা বিবেচনায় সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) প্রস্তাবগুলোর বিরুদ্ধে ভেটো প্রয়োগ করে।

- সোভিয়েত ইউনিয়নের এই ভেটোর ফলে:
• যুদ্ধ চালু থাকে,
• মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকে এবং
• শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান বাহিনীর পরাজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় ও স্বাধীনতা নিশ্চিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২,৫২৮.
বর্তমানে দেশে সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা- [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা 
  3. রাঙামাটি
  4. বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- মোট বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর। 
- সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি): 
- রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- বান্দরবান:  ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর। 
- বাগেরহাট: ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
- খাগড়াছড়ি: ৫৫৪,১১৬.২১ একর।
- খুলনা:  ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২,৫২৯.
নারী-পুরুষ সমতায় (Gender Equality) দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

World Economic Forum (WEF) - এর বৈশ্বিক লিঙ্গবৈষম্য প্রতিবেদন, ২০২০ অনুসারে - বৈশ্বিক সূচকে ১৫৩টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান - ৫০ যা আগের বছর ছিলো ৪৮। এই সূচকে বাংলাদেশের স্কোর - ৭২.৬%। দক্ষিণ এশিয়ার আর কোন দেশ সূচকে ১০০ এর মধ্যে নেই। বাংলাদেশের পরের অবস্থান - নেপাল (১০১ তম)।
উৎসঃ সাম্প্রতিক তথ্য। Live MCQ সাম্প্রতিক সমচার PDF এ নজর রাখুন।

২,৫৩০.
১৯১৯ সালের পল্লি আইনে ইউনিয়ন পর্যায়ে কোন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. ইউনিয়ন বোর্ড
  3. ইউনিয়ন কাউন্সিল
  4. ইউনিয়ন কমিটি
ব্যাখ্যা

• ইউনিয়ন পরিষদ:
- ইউনিয়ন পরিষদ এদেশের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন স্থানীয় প্রতিষ্ঠান।
- ব্রিটিশ আমলে গ্রাম এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার জন্য চৌকিদারি পঞ্চায়েত আইন ১৮৭০ প্রবর্তিত হয়।
- পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে গ্রামে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষা ও বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজ পরিচালনা করার জন্য এ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৮৮৫ সালে স্থানীয় পর্যায়ে অধিক দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গীয় স্থানীয় আইন পাশ হয়। 
- এই আইনে ইউনিয়ন পর্যায়ে ইউনিয়ন কমিটি, মহকুমা পর্যায়ে মহকুমা বোর্ড ওও জেলা পর্যায়ে জেলা বোর্ড গঠন করা হয়। 
- ১৯১৯ সালের পল্লি আইনে চৌকিদারি পঞ্চায়েত ও ইউনিয়ন কমিটি বিলুপ্ত করে ইউনিয়ন বোর্ড নামে একটিমাত্র স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পাকিস্তান আমলে এর নাম হয় ইউনিয়ন কাউন্সিল।
- ১৯৯৭ সালে স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) সংশোধিত আইনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ গঠনে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়।
- সাধারণত গড়ে ১০-১৫টি গ্রাম নিয়ে একটি ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত। 
- ইউনিয়ন পরিষদে একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যান, নয় জননির্বাচিত সাধারণ সদস্য ও তিনজন নির্বাচিত মহিলা সদস্য (সংরক্ষিত আসনে) থাকবেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৫৩১.
প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়লে সংসদ আইন দ্বারা অনধিক কত বছরকাল সংসদের মেয়াদ বাড়ানোর বিধান রয়েছে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ২ বছর ৬ মাস
  3. গ) ৩ বছর
  4. ঘ) ২ বছর
ব্যাখ্যা
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- তবে রাষ্ট্রপতি যদি মনে করেন যে, প্রজাতন্ত্র কোনো যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে পড়েছে তাহলে সংসদ আইন দ্বারা অনধিক এক বছরকাল সংসদের মেয়াদ বাড়াতে পারেন।
- তবে যুদ্ধ শেষ হলে বর্ধিত মেয়াদ ৬ মাসের অধিক করা যাবে না।

তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৫৩২.
Recently The government announced new scheme that will be introduced under Universal Pension -
  1. Pratik
  2. Prottoy
  3. Prajanma
  4. None of these
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় স্কিম:
- চারটি আলাদা কর্মসূচি (স্কিম) নিয়ে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয় ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে।
- এগুলো হচ্ছে প্রগতি, সুরক্ষা, প্রবাস ও সমতা।
- প্রগতি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারীদের জন্য।
- সমতা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী (যাঁদের আয়সীমা বার্ষিক অনূর্ধ্ব ৬০ হাজার টাকা) স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।  
- প্রবাস শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য।
- আর সুরক্ষা রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য।
- সর্বজনীন পেনশনে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন সুবিধাভোগী ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সের সুবিধাভোগী ন্যূনতম ১০ বছর চাঁদা দেওয়া সাপেক্ষে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন। 
 
উল্লেখ্য,
- দেশের সব স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের পর যোগ দেবেন, তাঁরা বিদ্যমান ব্যবস্থার মতো আর অবসরোত্তর পেনশন সুবিধা পাবেন না।
- তার বদলে নতুনদের বাধ্যতামূলক সর্বজনীন পেনশনের আওতাভুক্ত করা হবে। 
- ১ জুলাই, ২০২৪-এর পর যাঁরা নতুন চাকরিতে যোগ দেবেন, তাঁরা ‘প্রত্যয়’ স্কিমের আওতার অধীনস্ত হবেন বলয়ে ঘোষণা দেন সরকার।
 
উৎস: ১৫ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো। 
২,৫৩৩.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মন্ত্রী ছিলেন -
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. এ এইচ এম কামারুজ্জামান
  4. খন্দকার মোশতাক
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

সুত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৩৪.
৭ মার্চের ভাষণটি ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে -
  1. ১২ জানুয়ারি, ২০১৭ সালে
  2. ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সালে
  3. ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে
  4. ২৪ জানুয়ারি, ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে - ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর।

• ৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির ইতিহাসের অসামান্য ও অপরিহার্য এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল। 
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রদত্ত ভাষণ।
- এই ভাষণের মাধমে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাঙালি জাতির প্রতি স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।

৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণের বিশ্ব স্বীকৃতি:
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা "We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History" শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।

- কেবল তাই নয়, ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে World's Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে International Memory of the World Register-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বাঙালি জাতির স্বাধীনতার প্রতীক এই দূরদর্শী ভাষণের স্বীকৃতি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এক মহত্তর অর্জন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৫.
জাতীয় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. স্পীকার
  2. চীফ হুইপ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৫৩৬.
কবে সুন্দরবনকে UNESCO World Heritage Site হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4.  ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:

- সুন্দরবন সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি এবং এটি অখন্ড বন হিসেবে বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- বনভূমিটি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত।
- মোট বিস্তার: প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- বাংলাদেশের অংশ: ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার।
-"সুন্দরবন"-এর আক্ষরিক অর্থ: “সুন্দর জঙ্গল” বা “সুন্দর বনভূমি”।
সুন্দরী গাছ থেকে সুন্দরবনের নামকরণ হয়ে থাকতে পারে, যা এখানে প্রচুর জন্মায়।

• স্বীকৃতি ও মর্যাদা:
- ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।
- ১৯৯২ সালের ২১ মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ।

• ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য:
- জালের মতো জড়িয়ে আছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবং ম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।

তথ্যসূত্র: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।

২,৫৩৭.
ঐতিহাসিক ৬ দফাকে তুলনা করা হয় কিসের সাথে?
  1. ক) ম্যাগনাকার্টা
  2. খ) বিল অব রাইটস
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মুখ্য আইন
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো। 
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 
২,৫৩৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ভুখা মিছিল বের করেন কত সালে?
  1. ১৯৪৮
  2. ১৯৪৯
  3. ১৯৫০
  4. ১৯৫১
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- ১৯৪৯ সালের ১৪ অক্টোবর খাদ্যসংকটের প্রতিবাদে ভুখা মিছিল বের করা হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন। ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব আনুষ্ঠানিকভাবে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ ছয়দফা ঘোষণা করেন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিল ৩৫ জন। বঙ্গবন্ধু ১ নং আসামী ছিলেন।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়া হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ।
- 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় রেসকোর্স ময়দানে ।
- বঙ্গবন্ধু পূর্ব বাংলাকে 'বাংলাদেশ' নামকরণ করেন ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৯।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেওয়া হয় ৩ মার্চ ১৯৭১ (উপাধি দেন আ স ম আবদুর রব)।
- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ব্যাপ্তি ছিল ১৮ মিনিট ।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করা হয় অপারেশন বিগবার্ড এর মাধ্যমে।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু'।
২,৫৩৯.
এ.কে. ফজলুল হক পূর্ব বাংলার গভর্নর নিযুক্ত হন-
  1. ক) ১৯৫৪ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা

হক, এ.কে ফজলুল (১৮৭৩-১৯৬২) রাজনীতিবিদ ও জননেতা। তিনি কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। লোকপ্রিয়ভাবে ‘শেরে বাংলা’ বা হক সাহেব রূপে পরিচিত আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর পূর্বপুরুষদের বাড়ি ছিল বরিশাল শহর থেকে চৌদ্দ মাইল দূরে চাখার গ্রামে। তিনি ছিলেন মুহম্মদ ওয়াজিদ ও সায়িদুন্নিসা খাতুনের একমাত্র পুত্র। হকের পিতা বরিশাল আদালতের দীউয়ানি ও ফৌজদারি উকিল ছিলেন এবং তাঁর পিতামহ কাজী আকরাম আলী ছিলেন আরবি ও ফারসিতে দক্ষ পন্ডিত ও বরিশালের একজন বিশিষ্ট মোক্তার।

সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

২,৫৪০.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু পদ্মা ব্রিজ এ কয়টি স্প্যান/সেকশন রয়েছে?
  1. ৩৩টি
  2. ৪১টি
  3. ৪৩টি
  4. ৪৫টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
২,৫৪১.
ভারতের আসাম রাজ্যের চূড়ান্ত জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (NRC) ঘোষণা করা হয় -
  1. ক) ৩১ আগস্ট, ২০১৯
  2. খ) ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  3. গ) ১ অক্টোবর ২০১৯
  4. ঘ) ২১ নভেম্বর, ২০১৯
ব্যাখ্যা
ভারতের আসাম রাজ্যের চূড়ান্ত জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (NRC) ঘোষণা করা হয় ৩১ আগস্ট, ২০১৯। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
২,৫৪২.
লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. বাগেরহাট
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র (SMRC):
- লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্রে (SMRC) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI) এর একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (SRDI)  কৃষি, মৃত্তিকা ও সার নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত রয়েছে বিধায় প্রতিষ্ঠানটি NARS (National Agricultural Research System) ভুক্ত।
- ১৯৬১ সালে সয়েল সার্ভে প্রজেক্ট অব পাকিস্থান নামে কার্যক্রম শুরু।
- ১৯৭২ সালে সয়েল সার্ভে অব বাংলাদেশ নামে কার্যক্রম অব্যাহত থাকে।
- ১৯৮৩ সাল থেকে উক্ত নাম পরিবর্তিত হয়ে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নামে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
- লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় অবস্থিত।

উৎস: লবণাক্ততা ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা কেন্দ্র, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট। 
২,৫৪৩.
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ সৃষ্টি করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগ সৃষ্টি হয়- ১৯৯২ সালে।

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
-  ১৯৭৮ সালে মৌলিক শিক্ষা একাডেমি নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নাম করণ করা হয় জাতীয়  প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি।
- এখানে  প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট  শিক্ষক  ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

- এছাড়াও,
- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (DPE) প্রতিষ্ঠিত হয় : ১ মার্চ ১৯৮১ সালে।
- প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন হয়: ২ জানুয়ারি ২০০৩ সালে।
- বেনবেইস তৈরী হয়: ১৯৭৭ সালে।

উৎস: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২,৫৪৪.
সম্প্রতি, ভারত-অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে বন্দুকধারীদের হামলায় কতজন মানুষ নিহত হয়? [ জুন, ২০২৫]
  1. ২৫ জন
  2. ২৬ জন
  3. ৩০ জন
  4. ২২ জন
ব্যাখ্যা
 সন্ত্রাসী হামলা:
- তারিখ: ২২ এপ্রিল ২০২৫।
- জম্মু-কাশ্মীরের পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৫ জন ভারতীয় ও ১ জন নেপালি নাগরিক নিহত হন।
- মোট ২৬ জন মানুষ মারা যায়।
- ভারত পাকিস্তানকে দোষারোপ করে।
- হামলার দায়: জইশ-ই-মোহাম্মদ ও লস্কর-ই-তৈয়বার জড়িত বলে দাবি করে।

• অপারেশন সিঁদুর:
- সময়:  ৭ মে ২০২৫
- অভিযান: ভারত "অপারেশন সিঁদুর" নামে একটি সামরিক অভিযান শুরু করে।
- লক্ষ্যবস্তু: পাকিস্তান ও পাকিস্তান-অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৯টি স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা।
- যুদ্ধবিরতি: ১০ মে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় দুই দেশের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: আলজাজিরা নিউজ।
২,৫৪৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনার কোন ভাগে 'শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
• ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৫৪৬.
কে বাংলায় নবাবী শাসনের সূচনা করেন?
  1. আলীবর্দি খান
  2. সরফরাজ খান
  3. মুর্শিদকুলি খান
  4. সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
নবাবী শাসনামল (১৭০৭ - ১৭৫৭):

- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান ১৭০৭ সালে নবাবী শাসনের সূচনা করেন।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলার ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয় স্বাধীন নবাবী আমল।
- ১৭৬০ - ৬৩ সাল পর্যন্ত মীর কাসিম নবাব ছিলেন।
- ১৭৬৪ সালে তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত নবাব নবাব মীর কাসিম, মোঘল সম্রাট শাহ আলম ও অযোধ্যার নওয়াব সুজাউদ্দৌলা বাহিনীর সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- উক্ত যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলা সহ অন্যান্য অঞ্চলে নবাবী শাসন বিলুপ্ত হয় এবং ইংরেজ উপনেবেশিক যুগ চূড়ান্তভাবে শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪৭.
তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২ নং
  2. ৯ নং
  3. ১১ নং
  4. ১২ নং
ব্যাখ্যা
তারামন বিবি:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মহিলা ২ জন‌।
- একজন ডা. সেতারা বেগম এবং অপরজন তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ১১ নং সেক্টরে কর্নেল তাহেরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন এবং পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করেন।
- তিনি ১ ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর নিজ জেলা ছিল কুড়িগ্রাম।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
২,৫৪৮.
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার অবস্থাকে কী বলা হয়?
  1. মুদ্রা সংকোচন
  2. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  3. মুদ্রাস্ফীতি
  4. কারেন্সি সোয়াপ
ব্যাখ্যা
বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার অবস্থাকে মুদ্রাস্ফীতি বলা হয়।
মুদ্রাস্ফীতির ফলে বাজারে পণ্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।

অন্যদিকে,
মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া।
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন মুদ্রার মূল্যমান হ্রাস করা।
কারেন্সি সোয়াপ হলো দুটি ভিন্ন মুদ্রায় ঋণ ও সুদের অর্থ বিনিময়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ইনভেস্টোপিডিয়া)
২,৫৪৯.
বঙ্গবন্ধু জুলিও কুরি শান্তি পদক গ্রহণ করেন কবে?
  1. ১০ অক্টোবর ১৯৭২
  2. ১৭ জানুয়ারি ১৯৭৩
  3. ২৩ মে ১৯৭৩
  4. ২৩ অক্টোবর ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্ব শান্তি পরিষদ জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
- জুলিও কুরি শান্তি পদক প্রবর্তিত হয় ১৯৫০ সালে।
(তথ্যসূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা ও একুশে টেলিভিশন)
২,৫৫০.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৫৫১.
বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ সন্তানের নাম কি?
  1. ক) শেখ কামাল
  2. খ) শেখ রাসেল
  3. গ) শেখ হাসিনা
  4. ঘ) শেখ রেহানা
ব্যাখ্যা
শেখ রাসেল (অক্টোবর ১৮, ১৯৬৪ – আগস্ট ১৫, ১৯৭৫) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র।
২,৫৫২.
দেব রাজবংশের রাজাদের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. পুন্ড্রনগর
  2. কর্মান্ত-বাসক
  3. কোটিবর্ষ
  4. ময়নামতি
ব্যাখ্যা
দেব রাজবংশ:
- খড়গ রাজবংশের পতনের পর দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় দেব রাজবংশের উত্থান ঘটে।
- দেব রাজবংশ সমতট অঞ্চলে শাসনকারী রাজবংশ।
- দেব রাজবংশের চারজন বিখ্যাত রাজার নাম শ্রী শান্তিদেব, শ্রী বীরদেব, শ্রী আনন্দদেব ও শ্রী ভবদেব।
- সাত শতকের শেষ ভাগ থেকে আট শতকের প্রথমার্ধে (৭৫০-৮০০খ্রি.) দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গ দেব রাজবংশের অধীনে শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- তাদের রাজধানী ছিল বর্তমান লালমাই-ময়নামতি অঞ্চলের দেবপর্বত।
- ময়নামতির শালবন বিহার খনন করে এই রাজবংশের চারটি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।

⇒ দেববংশের রাজারা প্রাথমিক যুগের পাল রাজাদের সমসাময়িক ছিলেন। পাল রাজারা ময়নামতি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে বৌদ্ধধর্মের বিকাশ ঘটিয়েছিলেন। এর নিদর্শন শালবন বিহার, আনন্দ বিহার, ভোজ বিহার প্রভৃতির কথা বলা যায়। দেবরাজাদের মুদ্রা ও নামের সঙ্গে পরমসৌগত, পরমভট্টারক, পরমেশ্বর, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি প্রত্যয় সংযুক্তি থেকে তাদের সার্বভৌমত্ব সম্পর্কে ধারণা করা যায়।

⇒ আনন্দদেব ছিলেন দেব রাজবংশের শ্রেষ্ঠ রাজা। তিনি প্রায় ৩৯ বছর দেবপর্বতের সিংহাসনে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তিনি পরমসৌগত, পরমেশ্বর, পরমভট্টারক ও মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন বলে জানা যায়।
- রাজা আনন্দদেবের আনন্দবিহার ও ভবদেবের সময় নির্মিত শালবন বিহার তথা ভবদেব মহাবিহার ঐ সময়ে বিকশিত বৌদ্ধ সংস্কৃতির কথা জানান দেয়।
- দেবদের শাসনকালটি ছিল প্রকৃত অর্থেই শান্তি, সমৃদ্ধি ও মননশীলতার এবং তাদের কালকে বঙ্গ-সমতটের (দক্ষিণপূর্ব বাংলা) ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া যেতে পারে।

অন্যদিকে,
- খড়গ বংশের রাজধানীর নাম ছিল কর্মান্ত-বাসক।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৫৫৩.
উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কে ছিলেন?
  1. ভাস্করবর্মা
  2. হর্ষবর্ধন
  3. রাজ্যবর্ধন
  4. বাণভট্ট
ব্যাখ্যা

শশাঙ্কের সাথে দ্বন্দ্ব:
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও জড়িত ছিলেন।
- তাঁর লক্ষ্য ছিল কনৌজের মৌখরীরাজাদের আক্রমণ থেকে নিজ রাজ্যকে রক্ষা করা।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হর্ষবর্ধন।
- তাই হর্ষবর্ধনের সভাকবি বাণভট্টের রচিত হর্ষচরিত ও তার সমসাময়িক হিউয়েন সাঙের বর্ণনায় শশাঙ্কের উত্তর ভারতের রাজনীতিতে অংশগ্রহণের বিবরণ রয়েছে।
- শশাঙ্কের সাথে রাজ্যবর্ধনের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে রাজ্যবর্ধন নিহত হন ।
- এরপর রাজ্যবর্ধনের ভাই হর্ষবর্ধন রাজ্যবর্ধনের মৃত্যুর
সংবাদ পেয়ে শশাঙ্কের উপর ভীষণ ক্রুদ্ধ হন এবং এক বিশাল বাহিনীসহ শশাঙ্কের বিরুদ্ধে যুদ্ধযাত্রা করেন।
- তবে শশাঙ্কের বিরুদ্ধে হর্ষবর্ধন যে বিশেষ সাফল্য লাভ করতে পারেননি তা শশাঙ্কের গঞ্জাম তাম্রশাসন থেকেই প্রমাণিত হয়।
- শশাঙ্ক হর্ষবর্ধন ও ভাস্করবর্মার হাত থেকে নিজ রাজ্য রক্ষা করতে পেরেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৫৫৪.
বর্তমান (২০২৪) অন্তর্বর্তী সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা কে?
  1. সারজিস আলম
  2. আবু বকর মজুমদার
  3. নাহিদ ইসলাম
  4. জুনাইদ আহমেদ পলক
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দুই সমন্বয়ক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা

- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দুই সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এঁরা দুজনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
- ঢাকার বনশ্রীর ছেলে নাহিদ ইসলাম ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন।
- আর ভাষাবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আসিফ মাহমুদের বাড়ি কুমিল্লায়।
- মো. নাহিদ ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের।
- আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দায়িত্ব পেয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের। 

সূত্র- জনপ্রশাসন মন্ত্রাণালয়।
২,৫৫৫.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. ময়মনসিংহ 
  3. খুলনা 
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) হলো দেশের বৃহৎ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (BARI) ইতিহাস শতাধিক বছরের।
- ১৮৮০ সালে এটি বেঙ্গল ল্যান্ড রেকর্ডস ডিপার্টমেন্টের অধীনে ছোট শাখা হিসেবে শুরু হয়।
- ১৯০৮ সালে ঢাকা ফার্ম প্রতিষ্ঠা পায়, যা ১৯৬৬ সালে জয়দেবপুরে স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমে কৃষি গবেষণার উন্নয়ন ও সমন্বয় নিশ্চিত করা হয়।
- এবং পরবর্তীতে BARI স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 

- এটি ২০৫টিরও বেশি কৃষি বিষয়ক ফসলের গবেষণা পরিচালনা করে।
- কেন্দ্রীয় স্টেশনের পাশাপাশি BARI-এর ৬টি ফসলভিত্তিক গবেষণা কেন্দ্র ও ২৪টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- ফসলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো হলো –
- কন্দ-ফসল গবেষণা কেন্দ্র,
- গম গবেষণা কেন্দ্র,
- উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র,
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র,
- তেলশস্য গবেষণা কেন্দ্র ও
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র। 
------------------------- 
অন্যদিকে, 
-  বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকায় অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটও জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত। 
- এবং বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

২,৫৫৬.
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৮৭২ সালে
  2. খ) ১৮৯৩ সালে
  3. গ) ১৯০২ সালে
  4. ঘ) ১৯১৪ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ ১৮৯৩ সালের ২৩শে জুলাই ‘বেঙ্গল একাডেমী অব লিটারেচার’ নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৯৪ সালের ২৯ এপ্রিল এটি বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ নামধারণ করে।

এল লিওটার্ড ও ক্ষেত্রপাল চক্রবর্তীর উদ্যোগে কলকাতার শোভাবাজারের বিনয়কৃষ্ণ দেব এর বাসভবন থেকে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ যাত্রা শুরু করে।

এটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ছিলো বাংলা সাহিত্যের উন্নতি সাধন। পরিষদের মুখপত্র ‘সাহিত্য পরিষদ পত্রিকা’ নামে ত্রৈমাসিক পত্রিকা হিসেবে বাংলায় প্রকাশিত হতো।

১৮৯৪ সালে পরিষদের সভাপতি ছিলেন রমেশচন্দ্র দত্ত, সহ-সভাপতি ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও নবীনচন্দ্র সেন এবং সম্পাদক ছিলেন এল লিওটার্ড, দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায় ও রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৫৫৭.
নিচের কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) একুশ দফা
  2. খ) ছয়দফা
  3. গ) এগারো দফা
  4. ঘ) উনিশ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২,৫৫৮.
‘আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম’ সংগঠনটি কার উদ্যোগে গঠিত হয়?
  1. শামসুন্নাহার মাহমুদ
  2. বেগম রোকেয়া
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. বেগম সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ই ডিসেম্বর, রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
- তিনি ছিলেন উপমহাদেশের মুসলিম নারীদের শিক্ষার পথিকৃৎ ও সমাজ সংস্কারক।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে তাঁর অবদান চিরস্মরণীয়।
- মুসলমান মেয়েদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি এবং তাদের সামাজিক-রাজনৈতিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তিনি ১৯১৬ সালে “আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম” বা মুসলিম মহিলা সমিতি প্রতিষ্ঠা করেন।

উল্লেখ্য, 
- রোকেয়ার উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে: মতিচূর (প্রবন্ধগ্রন্থ, দুই খণ্ড; প্রথম খণ্ড ১৯০৪ সালে ও দ্বিতীয় খণ্ড ১৯২২ সালে প্রকাশিত), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪) এবং অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১)।
- Sultana’s Dream বইটি তিনি নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে। এটি একটি প্রতীকী রচনা। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৫৫৯.
শেরে বাংলা ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' উত্থাপন করেন কবে?
  1. ক) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০
  2. খ) ২৩ মার্চ ১৯৪০
  3. গ) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪০
  4. ঘ) ২১ মার্চ ১৯৪০
ব্যাখ্যা
১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ উত্থাপন করেন।
এ প্রস্তাবে ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলসমূহে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৫৬০.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  2. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  3. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬১.
কিসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. ক) দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  2. খ) সামাজিক চেতনা
  3. গ) অসাম্প্রদায়িকতা
  4. ঘ) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে পূর্ব বাংলার জনগণের মধ্যে নিজস্ব জাতীয়তাবোধ তথা বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই জাতীয়তাবোধের ভিত্তি ছিলো বাংলা ভাষা ও বাঙালি সংস্কৃতি।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার মানুষের মধ্যে যে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হয় তা-ই পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিসংগ্রামের মুখ্য প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিলো।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৫৬২.
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ক) আইএমএফ
  2. খ) কমনওয়েলথ
  3. গ) বিশ্বব্যাংক
  4. ঘ) জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
- সাবেক ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত স্বাধীন দেশসমূহ নিয়ে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয় ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে।
- কমনওয়েলথের সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৪ টি।
- কমনওয়েলথের বর্তমান চেয়ারপার্সন বরিস জনসন। 
- কমনওয়েলথের বর্তমান মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে তা হচ্ছে কমনওয়েলথ।
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে ৩৪তম দেশ হিসেবে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় পাকিস্তান কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল। পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।

উৎসঃ কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৫৬৩.
যমুনা সার কারখানা কী উৎপাদন করে?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. ইউরিয়া ও টিএসপি
  4. টিএসপি ও এসএসপি
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা: 
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
- পূর্বানুমতি নিয়ে পর্যটকদের সার উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখার সুযোগ রয়েছে।
- যমুনা সার কারখানা দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। 
- ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে এ কারখানায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয় এবং ১ জুলাই, ১৯৯২ থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৫৬৪.
দেশে গাড়ি তৈরির প্রথম কারখানা স্থাপিত হচ্ছে -
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ ইপিজেডে
  3. গ) বঙ্গবন্ধু্ শেখ মুজিব শিল্পনগরে
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেশে গাড়ি তৈরির প্রথম কারখানা স্থাপিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু্ শেখ মুজিব শিল্পনগরে। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
২,৫৬৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, সার্বিকভাবে জিডিপির খাত কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৬টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা: কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভূক্ত।  

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো –
১. কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ
২. খনিজ ও খনন
৩. ম্যানুফ্যাকচারিং (শিল্প)
৪. বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা
৫. পানি সরবরাহ; পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম
৬. নির্মাণ
৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত
৮. পরিবহণ এবং সংরক্ষণ 
৯. আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম
১০. তথ্য ও যোগাযোগ 
১১. আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম
১২. রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম
১৩. পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম
১৪. প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম 
১৫. জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা; বাধ্যতামূলক সামাজিক নিরাপত্তা
১৬. শিক্ষা
১৭. মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম
১৮. শিল্পকলা ও বিনোদন
১৯. অন্যান্য সেবা কার্যক্রম

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
২,৫৬৬.
উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করে কে?
  1. সরকার
  2. বিরোধী দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

• বিরোধী দল:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে। 
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা। 
- তবে বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- তবে বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২,৫৬৭.
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. কক্সবাজার
  3. পটুয়াখালী
  4. গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
⇒ গাইবান্ধা জেলার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নে ১ হাজার একর জমির ওপর তিস্তা সোলার নির্মাণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ২ আগস্ট, ২০২৩ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র তিস্তা সোলার লিমিটেড উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
⇒  তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র যা তিস্তা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন বাংলাদেশের বেক্সিমকো কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- ২ আগস্ট, ২০২৩ তিস্তা সোলার লিমিটেডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ কেন্দ্র থেকে দিনে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।

উৎস: ৩ আগস্ট ২০২৩, দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।
২,৫৬৮.
The Cruel Birth of Bangladesh বইটির লেখক কে?
  1. রিচার্ড নিক্সন 
  2. আর্চার কেন্ট ব্লাড
  3. জেনারেল মানকেশ 
  4. অ্যান্থনি মাসকারেনহাস 
ব্যাখ্যা

• The Cruel Birth of Bangladesh: 
- "The Cruel Birth of Bangladesh" বইটির লেখক হলেন আর্চার কেন্ট ব্লাড (Archer Kent Blood)
- আর্চার কে. ব্লাড ছিলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত যিনি ১৯৭০-এর দশকের শুরুতে ঢাকা, পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমান বাংলাদেশ) কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ঢাকায় মার্কিন কনস্যুল জেনারেল ছিলেন। 
- তিনি পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দ্বারা বাঙালিদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার নিবিড় বর্ণনা প্রেরণ করেছিলেন। 
- এই বইটি ২০০২ সালে প্রকাশিত হয় যেখানে তিনি যুদ্ধ ও পাকিস্তানি সেনাদের অত্যাচারের বিবরণ দিয়েছেন। 
- "নিষ্ঠুর জন্ম" শিরোনামটি বাংলাদেশের অত্যন্ত সংঘর্ষপূর্ণ জন্ম প্রসঙ্গে ইঙ্গিত করে।

তথ্যসূত্র: দ্য ডেলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।[

২,৫৬৯.
কয়জন বিশিষ্ট নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

বেগম রোকেয়া পদক, ২০২৫:
- বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা পালনের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ পান ৪ জন বিশিষ্ট নারী।

- তারা হলেন: 
• নারী শিক্ষা (গবেষণা)- ড. রুভানা রাকিব, 
• নারী অধিকার (শ্রম অধিকার)- কল্পনা আক্তার,
• মানবাধিকার- ড. নাবিলা ইদ্রিস ও
• নারী জাগরণ (ক্রীড়া)- রিতু পর্ণা চাকমা।

- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫ রোকেয়া দিবস পালন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারজনের হাতে রোকেয়া পদক তুলে দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [link]

২,৫৭০.
পাকিস্তানের প্রথম রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মীর্জার ক্ষমতার মেয়াদকাল -
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ২০ মাস
  3. গ) ২০ দিন
  4. ঘ) ১০ দিন
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তানে সৈয়দ ইস্কান্দার আলী মির্যা সামরিক শাসন জারি করে ১৯৫৭ সালের ৭ অক্টোবর।
- ১৯৫৮ সনের ২৭ অক্টোবর মাত্র ২০ দিনের মাথায় জেনারেল আইয়ুব খান ৪ জন জেনারেলকে পাঠান প্রেসিডেন্ট জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জার কছে।
- সশস্ত্র ৪ জেনারেল প্রেসিডেন্ট মীর্জাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেন। আইয়ুব খান এ কুচক্রীকে পাকিস্তানে রাখতে সাহস পেলেন না। এজন্যই পরদিন তাঁকে দেশত্যাগ করতে বাধ্য করা হলাে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক। 
২,৫৭১.
কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ দেওয়া হয়?
  1. ৬ জন
  2. ৮ জন
  3. ৯ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।
- ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
২,৫৭২.
নিচের কোনটি অ-তফসিলি ব্যাংক?
  1. ক) বেসিক ব্যাংক লি.
  2. খ) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
  3. গ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. ঘ) কমিউনিটি ব্যাংক লি.
ব্যাখ্যা
অ-তফসিল ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।

বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংকসমূহ হলো:
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
- কর্মসংস্থান ব্যাংক
- গ্রামীণ ব্যাংক
- জুবিলি ব্যাংক এবং
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে,
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক হলো তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড হলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
কমিউনিটি ব্যাংক হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
২,৫৭৩.
সিপাহী বিদ্রোহ সমর্থন করায় কোন মুঘল সম্রাট ক্ষমতাচ্যুত হন?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. শাহজাহান
  3. আকবর
  4. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ সমর্থন করার কারণে মুঘল সাম্রাজ্যের শেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে ব্রিটিশরা ক্ষমতাচ্যুত করে রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠায় এবং সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর:
- আওরঙ্গজেবে পর মুঘল সাম্রাজ্য তথা ভারতের শেষ সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর। তিনি দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় আকবর শাহর দ্বিতীয় পুত্র।
- ১৮৩৭ সালে তিনি দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন।
- বাহাদুর শাহ সিংহাসনে আরোহণের ২০ বছর পর সূত্রপাত হয় ঐতিহাসিক সিপাহি বিদ্রোহের। 
- দেশপ্রেমিক সিপাহিরা মুঘল বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফরকে ভারতবর্ষের স্বাধীন বাদশাহ বলে ঘোষণা দেন।
- ওই মুহুর্ত থেকে বাহাদুর শাহ জাফর হলেন বিদ্রোহের প্রধান পরিচালক ও কেন্দ্রস্বরূপ।
- বাহাদুর শাহ জাফর সিপাহিদের বিপ্লব তথা ভারতবর্ষের প্রথম সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দিচ্ছেন- এই সংবাদে কানপুর, লক্ষৌ বিহার, ঝাঁশি, বেরিলি থেকে শুরু করে পশ্চিম ও পূর্ব বাংলার সর্বত্র সিপাহিরা গর্জে ওঠেন।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ে ব্রিটিশ শাসকেরা তাঁকে মিয়ানমারে নির্বাসনে পাঠান।
- ১৮৬২ সালের ৭ নভেম্বর সেখানেই তিনি মারা যান।
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।


⇒ সিপাহী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।
- ফলাফল: ব্রিটিশরা কঠোর হাতে এই বিদ্রোহ দমন করে। এর ফলে ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং ব্রিটিশ সরকারের সরাসরি শাসন প্রতিষ্ঠা হয়।
 
উৎস: i) The Business Standard.
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৭৪.
ভাষা আন্দোলনের ফলে প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. বাংলা একাডেমি
  2. বাংলা সাহিত্য সমাজ
  3. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
  4. ভাষা আন্দোলন মঞ্চ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠা:
- ভাষা আন্দোলনের ফলে ১৯৫৫-তে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত (বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নের উদ্দেশ্যে) হয়।
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
- মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাপিডিয়া।
২,৫৭৫.
রাষ্ট্রপতির কতদিনের জন্য তহবিল থেকে অর্থ অনুমোদনের ক্ষমতা আছে?
  1. ৯০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৬০ দিন
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ :

• নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী নিয়োগ।
শীর্ষ কর্মকর্তা (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত, উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগ।
প্রতিরক্ষা বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর প্রধানদের নিয়োগ।
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত)।

• সংসদ সংক্রান্ত ক্ষমতা:
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত এবং ভেঙে দেওয়া (প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে)।
সংসদে ভাষণ ও বাণী প্রদান।
সংসদ কর্তৃক পাস হওয়া বিলে সম্মতি দিয়ে আইন কার্যকর করা।
সংসদ ভেঙে গেলে বা অধিবেশন না থাকলে অধ্যাদেশ জারি।

• আর্থিক ক্ষমতা:
রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া অর্থ বিল উত্থাপন করা যাবে না।
সংসদ অর্থ মঞ্জুর করতে ব্যর্থ হলে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের জন্য তহবিল থেকে অর্থ অনুমোদন।

• বিচার বিভাগীয় ক্ষমতা:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ।
আদালত বা ট্রাইব্যুনালের প্রদত্ত দণ্ড মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করার ক্ষমতা।
জরুরি অবস্থা ঘোষণা:
যুদ্ধ, বিদেশি আগ্রাসন বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের ক্ষেত্রে জরুরি অবস্থা ঘোষণা (প্রধানমন্ত্রীর সম্মতিতে)।

• অন্যান্য দায়িত্ব:
জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব।
খেতাব, পদক ও সম্মাননা প্রদান।
নাগরিকদের বিদেশি উপাধি গ্রহণে অনুমতি প্রদান।
রাষ্ট্রীয় চুক্তি ও দলিল সম্পাদন।
বিদেশি কূটনীতিকদের পরিচয়পত্র গ্রহণ।
প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী ও বিচারপতিদের শপথ বাক্য পাঠ করানো।

• জবাবদিহিতা:
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৫৭৬.
বাংলাদেশের কৃষিতে ‘ডায়মন্ড ও কার্ডিনাল’ কোন ফসলের জাত?
  1. বেগুন
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. আলু
ব্যাখ্যা
- ডায়মন্ড ও কার্ডিনাল হলো আলুর জাত।

আলুর অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- ললিতা, 
- কার্ডিনাল, 
- আইলসা, 
- চমক, 
- ধীরা, 
- গ্রানোলা, 
- বিনেলা, 
- আরিন্দা, 
- রাজা, 
- বারাকা ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
২,৫৭৭.
বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারতের তিনটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে?
  1. লালমনিরহাট
  2. সিলেট
  3. কুড়িগ্রাম
  4. রাঙামটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত:
- বাংলাদেশ ও ভারত ১৯৪৭ সালের র‍্যাডক্লিফ লাইন দ্বারা বিভক্ত।
- বাংলাদেশের প্রায় তিনদিকেই ভারতের অবস্থান।
- মোট ৩২ টি সীমান্তবর্তী জেলার মধ্যে ৩০ টি জেলার সাথে ভারতের সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের ৫ টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। যথা- পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও মিজোরাম।
- তন্মধ্যে একমাত্র কুড়িগ্রাম জেলার সাথে তিনটি রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে।
- কুড়িগ্রাম জেলার উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের কুচবিহার জেলা, পূর্বে ভারতের আসাম প্রদেশের ধুবড়ী ও মেঘালয় রাজ্যের তুরা পার্বত্য জেলা।
- আন্তর্জাতিক সীমারেখা রয়েছে ২৭৮.২৮ কিলোমিটার। 
 

উৎস: কুড়িগ্রাম জেলার সরকারি ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
২,৫৭৮.
ডিজিটাল ওয়ালেট সেবা ‘পাঠাও পে’ চালু হয় কবে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ জুলাই, ২০২৫
  2. ৫ জুলাই, ২০২৫
  3. ৮ জুলাই, ২০২৫
  4. ১০ জুলাই, ২০২৫
ব্যাখ্যা
পাঠাও পে:
- বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘পাঠাও’ নিয়ে এসেছে নতুন ডিজিটাল ওয়ালেট "পাঠাও পে"।
- ৮ই জুলাই, ২০২৫ থেকে ‘ইউর ইউনিভার্স, ইউর ওয়ে’ ট্যাগলাইনের মাধ্যমে সারাদেশে এই পরিষেবা চালু হয়।
- এই ডিজিটাল ওয়ালেটের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা খুব সহজেই টাকা ট্রানজেকশন, অ্যাকসেস ও ম্যানেজ করতে পারবেন।
- এতে আছে ‘পে ট্যাগ’ (Pay Tag) দিয়ে পার্সোনাল ইনফরমেশন শেয়ার না করেও সহজে টাকা রিসিভ করা বা অনেকের কাছ থেকে একসঙ্গে টাকা তোলা।
- ‘গ্রুপ সেন্ড মানি’ (Group Send Money) দিয়ে একসঙ্গে অনেকজনকে টাকা পাঠানো এবং ‘অটো-পে’ (Auto-Pay) দিয়ে অটোমেটেড পেমেন্ট সিস্টেম।

উল্লেখ্য,
- ২০১৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পাঠাও রাইড শেয়ারিং, ফুড ডেলিভারি এবং ই-কমার্স লজিস্টিকসে শীর্ষস্থানে রয়েছে।
- ১০ মিলিয়নেরও বেশি ব্যবহারকারী, ৩ লাখ ড্রাইভার ও ডেলিভারি এজেন্ট, ২ লাখ মার্চেন্ট এবং ১০ হাজার রেস্টুরেন্ট নিয়ে পরিচালনা করছে ‘পাঠাও’।
- প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশে ৫ লাখেরও বেশি কাজের সুযোগ তৈরি করেছে, যা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
২,৫৭৯.
'ভূমি উন্নয়ন কর বিল ২০২৩' জাতীয় সংসদে পাস হয় -
  1. ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  2. ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  3. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  4. ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
ভূমি উন্নয়ন কর বিল ২০২৩:
- পঁচিশ বিঘা পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফের বিধান রেখে জাতীয় সংসদে ‘ভূমি উন্নয়ন কর বিল ২০২৩’ পাস করা হয়েছে।
- কারো ২৫ বিঘার বেশি জমি থাকলে পুরোটারই ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে।
- বাংলার পরিবর্তে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী এ কর আদায় করা হবে। 
- নতুন করে ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য, কর ফাঁকি ও আদায়ে কোনো অনিয়ম প্রতিরোধ করতে এদিন জাতীয় সংসদে বিলটির প্রস্তাব করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এই বিল পাস হয়।
- প্রস্তাবিত ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ শীর্ষক আইনে জনস্বার্থে ২৩টি ধারা সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- কোনো ভূমির মালিক টানা ৩ বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে তাকে প্রথম বছর থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত সোয়া ৬ শতাংশ হারে জরিমানাসহ কর পরিশোধ করতে হবে।
- এ ছাড়া ভূমি মালিক আগ্রহী হলে বকেয়া ও হাল ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের সঙ্গে অথবা পরবর্তীতে অনধিক ৩ বছরের ভূমি উন্নয়ন কর অগ্রিম দিতে পারবেন।

উৎস: ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, যুগান্তর।
২,৫৮০.
বাংলাদেশ সরকার কত সালে ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ পাস করে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা

পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন:
- বাংলাদেশ সরকার ২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর ‘পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন’ পাস করে।
- এ আইনে বলা হয়েছে, প্রত্যেক সন্তানকে তাঁর মা-বাবার ভরণপোষণ দিতে হবে।
- কোনো মা-বাবার একাধিক সন্তান থাকলে সে ক্ষেত্রে সন্তানেরা নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে তাঁদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করবেন।
- আর তা না করলে তাঁদের শাস্তি পেতে হবে।

⇒ পিতামাতার ভরণপোষণ আইন ২০১৩-এর ৫ ধারার (১) অনুযায়ী, কোনো প্রবীণ ব্যক্তি তাঁর সন্তানদের বিরুদ্ধে এ ধরনের কোনো অভিযোগ আনলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
- আইনে বলা হয়, কোনো সন্তানের স্ত্রী, ছেলেমেয়ে বা নিকটাত্মীয় যদি বৃদ্ধ মা-বাবার প্রতি সন্তানকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তাহলে তাদেরও একই শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

উৎস: পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩। 

২,৫৮১.
বর্তমানে বীরপ্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৪২৩ জন
  2. ৪২৪ জন
  3. ৪২৫ জন
  4. ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
২,৫৮২.
প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি) এর মতে, ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ কত তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে?
  1. ক) ২৩ তম
  2. খ) ২৬ তম
  3. গ) ২৭ তম
  4. ঘ) ২৯ তম
ব্যাখ্যা
প্রাইস ওয়াটারহাউস কুপার্স (পিডব্লিউসি) বাংলাদেশকে এমন তিনটি দেশের মধ্যে চিহ্নিত করেছে যেখানে ২০১৫ থেকে পরবর্তী ৩৫ বছর একটানা পাঁচ শতাংশেরও বেশি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে এবং ২০৫০ এর মধ্যে পরিণত হবে বিশ্বের ২৩ তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে।
[সূত্রঃ সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা]
২,৫৮৩.
বিশ্বের বৃহত্তম সৌর জল সিস্টেম কোন দেশে রয়েছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) চীন
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে উদ্বোধন করা হয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম মানবিক সৌরবিদ্যুৎ চালিত বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ কার্যক্রম। যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান সরকারের অর্থায়নে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় ‘আইওএম' এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে ভূস্তরের ৪০০ মিটার গভীর থেকে ২৪ ঘণ্টায় পাঁচ লাখ ৮০ হাজার লিটার পানি উত্তোলন করা হবে। এতে কমপক্ষে ৩০ হাজার রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বিশুদ্ধ পানির সুবিধা পাবেন। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর- ২০১৯]
২,৫৮৪.
আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ভিক্টোরিয়া পার্ক
  2. আহসান মঞ্জিল
  3. উত্তরা গণভবন
  4. মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে।
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য।
- তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৫৮৫.
১৯৪৭ সালে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করেন -
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
  2. খ) কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
  3. গ) আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
  4. ঘ) করাচী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৭ সালে হিন্দীকে ভারতের রাষ্ট্র ভাষা করার সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য জিয়াউদ্দিন আহমদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।
-  এর প্রতিবাদে ডঃ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা সমস্যা' শীর্ষক প্রবন্ধে উল্লেখ করেছিলেন, ‘বাংলাদেশের কোর্ট ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা ভাষার পরিবর্তে উর্দু ভাষা গ্রহণ করা হইলে উহা রাজনৈতিক পরাধীনতারই নামান্তর হইবে'। 
 
উৎস: এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৫৮৬.
মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বহির্বিশ্বকে বিভ্রান্ত করার জন্য গঠিত মালিক মন্ত্রীসভার সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১২
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ১০
ব্যাখ্যা
- মালিক মন্ত্রীসভার সদস্য সংখ্যা - ১০ জন ছিল।

- তা নিম্নে দেওয়া হল:
- ড. আব্দুল মোতালেব মালিক (পূর্ব পাকিস্তান) - "স্বাস্থ্য, শ্রম, পরিবার পরিকল্পনা, যোগাযোগ"।
- সর্দার আব্দুর রশীদ - স্বরাষ্ট্র এবং কাশ্মীর বিষয়ক, রাজ্য এবং সীমান্ত অঞ্চল"।
-. জনাব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুদ্দিন (পূর্ব পাকিস্তান)" - "শিল্প এবং প্রাকৃতিক সম্পদ"।
- নওয়াব মুজাফফ্ফর আলী কিষবিলাস -অর্থ।
 - জনাব মোহাম্মদ সামসুল হক - শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষক।
- নওয়াবজাদা মোহাম্মদ শের আলী খান - তথ্য এবং জাতীয় বিষয়ক।
- জনাব ইহসানুল হক - বাণিজ্য।
- জনাব মাহমুদ আব্দুল্লাহ হারূন - কৃষি এবং করবিষয়ক।
- জনাব এলভিন রবার্ট কর্ণেলিয়াস - আইন।
- ড: গোলাম ওয়াহিদ চৌধুরী - যোগাযোগ।

উৎস:songramernotebook.com
২,৫৮৭.
সংস্কার কমিশন নতুন সংস্কার প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চ কক্ষে _______ টি আসন প্রস্থাব করে।
  1. ২৫
  2. ৫০
  3. ৭৫
  4. ১০০
ব্যাখ্যা

→ সংস্কার কমিশন নতুন সংস্কার প্রস্তাবে বাংলাদেশ সংসদের উচ্চ কক্ষে ১০০টি আসন প্রস্থাব করে।

♦ সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- বিদ্যমান সংবিধান পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন করার জন্য বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়েছিল।
- কমিশন গঠনের পেছনের প্রেক্ষাপট ছিল ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের পর সৃষ্ট রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
- অতীতের সাংবিধানিক ব্যর্থতার কারণগুলো চিহ্নিত করে একটি নতুন, শক্তিশালী এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত সংবিধান প্রণয়নের জন্য রোডম্যাপ তৈরি করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এর পরিপ্রেক্ষিতেই ৬ অক্টোবর, ২০২৪ সালে সংবিধান সংস্কার কমিশন গঠিত হয়।
- কমিশনের উল্লেখযোগ্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ।
• নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং
• উচ্চকক্ষের (সিনেট)।

● নিম্নকক্ষ:
- মোট ৪০০ আসন নিয়ে নিম্নকক্ষ গঠিত হবে।
- ৩০০ জন সদস্য একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।
- আরো ১০০ জন নারী সদস্য সারা দেশের নির্ধারিত ১০০টি নির্বাচনী এলাকা থেকে কেবল নারী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমে সরাসরি নির্বাচিত হবেন।

● উচ্চকক্ষ:
- মোট ১০৫ জন সদস্য সমন্বয়ে গঠিত হবে।
- রাজনৈতিক দলগুলো সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (Proportional Representation - PR) পদ্ধতির ভিত্তিতে উচ্চকক্ষের নির্বাচনের জন্য ১০০ জন প্রার্থী মনোনীত করবে।
- অবশিষ্ট ৫টি আসন পূরণের জন্য রাষ্ট্রপতি নাগরিকদের মধ্য থেকে (যারা কোনো কক্ষেরই সদস্য নন) ৫ জন প্রার্থী মনোনীত করবেন।

♦ উল্লেখ্য:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন -
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

তথ্যসূত্র - সংবিধান সংস্কার কমিশন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৫৮৮.
রবিশস্য বলতে বুঝায়-
  1. ক) গ্রীষ্মকালীন ফসল
  2. খ) বর্ষাকালীন ফসল
  3. গ) শরৎকালীন ফসল
  4. ঘ) শীতকালীন ফসল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন সফলকে রবিশস্য ধরা হয়। বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল। এছাড়া এই সময়ে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও হয়ে থাকে। (সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
২,৫৮৯.
আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণতন্ত্র টিকে রাখার জন্য প্রয়োজন-
  1. সুশীল সমাজ
  2. বিরোধী দল
  3. বেসরকারি প্রতিষ্ঠান
  4. নাগরিক সমাজ
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্র রক্ষা: 
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। 
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ। 
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়। 
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে। 
- জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, "যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯০.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে ছিলেন?
  1. শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  2. মো. শামসুল হক
  3. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার।
- গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- ওই দিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

⇒ বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এর চারদিন পর সংবিধান অনুযায়ী ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তারা হলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯১.
গণিকাবৃত্তি ও জুয়া খেলা নিষিদ্ধ সম্পর্কিত বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ১৭নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৯নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৫নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে,
“গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।”

অন্যদিকে,
১৫ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
১৭ নং অনুচ্ছেদ: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
২,৫৯২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কখন ঘোষিত হয়?
  1. ক) ৭ মার্চ, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বোঝানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম  তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৫৯৩.
বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান কোন অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল?
  1. ক) কুমিল্লা অঞ্চল
  2. খ) রাজশাহী অঞ্চল
  3. গ) ঢাকা অঞ্চল
  4. ঘ) সিলেট অঞ্চল
ব্যাখ্যা

- প্রাচীন বাংলা কতগুলো অঞ্চল বা জনপদে বিভক্ত ছিল।
- এদের মধ্যে ‘বঙ্গ’ জনপদ ছিলো অন্যতম। বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ’ জনপদ গঠিত হয়েছিল।
- সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৯৪.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর জনগণ পূর্বে ‘মগ’ নামে পরিচিত ছিল?
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. চাকমা
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইন:

- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২,৫৯৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সম্পত্তির অধিকার এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২,৫৯৬.
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা চাষ হয় -
  1. ক) চট্টগ্রামের রাঙামাটিতে
  2. খ) সিলেটের হবিগঞ্জে
  3. গ) সিলেটের মৌলভীবাজারে
  4. ঘ) সিলেটের মালনীছড়ায়
ব্যাখ্যা
• চা শিল্পের ইতিহাস:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।

- এই বাগানটিও প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়। অতঃপর ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো, একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি’ নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম
জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি’ নামে পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড
২,৫৯৭.
সুবাদার ইসলাম খান বাংলার রাজধানী কোথায় স্থানান্তর করেন?
  1. ঢাকা থেকে রাজমহল
  2. রাজমহল থেকে ঢাকা
  3. রাজমহল থেকে সোনারগাঁও
  4. মুর্শিদাবাদ থেকে ঢাকা
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

উল্লেখ্য,
- ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী বিহারের রাজমহল-এ চলে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২,৫৯৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস -
  1. নেকড়ে অরণ্য
  2. হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. রাইফেল রোটি আওরাত
  4. জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা
রাইফেল রোটি আওরাত:
- ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস।
- এ উপন্যাসকে অনেকে মুক্তিযুদ্ধের একটি প্রামাণ্য দলিলও বলে থাকেন।
- উপন্যাসের রচয়িতা শহীদ আনোয়ার পাশা ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষক, সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি লিখছিলেন এ উপন্যাসটি, যা আসলে তার নিজের বয়ানে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে পরবর্তী কিছুদিনের প্রতিটি মুহূর্তের বর্ণনা।
- উপন্যাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক সুদীপ্ত শাহীন চরিত্রের আড়ালে আনোয়ার পাশা নিজেকেই এঁকেছেন।
- আনোয়ার পাশার বন্ধু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলার শিক্ষক ড. কাজী আব্দুল মান্নান তার ডায়েরি লেখার অভ্যাসটি জানতেন।
- তিনিই পরবর্তীকালে তার সব লেখা খুঁজে বের করেন, ‘রাইফেল, রোটি, আওরাত’ উপন্যাসের পাণ্ডুলিপিটি সংগ্রহ করেন।
- ‘গণমিছিল’ প্রকাশনা থেকে বইটি প্রথম প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে,
- নেকড়ে অরণ্য: মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শওকত ওসমান একাধিক উপন্যাস লিখেছেন। ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত ৬৪ পৃষ্ঠার ছোট্ট একটি উপন্যাস 'নেকড়ে অরণ্য' ছাড়াও তাঁর উল্লেখযোগ্য মুক্তিযুদ্ধের উপন্যাস 'জাহান্নাম হইতে বিদায়', 'দুই সৈনিক' এবং 'জলাংগী'।
- হাঙর নদী গ্রেনেড: মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষিতে বেশ কিছু উপন্যাস লিখেছেন সেলিনা হোসেন। 
- জোছনা ও জননীর গল্প: মৃত্যুর মাত্র কয়েক বছর আগে কথার জাদুকর হুমায়ূন আহমেদ লেখেন 'জোছনা ও জননীর গল্প' উপন্যাসটি। 

উৎস: প্রথম আলো।
২,৫৯৯.
BRTC কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৬১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি):
- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি) একটি রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থা।
- ১৯৬১ সালে সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ নম্বর-৭ মোতাবেক বিআরটিসি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন (বিআরটিসি)  সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে।

উৎস: বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন।
২,৬০০.
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
  1. ক) ৬ নম্বর
  2. খ) ৭ নম্বর
  3. গ) ৮ নম্বর
  4. ঘ) ৯ নম্বর
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯, তদানিন্তন ইপিআর-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন।
-  মার্চ ১৯৭১এ তিনি ছুটি ভোগরত ছিলেন গ্রামের বাড়িতে।
- পাকিস্তানী বাহিনীর গণহত্যার খবর পেয়ে অসুস্থ অবস্থায় চুয়াডাঙ্গায় ইপিআর-এর ৪নং উইং এ নিজ কোম্পানির সাথে যোগ দিয়ে বিদ্রোহ করেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে।
- সেক্টর গঠন হলে তাদের উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব।
- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষ য়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।