বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫ / ৩০৬ · ১,৪০১১,৫০০ / ৩০,৮৩২

১,৪০১.
ওরাঁও নৃ-গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. সংকীর্তন
  2. কারাম
  3. সোহরাই
  4. সাড সুক মেনসিম
ব্যাখ্যা
- ওরাঁও জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসব হলো কারাম উৎসব। প্রতিবছর ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়।
অন্যদিকে,
- সংকীর্তন : মণিপুরীদের উৎসব
- সোহরাই : সাওতাঁলদের উৎসব
- সাড সুক মেনসিম : খাসিয়াদের উৎসব।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণী)
১,৪০২.
সার্কের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) দিল্লিতে
  2. খ) থিম্পুতে
  3. গ) কলম্বোতে
  4. ঘ) ঢাকায়
ব্যাখ্যা
• ১৯৮৫ সালের ৭ ও ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্কের ১ম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
• এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগদান করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল জিয়াউল হক, নেপালের রাজা বীরেন্দ্র বীর বিক্রম শাহদেব, • • শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস রিচার্ড জয়বর্ধন, ভুটানের রাজা জিগমে সিংমী ওয়াংচুক এবং মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মামুন আব্দুল গাইয়ুম।
• এ পর্যন্ত ঢাকায় ৩টি শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে (১ম, ৭ম, ও ১৩তম)।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৪০৩.
‘তুলসীমালা’ কোন ফলের জাত?
  1. সরিষা
  2. ধান
  3. মরিচ
  4. আম
ব্যাখ্যা
- তুলসীমালা হলো স্থানীয় প্রজাতির একটি সুগন্ধি ধানের জাত। এটি প্রধানত শেরপুর অঞ্চলে চাষাবাদ করা হয়।
- শেরপুরে তুলসীমালা ধান অত্যন্ত জনপ্রিয় হওয়ায় শেরপুরের জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের শ্লোগান করা হয় ‘পর্যটনের আনন্দে, তুলসীমালার সুগন্ধে”।
(সূত্র: বিডিনিউজ২৪)
১,৪০৪.
কোন পোকা ধানের টুংরো ভাইরাস ছড়ায়?
  1. সবুজ পাতা ফড়িং
  2. বাদামি গাছ ফড়িং
  3. গান্ধী পোকা
  4. পামরি পোকা
ব্যাখ্যা
ধানের ক্ষতিকর পোকামাকড়:
- প্রায় ৩৩টি প্রজাতির পোকাকে ধানের প্রধান ক্ষতিকর পোকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- তিন মৌসুমেই প্রায় একই ধরনের পোকা আক্রমন করে যদিও আক্রমনের মাত্রা ভিন্ন।
- আউশ ও আমন মৌসুমে পোকার প্রাদুর্ভাব বেশি হয়। 

উল্লেখ্য,
⇒ সবুজ পাতা ফড়িং (Green leaf hopper):
- ক্ষতির লক্ষণ:
১) পূর্ণবয়স্ক ও বাচ্চা উভয় অবস্থায় এ পোকা ধানের পাতার রস শুষে খায়।
২) গাছের বৃদ্ধি কমে যায় ও গাছ খাটো হয়।
৩) এ পোকা টুংরো ভাইরাস ছড়ায়।

- দমন ব্যবস্থা:
১) আলোক ফাঁদ ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
২) হাতজাল ব্যবহার করে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা।
৩) প্রতিরোধী জাত যেমন বিআর-১, বিআর-২, বিআর-৫, বিআর-৬, বিআর-১০, বিআর-১২ জাতের ধান চাষ করা।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪০৫.
পদ্মা সেতুর রিখটার স্কেলে ভূমিকম্প সহনীয় মাত্রা কত?
  1. ৬ মাত্রা
  2. ৭ মাত্রা
  3. ৮ মাত্রা
  4. ৯ মাত্রা
ব্যাখ্যা
 পদ্মা সেতু:
- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- পদ্মা সেতুর নকশা প্রণয়ন করে AECOM।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে
-পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার ।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ তারিখে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

উৎস: i) জুন ২৫, ২০২২, The Daily Star বাংলা।
         ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
১,৪০৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পল্লী এলাকায় মোট জনসংখ্যা কত?
  1. ক) ১১৩,০৬৩,৫৮৭
  2. খ) ১১২,০৬৩,৫৮৭
  3. গ) ১১৩,০৬৩,৪৮৭
  4. ঘ) ১১৩,০৯৩,৫৮৭
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
-  বিভাগওয়ারি পল্লী ও শহর এলাকার জনসংখ্যার লিঙ্গভিত্তিক বিভাজন উল্লেখ করা হয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পল্লী এলাকায় মোট জনসংখ্যা ১১৩,০৬৩,৫৮৭ এবং শহর এলাকায় মোট জনসংখ্যা ৫২,০০৯,০৭২।
- দেশে পল্লী এলাকার মোট জনসংখ্যার ৫৫,১৬৬,৮৪২ জন পুরুষ, ৫৭,৮৯০,৪৬২ জন মহিলা ও ৬,২৮৩ জন হিজড়া।
- শহর এলাকার মোট জনসংখ্যার ২৬,৫৪৫,৯৮২ জন পুরুষ, ২৫,৪৫৬,৭৪৪ জন মহিলা ও ৬,৩৪৬ জন হিজড়া।
- পল্লী এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২৩,৪৪৭,২১৬ জন এবং সর্বনিম্ন জনসংখ্যা বরিশাল বিভাগে ৬,৮০৯,৮৪৪ জন।
- পক্ষান্তরে শহর এলাকায় সর্বাধিক জনসংখ্যা ঢাকা বিভাগে ২০,৭৩৮,৭৩৯ জন এবং সর্বনিম্ন জনসংখ্যা সিলেট বিভাগে ২,০৬৫,১২৩ জন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১,৪০৭.
লালন ও হাসনের গানে প্রাধান্য পায়----
  1. ক) নারী প্রেম
  2. খ) স্বদেশ প্রেম
  3. গ) ইহজাগতিকতা
  4. ঘ) আধ্যাত্মিকতা
ব্যাখ্যা
লালন ও হাসনের গানে প্রাধান্য পায় আধ্যাত্মিকতা। 
আবদুল করিমের গানে প্রাধান্য ইহজাগতিকতা। 

• লালন শাহ বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা ও গায়ক।
- মতান্তরে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীর ভাঁড়রা গ্রামে এক কায়স্থ পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- লালন কোনো জাতিভেদ মানতেন না।
- তাই তিনি গেয়েছেন: ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে/ লালন কয় জাতির কি রূপ দেখলাম না এ নজরে।’
- তাঁর জনপ্রিয় গান- 
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’,
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’,
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’ ইত্যাদি।

• হাসন রাজা মরমি কবি ও সাধক হিসেবে পরিচিত। তার প্রকৃত নাম দেওয়ান হাসন রজা চৌধুরী।
- তিনি ১৮৫৪ সালের ২৪ জনিুয়ারি সুনামগঞ্জের লক্ষ্মণশ্রী গ্রামের এক জমিদার পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালের ৭ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- হাসন রাজা আঞ্চলিক ভাষায় প্রায় এক হাজার গান রচনা করেন।
তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রযেছে:
- ‘লোকে বলে, বলে রে, ঘর বাড়ী ভালা না আমার’
- ‘সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইল’ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৪০৮.
সম্প্রতি কোন দেশ বঙ্গবন্ধুর নামে তাদের একটি সড়কের নামকরণ করে?
  1. ক) সুদান
  2. খ) কঙ্গো প্রজাতন্ত্র
  3. গ) ফিলিস্তিন
  4. ঘ) সিয়েরালিওন
ব্যাখ্যা

২০২১ সালে বঙ্গবন্ধুর নামে সড়কের নামকরণ করে - ফিলিস্তিন।
- ফিলিস্তিনের প্রাচীন শহর হেবরনের একটি সড়কের নাম রাখা হয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।

১,৪০৯.
‘মাৎস্যন্যায়’ শব্দটি প্রথম কোথায় ব্যবহৃত হয়েছিল?
  1. বেদ
  2. শ্রী চৈতন্য চরিতামৃত 
  3. কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্র
  4. কৃষ্ণচরিত্র
ব্যাখ্যা

• মাৎস্যন্যায় ও পাল বংশ (৭৫০-১১৬১ খ্রিষ্টাব্দ):
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর এক'শ বছর বাংলায় কোনো যোগ্য শাসক ছিলেন না। ফলে রাজ্যে বিশৃঙ্খলা ও অরাজকতা বিরাজমান ছিল।
- একদিকে হর্ষবর্ধন ও ভাস্কর বর্মণের আক্রমণ অন্যদিকে ভূস্বামীরা প্রত্যেকেই বাংলার রাজা হওয়ার কল্পনায় একে অন্যের সাথে সংঘাতে মেতে ওঠে।
- কেন্দ্রীয় শাসন শক্ত হাতে ধরার মতো তখন কেউ ছিল না।
- এ অরাজকতার সময়কালকে ধর্ম পালের 'খালিমপুর' তাম্রশাসনে 'মাৎস্যন্যায়' বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
- পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বলে 'মাৎস্যন্যায়'।
- ’মাৎস্যন্যায়’ শব্দটি প্রথম কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে ব্যবহৃত হয়েছিল। 
- বাংলার সবল অধিপতিরা 'মাৎস্যন্যায়'- এর মতো ছোট রাজ্যগুলোকে গ্রাস করছিলেন।
- অষ্টম শতকের মাঝামাঝি এ অরাজকতার অবসান ঘটে পাল রাজাদের উত্থানের মধ্য দিয়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৪১০.
মেজর এটিএম হায়দার মুক্তিযুদ্ধে কয় নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৭ নং সেক্টর
  3. গ) ২ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৫ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সা-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- মেজর খালেদ মোশাররফ ও মেজর এটিএম হায়দার ছিলেন ২ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।

অন্যদিকে--
- মুক্তিযুুদ্ধে ৮ নং সেক্টরে সেক্টর কামান্ডার ছিলেন - মেজর আবু ওসমান ও এম এ মঞ্জর।
- মেজর নাজমুল হক ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান ছিলেন ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।
- মেজর মীর শওকত আলী  ছিলেন ৫ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার।

 তথ্যসূত্র:  ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১১.
Which articles of the constitution mention about 'Annual Financial Statement'?
  1. 27
  2. 39
  3. 43
  4. 87
ব্যাখ্যা
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ নং অনুচ্ছেদ বাজেটকে 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি' নামে বর্ণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে
(ক) এই সংবিধানের অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হতে ব্যয় করা হবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, প্রদর্শিত হবে এবং অন্যান্য ব্যয় হতে রাজস্ব খাতের ব্যয় পৃথক করে প্রদর্শিত হবে।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ নং অনুচ্ছেদ বলা হয়েছে, 'রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতা রক্ষার অধিকার থাকিবে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদ বাকস্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৪১২.
রাঢ় জনপদের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. নদীয়া
  2. কোটিবর্ষ
  3. বিক্রমপুর
  4. দেবপর্বত
ব্যাখ্যা

রাঢ়:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূক্ষদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৪১৩.
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কোন জেলায়?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) নীলফামারী
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এটি নির্মাণে কারিগরি সহায়তা করছে।
- এটির মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- ২০২৪ ও ২০২৫ সালে মধ্যে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ যুক্ত হবে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
১,৪১৪.
১৯৪৮ সালের ১১ই মার্চের ধর্মঘটে অংশগ্রহণের সময় কোন স্লোগানটি ব্যবহৃত হয়?
  1. আমরা করবো জয়
  2. জয় বাংলা
  3. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  4. বাংলা আমাদের ভাষা
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৮ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও ঘটনা প্রবাহ:
- ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দু ভাষায় কার্যক্রম শুরু হলে, পূর্ব বাংলা কংগ্রেসের কুমিল্লার প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রতিবাদ জানান এবং বাংলাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি তোলেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যরা ঐ দাবি প্রত্যাখ্যান করেন।

- এর প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্রসমাজ ব্যাপকভাবে আন্দোলনে জড়ায় এবং ২৬ ও ২৯ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট পালন করা হয়।
এরপর ২ মার্চ ১৯৪৮ সালে শিক্ষার্থী ও বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে আবারও 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।

- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

- আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পূর্ব পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা করা।
- ধর্মঘটের পক্ষে 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশের লাঠিচার্জে অনেকে আহত হন। শামসুল হক, অলি আহাদ, শেখ মুজিবুর রহমান, কাজী গোলাম মাহবুবসহ অনেকেই গ্রেফতার হন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৩-১৫ই মার্চ আবার ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
১,৪১৫.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক ছিলেন কে?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. মোজাফফর আহমদ
  4. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪১৬.
বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন কে?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) বিচারপতি আবু সায়্যিদ চৌধুরী
  4. ঘ) বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ২২শে মার্চ সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সায়্যিদ চৌধুরী বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ২৩ মার্চ এটি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এর আগে ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন এবং ১২ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে বিচারপতি আবু সায়্যিদ চৌধুরী রাষ্ট্রপতি মনোনীত হন।
- ১৯৭০ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে নির্বাচিতদের নিয়ে এই গণপরিষদ পরিষদ গঠিত হয়।
- প্রথম অধিবেশনে গণপরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিলো ৪৩০ জন যা পরবর্তীতে ৪০৩ জন এ নেমে আসে।
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১০-১১ এপ্রিল। সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ।
- ১৯৭২ সালের ১৫ ডিসেম্বর রাত ১২ টায় গণপরিষদ বিলুপ্ত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১,৪১৭.
'ওলন্দাজ' নামে পরিচিত ছিলো-
  1. ইংল্যান্ডের অধিবাসীগণ
  2. ফ্রান্সের অধিবাসীগণ
  3. ডেনমার্কের অধিবাসীগণ
  4. নেদারল্যান্ডসের অধিবাসীগণ
ব্যাখ্যা
- নেদারল্যান্ডসের অধিবাসীরা : ওলন্দাজ
- ডেনমার্কের অধিবাসীরা : ডেনিশ বা দিনেমার
- ফ্রান্সের অধিবাসীরা : ফরাসি
- ইংল্যান্ডের অধিবাসীগণ : ইংরেজ।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৪১৮.
লর্ড ক্যানিং ভারত উপমহাদেশে কোন ব্যবস্থাটি চালু করেন?
  1. ক) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
  2. খ) দ্বৈত শাসন
  3. গ) সতীদাহ নিবারণ
  4. ঘ) পুলিশ ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

১৮৬১ সালে ভারতীয় পুলিশ আইন পাসের মাধ্যমে লর্ড ক্যানিং ভারত উপমহাদেশে প্রথম পুলিশ ব্যবস্থা চালু করেন। ১৭৯৩ সালে 'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' ব্যবস্থার প্রবর্তক হলেন লর্ড কর্নওয়ালিস। দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত লর্ড ক্লাইভ এবং ১৮২৯ সালে সতীদাহ প্রথা রহিত ঘোষণা করেন লর্ড বেন্টিঙ্ক।

১,৪১৯.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
ব্যাখ্যা
৪র্থ সংশোধনী:
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- ৪র্থ সংশোধনী বাংলাদেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় শাসনপদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসনপদ্ধতি চালু এবং বহুদলীয় রাজনীতির পরিবর্তে একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন করা হয়।
- চতুর্থ সংশোধনীর আগে বাহাত্তরের সংবিধানে রাষ্ট্রপতিকে শপথ পড়াতেন প্রধান বিচারপতি। চতুর্থ সংশোধনীতে এটি স্পিকারের কাছে ন্যস্ত হয়।
- বাহাত্তরের সংবিধানে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়োগসহ নিয়ন্ত্রণ সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত ছিল, যা চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির অধীনে আইন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত হয়।

⇒ রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন:
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়।
- এই সংশোধনী অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে ৫ বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন।
- তিনি ইচ্ছানুযায়ী উপরাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী এবং অন্যান্য সরকারি বিভাগের কর্মকর্তা নিয়োগ ও বরখাস্ত করতে পারবেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 
১,৪২০.
জাতিসংঘের কোন সংস্থার সদর দপ্তরে 'বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ' প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. UNWTO
  2. FAO
  3. WHO
  4. UNDP
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষ:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) সদর দপ্তরে বাংলাদেশ-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কক্ষের উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ এবং এফএওর মধ্যে পঞ্চাশ বছরের সম্পর্কের প্রতীক এই কক্ষ।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে এফএওর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের জনগণকে নিপীড়ন, দারিদ্র্য ও ক্ষুধা থেকে মুক্ত করাই বঙ্গবন্ধুর সারা জীবনের লক্ষ্য ছিল।
- মুজিব বর্ষ’ ২০২০-২১ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সময় এ শৈল্পিক কাজটি করা হয়েছিল।
- এটি গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পেয়েছে।
- এটি আমাদের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থানের সাক্ষ্য বহন করে। 

উৎস: যুগান্তর।
১,৪২১.
'দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সেলিনা হোসেন
  2. খ) আকবর আলি খান
  3. গ) রেহমান সোবহান
  4. ঘ) দেবপ্রিয় ভট্রাচার্য
ব্যাখ্যা
• সাবেক তত্ত্ববধায়ক সরকারের উপদেষ্টা আকবর আলি খান মারা গেছেন ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ সালে।
• তাঁর লেখা উল্লেখযোগ্য বই -
- দারিদ্র্যের অর্থনীতি; অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ,
- পরার্থপরতার অর্থনীতি, আজব ও জবর আজব অর্থনীতি,
- অবাক বাংলাদেশ;
- বিচিত্র ছলনাজালে রাজনীতি,
- বাংলাদেশে বাজেট; অর্থনীতি ও রাজনীতি,
- পুরানো সেই দিনের কথা (আত্নজীবনী)।  

তথ্যসূত্র:- লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর - ২০২২।       
১,৪২২.
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশি ছলেন কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. বিচারপতি টি এইচ খান
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালনকারী একমাত্র বাংলাদেশী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:

- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হয়ে সভাপতিত্ব করেন হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

এছাড়াও জাতিসংঘের বিভিন্ন পদে বাংলাদেশ:
- সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া ESCAP- এর নির্বাহী সচিবের পদমর্যাদায় ১৯৮১-৯১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- বিচারপতি টি এইচ খান International Criminal Tribunal-এর সদস্য হিসেবে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী Human Rights Commission-এর চেয়ারম্যান হিসেবে ১৯৮৫-৮৬ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- মেজর জেনারেল মোঃ আব্দুস সালাম UN Peace Keeping Mission-এর কমান্ডার হিসেবে ১৯৯২-৯৫ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- পূর্ব তিমুরে জাতিসংঘ মিশনের প্রধান সামরিক লিয়াজোঁ অফিসার পদে ব্রিগেডিয়ার রেজাউল হায়দার দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস: UN General Assembly, .
১,৪২৩.
গড় আয়ুষ্কালঃ [মার্চ। ২০২০]
  1. ক) ৭২.৩ বছর
  2. খ) ৭১.৭ বছর
  3. গ) ৭৩.৭ বছর
  4. ঘ) ৭১.৩ বছর
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
১,৪২৪.
দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি:
১. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও
৩. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর৷

• বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) (Civil Aviation Authority of Bangladesh-CAAB):
- বাংলাদেশের আকাশসীমায় ও বিমানবন্দরসমূহে চলাচলকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল উড়োজাহাজ এর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পালন করে থাকে। 
- CAAB এর অধীনে বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৭টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং ২টি স্টলপোর্ট রয়েছে।
- এই ১২টি বিমানবন্দর ও স্টলপোর্টের মধ্যে বর্তমানে ৮টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
- যাত্রী স্বল্পতার কারণে ২টি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর ও ২টি স্টলপোর্টে কোন ফ্লাইট যাতায়াত করছে না।
- বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড: বর্তমানে ৭টি অভ্যন্তরীণ ও ১৯টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সার্ভিস পরিচালনা করছে।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১,৪২৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা কত?
  1. ৫০
  2. ২৫
  3. ৩০
  4. ৪০
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ টি।
• সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৫০টি এবং সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলায় আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- বাংলাদেশের সংসদ একটি এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা যা ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- যার মধ্যে ৩০০টি আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার ৩০০ জন সদস্য যা প্রাপ্তবয়স্ক ভোটাধিকারের ভিত্তিতে প্রতিটি নির্বাচনী এলাকা থেকে একজন করে।

- অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে। 
- ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের জন্য এই বিধান নবম সংসদের শুরু থেকে দশ বছর অব্যাহত থাকবে।
- ১৭তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ দশম সংসদের শুরু থেকে আরও ২৫ বছরে বৃদ্ধি পাবে।
- দ্বাদশ জাতীয় সংসদে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের  সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৮টি রয়েছে। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১,৪২৬.
‘মনিপুরী’ বাংলাদেশের কৃষিতে কোন ফসলের জাত?
  1. আলু
  2. বেগুন
  3. টমেটো
  4. কাকরোল
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• উন্নত জাতের কাকরোল: আসামি, মনিপুরী।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৪২৭.
গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল কেমন সমালোচনা করে?
  1. আক্রমণাত্মক
  2. গঠনমূলক
  3. স্বাভাবিক
  4. হিংসাত্মক
ব্যাখ্যা
• গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দলের ভূমিকা :
- গঠনমূলক সমালোচনা: 
- অধিকার বাস্তবায়ন: 
- গণতন্ত্র রক্ষা: 
- বিকল্প নীতি উত্থাপন,
- সমস্যা চিহ্নিত করা: 
- জনমত গঠন
- প্রার্থী মনোনয়ন,
- পারস্পরিক সম্পর্ক
- রাজনৈতিক সংযোগ সাধন;
 - রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ;
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা;

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪২৮.
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে কবে?
  1. ১৪ নভেম্বর, ২০২৬
  2. ১৬ নভেম্বর, ২০২৬
  3. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
  4. ২৬ নভেম্বর, ২০২৬
ব্যাখ্যা

LDC:
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
- মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
- সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

⇒ বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘের আয়োজনে ১৯৭১ সালে এলডিসি তালিকা প্রণয়নের পর থেকে এযাবৎ এলডিসি থেকে উত্তরণ হওয়া সাতটি দেশ এবং উত্তরণের প্রক্রিয়াধীন ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশই একমাত্র সদস্য রাষ্ট্র, যেটি টানা তিন বারের মূল্যায়নে সকল সূচকে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছে। 
- ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- এলডিসি থেকে কোন দেশ বের হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ করে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) অধীন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)।
- তিন বছর পরপর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়।
- মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা—এই তিন সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়, কোনো দেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য কি না। যেকোনো দুটি সূচকে উত্তীর্ণ হতে হয় অথবা মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার দ্বিগুণ হতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব মানদণ্ড অবশ্য পরিবর্তিত হয়।

উৎস: i) UN ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৪২৯.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে কতজন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১,৪৩০.
বাংলাদেশে প্রথম স্বতন্ত্র আইএফআরএস প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কোন ব্যাংক?
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. এবি ব্যাংক
  3. সিটি ব্যাংক
  4. স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
ব্যাখ্যা
আইএফআরএস প্রতিবেদন:
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো স্বতন্ত্র আইএফআরএস ‘এস-১’ ও ‘এস-২’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক।
- ইন্টারন্যাশনাল সাসটেইনেবিলিটি স্ট্যান্ডার্স বোর্ডের (আইএসএসবি) তৈরি জলবায়ু ও টেকসই ঝুঁকি প্রকাশের বৈশ্বিক ফ্রেমওয়ার্ক অনুসরণ করে এ রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই প্রতিবেদনে টেকসই ও জলবায়ু–সম্পর্কিত ঝুঁকি ও সুযোগে কীভাবে ব্র্যাক ব্যাংক এক্সপোজার শনাক্ত, পরিচালনা ও প্রকাশ করে থাকে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে।
- প্রথম ইনডিপেনডেন্ট রিপোর্ট প্রকাশের মধ্য দিয়ে ব্র্যাক ব্যাংক বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাংক হিসেবে নতুন প্রবর্তিত এই স্ট্যান্ডার্ড গ্রহণ করেছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং স্ট্যান্ডার্ডস (আইএফআরএস) এস–১ ও এস–২ স্ট্যান্ডার্ডস প্রবর্তিত হয়।
- যা সাসটেইনেবিলিটি ও জলবায়ু–সম্পর্কিত আর্থিক তথ্য প্রকাশে একটি সমন্বিত ও বিনিয়োগকারীকেন্দ্রিক কাঠামো প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১,৪৩১.
'সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য' সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোচ্য বিষয়?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ২০
  2. খ) অনুচ্ছেদ ২১
  3. গ) অনুচ্ছেদ ২২
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ ২৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ২১:  নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য
(১) সংবিধান ও আইন মান্য করা, শৃঙ্খলা রক্ষা করা, নাগরিকদায়িত্ব পালন করা এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্য৷  
(২) সকল সময়ে জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

অনুচ্ছেদ ২০: অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম
অনুচ্ছেদ ২২: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ
অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৪৩২.
ভাষা আন্দোলন পূর্ব বাংলায় কোন ভাবাদর্শ ছড়িয়ে দেয়?
  1. বাঙালি জাতীয়তাবাদ
  2. দ্বিজাতিতত্ত্ব
  3. অসাম্প্রদায়িক মনোভাব
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

⇒ জাতীয়তাবাদের উন্মেষ:
- পশ্চিম পাকিস্তানে পাঞ্জাবি শক্তির বিপরীতে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় সংহতির জন্য জাতীয়তাবাদের ধারণা জরুরি হয়ে পড়ে।
- যেহেতু হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে আমাদের বেশির ভাগ মানুষ বাঙালি; কাজেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিকাশে ভাষা আন্দোলন সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে।
- তাতে দেশের অন্য ভাষা ও জাতির মানুষও যোগ দেয়।
- নিজস্ব জাতিসত্তা সৃষ্টিতে ভাষা ও সংস্কৃতির সম্পর্ক এবং গুরুত্ব পূর্ববাংলার মানুষের কাছে অধিকতর স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
- বাঙালি পূর্ব বাংলার আন্দোলন ও জাতীয়তাবাদের উত্থান (১৯৪৭-১৯৭০) হিসেবে নিজেদের আত্মপরিচয়ে রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি গড়ে তোলার গুরুত্ব উপলব্ধি করতে থাকে।
- ভাষাকেন্দ্রিক এই ঐক্যই জাতীয়তাবাদের মূল ভিত্তি রচনা করে, যা পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১,৪৩৩.
বাংলাদেশ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় করে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানী 
  3. ফ্রান্স 
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিভিন্ন দেশ থেকে প্রাপ্ত রপ্তানি আয়।

দেশের নাম  - রপ্তানি আয়  
১. যুক্তরাষ্ট্র= ৮৬৯২.৩৫।
২. জার্মানী = ৫২৯২.৯০।
৩. যুক্তরাজ্য= ৪৬২২.৭০।
8. স্পেন = ৩৫৫৪.৭৪।
৫. ফ্রান্স = ২৪১৬.৮৪।
৬. নেদারল্যান্ড = ২৩৫৪.২১।
৭. পোল্যান্ড = ১৮২৪.৮০।
৮. ইতালী = ১৭৬৪.২৩।
৯. ভারত = ১৬৬৪.৫১।
১০. কানাডা = ১৪৬৩.৭৪।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১,৪৩৪.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এর কিছু গবেষণা কেন্দ্র এবং তাদের অবস্থান:
- মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র — ময়মনসিংহ।
- আলু গবেষণা ইনস্টিটিউট — রংপুর।
- তাঁত গবেষণা বোর্ড — নরসিংদী।
- পাট গবেষণা কেন্দ্র — ঢাকা।
- তুলা গবেষণা ইনস্টিটিউট — যশোর।
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র — বগুড়া।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র — ফরিদপুর।
- রাবার গবেষণা বোর্ড — কক্সবাজার।
- ডাল গবেষণা কেন্দ্র — ঈশ্বরদী, পাবনা।
- রেশম গবেষণা কেন্দ্র — রাজশাহী।
- ছাগল গবেষণা ইনস্টিটিউট — সিলেট।
- হাঁস-মুরগী গবেষণা ইনস্টিটিউট — নারায়ণগঞ্জ।
- কলা গবেষণা ইনস্টিটিউট — রামপাল, বাগেরহাট।
- চামড়া গবেষণা ইনস্টিটিউট — হাজারীবাগ, ঢাকা।
- বন গবেষণা কেন্দ্র — চট্টগ্রাম।
- ইলিশ মাছ ও নদীর মাছ গবেষণা কেন্দ্র — চাঁদপুর।
- ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট — জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- চা গবেষণা কেন্দ্র — শ্রীমঙ্গল, সিলেট।
- তামাক গবেষণা ইনস্টিটিউট — রংপুর।
- গম গবেষণা কেন্দ্র — দিনাজপুর।
- আম গবেষণা কেন্দ্র — চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৩৫.
শালবন বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. মধুপুর
  3. রাজবাড়ী
  4. কুমিল্লার ময়নামতি
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার। 
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন। 
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ। 
- বিহারে ঢোকা বা বের হওয়ার মাত্র একটাই পথ ছিল।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে। 
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।
- এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৪৩৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা তে বাংলাদেশে মোট কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৪৫টি
  2. ৪৮টি
  3. ৫০টি
  4. ৫২টি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫০টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১,৪৩৭.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার খসড়া কে প্রণয়ন করেন?
  1. ফজলুল হক
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. আবুল মনসুর আহমেদ
  4. আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি:
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন দল ও জোট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করে।
- যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরোধী যুক্তফ্রন্টের প্রেরণাশক্তি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- তাই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ২১ ফিগারটিকে চিরস্মরণীয় করার জন্য ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- আবুল মনসুর আহমেদ ২১ দফার খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ২১ দফার দাবিগুলো ভোটারদের মন জয় করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৩৮.
এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে কয়টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?[নভেম্বর, 2025]
  1. ১১টি
  2. ১২টি
  3. ১৩টি
  4. ১৪টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন:
- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ০৭ মার্চ ১৯৭৩ সালে।
- সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালে।
- অর্থাৎ এখন পর্যন্ত বাংলাদেশে ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: জাতীয় সংসদ ভবনের ওয়েবসাইট।

১,৪৩৯.
জাতীয় সংসদের ১নং আসন হলো - 
  1. পঞ্চগড় - ১
  2. রাঙ্গামাটি - ১ 
  3. বান্দরবান - ১ 
  4. খাগড়াছড়ি - ১ 
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদ:
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।

- সংসদের মোট আসন - ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি।
- ৩০০ নং আসন - বান্দরবান।
- ১ টি করে আসন রয়েছে তিনটি জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি)।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১,৪৪০.
‘তিতাস একটি নদীর নাম’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন কে?
  1. হীরালাল সেন
  2. ঋত্বিক ঘটক
  3. সত্যজিৎ রায়
  4. অভিজিৎ রায়
ব্যাখ্যা

• তিতাস একটি নদীর নাম:
- তিতাস একটি নদীর নাম 'ঋত্বিক ঘটক' পরিচালিত ১৯৭৩ সালের বাংলাদেশী নাট্যধর্মী চলচ্চিত্র।
- বাঙালি ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচিত উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে। 
- ছবিটি প্রযোজনা করেছেন হাবিবুর রহমান খান।
- ছবিটিতে অভিনয় করেছেন প্রবীর মিত্র, রোজী সামাদ, কবরী ও গোলাম মুস্তাফা।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালের ২৭ জুলাই।

উৎস: Bengal Film Archive.

১,৪৪১.
পাট উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?(অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

পাট ও বাংলাদেশ:
• বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম পাট উৎপাদক এবং অন্যতম রপ্তানিকারক দেশ।

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে প্রায় ৯০ লাখ বেল পাট উৎপাদিত হয়েছে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যে দেখা যায়, গত অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৮২০ মিলিয়ন ডলার- এর মধ্যে কাঁচা পাট রপ্তানি হয়েছে ১৪৮ মিলিয়ন ডলারের, পাটের সুতা থেকে ৪৬১ মিলিয়ন, বস্তা থেকে ১২৫ মিলিয়ন এবং পাটজাত অন্যান্য পণ্য রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৩ মিলিয়ন ডলার।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১,৪৪২.
'কেওক্রাডং' পর্বত কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান 
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

• টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ের শ্রেণিবিভাগ:
বাংলাদেশে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় দুটি ভাগে বিভক্ত -
১। দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
২️। উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
- অবস্থান: রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলা
- গড় উচ্চতা: প্রায় ৬১০ মিটার
- পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ক্রমে উচ্চতা বৃদ্ধি পায়
- উদাহরণ: কেওক্রাডং পর্বত, তাজিং ডং (বিজয়): বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।

• কেওক্রাডং পর্বত : 
- কেওক্রাডং বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত।
- বান্দরবানের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত।
- কেওক্রাডং শব্দটি মারমা ভাষা থেকে এসেছে।
- মারমা ভাষায় কেও মানে 'পাথর', কাড়া মানে 'পাহাড়' আর এবং ডং মানে 'সবচেয়ে উঁচু'।
- অর্থাৎ কেওক্রাডং মানে সবচেয়ে উঁচু পাথরের পাহাড়।
- উচ্চতা: ১,২৩০ মিটার ( ভূগোল ১ম পত্র)
- অধুনা রাশিয়া কর্তৃক পরিচালিত এসআরটিএম উপাত্ত এবং জিপিএস গণনা থেকে দেখা গেছে এর উচ্চতা ৯৭৪ মিটার (৩,১৯৬ ফুট)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

১,৪৪৩.
ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালিত হয় -
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারিতে
  2. খ) ৬ ফেব্রুয়ারিতে
  3. গ) ৬ জুনে
  4. ঘ) ৭ জুনে
ব্যাখ্যা
• ৬ দফাভিত্তিক আন্দোলন জোরদার হতে দেখে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান ১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তান সফরে আসেন এবং বিভিন্ন জনসভায় ৬ দফাকে ষড়যন্ত্রমূলক রাষ্ট্রদ্রোহী ও পাকিস্তান ভাঙ্গার দলিল বলে আখ্যা দিতে থাকেন।
- সরকার এবং প্রতিক্রিয়াশীল দলগুলোর কটূক্তি সত্ত্বেও পূর্ব পাকিস্তানে ৬ দফা আন্দোলন ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে থাকলে পাকিস্তান সরকার আন্দোলনকারীদের ওপর কঠোর নির্যাতন চালাতে থাকে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ মুজিবসহ আরো অনেক নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করে।
- নির্যাতন ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন দেশব্যাপী হরতাল আহ্বান করা হয়।
- ঐদিকে মিছিলে পুলিশের গুলিতে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জসহ দেশের অন্যান্য স্থানে বহু লোক প্রাণ হারায়।
- ১৯৬৬ সালে ৭ জুনের রক্তস্নাত আন্দোলনের মধ্যদিয়েই ছয় দফার প্রতি পূর্ববাংলার জনগণের তুলনাহীন সমর্থন প্রমাণিত
হয়। সরকারের প্রতি জনগণের ঘৃণা তীব্রতর হয়।
-  ১৯৬৬ সালে ৭ জুনের রক্তস্নাত আন্দোলনকে স্মরণ করতে প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস পালিত হয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও যুগান্তর।
১,৪৪৪.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি-
  1. ক) ১৮২৭ কোটি টাকা
  2. খ) ১,৬০,০৬৫ টাকা
  3. গ) ১,৫৩,১৯৭ টাকা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু জিডিপি টাকায় ১,৫৩,১৯৭ টাকা এবং মার্কিন ডলার হিসাবে ১৮২৭ মার্কিন ডলার।
১,৪৪৫.
'সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন'- সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৭(১)
  2. ৭(২)
  3. ৭(ক)
  4. ৭(খ)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ০৭: সংবিধানের প্রাধান্য:
- ৭(১) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে,
প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে ৷

- ৭(২) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে,
জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে ।

উল্লেখ্য,
- অনুচ্ছেদ ০৭ক: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।
- অনুচ্ছেদ ০৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৪৪৬.
পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু কোনটি?
  1. রাষ্ট্র
  2. নাগরিক
  3. জাতি
  4. নগর
ব্যাখ্যা
- পৌরনীতি ও নাগরিকতার কেন্দ্রবিন্দু নাগরিক।
- রাষ্ট্রে বা প্রাচীন অর্থে পৌরের অধিবাসীর বিষয়বস্তুই পৌরনীতি ও নাগরিকতা'র বিষয়বস্তু।

এর পরিধি হল-
১. নাগরিকতা সম্পর্কিত বিষয়
২. রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের আলোচনা
৩. নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা
৪. নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত
৫. আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৪৪৭.
মোট জাতীয় উৎপাদনকে কয়টি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ: 
- মোট জাতীয় উৎপাদনকে তিনটি দিক থেকে বিবেচনা করে পরিমাপ করা যায়। 

১. উৎপাদিত দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা: 
- যে কোনো দেশের অর্থনীতিতে জনগণের প্রয়োজনের ভিত্তিতে নানাবিধ দ্রব্যসামগ্রী ও সেবা উৎপাদন করা হয়। 
- মোট জাতীয় উৎপাদনের পরিমাণ নির্ণয় করতে হলে প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার মোট উৎপাদনের পরিমাণকে তার বাজার দাম দিয়ে গুণ করতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত প্রতিটি দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন বলে।
- এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করতে হলে শুধুমাত্র চূড়ান্ত দ্রব্যই গণনা করতে হবে।

২. উৎপাদনের উপকরণের অর্জিত আয়: 
- এ পদ্ধতিতে মোট জাতীয় উৎপাদন পরিমাপ করতে হলে উৎপাদনের উপাদানসমূহের মোট আয়ের সমষ্টি নির্ণয় করতে হয়।
- ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন-উৎপাদনের এ চারটি উপাদানের আয় যথাক্রমে খাজনা, মজুরি, সুদ ও মুনাফা।
- এক বছরে কোনো দেশের জাতীয় আয় হলো ঐ বছরে উৎপাদনের উপাদানসমূহের অর্জিত মোট খাজনা, মজুরি বা বেতন, সুদ ও মুনাফার সমষ্টি।

৩. সমাজের মোট ব্যয়: 
- সমাজের মোট ব্যয়ের ভিত্তিতেও মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় করা যায়।
- এই পদ্ধতি অনুসারে কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের সমস্ত ধরনের ব্যয় যোগ করলে মোট জাতীয় উৎপাদনের আর্থিক মূল্য পাওয়া যায়।
- কোনো দেশের মোট আয় দু'ভাবে ব্যয়িত হয়- (i) ভোগ্যদ্রব্য ও সেবা কেনার জন্য এবং (ii) বিনিয়োগ করার জন্য।
- ব্যয়কারীদের প্রধানত তিন শ্রেণিতে বিন্যাস করা যায়: সরকার, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং জনগণ।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক বছরে সরকারি, প্রাতিষ্ঠানিক এবং বেসরকারি ভোগ-ব্যয় ও বিনিয়োগ-ব্যয়ের সমষ্টি ঐ সময়ে ঐ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১,৪৪৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন অঞ্চলে আফসার বাহিনী গঠিত হয়?
  1. কুমিল্লা
  2. বরিশাল
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বাহিনীটা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সেটাকেই মুক্তিবাহিনী বলে।
- এটার কয়েকটা ভাগ ছিল।
- যেমন: একটা ভাগে ছিল সেনাবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ, আনসার আর আরেকটা অংশে ছিল ছাত্র-জনতা।
- সবাইকে মিলিয়ে বলা হতো মুক্তিবাহিনী।
- মুক্তি বাহিনীর কয়েকটি অংশের একটি ছিল ‘মুজিব বাহিনী’।
- আওয়ামী লীগের চার যুবনেতার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বিএলএফ বা বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সই পরে এই নামে পরিচিতি পায়।

⇒ বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও অনেকে গেরিলা বাহিনী গঠন করেন।
- ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী।
- যেমন টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী।
- সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী।
- ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী।
- ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী।
- বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী।
- ভারতের বাহিনীর মেজর জেনারেল ওবানের অধীনে বঙ্গবন্ধুর নামে ‘মুজিব বাহিনী’ নামে একটি বাহিনী গঠিত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বিবিসি বাংলা।

১,৪৪৯.
ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন- 
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড লিটন
  3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  4. লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা

লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত) তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।
- ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
-সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত)  তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Britannica.

১,৪৫০.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র কোনটি?
  1. স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক
  2. লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই
  3. সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়
  4. রক্তে পাওয়া বাংলা,রক্ত দিয়ে রাখব
ব্যাখ্যা
- কলকাতা মিশনে কর্মরত জনাব হোসেন আলী সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালের ১৮ই এপ্রিল বিদেশের কোন দূতাবাসে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কূটনৈতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা করেন।
- এছাড়া দিল্লী, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্কসহ আরও কয়েকটি স্থানে কূটনীতিকরা বাংলাদেশের হয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির যাত্রা শুরু হয়।
- তাঁর বিখ্যাত উক্তি ‘‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বৈরিতা নয়’’ হ’ল আমাদের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র।

উৎস : দূত সম্মেলন (Envoys Conference)’ উদ্বোধন অনুষ্ঠান, ২০১৭, প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ।
১,৪৫১.
’ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ কার শাসনামলে ভারতবর্ষে আগমন করে?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট শাহজান
  3. সম্রাট বাবর
  4. সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
- ’ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি’ মোগল-সম্রাট আকবরের শাসনামলে ভারতবর্ষে আগমন করে।

• ইংরেজ: 
-  ইংল্যান্ডের একদল বাণক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি নামে একটি বণিক সংঘ গড়ে তোলে।
- বণিক সংঘটি ১৬০০ সালে রানি এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদি প্রাচ্যে একচেটিয়া বাণিজ্য করার সনদপত্র লাভ করে।
- এই সনদপত্র নিয়ে কোম্পানির প্রতিনিধি বাণিজ্যিক সুবিধা লাভের আশায় আকবরের দরবারে হাজির হন।
- উপমহাদেশে তখন মোগল-সম্রাট আকবরের রাজত্বের শেষ সময়। 
- এরপর ক্যাপ্টেন হকিন্স ১৬০৮ সালে রাজা প্রথম জেমসের সুপারিশপত্র নিয়ে বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সম্রাট জাহাঙ্গীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- তাঁর অনুমতি নিয়ে ১৬১২ সালে সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপিত হয়।
- পরবর্তীকালে ১৬১৫ সালে প্রথম জেমসের দূত হয়ে জাহাঙ্গীরের দরবারে আসেন স্যার টমাস রো।
- কোম্পানি সুরাট, আগ্রা, আহমেদাবাদ প্রভৃতি স্থানে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে তাদের ভিত্তি মজবুত করে।
- কোম্পানি দ্বিতীয় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে মসলিপট্টমে।
- বাংলার সুবাদার শাহ সুজার অনুমোদন লাভ করে তারা ১৬৫৮ সালে হুগলিতে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এভাবে কোম্পানি কাশিমবাজার, ঢাকা, মালদহেও বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।
- ১৬৬৮ সালে ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস পর্তুগিজ রাজকন্যা ক্যাথরিনের সঙ্গে বিয়ের যৌতুক হিসেবে লাভকরেন বোম্বাই (বর্তমানে মুম্বাই) শহর। অর্থাভাবে চার্লস ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পঞ্চাশ হাজার পাউন্ডের বিনিময়ে শহরটি বিক্রি করে দেন।
- পরবর্তীকালে এই বোম্বাই শহরই কোম্পানির প্রধান বাণিজ্য কেন্দ্রে পরিণত হয়।
- জব চার্নক নামে আরেকজন ইংরেজ ১৬৯০ সালে ১২০০ টাকার বিনিময়ে কোলকাতা, সুতানটি ও গোবিন্দপুর নামে তিনটি গ্রামের জমিদারি স্বত্ব লাভ করেন।
- ভাগীরথী নদীর তীরের এই তিনটি গ্রামকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীকালে কোলকাতা নগরীর জন্ম হয়।
- এখানেই কোম্পানি ১৭০০ সালে ইংল্যান্ডের রাজা তৃতীয় উইলিয়ামের নাম অনুসারে ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ নির্মাণ করে।
- ধীরে ধীরে এটি ইংরেজদের বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষা এবং রাজনৈতিক স্বার্থ বিস্তারের শক্তিশালী কেন্দ্রে পরিণত হয়।
- ইংরেজ কোম্পানির ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পায় যখন দিল্লির সম্রাট ফাররুখ শিয়ার তাদের বাংলা, বোম্বাই ও মাদ্রাজে বিনা শুল্কে বাণিজ্যের অধিকার প্রদান করেন। 
- সম্রাটের এই ফরমানকে কোম্পানির মহাসনদ বা ম্যাগনা কার্টা বলে উল্লেখ করা হয়।
- এই অধিকার লাভ করে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অপ্রতিরোধ্য গতিতে

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
১,৪৫২.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুমৃত্যু হার কমানোর কারণে যে পুরস্কার পান?
  1. ক) প্লানেট ৫০-৫০
  2. খ) এমডিজি অ্যাওয়ার্ড ২০১০
  3. গ) জাতিসংঘ শান্তি পুরস্কার
  4. ঘ) সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী
ব্যাখ্যা
• সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ
- এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস:- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
১,৪৫৩.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা অভিহিত করে ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে বার্তা পাঠান কে?
  1. হেনরি কিসিঞ্জার
  2. আর্চার কে. ব্লাড
  3. গ্যারি জে. ব্যাস
  4. সায়মন ড্রিং
ব্যাখ্যা

ব্লাড টেলিগ্রাম:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ধ্বংসযজ্ঞকে গণহত্যা অভিহিত করে ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে বার্তাটি পাঠান তৎকালীন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন কনসাল জেনারেল আর্চার কে ব্লাড।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের সেই ভয়াল রাত- যখন পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ঢাকার বুকে এক নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালায়।
- আর্চার কে. ব্লাড ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের ধ্বংসযজ্ঞকে সরাসরি গণহত্যা বলে অভিহিত করে ৬ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে ওয়াশিংটনে যেই তারবার্তা পাঠান সেটি ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে খ্যাত।
- আর্চার কেন্ট ব্লাডসহ ২০ জন কর্মকর্তার স্বাক্ষরকৃত এ টেলিগ্রামকে ঐতিহাসিকভাবে ‘দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামকরণ করা হয়। 

⇒ ১৯৭১ সালে আর্চার কে ব্লাড ছিলেন ঢাকায় মার্কিন কনসাল জেনারেল।
- বাংলাদেশ থেকে আর্চার ব্লাড যেসব তারবার্তা পাঠান তা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় অবস্থানের বিরোধী। 
- উল্লেখ্য বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন ও হেনরি কিসিঞ্জার ছিলেন নিক্সন সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক উওদেশটা।
- নিক্সন-কিসিঞ্জার জুটি বাংলাদেশের যুদ্ধের বর্বর গণহত্যার বিষয়টিকে নীরবে সমর্থন দিয়ে এলেন।
- এমনকি আর্চার কে. ব্লাড যখন ওয়াশিংটনে তারবার্তা পাঠান তখন বাংলাদেশে গণহত্যার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ব্লাডকে তার ঢাকা অফিস থেকে অব্যাহতি দিয়ে ওয়াশিংটনে স্থানান্তর করা হয়।
- নিজেদের জাতীয় স্বার্থে মানবতাকে প্রকারান্তরে বুড়ো আঙুল দেখান কিসিঞ্জার-নিক্সন জুটি।

উল্লেখ্য,
- মার্কিন সাংবাদিক ও ইতিহাসবিদ গ্যারি জে. ব্যাস (Gary J. Bass) আর্চার কে. ব্লাডের সেই বিখ্যাত 'ব্লাড টেলিগ্রাম' এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বই লিখেছেন, যার নাম 'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগোটেন জেনোসাইড'। 
- এই বইয়ে তিনি আর্চার ব্লাডের সাহসী পদক্ষেপ এবং Nixon-Kissinger প্রশাসনের ভূমিকার বিস্তারিত বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
- বইটি বেশ কয়েকটি আন্তরজারতিক পুরস্কার পেয়েছে। তার একটি পুলিতজার পুরস্কার।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) সংগ্রামের নোটবুক।

১,৪৫৪.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে?
  1. ১৬তম
  2. ১৭তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
ব্যাখ্যা
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
 - সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ২৫ জুন সংসদে পাস হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতা আবারও প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংবিধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে ৫০-এ উন্নীতকরণ।
- এবং সংবিধানের পূর্ববর্তী অনুচ্ছেদ ৭-এর স্থলে ৭(১) এবং ৭(খ) যুক্ত করা হয়।
- যার উদ্দেশ্য অসাংবিধানিক উপায়ে ক্ষমতা দখলের সমাপ্তি ঘটানো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৪৫৫.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত রূপ কোনটি?
  1. BADC
  2. BIDA
  3. ΒΕΡΖΑ
  4. BEZA
ব্যাখ্যা

BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority.
- বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন-২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।
- এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন তথা শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, উৎপাদন এবং রপ্তানী বৃদ্ধি ও বহুমুখীকরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে পশ্চাৎপদ ও  অনগ্রসর এলাকাসহ সম্ভাবনাময় সকল এলাকায় অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করাই হলো বেজার মূল লক্ষ্য।
- দৈনন্দিন কার্যক্রম তত্ত্বাবধানের জন্য একজন নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং তিন জন নির্বাহী সদস্য সমন্বয়ে বেজার নির্বাহী বোর্ড গঠিত।

অন্যদিকে,
- বিডা হলো, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)। 
- BADC-এর পূর্ণরূপ হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন।
- ΒΕΡΖΑ  হলো বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।

১,৪৫৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ এর তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা কতজন?
  1. ক) ৩ জন
  2. খ) ৪ জন
  3. গ) ৫ জন
  4. ঘ) ৬ জন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে,  

- বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।
- গ্রামে বাস করে ১১ কোটি ৩০ লাখ ৬৩ হাজার ৫৮৭ জন।
- শহরে বাস করে ৫ কোটি ২০ লাখ ৯ হাজার ৭২ জন।
- পুরুষ-নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন (প্রতি বর্গকিলোমিটারে)।
- খানার সংখ্যা ৪,১০,১০,০৫১ জন।
- খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা ৪.০ জন। 
- সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%। 
- বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা মোট ৫০ টি। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
১,৪৫৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ ‘এমভি আনসু’ কোন দেশে রপ্তানি করা হয়?
  1. ডেনমার্ক
  2. পোল্যান্ড
  3. অস্ট্রিয়া
  4. জার্মানী
ব্যাখ্যা
জাহাজ শিল্প:
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ ‘এমভি আনসু’ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি হলো।
- ‘এমভি আনসু’ জাহাজটি কিনেছেন জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।নারায়নগঞ্জের মেঘনাঘাটে আনন্দ শিপইয়ার্ডে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনসুর ক্যাপ্টেন পিয়োট বুজনাস্কিকে জাহাজটি বুঝিয়ে দেন আনন্দ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা বারী।
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইী।
- গত ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ৩৬৫টি জলযান নির্মাণ করেছে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
১,৪৫৮.
উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রামের সূচনা হয় -
  1. ক) কানপুর
  2. খ) মীরাট
  3. গ) ব্যারাকপুর
  4. ঘ) পাঞ্জাব
ব্যাখ্যা

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম নামে অভিহিত করা হয় - সিপাহী বিদ্রোহকে।
১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ এই বিদ্রোহের সূচনা হয় পশ্চিম বঙ্গের 'ব্যারাকপুর' - এ। 'মঙ্গল পান্ডে' নামে এক সিপাহী গুলি ছুড়ে এই বিদ্রোহের সূচনা করেন।
দ্রুত এই বিদ্রোহ মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী - এই বিদ্রোহে সামিল হয়।
পরবর্তীতে সিপাহীরা পরাজিত হয়। বিদ্রোহী এসব সিপাহীদের বেশিরভাগকেই ফাঁসিতে ঝুলিয়ে হত্যা করা হয়। ১৮৫৮ সালের জুলাইয়ের মধ্যে এই বিদ্রোহ ও আন্দোলন শেষ হয়ে যায়।
এই বিদ্রোহের ফলে ব্রিটিশ সরকার ভারত বর্ষের শাসন নিজেদের হাতে তুলে নেয় এবং কোম্পানী শাসনের অবসান হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী।

১,৪৫৯.
জেন-জি নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের পর বিশ্বের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে কোন দেশে? [মার্চ, ২০২৬] 
  1. নেপাল 
  2. শ্রীলঙ্কা 
  3. বাংলাদেশ
  4. মরক্কো
ব্যাখ্যা

- জেন-জি নেতৃত্বাধীন ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সময়: ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬।
- এবার জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে ২ হাজারের বেশি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন; তাদের মধ্যে অনেকেই স্বতন্ত্র।
- একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় একটি আসনে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।
- নির্বাচনে অংশ নিয়েছে অন্তত ৫১টি দল; যা জাতীয় রেকর্ড।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার নিউজ। [লিঙ্ক]

১,৪৬০.
বাংলাদেশের প্রথম 'ইপিজেড' কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. সাভারে
  2. চট্টগ্রামে
  3. মংলায়
  4. ঈশ্বরদীতে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপিত হয় - চট্রগ্রামে।

• ইপিজেড:
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।

এছাড়াও,
- 'প্রস্তাবিত নবম ইপিজেড স্থাপিত হবে পটুয়াখালীতে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিজেড স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
- তবে এখনো কাজ শুরু হয় নি প্রস্তাবিত ইপিজেডের।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১,৪৬১.
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ৮০০ মেগাওয়াট
  2. ৬০০ মেগাওয়াট
  3. ৪০০ মেগাওয়াট
  4. ২০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- তিস্তা সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র যা তিস্তা সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর অঞ্চলের সবচেয়ে বড় সোলার বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন।
- গাইবান্ধা জেলার, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর ইউনিয়নে ১ হাজার একর জমির ওপর তিস্তা সোলার নির্মাণ করা হয়।
- সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করেন বাংলাদেশের বেক্সিমকো কোম্পানির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- ২ আগস্ট, ২০২৩ তিস্তা সোলার লিমিটেডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ কেন্দ্র থেকে দিনে ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ হবে জাতীয় গ্রিডে।

উৎস: ৩ আগস্ট ২০২৩, দ্যা ডেইলি স্টার বাংলা।
১,৪৬২.
পদাধিকার বলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যে প্রতিষ্ঠানের প্রধান-
  1. ক) জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ
  2. খ) প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)
  3. গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
-  ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
-  জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
-  রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
-  বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

তথ্যসূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ।
১,৪৬৩.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন নারীকে 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব: বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন;
- ২য় সর্বোচ্চ খেতাব: বীরউত্তম : ৬৮ জন;
- ৩য় সর্বোচ্চ খেতাব: বীরবিক্রম : ১৭৫ জন;
- ৪র্থ সর্বোচ্চ খেতাব: বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন নারীকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তাছাড়া,
- ৬ জুন, ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে। স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে-
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন;
- বীর উত্তম: ৬৭ জন;
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন;
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১,৪৬৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২৫
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ২৫:
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১,৪৬৫.
সম্প্রতি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতির পরিমাণ কমাতে কত কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এডিবি?
  1. ৩৫ কোটি ডলার
  2. ৩০ কোটি ডলার
  3. ৪০ কোটি ডলার
  4. ৪৫ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে ৪০ কোটি ডলার ঋণ দেবে এডিবি:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বছরে বাংলাদেশের ক্ষতি তিন বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এই ক্ষতি মোকাবিলায় ৪০ কোটি ডলারের ঋণ অনুমোদন করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)
- প্রতি ডলার ১০৯ টাকা ৮৩ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় ঋণের পরিমাণ ৪ হাজার ৩৯৩ কোটি টাকা।
- এডিবি জানায়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা দেশের একটি বাংলাদেশ।
- এই ঋণ ৭০ কোটি ডলারের জলবায়ু-স্থিতিস্থাপক অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মসূচির প্রথম উপ-কর্মসূচি।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা (২০২৩-৫০) বাস্তবায়ন এবং প্যারিস চুক্তির আলোকে জলবায়ুকে গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে এ ঋণ দেওয়া হচ্ছে।

উৎস: ৮ ডিসেম্বর ২০২৩, সমকাল।
১,৪৬৬.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে-
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে — চীন থেকে।
অর্থ্যাৎ,
উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে চীন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪ অনুসারে,

দেশভিত্তিক আমদানির চিত্র:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আমদানি করেছে চীন থেকে।
চীন- ১২,৫৫৩ (মিলিয়ন ডলার)- ২৮.৪৬%, 
ভারত- ৫,৯১৮ (মিলিয়ন ডলার)- ১৩.৪২%, 
যুক্তরাষ্ট্র- ১,৯৯০ (মিলিয়ন ডলার)- ৪.৫১%। 

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

তথ্যসূত্র:- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২৪।
১,৪৬৭.
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে কত দফা দাবি পেশ করা হয়?
  1. ৬ দফা
  2. ১০ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ২১ দফা
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ সালে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরবর্তীকালের সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃবৃন্দ মিলে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- ২২শে মার্চ আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানকে অপসারণ করেন।
- ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে গ্রাম ও শহরের কৃষক ও শ্রমিকদের মাঝে শ্রেণি চেতনার উন্মেষ ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৪৬৮.
Which is the Bangladesh's top employment sector?
  1. Leather and leather product
  2. Pharmaceuticals
  3. Ready-made garment
  4. Agriculture
  5. Service
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শ্রমশক্তির শীর্ষখাত হলো কৃষিখাত।

খাতভিত্তিক:

• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।

⇒ রপ্তানি আয়:
- পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৬৯.
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন-
  1. ফরাসিরা
  2. ইংরেজরা
  3. পর্তুগিজরা
  4. ওলন্দাজরা
ব্যাখ্যা

• পর্তুগিজ: 
-পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান।
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন- পর্তুগিজরা।
- ১৫৩৮ সালে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা উপমহাদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন,
কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
-পর্তুগিজরা বাংলায় ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

১,৪৭০.
নিচের কোন দুটি গমের জাত?
  1. ক) মোহর ও শুভ্র
  2. খ) সোনালিকা ও আকবর
  3. গ) গ্রানোলা ও বিনেলা
  4. ঘ) সফল ও অগ্রণী
ব্যাখ্যা
আকবর ও সোনালিকা হলো গমের দুটি জাত।
গমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

অন্যদিকে,

মোহর ও শুভ্র : ভুট্টার জাত
গ্রানোলা ও বিনেলা : আলুর জাত
সফল ও অগ্রণী : সরিষার জাত।

(তথ্যসূত্র: কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১,৪৭১.
'রূপকল্প ২০৪১' হলো একটি-
  1. চুক্তি
  2. স্বপ্ন
  3. পরিকল্পনা
  4. বই
ব্যাখ্যা
রূপকল্প-২০৪১:

- ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত দেশের কাতারে সামিল করার লক্ষ্য সামনে রেখে পরিকল্পনা 'রূপকল্প ২০৪১'।
- ২০২১ সাল থেকে ২০৪১ সালের মধ্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯.৯ শতাংশ।
- গড় মাথাপিছু আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ৯৯৪ মার্কিন ডলার।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৮০ বছর।
- এ সময়ের মধ্যে বিনিয়োগ দাঁড়াবে ৪৬.৯ শতাংশ এবং রাজস্ব আদায়ের হার দাঁড়াবে ২৪.১শতাংশ।
- রূপকল্প ২০৪১ এর খসড়া জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেন কমিটির চেয়ারপারসন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- দারিদ্র্য নিরসন, আয়বৈষম্য হ্রাস, নতুন নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রফতানি বহুমুখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্য ও লেনদেনে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা, টেকসই বিদ্যুত ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেকসই উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মতো ইস্যুগুলোকে সামনে রেখে এই রূপকল্প প্রণয়ন করার কথা বলা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০।
১,৪৭২.
নিচের কোনটি লর্ড ক্যানিং এর অবদান নয়?
  1. ক) ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু
  2. খ) পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু
  3. গ) প্রথম বাজেট ঘোষণা
  4. ঘ) প্রথম কাগজের মুদ্রার প্রচলন
ব্যাখ্যা
লর্ড ক্যানিং (১৮৫৮-১৮৬২)
• ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ও  ভাইসরয় ছিলেন।
• ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
• চার্লস উড শিক্ষা বিষয়ে ১৮৫৪ সালে যে সুপরিশমালা পেশ করেন তা কার্যকর করা হয় তার সময়ে । 
• উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রার প্রচলন করেন ১৮৬১ সালে ।
• উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)
• ভারতে তাঁর কর্তব্যপালনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৫৯ সালে তাঁকে ‘আর্ল’ (Earl) মর্যাদায় উন্নীত করা হয়।
• ১৮৫৭ সালে কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। 

অন্যদিকে,
• লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে।
১,৪৭৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কতটি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১০টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ১৭টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০-১৭ জুলাই কলকাতায় তাজউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত যুদ্ধাঞ্চলের অধিনায়কদের সম্মেলনে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

- প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়। ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।

এগারোটি সেক্টর হলো:

১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর জিয়াউর রহমান এবং মেজর রফিকুল ইসলাম।

২ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশবিশেষ।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর খালেদ মোশাররফ এবং মেজর এ.টি.এম হায়দার।

৩ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

৪ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত।

৫ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর মীর শওকত আলী।

৬ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা।
- সেক্টর কমান্ডার : উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

৭ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর নাজমুল হক এবং সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

৮ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর এম.এ মঞ্জুর।

৯ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. এ জলিল এবং মেজর এম. এ মঞ্জুর।

১০ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : সমুদ্র ও নৌ অঞ্চল।
- সেক্টর কমান্ডার : নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।

১১ নং সেক্টর:
- সেক্টর এলাকা : টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার : মেজর এম. আবু তাহের এবং স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১,৪৭৪.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
  3. গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ
  4. ছাতক, সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ):
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মোট ১১১০ একর জমিতে নির্মাণ হচ্ছে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- জাপানের সুমিতমো করপোরেশন ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
১,৪৭৫.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকার নাম কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
  2. বাংলার দাবি
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  4. ভাষা ও স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সাল। 
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- এই সংগঠনের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশিত হয়।
- এই পুস্তিকাটিতে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বাঙালির সংস্কৃতি, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন যা এই আন্দোলনের পটভূমি হিসেবে কাজ করেছে।

অন্যদিকে, 
- বই: রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
- লেখক: আহমদ রফিক
- প্রকাশক: অনিন্দ্য প্রকাশ
- প্রথম প্রকাশ: ২০১৫ সাল।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রথমা প্রকাশন।
১,৪৭৬.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় সংশোধনীর বিষয়বস্তু?
  1. ক) যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন
  2. খ) জরুরি অবস্থা ঘোষণার বিধান চালু
  3. গ) বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী
• সংসদে উত্থাপন: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর
• সংসদে গৃহীত: ২০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩
• রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩

সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে ‘জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার বিধান চালু করা হয়। এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

এই সংশোধনী আইনের ফলে -
১. সংবিধানের ২৬, ৬৩, ৭২ ও ১৪২ নং অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়; 
২. ৩৩ অনুচ্ছেদ প্রতিস্থাপিত হয়, এবং 
৩. সংবিধানে একটি নতুন ভাগ, যথা ভাগ ৯ক সংযুক্ত হয়। এই সংশোধনীর মাধ্যমে জরুরি অবস্থাকালীন সময়ে নাগরিকদের কতিপয় মৌলিক অধিকার স্থগিত করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পৌরনীতি ও সুশাসন বই
১,৪৭৭.
বাংলাদেশের সরকারপ্রধান হলেন-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাপ্রধান
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

 • প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা:
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান
- তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে আসছে।
- সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রর পদমর্যাদা অনেক উপরে।
- প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হলেও রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মূলস্তম্ভ। তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক পদমর্যাদার অধিকারী।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী তাঁর শাসন পরিচালনার জন্য সংসদের কাছে দায়ী থাকেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৪৭৮.
মেট্রোরেল এর প্রতি ঘন্টায় যাত্রী ধারণক্ষমতা হবে-
  1. ক) ৬০,০০০ যাত্রী
  2. খ) ৪০,০০০ যাত্রী
  3. গ) ৭০,০০০ যাত্রী
  4. ঘ) ৩০,০০০ যাত্রী
ব্যাখ্যা

- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন : Japan International Cooperation Agency (JICA) এবং বাংলাদেশ সরকারের যৌথ অর্থায়ন।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

উৎস: DMTCL এবং দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট

১,৪৭৯.
১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল-
  1. ধানের শীষ
  2. নৌকা
  3. লাঙল
  4. বাইসাইকেল
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট আসন:
- ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি। এর মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন লাভ করে।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিলো নৌকা।
- নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেনি।
১,৪৮০.
Which diplomat first expressed loyalty to Bangladesh in 1971?
  1. ASM Shamsul Arefin
  2. Muntasir Mamun
  3. K. M. Shihabuddin
  4. Syed Anwar Hossain
  5. ATM Haider
ব্যাখ্যা
প্রথম কূটনৈতিক বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ:
- ১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসাধারণ ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন তৎকালীন দু’জন তরুন বাঙালি কুটনীতিক।
- নয়াদিল্লিস্থ পাকিস্তান হাই কমিশনের সেকেন্ড সেত্রেটারি কে. এম. শিহাবুদ্দিন এবং এসিস্টেন্ট প্রেস এটাচী আমজাদুল হক।
- তাঁরা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে সর্বপ্রথম কূটনীতিকের পদ ছেড়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেন।

⇒ মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হওয়ার পূবের্ই কে. এম. শিহাবুদ্দিন ও আমজাদুল হকের নয়াদিল্লিতে এক প্রেস কনফারেন্স করে কূটনীতিকের পদ ছেড়ে দেন এবং পাকিস্তান সরকারের অন্যায় অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জানান।
- তাঁদের অনুসরণ করে সে সময় ১৯টি দূতাবাসের ১১৫ জন বাঙালি কূটনীতিক বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগরে গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল সরকার গঠনের একদিন পর কলকাতার পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলী এবং সব বাঙালি কূটনীতিক ও স্টাফ একযোগে বাংলাদেশের পক্ষে আনুগত্য জানান।
- 'পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন' নামফলক নামিয়ে ফেলা হয়।
- সেখানে 'বাঙলা দেশ কূটনৈতিক মিশন' নামফলক লাগিয়ে দেওয়া হয়।
- মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।
- এর মাধ্যমে প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করে।

উৎস: i) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
১,৪৮১.
নিচের কোন দিনটি ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়?
  1. ক) ২৩ মার্চ
  2. খ) ২৩ জুন
  3. গ) ৭ জুন
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
• একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং
• ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
• এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
১,৪৮২.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা কোনটি?
  1. আশা
  2. প্রশিকা
  3. কারিতাস
  4. ব্র্যাক
ব্যাখ্যা
ব্র্যাক:
- ব্র্যাক বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা।
- ক্ষুদ্রঋণ প্রদান কর্মসূচি ছাড়াও এই সংস্থাটি বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন, সুরক্ষা, পানি- পয়:নিষ্কাশন সেবা, স্বাস্থ্য নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধ, অতিদারিদ্র্য দূরীকরণ, শিক্ষা, আইনি সহায়তা, আর্থিক সেবা, প্রাক-অভিবাসন সেবা, অভিবাসন চলাকালীন সেবা, বিদেশ ফেরত শ্রমিকদের পুনর্বাসন সেবা এবং সর্বোপরি সামাজিক ক্ষমতায়ন ও সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

⇒ ডিসেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত সংস্থাটির ক্রমপুঞ্জিভূত ঋণ বিতরণ ও আদায়ের পরিমাণ যথাক্রমে ৪,৫৬,১৯০.৮৫ কোটি ও ৪,১৬,০৪২.৫৯ কোটি টাকা।
- প্রদানকৃত উক্ত ক্ষুদ্রঋণ সুবিধার আওতায় মোট সুবিধাভোগীর সংখ্যা ছিল ৮,৮০৮,৩৩৯ জন যার মধ্যে ৮৯ শতাংশই মহিলা।

অন্যদিকে,
⇒ আশা:
- ১৯৯১ সালে বিশেষায়িত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান হিসেবে আশা কার্যক্রম শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠানটির স্বল্প ব্যয় ও টেকসই ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ মডেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

⇒ কারিতাস:
- কারিতাস দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে নানা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।
- ঋণ সহায়তাসহ আত্ম-কর্মসংস্থানের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার উন্নয়নের লক্ষ্যে বর্তমানে দেশের ৩০টি জেলার ৮৭টি উপজেলার ৭৭৭টি ইউনিয়নের ৫,৮৯৪টি গ্রামে কারিতাসের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। 

⇒ প্রশিকা:
- দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখার প্রত্যয়ে ১৯৭৬ সালে মানিকগঞ্জ থেকে প্রশিকার যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশের ৪৩টি জেলায় এর কার্যক্রম বিস্তৃত।
- ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত সংস্থাটি মোট ১২,২৭৮.৪০ কোটি টাকা ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ করেছে।
- একই সময় পর্যন্ত প্রশিকা থেকে ঋণ নিয়ে উপকৃত হয়েছেন ৫,৭৭,৪০৭ জন দরিদ্র মানুষ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৪৮৩.
বর্তমানে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের মিশনের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৬৮টি
  2. খ) ৭১টি
  3. গ) ৭৭টি
  4. ঘ) ৭৯টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বিশ্বের ৫৮টি দেশে বাংলাদেশের ৭৭টি মিশন (দূতাবাস /হাইকমিশন/কনস্যুলেট জেনারেল/কনস্যুলেট/উপ-হাইকমিশন/সহকারী হাইকমিশন) রয়েছে।
- এই মিশনগুলোর মধ্যে ১১টি দূতাবাস নিজস্ব জমিতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ তার ৭৮তম মিশন খুলতে যাচ্ছে সেন্ট কিটস ও নেভিসে।
(সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন)
১,৪৮৪.
দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার কত?
  1. ৬১.৩%
  2. ৬২.৩%
  3. ৬৩.৩%
  4. ৬৪.৩%
ব্যাখ্যা
জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকাশিত স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস (এসভিআরএস) ২০২২-এর পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহারের হার ৬৩.৩ শতাংশ।
- এর আগে এই হার ছিল ৬৫.৬ শতাংশ।
- জরিপে দেখা যায়, ২০২২ সালে প্রতি হাজার প্রজননক্ষম নারীর বিপরীতে সন্তানের জন্ম হয়েছে ২.২ জনেরও বেশি।
- অর্থাৎ দেশের নারীরা গড়ে দুইয়ের অধিক সন্তান জন্ম দিয়ে থাকেন।
- এ হার ২০২১ সালে আরও কম ছিল ২.৫ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - দেশ রূপান্তর, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
১,৪৮৫.
বাংলা একাডেমি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৫
  2. ১৯৬০
  3. ১৯৬৫
  4. ১৯৬৭
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি:
 - বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ১ ডিসেম্বর মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০২-১৯৮২) একাডেমির প্রথম পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মাযহারুল ইসলাম (১৯৭২ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১,৪৮৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সংসদের অধিবেশনের উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭১
  2. অনুচ্ছেদ ৭২
  3. অনুচ্ছেদ ৭৩
  4. অনুচ্ছেদ ৭৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩(ক) - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮১ - অর্থবিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৪৮৭.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ‍বাহাত্তরের মূল সংবিধানের মূলনীতিগুলো পুনঃস্থাপন করা হয়?
  1. সপ্তম সংশোধনী 
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. চতুর্থ সংশোধনী 
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান: 
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী মাধ্যমে প্রথম রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি প্রধান মূলনীতিতে (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা)পুনঃস্থাপন করা হয়।

• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- জুলাই, ২০১১  আইন পাস হয়।
• পঞ্চদশ সংশোধনী সমূহ:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

অপরদিকে,
- পঞ্চম সংশোধনী মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে সামরিক সরকার কর্তৃক যেসব বিধিবিধান প্রণয়ন ও সংবিধানের সংশোধনী আনা হয়েছে, সেগুলো পঞ্চম সংশোধনী আইনে বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।
- রাষ্ট্রীয় মূলনীতি পরিবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের নাগরিকতা 'বাঙালি' থেকে 'বাংলাদেশি' করা হয়।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১,৪৮৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‘তেলিয়াপাড়া রণকৌশল’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল নিচের কোন জেলায়?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. হবিগঞ্জ
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা

• তেলিয়াপাড়া রণকৌশল:
- তেলিয়াপাড়া বাংলোয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- মুজিবনগর সরকার গঠনের পূর্বে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল তৎকালীন সিলেট জেলার (বর্তমান হবিগঞ্জ জেলা) তেলিয়াপাড়ায় এক চা বাগানের ব্যবস্থাপকের বাংলোতে কর্নেল ওসমানীর নেতৃত্বে ২৭ জন সেনা কর্মকর্তা, আনসার, পুলিশ, সিএসপি অফিসার এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের নিয়ে যে যুদ্ধ কৌশল প্রস্তুত করা হয়েছিল, সেটি 'তেলিয়াপাড়া রণকৌশল' নামে পরিচিত।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

⇒ এই ৪টি অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক ছিলেন:
ক) চট্টগ্রাম অঞ্চল: মেজর জিয়াউর রহমান,
খ) কুমিল্লা অঞ্চল: মেজর খালেদ মোশাররফ,
গ) সিলেট অঞ্চল: মেজর কে এম সফিউল্লাহ,
ঘ) দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলকে বিভক্ত করে রাজশাহী অঞ্চলে মেজর নাজমুল হক,
- দিনাজপুর অঞ্চলে মেজর নওয়াজেস উদ্দিন এবং খুলনা অঞ্চলে মেজর জলিলকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
- ৭ই জুলাই ১৯৭১ যুদ্ধের কৌশলগত কারণে সরকার নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনায় 'জেড ফোর্স' ব্রিগেড গঠন করেন।
- এই জেড ফোর্সের অধিনায়ক হলেন লেঃ কর্নেল জিয়াউর রহমান।
- একই ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে 'এস ফোর্স' এবং ১৪ই অক্টোবর 'কে ফোর্স' গঠন করা হয়।
- কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল খালেদ মোশাররফ।
- এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।

তথ্যসূত্র:  জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা।

১,৪৮৯.
নিম্নের কোনটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?
  1. দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. তথ্য কমিশন
  3. নির্বাচন কমিশন
  4. বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠার কথা লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- সংবিধানের ১১৯ থেকে ১২৬ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের কথা উল্লেখ আছে।

• সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: 
- নির্বাচন কমিশন,
- বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন,
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ,
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

• সাংবিধানিক পদ: 
- সাংবিধানিক পদ,
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রী,
- স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার,
- অ্যাটর্নি জেনারেল,
- প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতি,
- নির্বাচন কমিশনারের সভাপতি ও সদস্যগণ,
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৪৯০.
নিম্নোক্ত কোন সংশোধনীটি হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল করা হয়নি?
  1. ক) ষোড়শ সংশোধনী
  2. খ) পঞ্চম সংশোধনী
  3. গ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. ঘ) চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়
• এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে।
এগুলো হলো:-
• পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
• সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
• ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
• ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)। 

অন্যদিকে, 
• ১৯৭৫ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৪৯১.
What is the extreme poverty rate of Bangladesh as per the Economics Index, 2022?
  1. ক) 5.1%
  2. খ) 15.5%
  3. গ) 10.5%
  4. ঘ) 7.25%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, 
মোট জনসংখ্যা = ১৭ কোটি ৮ লাখ (১৭০.৮ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার = ১.৩৭%
জনসংখ্যার ঘনত্ব = ১১৪০/বর্গ কি.মি.
গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল =  ৭২.৮ বছর (পুরুষ - ৭১.২ বছর ও নারী - ৭৪.৫ বছর)
স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) =  ৭৫.২%  (পুরুষ - ৭৭.৪% ও নারী - ৭২.৯%)

পুরুষ ও নারীর অনুপাত = ১০০.২ : ১০০
ডাক্তার প্রতি জনসংখ্যার অনুপাত =  ১ : ১৭২৪
সুপেয় পানি গ্রহণকারী = ৯৮.৩%

দারিদ্র্যের হার =  ২০.৫%
চরম দারিদ্র্যের হার = ১০.৫%
স্থূল জন্মহার (প্রতি হাজারে) =  ১৮.১ জন
স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি হাজারে) =  ৫.১ জন

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
১,৪৯২.
হোলাকা উৎসব বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. জন্মাষ্টমী
  2. হোলি
  3. ভাইফোঁটা
  4. গঙ্গাস্নান
ব্যাখ্যা

• প্রাচীন বাংলার আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব ও রীতি-নীতি:
- প্রাচীন বাংলায় পূজা-পার্বণ ও আমোদ-প্রমোদের প্রচুর ব্যবস্থা ছিল।
- উমা অর্থাৎ দুর্গার অর্চনা উপলক্ষে বরেন্দ্রে বিপুল উৎসব হতো।
- প্রাচীন বাংলায় বিজয়া দশমীর দিন 'শাবোরৎসব' নামে একপ্রকার নৃত্যগীতের অনুষ্ঠান হতো।
- হোলাকা বা বর্তমানকালের 'হোলি' ছিল তখন অন্যতম প্রধান উৎসব।
- স্ত্রী-পুরুষ সকলে এতে যোগদান করতো।
- ভাইফোঁটা, আকাশপ্রদীপ, জন্মাষ্টমী, অক্ষয় তৃতীয়া, দশহরা,গঙ্গাস্নান, মহাঅষ্টমীতে ব্রহ্মপুত্রস্নান ইত্যাদি অনুষ্ঠান সেকালেও প্রচলিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি।

১,৪৯৩.
ভিশন - ২০৪১ বাস্তবায়নে কয়টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৭
ব্যাখ্যা
ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়ন কালীন মোট ৫টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গৃহীত হবে।
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা - জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫,
নবম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা - জুলাই ২০২৫ - জুন ২০৩০,
দশম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা - জুলাই ২০৩০ - জুন ২০৩৫,
এগারতম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা - জুলাই ২০৩৫ - জুন ২০৪০
বারোতম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা - জুলাই ২০৪০ - জুন ২০৪৫।
----------
এই সময়ে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে - মোট ৪টি।
অষ্টম থেকে ১১তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাগুলো এই সময়ে বাস্তবায়িত হবে।
ভিশন - ২০৪১ এর প্রাক কথায় পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সচিব ড. শামসুল আলম বলেন - “ভিশন - ২০৪১ একটি দিক নির্দেশনামূলক দলিল যার উপর ভিত্তি করে ৪টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।”
পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি মূলত সেই সময় গৃহীত হলেও এক পঞ্চমাংশের মতো বাস্তবায়ন হবে।

উৎস: রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবে রূপায়ণ: বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-২০৪১।
মূল পিডিএফ লিঙ্ক: [লিঙ্ক]
১,৪৯৪.
‘তিনকন্যা’ চিত্রকর্মটির চিত্রশিল্পী কে?
  1. শাহাবুদ্দিন আহম্মেদ
  2. এস এম সুলতান
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৪৯৫.
করোনাভাইরাসের অর্থনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠার জন্য কৃষিতে কত কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) দুই হাজার
  2. খ) তিন হাজার
  3. গ) পাঁচ হাজার
  4. ঘ) নয় হাজার
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসের অর্থনৈতিক ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে কৃষিতে প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা দিয়েছেন। ৫ হাজার কোটি টাকার এই প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় গ্রাম এলাকার ক্ষুদ্র চাষীরাও সহায়তা পাবে। একই সঙ্গে করোনার কারণে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধিতে আগামী বাজেটে সারের ক্ষেত্রে আরও ৯ হাজার কোটি টাকার ভর্তুকি প্রদানের ঘোষণা দিয়েছেন সরকার প্রধান শেখ হাসিনা। (রেফারেন্সঃ যুগান্তর)
১,৪৯৬.
“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী” গানটির সুরকার কে?
  1. ক) আব্দুল আহাদ
  2. খ) আলতাফ মাহমুদ
  3. গ) আব্দুল লতিফ
  4. ঘ) মাহদুদুন্নবী
ব্যাখ্যা
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:

- “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এই গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আব্দুল লতিফ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
১,৪৯৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৭%
  2. ৬.৫%
  3. ৪.৫%
  4. ৫.৬%
ব্যাখ্যা

- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

​অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- রপ্তানি আয়: ৪০,৮৭৫ মিলিয়ন ডলার।
- সাক্ষরতার হার: ৭৭.৯%।
- জিডিপি'র (উৎপাদন মূল্য) প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

​উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১,৪৯৮.
বাংলাদেশ মসলা গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঈশ্বরদী,পাবনা
  2. শিবগঞ্জ, বগুড়া
  3. সাভার, ঢাকা
  4. নশিপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
মসলা গবেষণা কেন্দ্র: 
- বাংলাদেশ মসলা  গবেষণা কেন্দ্র অবস্থিত শিবগঞ্জ , বগুড়া।
- বাংলাদেশ মসলা  কেন্দ্র ১৯৯৫ সালে  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর ৩টি আঞ্চলিক কেন্দ্র  এবং ৭টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- মসলা গবেষণা কেন্দ্র কর্তৃক ২৭ টি মসলা জাতীয় ফসলের উপর এ পর্যন্ত সর্বমোট ৫৭ টি জাত উদ্ভাবিত হয়েছে, 
- তাছাড়া উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষে উৎপাদন প্রযুক্তি, মৃত্তিকা ও পানি ব্যবস্থাপনা, পোকামাকড় ও রোগ বালাই ব্যবস্থাপনা, পোষ্ট-হারভেষ্ট প্রযুক্তিসহ আরও ৬৬টি উন্নত প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হইয়াছে। 

⇒ উল্লেখ্য,
- ১৯৯৫- ৯৬ সালে এ দেশে ১.৩৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে মসলা জাতীয় ফসলের উৎপাদন ছিল ৩.০০ লক্ষ মেঃ টন
- কিন্তু বর্তমানে ৪.২৯ লক্ষ হেক্টর জমিতে মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদন হচ্ছে ৩৫.৯৩ লক্ষ মেঃ টন।
- তুলনামূলকভাবে মসলা ফসলের মোট উৎপাদন বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১১.৯৮ গুন।

উৎস: মসলা গবেষনা প্রতিষ্ঠান ওয়েবসাইট।
১,৪৯৯.
আইয়ুব খানের 'মৌলিক গণতন্ত্র' রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় কতজন মৌলিক গণতন্ত্রী ছিল?
  1. ৫০ হাজার 
  2. ৮০ হাজার
  3. ১ লক্ষ
  4. ১.৫ লক্ষ
ব্যাখ্যা

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ' ব্যবস্থাটি জারি করেন আইয়ুব খান।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য,
- উচ্চ বিলাসী আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন। অতঃপর তিনি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।
- ১৯৫৯ সালের অক্টোবর মাসে আইয়ুব খান 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেন। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের দুই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজার করে ৮০ - হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

[উল্লেখ্য যে, [শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৫০০.
কোনটি বাংলাদেশের মুদ্রাবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা?
  1. BSEC
  2. FID
  3. Bangladesh Bank
  4. CDBL
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়।
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে।
- এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে।
- তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম।
- সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।