বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬৯ / ৩০৬ · ১৬,৮০১১৬,৯০০ / ৩০,৮৩২

১৬,৮০১.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ১৬৭টি
  2. ১৯৩টি
  3. ২২৩টি
  4. ২৬৭টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে মূলত ৪টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'হারিকেন'।
- নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮০২.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে কত শতাংশ?
  1. ৬.৮ শতাংশ
  2. ৭.২ শতাংশ
  3. ৭.৪ শতাংশ
  4. ৭.৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭.২ শতাংশ।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়ের লক্ষ্যমাত্রা : ২,৪৬২ মার্কিন ডলার।
- অনুমিত মূল্যস্ফিতি : ৫.৩ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
১৬,৮০৩.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় রাজসাক্ষীসহ কতজন সাক্ষী ছিলেন?
  1. ২১৫ জন
  2. ২২১ জন
  3. ২২৭ জন
  4. ২৩৪ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- অন্যদিকে যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮০৪.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক ছিলেন কে?
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. মোজাফফর আহমদ
  4. তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮০৫.
বোরো ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা-
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
• মে ২০২২ তারিখে প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১ অনুসারে বিভিন্ন কৃষিজ পন্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমুহ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ;
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ;
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ;
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর;
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও;
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর;
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর;
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মুন্সীগঞ্জ;
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার;
- পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা পাবনা;
- রসুন উৎপাদনে শীর্ষ জেলা নাটোর;
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাজশাহী;
- লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর;
- আনারস উৎপাদনে শীর্ষ জেলা টাঙ্গাইল;
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ;
- পেয়ারা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা চট্টগ্রাম;
- কাঁঠাল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা গাজীপুর;
- কমলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রাঙামাটি।
১৬,৮০৬.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করেনা?
  1. চাক
  2. পাঙন
  3. লুসাই
  4. খুমি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে, পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- পাঙন নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৬,৮০৭.
According to CERB, what is the rank of Bangladesh economy among the largest economies in the world in 2019?
  1. ক) 44
  2. খ) 42
  3. গ) 43
  4. ঘ) 41
ব্যাখ্যা
- ২০১৯ সালে বিশ্বের ৪১তম অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ
- ২০১৯ সালে বৃহত্ অর্থনীতির দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪১তম।
- যুক্তরাজ্য ভিত্তিক অর্থনৈতিক পরামর্শ কেন্দ্র ‘সেন্টার ফর ইকোনোমিকস এন্ড বিজনেস রিসার্চ’ (সিইবিআর) এর ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক লিগ টেবিল’ (ডব্লিউইএলটি) এর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
- এর আগে ২০১৮ সালে সিইবিআরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪৩তম।
- অর্থাৎ গতবছরের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান দুইধাপ উপরে উঠে এসেছে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা।
১৬,৮০৮.
’বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট’ কোথায় অবস্থিত?
  1. পাবনা
  2. দিনাজপুর
  3. বগুড়া
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই):
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএসআরআই) দেশের একটি অগ্রজ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঈশ্বরদী 
- এখানে গবেষণা হয় ইক্ষু, তাল, খেজুর, গোলপাতা ও সুগারবীট ফসলের উপর।
- এছাড়া চিনি, গুড় ও চিবিয়ে খাওয়াসহ ইক্ষুর বহুমুখী ব্যবহারের উপরও গবেষণা করা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের স্বল্প বৃষ্টিপাত এলাকায় ইক্ষুই একমাত্র নির্ভরযোগ্য অর্থকরী ফসল।
- ইক্ষুর উপর ভিত্তি করেই দেশে চিনি ও গুড় তৈরির শিল্প গড়ে উঠেছে।

উৎস: বিএসআরআই ওয়েবসাইট।

১৬,৮০৯.
'পরিকল্পনা কমিশন' এর কোন বিভাগ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে?
  1. ক) কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  2. খ) কার্যক্রম বিভাগ
  3. গ) আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগ
  4. ঘ) সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
• বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।  

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২

১৬,৮১০.
মুক্তিযুদ্ধে কোন বীরশ্রেষ্ঠ আগস্ট মাসে শহীদ হন?
  1. ক) সিপাহী হামিদুর রহমান
  2. খ) ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
  3. গ) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
  4. ঘ) ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে বীরশ্রেষ্ঠদের শাহাদাতের তারিখ:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ৮ এপ্রিল ১৯৭১
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ১৮ এপ্রিল ১৯৭১
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : ২০ আগস্ট ১৯৭১
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭১
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ২৮ অক্টোবর ১৯৭১
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন : ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
১৬,৮১১.
পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন কে?
  1. টিক্কা খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. ইয়াহিয়া খান
  4. রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন: 
- ৭ই মার্চের ভাষণের পরদিন থেকে সারা দেশে ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়ে যায়।
- দেশের স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত, কল-কারখানা সব বন্ধ হয়ে যায়।
- বিক্ষুব্ধ জনতা পাকিস্তানি বাহিনীর সদস্যদের বিভিন্ন স্থানে প্রতিরোধ করতে থাকে।
- খাজনা-ট্যাক্স আদায় বন্ধ হয়ে যায়।
- এমন পরিস্থিতিতে ইয়াহিয়া খান টিক্কা খানকে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর নিয়োগ করেন।
- ১০ই মার্চ সরকার এক সামরিক আদেশ জারি করে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
- কিন্তু এর পরও পূর্ব পাকিস্তানের সর্বস্তরের জনগণ অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত রাখে।
- ১৩ই মার্চ সরকার পুনরায় সামরিক আইন জারি করে।
- ১৪ই মার্চ পশ্চিম পাকিস্তানের নেতা জুলফিকার আলী ভুট্টো একটি অবাস্তব প্রস্তাবের মাধ্যমে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার ফর্মুলা দেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬,৮১২.
বাংলাদেশের শিক্ষা দিবস কোন তারিখে পালিত হয়? 
  1. ১২ মে
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর
  3. ১৮ জুন
  4. ২১ আগষ্ট
ব্যাখ্যা

শিক্ষা দিবস:
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য একটি কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন,যা ৫ জানুয়ারি ১৯৫৯ সালে কার্যকর হয়। 
- কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের সচিব এস এম শরীফ।
- পূর্ব পাকিস্তানের চারজন সদস্যসহ মোট ১১ জনের এই কমিশনকে জাতীয় শিক্ষা সংক্রান্ত কমিশন বা “শরিফ কমিশন” বলা হয়।
- ২৬ আগস্ট ১৯৫৯ কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়, যা ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রতিবেদনে শিক্ষাকে পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এবং বলা হয় যে জনগণের ঐতিহ্যগত শিক্ষা চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে হবে। 
- এছাড়াও বাংলা বর্ণমালার পরিবর্তে রোমান বর্ণমালা, উর্দু ভাষা প্রয়োগ এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ইংরেজি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেয়া হয়।
- প্রতিবেদনের বিরোধিতায় পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা আন্দোলন শুরু করে।
- ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানি শাসন ও শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুল এবং অনেক অজ্ঞাতনামা ছাত্র।
- তাদের স্মরণে ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা- নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক)।

১৬,৮১৩.
সাধারণ করদাতার জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. ৩,৭৫,০০০ টাকা
  3. ৪,০০,০০০ টাকা
  4. ৩,৬০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয়সীমা:
⇒ বর্তমানে দেশে করমুক্ত আয়ের সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%

উৎস: i) জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,৮১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল সংযুক্ত রয়েছে?
  1. ১ টি
  2. ৫ টি
  3. ৭ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৮১৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে মাঝখানে কী রয়েছে?
  1. শাপলা
  2. জাতীয় পতাকা
  3. বাংলাদেশের মানচিত্র
  4. তারকা
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।

১৬,৮১৬.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিমউদ্দীন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. ইস্কান্দর মির্জা
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত এক গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে দাবি ওঠে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে রফিক, জববার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
- আন্দোলন আরও তীব্র হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ১৯৫২ সালে গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৬,৮১৭.
জুলাই ঘোষণাপত্রে কয়টি দফা রয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ২৪টি 
  3. ২৮টি 
  4. ৩৮টি 
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৬,৮১৮.
কয়টি অঙ্গ বা বিভাগ নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠিত?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ তিনটি
যথা-
- আইন বিভাগ,
- শাসন বিভাগ এবং
- বিচার বিভাগ।

- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। তিনি আইন পরিষদের নিকট দায়ী নন।
- কিন্তু সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হল নামমাত্র প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী হলেন শাসন বিভাগ তথা নির্বাহী বিভাগের প্রধান।

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

১৬,৮১৯.
সাইমন ড্রিং ১৯৭১ সালে কোন পত্রিকার প্রতিবেদক হিসেবে বাংলাদেশে আসেন?
  1. দ্য টাইমস
  2. দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ
  3. দ্য গার্ডিয়ান
  4. দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং:
- সাইমন ড্রিং (জন্ম ১৯৪৫) ব্রিটিশ সাংবাদিক, টেলিভিশন উপস্থাপক ও পরিচালক এবং ২৫শে মার্চ বর্বর পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রথম প্রত্যক্ষদর্শী বিদেশী সংবাদদাতা।
- তিনি লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ, ডেইলি মেইল, দ্য সানডে টাইমস, নিউজউইক, বিবিসি টেলিভিশন রেডিও নিউজ, রয়টার প্রভৃতি গণমাধ্যমে সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে চালুকৃত প্রথম বেসরকারি চ্যানেল একুশে টেলিভিশন-এর তিনি যুগ্ম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন। 

⇒ দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ-এর প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করার সময় ১৯৭১ সালের ৬ মার্চ কম্বোডিয়া থেকে ঢাকায় আসেন সাইমন ড্রিং।
- ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী গণহত্যা শুরু করার আগে ঢাকায় অবস্থানরত প্রায় অর্ধশত বিদেশি সাংবাদিককে আটকে ফেলে তখনকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে। তাদের হোটেল থেকে সরাসরি বিমানে তুলে ঢাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয় যাতে গণহত্যার কোনো খবর সংগ্রহ করতে না পারে বিশ্ব গণমাধ্যম। তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সায়মন ড্রিং। পাকিস্তানি সামরিক আইন না মেনে তিনি হোটেলে লুকিয়ে পড়েন। শ্বাসরুদ্ধকর ৩২ ঘণ্টা সময় কাটে হোটেলের লবি, ছাদ, বার, কিচেনের মত জায়গায়। পরে তিনি ঘুরে ঘুরে প্রত্যক্ষ করেন গণহত্যার বাস্তব চিত্র। ২৭ মার্চ কারফিউ উঠে গেলে সায়মন ড্রিং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হল, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকার বিভিন্ন এলাকাসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘুরে দেখেন।
- নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম খবর প্রকাশ করেন ৩০ মার্চ ১৯৭১, ডেইলি টেলিগ্রাফে।
- কলকাতা থেকে মুক্তিযুদ্ধের খবর সংগ্রহ করে পাঠিয়ে দিতেন লণ্ডনের টেলিগ্রাফ পত্রিকায়।
- ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর লন্ডনে ফিরে গেলেও ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত জেনে আবার তিনি ঢাকায় আসেন।
- একাত্তরে বাংলাদেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এই ব্রিটিশ সাংবাদিককে ২০১২ সালে মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননায় ভূষিত করে বাংলাদেশ সরকার।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা।
iii) সংগ্রামের নোটবুক।

১৬,৮২০.
সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
  2. সংসদে মহিলা আসন
  3. উপরাষ্ট্রপতি নিয়োগের বিধান
  4. বহুদলীয় ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:

- ত্রয়োদশ সংশোধনীর শিরোনাম সংবিধান [ত্রয়োদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯৬।
- সংসদে বিলটি পাশ হয় ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে আপিল বিভাগ তত্ত্বাবাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সর্ম্পকিত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিবিসি নিউজ, ১০ মে ২০১১।
১৬,৮২১.
মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ক) এ কে খন্দকার
  2. খ) কর্নেল এম এ রব
  3. গ) এম এ জি ওসমানী
  4. ঘ) মেজর জামিল
ব্যাখ্যা
• মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী।
• মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
• মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮২২.
Who is the highest run scorer in Bangladesh Premier League (BPL) 2024?
  1. Mushfiqur Rahim
  2. Naim Sheikh
  3. Tanzid Hasan
  4. Tamim Iqbal
  5. Litton Das
ব্যাখ্যা
বিপিএল ২০২৪:
- ২০২৪ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১০ম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই লিগের আয়োজন করে।
- তিনটি ভেন্যুতে এই খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
- মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়াম, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম ও চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে।
- ৭টি দলের এই আসরে মোট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ৪৬টি।
- ১ মার্চ, ২০২৪ তারিখে মিরপুরে শেরে-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
- চ্যাম্পিয়ন: ফরচুন বরিশাল।
- রানার্সআপ: কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
- টুর্নামেন্ট সেরা: তামিম ইকবাল।
- সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক: তামিম ইকবাল।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
১৬,৮২৩.
’স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’ কতজন ব্যক্তিকে দেওয়া হয়েছে?
  1. ৮ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পদক: 
​​- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদক।
- ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ এই পদক প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহিদদের স্মরণে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

​​স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:

- ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে দেয়া হয় ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫’।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে :অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),।
- সাহিত্যে: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর), ।
- সংস্কৃতিতে: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),।
- সমাজসেবায়: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),।
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),।
- শিক্ষা ও গবেষণায় : বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর ।
- প্রতিবাদী তারুণ্যের : আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৬,৮২৪.
সংবিধান কোন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৭ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ১৪৫ নং
  4. ১৪১ নং
ব্যাখ্যা
১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন করার বিধান রয়েছে।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা: 
-  ১৪২ নং:  সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারে।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না।
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হইবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হইলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবে।
- এবং তিনি তাহা করিতে অসমর্থ হইলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করিয়াছেন বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
১৪১ ক: জরুরী-অবস্থা ঘোষণা;
১৪১ খ: জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ;
১৪১গ: জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ;
১৪৫: চুক্তি ও দলিল;
১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি;
১৪৭: কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি;
১৪৮: পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১৬,৮২৫.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশে সাক্ষরতার হার কত?
  1. ক) ৭১.৫%
  2. খ) ৭২.৩%
  3. গ) ৭৪..৩%
  4. ঘ) ৭০.২%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুসারে দেশের সাক্ষরতার হার ৭২.৩%। এর মধ্যে পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৪. ৩% এবং নারীদের মধ্যে ৭০.২%। এদেশে চালু সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪৬ টি। (সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০১৯)
১৬,৮২৬.
বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকেট এর ডিজাইনার কে ছিলেন?
  1. ক) নিতুন কুন্ডু
  2. খ) কাইয়ুম চৌধুরী
  3. গ) বিমান মল্লিক
  4. ঘ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর সরকার বেশ কয়েকটি ফিল্ড পোস্ট অফিস চালু করে এবং মুক্তাঞ্চলের ডাকঘরসমূহের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের পর পরিবহণ ও যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ডাকবিভাগকে ন্যস্ত করে।
ডাকটিকিট ডিজাইনার বিমান মল্লিক আটটি ডাকটিকিটের ডিজাইন করেন এবং তা ১৯৭১ সনের জুনে মুজিবনগর সরকারের কাছে পাঠান এবং সেগুলি বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টির জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিতরণের ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

১৬,৮২৭.
আসাদ গেট কোন স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয়?
  1. ক) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  2. খ) ভাষা আন্দোলন
  3. গ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) ছয়দফা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
আসাদ গেট ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত হয়।

আসাদ গেট:

- শহীদ আসাদ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮২৮.
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার-
  1. ক) শাহেদা মুস্তাফিজ
  2. খ) ইতু চাকমা
  3. গ) কুলসুম বেগম
  4. ঘ) রোকেয়া জাহান
ব্যাখ্যা
- দেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার শাহেদা মুস্তাফিজ।
- ১৯৪৯ সালে জন্ম শাহেদা মুস্তাফিজের। সেই হিসাবে এখন তাঁর বয়স ৭৩ বছর। এখনো তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সক্রিয় তিনি। ছেলে রিদওয়ান মুস্তাফিজের সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান রাইট সলিউশনের সফটওয়্যার বিভাগের দেখভাল করেন শাহেদা মুস্তাফিজ।
- এনসিআর ও লিডসে ২২ বছর কাজ করে ১৯৯৮ সালে ইস্তফা দেন। এরপর কাজ শুরু করেন নিজের প্রতিষ্ঠান প্রবিতি সিস্টেমসে, ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে। 
- তিনি কানাডার টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেকনোলজিস ইনকরপোরেটেডের বাংলাদেশ শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ই-টেকলজিকস ইনকরপোরেটেডের বাংলাদেশ শাখায় নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: প্রথম আলো, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
১৬,৮২৯.
মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর অবস্থান কোথায় ছিল?
  1. ময়মনসিংহ
  2. টাঙ্গাইল
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. মাগুরা
ব্যাখ্যা

আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১৬,৮৩০.
বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. সিলেটে
  2. হবিগঞ্জে
  3. চট্টগ্রামে
  4. পঞ্চগড়ে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৬,৮৩১.
মেজর মীর শওকত আলী মুক্তিযুদ্ধে কত নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ১১ নং সেক্টর
  2. ৯ নং সেক্টর
  3. ৭ নং সেক্টর
  4. ৫ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
- মেজর মীর শওকত আলী  ছিলেন ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।
- এই সেক্টরকে ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।

এছাড়াও,
- মুক্তিযুদ্ধে ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার  ছিলেন -  নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধে ৯ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার  ছিলেন ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং মেজর জয়নাল আবেদীন।।
- মুক্তিযুদ্ধে  ১১ নং সেক্টর  এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান । নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু     তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিবিসি বাংলা নিউজ রিপোর্ট।
১৬,৮৩২.
'রাস নৃত্য' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির অন্যতম নিদর্শন?
  1. ত্রিপুরা
  2. বম
  3. লুসাই
  4. মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাস (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৬,৮৩৩.
তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. ময়মনসিংহ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- মোট তুলা উৎপাদন- ৬৭,৩৪৫.২ মে.টন।
- মোট তুলা আবাদ হয়েছে- ২৮৪৪৩.৭৯ একর ।
- বিভাগ বিবেচনায়, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় -  খুলনা বিভাগ (৫৭,০১৬.৯৩ বেল)

- জেলা বিবেচনায়, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি তুলা উৎপন্ন হয় - ঝিনাইদহ জেলায় (২৫,১১৮.৬০ বেল)) ।
- ঝিনাইদহ জেলা -৩,৯৮২ একর জমিতে তুলার চাষাবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৬,৮৩৪.
বাংলাদেশর সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. খ) সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  3. গ) নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
  4. ঘ) ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ভাগ ১১ টি।
- অনুচ্ছেদ মোট ১৫৩টি এবং
- তফসিল আছে - সাতটি। 

- ১৯৭২ সালের পর থেকে বাংলাদেশ সংবিধানের সংশোধন ও পরিবর্তন করা হয়েছে ১৭ বার।
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ করা হয়। 

অপরদিকে -
৩৬ নং অনুচ্ছেদ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
২৯ নং অনুচ্ছেদ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
১২ নং অনুচ্ছেদ - ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
২২ নং অনুচ্ছেদ  - নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান
১৬,৮৩৫.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে নারী সদস্য সংখ্যা কত জন? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা: 
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা সহ বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা ২৩ জন। [অক্টোবর, ২০২৫]
- বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট ৪ জন নারী উপদেষ্টা রয়েছেন। 

তাদের নাম হল:
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, 
- নূরজাহান বেগম, 
- ফরিদা আখতার, 
- শারমীন এস মুরশিদ। 

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১৬,৮৩৬.
কোন শতকে বাংলার উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে শশাঙ্ক কর্তৃক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
ব্যাখ্যা
প্রাচীন বাংলার ইতিহাস: 
- খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে বাংলার উত্তরাংশ দখল করেন ভারতের মৌর্য সম্রাট অশোক।
- সে সময় পুণ্ড্রনগর (পুণ্ড্রবর্ধনভুক্তি) হয় মৌর্যদের প্রদেশ। 
- চার শতকে উত্তর বাংলা ও দক্ষিণ-পূর্ববাংলার কিছু অংশ গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধিকারে আসে।
- গুপ্তদের পতনের পর সপ্তম শতকে বাংলার উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলে প্রথম বাঙালি শাসক শশাঙ্ক কর্তৃক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

- একই সময়ে পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ববাংলায় বঙ্গ নামে আরেকটি স্বাধীন রাজ্য গড়ে উঠেছিল।
- তাঁর মৃত্যুর পর একশো বছর ধরে বাংলায় অরাজকতা চলতে থাকে।
- যাকে সংস্কৃত ভাষায় বলা হয় মাৎস্যন্যায় যুগ।
- এরপর বাঙালিদের দীর্ঘস্থায়ী রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় আট শতকের মাঝ পর্বে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৬,৮৩৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির ৩টি বৃহৎ খাতের অধীন উপখাতের সংখ্যা -
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১৫টি
  3. গ) ১৯টি
  4. ঘ) ২১টি
ব্যাখ্যা
২০১৫-১৬ সালকে ভিত্তিবছর ধরে ২৩ নভেম্বর, ২০২১ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০২০-২১ অর্থবছরের GDP'র সাময়িক খাতওয়ারি প্রবৃদ্ধির হার ও অবদান এবং মাথাপিছু আয় প্রকাশ করে।

- বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৩টি বৃহৎ খাতের অধীন মোট ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- ২০২১ সালের আগে মোট খাতের সংখ্যা ছিলো – ১৫টি।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১৬,৮৩৮.
বক্সারের যুদ্ধে ব্রিটিশ বাহিনীর নেতৃত্ব দেন কে? 
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. রবার্ট ক্লাইভ 
  3. মেজর হেক্টর মুনরো 
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ।
- পলাশীর যুদ্ধের পর ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী বক্সারের যুদ্ধ পরিচালনা করে। 
- এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। 

১৬,৮৩৯.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৭৯%
  2. ১.৭৯%
  3. ৩.৭৯%
  4. ৫.৭৯%
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-২০২৫ অনুসারে, 
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%। 
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: i) অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১৬,৮৪০.
বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোথায় অবস্থিত? 
  1. পাবনা
  2. নীলফামারী
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):

-বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- EPZ= Export Processing Zone.

⇒  EPZ গুলোর অবস্থান হলো-

- চট্টগ্রাম,
- সাভার, (ঢাকা)
- মংলা (খুলনা),
- উত্তরা (নীলফামারী),
- ঈশ্বরদী (পাবনা),
- কুমিল্লা,
- কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও
- আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)। 
- বাংলাদেশের প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা ,নীলফামারী।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫, BEPZA Website এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,৮৪১.
কার শাসনামলে বাংলার রাজ্যসীমা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়?
  1. ক) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. খ) শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  3. গ) শের-শাহ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সময় বাংলার রাজ্যসীমা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়।
- হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে ১৪৯৩ সালে বাংলার সিংহাসনে বসেন - সৈয়দ হোসেন। 
- সুলতান হয়ে তিনি ''আলাউদ্দিন হুসেন শাহ'' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন।
- হোসেন শাহের উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধরবসু ‘ভগবদ গীতা’, কৃত্তিবাস ‘রামায়ন' সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদ করেন।
- রামায়ন অনুবাদের জন্য হোসেন শাহ তাঁকে *গুনরাজ খাঁ' উপাধি দেন। 

- মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসে হোসেন শাহের রাজত্বকাল একটি অত্যুজ্জ্বল অধ্যায়। তার রাজত্বকালে বাংলার সালতানাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে।
- তিনি কামরূপ ও কামতা জয় করেন। ঊড়িষ্যা ও ত্রিপুরা  রাজ্যের কিছু অংশ তার শাসনভুক্ত হয়। তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতারিত করেন।
- বাংলার রাজনীতি হাবসি দাসদের প্রভাবমুক্ত করেন। প্রশাসন ব্যবস্থা সুদৃঢ় করেন।
- ক্ষমতা গ্রহনের অল্প সময়ের মধ্যে রাজ্যের অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দূর করে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।
- দিল্লীর লোদী আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য রাজ্যের সবরকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন।
- হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি তৈরিতে তার প্রচেষ্টা তৎকালীন সমাজ জীবনকে প্রভাভিত করেছিল।
- তিনি ছিলেন সাহিত্যানুরাগী। তার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি ও বিকাশ লাভ করে। তার সময়ের বিখ্যাত কবিরা ছিলেন - রূপ গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, পরাগল খান প্রমুখ।

তথ্যসূত্র:
১. মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ও বাংলাপিডিয়া।
২. বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৬,৮৪২.
বখতিয়ার খলজী বাংলার কোন রাজাকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন?
  1. বল্লাল সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. কেশব সেন
  4. লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা

বখতিয়ার খিলজির নদীয়া অভিযান:
- ১২০৪ সালে লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে তুর্কী বীর ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলায় মুসলমান শাসনের সূচনা করেন।

- বিহারকে মূল কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি পূর্ব দিকে সেনারাজ্য আক্রমণের প্রস্তুতি গ্রহণ করেন।
- বাংলার সেনবংশীয় বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেন তখন নদীয়ায় অবস্থান করছিলেন।
- সেনদের আদি রাজধানী ছিল ঢাকার বিক্রমপুরে।
- নদীয়া ছিল তাদের দ্বিতীয় রাজধানী।
- বখতিয়ার খিলজি ১২০৪ খ্রি. নদীয়া জয় করেন।
- নদীয়া আক্রমণের সময় বখতিয়ার বাংলার সাধারণ প্রবেশ পথ তেলিয়াগর্হির গিরিপথ দিয়ে না ঢুকে উড়িষ্যার ঝড়খন্ডের জঙ্গলের দূর্গম পথে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- তিনি ঘোড়া ব্যবসায়ীর ছদ্মবেশে মাত্র ১৭ বা ১৮ জন অগ্রগামী অশ্বারোহী সৈন্য নিয়ে দ্রুতগতিতে নদীয়ার দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হন।
- মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি রাজপ্রাসাদের রক্ষীদের হত্যা করে প্রাসাদে ঢুকে অতর্কিতে আক্রমণ শুরু করেন।
- ইতিমধ্যে তাঁর মূল বাহিনী এসে পড়ে।
- এ সময় রাজা লক্ষণ সেন মধ্যাহ্নভোজে ব্যস্ত ছিলেন।
- তিনি এ আকস্মিক আক্রমণে ভীত হয়ে কোন প্রতিরোধ ছাড়াই পেছনের দরজা দিয়ে নৌকা যোগে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে পালিয়ে যান।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এসসি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৮৪৩.
What is the length of 'Bangabandhu Tunnel' under Karnaphuli River?
  1. 9.4 km
  2. 3.32 km
  3. 2.45 km
  4. 12.12 km
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই টানেল চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা থেকে কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করেছে।
- টানেলের প্রকল্প পরিচালক মোঃ হারুনুর রশীদ চৌধুরী।
- মোট দৈর্ঘ্য ৯.৩৯ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য ৫.৩৫ কিমি।
- কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৩২ কিলোমিটার।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথম টানেল টিউব নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেন।
- ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং যৌথভাবে বঙ্গবন্ধু টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড প্রকল্পের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করছে।
- বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার ৬৮৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা।
- নদীর নিচ দিয়ে টানেল দক্ষিণ এশিয়ায় এটাই প্রথম।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ অক্টোবর, ২০২৩ তারিখে।

উল্লেখ্য,
- প্রায় ৯১ বছর আগে এই নদীর ওপর প্রথম কালুরঘাট রেলসেতু নির্মাণ করা হয়েছিল।
- কালুরঘাট রেলসেতু থেকে সাত কিলোমিটার ভাটিতে ১৯৮৯ সালে প্রথম সড়ক সেতু নির্মাণ করা হয়।
- ২০১০ সালে একই স্থানে কর্ণফুলী তৃতীয় শাহ আমানত সেতু নির্মাণ করা হয়।
-  কক্সবাজারের মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরের টার্মিনাল চালু হবে ২০২৬ সালে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
         ii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
        iii) ২৮ অক্টোবর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১৬,৮৪৪.
২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল কত? (বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫)
  1. ৩৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  2. ৪৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  3. ৫৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
  4. ৬৮,৩০০ মিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি-রপ্তানি চিত্র:
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে মোট আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- অন্যদিকে একই সময়ে মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৪৮,৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি ব্যয় বেশি হওয়ায় দেশে ২০,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বাণিজ্য ভারসাম্য ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে।
- এই ঘাটতি নির্দেশ করে যে দেশের বৈদেশিক লেনদেনে আমদানির চাপ রপ্তানির তুলনায় বেশি, যা সামষ্টিক অর্থনীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও মুদ্রাবাজারে প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৬,৮৪৫.
নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিল না কোন সেক্টরে?
  1. ১১নং সেক্টর
  2. ১০নং সেক্টর
  3. ১নং সেক্টর
  4. ৯নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১০ নং সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধকালে যুদ্ধাঞ্চলকে যে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এর মধ্যে ১০নং সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো।
- মূলত সমুদ্র উপকূলবর্তী এলাকা, নদী ও সমুদ্র বন্দরসহ বাংলাদেশের সমগ্র জলপথ নিয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়।
- নদীমাতৃক বাংলাদেশের সঙ্গে সমুদ্রপথে পাকিস্তানের যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া ছিল নৌ-কমান্ডো আক্রমণের উদ্দেশ্য।
- ১০নং সেক্টরের কোনো নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
- অপারেশনের সময় কমান্ডোদের কাজের নিয়ন্ত্রণ থাকত যে এলাকায় অপারেশন পরিচালিত হবে সে এলাকার সেক্টর কমান্ডারের ওপর।
- এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮৪৬.
'অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯।
১৬,৮৪৭.
ভাষা আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার গণবিক্ষোভে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন -
  1. ক) আবদুল জব্বার
  2. খ) শফিউর রহমান
  3. গ) রফিক উদ্দিন
  4. ঘ) আবুল বরকত
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার দাবি জানাতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে ঘটনাস্থলে শহীদ হন আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার।
- আবদুস সালাম ঐদিন গুলিবিদ্ধ হয়ে ৭ই এপ্রিল শহীদ হন।
- ২২ ফেব্রুয়ারি পূর্বাহ্ণে ঢাকার নওয়াবপুর রোডে ছাত্র-জনতা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। আবারও বিক্ষোভ মিছিলের ওপর পুলিশ ও মিলিটারি লাঠি, গুলি ও বেয়োনেট ব্যবহার করে।
- এতে শফিউর রহমানসহ আরও কয়েকজন শহীদ হন এবং অনেকে গ্রেফতার হন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া]
১৬,৮৪৮.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী 'রাখালরাস ও মহারাস উৎসব' পালন করে?
  1. গারো
  2. মণিপুরী
  3. চাকমা
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা

মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: 
- রাস উৎসব পালন করে মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এটি তাদের প্রধান উৎসব,
- এটা সাধারণত শরতের পূর্ণিমা তিথিতে অনুষ্ঠিত হয়।
- মণিপুরী সম্প্রদায়ের মানুষের কাছে এই উৎসব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- রাস উৎসবের দুটি প্রধান পর্ব রয়েছে।
- একটির নাম রাখালরাস, যা দিনব্যাপী পালন করা হয়, এবং
- অন্যটি মহারাস, যা রাতের বেলায় অনুষ্ঠিত হয়
- মণিপুরী জাতির পূর্ব পুরুষরা ছিলেন পাখাংবা নামক একজন প্রাচীন রাজা।
- ৩৩ সালে পাখাংবা সিংহাসনে আরোহণ করেছিলেন।
- মণিপুরী সম্প্রদায় বাংলাদেশের সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে বসবাস করে থাকে, বিশেষ করে মৌলভীবাজার জেলাতে তাদের সংখ্যা বেশি।

অন্যদিকে, 
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব ওয়ানগালা।

উৎস - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১৬,৮৪৯.
'অপারেশন উত্তরণ' কোথায় বাস্তবায়িত হয়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) কুড়িগ্রামে
  3. গ) কুষ্টিয়ায়
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
'অপারেশন উত্তরণ' হলো তিন পার্বত্য জেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত অভিযান।
১৬,৮৫০.
 ’মনপুরা-৭০’ কী?
  1. জাদুঘর
  2. চিত্রশিল্প
  3. চলচ্চিত্র
  4. ঘূর্ণিঝড় 
ব্যাখ্যা

• মনপুরা-৭১:
- ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আকাঁ ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা-৭১’ একটি চিত্রশিল্পটি।
- চিত্রশিল্পটি জয়নুল আবেদিনের তৈরি।
- পেইন্টিংটির মাঝে জয়নুলের কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। 

• জয়নুল আবেদিন:

- তিনি একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অসাধারণ প্রতিভাবান শিল্পী।
- ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের তিনিই পুরোধা।
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
-  ১৯৪৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানের (বর্তমান  চারুকলা ইনস্টিটিউ) তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ। 

• বিশেষ চিত্রকর্মসমূহ:

- দুর্ভিক্ষ (১৯৪৩)।
- দ্য রেবেল ক্রো (১৯৫১)।
- দুই মহিলা, পাইন্যার মা, মহিলা (১৯৫৩)।
- ফসল মাড়াই (১৯৬৩)।
- নবান্ন (১৯৬৯)।
- মনপুরা (১৯৭০)।
- সংগ্রাম (১৯৭৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৮৫১.
বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. যশোর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
• ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা ই-সেবাকেন্দ্র চালু হওয়ার পর তথ্য-প্রযুক্তিতে অগ্রগতির জন্য ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোর জেলাকে ‘বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা’ হিসেবে ঘোষণা দেন।
• সে সময় তিনি ‘ন্যাশনাল ই-সার্ভিস সিস্টেম’-এর উদ্বোধন করেন। এ সিস্টেমের আওতায় যশোর জেলার ২৩২টি সরকারি দপ্তরে যেকোনো সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।

তথ্যসূত্র: bdembassyusa.org ও প্রথম আলো।
১৬,৮৫২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি?
  1. বাক স্বাধীনতা
  2. ধর্মীয় নিরপেক্ষতা
  3. আইনের দৃষ্টিতে সমতা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
→ ধর্মীয় নিরপেক্ষতা

বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি:
১).জাতীয়তাবাদ:
- মূল সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, "ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে। বাঙালি জাতির সেই ঐক্য ও সংহতি হবে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

২) সমাজতন্ত্র:
- মূল সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
- "মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ানুগ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজ কায়েম করা হবে।"
- সমাজতন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করার লক্ষ্য ছিল মূলত মেহনতি মানুষকে সকল প্রকার শোষণ হতে মুক্তি দেয়া। 

৩) গণতন্ত্র:

- সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং মানবসত্তার মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।

২) ধর্ম নিরপেক্ষতা:
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে,
- "রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন ধর্মের ব্যবহার,
- কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।"

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬,৮৫৩.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় কোথায় ছিল?
  1. ক) ৮ নং থিয়েটার রোড, কলকাতা
  2. খ) মুজিবনগর
  3. গ) করিমগঞ্জ
  4. ঘ) বেনাপোল
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রবাসী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী সচিবালয় ছিল ৮নং থিয়েটার রােড, কলকাতা।

১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে শুরু হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের প্রথম যাত্রা। পরবর্তী সময়ে বৈদ্যনাথতলা হয়ে যায় মুজিবনগর। আর তৎকালীন সরকারের অস্থায়ী কার্যালয় ছিল কলকাতার ঐতিহাসিক থিয়েটার রােডের ৮ নম্বর বাড়িটি

- এখন এই সড়কের নামকরণ হয়েছে - শেক্সপিয়ার সরণি। এই বাড়িতে বসেই পরিচালিত হয়েছিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কার্যক্রম।
- এবার এই থিয়েটার রােডের বাড়ি মুক্তিযুদ্ধের জাদুঘর হিসেবে তৈরির জন্য বাংলাদেশ সরকার, ভারত সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে আলােচনা শুরু করেছে।

- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর অবশ্য ১৯৭২ সালে এই বাড়ি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার তুলে দিয়েছিল শ্রী অরবিন্দ আশ্রমকে।
- এরপর ১৯৭৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে এই ভবনের যাত্রা শুরু হয় শ্রী অরবিন্দ ভবন হিসেবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি।

১৬,৮৫৪.
বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) গোপালগঞ্জ
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র চট্টগ্রামের 'হালদা নদী'কে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করে। ২৮ জানুয়ারী ২০২০ মন্ত্রিসভায় এর অনুমোদন দেওয়া হয়। হালদা নদী খাগড়াছড়ি থেকে উৎপন্ন হয়ে চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কর্ণফুলি নদীতে পতিত হয়েছে। (সূত্রঃ দৈনিক ইত্তেফাক)
১৬,৮৫৫.
নিচের কোন বাহিনীর জন্ম ভারতে ?
  1. ক) আফসার বাহিনী
  2. খ) কেবি বাহিনী
  3. গ) নিয়মিত বাহিনী
  4. ঘ) বি এল এফ
ব্যাখ্যা

 বি এল এফ বা মুজিব বাহিনীর জন্ম ভারতে ।

-স্বাধীনতা আন্দোলনের পটভুমিতে ছাত্র আন্দোলনের অবস্থান ছিল অত্যন্ত দৃঢ়।

 ৬০ দশকের মাঝামাঝি এই ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে একটি দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধের পরিকল্পনায় সংগঠিত হয়ে রাজনৈতিক মতাদর্শের ছাত্রদের সশস্ত্র যুদ্ধের প্রস্ত্ততি সমন্বিত করে।-নেতৃস্থানীয় প্রায় ১০,০০০ (দশ হাজার) ছাত্রকে এই বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।

-এই বাহিনীর প্রশিক্ষণ ও পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল সুজন সিং উবান, যিনি ভারতীয় স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের কমান্ডার (ইন্সপেক্টর জেনারেল) ছিলেন। 

-ভারতের ভূখণ্ডে একটি গোপন স্থানে এই বাহিনীর সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেয়া হতো যার তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন ব্রিগেডিয়ার টি. এস ওবেরয়। কর্নেল বি ডি কুশাল এই বাহিনীর প্রশাসনিক বিষয়াদি দেখাশোনা করতেন।

উৎস:বাংলাপিডিয়া

১৬,৮৫৬.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ সম্মাননা দিয়েছে-
  1. ক) মহাত্মা গান্ধী ফাউন্ডেশন
  2. খ) রোটারি ফাউন্ডেশন
  3. গ) ইউনিসেফ
  4. ঘ) ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা

তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘চ্যাম্পিয়ন অব স্কিল ডেভেলপমেন্ট ফর ইয়ুথ’ সম্মাননা দিয়েছে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা (ইউনিসেফ)।
(সূত্রঃ ইউনিসেফ ওয়েবসাইট)

১৬,৮৫৭.
মন্ত্রীসভার ব্যর্থতার জন্য কার নিকট জবাবদিহি করতে হয়?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) জাতীয় সংসদ
  3. গ) জনগন
  4. ঘ) সচিবালয়
ব্যাখ্যা
- সরকার পরিচালনার জন্য দেশে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ যার নেতা হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। 
- মন্ত্রিসভার সদস্যগণ নিজ নিজ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন।
- মন্ত্রিসভা সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করে থাকে।
- মন্ত্রীসভার ব্যর্থতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।

তথ্যসূত্রঃ উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৮৫৮.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. বীর প্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ
  3. বীর উত্তম
  4. বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪ জনের খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮৫৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদের অর্ন্তভুক্ত অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
পুন্ড্র জনপদ
• প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র। পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
• পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
• সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ,রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
• পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল। রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
• ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুন্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুন্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
• পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।

অন্যদিকে,              
• বঙ্গ জনপদ বিস্তৃত ছিল - ঢাকা, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল অঞ্চল নিয়ে।
• বরেন্দ্র - বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী ও পাবনা।
• হরিকেল -  সিলেট, চট্রগ্রাম, পার্বত্য চট্রগ্রাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮৬০.
অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ক) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৮
  2. খ) ১৮ জুলাই, ১৯৭৯
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৯
  4. ঘ) ১০ জানুয়ারি, ১৯৮০
ব্যাখ্যা
‘অপরাজেয় বাংলা’ কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত। এটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬,৮৬১.
২০২২ সালে 'ভাষা আন্দোলন' বিভাগে একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  2. খ) মোস্তফা এম. এ. মতিন
  3. গ) অধ্যক্ষ মো. মতিউর রহমান
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২২:
জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়।
একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
একুশে পদকের প্রদেয় পুরষ্কার এককালীন নগদ ৪ লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।
২০২২ সালে একুশে পদক লাভ করেন ২৪ জন ব্যক্তি।
এ বছরের একুশে পদক ঘোষণা করা হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
একুশে পদক দেয়া হয় ১১ টি বিভাগে।

ভাষা আন্দোলনে একুশে পদক লাভ করেন ২ জন ব্যক্তিত্ত্ব। যথা:
- মোস্তফা এম. এ. মতিন (মরণোত্তর)
- মির্জা তোফাজ্জল হোসেন (মুকুল) (মরণোত্তর)

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,৮৬২.
সর্বশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- সর্বশেষ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দেশে ৫০টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে শতকরা হিসাবে যা ২৯.২৯ শতাংশ।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।  জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ। তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

⇒ চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। সংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা সমতলের সাঁওতালদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে। এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০১ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে। আর হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৪ জন।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

১৬,৮৬৩.
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯ অনুসারে, নারী ও পুরুষের অনুপাতঃ [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) ১০০ঃ১০০.২
  2. খ) ১০০.২ঃ১০০
  3. গ) ১০০ঃ১০১
  4. ঘ) ১০১ঃ১০০
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
১৬,৮৬৪.
’গণ ফোরাম‘-র প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. তৌহিদুল ইসলাম খান
  4. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• গণ ফোরাম :
-  প্রখ্যাত আইনজীবী ড.কামাল হোসেন ১৯৯২ সালে গণ ফোরাম গঠন করেন।
- ১৯৯৩ সালের আগস্ট মাসে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এটি একটি উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল।
- দলটি একটি শক্তিশালী সিভিল সমাজ এবং সমতার ভিত্তিতে সুশৃঙ্খল সমাজব্যবস্থা গড়ে তুলতে আগ্রহী।

উৎস : বাংলাপিডিয়া
১৬,৮৬৫.
প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক ছিলেন কে?
  1. অধ্যাপক নুরুল হক ভূইয়া
  2. আবদুল মতিন
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা (দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’) হলে এর আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩০শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা : আহমদ রফিক)

১৬,৮৬৬.
বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গোপালগঞ্জ
  2. খ) যশোর
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত- গাজীপুরে
- গাজীপুরের বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটে ‘বঙ্গবন্ধু-পিয়েরে ট্রুডো কৃষি প্রযুক্তি কেন্দ্র’ উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা।
- কৃষিক্ষেত্রে উন্নততর গবেষণা, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনে সহনশীল খাদ্যনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতে গবেষণা কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাংলাদেশে ‘বঙ্গবন্ধু পিয়ারে ট্রুডো কৃষি গবেষণাকেন্দ্র’ স্থাপিত হতে হয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১৬,৮৬৭.
আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ২১ মার্চ, ১৯৬৬
  2. ২২ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২৪ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১১.০২%
  2. ২৪.৭৯%
  3. ৩৭.৯৫%
  4. ৪৬.১৪%
ব্যাখ্যা
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
• কৃষি: ১১.০২%।
• শিল্প: ৩৭.৯৫%।
• সেবা: ৫১.০৮%।
- ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
• কৃষি:৪৫%।
• শিল্প: ১৭%।
• সেবা: ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬,৮৬৯.
UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের প্রথম অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কোনটি?
  1. বাউল সঙ্গীত
  2. শীতলপাটির বুনন পদ্ধতি
  3. মঙ্গল শোভাযাত্রা
  4. জামদানি বুনন শিল্প
ব্যাখ্যা

UNESCO ঘোষিত বাংলাদেশের প্রথম অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বাউল সঙ্গীত। 

ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

⇒ বাউল সংগীত:
- বাউল সংগীত হলো আধ্যাত্ববাদের চেতনাপুষ্ট লোক সংগীতের এক বিশেষ ধারা যা হিন্দু শাস্ত্রের ভক্তিবাদ ও একই সাথে সুফি সংগীত দ্বারা প্রভাবিত।
- স্রষ্টার সাথে সৃষ্টির সম্পর্কের ভাবনা আর ভিন্নধর্মী জীবন দর্শনের মধ্যেই বাউলদের বিশেষত্ব নিহিত রয়েছে।
- তাদের দর্শন কোনো বিশেষ ধর্ম, জাত, বর্ণ বা দেবতার বিশ্বাসের গন্ডীতে সীমাবদ্ধ নয় বরং শ্রষ্টাকে তারা আত্বার অংশ হিসেবে বিশ্বাস করে।
- এই দর্শনেই তাদের আত্মার মুক্তি।
- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

১৬,৮৭০.
রামমোহন রায়কে 'রাজা' উপাধি দেন কে?
  1. রাজা কৃষ্ণচন্দ্র
  2. রাজা পঞ্চম জর্জ
  3. সম্রাট দ্বিতীয় আকবর
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা
• রাজা রামমোহন রায়:
- রাজা রামমোহন রায় পশ্চিম বাংলার রাধানগর গ্রামে এক রক্ষণশীল ব্রাহ্মণ পরিবারে তাঁর জন্ম।
- উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত ছিলেন।
- তিনি হিন্দি ও তাঁর মাতৃভাষা বাংলা ছাড়াও যেমন সংস্কৃত, আরবি ও ফারসিতে উল্লেখযোগ্য ব্যুৎপত্তি লাভ করেন।
- একেশ্বরবাদ বানী প্রচারে রামমোহন রায় আত্মীয় সভা গঠন করেন ।
- ১৮২২ সালে অ্যাংলো হিন্দু কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট 'দ্বিতীয় আকবর' রাজা রামমোহন রায়কে 'রাজা' উপাধি দেন।
- ১৮২৫ সালে বেদান্ত কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ, কৌলীন্য প্রথা, গঙ্গা সাগরে সন্তান বিসর্জন, শিশুকন্যা হত্যার প্রতিবাদ করেন।
- তার প্রচেষ্টায় ৪ ডিসেম্বর ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত করেন।
- তাকে ভারতীয় নবজাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।
- ব্রাহ্ম সমাজ নামের পরিবর্তে ব্রাহ্মধর্ম গ্রহণ করা হয় ১৮৪৩ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮৭১.
বাংলাদেশের সরকারব্যবস্থা কোন ধরনের?
  1. প্রেসিডেনশিয়াল
  2. একনায়কতান্ত্রিক
  3. সংসদীয় সরকার
  4. সামরিক শাসন
ব্যাখ্যা
সরকার ব্যবস্থা: 
- মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারই বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ছিল।
- কিন্তু পরবর্তীতে সংসদীয় সরকার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যামান রয়েছে।
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- এই রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ, বিচার ও আইন  বিভাগ নামে তিনটি বিভাগ রয়েছে।
- সরকার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

উল্লেখ্য,
- শাসন বিভাগের কেন্দ্রে রয়েছে মন্ত্রিপরিষদ (Cabinet)।
- প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান ও মন্ত্রিপরিষদের কেন্দ্রবিন্দু।
- তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ দেশের শাসনকার্য পরিচালনা করে।
- সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশে ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯১ রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু ছিল।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬,৮৭২.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ কল কোনটি?
  1. খুলনা নিউজ প্রিন্ট মিল
  2. সিলেট মন্ড কাগজ মিল
  3. কর্ণফুলি পেপার মিল 
  4. চন্দ্রঘোনা কাগজ মিল
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিল:
কর্ণফুলি পেপার মিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজের কল।
- ১৯৫১ সালে পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন-এর অধীনে ৬৭.৫৭ মিলিয়ন রুপি ব্যয়ে চট্টগ্রাম চন্দ্রঘোনায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ওই সময়ে পূর্ব পাকিস্তান এ ৩১টি হাতে তৈরি কাগজের এন্টারপ্রাইজ এবং ১২২ জন শ্রমিকসহ একটি কার্বন কাগজ তৈরির ইউনিট ছিল।
- এই সকল প্রতিষ্ঠানে কাজ করত ৫৫ জন পুরুষ, ৫১ জন মহিলা ও ১৬ জন শিশুশ্রমিক।
- কর্ণফুলি পেপার মিলটি শিল্প আইনের অধীনে নিবন্ধিত প্রথম কাগজশিল্প যা ত্রিশ হাজার শ্রমিক নিয়ে এশিয়ার সর্ববৃহৎ কাগজ-কল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মিলটি আমেরিকা, ইংল্যান্ড, জার্মানি, সুইডেন এবং ইতালির সহযোগিতায় ও বিশ্বব্যাংকের ঋণ সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- বাৎসরিক ৩০,০০০ টন ধারণক্ষমতা নিয়ে ১৯৫৩ সালে মিলটিতে উৎপাদন আরম্ভ হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৮৭৩.
SVRS ২০২৩ রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে মোট জন্মশীলতার হার/Total fertility rate (TFR) কত?
  1. ২.৪০
  2. ২.৩১
  3. ২.১৭
  4. ১.৯৪
ব্যাখ্যা
মোট জন্মশীলতার হার/Total fertility rate (TFR):
- মোট জন্মশীলতার হার (টিএফআর) হলো প্রজনন ক্ষমতার একটি সংক্ষিপ্ত পরিমাপ, যা প্রতিটি একক বছরের জন্য প্রতিটি বয়সভিত্তিক গোষ্ঠীর নারীদের সন্তান জন্মদানের বয়সের জন্য নির্দিষ্ট বয়সের জন্মহারকে নির্দেশ করে।
- এসভিআরএস ২০২৩ এ প্রতি নারীর বিপরীতে টিএফআরের মান দাঁড়িয়েছে ২.১৭।
- প্রত্যাশা অনুযায়ী, পল্লি নারীদের মধ্যে টিএফআরের অনুপাত শহরের তুলনায় বেশি।
- পল্লি অঞ্চলে প্রতি নারীর বিপরীতে টিএফআরের মান ২.৩১।
- শহরাঞ্চলে এ হার পাওয়া গেছে ১.৭৮। 
- বিভাগভিত্তিক হিসাবে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ টিএফআর (২.৪৮) রেকর্ড করা হয়েছে।
- এর পরের অবস্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ (২.৪০)। 
- সবচেয়ে কম টিএফআর রেকর্ড করা হয়েছে ঢাকা বিভাগে।
- এ বিভাগে টিএফআরের মান ১.৯৪।
- ধর্মভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা যায়, মুসলিম নারীরা অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের তুলনায় বেশি প্রজননক্ষম।
- মুসলিম নারীদের মধ্যে মাথাপিছু টিএফআর হার ২.২৩।

উৎস: SVRS ২০২৩ রিপোর্ট।
১৬,৮৭৪.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কতটি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ২৭টি
  2. ২৮টি
  3. ২৯টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:

- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করেছে।
- টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।
- নতুন এমপিদের শপথ বাক্য পাঠ করান বর্তমান স্পিকার শিরীন শারমীন চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১৬,৮৭৫.
বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষাবাদ শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. গাজীপুর
  3. পঞ্চগড়
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৬,৮৭৬.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহে সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল- 
  1. ভবানী পাঠক 
  2. জুম্মা খান
  3. তিতুমীর
  4. বরকত উল্ল্যা 
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ইংরেজ সরকার তীর্থস্থান দর্শনের উপর করারোপ করে, ভিক্ষা ও মুষ্টি - সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে।
- তাছাড়া তাদেরকে ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করতে থাকে।
- ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়।
- বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
- আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
-১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, - ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য,
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন।
- তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৮৭৭.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অবদান রেখেছিলেন?
  1. নবাব সলিমুল্লাহ
  2. নবাব খাজা আলীমুল্লাহ
  3. নবার সিরাজউদ্দৌলা
  4. নবাব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা
নবাব স্যার সলিমুল্লাহ:
- ১৮৭১ সালের ৭ জুন ঢাকার বিখ্যাত নবাব পরিবারে খাজা সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম নবাব খাজা আহসানউল্লাহ। খাজা সলিমুল্লাহ নবাবী পরিবারের বিত্ত-বৈভবের মধ্যে বেড়ে উঠলেও চিন্তা-চেতনায় ছিলেন আলাদা।
- নবাব পরিবারের মধ্যে সলিমুল্লাহ ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- যৌবনকালে তিনি কিছুকাল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সরকারি চাকুরি করলেও পরে চাকুরিতে ইস্তফা দিয়ে সমাজকল্যাণমূলক কাজে আত্মনেয়োগ করেন।
- মুসলিম স্বার্থ অক্ষুন্ন রাখার জন্য নবাব সলিমুল্লাহ সকল প্রদেশের স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে, সংস্থায়, আইনসভায় মুসলমানদের জন্য স্বতন্ত্র নির্বাচন দাবি করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নবাব সলিমুল্লাহ নানামুখী অবদান রাখেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮৭৮.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য কী?
  1. সরকারি ক্ষমতা দখল করা
  2. সরকারি নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করা
  3. নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা
  4. জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী: 
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হলো সরকারি নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করা।
- তারা রাজনৈতিক দলের মতো সরাসরি সরকারি ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করে না।
- বরং তারা সরকারের গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের স্বার্থের পক্ষে প্রভাবিত করতে চায়।
- এই গোষ্ঠীগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট সামাজিক, অর্থনৈতিক, ধর্মীয় বা পেশাগত স্বার্থকে কেন্দ্র করে গঠিত হয় এবং তারা সংঘবদ্ধভাবে সেই স্বার্থ রক্ষার জন্য কাজ করে।
- অ্যালান বল, এইচ জিগলার ও অ্যালমন্ড-পাওয়েল প্রমুখ রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা এই গোষ্ঠীগুলোর সংজ্ঞায় একমত যে, এগুলো সংগঠিত এবং লক্ষ্য-সচেতন।
- তাই বলা যায়, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য হচ্ছে নীতিনির্ধারক মহলে চাপ সৃষ্টি করে নিজেদের লক্ষ্য অর্জন করা।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৬,৮৭৯.
নিচের কোনটি বিদেশি ব্যাংক?
  1. ক) ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে বিদেশি তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এগুলো হলো:
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- সিটি ব্যাংক এনএ
- উরি ব্যাংক
- হংকং সাংহাই ব্যাংকিং কর্পোরেশন (এইচএসবিসি) লিমিটেড এবং
- ব্যাংক আল-ফালাহ লিমিটেড।
এদের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক লিমিটেড সবচেয়ে পুরনো এবং বৃহৎ বিদেশি ব্যাংক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৬,৮৮০.
মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. গাজীপুর
  3. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. সাভার
ব্যাখ্যা
জাগ্রত চৌরঙ্গী:

- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- জাগ্রত চৌরঙ্গী ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তার অবস্থিত।
- জাগ্রত চৌরঙ্গীর স্থপতি খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- মহান মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে ১৯ মার্চের সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধে নিহত ও আহত বীরদের অসামান্য আত্মত্যাগের স্মরণে ১৯৭৩ সালে নির্মিত হয়েছিল জাগ্রত চৌরঙ্গী।
- তৎকালীন গাজীপুরে দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অধিনায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল আমীন আহম্মেদ চৌধুরী বীরবিক্রম ভাস্কর্যটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিলেন।
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। কংক্রিট, গ্রে ও হোয়াইট সিমেন্টের ঢালাইয়ে নির্মিত ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জন এবং ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সেনা ও মুক্তিযোদ্ধার নাম রয়েছে।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। কাজ শেষ হয় ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ ডিসেম্বর ২০২০।
১৬,৮৮১.
বাংলাদেশ দ্বিতীয় দেশ হিসেবে কোন দেশের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে?
  1. ভারত
  2. ভিয়েতনাম
  3. ব্রাজিল
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেম দ্বিতীয় দেশ হিসেবে মালয়েশিয়ার সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে উভয় দেশের মধ্যে আলোচনা চলছে।
- এর আগে ২০২০ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটানের সাথে বাংলাদেশ অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৬,৮৮২.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে রয়েছেন? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. মোঃ তৌহিদ হোসেন
  4. মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২৪ জন।

উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- অর্থ মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন:
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

⇒ লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো: জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী:
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। [link]
১৬,৮৮৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে কতটি কমিউনিটি স্বাস্থ্য ক্লিনিক রয়েছে?
  1. ক) ১৩ হাজার ১৩৬ টি
  2. খ) ১৩ হাজার ২৬৮ টি
  3. গ) ১৩ হাজার ৫৫৬ টি
  4. ঘ) ১৩ হাজার ৬৪৭ টি
  5. ঙ) ১৩ হাজার ৭৭৯ টি
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালের হিসাব অনুযায়ী দেশে বর্তমানে ১৩ হাজার ৭৭৯টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। উৎস - স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
১৬,৮৮৪.
“Impeachment of the President” কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ক) ৫১(১)
  2. খ) ৪৯
  3. গ) ৫২(১)
  4. ঘ) ৫২(৪)
ব্যাখ্যা

 “Impeachment of the President” ৫২(১) অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে।
- রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির কথা ৫১(১) এ উল্লেখ আছে ।
- ৪৯ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকারের কথা বলা হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

১৬,৮৮৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২২(ক)
  2. অনুচ্ছেদ ২৩(ক)
  3. অনুচ্ছেদ ২৪(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ২৫(ক)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৩ - জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৩(ক) - উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ২৬ মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল।
- অনুচ্ছেদ ২৮ ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
- অনুচ্ছেদ ২৯ - সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ৩০- বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,৮৮৬.
বাংলাদেশ সংবিধান কী জাতীয়?
  1. পরিবর্তনীয়
  2. অপরিবর্তনীয়
  3. দুষ্পরিবর্তনীয়
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।

• ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের বৈশিষ্ট্য:

- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের একটি মূল দলিল।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-

১. লিখিত দলিল:

- মূল সংবিধান একটি সুলিখিত দলিল।
-  এতে ১টি প্রস্তাবনা, ৭টি তফসিল, ১১টি ভাগ এবং ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

২.দুষ্পরিবর্তনীয়:
- বাংলাদেশের সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
- সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধনী প্রস্তাব পাস করানো যায়।

৩. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা-এই চারটি মূলনীতিকে সংবিধানের মূল স্তম্ভ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

৪. মৌলিক অধিকার:
- সংবিধানের জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রের নাগরিকদের ব্যক্তিত্ব বিকাশের জন্য সংবিধানে সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৮৮৭.
পাকিস্তানে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন কে?
  1. ক) ইস্কান্দার মির্জা
  2. খ) টিক্কা খান
  3. গ) ফিরোজ খান
  4. ঘ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।

• সামরিক শাসন:

- তিনি দেশের সংবিধান বাতিল করেন, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন এবং মন্ত্রিসভা বাতিল করেন।
- রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
- প্ৰধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- এর কিছুদিনের মধ্যে ২৭শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারণ করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৮৮৮.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কতজন মুক্তিযোদ্ধা বীর উত্তম খেতাব পেয়েছিলেন?
  1. ৬৩ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ৬৫ জন
  4. ৬৯ জন
ব্যাখ্যা

• বীরত্বসূচক খেতাব;
- বীরত্বসূচক খেতাব  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।

- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র।

• স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় বীরত্বসূচক খেতাবের নতুন নামকরণ হয়:

- সর্বোচ্চ পদমর্যাদার খেতাব →  বীরশ্রেষ্ঠ।
- উচ্চ পদমর্যাদার খেতাব →  বীর উত্তম।
- প্রশংসনীয় পদমর্যাদার খেতাব →  বীর বিক্রম।
- বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের খেতাব →  বীর প্রতীক।

• ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়

• বীরশ্রেষ্ঠ- ৭ জন;
• বীর উত্তম- ৬৮ জন;
• বীর বিক্রম- ১৭৫ জন;
• বীর প্রতীক- ৪২৬ জন;

উল্লেখ্য,
- ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যাঁদের খেতাব বাতিল হলো তাঁরা হলেন লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫), লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০), লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
- বীর উত্তম ৬৭ জন,
- বীর বিক্রম ১৭৪ জন,
- বীর প্রতীক ৪২৪ জন।

উৎস:
ⅰ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
iii)বাংলাপিডিয়া।

১৬,৮৮৯.
'জমিদারী প্রথা' কত সালে বিলুপ্ত হয়?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৪২ সালে
  3. ১৯৫০ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা

জমিদারি প্রথা:
- জমিদারি প্রথার বিলোপ  বিশ শতকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ।
- কৃষক রাজনীতি ছিল সম্পূর্ণরূপে জমিদারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে।
- অধিকাংশ জমিদার হিন্দু ছিলেন বলে পল্লী অঞ্চলের জনসংখ্যার সিংহভাগ মুসলমান কৃষকসমাজ ছিল প্রবলভাবে জমিদারদের বিরোধী।
- ১৯৩৭ সালে সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকার করে যে, তারা নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে জমিদারি প্রথা বিলোপ করা হবে।
- মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টি এর কোয়ালিশন সরকার জমিদারি প্রথা সম্পর্কে রিপোর্ট দানের জন্য একটি কমিশন গঠন করে।
- ফ্লাউড কমিশন নামে পরিচিত সে কমিশন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বাতিলের সুপারিশ করে।
- ১৯৫০ সালে ইস্ট বেঙ্গল স্টেট অ্যাকুইজিশন অ্যাক্ট-এর অধীনে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৮৯০.
বর্তমানে (২০২৩-২৪ অর্থবছর) মুদ্রাস্ফীতির হার কত?
  1. ক) ৫%
  2. খ) ৫.৮%
  3. গ) ৬%
  4. ঘ) ৬.৭%
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩-২৪:

- এটি দেশের ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)। 
- এটি আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫তম এবং মোট ২৫ তম বাজেট।
- বাজেটের স্লোগান উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- করমুক্ত আয়সীমা ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- বাজেটের আকার- ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।
- মুদ্রাস্ফীতির হার ৬%।

তথ্যসূত্র - বাজেট ২০২৩-২৪।
১৬,৮৯১.
নিচের কোনটি বিরোধী দলের কাজ?
  1. গণতন্ত্র রক্ষা
  2. অধিকার বাস্তবায়ন
  3. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৮৯২.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জন প্রিয় অনুষ্ঠান কোনটি?
  1. চরম পাঠ
  2. চরমপত্র
  3. সংবাদ
  4. বজ্রকণ্ঠ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতারের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান:

- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র‘ ও ‘জল্লাদের দরবার’।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে তুলে ধরা হতো।
- এই ব্যঙ্গাত্মক সিরিজে তাকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয় এবং এই ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ।
- চরমপত্র সিরিজটি পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান এবং স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি করেন এম.আর আখতার মুকুল।
- তিনি নিজেই এর উপস্থাপক ছিলেন।
- এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয়।
- এতে একইসঙ্গে ছিল তীক্ষ্ণ ব্যঙ্গ ও জাতীয়তা বোধের প্রকাশ যা জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়ীকরণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৬,৮৯৩.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্যমন্ত্রী দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. এম মনসুর আলী
  4. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য:
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন গণপরিষদের আওয়ামীলীগের হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন- তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- শপথগ্রহণের সময় শতাধিক ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিক এবং প্রচার মাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৬,৮৯৪.
বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি পৌরসভা রয়েছে (সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত)?
  1. ৩৩০টি
  2. ৩২৯টি
  3. ৩২৭টি
  4. ৩২৮টি
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- বাংলাদেশে বর্তমানে পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।

[দ্রষ্টব্য: চাঁদপুরের নারায়ণপুর পৌরসভার নাম স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকাশিত পৌরসভার তালিকাতে নেই। ফলে স্থানীয় সরকার বিভাগের তালিকায় ৩২৯টি পৌরসভার নাম আছে। ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিল নারায়ণপুর পৌরসভার গেজেট প্রকাশ করে। এই পৌরসভাটির গঠনকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হয়েছিল এবং ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি সেই মামলাটি খারিজ হয়।তবে পৌরসভাটির বর্তমানে কার্যক্রম চলছে না।]

উৎস:
১. স্থানীয় সরকার বিভাগ [Link]
২. নারায়ণপুর পৌরসভা সংক্রান্ত [Link]
১৬,৮৯৫.
‘দােয়েল চত্ত্বর’ স্থাপত্যের স্থপতি কে?
  1. ক) নিতুন কুণ্ডু
  2. খ) আজিজুল জলিল পাশা
  3. গ) শামীম শিকদার
  4. ঘ) হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা দোয়েল পাখিকে নগরবাসীর স্মরণে রাখতে ১৯৭৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে তৈরি করেন 'দোয়েল চত্বর'। আর এটি তৈরি করতে আর্থিক সহায়তা দেয় তৎকালীন রাষ্ট্রায়ত্ত উত্তরা ব্যাংক- যা বর্তমানে উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড নামে পরিচিত।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর
১৬,৮৯৬.
বাংলাদেশ সরকারের অর্থবছরের সময়কাল কোনটি? 
  1. জুলাই-জুন
  2. জুন-জুলাই
  3. মে- এপ্রিল
  4. ফেব্রুয়ারি- জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর জুলাই- জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট।
- সংসদে বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী।
- বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

অন্যদিকে,
-  ভারত, যুক্তরাজ্য, হংকং, কানাডা এবং দক্ষিণ আফ্রিকায় অর্থ বছর: এপ্রিল - মার্চ।

​উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো।

১৬,৮৯৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি নয়?
  1. ক) জাতীয়তাবাদ
  2. খ) সুযোগের সমতা
  3. গ) সমাজতন্ত্র ও শোষণ মুক্তি
  4. ঘ) গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
▪ ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
▪ বাংলাদেশ সংবিধানে রয়েছে ১টি প্রস্তাবনা, ১১টি ভাগ, ৪টি তফসিল ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ ।

বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।সেগুলো হলোঃ
 ১. জাতীয়তাবাদ
 ২. সমাজতন্ত্র ও শোষণ মুক্তি
 ৩. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
 ৪. ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা
▪ সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
 
তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬,৮৯৮.
মারমা ভাষায় নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র -
  1. ক) জলকন্যা
  2. খ) পাহাড়ের দেবী
  3. গ) গিরিকন্যা
  4. ঘ) পাহাড়ের রানী
ব্যাখ্যা
• গিরিকন্যা:
- মারমা জনগোষ্ঠীর প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে মারমা ভাষায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘তংস্মাসে’ “গিরিকন্যা”।
- ‘গিরিকন্যা’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ
- এই চলচ্চিত্রের প্রযোজক মং উষা থোয়াই মারমা একজন প্রবীণ চিকিৎসক।
- তংস্মাসে বা গিরিকন্যা হিসেবে অভিনয় করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নাট্যকলার ছাত্রী এমেপ্রু মারমা।
- ‘এই চলচ্চিত্রে কোনো তারকা শিল্পী নেই। আছে পাহাড়ের মানুষের ভালোবাসা, প্রকৃতিপ্রেম আর দৃঢ়তা।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১৬,৮৯৯.
বাংলাদেশ সরকারি কর্মবিভাগ পুনর্গঠন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?
  1. ১২৫ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
₻ কর্মবিভাগ
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের জন্যে আইনের দ্বারা এক বা একাধিক কর্মকমিশন গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই বিধান অনুসারে ‘বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি)’ গঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে,
- ১৩৬ নং অনুচ্ছেদ : কর্মবিভাগ পুনর্গঠন
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ : কর্মকমিশন সদস্যদের নিয়োগ।
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদ : কর্মকমিশনের সদস্যদের পদের মেয়াদ।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬,৯০০.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বাদী ছিলেন কে?
  1. মুহিতুল ইসলাম
  2. শেখ রেহেনা
  3. তোফায়েল আহমেদ
  4. এম আর আক্তার মুকুল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের বিচার:
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১২ আসামিকে মৃত্যদন্ড প্রদান করে আদালত রায় প্রদান করে।
- অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে৷
- বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে ‍পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল কাহার আকন্দকে।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি করে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় ঢাকা সেনানিবাসে লেফট্যানেন্ট কর্নেল হিসেবে কর্মরত ছিলেন আমিন আহমেদ চৌধুরী।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।