বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬ / ৩০৬ · ১,৫০১১,৬০০ / ৩০,৮৩২

১,৫০১.
বাংলাদেশ প্রথম কবে দারিদ্র বিমোচন কৌশলপত্র প্রণয়ন করে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৫ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র( PRSP):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশ ২০০৫ সালে প্রথম PRSP প্রণয়ন করে।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা’।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।
১,৫০২.
প্রথমবারের মতো বাংলা চ্যানেলে সাঁতার অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা চ্যানেল:
- কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে স্রোতোধারাটির নাম ‘বাংলা চ্যানেল’।
- বাংলা চ্যানেলের দৈর্ঘ্য ১৬.১ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে দূরপাল্লার সাঁতারের উপযোগী বাংলা চ্যানেল আবিষ্কার করেন প্রয়াত কাজী হামিদুল হক।
- ২০০৬ সালে প্রথমবারের মতো বাংলা চ্যানেল সাঁতার অনুষ্ঠিত হয়।
- ১ম অতিক্রমকারী তিনজন সাতারু: ফজলুল কবির সিনা, লিপটন সরকার এবং সালমান সাঈদ।
 
উল্লেখ্য,
- ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন ৪৩ জন সাঁতারু।
- এই সাঁতারের আয়োজন করেছে ‘ষড়জ অ্যাডভেঞ্চার’ ও ‘এক্সট্রিম বাংলা’। 
- তাদের মধ্যে দুইজন নারী ও ৪১ জন পুরুষ।
- দুই নারী সাঁতারুর মধ্যে একজন ভারতীয়, তার নাম রচনা শর্মা।
- প্রথমবারের মতো বাংলা চ্যানেল পাড়ি দিয়েছেন রচনা শর্মা।
 
উৎস: i) ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
         ii) ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৫০৩.
সম্প্রতি কোন বাংলাদেশি অলিম্পিক লরেল অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. হোসেন জিল্লুর রহমান
  3. শেখ হাসিনা
  4. ড. ফেরদৌসী কাদেরি
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের দ্বিতীয় ব্যক্তি ও প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০২১ সালে অলিম্পিক লরেল অ্যায়ার্ডস লাভ করেন।
- খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষা, সংস্কৃতি ও শান্তিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি দিতে ২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি এই অ্যাওয়ার্ড প্রবর্তন করে।
- অলিম্পিক লরেল জয়ী বিশ্বের অপর ব্যক্তি হলেন কেনিয়ার সাবেক ক্রীড়াবিদ কিপশোগে কেইনো।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১,৫০৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয়?
  1. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা
  2. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
  3. সংবিধান ও আইন মান্য করা
  4. শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা
ব্যাখ্যা
নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদে ২ শ্রেণীর ব্যক্তিদের কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করেছে, যথাঃ
ক) নাগরিকের কর্তব্য এবং
খ) অনুচ্ছেদে সরকারী কর্মচারীর কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

-সংবিধানের ২১(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো-
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

-সংবিধানের ২১(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সরকারী কর্মকর্তার কর্তব্য হলো-
সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

-সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদের বিধান: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য:
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য।
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে বাংলাদেশ সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'শৃঙ্খলা রক্ষায় আইন প্রয়োগ করা' নাগরিকের কর্তব্য নয়। কিন্তু শৃঙ্খলা রক্ষা করা ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য। 

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৫০৫.
শের-ই-বাংলা আবুল কাশেম ফজলুল হক জন্মগ্রহন করেন -
  1. ১৮৭০ সালে
  2. ১৮৭৩ সালে
  3. ১৮৭৬ সালে
  4. ১৮৯৫ সালে
ব্যাখ্যা
 ফজলুল হক:
- বিখ্যাত বাঙালি রাজনীতিবিদ এ.কে. ফজলুল হক জন্মগ্রহন করেন - ১৮৭৩ সালে।
- প্রথম অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- লোকপ্রিয়ভাবে শেরে বাংলা' বা হক সাহেব রূপে পরিচিত আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৫০৬.
বিখ্যাত ফিকহ গ্রন্থ "ফাতোয়া-ই-আলমগিরী" কার পৃষ্ঠপোষকতায় প্রণীত হয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আকবর
  3. সম্রাট শাহজান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
সম্রাট আওরঙ্গজেব:
- সম্রাট শাহজাহানের জীবদ্দশায় সংঘটিত উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বে বিজয়ী হয়ে ১৬৫৮ খিষ্টাব্দে আওরঙ্গজেব বাদশাহ আলমগীর উপাধি নিয়ে মোগল সিংহাসনে বসেন।
- ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব।
- ঐতিহাসিক স্টেন্সি লেনপুল আওরঙ্গজেবকে মোগল বংশের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী শাসক বলেছেন।
- রাজ্য শাসন ব্যবস্থায় তিনি ধর্ম নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোককে রাষ্ট্রীয় উচ্চ পদে নিযুক্ত করেন। 

উল্লেখ্য,
- সম্রাট আওরঙ্গজেব ছিলেন একজন বিদ্বান ব্যক্তি। তিনি শিক্ষাবিদদের পৃষ্ঠপোষকতা করতেন এবং বহু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।
- মুসলিম ধর্মশাস্ত্রে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্য ছিল। পবিত্র কুরআন তাঁর মুখস্থ ছিল এবং বহু হাদিস তাঁর জানা ছিল।
- তাঁর উদার পৃষ্ঠপোষকতায় বিখ্যাত ফিকহ গ্রন্থ ফতোয়া-ই-আলমগিরী প্রণীত হয়।
- তিনি নিজ হাতে কোরআন শরীফ নকল করতেন ও টুপি সেলাই করতেন।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব বহু সদগুণের অধিকারী ছিলেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫০৭.
বাংলাদেশে একটি ইউনিয়ন কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিরক্ষা বিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা কথা বলা আছে?
  1. ক) ৬৩
  2. খ) ৬২
  3. গ) ৬১
  4. ঘ) ৬০
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬১ নং অনুচ্ছেদে 'সর্বাধিনায়কতা' কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬২ নং অনুচ্ছেদে 'প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি' কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬০ নং অনুচ্ছেদে 'স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা' কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ নং অনুচ্ছেদে 'শপথ গ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদন্ড' কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৫০৯.
’বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ’ কোন মন্ত্রণালয়ের আয়ত্বধীন?
  1.  বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।

⇒ বাংলাদেশের স্থল সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য ৪,২৪৬ কি.মি.।
- বাংলাদেশের স্থল সীমান্ত দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষ করে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- শুল্ক আইন, ১৯৬৯ এর আওতায় ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশনের অধীনে স্থলবন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৭৯ সালের অক্টোবর: ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন বিলুপ্ত, এরপর বেনাপোল শুল্ক স্টেশনের দায়িত্ব বাংলাদেশ পাট কর্পোরেশন এর ওপর ন্যস্ত।
- ১৯৮৪ সালে বেনাপোল শুল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনা মংলাবন্দর কর্তৃপক্ষ এর অধীনে স্থানান্তরিত হয়।
- প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি উন্নত করার জন্য বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (২০০১ সালের আইন নং-২০) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কর্তৃপক্ষ ২০০২ সালে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করে।
- সরকারের ঘোষণায় বর্তমানে ২৪টি শুল্ক স্টেশন স্থলবন্দর হিসেবে কার্যক্রম করছে।

উল্লেখ্য,
⇒ নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত দপ্তর/সংস্থা:
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্পোরেশন,
- চট্রগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন,
- সমুদ্র পরিবহন অধিদপ্তর,
- মেরিন একাডেমী,
- ন্যাশনাল মেরিটাইম ইন্সটিটিউট,
- জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন,
- পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ,
- গভীর সমুদ্র বন্দর সেল।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

১,৫১০.
মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. আইনমন্ত্রী
  3. সচিব
  4. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
সচিবালয়:
- সচিব হলেন মন্ত্রণালয় বা বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান।
- তিনি এর প্রশাসন, নিয়ম-শৃঙ্খলা ও ন্যস্ত যাবতীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করেন।
- সচিব মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর ও অধীনস্থ অফিসসমূহে কার্যবিধি অনুযায়ী কার্যাদি সম্পন্ন হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে তদারকি করেন এবং এ সকল বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীকে অবহিত করেন।
- এছাড়া সচিব সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরসমূহের মধ্যে বরাদ্দকৃত অর্থ বাজেট ও প্রচলিত হিসাববিধি অনুযায়ী ব্যয় হওয়ার বিষয়টিও তদারক করে।
- সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কার্যাদি সম্পাদনের তাগিদে প্রয়োজনীয় উপাত্ত, তথ্য ও উদাহরণ সংগ্রহ, পরীক্ষা, বিশ্লেষণ ও সমন্বয়ের দায়িত্বও পালন করেন সংশ্লিষ্ট সচিব।
- সর্বোপরি, একজন সচিব অধীনস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে অর্পিত ক্ষমতা বন্টন এবং মন্ত্রণালয় বা বিভাগের কার্যসম্পাদনের ধরণ সম্পর্কিত সুস্পষ্ট ও স্থায়ী আদেশও প্রদান করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১,৫১১.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন' কবে গঠন করা হয়?
  1. ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  2. ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
- গঠনের তারিখ: ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- উদ্দেশ্য: জুলাই ২০২৪-এর গণআন্দোলনে নিহত ও আহতদের সহায়তা ও স্মৃতির সংরক্ষণ।
- প্রধান কার্যক্রম: শহীদ পরিবারের আর্থিক সহায়তা প্রদান, আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং শিক্ষা ও সামাজিক সহায়তা কার্যক্রম।
- পরিচালনা সংস্থা: সরকার-নিযুক্ত ট্রাস্টি বোর্ড।
- বর্তমান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) (নভেম্ভর-২০২৫) - লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবর।
- অফিসিয়াল ওয়েবসাইট: www.jssfbd.com।

উৎস: প্রথম আলো ও অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অফ জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন।

১,৫১২.
নিচের কোন জেলাটিতে সাধারণত জুম চাষ হয় না?
  1. ক) রাঙ্গামাটিতে
  2. খ) বান্দরবানে
  3. গ) খাগড়াছড়িতে
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটিতে জুম চাষ হয়।
১,৫১৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে, বর্তমানে বিনিয়োগের হার কত শতাংশ?
  1. ২৮.৯৮%
  2. ২৯.৯৮%
  3. ৩০.৯৮%
  4. ৩১.৯৮%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে,
- বিনিয়োগের হার ৩০.৯৮%
- এর মধ্যে সরকারি – ৭.৪৭%
- বেসরকারি – ২৩.৫১%

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪
১,৫১৪.
সরকারি বিল কারা উত্থাপন করে?
  1. সাধারণ সংসদ সদস্য
  2. বিরোধী দলের নেতা
  3. স্পিকার
  4. মন্ত্রীরা
ব্যাখ্যা
→ সরকারি বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয়।

বিল:

- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- বিল দুই প্রকার।

যথা
- সরকারি বিল ও
- বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

বেসরকারি বিল
- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১,৫১৫.
কোনটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গণতন্ত্র
  2. সমাজতন্ত্র
  3. সমঅধিকার
  4. জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
• 'সমঅধিকার' - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৮ নং অনুচ্ছেদে ১ নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।

এগুলো হলো:
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র,
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৫১৬.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ৭৬তম
  2. ৭৭তম
  3. ৭৮তম
  4. ৭৯তম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
- সর্বশেষ সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং।
- এই অধিবেশনে সংঘাত নিরসন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সাহায্য করাসহ বিস্তৃত বিষয় নিয়ে আলেচনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
১,৫১৭.
ছয় দফায় প্রতিরক্ষা বিষয়ক দফা -
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে '৬ দফা দাবি' পেশ করেন।

এই দফাগুলোর মধ্যে ষষ্ঠ দফা ছিলো একমাত্র প্রতিরক্ষা বিষয়ক দফা।
ষষ্ঠ দফায় বলা হয় -
"প্রতিরক্ষায় পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে আধা-সামরিক রক্ষীবাহিনী গঠন, পূর্ব পাকিস্তানে অস্ত্র কারখানা স্থাপন এবং কেন্দ্রীয় নৌবাহিনীর সদর দফতর পূর্ব পাকিস্তানে স্থাপন করতে হবে।"

অন্যান্য দফাগুলো:
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১,৫১৮.
চট্টগ্রাম থেকে মগদের বিতাড়ন করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. মীর জুমলা
  3. ইসলাম খান
  4. সরফরাজ খান 
ব্যাখ্যা
সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খান ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- তার সময়ে আরাকানের মগ ও পর্তুগীজ (ফিরিঙ্গি) জলদস্যুরা মিলিত হয়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা এলাকায় লুটতরাজ করে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল।
- তারা মানুষকে ধরে নিয়ে ইউরোপীয় বণিকদের নিকট বিক্রি করত।
- মগরা আবার অনেককে আরাকানে নিয়ে যেত এবং পুরুষদেরকে মজুরের কাজে লাগাত ও মেয়েদেরকে দাসী করে রাখত।
- তিনি মগ জলদস্যুদের বিতাড়িত করার জন্য বহু রণতরী নির্মাণ করেন এবং বিভিন্ন স্থান থেকে রণতরী সংগ্রহ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম থেকে মগদের বিতাড়ন করেন ও চট্টগ্রাম জয় করেন।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫১৯.
কোন শাসকের মৃত্যুর পর বাংলায় 'মাৎস্যন্যায়' সৃষ্টি হয়?
  1. অশোক
  2. ধর্মপাল
  3. মদন পাল
  4. শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান:
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- মাৎস্যন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন। 
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলা যেন পরিণত হয়েছিল মাছের রাজ্যে।
- শাসকের অভাবে সবল অত্যাচার করে দুর্বলের ওপর।
- মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কে মায়া, মমতা, সৌহার্দ্যের যে স্থান তা দখল করে নেয় হিংসা ও দ্বেষ। লামা তারানাথ লিখেছেন, সমগ্র দেশের কোনো রাজা ছিল না।
- এক চরম অরাজক পরিস্থিতিতে বাংলার ইতিহাসে অনেকটা ধূমকেতুর মতো গোপালের আবির্ভাব হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান গোপাল।
- খালিমপুর তাম্রশাসনের বলা হয়েছে যে, মাৎস্যন্যায় দূর করার অভিপ্রায়ে প্রকৃতিগণ গোপালকে রাজা নির্বাচন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫২০.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ‘কে ফোর্স’ এর নেতৃত্বে ছিলেন -
  1. খাদেমুল বাশার
  2. খালেদ মোশাররফ
  3. আব্দুল খালেক
  4. খালিদ আহসান
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫২১.
বাংলাদেশে ভুটানের অর্থনৈতিক অঞ্চল কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্রগ্রাম
  2. কুড়িগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাণিজ্য সম্ভাবনা ও পারস্পরিক সম্পর্ক বাড়াতে প্রতিবেশী বাংলাদেশ ও ভুটানের সহযোগিতায় উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রাম হতে যাচ্ছে ‘ভুটানিজ বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল’।
- অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত স্থান, যাতায়াতব্যবস্থা, সোনাহাট স্থলবন্দর, দুই দেশের আন্ত যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সার্বিক দিক বিবেচনায় কুড়িগ্রাম সফরে করেছেন ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক।
- কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ধরলা নদীর পূর্ব পাড়ে চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- এ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

সূত্র-  প্রথম আলো।  
১,৫২২.
'সোহরাই' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জাতীয় উৎসব?
  1. মারমা
  2. সাঁওতাল
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৫২৩.
চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯১৪ সালে
  2. খ) ১৯১৮ সালে
  3. গ) ১৯২১ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।

- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে ‘মাস্টারদা’ আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৫২৪.
কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম ধরা হয় -
  1. চৈত্র - আষাঢ়
  2. কার্তিক - ফাল্গুন
  3. শ্রাবণ - আশ্বিন
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
কৃষিক্ষেত্রে কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত রবি মৌসুম।

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:
- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
- যথা:
i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- চৈত্র থেকে আষাঢ় এবং শ্রাবণ থেকে আশ্বিন হলো খরিপ মৌসুম।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৫২৫.
কোন জনগোষ্ঠীর ভাষার বর্ণমালার নাম 'হোয়ো'?
  1. খুমি
  2. খেয়াং
  3. তঞ্চঙ্গ্যা
  4. বম
ব্যাখ্যা
হোয়ো:
- বান্দরবানের খেয়াং জনগোষ্ঠীর নিজেদের ভাষার বর্ণমালা তৈরি করা হয়েছে।
- এই বর্ণমালার নাম দেওয়া হয়েছে ‘হোয়ো’।
- এই বর্ণমালা দিয়ে কম্পিউটারেও লেখালেখি করা যাবে।

উল্লেখ্য,
- এতদিন খেয়াংদের ভাষার কোনো বর্ণমালা ছিল না।
- এ কারণে এই ভাষার কোনো লিখিত রূপও ছিল না।
- গত কয়েক বছর ধরে রোমান হরফে এই ভাষা লেখা হচ্ছিল।
- কিন্তু এতে খেয়াং ভাষার সবগুলো ধ্বনির ও উচ্চারণে মিল রেখে লেখা সম্ভব হচ্ছিল না।
- এ কারণে নতুন বর্ণমালা উদ্ভাবন করার প্রয়োজন দেখা দেয়।
- ফ্রেন্ডস অব এন্ডেঞ্জার্ড এথনিক ল্যাংগুয়েজেস (ফিল) নামের একটি সংগঠন এই ভাষাটিকে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করতে কারিগরি সহায়তা করে।
- দুই মাসের চেষ্টায় তারা এই কাজে সফলতা পেয়েছেন।

উৎস: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। [link]
১,৫২৬.
বাংলাদেশ ডাল গবেষণা কেন্দ্রের অবস্থান কোথায়?
  1. ক) ঈশ্বরদী, পাবনা
  2. খ) নশিপুর, দিনাজপুর
  3. গ) শিবগঞ্জ, বগুড়া
  4. ঘ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীন গবেষনা কেন্দ্র সমূহঃ
১. কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
২. উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৩. তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৪. উদ্ভিদ কৌলি সম্পদ কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর
৫. ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা
৬. মসলা গবেষণা কেন্দ্র - শিবগঞ্জ, বগুড়া

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১,৫২৭.
ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আহম্মদুল্লাহ মিয়া
  3. ডা. এ কে এম আবদুল ওয়াহেদ
  4. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
BRAC: 
- BRAC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rural & Advancement Committee।
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম এনজিও বা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ BRAC প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক হলো একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা।
- এটি নারী ও শিশুদের উপর বিশেষ ফোকাস রেখে কাজ করে।

উল্লেখ্য, 
- ফজলে হাসান আবেদ যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট' উপাধি লাভ করেন।

উৎস: ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
১,৫২৮.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজ্রুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান। অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। খন্দকার মুশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫২৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, মোট আবাদকৃত জমির কত অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়?
  1. ৭৬.১৭%
  2. ৭৪.২৩%
  3. ৭১.৭১%
  4. ৬৯.৮২%
ব্যাখ্যা

খাদ্যশস্যের চাষ:
- মোট আবাদকৃত জমির ৭৬.১৭% অংশে খাদ্যশস্যের চাষ হয়।

উল্লেখ্য,
- আঁশ জাতীয় ফসল: ৪.৭৫% অংশে।
- তৈলবীজ: ৩.৫১% অংশে। 
- মসলা: ২.৩৫% অংশে। 
- ডাল: ২.২৭% অংশে। 
- শীতকালীন সবজি: ১.৯৭% অংশে। 
- ভেষজ ও নেশা জাতীয় দ্রব্য: ০.৯৯% অংশে। 
- চিনি জাতীয় ফসল: ০.৬২% অংশে। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১,৫৩০.
শরীফ কমিশন বাংলা বর্ণমালার পরিবর্তে কোন হরফ চালু করার সুপারিশ করেন?
  1. আরবি হরফ
  2. রোমান হরফ
  3. হিন্দি হরফ
  4. ইংরেজী হরফ
ব্যাখ্যা

• শিক্ষা আন্দোলন: 
- ১৯৫৯ সালের ৫ জানুয়ারি গঠিত হয়েছিল পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের সচিব এস এম শরীফের নেতৃত্বাধীন শিক্ষা কমিশন।
- পাকিস্তান রাষ্ট্রের ভাবাদর্শে শিক্ষাকে গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষায় শরীফ শিক্ষা কমিশন প্রতিবেদন জমা দেয়।
- মাত্র আট মাসে প্রস্তুত সেই প্রতিবেদন প্রত্যাঘাতের ভয়ে প্রকাশিত হয় ১৯৬২ সালে।
- প্রকাশিত হওয়ার পরপরই পূর্ববঙ্গ আবার ফুঁসে ওঠে। ভেঙে ফেলে আইয়ুব শাহির রাজনীতি নিষিদ্ধ থাকা সময়ের কঠিন-কঠোর মার্শাল ল।
- প্রতিবেদনের সুপারিশে শরীফ কমিশন প্রথমত বলেছিল, উর্দু হবে পাকিস্তানের শিক্ষার ভাষা, ইংরেজি হবে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক।
- আর বাংলা বর্ণমালার বদলে চালু হবে রোমান হরফ।
- দ্বিতীয়ত, শিক্ষাকে পণ্য ঘোষণা দিয়ে রাষ্ট্র শিক্ষার দায়িত্ব নেবে না বলে কমিশন সুপারিশ করে। অর্থাৎ যাঁর টাকা আছে, শিক্ষার অধিকার তাঁরই, এটাই ছিল এই সুপারিশের মূলকথা।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১,৫৩১.
হযরত শাহ জালাল (রহঃ) কোন শাসককে পরাজিত করে সিলেট অঞ্চলে ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটান?
  1. কৃষ্ণচন্দ্র
  2. লহ্মণ সেন
  3. বিক্রমাদিত্য
  4. গৌর গোবিন্দ
ব্যাখ্যা
সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের শাসনামলে বিখ্যাত সুফি ব্যক্তিত্ব হযরত শাহ জালাল বাংলায় আসেন। শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের সিলেট অভিযানকালে হযরত শাহ জালাল তাঁর সাথে মিলিত হয়ে সিলেটের রাজা গৌর গোবিন্দকে পরাজিত করেন।
সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের সময় একদিকে রাজত্বের সীমানা বৃদ্ধি পেয়েছিল অপরদিকে এসময় বাংলায় ইসলাম প্রচারের গতিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে হযরত শাহজালালের কারণে সিলেট অঞ্চলে ইসলামের ব্যাপক প্রচার-প্রসার হয়।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
১,৫৩২.
দেশের ১৭তম GI পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় -
  1. শীতলপাটি
  2. ফজলি আম
  3. কাঁচাগোল্লা
  4. ল্যাংড়া আম
ব্যাখ্যা
• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- ০৮ আগস্ট, ২০২৩ দেশের ১৭ তম ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেল নাটোরের ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি 'কাঁচাগোল্লা'।
- বাংলাদেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
জামদানি, ইলিশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম, বিজয়পুরের সাদা মাটি, দিনাজপুরের কাটারীভোগ, কালিজিরা, রংপুরের শতরঞ্জি, রাজশাহী সিল্ক, ঢাকাই মসলিন, বাগদা চিংড়ি, ফজলি আম, তুলসীমালা ধান, বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই, ল্যাংড়া আম, আশ্বিনা আম,  শীতলপাটি ও নাটোরের কাঁচাগোল্লা।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার (১০ আগস্ট, ২০২৩)।
১,৫৩৩.
বাংলাদেশে কয়টি রাবার জোন রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩টি 
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১,৫৩৪.
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত ইপিআর বাহিনীর কতজন বীরশ্রেষ্ঠ ছিলেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বিজিবি:
- মুক্তিযুদ্ধে ইপিআর বাহিনীর সর্বমোট ৮১৭ জন সৈনিক শহীদ হন।
- এর মধ্যে ২ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৮ জন ‘বীর উত্তম’, ৩২ জন ‘বীর বিক্রম’ ও ৭৮ জন ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে এক অসামান্য অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে বিজিবি (তৎকালীন ইপিআর)।
- একটি আধা সামরিক বাহিনী হয়েও সামান্য সংখ্যক সনাতন অস্ত্রকে সম্বল করে এই বাহিনীর বীর সৈনিকবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ২ জন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছেন।
- তারা হলেন: শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ।

⇒ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী ঢাকার পিলখানাস্থ তৎকালীন ইপিআর সদর আক্রমন করে।
- এ বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার বার্তা ওয়ারলেস যোগে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হয়।
- ফলে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এদেশের সৈনিক ও জনতা।
- প্রথম দিকে ইপিআরের বাঙালি সদস্যগণ রণকৌশলগত কারণে বুড়িগঙ্গা নদীর অপর তীরে জিঞ্জিরায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- পরবর্তীতে এ বাহিনীর ১২ হাজার বাঙালি সৈনিক, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী ও মুক্তিকামী মানুষের সাথে সংগঠিত হয়ে বাংলাদেশের ১১টি সেক্টরে ৯ মাস ব্যাপী সশস্ত্র যুদ্ধে নিয়োজিত থাকে।
- এ বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ, গেরিলা যুদ্ধ ও শত্রুঘাটি নিশ্চিহ্ন করতে আত্মঘাতি আক্রমণসহ অসংখ দুর্ধর্ষ অপারেশন পরিচালনা করে।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১,৫৩৫.
প্রাচীন বাংলার বরেন্দ্র জনপদ অঞ্চল নয় কোনটি?
  1. রাজশাহী
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. দিনাজপুর
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল। 

উল্লেখ্য,
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রাচীন বাংলার গৌড় জনপদের অংশ ছিল।
- এছাড়াও মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বর্ধমান-ও গৌড় জনপদের অংশ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৫৩৬.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত “সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি” এর সদস্য ছিলেন না-
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) মনিসিংহ
  3. গ) মনোরঞ্জন ধর
  4. ঘ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি বা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। 

উৎস:- নবম - দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৩৭.
২০২৫ সালে চলচ্চিত্রে অবদান রাখায় একুশে পদক পেয়েছেন কে?
  1. মাহফুজ উল্লা
  2. আজিজুর রহমান
  3. ফেরদৌস আরা
  4. মাহমুদুর রহমান
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।

এছাড়াও,
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১,৫৩৮.
১৯ মে ২০১২ তারিখে কোন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেন?
  1. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  2. মুসা ইব্রাহিম
  3. এম.এ. মুহিত
  4. নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
◉ ১৯ মে ২০১২ তারিখে নিশাত মজুমদার এভারেস্ট জয় করেন।

নিশাত মজুমদার:
- বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে আরোহণ করেছেন নিশাত মজুমদার।
- ২০১২ সালের ১৯ মে দেশের প্রথম নারী হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করেন।
- এর আগে-পরে তিনি আরোহণ করেন মেরা, সিংগু চুলি, মাকালু, চেকিগো, শিশাপাংমা, কিয়োজো রি, পিসাং, এলব্রুস, ইমজা সে, লবুচে পর্বত।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি। 

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
         ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
১,৫৩৯.
ইলবার্ট বিল প্রণয়নের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা

ইলবার্ট বিল:
- ১৮৮৩ সালে ইলবার্ট বিল প্রণয়নের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড রিপন। 

উল্লেখ্য,
- লর্ড রিপন ভারতে আসার আগে কোন ভারতীয় বিচারকরা কোন অভিযুক্ত ইংরেজের বিচার করতে পারত না।
- এই বৈষম্য দূর করতে লর্ড রিপনের পরামর্শে তার আইন সচিব ইলবাট একটি বিলের খসড়া রচনা করেন।
- এই খসড়া বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইংরেজ অভিযুক্তের বিচার করার অধিকার দেওয়া হয়।
- এই খসড়া বিলই ইলবার্ট বিল নামে পরিচিত।

• ইলবার্ট বিল বিতর্ক ভারতের বিশেষত বাংলার শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মনে গভীর প্রভাব ফেলে।
- তারা প্রথমবারের মতো নিজেদের অধিকার সংরক্ষণ ও প্রতিষ্ঠার জন্য শক্তিশালী ও সার্বজনীন রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।
- ইলবার্ট বল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে প্রথমে ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন (১৮৮৩) এবং পরে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস (১৮৮৫) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৫৪০.
আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা কোন বিভাগের এখতিয়ারে থাকে?
  1. ক) বিচার বিভাগ
  2. খ) আইন বিভাগ
  3. গ) নির্বাহী বিভাগ
  4. ঘ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ
• শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
• রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
• প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান। মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
• মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী। সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
• তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন/নির্বাহী বিভাগের এখতিয়ারে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪১.
নিচের কোনটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের চিত্রকর্ম?
  1. চর দখল
  2. হত্যাযজ্ঞ
  3. পাইন্যার মা
  4. নাইওর
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
 
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৫৪২.
মুক্তিযুদ্ধকালীন জেড ফোর্সের নেতৃত্বে ছিলেন কে?
  1. রফিকুল ইসলাম
  2. জিয়াউর রহমান
  3. জাহিদুল আলম
  4. খালেদ মোশাররফ
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৪৩.
ভারতীয় ইতিহাসের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম কোনটি?
  1. ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  2. সিপাহী বিদ্রোহ
  3. নীল বিদ্রোহ
  4. স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
→সিপাহী বিদ্রোহ'কে ভারতীয় ইতিহাসের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম হিসেবে অভিহিত করা হয়।

• সিপাহী বিদ্রোহ:

- ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাস ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়
- ব্রিটিশদের প্রায় দু'শ বছরের শাসনামলে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রাম সংগঠিত হয়।
- শুরুর দিকের আন্দোলন-সংগ্রাম ছিল বিক্ষিপ্ত ও বিচ্ছিন্ন।
- এবং এগুলো খুব বেশী সফলতার মুখ দেখেনি।
- কিন্তু ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ ব্রিটিশদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে।
- 'সিপাহী বিদ্রোহ'কে ভারতীয় ইতিহাসের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম হিসেবে অভিহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
• সিপাহী বিদ্রোহের কারণসমূহ:
- ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ কোন একক কারণে হয়নি।
- লর্ড ডালহৌসীর 'সাম্রাজ্য বিস্তার নীতি ও স্বত্ব বিলোপ নীতি।
- মোঘল সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফরকে অপমাণিত ও অসম্মান করা।
- মূল্যবান ধাতু ও ধনসম্পদ ইংল্যান্ডে পাচার ।
- সামরিক বাহিনীতে 'Enfield Rifle' নামক এক প্রকার নতুন অস্ত্রের প্রচলন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য়পত্র, এইচ এসএসসি।
১,৫৪৪.
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কোথায় অবস্থিত?
  1. শাহবাগ, ঢাকা
  2. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. আজিমপুর, ঢাকা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 

- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়ন, গবেষণা এবং সার্ভে পরিচালনা করা এবং গবেষণার ফলাফলকে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করে কর্মসূচি উন্নয়নে কাজে লাগানো।

সূত্র: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)।
১,৫৪৫.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কত তারিখ পাকিস্তান সরকার বঙ্গবন্ধুকে আটক এবং বন্দী করার কথা স্বীকার করে?
  1. ২৯ মার্চ
  2. ১ এপ্রিল
  3. ৭ এপ্রিল
  4. ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার:
- ২৫ মার্চ দিবাগত রাত একটা থেকে দেড়টার মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
- গ্রেফতারের পূর্ব মুহূর্তে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
- গ্রেফতারের তিনদিন পর তাকে বিমানযোগে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া হয়।
- সেখানে তাকে লায়াল্পুর (বর্তমান ফয়সালাবাদ) জেলে বন্দী করে রাখা হয়।
- এরপর ১০ এপ্রিল পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ বঙ্গবন্ধুকে বন্দী এবং হেফাজতে নেয়ার কথা ঘোষণা করে।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আন্তর্জাতিক চাপে পাকিস্তান সরকার ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী, NCTB।
১,৫৪৬.
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন মোগল সম্রাট -
  1. দ্বিতীয় আলমগীর
  2. শের শাহ
  3. দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ
ব্যাখ্যা
১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।
- ১৮৫৭ সালের সংগ্রামের নানাবিধ কারণ ছিল।
- এসব কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।

• পরোক্ষ কারণ:
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।
• প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়।
- এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো।
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে।
- এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে। 

সিপাহী বিদ্রোহ:
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৪৭.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী কোন অবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য ঘোষণা হবে?
  1. জাতীয় সংসদের সদস্যপদ হারালে
  2. অনাস্থা প্রস্তাবে পরাজিত হলে
  3. মৃত্যুবরণ করলে অথবা পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে জমা দিলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৫৭: প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ
(১) প্রধানমন্ত্রীর পদ খালি হবে যদি—
(ক) তিনি কোনো সময়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র দেন; অথবা
(খ) তিনি সংসদ সদস্য না থাকেন।

(২) যদি প্রধানমন্ত্রী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থন হারান, তবে তাঁকে হয় পদত্যাগ করতে হবে, নয়তো সংসদ ভেঙে দেওয়ার জন্য রাষ্ট্রপতিকে লিখিতভাবে পরামর্শ দিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী এভাবে পরামর্শ দিলে, রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে দেবেন যদি তিনি নিশ্চিত হন যে সংসদের আর কোনো সদস্য সংখ্যাগরিষ্ঠের আস্থা অর্জন করতে পারবেন না।

(৩) নতুন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব না নেওয়া পর্যন্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজের পদে বহাল থাকবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৫৪৮.
The National Parliament Building of Bangladesh was inaugurated -
  1. ক) 15 January, 1984
  2. খ) 28 January, 1982
  3. গ) 15 February, 1984
  4. ঘ) 28 January, 1984
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদ ভবন  রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনটির স্থপতি আমেরিকার  লুই আই কান।
- ১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ২১৫ একর জমির উপর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনটির নির্মাণ করা হয়।
- ১৯৮২ সালের প্রথম দিকে ভবনটির কাজ সম্পন্ন হয় এবং একই বছর ২৮ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট জাস্টিস আব্দুস সাত্তার এটির উদ্বোধন করেন।
- ১৯৮২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি এ ভবনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১,৫৪৯.
ইউরোপীয় ইউনিয়নে (EU) নিট পোষাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ -
  1. চীন
  2. বাংলাদেশ
  3. ফিলিপাইন
  4. ভারত
ব্যাখ্যা
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে (EU) নিট পোষাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ – বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালের প্রথম তিন প্রান্তিকে ২৭ দেশের এই ব্লকে বাংলাদেশের নিট পোশাকের রপ্তানিমূল্য ছিল ৮৩১ কোটি ইউরো।
- একই সময়ে চীনের রপ্তানিমূল্য ছিল ৮২৭ কোটি ইউরো। অর্থাৎ, সামান্য ব্যবধানে এগিয়েছে বাংলাদেশ।
- এই অর্জন সত্ত্বেও বাজারটিতে বাংলাদেশ ও চীন উভয়েরই নিট পোশাক রপ্তানি হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (৭ ডিসেম্বর, ২০২৩)।
১,৫৫০.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় কে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. ইস্কান্দার মির্জা
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. গোলাম মোহাম্মদ
  4. খাজা নাজিমউদ্দিন
ব্যাখ্যা
 ভাষা আন্দোলন:
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
-  ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল ছিলেন মালিক গোলাম মুহাম্মদ।
- পূর্ব বাংলার গভর্নর: ফিরোজ খান নুন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী: নুরুল আমিন।
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী: খাজা নাজিমউদ্দিন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৫১.
মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১৮ সালে
  3. ১৯২০ সালে
  4. ১৯২৮ সালে
ব্যাখ্যা

অসহযোগ আন্দোলন:
- ১৯২০ খ্রিস্টাব্দে খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ কর্মসূচির মাধ্যমে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯২০ সালে।
- ১৯২১-২২ খ্রিস্টাব্দে এই আন্দোলন সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৯২১ খ্রিস্টাব্দে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা নামক স্থানে অহিংস অসহযোগ আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নিলে হঠাৎ করে এই আন্দোলন বন্ধের ডাক দেন।
- ১৯২২ খ্রিস্টাব্দে তিনি গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৫২.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাঈদ এর পৈতৃক নিবাস কোথায়?
  1. মিঠাপুকুর
  2. পীরগঞ্জ
  3. তারাগঞ্জ
  4. পীরগাছা
ব্যাখ্যা

আবু সাঈদ:
- আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের  শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাঈদ।

উৎস: প্রথম আলো

১,৫৫৩.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ করা হয়?
  1. বরিশাল
  2. খুলনা
  3. ফরিদপুর
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- পাহাড়ের ঢালে বন উজাড় করে ও তা আগুনে পুড়িয়ে জমিকে চাষের উপযোগী করার মাধ্যমে যে চাষাবাদ করা হয় তারই নাম জুম চাষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় প্রায় ৫,৪৮০ বর্গকিলোমিটার বনভূমির সিংহভাগেই জুম চাষ করা হয়।
- তিন পার্বত্য জেলা হচ্ছে- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি, জুম চাষ করা হয়।
- তিন পার্বত্য জেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি জুমিয়া পরিবার এই জুম চাষের সঙ্গে জড়িত।
- জুম চাষের জন্য পাহাড়ের গাছপালা পোড়ানো হয়।
- জুম চাষকে চাকমা ভাষায় জুম, মারমা ভাষায় ইয়াঁ, ত্রিপুরা ভাষায় হুগ, ম্রো ভাষায় উঃঅ, খিয়াং ভাষায় লাই, বম ভাষায় লাও বলা হয়।
- ভারী বৃষ্টির পর পাহাড়ের মাটি খুঁড়ে রোপণ করা হয় বিভিন্ন ফসল।
- জুমের ফসলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নানাজাতের ধান, কুমড়া, অড়হড়, শিম, শশা, করলা, ঢেঁড়শ, তিল, ভুট্টা, আদা, যব, তুলা, হলুদ, পাহাড়ি আলু, কচু, ইত্যাদি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৫৪.
বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী কত শতাংশ লোক গ্রামে বাস করে?
  1. ৬৮.৩৪%
  2. ৪১.৬৬%
  3. ৩৭.৩৪%
  4. ৫২.৬৩%
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - ১১,৬০,৬৫,৮০৪ জন (৬৮.৩৪%)।
- জনসংখ্যার মধ্যে শহর অঞ্চলে বসবাস করে- ৫,৩৭,৬৩,১০৭ জন (৩১.৬৬%)
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১,৫৫৫.
পাহাড়ের প্রধান উৎসব বৈসাবি পালিত হয় কখন?
  1. আষাড় এবং শ্রাবণ
  2. ফাল্গুন এবং চৈত্র
  3. মাঘ এবং ফাল্গুন
  4. চৈত্র এবং বৈশাখ
ব্যাখ্যা
বৈসাবি:
- বৈসাবি হচ্ছে বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- পাহাড়ে বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উপলক্ষে পাহাড়ি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর প্রধানতম সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসব এটি।
- বাংলাদেশের তিনটি আদিবাসী সম্প্রদায় (ত্রিপুরা, মারমা ও চাকমা) এই বর্ষবরণ উৎসব পালন করে।
- মূলত বৈ’ শব্দাংশটি ত্রিপুরাদের বৈসু থেকে, ‘সা’ মারমাদের সাংগ্রাই থেকে এবং ‘বি’ চাকমাদের বিজু থেকে এসেছে।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে 'বৈসাবি' নামের উৎপত্তি।
- চৈত্র মাসের শেষ দুটি দিন এবং বৈশাখ মাসের প্রথম দিন এই তিন দিন অনুষ্ঠান পালন করে।
- প্রতিটি সম্প্রদায় নিজ নিজ বিশ্বাস ও সংস্কার অনুসারে প্রার্থনা করে নতুন বছর যেন সুখে-শান্তিতে কেটে যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৫৬.
১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে কোন সংগঠন?
  1. ছাত্র ইউনিয়ন
  2. ছাত্রলীগ
  3. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  4. আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে 'এগারো দফা' প্রণীত হয়।
- ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ।
- ১৯৬৮ সালের শেষের দিকে মওলানা ভাসানী বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে 'ঘেরাও কর্মসূচি' নামে নতুন এক আন্দোলনের ডাক দেন।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৫৭.
অন্তর্বর্তী সরকারের সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান কে?
  1. ড. বদিউল আলম মজুমদার
  2. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  3. অধ্যাপক আলী রীয়াজ
  4. আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

সংস্কার কমিশন: 
- রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে ছয়টি কমিশন গঠন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- বিশিষ্ট নাগরিকদের এসব কমিটির প্রধান করা হয়েছে। 
- জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে এসব কথা জানান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন - ড. বদিউল আলম মজুমদার;
• পুলিশ প্রশাসন সংস্কার কমিশন - সফর রাজ হোসেন;
• বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন - বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান;
• দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশন - ড. ইফতেখারুজ্জামান;
• জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন - আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী;
• সংবিধান সংস্কার কমিশন - অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

[সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। এই কমিশনের প্রধান হিসেবে তার পরিবর্তে আলী রীয়াজের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।]  

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৫৮.
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাসের নাম কী?
  1. চাকমা
  2. ফেবো
  3. বহান্য
  4. ইনা
ব্যাখ্যা

ফেবো:
- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো।
- ২০০৪ সালে, প্রকাশিত হয়ে গেছে চাকমা ভাষা ও হরফে দেবপ্রিয় চাকমার লেখা 'ফেবো' নামের একটি উপন্যাস।
- এই উপন্যাসের পটভূমি হল ১৯৮৬ সালে খাগড়াছড়ি জেলার লোগাংএ সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ড, আর শিরোনামে ব্যবহৃত শব্দটির দ্বিবিধ অর্থ হল 'ভয়ার্ত মুহূর্ত' ও 'ভয়ঙ্কর প্রাণি'।

এছাড়াও,
- ২০১৩ সালে কে ভি দেবাশীষ চাকমা নামের আরেক জন লেখকেরও চাকমা ভাষায় একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে, যেটির শিরোনাম 'মুই মত্যেই' ('আমি আমার')।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।

১,৫৫৯.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ১২ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১০ টি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)। ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,
সুন্দরবন - ৯ নং সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১,৫৬০.
একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার -
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. চীন
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১,৫৬১.
ফরায়েজী আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য কী ছিল?
  1. সামরিক প্রশিক্ষণ
  2.  সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ
  3.  কর সংগ্রহ
  4. ধর্মীয় সংস্কার ও সামাজিক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

ফরায়েজী আন্দোলন:
- ফরায়েজী আন্দোলন ছিল উনিশ শতকে বাংলায় সংঘটিত একটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- প্রাথমিক পর্যায়ে এ আন্দোলনের লক্ষ্য ছিল ধর্ম সংস্কার, কিন্তু পরবর্তী সময়ে এই আন্দোলনে আর্থ-সামাজিক সংস্কারের প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়।
- এ আন্দোলনের প্রবক্তা হাজী শরীয়তউল্লাহ। 
- হাজী শরীয়তউল্লাহ বাংলায় ব্রিটিশ শাসনকে মুসলমানদের আধ্যাত্মিক জীবনের জন্য ক্ষতিকর বলে বিবেচনা করতেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি। তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন। জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে শরিয়ত উল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ফরায়েজী আন্দোলন অসামান্য দ্রুততার সঙ্গে ঢাকা, ফরিদপুর, বাকেরগঞ্জ (বর্তমান বরিশাল), ময়মনসিংহ, ত্রিপুরা (বর্তমান কুমিল্লা), চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলাসমূহে এবং আসাম প্রদেশে বিস্তারলাভ করে। 
-  হিন্দু জমিদার ও ইউরোপীয় নীলকরদের সঙ্গে অবিরাম সংঘর্ষের ফলে আন্দোলনটি ক্রমান্বয়ে আর্থ-সামাজিক রূপ পরিগ্রহ করে।
- ১৮৪০ সালে হাজী শরীয়তউল্লাহর মৃত্যুর পর তার একমাত্র পুত্র মুহসীনউদ্দীন ওরফে দুদু মিয়াকে ফরায়েজী আন্দোলনের নেতা ঘোষণা করা হয়। 
- তিনি ফরায়েজী আন্দোলনকে একটি সুবিন্যস্ত ও শক্তিশালী সাংগঠনিক রূপ দেন।
- ফরায়েজী আন্দোলনভূক্ত সমগ্র অঞ্চলকে তিনি কয়েকটি সার্কেলে বিভক্ত করেন।
- অত্যাচারী জমিদার নীলকরদের মোকাবেলায় একটি সুশৃংখল লাঠিয়াল বাহিনী গড়ে তোলা হয়েছিল।
- জমিদার-নীলকরদের সঙ্গে দুদু মিয়ার বাহিনীর বেশ কয়েকবার সরাসরি সংঘর্ষ বাঁধে। 
- ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের সময় দুদু মিয়াকে বন্দী করা হয়।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুক্তি পান।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজী আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ঊনিশ শতকের শেষ প্রান্তে ফরায়েজী আন্দোলন স্তিমিত হয়ে যায়।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৬২.
আলাউদ্দিন হুসেন শাহকে কোন নামে পরিচিত ছিলেন? 
  1. বাংলার জাহাঙ্গীর
  2. বাংলার আকবর
  3. বাংলার শাহরিয়ার
  4. বাংলার বাবর
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি 'বাংলার আকবর হিসেবে' পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব "বৈষ্ণব ধর্ম" প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

উল্লেখ্য,
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৫৬৩.
সংবিধান অনুসারে কার সম্মতিতে বাংলাদেশ অন্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারবে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সংসদ
  4. সেনা-প্রধান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জাতীয় সংসদের।
সংসদের সম্মতি ব্যতীত রাষ্ট্র যুদ্ধ ঘোষণা বা কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।
সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৫৬৪.
মুক্তিযুদ্ধে ‘বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত ডা. সেতারা বেগমের পদবি কি ছিল?
  1. ক) সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট
  2. খ) লেফটেন্যান্ট
  3. গ) মেজর
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল।
- এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে।
- এর নাম ছিল ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এখানে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী ও সেবিকা নিয়োজিত ছিলেন।
- এটি প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- পরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে।
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি। 

উৎস: প্রথম আলো।
২৫ ডিসেম্বর ২০২০।
১,৫৬৫.
মুজিবনগর সরকারের কতটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ছিল?
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- সরকারকে নীতি নির্ধারণী পরামর্শ ও সহযোগিতার জন্য ৮ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কাউন্সিল গঠন করা হয়।
- মুজিবনগর সরকারকে ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়।। 
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৬৬.
বিবিএস-এর মতে, বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় কত? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৪৩ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭৭৪ মার্কিন ডলার
  4. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয়:
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার।

- ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই তথ্য দিয়েছে।

⇒ দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়।
- সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিবিএসের চূড়ান্ত হিসাবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪ দশমিক ২২ শতাংশ।

অন্যদিকে,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। [link]
ii) প্রথম আলো।
১,৫৬৭.
দেশের একমাত্র সরকারি কুমির প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বেনাপোল, যশোর
  2. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  3. ভালুকা, ময়মনসিংহ
  4. করমজল, খুলনা
ব্যাখ্যা
কুমির প্রজনন কেন্দ্র:
- খুলনা জেলার করমজলে সরকারিভাবে পরিচালিত দেশের একমাত্র কুমির প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি একটি লোনা পানির কুমির প্রজনন কেন্দ্র। বন বিভাগের অধীনে ২০০৫ সালে এখানে কুমির প্রজনন কার্যক্রম শুরু হয়।
- তবে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম কুমির খামার গড়ে উঠে ময়মনসিংহে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বিডিনিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৬৮.
বাংলাদেশ সংবিধানে 'সমাবেশের স্বাধীনতা’ কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ২৭ নং
  2. ৩৬ নং
  3. ৩৭ নং
  4. ৩৪ নং
ব্যাখ্যা

- ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতা কথা বলা হয়েছে।

 • সমাবেশের স্বাধীনতা:
 - ৩৭ নং অনুচ্ছেদে,  জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

 • কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
 - ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
 - ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
 - ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
 - ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
 - ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
 - ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
 - ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
 - ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
 - ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
 - ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
 - ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
 - ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১,৫৬৯.
শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক এর পূর্ণ নাম -
  1. আবুল কালাম ফজলুল হক
  2. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  3. আব্দুল কাশেম ফজলুল হক
  4. আব্দুল কালাম ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
আবুল কাশেম ফজলুল হক
- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এ.কে. ফজলুল হক।
- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামের সম্ভ্রান্ত কাজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরে লীগ কংগ্রেসের যুক্ত অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৫ সালে তিনি বাংলার মন্ত্রী সভার সদস্য মনোনীত হন।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- সে থেকে তিনি শের-ই-বাংলা নামেই পরিচিত। 
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে বিপুল ভোটাধিক্যে জয়লাভ করে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- বাংলার নয়নমণি শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৫৭০.
বঙ্গবন্ধু কবে জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন?
  1. ক) ২৮ জানুয়ারী, ১৯৭৫
  2. খ) ২৭ জানুয়ারী, ১৯৭৫
  3. গ) ২৬ জানুয়ারী, ১৯৭৫
  4. ঘ) ২৫ জানুয়ারী, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু:
- বিপ্লব' বলতে একটি ব্যবস্থার আমূল বা মৌলিক পরিবর্তন বোঝায়।
- ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তান ভেঙে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভ্যুদয় 'বাংলাদেশ বিপ্লব ৭১' হিসেবে চিহ্নিত।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি দেশের আর্থ- সামাজিক ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার সার্বিক পরিবর্তন করার উদ্দেশ্যে বঙ্গবন্ধু সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী আনেন।
- চতুর্থ সংশোধনী পাস করে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির বদলে রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির সরকার (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) কায়েম হয় ২৫ জানুয়ারি
- বঙ্গবন্ধু একে 'সিস্টেম চেইঞ্জ' বা 'দ্বিতীয় বিপ্লব' হিসেবে অভিহিত করেন। 

উৎস: sangbad.net.bd, যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
১,৫৭১.
দক্ষিণ আমেরিকার কোন দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে? 
  1. উরুগুয়ে 
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. আর্জেন্টিনা
  4. পানামা 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম স্বীকৃতি দেয় ভুটান।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দ্বিতীয় দেশ  ভারত (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি (১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- বাংলাদেশকে ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে স্বীকৃতি দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 
- প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইরাক ৮ জুলাই, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম স্বীকৃতি দানকারী দেশ- ভেনিজুয়েলা (২ মে, ১৯৭২)।
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: কালের কন্ঠ ও প্রথম আলো।  

১,৫৭২.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যানুসারে, জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান - [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ৩৭.৩২ শতাংশ
  2. ৩৭.৪৪ শতাংশ
  3. ৩৭.৫২ শতাংশ
  4. ৩৭.৮৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা

খাতভিত্তিক জিডিপি:
- সর্বশেষ (মে, ২০২৫) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
• কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৪৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪%।
• সেবা খাতের অবদান ৫১.৬২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১,৫৭৩.
বাংলাদেশের আর্থিক বছর কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি-ডিসেম্বর
  2. জানুয়ারি-ডিসেম্বর
  3. জুন-জুলাই
  4. জুলাই-জুন
ব্যাখ্যা
→ জুলাই-জুন।

• অর্থবছর:

- বাজেট বলতে আয় ও ব্যয়ের সুবিন্যস্ত হিসাবকে বোঝায়।
- ব্যক্তি তার বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় পায় তা কীভাবে ব্যয় করে তা যদি সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়, তা হবে ব্যক্তিগত বাজেট।
- একইভাবে সরকারের কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে বিভিন্ন উৎস থেকে কতটুকু আয় প্রাপ্তির আশা করে এবং বিভিন্ন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করতে চায়, তার সুবিন্যস্ত হিসাবকে সরকারি বাজেট বলে।
- বাংলাদেশে আর্থিক বছর হলো জুলাই থেকে জুন।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়ন করে জাতীয় সংসদে অনুমোদন নিতে হয়।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে সরকারের নির্ধারিত আয়-ব্যয় ও তার পদ্ধতি কার্যকর হয়।

• বাজেটের প্রকারভেদ: 
- সরকারের আয়-ব্যয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী বাজেটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- চলতি বাজেট।
- মূলধন বাজেট।

উৎস: অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।
১,৫৭৪.
নিচের কোনটি সরকার কাঠামোর অংশ নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ পুলিশ
  2. খ) আপিল বিভাগ
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। সিভিল সোসাইটি হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
এই গোষ্ঠী সরকারি কাঠামোর বাহিরে অবস্থান করে সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি গ্রহণ, পরিচালনা ও নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ পুলিশ, আপিল বিভাগ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সরকার কাঠামোর অংশ।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক)
১,৫৭৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ কে?
  1. ক) সাগুফতা ইয়াসমিন
  2. খ) খালেদা খানম
  3. গ) শিরিন শারমিন চৌধুরী
  4. ঘ) মাহবুব আরা বেগম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নারী হুইপ খালেদা খানম। তিনি ১৯৯৬ সালে সংরক্ষিত নারী আসন থেকে নির্বাচিত সদস্য। জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় নারী হুইপ সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। ২০০৯ সালে সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথম নারী হুইপ। আর জাতীয় সংসদের তৃতীয় নারী হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি। তিনি ২০১৯ সালে সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দ্বিতীয় নারী হুইপ।
উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১,৫৭৬.
'জুলাই ঘোষণাপত্র' কত তারিখে ঘোষনা করা হয়?
  1. ২ আগস্ট, ২০২৫
  2. ৩ আগস্ট, ২০২৫
  3. ৪ আগস্ট, ২০২৫
  4. ৫ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
- জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫ রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে 'জুলাই ঘোষণাপত্র' পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - জুলাই ঘোষণাপত্র।

১,৫৭৭.
দেশের জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান-
  1. ক) ক্রমহ্রাসমান
  2. খ) অপরিবর্তিত
  3. গ) নিম্নমুখী
  4. ঘ) ক্রমবর্ধমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।
জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান:
- ২০১৭-১৮ অর্থবছর : ৩৩.৩৬ শতাংশ
- ২০১৮-১৯ অর্থবছর : ৩৫.০০ শতাংশ
- ২০১৯-২০ অর্থবছর : ৩৫.৩৬ শতাংশ।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষিখাত ও সেবাখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
১,৫৭৮.
পেট্রোবাংলার সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২৫
  2. ২৯
  3. ৩০
  4. ৩২
ব্যাখ্যা

• গ্যাসক্ষেত্র:
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
 - এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র: ভোলা জেলার ইলিশা-১ কে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 
- উত্তোলন শুরু হয়নি ৪টি। সেগুলো হলো: ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাস শেষ ৫টি। খনিগুলো হলো: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সিলেটের ছাতক, গাজীপুরের কামতা, ফেনী ও সাংগু (চট্টগ্রাম)।

উল্লেখ্য,
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে।
- সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা।
- বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।
- এরপর আর কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
- সর্বশেষ ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। যদিও সেখানে মজুত মাত্র ৫২ বিসিএফ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

১,৫৭৯.
Which is the third highest gallantry award in Bangladesh?
  1. Bir Protik
  2. Bir Bikram
  3. Bir Sreshtha
  4. Bir Uttam
  5. None
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীর বিক্রম।

খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদান করা হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
 
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য  ৬৭৬ জনকে খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা:
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৮ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং
• বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
 
উল্লেখ্য,
-  ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
• বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন,
• বীর উত্তম ৬৭ জন,
• বীর বিক্রম ১৭৪ জন,
• বীর প্রতীক ৪২৪ জন।
 
উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
         ii) ৬ জুন, ২০২১, প্রথম আলো।
 
১,৫৮০.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল-
  1. ক) ১৯ দফার
  2. খ) ২১ দফার
  3. গ) ২০ দফার
  4. ঘ) ২২ দফার
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নেতাগণ ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদদের স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য শ্রদ্ধাভরে তাদের কর্মসূচীকে ২১ দফায় লিপিবদ্ধ করেন।
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির প্রথম দফা ছিল- 'বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হবে।'
- এই ২১টি দফার প্রধান রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৫৮১.
‘ভাওয়াইয়া’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকগীতি?
  1. বরিশাল
  2. রংপুর
  3. ঢাকা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

• ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে (রংপুর) প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান সুরলালিত্যে ভরপুর এবং এর একটি নিজস্ব গীতরীতি আছে।
- বৈশিষ্ট্যগত কারণে সাধারণত উত্তর বাংলার শিল্পী ছাড়া এ গানের সুরসংযোজনা সকলের পক্ষে সম্ভব হয় না।

- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।

যেমন: ‘ফান্দে পড়িয়া বগা কান্দে রে’, ‘ছাড় রে মন ভবের খ্যালা’ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৫৮২.
According to the Economic Survey 2023, the GDP growth rate at fixed price is -
  1. 6.03%
  2. 6.30%
  3. 6.41%
  4. 6.67%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
সমীক্ষা অনুযায়ী,
- মাথাপিছু জাতীয় আয় ২৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি  ২৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- চলতি মূল্যে জিডিপি - ৪৪,৩৯,২৭৩ কোটি টাকা (প্রবৃদ্ধি – ১১.৩৫%)।
- চলতি মূল্যে জিডিপি - ৪৪,৩৯,২৭৩ কোটি টাকা (প্রবৃদ্ধি – ১১.৩৫%)।
- স্থির মূল্যে জিডিপি - ৩২,১৮,০৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার - ৬.০৩%।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
১,৫৮৩.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক/অফিসিয়াল নাম কি?
  1. ক) Republic of Bangladesh
  2. খ) Democratic Republic of Bangladesh
  3. গ) People’s Republic of Bangladesh
  4. ঘ) Democratic People's Republic of Bangladesh
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক বা অফিসিয়াল নাম - People’s Republic of Bangladesh বা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ।
১,৫৮৪.
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর চালু হতে যাচ্ছে কোন শহরে?
  1. রাজশাহী
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর:
- স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে একটি কনস্যুলার দপ্তর পরিচালনা করতে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- গত মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার দপ্তর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রস্তাবিত আঞ্চলিক দপ্তরটিতে বিদেশে কর্মরত ও বিদেশগামী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব কনস্যুলার সেবা দেওয়া হবে।
- পাশাপাশি দপ্তরটি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফর, প্রতিনিধিদলের সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাগরিকদের কনস্যুলার সেবা দিতে আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।
- এসব অফিস কনস্যুলার সেবা দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের কাজও করে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার প্রতিবেদন।

১,৫৮৫.
বাংলাদেশে প্রথম অস্থায়ী সরকার কখন গঠিত হয়?
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৮৬.
পটল কোন মৌসুমে পাওয়া যায়?
  1. ক) রবি মৌসুম
  2. খ) খরিপ মৌসুম
  3. গ) রবি - খরিপ মৌসুম
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

- চৈত্র থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ মৌসুম বলে। পটল একটি খরিপ মৌসুমের ফসল।
- খরিপ মৌসুমের ফসলগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল - পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়া, করলা, পটল, আমলকি, বরবটি ইত্যাদি ।

- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কে রবি মৌসুম বলে। রবি মৌসুমের প্রথম দিকে কিছু বৃষ্টিপাত হয় তবে তা খুবই কম হয়ে থাকে। এ সময় তাপমাত্রা, বায়ুর আর্দ্রতা ও বৃষ্টিপাত সবই কম হয়ে থাকে।
- রবি মৌসুমের ফসল গুলি হল - ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, টমেটো, সিম, আউশ ধান ইত্যাদি ।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই।

১,৫৮৭.
কোন মুঘল সুবাদার ঢাকার ‘ধোলাই খাল’ কে খনন করেন?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ইসলাম খান
  3. মীর জুমলা
  4. শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
- বাংলার মুঘল সুবাদার ইসলাম খান (১৬০৮-১৬১৩ খ্রি.) বারোভূঁইয়াদের দমন করার উদ্দেশ্যে ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী ‘রাজমহল’ থেকে ‘ঢাকা’য় স্থানান্তর করেন।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নতুন নাম রাখা হয় ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- তিনি ১৬১১ সালে মুসা খানকে পরাজিত করার মাধ্যমে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে দমন করেন। তার সময়েই সমগ্র বাংলা মুঘলদের অধীনে আসে।
- ধোলাই খাল পুরানো ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক-আবাসিক এলাকা। ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান এটি খনন করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
১,৫৮৮.
বিকল্প নীতি উত্থাপন করে কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. বিরোধী দল
  4. শাসক দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প নীতি উত্থাপন:
- বিকল্প নীতি উত্থাপন করে বিরোধী দল।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে, তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে।
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৮৯.
সংবিধানে 'কোরাম' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ৭৫ নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ৭৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ৭৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ৭৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
কোরাম
• বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
• সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
• জাতীয় সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সংসদ সংখ্যা ৬০ জনের কম বলে যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয় তাহলে তিনি অনূন্য ৬০ জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখবেন কিংবা মুলতবি করবেন।   

অন্যদিকে, 
• ৭৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদের স্থায়ী কমিটি সমূহ এবং
• ৭৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
• ৭৭ নং অনুচ্ছেদ - ন্যায়পাল। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৫৯০.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ১৯৭৩ সালের ১০ জানুয়ারি
  2. ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি
  3. ১৯৭৩ সালের ১২ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- আন্তর্জাতিক চাপে বাধ্য হয়ে পাকিস্তানি সরকার ০৮ জানুয়ারি তাকে মুক্ত করে দেয়। তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে চলে যান।
- তারপর লন্ডন থেকে ভারত হয়ে তিনি ১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি আসেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধুর  স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১,৫৯১.
ইলা মিত্র কোন আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদান করেন?
  1. টঙ্ক আন্দোলন
  2. ওয়াহাবি আন্দোলন
  3. তেভাগা আন্দোলন
  4. আলীগড় আন্দোলন
ব্যাখ্যা

ইলা মিত্র:
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই
আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন নড়াইলের অমল সেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯২৫ সালের ১৮ অক্টোবর কলকাতায় ব্রিটিশ সরকারের বাংলার অ্যাকাউন্টেন্ট জেলারেল নগেন্দ্রনাথ সেনের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন ইলা সেন। তাদের আদিনিবাস ঝিনাইদহের বাগুটিয়া গ্রামে। 
- ৭৭ বছর বয়সে ২০০২ সালের ১৩ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ তেভাগা আন্দোলন
:
- তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন।
- ১৯৪৬-৪৭ সালে এ আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
- মূলত তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার প্রাদেশিক কৃষকসভার কম্যুনিস্ট কর্মীরা।
- তাদের নেতৃত্বে বর্গাচাষিরা ভূমিমালিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়। খুব দ্রুত নিচের স্তরে এর নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
- এ তেভাগা আন্দোলন বাংলার ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
- আন্দোলনটি তীব্র আকার ধারণ করে দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ, যশোর এবং চবিবশ পরগনা জেলায়। 
- এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বর্গাচাষিদের অধিকার আদায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

১,৫৯২.
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS):
- এটি গঠিত হয়: ৩১ মার্চ, ১৯৭৩।
- সদর দপ্তর: বড় মগবাজার, ঢাকা।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: মেজর জেনারেল (অব.) অধ্যাপক ডা. মো. আজিজুল ইসলাম। 

⇒ বাংলাদেশ রেড ক্রস সোসাইটি ১৯৭৩ সালের ৩১ মার্চ রাষ্ট্রপতির ২৬ নং আদেশের মাধ্যমে গঠিত হয়, যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে পূর্ববর্তী প্রভাবের সাথে সাথে কার্যকর হয়।
- সোসাইটি ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ সালে আইসিআরসি (ICRC) কর্তৃক স্বীকৃত হয় এবং ২ নভেম্বর, ১৯৭৩ সালে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ফেডারেশনে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ১৯৮৮ সালের ৪ এপ্রিল, ১৯৮৮ সালে ২৫ নং আইনের মাধ্যমে নাম এবং প্রতীক রেড ক্রস থেকে রেড ক্রিসেন্টে পরিবর্তন করা হয়।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হলেন পদাধিকারবলে সোসাইটির সভাপতি। সভাপতি সোসাইটির চেয়ারম্যানকে ৩ বছরের জন্য নিয়োগ করেন, যিনি পরপর দুই মেয়াদে এই পদে থাকতে পারবেন।

⇒ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট কর্তৃক বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ ১৯৭৩ সনের ২৬ নং)-এর ৯ (১) বিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রশাসনিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে আগামী ৬ মাস পর্যন্ত সংগঠনটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন তিনি।

উৎস: বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (BDRCS) ওয়েবসাইট।
১,৫৯৩.
সংবিধানের ৮৭নং অনুচ্ছেদে কী উল্লেখ রয়েছে?
  1. আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি
  2. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
  3. সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব
  4. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৪৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।

• সংবিধানের ৮০নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে-  আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।

• সংবিধানের ৮১নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- অর্থবিল।

• সংবিধানের ৮২নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ।

• সংবিধানের ৮৩নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা।

• সংবিধানের ৮৪নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব।

• সংবিধানের ৮৫নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।

• সংবিধানের ৮৬নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।

• সংবিধানের ৮৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।

• সংবিধানের ৮৮নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়।

• সংবিধানের ৮৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৫৯৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি বলে গণ্য হবে?
  1. ৫ নং
  2. ৭ নং
  3. ৩ নং
  4. ৬ নং
ব্যাখ্যা
• ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ।
• ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।
• ৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।
• ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।
• ৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি, ও নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশি বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৫৯৫.
কাফকো সার কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ যৌথ প্রকল্প।
এটি চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী উপজেলার রাঙাদিয়ায় অবস্থিত যা ১৯৯৪ সালে উৎপাদন শুরু করে।
বাংলাদেশের সরকারি ও বেসরকারি সেক্টর, জাপান, ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডের যৌথ সহায়তায় এটি স্থাপিত হয়।
এটি একটি রপ্তানিমুখী সার কারখানা যেখানে অ্যামোনিয়া সার ও দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়।
(সূত্র: কাফকো ওয়েবসাইট)
১,৫৯৬.
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কত সালে বাংলায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন?
  1. ১৬০০
  2. ১৬১২
  3. ১৬৪৫
  4. ১৬৩৩
ব্যাখ্যা
- ১৬৩৩ সালে বাংলায় প্রথম হরিহরপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।

• ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬৩৩ সালে বাংলায় প্রথম হরিহরপুরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে। এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়এবং ১৮৫৮ সাল থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত শাসন পরিচালনা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৫৯৭.
অধীনতামূলক মিত্রতানীতি প্রবর্তন করেন কে?
  1. রবার্ট ক্লাইভ
  2. ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা

লর্ড ওয়েলেসলি:
- গভর্নর হিসেবে কার্যভার গ্রহণ: ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দ।
- প্রবর্তিত নীতি: অধীনতামূলক মিত্রতানীতি।
- শাসন দৃষ্টিভঙ্গি: রাজ্য শাসনের পরিবর্তে রাজ্য বিস্তার ও সাম্রাজ্য সম্প্রসারণে আগ্রহী।
- রাজ্য শাসনে অবদান: নিতান্তই সামান্য।
- সংস্কার: কৃষি ও বিচার ব্যবস্থায় কিছু সংস্কার।
- জমি জরিপের জন্য নিযুক্ত: ড. ফ্রান্সিস বুকানন।
- তথ্য সংগ্রহ: কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ।
- শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদান: কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে নবাগত ইংরেজ কর্মচারিদের জন্য কলেজ প্রতিষ্ঠা।
- লক্ষ্য: প্রশাসন ও সাম্রাজ্য সম্প্রসারণের সমন্বয়।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫৯৮.
একটি বৈধ ব্যাংক চেকের মেয়াদ কত দিন?
  1. ক) ৬ মাস
  2. খ) ১৫ দিন
  3. গ) ১ বছর
  4. ঘ) ২ মাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী একটি বৈধ চেকের মেয়াদ ৬ মাস। একটি চেক ইস্যুর তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদে কার্যকর থাকে।

এছাড়াও,
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৫৯৯.
বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্ত প্রতীক কোনটি?
  1. ক) জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  2. খ) মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ
  3. গ) অপরাজেয় বাংলা
  4. ঘ) বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ
ব্যাখ্যা
অপরাজেয় বাংলা
- বাঙালির প্রতিবাদী মনোভাব ও মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াকু চেতনার মূর্ত প্রতীক অপরাজেয় বাংলা। 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্ত্বরে ৬ ফুট উঁচু বেদির ওপর নির্মিত। মূল ভাস্কর্যের উচ্চতা ১২ ফুট, প্রস্থ ৮ ফুট ও ব্যাস ৬ ফুট। 
- বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ প্রতিটি সংগ্রামে ছাত্রদের গৌরবময় ত্যাগকে স্মরণীয় করার জন্য অপরাজেয় বাংলা নির্মাণ করা হয়। 
- মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর সৈয়দ আবদুল্লাহ খালিদ এটি নির্মাণ করেন।
- ১৯৭৩-১৯৭৯ সাল পর্যন্ত এই ভাস্কর্যের নির্মাণকাজ চলে।
- এই ভাস্কর্যে অসম সাহসী তিনজন তরণ-তরুণি মুক্তিযোদ্ধার অবয়ব অপূর্ব দক্ষতায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। 
- দুইজন তরুণ রাইফেল হাতে শত্রুর মোকাবেলায় দৃড়প্রতিজ্ঞ আর ঔষধের ব্যাগ কাঁদে তরুণি মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় নিবেদিত প্রাণ।
- অপরাজেয় বাংলা বাংলাদেশের ছাত্র-সমাজের প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
- বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্র-সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৬০০.
বাংলার প্রথম রাজা ছিলেন-
  1. ধর্মপাল
  2. লক্ষণ সেন
  3. গোপাল
  4. শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম ও স্বাধীন রাজা শশাঙ্ক।
- শশাঙ্ক ৬০০ থেকে ৬২৫ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রাজত্ব করেন বলে ধারণা করা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের নিগ্রহকারী হিসেবে পরিচিত রাজা শশাঙ্ক।
- শশাঙ্ক রাজ্য বাংলার উত্তর , উত্তর পশ্চিমাংশ ও মগধের বিস্তৃত ছিল।
- তিনি শৈব ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
- রাজধানীর নাম: কর্ণসুবর্ণ।
- উপাধি: মহাসামন্ত।
- গৌড়ের স্বাধীন নরপতি হিসেবে নিজেকে ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- পাল বংশের শেষ রাজা ছিলেন ধর্মপাল।
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠা গোপাল।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষণ সেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।