বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫৫ / ৩০৬ · ১৫,৪০১১৫,৫০০ / ৩০,৮৩২

১৫,৪০১.
তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কে?
  1. অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. প্রফেসর আবুল কাশেম
  4. আবুল মনসুর আহমদ
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং
- এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।
- দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ ১৯৪৯ সালে মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে এদের লেখক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম বাংলাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪০২.
সম্প্রতি (অক্টোবর, ২০২৩) কোন ব্যাংক এডিবি-এর ‘লিডিং পার্টনার ব্যাংক ইন বাংলাদেশ’-এ ভূষিত হয়েছে?
  1. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  2. সিটি ব্যাংক
  3. আইএফআইসি ব্যাংক
  4. ব্র্যাক ব্যাংক
ব্যাখ্যা
লিডিং পার্টনার ব্যাংক ইন বাংলাদেশ:
- সিটি ব্যাংক এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি) কর্তৃক 'ট্রেড অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্স প্রোগ্রাম (টিএসসিএফপি) অ্যাওয়ার্ডস ২০২৩'-এ ‘লিডিং পার্টনার ব্যাংক ইন বাংলাদেশ’-এ ভূষিত হয়েছে।
- এবারেরটি নিয়ে এই ব্যাংক টানা চারবার দেশের ‘লিডিং পার্টনার ব্যাংক’ হিসেবে সম্মানিত হলো।
- এর আগে ২০১৯ সালে এডিবির অংশীদারিত্ব কর্মসূচিতে লেনদেনে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে ‘মোমেন্টাম অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছিল সিটি ব্যাংক।
- সম্প্রতি সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত নবম ‘টিএসসিএফপি’ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে ২০০ জন অংশীদার ব্যাংক প্রতিনিধির উপস্থিতিতে এডিবি বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।
- সিটি ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও ফাইন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনের প্রধান হাসান শরীফ আহমেদ এডিবির ট্রেড ও সাপ্লাই চেইন ফাইন্যান্সের প্রধান স্টিভেন বেকের কাছ থেকে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন। 

উৎস: ৫ অক্টোবর, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক। [link]
১৫,৪০৩.
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
১৫,৪০৪.
আদিনা মসজিদ কোন শাসকের সময়ে নির্মিত হয়?
  1. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  3. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. সিকান্দর শাহ
ব্যাখ্যা

→ আদিনা মসজিদ সিকান্দর শাহ এর সময়ে নির্মিত হয়।

সিকান্দর শাহ:
- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন। 
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- তাঁর সময় তৈরি আদিনা মসজিদ মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৪০৫.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ছিলেন কে?
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. এস. আর. বোস
  3. মনোরঞ্জন ধর
  4. মনি সিংহ
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৪০৬.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. পঞ্চগড়
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির ১০টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠানটির মূল কাজ হলো ধান নিয়ে গবেষণা করা।
- নতুন জাতের উচ্চ ফলনশীল ধান উদ্ভাবন, রোগ নির্ণয়, মৃত্তিকার ধরণ অনুযায়ী ধানের জাত উদ্ভাবন, পোকামাকড়ের আক্রমণ থেকে ধান রক্ষার প্রযুক্তি উদ্ভাবন, সার ব্যবহারের পরিমাণ নির্ধারণ, শস্য সংগ্রহের প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও হস্তান্তর করা, প্রশিক্ষণ প্রদানসহ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্য কাজ করে থাকে।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৪০৭.
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) শাহ আবদুল হামিদ
  2. খ) মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
  3. গ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  4. ঘ) আব্দুল মালেক উকিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- এরপর গণপরিষদ ভেঙে দেওয়া হয়।
- গণপরিষদের স্পিকার শাহ আব্দুল হামিদ মৃত্যুবরণ করায় (১২ অক্টোবর ১৯৭২) ইতােমধ্যে মােহাম্মদ উল্লাহকে স্পিকার ও ডেপুট স্পিকার নির্বাচিত করা হয়। 
- শাহ আবদুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার।
- মোহাম্মদ উল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার এবং গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ জাতীয় সংসদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার।
- আব্দুল মালেক উকিল জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় স্পিকার।

সূত্র:- জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১৫,৪০৮.
বাংলাদেশ সরকার কোন উৎস থেকে সর্বোচ্চ পরিমাণ রাজস্ব আয় করে?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আবগারি শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা

• রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা (অনুদান ব্যাতীত)।
- করসমূহ ৫,১৮,০০০ কোটি টাকা
- NBR নিয়ন্ত্রিত করসমূহ ৪,৯৯,০০০ কোটি টাকা।
- NBR বহির্ভূত করসমূহ ১৯,০০০ কোটি টাকা।
- কর ব্যতীত প্রাপ্তি ৪৬,০০০ কোটি টাকা।
- বৈদেশিক অনুদান ৫,০০০ কোটি টাকা।
- মোট রাজস্ব ৫,৬৯,০০০ কোটি টাকা।

• রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস:
- মূল্য সংযোজন কর - ১,৮৮,৫১৮ কোটি টাকা।
- আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর- ১,৮২,০০১ কোটি টাকা।
- সম্পূরক শুল্ক- ৬৮,২৪৪ কোটি টাকা।
- আমদানি শুল্ক- ৫১,৪৩৮ কোটি টাকা।
- আবগারি শুল্ক- ৬,০৯১ কোটি টাকা।
- রপ্তানি শুল্ক- ৭৮ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬।

১৫,৪০৯.
সংবিধান অনুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার ‍মূলনীতি কোনটি?
  1. ক) গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  2. খ) কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
  3. গ) সুযোগের সমতা
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে ৮ নং থেকে ২৫ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি বর্ণনা করা হয়েছে। ৮(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা এবং এসব নীতি থেকে উদ্ভূত সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে বর্ণিত অন্য সকল নীতি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে পরিগণিত হবে।
(সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১৫,৪১০.
বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় কোন প্রেক্ষাগৃহে?
  1. ক) পালকী
  2. খ) তাজমহল
  3. গ) রূপমহল
  4. ঘ) নূরমহল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় “রূপমহল” প্রেক্ষাগৃহে।

বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট বাংলাদেশের প্রথম চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- অভিনয় করেন পূর্ণিমা সেন, সাইফুদ্দিন, বিনয় বিশ্বাস, আবদুল জব্বার খান, ইনাম আহমেদ, জহরত আরা। সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস। গান করেন মাহবুবা হাসনাত ও আবদুল আলীম। নৃত্য পরিচালনা করেন গওহর জামিল। চিত্রগ্রাহক ছিলেন মুরারী মোহন জামান। সম্পাদনায় আবদুল লতিফ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ৩ আগস্ট ২০২১।
১৫,৪১১.
”জুলাই ঘোষণাপত্র” পাঠ করেন কে?
  1. আসিফ নজরুল ইসলাম
  2. সাহবুদ্দিন আহমেদ
  3. অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস
  4. নাহিদ ইসলাম
ব্যাখ্যা

• জুলাই ঘোষণাপত্র:
- ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- ২৪ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সকল শহীদদের জাতীয় বীর হিসেবে ঘোষণা করে শহীদদের পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনকারী ছাত্রজনতাকে প্রয়োজনীয় সকল আইনি সুরক্ষা দেওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫,৪১২.
কোনটি বলবৎ করার মধ্য দিয়ে গণপরিষদ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৩ সালের নির্বাচন
  2. খ) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
  3. গ) বাংলাদেশ সংবিধান
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালের সরকার গঠন
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আবির্ভূত হয় একটি স্বাধীন দেশ রূপে।
- স্বাধীনতার পর পরই বাঙালি জাতি সংবিধান প্রণয়নে মনোনিবেশ করে।
-  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানী কারাগার থেকে ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন। 
- পরের দিনই সংবিধান রচনার নির্দেশ দেন। এ আদেশ বাংলাদেশে সংবিধান রচনার প্রথম পদক্ষেপ। 
- ২৩ মার্চ সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে একটি ৪৩০ সদস্যবিশিষ্ট গণপরিষদ গঠন করা হয়। 
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকায় গণপরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। 
- এ অধিবেশনে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়। 
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন। 
- ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে খসড়া বিধান পেশ করেন।
-  পরিশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর উক্ত সংবিধান বলবৎ করা হয়। 
- ঐ দিন থেকে গণপরিষদ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৫,৪১৩.
২০২১-২০২২ অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফিতি নির্ধারণ করা হয়েছে কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.২ শতাংশ
  2. খ) ৫.৩ শতাংশ
  3. গ) ৫.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৫.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫.৩ শতাংশ।
- জিডিপির প্রবৃদ্ধির অনুমিত লক্ষ্যমাত্রা ৭.২ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১৫,৪১৪.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ কবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়?
  1. ৫ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৭ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৮ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ:
- বাংলাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে।
- ২৮টি রাজনৈতিক দল দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে।
- দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে ২২৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামী লীগ।
- ক্ষমতাসীনদের পর সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৬২টি আসনে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ নির্বাচিত ২৯৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেন ১০ জানুয়ারি, ২০২৪।

উল্লেখ্য,
⇒ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা:
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেছেন।
- রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনী প্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদ বিলুপ্ত করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১৫,৪১৫.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদের নাম কী? 
  1. রিফাত
  2. আহাদ
  3. নাঈম
  4. সাদ
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সর্বকনিষ্ঠ শহীদ আব্দুল আহাদ।
- ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই নিহত হয় ৪ বছরের শিশু আব্দুল আহাদ।
- শহীদ আব্দুল আহাদ ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার পুকুরিয়া গ্রামের আবুল হাসান ও মা সুমি আক্তারের পুত্র।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ এলাকায় ৮ তলার উপর তার বাবা-মায়ের মাঝে বারান্দায় দাঁড়িয়ে ছিল আব্দুল আহাদ।
- এ সময় বাসার নিচে ছাত্রলীগ ও পুলিশের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে নিহত হয় আহাদ।
- সে 'জুলাই সর্বকনিষ্ঠ যোদ্ধা' হিসেবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: i) জুলাই আর্কাইভ।
ii) যুগান্তর।

১৫,৪১৬.
সম্রাট আকবর বাংলা বিজয় করেন-
  1. ক) ১৫৫৬ সালে
  2. খ) ১৫৬০ সালে
  3. গ) ১৫৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৫৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
মুঘল সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট আকবর ছিলেন ভারতবর্ষের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক। পৃথিবীর ইতিহাসে মহান শাসকদের অন্যতম মহামতি আকবর নামেও পরিচিত তিনি। পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে আকবর ভারতের শাসনভার গ্রহণ করেন। তিনি মনসবদারী প্রথার প্রচলন করেন, জিজিয়া কর ও তীর্থকর রহিত করেন, বুলান্দ দরওয়াজ ও অমৃতসর স্বর্ণমন্দির নির্মাণ করেন। সম্রাট আকবর বাংলা বিজয় করেন ১৫৭৬ সালে। তাঁর সময়ে সমগ্র বঙ্গ দেশ ‘সুবহ-ই-বাঙ্গালাহ’ নামে পরিচিত ছিল। বাংলায় বার ভূঁইয়াদের অভ্যুত্থান ঘটে আকবরের আমলে। তিনি বাংলা সনের প্রবর্তক ছিলেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪১৭.
Which article of the constitution of Bangladesh ensure the separation of the judiciary from the executive organs of the state?
  1. article 23
  2. article 22
  3. article 36
  4. article 29
  5. article 24
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয়: ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদটি বাহাত্তরের মূল সংবিধানের অংশ হলেও তা কার্যকর হয় ২০০৭ সালে। 
 
অন্যদিকে,
- ২৩নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৯ নং অনুচ্ছেদ : সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ: চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৪১৮.
'এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি' এর রচয়িতা-
  1. ক) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. খ) শামসুর রাহমান
  3. গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. ঘ) জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা 'এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' এর রচয়িতা- মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪১৯.
ছয় দফা আন্দোলনের চতুর্থ দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
-  ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।

• ছয়টি দফা হলো-
- প্রথম দফা: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা। 
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা ও অর্থ সম্বন্ধীয় ক্ষমতা। 
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব কর ও শুল্ক বিষয়ক ক্ষমতা। 
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা। 
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৪২০.
মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার নেতৃত্ব দেন কে?
  1. মোহাম্মদ সোলায়মান
  2. আব্দুল খালেক
  3. মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
  4. শৈলেন্দ্র কিশোর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
◉ মুজিবনগর সরকারকে গার্ড অব অনার প্রদানকারী দলের নেতৃত্বে ছিলেন ⎯ মাহবুব উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম।
- তিনি একাত্তরে ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশ প্রধান ছিলেন।

মুজিবনগর সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। এর আগে ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে চার সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ⎯ মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো ⎯ কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
➝ রাষ্ট্রপতি ⎯ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
➝ উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ⎯ সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
➝ প্রধানমন্ত্রী ⎯ তাজউদ্দিন আহমেদ,
➝ অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী ⎯ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
➝ স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী ⎯ আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
➝ পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ⎯ খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য:
➝ মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ⎯ আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
➝ মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন ⎯ গণপরিষদের আওয়ামীলীগের হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
➝ মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন ⎯ তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
➝ শপথগ্রহণের সময় শতাধিক ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিক এবং প্রচার মাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৫,৪২১.
‘তাহেরপুরী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. কলা
  2. আম
  3. বাঁধাকপি
  4. পেঁয়াজ
ব্যাখ্যা
‘তাহেরপুরী’ পেঁয়াজের উন্নত জাত।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

অন্যদিকে, 
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৫,৪২২.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্পের খাতের প্রবৃদ্ধির হার- ( মে ২০২৫)
  1. ৫.৮০%
  2. ৬.৬৬%
  3. ৩.২১%
  4. ৫.০৪%
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪:
- চলিত মূল্যে জিডিপি- ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৬৭৫  মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি- ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মোট জাতীয় আয় - ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- চলিত মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি-  ৯.৭৪%।
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান - ১১.০২%।
- জিডিপিতে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.২১%।
- জিডিপিতে শিল্পে খাতের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- জিডিপিতে শিল্পে  খাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৬৬% ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান -৫১.০৪%।
-  জিডিপিতে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৮০%।
- অর্থনীতিতে মোট খাত - ১৯ টি (২০১৫-১৬ ভিত্তি বছর)

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪।

১৫,৪২৩.
বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য কতদিনের নোটিশের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ৭ দিন
  2. খ) ৯ দিন
  3. গ) ১০ দিন
  4. ঘ) ১৫ দিন
ব্যাখ্যা
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
- জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
- বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

- যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল - বলে।
- বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়
- সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
- যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৫,৪২৪.
আয়কর ও মূসক আদায়ের দায়িত্ব কোন প্রতিষ্ঠানের?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. মুনাফা রাজস্ব বোর্ড
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
ব্যাখ্যা
• আয়কর ও মূসক আদায়ের দায়িত্ব জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের। 

রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং  ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৫,৪২৫.
অপারেশন সার্চলাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব কাকে দেওয়া হয়?
  1. জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  2. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. জেনারেল টিক্কা খান
  4. লে. জেনারেল নিয়াজী
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান অর্থাৎ মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।

১৫,৪২৬.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ২৬ জানুয়ারি ১৯৫২
  2. খ) ২৮ জানুয়ারি ১৯৫২
  3. গ) ২৯ জানুয়ারি ১৯৫২
  4. ঘ) ৩১ জানুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়।
- এর আহবায়ক মনোনীত হন কাজী গোলাম মাহবুব
- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৪২৭.
কোন দেশকে পরাজিত ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট।
১৫,৪২৮.
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৩ এর 'সোশ্যাল সার্ভিস/পাবলিক সার্ভিসেস' বিভাগে পুরস্কার পায় কোন সংস্থা?
  1. আনসার ভিডিপি
  2. বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
  3. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  4. ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার- ২০২৩:
- ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানের হাতে দেশের সর্বোচ্চ জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার 'স্বাধীনতা পুরস্কার- ২০২৩' প্রদান করা হয়। 
- পদক প্রাপ্তদের মধ্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) শামসুল আলম, প্রয়াত লেফটেন্যান্ট এজি মোহাম্মদ খুরশিদ (মরণোত্তর), শহীদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূঁইয়া (মরণোত্তর)ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম 'স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ' ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।
- প্রয়াত ড. মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন) (মরণোত্তর) 'সাহিত্য' বিভাগে মনোনীত হয়েছেন এবং পবিত্র মোহন দে ও এএসএম রকিবুল হাসানকে যথাক্রমে 'সাংস্কৃতিক' ও 'ক্রীড়া' বিভাগে মনোনীত করা হয়েছে।
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বিভাগকে 'সোশ্যাল সার্ভিস/পাবলিক সার্ভিসেস' বিভাগে পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
- বেগম নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ) এবং ড. ফেরদৌসী কাদরীকে 'গবেষণা ও প্রশিক্ষণ' বিভাগে মনোনীত করা হয়েছে।
- এর আগে, গত ৯ মার্চ ২০২৩ তারিখে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

উৎস: দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [লিঙ্ক]
১৫,৪২৯.
নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP) কীভাবে পাওয়া যায়?
  1. মোট জাতীয় উৎপাদন + মূলধনের অবচয়
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়
  3. মোট দেশজ উৎপাদন – কর
  4. মোট দেশজ উৎপাদন + মূলধনের অবচয়
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৪৩০.
সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পাদন করাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান করার লক্ষ্যে কোন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে?
  1. ক) ই-জিপি
  2. খ) ই-বাই
  3. গ) ই-ক্রয়
  4. ঘ) ই-জিসি
ব্যাখ্যা
সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পাদন করাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান করার লক্ষ্যে ইলেক্ট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট বা ই-জিপি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে।
১৫,৪৩১.
Secondary Market is also called -
  1. ক) Business Market
  2. খ) Agriculture Market
  3. গ) Labour Market
  4. ঘ) Financial Market
ব্যাখ্যা
•  Stock Exchanges bonds, Fixed Income Instruments, Mortgages, and Venture Capital Funds are related to the Secondary Market.
- Secondary Market is also called Financial Market

Source: Nasdaq
১৫,৪৩২.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কার্পাস বিদ্রোহ সংঘটিত করেছিলো?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) মুন্ডা
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) হাজং
ব্যাখ্যা
১৭৭৬ সাল থেকে ১৭৮৭ সাল পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রামে সংঘটিত চাকমাদের বিদ্রোহ কার্পাস বিদ্রোহ নামে পরিচিত।

পার্বত্য চট্টগ্রামে তুলার চাষ হতো এবং কর হিসেবে তারা মুঘল শাসকদের তুলা প্রদান করতো। কিন্তু ইংরেজ শাসনামলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি পার্বত্য চট্টগ্রামের কার্পাস মহল বেনিয়াদের নিকট ইজারা প্রদান করে। এসব মধ্যস্বত্বভোগীরা কর হিসেবে অধিক পরিমাণ তুলা প্রদানে চাকমাদের বাধ্য করতো।

এতে করে চাকমারা রানু খাঁ, শের দৌলত ও জানবক্সের নেতৃত্বের ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। মোট চারবার চাকমা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
১৭৮৭ সালে চাকমা রাজা ও ইংরেজদের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি ফলে কার্পাস বিদ্রোহের অবসান হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস : সিরাজুল ইসলাম এবং দৈনিক প্রথম আলো)
১৫,৪৩৩.
তারেক রহমান ব্যক্তি হিসেবে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
  1. ১১তম
  2. ১৩তম
  3. ১২তম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:
- তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী।
- ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) হয়ে সরকারপ্রধান হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার পর ছেলে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন।

• বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। এর পর একে একে শেখ মুজিবুর রহমান, মুহাম্মদ মনসুর আলী, শাহ আজিজুর রহমান, আতাউর রহমান খান, মিজানুর রহমান চৌধুরী, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, কাজী জাফর আহমেদ, বেগম খালেদা জিয়া, শেখ হাসিনা, এর মধ্যে বেগম খালেদা জিয়া দু’বার এবং শেখ হাসিনা ৫ বার প্রধানমন্ত্রী হন।

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটে বিজয়ী হয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বিএনপি। 
- ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ তারিখে দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

১৫,৪৩৪.
কোন মুগল সম্রাট 'বাংলা বর্ষপঞ্জি' প্রবর্তন করেন?
  1. ক) সম্রাট আওরঙ্গজেব
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট শাহজাহান
  4. ঘ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
• ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবর প্রবর্তন করেন বাংলা বর্ষপঞ্জি
• এই নতুন বর্ষপঞ্জিটি প্রথমে তারিখ-ই-এলাহী নামে পরিচিত ছিল ।
• ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ বা ১১ মার্চ এটি বঙ্গাব্দ নামে প্রচলিত হয়।
• নতুন এই সালটি আকবরের রাজত্বের ঊনত্রিশতম বর্ষে প্রবর্তিত হলেও তা গণনা করা হয় ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর থেকে, কারণ এদিন আকবর দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
• তারিখ-ই-এলাহীর উদ্দেশ্য ছিল আকবরের বিজয়কে মহিমান্বিত করে রাখা এবং একটি অধিকতর পদ্ধতিগত উপায়ে রাজস্ব আদায়ে সহায়তা করা।
• এর পূর্বে মুগল সম্রাটগণ রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে হিজরি বর্ষপঞ্জি ব্যবহার করেতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৩৫.
নিচের কোনটি কৃষির উপখাত নয়?
  1. খনিজ সম্পদ
  2. মৎস সম্পদ
  3. বনজ সম্পদ
  4. শস্য ও শাকসবজি
ব্যাখ্যা
খনিজ সম্পদ কৃষির উপখাত নয়।

কৃষির উপখাত:

- বাংলাদেশের কৃষির ৪টি উপখাত রয়েছে। যথা:
• শস্য ও শাকসবজি,
• প্রাণি সম্পদ,
• বনজ সম্পদ,
• মৎস সম্পদ।

⇒ শস্য ও শাক-সবজি (Crops and vegetables):
- এটি বাংলাদেশের কৃষির সর্ববৃহৎ উপখাত।
- এ খাতে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য শস্য যেমন ধান, গম, ভুট্টা, ডাল, তৈলবীজ, বাদাম, পিয়াজ, রসুন, আদা, হলুদ এবং বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি যেমন লাল শাক, পালং শাক, পটল, ঢেরস, করলা, লাউ, বেগুন, শসা, টমেটো, কপি ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।
- তাছাড়া এ উপখাতে বিভিন্ন ধরনেরর অর্থকারী ফসল যেমন পাট, চা, আখ, তামাক, রেশম, তুলা, রবার ইত্যাদি উৎপাদিত হয়।

⇒ প্রাণিসম্পদ (Livestock):
- গৃহে পালিত নানাজাতীয় পশু-পাখি নিয়েই বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ উপখাত গঠিত।
- গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া, ঘোড়া, হাঁস-মুরগি, কবুতর প্রভৃতি এদেশের প্রাণিসম্পদের অন্তর্ভূক্ত।
- প্রাণি সম্পদ থেকে প্রাপ্ত মাংস, দুধ, ডিম, ইত্যাদি মানব দেহের অত্যাবশ্যকীয় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করে।
- তাছাড়া চাষাবাদ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, চামড়া ও চমড়া জাতীয় দ্রব্যদি উৎপাদন ও রপ্তানিতে এ উপখাতের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ বনজ সম্পদ (Forest Resources):
- এটি আমাদের কৃষির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপখাত।
- বাংলাদেশের মোট ভূখন্ডের শতকরা প্রায় ১৭ ভাগ জুড়ে বন রয়েছে।
- বনে সুন্দরি, গড়ান, গেওয়া, কেওড়া, শাল, গর্জন, গামাড়ি, গোলপাতা প্রভৃতি গাছ জন্মে।
- এগুলো থেকে দেশের কাঠের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ হয় এবং কয়েকটি শিল্পের কাঁচামালের যোগান আসে।
- জ্বালানি কাঠ, বাঁশ, বেত, মোম, মধু, বিভিন্ন ধরনের ফলমূল, ইত্যাদি এ উপখাত থেকে পাওয়া যায়।

⇒ মৎস্য সম্পদ (Fisheries):
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মৎস্য সম্পদের বিপুল সম্ভাবনা থাকায় বাংলাদেশ সরকার একে একটি পৃথক খাত হিসেবে গণ্য করেছে।
- তবে সার্বিক বিবেচনায় এ খাতও কৃষিখাতের অন্তর্ভূক্ত।
- বাংলাদেশের অসংখ্য নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুরে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ পাওয়া যায়।
- এছাড়াও দেশের সামুদ্রিক মৎস্য ক্ষেত্রগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাছ আহরিত হয়।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৪৩৬.
'ব্রাহ্মসমাজ' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. সি.আর. দাস
  3. রাজা রামমোহন রায়
  4. সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা

রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা ছিলেন রাজা রামমোহন রায়। 
- ১৭৭৪ সালে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তাঁর জন্ম। 
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী ছিলেন রাজা রামমোহন রায়। 
- তিনি বেদান্তসূত্র ও বেদান্তসারসহ উপনিষদের অনুবাদ প্রকাশ। করেন। 
- ১৮২৯ সালে রামমোহন রায়ের প্রচেষ্টায়, সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত হয়।
- তাছাড়া তিনি সব কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন। 
- ১৮২৮ সালে তিনি ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা করেন। এর পরে ব্রাহ্মসমাজের উপাসনালয় স্থাপন করেন। 
- তাঁর ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠা উপমহাদেশের ধর্মীয় ইতিহাসে এক নবযুগের সূচনা করে। 
- রাজা রামমোহন রায় ১৮২২ সালে কোলকাতায় 'অ্যাংলো-হিন্দু স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন, যেখানে ইংরেজি, আধুনিক বিজ্ঞান পড়ানোর ব্যবস্থা ছিল।
- ১৮৩৩ সালে রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১৫,৪৩৭.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় কোনটি যুক্ত হয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সয়াবিন তেল
  2. রাইস ব্র্যান অয়েল
  3. পাম অয়েল
  4. সানফ্লাউয়ার অয়েল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি পণ্য:

- দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২২ থেকে ২৩ লাখ টন।
- এই চাহিদার বিপরীতে অপরিশোধিত সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি করে স্থানীয়ভাবে পরিশোধনের মাধ্যমে চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ পূরণ করা হয়।
- রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭ এর আওতায় রপ্তানি পণ্যের তালিকায় রাইস ব্র্যান, পরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল ও অপরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল অন্তর্ভুক্ত করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে অপরিশোধিত রাইস ব্রান তেলের রপ্তানি নিরুৎসাহিত করতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখে।
 
উল্লেখ্য,
- পাবনার ঈশ্বরদীতে ২০১১ সালে রশিদ অয়েল মিলস লিমিটেড হোয়াইট গোল্ড ব্র্যান্ড নামে প্রথম ধানের কুঁড়ার এই তেল উৎপাদন শুরু করে।
- বাংলাদেশ রাইস ব্র্যান অয়েল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, দেশে মোট ২০টি রাইস ব্র্যান অয়েল মিল রয়েছে।
- এসব মিলের বার্ষিক উৎপাদনক্ষমতা ৪ লাখ ৫৩ হাজার টন।

তথ্যসূত্র: রপ্তানি নীতি ২০২৪-২৭।
১৫,৪৩৮.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন জেলায় অর্গানিক চা উৎপাদন করা হয়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) পঞ্চগড়
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা।
- অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৫,৪৩৯.
রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাপ্রধান
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রীপরিষদ সচিব
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• আইনসংক্রান্ত ক্ষমতা:
- আইন প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- প্রধানমন্ত্রীকেকেন্দ্র করে সংসদের আইন প্রণয়ন বিষয়ক কার্যাবলি পরিচালিত হয়।

• সংসদ পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা।
- তিনি সংসদের সাফল্যজনক সুষ্ঠ চালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর রামর্শক্রমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৫,৪৪০.
পাটের তৈরি ঢেউটিন (জুটিন) আবিষ্কার করেন -
  1. ক) মাকসুদুল আলম
  2. খ) ইসমাইল হোসেন খান
  3. গ) ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) কুদরত-ই-খোদা
ব্যাখ্যা
 • আবিষ্কার:
 - বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- তার এই ঢেউটিন জুটিন নামে পরিচিত।
- তিনি পাট থেকে পলিথিন তৈরির পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন যা সোনালী ব্যাগ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
 - মাকসুদুল আলম বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা বিজ্ঞানী।
- তিনি ২০১০ সালে পাটের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন।
-  তিনি পেঁপে, রাবার ও এক ধরনের ছত্রাকেরও জীবন রহস্য উদঘাটন করেন।
- ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর তিনি যুক্তরাষ্ট্রে মারা যান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।

উৎস: বিবিসি বাংলা নিউজ।
 
১৫,৪৪১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আইনজীবী ছিলেন কে?
  1. থমাস ডগলাস
  2. অ্যাডওয়ার্ড এনরবি
  3. টমাস উইলিয়াম
  4. মার্শাল ফিল্ড
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২১-ক ধারা এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন, রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

উল্লেখ্য,
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।

অন্যদিকে,
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান। অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৪২.
দেশের প্রথম ইপিজেড কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. হালিশহর
  3. সাভার
  4. মংলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসেবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটি ৪৫৩ একর জায়গার উপর  অবস্থিত।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।
- তাই এটি শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছে। 
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিন 'The Financial Times' এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৪৪৩.
'সালাম সালাম হাজার সালাম' গানটির গীতিকার কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আব্দুল জব্বার
  3. ফজল–এ–খোদা
  4. মাহমুদুননবী খুরশীদ আলম
ব্যাখ্যা
'সালাম সালাম হাজার সালাম':
- 'সালাম সালাম হাজার সালাম' গানটির গীতিকার ফজল–এ–খোদা।

⇒ ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত হলেও মুক্তিযুদ্ধের সময়ও গানটি ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।
- গানটি রচনা করেন ফজল-এ-খোদা।
- এতে সূর দেন কণ্ঠশিল্পী আব্দুল জব্বার।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে আব্দুল জব্বারের কণ্ঠে গানটি ব্যপকভাবে প্রচারিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ এবং তারপর থেকে গানটি বেশি প্রচারিত হলেও মূলত ১৯৫২ সালের বাংলা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণেই এই গান রচিত হয়।
- ২০০৬ সালে বিবিসি কর্তৃক সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গান হিসেবে শ্রোতা মনোনীত ২০ সেরা গানের মধ্যে ১২তম অবস্থানে অর্ন্তভূক্ত হয় গানটি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৪৪.
তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয় সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ক) পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. খ) ষষ্ঠদশ সংশোধনী
  3. গ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. ঘ) চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল বাংলাদেশ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- পঞ্চদশ সংশোধনী আইন  সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন।
- এই সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্টীয় মুলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেয়া হয়।
 - এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়, জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্টীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
১৫,৪৪৫.
জাতীয় পাট দিবস পালিত হয় -
  1. ৪ মার্চ
  2. ৬ মার্চ
  3. ৪ জুন
  4. ৬ জুন
ব্যাখ্যা
জাতীয় পাট দিবস:
- জাতীয় পাট দিবস পালিত হয় ৬ মার্চ।

⇒ পাট:
- পাট এক ধরনের কৃষিপণ্য।
- পাট একটি বর্ষাকালীন ফসল।
- এর জীবনকাল ১০০ থেকে ১২০ দিন পর্যন্ত।
- বাংলাদেশে পাটকে সোনালী আঁশ বলা হয়ে থাকে।
- পাট বাংলার শত বর্ষের ঐতিহ্য।
- দুই ধরনের পাট বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া যায়: সাদা পাট ও তোষা পাট।

উল্লেখ্য,
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত।
- পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে ব্যাগ, শাড়ি, জুতা, স্যান্ডেল, বিছানার চাদর, পর্দা সোফার কভার,কার্পেট এবং আরো নানা ধরনের পণ্য।
- দেশের ভেতরে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ নিষিদ্ধ করে পাটের তৈরি ব্যাগ ব্যবহার করা হলে পাটের বিপুল চাহিদা তৈরি হবে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
ii) পাট অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৫,৪৪৬.
Which is the largest specialized bank in Bangladesh in terms of branch network?
  1. Probashi Kollyan Bank
  2. Bangladesh Krishi Bank
  3. Rajshahi Krishi Unnayan Bank
  4. Agrani Bank Limited
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে.।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক:

- জলবায়ু-নির্ভর অনিশ্চিত এবং ঝুঁকিপূর্ণ কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য ১৯৭৩ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ২৭ এর অধীনে দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক আমানত, ঋণ এবং বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন সহ সব ধরণের ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করে অনলাইন ব্যাংকিং, কম্পিউটারাইজড ব্যাংকিং এবং স্বয়ংক্রিয় বৈদেশিক রেমিট্যান্স সিস্টেম চালু করেছে।
- সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ মাত্র ১৫০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন মাত্র ৯০০ কোটি টাকা।

অন্যদিকে -
- অগ্রণী ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

উৎস: i) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক ওয়েবসাইট।
        ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৫,৪৪৭.
'বর্গি' নামে পরিচিত ছিল কারা?
  1. ক) আরাকানী জলদস্যু
  2. খ) ডাচ জলদস্যু
  3. গ) পর্তুগিজ জলদস্যু
  4. ঘ) মারাঠি দস্যু
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ ভারতের মারাঠারা বাংলায় ‘বর্গি’ নামে পরিচিত ছিলো।
- মারাঠা সৈন্যবাহিনীর সর্বনিম্ন পদধারী সৈনিকরা ‘বর্গি’ নামে পরিচিত ছিলো। এই বরগি থেকেই বর্গি নামের উদ্ভব।
- ১৭৪০ খ্রিস্টাব্দে গিরিয়ার যুদ্ধে আলীবর্দী সরফরাজকে পরাজিত করে মুঘলদের অনুমোদন ছাড়াই বাংলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।
- তার সময়ে বর্গি নামে পরিচিত মারাঠি দস্যুরা বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে আক্রমণ করে জনজীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছিল।
- আলিবর্দি খান ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ১০ বছর এদের প্রতিরোধ করে দেশছাড়া করতে সক্ষম হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৪৮.
জাতীয় সংসদের কোরামপূর্ণ হওয়ার জন্যে ন্যূনতম কতজন সংসদ সদস্যের উপস্থিতির প্রয়োজন হয়?
  1. ৫০ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৯০ জন
  4. ১০০ জন
ব্যাখ্যা
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার কমপক্ষে ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করা যায় বা কোরাম পূর্ণ হয়। সদস্যের উপস্থিতি ৬০ জন বা তার অধিক হলে স্পিকার সংসদের বৈঠক শুরু করেন।
- ‍অধিবেশন চলাকালে যদি সদস্য সংখ্যা ৬০ জনের কম হয় সেক্ষেত্রে স্পিকার বৈঠক মূলতবি রেখে কোরাম পূর্ণ হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করে থাকেন।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫,৪৪৯.
মূসকের আদর্শ হার কত শতাংশ?
  1. ৫%
  2. ১০.৫%
  3. ১৫%
  4. ১২.৫%
ব্যাখ্যা

⇒ মূসক হলো স্বনির্ধারণী পরোক্ষ কর। সরবরাহকৃত পণ্য বা সেবার ওপর প্রদেয় করের বিপরীতে উপকরণ কর সমন্বয় করে পণ্য বা সেবার মূল্যস্তরের প্রকৃত সংযোজনের ওপর আরোপিত করই ঐ পণ্য বা সেবার মূল্য সংযোজন কর বা মূসক।
⇒ বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে ১ জুলাই মূল্য সংযোজন কর চালু হয়।
⇒ মূসকের আদর্শ হার ১৫%।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূসকের হার ১৫% এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে মূসকের হার ০% প্রযোজ্য।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড [লিংক]।

১৫,৪৫০.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক নয়?
  1. ক) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. গ) রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. ঘ) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
• বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি। এগুলো হল - 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি। এগুলো হল - 
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি, বিদেশি ব্যাংক - ৯টি।
১৫,৪৫১.
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা হিসেবে কোন দুইটি নোট প্রথম চালু হয়?
  1. ১ টাকা ও ১০০ টাকা
  2. ১০ টাকা ও ৫০ টাকা
  3. ৫০ টাকা ও ১০০ টাকা
  4. ১০০ টাকা ও ৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রা:
- ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ প্রথমবারের মতো স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব ১ ও ১০০ টাকার ব্যাংক নোটের প্রচলন হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশের মুদ্রার নাম রাখা হয় টাকা। বিশ্বের কয়েকটি দেশের মুদ্রার নাম একই ধরনের। তবে বাংলাদেশের মুদ্রা হিসেবে টাকা নামটি স্বতন্ত্র।
- ৪ মার্চ ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত দুটি ব্যাংক নোট ভারতের সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস থেকে ছাপানো হয়। ১ টাকার ও ১০০ টাকার নোট।
- ১ টাকার নকশায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ কথাটি স্থান পায় এবং তাতে স্বাক্ষর করেছিলেন সে সময়ের অর্থসচিব কে এ জামান।
- ১০০ টাকার নকশায় দেখা যায় বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি এবং তাতে লেখা থাকে বাংলাদেশ ব্যাংক। ১০০ টাকার ব্যাংক নোটটি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রথম গভর্নর এ এন হামিদ উল্ল্যাহ্ স্বাক্ষরিত।
- ৪ মার্চ ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো পালিত হয়েছে 'টাকা দিবস'।

তথ্যসুত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৪ মার্চ, ২০২১।
১৫,৪৫২.
উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলের সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে কোন রাজবংশের শাসন আমলে?
  1. ক) পালবংশ
  2. খ) সেনবংশ
  3. গ) মৌর্যবংশ
  4. ঘ) গুপ্তবংশ
ব্যাখ্যা
•পাল বংশের শাসন আমলে সমান্তবর্গ উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলে বিদ্রোহ ঘেষণা করেন।

- তৃতীয় বিগ্রহপালের পুত্র দ্বিতীয় মহীপাল পাল সিংহাসনে আহরণের পর পাল রাজ্যে দুর্যোগ আরও ঘনীভূত হয়। এ সময় উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলের সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ইতিহাসে এ বিদ্রোহ কৈবর্ত বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- এ বিদ্রোহের নেতা ছিলেন কৈবর্ত নায়ক দিব্যোক বা দিব্য। তিনি দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করে বরেন্দ্র দখল করে নেন এবং নিজ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- পরবর্তীতে রামপাল যুদ্ধে কৈবর্তরাজ ভীমকে পরাজিত ও নিহত করে উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরায় দখল করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,৪৫৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কিত বলা হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ২৮
  2. খ) অনুচ্ছেদ ২৭
  3. গ) অনুচ্ছেদ ২৬
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
•বাংলাদেশ সংবিধান:
- পররাষ্ট্রনীতি সম্পর্কিত নীতিসমূহ:
- বাংলাদেশ সংবিধানে ২৫ নং অনুচ্ছেদ অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা।
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান করা
-আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করা।
- প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে।

উৎস:-বাংলাদেশের সংবিধান এবং Live Mcq Lecture.
১৫,৪৫৪.
বাংলায় আর্যদের আগমন শুরু হয় কত খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে?
  1. ক) খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে
  2. খ) খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে
  3. গ) খ্রিস্টপূর্ব ২৫০০ অব্দে
  4. ঘ) খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে
ব্যাখ্যা
- আর্যদের আদি নিবাস ছিলো ইউরাল পর্বতমালার দক্ষিণে বর্তমান ইরান ও কিরগিজস্থানে। সেখান থেকে খ্রিস্টপূর্ব দুই হাজার বছর অব্দে আর্যরা ভারতে আগমন করে।
- আর্যরা বাংলাকে অপবিত্র মনে করতো বিধায় দীর্ঘদিন তারা বাংলা ভূখণ্ডে প্রবেশ করেনি। পরবর্তীতে খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দ থেকে আর্যরা বাংলায় প্রবেশ ও বসতি স্থাপন করতে শুরু করে।
- প্রথমে তারা গাঙ্গেয় উচ্চভূমিতে বসতি স্থাপন করে। পরবর্তীতে গাঙ্গেয় নদী অঞ্চলে আর্যদের প্রভাব বিস্তৃত হলেও এরা বাংলার অনার্য জনগোষ্ঠীর সাথে গভীরভাবে মিশেনি।
- যার কারণে বাঙালি জাতির গঠন প্রক্রিয়ায় অনার্য জাতিগোষ্ঠী ‘অস্ট্রিক ও দ্রাবিড়’দের প্রভাব বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলায় পাল আমলে আর্য সংস্কৃতি বিকাশ লাভ করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৫,৪৫৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত ৬ দফা কর্মসূচি সম্বন্ধে সংবাদপত্রে প্রচারিত হয়-
  1. ১৯৫৪
  2. ১৯৬৬
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিখ্যাত ৬ দফা কর্মসূচি সম্বন্ধে সংবাদপত্রে প্রচারিত হয় ১৯৬৬ সালে।

ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- তিনি লাহোরে এই ঘোষনা দেন।

ছয় দফা কর্মসূচি,
১) লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম ।
২) শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩) দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪) আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।
৫) দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।
৬) অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৪৫৬.
নিচের কোন জেলায় হাজংদের বসবাস নেই?
  1. নেত্রকোনা
  2. রংপুর
  3. শেরপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৪৫৭.
কোন রাজবংশ প্রায় চারশ বছর বাংলা শাসন করে?
  1. সেন
  2. গুপ্ত
  3. মৌর্য
  4. পাল
ব্যাখ্যা
বাংলায় পাল শাসন:
- গোপালের উত্থানের মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয় পাল রাজবংশ।
- প্রায় চারশত বছর ধরে ১৭ জন পাল নৃপতি বাংলা শাসন করেন। 
- উত্থান ও পতনের ক্রমধারায় পাল রাজত্বকালকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়।
- প্রথম পর্যায়কে উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগ বলে আখ্যায়িত করা যায়।
- এ যুগের মধ্যে ছিল ধর্মপাল ও দেবপালের রাজত্বকাল।
- এরপর পাল রাজবংশে উৎসাহ ও উদ্যোগের অভাব দেখা যায় এবং শুরু হয় সাম্রাজ্যের অবনতি।
- এই অবস্থার উন্নতি সাধন করে সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারের সাফল্য দেখান প্রথম মহীপাল।
- তাই দ্বিতীয় পর্যায়ের নামকরণ করা যায় অবনতি ও পুনরুদ্ধারের পর্যায়।
- কিন্তু মহীপাল কর্তৃক পাল সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারকার্য বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।
- অভ্যন্তরীণ গোলযোগের কারণে সাম্রাজ্য বিপদের সম্মুখীন হয়।
- রামপাল সাম্রাজ্যকে এই বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলেন বটে, কিন্তু রামপালের পর পাল বংশীয় শাসন বেশি দিন টিকে থাকেনি।
- তাই তৃতীয় পর্যায়কে অবনতি ও বিলুপ্তির পর্যায় বলে ধরা যায়।

তথ্যসূত্র- ইতিহাস, এসএএইচএল প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৪৫৮.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল -
  1. ক) ২০২১-৪১ সাল
  2. খ) ২০২০-৪১ সাল
  3. গ) ২০২২-৪১ সাল
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার সময়কাল ২০২১-৪১ সাল। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১৫,৪৫৯.
Bangabandhu's historic speech on March 7 has been included in which schedule of the constitution?
  1. ক) Fourth Schedule
  2. খ) Fifth Schedule
  3. গ) Sixth Schedule
  4. ঘ) Seventh Schedule
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে সংযোজন করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিলঃ অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিলঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিলঃ শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিলঃ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।]
১৫,৪৬০.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী ছিলেন-
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. এম. মনসুর আলী
  3. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

• ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
• এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপঃ
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
- প্রধানমন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান;
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব;
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৫,৪৬১.
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে -
  1. হাওয়া
  2. সুড়ঙ্গ
  3. পরাণ
  4. প্রহেলিকা
ব্যাখ্যা
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার: 

- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্বাচিত হয়েছে ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’ এবং ‘পরাণ’ কে।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২২-এ সেরা নায়কের পুরস্কার পেতে যাচ্ছেন চঞ্চল চৌধুরী।
- যুগ্মভাবে সেরা নায়িকা হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে জয়া আহসান ও রিকিতা নন্দিনী শিমুর নাম।
- চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ ও উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য সরকার ব্যক্তিবিশেষকে এবং শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্রকে  জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করে থাকে।
- এ পুরস্কারের ক্ষেত্রগুলি হলো শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র, কাহিনীকার, পরিচালক, চিত্র সম্পাদক, সংলাপ রচয়িতা, চিত্র নাট্যকার, অভিনেতা ও অভিনেত্রী, পার্শ্ব অভিনেতা ও পার্শ্ব অভিনেত্রী, সঙ্গীত পরিচালক, চিত্রগ্রাহক, গীতিকার, শিল্প নির্দেশক, শব্দগ্রাহক, গায়ক, গায়িকা, শিশু শিল্পী, নৃত্য পরিচালক, সুরকার, মেকআপ ম্যান, পান্ডুলিপি, সংলাপ, প্রামাণ্যচিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ও শিশু শিল্পীদের বিশেষ পুরস্কার।
- এসব ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ বিবেচিত চলচ্চিত্র ও শ্রেষ্ঠ কলাকুশলীদের পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান শ্রেষ্ঠ পরিচালকের জন্য নগদ দশ হাজার টাকা এবং অন্যান্য প্রতিটি ক্ষেত্রে নগদ পাঁচ হাজার টাকা।
- পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ অর্থের সঙ্গে একটি করে র‌্যাপ্লিকা প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ৩১ অক্টোবর, ২০২৩।
১৫,৪৬২.
বাংলাদেশের প্রথম ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. জামদানি
  3. মসলিন
  4. শীতলপাটি
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।

⇒ দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৫,৪৬৩.
'Blue Chip' শব্দটি কোন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আন্তর্জাতিক বাজারে
  2. খ) শেয়ার বাজারে
  3. গ) জুয়া খেলায়
  4. ঘ) খুচরা বাজারে
ব্যাখ্যা
ব্লু চিপ শেয়ার:
- বাজারে এমন অনেক কোম্পানি আছে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো, সুসংহত, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মান ভালো।
- এরা অনেক দিন ধরে বাজারে প্রতিষ্ঠিত। তাদের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থিতিশীল বৃদ্ধির রেকর্ড আছে।
- নিরাপদ কোম্পানি এবং নিয়মিত লভ্যাংশ দিয়ে থাকে। সব মিলিয়ে বিনিয়োগের জন্য আকর্ষণীয় কোম্পানি।
- আর এসব কোম্পানিকেই শেয়ারবাজারে ব্লু চিপ কোম্পানি বলে, আর তাদের শেয়ার ব্লু চিপ শেয়ার।
- ভালো কোম্পানি বলে এই শেয়ারের চাহিদাও বেশি থাকে। এসব শেয়ার অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত।
- তবে শেয়ারবাজার কখনোই পুরোপুরি ঝুঁকিপূর্ণ নয়। শেয়ারবাজার মানেই ঝুঁকি।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
১৫,৪৬৪.
'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচিত্র -
  1. ক) সেই মুজিব
  2. খ) একজন মুজিব
  3. গ) বাংলার রূপকার
  4. ঘ) চিরঞ্জীব মুজিব
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম ‘চিরঞ্জীব মুজিব'
- ছবির পরিচালক নজরুল ইসলাম।
- চলচ্চিত্র 'চিরঞ্জীব মুজিব' প্ৰথম বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্সে মুক্তি পায়।

উৎস: প্রথম আলো (১ জানুয়ারি, ২০২২)।
১৫,৪৬৫.
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় -
  1. ক) ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই
  3. গ) ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭০ সালের ১৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

১৯৭০ এর নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগ দলীয় সভায় ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত এবং একই বছরের ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে ‘নৌকা’ পছন্দ করেন।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি এবং প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ২৯৮টি আসন লাভ করে।
-------------------
উল্লেখ্য,
- সাধারণ নির্বাচন পরিচালনার জন্যে ১৯৬৯ সালের ২ জুলাই প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করে।
- এই কমিশন পাকিস্তানের জন্যে একটি ভোটার তালিকা প্রণয়ন এবং ১৯৭০ সালে বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনা করে।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

১৫,৪৬৬.
রাষ্ট্রপতি কর্তৃক জারিকৃত আইন কে কী বলা হয়?
  1. আইন
  2. অধ্যাদেশ
  3. বিল
  4. সংবিধান
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৪৬৭.
শেখ মুজিব কোয়ালিশন সরকার থেকে পদত্যাগ করে কত সালে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
কোয়ালিশন সরকার
যখন একটি দেশে আইনসভার নির্বাচনে কোন বৃহৎ রাজনৈতিক দল এককভাবে নির্বাচনে সরকার গঠনের জন্য প্রয়ােজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভে সক্ষম হতে ব্যর্থ হয় তখন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজনৈতিক দলগুলাে- সবাই মিলে যে সরকার গঠন করে তাকে কোয়ালিশন বা সম্মিলিত সরকার বলে। ভারত, বাংলাদেশ প্রভৃতি দেশে কোয়ালিশন সরকার গঠন করা হয়।

- ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তফ্রন্ট সরকারের কৃষিমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগের কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয়।
- এর মাত্র এক সপ্তাহ পর পশ্চিম পাকিস্তানের কয়েকটি দলের সঙ্গে কোয়ালিশন করে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন।
- ফলে প্রদেশ ও কেন্দ্র দুই স্থানেই আওয়ামী লীগের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।
- আওয়ামী লীগের উদ্যোগেই রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলা আনুষ্ঠানিক মর্যাদা লাভ করে, ২১শে ফেব্রুয়ারি 'শহিদ দিবস' ঘোষিত হয় জাতীয় ছুটির দিন, প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলা একাডেমি।
- আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বাঙালির অধিকার আদায় আন্দোলনকে বেগবান করা এবং সংগঠনকে আরো সুসংহত করার উদ্দেশ্যে ১৯৫৭ সালের ৩০ মে শেখ মুজিবুর রহমান স্বেচ্ছায় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট । 
১৫,৪৬৮.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব-এর ভাষণ’ বইটি সংকলন করেছেন কে?
  1. আকরাম আল হোসেন
  2. হাসানুজ্জামান সোহেল
  3. আকরাম হোসেন সামি
  4. শেখ রেহানা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব-এর ভাষণ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫৮টি ভাষণের সংকলন ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব-এর ভাষণ’ শীর্ষক একটি বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেছেন।
- বইটির ভূমিকা লিখেছেন প্রধানমন্ত্রী।
- এতে প্রতিটি বক্তৃতার সম্পূর্ণ অডিও সংস্করণের কিউআর কোড অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- বইটি প্রকাশ করেছে মাওলা ব্রাদার্স।
- বইটি সংকলন করেছেন আকরাম-আল-হোসেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। [ লিঙ্ক]
১৫,৪৬৯.
ইয়াক -১৩০ (YAK 130) কী?
  1. যুদ্ধ জাহাজ
  2. যুদ্ধ বিমান
  3. ক্ষেপণাস্ত্র
  4. সামরিক ড্রোন
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রামে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত:
- ২০২৪ সালের ৯ মে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী জানিয়েছে তাদের একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধ বিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় দুর্ঘটনায় পড়েছে।
- এ ঘটনায় একজন পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। একই মডেলের আরেকটি বিমান ২০১৭ সালেও চট্টগ্রামের লোহাগড়ায় বিধ্বস্ত হয়েছিলো। 
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি ইয়াক-১৩০ (YAK 130) প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। 
- বিমানটিতে আগুন লেগে কালো ধোঁয়া বের হয়। এরপরপরই আগুন লেগে যেতে দেখা যায় বিমানটিতে।
- তখনি পাইলটরা প্যারাসুট বেয়ে নিচে কর্ণফুলী নদীতে পড়েন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা।
১৫,৪৭০.
কত সালে শরীফ কমিশনের রিপোর্ট সরকারের নিকট পেশ করা হয়?
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা
শরীফ শিক্ষা কমিশন:
- ঔপনিবেশিক আমলে প্রবর্তিত শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও পূর্ণগঠনের যথাযোগ্য পন্থা সুপারিশ করার জন্য ১৯৫৮ সালে ৩০শে ডিসেম্বর জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।
- এস.এম শরীফকে এ জাতীয় শিক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়।
- তাঁর নামানুসারে এ কমিশন শরীফ কমিশন নামেও পরিচিত।
- এ কমিশন ১৯৫৯ সালের ডিসেম্বর মাসে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করেন।
- তবে শিক্ষা সম্পর্কে শরীফ কমিশনের প্রতিবেদন ১৯৬২ সালের সবার সামনে প্রকাশিত হলে প্রতিবাদের ঝড় উঠে।
- ভাষা আন্দোলনের বিয়োগান্তক স্মৃতি যখন এদেশবাসীর মনে তখনও উজ্জ্বল-ঠিক তখন 'উর্দুকে জনগণের ভাষায় পরিণত করার প্রস্তাব করে।
- আরবি এবং পরে রোমান বর্ণমালায় বা হরফে লিপিবদ্ধ করার প্রস্তাব বাঙালি জনগণ মেনে নিতে পারেনি।
- ছাত্র-শিক্ষক- বুদ্ধিজীবী-তথা সমগ্র বাঙালি জনগণই শরীফ কমিশনের সুপারিশ ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৭১.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এডিপিতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয় কোন খাতে?
  1. কৃষি
  2. স্বাস্থ্য
  3. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
  4. গৃহায়ণ খাতে
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এডিপিতে বরাদ্দ:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বিনিয়োগ নিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের পর্যালোচনা থেকে জানা গেছে যে, অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় চলতি অর্থবছরের এডিপি বরাদ্দে গৃহায়ণ খাতে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্লট-ফ্ল্যাটের জন্য এই খাতে বরাদ্দ বেড়েছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় এই অর্থবছরে ‘গৃহায়ণ ও কমিউনিটি সুবিধাবলি’ খাতে মোট এডিপির ২ দশমিক ৩ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল। 
- অথচ এ খাতে বিনিয়োগ করা হয় মোট এডিপির ১০ দশমিক ২৮ শতাংশ। 

অন্যদিকে -
- কৃষি, স্বাস্থ্য ও সাধারণ সরকারি সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বরাদ্দ কমানো হয়েছে।
- পরিকল্পনা কমিশনের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের এডিপির আকার ২ লাখ ৭৪ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় চলতি অর্থবছর সাধারণ সরকারি সেবা খাতে মোট এডিপির ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বরাদ্দ রাখার কথা।
- কিন্তু রাখা হয় ১ শতাংশের নিচে।
- কৃষি খাতে মোট এডিপির ১১ দশমিক ৫ শতাংশ অর্থ বরাদ্দের প্রতিশ্রুতি থাকলেও দেওয়া হয় ৪ দশমিক ০৭ শতাংশ।
- এ ছাড়া স্বাস্থ্য খাতে ১১ দশমিক ১ শতাংশের বিপরীতে ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
- এদিকে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে এডিপির ১৭ দশমিক ৪ ভাগ রাখার কথা।
- কিন্তু বরাদ্দ দেওয়া হয় এডিপির প্রায় ২৯ ভাগ।
- বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে এডিপির ১৪ দশমিক ৮ ভাগ বরাদ্দ রাখার কথা থাকলেও দেওয়া হয় প্রায় ১৭ ভাগ।

উৎস: ২৪ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
১৫,৪৭২.
যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কবে?
  1. ২৮ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ৭ মে, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
⇒ যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।

বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১৫,৪৭৩.
বাংলাদেশের জাতীয় নিরাপত্তা ও সংহতির প্রতীক -
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. স্পিকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংহতির প্রতীক:
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় নিরাপত্তা এবং জাতীয় সংহতির প্রতীক।
- জাতীয় প্রতিরক্ষা তার অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।
- সংকটকালে সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষা দপ্তর প্রধানমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে আসে।
- জাতীয় নিরাপত্তা এবং রাষ্ট্রের সংহতির জন্য তিনি সম্ভাব্য সবকিছু করে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,৪৭৪.
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার 'দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার ২০২৪' প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছ আহরণে বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান:

- মিঠা পানির মাছ আহরণে বর্তমানে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) দ্য স্টেট অব ওয়ার্ল্ড ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকোয়াকালচার ২০২৪ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী -
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে ২য় অবস্থানে রয়েছে।

এছাড়াও,
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম।
- ক্রাস্টাশিয়ান্স উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।
- সামুদ্রিক মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম।

উৎস: i) FAO ওয়েবসাইট।
         ii) ৯ জুন, ২০২৪, প্রথম আলো।
১৫,৪৭৫.
কোন রাজবংশের শাসনামলে নালন্দা মহাবিহারের নির্মাণ হয়?
  1. পাল
  2. গুপ্ত
  3. সেন
  4. মৌর্য
ব্যাখ্যা
নালন্দা মহাবিহার:
- প্রাচীন ভারতের খ্যাতনামা বৌদ্ধ মহাবিহার নালন্দা।
- নালন্দা মহাবিহার সাত শতকে প্রসিদ্ধি অর্জনকারী বৌদ্ধ শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র।
- ধারণা করা হয়, গুপ্ত সম্রাটরা এ মহাবিহারের নির্মাতা। 
- পঞ্চম শতাব্দী থেকে ১২০০ শতাব্দী পর্যন্ত এটি ছিল একটি বিখ্যাত শিক্ষাকেন্দ্র।
- বিহার প্রদেশের পাটনা থেকে ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং বিহার শরিফ শহরের কাছে এর অবস্থান।
- বিহারটি সম্পর্কে জানা যায় পর্যটক জুয়ান জাং ও ইজিংয়ের লেখা ভ্রমণ-বিবরণী থেকে।
- তাঁরা সপ্তম শতাব্দীতে নালন্দায় ভ্রমণ করেন।
- চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং পড়াশোনার জন্য এখানে কয়েক বছর অতিবাহিত করেন।
- নালন্দার পন্ডিতগণ ছিলেন স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত।
- হিউয়েন-সাং যখন নালন্দায় ছিলেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ।
- শীলভদ্র ছিলেন সর্বপ্রথম বাঙালি বৌদ্ধ শিক্ষক যিনি বাংলার বাইরে এরূপ দুর্লভ সম্মান অর্জন করেন।
- হিউয়েন-সাং নিজেও শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিহারটি ইউনেসকো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৭৬.
খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীরা বাংলাদেশের কোথায় বসবাস করে না?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. পটুয়াখালী
  4. মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
খাসিয়া
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
- এক কালে এ উপজাতিরা ছিল যাযাবর। 
- তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট জেলায় তাদের বসবাস।
- হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার সীমান্তে ৫টি, মৌলভীবাজারে ৬১টি এবং বর্তমান সিলেট জেলায় ৭টি খাসিয়া পুঞ্জি রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পটুয়াখালী জেলায় রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৫,৪৭৭.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. সৌরভ
  2. ড্রামহেড
  3. চমক
  4. মোহর
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৫,৪৭৮.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কে 'দ্য হেগ অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেছেন?
  1. শেখ হাসিনা
  2. নাসরিন সুলতানা
  3. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া
  4. ফেরদৌসী কাদরী
ব্যাখ্যা
দ্য হেগ অ্যাওয়ার্ড:
- ২০১৩ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে OPCW কনভেনশনের উদ্দেশ্যগুলোর সাথে সম্পর্কিত বিশ্বজুড়ে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে তাঁদের স্বতন্ত্র কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
- বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া ‘OPCW-The Hague Award’ এ ভূষিত হয়েছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ড. সৈয়দা সুলতানা রাজিয়া  এ পুরস্কার অর্জন করেন।
- রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার (OPCW) মহাপরিচালক, রাষ্ট্রদূত ফার্নান্দো আরিয়াস এবং ডাচ সরকারের পক্ষে রাষ্ট্রদূত হেঙ্ক ভ্যান ডার কোয়াস্ট, OPCW-এর ২৮তম বার্ষিক সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যৌথভাবে তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
- এবছর OPCW-The Hague Award এর সহ-প্রাপক ছিলেন আফ্রিকান সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির পরিচালক হুবার্ট কে ফয় এবং সুইজারল্যান্ডের স্পিজ ল্যাবরেটরি।
- ড. রাজিয়াকে বাংলাদেশে রাসায়ানিক সুরক্ষা এবং সুরক্ষার উন্নয়নে অবদান এবং এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডের সদস্য হিসেবে তাঁর ভূমিকার জন্য এ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- তিনি OPCW-এর বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা বোর্ডে ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন এবং ‘রাসায়নিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব সুরক্ষিত’ করার জন্য নতুন জ্ঞান সৃজনে অবদান রেখেছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে ক্লাইমেট মোবিলিটি চ্যাম্পিয়ন লিডার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে – প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
১৫,৪৭৯.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ১৯৭৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
- LDC (Least Developed Countries) হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন কর্তৃক ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৬টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করবে।
(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
১৫,৪৮০.
'ছায়া প্রেমী' অর্থনৈতিক ফসল কোনটি?
  1. পাট
  2. আলু
  3. গম
  4. চা
ব্যাখ্যা

- 'ছায়া প্রেমী' অর্থনৈতিক ফসল বলতে চা গাছকে বোঝানো হয়।
- চা গাছের জন্য অতিরিক্ত তাপ ও সরাসরি সূর্যালোক থেকে রক্ষা পেতে ছায়াযুক্ত পরিবেশে ভালোভাবে বৃদ্ধি পায়।
- এ কারণে চা গাছকে ছায়া প্রেমী ফসল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

• চা চাষ:
- চা চাষের জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু বিশেষ উপযোগী।
- সাধারণত যেসব স্থানে ২৬০-২৮° সেলসিয়াস তাপমাত্রা থাকে সেসব স্থান চা চাষের উপযুক্ত।
- গাছের বৃদ্ধিকালীন সময়ে ২০° সেলসিয়াস এর অধিক তাপমাত্রা প্রয়োজন।
- চা চাষের জন্য ১৭৫ - ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত এবং বাতাসের আর্দ্রতা ৭০-৯০% আবশ্যক।
- বাংলাদেশে চা চাষের একটি অবিচ্ছেদ্য উপাদান হলো ছায়া গাছ।
- চা বাস্তুতন্ত্রের পরিবেশ পরিবর্তন, মাটির উর্বরতা সমৃদ্ধকরণ, তাপমাত্রা এবং বাষ্পীভবন ক্ষমতা হ্রাস, মাটির আর্দ্রতা সংরক্ষণ এবং কিছু পোকামাকড় ও রোগ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করার জন্য ছায়া গাছ অপরিহার্য, যা ইতিবাচকভাবে তাপীয়ভাবে প্রভাবিত করে।
- ছায়া গাছ চা গাছগুলিকে আংশিক ছায়া প্রদান করে, যা চা পাতার মান উন্নত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সঠিক ধরণের ছায়া গাছ এবং তাদের সঠিক ব্যবস্থাপনা সফল চা ফসল চাষের পূর্বশর্ত।
- অতিবৃষ্টি এবং অনাবৃষ্টি বা খরা কোনোটিই চা গাছের জন্য উপযুক্ত নয়।
- চা গাছের জন্য যেমন প্রচুর পানি প্রয়োজন তেমনি উপযুক্ত নিষ্কাশনের ব্যবস্থাও থাকতে হয়।

উৎস: বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাপিডিয়া ও ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৪৮১.
NIPORT-- কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে কার্যক্রম পরিচালনা করে?
  1. ক) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. খ) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. গ) তথ্য মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যান মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট)
১৫,৪৮২.
সম্প্রতি বিবিসির ১০০ প্রভাবশালী নারীর তালিকায় কোন বাংলাদেশী স্থান পায়?
  1. ইসরাত সাদিয়া
  2. জান্নাতুল ফেরদৌস
  3. সিদরাতুল মুনতাহা
  4. হুমায়রা আমিন
ব্যাখ্যা
১০০ প্রভাবশালী নারী:
- বিবিসি ২০২৩ সালে পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী ও প্রেরণাদায়ী ১০০ জন নারীর তালিকা প্রকাশ করেছে।
- তাদের মধ্যে আছেন মানবাধিকার আইনজীবী আমাল ক্লুনি, হলিউড তারকা আমেরিকা ফেরেরা, নারীবাদী আইকন গ্লোরিয়া স্টেইনহেম, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা, সৌন্দর্য বিষয়ক উদ্যোক্তা হুদা কাতান এবং ব্যালন ডি'অর বিজয়ী ফুটবলার আইতানা বনমাতি।
- বিশ্বজুড়ে চরম উষ্ণতা, দাবানল, বন্যা এবং অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ এ বছরের আলোচিত বিষয় ছিল।
- এবারের তালিকায় এমন নারীদের স্থান দেয়া হয়েছে যারা তাদের নিজ নিজ কমিউনিটিতে জলবায়ু পরিবর্তন এবং এর ক্ষতিকর প্রভাবগুলি মোকাবেলায় কাজ করছেন৷
- জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনের (কপ২৮) আগে প্রকাশিত এবারের তালিকায় স্থান পাওয়া ১০০ জনের মধ্যে ২৮ জনই জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করেন।

উল্লেখ্য,
- বিবিসির করা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ও অনুপ্রেরণাদায়ী নারীর তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের জান্নাতুল ফেরদৌস।
- তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী। 
- তিনি ভয়েস অ্যান্ড ভিউজ নামে একটি মানবাধিকার সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস: i) ২১ নভেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
         ii) ২২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১৫,৪৮৩.
নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটে-
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ:
- ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলের শুরু থেকে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার বিতর্ক শুরু হয়।
- ১৭৯৩ সালে প্রণীত রেগুলেশন ৩-এর মাধ্যমে গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস কালেক্টরের বিচার করার ক্ষমতা রহিত করেন।
- এর ফলে দেওয়ানি আদালতের বিচারক জজ-ম্যাজিস্ট্রেট নামে অভিহিত হন।
- জেলা পর্যায়ে এ দুই বিভাগকে পৃথকীকরণের বিষয়টি ১৮২৮ সাল পর্যন্ত বহুল বিতর্কিত ছিল।
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত চলমান বিতর্কের অবসান ঘটে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর।
- মাজদার হোসেন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায়ের মাধ্যমে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৮৪.
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ক) ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৫৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১৫,৪৮৫.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম কোন সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. পঞ্চম
  2. ষষ্ঠ
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম
ব্যাখ্যা

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার আইন পাস হয়।
- ১৯৯৬ সালের ৩০ মার্চ বিচারপতি হাবিবুর রহমান কে প্রধান উপদেষ্টা করে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠিত হয়।
- সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সাংবিধানিকভাবে অনুষ্ঠিত প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন।

উল্লেখ্য,
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস:- আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৪৮৬.
হাজং সম্প্রদায়ের বসবাস কোথায়?
  1. ক) শেরপুর
  2. খ) জামালপুর
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়। এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- তারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ মাটির পোকা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৮৭.
বাংলাদেশের জিডিপিতে বৃহৎ খাত কোনটি?
  1. সেবা খাত
  2. শিল্প খাত
  3. কৃষি খাত
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে খাত ভিত্তিক ৩ টি বৃহৎ খাতে (সেবা, কৃষি ও শিল্প) ভাগ করা হয়েছে।
- সার্বিকভাবে বাংলাদেশের জিডিপি ১৫ টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৫ টি খাতের মধ্যে আবার ৬ টি খাতের উপখাত রয়েছে।
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত – সেবাখাত (৯টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং
- ছোট খাত – কৃষিখাত (২টি খাত নিয়ে গঠিত)।

তথ্যসূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২১।

১৫,৪৮৮.
বাংলাদেশের কোন রপ্তানী প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চলে (EPZ) সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) সাভার
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা
• শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
• বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি মোট ৮টি ইপিজেড রয়েছে; যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 
সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - চট্টগ্রাম ইপিজেডে;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ১৫৪টি।
• দ্বিতীয় - ঢাকা ইপিজেড;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ৯২টি।
• সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে - ঈশ্বরদী ইপিজেডের;
- উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা - ২০টি। 
• এছাড়াও বেপজা চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায় ১,১৩৮ একর জমিতে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে একটি  অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। 

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১৫,৪৮৯.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. আত্মরক্ষা
  2. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  3. বৈশ্বিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা
  4. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা
পররাষ্ট্রনীতি (Foreign Policy):
- পররাষ্ট্রনীতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নীতির সম্প্রসারণ।
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে। 

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্যসমূহ: 

১. আত্মরক্ষা। 
২. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি।  
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনে বৃদ্ধি করা।  
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা।  
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা। 

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৪৯০.
’প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে রয়েছে- 
  1. অনুচ্ছেদ- ৩
  2. অনুচ্ছেদ- ২
  3. অনুচ্ছেদ- ২(ক)
  4. অনুচ্ছেদ- ৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ : 
- অনুচ্ছেদ- ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ- ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ- ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম।
- অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷
- অনুচ্ছেদে- ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৫,৪৯১.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংকলন গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) শামসুর রাহমান
  2. খ) হাসান হাফিজুর রহমান
  3. গ) হাসান আজিজুল হক
  4. ঘ) সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ 'একুশে ফেব্রুয়ারী'।
-  ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।
- কর্মজীবনে হাসান হাফিজুর রহমান শিক্ষকতা, সাংবাদিকতা, সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তরে চাকরি এমন বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। 
- ১৯৫২ সালে সাপ্তাহিক  বেগম পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। পরে  সওগাত (১৯৫৩), ইত্তেহাদ (১৯৫৫-১৯৫৭), পাকিস্তান  (১৯৬৫) এবং স্বাধীনতার পর দৈনিক বাংলা পত্রিকায় কাজ করেন। 
-  ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন। তিনি পাকিস্তান আমলে পাকিস্তানীদের নিয়ন্ত্রিত পত্রিকায় সাংবাদিকতা করলেও গণচেতনা ও গণদাবির প্রতি সর্বদা শ্রদ্ধাশীল ছিলেন।
- হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ১৬ খন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র (১৯৮২-৮৩) প্রকাশিত হয়।  


উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ); বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪৯২.
বর্তমানে দেশে মোট জিআই পণ্য কয়টি?
  1. ১৭টি
  2. ১৮টি
  3. ২০টি
  4. ২১টি
ব্যাখ্যা
জিআই পণ্য:
- কোনো একটি দেশের নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের মাটি, পানি, আবহাওয়ার প্রেক্ষাপটে সেখানকার জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি যদি কোনো একটি পণ্য উৎপাদনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তাহলে সেটিকে সেই দেশের জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (নিবন্ধন ও সুরক্ষা) আইন পাস হয় ২০১৩ সালে।
- বর্তমানে দেশে মোট জিআই পণ্য ২১টি।
- দেশের প্রথম জিআই পণ্য হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি। 

উল্লেখ্য -
- সম্প্রতি দেশের চারটি পণ্য সর্বশেষ জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। 
- নতুন জিআই স্বীকৃতি পাওয়া চারটি পণ্য হলো: টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলের খাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

বাংলাদেশে যেসব পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেয়েছে:
- জামদানি, ইলিশ, ক্ষীরশাপাতি আম, মসলিন, বাগদা চিংড়ি, কালিজিরা চাল, বিজয়পুরের সাদা মাটি, রাজশাহীর সিল্ক, রংপুরের শতরঞ্জি, দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম, শীতলপাটি, বগুড়ার দই, শেরপুরের তুলসীমালা ধান, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া আম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আশ্বিনা আম, নাটোরের কাঁচাগোল্লা, টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ির চমচম, কুমিল্লার রসমালাই, কুষ্টিয়ার তিলেখাজা এবং বাংলাদেশ ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল।

উৎস: ১ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
১৫,৪৯৩.
জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস হয়েছে কোন সালে?
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭:
- ১৯৪৭ সালে ভারত বর্ষ ভাগ হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আঘাতটাই আসে বাংলা ভাষার ওপর।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনেই স্বাধীনতার বীজ বপন করা হয়েছিল, যা অঙ্কুরিত হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পরিপূর্ণতা লাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- স্বাধীনতার পরপর সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রয়োগের জন্য একাধিক পরিপত্র জারি করা হয়।
- সর্বোপরি ১৯৮৭ সালে বাংলা ভাষার প্রচলন আইন সংসদ কর্তৃক পাশ হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।
- ঐ আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখিত হবে।
- এই ধারা মোতাবেক কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন তা হলে তা বেআইনি ও অকার্যকর বলিয়া গণ্য হবে।’

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৪৯৪.
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের অগ্রদূত বলা হয় কাকে?
  1. ক) স্যামসন এইচ চৌধুরী
  2. খ) নুরুল কাদের খান
  3. গ) মঞ্জুরুল আহসান মুন্সি
  4. ঘ) ইয়ার মোহাম্মদ খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্প জন্মলাভ করে বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে। এ শিল্পের অগ্রদূত হলেন প্রয়াত নুরুল কাদের খান।
তিনিই প্রথম ‘দেশ গার্মেন্টস’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ১৯৭৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় ১৩০ জন শ্রমিককে প্রশিক্ষিত করে তাদের মাধ্যমে দেশে রপ্তানিমুখী গার্মেন্টস শিল্পের যাত্রা শুরু করেন।
সেই সূচনা থেকে বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশে উন্নীত হয়েছে।
(সূত্র: বিজিএমইএ ওয়েবসাইট)
১৫,৪৯৫.
সংসদীয় ভাষায় 'বিল' বলতে বোঝায়-
  1. ক) রাষ্ট্রীয় খরচের হিসাব
  2. খ) সরকারী ক্রয়াদেশে
  3. গ) উন্নয়নের জন্য গৃহীত প্রস্তাব
  4. ঘ) আইনের খসড়া
ব্যাখ্যা

আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়। জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।
সরকারি বিল মন্ত্রিগণ উত্থাপন করেন এবং বেসরকারি বিল জাতীয় সংসদের সাধারণ সদস্যগণ উত্থাপন করেন।
সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন এবং বেসরকারি বিলের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক

১৫,৪৯৬.
প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. ক) স্পীকার
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) আইনমন্ত্রী
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী -
- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান
১৫,৪৯৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ক) ৭৫
  2. খ) ৭৬
  3. গ) ৭৭
  4. ঘ) ৭৮
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান প্রণীত হয়। এ সংবিধানের অনুচ্ছেদ-৭৭ এ ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি করা হয়। বাংলাদেশ সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ন্যায়পাল পদ সৃষ্টি। জাতীয় সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পাল পদ প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন। ন্যায়পাল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের সমান ক্ষমতার অধিকারী হবেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৪৯৮.
বাংলাদেশের বনাঞ্চলের মোট আয়তন কত? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. ২০.৭৫ লক্ষ হেক্টর
  2. ২২.৭৫ লক্ষ হেক্টর
  3. ২৫.৭৫ লক্ষ হেক্টর
  4. ২৭.৭৫ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
বনাঞ্চল:
- বাংলাদেশের মোট আয়তনের ১৫ দশমিক ৫৮ শতাংশ এলাকায় বনভূমি রয়েছে।
- এর মধ্যে বন অধিদপ্তর নিয়ন্ত্রিত বনভূমির পরিমাণ ১০ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
- বাংলাদেশে সংরক্ষিত বনের পরিমাণ ১৫.৫ লক্ষ হেক্টর।
- বাংলাদেশের বনাঞ্চলের মোট আয়তন ২৫৭৫১৯৬.০১ হেক্টর বা ২৫.৭৫ লক্ষ হেক্টর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি. এবং বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৬ লক্ষ হেক্টর।
- ভৌগলিক অবস্থান ও জলবায়ুর তারতম্যের কারণে বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের বনাঞ্চল রয়েছে।
- যেমন- পাহাড়ী বন, প্রাকৃতিক ম্যনগ্রোভ বন, সৃজিত উপকূলীয় বন, শাল বন, জলাভূমির বন ইত্যাদি।
- বর্তমানে দেশের মোট আয়তনের মোট ১৩.২৮% এলাকা বৃক্ষাচ্ছাদিত।
- বনভূমি ছাড়াও দেশের গ্রাম এলাকায় প্রচুর গাছপালা রয়েছে।

উৎস: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৫,৪৯৯.
নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে -
  1. ক) ধর্মীয় সংগঠন
  2. খ) সুশীল সমাজ
  3. গ) রাজনৈতিক দল
  4. ঘ) এনজিও
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল জনসমষ্টি, ঐক্যবদ্ধনীতি এবং জাতীয় স্বার্থ অর্জনের জন্য সংঘবদ্ধ।
- রাজনৈতিক দল মূলত একটি সংগঠন।
- রাজনৈতিক সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করে দলীয় নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হয়ে রাজনৈতিক দল ক্ষমতা দখল করতে প্রয়াসী হয়
- এছাড়া, পরাধীন দেশের রাজনৈতিক দল জনগণকে স্বাধীনতার প্রেরণা দান করে এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম পরিচালনা করে।

• রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য:
১। রাজনৈতিক দল কিছু সংখ্যক মানুষের একটি রাজনৈতিক সংগঠন ।
২। রাজনৈতিক দলের সদস্যগণ কম-বেশি একইরূপ আদর্শ ও নীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে একত্রিত হয় ।
৩। রাজনৈতিক দল নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা করে ।
৪ । জনমতের দিকে লক্ষ্য রেখে রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন ও প্রচার, নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন এবং জয়লাভের চেষ্টা করে ।
৫। রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ দলীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে থাকে ।
৬। রাজনৈতিক দল দলীয় নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করতে চায়।

• বস্তুত সংগঠন, কর্মসূচি ও ক্ষমতালাভ রাজনৈতিক দলের মূল বৈশিষ্ট্য ।

সূত্র: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৫০০.
জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে): [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) ১,১১৬ জন
  2. খ) ১০২৪ জন
  3. গ) ১১৬৩ জন
  4. ঘ) ১২০৮ জন
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯