বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫১ / ৩০৬ · ১৫,০০১১৫,১০০ / ৩০,৮৩২

১৫,০০১.
ডেনমার্কের সাথে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণে কত বছরের জন্য চুক্তি করা হয়েছে?
  1. ৩৫ বছর
  2. ৩০ বছর
  3. ৩৩ বছর
  4. ৩১ বছর
ব্যাখ্যা

লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চুক্তি:
- পতেঙ্গায় লালদিয়ার চরে টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ডেনমার্কের মায়ের্সক গ্রুপের এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চুক্তি সই হয়।
- ৩৩ বছর মেয়াদি এ চুক্তিটি করছে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
- শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

- এটি একধরনের , বন্দরের কনসেশন চুক্তিটি
- কনসেশন চুক্তি হয় সরকারি–বেসরকারি অংশীদারির প্রকল্পের আওতায় সরকারি সংস্থা ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।

- সাধারণত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো টার্মিনাল উন্নয়ন বা টার্মিনাল নির্মাণের জন্য জমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করে টার্মিনাল নির্মাণ বা উন্নয়ন করে।
- এর বিনিময়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত সেবার বিনিময়ে মাশুল আদায় করে।
- মাশুলের নির্ধারিত অংশ দর–কষাকষির মাধ্যমে পায় সরকারি সংস্থা।

উৎস: প্রথম আলো।

১৫,০০২.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রস্থ এবং দৈর্ঘ্যের অনুপাত কত?
  1. ২:১
  2. ৩:৫
  3. ৪:৩
  4. ৬:৩
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার প্রস্থ এবং দৈর্ঘ্যের অনুপাত= ৬ : ১০ =৩:৫

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা  অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং  দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ ১০:৬ বা ৫:৩ অনুপাতে আয়তাকার,
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে।
- পতাকার সবুজ অংশ হবে প্রসিয়ন গাঢ় সবুজ এইচ-২ আর.এস, হাজারে ৫০ ভাগ হিসেবে, লাল বৃত্তের অংশ হবে প্রসিয়ন উজ্জ্বল কমলা রং এইচ-২ আর.এস, হাজারে ৬০ ভাগ হিসেবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং PEOPLE’S REPUBLIC OF BANGLADESH FLAG RULES, 1972 ।

১৫,০০৩.
প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্রের নাম কী?
  1. এদেশ তোমার আমার
  2. জাগো হুয়া সাভেরা
  3. মুখ ও মুখোশ
  4. মাটির পাহাড়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তির নিরবচ্ছিন্ন ধারার সূচনা হয়েছিল ১৯৫৯ সাল থেকে।
- প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পেয়েছিল ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- তবে এর পরবর্তী দু-বছর কোনো ছবি মুক্তি পায়নি।
- কিন্তু তার মানে এই নয় যে, এ-সময়ে কোনো ছবি নির্মাণের কাজ চলেনি।
- প্রকৃতপক্ষে ছবি নির্মাণের কাজ চলেছিল বলেই ১৯৫৯ সালে চারটি ছবি মুক্তি পেয়েছিল।
• ছবিগুলো ছিল –
- এ জে কারদারের জাগো হুয়া সাভেরা,
- ফতেহ লোহানীর আকাশ আর মাটি,
- মহীউদ্দীনের মাটির পাহাড় ও
- এহতেশামের এদেশ তোমার আমার।

উৎস: কালি ও কলম ওয়েবসাইট।
১৫,০০৪.
মহান মুক্তিযুদ্ধে ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড কোন সামরিক খেতাব অর্জন করেন?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর উত্তম
  4. বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা
ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন ডব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড।
- তাঁর জন্ম হয়েছিল ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডামে। তবে তিনি ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, তাঁর পিতৃভূমি ছিল সেখানে।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক প্রদান করে।
- পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় পার্থের এক হাসপাতালে ২০০১ সালের ১৮ মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

সূত্র- বিবিসি।  
১৫,০০৫.
২০২৫–২৬ অর্থবছরে জিডিপি  প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৬.২%
  2. ৫.৫%
  3. ৬.৫%
  4. ৫.০%
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের  লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- উন্নয়ন ব্যয়- ২,৪৫,৬০৯ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষমাত্রা- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১৫,০০৬.
'রূপকল্প-২০৪১' কী?
  1. চলচ্চিত্র
  2. মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস
  3. পরিকল্পনা
  4. চুক্তি
ব্যাখ্যা
রূপকল্প ২০৪১:
- এটি একটি পরিকল্পনা।
- বাস্তবায়নের সময়কাল: ২০২১-২০৪১।
- রূপকল্প ২০২১ এর ধারাবাহিকতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য তৈরি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে রূপকল্প ২০৪১ ঘোষণা করেন।
- মূল লক্ষ্য হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করা।
- ২০৪১ সালের বাংলাদেশ হবে মধ্যম আয়ের পর্যায় পেরিয়ে এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ, সুখী এবং উন্নত জনপদ।
- সুশাসন, জনগণের সক্ষমতা ও ক্ষমতায়ন হবে এই অগ্রযাত্রার মূলমন্ত্র।
- রূপকল্প ২০৪১ এ ২৬টি লক্ষ্যের কথা বলা আছে।

উদ্দেশ্য:
- সম্ভাব্য জনসংখ্যা ২১ কোটি ৩ লাখ।
- মাথাপিছু আয়: ১২,৫০০ ডলার (২০৪১ সালের মূল্যমানে ১৬,০০০ ডলারের বেশি)।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ।
- ২০৪১ অবধি ৯% জিডিপি প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা।
- বিনিয়োগ / জিডিপি অনুপাত ৪৬.৯ শতাংশে বৃদ্ধি করা।
- রাজস্ব কর জিডিপির ১৫% পর্যন্ত বাড়ানো।
- রপ্তানি আয় ৩০০ বিলিয়ন ডলার বৃদ্ধি করা।
- গড় আয়ু বাড়িয়ে ৮০ বছর করা।
- মোট জনসংখ্যার ৭৫% কে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা।
- ২০৪১ সালের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্কদের সাক্ষরতার হার ১০০% এ বৃদ্ধি করা।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি ১% এরও নিচে নামিয়ে আনা।
- কার্যকর কর এবং ব্যয়ের নীতিমালা কার্যকর করা।
- অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক শক্তির বিকেন্দ্রীকরণ।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১৫,০০৭.
কত সালে বাংলা ভাষাকে সাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫৮
  2. খ) ১৯৫৬
  3. গ) ১৯৫৪
  4. ঘ) ১৯৫২
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালে সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসাবে মর্যাদা দেওয়া হয়।
- গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাস করে। 
- পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অনুমোদনের মাধ্যমে এই আন্দোলন তার লক্ষ্য অর্জন করে। 
- জাতীয় পরিষদে বিষয়টি নিয়ে বিতর্কের (১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬) এক পর্যায়ে এর সদস্য ফরিদপুরের আদেলউদ্দিন আহমদের (১৯১৩-১৯৮১) দেওয়া সংশোধনী প্রস্তাব অনুযায়ী বাংলা ও উর্দু উভয় ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,০০৮.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান থেকে মুক্তিলাভ করেন-
  1. ক) ২৮ ডিসেম্বর
  2. খ) ৪ জানুয়ারি
  3. গ) ৮ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী আত্মসমর্পণ করলে বিশ্বসম্প্রদায়ের চাপে পাকিস্তান সরকার ৮ জানুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি মুক্তিপেয়ে লন্ডন যান। সেখান থেকে ৯ জানুয়ারি হওয়ানা হয়ে ১০ জানুয়ারি তিনি ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্সের বিমানে করে দিল্লি হয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে ঢাকায় আসেন। (সূত্রঃ বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট)
১৫,০০৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, দেশে প্রতিবন্ধীর হার মোট জনসংখ্যার -
  1. ১.৩৭ শতাংশ
  2. ২.৩৭ শতাংশ
  3. ৩.৩৭ শতাংশ
  4. ৪.৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
দেশে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হার:
⇒ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে,
- দেশে বর্তমানে ২২ লাখ ৬৫ হাজার ২০১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছে, এটি মোট জনসংখ্যার ১.৩৭ শতাংশ।
- অর্থাৎ দেশে প্রতিবন্ধীর হার শতকরা ১.৩৭ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- পুরুষ প্রতিবন্ধী ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯১ জন।
- নারী প্রতিবন্ধী ৯ লাখ ৭৭ হাজার ৮৬৯ জন।
- তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৫৪১ জন।
- সবচেয়ে বেশি ৪,৫৮,৬৮৩ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির বাস ঢাকা বিভাগে, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪,১৬,১৫৮ জন, রাজশাহী বিভাগে রয়েছে ৩,২৭,৪৫২ জন এবং সবচেয়ে কম ১,৪২,০৯৬ জন বরিশাল বিভাগে।
- দেশে শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা সর্বাধিক যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির ৩৩.৩৮%।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
১৫,০১০.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ওআইসি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. কমনওয়েলথ
  4. আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের ৩২ তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে,
• OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি।
• FAO এর সদস্য পদ লাভ করে ১২ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে।
•ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২।

উল্লেখ্য,

- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে - ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথ এর ৩২-তম সদস্য রাষ্ট্র। 
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের সদস্য হওয়ায় কমনওয়েলথ ত্যাগ করেছিল পাকিস্তান পরবর্তীতে ১৯৮৯ সালে পুনরায় যোগদান করে।

উৎস: কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।  

১৫,০১১.
২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায় বাংলাদেশের কোন স্থাপনাটি স্থান পায়?
  1. পদ্মা সেতু
  2. জেবুন নেসা মসজিদ
  3. পুঠিয়া রাজবাড়ী
  4. কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে টাইম ম্যাগাজিনের “World’s Greatest Places” তালিকায়  স্থান পায়, বাংলাদেশের সাভারের আশুলিয়ার জামগড়ার দরগার পাড় এলাকার জেবুন নেসা মসজিদ।
- মসজিদটির স্থপতি সায়কা ইকবাল মেঘনা ।
-  মনোলিথিক গঠনে তৈরি এই মসজিদটিকে 'ব্রিদিং প্যাভিলিয়ন' হিসেবে নকশা করা হয়েছে।
- এতে রয়েছে প্রাকৃতিক আলো-বাতাসের ব্যবস্থা।

উৎস: প্রথম আলো। 

১৫,০১২.
'বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু' গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. মোনায়েম সরকার
  3. শওকত ওসমান
  4. মুকুল আখতার
ব্যাখ্যা
মোনায়েম সরকার:
- মোনায়েম সরকার একজন বাংলাদেশি রাজনীতিবিদ, কলাম লেখক ও গবেষক।
- মোনায়েম সরকার গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন ফর ডেভেলপমেন্ট রিসার্চের (বিএফডিআর) মহাপরিচালক।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত পদার্থ বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর (১৯৬৭) ডিগ্রি লাভ করেন।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তিনি উদীচীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।
- বঙ্গবন্ধুর উপর গবেষণামূলক গ্রন্থ রচনা এবং সংস্কৃতি আন্দোলনে তার অবদানের জন্য ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি তাকে সম্মানসূচক ফেলোশিপ প্রদান করেছে।

মোনায়েম সরকার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থসমূহ:
- বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু, বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র বিকাশে ঐক্য অপরিহার্য, বাঙালি বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি ও শেখ হাসিনা ইত্যাদি।

উৎস: i) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,০১৩.
Which has been established to create public awareness about Metrorail usage in Bangladesh?
  1. ক) DMCCL
  2. খ) MREIC
  3. গ) DMTCL
  4. ঘ) MRTCL 
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল
- অত্যাধুনিক গণপরিবহন হিসেবে মেট্রোরেল সম্পর্কে জনসাধারণকে সম্যক ধারণা প্রদানের লক্ষ্যে MRT Line-6 এর উত্তরা ডিপো এলাকায় Metro Rail Exhibition & Information Center (MREIC) নির্মাণ করা হয়েছে।
- মেট্রো ট্রেনের Mock Up উত্তরা ডিপোস্থ MREIC-তে স্থাপন করা হয়েছে। মূল মেট্রো ট্রেন সেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জনসাধারণকে মেট্রো ট্রেনের যাতায়াত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা প্রদানের নিমিত্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলাচলে সক্ষম ০২ সেট Mini মেট্রো ট্রেন সংগ্রহ করে স্থাপন করা হয়েছে।
- মেট্রো স্টেশনের সঙ্গে মিল রেখে Ticket Office Machine (TOM) এবং Ticket Vending Machine (TVM) উত্তরাস্থ MREIC-তে স্থাপন করা হয়েছে। মেট্রো স্টেশনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে Smart Card Based স্বয়ংক্রিয় প্রবেশ এবং বহিরগমন গেইটও স্থাপন করা হয়েছে।
- MREIC-এর প্রদর্শনী হলে প্রদর্শনের জন্য মেট্রোরেলের অভ্যন্তরে ও মেট্রোরেল স্টেশনে যাত্রীগণের করণীয় এবং বর্জনীয় বিষয়সমূহেরসচিত্র উপস্থাপনা সম্বলিত ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। 
- MREIC-এর ভিডিও প্রদর্শনী হলে প্রদর্শনের জন্য ভিডিও এবং এ্যানিমেটেড কার্টুন নির্মাণের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

উৎস : DHAKA MASS TRANSIT COMPANY LIMITED (DMTCL) Website
১৫,০১৪.
কোন সুলতানের শাসনামলে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মিত হয়?
  1. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  2. নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহ
  3. জালালউদ্দিন মুহম্মদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন। 
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।

• মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৫,০১৫.
Which European country first recognized Bangladesh as a sovereign state?
  1. Finland
  2. Hungary
  3. East Germany
  4. Bulgaria
  5. West Germany
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভারত স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে। 
 
উল্লেখ্য,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে,
- বুলগেরিয়া ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- পশ্চিম জার্মানি ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- হাঙ্গেরি ১৯৭২ সালের ২৬ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ফিনল্যান্ড ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
 
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,০১৬.
নিচের কোনটি কামরুল হাসানের শিল্পকর্ম নয়?
  1. নাইওর
  2. দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা
  3. এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে
  4. রায়বেশে নৃত্য
ব্যাখ্যা
দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:

- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহুকুমার কেন্দুয়াতে (বর্তমান নেত্রকোণা) জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৮ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সবচেয়ে বড় খেতাব হেলাল-ই-ইমতিয়াজ অর্জন করেন এবং ১৯৭১ সালে সেটি বর্জন করেন।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে 'শিল্পাচার্য' উপাধি লাভ করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি জাতীয় অধ্যাপক (বাংলাদেশ) সম্মান লাভ করেন।
- ১৯৭৫ সালে জয়নুল আবেদিন সোনারগাঁও এ একটি লোকশিল্প জাদুঘর এবং ময়মনসিংহে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠা করেন।
- এ দুটি প্রতিষ্ঠানে তাঁর অংকিত কিছু চিত্রকর্ম সংরক্ষিত আছে।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের বিজয়কে ভিত্তি করে আঁকা ৬৫ ফুট দীর্ঘ স্ক্রল পেইন্টিং (চাইনিজ ইঙ্ক, জলরঙ ও মোম) ‘নবান্ন’ এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে প্রাণ হারানো হাজারো মানুষের স্মৃতির উদ্দেশ্যে আঁকা ৩০ ফুট দীর্ঘ ‘মনপুরা’ পেইন্টিংটির মাঝে তাঁর কর্মের বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়।

⇒ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ে ১৯৪৩ সালে মহামারী দুর্ভিক্ষ আঘাত হানে বাংলায়।
- এই দুর্ভিক্ষই জয়নুল আবেদিনকে প্রকৃতি আর নিসর্গ শিল্পী থেকে রূপান্তরিত করে এক বিদ্রোহী শিল্পীতে।
- বাংলার দুর্ভিক্ষকে কেন্দ্র করে তুলির টানে এঁকে গেছেন একের পর এক দুর্দান্ত ছবি।
- চিত্রকর্মগুলি জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
- কিন্তু তার চেয়েও বড় কথা এগুলি মানুষের দুর্দশা, কষ্ট ও প্রতিবাদকে সামনে এনে বাস্তবধর্মী চিত্র অঙ্কনে তাঁর স্বকীয়তাকে বিকশিত করে।
- ‘দুর্ভিক্ষ’ শিরোনামের সেই চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত হন এই পথকৃৎ শিল্পী।

⇔ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৯ ডিসেম্বর ২০১৯, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
১৫,০১৭.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য ছিলেন না -
  1. ড. মোশাররফ হোসেন
  2. এস. আর. বোস
  3. রুহুল কুদ্দুস
  4. ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ
ব্যাখ্যা
• পরিকল্পনা কমিশন গঠন:
→ দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না, তাই স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
 → কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী এবং
সদস্য ছিলেন - 
→ (১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ,
→ (২) ড. মোশাররফ হোসেন,
 → (৩) ড. এস. আর. বোস এবং
 → (৪) ড. আনিসুজ্জামান।
=================================
উল্লেখ্য, রুহুল কুদ্দুস ছিলেন মুজিবনগর সরকারের মূখ্য সচিব।
১৫,০১৮.
গম্ভীরা বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙামাটি
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. জামালপুর
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত গম্ভীরা হলো চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত।

উল্লেখ্য, 
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।
- গম্ভীরা গানের উৎপত্তি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় হিন্দুসমাজে।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর মালদহ থেকে গম্ভীরা গান রাজশাহীর চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলে আসে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৫,০১৯.
নিম্নোক্তগণের মধ্যে কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
  1. ক) মুন্সী আব্দুর রহিম
  2. খ) নূর মোহাম্মদ শেখ
  3. গ) হামিদুর রহমান
  4. ঘ) মোস্তফা কামাল
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীরশ্রেষ্ঠগণ:
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১৫,০২০.
বিরোধী দলের কাজ নয় কোনটি?
  1. গঠনমূলক সমালোচনা
  2. সরকার গঠন
  3. গণতন্ত্র রক্ষা
  4. অধিকার বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
⇒ সরকার গঠন বিরোধী দলের কাজ নয়।

বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,০২১.
শেষ মুঘল সম্রাট বাহাদুর শাহের কবর কোথায়?
  1. ক) দিল্লি
  2. খ) আগ্রা
  3. গ) ইয়াঙ্গুন
  4. ঘ) লাহোর
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ:
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে তার উত্তরসূরীরা এটিকে সর্বভারতীয় সাম্রাজ্যে রুপান্তরিত করে।
- বাবর থেকে আওরঙ্গজেব অর্থাৎ ১৫২৬ থেকে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোগল শাসন ছিল স্বর্ণযুগের শাসন।

- ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মোগল শাসনের পতনে প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৮৫৭ সালে শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফর ইংরেজ কর্তৃক নির্বাসিত হলে মোগল শাসনের চূড়ান্ত পরিসমাপ্তি হয়।
- তাই ১৭০৭ থেকে ১৮৫৭ সময় কালকে (প্রায় দেড়শ বছর) মোগল বংশের পতনের যুগ বলা হয়। 

- ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৮৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয়ার কারণে মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে/ইয়াঙ্গুনে (বার্মা) নির্বাসিত করেন।
- বাহাদুর শাহের নির্বাসনের মধ্য দিয়ে ভারতে মোগল শাসনের চূড়ান্ত অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,০২২.
নিচের কোন জেলায় চাক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. রাজশাহী
  2. সিলেট
  3. বান্দরবান
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

চাক:
- চাক বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানার বাইশারি, নাইক্ষ্যংছড়ি, কামিছড়া, ক্রোক্ষং, বাকখালি, আলেখ্যং, ক্রোয়াংঝিড়ি ও ডুছড়ি এলাকায় চাকদের বসবাস।
- বান্দরবান বোমাং সার্কেলের বোমাং রাজপুস্তিকায় ও রাজ্য অভিষেক অনুষ্ঠানে চাকরা ‘মিঙসাক’ নামে তালিকাভুক্ত আছে।
- চাক সমাজ প্রধানত ২টি গোত্রে বিভক্ত। যা আবার কয়েকটি উপগোত্রে বিভক্ত। গোত্রীয় প্রতীক জালোয়া বা পইত্যা (পাকানো সুতার রশি)।
- চাকদের জীবনধারা বৈচিত্র্যপূর্ণ ও ঐতিহ্যমন্ডিত।
- শিশুর জন্ম ও নামকরণ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানাদির মধ্যে নাইংছাঙাহাং-এ অবস্থান, পুতরংবুওয়ে (জন্মপরবর্তী অনুষ্ঠান), ভেগলুংশাত পো (চুংবংলংউচ্ছেং ছাহেকা) উল্লেখযোগ্য।
- বিবাহ সংক্রান্ত প্রথার মধ্যে আচাংগায়ুগা (কনে দেখা), চাঁগায়ুগা (কোষ্ঠী বিচার)-সহ আরো অনেক প্রথা পালন করা হয়।
- ১৯৫৯ সালে চাক ধর্মগুরু মহাথেরো গন্ধর্ব ওয়েংসারের প্রচেষ্টায় চাক সমাজে শিক্ষার বিস্তার ঘটে।
- চাকরা দুই ধারায় বৌদ্ধ ধর্মীয় রীতি ও বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা (লক্ষ্মীপূজা বা ওয়াইগ্যা, ফুলপূজা, প্রদীপপূজা) করে।
- পিতৃতান্ত্রিক পরিবার কাঠামোতে চাকদের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী শুধু ছেলেরা।
- চাকরা বাড়িকে ‘কিং’ এবং গ্রামকে ‘ঠি’ বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৫,০২৩.
বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’-২০২৩ কে পেয়েছেন?
  1. সেলিনা হায়াৎ
  2. মমিনুল হক
  3. মুনিম শাহরিয়ার
  4. শীলা মোমেন
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার: 

- রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন শিল্পী শীলা মোমেন।
- শীলা মোমেনের হাতে পুরস্কারের সনদ, সম্মাননা স্মারক ও অর্থমূল্যের চেক তুলে দেন বাংলা একাডেমির সভাপতি কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এবং মহাপরিচালক কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- বাংলা একাডেমী ২০১০ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করেছে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গীতের চর্চা এবং রবীন্দ্র সঙ্গীতের বিকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ব্যক্তিবিশেষকে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এই পুরস্কারের মান নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সঙ্গে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক প্রথম আলো, ০৮ মে, ২০২৩।
১৫,০২৪.
নিচের কোনটি নাগরিকের নৈতিক কর্তব্য নয়?
  1. রোগীর সেবা
  2. নিয়মিত কর প্রদান
  3. শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান
  4. ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশের নাগরিকতা প্রধানত জন্মসূত্রে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।

নাগরিকের কর্তব্য:
- কর্তব্য বলতে নাগরিকের দায়িত্ব বোঝায়।
- নাগরিকগণ যেমন রাষ্ট্র প্রদত্ত অধিকার ভোগ করে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের কর্তব্যও রয়েছে।
নাগরিক কর্তব্য দুই ভাগে বিভক্ত।
- যথা: (ক) নৈতিক কর্তব্য (খ) আইনগত কর্তব্য।

নৈতিক কর্তব্য:
- ক্ষুধার্তকে খাদ্য দান, রোগীর সেবা,
- শোকার্তকে সান্ত্বনা প্রদান,
- দুর্যোগ, মহামারী, বন্যা, খরা ও দুর্ভিক্ষের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত।

আইনগত কর্তব্য:
- নির্বাচনে ভোটদান করা,
- আইন মেনে চলা,
- নিয়মিত কর প্রদান করা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,০২৫.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, চার ফসলি জমির পরিমাণ কত?
  1. ৫০,০০০ একর
  2. ৫১,০৩৪ একর
  3. ৫২,৬৪০ একর
  4. ৫৩,৮০১ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৫,০২৬.
’ময়নামতি’ প্রাচীন কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. বঙ্গ
  2. হরিকেল
  3. বরেন্দ্র
  4. সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট জনপদ:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী জনপদ সমতটের অবস্থান।
- চীন দেশের পর্যটক হিউয়েন সাং সপ্তম শতকের মাঝামাঝিতে সমতট ভ্রমণ করে একটি বিবরণী লেখেন।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্বতীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত প্রসারিত ভূ-ভাগ সমতটের অন্তর্গত ছিল বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালি অঞ্চল।
- বর্তমান কুমিল্লা জেলার লালমাই এলাকা ছিল এ অঞ্চলের মূল কেন্দ্র।
- ’ময়নামতি সমতট জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- অনেকে মনে করেন, কুমিল্লা জেলার বড় কামতা ছিল এ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।

বঙ্গ:
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে বঙ্গ বলে একটি জাতি বাস করত।
- তাই জনপদটি পরিচিত হয় বঙ্গ নামে।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গে দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর আর অন্যটি নাব্য। 
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- প্রাচীন বঙ্গ জনপদ ছিল খুব শক্তিশালী অঞ্চল।
- বাংলায় মুসলিম শাসন বিস্তারের প্রাথমিক পর্যায়েও 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলকে বোঝানো হতো।

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্রী, বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রভূমি নামে প্রাচীন বাংলায় অপর একটি জনপদের কথা জানা যায়।
- এটিও উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- অনুমান করা হয়, পুন্ড্রের একটি অংশ জুড়ে বরেন্দ্রর অবস্থান ছিল।
- বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলার অনেক অঞ্চল এবং সম্ভবত পাবনা জেলাজুড়ে বরেন্দ্র অঞ্চল বিস্তৃত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইহিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,০২৭.
বর্তমানে SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. পরিবেশ মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
 - সাভারে অবস্থিত ১ টি আঞ্চলিক দূর অনুধাবন কেন্দ্রের (RRSC) সমন্বয়ে স্পারসোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।
১৫,০২৮.
খাসিয়া পুঞ্জি প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. মন্ত্রী
  2. কারবারি
  3. হেডম্যান
  4. সিয়েম
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৫,০২৯.
সর্বনিম্ন কত বছরের সাজাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচনের অযোগ্য?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা:
- সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ২৫ বছর বয়স্ক বাংলাদেশী যেকোন নাগরিক সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা রাখে।
- অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া, বিদেশী নাগরিকত্ব অর্জন, কোন অপরাধে ২ বছরের জন্য সাজাপ্রাপ্ত নাগরিক সংসদ সদস্য হতে পারবে না।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর। তবে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙ্গে দিতে পারেন।
- অধিবেশন আরম্ভ করার জন্য ৬০ সদস্যের উপস্থিতিতে কোরাম পূর্ণ হতে হয়।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনকারী দল সরকারি দলের এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসনে বিজয়ী দল বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করে। সংসদ সদস্যগণ অনেকে একই সাথে হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, বিভিন্ন সংসদীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- কোন সংসদ সদস্য নিজের ইচ্ছায় পদত্যাগ দাখিল করলে অথবা একাধারে ৯০ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত থাকলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।
- তাছাড়া তিনি যে দল থেকে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে অথবা সংসদে সে দলের বিপক্ষে ভোট দান করলেও তাঁর সদস্যপদ বাতিল হবে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,০৩০.
ভাষা শহিদদের স্মরণে ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা‘ ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?
  1. মৃণাল হক
  2. শামীম শিকদার
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- এর ভাস্কর মৃণাল হক। 

তথ্যসূত্র: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
১৫,০৩১.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:
- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
১৫,০৩২.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' কোথায় অবস্থিত?
  1. মহাস্থানগড়
  2. নাটোর
  3. সোনারগাঁও
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
• বাহাদুর শাহ পার্ক:
- 'বাহাদুর শাহ পার্ক' এর পূর্বনাম ভিক্টোরিয়া পার্ক। 
-  'বাহাদুর শাহ পার্ক' সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। 
- পুরানো ঢাকা এলাকার সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত। 
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। 
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে। 
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে ভিক্টোরিয়া পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। 
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য। তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।
 
উৎস : ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
১৫,০৩৩.
বাংলাদেশে মোট আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র-
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
কয়লাক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে ৫টি; বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ।
- আবিষ্কৃত ৫টি কয়লাক্ষেত্রে কয়লার মোট মজুদের পরিমাণ আনুমানিক ৭,৮২৩ মিলিয়ন টন (যা প্রায় ১৮৫ টিসিএফ প্রাকৃতিক গ্যাস সমতুল্য)।
- মজুদকৃত কয়লা থেকে ডিসেম্বর ২০২২ পর্যন্ত উত্তোলিত মোট কয়লার পরিমাণ আনুমানিক ১৩.৪৭ মিলিয়ন টন।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ইট তৈরিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জ্বালানি হিসেবে কয়লার ব্যবহার রয়েছে।
- বর্তমানে প্রতিবছর ০.৮ মিলিয়ন টন কয়লা উত্তোলনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার বড়পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র থেকে 'ভূ-গর্ভস্থ খনি পদ্ধতি'তে কয়লা উত্তোলন করা হচ্ছে।
- বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদিত কয়লা ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে খনি এলাকায় ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে।
- উক্ত বিদ্যুৎকেন্দ্রে ৫২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিয়মিতভাবে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১৫,০৩৪.
'গোল্ডেন ক্রস' কোন ফসলের জাত?
  1. আলু
  2. বাঁধাকপি
  3. পেঁয়াজ
  4. তামাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি জাতঃ
- উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত - হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
- উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত - গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।
- উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত - বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
১৫,০৩৫.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নাম কী ছিল?
  1. ঢাকা বেতার কেন্দ্র
  2. রেডিও পাকিস্তান ঢাকা
  3. বেতার ভবন ঢাকা
  4. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫,০৩৬.
'২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট কার্যকর হয় -
  1. ১ জুন ২০২৩
  2. ১ জুলাই ২০২৩
  3. ৩০ জুন ২০২৩
  4. ৩০ জুলাই ২০২৩
ব্যাখ্যা
জাতীয়_বাজেট ২০২৩-২৪: 
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটটি হবে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- বাজেট পেশ - ১ জুন,২০২৩। 
- বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল, 
- বাজেট কার্যকর হয় - ১ জুলাই, ২০২৩, 
- বাংলাদেশের অর্থবছর -১ জুলাই থেকে ৩০ জুন, 
- এ বছরের বাজেট- ৫২তম ( অন্তর্বর্তীকালীনসহ ৫৩তম), 
- বাজেটের আকার - ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, 
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ( ADP) - ২ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা। 
- করমুক্ত আয়সীমা - সাড়ে ৩ লাখ টাকা। 
- বাজেটের মূল দর্শন হলো - ২০৪১ সালের মধ্যে সুখী-সমৃদ্ধ উন্নত স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ।

উৎস: ২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেট।
 
১৫,০৩৭.
'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশের রূপকার ছিলেন -
  1. ক) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  2. খ) লর্ড কার্জন
  3. গ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. ঘ) লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়।
- ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড কার্জন ছিলেন পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রূপকার। 
- তাঁর সম্মানে তখনকার আইন সভা ভবনের নাম দেয়া হয় কার্জন হল। 
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম ল্যাফটেন্যান্ট গভর্নর স্যার জোসেফ  ব্যামফিল্ড ফুলার। 
- ১৯০৫-১৯১১ সময়কালে ঢাকা ছিল পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের রাজধানী।  
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,০৩৮.
নিচের কোনটি ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত?
  1. সাপ্তাহিক ইত্তেফাক
  2. সাপ্তাহিক বাংলা
  3. সাপ্তাহিক ধূমকেতু
  4. সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল- 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকা। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' -এর উদ্যোক্তা গণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিসেরও মুখপত্র।
- সাপ্তাহিক সৈনিক -এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। 
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। 
- পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

অন্যদিকে,
- তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে আরো একটি মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হতো যার নাম - 'মাসিক দ্যুতি'।
- মাসিক দ্যুতি - ভাষা আন্দোলনের স্বপক্ষে কাজ করলেও সে অর্থে এটিকে ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র বলা যায় না।
- এছাড়াও, 'দৈনিক আজাদ' পত্রিকাও ভাষা আন্দোলনে বাংলা ভাষার পক্ষে বিভিন্ন নিবন্ধ প্রকাশ করতো।
- বাংলা ভাষার পক্ষের আরো কয়েকটি পত্রিকা হচ্ছে - ইনসাফ, মিল্লাত, ইত্তেহাদ, ইত্তেফাক, ঢাকা প্রকাশ, সীমান্ত ইত্যাদি।
- 'মর্নিং নিউজ' উর্দুর পক্ষে নিউজ প্রকাশ করে বাংলা ভাষার তীব্র বিরোধিতা করতো। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫,০৩৯.
বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা Bangladesh Public Administration Training Centre (BPATC) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাভার
  2. খ) শাহবাগ
  3. গ) সেগুনবাগিচা
  4. ঘ) কোটবাড়ি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জনপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা Bangladesh Public Administration Training Centre (BPATC) – ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত।
এটি বাংলাদেশের পাবলিক সার্ভিসের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। এটি চারটি আলাদা প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে –
• Bangladesh Administrative Staff College (BASC)
• National Institute of Public Administration (NIPA)
• Civil Officer’s Training Academy (COTA)
• Staff Training Institute (STI)
BPATC – এর অবস্থান – ঢাকার সাভারে।
প্রতিষ্ঠানের প্রধানের পদবী – রেক্টর।
বর্তমান রেক্টর – মোঃ রাকিব হসাইন (এনডিসি)।

সুত্রঃ Live MCQ স্পেশাল PDF (সিভিল সার্ভিস এবং মুজিব বর্ষ)।
১৫,০৪০.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের কতজন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ২ জন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছেন।

খেতাবপ্রাপ্ত বিজিবি:

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের রক্তাক্ত প্রান্তরে এক অসামান্য অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা রেখেছে বিজিবি (তৎকালীন ইপিআর)।
- একটি আধা সামরিক বাহিনী হয়েও সামান্য সংখ্যক সনাতন অস্ত্রকে সম্বল করে এই বাহিনীর বীর সৈনিকবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ২ জন সদস্য বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব পেয়েছেন।
- তারা হলেন: শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ।

⇒ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকহানাদার বাহিনী ঢাকার পিলখানাস্থ তৎকালীন ইপিআর সদর আক্রমন করে।
- এ বাহিনীর সদর দপ্তর থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার বার্তা ওয়ারলেস যোগে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হয়।
- ফলে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এদেশের সৈনিক ও জনতা।
- প্রথম দিকে ইপিআরের বাঙালি সদস্যগণ রণকৌশলগত কারণে বুড়িগঙ্গা নদীর অপর তীরে জিঞ্জিরায় প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- পরবর্তীতে এ বাহিনীর ১২ হাজার বাঙালি সৈনিক, সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনী ও মুক্তিকামী মানুষের সাথে সংগঠিত হয়ে বাংলাদেশের ১১টি সেক্টরে ৯ মাস ব্যাপী সশস্ত্র যুদ্ধে নিয়োজিত থাকে।
- এ বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাগণ পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ, গেরিলা যুদ্ধ ও শত্রুঘাটি নিশ্চিহ্ন করতে আত্মঘাতি আক্রমণসহ অসংখ দুর্ধর্ষ অপারেশন পরিচালনা করে।

⇒ মুক্তিযুদ্ধে ইপিআর বাহিনীর সর্বমোট ৮১৭ জন সৈনিক শহীদ হন।
- এর মধ্যে ২ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৮ জন ‘বীর উত্তম’, ৩২ জন ‘বীর বিক্রম’ ও ৭৮ জন ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত হন।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
১৫,০৪১.
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন একটি ______ সংস্থা।
  1. সরকারি
  2. সাংবিধানিক
  3. আধাস্বায়ত্তশাসিত
  4. বেসরকারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত ও সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশে এই সংস্থা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন বা বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন নামে অভিহিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর রাষ্ট্রপতির আদেশবলে ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে (৯ম ভাগের ২য়) কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- বর্তমানে মো. সোহরাব হোসাইন এর চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত আছেন।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
১৫,০৪২.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন -
  1. ১২ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
  2. ১১ মার্চ ১৯৭২ সালে
  3. ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে
  4. ১২ মার্চ ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধানে তফসিল রয়েছে - ৭ টি।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে - ১৫৩ টি।
- মূলনীতি রয়েছে - ৪ টি।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান - ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল - ৩৪ জন।

- হস্তা লিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করে - শেখ মুজিবুর রহমান।
- হস্ত লিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি - সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,০৪৩.
একুশে পদক-২০২৬ লাভ করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. ব্যান্ড সংগীত দল ওয়ারফেজ
  4. বাংলাদেশ টেলিভিশন
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৬:
- দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার।
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে।

একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

১৫,০৪৪.
হলওয়েল মনুমেন্ট কোন ঘটনার সাথে জড়িত?
  1. ক) চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠন
  2. খ) অন্ধকূপ হত্যাকাণ্ড
  3. গ) কলকাতা রাইটার্স বিল্ডিং আক্রমণ
  4. ঘ) জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যকাণ্ড
ব্যাখ্যা
- হলওয়েল মনুমেন্ট হলো ইংরেজদের কথিত অন্ধকূপ হত্যাকাণ্ড স্মরণে নির্মিত একটি স্মৃতিস্তম্ভ।
- ১৭৫৬ সালের জুন মাসে নবাব সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়াম দূর্গ আক্রমণ সময় নবাবের বাহিনীর হাতে আটক ইংরেজদের ১২৩ জনকে অন্ধকার বন্দিশালায় রেখে হত্যার বানোয়াট কাহিনী অন্ধকূপ হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত। বন্দিশালা থেকে বেঁচে যাওয়া জন জেফেনিয়াহ হলওয়েল এই কাহিনী করেন।
- ইংরেজরা পরবর্তীতে অন্ধকূপ হত্যাকাণ্ড স্মরণে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং এর পাশে হলওয়েল মনুমেন্ট নির্মাণ করে।
- প্রথমবার এটি নির্মাণের পর ভেঙে ফেলা হলেও ১৯০২ সালে লর্ড কার্জন পুনরায় এটি নির্মাণ করেন। ১৯৪০ সালে শেরে বাংলা সরকার পুনরায় এটি অপসারণ করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক সংগ্রাম)
১৫,০৪৫.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ কোনটি?
  1. জেনারেল
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল
  3. মেজর জেনারেল
  4. ভাইস-এডমিরাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদবি:
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর একটি শাখা।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আত্মপ্রকাশ ঘটে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষা করা। প্রাথমিক লক্ষ্যের পাশাপাশি, জাতীয় জরুরি অবস্থার সময়ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বেসামরিক সরকারকে সহায়তা করে।

⇒ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্জন এবং অবদান ৫টি বিস্তৃত শ্রেণীর অপারেশনাল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে চিহ্নিত করা যেতে পারে।
- এগুলো হলো: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা অভিযান, পার্বত্য চট্টগ্রামে বিদ্রোহ দমন অভিযান (সিআইও), অবকাঠামো ও জাতি গঠনমূলক কার্যক্রম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রম।

⇒ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ: জেনারেল।
- বর্তমান জেনারেল: ওয়াকার-উজ-জামান, এসবিপি, ওএসপি, এসজিপি, পিএসসি (সময়কাল: ২৩/জুন/২০২৪ থেকে বর্তমান)।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,০৪৬.
NIPORT কী?
  1. নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. আবহাওয়া বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. বাণিজ্য বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
NIPORT: 
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে ঢাকার আজিমপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও
- মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

সূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট।
১৫,০৪৭.
গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. গৌড়
  4. তাম্রলিপ্ত
ব্যাখ্যা

সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের পাশাপাশি সমতটের অবস্থান।
- সমতটের রাজধানী বড় কামতা এবং দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে শুরু করে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা এবং বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশই সমতট।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম - ১০ম শ্রেণি।

১৫,০৪৮.
প্রাচীন বাংলার যে জনপদ পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত ছিল তার নাম -
  1. বঙ্গ
  2. চন্দ্রদ্বীপ
  3. সমতট
  4. বরেন্দ্র
ব্যাখ্যা
সমতট:
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- প্রাচীন বঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের নতুন নামের আর একটি বিশাল রাজ্য।
- মধ্যবাংলার কিছু অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

অন্যদিকে -
⇒ চন্দ্রদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।
- চন্দ্রদ্বীপ নামের আগে এ অঞ্চলটির নাম ছিল ‘বাকলা’।

⇒ বঙ্গ জনপদ:
- বৃহত্তম ঢাকা ও ময়মনসিংহ, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, ফরিদপুর আগে বঙ্গ জনপদের অধীনে ছিল।

⇒ বরেন্দ্র জনপদ:
- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং ভারতের মালদহ, মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ, দার্জিলিং ও কোচবিহার এক সময় এ জনপদের আওতায় ছিল।
পুণ্ড্র জনপদ: এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,০৪৯.
মহামুনি বিহার অবস্থিত-
  1. দিনাজপুরে
  2. কুমিল্লায়
  3. চট্টগ্রামে
  4. রাঙ্গামাটিতে
ব্যাখ্যা
• বিহার:
- মহামুনি বিহার ও পণ্ডিত বিহার চট্টগ্রামে (রাউজান) অবস্থিত।
- সীতাকোট বিহার দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পঞ্চম থেকে ষষ্ঠ শতকে এটি নির্মাণ করা হয়।
- রাজবন বিহার রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের বৌদ্ধদের বৃহত্তম তীর্থস্থান।
- ভাসু বিহার দিনাজপুর জেলার শিবগঞ্জে অবস্থিত।
- আনন্দ বিহার ময়নামতি, কুমিল্লায় অবস্থিত। 

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া। 
১৫,০৫০.
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে গণভোট:
- রাষ্ট্রের কোন গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোট বা Referendum বলা হয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার।
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ (প্রশাসনিক)।
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই (প্রশাসনিক)।
- তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক )।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ।

১৫,০৫১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'জাতীয় সঙ্গীত' সম্পর্কে বলা রয়েছে?
  1. ৪(১) নং
  2. ৪(২) নং
  3. ৪(৩) নং
  4. ৪(৪) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
-  ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- প্রথম ভাগ:
- প্রজাতন্ত্র, 
- জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক,
৪ নং অনুচ্ছেদ:
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হইতেছে সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হইতেছে উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তাহার উভয় পার্শ্বে দুইটি করিয়া তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,০৫২.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে -
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে
  3. গ) ২৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে
  4. ঘ) ২৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,০৫৩.
ক্ষতিকর দ্রব্যের ওপর আরোপ করা শুল্ককে কী বলা হয়?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. রপ্তানি শুল্ক
  3. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
  4. আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties): 
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৫,০৫৪.
জাতীয় সংসদে 'অফশোর ব্যাংকিং বিল, ২০২৪' পাস হয় -
  1. ৪ মার্চ, ২০২৪
  2. ৫ মার্চ, ২০২৪
  3. ৬ মার্চ, ২০২৪
  4. ৮ মার্চ, ২০২৪
ব্যাখ্যা
• 'অফশোর ব্যাংকিং বিল, ২০২৪:
→ জাতীয় সংসদে 'অফশোর ব্যাংকিং বিল, ২০২৪' পাস হয় - ৫ মার্চ, ২০২৪।
→ সমসাময়িক আন্তর্জাতিক অর্থ ব্যবস্থার গতিবিধির সহিত সঙ্গতি রেখে অফশোর ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণে জাতীয় সংসদে ‘অফশোর ব্যাংকিং আইন, ২০২৪’ পাস করা হয়েছে।
→ বিলে বলা হয়েছে, অফশোর ব্যাংকিংয়ে বিদেশের বিভিন্ন উৎস এবং অনুমোদিত বিশেষায়িত অঞ্চলে পরিচালিত শতভাগ বিদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত উৎস থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় তহবিল নেওয়া যাবে। 
→ বিলে বলা হয়েছে, অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট যেকোনো অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রায় হিসাব পরিচালনা করতে পারবে।

তথ্যসূত্র: বাসস (৫মার্চ, ২০২৪)।
১৫,০৫৫.
ভূমি মন্ত্রণালয়ের বর্তমান উপদেষ্টা কে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. নাহিদ ইসলাম
  2. এ এফ হাসান আরিফ
  3. আলী ইমাম মজুমদার
  4. মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে এ এফ হাসান আরিফকে নিয়োগ করা হয়।
- গত ২০ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে এ এফ হাসান আরিফ মারা যায়।
- রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী, উপদেষ্টার পদ শূন্য হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা প্রধান উপদেষ্টার অধীনে চলে যায়।
- পরবর্তীতে খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গত ১৬ আগস্ট, ২৭ আগস্ট এবং ১০ নভেম্বরের প্রজ্ঞাপনের অনুবৃত্তিক্রমে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদারকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৫,০৫৬.
সুপ্রিম কোর্টের সর্বোচ্চ বিভাগ কোনটি?
  1. হাইকোর্ট বিভাগ
  2. ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  3. আপিল বিভাগ
  4. জেলা আদালত
ব্যাখ্যা

সুপ্রীম কোর্ট:
- সুপ্রীম কোর্ট হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- প্রধান বিচারপতি এই আদালতের প্রধান।
- বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি এবং উভয় বিভাগের অন্যান্য বিচারকদের নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট দুটি বিভাগে বিভক্ত: হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপিল বিভাগ।
- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে কাজ করে। 


• সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে। 
- হাইকোর্ট বিভাগ ও
- আপিল বিভাগ।

উল্লেখ্য, 
- রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,০৫৭.
তমদ্দুন মজলিসের মুখপত্র 'সৈনিক' পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি ছিলেন কে?
  1. শাহেদ আলী
  2. আবুল কালাম
  3. কামরুদ্দীন আহমদ
  4. আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

উল্লেখ্য: 
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
১৫,০৫৮.
কোন পরিব্রাজক সপ্তম শতকে প্রাচীন জনপদ সমতটে এসেছিলেন?
  1. ইবনে বতুতা
  2. মারকো পোলো
  3. হিউয়েন সাঙ
  4. মেগাস্থিনিস
ব্যাখ্যা
• সমতট:
- সপ্তম শতকে প্রাচীন জনপদ সমতট ভ্রমণ করেছিলেন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ।
- তিনি ভারতসহ উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল ভ্রমণ করে বৌদ্ধ ধর্ম ও সংস্কৃতি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন।
- তাঁর ভ্রমণ বিবরণ থেকে জানা যায় যে, সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল এবং এর কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার লালমাই অঞ্চল। তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার বিশদ বিবরণ দিয়েছেন, যা থেকে বোঝা যায় যে সমতট ছিল একটি বৌদ্ধ সংস্কৃতির কেন্দ্র।
- মূলত মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট নামে পরিচিত ছিল এবং এটি ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল।

অন্যদিকে: 
- ইবনে বতুতা চতুর্দশ শতকে বাংলাদেশে আসেন। 
- ‘মেগাস্থিনিস’ ছিলেন সেলুকাসের প্রেরিত দূত। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,০৫৯.
বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন কে?
  1. আবু সায়েম 
  2. আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না। 
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।
- বহিস্কৃত ও পাকিস্তানের প্রতি আনুগত্য পোষণকারী সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য পদ লাভে অযোগ্য ছিলেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:
: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,০৬০.
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- BCS-এর পূর্ণরূপ: বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (Bangladesh Civil Service)।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে কর্মকর্তা বা ক্যাডার নিয়োগের পরীক্ষাকে বলা হয় বিসিএস পরীক্ষা (BCS Examination)।
 বাংলাদেশ কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission – BPSC) দ্বারা এই পরীক্ষা গৃহীত হয়ে থাকে।

⇒ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস যা ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশ শাসন আমলের ইম্পেরিয়াল সিভিল সার্ভিস থেকে উদ্ভুত হয়েছে।
- জনগণের ভোটে নির্বাচিত নীতিনির্ধারকদের প্রণীত নীতি মাঠ পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) কতৃক নিয়োগকৃত যে বেসামরিক কর্মকর্তা বা কর্মচারিরা কাজ করেন, তাদেরকেই বিসিএস ক্যাডার (BCS Cadre) বলা হয়।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ পরীক্ষা গ্রহণের জন্য প্রণীত বিসিএস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪ অনুযায়ী বিসিএস-এর নিম্নোক্ত ২৬টি ক্যাডারে উপযুক্ত প্রার্থী নিয়োগের উদ্দেশ্যে কমিশন কর্তৃক ৩ স্তরবিশিষ্ট পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। বাছাই পরীক্ষা হয় তিন ধাপে। ধাপগুলো হলো- প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা।

⇒ বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম শুরু হয় ১৯৭৩ সালে। স্বাধীনতার পর সেই বছর বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) প্রথমবারের মতো বিসিএস-এর মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করে। তবে তখনকার পরীক্ষা ছিল শুধুমাত্র মৌখিক (viva-voce) ভিত্তিক। এরপর পর্যায়ক্রমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার সমন্বয়ে পূর্ণাঙ্গ বিসিএস পরীক্ষা চালু হয়। 
- বাংলাদেশের প্রথম বিসিএস ক্যাডার মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আবুল কালাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশকে এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়। তার ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের চাকরির প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়ে যায়। সংবিধানে সিভিল সার্ভিস শব্দটা ব্যবহার করা হয় নি, তবে সকল শ্রেণীর সিভিল সার্ভেন্টকে প্রজাতন্ত্রের চাকরিতে নিয়োজিত ব্যক্তি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। চাকরি সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অধ্যায় (১৩৬ নং অনুচ্ছেদে) অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। প্রথম, এই অনুচ্ছেদে সিভিল সার্ভিসের সদস্যদের চাকরির শর্তাবলি নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদকে দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়, এতে সরকারকে সিভিল সার্ভিস পুনর্গঠন করার এবং সিভিল সার্ভিস সদস্যদের অসুবিধা ঘটতে পারে চাকরির এমন শর্তাবলি পরিবর্তন করারও ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

⇒ পাকিস্তান আমল থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত এই সিভিল সার্ভিসকে পুনর্গঠিত করার কাজেও সরকার হাত দেয়। এই লক্ষ্যে সরকার প্রশাসনিক ও চাকরি পুনর্গঠন কমিটি (এএসআরসি, ১৯৭৩) নামে একটি কমিটি গঠন করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এম.এ চৌধুরী ছিলেন এই কমিটির প্রধান। চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেয়ার জন্য ১৯৭৫ সালে চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ এবং এতদসংক্রান্ত একটা আইন জারি করা হয়। এই ক্যাডারের রিক্রুটমেন্ট করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে, তবে বিধিবিধান প্রণীত হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।

উৎস: i) বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
iii) প্রথম আলো।

১৫,০৬১.
"এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি" এর রচয়িতা-
  1. জহির রায়হান
  2. গাফ্ফার চৌধুরী
  3. শামসুর রাহমান
  4. মাহবুব আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ - এই কবিতাটি রচনার প্রেক্ষাপট 'ভাষা আন্দোলন'।
------------------ 
• কবিতাটি রচনার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে আলোচনা:   
- ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ কবিতাটির রচিয়তা মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী।
- এটি ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রথম কবিতা।
- মাহাবুব-উল-আলম চৌধুরী প্রগতিশীল মাসিক সীমান্ত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন এবং চট্টগ্রামের রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক ছিলেন।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী গুলি চালিয়ে হত্যা করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিলরত তরুণদের। সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
মাহবুব উল আলম চৌধুরী তখন অসুস্থ; তাঁর শরীরে জলবসন্তের চিহ্ন। রাত জেগে তিনি লিখলেন আগুনঝরা কবিতা: ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’।
- ২২ ফেব্রুয়ারিতেই চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে রাজনৈতিক কর্মী হারুনুর রশীদ কবিতাটি আবৃত্তি করে শোনান।
--------------- 
মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী:
- মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী কবি, সাংবাদিক, লেখক, ভাষা সৈনিক এবং ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতার রচয়িতা।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চত্তরে (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২) আন্দোলনকারী ভাষা সৈনিকদের ওপর পুলিশের গুলি এবং ছাত্র নিহত হওয়ার তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ স্বরূপ কবি মাহবুব উল আলম চৌধুরী  ’একুশে’ শিরোনামে রচনা করেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা ’কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি’ যা ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে স্বীকৃত।
- মাহবুব উল আলম চৌধুরীর জন্ম ৭ নভেম্বর ১৯২৭, চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামের আসাদ চৌধুরীর বাড়িতে। 

---------------
কবিতার কিছু অংশ:

এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে
রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার তলায়
যেখানে আগুনের ফুলকির মতো
এখানে-ওখানে জ্বলছে অসংখ্য রক্তের ছাপ
সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি।
আজ আমি শোকে বিহ্বল নই
আজ আমি ক্রোধে উন্মত্ত নই
আজ আমি প্রতিজ্ঞায় অবিচল।
যে শিশু আর কোনোদিন তার
পিতার কোলে ঝাঁপিয়ে পড়ার
সুযোগ পাবে না
----------------  
উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
১৫,০৬২.
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) বর্তমান (২০২৪) চেয়ারম্যান কে?
  1. মো. রেজাউল করিম
  2. মো. তৌহিদ হোসেন
  3. মো. আতিকুর রহমান
  4. মো. মোস্তাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মো. রেজাউল করিম।
- ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর এক বার্তায় এ তথ্য জানায় প্রতিষ্ঠানটি।
- এ পদে যোগদানের পূর্বে তিনি পিডিবির সদস্য বিতরণ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রপতির আদেশ বলে (পিও ৫৯) সাবেক ওয়াপদা থেকে পৃথক হয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত এই দেশকে আলোকিত ও শিল্পায়িত করার দায়িত্ব নিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণের সমন্বিত সংস্থা হিসেবে মাত্র ৫০০ মেগাওয়াট স্থাপিত ক্ষমতাসহ যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো)।
- বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭২ সালের ১ মে যাত্রা শুরু করে।
-  পরবর্তীতে বিউবো’র বিদ্যুৎ সঞ্চালন, উৎপাদন ও বিতরণ ব্যবস্থার পূর্ণ বা অংশবিশেষ অন্য কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিকট যেমন পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) লিঃ, ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লিঃ, পাওয়ার গ্রীড কোম্পানী অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) লিঃ, আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লি: (এপিএসসিএল), ইলেক্ট্রিসিটি জেনারেশন কোম্পানি অব বাংলাদেশ (ইজিসিবি) লি:, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) লি:, নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (নওপাজেকো) লি:, নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) লি:, রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লি: (আরপিসিএল) এর নিকট হস্তান্তরিত হয়েছে।
- বিউবো বর্তমানে একক ক্রেতা হিসাবে বিদ্যুতের ক্রয় ও বিক্রয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) লি:, ঢাকা ইলেক্ট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি (ডেসকো) লি:, ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ওজোপাডিকো) লি:, নর্দান ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) লি: এর এলাকা ব্যতীত দেশের অন্যান্য অংশে বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৫,০৬৩.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,০৬৪.
ব্রিটিশ ভারতে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৩৭ সালে
  2. ১৯৩৯ সালে
  3. ১৯৪১ সালে
  4. ১৯৪৩ সালে
ব্যাখ্যা
বেতার: 
- ব্রিটিশ ভারতের এ অঞ্চলে (বর্তমানে বাংলাদেশ) প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে (বর্তমানে এটি বোরহান উদ্দিন কলেজ) দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয়েছিল “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।
- ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি বেতার ভবন শাহবাগে স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হয়।
- অন্যদিকে, শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার শুরুতে বেতার ঢাকার আশেপাশের শতকরা ৮ভাগ এলাকায় জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিত।
- কালের পরিক্রমায় বর্তমানে বেতার ভৌগোলিক হিসেবে শতকরা শতভাগ এলাকায় মানুষের সেবা দিয়ে যাচ্ছে।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ বেতার অ্যাপস্ এর মাধ্যমে ১৪টি কেন্দ্রের ৩০টি চ্যানেলের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।
 
সূত্র- বাংলাদেশ বেতার ওয়েবসাইট 
১৫,০৬৫.
জুলাই ঘোষণাপত্রে, ছাত্র ও জনতার ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানকে কী ধরনের স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে?
  1. বিদেশি স্বীকৃতি
  2. সাংবিধানিক স্বীকৃতি 
  3. প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি
  4. সামরিক স্বীকৃতি
ব্যাখ্যা

• জুলাই ঘোষণাপত্রে, ছাত্র ও জনতার ২০২৪ সালের অভ্যুত্থানকে ’সাংবিধানিক স্বীকৃতি’ দেওয়া হয়েছে।

• জুলাই ঘোষণাপত্র:

-জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

‘জুলাই ঘোষণাপত্র’-এর গুরুত্বপূর্ণ ২৮টি দফার সারাংশ:
১. ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনা ও গণপ্রতিরোধের ইতিহাস।
২. জাতীয় মুক্তির মূলনীতি - সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার।
৩. ১৯৭২ সালের সংবিধানের দুর্বলতা ও রাজনৈতিক ব্যর্থতা।
৪. বাকশাল ও একদলীয় শাসনের বিরুদ্ধে ৭ নভেম্বর বিপ্লব।
৫. সামরিক স্বৈরতন্ত্রবিরোধী ৯০’র গণঅভ্যুত্থানের গুরুত্ব।
৬. ১/১১ ষড়যন্ত্র ও ফ্যাসিবাদ প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হওয়া।
৭. বিগত ১৬ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের চিত্র ও ক্ষমতার অপব্যবহার।
৮. গণহত্যা, গুম-খুন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা হরণ এবং প্রতিষ্ঠান ধ্বংস।
৯. বাংলাদেশকে ব্যর্থ ও মাফিয়া রাষ্ট্রে রূপান্তরের অভিযোগ।
১০. দুর্নীতি, ব্যাংক লুট ও পরিবেশবিনাশের চিত্র তুলে ধরা।
১১. জনগণের ওপর দীর্ঘ দমনপীড়নের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক সংগ্রাম।
১২. বিদেশী আধিপত্যবিরোধী আন্দোলন দমন ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন।
১৩. তিনটি প্রহসনের নির্বাচনে ভোটাধিকার থেকে জনগণকে বঞ্চিত করা।
১৪. বৈষম্যমূলক নিয়োগ নীতি ও তরুণদের প্রতি নিপীড়নের অভিযোগ।
১৫. নিপীড়নের ফলে জনরোষ ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের উত্থান।
১৬. কোটা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলনের ওপর বর্বরতা।
১৭. নারী-শিশুসহ এক হাজারের বেশি মানুষ হত্যার অভিযোগ।
১৮. ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশত্যাগের প্রেক্ষাপট।
১৯. গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে জনগণের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা।
২০. ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের আইনি ভিত্তি।
২১. ফ্যাসিবাদমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে সর্বস্তরের জনগণের অংশগ্রহণ।
২২. সুশাসন, আইনের শাসন ও সাংবিধানিক সংস্কারে জনগণের প্রতিশ্রুতি।
২৩. গুম-খুন, গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচারের ঘোষণা।
২৪. আন্দোলনকারীদের সুরক্ষা ও শহীদদের জাতীয় বীর ঘোষণা।
২৫. একটি অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে ভবিষ্যতের পথ নির্ধারণ।
২৬. জলবায়ু ও পরিবেশসহ টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি।
২৭. ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান।
২৮. এই ঘোষণাপত্রকে গণঅভ্যুত্থান বিজয়ের চূড়ান্ত দলিল হিসেবে ঘোষণা।

উৎস: জুলাই ঘোষণাপত্র।

১৫,০৬৬.
সরকারের কোন বিভাগ আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী?
  1. শাসন বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. সচিবালয়
ব্যাখ্যা

- সরকারের অঙ্গ বা বিভাগ ৩ টি।
যথা- শাসন বিভাগ , বিচার বিভাগ , আইন বিভাগ।

- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।

- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)। এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে।

তথ্যসূত্র- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৫,০৬৭.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. আবদুল মতিন
  2. শামসুল আলম
  3. নূরুল হক ভূঁইয়া
  4. কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।

⇒ ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

⇒ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

১৫,০৬৮.
বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা-
  1. ক) ৪৭টি
  2. খ) ৪৮টি
  3. গ) ৪৯টি
  4. ঘ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর-২০১৯।
১৫,০৬৯.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহীত হয়?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. অষ্টাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করতে বাধ্য হন সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- ওই দিনই ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ।

⇒ বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এর চারদিন পর সংবিধান অনুযায়ী ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তারা হলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

• ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ ত্রয়োদশ সংশোধনী আনা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছিল।
- নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তিন মাস মেয়াদের 'নির্দলীয়'-'নিরপেক্ষ' তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা এবং দশ জন উপদেষ্টা নিয়ে এই সরকার গঠিত হতো।

উল্লেখ্য,
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
১৫,০৭০.
কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ক) রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  2. খ) পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  3. গ) নির্বাচন কমিশন
  4. ঘ) বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গুলো হলো- নির্বাচন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দপ্তর, সরকারি কর্ম কমিশন, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ইত্যাদি। অপরদিকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,০৭১.
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি কোথায় অবস্থিত?
  1. টাঙ্গাইল
  2. মুন্সীগঞ্জ
  3. মানিকগঞ্জ
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা
বালিয়াটি জমিদার বাড়ি:
- বালিয়াটি জমিদার বাড়ি মানিকগঞ্জ জেলার সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে অবস্থিত। 

⇒ মানিকগঞ্জ জেলা শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং ঢাকা থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে সাটুরিয়া উপজেলার বালিয়াটি গ্রামে বালিয়াটি প্রাসাদ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এ জমিদার পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জনৈক গোবিন্দ রাম সাহা যিনি আঠার শতকের মাঝামাঝি সময়ে একজন মহাজন ও ব্যবসায়ী ছিলেন।
- জমিদার পরিবারের বিভিন্ন উত্তরাধিকারের মধ্যে “কিশোরিলাল রায় চৌধুরী, রায়বাহাদুর হরেন্দ্র কুমার রায় চৌধুরী তৎকালীন শিক্ষাখাতে উন্নয়নের জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
- ঢাকার জগন্নাথ কলেজ প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন কিশোরিলাল রায় চৌধুরীর পিতা এবং যার নামানুসারে উক্ত প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়।

⇒ বালিয়াটি জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত, এই প্রাসাদ চত্বরটি প্রায় ১৬,৫৫৪ বর্গমিটার জমির উপর ছড়িয়ে থাকা ৭টি দক্ষিণমুখী দালানের সমাবেশ।
- এই দালানগুলো খ্রিষ্টীয় মধ্য ঊনবিংশ শতক থেকে বিংশ শতকের প্রথমভাগের বিভিন্ন সময়ে জমিদার পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
- সামনের চারটি প্রসাদ ব্যবহৃত হত ব্যবসায়িক কাজে।
- এই প্রসাদের পেছনের প্রাসাদকে বলা হয় অন্দর মহল যেখানে বসবাস করত তারা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,০৭২.
বাংলাদেশ ব্যাংক কতদিন পর পর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে?
  1. মাসিক
  2. ত্রৈমাসিক
  3. ষান্মাসিক
  4. বার্ষিক
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি (Monetary policy):
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস (ষান্মাসিক) পরপর মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

⇒ ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়। তখন বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করত বাংলাদেশ ব্যাংক।
- পরে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর ফজলে কবির বছরে একবার মুদ্রানীতি প্রণয়নের ঘোষণা দেন।
- পরের কয়েক বছর এমনই ছিল।
- পরে ২০২৩ সাল থেকে আবার বছরে দুবার মুদ্রানীতি ঘোষণার রীতিতে ফিরে যায় বাংলাদেশ।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংকের মুদ্রানীতির মূল উদ্দেশ্য হলো:
১. অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক উভয় মূল্যের স্থায়িত্ব,
২. টেকসই বৃদ্ধি এবং উন্নয়ন,
৩. উচ্চ কর্মসংস্থান,
৪. সম্পদের অর্থনৈতিক এবং দক্ষ ব্যবহার,
৫. আর্থিক ও পেমেন্ট সিস্টেমের স্থিতিশীলতা।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত সময়ের মুদ্রানীতিতে চড়তে থাকা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখা ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৫,০৭৩.
মারমারা কোন কোন জেলায় বেশি বসবাস করে?
  1. কক্সবাজার ও সিলেট
  2. বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি
  3. সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনা
  4. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
মারমা:
- মারমা  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- সাংগ্রাই উৎসব হলো মারমা জনগণের সবচেয়ে বড় ও গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসব।
- এটি মূলত বাংলা নববর্ষের সময়, অর্থাৎ এপ্রিল মাসে পালিত হয়।
- উৎসবটি মূলত বৌদ্ধ নববর্ষ উদ্‌যাপনের একটি রূপ। 

উল্লেখ্য, 
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- বাসস্থান: রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়ি।
- ধর্ম: বৌদ্ধ।
- সবচেয়ে বড় উৎসব: সাংগ্রাই।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান: কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান: হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান: রাজা।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,০৭৪.
জাপানে সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠানটি?
  1. ক) OPM
  2. খ) NPA
  3. গ) CSS
  4. ঘ) UPCS
ব্যাখ্যা
জাপানে সিভিল সার্ভিসে নিযোগ প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে থাকে National Personnel Authority (NPA).
এটি জাপান সরকারের কেন্দ্রিয় মানব সম্পদ বা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত একটি নিরপেক্ষ ও বিশেষায়িত সংস্থা।
NPA ১৯৪৮ সালের ডিসেম্বরে ‘ন্যাশনাল পাবলিক সার্ভিস অ্যাক্ট’ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
NPA এর কাজের মধ্যে রয়েছে:
- সিভিল সার্ভিস নিয়োগ পরিক্ষার আয়োজন
- সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারিদের নিয়োগ ও অবসানের বিধি বিধান সুপারিশ করা
- সিভিল সার্ভেন্টদের সুযোগ-সুবিধাদি দেখভাল করা প্রভৃতি।
(সূত্র: NPA ওয়েবসাইট)
১৫,০৭৫.
'কণিষ্ক' কোন বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন?
  1. পাল
  2. কুষাণ
  3. মৌর্য
  4. গুপ্ত
ব্যাখ্যা
কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,০৭৬.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করে শহীদ হন?
  1. ক) ৫নম্বর
  2. খ) ৬ নম্বর
  3. গ) ৭ নম্বর
  4. ঘ) ৪ নম্বর
ব্যাখ্যা

তিনি ৪নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাসে হামিদুর রহমান ১ম ইস্টবেঙ্গলের সি কোম্পানির হয়ে ধলই সীমান্তের ফাঁড়ি দখল করার অভিযানে অংশ নেন।

-তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ তার বয়স ছিল ১৮ বছর।

-১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ধলইয়ে অসম সাহসীকতার সঙ্গে যুদ্ধ করে শহীদ হন বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি

১৫,০৭৭.
প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন 'উয়ারী বটেশ্বর' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. করতোয়া
  3. মহানন্দা
  4. চিত্রা
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,০৭৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় কোন ব্রিগেড ফোর্স?
  1. জেড ফোর্স
  2. কে ফোর্স
  3. এস ফোর্স
  4. এল ফোর্স
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,০৭৯.
স্বাধীন বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনে।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

১৫,০৮০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, প্রজাতন্ত্রের রাজধানী হবে ঢাকা?
  1. ২ নং
  2. ৫ নং
  3. ৩ নং
  4. ৬ নং
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা নির্ধারণ হয়।

• সংবিধানের ৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাষ্ট্র ভাষা বাংলা ।

• সংবিধানের ৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের রাজধানী হবে ঢাকা।

• সংবিধানের ৭(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে - প্রজাতন্ত্রের সকল মালিক জনগণ।

• সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি, ও নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশি বলে গণ্য হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৫,০৮১.
বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
  1. OIC
  2. FAO
  3. Commonwealth
  4. ILO
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ:
• বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল সর্বপ্রথম কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে: 
- বাংলাদেশ OIC এর সদস্য পদ লাভ করে ১৯৭৪ সালে। 
- বাংলাদেশ FAO এর সদস্য পদ লাভ করে ১২ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশ ILO এর সদস্য পদ লাভ করে ২২ জুন ১৯৭২।

উৎস: স্ব স্ব ওয়েবসাইট।
১৫,০৮২.
২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL) ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দল?
  1. চিটাগাং কিংস
  2. ঢাকা ক্যাপিটালস
  3. খুলনা টাইগার্স
  4. ফরচুন বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ ২০২৫:
- ২০২৫ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ১১তম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই লিগের আয়োজন করে।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- চ্যাম্পিয়ন: ফরচুন বরিশাল।
- রানার্সআপ: চিটাগাং কিংস।
- টুর্নামেন্ট সেরা: মেহেদী হাসান মিরাজ (খুলনা টাইগার্স)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: তাসকিন আহমেদ (২৫) (দুর্বার রাজশাহী)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: মোহাম্মদ নাইম (৫১১) (খুলনা টাইগার্স)।

উৎস: Bangladesh Premier League ওয়েবসাইট।
১৫,০৮৩.
ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র-
  1. ক) স্কিনার
  2. খ) খাজা মোহাম্মদ আজগর
  3. গ) আনন্দ চন্দ্র রায়
  4. ঘ) ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত
ব্যাখ্যা
ঢাকা পৌরসভা: 
- ১৮৬৪ সালে ঢাকায় পৌরসভা গঠিত হয়।
- পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তখনকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্কিনার।
- ১৮৮৫ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রায় বাহাদুর আনন্দ চন্দ্র রায়।
- ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মুসলমান চেয়ারম্যান খাজা মোহাম্মদ আসগর।
- ব্রিটিশ আমলের শেষ পৌর চেয়ারম্যান ছিলেন বিমলা নন্দ দাসগুপ্ত।
- ১৯৪৭ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ঢাকা পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে মনোনীত বা অনির্বাচিতরাই বসেন।
- পাকিস্তান আমলে পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন পানাউল্লাহ আহমেদ।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পান ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৭৮ সালের অক্টোবরে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটিকে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনে উন্নীত হলে ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পান।
- ২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার পূর্ববর্তী ঢাকা সিটি করপোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে।
- এ আইন অনুযায়ী ৪ ডিসেম্বর ২০১১ থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুইটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেয়া হয়।
- ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যাত্রা শুরু করে।

উৎস: বাংলাদেশ সরকার ব্যবস্থা, Live MCQ লেকচার
১৫,০৮৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের ভাগ কতটি?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,০৮৫.
বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. শাহ আবদুল হামিদ
  2. মোহাম্মদ উল্ল্যাহ
  3. আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
  4. মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ২২শে মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন। ৭ এপ্রিল এটির সংশোধনী আদেশ জারি করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ৪১৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
- ১০ ও ১১ই এপ্রিল এই অধিবেশনের মোট দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই অধিবেশনে গণপরিষদের কার্যপ্রণালি বিধি প্রণীত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৫,০৮৬.
নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও, ঢাকা
  2. মতিঝিল, ঢাকা
  3. খিলগাঁও, ঢাকা
  4. মিরপুর, ঢাকা
ব্যাখ্যা
নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট (ইটিআই):
- নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের একটি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট।
- এর যাত্রা শুরু ১৯৯৫ সালে।
- এ প্রতিষ্ঠানটি নিবিড় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নির্বাচনি কর্মকান্ডের সাথে সংশিষ্ট সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা, ভোটার রেজিস্ট্রেশন কাজে নিয়োজিত তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে আসছে।
- নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও নির্বাচনি কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইটিআই শুরু থেকে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
- নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ইটিআই) ঢাকার আগারগাঁও-এ অবস্থিত।

উৎস: নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৫,০৮৭.
Which African country first recognized Bangladesh after the liberation war?
  1. Libya
  2. Senegal
  3. South Africa
  4. Uganda
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দেশ:

- প্রথম উত্তর আমেরিকার দেশ বার্বাডোস।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্স ও কানাডা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছিল।
- প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ- সেনেগাল।
- প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ- ইরাক।
- প্রথম উপসাগরীয় দেশ- কুয়েত।
- প্রথম ওশেনিয়ার দেশ- টোংগা।

তথ্যসূত্র - ইউএস স্টেট ডিপার্টমেন্ট ওয়েবসাইট।
১৫,০৮৮.
বর্তমানে বাংলাদেশের জিআই পণ্য কয়টি ?
  1. ৩ টি
  2. ৭ টি
  3. ৯ টি
  4. ৬ টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে নতুন করে আরও পাঁচটি পণ্য জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টিফিকেশন (জি-আই) বা ভৌগোলিক নির্দেশক হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে। 
- এ নিয়ে বাংলাদেশে মোট জিআই পণ্যের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৯টিতে।
-এর আগে, বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো জি-আই পণ্য হিসেবে ২০১৬ সালে স্বীকৃতি পেয়েছিল জামদানি। এরপর ২০১৭ সালে ইলিশ, ২০১৯ সালে খিরসাপাতি আম, ২০২০ সালে ঢাকাই মসলিন এবং ২০২১ সালে ওই ৫টি পণ্যের স্বীকৃতি দেয়া হয়।
নতুন নিবন্ধিত জি-আই পণ্য গুলো হল:
- রাজশাহী সিল্ক
- রংপুরের শতরঞ্জি
- কালিজিরা চাল
- দিনাজপুরের কাটারিভোগ চাল
- এবং নেত্রকোনার সাদা মাটি।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার

১৫,০৮৯.
বিখ্যাত 'ঝুমুর নাচ' কোন সম্প্রদায়ের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. গারো
  2. ত্রিপুরা
  3. সাঁওতাল
  4. চাকমা
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল: 
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
- সাঁওতাল সম্প্রদায়ের মাঝে প্রচলিত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের মাঝে অন্যতম হলো ঝুমুর গান ও নাচ।
- সাধারণত বিয়ের উৎসব ও করম উসবে সাঁওতালরা ঝুমুর গান ও নাচ পরিবেশন করে থাকে।
- এছাড়া মুন্ডা, ওঁরাও এবং বর্তমানে বাঙালি হিন্দু-মুসলমানদের মাঝেও এই গান ও নাচ জনপ্রিয়। 
- ঝুমুর নাচ রংপুর এবং রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ।

সূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
১৫,০৯০.
'শূন্য এ বুকে পাখি মোর আয়' গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) অতুল প্রসাদ
  3. গ) কাজী নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) রজনীকান্ত সেন
ব্যাখ্যা
'শূন্য এ বুকে পাখি মোর আয়' গানটির রচয়িতা হলেন কাজী নজরুল ইসলাম। 
 
গানটির অংশবিশেষ নিম্নরূপ:
 
শূন্য এ-বুকে পাখি মোর আয়
ফিরে আয় ফিরে আয়!
তোরে না হেরিয়া সকালের ফুল
অকালে ঝরিয়া যায়॥
 
তুই নাই বলে ওরে উন্মাদ
পান্ডুর হলো আকাশের চাঁদ
কেঁদে নদী হলো করুণ বিষাদ
ডাকে আয় তীরে আয়।।

আকাশে মেলিয়া শত শতকর
খোঁজে তোরে তবু ওরে সুন্দর
তোর তরে বনে উঠিয়াছে ঝড়
লুটায় লতা ধূলায়।।

তুই ফিরে এলে ওরে চঞ্চল
আবার ফুটিবে বন ফুল দল
ধূসর আকাশ হইবে সুনীল
তোর চোখের চাওয়ায়।।
১৫,০৯১.
নাগরিকতা বিলোপের কারণ নয় কোনটি?
  1. রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ করলে
  2. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার না করলে
  3. স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে
  4. বিদেশ ভ্রমণ করলে
ব্যাখ্যা

নাগরিকতা বিলোপের কারণ:
- নিম্নলিখিত কারণে কোন ব্যক্তির নাগরিকত্ব বিলোপ হতে পারে- 
(ক) স্বেচ্ছায় নাগরিকত্ব ত্যাগ করলে,
(খ) রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ করলে,
(গ) অন্য কোন রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলে অনেকক্ষেত্রে পূর্ববর্তী নাগরিকত্ব বিলোপ হতে পারে, 
(ঘ) রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য স্বীকার না করলে।

উল্লেখ্য,
- 'বিদেশ ভ্রমণ' নাগরিকতা বিলোপের কারণ নয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,০৯২.
ভাষা আন্দোলনে শহিদ হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন কে?
  1. রফিক উদ্দিন আহমদ
  2. আবুল বোরহান
  3. আব্দুস সালাম
  4. আবুল বরকত
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন: 
- ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দীন করাচি থেকে ঢাকায় আসেন।
- তিনি পল্টন ময়দানে এক জনসভায় বলেন যে, প্রদেশের সরকারি কাজকর্মে কোন ভাষা ব্যবহূত হবে তা প্রদেশের জনগণই ঠিক করবে।
- কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেবল উর্দু।
- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের (১৯০৫-৭৪) সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভা হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজের একাংশে অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রদের সভা হয়।
- ছাত্ররা পাঁচ-সাতজন করে ছোট ছোট দলে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগান দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসে।
- পুলেশের গুলিতে  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুল জববার,  আবুল বরকত নিহত হয়।
- আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।


উল্লেখ্য, 
- ভাষা আন্দোলন-এ আত্মদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রফিক উদ্দিন আহমদকে ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।
- আবদুস সালাম তৎকালীন ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের 'পিয়ন' হিসেবেকর্মরত ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,০৯৩.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) ষষ্ঠ
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়। গত বছর ছিল চতুর্থ অবস্থানে।
- খাদ্যশস্যের মধ্যে সরকারিভাবে সবচেয়ে বেশি সংগ্রহ করা হয় - ধান/চাল।
- ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে সরকারিভাবে ১৩.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন (চাল ৭.৩২ লক্ষ মেট্রিক টন ও গম ৬.০১ লক্ষ মেট্রিক টন) খাদ্যশস্য আমদানির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে (ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত) প্রকৃত খাদ্যশস্য আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০.৫৯ লক্ষ মেট্রিক টন (চাল৬.৫১ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ৪.০৮ লক্ষ মেট্রিক টন)।  

তথ্যসূত্র:- অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১৫,০৯৪.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ- 
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. ভুটান
  4. ইরাক
ব্যাখ্যা

-  পররাষ্ট্রসচিব মো. শহীদুল হক বলেছেন, ভুটানই বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছিল।
​-  ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর একটি তারবার্তার মাধ্যমে দেশটি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল।

​​বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী দেশ:
​- ভুটান স্বীকৃতি দেয় : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।( ভারতের কয়েক ঘন্টা আগে)
- ভারত স্বীকৃতি দেয় : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম: সেনেগাল।
- সেনেগাল স্বীকৃতি দেয় : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- ইরাক স্বীকৃতি ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- ইরান স্বীকৃতি দেয় : ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- মিয়ানমার স্বীকৃতি দেয় : ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২।
- নেপাল স্বীকৃতি দেয় : ১৬ জানুয়ারি ১৯৭২।

উৎস: MOFA ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

১৫,০৯৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে যুদ্ধ ঘোষণার জন্যে কার সম্মতি আবশ্যক?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. মন্ত্রিসভা
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার জাতীয় সংসদের।
সংসদের সম্মতি ব্যতীত রাষ্ট্র যুদ্ধ ঘোষণা বা কোন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারবে না।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১৫,০৯৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি কয়টি? [মে, ২০২৫]
  1. ২ টি
  2. ৫ টি
  3. ৪ টি
  4. ৩ টি
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।

• সংবিধানের মূলনীতি:
- আমরা অঙ্গীকার করিতেছি যে, যে সকল মহান আদর্শ আমাদের বীর জনগণকে জাতীয় মুক্তি সংগ্রামে আত্মনিয়োগ ও বীর শহীদদিগকে প্রাণোৎসর্গ করিতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার সেই সকল আদর্শ এই সংবিধানের মূলনীতি হবে।
- সংবিধানের মূলনীতি ৪ টি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি ।
- সংবিধানে তফসিল: ৭টি,
- সংবিধানে প্রস্তাবনা: ১টি।
- সংবিধানে মোট ভাগ: ১১টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১৫,০৯৭.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালকে কোন জেলায় সমাহিত করা হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  3. মৌলভীবাজার
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৫,০৯৮.
মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বপূর্ণ খেতাব কোনটি?
  1. বীর প্রতীক
  2. বীর বিক্রম
  3. বীর উত্তম
  4. বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।
- যথা:
১. বীরশ্রেষ্ঠ,
২. বীর উত্তম,
৩. বীর বিক্রম,
৪. বীর প্রতীক।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৫,০৯৯.
শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি প্রদান করেন -
  1. ক) শামসুল হক
  2. খ) আ স ম আব্দুর রব
  3. গ) তোফায়েল আহমেদ
  4. ঘ) শাহজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
• ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
• ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
• বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
• মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
• ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন ৩৫ জনকে আসামি করে পাকিস্তান দন্ডবিধির ১২১-ক ধারা এবং ১৩১ ধারায় মামলার শুনানি শুরু হয়।
• মোট ১০০টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। সরকার পক্ষে মামলায় ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন সাক্ষীর তালিকা আদালতে পেশ করা হয়। 
• এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
• গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
• ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন।
• রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা (১৮ ফেব্রুয়ারি,১৯৬৯) নিহত হলে আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫,১০০.
'৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস' হচ্ছে -
  1. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে প্রদর্শনী
  2. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে চলচ্চিত্র
  3. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বই
  4. জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে গান
ব্যাখ্যা
৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস:
- দেশের শীর্ষ ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার সাহস, দৃঢ়তা ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজধানী ফার্মগেটে প্রদর্শনী আয়োজন করেছে।

উল্লেখ্য, 
- প্রদর্শনীতে ২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোকচিত্র, স্লোগান, গ্রাফিতি ও সংবাদ প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়।
- "৩৬ ডেইজ অব জুলাই: স্যালুটিং দ্য ব্রেভহার্টস" প্রদর্শনী শুরু হয়েছে ১-৭ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত, ডেইলি স্টার সেন্টারে।
- এটি ছাত্র-জনতার সাহসিকতা ও ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আয়োজিত।
- আলোচনায় মিলান কুন্ডেরার "বিস্মৃতির বিরুদ্ধে স্মৃতির লড়াই" উদ্ধৃত করা হয়।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা নিউজ ও প্রথম আলো নিউজ।