বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬৪ / ৩০৬ · ১৬,৩০১১৬,৪০০ / ৩০,৮৩২

১৬,৩০১.
কয়জন বিচারপতি নিয়ে সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ গঠিত হয়?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৬ জন
  3. গ) ৭ জন
  4. ঘ) ৮ জন
ব্যাখ্যা

সুপ্রিমকোর্টের দুটি বিভাগের একটি হলো আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সহ আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতির সংখ্যা ৬ জন।
তারা হলেন:
- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন (প্রধান বিচারপতি)
- বিচারপতি মোহাম্মদ ইম্মান আলী
- বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিক
- বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিক
- বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অবসরগ্রহণের সময়সীমা ৬৭ বছর।

সূত্রঃ সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

১৬,৩০২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন কে?
  1. এ.কে.এম. নূরুল ইসলাম
  2. কে.এম. নুরুল হুদা
  3. এম. ইদ্রিস
  4. চৌধুরী এ.টি.এম. মাসুদ
ব্যাখ্যা

প্রথম জাতীয় নির্বাচন:
- ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন।
- ১৯৭৩ সালে প্রথম জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার ছিলেন এম. ইদ্রিস।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে ৩০০টি সাধারন আসন ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসন।
- ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
- ৩১৫টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৮টি আসনে জয়লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট, পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৬,৩০৩.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীর বিক্রম' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা কে?
  1. সাইথুই মারমা
  2. ইউ. কে. চিং মারমা
  3. মং চিং সাইন
  4. রতন চাকমা
ব্যাখ্যা

• ইউ. কে. চিং মারমা:
- ইউ. কে. চিং মারমা ছিলেন মারমা সম্প্রদায়ের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি একমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত “বীর বিক্রম” খেতাব অর্জন করেন।
-  তিনি তৎকালীন East Pakistan Rifles (বর্তমানে Border Guards Bangladesh)-এর সদস্য ছিলেন।
-  মুক্তিযুদ্ধের সময় উত্তরাঞ্চলের রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেন।
-  বাংলাদেশ সরকার তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “বীর প্রতীক” খেতাবে ভূষিত করে।
-  তিনি মৃত্যুবরণ করেন ২৫ জুলাই ২০১৪ সালে।

তথ্যসূত্র: 
১. বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB), ঢাকা।
২. ডে৪ইলি স্টার । (Link) 

১৬,৩০৪.
মারী চুক্তিতে নিম্নের কোনটি উল্লেখ ছিল না?
  1. ক) পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে।
  2. খ) উভয় প্রদেশে ভিন্ন কারেন্সি থাকবে।
  3. গ) প্রদেশ দুটিতে পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন থাকবে।
  4. ঘ) উভয় প্রদেশে সংখ্যাসাম্য নীতি অনুসরণ করা হবে।
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান দ্বিতীয় গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৫৫ সালের ৭ জুলাই পশ্চিম পাকিস্তানের মারীতে
- দ্বিতীয় গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধান প্রণয়ন সম্পর্কে একটি চুক্তি সম্পাদন করেন, যা মারী চুক্তি' নামে খ্যাত।

এ চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল নিম্নরুপ - 
১. পাকিস্তানে দুটি প্রদেশ থাকবে। একটি গঠিত হবে ‘পূর্ব বাংলা' নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান’ নামে এবং পশ্চিম পাকিস্তানের সকল প্রদেশকে নিয়ে একটি ইউনিট গঠিত হবে এবং এর নাম হবে ‘পশ্চিম পাকিস্তান।
২. প্রদেশ দুটিতে পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা হবে।
৩. উভয় প্রদেশে সংখ্যাসাম্য নীতি’ (Principle of Parity) অনুসরণ ও কার্যকর করা হবে।
৪. যুক্ত নির্বাচন ব্যবস্থা কার্যকর হবে।
৫. বাংলা ও উর্দু উভয়ই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে।

- মারী চুক্তির ফলে পাকিস্তানের জন্য একটি সংবিধান প্রণয়নের সুযােগ সৃষ্টি হয়।

তথসুত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১৬,৩০৫.
দেশের প্রথম স্থায়ী ডিজিটলি ইপিআই সেন্টার স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) গাইবান্ধা
  5. ঙ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম স্থায়ী ডিজিটাল সম্প্রসারিত টিকাদান কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয় রংপুর সিটি কর্পোরেশনে । এটি ২০১৯ সালের ১৩ মে উদ্বোধন করা হয়। এটিতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে নিবন্ধনের ব্যবস্থার সঙ্গে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রাখা হয়।(সূত্রঃ দৈনিক সংগ্রাম)
১৬,৩০৬.
মাতৃপ্রধান পরিবার ব্যবস্থার প্রচলন কোন জাতিসত্তায় রয়েছে?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. গারো
  4. বম
ব্যাখ্যা

গারো:
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- আশ্বিন মাসে একেক গ্রামের মানুষদের সামর্থ্যানুযায়ী সাত দিন কিংবা তিনদিন ধরে এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতো।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

সূত্র: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

১৬,৩০৭.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুষ্টিয়া
  2. খ) চুয়াডাঙ্গা
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
১৬,৩০৮.
ঢাকা কত সালে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তরিত হয়?
  1. ১৮৬৪ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি (পৌরসভা) গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে এটিকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয় এবং ১৯৮৩ সালে একে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশন রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৪ সালে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে মোহাম্মদ হানিফ মেয়র নির্বাচিত হন। তিনি ২০০২ সালের ৪ এপ্রিল পর্যন্ত মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে ভেঙে ২টি পৃথক সিটিকর্পোরেশন করা হয়।

সেগুলো হচ্ছে -
১. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও
২. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন।

সূত্র:- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৬,৩০৯.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গণপরিষদের মোট কয়টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২২টি
  4. ২৩টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো ৯ মাস।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে গণপরিষদের মোট ২১ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬,৩১০.
সর্বোচ্চ কন্টেইনার জাহাজ আসার রেকর্ড করেছে কোন সমুদ্র বন্দর?
  1. পায়রা বন্দর
  2. মোংলা বন্দর
  3. চট্রগ্রাম বন্দর
  4. মাতারবাড়ি বন্দর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- এক মাসে আটটি কনটেইনারবাহী জাহাজ ভিড়িয়ে নতুন রেকর্ড করেছে মোংলা বন্দর।
- ২৯ এপ্রিল ১৮৬ মিটারের লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘মার্কস হাই পং’ জাহাজ বন্দরে আসে।
- তাতেই বন্দরের জেটিতে কনটেইনার আসার সর্বোচ্চ রেকর্ড অর্জন করে দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দরটি।
- চলতি মাসে সর্বোচ্চ আটটি জাহাজে ১৮৭৫ টিইইউজ কনটেইনারজাত মালামাল আমদানি-রফতানি হয়েছে।
- এসব বাণিজ্যিক জাহাজের মাধ্যমে ফেব্রিকস, মেশিনারি, আপেল, ট্রাই সাইকেল পার্টস, ইলেকট্রিক্যাল গুডস, হোয়াইট ক্লিংকার, ফার্টিলাইজার, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট, কপার ক্যাথোডস ইত্যাদি আমদানি এবং জুট, জুট গুডস, সিরিমপস, কার্বস, হোয়াইট ফিস, ক্লে টাইলস, ড্রাইড ফিস, মেশিনারি, গার্মেন্টস পণ্য, কটনইয়ার্ন রফতানি হয়েছে।’
- ‘এপ্রিল মাসে বন্দরের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর জেটিতে সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ কোটা টেনেগা, এমভি কোটা রানচাক, এমভি মার্কস ভিলাডিভসটক, এমভি মার্কস কুইনজু, এমভি মার্কস চট্টগ্রাম, এমভি মার্কস ঢাকা জেটিতে নোঙর করেছে। সবমিলে এক মাসে আটটি জাহাজ ভিড়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো। 
১৬,৩১১.
হাতে লেখা সংবিধানের পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল -
  1. ক) ১০৯ পৃষ্ঠা
  2. খ) ১১৫ পৃষ্ঠা
  3. গ) ১২০ পৃষ্ঠা
  4. ঘ) ১২৫ পৃষ্ঠা
ব্যাখ্যা
- হাতে লেখা  সংবিধানের পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল - ১০৯।
- সংবিধানের  অঙ্গসজ্জা কাযক্রম তত্ত্বাবধান করেন - জয়নুল আবেদীন।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
সংবিধানের  -
অঙ্গসজ্জা- হাশেম খান
লিপিকার- এ কে এম আব্দুর রউফ
অংকন- জুনাবুল ইসলাম, সমরজিত রায়, আবুল বারক আলভী।
চামড়ার কাজ- শাহ আবু শফি 
মুদ্রন - বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয় 
কভার মুদ্রন - ইস্টার্ন রিগান ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড,ঢাকা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১৬,৩১২.
সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে কী নামে অভিহিত করা হয়?
  1. ক) Walkout
  2. খ) Blackout
  3. গ) Stockout
  4. ঘ) Bailout
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের অধিবেশন চলাকালে সাময়িক সময়ের জন্য বিরোধী দলের সংসদ অধিবেশন ত্যাগ করাকে “ওয়াকআউট” (Walkout) বলে।
- সাধারণত বিরোধী দলের সদস্যরা সরকারি কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা স্পীকারের রুলিং-এর প্রতিবাদে সংসদ থেকে বের হয়ে আসেন।
- সরকারি দলের সদস্যরাও ওয়াকআউট করতে পারেন।
- সংসদীয় গণতন্ত্রে ওয়াকআউট সদস্যদের অধিকার বলে স্বীকৃত।
- বাংলাদেশের সংসদে বিরোধী দলের ঘন ঘন ওয়াকআউটের নজির রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ।

১৬,৩১৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের কোন জেলায় আখের উৎপাদন বেশি?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. যশোর
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

- মোট আখ উৎপাদন- ২,৯৩,৩৬,৯৪.৬৯ মে. টন
- মোট আখ আবাদ হয়েছে- ১,৬৭,৩৪৫.৩৪ একর। 

- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি আখ উৎপন্ন হয় - নাটোর জেলা (৯৩২,০০৬.৪২ মে. টন)
- নাটোর জেলা- ২০২৩-২৪ বছরে মোট ৫১,৫০৬.১৩ একর জমিতে আখের আবাদ হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৬,৩১৪.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস কবে?
  1. ক) ১ জুন
  2. খ) ১ আগস্ট
  3. গ) ১ জুলাই
  4. ঘ) ১ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জুলাই, ১৯২১ সালে। ১ জুলাই ২০২০ সালে শতবর্ষে পদার্পণ করবে।
উৎসঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১৬,৩১৫.
বঙ্গোপসাগরে ৮ম নৌবহর প্রেরণ করে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ভারত
  3. গ) চীন
  4. ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
বঙ্গোপসাগরে ৮ম নৌ-বহর প্রেরণ

১০ ডিসেম্বর ১৯৭১ ভারত আমেরিকার একটি বার্তায় জানতে পারে যে আরব সাগর হয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ম নৌ-বহর আসছে। মৈত্রী চুক্তির আলোকে ভারত সোভিয়েতের নিকট সহায়তা চায়। এসময় সোভিয়েত ইউনিয়ন তার ৮ম নৌবহর প্রেরণ করে। এই নৌ-বহরের অগ্রভাগে ছিল পারমাণবিক অস্ত্র সম্বলিত দুটি সাবমেরিন। যুদ্ধ জাহাজের আগমন জানতে পেরে ৭ম নৌ-বহর পিছিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৬,৩১৬.
কোন মুঘল সম্রাট ইংরেজ কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি প্রদান করেন?
  1. ক) দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
  2. খ) দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. গ) দ্বিতীয় আলমগীর
  4. ঘ) সম্রাট ফররুখশিয়র
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধে অযোদ্ধার নবাব সুজাউদ্দৌলা, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সহায়তায় গড়ে তোলা মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বিহারের বক্সার নামক স্থানে ইংরেজ বাহিনীর যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় তাই বক্সারের যুদ্ধ নামে খ্যাত। এ যুদ্ধে মীর কাশিম শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। ফলে ১৭৬৫ সালে মুঘল সম্রাট এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দেওয়ানি প্রদান করেন।
[সূত্রঃ ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত) এবং বাংলাপিডিয়া]
১৬,৩১৭.
পাট থেকে পলিথিন উদ্ভাবন করেন-
  1. মোবারক আহমদ খান
  2. বজলুর রহমান
  3. ইসমাইল হোসেন খান
  4. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা

- পাট থেকে পলিথিন উদ্ভাবন করেন মোবারক আহমদ খান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।
- পাট ও ছত্রাকের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন মাকসুদুল আলম।

১৬,৩১৮.
১৯৫৪ সালে নির্বাচনে মুসলমান আসনে কত শতাংশ ভোট পড়ে?
  1. ৪১.৬০%
  2. ৪৫.৬০%
  3. ৫১.৬০%
  4. ৩৭.৬০%
ব্যাখ্যা

• ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনী ফলাফল নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন।
- ফলে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে। 
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।
- ফলে, যুক্তফ্রন্ট মোট আসন লাভ করে ২১৫টি+৮টি+১৩টি=২৩৬টি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৩১৯.
বাংলাদেশ কততম দেশ হিসেবে কাগজবিহীন বাণিজ্য চুক্তি অনুসমর্থন করে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
কাগজবিহীন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর:
জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয় কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালের ১৯ মে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।
- ২৯ আগস্ট, ২০১৭ বাংলাদেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে।
- ১৩ অক্টোবর, ২০২০ বাংলাদেশ চতুর্থ দেশ হিসেবে চুক্তিটি অনুসমর্থন করে।
- ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ চুক্তিটি কার্যকর হয়।
উৎস: ESCAP ওয়েবসাইট।
১৬,৩২০.
কোন নারী ক্রীড়াবিদ ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪’ অর্জন করেছেন?
  1. নিগার সুলতানা
  2. শারমিন সুলতানা শিরিন
  3. সাবিনা খাতুন
  4. রানী হামিদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

নারী ক্রীড়াবিদ রানী হামিদ ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪’ অর্জন করেছেন।

বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:

- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।

⇒ সমাজ, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান,
- তাসলিমা আখতার,
- রাণী হামিদ,
- শিরিন পারভিন হক।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।
১৬,৩২১.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. নির্বাচন
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,৩২২.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মোট ভোটার সংখ্যা ছিলো কত?
  1. ২ কোটি ৮৪ লক্ষ
  2. ৩ কোটি ০১ লক্ষ
  3. ৩ কোটি ২২ লক্ষ
  4. ৫ কোটি ৬৪ লক্ষ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে সমগ্র পাকিস্তানের মোট ভোটার ছিলো ৫ কোটি ৬৪ লক্ষ। পূর্ব পাকিস্তানে ভোটার ছিলো ৩ কোটি ২২ লক্ষ।
- জাতীয় পরিষদের মোট আসন ছিলো ৩১৩টি যার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানে ছিলো ১৬৯টি।
- নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জাতীয় পরিষদে ১৬৭টি এবং পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে ২৯৮টি আসন লাভ করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,৩২৩.
শ্রমিকের সংখ্যা কত হলে সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. ১২০ জনের অধিক
  2. ৩০০ জনের অধিক
  3. ৫০০ জনের অধিক
  4. ১০০০ জনের অধিক
ব্যাখ্যা
বৃহৎ শিল্প: 
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, 
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে 'বৃহৎ শিল্প' (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে। 

- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে 'বৃহৎ শিল্প' বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২, শিল্প মন্ত্রণালয়।
১৬,৩২৪.
'অগ্নিশ্বর' কোন ফলের উন্নত জাত? 
  1. কমলা
  2. কলা
  3. আম 
  4. আনারস 
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উন্নত জাতের আনারস:
- জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উন্নত জাতের কমলা:
- রামরঙ্গন, বারি কমলা-১, বারি কমলা-২, বারি কমলা-৩, খাসি, ম্যান্ডারিন।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৬,৩২৫.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য কোনটি?
  1. ইক্ষু
  2. চা
  3. পাট
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

অর্থকরী ফসল:
- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন কটামা
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে, মোট পাট উৎপাদন হয় ৯৫,৮১,৫৮০ বেল এবং সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুুর জেলায়।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১৬,৩২৬.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে?
  1. ১৫ তম সংশোধনী
  2. ১২ তম সংশোধনী
  3. ১৩ তম সংশোধনী
  4. ১৪ তম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ২৫ জুন সংসদে পাস হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল।
- সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীতকরণ।
- সংবিধানের পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদ ৭-এর স্থলে ৭(১) এবং ৭(খ) যুক্ত করা হয়।
- যার উদ্দেশ্য অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের সমাপ্তি ঘটানো।

উল্লেখ্য,
- ১২ তম সংশোধনীতে, সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৪ তম সংশোধনীর মাধ্যমে নারীদের সংরক্ষিত আসন ৪৫টি  ১০ বছরের জন্য রাখা।
- ১৩ তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন। ( বাতিল করা হয়েছে)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৩২৭.
জাতীয় সংবাদ সংস্থা 'বাসস' যাত্রা শুরু করে - 
  1. ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস):
- বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থা।
- বাসস ১৯৭২ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে।
- পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপিপি) ঢাকা ব্যুরোকে নতুন দেশের জাতীয় সংবাদ সংস্থায় রূপান্তরিত করা হয়।
- ঢাকার প্রধান কার্যালয় এবং চট্টগ্রামে একটি ব্যুরো নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও বর্তমানে বিএসএসের রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া, খুলনা, বরিশাল, রাঙ্গামাটি এবং সিলেটেও ব্যুরো রয়েছে।
- জাতীয় সংবাদ সংস্থাটির প্রতিনিধিরা দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় নিয়োজিত রয়েছেন।
- সংস্থাটি প্রায় সার্বক্ষণিকভাবে জাতীয়, আন্তর্জাতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, উন্নয়নমূলক এবং অন্যান্য খবর প্রায় ৫০টি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়।
- বাসস আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি থেকে সংবাদ সংগ্রহ করে এবং ভারতের প্রেস ট্রাস্ট (পিটিআই), পাকিস্তানের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপিপি), চীনের সরকারি সংবাদ সংস্থা শিনহুয়া, মালয়েশিয়ার বারনামা এবং অস্ট্রেলিয়ার ট্রান্সডাটা সংস্থার সঙ্গে সংবাদ বিনিময় করে।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশের বাংলা পত্রিকার সংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাসস বাংলা সংবাদ পরিষেবা চালু করে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।

১৬,৩২৮.
What was the name of the first temporary capital of Bangladesh?
  1. Meherpur
  2. Mujib Nagar
  3. Sylhet
  4. Dhaka
ব্যাখ্যা
প্রথম অস্থায়ী রাজধানী:

- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী 'মুজিবনগর' মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভুখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৬,৩২৯.
কাকে মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত বলা হয়?
  1. ক) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. খ) সৈয়দ আহমদ খান
  3. গ) নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
  4. ঘ) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• মুসলিম রেঁনেসার অগ্রদূত:
- সৈয়দ আমীর আলী ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁর অগ্রদূত।
- ইসলামী ও পাশ্চাত্য জ্ঞানের অধিকারী আমীর আলী ছিলেন একজন সুলেখক।
- তিনি ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ক বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করেন।

• এসব গ্রন্থের মধ্যে দুটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ হচ্ছে -
(১) দি স্পিরিট অব ইসলাম এবং
(২) এ সর্ট হিস্টরি অব দি স্যারাসিন।
- এ গ্রন্থ দুটি পণ্ডিত হিসেবে আমীর আলীকে অমরত্ব দান করেছে।

- আমীর আলী তাঁর লেখায় ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা দান করেছেন।
- মুসলমানদের গৌরবময় অতীতের প্রতি বারংবার অঙ্গুলি নির্দেশ করে মুসলিম সমাজকে আত্মসচেতন করার চেষ্টা করেছেন।
- তাঁর এ চেষ্টায় হতাশাগ্রস্ত মুসলিম সমাজে প্রাণের সঞ্চার ঘটে।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৩০.
BSEC-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh Securities and Export Commission
  2. Bangladesh Securities and Exchange Commerce
  3. Bangladesh Securities and Exchange Commission
  4. Bangladesh Sell and Exchange Commission
ব্যাখ্যা
BSEC:
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নাম বিএসইসি।
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। 
- যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

উল্লেখ্য,
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে -
- ডিএসসি হচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ।
- সিএসই হচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

উৎস: BSEC ওয়েবসাইট।
১৬,৩৩১.
ব্ল্যাক বেঙ্গল নিম্নের কোন প্রাণীর উন্নত জাত?
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. ভেড়া
  4. মহিষ
ব্যাখ্যা
ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল:
- ব্ল্যাক বেঙ্গল একটি উন্নত জাতের ছাগল।
- এর আকার ছোট।
- পূর্ণবয়স্ক ছাগলের উচ্চতা ৫০ সেন্টিমিটার।
- দেহের বর্ণ মূলত কালো; তবে ধুসর, বাদামি বা সাদাও হয়।
- এদের কানের আকার ১১-১৪ সেন্টিমিটার এবং সামনের দিকে সুচালো।
- মব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পরিষ্কার, শুষ্ক এবং উঁচু জায়গায় থাকতে পছন্দ করে।
- বাংলাদেশের কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা এবং ঝিনাইদহ জেলায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।

উল্লেখ্য,
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলকে অন্যতম সেরা জাতের ছাগল বলা হয়।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল মাংস এবং চামড়ার জন্য বিখ্যাত।
- বিশ্ববাজারে এই প্রজাতির ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।
- ২০০৭ সালে এফএও বিশ্বের ১০০টি জাতের ছাগলের ওপরে গবেষণা চালিয়ে 'ব্ল্যাক বেঙ্গল'কে বিশ্বের অন্যতম সেরা জাত হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ২০১৮ সালে ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জেনোম সিকোয়েন্সিং বা পূর্ণাঙ্গ জীবন রহস্য উন্মোচন করেছে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীদের একটি দল।
- সম্প্রতি ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল জিআই স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) কালের কন্ঠ।
১৬,৩৩২.
কার সিংহাসনে আরোহণের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটে?
  1. ধর্মপাল
  2. দেবপাল
  3. মহীপাল
  4. গোপাল
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়। 
- রাজা গোপাল সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের। 
- সংস্কৃত শব্দ মাৎস্যন্যায়ের আক্ষরিক অর্থ ‘মাছের ন্যায়’।
- মাছেদের জগতে যেমন বড় মাছ ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে; তেমনি মানবসমাজে দুর্বলরা সবলদের হাতে, ক্ষমতাহীনরা শোষিত হয় ক্ষমতাবানদের হাতে।
- এভাবে অরাজকতা আর বিশৃঙ্খলা গ্রাস করে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে। 

উল্লেখ্য,
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- মাৎস্যন্যায়ের সময়টি ছিল মোটামুটিভাবে ৬৫০-৭৫০ সালের মধ্যকার প্রায় ১০০ বছর।
- রাজা গোপাল সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬,৩৩৩.
বিশ্বে তুলা আমদানিতে দ্বিতীয় শীর্ষদেশ কোনটি?
  1. বাংলাদেশ
  2. চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা
২০২০ সালে বিশ্বের শীর্ষ তুলা আমদানিকারক দেশসমূহ:
- প্রথম : চীন (২০ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : বাংলাদেশ (১১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : ভিয়েতনাম (৯.৮ শতাংশ)
- চতুর্থ : তুরস্ক (৬.২ শতাংশ)
- পঞ্চম : পাকিস্তান (৩.৪ শতাংশ)।
- বিশ্বে তুলা রপ্তানিতে শীর্ষদেশ : যুক্তরাষ্ট্র।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এক্সপোর্ট ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার)
১৬,৩৩৪.
কোন ব্যক্তির দায়ের করা মামলায় বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার রায় আসে?
  1. বিচারপতি আবু সাঈদ
  2. বিচারপতি মাজদার হোসেন
  3. বিচারপতি এম আবদুর রহমান
  4. বিচারপতি আমিরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা করেন বিচারপতি মো. মাজদার হোসেন।
- ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর, তাঁর দায়ের করা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে।
- এই রায়ে অধস্তন আদালতের বিচারকদের প্রশাসনিক ক্যাডার থেকে আলাদা করে একটি স্বাধীন জুডিশিয়াল সার্ভিস গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়।

এছাড়াও, 
- আদালত আরও নির্দেশ দেয় যে, বিচারকদের নিয়োগ, বদলি ও শৃঙ্খলা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ সুপ্রিম কোর্টের নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- এই রায় বাংলাদেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠায় মাইলফলক হয়ে ওঠে। পরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন কার্যকর করে পৃথকীকরণ বাস্তবায়ন শুরু করে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৩৩৫.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য নন কে?
  1. ক) রুহুল কুদ্দুস
  2. খ) ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
  3. গ) ড. আনিসুজ্জামান
  4. ঘ) ড. এস. আর. বোস
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।

পরিকল্পনা কমিশন গঠন
- দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- তাই স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী এবং
- অন্যান্য সদস্য ছিলেন (১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ, (২) ড. মোশাররফ হোসেন, (৩) ড. এস. আর. বোস এবং (৪) ড. আনিসুজ্জামান। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৩৬.
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী, নিবন্ধিত কোনো রাজনৈতিক দলের মধ্যে নারী সদস্যদের ন্যূনতম অংশগ্রহণ কত শতাংশ হতে হবে? 
  1. ৩৩%
  2. ৪০%
  3. ৫০%
  4. ৫৫%
ব্যাখ্যা

• গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর সবচাইতে আলোচিত পরিবর্তন আনা হয় আদেশ এর Chapter-VI-এ এর মাধ্যমে। 
- নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়। 

- নিবন্ধনের শর্তগুলোতে মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজনীতিতে মহিলাদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলোতে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারীদের অন্তর্ভুুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও)।
- ২০০৮ সালে নিবন্ধন নেওয়ার সময় দলগুলো তা পূরণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল।
- কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করতে পারেনি নিবন্ধিত দলগুলো।
- বর্তমান কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে দলের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার সময়সীমা ২০২০ এর পরিবর্তে ২০৩০ সাল করার প্রস্তাব দিয়েছে।

তথ্যসূত্র: নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট ও বিবিসি। 

১৬,৩৩৭.
'অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা' সম্পর্কে বলা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ১৮
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ১৮(ক)
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ১৫(ক)
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ২৩
ব্যাখ্যা
- অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসাসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা : অনুচ্ছেদ - ১৫(ক)
- পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন : অনুচ্ছেদ - ১৮(ক)
- জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা : অনুচ্ছেদ - ১৮
- জাতীয় সংস্কৃতি : অনুচ্ছেদ - ২৩
 
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান 
১৬,৩৩৮.
বুড়িমারী স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. চুয়াডাঙ্গা
  2. লালমনিরহাট
  3. যশোর
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
• দেশের স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয় - ১৪ জুন ২০০১ সালে।
- বাংলাদেশের স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রধান কার্যালয় - ঢাকা।
- বাংলাদেশের প্রধান স্থলবন্দর - বেনোপোল স্থলবন্দর।

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
• বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
• বুড়িমারী স্থলবন্দর - পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
• আখাউড়া স্থলবন্দর- আখাউড়া, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষিরা।
• তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর  - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
• বিলোনিয়া স্থলবন্দর - বিলোনিয়া, ফেনী।
• গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর - হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
• রামগড় স্থলবন্দর - রামগড়, খাগড়াছড়ি।
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
• টেকনাফ স্থলবন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
• বিবিরবাজার স্থলবন্দর- বিবিরবাজার কুমিল্লা সদর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ {লিংক }।


১৬,৩৩৯.
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রধান হলেন-
  1. ক) চার্লস মিশেল
  2. খ) উরসুলা ভন ডার লেন
  3. গ) ডেভিড সালোসি
  4. ঘ) ক্রিস্টিন ল্যাগার্দ
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট-২০১৯।
১৬,৩৪০.
ভাদ্র ও আশ্বিন দুই মাস কি কাল?
  1. ক) বসন্তকাল
  2. খ) শরৎকাল
  3. গ) শীতকাল
  4. ঘ) হেমন্তকাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ষড়ঋতুর দেশ।
প্রতি দুই মাসে একটি ঋতুর আর্বিভাব ঘটে।
গ্রীষ্মঃ বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ
বর্ষাঃ আষাঢ়, শ্রাবণ
শরৎঃ ভাদ্র, আশ্বিন
হেমন্তঃ কার্তিক, অগ্রহায়ণ
শীতঃ পৌষ, মাঘ
বসন্তঃ ফাল্গুন, চৈত্র

১৬,৩৪১.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভায় সদস্য কতজন ছিলেন?
  1. ৪ জন
  2. ৬ জন
  3. ৮ জন
  4. ১২ জন
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি ছিলেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থমন্ত্রী ছিলেন - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী ছিলেন - এএইচএম কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী -  খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
১৬,৩৪২.
'Rijuk Falls' is located in -
  1. ক) Bandarban
  2. খ) Rangamati
  3. গ) Khagrachhari
  4. ঘ) Cox’s Bazar
ব্যাখ্যা
বান্দরবানে অবস্থিত কয়েকটি ঝর্ণাঃ
- ঋজুক ঝর্ণা (Rijuk Falls)
- ট্রিপল ঝর্ণা (Triple Falls)
- জাদিপাই ঝর্ণা (Jadipai Falls)
- চিংড়ি ঝর্ণা (Shrimp Fountain)
- জোড়া ঝর্ণা বা যমজ ঝর্ণা (Twin Falls or Double Falls)
- রূপমুহুরী ঝর্ণা (Rupmuhuri Falls)
- বাকলাই ঝর্ণা (Baklai Falls)
- কুমারী ঝর্ণা (Kumari Falls)
- দামতুয়া ঝর্ণা(Damtuya Falls)
- রেনিক্ষ্যং ঝর্ণা (Renikkhyng Falls)
- শৈলপ্রপাত (Shaoilo Propat)
- তিনাপ সাইতার (Tinap Saitar)
- নাফাখুম (Nafakhum)

উৎসঃ বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট। 
১৬,৩৪৩.
দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে কোথায়? [মে, ২০২৫]
  1. সাভার, ঢাকা
  2. কাপ্তাই, রাঙামাটি
  3. সোনাগাজী, ফেনী
  4. ঘোড়াশাল, নরসিংদী
ব্যাখ্যা
সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- ফেনী জেলার সোনাগাজীতে দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করতে যাচ্ছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
- প্রায় ৭০০ একর জমিতে ২২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এ প্রকল্পে বাস্তবায়ন করবে ইলেকট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ (ইজিসিবি)।
- প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ১৩৫ কোটি টাকা।
- এই প্রকল্পে প্রতি মেগাওয়াট স্থাপনের খরচ আনুমানিক ৯ কোটি ৬৯ লক্ষ টাকা ধরা হয়েছে।
- একনেকের অনুমোদন সাপেক্ষে প্রকল্পটি ২০২৫ সালের জুলাই থেকে ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে।

উল্লেখ্য,
- প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মূল লক্ষ্য হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎস থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের হার বাড়িয়ে মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ১০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে নিশ্চিত করা।
- এছাড়াও, এই প্রকল্প জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরতা হ্রাস, কার্বন নিঃসরণ কমানো, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জীবনমান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [LINK]
১৬,৩৪৪.
রাজবংশী' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস নেই কোন জেলায়?
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. ময়মনসিংহ
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:

- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৬,৩৪৫.
২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেটে সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়সীমার পরিমাণ কত?
  1. ৩,২৫,০০০ টাকা
  2. ৩,৫০,০০০ টাকা
  3. ৩,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৪,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

করমুক্ত আয়সীমা:

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের করমুক্ত আয়সীমা নিম্নরূপ:
- সাধারণ করদাতা: ৩,৫০,০০০ টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের করদাতা: ৪,০০,০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা: ৪,৭৫,০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা: ৫,০০,০০০ টাকা।
- কোন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতামাতা বা আইনানুগ অভিবাবকের ক্ষেত্রে এরূপ প্রত্যেক সন্তান/পোষ্যের জন্য করমুক্ত সীমা ৫০,০০০/- টাকা বেশি।

⇒ ব্যক্তি করদাতা – করহার:
- ৩,৫০,০০০/- টাকা পর্যন্ত: শূন্য
- পরবর্তী ১,০০,০০০/- টাকার: ৫%
- পরবর্তী ৩,০০,০০০/- টাকার: ১০%
- পরবর্তী ৪,০০,০০০/- টাকার: ১৫%
- পরবর্তী ৫,০০,০০০/- টাকার: ২০%
- অবশিষ্ট টাকার উপর: ২৫%

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫।
১৬,৩৪৬.
বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা কতটি?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৬টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা
তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণকৃত ব্যাংকের তালিকায় যে সকল ব্যাংক রয়েছে।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়, যা বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ এবং ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষমতা রাখে।
- তফসিলি ব্যাংকগুলি নিম্নলিখিত প্রকারের মধ্যে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়:

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (SOCB):
- বাংলাদেশ সরকারের সম্পূর্ণ বা প্রধানত মালিকানাধীন ৬টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

বিশেষায়িত ব্যাংক (এসডিবি): 
- বর্তমানে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক কার্যক্রম পরিচালনা করছে যেগুলো কৃষি বা শিল্প উন্নয়নের মতো সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এসব ব্যাংক সম্পূর্ণ বা প্রধানত বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন।

বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক (পিসিবি):
- এখানে ৪৩ টি বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা প্রধানত ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক দুটি গ্রুপে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে:
প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- ৩৩টি প্রচলিত বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংক এখন কাজ করছে।
- তারা প্রচলিত ফ্যাশনে অর্থাৎ সুদ ভিত্তিক অপারেশনে ব্যাংকিং ফাংশন সম্পাদন করে।

ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক:
- বাংলাদেশে ১০টি ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক পিসিবি রয়েছে। 
- তারা ইসলামী শরিয়াহ ভিত্তিক নীতিমালা অর্থাৎ লাভ-ক্ষতি ভাগাভাগি (পিএলএস) মোড অনুযায়ী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে।

ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- ১ টি ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে যা ব্যক্তি / বেসরকারী সংস্থার মালিকানাধীন।
- নাম: Nagad Digital Bank PLC.
- এটি একটি ডিজিটাল ব্যাংক যার কোনো শাখা নেই।

বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক (এফসিবি):
- ৯টি এফসিবি বিদেশে অন্তর্ভুক্ত ব্যাংকের শাখা হিসেবে বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

অ-তফসিলি ব্যাংক:
- যে ব্যাংকগুলি বিশেষ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত এবং কোনও আইনের অধীনে কাজ করে তবে তফসিলি ব্যাংক নয়।
- এসব ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকের সব কাজ করতে পারে না।
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অ-তফসিলি ব্যাংক রয়েছে, যেগুলো হলো:
i) আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
ii) কর্মসংস্থাপন ব্যাংক,
iii) গ্রামীণ ব্যাংক,
iv) জুবিলী ব্যাংক,
v) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৬,৩৪৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন
  4. বৈদেশিক বাণিজ্যক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৪৮.
নিচের কোনটি সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস?
  1. টোল
  2. উপকর
  3. ফিস
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন:
- বাংলাদেশের প্রধান শহর কেন্দ্রিক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা হচ্ছে- সিটি কর্পোরেশন।
- প্রত্যেক সিটি কর্পোরেশনকে কতগুলো ওয়ার্ডে বিভক্ত করা হয়।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত একজন মেয়র সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন দ্বারা নির্ধারিত কাউন্সিলার এবং সর্বমোট কাউন্সিলরদের এক তৃতীয়াংশ সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর সমন্বয়ে সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়।
- মেয়র প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা ভোগ করেন।
- প্রত্যেক ওয়ার্ড হতে একজন কাউন্সিলর প্রাপ্তবয়স্কদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

সিটি কর্পোরেশনের আয়ের উৎস:
(ক) সরকার হতে প্রাপ্ত অনুদান।
(খ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত এবং তৎকর্তৃক পরিচালিত সকল সম্পত্তি হতে প্রাপ্ত আয় বা মুনাফা।
(গ) সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক আরোপিত যে-কোনো কর, উপকর, রেইট, টোল ও ফিস ইত্যাদি।
(ঘ) স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক প্রদত্ত দান।
(ঙ) কর্পোরেশনের উপর ন্যস্ত সকল ট্রাস্ট হতে প্রাপ্ত আয়।
(চ) কর্পোরেশনের অর্থ বিনিয়োগ হতে প্রাপ্ত মুনাফা।
(জ) আইনের অধীন অর্থদন্ড থেকে প্রাপ্ত অর্থ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৪৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে কোন দুটি খাত নিয়ে সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. স্বাস্থ্যসেবা এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ
  2. বাণিজ্য এবং কৃষি
  3. বিদ্যুৎ এবং পরিবহন
  4. শিক্ষা এবং পর্যটন
ব্যাখ্যা

- স্বাস্থ্যসেবা এবং ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ নিয়ে  স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক: 
-
প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের উপস্থিতিতে দুটি  সমঝোতা স্মারক হয়।
-  বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে দুটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়।
- স্থান:  প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, তেজগাঁও, ঢাকা।
- সময়: ২২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখ।
- স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বৃদ্ধি ও ইন্টারনেট সংযোগ বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে।

• প্রথম সমঝোতা স্মারকটি স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ-সংক্রান্ত, যা সই করে বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং ভুটানের রয়‍্যাল সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

• দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারকটি আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ এবং অন্যান্য টেলিযোগাযোগসেবা বাণিজ্য-সম্পর্কিত।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।[লিঙ্ক]

১৬,৩৫০.
বাংলায় তুর্কি শাসনের সূচনাকারী কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন খলজি
  2. তুগ্রিল খান
  3. নাসিরুদ্দিন মাহমুদ
  4. আলাউদ্দিন খিলজি
ব্যাখ্যা

তুগ্রিল খান, আলাউদ্দিন খিলজি, গিয়াসউদ্দিন খলজি নামে কেউ তুর্কি শাসনের সাথে যুক্ত ছিলেন না, অপশন বিবেচনায় অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে নাসিরুদ্দিন মাহমুদ উত্তর নেওয়া হয়েছে। 

তুর্কি শাসন:

- তুর্কি শাসনামল ১২২৭ থেকে ১২৮১ সাল পর্যন্ত।
- মোট ১৫ জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন।
- বাংলায় তুর্কি শাসনের প্রথম শাসক নাসিরুদ্দিন মাহমুদ।
- এ সময় থেকে বাংলার শাসনকর্তারা দিল্লির সুলতানদের কাছ থেকে নিয়োগ লাভ করে এখানকার শাসক হতেন।
- বাংলায় দিল্লির অনুগত কোনো শাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
- দিল্লির শাসকরা যেমন, ইলতুতমিশ, বলবন, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও মুহাম্মদ বিন তুঘলক বাংলার শাসকদেরকে প্রতিহত করতে একের এর এক অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার তৎকালীন স্বাধীন শাসক তুগ্রিল খানকে দমনের জন্য নিজেই আক্রমণ করেন।
- যুদ্ধে তুগ্রিল খান নিহত হন। ফলে বাংলা দিল্লির শাসনাধীন হয়।
- ১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মারা গেলে বঘরা খান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম ধারণ করে ১২৯০ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৩২৫ সালে দিল্লির শাসক গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলা অধিকার করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৩৫১.
’জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী’- এটি কার ঘোষণা?
  1. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  2. দুদু মিয়া
  3. তিতুমীর
  4. ফকির মজনু শাহ
ব্যাখ্যা
• দুদু মিয়া:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মাদারীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান কেন্দ্র ছিল ফরিদপুর জেলায় এবং তার নেতৃত্বে এটি শুরু হয়।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর পুত্র দুদু মিয়া।
- তিনি ধর্মীয় সংস্কারমূলক এ আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপ দেন।
- দুদু মিয়া ঘোষণা করেন, “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থি”।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রথমপত্র,মো. মোজাম্মেল হক।
১৬,৩৫২.
বর্তমানে বাংলাদেশে জাতীয় উদ্যানের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ১৭ টি
  2. খ) ১৯ টি
  3. গ) ২১ টি
  4. ঘ) ২৩ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশে জাতীয় উদ্যানের সংখ্যা ১৯ টি। দেশের ১৯ তম জাতীয় উদ্যান হলো - শেখ জামাল ইনানী জাতীয় উদ্যান, কক্সবাজার। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট- ২০১৯]
১৬,৩৫৩.
Bangladesh Economic Zone Authority is expected to open a special economic zone for Bhutan in which of the following districts?
  1. Rangpur
  2. Nilphamari
  3. Kurigram
  4. Dinajpur
  5. None
ব্যাখ্যা
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় নির্মিত হচ্ছে।
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৮ মার্চ ২০২৪।
১৬,৩৫৪.
কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচি কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

কাবিখা:
- ’কাবিখা’ (KABIKHA) হলো "কাজের বিনিময়ে খাদ্য" (Food for Work) কর্মসূচির সংক্ষিপ্ত রূপ।
-  এটি বাংলাদেশ সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি অন্যতম প্রাচীন ও বৃহৎ গ্রামীণ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান প্রকল্প।

- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

⇒ কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) কর্মসূচীর উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামীন অবকাঠামো নির্মাণ/পুননির্মাণ।
- স্বাভাবিক অবস্থায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এই কর্মসূচীর আওতায় বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন।
- গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি।
- গ্রামীণ দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধি।
- দেশের সর্বত্র খাদ্য সরবরাহের ভারসাম্য আণয়ন এবং
- দারিদ্র বিমোচনে ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি।

উৎস: সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ওয়েবসাইট ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,৩৫৫.
মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ৪৪তম
  2. ৪৫তম
  3. ৪৬তম
  4. ৪৭তম
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন সূচক:
- এএমএল সূচক অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৬তম।
- এই সূচকে আগে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৪১তম।
- বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ আইন বাস্তবায়নে অগ্রগতি ও অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায় এই সূচকে উন্নতি হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এএমএল সূচক অনুযায়ী, ২০২৩ সালে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রয়েছে হাইতি, চাদ, মিয়ানমার এবং কঙ্গো।
- আর সবচেয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হচ্ছে - আইসল্যান্ড।
- এন্টি মানিলন্ডারিং সূচকে চীনের  অবস্থান - ২৭তম।
- যুক্তরাষ্ট্র এর অবস্থান - ১১৯তম।
- যুক্তরাজ্যের অবস্থান - ১৪০তম।

উৎস: যুগান্তর প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,৩৫৬.
ভুট্টা চাষের জন্য কোন ধরনের মাটি উপযুক্ত?
  1. বেলে দোআঁশ মাটি 
  2. দোআঁশ মাটি 
  3. লবণাক্ত মাটি
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা

ভুট্টা:
- ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে। 
- বেলে দোআঁশ ও দোআঁশ  মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৬,৩৫৭.
প্রাচীন বাংলায় কোন গোত্রের লোকদের পেশা ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য?
  1. ক) বৈশ্য
  2. খ) ব্রাহ্মণ
  3. গ) শূদ্র
  4. ঘ) ক্ষত্রিয়
ব্যাখ্যা
কোনো সমাজে বর্ণপ্রথা একেবারে শুরুতে থাকে না। বাংলা তথা ভারতীয় সমাজে আর্য সংস্কার ও সংস্কৃতির বিস্তার হিসেবেই বর্ণপ্রথা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রাচীন বাংলার ৪ টি গোত্রের পেশা নিম্নরুপ - 
• ব্রাহ্মণ - অধ্যয়ন, অধ্যাপনা ও পূজা-পার্বণ করা- এগুলাে ছিল ব্রাহ্মণদের নির্দিষ্ট কর্ম। তারা সমাজে সর্বশ্রেষ্ঠ মর্যাদা লাভ করতাে।
• ক্ষত্রিয় - ক্ষত্রিয়দের পেশা ছিল যুদ্ধ করা।
• বৈশ্য - ব্যবসা-বাণিজ্য করা ছিল বৈশ্যদের কাজ।
• শূদ্র - সবচেয়ে নীচু শ্রেণির শূদ্ররা সাধারণত কৃষিকাজ, মাছ শিকার ও অন্যান্য ছােটখাটো কাজ করত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৫৮.
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান কে?
  1. অধ্যাপক আলী রিয়াজ
  2. আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী
  3. সফর রাজ হোসেন
  4. ড. ইফতেখারুজ্জামান
ব্যাখ্যা

 • জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন:
- ২০২৪ সালের ৩ অক্টোবর আট সদস্যের জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন গঠন করা হয়।
- পরে কমিশনের সদস্যসংখ্যা আরও তিনজন বাড়ানো হয়।
- এ কমিশনের প্রধান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চেয়ারম্যান ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
- জনমুখী, জবাবদিহিমূলক, দক্ষ ও নিরপেক্ষ জনপ্রশাসন ব্যবস্থা করে তুলতে এ কমিশন গঠন করা হয়।
- ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ১২টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কমিশনের নাম ও প্রধান কমিশনার: 
• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন- ড. বদিউল আলম মজুমদার;
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন- সফর রাজ হোসেন;
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন- বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান;
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন- ড. ইফতেখারুজ্জামান;
• সংবিধান সংস্কার কমিশন- অধ্যাপক আলী রিয়াজ।

উৎস: সংস্কার কমিশনের ওয়েবসাইট বিবিসি প্রতিবেদন।

১৬,৩৫৯.
সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার কত দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,৩৬০.
উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনকাল কোনটি?
  1. ক) ১৭৫৭ - ১৮৪৭ সাল
  2. খ) ১৭৬৫ - ১৮৪৭ সাল
  3. গ) ১৭৫৭ - ১৮৫৭ সাল
  4. ঘ) ১৭৬৫ - ১৮৫৭ সাল
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে কোম্পানীর শাসনকাল ১৭৬৫ সাল থেকে ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত।
- ১৭৬৫ সালে বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভের পর মোঘল সম্রাট শাহ আলমের সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির ''এলাহাবাদ চুক্তি'' স্বাক্ষরের মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিওয়ানী লাভ করে। এর মাধ্যমেই উপমহাদেশে কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে সংঘটিত ''সিপাহী বিদ্রোহ'' - এর ফলে উপমহাদেশের শাসনভার বৃটিশ রাজ ও পার্লামেন্টের হাতে অর্পিত হয়। বৃটিশ কেবিনেটের একজন সদস্য ভারত সচিবের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সিদ্ধান্ত হয় শাসনকার্যে তাঁকে সাহায্য করবে ১৫ সদস্যের একটি কাউন্সিল। বৃটিশ সরকার সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির অবসান ঘোষণা করে।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস ১ম পত্র বই (উন্মুক্ত)।
১৬,৩৬১.
নিচের কোন জেলায় কন্দ নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. রাজশাহী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি। এগুলো কন্দদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৬,৩৬২.
Which Muslim poet wrote poetry in Bengal during the Sultanate period?
  1. ক) Shah Muhammad Sagir
  2. খ) Sheikh Alaul Haque
  3. গ) Rowed Kha
  4. ঘ) Syed Ashraf Simnani
ব্যাখ্যা
- মুসলিম শাসকগণ বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতাও করেন।
- এই সময়ে বাংলা ভাষা সাহিত্যের মর্যাদা পায় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সুলতানদের দরবারে প্রবেশ করে।
- প্রথমে সুলতানরা ও তাঁদের আমাত্যেরা হিন্দু কবিদের উৎসাহ দেন ও পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- অর্থাৎ মুসলিম সুলতানরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বাংলা সাহিত্যের উৎপত্তি ও বিকাশে সহায়তা দান করেন।
- পরে মুসলিম কবিরাও বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন।
- শাহ মুহাম্মদ সগীর একমাত্র মুসলিম কবি যিনি সুলতানি আমলে কাব্য রচনা করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
- মধ্যযুগের আগে বাংলা ভাষার লিপি রচনার গতি বেশ ধীর ছিল।
- পাল ও সেন যুগে সংস্কৃত ভাষার প্রভাব বেশি থাকায় বাংলা ভাষার তেমন উন্নতি হয়নি।
- বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নমুনা হল চর্যাপদ।
- চর্যাপদের ভাষা পুরোপুরি বাংলা নয়, বলা চলে এটি বাংলা-পূর্ববর্তী ভাষা।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৬৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেলখানার জীবনের ওপর লেখা বই কোনটি?
  1. ৩০৫৩ দিন
  2. ৩১৭২ দিন
  3. ৩২৩৭ দিন
  4. ৩৪৬৩ দিন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর লেখা বইসমূহ:
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- বঙ্গবন্ধুর বই কারাগারের রোজনামচা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা। এই বইও বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে রচনা করেন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেলখানার জীবনের ওপর লেখা বইয়ের নাম ‘৩০৫৩ দিন’।
- বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কারা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনা এবং জননিরাপত্তা বিভাগের তদারকিতে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা বই আমার দেখা নয়াচীন ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন, দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই আগস্ট ২০২০ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ জুলাই, ২০১৮।
১৬,৩৬৪.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. আটটি
  2. সাতটি
  3. এগারটি
  4. দশটি 
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা:
- ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- তখন সরকার ৪টি সামরিক জোনে বাংলাদেশকে ভাগ করে ৪ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করে।
- ১১ই এপ্রিল তা পুনর্গঠিত করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এ ছাড়াও ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠিত হয়।
​- এ​গুলো হলো জেড ফোর্স, কে ফোর্স এবং এস ফোর্স।
- এই তিনটি ব্রিগেড ফোর্সের নামকরণ করা হয়েছিল তাদের নিজ নিজ অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।
​- জেড ফোর্স-এর নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান,
​- কে ফোর্সের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল খালেদ মোশাররফ।
​- এবং এস ফোর্সের নেতৃত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল কে এম শফিউল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬,৩৬৫.
তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১০৯২ খ্রি.
  2. ১১৯০ খ্রি.
  3. ১০৯০ খ্রি.
  4. ১১৯২ খ্রি.
ব্যাখ্যা

তরাইনের প্রথম যুদ্ধ (১১৯১ খ্রি.)
- মুহম্মদ ঘোরি পাঞ্জাব দখল করলে ভারতের হিন্দু রাজাগণ শঙ্কিত হয়ে ওঠেন।
- ১১৮৯ খ্রি. ভাতিন্দা দখল করে মুহম্মদ ঘোরি চৌহান রাজ্যের বিরুদ্ধে অগ্রসর হলে দিল্লি ও আজমীরের রাজা পৃথ্বীরাজ চৌহান একটি শক্তি-সংঘ গঠন করেন।
- পৃথ্বীরাজের আহ্বানে অনেক রাজা সাড়া দেন। তবে কনৌজের রাজা জয়চাঁদের সাথে পৃথ্বীরাজের সুসম্পর্ক ছিল না।
- পৃথ্বীরাজ জয়চাঁদের কন্যা সংযুক্তার স্বয়ম্বর সভায় আমন্ত্রণ পাননি।
- তিনি ছদ্মবেশে এসে সংযুক্তাকে হরণ করে নিয়ে বিয়ে করেন।
- মুহম্মদ ঘোরি পৃথ্বীরাজের রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ১১৯১ খ্রিস্টাব্দে তরাইন প্রান্তরে মিলিত পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে মুহম্মদ ঘোরির প্রচন্ড যুদ্ধ হয়।
- যুদ্ধে মুহম্মদ ঘোরির বাহিনী পরাজিত হলে তিনি নিজে আহত হন ও পলায়ন করেন।
- এটি তরাইনের প্রথম যুদ্ধ নামে পরিচিত ছিল।

• তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধ (১১৯২ খ্রি.)
- মুহম্মদ ঘোরি প্রথম চেষ্টায় ব্যর্থ হলেও পর বৎসর অর্থাৎ ১১৯২ খ্রিস্টাব্দে ১,২০,০০০ সৈন্য নিয়ে আবার ভারত আক্রমণ করেন।
- এবারও পৃথ্বীরাজের বাহিনীর সাথে তরাইনের প্রান্তরে তাঁর প্রচন্ড যুদ্ধ হয়।
- দু'পক্ষেই বহু সৈন্য নিহত হয়। এবার পৃথ্বীরাজের বাহিনী পরাজিত হলে পৃথ্বীরাজ পলায়ন করেন।
- কিন্তু সরস্বতী নদীর তীরবর্তী সিরসুতী নামক স্থানে তিনি ধরা পড়লে তাঁকে হত্যা করা হয়। 

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৩৬৬.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি?
  1. পোল্যান্ড
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
রপ্তানি:

- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪৭%।
- দেশ হিসেবে একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ৯৭.৩৭%।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৬,৩৬৭.
তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন কী নামে পরিচিত?
  1. ক) খিলাফতে ই মুহম্মদীয়া
  2. খ) তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া
  3. গ) তেভেগা আন্দোলন
  4. ঘ) ফকির বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:

- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তরীকায়ে মোহাম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৬৮.
বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চর্তুথ
ব্যাখ্যা
• মাছ উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার The State of World Fisheries and Aquaculture ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ ৩য়,
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম স্থান অর্জন করেছে। 
- পাশাপাশি বিশেষ সামুদ্রিক ও উপকূলীয় ক্রাস্টাশিয়ান্স ও ফিনফিস উৎপাদনে যথাক্রমে ৮ম ও ১১তম স্থান অধিকার করেছে। 
- এছাড়া বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম।
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
১৬,৩৬৯.
বাংলাদেশে স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম শিক্ষা কমিশন কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় এই কমিশন। 
- বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদা ছিলেন এই কমিশনের চেয়ারম্যান।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন 'কুদরত-ই-খুদা কমিশন' নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।
- এই কমিশনের মতে প্রাথমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত মোট আট বছর।
- মাধ্যমিক শিক্ষার মেয়াদ হবে নবম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মোট চার বছর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৩৭০.
পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্টের বিজয়ের রূপকার ছিলেন-
  1. এ.কে ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. উপরে বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
→ যুক্তফ্রণ্ট  ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা।
→ ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
• আওয়ামী লীগ,
• কৃষক শ্রমিক পার্টি,
• নেজামে ইসলাম ও
• গণতন্ত্রী দল।
-নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'। 
-যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ছিলো তাদের নির্বাচনী ইশতেহার।
- এই ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ৩০৯টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়লাভ করে। 
- পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্টের এহেন বিজয়ের রূপকার ছিলেন এ.কে ফজলুল হক,  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এবং মৌলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী। তাঁদের আকষর্ণীয় ব্যক্তিত্ব ভোটারদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করেছিল। 

উল্লেখ্য
[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৬,৩৭১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ–২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট আবাদী জমির পরিমাণ কত?
  1. ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর
  2. ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর
  3. ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর
  4. ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী -
- মোট আবাদযোগ্য জমি- ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর।

- মোট আবাদী জমি- ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ০০০ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি ৪৭ হাজার একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)

১৬,৩৭২.
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকার জাতিকে একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান উপহার দেয় -
  1. ক) ৯ মাসে
  2. খ) ১০ মাসে
  3. গ) ১১ মাসে
  4. ঘ) ১২ মাসে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
সুতরাং,
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো- ৯ মাস। 
- গণপরিষদের মোট ২১টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এই সংবিধান প্রণয়নে। 


উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
১৬,৩৭৩.
৪ সদস্যবিশিষ্ট যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১৫ মে, ১৯৫৪
  2. খ) ৩০ মে, ১৯৫৪
  3. গ) ৩ এপ্রিল, ১৯৫৪
  4. ঘ) ২০ মে, ১৯৫৪
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে। • যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা: 
১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র---এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার--আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী---আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
৪. সৈয়দ আজিজুল হক--শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
• পরবর্তীতে ১৫ মে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন। ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।


SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
১৬,৩৭৪.
বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা কে?
  1. শশাঙ্ক
  2. লক্ষণ সেন
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা শশাঙ্ক।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- ড. নীহাররঞ্জনের মতে শশাঙ্ক "স্বতন্ত্র স্বাধীন নরপতিরূপে সুবিস্তৃত রাজ্যের অধিকারী হইয়াছিলেন।"
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৭৫.
গম্ভীরা কোন অঞ্চলের লোক সংগীত?
  1. রাজশাহী
  2. কুষ্টিয়া
  3. বগুড়া
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:

- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- 'গম্ভীরা' হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপুজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম 'গম্ভীরা, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৬,৩৭৬.
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি কে?
  1. ক) রাবেয়া ভূঞা
  2. খ) তারামন বিবি
  3. গ) নাজমুন আরা সুলতানা
  4. ঘ) সুরাইয়া রহমান
ব্যাখ্যা
ঢাকা হাইকোর্টের প্রথম নারী বিচারপতি হলেন নাজমুন আরা সুলতানা। একাধারে তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগেরও প্রথম নারী বিচারপতি। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১১ থেকে ৬ জুলাই ২০১৭ পর্যন্ত তিনি আপিল বিভাগের বিচারপতি ছিলেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
১৬,৩৭৭.
নিচের কোন জেলা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ফরিদপুর
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৩৭৮.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত তারিখ?
  1. ক) ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ
  2. খ) ১৯৫৪ সালের ৯-১৩মার্চ
  3. গ) ১৯৫৪ সালের ৬-১৫ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালের ৮-১১ মার্চ
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট:
• ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর প্রাদেশিক নির্বাচনে মুসলিক লীগকে মোকাবিলার জন্য ৪টি রাজনৈতিক দল ‘যুক্তফ্রন্ট’ নামে জোট গঠন করে।
• যুক্তফ্রন্টের প্রধান তিন নেতা ছিলেন মওলানা ভাসানী, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
• ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
• যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল।যথা: 

১. আওয়ামী মুসলিম লীগ – হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মওলানা ভাসানী
২. কৃষক শ্রমিক পার্টি – শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক
৩. নেজামে ইসলাম পার্টি – মওলানা আতাহার আলী
৪. বামপন্থী গনতন্ত্রী দল – হাজী মোহাম্মদ দানেশ

• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা: 
১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক। অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র---এ কে ফজলুল হক
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার--আবু হোসেন সরকার
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী---আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরি
৪. সৈয়দ আজিজুল হক--শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প
• পরবর্তীতে ১৫ মে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। 

রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং ফজলুল হক মন্ত্রীসভা বাংলাকে স্বাধীন করবে এমন অজুহাতে ১৯৫৪ সালের ৩০ মে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রী পরিষদ বাতিল করেন। ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র ) ,প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক ।
১৬,৩৭৯.
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় কোন সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্টের:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি এবং
৪. হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।

উল্লেখ্য,
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- আওয়ামী মুসলিম লীগের নির্বাচনী কর্মসূচির ৪২ দফার প্রধান প্রধান দাবি নিয়ে।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

নোট: [বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৩৮০.
মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেলে- 
  1. অর্থের মূল্য ক্রমাগত হ্রাস পায়
  2. অর্থের মূল্য বৃদ্ধি পায় 
  3. দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা

• মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পেলে-  অর্থের মূল্য ক্রমাগত হ্রাস পায় ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়।

• মূল্যস্ফীতির ধারনা:

• সাধারণত সামগ্রিক দামস্তরের বৃদ্ধিকে মূল্যস্ফীতি বলে।
• মূল্যস্ফীতি বলতে এমন একটি অবস্থা বুঝায় যে, একই পরিমান দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করতে পূর্বের তুলনায় বেশি পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হয়। অর্থাৎ বলা যায় যে, মূল্যস্ফীতি হলে অর্থের মূল্য কমে যায়।
• যখন দেশে প্রচলিত অর্থের পরিমাণ উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রীর তুলনায় অধিক হয় এবং তার ফলে দ্রব্যমূল্য বা দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে সে অবস্থাকেই ‘মুদ্রাস্ফীতি’ (Inflation) বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৩৮১.
২০২৫ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষার রিপোর্ট অনুসারে মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২,৭৪৯ মার্কিন ডলার
  2. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২,৯২৪ মার্কিন ডলার
  4. ২,৯৮৫ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৪৮.৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৬৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৬,৩৮২.
রাষ্ট্রের কোন উপাদানকে মস্তিষ্ক বলা হয়?
  1. জনসমষ্টি
  2. নির্দিষ্ট ভূ-খন্ড
  3. সরকার
  4. সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
সরকারকে রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক বলা হয়।

রাষ্ট্রের উপাদান:
- রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে।
- যথা- (১) জনসমষ্টি, (২) ভূ-খন্ড, (৩) সরকার ও (৪) সার্বভৌমত্ব।

• সরকার:
- রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান সরকার।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার তিন ধরনের কাজ করে। যথা- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত ও বিচার সংক্রান্ত।
- এ তিন ধরনের কাজের জন্য সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে। যথা- আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ।
- অর্থাৎ সরকার গঠিত হয় এ তিন বিভাগ নিয়ে।
- তবে বিশ্বের প্রায় সব সরকার ৩টি বিভাগ নিয়ে গঠিত হলেও সরকারের রূপ ও প্রকৃতি এক নয়।
- যেমন-বাংলাদেশে সংসদীয সরকার ব্যবস্থা, আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।

⇒ রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান উপাদান হচ্ছে সরকার।
- বস্তুত: সরকার ছাড়া কোন রাষ্ট্রই পরিচালিত হতে পারবে না।
- রাষ্ট্র বৈশিষ্ট্যগত দিক থেকে অনড় প্রকৃতির হলেও, সময় ও স্থানভেদে সরকার ব্যবস্থার রূপ পরিবর্তিত হতে পারে।
- সরকারের মাধ্যমেই রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- অনেকে সেজন্য সরকারকে রাষ্ট্রের মস্তিষ্ক হিসেবে মনে করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৮৩.
দেশের দ্বিতীয় কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র -
  1. ক) রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. খ) ঘোনাইগাট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. গ) মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. ঘ) পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
• কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- দেশের দ্বিতীয় কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র - পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- অবস্থান - পায়রা, পটুয়াখালী।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- আড়াইশো কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে চীন।
- এরপর ২০১৬ সালের অক্টোবরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর
- উদ্বোধন করেছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এই ধানখালী গ্রামের ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।
- উৎপাদন ক্ষমতা- ১৩২০ মেগাওয়াট।
- ২১ মার্চ, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন। 

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার নিউজ।
১৬,৩৮৪.
ভারতবর্ষে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে কোন সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  2. শুঙ্গ সাম্রাজ্য
  3. কুষাণ সাম্রাজ্য
  4. মৌর্য সাম্রাজ্য
ব্যাখ্যা
মৌর্যদের পরিচয় ও মৌর্য যুগ: 
- সমগ্র ভারতবর্ষের প্রাচীন ইতিহাসে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকে এক অভূতপূর্ব ঘটনা ঘটে যায়।
- খন্ড খন্ড ভারতবর্ষ রূপান্তরিত হয় সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে।
- আদি কৌম (গোত্রীয়) সমাজ রূপান্তরিত হয় সামাজ্যে।
- ঐ চতুর্থ শতাব্দীতে (খ্রিস্টপূর্ব ৩২৭অব্দে) মহান আলেকজান্ডার মেসিডোনিয়া থেকে ভারত আক্রমণ করেন।
- বর্তমান উড়িষ্যাকে তখন মগধ বলা হতো। পাটলিপুত্র এর রাজধানী ছিল।
- মগধের সম্রাট ধননন্দ ছিলেন নন্দবংশীয়। কিন্তু তিনি ছিলেন অত্যাচারী রাজা।
- তাকে চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য খ্রিস্টপূর্ব ৩২১ অব্দে পরাজিত করেন।
- চন্দ্রগুপ্ত গ্রিকদের আক্রমণ শুধু প্রতিহত নয়, তাদেরকে ভারত থেকে বিতাড়িত করেন।
- তার নামানুসারে ভারতবর্ষে খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতকে যে সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয় তা মৌর্য সাম্রাজ্য নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৮৫.
কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ক) রোজ গার্ডেন
  2. খ) সিরাজগঞ্জে
  3. গ) সন্তোষে
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা

- আওয়ামীলীগের সার্বিক তত্ত্বাবধায়নে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে ১৯৫৭ সালের ৭-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন
- এই সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও টাঙ্গাইল জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১৬,৩৮৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়?
  1. নরসিংদী
  2. পাবনা
  3. ফেনী
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প:

- ২০১৫ সালে সিংদীর রায়পুরা উপজেলায় বাংলাদেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হয়।
- দোকানপাট, আইসক্রিম কারখানা, শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সেচের কাজে লাগছে সৌরবিদ্যুৎ।
- সহজে মোবাইল ফোন চার্জ করতে পারছে গ্রামের মানুষ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ অক্টোবর, ২০১৫।
১৬,৩৮৭.
লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৬
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৫৭
  4. ব্রি ধান ৬৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৬,৩৮৮.
সাধারন যাত্রীদের জন্য মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয়-
  1. ক) ১৫ ডিসেম্বর, ২০২২
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. গ) ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২
  4. ঘ) ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশের গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল যুক্ত হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

উৎস: প্রথম আলো।
১৬,৩৮৯.
বাংলার মুক্তি সনদ নামে পরিচিত -
  1. ২১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. লাহোর প্রস্তাব
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:

- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৩৯০.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টির নেতা কে ছিলেন?
  1. জুলফিকার আলী ভূট্টো
  2. নুরুল আমিন
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মোনায়েম খান
ব্যাখ্যা
জাতীয় পরিষদের নির্বাচন:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল প্রধান হয়ে দেখা দেয়।
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে।
- বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।
- ১৯৭০ সালে পিপিপির নেতা ছিলেন জুলফিকার আলী ভূট্টো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্ৰ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৩৯১.
আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধুর রাজা ছিলেন কে?
  1. মুহাম্মদ বিন কাশিম
  2. খালিদ বিন ওয়ালিদ
  3. দাহির
  4. আল বেরুনী
ব্যাখ্যা
• রাজা দাহির 
-  ‘সিন্ধুর সর্বশেষ হিন্দু রাজা’।
- তিনি ৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পিতার নাম চাচ।
- দাহির ছিলেন সিন্ধুর পুষ্কর্ণ ব্রাহ্মণ সাম্রাজ্যের রাজা। 
- রাজা দাহিরের সাম্রাজ্য কয়েকটি প্রদেশে বিভক্ত ছিল।
- সেগুলো হলো আলোর, সুস্তান, কারওয়ান, ব্রাহ্মণাবাদ, স্কালিন্দা ও মুলতান।
- রাজা দাহিরের অধীনে থাকা করদ রাজ্যগুলো হলো দেবল, নীরুনকোট, সহওয়ান, বাহমনাবাদ ও সিবী।
- আরবদের আক্রমণের সময় সিন্ধুর রাজা ছিলেন দাহির। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৬,৩৯২.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নির্মিত প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্টপ জেনোসাইড' কে নির্মাণ করেন?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনির নৃশংসতা, পৈশাচিক হত্যাকাণ্ড এবং মুক্তিযুদ্ধের উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয় চারটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
- এগুলো হচ্ছে স্টপ জেনোসাইড, লিবারেশন ফাইটারস, এ স্টেট ইজ বর্ন, এবং ইনোসেন্ট মিলিয়নস।
- এর মধ্যে জহির রায়হান নির্মিত স্টপ জেনোসাইড একাধিক আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত ও প্রশংসিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের প্রামাণ্য চলচ্চিত্র: উদ্ভব বিকাশ ও সাম্প্রতিক প্রবণতা, লেখক: জাহেদুর রহমান আরমান।
১৬,৩৯৩.
বাংলাদেশে আর্জেন্টিনার দূতাবাস বন্ধ হয়ে যায় -
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৭৮ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৪ সালে ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস খোলা হয়। তবে দেশটির সামরিক সরকার ১৯৭৮ বাংলাদেশের মিশনটি বন্ধ করে দেয়।
- এবার দীর্ঘ ৪৫ বছর পর গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর বনানীতে আর্জেন্টিনা দূতাবাস খুলেছে।
- বাংলাদেশ থেকে ভ্রমণে বা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে আর্জেন্টিনায় যেতে দিল্লিতে অবস্থিত দেশটির দূতাবাস থেকে ভিসা নিতে হতো। তবে এখন ঢাকায় দূতাবাস খোলার পর আর্জেন্টিনার ভিসার জন্য বাংলাদেশের নাগরিকদের দিল্লি যেতে হবে না। খুব সহজেই ঢাকা থেকে ভিসা নেওয়া যাবে।
- আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরকালে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে। এ কারণে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে আর্জেন্টিনায় তৈরি পোশাক, ওষুধ ও সিরামিক পণ্যের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আর বাংলাদেশ আর্জেন্টিনা থেকে সয়াবিন তেল ও চিনি আমদানি করে থাকে। দূতাবাস খোলার পর উভয় দেশের মধ্যে রপ্তানি ও বাণিজ্য বাড়বে।

উৎস: বাংলা নিউজ২৪, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
১৬,৩৯৪.
দেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু হয় কখন?
  1. ১৪ আগস্ট, ২০২৩
  2. ১৫ আগস্ট, ২০২৩
  3. ১৬ আগস্ট, ২০২৩
  4. ১৭ আগস্ট, ২০২৩
ব্যাখ্যা
• সর্বজনীন পেনশন:
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- দেশের প্রাপ্তবয়স্ক জনগণকে পেনশনের আওতায় আনার উদ্দেশ্যে ১৭ আগস্ট, ২০২৩ সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। তবে আপাতত চালু হয়েছে চারটি স্কিম।
- এগুলোর নাম দেয়া হয়েছে - 
→ প্রবাস,
→ প্রগতি,
→ সুরক্ষা ও
→ সমতা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৭ আগস্ট, ২০২৩)।
১৬,৩৯৫.
নাইট্রোজেন সম্পৃক্ত জৈব সার কোনটি?
  1. ক) হাড়ের গুড়া
  2. খ) সরিষার খৈল
  3. গ) মাছের কাঁটা
  4. ঘ) গৃহস্থালির ছাই
ব্যাখ্যা

নাইট্রোজেন সম্পৃক্ত জৈব সার হল - সরিষার খৈল। 
- নাইট্রোজেন উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। 
- এটি গাছকে সবুজ ও সতেজ করে। 
- দেশে বহুল ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সার হল ইউরিয়া । 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

১৬,৩৯৬.
'Sheikh Hasina : A True Legend' প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেন -
  1. ক) জোবায়ের মাসুদ
  2. খ) মেজবাউর রহমান সুমন
  3. গ) আশফাক নিপুন
  4. ঘ) আয়শা এরিন
ব্যাখ্যা
▪ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রকাশ পায় প্রামাণ্যচিত্র ‘শেখ হাসিনা: অ্যা ট্রু লিজেন্ড’।
▪ প্রামাণ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন আয়শা এরিন
▪ প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণে সহযোগিতা করেছেন কে এইচ এন রিসার্চ টিম (বাংলাদেশ), ডিডি রিসার্চ (ইউরোপভিত্তিক) ও আইডিয়াল থিংকারস অ্যাসোসিয়েশন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ ও দৈনিক ইত্তেফাক। 
১৬,৩৯৭.
শেখ হাসিনা কত তারিখে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৮১ সালের ৮ মে
  2. ১৯৮১ সালের ১০ মে
  3. ১৯৮১ সালের ১৭ মে
  4. ১৯৮১ সালের ১৫ মে
ব্যাখ্যা
• শেখ হাসিনা:
- তিনি ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ৬ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফিরে আসেন।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করে।
- তার আগেই ১৯৮১ সালের ১৪ – ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট, প্রথম আলো।
১৬,৩৯৮.
চলতি অর্থবছরে জিডিপির তুলনায় মোট রাজস্ব আহরণের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ক) ৯.৫ শতাংশ
  2. খ) ১০.৪ শতাংশ
  3. গ) ১১.২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৪.৩৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা

- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট জিডিপির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪,৫৬,০৪০ কোটি টাকা।
- মোট রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ৩,৮৯,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ১১.২৫ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২ অর্থবছর)

১৬,৩৯৯.
"উত্তরা" কোন ফসলের জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. বেগুন
  4. আলু
ব্যাখ্যা

• বেগুনের জাতসমূহ:
- বারি বেগুন-১ (উত্তরা)
- বারি বেগুন-২ (তারাপুরি)
- বারি বেগুন-৩ (শুকতারা)
- বারি বেগুন-৪ (কাজলা)
- বারি বেগুন-৫ (নয়নতারা)

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। LINK

১৬,৪০০.
কোন মুঘল সম্রাটের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. দ্বিতীয় শাহ আলম
  3. আহমদ শাহ বাহাদুর
  4. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা

মুঘল সাম্রাজ্যের পতন:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মুঘল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।
- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মুঘল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মুঘল বংশের পতনের যুগ বলা হয়।
- সামগ্রিকভাবে মুঘল সাম্রাজ্য পতনের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বহিঃআক্রমন প্রভৃতি বিষয়কে দায়ী করা হয়।
- পারস্য সম্রাট নাদির শাহ এবং পরবর্তীকালে আফগান রাজা আহমদ শাহ আবদালীর দিল্লি আক্রমণ ও লুণ্ঠনে মোগল সাম্রাজ্য দুর্দশায় ও পতনুম্মুখ হয়ে পড়ে।
- এমনি মুমূর্ষ অবস্থায় ইংরেজ শক্তির ক্ষমতা দখল করার ফলে মোগল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটে।
- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- দ্বিতীয় বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।