বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৭৪ / ৩০৬ · ১৭,৩০১১৭,৪০০ / ৩০,৮৩২

১৭,৩০১.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে-
  1. ক) ২৫ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ৬ জুন ১৯৭১
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে। এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী)

১৭,৩০২.
‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ -গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) গগণ হরকরা
  2. খ) শাহ আবদুল করিম
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) বাউল শফি মণ্ডল
ব্যাখ্যা
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৭,৩০৩.
খুলনা বিভাগে জেলা কয়টি?
  1. ১০
  2. ১১
  3. ১২
  4. ১৩
  5. ১৪
ব্যাখ্যা
খুলনা বিভাগ:

- বাংলাদেশের আটটি বিভাগের মধ্যে একটি এবং এটি দেশের দক্ষিণ পশ্চিম দিকে অবস্থিত।
- আয়তন ২২,২৮৫ বর্গ কিলোমিটার.
- খুলনা বিভাগের সদর দপ্তর খুলনা শহর।
- ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
- খুলনা বিভাগ এর পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের সীমানা, উত্তরে রাজশাহী বিভাগ, পূর্বে ঢাকা বিভাগ ও বরিশাল বিভাগ এবং দক্ষিণে বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ বন নামে পরিচিত সুন্দরবন সহ বঙ্গোপসাগরের উপর তটরেখা রয়েছে।
- খুলনা বিভাগে জেলা ১০টি।
• কুষ্টিয়া।
• খুলনা।
• চুয়াডাঙ্গা।
• ঝিনাইদহ।
• নড়াইল।
• বাগেরহাট।
• মাগুরা।
• মেহেরপুর।
• যশোর।
• সাতক্ষীরা।

তথ্যসূত্র - খুলনা বিভাগের ওয়েবসাইট।
১৭,৩০৪.
দুদকের হেল্পলাইনের নম্বর কত?
  1. ক) ৯৯৯
  2. খ) ১১১
  3. গ) ১০৬
  4. ঘ) ৩৩৩
ব্যাখ্যা
দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে ২০০৪ সালের ৯ মে দুদক আইন কার্যকরের মাধ্যমে পূর্বেকার দুর্নীতি দমন ব্যুরোর স্থলে স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন গঠিত হয়।

এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনার নিয়ে দুদক গঠিত।

দুদকের হটলাইন হলো ১০৬
আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী দিবস ৯ ডিসেম্বর।

(তথ্যসূত্র: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট)
১৭,৩০৫.
রাষ্ট্রের অপরিহার্য উপাদান কয়টি?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. পাঁচটি
  4. ছয়টি
ব্যাখ্যা

 রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
- প্রতিটি রাষ্ট্রেরই আছে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড এবং জনসংখ্যা।
- এ ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য আরও আছে সরকার এবং সার্বভৌমত্ব।
- মূলত এগুলো ছাড়া কোনো রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না। 

- অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।' 

• রাষ্ট্রের চারটি উপাদান ।
যথা-
১।জনসমষ্টি,
২।নির্দিষ্ট ভূখণ্ড,
৩। সরকার ও
৪। সার্বভৌমত্ব।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৭,৩০৬.
গজনীর সুলতান মাহমুদ মোট কতবার ভারত আক্রমণ করেন?
  1. ১৫ বার
  2. ১৬ বার
  3. ১৭ বার
  4. ১৮ বার
ব্যাখ্যা

সুলতান মাহমুদ:
- সুলতান উপাধিধারী প্রথম শাসক গজনভির মাহমুদ বা সুলতান মাহমুদ। তাঁর পুরো নাম ইয়ামিনউদ্দৌলা আবুল কাসিম মাহমুদ ইবনে সবুক্তগিন। মাহমুদ-ই জাবুলি নামেও তিনি পরিচিত।
- সুলতান মাহমুদ ছিলেন গজনভি রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা সবুক্তগিনের (আবু মনসুর সবুক্তগিন) জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- তিনি পূর্ব প্রাদেশিক শহর গজনিকে একটি বৃহৎ সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধশালী রাজধানীতে পরিণত করেন। বর্তমান আফগানিস্তান, পূর্ব ইরান ও পাকিস্তানের একটি বড় অংশজুড়ে তাঁর সাম্রাজ্য গড়ে ওঠে।
- সুলতান মাহমুদ ১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১০২৭ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে মোট ১৭ বার ভারত আক্রমণ করেন এবং প্রতিবারই বিজয়ী হন।

উল্লেখ্য,
- সুলতান মাহমুদের সভাকবি ছিলেন মহাকবি ফেরদৌসী। ফেরদৌসীর রচিত অমর কাব্যগ্রন্থের নাম শাহনামা। ফেরদৌসীকে বলা হয় প্রাচ্যের হোমার। 

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলা, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 

১৭,৩০৭.
কার নির্দেশনায় বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছিলো?
  1. ক) রাও ফরমান আলী
  2. খ) টিক্কা খান
  3. গ) আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
  4. ঘ) গোলাম আযম
ব্যাখ্যা

বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড:
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে দুঃখখজনক ও মর্মান্তিক যে  ঘটনা হয় সেটি হচ্ছে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড।
- ১৯৭১ সালের যুদ্ধের পুরো নয় মাস বিশেষত ১০-১৬ ডিসেম্বরের আগে পর্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পাক-বাহিনী এ দেশীয় দোসরদের সহায়তায় বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে নির্যাতন করে অবশেষে হত্যা করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল ও যশস্বী শিক্ষকসহ, গবেষক, প্রখ্যাত চিকিৎসক, লেখক-সাহিত্যিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বুদ্ধিজীবীদেরকে সুপরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় হত্যা করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা স্পষ্টতই ছিল সামরিক জান্তার নীল নকশার বাস্তবায়ন, যে নীল নকশার লক্ষ্য ছিল বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চিহ্ন করে বাঙ্গালি জাতিকে নেতৃত্বহীন ও বুদ্ধিবৃত্তিক দেউলিয়ায় পরিণত করা
- ১৪ ডিসেম্বর 'শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস' হিসাবে পালন করে ঐ সময়ে শহীদ হওয়া জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের স্মরণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ডের কিছু তথ্য:
- সার্বিক নির্দেশনা -- পাক বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী
- সার্বিক তত্ত্ববধায়নকারী -- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
- বাস্তবায়নে ছিলো -- ব্রিগেডিয়ার বশির, লেঃ কর্নেল হেজাজী, মেজর আসলাম, মেজর জহুর, ক্যাপ্টেন নাসের, ক্যাপ্টেন কাইউম।
- দেশীয় দোসর -- আলবদরআলশামস বাহিনী
('আলবদর' এর ঘাতকরা ছিলো জামাত ইসলামীর তৎকালীন অঙ্গ ছাত্রসংগঠন 'ইসলামী ছাত্র সংঘ' এর সদস্যরা এবং আলশামস বাহিনীর ঘাতকরা ছিলো মুসলিম লীগ, জামায়েত ইসলামীউর্দুভাষী বিহারীদের সমন্বয়ে গঠিত বাহিনী।)
- ঢাকার মিরপুর, নাখালপাড়া, রাজারবাগ, মোহাম্মদপুর সহ আরো কিছু স্থানে এই হত্যাকন্ড সংঘটিত হয়।

উৎসঃ উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র) বই ও বাংলাপিডিয়া।

১৭,৩০৮.
ইন্দ্রগুপ্ত নামক বৌদ্ধ শাস্ত্রবিদকে নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেছিলেন কে?
  1. বালপুত্রদেব
  2. দেবপাল
  3. মহীপাল
  4. মদনপাল
ব্যাখ্যা

দেবপাল ও নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়:
- দেবপাল পালবংশের অন্যতম রাজা ছিলেন।
- তিনি আনুমানিক ৮২১ সালে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি শুধু পিতা ধর্মপালের সাম্রাজ্য রক্ষাই করেননি, বরং সীমানা বৃদ্ধিও করেন।
- মালয় উপদ্বীপের শৈলবংশীয় রাজা বালপুত্রদেব দেবপালের খ্যাতির কথা জানতে পেরে তাঁর নিকট দূত পাঠিয়েছিলেন।
- বালপুত্রদেব ইতোমধ্যেই নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি মঠ নির্মাণ করেছিলেন।
- তিনি এর স্থায়ী ব্যয় পরিচালনার জন্য পাঁচটি গ্রাম প্রার্থনা করেন। দেবপাল তাঁর অনুরোধ রক্ষা করেন।
- দেবপাল বৌদ্ধ ধর্মের একজন প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তিনি মগধের বৌদ্ধ মঠগুলোর সংস্কার সাধন করেন।
- তিনি নালন্দায়ও কয়েকটি মঠ এবং বুদ্ধগয়ায় একটি বড় মন্দির নির্মাণ করেন।
- ইন্দ্রগুপ্ত নামক জনৈক বৌদ্ধ শাস্ত্রবিদকে তিনি নালন্দার অধ্যক্ষ নিযুক্ত করেন।
- দেবপালের পৃষ্ঠপোষকতায় নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্ররূপে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এ বিশ্ববিদ্যালয়কে কেন্দ্র করে তাঁর শাসনামলে উত্তর ভারতে লুপ্তপ্রায় বৌদ্ধ ধর্ম পুনরায় সঞ্জীবিত হয়ে উঠে।
- বৌদ্ধ ধর্মানুরাগী হলেও দেবপাল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।
- দেবপালই ছিলেন যথার্থভাবে পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা এবং তাঁর সময়েই পাল সাম্রাজ্য ক্ষমতা ও গৌরবের শীর্ষ-স্থানে উপনীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৭,৩০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্র কয়টি?
  1. ক) ২৮টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২৩টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ২৮টি। সর্বশেষ আবিষ্কৃত ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ, সিলেট।
- বাংলাদেশের উৎপাদনরত গ্যাসক্ষেত্র ২০টি

[উৎস:অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২]
১৭,৩১০.
ঔষধ নীতির প্রধান উদ্দেশ্য হলো-
  1. ক) অপ্রয়োজনীয় এবং ক্ষতিকর ঔষধ প্রস্তুত বন্ধ করা
  2. খ) ঔষধ শিল্পে দেশীয় কাঁচামালের ব্যবহার নিশ্চিত করা
  3. গ) ঔষধ শিল্পে দেশীয় শিল্পপতিদের অগ্রাধিকার দেয়া
  4. ঘ) বিদেশী শিল্পপতিদের দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহারে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষুধ নীতি ২০১৬ অনুযায়ী, 
নকল, ভেজাল, ক্ষতিকর, নিবন্ধনবিহীন, কাউন্টারফেইট (counterfeit), মিসব্রান্ডেড 
(misbranded) ও নিম্নমানের ঔষধ ও মেডিকেল ডিভাইস প্রস্তুত, বিক্রয় ও বিতরণ
নিষিদ্ধ করা এবং অনুরূপ কর্মকাণ্ডের জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে । 

উৎসঃ dgda.gov.bd
১৭,৩১১.
বর্তমানে বীরপ্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৪১৮ জন
  2. ৪২০ জন
  3. ৪২২ জন
  4. ৪২৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৭,৩১২.
কতটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় -
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
• ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টর পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র:-স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,৩১৩.
হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন -
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. হাশেম খান
  3. কাইয়ুম চৌধুরী
  4. এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
 
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা করেন হাশেম খান।
- অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন জয়নুল আবেদিন। 
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৭,৩১৪.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৩.২%
  2. ৩.৪%
  3. ৩.৬%
  4. ৩.৮%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
১৭,৩১৫.
ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কয় দফা দাবি পেশ করেন?
  1. ৪ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ৭ দফা
  4. ৮ দফা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে। 

তাঁর বক্তব্যে মূল বিষয় ছিল ৪টি।
যথা-
ক) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার,
খ) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া,
গ) গণহত্যার তদন্ত করা এবং
ঘ) নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩১৬.
বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা -
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৭টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো:
- মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৭,৩১৭.
বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয় কোথায়?
  1. ঈশ্বরদী
  2. মতিঝিল
  3. শ্রীপুর
  4. কাপাসিয়া
ব্যাখ্যা
 • বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation)। 
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

• বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে: সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা এবং অত্যাবশ্যকীয় কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ এবং ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।

• বিএডিসি’র মিশন -  উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের মাধ্যমে সেচ দক্ষতা ও সেচকৃত এলাকা বৃদ্ধি এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্পন্ন সার সারবরাহ করা।

• বিএডিসি একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান যার কাজ হচ্ছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে উদ্ভাবিত ফসলের নতুন জাতের বীজ পরিবর্ধন করা। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহের মাধ্যমে প্রযুক্তিগতভাবে উৎকর্ষতা অর্জন করেছে।
১৯৬১ সালে মাত্র ১৩.৮ মে.টন বীজ দিয়ে বিএডিসির বীজ কার্যক্রম শুরু হয়। আধুনিক জাতের মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকের নিকট প্রতিষ্ঠানটি যেমন গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে তেমনিভাবে দেশে সুসংগঠিত বীজ ব্যবস্থার উন্নয়নে যথেষ্ঠ অবদান রেখেছে। বিএডিসি ২০১৫-১৬ সালে বীজ উৎপাদন খামার এবং কঃগ্রোঃজোনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের ১,৪১,০২২ মে.টন বীজ উৎপাদন ও সরবরাহ করেছে।

সূত্র: BADC ওয়েবসাইট।  
১৭,৩১৮.
রাজা শশাঙ্ক কোন শতকে গৌড় রাজ্য শাসন করেছিলেন?
  1. ষষ্ঠ
  2. সপ্তম
  3. অষ্টম
  4. নবম
ব্যাখ্যা
রাজা শশাঙ্ক সপ্তম শতকে গৌড় রাজ্য শাসন করেছিলেন।

গৌড় নগরী:

- খ্রিস্টপূর্ব ৭৩০ অব্দে মালদহ অঞ্চলে ভোজ বংশীয় গৌড় নামক জনৈক ব্যক্তি যে রাজ্যের পত্তন করেছিলেন কালক্রমে তাই গৌড় রাজ্য নামে পরিচিত হয়।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।

⇒ শশাঙ্ক:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩১৯.
কোনটি সিমেন্ট শিল্পের অন্যতম কাঁচামাল?
  1. খনিজ লবণ
  2. সিলিকা বালি
  3. সালফার
  4. ক্লিংকার
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট শিল্পের সহায়ক উপাদানসমূহ:
- চুনাপাথর, কাদামাটি, জিপসাম প্রভৃতি সিমেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল।
- যেসব দেশে এসব উপাদান বেশি পাওয়া যায় সেসব দেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করেছে।
- বাংলাদেশে এসব কাঁচামালের অভাব রয়েছে।
- ফলে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে তেমন উন্নতি লাভ করতে পারেনি।

উল্লেখ্য,
- ক্লিংকারে জিপসাম মিশিয়ে গুড়ো করলেই সিমেন্ট হয়।
- জিপসাম মূলত মিলানো হয় সেটিং টাইম বাড়ানোর জন্যে।
- ক্লিংকারের কোয়ালিটি যদি ভালো না হয়, সে ক্ষেত্রে সিমেন্টের কোয়ালিটি ভালো করার তেমন সুযোগ থাকে না । 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার আমদানিতে প্রতি টনে শুল্ক ৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হয়েছে।
- এতে সিমেন্ট উৎপাদনকারীরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।
- সিমেন্টের পাঁচটি কাঁচামাল আমদানিতে অগ্রিম আয়কর ধার্য করা হয়েছে।
- ক্লিংকারে ২ শতাংশ, স্লাগে ৩ শতাংশ, লাইমস্টোনে ৩ শতাংশ, ফ্লাই অ্যাশে ৩ শতাংশ, জিপসামে ৫ শতাংশ।

উৎস: i) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, কালের কন্ঠ।
১৭,৩২০.
'BARD' এর পূর্ণরুপ কী?
  1. ক) Bangladesh Academy for Regional Development.
  2. খ) Bangladesh Administrative Regional Development.
  3. গ) Bangladesh Administration Regional Development.
  4. ঘ) Bangladesh Academy for Rural Development.
ব্যাখ্যা
- BARD এর পূর্ণরূপ Bangladesh Academy for Rural Development.
- BARD বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান। 
- এটির অবস্থান কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে যা ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।\
- এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

উৎসঃ বার্ড ওয়েবসাইট
১৭,৩২১.
‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’ -গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) শাহ আবদুল করিম
  2. খ) হাছন রাজা
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) আবদুর রহমান বয়াতি
ব্যাখ্যা
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’ গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৭,৩২২.
পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন সাল হতে এর কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ক) ২০১৩
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১৬
  4. ঘ) ২০১৮
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
২০১৬ সালের অগাস্টে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর হিসেবে পায়রায় পণ্য খালাস কার্যক্রম উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা।
১৭,৩২৩.
ইলিশ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম। বিশ্বের মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৮৬ ভাগ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়। ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো প্রায় ৫.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন।

ওয়ার্ল্ড ফিশ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে বিশ্বের শীর্ষ ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহ:
- প্রথম : বাংলাদেশ (৮৬ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : ভারত (১০.৫ শতাংশ)
- তৃতীয় : মিয়ানমার (৩ শতাংশ)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ এবং প্রথম আলো রিপোর্ট)
১৭,৩২৪.
পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ কোন স্থানে গঠিত হয়?
  1. রোজ গার্ডেন ঢাকা
  2. বলদা গার্ডেন ঢাকা
  3. বর্ধমান হাউস ঢাকা
  4. কলকাতা থিয়েটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ করা হয়।
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং শামসুল হক ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
- ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দলটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্তি এ চারটি মূলনীতির উপর দলটি পরিচালিত হচ্ছে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশ পুনর্গঠন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দলটি অনবদ্য অবদান রেখেছে।
- ১৯৮১ সাল থেকে শেখ হাসিনা দলটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩২৫.
পলাশীর যুদ্ধের পর কারা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়?
  1. ডাচরা
  2. ফরাসিরা
  3. ইংরেজরা
  4. পর্তুগিজরা 
ব্যাখ্যা

পলাশী যুদ্ধ:
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এ যুদ্ধ আট ঘণ্টার মতো স্থায়ী ছিল।
- প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোম্পানি কর্তৃক পরাজিত হন।
- এ যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলাফল ছিল সুদূরপ্রসারী ও ধ্বংসাত্মক।
- এর ফলে বাংলায় ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। অপরদিকে ফরাসিরা এদেশ ছাড়তে বাধ্য হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে। নবাবের পক্ষে সৈন্যসংখ্যা ছিল প্রায় ৬৫ হাজার।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পক্ষে ছিল মাত্র ৩ হাজার।
- জেতার সব ধরণের সুযোগ সুবিধার পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে। ইংরেজরা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়। এ ভাবেই এ যুদ্ধে বাংলা তথা ভারতের স্বাধীনতা ভূলুণ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৩২৬.
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবক কে ছিলেন?
  1. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  2. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
নিখিল ভারত মুসলিম লীগ:
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল মুলক, সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান প্রমুখের উদ্যোগে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ নবাব স্যার সলিমুল্লাহ:
- ১৮৭১ সালের ৭ জুন ঢাকার বিখ্যাত নবাব পরিবারে খাজা সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম নবাব খাজা আহসানউল্লাহ।
- খাজা সলিমুল্লাহ নবাবী পরিবারের বিত্ত-বৈভবের মধ্যে বেড়ে উঠলেও চিন্তা-চেতনায় ছিলেন আলাদা।
- নবাব পরিবারের মধ্যে সলিমুল্লাহ ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- যৌবনকালে তিনি কিছুকাল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সরকারি চাকুরি করলেও পরে চাকুরিতে ইস্তফা দিয়ে সমাজকল্যাণমূলক কাজে আত্মনেয়োগ করেন।
- মুসলিম স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখার জন্য নবাব সলিমুল্লাহ সকল প্রদেশের স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে, সংস্থায়, আইনসভায় মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র নির্বাচন দাবি করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নবাব সলিমুল্লাহ নানামুখী অবদান রাখেন।

অন্যদিকে,
⇒ নওয়াব আব্দুল লতিফ, স্যার সৈয়দ আহমদ খান, মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত ছিলেন না।

উল্লেখ্য,
- মুহম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯১৩ সালে মুসলিম লীগে যোগ দেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭,৩২৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র-
  1. ক) Stop genocide
  2. খ) Macbeth
  3. গ) A state dream
  4. ঘ) Sultana's Dream
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়। এটি মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে সংগৃহিত ফুটেজের একটি সম্পাদনা।
- এটিতে বাঙালিদের উপর পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)

১৭,৩২৮.
আমাদের দেশে বনায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ-
  1. ক) গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে
  2. খ) গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
  3. গ) দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোনো অবদান নেই
  4. ঘ) ঝড় ও বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। তবে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।
আমাদের দেশের জন্য বনায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা -
- গাছপালা অক্সিজেন ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়।
- গাছপালা বিভিন্ন ছোট জীবজন্তু ও পাখির আশ্রয়স্থল হিসাবে কাজ করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
- গাছপালা বিভিন্ন দুর্যোগ থেকে জীবজগৎকে রক্ষা করে।
১৭,৩২৯.
২০২৪ সালে ঘোষিত বর্ষপণ্য কোনটি?
  1. চা
  2. পাট
  3. তৈরি পোশাক
  4. হস্তশিল্প
ব্যাখ্যা
২০২৪ সালের বর্ষপণ্য:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখায় হস্তশিল্পকে ২০২৪ সালের ‘বর্ষপণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

উল্লেখ্য,
- ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ) ২০২৪-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন।
-  প্রধানমন্ত্রী বলেন এটি নারীর ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।
- মহিলাদের অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে তুলছে এবং তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে।
- হস্তশিল্প দারিদ্র্য বিমোচনেও অবদান রাখছে।

উৎস: ২১ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো। 
১৭,৩৩০.
বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বের শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
  1. ক) আফগানিস্তান
  2. খ) দক্ষিণ সুদান
  3. গ) সোমালিয়া
  4. ঘ) জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি তাদের বার্ষিক দুর্নীতির ধারণাসূচক (সিপিআই)–২০২১ প্রকাশ করেছে। 
সূচক অনুযায়ী ১৮০টি দেশের মধ্যে- 
কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ - ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ড; স্কোর ৮৮।
শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ - দক্ষিণ সুদান; স্কোর ১১।
নিম্নক্রম অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান - ১৩; স্কোর ২৬।
উর্ধ্বক্রম অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান - ১৪৭তম।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট। 
১৭,৩৩১.
কোনটি প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয়?
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. মারজাত বাঁওড়
  3. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  4. সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা নয় - নিঝুম দ্বীপ।

• প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
→ পরিবেশ অথবা জীববৈচিত্র্যের জন্য ক্ষতিকর এলাকাকে সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হলে ওই এলাকাকে ‘প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা’ বলা হয়।
→ ইংরেজিতে বলা হয় - Ecologically Critical Areas (ECAs)
→ সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
→ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
এলাকাগুলো যথাক্রমে- সুন্দরবন (১৯৯৯), কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত (১৯৯৯), সেন্টমার্টিন দ্বীপ (১৯৯৯), সোনাদিয়া দ্বীপ (১৯৯৯), হাকালুকি হাওর (১৯৯৯), টাঙ্গুয়ার হাওর (১৯৯৯), মারজাত বাঁওড় (১৯৯৯), গুলশান-বারিধারা লেক (২০০১), বুড়িগঙ্গা নদী (২০০৯), তুরাগ নদী (২০০৯), বালু নদী (২০০৯), শীতলক্ষ্যা নদী (২০০৯) ও জাফলং-ডাউকি নদী (২০১৫)।

তথ্যসূত্র: পরিবেশ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
১৭,৩৩২.
ডাচ বাংলা ব্যাংক পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা -
  1. বিকাশ
  2. নগদ
  3. রকেট
  4. উপায়
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে মোবাইলেই ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা পাওয়া যায়।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- চালু হয়: ৩১শে মার্চ, ২০১১ সাল।
- ডাচ বাংলা ব্যাংক পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবা: রকেট।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।

⇒ উল্লেখ্য:
- ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৭,৩৩৩.
মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায় কোন অঞ্চলকে 'গ' গ্রুপে রাখা হয়?
  1. ক) পাঞ্জাব
  2. খ) সিন্ধু
  3. গ) বাংলা
  4. ঘ) উরিষ্যা
ব্যাখ্যা
মন্ত্রী মিশনের প্রস্তাবসমূহ:
- মূলত ভারত উপমাহদেশকে একটি যুক্তরাষ্ট্রে পরিণত করার প্রস্তাব ছিল মন্ত্রী মিশন পরিকল্পনায়।
- তিন স্তর বিশিষ্ট ছিল এই যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা। এগুলো হচ্ছে-
ক. প্রস্তাব অনুযায়ী কেন্দ্রে একটি অন্তবর্তী কালীন সরকার গঠন করা হবে
খ. একটি স্বায়ত্তশাসিত ভারত ইউনিয়ন গঠন করা হবে সেখানে অন্তর্ভুক্ত থাকবে ব্রিটিশ ভারত ও দেশীয় রাজ্যগুলো এবং
গ. ভারতীয় প্রদেশগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা হবে- 
১। ‘ক’ গ্রুপে থাকবে, মাদ্রাজ, বোম্বে, যুক্তপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ও উড়িষ্যা,
২। ‘খ’ গ্রুপে, উত্তর পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, পাঞ্জাব ও সিন্ধু এবং
৩। ‘গ’ গ্রুপে থাকবে বাংলা ও আসাম
- সিদ্ধান্ত হয় প্রত্যেক গ্রুপের জন্য একটি গণপরিষদ গঠন করা হবে।
- মন্ত্রী মিশন প্রস্তাব পেশের পাশাপাশি শর্ত জুড়ে দিয়েছিল যে পরিকল্পনার পুরোটিই গ্রহণ করতে হবে- অংশবিশেষ নয়। 
- ভারতীয় ইউনিয়নের হাতে থাকবে দেশরক্ষা, পররাষ্ট্র, যোগাযোগ এবং মুদ্রা বিভাগের দায়িত্ব।
- অন্যান্য বিষয়ের দায়িত্ব ন্যাস্ত থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
- এছাড়াও বলা হয় কেন্দ্রীয় সংসদে মোট ৩৮৫টি আসনের মধ্যে ৭৮টি মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত করা হয়।
- পরিকল্পনায় এই সুযোগ রাখা হয় যে, কোনো গ্রুপ ইচ্ছা করলে দশ বছর পর কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন হতে পারবে। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩৩৪.
ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি কার শাসনামলে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লর্ড রিপন 
  2. লর্ড মেয়ো 
  3. লর্ড কার্জন 
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

লর্ড মেয়ো:
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ থেকে ১৮৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল।
- সম্ভবত তাঁর সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার সংস্কার।
- তিনি লবণ কর ও আয়কর বৃদ্ধি করেছিলেন।
- তিনি প্রশাসনে ব্যয় সংকোচন ঘটান এবং প্রাদেশিক সরকারগুলিকে পাঁচ বছরের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থবরাদ্দ করার ব্যবস্থা করে অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নেন। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যথেষ্ট উন্নত হয়।
- তাঁর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি শুরু হয়
- তিনি দেশে পরিসংখ্যান জরিপের ব্যবস্থা করেন এবং কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।
- দেশীয় রাজন্যবর্গ ও প্রধানদের সন্তান-সন্ততির লেখাপড়ার জন্য তিনি আজমীরে মেয়ো কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আন্দামান সফরে গিয়ে তিনি জনৈক পাঠান কয়েদির ছুরিকাঘাতে নিহত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭,৩৩৫.
ব্রিটিশবিরোধী চাকমা বিদ্রোহের নেতা কে?
  1. রোহান বক্স
  2. জোয়ান বক্স
  3. রাস্মিন চাকমা
  4. মঙ্গল পান্ডে
ব্যাখ্যা

• চাকমা বিদ্রোহ (১৭৭৬-১৭৮৯):
- চাকমা বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় চাকমা রাজা জোয়ান বক্স খান ।
- কারণ চাকমা রাজা জুয়ান বক্স মুদ্রার রাজস্ব দিতে বাধ্য করা হয় ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মুদ্রা অর্থনীতি প্রচলনের ব্যবস্থা করায় চাকমা বিদ্রোহ সংঘঠিত হয়।
- সরকারি নথিপত্র থেকে জানা যায় যে, জুয়ান বক্স ও রানু খান সম্পূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১৭,৩৩৬.
বাংলাদেশে মগ নামে পরিচিত কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী? 
  1. চাকমা 
  2. রাখাইন
  3. সাঁওতাল
  4. খাসিয়া 
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর নাম। 
- রাখাইনরা মগ নামেও পরিচিত।
- আঠারো শতকের শেষে এরা আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়।
- এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে কিছু রখাইন বসতি দেখা যায়। 
- চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।
- রাখাইন শব্দটির উৎস পলি ভাষা। 
- ঐতিহাসিক তথ্যানুসারে, ১৭৮৪ সালে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে রাখাইনদের আগমন ঘটে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

১৭,৩৩৭.
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়-
  1. ক) এপ্রিল – মে
  2. খ) ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  3. গ) মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  4. ঘ) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়-ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু (রোপনের সময়-জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু)।

অন্যদিকে--
আউশ ধান রোপনের সময়-মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল এবং উত্তোলনের সময় মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।
বোরো ধান রোপনের সময়- মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি এবং উত্তোলনের সময়- এপ্রিল – মে।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
১৭,৩৩৮.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা কে বাতিল করেন?
  1. গোলাম মোহাম্মদ
  2. মোহাম্মদ আলী
  3. নুরুল আমিন
  4. এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল:
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও ছুটি পালন, শহীদ মিনার নির্মাণ, বর্ধমান হাউসকে বাংলা একাডেমিতে রূপান্তর করা হবে।
- সে সময় 'নিউ ইয়র্ক টাইমস্' পত্রিকার সংবাদদাতা কালাহানকে দেওয়া ফজলুল হকের তথাকথিত সাক্ষাৎকার কেন্দ্রীয় সরকারকে বিচলিত করে তোলে।
- পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী ফজলুল হক পূর্ববাংলার স্বাধীনতা ঘোষণার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
- মুখ্যমন্ত্রী ফজলুল হক নানা চেষ্টা করেও কেন্দ্রীয় সরকারকে বোঝাতে ব্যর্থ হন।
- কেন্দ্রীয় সরকার '৫৪ সালের ৩০মে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ৯২(ক) ধারা বলে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বরখাস্ত এবং পূর্ববাংলায় গভর্নরের শাসন ঘোষণা করেন।
- এভাবে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার অবসান ঘটে।

কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল গোলাম মুহাম্মদ পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন জারী করেন।
- পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন জারি ছিল ১৯৫৫ সালের ২ জুন পর্যন্ত।
- মুসলিম লীগ ও কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্রে মাত্র চার বছরে সাত মন্ত্রিসভার পতন ঘটে।
- কেন্দ্রীয় সরকার তিনবার গভর্নরের শাসন জারি করে।
- যুক্তফ্রন্টের দলগুলোর মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও কেন্দ্রীয় সরকারের চক্রান্তের ফলে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে উঠতে পারেনি।
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন বলবৎ ছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৩৩৯.
বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের নোট বাজারে অবমুক্ত করে?
  1. ক) দেড়শত টাকা
  2. খ) দুইশত টাকা
  3. গ) আড়াইশত টাকা
  4. ঘ) তিনশত টাকা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক গত ১৮ মার্চ ২০২০ দুইশত টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট বাজার ছাড়ে।
- ১৭ই মার্চ প্রধানমন্ত্রী এই নোটের উদ্বোধন করেন। এটি দেশের সপ্তম ব্যাংক নোট।
- মুজিববর্ষে স্মারক ও প্রচলিত উভয় ধরনের দুইশত টাকার নোট ছাড়া হলেও ২০২১ সাল থেকে বাজারে কেবল প্রচলিত নোট থাকবে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৭,৩৪০.
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
  1. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  2. ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
  3. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  4. সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

- মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত আছেন ২ জন বীরশ্রেষ্ঠ।
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।

• বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান:
- তার জন্ম ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, খদ্দখালিশপুর, কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ।
- ১৯৭১ সালে আনসারে স্বল্প সময় কাজ করে ২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭১ সেনাবাহিনীর ১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- অক্টোবর ১৯৭১, মৌলভীবাজার জেলার ধলই সীমান্ত চৌকি আক্রমণে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- সামনে থেকে যুদ্ধ করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন।
- প্রথমে তাকে সমাহিত করা হয় আমবাসা গ্রাম, কমলপুর, ত্রিপুরা, ভারত।
- পরে তার দেহাবশেষ দেশে এনে ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে, 
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান শহীদ হন ২০ আগস্ট ১৯৭১।
- তাকে প্রথমে সমাহিত করা হয় মাসরুর বিমান ঘাঁটি, করাচি, পাকিস্তান।
- পরবর্তীতে ২৪ জুন ২০০৬, ৩৫ বছর পর তার দেহাবশেষ দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭,৩৪১.
কোন মুঘল সম্রাটের সমাধি ভূমি মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে?
  1. দ্বিতীয় আকবর
  2. বাহাদুর শাহ জাফর
  3. দ্বিতীয় আলমগীর
  4. আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর:
- বৃটিশ ফৌজি কমিশনের দ্বারা ১৮৫৮ সালে সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের বিচারের নামে এক প্রহসন অনুষ্ঠিত হয়।
- ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ, হত্যা ইত্যাদির অভিযোগে অভিযুক্ত করে রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
- আর এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সমাপ্ত হয় ভারতবর্ষে মুঘল শাসনের ইতিহাস।
- ১৮৫৮ সালের অক্টোবরে সপরিবারে নেওয়া হয় রেঙ্গুনের পথে।
- পরিত্যক্ত বাড়ির কক্ষে শুরু হয় ভারতের শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরের নির্বাসন। 
- শেষ জীবনে বাহাদুর শাহ নিজের সকল ব্যথা ভুলে থাকতে অধিকাংশ সময় স্রষ্টার ধ্যানে কাটাতেন।
- ১৮৬২ সালের ২৬ অক্টোবর তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।
- অবশেষে ১৮৬২ সালের ৭ নভেম্বর তিনি নশ্বর পৃথিবী থেকে বিদায় নেন।
- ইয়াঙ্গুনে ( তৎকালীন রেঙ্গুন) সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর সমাধি।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
১৭,৩৪২.
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন -
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড কর্নওয়ালিশ
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩৪৩.
যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৬.১৫ কিলোমিটার
  2. ৫.৪০ কিলোমিটার
  3. ৪.৮০ কিলোমিটার
  4. ৩.৬০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা রেলসেতু:
- ১৯৯৮ সালে যমুনা নদীর ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর থেকে ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের রেল যোগাযোগ শুরু হয়।
- তবে ২০০৮ সালে সেতুটিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় ট্রেনের গতি কমিয়ে দেওয়া হয়। 
- এ সমস্যা সমাধানে ২০২০ সালের ৩ মার্চ যমুনা নদীর ওপর উজানে আলাদা রেল সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার।
- এরই ধারাবাহিকতায় ৪ দশমিক ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই রেলসেতু নির্মাণের পরিকল্পনা অনুমোদন করা হয়।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর রেলসেতুরটির নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- দেশের বৃহত্তম রেল সেতুটির নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করছে জাপানি কোম্পানি ওটিজি ও আইএইচআই।
- প্রথমে প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয় ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি ৭ লাখ টাকা নির্ধারিত হলেও পরে তা ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৬ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে।
- এর মধ্যে ২৭ দশমিক ৬০ শতাংশ অর্থায়ন এসেছে দেশীয় উৎস থেকে এবং ৭২ দশমিক ৪০ শতাংশ ঋণ দিয়েছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)।

উল্লেখ্য,
- পরীক্ষামূলক যাত্রা শেষে ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ যমুনা রেলওয়ে সেতু দিয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়।
- রেলসেতুতে দুটি লাইন আছে। প্রথম পর্যায়ে একটি লাইন দিয়েই উভয় দিকে ট্রেন চলাচল করবে।
- আগামী ১৮ মার্চ, ২০২৫ রেলসেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১৭,৩৪৪.
সরকারি আইনগত সহায়তার হেল্পলাইন নম্বর কোনটি?
  1. ১০৯৮
  2. ১৬৪২০
  3. ১৬৪৩০
  4. ১০৫
ব্যাখ্যা
কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে বিগত সরকারের করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারে আইনি সহায়তার দিতে হেল্পলাইন চালু করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ১৬৪৩০ নম্বরে ফোন করে সহায়তা চাওয়া যাবে।

বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:

- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। 
- ১০৯: নারী নির্যাতন বা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ নম্বর। 
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার। 
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার। 
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার। 
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৭,৩৪৫.
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?
  1. ঝিনাইদহ
  2. যশোর
  3. সাতক্ষীরা
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- মোহাম্মদ মোস্তফার জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- পারিবারিক বাধার কারণে ১৯৬৭ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাড়ি থেকে পালিয়ে গিয়ে দেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে।
- প্রশিক্ষণ শেষে তাকে নিয়োগ করা হয় ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট কুমিল্লায়।
- ১৯৭১ সালের উত্তাল রাজনৈতিক পরিবেশে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে অভ্যন্তরীণ গোলোযোগ নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- পাকিস্তানি চক্রান্ত বুঝতে পেরে কয়েক জন বাঙ্গালি সৈনিককে সাথে নিয়ে মেজর শাফায়াত জামিল অধিনায়ক লে. কর্নেল খিজির হায়াত খান সহ সকল পাকিস্তানি অফিসার ও সেনাদের গ্রেফতার করেন।
- এরপর তারা মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এন্ডারসন খালের পাশ দিয়ে প্রতিরক্ষা অবস্থান নেন।
- ১৪ এপ্রিল পাকিস্তানিরা হেলিকপ্টার গানশীপ, নেভাল গানবোট ও এফ-৮৬ বিমান যোগে ত্রিমুখী আক্রমণ চালায় মুক্তিবাহিনীর ৪ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরক্ষা অবস্থানের উপর।
- গঙ্গাসাগর প্রতিরক্ষা অবস্থানের দরুইন গ্রামে নিয়োজিত আলফা কোম্পানির ২নং প্লাটুনের একজন সেকশন কমান্ডার ছিলেন মোহাম্মদ মোস্তফা।
- পাকিস্তানি আক্রমণে প্লাটুনটির সমস্ত রেশন ধ্বংস হয়ে যায়। নতুন করে কোন রেশন না পাওয়ায় সবাই দীর্ঘ সময় ধরে অভুক্ত অবস্থায় ছিলেন।
- এমন অবস্থায় মোহাম্মদ মোস্তফা তার এল. এম. জি. সাথে নিয়ে আখাওড়া রেল ষ্টেশনে মেজর শাফায়াত জামিলকে রেশনের অনুরোধ করেন।
- মেজর শাফায়াত জামিল তাদেরকে অনতিবিলম্বে প্রতিরক্ষা অবস্থানে যেতে নির্দেশ দেন এবং সেখানে রেশনের বন্দোবস্ত করেন।
- ১৭ এপ্রিল সকাল থেকে পাকিস্তানি বাহিনী তীব্র গোলাবর্ষণ শুরু করে প্লাটুন পজিশনের উপরে। এমন সময় বৃষ্টিও শুরু হয়।
- প্রচন্ড আক্রমণের খবর পেয়ে মেজর শাফায়াত হাবিলদার মুনিরের নেতৃত্বে ডি কোম্পানির ১১ নম্বর প্লাটুন পাঠান অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করতে। সারাদিন যুদ্ধ চলে।
- ১৮ এপ্রিল সকালে বর্ষণমুখর পরিস্থিতিতে শত্রু দরুইল গ্রামের কাছে পৌছে যায়।
- মূল আক্রমণ আরম্ভ হয় দুপুর ১২ টায় অবস্থানের পশ্চিম দিক থেকে।
- শত্রুর একটি দল প্রতিরক্ষার পিছন দিক দিয়ে মুক্তিবাহিনীকে ঘিরে ফেলছিলো।
- মোহাম্মদ মোস্তফা সহযোদ্ধাদের জানান তিনি নিজে এই কাভারিং ফায়ার প্রদান করবেন এবং সবাইকে পেছনে হটতে নির্দেশ দেন।
- সহযোদ্ধারা মোস্তফাকেও পশ্চাদপসরণের অনুরোধ করেন।
- কিন্তু কর্তব্যের টানে মোস্তফা ছিলেন অবিচল।
- পাকিস্তানিরা মরিয়া হয়ে মোস্তফার অবস্থানের উপরে মেশিনগান এবং মর্টারের গোলাবর্ষণ করতে থাকে। এক পর্যায়ে মোস্তফার এল.এম.জি.-র গুলি নিঃশেষ হয় এবং তিনি মারত্মক ভাবে জখম হন।
- তখন পাকিস্তান বাহিনীর সৈনিকরা ট্রেঞ্চে এসে তাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে হত্যা করে।
- মোস্তফা তার জীবন দিয়ে সহযোদ্ধাদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন।
- অসীম সাহসিকতার জন্য তাকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকার।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৭,৩৪৬.
বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির উদ্যোক্তা ছিলেন কে?
  1. আবুল মনসুর আহমদ
  2. বদরুদ্দিন উমর
  3. আবুল কালাম শামসুদ্দিন
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
- বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতি ১৯১১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রমুখের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সমিতির উদ্যোগে মোট সাতটি সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৪৩ সালের ৮-৯ মে সমিতির সপ্তম ও শেষ বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা ও সাহিত্যিক নামে এর দুটি মুখপত্র ছিল।
- লাহোর প্রস্তাবের প্রেক্ষাপটে কলকাতায় পূর্ব পাকিস্তান রেনেসাঁ সোসাইটি এবং ঢাকায় পূর্ব পাকিস্তান সাহিত্য সংসদ গঠিত হলে বঙ্গীয় মুসলিম সাহিত্য সমিতির গুরুত্ব হ্রাস পায়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৭,৩৪৭.
বিবিএস-এর সর্বশেষ তথ্যমতে,বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? (মার্চ-২০২৬)
  1. ২,৭২০
  2. ২,৭৬৯
  3. ২,৮০০
  4. ২,৮৬০
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।

- দেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৭৬৯ মার্কিন ডলার।
- এটি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী প্রকাশ করা হয়েছে।
- এক বছরে মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩১ মার্কিন ডলার।
- এর আগে ছিল ২৮২০ মার্কিন ডলার।

- এসংক্রান্ত বিবিএস ২০২৪–২৫ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ বিবিএসের তথ্যমতে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৯৩ ডলার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের মাথাপিছু আয় কমে দাঁড়ায় ২,৭৪৯ ডলারে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ২৭৩৮ ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) অর্থনৈতি সমীক্ষা-২০২৫।

১৭,৩৪৮.
‘উন্নত মম শির’ শিল্পকর্মটি কাকে নিয়ে অঙ্কিত?
  1. শহীদ মীর মুগ্ধ
  2. শহীদ আবরার ফাহাদ
  3. শহীদ ওসমান হাদি
  4. শহীদ আবু সাঈদ
ব্যাখ্যা

উন্নত মম শির:
- ‘উন্নত মম শির’ শিল্পকর্মটি শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে অঙ্কিত।

• এটি বাংলাদেশের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের সাহস ও অটল মনোভাবকে চিত্রিত করে।
- এর শিল্পী: শহীদ কবির।
- নামটি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত লাইন "বল বীর বল উন্নত মম শির" থেকে অনুপ্রাণিত।

উল্লেখ্য,
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের সামনের সড়কে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন আবু সাঈদ।
- ভ্যুত্থানের পরে সারা দেশে শিক্ষার্থীরা যেসব গ্রাফিতি করেন, তাতে আরও অনেক শহীদের প্রতিকৃতির সঙ্গে দুই বাহু প্রসারিত আবু সাঈদ উঠে এসেছিলেন মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৭,৩৪৯.
দ্বৈতশাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন কে?
  1. ক) লর্ড কার্জন
  2. খ) লর্ড ক্লাইভ
  3. গ) জর্জ হ্যারিসন
  4. ঘ) লুই আইকান
ব্যাখ্যা
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ক্লাইভ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করার পর কোম্পানির পক্ষে লর্ড ক্লাইভ বাংলার নবাব নজম - উদ্ - দৌলাকে কাঙ্ক্ষিত ৫৩ লক্ষ টাকা দেবার বিনিময়ে রাজস্ব আদায় এবং দেওয়ানি মামলার ভার গ্রহণ করলেন ।
- দেশ শাসনের দায়িত্ব আগের মতোই নবাবের হাতে রইলো। 
- এই ব্যবস্থা ইতিহাসে দ্বৈতশাসন নামে পরিচিত ।
- এই ব্যবস্থায় বাংলার নবাব সামান্য বৃত্তিভোগী কর্মচারীতে পরিণত হলেন ।
- আর প্রচুর অর্থনৈতিক ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ইংরেজ কোম্পানি এদেশের প্রকৃত প্রভু হয়ে বসলেন ।
- নবাব ও কোম্পানির মধ্যে এই ক্ষমতা ভাগাভাগির ফলে দেশশাসন ও প্রজাসাধারনের মঙ্গল বিধানের দায়িত্ব কেউই পালন করত না।
- ফলে বাংলায় রাজনৈতিক ক্ষেত্রে চরম বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ দেখা দেয় ।
- ক্ষমতাহীন নবাব সেই বিশৃঙ্খলা দমনে ব্যর্থ হন ।
- কোম্পানি নিযুক্ত রাজস্ব বিভাগের দুই সহকারী রেজা খাঁ ও সিতাব রায়ের শোষণ ও অত্যাচারে প্রজাদের দুর্দশার অন্ত ছিল না ।
- পরিণতিতে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে বা ১১৭৬ বঙ্গাব্দে বাংলায় ব্যাপক দুর্ভিক্ষ দেখা দেয় ।
- যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭,৩৫০.
USGBC-এর তালিকা অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. এসএম সোর্সিং, গাজীপুর
  2. তাসনিয়া ফেব্রিকস, গাজীপুর
  3. রেমি হোল্ডিংস লিমিটেড, নারায়ণগঞ্জ
  4. গ্রিন টেক্সটাইল লিমিটেড, ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় পরিবেশবান্ধব ১০টি কারখানার ৯টিই এখন বাংলাদেশে।
- গাজীপুরের তাসনিয়া ফেব্রিকস লিড সনদে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে বিশ্বের শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানার স্বীকৃতি অর্জন করেছে। 

- যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) থেকে ৮ মে এই পরিবেশবান্ধব সনদ পেয়েছে তাসনিয়া ফেব্রিকসের প্রশাসনিক ভবন।
- কারখানাটির প্রশাসনিক ভবন লিড সনদে ১১০ নম্বরের মধ্যে পেয়েছে ১০৭।
- গাজীপুরের এসএম সোর্সিং এবং তাসনিয়া ফেব্রিকসের পোশাক কারখানা যৌথভাবে দ্বিতীয় শীর্ষ পরিবেশবান্ধব কারখানা।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে। সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ইউএসজিবিসি।
- ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসি যে সনদ দেয়, সেটির নাম ‘লিড’।
- লিডের পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- এ সনদ পেতে প্রতিটি প্রকল্পকে ইউএসজিবিসির তত্ত্বাবধানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ করা থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সর্বোচ্চ মান রক্ষা করতে হয়।
- বিজিএমইএর তথ্য অনুযায়ী, তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতে বর্তমানে লিড সনদ পাওয়া পরিবেশবান্ধব কারখানা ২৪৩টি। [মে, ২০২৫]
- তার মধ্যে ১০১টি লিড প্লাটিনাম, ১২৮টি গোল্ড, ১০টি সিলভার এবং ৪টি কারখানা সার্টিফায়েড সনদ পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৭,৩৫১.
জ্যাত্ কোন সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
জ্যাত্: 
- জ্যাত্: মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি।
- জ্যাত্ হলো মারমাদের অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতি।
- এর মাধ্যমে মারমা সম্প্রদায়ের আদি ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরা হয়।
- আদিকালের রাজা-রাজড়াদের জীবনধারা এতে কাহিনির মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়।
- সাধারণ মানুষের জীবনধারা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি এতে সুর, তাল ও লয়ের মাধ্যমে ফুটে ওঠে।
- জ্যাত্ মূলত ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানকে উৎসবমুখর করতে আয়োজন করা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- অতিথিদের বিনোদন এবং আনন্দ দেওয়ার জন্য জ্যাত্ পরিবেশিত হয়।
- এটি মারমাদের ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও প্রজন্মান্তরে প্রচারের একটি মাধ্যম।

উল্লেখ্য, 
- বান্দরবানের থোয়াইংগ্য পাড়ায় মারমা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ‘মাচয়ইং’ পরিবেশিত হয়।
- রুমার থানা পাড়া জ্যাত্ দল লোকনাট্যটি পরিবেশন করেন।
- ২ জানুয়ারি, ২০২৫ শনিবার রাত ৯টায় পরিবেশনা শুরু হয়ে রাতভর চলে। 
- এটি আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সেল।

এছাড়াও
- বিজু চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় উৎসব।
- ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব।
- বৈসু ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব।
- সোহরাই সাঁওতালদের প্রধান উৎসব।
- সাংগ্রেই রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব।
- মণিপুরী নাচ মণিপুরী সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী নাচ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি [লিঙ্ক] ও প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক]
১৭,৩৫২.
উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কে পরিচিত?
  1. কর্নওয়ালিস
  2. ওয়াটসন
  3. রবার্ট ক্লাইভ
  4. লর্ড বেন্টিং
ব্যাখ্যা

রবার্ট ক্লাইভ:
- রবার্ট ক্লাইভ ছিলেন উপমহাদেশে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাসে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
- তরুণ বয়সে মাদ্রাজে (বর্তমান চেন্নাই) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিতে চাকরি নিয়ে তিনি ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হন।
- ১৭৬৫ সালে রবার্ট ক্লাইভ সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সঙ্গে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষর করেন, যার মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করে এবং দ্বৈত শাসন প্রবর্তন হয়।
- রবার্ট ক্লাইভের চারিত্রিক দোষ থাকা সত্ত্বেও উপমহাদেশে ইংরেজ শক্তির প্রতিষ্ঠার জন্য তার অবদান অস্বীকার করা যায় না।
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের স্থপতি ও প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে লর্ড ক্লাইভের নাম উপমহাদেশের ইতিহাসে চিরকাল মনে থাকবে।
- প্রথম পর্যায়ে তিনি দাক্ষিণাত্যে কোম্পানিকে রক্ষা করেন।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে তিনি বাংলা জয় করেন, এবং তৃতীয় পর্যায়ে নবাব ও সম্রাটকে নিয়ন্ত্রণ করে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী হয়ে ইংরেজ শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত হন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৩৫৩.
মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল-
  1. ক) হরিনাতে
  2. খ) হেজামারা
  3. গ) করিমগঞ্জ
  4. ঘ) মাসিমপুরে
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল- হরিনাতে। 

• ১নং সেক্টর  চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে
-  সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- এই সেক্টরে প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
- এদের মধ্যে ছিলেন ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট হাজার।
- এই বাহিনীর গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১৭,৩৫৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কত নং সেক্টরের অধীনে ক্র্যাক প্লাটুন গঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) ১নং
  2. খ) ২নং
  3. গ) ১০নং
  4. ঘ) ১১নং
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।

ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন:
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ।

উৎস: দৈনিক সমকাল
১৭,৩৫৫.
বঙ্গবন্ধু কবে 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন? 
  1. ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ 
  2. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭১
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা: 
 
• ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন। 
• ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন। 
• এর মাধ্যমে তিনি দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। 
• ১২ই জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমের নিকট প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 
• একই দিনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
• সংসদীয় পদ্ধতির সরকারব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর গভীর আস্থার পরিচয় বহন করে। 
• ১৯৭২ সালের ১২ই জানুয়ারি থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার পরিচালিত হয়। 
• এই সরকার মাত্র তিন বছর সাত মাস তিন দিন দায়িত্ব পালনের সুযোগ পায়। 
• এই স্বল্পতম সময়ে তিনি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ থেকে দেশকে গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের মাধ্যমে বহির্বিশ্বে সম্মানজনক ভাবমূর্তি নির্মাণে অনন্যসাধারণ অবদান রাখেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,৩৫৬.
‍মুক্তিযুদ্ধের সময় ময়মনসিংহ জেলা কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ৩ নং সেক্টর
  2. ৬ নং সেক্টর
  3. ৯ নং সেক্টর
  4. ১১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে ১১ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন প্রথমদিকে মেজর এম. আবু তাহের এবং পরবর্তীতে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।
- ১১ নং সেক্টরের সদরদপ্তর ছিলো মহেন্দ্রগঞ্জ। এই সেক্টরের অধীনে আটটি সাব-সেক্টর ছিলো।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৭,৩৫৭.
'খরিপ' মৌসুমের সময়কাল কোনটি?
  1. চৈত্র - ভাদ্র 
  2. মাঘ- ভাদ্র
  3. শ্রাবণ - অগ্রাহয়ণ
  4. আশ্বিন - ফাল্গুন
ব্যাখ্যা

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য মার্চ পর্যন্ত, মতান্তরে মধ্য নভেম্বর থেকে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- গ্রীষ্মকালে অর্থাৎ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। খরিপ মৌসুমে বিশেষ করে আষাঢ় থেকে ভাদ্র মাসের মধ্যে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। খরিপ মৌসুমে তাপমাত্রা ও বায়ুর আর্দ্রতা বেশি পরিলক্ষিত হয়। খরিপ মৌসুমকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: খরিপ-১ বা গ্রীষ্মকাল এবং খরিপ- ২ বা বর্ষাকাল।

⇒ খরিপ-১ মৌসুম:
- চৈত্র মাস থেকে আষাঢ় মাস (মধ্য মার্চ হতে মধ্য জুলাই) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ বলা হয়। এইসময়কে গ্রীষ্মকালও বলা হয়।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-১ শস্য বলে। যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি।

⇒ খরিপ-২ মৌসুম:
- শ্রাবণ মাস থেকে আশ্বিন মাস (মধ্য জুলাই হতে মধ্য অক্টোবর) পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ বলে। এই সময় বর্ষাকাল।
- এ মৌসুমে উৎপন্ন ফসলগুলোকে খরিপ-২ শস্য বলে। যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি ।

এছাড়াও,
- কিছু ফসল ও শাক-সবজি আছে যেগুলো উভয় মৌসুমেই বা সারা বছর চাষাবাদ করা হয়ে থাকে। এদেরকে বারোমাসী ফসল বলে। যেমন- কলা, পেঁপে ইত্যাদি।

উৎস:
i) কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭,৩৫৮.
কৃষিভিত্তিক রপ্তানি বহুমুখীকরণে বাংলাদেশের জন্য কোন পণ্যটি সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে? 
  1. পাটজাত দ্রব্য
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য
  4. চা রপ্তানি 
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি বহুমুখীকরণে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য: 
- প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য বলতে মূলত কাঁচা কৃষিজাত পণ্যকে (যেমন: ফল, সবজি, মশলা, মাছ, মাংস ইত্যাদি) প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী, মূল্যবৃদ্ধিকর এবং রপ্তানিযোগ্য পণ্যে রূপান্তরিত করা বোঝায়।
- বাংলাদেশ গত কয়েক বছরে কৃষি খাতে অসাধারণ অগ্রগতি করেছে।
- দেশের উর্বর ভূমি, অনুকূল জলবায়ু এবং সরকারের যথাযথ নীতি সহায়তার কারণে কৃষি-ব্যবসায় বিশাল সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে উচ্চমানের কৃষিপণ্যের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বাংলাদেশের কৃষি রপ্তানি আয় বাড়ানোর বিরাট সম্ভাবনা রয়েছে।
- ৪ ট্রিলিয়ন ডলারেরও বেশি মূল্যের গ্লোবাল কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ বাজারের একটি অংশও খুলে দিলেও আমাদের রপ্তানিকে বৈচিত্র্যময় করবে এবং হাজার হাজার গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ ইতিমধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখছে।
- স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার প্রস্তুতির মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বৈচিত্র্যময় করা এবং নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস খুঁজে বের করার প্রচেষ্টায় প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার সম্ভাবনা রাখে।
- এটি বিদেশি মুদ্রা আয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের স্থানীয় বাজারের আকার প্রায় ৪.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৬ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে।
- বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ১৭২ ধরনের কৃষি ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি করে। 
- এর মধ্যে ১০৬টি দেশে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্য রপ্তানি হয়। 
- এ খাতের প্রধান পাঁচ রপ্তানি পণ্যের বাজার হলো: 
১. সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE)
২. সৌদি আরব
৩. ভারত
৪. যুক্তরাজ্য
৫. যুক্তরাষ্ট্র

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পাটজাত দ্রব্য ও চামড়াজাত পণ্য  বিশ্ববাজারে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান ধরে রেখেছে। 
- চা উৎপাদনে শক্তিশালী অবস্থানে থাকলেও রপ্তানিতে অবস্থান অনেক নিচে, কারণ অধিকাংশ উৎপাদন দেশীয় বাজারে খরচ হয়।

তথ্যসূত্র: 
i) The Financial Express. (Link)
ii) The Business Standard. (Link)
iii) Bangladesh Investment Development Authority. (Link) 
iv) প্রথম আলো। (Link)

১৭,৩৫৯.
ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব কে উত্থাপন করেন?
  1. আবুল হাসেম 
  2. চেজীধুরী খালেকুজ্জামান
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

লাহোর প্রস্তাব:
- বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব পেশ করেন।
- ১৯৪০ সালে লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না।
- তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব' হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ লাহোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৩৬০.
সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৬২ সালে
  4. ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি: 
- ১৯৭০ সালে সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- কিন্তু ক্ষমতা হস্তান্তর না করে পাকিস্তানি সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান ষড়যন্ত্র শুরু করে।
- জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বার বার স্থগিত ঘোষণা করলে ১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে অসহযোগ আন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ফলে বাঙালির স্বাধীনতার প্রস্তুতি শুরু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭,৩৬১.
প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠিত হয়?
  1. অক্টোবর, ১৯৪৭ 
  2. সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  3. সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ 
  4. ডিসেম্বর, ১৯৪৭ 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- বাংলাভাষা ও বাংলালিপি সম্পর্কে দায়িত্বজ্ঞানহীন অশালীন উক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের উদ্দেশ্যে তমদ্দুন মজলিশের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এ পরিষদের আহবায়ক নির্বাচিত হন মজলিশ নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এএসএম নূরুল হক ভূইয়া।
- এবং কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন তমদ্দুন মজলিশের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল কাশেম।
- ভাষা আন্দোলনের সূচনাপর্বে আবুল কাশেম ছিলেন আন্দোলনের মধ্যমনি।
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে তমদ্দুন মজলিশ কর্মী এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় মজলিশ কর্মী শামসুল আলমকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ’ নামে একটি নতুন কমিটি গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

১৭,৩৬২.
প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে -
  1. ক) স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  2. খ) এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  3. গ) ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
  4. ঘ) বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড
ব্যাখ্যা
গত ২১ নভেম্বর, ২০২২ প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (এসকেএফ)।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনের জন্য এসকেএফের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়। বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ অনুমোদন পেয়েছে এসকেএফ।

করোনা মহামারির সময় এসকেএফ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ রপ্তানিতে সাফল্য অর্জন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩টি অ্যান্টি-কোভিড জেনেরিক ওষুধ -
- রেমডেসিভির (রেমিভির),
- মলনুপিরাভির (মনুভির) এবং
- নির্মাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ (প্যাক্সোভির) উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

এসকেএফ এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিশ্বের ৪৮টি দেশে রপ্তানি করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার ৬৮টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২ ও দ্য ডেইলি স্টার।
১৭,৩৬৩.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদ সংস্থা কোনটি?
  1. বাংলাদেশ নিউজ এজেন্সী
  2. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা
  3. বাংলাদেশ নিউজ সার্ভিস
  4. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
সংবাদ সংস্থা: 
- সংবাদ সংস্থা  সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
- দি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি) পাকিস্তানের প্রথম সংবাদ সংস্থা, ১৯৪৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একই বছরে, ব্যক্তিমালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড প্রেস অব পাকিস্তান (ইউপিপি) কার্যক্রম শুরু করে করাচি থেকে। ঢাকায় এ সংস্থার একটি শাখা ছিল।
- আরেকটি ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা পাকিস্তান প্রেস এজেন্সি নামে (পিপিএ) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, পরবর্তী সময়ে এটি পাকিস্তান প্রেস ইন্টারন্যাশনাল (পিপিআই) নাম গ্রহণ করে।
- পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম স্থানীয় মালিকানাধীন স্বাধীন সংবাদ সংস্থা ছিল দি ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)।
- ১৯৭০ সালে প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে নয় মাস এ সংস্থার কার্যক্রম স্থগিত ছিল।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এপিপি ও পিপিআই ব্যুরো পরিত্যক্ত ঘোষিত হয় এবং এপিপি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) নামে রূপান্তরিত হয়। 

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (রাষ্ট্রায়ত্ত)।
- এটি ১৯৭২ সালের ১জানুয়ারি চালু হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ওয়েবসাইট।
বাংলাপিডিয়া।
১৭,৩৬৪.
সুপ্রীম কোর্টের বিচারকের যোগ্যতা সম্পর্কে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৬৫(১)
  2. ৯৫(২)
  3. ৯৪(১)
  4. ৭৯(১)
ব্যাখ্যা
• বিচারক-নিয়োগ:
৯৫। (১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে
নিয়োগদান করিবেন।
(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে;
তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৩) এই অনুচ্ছেদে "সুপ্রীম কোর্ট” বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত
হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।]

অন্যদিকে,
- ৭৯। (১) সংসদের নিজস্ব সচিবালয় থাকিবে।
- ৬৫। (১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
- ৯৪। (১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭,৩৬৫.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র 'আগামী'-এর নির্মাতা কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. মোরশেদুল ইসলাম
  3. হাবিবুল ইসলাম হাবিব
  4. এনায়েত করিম বাবুল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র আগামী।
- চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন মোরশেদুল ইসলাম।
- এটি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
১৭,৩৬৬.
কোন যুদ্ধের পর এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. পলাশীর যুদ্ধ
  2. পানিপথের ৩য় যুদ্ধ
  3. বক্সারের যুদ্ধ
  4. প্লাসির যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধের পর এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:

- এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে  রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

⇒ কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন।
- ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- এদেশে এসেই তিনি মীর কাশিমের মিত্রশক্তি অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও দিল্লির সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের প্রতি নজর দেন।
- বক্সার যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ লক্ষ টাকা এবং কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি পেয়ে অযোধ্যার নবাবের সাথে মিত্রতা স্থাপন করেন।
- তারপর তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি সনদ লাভ করে)।
- এর ফলে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইংরেজ উপনিবেশের পথ উন্মুক্ত হয়ে যায়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৩৬৭.
‘পাইন্যার মা’ চিত্র কর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. কাইয়ুম চৌধুরী
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. হাসেম খান
  4. এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:

- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৭,৩৬৮.
'বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক উৎকর্ষ পদক’ - এর জন্য এ বছর মনোনিত হয়েছেন –
  1. ক) সুলতানা লায়লা হোসেন
  2. খ) ইতো নাওকি
  3. গ) সৈয়দা জেবুন্নেছা হক
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

২০২১ সালে প্রবর্তিত ‘বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক উৎকর্ষ পদক’-এর জন্য এ বছর মনোনিত হয়েছেন –
• পোল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুলতানা লায়লা হোসেন, এবং
• ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২

১৭,৩৬৯.
বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজনীতির নান্দনিক শিল্পী’ বলেছেন -
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) মাওলানা ভাসানী
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে ‘রাজনীতির নান্দনিক শিল্পী’ বলেছেন - শেখ হাসিনা। 
১৭,৩৭০.
নিচের কোনটি পরোক্ষ করের উদাহরণ?
  1. সম্পদ কর
  2. ভূমি রাজস্ব
  3. আয়কর
  4. বিক্রয় কর
ব্যাখ্যা

• কর:
- কর সরকারি রাজস্বের প্রধান উৎস। বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে করের শ্রেণি বিভাগ করা যায়।
যেমন:

​• প্রত্যক্ষ কর:
- যে কর প্রথমে যার উপর ধার্য করা হয় চুড়ান্তভাবে তাকেই পরিশোধ করতে হয় তাকে প্রত্যক্ষ কর বলা হয়।
- অর্থাৎ এ কর কোনোভাবেই অন্যের উপর চাপানো যায় না।
যেমন:
- আয়কর, ভূমি রাজস্ব, সম্পদ কর প্রভৃতি।

• পরোক্ষ কর:
- কোনো ব্যক্তির উপর কর ধার্য করা হলে সে যদি করের ভার অন্যের উপর চাপাতে পারে তাকে বলা হয় পরোক্ষ কর।
- এরূপ করের বোঝা প্রাথমিকভাবে একজন বহন করলেও পরে তা অন্যের উপর চাপাতে পারে।
যেমন:
- ভ্যাট, বিক্রয় কর, আমদানী শুল্ক প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৩৭১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৫০টি
  3. ৫২টি
  4. ৫৪টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮।
- পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৭,৩৭২.
সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মান সিংহ
  2. চাণক্য
  3. টোডরমল
  4. আবুল ফজল
ব্যাখ্যা
চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।

⇒ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

⇒ চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য সম্ভবত ২৪ বছর রাজত্ব করেন।
- জৈন সূত্র থেকে জানা যায় যে, পরপর কয়েক বছর অনাবৃষ্টির দরুন দুর্ভিক্ষ হলে চন্দ্রগুপ্ত সিংহাসন ত্যাগ করেন এবং
- তিনি মহীশূরের শ্রাবণবেলগোলা নামক স্থানে অনশন করে জৈনরীতিতে মৃত্যুবরণ করেন।

অন্যদিকে,
⇒ সম্রাট আকবরের মন্ত্রীসভা:
- প্রধানমন্ত্রী: আবুল ফজল।
- অর্থমন্ত্রী: টোডরমল।
- সেনাপ্রধান: মান সিংহ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩৭৩.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন না-
  1. ক) এএইচএম কামরুজ্জামান
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এম মনসুর আলী
  4. ঘ) আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
১৭,৩৭৪.
বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ ‘বাংলাপিডিয়া’ কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশিত হয়েছে?
  1. জাতীয় গ্রন্থাগার
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলা একাডেমি
  4. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালে এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রেরণা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উভয়ই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭,৩৭৫.
বাংলাদেশে আইন প্রণয়নে আইনসভা বা জাতীয় সংসদের পর মূখ্য ভূমিকা পালন করে -
  1. সচিবালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. মন্ত্রীসভা
ব্যাখ্যা
আইনসভা:
- আইন প্রণয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বা মুখ্য ভূমিকা পালন করে আইনসভা।
- বাংলাদেশে আইনসভা জাতীয় সংসদ নামে পরিচিত।
- যেকোন ধরনের সরকারি আইন প্রণয়নের দায়িত্ব সংসদের উপর ন্যস্ত।
- আইনসভার পরেই আইন প্রণয়নে মন্ত্রিসভার ভূমিকা মুখ্য।
 
এছাড়াও,
- রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেনি।
১৭,৩৭৬.
পরীবিবি কে ছিলেন?
  1. আওরঙ্গজেবের কন্যা 
  2. শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. মুর্শিদকুলি খানের স্ত্রী
  4. আজিমুসশানের মাতা
ব্যাখ্যা

পরী বিবি:
- পরী বিবি বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- তাঁর আসল নাম ইরান দুখত।

উল্লেখ্য,
- ঢাকাকে বহিঃশত্রুর হাত থেকে রক্ষা করতে ১৬১৮ সালে মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের তৃতীয় ছেলে আজম শাহ নির্মাণ করেন লালবাগ দুর্গ। 
- লালবাগ কেল্লা ১৭শ শতকে নির্মিত একটি অসমাপ্ত মুঘল দুর্গ স্থাপনা।
- এটির নির্মাণকাজ শুরু হয়েছিল ১৬৭৮ সালে, মুঘল সুবাদার মুহাম্মদ আজম শাহ কর্তৃক।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করেন। কিন্তু ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে কন্যা বিবি পরীর অকাল মুত্যৃতে তিনি দুর্গ নির্মাণ একটি অশুভ লক্ষণ ভেবে বন্ধ করে দেন। দুর্গের অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়। শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।

১৭,৩৭৭.
বাংলাদেশ এবং মায়ানমারের মধ্যে সমুদ্র সীমা বিরোধ কোন সংস্থার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়?
  1. Permanent Court of Justice
  2. International Tribunal for the Law of the Sea
  3. International Court of Justice
  4. Permanent Court of Arbitration
ব্যাখ্যা
• সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি: 
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে, 
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

তথ্যসূত্র:- সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট, বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।
১৭,৩৭৮.
লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে কার সমাধি রয়েছে?
  1. ক) শাহজাহানের স্ত্রী
  2. খ) শায়েস্তা খানের কন্যা
  3. গ) ঈসা খানের বোন
  4. ঘ) মীর জুমলার কন্যা
ব্যাখ্যা
ঢাকার লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়্স্তা খানের কন্যা ইরান দুখত রহমত বানু এর সমাধি অবস্থিত।
তিনি পরীবিবি নামে পরিচিত। তিনি ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র মুহাম্মদ আযম এর স্ত্রী।
মৃত্যুর পর তাকে লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে সমাহিত করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৭,৩৭৯.
পূর্ববঙ্গ থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
  2. খ) দিগদর্শন
  3. গ) রঙ্গপুর বার্তাবহ
  4. ঘ) ঢাকা প্রকাশ
ব্যাখ্যা
পূর্ববঙ্গ অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র হলো রঙ্গপুর বার্তাবহ।
এটি ছিলো একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮৪৭ সালের আগস্ট মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন গুরুচরণ শর্মা রায়।
১৮৫৭ সালে পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৭,৩৮০.
যুক্তফ্রন্টের সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠন:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট সরকার গঠন করে।
- ১৫ মে, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠন করে।
- ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন।

উৎস: ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩৮১.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ সম্পর্কে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ৯৩ নং
  2. ৯৪ নং
  3. ৯৫ নং
  4. ৯৬ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগ সম্পর্কে বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদে আলোচনা করা হয়েছে।

সুপ্রীম কোর্টের বিচারক নিয়োগ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

(২) কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোনো বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করে থাঢ়লে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলে;তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোনো সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করেছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হবে।

অন্যদিকে,
- ৯৩ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষমতা,
- ৯৪ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা এবং
- ৯৬ নং অনুচ্ছেদে বিচারকদের পদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৭,৩৮২.
বর্তমানে বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কয়জন?
  1. ১৭৩ জন
  2. ১৭৫ জন
  3. ১৭৪ জন
  4. ১৭২ জন
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ ধরনে বিভক্ত।

যথা -
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
বীর উত্তম ৬৭ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
বীর বিক্রম ১৭৪ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
• বীর প্রতীক ৪২৪ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।

উল্লেখ্য,
পূর্বে মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন ছিল, কিন্তু ৪ জনের খেতাব বাতিল হওয়ায় বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৭,৩৮৩.
বাংলার প্রথম স্বাধীন সালতানাতের প্রথম রাজধানী ছিল -
  1. গৌড়
  2. মুর্শিদাবাদ
  3. পান্ডুয়া
  4. সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ:
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর রাজধানী সোনারগাঁও-ই হল স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজধানী।

উল্লেখ্য,
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার শাসকগণ দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেন।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হলে ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলায় দু'শো বছরের স্বাধীন ইতিহাসের সূচনা হয়।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ একজন যোগ্য শাসক ও কূটকৌশলী রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে তিনি নিজ নামে মুদ্রা জারি করেন।
- তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ নির্মাণ করেছিলেন বলে জানা যায়।
- ফখরুদ্দিনের রাজত্বকালকে বাংলার গৌরবময় যুগ বলা হয়।

উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া [Link]
২. ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৩৮৪.
দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক উপজেলায় অবস্থিত?
  1. শ্রীনগর
  2. কেরানীগঞ্জ
  3. কালিয়াকৈর
  4. গজারিয়া
ব্যাখ্যা
ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।
১৭,৩৮৫.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

কৃষিশুমারি: 
- স্বাধীনতার পূর্বে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- দেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে। যেমন: ১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-১৯৮৪, ১৯৯৬,২০০৮, ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ৫ বার।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়- ৯ জুন থেকে ২০ জুন, ২০১৯ সাল।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৭,৩৮৬.
সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. কাস্টিং ভোট
  2. ট্রেজারি ভোট
  3. ফ্লোর ক্রসিং
  4. স্ট্র ভোট
ব্যাখ্যা
ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা কে ‘ফ্লোর ক্রসিং’ বলা হয়।
- সংবিধানের ৭০ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনো ব্যক্তি যদি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেন বা দল থেকে পদত্যাগ করেন, তবে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না।

উল্লেখ্য, 
- কাস্টিং ভোট বা নির্ণায়ক ভোট হলো স্পিকার প্রদত্ত ভোট।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭,৩৮৭.
২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেটে কৃষি খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ৪২ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা
  2. ৪৩ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা
  3. ৪৪ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা
  4. ৪৫ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:

- বাজেটের ক্রম: ৫২তম।
- জিডিপির আকার: ৫০,০৬,৭৮২ কোটি টাকা।
- বাজেটের আকার: ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- রাজস্ব প্রাপ্তি: ৫,০০,০০০ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি: ২,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।

খাতভিত্তিক বরাদ্দ
- ১৩টি খাতে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জনসেবা খাতে ২ লাখ ৭০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা,
- স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৯ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা,
- প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ১৪২ কোটি টাকা,
- জন নিরাপত্তা খাতে ৩২ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা,
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা,
- স্বাস্থ্য খাতে ৩৮ হাজার ৫০ কোটি টাকা,
- সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৪০ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা,
- আবাসন খাতে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা,
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা,
- শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা খাতে ৫ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা,
- পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৮৭ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা,
- কৃষি খাতে ৪৩ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা,
- বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম খাতে ব্যয় ৫ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১৭,৩৮৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭,৩৮৯.
মং সার্কেলের প্রধান কার্যালয় কোথায়?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রামে সার্কেল রয়েছে ৩টি।
- সার্কেল ও প্রধান কার্যালয়সমূহ:
- বোমাং সার্কেল: বান্দরবান জেলা
- চাকমা সার্কেল: রাঙামাটি জেলা
- মং সার্কেল: খাগড়াছড়ি জেলা
- পার্বত্য চট্টগ্রামের এই ৩ সার্কেল প্রধানরা স্থানীয় পাহাড়ি জনগণের কাছে 'রাজা' হিসেবেই পরিচিত।
- সরকারিভাবে সার্কেল প্রধানদের সার্কেল চীফ বলা হয়।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৭,৩৯০.
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়ার সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

সূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
১৭,৩৯১.
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এম এস সুলতান
  4. হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
'রায়বেশে নৃত্য' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসান
:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উল্লেখ্য,
- ব্রতচারী আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ রায়বেঁশে নৃত্য।
- ব্রিটিশ শাসনামলে রাজার সেনাবাহিনী রায়বেঁশে পদ্ধতিতে শরীরচর্চা করত বাঙালি সংস্কৃতি, শুদ্ধ জাতীয়তাবাদ এবং প্রত্যেকে বাঙালির জীবনগঠনে স্বকীয়তা রক্ষা করতে, এ মূলনীতি কামরুল হাসান তার পরবর্তী জীবনে প্রতিফলিত করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
১৭,৩৯২.
রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫ কত জনকে প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা

রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫:
- রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার পেয়েছেন দুজন।
- এর মধ্যে প্রথমজন সুব্রত বড়ুয়া।
- তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে কথাসাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের মূল্যায়নে।
- পুরস্কারের অর্থমূল্য : দুই লক্ষ টাকা।
- আর অনূর্ধ্ব ৪৯ বছর বয়সী লেখকদের মধ্যে ২০২৪ সালে প্রকাশিত ‘সিসিফাস শ্রম’ গল্পগ্রন্থের মূল্যায়নে ‘রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৫’ পুরস্কার পেয়েছেন আনিসুর রহমান।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লাখ টাকা। 

উৎস: বাংলা একডেমি ওয়েবসাইট।

১৭,৩৯৩.
কত সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে?
  1. ১৭৫৭
  2. ১৮৫৩
  3. ১৮৫৭
  4. ১৮৫৮
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে ১৬১২ সালে।
- কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে ১৭০০ সালে।
- পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয় ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

১৭,৩৯৪.
'বুলবুল-ই-হিন্দ' বলা হয় কাকে?
  1. মীর তকি
  2. গালিব
  3. ইকবাল
  4. তানসেন
ব্যাখ্যা

→ তানসেনকে 'বুলবুল-ই-হিন্দ' বলা হয়।

তানসেন:
- তানসেন ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ।
- তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজদরবারের সঙ্গীতজ্ঞ ও সভাকবি ছিলেন।
- তিনি শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
- তিনি মুঘল বাদশাহ আকবরের রাজদরবারের নবরত্নের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
- তিনি দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

১৭,৩৯৫.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা মেয়াদান্তে গড় প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৯.২%
  2. ৯.৪%
  3. ৯.৬%
  4. ৯.৯%
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা: 
- রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ এবং ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
- এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের চরম দারিদ্রসীমা হবে ২.৩% এবং ২০৪১ সালে  চরম দারিদ্র সীমা হবে ১%এর কম। 
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
১৭,৩৯৬.
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
  2. ৭ লাখ ৮২ হাজার কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

→ চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের আকার- ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা ।

-  সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
-  ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

• মূল বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬  ও অর্থ মন্ত্রণালয়।

১৭,৩৯৭.
যুক্তফ্রন্ট ঘোষিত ২১ দফার ইশতেহারের দ্বিতীয় দফা ছিলো কোনটি?
  1. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
  2. জমিদারি প্রথার উচ্ছেদ
  3. পাট শিল্পের জাতীয়করণ
  4. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গঠিত যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনি জোট ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে।
- এই ইশতেহার প্রণয়নে ‍মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
২১ দফা ইশতেহারের দফা সমূহ:
- প্রথম দফা : বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
- দ্বিতীয় দফা : জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ
- তৃতীয় দফা : পাট শিল্পের জাতীয়করণ
- চতুর্থ দফা : সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৭,৩৯৮.
জহির রায়হান নির্মিত চলচ্চিত্র না কোনটি?
  1. ক) সঙ্গম
  2. খ) ভাত দে
  3. গ) বাহানা
  4. ঘ) আনোয়ারা
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান -এর চলচ্চিত্রসমূহঃ কখনো আসে নি (প্রথম ছবি), সঙ্গম (তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানের প্রথম টেকনিকালার ছবি), বাহানা (প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি), কাঁচের দেয়াল ( নিগার পুরস্কার পাওয়া), জীবন থেকে নেয়া (১৯৭০), বেহুলা, আনোয়ারা। এছাড়া তিনি মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রামান্য চিত্র - Stop Genocide নির্মান করেন।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭,৩৯৯.
২০২৩–২৪ অর্থবছরে, বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বিদেশি বিনিয়োগ:

- বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বিদেশি বিনিয়োগ ১০ দেশনির্ভর।
- এসব দেশের মধ্যে বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বিনিয়োগের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, লুক্সেমবার্গ, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই, কানাডা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, কেম্যান আইল্যান্ডস, মরিশাস ও কুয়েত। যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, লুক্সেমবার্গ, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইউএই, কানাডা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ড, কেম্যান আইল্যান্ডস, মরিশাস ও কুয়েত। 
- ২০২৩–২৪ অর্থবছরে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডে এই ১০ দেশের বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল ৮০ কোটি মার্কিন ডলার।
- প্রতি ডলারের বিনিময় মূল্য ১২০ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৯ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।
- বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ–সংক্রান্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

⇒ বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে দুই ধরনের পোর্টফোলিও বা পত্রকোষ বিনিয়োগ করেন।
- তার একটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারে, যা ইকুইটি সিকিউরিটিজ হিসেবে পরিচিত, অন্যটি ডেবট সিকিউরিটিজে। 

উৎস: প্রথম আলো। [link]

১৭,৪০০.
Which is the latest natural gas field in Bangladesh?
  1. ক) Srikail gas field
  2. খ) Ilisha-1, Vola
  3. গ) Jokigonj
  4. ঘ) Bhola north
ব্যাখ্যা
২৯ তম গ্যাসক্ষেত্র:
- ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের ২৯তম এবং সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ভোলা জেলার তৃতীয় গ্যাসক্ষেত্র।
- সেখানকার অন্য দুটি হলো শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্র।
- নতুন গ্যাসক্ষেত্রটিতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে।
- বাংলাদেশি মুদ্রায় এই গ্যাসের বাজারমূল্য ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- ধারণা করা হচ্ছে ২৬ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত এখান থেকে গ্যাস পাওয়ার যাবে।
- সম্প্রতি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম বাপেক্সের হয়ে কূপটি খনন করে।
- এই কূপের তিন স্তরে ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের মজুত আছে বলে ধারণা করছে বাপেক্স।

উৎস: ২১মে, ২০২৩, প্রথম আলো।