বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬৮ / ৩০৬ · ১৬,৭০১১৬,৮০০ / ৩০,৮৩২

১৬,৭০১.
’গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখিত?
  1. ১৮নং
  2. ১৬নং
  3. ১৩নং
  4. ৯নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ১৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।

অন্যদিকে,
’মালিকানার নীতি’ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ১৩নং অনুচ্ছেদ।
’পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন’ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ১৮নং অনুচ্ছেদ।
’জাতীয়তাবাদ’ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ, ৯নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৬,৭০২.
১৯৯৭ সালে গঠিত জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটির সভাপতি -
  1. এ এস এইচ কে সাদেক
  2. আজাদ চৌধুরী
  3. মুস্তফা চৌধুরী
  4. শামসুল হক
ব্যাখ্যা
শামসুল হক শিক্ষা কমিশন, ১৯৯৭:
- কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭৪ সালে তাদের রিপোর্ট দাখিল করে।
- কিন্ত অনিবার্য কারণবশত এ কমিটির সুপারিশ যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়নি।
- শিক্ষাকে জাতীয় প্রয়োজনের সহিত সঙ্গতিপূর্ণ করা এবং জ্ঞানের সমসামায়িক উন্নয়নের সাথে সমন্বয়ের জন্য গুণগত পরিবর্তন করার জন্য সরকার প্রফেসর শামসুল হককে প্রধান করে ৫৬ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে।
- এই কমিটি দেশের জন্য প্রযোজ্য একটি কার্যসিদ্ধিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার লক্ষে একটি শিক্ষানীতি প্রণয়ন করে।
- এই কমিশনের রিপোর্ট মন্ত্রিপরিষদে দাখিল করা হলে তা পর্যালোচনা করার জন্য একটি মন্ত্রিপরিষদ কমিটি গঠন করা হয়।
- পরবর্তিতে মন্ত্রিপরিষদ কমিটি কর্তৃক রিভিউ  রিপোর্টটি জাতীয় সংসদে উপস্থাপন করা হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৭০৩.
মোঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ক) বাবর
  2. খ) হুমায়ুন
  3. গ) শাহজাহান
  4. ঘ) আকবর
ব্যাখ্যা

ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকে ভারতবর্ষের অরাজক রাজনৈতিক অবস্থার সুযোগ গ্রহণ করে জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবুর এদেশে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
তিনি মাত্র চার বছর রাজত্ব করেন।
রাজত্বকালের পুরো সময়েই তিনি যুদ্ধ বিগ্রহে ব্যস্ত ছিলেন।
তাই তিনি বংশধরদের জন্য একটি সুসংগঠিত রাজ্য রেখে যেতে পারেননি।
এ কারণে হুমায়ুন সিংহাসনে আরোহণ করার পরই বিপর্যয়ের সম্মুখীন হন।
দিল্লীর সিংহাসন তাঁর হাত-ছাড়া হয়ে যায়।
তবে দীর্ঘ পনের বছর পর হুমায়ুন দিল্লীর সিংহাসন পুনরুদ্ধারে সক্ষম হয়েছিলেন।
উৎসঃ ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত)।

১৬,৭০৪.
বাংলাদেশ ভূখণ্ডে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয় -
  1. ক) ১৮৬৯ সালে
  2. খ) ১৮৫৪ সালে
  3. গ) ১৮৯৯ সালে
  4. ঘ) ১৮৬২ সালে
ব্যাখ্যা
- ভারতীয় উপমহাদেশে ১৮৫৩ সালের ১৬ এপ্রিল লর্ড ডালহৌসির সময়ে মুম্বাইয়ে প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
- ডালহৌসির সময়েই ১৮৫৪ সালে হাওড়া থেকে হুগলি পর্যন্ত বাংলায় প্রথম রেললাইন স্থাপিত হয়।
- বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ভাইসরয় লর্ড এলগিনের সময়ে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর চুয়াডাঙ্গা দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতী পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার প্রথম রেলব্যবস্থা চালু হয়।
- জর্জ স্টিফেনসনের যুগান্তকারী প্রচেষ্টায় ১৮২৫ খ্রিস্টাব্দের ২৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বের প্রথম ইংল্যান্ডে রেলপথ ব্যবস্থা চালু হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৬,৭০৫.
গমের উন্নত জাত কোনটি?
  1. নয়নতারা
  2. সিন্দুরী
  3. বাহার
  4. বলাকা
ব্যাখ্যা
গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 

এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৬,৭০৬.
‘চেতনা ৭১’ ভাস্কর্যটি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

১৬,৭০৭.
বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে -
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
১৬,৭০৮.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি প্রকাশিত হয় কবে?
  1. ক) ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
  2. খ) ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  3. গ) ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  4. ঘ) ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
• পুস্তিকার নাম - ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’। 
• প্রকাশ - ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। 
• সম্পাদক -  অধ্যাপক আবুল কাশেম।
• অন্যান্য লেখক - কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ।  
• ‘তমদ্দুন মজলিশ’ এর প্রথম সভাপতি - দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ। 

বিঃদ্রঃ - ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে। আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর। 

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৭০৯.
অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ গভর্নর ছিলেন কে?
  1. ক) স্যার ফ্রেডেরিক বোর্ন
  2. খ) স্যার ব্যামফিল্ড ফোলার
  3. গ) ফ্রেডেরিক বারোজ
  4. ঘ) লর্ড অকল্যান্ড
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ গভর্নর ছিলেন স্যার ফ্রেডেরিক জন বারোজ।
তিনি ১৯৪৬-১৯৪৭ মেয়াদে বাংলার শেষ গভর্নর ছিলেন।
অন্যদিকে ব্যামফিল্ড ফুলার ছিলেন পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস)
১৬,৭১০.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো কতটি প্রধান স্তরে বিভক্ত?
  1. একটি
  2. দুটি 
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
 - বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো স্তরভিত্তিক।
- এর দুটি প্রধান স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।

-  মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১৬,৭১১.
'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম' সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. ২(ক)
  2. ৪(ক)
  3. ৫(১)
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রধর্ম:
- অনুচ্ছেদ ২ক এ রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে বলা আছে।
- [২ক। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন]

অন্যদিকে,
- ৩নং অনুচ্ছেদঃ রাষ্ট্রভাষা।
- ৪নং অনুচ্ছেদঃ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- ৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি।
- ৫৷ (১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৭১২.
সরকারি কোন সংস্থাটি খোলা বাজারে পণ্য-দ্রব্য বিক্রি করে?
  1. ক) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
  2. খ) ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ
  3. গ) বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্রেডিং কর্পোরেশন (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান যা ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি খোলা বাজারে সরকারের পক্ষ থেকে ন্যায্যমূল্যে বিভিন্ন পণ্য-দ্রব্যাদি বিক্রি করে থাকে।
এছাড়া বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির সরবরাহ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ করা, চাহিদা ও যোগানের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে আপদকালীন সময়ের জন্য বিভিন্ন পণ্য মজুদ করা, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী পণ্য আমদানি করা ইত্যাদি কার্যাদিও টিসিবি করে থাকে।
(সূত্রঃ টিসিবি ওয়েবসাইট)
১৬,৭১৩.
'বাসু বিহার' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার সীতাকোট বিহার এটি দিনাজপুরে অবস্থিত।
- সোমপুর বিহার বা পাহাড়পুর, হলুদ বিহার ও জগদ্দল বিহার নওগাঁ তে অবস্থিত।
- বাসু বিহার বগুড়ায় অবস্থিত।
- শালবন বিহার কুমিল্লায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত অধিদপ্তর।

১৬,৭১৪.
বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী (Seed Certification Agency):
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (১৯৭৩-৭৮) আওতায় বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় বীজের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে “বীজ অনুমোদন সংস্থা” নামে ২২ জানুয়ারী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের বাংলাভাষা বাস্তবায়ন কোষ কর্তৃক ২২ নভেম্বর ১৯৮৬ তারিখে এর নামকরণ “বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী” করা হয়।
- সরকারী ও বেসরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত ও বাজারজাতকৃত নোটিফাইড ফসল যথাঃ ধান, গম, পাট, আলু ও আখ ফসলের বীজ প্রত্যয়ন ও মান নিয়ন্ত্রণে এ সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সরকারী পর্যায়ে উৎপাদিত অনুমোদিত জাতের গুণগত মান যাচাই এবং বীজের মান উৎকর্ষতা নিরূপণ করতঃ বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ বা সার্টিফিকেট প্রদানের দায়িত্ব প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর উপর অর্পিত হয়।
- দেশে বীজ ফসলের জাত পরীক্ষাপূর্বক ছাড়করণ/নিবন্ধন থেকে শুরু করে মাঠ পরিদর্শন ও প্রত্যয়ন, পরীক্ষাগারে ও কন্ট্রোল ফার্মে বীজের মান পরীক্ষণ, প্রত্যয়ন ট্যাগ ইস্যুকরণ, মার্কেট মনিটরিং এবংমোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে বীজ আইন ও বিধিমালা লংঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ পর্যন্ত সংস্থাটির কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়েছে।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগার বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সীর প্রধান কার্যালয়, গাজীপুরে অবস্থিত।
- কেন্দ্রীয় বীজ পরীক্ষাগারে পাঁচটি শাখার মাধ্যমে বীজ পরীক্ষার কার্যক্রম পরিচালিত হয় ।
- আঞ্চলিক বীজ পরীক্ষাগার: ৭টি (ঢাকা, চট্রগ্রাম, রাজশাহী, বরিশাল, সিলেট, খুলনা ও রংপুর)।
- এ সংস্থার সকল কারিগরি কর্মকান্ড জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন- ২০১৮, বীজ বিধিমালা- ২০২০ এবং জাতীয় বীজ বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী সরকারিভাবে উৎপাদিত ও নিয়ন্ত্রিত ফসল যেমন- ধান, গম, পাট ও আলু বীজের প্রত্যয়নপূর্বক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে আসছে।

উৎস: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট।

১৬,৭১৫.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
-  ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো, ০১ নভেম্বর ২০১৪।

১৬,৭১৬.
তমুদ্দিন মজলিশের নেতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন?
  1. রসায়ন
  2. পদার্থবিজ্ঞান 
  3. রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  4. গনিত
ব্যাখ্যা

তমুদ্দিন মজলিশ:
-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তমুদ্দিন মজলিশ মূলত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ।
- তমুদ্দিন মজলিসের লক্ষ ছিল, কুসংস্কার দুর করে যুক্তিবাদের উপর সত্য সুন্দর ও মানবীয় মুল্যবোধ ভিত্তিক শিল্প ও সাহিত্যের মাধ্যমের দেশ ও সমাজ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র ছিল সাপ্তাহিক সৈনিক
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৭১৭.
বাংলাদেশে ২০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
৪ মার্চ, ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০০৮ সালে : ১০০০ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।

সূত্র: প্রথম আলো।
১৬,৭১৮.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. মানিকগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৬,৭১৯.
তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় কেন?
  1. ক) এরশাদের ক্ষমতাকে বৈধতা প্রদানের জন্য
  2. খ) বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তি জন্য
  3. গ) অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদানের জন্য
  4. ঘ) জিয়ার ক্ষমতাকে বৈধতা প্রদানের জন্য
ব্যাখ্যা

- ইনডেমনিটি হলো কোন বিচারকার্যকে বাধা প্রধান সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বা আইন। কোনো অভিযান বা অভ্যুত্থানের ক্ষয়ক্ষতি আদালতের বহির্ভূত রাখার জন্য আইনসভা যে বিল পাস করে তাকেই ইনডেমনিটি বিল বলে।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি করে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এরশাদ সরকারের জারিকৃত সকল প্রকার সামরিক আইন,অধ্যাদেশ,বিধি-নির্দেশ ইত্যাদিকে ও বৈধতাদানের উদ্দেশ্য ২য ইনডেমিনিটি বিলটি' ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীতে এটি অন্তর্ভুক্ত' করা হয়।
- ২০০২ সালের অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান করার জন্য ২০০৩ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৬,৭২০.
সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় কোন জেলায়?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) দিনাজপুর 
  4. ঘ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় ঢাকা  (২,80,15২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উৎপাদন হয় গাজীপুর (৯৫,৭৯৬ মেট্রিক টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় রাজশাহী (৪,১৭,৫৬২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন ঠাকুরগাও  (১,৮৩,৬১৭ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা  উৎপাদন রংপুর  (২১,৬৯,৩০৮ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন হয় দিনাজপুর (৫,৮৪,৯৮০ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় রাজশাহী (১৬,১০,২৩৭ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপাদন হয় নাটোর (৯,৬৮,০০৭.৯২ মে.টন)।

• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় রংপুর (২৩,৬০০.৮২ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি লিচু উৎপাদন হয় দিনাজপুর (১০,৬০৪ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১
১৬,৭২১.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু- 
  1. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  2. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. স্বাধীনতার ঘোষণা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ।

১৬,৭২২.
এস এম সুলতান একজন বিখ্যাত -
  1. ক) ভাস্কর
  2. খ) সেতার বাদক
  3. গ) বাউল সাধক
  4. ঘ) চিত্রশিল্পী
ব্যাখ্যা
- এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী।
- তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান ।
- তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ' ও 'চারুপীঠ' নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
- এস এম সুলতানের চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- হত্যাযজ্ঞ
- চরদখল
- সভ্যতার ক্রমবিকাশ
- ধান মাড়াই জমি কর্ষণ
- গ্রাম্য কাজিয়া মাঠ পরিস্কার
- ফসল সংগ্রহ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
১৬,৭২৩.
বাংলাদেশে বোনা আমন ধান কাটা হয়-
  1. ক) অগ্রহায়ণ মাসে
  2. খ) মাঘ- ফাল্গুন মাসে
  3. গ) চৈত্র-বৈশাখ মাসে
  4. ঘ) শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে
ব্যাখ্যা
আমন ধান মূলত দুই প্রকার; রোপা আমন ও বোনা আমন।
রোপা আমন অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয় বলে এর এরূপ নাম। রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়, শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয় এবং কার্তিক-অগ্রহায়ণ-পৌষ (এলাকাভেদে) মাসে ধান কাটা হয়।
বোনা আমন ছিটিয়ে বোনা হয়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে মাঠে বোনা আমনের বীজ বপন করা হয় এবং অগ্রহায়ণ মাসে পাকা ধান কাটা হয়। একে আছড়া আমন, বাওয়া আমন বা গভীর পানির আমনও বলা হয়।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)]
১৬,৭২৪.
The first tribal cultural academy of Bangladesh is located in -
  1. Netrokona
  2. Chittagong
  3. Gazipur
  4. Rangamati
ব্যাখ্যা
উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী:
- বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি নেত্রকোনার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
- গারো, হাজং, কোচ, বানাই, হদি, মান্দাই প্রভৃতি নৃগোষ্ঠী অনাদিকাল থেকে নিজস্ব জীবন ও সমাজ তথা ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি লালন করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে বসবাস করে আসছে।
- এই সকল নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির চর্চা, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রথম পরিচালক ছিলেন সিস বিভা সাংমা।
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর চারটি শাখা রয়েছে: ক) সংস্কৃতি খ) গবেষণা গ) লাইব্রেরি ও ঘ) জাদুঘর।
- এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১৬,৭২৫.
'হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু' গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) আপেল মাহমুদ
  2. খ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  3. গ) আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  4. ঘ) আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• বীর মুক্তিযোদ্ধা, চলচিত্র পরিচালক, প্রযোজক, রচয়িতা, গীতিকবি ও সুরকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২ সেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে।
• ‘জয় বাংলা বাংলার জয়’ গানের গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার। 
• তার কালজয়ী কিছু গান:-
- হে বন্ধু বঙ্গবন্ধু
- একবা যেতে দে না আমায়,
- একতারা তুই দেশের কথা,
- গানেরি পাতায় স্বরলিপি,
- চোখ যে মনের কথা বলে,
- আকাশের হাতে আছে একরাশ নীল,
- আছেন আমার মোক্তার,
- ভেঙ্গেছে পিঞ্জর মেলেছে ডানা,
- সবাই তো ভালবাসা চায়,
- ঢাকা শহর আইসা আমার ইত্যাদি।  

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।
১৬,৭২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ৫১ নং
  2. ৫২ নং
  3. ৫৩ নং
  4. ৫৪ নং
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫১ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা আছে।
- অনুচ্ছেদ ৫১ (১) অনুযায়ী এই সংবিধানের ৫২ অনুচ্ছেদের হানি না ঘটিয়ে রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন কতে গিয়ে কিংবা অনুরূপ বিবেচনায় কোন কার্য করে থাকলে তাঁকে কোন আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না, তবে এই দফা সরকারের বিরুদ্ধে কার্যধারা গ্রহণে কোন ব্যক্তির অধিকার ক্ষুন্ন করবে না।
- অনুচ্ছেদ ৫১ (২) অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন প্রকার ফৌজদারী কার্যধারা দায়ের করা যাবে না এবং তাঁর গ্রেফতার বা কারাবাসের জন্য কোন আদালত হতে পরোয়ানা জারী করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ: অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 
- ৫৪ নং অনুচ্ছেদ: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,৭২৭.
বাংলাদেশের উপজেলা নামকরণ হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৮২
  2. খ) ১৯৮৩
  3. গ) ১৯৮৫
  4. ঘ) ১৯৮৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে থানার পরিবর্তে উপজেলা নামকরণ করা হয়-১৪ মার্চ ১৯৮৩।
- উপজেলার প্রধান কর্মকর্তা হন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৬,৭২৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ৭২ নং
  2. ৭৩ নং
  3. ৭৪ নং
  4. ৭৫ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান: 
- সংবিধানের ৭৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 

সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী:
(১) রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান এবং বাণী প্রেরণ করতে পারবেন।
(২) সংসদ-সদস্যদের প্রত্যেক সাধারণ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় এবং প্রত্যেক বৎসর প্রথম অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দান করবেন।
(৩) রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত ভাষণ শ্রবণ বা প্রেরিত বাণী প্রাপ্তির পর সংসদ উক্ত ভাষণ বা বাণী সম্পর্কে আলোচনা করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,৭২৯.
সিপাহী মোস্তফা কামালকে কোথায় সমাহিত করা হয়?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ
  3. মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান
  4. যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে
ব্যাখ্যা
• সিপাহী মোস্তফা কামাল:
- সেক্টর: ২ নং,
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
 - জন্মস্থান: ভোলা জেলায় দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে। 
- সমাধি স্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।

অন্যদিকে,
• ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- সেক্টর: ৭ নং,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)।
- সমাধিস্থল: চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণ।

সিপাহী হামিদুর রহমান:
- সেক্টর: ৪ নং,
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থান

• ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান,
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী,
- মৃত্যু: ২০ আগস্ট, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থান।

• নূর মোহাম্মদ শেখ:
- সেক্টর: ৮ নং,
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।
- সমাধিস্থল: যশোরের কাশিপুর নামক স্থানে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৭৩০.
ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী যাওয়ার আন্তঃমহানগরীয় ট্রেনটির নাম-
  1. ক) এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস
  2. খ) পারাবত এক্সেপ্রেস
  3. গ) উপকূল এক্সপ্রেস
  4. ঘ) সৈকত এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
According to the website of BR এগারো সিন্দুর এক্সপ্রেস ঢাকা-কিশোরগঞ্জ, পারাবত এক্সপ্রেস ঢাকা-সিলেট এবং উপকূল এক্সপ্রেস ঢাকা-নোয়াখালি রুটে চলাচল করে।
১৬,৭৩১.
বাংলায় মুসলমান শাসকদের মধ্যে কে সর্বপ্রথম নৌবাহিনীর গোড়াপত্তন করেছিলেন?
  1. আলী মর্দান খলজি
  2. গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি
  3. মুহম্মদ শিরান খলজি
  4. আলাউদ্দিন জানি
ব্যাখ্যা
গিয়াসউদ্দিন ইওজ খলজি ১২১২ থেকে ১২২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১৫ বছর স্বাধীন সুলতান হিসেবে বাংলা শাসন করেন।
তিনিই সর্বপ্রথম বাংলায় নৌবাহিনী গঠন করেন। নিজের নামে মুদ্রা চালু করেন।
তিনি তাঁর পূর্বের শাসক আলি মর্দান খলজির মতো স্বাধীন শাসক ছিলেন।
১২২৭ খ্রিষ্টাব্দে যুবরাজ নাসিরুদ্দিন মাহমুদ লখনৌতি আক্রমণ করলে ইওজ খলজি পরাজিত ও নিহত হন।
[উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
১৬,৭৩২.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে জুম চাষ প্রচলিত আছে?
  1. ক) খুলনা অঞ্চল
  2. খ) রাজশাহী অঞ্চল
  3. গ) কুমিল্লা অঞ্চলে
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
জুষ চাষ হলো স্থানান্তর চাষাবাদ যা সাধারণত পাহাড়ী এলাকায় করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঢালু পাহাড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা এখনো কিছু কিছু এলাকায় জুষ চাষ করে। এছাড়া সিলেট অঞ্চলে খাসিয়া এবং ময়মনসিংহে গারোদের মধ্যেও জুম চাষ প্রচলিত ছিলো। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬,৭৩৩.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন? 
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি 
ব্যাখ্যা

• Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি। 
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা। 
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

তথ্যসূত্র: 
i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
iii) বাংলাপিডিয়া। 

১৬,৭৩৪.
বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ২৬ জুলাই
  2. খ) ২৭ জুলাই
  3. গ) ২৮ জুলাই
  4. ঘ) ২৯ জুলাই
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাঘ দিবস:
- প্রতিবছর ২৯ শে জুলাই বিশ্বজুড়ে 'বিশ্ব বাঘ দিবস' উদযাপন করা হয়।
- বাঘ সংরক্ষণের প্রচেষ্টাকে উৎসাহিত করতে রাশিয়ায় অনুষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক শীর্ষ সম্মেলনে, অর্থাৎ সেন্ট পিটার্সবার্গ টাইগার সামিটের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন হতে ২০১০ সাল থেকে এই দিনটি উদযাপিত হচ্ছে।
- টাইগার রেঞ্জ এর গর্বিত সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর বাঘ সংরক্ষণের জন্য প্রতিবছর দিনটি উদযাপন করছে।
- বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালন করা হলেও বাঘ টিকে আছে বিশ্বে এমন ১৩টি দেশে বাঘের ঘনত্ব বেশি থাকায় এসব দেশে গুরুত্ব সহকারে দিবসটি পালন করা হয়।
- বাংলাদেশে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বাঘ করি সংরক্ষণ, সমৃদ্ধ হবে সুন্দরবন’।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৬,৭৩৫.
সিরাজউদ্দৌলা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন কবে? 
  1. ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৪৬ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৬৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

• সিরাজউদ্দৌলা:
- আলীবর্দী খানের কোনো পুত্র ছিল না।
- তার তিন কন্যা আমেনা, ময়মুনা ও ঘষেটি ।
- ময়মুনা ও আমেনার দুই পুত্র ছিল।
- কিন্তু ঘষেটি বেগমের কোনো পুত্র ছিল না।
- আলীবর্দী খান আমেনার পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন।
- এ কারণে তাঁকেই তাঁর জীবিতকালে বাংলার নবাব পদে মনোনীত করে যান।
- আলীবর্দী খান দৌহিত্য ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- সিরাজ ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর পিতার নাম মির্জা মুহম্মদ হাসিম মইনুদ্দীন খান।
- ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয়।
- তখন ১৭৫৬ সালে সিরাজউদ্দৌলা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৭৩৬.
লালন ফকিরের জন্মস্থান কোথায়?  
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) মাগুরা
ব্যাখ্যা
- লালন ফকির ১৭৭২ সালে (১১৭৯ বঙ্গাব্দের ১ কার্তিক) ঝিনাইদহ জেলার হরিশপুর গ্রামে (মতান্তরে ভাঁড়রা গ্রাম, কুমারখালী, কুষ্টিয়া) জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক। 
- বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এই বাঙালি লালন সাঁই, লালন শাহ ও মহাত্মা লালন নামেও পরিচিত।
- তার গানের মাধ্যমেই উনিশ শতকে বাউল গান বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করলে তাকে বাউল সম্রাট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৭৩৭.
বিবিএসের SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি লাখে মাতৃমৃত্যু হার কত?
  1. ক) ১৫৯ জন
  2. খ) ১৬৫ জন
  3. গ) ১৬৯ জন
  4. ঘ) ১৯১ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে প্রতি এক লক্ষ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার ১৬৫ জন। গ্রামে এই হার প্রতি লাখে ১৯১ জন এবং শহর অঞ্চলে ১২৩ জন। ২০১৮ সালে প্রতি লাখে মাতৃ ‍মৃত্যুহার ছিলো ১৬৯ জন।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2019)
১৬,৭৩৮.
’জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২১(২)
  2. ১৯(৩)
  3. ২২
  4. ২৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- সুযোগের সমতা ১৯(১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন৷
- (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
 - ১৯(৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৬,৭৩৯.
মুদ্রাস্ফীতির ফলে একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে কোনটি ঘটে?
  1. কম অর্থ ব্যয় হয়
  2. সমান অর্থ ব্যয় হয়
  3. সঞ্চয় বৃদ্ধি পায়
  4. অধিক অর্থ ব্যয় হয়
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এছাড়াও,
⇒ অতি মুদ্রাস্ফীতি নিম্নলিখিত প্রভাব সৃষ্টি করে:
• সঞ্চয় হ্রাস করে
• বিনিয়োগ হ্রাস করে।
• অর্থনৈতিক পছন্দগুলিকে বিকৃত করে।
• আয়ের বৈষম্য আরও বাড়ায়।

তথ্যসূত্র -  অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

১৬,৭৪০.
বর্তমান বরিশাল জেলা প্রাচীন কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. রাঢ়
  2. চন্দ্রদ্বীপ
  3. সমতট
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন বাংলায় একটি ক্ষুদ্র জনপদের নাম হলো চন্দ্রদ্বীপ।
- বর্তমান বরিশাল জেলাই ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখণ্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
১৬,৭৪১.
ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী কোন দেশ? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. ভিয়েতনাম
  2. চীন
  3. ভারত
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী ভিয়েতনাম।

দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:

- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।
- জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত বাংলাদেশ জাপানে রপ্তানি করে ১৩০৮.৮৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) জোট হিসেবে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজার।
- মোট রপ্তানি আয়ের ৫০ শতাংশের বেশি আসে ইইউ অঞ্চল থেকে। 
- বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ তৈরি পোশাক।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের প্রধান প্রতিযোগী দেশ ভিয়েতনাম।
- ২০২৩ সালে যেখানে ইইউতে ভিয়েতনামের রপ্তানি ছিল ৫ হাজার ৭০ কোটি মার্কিন ডলার, সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ২ হাজার কোটি ডলার। 

উল্লেখ্য,
⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়নে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ স্থানে রয়েছে চীন। 
- ২য় শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।
- বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।

উৎস: i) প্রথম আলো। [link]
ii) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৬,৭৪২.
বঙ্গবন্ধু সেতুতে যান চলাচল শুরু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। 
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
 - এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। 
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- বঙ্গবন্ধু সেতু যা বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
১৬,৭৪৩.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করেন -
  1. বিচারপতি মাজদার হোসেন
  2. বিচারপতি আবু সাঈদ
  3. বিচারপতি মোহাম্মদ সালেহ
  4. বিচারপতি মো. মেসবাহউদ্দিন
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করেন বিচারপতি মো. মাজদার হোসেন।

উল্লেখ্য, 

- ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর, তাঁর দায়ের করা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে।
- এই রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের প্রশাসনিক ক্যাডার থেকে আলাদা করে একটি স্বাধীন জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়।
- আদালত আরও নির্দেশ দেয় যে, বিচারকদের নিয়োগ, বদলি ও শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- এই রায় বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় মাইলফলক হয়ে ওঠে।
- পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন কার্যকর করে পৃথকীকরণ বাস্তবায়ন শুরু করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৭৪৪.
জিন্নাহর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ এর মূলভিত্তি ছিল -
  1. ক) পাকিস্তান জাতীয়তাবাদ
  2. খ) ভারতীয় জাতীয়তাবাদ
  3. গ) বাঙ্গালি জাতীয়তাবাদ
  4. ঘ) লাহোর প্রস্তাব
ব্যাখ্যা
জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব
• জাতিতত্ত্বের বিশ্লেষণে একটি জনগোষ্ঠীকে তখনই জাতি বলা যায়, যার ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, মনন, কৃষ্টি, ধর্ম এমনকি অর্থনীতি একটি একক সত্তায় পরিণতি লাভ করে।
• তবে মুসলিম লীগ সভাপতি এবং পরবর্তীতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের হিন্দু ও মুসলমান এ দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। এটিই মূলত জিন্নাহর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ বা 'Two Nations Theory' র মূলকথা।
• জিন্নাহর ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব বা পাকিস্তান প্রস্তাবের মূলভিত্তি। যদিও লাহোর প্রস্তাবে ‘পাকিস্তান’
কিংবা ‘দ্বিজাতি তত্ত্বের’ কথা উল্লেখ ছিল না।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৭৪৫.
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করা হয় কবে?  
  1. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  2. ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  3. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ 
  4. ১ জানুয়ারি, ২০২৬ 
ব্যাখ্যা

• সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন: 
- বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করা হয়। 
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। 
- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। 
- সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয়ের উদ্বোধন করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।  


উল্লেখ্য, 
- সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের অধস্তন আদালত ও ট্রাইবুনালের ওপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ কার্যকরভাবে পালনের জন্য একটি আলাদা সচিবালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও ইত্তেফাক।

১৬,৭৪৬.
সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানীর নাম কী ছিল?
  1. গৌড়
  2. সোনারগাঁও
  3. জাহাঙ্গীরনগর
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• সোনারগাঁও - বাংলার প্রাচীন রাজধানী
- নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে সোনারগাঁও অবস্থিত।
- সবুজ বন-বনানী আর অনুপম স্থাপত্যশৈলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য়ের নান্দনিক ও নৈসর্গিক পরিবেশে ঘেরা বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁও।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
- পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
- সুলতানি আমলে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে এবং সর্বশেষ  রাজধানী গৌড় ছিল। সে আলোকে গৌড়  উত্তর নেওয়া হয়েছে।


এছাড়াও,
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- পানাম নগরের নির্মিত ভবনগুলো ছোট লাল ইট দ্বারা তৈরী।
- ইমারতগুলো কোথাও একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন, আবার কোথাও সন্নিহিত।
- অধিকাংশ ভবনই আয়তাকার এবং উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত।দীর্ঘ একটি সড়কের উভয় পাশে দৃষ্টিনন্দন ভবন স্থাপত্যের মাধ্যমে পানামনগর গড়ে উঠেছিল।
- উভয় পাশে মোট ৫২টি পুরোনো বাড়ী এই ক্ষুদ্র নগরীর মূল আকর্ষণ।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া (লিংক)।
১৬,৭৪৭.
মরমি কবি বলা হয় কাকে?
  1. লালন শাহ
  2. আব্দুল করিম
  3. হাসন রাজা
  4. মনসুর বয়াতি
ব্যাখ্যা
হাসন রাজা মরমি কবি ও সাধক হিসেবে পরিচিত। তার প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী। তিনি ১৮৫৪ সালের ২৪ জনিুয়ারি সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালের ৭ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তিনি আঞ্চলিক ভাষা প্রায় এক হাজার গান রচনা করেন।
তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রযেছে:
‘লোকে বলে, বলে রে, ঘর বাড়ী ভালা না আমার’
‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল’ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৬,৭৪৮.
মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী -
  1. তাজউদ্দীন আহমদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  4. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
→ মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত (অস্থায়ী) রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)।
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান (আবুল হাসানাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান)।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১৬,৭৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মানুষের গড় আয়ু কত বছর? 
  1. ৭৩.৩ বছর
  2. ৭৫.৩ বছর
  3. ৭২.৩ বছর
  4. ৭১.৩ বছর
ব্যাখ্যা

- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মানুষের গড় আয়ু ৭২.৩ বছর।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫
:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।

এছাড়াও,
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৬,৭৫০.
পাঙনরা কোন নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা?
  1. ওরাওঁ
  2. সাঁওতাল
  3. রাখাইন
  4. মণিপুরী
ব্যাখ্যা
পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।

পাঙন উপজাতি:

- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।

ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- ওরাও নৃগোষ্ঠীর মানুষ রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চলে বসবাস করে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৬,৭৫১.
মুজিবনগর সরকার কখন শপথ গ্রহণ করে?
  1. ক) ১০ই এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১৪ই এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১৭ই এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১লা এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
১৬,৭৫২.
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল -
  1. ২০২০-২০২৫
  2. ২০২১-২০৪০
  3. ২০২০-২০৪১
  4. ২০২১-২০৪১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০২১-২০৪১।

রূপকল্প ২০৪১:

- বাংলাদেশের ২য় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করা।
- রূপকল্প-২০৪১ চারটি প্রাতিষ্ঠানিক স্তম্ভ যথা: সুশাসন, গণতন্ত্র, বিকেন্দ্রীকরণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর প্রতিষ্ঠিত।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- ২০৪১ সালে বাংলাদেশে বিদ্যুতের চাহিদা হবে ৫১ হাজার মেগাওয়াট।
- ২০৪১ অবধি ৯.৯০% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৮৮ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০৪১ বাস্তবায়নে রাজস্বনীতি সম্পর্কিত চ্যালেঞ্জ হবে কর-জিডিপির অনুপাত
জিডিপির ২০% এ উন্নীত করা।
- দারিদ্র্য নিরসনের অভীষ্ট হল: ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ৩% বা এর নিচে নিয়ে আসা
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল: ২০১০-২০২১।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১৬,৭৫৩.
বাঙালির জাতীয় ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  4. শিক্ষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
মুক্তি সংগ্রাম:
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
-ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- শাসনতন্ত্র আন্দোলন সংঘটিত হয়  ১৯৫৬ সালে।
- যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন সংঘটিত হয় ১৯৫৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৭৫৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা' নিয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৭ নং
  2. ১১ নং
  3. ১৬ নং
  4. ২২ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
⇒ সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে।
- ১৭ (ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদানের জন্য;
- ১৭ (খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
- ১৭(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

অন্যদিকে,
- ১১ নং অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার,
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ২২ নং অনুচ্ছেদ: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬,৭৫৫.
বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা কে প্রবর্তন করেন?
  1. কর্নওয়ালিস
  2. ক্লাইভ
  3. জন মেয়ার
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা:
- বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন লর্ড কর্নওয়ালিস।

উল্লেখ্য,
- গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন।
- ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এটি ছিল ইংরেজদের একটি সাম্রাজ্যবাদী বিধিব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয় ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [link]
১৬,৭৫৬.
বহির্বিশ্বে মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে কাকে নিয়োগ করা হয়?
  1. বিচারপতি এস. এ. রহমান
  2. হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. বিচারপতি আবু সাদাত সায়েম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের বিশেষ দূত:
- ১৯৭০-৭১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য দ্বারা মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ।
- মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, স্টকহোম) বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে।
- এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে।
- এই সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমতসৃষ্টি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৭৫৭.
উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কার শাসনামলে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড মেয়ো
  3. লর্ড রিপন 
  4. লর্ড  ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• লর্ড মেয়ো:
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ - ৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- তিনি মেয়ো-র পঞ্চম আর্ল-এর পুত্র।
- পিতার উত্তরাধিকারী ষষ্ঠ আর্ল ভারতে আসেন লর্ড মেয়ো হিসেবে এবং তাঁর অব্যবহিত পূর্বসূরিদের অনুসৃত অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার নীতি অব্যাহত রাখেন।

উল্লেখ্য,
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি লর্ড মেয়োর শাসনামলে অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৮৭২ সালে লর্ড মেয়োর উদ্যোগে এই প্রথম অ-সমলয় আদমশুমারি পরিচালিত হয়েছিল।
- তিনি ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৭৫৮.
মুজিবনগর দিবস কবে?
  1. ক) ৭ এপ্রিল
  2. খ) ১০ এপ্রিল
  3. গ) ১৪ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
৭ এপ্রিল - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
১০ এপ্রিল - বিশ্ব হোমিওপ্যাথিক দিবস।
১৪ এপ্রিল - বাংলা নববর্ষ।
১৭ এপ্রিল - মুজিবনগর দিবস।

উৎস: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
১৬,৭৫৯.
’এক ব্যক্তি এক ভোট’ কী?
  1. প্রতিপাদ্য বিষয়
  2. দলীয় কর্মসূচী
  3. নির্বাচন পদ্ধতি
  4. নির্বাচনের স্লোগান
ব্যাখ্যা
• এক ব্যক্তি এক ভোট :
- নির্বাচনপদ্ধতির মধ্যে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হচ্ছে 'এক ব্যক্তি, এক ভোট' পদ্ধতি। '
- এক ব্যক্তি, এক ভোট' বর্তমানে সর্বত্র গৃহীত নীতি।
- এ পদ্ধতিতে একটি আসনের জন্য যেকোনো সংখ্যক প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।
- একজন ভোটার কেবল তাঁর পছন্দের প্রার্থীকে একটি ভোট দিবেন।
- প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে যিনি বেশি ভোট পাবেন তিনি নির্বাচিত হবেন।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৬,৭৬০.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. ওবায়দুল হাসান
  3. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  4. মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়: ৮ আগস্ট, ২০২৪ সালে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনুস।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান: রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২১ জন।
- নারী উপদেষ্টা: ৪ জন।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,৭৬১.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গৃহীত ই-কৃষি সেবা কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Rice Knowledge Bank
  2. খ) Online Fertilizer Recommendation Software
  3. গ) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী কৃষকদের ই-কৃষি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করেছে -
- কৃষকের জানালা
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
- কৃষি বাতায়ন
- বন্ধু ফোন
- Online Fertilizer Recommendation Software
- Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৬,৭৬২.
সংবিধানের কোন ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. প্রথম ভাগে
  2. দ্বিতীয় ভাগে
  3. তৃতীয় ভাগে
  4. চতুর্থ ভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।

এগুলো হলো:
প্রথম ভাগ : প্রজাতন্ত্র
দ্বিতীয় ভাগ : রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
তৃতীয় ভাগ : মৌলিক অধিকার
চতুর্থ ভাগ : নির্বাহী বিভাগ
পঞ্চম ভাগ : আইনসভা
ষষ্ঠ ভাগ : বিচার বিভাগ
সপ্তম ভাগ : নির্বাচন
অষ্টম ভাগ : মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
নবম ভাগ : বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
নবম-ক ভাগ : জরুরি বিধানাবলী
দশম ভাগ : সংবিধান সংশোধন
একাদশ ভাগ : বিবিধ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১৬,৭৬৩.
বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা
VAT:
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।
১৬,৭৬৪.
জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান, গোল্ড রে উইথ নেক রিবন ২০২২’-এ ভূষিত হয়েছেন কে?
  1. ক) ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক
  2. খ) ডা. জাফর উল্লাহ
  3. গ) ড. দিপু মনি
  4. ঘ) ড. আবুল বারকাত
ব্যাখ্যা
জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান, জাপানিজ স্টাডিজ বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ ড. আবুল বারকাত জাপান সরকারের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় খেতাব ‘অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান, গোল্ড রে উইথ নেক রিবন ২০২২’-এ ভূষিত হয়েছেন।
• বাংলাদেশের শিক্ষাজগতে জাপান-বিষয়ক বহুমুখী অধ্যয়নের ভিত্তি স্থাপনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে অধ্যাপক বারকাতকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
• ১৮৭৫ সালে জাপানের সম্রাট মেইজি দ্য গ্রেট-এর রাজকীয় এক ফরমানবলে দ্য অর্ডার অব দ্য রাইজিং সান খেতাব প্রবর্তন করা হয়, যা দেশটির ইতিহাসে প্রবর্তিত প্রথম কোনও খেতাব।
• এছাড়া বাংলাদেশের জাপান দূতাবাসে অবদান রাখায় দূতাবাসের সাবেক স্থানীয় কর্মী খান জাহাঙ্গীর আলম অর্ডার অব দ্য স্যাকরেড ট্রেজার, গোল্ড অ্যান্ড সিলভার রে সম্মাননা পাবেন।
• এছাড়া সমর ক্রুজ, আব্দুল গফুর, সুজিত কুমার বড়ুয়া ও পরিমল বড়ুয়া পাচ্ছেন ‘অর্ডার অব দ্য স্যাকরেড ট্রেজার, সিলভার রে’ সম্মাননা।

তথ্যসূত্র: লাইভ MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ডিসেম্বর, ২০২২
১৬,৭৬৫.
সম্প্রতি বঙ্গবন্ধুর নামে কোন দেশ তাদের একটি সড়কের নাম “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়ক” নামকরণ করে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সুদান
  3. গ) কিউবা
  4. ঘ) ফিলিস্তিন
ব্যাখ্যা

সম্প্রতি ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের হেবরন শহরের একটি সড়কের নামকরণ করা হচ্ছে “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়ক”। আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত অষ্টাদশ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিয়াদ মালিক।
উৎসঃ সাম্প্রতিক তথ্য। Live MCQ সাম্প্রতিক সমচার PDF এ নজর রাখুন।

১৬,৭৬৬.
মুদ্রা বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  2. ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন বোর্ড
  3. বাণিজ্যিক ব্যাংক
  4. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
- এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে।
- তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম।
- সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ। 
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৭৬৭.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ১৭ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা

• বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকাণ্ড:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুই শতেরও বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।

উল্লেখ্য,
- ২৫ মার্চ গনহত্যা চালায় পাকিস্তানী বাহিনী।
- যা অপারেসন সার্চ লাইট নামে অভিযান পরিচালনা করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৬,৭৬৮.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. ক) মুনীর চৌধুরী
  2. খ) হুয়ামুন আজাদ
  3. গ) আলতাফ মাহমুদ
  4. ঘ) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:

- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৭৬৯.
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো-
  1. পদ্মা রিফাইনারি লিমিটেড
  2. ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
  3. যমুনা রিফাইনারি লিমিটেড
  4. কর্ণফুলী রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- ১৯৬০ সালে খ্যাতনামা শিল্পোদ্যোক্তা জনাব আব্বাস খলিলি'র নেতৃত্বে সর্বপ্রথম একটি প্রকল্প আকারে তৈল শোধনাগার স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৬৩ কোম্পানী আইন ১৯১৩ অনুসারে পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী হিসেবে নিবন্ধিত হয়।
- ১৯৬৮ সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
-বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।

উৎস: ইস্টার্ণ রিফাইনারী লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৬,৭৭০.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে নিচের কোনটি ‘Geographical Indication (জিআই)’ সনদ লাভ করে?
  1. ক) কাঁকড়া
  2. খ) হিমসাগর আম
  3. গ) ইলিশ
  4. ঘ) চিংড়ি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালের ১৭ নভেম্বর জামদানি শাড়ি ‘Geographical Indication (GI)’ বা ভৌগোলিক নির্দেশক সনদ লাভ করে। ২০১৭ সালে দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে ইলিশ মাছ এবং ২০১৯ সালে তৃতীয় পণ্য হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ক্ষীরসাপাত আম বা হিমসাগর আম জিআই সনদ লাভ করে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ সংস্থা এর প্রতিনিধি হিসেবে প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর জিআই সনদ প্রদান করে থাকে।
[সূত্রঃ প্যাটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর, জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক কালেরকণ্ঠ]
১৬,৭৭১.
রাজনৈতিক দলের মুখ্য উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. জনগণের সেবা করা
  2. রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ ও সরকার গঠন করা
  3. উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা
  4. সমাজে সংস্কার আনা
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দল: 
- রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ ও সরকার গঠন প্রতিটি রাজনৈতিক দলের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করে এবং নিজেদের কর্মসূচি ও মতাদর্শ বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে। 
- ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দল নিজেদের অবস্থান ধরে রাখার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকে। 
- অন্যদিকে, বিরোধী দলগুলো শাসক দলের ব্যর্থতা তুলে ধরে জনমত গঠন করে এবং দলীয় আদর্শের ভিত্তিতে ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টা চালায়। 
- এভাবেই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৭৭২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি কোনটি?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল
  2. সিলেট বনাঞ্চল
  3. মধুপুর ও ভাওয়াল বনাঞ্চল
  4. সুন্দরবন বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল:
- বাংলাদেশের বৃহত্তম বনভূমি হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চল।
- দেশের মোট বনভূমির ৪০ শতাংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে।
- সারা দেশে যে পরিমাণে বৃক্ষ বেড়েছে, তার ৭৮ শতাংশ চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামে।
- বৃক্ষের বেশির ভাগই প্রাকৃতিক বন কেটে ও কৃষিজমিতে রোপণ করা ফলবাগান ও কাঠবাগান।
- দেশের মোট বনভূমি ও জীববৈচিত্র্যের বড় অংশ রয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামে।
- হাতি, চিতাসহ দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী সেখানে এখনো বাস করে।

উল্লেখ্য,
- বৃহত্তম একক বনভূমি সুন্দরবন।

তথ্যসুত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ২২ মার্চ ২০২২।
১৬,৭৭৩.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ হয়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খাগড়াছড়ি
  3. টাঙ্গাইল
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি।
- জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত।
- জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।
- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে।
- পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়।
- এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৭৭৪.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট এর নির্বাচনী ইশতেহারে কয়টি দফা ছিল? 
  1. ১১টি 
  2. ২১ টি
  3. ২৬টি
  4. ৩১টি 
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৭৭৫.
হান্টার কমিশন-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. শিক্ষা সংস্কার
  2. দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মঘন্টা নির্ধারণ
  3. রাজস্ব আদায় বৃদ্ধি
  4. প্রশাসনিক কাঠামো প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
হান্টার কমিশন:
- ১৮৫৪ সালে উডের ডেসপ্যাচে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উন্নতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- কিন্তু এই ডেসপ্যাচের ভাবধারা কে অবহেলা করে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উপর গুরুত্ব না দিয়ে শুধু উচ্চশিক্ষা ও সরকারি স্কুল কলেজগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি একেবারেই হয় না।
- তাই সরকার প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করেন।

⇒ হান্টার কমিশন গঠন:
- এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৭৭৬.
লুসাই নৃ-গোষ্ঠী কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. হিন্দু
  2. খ্রিস্টান
  3. মুসলিম
  4. বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
লুসাই:
- লুসাই নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে: চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব), মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে), পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৭৭৭.
স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?
  1. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  2. লালবাগের কেল্লা
  3. সোনা মসজিদ
  4. শহীদ মিনার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের ডাকটিকিট:
- ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই  স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে একযোগে মুজিবনগর, কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ও লন্ডন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।
- প্রথমবার প্রকাশিত হওয়া ডাকটিকিটের সংখ্যা ছিল ৮টি।
- ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে প্রথম স্মারক ডাকটিকিট ২১ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২, প্রকাশিত হয়।
- প্রথম ডাকটিকিটটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী রঙের।
- ১০ পয়সা মূল্যের এই ডাকটিকিটের বার্তা হলো আমাদের ভূখণ্ড এবং দেশের পরিচয় বিশ্বকে জানানো।
- আর ডাকটিকিটে বাংলাদেশের মাঝ বরারর যাওয়া কর্কটক্রান্তি রেখা দেয়া হয়েছে। 

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।
- বাংলাদেশ ডাকবিভাগ ৭৩২ প্রকার ডাকটিকিট এবং ২৮টি সুভ্যেনির প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২৯ জুলাই জাতীয় ডাকটিকিট দিবস।  ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে 'জাতীয় ডাকটিকিট দিবস' পালিত হয়ে আসছে।

উৎস: i) ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট। [link]
         ii) জুলাই ২৯, ২০২১, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১৬,৭৭৮.
‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ গানটির গীতিকার কে?
  1. খান আতাউর রহমান
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আব্দুল গফফার চৌধুরী
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
• খান আতাউর রহমান:
- তিনি গীতিকার, সুরকার, সংগীত পরিচালক, চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিচালক ও অভিনেতা।
- ১৯২৮ সালের ১১ ডিসেম্বর মানিকগঞ্জ জেলার সিঙ্গাইর উপজেলার রামকান্তপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- চলচ্চিত্রের সঙ্গে খান আতাউর যুক্ত হন জং কারদার পরিচালিত ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ দিয়ে।
- 'জীবন থেকে নেয়া' চলচ্চিত্রের ‘এ খাঁচা ভাঙবো আমি কেমন করে’ কিংবা ‘এ কি সোনার আলোয়’, ‘এক নদী রক্ত পেরিয়ে’ এর মত জনপ্রিয় গানগুলো খান আতাউরের লেখা।
- খান আতাউর পরিচালনা শুরু করেন ১৯৬৩ সালে ‘অনেক দিনের চেনা’ চলচ্চিত্র দিয়ে।
- ১৯৯৭ সালে সর্বশেষ তিনি ‘এখনো অনেক রাত’ চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।
- একই বছর ১২ই ডিসেম্বর চলচ্চিত্রটি মুক্তির দিনও ধার্য করেছিলেন।
- কিন্তু তার আগেই ১ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

• তার পরিচালিত চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- ‘রাজা সন্ন্যাসী’,
- ‘আবার তোরা মানুষ হ’,
- ‘দিন যায় কথা থাকে’,
- ‘আরশি নগর’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা নিউজ টুয়েন্টি ফোর ও প্রথম আলো।
১৬,৭৭৯.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে? 
  1. ১৫১ নং
  2. ১৫২ নং
  3. ১৫৩ নং
  4. ১৪৫ নং
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে,

১৫২। (১) বিষয় বা প্রসঙ্গের প্রয়োজনে অন্যরূপ না হইলে এই সংবিধানে,

• "রাজনৈতিক দল" বলিতে এমন একটি অধিসঙ্ঘ বা ব্যক্তিসমষ্টি অন্তর্ভুক্ত, যে অধিসঙ্ঘ বা ব্যক্তিসমষ্টি সংসদের অভ্যন্তরে বা বাহিরে স্বাতন্ত্র্যসূচক কোন নামে কার্য করেন এবং কোন রাজনৈতিক মত প্রচারের বা কোন রাজনৈতিক তৎপরতা পরিচালনার উদ্দেশ্যে অন্যান্য অধিসঙ্ঘ হইতে পৃথক কোন অধিসঙ্ঘ হিসাবে নিজদিগকে প্রকাশ করেন;

• সংবিধানের বিভিন্ন টার্মের ব্যাখ্যা ও সংজ্ঞা দেওয়া আছে ১৫২ নং অনুচ্ছদে।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৭৮০.
নিচের কোনটি সামাজিক পরিবর্তনের জৈবিক উপাদান?
  1. নদীভাঙন
  2. শিক্ষা
  3. গড় আয়ু
  4. বন্যা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তন , দেশের আর্থসামাজিক, প্রাকৃতিক, জৈবিক , রাজনৈতিক, শিক্ষা, ধর্ম ও সংস্কৃতির , যোগাযোগ, প্রযুক্তি এবং শিল্পায়ন নগরায়ণ সহ বিভিন্ন বিষয়ের উপর নির্ভর করে।
• বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের প্রাকৃতিক উপাদান-
 -জলবায়ু পরিবর্তন,
- বৈশ্বিক উষ্ণতা,
- ভৌগোলিক পরিবর্তন,
- নদী ভাঙন,
- অতিবৃষ্টি,
- অনাবৃষ্টি,
- টর্নেডো ইত্যাদি।
• বাংলাদেশের সামাজিক পরিবর্তনের জৈবিক উপাদান- 
- জন্ম ও মৃত্যুহার,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব,
- গড় আয়ু,
- জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন।

উৎস:
  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম দশম শ্রেণি।
১৬,৭৮১.
‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০’ এর শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে-
  1. ক) আড়ং
  2. খ) ‘গোর’ ও ‘বিশ্বসুন্দরী’
  3. গ) বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়
  4. ঘ) দানব
ব্যাখ্যা

- ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২০’ এর শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছে ‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ চলচ্চিত্রতঁই।
- শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র: আড়ং।
- যৌথভাবে এবার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘গোর’ ও ‘বিশ্বসুন্দরী’।
- শ্রেষ্ঠ পরিচালক নির্বাচিত হয়েছে গাজী রাকায়েত।
- এবার আজীবন সম্মাননা প্রদান প্রদান করা হয়েছে আনোয়ারা বেগম ও রাইসুল ইসলাম আসাদ।

তথ্যসূত্র- দৈনিক ইনকিলাব।

১৬,৭৮২.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন সম্রাটের অনুমতি নিয়ে প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে?
  1. আওরঙ্গজেব 
  2. মুর্শিদকুলি খাঁ
  3. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. শাহবাজ খান
ব্যাখ্যা

ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

১৬,৭৮৩.
শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা দাবি ঘোষণা করেন কত তারিখে?
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ৬ এপ্রিল, ১৯৬৬
  4. ৭ জুন, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয়।
- ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়।
- এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii)  ৭ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
১৬,৭৮৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৭
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ১৪
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

১৬,৭৮৫.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্টের শাসনামলে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. জন এফ কেনেডি
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. বিল ক্লিনটন
  4. জিমি কার্টার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতদানকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন। 

- সেক্রেটারি অব স্টেট উইলিয়াম রজার্সের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।
- এছাড়া ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মুখ্য কর্মকর্তা হার্বার্ট স্পাইভ্যাক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা হস্তান্তর করেন এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী।
- শেখ মুজিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে ৯ এপ্রিল একটি চিঠি পাঠান যাতে তিনি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
- বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং ঢাকায় দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১৮ই মে। 

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, বাংলাদেশ।

১৬,৭৮৬.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. বেগম খালেদা জিয়া
  2. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
মেজর জিয়াউর রহমান:
- ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি তারিখে জিয়াউর রহমান ব্রিটিশ বেঙ্গলের বগুড়া জেলার নশিপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানের পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমিতে অফিসার ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক।
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত হন।
- ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন জিয়াউর রহমান ।
- তিনি ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল তিনবার রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন হয়।
- প্রথমে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশের ৮ম রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন। 
- ১৯৮১ সালের ৩০ মে মাত্র ৪৫ বছর বয়সে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে নিহত হন ক্ষণজন্মা সাবেক এই রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৭৮৭.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনাল
  4. ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।

⇒ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
১৬,৭৮৮.
স্বাধীনতা পুরস্কার প্রাপ্ত প্রত্যেককে কী পরিমাণ আর্থিক সম্মাননা দেওয়া হয়?
  1. চার লাখ টাকা
  2. সাড়ে চার লাখ টাকা
  3. পাঁচ লাখ টাকা
  4. সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৬,৭৮৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদটি নাগরিকদের চলাফেরার স্বাধীনতা সম্পর্কিত?
  1. অনুচ্ছেদ - ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৭
  3. অনুচ্ছেদ - ৩৮
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৯
ব্যাখ্যা

-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎস;- বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৭৯০.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হয়-
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ২০২০ সালে
  3. গ) ২০২১ সালে
  4. ঘ) ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালে বাংলাদেশর স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তিতে সুবর্ণজয়্তী উদযাপিত হচ্ছে।
- ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলো। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ হানাদার মুক্ত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ২৫ বছর পূর্তিতে রজতজয়ন্তী পালিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬,৭৯১.
নবাব স্যার সলিমুল্লাহর উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক অবদান কী ছিল?
  1. সিপাহী বিদ্রোহে নেতৃত্ব
  2. মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা
  3. মোহামেডান লিটারেরী সোসাইটি প্রতিষ্ঠা
  4. কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা
• নবাব স্যার সলিমুল্লাহ:
- ১৮৭১ সালের ৭ জুন ঢাকার বিখ্যাত নবাব পরিবারে খাজা সলিমুল্লাহ জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম নবাব খাজা আহসানউল্লাহ।
- নবাব পরিবারের মধ্যে সলিমুল্লাহ ছিলেন সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
- যৌবনকালে তিনি কিছুকাল ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে সরকারি চাকুরি করলেও পরে চাকুরিতে ইস্তফা দিয়ে সমাজকল্যাণমূলক কাজে আত্মনিয়োগ করেন।
- ১৯০১ সালে তাঁর পিতার মৃত্যু হলে জ্যেষ্ঠ পুত্র হিসেবে তিনি নবাবের পদসহ পারিবারিক কর্তত্ব লাভ করেন।
- ব্যক্তিগত জীবনে তিনি সৎ, সাহসী ও ধার্মিক ছিলেন।
- ১৯০৬ সালে ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে নবাব সলিমুল্লাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও নবাব সলিমুল্লাহ নানামুখী অবদান রাখেন।
- নবাব সলিমুল্লাহ ১৯১৫ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় মারা যান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৭৯২.
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ-
  1. ৪২ বিলিয়ন ডলার
  2. ৪৩ বিলিয়ন ডলার
  3. ৪৪ বিলিয়ন ডলার
  4. ৪৬ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
• ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের পরিমাণ ৪৪ বিলিয়ন ডলার।
১৬,৭৯৩.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২- এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত? 
  1. ১.৩২%
  2. ১.১২%
  3. ১.২২%
  4. ১.৭৯%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

উল্লেখ্য,
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস- ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস- ১০,০৬৭ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙ্গামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস ১০৬ জন।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

১৬,৭৯৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর:
- উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ বছরে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের মহাপরিকল্পনা নেয় সরকার।
- এই মহাপরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর সবচেয়ে বড়।
- চট্টগ্রামের মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় এ শিল্পনগরের অবস্থান।
- দেশের বৃহত্তম এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রায় ৩৩,৮০৫ একর জায়গার ওপর নির্মিত হচ্ছে।

সূত্র: ইনকিলাব, প্রথম আলো। 
১৬,৭৯৫.
শুধু জাতীয় সংসদের অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয় কোন চ্যানেলে -
  1. ক) সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন
  2. খ) বাংলাদেশ টেলিভিশন
  3. গ) দেশ টিভি
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ টিভি
ব্যাখ্যা
- শুধু জাতীয় সংসদের অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হয় কোন চ্যানেলে - সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন।
- তবে সংসদ অধিবেশন বন্ধ থাকলে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৫ টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উন্নয়ন ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হয়।

• সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন:

- ২০১১ সালের ২৫ জানুয়ারি নবম জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশনের প্রথম দিনের অধিবেশন সম্প্রচারের মাধ্যমে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়।
- ২০১০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সংসদের অধিবেশন সম্প্রচারের লক্ষ্যে এই চ্যানেল চালুর প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হয়।
- সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশন চ্যানেল জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি বিটিভির কারিগরি সহায়তায় সম্প্রচার করছে।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় এবং বিডিনিউজ২৪ পোর্টাল। 
১৬,৭৯৬.
২০০০ সালে প্রথমবারের মতো বিশ্বের মোট কতটি দেশ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালন করে?
  1. ১৮৫টি
  2. ১৮৬টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১৮৮টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
১৬,৭৯৭.
বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা কার নামে গৃহীত হয়?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) জাতীয় সংসদ
  4. ঘ) স্পীকার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার সর্বোচ্চ ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি। 
- সংবিধানের ৫৫(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী - 'সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা  রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হইয়াছে বলিয়া প্রকাশ করা হইবে'।
১৬,৭৯৮.
শাহ আমানত বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম-এর ICAO ID কোড কোনটি?
  1. CTEG
  2. SEAC
  3. CSAE
  4. VGEG
ব্যাখ্যা
শাহ আমানত বিমানবন্দর:
- ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম বিমানঘাঁটি নির্মাণ করা হয়।
- স্বাধীনতার পর এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যাত্রীবাহী ফ্লাইট চলাচলের সাথে অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দরে পরিণত হয়।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিমানবন্দর।
- বিমানবন্দরটি বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- ১৯৯০ সালে এটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ওঠে।
- এটি এম এ হান্নান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০০৫ সালের এপ্রিলে এর নাম পরিবর্তন করে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম করা হয়।
• এর ICAO ID কোড - VGEG.
• এর IATA কোড - CGP.
• এর Latitude - 221525.28N.
• এর Longitude - 0914919.95E.

তথ্যসূত্র - শাহ আমানত বিমানবন্দর ওয়েবসাইট।
১৬,৭৯৯.
জাতিসংঘের ‘‘Champion of the Earth'' খেতাব প্রাপ্ত কে?
  1. ক) হিলারি ক্লিনটন
  2. খ) থেরেসা মে
  3. গ) এজেলা মার্কেল
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
• United Nation Environment Programme (UNEP) - থেকে Champion of the Earth পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে এই পুরস্কার লাভ করেছেন।

তথ্যসূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।
১৬,৮০০.
ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ কাকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' বলে উল্লেখ করেছেন?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
  4. সিকান্দার শাহ
ব্যাখ্যা

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ইলিয়াস শাহ ১৩৪২ খ্রিস্টাব্দে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম বাংলার অধিপতি হয়ে ফিরোজাবাদে নিজের অবস্থানকে সুসংহত করে রাজ্য বিস্তারে মনোনিবেশ করেন।
- তিনি প্রথমে সাতগাঁও-এর দিকে রাজ্য সম্প্রসারণের চেষ্টা করেন।
- এজন্য তিনি ১৩৪৬ সালের মধ্যে সাতগাঁও সহ সমগ্র দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলায় নিজ আধিপত্য বিস্তার করেন।
- ইলিয়াস শাহ তাঁর রাজ্যের পশ্চিম সীমান্তে অবস্থিত ত্রিভৃত অধিকার করেন।
-তিনি ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপালে অভিযান করে ইলিয়াস শাহ অতঃপর পূর্ব বাংলায় একটি সাফল্যজনক বিজয়াভিযান প্রেরণ করেন।
- ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভকরেন।
- ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।