বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫০ / ৩০৬ · ১৪,৯০১১৫,০০০ / ৩০,৮৩২

১৪,৯০১.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সরকারিভাবে মুক্তিযোদ্ধাগন কী নামে পরিচিত ছিল?
  1. মুক্তিবাহিনী
  2. নিয়মিত বাহিনী
  3. যৌথ বাহিনী
  4. অনিয়মিত বাহিনী
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ও বাহিনীসমূহ -
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী বা গেরিলাবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- অনিয়মিত বাহিনীকে সরকারিভাবে বলা হত মুক্তিযোদ্ধা।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- নিয়মিত বাহিনীর সংগঠনিক নাম ছিল মুক্তিফৌজ।

অন্যদিকে,
- মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে প্রথমে ৪ টি যুদ্ধাঞ্চলে ভাগ করে। পরে আরো ৩টি ভাগ করা হয়। ফলে মোট যুদ্ধাঞ্চল ছিল ৭টি।
- S ফোর্স, K ফোর্স ও Z ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
-মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশ ১১ টি সেক্টর ছিল , যেখানে মোট ১৬ জন সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।

উৎস- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, দশম খন্ড।
১৪,৯০২.
নিচের কোনটি বিশ্ব বাজারে কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত?
  1. তামাক
  2. ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল
  3. চা
  4. পাট
ব্যাখ্যা
কুষ্টিয়া গ্রেড:
- বাংলাদেশে পালিত ছাগলের প্রায় নব্বই ভাগই হলো ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল।
- এই জাতের ছাগলের চামড়া অত্যন্ত উন্নত মানের এবং মাংস অনেক সুস্বাদু হয়ে থাকে।
- ব্ল্যাক বেঙ্গল ব্যতীত ছাগলের অন্যান্য জাতের মধ্যে যমুনাপারি বা রামছাগল, কাশ্মিরী, বারবারি প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
- দেশের সর্বত্রই এই জাতের ছাগল দেখা যায়। তবে কৃষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলে এই ছাগলের পালন সর্বাধিক হয়।
- যার কারণে বিশ্ববাজারে ব্ল্যাকবেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৪,৯০৩.
জুটিন (Jutin) এর আবিষ্কারক-
  1. ক) ড. আব্দুল খালেক
  2. খ) ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  3. গ) ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ঘ) ড. মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান। পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin)।
তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস। তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।
জুটন এর আবিষ্কারক- ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ। পাটের জিন বিন্যাস আবিষ্কার করেন – ড. মাকসুদুল আলম। স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন ড. আব্দুল খালেক।
[সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর- ২০১৯]
১৪,৯০৪.
Who was the 1st Budget Proposer of Bangladesh?
  1. Abu Hena Mohammad Mujtafa Kamal
  2. Tajuddin Ahmad.
  3. Abul Maal A. Muhit
  4. Abu Sayeed Chowdhury
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় বাজেট:

- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ৩০ জুন তাজউদ্দিন আহমদ পেশকৃত দেশের প্রথম বাজেট পাশ হয়।
- এই বাজেটের আকার ছিলো ৭৮৬ কোটি টাকা।
- প্রথম বাজেটে একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ এবং ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট পেশ করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪,৯০৫.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে কবে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  2. ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  4. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট:
- ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- এবার নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

১৪,৯০৬.
আলীগড় আন্দোলনের প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. সৈয়দ আমীর আলী
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা

 আলীগড় আন্দোলন:
- আলীগড় আন্দোলন হচ্ছে আলীগড়ভিত্তিক সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন।
- আলীগড় আন্দোলনের প্রবর্তক স্যার সৈয়দ আহমদ খান।

⇒ ১৮৭৫ সালে সৈয়দ আহমদ খান আলীগড়ে 'মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন,  ১৮৭৭ সালে এটি কলেজে উন্নীত হয়।
- এ কলেজ প্রতিষ্ঠার পর আলীগড় ভারতীয় মুসলমানদের ধর্মীয়, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- সৈয়দ আহমদ খান এ আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য একটি আন্দোলন পরিচালনা করেন।
- ইতিহাসে এটিই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ।
- এ আন্দোলন মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ভাবধারা ও চিন্তা-চেতনা জাগ্রত করে। পরবর্তীকালে আলীগড় কলেজ ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক জীবনকেও প্রভাবিত করেছিল।

উল্লেখ্য,
• স্যার সৈয়দ আহমদ খান:
- ভারতীয় রাষ্ট্রচিন্তার বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও ভারতীয় মুসলমান সমাজের আধুনিকতামুখী অগ্রগতির অগ্রপথিক ছিলেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান।
- তিনি ১৮১৭ সালে ১৭ই অক্টোবর দিল্লি শহরের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৮৩৭ সালে সৈয়দ আহমদ খান ভারতস্থ ব্রিটিশ সরকারের অধীনে সরকারী চাকুরীতে নিযুক্ত হন এবং পরে সাব জজ পদে উন্নীত হন।
- তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বৃটিশ সরকার ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- সৈয়দ আহমদ খান ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে আলীগড়ে ‘মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৯০৭.
বাংলাদেশের কৃষি কোন প্রকারের?
  1. স্বয়ংভোগী শস্য চাষ ও পশুপালন
  2. ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
  3. স্বয়ংভোগী মিশ্র
  4. ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষি ধান প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী প্রকারের।

স্বয়ং ভোগী কৃষি ব্যবস্থা:

- শুধুমাত্র মানুষ নিজ নিজ প্রয়োজন মেটানোর জন্য যে যে ব্যববস্থা করে থাকে তাকেই স্বয়ং ভোগী চাষ ব্যবস্থা বলে। 

⇒ ধান প্রধান নিবিড় কৃষি ব্যবস্থা:
- আর্দ্র মৌসুমী ভাবাপন্ন ঘনবসতিপূর্ণ এশিয়ার ভারত, বাংলাদেশ, ময়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, চীন, জাপান, উত্তর ও দক্ষিন কোরিয়া প্রভৃতি দেশে নিবিড় কৃষি ব্যবস্থা চালু আছে।

উৎস: বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৯০৮.
বখতিয়ার খিলজি জাতিতে কোন বংশের ছিলেন?
  1. আফগানি
  2. পারসিয়ান
  3. মঙ্গোলীয়
  4. তুর্কি
ব্যাখ্যা

 বখতিয়ার খিলজি:
- ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ -বিন- বখতিয়ার খিলজি নদীয়া জয় করে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি সমগ্র নদীয়া জয় করেন।
- তিনি জাতিতে তুর্কিদের খিলজি সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- তবে তিনি আফগানিস্তানের গরমিশ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন।
- ভারতবর্ষে ভাগ্যের অন্বেষণে এসে শেষ পর্যন্ত অযোধ্যার শাসক মালিক হুশাম উদ্দিনের রাজ্যের পূর্ব সীমান্তে সীমান্তরক্ষীর কাজ পান।
- তিনি গৌড় বা লক্ষণাবতী (লখনৌতি) জয় করে সেখানেই রাজধানী স্থাপন করেন।
- তার শাসন কেন্দ্র ছিল লক্ষণা বতীতে।
- বখতিয়ার খলজির শাসনামলে বাংলায় যথেষ্ট সংখ্যক মসজিদ, মাদ্রাসা এবং খানকাহ (অতিথিশালা) তৈরি করা হয়।
- ১২০৬ সালে তিনি তিব্বত অভিযানে বের হয়ে ব্যর্থ হন, দিনাজপুরের দেবকোটে ফিরে আসার পর এখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৯০৯.
When was the 'Draft Constitution Drafting Committee' formed?
  1. April 09, 1972
  2. April 11, 1972
  3. April 16, 1972
  4. April 19, 1972
  5. April 21, 1972
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৪,৯১০.
আবুল ফজল রচিত 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থে বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম কী ছিল?
  1. বঙ্গ
  2. গঙ্গরিডাই
  3. বঙ্গাল
  4. বিক্রমপুর বঙ্গ
ব্যাখ্যা

বঙ্গ: 
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- মহাভারত, রামায়ণ ও হরিবংশেও রয়েছে বঙ্গ প্রসঙ্গ।
- মহাভারতের আদি অন্যান্য জনপদের সাথে উচ্চারিত হয়েছে বঙ্গের নাম।
- মহাকবি কালীদাসের রঘুবংশ কাব্যে আছে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কিত কিছু তথ্য।
- তিনি ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলেছেন। আর এ অঞ্চলই সম্ভবত টলেমির ‘গঙ্গরিডাই’।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়। একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- বর্তমানে নাব্য বলে কোনো জায়গা নেই।
- অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে ‘বঙ্গ’ বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- সুতরাং বঙ্গের এই ভৌগোলিক পরিচিতি হিন্দু ও বৌদ্ধ যুগ পেরিয়ে মুসলিম যুগের প্রাথমিক পর্যায়েতো বটেই, সম্ভবত ‘বাঙ্গালাহ’ নামের বিকাশ পর্যন্তই ছিল। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল।
- কারণ এ দেশের প্রাচীন রাজাগণ সারাদেশে চওড়া ‘আল’ নির্মাণ করতেন। সেজন্যে ‘বঙ্গ’ ও ‘আল’ শব্দ দুটির যোগে ‘বঙ্গাল’ নামের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ থেকে ধারণা করা হয় যে পানি থেকে শস্যক্ষেত রক্ষার জন্য বড় বড় ‘আল' বাঁধা হতো এবং তার ফলে এ অঞ্চলটি ‘বঙ্গাল’ নামে পরিচিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪,৯১১.
আইয়ুব খান কত সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করেন?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১:
- আইয়ুব খান ১৯৬১ সালে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ জারি করেন।
- এই আইনে উত্তরাধিকার, বিবাহ রেজিস্ট্রেশন, বহুবিবাহ, তালাক, বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, স্ত্রীর ভরণপোষণ প্রভৃতি বিষয়ে বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- উত্তরাধিকার আইনে কারো দাদার পূর্বে পিতা মৃত্যু বরণ করলেও সে তার দাদার সম্পত্তির অংশ পাবে মর্মে বিধান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৯১২.
'খান বাহাদুর' উপাধি কার -
  1. ক) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. খ) শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক
  3. গ) রাজা রামমোহন রায়
  4. ঘ) হাজী শরিয়ত উল্লাহ
ব্যাখ্যা
• নওয়াব আব্দুল লতিফ:
- নওয়াব আব্দুল লতিফকে কর্মজীবনে তাঁর কৃতিত্বের জন্য সরকার তাঁকে প্রথমে খান বাহাদুর পরে নওয়াব এবং নওয়াব বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে ‘মুসলমান ছাত্রদের পক্ষে ইংরেজি শিক্ষার সুফল’ শীর্ষক এক রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় কোলকাতা মাদরাসায় এ্যাংলো পার্সিয়ান বিভাগ খোলা হয়।
- তাঁর প্রচেষ্টায় হিন্দু কলেজ প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তর করা হলে মুসলমান ছাত্ররা সেখানে পড়ালেখার সুযোগ পায়।
- ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি বা মুসলিম সাহিত্য সমাজ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৪,৯১৩.
কত সালে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত:
- তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের, (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান)  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে।
 - যদিও এই সংগঠনের প্রতিবাদ লেখালেখির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে

- ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রকাশ্য রূপ ধারণ করে।

[শুধুমাত্র ইতিহাস,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বইতে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত  ১৯৪৮ দেওয়া হয়েছে। অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে ১৯৪৭ সালকে সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। যদি অপশনে ১৯৪৭ না থাকে তাহলে ১৯৪৮ উত্তর হবে।]

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেনি এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯১৪.
শাসন বিভাগের কার্যক্রম সম্পন্ন হয় -
  1. ক) রাষ্ট্রপতির নামে
  2. খ) প্রধানমন্ত্রীর নামে
  3. গ) অ্যাটর্নি জেনারেলের নামে
  4. ঘ) স্পিকারের নামে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শাসনকাঠামো: 
রাষ্ট্রপতি:
- শাসন বিভাগের কার্যক্রম মহামান্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পন্ন হয়।
- সংসদীয় সরকার পদ্ধতি চালু থাকায় রাষ্ট্রপতি প্রকৃত অর্থে নামমাত্র শাসক।
- রাষ্ট্রের প্রকৃত প্রশাসনিক ক্ষমতা সরকার প্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত থাকে।
- তবে রাষ্ট্রের প্রধান হিসাবে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটের দ্বারা।
- এই সংসদই যে কোন বড় ধরনের ব্যর্থতার জন্য রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতাচ্যূত করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতি মূলতঃ অলঙ্কারিক দায়িত্ব পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হয়।

• প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ :
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী গ্রহণের ফলে বাংলাদেশে যে নির্বাহীর উদ্ভব ঘটে তা হল সংসদীয় নির্বাহী।
- এখানে প্রধানমন্ত্রীর প্রাধান্য নিশ্চিত করার জন্য নানাবিধ ব্যবস্থা সংবিধানভূক্ত হয়।
- এই ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক মনোনীত ও অনুমোদিত না হলে কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন না।
- প্রকৃতপক্ষে, সরকার প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাহী ক্ষমতা মূলত প্রধানমন্ত্রীর ওপরই ন্যস্ত রয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান থাকেন।
- মন্ত্রিপরিষদ তার সকল কর্মকান্ডের জন্য প্রধানমন্ত্রীর নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে। কেননা, প্রধানমন্ত্রী হলেন সংসদ নেতা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা হওয়ার দরুণ মহামান্য রাষ্ট্রপতি তাঁর পরামর্শক্রমে সংসদের অধিবেশন আহবান ও ভেঙে দিতে পারেন।
- জাতীয় সংসদের পবিত্রতা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য তিনি স্পীকারকে সহযোগিতা করেন।

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল নির্বাহী বিভাগের বা সরকারের পক্ষে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের বিচারিক কর্মকান্ডে প্রধান কুশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে থাকে।

সূত্র: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৯১৫.
মুক্তিযুদ্ধকালে বঙ্গোপসাগর কোন সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) ১০ নং সেক্টর
  2. খ) ১১ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না,
- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর,
- ঢাকা-২ নং সেক্টর,
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর-৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন- ৯ নং সেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১৪,৯১৬.
সংসদ সদস্যরা কোনো প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পর প্রশ্ন সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে যে প্রশ্ন উত্থাপন করা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. ক) সম্পূরক প্রশ্ন
  2. খ) Point of Order
  3. গ) স্পিকারের প্রশ্ন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- সংসদ সদস্যরা কোনো প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার পর প্রশ্ন সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা জানতে চেয়ে পুনরায় যে প্রশ্ন উত্থাপন করে তাকে সম্পূরক প্রশ্ন (Supplementary Question)।
- Point of Order এক প্রকার আপত্তি । নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১৪,৯১৭.
'জয় বাংলা, জয় তারুণ্য' ভাস্কর্যের স্থপতি-
  1. ক) আজিজুল জলিল পাশা
  2. খ) শামীম শিকদার
  3. গ) আলাউদ্দিন বুলবুল
  4. ঘ) নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা

- জয় বাংলা, জয় তারুণ্য' ভাস্কর্যটি অবস্থির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।
- শহীদ মিজানুর রহমান মিজানের স্মরণে এটি বানানো হয়েছে।
- এটি নির্মাণের প্রেক্ষাপট ছিল ১৯৯১ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আন্দোলন।
- ভাস্কর্যটির শিল্পী ছিলেন- আলাউদ্দিন বুলবুল(১৯৯২) এবং রনি পাল ও আব্দুল মালেক (পুনঃনির্মান- ২০১৭)।

১৪,৯১৮.
বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিল কবে পাস হয়?
  1. ক) ১৯৯০
  2. খ) ১৯৯১
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৪
ব্যাখ্যা

যে সব কারণে বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকাশ ঘটেছিল সেগুলির মধ্যে দুটি কারণ প্রণিধানযোগ্য: (১) উচ্চশিক্ষার বর্ধিত চাহিদা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলির পক্ষে মেটানো সম্ভব হচ্ছিল না, এবং (২) সরকারি তহবিলের অভাব অর্থাৎ দ্রুত বর্ধনশীল চাহিদা পূরণে যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন ছিল, সরকারের পক্ষে বাজেটে তা বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব না হওয়া।
এসব কারণ বিবেচনায় উচ্চশিক্ষার চাহিদা পূরণে সরকারের প্রচেষ্টার পরিপূরক ভূমিকা পালন করতে দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পথ আইনত উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে সরকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২ (১৯৯৮-এ সংশোধিত) পাস করে।
১৯৯২ ও ১৯৯৮-এর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইনে মানের নিশ্চয়তা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সমাজসেবা ও সুশাসন-এর মতো বিষয়গুলির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ছিল না। ফলশ্রুতিতে জাতীয় সংসদ ১৯৯২ সালের আইনটি বাতিল করে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ পাস করে
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

১৪,৯১৯.
মুক্তিযুদ্ধের বিরুদ্ধে বহির্বিশ্বকে বিভ্রান্ত করার জন্য গঠিত মালিক মন্ত্রীসভার সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ১৫
  2. খ) ১২
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১৩
ব্যাখ্যা
মালিক মন্ত্রীসভার সদস্য সংখ্যা - ১০ জন ছিল।

- তা নিম্নে দেওয়া হল:
- ড. আব্দুল মোতালেব মালিক (পূর্ব পাকিস্তান) - "স্বাস্থ্য, শ্রম, পরিবার পরিকল্পনা, যোগাযোগ"
- সর্দার আব্দুর রশীদ - স্বরাষ্ট্র এবং কাশ্মীর বিষয়ক, রাজ্য এবং সীমান্ত অঞ্চল" 
-. জনাব আবুল খায়ের মোহাম্মদ হাফিজুদ্দিন (পূর্ব পাকিস্তান)" - "শিল্প এবং প্রাকৃতিক সম্পদ"।
- নওয়াব মুজাফফ্ফর আলী কিষবিলাস -অর্থ।
 - জনাব মোহাম্মদ সামসুল হক - শিক্ষা এবং বিজ্ঞান গবেষ…
- নওয়াবজাদা মোহাম্মদ শের আলী খান - তথ্য এবং জাতীয় বিষয়ক।
- জনাব ইহসানুল হক - বাণিজ্য।
- জনাব মাহমুদ আব্দুল্লাহ হারূন - কৃষি এবং কর…
- জনাব এলভিন রবার্ট কর্ণেলিয়াস - আইন।
- ড: গোলাম ওয়াহিদ চৌধুরী - যোগাযোগ।

উৎস:songramernotebook.com
১৪,৯২০.
জাতীয় চারনেতাকে কোথায় হত্যা করা হয়?
  1. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
  2. বঙ্গভবনে
  3. ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে
  4. ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- তাজউদ্দীন আহমদ
- এম মনসুর আলী এবং
- এএইচএম কামারুজ্জামান।
- এই হত্যাকাণ্ড ইতিাহসে জেলহত্যা নামে পরিচিত।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা)
১৪,৯২১.
‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি’ চালু হয়েছে কোথায়? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
  3. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি:
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর এই বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- এ বৃত্তির অধীনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের এককালীন সহায়তা দেওয়া হবে।
- এ বছর ৭২৫টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৪০ জন শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পেয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মোট শিক্ষার্থী ৩১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি, যা দেশে উচ্চশিক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৭২ শতাংশ।
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজ আছে ২ হাজার ২৫৭টি।
- জুলাই গণ-অভ‍্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৩২ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১৪,৯২২.
‘গজ্যাপজ্যা’ কোন নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব?
  1. ক) মারমা
  2. খ) চাকমা
  3. গ) গারো
  4. ঘ) খিয়াং
ব্যাখ্যা
- চাকমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব ‘বিঝু’ নামে পরিচিত। চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও বৈশাখের প্রথমসহ মোট তিনদিন জুড়ে বিঝু উৎসব পালিত হয়।
- বিঝু উৎসব তিনটি পর্বে বিভক্ত।
- প্রথমটি হলো ফুল বিঝু
- দ্বিতীয়টি হলো মূল বিঝু
- তৃতীয়টি হলো গজ্যাপজ্যা বিঝু বা নুঅ বঝর। পহেলা বৈশাখে গজ্যাপজ্যা বিঝু উৎসব পালিত হয়।
- বিঝু চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ও ঐতিহ্যবাহী উৎসব।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী : পৃষ্ঠা-৮৪/৮৫)
১৪,৯২৩.
চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত কোন মৌসুম?
  1. রবি মৌসুম
  2. খরিপ-১ মৌসুম
  3. খরিপ-২ মৌসুম
  4. বর্ষা মৌসুম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

১৪,৯২৪.
সংবিধানের কোন সংশোধনীটি আদালত কর্তৃক বাতিল করা হয়েছে?
  1. ক) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চম সংশোধনী
  3. গ) সপ্তম সংশোধনী
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়। এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে। এগুলো হলো:
- পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
- সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
- ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
- ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৯২৫.
সত্তরের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মোট নির্ধারিত আসন ছিল কতটি? 
  1. ১৬৫টি
  2. ১৬৬টি
  3. ১৬৯টি
  4. ১৬৭টি
ব্যাখ্যা

নির্বাচনের ফলাফল: 
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল প্রধান হয়ে দেখা দেয়।
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য মোট নির্ধারিত আসন ছিল ১৬৯ টি।
- ১৬২ টি আসন নির্বাচিত এবং ৭টি আসন সংরক্ষিত মহিলা আসন। [১৬২+৭]= ১৬৯  টি।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন আওয়ামী লীগ লাভকরে।
- বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন। 
- তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।

অপরপক্ষে
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম, শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৯২৬.
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা দায়ের করেন কে?
  1. ক) শেখ হাসিনা
  2. খ) আবদুল কাহার আকন্দ
  3. গ) আ ফ ম মহিতুল ইসলাম
  4. ঘ) শেখ রেহানা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১২ আসামিকে মৃত্যদন্ড প্রদান করে আদালত রায় প্রদান করে।
- অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে৷

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো।

১৪,৯২৭.
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আসিফ নজরুল
  3. ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন
  4. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 
- এই সরকারে মোট উপদেষ্টা ১৬ জন। 

উল্লেখ্য,
⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ১. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ; ২. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; ৩. সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ; ৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়; ৫. সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়; ৬. খাদ্য মন্ত্রণালয়; ৭. গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়; ৮. ভূমি মন্ত্রণালয়; ৯. বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়; ১০. কৃষি মন্ত্রণালয়; ১১. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়; ১২. রেলপথ মন্ত্রণালয়; ১৩. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়; ১৪. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৫. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়; ১৬. পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়; ১৭. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ১৮. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়; ১৯. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়; ২০. প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ২১. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়; ২২. শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়; ২৩. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়; ২৪. বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়; ২৫. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব সালেহ উদ্দিন আহমেদ:
- ১. অর্থ মন্ত্রণালয়; ২. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।

⇒ ড. আসিফ নজরুল:
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আদিলুর রহমান খান:
-  শিল্প মন্ত্রণালয়। 

⇒ জনাব হাসান আরিফ:
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব মোঃ তৌহিদ হোসেন:
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

⇒ সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়

⇒ মিজ শারমীন এস মুরশিদ:
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

⇒  ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন:
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। 

⇒ ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন:
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 

⇒ ফরিদা আখতার:
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। 

⇒ নূর জাহান বেগম:
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। 

⇒ জনাব মোঃ নাহিদ ইসলাম:
- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

⇒ জনাব আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া: 
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। 

⇒ সুপ্রদীপ চাকমা: 
- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

⇒ ডা. বিধান রঞ্জন রায়:
- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৪,৯২৮.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো-
  1. ক) ৫ মাস
  2. খ) ৮ মাস
  3. গ) ৯ মাস
  4. ঘ) ১ বছর ১ মাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর ধারাবাহিকতায় ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন। তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
সুতরাং,
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নে সময় লেগেছিলো- ৯ মাস। 
- গণপরিষদের মোট ২১টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় এই সংবিধান প্রণয়নে। 


উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 
১৪,৯২৯.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে?
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  3. মোংলা ইপিজেড
  4. কর্ণফুলী ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইপিজেড (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ইপিজেডসমূহে উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৪৫০ টি এবং বাস্তবায়নাধীন রয়েছে: ১০৩টি।
- সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টিী সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ৮৮টি।

অন্যদিকে,
- সবচেয়ে কম উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে ঈশ্বরদী ইপিজেডের; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪,৯৩০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৩ নম্বর সেক্টর
  2. ২ নম্বর সেক্টর
  3. ৫ নম্বর সেক্টর
  4. ৮ নম্বর সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৩১.
জুলাই ঘোষণাপত্রে ধারা আছে কতটি?
  1. ২৫টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৮টি
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।
- জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৪ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সকল শহীদদের 'জাতীয় বীর' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪,৯৩২.
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয় । 
- এর ২ টি বিভাগ রয়েছে - ১। জননিরাপত্তা বিভাগ এবং ২। সুরক্ষা বিভাগ 
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা সমূহের মধ্যে রয়েছে: বাংলাদেশ পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী ইত্যাদি।
- তবে যুদ্ধকালিন সময়ে বিজিবি সেনাবাহিনীর অধীনস্থ হয়।

(সূত্র: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)
১৪,৯৩৩.
বাংলাদেশ কর্মকমিশন গঠনের নির্দেশ জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৭৩ সালের ৮ জুন
  3. গ) ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭৩ সালের ১০ জুন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কর্মকমিশন গঠনের নির্দেশ জারি করা হয় ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল। 
- কর্মকমিশন গঠন সম্পর্কে ১৩৭নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৩৭ - কমিশন-প্রতিষ্ঠা
আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।

অনুচ্ছেদ - ১৪০: কমিশনের দায়িত্ব
(১) কোন সরকারী কর্ম কমিশনের দায়িত্ব হইবে
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদানের জন্য উপযুক্ত ব্যক্তিদিগকে মনোনয়নের উদ্দেশ্যে যাচাই ও পরীক্ষা-পরিচালনা;
(খ) এই অনুচ্ছেদের (২) দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক কোন বিষয় সম্পর্কে কমিশনের পরামর্শ চাওয়া হইলে কিংবা কমিশনের দায়িত্ব-সংক্রান্ত কোন বিষয় কমিশনের নিকট প্রেরণ করা হইলে সেই সম্বন্ধে রাষ্ট্রপতিকে উপদেশ দান; এবং
(গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত অন্যান্য দায়িত্ব পালন।

(২) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কোন আইন এবং কোন কমিশনের সহিত পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কোন প্রবিধানের (যাহা অনুরূপ আইনের সহিত অসমঞ্জস নহে) বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমূহে কোন কমিশনের সহিত পরামর্শ করিবেন:
(ক) প্রজাতন্ত্রের কর্মের জন্য যোগ্যতা ও তাহাতে নিয়োগের পদ্ধতি সম্পর্কিত বিষয়াদি;
(খ) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগদান, উক্ত কর্মের এক শাখা হইতে অন্য শাখায় পদোন্নতিদান ও বদলিকরণ এবং অনুরূপ নিয়োগদান, পদোন্নতিদান বা বদলিকরণের জন্য প্রার্থীর উপযোগিতা-নির্ণয় সম্পর্কে অনুসরণীয় নীতিসমূহ;
(গ) অবসর ভাতার অধিকারসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মের শর্তাবলীকে প্রভাবিত করে, এইরূপ বিষয়াদি; এবং
(ঘ) প্রজাতন্ত্রের কর্মের শৃঙ্খলামূলক বিষয়াদি।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ।

১৪,৯৩৪.
বাংলাদেশের মুসা ইব্রাহীম কত তারিখে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টের শিখরে পা রাখেন?
  1. ক) ২৩ মে ২০১০
  2. খ) ২৪ মে ২০১০
  3. গ) ২৫ মে ২০১০
  4. ঘ) ২৬ মে ২০১০
ব্যাখ্যা
এভারেস্ট বিজয়ী:

- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী মুসা ইব্রাহীম।
- ২৩ মে ২০১০ সালে তিনি এভারেস্ট জয় করেন।
- এভারেস্টের দুই দিক থেকে দুইবার জয় করেন এম এ মুহিত।
- বাংলাদেশের প্রথম এভারেস্ট বিজয়ী নারী নিশাত মজুমদার (১৯মে, ২০১২)।
- দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন। 

তথ্যসূত্র - সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট। 
১৪,৯৩৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়?
  1. চতুর্দশ সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ জাতীয় সংসদে ১৯৮৮ সালের ৭ জুন সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে ২ক নং অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয় যেখানে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলাম সন্নিবেশন করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই অনুচ্ছেদটিতে পরিবর্তন আনা হলেও রাষ্ট্রধর্মের বিধান বহাল থাকে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১৪,৯৩৬.
সিপাহী বিদ্রোহের ব্যর্থতার প্রধান কারণ কী ছিল?
  1. অস্ত্রের সহজলভ্যতা 
  2. জনসমর্থন না থাকা
  3. নেতৃত্বের অভাব
  4. পরিকল্পনার অভাব ও বিচ্ছিন্নতা
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ:
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

• এ সংগ্রামের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
- পরোক্ষ কারণ: রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।
- প্রত্যক্ষ কারণ: ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়। এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো। গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে। এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে। 

• ফলাফল: ব্রিটিশরা কঠোর হাতে বিদ্রোহ দমন করে, কিন্তু এর ফলে ভারতে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে এবং সরাসরি ব্রিটিশ Crown-এর শাসন (British Raj) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- সিপাহী বিদ্রোহের ব্যর্থতার প্রধান কারণ ছিল সুনির্দিষ্ট ও ঐক্যবদ্ধ পরিকল্পনার অভাব, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দুর্বলতা এবং আধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের অভাব। সমগ্র ভারতজুড়ে এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে না পড়া, অনেক দেশীয় রাজা ও শিক্ষিত মধ্যবিত্তের ব্রিটিশদের সমর্থন এবং স্থানীয় পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকা এই ব্যর্থতাকে নিশ্চিত করেছিল। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৯৩৭.
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার -
  1. মেরিনা তাবাসসুম
  2. রোহানি বাহারিন
  3. জেহা হাদিদ
  4. তাসলিহা মওলান
ব্যাখ্যা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।
- ০৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।
- টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- টার্মিনালটির নকশা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ব্যস্ততম হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন।
- বিশ্বমানের এই টার্মিনালে ১ হাজার ৪৪টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসহ বহুতল গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হচ্ছে।
- এই টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে।

উৎস: ৭ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
১৪,৯৩৮.
কোন শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধু 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত হন?
  1. ক) কিংস্টন
  2. খ) কেপটাউন
  3. গ) সান্টিয়াগো
  4. ঘ) জেনেভা
ব্যাখ্যা
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' জুলিও কুরি শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

সূত্রঃ কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামী-লীগ ওয়েবসাইট।
১৪,৯৩৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ঘনবসতিপূর্ণ জেলা কোনটি?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঢাকা
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------------------- 
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১৪,৯৪০.
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ প্রদান করা হয় কাকে?
  1. ক) এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়র
  2. খ) রবার্ট এরিকসন
  3. গ) জন হাডসন
  4. ঘ) এডওয়ার্ড এম টেড কেনেডি জুনিয়র
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়রকে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
• এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়রকে (মরনোত্তর) তার যোগ্য পুত্র এডওয়ার্ড এম টেড কেনেডি জুনিয়রের হাতে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার’ তুলে দেন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর, ২০২২
১৪,৯৪১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ কত শতাংশ দেওয়া হয়েছে?
  1. ২২.৫%
  2. ২৩.৫%
  3. ২৪.৫%
  4. ২৫.৫%
ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২৩.৫%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

সূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১৪,৯৪২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যার আন্তর্জাতিক প্রচারণায় কোন শিল্পী বিশেষ ভূমিকা রাখেন?
  1. জর্জ হ্যারিসন
  2. জন লেনন
  3. বব মার্লে
  4. এলভিস প্রিসলি
ব্যাখ্যা

◉ মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি সেনাদের গণহত্যা ও মানবিক বিপর্যয়ের খবর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলতে সংগীতশিল্পী জর্জ হ্যারিসন (দ্য বিটলস ব্যান্ডের সদস্য) বিশেষ ভূমিকা রাখেন।

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।
- নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন 'বাংলাদেশ কনসার্ট' আয়োজন করে তা থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম"।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উৎস:
i) বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, অষ্টম শ্রেণী।
ii) BBC.

১৪,৯৪৩.
Which is the 11th GI product of Bangladesh?
  1. ক) Khirsapati Mango
  2. খ) Ashwina Mango
  3. গ) Fazli Mango
  4. ঘ) Bagda shrimp
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
১. জামদানি।
২. ইলিশ।
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম।
৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি।
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ।
৬. কালিজিরা।
৭. রংপুরের শতরঞ্জি।
৮. রাজশাহী সিল্ক।
৯. ঢাকাই মসলিন।
১০. বাগদা চিংড়ি।
১১. চাঁপাইনবাবগঞ্জের ফজলি আম।
১২. তুলসীমালা ধান।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালের ১২ জুন শেরপুরের তুলসীমালা ধান জিআই পণ্যের সনদ লাভ করে।

উৎস: প্রথম আলো, ০৬ নভেম্বর, ২০২২।
১৪,৯৪৪.
'অপারেশন সার্চ লাইট' এর নীল নকশা প্রস্তুত করেন -
  1. ক) পিরজাদা খাদেম ও এ কে নিয়াজী
  2. খ) জুলফিকার ভুট্টো ও পিরজাদা খাদেম
  3. গ) টিক্কা খান ও রাও ফরমান আলী
  4. ঘ) এ কে নিয়াজী ও টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে।
- এই অপারেশনে ঢাকা শহর জুড়ে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ও গণহত্যা চালানো হয়।
- ১৮ মার্চ ১৯৭১ জেনারেল টিক্কা খান এবং মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন।
- সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এই অপারেশন চালানো হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইটের মূল দায়িত্বে ছিলেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৯৪৫.
সর্বশেষ (২০২৪) কততম জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়?
  1. নবম
  2. দশন
  3. একাদশ
  4. দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- ৭ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
- সিইসি জানান, নির্বাচনী প্রচারণা চলবে আগামী ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ থেকে ২০২৪ সালের ৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত।
- ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় ৭ জানুয়ারি রোববার।
- নির্বাচনের জন্য ৬৬ জন রিটার্নিং অফিসার ও ৫৯২ জন সহকারি রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
- দেশের ৪২ হাজার ভোটকেন্দ্রের ২ লাখ ৬২ হাজার বুথে এবার প্রায় ১১ কোটি ৯৭ লাখ ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১৪,৯৪৬.
'Blue Chips' শব্দটি ব্যবহৃত হয় -
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সি মার্কেটে
  2. স্টক মার্কেটে
  3. রিয়েল এস্টেটে
  4. কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে
ব্যাখ্যা

⇒ 'Blue Chips' শব্দটি শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

Blue Chips:

- আর্থিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী, দীর্ঘদিন ধরে লাভজনক, বাজারে সুনামধন্য এবং স্থিতিশীল কোম্পানির শেয়ারকে Blue Chip বোঝায়।
- Blue Chip হলো শেয়ার বাজারের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির শেয়ার।
- এগুলো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।
- অর্থনৈতিক মন্দা বা সংকটের সময়ও এদের শেয়ারের দাম তুলনামূলকভাবে কম ওঠানামা করে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে Apple, Microsoft, Amazon, Coca-Cola, Google, Johnson & Johnson এর মত প্রতিষ্ঠানকে Blue Chip বলা হয়।
- বাংলাদেশে গ্রামীণফোন, ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো, স্কয়ার ফার্মা, ইউনিলিভারকে Blue Chip বলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও বিটানিকা।

১৪,৯৪৭.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ কোনটি?
  1. সেনেগাল
  2. ইরান
  3. জর্ডান
  4. লিবিয়া
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
১৪,৯৪৮.
সতীদাহ প্রথা রহিত করেন কে? 
  1. লর্ড লিনলিথগো
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

সতীদাহ প্রথা:
- সতীদাহ প্রথা হলো হিন্দু সমাজের একটি প্রথা যেখানে স্বামীর শবের সাথে বিধবা স্ত্রীকেও দাহ করা হতো।
- ভারতীয় হিন্দু সমাজে যুগ যুগ ধরে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৯ সালে আইনের মাধ্যমে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- তবে এ প্রথা পুরোপুরি বন্ধ হয় উনিশ শতকের শেষ দিকে।
- রাজা রামমোহন রায়সহ আরো কিছু ভারতীয় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,৯৪৯.
ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. মুদ্রা সংকোচন
  2. মুদ্রাস্ফিতি
  3. মুদ্রার অবমূল্যায়ন
  4. কারেন্সি সোয়াপ
ব্যাখ্যা
ডলারের বিপরীতে কোন দেশের মুদ্রার মান কমিয়ে দেওয়াকে বলা হয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন। এটির ফলে বিদেশী ক্রেতারা সমপরিমাণ ডলার দিয়ে পূর্বাপেক্ষা কম দামে অধিক পণ্য ক্রয় করতে পারে। এতে করে রপ্তানি বৃদ্ধি পায় এবং আমদানি হ্রাস পায়। ফলশ্রুতিতে বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পায়।

অন্যদিকে,
-মুদ্রাস্ফিতি হলো বাজারে উৎপাদন অপেক্ষা মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে যাওয়া। মুদ্রাস্ফিতির ফলে বাজারে পণ্যের দাম ‍বৃদ্ধি পায়।
- ‍মুদ্রা সংকোচন হলো উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ হ্রাস পাওয়া।
- কারেন্সি সোয়াপ হলো দুটি ভিন্ন মুদ্রায় ঋণ ও সুদের অর্থ বিনিময়।

(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ও ইনভেস্টোপিডিয়া)
১৪,৯৫০.
‘সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন’ কে গঠন করেন?
  1. ক) সৈয়দ আমির আলি
  2. খ) নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. গ) হাজী মুহম্মদ মহসীন
  4. ঘ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
•  সৈয়দ আমির আলিই বাংলার তথা ভারতের প্রথম মুসলমান নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন মুসলমানদের স্বার্থরক্ষা এবং দাবি-দাওয়ার প্রতি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। এ উদ্দেশে তিনি ১৮৭৭ সালে কোলকাতায় ‘সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন’ নামে একটি সমিতি গঠন করেন।

• তিনি বিশ্বাস করতেন, আধুনিক ভারতের উন্নতির জন্য হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন। তিনি ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান এবং ১৯১২ সালে তিনি মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৯৫১.
বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার দাবাড়ু কে?
  1. রিফাত বিন সাত্তার
  2. জিয়াউর রহমান
  3. রানী হামিদ
  4. নিয়াজ মোরশেদ
ব্যাখ্যা

নিয়াজ মোরশেদ: 
- নিয়াজ মোরশেদ বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার।
- তিনি ১৯৭৯ সালে ভারতের কলকাতায় ১ম বারের মতো যেকোন পর্যায়ের আন্তর্জাতিক দাবা প্রতিযোগিতায় নিয়াজ অংশ নেন।
- ১৯৮৭ সালে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি মাত্র ২১ বছর বয়সে এই খেতাব অর্জন করেন।
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার ছিলেন তিনি।
- তিনি ১৯৮৪, ১৯৯০, ১৯৯৪, ১৯৯৬, ২০০২ এবং ২০০৪ সালে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে প্রতিনিধিত্ব করেন।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবাড়ুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- বর্তমানে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মাস্টার পাঁচ জন রয়েছে এবং সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা নীড়।

উৎস: দাবা ফেডারেশন ওয়েবসাইট।

১৪,৯৫২.
কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গ কে জয় করেছেন?
  1. তানভীর আহমেদ
  2. বাবর আলী
  3. এম এ মুহিত
  4. তৌফিক আহমেদ তমাল
ব্যাখ্যা

মানাসলু পর্বত জয়:
- মানাসলু পর্বত পশ্চিম-মধ্য নেপালের নেপালি হিমালয়ের অংশ মানসিরি হিমালে অবস্থিত।
- উচ্চতায় ৮ম হলেও বিশ্বের প্রাণঘাতী পর্বতগুলোর মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ।
- এটি পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম পর্বত যার উচ্চতা ৮,১৬৩ মিটার/ ২৬,৭৮১ ফুট। 

⇒ কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গ জয় করেছেন বাবর আলী।  ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর। শিখরে বাবরের সঙ্গে ছিল দীর্ঘদিনের পর্বতসাথী বীরে তামাং।
- বাবর আলীর পাশপাশি এদিন ‘মানাসলু’ জয় করেছেন বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদ। বাবর আলী ও তানভীর আহমেদ দুজনই পর্বতারোহণ ক্লাব ভার্টিক্যাল ড্রিমার্সের সদস্য। তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম  ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।
 - ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভোর ৪টায় তৌফিক আহমেদ তমাল মানাসলু পর্বত জয় করেন।
- ২০১১ সালের ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এ মুহিত।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪,৯৫৩.
কার প্ররোচনায় ইয়াহিয়া খান ৩রা মার্চের জাতীয় পরিষদ অধিবেশন স্থগিত করেন?
  1. টিক্কা খান
  2. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  3. রাও ফরমান আলী
  4. আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান পূর্ব পাকিস্তানের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরে গড়িমসি আরম্ভ করেন।
- তিনি জুলফিকার আলী ভুট্টোর প্ররোচনায় ৩রা মার্চ অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ১লা মার্চ স্থগিত ঘোষণা করেন।
- এ ঘোষণার প্রতিবাদে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্র, শ্রমিক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তথা সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- বিভিন্ন স্থানে জনতা পাকিস্তানি সেনাদের আক্রমণ করে।
- সারাদেশে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষে বহু লোক নিহত ও আহত হয়।
- ঐদিন 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়।
- এ সংগঠনের উদ্যোগে ২রা মার্চ দেশব্যাপী ধর্মঘট আহ্বান করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪,৯৫৪.
'অপারেশন জ্যাকপট' কবে পরিচালিত হয়? 
  1. ১৮ অক্টোবর, ১৯৭১ 
  2. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
  3. ১৫ আগস্ট, ১৯৭১
  4. ১৬ জুলাই, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
'অপারেশন জ্যাকপট':

• ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত। 
• এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে।
• পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয় নৌ-কমান্ডো বাহিনী।
• ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডোকে চারটি দলে ভাগ করে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়। 
• চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ৬০ জন কমান্ডো গ্রুপের নেতৃত্বে ছিলেন সাবমেরিনার আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী (বীরউত্তম)।
• চট্টগ্রামে নৌ-কমান্ডো অপারেশন পরিচালিত হয় সেক্টর কমান্ডার মেজর রফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে। 
• মংলা বন্দরে অভিযান করেন সাবমেরিনার আহসানউল্লাহর (বীরপ্রতীক) নেতৃত্বে ৪৮ জন নৌ-কমান্ডো।
• চাঁদপুর নদীবন্দর অভিযান পরিচালনা করেন সাবমেরিনার বদিউল আলমের (বীরউত্তম) নেতৃত্বে ২০ জন নৌ-কমান্ডো ।
• সাবমেরিনার আবদুর রহমান (বীরবিক্রম) ও শাহজাহান সিদ্দিকের (বীরবিক্রম) নেতৃত্বে ২০ জনের কমান্ডো দল নারায়ণগঞ্জ ও দাউদকান্দি নদীবন্দরে সফল অভিযান পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৫৫.
ইতিহাসে ‘The Prince of Builders or Engineer King” নামে পরিচিত হলেন -
  1. ক) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. খ) সম্রাট শাহজাহান
  3. গ) সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. ঘ) সম্রাট বাবর
ব্যাখ্যা

- মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল “The Age of Marble” নামে খ্যাত।
- তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তিনি ইতিহাসে ‘The Prince of Builders or Engineer King” নামে পরিচিত ।
- সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল। যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত তাজমহল হচ্ছে সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪,৯৫৬.
জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদটি প্রতিস্থাপন করা হয়েছে কোন সংশোধনীতে?
  1. ক) সপ্তদশ
  2. খ) ষোড়শ
  3. গ) পঞ্চদশ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৪ক নং অনুচ্ছেদে সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে অবস্থিত দূতাবাসসমূহে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ধারাটি সংবিধানে যুক্ত করা হয়। 
- সপ্তদশ সংশোধনী
৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়। 
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

১৪,৯৫৭.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি। এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১৪,৯৫৮.
জুলাই জাতীয় সনদে কতটি সংস্কার প্রস্তাব উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৮৪টি 
  2. ৯০টি 
  3. ৩৪টি 
  4. ৭৫টি 
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
- এই সনদ বাস্তবায়নে মোট সাত দফা অঙ্গীকার করা হয়েছে।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন।
- এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা। 
- সাত দফা অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে প্রণীত ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদের তিনটি ভাগের মধ্যে প্রথম ভাগে পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ও তৃতীয় ভাগে সনদ বাস্তবায়নের সাত দফা অঙ্গীকার রয়েছে।

⇒  এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমসহ সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর স্বাক্ষরের জায়গা রাখা হয়েছে।


উল্লেখ্য, 
- জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) কালের কন্ঠ।

১৪,৯৫৯.
প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ৪ নভেম্বর, ২০২১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২২
  3. গ) ১২ অক্টোবর, ২০২২
  4. ঘ) ৪ নভেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
৪ নভেম্বর, ২০২২ প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে জাতীয় সংবিধান দিবস পালিত হয়। এর আগে স্বাধীনতার ৫০ বছর পর গত ৩১ অক্টোবর, ২০২২ রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পায় সংবিধান দিবস। এ বছর থেকে ৪ নভেম্বর ‘জাতীয় সংবিধান দিবস' হিসেবে পালিত হবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
১৪,৯৬০.
কোন্ ফসলটি রপ্তানী বহুমুখীকরনে সম্ভাবনাময়?
  1. আউশ ধান
  2. তেলবীজ
  3. পাট
  4. আলু
ব্যাখ্যা

→ আলু রপ্তানী বহুমুখীকরনে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ফসল।

♦ ফসল রপ্তানী বহুমুখীকরণ:
- একটি দেশের রপ্তানি খাতে শুধুমাত্র এক বা কয়েকটি প্রধান ফসল এর ওপর অত্যধিক নির্ভরতা কমিয়ে নতুন, বৈচিত্র্যপূর্ণ ও উচ্চমূল্যের ফসল রপ্তানি বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে ফসল রপ্তানী বহুমুখীকরণ বলে।
- কৃষি পণ্যের মধ্যে বর্তমানে আলু সবচেয়ে বেশি সম্ভাবনাময় ফসল হিসেবে বিবেচিত হয়।
- বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ১২ লাখ টন আলু উৎপাদন হয়েছে।
- যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ২২ লাখ টন বেশি।
- কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB) আলুকে রপ্তানিমুখী ফসল হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে বিশেষ রোডম্যাপ, প্রশিক্ষণ, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ (GAP, Phytosanitary certificate) এবং আলু উৎসবের মতো কর্মসূচি চালাচ্ছে।
- বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম বৃহত্তম আলু উৎপাদনকারী দেশ এবং এশিয়া মহাদেশে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশ থেকে আলু রপ্তানি শুরু হয় ১৯৯৯ সালে।
- বাংলাদেশ থেকে ১৪টি দেশে আলু রপ্তানি করা হয়।
- সৌদি আরব, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও নেপালে আলু রপ্তানি করা হচ্ছে।
- মোট রপ্তানিকৃত আলুর ৮০ শতাংশ রপ্তানি করা হয় মালয়েশিয়াতে।
- ২০২৪ অর্থ বছরে সবোর্চ্চ ৬২ হাজার ১৩৫ টন আলু রপ্তানি হয়েছে।


Img Source: The Financial Express

পাট কেন নয়?
→ কারণ পাট রপ্তানিযোগ্য হলেও, এই প্রশ্নে মূলকথা হচ্ছে “রপ্তানি বহুমুখীকরণে (নতুন/উদীয়মান) সম্ভাবনাময় ফসল”—সেই দৃষ্টিতে আলু বেশি প্রাসঙ্গিক।
→ পাট বাংলাদেশের ঐতিহ্যগত/প্রচলিত রপ্তানি খাত। এটা বহুমুখীকরনের নতুন পণ্য নয়; বরং পুরনো প্রতিষ্ঠিত পণ্য।
→ পাট রপ্তানি আয় ক্রমহ্রাসমান। 

Img Source: The Daily Star 

♦ উল্লেখ্য:

- আউশ ধান: খাদ্য নিরাপত্তার ফসল। রপ্তানি প্রায় নেই।
- তেলবীজ: এখনো আমদানি নির্ভরতা বেশি। রপ্তানির জন্য প্রস্তুত নয়।
- পাট: ইতোমধ্যে রপ্তানি হয় (পাট ও পাটজাত পণ্য), নতুন বহুমুখীকরণের জন্য 'সম্ভাবনাময়' নয়।

তথ্যসূত্র - কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট, কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

১৪,৯৬১.
ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থের নাম কী?
  1. আরেক ফাল্গুন
  2. একুশে ফেব্রুয়ারী
  3. বায়ান্নের ভাষা
  4. একুশের গল্প
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা - “একুশে ফেব্রুয়ারি”।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৬ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় তাঁর প্রথম রচনা একটি ছোটগল্প ‘অশ্রুভেজা পথ চলতে’ সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- পরে ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা।
- এ বছর তিনি ‘ঢাকা প্রগতি লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৬২.
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিভাগ কয়টি?
  1. ক) ৪টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট:
- "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকিবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হইবে ।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট) ও অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ) এ দুই শ্রেণিতে বিভক্ত। 
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং এটি দুটি

১. সুপ্রিম কোর্ট:
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ ।

২. অধস্তন দেওয়ানি বিচার বিভাগ:
- অধস্তন দেওয়ানি আদালত চারটি শ্রেণীতে বিভক্ত।
যথা- সহকারি জজের আদালত, সাবজজ আদালত, অতিরিক্ত জজের আদালত এবং জেলা জজের আদালত ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৯৬৩.
মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. সোহরাই
  2. সাংগ্রাই
  3. বিহু
  4. বাইসু
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

উল্লেখ্য,
- সাংগ্রাই রাখাইন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ ও প্রধান উৎসব।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১৪,৯৬৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু কোন দুইটি জেলাকে সংযুক্ত করেছে?
  1. টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জ
  2. পাবনা ও মানিকগঞ্জ
  3. টাঙ্গাইল ও পাবনা
  4. সিরাজগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেল সেতু যমুনার নদীর ওপর নির্মিত।
- সেতুটি টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
- সেতুর মোট স্প্যান ৪৯টি।
- সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৫০টি।
- সেতুটিতে ডুয়েল গেজ ডাবল রেললাইন নির্মাণ করা হবে।
- এর নির্মাণ ব্যয় ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা।
- ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেতুটি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুর ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার বেগে ট্রেন চলাচল করতে পারবে।

উল্লেখ্য,
- জাপান ও বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে।
- ডব্লিউডি-১ ও ডব্লিউডি-২ নামে দুটি প্যাকেজে জাপানি পাঁচটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
- ডব্লিউডি-১ প্যাকেজটি বাস্তবায়ন করছে জাপানি আন্তর্জাতিক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওবাইসি, টোআ করপোরেশন ও জেইসি (ওটিজে) জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- ডব্লিউডি-২ প্যাকেজটি বাস্তবায়নে রয়েছে জাপানের আইএইচআই ও এসএমসিসি জয়েন্ট ভেঞ্চার।
- সেতুটি নির্মাণে জাপান, ভিয়েতনাম, নেপাল, অস্ট্রেলিয়া, ফিলিপাইন ও বাংলাদেশের কর্মীরা নিয়োজিত আছেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১০ মে, ২০২৪ ও সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৪,৯৬৫.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের মোট রেমিট্যান্স প্রাপ্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৭.৮ বিলিয়ন
  2. ৩০.৮ বিলিয়ন
  3. ৩২.৮ বিলিয়ন
  4. ২৮.০ বিলিয়ন
ব্যাখ্যা

- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, ২০২৫ সালে বিদেশে বাংলাদেশিরা রেকর্ড ৩২.৮ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন ।
-  বাংলাদেশ ব্যাংকের (বিবি) তথ্য অনুসারে, এই পরিমাণ আগের বছরের রেকর্ডকৃত ২৬.৮৮ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি।
- ৩০ ডিসেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ মোট রিজার্ভকে ৩৩.১৮ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সাহায্য করেছে, যা এক বছর আগের ২৫ বিলিয়ন ডলার ছিল।
- বেশি প্রবাসী আনুষ্ঠানিক ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করার ফলে রেমিট্যান্স উন্নতি হয়েছে।
- ২০২৫ সালে সর্বকালের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে বলে উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

উৎস: দ্যা ডেইলি স্টার।

১৪,৯৬৬.
ছয়-দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. নারায়ণগঞ্জে
ব্যাখ্যা
ছয়-দফা দাবি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা কর্মসূচীর মূল বক্তব্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।

⇒ ছয়দফা কর্মসূচির দাবিসমূহ:
• প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
• দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
• তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
• চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
• পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
• ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৯৬৭.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে -
  1. ক) ১৯৭১ সালের ১৭ মার্চ
  2. খ) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  3. গ) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- যা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র:-  বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৬৮.
e-GP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Electronic Government Procedures
  2. খ) Electronic Government Procurement
  3. গ) Electronic Governance Process
  4. ঘ) Electronically Goods Procure
ব্যাখ্যা
e-GP এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Government Procurement. এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন Central Procurement Unit (CPU) এর একটি সেবা। এর মাধ্যমে অনলাইনে সরকারি ক্রয় ও সংগ্রহ সংশ্লিষ্ট কার্যাদি সম্পন্ন করা যায়। (সূত্রঃ CPTU ওয়েবসাইট)
১৪,৯৬৯.
নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা রক্ষার বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪০
  2. অনুচ্ছেদ ৪১
  3. অনুচ্ছেদ ৪২
  4. অনুচ্ছেদ ৪৩
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সংবিধানের   ধর্মীয় স্বাধীনতা কথা রয়েছে।

» অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা
- (১) আইন, জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতা-সাপেক্ষে
 - (ক) প্রত্যেক নাগরিকের যে কোন ধর্ম অবলম্বন, পালন বা প্রচারের অধিকার রয়েছে।
 - (খ) প্রত্যেক ধর্মীয় সম্প্রদায় ও উপ-সম্প্রদায়ের নিজস্ব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের স্থাপন, রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অধিকার রয়েছে।
- (২) কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে যোগদানকারী কোন ব্যক্তির নিজস্ব ধর্ম-সংক্রান্ত না হলে তাঁহাকে কোন ধর্মীয় শিক্ষাগ্রহণ কিংবা কোন ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা উপাসনায় অংশগ্রহণ বা যোগদান করতে হবে না।

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ-৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ-৪২: সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ-৪৩:  গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,৯৭০.
প্রথম তৈরি শহিদ মিনার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন কে?
  1. ক) গাজীউল হক
  2. খ) আবুল কালাম শামসুদ্দিন
  3. গ) আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ
  4. ঘ) আবুল হাশিম
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্র ড. বদরুল আলমের ডিজাইনে কলেজের ছাত্ররা বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মান করেন। ২৪ ফেব্রুয়ারি শফিউর রহমানের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে এটির উদ্বোধন করেন।
২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক ‘আবুল কালাম শামসুদ্দিন’ আনুষ্ঠানিকভাবে এই শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকালবেলা পুলিশ সে শহিদ মিনার ভেঙ্গে দেয়।
এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৭১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ১ নম্বর
  2. খ) ২ নম্বর
  3. গ) ৩ নম্বর
  4. ঘ) ১১ নম্বর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট
১৪,৯৭২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত রূপ?
  1. BAZA
  2. BIDA
  3. BEZA
  4. BEPZA
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত রূপ BEZA.
- BEZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Economic Zones Authority.
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১০ সালে।
- বাংলাদেশে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, লাইসেন্স, পরিচালনা, পরিচালনা এবং নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা: ৯টি
• সরকারি ইপিজেড: ৮টি।
• বেসরকারি: ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড: চট্টগ্রাম।
- যাত্রা শুরু করে: ১৯৮৩ সালে।

তথ্যসূত্র - বেজা ওয়েবসাইট।
১৪,৯৭৩.
ভারতীয় উপমহাদেশে পর্তুগীজরা প্রথম কোন বন্দরে পৌঁছেছিল?
  1. গোয়া
  2. কর্ণাটক
  3. মান্দাভি
  4. কালিকট
ব্যাখ্যা

⇒ ভারতীয় উপমহাদেশে পর্তুগীজরা প্রথম "কালিকট" বন্দরে পৌঁছেছিল।

বাংলায় ইউরোপীয়দের আগমন:

- পর্তুগীজরা প্রথম ইউরোপীয় বাণিজ্যিক দল হিসেবে উপমহাদেশে আসে।
- তারা ভারতের কালিকট বন্দরে প্রথম পোঁছায়।
- ১৪৯৮ সালে পর্তুগীজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম উপকূলে কালিকট বন্দরে পৌঁছান।
- ১৫০৯ সালে আলবুকার্ক গোয়াতে আসেন।
- আলবুকার্ক ছিলেন উপমহাদেশে পর্তুগিজ শক্তির প্রতিষ্ঠাতা।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগীজ নাবিক ছিলেন।
- পর্তুগীজরা দ্রুত কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ সহ বিভিন্ন অঞ্চলে কুঠি স্থাপন করে এবং ১৫৩৮ সালে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি স্থাপনের অনুমতি পায়।
- তারা ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি জমিদার ও বার ভূঁইয়াদের সেনাবাহিনীতে কাজ করত।
- পর্তুগীজরা অনেক সময় অত্যাচার ও লুণ্ঠন করত।
- সম্রাট বা নবাবের আইন অমান্য করে বিনা শুল্কে ব্যবসা চালাত, যা মোগল সম্রাটদের ক্ষোভের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
- তাদের অপরাধের কারণে সম্রাট শাহজাহান পর্তুগীজদের দেশ থেকে বিতাড়িত করেন।
- শাহজাহানের নির্দেশে কাসিম খান হুগলী কুঠি থেকে পর্তুগীজদের বিতাড়িত করেন।
- সর্বশেষ, বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপে পর্তুগীজদের ঘাঁটি দখল করে তাদের চিরতরে দেশ থেকে বের করে দেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৯৭৪.
চন্দ্র বংশ বাংলার কোন অংশের স্বাধীন রাজবংশ ছিল?
  1. উত্তর-পশ্চিম বাংলা 
  2. দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা
  3. উত্তর-পূর্ব বাংলা
  4. দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলা
ব্যাখ্যা
চন্দ্র বংশ:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার একটি স্বাধীন রাজবংশ ছিল চন্দ্র বংশ। 
- দশম শতকের শুরু থেকে এগারো শতকের মধ্যভাগ পর্যন্ত দেড়শ' বছর এ বংশের রাজারা শাসন করেন।
- চন্দ্রবংশের প্রথম নৃপতি পূর্ণচন্দ্র ও তার পুত্র সুবর্ণচন্দ্র রোহিতগিরির ভূস্বামী ছিলেন।
- সুবর্ণচন্দ্রের পুত্র ত্রৈলোক্যচন্দ্রই এ বংশের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার উপাধি ছিল 'মহারাজাধিরাজ'।
- ত্রৈলোক্যচন্দ্র হরিকেল, চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল ও পার্শ্ববর্তী এলাকা), বঙ্গ ও সমতট অর্থাৎ সমগ্র পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় নিজ বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- লালমাইয়ের পাহাড়ি এলাকা ছিল চন্দ্র রাজাদের শাসন কেন্দ্র।
- এ পাহাড় প্রাচীনকালে রোহিতগিরি নামে পরিচিত ছিল।
- আনুমানিক ত্রিশ বছরকাল (৯০০-৯৩০ খ্রিষ্টাব্দ) ত্রৈলোক্যচন্দ্র রাজত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪,৯৭৫.
‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ লাভ করে - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) ও বিদ্যুৎ বিভাগ।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবােজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র:- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।

১৪,৯৭৬.
হাজং নৃগোষ্ঠী প্রধানত কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. রাঙামাটি
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিজ
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৭৭.
কোন মুঘল সুবাদার বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন?
  1. মুর্শিদ কুলি খান
  2. ইসলাম খান
  3. রাজা মানসিংহ
  4. শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
ইসলাম খান চিশতী:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৯৭৮.
'বলাকা' ও 'কাঞ্চন' বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কোন ফসলের নাম? 
  1. গম
  2. ভুট্টা
  3. ধান
  4. মরিচ 
ব্যাখ্যা

উন্নত জাতের ফসল: 
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে।
- ফসলের উন্নত জাত উৎপাদন বৃদ্ধি ও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে। 
- বলাকা ও কাঞ্চন হচ্ছে- গমের উন্নত জাত। 
- গমের আরও কিছু উন্নত জাত হচ্ছে- দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর ইত্যাদি। 
------------------------------------------------------------
অন্যদিকে,  
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি, ব্রিশাইল,সোনার বাংলা, টিয়া, ময়না, ঝলক, বিজলি, মধুমতি ইত্যাদি।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
------------------------------------
উল্লেখ্য, 
- কিছু ফসলের উন্নত জাত:
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৯৭৯.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোন জোট গঠিত হয়?
  1. ক) ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট
  2. খ) কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি
  3. গ) ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি
  4. ঘ) ন্যাশনাল অ্যালায়েন্স
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিপক্ষে একক প্রার্থী দাড় করানোর উদ্দেশ্যে তৎকালীন বিরোধীদলগুলো কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি (কপ) গঠন করে।
কপে অন্তর্ভুক্ত দলসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- আওয়ামী লীগ
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)
- কাউন্সিল মুসলিম লীগ
- নেজামে ইসলাম প্রভৃতি।
এই জোট থেকে প্রেসিডেন্ট পদে ‘কপ’ এর প্রার্থী হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ কে আইয়ুব খানের বিপরীতে প্রার্থী করা হয়।
কিন্তু মৌলিক গণতন্ত্রীদের সমর্থন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের কারসাজিতে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সহজেই জয় লাভ করেন।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৯৮০.
২য় বারের মতো আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫ এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. খালেদা একরাম
  2. আহসান আলী
  3. মেরিনা তাবাশ্যুম
  4. এনামুল করিম নির্ঝর
ব্যাখ্যা

আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার:
- বাংলাদেশের খ্যাতিমান স্থপতি মেরিনা তাবাশ্যুম দ্বিতীয় দফায় স্থাপত্যের সম্মানজনক স্বীকৃতি আগা খান পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। 
- মেরিনা তাবাশ্যুম প্রথম বাংলাদেশি স্থপতি, যিনি দ্বিতীয়বার এ পুরস্কার জিতেছেন।
- তাঁর নকশা করা ‘খুদি বাড়ি’ প্রকল্প আগা খান স্থাপত্য পুরস্কার–২০২৫ এর জন্য মনোনীত হয়েছে।
মেরিনা তাবাশ্যুম বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারপারসন এবং ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’–এর প্রধান পরামর্শক।

উল্লেখ্য,
- প্রয়াত প্রিন্স করিম আগা খান চতুর্থ ১৯৭৭ সালে আগা খান পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের মাধ্যমে এমন নির্মাণশৈলী চিহ্নিত করে উৎসাহ দেওয়া হয়, যাতে মুসলিম অধ্যুষিত জনগোষ্ঠীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটে।
- এ পুরস্কারের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় একটি স্থাপনা মানুষের আর্থসামাজিক চাহিদা পূরণের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সাংস্কৃতিক জীবনে কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখে, তা-ও গুরুত্বসহকারে দেখা হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৪,৯৮১.
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী কার নিকট প্রেরণ করা হয়?
  1. ক) এম. এ রব
  2. খ) এম.এ জি ওসমানী
  3. গ) এম. এ হান্নান
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ২৫ মার্চ (১৯৭১) পাকিস্তান বাহিনী ঢাকার গণহত্যা শুরু করলে তাৎক্ষনিকভাবে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু হয়।
- মুজিবনগর সরকার ১০ এপ্রিল সারাদেশকে ৮টি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেন।
- ১১ থেকে ১৭ জুলাই উক্ত ৮টি রণাঙ্গনের কমান্ডারদের এক সভা কোলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়।
- সেই সভায় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। সেক্টরগুলোকে সাবসেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ব্যক্তি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় কাদেরিয়া বাহিনী, হেমায়েত বাহিনী, আকবর বাহিনী, কুদ্দুস বাহিনী, আফসার বাহিনী প্রভৃতি।
- ভারতে আলাদাভাবে গঠিত হয় মুজিব বাহিনী। ভারত সরকার বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করে।
- ২৬ মার্চ (১৯৭১) প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক  জনাব এম.এ. হান্নানের নিকট বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন। গোটা বাঙালি জাতির হৃদয়ে তখন বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঘোষণা: ‘এবারের সংগ্রাম, আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৯৮২.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে?  [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শিক্ষাবোর্ড:
- বাংলাদেশে বর্তমানে শিক্ষাবোর্ডের সংখ্যা ১১টি যথাঃ

১. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা : দেশের প্রথম শিক্ষাবোর্ড; প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯২১। 
২. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, রাজশাহী : প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬২
৩. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, কুমিল্লা : প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬২। 
৪. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, যশোর : প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬২। 
৫. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, চট্টগ্রাম : প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৯৫। 
৬. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, বরিশাল : প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৯৯। 
৭. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, সিলেট : প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৯৯। 
৮. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, দিনাজপুর : প্রতিষ্ঠাকাল- ২০০৬। 
৯. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ময়মনসিংহ : দেশের সর্বশেষ শিক্ষাবোর্ড; প্রতিষ্ঠাকাল- ২০১৬। 
১০. বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা : প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৭৯। 
১১. বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড, ঢাকা : প্রতিষ্ঠাকাল - ১৯৬৭।  [ব্যাখ্যা আপডেট - ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

১৪,৯৮৩.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতিতে প্রথমবার পরিবর্তন আনা হয়?
  1. ক) পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. খ) ষোড়শ সংশোধনী
  3. গ) পঞ্চম সংশোধনী
  4. ঘ) চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি ছিলো:
- জাতীয়তাবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার এই চারটি মূলনীতিতে প্রথমবার পরিবর্তন আনা হয়।
- কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট ২০১০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম সংশোধনীকে বাতিল ঘোষণা করে।
- ফলে ২০১১ সালের ৩ জুলাই জাতীয় সংসদে গৃহিত সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে ‍বাহাত্তরের মূল সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি পুনঃস্থাপন করা হয়। (পুনরায় পরিবর্তন করা হয়)
 
এছাড়া, ২০১১ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়।
 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংযোজন : ১৩তম সংশোধনী
- বিচারপতিদের অপসারণ সংক্রান্ত বিধান : ১৬তম সংশোধনী
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ষষ্ঠ তফসিলে সংযোজন : ১৫তম সংশোধনী।
- বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি : সপ্তম ও চতুর্দশ সংশোধনী।

(তথ্যসূত্রঃ আইন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সংবিধান এবং বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান)
১৪,৯৮৪.
কত তারিখে ঐতিহাসিক ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. খ) ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ১৮ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ঘ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয় দফা
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সংগে মিল রেখে।
- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে এই ফেডারেল রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গরাজ্যকে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন দিতে হবে।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

উৎস: যুগান্তর, ০৭ জুন, ২০২১।
১৪,৯৮৫.
বক্সারের যুদ্ধ কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. ঝাড়খন্ডে
  2. রাজস্থানে
  3. উড়িষ্যায়
  4. বিহারে
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় বিহারে।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন। সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়। মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৮৬.
বাংলাদেশ সরকার 'প্রাথমিক শিক্ষা' সবার জন্য নিশ্চিত করা জন্য কোন সালকে নির্ধারিত করেছিলো?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১২
  3. গ) ২০১৫
  4. ঘ) ২০১৮
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব শিক্ষা ফোরামে সবার জন্য শিক্ষার নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ২০১৫ সনের মধ্যে অর্জনের অঙ্গীকার করেছিলো।
এর মধ্যে অন্যতম লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ২০০৫ সনের মধ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার ক্ষেত্রে লিঙ্গ বৈষম্য দূর করা, এবং ২০১৫ সনের মধ্যে শিক্ষা ক্ষেত্রে লিঙ্গ সমতা অর্জন করা, মেয়েদের গুরুত্ব দিয়ে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করে মানসম্মত মৌলিক শিক্ষা অর্জন।

উৎসঃ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর 

১৪,৯৮৭.
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার কোথায় আত্মসমর্পণ করে?
  1. ক) রমনা পার্কে
  2. খ) পল্টন ময়দানে
  3. গ) তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে
  4. ঘ) ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৬-১৬ ডিসেম্বর যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র - বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৯৮৮.
বর্তমানে বাংলাদেশ চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধনকৃত মোট চা বাগান -
  1. ক) ১৬৬টি
  2. খ) ১৬৭টি
  3. গ) ১৬৮টি
  4. ঘ) ১৬৫টি
১৪,৯৮৯.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  4. ঘ) এ এইচ এম কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান - রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম - উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। 
- তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
- খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
- এম মনসুর আলী - মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৯৯০.
নিচের কোন দেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি আছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ব্রাজিল প্রভৃতি রাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত আছে৷
গ্রেট ব্রিটেন, ভারত, বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি রাষ্ট্রে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রচলিত আছে৷
উৎসঃ পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৪,৯৯১.
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৬
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৪,৯৯২.
কোন ধানের জাতটি ডায়াবেটিক ধান নামে পরিচিতি?
  1. ক) ব্রি ধান-১০৩
  2. খ) ব্রি ধান-১০৭
  3. গ) ব্রি ধান-১০৫
  4. ঘ) বিআর-২৪
ব্যাখ্যা
• ডায়াবেটিক ধান:
- জিআই ০ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কেলে খাবারের র‍্যাঙ্ক তৈরি করে।
- স্কোরগুলো রক্তের চিনির মাত্রায় খাবারের প্রভাব নির্দেশ করে।
- গ্লাইসেমিক সূচক কার্বোহাইড্রেটযুক্ত খাবারকে ৩টি সাধারণ ভাগে বিভক্ত করে।
- এগুলো হচ্ছে-উচ্চ (৭০ ও তার বেশি), মাঝারি (৫৬ থেকে ৬৯) এবং নিম্ন (৫৫ ও এর নিচে)।
- ব্রি ধান ১০৫ এর জিআই স্কোর ৫৫।
- বোরো মৌসুমে চাষের উপযোগী ব্রি ধান ১০৫ থেকে পাওয়া চালে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ তুলনামূলক কম এবং সে কারণেই একে ‘ডায়াবেটিক ধান’ বলা হচ্ছে।
- ব্রি ১০৫ ধানটির গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ৭ দশমিক ৬ টন হলেও উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে অনুকূল পরিবেশে সাড়ে আট টন পর্যন্ত ফলন বাড়তে পারে।

উৎস: Daily star বাংলা এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১৪,৯৯৩.
১৯৫৭ সালে সংঘটিত সিপাহি বিপ্লব এর সঙ্গে সম্পৃক্ত পার্ক কোনটি?
  1. ক) পার্ক অফ প্রিন্সেস
  2. খ) গ্রিন ভ্যালি
  3. গ) বাহাদুরশাহ পার্ক
  4. ঘ) ন্যাশনাল পার্ক
ব্যাখ্যা
• বাহাদুর শাহ পার্ক:
- 'বাহাদুর শাহ পার্ক' এর পূর্বনাম ভিক্টোরিয়া পার্ক। 
-  'বাহাদুর শাহ পার্ক' সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। 
- পুরানো ঢাকা এলাকার সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত। 
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। 
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে। 
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে ভিক্টোরিয়া পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। 
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য। তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।
 
উৎস : ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
১৪,৯৯৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করে কত জন?
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন
==================
উল্লেখ্য,
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)।
১৪,৯৯৫.
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক (Bangamata Begum Fazilatun Nesa Mujib Award) কত সাল থেকে চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯৬ সাল
  2. খ) ২০০০ সাল
  3. গ) ২০২১ সাল
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত প্রশ্নের উত্তর: ২০২১ সাল। 

• বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ২০২১ সালে প্রবর্তিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদকের জন্য এ বছর (২০২২) যাদের নাম সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন

- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে - যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য (গোপালগঞ্জ)।
- রাজনীতিতে - সৈয়দা জেবুন্নেছা হক (সিলেট)।
- অর্থনীতিতে - সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ (কুমিল্লা) ৷
- শিক্ষায় - অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ (সিলেট)।
- সমাজসেবায় - মোছা: আছিয়া আলম (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১৪,৯৯৬.
সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে কী নাম রাখা হয়?
  1. শ্রম মন্ত্রণালয়
  2. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়:
- প্রজাতন্ত্রের গণকর্মচারী নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতির ব্যবস্থা করা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রধান কাজ।
- এ কাজ সুচারুরূপে সম্পন্ন করার জন্য গণকর্মচারী নিয়োগবিধি ও চাকরিবিধি প্রণয়নও এ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- নিয়োজিত জনবলের সংগঠিত ও প্রমিত কর্মজীবন পরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রচলন ও প্রসারের মতো তাৎপর্যমণ্ডিত বহুমুখী দায়িত্ব পালনেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সক্রিয় ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। 
- ১৯৮২ খ্রিষ্টাব্দে Martial Law Committee on Reorganizational Set-up সকল সরকারি মন্ত্রণালয়, বিভাগ, দপ্তর/পরিদপ্তরসহ সকল স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার পুনর্গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- এ উদ্দেশ্য সাধনে গঠিত এনাম কমিটি Establishment Division-কে পরবর্তী সময়ে Ministry of Establishment & Reorganization নামকরণের সুপারিশ করে।
- পরবর্তী সময়ে Ministry of Establishment & Reorganization-এর পরিবর্তিত নামকরণ হয় Ministry of Establishment বা সংস্থাপন মন্ত্রণালয়.
- সময়ের আবর্তনে কার্যসম্পৃক্ত নামকরণের চাহিদা অনুভূত হওয়ায় ২৮-০৪-২০১১ খ্রিষ্টাব্দে সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় (Ministry of Public Administration) করা হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৪,৯৯৭.
প্রজনন মৌসুমে কত দিন পর্যন্ত ইলিশ শিকার বন্ধ থাকে?
  1. ২০ দিন
  2. ২২ দিন
  3. ২৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
• মা ইলিশ রক্ষায় ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত — ২২ দিন নদীতে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার।

• ইলিশ:
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২দিন।
- সবচেয়ে বেশি ইলিশ ধরা পড়ে ভোলা জেলায়।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

সূত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর, ঢাকা পোস্ট।
১৪,৯৯৮.
'Prince of Builders' নামে খ্যাত কে?
  1. জাহাঙ্গীর
  2. শাহজাহান
  3. আওরঙ্গজেব
  4. আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান:

- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- 'The Prince of Builder' নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৯৯৯.
'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের কোন সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে?
  1. ২য় সংশোধনী
  2. ৩য় সংশোধনী
  3. ৪র্থ সংশোধনী
  4. ৫ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,০০০.
Which of the following is not the artworks of Quamrul Hassan?
  1. Nabanna
  2. Bengal famine of 1943
  3. Tin Kanya
  4. These animals have to be killed
  5. Naior
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- তার কিছু উল্লেখযোগ্য কাজ হলো: গুন টানা, দ্য হ্যাপি রিটার্ন, বিরল, নবান্ন, গোরুর স্নান ইত্যাদি।

⇒ চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।