বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬২ / ৩০৬ · ১৬,১০১১৬,২০০ / ৩০,৮৩২

১৬,১০১.
বাংলাদেশে খাসিয়াদের আদি নিবাস কোথায়?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সুনামগঞ্জ 
  3. ময়মনসিংহ
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,১০২.
'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' হিসেবে আখ্যায়িত কোনটি?
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  3. ছোট সোনা মসজিদ
  4. সাতগম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।

- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,১০৩.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয় কবে থেকে?
  1. ২ জুলাই, ১৯৯৫ সালে
  2. ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে
  3. ৩০ জুন, ১৯৯৬ সালে
  4. ৫ মার্চ, ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

মূল্য সংযোজন কর:
- কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

১৬,১০৪.
গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২১ অনুসারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ৬৫তম
  2. ৭৩তম
  3. ৮৮তম
  4. ৯৪তম
ব্যাখ্যা
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম প্রকাশিত গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ রিপোর্ট-২০২১ অনুসারে:
- বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান : ৬৫তম
- এশিয়ায় : পঞ্চম
- দক্ষিণ এশিয়ায় : প্রথম।
রিপোর্ট অনুসারে:
- বিশ্বে শীর্ষদেশ : আইসল্যান্ড
- সর্বনিম্ন দেশ : আফগানিস্তান (১৫৬তম)।
সার্কভুক্ত অন্যান্য দেশগুলোর অবস্থান:
- নেপাল : ১০৬তম
- শ্রীলঙ্কা : ১১৬তম
- মালদ্বীপ : ১২৮তম
- ভারত : ১৪০তম
- পাকিস্তান : ১৫৩তম
- আফগানিস্তান : ১৫৬তম।
(তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ওয়েবসাইট)
১৬,১০৫.
বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্রী
  3. গ) পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. ঘ) অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- ECNEC এর চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
(তথ্যসূত্রঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ)
১৬,১০৬.
'রাজনৈতিক দল হলো এমন একটি সংগঠন যা নির্বাচনে কর্মসূচি স্থির করে এবং প্রার্থী দাঁড় করায়' কার প্রদত্ত সংজ্ঞা?
  1. হ্যারল্ড লাসওয়েল
  2. আর এম ম্যাকাইভার
  3. এলান বল
  4. এডমন্ড বার্ক
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল সম্পর্কিত সংজ্ঞা:
⇒ হ্যারল্ড লাসওয়েল এর মতানুসারে- 'রাজনৈতিক দল হলো এমন একটি সংগঠন যা নির্বাচনে কর্মসূচি স্থির করে এবং প্রার্থী দাঁড় করায়'।

⇒ অধ্যাপক আর এম ম্যাকাইভার তাঁর ‘দ্য মডার্ণ স্টেট’ গ্রন্থে রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বলেন, 'যারা কতগুলো সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং সাংবিধানিক উপায়ে সরকার গঠন করতে তৎপর হয়, তাদেরকে রাজনৈতিক দল বলা হয়'।

⇒ রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও রাজনীতিবিদ এডমন্ড বার্ক রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন, 'রাজনৈতিক দল হল নির্দিষ্ট ও স্বীকৃত নীতির ভিত্তিতে এবং সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য একত্রিত এক জনসমষ্টি'।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১০৭.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে? 
  1. ৮৫নং অনুচ্ছেদে
  2. ৮৭নং অনুচ্ছেদে
  3. ৮৬নং অনুচ্ছেদে
  4. ৮৮নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম ভাগ: আইনসভা।
- ২য় পরিচ্ছেদ: আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি।
- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:  ৮৭। (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
- (২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে: 
- (ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
- (খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ-৮৫। সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ-৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
- অনুচ্ছেদ- ৮৮। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়,
- অনুচ্ছেদ-৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি,

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৬,১০৮.
২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ের প্রথম পদক্ষেপটি গ্রহণ করে -
  1. Bangla Academy
  2. Mother Language Lover of the World
  3. Asiatic Society of Bangladesh
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়:
- আন্তর্জাতিক এই স্বীকৃতি আদায়ের জন্য প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে কানাডার ভ্যাঙ্কুভার-এ বসবাসরত Mother Language Lover of the World নামের একটি বহুভাষী ও বহুজাতিক ভাষাপ্রেমী গ্রুপ ১৯৯৮ সালের ২৮ মার্চ জাতিসংঘের মহাসচিব কফি আনান-এর কাছে একটি আবেদনপত্র পেশ করেন।
- জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকারের আন্তর্জাতিক চুক্তির ২৭ ধারার উপর ভিত্তি করে তারা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন যে, দক্ষিণ আমেরিকা, এশিয়া এবং আফ্রিকা মহাদেশের অসংখ্য জাতিগোষ্ঠীকে মাতৃভাষা ব্যবহার না করার জন্য, মাতৃভাষা ভুলে যাওয়ার জন্য বাধ্য করা হচ্ছে; বল প্রয়োগ করা হচ্ছে।
- যা 'সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অধিকার বিষয়ক আন্তর্জাতিক সনদ'-এর সরাসরি লঙ্ঘন।
- পত্রে তারা প্রতিটি জাতিগোষ্ঠীর মাতৃভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব অনুধাবনের জন্য বাঙালির ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির রক্তাক্ত পটভূমি তুলে ধরেন যা সারাপৃথিবী জুড়ে অনন্য।
- তারা ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য আবেদন জানান যাতে প্রতিটি জাতিগোষ্ঠী তাদের মাতৃভাষাকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানানোর জন্য একটি বিশেষ দিবস পাবে।
- এ আবেদনে বিভিন্ন ভাষাভাষী ১০ জন স্বাক্ষর করেন।
- ইউনেস্কো তথা জাতিসংঘ বাংলাদেশের প্রস্তাবটি মেনে নেয়।
- ২৮টি রাষ্ট্র বাংলাদেশের প্রস্তাবে লিখিতভাবে সমর্থন জানায় এবং Draft Resolution-35 হিসেবে চিহ্নিত করে এক্সিকিউটিভ বোর্ডে প্রেরণ করে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সম্মেলনে সদস্য রাষ্ট্রসমূহের সর্বসম্মতিক্রমে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,১০৯.
বিবিএসের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার কত?
  1. ক) ১৫.৯
  2. খ) ১৭.৪
  3. গ) ১৮.১
  4. ঘ) ২০.০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল জন্মহার:
- জাতীয় পর্যায়ে : ১৮.১
- শহরাঞ্চলে : ১৫.৯
- গ্রামাঞ্চলে : ২০.০।
- বাংলাদেশে প্রতি হাজারে স্থূল মৃত্যুহার ৪.৯।
(সূত্রঃ SVRS Report-2019, বিবিএস ওয়েবসাইট)
১৬,১১০.
বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘােষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
  2. খ) ২২ মার্চ ১৯৫৮
  3. গ) ২০ এপ্রিল ১৯৬২
  4. ঘ) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত। ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,১১১.
পাটকে কৃষি পণ্য হিসাবে ঘোষণার গেজেট পাশ হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৪ মার্চ, ২০২৩
  2. খ) ২ মার্চ, ২০২৩
  3. গ) ৩ মার্চ, ২০২৩
  4. ঘ) ১ মার্চ, ২০২৩
ব্যাখ্যা
- পাটকে কৃষিপণ্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কৃষি মন্ত্রণালয়। পরে প্রজ্ঞাপনের গেজেট জারি করে সরকার। মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা করে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

- বুধবার (১ মার্চ) কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপনের গেজেট জারি করা হয়।

- গেজেটে বলা হয়, গত ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সোনালি আঁশ পাটকে কৃষিপণ্য ঘোষণা করা হলো। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

- উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে পাটকে কৃষিজাত পণ্য হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছিলেন।

উৎস: বাংলাট্রিবিউন ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২৩
১৬,১১২.
২০২৬ সালে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. নেপাল
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

- ২০২৬ সালে  সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।
- ফাইনাল ম্যাচ: ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
- নেপালের পোখারায় সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ভারতের কাছে ৪-০ গোলে হারতে হলো বাংলাদেশকে।
- সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে এবারই প্রথম এককভাবে চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।
- এর আগে দুইবার বয়সভিত্তিক এই আসরে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ-ভারত।
- ২০২১ সালে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ।
- ২০২৪ সালে ম্যাচ কমিশনারের সেই আলোচিত টস কাণ্ডের পর দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করেছিল দক্ষিণ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ)।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। 

১৬,১১৩.
সংবিধানের ৫৭ নং অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. মন্ত্রিগণ
  4. স্থানীয় শাসন
ব্যাখ্যা
নির্বাহী বিভাগ:
অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
অনুচ্ছেদ ৬০ -স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা
অনুচ্ছেদ ৬২ - প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি
অনুচ্ছেদ ৬৩ - যুদ্ধ
অনুচ্ছেদ ৬৪ - অ্যাটর্ণি জেনারেল

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,১১৪.
ঘাটু গান কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
  1. হাওড় অঞ্চল
  2. উপকূলীয় অঞ্চল
  3. বরেন্দ্র অঞ্চল
  4. ভাটি অঞ্চল
ব্যাখ্যা

ঘাটু গান:
- ঘাটু গান বিলুপ্তপ্রায় এক প্রকার লোকগীতি।
- ঘাটে ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে এ গান গাওয়া হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘ঘাটের গান’ বা ‘ঘাটু গান’।
- রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা ও দৈনন্দিন জীবনের বিচিত্র ঘটনা ঘাটু গানের বিষয়বস্তু।
- ঘাটু দলের প্রধান অর্থাৎ মূল গায়েনকে বলে ‘সরকার’।
- ঘাটু গান মূলত ছুকরাভিত্তিক গান।
- বারো থেকে পনেরো বছরের ছেলে ছুকরাকে ঘাটু বানাবার জন্য মেয়েলি চেহারার ছেলেকে ঘাগড়ি বা শাড়ি পড়িয়ে ম্যাচিং করা ব্লাউজ, কানে দুল, দুহাতে রঙিন রুমাল বেঁধে মঞ্চে উঠানো হতো। ঘা
- একটা অল্প বয়সী ছেলেকে মেয়ে সাজিয়ে সহজ নাচের মুদ্রা শিখিয়ে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বাইজির নাচের মতো করে এই অনুষ্ঠান হতো।
- এ গানে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঢোল, তবলা, বেহালা, সারিন্দা, মন্দিরা, বাঁশি, করতাল, হারমোনিয়াম প্রভৃতি।
- ঘাটু গানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক গ্রামের জোতদাররা এবং এর প্রধান কর্মী সমকামী যুবকরা।
-  বৃহত্তর সিলেটের আজমিরীগঞ্জের উদয় আচার্য ছিলেন ঘাটু গানের প্রবর্তক।
- তাঁর মাধ্যমে ঘাটু গানের প্রবর্তন হয়। তখন ঘাটু গান গাওয়া হতো পূজা বা অর্চনার মতো একটি পবিত্র মাধ্যম হিসেবে।
- এ গান সুনামগঞ্জ ছাড়াও নেত্রকোনা, ময়মনসিংহ এবং গোটা হাওড় অঞ্চল ছিল এই গানে আবাসভূমি।বর্তমানে শিক্ষার প্রভাবে এ গানের জনপ্রিয়তা  হ্রাস পেয়েছে।
- বিশেষত বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলে ঘাটু গানের আসর বসতো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) ১৯ এপ্রিল ২০১৯, প্রথম আলো। iii) bd news.

১৬,১১৫.
'কৃষ্ণাবতার' উপাধিতে ভূষিত করা হয় কোন শাসককে?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. সিকান্দর শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. সালাউদ্দিন আলী শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এক উজ্জল অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- তিনি সামান্য অবস্থা থেকে নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরবদেশীয় ও সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ প্রজাদের কল্যাণের জন্য জনহিতকর প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান ছিলেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলা ভাষাকে রাজদরবারে স্থান দেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১১৬.
কে বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করেন?
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ
  3. সুবাদার ইসলাম খান
  4. নবাব শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
• নবাব মুর্শিদকুলি খান:
- মুর্শিদকুলি খান বাংলায় নবাবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- বিশেষ করে মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে কর তলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- তিনি ঢাকা  থেকে বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
- সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব।

অন্যদিকে -
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলা-বিহার-ওড়িশার শেষ স্বাধীন নবাব।

ইসলাম খান:
- ইসলাম খান পাঁচ বছরেরও বেশি সময়ের জন্য বাংলার মুঘল সুবাদার ছিলেন।
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।
- তিনি বাংলার প্রথম সুবাদার ছিলেন।

শায়েস্তা খান:
- ইরানি বংশোদ্ভূত শায়েস্তা খান মোগল আমলে বাংলার একজন বিখ্যাত সুবাদার ছিলেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন।
- শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৬,১১৭.
কোন আইন সংস্কার করে 'র‍্যাব' (Rapid Action Battalion) গঠন করা হয়?
  1. ডিএমপি অ্যাক্ট ১৯৭৬
  2. ডিবি পুলিশ অ্যাক্ট ১৯৮৩
  3. র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ২০০৩
  4. আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯
ব্যাখ্যা
• Rapid Action Battalion 'র‍্যাব':
- আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ,১৯৭৯-এ সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৩ সালে  ‘র‌্যাব’ (Rapid Action Battalion) গঠন করা হয়।
- আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ,১৯৭৯-র ২০০৪-এ সংশোধন করা কতিপয়  বিধানের আওতায় গঠিত ও পরিচালিত হয়  ‘র‌্যাব’ (Rapid Action Battalion)।
- র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)  সরকার ২০০১ সাল পরবর্তী সময় থেকে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্র্মবর্ধমান অবনতি রোধকল্পে গুরুতর অপরাধীসহ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন কাঠামোগত সংস্কারের চিন্তাভাবনা করছিল। এ সংক্রা্ন্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ২০০৩ সালে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। 

উৎস: প্রথম আলো ও যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,১১৮.
নিচের কোন অঞ্চলটি সমতট জনপদের অন্তর্গত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. সিলেট
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১১৯.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন ১৯৭১ সালের কত তারিখে?
  1. ২ মার্চ
  2. ৫ মার্চ
  3. ৭ মার্চ
  4. ৯ মার্চ
ব্যাখ্যা
• মার্চের অসহযোগ আন্দোলন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।
- অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন।
- এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- অসহযোগ আন্দোলনের শুরুতেই ২ মার্চ ছাত্র সংগঠনগুলি ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিততে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতাহার ঘোষণা করে।
- এতে ‘বাংলাদেশ' নামে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং এর তিনটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
১৬,১২০.
কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?
  1. ক) সিপাহী মোস্তফা কামাল
  2. খ) ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  3. গ) ল্যান্স নায়েক নূর মােহাম্মদ শেখ
  4. ঘ) সিপাহী হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা

মিরপুরে অবস্থিত বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে ২ জন বীরশ্রেষ্ঠকে বর্তমানে সমাহিত করা হয়েছে।
তারা হলেন -
১. বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেনেন্ট মতিউর রহমান
২. বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান।

বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমানঃ
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের জন্ম ২রা ফেব্রুয়ারি ১৯৫৩, ঝিনাইদহ জেলা শহরের অদুরে কালিগঞ্জের খদ্দখালিশপুর গ্রামে।
- বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সনে আনসার বাহিনীতে অল্প সময়ের জন্য চাকুরী করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭১ খ্রি: তৎকালীন সেনাবাহিনীতে সৈনিক হিসেবে ঐতিহ্যবাহী ১ ইষ্ট বেংগল রেজিমেন্টে যোগদান করেন। সাহসী এ সৈনিক মাতৃভূমির স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন অপারেশনে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন।
- ১৯৭১ সনের অক্টোবর মাসের শেষ দিকে মৌলভীবাজার জেলাস্থ কমলগঞ্জ উপজেলার চা বাগান বিস্তৃত ধলই সীমান্ত চৌকিতে হানাদার পাকিস্তানী সেনাবাহিনী বাহিনীকে পরাস্থ করার উদ্দেশ্যে সহযোদ্ধাসহ তিনি সশস্ত্র আক্রমন চালান। ধলই সীমান্তে শত্রু সেনা চৌকির সন্মুখ যুদ্ধে অমিত সাহসে চৌকির ৫০ গজের মধ্যে পৌছেঁ যান এবং বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে উক্ত সীমান্ত চৌকি ও সংলগ্ন এলাকা মুক্ত করেন এবং সেখানেই শত্রু সেনার বুলেট বিদ্ধ হয়ে শহীদ হন।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানকে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয় এবং ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ তারিখে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

অন্যদিকে,
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান ২০শে আগস্ট ১৯৭১ সালে শহীদ হন। তাকে প্রথমে পাকিস্তানের করাচির মাসরুর বিমান বেসের চতুর্থ শ্রেণীর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।
- শাহাদতের ৩৫ বছর পর ২৪শে জুন ২০০৬ মতিউরের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,১২১.
সদ্যসমাপ্ত ২০২০ সাল শেষে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত?
  1. ক) ৪০.২৩ বি. মা. ডলার
  2. খ) ৪৩.১৭ বি. মা. ডলার
  3. গ) ৪৪.৩৫ বি. মা. ডলার
  4. ঘ) ৪৫.৮৪ বি. মা. ডলার
ব্যাখ্যা
২০২০ সাল শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে।
গত ৩০ ডিসেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাড়ায় ৪৩.১৭ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিলো।
গত ২০১৯ সালের শেষে রিজার্ভ ছিলো ৩২.৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
(সূত্র: ডেইলি স্টার ও ঢাকা ট্রিবিউন রিপোর্ট)
১৬,১২২.
নিচের কোন সংগঠন ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
  1. ক) পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন
  2. খ) ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  3. গ) পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ
  4. ঘ) জাতীয় ছাত্র ফেডারেশন
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্র“প), জাতীয় ছাত্র ফেডারেশনের একাংশ (দোলন গ্র“প), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ঐক্যবদ্ধ হয়ে আইয়ূব বিরোধী ‘কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে।
- আওয়ামী লীগের ছয় দফা কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করে ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ‘ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ সংবাদ সম্মেলন করে ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে। 
- এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার আপামর জনসাধারণের সমর্থন লাভ করেছিলো।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৬,১২৩.
Against which education commission did the ''1962 Education movement'' happen?
  1. Hunter Commission
  2. Sharif Commission
  3. Nurul Amin Commission
  4. Shamsul Haque Commission
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৭ সেপ্টেম্বর জাতীয় শিক্ষা দিবস।
- ১৯৬২-এর সেপ্টেম্বরে আরেকটি আন্দোলন হয়, যা বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে অভিহিত।
- শরীফ শিক্ষা কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশিত হলে ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের যৌথ নেতৃত্বে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।
- 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয় শরীফ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে।
- ১৫ আগস্ট থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে বাবুল, গোলাম মোস্তফা, ওয়াজিউল্লাহ প্রমুখ নিহত হন এবং আহত হয় প্রায় আড়াইশ জন।
- এ আন্দোলনের ফলে সরকার শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত রাখে।
- এ আন্দোলনের গুরুত্ব এ যে, এ সময় থেকে ছাত্ররাই আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
- তখন থেকে আজ পর্যন্ত ছাত্র সম্প্রদায় প্রতি বছর ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস রূপে পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৬,১২৪.
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কতটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে?
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ১১টি
  4. ১৯টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো:

- মুজিবনগর সরকার একটি পূর্ণাঙ্গ সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জনাব রুহুল কুদ্দুস প্রধান সচিব নিযুক্ত হয়েছিলেন।
- সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য জুলাই মাসে (১৯৭১) বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়।
- এগুলোর নাম দেয়া হয় জোনাল কাউন্সিল।
- মুজিবনগর সরকারের প্রতি আনুগত্য ঘোষণাকারী প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যদের প্রত্যক্ষভোটে ১১ জন আঞ্চলিক চেয়ারম্যান নির্বাচন করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে একজন করে আঞ্চলিক প্রশাসক বা জোনাল এডমিনিস্ট্রেটর নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি অঞ্চলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ত্রাণ, প্রকৌশল, পুলিশ, তথ্য ও হিসাব কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১২৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- জনসংখ্যার দিক দিয়ে -
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।

তথ্যসূত্র: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

১৬,১২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়?
  1. অষ্টম
  2. দশম
  3. দ্বাদশ
  4. ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ ত্রয়োদশ সংশোধনী আনা হয়।
- এ সংশোধনীর দ্বারা অবাধ ও সুষ্ঠু জাতীয় নির্বাচনের জন্য একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের বিধান করা হয়।

⇒ ১৯৯৬ সালের ২১ মার্চ জাতীয় সংসদে এ বিলটি উপস্থাপিত হয়। 
- ২৪ মার্চ আইন মন্ত্রীর প্রস্তাব অনুসারে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি বাছাই কমিটিতে বিলটি প্রেরণ করা হয়। 
- অবশেষে ২৬ মার্চ বিলটি সংশোধনী আকারে সর্বসম্মতিক্রমে ২৬৯-০ ভোটে গৃহীত হয়। 
- এ সংশোধনীর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হল -
(১) জাতীয় সংসদ বিলোপের ১৫ দিনের মধ্যে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন।
(২ ) প্রধান উপদেষ্টাকে প্রধানমন্ত্রীর এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দান।
(৩) এ সরকার নীতি নির্ধারণী কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবেন না।
(৪) যোগ্য প্রধান উপদেষ্টা পাওয়া না গেলে প্রেসিডেন্টকে প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন।
(৫) প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনাক্রমে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্য থেকে ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ।
(৬) এ সরকারের মেয়াদ হবে তিন মাস; নতুন প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ হলে তার হাতে এসব ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

⇒ উচ্চ আদালতের আদেশে ২০১১ সালে এই সংশোধনীটি বাতিল হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১৬,১২৭.
সরকারিভাবে কোন খাদ্যশস্য সবচেয়ে বেশি সংগ্রহ করা হয়?
  1. ক) গম
  2. খ) ধান
  3. গ) আলু
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
২০২০-২১ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে
অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে - ১৪.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন
এর মধ্যে 
- চাল ১৩.০৪ লক্ষ মেট্রিক টন এবং
- গম ১.০০ লক্ষ মেট্রিক টন
উল্লেখ্য, খাদ্যশস্যের মধ্যে সরকারিভাবে সবচেয়ে বেশি সংগ্রহ করা হয় - ধান/চাল।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১৬,১২৮.
Which of the following is the regulatory body of insurance in Bangladesh?
  1. ক) IRAB
  2. খ) IRDA
  3. গ) IBRA
  4. ঘ) IDRA
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
- IDRA এর পূর্ণরূপ Insurance Development and Regulatory Authority.
- IDRA এর মানে হলো বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করে। 
- আইডিআরএ বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
 
উৎস: idra.org.bd
১৬,১২৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. বাংলাদেশের কর্মবিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. আইনসভা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন। 
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,১৩০.
বিরোধী দলের কাজ কোনটি?
  1. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
  2. অধিকার বাস্তবায়ন
  3. রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১৩১.
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ আমলের কীর্তি-
  1. ক) পান্ডুয়ার ‘আদিনা’ মসজিদ
  2. খ) গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ
  3. গ) গৌড়ের ‘বারোদুয়ারি’ মসজিদ
  4. ঘ) গৌড়ের ‘দাখিল দরওয়াজা’
ব্যাখ্যা
নাসিরউদ্দিন নুসরাত শাহ (শাসনকাল ১৫১৯-১৫৩২খ্রি.) ছিলেন সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের পুত্র। তাঁর সময়ে ভারতে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
তাঁর আমলের কীর্তিঃ
-গৌড়ের বারদুয়ারি বা বড় সোনা মসজিদ তাঁর আমলের কীর্তি।
-তিনি বাগেরহাটের মিঠাপুকুর এর নির্মাতা।
-তাঁর আদেশে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মহাভারতের কিয়দংশ বাংলায় অনুবাদ করেন।
-শ্রীকর নন্দী মহাভারতের অশ্বমেধপর্বের বঙ্গানুবাদ করেন।
অন্যদিকে,
-আলাউদ্দিন হোসেন শাহের রাজত্বকালে রাজত্বকালে নির্মিত হয় গুমতিদ্বার ও গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ।
-পান্ডুয়ার ‘আদিনা’ মসজিদ সিকান্দার শাহের অমরকীর্তি।
-গৌড়ের ‘দাখিল দরওয়াজা’ নামে পরিচিত বিরাট ও সুন্দর তোরণটি রুকনউদ্দিন বরবক শাহ নির্মাণ করেছিলেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১৬,১৩২.
বাংলাদেশে মোট উপজাতির সংখ্যা -
  1. ক) ২৭ টি
  2. খ) ৪৫ টি
  3. গ) ৪৬ টি
  4. ঘ) ৫০ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি রয়ছে। ২৩ শে র্মাচ ২০১৯ বাংলাদেশ সরকার ৫০ টি উপজাতির নাম উল্লখে করে গেজেট প্রকাশ করে। উপজাতিসমূহ হলঃ ওরাওঁ, কোচ, কোল, কন্দ, কড়া, খারিয়া/খাড়িয়া, খারওয়ার/খাড়োয়ার, খাসিয়া, খিয়াং, খুমি, গারো, গঞ্জু, গড়াইত, গুর্খা, চাক, চাকমা, ডালু, তঞ্চঙ্গা, ত্রিপুরা, তেলী, তুরী, মালপাহাড়ি, পাংখোয়া, পাত্র, বাগদি, বানাই, বাড়াইক, বেদিয়া, বম, বর্মণ, ভিল, ভূমিজ, ভূঁইমালি, মণিপুরী, মারমা, মুন্ডা, ম্রৌ, মাহাতো, মালো, মাহালী, মুসহর, রাখাইন, রাজোয়ার, লোহার, লুসাই, শবর, সাঁওতাল, হুদি, হো এবং হাজং। (সূত্রঃ বাংলাদেশ সরকারি গেজেট, ২৩ মার্চ ২০১৯)
১৬,১৩৩.
সংসদের অনুমতি ব্যতীত একাধারে কত কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে আসন শূন্য হবে?
  1. ৯০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৪৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৭ অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া:
 
(১) কোন সংসদ-সদস্যের আসন শূন্য হইবে, যদি,

(ক) তাঁহার নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে নব্বই দিনের মধ্যে তিনি তৃতীয় তফসিলে নির্ধারিত শপথগ্রহণ বা ঘোষণা করিতে ও শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিতে অসমর্থ হন:
তবে শর্ত থাকে যে, অনুরূপ মেয়াদ অতিবাহিত হইবার পূর্বে স্পীকার যথার্থ কারণে তাহা বর্ধিত করিতে পারিবেন;
(খ) সংসদের অনুমতি না লইয়া তিনি একাদিক্রমে নব্বই বৈঠক-দিবস অনুপস্থিত থাকেন;
(গ) সংসদ ভাঙ্গিয়া যায়;
(ঘ) তিনি এই সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন অযোগ্য হইয়া যান; অথবা
(ঙ) এই সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বর্ণিত পরিস্থিতির উদ্ভব হয়।
 
(২) কোন সংসদ-সদস্য স্পীকারের নিকট স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন, এবং স্পীকার- কিংবা স্পীকারের পদ শূন্য থাকিলে বা অন্য কোন কারণে স্পীকার স্বীয় দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ডেপুটি স্পীকার- যখন উক্ত পত্র প্রাপ্ত হন, তখন হইতে উক্ত সদস্যের আসন শূন্য হইবে।
==================

আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:

- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬,১৩৪.
'মঙ্গার ধান' হিসেবে পরিচিত ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান-৭৯
  2. ব্রি ধান-৫১
  3. ব্রি ধান-৩৩
  4. ব্রি ধান-৫২
ব্যাখ্যা
মঙ্গার ধান:
- 'মঙ্গার ধান' হিসেবে পরিচিত ধানের জাত ব্রি ধান-৩৩। ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে মঙ্গার ধান বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: ব্রি ধান-৫৫, ব্রি ধান-৫৬, ব্রি ধান-৫৭, ব্রি ধান-৬৬।

অন্যদিকে,
⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান-৫২, ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: i) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
ii) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৬,১৩৫.
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে কয়টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়?
  1. ১৫৭টি
  2. ২০৩টি
  3. ১৮৭টি
  4. ১১৩টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।

ঔষধ শিল্প:

- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- বাংলাদেশ ওষুধ উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

এছাড়াও,
- বর্তমানে দেশে ২১৩টি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আছে।
- এ শিল্পে বার্ষিক গড় প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
- বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১৫৭টি দেশে ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
- এ খাত থেকে গত অর্থবছরে ১৭ কোটি ৫৪ লাখ ২০ হাজার ডলার আয় হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।

উৎস: i) এপ্রিল ২৭, ২০২৪, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
        ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৬,১৩৬.
অধ্যাদেশ জারি করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. আইন মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,১৩৭.
’স্বাধীনতা তোরণ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. প্রগতি সরণি
  3. পলাশীর মোর
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

 ‘স্বাধীনতা তোরণ':
- অবস্থান: প্রগতি সরণি, বাড্ডা, ঢাকা।

- ঢাকার প্রগতি সরণিতে, বাড্ডা বৌদ্ধ মন্দিরের সামনে অবস্থিত,
- যা সম্প্রতি উদ্বোধন করা হয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী জুলাই আন্দোলনের স্মৃতিতে।
- সময়: ৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে। 
- উদ্দেশ্য: জুলাই আন্দোলনের (ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন) স্মৃতি ধারণ করা।
- উদ্বোধক: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রশাসক।  

অন্যদিকে,
- আগারগাঁওয়ে 'মুক্তি তোরণ' নামে আরেকটি তোরণও উদ্বোধন করা হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা নিউজ।

১৬,১৩৮.
বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণার মূল কারণ কোনটি?
  1. ক) ব্রিটিশ স্বার্থ
  2. খ) বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন
  3. গ) মুসলমানদের দুর্বল রাজনীতি
  4. ঘ) হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি স্থাপন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদ আন্দোলন
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববাংলার জনগণের সার্বিক উন্নতি হবে এ আশাবাদ থেকে পূর্ববাংলায় নতুন প্রদেশের প্রতি সমর্থন লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু বাংলার হিন্দু সম্প্রদায় প্রধানত দুইটি কারণে বঙ্গভঙ্গের ঘোর বিরোধিতা করে । 

- প্রথমত, বাংলার রাজনীতি, অর্থনীতি ব্যবসা-বাণিজ্য, ইত্যাদি সবকিছু কলকাতাকেন্দ্রিক হিন্দু সম্প্রদায়ের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। 
নতুন প্রদেশ গঠনের ফলে তাদের স্বার্থে চরম আঘাত লাগে। 
- দ্বিতীয়ত, দেশপ্রেমিক জাতীয়তাবাদী হিন্দু নেতৃবৃন্দের নিকট বাংলা বিভক্তি ছিল ‘মাতৃভূমির অঙ্গচ্ছেদ' এর মত। 
- বঙ্গভঙ্গকে হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির ব্রিটিশ ষড়যন্ত্র বলে অ্যাখায়িত করে তাঁরা এর ঘোর বিরোধিতায় অবতীর্ণ হন।
- এ সকল কারণে বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন দ্রুত বাংলার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
 - এক পর্যায়ে, স্বদেশীপণ্য ব্যবহার এবং বিদেশী পণ্য বর্জনের কর্মসূচি যুক্ত হয়। এক পর্যায়ে আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করে। 
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অচল হয়ে পড়ে। 
- কুমিল্লা, ঢাকা, ফরিদপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, পাবনা, রাজশাহীসহ পূর্ব বাংলায় বহু স্থানে হিন্দু-মসুলমান সম্প্রদায়িক দাঙ্গা সংগঠিত হয়। 
- আন্দোলন তীব্র হলে ব্রিটিশ সরকার নত হতে বাধ্য হয় । 
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন। 
- একই সঙ্গে, তিনি ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরের কথা বলেন।
 
 উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬,১৩৯.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবার ব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক?
  1. চাকমা 
  2. গারো 
  3. খাসিয়া
  4. সবগুলো 
ব্যাখ্যা
চাকমাদের বিবাহ ও পরিবার:
- চাকমা পরিবার পিতৃতান্ত্রিক ও পিতৃসূত্রীয়।
- ক্ষমতা বা কর্তৃত্ব পিতা, স্বামী বা অন্য কোনো বয়স্ক পুরুষের হাতে ন্যস্ত থাকে।
- সম্পত্তি ও বংশমর্যাদার উত্তরাধিকার পিতা থেকে পুত্রের ওপর বর্তায়।
- যৌথ পরিবার এবং বিস্তৃত পরিবার ব্যবস্থা তেমন পরিলক্ষিত হয় না।
- পুত্রসন্তানেরা আত্মনির্ভরশীল হলেই তাদের বিয়ে দিয়ে আলাদা বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হয়।
- সাধারণত চাকমাদের মধ্যে নিজ বংশে সাত পুরুষের মধ্যে বিয়ে নিষিদ্ধ।
- চাকমা সমাজে অন্তর্বিবাহ ও বহির্বিবাহের প্রচলন রয়েছে।
- চাকমা যুবকরা সাধারণত নিজ সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ে করে থাকে।
- তবে অন্য সম্প্রদায়ের সাথে বৈবাহিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তেমন কোনো নিষেধ নেই।
- এ সমাজে বর কনের বাড়িতে যায় না। বর পক্ষের লোকজন গিয়ে কনেকে তুলে নিয়ে এসে বরের বাড়িতে বিবাহ অনুষ্ঠান করে।
- বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা চাকমা সমাজে বিরল।

উল্লেখ্য, গারো ও খাসিয়া পরিবার ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬,১৪০.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের কততম সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
-  এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।

তথ্যসূত্র - ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা ও ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
১৬,১৪১.
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া
  2. পাবনা
  3. গাজীপুর
  4. গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ডাল গবেষণা:
-
বাংলাদেশের ডাল গবেষণা কেন্দ্র ঈশ্বরদী, পাবনায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে পরিচালিত একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্রের ১ (এক) টি আঞ্চলিক কেন্দ্র মাদারীপুর।
- এবং একটি উপকেন্দ্র (গাজীপুর) রয়েছে।
- বর্তমানে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে  হতে প্রায় ৯ টি ডাল জাতীয় ফসলের এ পর্যন্ত মোট ৪৩ টি জাত।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।
- আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র  হতে বেগুন, পটল ও বাতাবিলেবুসহ অন্যান্য ফসলের প্রায় ৭ (সাত) টি জাত ।
- এবং বিভিন্ন ধরণের টেকশই প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে।

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহ:
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র শিবগঞ্জ, বগুড়া।
-  উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
-  উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।

উৎস: BFRI ওয়েবসাইট।
১৬,১৪২.
ঐতিহাসিক ছয় দফার শেষ দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।
  4. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
• পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
⇒ দফা গুলো হলো:-
• প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
• দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
• তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
•  চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
• পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
• ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উল্লখ্য,
• ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
• ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
• ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১৪৩.
কোন শাসকের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে?
  1. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  2. আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দে আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহকে হত্যা করে গৌড়ের সিংহাসনে বসেন। তাঁর পাঁচ বছরের রাজত্বকালে উল্লেখযোগ্য ঘটনা আফগান নেতা শেরশাহ শূরের সাথে সংঘর্ষ।
অবশেষে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহ গৌড় দখল করে বাংলায় আফগানি শাসনের সূত্রপাত করেন।
১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওয়ে যে স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেছিলেন ১৫৩৮ সালে গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলায় দুইশ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
১৬,১৪৪.
বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?
  1. বান্দরবান
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি। জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত। জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।

- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে। পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়। এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,১৪৫.
আদা কোন মাসে লাগানো হয়?
  1. জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি
  2. মার্চ-মে
  3. জুন-জুলাই
  4. ডিসেম্বর-জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
আদা চাষ:
- আদা একটি প্রয়োজনীয় মসলা ফসল যা খাবারকে সুস্বাদু করে।
-- আদা বাড়ির পাশে পতিত জমি, পাহাড়ে চাষাবাদ করা যায়।
- বিভিন্ন ফসলের সাথে আন্তঃফসল হিসেবে চাষ করা যায়। 
- কৃষকরা সাধারণত স্থানীয় জাত চাষ করে থাকে।

⇒ জলবায়ু ও মাটি:
- আদার কন্দসহ গাছ আদার বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়া উপযোগী।
- আদার জন্য সুনিষ্কাশিত বেলে দোআঁশ মাটিতে ভালো ফলন হয়।
- তবে এটেল দোআঁশ মাটিতেও চাষ করা যায়।

⇒ জমি তৈরি ও সার প্রয়োগ:
- আদার জন্য মার্চ-এপ্রিল মাসে জমি গভীরভাবে ৫-৬ টি চাষ দিতে হবে।
- জমি তৈরি সময় গোবর সার, টিএসপি, অর্ধেক এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে।
- বাকি অর্ধেক এমপি সার দুই কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে।

⇒ রোপন পদ্ধতি:
- আদার ১-২ কুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ মার্চ থেকে মে মাসে রোপন করতে হবে।
- সাধারণত ১৫-২০ গ্রাম ওজনের কন্দ প্রতি গর্তে ১টি করে ৪০-৫০ সে.মি. সারি থেকে সারি, গাছ থেকে গাছে ২৫ সে.মি. দূরত্বে ৫ সে.মি. গভীরে রোপন করতে হবে।
- আদা রোপনের পর গাছ ও শিকড় বৃদ্ধি প্রাপ্ত হলে মাতৃ আদা তুলে নিলে গাছের কোন ক্ষতি হয় না বরং আর্থিক লাভবান হওয়া যায়।
- এই পদ্ধতিকে পিলাই তোলা বলে।

⇒ ফসল সংগ্রহ:
- আদা লাগানোর ৭-১০ মাস পর পাতা ও গাছ হলুদ হয়ে শুকিয়ে গেলে ফসল তোলার উপযোগী হয়।
- সাধারণত: ডিসেম্বর থেকে জানুয়ারি মাসে আদা তোলা হয়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১৪৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ কতটি?
  1. ১৫০টি
  2. ১৫৩টি
  3. ১৫১টি
  4. ১৪৯টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ/অধ্যায়- ১১টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৬,১৪৭.
বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম কী?
  1. ক) জনাব হাবীবুল্লাহ সিরাজী
  2. খ) জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা
  3. গ) অধ্যাপক শামসুজ্জামান খান
  4. ঘ) প্রফেসর ড. সৈয়দ মোহাম্মদ শাহে
ব্যাখ্যা
-- বাংলা একাডেমী  বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
-- ১৯৫২ সালের  ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
-- বাংলা একাডেমীর বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
-- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
-- প্রথম মহপরিচালক- প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।
১৬,১৪৮.
মওলানা ভাসানী ১৯৫৭ সালে কাগমারি সম্মেলনে কার বৈদেশিক নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমুদ্দিন সাহেব
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন: 
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের  'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন। 
-  ঐ সম্মেলনে তিনি সোহরাওয়ার্দীর বৈদেশিক নীতির তীব্র বিরোধিতা করেন।
- এ মতবিরোধের কারণে দলে ভাঙন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ঐ বছর মওলানা ভাসানী ঢাকায় পাকিস্তানের সকল বামপন্থি দলের একটি সম্মেলন আহবান করেন এবং  ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নামে একটি নতুন দল গঠন করেন।
- তিনি এ দলের সভাপতি হন এবং এর সেক্রেটারি জেনারেল হন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৪৯.
বাংলাদেশে হাজং জনগোষ্ঠীর প্রধান আবাসভূমি কোন জেলা?
  1. নেত্রকোনা
  2. কুড়িগ্রাম
  3. বান্দরবান
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা
নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা ও দুর্গাপুর উপজেলায় হাজংদের বসবাস সবচেয়ে বেশি।

হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিজ

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৫০.
'দ্য আর্থশট প্রাইজ, ২০২৫' লাভ করে কোন বাংলাদেশি সংস্থা?
  1. ব্র্যাক
  2. ফ্রেন্ডশিপ এনজিও
  3. জাগো ফাউন্ডেশন
  4. শক্তি ফাউন্ডেশন
ব্যাখ্যা

দ্য আর্থশট প্রাইজ, ২০২৫:
- ২০২৫ সালে প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের বৃহত্তম পরিবেশ পুরস্কার দ্য আর্থশট প্রাইজ লাভ করে 'ফ্রেন্ডশিপ'। 
- ফিক্স আওয়ার ক্লাইমেট ক্যাটাগরিতে ম্যানগ্রোভ প্রকল্পের জন্য এই পুরষ্কার অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি। 
- ফ্রেন্ডশিপের ম্যানগ্রোভ বনায়ন প্রকল্পে দক্ষিণাঞ্চলে সুন্দরবনের নিকটে ২০০ হেক্টরেরও বেশি এলাকায় ৬ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ করা হয়েছে, যেখানে মোট ৬২ কিলোমিটারের বেশি বাঁধ/প্রাকৃতিক প্রতিরোধ-বেষ্টনী গড়ে উঠেছে। 
- এই ম্যানগ্রোভ বন প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের অভিঘাত থেকে উপকূলীয় গ্রামগুলোকে রক্ষা করছে এবং এখন পর্যন্ত ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
- ৭ নভেম্বর, ২০২৫ ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরোতে ফ্রেন্ডশিপ-এর পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রতিষ্ঠাতা রুনা খান। 

উল্লেখ্য,
- ২০২০ সাল থেকে যুক্তরাজ্যের প্রিন্স উইলিয়ামের পক্ষ থেকে দ্য আর্থশট প্রাইজ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৬,১৫১.
চলতি অর্থবছরের মোট রাজস্ব আয়ের সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা কত কোটি টাকা? (২০২৫-২০২৬ )
  1. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি
  2. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি 
  3. ৫ লাখ কোটি ৮০ হাজার কোটি 
  4. ৫ লাখ কোটি ৭০ হাজার কোটি 
ব্যাখ্যা

⇒ চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- চলতি অর্থবছরের মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা থেকে ২৪ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়ে সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার সংশোধিত বাজেটে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। 
- সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতির পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।
- আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন শুরু হবে। 

উৎস: বাসস ও অর্থমন্ত্রণালয়।

১৬,১৫২.
দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কত হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৪৬ হাজার মেগাওয়াট
  2. খ) ৬২ হাজার মেগাওয়াট
  3. গ) ৫৩ হাজার মেগাওয়াট
  4. ঘ) ৫৮ হাজার মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
• রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের জন্যে বাংলাদেশ সরকার ২০২১-২০৪১ মেয়াদে ২০ বছর মেয়াদী দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• ২০২১ হতে ২০৪১ অর্থবছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি বছর গড়ে ৩১০০ মেগাওয়াট বৃদ্ধির মাধ্যমে ৬২ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
• এই পরিকল্পনায় ২০৩১ সালে দেশের গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯ শতাংশ।
• ২০৪১ সালে গড় প্রবৃদ্ধি হবে ৯.৯ শতাংশ।
• দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মূললক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা।  

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
১৬,১৫৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন দেশটি বাংলাদেশকে সমর্থন প্রদান করে?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো মুক্তিযুদের পক্ষে সমর্থন জানায়। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব, ইরান প্রভৃতি দেশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে। মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ইরাক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন জানায়। পশ্চিমা দেশগুলোর গণমাধ্যমসমূহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে। জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,১৫৪.
ইলিয়াস শাহ কোন দেশের অধিবাসী ছিলেন?
  1. ইরাক
  2. তুরষ্ক
  3. ইরান
  4. আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা
ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১৫৫.
বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বাংলাদেশের কততম প্রধান বিচারপতি?
  1. ২১তম
  2. ২২তম
  3. ২৩তম
  4. ২৪তম
ব্যাখ্যা
প্রধান বিচারপতি:

- দেশের ২৪তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
- রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে শপথবাক্য পাঠ করান।
- ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন প্রধান বিচারপতি পদে নিয়োগ দেন বিচারপতি ওবায়দুল হাসানকে।
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ১৯৫৯ সালের ১১ জানুয়ারি নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জ থানাধীন ছয়াশী (হাটনাইয়া) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসএস (অনার্স), এমএসএস (অর্থনীতি) ও এলএলবি ডিগ্রি অর্জনের পর ১৯৮৬ সালে আইনজীবী হিসেবে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ পেয়ে জেলা বার-কমিটিতে যোগদান করেন।
- তিনি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে ৫ বছর দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে ২০০৯ সালের ৩০ জুন যোগদান করেন এবং ২০১১ সালের ৬ জুন একই বিভাগে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

তথ্যসূত্র - ডেইলী স্টার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১৬,১৫৬.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য মতে, ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয়ের পরিমান কত?
  1. ৫২,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৯,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৭১,২৪৪.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ
- বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা  ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.৫৮% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৬,১৫৭.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি হয়েছেন কে?
  1. শিরিন আক্তার
  2. সোমা সাঈদ
  3. ফাহমিদা সুলতানা
  4. সোনিয়া আফরিন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বিচারপতি:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এবং নিউইয়র্কের কুইন্সের প্রথম মুসলিম বিচারপতি হিসেবে নিউইয়র্ক স্টেট সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নির্বাচিত হয়েছেন সোমা এস সাঈদ।
- দেড় দশকের বেশি সময় আইন পেশায় যুক্ত থাকার পর ২০২১ সালে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়নে কুইন্স কাউন্টি সিভিল কোর্টের বিচারক নির্বাচিত হন সোমা।
- ২০২২ সালে তাকে নিউ ইয়র্ক কাউন্টি ক্রিমিনাল কোর্টে দায়িত্ব দেওয়া হয়, যেখানে তিনি ২০২৩ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়া তিনি কুইন্স কাউন্টি উইমেনস বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রথম দক্ষিণ এশীয় ও মুসলিম নারী সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তথ্যসূত্র- ইত্তেফাক। [link]

১৬,১৫৮.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. ক) আবুল মনসুর আহমেদ
  2. খ) অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
  3. গ) বিচারপতি আবু সায়্যিদ চৌধুরী
  4. ঘ) শাহাজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৮ এপ্রিল এই সরকারের সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬,১৫৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘মুজিবনগর’ কোন সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ক) ৬ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ৯ নং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
১৬,১৬০.
বাংলাদেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা কোন বছরে শুরু করা হয়?
  1. ১৯৮৩ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৭৯ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
ব্যাখ্যা

• বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা চালু করা হয়।
- সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষাকে ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে সরকার দেশের ছয় থেকে দশ বছর বয়সী শিশুর জন্য পাঁচ বছরের প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ বাধ্যতামূলক করেন। 
- ১৯৯০ সালে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস করা হয়।
- ১৯৯২ সালে সীমিতভাবে এবং ১৯৯৩ সাল থেকে সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়। 

তথ্যসূত্র: সিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৬,১৬১.
When did India recognize the independence of Bangladesh?
  1. ক) 6 December, 1971
  2. খ) 26 March, 1971
  3. গ) 16 December, 1971
  4. ঘ) 14 December, 1971
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে ভুটানের স্বীকৃতি প্রদানের আনুষ্ঠানিক খবর তারবার্তার মাধ্যমে মুজিবনগর সরকারের কাছে পৌঁছার কয়েক ঘণ্টা পর আর একটি তারবার্তার মাধ্যমে ভারত, বাংলাদেশকে দ্বিতীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

- ভুটান ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ই ডিসেম্বর অনুমান সকাল দশ ঘটিকায় এবং ভারত ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৬ ডিসেম্বর সকাল অনুমান ১১.০০-১১.৩০ ঘটিকায় বাংলাদেশকে তারবার্তার মাধ্যমে স্বীকৃতি প্রদানের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত করায়।

•  বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- প্রথম দেশ : ভুটান (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), 
- দ্বিতীয় দেশ : ভারত (৬ ডিসেম্বর ১৯৭১), 
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ : পূর্ব জার্মানি (১১ জানু. ১৯৭২), 
- প্রথম আফ্রিকান দেশ : সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২)। 

সূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও দৈনিক ইনকিলাব। 
১৬,১৬২.
সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি কার নামে সম্পাদন করা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,১৬৩.
লুই আই কান কোন দেশে জন্মগ্রহন করেন?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) এস্তোনিয়া
ব্যাখ্যা
 লুই আই কান-
- ১৯০১ সালে এস্তোনিয়ায় জন্মগ্রহণকারী লুই আই কান তাঁর মা–বাবার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসিত হন। 
- লুই আই কান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি।
- লুই আই কান পেনসিলভানিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে স্থাপত্যে স্নাতক হয়ে ফিলাডেলফিয়ায় তিনি তাঁর কর্ম জীবন শুরু করেন। 
- ফিলাডেলফিয়ার রিচার্ড মেডিকেল ল্যাবরেটরি নকশার মাধ্যমে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে আছে ইয়েল আর্ট গ্যালারি, কিমবেল আর্ট মিউজিয়াম, ভারতে আহমেদাবাদ ম্যানেজমেন্ট সেন্টার, নেপালে ফ্যামিলি প্লানিং সেন্টার।
- তাঁর সেরা কাজ মনে করা হয় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনকে।১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়। তখনকার খ্যাতনামা স্থপতি লুই কান ভবন কমপ্লেক্সটির নকশা প্রণয়নের দায়িত্ব পান। ১৯৬২ সালে মূল নকশা প্রস্তুত হয়। কমপ্লেক্সটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে। 

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট, ১১ এপ্রিল ২০১৫।
১৬,১৬৪.
দেশের প্রথম সার কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
সার কারখানা:
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)।
- দেশের প্রথম ও সর্ববৃহৎ সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬১ সালে।
- কারখানাটি ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা হতে প্রায় ০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে সিলেট-মৌলভীবাজার হাইওয়ে রোডের পূর্ব দিকে হাইওয়ে রোড হতে ০১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র- সিলেট জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৬,১৬৫.
মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. মাঘীপূর্ণিমা
  2. চৈত্রসংক্রান্তি
  3. মহারাসলীলা
  4. ফাগুয়া
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত। 
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো। 

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,১৬৬.
‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. অনুচ্ছেদ - ১২৪
  2. অনুচ্ছেদ - ১২১
  3. অনুচ্ছেদ - ১২৩
  4. অনুচ্ছেদ - ১২২ 
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
১. প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
২. কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁর সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষণা বহাল না থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের (দালাল আইন) অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ - ১২১ : প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ - ১২৪ : নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা। 
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,১৬৭.
'সকল ক্ষেত্রে সঠিক কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজন সৃজনশীল ও মেধাবী নেতৃত্ব। প্রয়োজন সৃষ্টিশীল মেধাবী মানুষ'। কথাটি বলেছেন-
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
- জুন ২৫ ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা  ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সন্মেলনকেন্দ্রে  সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ ২০১৪ পুরস্কার প্রদান করেন।
- এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বক্তৃতাদানকালে উল্লিখিত উক্তিটি করেন।

উৎস: pmo.portal.gov.bd
১৬,১৬৮.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. ২৫ মার্চ ১৯৭১
  4. ১০ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়। 
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম  তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৬৯.
বাগেরহাট খানজাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজবিশিষ্ট?
  1. ক) আশি
  2. খ) সাতাশি
  3. গ) ষাট
  4. ঘ) একাশি
ব্যাখ্যা
- বাগেরহাটে খানজাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ মসজিদ। 
- মসজিদটি সর্বমোট ৮১ গম্বুজ বিশিষ্ট। 
    - চারটি কর্ণার টাওয়ারের উপর,
    - সত্তরটি পাশের দুই অংশের উপর এবং
    - সাতটি চৌচালা ভল্ট কেন্দ্রীয় নেভের উপর।
-   খান জাহান আলী ছিলেন একজন মুসলিম ধর্মপ্রচারক এবং বাংলাদেশের বাগেরহাটের একজন স্থানীয় শাসক।
- তিনি রাজা গণেশকে পরাজিত করে বাংলার দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ইসলাম প্রচার করেন।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে বাগেরহাট জেলায় তিনি বাংলাদেশের মধ্যযুগের সবচেয়ে বড় মসজিদ ‘ষাট গম্বুজ মসজিদ’ নির্মাণ করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো একে বিশ্ব ঐতিহ্য ঘোষণা করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাগেরহাট জেলা ওয়েবসাইট ও ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।
১৬,১৭০.
উপজেলা পরিষদে কতজন প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকে?
  1. ৩ জন
  2. ৭ জন
  3. ৯ জন
  4. ১৩ জন
ব্যাখ্যা
উপজেলা পরিষদ:
- বাংলাদেশের তিন স্তর বিশিষ্ট গ্রামীন স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে থানা পরিষদ নামক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হয়। 
- ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়।
- উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে সামরিক শাসন আমলে গঠিত উপজেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
- নানান পরিবর্তনের পরে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ আইনটি পাশ হয় এবং স্থানীয় সরকারের এই স্তরটি চালু হয়।
- দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে উপজেলা পরিষদে প্রধানত দুই ধরনের প্রতিনিধি দেখা যায়। যথা: নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিনিধি। 

উপজেলা পরিষদের কাঠামো নিম্নরূপ:
প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি:
একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন ভাইস-চেয়ারম্যান (একজন পুরুষ ও একজন নারী)। 

পরোক্ষভাবে নির্বাচিত প্রতিনিধি:
উপজেলা পরিষদের অন্তর্গত সকল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়র এবং এই দু'টি স্থানীয় সরকারের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্বাচিত এক-তৃতীয়াংশ সদস্য।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১৭১.
এম. মনসুর আলী মুজিবনগর সরকারের কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৭২.
বাংলাদেশ 'বিশ্ব পরমানু ক্লাব'-এর সদস্য হয় কবে?
  1. ৪ নভেম্বর, ২০১৬
  2. ৪ নভেম্বর, ২০১৮
  3. ৪ নভেম্বর, ২০২২
  4. ৪ নভেম্বর, ২০২৩
  5. ৪ নভেম্বর, ২০১৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন সংস্থার সদস্যপদ লাভ: 
কমনওয়েলথ(৩৪ তম) - ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা(WHO) - ১৭ মে, ১৯৭২ (UN ভুক্ত প্রথম সংস্থা)।
ILO - ২২ জুন, ১৯৭২।
IMF, বিশ্ব ব্যাংক - ১৭ আগস্ট, ১৯৭২।
UNESCO - ২৭ অক্টোবর, ১৯৭২।
FAO - ১২ নভেম্বর, ১৯৭৩।
NAM - ১৯৭৩ সালে।
OIC - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪।
জাতিসংঘ - ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪।
CIRDAP - ৮ এপ্রিল, ১৯৮৭।
WTO - ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
বিশ্ব পরমানু ক্লাব - ৪ নভেম্বর, ২০১৭।

উৎস: সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট, জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৭৩.
আলিবর্দী খাঁ এর প্রকৃত নাম কী?
  1. ক) মির্জা মুহাম্মদ আলী
  2. খ) সরফরাজ খাঁ
  3. গ) সুজাউদ্দিন
  4. ঘ) হাজি আহমদ
ব্যাখ্যা
আলীবর্দী খান:
 - আলিবর্দী খাঁ(১৬৭৬-১৭৫৬)  বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব (১৭৪০-১৭৫৬)।
- তিনি প্রথম জীবনে মির্জা মুহম্মদ আলী নামে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন আরব বংশোদ্ভূত মির্জা মুহম্মদের পুত্র।
- মির্জা মুহম্মদ ছিলেন আওরঙ্গজেব-এর দ্বিতীয় পুত্র মির্জা আজম শাহের দরবারের একজন কর্মচারী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৭৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার কত নং দফাটি পররাষ্ট্র সংক্রান্ত?
  1. পঞ্চম
  2. চতুর্থ
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
৬ দফা দাবি:
• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। এ রকম ব্যবস্থা চালু সম্ভব না হলে দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে, তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা অন্য অঞ্চলে পাচার না হতে পারে।

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

উৎস পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১৭৫.
হিউয়েন সাং কত খ্রিস্টাব্দে বাংলায় এসেছিলেন?
  1. ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে
  2. ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে
  3. ৭৩৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ৭৩৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
হিউয়েন সাং:
- মৌর্য সম্রাট অশোকের বৌদ্ধধর্ম প্রচার বাংলাদেশের হৃদয় জয় করেছিল।
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের মধ্যে পুণ্ড্রবর্ধনে বৌদ্ধধর্ম প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল।
- বৌদ্ধধর্মের প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে বিদেশি বৌদ্ধ শ্রমণেরা বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন।
- পঞ্চম শতকের গোড়ায় চীনের বৌদ্ধ শ্রমণ ফা-হিয়েন বাংলায় এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে। 
- হিউয়েন সাং সাত শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী। 
- তিনি দেখেছেন, সমতটের ত্রিশটি বিহারে দু- হাজার শ্রমণের বাস।
- ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং মধ্য-এশিয়া হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান।
- কনৌজে সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য গ্রহণের পর তিনি মগধের নালন্দা মহাবিহারে পড়াশোনা করেন।
- বাংলার কর্ণসুবর্ণ, পুন্ড্রনগর, সমতট এবং তাম্রলিপ্তি ভ্রমণ করেন।
- তিনি রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্য সংগ্রহ করেন, যা সাত শতকের বাংলার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
- তাঁর রচনা জিউ জি (সি-উ চি) মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ প্রদান করে।
- বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ তাঁর প্রধান লক্ষ্য হলেও, ভ্রমণকালীন বিভিন্ন অঞ্চলের বর্ণনায় তিনি বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা রাখেন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর বইয়ে দেওয়া আছে, হিউয়েন সাং বাংলায় এসেছিলেন আনুমানিক ৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে। 
অধিকাংশ সূত্রে ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দ থাকায় এটিকেই নেওয়া হয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৭৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে? 
  1. চট্টগ্রাম
  2. বান্দরবান
  3. রাঙামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশে 'ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর' সংখ্যা মোট ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী: হলো চাকমা।
- সংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয়: মারমা।
- জেলা হিসেবে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৬,১৭৭.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কতজন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৩ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৭৮.
'পঞ্চাশের মন্বন্তর' কত সালে হয়?
  1. ইংরেজি ১৯৪৩ সালে
  2. ইংরেজি ১৮৪৩ সালে
  3. ইংরেজি ১৮৫০ সালে
  4. ইংরেজি ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

 পঞ্চাশের মন্বন্তর:
- বাংলার ইতিহাসে একটি ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল পঞ্চাশের মন্বন্তর।
- ইংরেজি ১৯৪৩ সালে অর্থাৎ বাংলা ১৩৫০ সালে এই দুর্ভিক্ষটি হয়েছিল বলে এটি পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- ১৭৭০ সালের পর বাংলায় সংঘটিত সবচেয়ে বড় ও ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ ছিল এটি।
- পঞ্চাশের মন্বন্তরে প্রায় সাত লাখ পরিবারের ৩৮ লাখ মানুষের জীবনযাত্রার মানের মারাত্মক অবনতি ঘটে।
- ১৯৪৩ থেকে ১৯৪৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এই দুর্ভিক্ষ এবং দুর্ভিক্ষ-পরবর্তী মহামারিতে ৩৫ থেকে ৩৮ লাখ মানুষ মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষের পেছনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল একটা বড় কারণ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,১৭৯.
দুর্ভিক্ষের উপর অংকিত চিত্রকর্ম কোনটি?
  1. ক) মনপুরা-৭০
  2. খ) ম্যাডোনা-৪৩
  3. গ) সংগ্রাম
  4. ঘ) হত্যাযজ্ঞ
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালে বাংলায় সংঘটিত হওয়া দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন 'ম্যাডোনা-৪৩' নামে একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম অংকন করেন।
জয়নুল আবেদীনের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে: সংগ্রাম, নবান্ন ইত্যাদি।
‘হত্যাযজ্ঞ’ এস এম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক যুগান্তর)
১৬,১৮০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ১১
  2. ১৪
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর ও ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৬,১৮১.
মেট্রোরেল নির্মাণে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করে কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. রাশিয়া
  3. জাপান
  4. চীন
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ তারিখে।
- ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম রেলপথ এমআরটি লাইন-৬। 
- মেট্রোরেল উদ্বোধন করা হয় ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা জাইকা মেট্রোরেল প্রকল্পে যোগ দেয়।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
১৬,১৮২.
'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এর বর্তমান নাম কী?
  1. বাংলাদেশ উন্নয়ন গ্রুপ
  2. বাংলাদেশ এইড ফোরাম
  3. বাংলাদেশ উন্নয়ন কমিটি
  4. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
BDF:
- Bangladesh Development Forum.
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ(Bangladesh Aid Group)।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১৬,১৮৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত বছর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন?
  1. ১০ বছর
  2. ১১ বছর
  3. ১২ বছর
  4. ১৩ বছর
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ গঠনে প্রধান সংগঠকদের একজন ছিলেন শেখ মুজিব। 
- বস্তুত জেলে অন্তরীণ থাকা অবস্থায় নবগঠিত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের (১৯৪৯) যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে শেখ মুজিবের সক্রিয় রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। 
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। 
- ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন। 
- দলকে ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্র দেওয়ার জন্য ১৯৫৫ সালে বঙ্গবন্ধুর উদ্যোগে দলের নাম হতে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,১৮৪.
ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ১২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭১
  2. ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে।
- বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান এবং ভারত।
- উভয় দেশই বাংলাদেশকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- বাংলাদেশকে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৫ মে ১৯৭২।
- বলিভিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২ আগস্ট, ১৯৭২।

উৎস: i) ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬, কালের কন্ঠ।
         ii) ২৬ মার্চ, ২০২১, সারাবাংলা।
         ii) ১১ মার্চ, ২০১৭, ডেইলি কক্সবাজার।
১৬,১৮৫.
জাগ্রত চৌরঙ্গী ভাস্কর্যটি কোথায়?
  1. ক) জয়দেবপুর চৌরাস্তায়
  2. খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. গ) মেহেরপুরে
  4. ঘ) কুষ্টিয়ায়
ব্যাখ্যা
• 'জাগ্রত চৌরঙ্গী':
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণায় নির্মিত প্রথম ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী'।
- এই ভাস্কর্যের স্থপতি আব্দুর রাজ্জাক।
- 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' ভাস্কর্যটি গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত।

উৎস: গাজীপুর জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।
১৬,১৮৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল?
  1. ক) চীন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে 'ভেটো' প্রদান করেছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- তখন জাতিসংঘে সোভিয়েত ইউনিয়নের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন ইয়াকফ মালিক।
-তিনিই প্রথম সোভিয়েত রাষ্ট্রীয় প্রতিনিধি, যিনি বিশ্বসভায় বাংলাদেশ নামটি উচ্চারণ করেন।
- বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এতে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে।
- তখন তিনবার ই সোভিয়েত ইউনিয়ন সেখানে ভেটো প্রদান করে।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) প্রথম আলো, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬।
১৬,১৮৭.
কোন সংশোধনী দ্বারা ‘সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা’ প্রবর্তিত হয় 
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী:
- চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
- সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
- বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা।
- জাতীয় সংসদের কর্তৃক ক্ষমতা খর্ব করা হয়।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

অপরদিকে,
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- অষ্টম সংশোধনীর ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়; এবং ঢকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনী আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৬,১৮৮.
ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন -
  1. আলবুকার্ক
  2. ক্রিস্টোফার কলম্বাস
  3. লুই বার্থামেলু
  4. ভাস্কো-দ্য-গামা
ব্যাখ্যা
• পর্তুগিজ:
- বাণিজ্যকে মূলধন করে পর্তুগাল থেকে পর্তুগিজরা এ উপমহাদেশে আসলেও ক্রমে তাঁরা সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখে।
- ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন -  ভাস্কো-দ্য-গামা।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- এরপর ১৪৮৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ, আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল ও ১৫০৯ খ্রিস্টাব্দে আলবুকার্ক গোয়াতে আগমন করেন।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

সূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,১৮৯.
পাকিস্তানের প্রথম গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে কোথায়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) লাহোরে
  3. গ) করাচিতে
  4. ঘ) পাঞ্জাবে
ব্যাখ্যা

- পাকিস্তান গণপরিষদ পাকিস্তান রাষ্ট্রের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৪৭ সালে গঠিত হয়।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে ১৯৪৭ সালের ১০ আগস্ট করাচিতে।
- ইন্ডিয়ান ইন্ডিপেন্ডেন্স অ্যাক্ট ১৯৪৭-এর শর্তানুযায়ী দুটি গণপরিষদের একটি স্থাপিত হয় ভারতে এবং অপরটি পাকিস্তানে।
- ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ পাকিস্তান গণপরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হন।
-ভারতের স্বাধীনতা আইন অনুযায়ী গণপরিষদের দুটি সুনির্দিষ্ট দায়িত্ব ছিল: দেশের সংবিধান প্রণয়ন এবং তা কার্যকর করার পূর্ব পর্যন্ত একটি ফেডারেল আইনসভা (সংসদ) হিসেবে কাজ করা।

সোর্স: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রফেসর মোঃ মজাম্মেল হক) এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,১৯০.
বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্ব দান করেন কে?
  1. বলভভাই প্যাটেল
  2. অরবিন্দ ঘোষ
  3. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  4. সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

স্বদেশী আন্দোলন:
- স্বদেশী আন্দোলন ছিলো একটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন।
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করে যা ‘বঙ্গভঙ্গ’ নামে পরিচিত।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুরা এ সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে।
- বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতার অংশ হিসেবে ১৯০৫ সালে স্বদেশী আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে।
- তাছাড়া এ আন্দোলন শুরুতে তরুণদের দেশপ্রেম, ঔপনিবেশিক শক্তিবিরোধী শাড়িপূর্ণ নিষ্ঠা ও আদর্শ নিয়ে শুরু হলেও ক্রমে তা থেকে চরম ও সশস্ত্র ধারার ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের জন্ম নেয়।
- ফলে ব্রিটিশ শক্তি শেষ পর্যন্ত বঙ্গভঙ্গ বাতিল করতে বাধ্য হয়।
- স্বদেশী আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী ছিলেন সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়।
- এই আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- পরে বিলেতি শিক্ষা বর্জনও এ কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত হয়।
- কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলে।
- সঙ্গে সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে উঠে বাংলার নিজস্ব তাঁতবস্ত্র, সাবান, লবণ, চিনি ও চামড়ার দ্রব্য তৈরির কারখানা।
- অপর দিকে বিলেতি শিক্ষা বর্জন এবং আন্দোলনের সাথে যুক্তদের বিভিন্ন সরকারি স্কুল-কলেজ থেকে বের করে দেওয়ার ফলে প্রয়োজনে গড়ে উঠে জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বাংলা ভাষায় বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধকারী শ্রেষ্ঠ দেশাত্মবোধক গানগুলো রচনা করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, দ্বিজেন্দ্রলাল রায় এবং রজণীকান্ত সেন প্রমুখ।
- আমাদের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি' গানটি রবীন্দ্রনাথ ঐ সময় রচনা করেন।
- তবে মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি।
- যার কারণে স্বদেশী আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,১৯১.
বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৬০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি: 
বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং এ দেশের মুসলিম মধ্যবিত্তের জাগরণ ও আত্মপরিচয় বিকাশের প্রেরণায় এ প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়।
১৯৫৩ সালে  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করে, কিন্তু তা ব্যর্থ হয়।
দ্বিতীয়বার যুক্তফ্রন্ট ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমির উদ্বোধন করেন।
এভাবে বাংলা ভাষার মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাস্তব রূপ লাভ করে।
একাডেমি সূচনায় ছিল একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
১৯৫৭ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৬,১৯২.
বাংলাদেশে টাকার জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মতিঝিল, ঢাকা
  2. খ) মিরপুর, ঢাকা
  3. গ) জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা
  4. ঘ) সেগুনবাগিচা, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• টাকার জাদুঘর:
- ২০১৩ সালে ঢাকার মিরপুরে প্রতিষ্ঠা করা হয় 'টাকা জাদুঘর'।

- প্রতিটি স্বাধীন দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয় একটি মুদ্রা জাদুঘর। সে দেশের মুদ্রা জাদুঘরে প্রদর্শিত মুদ্রা দেশটির ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে। এ কারণেই সারা পৃথিবীতে তৈরি হয়েছে মুদ্রা জাদুঘর।
- ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের উদ্যোগে ঢাকার মিরপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা জাদুঘর।
- উদ্বোধন করেছিলেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
- বাংলাদেশের একাধিক সিনিয়র মুদ্রা সংগ্রাহক টাকা জাদুঘরে মুদ্রা উপহার দিয়ে টাকা জাদুঘর তৈরি করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- এই জাদুঘরে টাকা ও ধাতব মুদ্রা তৈরির সব উপকরণসহ বিশ্বের প্রায় সব স্বাধীন দেশ, বিলুপ্ত দেশ, বিলুপ্ত কলোনি এবং সারা পৃথিবীর শাসকেরা যেসব ক্ষুদ্র অঞ্চল শাসন করেছিলেন, সেসব অঞ্চলের মুদ্রা টাকা জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২০ জানুয়ারি, ২০২১)।
১৬,১৯৩.
বর্তমানে বাংলাদেশ কয়টি দেশে মাছ রপ্তানি করে?
  1. ক) ৪৯টি
  2. খ) ৫০টি
  3. গ) ৫১টি
  4. ঘ) ৫২টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বের মাছ রপ্তানী:
- পৃথিবীর ৫২টি দেশে বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি হয়।
- সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে ৪৭.৫৯ মেট্রিক লাখ টন মাছ উৎপাদিত হয়।
- মৎস্য খাতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের প্রায় দুই কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।
- ‘নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, গড়বো স্মার্ট বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এবার ২৪-৩০ জুলাই জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ পালন করা হয়।
- দেশে ৪৭ দশমিক ৫৯ লাখ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের জানুয়ারি পর্যন্ত ৪৩,১১৭.৪৯ মেট্রিক টন মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে ৩,২২৬.০৩ কোটি টাকা।
- ২০৪১ সালে এ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৫ লাখ মেট্রিক টন।

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৬,১৯৪.
’লালবাগ দুর্গের’ অভ্যন্তরে অবস্থিত কার মাজার রয়েছে?
  1. পরী বানু
  2. পরি বিবি
  3. জিনাত মহল
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
লালবাগ দুর্গ পরি বিবির মাজার।
লালবাগ কেল্লা:
- এটি ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- সম্রাট আজম শাহ চলে যাওয়ার পর দুর্গ নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ পুনরায় লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন কাজ থেমে যাওয়ার প্রায় এক বছর পরে।
- এটি  শায়েস্তা খানের প্রিয় কন্যা পরীবিবির সমাধি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,১৯৫.
জাতীয় সংসদ ভবন কত একর জমির উপর অবস্থিত?
  1. ক) ২১২ একর
  2. খ) ২৫০ একর
  3. গ) ২১৫ একর
  4. ঘ) ২২৫ একর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম আইনসভা কমপ্লেক্স।
- এটির স্থপতি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক লুই আই কান।
- জাতীয় সংসদ ভবন ২১৫ একর জমির উপর অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬১ সালে এবং উদ্বোধন করা হয় ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি।
- এই ভবনে প্রথম সংসদ অধিবেশন বসে ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১৬,১৯৬.
সার্কের বর্তমান মহাসচিব -
  1. ক) আমজাদ হোসেন
  2. খ) ইসালা রুয়ান ভিরাকুন
  3. গ) এ এম কে রহিম
  4. ঘ) গোলাম সারওয়ার
ব্যাখ্যা
সার্কের নতুন নির্বাচিত মহাসচিব:
- সার্ক-এর ১৫তম মহাসচিব হিসেবে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার - গোলাম সারওয়ারকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
- গোলাম সারওয়ার বর্তমানে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
- তিনি ১৯৯১ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দেন। তিনি বর্তমান মহাসচিবের মেয়াদান্তে তার স্থলাভিষিক্ত হবেন।

- এর আগে দুজন বাংলাদেশি কূটনীতিক সার্ক মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- তারা হলেন, সাবেক পররাষ্ট্রসচিব আবুল আহসান (১৯৮৭-৮৯ সাল) এবং সাবেক বাংলাদেশি কূটনীতিক কিউ এ এম কে রহিম (২০০২-০৫ সাল)।
--------------------------
অতিরিক্ত তথ্য -
- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) দক্ষিণ এশিয়ার একটি আঞ্চলিক সংস্থা। 
- এর সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান এবং আফগানিস্তান। 
- চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া, ইরান, মায়ানমার, মরিশাস, ও অস্ট্রেলিয়া হল সার্কের ৮ টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র। 
- ১৯৭৯ সালের ৮ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এর হাত ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।  

উৎস: প্রথম আলো, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ও সার্ক ওয়েবসাইট।
১৬,১৯৭.
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ২৮ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে
  2. ৩০ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে
  3. ২ মার্চ ২০২০ সালে
  4. ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে
ব্যাখ্যা
তৃতীয় টার্মিনাল:

- ০৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।
- ২০১৯ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।
- টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- টার্মিনালটির নকশা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ব্যস্ততম হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন।
- বিশ্বমানের এই টার্মিনালে ১ হাজার ৪৪টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসহ বহুতল গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হচ্ছে।
- এই টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে।

তথ্যসূত্র - CAAB [Link]
১৬,১৯৮.
'জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক' প্রণয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. NCTB
  2. BANBEIS
  3. NTRCA
  4. NAEM
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড:
- 'জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক' প্রণয়নের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB)।
- ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড কর্তৃক ১ম শ্রেণি থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন এবং সেই সাথে একটি নবজাত রাষ্ট্রের জনসাধারণের প্রয়োজনীয় জ্ঞাতব্য বিষয় আধুনিক ধ্যান-ধারণার আলোকে পাঠ্যপুস্তকে সন্নিবেশ করা হয়।
- ১৯৭৮-৭৯ সালে টেক্সটবুক বোর্ড নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- ১৯৮৩ সালের মধ্যে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত পাঠ্যপুস্তকের স্থলে মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণের কাজ সম্পন্ন করে। ১৯৮৩ সালে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)” মাধ্যমে স্কুল টেকস্টবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্রকে একীভূতকরণের মাধ্যমে বর্তমান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন ২০১১ অনুযায়ী বোর্ডের কার্যক্রমকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা ও যুগপোযোগী করার জন্য গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মহান জাতীয় সংসদে “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 (Ordinance no. LVII of 1983)” সংশোধন ও রহিতক্রমে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮’ বিলটি পাশ হয়।

তথ্যসূত্র - NCTB এর ওয়েবসাইট।
১৬,১৯৯.
গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ পারস্যের কোন বিখ্যাত কবির সাথে পত্রালাপ করতেন?
  1. কবি ফেরদৌসী
  2. কবি হাফিজ
  3. ওমর খৈয়াম
  4. নিজামী গজনবী
ব্যাখ্যা

গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ: 
- ইলিয়াস শাহী শাসকদের মধ্যে সিকন্দার শাহ সুদীর্ঘ সময় ধরে বাংলার সুলতান ছিলেন।
- তাঁর রাজত্বকালে বাংলায় সুখ-শান্তি ও সমৃদ্ধি বিরাজমান ছিল।
- তিনি সুকৌশলে ফিরোজ শাহের আক্রমণ প্রতিহত করেন।
- তিনি সাহিত্য, শিল্পকলা, স্থাপত্য প্রভৃতি সুকুমার শিল্পের উদার পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ এক সংঘর্ষে পিতা সিকান্দর শাহকে হত্যা করে বাংলার সিংহাসন দখল করেন।
- তিনি পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সাথে পত্রালাপ এবং চীন সম্রাট ইয়াং লুর সাথে দূত বিনিময় করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,২০০.
উয়ারী-বটেশ্বর কত বছরের পুরোনো একটি প্রাচীন নগর সভ্যতার কেন্দ্র?
  1. ২০০০ বছরের
  2. ২৫০০ বছরের
  3. ৩০০০ বছরের
  4. ৩৫০০ বছরের
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
- প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড ওয়েবসাইট।