বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৯ / ৩০৬ · ১,৮০১১,৯০০ / ৩০,৮৩২

১,৮০১.
ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলা শাসন করেন-
  1. ক) ১২২ বছর
  2. খ) ১৫০ বছর
  3. গ) ২০০ বছর
  4. ঘ) ২২০ বছর
ব্যাখ্যা
সুলতানি শাসন:


- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলা প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্।
- তিনি সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। 
- এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় ‘বাঙালি' নামে।
- তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাইকে শাসনকার্যে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেন।
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- ইলিয়াসশাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।
- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৬৩৮ সালে পূর্ব বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর রাজধানী হয় সোনারগাও।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সরকারি নাম কী ছিল?
  1. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য
  2. শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য
  3. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  4. পাকিস্তান বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে।  

উল্লেখ্য,
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন, ১৯৬৮ কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১,৮০৩.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০১৯-২০ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে, বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয়-
  1. ক) ১৯০৯ মার্কিন ডলার
  2. খ) ১৯৭০ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২০২৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মানুষের বার্ষিক মাথাপিছু গড় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার। ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু গড় আয় ছিল ১৯০৯ মার্কিন ডলার। অর্থাৎ, দেশের মানুষের মাথাপিছু গড় আয় এক বছরের ব্যবধানে ১৫৫ ডলার বেড়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) ও মাথাপিছু আয়ের সাময়িক হিসাবে এই চিত্র উঠে এসেছে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
১,৮০৪.
পাল যুগে কোন ধর্ম প্রাধান্য লাভ করে?
  1. খ্রিষ্টানধর্ম
  2. জৈনধর্ম
  3. বৌদ্ধধর্ম
  4. ব্রাহ্মণধর্ম
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধর্ম:

- প্রাচীন বাংলায় নানা ধরনের ধর্ম প্রচলিত ছিল।
- প্রাক-বৈদিক যুগে কোমদের ধর্মোৎসব ছিল শিবপূজা।
- প্রাক গুপ্ত যুগে জৈন ও বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার ঘটে।
- পাল যুগে বৌদ্ধ এবং সেন যুগে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের বিস্তার দেখা যায়।
- এ সময়ের বাংলার শিল্পকর্মে যেমন ভাস্কর্য, টেরাকোটার সন্ধান পাওয়া যায়।
- তেমন এর মাধ্যমে লোকায়ত জীবনের উপস্থাপনা, কল্পনা, ও অনুভূতির প্রকাশ ঘটে।
- শিল্পকর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন মহাস্থানগর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৫.
যমুনা রেলসেতুতে কোন ধরনের রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে?
  1. মিটার গেজ সিঙ্গেল লাইন
  2. মিটার গেজ ডাবল লাইন
  3. ব্রড গেজ সিঙ্গেল লাইন
  4. ডুয়েল গেজ ডাবল লাইন
ব্যাখ্যা

যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা সেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। 
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- যমুনা রেলসেতু প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা)।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৮০৬.
২১ দফা কোন প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক নির্বাচন
  3. গ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৮০৭.
ফিরিঙ্গি' কাদের বলা হয়?
  1. দিনেমারদের
  2. পর্তুগিজদের
  3. মগদের
  4. ফরাসিদের
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজদের আগমন:
- 'ফিরিঙ্গি' বলা হয় পর্তুগিজদের।
- ভাস্কো-ডা-গামা একজন পর্তুগিজ নাবিক যে ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন।
- পর্তুগিজরা ভারতীয় উপমহাদেশে আগত প্রথম ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল।

অন্যদিকে,
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ডেনমার্কের অধিবাসীদের দিনেমার বলা হয়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৮.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির কে সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি?
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
১,৮০৯.
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় সম্পৃক্ত ছিলেন -
  1. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. নবাব ভিকার-উল মুলক
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
মুসলিম লীগ:
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল মুলক, সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান প্রমুখের উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়। 

উল্লেখ্য,
- নওয়াব আব্দুল লতিফ, স্যার সৈয়দ আহমদ খান, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন না। 
- মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
 
১,৮১০.
দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নির্বাহী কে?
  1. চেয়ারম্যান
  2. মহাপরিচালক
  3. পরিচালক
  4. সচিব
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান নির্বাহী চেয়ারম্যান।
- মহামান্য রাষ্ট্রপতি তিনজন কমিশনারের মধ্যে হতে একজনকে চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ করে থাকেন।
- ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- অধ্যাদেশে কমিশনের সদস্য সংখ্যা তিন থেকে বাড়িয়ে পাঁচ করা এবং কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে কমিয়ে চার বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনার যথাক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারকের সমান মর্যাদা ও সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন।

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৮১১.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ১২ টি
  3. গ) ১৩ টি
  4. ঘ) ৯ টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৮১২.
Who was the Captain of 'S' force in the Liberation War?
  1. ক) Lt. General Ziaur Rahman
  2. খ) Major Khaled Musharraf
  3. গ) K.M Safiullah
  4. ঘ) Major Abu Osman Chowdhury
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্রিগেড ফোর্স ছিল তিনটি। যথা: জেড ফোর্স, এস ফোর্স, কে ফোর্স।
• এস ফোর্স:
- সর্বাধিনায়ক ছিলেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ।
- প্রধান সেনাপতি ছিলেন- কর্নেল (জেনারেল) মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী।
- অধিনায়ক- মেজর (পরে মে. জেনারেল) কে এম সফিউল্লাহ, বীর উত্তম।

তথ্যসূত্র: চিরন্তন ১৯৭১, প্রথম আলো।
১,৮১৩.
বঙ্গবন্ধু রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ সম্প্রতি কোন ভাষায় অনূদিত হয়?
  1. পর্তুগিজ ভাষা
  2. কোরিয়ান ভাষা
  3. স্পেনিশ ভাষা
  4. তামিল ভাষা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থ সম্প্রতি গত ১ জুলাই ২০২১ কোরিয়ান ভাষায় অনূদিত হয়।
- কোরিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বইটি কোরিয়ান ভাষায় অনুবাদ করেন লি ডং হিউন।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১,৮১৪.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে -
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ২১ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ২৪ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৮১৫.
দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করার প্রত্যয়ে কোন সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়?
  1. ক) ২০১২ সালে
  2. খ) ২০০৯ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৮৩ সাল থেকে শুরু হয় বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ।
তবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের নির্ধারিত কয়েকটি বিষয়ের বই-ই কেবল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হতো।
ঝরেপড়া রোধ করতে ও শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ধরে রাখার স্বার্থে ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার।
২০১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে বছরের প্রথম কর্মদিবসে পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালন করা হয়।
২০১৪ সাল থেকে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রাক-প্রাথমিকও।
২০১৫ সালে যুক্ত হয়েছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের ব্রেইল বই ও মাল্টিমিডিয়া সিডি।
আবার বেশ কিছু আদিবাসী গোষ্ঠীর শিশুদের জন্য তাদের বর্ণমালায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
উৎসঃ বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৮১৬.
ইউনেস্কো বাংলাদেশের ২১ ফেব্রুয়ারিকে কত তারিখে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৭
  2. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৮
  3. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯
  4. ১৭ নভেম্বর, ২০০০
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ও বাংলা ভাষা:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।
- বাংলা ভাষাকে বিশ্বের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরার জন্য ২০০৩ সালে বাংলাদেশ সরকার ইউনেস্কোকে 'একুশে পদক' প্রদান করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য ভাষা শহীদদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগকে স্মরণ করে জাতি ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,৮১৭.
জুলাই সনদ কবে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৬ অক্টোবর, ২০২৫
  2. ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
  3. ১৮ অক্টোবর, ২০২৫
  4. ১৯ অক্টোবর, ২০১৫
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ:
- ছয়টি সংস্কার কমিশনের ৮৪টি প্রস্তাব নিয়ে তৈরি হয়েছে জুলাই জাতীয় সনদ।
- ১৭অক্টোবর, ২০২৫ এ জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়৷
- এর মধ্যে ৪৮টি প্রস্তাব সংবিধান-সম্পর্কিত।
- সংবিধান-সম্পর্কিত প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের জন্যই জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ১৩ নভেম্বর জারি হয়েছে এবং তা নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৮১৮.
মুজিব নগর কত নং সেক্টরের অধিনে ছিল?
  1. ক) ২নং
  2. খ) ৭নং
  3. গ) ৮নং
  4. ঘ) ৯নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুজিব নগর কত ৮নং সেক্টরের অধিনে ছিল।

- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালে ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৮১৯.
বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন কে?
  1. সামন্ত সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. বিজয় সেন
  4. লক্ষন সেন
ব্যাখ্যা

সেন বংশের পরিচয়: 
- হেমন্ত সেন ছিলেন বাংলার হিন্দু সেন রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তিনি সেন বংশের মূল প্রতিষ্ঠাতা "সামন্ত সেনের" পুত্র।
- সেন বংশের পূর্বপুরুষরা কর্ণাটক থেকে বাংলার রাঢ়ভূমিতে এসে বসবাস শুরু করেন পাল যুগে।
- সামন্ত সেন সেই বংশে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও তার বাল্য ও যৌবনকাল কেটেছিল কর্ণাটকে, সেখানে কয়েকটি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে খ্যাতিও অর্জন করেছিলেন।
- কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে রাঢ়দেশে এসে আশ্রমবাসে বসবাস করেন।
- তার পুত্র হেমন্ত সেন দ্বিতীয় মহীপালের রাজত্বকালে ভ্রাতৃবিরোধ ও সামন্ত বিরোধের সুযোগ নিয়ে রাঢ় অঞ্চলে সামন্ত (জমিদার) হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।
- তিনি বাংলায় সেন বংশের শাসন শুরু করলেও তাঁর পুত্র বিজয় সেনই বাংলায় সেন বংশের শাসনকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেন।
- পাল শাসনামলের ভগ্নদশার সুযোগ নিয়ে বিজয় সেন (১০৯৭-১১৬০ খ্রি.) মহাধিরাজ উপাধি ধারণ করে বাংলায় সেন শাসনকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

উল্লেখ্য,
- লক্ষণ সেন সর্বশেষ রাজা সেন রাজবংশের, ১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি তাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮২০.
ঢাকা মহানগরীর ৪০০ বছর পূর্তিতে কোন ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়?
  1. ক) রাজসিক বিহার
  2. খ) স্মারক ভাস্কর্য
  3. গ) সংশপ্তক
  4. ঘ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
ব্যাখ্যা
ঢাকা মহানগরীর ৪০০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০০৮ সালে শাহবাগে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল (সাবেক শেরাটন) এর সম্মুখে 'রাজসিক বিহার' ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়। এটির স্থপতি মৃণাল হক। সংশপ্তক ও স্মারক ভাস্কর্য যথাক্রমে জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য। জাগ্রত চৌরঙ্গী জয়দেবপুর চৌরাস্তায় স্থাপিত দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য। ১৯৭৩ সালে শিল্পী আবদুর রাজ্জাক এটি স্থাপন করে।
১,৮২১.
মুক্তিযুদ্ধের ৩ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডর কে ছিলেন?
  1. মেজর জিয়াউর রহমান
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. মেজর কে.এম. শফিউল্লাহ
  4. মেজর রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• ৩ নং সেক্টর :
 - উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
- দুই ইস্ট বেঙ্গল এবং সিলেট ও ময়মনসিংহের ইপিআর বাহিনী সমন্বয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সেক্টরের সদর দফতর ছিল হেজামারা।
- এই সেক্টরের অধীনে ১৯টি গেরিলা ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল।
- নভেম্বর মাস পর্যন্ত গেরিলার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ত্রিশ হাজার।
- তারা কুমিল্লা-সিলেট সড়কে কয়েকটি সেতু বিধ্বস্ত করে পাক বাহিনীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
- তাদের সবচেয়ে সফল আক্রমণ ছিল শায়েস্তাগঞ্জের নিকটে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী মাইনের সাহায্যে একটি রেলগাড়ি বিধ্বস্ত করা।

• এই সেক্টরের দশটি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে:
- আশ্রমবাড়ি (ক্যাপ্টেন আজিজ এবং পরে ক্যাপ্টেন এজাজ);
- বাঘাইবাড়ি (ক্যাপ্টেন আজিজ এবং পরে ক্যাপ্টেন এজাজ);
- হাতকাটা (ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান);
- সিমলা (ক্যাপ্টেন মতিন);
- পঞ্চবটী (ক্যাপ্টেন নাসিম);
- মনতলা (ক্যাপ্টেন এম.এস.এ ভূঁইয়া);
- বিজয়নগর (এম.এস.এ ভূঁইয়া);
- কালাছড়া (লেফটেন্যান্ট মজুমদার);
- কলকলিয়া (লেফটেন্যান্ট গোলাম হেলাল মোরশেদ);
- এবং বামুটিয়া (লেফটেন্যান্ট সাঈদ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৮২২.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৮২৩.
জাতিসংঘের কত তম সাধারণ অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ২৭তম
  2. ২৮তম
  3. ২৯তম
  4. ৩০তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের অধিবেশনে বঙ্গবন্ধুর বাংলায় ভাষণ:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কেবল ২৯তম অধিবেশনেই অংশগ্রহণ করেন।
- তার এক সপ্তাহ পরেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে প্রথমবারের মতো বাংলায় ভাষন প্রদান করেন।
- উল্লেখ্য, ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের সাথেই গ্রানাডা ও গিনি বিসাউ যথাক্রমে ১৩৭ ও ১৩৮তম সদস্য হিসাবে জাতিসংঘের সদস্য হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
১,৮২৪.
১৮৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সালকে বলা হয় -
  1. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসন
  2. বৃটিশ সরকারি শাসন
  3. মোগল শাসন
  4. নবাবী শাসন
ব্যাখ্যা
বৃটিশ সরকারি শাসন:
- ১৮৫৭ সাল থেকে ১৯৪৭ সালকে বলা হয় - বৃটিশ সরকারি শাসন।
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ইতিহাস বলতে ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫৭ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যবর্তী ব্রিটিশ শাসনের সময়কালকে বোঝায়। এই শাসনব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে যখন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ব্রিটিশ রাজ বা রাণী ভিক্টোরিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮২৫.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কি ছিল?
  1. সিপাহী
  2. ল্যান্সনায়েক
  3. লেফটেন্যান্ট
  4. ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ ও তাদের কর্মস্থল:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: সেনাবাহিনী।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: সেনাবাহিনী। -
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান বিমান বাহিনী।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ সাবেক ই. পি. আর.।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ সাবেক ই. পি. আর.।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: সেনাবাহিনী।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন নৌবাহিনী।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৮২৬.
Where is Bangladesh Rice Research Institute (BRRI) located?
  1. ক) Joydevpur, Gazipur
  2. খ) Ishwardi, Pabna
  3. গ) Shivganj, Bogra
  4. ঘ) Trishal, Mymensingh
ব্যাখ্যা
• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১,৮২৭.
’জোপাটিকা’কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1. আম
  2. ধান
  3. গম
  4. আলু
ব্যাখ্যা

- জোপাটিকা হলো গম ফসলের একটি উন্নত জাত। 

• কৃষি ফসলের জাত: 

• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
• আলুর উন্নত জাত- ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত সুমাত্রা, ম্যানিলা।
• আমরে উন্নত জাত ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৮২৮.
জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষায় কোন স্থাপনাকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়?
  1. সংসদ ভবন
  2. গণভবন
  3. বঙ্গভবন
  4. রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর:
- জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষায় গণভবনকে জাদুঘরে রূপান্তর করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনকে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। 
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মৃতি এবং বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে যত অন্যায়–অবিচার হয়েছে, তার সবকিছু সংরক্ষণ করার জন্য এটাকে ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হবে।
- গণভবন যে অবস্থায় আছে, জনগণ যেভাবে রেখেছেন সে অবস্থায় রাখা হবে। এর মধ্যে ভেতরে একটি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হবে, যাতে অভ্যুত্থানের স্মৃতি সংরক্ষিত থাকে। 

উৎস: প্রথম আলো।

১,৮২৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ক) আগারগাঁও
  2. খ) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  3. গ) ঢাকা দায়রা জজ আদালত
  4. ঘ) পিলখানা
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৮৩০.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে নিহত মাদার মারিও ভেরেনজি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. অস্ট্রিয়া
  3. ইতালি
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
মাদার মারিও ভেরেনজি:
- মাদার ভেরেনজি ইতালির নাগরিক ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।

এছাড়াও
ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড। তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে। ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮৩১.
শেখ হাসিনা কতবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন?
  1. তিনবার
  2. চারবার
  3. পাঁচবার
  4. ছয়বার
ব্যাখ্যা
•শেখ হাসিনা:
- তিনি ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ৬ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফিরে আসেন।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করে।
- শেখ হাসিনা ঐতিহাসিক পঞ্চমবার এবং টানা চতুর্থবারের মত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- একইসঙ্গে তিনি ২৫জন মন্ত্রী, ১১জন প্রতিমন্ত্রী সহ ৩৬ সদস্যের নতুন মন্ত্রীসভা গঠন করেছেন।

উৎস- LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)।
১,৮৩২.
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে?
  1. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. আইন মন্ত্রণালয় 
  4. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর: 
- বাংলাদেশের নাগরিকদের বিদেশে যাতায়াতে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে একটি পরিদপ্তর হিসেবে জোনাল কার্যালয়, ঢাকা এবং আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা নিয়ে বর্তমান ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অধীনে রয়েছে।
- স্বাধীনতাত্তোর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালে পূর্ণাঙ্গ রুপে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকায় অবস্হিত অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়সহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, রাজশাহী ও খুলনা অফিস সমন্বয়ে কার্যালয়ের সংখ্যা হয় ৬ (ছয়) টি।
-  ১৯টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস স্হাপিত হলে অফিসের সংখ্যা হয় ৩৪ (চৌত্রিশ) টি।
- এছাড়া ৬টি ভিসা সেল ও ৯টি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সৃজিত হয়।
- ২০১১ সালে আরো ৩৩ (তেত্রিশ) টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সৃজিত হয়।
- বর্তমানে দেশের প্রতিটি জেলায় পাসপোর্ট অফিস স্হাপনের কাজ শেষ হয়েছে।
- এছাড়া বিশ্বের ৭৩টি বাংলাদেশী মিশনে এমআরপি ও এমআরভি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৮৩৩.
বাংলাদেশে কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- 'সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে' ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: 
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত। 
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার। 
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে। 
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে। 

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৮৩৪.
মুক্তিযুদ্ধ শুরুর সময় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন কে?
  1. মোনায়েম খান
  2. আব্দুল মোত্তালিব মালিক
  3. আমির আব্দুল্লাহ নিয়াজী
  4. জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের মার্চে মুক্তিযুদ্ধের শুরুর সময় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান। তিনি ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- পরবর্তীতে তাকে সরিয়ে ডা. আব্দুল মোত্তালিব মালিক কে গর্ভনর করা হয়। মালিক মন্ত্রিসভা ১৪ ডিসেম্বর পদত্যাগ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
১,৮৩৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত?
  1. ১০.৫৫%
  2. ১১.৩৯%
  3. ১২.৭৪%
  4. ১৩.৪৮%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,৮৩৬.
উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার বিরুদ্ধে কবে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ?
  1. ০২ ই মার্চ ১৯৪৮
  2. ৩১ ই মার্চ ১৯৪৮
  3. ০২ ই মার্চ ১৯৪৭
  4. ৩১ ই জানুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ

- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।
- ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৮৩৭.
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের রচয়িতা কে?
  1. খন্দকার নূরুল আলম
  2. সেলিমা রহমান
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীত
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীত ১০ লাইন।
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের রচিয়তা সেলিমা রহমান।
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুরকার খন্দকার নূরুল আলম।
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের প্রথম লাইন বাংলাদেশের দুরন্ত সন্তান আমারা দুর্গম দুর্জয়।
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের শেষ লাইন বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের নাম হবে গৌরবময়।
- বাংলাদেশের রণসংগীত কত সালে গৃহীত ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২। 

উৎস: প্রথম আলো।
১,৮৩৮.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ -
  1. ক) সালাম
  2. খ) আসাদ
  3. গ) বাবু
  4. ঘ) মহিউদ্দিন
ব্যাখ্যা

- রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত প্রমুখ ভাষা আন্দোলনের শহীদ।
- আবদুস সালাম (১৯২৫-১৯৫২) একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা-আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে একজন। ভাষা শহীদদের মধ্যে তিনিই সর্বশেষ মারা যান।
- আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি

১,৮৩৯.
১৮ নভেম্বর ২০২৪ ঋণমান যাচাইকারী প্রতিষ্ঠান 'মুডিস' বাংলাদেশের ঋণমান রেটিংস কত করে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. Aa3
  2. Baa1
  3. Ba2
  4. B2
  5. Ba3
ব্যাখ্যা
- মার্কিন রেটিং এজেন্সি মুডিস বাংলাদেশের ঋণমান 'বি-ওয়ান' থেকে কমিয়ে 'বি-টু'তে এনেছে। [নভেম্বর ১৮, ২০২৪]
- এর ফলে পূর্বাভাসের অবনতি ঘটেছে।
- অর্থাৎ, এ পূর্বাভাস 'স্থিতিশীল' থেকে 'নেতিবাচক' অবস্থায় চলে গেছে।
- বাংলাদেশের রেটিং কমানো প্রসঙ্গে সংস্থাটি বলছে, 'সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার পর সরকার পরিবর্তনের ফলে উচ্চ রাজনৈতিক ঝুঁকি, নিম্ন প্রবৃদ্ধি সরকারের তারল্যের ঝুঁকি, বৈশ্বিক ভঙ্গুরতা এবং ব্যাংকিং খাতের ঝুঁকি বাড়িয়েছে।'
- বিশ্বের প্রধান তিনটি ঋণমান যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানের একটি মুডিস।
- ২০২৪ সালের ৩১ মে প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষবার বাংলাদেশের ঋণমান কমিয়েছিল।
সেবার তারা ঋণমান এক ধাপ কমিয়ে বিএ৩ থেকে বি১-এ নামায়। 
এর কারণ হিসেবে মুডিস জানিয়েছিল, বৈদেশিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে উঁচু মাত্রার দুর্বলতা ও তারল্যের ঝুঁকি রয়েছে।

উৎস: The Daily Star
প্রথম আলো।
১,৮৪০.
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা অনুয়ায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. জেনারেল টিক্কা খান
  2. জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  3. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।

১,৮৪১.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নিহত ফাদার মারিও ভেরেনজি ছিলেন -
  1. ক) অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক
  2. খ) ফ্রান্সের নাগরিক
  3. গ) ব্রিটিশ নাগরিক
  4. ঘ) ইতালিয়ান নাগরিক
ব্যাখ্যা
• মারিও ভেরেনজি: 
-  ইতালীয় ধর্মযাজক ফাদার ভেরেনজি।
- ফাদার ভেরেনজি যশোর ফাতিমা ক্যাথলিক হাসপাতালের চারজন ইতালীয় যাজকের একজন ছিলেন।
- সকলেই জাভেরিয়ান আদেশের সদস্য ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার (৮ মে, ২০২১)।
১,৮৪২.
সিকিউরিটি প্রেস থেকে প্রথম ছাপানো নোট কোনটি?
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০ টাকা
  3. ১০ টাকা
  4. ৫ টাকা
  5. ২ টাকা
ব্যাখ্যা
• ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’:
- বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা টাকার প্রথম প্রচলন শুরু হয় ০৪ মার্চ, ১৯৭২ সনে।
- দেশের নিজস্ব মুদ্রণালয় না থাকায় প্রতি বছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে কারেন্সি নোট ও ব্যাংক নোট আমদানীপূর্বক দেশে নোটের চাহিদা মিটানো হতো।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- যা ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট;
- এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণ হয়। 
-  ৭ ডিসেম্বর, ১৯৮৯ সনে  বাংলাদেশের মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

উৎস: দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস ওয়েবসাইট।
১,৮৪৩.
বাংলাদেশে আউশ ধান উত্তোলনের সময় -
  1. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  2. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  3. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  4. মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
১,৮৪৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২,৫৬৭ মার্কিন ডলার
  2. ২,৬১৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭০০ মার্কিন ডলার
  4. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৮৪৫.
কোন প্রতিষ্ঠানটি খোলা বাজারে ন্যায্য দামে পণ্যদব্য বিক্রি করে থাকে?
  1. টিসিবি
  2. বিএডিসি
  3. বিএসটিআই
  4. ডিএই
ব্যাখ্যা
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- টিসিবি খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে বিভিন্ন পণ্য-দ্রব্যাদি বিক্রি করে থাকে।
- এছাড়া, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ করা, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আপদকালীন সময়ের জন্য বিভিন্ন পণ্য মজুদ করা, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা প্রভৃতি টিসিবির কাজ।
(তথ্যসূত্রঃ টিসিবি ওয়েবসাইট)
১,৮৪৬.
বাংলাদেশ বিশ্বের মোট কতটি দেশে ঔষধ রপ্তানি করে?
  1. ১৩৭টি
  2. ১৪৭টি
  3. ১৫৭টি
  4. ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ রপ্তানি:

- বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রায় সব ধরনের ঔষধ ইউরোপ ও আমেরিকাসহ বিশ্বের ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করা হয় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
- ২৯ অক্টোবর ২০২৩ আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এ কথা জানান।
- চলতি অর্থ বছরের (২০২৩-২০২৪) সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৩৫৫ কোটি ৫১ লাখ ৮২ হাজার ৬৩ টাকার ঔষধ রপ্তানি করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: শেয়ার বিজনেস (২৯ অক্টোবর ২০২৩)।
১,৮৪৭.
‘বিজয় কেতন’ জাদুঘরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. কুমিল্লা সেনানিবাস
  3. রাজারবাগ পুলিশ লাইন
  4. শাহবাগ
ব্যাখ্যা
বিজয় কেতন হলো ঢাকা সেনানিবাসে স্থাপিত মহান মুক্তিযুদ্ধের একটি জাদুঘর।
এতে বাংলাদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের পাশাপাশি স্থান পেয়েছে এদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আলোচিত অধ্যায় সমূহের নানা নিদর্শন।
(সূত্র: বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ওয়েবসাইট)
১,৮৪৮.
ছয়দফার কোন দফায় পূর্ব পাকিস্তানের জন্যে আধা সামরিক বাহিনী গঠনের কথা বলা হয়?
  1. তৃতীয় দফা
  2. চতুর্থ দফা
  3. পঞ্চম দফা
  4. ষষ্ঠ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
এগুলো হলো:
প্রথম দফা:
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে
দ্বিতীয় দফা:
- ফেডারেল সরকারের হাতে থাকবে শুধু দুটি বিষয়, প্রতিরক্ষা ও বৈদেশিক সম্পর্ক, এবং অপর সব বিষয় ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহের হাতে ন্যস্ত থাকবে
তৃতীয় দফা:
- পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করতে হবে। যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে সমগ্র পাকিস্তানের জন্য ফেডারেল সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন একটিই মুদ্রাব্যবস্থা থাকবে, একটি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ও দুটি আঞ্চলিক রিজার্ভ ব্যাঙ্ক থাকবে। তবে এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তান থেকে পুঁজি যাতে পশ্চিম পাকিস্তানে পাচার হতে না পারে তার ব্যবস্থা সম্বলিত সুনির্দিষ্ট বিধি সংবিধানে সন্নিবিষ্ট করতে হবে
চতুর্থ দফা:
- দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পৃথক হিসাব থাকবে এবং অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা রাজ্যের হাতে থাকবে। তবে ফেডারেল সরকারের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রা দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে কিংবা উভয়ের স্বীকৃত অন্য কোনো হারে আদায় করা হবে
পঞ্চম দফা:
- দুই অংশের মধ্যে দেশিয় পণ্য বিনিময়ে কোনো শুল্ক ধার্য করা হবে না এবং রাজ্যগুলো যাতে যেকোন বিদেশি রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে সংবিধানে তার বিধান রাখতে হবে।
ষষ্ঠ দফা:
- প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।

- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
- ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,৮৪৯.
মাঠ ফসল বলতে বোঝায় -
  1. সার্বিক পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপন্ন ফসল
  2. প্রতিটি গাছের জন্য পরিচর্যার ব্যবস্থা করা
  3. অল্প পরিচর্যার মাধ্যমে উৎপন্ন ফসল
  4. মাঠে বুনা ফসল
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- ধান, পাট, আখ চাষে প্রতিটি গাছের আলাদাভাবে যত্ন নেবার প্রয়োজন হয় না।
- সার্বিকভাবে মাঠের ফসলের যত্ন নেওয়া হয়।
- কিন্তু কলা বা পেঁপে বা আনারসের প্রতিটি গাছের যত্ন না নিলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যায় না।
- সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও যত্নে যে ফসল উৎপাদিত হয় তা হলো মাঠ ফসল।

অন্যদিকে,
⇒ যে ফসলের প্রতি গাছের যত্নের প্রয়োজন তা হলো উদ্যানতাত্বিক ফসল। 

উৎস: পরিবেশ শিক্ষা- বিজ্ঞান ১৪৪, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫০.
বাংলাদেশে বছরে কী পরিমাণ খাদ্যশস্য উৎপাদন হয়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩]
  1. ২৯৮.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. ৪১৪.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. ২৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
মোট জমির পরিমাণ:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর (১,৫৯,২৮,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,৭৫,০০০ একর (৮০,৪৩,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৮৪,০০০ একর (২০,৫৭,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪৯,০০০ একর (৪১,০৭,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯২,০০০ একর (১৮,৫৮,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৫০,০০০ একর (২০,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation): ৮২,৯০,০০০ একর।
- বনাঞ্চল (Forest Area): ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।
- মোট জমির পরিমাণ (আবাদী, অনাবাদী, বনাঞ্চল ও অন্যান্য): ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৩৪,৯৩,০০০ মেট্রিক টন বা ৪৩৪.৯৩ লক্ষ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,৮৫১.
ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস 'ওঙ্কার'-এর রচয়িতা কে?
  1. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  2. আহমদ ছফা
  3. আনোয়ার পাশা
  4. শওকত ওসমান
ব্যাখ্যা
ওঙ্কার (১৯৭৫):
- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের পটভূমিতে রচিত উপন্যাস ওঙ্কার।
- উপন্যাসটির রচয়িতা আহমদ ছফা।
- এটি আহমদ ছফার দ্বিতীয় উপন্যাস।

উল্লেখ্য,
- এ উপন্যাসের ঘটনাপ্রবাহ বর্ণিত হয়েছে একজন কথকের উক্তিতে।
- ৩৮ পৃষ্ঠার এই ছোট্ট উপন্যাসটি উঠে এসেছে '৬৯ এর পাকিস্তান আমলের সমাজচিত্রের ক্যানভাস ও সামাজিক অসংগতি এবং মনস্তাত্ত্বিক খেলা।
- আহমদ ছফার এ উপন্যাসে সমকালীন উত্তাপই শুধু নয় সমকালের সীমাবদ্ধতাকে অতিক্রম করার শৈল্পিক সাধনাও প্রকাশ পেয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৮৫২.
Which among below was known as 'The Magna Carta' of the Bengali People?
  1. The Historic 7th March Speech of Bangabandhu
  2. Six-point movement
  3. Lahore Resolution
  4. Language Movement
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৮৫৩.
NNP এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. National Net Production
  2. Net National Price
  3. National Net Price
  4. Net National Product
  5. Net National Production
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৫৪.
কোনটিকে সরকারের ফিফথ স্টেট বলা হয়?
  1. সিভিল সোসাইটি
  2. বিচার বিভাগ
  3. জনগণ
  4. গণমাধ্যম
ব্যাখ্যা
• সরকারের স্তম্ভ:
- সরকার প্রধানত তিনটি বিভাগ বা স্তম্ভ নিয়ে গঠিত।
- এগুলো হলো:
→ শাসন বিভাগ,
→ আইন বিভাগ ও
→ বিচার বিভাগ।

- এদের বাহিরে পণ্ডিতগণ অঘোষিতভাবে গণমাধ্যমকে সরকারের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়।
- সিভিল সোসাইটিকে সরকারের পঞ্চম স্তম্ভ বা ফিফথ স্টেট বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
১,৮৫৫.
শহীদ আবু সাঈদ কবে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন?
  1. ১৫ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৭ জুলাই, ২০২৪
  4. ১৮ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।

১,৮৫৬.
'The Spirit of Islam' গ্রন্থের লেখক কে?
  1. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা

সৈয়দ আমীর আলী The Spirit of Islam এবং  A short History of the Saracens নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।

- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ এবং বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করার পর ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯০৪ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিয়োজিত হন এবং আমৃত্যু সে পদে বহাল থাকেন। 
- ১৯০৮ সালে লন্ডনে মুসলিম লীগের একটি শাখা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, (HSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৫৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো বর্ণিত হয়েছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
অধিকার:
- সাধারণত অধিকার বলতে নিজের ইচ্ছানুযায়ী কোন কিছু করার বা পাওয়ার ক্ষমতাকে বোঝায়।
- এদিক থেকে বিচার করলে আইন বিরোধী কাজ করাকেও অধিকার বলা যায়।
- কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসনে এ ধরনের কাজকে স্বেচ্ছাচার বলা হয়।
- অধ্যাপক আনেস্ট বার্কার যথার্থই বলেন, 'অধিকার তখনই প্রকৃত অধিকার হতে পারে যখন রাষ্ট্র সেগুলোকে অধিকার বলে স্বীকার করে এবং সেগুলো রক্ষার জন্য সচেষ্ট হয়।'
- অর্থাৎ রাষ্ট্র ও সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত ও অনুমোদিত সুযোগ বা সুবিধাকে অধিকার বলা যায়।
- যেমন: পরিবার গঠন, শিক্ষা লাভ, নির্বাচনে ভোটদান, নির্বাচিত হওয়ার মত অধিকারের প্রতি সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ও অনুমোদন রয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ মৌলিক অধিকার:
- মৌলিক অধিকার বলতে বুঝায় নাগরিক জীবনের বিকাশ ও ব্যক্তির জন্য সে সমস্ত অপরিহার্য শর্তাবলি, যা সার্বভৌম রাষ্ট্রের সংবিধান হতে প্রাপ্ত এবং অলঙ্ঘনীয়।
- নাগরিকদের মৌলিক অধিকারগুলো রাষ্ট্রের সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকলে তা সাংবিধানিক আইনের মর্যাদা লাভ করে।
- এর ফলে সরকার এ সমস্ত অধিকারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- নাগরিকগণ তাদের অধিকার ভোগ করতে কোনো প্রকার সরকারি বাধার সম্মুখীন হয় না।

⇒ মৌলিক অধিকারের উৎস রাষ্ট্রের সংবিধান।
- মৌলিক অধিকারের রক্ষক রাষ্ট্র ও সংবিধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদগুলো বর্ণিত হয়েছে।

⇒ তথ্য পাওয়া মানুষের মৌলিক অধিকার।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৮৫৮.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক কী ছিল?
  1. নৌকা
  2. বাইসাইকেল
  3. লাঙল
  4. হারিকেন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন:
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- যুক্তফ্রন্ট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বগ্রহণ করেন এ কে ফজলুল হক।
- মুসলিম লীগের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো হারিকেন। নির্বাচনে মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পূর্ব পাকিস্তানের চারটি বিরোধীদলের সমন্বয়ে ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামের রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়।

যুক্তফ্রন্টের শরীক দলসমূহ হলো:
- আওয়ামী মুসলিম লীগ -নেতৃত্বাধীন ব্যক্তি মওলানা ভাসানী।
- কৃষক শ্রমিক পার্টি -নেতৃত্বাধীন ব্যক্তি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- নেজামে ইসলাম পার্টি -নেতৃত্বাধীন ব্যক্তি মওলানা আতাহার আলী।
- গণতন্ত্রী দল -নেতৃত্বাধীন ব্যক্তি হাজী দানেশ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৮৫৯.
’স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ ভাস্কর্যটির স্থাপিত কে?
  1. মৃণাল হক
  2. শামীম শিকদার
  3. হামিদুজ্জামান
  4. কুসুম শিকদার
ব্যাখ্যা

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফুলার রোডে সলিমুল্লাহ হল, জগন্নাথ হল ও বুয়েট সংলগ্ন সড়ক দ্বীপে বাংলাদেশের ইতিহাসের ধারক স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটি স্থাপিত।

• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৮৬০.
মণিপুরিদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. রাস 
  2. বিজু
  3. সাংগ্রাই
  4. রথযাত্রা
ব্যাখ্যা

• মণিপুরী:
- মণিপুরীরা বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এরা প্রধানত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বসবাস করে।
তাদের মাতৃভাষা তিব্বতি-বর্মী ভাষা পরিবারের কুকি-চীনা শাখাভুক্ত।
- মণিপুরীদের সমাজ ঐতিহাসিকভাবে ৭টি ইয়েক বা সালাইসে বিভক্ত, যা পরে বৈষ্ণব সম্প্রদায়ে রূপান্তরিত হয়েছে।

- মণিপুরীদের প্রধান ও সর্ববৃহৎ উৎসব হলো মহারাসলীলা বা রাসপূর্ণিমা।
- এটি প্রতি বছর কার্তিক মাসের পূর্ণিমায় (সাধারণত নভেম্বর) উদযাপিত হয়। 
- উৎসবে রাসনৃত্যের মাধ্যমে শ্রীকৃষ্ণের ব্রজলীলা ফুটিয়ে তোলা হয়।
- বাংলাদেশে বিশেষ করে সিলেট অঞ্চলের মণিপুরীরা, যেমন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, এই উৎসব অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে পালন করে।

- মণিপুরী নৃত্যকে জাগই বলা হয়, যা প্রধানত ধ্রুপদী ও ফোকনৃত্যে বিভক্ত। 
- ধর্মীয়ভাবে মণিপুরীরা মূলত চৈতন্য ধারার সনাতন ধর্ম অনুসরণ করে। 
- তবে মণিপুরী মুসলমান সম্প্রদায়ও রয়েছে যারা একই সঙ্গে পূর্বের বিশ্বাস ও ইসলাম ধর্ম পালন করে।

অন্যদিকে, 
• বিজু হলো চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
• সাংগ্রাই হলো মারমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
• রথযাত্রা হলো হিন্দুদের উৎসব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১,৮৬১.
সাধারণ নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ আহ্বান করতে হয়?
  1. ৬০ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ সংসদের অধিবেশন:
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশন নিয়ে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বলা হয়েছে:
⇒ ১. রাষ্ট্রপতি সরকারি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত এবং ভঙ্গ করবেন। তিনি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করবেন।
→ তবে, সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের বেশি বিরতি দেওয়া যাবে না।
→ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে দেওয়া পরামর্শ অনুযায়ী এই দায়িত্ব পালন করবেন।
⇒ ২. সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে নতুন সংসদের বৈঠক আহ্বান করতে হবে।
⇒ ৩. প্রথম বৈঠকের তারিখ থেকে ৫ বছর পর সংসদ ভেঙে যাবে, যদি রাষ্ট্রপতি আগে না ভাঙেন।
→ তবে, যুদ্ধে লিপ্ত থাকলে সংসদের মেয়াদ একবারে সর্বোচ্চ ১ বছর বাড়ানো যাবে এবং যুদ্ধ শেষে এই মেয়াদ ৬ মাসের বেশি হবে না।
→ সংসদ ভেঙে দেওয়ার পর যদি রাষ্ট্রপতি মনে করেন যুদ্ধাবস্থার কারণে সংসদ পুনরায় আহ্বান করা প্রয়োজন, তাহলে তিনি ভেঙে দেওয়া সংসদ পুনরায় আহ্বান করতে পারেন।
→ সংসদের বৈঠকগুলো কার্যপ্রণালী-বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত সময় ও স্থানে অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৮৬২.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় কত সালে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা
হামিদুর রহমান:
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তিনি জম্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।
- ১৯৭১ সালে হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর সম্মুখ যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ট খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৮৬৩.
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. আবুল মনসুর আহমেদ
  2. মো. আজফার
  3. মওলানা আতাহার আলী
  4. হাজী দানেশ
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ব্যালট বাক্সে ব্যবহারের জন্য সরকার চূড়ান্তরূপে মোট ২৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট করেন।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ 'হারিকেন' প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্ট 'নৌকা' প্রতীক গ্রহণ করে। 
- ভোটগ্রহণ ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. আজফার। 

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ও জোট:
- ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে।
- মুসলমান আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মুসলিম লীগ, পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলামী, যুবলীগ, গণতন্ত্রী দল, খেলাফতে রব্বানী পার্টি প্রভৃতি।
- অমুসলমান আসনে অংশগ্রহণ করে পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, তফশিলি ফেডারেশন, গণসমিতি, অভয় আশ্রম (কুমিল্লা), পূর্ব পাকিস্তান সমাজতন্ত্রী দল প্রভৃতি।
- কমিউনিস্ট পার্টির মুসলমান সদস্যগণ মুসলমান আসনে এবং হিন্দু সদস্যগণ হিন্দু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- মুসলমান আসনে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি এবং নেজামে ইসলামী 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে সম্মিলিতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
- হিন্দু আসনে গণসমিতি, অভয় আশ্রম ও পূর্ব পাকিস্তান সমাজতান্ত্রিক দল 'সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৪.
ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্টের নেতৃত্বে কে ছিলেন?
  1. ডিরোজিও
  2. কেশবচন্দ্র সেন
  3. রাজা রাম মোহন রায়
  4. রামকুমারৎ মহাড়িয়ার
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা। দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে । যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।
- তিনি তাঁর ছাত্র-অনুসারীদের স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার শিক্ষা দেন।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৫.
ছয় দফার কোন দফায় লাহোর প্রস্তাবকে ভিত্তি করা হয়েছে? 
  1. ১ম দফায়
  2. ২য় দফায়
  3. ৫ম দফায়
  4. ৬ষ্ঠ দফায়
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতাদের একটি সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
• ছয় দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
১ম দফা : লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্য সত্যিকার অর্থে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির। সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সকল প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটে জাতীয় ও প্রাদেশিক আইনসভাগুলো গঠিত হবে।

তথ্যসূত্র: পাকিস্তানি শাসন, শোষণ এবং পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন, পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৬.
বিধবা বিবাহ প্রবর্তন ও বৈধকরণ করেন -
  1. নবাব আব্দুল লতিফ
  2. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন। 
- লর্ড ডার্লহৌসীর সহায়তায় ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই বিধবা বিবাহ আইন পাস হলেও তা বাস্তবায়ন সহজ হয়নি।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

উল্লেখ্য,
- বহুবিবাহ এবং বাল্য বিবাহ রোধেও তিনি প্রয়াস চালান।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৭.
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. পরিচালক
  2. রেক্টর
  3. মহাপরিচালক
  4. প্রশাসক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড:
-‘কোস্ট গার্ড এ্যাক্ট ১৯৯৪’ মহান জাতীয় সংসদে পাশ করার মাধ্যমে বাংলাদেশে কোস্ট গার্ড গঠন করা হয়।
- এবং ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে "GUARDIAN AT SEA" মূলমন্ত্রে  একটি আধাসামরিক স্বতন্ত্র বাহিনী হিসাবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে অদ্যাবধি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানা,
- তৎসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল এবং বিভিন্ন নদ-নদীতে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।
- বর্তমান সরকারের দূরদর্শিতা এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডে সংযুক্ত হয়েছে ৯৮ টি আধুনিক ও দ্রুততর জলযান,
- এ বাহিনীর কার্যাবলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- বাংলাদেশের জাতীয় জলসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলে জলদস্যুতা দমন,
- মাদকদ্রব্য পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ,
- মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ,
- সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা প্রদান,
- প্রাকৃতিক দূর্যোগকালে উপকূলীয় এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ পরিচালনা
- এবং তেল, গ্যাস ও বনজ সম্পদ রক্ষাসহ উপকূলীয় পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ।
- কোস্ট গার্ডের প্রধানকে মহাপরিচালক বলা হয়।

• বাংলাদেশের কোস্ট গার্ড নিম্নোক্ত কর্মকর্তা দ্বারা গঠিত হয়।
১।  কমডোর শফিক-উর-রহমান, (এন), এনসিসি, পিএসসি (মহাপরিচালক)
২।  ক্যাপ্টেন এন এ চৌধুরী, (জি), পিএসসি, বিএন  (পরিচালক, অপস অ্যান্ড টেকনিক্যাল)
৩।  কমান্ডার কে এম হাসান, (সি), পিএসসি, বিএন (উপ-পরিচালক, পূর্ব জোন)
৪।  কমান্ডার এস এম এম এ আবেদীন, (ই), পিএসসি, বিএন (উপ-পরিচালক, অপস্ অ্যান্ড টেকনিক্যাল)
৫।  কমান্ডার এম আর হুসেন, (এন), বিএন (উপ-পরিচালক, পশ্চিম জোন)।

উৎস: কোস্ট গার্ড ওয়েবসাইট।
১,৮৬৮.
ইসলাম খান কোথায় থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. কর্ণসুবর্ণ
  3. লখনৌতি
  4. রাজমহল
ব্যাখ্যা
সুবাদার ইসলাম খান: 
- ইসলাম খান বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থা পর্যালোচনা করে উপলব্ধি করেন যে, রাজধানী রাজমহল থেকে সারা বাংলাদেশের উপর সজাগ দৃষ্টি রাখা সম্ভব নয়।
- তাই বাংলাদেশে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠিত করতে হলে রাজধানী স্থানান্তর করা প্রয়োজন।
- তিনি বুঝতে পারেন যে, নদীমাতৃক বাংলাদেশে সাফল্য লাভ করার জন্য নৌবহরকে শক্তিশালী করা দরকার।
- এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন
- ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- তিনি ইহতিমাম খানের অধীনে শক্তিশালী নৌবহর প্রতিষ্ঠিত করেন এবং স্থল ও নৌপথে বিভিন্ন ভূঁইয়াদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন।
- ১৬১১ খ্রিস্টাব্দে মুঘল বাহিনীর সাথে মুসা খান ও তার মিত্রবাহিনীর নৌযুদ্ধ শুরু হয়।
- মুঘল বাহিনী রাতে অতর্কিতে আক্রমণ চালিয়ে মুসা খানকে একাধিকবার পরাজিত করে।
- তার রাজধানী সোনারগাঁও মুঘল বাহিনী দখল করে।
- এ অবস্থায় মুসা খানও অনন্যোপায় হয়ে সুবাদার ইসলাম খানের নিকট আত্মসমর্পণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮৬৯.
সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণের অবসর বয়সসীমা কত?
  1. ৬৯ বছর
  2. ৬৮ বছর
  3. ৬৫ বছর
  4. ৬৭ বছর
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত।
-  প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১,৮৭০.
Who was the first President of Bangladesh, serving from 17 April 1971 to 12 January 1972?
  1. Syed Nazrul Islam
  2. Mohammad Mohammadullah
  3. Sheikh Mujibur Rahman
  4. Abu Sayeed Chowdhury
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,৮৭১.
'পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র' এর নির্মাণ কাজ করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) CMCC
  2. খ) BCCL
  3. গ) BCPCL
  4. ঘ) CPCBL
ব্যাখ্যা
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ও সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র “পায়রা তাপবিদ্যুৎ” কেন্দ্র উদ্বোধন করেন - ২১ মার্চ ২০২২।
- এর অবস্থান পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে। ৯ জুন ২০১৪ এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- এটি ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত।
- এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট (৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন) বাণিজ্যিক উৎপাদনে আসে ১৫ মে ২০২০ এবং দ্বিতীয় ইউনিট বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে ৮ ডিসেম্বর ২০২০। 
- এটি নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (BCPCL)। 
- ২৪৮ কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ (১৯৬ কোটি ডলার) অর্থায়ন করেছে চীনের এক্সিম ব্যাংক।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের আগে দেশে সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৪৫০ মেগাওয়াট। 
- বিশ্বের ১৩তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- পরিবেশ রক্ষায় যে বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বা প্ল্যান্টের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনা হয়, তাকে বলা হয় আলট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এই বিদ্যুৎ উৎপাদনে প্রতিদিন ১২ হাজার টনের বেশি কয়লা পোড়ানো হচ্ছে।
- ইন্দোনেশিয়া থেকে বঙ্গোপসাগরের রামনাবাদ চ্যানেল হয়ে কয়লা আসে। পরবর্তীতে অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশ থেকেও আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।
- আরও তিনটি বিদ্যুৎকেন্দ্র আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উৎপাদনে যাবে বলে আশা রয়েছে। সেগুলো হলো ২,৪০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, ১,৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কক্সবাজারের মাতারবাড়ীর ১,২০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।


সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
১,৮৭২.
নিচের কোন জেলার সাথে মায়ানমারের সীমানা রয়েছে?
  1. হবিগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাঙ্গামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলার সাথে মায়ানমারের সীমানা রয়েছে।

• ভারত ও মিয়ারমার এদুটি দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশের মোট ৩২ টি জেলার সাথে দেশ দুটির সীমানা রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০ টি জেলা এবং মিয়ানমারের সাথে রয়েছে তিনটি জেলার সীমানা রয়েছে।
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা তিনটি হলো - রাঙামাটি , বান্দরবান ও কক্সবাজার।
- রাঙামাটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের  সীমানা রয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
১,৮৭৩.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
  1. ত্রিপুরা
  2. চাকমা
  3. বম
  4. গারো
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
-  বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১,৮৭৪.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ-
  1. বরকত 
  2. জব্বার
  3. সালাম
  4. রফিক
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলনের শহিদ:
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ ছিলেন রফিক উদ্দিন আহমেদ, তিনি বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- একই দিনে নিহত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শহীদ বরকত ও জব্বার।
- আহতদের মধ্যে সেক্রেটারিয়েটের পিয়ন আবদুস সালাম পরে মারা যান।
- আট/নয় বছরের কিশোর অহিউল্লাহ্ও সেদিন নিহত হয়।
- ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে নিহত হন রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ২০০০ সালে তাঁদের সবাইকে রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৮৭৫.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) পথের প্যাঁচালী
  3. গ) গেরিলা
  4. ঘ) নয়নমণি
ব্যাখ্যা
- নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র হচ্ছে গেরিলা। 
- এটি সৈয়দ শামসুল হকের 'নিষিদ্ধ লোবান' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে।  
- এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করে তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ বাংলা লেকচার। 
১,৮৭৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ’ন্যায়পাল’ কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৬নং
  2. ৭৭নং
  3. ১২৭নং
  4. ১৩৭নং
ব্যাখ্যা

• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
- ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদ;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদ।
-  মন্ত্রিগণ: ৫৬ নং অনুচ্ছেদ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,৮৭৭.
কোন শিক্ষা কমিশন 'অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা বস্তুত অবাস্তব কল্পনা মাত্র' রিপোর্ট পেশ করেন?
  1. এস. এম. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  2. নজরুল শিক্ষা কমিশন
  3. এস. এম. হামিদুর শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬২:
- ৩০ ডিসেম্বর, ১৯৫৮ আইয়ুব খান পাকিস্তানের শিক্ষা সচিব এস. এম. শরীফকে চেয়ারম্যান করে ১১ সদস্যবিশিষ্ট শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ১৯৬২ সালে শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট দেয় যে "অবৈতনিক শিক্ষার ধারণা বস্তুত অবাস্তব কল্পনা মাত্র"।
- এর ফলে ছাত্ররা গণতান্ত্রিক শিক্ষার দাবিতে শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায় যা শিক্ষা আন্দোলন নামে পরিচিত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৮৭৮.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার কত তারিখে গঠিত হয়?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১৭ মার্চ
  3. ২৭ এপ্রিল
  4. ২৭ মার্চ
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় -  ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন উপরাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৮৭৯.
কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য সে দেশের মোট আয়তনের শতকরা কত ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার?
  1. ১৭ ভাগ
  2. ২১ ভাগ
  3. ২৫ ভাগ
  4. ৩০ ভাগ
ব্যাখ্যা
বন ও বনায়ন:
- গাছপালা দ্বারা আচ্ছাদিত এলাকাকেই আমরা বন বলি।
- যে পদ্ধতিতে বন তৈরি হয় তা-ই হলো বনায়ন।
- আমরা জানি, প্রাণী ও উদ্ভিদের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক আছে।
- গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড গ্রহণ করে।
- আবার প্রাণী কার্বন ডাইঅক্সাইড ত্যাগ করে এবং অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- কাজেই প্রাণীকে বাঁচতে হলে গাছপালাকে বাঁচাতে হবে।
- কোনো দেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার জন্য সে দেশের মোট আয়তনের শতকরা ২৫ ভাগ বনাঞ্চল থাকা দরকার।
- বনে বিভিন্ন ধরনের পাখি, পশু, কীটপতঙ্গ থাকে।
- বনের মাধ্যমে একদিকে কাঠ ও জ্বালানির চাহিদা পূরণ হয় এবং অন্যদিকে পরিবেশ ভালো থাকে।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ষষ্ঠ শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৮৮০.
গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন সর্বশেষ কবে পাশ হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২০২১ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

⇒ নির্বাচনের মূল ভিত্তি সংবিধান।
- সেই সংবিধানের অধীনেই করা হয়েছিলো গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (রিপ্রেজেন্টেটিভ পিপলস অর্ডার ১৯৭২) , যা এ পর্যন্ত অনেকবার সংস্কার হয়েছে।
- ২০২৩ সালে সর্বশেষ সংসদে পাশ হয়েছে গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) আইন ২০২৩।
- নির্বাচনের জন্য দেশের মানুষের গণঅধিকার কোনগুলো এবং এ অধিকার রক্ষায় নির্বাচন কমিশন কী করবে সেটিই বলা হয়েছে আরপিওতে।
- “এর ১৪৫টি ধারার মধ্যে নির্বাচন সংক্রান্ত সব বিষয় বর্ণনা করা আছে।
- এর মাধ্যমে বলা আছে যে কীভাবে নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট। 
ii) BBC.
১,৮৮১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদের আসন কখন শূন্য হবে?
  1. একাদিক্রমে নব্বই কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে
  2. স্পীকারের নিকট পত্রযোগে পদত্যাগ করলে
  3. সংসদ ভেঙে গেলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হবে, যদি -
- (ক) তার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করতে অসমর্থ হন: তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তা বর্ধিত করতে পারবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না নিয়ে তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভেঙে যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হয়ে যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
- ৬৭ (২) নং অনুচ্ছেদ- কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৮৮২.
১৯৭৬ সালে কোন রাজনৈতিক ব্যক্তি ফারাক্কা মিছিলের নেতৃত্ব দেন?
  1. মাওলানা ভাসানী
  2. জিয়াউর রহমান
  3. মনি সিং
  4. অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা লং মার্চ:
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হচ্ছে 'ফারাক্কা লং মার্চ' সংঘটিত করা।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে 'ফারাক্কা লংমার্চ' সংঘটিত হয়েছিল।
- ১৯৭৬ সালের ১৮ এপ্রিল হাসপাতাল থেকে ফেরার পর মাওলানা ভাসানী ঘোষণা দেন ভারত যদি বাংলাদেশকে পানির অধিকার থেকে বঞ্চিত করে তাহলে তিনি লংমার্চ করবেন।
- এজন্য ১৬ মে রাজশাহী শহর থেকে লংমার্চ করার ঘোষণা দেন তিনি।
- কর্মসূচী বাস্তবায়নের জন্য ১৯৭৬ সালের ২রা মে মাওলানা ভাসানীকে প্রধান করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট 'ফারাক্কা মিছিল পরিচালনা জাতীয় কমিটি' গঠিত হয়।
- এই লংমার্চের আগে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছে একটি চিঠি লিখেন আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।

- সে চিঠিতে মিসেস গান্ধির কাছে লংমার্চের কারণ বর্ণনা করেন ভাসানী।
- লংমার্চের মিছিল রাজশাহী থেকে প্রেমতলী, প্রেমতলী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মনকষা এবং মনকষা থেকে শিবগঞ্জ পর্যন্ত ৬৪ মাইল অতিক্রম করবে।
- মাওলানা ভাসানীর অনুসারীরা তাকে একজন রাজনীতিবিদের চেয়ে 'দার্শনিক' হিসেবেই বেশি বিবেচনা করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৮৮৩.
ঢাকা শহরের প্রধান মুঘল স্থাপত্য কোনটি?
  1. ক) বর্ধমান হাউস
  2. খ) লালবাগ
  3. গ) আহসান মঞ্জিল
  4. ঘ) বড় কাটারা
ব্যাখ্যা
বর্ধমান হাউজ এবং আহসান মঞ্জিল ঔপনিবেশিক আমলের। লালবাগ কেল্লা মুঘল আমলে নির্মিত হয়। বড় কাটারা নির্মিত হয় একাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো।
১,৮৮৪.
কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধি রয়েছে?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা জেলার ময়নামতিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত ভারতীয় ও বৃটিশ সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র রয়েছে। এটি ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এতে মোট ৭৩৬ জন সৈনিকের সমাধি রয়েছে। এটির পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে কমনওয়েলথ ওয়ার গ্রেইভস কমিশন। কুমিল্লা ব্যতীত চট্টগ্রামে আরেকটি কমনওয়েলথ ওয়ার সেমিট্রি রয়েছে। (সূত্রঃ কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট)
১,৮৮৫.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন নয়?
  1. ক) মৈত্রী এক্সপ্রেস
  2. খ) মিতালী এক্সপ্রেস
  3. গ) বন্ধন এক্সপ্রেস
  4. ঘ) সোনার বাংলা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে চলাচলকারী ট্রেন - ৩টি।
- এগুলো হলো:- মৈত্রী এক্সপ্রেস, মিতালী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস।
- সোনার বাংলা ঢাকা-চট্রগ্রাম রুটে চলাচলকারী একটি ট্রেন।

তথ্যসূত্র:- দৈনিক যুগান্তর।
১,৮৮৬.
প্রথম কোন মুসলিম বাংলা জয় করেন?
  1. শিরান খলজি
  2. বখতিরয়ার খলজি
  3. ইলিয়াস শাহ
  4. হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই-মার্গ) অধিবাসী ছিলেন। 
- রাজধানী নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষন সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা দখলের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি  বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮৮৭.
জাতীয় সংসদে 'কাউন্টিং' ভোট কি?
  1. সংসদ নেতার ভোট
  2. হুইপের ভোট
  3. স্পিকারের ভোট
  4. রাষ্ট্রপতির ভোট
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে “কাউন্টিং” শব্দের পরিবর্তে “কাস্টিং” হবে।
• জাতীয় সংসদে 'কাস্টিং ভোট' হলো — স্পিকারের ভোট।

কাস্টিং ভোট (Casting Vote):
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন।
- একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পিকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৮৮৮.
ECNEC এর বিকল্প চেয়ারম্যান-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
• এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রপতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।
• এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয় ।
• এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
• NICAR হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।
উৎসঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১,৮৮৯.
বাংলাদেশ কত সালে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ এ আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়?
  1. ২০১৩ সাল
  2. ২০১৫ সাল
  3. ২০১৬ সাল
  4. ২০১৭ সাল
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)পরিকল্পনা হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
- ২০১৬ সালের অক্টোবরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিং পিং এর ঢাকা সফরের সময় আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ যোগ দেয়।

উল্লেখ্য,
- চীন প্রবর্তিত 'বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)' কে মোকাবিলা করতে জি৭ভুক্ত দেশসমূহ নতুন যে পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে, তার নাম PGII.
- PGII এর পূর্ণরূপ - Partnership for Global Infrastructure and Investment.
- চীনকে মোকাবিলায় বৈশ্বিক অবকাঠামো ও বিনিয়োগ অংশীদ্বারিত্ব (PGII) প্রকল্প গ্রহণকারী সংস্থার নাম – G7।
- ৪৮তম জি-৭ (গ্রুপ অব সেভেন) শীর্ষ সম্মেলন ২০২২ সালের ২৬-২৮ জুন জার্মানির ব্যাভারিয়ান রাজ্যের শ্লোস এলমাই শহরে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: Britannica. 
বিবিসি বাংলা।
১,৮৯০.
দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) সিলেট
  3. গ) মৌলভীবাজার
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত। দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। সূত্র-thedailystar পত্রিকা.
১,৮৯১.
ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে -
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৭ সালে
  3. গ) ১৯৯৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।

• বাংলাদেশের অংশ ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.আয়তনের সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপ, দীর্ঘতম লবণাক্ত জলাভূমি এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ইকোসিস্টেম।
- এখানে ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ৩৭৫ প্রজাতির বন্যপ্রাণী বিদ্যমান, যার মধ্যে আছে ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৩১৫ প্রজাতির পাখি, ৪২ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং বিশ্ব বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- প্রধান সরীসৃপ জাতিগুলোর মধ্যে আছে নোনা পানির কুমির, অজগর, গোখরা, গুইসাপ, সামুদ্রিক সাপ, গিরগিটি, কচ্ছপ এবং অন্যান্য।
- প্রায় ৩০ প্রজাতির সাপ সুন্দরবনে পাওয়া যায়।
- জলাভূমি হিসাবে রামসার এলাকার সকল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় সুন্দরবনকে ১৯৯২ সালে ৫৬০ তম রামসার এলাকা হিসাবে যোষণা করা হয়েছে।

সূত্র: খুলনা জেলার ওয়েবসাইট।
১,৮৯২.
বখতিয়ার খিলজি বাংলা জয় করেন -
  1. ক) ১৩ শতকের শেষ দিকে
  2. খ) ১২ শতকের প্রথম দিকে
  3. গ) ১৩ শতকের প্রথম দিকে
  4. ঘ) ১৪ শতকের প্রথম দিকে
ব্যাখ্যা
- তের শতকের প্রথম দিকে, ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 
- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৮৯৩.
পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৮৯৪.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ‘Timed out’ হয়েছেন কোন ক্রিকেটার?
  1. গ্ল্যান ম্যাক্সওয়েল
  2. অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস
  3. ক্রিস গেইল
  4. সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা
Timed out:
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো “Timed out’ হন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।
- বিশ্বকাপে চলমান বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে প্রথমবারের মতো “Timed out’ হন অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।
- ওয়ানডে ক্রিকেটের ১৪৬ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মত টাইম আউট হলেন কোনো ক্রিকেটার।
- লঙ্কান অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস ক্রিজে আসতে দেরি করে হয়েছে টাইম আউট।
- কোনো বল খেলার আগেই টাইম আউট হয়ে গেছেন লঙ্কান অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম ব্যাটার হিসেবে টাইম আউট হলেন তিনি।
- এমসিসির আইনের ৪০.১.১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ‘একজন ব্যাটারের আউট হয়ে যাওয়া বা রিটায়ার্ড হার্টের পর যে ব্যাটসম্যান আসবেন, তাকে অথবা অন্য ব্যাটসম্যানকে ৩ মিনিটের মধ্যে বলের মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত হতে হবে।
- এছাড়া, ICC Men's Cricket World Cup 2023 Playing Conditions 4 Men's Standard ODI Playing অনুযায়ী এটাকে ২ মিনিট ধরা হয়েছে।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।
১,৮৯৫.
বাংলায় হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) শান্তি চুক্তি
  2. খ) লাহোর চুক্তি
  3. গ) বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি
  4. ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
ব্যাখ্যা
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের উদ্যোগে ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে সহযোগিতা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে একটি চুক্তি হয়। এ চুক্তিই বেঙ্গল প্যাক্ট বা বাংলা চুক্তি নামে পরিচিত। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)।
১,৮৯৬.
মা ও মনি হলো-
  1. একটি ভাস্কর্যের নাম
  2. একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম
  3. একটি উপন্যাসের নাম
  4. একটি টেলিভিশন প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• মা ও মণি গোল্ডকাপ:
- 'মা ও মণি' হলো — একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার নাম। 
- ঢাকায় ১৯৯২ সালে ক্লাবগুলোকে নিয়ে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- (১৪ বছরের নিচে) টুর্নামেন্ট ১৯৯২ সালের ২৬ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২৬ ডিসেম্বর ২০২৩, দৈনিক জনকন্ঠ।
১,৮৯৭.
১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ করার জন্য প্রথম পানি সরবরাহ কার্যক্রম স্থাপিত হয়-
  1. সদরঘাটে
  2. চাঁদনীঘাটে
  3. পোস্তাগোলায়
  4. শ্যামবাজারে
ব্যাখ্যা
• পানি সরবরাহ প্রকল্প:
- ১৮৭৪ সালে ঢাকা শহরে পানি সরবরাহ হয় — চাঁদনীঘাট প্রকল্পের মাধ্যমে।
- চাঁদনীঘাটের এই প্রকল্পটি ছিলো ঢাকায় পানি সরবরাহের প্রথম প্রকল্প।
- ঢাকায় পানি সরবরাহের দ্বিতীয় প্রকল্প স্থাপিত হয় সায়েদাবাদে।

উৎস: পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা - বাংলাপিডিয়া ও যুগান্তর রিপোর্ট।
১,৮৯৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে কোন খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. যোগাযোগ
  2. সেবা
  3. কৃষি
  4. শিল্প
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১,৮৯৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, সার্বিকভাবে জিডিপিতে সর্বোচ্চ অবদান রাখা খাত –
  1. ক) তথ্য ও যোগাযোগ
  2. খ) খনিজ ও খনন
  3. গ) নির্মাণ
  4. ঘ) ম্যানুফ্যাকচারিং
ব্যাখ্যা
• সার্বিকভাবে ১৯টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি – ‘ম্যানুফ্যাকচারিং’ খাতের; হার - ১২.৩১% এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি – ‘নির্মাণ’ খাতের; হার - ৮.৯৪%। 

সার্বিকভাবে ১৯টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবদান – ‘ম্যানুফ্যাকচারিং’ খাতের; ৮,৭৬,৬৬২ কোটি টাকা (জিডিপিতে অবদান ২৪.৪৫%) এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান – ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত’ খাতের; ৫,৭২,৪৭৩ কোটি টাকা (জিডিপিতে অবদান ১৫.২৬%)।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১,৯০০.
ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন
  1. অর্থ মন্ত্রণালয় 
  2. শিল্প মন্ত্রণালয় 
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয় 
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

BTTC:
- BTTC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Trade and Tariff Commission.
- ট্যারিফ কমিশন পাকিস্তান ট্যারিফ কমিশনের পূর্ব পাকিস্তান শাখার উত্তরবর্তী।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এর নতুন নাম হয় ট্যারিফ কমিশন।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই, ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সালের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুনর্গঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত: বাণিজ্য নীতিমালা, বাণিজ্য প্রতিকার এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। 

⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।