বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৭৩ / ৩০৬ · ১৭,২০১১৭,৩০০ / ৩০,৮৩২

১৭,২০১.
‘গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থার প্রবক্তা ছিলেন কে? 
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. জিয়াউর রহমান
  3. তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ 
ব্যাখ্যা

- গ্রাম সরকার’ ব্যবস্থার প্রবক্তা ছিলেন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

• গ্রাম সরকার ব্যবস্থা: 
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান গঠন করেন গ্রাম সরকার। 
- ব্রিটিশ চৌকিদার মডেলে গ্রাম পুলিশ গঠন করা হয়।   
- এজন্য তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেন এবং তাদের নেতৃত্ব, সততা ও কর্মস্পৃহায় অনুপ্রাণিত হয়ে সিদ্ধান্ত নেন ‘স্বনির্ভর গ্রাম সরকার’ গঠনের।
- এই গ্রাম সরকার গঠনের মাধ্যমে জনগণ নিজেরাই তাদের সমস্যা নির্ধারণ, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব পেত। এতে ১৪ জন সদস্য থাকতেন, এর মধ্যে ৬ জন নারী সদস্য থাকতেন।  
- ১৯৮২ সালে জেনারেল এরশাদ থানাগুলোকে উপজেলায় উন্নীত করে গঠন করেন উপজেলা পরিষদ।  

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।

১৭,২০২.
বর্তমানে চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ৭৬ শতাংশ
  2. ৭৯ শতাংশ
  3. ৮১ শতাংশ
  4. ৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ঔষধ শিল্প:

- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) প্রথম আলো।
১৭,২০৩.
মুজিবনগর সরকারের সচিবালয় কোথায় ছিল?
  1. কলকাতা
  2. ঢাকা
  3. মেহেরপুর
  4. গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। 
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। 
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান। 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব, 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,২০৪.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'অগ্নিশিখা' অনুষ্ঠানটি কে পরিচালনা করতেন?
  1. বেলাল মোহাম্মদ
  2. এম.আর.আখতার মুকুল
  3. কল্যাণ মিত্র
  4. টি.এইচ সিকদার
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র ও 'অগ্নিশিখা'
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বেলাল মোহাম্মদের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।
- বেতারে প্রচারিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো বজ্রকন্ঠ, চরমপত্র, জল্লাদের দরবার, অগ্নিশিখা, প্রতিধ্বনি প্রভৃতি।
- 'অগ্নিশিখা' অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করতেন টি.এইচ সিকদার।
- এটি ছিল মুক্তিবাহিনীর জন্য অনুষ্ঠান।

এছাড়া,
- ৭ মার্চের ভাষণ সহ বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য ভাষণ 'বজ্রকণ্ঠ' নামে প্রচারিত হত।
- ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় প্রচারিত 'চরমপত্র' লিখতেন ও পড়তেন এম.আর.আখতার মুকুল।
- জল্লাদের দরবার পরিচালনা করতেন কল্যাণ মিত্র।

তথ্য- বাংলাপিডিয়া।
১৭,২০৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কত তারিখে বুদ্ধিজীবীদের উপর হত্যাকান্ড পরিচালিত হয়?
  1. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ২৮ মার্চ, ১৯৭১
  4. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
- তাদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।
১৭,২০৬.
মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের আমদানি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৬৬,৭২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।
- মোট পণ্য আমদানি মূল্যের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চীন থেকে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়।
- যা দেশের মোট আমদানির ৩০.০২ শতাংশ।
- আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৪.১৮%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৩.৬৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৭,২০৭.
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ হল-
  1. ক) সমন্বিত গোষ্ঠী
  2. খ) রাজনৈতিক গোষ্ঠী
  3. গ) ধর্মীয় গোষ্ঠী
  4. ঘ) আন্তর্জাতিক চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
কোনো বিশিষ্ট লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করার জন্য কাজ করে এমন গোষ্ঠীকে বলা হয় চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন অ-রাষ্ট্রীয় সংগঠনগুলো চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে ভূমিকা পালন করে। যেমন- আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংক ইত্যাদি। আবার সুশীল সমাজও কাজ করে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হিসেবে। চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো গোষ্ঠীস্বার্থ উদ্ধার। সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
১৭,২০৮.
২০২৫ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ৭৮তম 
  2. ৭৯তম 
  3. ৮০তম 
  4. ৮১তম 
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন:
- সেপ্টেম্বর, ২০২৫-এ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেছে আনালেনা বায়েরবোক (Annalena Baerbock)। তিনি জার্মানির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।

⇒ ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন
- প্রধান উপদেষ্টা অধিবেশনে ১০ম বক্তা হিসেবে ভাষণ দেন। তাঁর ভাষণে অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার, জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার এবং রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরেন।

উৎস: i) বাসস। 
ii) UN General Assembly ওয়েবসাইট।

১৭,২০৯.
২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ জিডিপির শতকরা কতভাগ?
  1. ক) ৪.৮৫ শতাংশ
  2. খ) ৫.৫২ শতাংশ
  3. গ) ৭.৫৬ শতাংশ
  4. ঘ) ৯.১৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রেরিত রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এটি জিডিপির শতকরা ৫.৫২ ভাগ এবং মোট পণ্য রপ্তানির ৫৪.০৬ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৩০)
১৭,২১০.
আসাদগেট নামের পটভূমির সাথে জড়িত কোন সন?
  1. ক) ১৯৪৭ সন
  2. খ) ১৯৫২ সন
  3. গ) ১৯৬৯ সন
  4. ঘ) ১৯৭১ সন
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ১১ দফা দাবি আদায়ের প্রেক্ষিতে গণ-আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
• গণ-আন্দোলনটি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে হওয়ায় ঢাকাবাসী আসাদের স্মৃতি রক্ষার্থে আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে রাখেন আসাদগেট।
• প্রতিবছর ২০ জানুয়ারি আসাদ দিবস পালিত হয়।
১৭,২১১.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।

১৭,২১২.
আইয়ুব খান কাকে চেয়ারম্যান করে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন?
  1. এস. এম.শরীফ
  2. এ.বি.আর. শরীফ
  3. ইস্কান্দার মির্জা
  4. জিয়া উদ্দিন 
ব্যাখ্যা

শরীফ কমিশন বিরোধী আন্দোলন: 
- বাষট্টির ছাত্র আন্দোলন নতুন মাত্রা লাভ করে সমসাময়িক শরীফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত রিপোর্টকে কেন্দ্র করে।
- আইয়ুব খান ক্ষমতায় এসে ১৯৫৮ সালে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক এস.এম. শরীফকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিশন গঠন করেন।
- এবং পাকিস্তানের পরবর্তী শিক্ষানীতি সম্পর্কে একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্ব প্রদান করেন। 
- ১৯৫৯ সালের আগস্ট মাসে কমিশনের রিপোর্ট সরকারের নিকট হস্তান্তর করা হয় এবং ১৯৬২ সালে তা প্রকাশিত হয়।
- কমিশনের রিপোর্টে পাকিস্তানে ষষ্ঠ থেকে ডিগ্রি পর্যন্ত ইংরেজিকে বাধ্যতামূলক, উর্দুকে সার্বজনীন ভাষায় রূপান্তর, উর্দু ও বাংলা ভাষার সম্পর্ককে আরো ঘনিষ্ঠতর করার প্রয়োজনীয়তার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
- কমিশন পাকিস্তানের একটি অভিন্ন বর্ণমালার জন্য সুপারিশ করে এবং অবৈতনিক শিক্ষার ধারণাকে অবান্তর বলে ঘোষণা করে।

উৎস: ইতিহাস, এসইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,২১৩.
ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের অডিও রেকর্ড ধারণ করেন কে?
  1. জেড এম এ মবিন
  2. এস এম তৌহিদ
  3. আমজাদ আলী খন্দকার
  4. সৈয়দ মইনুল আহসান
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়।
- উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
- এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
- ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয়।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'World's Documentary Heritage' এর মর্যাদা দিয়ে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
 
উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাতই মার্চের ভাষণটির শব্দ ধারণ করার দায়িত্ব পড়েছিল মইনুল আহসানের ওপর।
- ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের অডিও রেকর্ড ধারণ করেন সৈয়দ মইনুল। 
- ভাষণটি তৎকালীন সরকারের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ক্যামেরায় ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
- প্রখ্যাত অভিনেতা আবুল খায়ের ভাষণের ভিডিও ধারণ করেন। 
- ভাষণ ধারণ করতে দুটি ক্যামেরা ব্যবহৃত হয়। 
 
উৎস: i) সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ৮ মার্চ ২০২০, প্রথম আলো। 
১৭,২১৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ট্রাইব‍্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন কে?
  1. এম.আর.খান
  2. মকসুমুল হাকিম
  3. এস.এ.রহমান
  4. টি.এইচ.খান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইব‍্যুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইব‍্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,২১৫.
বাংলাদেশে কোন অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে?
  1. ১৯৮৮-৮৯ অর্থবছর
  2. ১৯৯০-৯১ অর্থবছর
  3. ১৯৯১-৯২ অর্থবছর
  4. ১৯৯২-৯৩ অর্থবছর
ব্যাখ্যা
ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
- বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর (১ জুলাই ১৯৯১) থেকে ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে
- উৎপাদন ক্ষেত্রে কাঁচামাল থেকে শুরু করে চূড়ান্ত দ্রব্য উৎপাদন পর্যন্ত বেশ কয়েকটি স্তর অতিক্রম করতে হয়।
- উৎপাদনের এরূপ বিভিন্ন ভরে যে মূল্য সংযোজিত হয় তার উপর একটি নির্দিষ্ট যায়ে যে কর আরোপ করা হয়, তাকে মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax- VAT) বলে।
- বাংলাদেশের রাজস্ব আয়ের সবচেয়ে বড় উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট)।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR)-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় অর্ধেক আসে ভ্যাট থেকে।
- আমদানি শুল্ক এবং আয়করও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে ভ্যাটের অবদান তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭,২১৬.
৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত ড. শামসুজ্জোহা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন?
  1. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ শামসুজ্জোহা দিবস।
- ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা।
- তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিসহ আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে ফুঁসে ওঠা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে নিহত প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সামনে নির্মিত হয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্য ‘স্ফুলিঙ্গ’।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইত্তেফাক, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
১৭,২১৭.
মারমা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. বিজু
  2. বৈসু
  3. সাংগ্রাই
  4. ওয়ানগালা
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ- গোষ্ঠী।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- প্রায়শই তাদের আলাদা জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখা হয়।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- মারমা জনগণের প্রধান পেশা কৃষি।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।

উল্লেখ্য,
- বিঝু হচ্ছে চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব।
- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- গারোদের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উৎসব ওয়ানগালা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭,২১৮.
বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার- ২০২৫’ কে লাভ করেন?
  1. ভীষ্মদেব চৌধুরী
  2. রাজিয়া সুলতানা
  3. শবনম মুশতারী
  4. মহীউজজামান চৌধুরী ময়না
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য এক লক্ষ টাকা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন ড. অসীম দত্ত ও শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।
- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণায় ড. অসীম দত্ত এবং রবীন্দ্রসংগীতচর্চায় শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না ‘রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫’—এ ভূষিত হয়েছেন।
- অসীম দত্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে মহীউজ্জামান চৌধুরী দেশবরেণ্য রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী হিসেবে বেশ সমাদৃত।

অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৭,২১৯.
ঐতিহাসিক 'একুশে ফেব্রুয়ারি' বাংলা কত তারিখ ছিল?
  1. ক) ২৯ মাঘ
  2. খ) ৯ মাঘ
  3. গ) ৩১ পৌষ
  4. ঘ) ৮ ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল ৮ ফাল্গুন (বৃহষ্পতিবার), ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ
- একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা একটি শহীদ মিনার নির্মাণ করেন (২৩ ফেব্রুয়ারি)। 
- শহীদ শফিউরের পিতা ২৪ তারিখে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ সেই মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে।
-  ভাষা আন্দোলনের অনুপ্রেরণা আমাদের মুক্তি সংগ্রামের অনুপ্রেরণা। 
- ভাষা আন্দোলন থেকেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটে।
- ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর। 
- এই স্বীকৃতি ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব বৃদ্ধি করেছে এবং বাংলা ভাষার মর্যাদা বাড়িয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,২২০.
কোন মুঘল সম্রাট বাংলা সন প্রবর্তন করেন?
  1. আকবর
  2. শাহজাহান
  3. বাবর
  4. হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
পহেলা বৈশাখ:
- এক সময় নববর্ষ পালিত হতো আর্তব উৎসব বা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে।
- তখন এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল কৃষির, কারণ কৃষিকাজ ছিল ঋতুনির্ভর।
- এই কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়।
- নতুন সনটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত আকবরের সময় থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৭,২২১.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
  4. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,২২২.
বিশ্বের মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ৫৫ শতাংশ
  2. খ) ৬৫ শতাংশ
  3. গ) ৭৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ইলিশ উৎপাদনে,

- বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম,
- ভারত বিশ্বে দ্বিতীয়,
- মিয়ানমার বিশ্বে তৃতীয়।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ- ১২%।
- মোট দেশজ উৎপাদনে ইলিশের অবদান- ১%।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬% (World Fish- এর তথ্যানুসারে)
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৫% (FAO এর The State of World Fisheries and Aquaculture 2020 এর তথ্যানুসারে)।

১৭,২২৩.
'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটির সুরকার কে?
  1. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. আনোয়ার পারভেজ
  4. আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
জয় বাংলা বাংলার জয়:
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটিকেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণসংগীত হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এই গানের সুরকার আনোয়ার পারভেজ।
- গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- আনোয়ার পারভেজ ২০০৬ সালের ১৭ জুন মারা গেছেন।
- এক সাক্ষাৎকারে গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার বলেন, 'আমার কথার আনোয়ার পারভেজ যে সুরের অলংকার পরিয়ে দিয়েছিলেন, তা মানুষের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টা মাস মানুষকে অনুপ্রাণিত করেছে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০।
১৭,২২৪.
জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব কী?
  1. বিল পাস করা
  2. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  3. স্পিকারের সাহায্য করা
  4. সংসদ আহ্বান করা
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদে হুইপের দায়িত্ব হলো শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
- সংসদের হুইপকে ‘সচেতক’ বলা হয়।
- সরকারি ও বিরোধী উভয় দলেই একজন করে চীফ হুইপ থাকেন।
- তাঁদের সহায়তা করার জন্য আরও কয়েকজন হুইপ থাকেন।
- সরকারি ও বিরোধী দলের চীফ হুইপ ও অন্যান্য হুইপদের পারস্পরিক সমঝোতা ও সুসম্পর্ক সংসদের সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।

১৭,২২৫.
বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে কোনটি ঐক্যবদ্ধ করে?
  1. একুশ দফা
  2. ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে ঐক্যবদ্ধ করে - ভাষা আন্দোলন।

বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে সুদুরপ্রসারী প্রভাব ফেলে।
- পাকিস্তানি রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্দে এটি ছিল বাঙালি জাতির প্রথম বিদ্রোহ।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় উঠে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের ধারা একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে।

⇒ ২১ শে ফেব্রুয়ারি মিছিলে গুলি করে ছাত্র হত্যার প্রতিবাদে চট্টগ্রামে কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' এবং তরুণ কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ 'স্মৃতির মিনার' শীর্ষক কবিতা রচনা করেন। হাসান হাফিজুর রহমানের 'একুশের সংকলন' ভাষা আন্দোলন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা। আবদুল গাফফার চৌধুরীর 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি', সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফে রচনা ও সুরে 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং বাগেরহাটের চারণ কবি শামসুদ্দিন আহমেদ রচনা করেন 'তোরা ঢাকার শহর রক্তে ভাসাইলি' শীর্ষক গান। ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন 'কবর' নাটক এবং জহির রায়হান রচনা করেন 'আরেক ফাল্গুন' শীর্ষক উপন্যাস।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত এসব কবিতা, গান, নাটক ও উপন্যাস বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পরের বছর থেকে প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটি বাঙালির শহিদ দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ২১ ফেব্রুয়ারি সরকারি ছুটির দিন ঘোষিত হয়।

⇒ বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য:
- প্রথমত: ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে সংগঠিত গণ আন্দোলন। এটি শুধু ভাষার মর্যাদার জন্যই গড়ে ওঠেনি। ভাষা আন্দোলনের ফলে বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশ ঘটে। অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রথম পর্যায় হিসেবে বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠাকে বাঙালিরা বেছে নেয়। এই বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনাই ঘাটের দশকে স্বৈরশাসন বিরোধী ও স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে আন্দোলনে প্রেরণা জোগায়।
- দ্বিতীয়ত: ভাষা আন্দোলনের ফলে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির বিকাশ ঘটে। এই আন্দোলন দ্বিজাতি তত্ত্বের ধর্মীয় চেতনার মূলে আঘাত হানে। পাকিস্তান সৃষ্টির সাম্প্রদায়িক ভিত্তি ভেঙ্গে বাঙালিরা অসাম্প্রদায়িক চেতনার আন্দোলন শুরু করে। এর ফলে ধীরে ধীরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গড়ে ওঠে।
- তৃতীয়ত: ভাষা আন্দোলনে মুসলিম লীগ জনগণের মানসিকতা ও স্বার্থ উপেক্ষা করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর ফলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে দলটির শোচনীয়ভাবে পরাজয় ঘটে। এর পর আর কোন নির্বাচনে মুসলিম লীগ জয়ী হয়নি।
- চতুর্থত: ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২১ ফেব্রুয়ারি শোক দিবস হিসেবে ছুটি ও শহিদ দিবস ঘোষনা করে। ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ভাষা সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়। ১৯৬২ সালে সংবিধানে তা বহাল থাকে।
- পঞ্চমত: যুক্তফ্রন্ট পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের মধ্যে বৈষম্য তুলে ধরে, যা ষাটের দশকে আওয়ামী লীগের ছয় দফায় পরিস্ফুটিত হয়। স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন চূড়ান্তভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে রূপ নেয় যার প্রেরণা ছিল ভাষা আন্দোলন।
- ষষ্ঠত: ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো কর্তৃক ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আর্ন্তজাতিক মাতৃভাষা দিবস' এর স্বীকৃতি দান আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,২২৬.
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৩৩.২৬ কোটি মা. ডলার
  2. খ) ৪৫.৬১ কোটি মা. ডলার
  3. গ) ৫৯.৩৬ কোটি মা. ডলার
  4. ঘ) ৯৯.১৯ কোটি মা. ডলার
ব্যাখ্যা
গত ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে হিমায়িত খাদ্য রপ্তানির পরিমাণ ৪৫.৬১৫ কোটি মার্কিন ডলার।
হিমায়িত খাদ্যের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
- মাছ : ৭.৫৩ কোটি ডলার
- চিংড়ি : ৩৩.২৬ কোটি ডলার
- অন্যান্য : ৪.৮২ কোটি ডলার।
(সূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক)
১৭,২২৭.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. পাটজাত পণ্য
  2. চা
  3. তৈরি পোশাক
  4. হিমায়িত খাদ্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশ হিসেবে রপ্তানি:

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

অন্যদিকে,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর এর জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৫.৮৭ শতাংশ এবং ১১.২১ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭,২২৮.
কোন তারিখটিকে সংবিধান দিবস হিসাবে পালন করা হয়?
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ১২ অক্টোবর
  3. গ) ৪ নভেম্বর
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধান খসড়া তৈরীর উদ্দেশ্যে গণপরিষদে ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে সংবিধান প্রনয়ন কমিটি গঠন করা হয়। 
- এই কমিটি ৭০টি বৈঠক করে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন করেন। 
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদে উত্থাপন করা হয় সাধারন আলোচনার জন্য। 
- গণপরিষদ সদস্যরা সাধারন আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর তা গণপরিষদে পাশ হয়। 
- ৪ নভেম্বর সংবিধান দিবস।  
সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান

১৭,২২৯.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত -
  1. ব্রি ধান ৬২
  2. ব্রি ধান ৬৬
  3. ব্রি ধান ৬৯
  4. ব্রি ধান ৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৭,২৩০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, কোন সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ?
  1. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  3. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  4. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  

• সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

• ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।

- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

১৭,২৩১.
'ওয়ান - ইলেভেন' কোন দেশের রাজনৈতিক ঘটনার সাথে জড়িত?
  1. বাংলাদেশ
  2. পাকিস্তান
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. গ্রেট ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
'ওয়ান - ইলেভেন'
- ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশে দিনটি ওয়ান-ইলেভেন নামে পরিচিত।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অনাস্থা সৃষ্টি হওয়ার প্রেক্ষাপটে ২০০৭ সালের এ দিনে দেশে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।
- রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয় সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার।  
- ২০০৭ সালের এদিন বিকেলে জরুরি অবস্থা জারির পর বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- এর আগে ২০০৬ সালের ২৮ নভেম্বর তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে প্রধান উপদেষ্টা করে তার নেতৃত্বে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত এই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড শুরু থেকেই সমালোচিত হতে থাকে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের বিরোধিতা করে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট আন্দোলন অব্যাহত রাখে।
- ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন, ভুয়া ভোটার তালিকা সংশোধন, নির্বাচন কমিশন সংস্কারসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন রূপ নেয় গণআন্দোলনে।
- ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের কিছু দিন পর সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে উপদেষ্টারা একে একে পদত্যাগ করতে থাকেন।
- এ অবস্থায় ২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়।
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার পাশাপাশি অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে আন্দোলন অব্যাহত রাখে।
- এক পর্যায়ে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে অন্তরায় হতে পারে এমন নানা অনিয়মের আশঙ্কা ব্যক্ত করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট।
- এ পরিস্থিতিতে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষিত হয়। রাষ্ট্রপতি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভেঙে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করেন।
- সেনাবাহিনীর তৎকালীন প্রধান জেনারেল মইন ইউ আহমদ সব আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে চলে আসেন।
- তিনিই এক অনুষ্ঠানে ১১ জানুয়ারির জরুরি অবস্থা জারির দিনটিকে ওয়ান-ইলেভেন বা এক এগারো(১/১১) নামে আখ্যায়িত করেন।
- জরুরি অবস্থা জারির পর রাজনৈতিক দলগুলোর সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করা হয়।
- আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ছাত্র, শিক্ষক, ব্যবসায়ীসহ অনেকেই এ সরকারের সময় গ্রেফতার হন।
- ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করে বিশেষ কারাগারে রাখা হয়। এ বছরই ৩ সেপ্টেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকেও গ্রেফতার করে বিশেষ কারাগারে নেওয়া হয়।
- এই সময় দুই নেত্রীকে রাজনীতি থেকে বাদ দেওয়ার গুঞ্জন ওঠে। মাইনাস-টু ফর্মুলা তখন ছিলো একটি বহুল আলোচিত বিষয়।
- প্রায় দুই বছর অনির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় থাকার পর ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সংসদে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৭,২৩২.
ভারতের প্রথম সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ছিল কারা?
  1. গুপ্তরা 
  2. পালরা 
  3. মৌর্যরা
  4. সেনরা 
ব্যাখ্যা
মৌর্য সাম্রাজ্য: 
- আলেকজান্ডারের ভারত প্রত্যাগমনের মাত্র দুই বছর পর ৩২১ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ভারতের এক বিশাল অঞ্চলের ওপর মৌর্য বংশের শাসন চালু করেন।
- বাংলার উত্তরাংশে মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৬৯-২৩২ খ্রিষ্টপূর্ব)।
- বাংলা তখন মৌর্যদের একটি প্রদেশে পরিণত হয়েছিল।
- প্রাচীন পুণ্ড্রনগর ছিল এ প্রদেশের রাজধানী।
- উত্তর বঙ্গ ছাড়াও মৌর্য শাসন কর্ণসুবর্ণ (মুর্শিদাবাদ), তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিম বঙ্গের তমলুক জেলা) ও সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা) অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মৌর্যরা ছিল ভারতের প্রথম সাম্রাজ্যবাদী শক্তি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭,২৩৩.
'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪'- লাভ করেন -
  1. ১০ জন
  2. ৬ জন
  3. ৭ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়।
⇒ তারা হলেন:
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- শুরুতে এ তালিকায় ১০ জন কবি, লেখক ও গবেষকের নাম ছিল। তবে পুনর্বিবেচনার পর চূড়ান্ত তালিকায় সাতজনের নাম রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৭,২৩৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে আমদানি ক্ষেত্রে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- ২০২৩-২৪ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত দেশে আমদানি ক্ষেত্রে চীন শীর্ষে রয়েছে।
- শতকরা ২৮.৪৬ ভাগ আমদানি হয়েছে চীন থেকে।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (১৩.৪২%) ও যুক্তরাষ্ট্র (৪.৫১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭,২৩৫.
বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন -
  1. লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. লর্ড কারমাইকেল
  3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  4. ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা
ব্যামফিল্ড ফুলার:
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ এবং আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর ছিলেন স্যার জোসেফ ব্যামফিল্ড ফুলার।

⇒ তিনি ১৮৮৫ সালে মধ্য প্রদেশের ভূমি জরিপ ও কর নির্ধারণ এবং কৃষিবিষয়ক কমিশনার হিসেবে ভারতীয় সিভিল সার্ভিস-এ তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালে ভাইসরয়ের পরিষদের অতিরিক্ত সদস্য এবং ১৯০১-০২ সাল পর্যন্ত ভারত সরকারের সচিব ছিলেন।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর নতুন প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসামের লেফটেন্যান্ট গভর্নরের পদে নিয়োগ লাভের পূর্বে ফুলার আসামের প্রধান কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ভারতে ব্রিটিশ প্রশাসনে সেবা প্রদানের জন্য নাইট উপাধি লাভ করেন।

⇒ বাংলা ও ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ (১৯০৫-১৯১১) একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি। কলকাতা ছিল এর রাজধানী। এটি ছিল ব্রিটিশ ভারতের বৃহত্তম প্রদেশ। শাসন কার্যের সুবিধার্থে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সির বিভক্তকরণের কথা চিন্তা করতে থাকে। উদ্যোগী ভূমিকা পালন করেন স্যার রাম্পফিল্ড ফুলার এবং স্যার এন্ড্রু ফ্রেজার। তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জনও বহুবার বিষয়টি আলোচনা করেন। অতঃপর ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন হয়। সৃষ্টি হয় ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসামকে নিয়ে 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে' এক নতুন প্রদেশ এবং এর রাজধানী হয় ঢাকা। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,২৩৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনী আইন বলে, ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়?
  1. নবম সংশোধনী
  2. ষষ্ঠ সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী:
- সংবিধানের অষ্টম সংশোধী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

 • এই সংশোধনী আইনবলে-
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে ইবহমধষর শব্দটি পরিবর্তন করে ইধহমষধ করা হয় এবং উধপপধ পরিবর্তন করে উযধশধ করা হয়;
(৪) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী

- রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

উৎস: সংবিধান।

১৭,২৩৭.
বাংলাদেশে বাস নেই নিচের কোন উপজাতির?
  1. ক) সাওতাল
  2. খ) মুরং
  3. গ) পিগমি
  4. ঘ) গারো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বাস নেই পিগমি উপজাতির। 
- ‘পিগমি’ মধ্য আফ্রিকার খর্বকায় উপজাতি। 

অন্যদিকে: 
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া প্রভৃতি জেলায় বসবাস করে।
- গারোদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
 
সুত্র: বাংলাপিডিয়া, ব্রিটানিকা, সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১৭,২৩৮.
কার প্রচেষ্টায় হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহের প্রচলন হয়?
  1. ক) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. খ) রাজা রামমোহন রায়
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঘ) দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সমাজ সংস্কারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রচলন এবং বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধকরণে সংগ্রাম করেন।
তার প্রচেষ্টায় ১৮৫৬ সালে লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তার ছেলের বিয়ে দেন একজন বিধবা'র সাথে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৭,২৩৯.
মূসক হলো এক প্রকার-
  1. ক) প্রত্যক্ষ কর
  2. খ) পরোক্ষ কর
  3. গ) আয়কর কর
  4. ঘ) সম্পদ কর
ব্যাখ্যা
• মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর

• সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
- করযোগ্য আমদানি এবং করযোগ্য সরবরাহের ওপর মূসক আরোপিত হয়। 
- আইনের প্রথম তফসিলে বর্ণিত অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত সকল পণ্য ও সেবার উপর ১৫ শতাংশ হারে মূসক আরোপিত হবে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ।
১৭,২৪০.
২০২৫-২৬ অর্থ বছরের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. হিমায়িত খাদ্য
  3. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  4. নীট পোশাক
ব্যাখ্যা

২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের প্রধান রপ্তানি পণ্য-  নীট পোশাক।

• নীট পোশাক :

- ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ১০,৪৮৮.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ৪৩.৭১%।

• কৃষিজাত পণ্য:
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ৫৪৫.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ২.২৭%

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ৬০৯.৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ২.৫৪%

• হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ :
২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের রপ্তানি আয়: ২৫৪.৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
মোট রপ্তানিতে খাতটির অবদান: ১.০৬%

⇒ ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরে জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের মোট ৮টি পণ্য খাত থেকে রপ্তানি আয়:

- ওভেন পোশাক;
- নীটওয়্যার;
- হোম টেক্সটাইল;
- হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ ;
- কৃষিজাত পণ্য ;
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য ;
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা ;
- প্রকৌশল দ্রব্যাদি ;
→ এই ৮টি খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,৯৩২.৪৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা মোট রপ্তানি আয়ের ৯১.৪০%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৭,২৪১.
বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Sugar & Food Industries Corporation.

- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়। 

- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে। 

- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

উৎস: বিএসএফআইসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৭,২৪২.
কোন ইংরেজ শাসক 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন?
  1.  লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

• চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত  ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি।
- এ চুক্তির আওতায় জমিদার উপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন।
- এটি ছিল ইংরেজদের একটি সাম্রাজ্যবাদী বিধিব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭,২৪৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সেবা খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ৫০.৩২%
  2. ৫১.০৮%
  3. ৫২.২৮%
  4. ৩৫.৫৬%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৮%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৭,২৪৪.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরে কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না?
  1. ৯ নং সেক্টর
  2. ১০ নং সেক্টর
  3. ১১ নং সেক্টর
  4. ১ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

◉ মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের একটি করে সেক্টর কমান্ডার ছিলেন, তবে ১০ নং সেক্টর ছিল ব্যতিক্রম।

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিল ১০ নং সেক্টরের অধীনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৭,২৪৫.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. রাঙামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।      

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭,২৪৬.
স্পিকার হিসেবে বাংলাদেশের সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন কে?
  1. মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  2. শাহ আবদুল হামিদ
  3. মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. আব্দুল মালেক উকিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দুপুর বেলায় বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। তখন গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ এবং ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ।
- ১৪ ডিসেম্বর স্পিকার হিসেবে মোহাম্মদ উল্লাহ গণপরিষদে গৃহীত সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যগণ এতে স্বাক্ষর করেন।
- প্রথমে বঙ্গবন্ধু এবং এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর করেন।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানের মূল কপিতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৭,২৪৭.
Martyred freedom fighter Shafi Imam Rumi was a member of which guerrilla group of Mukti Bahini?
  1. Hemayet Bahini
  2. Sovereign Bengal
  3. Baten Bahini
  4. Kaderia Bahini
  5. Crack Platoon
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী একদল তরুণ মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত দল, যাঁরা তৎকালীন সময় একটি কিংবদন্তিতে পরিণত হয়েছিলেন।
- শাফী ইমাম রুমী ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্য ছিলেন

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের জুনের মাঝামাঝি সময়ে মায়ের অনুমতি নিয়ে শাফী ইমাম রুমী ভারতে গিয়ে মুক্তিবাহিনীর ক্র্যাক প্লাটুনে যোগ দেন।
- ২৫ আগস্ট ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যরা ঢাকার ধানমন্ডিতে দুর্ধর্ষ এক গেরিলা অপারেশন চালান।
- এরপর পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডে তোলপাড় শুরু হয়।
- এই অপারেশনে অংশ নিয়েছিলেন শাফী ইমাম রুমী।
- কয়েক দিন পর শাফী ইমাম রুমীসহ তাঁর আরও কয়েকজন সহযোদ্ধা পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে ধরা পড়েন।
- পরে অমানুষিক নির্যাতনে তিনি শহীদ হন।

অন্যদিকে -
- মুজিব ব্যাটারি বাংলাদেশের প্রথম গোলন্দাজ ইউনিট। এর নেতৃত্বে ছিলেন ক্যাপ্টেন আব্দুল আজিজ পাশা ও ক্যাপটেন আনোয়ারুল আলম।

উৎস: ৩১ জুলাই ২০২১, প্রথম আলো।
১৭,২৪৮.
''ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট'' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) খুলনায়
  3. গ) চাদঁপুরে
  4. ঘ) ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
• ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট:
- ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউট) চাঁদপুর জেলার বাবুরহাটে অবস্থিত।
- এই ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে মৎস্য সেক্টরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং মৎস্য চাষীদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এছাড়াও - 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে।
- 'বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট' ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সংলগ্নে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৭,২৪৯.
'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার' আসামীদের মধ্যে প্রথম কাকে গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. মকবুল ভুঁইয়া
  2. জহুরুল হক
  3. আমজাদ খাঁ
  4. কৃষ্ণ দুগার
ব্যাখ্যা
 আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার' আসামীদের মধ্যে প্রথম সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,২৫০.
সর্বশেষ স্বীকৃতি পাওয়া জিআই পণ্য কোনটি?
  1. কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
  2. শেরপুরের তুলসীমালা ধান
  3. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম
ব্যাখ্যা
জিআই পণ্য:
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

বাংলাদেশে যেসব পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে:
- বর্তমানে দেশে মোট জিআই পণ্য ২১টি।
- জামদানি, ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলেখাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

উল্লেখ্য -
- সর্বশেষ জিআই স্বীকৃতি পাওয়া চারটি পণ্য হলো: টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

উৎস: ১ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
১৭,২৫১.
বিষয়বস্তুর দিক কোন দুটি সংশোধনী পরস্পর বিপরীতধর্মী?
  1. ক) তৃতীয় এবং দ্বাদশ
  2. খ) পঞ্চম এবং সপ্তম
  3. গ) অষ্টম এবং দ্বাদশ
  4. ঘ) চতুর্থ এবং দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
- বিষয়বস্তুর দিক দিয়ে সংবিধানের চতুর্থ এবং দ্বাদশ সংশোধনী পরস্পর বিপরীত।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তনে। 
অন্যদিকে,
- ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৭,২৫২.
সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ইংরেজরা প্রথম কোন স্থানে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে?
  1. হুগলি
  2. মাদ্রাজ
  3. সুরাট
  4. কলকাতা
ব্যাখ্যা

ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার:
- পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের বাণিজ্যিক সাফল্য ও এদেশের বিপুল ধন-সম্পদের বর্ণনা ইংরেজ বণিকদের মনে এদেশে বাণিজ্য করার আগ্রহ সৃষ্টি করে।
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদী সনদ নিয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে। 
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলা থেকে বিতাড়িত হলে ইংরেজগণ বালেশ্বরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং করমণ্ডল উপকূলে কিছু জমি নিয়ে একটি দুর্গ নির্মাণ করে এবং এ দুর্গই পরে মাদ্রাজ শহরে পরিণত হয়।
- ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে ইংরেজগণ হুগলিতে আসে এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে সেখানে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,২৫৩.
হিসাবকাল নীতি অনুসারে কোন হিসাবগুলো বছর শেষে বন্ধ করে দিতে হয়?
  1. ক) সম্পত্তি হিসাব
  2. খ) দায় হিসাব
  3. গ) আয়-ব্যয় হিসাব
  4. ঘ) স্বত্বাধিকার
ব্যাখ্যা
- হিসাবকাল নীতি অনুসারে যে হিসাবগুলো বছর শেষে বন্ধ করে দেওয়া হয় তা হলো আয়-ব্যয় হিসাব।

- আয় হিসাব: আয় হিসাবে বিভিন্ন আয়ের উৎস থেকে আদায়, প্রাপ্তির বিবরণ রেকর্ড রাখা হয়। এটি ব্যবসায়িক কার্যক্রমের প্রতিবিম্বকে প্রদর্শন করে। সাধারণভাবে এই হিসাবগুলো বছরের শেষে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

- ব্যয় হিসাব: ব্যবসায়ে বিভিন্ন খরচের উৎস, খরচের বিবরণ, খরচের পরিমাণ রেকর্ড রাখা হয়। এটি ব্যবসায়ের খরচ পরিচালনা করার জন্য মূলনীতি হয়। বছরের শেষে এই হিসাবগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।

উৎস: এইচএসসি হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র। 
১৭,২৫৪.
শালবনের আয়তন কত হেক্টর?
  1. ক) ১.৫ লক্ষ হেক্টর
  2. খ) ১.২ লক্ষ হেক্টর
  3. গ) ১.৪ লক্ষ হেক্টর
  4. ঘ) ২.৪ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত। এই বনের মোট আয়তন ১.২ লক্ষ হেক্টর।
শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
শালবনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১৭,২৫৫.
ইরাটম এক প্রকার -
  1. ধানের জাত 
  2. গমের জাত 
  3. ভুট্টার জাত 
  4. সরিষার জাত 
ব্যাখ্যা

ইরাটম:
- ইরাটম এক প্রকার ধানের জাত।
- এছাড়াও, উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত: বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উলেখ্য,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৭,২৫৬.
হাজংদের প্রধান আবাসস্থল কোথায়?
  1. ক) কক্সবাজার ও রামু
  2. খ) ময়মনসিংহ ও শেরপুর
  3. গ) রংপুর ও দিনাজপুর
  4. ঘ) রাজশাহী ও নাটোর
ব্যাখ্যা
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়।
এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।

- এদের সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ ‘মাটির পোকা’।
- হাজংরা ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- তবে তাদের কিছু নিজস্ব আদি বিশ্বাস আছে। উপাসানাভেদে হাজংদের কেউ কেউ শক্তির উপাসক। আবার কেউ কেউ বৈষ্ণবপন্থি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৭,২৫৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন সময়ে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ১১টি
  3. ১০টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,২৫৮.
উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর-
  1. ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার
  2. ড. মাহমুদ হাসান
  3. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. স্যার এ. এফ. রহমান
ব্যাখ্যা
• উপ-মহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন - স্যার এ. এফ. রহমান।

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় বিধানসভায় গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইনবলে ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় গঠিত কমিশনের নাম ছিলো নাথান কমিশন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য হন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টজ।
- উপ-মহাদেশীদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর হলেন স্যার এ. এফ. রহমান।

অন্যদিকে,
- রমেশচন্দ্র মজুমদার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ উপাচার্য। 
- ড. মাহমুদ হোসেন : পঞ্চম উপাচার্য (ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি জাকির হোসেনের ভাই)। 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সায়্যিদ চৌধুরী।

• উপাচার্যের সময়কাল:
১. স্যার পি. জে. হার্টগ (১৯২০ - ১৯২৫), 
২. অধ্যাপক জর্জ হ্যারি ল্যাংলি (১৯২৬ - ১৯৩৪), 
৩. স্যার এ. এফ. রাহমান (১৯৩৪ - ১৯৩৬), 
৪. অধ্যাপক রমেশচন্দ্র মজুমদার (১৯৩৭ - ১৯৪২), 
৫. অধ্যাপক মাহমুদ হাসান (১৯৪২ - ১৯৪৮), 
৬. অধ্যাপক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হুসাইন (১৯৪৮ - ১৯৫৩)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১৭,২৫৯.
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় পাকিস্তানের শাসক ছিলেন -
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) ইস্কান্দার মির্জা
  3. গ) জুলফিকার আলী ভুট্টো
  4. ঘ) ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে যা ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,২৬০.
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত ধারা কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২য় অধ্যায়ের ৮ম অনুচ্ছেদ থেকে ২৫তম অনুচ্ছেদ পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে।
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এই চারটি বিষয়কে রাষ্ট্রের স্তম্ভ বা মৌলিক আদর্শ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)

১৭,২৬১.
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান কে?
  1. আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
  2. সফর রাজ হোসেন
  3. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  4. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
ব্যাখ্যা
 জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন:
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আট সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
- পরে কমিশনের সদস্যসংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়।
- এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
- জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা করে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিশনের নাম ও প্রধান কমিশনার: 
• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন- ড. বদিউল আলম মজুমদার;
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন- সফর রাজ হোসেন;
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন- বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান;
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন- ড. ইফতেখারুজ্জামান;
• সংবিধান সংস্কার কমিশন- অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

উৎস: সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইট বিবিসি প্রতিবেদন।
১৭,২৬২.
বঙ্গভঙ্গের সময় ________ ছিলেন ভারতের গভর্নর জেনারেল।
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা

• বঙ্গভঙ্গের সময় লর্ড কার্জন ছিলেন ভারতের গভর্নর জেনারেল।

• বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন — লর্ড কার্জন।
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

অন্যদিকে,
• লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
• ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বশেষ ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তাঁর সময় ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল।
• লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ সালে স্বত্ব বিলোপ নীতির (ডকট্রিন অব ল্যাপ্স) প্রবর্তন করেন। তবে ডালহৌসির পূর্বেও ব্রিটিশ ভারতে এই নীতির প্রয়োগ ছিলো। ডালহৌসি এই নীতির সর্বাধিক প্রয়োগ করেন।
• ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় ১৮৫৬ সালে লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন পাস করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,২৬৩.
বিরোধী দলের কাজ নয়-
  1. সরকার গঠন করা
  2. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  3. রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ
  4. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⇒ সরকার গঠন করা বিরোধী দলের কাজ নয়।

বিরোধী দলের কাজ:

• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,২৬৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে কী বলে?
  1. ক) Bailout
  2. খ) Walkout
  3. গ) Strike
  4. ঘ) Blackout
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংসদ চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে ওয়াকআউট বলে।
- সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসেন।
- সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার বলে স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সংসদে বিরোধী দলের ঘন ঘন ওয়াকআউটের নজির রয়েছে।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং Cambridge Dictionary।

১৭,২৬৫.
২০১৫ সালে বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের কয়টি ছিটমহল সংযুক্ত হয়?
  1. ৫১টি
  2. ৭১টি
  3. ১১১টি
  4. ১৩০টি
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত।
- ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১ আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক।

অন্যদিকে,
- ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- বাংলাদেশের ভেতরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের ৫৯টির অবস্থান ছিল লালমনিরহাটে, পঞ্চগড়ে ৩টি, কুড়িগ্রামে ১২টি ও নীলফামারীতে ৪টি।
- বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের অবস্থান ছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গে। এর ৪৭টি কোচবিহার এবং ৪টি জলপাইগুড়ি জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১৭,২৬৬.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রথমবার সভাপতিত্ব করে? 
  1. ৩১তম
  2. ৩২তম
  3. ৪১তম
  4. ৪৩তম
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি- হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হুমায়ুন রশিদ চৌধূরী ১৯৮৬-৮৭ মেয়াদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ দু'বার নির্বাচিত হয়,
- প্রথমবার জাপানকে পরাজিত করে ১৯৭৯-১৯৮০ সালে এবং দ্বিতীয়বার ২০০০-২০০১ সালে।

তথ্যসূত্র: UN General Assembly.

১৭,২৬৭.
‘অ্যাকর্ড’ কী?
  1. ক) মার্কিন তেল অনুসন্ধান কোম্পানি
  2. খ) তৈরি পোশাক আমদানিকারকদের জোট
  3. গ) রাশিয়ান পরমাণু জ্বালানি সরবরাহ সংস্থা
  4. ঘ) সিঙ্গাপুরভিত্তিক কনসালটেশন ফার্ম
ব্যাখ্যা
‘অ্যাকর্ড’ হলো ইউরোপভিত্তিক তৈরি পোশাক আমদানিকারকদের একটি জোট।
এটি ২০১৩ সালে রানাপ্লাজা ধ্বসের পর বাংলাদেশে গার্মেন্টসগুলোর কর্মপরিবেশ পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন মিশন শুরু করে।
২০২০ সালের জুলাইয়ে ‘অ্যাকর্ড’ তাদের কার্যক্রম সমাপ্ত করে।
‘অ্যালায়েন্স হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তৈরি পোশাক আমদানিকারকদের জোট।
(সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো)
১৭,২৬৮.
ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মিত হয়-
  1. হুগলি
  2. দিল্লী
  3. সোনারগাঁও
  4. কলকাতায়
ব্যাখ্যা
ইংরেজ :
- ইংল্যান্ড রানি এলিজাবেথের অনুমতি নিয়ে সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ১৬০০ সালে ভারত বর্ষে আসে ইংরেজরা ।
- তারা সুরাটে প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন ১৬১২ সালে।
 - সম্রাট শাজাহানের সময় বাংলায় প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন।
 -  কলকাতায় রাজা উইলিয়ামের নাম অনুসারে, ফোর্ট উলিয়াম দুর্গা নির্মাণ করে হয় ১৭০০ সালে।

উৎস : ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৭,২৬৯.
১ আগস্ট ১৯৭১ সালে কোথায় 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) লন্ডন
  2. খ) ওয়াশিংটন
  3. গ) প্যারিস
  4. ঘ) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১ আগস্ট জর্জ হ্যারিসনের তত্ত্বাবধানে নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল 'দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ।'
১৭,২৭০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ২৭ নং
  2. ১৯ নং
  3. ২৯ নং
  4. ২৮ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
- ১৯(৩) নং দফায় বলা হয়েছে “জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।”

অন্যদিকে,
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- ২৮ নং অনুচ্ছেদ : ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য না করা
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ : সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৭,২৭১.
সরকারের কোনো ভুল হলে বিরোধী দলের প্রধান কাজ কী?
  1. হরতাল ডাকা
  2. বিশৃঙ্খলা করা
  3. গঠনমূলক সমালোচনা করা
  4. সরকারকে পদত্যাগে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা
- রাজনৈতিক দলের অন্যতম কাজ হচ্ছে সরকারে গঠনমূলক বিরোধিতা করা।

• গঠনমূলক বিরোধিতা:

- রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকার গঠন করে এবং দ্বিতীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আইনসভায় বিরোধী দল হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
- সরকারের কোনো কার্যক্রম ভুল হলে বিরোধী দলের প্রধান কাজ হচ্ছে গঠনমূলক সমালোচনার মাধ্যমে সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দেওয়া।

রাজনৈতিক দলের অন্যান্য ভূমিকা:

- নেতৃত্ব তৈরি করা। 
- সরকার গঠন করা। 
- জনমত গঠন করা। 
- জনগণকে রাজনৈতিক শিক্ষাদান।
- সামাজিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস:পৌরনীতি ও নাগরিকতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
১৭,২৭২.
সত্তরের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ আওয়ামী লীগ মোট কতটি আসন লাভ করে? 
  1. ১৬৭
  2. ২৯৮
  3. ৩১০
  4. ৩১৩
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল:

• প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৭০ সালে। 
• পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ মোট আসন: ৩১০ টি।
• সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ আওয়ামী লীগ মোট ২৯৮টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
• অন্যদিকে, ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ সালে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনসহ ১৬৯ আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে জাতীয় পরিষদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। 
• মোট প্রদত্ত ভোটের মধ্যে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে ৭৫.১০% ভোট পায়
• অপরদিকে প্রাদেশিক পরিষদে ৭০.৪৮% ভোট পায়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,২৭৩.
”মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ” সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ৪৫নং
  2. ৪১নং
  3. ৪৬নং
  4. ৪৪নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৪৪নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।

অন্যদিকে,
• সংবিধানের ৪১নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু-  ধর্মীয় স্বাধীনতা।
• সংবিধানের ৪২নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- সম্পত্তির অধিকার।
• সংবিধানের ৪৫নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
• সংবিধানের ৪৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু- দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৭,২৭৪.
'সোমপুর মহাবিহার' প্রাচীন কোন শাসনামলের নির্মিত হয়? 
  1. পাল আমলে
  2. গুপ্ত আমলে
  3. সেন আমলে
  4. মুঘল আমলে
ব্যাখ্যা

সোমপুর মহাবিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।

উল্লেখ্য,
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি
দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুণ্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়) এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭,২৭৫.
'লখনৌতি' কার আমলে বাংলার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে?
  1. গোপাল
  2. বিজয় সেন
  3. চন্দ্রগুপ্তমৌর্য
  4. বখতিয়ার খলজী
ব্যাখ্যা
লখনৌতি
- লখনৌতি প্রাচীন নাম লক্ষ্মণাবতী।
- মুসলিম শাসনামলে লখনৌতি নামে পরিচিতি লাভ করে।
- লক্ষ্মণসেনের (১১৭৮-১২০৬ খ্রি) নামানুসারে এই নামকরণ করা হয়। জায়গাটি গৌড় নামেও পরিচিত।
- লখনৌতির অবস্থান বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায়।

উল্লেখ্য, 
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া জয় করার পর পরই লক্ষ্মণাবতীতে আসেন এবং এখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করে মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠা করেন।
- লখনৌতি বা লক্ষণাবতী বা গৌড়েই মুসলমান আমলে বাংলার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে। 
- ১২০৬ থেকে ১২১১ খ্রিস্টাব্দ এই ছয় বছর ব্যতীত ১৩৪২ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত লখনৌতি মুসলমান শাসকদের রাজধানী ছিল।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৭,২৭৬.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবহারকারী-
  1. ক) ৯৮.৩ শতাংশ
  2. খ) ৯৫.৬ শতাংশ
  3. গ) ৮১.৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৮.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী ৯৮.৩ শতাংশ।
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী ৮১.৫ শতাংশ।
- মোট প্রজনন হার (প্রতি ১৫-৪৯ বৎসর বয়সী মহিলা) ২.০৪ শতাংশ।
- জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬৩.৯ শতাংশ।
১৭,২৭৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় -
  1. ২ মার্চ, ১৯৭১
  2. ৩ মার্চ, ১৯৭১
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১১ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা

প্রথম পতাকা উত্তোলন:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- এই পতাকা গৃহীত হয় ৬ মার্চ, ১৯৭১।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।

⇒ সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

উৎস: i) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
ii)  প্রথম আলো।

১৭,২৭৮.
১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের ভাষা হিসেবে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান কে?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. আবুল কাশেম
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয়।
- সেদিন কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন।
- তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ওই অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে সোচ্চার হন।
- তিনি অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গণপরিষদে যে কার্যবিবরণী লেখা হয় তা ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় লিপিবদ্ধ হয়।
- সমগ্র পাকিস্তানের ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন।
- অধিবেশনে ইংরেজি ও উর্দুর সঙ্গে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তোলেন তিনি।

উল্লেখ্য,
⇒ ভাষা আন্দোলন:
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।

• তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে? বাংলা নাকি উর্দু‌’।

• ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

• ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ দ্বিতীয়বারের মতো ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।

• ১৯৪৮ সালে ‘বাংলা ভাষা আরবি হরফে’ লেখার প্রস্তাব দিলে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ এর প্রতিবাদ করেন।

• ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন পল্টন ময়দানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা উর্দু হবে এ ঘোষণা দেন।
- এর প্রতিবাদে নতুন করে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
১৭,২৭৯.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করে কোন দেশে?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) সৌদি আরব
  3. গ) ওমান
  4. ঘ) কাতার
ব্যাখ্যা
⇨ প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
⇨ দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
⇨ ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
⇨ ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
⇨ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।     
১৭,২৮০.
বাংলাদেশ কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষক লীগ 
- বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল বাংলাদেশ কৃষক লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিশিষ্ট আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম খানকে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক এবং কৃষক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি নিযুক্ত করা হয় ।
- কৃষক লীগ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত এবং এর অন্যতম সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করছে।
- সমীর চন্দ বর্তমানে কৃষক লীগের সভাপতি ও উম্মে কুলসুম সাধারণ সম্পাদক। 
- বাংলাদেশ কৃষক লীগ ১৯৭২ সালের ১৯ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- ২০০৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ১৪১৬ শুরু করেন এবং প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব কৃষক লীগকে দেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
১৭,২৮১.
সর্বশেষ দেশে কততম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৪র্থ
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বশেষ ৫ম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ৯-২০ জুন।
- ২৭ অক্টোবর ২০১৯ এর প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।

- প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৭৭ সালে
- দ্বিতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৮৩-৮৪ সালে
- তৃতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৯৬ সালে
- চতুর্থ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০০৮ সালে।

- বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্বপ্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
১৭,২৮২.
The anti-money laundering statute currently in force in Bangladesh was enacted in the year -
  1. 2002
  2. 2008
  3. 2009
  4. 2012
ব্যাখ্যা
Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

⇒ মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৭,২৮৩.
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বর্তমান সভাপতি কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. নাজমুল হাসান
  2. নাজমূল আবেদীন
  3. জালাল ইউনুস
  4. ফারুক আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি: 
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) নাজমুল হাসান–যুগের অবসান ঘটেছে, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা।
- বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভায় নাজমুল হাসান পদত্যাগ করেন। 
- তাঁর জায়গায় জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক আহমেদ বোর্ড সভাপতি নির্বাচিত হন।
- এটি বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, কারণ এই প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলা কোনো ক্রিকেটার বিসিবির সভাপতি হলেন।
- দীর্ঘ ১১ বছরের কার্যকাল শেষে রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে তিনি মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই সরে দাঁড়ালেন। 
- নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ দীর্ঘদিন ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। 
- জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব ছাড়াও তিনি প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তাঁর অভিজ্ঞতা মাঠ ও প্রশাসনিক কাজের সমন্বয়ে বিসিবির কার্যক্রমে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি আনতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো (২১ আগস্ট ২০২৪)।
১৭,২৮৪.
কোন বিভাগে জেলার সংখ্যা কম?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
রাজশাহী বিভাগ:
- রাজশাহী বিভাগে জেলার সংখ্যা কম।
- প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে রাজশাহী বিভাগের সৃষ্টি হয় ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে।
- তখন বিভাগীয় সদর দপ্তর ছিল মুর্শিদাবাদে।
- ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পুনরায় বিভাগীয় সদর দপ্তর রাজশাহীতে স্থানান্তরিত হয়।
- ষাটের দশকের শুরুতে খুলনা বিভাগ সৃষ্টি হওয়ার পূর্বে বর্তমান খুলনা বিভাগের জেলাগুলিও রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- খুলনা বিভাগ আলাদা হওয়ার পর থেকেই রাজশাহী অঞ্চলের ৮টি (রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও জয়পুরাট) এবং রংপুর অঞ্চলের ৮টি (রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁ ও পঞ্চগড়) মোট ১৬টি জেলা রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- গত ৯ মার্চ ২০১০ তারিখে এক সরকারি প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রংপুর অঞ্চলের ৮টি জেলা নিয়ে রংপুর বিভাগ গঠন করায় রাজশাহী অঞ্চলের ৮টি জেলা নিয়ে বর্তমান রাজশাহী বিভাগ নতুন রূপ লাভ করে।

অন্যদিকে,
- ঢাকা বিভাগে ১৩টি জেলা।
- চট্টগ্রাম বিভাগে ১১টি জেলা।
- খুলনা বিভাগে ১০টি জেলা।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৭,২৮৫.
Which tribe celebrates 'Biju' festival?
  1. Lusai
  2. Garo
  3. Tripura
  4. Marma
  5. Chakma
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি খুব বেশি ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।
১৭,২৮৬.
দেশের প্রথম সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঝিলংজা, কক্সবাজার
  2. খ) কুয়াকাটা, পটুয়াখালী
  3. গ) ইনানী, কক্সবাজার
  4. ঘ) পায়রা, পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন:
- সাবমেরিন কেবল হলো সাগরের তলদেশের স্থাপিত এক ধরনের ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
- এটি টেলিকমিউনিকেশনে ব্যবহৃত হয়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০৬ সালে সাবমেরিন ক্যাবলে যোগ দেয়।
- বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ল্যান্ডিং স্টেশন স্থাপন করা হয় কক্সবাজারে।

অন্যদিকে,
- দ্বিতীয়টি স্থাপন করা হয় পটুয়াখালীতে।
- SE-ME-WE ১৩ টি দেশের ১৯ ল্যান্ডিং স্টেশন এর সাথে যুক্ত থাকবে।
- বাংলাদেশের স্টেশন হবে কালাপাড়া, কুয়াকাটা, পটুয়াখালী।
- এর দৈর্ঘ্য ২০ হাজার কিলোমিটার।

উৎস: সমকাল ও যুগান্তর
১৭,২৮৭.
কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার
  2. এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা
  3. দুষ্পরিবর্তনীয়
  4. প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।

⇒ মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. লিখিত দলিল।
২. দুষ্পরিবর্তনীয়।
৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
৪. মৌলিক অধিকার।
৫. এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
৬. প্রজাতন্ত্র।
৭. এককক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
৮. সংসদীয় পদ্ধতির সরকার।
৯. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা।
১০. ন্যায়পাল।
১১. সাংবিধানিক প্রাধান্য।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার বাংলাদেশের সংবিধানের বৈশিষ্ট্য নয়।

উৎস: পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।
১৭,২৮৮.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কত দফা নির্বাচনী ইশতেহার কর্মসূচি ঘোষণা করে?
  1. ১১ দফা
  2. ১৩ দফা
  3. ২১ দফা
  4. ৩১ দফা
ব্যাখ্যা

 • যুক্তফ্রন্ট গঠনের পটভূমি ও ২১ দফা কর্মসূচি:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলার জনগণের অসন্তোষ ও মুসলিম লীগের জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ায় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একত্রিত হয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠন করে।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে এই জোট গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- মওলানা ভাসানীর আওয়ামী মুসলিম লীগ, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক শ্রমিক পার্টি, মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি, হাজী দানেশের গণতন্ত্রী দল এবং খিলাফত-ই-রাব্বানি মিলেই যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া যুক্তফ্রন্ট তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে, যা আওয়ামী মুসলিম লীগের ৪২ দফার ভিত্তিতে প্রণীত।
- এর মূল রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- এই কর্মসূচিতে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি, কৃষক-শ্রমিকের অধিকার, দুর্নীতি দমন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়নসহ জনগণের মৌলিক চাহিদা ও অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।
- এই ২১ দফা কর্মসূচিই জনগণের বিপুল সমর্থন এনে দেয় এবং মুসলিম লীগের বিপরীতে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।

১৭,২৮৯.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক'-এর  প্রথম গভর্নর কে ছিলেন?
  1. এ কে নাজিরউদ্দীন আহমেদ
  2. এ টি এম শামসুল হুদা
  3. আ ন ম হামিদুল্লাহ
  4. এম নুরুল ইসলাম
  5. লুৎফর রহমান সরকার
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- একটি দেশের সবচেয়ে বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠান দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক আমাদের প্রধান আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদ হচ্ছে গভর্নর।
- স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জন গভর্নর দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংক-এর বর্তমান ও ১৩তম গভর্নর হলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর।

• প্রথম গভর্নর:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর ছিল আ ন ম হামিদুল্লাহ।
- ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন একজন ব্যাংকার।
- গভর্নর হওয়ার আগে পাকিস্তানের ইস্টার্ন ব্যাংকিং করপোরেশনের (বর্তমান উত্তরা ব্যাংক) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকে গভর্নর হিসেবে আ ন ম হামিদুল্লাহ ১৯৭২-১৯৭৪ পর্যন্ত দায়িত্বরত ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৭,২৯০.
'দারিদ্র্য নির্মূল' SDG এর কত নং লক্ষমাত্রা?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

উৎস: SDG ওয়েবসাইট।
১৭,২৯১.
বাংলাদেশে দুই ফসলি জমির মোট পরিমাণ -
  1. ক) ৫২.১৬ লক্ষ একর
  2. খ) ১০১.৯৪ লক্ষ একর
  3. গ) ৪৬.১৩ লক্ষ একর
  4. ঘ) ৫৬ হাজার একর
ব্যাখ্যা
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
- এক ফসলি জমি - ৫২.১৬ লক্ষ একর
- দুই ফসলি জমি - ১০১.৯৪ লক্ষ একর
- তিন ফসলি জমি - ৪৬.১৩ লক্ষ একর
- চার ফসলি জমি – ৫৬ হাজার একর

• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর।


সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১৭,২৯২.
কক্সবাজারে নির্মিতব্য বায়ুবিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়টি টারবাইন স্থাপন করা হবে?
  1. ক) ২০টি
  2. খ) ২২টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ২৭টি
ব্যাখ্যা
দেশের সবচেয়ে বড় বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে কক্সবাজার:
নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধির দিকে দেয়া হচ্ছে বাড়তি মনোযোগ। তারই পরিপ্রেক্ষিতে সৌরবিদ্যুতের পর বায়ু শক্তিকে কাজে লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এর অংশ হিসেবে এবার দেশের বৃহৎ বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজারে। ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে বেসরকারি উদ্যোগে। ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি (বিডি) লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি নির্মাণ করছে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র।

কক্সবাজারের ৬০ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পে মোট বিনিয়োগ করা হচ্ছে ১১ কোটি ৬৬ লাখ ১০ হাজার মার্কিন ডলার। এ প্রকল্পে ১২০ মিটার উচ্চতায় এনভিশনের ইএন১৫৬ মডেলের ২২টি টারবাইন স্থাপন করা হবে। প্রতিটি টারবাইনের উৎপাদন ক্ষমতা ৩ দশমিক শূন্য মেগাওয়াট এবং রোটরের ব্যাস ১৫৬ মিটার। ২০২২ সালের ডিসেম্বর নাগাদ প্রকল্পটির কমিশনিং করা হবে।

কক্সবাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মোট ২৪৫ মেগাওয়াট বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে নয়টি স্থানের তথ্য সংগ্রহ করে উইন্ড ম্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে।


সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
১৭,২৯৩.
ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম কামানের ব্যবহার হয় কোন যুদ্ধে?
  1. ক) পানিপথের ১ম যুদ্ধ
  2. খ) মান্দাসোর যুদ্ধ
  3. গ) পানিপথের ২য় যুদ্ধ
  4. ঘ) পানিপথের ৩য় যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (২১ এপ্রিল, ১৫২৬ খ্রি.)
• পানিপথ বর্তমান ভারতের রাজধানী দিল্লি থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার উত্তরে হরিয়ানা রাজ্যে অবস্থিত।
• ১৫২৫ খ্রিস্টাব্দে বাবর কাবুল থেকে আগমন করে পাঞ্জাবের শাসক দৌলত খান লোদীকে পরাজিত করে লাহোর তথা সমগ্র পাঞ্জাব অধিকার করেন।
• ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১ এপ্রিল লোদী বংশের সর্বশেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদী ও জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের মধ্যে ঐতিহাসিক পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
• ‘তুযুক-ই-বাবুরী’ বা ‘বাবরনামা’র বিবরণ অনুযায়ী পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের সেনাবাহিনীতে ছিল ১২,০০০ পদাতিক, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অশ্বারোহী ও গোলন্দাজ। এই যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্যবাহিনীতে ছিল ১,০০,০০০ সৈন্য ও ১০০ হস্তী।
• ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর সর্বপ্রথম এই যুদ্ধে কামানের ব্যবহার করেন।
• এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাবর ইব্রাহিম লোদীকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত ও নিহত করেন।
• পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জয় লাভ করার মাধ্যমে লোদী বংশের পতন ঘটে। ফলে উপমহাদেশে সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে এবং মুঘল বংশের রাজত্ব শুরু হয়। 

তথ্যসূত্র:- ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭,২৯৪.
GDP এর সাময়িক হিসাব ২০২২-২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP কত?
  1. ক) ২৬৮৭ মা. ড.
  2. খ) ২৬৫৭ মা. ড.
  3. গ) ২৭৬৫ মা. ড.
  4. ঘ) ২৮৯৩ মা. ড.
ব্যাখ্যা
• GDP এর সাময়িক হিসাব ২০২২-২৩ অনুসারে,
- বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP- ২,৬৫৭ (মার্কিন ডলার)। 
- বাংলাদেশেরমাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI)- ২৭৬৫ (মার্কিন ডলার)। 

• বাংলাদেশে পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৭ দশমিক ১ শতাংশ।
- সেই সঙ্গে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৯৩ ডলার।
- গত বছরের সাময়িক হিসাবে যা ছিল ২ হাজার ৮২৪ ডলার।

তথ্যসূত্র:  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- ১১ মে, ২০২৩,  লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩। 
১৭,২৯৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কারাগার জীবনে লেখা দিনপঞ্জির নাম দিয়েছিলেন-
  1. কারাগারের রোজনামচা
  2. থালা বাটি কম্বল জেলখানার সম্বল
  3. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  4. কারাগারের রাতদিন
ব্যাখ্যা
কারাগারের রোজনামচা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তার কারাগার জীবনে লেখা দিনপঞ্জির নাম দিয়েছিলেন থালা বাটি কম্বল জেলখানার সম্বল।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ কন্যা শেখ রেহানা কারাগারের রোজনামচা নামকরণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হলো কারাগারের রোজনামচা।
- এটি ১৭ মার্চ, ২০১৭ সালে বঙ্গবন্ধুর ৯৭তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে ।
- এই গ্রন্থটি মূলত একটি ডায়রি যা বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬-১৯৬৮ সময়ে কারাগারে বন্দিবস্থায় লিখেছিলেন ।
- এর ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: কারাগারের রোচনামচা এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৭,২৯৬.
বাংলা ভাষাভিত্তিক প্রথম বাংলাদেশি ব্রাউজার-
  1. ক) বাঘ
  2. খ) পিপীলিকা
  3. গ) চরকি
  4. ঘ) দুরন্ত
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষাভিত্তিক প্রথম বাংলাদেশি নিরাপদ ও দ্রুতগতির ব্রাউজার - ‘দুরন্ত। ব্রাউজারটি মোবাইলের জন্য তৈরি। তবে, ভবিষ্যতে ডেস্কটপ থেকেও ব্যবহার করা যাবে।
বাংলাদেশি দুইটি সার্চ ইঞ্জিন চরকি (www.chorki.com) এবং পিপীলিকা (www.pipilika.com)।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।
১৭,২৯৭.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ- এর পদবী কি ছিল?
  1. ক) সিপাহী
  2. খ) লেফটেন্যান্ট
  3. গ) ক্যাপ্টেন
  4. ঘ) ল্যান্স নায়েক
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য বিজিবি (তৎকালীন ইপিআর) বাহিনীর দু’জনকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। তাঁরা হলেন-
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১৭,২৯৮.
Which international leader described the Pakistany military crackdown in Est Pakistan (March 1971) as "the greatest human disaster in modern times"?
  1. Indira Gandhi
  2. Edward Kennedy
  3. Henry Kissinger
  4. Archer Blood
ব্যাখ্যা

- এডওয়ার্ড কেনেডি পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি সামরিক অভিযান (মার্চ ১৯৭১) কে 'আধুনিক সময়ের সবচেয়ে বড় মানবিক বিপর্যয়' হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন
- তিনি ১৯৭১ সালের আগস্টে কলকাতার শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন এবং সেখানকার পরিস্থিতি দেখে গভীরভাবে মর্মাহত হন।
- এই অভিজ্ঞতার কারণে তিনি মার্কিন সরকারের পাকিস্তানকে সহায়তা দেওয়ার নীতির কঠোর সমালোচনা করেন।
- তিনি সিনেটে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ তোলেন এবং মার্কিন প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করেন।
- এই বক্তব্যটি তখনকার মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ হিসেবে বিবেচিত হয়।
- তাঁর এই ভূমিকা আন্তর্জাতিক মহলে পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৭,২৯৯.
'জরুরী-অবস্থা ঘোষণা' এর উল্লেখ রয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪১(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ১৪১(খ)
  3. অনুচ্ছেদ ১৪১(গ)
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৩০ - অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।
- অনুচ্ছেদ ১৩১ - প্রজাতন্ত্রের হিসাব-রক্ষার আকার ও পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ১৩২ - সংসদে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের রিপোর্ট উপস্থাপন।
- অনুচ্ছেদ ১৩৩ - নিয়োগ ও কর্মের শর্তাবলী।
- অনুচ্ছেদ ১৩৪ - কর্মের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৫ - অসামরিক সরকারী কর্মচারীদের বরখাস্ত প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৩৬ - কর্মবিভাগ-পুনর্গঠন।
- অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ১৩৮ - সদস্য-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ১৩৯ - পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ -  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৭,৩০০.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী নীটওয়‍্যার পণ্যের রপ্তানি আয় মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ? 
  1. ৮৫.৪৫%
  2. ৬৫.৪৫%
  3. ৪৮.৩৫%
  4. ৩৭.১০%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: কৃষিজাত পণ্য (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য (০.৭১%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।