বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬৩ / ৩০৬ · ১৬,২০১১৬,৩০০ / ৩০,৮৩২

১৬,২০১.
ইকরামুল হাসান শাকিল কত তারিখে এভারেস্ট চূড়া জয় করেন?
  1. ১৯ মে, ২০২৫
  2. ২০ মে, ২০২৫
  3. ২২ মে, ২০২৫
  4. ২৩ মে, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
১৬,২০২.
ইসলাম খান চিশতি বাংলার রাজধানী কোন জায়গা থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন?
  1. রাজমহল
  2. সোনারগাঁও 
  3. মুর্শিদাবাদ 
  4. পাটালিপুত্র 
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

উল্লেখ্য,
- ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী বিহারের রাজমহল-এ চলে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৬,২০৩.
১৯৫৬ সালের সংবিধান অনুযায়ী পাকিস্তানকে কী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. পুঁজিবাদী রাষ্ট্র
  2. সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র
  3. ইসলামী প্রজাতন্ত্র
  4. ফেডারেল রাজতন্ত্র
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।

⇒ ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়। এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- এ গণপরিষদ গঠিত হয় ৮০ জন সদস্য সমন্বয়ে, যাদের মধ্যে ৪০ জন ছিলেন পূর্ববাংলার এবং বাকি ৪০ জন পশ্চিম পাকিস্তানের সদস্য।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। 
- অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ থেকে পাকিস্তানের নতুন সংবিধান কার্যকর হয়।
- পাকিস্তানের সংবিধান, ১৯৫৬ পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ২৩৪টি অনুচ্ছেদ, ১৩টি ভাগ এবং ৬টি তফসিল অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- পাকিস্তানের সংবিধানে ছিল একটি দীর্ঘ প্রস্তাবনা, যাতে পাকিস্তানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকান্ড সর্বশক্তিমান আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৬,২০৪.
কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট কে ছিলেন?
  1. অশোক
  2. কুজলা
  3. শশাঙ্ক
  4. কণিষ্ক
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,২০৫.
লোদী বংশের শেষ সুলতান কে?
  1. ইব্রাহিম লোদী
  2. বাহলুল লোদী
  3. দৌলত খান লোদী
  4. সিকান্দার লোদী
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ, ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ:
→ বাবর বুঝেছিলেন পানিপথের প্রান্তরের যুদ্ধে জয় লাভ করলে তাঁর দিল্লির সিংহাসনে বসার পথ সহজ হয়ে যাবে।
→ তাই তিনি দিল্লির নিকটবর্তী পানিপথ প্রান্তরে দিল্লির লোদী বংশের শেষ সুলতান ইব্রাহিম লোদীর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পরেন। তারিখটি ছিল ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে ১২ এপ্রিল।
→ বাবরের আত্মজীবনী তুযুক-ই-বাবরী থেকে জানা যায়, এ সময়ে তাঁর সাথে বার হাজার সৈন্য ছিল।
→ তাছাড়া পাঞ্জাব জয়ের পর কিছু সংখ্যক অতিরিক্ত সৈন্যও তাঁর সাথে যোগদান করে।
→ তাঁর জ্যৈষ্ঠপুত্র হুমায়ুনও তাঁর সাথে যোগ দিয়েছিলেন।
→ অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
→ প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। আর ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২০৬.
আমন ধান আহরণ করা হয় কোন মাসে?
  1. ক) বৈশাখ-জৈষ্ঠ্য
  2. খ) আষাঢ়-শ্রাবণ
  3. গ) আশ্বিণ-কার্তিক
  4. ঘ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
ব্যাখ্যা
আমন ধান মূলত দুই প্রকার; রোপা আমন ও বোনা আমন। রোপা আমন অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয় বলে এর এরূপ নাম। রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়, শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয় এবং কার্তিক-অগ্রহায়ণ-পৌষ (এলাকাভেদে) মাসে ধান কাটা হয়।
Source: ais.gov.bd
১৬,২০৭.
বর্তমানে দেশে কয়টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. ৩৬টি
  2. ৩৮টি
  3. ৪১টি
  4. ৪৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বর্তমানে দেশে ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

বীমা প্রতিষ্ঠান:

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ ইন্স্যুরেন্স ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রেগুলেটরি অথরিটি (IDRA)-এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, দেশে ৮২টি বীমা কোম্পানি রয়েছে, যার মধ্যে ৩৬টি জীবন বীমা সংস্থা এবং ৪৬টি নন-লাইফ ইন্স্যুরেন্স সংস্থা রয়েছে।

উৎস: i) IDRA ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন।
১৬,২০৮.
বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
কাবাডি:
- কাবাডি দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- এই খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়।
- খেলাটির উৎপত্তিস্থল ভারতের তামিলনাড়ু।
- আমাদের দেশে এই খেলার নাম ছিল হাডুডু।
- ১৯৭২ সালে খেলাটিকে কাবাডি নামকরণ করা হয়।
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বার্মার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়ক এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,২০৯.
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স জারি করা হয় -
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স:
- পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ।
- এটি ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
- ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে।
- এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,২১০.
নিচের কোনটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৪৬
  2. ব্রি ধান ৫১
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৬২, ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৬,২১১.
'নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল' বলা হয় কোনটিকে?
  1. বাইক্কা বিল
  2. চলন বিল
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. হাইল হাওর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর:
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এই হাওর 'নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল' নামেও পরিচিত।
- টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলা অবস্থিত।
- এ হাওরটিতে মোট ১২০টি বিল রয়েছে।
- হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- এই হাওরে ১৪০টিরও বেশি প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ পাওয়া যায়।
- টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০৮ প্রজাতির পাখি, ১৫০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপ ও ১১ প্রজাতির উভচর প্রাণী রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেফাক, ১৪ অক্টোবর ২০২৩।
১৬,২১২.
জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে সুপারিশ করা হয়নি কোনটি?
  1. সাম্য 
  2. মানবিক মর্যাদা
  3. সামাজিক ন্যায়বিচার
  4. বহুত্ত্ববাদ
ব্যাখ্যা

- জুলাই জাতীয় সনদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলিনীতি হিসাবে সুপারিশ করা হয়নি - বহুত্ত্ববাদ (Pluralism)

• জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫:

- সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি অংশে সুপারিশ করা হয়েছে:
(১) সাম্য,
(২) মানবিক মর্যাদা,
(৩) সামাজিক ন্যায়বিচার 
(৪) ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি

- যেখানে ধর্ম নিরপেক্ষতা কথাটি থাকবে না।
- তবে প্রস্তাবের সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াতসহ ২৭টি দল একমত হলেও গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডিসহ কয়েকটি দল ভিন্নমত পোষণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে রয়েছে:
(১) জাতীয়তাবাদ,
(২) গণতন্ত্র,
(৩) সমাজতন্ত্র ও
(৪) ধর্মনিরপেক্ষতা

তথ্যসূত্র: জুলাই জাতীয় সনদ ও বিবিসি। (Link) (Link2)

১৬,২১৩.
যে দুটি দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে, সে দেশ দুটির নাম কি?
  1. ক) ভারত ও মিয়ানমার
  2. খ) ভারত ও ভুটান
  3. গ) ভারত ও নেপাল
  4. ঘ) ভারত ও চীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত থাকা জেলাগুলো হলো - কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১৬,২১৪.
বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেন কে?
  1. সম্রাট আকবর 
  2. সম্রাট বাবর 
  3. বিজয় সেন 
  4. লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবর:
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- যুদ্ধক্ষেত্র, সমরনীতি, কূটনীতি ও প্রশাসন সকল ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন মুঘলদের মধ্যে সর্বশেষ্ঠ শাসক। ইতিহাসে তাই তিনি 'Akbar the Great' নামে পরিচিত।
- সম্রাট হুমায়ুন যখন শেরশাহ এর নিকট পরাজিত ও রাজ্যচ্যুত হয়ে স্ত্রী হামিদাবানুকে নিয়ে পারস্য অভিমুখে যাত্রাকালে, রাজস্থানের অমরকোটে ২৩ নভেম্বর, ১৫৪২ সালে আকবর জন্মলাভ করেন।
- জন্মের পর হুমায়ুন শিশুপুত্রের নামকরন করেন জালালউদ্দিন। 

⇒ ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- উত্তরে কাশ্মীর হতে দক্ষিণে আহমেদনগর ও মধ্য এশিয়ার কাবুল কান্দাহার হতে পূর্ব বাংলা পর্যন্ত একচ্ছত্র মুঘল নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেন।
- সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রি. দ্বীন-ই-ইলাহী নামক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। আকবর সকলের মতামত মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং এই সকল ধর্মের দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে সকল ধর্মের ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন। এটিই দ্বীন-ই-ইলাহি নামে পরিচিত।

⇒ রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য আকবর শের শাহের রাজস্ব নীতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন।
- আকবর ন্যায়বিচারের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। 
- সম্রাট আকবর পদাতিক, অশ্বারোহী, গোলন্দাজ ও নৌ-বাহিনী এই চার ভাগে তার সেনাবাহিনীকে বিভক্ত করেন। 
- কৃষিকাজের ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,২১৫.
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. কুমিল্লা
  3. বগুড়া
  4. মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• বালিয়াটি জমিদার বাড়ি:
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি অবস্থিত – মানিকগঞ্জ।
- গোবিন্দ রাম সাহা” বালিয়াটি জমিদার পরিবারের গোড়াপত্তন করেন।
- ১৮ শতকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি লবণের বণিক ছিলেন।
- জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরিলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- ঢাকার জগন্নাথ কলেজ (বর্তমানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি (Baliaati Zamindar Bari) নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ। এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে।
- এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।

তথ্যসূত্র: মানিকগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
১৬,২১৬.
'অপারেশন রুট আউট' কিসের সাথে কিসের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) পাকিস্তানের জাতিগত উচ্ছেদ
  2. খ) রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে হত্যা ও মাদক প্রতিরোধ
  3. গ) কুর্দিদের উচ্ছেদ সম্পর্কিত
  4. ঘ) পশ্চিম তীর থেকে ফিলিস্তিনিদেরকে উচ্ছেদ সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

- অক্টোবর ২০২২ সালে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে চলমান অপরাধ হিসেবে মাদক ও মিশন কিলিং এর বিরুদ্ধে ৬টি ক্যাম্পে 'অপারেশন রুট আউট' নামে এক চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
- এপিবিএন এই অপারেশন পরিচালনা করে।
- কক্সবাজারের এই সকল ক্যাম্পগুলোতে চলমান অপরাধকে রুখতে এই ধরনের কঠোর অপারেশন পরিচালনা করা হয়।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং সমকাল পত্রিকা।
১৬,২১৭.
বাংলাদেশ শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রকারী কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Securities & Exchange Commission
  2. খ) Bangladesh Bank
  3. গ) Ministry of Commerce
  4. ঘ) Ministry of Finance
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা হলো BSEC - Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে দেশে দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ বা শেয়ারবাজার রয়েছে। এগুলো হলো: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

উৎসঃ BSEC ওয়েবসাইট
১৬,২১৮.
কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাকে একত্র করেন?
  1. ক) ইলিয়াস শাহ্
  2. খ) হোসেন শাহ্
  3. গ) মোবারক শাহ্
  4. ঘ) ফিরুজ শাহ্
ব্যাখ্যা
- শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।

সুলতানি শাসন:
- শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। 
- এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় ‘বাঙালি' নামে।
- তাঁরা জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে যোগ্যতার ভিত্তিতে সবাইকে শাসনকার্যে ও সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করেন।
- ইলিয়াসশাহী সুলতানগণ আরবদেশ, চীন ও পারস্যের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন।
- ইলিয়াসশাহী আমলে বাংলার কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের যথেষ্ট উন্নতি হয়েছিল।
- ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ১৬৩৮ সালে পূর্ব বাংলায় স্বাধীন সুলতানি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। রাজধানী হয় সোনারগাও।
- ১৩৫২ সালে ইলিয়াস শাহ সোনারগাও দখলের মাধ্যমে দুই বাংলা একত্র করেন।
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২১৯.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন কত সালে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

১৬,২২০.
'দিবর দিঘী' কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বিলাইছড়ি
  2. খ) গলাচিপা
  3. গ) পত্নীতলা
  4. ঘ) আদমদিঘী
ব্যাখ্যা
• 'দিবর দিঘী':
- পত্নীতলা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা (দিবর দিঘী ও দিবর দিঘীতে অবস্থিত দিব্যক জয়স্থম্ভ রয়েছে।
- নওগাঁ জেলার একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন পত্নীতলা উপজেলা দিবর দিঘীর মধ্যে স্থানে অবস্থিত দিব্যক জয়স্থম্ভ।
- এ দিঘী স্থানিয় জনগনের কাছে কর্মকারের জলাশয়ের নামে পরিচিত।দিঘীটির জলাশয়ের আয়তন প্রায় ৬০ বিঘা জমির উপরে অবস্থিত।
- দিবর দিঘীর মধ্যখানি অবস্থিত  আটকোণ বিশিষ্ট গ্রানাইট পাথরের এতবড়  সত্মম্ভ বাংলাদেশে বিরল।
- এই সত্মম্ভের উচ্চতা ৩১ ফুট আট ইঞ্চি।পরিদর্শনের সময়ে মাপ অনুযায়ী পানি নিচের অংশ ৬ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং পানির উপরের অংশ ২৫ ফুট ৫ ইঞ্চি। এর ব্যাস ১০ ফুট ৪ ইঞ্চি ;প্রতিটি কোণের পরিধি ১ ফুট ৩.৫ ইঞ্চি।
- এই সত্মম্ভের কোন লিপি নেই। সত্মম্ভের উপরিভাগ খাঁজ কাটা অলঙ্করণ দ্বারা সুশোভিত।

তথ্যসূত্র: পত্নীতলা উপজেলা ওয়েবসাইট।
১৬,২২১.
লর্ড কার্জন বাংলা ভাগ করেন কবে?
  1. ১৯০৪ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯০৬ সালে
  4. ১৯০৭ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২২২.
জাতীয় সংসদে স্পিকার প্রদত্ত ভোটকে কী বলা হয়?
  1. ক) ফ্লোর ক্রসিং
  2. খ) সেকেন্ডারি ভোট
  3. গ) কাস্টিং ভোট
  4. ঘ) স্ট্র ভোট
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট বা নির্ণায়ক ভোট হলো স্পিকার প্রদত্ত ভোট।
- সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে। এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন। স্পীকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'। 
- এটি সংবিধানের ৭৫ (১) খ ধারায় বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে ফ্লোর ক্রসিং বলা হয়।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, Marriam Webster
১৬,২২৩.
প্রাথমিকভাবে বিআরটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ৮ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
বিআরটি প্রকল্প উদ্বোধন করা হয়: ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪।

বিআরটি প্রকল্প:
- বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশন (বিআরটিসি)র পরিচালনায় বিআরটি প্রকল্পটি নেওয়া হয় ২০১১ সালে।
- চার বছরের মধ্যে আধুনিক জোড়া লাগানো বড় বাস চালু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। 
- প্রাথমিকভাবে গাজীপুর শিববাড়ি বিআরটি লেনে ১০টি বিআরটিসি এসি বাস দিয়ে প্রকল্পটি উদ্বোধন করা হয়।
- উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
- বাসগুলো শিববাড়ী টার্মিনাল থেকে বিআরটি লেনে বিমানবন্দর পর্যন্ত ২০.৫ কিলোমিটার এবং বিমানবন্দর থেকে গুলিস্তান পর্যন্ত ২২ কিলোমিটার পথে চলাচল করবে।
- বিআরটি নির্মাণ করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাসস।
১৬,২২৪.
রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস কোন জেলায়?
  1. সিলেট
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
রাখাইন জনগোষ্ঠী:
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য।
- এরা নিজেদের 'রাক্ষাইন' নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় 'মগ' নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১৬,২২৫.
কে ‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলী
  2. খ) এ কে ফজলুল হক
  3. গ) উইলিয়াম হান্টার
  4. ঘ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন - এ কে ফজলুল হক।

• রাজনীতিতে শেরে বাংলার অবদান:
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণার পর পূর্ব বাংলার মানুষ যখন চরম হতাশাগ্রস্থ তখন তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- উল্লেখ্য যে নবাব স্যার সলিমুল-াহ ফজলুল হককে বিশ্বস্তু যোগ্য ও শক্তিশালী সহযোগী হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন।
- ১৯১৩ সালে তিনি বেঙ্গল লেজিসলেটিভ কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হন।
- ১৯১৫ সালে তিনি কৃষক-প্রজা আন্দোলনে যোগদান করেন।

- ১৯১৬ সালে স্বাক্ষরিত লৌক্ষ্ম প্যাক্ট ফজলুল হকের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল।
- ১৯১৮ সালে তিনি একদিকে মুসলিম লীগের সভাপতি অন্যদিকে নিখিল ভারত কংগ্রেসের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের পদ অলংকৃত করেন।
- এ সময় তিনি মুসলিম লীগ ও কংগ্রেসের মধ্যে ঐক্য স্থাপনে প্রচেষ্টা চালান।
- ১৯২৯ সালে তিনি ‘নিখিল প্ৰজা সমিতি' গঠন করেন।
- একে ফজলুল হক একজন অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে ব্রিটিশ ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংকট মিমাংসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।

- তিনি ছিলেন বাংলার প্রথম নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবে শেরে বাংলা ভারতের শাসনতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের জন্য যে প্রজ্ঞা প্রদীপ্ত সুপারিশ করেছিলেন তার মধ্যে বাঙালির স্বতন্ত্র জাতিসত্তার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে ফজলুল হকের অসাধারণ নেতৃত্ব বাঙালি জাতিকে স্বাধীকারের সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- এরই সূত্র ধরে পূর্ব বাংলার মানুষ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে।

সূত্র: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২২৬.
ভাষা আন্দোলনের পেক্ষাপটে রচিত নাটক কোনটি?
  1. আর্তনাদ
  2. বিবাহ
  3. নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি
  4. জীবন থেকে নেওয়া
ব্যাখ্যা

• 'বিবাহ' নাটক:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে মমতাজউদদীন আহমদের লেখা প্রথম নাটক 'বিবাহ'।
- নাটকটি ১৯৮৫ সালে প্রকাসজিত হয়। 

- বিবাহ নাটকে আমরা দেখি সখিনাকে। যে কিনা স্বপ্ন দেখেছিল তার একটি সংসার হবে, যে কিনা বধূবেশে বসার স্বপ্ন দেখেছিল, বসেছিলও। গায়ে হলুদের দিন মেহেদী মেখেছিল হাতে। কিন্তু যার সাথে তার বিয়ে হবে সেই বর ছুটে গেল মিছিলে। বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের মিছিলে। পুলিশের গুলি খেয়ে পড়ে ছিল রাজপথে। যার রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হলো বাংলা ভাষা। সখিনার অস্ফুট স্বরে আর্তনাদ তাইতো বুক ভেঙে আসে।

অন্যদিকে, 
------------------
• ভাষা আন্দোলনের ভিত্তিতে শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস ’আর্তনাদ’। 
• সেলিনা হোসেন রচিত উপন্যাস ”নিরন্তর ঘন্টাধ্বনি”। 
• জহির রায়হানের পরিচালিত চলচ্চিত্র 'জীবন থেকে নেওয়া'। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; The Daily Star Bangla এবং বাংলাপিডিয়া। 

১৬,২২৭.
তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগ গঠিত ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. আবুল হাসেম
  2. অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া
  3. শামছুল আলম
  4. কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- পশ্চিম পাকিস্তানে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন ফোরামে শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমানের উদ্যোগে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রচেষ্টা চলে।
- এতে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্রসমাজ বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- তারা বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৪৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাত্রসভার আয়োজন করে।
- তমুদ্দিন মজলিশের  উদ্যোগ গঠিত ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়, যার আহবায়ক ছিলেন  অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।
- পরের বছর ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে পরিষদ সদস্যদের উর্দু বা ইংরেজিতে বক্তৃতা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।
- পূর্ব পাকিস্তানের কংগ্রেস দলের সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এ প্রস্তাবে সংশোধনী এনে বাংলাকেও পরিষদের অন্যতম ভাষা করার দাবি জানান।
- পরবর্তীতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার আন্দোলন পরিচালনার জন্য একটি নতুন  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়, যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
- এটি দ্বিতীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৬,২২৮.
বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের কত শতাংশ আসে ইলিশ থেকে?
  1. ক) ১১.০১ শতাংশ
  2. খ) ১১.৯০ শতাংশ
  3. গ) ১২.১৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৩.২৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম,
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের ১২.১৫ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে।
- দেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান এক শতাংশের অধিক।
- একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবদান সর্বোচ্চ; বাংলাদেশ ইলিশ শীর্ষক ভৌগোলিক নিবন্ধন সনদ (জিআই সনদ) প্রাপ্তিতে নিজস্ব পরিচয় নিয়ে বিশ্ববাজারে     বাংলাদেশের ইলিশ সমাদৃত।
- পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ ‘ইলিশের দেশ’ হিসেবে পরিচিত। 

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২১]
১৬,২২৯.
কোন সংসদের ব্যাপ্তি সবচেয়ে কম ছিলো?
  1. ৫ম সংসদ
  2. ৭ম সংসদ
  3. ষষ্ঠ সংসদ
  4. ৮ম সংসদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ হলো ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ। ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ থেকে ৩০শে মার্চ পর্যন্ত এই সংসদের মেয়াদ ছিলো মাত্র ১২ দিন।
- এই সংসদে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী পাশ হয়।
- সপ্তম সংসদ হলো দেশের প্রথম পূর্ণমেয়াদকালীন সংসদ।
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান সংসদ দেশের ১১তম সংসদ।
(সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১৬,২৩০.
সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, বৃহৎ শিল্পে শ্রমিক সংখ্যা কত?
  1. ৩০০ জনের অধিক
  2. ২৫০ জনের অধিক
  3. ২০০ জনের অধিক
  4. ১৫০ জনের অধিক
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries):
- উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। যে সকল তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকের সংখ্যা ১০০০ এর অধিক কেবল সে সকল তৈরি পোশাক শিল্প বৃহৎ শিল্পের অন্তর্ভুক্ত হবে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৩০ কোটি টাকার অধিক কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries):
- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ২ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১৬-৫০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাইক্রো শিল্প (Micro Industry):
- ‘মাইক্রো শিল্প’ (Micro Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকা থেকে ৭৫ লক্ষ টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ০১-২৫ জন বা তার চেয়ে কম সংখ্যক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাইক্রো শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ১৫ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

⇒ ভারী শিল্প:
- ‘ভারী শিল্প’ বলতে এমন শিল্পপণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়াকে বোঝায় যেখানে বৃহৎ আকারের উদ্যোগ, বড় যন্ত্রপাতি, ভূমির বৃহৎ এলাকা, উচ্চ খরচ ইত্যাদি বিষয়গুলো জড়িত থাকবে এবং যা হালকা প্রকৌশল শিল্পের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে। উদাহরণস্বরূপ জাহাজ নির্মাণ শিল্প, পেট্রোলিয়াম পরিশোধন শিল্প, ইস্পাত শিল্প, মোটর গাড়ি নির্মাণ শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, জলবিদ্যুৎ উৎপাদন শিল্প ইত্যাদি ভারী শিল্প হিসেবে গণ্য হবে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।
১৬,২৩১.
Dhaka University started with how many faculties?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 5
  4. ঘ) 6
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:

- ৩টি অনুষদ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু ১ জুলাই ১৯২১ সালে।
- ১৯২১ সালের জুলাই মাসে ৩টি অনুষদের অধীনে (বিজ্ঞান, কলা ও আইন) ১২টি বিভাগ ও ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার বীজ বপন হয়েছিল ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘটনার মধ্য দিয়ে। 
- ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে একদল মুসলিম জনপ্রতিনিধি, যার মধ্যে ‘বাংলার বাঘ’ খ্যাত এ কে ফজলুল হক ও সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী অন্যতম, বঙ্গভঙ্গ রদের ক্ষতিপূরণ হিসেবে এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে এখানে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দাবি জানান সর্বপ্রথম ১৯১২ সালের ৩১ জানুয়ারি।
- স্যার সলিমুল্লাহর দান করা ৬০০ একর জমিতেই ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৩০ জুন ২০২১।
১৬,২৩২.
ইবনে বতুতা কোন শাসকের শাসনামলে বাংলায় আগমন করেন?
  1. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
• ইবনে বতুতা (মরক্কো)
 - ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে ২১ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং
- আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দীন মুবারক শাহের আমলে।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- গ্রন্থ- ইবনে জুযাই , কিতাবুল রেহালা।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,২৩৩.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ‘এগারো দফা’ প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
‘উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান’ এর প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসে ‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ এর পক্ষ থেকে ‘এগারো দফা’ দাবী ঘোষণা করা হয়।
এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী দাওয়া, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো।
যার কারণে ‘এগারো দফা’ পূর্ব বাংলার সকল স্তরের জনসাধারণের সমর্থন লাভ করতে সক্ষম হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৬,২৩৪.
ঐতিহাসিক ২৬মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশের সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ তফসিল
  2. খ) পঞ্চম  তফসিল
  3. গ) সপ্তম তফসিল
  4. ঘ) ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে :-
• প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্টপতি নির্বাচন।
• তৃতীয় তফসিল- শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
• পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল -১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ।

উৎস:-  বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,২৩৫.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বয়সসীমা-
  1. ক) ৫৯ বছর
  2. খ) ৬৩ বছর
  3. গ) ৬৫ বছর
  4. ঘ) ৬৭ বছর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান (১২তম) গভর্নর (প্রধান নির্বাহী) হলেন 'আব্দুর রউফ তালুকদার'। তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন ৪ জুলাই, ২০২২ থেকে। তাঁর পূর্বে ১১তম গভর্নর  ছিলেন  ফজলে কবির (১৬ মার্চ ২০১৬ থেকে ৩ জুলাই ২০২২)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের  প্রথম গভর্নর ছিলেন এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ্‌।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যাংকটির মূল কার্যনির্বাহী প্রধানকে ‘গভর্নর' বলা হয়।
- গভর্নরের মেয়াদকাল: ৪ বছর
- গভর্নরের বয়সসীমা: ৬৭ বছর (২০২০ সালে ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়)

উৎসঃ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১৬,২৩৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ____ বছর।
  1. ক) ৭৩.৫
  2. খ) ৭২.৮
  3. গ) ৭২.০
  4. ঘ) ৭১.৮
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.০ বছর।
১৬,২৩৭.
বিশ্ব শান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে কোন পদকে ভূষিত করে?
  1. ক) জুলিও কুরি পদক
  2. খ) নেহরু পদক
  3. গ) লেনিন পুরস্কার
  4. ঘ) বিশ্ব সংহতি পদক
ব্যাখ্যা

১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়। ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।
(সূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা)

১৬,২৩৮.
কার সময়ে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়?
  1. ক) ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. খ) জন কার্টিয়ার
  3. গ) রবার্ট ক্লাইভ
  4. ঘ) লর্ড কর্ণওয়ালিস
ব্যাখ্যা
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে মোগল সম্রাট শাহ আলমের নিকট থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি বা রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা লাভ করে।
অন্যদিকে নবাবকে শাসন ও বিচারকার্য পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়। ইতিহাসে এটিই দ্বৈতশাসন নামে পরিচিত।
ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা বাতিল করেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,২৩৯.
নরসিংদী জেলায় নিম্নের কোন ঐতিহাসিক নিদর্শনের অস্তিত্ব পরিলক্ষিত হয়?
  1. মহাস্থানগড়
  2. তাজহাট জমিদার বাড়ি
  3. উয়ারী বটেশ্বর
  4. ময়নামতি
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

অন্যদিকে,
- মহাস্থানগড়: বাংলাদেশের এই প্রাচীনতম শহুরে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান গ্রামে অবস্থিত। 
- ময়নামতি: অষ্টম শতাব্দীর এই প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানটির অবস্থান কুমিল্লা জেলার নিচু ও মৃদু টোল পড়া পাহাড়ি এলাকা ময়নামতিতে। 
- তাজহাট জমিদার বাড়ি: রংপুরের উপকণ্ঠ তাজহাটে অবস্থিত বাংলাদেশের এই ঐতিহাসিক প্রাসাদের আরেক নাম তাজহাট জমিদার বাড়ি। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,২৪০.
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে নিয়োগ প্রদান করেন -
  1. জাতীয় সংসদ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ প্রদান করা হয়ঃ
- প্রধানমন্ত্রী,
- প্রধান বিচারপতি,
- সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি,
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারগণ,
- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্য,
- পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর,
- অ্যাটর্নি জেনারেল ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,২৪১.
“গণতন্ত্রের মানসপুত্র” বলা হয় কোন রাজনীতিবিদকে?
  1. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  2. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- তিনি ছিলেন রাজনীতিক, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তাকে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়
- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯২১ থেকে ১৯৫৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভা এবং পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন।
- তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন।
- সেসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো
- ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী,
- ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী,
- ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী,
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,২৪২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৩৭নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৩৮নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৩৯নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৪১নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
১৩৭নং অনুচ্ছেদ: কমিশন-প্রতিষ্ঠা 
- আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে। 

অন্যদিকে:
- ১৩৮নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৩৯নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪১নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,২৪৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নাটোর
  2. যশোর
  3. পাবনা
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৬,২৪৪.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি-কে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. স্পীকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

» স্পিকার যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১। রাষ্ট্রপতি;
২। সকল সংসদ সদস্যদের;

» রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১।প্রধানমন্ত্রী;
২।মন্ত্রীগন;
৩। উপমন্ত্রীদের;
৪। প্রতিমন্ত্রীদের;
৫। স্পীকার;
৬। ডেপুটি স্পিকার;
৭। প্রধান বিচারপতি ;

» প্রধানমন্ত্রী যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র;
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান;

» প্রধান বিচারপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান-
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে;
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের ;
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন;
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে;

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,২৪৫.
মোঘল সম্রাটদের মধ্যে কে সর্বপ্রথম আত্মজীবনী লিখেন?
  1. ক) বাবর
  2. খ) আকবর
  3. গ) হুমায়ূন
  4. ঘ) শাহাজাহান
ব্যাখ্যা
উত্তর : বাবর

বাবর:
- বাবর জন্মেছিলেন ১৪৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফারগানা (বর্তমানে উজবেকিস্তান) প্রদেশের আনদিজান শহরে।
- তিনি ফারগানা প্রদেশের শাসনকর্তা ওমর মির্জার বড় পুত্র ছিলেন।
- পিতার মৃত্যুর পর মাত্র ১২ বছর বয়সেই সিংহাসনে বসেন। তবে চাচার ষড়যন্ত্রের কাছে পরাজিত হয়ে সেখান থেকে বিতাড়িত হন বাবর। পরে ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে হিন্দুকুশের দিকে পা বাড়ান বাবর।
- মোগল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা জহিরউদ্দিন মুহম্মদ বাবর তুর্কি ভাষায় ‘তুজুক-ই-বাবুরী’ বা 'বাবরনামা' নামে তার জীবন স্মৃতি রচনা করেন। 
তিনিই প্রথম আত্মজীবনী রচনাকারী মোগল সম্রাট।

এছাড়া মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের আত্মচরিত বা স্মৃতিকথা রচিত হয় ‘তুজুক-ই-জাহাঙ্গীরী' নামে।
- আর খ্রিষ্টীয় ষোড়শ শতাব্দীতে রচিত সম্রাট আকবরের প্রশাসনের বিস্তারিত বর্ণনা সমৃদ্ধ একটি নথি ‘আইন-ই-আকবরি'।

উৎস - বাংলাপিডিয়া।
১৬,২৪৬.
পাটের আঁশ হতে পচনশীল পলিমার ব্যাগ তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন-
  1. ড. শামসুল আলম
  2. ড. শহীদুল আলম
  3. ড. শহীদুল হক খান
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
সোনালি ব্যাগ:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল কর্পোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।
 
এছাড়াও,
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।
 
অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
 
উৎস: প্রথম আলো ও ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,২৪৭.
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত ‍মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ক) ৩ লক্ষ টাকা
  2. খ) ৩.৫ লক্ষ টাকা
  3. গ) ৪.৫ লক্ষ টাকা
  4. ঘ) ৪.৭৫ লক্ষ টাকা
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা:
- সাধারণ ব্যক্তি করদাতা : ৩ লক্ষ টাকা
- তৃতীয় লিঙ্গ, মহিলা ও ৬৫ বছর উর্ধ্ব করদাতা : ৩.৫ লক্ষ টাকা
- প্রতিবন্ধি করদাতা : ৪.৫ লক্ষ টাকা
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা : ৪.৭৫ লক্ষ টাকা
(তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট)
১৬,২৪৮.
মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর উত্তম
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর শ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- যথা:
• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
১৬,২৪৯.
ড. শামসুজ্জোহা কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী মেডিকাল কলেজ
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• ড. শামসুজ্জোহা:
- তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং তৎকালীন প্রোভোস্ট ছিলেন।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল।
- পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ছাত্রদের ওপর গুলি চালানোর প্রস্তুতি নিলে ড. শামসুজ্জোহা বাধা দেন।
- ছাত্রদের রক্ষা করতে সামরিক বাহিনীর সামনে এগিয়ে গেলে সৈন্যরা তাকে গুলি করে হত্যা করে।
- ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে শহীদ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,২৫০.
বর্তমানে দেশে সর্বোচ্চ আয়কর হার কত?
  1. ক) ১৫ শতাংশ
  2. খ) ২০ শতাংশ
  3. গ) ২৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৩০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট অনুসারে সর্বোচ্চ আয়কর হার ২৫ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন করহার ৫ শতাংশ।
মোট আয়কর হার ৫টি। এগুলো হলো:
- ৫ শতাংশ
- ১০ শতাংশ
- ১৫ শতাংশ
- ২০ শতাংশ
- ২৫ শতাংশ।
- ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের পূর্বে সর্বোচ্চ করহার ছিলো ৩০ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন ১০ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট)
১৬,২৫১.
NAEM এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) National Academy for Educational and Management
  2. খ) National Academy for Environment Management
  3. গ) National Academy for Economics and Management
  4. ঘ) National Academy for Educational Management
ব্যাখ্যা
National Academy for Educational Management (NAEM) was established in July 1991 as an apex institute for giving training and undertaking research on educational planning and management.
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৬,২৫২.
Bakhtiar Khalji was born in-
  1. Iraq
  2. Afganistan
  3. Iran
  4. Turkey
ব্যাখ্যা
বাংলায় মুসলিম শাসন:
- বখতিয়ার খলজি আফগানিস্তানের গরমশীরের (দস্ত-ই-মার্গ) অধিবাসী ছিলেন।
- রাজধানী নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষন সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজির বাংলা দখলের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা পায়।
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২৫৩.
কার শাসনামলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল?
  1. গোপাল
  2. বল্লাল সেন
  3. দ্বিতীয় মহীপাল
  4. বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে।
- এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য।
- তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন।
- কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২৫৪.
সংবিধান অনুসারে সর্বাধিক কত সংখ্যক সদস্য নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. তিনজন
  2. চারজন
  3. পাঁচজন
  4. ছয়জন
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১১৮(১) নং দফা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজনসহ মোট পাঁচজন সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারদের পদের মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী পাঁচ বছর।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১৬,২৫৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন কবে?
  1. ক) ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. গ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন ।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গণ পরিষদ আদেশ জারি করা হয়।
- রাষ্ট্রপতি ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন আহবান ও উদ্বোধন করেন।
- রাষ্ট্রপতির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শাহ আব্দুল হামিদ ও মােহাম্মদ উল্লাহ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় গণপরিষদের যথাক্রমে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
- প্রথম অধিবেশনে সভাপতি ছিলেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হােসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- কমিটিতে একমাত্র বিরােধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগু ।
- একমাত্র  মহিলা সদস্য  রাজিয়া বানু ।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭২ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- আইনমন্ত্রী ড. কামাল হাসেনে ১২ অক্টোবর গণপরষিদে পেশ করনে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বেলা ১ঃ১০ মিনিটে গণপরিষদে সংবিধান বিল পাস হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ স্পিকার, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ ও গণপরিষদ সদস্যগণ সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজি অনুলিপিতে(৩৯৯ জন) স্বাক্ষর দান করেন। 
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধান বইতে স্বাক্ষরদানে বিরত থাকেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান: আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
১৬,২৫৬.
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. নীলফামারী
  4. পঞ্চগড় 
ব্যাখ্যা

• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর :
- বাংলাবান্ধা ল্যান্ড পোর্ট লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে অবস্থিত।
- এ বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জলপাইগুড়ি জেলার ফুলবাড়ী এলসিএস রয়েছে।
- ১২ জানুয়ারি, ২০০২ তারিখ বাংলাবান্ধা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,২৫৭.
আদর্শ মাটিতে কত ভাগ জৈব পদার্থ থাকে?
  1. ক) ৪%
  2. খ) ৫%
  3. গ) ৭%
  4. ঘ) ৮%
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর বিশাল প্রাকৃতিক শোধনাগার হচ্ছে মাটি। সাধারণত আদর্শ মাটিতে ৫% জৈব পদার্থ থাকে।
মাটির গঠন, বর্ণ, পানি ধারণক্ষমতা ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে মাটিকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়;
যথা-
(ক) বালু মাটি,
(খ) পলি মাটি,
(গ) কাদামাটি এবং
(ঘ) দো-আঁশ মাটি।

১৬,২৫৮.
অনলাইনে ভূমির নামজারির সকল কাজ সম্পন্ন করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) ই- ভূমি
  2. খ) ই- খতিয়ান
  3. গ) ই- দলিল
  4. ঘ) ই- নামজারি
ব্যাখ্যা
• ভূমির নামজারির সব কাজ সম্পন্ন হবে অনলাইনে, যেটাকে বলা হচ্ছে ই- নামজারি
- কোন জমি কিনলে সেটি নিজের নামে নামজারি করতে হয়। এর মানে হল সরকারি ভূমি অফিসের রেজিস্ট্রারে আপনার নামে জমিটি লিপিবদ্ধ থাকে।

সূত্র: ভূমি মন্ত্রণালয় ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
১৬,২৫৯.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. এম মনসুর আলী
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ।

• মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)।
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
- এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,২৬০.
বাংলাদেশের প্রথম রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার চালু করা হয়েছে কোথায়? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ঢাকায়
  2. খুলনায়
  3. যশোরে
  4. চট্রগ্রামে
ব্যাখ্যা
প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র:
- চীনের সহায়তায় গড়ে তোলা হোয়েছে দেশের প্রথম রোবোটিক পুনর্বাসন কেন্দ্র।
- এটি ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের বেজমেন্ট-১-এ অবস্থিত।
- এখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর রোবটের মাধ্যমে ফিজিওথেরাপি ও বিশেষায়িত সেবা দেওয়া হবে।
- কেন্দ্রে মোট ৬২টি রোবোটিক ইউনিট স্থাপন করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন রোবট।
- কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠায় সহায়তা হিসেবে চীন সরকার প্রায় ২০ কোটি টাকার রোবোটিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেছে।
- এই কেন্দ্রে প্রথমে জুলাই আন্দোলনে আহত, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসনের প্রয়োজন—এমন ব্যক্তিদের চিকিৎসায় অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
- ১০ জুলাই, ২০২৫ দেশের প্রথম রোবটিক রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে সীমিত পরিসরে পাইলট প্রকল্প চালু হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১৬,২৬১.
কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  2. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা

চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন সাংবিধানিক পদ নয়।

সাংবিধানিক পদ:

- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল সাংবিধানিক পদের উল্লেখ রয়েছে।

সাংবিধানিক পদ:
১। রাষ্ট্রপতি।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী।
৩। স্পীকার।
৩। ডেপুটি স্পীকার।
৫। সংসদ সদস্য।
৬। প্রধান বিচারপতি।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,২৬২.
বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান কে ছিলেন?
  1. সুলতান মাহমুদ শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজি
ব্যাখ্যা

ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ:
- বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ।
- তিনি বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তার রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলেও ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার শাসকগণ দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতেন।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন তুঘলকের শাসনামলে বাংলাকে সোনারগাঁও, লখনৌতি ও সাতগাঁও এই তিনটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা বাহরাম খানের মৃত্যু হলে ফখরুদ্দিন নামে তাঁর একজন সিলাদার স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- তিনি 'মুবারক শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- ফখরুদ্দিন বাংলায় তাঁর কর্তৃত্ব সুদৃঢ় করলে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাংলায় দু'শো বছরের স্বাধীন ইতিহাসের সূচনা হয়।
- তিনি তাঁর রাজ্যসীমা দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অনেকটা সম্প্রসারণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিজয় করেন এবং এ পর্যন্ত সমগ্র ভূ-ভাগে তাঁর সুদৃঢ় নিয়ন্ত্রণে ছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,২৬৩.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমেদ
  4. ঘ) এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
• রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
• উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ। 
• অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: এম মনসুর আলী।
• স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: এএইচএম কামারুজ্জামান।
• পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমদ।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র: তৃতীয় খণ্ড।
১৬,২৬৪.
পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)
  3. জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা গ্রুপ)
  4. ইউপিডিএফ
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস):
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম রাজনৈতিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সংগঠন। পাহাড়িদের দাবিদাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে সংগঠনটি বিশ শতকের সত্তরের দশকে সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনা করে। ১৯৭৩ সালে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার কিছুকাল পর থেকে জনসংহতি সমিতির সামরিক শাখা শান্তি বাহিনী তৎপরতা শুরু করে। তখন থেকে ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও শান্তি বাহিনী দীর্ঘকাল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত ছিল।

⇒ পাকিস্তান আমলে ১৯৫৬ সালে পাহাড়ি ছাত্রদের দাবি আদায় সংক্রান্ত একটি সংগঠন হিল স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন গঠিত হয়। ১৯৬৬ সালের ডিসেম্বরে পার্বত্য চট্টগ্রাম উপজাতীয় কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর নেতৃত্বে ছিলেন অনন্ত বিহারী খীসা ও জে বি লারমা। এ সমিতির সমর্থনে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।

⇒ মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ১৯৭২ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান প্রণেতাদের কাছে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্তশাসনের দাবিসহ মোট চার দফা দাবি পেশ করেন। চার দফা দাবিও সরকার কর্তৃক প্রত্যাখাত হলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং জুম্ম জাতীয়তাবাদ ও জুম্মল্যান্ড ধারণা জন্ম নেয়। পাহাড়িদের স্বার্থ আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি গঠিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আদর্শ ও উদ্দেশ্য ছিল: মানবতাবাদ, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং চাকমা, মারমা (মগ), ত্রিপুরা, বম, মুরং, পাঙ্খো, খুমি, চাক, খিয়াং, লুসাই প্রভৃতি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার অর্জন। সমিতির সহযোগী সংগঠন ছিল এর সামরিক শাখা শান্তি বাহিনী, গ্রাম পঞ্চায়েত, যুব সমিতি ও মহিলা সমিতি।

⇒ ১৯৯৬ সালের ১৪ অক্টোবর ১১-সদস্য বিশিষ্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি গঠিত হয়। একদিকে জনসংহতি সমিতির দাবিদাওয়া ও পাহাড়ি জনগণের ন্যায্য দাবির প্রতি সরকারের ইতিবাচক মূল্যায়ন এবং অন্যদিকে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ পরিহার করে রাজনৈতিক সমাধানে জনসংহতি সমিতির আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি স্থাপনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। ১৯৯৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষ শান্তিচুক্তি স্থাপনে ঐক্যমতে পৌঁছে। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির অবসান ঘটে। শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর জনসংহতি সমিতি রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৬,২৬৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত কত?
  1. ৯৫:১০০
  2. ৯৪.২: ১০০
  3. ৯৬.৩: ১০০
  4. ৯৯.১: ১০০
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, 
• আয়তন ১,৪৭,৫৭০ (বর্গ কি. মি.) ।
• মোট জনসংখ্যা ১৭১.০০ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি।
• জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার (২০২৩) ১.৩৩%। 
• জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৭১/বর্গ কি.মি.। 
• গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৩ বছর। (পুরুষ – ৭০.৮, নারী – ৭৩.৮) 
• সাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৭.৯% (পুরুষ – ৮০.১%, নারী – ৭৫.৮%) 
• পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩) ৯৬.৩: ১০০ । 
• চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP) ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা । 
•  স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP) ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা । 
• স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২% । 
• চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI) ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা । 
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI) ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার। 
• মুদ্রাস্ফীতি/মূল্যস্ফীতি ৯.৭৪%

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬,২৬৬.
পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

পোশাক রপ্তানিকারক দেশ:
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ দেশ চীন।
- পোশাক রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের ৬৯ শতাংশেরই গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষ গন্তব্যগুলো হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস, পোল্যান্ড, ইতালি, কানাডা ও জাপান। প্রতিটি বাজারে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের বেশি তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।
- একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ প্রতিবেদন অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ:
১. চীন,
২. বাংলাদেশ,
৩. ভিয়েতনাম।

উৎস: i) WTO ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star.

১৬,২৬৭.
'কাঁচের দেয়াল' ছবিটি পরিচালনা করেন কে?
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান: 
- জহির রায়হান ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা মওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ কলকাতা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক এবং ঢাকা আলীয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ছিলেন।

• জহির রায়হান পরিচালিত চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে:
- Stop Genocide,
- জীবন থেকে নেওয়া,
- কখনও আসেনি,
- কাজল,
- কাঁচের দেয়াল,
- বেহুলা,
- আনোয়ারা,
- সঙ্গম,
- বাহানা প্রভৃতি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১৬,২৬৮.
২১ শে ফেব্রুয়ারিকে কত সালে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়?
  1. ১৯৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
১৬,২৬৯.
সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৩) টিকা তৈরির কারখানা স্থাপনে বাংলাদেশকে ঋণ দেবে কোন সংস্থা?
  1. আইএমএফ
  2. বিশ্ব ব্যাংক
  3. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  4. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
ব্যাখ্যা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক:
- কোভিড, ইনফ্লুয়েঞ্জা, ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগের টিকা উৎপাদনের কারখানা স্থাপনের জন্য বাংলাদেশকে প্রায় ৩৪ কোটি ডলার দেবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)।
- বর্তমানে বাংলাদেশ গ্যাভি কার্যক্রম থেকে টিকা পাচ্ছে, তবে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণের পর এই সুযোগ থাকবে না।
- তবে বাংলাদেশের টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা আছে।
- সে কারণেই এ বিষয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে এডিবি।
- সেই সঙ্গে এডিবির সহায়তা পেলে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে টিকা রপ্তানি করতে পারবে বলেও মনে করেন গিন্টিং।
- বিভিন্ন টিকার তত্ত্বীয় দিকনির্দেশনা দেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, অর্থ দেবে এডিবি আর তৈরি করবে বাংলাদেশ।
- এই ত্রিমুখী সহযোগিতার ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে টিকা তৈরি হবে।

উৎস: ১১ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১৬,২৭০.
পাকিস্তানের গণপরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী প্রথম উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) আব্দুস সালাম খান
  2. খ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. গ) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. ঘ) খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা
১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,২৭১.
Which of the following is not a UNESCO World Heritage Site of Bangladesh?
  1. Mosque City of Bagerhat
  2. Tanguar Haor
  3. Buddhist Vihara at Paharpur
  4. Sundarbans
  5. None of above
ব্যাখ্যা
ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

উল্লেখ্য,
- সুন্দরবন ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য,
- পাহাড়পুরের সোমপুর বৌদ্ধবিহার ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২২তম বিশ্ব ঐতিহ্য,
- ষাটগম্বুজ মসজিদ ইউনেস্কো ঘোষিত ৩২১তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

অন্যদিকে,
- টাঙ্গুয়ার হাওর ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য নয়।
- এটি একটি রামসার সাইট।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
১৬,২৭২.
নিচের কোন জেলায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম নেই?
  1. ক) খাগড়াছড়ি
  2. খ) লক্ষ্মীপুর
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
বাপবিবোর্ড এর কার্যক্রম:
- পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্রম নেই- বান্দরবান জেলায়
- মোট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ৮০ টি।
- অনুমোদিত প্রকল্প ৮৪ টি।
- অন্তর্ভুক্ত জেলা ৬১ টি।
- অন্তর্ভুক্ত উপজেলা ৪৬২ টি ( ৪৬১ টি অন-গ্রিড এবং ০১ অফ-গ্রিড)।
- শতভাগ বিদ্যুতায়িত উপজেলা ৪৬২।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড।
১৬,২৭৩.
বঙ্গবন্ধু জােট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কততম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
- সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।

(সূত্র: ন্যাম ওয়েবসাইট)

১৬,২৭৪.
বাংলাদেশের গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. মনসুর আলী
  3. এম ইদ্রিস
  4. মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার মনোনীত না হওয়া পর্যন্ত গণপরিষদের প্রবীনতম সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর সভাপতিত্বে গণপরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। 

⇒ ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ গণপরিষদের অধিবেশনে মনসুর আলী বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন করার উদ্দেশ্যে একটি প্রস্তাব করেন। সেই প্রস্তাবে ছিল, 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুনের মধ্যে কমিটি বিল আকারে একটি খসড়া শাসনতন্ত্রসহ রিপোর্ট পেশ করার কথা থাকলেও কমিটির পক্ষে সভাপতি কামাল হোসেন ১২ অক্টোবর ১৯৭২ 'সংবিধান বিল' গণপরিষদে উত্থাপন করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,২৭৫.
পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে কত তারিখে?
  1. ক) ২ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ৮ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. গ) ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
  4. ঘ) ২০ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
একইদিন বুলগেরিয়াও বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রধান করে। এর আগে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান ও দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং নিউইর্য়ক টাইমস)
১৬,২৭৬.
Which one of the following is the highest civilian award in Bangladesh?
  1. ক) Ekushey Padak
  2. খ) Independence Day Award
  3. গ) Rabindra Award
  4. ঘ) Bangla Academy Award
  5. ঙ) None
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক হলো স্বাধীনতা পদক
- ১৯৭৭ সাল থেকে স্বাধীনতা পদক প্রদান করা হচ্ছে।
- স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করা হয় - সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে।
- ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা
১৬,২৭৭.
তমদ্দুন মজলিস কার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. অধ্যাপক আব্দুল মজিদ
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. অধ্যাপক আবুল কালাম
  4. অধ্যাপক তমিজউদ্দীন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,২৭৮.
‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করা হয় কবে?
  1. ১১ জানুয়ারি, ২০১৯
  2. ১২ জানুয়ারি, ২০১৯
  3. ২৩ জানুয়ারি, ২০১৯
  4. ২১ জানুয়ারি, ২০১৯
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ:
- মুজিববর্ষ হলো বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- ২০২০ সালের ১৭ই মার্চ তাঁর জন্মের ১০০ বছর পূর্তি হয়।
- তাই তাঁর এই জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের জন্যই 'মুজিববর্ষ' পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- এছাড়াও ২০২১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলাদেশ স্বাধীনতার অর্ধ-শত বার্ষিকীতে পদার্পণ করে।
- ২০১৯ সালের ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় মুজিব বর্ষ উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত হয়েছিল।  
- তাই ২০২০ ও ২০২১ সাল দুটি বাঙালির জাতীয় জীবনের দুটি ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হয়ে থাকছে।
- মুজিববর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ সাল পর্যন্ত।
- প্রথমে ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬শে মার্চ, ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কে মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে, বৈশ্বিক করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ‘মুজিববর্ষ' এর সময়সীমা পুনঃনির্ধারণ করে।
- মুজিববর্ষের লোগোর নকশাকার সব্যসাচী হাজরা।

উৎস: i) শ্রম অধিদপ্তর এর ওয়েবসাইট।
         ii) ১০ জানুয়ারি ২০২০, প্রথম আলো।
১৬,২৭৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত 'সাসটেইনেবল রেটিং-২০২৪'- এ স্থান পেয়েছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. ৮টি ব্যাংক ও ১টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. ১০টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  3. ১২টি ব্যাংক ও ৩টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  4. ১৫টি ব্যাংক ও ২টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
টেকসই রেটিং তালিকা:
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২০ সালে প্রথমবারের মতো সাসটেইনেবিলিটি রেটিং সিস্টেম চালু করে।
- এর লক্ষ্য ছিল আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক (ইএসজি) বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করে একটি টেকসই আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- মূলত পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে যাচাই করা হয়েছে এ মান।
- এগুলো হলো: টেকসই অর্থায়ন সূচক, সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম, পরিবেশবান্ধব প্রকল্পে অর্থায়ন, টেকসই কোর ব্যাংকিং সূচক ও ব্যাংকিং সেবার পরিধি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ব্যাংক পঞ্চমবারের মতো দেশের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর (এনবিএফআই) জন্য 'সাসটেইনেবল রেটিং-২০২৪' প্রকাশ করেছে।
- এতে পাঁচটি প্রধান সূচকের ভিত্তিতে সেরা হিসেবে তালিকায় স্থান পেয়েছে ১০টি ব্যাংক এবং দুটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- এবার টেকসই ১০ ব্যাংকের তালিকায় রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক পিএলসি (ইবিএল), যমুনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, এনসিসি ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক।
- আর আর্থিক প্রতিষ্ঠান দুটি হলো আইডিএলসি ফাইন্যান্স ও আইপিডিসি ফাইন্যান্স।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১৬,২৮০.
মুক্তিযুদ্ধের 'তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি' কবে প্রণীত হয়?
  1. ২৭ মার্চর ১৯৭১
  2. ২ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

⇒ মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১৬,২৮১.
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন -
  1. বেগম সুফিয়া কামাল
  2. বেগম মতিয়া চৌধুরী
  3. সিতারা বেগম
  4. বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৬,২৮২.
নিম্নে কোনটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ধর্মনিরপেক্ষতা
  2. জাতীয়তাবাদ
  3. সমাজতন্ত্র
  4. ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়- ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদ।

• সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংবলিত:

•সংবিধানের মূলনীতি চারটি:
যথা-
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র, 
- গণতন্ত্র ও 
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদ মূলনীতিসমূহ সংবলিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬,২৮৩.
ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে কত সালে?
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৮ সালে
  4. ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ বাঙালি জাতির স্বাধীনতা যুদ্ধের দিকনির্দেশনা।
- বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা পূর্ব সকল ভাষণগুলোর মধ্যে শ্রেষ্ঠ ভাষণ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চে প্রদত্ত ভাষণ।
- এই ভাষণের মাধমে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতি স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে উদ্দীপ্ত হয়ে বাঙালি জাতি ছিনিয়ে এনেছিল তাদের বহু কাঙ্খিত স্বাধীনতা।
- এ কারণেই ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে 'মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে ইউনেস্কো এই স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২৮৪.
বাংলাদেশ সরকারের হজযাত্রী সহায়ক মোবাইল অ্যাপের নাম কী? 
  1. লা শারিকালাহু
  2. হজসঙ্গী
  3. লাব্বাইক
  4. হজগাইড 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মোবাইল অ্যাপের নাম- 'লাব্বাইক'।

'লাব্বাইক':
- বাংলাদেশের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের সুবিধার জন্য ‘লাব্বাইক’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করেছে।
- এটি হজযাত্রার প্রস্তুতি থেকে শুরু করে সৌদি আরবে অবস্থানকালীন প্রয়োজনীয় তথ্য, দিকনির্দেশনা, যোগাযোগ, লজিস্টিক সাপোর্ট এবং জরুরি সহায়তার জন্য ডিজিটাল সহায়ক হিসেবে কাজ করে।
- এই অ্যাপ হজযাত্রীদের ভাষাগত প্রতিবন্ধকতা, স্থানীয় অবকাঠামো সম্পর্কে অজ্ঞতা এবং জরুরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তা মোকাবিলায় সহায়তা করে।
- ফলে হজযাত্রা নিরাপদ, সুবিন্যস্ত এবং আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ হয়।
- এই অ্যাপটির জন্য হজ ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করা সম্ভব হয়েছে।
- অ্যাপটির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো: 
• বাংলা ভাষায় হজ বিষয়ক অডিও-ভিজ্যুয়াল গাইড ও দোয়া,
• মক্কা, মদিনা ও মিনার বাসস্থান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহের ছবি ও তথ্য,
• ভার্চুয়াল মেডিকেল সাপোর্ট,
• লাগেজ ট্র্যাকিং, 
• প্রিপেইড কার্ড ও সিমের রোমিং সুবিধা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১৬,২৮৫.
Operation carried out on March 25, 1971 is known as-
  1. ক) Operation Flash Light
  2. খ) Operation Close Door
  3. গ) Operation Clean Heart
  4. ঘ) Operation Search Light
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,২৮৬.
বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন কে জারি করে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. জেনারেল শফিউল্লাহ
  4. উপরের কেউই না
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম সামরিক শাসন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি হয় ১৯৭৫ সালে।
- বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করে খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার ফলে আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনাবসান ঘটে।
- খন্দকার মোশতাক আহমদের নেতৃত্বে একটি সরকার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়, দেশে সামরিক আইন জারি করা হয়।

⇒ ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেড় দশক কাল বাংলাদেশে সামরিক শাসন চলেছিল।
- এ সামরিক শাসন ছিল কখনো প্রত্যক্ষ কখনো পরোক্ষ।
- সামরিক শাসন কালে সংবিধান, আইনের শাসন, বিচার বিভাগ, ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, অর্থনীতি সকল ক্ষেত্রেই সামরিক বাহিনীর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সামরিকীকরণ প্রক্রিয়ার ফলে বেসামরিক রাজনৈতিক কর্তৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব হয় নি।
- ১৯৭৫ সালে প্রথম সামরিক সরকারের শুরু থেকেই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বসহ সরকার ও প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামরিকায়নের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- জেনারেল এরশাদের আমলে এ প্রক্রিয়া প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২৮৭.
কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  3. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  4. সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
-  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। 
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। 
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,২৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও মুদ্রার নকশাকার কে?
  1. কে জি মুস্তফা
  2. কামরুল হাসান
  3. জয়নাল আবেদীন
  4. জে কে ফারুক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম টাকার ও মুদ্রার নকশাকার:
- বাংলাদেশের প্রথম টাকা ও কয়েনের নকশাকার শিল্পী  কে জি মুস্তফা।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিটসহ আরও গুরুত্বপূর্ণ স্মারকের নকশাকারও তিনি।
- ১৯৭২ সালে ১০ পয়সার ধাতব মুদ্রা তিনি নকশা করলেন।
- সেটির এক পাশে রাখলেন পানের ছবি যে পান ‘বাঙাল’দের প্রাণের বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করে।
- জয়নুল আবেদিন ও কামরুল হাসানের পরামর্শে মুস্​তাফা হাত দিলেন ১ টাকার নোট নকশায়। 
- কাগজের টাকার পর ১, ৫, ১০, ২৫ এবং ৫০ পয়সার ধাতব মুদ্রারও নকশা করলেন মুস্​তাফা।

উল্লেখ্য,
- ৭ জুলাই, ২০২৩ তারিখে ভোর ৩টার দিকে রাজধানীর হলি ফ‍্যামিলি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত‍্যাগ করেন। 

উৎস: ৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৬,২৮৯.
'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের কোন সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,২৯০.
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ কোনটি?
  1. বিএনএস পলাশ
  2. বিএনএস পদ্মা
  3. সংগ্রাম
  4. স্টেলা মেরিস
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে।

⇒ খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ ‘বিএনএস পদ্মা’।
- বিএনএস পদ্মার গতিবেগদ ঘন্টায় ২৩ নটিকাল মাইল (প্রায় ৩৭ মাইল)।
- পানির নীচে এর গভীরতা ৪ দশমিক ১ মিটার।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৬,২৯১.
সোনারগাঁওকে বাংলার রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. শের শাহ সূরি
  2. আওরঙ্গজেব
  3. ঈশা খাঁ
  4. ইসলাম খান চিশতী
ব্যাখ্যা

সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের গোড়াপত্তন করেন ঈশা খাঁ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,২৯২.
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কতটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও প্রকাশ করেছে?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NTCB) ৫টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও প্রকাশ করেছে।
নৃ-গোষ্ঠীগুলো হলো-
- চাকমা,
- মারমা,
- ত্রিপুরা (ককবরক),
- গারো ও
- ওঁরাও (সাদরি)।

১৬,২৯৩.
মুক্তিযুদ্ধে ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন- 
  1. খালেদ মোশাররফ
  2. জিয়াউর রহমান
  3. এ.কে খন্দকার
  4. আব্দুর রব
ব্যাখ্যা

২ নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
- এই সেক্টরে ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল।
- এই সেক্টরের বাহিনীর অভিযানের ফলে কুমিল্লা ও ফেনীর মধ্যবর্তী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পাক-বাহিনী সম্পূর্ণ বিতাড়িত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিককালে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকারে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,২৯৪.
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কেন্দ্র কয়টি?
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কেন্দ্র রয়েছে ২টি। প্রথম পরমাণু শক্তি কেন্দ্রটি ১৯৬৪ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। আর দ্বিতীয় পরমাণু শক্তি কেন্দ্রটি ২০১৩ সালে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: http://www.baec.gov.bd/
১৬,২৯৫.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতি চিত্র নিয়ে সংকলিত গ্রন্থের নাম কী?
  1. Memory of July
  2. Art of July
  3. Memory of Gen Z
  4. Art of Triumph
ব্যাখ্যা

Art of Triumph:
- জুলাইয়ে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে গত ৫ আগস্ট।
- ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বিভিন্ন দেয়ালে নানা ধরনের গ্রাফিতি আঁকা হয়।
- তরুণ বিপ্লবীদের আঁকা এমন গ্রাফিতি সশরীরে গিয়ে দেখলেন প্রধান উপদেষ্টা।
- জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতি চিত্র নিয়ে সংকলিত গ্রন্থের নাম Art of Triumph।

এছাড়াও,
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি চিত্রের একটি সংকলন 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' উপহার প্রদান করেন।
- এছাড়াও, মুহাম্মদ ইউনূস প্রখ্যাত প্রাণিবিজ্ঞানী, প্রাইমেটোলজিস্ট ও নৃতত্ত্ববিদ জেন গুডঅলকে 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' আর্টবুক উপহার দিয়েছেন। 

উৎস: প্রথম আলো ও  বাংলা ট্রিবিউন পত্রিকা রিপোর্ট।

১৬,২৯৬.
হেনরি লুই ডিরোজিওর জন্ম সাল কোনটি?
  1. ১৮০৭ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৮০৮ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৮১০ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
 
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা। দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে । যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।
- তিনি তাঁর ছাত্র-অনুসারীদের স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার শিক্ষা দেন।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,২৯৭.
১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ কে ঘোষণা করেন, 'উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা'?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ১৯শে মার্চ পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঢাকায় আসেন।
- ১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, 'উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা'।
- ২৪শে মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তনেও তিনি অনুরূপ ঘোষণা দিলে ছাত্রসমাজ প্রতিবাদমুখর হয়ে ওঠে এবং আবদুল মতিনকে অনুসরণ করে সবাই 'না, না' বলে তাঁর উক্তির প্রতিবাদ জানায়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রেসকোর্স ময়দানে জিন্নাহ'র ঘোষণারও তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছিল।
- পরে একপর্যায়ে পাকিস্তান সরকার আরবি হরফে বাংলা প্রচলনের উদ্যোগ নিয়েছিল।
- পূর্ববাংলার মানুষ এ উদ্যোগের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করে।
- মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা রক্ষার মাধ্যমে পূর্ববাংলার জনগণ জাতীয়ভাবে নিজেদের বিকাশের গুরুত্ব উপলব্ধি করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬,২৯৮.
‘জুলাই ৩৬ গেট’ কোথায় উদ্বোধন করা হয়েছে?
  1. পূর্বাচলে
  2. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. রংপুরে
ব্যাখ্যা

• জুলাই ৩৬ গেইট:
- সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে  জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি অম্লান রাখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ‘জুলাই ৩৬ গেইট’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ২৪ এর জুলাইয়ের শহীদ ও আহত বীর সন্তানদের প্রতি সম্মান জানিয়ে গেইটটির নাম ‘জুলাই ৩৬’ রাখা হয়েছে।
- নামটির প্রতিটি অংশে নিহিত আছে স্মৃতি ও প্রতিজ্ঞা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস, আঞ্চলিক অফিস, সিলেট।

১৬,২৯৯.
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) প্রথম
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
FAO প্রকাশিত সর্বশেষ দ্য স্টেট অব দ্য ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার প্রতিবেদন অনুসারে বিশ্বে  স্বাদুপানির মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয়।

এছাড়া:
চাষকৃত মাছ উৎপাদনে : পঞ্চম।
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে : তৃতীয়
ইলিশ মাছ উৎপাদনে : প্রথম।

২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৬.২১ লক্ষ মেট্রিক টন। যার মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৬.৩৯ লক্ষ মেট্রিক টন।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
১৬,৩০০.
কোন গভর্নর জেনারেলের সময় বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়?
  1. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  2. লর্ড এলেনবরা
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সামাজিক সংস্কার:
- সংস্কারপন্থী বাঙালি নেতা ও শিক্ষিত শ্রেণির উদারবাদীদের সহযোগিতায় ইংরেজ শাসকরা সামাজিক ধর্মীয় অনেক অমানবিক প্রথা কুসংস্কার দূর করতে সক্ষম হন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক, রাজা রামমোহন রায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর কোনো বিধবাকে স্বামীর সঙ্গে মরতে বাধ্য করলে তা আইনত দণ্ডনীয় বলে আইন জারি করা হয়।
- লর্ড এলেনবরা-এর সময়ে ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে দাস প্রথা উচ্ছেদ করা হয়।
- লর্ড ডালহৌসি পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করে বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।