বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২২ / ৩০৬ · ২,১০১২,২০০ / ৩০,৮৩২

২,১০১.
বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর প্রধান-
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) সেনাপ্রধান
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী:

- বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর প্রধান রাষ্ট্রপতি
- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ (AFD) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি বিভাগ।
- বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ১৯৭৮ সালে উত্থাপিত হয়
- ২১ নভেম্বরকে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- এই বিভাগটি তিনটি পরিষেবার জন্য একটি যৌথ সমন্বয়কারী সদর দপ্তর এবং যুদ্ধ পরিস্থিতির সময় জয়েন্ট কমান্ড সেন্টার (জেসিসি) হিসাবে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,১০২.
চট্টগ্রামের নাম 'ইসলামাবাদ' কে রাখেন?
  1. ইসলাম খান 
  2. শায়েস্তা খান
  3. ঈশা খাঁ
  4. মীর জুমলা
ব্যাখ্যা

শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খান ছিলেন বাংলার মুঘল সুবাদার।
- তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা।
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাহদার নিযুক্ত হন।
- তাঁর শাসনামলে তিনি কুচবিহার বিদ্রোহ দমন করেন, চট্টগ্রাম জয় ও মগ দস্যুদের বিতাড়িত করেন (১৬৬৬ সালে)।
- শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম অঞ্চলের নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- তাঁর শাসনামলে টাকায় আট মণ চাল পাওয়া যেত।

• স্থাপত্য ও নির্মাণকর্ম- 
- লালবাগ কেল্লা,
- শায়েস্তা খান মসজিদ,
- ছোট কাটরা,
- সাত গম্বুজ মসজিদ,
- চক মসজিদ প্রভৃতি নির্মাণ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,১০৩.
টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম হ্যাট্রিককারী বোলার কে?
  1. ক) মোহাম্মদ রফিক
  2. খ) সোহাগ গাজী
  3. গ) শাহাদাত হোসেন
  4. ঘ) মঞ্জুরুল ইসলাম
  5. ঙ) অলক কাপালি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পক্ষে টেস্টে হ্যাট্রিককারী বাংলাদেশী খেলোয়াড় পার্ট টাইম লেগস্পিনার - অলক কাপালি। ২০০৩ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি এই গৌরব অর্জন করেন। বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম হ্যাট্রিককারী বোলার - শাহাদাত হোসেন। ২০০৬ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিনি এই গৌরব অর্জন করেন।
২,১০৪.
দেশের প্রধান সড়কসমূহ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব কোন সংস্থার উপর ন্যস্ত?
  1. পরিকল্পনা কমিশন
  2. পল্লী উন্নয়ন বোর্ড
  3. সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর
  4. স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
মহাসড়ক নির্মাণ, উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ: 
- দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সুদৃঢ় সড়ক, সেতু, উড়ালসেতু, ফেরী, টানেল ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 
- একটি দেশের সড়ক নেটওয়ার্ক সে দেশের অন্যতম প্রধান বিনিয়োগ, যা দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের ভিত্তিরূপে কাজ করে।
- নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে একটি সুরক্ষিত সড়ক অবকাঠামো ব্যবস্থা।
- যেহেতু সরকার প্রতি বছর সড়ক অবকাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক বিনিয়োগ করে, সেহেতু সড়ক অবকাঠামোকে নির্ধারিত সময়ের পূর্বে দ্রুত অবক্ষয় হতে রক্ষা করার বিষয়ে সরকারের দৃষ্টি নিবদ্ধ করা প্রয়োজন।
- যথাযথ সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত ব্যয় হ্রাসের পাশাপাশি সামগ্রিকভাবে সড়ক পরিবহন ব্যয় হ্রাস করে।
- একটি সড়ক সংস্থাকে সড়কসমূহের সুষ্ঠু রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে কারিগরি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং অর্থায়ন এর মতো গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়।
- দেশের প্রধান সড়কসমূহ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতাধীন সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উপর ন্যস্ত।
- এ লক্ষ্যে একটি নীতি-কাঠামোর মধ্যে সফলভাবে সড়ক রক্ষণাবেক্ষণের বর্ণিত চ্যালেঞ্জসমূহ অতিক্রম করে সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য একটি দক্ষ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সম্ভব।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১০৫.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. খ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামরুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
২,১০৬.
ঢাকায় নিচের কোন সংস্থাটির সদরদপ্তর অবস্থিত?
  1. ক) SAARC
  2. খ) ESCAP
  3. গ) IJSG
  4. ঘ) ACU
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।
অন্যদিকে,
- SAARC সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল
- ESCAP সদরদপ্তর : ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
- ACU সদরদপ্তর : তেহরান, ইরান।
(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
২,১০৭.
পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে প্রাচীন বা আদি নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) মুরং
  2. খ) চাকমা
  3. গ) লুসাই
  4. ঘ) মারমা
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে প্রাচীন হলো মুরং বা ম্রো সম্প্রদায়। এরা আনুমানিক ১৪৩০ খ্রিষ্টাব্দে আরাকান রাজ্য থেকে বান্দরবান জেলায় এসে বসতি স্থাপন করে। বান্দরবান জেলায় বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজারের অধিক মুরং জনগোষ্ঠী বাস করে যা সংখ্যায় বান্দরবানের দ্বিতীয় বৃহত্তম সম্প্রদায়। (সূত্র: বান্দরবান জেলা ও নৃগোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট)
২,১০৮.
সংবিধান অনুযায়ী কোন অপরাধে ন্যূনতম কত বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না?
  1. ৩ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ১ বছর
  4. ২ বছর
ব্যাখ্যা

সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১০৯.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি আয়ে তৃতীয় অবস্থানে কোনটি?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. হোম টেক্সটাইল
  3. কৃষিপণ্য
  4. পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ৩৮.৭৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানি আয়ে বিভিন্ন পণ্যের অবদান:
- প্রথম : তৈরি পোশাক (৩১.৪৫ বিলিয়ন ডলার)
- দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য (১১৬১.৪৮ মিলিয়ন ডলার)
- তৃতীয় : হোম টেক্সটাইল (১১৩২ মিলিয়ন ডলার)
- চতুর্থ : কৃষিপণ্য (১০২৮.১৪ মিলিয়ন ডলার)
- পঞ্চম : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৯৪১.৬৭ মিলিয়ন ডলার)।
(তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
২,১১০.
CPD-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Council for Public Development
  2. Centre for Planning and Development
  3. Committee for Political Discussion
  4. Center for Policy Dialogue
ব্যাখ্যা

CPD:
- CPD-এর পূর্ণরূপ: Center for Policy Dialogue.
- CPD হলো বাংলাদেশের একটি বেসরকারি গবেষণা সংস্থা যা সরকারি বিভিন্ন বাণিজ্যিক পদক্ষেপের বিষয়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কাজ করে।
- এটি ১৯৯৩ সালে অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত।
- সিপিডির লক্ষ্য বাংলাদেশের নাগরিক সমাজের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের জন্য একটি চাহিদা-চালিত এবং জবাবদিহিমূলক উন্নয়ন প্রক্রিয়া গড়ে তোলা, তথ্যবহুল বিতর্ক উদ্দীপিত করা, জ্ঞান তৈরি করা এবং গবেষণা, সংলাপ, প্রচার এবং সমর্থনের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণকে প্রভাবিত করা।

উৎস -  CPD ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

২,১১১.
বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার শপথ গ্রহণ করার সময় মুজিবনগর তৎকালীন কোন জেলায় অবস্থিত ছিলো?
  1. ক) যশোর
  2. খ) নোয়াখালী
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। এখানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। তখন এটি ‍বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অধীন ছিলো। মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো। এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
২,১১২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি সেনার সংখ্যা কত ছিল?
  1. ৮৯ হাজার
  2. ৯১ হাজার
  3. ৯৩ হাজার
  4. ৯৭ হাজার
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সকালে মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- ১৬ ডিসেম্বর বিকালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহ্রাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর ৯৩ হাজার সৈন্য বিনা শর্তে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- এই আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলের সম্মিলিত বাহিনী প্রধান লেঃ জেনারেল জগজিত সিং অরোরা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় অধিনায়ক লেঃ জেঃ এ কে নিয়াজী।
- এই আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ-সেনা প্রধান ও বিমান বাহিনী প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়।
- প্রতি বছর এই দিনটি "বিজয় দিবস" হিসাবে পালিত হয়।

এছাড়াও,
- এই অনুষ্ঠানে মুক্তিবাহিনীর নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন এস ফোর্স অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কে এম সফিউল্লাহ, ২নং সেক্টরের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মেজর এ টি এম হায়দার এবং টাঙ্গাইল মুক্তি বাহিনীর অধিনায়ক জনাব কাদের সিদ্দিকী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণি। 
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১১৩.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন:
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি
- ১৯৮৮ সাল পর্যন্ত এ প্রতিষ্ঠানটির নাম ছিল আণবিক শক্তি কমিশন। 
- বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন বাংলাদেশের একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অন্যতম নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হল, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আণবিক শক্তি উৎপাদন ও এটি নিয়ে গবেষণা করা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ওয়েবসাইট।
২,১১৪.
বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান কে ছিলেন?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ: 
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান।
- একজন যোগ্য শাসক ও কূটকৌশলী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি নিজ নামে মুদ্রা জারি করেন।
- তিনি তাঁর রাজ্যসীমা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অনেকটা সম্প্রসারণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিজয় করেন এবং এ পর্যন্ত সমগ্র ভূ-ভাগে তাঁর সুদৃঢ় নিয়ন্ত্রণে ছিল।
- তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ নির্মাণ করেছিলেন বলে জানা যায়।

উল্লেখ্য
- তিনি একজন বিচক্ষণ ও প্রজাহিতৈষী শাসক ছিলেন।
- তিনি তাঁর রাজ্যে অনেক মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ ইত্যাদি নির্মাণ করেন।
- তিনি আউলিয়া, পীর-দরবেশ ও ফকিরদের উদার পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- ফলে চট্টগ্রাম থেকে পুরো পূর্ববঙ্গে ইসলাম ধর্মের ব্যাপক প্রচার ও প্রসার ঘটে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১১৫.
নির্ণায়ক ভোট প্রদান করেন কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. চীফ হুইপ
  3. স্পিকার
  4. সংরক্ষিত মহিলা সাংসদ
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের কোন প্রস্তাবে বা সিদ্ধান্তে সভাপতি হিসেবে স্পিকার প্রদত্ত ভোটকে ‘নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট’ বলে।
- তবে স্পিকার সবক্ষেত্রে তার ভোটাধিকার প্রদান করতে পারে না। কোন প্রস্তাব পাশের ক্ষেত্রে যখন প্রস্তাবের পক্ষে ও বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট পড়ে, কেবল সেক্ষেত্রেই স্পিকার ‘নির্ণায়ক ভোট’ প্রয়োগ করতে পারেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
২,১১৬.
উপমহাদেশে আগত সর্বশেষ ইউরোপীয় বণিক কোম্পানি কোনটি?
  1. ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  2. ডেনিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি
  3. ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি 
  4. ব্রিটিশ ইন্ডিয়া কোম্পানি
ব্যাখ্যা

ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি উপমহাদেশে আগত সর্বশেষ ইউরোপীয় বণিক কোম্পানি।
- ১৬৬৪ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক কোম্পানিটি সর্বপ্রথম সুরাটে ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে এবং পরের বছর মুসলিপট্টমে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া ১৬৭৩ খ্রিস্টাব্দে পন্ডিচেরীতে গড়ে তোলে ফরাসি উপনিবেশ।
- ১৬৭৪ খ্রিস্টাব্দের পর থেকে ফরাসিরা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাংলায় সম্প্রসারিত করে।
- ফরাসি কোম্পানি বাংলা, বিহার, উড়িষ্যায় নির্দিষ্ট হারে শুল্ক প্রদানের শর্তে বাণিজ্য করার অধিকার লাভ করে।
- ফরাসি বণিকরা যখন এদেশে বাণিজ্য করতে আসে ইংরেজ বণিকরা তখন ব্যবসায় বাণিজ্যে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত।
- ইংরেজদের ষড়যন্ত্র, কূটকৌশল, উন্নত রণ কৌশলের কাছে শেষ পর্যন্ত ফরাসিরা পরাজিত হয়।
- তাছাড়া বাংলার নবাবের পক্ষ অবলম্বন করায় এবং ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে পলাশীর যুদ্ধে ইংরেজদের সাফল্য তাদেরকে আরও পর্যুদস্ত করে ফেলে।
- স্বাভাবিকভাবে বাংলায় অবস্থিত ফরাসি কুঠিগুলো ইংরেজদের দখলে চলে যায়।
- দাক্ষিণাত্যের কর্ণাটকের যুদ্ধসমূহে ফরাসি কোম্পানির পরাজয় তাদের এদেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১১৭.
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের বয়সসীমা সর্বোচ্চ কত?
  1. ক) ৫১ বছর
  2. খ) ৬০ বছর
  3. গ) ৬৫ বছর
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের সর্বোচ্চ কোনো বয়সসীমা নেই।

• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ‌ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারের যোগ্যতা :

- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে সুপারিশ করার ক্ষেত্রে তার নিম্নরূপ যোগ্যতা থাকতে হবে, যথা:-
(ক) তাকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে;
(খ) তার বয়স ন্যূনতম ৫০ (পঞ্চাশ) বছর হতে হবে; এবং
(গ) কোনো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি, বিচার বিভাগীয়, আধা-সরকারি, বেসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত পদে বা পেশায় তাঁহার অন্যূন ২০ (বিশ) বৎসরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকিতে হইবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,১১৮.
ম্যাথ(MATH) মডেল কী?
  1. ক) পাহাড়ি অঞ্চলের ভূমির ক্ষয়রোধের পদ্ধতি
  2. খ) সমতল ভূমিতে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধির পদ্ধতি
  3. গ) পাহাড়ী অঞ্চলের উপযোগী চাষাবাদের পদ্ধতি
  4. ঘ) স্থায়ী বনায়ন সৃষ্টির একটি পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

MATH এর পূর্ণ নাম Modern Agricultural Technology in the Hills. এটি হচ্ছে পাহাড়ী অঞ্চলের উপযোগী চাষাবাদের একটি মডেল।
এই মডেলের বিশেষত্বঃ
- এটি ভূমির ক্ষয়রোধ করে।
- ভূমির উর্বরতা বাড়ায়।
- একই জমিতে উন্নত পদ্বতিতে চাষাবাদ করে ফসল উৎপাদন করা যায়।
- পাহাড়ী কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব।
- এই মডেলের মাধ্যমে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর জুম চাষ পর্যায়ক্রমে বিলুপ্ত করা সম্ভব।
(রেফারেন্সঃ ais.gov.bd)

২,১১৯.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেছেন কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নভেরা আহমেদ
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  4. শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা

অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর।

২,১২০.
নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে কয় বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে? [জুন, ২০২৪]
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নেপাল থেকে বিদ্যুৎ আমদানির জন্য বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে ৫ বছর মেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।


৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি:
- নেপাল জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করে, যা তুলনামূলক সস্তা।
- নেপাল থেকে এ বিদ্যুৎ আমদানির জন্য মে, ২০২৩ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে পাঁচ বছর মেয়াদি চুক্তি হয়।
- চুক্তিতে বলা হয়, নেপালের এক প্রকল্প থেকে ২৪ মেগাওয়াট এবং আরেক প্রকল্প থেকে ১৬ মেগাওয়াট, মোট ৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- এই চুক্তির আওতায়, ১১ জুন, ২০২৪ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। 
- নেপাল থেকে ৫ বছরের জন্য ৪০ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ আমদানি করবে সরকার।
- প্রতি ইউনিটের খরচ ৮ টাকা ১৭ পয়সা। 
- ভারতীয় গ্রিড ব্যবহার করে বাংলাদেশে আসবে এই বিদ্যুৎ। 
- এই বিদ্যুতের জন্য বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ৫ বছরের জন্য ৬৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নিয়েছে। 
- নেপাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়ে চুক্তি করবে।

উৎস: i) ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
        ii) ১১ জুন, ২০২২, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
২,১২১.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মোট আসন কয়টি?
  1. ২২৩টি
  2. ২৩০টি
  3. ২৭২টি
  4. ১৫১টি
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনঃ
- ২৮টি রাজনৈতিক দল থেকে ১৯৭০ প্রার্থী অংশগ্রহণ করেন।
- যার মধ্যে সতন্ত্র প্রার্থী ৪৩৬ জন।
- নারী প্রার্থী ৯৪ জন (বিজয়ী ২০ জন) ।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী প্রার্থী ৭৯ জন ।
- তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী ১ জন।
- নির্বাচনী ফলাফলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২২৪ আসনে বিজয় পায়।
- জাতীয় পার্টি ১১ আসনে বিজয় পায়।
- ওয়ার্কার্স পার্টি ১, জাসদ ১, কল্যাণ পার্টি ১ আসনে বিজয় পায়।
- এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২ আসনে বিজয়ী হয়েছেন। 
- সংসদে সংরক্ষিত ৫০ নারী আসনের মাঝে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ৪৮ আসন পায়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মোট আসন সংখ্যা ২২৪ (নির্বাচিত) + ৪৮ (সংরক্ষিত নারী) = ২৭২টি । 

উৎসঃ LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)। 
২,১২২.
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয় কোন সালে?
  1. ক) ২০০০
  2. খ) ২০০২
  3. গ) ২০০৩
  4. ঘ) ২০০১
ব্যাখ্যা

উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে গ্রেডিং পদ্ধতি চালু হয় ২০০৩ সালে। তবে এসএসসি (মাধ্যমিক) পর্যায়ে তা ২০০১ সালেই চালু হয়।
(সূত্র: শিক্ষা মন্ত্রণালয়)

২,১২৩.
নিচের কোন কাজটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির এখতিয়ারে নেই?
  1. ক) সংসদ অধিবেশন আহ্বান
  2. খ) জাতীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ
  4. ঘ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭২ নং অনুচ্ছেদের ১ নং দফা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন। তবে এই দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর ‍লিখিত পরামর্শ অনুসরণ করে থাকেন। 
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় স্পিকার যথাক্রমে জাতীয় সংসদের নেতা ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- আর চিপ হুইপ সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বিধানের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- তবে বাংলাদেশের সংবিধান দ্বারা রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা অনেক সীমাবদ্ধ করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
২,১২৪.
বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) মিশ্র অর্থনীতি
  2. খ) বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
  3. গ) কৃষির উপর নির্ভরশীলতা
  4. ঘ) শিল্পোন্নত
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ।
- সুতরাং উন্নয়নশীল অর্থনীতির সকল বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কম-বেশি দেখতে পাওয়া য়ায়।

• নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো:
- স্বল্প মাথাপিছু আয়।
- কৃষির উপর নির্ভরশীলতা
- প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার।
- শিল্পের অনগ্রসর
- জনসংখ্যার চাপ।
- মিশ্র অর্থনীতি
- সস্তা শ্রম।
- বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
- মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি।

সূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,১২৫.
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী 
  2. অর্থসচিব
  3. পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

২,১২৬.
মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ‘রাইফেল রুটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) শওকত ওসমান
  2. খ) আনিসুল হক
  3. গ) সৈয়দ শামসুল হক
  4. ঘ) আনোয়ার পাশা
ব্যাখ্যা
আনোয়ার পাশা রচিত কাব্যঃ নদী নিঃশেষিত হলে, সমুদ্র শৃঙ্খলতা উজ্জয়িনী, অন্যান্য কবিতা। তার রচিত গল্পগ্রন্থ - নিরুপায় হরিণী। তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর প্রথম উপন্যাস রচনা করেন। রাইফেল রোটি আওরাত- ১৯৭১ সালের এপ্রিল লেখা শুরু করে জুনে শেষ করেন। [উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য]
২,১২৭.
কোন দেশ ২০২৪ সালের নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ ২০২৪:
- ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথমবার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে।
- ২০২৪ সালে টানা দ্বিতীয়বার নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশীপ জয় করে বাংলাদেশের মেয়েরা।
- ২০২৪ সালের ৩০ অক্টোবর, কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ফাইনালে নেপালের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ।
- ফাইনাল খেলায় বাংলাদেশ ২–১ ব্যবধানে জিতে দ্বিতীয় বারের মতো সাফ শিরোপা জিতেছিল।
- বাফুফের নতুন সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

উৎস: প্রথম আলো।
২,১২৮.
সার্ভে অ্যাক্ট পাস হয় কত সালে?
  1. ১৮৭৫ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৭৭৫ সালে
  4. ১৮৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
সার্ভে অ্যাক্ট:
- ব্রিটিশ সরকার এদেশে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করার পর জমিদারগণ ভূমির মালিক হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। তারা প্রজাচাষীর ভাল-মন্দ, সুখ-দু:খ, সুযোগ সুবিধার দিকে মোটেও তাকাত না। ফলে কৃষকের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে। অনেকে কৃষি কর্ম ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যেতে থাকে। ফলে কৃষি জমি অনাবাদি থাকার উপক্রম হয়। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে কৃষক বিদ্রোহ দেখা দেয়। ইত্যাকার কারণে ইংরেজদের দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে এবং কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এ আইন প্রণয়নের চিন্তা করে।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৮৭৫ সনে ইংরেজ সরকার বঙ্গীয় সার্ভে আইন পাশ করে।

⇒ কিন্ত কৃষকদের স্বার্থ রক্ষায় এ আইন যথেষ্ট না হওয়ায় ১৮৮৫ সনে বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন প্রণয়ন করা হয়।
- ১৮৮৩ সনের ২ মার্চ আইনটি ভারতীয় আইন সভায় পেশ করা হয় এবং ১৮৮৫ সনে তা অনুমোদন লাভ করে।
- উল্লিখিত আইনের অধীনে খতিয়ান প্রণয়ন কাজ পর্যালোচনার জন্য ১৮৮৪ সনে ভূমি রেকর্ড ও কৃষি নামে একটি দপ্তর সৃষ্টি করা হয়।
- দপ্তরটির নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব দেয়া হয় বোর্ড অব রেভিনিউর হাতে।
- ১৮৮৮ সনে কৃষি একটি স্বতন্ত্র দপ্তর হিসেবে গঠিত হওয়ায় দপ্তরটি ভূমি রেকর্ড দপ্তর নামে পরিচিতি লাভ করে।
- তখন জরিপ কাজ পরিচালনা করত সার্ভে অব ইন্ডিয়া নামে অন্য একটি প্রতিষ্ঠান।

উৎস: ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
২,১২৯.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ৫.১৪%
  2. ৪.৩৪%
  3. ৩.৩৩%
  4. ৬.৭৪%
ব্যাখ্যা

• সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%। 

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাব: :

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

২,১৩০.
What does NPSB stand for in Bangladesh's banking sector?
  1. National Payment System of Banks
  2. National Payment Switch Bangladesh
  3. National Processing Service Bureau 
  4. Network Payment and Settlement Board
ব্যাখ্যা

NPSB:
- NPSB-এর পূর্ণরূপ: National Payment Switch Bangladesh.

⇒ NPSB হলো বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় ইলেকট্রনিক রিটায়েল লেনদেন প্ল্যাটফর্ম।
- NPSB সিস্টেম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয়।
- NPSB পদ্ধতির আওতায় বর্তমানে আন্তঃব্যাংক অটোমেটেড টেলার মেশিন (এটিএম), পয়েন্ট অফ সেলস (পিওএস), ইন্টারনেট ব্যাংকিং ফান্ড ট্রান্সফার (আইবিএফটি) লেনদেন প্রক্রিয়া করছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ইলেকট্রনিক ফান্ডস্ ট্রান্সফার নেটওয়ার্ক (BEFTN)। বাংলাদেশে ব্যাংকিং ব্যবস্থায় অত্যান্ত চমৎকার একটি ব্যাংকিং সেবা। যার মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার নিকটাবর্তী যে কোনো একটি ব্যাংকের শাখা থেকে থেকে অতি অল্প সময়ে ও কম খরচে অন্য আরেকটি ব্যাংকের যে কোনো শাখায় টাকা পাঠাতে পারবেন। এটির মাধ্যমে ক্রেডিট ও ডেবিট দুই ধরনেরই লেনদেন করা যায়। বাংলাদেশে কার্যরত সব তফশিলি ব্রাংক BEFTN-এর মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে অর্থ লেনদেন সেবা দিচ্ছে।
- এনপিএসবি ও বিইএফটিএন ছাড়াও আরেকটি পেমেন্ট সিস্টেম রয়েছে আরটিজিএস (RTGS) বা রিয়েল টাইম গ্রোস সিস্টেম (Real Time Gross System)। এ পেমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্য গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

২,১৩১.
তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম কী ছিল?
  1. বাংলা ভাষার অধিকার
  2. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  4. উর্দু বনাম বাংলা
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৩২.
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  2. নারী পুরুষের সমান অধিকার
  3. সমাবেশের স্বাধীনতা
  4. বাকৃ-স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(১ ) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষ ভেদে রাষ্ট্র কোন নাগরিকের প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করবেনা।
• বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে- নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবে।

এছাড়াও 
• সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
• সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- সমাবেশের স্বাধীনতার কথা বর্ণনা করা আছে।
• সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
২,১৩৩.
'শিং বোঙ্গা' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রধান দেবতা?
  1. বম
  2. মুন্ডা
  3. কোল
  4. রনজোগী
ব্যাখ্যা
মুন্ডা:
- মুন্ডা বাংলাদেশে বসবাসরত অন্যতম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল, সিলেট জেলার চা বাগান এবং বৃহত্তর যশোর এবং খুলনা জেলায় এদের বসবাস।
- মুন্ডারা নিজেদের মধ্যে মুন্ডারী ভাষায় কথা বলে।
- মুন্ডাদের পোশাকের নাম হাতকা।
- মৃত্যুর পর মুন্ডাদের মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলাই রীতি।
- ধর্ম বিশ্বাসে মুন্ডারা প্রকৃতি পূজারী।
- তাদের প্রধান দেবতা হচ্ছেন শিং বোঙ্গা। তাদের মতে, তিনিই এ বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন এবং পরিচালনা করছেন।
- গ্রাম পূজা মুন্ডাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,১৩৪.
ভূমিকর কোন ধরণের কর?
  1. প্রত্যক্ষ
  2. পরোক্ষ
  3. মূল্য সংযোজন
  4. উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

• ’ভূমিকর’ একটি প্রত্যক্ষ কর।
- ভূমি কর জমির মালিকানা বা ভোগদখলের ভিত্তিতে জমির মালিকের উপর সরাসরি ধার্য হয়।

• প্রত্যক্ষ কর:
⇒ কোন ব্যক্তির উপর আরোপিত কর সরকার প্রত্যক্ষভাবে আদায় করলে এবং করদাতা ঐ করের বোঝা অন্যের উপর চাপিয়ে দিতে সক্ষম না হলে তাকে প্রত্যক্ষ কর বলে।
যেমন: আয়কর, ভূমিকর, মুনাফা কর, ব্যয়কর ইত্যাদি।

• পরোক্ষ কর:
⇒ করদাতা নিজে প্রত্যক্ষভাবে বা সরাসরি কর প্রদান না করে অন্য কোনো মাধ্যমে সরকারকে কর প্রদান করলে তাকে পরোক্ষ কর বলে।
যেমন: মূসক, আমদানি শুল্ক, বিক্রিয় কর, পণ্যকর ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বই।

২,১৩৫.
দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠিকার নাম কী?
  1. ক) শ্যামলী
  2. খ) অপরাজিতা
  3. গ) অঞ্জনা
  4. ঘ) সোমা
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ‘এআই’ সংবাদ উপস্থাপক: 
- দেশের প্রথম ‘এআই’ সংবাদ উপস্থাপক অপরাজিতা।
- প্রথমবারের মতো দেশের কোনো টিভি চ্যানেলে দেখা গেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সংবাদ উপস্থাপক।
- ১৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে বেসরকারি টিভি নেটওয়ার্ক চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের পর্দায় হাজির হয়েছেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ উপস্থাপক অপরাজিতা।

উৎস: ১৯ জুলাই, ২০২৩, The Daily Star বাংলা।
২,১৩৬.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়?
  1. ৪টি

  2. ৯টি

  3. ১০টি

  4. ১১টি

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হওয়ার পর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সামরিক, বেসামরিক জনগণকে নিয়ে একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১০ই এপ্রিল সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়
- এ ছাড়া বেশ কিছু সাব-সেক্টর এবং তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
- এসব সেক্টরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত বাঙালি সেনা কর্মকর্তা, সেনাসদস্য, পুলিশ, ইপিআর, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যগণ যোগদান করেন।
- প্রতিটি সেক্টরেই নিয়মিত সেনা, গেরিলা ও সাধারণ যোদ্ধা ছিল।
- এরা মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিফৌজ নামে পরিচিত ছিল।
- এসব বাহিনীতে দেশের ছাত্র, যুবক, নারী, কৃষক, রাজনৈতিক দলের কর্মী-সমর্থক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নিয়েছিল।
- ভারতের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ শেষে যোদ্ধাগণ দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে পাকিস্তানি সামরিক ছাউনি বা আস্তানায় হামলা চালায়।
- মুক্তিযুদ্ধে সরকারের অধীন বিভিন্ন বাহিনী ছাড়াও বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে উঠেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৩৭.
সিপাহি বিদ্রোহের ফলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে
  2. মুঘল সাম্রাজ্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়
  3. ব্রিটিশরা ভারত ছেড়ে চলে যায়
  4. ফরাসিদের আগমন ঘটে
ব্যাখ্যা

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মধ্য দিয়ে এই বিদ্রোহের সূচনা হয়।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র।
- বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

⇒ উল্লেখ্য:
- সিপাহি বিদ্রোহের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়৷
• পরোক্ষ কারণ: রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।
• প্রত্যক্ষ কারণ: ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়। এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো। গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে। এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু- মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে ৷

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৩৮.
`মাটির ময়না‘ ছবি নির্মাণ করেন কে?
  1. ক) অপর্ণা সেন
  2. খ) মৃণাল সেন
  3. গ) তারেক মাসুদ
  4. ঘ) মুস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা
- মুক্তির গান (১৯৯৫) হলো তারেক মাসুদ ও তার স্ত্রী ক্যাথেরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।

তারেক মাসুদ পরিচালিত অন্যান্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- সোনার বেড়ি
- অন্তর্যাত্রা
- আদম সুরত
- মাটির ময়না
- রানওয়ে প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় দৈনিক)
২,১৩৯.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১৫
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১২
  4. ঘ) ২০১১
ব্যাখ্যা
• ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
• এর অধীনে ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান।
• ৩ এপ্রিল তত্ত্বাবধায়ক সরকার শপথ গ্রহণ করে।
• এর আগে ১৯৯০ সালে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হলেও এর সাংবিধানিক ভিত্তি ছিলো না।
• ফখরুদ্দিন আহমেদ সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন।
• ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,১৪০.
বাংলাদেশের মোট ভৌগলিক নির্দেশক (GI) পণ্য কতটি?
  1. ৬০টি
  2. ৬১টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬২টি
ব্যাখ্যা

( এটি একটি চলমান/সাম্প্রতিক প্রশ্ন। এ ধরণের প্রশ্নগুলোর উত্তর সর্বদা পরিবর্তনশীল)

- ১০ এ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশের মঞ্জুরকৃত জিআই পণ্য ৬২ টি।
- ৬২ তম জিআই পণ্য- কালিগঞ্জের তোয়ালে।

• জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- বর্তমানে দেশে জিআই পণ্য ৬২টি। (১০ এ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত)।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর [লিংক] ও প্রথম আলো।

২,১৪১.
জাতিসংঘ কত সালে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

LDC:
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

⇒ জাতিসংঘ ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
- জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া সাতটি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

২,১৪২.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ কত সালে প্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) ২০১৩
  2. খ) ২০১০
  3. গ) ২০১১
  4. ঘ) ২০১২
২,১৪৩.
IEDCR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Institute of Epidemiology, Infectious Diseases Control & Research
  2. খ) Institute of Epidemiology, Disease Control and Research
  3. গ) Infectious Diseases & Epidemiology Research Organisations
  4. ঘ) International Epidemiology, Diseases Control & Research Centre
ব্যাখ্যা
IEDCR এর পূর্ণরূপ হলো Institute of Epidemiology, Disease Control & Research.
এটি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান যা ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত। এটি ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর বর্তমান পরিচালক অধ্যাপক ডা. তাহমিনা শিরিন৷
IEDCR বাংলাদেশে সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধ ও গবেষণায় কাজ করে।
(সূত্রঃ IEDCR ওয়েবসাইট)
২,১৪৪.
আদমশুমারি-২০১১ অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি-
  1. ক) রংপুর বিভাগে
  2. খ) রাজশাহী বিভাগে
  3. গ) সিলেট বিভাগে
  4. ঘ) বরিশাল বিভাগে
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি ও গৃহগণনা শুমারি ২০১১ অনুযায়ী,
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি সিলেট বিভাগে।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বেশি ঢাকা বিভাগে।

২,১৪৫.
‘মেগাস্থিনিস’ কে ছিলেন? 
  1. সিজারের প্রেরিত দূত
  2. সেলুকাসের প্রেরিত দূত
  3. আলেকজান্ডারের প্রেরিত দূত
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

সেলুকাসের দূত মেগাস্থিনিস চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজসভায় আসেন এবং তার রচিত 'ইন্ডিকা' গ্রন্থ থেকে মৌর্য সমাজ ও শাসনব্যবস্থা সম্পর্কে জানা যায়।  

মেগাস্থিনিস:

- ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত।
- ‘ইন্ডিকা’ গ্রন্থের রচয়িতা মেগাস্থিনিস।
- এই গ্রন্থে চন্দ্রগুপ্তের ব্যক্তিগত জীবন ও শাসন ব্যবস্থার বিস্তৃত বর্ণনা আছে।
- তিনি গ্রীক বিশ্বের কাছে পরিচিত ভারতের সবচেয়ে সম্পূর্ণ বিবরণ দিয়েছেন।
- মেগাস্থেনিসের কাজের প্রধান ত্রুটিগুলি ছিল -
- বিবরণে ভুল,
- ভারতীয় লোককাহিনীর একটি সমালোচনামূলক গ্রহণযোগ্যতা
- গ্রীক দর্শনের মানদণ্ডে ভারতীয় সংস্কৃতিকে আদর্শ করার প্রবণতা।

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় & ব্রিটানিকা।

২,১৪৬.
 'বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. কক্সবাজার
  3. নেত্রকোণা
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি:
- বিরিশিরি কালচারাল একাডেমি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিরিশিরি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি নেত্রকোণা জেলায় অবস্থিত।
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীণ একটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি মূল দুটি শাখার মাধ্যমে তার কাজ সম্পাদন করে থাকে।
- একটি সাংস্কৃতিক শাখা এবং অন্যটি গবেষণা শাখা।
- এ ছাড়াও রয়েছে একটি ছোট্ট নৃ-তাত্ত্বিক মিউজিয়াম এবং লাইব্রেরী।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীয়দের বিলীয়মান সংস্কৃতি সংরক্ষণ, অবিরত চর্চার মাধ্যমে তা ধরে রাখা এবং সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীকে সংস্কৃতি-সচেতন হতে সহায়তা করা এবং উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটি কাজ করে থাকে।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি ওয়েবসাইট।

২,১৪৭.
জাতীয় সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সম্পূরক বাজেট পাস হয়েছে কবে?
  1. ৬ জুন, ২০২৪
  2. ৮ জুন, ২০২৪
  3. ১০ জুন, ২০২৪
  4. ৩০ জুন, ২০২৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

 ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল-২০২৪’

- জাতীয় সংসদে চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জন্য ৩৭ হাজার ৮১৭ কোটি ৪০ লাখ ৫৭ হাজার টাকার সম্পূরক বাজেট পাস হয়েছে।
- ১০ জুন, ২০২৪ তারিখে  অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী ‘নির্দিষ্টকরণ (সম্পূরক) বিল-২০২৪’ সংসদে তোলেন। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
- ৩০ জুন,২০২৪ তারিখে  শেষ হয়ে যাওয়া অর্থবছরের কার্যক্রম নির্বাহের জন্য সংযুক্ত তহবিল থেকে মঞ্জুরিকৃত অর্থের বেশি বরাদ্দ ও নির্দিষ্টকরণের কর্তৃত্ব দেওয়ার জন্য এই সম্পূরক বিল আনা হয়।
- চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটে ৬২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অনুকূলে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল।
- সংশোধিত বাজেটে ২২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দ বেড়েছে ৩৭ হাজার ৮১৭ কোটি টাকা।
- ৪০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বাজেট অপরিবর্তিত রয়েছে বা হ্রাস পেয়েছে।
- সার্বিকভাবে ৪৭ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা হ্রাস পেয়ে সংশোধিত বাজেট হয়েছে ৭ লাখ ১৪ হাজার ৪১৮ কোটি টাকা।
- সম্পূরক বাজেটে সর্বোচ্চ ১২ হাজার ৬৪৯ কোটি ৩৩ লাখ ৬৮ হাজার টাকা পেয়েছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

সূত্র- অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
২,১৪৮.
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন -
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. স্যার এ. এফ. রহমান
  4. ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান যা 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' নামে পরিচিত।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের নাম ছিলো 'নাথান কমিশন'। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ। 
- উপ-মহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চেন্সেলর ছিলেন স্যার এ. এফ. রহমান। 
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট। 
২,১৪৯.
সনজিদা খাতুন একজন -
  1. মহিলা দাবাড়ু
  2. রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী
  3. পরমাণু বিজ্ঞানী
  4. ভাস্কর্য শিল্পী
ব্যাখ্যা

- সনজিদা খাতুন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অন্যতম ব্যক্তিত্ব। তিনি একাধারে রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী, লেখক, গবেষক, সংগঠক, সঙ্গীতজ্ঞ এবং শিক্ষক।
- তিনি বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং বর্তমানে সভাপতি।
- সম্প্রতি ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী সম্মাননায় ভূষিত করে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)

২,১৫০.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৬২
  2. ব্রি ধান ৬৪
  3. ব্রি ধান ৭২
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো:
- ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২,১৫১.
বাংলাদেশ থেকে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
  2. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  3. করভি রাখসান্দ
  4. বর্ণিত সকলেই
ব্যাখ্যা
র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার: 
- ২০২৩ সালে এশিয়ার নোবেলখ্যাত র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার পেয়েছেন জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাখসান্দ
- তার সাথে এই পুরস্কার পেয়েছেন আরও ৩ জন — ভারতের রবি কান্নান আর., পূর্ব তিমুরের ইগুয়েনিও লেমোস ও ফিলিপাইনের মিরিয়াম করোনেল–ফেরের।
- বাংলাদেশ থেকে মোট ১৩ জন এই পুরস্কার পেয়েছেন।
- বাংলাদেশ থেকে এর আগে ড. মুহাম্মদ ইউনুস, ফজলে হাসান আবেদ, মতিউর রহমান, জাফরুল্লাহ চৌধুরী, ও সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান সহ আরও অনেকেই এই পুরস্কার পেয়েছেন।

উৎস: র‌্যামন ম্যাগসেসে ওয়েবসাইট।
The Daily Star বাংলা (আগস্ট ৩১, ২০২৩)।
২,১৫২.
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭১ সালে গঠিত মুজিবনগর সরকারের কোন পদে নিযুক্ত ছিলেন?
  1. ক) পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী
  2. খ) আইন ও বিচার বিষয়ক মন্ত্রী
  3. গ) বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি
  4. ঘ) নয়াদিল্লীস্থ বাংলাদেশ মিশন প্রধান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
- পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাই তাঁরই নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন
নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

- এই সরকারের বিশেষ কুটনৈতিক প্রতিনিধি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘সাপ্তাহিক জয়বাংলা’।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি এবং জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
 ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হয়।

তথ্যসূত্র: - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৫৩.
কোন মুঘল সম্রাট 'দ্বীন-ই-ইলাহী' এর প্রবর্তন করেন?
  1. বাবর
  2. আকবর
  3. হুমায়ুন
  4. জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
দীন-ই-ইলাহী:
- সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে 'দীন-ই-ইলাহী' নামে একেশ্বরবাদমূলক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
- সকল ধর্মের সারবস্তু নিয়ে এই ধর্মমত গঠিত হয়। এই ধর্মমতের কালেমা ছিল 'লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আকবর খলিফাতুল্লাহ'।
- দীন-ই-ইলাহী রীতি-নীতি, বিধানগুলো ছিল নিম্নরূপ:
• এই ধর্মের অনুসারীগণ পরস্পর দেখা হলে, 'আসসালামু আলাইকুম' এর পরিবর্তে 'আল্লাহু আকবার' এবং প্রত্যুত্তরে 'ওয়া আলাইকুম আস্সালাম' না বলে 'জাল্লাজালালুহু' বলা।
• এই ধর্মীয় বিধান অনুসারে মৃত্যুর পরে নয়, মৃত্যুর পূর্বেই দাওয়াত বা আমন্ত্রণের ব্যবস্থা করা।
• সভ্যগণ নিজ নিজ জন্মদিন পালন এবং ভোজের আয়োজন করবেন।
• সভ্যগণ ভিক্ষা প্রদান করবেন কিন্তু ভিক্ষা গ্রহণ করবেন না।
• এই ধর্মমত গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা হবে না।

সম্রাট আকবরের শাসনকাল:
- সম্রাট আকবর ভারতে মোগল শাসন বিস্তার ও সুদৃঢ় করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন।
- এসব পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে তার রাজপুত নীতি, ভূমি ব্যবস্থা তথা মনসবদারী প্রথা ইত্যাদি।
- ভারতে মোগল রাজ্য বিস্তারের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান শক্তি ছিল রাজপুত জাতি।
- জাতিগতভাবে রাজপুতরা ছিল বীর ও স্বজাত্যবোধে সচেতন যোদ্ধা।
- তিনি রাজা টোডরমল, রাজা বিহারী মল, ভগবান দাস এবং মানসিংহকে প্রশাসনের উচ্চ পদে নিযুক্ত করেন।
- তিনি কবি পণ্ডিত ও চিত্রশিল্পীদের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকবরের রাজপুত নীতি মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।
- সম্রাট আকবরের ভূমি শাসন ব্যবস্থা অনন্য কৃতিত্বের দাবীদার।
- রাজা টোডরমল সম্রাট আকবরের অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৫৪.
 বাংলাদেশের বার্ষিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা (২০২৫-২০২৬) কত?
  1. ৫ লাখ ৫২ হাজার কোটি
  2. ৫ লাখ ৫৬ হাজার কোটি
  3. ৫ লাখ ৫৯ হাজার কোটি
  4. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি
ব্যাখ্যা

বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

২,১৫৫.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।      

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,১৫৬.
'গাড়ি চলে না' গানের গীতিকার কে?
  1.  শাহ্ আব্দুল করীম
  2. বাপ্পা মজুমদার
  3. ফকির লালনশাহ্
  4. দলছুট
ব্যাখ্যা

' গাড়ি চলে না' গানের গীতিকার -  শাহ্ আব্দুল করীম।

• শাহ্‌ আবদুল করিম:

- লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার, সুরকার শাহ আবদুল করিমের জন্ম ১৯১৬ সালে সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে। 
- তাঁর জীবনের প্রথমপর্বে সঙ্গীতের দীক্ষা ঘটেছিল বাংলা ভাবসাধক ও বাউল পরিমন্ডলে।
- প্রথম জীবনে তিনি বাউল, ভক্তিমূলক, জারি, সারি, রাধাকৃষ্ণবিষয়ক পালাগান গেয়েছেন। কিন্তু পরিণত বয়সে তিনি গণসঙ্গীত রচনা ও পরিবেশনে খ্যাতি অর্জন করেন।
- সঙ্গীতজীবনের একদিকে তিনি ছিলেন গণচেতনার সঙ্গীত রচয়িতা, সুরকার ও গায়ক, অন্যদিকে ছিলেন বাউল-আঙ্গিকের সঙ্গীতশিল্পী। 
-  কৈশোরকাল থেকেই গণসঙ্গীতের প্রতি শাহ আবদুল করিমের আকর্ষণ ছিল। সম্ভবত জীবনের বাস্তবতা তাঁকে গণসঙ্গীত রচনায় উদ্বুদ্ধ করে।

তাঁর কিছু বিখ্যাত সঙ্গীতের পঙ্‌ক্তি এ রকম:
- আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।
- কেমনে ভুলিবো আমি বাঁচি না তারে ছাড়া।
- গাড়ি চলে না, চলে না, নারে।
- বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে।
- গান গাই আমার মনরে বুঝাই।
- আইলায় না আইলায় নারে বন্ধু।
- বসন্ত বাতাসে সইগো, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২,১৫৭.
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কোন্ ধরনের অধিকার?
  1. ব্যাক্তিগত
  2. সামাজিক
  3. রাষ্ট্রীয়
  4. নীতিগত
ব্যাখ্যা

→ সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সামাজিক অধিকার।

♦ সামাজিক অধিকার:
- যে সকল অধিকার সভ্য সমাজে বাস করার জন্য প্রয়োজন তাকে সামাজিক অধিকার বলে।
- সামাজিক অধিকারসমূহ নিম্নরূপ :
• জীবনের অধিকার,
• ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার,
• চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকার,
• সভা- সমিতির অধিকার,
• চলাফেরার অধিকার,
• চুক্তি সম্পাদনের অধিকার,
• আইনের চোখে সমানাধিকার,
• সম্পত্তির অধিকার,
• ধর্মের অধিকার,
• পরিবার গঠনের অধিকার,
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার লাভের অধিকার,
• শিক্ষার অধিকার ইত্যাদি।

♦ উল্লেখ্য:
● ব্যক্তিক অধিকার:
- ব্যক্তি জীবনের পবিত্রতা এবং ব্যক্তিত্বের বিকাশ ও রক্ষার জন্য ব্যক্তি যে সব অধিকার লাভ তাকে ব্যক্তিক অধিকার বলে।
- ব্যক্তিক অধিকার সমূহ -
• জীবনের নিরাপত্তা লাভ,
• নির্বিঘ্নে জীবন যাপন,
• নিজ ধর্ম নির্ভয়ে পালন,
• নিজের রুচি সংরক্ষণ,
• গৃহের গোপনীয়তা রক্ষা,
• চিঠি-পত্রের গোপনীয়তা রক্ষা,
• নিজের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ,
• জামিন লাভের অধিকার ব্যক্তিগত অধিকার।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও পৌরনীতি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়৷

২,১৫৮.
What is the capacity of Matarbari power plant?
  1. 800 MW
  2. 1,000 MW
  3. 1,200 MW
  4. 1,400 MW
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের ১,৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১২০০ ইউনিট। 
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
- ২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।
- পরীক্ষামূলক উৎপাদনের শুরুতে ৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। 

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
২,১৫৯.
‘মনপুরা ৭০’ চিত্রকর্মটির বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ
  2. ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস
  3. ১৯৭২ সালের সাইক্লোন
  4. ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন জীবনের ২৯ বছর বাংলাদেশের শিল্প আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। 
- জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালে দুর্ভিক্ষ চিত্রমালার জন্য বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- এ ছাড়াও তার বিখ্যাত শিল্পকর্মগুলোর মধ্যে নৌকা (১৯৫৭), সংগ্রাম(১৯৫৯), বীর মুক্তিযোদ্ধা(১৯৭১), ম্যাডোনা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ১৯৭০ সালে তিনি গ্রামবাংলার উৎসব নিয়ে আঁকেন বিখ্যাত ৬৫ ফুট দীর্ঘ ছবি ‘নবান্ন’। 
- ‘সোনার বাংলার শ্মশান’ হওয়ার আখ্যান ছিল ‘নবান্ন’।
- এর পরপরই বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় প্রচন্ড সাইক্লোন ও জলোচ্ছ্বাসের আঘাতে তিন লক্ষাধিক মানুষ প্রাণ হারান। 
- ১৯৭০ সালের জলোচ্ছ্বাস নিয়ে ‘মনপুরা ৭০’ শীর্ষক ৩০ ফুট দৈর্ঘ্যের আরেকটি স্ক্রলচিত্র আঁকেন তিনি।
- এছাড়াও তার ভিন্নধর্মী ছবির মধ্যে আমারা দেখি সাঁওতাল দম্পতি, সাঁওতাল রমণীদ্বয়, মই দেওয়া, সংগ্রাম, বিদ্রোহী, কিংবা কাদায় পড়া কাঠবোঝাই গরুর গাড়ি ঠেলার মতো চিত্রকর্ম।

উৎস: ভয়েস অফ আমেরিকা বাংলা (অক্টোবর ২৬, ২০২৩)।
২,১৬০.
১৭ অক্টোবর ২০২৪ সালে ন্যায্যমূল্যে অত্যাবশ্যকীয় কৃষিজাত পণ্য বিক্রির জন্য কোন অ্যাপ চালু করা হয়?
  1. কৃষক ডট কম
  2. ফসল ডট কম
  3. পণ্য ডট কম
  4. ফার্মারস ডট কম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------- 
• ১৭ অক্টোবর ২০২৪ ন্যায্যমূল্যে অত্যাবশকীয় কৃষিজাত পণ্য বিক্রির জন্যে — ফসল ডট কম অ্যাপ চালু করা হয়।

ফসল ডট কম:
- ১৭ অক্টোবর ২০২৪ - 
ঢাকা মহানগরের কারওয়ান বাজারস্থ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) চত্তরে ফসল ডট কম লিমিটেড কর্তৃক ন্যায্যমূল্যে অত্যাবশকীয় কৃষিজাত দ্রব্যাদি বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
- ফসল ডটকমের প্রতিষ্ঠাতা সাকিব হোসাইন। 

উৎস: প্রথম আলো, দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকা রিপোর্ট।
২,১৬১.
২০২৫ সালে চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের কততম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে?
  1. ৯৯ তম
  2. ১০০ তম
  3. ১০১ তম
  4. ১০২ তম
ব্যাখ্যা
চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান:
- ২০২৫ সালে বরেণ্য চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের ১০১তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।
- ১৯২৪ সালের ১০ আগস্ট শিল্পী সুলতান নড়াইল শহরের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান। ছোটবেলায় তার চিত্রাঙ্কনে সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ হয়। 
- তার শিল্পকর্মের বিষয় ছিল বাংলার কৃষক, জেলে, তাঁতি, কামার ও কুমারের জীবন-যাপন এবং তাদের সংগ্রামী জীবনের ছবি। 
- ১৯৪৬ সালে তাঁর প্রথম একক চিত্রপ্রদর্শনী হয় লাহোরে।
- ১৯৫০-এর দশকে কেমব্রিজ, লন্ডন, নিউইয়র্কসহ ইউরোপের বিভিন্ন গ্যালারিতে তাঁর চিত্র প্রদর্শিত হয়।
- চিত্রশিল্পের মূল্যায়ন হিসেবে এস এম সুলতান ১৯৮২ সালে পেয়েছেন একুশে পদক, ১৯৯৩ সালে স্বাধীনতা পদক, ১৯৮৪ সালে রেসিডেন্ট আর্টিস্ট স্বীকৃতি, ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ চারুশিল্পী সংসদ সম্মাননা।
- এছাড়া, ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘ম্যান অব দ্য ইয়ার’, নিউইয়র্কের বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে ‘ম্যান অব অ্যাচিভমেন্ট’ এবং এশিয়া উইক পত্রিকা থেকে ‘ম্যান অব এশিয়া’ সম্মাননাসহ বিভিন্ন পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর এই মহৎ শিল্পী পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।
- নড়াইলের নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় তাকে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]
২,১৬২.
”ধর্মীয় স্বাধীনতা” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু?
  1. ৪৫নং
  2. ৪১নং
  3. ৪৬নং
  4. ৪২নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  ধর্মীয় স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৪২নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সম্পত্তির অধিকার।
• সংবিধানের ৪৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
• সংবিধানের ৪৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,১৬৩.
সাংবিধানিকভাবে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন কোনটি?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) অষ্টম
ব্যাখ্যা

• ১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান ছিলেন বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ। তবে এটি সাংবিধানিক ভাবে স্বীকৃত ছিলো না।
• ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
• এর ফলে ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

 তথ্যসূত্র:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।        

২,১৬৪.
ভোলা জেলাকে বরিশালের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে কোন নদী?
  1. তেঁতুলিয়া
  2. কীর্তনখোলা
  3. ধানসিঁড়ি
  4. পশুর
ব্যাখ্যা

ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা। 
- বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপজেলা ভোলা। 
- বরিশাল বিভাগের পূর্ব অংশ ভোলা জেলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তেঁতুলিয়া নদী একে মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star বাংলা।

২,১৬৫.
নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের বর্তমান চেয়ারম্যান কে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. ফেরদৌস আরা
  2. খিলখিল কাজী
  3. এহসান মাহমুদ
  4. ড. লীনা তাপসী খান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------
নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ড:
- কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ড পুনর্গঠন করেছে সরকার। 
- বোর্ডের চেয়ারম্যান করা হয়েছে কবি নজরুলের নাতনি খিলখিল কাজীকে।
- বোর্ডের সদস্যরা হলেন:
- কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক এহসান মাহমুদ,
- নজরুল সংগীত শিল্পী ফেরদৌস আরা,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের অধ্যাপক ড. লীনা তাপসী খান,
- নজরুল গবেষক মো. জেহাদ উদ্দিন,
- সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্ম-সচিব ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি।

সূত্র- ডেইলি স্টার।
২,১৬৬.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক 'বিবাহ' নাটকটি কার লেখা?
  1. সেলিম আল দীন
  2. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
  3. মামুনুর রশিদ
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
ব্যাখ্যা

বিবাহ:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ।
- মমতাজউদদীন আহমদের ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।
- একে একে তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে।
- হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই চলচ্চিত্রে মতিন উদ্দিন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মমতাজউদদীন আহমদের।

উল্লেখ্য,
- কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে পথিকৃৎ মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে।

উৎস: The Daily Star Bangla.

২,১৬৭.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. লিটন দাস
  2. নাজমুল হোসেন শান্ত
  3. মেহেদী হাসান মিরাজ
  4. মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ:
- বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন মুশফিকুর রহিম। 

⇒ প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট খেলেছেন মুশফিকুর রহিম।
- বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ড সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি। 
- আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম ইনিংসে ১০৬ রানের ইনিংস খেলেন মুশফিক।
- এতে বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির মাইলফলক স্পর্শ করেন তিনি।  
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট ইতিহাসের অষ্টম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে জয় পেয়েছেন তিনি। মুশফিকের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম উল হক, রিকি পন্টিং, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, জো রুট ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো।

২,১৬৮.
'ফোর্ট উইলিয়াম' দুর্গ কোথায় নির্মিত হয়েছিল?
  1. বলেশ্বর
  2. হায়দ্রাবাদ
  3. কলকাতা
  4. মাদ্রাজ
ব্যাখ্যা

ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার:
-পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের বাণিজ্যিক সাফল্য ও এদেশের বিপুল ধন-সম্পদের বর্ণনা ইংরেজ বণিকদের মনে এদেশে বাণিজ্য করার আগ্রহ সৃষ্টি করে।
-১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদী সনদ নিয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলা থেকে বিতাড়িত হলে ইংরেজগণ বালেশ্বরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং করমণ্ডল উপকূলে কিছু জমি নিয়ে একটি দুর্গ নির্মাণ করে এবং এ দুর্গই পরে মাদ্রাজ শহরে পরিণত হয়।
-১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে ইংরেজগণ হুগলিতে আসে এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে সেখানে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।
- ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে মুম্বাই ইজারা দেন।
-১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে জব চার্নক ভাগীরথী নদীর তীরে ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতা, সূতানটি ও গোবিন্দপুর এ তিনটি গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কিনে নেন।
- পরবর্তীকালে উপমহাদেশের ভাগ্য নির্ধারণকারী দুর্গ ফোর্ট উইলিয়াম কলকাতায় নির্মিত হয়। 
- ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ারের অনুমতি নিয়ে ইংরেজগণ বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাইয়ে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৬৯.
নিচের কোন রাজনৈতিক দলটি ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি?
  1. ন্যাপ (ভাসানী)
  2. পিডিপি
  3. জামায়াতে-ইসলামী
  4. ন্যাপ (ওয়ালী)
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ এবং ১৭ ডিসেম্বর পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পূর্ব পাকিস্তানের সকল রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করলেও মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী নেতৃত্বাধীন ন্যাপ অংশগ্রহণ করেনি।
- প্রাদেশিক পরিষদের ১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৯৮টি লাভ করে।
- জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তানের ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৭টি সংরক্ষিত নারী আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,১৭০.
'১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
‘১৯৭১: গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর:
- ১৯৭১: গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর খুলনায় অবস্থিত।
- এখানে আছে বাঙালির মুক্তি, স্বাধীনতার স্পৃহা আর মুক্তিযুদ্ধকালের সবচেয়ে মর্মন্তুদ পর্বের অসংখ্য নিদর্শন।
- সেগুলোর সামনে দাঁড়ালে দর্শনার্থীর চোখে ভেসে ওঠে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্মমুহূর্তের যন্ত্রণার দিনগুলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের উৎসাহে ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনায় এই জাদুঘর যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৫ সালের আগস্টে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নগরের ২৬ সাউথ সেন্ট্রাল রোডের দ্বিতল একটি বাড়ি উপহার দেন।
- সংস্কারের পর ২০১৬ সালের ২৬ মার্চ সেই বাড়িতে স্থানান্তর হয় জাদুঘরটি।
- ১৯৭১ সালের গণহত্যা-নির্যাতনের নিদর্শন সংরক্ষণ, বধ্যভূমি ও গণকবর-সংক্রান্ত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা, গণকবর ও বধ্যভূমি চিহ্নিত করা এবং গবেষণা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে তারা।

উৎস: প্রথম আলো।
২,১৭১.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ১২টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে নৌ সেক্টর ছিলো ১০নং সেক্টর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টর এবং মুজিবনগর ৮নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- সেক্টর প্রধানরা সেক্টর কমান্ডার নামে পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী

২,১৭২.
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী ব্যাক্তি কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) নেদারল্যান্ড
  3. গ) রাশিয়া
  4. ঘ) সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
[উইলিয়াম উডারল্যান্ড - বীরপ্রতীক] ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড একমাত্র বিদেশি যাঁকে বাংলাদেশ সরকার ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত করেছে। অস্ট্রেলিয়া ওডারল্যান্ডের পিতৃভূমি হলেও ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর তাঁর জন্ম হল্যান্ডের (নেদেরল্যান্ড) রাজধানী আমস্টারডামে। [সূত্র: প্রথম আলো]
২,১৭৩.
আর্যজাতি আগমন কোন দেশ থেকে হয়েছিল?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) ইরান
  3. গ) চীন
  4. ঘ) ভুটান
ব্যাখ্যা
ইরানের মালভূমি অঞ্চল থেকে আর্যদের ভারতে আগমন ঘটে।
- ভারতে আর্যদের আগমন ও অভিযান চলতে থাকে ধীরে ধীরে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে।
- এই আগমনের সূচনা ঘটে খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে।
- প্রথমদিকে আর্যবসতি গড়ে উঠে পূর্ব-পাঞ্জাবে এবং শতদ্রু ও যমুনা নদীর মধ্যবর্তী অঞ্চলে। এই অঞ্চল আর্যাবর্ত নামে পরিচিত।
- আর্যরা ক্রমে স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে মিশে যেতে থাকে। এভাবে দেহের দিক থেকে তাদের অনেকটা পরিবর্তন দেখা যায়। এই মিশ্রণের মধ্য
দিয়ে ভারতে এক সময় একটি উচ্চতর সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল। যেখানে আর্য ও দ্রাবিড় রীতির অনেক কিছুই খুঁজে পাওয়া যায়।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭৪.
প্রবাসীদের আয়ের সিংহভাগ আসে-
  1. ক) ইউরোপীয়ান দেশসমূহ থেকে
  2. খ) মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে
  3. গ) আমেরিকান দেশসমূহ থেকে
  4. ঘ) আফ্রিকান দেশসমূহ থেকে
ব্যাখ্যা
প্রবাসীদের আয়ের সিংহভাগ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে। রেমিট্যান্স এর ক্ষেত্রে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে, সৌদি আরব (১৮.৮%); সংযুক্ত আরব আমিরাত (১৫.৭%) এবং যুক্তরাষ্ট্র (১১.৩%) শীর্ষে অবস্থান করছে।
২,১৭৫.
NDB -এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য দেশ ছিল কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

• নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB):
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক বা NDB মূলত BRICS জোটের উদ্যোগে গঠিত একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- BRICS-এর পাঁচ দেশ (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) ২০১৪ সালের ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- পরে ২০১৫ সালে ব্যাংকটি আনুষ্ঠানিকভাবে তার কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার সময় NDB-এর সদস্য ছিল মাত্র পাঁচটি BRICS দেশই।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিশর, উরুগুয়ে এবং সাম্প্রতিক সময়ে আলজেরিয়া যোগ দেওয়ায় বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৯টি দেশ।
- ব্যাংকের সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- ব্যাংকটির মূল লক্ষ্য হলো-
• উন্নয়নশীল ও উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোতে অবকাঠামো উন্নয়ন;
• এবং টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে ঋণ ও অর্থায়ন প্রদান করা। 
- এটি বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ-এর একটি বিকল্প আর্থিক প্রতিষ্ঠান হিসেবেও বিবেচিত হয়। 

উৎস: New Development Bank Official Website.

২,১৭৬.
বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎস কোনটি?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৭৭.
‘শেখ মুজিব কার্যত ঢাকার সরকার।' - ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলনে ঢাকার পরিস্থিতি সম্পর্কে এ মন্তব্য করেন -
  1. ক) জুলফিকার আলী ভুট্টো
  2. খ) জেনারেল টিক্কা খান
  3. গ) এয়ার মার্শাল (অব.) আসগর খান
  4. ঘ) খান বাহাদুর আবদুল কাইউম খান
ব্যাখ্যা

সাত মার্চ পরবর্তী পরিস্থিতি এবং স্বাধীনতার প্রস্তুতি শুরু

- শেখ মুজিবের ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম' ঘোষণার প্রেক্ষিতে সর্বাত্মক হরতাল পালনের পাশাপাশি সর্বত্র কালো পতাকা উত্তোলন, মিছিল, সমাবেশ শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ ছাড়াও পূর্ব পাকিস্তানের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দল অসহযোগ আন্দোলনের প্রতি সমর্থন দেয়।
- ৭ মার্চ থেকেই আওয়ামী লীগের নির্দেশে দেশ চলতে থাকে।
- ঢাকা সফর শেষে করাচিতে গণঐক্য আন্দোলনের নেতা এয়ার মার্শাল (অব.) আসগর খান বলেন,

“শেখ মুজিব কার্যত ঢাকার সরকার, সেখানে সব সরকারি কর্মচারী ও সচিবরা তাঁর নির্দেশ পালন করছে। ঢাকায় কেবল সামরিক সদর দপ্তরে পাকিস্তানি পতাকা উড়ছে।”


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭৮.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য 'স্বাধীনতা সংগ্রাম'-এর স্থপতি কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. তানভীর কবির
  3. শামীম শিকদার
  4. শ্যামল চৌধুরী
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা সংগ্রাম:
- স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি বাঙালি জাতির গৌরবোজ্জ্বল সংগ্রামের ইতিহাসকে ধারণ করে নির্মিত।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য।
- শামীম শিকদার এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত।
- ১৯৯৯ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটি উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য,
- ভাস্কর্যটি মহান ভাষা অন্দোলন থেকে শুরু করে ৬৬-র স্বাধিকার আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭১-এর ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা সংগ্রামের আহ্বান, ২৫শে মার্চের কালরাত্রি, ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতা ঘোষণা, ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জনের বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
- এ ভাস্কর্যে আরো তুলে ধরা হয়েছে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার প্রতীক আমাদের লাল সবুজের পতাকা। 

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ১১ ডিসেম্বর, ২০২১, সময়ের আলো।
২,১৭৯.
সরকারী কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করেন কার নিকট? 
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

সরকারী কর্ম কমিশন: 
- সংবিধানের ১৪১ অনুচ্ছেদে বার্ষিক রিপোর্ট সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করবেন।
 - যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করবেন।

এছাড়াও,
- সংবিধানের নবম ভাগের ২য় পরিচ্ছেদে সরকারী কর্ম কমিশন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে রয়েছে সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,১৮০.
সংবিধানের ১০৩নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. সুপ্রীম কোর্টের আসন
  2. হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
  3. আপীল বিভাগের এখতিয়ার
  4. আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপীল বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৪ - আপীল বিভাগের পরোয়ানা জারী ও নির্বাহ।
- অনুচ্ছেদ ১০৫ - আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬ - সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৭ - সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০৮ - "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১০৯ - আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ ১১০ - অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২,১৮১.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'দামাল' পরিচালনা করেছেন -
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. মোরশেদুল ইসলাম
  3. তারেক মাসুদ
  4. রায়হান রাফি
ব্যাখ্যা

দামাল:
- দামাল একটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে 'দামাল'-এর কাহিনি।
- ফুটবল খেলে অর্জিত অর্থ মুক্তিযুদ্ধের জন্য ব্যয় করেছেন তাঁরা। ইতিহাসের এ অংশ উঠে আসে এই চলচ্চিত্রটিতে।
- ফরিদুর রেজা সাগরের গল্প থেকে যৌথভাবে সিনেমার চিত্রনাট্য করেছেন রায়হান রাফি ও নাজিম উদ দৌলা।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফি।
- চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন বিদ্যা সিনহা মিম, সিয়াম আহমেদ, শরিফুল রাজ, সুমিত, রাশেদ অপু, সাঈদ বাবু, শাহনাজ সুমি, সৈয়দ নাজমুস সাকিব প্রমুখ।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ২০২২ সালে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও সমকাল পত্রিকার রিপোর্ট।

২,১৮২.
চলন বিল কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী জেলায়
  2. রাজশাহী ও নওগাঁ জেলায়
  3. পাবনা ও নাটোর জেলায়
  4. নাটোর ও নওগাঁ জেলায়
ব্যাখ্যা
• চলন বিলের অবস্থান - পাবনা ও নাটোর জেলায়।

• চলন বিল: 
→ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিলের নাম চলনবিল। ৩টি জেলা জুড়ে এর বিস্তৃতি।
→ নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিস্তৃত অংশ জুড়ে যে জলভূমি, বর্ষা এবং বর্ষা পরবর্তী সময়ে দেখা যায় সেটাই বিখ্যাত চলনবিল।
→ ব্রহ্মপুত্র নদ যখন তার প্রবাহপথ পরিবর্তন করে বর্তমান যমুনায় রূপ নেয়, সে সময়েই চলনবিলের সৃষ্টি।
→ গঠিত হওয়ার সময় চলনবিলের আয়তন ছিল প্রায় ১ হাজার ৮৮ বর্গকিলোমিটার। বর্তমানে এর আয়তন অনেক কমে এসেছে।

উৎস: নাটোর জেলার ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
২,১৮৩.
পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড বেন্টিংক
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা

পাঁচসালা বন্দোবস্ত:
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- পাঁচসালা বন্দোবস্তের মূল লক্ষ্য ছিল রাজস্ব আদায় করা।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো।
- অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না।
- এ অবস্থায় হেস্টিংস জমিদারদের সঙ্গে এক সালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- ১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে কর্নওয়ালিস দশসালা বন্দোবস্ত চালু করেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৮৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. জাতীয় সংসদ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ব্যাখাকারক বা অভিভাবক সুপ্রিম কোর্ট।

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান বাংলাদেশের মৌলিক ও সর্বোচ্চ আইন।
- বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট তা নির্ধারণ করার অধিকারী, নির্বাহী বিভাগ নয়।
- অর্থাৎ সুপ্রিম কোর্ট হলো সংবিধানের ব্যাখাকারক বা অভিভাবক।
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।

এছাড়াও, 
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২,১৮৫.
বাংলাদেশের প্রথম নৌবহরের নাম -
  1. ক) বঙ্গবন্ধু
  2. খ) তিতুমীর
  3. গ) ঈশা খাঁ
  4. ঘ) সম্রাট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নৌবাহিনী

- মুক্তিযুদ্ধে নিয়মিত বাহিনী হিসাবে নৌবাহিনীও গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে এ বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ৯ নভেম্বর পাকবাহিনীর কাছ থেকে ৬টি দখলকৃত নৌযান নিয়ে প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু' নৌবহরের উদ্বোধন করা হয়।
- যুদ্ধের শেষদিকে নৌবাহিনী গঠিত হলেও নৌপথে যুদ্ধ পরিচালনার কৃতিত্ব মূলত নৌ-কমান্ডো গেরিলাদের।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৮৬.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৮-১৯ চূড়ান্ত হিসাব মতে, GDP প্রবৃদ্ধির হার -
  1. ক) ৮.১৫%
  2. খ) ৮.২৫%
  3. গ) ৮.৮১%
  4. ঘ) ৭.৬%
ব্যাখ্যা
Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি ২০২০
২,১৮৭.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লন্ডন
  2. প্যারিস
  3. নিউইয়র্ক
  4. টোকিও
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ কনসার্ট: 
- যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, প্রচার মাধ্যম, কংগ্রেসের অনেক সদস্য এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ছিল;
-  যুক্তরাষ্ট্রের সরকার, চীন এবং ইরান ও সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মুসলিম দেশ মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে ছিল।
- তবে মার্কিন শিল্পী, সাহিত্যিক এবং অনেক রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন।
- পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে আয়োজিত হয় ।
- স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।
- অনুষ্ঠান: 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'
- দর্শক: অনুষ্ঠানে ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতি ছিল।
- শিল্পী: জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
- এই অনুষ্ঠানটির মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ জোগানের ব্যবস্থা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৮৮.
৭ ই মার্চের ভাষণ কততম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) একাদশ
  2. খ) দ্বাদশ
  3. গ) চতুর্দশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৭২'র সংবিধানের মূলনীতি পুনর্বহাল, ৭ই মার্চের ভাষণের সংযুক্তি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যাবস্থা বাতিল করা হয়৷
২,১৮৯.
মেজর সি আর দত্ত কোন সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. সেক্টর - ২
  2. সেক্টর - ৪
  3. সেক্টর - ৬
  4. সেকটর - ৮
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- জানানো হয়, ১১টি সেক্টরের প্রতিটি সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত হবেন।

৪ নম্বর সেক্টর
- সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে পূর্ব ও উত্তর দিকে সিলেট-ডাউকি সড়ক পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ছিলো ৪ নম্বর সেক্টর।
- এ সেক্টরের প্রথম হেডকোয়ার্টার ছিলো করিমগঞ্জ।
- পরবর্তীতে তা আসামের মাসিমপুরে স্থানান্তর করা হয়।
- প্রথম সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত (সি আর দত্ত )।
- এরপর দায়িত্ব নেন ক্যাপ্টেন এ. রব।

প্রায় ৯ হাজার গেরিল‍া যোদ্ধা ও প্রায় চার হাজার নিয়মিত বাহিনীর ৪ নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছয়টি সাব-সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন-
• জালালপুর - মাহবুবুর রব সাদী।
• বড়পুঞ্জী - ক্যাপ্টেন এ. রব।
• আমলাসিদ - লেফটেন্যান্ট জহির।
• কুকিতল - ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কাদের ও ক্যাপ্টেন শরিফুল হক।
• কৈলাশ শহর - লেফটেন্যান্ট ওয়াকিউজ্জামান।
• কামালপুর- ক্যাপ্টেন এনাম।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২,১৯০.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. বরিশাল
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ।

বিভাগ:

- বাংলাদেশে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ।
- এর আয়তন ১০,৫৫২ বর্গ কিমি।
- আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম ৩৩,৯০৪ বর্গ কিমি।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ।
- সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে ১৩টি।
- সবচেয়ে কম ৪টি করে জেলা রয়েছে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

২,১৯১.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত ছিল?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালে সংগঠিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পরিচলনায় অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশের সমগ্র ভূখণ্ডকে ১১টি যুদ্ধক্ষেত্র বা সেক্টরে ভাগ করা হয়।

সেক্টর নং 
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - সেক্টর- ০১ মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল-জুন) ও মেজর রফিকুল ইসলাম (জুন-ডিসেম্বর)।
সদর দপ্তর - হরিনা, ত্রিপুরা

সেক্টর- ০২
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর খালেদ মোশাররফ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ও মেজর হায়দার (সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর)
সদর দপ্তর - মেলাঘর, ত্রিপুরা

সেক্টর- ০৩
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর শফিউল্লাহ (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর) ও মেজর নুরুজ্জামান (সেপ্টম্বর-ডিসেম্বর)
সদর দপ্তর - কলাগাছি, ত্রিপুরা

সেক্টর- ০৪
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর সি আর দত্ত ও করিমগঞ্জ,
সদর দপ্তর - আসাম

সেক্টর- ০৫
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডার - মেজর মীর শওকত আলী
সদর দপ্তর - বাঁশতলা, সুনামগঞ্জ

সেক্টর- ০৬
উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার।
বুড়িমারী, পাটগ্রাম

সেক্টর- ০৭
মেজর কাজী নুরুজ্জামান
তরঙ্গপুর, পশ্চিমবঙ্গ

সেক্টর- ০৮
মেজর ওসমান চৌধুরী (অক্টোবর পর্যন্ত)
মেজর এম. এ মনজুর (এপ্রিল-ডিসেম্বর পর্যন্ত)
বেনাপোল কল্যাণী, ভারত

সেক্টর- ০৯
মেজর আবদুল জলিল (এপ্রিল-ডিসেম্বর পর্যন্ত)
হাসনাবাদ, ভারত

সেক্টর- ১০
মুক্তিবাহিনীর ট্রেনিংপ্রাপ্ত নৌ-কমান্ডারগণ
নেই

সেক্টর- ১১
মেজর আবু তাহের (এপ্রিল-নভেম্বর)

ফ্লাইট লেঃ এম হামিদুল্লাহ (নভেম্বর-ডিসেম্বর)
মহেন্দ্রগঞ্জ, আসাম

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,১৯২.
জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনবসতি কোন জেলায়?
  1. কক্সবাজার
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা

- রাঙ্গামাটি জেলার জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ পরিচালিত হয় ১৫-২১ জুনের মধ্যে। তথ্য সংগ্রহের জন্য CPI পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়েছে এবং গণনার জন্য Modified De-fecto পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। দেশের মোট জনসংখ্যা ছিল ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ১.১২% এবং সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০%। ঢাকায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি। 
- রাঙ্গামাটি জেলা ঘনত্বের দিক থেকে সবচেয়ে কম জনবসতি সম্পন্ন এলাকা।
- বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব ও মানুষের সংখ্যা উভয়ই সর্বনিম্ন।
- দেশের গড় জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ১১১৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার।
- ঢাকা বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বোচ্চ এবং বরিশাল বিভাগে সর্বনিম্ন।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২

২,১৯৩.
‘দ্বীন-ই-ইলাহী’ এর প্রবর্তক কে?
  1. ক) বাবর 
  2. খ) হুমায়ুন
  3. গ) আকবর
  4. ঘ) জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
• সম্রাট আকবর:
– সম্রাট আকবর ১৫৮২ সালে ‘দীন-ই-ইলাহী’ নামে একেশ্বরবাদমূলক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। 
– সকল ধর্মের সারবস্তু নিয়ে এই ধর্মত গঠিত হয়।
–  এই ধর্মমতের কালেমা ছিল ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ আকবর খলিফাতুল্লাহ’।
 
• দ্বীন-ই-ইলাহী রীতি-নীতি, বিধানগুলো ছিল নিম্নরূপ:
১. এই ধর্মের অনুসারীগণ পরস্পর দেখা হলে, ‘আসসালামু আলাইকুম’ এর পরিবর্তে ‘আল্লাহু আকবার’ এবং প্রত্যুত্তরে ‘ওয়া আলাইকুম আস্সালাম’ না বলে ‘জাল্লাজালালুহু’ বলা।
২. এই ধর্মীয় বিধান অনুসারে মৃত্যুর পরে নয়, মৃত্যুর পূর্বেই দাওয়াত বা আমন্ত্রণের ব্যবস্থা করা।
৩. সভ্যগণ নিজ নিজ জন্মদিন পালন এবং ভোজের আয়োজন করবেন।
৪. সভ্যগণ ভিক্ষা প্রদান করবেন কিন্তু ভিক্ষা গ্রহণ করবেন না।
৫. এই ধর্মমত গ্রহণে কাউকে বাধ্য করা হবে না। 

তথ্যসূত্র:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
২,১৯৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে "জাতীয় সংসদ" প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখিত?
  1. ৬৫(২)
  2. ৬৫(৩)
  3. ৬৫(৪)
  4. ৬৫(১)
ব্যাখ্যা

⇒ ৬৫(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:

 ⇒ তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

  ⇒ ৬৫(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

 ⇒ ৬৫(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:

 - তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।]

 ⇒ ৬৫(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।]

 ⇒ ৬৫(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
  
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,১৯৫.
আয়তনে বৃহত্তম উপজেলা হচ্ছে -
  1. বাঘাইছড়ি, রাঙামাটি
  2. মহেশখালি, কক্সবাজার
  3. শ্যামনগর, সাতক্ষীরা
  4. ফুলগাজী, ফেনী
ব্যাখ্যা
বৃহত্তম উপজেলা:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় উপজেলা হলো শ্যামনগর উপজেলা, সাতক্ষীরা।
- শ্যামনগর উপজেলা বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- শ্যামনগর উপজেলা হলো খুলনা বিভাগের অন্তর্গত সাতক্ষীরা জেলার একটি উপজেলা।
- শ্যামনগর উপজেলার আয়তন হলো ১,৯৬৮.২৪ বর্গ কিলোমিটার বা ৭৫৯.৯৪ বর্গ মাইল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্যবাতায়ন।
২,১৯৬.
বাংলাদেশে নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল কত বছর?
  1. ৭২.৮ বছর
  2. ৭৪.৫ বছর
  3. ৭৫.২ বছর
  4. ৭৬.১ বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল:
জাতীয় : ৭২.৮ বছর
পুরুষ : ৭১.২ বছর
নারী : ৭৪.৫ বছর

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
২,১৯৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২৫
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3.  অনুচ্ছেদ ২৪
  4. অনুচ্ছেদ ২১
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ ২৫(১) আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।

• দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। 
- অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি,নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- ২৫(১) জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র।
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,১৯৮.
প্রাচীনকালে বাংলাদেশের কোন অঞ্চলকে 'বঙ্গ' বলা হতো?
  1. দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল
  2. পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  3. উত্তর ও উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  4. উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বঙ্গ জনপদ:
- প্রাচীন বাংলা কতগুলো অঞ্চল বা জনপদে বিভক্ত ছিলো।
- এর মধ্যে ‘বঙ্গ' জনপদ ছিলো অন্যতম।
- বর্তমান বরিশাল, ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ' জনপদ গঠিত ছিলো।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ’ নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয়।

⇒ ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির ‘গঙ্গরিডাই'।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল।
- কারণ এ দেশের প্রাচীন রাজাগণ সারাদেশে চওড়া 'আল' নির্মাণ করতেন।
- সেজন্যে ‘বঙ্গ' ও 'আল' শব্দ দুটির যোগে 'বঙ্গাল' নামের উৎপত্তি হয়েছে।

অন্যদিকে -
- সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাঢ় জনপদ ভারতের পূর্বাঞ্চলের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডের একটি ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক অঞ্চল। উত্তর রাঢ় বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার পশ্চিমাংশ সমগ্র বীরভূম জেলা এবং বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমা দক্ষিণ রাঢ় বর্ধমানে দক্ষিণাংশ হুগলি বহুলাংশ এবং হাওড়া জেলা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১৯৯.
মহান মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল? 
  1. ২ নং সেক্টর
  2. ৭ নং সেক্টর
  3. ৮ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর 
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর: 

• মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
• নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)। 
• ১০ নং সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না। 
• চট্টগ্রাম ১নং সেক্টরের অধীনে ছিল। 
• অপরদিকে ঢাকা ২ নং সেক্টর এবং রাজশাহী ৭ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।
• মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব নগর ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২০০.
নিচের কোন গ্রন্থে সৈয়দ আমীর আলী ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞান সম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরেছেন?
  1. ক) The Prophet Mohammad (sm)
  2. খ) The Spirit of Islam
  3. গ) A Long Destroy of the Saracens
  4. ঘ) Spirit of Saracens
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী:
- মুসলিম রেনেসাঁসের অগ্রদূত আমীর আলী ছিলেন একজন সুলেখক। 
- তাঁর বিখ্যাত দুটি গ্রন্থ হচ্ছে  ‘The spirit of Islam' এবং  'A Short History of the Saracens'|
- ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
-  ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- তিনি ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় ‘সেন্ট্রাল মোহামেডান এ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি সমিতি গঠন করে
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
 - সৈয়দ আমীর আলী নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।