বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫৪ / ৩০৬ · ১৫,৩০১১৫,৪০০ / ৩০,৮৩২

১৫,৩০১.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ পাঠ করতেন কে?
  1. ক) আবদুল মান্নান
  2. খ) কামাল লোহানী
  3. গ) এম আর আখতার মুকুল
  4. ঘ) বেলাল আহমেদ
ব্যাখ্যা
- চরমপত্র হলো একটি কথিকা যা ১৯৭১ সালের ২৫ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো।
- এটির পরিচালক, লেখক ও কথক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল।
- ঢাকাইয়া ভাষায় তার এ অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক ভোরের কাগজ)
১৫,৩০২.
বেগম রোকেয়া মুসলিম নারীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশের উদ্দেশ্যে ১৯১৬ সালে কোন সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. বঙ্গ মহিলা সমিতি
  2. নারী মুক্তি সমিতি
  3. আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম
  4. মুসলিম নারী সংস্থা
ব্যাখ্যা
• সমাজসেবায় বেগম রোকেয়া:
- মুসলিম নারী জ্ঞান-বিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠা লাভ করুক, আত্মনির্ভরশীল হয়ে মাথা তুলে দাড়াক, সামাজিক কর্মকান্ডে পুরুষের মত নারীও সমান অবদান রাখতে সক্ষম হোক এটা ছিল তাঁর স্বপ্ন।
- মুসলিম নারীদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ, স্বাবলম্বী মনোভাব সৃষ্টি সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বেগম রোকেয়া ১৯১৬ সালে "আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম" বা মুসলিম মহিলা সমিতি নামে একটি সংস্থা গড়ে তোলেন।
- এ সংস্থার মাধ্যমে তিনি নারী মুক্তি আন্দোলন শুরু করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র- এইচএসসি প্রোগ্রাম-উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩০৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বয়সের বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ৬(১) নং
  2. ৪৮(৪) নং
  3. ৬৬(১) নং
  4. ১৯(১) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৬(১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
অন্যদিকে,
- ৪৮(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ১৯(১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫,৩০৪.
চলতি অর্থবছরে কত লক্ষ হেক্টর জমি পানি সেচের আওতায় এসেছে?
  1. ক) ৬০.৪৩
  2. খ) ৫৬.৩০
  3. গ) ৪৯.৯৮
  4. ঘ) ৬৫.২৩
ব্যাখ্যা

চলতি বছর ৫৬.৩০ লক্ষ হেক্টর জমি পানি সেচের আওতায় এসেছে যা গত বছরের(৫৬.২৭ লক্ষ হেক্টর) তুলনায় ০.০৩ লক্ষ হেক্টর বেশি ।
- বর্তমানে পানি সেচ দেওয়ার মাধ্যমগুলোতে হল: গভীর নলকূপ, উন্মুক্ত জলাশয়, অগভীর নলকূপ/ সারফেস ওয়াটার ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

১৫,৩০৫.
'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ৪৪
  2. ৪৫
  3. ৪৬
  4. ৪৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ - ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ
১. এই ভাগে প্রদত্ত অধিকারসমূহ বলবৎ করার  জন্য এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা রুজু করার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হল।
২. এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীন হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতার হানি না ঘটিয়ে সংসদ আইনের দ্বারা অন্য কোন আদালতকে তার এখতিয়ারের স্থানীয় সীমার মধ্যে ঐ সকল বা তার যে কোন ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষমতা দান করিতে পারবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ - ৪৫ : শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
- অনুচ্ছেদ - ৪৬ : দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ - ৪৭ : কতিপয় আইনের হেফাজত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১৫,৩০৬.
দেশে 'E-TIN' চালু করা হয় কত সালে? 
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৪ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

E-TIN:
- E-TIN এর পূর্ণরূপ: Electronic Taxpayer's Identification Number.
-'E-TIN' চালু করা হয় ২০১৩ সালে।
- এটি আয়কর নিবন্ধন আধুনিক সংস্করণ।
- এটি ১২ ডিজিটের ১টি নম্বর।
- একজন করদাতাকে সহজে, ঘরেবসে অনলাইনে নিবন্ধন পেতে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
- www. incometax.gov.bd এই সাইট গেলে ই-টিআইএন নিবন্ধন নেওয়া যাবে।

উৎস: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৫,৩০৭.
নিচের ভাষা শহীদের মধ্যে সবার শেষে শহীদ হন কে?
  1. ক) আবুল বরকত
  2. খ) রফিকউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আব্দুস সালাম
  4. ঘ) আব্দুল জব্বার
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্ররা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে মিছিল বের করলে এতে পুলিশ গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ এবং আব্দুল জব্বার সহ আরো অনেকে শহিদ হন। আব্দুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ই এপ্রিল মারা যান। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫,৩০৮.
বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা -
  1. ক) বখতিয়ার খলজী
  2. খ) ইলিয়াস শাহ
  3. গ) হুসেন শাহ
  4. ঘ) শিরান খলজী
ব্যাখ্যা
- বখতিয়ার খলজি নদীয়া আক্রমণ করেন ১২০৪ সালে। 
- তিনি বাংলার প্রথম মুসলিম বিজেতা।
- বখতিয়ার খলজি একজন তুর্কি বীর। তিনি আফগানিস্থানের অধিবাসী।
- ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের আবির্ভাব হয় ৭১২ খ্রিস্টাব্দে মোহম্মদ বিন কাসিমের সিন্ধু বিজয়ের মধ্য দিয়ে।
- সুলতান মাহমুদ ১০০০-১০২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ১৭ বার ভারতবর্ষ আক্রমণ করেন।

উৎস : ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)।
১৫,৩০৯.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মুখপাত্র হিসেবে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়?
  1. বাংলাদেশ
  2. মুজিব বার্তা
  3. মুক্তির ডাক
  4. জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
  • জয়বাংলা 
- মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র ছিলো- জয় বাংলা। 
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রকাশিত হতো- মুজিবনগর থেকে। 
- জয় বাংলা পত্রিকার প্রকাশক - আবদুল মান্নান । 
- জয় বাংলা পত্রিকার সম্পাদক – মতিন আহমদ চৌধুরী (ভারপ্রাপ্ত)। 
- জয় বাংলা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাকাল - ১১ মে ১৯৭১ (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
১৫,৩১০.
'ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. জামালপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর:
- 'ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর' ময়মনসিংহে অবস্থিত।

⇒ ভাষা শহীদ আব্দুল জব্বার ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও থানার পাঁচুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫২ সালে ক্যান্সারে আক্রান্ত শাশুড়ির চিকিৎসার জন্য তিনি স্ত্রী সহ ঢাকায় আসেন।
- ২০ ফেরুয়ারী শাশুড়ীকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে আবদুল জব্বার মেডিকেলের ছাত্রদের আবাসস্থল (ছাত্রব্যারাক-এ উঠেন।
- ১৯৫২ সালের ২১ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে ব্যাপক জনসমাবে ঘটে।
- আবদুল জব্বারও সমাবেশে যোগদেন।
- সেসময় ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশ গুলি চালালে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ২০০০সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
- বর্তমানে তার নামে একটি জাদুঘর ও শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলাধীন ০৬ নং রাওনা ইউনিয়নের “জব্বার নগর” (পাচুয়া) গ্রামে ভাষা শহীদ আঃ জব্বারের নিজ বাড়ীর নিকটে শহীদ জব্বার বেসরকারী রেজিষ্টার প্রাথমিক বিদ্যালয় ও শহীদ মিনারের পার্শ্বের জমিতে ২০০৭ সালে গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর নির্মান করা হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,৩১১.
প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
  1. গ্যাবন
  2. গাম্বিয়া
  3. সেনেগাল
  4. সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি)।
- মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
১৫,৩১২.
বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠার সাথে কোন নামটি জড়িত?
  1. আহসান মঞ্জিল
  2. রেসকোর্স মাঠ
  3. রোজ গার্ডেন
  4. কার্জন হল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি:
⇒ সভাপতি - মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
• সহ-সভাপতি - আতাউর রহমান খান।
• সহ-সভাপতি - শওকত হোসেন।
• সহ-সভাপতি - আলী আহমদ খান।
⇒ সাধারণ সম্পাদক - শামসুল হক।
• যুগ্ম-সম্পাদক - শেখ মুজিবুর রহমান।
• যুগ্ম-সম্পাদক - খন্দকার মোশতাক আহমদ।
• যুগ্ম-সম্পাদক - এ.কে রফিকুল হোসেন।
⇒ কোষাধ্যক্ষ - ইয়ার মোহাম্মদ খান।

- পরবর্তীতে ১৯৫৫ সালে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ করা হয়।
- ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দলটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্তি এ চারটি মূলনীতির উপর দলটি পরিচালিত হচ্ছে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশ পুনর্গঠন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দলটি অনবদ্য অবদান রেখেছে।
- ১৯৮১ সাল থেকে শেখ হাসিনা দলটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩১৩.
বাংলাদেশ-ভুটানের যৌথ উদ্যোগে দেশের কোন জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে? 
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া 
  3. কুড়িগ্রাম
  4. নীলফামারী
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও ভুটান আঞ্চলিক যোগাযোগ জোরদার করার লক্ষ্যে কুড়িগ্রাম-গেলেফু করিডোর উন্নয়নে সম্মত হয়েছে।
- বাংলাদেশ-ভুটানের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে।
- বাংলাদেশের সঙ্গে জিটুজি অংশীদারত্বে নির্মাণাধীন কুড়িগ্রাম স্পেশাল ইকোনমিক জোন ভুটানের আসন্ন 'গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি'র সঙ্গে যুক্ত হয়ে সীমান্ত-পারাপারের নতুন অর্থনৈতিক প্রবাহ সৃষ্টি করবে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১৫,৩১৪.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ অনুসারে, প্রত্যেক রাজনৈতিক দলে কত শতাংশ নারীদের অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে?
  1. ৩৩ শতাংশ
  2. ৩৪ শতাংশ
  3. ৩৫ শতাংশ
  4. ৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।
- ১৯৭৩ সালে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে আদেশটি অনুমোদন পায়।
- বাংলাদেশের সব কয়টি নির্বাচন হয়েছে ১৯৭২ সালে জারি করা রাষ্ট্রপতির আদেশ দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্য পিপল অর্ডার, ১৯৭২ (আরপিও) অনুযায়ী।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর সবচাইতে আলোচিত পরিবর্তন আনা হয় আদেশ এর Chapter-VI-এ এর মাধ্যমে। নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়।
- নিবন্ধনের শর্তগুলোতে মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজনীতিতে মহিলাদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলোতে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারীদের অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও)।
- ২০০৮ সালে নিবন্ধন নেওয়ার সময় দলগুলো তা পূরণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করতে পারেনি নিবন্ধিত দলগুলো।
- বর্তমান কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে দলের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার সময়সীমা ২০২০ এর পরিবর্তে ২০৩০ সাল করার প্রস্তাব দিয়েছে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) BBC.
১৫,৩১৫.
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালিত হয় কবে?
  1. ১৬ জুলাই
  2. ১৯ জুলাই
  3. ৫ আগস্ট
  4. ১০ আগস্ট
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস:
- ৫ আগস্ট 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
- বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' ও ১৬ই জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' হিসেবে ঘোষণা করেছে।
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দিন ৫ আগস্টকে 'জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস' ঘোষণা করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' ঘোষণা করা হয়েছে।
- ২৫ জুন, ২০২৫ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত পরিপত্র জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য:
- ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস 'ক' শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।
- ১৬ই জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' 'খ' শ্রেণিভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৫,৩১৬.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী, গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার -
  1. ১৬.৪%
  2. ১৭.৩%
  3. ১৮.৬%
  4. ২০.৫%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
১৫,৩১৭.
'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়েছিল কোন তারিখে?
  1. ক) ১ এপ্রিল
  2. খ) ১ জুলাই
  3. গ) ১ আগস্ট
  4. ঘ) ১ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ

- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটল্সের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
- তাতে মোট ৪০,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। কনসার্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

- কনসার্ট ফর বাংলাদেশে আয়োজক দুই তারকা ছাড়াও অংশ নেন বিটলসের রিংগো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেসটন, লিয়ন রাসেল। রবি শঙ্কর ছাড়াও সরোদ শিল্পী আলী আকবর খান অংশ নিয়েছিলেন এই কনসার্টে।
- এই কনসার্টটি পরিচালনা করেন পল সুইমার। 

- রবি শঙ্কর শুরুতে উদ্যোগটি থেকে বাংলাদেশের জন্য মাত্র ২৫,০০০ ডলার সংগ্রহের আশা করেছিলেন। তবে কনসার্টের টিকিট বিক্রি থেকেই সে সময়ে প্রায় আড়াই লক্ষ ডলারের কাছাকাছি আয় হয়েছিল।
- পরবর্তীতে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ লাইভ' নামে একটি অ্যালবামও প্রকাশ করা হয়।
- সংগৃহীত অর্থ ইউনিসেফের মাধ্যমে শরণার্থীদের প্রদান করা হয়। 

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো এবং বিবিসি।
১৫,৩১৮.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. দিনাজপুর
  3. নীলফামারী
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র - বেপজা ওয়েবসাইট।

১৫,৩১৯.
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫২
  3. ব্রি ধান ৫৭
  4. ব্রি ধান ৬৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৫,৩২০.
২০২৫ সালে 'মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি'তে কে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন?
  1. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  2. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  3. নভেরা আহমেদ
  4. মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৫,৩২১.
সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? [মে, ২০২৫]
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
কৃষিশুমারি: 
- বাংলাদেশে ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ছয়বার (১৯৬০, ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬, ২০০৮ ও ২০১৯) কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়েছে।
- সর্বশেষ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।
- স্বাধীন বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় ৫ বার।
- ০৯ জুন হতে ২০ জুন, ২০১৯ তারিখ পর্যন্ত সারা দেশে শহর ও পল্লী এলাকার সকল খানায় ও খামারে ৬ষ্ঠ বারের মত কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)-এর World Programme for the Census of Agriculture 2020 (WCA 2020) গাইডলাইন মোতাবেক কৃষি শুমারি ২০১৯ পরিচালিত হয়। 
- কৃষি শুমারি ২০১৯ এ Modular Approach পদ্ধতি অবলম্বন করে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৫,৩২২.
সরকার ঘোষিত মৎস্য অভয়াশ্রম কোনটি?
  1. সাঙ্গু নদী
  2. পদ্মা নদী
  3. তিস্তা নদী
  4. হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদী নদী সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- বাংলাদেশের সীমানায় উৎপত্তি ও সমাপ্তি হয়েছে হালদা নদী। 
- চট্টগ্রামে অবস্থিত হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- এটি খাগড়াছড়ি (বাদনাতলী) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলী নদীতে পতিত হয়েছে।
- সম্প্রতি সরকার এই নদীকে 'বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ' ঘোষণা করেছে।

তথ্যসূত্র - মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৫,৩২৩.
স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশে কৃষি শুমারি হয় কয়বার?
  1. ক) ৩ বার
  2. খ) ৪ বার
  3. গ) ৫ বার
  4. ঘ) ৬ বার
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
• তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
• কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।

• বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৫টি। এগুলো হল - 
- প্রথম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৭৭ সালে।
- দ্বিতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৮৩-৮৪ সালে।
- তৃতীয় কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ১৯৯৬ সালে।
- চতুর্থ কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০০৮ সালে।
- পঞ্চম কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয় : ২০১৯ সালে।

• সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
• এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
• বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস।
১৫,৩২৪.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় -
  1. ক) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
  2. খ) ১১ মার্চ, ১৯৫০
  3. গ) ২ মার্চ, ১৯৪৮
  4. ঘ) ১ অক্টোবর, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
• ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
• কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
• রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ১ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
• দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
• ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহবায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি , বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩২৫.
"আমার দেখা নয়াচীন” কে লিখেছেন?
  1. মওলানা ভাসানী
  2. আবুল ফজল
  3. শহীদুল্লা কায়সার
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
আমার দেখা নয়াচীন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা তৃতীয় বই আমার দেখা নয়াচীন।
- প্রকাশিত হয় ২০২০ সালে।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন।
- সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।

উৎস: ১৪ আগস্ট ২০২০,  প্রথম আলো। 
১৫,৩২৬.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো রিপোর্ট অনুযায়ী একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার কোন দেশ?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাজ্য
  4. চীন
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১৫,৩২৭.
Which one was the Naval Sector in the liberation war of Bangladesh?
  1. ক) 7
  2. খ) 9
  3. গ) 10
  4. ঘ) 11
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০নং সেক্টর।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- মুজিব নগর কত ৮নং সেক্টরের অধিনে ছিল।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসুত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩২৮.
'অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী' চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট কী?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. ১৯৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থান
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী:
- স্বাধীনতা-পরবর্তী মুক্তিযুদ্ধের দ্বিতীয় ছবি অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত হলেও বিষয়বস্তুতে অনন্যসাধারণ এই চলচ্চিত্রটি।
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’। 

⇒ 'লাঞ্ছিত নারীত্বের মর্যাদা দাও, নিষ্পাপ সন্তানদের বরণ কর'- এই স্লোগানে ১৯৭২ সালে প্রখ্যাত পরিচালক সুভাষ দত্ত নির্মাণ করেন অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী চলচ্চিত্রটি।
- ছবিটি মূলত একজন অভিনেতাকে কেন্দ্র করেই গড়ে ওঠে; যিনি যুদ্ধের বিভীষিকা থেকে রক্ষা পেতে পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে যান।
- কিন্তু দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শুরু হয় নিজের বিবেকের দংশন।
- এভাবেই এগিয়ে চলে ছবিটির গল্প।
- এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন ববিতা, উজ্জল, আনোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকে।

উৎস: বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
১৫,৩২৯.
বিকল্প নীতি প্রস্তাবের মাধ্যমে বিরোধী দল কী স্পষ্ট করতে পারে?
  1. বিচারব্যবস্থার অবস্থান
  2. সরকারের অবস্থান
  3. তাদের নিজস্ব অবস্থান
  4. আন্তর্জাতিক অবস্থান
ব্যাখ্যা

বিকল্প নীতি উত্থাপনঃ
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে।
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।
- রাষ্ট্রে অনেক ধরনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সমস্যা বিদ্যমান থাকে।
- এ ধরনের সমস্যাগুলো সমগ্র জনগোষ্ঠীর পক্ষে বিরোধীদল সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৩৩০.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল কবে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০১১ সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে।
- যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে এই স্ট্যাটাস লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।
- জ্যোতি বাংলাদেশের ইতিহাসে মেয়েদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম সেঞ্চুরিয়ান।
- এশিয়া কাপ শিরোপা জিতে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট মর্যাদা পায় ২০২১ সালে।

উৎস: বিসিবি ও Cricinfo ওয়েবসাইট।

১৫,৩৩১.
১৯৭০ এর নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কত দফাকে নির্বাচনী মেনিফেস্টো হিসেবে ঘোষণা করে?
  1. ১ দফা
  2. ৬ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ২১ দফা
ব্যাখ্যা
১৯৭০ এর নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অবশ্য ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দুর্গত ও উপকূলীয় এলাকায় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
- আওয়ামী লীগ দলীয় সভায় ১৯৭০ সালের ১ এপ্রিল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- একই বছরের ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের দলীয় নির্বাচনি প্রতীক হিসেবে 'নৌকা' পছন্দ করেন।
- আওয়ামী লীগ ছয় দফাকে নির্বাচনী মেনিফেস্টো হিসেবে ঘোষণা করে।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তান অংশের জন্য ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট বরাদ্দ ছিল ১৬৯টি আসন।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- অবশিষ্ট দুটি আসনের মধ্যে একটি আসন পি.ডি.পি. প্রধান নূরুল আমীন এবং অপর আসনটি লাভ করেন নির্দলীয় প্রার্থী চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় চৌধুরী।

তথ্যসূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৩২.
নিচের কোনটি সংবিধান প্রণয়নের প্রথম পদক্ষেপ?
  1. ক) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন
  2. খ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি
  3. গ) সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন
  4. ঘ) অস্থায়ী সংবিধান আদেশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন:
- বাঙালি জাতি রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রাম ও বহু তাজা প্রাণের বিনিময়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গঠিত মুজিবনগর সরকার স্বাধীনতার পর ঢাকা স্থানান্তরিত হয়।
- ঢাকায় এসে এ সরকার প্রকৃত শাসনভার গ্রহণ করে।
- প্রবাসী সরকারের রাষ্ট্রপ্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লন্ডন হয়ে ঢাকায় আসেন।
- তার পরের দিন অর্থাৎ ১১ জানুয়ারি "বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান অধ্যাদেশ" জারি করা হয়।
- এ আদেশ জারিই হল বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম পদক্ষেপ।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশে একটি নতুন ও সময়োপযোগী সংবিধান প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৩৩.
স্বাধীন দেশে প্রথম নাটক মঞ্চায়ন করে কোন নাট্যদল?
  1. থিয়েটার
  2. নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়
  3. আরণ্যক
  4. ঢাকা থিয়েটার
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মঞ্চনাটক:
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে বড় এক অর্জন যুক্ত হলো—মঞ্চনাটক। মুক্তিযুদ্ধের যে অসাম্প্রদায়িক চেতনা সেটা মঞ্চের মতো করে আর কোথাও সেভাবে চর্চিত হয়নি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশের মানুষের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা ও মানবিকবোধ জাগ্রত করার পেছনে নিরলস পরিশ্রম করেছেন এই অঙ্গনের যোদ্ধারা। এই সংস্কৃতিযোদ্ধাদের বেশির ভাগই ছিলেন রণাঙ্গনের যোদ্ধা। 

⇒ অস্ত্র হাতে যাঁরা স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছিলেন। ভারতে প্রশিক্ষণ নিতে গিয়ে কলকাতায় বিভিন্ন নাট্যদলের নাটক দেখে তাঁদের মনে হলো, নাটক হতে পারে একটি নিয়মিত চর্চার শিল্পমাধ্যম। স্বাধীনতার পরপরই তাঁদের প্রত্যেকেই ঝাঁপিয়ে পড়লেন মঞ্চে। তাঁদের হাত ধরেই পরবর্তী সময়ে বেড়ে ওঠে ‘গ্রুপ থিয়েটার’ আন্দোলন।

⇒ স্বাধীনতা পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই গঠিত হয় বেশ কয়েকটি নাটকের দল। ১৯৭২ সালেই প্রতিষ্ঠিত হয় নামকরা কয়েকটি নাটকের দল—থিয়েটার, নাট্যচক্র, আরণ্যক, নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় [দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬৮ সালে, প্রথম নাটক মঞ্চায়ন ১৯৭২-এ]। পরের বছর গড়ে ওঠে ঢাকা থিয়েটার ও চট্টগ্রাম থিয়েটার। 

⇒ স্বাধীন দেশে প্রথম নাটক মঞ্চায়ন করে আরণ্যক নাট্যদল।
- ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে তারা মঞ্চস্থ করে মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কবর’। প্রথম মঞ্চায়নের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন আলী যাকের, সুভাষ দত্ত, ইনামুল হক ও মামুনুর রশীদের মতো শিল্পীরা। তবে দর্শনীর বিনিময়ে প্রথম নাটক মঞ্চায়ন হয় পরের বছর। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের নাটকটির নাম ‘বাকি ইতিহাস’, মঞ্চস্থ হয় ১৯৭৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি।
- ‘বাকি ইতিহাস’ নতুন দিগন্তের উন্মোচন করে দেয় অন্য দলগুলোর জন্য।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

১৫,৩৩৪.
শহিদ আসাদ দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ১৯ জানুয়ারি
  2. ২০ জানুয়ারি
  3. ২১ জানুয়ারি
  4. ২২ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

→ শহিদ আসাদ দিবস পালিত হয় ২০ জানুয়ারি।

আসাদ দিবস:
- আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। 
- ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন। 
- ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
- আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন। 
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৫,৩৩৫.
নিচের কোনটি অর্থ বাজারের উপাদান নয়?
  1. ট্রেজারি বিল
  2. বন্ড
  3. পুণঃক্রয় চুক্তি
  4. বাণিজ্যিক কাগজ
ব্যাখ্যা
বন্ড অর্থ বাজারের উপাদান নয়। 

অর্থ বাজার (Money Market):

- অর্থ হলো এমন একটি বাজার যেখানে স্বল্পমেয়াদী (১ বছর বা তার চেয়ে কম সময়) আর্থিক সম্পদসমূহ ক্রয় বিক্রয় করা হয়।
- সুতরাং যে বাজারে স্বল্পমেয়াদি অর্থাৎ এক বছরের কম মেয়াদ সম্পন্ন আর্থিক সম্পদসমূহ লেনদেন হয় তাকে অর্থ বাজার বলে।

⇒ অর্থ বাজার নির্দিষ্ট কোন স্থানে কেন্দ্রীভূত থাকে না।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে অর্থ বাজার পরিচালিত হয় যেমন: কেন্দ্রীয় ব্যাংক, বাণিজ্যিক ব্যাংক ও নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।
- সাধারনত কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে এবং এটি সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী।
- অর্থ বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বাণিজ্যিক ব্যাংক, কারণ এটি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি শ্রেণিকে স্বল্পমেয়াদি ঋণ সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে অর্থ সরবরাহ করে থাকে।
- যেমন: ব্যাংক বাণিজ্যিক কাগজ বাট্টাকরণের মাধ্যমে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করে।
- আমাদের মনে রাখতে হবে যে, আর্থিক বাজারের প্রধান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হল কেন্দ্রিয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ অর্থ বাজার সিকিউরিটিজ/উপাদানসমূহ:
- অর্থ বাজারের উপাদানসমূহ হলো: ট্রেজারি বিল, বাণিজ্যিক কাগজ, ব্যাংকের স্বীকৃতিপত্র, পুণঃক্রয় চুক্তি, হস্তান্তরযোগ্য আমানত সার্টিফিকেট ইত্যাদি।

উৎস: i) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Investopedia.
১৫,৩৩৬.
পাংখোয়া জনগোষ্ঠী কোন ধর্মে বিশ্বাসী?
  1. মুসলিম
  2. হিন্দু
  3. খ্রিস্টান
  4. বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
পাংখোয়া:
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত অদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম।
- পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী বৌদ্ধ ধর্মে বিশ্বাসী।
-  তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত।
- তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’।
- খোজিং পূজা পাংখোয়া সমাজে সবচেয়ে বড় উৎসব হিসেবে বিবেচিত হয়।
- পাংখোয়া সমাজে পিতাই পরিবারের প্রধান।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠী দুটো গোত্রে বিভক্ত পাংখোয়া ও ভানজাঙ।
- পাংখোয়া জনগোষ্ঠীতেই মৃতদেহ কবর দেওয়ার রীতি প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৩৭.
বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. কৃষি মন্ত্রণালয়
  2. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য মন্ত্রণালয়
  4. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• স্পারসো:
​- বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
​- প্রতিষ্ঠানটির ম্যান্ডেট হচ্ছে- কৃষি, বন, মৎস্য, ভূতত্ত্ব, মানচিত্র অংকন, পানি সম্পদ, ভূমি ব্যবহার, আবহাওয়া, পরিবেশ, ভূগোল, সমুদ্র বিজ্ঞান, শিক্ষা এবং জ্ঞান ও বিজ্ঞানের অন্যান্য ক্ষেত্রে মহাকাশ ও দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা এবং উক্ত প্রযুক্তির উন্নয়ন ও ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য গবেষণা কাজ পরিচালনা করা।
​- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
​- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
​- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
​- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
​- মহাকাশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তন, কৃষি, বন, সমুদ্রবিজ্ঞান, মহাকাশ ও বায়ুমন্ডল, পানিসম্পদ বিষয়ে গবেষণার দ্বারা নিজস্ব সক্ষমতা উন্নীতকরণের মাধ্যমে অর্থনীতিকে শক্তিশালীকরণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ পরিবীক্ষণ ও পূর্বাভাস প্রদান করাই এর প্রধান উদ্দেশ্য।

উৎস: স্পারসো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫,৩৩৮.
পাংখোয়া উপজাতিদের ধর্ম বিশ্বাস কোনটি?
  1. ক) বৌদ্ধ
  2. খ) সাংসারেক
  3. গ) শিকাম
  4. ঘ) হিন্দু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১৩টি অদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্যে পাংখোয়া অন্যতম। পার্বত্য রাঙামাটি জেলার সাজেক উপত্যকা থেকে বান্দরবানের রুমা পর্যন্ত এবং পাশ্ববর্তী ভারতের মিজোরাম রাজ্য সংলগ্ন সীমান্ত এলাকায় পাংখোয়া জাতির বসবাস রয়েছে। পাংখোয়া জনগোষ্ঠী নিজেদের ধর্মবিশ্বাসে বৌদ্ধ বলে দাবি করে থাকে। তবে একাধিক আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মতো প্রকৃতি উপাসনাও পাংখোয়া সমাজে প্রচলিত। তাদের সৃষ্টিকর্তার নাম ‘পত্যেন’, যেমন লুসেইদের ‘পুথিয়ান’। বিশ্বসৃষ্টি সম্পর্কে তাদের সমাজে অনেক পৌরাণিক গল্পকাহিনী প্রচলিত আছে। সৃষ্টিকর্তা ‘পত্যেন’-এর পরই তাদের প্রধান উপাস্য দেবতার নাম ‘খোজিং’।
সূত্রঃ nrigostisanad.gov.bd
১৫,৩৩৯.
বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়? 
  1. কুমিল্লা 
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. সবগুলো 
ব্যাখ্যা

প্লাইস্টোসিন কালের সোপান:
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ হলো হিমবাহ যুগের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের ওঠানামা ও নদী উপত্যকার ক্ষয়-ক্ষতির ফলস্বরূপ গঠিত স্তরীভূত উঁচু ভূমি।
- এই সোপানসমূহ গঠিত হয়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠের বারবার ওঠানামা এবং নদীতে পলি জমার কারণে। 
- মাটি সাধারণত লালচে, স্তরীভূত ও অনুর্বর, যা ‘লাল মাটি’ নামে পরিচিত। 
- এগুলো প্রায় ২৫,০০০ বছর আগে গঠিত হয়েছিল এবং প্লাবনভূমির তুলনায় তুলনামূলকভাবে উঁচু ও কম প্লাবিত। 
- সোপানগুলো বেঞ্চের মতো স্তরীভূত গঠনযুক্ত এবং বাংলাদেশে প্লাইস্টোসিনকালের ভূ-প্রকৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়-
১) বরেন্দ্রভূমি;
২) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং
৩) লালমাই পাহাড়।

- বাংলাদেশে এগুলো দেখা যায়— 
- উত্তর-পশ্চিমের বরেন্দ্রভূমি (রাজশাহী, নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া, পাবনা),
- মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, গাজীপুর) এবং
- দক্ষিণ-পূর্বের কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা। 

১৫,৩৪০.
কোন মুঘল সম্রাটের সময় লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করা হয়েছিল?
  1. ক) আকবর
  2. খ) শাহজাহান
  3. গ) জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময় লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করা হয়েছিল। 

- লালবাগ দুর্গ মুগল প্রাসাদ দুর্গ। এটি আওরঙ্গাবাদ দুর্গ নামেও পরিচিত।
- পুরাতন ঢাকা নগরীর দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে দূর্গটির অবস্থান।
- নদীটি বর্তমানে আরও দক্ষিণে সরে গিয়ে দুর্গ থেকে বেশ খানিকটা দূর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। 

- যুবরাজ মুহম্মদ আজম বাংলার সুবাহদার থাকাকালীন ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- কিন্তু নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার আগেই আওরঙ্গজেব তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠান।
- তাঁর উত্তরসূরি শায়েস্তা খান ১৬৮৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ঢাকায় অবস্থান করলেও দুর্গের কাজ সমাপ্ত করেন নি।
- ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে শায়েস্তা খানের কন্যা বিবি পরী এখানে মারা গেলে দুর্গটিকে তিনি অপয়া হিসেবে বিবেচনা করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন।

উৎস : বাংলাপিডিয়া
১৫,৩৪১.
মুক্তিবাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি কী নামে পরিচিত?
  1. ​এস ফোর্স
  2. কে ফোর্স
  3. এন ফোর্স
  4. জেড ফোর্স
ব্যাখ্যা

জেড ফোর্স:
- জেড ফোর্স নামে পরিচিত মুক্তিবাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘জেড’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

​এস ফোর্স:
‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন সফিউল্লাহ।

​কে ফোর্স:
-‘কে ফোর্স’ ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে ৭ই অক্টোবর গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘কে’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৩৪২.
বাংলাদেশের কোন বিভাগে সর্বাধিক সংখ্যক উপজাতি বসবাস করে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মোট জনসংখ্যা আনুমানিক ৩১.৫ লক্ষ। এর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বাধিক ১৫ লক্ষ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৬ লক্ষ, ঢাকা বিভাগে ৩ লক্ষ, সিলেট বিভাগে ৩ লক্ষ, রংপুর বিভাগে ২ লক্ষ এবং বরিশাল ও খুলনা বিভাগে ২.৫ লক্ষ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১৫,৩৪৩.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেট দেশের কত তম পূর্ণকালীন বাজেট?
  1. ক) ৪৮তম
  2. খ) ৪৯তম
  3. গ) ৫১তম
  4. ঘ) ৫২তম
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের ঘোষিতব্য বাজেট হবে দেশের ৪৯ তম পূর্ণকালীন বাজেট। ১৯৭২ সালের জুন মাসে তাজউদ্দীন আহমেদ দেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন৷ ১৯৯৬ সালের ২০ জুন ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ একটি অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট পেশ করেন। এম সাইফুর রহমান ও আবুল মাল আব্দুল মুহিত সর্বোচ্চ ১২ টি করে বাজেট পেশ করেন। (সূত্রঃ অর্থ মন্ত্রণালয় এবং দৈনিক প্রথম আলো)
১৫,৩৪৪.
বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎচালিত যাত্রীবাহী বিমানের নাম কী?
  1. ক) রশিদ
  2. খ) ফ্যালকন
  3. গ) অ্যালিস
  4. ঘ) ড্রামাট্রো
ব্যাখ্যা
• সফলভাবে আকাশে উড়ল বিশ্বের প্রথম বিদ্যুৎচালিত যাত্রীবাহী বিমান।
• ‘অ্যালিস’ নামের বিমানটি ওয়াশিংটনের গ্রান্ট কাউন্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর আট মিনিট আকাশে ভ্রমণ করে।
• ইসরায়েলের কোম্পানি ইভিয়েশন এয়ারক্রাফট বিমানটি সফলভাবে আকাশে ওড়াতে সক্ষম হয়েছে।
• আট মিনিটের উদ্বোধনী ফ্লাইটে বিমানটি ৩ হাজার ৫০০ ফুট উচ্চতায় উঠেছিল।
• ৩০ মিনিট চার্জ দিলে নয়জন যাত্রী নিয়ে এক ঘণ্টায় প্রায় ৪৪০ নটিক্যাল মাইল উড়তে সক্ষম।
• বিমানটির সর্বোচ্চ গতি ২৫০ নট বা ঘণ্টায় ২৮৭ মাইল। একটি বোয়িং-৭৩৭ বিমানের সর্বোচ্চ গতি প্রতি ঘণ্টায় ৫৮৮ মাইল।
• ২০২৭ সাল নাগাদ বিমানটি বাজারে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং যুগান্তর।
১৫,৩৪৫.
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্যের অন্যতম প্রস্তাব কি?
  1. দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ
  2. সংসদের আসন বৃদ্ধি
  3. সংরক্ষিত নারী আসন বাতিল 
  4. পি আর (PR) চালু করা
ব্যাখ্যা

⇒ চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্যের অন্যতম প্রস্তাব দ্বি-স্তর বিশিষ্ট সংসদ।

♦ সংস্কার প্রস্তাব:
→ এই সংস্কারে বর্তমান এককক্ষ সংসদের পরিবর্তে নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং উচ্চকক্ষ (সিনেট) গঠিত হবে।
→ যাতে আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়া আরও সুষ্ঠু, জনকেন্দ্রিক এবং চেক-অ্যান্ড-ব্যালেন্স সহ নিশ্চিত হয়।
→ নিম্নকক্ষে ৪০০ সদস্য (৩০০ সরাসরি নির্বাচিত + ১০০ নারী সংরক্ষিত সরাসরি নির্বাচিত) এবং উচ্চকক্ষে ১০৫ সদস্য (১০০ সমানুপাতিক + ৫ রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন, ৩০% নারী সংরক্ষিত) থাকবে।

♦ উল্লেখ্য:
→ রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার আনার লক্ষ্যে প্রস্তাব তৈরির জন্য ২০২৪ সালের অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে ছয়টি সংস্কার কমিশন গঠন করে সরকার।
→ সেগুলো হলো সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, পুলিশ ও জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন কমিশন।
→ সংস্কার প্রশ্নে ঐকমত্য তৈরির লক্ষ্যে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি যাত্রা শুরু করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।
→ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এই কমিশনের সভাপতি।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১৫,৩৪৬.
নিপোর্ট কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫,৩৪৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোথায় ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন?
  1. ঢাকা
  2. লাহোর
  3. রাওয়ালপিন্ডি
  4. ইসলামাবাদ
ব্যাখ্যা
ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- তিনি লাহোরে এই ঘোষনা দেন।

ছয় দফা কর্মসূচি,
১) লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানের জন্য একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে। এটি হবে সংসদীয় পদ্ধতির যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা। প্রাপ্ত বয়স্কদের সরাসরি ভোটে সকল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আইনসভাগুলো হবে সার্বভৌম ।
২) শুধু দেশরক্ষা এবং পররাষ্ট্র বিষয় থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে। অবশিষ্ট ক্ষমতা থাকবে প্রদেশগুলোর হাতে।
৩) দেশের দুই অংশে সহজেই বিনিময়যোগ্য অথচ পৃথক দুটো মুদ্রা থাকবে। অথবা ফেডারেল ব্যাংকের অধীনে দুই দেশের দুটি রিজার্ভ ব্যাংক ব্যবস্থাসহ একই ধরনের মুদ্রা চালু থাকবে।
৪) আঞ্চলিক সরকারে হাতে থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য করার ও আদায়ের ক্ষমতা। আদায়কৃত রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারকে দেয়া হবে ।
৫) দুই অঞ্চলের বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা আলাদা হিসেব থাকবে। প্রয়োজনে দুই অঞ্চল থেকে সমানভাবে অথবা সংবিধানে নির্ধারিত হারে কেন্দ্র বৈদেশিক মুদ্রা পাবে।
৬) অঙ্গরাজ্যগুলো আঞ্চলিক সেনাবাহিনী অর্থাৎ মিলিশিয়া ও প্যারা মিলিশিয়া গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৪৮.
জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) কোথায় অবস্থিত?
  1. আজিমপুর, ঢাকা
  2. সেগুনবাগিচা, ঢাকা
  3. শাহবাগ, ঢাকা
  4. আগারগাঁও , ঢাকা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ:
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- নিপোর্ট স্বস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।
- নিপোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হল প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য কর্মসূচিভিত্তিক মূল্যায়ন, গবেষণা এবং সার্ভে পরিচালনা করা এবং গবেষণার ফলাফলকে বিভিন্ন পর্যায়ে উপস্থাপন করে কর্মসূচি উন্নয়নে কাজে লাগানো।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)।
১৫,৩৪৯.
চা কোন অঞ্চলের উদ্ভিদ?
  1. নাতিশীতোষ্ণ
  2. মৌসুমী
  3. ক্রান্তীয়
  4. ভূমধ্যসাগরীয়
ব্যাখ্যা

চা প্রধানত ক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলের ফসল।
- চা বলতে সচরাচর সুগন্ধযুক্ত ও স্বাদবিশিষ্ট এক ধরনের উষ্ণ পানীয়কে বোঝায় যা চা পাতা পানিতে ফুটিয়ে বা গরম পানিতে ভিজিয়ে তৈরী করা হয়। 
- চা গাছ থেকে চা পাতা পাওয়া যায়। চা গাছেরবৈজ্ঞানিক নাম: ক্যামেলিয়া সিনেনসিস।
- 'চা পাতা' কার্যত চা গাছের পাতা, পর্ব ও মুকুলের একটি কৃষিজাত পণ্য যা বিভিন্ন উপায়ে প্রস্তুত করা হয়।
- ইংরজিতে চা-এর প্রতিশব্দ হলো টি (tea)। গ্রীকদেবী থিয়ার নামানুসারে এরূপ নামকরণ করা হয়েছিল। - চীনে ‘টি’-এর উচ্চারণ ছিল ‘চি’, পরে হয়ে যায় ‘চা’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,৩৫০.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন কোনটি?
  1. তমদ্দুন মজলিশ
  2. রাষ্ট্রভাষা বাংলা পরিষদ
  3. রাষ্ট্রভাষা বাংলা কমিটি
  4. রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৫১.
BTRC-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Telephone and Regulatory Commission
  2. Bangladesh Telecom Regulatory Commission
  3. Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  4. Bangladesh Telephone Regulatory Commission
ব্যাখ্যা

BTRC:
- BTRC-এর পূর্ণরূপ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission.
- Bangladesh Telecommunication Regulatory Act 2001 এর অধীনে ৩১ জানুয়ারি ২০০২ সালে Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) হলো বাংলাদেশের একটি স্বাধীন কমিশন।
- এটি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ এবং টেলিযোগাযোগ সেবা নিয়ন্ত্রণের নিমিত্তে কাজ করে থাকে।
- বিটিআরসি বাংলাদেশে টেলিযোগাযোগ সংক্রান্ত বিষয়াবলী যেমন, সেলুলার নেটওয়ার্ক, পিএসটিএন, কৃত্রিম উপগ্রহ এবং ক্যাবল ইত্যাদির রক্ষণাবেক্ষন, উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন বোর্ড গঠিত হয়। অধ্যাদেশটি পরে ১৯৯৫ সালে সংশোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, (২০০১ সালের আইন নং ১৮) এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন নিয়ন্ত্রক কমিশন ১৬ এপ্রিল, ২০০১ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অসাধারণভাবে প্রকাশিত হয়।
- এটি চালু হওয়ার সাথে সাথে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজনীয় কর্তৃত্ব, দায়িত্ব এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিটিআরসি-র উপর ন্যস্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র - BTRC ওয়েবসাইট।

১৫,৩৫২.
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ বাংলাদেশের কততম বাজেট?
  1. ৫১তম
  2. ৫২তম
  3. ৫৩তম
  4. ৫৪তম
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- বাজেট পেশ: ১ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন: অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর: ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট: ৫২তম (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা।
- বাজেটের মূল দর্শন হলো ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ। 

উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১৫,৩৫৩.
The main author of the handwritten constitution –
  1. ক) Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
  2. খ) Syed Nazrul Islam
  3. গ) Dr. Kamal Hossain
  4. ঘ) Abdur Rauf
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানে কারুকাজ করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান ছিল - ৯৩ পৃষ্ঠার।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৪০৩ জনের মধ্যে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে। 
- হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আজিজুর রহমান, জালালা আহমেদ, মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা। 
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি। 
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২  হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৫,৩৫৪.
নিচের কোন সংবিধানের সংশোধনী বাতিল হয়েছে?
  1. ১৪শ সংশোধনী
  2. ১৫শ সংশোধনী
  3. ১৬শ সংশোধনী
  4. ১৭শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
ষোড়শ সংশোধনী:
- ষোড়শ সংশোধনীর ফলে উচ্চ আদালতের বিচারপতিগণের অভিশংসন প্রক্রিয়াটির জাতীয় সংসদের নিকট অর্পিত হয়।
- পূর্বে উচ্চ আদালতের বিচারকদের অসদাচরণের জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হতো।
- জনস্বার্থ মামলার মাধ্যমে সংশোধনীটি বিচারিক সিদ্ধান্তে বাতিল ঘোষিত হয়েছে।

- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
• পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
• সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
• ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
• ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৫৫.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে? 
  1. কৃষি ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. সমবায় ব্যাংক
  4. ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের দরিদ্রতম জনগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়ে দেশে ও বিদেশে সুনাম কুড়িয়েছে।

• গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,৩৫৬.
কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে কে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. সম্রাট অশোক
  3. বিষ্ণুগুপ্ত
  4. রাজা গোপাল
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- সম্রাট অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর ২৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন।
- তিনি পাটলীপুত্র হতে তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করতেন।
- রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে তিনি কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- তিনি ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত রাজ্য শাসন করেন।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- রক্তক্ষয়ী কলিঙ্গ যুদ্ধের পর অশোকের রাজনৈতিক ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গীতে আমূল পরিবর্তন আসে।
- তিনি মৌর্য সম্রাটদের চিরাচরিত দ্বিগ্বিজয় নীতি পরিত্যাগ করে ঘোষণা করেন তাঁর পুত্র, প্রপৌত্র কেউই ভবিষ্যতে আর যুদ্ধ করবে না।
- জীবনের অবশিষ্ট সময় অহিংস ধর্ম (বৌদ্ধ ধর্ম) তাঁর পথপ্রদশর্কের ভূমিকা পালন করে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৫৭.
পরী বিবির আসল নাম কী?
  1. ইরান দুখত
  2. গুলতেকিন
  3. ফাতেমা
  4. গুলবাহার
ব্যাখ্যা
পরী বিবি:
- পরী বিবি বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান এর কন্যা।
- বাদশাহ আওরঙ্গজেব এর পুত্র মুহম্মদ আজম এর স্ত্রী।
- তাঁর আসল নাম ইরান দুখত।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে মসজিদের পূর্ব দিকে বিবি পরীকে সমাহিত করা হয়।
- শায়েস্তা খান কন্যার সমাধির উপর একটি সুদৃশ্য সৌধ নির্মাণ করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ বা আওরঙ্গবাদ দুর্গ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- নবাব শায়েস্তা খান লালবাগ দুর্গ নির্মাণ করেন।
- তিনি ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে এই দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন।
- পরী বিবিকে দরবার হল এবং মসজিদের ঠিক মাঝখানে সমাহিত করা হয়।
- ১৮৪৪ সালে ঢাকা কমিটি নামে একটি আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান দুর্গের উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
- এ সময় দুর্গটি লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
- এটি মোগল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ ডিসেম্বর ২০১৬, প্রথম আলো।
১৫,৩৫৮.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয় কত তারিখ?
  1. ১১ ডিসেম্বর
  2. ১২ ডিসেম্বর
  3. ১৩ ডিসেম্বর
  4. ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
বুদ্ধিজীবী হত্যা:

- যৌথ বাহিনীর ঢাকার উপকণ্ঠে আগমণ ও ভারতীয় বিমান বাহিনীর ঢাকা আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ১৪ ডিসেম্বর গভর্ণর মালিকের নেতৃত্বাধীন সরকার পদত্যাগ করে।
- এ সময় পাকিস্তান বাহিনী তাদের এদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর ও আল শামস এর সহযোগিতায় ব্যাপক গণহত্যা চালায়।
- যুদ্ধের শুরু থেকেই পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশের খ্যাতিমান শিক্ষক, চিকিৎসক ও সাংবাদিকসহ অনেক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- ১৪ ডিসেম্বর পরিকল্পিতভাবে আলবদর বাহিনী বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
- বাংলাদেশের ইতিহাস এ ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।
- হত্যাকাণ্ডের শিকার বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৫৯.
ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. খাজা নাজিম উদ্দীন
  2. নুরুল আমিন
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

 • ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসেন।
- ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনিও জিন্নাহর মতো ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।'
- এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুরু হয়ে যায়। এবার প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ছাত্র জনতা।

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- সংগ্রাম পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৩৬০.
পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের সময় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন?
  1. খালেদ মোশারফ
  2. এ. কে. খন্দকার
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ৬ থেকে ১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডার প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,৩৬১.
রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি সত্য নয়?
  1. রাজনৈতিক দলের সামনে বৃহৎ জাতীয় কল্যাণের লক্ষ্য থাকে, যা চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে থাকে না।
  2. সাংগঠনিক দিক থেকে রাজনৈতিক দল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী অপেক্ষা দুর্বল।
  3. রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য ক্ষমতা দখল করা কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারের সরকারকে প্রভাবিত করা।
  4. রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে না।
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- উল্লেখিত প্রশ্নে- সাংগঠনিক দিক থেকে রাজনৈতিক দল চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী অপেক্ষা দুর্বল তথ্যটি সত্য নয়।

⇒ রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মিল থাকলেও উভয়ের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। উভয়ের মধ্যে উৎপত্তি, লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য এবং কর্মসূচির মধ্যে পার্থক্য লক্ষ করা যায়।
১. জাতীয় কল্যাণ : রাজনৈতিক দলের সামনে বৃহৎ জাতীয় কল্যাণের লক্ষ্য থাকে, যা চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মধ্যে থাকে না।
২. সাংগঠনিক পার্থক্য: সাংগঠনিক দিক থেকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী রাজনৈতিক দল অপেক্ষা দুর্বল।
৩. লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগত পার্থক্য: রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করা কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হলো সরকারি সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করা।
৪. কাজকর্মের পদ্ধতি : রাজনৈতিক দলের কাজকর্ম প্রকাশ্য ও প্রত্যক্ষ। কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কাজকর্ম সাধারণত গোপন বা অপ্রকাশ্য।
৫. প্রকৃতিগত পার্থক্য: রাজনৈতিক দল গঠিত হয় বিভিন্ন জাতি, ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় ও পেশার লোকজন নিয়ে। কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী গঠিত হয় সমস্বার্থ ও সমমনোভাবাপন্ন লোকদের নিয়ে।
৬. নির্বাচনে অংশগ্রহণ : রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু চাপসৃষ্টিকারী প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনি কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করে না।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রথমপত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৩৬২.
জাতিসংঘ কোন সময়কালকে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দশক' ঘোষণা করে?
  1. ক) ২০২১ থেকে ২০৩১
  2. খ) ২০২২ থেকে ২০৩২
  3. গ) ২০২৩ থেকে ২০৩৩
  4. ঘ) ২০২০ থেকে ২০৩০
ব্যাখ্যা
- ২৩ মার্চ ২০১৯ খ্রিস্টাব্দে ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' প্রজ্ঞাপন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন-২০১০ অনুযায়ী ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
- জাতিসংঘ ১৯৯৩ সালকে আদিবাসী বর্ষ ঘোষণা করে।
- ১৯৮২ সালের ৯ আগস্ট জাতিসংঘের আদিবাসী জনগোষ্ঠী বিষয়ক ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- এই দিনকে স্মরণ করার জন্য জাতিসংঘ ১৯৯৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর ৯ আগস্টকে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
- ২০১৯ সালে জাতিসংঘ ২০২২ থেকে ২০৩২ সময়কালকে ‘আন্তর্জাতিক আদিবাসী ভাষা দশক' ঘোষণা করে।
- ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ জাতিসংঘের সদস্যভুক্ত রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ১৪৪টি রাষ্ট্রের সমর্থন, ৪টি রাষ্ট্রের বিরোধিতা ও ১১টি রাষ্ট্রের ভোট প্রদানে অনুপস্থিতিতে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে আদিবাসীদের কল্যাণার্থে অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার নিমিত্তে The Declaration on the Rights of Indigenous Peoples (UNDRIP) অনুমোদন করে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৫,৩৬৩.
কোন আইন সংস্কার করে 'র‍্যাব' (Rapid Action Battalion) গঠন করা হয়?
  1. আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট, ১৯৭৯
  2. ডিএমপি অ্যাক্ট, ১৯৭৯
  3. ডিবি পুলিশ অ্যাক্ট, ১৯৮৩
  4. র‍্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট, ২০০২
ব্যাখ্যা
• Rapid Action Battalion:
- আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ,১৯৭৯-এ সংশোধনীর মাধ্যমে ২০০৩ সালে  ‘র‌্যাব’ (Rapid Action Battalion) গঠন করা হয়।
- আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অধ্যাদেশ,১৯৭৯-র ২০০৪-এ সংশোধন করা কতিপয়  বিধানের আওতায় গঠিত ও পরিচালিত হয়  ‘র‌্যাব’ (Rapid Action Battalion)।
- র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)  সরকার ২০০১ সাল পরবর্তী সময় থেকে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির ক্র্মবর্ধমান অবনতি রোধকল্পে গুরুতর অপরাধীসহ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা সম্পর্কে বিভিন্ন কাঠামোগত সংস্কারের চিন্তাভাবনা করছিল। এ সংক্রা্ন্ত প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ২০০৩ সালে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে। 

উৎস: প্রথম আলো ও যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৬৪.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন' কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

• জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন:
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- জুলাই ৩৬ গেইট - সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- ‘শহীদ মীর মুগ্ধ তোরণ- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৫,৩৬৫.
খুলনা হার্ডবোর্ড মিলে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাঠ?
  1. সেগুন
  2. শাল
  3. সুন্দরী
  4. গেওয়া
ব্যাখ্যা

খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি:
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস লি. এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

উৎস: বাংলাদেশ ক্যামিকেল ইন্ড্রাস্টিজ কর্পোরেশন (BCIC)।

১৫,৩৬৬.
বাংলাদেশের ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম কী?
  1. মাহবুবে আলম
  2. আহমেদ আব্দুল বারি
  3. হাফিজুর রহমান
  4. এ এম আমিন উদ্দিন
ব্যাখ্যা
• অ্যাটর্নি-জেনারেল:
- রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হলেন এটর্নি জেনারেল।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
এছাড়াও,
- অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

উৎস: অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১৫,৩৬৭.
'জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় কত তারিখে অনুমোদন করা হয়?
  1. ক) ২ মার্চ, ২০২২
  2. খ) ৩ মার্চ, ২০২২
  3. গ) ৪ মার্চ, ২০২২
  4. ঘ) ৫ মার্চ, ২০২২
ব্যাখ্যা
‘জয় বাংলা’ স্লোগান:
-  'জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায়  অনুমোদন করা হয় - ২ মার্চ, ২০২২
- ২০২০ সালের ১০ মার্চ হাইকোর্ট এক রায়ে ‘জয় বাংলা’কে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তারই প্রেক্ষিতে 'জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায়  অনুমোদন করা হয় - ২ মার্চ, ২০২২

প্রজ্ঞাপনে বলা হয় - 
- ‘জয় বাংলা” বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।
- সাংবিধানিক পদাধিকারীগণ, দেশে ও দেশের বাইরে কর্মরত সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীবৃন্দ সকল জাতীয় দিবস উদ্‌যাপন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় ও সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে “জয় বাংলা” স্লোগান উচ্চারণ করিবেন।
- সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশ সমাপ্তির পর এবং সভা-সেমিনারে বক্তব্যের শেষে শিক্ষকগণ ও ছাত্রছাত্রীবৃন্দ 'জয় বাংলা' স্লোগান উচ্চারণ করিবেন।

তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৫,৩৬৮.
'রাইফেল রোটি আওরাত' উপন্যাসের লেখক কে?
  1. আনোয়ার পাশা
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. আল মাহমুদ
  4. মমতাজউদদীন আহমদ
ব্যাখ্যা

রাইফেল রোটি আওরাত:
- আনোয়ার পাশা রচিত 'রাইফেল রোটি আওরাত' মুক্তিযুদ্ধের প্রথম উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঘটে যাওয়া গণহত্যা এবং তার পরবর্তী দিনের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার কাহিনী উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে।
- যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যে, প্রত্যক্ষ বাস্তবতার ভেতর তিনি উপন্যাসটি লেখেন।
- যুদ্ধের এমন প্রত্যক্ষ, এমন মৌলিক ব্যাপ্তি সত্যিই বিরল।
- এ উপন্যাস শুধু বিপন্ন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি নয়, রুখে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে উদ্ভাসিত এক নতুন বাংলাদেশ।
- উপন্যাসের প্রধান চরিত্র সুদীপ্ত শাহীন-ই যেন সেই বাংলাদেশ।
- তিনি ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে নিহত হন।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫,৩৬৯.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মৃত আত্মাদের স্মরণে কোন ধর্মীয় উৎসব পালন করা হয়?
  1. চাপচারকূত
  2. মীমতূত
  3. পলকূত
  4. তিলতূত
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৫,৩৭০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘চলাফেরার স্বাধীনতা‘ বিষয়টি উল্লেখ আছে?
  1. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চলাফেরার স্বাধীনতা।
এছাড়াও -
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান
১৫,৩৭১.
নিচের কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন
  2. খ) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
  3. গ) মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
  4. ঘ) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক যে প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলা হয়।

বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়
- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন
- মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়
- জাতীয় সংসদ।

অন্যদিকে,
- বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন, জীবন বীমা কর্পোরেশন ও জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হলো সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণি)
১৫,৩৭২.
কোন নদীর তীরে পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. যমুনা
  2. কাবেরী
  3. সিন্ধু
  4. ভাগীরথী
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৭৩.
প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্য বর্তমানে অবস্থান কোথায়?
  1. কুষ্টিয়া
  2. ময়মনসিংহ
  3. চট্টগ্রাম
  4. মুর্শিদাবাদ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫,৩৭৪.
নিচের কোনটি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড
  2. হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
  3. এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।
এগুলো হলো:
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
- ব্যাংক আল ফালাহ
- সিটি ব্যাংক এনএ
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- হাবিব ব্যাংক লিমিটেড
- এইচএসবিসি
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- উরি ব্যাংক লিমিটেড।
অন্যদিকে,
- এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড এবং ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড হলো দেশীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৫,৩৭৫.
‘প্রবাস বন্ধু কল সেন্টার’ এর হটলাইন কোনটি?
  1. ক) ১৬৭৬৭
  2. খ) ১৬১৩৫
  3. গ) ১৬১২৩
  4. ঘ) ১০৬
ব্যাখ্যা
• প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ‘১৬১৩৫’ টোল ফ্রি নম্বর দিয়ে ‘প্রবাস বন্ধু কল সেন্টার’ নামে হটলাইন চালু করেছে। 

অন্যদিকে, 
- ১০৬ – দুদক হটলাইন।
- ১৬১২৩ – কৃষি কল সেন্টার হটলাইন।
- ১৬৭৬৭ - সুখী পরিবার কল সেন্টার।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতি সমাচার, অক্টোবর ২০২২। 
১৫,৩৭৬.
সুশীল সমাজের কাজ কোনটি?
  1. সরকারের বিরোধিতা করা
  2. সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করা
  3. বিতর্ক সৃষ্টি করা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

• সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সরকার বা কোন কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচার করা সুশীল সমাজের কাজ নয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৫,৩৭৭.
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বৎসর' গ্রন্থটির রচিয়তা কে?
  1. ক) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. খ) মো. আব্দুল হাই
  3. গ) আতাউর রহমান
  4. ঘ) আবুল মনসুর আহম্মদ
ব্যাখ্যা
আবুল মনসুর আহম্মদ 
- আবুল মনসুর আহম্মদ ছিলেন সাংবাদিক, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, সাহিত্যিক।
- তিনি যে সকল সাময়িক পত্রিকায় কাজ করেন, সেগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সোলতান, মোহাম্মদী, দি মুসলমান, কৃষক, নবযুগ ও ইত্তেহাদ।
- তিনি খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন।
- তিনি ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত আওয়ামী মুসলিম লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।
- তিনি যুক্তফ্রন্ট এর নির্বাচনী কর্মসূচি ২১-দফার অন্যতম প্রণেতা ছিলেন।
- ১৯৫৪ সালে তিনি ফজলুল হক মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- তিনি ১৯৫৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের যুক্তফ্রন্ট সরকারের শিক্ষামন্ত্রী এবং ১৯৫৬-৫৭ সালে বণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি হওয়ার পর তিনি কারারুদ্ধ হন এবং ১৯৬২ সালে মুক্তি পান। 
- তাঁর বিখ্যাত বিদ্রুপাত্মক রচনা: আয়না ও ফুড কনফারেন্স।
- তাঁর রচিত উপন্যাস: সত্যমিথ্যা, জীবন ক্ষুধা ও আবে-হায়াৎ।
- তাঁর রচিত স্মৃতিকথা: আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর (১৯৬৯), শের-ই-বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু (১৯৭২)।
- তাঁর আত্মচরিত হল আত্মকথা (১৯৭৮)।

উল্লেখ্য,
- সাহিত্যে অবদানের জন্য তাঁকে বাংলা একাডেমী পুরস্কার (১৯৬০), স্বাধীনতা দিবস পদক (১৯৭৯) ও নাসিরউদ্দিন স্বর্ণপদকে ভূষিত করা হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৭৮.
শিক্ষা আন্দোলনে নিহত হন-
  1. ক) ওয়াজিউল্লাহ
  2. খ) আসাদুজ্জামান
  3. গ) মনসুর আলী
  4. ঘ) মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
শরিফ শিক্ষা শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে ১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হন- ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুলসহ অনেকে। আসাদুজ্জামান ও মতিউর রহমান শহীদ হন ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,৩৭৯.
কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  2. খ) সংবিধান
  3. গ) ছয়দফা
  4. ঘ) এগারো দফা
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবীকে ‘বাঙালির ‍মুক্তির সনদ’ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহীত হয় এবং ২৩ মার্চ বঙ্গবন্ধু সাংবাদিক সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস।
সূত্র : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৮০.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কে?
  1. এ.টি.এম হায়দার
  2. এ.এন.এম নূরুজ্জামান
  3. চিত্তরঞ্জন দত্ত
  4. এম খাদেমুল বাশার
ব্যাখ্যা

• ১ নং সেক্টর: সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
• ২ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
• ৩ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
• ৪ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।
• ৫ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।
• ৬ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
• ৭ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
• ৮ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
• ৯ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই সেক্টরের নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না।
• ১১ নং সেক্টর: সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৫,৩৮১.
কালিকট বন্দরে এসে কারা প্রথম পৌছায়?
  1. ইংরেজরা
  2. ওলন্দাজরা
  3. পর্তুগিজরা
  4. ফরাসিরা
ব্যাখ্যা
-পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান। ভাস্কো-দা-গামা আসার পর পর্তুগিজরা উপমহাদেশে আগমন শুরু করে এবং ব্যবসা বাণিজ্য ও যোগাযোগে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- কোচিনে তারা প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে ১৫০২ সালে।
 -ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন- পর্তুগিজরা।
- বাংলায় কুঠি স্থাপন করে ১৫১৭ সালে
-পর্তুগিজরা বাংলায় ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত।

ইংরেজ :
ইংল্যান্ড রানি এলিজাবেথের অনুমতি নিয়ে সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ১৬০০ সালে ভারত বর্ষে আসে ইংরেজরা ।
 তারা সুরাটে প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন ১৬১২ সালে।
 সম্রাট শাজাহানের সময় বাংলায় প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন।
 তারা কলকাতায় রাজা উইলিয়ামের নাম অনুসারে, ফোর্ট উলিয়াম দুর্গা নির্মাণ করে ১৭০০ সালে

উৎস : এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৮২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে 'সংবিধান-সংশোধন' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. চতুর্থ ভাগ
  2. ষষ্ঠ ভাগ
  3. সপ্তম ভাগ
  4. দশম ভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৩৮৩.
একুশে পদক কোন মন্ত্রণালয় ঘোষণা করে?
  1. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  4. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• একুশে পদক-২০২৫:
- একুশে পদক ২০২৫এ ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান পায়।
- একুশে পদক ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা, 
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
-  চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৫,৩৮৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১০৮ নং
  2. ১১৪ নং
  3. ১১৭ নং
  4. ১২৩ নং
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ: 
অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
অনুচ্ছেদ ৯৫ - প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন
অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকের পদের মেয়াদ
অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসরের পর বিচারকের অক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রিম কোর্টের আসন।
অনুচ্ছেদ ১০২ - হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১০৮ - 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট।
অনুচ্ছেদ ১১৪ - অধস্তন আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা।
অনুচ্ছেদ ১১৭ - প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫,৩৮৫.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে সর্বপ্রথম ভারতবর্ষে আসেন কারা?
  1. ইংরেজ
  2. ফরাসি
  3. ওলন্দাজ
  4. পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
 পর্তুগিজ:
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান।
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
 - ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন- পর্তুগিজরা।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- উপমহাদেশে আসার অল্পদিনের মধ্যেই তাঁরা এদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে, সিংহলের নানাস্থানে এবং বাংলার হুগলী বন্দরে তাঁদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন। 
- পর্তুগিজরা বাংলাদেশের চট্টগ্রামেও বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত করে।
- পর্তুগিজরা চীন, ব্রুনাই, মালাক্কা, হরমুজ, মালদ্বীপ, শ্রীলংকা প্রভৃতি দেশ থেকে মূল্যবান কাপড়, বাদাম, মসলা, রং, কড়ি, কপূর এনে উপমহাদেশে বিক্রি করতো।
- আর বাংলাদেশ থেকে সূতি ও রেশমী কাপড়, পাট, তামাক, চামড়া, চাল, ডাল, ঘি, তেল, মধু মোম অন্যান্য দেশে নিয়ে যেত।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৮৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৭১ নং
  2. ৭২ নং
  3. ৭৩ নং
  4. ৭৬ নং
ব্যাখ্যা
দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদে ‘দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা’ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হবেন না।
(২) কোনো ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোনো কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হন তা হলে-
(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক, তা জ্ঞাপন করে নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান কঢ়বেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হয়েছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হবে;
(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করতে অসমর্থ হলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হবে।

এছাড়া,
- ৭২ নং অনুচ্ছেদ সংসদের অধিবেশন,
- ৭৩ নং অনুচ্ছেদ সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী, 
- ৭৪ নং অনুচ্ছেদ সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,৩৮৭.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. ১ টাকা
  2. ২ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১৫,৩৮৮.
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রথম বছর কতটি দেশ পালন করে?
  1. ১৮৭টি
  2. ১৮৮টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৯০টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:

- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব।
১৫,৩৮৯.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত 'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. খান আতাউর রহমান
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. সুভাষ দত্ত
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রটির পরিচালক- 'আলমগীর কবির'।

ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩):
- এটির নির্মাতা আলমগীর কবির।
- ভারতীয় মেয়ে অনিতার প্রেমিক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়।
- সে ঢাকায় এসে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে আরও গভীরভাবে মর্মাহত হয়।
- অভিনয়ে বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান আছে এ ছবিতে।

অন্যদিকে -
- 'আবার তোরা মানুষ হ' চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- 'আগুনের পরশমণি' হুমায়ূন আহমেদ এর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছায়াছবি।
-  'অরুনোদয়ের অগ্নিসাক্ষী' চলচ্চিত্রের পরিচালক সুভাষ দত্ত। 

উৎস: প্রথম আলো- তারিক মনজুর, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৯০.
দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  3. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  4. শাহজালাল সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৪টি (চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ, আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ)।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৫,৩৯১.
দেশের অন্যতম বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র 'বিবিয়ানা' আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৫
  2. খ) ১৯৯৮
  3. গ) ১৯৯৬
  4. ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।
   - এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।  ১৯৯৮ সালে ইউনোক্যাল এই গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে। 
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।

- উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - তিতাস।
   - এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
   - দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র - বিবিয়ানা।

উৎস : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১; বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৯২.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. রাজশাহী
  2. দিনাজপুর
  3. বান্দরবান
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
• বান্দরবান জেলায় সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই।

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,৩৯৩.
দৌলত খান লোদী কোন রাজ্যের শাসক ছিলেন?
  1. পাঞ্জাব
  2. মালব
  3. কাশ্মীর
  4. বাংলা
ব্যাখ্যা
মুঘল শাসনের পুর্বে:

- বাবরের ভারতবর্ষ আক্রমণের প্রাক্কালে এদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজমান ছিল।
- তখন দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের শাসক ছিলেন ইব্রাহিম লোদী।
- তিনি অনেকটা দুর্বল শাসক ছিলেন। ফলে অমাত্যবর্গ ও প্রাদেশিক শাসনকর্তাগণের উপর তার নিয়ন্ত্রণ কম ছিল।
- কেন্দ্রীয় শাসনের দুর্বলতার সুযোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এসব রাজ্যের মধ্যে পাঞ্জাবের শাসক দৌলত খান লোদী সুলতানের চরম বিরোধিতা করেন এবং ইব্রাহিম লোদীকে সিংহাসনচ্যুত করার জন্য বাবরকে আমন্ত্রণ জানান।
- এমন সংকটপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থার সুযোগ নিয়ে বাবর ভারত আক্রমণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,৩৯৪.
'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. হেনরি লুই ডিরোজিও
  3. রাধানাথ সিকদার
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা হেনরি লুই ডিরোজিও।

• ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট :
- হেনরি লুই ডিরোজিও ১৮০৯ সালের ১৮ই এপ্রিল কোলকাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন পর্তুগিজ এবং মা ছিলেন বাঙালি।
- ডিরোজিও ইংরেজি শিক্ষার স্কুল ডেভিড ড্রামন্ডের ধর্মতলা একাডেমিতে পড়ালেখা শুরু করেন।
- এই শিক্ষকের আদর্শ ডিরোজিওকে তাঁর শিশুকাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রভাবিত করে রেখেছিল।
- বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা।
- বয়সে তরুণ হলেও তিনি ইতিহাস, ইংরেজি, সাহিত্য, দর্শন শাস্ত্রে গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।
-  ডিরোজিওর অনুসারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি প্রমুখ।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর ছাত্র না হলেও তাঁর আদর্শ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। ডিরোজিওর অনুসারীদের আন্দোলন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকেও প্রভাবিত করেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
১৫,৩৯৫.
করোনার ডেল্টাক্রন ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয় প্রথম কোন দেশে?
  1. ক) ইসরায়েল
  2. খ) সাউথ আফ্রিকা
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) সাইপ্রাস
ব্যাখ্যা
করোনার ডেল্টাক্রন ভেরিয়েন্ট শনাক্ত হয় প্রথম যে দেশে - সাইপ্রাস।
সাইপ্রাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিয়ডিয়স কস্ট্রিকিসই করোনার নতুন ধরনের নাম দিয়েছেন ডেল্টাক্রন।
তিনি জানিয়েছেন, ওমিক্রন ও ডেল্টার বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য দেখা যাচ্ছে ডেল্টাক্রনের মধ্যে। 
উৎস: www.somoynews.tv/
১৫,৩৯৬.
World Population Prospects 2022 অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) সপ্তম
  2. খ) অষ্টম
  3. গ) নবম
  4. ঘ) ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
• World Population Prospects 2022:
- জুলাই ২০২২ এ জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ 'World Population Prospects 2022' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে –
- জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষ তিন দেশ – ১. চীন ২. ভারত ৩. যুক্তরাষ্ট্র।
- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম
- জনসংখ্যার ঘনত্বে বিশ্বের শীর্ষ দেশ - মোনাকো।
- জনসংখ্যার ঘনত্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ষষ্ঠ।
- সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – মালদ্বীপ (চতুর্থ)।
- ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হবে ভারত, দ্বিতীয় চীন।
- ২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২০৪ মিলিয়ন।

তথ্যসূত্র:- UNFPA ওয়েবসাইট।
১৫,৩৯৭.
বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাও
  2. সাভার
  3. সেগুনবাগিচা
  4. সারদা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা Bangladesh Public Administration Training Centre (BPATC) – ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত।
এটি বাংলাদেশের পাবলিক সার্ভিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান।
এটি চারটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে –
• Bangladesh Administrative Staff College (BASC)
• National Institute of Public Administration (NIPA)
• Civil Officer’s Training Academy (COTA)
• Staff Training Institute (STI)
BPATC – এর অবস্থান – ঢাকার সাভারে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদবী – রেক্টর।
বর্তমান রেক্টর – মোঃ রাকিব হোসাইন (এনডিসি)।
সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৫,৩৯৮.
'প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত'-এটি উল্লেখ আছে সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে -
  1. ৪ (১) নং
  2. ৪ (২) নং
  3. ৪ (৩) নং
  4. ৪ (৪) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,৩৯৯.
মাৎস্যন্যায় কোন সময়কালকে নির্দেশ করে?
  1. শশাঙ্ক পরবর্তীকাল
  2. গোপাল পরবর্তীকাল
  3. হর্ষবর্ধন পরবর্তীকাল
  4. সমুদ্রগুপ্ত পরবর্তীকাল
ব্যাখ্যা
• মাৎস্যন্যায়:
- রাজা শশাঙ্ক এর মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- ছোট ছোট রাজ্যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং তাদের পারস্পরিক যুদ্ধবিগ্রহের ফলে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়।
- বাংলার নৈরাজ্য অবস্থাকে মাৎস্যন্যায় বলে উল্লেখ করা হয়।
- মাৎস্যন্যায় শব্দের অর্থ: আইন শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা।
- মাৎস্যন্যায় সময়কাল: আনুমানিক ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।
- মাৎস্যন্যায় সময়: গুপ্ত ও পাল আমলের মধ্যবর্তী তাম্রশাসন যুগ।
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল এ বিশৃঙ্খল অবস্থায় রাজ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং মাৎস্যন্যায় অবসান ঘটান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,৪০০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২১
  3. অনুচ্ছেদ ১৯
  4. অনুচ্ছেদ ২০
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৯-এ সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্র মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য দূর করতে সচেষ্ট থাকবে।
- সম্পদের সুষম বণ্টন ও জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে নারীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও এর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে: 
অনুচ্ছেদ ২৩ - জাতীয় সংস্কৃতি। 
অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য। 
অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।