বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫৩ / ৩০৬ · ১৫,২০১১৫,৩০০ / ৩০,৮৩২

১৫,২০১.
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন:
- ২৭ জুলাই, ২০২৫ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন (আইসিজেআর-১) অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ঢাকাভিত্তিক গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড ইন্টিগ্রেটেড থট (আরআইটি) এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ যৌথভাবে সম্মেলনটির আয়োজন করে।
- নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে দিনব্যাপী আয়োজিত এ সম্মেলনে দেশবিদেশের ১৩টি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সিভিল সোসাইটি সংগঠন অংশগ্রহণ করে।
- সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও সম্মেলনটির আহ্বায়ক ড. মো. শরীফুল ইসলাম।
- সম্মেলনে দেশবিদেশের গবেষক ও বিশ্লেষকদের অংশগ্রহণ ও ইতিহাস রক্ষায় জাতীয় অঙ্গীকারের আহ্বান জানানো হয়। 

তথ্যসূত্র- বাসস। [link]
১৫,২০২.
সর্বশেষ কৃষিশুমারি হয়-
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০১৯ সালে
  3. গ) ২০১৭ সালে
  4. ঘ) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
• সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
• এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
• স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
• কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১৫,২০৩.
পাখি ছাড়া বলাকা কি ?
  1. ক) উন্নত জাতের ধান
  2. খ) উন্নত জাতের আলু
  3. গ) উন্নত জাতের গম
  4. ঘ) উন্নত জাতের ভুট্টা
ব্যাখ্যা

 বলাকা একটি উন্নত জাতের গম। 

 -কয়েকটি উন্নত জাতের গমের নাম:বলাকা, দোয়েল , সোনালিকা, আকবর , আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ।

উৎস:bari.gov.bd

১৫,২০৪.
“যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই” উক্তিটি কে করেছেন?
  1. ক) অ্যালান বল
  2. খ) জন স্টুয়ার্ট মিল
  3. গ) স্যামুয়েল ফাইনার
  4. ঘ) হ্যারল্ড লাসওয়েল
ব্যাখ্যা
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।
- জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, “যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই”।  

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২০৫.
মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত নয় কোনটি?
  1. দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়
  2. দেশের অভ্যন্তরীণ আয়
  3. বিদেশে অবস্থিত দেশীয় ব্যক্তিদের আয়
  4. দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা
ব্যাখ্যা

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত নয় - বিদেশে অবস্থিত দেশীয় ব্যক্তিদের আয়।

• মোট দেশজ উৎপাদনের ধারণা (Concept of Net Domestic Product-NDP):
⇒ একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে কোন দেশের নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে যে সকল চূড়ান্ত দ্রব্য সামগ্রী ও সেবাকর্ম উৎপাদন হয় তার সামগ্রিক পরিমানকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে। মোট দেশজ উৎপাদন থেকে ব্যবহার বা ক্ষয়ক্ষতিজনিত ব্যয় তথা অবচয় বাদ দিলে যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নীট দেশজ উৎপাদন বলে।

-নীট দেশজ উৎপাদন = মোট দেশজ উৎপাদন - অবচয়জনিত খরচ বা মূলধনের ব্যবহারজনিত ব্যয়
- Net Domestic Product (NDP) = GDP - DC or CCA.

• মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) এর অন্তর্ভূক্ত-
- দেশের অভ্যন্তরীণ আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয়।
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত চূড়ান্ত সেবা।
- বিদেশিদের দেশে বিনিয়োগ থেকে অর্জিত আয়।

উৎস: i) উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন-প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) অর্থনীতি ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,২০৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলার সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি?
  1. পিরোজপুর
  2. জামালপুর
  3. ফরিদপুর
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৫,২০৭.
২০২৫ সালের বর্ষ পণ্য কোনটি?
  1. রাবার
  2. পাটজাত পণ্য
  3. ফার্নিচার
  4. চা
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২৫ সালের বর্ষসেরা পণ্য: ফার্নিচার বা আসবাবপত্র।

বর্ষসেরা পণ্য- ২০২৫:
- রপ্তানির প্রসার ও প্রণোদনামূলক কর্মকাণ্ডকে বেগবান করতে প্রতিবছর একটি পণ্যকে বছরের সেরা পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনগণকে ঘোষিত পণ্যের উৎপাদন ও বিপণনে উৎসাহিতকরণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৫ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের বর্ষসেরা পণ্য ঘোষণা করা হয়।
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এ ঘোষণা দেন।
- রপ্তানিতে অবদান ও সম্ভাবনার বিষয়ে বিবেচনা করে এই পণ্য খাতকে যথাক্রমে সর্বোচ্চ বিশেষ অগ্রাধিকার খাত হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।
১৫,২০৮.
সম্প্রতি, সাফা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?  [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ঢাকা
  2. দিল্লি
  3. থিম্পু
  4. কাঠমান্ডু
ব্যাখ্যা

সাফা সম্মেলন: 
- দক্ষিণ এশিয়ার সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদদের (সাফা) নিয়ে ঢাকায় আয়োজিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সম্মেলন।
- সময়: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ সম্মেলনে অংশ নেন পেশাজীবী নিরীক্ষকদের আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টসের (আইএফএসি) প্রেসিডেন্ট জ্য' বুকো।
- ১৯৮৪ সালে সাউথ এশিয়ান ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্ট্যান্টস বা সাফা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি একটি আঞ্চলিক প্ল্যাটফর্ম, যা সার্কভুক্ত দেশগুলোর ৪ লাখ ৫০ হাজারের বেশি সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদের প্রতিনিধিত্ব করে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।

১৫,২০৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. গাজীপুর
  2. পিরোজপুর
  3. ঢাকা
  4. রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - ঢাকা (১০,০৬৭ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম যে জেলায় - রাঙামাটি (১০৬ জন)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা (৭+) - পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - গাজীপুর (৩.৮৭%)।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।
১৫,২১০.
বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে জিএসপি সুবিধা হারায় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা

• GSP:
- Generalized System of Preferences (GSP) হল উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য বৈদেশিক বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া এক ধরণের শুল্কমুক্ত বা শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত বিশেষ বাণিজ্যিক সুবিধা।
- GSP হচ্ছে পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার।
- ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রথম GSP সুবিধা চালু করে।
- নিম্ন আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশ হিসেবে গণ্য করা হয়।♦ উল্লেখ্য:
- যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে প্রথম জিএসপি সুবিধা দেয় ১ জানুয়ারি, ১৯৭৬ সালে।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা হারায় ২৭ জুন, ২০১৩ সালে।
- যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশ জিএসপি সুবিধা পাবে ২০২৭ সাল পর্যন্ত।

উৎস: ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওয়েবসাইট, যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

১৫,২১১.
মেঘনা গ্যাস ফিল্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. সিলেট
  3. ভোলা
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
মেঘনা গ্যাস ফিল্ড:
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় মেঘনা গ্যাস ফিল্ড অবস্থিত।

- ১৯৯৭ সালে পেট্রোবাংলা মেঘনা গ্যাস ক্ষেত্রটি আবিষ্কার করে।
- পেট্রোবাংলার হিসাব অনুযায়ী এ গ্যাস ক্ষেত্রটির মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের মজুদ ১০১ বিলিয়ন ঘনফুট (বিসিএফ)।
- ১৯৯৭ সালে মেঘনা ফিল্ড থেকে বাণিজ্যিক গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়।
- কিন্তু অত্যাধিক পানি উৎপাদনের কারণে ১০ আগস্ট, ২০০৭ সাল থেকে এ ক্ষেত্রটির গ্যাস উৎপাদন স্থগিত করা হয়।
- পরবর্তীতে ওয়ার্কওভারের মাধ্যমে পূন:সম্পাদন করে (ডুয়াল কমপ্লিশন) ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১০ সাল থেকে শর্ট ট্রিং থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হয়।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সালে কূপটির লং স্ট্রিং দিয়ে দৈনিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন শুরু করা হলেও অতিরিক্ত পানি উৎপাদনের জন্য ১৬ মে, ২০১৬ সাল থেকে গ্যাস উৎপাদন বন্ধ করে দেয়া হয়।
- বর্তমানে শুধুমাত্র শর্ট স্ট্রিং দিয়ে গড়ে দৈনিক ৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপাদন করা হচ্ছে।
- এপ্রিল ৩০, ২০২৫ পর্যন্ত মোট উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৮৩.০৩৭ বিলিয়ন ঘনফুট বা শতকরা ৮২.২১%।

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [জুন,২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,২১২.
বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি-
  1. মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
  2. মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা
  3. প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা ও প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অর্থাৎ উপরের সবকটি।

→ বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১১ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷

⇒ মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা: 
- এটি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানুষের সম্মান ও অধিকার রক্ষার প্রতিশ্রুতি প্রকাশ করে।
-  এটি বাংলাদেশের প্রজাতন্ত্রের একটি মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

⇒ মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
-  এর মধ্যে রয়েছে বাকস্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমতা, এবং আইনের দৃষ্টিতে সমান সুরক্ষা।
-  সংবিধানের প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণের জন্য মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য।

⇒ প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ এবং ১১-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে। 
- এটি গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূলনীতি, যেখানে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।
-  স্থানীয় সরকার, সংসদীয় নির্বাচন, এবং অন্যান্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই অংশগ্রহণ বাস্তবায়িত হয়।

∴ সুতরাং সঠিক ‍উত্তর উপরের সবগুলো।


উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৫,২১৩.
দেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুত কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফেনী
  2. কক্সবাজার
  3. চাঁদপুর
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- দেশের প্রথম বায়ু বিদ্যুত কেন্দ্র ফেনী জেলায় অবস্থিত। 
- ২০০৪ সালে সোনাগাজী সদর ইউনিয়নে মুহুরী সেচ প্রকল্প এলাকায় দেশের প্রথম বায়ুশক্তি চালিত বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মিত হয়।
- সাড়ে সাত কোটি টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পর থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল দিনে ৯০০ কিলোওয়াট (০.৯ মেগাওয়াট)।
- প্রকল্পটি নির্মাণ করে ভারতের নেবুলা টেকনো সল্যুশন কোম্পানি লিমিটেড।

অন্যদিকে,
- দেশের সবচেয়ে বড় বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র কক্সবাজারের খুরুশকুল বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- চীনের অর্থায়নে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৯০০ কোটি টাকা।
- কক্সবাজারের ৬০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।

সূত্র -কালের কন্ঠ ও যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।

১৫,২১৪.
ড. কামাল হোসেন ব্যতীত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য কতজন ছিলেন?
  1. ক) ৩৩ জন
  2. খ) ৩৪ জন
  3. গ) ৩৫ জন
  4. ঘ) ৩৬ জন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়
- কামাল হোসেন ব্যতিত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা - ৩৩ জন
- এর সভাপতি ছিলেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু
- একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ-মোজাফফর)
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

১৫,২১৫.
২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী কাবাডি দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ভলিবল দল
ব্যাখ্যা

 'অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫:
- ৮ মার্চ, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে দেশের অদম্য নারীদের হাতে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ সম্মাননা তুলে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ২০২৫ সালে ‘অদম্য নারী পুরস্কার ২০২৫’ পেয়েছে:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল,
- জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী লিপি বেগম,
- অর্থনীতিতে অবদানে শরিফা সুলতানা,
- শিক্ষা ও চাকরিতে হালিমা বেগম,
- সফল জননী নারী মেরিনা বেসরা,
- সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদানে মো. মুহিন (মোহনা)।

উৎস: i) মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star Bangla.

১৫,২১৬.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি.) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৭৯ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন.পি.):
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে গঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বৃহত্তম হল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
- তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বরে বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী শরিক দল সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি.এন. পি.) প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঢাকার রমনা গ্রীনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে দলটি এ পর্যন্ত ১৯৭৯, ১৯৯১ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার পরিচালনা করে।
- দলটির বর্তমান সভাপতি বেগম খালেদা জিয়া।

⇒ বি.এন. পি'র দলীয় সংবিধান অনুযায়ী তাদের রাজনীতির মূলনীতি হল -
- সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস,
- জাতীয়তাবাদ,
- গণতন্ত্র,
- সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচার অর্থে)। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২১৭.
লোহার পরিমাণে জাহাজভাঙা শিল্পে বিশ্বে প্রথম-
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) ভারত
  3. গ) মিয়ানমার
  4. ঘ) লাওস
ব্যাখ্যা

- ২০২০ সালে লোহার পরিমাণে জাহাজভাঙা শিল্পে বিশ্বের প্রথম দেশ বাংলাদেশ।
- চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে প্রথম জাহাজভাঙা শিল্পে কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৬৪ সালে।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা 

১৫,২১৮.
'শাহ সুলতান বলখীর মাজার' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা 
  2. চট্টগ্রাম
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

শাহ সুলতান বলখীর মাজার:
- বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখীর মাজার বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসারে যেসব আধ্যাত্মিক দরবেশ ও যোদ্ধা বড় ভূমিকা রেখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন শাহ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার (রহ.)। 
- আফগানিস্তান থেকে আগত এ মুসলিম ধর্ম প্রচারক প্রথমে সন্দ্বীপে ইসলাম প্রচার করেন। পরবর্তীতে নদীপথে পুন্ড্রবর্ধন (বর্তমান বগুড়া) অঞ্চলে আগমন করেন এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেন।
- দীর্ঘদিন ইসলাম প্রচারের একপর্যায়ে ১০৪৯ খ্রিষ্টাব্দে হযরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার (রহ.) মৃত্যুবরণ করেন। তাকে তার প্রতিষ্ঠিত মসজিদের পাশে কবর দেওয়া হয়। সেখানে মাজার গড়ে ওঠে। সেই থেকে বাংলা সালের বৈশাখ মাসের শেষ বৃহস্পতিবার হযরত শাহ্ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ারের (রহ.) বাৎসরিক ওরস মোবারক অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল। এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়। বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত। মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) যুগান্তর।

১৫,২১৯.
যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভায় মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ. কে. ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা। 
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। 
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়, বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করে।

⇒ যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা:
• মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• শিক্ষা: সৈয়দ আজিজুল হক।
• কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,২২০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে কতটি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে? 
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাতের ৩টি বৃহৎ খাতে অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা,কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৫,২২১.
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. পাবনা
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ
- দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,২২২.
লেমিনেশন ব্যাগ কি?
  1. ক) পাট থেকে তৈরি ব্যাগ
  2. খ) বায়ুরোধী ব্যাগ
  3. গ) পানিরোধী ব্যাগ
  4. ঘ) জীবানুরোধী ব্যাগ
ব্যাখ্যা
লেমিনেশন ব্যাগ হলো পাট থেকে তৈরি ব্যাগ। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল- ২০২০]
১৫,২২৩.
নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য নয় কোনটি?
  1. রোগীর সেবা
  2. আইন মেনে চলা
  3. ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
  4. শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান
ব্যাখ্যা
• নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য নয় আইন মেনে চলা।

বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

নাগরিকের কর্তব্য:
- কর্তব্য বলতে নাগরিকের দায়িত্ব বোঝায়।
- নাগরিকগণ যেমন রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্যও রয়েছে।
নাগরিক কর্তব্য দুই ভাগে বিভক্ত।
- যথা: (ক) নৈতিক কর্তব্য (খ) আইনগত কর্তব্য।

নৈতিক কর্তব্য:
- ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান, রোগীর সেবা,
- শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান,
- দুর্যোগ, মহামারী, বন্যা, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

আইনগত কর্তব্য:
- নির্বাচনে ভোটদান করা,
- আইন মেনে চলা,
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২২৪.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের 'সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)
⇨ বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
⇨ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
⇨ ইনস্টিটিউটের সদর দপ্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত।
⇨ ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে। গবেষণা কেন্দ্রগুলাে হচ্ছে -
• স্বাদুপানি কেন্দ্র, ময়মনসিংহ;
• নদী কেন্দ্র, চাঁদপুর;
• লােনাপানি কেন্দ্র, পাইকগাছা, খুলনা;
সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র, কক্সবাজার এবং
• চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র, বাগেরহাট।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ওয়েবসাইট।
১৫,২২৫.
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেয় কীভাবে?
  1. ৬ দফা দাবির মাধ্যমে
  2. ৮ দফা দাবির মাধ্যমে
  3. ১১ দফা দাবির মাধ্যমে
  4. ২১ দফা দাবির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
১১ দফা কর্মসূচি:
- সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবির বাস্তবায়ন এবং প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরাচারী শাসনের অবসানের জন্য আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি প্রধান ছাত্র সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি সংগ্রাম পরিষদ।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান সংগঠন ও সুসংবদ্ধকরণ এবং নেতৃত্ব প্রদানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মূখ্য ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র সমাজ, বিশেষত পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ, পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মেনন], পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন [মতিয়া], ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (DUCSU) আট জন ছাত্রনেতা সম্মিলিতভাবে গঠন করেন সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ।
- ৪ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা। 
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই উনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,২২৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সৌদি আরব 
  2. যুক্তরাষ্ট্র 
  3. যুক্তরাজ্য 
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত 
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেমিট্যান্স প্রাপ্তি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই আয় ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ২৩.৯১ বিলিয়ন ডলারের চেয়ে ৬.৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬.৮ শতাংশ বেশি।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে।

⇒  রেমিট্যান্স প্রেরণে শীর্ষ দেশ:
১. যুক্তরাষ্ট্র, 
২. সৌদি আরব, 
৩. সংযুক্ত আরব আমিরাত, 
৪. যুক্তরাজ্য, 
৫. মালয়েশিয়া। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১৫,২২৭.
তমুদ্দীন মজলিশ ছিল একটি-
  1. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান 
  2. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান 
  3. সামাজিক প্রতিষ্ঠান 
  4. অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান 
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো সাপ্তাহিক 'সৈনিক পত্রিকা'।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী।
১৫,২২৮.
২০২৫ সালে 'প্রতিবাদী তারুণ্য' ক্যাটাগরিতে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. আবু সাইদ
  2. মীর মুগ্ধ
  3. আবরার ফাহাদ
  4. ওসমান হাদী
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৫,২২৯.
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা ছিল কার?
  1. ক) এ. কে. ফজলুল হকের
  2. খ) আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর
  3. গ) নবাব স্যার সলিমুল্লাহর
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর
ব্যাখ্যা
- মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠায় প্রধান ভূমিকা নবাব স্যার সলিমুল্লাহর
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের পর ভারতবর্ষের মুসলমান নেতৃবৃন্দ তাদের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য একটি রাজনৈতিক সংগঠনের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভব করেন। 
- ১৯০৬ সালের ১ অক্টোবর আগা খানের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী মুসলিম প্রতিনিধি দল লর্ড মিন্টুর নিকট 'পৃথক নির্বাচনের' দাবি জানালে তিনি তা নীতিগতভাবে মেনে নেন। এর ফলে মুসলিম নেতৃবৃন্দ উৎসাহিত হয়ে পড়েন। 
- ১৯০৬ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ শিক্ষা সম্মেলনে বসে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের প্রশ্নে মুসলমান নেতৃবৃন্দ মতবিনিময় করেন। 
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর নবাব ভিকারুল মুলকের সভাপতিত্বে এক বিশেষ অধিবেশনে ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ একটি সর্বভারতীয় মুসলিম রাজনৈতিক দল গঠনের প্রস্তাব রাখেন। এই প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। যার ফলে প্রতিষ্ঠিত হয় মুসলিম লীগ।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,২৩০.
তিতাস উপজেলা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) রংপুর
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) যশোর
ব্যাখ্যা
তিতাস উপজেলা কুমিল্লা জেলায় অবস্থিত।
কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গোমতী নদীর উত্তরাংশের ৯টি ইউনিয়নকে কর্তন করে ২০০৪ সালে এ উপজেলা গঠন করা হয়েছে।

সুত্রঃ titas.comilla.gov.bd
১৫,২৩১.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) আওতায় কতটি দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার রয়েছে?
  1. ক) ২০
  2. খ) ২২
  3. গ) ২৪
  4. ঘ) ২৮
ব্যাখ্যা

BADC এর আওতায় ২৪ টি দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার, ২ টি পাট বীজ উৎপাদন খামার, ২ টি আলু বীজ উৎপাদন খামার, ৪টি ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার ও ১১১ টি চুক্তিবদ্ধ চাষীজোন রয়েছে, যার সাহায্যে বীজ উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৫,২৩২.
 ত্রিপুরা সম্প্রদায়ের ভাষার নাম কী?
  1. কুঁড়ুখ
  2. ম্রো
  3.  ককবরক
  4. আচিক খুসিক
ব্যাখ্যা

ককবরক ভাষা:
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ত্রিপুরাদের মাতৃভাষার নাম ‘ককবরক’।
- এর অর্থ 'মানুষের ভাষা'।
- এই ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম, বৃহত্তর নোয়াখালী, কুমিল্লা ও সিলেটবাসী ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই ভাষা প্রচলিত।

এছাড়াও,
- ম্রো জনগোষ্ঠীর ভাষার নাম ম্রো ভাষা।
- ওঁরাও নৃ-গোষ্ঠীর ভাষার নাম হচ্ছে কুঁড়ুখ ও সাদরি।
- আচিক খুসিক হচ্ছে গারো নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি ও দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১৫,২৩৩.
বড় কাটরা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) তিস্তা
  2. খ) শীতলক্ষ্যা
  3. গ) বুড়িগঙ্গা
  4. ঘ) তুরাগ
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:

- মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত বড় কাটরা দারুণভাবে সুরক্ষিত এবং মুগল রাজকীয় স্থাপত্য-রীতির সকল বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি বিদ্যমান।
- আয়তাকারে নির্মিত এ অট্টালিকার দক্ষিণ বাহু ছিল ৬৭.৯৭ মিটার দীর্ঘ।উত্তর বাহুও একই মাপের ছিল বলে ধারণা করা হয়। পূর্ব-পশ্চিম বাহুর দৈর্ঘ্য এখন নিরূপণ করা দুঃসাধ্য হলেও আদিতে ৭০.১০ মিটার করে ছিল বলে জানা যায়।
- সদর তোরণ ছিল অতি মনোমুগ্ধকর এবং এটি দক্ষিণে নদীর দিকে প্রায় ৭.৬১ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১২.১৯ মিটার প্রসারিত ছিল।
- এ প্রবেশপথের দুপাশে ছিল দুটি প্রহরীকক্ষ
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৩৪.
মুজিববর্ষ ঘোষনা হয় কবে?
  1. ১২ জানুয়ারি ২০১৯
  2. ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫
  3. ০৭ মার্চ ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ২০২২
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ:
- ‘মুজিববর্ষ’ ঘোষণা করা হয় - ১২ জানুয়ারী, ২০১৯।
- ১৭ মার্চ ২০২০ — ৩১ মার্চ ২০২২ সাল মুজিব বর্ষের সময়কাল।
- সব্যসাচী হাজরা মুজিব বর্ষের লোগোর ডিজাইনার।
- মুজিববর্ষ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ ১৯২০)।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন।
- মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দর, ঢাকা মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা উদ্বোধন করেন।
- ১০ জানুয়ারি ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষের লোগো উন্মোচন করেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১২ ডিসেম্বর ২০২০ ও দৈনিক যুগান্তর, ৮ জানুয়ারী, ২০২২।
১৫,২৩৫.
সিমেন্ট তৈরিতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কয়লা
  2. খ) ক্লিংকার
  3. গ) মিথেন
  4. ঘ) মণ্ড
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট তৈরিতে কাঁচামাল হিসেবে ক্লিংকার, জিপসাম, ফ্লাই অ্যাশ, চুনাপাথর, মাটি ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়। প্রথমে মাটি বা কর্দমের সাথে চুনাপাথর মিশিয়ে প্রচন্ড উত্তাপের সাহায্যে ক্লিংকার তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ক্লিংকারের সাথে জিপসাম মিশিয়ে সিমেন্ট তৈরি করা হয়।
বাংলাদেশে ছাতক সিমেন্ট কারখানা ও লাফার্জ সুরমা কারখানা ক্লিংকার তৈরি করে। অন্যসব সিমেন্ট কারখানা বিদেশ হতে ক্লিংকার আমদানি করে থাকে।
(সূত্র: প্রথম আলো)
১৫,২৩৬.
BRTC - এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Bangladesh Road Transport Authority
  2. খ) Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission
  3. গ) Bangladesh Road Transport Corporation
  4. ঘ) Bangladesh Telecommunications Company Limited
ব্যাখ্যা
⇨ BRTC - এর পূর্ণরূপ Bangladesh Road Transport Corporation বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশন।
⇨ Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC)
⇨ Bangladesh Telecommunications Company Limited (BTCL) 
⇨ Bangladesh Road Transport Authority (BRTA)

তথ্যসূত্র:- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। 
১৫,২৩৭.
একটি বৈধ চেকের মেয়াদ কত মাস?
  1. এক মাস
  2. তিন মাস
  3. চার মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
চেক বুক:
- চেক বা Cheque হলো বিশেষভাবে মুদ্রিত এক ধরনের কাগজ যা Bank কর্তৃক গ্রাহকের হিসাবের বিপরীতে ইস্যু করা হয়ে থাকে।
- চেক একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল।
- ব্যাংক সাধারণত গ্রাহক বরাবর চেক প্রদান করে।
- ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক প্রয়োজনে গ্রাহক সেই চেক ইস্যু করতে পারেন।
- একটি চেক ইস্যুর তারিখ থেকে ছয় মাস মেয়াদে কার্যকর থাকে।
- ওই মেয়াদের মধ্যে তিনবার চেকে উল্লেখিত টাকা পরিশোধের জন্য ব্যাংকের কাছে প্রদান করা যায়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন.[link]
         ii) ১২ জুলাই ২০১৭, প্রথম আলো।
১৫,২৩৮.
২০২২-২৩ সালের বাজেটের শিরোনাম কী? 
  1. ক) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে বাংলাদেশ দাঁড়িয়ে
  2. খ) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নে বাংলাদেশ
  3. গ) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন
  4. ঘ) কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে ভয়হীন বাংলাদেশের যাত্রা
ব্যাখ্যা
২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- বাজেটের ক্রম ৫১-তম  (অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫২-তম)।
- (আওয়ামী লীগ সরকারের ২৩-তম)
- বাজেটের স্লোগান/শিরোনাম ‘কোভিডের অভিঘাত পেরিয়ে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় প্রত্যাবর্তন’
- সংসদে বাজেট উত্থাপনের তারিখ ৯ জুন, ২০২২
- বাজেট উত্থাপনকারী অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামাল (তাঁর টানা চতুর্থ বাজেট পেশ)।
- এটি বর্তমান সরকারের টানা ১৪-তম বাজেট। 
- সংসদে বাজেট পাশ হয় ৩০ জুন, ২০২২

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
১৫,২৩৯.
মুজিবনগর সরকারের উপ রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান। অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। খন্দকার মুশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
১৫,২৪০.
’রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’ কোন মন্ত্রনালয়ের অধীনে?
  1. অর্থ মন্ত্রনালয়
  2. কৃষি মন্ত্রনালয়
  3. বণিজ্য মন্ত্রনালয়
  4. শিল্প মন্ত্রনালয়
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর মন্ত্রণালয়।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে বাণিজ্য বিভাগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ নামে দু’টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়।
- ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে শিল্পের সাথে একীভূত হয়ে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- সে সময় বাণিজ্য বিভাগ, শিল্প বিভাগ এবং পাট বিভাগ এ মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করা হয়।
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে পুনঃকার্যক্রম শুরু হয়।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপর অর্পিত এ সকল কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বেশ কয়েকটি অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থা রয়েছে।
এগুলো হচ্ছেঃ
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন;
-  আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের দপ্তর;
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর;
- যৌথমূলধন কোম্পানী ও ফার্ম সমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়;
- বাংলাদেশ চা বোর্ড;
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ;
- বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন;
- বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল;
- কম্পিটিশন কমিশন;
- বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট;
- দি ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট এ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ;
- দি ইনস্টিটিউট অব চার্টাড এ্যাকাউন্টস অব বাংলাদেশ;

উৎস: বণিজ্য মন্ত্রনালয়।
১৫,২৪১.
বিশ্বের কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু করেছে?
  1. ১১৮ তম
  2. ১১৯ তম
  3. ১২০ তম
  4. ১২১ তম
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্জন:
- বিশ্বে প্রথম ই-পাসপোর্ট চালু করে মালয়েশিয়া ১৯৯৮ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট প্রদানের ঘোষণা দেয়া হয় ২৪ এপ্রিল, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় ২২ জানুয়ারি, ২০২০ সালে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসাবে ই-পাসপোর্ট চালু করে।
- বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট নিয়ে কাজ করেছে জার্মান কোম্পানি Veridos GbmH.

উৎস: বণিক বার্তা নিউজ।
১৫,২৪২.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ২নং সেক্টর
  2. খ) ৪নং সেক্টর
  3. গ) ৭নং সেক্টর
  4. ঘ) ৮নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:

- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,২৪৩.
আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি টাকার কোড কী?
  1. BDT
  2. BTBT
  3. BDTK
  4. BTK
ব্যাখ্যা

• আন্তর্জাতিক লেনদেনে বাংলাদেশি টাকার কোড- BDT।

এছাড়াও,
অস্ট্রেলিয়ার টাকার কোড- AUD.
অস্ট্রিয়া টাকার কোড- EUR
বাহরাইন টাকার কোড- BHD
ব্রাজিলের টাকার কোড- BRL

উৎস: International Bank Account Number validation লিংক।

১৫,২৪৪.
২০২৫ সালে সমাজসেবায় মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন কে? 
  1. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  2. আজম খান
  3. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  4. আবরার ফাহাদ 
ব্যাখ্যা

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
• পুরস্কারপ্রাপ্তরা:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্যে মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতিতে নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবায় স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণায় বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্যের ক্ষেত্রে আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৫,২৪৫.
বর্তমানে বাংলাদেশে দাবায় কতজন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার রয়েছে? [মার্চ, ২০২৫]
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- FIDE (বিশ্ব দাবা সংস্থা) কর্তৃক নির্ধারিত কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে দাবাড়ুরা WIM খেতাব অর্জন করতে পারেন। 

বর্তমানে বাংলাদেশে দাবায় ৪ জন নারী আন্তর্জাতিক মাস্টার (WIM - Woman International Master) রয়েছেন। তারা হলেন:
- রাণী হামিদ;
- শামীমা সুলতানা;
- শিরিন সুলতানা;
- ওয়াদিফা আহমেদ (সর্বশেষ WIM উপাধি অর্জনকারী)।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৫ সালে প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন রাণী হামিদ।
- সম্প্রতি, শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় অনুষ্ঠিত এশিয়ান জোনাল দাবা চ্যাম্পিয়নশিপের মহিলা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন বাংলাদেশের দাবাড়ু ওয়াদিফা আহমেদ। এ নিয়ে চতুর্থ মহিলা আন্তর্জাতিক মাস্টার পেল বাংলাদেশ।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৫,২৪৬.
মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চে কার অবস্থান রয়েছে?
  1. জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর
  4. মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড
ব্যাখ্যা

- মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার সর্বোচ্চে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান। 

মাধ্যমিক শিক্ষা: 
- মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার শীর্ষে রয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে একাধিক সংস্থা।
- কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অবস্থিত এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মাধ্যমিক শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধীয় যাবতীয় কর্মকা- পরিচালিত হয়ে থাকে।
- এসব বিভিন্নমুখী দায়িত্ব পালন করে থাকে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ চার ধরনের বিশেষীকৃত সংস্থা।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৫,২৪৭.
শীতকালীন ফসল উৎপাদনের মৌসুম কোনটি?
  1. শ্রাবণ-ভাদ্র
  2. বৈশাখ-আষাঢ়
  3. অগ্রহায়ণ-চৈত্র
  4. আশ্বিন-ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন।
- আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়েকে রবি মৌসুম ধরা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল।
- এছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও রবি মৌসুমে হয়ে থাকে।
(তথ্যসূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
১৫,২৪৮.
রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্রে আলোচনা করে তাকে কী বলা হয়?
  1. Sociology
  2. Stasiology
  3. Geology
  4. Astrology
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মতভাবে আলোচনা মূলত শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে।
- রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তা 'Stasiology' নামে পরিচিত।
- ‘Stasis’ শব্দের অর্থ বিরোধীতার মনোভাব।
- এই শব্দটি গ্রিক থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে। বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা দিয়েছেন।
- এসব সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করে বলা যায়, বেশ কিছু সংখ্যক ব্যক্তি যদি রাষ্ট্রের সামাজিক, রাজনৈতিক প্রভৃতি বিশেষ সমস্যা সংক্রান্ত কতকগুলো মূল বিষয়ে সম-মতাবলম্বী হয় এবং মতাদর্শের মূলগত ঐক্যের ভিত্তিতে দেশের উন্নতি বিধানের জন্য শাসন পরিচালনার সুযোগ লাভের উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধভাবে প্রচারকার্য চালিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অর্জনের চেষ্টা করে তবে সেই সংঘবদ্ধ ব্যক্তিদের সংগঠনটিকে রাজনেতিক দল বলে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২৪৯.
বাংলাদেশের কোথায় ’গারো নৃগোষ্ঠীর’ বসবাস নেই?
  1. বান্দারবান
  2. জামালপুর
  3. শেরপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- বান্দরবানে গারোদের আবাস নেই।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার
- মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
 - নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,২৫০.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট কোন আইন পাস হয়?
  1. ভারত ভাগ আইন
  2. ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অ্যাক্ট
  3. ভারত শাসন আইন
  4. রেগুলেটরি অ্যাক্ট
ব্যাখ্যা

ভারত শাসন আইন:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এটি ছিল ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লবের প্রত্যক্ষ ফল।
- ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট পার্লামেন্ট ইন্ডিয়া অ্যাক্ট আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে রাজ শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
- ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

১৫,২৫১.
মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রককে শপথ বাক্য পাঠ করান -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫,২৫২.
বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর কোনটি?
  1. বুড়িমারী
  2. জাফলং
  3. সোনা মসজিদ
  4. বেনাপোল
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থলবন্দর:

- বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল।
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে বেনাপোল স্থলবন্দর ঘোষণা।
- ০১-০২-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।
- বেনাপোল সীমান্ত হতে রাজধানীর দূরত্ব প্রায় ২৪০ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৮৪ কিঃমিঃ।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - বেনাপোল স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।
১৫,২৫৩.
মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) পদ্মা
  2. খ) গড়াই
  3. গ) মহানন্দা
  4. ঘ) করতোয়া
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থান গড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,২৫৪.
বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮০ সালে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।

⇒ ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

⇒ পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র: ২টি।
(ক) ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্র,
(খ) চট্টগ্রাম টেলিভিশন কেন্দ্র।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১৫,২৫৫.
এ.কে ফজলুল হকের  মন্ত্রিসভার ( ১৯৩৭-১৯৪১) সদস্য কত জন ছিল?
  1. ১১ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৫ জন
  4. ১৭ জন
ব্যাখ্যা
এ.কে ফজলুল হক:
এ.কে ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমস্ত্রী ।

এছাড়াও

- ১৯৩৫ সালে তিনি কলকাতা মিউনিসিপ্যালিটির প্রথম মুসলিম মেয়র হন।
- তিনি কৃষক প্রজা পার্টি (১৯৩৬) সালে প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৩৭ সালে তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমস্ত্রী হন।
- তার মন্ত্রীসভা হক মন্ত্রীসভা নামে পরিচিত ।
- মন্ত্রীসভার সদস্য ছিল-১১ জন
- তার আমলের্ ঋণ সালিশি আইন” প্রণীত হয়।
- ১৯৫৪ সালে তিনি যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন।
- ১৯৫৫ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সালে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হন

উৎস
: বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৫৬.
‘পাকিস্তান’ নামের উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ক) আল্লামা ইকবাল
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) খাজা নাজিমউদ্দিন
  4. ঘ) চৌধুরী রহমত আলী
ব্যাখ্যা
চৈৗধুরী রহমত আলী ১৯৩৩ সালে ভারতের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ৫টি ‍মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকার জন্যে পাকিস্তান নামটি উদ্ভাবন করেন।
পরবর্তীতে ভারতের মুসলমানদের জন্যে পৃথক রাষ্ট্রের নাম হিসেবে পাকিস্তান গৃহিত হয়। মুহম্মদ আলী জিন্নাহর দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৫,২৫৭.
জাতীয় সংসদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন- 
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পীকার
  4. আইনমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- তবে এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শ অনুযায়ী তার দায়িত্ব পালন করবেন।
- নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে ও নতুন বছরের অধিবেশনের সূচনায় রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণদান করেন।
- রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সংসদে আলোচনা হয়। সময়ে সময়ে রাষ্ট্রপতি সংসদে বাণী প্রেরণ করেন।
- তিনি সংসদ মুলতবি রাখতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শে তিনি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  জাতীয় সংসদের নেতা।
- মাননীয় স্পিকার  সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- আর চিপ হুইপ সংসদ সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় বিধানের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,২৫৮.
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. তাজউদ্দিন আহমেদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা

মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- এস.এ সামাদ ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।
- উপ-সেনাপতি ছিলেন এ.কে খন্দকার।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৫৯.
যে কোন দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মূল উপাদান কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

শিক্ষাব্যবস্থা:
- যে কোন দেশের শিক্ষাব্যবস্থার মূল উপাদান চারটি। যথা-
১. শিক্ষার্থী;
২. শিক্ষক;
৩. শিক্ষাক্রম; এবং
৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

১. শিক্ষার্থী:
- শিক্ষার্থী হচ্ছে যিনি শিক্ষাগ্রহণ করবেন বা যাকে শেখানো হবে। শিক্ষার্থী হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি কারণ তাকে ঘিরেই সমগ্র শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শিক্ষার্থীর শিক্ষাগ্রহণের প্রয়োজনেই শিক্ষাব্যবস্থার অন্যান্য উপাদানগুলোর আবশ্যকতা রয়েছে। শিক্ষার্থী ব্যতিত শিক্ষা ব্যবস্থার ধারণাটিই অচল। শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি আর যে সকল উপাদান রয়েছে তার সবকিছুই শিক্ষার্থীর চাহিদা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। সুতরাং বলা যায় যে, শিক্ষার্থীই হচ্ছে শিক্ষা ব্যবস্থার মূল উপাদান। শিক্ষাবিদগণও যৌক্তিক কারণে এই উপাদানটিকে শিক্ষা প্রক্রিয়ার শ্রেষ্ঠ উপাদান হিসেবে মূল্যায়ন করেন। কেননা শিক্ষা প্রক্রিয়ার মাঝে শিক্ষার্থীর থাকা অপরিহার্য। শিক্ষার্থী ব্যতিত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার কোন সুযোগ নেই।

২. শিক্ষক:
- শিক্ষক শিক্ষা প্রক্রিয়ার আবশ্যকীয় উপাদান। শিক্ষক হচ্ছেন তিনি যিনি শিক্ষার্থীদের শেখাবেন অর্থাৎ শিক্ষার্থীরা যার কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করবে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষক শিক্ষা প্রক্রিয়ার মূখ্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হন। তিনি এতটা ক্রিয়াশীল হয়ে উঠতে এবং শিক্ষার্থীদের উপর এতটা প্রভাব বিস্তার করতে পারেন যে, অসংখ্য শিক্ষার্থী তাঁর সংস্পর্শে আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে তিনি যদি যথাযথ যোগ্য না হন তাহলে তা শিক্ষার্থীর শিক্ষা জীবনকে বিপর্যস্ত করতে পারে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে একজন শিক্ষক জীবনব্যপীই একজন শিক্ষার্থী। নিজের উন্নয়নের প্রয়োজনে এবং নতুন নতুন বিষয়ের সাথে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য তাঁকে সর্বদা জ্ঞানার্জনে সচেষ্ট হতে হয়।

৩. শিক্ষাক্রম:
- শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম হচ্ছে যে কোন দেশের শিক্ষা কর্যক্রমের মেরুদন্ড। কারণ শিক্ষাক্রমের উপর ভিত্তি করেই মূলত সকল দেশের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক এবং শিক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় সকল কিছুর সমন্বিত রূপই হচ্ছে শিক্ষাক্রম। শিক্ষাক্রমে শিক্ষা প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত সকল কিছুই অন্তর্ভুক্ত। শিক্ষার্থীরা কী শিখবে, কোন প্রক্রিয়ায় শিখবে, কী কী শিক্ষা উপকরণ ব্যবহৃত হবে ইত্যাদি যেমন শিক্ষাক্রমে উল্লেখ থাকে তেমনিভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা কী হবে সেটাও শিক্ষাক্রমে সুনির্দিষ্ট থাকে। কোন দেশের জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা যে নির্দিষ্ট লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং জাতীয় আশা আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয় শিক্ষাক্রমে তার প্রতিফলন ঘটে।

৪. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- শিক্ষা প্রক্রিয়ার জন্য আবশ্যকীয় হিসেবে বিবেচিত একটি উপাদান হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যতিত কোনভাবেই আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করা সম্ভব নয়।
 
উৎস: স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,২৬০.
নিচের কোন অঞ্চলে হাজংদের বসবাস রয়েছে?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়।
- প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে। 

ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী:
- রাজবংশী উপজাতির বসবাস রংপুর।
- বাংলাদেশে মনিপুরী, খাসিয়া উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে।
- রাঙ্গামাটিতে বাস করে চাকমা, মারমা, তনচংগা সহ বেশ কয়েকটি উপজাতির অংশবিশেষ।
- রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে পটুয়াখালীতে।
- সাওতাল - রাজশাহী, রংপুর।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৬১.
আইন বিভাগের প্রধান কাজ কোনটি?
  1. সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন
  2. শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের কার্যাবলী:
- বাংলাদেশের আইনসভাকে জাতীয় সংসদ বলে আখ্যা দেয়া হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মূলত: সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- সংসদীয় গণতন্ত্রের মূলনীতি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী হলেন প্রধান নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের কার্যাবলি সংবিধান প্রণীত নীতি অনুযায়ী সংঘটিত হয়। আইন প্রণয়ন হলো জাতীয় সংসদের প্রধান কাজ। 
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- বাংলাদেশের আইনসভার কার্যাবলিসমূহ সংবিধান কর্তৃক স্বীকৃত।

• আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কার্যাবলি: আইন প্রণয়ন করার কাজটি আইন সভার প্রধান কাজ। বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে আইন বিভাগ এই কাজটি করে থাকে। এই বিভাগটি নতুন আইন প্রণয়ন ও পুরাতন আইন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

• সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন: বাংলাদেশের আইন সভা সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। দেশের সংবিধান উল্লিখিত দুইটি ক্ষমতাই আইন সভাকে প্রদান করেছে। এক্ষেত্রে আইন সভা সংবিধান সংশোধনকল্পে বিভিন্ন সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ ও প্রয়োজনে গণভোটের সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

• বিচার সংক্রান্ত কার্যাবলি: প্রয়োজনের নিরীখে কখনও বাংলাদেশের আইন সভা বিচার সম্পর্কিত কার্যাদিও সম্পাদন করে থাকে। এমনকি রাষ্ট্রপতিও যদি কোন গুরুতর অসদাচরণ করেন তাহলে সংবিধানের ৫২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সংসদ তাঁর অভিশংসন অর্থাৎ বিচারিক কাজটি করতে পারবে। নির্বাচন সংক্রান্ত বিরোধের বিচার সংক্রান্ত ব্যাপারেও বাংলাদেশের আইনসভা ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

• শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি: তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে। তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।

• অর্থ-সংক্রান্ত কার্যাবলি: বাংলাদেশের আইন সভা নানাবিধ অর্থ সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বিশেষ করে অর্থের অপচয় রোধে আইন সভা গণতান্ত্রিক পদ্ধতির চর্চা করে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বাজেট পেশসহ সরকারি আয়-ব্যয়ের পর্যালোচনা, পরবর্তী বছরের ব্যয় বরাদ্দের কাজ গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কার্যকর করে তোলে। বাংলাদেশের আইন সভার অনুমতি ছাড়া কর ধার্য বা পুরাতন কর ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস সম্ভব হয় না।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২৬২.
জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. মোহাম্মদউল্লাহ
  3. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন জিয়াউর রহমান।
- তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।
- তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এমএজি ওসমানী। 
- তিনি ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও যুগান্তর পত্রিকার রিপোর্ট।
১৫,২৬৩.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় -
  1. ক) ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে
  2. খ) ৩১ মার্চ, ১৯৫১ সালে
  3. গ) ২৭ জানুয়ারি, ১৯৪৯ সালে
  4. ঘ) ২১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
• ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:
৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
– কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
– রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
– দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়-  ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামছুল আলম।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২৬৪.
অস্থায়ী প্রবাসী সরকার কলকাতা থেকে স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করে কবে?
  1. ক) ১৮ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. খ) ২২ ডিসেম্বর ১৯৭১
  3. গ) ২৫ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ৩১ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের অস্থায়ী সদরদপ্তর স্থাপন করা হয় ৮, থিয়েটার রোড, কলকাতায়।

দীর্ঘ নয় মাসের সশ্বস্ত্র সংগ্রামের পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে যৌথবাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হয়। এতে করে ২২ ডিসেম্বর ১৯৭১ অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের সদস্যরা কলকাতা থেকে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করে দেশের শাসনভার গ্রহণ করে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র ও ডেইলি স্টার)
১৫,২৬৫.
কোন প্রতিষ্ঠানটি ঢাকাই মসলিনের ‘ভৌগোলিক নির্দেশক’ সনদ লাভ করেছে?
  1. জাতীয় জাদুঘর
  2. বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড
  3. বাংলাদেশ রেশম বোর্ড
  4. বস্ত্র অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
- দেশের চতুর্থ পণ্য হিসেবে ঢাকাই মসলিন ‘ভৌগোলিক নির্দেশক’ বা (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।
- রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডকে ঢাকাই মসলিনের জিআই স্বত্ত্ব প্রদান করা হচ্ছে।
- গত ৬ই মার্চ ২০২১ জার্নাল প্রকাশের দুইমাস অতিবাহিত হওয়ায় এবং অন্যকোন দেশের আপত্তি না আসাই ঢাকাই মসলিনের জিআই সনদ নিশ্চিত হয়। আগমী ২৬শে এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডকে ঢাকাই মসলিনকে জিআই সনদ দেওয়া হবে।
--‌ এর পূর্বে ২০১৬ সালে প্রথম পণ্য হিসেবে ‘জামদানি’ জিআই সনদ লাভ করেছিলো।
- ২০১৭ সালে দ্বিতীয় পণ্য হিসেবে ‘ইলিশ’ এবং ২০১৯ সালে তৃতীয় পণ্য হিসেবে ‘ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর’ আম জিআই সনদ লাভ করে।
- ডব্লিউআইপিওর নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশে জিআই নিবন্ধন সনদ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সংস্থা পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তরকে (ডিপিডিটি)।
(সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট/আর্কাইভ)
১৫,২৬৬.
বাংলাদেশের ইউনেঙ্কো ঘোষিত বিশ্ব-ঐতিহ্যবাহী স্থান নয় কোনটি?
  1. ঢাকাই জামদানী
  2. সুন্দরবন
  3. সোমপুর বিহার
  4. ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ইউনেঙ্কো ঘোষিত বিশ্ব-ঐতিহ্যবাহী স্থান নয়- ঢাকাই জামদানী।

• সোমপুর মহাবিহার:
- এটি বাংলার প্রাচীন বৌদ্ধ সভ্যতার সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের এক অভিজাত নিদর্শন।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের শাসনামলে রাজা ধর্মপাল কর্তৃক।
-  ১৯৮৫ সাল থেকে এটি ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।
- নওগাঁর পাহাড়পুরের এই বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- বনটি ১৯৮৭ সাল থেকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।
- প্রায় ১০ হাজার বর্গ কিলোমিটারের এই বনটি এর সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের জন্য ব্যাপকভাবে পরিচিত।
- সুন্দরবন রয়েল বেঙ্গল টাইগারের আবাসস্থল এবং নানা প্রজাতির পাখি, সরীসৃপ এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবাসস্থল। 

• ষাট গম্বুজ মসজিদ
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিলো সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না।
- মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখে ধারণা করা হয় খান-ই-জাহান ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন।
- এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিলো।
- পাথরগুলো আনা হয়েছিলো রাজমহল থেকে।
- ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,২৬৭.
হাইকোর্ট কবে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিকভাবে বাতিল ঘোষণা করে?
  1.  ১০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  3. ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪
  4. ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা

• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।

গুরত্বপূর্ণ কিছু সংশোধনী:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

১৫,২৬৮.
বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয় কোন রাজনীতিবিদকে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  4. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।

হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী:
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি (সম্মান) ও বি.সি.এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-এট-ল সম্পন্ন করেন।
- ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরেই তিনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী, ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পাকিস্তানের প্রথম ও প্রধান বিরোধীদল আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সোহ্‌রাওয়ার্দীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- ১৯৫৫ সালের ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এন.ডি.এফ) গঠন করে তিনি ১৯৬২-৬৩ সালের আইয়ুব-বিরোধী সম্মিলিত জোটের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
১৫,২৬৯.
বীজ সংরক্ষনের জন্য সবচেয়ে উত্তম পদ্ধতি কোনটি?
  1. বায়ুরোধী প্লাষ্টিক কনটেইনার
  2. মাটির মটকা
  3. চটের বস্তা
  4. বাশের তৈরি বেড়
ব্যাখ্যা
বীজ সংরক্ষণ:
- মানসম্পন্ন বীজ প্রাপ্তির জন্য ফসল বীজ উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও পরিবহনের ক্ষেত্রে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।
- বীজ উৎপাদনের জন্য বীজের প্রাথমিক উৎস এলাকার জলবায়ু, মাটি, সার প্রয়োগ, বপন সময়, বীজ হার, নিরাপদ দুরত্ব, রোগিং, কর্তন সময় সরাসরি প্রভাব বিস্তার করে থাকে।
- মাঠ পর্যায়ে যথাযথ পরিচর্যা সম্পন্ন করে ভাল বীজ উৎপাদন করা হলেও প্রক্রিয়াজাতকরণের যে কোন ধাপে মান হ্রাস পেতে পারে।
- তাই উপযুক্ত সময় ও পদ্ধতিতে মাড়াই, ঝাড়াই, শুকানো ও উপযুক্ত পাত্রে সংরক্ষন নিশ্চিত করতে হবে। বায়ুরোধী প্লাষ্টিক কনটেইনার, ব্যাগ, ড্রাম, কাচের বৈয়ম প্রভৃতিতে উপযুক্ত আর্দ্রতার বীজ পাত্র ভর্তি করে সংরক্ষণ করলে ৬ থেকে ১২ মাস পর্যন্ত ভালো রাখা সম্ভব।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২৭০.
রাজবংশী আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৭১.
আত্মজীবনী ক্যাটাগরিতে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২' অর্জন করেন কে?
  1. ক) আলম খোরশেদ
  2. খ) মোকারম হোসেন
  3. গ) মুহাম্মদ শামসুল হক
  4. ঘ) ইকতিয়ার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ সাল থেকে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকারের ‘সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এ পুরস্কার ঘোষণা করে।
-২৫ জানুয়ারী ২০২৩ ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২২' ঘোষণা করা হয়। ১১টি বিভাগে মোট ১৫ জনকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত লেখকরা হলেন:

• কবিতা ⇒ ফারুক মাহমুদ ও তারিক সুজাত
• কথাসাহিত্য ⇒ তাপস মজুমদার ও পারভেজ হোসেন 
• প্রবন্ধ/গবেষণা ⇒ মাসুদুজ্জামান
• অনুবাদ ⇒ আলম খোরশেদ
• নাটক ⇒ মিলন কান্তি দে ও ফরিদ আহমদ দুলাল
•  শিশুসাহিত্য ⇒ দ্রুব এষ
• বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা ⇒ সুভাষ সিংহ রায় 
• বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান ⇒ মোকারম হোসেন 
আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী ⇒ ইকতিয়ার চৌধুরী। 
• ফোকলোর ⇒ আবদুল খালেক ও মুহম্মদ আবদুল জলিল
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা ⇒ মুহাম্মদ শামসুল হক। 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৫,২৭২.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব অবদানে কতজন নারীকে বীর প্রতীক উপাধি দেওয়া হয়?
  1. ২ জন
  2. ৫ জন
  3. ১ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।
১৫,২৭৩.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি টিভি চ্যালেন কোনটি?
  1. চ্যানেল আই
  2. এনটিভি
  3. এটিএন
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল:

- বাংলাদেশের প্রথম স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলা।
- ‘অবিরাম বাংলার মুখ’ শ্লোগানকে বুকে ধারণ করে ১৫ জুলাই ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু করে চ্যানেলটি।
- ঐদিন বিশ্বব্যপী প্রথম বাংলা ভাষা’র সম্প্রচার ঘটে এই বাংলাদেশী চ্যানেলটির মাধ্যমে। - বিনোদনের পাশাপাশি শিক্ষা, খেলাধুলা, সমাজ, সংস্কৃতি নিয়ে অনুষ্ঠার প্রচারের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দিয়েছে।
- ২০০৪ সালের ২২ নভেম্বর ‘আমরাও পারি’ অনুষ্ঠানের জন্য ছোট পর্দার অস্কার খ্যাত এমি অ্যাওয়ার্ড অর্জন।
- এছাড়াও অসংখ্য সম্মাননা রয়েছে চ্যানেলটির।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ১৪ জুলাই ২০২৩।
১৫,২৭৪.
বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?
  1. পঞ্চম জাতীয় সংসদে
  2. সপ্তম জাতীয় সংসদে
  3. অষ্টম জাতীয় সংসদে
  4. চতুর্থ জাতীয় সংসদে
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদ:
- ১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে।
- এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন।

উৎস: জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৭৫.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথে যোগদান করায় কোন দেশ কমনওয়েলথ ত্যাগ করে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. চীন
  4. জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথের মূল রাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ।
- বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ১৯৭১ সালে গ্রেট ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যমগুলো বিশেষত, বিবিসি, লন্ডন টাইমস, দ্য সান, গার্ডিয়ান, মিরর পত্রিকা স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালি জনগণের উপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন প্রচার করে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করেছিল।
- ব্রিটেনসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো ভারতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য ব্যাপক সাহায্য দিয়েছিল।
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো অকাতরে সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছে।

⇒ স্বাধীন দেশ হিসাবে কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে ১৯৭২ সালেই দ্রুত স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৩ সালের অটোয়ায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সম্মেলনে যোগদান করেন।
- বাংলাদেশের অস্থিতিশীল রাজনীতি ও সরকার- বিরাধীদলের দাঙ্গাপূর্ণ সম্পর্ক অবসানে বিভিন্ন সময় কমনওয়েলথ মহাসচিব মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
- এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে পাকিস্তান কমনওয়েলথ ত্যাগ করে ১৯৭২ সালে।

এছাড়াও,
- কমনওয়েলথ ত্যাগকারী দেশ আয়ার‍্যান্ড (১৯৪৬ সালে) ও জিম্বাবুয়ে (৭ ডিসেম্বর ২০০৩)।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২৭৬.
বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. তেল
  3. কয়লা
  4. চুনাপাথর
ব্যাখ্যা

• প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে। ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণি এবং পেট্রোবাংলা।

১৫,২৭৭.
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেন কে?
  1. আমিনা খাতুন
  2. ফরিদা খাতুন
  3. মেরিনা খাতুন
  4. আছিয়া খাতুন
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু:
- দেশের প্রথম 'যুদ্ধশিশু' হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি অর্জন করেন মেরিনা খাতুন।

উল্লেখ্য,
- সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা প্রয়াত পচি বেগমের সন্তান মেরিনা খাতুন।
- ২০২২ সালের ৮ সেপ্টেম্বর মেরিনা খাতুন জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ‘যুদ্ধশিশু’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চেয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন।
- তাঁর মা পচি বেওয়াকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০১৮ সালের ৪ জুলাই বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- তাঁর মুক্তিযোদ্ধা গেজেট নম্বর ২০৫।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে তিনি যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি চান।

এছাড়াও,
- যুদ্ধশিশু মেরিনার কোথাও পিতার নাম লেখার প্রয়োজন হবে না।
- পিতার নাম ছাড়াই তিনি রাষ্ট্রের সব সুবিধা বা অধিকার ভোগ করতে পারবেন।
- বীরাঙ্গনার সন্তানেরাই এখন থেকে যুদ্ধশিশু হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাবেন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) ১৪ জুলাই ২০২৪, প্রথম আলো।
১৫,২৭৮.
স্বাধীন বাংলাদেশে সংবিধান রচনার জন্য 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. আতাউর রহমান খান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ:
- স্বাধীন বাংলাদেশে সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল।
- গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আবদুল হামিদ এবং ডেপুটি স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণপরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে ৩৪ জন নিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটি গঠিত হয়।
- কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) থেকে কার্যকর হয়।
- ৪ নভেম্বরকে বাংলাদেশের সংবিধান দিবস বলা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,২৭৯.
বাংলাদেশে প্রথম কোথায় বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ হয়?
  1. ক) রাঙামাটিতে
  2. খ) হবিগঞ্জে
  3. গ) মালনীছড়া
  4. ঘ) মৌলভীবাজারে
ব্যাখ্যা
চা শিল্প:
- ১৮০০ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ভারতবর্ষের আসাম ও তৎসংলগ্ন এলাকায় চা চাষ শুরু হয়।
- তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার কর্ণফুলী নদীর তীরে চা আবাদের জন্য ১৮২৮ খ্রিষ্টাব্দে জমি বরাদ্দ হয়।
- কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেখানে চা চাষ বিলম্বিত হয়।
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- এই বাগানটিও প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
- অতঃপর ১৮৫৪ খ্রিষ্টাব্দে মতান্তররে ১৮৪৭ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মূলতঃ মালনীছড়াই বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান।
- ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় চা বাগানসমূহ প্রায় বিধ্বস্ত হয়ে যায়।
- দেশ স্বাধীনের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশে শুধুমাত্র দুইটি জেলায় চা আবাদ করা হতো।
- একটি সিলেট জেলায় যা ‘সুরমা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল, আর অপরটি চট্টগ্রাম জেলায় যা ‘হালদা ভ্যালি' নামে পরিচিত ছিল।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ টি রিসার্চ স্টেশনকে পূর্ণাঙ্গ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটে উন্নীত করেন।
- বর্তমানে তা বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BTRI) নামে পরিচিত।
-  ২০২১ সাল থেকে ৪ জুন জাতীয় চা দিবস হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে। 

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৫,২৮০.
জেনারেল আইয়ুব খান কত সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন?
  1. ১৯৫৯ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা

আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন:
- ১৯৬৯ সালে গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের পতন ঘটে।
- গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক প্রভাব: ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের ফলে পাকিস্তানের সামরিক শাসক আইয়ুব খান পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
- এর পূর্বে তিনি 'ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা' তুলে নেন।
- জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নতুন সামরিক সরকার বাধ্য হয় ১৯৭০ সালে পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন দিতে।
- গণঅভ্যুত্থানের ফলে পূর্ববাংলার জনগণের মধ্যে জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক চিন্তা-ভাবনার বিকাশ ঘটে।

⇒ ১৯৫৮ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন ও পাকিস্তানে সামরিক আইন জারি করেন।
- ইস্কান্দার মির্জা জেনারেল আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন।
- এর মাত্র তিন সপ্তাহ পর, ২৭ অক্টোবর আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট মির্জাকে উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন।
- এর পরের দিন আইয়ুব খান এক আদেশ জারির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- আইয়ুব খান নিজের ক্ষমতা পাকাপাকি করার জন্য ১৩ জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেন এবং নিজেকে ভূষিত করেন ফিল্ড মার্শাল উপাধিতে।
- তা ছাড়া রাজধানী করাচি থেকে প্রথমে স্থানাস্তর করেন রাওয়ালপিন্ডিতে, পরে ইসলামাবাদে।
- জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৯ সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে নতুন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৮-১৯৬৯ প্রায় ১০ বছর আইয়ুব খানের সামরিক শাসন স্থায়ী হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫,২৮১.
Who is the youngest among the martyred freedom fighters with the title of 'Bir Sreshtho'?
  1. Muhammad Mustafa Kamal
  2. Mohiuddin Jahangir
  3. Hamidur Rahman
  4. Mohammad Ruhul Amin
  5. Matiur Rahman
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান:
- তিনি সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ।
- তিনি ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ৪নং সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের পদবী ছিল- সিপাহী।

উল্লেখ্য,
- ২৮শে অক্টোবর ১৯৭১, ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ধলই আক্রমণে সহযোদ্ধাদের জীবন রক্ষার্থে শত্রুর বাঙ্কার ধ্বংস করতে গিয়ে শত্রুর মেশিনগান বাস্টের আঘাতে শাহাদত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে দাফন করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।
- শাহাদাতের ৩৬ বছর পর ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তার দেশে ফিরিয়ে এনে ঢাকাস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় সম্মানে পুনঃ সমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,২৮২.
বাংলাদেশে ডিসেম্বর ২০২৫ এ সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কত ছিল?
  1. ৮.২৯%
  2. ৮.৪৪%
  3. ৮.৪৯%
  4. ৮.৫১%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে ডিসেম্বর ২০২৫-এ সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি:
- বাংলাদেশে ডিসেম্বর ২০২৫ এ সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮.৪৯%।

⇒ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর ডিসেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্যানুসারে, ডিসেম্বরেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
- এর আগের মাস নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।
- অর্থনীতিবিদদের মতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতি থাকা সত্ত্বেও মূল্যস্ফীতি আবারও ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে। তাদের ভাষ্য, এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ বাড়তি চাহিদা নয়, বরং সরবরাহপক্ষের সীমাবদ্ধতা ও কাঠামোগত দুর্বলতাই এখানে বড় ভূমিকা রাখছে।

এছাড়াও,
- ডিসেম্বরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৭১ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ায় এতে পারিবারগুলোর বাজেটে চাপ আরও বেড়েছে। এদিকে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতিও সামান্য বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা এক মাস আগে ছিল ৯ দশমিক ০৮ শতাংশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। 
ii) The Daily Star Bangla.

১৫,২৮৩.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে?
  1. ক) ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ২,২৩,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২,০৯,১৪৫ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২,৭২,৩০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
বাজেট ২০২৩-২৪:
- ৫২ তম (অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট বাদে)।
- ঘোষণা দেয় - ১ জুন, ২০২৩
- বাজেট পাশ হয় - ২৬ জুন, ২০২৩
- আওয়ামী লীগ সরকারের টানা ১৫তম এবং মোট ২৫ তম বাজেট।
- স্লোগান - উন্নয়নের অভিযাত্রার দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।

- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- GDP'র প্রবৃদ্ধি - ৭.৫%
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ - জনপ্রশাসন খাতে (১,৬৭,৮৮০ কোটি টাকা)।
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ - ১,০৪,১৩৭ কোটি টাকা।
- পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ - ৮৭, ৬২৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৩-২৪
১৫,২৮৪.
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষাগুরু কে ছিলেন?
  1. বাণভট্ট
  2. কালিদাস
  3. কৌটিল্য
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা

কৌটিল্য: 
- ভারতে মৌর্য শাসনের শুরু করেছিলেন রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- সেই রাজার প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষাগুরু ছিলেন কৌটিল্য।
- সংস্কৃত ভাষায় রচিত খ্রিস্টপূর্ব তিন শতকের এ গ্রন্থটির রচয়িতা ছিলেন সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী কৌটিল্য যিনি অতীব বুদ্ধিমান ‘চাণক্য’ বা সম্রাটের প্রাথমিক জীবনের শিক্ষক বিষ্ণুগুপ্ত বলেও পরিচিত।

⇒ বিস্ময়কর ব্যাপার হলো, সেই সময় কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে যা লিখে গেছেন, তা আজকের রাজনীতি, কূটনীতি, প্রশাসন ব্যবস্থাপনা, সমাজনীতি ও অর্থনীতিতে সমানভাবে প্রযোজ্য।
- কৌটিল্য তাঁর শাস্ত্রে লিখেছেন, ‘সকল উদ্যোগের সাফল্য নির্ভর করে অর্থের ওপর। সে জন্য সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিতে হবে খাজাঞ্চিখানার দিকে। জিহ্বার ডগায় বিষ রেখে যেমন মধুর স্বাদ আস্বাদন সম্ভব নয়, তেমনি একজন লোক রাজকর্মচারী হয়ে রাজার রাজস্বের সামান্য পরিমাণ না খেয়ে বসে থাকবেন, এটা অবিশ্বাস্য। জলের নিচের মাছের গতিবিধি যেমন লক্ষ করা সম্ভব নয়, তেমনি রাজকর্মচারীর তহবিল আত্মসাৎ করাও পর্যবেক্ষণ করা অসম্ভব। আকাশের অতি উঁচুতে পাখির ওড়াউড়ি দেখা সম্ভব, কিন্তু রাজকর্মচারীর সকল কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া অসম্ভব।’

 অন্যদিকে,
- বানভট্ট ছিলেন সপ্তম শতাব্দীর একজন বিখ্যাত সংস্কৃত কবি ও গদ্যকার, যিনি উত্তর ভারতের রাজা হর্ষবর্ধনের (৬০৬-৬৪৭ খ্রিস্টাব্দ) সভাকবি ছিলেন। 
- কালিদাস ছিলেন প্রাচীন ভারতের, বিশেষ করে গুপ্ত যুগের (সম্ভবত ৪র্থ-৫ম শতাব্দী) সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কৃত কবি ও নাট্যকার, যাঁকে প্রায়শই ভারতের শেক্সপিয়র বলে গণ্য করা হয়।
- মেগাস্থিনিস ছিলেন একজন প্রাচীন গ্রিক কূটনীতিক, পর্যটক এবং ইতিহাসবিদ, যিনি মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজত্বকালে (খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী) পাটলিপুত্রে গ্রিক শাসক সেলুকাস আই নিকেটর-এর দূত হিসেবে এসেছিলেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

১৫,২৮৫.
বিলোনিয়া স্থল বন্দর কোথায় অবস্থিত? 
  1. সোনাগাজী, ফেনী
  2. ফুলগাজী, ফেনী
  3. পরশুরাম, ফেনী
  4. কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা

বিলোনিয়া স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার বিলোনিয়া সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের মুহুরীঘাট এলসিএস রয়েছে;
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখ বিলোনিয়া শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়;
- ১৯ ডিসেম্বর ২০২২ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়;
-  রাজধানী ঢাকা হতে বিলোনিয়া স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ১৫৬ কি.মি.।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,২৮৬.
উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে কী ঘটে?
  1. মুদ্রাস্ফীতি
  2. মুদ্রা সংকোচন
  3. অতি মুদ্রাস্ফীতি
  4. স্থিতিশীলতা
ব্যাখ্যা

মুদ্রাস্ফীতি:
- যদি পণ্যের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ অনেক বেড়ে যায় অর্থাৎ দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক অতিরিক্ত মাত্রায় টাকা ছাপায় তখনই মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়, পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।
- একই পরিমাণ পণ্য ক্রয়ে পূর্বাপেক্ষা অধিক অর্থ ব্যয় হয়।
- উৎপাদনের তুলনায় বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কমে গেলে মুদ্রা সংকোচন ঘটে।
- উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মুদ্রাস্ফীতির জন্য সর্বজনীনভাবে নির্ধারিত সহনীয় স্তর নেই।
- তবে, উন্নয়নশীল দেশের জন্য মূল্যস্ফীতির সহনশীল মাত্রা ধরা হয় ৬-৮%।
- মুদ্রাস্ফীতি ৬-৮% এর বেশি হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, মূল্য স্থিতিশীলতা এবং দারিদ্র্যের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

তথ্যসূত্র -  অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

১৫,২৮৭.
বাংলা ভাষা প্রথম সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পায় কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার স্বীকৃতি:
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন হয়। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা জারি অমান্য করে রাস্তায় নামলে শহীদ হন সালাম, রফিক, সফিক, বরকতসহ জাতির আরও অনেক সূর্য-সন্তানেরা। 
- ৯ মে মতান্তরে ৭ মে ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেয়া হয়।
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয় তারও দু’বছর পর ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬ সালে।
- ১৯৫৬ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহিত হয়। এই সংবিধানের বাংলা ও উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- বাংলা ভাষাকে জাতীয় জীবনে সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য আইন পাস করা হয় ১৯৮৭ সালে।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে  আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে। 

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৫,২৮৮.
বাংলাদেশ কত তারিখ হতে আনুষ্ঠানিকভাবে কোভিড–১৯ এর টিকাদান কর্মসূচি চালু হয়?
  1. ক) ২৭ জানুয়ারী ২০২১
  2. খ) ২৮ জানুয়ারী ২০২১
  3. গ) ২৫ জানুয়ারী ২০২১
  4. ঘ) ২৮ মার্চ ২০২১
ব্যাখ্যা
কোভিড–১৯ এর টিকাদান:

- ২৭ জানুয়ারি ২০২১ সালে দেশে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হয়।
- ওই দিন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে একজন নার্সকে টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়।
- ২৮ জানুয়ারি ঢাকার পাঁচটি  হাসপাতালে প্রায় ৫০০ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
- যাঁদের টিকা দেওয়া হয়, তাঁদের এক সপ্তাহ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।
- ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে সারা দেশে টিকাদান শুরু হবে।
- ভারত থেকে উপহার হিসেবে আসা সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২০ লাখ ডোজ টিকা দিয়ে কর্মসূচি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
১৫,২৮৯.
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ‘White Gold’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ক) পাট
  2. খ) ইলিশ
  3. গ) কাঁকড়া
  4. ঘ) চিংড়ি
  5. ঙ) আলু
ব্যাখ্যা
Commercial shrimp in Bangladesh is locally known as ''white gold'' because of its high transnational value. ... Because the rural economy is increasingly linked to the global shrimp commodity chain, it has generated significant changes in the environmental and agrarian landscapes of rural Bangladesh.
১৫,২৯০.
২নং সেক্টরের সদরদপ্তর কোথায় ছিল?
  1. বাঁশতলা
  2. বুড়ি মাড়ি
  3. মেলাঘর
  4. হরিণা
ব্যাখ্যা
• ২নং সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।

অন্যদিকে,
• ১নং সেক্টর:
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রব।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।

• ৫নং সেক্টর:
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

• ৬নং সেক্টর:
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৯১.
'টাইগার লাইটনিং-২০২৫' কোন দুইটি দেশের যৌথ সামরিক মহড়া?
  1. বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র 
  2. বাংলাদেশ ও পাকিস্তান
  3. বাংলাদেশ ও রাশিয়া
  4. বাংলাদেশ ও চীন
ব্যাখ্যা

টাইগার লাইটনিং-২০২৫:
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের প্যাসিফিক আর্মি কমান্ডের ছয় দিনব্যাপী যৌথ সামরিক মহড়ার নাম ‘টাইগার লাইটনিং-২০২৫’।
- এই মহড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেড ও যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা ন্যাশনাল গার্ডের যৌথ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে। এটি ২৫-৩০ জুলাই, ২০২৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা বিধান, সন্ত্রাস দমন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক সহায়তা বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বিদ্যমান রয়েছে।
- বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ যেকোনো বৈশ্বিক হুমকি মোকাবিলায় বদ্ধপরিকর এবং যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অংশীদারদের সঙ্গে সমবেতভাবে কাজ করে আসছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, কৌশলগত যৌথ আভিযানিক সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রস্তুতি জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালে টাইগার লাইটনিং অনুশীলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এই মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নেভাডা ন্যাশনাল গার্ডের ৬৬ জন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো ব্রিগেডের ১০০ সদস্য অংশ নিয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫,২৯২.
বার্ড এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. কুদরত-ই-খুদা
  3. ড. আখতার হামিদ খান
  4. ড. এম এ বারী
ব্যাখ্যা

বার্ড
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. আখতার হামিদ খান।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন,
- এটি পল্লী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- বার্ড পরিচালিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়, এর সভাপতি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

সূত্র: বার্ড ওয়েবসাইট। 

১৫,২৯৩.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় কয়টি রং আছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় দুটি রং রয়েছে। আয়তাকার গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের সমন্বয়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। এটি পৃথিবীর যে কোন দেশের জাতীয় পতাকার তুলনায় অনন্য।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৫,২৯৪.
মুজিব চিরন্তন-২০২১ অনুষ্ঠানে কয়জন বিদেশী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান বাংলাদেশে এসেছে?
  1. ৬ জন
  2. ৫ জন
  3. ৪ জন
  4. ৩ জন
ব্যাখ্যা

- মুজিব চিরন্তন-২০২১ অনুষ্ঠান উদযাপিত হয় ১৭ থেকে ২৬ মার্চ ২০২১ তারিখ।
- অনুষ্ঠানে ৫ জন বিদেশী রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান বাংলাদেশে এসেছে।
- মালদ্বীপ ও নেপালের রাষ্ট্রপতি এবং শ্রীলংকা, ভুটান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১৫,২৯৫.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে?
  1. ১০ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১১ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৪০ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধারে ১১ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক মানবাধিকারের নিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে,
“প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷”
অন্যদিকে,
- ১০ নং অনুচ্ছেদ : সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
- ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১৫,২৯৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুসারে, বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল কত বছর?
  1.  ৭০.০ বছর 
  2.  ৭২.৫ বছর 
  3.  ৬৯.৩ বছর 
  4.  ৭২.৩ বছর 
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৫।

১৫,২৯৭.
জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কোথায়?
  1. শহীদ মিনার
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  4. রমনা পার্ক
ব্যাখ্যা
• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৯৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ফাঁস করেন কে?
  1. ক) আমির আবদুল্লাহ খান
  2. খ) আমির হোসেন
  3. গ) মোহাম্মদ আমির আহমেদ
  4. ঘ) শাহাবুদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• আগরতলা মামলা:
- আওয়ামী লীগ এবং সামরিক বাহিনীর প্রায় ২৫০ জন সদস্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে বাংলাকে স্বাধীন করার পরিকল্পনা করে।
- পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ অনিবার্য। সেই যুদ্ধে ভারতের সামরিক সহায়তা প্রয়োজন।
- ১২-১৫ জুলাই, ১৯৬৭ আগরতলায় আওয়ামী লীগ নেতা আলী রেজা এবং মুজিবুর রহমান বৈঠক করেন ভারতের ব্রিগেডিয়ার মেনন এবং মেজর মিশ্রের সাথে।
- ভারতের সবুজ সংকেত পাওয়ার পূর্বেই অক্টোবর, ১৯৬৭ পরিকল্পনাকারীদের একজন আমির হোসেন ৬৮ পৃষ্ঠায় গোপন তথ্য-উপাত্ত উল্লেখ করে গোয়েন্দা   বিভাগে ফাঁস করে দেয়।
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তি দানে বাধ্য হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,২৯৯.
ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনকে ঢাকা সিটি করপোরেশনে উন্নীত করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৭
  2. ১৯৮৭
  3. ১৯৯০
  4. ১৯৯৪
ব্যাখ্যা
ঢাকা সিটি করপোরেশনের ইতিহাস:
- ১৮৬৪ সালের ১ আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা পৌরসভাকে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয় পৌরসভার চেয়ারম্যান ঢাকা মিউিনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের মেয়র নামে অবিহিত হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।
-  প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালে এবং ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন মোহাম্মদ হানিফ। 
- নগরবাসীর সেবা সহজলভ্য করার বৃহত্তর স্বার্থে ২০১১ সালের ২৩ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
- এ আইন অনুযায়ী ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- এর ফলে ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নামে পৃথক দুইটি সিটি কর্পোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
১৫,৩০০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘বজ্রকন্ঠ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর সেনানিবাসে
  2. খ) সিলেট সেনানিবাসে
  3. গ) কুমিল্লা সেনানিবাসে
  4. ঘ) বগুড়া সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘বজ্রকন্ঠ’ উদ্বোধন করা হয় ৫ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে সিলেট সেনানিবাসে।
- মূল ভাস্কর্যটির উচ্চতা ১৫ ফুট এবং বেদির উচ্চতা ৬ ফুট।