বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৪ / ৩০৬ · ২,৩০১২,৪০০ / ৩০,৮৩২

২,৩০১.
বাংলাদেশ সরকারের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।
- তাঁর পরামর্শের আলোকে দেশের রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরী প্রদান করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩০২.
‘প্ল্যানেট ফিফটি ফিফটি চ্যাম্পিয়ন' পুরস্কার কোন বিষয়ের অবদানের জন্য দেয়া হয়েছে?
  1. ক) নারীর ক্ষমতায়ন
  2. খ) মহাকাশ গবেষণা
  3. গ) সাহিত্য
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : নারীর ক্ষমতায়ন। 

- নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য ‘প্ল্যানেট ফিফটি চ্যাম্পিয়ন' ও 'এজেন্ট অব চেঞ্জ' পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- জাতিসংঘ সদরদপ্তরে ইউএন-উইমেন ও গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন তিনি।

• প্রধানমন্ত্রীর অন্যান্য পুরস্কার : 
- ড. কালাম স্মৃতি ইন্টারন্যাশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড- ২০১৯,
- ভ্যাকসিন হিরো- ২০১৯,
- গ্লোবাল উইমেন লিডারশীপ অ্যাওয়ার্ড- ২০১৮,
- গ্লোবাল পার্টনারশিপ ফোরাম থেকে এজেন্ট অব চেঞ্জমেকার- ২০১৬, 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার এবং নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য সাউথ সাউথ পুরস্কার- ২০১৪,
- ইউএন কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ- ২০১৫,
- ইউনেস্কো কর্তৃক শান্তিবৃক্ষ- ২০১৪,
- এসকে গান্ধী পুরস্কার- ১৯৯৮,
- মাদার তেরেসা পুরস্কার- ১৯৯৬।

সূত্র : দৈনিক প্রথম আলো। 
২,৩০৩.
২০১৯ সালের সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. সেলিনা হোসেন
  2. শামসুর রাহমান
  3. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  4. ফকরুল আলম
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমির সভাপতি ও জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান সার্ক সাহিত্য পুরস্কার-২০১৯ অর্জন করেন।
-  এর পূর্বে ২০১৫ সালে সেলিনা হোসেন, ২০১২ সালে ফখরুল আলম ও ২০০১ সালে শামসুর রাহমান এই পুরস্কার অর্জন করেন। 
- ২০০১ সাল থেকে পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
 
উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট। 
২,৩০৪.
মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. বিজু
  2. সাংগ্রাই
  3. লৌহ পূর্ণিমা
  4. ওয়ানগালা
ব্যাখ্যা

মারমা জনগোষ্ঠী: 
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- প্রধান বসতি: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।
- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- ভাষা: ভোট বর্মী শাখার বর্মী দলভুক্ত।
- বর্ণমালার নাম: ম্রাইমাজা।
- খাদ্য: ভাত ও সিদ্ধ শাকসবজি প্রধান।
- প্রধান ধর্ম: বৌদ্ধ।
- ধর্মীয় উৎসব: ক্ছংলাপ্রে (বুদ্ধ পূর্ণিমা), ওয়াছো (আষাঢ়ী পূর্ণিমা), ওয়াগোয়াই (প্রবারণা পূর্ণিমা)।
- বিশেষ রীতি: প্রবারণা উৎসবে আকাশে রঙ্গিন ফানুস উড়ানো, রথ যাত্রা।
- সবচেয়ে বড় উৎসব: সাংগ্রাই।

উল্লেখ্য,
- ওয়ানগালা গারোদের ধর্মীয় উৎসব।
- বিজু হচ্ছে চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

২,৩০৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা কোন মন্ত্রণালয় প্রকাশ করে?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা (Economic Review):
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা হলো একটি সরকারি বার্ষিক প্রতিবেদন যেখানে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা, প্রবৃদ্ধি, উৎপাদন, বিভিন্ন খাতের বিশ্লেষণ, বাজেট বাস্তবায়ন, রাজস্ব আয়, সরকারি ব্যয় ইত্যাদি বিশদভাবে তুলে ধরা হয়। এটি অর্থবছরের আগে প্রকাশিত হয়।
- অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ প্রতি বছর অর্থনৈতিক সমীক্ষা প্রকাশ করে। 
- এ সমীক্ষার মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারের গৃহীত অর্থনৈতিক নীতি ও কৌশলসহ দেশের অর্থনীতির খাতওয়ারি উন্নয়ন ও অগ্রগতি সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা প্রদান করা।

অর্থনৈতিক সমীক্ষার উদ্দেশ্য:
- দেশের গত এক বছরের অর্থনৈতিক অবস্থা মূল্যায়ন করা;
- বাজেট প্রণয়নে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ;
- খাতভিত্তিক উন্নয়ন ও সমস্যাসমূহ বিশ্লেষণ;
- ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ভিত্তি তৈরি করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৩০৬.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নিহত কমনওয়েলথ সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. খুলনা
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
ওয়ার সিমেট্রি:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বর্তমান মিয়ানমারে সংঘটিত যুদ্ধে প্রায় ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈনিক নিহত হন।
- তাদের জন্য বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতে ৯টি সমাধিক্ষেত্র স্থাপন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে দুটি সমাধিক্ষেত্র রয়েছে: কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম।
- কুমিল্লার ময়নামতির কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রিটি ১৯৪৬ সালে নির্মাণ করা হয়।
- এখানে অবিভক্ত ভারত, জাপান, আফগানিস্তান, নাইজেরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বেশ কয়েকটি দেশের শহীদ সৈনিকের সমাধি আছে।
- মোট সমাধির সংখ্যা ৭৩৬টি।
- চট্টগ্রাম ওয়ার সেমেট্রিতে সমাহিত হন চট্টগ্রামের ১৩ জন শহীদ।
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সেমেট্রিতে সমাহিত হন ৭ জন।

উৎস: i) ৯ নভেম্বর, ২০১৯, প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৩০৭.
তমদ্দুন মজলিসের আহ্বায়ক কে ছিলেন? 
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. কামরুদ্দিন
  3. আবুল কাশেম
  4. নূরুল হক ভূঁইয়া
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:

• তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি গঠিত হয়। 
• এটি ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ।
• ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে তমদ্দুন মজলিশ।
• এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। 
• পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'। 
• তমাদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলা ভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' যার আহ্বায়ক ছিলেন নূরুল হক ভূঁইয়া। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩০৮.
প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরী’ পুরস্কার প্রদান করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১৩ অক্টোবর
  2. খ) ১৯৭৩ সালের ২৩ অক্টোবর
  3. গ) ১৯৭৩ সালের ২৩ মে
  4. ঘ) ১৯৭২ সালের ২৪ মে
ব্যাখ্যা

শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

সূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।

২,৩০৯.
আগরতলার পরিকল্পনা ফাঁসকারী -
  1. ক) রাও ফরমান আলী
  2. খ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আমির আবদুল্লাহ খান
  4. ঘ) আমির হোসেন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা

- আওয়ামী লীগ এবং সামরিক বাহিনীর প্রায় ২৫০ জন সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাংলাকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করে।
- পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য। সেই যুদ্ধে ভারতের সামরিক সহায়তা প্রয়োজন।
- এ কারণে ১২-১৫ জুলাই, ১৯৬৭ আগরতলায় আওয়ামী লীগ নেতা আলী রেজা এবং মুজিবুর রহমান বৈঠক করেন ভারতের ব্রিগেডিয়ার মেনন এবং মেজর মিশ্রের সাথে।
- ভারতের সবুজ সংকেত পাওয়ার পূর্বেই অক্টোবর, ১৯৬৭ পরিকল্পনাকারীদের একজন আমির হোসেন ৬৮ পৃষ্ঠায় গোপন তথ্য-উপাত্ত উল্লেখ করে গোয়েন্দা বিভাগে ফাঁস করে দেয়।
- শুরু হয় গ্রেফতার।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক ও বাংলাপিডিয়া।
২,৩১০.
শাহ জালালউদ্দীন কোন শাসককে পরাজিত করে সিলেট অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করেন?
  1. ক) ধর্ম পাল
  2. খ) রায় বাহাদুর
  3. গ) লক্ষন সেন
  4. ঘ) গৌরগোবিন্দ
ব্যাখ্যা
মধ্যযুগে বাংলায় ইসলাম ধর্ম:

- শাহ জালালউদ্দীন গৌরগোবিন্দকে পরাজিত করে সিলেট অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করেন।
- সিলেটের শাহ জালালউদ্দীন কুনিয়াঈ চৌদ্দ শতকে বাংলাদেশে আসেন।
- চৌদ্দ শতকের মধ্যেই বাংলাদেশে সুফি প্রভাব বিস্তার লাভ করে।
- ইবন বতুতা ১৩৩৮ সনে সিলেটে শাহ জালালউদ্দীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- শাহজালাল নামে বিখ্যাত এই সাধুপুরুষ উত্তর পূর্ব বাংলা ও আসামে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
- শেখ আঁখি সিরাজুদ্দিন উসমান নিযামুদ্দিন আউলিয়ার খলিফা ছিলেন
- তিনি পান্ডুয়ার শেখ আলাউল হকের পীর। তিনি চৌদ্দ-পনেরো শতকের দরবেশ। তাঁর প্রভাবেই মুখ্যত বাংলাদেশে চিশতিয়া তরিকার প্রসার হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩১১.
Which of the following is the largest economic zone in Bangladesh?
  1. Mongla, Bagerhat
  2. Shreepur, Gazipur
  3. Mirsharai, Chattogram
  4. Keraniganj, Dhaka
  5. Araihajazar, Narayanganj
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল।
-এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এটি প্রায় ৩০,০০০ একর জমির উপর অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রথম পর্যায়ে ১৩,০০০ একরের অধিক জমিতে মিরসরাই অংশে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে।
- এ শিল্পনগরে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, বিজিএমইএ গার্মেন্টস পার্ক, পিপিপি অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এশিয়ান পেইন্টস, নিপ্পন- ম্যাকডোনাল্ড স্টিল, বিএসআরএমসহ ৫৬টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের  জমি বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। 
- এর ফলে প্রায় ৭ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- সুবৃহৎ পরিসরের এ শিল্পনগরকে স্বয়ংসম্পূর্ণ বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বান্ধব বহুমাত্রিক শিল্প-বাণিজ্যের কেন্দ্রস্থল হিসেবে গড়ে তোলার জন্য পর্যায়ক্রমে সমুদ্র ও বিমান বন্দর, এলএনজি টার্মিনাল, বাণিজ্যিক কেন্দ্র নির্মাণসহ শিল্প ও বাণিজ্যের নিয়ামক সকল ধরনের সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করা হবে।
 
উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
২,৩১২.
কোন মুঘল সম্রাট ভারতকে সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করেন?
  1. হুমায়ূন 
  2. জাহাঙ্গীর 
  3. আওরঙ্গজেব 
  4. আকবর
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- যুদ্ধক্ষেত্র, সমরনীতি, কূটনীতি ও প্রশাসন সকল ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মুঘলদের মধ্যে সর্বশেষ্ঠ শাসক। ইতিহাসে তাই তিনি 'Akbar the Great' নামে পরিচিত।
- সম্রাট হুমায়ুন যখন শেরশাহ এর নিকট পরাজিত ও রাজ্যচ্যুত হয়ে স্ত্রী হামিদাবানুকে নিয়ে পারস্য অভিমুখে যাত্রাকালে, রাজস্থানের অমরকোটে ২৩ নভেম্বর, ১৫৪২ সালে আকবর জন্মলাভ করেন।
- জন্মের পর হুমায়ুন শিশুপুত্রের নামকরন করেন জালালউদ্দিন। 

⇒ ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- উত্তরে কাশ্মীর হতে দক্ষিণে আহমেদনগর ও মধ্য এশিয়ার কাবুল কান্দাহার হতে পূর্ব বাংলা পর্যন্ত একচ্ছত্র মুঘল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রি. দ্বীন-ই-ইলাহী নামক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। আকবর সকলের মতামত মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং এই সকল ধর্মের দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে সকল ধর্মের ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।

⇒ সুবিশাল ভারতকে শাসন করার জন্য আকবর তার সাম্রাজ্যকে ১৫৮২ খ্রি. ১৫টি সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করেন এবং সুবার শাসক হিসেবে ১ (এক) জন সুবাদার নিয়োগ করেন। 
- সুবাদার ছাড়াও প্রদেশের এ শাসনকার্যে একজন দিওয়ান, আমিল, ফৌজদার, কাজি ইত্যাদি পদের রাজকর্মচারি ছিলেন।
- শাসনকার্যের সুবিধার জন্য প্রত্যেক সুবাকে কতগুলো সরকার ও প্রত্যেক সরকারকে কতগুলো পরগনায় বিভক্ত করেছিলেন।

⇒ রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য আকবর শের শাহের রাজস্ব নীতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
- আকবর ন্যায়বিচারের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। 
- সম্রাট আকবর পদাতিক, অশ্বারোহী, গোলন্দাজ ও নৌ-বাহিনী এই চার ভাগে তার সেনাবাহিনীকে বিভক্ত করেন। 
- কৃষিকাজের ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে। 
- তিনি ছিলেন ভারতবর্ষে আধুনিক শাসনের রূপকার ও শ্রেষ্ঠ মুঘল সম্রাট।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩১৩.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন শহরে ‘বাংলাদেশ হাউজ’ অবস্থিত?
  1. ক) ওয়াশিংটন ডিসি
  2. খ) মেরিল্যান্ড
  3. গ) নিউইয়র্ক
  4. ঘ) শিকাগো
ব্যাখ্যা
২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে, যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে নবনির্মিত ‘বাংলাদেশ হাউজ’ এর উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উৎস: ডেইলি ষ্টার। 
২,৩১৪.
রাঢ় অঞ্চলটি কোন নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম অংশে অবস্থিত ছিল?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. গঙ্গা
  3. সিন্ধু
  4. যমুনা
ব্যাখ্যা

রাঢ়, তাম্রলিপ্তি:
- বিভিন্ন ঐতিহাসিক উৎস থেকে বলা যায় যে, রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৩১৫.
গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ 
  2. ১৯৫৬ 
  3. ১৯৫৪ 
  4. ১৯৫৩ 
ব্যাখ্যা

বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে মানুষ ১৪৪ ধারা অমান্য করে রাস্তায় নামলে শহীদ হন সালাম, রফিক, সফিক, বরকত, জব্বার প্রমুখ জাতির সূর্যসন্তান।
- সেদিন থেকেই বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রক্রিয়াটি শুরু হয়ে গিয়েছিল।
- ৯ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয় তারও দু'বছর পর ১৯৫৬ সালে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩১৬.
'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে কোন চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে?
  1. ধীরে বহে মেঘনা
  2. গেরিলা
  3. সংগ্রাম
  4. আলোর মিছিল
ব্যাখ্যা

গেরিলা চলচ্চিত্র:
- গেরিলা চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০১১ সালে।
- এই চলচ্চিত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত।
- এই চলচ্চিত্রটি পরিচালক নাসির উদ্দিন ইউসুফ।
- সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করা হয়েছে গেরিলা চলচ্চিত্রটি।
- যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ ও এবাদুর রহমান।
- এটি ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার' পেয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৩১৭.
বাংলাদেশ কত তারিখে অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৯ সালের প্রথম দিকে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়।
- ৩১ মার্চ ১৯৭৯ সালে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয় এবং আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) ১৯৮০ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি লেক প্লাসিডে আইওসি অধিবেশনে নতুন সদস্য হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশ ১৯৮০ সালে মস্কোতে প্রতিযোগিতা করেনি তবে ১৯৮৪ সাল থেকে সমস্ত অলিম্পিক গেমসে প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। 

বাংলাদেশের অলিম্পিক এসোসিয়েশনের:

- বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন 'বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি' নামেও পরিচিত।
- সংস্থার সদর দফতর ঢাকায় অবস্থিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৮০ সালে বিশ্ব অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সদস্য পদ লাভ করে।

এছাড়াও,
- এটি এখন পর্যন্ত মোট ২৭টি জাতীয় ফেডারেশন (এনএফ) এবং জাতীয় সমিতি (এনএ) কে অধিভুক্ত করেছে যার মধ্যে অলিম্পিক এবং অ-অলিম্পিক উভয় ধরণের খেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- বাংলাদেশ প্রথম ১৯৭৬ সালে অলিম্পিকে আমন্ত্রিত হয়েছিল।
- ১৯৮০ সালে বিশ্ব অলিম্পিক  এসোসিয়েশনের সদস্য পদ লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন।

২,৩১৮.
বাংলাদেশে প্রথম অস্থায়ী সরকার কখন গঠিত হয়?
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১৬ মে, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৩১৯.
পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি কে ছিলেন?
  1. আবুল হাসনাত
  2. এম ফিরোজ আহমেদ
  3. এ. এম. এম. শফিউল্লাহ
  4. জামিলুর রেজা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:
- পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের বিশেষজ্ঞ প্যানেলের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. জামিলুর রেজা চৌধুরী।
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার ও প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২ ও যুগান্তর, ২৪ জুন ২০২২।
২,৩২০.
সংবিধানের ৪ নং তফসিলে বর্ণিত হয়েছে-
  1. শপথ ও ঘোষণা
  2. অন্যান্য ‍বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  3. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
  4. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
এগুলো হলো:
- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালিন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণ
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
২,৩২১.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. ড্রামহেড
  2. আকবর
  3. ময়না
  4. তাহেরপুরী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২,৩২২.
বাংলাদেশের প্রথম অনলাইন ভিত্তিক সংবাদ প্রোটালের নাম কী? 
  1. বাসস
  2. ইউএনবি
  3. বিডি নিউজ ২৪
  4. আরটিএনন
ব্যাখ্যা

অনলাইন-নির্ভর সংবাদ পোর্টাল: 
- বিডিনিউজ২৪ বাংলাদেশে প্রথম অনলাইন-নির্ভর সংবাদ পোর্টাল। 
- এটি বাংলা ও ইংরেজি উভয় ভাষায় একটি ইন্টারেক্টিভ ও সমন্বিত মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়।
- এটি বেক্সিমকো গ্রুপের বাংলাদেশ নিউজ ২৪ আওয়ার্স লিমিটেড-এর মালিকানাধীন। 
- সাবেক বিবিসি সম্প্রচারক ও সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর-এর সম্পাদক ও মহাব্যবস্থাপক।

উৎস:  All Bangla newspapaer Net [লিংক]

২,৩২৩.
What is the helpline number to prevent child marriage?
  1. ক) 999
  2. খ) 106
  3. গ) 109
  4. ঘ) 333
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জরুরী সেবার হটলাইন নাম্বার সমূহ
• ৯৯৯ - বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। এখানে বিনামূল্যে ফোন করে আপনি জরুরী মুহুর্তে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এ্যাম্বুলেন্স এর সাহায্য নিতে পারবেন। এছাড়া যে কোন অপরাধের তথ্যও পুলিশকে জানাতে পারবেন।
• ১০৬ - দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার। যে কোন দুর্নীতি চোখে পড়লে বিনামূল্যে কল করে জানিয়ে দিন।
• ১৬৪৩০ - সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার। আইনগত যে কোন পরামর্শ বা সাহায্য পেতে বিনামূল্যে কল করুন।
• ১৬১২৩ - কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন। কৃষি, মৎস, প্রানীসম্পদ বিষয়ক যে কোন পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে জানতে পারবেন।
• ১০৯ - নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ হতে দেখলেই বিনামূল্যে কল করুন এই নাম্বারে ।
• ১০৯৮ - শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার। চারপাশে শিশুদের যে কোন সমস্যা হলে বিনামূল্যে কল করে সেবা নিতে পারেন এই নাম্বার থেকে।
• ৩৩৩ - জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার। বাংলাদেশের যে কোন তথ্য জানতে ও সরকারি কর্মকর্তাদেরর সাথে কথা বলতে কল করুন এই নাম্বারে। (চার্জ প্রযোজ্য)
• ১৬২৬৩ - বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার। যে কোন সমস্যায় ২৪ ঘন্টায় বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। (চার্জ প্রযোজ্য)
• ১৬১০৮ - মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার। মানবাধিকার বিঘ্নিত হলে কল করুন এই নাম্বারে। (চার্জ প্রযোজ্য)
• ১৬২৫৬ - আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে। (চার্জ
• ১৩১ - বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার। ট্রেন ও এর টিকিট সম্পর্কে জানতে কল করুন । (চার্জ প্রযোজ্য)
• ১০৫ - জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার। (চার্জ প্রযোজ্য)
• ১০০ - বিটিআরসি কল সেন্টার।
• ১৬৪২০ - বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৩২৪.
বিএসইসি এর অধীন মোটর সাইকেল সংযোজন প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড
  2. খ) এটলাস বাংলাদেশ লি.
  3. গ) ঢাকা স্টিল ওয়ার্কস লি.
  4. ঘ) জেনারেল ইলেক্ট্রিক ম্যানু. কোং লি.
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের অধীন মোটর সাইকেল সংযোজন কারখানা হলো এটলাস বাংলাদেশ লিমিটেড। এটি ১৯৬৬ সালে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭২ সালে জাতীয়করণ করে বিএসইসি এর অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
এটি প্রথমে জাপানি হোন্ডা ও ভারতীয় হিরো ব্র্যান্ডের মোটর সাইকেল সংযোজন করতো। বর্তমানে চীনের জংসেন কোম্পানির মোটর সাইকেল সংযোজন করছে। এটির প্রধান কার্যালয় গাজীপুরের টঙ্গীতে অবস্থিত।
(সূত্র: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
২,৩২৫.
মুজিবনগর সরকারের হেড কোয়ার্টার স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) টীকাটুলির রোজ গার্ডেনে
  2. খ) কোলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে
  3. গ) গণভবনে
  4. ঘ) বঙ্গভবনে
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকারের  সদর দপ্তর কোলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডে স্থাপন করা হয়।
 - তাজউদ্দীন আহমেদ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিজ দায়িত্বে রাখেন।
- ১৪ এপ্রিল কর্নেল এম. এ. জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- মে ও জুন মাসে তিনটি ব্রিগেড গঠিত হয়। 
- ফোর্সের নামকরণ করা হয় অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।
- ফোর্সগুলির নাম ছিল: জেড ফোর্স’, ‘এস ফোর্স’ এবং ‘কেফোর্স’।
১. জেড ফোর্স - অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল জিয়াউর রহমান।
২. এস ফোর্স - কর্ণেল কে. এম সফিউল্লাহ এবং
৩. কে ফোর্স - কর্ণেল খালেদ মোশাররফ।

 
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩২৬.
কোন নাবিক সর্বপ্রথম সমুদ্র পথে ইউরোপ থেকে ভারতে আসেন?
  1. ক) ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  2. খ) লিভিংস্টোন
  3. গ) জেমস ওয়াটসন
  4. ঘ) ভাস্কো দা গামা
ব্যাখ্যা
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ১৪৯৮ সালে সমুদ্রপথে সর্বপ্রথম ইউরোপ থেকে ভারতে আসেন।
- তিনি ১৪৯৮ সালের ২৭শে মে ভারতের পশ্চিম উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন। তার সূত্র ধরেই পরবর্তীতে ইউরোপীয়রা ব্যবসা-বাণিজ্য তথা সাম্রাজ্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে ভারতবর্ষে পাড়ি জমায়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৩২৭.
বাংলার আকবর বলা হয় কোন নরপতিকে?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি 'বাংলার আকবর হিসেবে' পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব "বৈষ্ণব ধর্ম" প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

উল্লেখ্য,
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

২,৩২৮.
‘এ সংবিধান বাঙালি জাতির স্বাধীন সত্তার অভিব্যক্তি’- উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) ড. কামাল হোসেন
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- আইনমন্ত্রী ও খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. কামাল হােসেন বলেন যে, ‘এ সংবিধান বাঙালি জাতির স্বাধীন সত্তার অভিব্যক্তি’ 
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু সংসদে বলেন যে, ‘এ সংবিধান লিখিত হয়েছে লাখাে শহীদের রক্তের অক্ষরে’

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন -প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 

২,৩২৯.
বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' (KNOMAD) প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
ব্যাখ্যা
প্রবাসী আয়

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড ‘গ্লোবাল নলেজ পার্টনারশিপ অন মাইগ্রেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট' (KNOMAD) প্রকাশ করে Remittances Brave Global Headwinds শীর্ষক প্রতিবেদন।

প্রতিবেদন অনুসারে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ৮ দেশ (বিলিয়ন মার্কিন ডলার) -

১. ভারত (১০০)
২. মেক্সিকো (৬০)
৩. চীন (৫১)
৪. ফিলিপাইন (৩৮)
৫. মিসর (৩২)
৬. পাকিস্থান (২৯)
৭. বাংলাদেশ (২১)
৮. নাইজেরিয়া (২১)

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
২,৩৩০.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামেরে ডিজাইনার কে?
  1. বিমান মল্লিক
  2. কামরুল হাসান
  3. মাইনুল হোসেন
  4. জয়নুল আবেদিন
  5. এ এন এ সাহা
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।

« অন্যদিকে,
- কামরুল হাসান জাতীয় প্রতীক ও পতাকার ডিজাইনার।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।
- বিমান মল্লিক প্রথম ডাকটিকিটের ডিজাইনার।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।
২,৩৩১.
'বাংলাদেশ স্কয়ার' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. হাইতি
  2. সোমালিয়া
  3. কঙ্গো
  4. লাইবেরিয়া
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ স্কয়ার:
- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত। 
- ২০০৮ সালে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের শান্তি রক্ষীরা। 
- লাইবেরিয়া, পশ্চিম আফ্রিকার উপকূলের একটি দেশ। 
- লাইবেরিয়ার ভূখণ্ড নিম্ন এবং বালুকাময় উপকূলীয় সমভূমি থেকে ঘূর্ণায়মান পাহাড় এবং আরও অভ্যন্তরীণ বিচ্ছিন্ন মালভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত। 
- লাইবেরিয়া আফ্রিকার একমাত্র কৃষ্ণাঙ্গ রাষ্ট্র যা কখনো ঔপনিবেশিক শাসনের অধীন হয়নি এবং আফ্রিকার প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্র। 
- ১৮৪৭ সালে লাইবেরিয়ার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় এবং এর সীমানা প্রসারিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

২,৩৩২.
কোন কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া ব্যবহৃত হয়?
  1. কর্ণফুলি পেপার মিল
  2. খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল
  3. সিলেট পেপার মিল
  4. নর্থবেঙ্গল পেপার মিল
ব্যাখ্যা

- পাবনা জেলার পাকশিতে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে।
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।
- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ এবং
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়।
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।

২,৩৩৩.
বর্তমান সংবিধানে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ২০০টি
  2. ১৬০টি
  3. ১৫৩টি
  4. ১৬৫টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে;
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি।
- সংবিধানে তফসিল: ৭টি,
- সংবিধানে মূলনীতি: ৪টি,
- সংবিধানে প্রস্তাবনা: ১টি।
- সংবিধানে মোট ভাগ: ১১টি।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে, যথা:-

এছাড়াও,
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও,
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২,৩৩৪.
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• শরিফ ওসমান হাদি:
- ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি।
- তিনি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারে নেমেছিলেন।
- ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
- উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
- ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধাদের চোখে তিনি এক লড়াকু যোদ্ধা। 

উৎস: প্রথম আলো ও বিএসএস।

২,৩৩৫.
শিল্পজাত পণ্যসমূহের মধ্যে কোন পণ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আমদানি ব্যয় হয়?
  1. ক) সুতা
  2. খ) পেট্রোলিয়ামজাত
  3. গ) ভোজ্য তেল
  4. ঘ) সার
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- ২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫৮,৭৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১০.৩ শতাংশ কম।
- মোট শিল্পজাত পণ্যসমূহের আমদানি ব্যয় ১৩,৬৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত আমদানিকৃত পণ্যসমূহ: 
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,৭৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সুতা: ১,৮৬৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সার: ৪,১৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,০৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,০০৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৭৭২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
২,৩৩৬.
সাধারণত কোনো বিলে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সম্মতি দেওয়ার সময়সীমা-
  1. ক) ১০ দিন
  2. খ) ৭ দিন
  3. গ) ১৫ দিন
  4. ঘ) ৫ দিন
ব্যাখ্যা
- সংসদে গৃহীত বিল সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করার পর রাষ্ট্রপতি তাতে সম্মতি দান অথবা পুনরায় সংসদের বিবেচনার জন্য পাঠাবেন ১৫ দিনের মধ্যে
- তবে কোনো বিল পুনরায় সংসদের বিবেচনার জন্য পাঠালে ফেরত আসার পর তা পাস করতে হবে ৭ দিনের মধ্যে। 

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৩৩৭.
সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন কে?
  1. ড. রবার্ট
  2. ড. স্মিথ
  3. ড. হেনরি
  4. ড. এডওয়ার্ড
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৩৮.
শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চলের অবস্থান কোথায়?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল  মৌলভীবাজার সদর উপজেলার শেরপুরে ৩৫২ একর জমির উপর অবস্থিত যার পূর্বে সিলেট, পশ্চিমে হবিগঞ্জ, উত্তরে সুনামগঞ্জ ও দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা অবস্থিত। 
এখানে উল্লেখ্য যে , শিল্পের বিকেন্দ্রীকরণ ও সিলেট বিভাগের প্রায় ৪৪,০০০ লােকের কর্মসংস্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চলটি গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। 
সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট
২,৩৩৯.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার খসড়া কে প্রণয়ন করেন?
  1. আবুল কাশেম
  2. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. ফজলুল হক
  4. মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি:
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন দল ও জোট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করে।
- যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরোধী যুক্তফ্রন্টের প্রেরণাশক্তি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- তাই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ২১ ফিগারটিকে চিরস্মরণীয় করার জন্য ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- আবুল মনসুর আহমেদ ২১ দফার খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ২১ দফার দাবিগুলো ভোটারদের মন জয় করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৪০.
সংবিধানের পঞ্চম ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. আইনসভা
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাচন
  4. কর্ম কমিশন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা ,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৪১.
কোন বিখ্যাত গায়ক ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের জন্য গান গেয়েছিলেন?
  1. ক) Michel Jackson
  2. খ) Elvis Presley
  3. গ) George Harrison
  4. ঘ) Michel George
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট বাংলাদেশের শরণার্থীদের সাহায্য করার উদ্দেশ্যে জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'। জর্জ হ্যারিসনকে অনুষ্ঠানটি করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন সেতার বাদক পণ্ডিত রবি শঙ্কর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
২,৩৪২.
Bangladesh has recorded its highest ever single-month export earnings in ___, 2021.
  1. ক) September
  2. খ) October
  3. গ) August
  4. ঘ) July
ব্যাখ্যা
The October earnings were 13.7% higher than the amount earned in September.
Bangladesh has recorded its highest ever single-month export earnings amounting to $4.72 billion in October, thanks to a strong rebound in demand for apparels in western countries ahead of festival season and supply disruptions from key competitors that faced fresh waves of pandemic.
The export receipts surpassed the $3.46 billion target set for the month, registering a whopping 60.37% year-on-year growth, according to provisional data of the Export Promotion Bureau (EPB) released on Tuesday.
 
Apparel shipment grew by 53.27% to $3.56 billion year-on-year in October, raising the total export earnings to $15.74 billion in the first four months of this fiscal year.

Source: The Business Standard
২,৩৪৩.
নিম্নের কোন অপরাধটির বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে হবে?
  1. খুন
  2. ধর্ষণ
  3. মাদকদ্রব্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
খুন, ধর্ষণ, মাদকদ্রব্য অর্থাৎ বর্ণিত সবগুলো অপরাধের বিচার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের অধীনে হবে।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল:

⇒ দ্রুতবিচার আদালত সংক্রান্ত আইন প্রাথমিকভাবে অধ্যাদেশ আকারে ২০০২ সালে প্রণীত হয়।
- ঐ বছরের ১০ এপ্রিল এটি সংসদ কর্তৃক আইনে পরিণত হয় (২০০২ সালের ১১ নং আইন)।
- ২০০২ সালের ১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের এ সংক্রান্ত অপর একটি আইন (২০০২ সালের ২৮ নং আইন) বাংলাদেশ গেজেটে (অসাধারণ) প্রকাশিত হয়।
- এ আইনের মাধ্যমে দ্রুতবিচার আদালত গঠিত হয়।
- এ আইনের ভূমিকায় কয়েকটি অপরাধের দ্রুতবিচার সম্পন্ন করার বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয়।
- আইনটি সরকারকে কয়েকটি বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করে।
- এর মধ্যে রয়েছে এক বা একাধিক আদালত গঠন, জনস্বার্থে অন্যান্য অসম্পন্ন বিচার দ্রুতবিচার আদালতে প্রেরণসহ শেষোক্ত আদালতের ভৌগোলিক অধিক্ষেত্র নির্ধারণ।

⇒ অসম্পন্ন বিচারকার্য দ্রুতবিচার আদালতে প্রেরণের জন্য যে অপরাধসমূহকে চিহ্নিত করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে: খুন, ধর্ষণ, বেআইনি অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য সংরক্ষণ।
- এতে দেখা যায় যে, মূল আইনের নির্ধারিত অপরাধের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে।

⇒ এ আইনের ভূমিকায় আইন শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কয়েকটি অপরাধের দ্রুত বিচারের প্রয়োজনীয়তার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- মূল আইনে অনধিক ছয় বছর পর্যন্ত আইনটি বলবৎ রাখার বিধান ছিল।
- ২০০৮ সালে এক সংশোধনীর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়সীমা আট বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

⇒ এ আইনটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো অন্যান্য আইনের উপর প্রাধান্য।
- অর্থাৎ অন্যান্য আইনে ভিন্নতর বিধান থাকা সত্বেও এ আইনের বিধানই বাধ্যতামূলক হবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৩৪৪.
বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী কোনটি?
  1. নির্বাহী পরিচালক
  2. গভর্নর
  3. প্রিন্সিপাল অফিসার
  4. পরিচালক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার (১২তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।



তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। 
২,৩৪৫.
মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম ছিল -
  1. ক) মুক্তির ডাক
  2. খ) স্বাধীনতা
  3. গ) মুক্তির বাণী
  4. ঘ) জয় বাংলা
ব্যাখ্যা
• সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র - সাপ্তাহিক জয়বাংলা।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
-  এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৪৬.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ছাত্র সমাবেশ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. গণপরিষদ ভবনের সামনে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায়
  3. পল্টন ময়দান
  4. প্রেস ক্লাবের সামনে
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায় (ফেব্রুয়ারি ১৯৫২):
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ সভা ও ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দেয় ৩০ জানুয়ারি।
- মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ’ গঠিত হয় ৩১ জানুয়ারি।
- ৪ ও ২১ ফেব্রুয়ারি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়—হরতাল, জনসভা, ও বিক্ষোভ মিছিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
 - মুখ্যমন্ত্রী নূরুল আমিন ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করেন, যা ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে।
- ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
- সেখানে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী অংশ নেয়।
- কিছু নেতা ১৪৪ ধারা ভাঙতে নিষেধ করলেও ছাত্ররা সিদ্ধান্তে অটল থাকে।
- ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ স্লোগানে মিছিল শুরু হলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে।
- ছাত্ররাও প্রতিরোধ করে।
-  ছাত্রদের মিছিল গণপরিষদের দিকে অগ্রসর হলে পুলিশ গুলি চালায়।
- ঘটনাস্থলে নিহত হয় আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ, আবদুল জব্বার।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,৩৪৭.
পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে কোন সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ১৯৭৪ সাল
  2. ১৯৭৫ সাল
  3. ১৯৭৩ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
ব্যাখ্যা

◉ ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত ও ভূটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে।

সূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৬ মার্চ ২০২১।

২,৩৪৮.
'বুদ্ধপূর্ণিমা' কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব?
  1. ক) রবিদাস
  2. খ) মাহাতো
  3. গ) ত্রিপুরা
  4. ঘ) রাখাইন
ব্যাখ্যা
রাখাইনদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব- বুদ্ধপূর্ণিমা। জলকেলি তাদেরই একটি উৎসব।
২,৩৪৯.
মাৎস্যন্যায় সংঘটিত হয় কখন?
  1. শশাঙ্কের শাসনামলে
  2. গোপালের শাসনামলে
  3. রামপালের শাসনামলে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর ও গোপালের রাজা হওয়ার পূর্বের সময়ে মাৎস্যন্যায় সংঘটিত হয়। 

মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান:

- শশাঙ্কের পর বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ।
- বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি 'মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- মাৎস্যন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন।
- মাছের রাজত্বে ছোট, দুর্বল মাছ সবসময় বড় মাছগুলোর গ্রাসে পরিণত হয়।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলা যেন পরিণত হয়েছিল মাছের রাজ্যে।
- শাসকের অভাবে সবল অত্যাচার করে দুর্বলের ওপর।
- মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কে মায়া, মমতা, সৌহার্দ্যের যে স্থান তা দখল করে নেয় হিংসা ও দ্বেষ।
- লামা তারানাথ লিখেছেন, সমগ্র দেশের কোনো রাজা ছিল না।
- এক চরম অরাজক পরিস্থিতিতে বাংলার ইতিহাসে অনেকটা ধূমকেতুর মতো গোপালের আবির্ভাব হয়।
- খালিমপুর তাম্রশাসনের বলা হয়েছে যে, মাৎস্যন্যায় দূর করার অভিপ্রায়ে প্রকৃতিগণ গোপালকে রাজা নির্বাচন করেছিলেন।
- 'প্রকৃতি' শব্দের অর্থ 'জনগণ' বা প্রধান 'কর্মচারী'।
- সম্ভবত প্রধান কর্মচারীগণ সমবেত হয়ে গোপালকে রাজা নির্বাচন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৫০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রথম কবে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে?
  1. ২১ অক্টোবর ১৯৭১
  2. ৩০ নভেম্বর ১৯৭১
  3. ০৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ১২ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ৩রা ডিসেম্বর পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলে ভারত সরাসরি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। কিন্তু যুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয় সম্ভাবনা আঁচ করতে পেরে যুক্তরাষ্ট্র ৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব আনলে সোভিয়েত ইউনিয়ন এতে ভেটো প্রদান করে।
- পরদিন অন্য আটটি দেশ যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব আনলে সোভিয়েত ইউনিয়ন সেই প্রস্তাবেও ভেটো প্রদান করে।
- সর্বশেষ ১৩ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব আনলে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাতেও ভেটো প্রদান করে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রতিনিধি ছিলেন ইয়াকফ মালিক।
- তখন জাতিসংঘে ভারতীয় স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন সমর সেন।
(তথ্যসূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস এবং ভোরের কাগজ)
২,৩৫১.
অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের বাইরে গণহত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয় কাকে?
  1. জেনারেল টিক্কা খান
  2. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
  4. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

২,৩৫২.
ইবনে বতুতা ভারতের কোন শাসকের অধীনে কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন?
  1. শশাঙ্ক
  2. মুহম্মদ বিন তুঘলক
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন। এরপর তিনি ভারতে আসেন।
- তিনি ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে আসেন এবং সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের অধীনে দীর্ঘ প্রায় আট বছর কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনকালে বাংলায় সফর করেন। বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই, ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- সেখান থেকে সরাসরি তিনি কামারু (কামরূপ) পার্বত্য অঞ্চল অভিমুখে রওনা হন। 
- তিনি বাংলায় তার ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান। এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়। ইবনে বতুতা তার 'আর রিহলা' গ্রন্থে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত (A Hell Full Of Good Things) ’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।
- ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীকালে তিনি চীনের রাজদরবার গমনের উদ্দেশ্যে বাংলা ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৩৫৩.
শশাঙ্কের মৃত্যুর পরবর্তী একশত বছরের রাজনৈতিক ও সামাজিক অবস্থাকে কী নামে আখ্যা দেওয়া হয়েছে?
  1. অরাজকতা
  2. মগের মুল্লুক
  3. মাৎস্যন্যায়
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
- সে সময় বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে উল্লেখ করা হয়।
- প্রচলিত অর্থে মাৎস্যন্যায় বলতে অরাজক অবস্থাকেই বোঝায়।
- মাৎস্যন্যায়ের সময়টি ছিল মোটামুটিভাবে ৬৫০ থেকে ৭৫০ সালের মধ্যকার প্রায় ১০০ বছর।
- বাংলা অঞ্চলে এ রকম দুর্দশা, দীর্ঘ সময় রাজনৈতিক গোলযোগ ও রাজনৈতিক শূন্যতার সুযোগে বিশৃঙ্খলা যখন চরমে, তখন সময়ের প্রয়োজনেই একটি পরিবর্তন হয়ে পড়ে অবশ্যম্ভাবী।
- সিংহাসনে আসেন গোপাল নামীয় একজন।
- রাজা গোপালের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে পাল বংশ।
- তিনি সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের।

উল্লেখ্য,
- সংস্কৃত শব্দ মাৎস্যন্যায়ের আক্ষরিক অর্থ ‘মাছের ন্যায়’।
- মাছেদের জগতে যেমন বড় মাছ ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে; তেমনি মানবসমাজে দুর্বলরা সবলদের হাতে, ক্ষমতাহীনরা শোষিত হয় ক্ষমতাবানদের হাতে।
- এভাবে অরাজকতা আর বিশৃঙ্খলা গ্রাস করে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৩৫৪.
মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়া হয় কেন?
  1. ক) প্রশাসনের অনুরোধে
  2. খ) দাবি মেনে নেয়ায়
  3. গ) জনসমর্থন না থাকায়
  4. ঘ) সশস্ত্র রূপ নেয়ায়
ব্যাখ্যা
- ব্রিটিশ সরকার কুখ্যাত 'রাওলাট আইন' পাশ করলে ভারতীয় জনগণ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল, এ আইনের প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত পাঞ্জাবের জালিয়ানওয়ালাবাগের শান্তিপূর্ণ সভায় ব্রিটিশ সরকার গুলি চালালে অসংখ্য মানুষ হতাহত হয়। প্রতিবাদে কংগ্রেস নেতা মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
- গান্ধীজী হিংসাত্মক পথ বর্জন এবং সত্যাগ্রহ নীতিকে সামনে রেখে অসহযোগ আন্দোলন শুরু কর্মসূচি গ্রহণ করেন‌। ১৯২১ সালে কংগ্রেস 'আইন অমান্য আন্দোলন' শুরু করলো অহিংস আন্দোলন 'সহিংস রূপ' ধারণ করতে থাকে। ফলে ১৯২২ সালে গান্ধীজী এই আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘোষণা করেন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২,৩৫৫.
পদ্মা সেতু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়টি জেলাকে ঢাকার সাথে যুক্ত করেছে?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২১টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ টিকে জেলাকে পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে সম্পৃক্ত করেছে।

• পদ্মা সেতু:
- পদ্মা সেতুর উদ্বোধন হয় - ২৫ জুন, ২০২২
- যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়- ২৬ জুন, ২০২২ সালে।
- উদ্বোধন করেন- শেখ হাসিনা
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
-  পদ্মা সেতুর আয়ুষ্কাল ১০০ বছর।
- পদ্মা সেতু নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা।
- সব মিলিয়ে সেতুর দৈর্ঘ্য ৯ দশমিক ৮৩ কিলোমিটার। পদ্মা সেতু প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০ হাজার ১৯৩ কোটি টাকা। 
- পদ্মা সেতু দিয়ে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াত সহজ হবে, সময়ও কমবে।
- পদ্মা সেতু মুন্সিগঞ্জ জেলার মাওয়া এবং শরিয়তপুর জেলার জাজিরা ও মাদারিপুর জেলার শিবচর পয়েন্টে নির্মিত হয়েছে।

উৎস: ইত্তেফাক, ইনকিলাব এবং সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট ।
২,৩৫৬.
FAO-এর সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্য আমদানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
খাদ্য আমদানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের খাদ্য আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। 
- ২০২১ সালে বাংলাদেশ প্রায় ৯৩.৩ মিলিয়ন টন কৃষিপণ্য উৎপাদন করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২২টি কৃষিপণ্য উৎপাদনে বিশ্বের শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশে।

অন্যদিকে -
- খাদ্য আমদানিতে প্রথম অবস্থানে আছে চীন।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ফিলিপাইন।

উৎস: i) ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
         ii) FAO ওয়েবসাইট।
২,৩৫৭.
Rabindra University is located at
  1. ক) Mymensingh
  2. খ) Shahzadpur
  3. গ) Netrokona
  4. ঘ) Modhupur
ব্যাখ্যা
 রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়:
- ২০১৭ সালে দেশের ৪০তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে যাত্রা শুরু করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ।
- এটি সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলায় অবস্থিত
- ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষে ৩ টি বিভাগে ১০৫ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কার্যক্রম চালু হয়।
- বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫টি বিভাগ রয়েছে।
- বর্তমানে শাহজাদপুর শহরের তিনটি কলেজে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে।
- বিশ্ববিদ্যলয়ে মাননীয় উপাচার্য হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ শাহ আজম। 

তথ্যসূত্র: রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
২,৩৫৮.
Who explained the constitution of Bangladesh?
  1. ক) President
  2. খ) National Parliament
  3. গ) Attorney General
  4. ঘ) Supreme Court
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্ট

- সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক সুপ্রীম কোর্ট।
- তাই এর ক্ষমতা ও কার্যাবলী অপরিসীম। সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে সুপ্রীম কোর্ট দেশের সকল আদালতের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- সংবিধান বহির্ভূত সব কিছুকেই সুপ্রীম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করতে পারে।
- সুপ্রীম কোর্ট জনগণের মৌলিক অধিকারের সংরক্ষক ও সংবিধানের রক্ষক। 

সূত্র: বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৩৫৯.
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ কেন বিখ্যাত?
  1. ক) ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস
  2. খ) বঙ্গবন্ধুর রেসকোর্স ময়দানের ভাষণের জন্য
  3. গ) গণঅভ্যুত্থান দিবসের জন্য
  4. ঘ) ঐতিহাসিক ৬ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য মূল দাবি ছিল- ৪টি। যথা: ১. চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার, ২. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া, ৩. গণহত্যার তদন্ত করা এবং ৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
সূত্র: নবম-দশম শ্রেণি (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
২,৩৬০.
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির অধীনে বর্তমানে মোট কতটি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা
- শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানোর লক্ষ্যে ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে সম্প্র্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) চালু হয়।
- শুরুতে ছয়টি রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রদান করা হলেও বর্তমানে ১০টি রোগের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
এগুলো হলো:
- শিশুদের যক্ষ্মা
- পোলিও মাইলাইটিস
- ডিফথেরিয়া
- হুপিং কাশি
- মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার
- হেপাটাইটিস-বি
- হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ
- হাম
- রুবেলা
- নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী বর্তমানে সারা দেশে সকল প্রকার টিকা গ্রহণকারী শিশুদের হার ৮৬ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
২,৩৬১.
রামসাগর কার কীর্তি?
  1. ধর্মপাল
  2. গোপাল
  3. রামনাথ
  4. মহীপাল
ব্যাখ্যা
• রামসাগর কার রামনাথের কীর্তি।
• রামসাগর: 
- অবস্থান: দিনাজপুরে।
- বিখ্যাত রাজা রামনাথ, আলীবর্দী খানের সময়ে ১৭৫০থেকে ১৭৫৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে দীঘিটি খনন করেন। 
- আয়তন মোট ১৪৭ একর।
- রামসাগরের গভীরতা প্রায় ৩০ ফুট।
- এই সুগভীর দীঘির জল কোনদিনই শুকায় না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৬২.
মুজিবনগর সরকার গঠনে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. ক) আবদুল মান্নান
  2. খ) এস.এ সামাদ
  3. গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৩৬৩.
ঈদগাঁও উপজেলা কোথায় অবস্থিত ও এর আয়তন কত?
  1. কক্সবাজার ও ১১৯.৬৬ (ব.কি.মি)
  2. চট্টগ্রাম ও ১০৯.৬৬ (ব.কি.মি)
  3. কুমিল্লা ও ১১৯.৬৬ (ব.কি.মি)
  4. মাদারিপুর ও ১০৯.৬৬ (ব.কি.মি)
ব্যাখ্যা
ঈদগাঁও উপজেলা:
- ঈদগাঁও উপজেলা কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- এটির আয়তন ১১৯.৬৬ বর্গকিলোমিটার।
- এ উপজেলার উত্তরে চকরিয়া উপজেলা, দক্ষিণে কক্সবাজার সদর উপজেলা, পূর্বে রামু উপজেলা, পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলা।
- এটি কক্সবাজারের নবম উপজেলা।
- ঈদগাঁও দেশের ৪৯৫তম উপজেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৩৬৪.
দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
  1. নগদ
  2. উপায়
  3. বিকাশ
  4. রকেট
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
২,৩৬৫.
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫
  2. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  3. ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

শরিফ ওসমান হাদি:
- ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ছিলেন শরিফ ওসমান হাদি ।
- তিনি ঢাকা-৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে প্রচারে নেমেছিলেন ।
- ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর তিনি গুলিবিদ্ধ হন।
- উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর ওসমান হাদিকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়।
- ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সহযোদ্ধাদের চোখে তিনি এক লড়াকু যোদ্ধা।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিএসএস।

২,৩৬৬.
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে মেজর রফিকুল ইসলাম কোন সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৫নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

• ১নং সেক্টর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- এই সেক্টরে প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
- এদের মধ্যে ছিলেন ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট হাজার।
- এই বাহিনীর গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা। ১০ নং সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

২,৩৬৭.
কত খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁ দখলের মাধ্যমে ইলিয়াস শাহের সমগ্র বাংলার অধিকার সম্পন্ন হয়?
  1. ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে
  2. ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দে
  3. ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দে
  4. ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা
- ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দে ফিরোজাবাদের সিংহাসন অধিকারের মাধ্যমে ইলিয়াস শাহ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলার অধিপতি হন।
- সোনারগাঁ ও সাতগাঁও তখনও তাঁর শাসনের বাইরে ছিল।
- ইলিয়াস শাহের স্বপ্ন ছিল সমগ্র বাংলার অধিপতি হওয়া।
- তিনি প্রথম দৃষ্টি দেন বাংলার পশ্চিম দিকে।
- ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে সাতগাঁও তাঁর অধিকারে আসে।
- ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁয়ে ইলিয়াস শাহের হাতে পরাজিত হন।
- ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁ দখলের মাধ্যমে ইলিয়াস শাহের সমগ্র বাংলার অধিকার সম্পন্ন হয়।
- তাই বলা হয়, ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীনতার সূচনা করলেও প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে।
- বাংলার বাইরেও বিহারের কিছু অংশ- চম্পারণ, গোরক্ষপুর এবং কাশী ইলিয়াস শাহ জয় করেছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,৩৬৮.
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাংলাদেশে চলমান প্রকল্প কয়টি?
  1. ক) ৫০টি
  2. খ) ৬৫টি
  3. গ) ৫৫টি
  4. ঘ) ৪৫টি
ব্যাখ্যা
• বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বর্তমানে চলমান প্রকল্প – ৫৫টি। এসব প্রকল্পে প্রায় ১ হাজার ৫৬৯ কোটি ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।     

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২।
২,৩৬৯.
বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন -
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
• এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
• মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
• মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।     
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক (পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর হাতে বন্দি)।
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম - উপ-রাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এবং পদাধিকারবলে সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন)।  
• তাজউদ্দীন আহমদ - প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
• খন্দকার মোশতাক আহমদ - পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
• ক্যাপ্টেন (অব.) এম মনসুর আলী - অর্থ, শিল্প,বাণিজ্য,পরিবহন ও জাতীয় রাজস্ব মন্ত্রী। 
• এ এইচ এম কামারুজ্জামান - স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৩৭০.
দেশে বর্তমানে বিদেশী বানিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে কয়টি? [মে,২০২৫]
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
• ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি।
• বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।
-  সিটিব্যাংক এনএ;
- এইচএসবিসি;
- উরি ব্যাংক;
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন;
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড;
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ;
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান;
- ভারতীয় স্টেট ব্যাংক;
- ব্যাংক আলফালাহ্;

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২,৩৭১.
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদক চালু করে কোন মন্ত্রণালয়?
  1. ক) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. খ) মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. গ) যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক:
বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদান চিরস্মরণীয় করার লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই পদক প্রবর্তন করেছে সরকার।
- প্রতিবছর ৮ অগাস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীর জাতীয় অনুষ্ঠানে মনোনীতদের এই পদক দেওয়া হবে।
- রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া, সমাজসেবা, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, গবেষণা, কৃষি ও পল্লি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার জন্য ২০২১ সালে পাঁচজন বাংলাদেশি নারীকে এই পদক দেওয়া হয়।
২,৩৭২.
নিচের কোনটি পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি নয়?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) সাঁওতাল
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
• খাসিয়া:
- খাসিয়াদের মধ্যে হিন্দু, মুসলমান ও খ্রিস্টধর্মের প্রভাব লক্ষণীয়। খাসিয়া সম্প্রদায়ের পরিবর্তনটা তাদের ধর্মেই বেশি ঘটেছে।
- দেড় শতাধিক বছর পূর্বে খ্রিস্টান মিশনারিরা খাসিয়াদের মধ্যে ধর্মপ্রচার শুরু করেছিল।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে। 
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে। প্রতি রোববারে খ্রিস্টান খাসিয়ারা গির্জায় প্রার্থনা এবং পুঞ্জির বিষয়াদি নিয়ে কিছুক্ষণ আলাপ-আলোচনা করে।
- খ্রিস্টান যাজকগণ অনেক সময় পুঞ্জির বিচার-আচারেরও দায়িত্ব পালন করেন
- খাসিয়ারা গোড়া থেকেই একেশ্বরবাদী।তাদের বিশ্বাস, ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টির পর পৃথিবীতে একজোড়া নর-নারী সৃষ্টি করেছিলেন।
- বাংলাদেশের খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
 
• অন্যদিকে:
- বাংলাদেশের বসবাসকারী উপজাতির সংখ্যা- ৫০টি।
- এদের মধ্যে খাসিয়া ও গারো ছাড়া বাকি সব উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 
২,৩৭৩.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরউত্তম
  2. খ) বীরবিক্রম
  3. গ) বীরশ্রেষ্ঠ
  4. ঘ) বীরপ্রতীক
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
এর মধ্যে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীরশ্রেষ্ঠ। সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধি পান ৭ জন, দ্বিতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরউত্তম’ পান ৬৮ জন, তৃতীয় বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরবিক্রম’ পান ১৭৫ জন এবং চতুর্থ বীরত্বসূচক উপাধি ‘বীরপ্রতীক’ পান ৪২৬ জন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৩৭৪.
বাংলাদেশের কোথায় ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে ?
  1. ক) লালমাই পাহাড়ে
  2. খ) কুলাউড়া পাহাড়ে
  3. গ) চন্দ্রনাথ পাহাড়ে
  4. ঘ) গারো পাহাড়ে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মৌলভীবাজারের কুলাউড়া পাহাড়ে ইউরেনিয়ামের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- কক্সবাজারে তেজস্ক্রিয় বালু পাওয়া যায় যাকে ‘কালো সোনা’ বলা হয়।
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি অবস্থিত চট্টগ্রামের কুতুবদিয়ায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

 
২,৩৭৫.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. অনুপম
  3. ভাতি
  4. আকবর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
২,৩৭৬.
গ্লাসগোর জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের কোন চলচ্চিত্র প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হয়?
  1. ক) নদীর নাম মধুমতি
  2. খ) নোনা জলের কাব্য
  3. গ) নেকাব্বরের মহাপ্রয়াণ
  4. ঘ) রেহেনা মরিয়ম নূর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের তরুণ চলচ্চিত্রকার রেজওয়ান শাহরিয়ারের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘নোনা জলের কাব্য’ গ্ল্যাসগোর জলবায়ু সম্মেলনের ভেন্যুতে প্রদর্শিত হয়েছে।
- কপ-২৬ এর জন্য তৈরি গ্রিন জোনে ছবিটি দেখানো হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা কীভাবে বিপর্যস্ত হচ্ছে – সেটাই এই ছবির মূল কাহিনী।
উৎস : বিবিসি।
২,৩৭৭.
'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. লন্ডন
  2. মুম্বাই
  3. টোকিও
  4. নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১ আগস্ট ১৯৭১ তারিখে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয় ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ নামে একটি চ্যারিটি বা বেনিফিট কনসার্ট।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর।
- তার আহবানে সাড়া দিয়ে মার্কিন ব্যান্ডদল বিটলসের জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ এই কনসার্টে অংশগ্রহণ করেন।
- এই কনসার্ট থেকে সংগৃহীত আড়াই লাখ মার্কিন ডলার পরবর্তীকালে শরণার্থীদের জন্য ব্যয় করা হয়।
- কিছু অর্থ দিয়ে সহায়তা করা হয়েছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রকেও।
- এটি একটি সংগীতানুষ্ঠানই ছিল না, এই কনসার্ট ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক সাহসী প্রতিবাদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট।
২,৩৭৮.
বাংলাদেশের বিচার কাঠামোর সর্বোচ্চ বিভাগ কোনটি?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৭৯.
'The Concert for Bangladesh' কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১ আগস্ট, ১৯৭১ 
  2. ৩ আগস্ট, ১৯৭১ 
  3. ৯ আগস্ট, ১৯৭১ 
  4. ১১ আগস্ট, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উল্লেখ্য,
- ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ শুরু হয়েছিল পণ্ডিত রবিশঙ্করের একটি সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা দিয়ে।
- এ কনসার্টের জন্য তিনি তৈরি করেছিলেন ‘বাংলাদেশ ধুন’ বলে নতুন একটি সুর।
- আর তাঁর সঙ্গে সরোদে যুগলবন্দী ছিলেন ওস্তাদ আলী আকবর খান।
- তবলায় সহযোগিতা করেছিলেন বিখ্যাত আল্লারাখা।
- তানপুরায় ছিলেন কমলা চক্রবর্তী। সেদিন ম্যাডিসন স্কয়ারের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল প্রতিবাদী গানের রাজা বব ডিলান। 
- সেদিন বব ডিলানের সঙ্গে গিটার বাজিয়েছিলেন জর্জ হ্যারিসন, ব্যাস লিওন রাসেল ও ট্যাম্বুরিন রিঙ্গো স্টার।
- সে অনুষ্ঠানে বিটলসের অন্যতম সদস্য রিঙ্গো স্টার, লিওন রাসেল, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেস্টন, ডন প্রেস্টন প্রমুখ গান গেয়েছেন, গিটার বাজিয়েছেন।

এছাড়াও,
- জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC।

২,৩৮০.
২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করে কোন ক্রীড়া সংস্থা? 
  1. বাংলাদেশ জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় কাবাডি দল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক-২০২৫:
-  ২০২৫ সালে  ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক দেওয়া হয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক লাভ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

২,৩৮১.
বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বই কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ক) ২০১২ সালে
  2. খ) ২০১৫ সালে
  3. গ) ২০০১ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর লেখা বইসমূহ:

- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে। অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন। আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় বই কারাগারের রোজনামচা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা। এই বইও বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে রচনা করেন।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়। এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত। বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই আগস্ট ২০২০।
২,৩৮২.
১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়?
  1. ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকার শাসন সূচনা হয়
  2. কোম্পানির শাসন জারি থাকে
  3. ভারতের স্বাধীনতা ঘোষণা
  4. নতুন অস্ত্রের ব্যবহার হয়
ব্যাখ্যা
১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রাম (সিপাহী বিদ্রোহ):

- ১৮৫৭ সালের মে মাসে ভারতের মেরঠ শহরে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বিরুদ্ধে সিপাহীরা বিদ্রোহ শুরু করে।
- এই বিদ্রোহের প্রধান কারণ ছিল রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক নিপীড়ন।
- ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ভারতীয় জনগণ তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা হারিয়ে ফেলেছিল।
- সিপাহীরা নতুন এনফিল্ড রাইফেলের কার্তুজে গরু ও শূকরের চর্বি ব্যবহারের গুজবে ক্ষুব্ধ হয়।
- হিন্দু ও মুসলমান সিপাহীরা একত্রে বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করে।
- বিদ্রোহের আগুন প্রথমে জ্বলে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ বন্দুকের গুলি ছুড়ে বিদ্রোহের সূচনা করেন মঙ্গল পাণ্ডে নামে এক সিপাহি।
- দ্রুত এইবিদ্রোহ মিরাট, কানপুর,পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ,মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা দিল্লি দখল করে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহকে ভারতবর্ষের বাদশা বলে ঘোষণা করে।
- ব্রিটিশরা অত্যন্ত নিষ্ঠুরভাবে বিদ্রোহ দমন করে।
- ১৮৫৮ সালের মধ্যে বিদ্রোহ সম্পূর্ণভাবে দমন করা হয়।
- বিদ্রোহ ব্যর্থ হলেও এটি ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
-  এই ঘটনার মাধ্যমে ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সরকারের শাসন সূচনা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
২,৩৮৩.
সংসদীয় পরিভাষায় 'বুলেটিন' বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) সংসদের প্রত্যেক বৈঠকের কার্যপ্রণালীর সংক্ষিপ্ত বিবরন
  2. খ) সরকারি ঘোষণা বা ইশতেহার
  3. গ) এক প্রকার আপত্তি
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- সংসদের প্রত্যেক বৈঠকের কার্যপ্রণালীর সংক্ষিপ্ত বিবরনকে বুলেটিন বলে।
- সরকারি ঘোষণা বা ইশতেহারকে গেজেট বলে । কিন্তু সংসদ কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী গেজেট মানে দাঁড়ায় বাংলাদেশ গেজেট। 
- Point of Order হলো এক প্রকার আপত্তি । নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত  আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
২,৩৮৪.
নিচের কোনটি গমের জাত?
  1. ক) কাঞ্চন
  2. খ) আকবর
  3. গ) প্রতিভা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে এদেশে অধিক আবাদকৃত গম জাতের মধ্যে কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী ,বলাকা, দোয়েল, ও প্রতিভা রয়েছে।
•  তাছাড়া সৌরভ (বারি গম-১৯) ও গৌরব (বারি গম-২০) নামে ২টি উচ্চ ফলনশীল নতুন জাত অনুমোদিত হয়েছে।
তাছাড়া--
• ভূট্টা জাতের নাম ---- শুভ্রা, বর্ণালী, খৈ-ভূট্টা, মোহর।
• আলু জাতের নাম---- কুফরী ,সিন্দুরী, মুলটা, প্যাট্রোনিস, কার্ডিনাল, ডায়ামন্ট, মরিনি, ওরিগো হীরা, চমক, মন্ডিয়াল, আইলসা, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা, বিনেলা, আরিন্দা, রাজা ইত্যাদি।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
২,৩৮৫.
'মিন্টো' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. বেগুন
  2. মরিচ
  3. গম
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২,৩৮৬.
নিচের কোন ব্যবস্থাটি ভারত উপমহাদেশে লর্ড ক্যানিং প্রথম চালু করেন?
  1. ক) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা
  2. খ) সতীদাহ নিবারণ ব্যবস্থা
  3. গ) পুলিশ ব্যবস্থা
  4. ঘ) দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

১৮৬১ সালে ভারতীয় পুলিশ আইন পাসের মাধ্যমে লর্ড ক্যানিং ভারত উপমহাদেশে প্রথম পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেন। ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন লর্ড কর্নওয়ালিস। দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তক ছিলেন লর্ড ক্লাইভ এবং ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রোহিত করেন লর্ড বেন্টিং। সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

২,৩৮৭.
নিম্নের কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
-  ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট - রপ্তানির ২.৬৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
২,৩৮৮.
দেশে বর্তমানে সাক্ষরতার হার (৭ বছর+) কত? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫]
  1. ৭৪.৮%
  2. ৭৫.৪%
  3. ৭৬.২%
  4. ৭৭.৯%
  5. ৮০.১%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৩,৯৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৪,৩৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫

২,৩৮৯.
‘ষাট গম্বুজ’ মসজিদটি নিমার্ণ করেন-
  1. ক) হযরত আমানত শাহ
  2. খ) বায়েজীদ বোস্তামী
  3. গ) পীর খান জাহান আলী
  4. ঘ) সুফী শাহ মখদুম
ব্যাখ্যা
• ‘ষাট গম্বুজ’ মসজিদটি নিমার্ণ করেন- পীর খান জাহান আলী। 

- ষাটগম্বুজ মসজিদ  বাংলাদেশের প্রাচীন মসজিদগুলির মধ্যে বৃহত্তম এবং সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যের অন্যতম চিত্তাকর্ষক নিদর্শন।
- খান আল-আজম উলুগ খান জাহান, যিনি দক্ষিণ বাংলার এক বৃহৎ অংশ জয় করে তৎকালীন সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) সম্মানে বিজিত অঞ্চলের নামকরণ করেন  খলিফাতাবাদ।
- তিনিই সম্ভবত ষাটগম্বজ মসজিদের নির্মাতা।
- ১৪৫৯ সালে তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত  খান জাহান হাভেলি-খলিফাতাবাদ থেকে উক্ত অঞ্চল শাসন করেন।
- তাঁর শাসনকৃত অঞ্চলটিকে বর্তমান বাগেরহাটের সাথে অভিন্ন হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। 
-  ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
২,৩৯০.
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে?
  1. ক) স্বাধীনতার ঘোষণা
  2. খ) ৭ই মার্চের ভাষণ
  3. গ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ঘ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
ব্যাখ্যা
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে নতুন ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে সংযোজন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

প্রথম তফসিল
অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।

দ্বিতীয় তফসিল
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।

তৃতীয় তফসিল
শপথ ও ঘোষণা।

চতুর্থ তফসিল
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

পঞ্চম তফসিল
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।

ষষ্ঠ তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণা।

সপ্তম তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৩৯১.
কোন মুঘল সম্রাটের রাজত্বকালে বাংলায় কররানি (আফগান) শাসনের অবসান ঘটে?
  1. ক) হুমায়ুন
  2. খ) আকবর
  3. গ) জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) বাবর
ব্যাখ্যা
রাজমহলের যুদ্ধঃ
-১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে রাজমহলের নিকট মুঘল ও আফগানদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হয়।
-রাজমহলের যুদ্ধে দাউদ কররানির চূড়ান্ত পরাজয় ঘটে। ফলে মুঘল সম্রাট আকবর আফগানদের হাত থেকে বাংলার ক্ষমতা কেড়ে নেন।
-বাংলায় কররানি(আফগান) শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২,৩৯২.
’বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. ৫নং
  2. ৩নং
  3. ৭(১)নং
  4. ২নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৩নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।

অন্যদিকে,

• সংবিধানের ২নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।
• সংবিধানের ৫নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।
• সংবিধানের ৭(১)নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,৩৯৩.
‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’ এটি প্রমাণ করে কত সালের নির্বাচন?
  1. ক) ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  2. খ) ১৯৭৩ সালের নির্বাচন
  3. গ) ১৯৭০ সালের নির্বাচন
  4. ঘ) ১৯৬৬ সালের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে পূর্বপাকিস্তানের ২৩৭ আসনের মধ্যে যুক্ত ফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়লাভ করেন।
• ৩ এপ্রিল ১৯৫৪ সালে যুক্ত ফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।

• এ নির্বাচন ছিল মুসলিম লীগের অন্যায়, বৈষম্যমূলক, ব্যর্থ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ।
• এর মাধ্যমে বাঙ্গালীদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামের পথ উন্মোচিত হয় এবং এই আন্দোলন মুক্তিযুদ্ধের পথে সাধারণ মানুষকে উদ্ভদ্ধ করে।
• ১৯৫৪ সালের নির্বাচন ছিল প্রাপ্ত বয়স্কদের ভোটের ভিত্তিতে পাকিস্তানের প্রথম অবাধ নির্বাচন।
• নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের বিপুল বিজয় এ অঞ্চলের মানুষের মনে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।
 • তাদের প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবী জোরদার হয়।
• বাঙালি জাতি এ নির্বাচনের মাধ্যমে মুসলিম লীগকে বুঝিয়ে দেয় যে তারা পূর্ব বাংলায় মুসলিম লীগকে আর চায় না।
• এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের জয়লাভের মধ্যে দিয়ে পূর্ব বাংলার রাজনীতিতে ধর্মনিরপেক্ষ ধারার সৃষ্টি হয়।
• বাঙালিরা বাঙালি জাতীয়তাবাদী আদর্শের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে।

সুতরাং এ নির্বাচন প্রমাণ করে --‘জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস’


SOURCE: পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
২,৩৯৪.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ৭ জন
  2. ৬ জন
  3. ৫ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার:
- বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দনি আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে ১০ এপ্রিল একটি অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল নতুন সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে।
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয় ।

অস্থায়ী সরকারের  ৬ সদস্য বিশিষ্ট:
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: রাষ্ট্রপতি,
২. সৈয়দ নজরুল ইসলাম: উপ-রাষ্ট্রপতি, 
৩. তাজউদ্দিন আহমদ: প্রধানমন্ত্ৰী,  
8. খন্দকার মোশতাক আহমদ: পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্ৰী,  
৫. এম. মনসুর আলী: অর্থমন্ত্রী,
৬. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান: স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী, 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৩৯৫.
৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার 'সিলভার সেন্ট জর্জ অ্যাওয়ার্ড' লাভ করে কোন বাংলাদেশি চলচিত্র?
  1. ক) আদিম
  2. খ) হাওয়া
  3. গ) পিতা
  4. ঘ) বীর
ব্যাখ্যা
• ৪৪তম মস্কো আন্তর্জাতিক চলচিত্র উৎসবে বিশেষ জুরি পুরস্কার সিলভার সেন্ট জর্জ অ্যাওয়ার্ড লাভ করে বাংলাদেশি চলচিত্র – আদিম (পরিচালক যুবরাজ শামীম)। 

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।  
২,৩৯৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে বিসিআইসি এর অধীন চালু শিল্প-প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কতটি?
  1. ০৬টি
  2. ০৮টি
  3. ০৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতে সর্ববৃহৎ শিল্প সংস্থা হলো বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)।
- বিসিআইসি’র অধীনে বর্তমানে দেশে চালু শিল্প কারখানার সংখ্যা ১০টি।
- এগুলোর মধ্যে ৬টি সার কারখানা, ১টি কাগজকল, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা এবং ১টি স্যানিটারি ও ইন্স্যুলেটর কারখানা।
এছাড়া, যৌথ মালিকানাধীন কোম্পানির সংখ্যা ৯টি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১০৬)
২,৩৯৭.
মুক্তিযুদ্ধকালীন 'হেমায়েত বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. কুষ্টিয়া
  3. বরিশাল
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

২,৩৯৮.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ করা হয়?
  1. চাঁদপুর
  2. দিনাজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুমচাষ পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- পাহাড়ী  এলাকায় তারা প্রধানত জুম চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।
- সাধারণত জুম চাষের জন্য কৃষিভূমি স্থানান্তর করা হয়।
- প্রথমে জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করে তাতে আগুন দেয়া হয় এবং তারপর মাটি কুপিয়ে লাইন ধরে বীজ রোপন করা হয়।
- একবার যে ভূমিতে ফসল ফলানো হয় তাতে এক নাগাড়ে চাষ না করে কয়েক বৎসরের জন্য জমিকে বিশ্রাম দিয়ে পতিত রাখা হয়।
- পুনরায় জঙ্গলাকীর্ণ হওয়ার পর এ জমিতে পুনর্বার চাষ হয়।
- জুম চাষের মাধ্যমে ভুট্টা, বিভিন্ন প্রকারের ধান, তিল, শাকসজি, তুলা।

উল্লেখ্য, 
- ইলিশের জন্য বিখ্যাত চাঁদপুর জেলা।
- দিনাজপুর সবচেয়ে বেশী গম উৎপাদন হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় ধান উৎপাদন বেশী হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২,৩৯৯.
১৯৭১ সালের '২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা' সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৪০০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কে ছিলেন?
  1. ক) অধ্যাপক ওসমান গণি
  2. খ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. গ) অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী
  4. ঘ) ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
ব্যাখ্যা
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত ছিলেন। 
- ১৯৭১ সালে জেনেভায় অবস্থানকালে পূর্ব পাকিস্তানে পাকবাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে তিনি উপাচার্য পদে ইস্তফা দেন।
- মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে জেনেভা থেকে তিনি লন্ডন যান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট হন।
- স্বাধীনতার পর বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।