বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৮ / ৩০৬ · ১,৭০১১,৮০০ / ৩০,৮৩২

১,৭০১.
‘রূপকথা’ কোন ফসলের জাত?
  1. ভুট্টা
  2. গম
  3. ধান
  4. আখ
ব্যাখ্যা

রূপকথা একটি ধানের জাত। এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল ধান।

⇒ বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
- উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি। 
- উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
- উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
- উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
- উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৭০২.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন-
  1. ওলন্দাজ
  2. ফরাসি
  3. পর্তুগিজ
  4. ইংরেজ
ব্যাখ্যা
- ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন- পর্তুগিজরা।

• পর্তুগিজ:
-পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান।
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন- পর্তুগিজরা।
- ১৫৩৮ সালে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা উপমহাদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন,
কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
-পর্তুগিজরা বাংলায় ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
১,৭০৩.
'বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন' কোথায় অবস্থিত?  
  1. সোনারগাঁও  
  2. সাভার 
  3. ত্রিশাল 
  4. ময়নামতি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন: 
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও- এ অবস্থিত। 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় সোনারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। 
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন যা সোনারগাঁও জাদুঘর নামেও পরিচিত।
-  লোক ও কারুশিল্পের নিদর্শন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, প্রদর্শন, গবেষণা, পৃষ্ঠপোষকতা, উৎসাহদান প্রভৃতির মাধ্যমে লোক ও কারুশিল্পের পুনর্জাগরণ এ ফাউন্ডেশনের প্রধান উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের জাদুঘর ভবন সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন। 

১,৭০৪.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪.২৮ কিলোমিটার
  2. ৪.৬ কিলোমিটার
  3. ৪.৮ কিলোমিটার
  4. ৫.২ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- যমুনা রেলসেতু দেশের দীর্ঘতম রেলসেতু। 
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।
- ১৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে যমুনা সেতু আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর সড়কসেতু চালু হয়। তারপর চালু হয় রেলসেতু।
- তবে ২০০৬ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ার পর সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। তখন থেকে সেতু দিয়ে ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চলাচল করত।
- এ সমস্যার সমাধানে নতুন রেলসেতু নির্মাণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৭০৫.
কোন সম্রাট 'বাদশাহ আলমগীর' উপাধি নিয়ে মুঘল সিংহাসনে আরোহন করেন?
  1. শাহজাহান
  2. আকবর
  3. হুমায়ূন
  4. আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
আওরঙ্গজেব:
- ১৬৫৮ খিষ্টাব্দে আওরঙ্গজেব বাদশাহ আলমগীর উপাধি নিয়ে মুঘল সিংহাসনে বসেন।
- ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব।
- ঐতিহাসিক স্টেন্সি লেনপুল আওরঙ্গজেবকে মুঘল বংশের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী শাসক বলেছেন।
- তিনি আকবর অপেক্ষা বৃহত্তর সাম্রাজ্য শাসন ও বিশালতর সৈন্যবাহিনীর অধিনায়কত্ব করেছিলেন। সম্রাট হয়েও তিনি সরল ও পবিত্র জীবনযাপন করতেন।
- আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য বিজয়কে তিন পর্যায়ে ভাগ করা যায়।
- আওরঙ্গজেব দীর্ঘ ২৫ বছর (১৬৮২- ১৭০৭ খ্রি.) দাক্ষিণাত্যে অবস্থান করেছিলেন।
- এ সময়ে শম্ভুজী পরাজিত ও নিহত হন এবং তাঁর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত মুঘল- মারাঠা সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭০৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ৪.২২%
  2. ৫.২২%
  3. ৬.২২%
  4. ৭.২২%
ব্যাখ্যা

 জিডিপি প্রবৃদ্ধি:
- দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে বিবিএস।
- তার মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনসহ (জিডিপি) গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নির্দেশক প্রাক্কলন অন্যতম।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ২২ শতাংশ। 
- প্রাথমিক হিসাবে তা ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ।
- ফলে তিন বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে।
- এর আগে ২০২১-২২ অর্থবছরের ৬ দশমিক ২৬ শতাংশ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১,৭০৭.
ঢাকা প্রথম বাংলার রাজধানী হয় কত সালে?
  1. ১৬২০ সালে
  2. ১৬২৫ সালে
  3. ১৬১০ সালে
  4. ১৭৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
• ইসলাম খান চিশতি:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতি বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা পাঁচবার বাংলার রাজধানী হয়।
- ১৬১০, ১৬৬০,  ১৯০৫, ১৯৪৭, ১৯৭১ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭০৮.
'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ 'অংশীদারী মনোভাবের' দ্বারা আবদ্ধ'। উক্তিটি কার?
  1. অ্যালান বল
  2. অ্যালেন পটার
  3. এইচ জিগলার
  4. অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সংজ্ঞা:
⇒ অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে 'সংগঠিত গোষ্ঠী' (Organized group) শব্দ দু'টি ব্যবহারের পক্ষে। কারণ এ ধারণার মাধ্যমে গোষ্ঠীর সংগঠনের ব্যাপকতাকে আরো যথার্থভাবে অনুধাবন করা সম্ভব।

⇒ অ্যালান বলের মতে, 'চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ 'অংশীদারী মনোভাবের' দ্বারা আবদ্ধ'।

⇒ এইচ জিগলার এর মতে, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন একটি সংগঠিত ব্যক্তি সমষ্টি যার সদস্যগণ সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে না। বরং তাদের লক্ষ্য হল সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা।

⇒ অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, 'স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন'।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭০৯.
ক্র্যাক প্লাটুন স্বাধীনতা যুদ্ধে কোন সেক্টরের অধীনে অংশ নেয়?
  1. ১ নং সেক্টর
  2. ১০ নং সেক্টর
  3. ২ নং সেক্টর
  4. ৪ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

ক্র্যাক প্লাটুন:
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।
 
 উৎস:  বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।

১,৭১০.
নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি কোন সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন?
  1. হাজং
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. মুন্ডা
ব্যাখ্যা
- নারী মুক্তিযোদ্ধা কাঁকন বিবি খাসিয়া সম্প্রদায়ের।
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে। পরবর্তীতে তিনি ইসলামধর্ম গ্রহণ করে প্রথমে একজন বাঙালি এবং পরে একজন পাকিস্তানিকে বিয়ে করেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি ৫ নং সেক্টরে মুক্তিবাহিনীর পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তি করেন। এক পর্যায়ে তিনি পাকবাহিনীর হাতে ধরা পড়লে তার উপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।
- কাঁকন বিবি কে ১৯৯৭ সালে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।
- ২০১৮ সালের ২১শে মার্চ তিনি মারা যান।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং প্রথম আলো)
১,৭১১.
ধর্মপাল নির্মাণ করেছেন -
  1. শালবন বিহার
  2. সোমপুর বিহার
  3. মহাস্থানগড়
  4. রামসাগর দীঘি
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৭১২.
বর্তমানে বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (BGMC) নিয়ন্ত্রণাধীন মিল-কারখানার সংখ্যা -
  1. ক) ২৫টি
  2. খ) ২৬টি
  3. গ) ২৭টি
  4. ঘ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
১,৭১৩.
বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত আদিবাসী ইউ কে চিং কোন উপজাতির?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) খাসিয়া
  4. ঘ) লুসাই
ব্যাখ্যা
বীরবিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত আদিবাসী ইউ কে চিং মারমা উপজাতির। (রেফারেন্সঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
১,৭১৪.
ইবনে বতুতা কবে বাংলায় সফর করেন?
  1. ১২৪৬ খ্রিস্টাব্দ
  2. ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দ
  3. ১৩৫৬ খ্রিস্টাব্দ
  4. ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে বাংলায় সফর করেন এবং শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

ইবনে বতুতা: 
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলায় সফর করেন ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে, জুলাই মাসে।
- তিনি চট্টগ্রামের সাদকাঁও শহরে (বর্তমান চাটগাঁও) পৌঁছান ৯ জুলাই ১৩৪৬ সালে।
- বাংলায় সফরের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কামরূপ অঞ্চলে অবস্থানরত বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল) সাক্ষাৎ লাভ করা।
- সেখান থেকে তিনি সরাসরি কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে যান।
- এরপর ১৫ দিনের নদীপথ পেরিয়ে ১৪ আগস্ট ১৩৪৬ সালে সোনারগাঁ (সুনুরকাঁও) পৌঁছান এবং সেখান থেকে জাভার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন।
- বাংলায় তাঁর সফরকাল ছিল মোটামুটি দুই মাসেরও কম (জুলাই-আগস্ট ১৩৪৬)।
- এই স্বল্প সময়ে তিনি বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অর্থনীতি, সমাজব্যবস্থা ও ধর্মীয় অবস্থা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ লিপিবদ্ধ করেন। তাঁর ভ্রমণকাহিনী পরবর্তীতে ‘রেহ্লা’ নামে আরবি ভাষায় সংকলিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১,৭১৫.
দেশে প্রথম মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কবে?
  1. ক) ১ জুলাই ১৯৯০
  2. খ) ১ জুলাই ১৯৯১
  3. গ) ১ জুলাই ১৯৯২
  4. ঘ) ১ জুলাই ১৯৯৩
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর বা মূসক (VAT-Value Added Tax) ১ জুলাই ১৯৯১ সাল থেকে চালু হয়।
২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
(সূত্রঃ এনবিআর ওয়েবসাইট)
১,৭১৬.
মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলে নিচের কোনটি ঘটে?
  1. আমদানি হ্রাস পায়
  2. আমদানি বৃদ্ধি পায়
  3. রপ্তানি কমে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

মুদ্রার অবমূল্যায়ন:
- মুদ্রার অবমূল্যায়ন হলো ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়া।
- মুদ্রা ইস্যুকারী সরকার একটি মুদ্রার অবমূল্যায়ন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে।
- এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়।
- ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭১৭.
বর্তমান শিক্ষানীতির আলোকে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদকাল কত? 
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা

• প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়:
- 'জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০' অনুসারে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছিল বিগত সরকার।
- তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নেই।
- রয়েছে শিক্ষক সংকট। নানান সংকটের মুখে সেই উদ্যোগ থেকে সরে এসেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- এজন্য আগামী ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত থাকছে প্রাথমিক শিক্ষা।
- প্রাথমিকে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। 
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে তা উপযোগী নয় বলে আপাতত প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ ৫ বছরেই রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেকাফ। (Link)

১,৭১৮.
দিনাজপুরের কাটারীভোগ চালকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে নিবন্ধন করে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) বিএসটিআই
  2. খ) বিআইএম
  3. গ) ডিপিডিটি
  4. ঘ) বিটাক
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস( ডিপিডিটি ) অধিদপ্তর ।
• এই অধিদপ্তরের মূল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে মেধা সম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন সত্ত্ব মঞ্জর করা, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্ক ও ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য নিবন্ধন করা।
• কিছু ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হলো---
- ইলিশ।
- জামদানি। 
- দিনাজপুর কাটারীভোগ।
- কালিজিরা
- রংপুরের শতরঞ্জি।
- রাজশাহী সিল্ক।
- ঢাকাই মসলিন। 
- বাগদা চিংড়ি।

সূত্র: শিল্প মন্ত্রণালয়।
১,৭১৯.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত নিচের কোনটি?
  1. মরিনী
  2. কুফরী
  3. তাহেরপুরী
  4. নারিফা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৭২০.
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. এহসান খান
  2. ফয়েজ উল্লাহ
  3. সব্যসাচী হাজরা
  4. রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৭ সালে তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
- এরপর নির্মাণকাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- এতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- জাপানি সহযোগিতা সংস্থা জাইকা ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে।
- এর নির্মাণকাজ করেছে জাপানের মিতসুবিশি ও ফুজিতা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার স্যামসাং।
- এ ভবনটির নকশা করেছেন রোহানি বাহারিন।
- তিনি আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সিঙ্গাপুরের সিপিজি করপোরেশন প্রাইভেট লিমিটেডের স্থপতি।
- ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে -
- কক্সবাজার স্টেশনটির নকশা করেছেন ফয়েজ উল্লাহ।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।
- হাতিরঝিল-এর নকশাকার এহসান খান।

উৎস: ৭ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৭২১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ৭৬
  2. অনুচ্ছেদ - ৭৭
  3. অনুচ্ছেদ - ৭৩
  4. অনুচ্ছেদ - ৭১
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ‘ন্যায়পাল’ এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। 

• অনুচ্ছেদ - ৭৭ : ন্যায়পাল: 
১. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
২. সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়, সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরকম দায়িত্ব প্রদান করবেন, ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
৩. ন্যায়পাল তার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

অন্যদিকে: 
- ৭১ নং অনুচ্ছেদে দ্বৈত সদস্যতায় বাধা, 
- ৭৬ নং অনুচ্ছেদ : সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ, 
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদে সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী। 

সূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৭২২.
বাংলাদেশের মন্ত্রণালয়ের প্রধান-
  1. সিনিয়র সচিব
  2. সচিব
  3. মন্ত্রী
  4. কমিশনার
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন :
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- প্রধানমন্ত্রীর পছন্দানুযায়ী প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে একজন মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।
- সরকারি কর্ম কমিশন কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে সেবা, যোগ্যতা, প্রশিক্ষণ এবং নির্দিষ্ট পদসোপানের মধ্য দিয়ে তিনি সচিব পদে উন্নীত হন। সংস্থাসমূহ সচিবালয়ের কাছে দায়ী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৭২৩.
একক দেশ হিসেবে, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে  কততম? [ আগস্ট, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা

পোশাক রপ্তানি: 
- একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।

- বাজার হিস্যা দশমিক ৪৮ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।
- বাংলাদেশের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- আর শীর্ষ অবস্থানে আছে বরাবরের মতো চীন।
- তাদের বাজার হিস্যা ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।

উৎস: প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

১,৭২৪.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে মোট কতজনকে বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করা হয়?
  1. ৬৭৬ জন
  2. ৬৭৭ জন
  3. ৬৭৮ জন
  4. ৬৭৯ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,৭২৫.
কার সম্পাদনায় বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
  1. ক) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  2. খ) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. ঘ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো সংবাদ প্রভাকর।
- ১৮৩৯ সালের ১৪ জুন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এর সম্পাদনায় সংবাদ প্রভাকর দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এর পূর্বে এটি ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৭২৬.
'আসাদ গেট' কোন আন্দোলনের প্রতীক?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. ছয় দফা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
আসাদ গেট:
- শহীদ আসাদ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৭২৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে যুক্ত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. মন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় দেশের সরকার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের নির্বাহী কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
 - যে সংসদ-সদস্য জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতীয়মান তাঁকে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধান মোতাবেক প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত তিনি স্বীয় পদে বহাল থাকবেন।
- তবে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারালে প্রধানমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হয় কিংবা সংসদ ভেঙে দেবার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দান করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে তাঁর মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- তাই প্রধানমন্ত্রীকে সরকারের স্তম্ভ বলা হয়।
- তিনি একইসাথে সংসদের নেতা ও সরকারপ্রধান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৭২৮.
তুযুক-ই-জাহাঙ্গীরী কে রচনা করেন?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট বাবর
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
সম্রাট জাহাঙ্গীর:
- সম্রাট জাহাঙ্গীর সকল ধর্ম বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। 
- ধর্মীয় ক্ষেত্রে তিনি কোনো প্রকার গোঁড়ামী পছন্দ করতেন না ।
- ফকির, দরবেশ, জ্ঞানী-গুণীদের তিনি সমাদর করতেন।
- সাহিত্য, শিল্পকলা ও চিত্রশিল্পে তাঁর যথেষ্ট অনুরাগ পরিলক্ষিত হয়। 
- সম্রাট নিজে চিত্রকর ও কবি ছিলেন। 
- তুযুক-ই-জাহাঙ্গীরী রচনা করে তিনি যথেষ্ট কৃতিত্বের পরিচয় দেন। 
- এটি ছিল তাঁর আত্মজিবনী যেখানে সমসাময়িক মোগল ইতিহাসের অনেক মূল্যবান তথ্য পাওয়া যায়। 
- সাহিত্যের উৎকর্ষতার কারণে তাঁর সময়কালকে অনেকে মধ্যযুগীয় ভারতীয় সাহিত্যের ‘অগাস্টাস যুগ' বলে অভিহিত করেন। 

উৎস: ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭২৯.
বিশ্বের সবচেয়ে ধীরগতির শহর -
  1. ঢাকা
  2. কলকাতা
  3. তাইপে
  4. কাটোউইস
ব্যাখ্যা
• ধীরগতির শহর:
- বিশ্বের সবচেয়ে ধীরগতির শহর - ঢাকা।
-
ধীরগতির শহরের তালিকায় ঢাকা ছাড়াও বাংলাদেশের দুই শহর—ময়মনসিংহ (৯ম) ও চট্টগ্রাম (১২তম) রয়েছে।
- ভারতের কলকাতা, মুম্বাইসহ আটটি শহর রয়েছে এই তালিকায়।

- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গতির ১০০ শহরের মধ্যে ৮৬টিই যুক্তরাষ্ট্রের।
- প্রতিবেদনে সবচেয়ে দ্রুতগতির যে ২০টি শহরের নাম এসেছে, তার মধ্যে ১৯টি যুক্তরাষ্ট্রের। একটি কানাডার অন্টারিও অঙ্গরাজ্যের উইন্ডসর।
- সবচেয়ে ধীরগতির ২০টি শহরের তালিকায় ঢাকার পরে রয়েছে নাইজেরিয়ার দুই শহর—লাগোস ও ইকোরোদু। এরপরে রয়েছে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলা।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৭৩০.
ওয়ারেন হেস্টিংস প্রবর্তন করেন -
  1. পাঁচসালা বন্দোবস্তু
  2. কাগজি মুদ্রা
  3. চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
  4. দ্বৈত শাসন
ব্যাখ্যা
- রাজস্ব খাতে আয় বৃদ্ধির জন্য ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচ বছর মেয়াদে সর্বোচ্চ মূল্যে জমিদারী ইজারা দেয়ার নিয়ম প্রবর্তন করেন যা 'পাঁচসালা বন্দোবস্তু' নামে পরিচিত।

• ওয়ারেন হেস্টিংস:
- তিনি কলকাতায় কোম্পানির একজন লেখক বা কেরাণী হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
- গভর্নর পদে নিযুক্ত হয়ে হেস্টিংস সর্ব প্রথমেই সীমান্ত নীতি বিষয়ে কিছু পরিবর্তন সাধন করেন।
- ওয়ারেন হেস্টিংসের শাসনামলে তাঁর সীমান্ত বা পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে এক প্রধান ঘটনা হলো ইঙ্গ মারাঠা যুদ্ধ (১৭৭৫ খ্রি:)।
- মারাঠাদের উত্তরাধিকার সংঘর্ষে ইংরেজদের হস্তক্ষেপের ফলেই ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের শুরু হয়। 
- ওয়ারেন হেস্টিংসের পররাষ্ট্র নীতির অপর প্রধান ঘটনা ছিল ইঙ্গ-মহীশূর যুদ্ধ।
- রাজস্ব খাতে আয় বৃদ্ধির জন্য তিনি পাঁচ বছর মেয়াদে সর্বোচ্চ মূল্যে জমিদারী ইজারা দেয়ার নিয়ম প্রবর্তন করেন।
- যা 'পাঁচসালা বন্দোবস্তু' নামে পরিচিত।

অন্যদিকে, 
• দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করেন- রবার্ট ক্লাইভ।

• চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন-  লর্ড কর্নওয়ালিস ।
- ১৭৯৩ সালে তিনি এটি প্রবর্তন করেন।
- একে দশশালা বন্দোবস্থ বলা হয়।

• ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৩১.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. এম মনসুর আলী
  4. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১,৭৩২.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ছিলেন -
  1. শিকদার
  2. ফৌজদার
  3. সুবাহদার
  4. ওয়াজির
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৩৩.
In which year was the 'The Bengali Language Implementation Act' enacted?
  1. in 1952
  2. in 1954
  3. in 1956
  4. in 1985
  5. in 1987
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রভাষা বাংলা।
- দেশ স্বাধীনের পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্তভু‌র্ক্ত করেন।
- সর্বস্তরে বাংলার ব্যবহার নিশ্চিত করতে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ তিন অনুসারে বাংলা ভাষার ব্যবহার আইন দ্বারা বিধিবদ্ধ করার জন্য ১৯৮৭ সালে ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রবর্তন করা হয়।
- মাত্র চারটি ধারার সে আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়, ‘বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারী অফিস, আদালত, আধা-সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সাথে যোগাযোগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সওয়াল জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখতে হবে।’
- ওই আইনের ৩(২) ধারায় আরও উল্লেখ করা হয়, ‘কোন কর্মস্থলে যদি কোন ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোন ভাষায় আবেদন বা আপীল করেন, তাহলে তা বেআইনী ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।’
- সরকারি কর্মকর্তাদের এ আইন অমান্যের জন্য ৩(৩) ধারায় শাস্তির বিধান করা হয়েছে।
- শাস্তি হিসেবে এ আইন আমান্যকারী ব্যক্তি, সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য করে তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
- ১৯৮৭ সালের পর থেকে বাংলাদেশের সব আইন, অধ্যাদেশ, বিধিবিধান ও প্রজ্ঞাপন ইত্যাদি বাংলায় প্রণীত হচ্ছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৭৩৪.
শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন কত সালে?
  1. ১৯৩৪
  2. ১৯৩৭
  3. ১৯৪৫
  4. ১৯৪৯
ব্যাখ্যা
এ.কে. ফজলুল হক:

- আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া
১,৭৩৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, দেশে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ১,১২১ জন
  2. ১,১১৭ জন
  3. ১,১১৯ জন
  4. ১,১২৩ জন
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

উল্লেখ্য,
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) গ্রামে বাস করে।

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

• ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

১,৭৩৬.
Which of the following chess players is the first grandmaster from Bangladesh?
  1. Rani Hamid
  2. Ziaur Rahman
  3. Niaz Morshed
  4. Rifat Bin Sattar
  5. None of these
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- ২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন জিয়াউর রহমান।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।

উৎস: i) ২২ মে, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii) ২০ জুলাই ২০২১, প্রথম আলো।
১,৭৩৭.
মন্ত্রিপরিষদে কত শতাংশের বেশি টেকনোক্রেট মন্ত্রী রাখা যায় না?
  1. ৫%
  2. ৮%
  3. ১০% 
  4. ১৫% 
ব্যাখ্যা

- ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

মন্ত্রিপরিষদ: 

- সরকার পরিচালনার জন্য দেশে একটি মন্ত্রিপরিষদ আছে।
- প্রধানমন্ত্রী এর নেতা।
- তিনি যেরূপ সংখ্যক প্রয়োজন মনে করেন, সেরূপ সংখ্যক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীকে নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।
- মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রীগণ সাধারণত সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিযুক্ত হন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন করেন।
- মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা কোনো কারণে সংসদ ভেঙে গেলে মন্ত্রিসভাও ভেঙে যায়।
- প্রধানমন্ত্রী তাঁর কাজের সুবিধার্থে মন্ত্রিসভার যেকোনো মন্ত্রীর দপ্তর পরিবর্তন কিংবা অপসারণ করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬০ পৃষ্ঠা।

১,৭৩৮.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কোন জনপদ ভ্রমণ করে তার বিবরণী লিখে যান?
  1. বঙ্গ
  2. রাঢ়
  3. সমতট
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা

চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কর্ণসুবর্ণের নিকটবর্তী রক্তমৃত্তিকা,পুন্ডনগর এর সংলগ্ন এলাকা,সমতট ও তাম্রলিপি জনপদ ভ্রমণ করে তার বিবরণী লিখে যান

হিউয়েন সাং:

- হিউয়েন সাং ছিলেন একজন বিখ্যাত চীনা বৌদ্ধ ভিক্ষু ও পর্যটক।
- তিনি ৭ম শতকে বাংলায় আসেন।
- তিনি বাংলার বেশ কয়েকটি জনপদ ভ্রমণ করেন এবং তাঁর ভ্রমণকাহিনীতে সেগুলোর বিশদ বিবরণ দেন।
- তাঁর বিবরণী থেকে সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য জানা যায়।

• সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন। ৬২৯ সালে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য এশিয়ার কুশ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান। হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন। কনৌজনগরে পৌঁছে তিনি ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন। হিউয়েন-সাং যখন নালন্দা মহাবিহারে অধ্যয়ন করেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ। হিউয়েন-সাং শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- হিউয়েন-সাং-এর গ্রন্থ জিউ জি (সি-উ চি) মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের উপর সর্ববৃহৎ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত গ্রন্থ।
- বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ ও বৌদ্ধ ধর্ম নির্দেশনায় ব্যুৎপত্তি অর্জন হিউয়েন-সাং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলেও ভারতে অবস্থানকালে তিনি অন্যান্য কাজও করেছেন।
- বাংলায় ভ্রমণকৃত বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ছিল প্রধানত কর্ণসুবর্ণের নিকটবর্তী  রক্তমৃত্তিকা,  পুন্ড্রনগর ও এর সংলগ্ন এলাকা,  সমতট ও  তাম্রলিপ্তি।
- তাঁর বিবরণ বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে ব্যাপক সহায়তা করে। কোথাও কোথাও তাঁর বিবরণ পক্ষপাতদোষে দুষ্ট হলেও সাত শতকের বাংলার ইতিহাস, বিশেষ করে শশাঙ্কের শাসনাধীন গৌড় রাজ্য সম্বন্ধে তিনি আলোকপাত করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৭৩৯.
কে অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. সুভাষচন্দ্র বসু
  4. বিপিনচন্দ্র পাল
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।

অসহযোগ আন্দোলন:
- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতে জন্ম নেন তিনি।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলন করা এবং ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে বিদায় করতে তাঁর ভূমিকা অগ্রগণ্য।
- তিনি ছিলেন সত্যাগ্রহ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা।
- মহাত্মা গান্ধীকে ১৯৪৮ সালের ৩০শে জানুয়ারি নতুন দিল্লির একটি সুবৃহৎ প্রাসাদ বিড়লা হাউসের প্রাঙ্গনে হত্যা করা হয়েছিল।
- তাঁর ঘাতক ছিলেন নাথুরাম গডসে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) Britannica.
১,৭৪০.
যুক্তরাষ্ট্রের ধাতব মুদ্রায় প্রথমবারের মত স্থান পান কোন কৃষ্ণাঙ্গ নারী?
  1. ক) সিডনি পটিয়া
  2. খ) মায়া এঞ্জেলু
  3. গ) জেসিকা ওয়াটকিনস
  4. ঘ) জেন বলিন
ব্যাখ্যা
প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রের ধাতব মুদ্রায় জায়গা করে নেন প্রয়াত কৃষ্ণাঙ্গ নারী কবি ও অধিকারকর্মী মায়া অ্যাঞ্জেলো। 
‘আমেরিকান উইমেন কোয়ার্টার’ প্রোগ্রামের অংশ হিসাবে একজন নভোচারী, একজন উপজাতি প্রধান এবং একজন অভিনেত্রীসহ অন্যান্য অগ্রগামী মহিলাদের জন্য মুদ্রার পরিকল্পনা করা হয়।
মায়া অ্যাঞ্জেলো একজন লেখক এবং সামাজিককর্মী ছিলেন।
২০১৪ সালে ৮৬ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন তিনি। 

উৎস: যুগান্তর পত্রিকা
১,৭৪১.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার উইজডেন বর্ষসেরা টি-টুয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. লিটন কুমার দাস 
  2. সাইফ হোসেন 
  3. মোস্তাফিজুর রহমান
  4. শরিফুল ইসলাম 
ব্যাখ্যা

•  উইজডেনের বর্ষসেরা একাদশ - ২০২৫: 
 - ক্রিকেটের বাইবেল খ্যাত উইজডেনের বর্ষসেরা (২০২৫ সালের) পুরুষ টি-টোয়েন্টি দলে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমান।
- উইজডেনের সম্পাদকীয় বিভাগ গত বছরের সব ধরনের স্বীকৃত টি-টোয়েন্টি ম্যাচের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে এই একাদশ সাজিয়েছে। 
- ২০২৫ সালে তিনি মোট ৫৯টি উইকেট শিকার করেন। তার ইকোনমি রেট ছিল মাত্র ৬.৭৮। 
- ১১ রান খরচায় ৩ উইকেট ছিল তার সেরা বোলিং পারফরম্যান্স।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার। 

১,৭৪২.
চলতি অর্থবছরের বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ মোট বাজেটের কত শতাংশ?
  1. ক) ১৯.৯ শতাংশ
  2. খ) ১৫.১ শতাংশ
  3. গ) ১১.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ১১.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে খাত ভিত্তিক অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন বরাদ্দের শতকরা পরিমাণ:
- প্রথম : জনপ্রশাসন (১৯.৯ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : শিক্ষা ও প্রযুক্তি (১৫.১ শতাংশ)
- তৃতীয় : যোগাযোগ ও পরিবহন (১১.৪ শতাংশ)
- চতুর্থ : সুদ (১১.১ শতাংশ)
- পঞ্চম : স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন (৭ শতাংশ)
- ষষ্ঠ : প্রতিরক্ষা (৬.১ শতাংশ)
- সপ্তম : সামাজিক নিরাপত্তা (৫.৬ শতাংশ)
- অষ্টম : কৃষি (৫.৩ শতাংশ)
- নবম : স্বাস্থ্য (৫.১ শতাংশ)
- দশম : জননিরাপত্তা (৫ শতাংশ)
- একাদশ : জ্বালানি ও শক্তি (৪.৭ শতাংশ)
- দ্বাদশ : গৃহায়ণ (১.২ শতাংশ)
- ত্রয়োদশ : বিনোদন ও সংস্কৃতি (০.৯ শতাংশ)
- চতুর্দশ : অন্যান্য (০.৮ শতাংশ)
- পঞ্চদশ : শিল্প ও আর্থিক সেবা (০.৭ শতাংশ)।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১,৭৪৩.
বাংলাদেশে 'অপারেশন সি-এঞ্জেল' সাংকেতিক নামে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করেছিল - 
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) জাপান
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা
- ২৯ এপ্রিল, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের সময় ব্রিটিশ রাজকীয় নৌবাহিনী 'অপারেশন মান্না' সাংকেতিক নামে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে এবং এসময় বাংলাদেশে মার্কিন টাস্কফোর্স 'অপারেশন সি-এঞ্জেল' ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে।
- 'অপারেশন মান্না' সাংকেতিক নামে বাংলাদেশে ত্রাণ তৎপরতা পরিচালনা করে যুক্তরাজ্য।
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- এই ঘূর্ণিঝড় সিডরের সময় মার্কিন সেনাবাহিনী পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রমের সাংকেতিক নাম 'অপারেশন সি-এঞ্জেল-২'।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা।
১,৭৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রিট আবেদন করা যায়?
  1. ১০১
  2. ১০০
  3. ১০২
  4. ১০৪
ব্যাখ্যা
রিট:
- রিট শব্দটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত আদেশ।
- রিট হল এমন এক আদেশ যার মাধ্যমে আদালত কোন ব্যক্তিকে কোন কাজ করতে বা করা হত বিরত থাকতে নির্দেশ প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- সংক্ষুব্ধ কোন ব্যক্তি সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রতিকার প্রাপ্তির জন্য যে পিটিশন দায়ের করে, তা রিট পিটিশন নামে পরিচিত।
- সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কারো মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে হাইকোর্টতা বলবত করতে পারে এবং বিচার বিভাগীয় পর্যাচোলনাকে কার্যকর করতে পারে যা হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৭৪৫.
বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়ার দাবিতে প্রথম ধর্মঘট কখন হয়?
  1. ক) ৭ মার্চ ১৯৪৯
  2. খ) ১১ মার্চ ১৯৪৮
  3. গ) ১১ মার্চ ১৯৪৭
  4. ঘ) ১৭ মার্চ ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ একটি স্মরণীয় দিন। গণপরিষদের ভাষা-তালিকা থেকে বাংলাকে বাদ দেওয়া ছাড়াও পাকিস্তানের মুদ্রা ও ডাকটিকেটে বাংলা ব্যবহার না করা এবং নৌবাহিনীতে নিয়োগের পরীক্ষা থেকে বাংলাকে বাদ দিয়ে উর্দুকে রাখার প্রতিবাদস্বরূপ ওইদিন ঢাকা শহরে সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। ধর্মঘটিদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
১,৭৪৬.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল- 
  1. ৩ বছর
  2. ৩.৫ বছর
  3. ৪.৫ বছর 
  4. ২.৫ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল ২.৫ বছর।
- এ সংসদ ১৯৭৩ সালের ৭ এপ্রিল থেকে ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কার্যকর ছিল।
- দ্বিতীয় সংসদের মেয়াদকাল ছিল ২ বছর ১১ মাস।
- এ সংসদ কার্যকর ছিল ১৯৭৯ সালের ২ এপ্রিল থেকে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত।
- তৃতীয় সংসদের মেয়াদকাল ১ বছর ৫ মাস, ১৯৮৬ সালের ১০ জুলাই থেকে ১৯৮৭ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- চতুর্থ সংসদের মেয়াদকাল ২ বছর ৭ মাস, ১৯৮৮ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
- পঞ্চম সংসদের মেয়াদকাল ছিল ৪ বছর ৮ মাস, ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল থেকে ১৯৯৫ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যমত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৭৪৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'বাক-স্বাধীনতার' কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৩৭ নং
  3. ৩৮ নং
  4. ৩৯ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৭৪৮.
বর্তমানে দেশের প্রধান বিচারপতি কে?
  1. ওবায়দুল কাদের
  2. ওবায়দুল হাসান
  3. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  4. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশের প্রধান বিচারপতি:
- বর্তমানে দেশের প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

উল্লেখ্য,
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন।
- রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো: গোলাম সারওয়ার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।
- ওবায়দুল হাসান ২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগে বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

অন্যদিকে -
- হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি।
- সৈয়দ মাহমুদ হোসেন দেশের ২২তম প্রধান বিচারপতি।

উৎস: ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৭৪৯.
ওষুধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের 'অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট' (API) পার্ক কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ভালুকা, ময়মনসিংহ 
  4. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

'অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট' (API) পার্ক: 
- অবস্থান: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়।
- অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) বা ওষুধ শিল্পপার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে।
- দেশে ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের লক্ষ্যে এ শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। 
- ২০১৮ সালের নভেম্বরে  এটি উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- এপিআই শিল্পপার্কে মোট ২৭টি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে কারখানা স্থাপন করেছে মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠান।
- তবে তাদের কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করতে পারেনি। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১,৭৫০.
কত সালে বাংলাদেশে মুদ্রার ভাসমান বিনিময় হার চালু হয়?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৩ সালে
  4. ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
মুদ্রার ভাসমান বিনিময় হার:
- মুদ্রার ভাসমান বিনিময় হার (Floating Exchange Rate) বলতে বোঝায় এমন একটি বিনিময় হার ব্যবস্থা যেখানে দেশের মুদ্রার মূল্য বাজারের চাহিদা ও সরবরাহের উপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।
- এই ধরনের বিনিময় হার সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করা হয় না বরং আন্তর্জাতিক বাজারে অন্যান্য মুদ্রার সঙ্গে বিনিময়ের মাধ্যমে তা পরিবর্তিত হয়।

⇒ বাংলাদেশে প্রথম কাগুজে নোট চালু করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ।
- বিনিময় হারকে নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল ১৯৯৩ সালে ১৭ জুলাই।
- এর আগে দেশে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার ছিল না। বাংলাদেশ ব্যাংকই চাহিদানুযায়ী ব্যবহারকারীদের মধ্যে বৈদেশিক মুদ্রা বরাদ্দ দিত। 

উল্লেখ্য,
- ২০০৩ সালের ২৯ মে বাংলাদেশ ব্যাংক স্থিরীকৃত মুদ্রা বিনিময় হারের পরিবর্তে টাকাকে ভাসমান মুদ্রা হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- এর মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রাবাজার বাংলাদেশ ব্যাংকের হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত হয়। তারপরও মুদ্রা বিনিময় হার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের হাতেই থাকে। তবে আগের মতো তারা সরাসরি হস্তক্ষেপ না করে নিজেই মুদ্রাবাজারে কেনাবেচার মাধ্যমে পরোক্ষভাবে হস্তক্ষেপ করা শুরু করে। বাংলাদেশ ব্যাংক তখন বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করে আসছিল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Britannica.
১,৭৫১.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত কোনটি? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. পোশাক শিল্প
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. ঔষধ শিল্প
  4. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- পোশাক খাতের পর চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য দেশের দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে ৪৭৭ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এর মধ্যে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার রপ্তানি আয় এসেছে।
- গত বছরের একই মাসে যা ছিল ৯ কোটি ৮২ লাখ ডলারের।
- এই রপ্তানি গত বছরের জুলাইয়ের তুলনায় ২৯ দশমিক ৬৫ শতাংশ বেশি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের চামড়াজাত পণ্যের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- বিদায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৪ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে ৯ কোটি ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- তার বাইরে ভারতে ৭ কোটি ১৯ লাখ, জাপানে ৫ কোটি ৬৩ লাখ ও বেলজিয়ামে ২ কোটি ৮২ লাখ ডলারের চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।

১,৭৫২.
বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩০ কি.মি
  2. ৩.৩১ কি.মি
  3. ৩.৩২ কি.মি
  4. ৩.৩৩ কি.মি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার টানেলের নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ার নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

উৎস:  বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ & বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৭৫৩.
তিতুমিরের ওয়াহাবি আন্দোলন কার ভাবধারায় অনুপ্রাণিত ছিল?
  1. সৈয়দ আহমদ শহীদ
  2. সৈয়দ আহমদ খান
  3. সৈয়দ আমির আলি
  4. নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
তিতুমিরের সংগ্রাম: 
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমির চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উনিশ শতকে ভারতবর্ষে মুসলমান সমাজে এক ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল।
- বাংলায় তার দুইটি ধারা প্রবহমান ছিল।
- যার একটি ওয়াহাবি বা মুহাম্মদিয়া আন্দোলন, অপরটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে খ্যাত।
- উভয় আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় কুসংস্কার দূর করে মুসলিম সমাজ সংস্কার করা।
- ওয়াহাবিরা তিতুমিরের নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল।
- তিতুমিরের নেতৃত্বে পরিচালিত তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া বা ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১,৭৫৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত মার্কিন ডলার?
  1. ৪৩.৬০ বিলিয়ন
  2. ৪৫.৯০ বিলিয়ন
  3. ৪৮.৩০ বিলিয়ন
  4. ৪৯.৯০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র:  অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১,৭৫৫.
ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করেন -
  1. তিতুমীর
  2. মোহাম্মদ আলী
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী শরীয়তুল্লাহ
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে পরিণত করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৫৬.
কোন জেলাটি বোমাং সার্কেলের অন্তর্গত?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীসমূহের প্রথাগত শাসন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে মোট তিনটি সার্কেলে বিভক্ত করা হয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- চাকমা সার্কেল (রাঙামাটি)
- বোমাং সার্কেল (বান্দরবান)
- মং সার্কেল (খাগড়াছড়ি)।
- প্রতিটি সার্কেল প্রধান হলেন রাজা। প্রতিটি সার্কেল কতগুলো মৌজা এবং মৌজাসমূহ কতগুলো গ্রামে বিভক্ত।
- সমগ্র বান্দরবান জেলা নিয়ে বোমাং সার্কেল গঠিত। বোমাং সার্কেলের রাজা হলেন মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
১,৭৫৭.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে প্রতীক কী ছিল?
  1. হাতপাখা
  2. কুলা
  3. নৌকা
  4. হারিকেল
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট :
 - ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নেয়।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত পাঁচটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।

১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি,
৪. হাজী দানেশের বামপন্থি গণতন্ত্রী দল ও
৫. খিলাফত-ই-রাব্বানি।

-নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'। 
-যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- পূর্ব বাংলার গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে প্রণীত এই ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৭৫৮.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুযায়ী শিশু মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে)-
  1. ক) ২৫ জন
  2. খ) ২৩ জন
  3. গ) ২১ জন
  4. ঘ) ১৯ জন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- শিশু মৃত্যুহার (প্রতি হাজার জীবিত জন্মে)- ২১ জন (১ বছরের নিচে)
- স্থূল জন্ম হার (প্রতি ১০০০ জনে)- ১৮.১ জন
- স্থূল মৃত্যু হার (প্রতি ১০০০ জনে)- ৪.৯ জন
- মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার- ২.০৪
- গর্ভ নিরোধক ব্যবহারের হার- ৬৩.৪
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+) ৭৪.৪
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৬ বছর
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী ৯৮.১
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী ৮১.৫

উল্লেখ্য,
৫ বছরের নিচে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুহার ২৮ জন
১ মাসের কম বয়সের শিশুমৃত্যু হার প্রতি হাজারে ১৫ জন

১,৭৫৯.
মেধা কচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. মৌলভীবাজার
  3. কক্সবাজার
  4. শেরপুর
ব্যাখ্যা
মেধা কচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান:
- মেধা কচ্ছপিয়া জাতীয় উদ্যান ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত।
- এটি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এর মোট আয়তন ৩৯৫.৯২ হেক্টর।
- এখানকার বনের প্রকৃতি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বন।
- এ উদ্যানটি কক্সবাজার উত্তর বন বিভাগের নিয়ন্ত্রনাধীন। 
- এসব স্থানীয় গ্রাম কিংবা পাড়া গুলো মূলতঃ কৃষিকাজ, লবন চাষ ও মৎস্য চাষের উপর নির্ভরশীল।

উল্লেখ্য,
- রোহিঙ্গা শরনার্থীদের কারনে এ সকল জনগোষ্টিতে ক্রমান্বয়ে জন সংখ্যার চাপ বাড়ছে।
- এখানে জাতীয় উদ্যান প্রতিষ্ঠার পেছনে মূল উদ্দেশ্য হল শতবর্ষী গর্জন বনকে রক্ষা করা।
- এই উপমহাদেশে যে অল্প কিছু গর্জন বন আজও মাথা উঁচু করে আছে, এ বনটি তার মধ্যে অন্যতম।
- এই জাতীয় উদ্যানের প্রধান বৃক্ষরাজির মধ্যে বিশালাকৃতির গর্জন ছাড়াও রয়েছে ঢাকিজাম, ভাদি, তেলসুর ও চাপালিশ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৭৬০.
২০২৫ সালে কয়টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক প্রদান করা হয়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- একুশে পদক- ২০২৫ পেয়েছেন দেশের বিশিষ্ট ১৭ ব্যক্তিত্ব ও ১টি প্রতিষ্ঠান।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ১৭ নাগরিককে একুশে পদক ২০২৫ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
- এ বছর ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

একুশে পদক ২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
• গবেষণা - মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
• ভাষা ও সাহিত্যে - শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি ও শিক্ষা - ড. শহীদুল আলম (ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা),
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি - মেহেদী হাসান খান (অভ্র'র জনক) ও রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
• সাংবাদিকতা - মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
• সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার - মাহমুদুর রহমান।
• শিল্পকলা (চলচ্চিত্র) - আজিজুর রহমান (মরণোত্তর) (ছুটির ঘণ্টা এবং আরও অনেক ছবির পরিচালক),
• সংগীত - উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
• আলোকচিত্র - নাসির আলী মামুন।
• চিত্রকলা - রোকেয়া সুলতানা।
• শিক্ষা - ড. নিয়াজ জামান।
• সমাজসেবা - মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

১,৭৬১.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশ মাছের অবদান কত শতাংশ? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ০.৫%
  2. ১%
  3. ১.৫%
  4. ২%
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬%।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: i) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর। 
১,৭৬২.
"দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন"-এর প্রধান কে?
  1. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  2. ড. বদিউল আলম মজুমদার
  3. সফর রাজ হোসেন
  4. ড. আবদুল মোমেন
ব্যাখ্যা

 দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন:
- ৩ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার বিদ্যমান দুর্নীতি দমন কমিশনকে কার্যকর, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় সংস্কার প্রস্তাবনার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমে "দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন" গঠন করা হয়েছে।

• উক্ত কমিশনের প্রধান: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।
- এছাড়াও উক্ত কমিশনের সদস্য- জনাব মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম, অধ্যাপক মোস্তাক খান, জনাব মাহদীন চৌধুরী, ড. মাহবুবুর রহমান, জনাব ফারজানা শারমিন, ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি।

অন্যদিকে,
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার।
- পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফর রাজ হোসেন।
- দুর্নীতি দমন কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান ড. আবদুল মোমেন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১,৭৬৩.
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাষ্ট্রপতির কত নং আদেশ দ্বারা গঠিত হয়েছে?
  1. ৭২ নং
  2. ৭৪ নং
  3. ৭৬ নং
  4. ৭৮ নং
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১,৭৬৪.
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহার স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য নিচের কোনটি?
  1. সংশপ্তক
  2. স্মৃতি অম্লান
  3. স্ফুলিঙ্গ
  4. স্মৃতি চিরন্তন
ব্যাখ্যা
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:

- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ শামসুজ্জোহা দিবস।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা।
- এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিসহ আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে ফুঁসে ওঠা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে নিহত প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সামনে নির্মিত হয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্য ‘স্ফুলিঙ্গ’।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
১,৭৬৫.
'ঋজুক ঝর্ণা' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) বান্দরবানে
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণাঃ
- ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls)
- ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls)
- জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls)
- চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain)
- জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls)
- রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls)
- বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls)
- কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls)
- দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls)
- রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls)
- শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat)
- তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar)
- নাফাখুম (Nafakhum)

উৎসঃ বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
১,৭৬৬.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে 'সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা' চালু হয়?
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সর্বমোট ১৭ বার সংশোধন হয়েছে। 

৪র্থ সংশোধনী:
- ৪র্থ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে  রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

অন্যদিকে -
তৃতীয় সংশোধনী:
- মূলত ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা নির্ধারণী একটি চুক্তি বাস্তবায়ন করার জন্য ১৯৭৪ সালের ২৩ নভেম্বর এ সংশোধনী আনা হয়। ভারতের কিছু অংশ বাংলাদেশে আসবে এবং বাংলাদেশের কিছু অংশ ভারতে আসবে- এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্যই তৃতীয় সংশোধনী আনা হয়।

পঞ্চম সংশোধনী:
- জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। এ সংশোধনী ১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্টে সামরিক শাসন জারির পর থেকে ৯ এপ্রিল ১৯৭৯ পর্যন্ত সামরিক শাসনামলের সব আদেশ, ঘোষণা ও দণ্ডাদেশ বৈধ বলে অনুমোদন করে। এ সংশোধনীটি উচ্চ আদালতের রায়ে বাতিল হয়।

ষষ্ঠ সংশোধনী:
- ১৯৮১ সালের ৯ জুলাই এ সংশোধনী আনা হয়। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর উপরাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তৎকালীন বিএনপি রাষ্ট্রপতি পদে তাদের প্রার্থী হিসেবে আব্দুস সাত্তারকে মনোনয়ন দেয়। এ সংশোধনীর মাধ্যমে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী পদকে প্রজাতন্ত্রের কোনো লাভজনক পদ বলে গণ্য করা হবে না।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৭৬৭.
ছয়দফা আন্দোলনের শহীদ নন কে?
  1. আসাদ
  2. মুজিবুল হক
  3. মনুমিয়া
  4. উপরের কেউই নয়
ব্যাখ্যা
আসাদ ছয়দফা আন্দোলনের শহীদ নন।

ছয় দফা কর্মসূচি:

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

⇒ ১৯৬৬ সালের ৭ জুন হরতাল কর্মসূচির ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগ।
- বিপরীতে সেদিন ১৪৪ ধারা জারি করে পাকিস্তানিরা।
- কিন্তু ছাত্র-জনতার পাশাপাশি শ্রমিকরাও রাজপথে নেমে আসে ছয় দফার সমর্থনে।
- এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন।
- জান্তাদের গুলিতে প্রাণ হারায় ১১ জন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।
১,৭৬৮.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক কে?
  1. অ্যাটর্নি জেনাররেল
  2. আইনমন্ত্রী
  3. আইন উপদেষ্টা
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
• অ্যাটর্নি জেনাররেল:
-  তিনি হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
-  অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের তালিকাভুক্ত বিজ্ঞ জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।( জুন-২০২৫)

উৎস: প্রথম আলো।
১,৭৬৯.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. কৃষি ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক:
- ব্যাংক প্রধাণত দুই ধরনের। যথা: তফসিলভুক্ত এবং অ-তফসিলভুক্ত।
- দেশে সর্বমোট ব্যাংক আছে ৬৬টি, যার মধ্যে ৬১টি তফসিলভুক্ত এবং ৫টি  অ-তফসিলভুক্ত।

• তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৬১টি:
 -তফসিলভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক।
- আবার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক।
• রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি:
১. সোনালী ব্যাংক,
২. জনতা ব্যাংক,   
৩. অগ্রণী ব্যাংক,       
৪. রূপালী ব্যাংক,
৫. বেসিক ব্যাংক।     
৬. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

- অন্যদিকে কৃষি ব্যাংক হচ্ছে - রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১,৭৭০.
‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার প্রদানকারী সংস্থার নাম -
  1. GAVI
  2. PACC
  3. UNICEF
  4. REAP
ব্যাখ্যা
ভ্যাকসিন হিরো:
- ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স নামে পরিচিত সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা জিএভিআই (GAVI) টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে সারাবিশ্বে কোটি কোটি শিশুর জীবন রক্ষায় ভূমিকা রাখছে।
- এই সংস্থা ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পুরস্কার প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশন (জিএভিআই) আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ সম্মাননায় ভূষিত করে।
- বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচির ব্যাপক সাফল্য, বিশেষ করে বেশ কয়েকটি মরণব্যাধি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখায় প্রধানমন্ত্রীকে এই সম্মাননা জানায় বৈশ্বিক এ সংস্থাটি।

উৎস: ৯ অক্টোবর, ২০১৯, প্রথম আলো।
১,৭৭১.
বাংলাদেশের বৃহত্তম 'দত্তনগর কৃষি খামার' অবস্থিত-
  1. ক) সাতক্ষীরা
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) নড়াইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তম 'দত্তনগর কৃষি খামার' অবস্থিত- ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায়।
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত জেলা বরিশাল।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষি জাদুঘর অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।
- কৃষি কল সেন্টারের নাম্বারঃ ১৬১২৩।
১,৭৭২.
হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলনে কার অবদান রয়েছে?
  1. লর্ড ডালহৌসি ও রাজা রামমোহন রায়
  2. লর্ড চেমসফোর্ড ও রাজা রামমোহন রায়
  3. লর্ড ডালহৌসি ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলনে অবদান রয়েছে - লর্ড ডালহৌসি ও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

বিধবা বিবাহ:

- হিন্দু বিধবাদের পুনরায় বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে বিধবা বিবাহ বলে।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে অবাধে বাল্যবিয়ের ব্যাপক প্রচলন ছিল।
- ফলে একদিকে বাল্যবিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল; অন্যদিকে সমাজে পাল্লা দিয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছিল বিধবার সংখ্যা।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের জন্য সমাজসংস্কার আন্দোলন সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
- তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল পান ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই।
- সেদিন তাঁর প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি ‘দ্য হিন্দু উইডো’স রিম্যারেজ অ্যাক্ট ১৮৫৬’ নামে আইন প্রণয়ন করে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধ করেন।
- এ আইন করার লক্ষ্য ছিল কিছু হিন্দু বিধবা শিশু, যারা স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার আগেই বিধবা হয়ে যেত; এ আইন পাসের মাধ্যমে হিন্দু বিধবা বিবাহের সব বাধা দূরীভূত হয়।
- সে বছরই ৭ ডিসেম্বর রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
- সে বিয়ের পাত্র ছিলেন শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্ন।
- বিদ্যাসাগর পরবর্তীকালে তাঁর নিজ ছেলের সঙ্গে এক বিধবা কন্যার বিয়ে দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
⇒ লর্ড ডালহৌসি:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।

⇒ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,৭৭৩.
’ডায়মন্ড’ কোন ফসলের একটি জাত?
  1. আলু
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬।
আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।

১,৭৭৪.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে সর্বোচ্চ রপ্তানি পণ্য কোনটি? [নভেম্বর,২০২৫] 
  1. নীট পোষাক
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. খাদ্য পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি পণ্য:
• নীট পোষাকঃ 
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের শীর্ষে রপ্তানী পণ্য নীট পোষাক।
- নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত বছরের একই সময়ের   ১৯,২৮২.১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয়ের তুলনায় ৯.৭৩% বেশী।

অন্যদিকে,
- ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯  মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত বছরের একই সময়ের  ১৬,৮৬৯.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় অপেক্ষা 7.82% বেশী। 
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে  ১১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,৭৭৫.
একুশের প্রথম সংকলনের নাম কী ছিল?
  1. ভাষার দাবি
  2. একুশে ফেব্রুয়ারি
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. একুশের স্মৃতি
ব্যাখ্যা

• প্রথম সংকলন:
- একুশের প্রথম সংকলনের নাম একুশে ফেব্রুয়ারি। 
- সম্পাদনা করেন হাসান হাফিজুর রহমান।
- সংকলনটি প্রকাশ করেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক কর্মী মোহাম্মদ সুলতান।
- সংকলনে ‘সকল ভাষার সমান মর্যাদা’ শিরোনামে আলী আশরাফের একটি প্রবন্ধ ছাপা হয়।

⇒ এ সংকলনে শামসুর রাহমান, বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর, আবদুল গণি হাজারী, ফজলে লোহানী, আলাউদ্দিন আল আজাদ, আনিস চৌধুরী, আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, জামালুদ্দিন, আতাউর রহমান, সৈয়দ শামসুল হক এবং হাসান হাফিজুর রহমানের কবিতা ছাপা হয়। গল্প ছাপা হয় শওকত ওসমান, সাইয়িদ আতীকুল্লাহ, আনিসুজ্জামান, সিরাজুল ইসলাম এবং আতোয়ার রহমানের। গান ছিল আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী ও তোফাজ্জল হোসেনের।

- এ ছাড়া সংকলনে ‘একুশের ইতিহাস’ শিরোনামে একটি রচনা ছিল, যেটি কবির উদ্দিন আহমদের লেখা।
- ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের স্কেচ করেন মূর্তজা বশীর।
- হাসান হাফিজুর রহমানের অনুরোধে উৎসর্গপত্র লিখে দেন আনিসুজ্জামান।
- সংকলনটি ছাপেন এম এ মুকিত, পাইওনিয়ার প্রেস থেকে। 
- ক্রাউন সাইজে ছাপা ১৮৩ পৃষ্ঠার এ সংকলনের দাম রাখা হয় দুই টাকা আট আনা।
- এটি প্রকাশের পর প্রকাশকের আস্তানায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। 
- শেষ পর্যন্ত সংকলনটিকে নিষিদ্ধ করে সরকার। 
- পরে ১৯৫৬ সালে আতাউর রহমান খান মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়।

এছাড়াও,
- মাহবুব উল আলম চৌধুরীর রচিত ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ একুশের প্রথম কবিতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো

১,৭৭৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১৩%
  2. ২.০১%
  3. ১.১০%
  4. ১.১২%
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন (প্রায়-১৭ কোটি)।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১,৭৭৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের অঙ্গীকার করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৮
  2. অনুচ্ছেদ ১৮ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ ১৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৩
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ১৮ (ক): 
-  ″রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।″

- এই অনুচ্ছেদটি দ্বারা পরিবেশ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সুরক্ষার জন্য রাষ্ট্রের দায়িত্ব নির্দেশ করে। 
- অর্থাৎ, বর্তমান প্রজন্মের মানুষরা যেমন পরিবেশ ব্যবহার করছে, সেইসাথে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেও সুস্থ পরিবেশে বাঁচার সুযোগ রাষ্ট্রকে  নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১৩: মালিকানার নীতি
- অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
- অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৭৭৮.
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ধর্মপাল
  2. দেবপাল
  3. গোপাল
  4. মহীপাল
ব্যাখ্যা

- বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' নামক অরাজক অবস্থার অবসান ঘটাতে প্রকৃতিপুঞ্জ বা জনগণ গোপালকে রাজা হিসেবে নির্বাচিত করে।  

পাল বংশ:
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ ছিলেন- গোপাল।
- পাল রাজারা বাংলা ও বিহার অঞ্চলে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি থেকে প্রায় চারশ বছর শাসন করেছেন।
- নৈরাজ্য ও চরম অরাজকতার হাত থেকে বাংলাকে রক্ষা করে গোপাল নামক এক উচ্চবর্গীয় ব্যক্তি এই রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ।
- বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে খ্যাত।
- মাত্ন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি। অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল পাল বংশের শাসন।
- শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৭৯.
বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস কখন প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- অবস্থান- চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে - ১৯৫৩ সালে।
- ’বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।

- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এ দেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১,৭৮০.
বাংলাদেশের কোন স্থপতি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়ার্স টাওয়ারের নকশা প্রণয়ন করেন?
  1. তানভীর কবির
  2. এহসান খান
  3. রোহানি বাহারিন
  4. ফজলুর রহমান খান
ব্যাখ্যা
ফজলুর রহমান খান (এফ আর খান):
- ফজলুর রহমান খান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত স্থপতি।
- বাংলাদেশি-আমেরিকান বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি ও পুরকৌশলী ফজলুর রহমান খান ১৯২৯ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাকে বিংশ শতকের শ্রেষ্ঠ প্রকৌশলীদের অন্যতম বলা হয়।
- তাঁকে বলা হয় স্থাপত্যশিল্পের আইনস্টাইন। 

⇒ তিনি পৃথিবীর অন্যতম উচ্চ ভবন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোর সিয়ার্স টাওয়ারের (বর্তমানে উইলিস টাওয়ার) নকশা প্রণয়ন করেন।
- ১৯৫৫ সালে তিনি শিকাগো শহরের স্কিডমোর, ওউইং ও মেরিল নামের প্রকৌশল প্রতিষ্ঠানে প্রকল্প প্রকৌশলী হিসাবে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯৭২ সালে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং নিউজ রেকর্ডে’ ম্যান অব দ্য ইয়ার বিবেচিত হন এবং পাঁচবার স্থাপত্যশিল্পে সবচেয়ে বেশি অবদানকারী ব্যক্তিত্ব হিসাবে অভিহিত হওয়ার গৌরব লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে আমেরিকার ‘নিউজ উইক’ ম্যাগাজিন শিল্প ও স্থাপত্যের ওপর প্রচ্ছদ কাহিনিতে তাকে মার্কিন স্থাপত্যের শীর্ষে অবস্থানকারী ব্যক্তি হিসাবে বর্ণনা করে।
- তার অন্যান্য অবদানের মধ্যে রয়েছে শিকাগোর জন হ্যানকক সেন্টার, বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হজ টার্মিনাল এবং বাদশাহ আব্দুল আজিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য মডেল অঙ্কন।
- তিনি Tube in Tube নামে স্থাপত্য শিল্পের এক নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছিলেন, যার মাধ্যমে অতি উচ্চ (কমপক্ষে একশ তলা) ভবন স্বল্প খরচে নির্মাণ করা সম্ভব।
- ১৯৯৮ সালে শিকাগো শহরের সিয়ার্স টাওয়ারের পাদদেশে অবস্থিত জ্যাকসন সড়ক পশ্চিম পার্শ্ব এবং ফ্রাঙ্কলিন সড়কের দক্ষিণ পার্শ্বের সংযোগস্থলটিকে নামকরণ করা হয় "ফজলুর আর. খান ওয়ে"।
- ১৯৮২ সনের ২৬শে মার্চ জেদ্দায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন৷
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৯ সালে তাঁকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পদকে’ ভূষিত করে এবং তাঁর স্মরণে স্মারক একটি ডাকটিকিট প্রকাশ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) যুগান্তর।
১,৭৮১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে কৃষিজাত পণ্য রপ্তানি কত শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ২.১%
  2. ৩.৯১%
  3. ৭.৯%
  4. ৯.৩১%
ব্যাখ্যা
২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই–ডিসেম্বর) রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ১২.৮৪%।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই—ডিসেম্বর) সবজি, ফল, চা, মসলা এবং তামাকের মতো কৃষিজাত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ।
- প্রথম ছয় মাসে বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা ৫৯ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে।
- মূলত ফল, চা, মসলা, তামাক এবং পশুর চর্বি রপ্তানি বেশি হওয়ায় সেখান থেকে আয় বেশি আসছে।

এছাড়াও, 
- রপ্তানিতে সবচেয়ে বড় অবদানকারী পোশাক খাত। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বরে রেকর্ড ১৩.২৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১৯.৮৯ বিলিয়ন ডলার।
- প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানিতে অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় ৩০ শতাংশ।
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিতে চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধে প্রবৃদ্ধি হয়েছে প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশ।
- হিমায়িত মৎস্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ১৩ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

উৎস: i) The Financial Express। [link]
ii) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ওয়েবসাইট। [link]
১,৭৮২.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে কাজ করে থাকে?
  1. ক) বিএসটিআই
  2. খ) ডিপিটিআই
  3. গ) বিজিএমআই
  4. ঘ) বিডা
ব্যাখ্যা
• উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
• ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
•  বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।
• ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত কৃষিপণ্য বিপনন ও শ্রেণী বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
• উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
 • বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
• কাজ: 
- মান প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন এবং সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতকরণে যুগোপযোগী প্রতিষ্ঠান  হিসেবে গড়ে তোলা।   
- পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে কাজ করা।
-  পণ্য ও সেবার মান প্রণয়ন, বাস্তবায়ন এবং পণ্যের সঠিক ওজন ও পরিমাপ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক মানদন্ডে উন্নীতকরণ এবং
- ভোক্তা ও অংশীজনের স্বার্থ রক্ষা করে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সহায়তা প্রদান।

সূত্র: বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন ওয়েবসাইট।
১,৭৮৩.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ প্রথম কোথায় শুরু হয়?
  1. রংপুর
  2. বর্ধমান
  3. বিহার
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- তবে এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে। এই সব অঞ্চলে ইংরেজদের সঙ্গে বিদ্রোহী ফকির-সন্ন্যাসীদের বহু সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।

উল্লেখ্য,
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি, অর্থাৎ অতর্কিতে আক্রমণ করে নিরাপদে সরে যাওয়া।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে। ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- অপরদিকে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন।
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের প্রধান নেতা ছিলেন তিনি। ফলে তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৮৪.
মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন -
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
সামরিক শাসন:
- ১৯৫৮ সালের অক্টোবর মাসে প্রেসিডেন্ট মির্জা দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- প্রেসিডেন্ট মির্জা সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন।
- তখন সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়।
- প্রেসিডেন্ট মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরোক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।

⇒ আইয়ুব খান:
- উচ্চ বিলাসী আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন।
- ক্ষমতাদখলের পর আইয়ুব খান কঠোর হস্তে দুর্নীতি দমন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রন করেন।
- অতঃপর তিনি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।
- ১৯৫৯ সালে 'পোডো' (PODO) এবং 'এবডো' (EBDO) নামক দুটি আদেশ জারি করে রাজনৈতিক দলের কার্যকলাপ ও নির্বাচনে রাজনীতিবিদদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেন।
- ১৯৫৯ সালের অক্টোবর মাসে আইয়ুব খান 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেন।
- এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের দুই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজার করে ৮০ - হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য নির্বাচন করা হয়।
- আইয়ুব খান ৫ স্তর বিশিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলেন।
- তাঁর প্রশাসনিক কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ছিল ইউনিয়ন কাউন্সিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্যরা ছিলেন ইউনিয়ন কাউন্সিল সদস্য।
- এরাই জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে নির্বাচনে ভোট দানের ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৮৫.
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত কোন ব্যক্তি ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. সালমান করিম
  2. জাওয়াদুল করিম
  3. জাবেদ করিম
  4. ফজলুর করিম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত জাবেদ করিম স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে ইউটিউব প্রতিষ্ঠা করেন।

YouTube:
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- এটি ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা।
- সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- CEO: নীল মোহন।

উল্লেখ্য,
- জাবেদ করিম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সফটওয়্যার প্রকৌশলী।
- জাভেদ করিমের ‘মি অ্যাট দ্য জু’ শিরোনামের ভিডিওটিই ইউটিউবে আপলোড করা প্রথম কনটেন্ট। 
- জাবেদ করিমের বাবা বাংলাদেশি।
- পেশায় সফটওয়্যার প্রকৌশলী জাভেদ স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- তার বাবা নাইমুল করিম একজন গবেষক এবং মা ক্রিস্টিন মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিজ্ঞানী।
- ইউটিউব বিক্রি করে দেওয়ার পর জাভেদ করিম ইউনিভার্সিটি ভেঞ্চারস (ওয়াই ভেঞ্চারস) সহ-প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রতিষ্ঠানটি এয়ারবিএনবি এবং রেডিটের মতো স্টার্টআপগুলোর বিনিয়োগ ও পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেছে। 

এছাড়াও,
⇒ গুগল ২০০৬ সালে ১৬৫ কোটি ডলারে তাদের কাছ থেকে ইউটিউব কিনে নেয়।

উৎস: i) YouTube ওয়েবসাইট।
ii) দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১,৭৮৬.
পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার কোন শাসকের রাজধানী ছিল?
  1. হর্ষবর্ধন
  2. কণিষ্ক
  3. সিকান্দার লোধি
  4. অশোক
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭৮৭.
“আগুনের পরশমণি” গ্রন্থটির চলচ্চিত্রায়নে ফুটে উঠেছে-
  1. ক) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একটি বাস্তব খন্ডচিত্র
  2. খ) ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের বিজয়ের চিত্র
  3. গ) মানুষের চাওয়া - পাওয়ার ক্ষুদ্র চিত্র
  4. ঘ) লোভ-লালসার নিন্দনীয় চিত্র
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন আহমেদের আগুনের পরশমণির চলচ্চিত্রায়নে ঢাকায় গেরিলাদের দুঃসাহসিক অভিযানের চিত্র ফুটে উঠেছে।
১,৭৮৮.
চলতি বাজেটে সারে ভর্তুকির পরিমাণ -
  1. ক) ৯ হাজার কোটি টাকা
  2. খ) ১৬ হাজার কোটি টাকা
  3. গ) ৮ হাজার কোটি টাকা
  4. ঘ) ১২ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- এবার ২০২২-২৩ অর্থবছর বাজেটে সার বাবদ ভর্তুকি চার হাজার কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। 
- চলতি অর্থবছরের বাজেটে সারে ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছিল সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা। 
- কিন্তু বিশ্বজুড়ে সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় বছর শেষে তা ১২ হাজার কোটি টাকা দাঁড়ায়। 
- মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় এবার ভর্তুকির পরিমাণ বাড়িয়ে ১৬ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।
 
উৎস: প্রথম আলো 
১,৭৮৯.
‘কাটারীভোগ’ সুগন্ধি চাল উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত জায়গা-
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বিশেষ জাতের ধান থেকে সুগন্ধি চাল তৈরি হয়। সুগন্ধি ধান/চাল উৎপাদনে দিনাজপুর জেলা অপ্রতিদ্বন্দ্বী। এ জেলার ‘কাটারিভোগ’ সুগন্ধি চাল দেশি-বিদেশি অতিথি আপ্যায়নে সুনাম বজায় রেখেছে।
এছাড়া ব্রিধান-৩৪, কাটারী, জিরা কাটারী (চিনি গুড়া), ফিলিপিন কাটারী, চল্লিশাজিরা, বাদশা ভোগ, কালোজিরা, জটা কাটারী, চিনি কাটারী, বেগুন বিচি ও ব্রিধান-৫০ এই জেলার উল্লেখযোগ্য সুগন্ধি চাল।
[সুত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং dinajpur.gov.bd]
১,৭৯০.
পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে ছিলেন -
  1. মীরমদন
  2. মোহন লাল
  3. ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে
  4. উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ:
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ফরাসি মিত্রদের সাথে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাসী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- পলাশীর যুদ্ধে নবাব বাহিনীর পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- যুদ্ধের ময়দানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার প্রধান সেনাপতি মীরজাফর ও তার অনুসারী প্রায় ৪৫ হাজার সৈন্য নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়। 
- অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।
- পলাশী যুদ্ধের সুদূর প্রসারী পরিণতি ছিল সমগ্র উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন প্রতিষ্ঠা। 
- এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- সিরাজউদ্দৌলা ২২ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৯১.
অর্থনীতির কোন খাতে কর্মসংস্থান সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) শিল্প খাত
  2. খ) নির্মাণ খাত
  3. গ) সেবা খাত
  4. ঘ) কৃষি খাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।
১,৭৯২.
১১ নভেম্বর লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে (LEC) যে নামে টাকা বন্ড চালু করে -
  1. ক) বাংলা বন্ড
  2. খ) বিডি বন্ড
  3. গ) বঙ্গবন্ধু বন্ড
  4. ঘ) ঢাকা বন্ড
ব্যাখ্যা
১১ নভেম্বর ২০১৯ তারিখে বিশ্বে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি ‘টাকা বন্ড’ চালু হয়েছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলা বন্ড’। বাংলাদেশের বেসরকারি খাতকে বিনিয়োগে উৎসাহ দিতে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সহযোগী সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) সহায়তায় এ বন্ড চালু হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের মুদ্রা টাকার সাথে যুক্ত এ ধরনের বন্ড এই প্রথম। ২০১৫ সালে বিদেশে বাংলাদেশের মুদ্রা টাকায় বন্ড ছাড়ার অনুমতি পায় আইএফসি। চার বছর পর বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ পূঁজি বাজারে সেই বন্ডের লেনদেন শুরু হলো ১১ নভেম্বর ২০১৯। আইএফসি আগামী এক বছরে ১০০ কোটি ডলার মূল্যমানের বন্ড ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ বন্ডে বেসরকারি খাতের যাঁরা বিনিয়োগ করবেন, তাঁরা সুদ পাবেন ৬ দশমিক ৩ শতাংশ। আর বন্ড থেকে টাকা নিয়ে যাঁরা তাঁদের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করবেন, তাঁদের সুদ পরিশোধ করতে হবে ৯ দশমিক ৩ শতাংশ। “বাংলা বন্ড” নামটি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর- ২০১৯]
১,৭৯৩.
ম্যানগ্রোভ কী?
  1. উপকূলীয় বন
  2. চিরহরিৎ বন
  3. শালবন
  4. কেওড়া বন
ব্যাখ্যা
ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove) বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে ম্যানগ্রোভ বন সৃষ্টি হয়েছে।
- এ বনের অধিকাংশ এলাকা জোয়ার ভাটার কারণে দিনে দু'বার লোনা পানি দ্বারা বিধৌত হয় বলে একে ম্যানগ্রোভ বন বলা হয়।
- ম্যানগ্রোভ বন হলো উপকূলীয় বন।
- এই বন সুন্দরবন নামে সমধিক পরিচিত।
- সুন্দরবন পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলায় এবং বাকী অংশ পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ৬১১৭ বর্গমাইল যা বাংলাদেশের মোট আয়তনের শতকরা ৪.০৭ ভাগ।
- এ বনের গাছপালা লোনা পানি সহনশীল এবং বৃক্ষসমূহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো জরায়ুজ অঙ্কুরোদগম।
- সুন্দরবনের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১৬৫১ থেকে ১৭৭৮ মি.মি.।
- এ বনের মাটিতে অতিরিক্ত লবণ ও পচা জৈব পদার্থ থাকায় অক্সিজেনের অভাব ঘটে বলে গাছপালা শ্বাসমূল তৈরী করে।
- বৃক্ষসমূহ চিরহরিৎ।
- ম্যানগ্রোভ বনের প্রধান প্রধান বৃক্ষ হলো: সুন্দরী, ধুন্দুল, গরান, বাইন, কেওড়া, পশুর, গোলপাতা, হেন্তাল ইত্যাদি।
- বন্যপ্রাণীসমূহের মধ্যে: রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিত্রা হরিণ, বানর ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৭৯৪.
ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৮৬৪ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৮৪০ সালে
ব্যাখ্যা
• ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় — ১৮৬৪ সালে।

• ঢাকা পৌরসভা:
- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
১,৭৯৫.
'মোদের গরব মোদের আশা আ-মরি বাংলা ভাষা' - কার লেখা?
  1. রজনীকান্ত সেন
  2. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  3. রঙ্গলাল সেন
  4. অতুল প্রসাদ সেন
ব্যাখ্যা
'মোদের গরব মোদের আশা / আ-মরি বাংলা ভাষা'
- গানটির রচয়িতা অতুল প্রসাদ সেন।
- গানটি ষাটের দশকে পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়বাদী আন্দোলনকারীদের মনে উদ্দীপনার সঞ্চার করেছিল।
- এ গান বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালিদের মধ্যে অফুরন্ত প্রেরণা জুগিয়েছে।
→ অতুলপ্রসাদ সেন:
- অতুলপ্রসাদ সেন ১৮৭১ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত কবি, গীতিকার ও গায়ক ছিলেন।
- তিনি সর্বপ্রথম বাংলা গানে ঠুমরি আমদানি করেন।
- 'মোদের গরব, মোদের আশা, আমরি বাংলা ভাষা' তাঁর রচিত বিখ্যাত গান।
- 'কয়েকটি গান ও গীতিগুচ্ছ' তাঁর গানের সংকলন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১,৭৯৬.
'এয়ার বাবল' হচ্ছে -
  1. বাংলাদেশ - ভুটান বিমান চলাচল চুক্তি
  2. বাংলাদেশ - ভারত বিমান চলাচল চুক্তি
  3. বাংলাদেশ - নেপাল বিমান চলাচল চুক্তি
  4. বাংলাদেশ - মালদ্বীপ বিমান চলাচল চুক্তি
ব্যাখ্যা
'এয়ার বাবল' হচ্ছে বাংলাদেশ - ভারত বিমান চলাচল চুক্তি। 

এয়ার বাবল চুক্তি: 
- এয়ার বাবল চুক্তি হচ্ছে, এক গন্তব্য থেকে আরেক গন্তব্যে সরাসরি ফ্লাইট।
- এর মধ্যে কোনো ট্রানজিট থাকবে না।
- এয়ার বাবল চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল শুরু ২০২১ সালে। 
- করোনাকালীন এই চুক্তি করা হয় ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে। 

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১,৭৯৭.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য -
  1. ১৯.৭৩ কিলোমিটার
  2. ২০.৪১ কিলোমিটার
  3. ২১.৬৪ কিলোমিটার
  4. ২২.৩৭ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:

- দ্রুতগতির এই উড়ালসড়কের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র- ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১,৭৯৮.
In which country does Bangladesh exports the most manpower in 2023?
  1. United States
  2. Saudi Arabia
  3. Germany
  4. Malaysia
  5. Kuwait
ব্যাখ্যা
২০২৩ সালে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি রপ্তানি করেছে সৌদি আরবে।

বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি: 
- ২০২৩ সালে বিদেশে রেকর্ডসংখ্যক জনশক্তি রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২১.৯২ বিলিয়ন ডলার।
 
◉ দেশভিত্তিক জনশক্তি রপ্তানি (২০২৩ সাল):
➝ প্রথম ⎯ সৌদি আরব ⎯ ৮৫,৩১৯ জন,
➝ দ্বিতীয় ⎯ মালয়শিয়া ⎯ ৫৪,৩২৪ জন,
➝ তৃতীয় ⎯ ওমান ⎯ ৩১,৯২৫ জন।
 
◉ প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স):
➝ প্রথম ⎯ যুক্তরাষ্ট্র ⎯ ২৪৯৭.২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
➝ দ্বিতীয় ⎯ সৌদি আরব ⎯ ২৪৮০.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
➝ তৃতীয় ⎯ সংযুক্ত আরব আমিরাত ⎯ ১৮৯৬.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
 
উল্লেখ্য,
➝ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ২০ জানুয়ারি শ্রম ও জনশক্তি মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং কূটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও কর্মী প্রেরণ বিষয়ে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশসমূহের সাথে সমঝোতা সৃষ্টি হয়।
➝ তারই ধারাবাহিকতায় সত্তর দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে বাংলাদেশি কর্মী গমন শুরু হয়। বাংলাদেশ থেকে প্রথম ১৯৭৬ সালে ৬,০৭৮ কর্মী রপ্তানির মাধ্যমে অভিবাসন শুরু হয়।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
১,৭৯৯.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'আইনের ব্যাখ্যা' দেওয়া আছে -
  1. ১৫০ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৫১ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৫৩ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
• বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের ব্যাখ্যা দেওয়া ১৫২ নং অনুচ্ছেদে।
- বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে “অধিবেশন” ( সংসদ-প্রসঙ্গে) অর্থ এই সংবিধান-প্রবর্তনের পর কিংবা একবার স্থগিত হইবার বা ভাঙ্গিয়া যাইবার পর সংসদ যখন প্রথম মিলিত হয়, তখন হইতে সংসদ স্থগিত হওয়া বা ভাঙ্গিয়া যাওয়া পর্যন্ত বৈঠকসমূহ।

এছাড়াও,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে ১৫৩ টি।
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয় পরিবর্তন সহজ নয় বলে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৮০০.
ইউনেস্কোর কততম সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ২৯তম
  2. ৩০তম
  3. ৩১তম
  4. ৩৩তম
ব্যাখ্যা

 ২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
→ প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
→ ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
→ ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
→ পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।