বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬০ / ৩০৬ · ১৫,৯০১১৬,০০০ / ৩০,৮৩২

১৫,৯০১.
নূর হোসেন কোন আন্দোলনে শহিদ হন?
  1. ১৯৬৯ এর আন্দোলনে
  2. ১৯৭১ এর অসহযোগ আন্দোলনে
  3. মুক্তিযুদ্ধে
  4. নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে
ব্যাখ্যা
নূর হোসেন:
- স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বরের একটি মিছিলে বুকে- ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’ এবং পিঠে ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’ স্লোগান লিখে অংশ নিয়েছিলেন নূর হোসেন।
- মিছিল রাজধানীর জিরো পয়েন্ট এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ গুলি চালালে শহিদ হন নূর হোসেন।
- স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে গণতন্ত্রের জন্য আত্মাহুতি দেয়া ‘শহীদ নূর হোসেন দিবস’ ১০ নভেম্বর।

উল্লেখ্য,
⇒ নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম অধ্যায় নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহিদ হন।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
১৫,৯০২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় কবে?
  1. ১ নভেম্বর, ১৯৭২
  2. ২ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ৩ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৯০৩.
বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করার এখতিয়ার রয়েছে কার?
  1. ক) সংসদের
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর
  3. গ) রাষ্ট্রপতির
  4. ঘ) কেউই পারেন না
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা জারি করার এখতিয়ার রয়েছে রাষ্ট্রপতির। 

সংবিধানের ১৪১ক(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ বা অভ্যন্তরীণ যেকোন গোলযোগের কারণে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা থাকলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনধিক ১২০ দিনের জন্যে দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন ।
- তবে এরূপ ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়।
- ১৪১ (খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জরুরি অবস্থা ঘোষণার সাথে সাথে এই ৬টি মৌলিক অধিকার স্থগিত হয়ে যায়।
- জরুরি অবস্থার সময় স্থগিত হয় ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২ অনুচ্ছেদ গুলো।

তথ্যসূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ।
১৫,৯০৪.
‘হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন’ কে প্রবর্তন করেন?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিধবা বিবাহ:
- হিন্দু বিধবাদের পুনরায় বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হওয়াকে বিধবা বিবাহ বলে।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের জন্য সমাজসংস্কার আন্দোলন সৃষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।
- তাঁর অক্লান্ত পরিশ্রমের ফল পান ১৮৫৬ সালের ২৬ জুলাই।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় তৎকালীন বড়লাট লর্ড ডালহৌসি ‘দ্য হিন্দু উইডো’স রিম্যারেজ অ্যাক্ট ১৮৫৬’ নামে আইন প্রণয়ন করে হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহকে বৈধ করেন।
- এ আইন করার লক্ষ্য ছিল কিছু হিন্দু বিধবা শিশু, যারা স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার আগেই বিধবা হয়ে যেত; এ আইন পাসের মাধ্যমে হিন্দু বিধবা বিবাহের সব বাধা দূরীভূত হয়।
- সে বছরই ৭ ডিসেম্বর রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উপস্থিতিতে প্রথম বিধবা বিবাহের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ লর্ড ডালহৌসি:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।

উৎস: i) সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯০৫.
অনুপার্জিত আয় সম্পর্কে বলা আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ১৭ নং
  2. ২০ নং
  3. ১৫ নং
  4. ২৭ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২০ নং অনুচ্ছেদ ’অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম’ সংবলিত।

২০(১)- অনুসারে, কর্ম হইতেছে কর্মক্ষম প্রত্যেক নাগরিকের পক্ষে অধিকার, কর্তব্য ও সম্মানের বিষয়, এবং "প্রত্যেকের নিকট হইতে যোগ্যতানুসারে ও প্রত্যেককে কর্মানুযায়ী”-এই নীতির ভিত্তিতে প্রত্যেকে স্বীয় কর্মের জন্য পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

২০(২) অনুসারে, রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করিবেন, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করিতে সমর্থ হইবেন না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হইবে৷।

অন্যদিকে,
• ১৭ নং অনুচ্ছেদ ‘অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা’ সম্পর্কিত।
• ১৫ নং অনুচ্ছেদ ‘মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা’ সম্পর্কিত।
• ২৭ নং অনুচ্ছেদ ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫,৯০৬.
'Super Specialised Hospital' is located in -
  1. ক) Gazipur
  2. খ) Faridpur
  3. গ) Dhaka
  4. ঘ) Savar
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম সেন্টার বেইসড সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন করা হবে ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২।
এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের  (বিএসএমএমইউ) অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। 
এটি ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট 
১৫,৯০৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল কত?
  1. ৭১.৩ বছর
  2. ৭১.৪ বছর
  3. ৭২.৩ বছর
  4. ৭২.৪ বছর
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
⇒ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী -- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫,৯০৮.
সুলতানি আমলে বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. আলাউদ্দিন আলি শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ
ব্যাখ্যা

• ইলিয়াস শাহিবংশ
→ সোনারগাঁয়ে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ যখন স্বাধীন সুলতান তখন লখনৌতির সিংহাসন দখল করেছিলেন সেখানকার সেনাপতি আলি মুবারক। সিংহাসনে বসে তিনি 'আলাউদ্দিন আলি শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন। লখনৌতিতে তিনিও স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন। পরে রাজধানী স্থানান্তর করেন পাণ্ডুয়ায় (ফিরোজাবাদ)। 

→ আলি শাহক্ষমতায় ছিলেন ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। তাঁর দুধভাই ছিলেন হাজি ইলিয়াস। তিনি আলি শাহকে পরাজিত ও নিহত করে 'শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ' নাম নিয়ে বাংলায় একটি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।

→ ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দে ফিরোজাবাদের সিংহাসন অধিকারের মাধ্যমে ইলিয়াস শাহ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলার অধিপতি হন। সোনারগাঁ ও সাতগাঁও তখনও তাঁর শাসনের বাইরে ছিল।

→  ইলিয়াস শাহের স্বপ্ন ছিল সমগ্র বাংলার অধিপতি হওয়া। তিনি প্রথম দৃষ্টি দেন বাংলার পশ্চিম দিকে। ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে সাতগাঁও তাঁর অধিকারে আসে। ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করে বহু ধনরত্ন হস্তগত করেন। ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁয়ে ইলিয়াস শাহের হাতে পরাজিত হন।

→ সোনারগাঁ দখলের মাধ্যমে সমগ্র বাংলার অধিকার সম্পন্ন হয়। তাই বলা হয়, ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীনতার সুচনা করলেও প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।

১৫,৯০৯.
’নির্বাহী বিভাগ’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ রয়েছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. চতুর্থ ভাগে
  4. দ্বিতীয় ভাগে
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ রয়েছে।
- এর পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে যথা: 
- ১ম পরিচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।
- ৩য় পরিচ্ছেদ স্থানীয় শাসন।
- ৪র্থ পরিচ্ছেদপ্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।
- ৫ম পরিচ্ছেদ অ্যাটর্নি-জেনারেল।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১৫,৯১০.
বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হয় কোন দেশে?
  1. ইংল্যান্ড
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. কোরিয়া
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হয় ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে। 
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার।
-  ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯১১.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4.  ষষ্ঠ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা
১৯৮৮ সালে অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের অনুচ্ছেদ ২-এ পরিবর্তন এনে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা করা হয়

অষ্টম সংশোধনী: 
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১৫,৯১২.
গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় কত তারিখে?
  1. ৩ নভেম্বর ১৯৭২
  2. ১৭ অক্টোবর ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• গণপরিষদ:
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে- ১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২।
- সংবিধান গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উল্লেখ্য:
- বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৯১৩.
জমির উর্বরতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সহায়ক নয়?
  1. ক) ভূমিক্ষয় রোধ করা
  2. খ) জৈব পদার্থ প্রয়োগ
  3. গ) মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ
  4. ঘ) একই ফসল বাববার চাষ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন কারণে জমির উর্বরতা হ্রাস পায়। সেক্ষেত্রে জমির উর্বরতা রক্ষা ও বৃদ্ধির জন্যে করণীয় হলো: ভূমিক্ষয় রোধ করা, মাটিতে জৈব পদার্থ প্রয়োগ করা, মাটির অম্লমান নিয়ন্ত্রণ করা, শিম জাতীয় উদ্ভিদের চাষ করা, একই জমিতে একই ফসল বারবার চাষ না করে ভিন্ন ভিন্ন ফসল চাষ করা, পানি ও আগাছা ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি।
(সূত্র: মাধ্যমিক কৃষিশিক্ষা : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৫,৯১৪.
ভাষা আন্দোলনে অবদান রাখায় একুশে পদক ২০২৪ পেয়েছেন কে?
  1. কাওসার চৌধুরী
  2. হাতেম আলী মিয়া
  3. রফিক আহামদ
  4. মুহাম্মদ সামাদ
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২৪:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিককে একুশে পদক-২০২৪ প্রদান করা হয়।
পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
• ভাষা আন্দোলনে মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়া (মরণোত্তর)।
• সঙ্গীতে জালাল উদ্দীন খাঁ (মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণী ঘোষ, বিদিত লাল দাস (মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর) ও শুভ্র দেব।
• অভিনয়ে ডলি জহুর ও এমএ আলমগীর।
• আবৃতিতে খান মো. মুস্তাফা ওয়ালীদ (শিমুল মুস্তাফা) ও রূপা চক্রবর্তী।
• নৃত্যকলায় শিবলী মোহাম্মদ।
• চিত্রকলায় শাহজাহান আহমেদ বিকাশ।
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ ও আর্কাইভিংয়ে কাওসার চৌধুরী।
সমাজসেবায় মো. জিয়াউল হক ও আলহাজ রফিক আহামদ।
• ভাষা ও সাহিত্যে- মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর ও রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষায় প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু একুশে পদক পেয়েছেন।

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,৯১৫.
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান-  
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা

• অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে ৮ আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- মোট উপদেষ্টা: ২১ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

এছাড়াও,
⇒ অন্যান্য উপদেষ্টাগণ:
১. জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ
২. জনাব ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
৩. ড. আসিফ নজরুল
৪. জনাব হাসান আরিফ
৫. জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন
৬. লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ জাহাঙ্গ আলম চৌধুরী (অব:)
৭. জনাব আদিলুর রহমান খান
৮. জনাব আলী ইমাম মজুমদার
৯. জনাব মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
১০. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
১১. জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম
১২. জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া
১৩. জনাব ফারুক ই আজম, বীর প্রতীক
১৪. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন
১৫. মিজ নূরজাহান বেগম
১৬. অধ্যাপক ডাঃ বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার
১৭. মিজ ফরিদা আখতার
১৭. মিজ্ শারমীন এস মুরশিদ
১৯. ড. আফম খালিদ হাসান
২০. জনাব সুপ্রদীপ চাকমা।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১৫,৯১৬.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
  2. এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ই এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায়।
- এ সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান। 

মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকার
পদবি নাম
রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান
উপ-রাষ্ট্রপতি (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ
অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমদ
প্রধান সেনাপতি কর্নেল (অব.) এম.এ.জি ওসমানী
চিফ অব স্টাফ লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৯১৭.
এখন থেকে চীনের বাজারে বাংলাদেশের কয়টি পণ্যের রপ্তানি সুবিধা পাওয়া যাবে?
  1. ক) ৮,৭৬১টি
  2. খ) ৮,৯৩০টি
  3. গ) ৮,৬০৭টি
  4. ঘ) ৮,৫৪৭টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেবে চীন। 
- এতে এখন থেকে চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৮,৯৩০টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। 
- ২০২০ সালে বাংলাদেশের ৯৭% পণ্যকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয় চীন, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ৮৫৪৭টি পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়েছে। অর্থাৎ, চীন বাংলাদেশের আরও ৩৮৩টি পণ্যকে নতুন করে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের মোট আমদানি ব্যয়ের এক-চতুর্থাংশ।
- একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৬৮১ মিলিয়ন ডলার। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৩.৪২% বেশি।  

উৎস: www.tbsnews.net
১৫,৯১৮.
কোন প্রতিষ্ঠান গবেষণার জন্য একুশে পদক ২০২০ অর্জন করে?
  1. বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইন্সটিটিউট
  2. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইন্সটিটিউট
  3. বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট
  4. বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট
ব্যাখ্যা
একুশে পদক বাংলাদেশের একটি জাতীয় এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের ২০ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২০ সালের একুশে পদক প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।
গবেষণায় বিশেষ অব্দানের জন্য একুশে পদক পায় বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউট।
[ সূত্রঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়]
১৫,৯১৯.
বাংলাদেশের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত হয়েছে কবে?
  1. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬ সালে
  2. ২৬ ডিসেম্বর, ২০২৬ সালে
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সালে
  4. ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

• LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- জনসংখ্যা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ছোট দ্বীপপুঞ্জ, ভূবেষ্টিত দেশ—এসব বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে এলডিসিতে তালিকাভুক্ত করে জাতিসংঘ।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ নানা ধরনের যাচাই–বাছাই পেরিয়ে ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য সময় নির্ধারণ করেছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) UN ওয়েবসাইট।

১৫,৯২০.
বর্তমানে খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৩ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯২১.
ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের আলোকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- বাংলাদেশের ভূমিকে ২০টি ফিজিওগ্রাফিক ইউনিট ও ৩০টি এগ্রো-ইকোলজিক্যাল জোনে ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে কৃষি বিজ্ঞানীরা বাংলাদেশের ভূমিকে প্রকৃতি অনুসারে ১৯টি মাটি এককে (Soil type units) ভাগ করেছেন।
- বন্যায় প্লাবিত হওয়ার ভিত্তিতে বাংলাদেশের ভূমিকে ৮টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- ঋতুর ভিত্তিতে বাংলাদেশের ফসলগুলোকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

যথা –
- খরিফ ফসল – বসন্তের শেষে ও গ্রীষ্মের সময়ে রোপন করা হয় এবং শীতের পূর্বেই ফসল তোলা হয়।
- রবি ফসল – শীতের সময়ে রোপন করা হয় এবং বসন্ত বা গ্রীষ্মের শুরুতে ফসল তোলা হয়।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
১৫,৯২২.
ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ২০ জানুয়ারি
  2. ২৪ জানুয়ারি
  3. ১৬ জানুয়ারি
  4. ১৮ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থান দিবস।
- পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিবর্ষণে নিহত হন নবকুমার ইনস্টিটিউশনের নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর রহমান।
- জনতার রুদ্ররোষ এবং গণ-অভ্যুত্থানের জোয়ারে স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান অভিযুক্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ সবাইকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
- পতন ঘটে আইয়ুবের স্বৈরতন্ত্রের। অপশাসন ও শোষণের বিরুদ্ধে সংগ্রামে তাই ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান আজও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করে। 

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক। 
১৫,৯২৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে?
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. মোস্তাকুর রহমান 
  3. ফজলে কবির চৌধুরী
  4. মোখলেসুর রহমান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
- গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে তাকে এই পদে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

- মোস্তাকুর রহমান বিভিন্ন সময়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এন্ড এক্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) বাংলাদেশ ব্যাংক বিষয়ক স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

উৎস: প্রথম আলো।

১৫,৯২৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ২নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত ছিল?
  1. মহেন্দ্রগঞ্জ
  2. মেলাঘর
  3. চূড়ামনকাঠি
  4. করিমগঞ্জ
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৫,৯২৫.
দেশের প্রথম নারী শিক্ষাসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. শাহীনা বেগম
  2. রেহানা পারভীন
  3. শাহনাজ আরেফিন
  4. জাকিয়া সুলতানা
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী শিক্ষা সচিব নিয়োগ পেলেন রেহানা পারভীন।
- তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৫,৯২৬.
মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে গঠিত হয় কোন সেক্টর?
  1. ৮ নং সেক্টর
  2. ৫ নং সেক্টর
  3. ২ নং সেক্টর
  4. ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

• ১০ নং সেক্টরের নৌ-কমান্ডো বাহিনী : 

- ১০ নং সেক্টর মূলত নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে গঠিত হয়।
- উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আটজন বাঙালি কর্মকর্তা:
গাজী মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ, সৈয়দ মোশাররফ হোসেন, আমিন উল্লাহ শেখ, আহসান উল্লাহ, এ.ডব্লিউ. চৌধুরী, বদিউল আলম, এ.আর. মিয়া ও আবেদুর রহমান।

- ভারতীয় নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় দিল্লির যমুনা নদীতে তাদের বিশেষ নৌ-প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে পাকিস্তান নৌবাহিনীর কিছু বাঙালি সেনা ও প্রায় ১৫০ জন ছাত্র ভলান্টিয়ার যোগ দেন।
- প্রশিক্ষণে শিখানো হয় বোমা নিক্ষেপ ও লিম্পেট মাইন ব্যবহার করে জাহাজ ধ্বংসের কৌশল।
- আগস্টের প্রথম সপ্তাহে তাদের চারটি দলে ভাগ করে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ, দাউদকান্দি ও মংলা বন্দরে পাঠানো হয়।

- ১৪ আগস্ট পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে একযোগে আক্রমণ চালিয়ে বহু জাহাজ ধ্বংস করা হয়।
- এ.ডব্লিউ. চৌধুরীর নেতৃত্বে চট্টগ্রামে এমডি ওহ্রমাজ্দ, এমভি আল-আব্বাসসহ সাতটি জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়া হয়।
- অক্টোবর-নভেম্বরে দেশের বিভিন্ন বন্দরে আরও সফল অভিযান পরিচালিত হয়।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৯২৭.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭২.৫%
  2. ৭৩%
  3. ৭৪%
  4. ৭৪.৮%
ব্যাখ্যা
• আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
জরিপ অনুযায়ী -
→ সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
→ বিদ্যুৎ সুবিধাভোগী খানার হার - ৯৯.৩৪%।
→ উন্নত টয়লেট সুবিধার আওতাধীন - ৯২.২১%। 
→ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগীর হার (%) - ৫০.০ (শহুরে ৩০.৭, গ্রামীণ ৫৯.১)।
→ খানার ঋণের গড় পরিমাণ (টাকা) - ৭৩,৯৮০ (শহুরে - ১৩৭,৪৫৬ ; গ্রামীণ - ৪৪, ১১১)।
→ লিঙ্গভিত্তিক শ্রমশক্তির হার (১৫ বছর এবং এর বেশি) - ৬১.৭২ (পুরুষ - ৮১.৩৩; মহিলা - ৪২.৪৯)।

আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
১৫,৯২৮.
কোন সালে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৪ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করলে ৭ মে অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। বাংলাকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি।
১৫,৯২৯.
বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গনে অবস্থিত ভাস্কর্যটির নাম কী?
  1. ক) মোদের গরব
  2. খ) সংগ্রাম
  3. গ) স্মারক
  4. ঘ) সংশপ্তক
ব্যাখ্যা
রাজধানীর বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গনে 'মোদের গরব' ভাস্কর্যটি অবস্থিত।
- ভাষা শহীদদের সম্মানে ভাস্কর্যটি তৈরি করা হয়।
- 'অমর একুশ' ভাস্কর্যটি বাঙালিকে স্মরণ করিয়ে দেয় বাংলা ভাষা আন্দোলন। 
- ভাস্কর্যটি বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিমূলক ভাস্কর্য গুলোর মধ্যে অন্যতম।
- ২০০৭ সালে ভাস্কর্যটির নকশা ও নির্মাণ করেন খ্যাতিনামা ভাস্কর শিল্পী অখিল পাল।

- সংশপ্তক ও স্মারক ভাস্কর্য যথাক্রমে জাহাঙ্গীরনগর ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য। 
- সংগ্রাম ভাস্কর্যটি সোনারগায়ে লোকশিল্প জাদুঘরে অবস্থিত। 

 উৎস: বাংলা একাডেমি এবং দৈনিক যুগান্তর।
১৫,৯৩০.
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. দ্রাবিড়
  2. নেগ্রিটো
  3. ভোটচিন
  4. অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
বাঙালি আদি-জনগোষ্ঠী:
- অস্ট্রোলয়েড প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী।
- নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে মনে করেন।
- এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়।
- প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত।
- কাল পরিক্রমায় তাদের একটি দল আদি বাসস্থান ত্যাগ করে বাংলায় অভিবাসন করে।
- বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তী নেগ্রিটো জনগোষ্ঠীর পরে বাংলায় এদের আগমন ঘটে বলে অনুমিত হয়।
- বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

উৎস: i) সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৩১.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার কোনটি?
  1. ক) ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড
  2. খ) পদ্মা রিফাইনারি লিমিটেড
  3. গ) শেলওয়েল রিফাইনারি লিমিটেড
  4. ঘ) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত যা ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
(সূত্রঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট)
১৫,৯৩২.
সরকার নিয়ন্ত্রিত সমাজকল্যাণ মূলক অর্থব্যবস্থাকে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বলে?
  1. পুঁজিবাদী 
  2. সমাজতান্ত্রিক 
  3. মিশ্র
  4. ইসলামিক
ব্যাখ্যা

• প্রচলিত অর্থব্যবস্থা সমূহ:

১. পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ যে সমাজব্যবস্থায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের অবাধ স্বাধীনতা স্বীকৃত এবং সকল কর্মকাণ্ড সর্বোচ্চ ভোগ এবং মুনাফা লাভের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয় তাকে পুঁজিবাদী বা ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। এই অর্থব্যবস্থা মূলত ব্যক্তি, ব্যবসা এবং ব্যবসায়িকে কেন্দ্র করে চলে। এখানে সরকার শুধু কিছু নীতিমালা তৈরি করে দেয় যা মেনে চলতে হয় কিন্তু সরকারের তেমন কোন হস্তক্ষেপ থাকে না।

২. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থার সম্পূর্ণ বিপরীত। সম্পূর্ণ সরকার নিয়ন্ত্রিত সমাজকল্যাণ মূলক অর্থব্যবস্থাকেই সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা বলে। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য
সমাজেরকল্যাণ, জনকল্যাণ ও অর্থনৈতিক কল্যান করা, এই অর্থব্যবস্থা সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তে পরিচালিত হয়ে থাকে। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, ব্যক্তিগত মুনাফারও কোন সুযোগ নেই। এই অর্থব্যবস্থায় কোন ধরনের শোষণ, বৈষম্য এবং সাম্প্রদায়িকতা পরিলক্ষিত হয় না।

৩. মিশ্র অর্থব্যবস্থা:
⇒ ব্যক্তিগত মালিকানা ও উদ্যোগের স্বাধীনতা অপরদিকে সরকারি নিয়ন্ত্রণ এবং পাশাপাশি অবস্থানকেই মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে। সরকারি ও বেসরকারি খাতের সহাবস্থানকেই মিশ্র অর্থব্যবস্থা বলে অভিহিত করা হয়। এখানে সরকারি এবং বেসরকারি খাত মিলে-মিশে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেও, এখানে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা সরকারের রয়েছে। MCO

৪. ইসলামিক অর্থব্যবস্থা:
⇒ আল-কোরআন এবং সুন্নাহ মোতাবেক যে অর্থব্যবস্থা পরিচালিত হয় তাকে ইসলামিক অর্থব্যবস্থা বলে। এই অর্থব্যবস্থায় সুদ নিষিদ্ধ এবং হারাম-হালালের নিয়ম মেনে অর্থনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৯৩৩.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৩.৮%
  2. ৬.৫%
  3. ৮.৪%
  4. ১১.৩%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
১৫,৯৩৪.
বাংলাদেশ সরকারের কোন মডেলটিকে জাতিসংঘ স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা
  2. স্মার্ট সাইবার সিকিউরিটি
  3. কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা
  4. সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্যসেবা: 
- বাংলাদেশের সব মানুষকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশে এই অনন্য কমিউনিটি ক্লিনিকভিত্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থা চালু করেছিলেন। 
- এটি সারাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের দোরগোড়ায় সরকারের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সুফল সরবরাহে বিপ্লব ঘটিয়েছে।  
- এ পর্যন্ত সারা দেশে পাবলিক-প্রাইভেট অংশীদারিত্বে ১৪ হাজারেরও বেশি কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছে। 
- এসব ক্লিনিকে ৩২ ধরনের ওষুধ বিনামূল্যে দেয়া হয়।
- প্রতি ৬০০০ মানুষের জন্য ১টি কমিউনিটি ক্লিনিক। 

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসামান্য উদ্ভাবন ‘কমিউনিটি ক্লিনিক’-কে জাতিসংঘ ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এতে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবায় বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মহলে এক অনুকরণীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২০৩০ সালের মধ্যে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা অর্জনের বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় এক অবিস্মরণীয় মাইলফলক। 

উৎস: মে ১৭, ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১৫,৯৩৫.
‘উয়ারী-বটেশ্বর’ কী?
  1. প্রাচীন মন্দির
  2. প্রাচীন গ্রন্থ
  3. প্রাচীন বৃক্ষ
  4. প্রাচীন জনপদ
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৯৩৬.
সংবিধানে প্রস্তাবনার ৩য় ভাগের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. মূলনীতি গ্রহণ
  2. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  3. গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা
  4. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৯৩৭.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. কক্সবাজার
  2. বান্দরবান
  3. চট্টগ্রাম
  4. নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
কুতুপালং শরণার্থী শিবির:
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবির হলো কুতুপালং শরণার্থী শিবির।
- এটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের মুসলিম জনগোষ্ঠি।
- রাখাইনে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছিলেন তারা।
- ২০১৭ সালের আগস্টে সেনা বাহিনী নারকীয় হত্যাযজ্ঞ, অগ্নিসংযোগ শুরু করলে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।
- কক্সবাজারের কুতুপালং শিবিরে বর্তমানে প্রায় ৯ লাখ শরণার্থী অবস্থান করছে।

উৎস: i) Reuters.
ii) USA for UNHCR.
১৫,৯৩৮.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার কত?
  1. ৭ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৭ লাখ ৭৫ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৯২ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

সংশোধিত বাজেট:
- সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
-
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হবে।

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১৫,৯৩৯.
নিচের কোনটি কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত?
  1. খেজুরের গুড়
  2. ব্ল‍্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া
  3. তুলা
  4. তিলের খাজা
ব্যাখ্যা
কুষ্টিয়া গ্রেড:
- বাংলাদেশে পালিত ছাগলের প্রায় নব্বই ভাগই হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল।
- এই জাতের ছাগলের চামড়া অত্যন্ত উন্নত মানের এবং মাংস অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ব্যতীত ছাগলের অন্যান্য জাতের মধ্যে যমুনাপারি বা রামছাগল, কাশ্মিরী, বারবারি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- দেশের সর্বত্রই এই জাতের ছাগল দেখা যায়। তবে কৃষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলে এই ছাগলের পালন সর্বাধিক হয়।
- যার কারণে বিশ্ববাজারে ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৫,৯৪০.
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.০৫%
  2. ১.২৫%
  3. ১.৩২%
  4. ১.১২%
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৬৬%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১৫,৯৪১.
'অপরাজেয় বাংলা' ভাস্কর্যটির নাম দিয়েছিলেন কে?
  1. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  2. শামীম শিকদার
  3. সালেহ চৌধুরী
  4. মোস্তফা মনোয়ার
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা:
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মরণে নিবেদিত একটি ভাস্কর্য যা তিনজন মুক্তিযোদ্ধাকে চিত্রায়ণ করেছে।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত।
- অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করেন মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- এর নাম দিয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক সালেহ চৌধুরী।
- ১৯৭৩ সালে ভাস্কর্যটি তৈরি করা শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে অপরাজেয় বাংলা উদ্বোধন করা হয়।
- ৬ ফুট বেদির উপর নির্মিত এর উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট।
- এই ভাস্কর্যটিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণের দৃশ্য তুলে ধরা হয়েছে।
- বেদিতে দাঁড়ানো তিন মুক্তিযোদ্ধার প্রতিচ্ছবি যেন অন্যায় ও বৈষম্য দূর করে দেশে সাম্য প্রতিষ্ঠার গান গাইছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৯।
১৫,৯৪২.
দেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র কোথায় উদ্বোধন করা হয়েছে?
  1. বরগুনা
  2. বাগেরহাট
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র:
- দেশের প্রথম ঘড়িয়াল প্রজনন কেন্দ্র রাজশাহীতে উদ্বোধন করা হয়েছে।

⇒ বন বিভাগের পবা নার্সারির রেসকিউ সেন্টারে ঘড়িয়াল প্রজননকেন্দ্রটি করা হয়েছে।
- এটির অবস্থান জিয়া শিশুপার্ক রোডে।
- নতুন এই প্রজননকেন্দ্রে গাজীপুর সাফারি পার্ক থেকে নিয়ে আসা হয়েছে নতুন ঘড়িয়াল জুটিকে। 

⇒ ঘড়িয়াল মূলত লম্বা তুন্ডযুক্ত বিরল প্রজাতির শান্ত স্বভাবের উপকারী জলজ সরীসৃপ প্রাণী। তবে বাংলাদেশে ঘড়িয়াল এখন মহাবিপন্ন বন্য প্রাণী। ফলে এটিকে বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০২২-এর অন্তর্গত রক্ষিত প্রজাতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

⇒ ঘড়িয়াল মূলত লম্বা তুন্ডযুক্ত বিরল প্রজাতির শান্ত স্বভাবের উপকারী জলজ সরীসৃপ প্রাণী। তবে বাংলাদেশে ঘড়িয়াল এখন মহাবিপন্ন বন্য প্রাণী। ফলে এটিকে বন্যপ্রাণি (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০২২-এর অন্তর্গত রক্ষিত প্রজাতি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) প্রথম আলো।
১৫,৯৪৩.
‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৪’ এ বাংলাদেশ কয়টি পদক অর্জন করেছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
-----------------------
ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৪
- ২৮ নভেম্বর ২০২৪ তুরস্কের ইজমিরে শুরু হয় ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াডের ২১তম আসর
- তুরস্কে আয়োজিত বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ রোবটিকস প্রতিযোগিতা ‘ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ২০২৪’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশের দুটি দল দুইটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেছে।
- বাংলাদেশের চারটি দল ও ১২ জন প্রতিযোগী তিনটি বিভাগে (ফিউচার ইঞ্জিনিয়ার্স, ফিউচার ইনোভেটরস, রোবো স্পোর্টস) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।

পদকজয়ী দল:
১. সাইবার স্কোয়াড: বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী আফিয়া হুমায়রার নেতৃত্বে।
২. চেইঞ্জ মেকার্স ২০২৪: শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাদিয়া আনজুম পুষ্পর নেতৃত্বে।

বাংলাদেশের অংশগ্রহণকারী দল:
- মায়ের দোয়া_রোবটিকস।
- সাইবার স্কোয়াড।
- চেইঞ্জ মেকার্স ২০২৪।
- টিম সাইবারওয়েভ।

উল্লেখ্য, 
বাংলাদেশ ২০২০ সালে এই অলিম্পিয়াডের সদস্য হয়।
২০২১ সালে প্রথমবারের মতো অংশ নিয়ে অনলাইনে দশম স্থান অর্জন করে।
২০২২ সালে সশরীরে অংশ নিয়ে ব্রোঞ্জ পদকসহ অষ্টম স্থান অর্জন করে।
২০২৩ সালে পঞ্চম স্থান অর্জন করে।
২০২৪ সালে দুটি ব্রোঞ্জ পদক অর্জন বাংলাদেশের জন্য নতুন মাইলফলক।

এছাড়াও, 
- ২০২৪ সালে জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ দল ২৫তম আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে ৩টি স্বর্ণপদকসহ মোট ১৫টি পদক অর্জন করেছে।
- স্বর্ণপদক ছাড়া বাকিগুলোর মধ্যে রয়েছে ৬টি রৌপ্যপদক, ৪টি ব্রোঞ্জপদক ও ২টি টেকনিক্যাল পদক। 

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড রোবট অলিম্পিয়াড ওয়েবসাইট এবং প্রথমা আলো নিউজ।  [লিঙ্ক]
১৫,৯৪৪.
জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট কি?
  1. সংসদ নেতার ভোট
  2. হুইপের ভোট
  3. স্পিকারের ভোট
  4. রাষ্ট্রপতির ভোট
ব্যাখ্যা
কাস্টিং ভোট: (Casting Vote):
- জাতীয় সংসদে কাস্টিং ভোট হলো স্পিকারের ভোট। 

⇒ সংসদে কখনো কখনো কোন বিষয়ে দু পক্ষের হা অথবা না ভোটের সংখ্যা সমান হয়ে যেতে পারে।
- এমন অবস্থায় স্পীকার নিজের ভোট দিয়ে সংসদের অচলাবস্থা দূর করেন।
- অন্যভাবে বলা যায়, কোন বিলের ভোটাভুটিতে যখন পক্ষে বিপক্ষে সমান ভোট পরে, তখন স্পিকার সংসদের সভাপতি হিসেবে তার ভোট প্রয়োগ করেন। একে নির্ণায়ক বা কাস্টিং ভোট বলে।
- এ ব্যতীত অন্যকোন ক্ষেত্রে স্পিকার তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।
- স্পিকারের এই ভোটটিই হলো 'কাস্টিং বা নির্ণায়ক ভোট'।

উল্লেখ্য,
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এর ৭৫ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী: ”উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি (স্পীকার) ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক (casting) ভোট প্রদান করিবেন।”

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৯৪৫.
অষ্টম নারী এশিয়া কাপের আয়োজক দেশ কোনটি?
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) শ্রীলঙ্কা
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
▪ অষ্টম নারী এশিয়া কাপের আয়োজক দেশ বাংলাদেশ।
▪ টুর্নামেন্টের সব ম্যাচ হয় সিলেটে। 
▪ অষ্টম নারী এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ 
১৫,৯৪৬.
বিখ্যাত 'গীতগোবিন্দ' কাব্যের রচয়িতা জয়দেব কোন রাজার সভাকবি ছিলেন?
  1. ধর্মপাল
  2. বিজয়সেন
  3. বল্লালসেন
  4. লক্ষ্মণসেন
ব্যাখ্যা

- কবি জয়দেব ছিলেন লক্ষ্মণসেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের একজন এবং তার রচিত 'গীতগোবিন্দ' কাব্যটি সংস্কৃত সাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি।  

জয়দেব:
- জয়দেব সংস্কৃত ভাষার কবি।
- পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার অজয়নদের তীরবর্তী কেন্দুবিল্ব বা কেঁদুলি গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- কেউ কেউ তাঁকে মিথিলা বা উড়িষ্যার অধিবাসী বলেও মনে করেন।
- জয়দেব ছিলেন বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের অন্যতম।
- বাঙ্গালি কবি জয়দেবকে - বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়।
- রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত 'গীতগোবিন্দম্‌' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন।
- ২৮৬টি শ্লোক এবং ২৪টি গীতের সমন্বয়ে ১২ সর্গে 'গীতগোবিন্দম্‌' রচিত।

- পঞ্চরত্নের অপর চারজন কবি হলেন:
১. গোবর্ধন আচার্য,
২. শরণ,
৩. নধোয়ী ও
৪. উমাপতিধর।

সূত্র : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলাপিডিয়া।

১৫,৯৪৭.
কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব 'নবযুগ তেভাগা খামার' প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. সিরাজুল আলম খান
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. মাওনালা ভাসানী
  4. এ কে ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
নবযুগ তেভাগা খামার:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'নবযুগ তেভাগা খামার' প্রতিষ্ঠা করেন চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে।
- ১৯৭৪ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস 'নবযুগ তেভাগা খামার' প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি মূলত একটি মাঠ গবেষণা ছিল।
- ওয়ে মাধ্যমে তিনি সমাজের দরিদ্র মানুষের জন্য ঋণ সরবরাহের সম্ভাবনা যাচাই করতে চেয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ‘রুরাল ইকনোমিকস প্রোগ্রামের’ প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস তখন জোবরা এবং সংলগ্ন গ্রামগুলোতে শুরু করেছিলেন একটি মাঠ গবেষণা, যেখানে তিনি যাচাই করতে চেয়েছিলেন সমাজের একেবারে নিচুতলার মানুষের মধ্যে ব্যাংকঋণ সরবরাহের সম্ভাব্যতা।
- সেখানে শুরুতে তেভাগা পদ্ধতি কৃষকদের খামার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমের কার্যক্রম শুরু করেন অধ্যাপক ইউনূস। যার নাম ছিল নবযুগ তেভাগা খামার।
-পরে গ্রামের অবহেলিত নারী ও পুরুষদের নিয়ে একটা সমিতি শুরু করেন। সেই সমিতিতে সঞ্চয় করতো সবাই।
- এই কৃষকদের খামার থেকেই গ্রামীণ ব্যাংকের ভিত্তি রচিত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
- পরবর্তীতে 'ক্ষুদ্রঋণ' নামে সম্পূর্ণ নতুন একটি ধারনা নিয়ে বাংলাদেশে ১৯৮৩ সালের ২রা অক্টোবর একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যাংক হিসেবে আনুষ্ঠানিক জন্ম হয় গ্রামীণ ব্যাংকের।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৯৪৮.
বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) বুড়িগঙ্গা
  2. খ) হোয়াংহো
  3. গ) সিন্ধু
  4. ঘ) শীতলক্ষ্যা
ব্যাখ্যা
বাকল্যান্ড বাঁধ:

- বাকল্যান্ড বাঁধ ঢাকা শহরের দক্ষিণ দিক দিয়ে প্রবহমান বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি শহর পরিবেষ্টনী বাঁধ।
- ১৮৬৪ সনে তৎকালীন নগর কমিশনার সি.টি বাকল্যান্ড এই বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প গ্রহণ করেন।
- নদীর ঘাট পর্যন্ত কার্গো ও যাত্রীবাহী স্টিমার চলাচল সুগম করার জন্য পাড়ের নিম্নভাগে পলি প্রতিরোধ করা এবং প্লাবন ও ভাঙন থেকে ঢাকা শহর রক্ষা প্রকল্পের অধীনে এই বাঁধ নির্মিত হয়।
- এ প্রকল্পের জন্য প্রথম চাঁদাদাতাদের মধ্যে ছিলেন খাজা আব্দুল গণি এবং ভাওয়াল জমিদার কালীনারায়ণ রায়।
- ঢাকার প্রায় সকল সম্পদশালী লোকের কাছ থেকে চাঁদা সংগ্রহে উল্লেখযোগ্য সাফল্য সত্ত্বেও এই বিশাল প্রকল্পের জন্য তা ছিল অপ্রতুল। বাকল্যান্ড তখন সরকারি সহযোগিতার জন্য ধর্না দেন।
- এই বাঁধ প্রায় দেড় কিলোমিটার দীর্ঘ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৪৯.
নিচের কোনটি বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র?
  1. বেঙ্গল গেজেট
  2. দিগদর্শন
  3. সমাচার দর্পণ
  4. বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা
দিগদর্শন
- দিগদর্শন বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িক পত্রিকা।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশন কর্তৃক প্রকাশিত এবং বিখ্যাত খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারক জোশুয়া মার্শম্যান এর পুত্র জন ক্লার্ক মার্শম্যান কর্তৃক সম্পাদিত এটি ছিল মাসিক পত্রিকা।
- দিগ্দর্শনের প্রথম সংখ্যাটি ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৫০.
Which Ministry has the responsibility of price controls in Bangladesh?
  1. ক) Ministry of Public Security Division
  2. খ) Ministry of Finance
  3. গ) Ministry of Planning
  4. ঘ) Ministry of Commerce
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:

- বাংলাদেশে ভোগ্যপণ্যের মূল্য নির্ধারণের বিষয়টি দেখাশোনা করে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন-টিসিবি।
- বাজারে পণ্যের নির্ধারিত মূল্যের বিষয়টি তদারকি করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর এবং বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন।
- "জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর" বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীন একটি সংস্থা।
- ৬ এপ্রিল, ২০০৯ সাল থেকে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীন ১২টি সংস্থা/দপ্তর রয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্থা হচ্ছে,
• বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন।
• বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
• বাংলাদেশ চা বোর্ড।
• ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - বাণিজ্য মন্ত্রনালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,৯৫১.
নিচের কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) UNDP
  2. খ) UNESCO
  3. গ) UNICEF
  4. ঘ) UNCTAD
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৫,৯৫২.
বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) অষ্টম সংশোধনী
  2. খ) নবম সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) ষষ্ঠ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনী
• সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮
• উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ
• সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮
 
• অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে -
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়; 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়; 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৫,৯৫৩.
রাখাইন সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব কোনটি?
  1. ক) কারাম
  2. খ) সাংগ্রাই
  3. গ) চিয়াসৎপয়
  4. ঘ) বিসিকাতাল
ব্যাখ্যা
- রাখাইন মারমা সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব হলো 'সাংগ্রাই'
- এটি রাখাইন ও মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় উৎসব।
- চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও নববর্ষের প্রথম দিন মোট তিনদিন জুড়ে এই উৎসব পালন করা হয়।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।

অন্যদিকে,
- চিয়াসৎপয় মুরংদের প্রধান সামাজিক উৎসব কারাম ওরাঁও জনগোষ্ঠীর প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- বিসিকাতাল হচ্ছে ত্রিপুরাদের বৈসু বর্ষবরণ উৎসবের তৃতীয় দিনের অনুষ্ঠান।

(উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণী)
১৫,৯৫৪.
'তিনকন্যা' চিত্রকর্মের চিত্রকর কে?
  1. হাসেম খান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. এসএম সুলতান
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:
 
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৫৫.
নিচের কোনটি সামাজিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. জীবন ধারণের অধিকার
  2. সম্পত্তি রক্ষার অধিকার
  3. মত প্রকাশের অধিকার
  4. কর্মের অধিকার
ব্যাখ্যা
অধিকারের শ্রেণিবিভাগ: 
অধিকার প্রধানত দুই প্রকার- যথা (১) নৈতিক অধিকার ও (২) আইনগত অধিকার

নৈতিক অধিকার (Moral Rights):
- নৈতিক অধিকার নীতি এবং বিবেকদ্বারা জাগ্রত।
- ন্যায়বোধ থেকে এটি তৈরি হয়।
- নৈতিক অধিকারের আইনগত ভিত্তি নেই।
- যেমন-ভিখারীর ভিক্ষা পাবার অধিকার। 

আইনগত অধিকার (Legal Rights):
- আইনগত অধিকার নাগরিকের জীবনধারণ ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য।
- এ অধিকার রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত বা অনুমোদিত।
- এরূপ অধিকার ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র শাস্তি বিধান করে। যেমন জীবনধারণের অধিকার, অন্ন-বস্ত্র, বাসস্থানের অধিকার ইত্যাদি। 

আইনগত অধিকারকে নিম্নরূপভাবে ভাগ করা যায়-
ক. সামাজিক অধিকার: জীবন ধারণের অধিকার, সম্পত্তি রক্ষার অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার ইত্যাদি।
খ. অর্থনৈতিক অধিকার: কর্মের অধিকার, ন্যায্য মুজুরি পাবার অধিকার, পেশা পছন্দের অধিকার।
গ. রাজনৈতিক অধিকার: ভোটাধিকার প্রয়োগ, নির্বাচনে অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দল গঠনের অধিকার।
ঘ. ধর্মীয় অধিকার: প্রত্যেক নাগরিকের তার নিজ ধর্ম পালন, চর্চা, আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হল ধর্মীয় অধিকার। যেমন একজন মুসলিম নাগরিকের অধিকার আছে নামায পড়ার। ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে, কেননা ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।
ঙ. সাংস্কৃতিক অধিকার: প্রত্যেক জাতিরই নিজস্ব ভাষা, ইতিহাস, ঐতিহ্য, খাদ্যাভ্যাস, পোশাক-পরিচ্ছেদ থাকে। রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে সংস্কৃতিকে ধারণ, বাহন ও বিকাশ ঘটানোর অধিকার হল সাংস্কৃতিক অধিকার।
চ. ব্যক্তিগত অধিকার: জীবন-ধারণের অধিকার, মত প্রকাশের অধিকার, সুখ-স্বাচ্ছদ্যের অধিকার।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৫৬.
‘গম্ভীরা’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের মানুষের ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা গান:
- গম্ভীরা গান  এক প্রকার জনপ্রিয়  লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর  রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৫৭.
যমুনা সার কারখানায় কোন সার উৎপন্ন হয়?
  1. সালফেট
  2. ডিএপি
  3. টিএসপি
  4. ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

যমুনা সার কারখানা:
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর  জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৫,৯৫৮.
সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড রিপন 
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- লর্ড কর্নওয়ালিসের শাসনামলের ভূমি রাজস্ব সংস্কার একটি গুরত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- ওয়ারেন হেস্টিংসের প্রবর্তিত জমির পাঁচসালা ও একসালা বন্দোবস্তের ভুলত্রুটি নিরসনের জন্য লর্ড কর্ণওয়ালিস জমির দশসালা বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- এই সংস্কার ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে পরিণত হয়।
- এ ব্যবস্থার ফলে জমিদাররা জমির স্থায়ী মালিক হন এবং তাঁদের দেয় করের পরিমাণ নির্দিষ্ট হয়ে যায়।
- তাঁরা নিয়মিত কর প্রদান সাপেক্ষে স্থায়ীভাবে জমির মালিক হয়ে যান।
- তবে এ ব্যবস্থার ফলে কৃষকদের দুর্দশা বেড়ে যায় ও জমির উন্নয়ন ব্যাহত হয়।
- কর্নওয়ালিস সূর্যাস্ত আইন প্রবর্তন করেন।
- এ ব্যবস্থায় সূর্যাস্ত আইনের বলে বহু জমিদারী নিলামে উঠে এবং বহু নতুন জমিদার শ্রেণির সৃষ্টি হয় যা এদেশে বিদেশি শাসকদের হাতকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১৫,৯৫৯.
ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে বাংলাদেশের টারশিয়ারি যুগের পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:  
- ভূতাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ভূমিরূপ হলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
- বাংলাদেশের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ১২ শতাংশ এলাকাজুড়ে এই টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বিস্তৃত।
- বাংলাদেশে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় প্রধানত রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে এসব পাহাড়কে মূলত দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়—
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়। 
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়। 

• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়-
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলোর মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল অন্তর্ভুক্ত।
- এখানে পাহাড়ের গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- এদের গঠন আসামের লুসাই ও মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়শ্রেণির সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়গুলো বেলে পাথর, স্লেট ও কর্দমের সংমিশ্রণে গঠিত।
- এখানেই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিনডং বা বিজয় অবস্থিত, যার উচ্চতা ১২৩১ মিটার।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়-
- উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা অঞ্চলে ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন পাহাড় ও টিলার উপস্থিতি দেখা যায়।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো সাধারণত কোনো সুসংগঠিত গিরিশ্রেণি তৈরি করেনি। 
- এদের উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম, সাধারণত ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৫,৯৬০.
ভারতবর্ষকে 'দারুল হারব' বা বিধর্মীর দেশ বলে ঘোষণা করেন -
  1. ক) হাজী শরীয়ত উল্লাহ
  2. খ) দুদু মিয়া
  3. গ) তিতুমীর
  4. ঘ) ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
•ফরায়েজি মতবাদ:
- হাজী শরিয়ত উল্লাহ ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব’ অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি। 
- শরিয়ত উল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয়(ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি বিধর্মী বিজাতীয় শাসিত দেশে জুমা এবং দুই ঈদের নামাজ বর্জনের জন্য মুসলমানদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।নুন-ভাতের দাবিও উত্থাপন করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
-  ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৬১.
উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন কে?
  1. ভাস্করবর্মণ
  2. হর্ষবর্ধন
  3. বাণভট্ট
  4. রাজ্যবর্ধন
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নৃপতি শশাঙ্ক সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধের শাসক।
- গুপ্ত শাসনের পর বাংলার গৌড় রাজ্যের তিনি অধিপতি হন।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্কই বাংলার প্রথম নৃপতি যার ভূমিদান করার মতো এবং মুদ্রা প্রকাশ করার মতো স্বাধীন ক্ষমতা ছিল।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু (শৈব) ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৬২.
কে হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন করেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. অতিশ দীপঙ্কর
  4. প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন। 
- লর্ড ডার্লহৌসীর সহায়তায় ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই বিধবা বিবাহ আইন পাস হলেও তা বাস্তবায়ন সহজ হয়নি।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

উল্লেখ্য,
- বহুবিবাহ এবং বাল্য বিবাহ রোধেও তিনি প্রয়াস চালান।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৬৩.
আমন ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- বোরো ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ। 
- আমন ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা দিনাজপুর। 
- আউশ ধান উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা সিলেট। 
- পাট উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- গম উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- চা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।

  [উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০]
১৫,৯৬৪.
উন্নত জাতের টমেটোর জাত কোনটি?
  1. কাঞ্চন
  2. সফল
  3. রূপালী
  4. সিঁদুর
ব্যাখ্যা
- উন্নত জাতের টমেটো হল সিঁদুর।

• টমেটো:
- এ দেশে এখন মৌসুমে ও অমৌসুমে প্রচুর পরিমাণে টমেটো চাষ হচ্ছে।
- শুধু আমাদের দেশেই নয়, সারা বিশ্বেই সবজি ফসলের মধ্যে আলু ও মিষ্টি আলুর পরেই সবচে বেশি উৎপাদিত হয় টমেটো।
- টমেটো একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ সবজি। কাঁচা ও পাকা উভয় টমেটোই দেহের জন্য উপকারী।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বেশ কিছু টমেটোর জাত উদ্ভাবন করেছে যেগুলো অমৌসুমেও ফলে।
- এছাড়া কিছু হাইব্রিড জাত এ দেশে আসাতে সারা বছরই এখন টমেটো হচ্ছে। তবে দেশেও বেশ কিছু আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের টমেটো উদ্ভাবন করা হয়েছে যেগুলো ভাল ফলন দিচ্ছে।
- টমেটোর উন্নত জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - বারি টমেটো ৪, বারি টমেটো ৫, রোমা ভিএফ, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে, ডেল্টা এফ ১, উন্নয়ন এফ ১, পুষারুবী, নিউ রূপালী এফ ১, সিঁদুর, মানিক, রতন, বারি টমেটো ৩, বারি টমেটো ৬, বারি টমেটো ৭, বারি টমেটো ৯, বাহার, মহুয়া ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৫,৯৬৫.
চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. বাহাদুর শাহ
  3. শায়েস্তা খান
  4. শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
সুবেদার শায়েস্তা খান:

- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
-তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১৫,৯৬৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা বিলোপের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২ক নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১২(ক) নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১২(ক) নং অনুচ্ছেদে সর্ব প্রকার সাম্প্রদায়িকতা বিলোপের কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ : রাষ্ট্রধর্ম
- ১১ নং অনুচ্ছেদ : গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
- ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৫,৯৬৭.
ECNEC গঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
- দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)।
- এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রপতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয় । এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।
- NICAR হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

উৎস: ECNEC ওয়েবসাইট।
১৫,৯৬৮.
পুঁইশাক কীসের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে?
  1. বীজ
  2. কান্ড
  3. পাতা
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
পুঁইশাক:
- পুঁইশাকের ইংরেজি নাম হল Indian Spinach।
- পুঁইশাক গ্রীষ্মকালীন পাতা জাতীয় সবজির মধ্যে অন্যতম।
- পুঁইশাক যদিও গ্রীষ্মকালে পর্যাপ্ত পরিমাণে জন্মে তবে সারা বছর ধরেই পাওয়া যায়।

⇒ জলমায়ু ও মাটি:
- পুঁইশাক উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে ভালো জন্মে।
- এটি যে কোন জায়গায় জন্মাতে পারে।
- জাত স্থানীয় সবুজ ও লাল সাধারণত দুটি জাত দেখা যায়।
- লাল জাতের তুলনায় সবুজ জাত দ্রুত বাড়ে এবং ফলন বেশি।
- তবে লাল জাতের স্বাদ ও পুষ্টিমান বেশি।

⇒ বংশ বিস্তার:
- বীজ বা কান্ডের সাহায্যে বংশবিস্তার করে থাকে।
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চাষ করার জন্য বীজের মাধ্যমে চাষাবাদ করে থাকে।
- বীজের পরিমাণ সারিতে বীজ বপনের জন্য প্রতি হেক্টরে ১.৫-৩ কেজি বীজ প্রয়োজন।
- বীজ লাগানোর সময় পুঁইশাক সাধারণত এপ্রিল মে পর্যন্ত চাষাবাদ করা হয়।
- সেচের ব্যবস্থা করা গেলে রবি মৌসুমেও করা যায়। 

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৬৯.
পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ প্রণয়নে কোন আন্দোলনের প্রভাব ছিল?
  1. ফরায়েজি আন্দোলন
  2. তেভাগা আন্দোলন
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন
- তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন।
- ১৯৪০-৫০ সময়ে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- আন্দোলনটি নিশ্চিতভাবেই পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ প্রণয়নে প্রভাব বিস্তার করেছিল।

- এই আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার কৃষকসভার কমিউনিস্ট কর্মীরা। হাজী মোহাম্মদ দানেশ তেভাগা আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- কৃষকদের নিকট তিনি রানী মা হিসেবে পরিচিতি পান।
- কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন অমল সেন।

পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- ১৯৫১ ইং সনের ১৬ মে, এই আইন পাস এর মাধ্যমে এদেশ থেকে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৭০.
কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের যৌথ উদ্যোগে কোন চুক্তিটি সম্পাদিত হয়?
  1. লক্ষ্ণৌ চুক্তি
  2. এলাহাবাদ চুক্তি
  3. বেঙ্গল প্যাক্ট
  4. মারী চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯১৬ সালের ডিসেম্বরে লক্ষ্ণৌ শহরে একই সময়ে ও স্থানে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে উভয় দল ভারতের শাসনতান্ত্রিক সংস্কার প্রশ্নে সমঝোতার অংশ হিসেবে লক্ষ্ণৌ চুক্তি সম্পাদন করে।
এই চুক্তিতে কংগ্রেস প্রথমবারের মতো মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের ব্যবস্থা মেনে নেয়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৫,৯৭১.
'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয় কবে?
  1. ১৯৫৩ সালের ৪ নভেম্বর
  2. ১৯৫৪ সালের ৪ নভেম্বর
  3. ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর
  4. ১৯৫৪ সালের ১৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট গঠন: 
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মুসলিম লীগ ছিল সবচেয়ে পুরাতন ও বড় রাজনৈতিক দল।
- বিভিন্ন দলের রাজনীতিবিদগণ বুঝতে পারেন ক্ষমতাসীন সরকারী দল মুসলিম লীগের সাথে নির্বাচনে জয়লাভ করা কঠিন হবে।
 ১৯৪৯ সালে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে 'আওয়ামী মুসলিম লীগ' নামে একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেয়।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- দলগুলো ছিল মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক-শ্রমিক পার্টি, মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজাম-ই-ইসলামী এবং হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৭২.
'সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' -এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. সৈয়দ আমির আলি
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. হাজী মুহম্মদ মহসীন
  4. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
ব্যাখ্যা

• সৈয়দ আমির আলি:
- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে
- গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমির আলি।
- তিনি ১৮৪৯ সালে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ, ও বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৮৭৩ সালে লন্ডনের লিংকন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে দেশে ফেরেন।
- কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ১৮৯০ সালে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯০৯ সালে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন। 
- বাংলা তথা ভারতে তিনিই প্রথম মুসলমান নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন।
- তিনি বিশ্বাস করতেন, মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা এবং তাদের দাবি-দাওয়ার
- প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন।
- এই উদ্দেশ্যে তিনি ১৮৭৭ সালে কোলকাতায় 'সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- তিনি পত্র-পত্রিকায় শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলমানদের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করেন।
- ফলে ১৮৮৫ সালে সরকার মুসলমানদের শিক্ষার অগ্রগতির জন্য কতকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। এ কারণে
- তিনি ১৮৮৪ সালে কোলকাতায় মাদ্রাসায় কলেজ পর্যায়ে ইংরেজি শিক্ষা এবং করাচিতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করেন।
- তাঁর বিখ্যাত দুইটি গ্রন্থ 'The Spirit of Islam' এবং 'A Short History of the Saracens'-এ

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৯৭৩.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয় যে সংস্থার মাধ্যমে -
  1. Permanent Court of Arbitration
  2. International Tribunal for the Law of the Sea
  3. International Tribunal of Justice
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- একদিকে নিকটতম প্রতিবেশী ভারত, অন্যদিকে মিয়ানমার।
- এ দুই প্রতিবেশীর সমুদ্রসীমার দাবিতে সাগরে অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছিল বাংলাদেশ।
- কিন্তু বাংলাদেশ ওই দুই দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে আন্তর্জাতিক আদালতে গেছে এবং সেখানে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে।
- ২০১২ সালে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালতের রায়ে সাগরের ৮০ হাজার বর্গকিলোমিটার বিরোধপূর্ণ এলাকার মধ্যে ৭০ হাজার বর্গকিলোমিটার পেয়েছে বাংলাদেশ।
- সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক আদালত বাংলাদেশকে বঙ্গোপসাগরের ৬৮৫ বর্গকিলোমিটার একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাইরে মহীসোপানে প্রবেশেরও সুযোগ দেয়।
- ২০১৪ সালে জাতিসংঘের স্থায়ী সালিসি আদালতে ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ২৫ হাজার ৬০২ বর্গকিলোমিটার সাগর এলাকার মধ্যে ১৯ হাজার ৪৬৭ বর্গকিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুটি আদালতই রায় দিয়েছেন ‘ন্যায্যতার (ইকুইটি)’ ভিত্তিতে।

⇒ বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার:
- ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানিতে অবস্থিত সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে (International Tribunal for the Law of the Sea- ITLOS) এই মামলার রায় দেয়া হয়।
- রায় অনুসারে বাংলাদেশ তার উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) ITLOS ওয়েবসাইট।
১৫,৯৭৪.
দ্বৈত শাসন ব্যবস্থায় রাজস্ব প্রশাসন ছিল কার অধীনে?
  1. নবাবের
  2. মুঘল সম্রাটের
  3. ব্রিটিশ পার্লামেন্টের
  4. ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির
ব্যাখ্যা
দ্বৈত শাসন:
- ১৭৬৫ সালে রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈতশাসন অনুসারে রাজস্ব প্রশাসন ও দেশ রক্ষার ভার থাকে কোম্পানির হাতে এবং নিয়ামত বা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব অর্পিত হয় নবাবের হাতে।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে।
- অবাধ লুণ্ঠন ও যথেচ্ছভাবে রাজস্ব আদায়ের ফলে গ্রাম্যজীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
- নবাবের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় ব্যর্থ হন। 
- সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৭৫.
উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেছিলেন কে?
  1. ক) মাওলানা ভাসানী
  2. খ) নূরুল আলম
  3. গ) ধীরেনদ্রনাথ দত্ত
  4. ঘ) কামাল ফারুক
ব্যাখ্যা
• দত্ত, ধীরেন্দ্রনাথ (১৮৮৬-১৯৭১):
- ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
-  ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা’র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসরণে তিনি মুক্তি সংঘ নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা গঠন করেন। 
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- আওয়ামীলিগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংরাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সরকারী কাগজে বাংলা ভাষা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান – ধীরেনদ্রনাথ দত্ত।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৭৬.
রাজনৈতিক দল কীসের ভিত্তিতে কর্মসূচি প্রণয়ন করে?
  1. আন্তর্জাতিক চাপ
  2. সরকারি নীতি
  3. ব্যক্তিস্বার্থ
  4. দলীয় মতাদর্শ
ব্যাখ্যা
• মতাদর্শের পার্থক্য:
- রাজনৈতিক দল ব্যাপক মতাদর্শের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। মতাদর্শগত অঙ্গীকার পূরণের জন্য রাজনৈতিক নানাবিধ কর্মসূচি প্রণয়ন করে।
- কর্মসূচি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন রাজনৈতিক দলের অস্তিত্বের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অঙ্গীকার সাধারণত স্বার্থের প্রতি, রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি নয়।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৭৭.
বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ও জাপানের মিন্টের যৌথ উদ্যোগে কত টাকার স্মারক রৌপ্য মুদ্রা ছাড়া হয়?
  1. ক) ১০ টাকার
  2. খ) ২০ টাকার
  3. গ) ৫০ টাকার
  4. ঘ) ১০০ টাকার
ব্যাখ্যা

- ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ ও জাপানের মিন্টের যৌথ উদ্যোগে ৫০ টাকার স্মারক রৌপ্য মুদ্রা ছাড়া হয়।
- ৩৫ মিলিমিটার ব্যাসের এ মুদ্রার ওজন ২০ গ্রাম।
- এর সম্মুখভাগে বাংলাদেশ-জাপান কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বর্ষপূর্তি এর লোগো, লোগোর উপরিভাগে জাপানের জাতীয় ফুল (ডালসহ চেরিফুল) এবং লোগোর নিচে বাংলাদেশের জাতীয় ফুল (পানিতে ভাসমান শাপলা) মুদ্রণ করা হয়েছে এবং পিছনভাগে মুদ্রিত রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ।
- স্মারক রৌপ্য মুদ্রাটি বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস ও বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা জাদুঘর থেকে কেনা যাবে। একই সঙ্গে জাপানে মুদ্রাটি বিক্রি করবে জাপান মিন্ট।

১৫,৯৭৮.
দেশের প্রাচীন তম ঐতিহাসিক স্থান কোনটি?
  1. ক) ময়নামতি
  2. খ) পাহাড়পুর
  3. গ) মহাস্থানগড়
  4. ঘ) পানাম
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। প্রসিদ্ধ এই নগরী ইতিহাসে পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর নামেও পরিচিত ছিল। এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
( বাংলাপিডিয়ার আলোকে)
১৫,৯৭৯.
আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি,১৯৬৬
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারি,১৯৬৬
  3. গ) ৭ জুন,১৯৬৬
  4. ঘ) ২৩ মার্চ,১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
• ১৯৬৬ সালের ছয় দফা বাঙালি জাতির জীবনে এক তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়। ধর্মগত ঐক্যের ভিত্তিতে রাষ্ট্র তৈরি হলেও, পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকে বাঙালিদের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ করা হয়। অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামরিক-বেসামরিক চাকরি, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে বাঙালীদের প্রতি ক্রমবর্ধমান বৈষম্য দেখানো হয়।
• শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মেলনে যোগ দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
• পরদিন অর্থাৎ ৫ ফেব্রুয়ারি সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। কিন্তু সম্মেলনের উদ্যোক্তারা এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। 
• পরদিন অর্থাৎ ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানি পত্রপত্রিকায় ছয়দফার বিবরণ ছাপিয়ে শেখ মুজিবকে বিচ্ছিন্নতাবাদীরূপে চিত্রিত করা হয়। ফলে শেখ মুজিব ৬ ফেব্রুয়ারির সম্মেলন বর্জন করেন।
• আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে ২৩ মার্চ
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন হরতালে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আওয়ামী লীগের মনু মিয়া, মজিবুল্লাহ, শফিক, শামসুল হকসহ ১১ জন।
• বর্তমানে ৭ জুন ছয় দফা দিবস হিসেবে পালিত হয়।  

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৮০.
'বৈসু' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. মারমা
  4. খাসিয়া
ব্যাখ্যা

ত্রিপুরা:
- একটি ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন জাতি। ব্রিটিশ আমলে ত্রিপুরা ছিল একটি দেশীয় রাজ্য।
- ১৯৪৭ সালের পর ত্রিপুরী জনগোষ্ঠীর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বসবাস সুবাদে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব অর্জন করে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড ও মিরসরাই, নোয়াখালীর বিলোনীয়া অঞ্চল, কুমিল্লা, চাঁদপুর, মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এরা বসবাস করেন।
- ত্রিপুরা জাতি যে ভাষায় কথা বলে তা কক্-বরক নামে অভিহিত।
- কক্-বরক্ ভাষাটি ৫৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বাধীন ত্রিপুরা রাজ্যের রাষ্ট্রভাষা ছিল।
- ত্রিপুরা ভারতে যোগ দিলে কক্-বরক্ রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা হারায়।
- ত্রিপুরা জাতির সামাজিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- ধর্ম বিশ্বাসে ত্রিপুরা জাতি সনাতন ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১৫,৯৮১.
অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর সময়কাল কত?
  1. ১-১৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১০-২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ৫-১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ২০-২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪: 
- প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড, আয়-ব্যয়, কর্মী সংখ্যা, তাদের সুযোগ সুবিধা, আয়-ব্যয়, কর প্রদানসহ ২৭টি বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে এই শুমারিতে।
- সময়কাল: ১০-২৬ ডিসেম্বর, ২০২৪। 
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) মহাপরিচালক মো. মিজানুর রহমান এবং অর্থনৈতিক শুমারি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এস এম শাকিল আখতার।
- সারা দেশে ৯৫ হাজার তথ্য সংগ্রহকারী এবারের শুমারির জন্য তথ্য সংগ্রহ করবেন।
- শুমারির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে শেষ করার জন্য জিওগ্রাফিকস ইনফরমেশন সিস্টেম (জিআইএস) এবং জিওকোড সমন্বয় করে ডিজিটাল ম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে।
- মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহে ব্যবহৃত ট্যাবগুলো মোবাইল ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট (এমডিএম) সফটওয়্যার ব্যবহার করে কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
- চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির মূল তথ্য সংগ্রহের কাজ ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে।
- দেশের ৪ কোটি পরিবারের মধ্যে ১ কোটি ২২ লাখ অর্থনৈতিক পরিবার বা ইউনিট থেকে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৯৮২.
১৯০৫ সালে বাংলা ভাগ করেন কে?
  1. লর্ড রিডিং
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড চেমসফোর্ড
  4. লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ: 

ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
• এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
• ভাগ হবার পূর্বে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্যপ্রদেশ ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি। 
• ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়। 
• ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন।
• ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়। 
• বঙ্গভঙ্গের ফলে বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ। প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা। 
• অপরপক্ষে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী হয় কোলকাতা।
• ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে হিন্দু- মুসলিম সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। একে অপরকে শত্রু ভাবতে শুরু করে।
• বঙ্গভঙ্গের ফলাফল হিসেবে ১৯৪৭ সালে উপমহাদেশ ভাগ হয়।

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
১৫,৯৮৩.
অগ্নিশ্বর কিসের উন্নত জাত?
  1. ক) কলা
  2. খ) আম
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) সরিষা
ব্যাখ্যা
• কলার জাত :
- এ দেশে আবাদকৃত কলার জাত প্রচুর রয়েছে।
- গাছের আকার ভেদে ও উচ্চতা বিবেচনায় এগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলো হলো- ক. খাটো জাতের কলা, খ. মাঝারি উচ্চতা বিশিষ্ট জাতের কলা এবং গ. লম্বা জাতের কলা।
• খাটো জাতের কলা:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর (জয়েন্ট গর্ভারনার), এগুলো খাটো জাত দলভুক্ত কলা।
- এ সব জাতের গাছ লম্বায় কম হয় এবং কিছুটা ছায়া বা আধা ছায়ায় কলা ফলানো যায়।
- বসতবাড়ির আশ পাশে এ জাতের কলার তুলনামূলক আবাদ  বেশি।
- কেবল মেহের সাগর, রঙিন মেহের সাগর নামক অপর খাটো জাতগুলো বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।
- এ জাতের কলার আকার ও প্রকৃতি অনেকটা সাগর কলার মতো।
- তবে প্রতি কাঁদিতে সাগর কলার চেয়ে  ফলের সংখ্যা ২-৩ গুণ বেশি হয়।
- প্রতি কাঁদিতে ১৭০-২২০টা কলা ধরতে দেখা যায়।
• মাঝারি আকার বিশিষ্ট জাত :
- অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী এ দলভুক্ত জাত।
- বৃহত্তর রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর, ময়মনসিংহ এলাকায় বাগান আকারে মূলত সবরি, সাগর, মেহের সাগর ও বিভিন্ন তরকারি কলা চাষ করা হয়।
- তবে বৃহত্তর বরিশাল ও পার্বত্য জেলাতে  চাঁপা, সবরি ও বিভিন্ন জাতের তরকারি কলার  চাষ প্রচলন বেশি।
• লম্বাকৃতির জাত :
- কাঁঠালি, আনাজি ও অন্যান্য তরকারি কলাসহ বীচিকলা, বাংলা কলা, গেঁড়া কলা লম্বা জাত দলভুক্ত।
- বীচিকলা দেশের সবখানেই রাস্তার ধারে অনেকটা বিনা যত্নে জন্মায়।
- কম আয়ের মানুষ বিশেষ করে মহিলারা এ জাতের কলা চাষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস
১৫,৯৮৪.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় থেকে একমাত্র বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তি কে?
  1. ক) ত্রিদিব রায়
  2. খ) দীপঙ্কর তালুকদার
  3. গ) ইউ কে চিং
  4. ঘ) বীর বাহাদুর কর্মকার
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে ইউ কে চিং বীর বিক্রম খেতাব লাভ করেন।
- তিনি মারমা সম্প্রদায়ভুক্ত ও বান্দরবান জেলার বাসিন্দা।
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি মারা যান।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
১৫,৯৮৫.
কত বছর বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' অবস্থা বিরাজমান ছিল?
  1. প্রায় ৩০০ বছর
  2. প্রায় ২০০ বছর
  3. প্রায় ১০০ বছর
  4. প্রায় ২৫০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে 'মাৎস্যন্যায়' হিসেবে অভিহিত করেন।
⇒ পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
⇒ ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো।
⇒ ৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনের সূত্রপাতের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১৫,৯৮৬.
নিচের কোনটি অ্যানাড্রোমাস মাছ?
  1. গলদা চিংড়ি
  2. ইলিশ
  3. রুই
  4. ঈল
ব্যাখ্যা
- যেসব মাছ স্বাদু পানিতে জন্ম গ্রহণ করে, কিন্তু জীবনের অধিকাংশ সময় লোনা পানিতে বাস করে এবং প্রজননের জন্য আবার স্বাদু পানিতে আসে এবং প্রজনন শেষে আবার লোনা পানিতে ফিরে যায় তাদের অ্যানাড্রোমাস মাছ বলা হয়।
- ইলিশ, স্যামন, স্ট্রুজেন প্রভৃতি অ্যানাডোমাস মাছ।
অন্যদিকে,
- যেসব স্বাদু পানির মাছ ডিম পাড়ার জন্যে লোনা পানিতে যায় তাদের ক্যাটাড্রোমাস মাছ বলে।
- গলদা চিংড়ি, ঈল মাছ প্রভৃতি ক্যাটাড্রোমাস জাতীয় মাছ।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১৫,৯৮৭.
বাংলাদেশে কোন অর্থ বছরে প্রতিবন্ধী ভাতা চালু করা হয়?
  1. ২০০৩-২০০৪
  2. ২০০৪-২০০৫
  3. ২০০৫-২০০৬
  4. ২০০৬-২০০৭
ব্যাখ্যা
প্রতিবন্ধী ভাতা:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ প্রতিবন্ধী।
- বাংলাদেশে 'প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সুরক্ষা আইন ২০১৩' প্রণীত হয়।
- বর্তমানে (সেপ্টেম্বর, ২০২৪) প্রতিবন্ধীদের জন্য মাসিক ভাতার হার: ৮৫০/- টাকা।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রুতি পূরণ;
২. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
৩. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জরিপ করে সুবর্ণ নাগরিক কার্ড প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৫,৯৮৮.
একমাত্র কোন মুসলিম কবি সুলতানি আমলে বাংলায় কাব্য রচনা করেন?
  1. ক) সৈয়দ আশরাফ সিমনানী
  2. খ) শেখ আলাউল হক
  3. গ) শাহ মুহাম্মদ সগীর
  4. ঘ) সারিবদ্ধ খা
ব্যাখ্যা
- মুসলিম শাসকগণ বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতাও করেন।
- এই সময়ে বাংলা ভাষা সাহিত্যের মর্যাদা পায় এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য সুলতানদের দরবারে প্রবেশ করে।
- প্রথমে সুলতানরা ও তাঁদের আমাত্যেরা হিন্দু কবিদের উৎসাহ দেন ও পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- পরে মুসলিম কবিরাও বাংলা ভাষায় কাব্য রচনা করেন।
- শাহ মুহাম্মদ সগীর একমাত্র মুসলিম কবি যিনি সুলতানি আমলে কাব্য রচনা করেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।
-  বাংলা ভাষার সবচেয়ে পুরোনো নমুনা হল চর্যাপদ। চর্যাপদের ভাষা পুরোপুরি বাংলা নয়, বলা চলে এটি বাংলা-পূর্ববর্তী ভাষা।
- কিন্তু তারপরও চর্যাপদকে বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নমুনা বলে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। কেউ কেউ একে চর্যাগীতি বলেন।
- বাংলা ভাষা নতুন গতি লাভ করে সুলতানি যুগে।
-  ইলিয়াসশাহী আমলে মহাকাব্য ও পৌরাণিক কাহিনী,  বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা বাংলায় ভাবপ্রবণ ও মানবতাবাদী সাহিত্যের উদ্ভব ঘটে।
- বাংলার সুলতান রুকনউদ্দিন-এর পৃষ্ঠপোষকতায় কৃত্তিবাস বাংলা ভাষায় ‘রামায়ণ’ রচনা করেন।
- চট্টগ্রামের শাসক পরাগল খার সহযোগিতায় কবি পরমেশ্বর ‘মহাভারত’ বাংলায় অনুবাদ করেন।
- আরো অনেক গ্রন্থই তখন রচিত হয়। মুসলিম শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতায় লৌকিক কাব্যের সাহিত্য রচনা হয়।
- ষোড়শ শতকে সারিবদ্ধ খাঁ নামক একজন মুসলমান ‘বিদ্যাসুন্দর’ কাব্য রচনা করেন। 

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫,৯৮৯.
বর্তমানে অর্থনীতিতে কোন খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. শিক্ষা
  4. সেবা
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

⇒ উল্লেখ্য:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৫,৯৯০.
৬ দফা দাবি প্রথম কোথায় উথাপন করা হয়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) করাচিতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) কলকাতায়
ব্যাখ্যা

১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়। ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৯৯১.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার ১৪শ শতাব্দীর মুসলিম ধর্ম প্রচারক।
- তিনি পুণ্ড্রবর্ধন এবং সন্দ্বীপ ইসলাম প্রচার করেছিলেন।
- কথিত আছে মাছের পিঠে আরোহণ করে তিনি বরেন্দ্র ভূমিতে আসেন।
- তাই তাকে মাহী সওয়ার বলা হয়।
- পুত্র মানত করে গরু কোরবানি দেয়াড় অপরাধে রাজা পরশুরাম তার বলির আদেশ দেন ।
- এবং তাকে সাহায্য করতেই মাহী সওয়ারের আগমন ঘটে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৯৯২.
পত্রিকা পড়ে, রেডিও শুনে, টেলিভিশন দেখে শেখা- কোন ধরনের শিক্ষা?
  1. ক) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা
  2. খ) অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা
  3. গ) উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা
  4. ঘ) অব্যাহত শিক্ষা
ব্যাখ্যা

শিক্ষাকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. আনুষ্ঠানিক শিক্ষা,
২. অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা এবং
৩. উপ-আনুষ্ঠানিক শিক্ষা।

- স্কুল, মাদ্রাসা এবং কলেজের মাধ্যমে যে শিক্ষা দেয়া হয় সেটাকে আনুষ্ঠানিক শিক্ষা বলে।
- পরিবারের লােকজন, পাড়াপ্রতিবেশী এবং পরিবেশ থেকে জেনে বা মনের অজান্তে যে শিক্ষা গ্রহন করা হয় তাকে অনানুষ্ঠানিক শিক্ষা বলে।
- সরকারী ও বেসরকারী মাধ্যম যথা রেডিও, টেলিভিশন, প্রদর্শনী, পােষ্ঠার, বুলেটিন, সংবাদপত্র ইত্যাদির মাধ্যমে যে শিক্ষা দেয়া হয় তাকে উপআনুষ্ঠানিক শিক্ষা বলে।

এই উপআনুষ্ঠানিক বা Nonformal Education কেই সাধারনত সম্প্রসারণ শিক্ষা বলা হয়।

উৎসঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, সম্প্রসারণ শিক্ষা পদ্ধতি

১৫,৯৯৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয় কবে?
  1. ১০ জানুয়ারি ২০১৯
  2. ১০ জানুয়ারি ২০২০
  3. ১০ জানুয়ারি ২০২১
  4. ১০ জানুয়ারি ২০২২
ব্যাখ্যা
- ১০ জানুয়ারি ২০২২ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

- ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি দেয়।
- সেদিনই বঙ্গবন্ধুকে ঢাকার উদ্দেশ্যে লন্ডন পাঠানো হয়।
- লন্ডন থেকে ঢাকা আসার পথে বঙ্গবন্ধু দিল্লিতে যাত্রাবিরতি করেন।
- বিমানবন্দরে ভারতের রাষ্ট্রপতি ভি. ভি. গিরি ও প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বঙ্গবন্ধুকে স্বাগত জানান।
- পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু ১০ জানুয়ারি ঢাকায় পৌঁছলে তাকে অবিস্মরণীয় সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
- সেই দিনকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়।

তথ্যসূত্র:- Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২ এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৯৯৪.
কোন মতবাদের ভিত্তিতে হাজী শরীয়তুল্লাহ্ তাঁর সংস্কারমূলক আন্দোলন শুরু করেন?
  1. মনরো মতবাদ
  2. ওয়াহাবি মতবাদ
  3. দার্শনিক মতবাদ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

হাজী শরীয়তুল্লাহ্:
- হাজী শরীয়তুল্লাহ্ ফরিদপুর জেলার মাদারীপুর মহকুমার অন্তর্গত শামাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ১৭৮১ সালে।
- শরিয়তপুর জেলার নামকরণ করা হয়েছে তাঁর নামানুসারে। 
- দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থানকালে তিনি ওয়াহাবি মতবাদের প্রতি আকৃষ্ট হন।
- ওয়াহাবি মতবাদের ভিত্তিতেই হাজী শরীয়তুল্লাহ্ তাঁর সংস্কারমূলক আন্দোলন শুরু করেন।
- অত্যাচারী জমিদারদের শোষণ হতে কৃষকদের মুক্ত করার লক্ষ্যে তাঁর সংস্কারমূলক আন্দোলন পরিচালিত হয়। 
- হাজী শরীয়তুল্লাহর আন্দোলন পরবর্তীতে ’ফরায়েজি আন্দোলন’ নামে পরিচিতি পায়।
- ১৮৪০ সালে শরীয়তুল্লাহ মৃত্যুবরণ করলে, পুত্র দুদুমিয়া ফরায়েজিদের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৯৯৫.
According to Global credit ratings agency Fitch, Bangladesh's economy would grow___ percent in the current fiscal year.
  1. ক) 6.5
  2. খ) 7
  3. গ) 6.4
  4. ঘ) 6.8
ব্যাখ্যা
Global credit ratings agency Fitch said Bangladesh's economy would grow 7 percent in the current fiscal year, powered by declining coronavirus infections and easing of supply chain disruptions.

The agency is more bullish about the growth potential of the country compared to many other international organizations.

The International Monetary Fund has forecast 6.5 per cent gross domestic product growth for 2021-22, while the World Bank estimates the economy will expand by 6.4 per cent and the Asian Development Bank by 6.8 per cent.

The government has targeted a 7.2 per cent growth in FY22 as the economy recovers from the coronavirus pandemic.

Source: The Daily Star
১৫,৯৯৬.
মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. এম এ জি ওসমানী
  2. এ কে খন্দকার
  3. কাদের সিদ্দিকী
  4. আবদুর রহমান
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার  সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৯৯৭.
বাকশালে জাতীয় দলের জন্য কত সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছিল?
  1. ১০ জন
  2. ১৫ জন
  3. ২০ জন
  4. ২৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ (বাকশাল): 

- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাকশালের বিভিন্ন দিক, কার্যক্ষেত্র এবং সম্ভাবনা সবিস্তারে বর্ণনা করে শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর এই উদ্যোগকে ‘দ্বিতীয় বিপ্লব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারিভাবে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।
- সাংগঠনিক ক্ষেত্রে বাকশালের চেয়ারম্যান হিসেবে রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবর রহমান জাতীয় দলের জন্য ১৫ সদস্যের একটি নির্বাহী কমিটি এবং ১১৫ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটি মনোনীত করেন। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৯৯৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর কোন সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ৪ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ৮ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা যশোর
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে যশোর জেলা প্রথম শত্রুমুক্ত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলাও যশোর।
- ৭ ডিসেম্বর মাগুরা জেলা শত্রুমুক্ত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন ১১টি সামরিক সেক্টরের মধ্যে যশোর ছিল ৮ নম্বর সেক্টর। 
- মূলত বৃহত্তর যশোর ও কুষ্টিয়া জেলা, ফরিদপুর ও খুলনা জেলার কিছু অংশ ছিল ৮ নম্বর সেক্টরের আওতায়। 
- এর সদর দফতর ছিল যশোরের বেনাপোলে। এ সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।

উৎসঃ যশোর জেলার ওয়েবসাইট, বাংলা ট্রিবিউন।
১৫,৯৯৯.
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুরকার কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খন্দকার নূরুল আলম
  3. সত্য সাহা
  4. সমর দাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীত:
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীত ‘বাংলাদেশের দুরন্ত সন্তান আমরা দুর্দম দুর্জয়’।
- গানটি সেলিমা রহমান রচিত।
- গানটির সুরকার খন্দকার নূরুল আলম।
- এটি ১০ চরণ বিশিষ্ট।
- ক্রীড়া সংগীতের শেষের লাইন ‘বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গনে বাংলাদেশের নাম হবে গৌরবময়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,০০০.
জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি কবে গঠন করা হয়?
  1. ৭ নভেম্বর, ২০২৩
  2. ৯ নভেম্বর, ২০২৩
  3. ১১ নভেম্বর, ২০২৩
  4. ১৩ নভেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি:
- ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন, বিচার ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে সরকার ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮’ প্রণয়ন করে।
- দেশের ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ২০১৮ সালের ৫ ডিসেম্বর সরকার 'ডিজিটাল নিরাপত্তা এজেন্সি' গঠন করে।
- পরবর্তীতে সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ রহিতক্রমে নতুনভাবে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ প্রণয়ন করে।
- ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ এর ধারা ৫(১) অনুযায়ী ৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ‘জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি’ নামে একটি এজেন্সি গঠন করে।
- এটি ১৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখ বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বিভিন্ন সংস্থা সমূহের মধ্যে সমন্বয়সাধন, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগীতা প্রদান এবং সাইবার ঝুঁকি ও হুমকি সমূহের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সতর্কীকরণ ও প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের  মাধ্যমে দেশের সাইবার স্পেস এবং প্রয়োজনীয় ও অপরিহার্য সেবাসমূহের সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণই হচ্ছে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি'র প্রধান উদ্দেশ্য।

উৎস: জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি ওয়েবসাইট।