বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪৮ / ৩০৬ · ১৪,৭০১১৪,৮০০ / ৩০,৮৩২

১৪,৭০১.
লালন শাহ সেতু কোন নদীর উপর?
  1. পদ্মা
  2. মেঘনা
  3. যমুনা
  4. আড়িয়াল খাঁ
ব্যাখ্যা
লালন শাহ সেতু:

- লালন শাহ সেতু ঈশ্বরদী হার্ডিঞ্জ ব্রীজের অদূরে পদ্মা নদীর উপর নির্মাণ করা হয়।
- সেতুটি ২০০১ সালের ১৩ জানুয়ারী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- সেতুটি নির্মাণ শুরু হয় ২০০৩ সালে।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১.৮ কিমি এবং প্রস্থ ১৮.১০ মিটার।

তথ্যসূত্র - পাবনা জেলা ওয়েবসাইট।
১৪,৭০২.
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৬
  2. অনুচ্ছেদ-৩৯(২)
  3. অনুচ্ছেদ-৩৯(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৪১
ব্যাখ্যা

• ’সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯(২) অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- অনুচ্ছেদ:৩৯:  চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৯। (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

• ৩৯।(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
- (ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
- (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ: ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
- অনুচ্ছেদ: ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,৭০৩.
মসজিদের শহর বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) রিয়াদ
  2. খ) জাকার্তা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) ইস্তানবুল
ব্যাখ্যা
ঢাকাকে মসজিদের শহর বলা হয়। তবে সম্প্রতি ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বাগেরহাটকে মসজিদের শহর বলে আখ্যায়িত করেছে।
১৪,৭০৪.
রাজস্ব আদায়ের জন্য পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু করেন-
  1. ক) লর্ড ক্যানিং
  2. খ) ওয়ারেন হেস্টিংস
  3. গ) লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. ঘ) লর্ড বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা
নির্দিষ্ট রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর স্থায়ী মালিকানা দান করে যে ভূমি বন্দোবস্ত চালু করা হয় তাকেই "চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত" বলা হয়।
ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং একসালা বন্দোবস্ত করে ভূমিব্যবস্থায় পরিবর্তন আনেন। তবে এই ব্যবস্থা প্রয়োজনীয় রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হয়।
এই পরিস্থিতিতে কর্নওয়ালিস প্রথমে দশসালা পরে ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে একে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হিসেবে ঘোষণা করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী]
১৪,৭০৫.
বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান কত? ( মে ২০২৫)
  1. ১১.০২%
  2. ৩৭.০৪%
  3. ৫১.৪৪%
  4. ৩৭.৯৫%
ব্যাখ্যা
 বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-২০২৫ অনুসারে , অর্থনীতিতে বিভিন্ন খাতের অবদান : 
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান - ১১.১৯%।
- জিডিপিতে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৩০%।
- জিডিপিতে শিল্পে খাতের অবদান - ৩৭.৩৭%।
- জিডিপিতে শিল্পে খাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৫১% ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান -৫১.৪৪%।
- জিডিপিতে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৫.০৯%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৪,৭০৬.
ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন কে?
  1. লর্ড মেয়ো
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড বেন্টিং
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
লর্ড মেয়ো ও ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন।
- তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যদিকে, 
-.১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- ১৮২৯ সালে রাজা রামমোহন রায়ের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় লর্ড বেন্টিং এই উপমহাদেশে সতীদাহ প্রথা রহিত করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় লর্ড ডালহৌসি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।

উৎস : ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭০৭.
নিম্নের কোনটির কারণে বাজারের দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়?
  1. মুদ্রাস্ফীতি
  2. বাণিজ্য ঘাটতি
  3. তারল্য সংকট
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীতি:
- বাজারে উৎপাদনের তুলনায় মুদ্রার সরবরাহ বেড়ে গেলে মুদ্রাস্ফীতি ঘটে।
- অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতি হলো মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি।
- এতে করে টাকা তথা মুদ্রার মান হ্রাস পায়। পক্ষান্তরে দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়।

⇒ মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব:
• উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব:
- পূর্ণ নিয়োগস্তর অতিক্রান্ত হওয়ার পর যদি মুদ্রাস্ফীতি ঘটে তাহলে মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ও কর্মনিয়োগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয় না।
- ফলে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করে এবং দেশের উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

• আয় বণ্টনের উপর প্রভাব
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থ ও সম্পদ এক শ্রেণীর লোকের হাত হতে অন্য এক শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যায়।

• মুদ্রাস্ফীতির ফলে সাধারণ মূল্যস্তর ও উৎপাধন ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
- ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পায়।

অন্যদিকে,
- একটি দেশ যখন পণ্য রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি করে তখন তাকে বাণিজ্য ঘাটতি বলে।
- কোনো কারণে গ্রাহক যদি ব্যাংকের নিকট (তার সঞ্চিত অর্থ কিংবা বিনিয়োগের জন্য ঋণের টাকা) চেয়ে না পান তখন যে অবস্থার সৃষ্টি হয় সেই অবস্থা। অর্থাৎ গ্রাহকের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর মতো টাকা ব্যাংকে জমা না থাকার মত অবস্থাকে তারল্য সংকট বলে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭০৮.
তুমি কি দেখেছো কভু গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) আব্দুল জব্বার
  2. খ) গাজী মাযহারুল আনোয়ার
  3. গ) সত্য সাহা
  4. ঘ) মো. মনিরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
২০০৬ সালে বিবিসি বাংলার জরিপে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ গানের তালিকায় ২০তম ছিলো ''তুমি কি দেখেছো কভু, জীবনের পরাজয়'' গানটি। এটির শিল্পী আব্দুল জব্বার, সুরকার সত্য সাহা এবং রচয়িতা ডক্টর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। এটি ১৯৬৮ সালে প্রথম গাওয়া হয়। (সূত্রঃ বিবিসি বাংলা)
১৪,৭০৯.
দেশের সর্বশেষ বিভাগ কোনটি? [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. কুমিল্লা বিভাগ
  2. ময়মনসিংহ বিভাগ
  3. বরিশাল বিভাগ
  4. রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভাগসমূহ: 
- বাংলাদেশ আটটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত যাদের বাংলায় বিভাগ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- বাংলাদেশের ৮টি বিভাগগুলো হলো:
• ঢাকা বিভাগ,
• চট্টগ্রাম বিভাগ,
• রাজশাহী বিভাগ,
• খুলনা বিভাগ,
• সিলেট বিভাগ,
• বরিশাল বিভাগ,
• রংপুর বিভাগ,
• ময়মনসিংহ বিভাগ।

⇒ ময়মনসিংহ বিভাগ:
- বাংলাদেশের অষ্টম প্রশাসনিক বিভাগ হলো ময়মনসিংহ।
- জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলা নিয়ে ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত।
- ঢাকা বিভাগকে ভেঙ্গে দেশের অষ্টম বিভাগ ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টি করে।
- এই বিভাগের আয়তন ১০,৫৮৪ বর্গকিলোমিটার।
- এটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৭১০.
বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু-
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. জাতীয় সংসদ
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- জাতীয় সংসদ কেবল আইন প্রণয়নের কেন্দ্রস্থল নয়;
- মন্ত্রীরা জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ায় তা শাসন ব্যবস্থার সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে এক কক্ষ বিশিষ্ট আইন পরিষদ (Unicameral) রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী এই আইন পরিষদই জাতীয় সংসদ।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের কল্যানে আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কার্যত সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- সংবিধানের ৬৫ (১) ধারা অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে।
- এবং সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা এ সংসদের উপর ন্যাস্ত।
- তবে জাতীয় সংসদের যে কোন আইন মানবাধিকার পরিপন্থী ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে বিচার বিভাগ তা বাতিল করতে পারে।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।[লিঙ্ক]।
১৪,৭১১.
অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের কোন পরিবর্তন আনা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির অধীনে হাইকোর্ট আনা
  2. আপিল বিভাগ বাতিল
  3. ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ছয়টি বেঞ্চ স্থাপন
  4. সুপ্রিম কোর্ট বাতিল
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়।
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়।
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৪,৭১২.
চন্দ্রবংশীয় লিপিতে নিচের কোন জনপদের উল্লেখ রয়েছে?
  1. মৌর্য
  2. হরিকেল
  3. গুপ্ত
  4. বঙ্গ
ব্যাখ্যা
হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭১৩.
১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে বিদ্যমান ছিলো?
  1. ক) জরুরি অবস্থা জারির বিধান
  2. খ) রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ব্যতীত বিদেশি খেতাব গ্রহণ নিষিদ্ধ
  3. গ) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ঘ) সংসদের হাতে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে ৯৬ (২) দফানুযায়ী বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত ছিলো। ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনী দ্বারা তা রহিত করে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে ন্যস্ত করা হয়। ২০১৪ সালে ষোড়শ সংশোধনী দ্বারা পুনরায় বাহাত্তর সালের বিধানটি প্রতিস্থাপিত করা হয়। কিন্তু সুপ্রিমকোর্ট তা অবৈধ ঘোষণা করে। জরুরি অবস্থার বিধান ১৯৭৩ সালে দ্বিতীয় সংশোধনী দ্বারা, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমান ব্যতীত বিদেশি খেতাব গ্রহণ নিষিদ্ধ বিধান ১৯৮৮ সালে অষ্টম সংশোধনী দ্বারা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা গৃহীত হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১৪,৭১৪.
ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়-
  1. ক) ১৯৫১
  2. খ) ১৯৫২
  3. গ) ১৯৪৭
  4. ঘ) ১৯৪৮
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিস ১৯৪৭ সালে আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের, (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) একটি ইসলামি সাংস্কৃতিক সংগঠন। 
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে দাবি তুলে তমদ্দুন মজলিস বাংলা ভাষা আন্দোলন শুরু করে। যদিও এই সংগঠনের প্রতিবাদ লেখালেখির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

ভারত এবং পাকিস্তান স্বাধীনতা লাভের মাত্র ৭ মাস পরে, ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে পাকিস্তানের গভর্নর মোহাম্মদ আলি জিন্নাহ ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এবং ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল্যের বিশেষ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উর্দু এবং উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্র ভাষা।
- এই ঘোষণা করলে সদ্য জাত রাষ্ট্রে ভাষা আন্দোলন প্রকাশ্যরূপ ধারণ করে। 


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণী

১৪,৭১৫.
'মনপুরা ৭০' শিল্পকর্মটি কী নিয়ে আঁকা?
  1. দুর্ভিক্ষ
  2. ঘুর্ণিঝড়
  3. গ্রামীণ সৌন্দর্য্য
  4. নদীর সৌন্দর্য্য
ব্যাখ্যা

 মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- এটি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এপর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,৭১৬.
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান কে ছিলেন।
  1. এম. মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ 
• একাত্তরের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'।
• এই পরিষদের নেতৃবৃন্দ মূলত মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একাত্তরের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকেই সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
• আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করায় বিশ্বব্যাপী মুজিবনগর সরকার একটিই বার্তা দিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি বাঙালির সর্বজনীন; কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক কোনো বিষয় নয়।
• ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

৮ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে ছিলেন -
• আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
• মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির চেয়ারম্যান।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং নবম - দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭১৭.
ড. শামসুজ্জোহা কে ছিলেন?
  1. সার্জেন্ট
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর
ব্যাখ্যা
গণঅভ্যুত্থান এর ঘটনাবলি: 
- ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
- জহুরুল হকের হত্যার প্রতিবাদে ১৬ই ফেব্রুয়ারি আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৮ই ফেব্রুয়ারি সেনাবাহিনী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহাকে বেয়োনেট চার্জ করে হত্যা করে।
- ১৮ই ফেব্রুয়ারির পর থেকে আন্দোলন আরও বেগবান হলে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে।
- আইয়ুব খান বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক আহ্বান করলে নেতারা তা প্রত্যাখ্যান করেন।
- আইয়ুব খান বুঝতে পারেন, আগরতলা মামলা প্রত্যাহার ও অভিযুক্তদের মুক্তি না দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।
- অবশেষে গণঅভ্যুত্থানের চাপে ২১শে ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান ঘোষণা দেন, পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে তিনি আর প্রার্থী হবেন না।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪,৭১৮.
বাংলাদেশে ১ বছরের নিচে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুহার কত?
  1. ক) ১৯
  2. খ) ২১
  3. গ) ২৫
  4. ঘ) ২৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রকাশিত SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে বিভিন্ন বয়সী শিশু মৃত্যুহার:

- ৫ বছর বয়সী : ২৮
- ১ বছর বয়সী : ২১
- ১ মাস বয়সী : ১৫।

(তথ্যসূত্র: বিবিএস SVRS-2020 রিপোর্ট)
১৪,৭১৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুযায়ী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত?
  1. ৪০০০০০ টাকা
  2. ৪৫০০০০ টাকা
  3. ৪৭৫০০০ টাকা
  4. ৫০০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১৪,৭২০.
'উয়ারি বটেশ্বর' কী?
  1. ক) প্রাচীন বৃক্ষ
  2. খ) প্রত্নস্থান
  3. গ) প্রাচীন দেয়াল
  4. ঘ) বিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থান।

• উয়ারী-বটেশ্বর:

- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবিস্থত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত
- ধারণা করা হয় এটি মাটির নিচে অবস্থিত একটি দুর্গ-নগরী। 
- বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী এটি প্রায় আড়াই হাজার বছরের পুরনো।
- ১৯৩০-এর দশকে মুহম্মদ হানিফ পাঠান নামের স্কুল শিক্ষক প্রথম উয়ারী-বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরেন।
- ১৯৯৬ সাল থেকে উয়ারী-বটেশ্বর অঞ্চলে প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপের কাজ সম্পন্ন করা হয় এবং ২০০০ সাল থেকে উয়ারী-বটেশ্বরে নিয়মিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননের কাজ শুরু হয়।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্মস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী দুর্গ নগরের বাইরে আরো ৫০ টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭২১.
Which is the top district in rice production according to Agricultural Statistics Year Book 2022?
  1. Thakurgaon
  2. Bogra
  3. Mymensingh
  4. Jhenaidah
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২ অনুযায়ী:

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা সাতক্ষীরা। 
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা বগুড়া।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১৪,৭২২.
কোন দুই রাষ্ট্রপ্রধান বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি প্রথম স্বাক্ষর করে?
  1. ক) মনমোহন সিং ও শেখ হাসিনা
  2. খ) শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদী
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী
  4. ঘ) লাল বাহাদুর শাস্ত্রী ও শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভারত স্থল সীমান্ত চুক্তি (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) প্রথম স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ অনুমোদন করে ১৯৭৪ সালে কিন্তু ভারত তখন অনুমোদন করেনি‌।
- ৬ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় রাজ্যসভায় বিলটি পাশ হয় এবং ৭ মে ২০১৫ সালে ভারতীয় সংসদের লোকসভায় বিলটি পাস হয়।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১ আগস্ট ২০১৫ সালে। এর ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার ছিট মহল বিনিময় হয়।

উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট ।
১৪,৭২৩.
পাকিস্তানের শতকরা কত জনের মাতৃভাষা বাংলা ছিল?
  1. শতকরা ৪৮ ভাগ
  2. শতকরা ৪৬ ভাগ
  3. শতকরা ৫২ ভাগ
  4. শতকরা ৫৬ ভাগ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র ভাষা বিতর্ক:
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই এর রাষ্ট্র ভাষা কি হবে এ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
- পাকিস্তান ছিল একটি বহুভাষী রাষ্ট্র।
- এর মোট জনসংখ্যার শতকরা ৫৬ ভাগের মাতৃভাষা ছিল বাংলা।
- পক্ষান্তরে মোট জনসংখ্যার শতকরা মাত্র ৬ ভাগ ছিল উর্দুভাষী।
- এ হিসেবে বাংলা ছিল সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা।
- আর সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষা হিসেবে 'বাংলার' রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে মর্যাদা লাভ ছিল স্বাভাবিক।
- কিন্তু পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং উর্দুভাষী বুদ্ধিজীবীগণ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন।
- এক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভাষা হিসেবে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষা হিসেবে ঘোষণার দাবি উপেক্ষা করা হয়।

উৎস: ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭২৪.
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. আবুল মনসুর আহমদ
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আহমদ ছফা
  4. আব্দুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা

আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর:
- ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটির রচয়িতা বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক ও সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ।
- এটি মূলত তাঁর আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।
- এখানে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে পাকিস্তান আমল পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ ফুটে উঠেছে।
- আবুল মনসুর আহমদের লেখা বহুল পঠিত ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করছেন রোচনা মজুমদার।

• আবুল মনসুর আহমেদ:
- আবুল মনসুর আহমদ ১৮৯৮ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ৮০ বছর বয়সে ১৯৭৯ সালের ১৮ মার্চ মারা যান।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে ‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’, ‘আত্মকথা’, ‘বেশী দামে কেনা কম দামে বেচা আমাদের স্বাধীনতা’, ‘শেরে বাংলা হইতে বঙ্গবন্ধু’, ‘বাংলাদেশের কালচার’, ‘গালিভারের সফরনামা’, ‘ব্যঙ্গরচনা’, ‘আয়না’, ‘ফুড কনফারেন্স’ প্রভৃতি।
- আবুল মনসুর আহমদ ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার কলকাতা থেকে প্রকাশিত দৈনিক কৃষক, নবযুগ ও ইত্তেহাদ-এর সম্পাদক ছিলেন।
- তিনি শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের যুক্তফ্রন্ট সরকারে প্রাদেশিক শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। ১৯৫৭ সালে তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সরকারে ছিলেন কেন্দ্রীয় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো। 

১৪,৭২৫.
‘সোনালিকা’ ও ‘আকবর’ বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কীসের নাম?
  1. ক) উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
  2. খ) উন্নত জাতের ধানের নাম
  3. গ) বেসরকারি কৃষি সংস্থার নাম
  4. ঘ) উন্নত জাতের গমের নাম
ব্যাখ্যা
- সোনালিকা ও আকবর হলো গমের দুটি জাত।
গমের অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- দোয়েল
- বলাকা
- কাঞ্চন
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র:- কৃষিশিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
১৪,৭২৬.
হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত চলচ্চিত্র নয় কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. ঘেটুপুত্র কমলা
  3. শ্রাবণ মেঘের দিন
  4. মুক্তির গান
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:

- 'মুক্তির গান' হুমায়ূন আহমেদের পরিচালিত চলচ্চিত্র নয়।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭২৭.
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কতটি তফসিল আছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান তফসিলঃ
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,৭২৮.
বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের কতটি দেশে আম রপ্তানি করে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৩৮টি
  2. ২৭টি
  3. ৩২টি
  4. ৪৪টি
ব্যাখ্যা
আম উৎপাদনে বাংলাদেশ:
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে আম উৎপাদিত হয়েছে ২৪ লাখ টন। এর মধ্যে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৩২১ টন।
- দেশে মোট ৭২ ধরনের আমের উৎপাদন হয়।
- তবে রপ্তানি হয় সাত থেকে আট জাতের আম।
- ৩৮টি দেশে আম রপ্তানির অভিজ্ঞতা রয়েছে বাংলাদেশের।
- গত বছর অবশ্য রপ্তানি করা হয় ২১টি দেশে।
- বর্তমানে আম উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।

⇒ রাজশাহী, নওগাঁ, সাতক্ষীরা, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের ১৫টি জেলায় সবচেয়ে বেশি আম উৎপাদন হয়।
- বাংলাদেশের সুস্বাদু আম বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়। প্রধানত ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, যুক্তরাজ্য, ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন এবং কানাডার মতো দেশগুলোতে বাংলাদেশের আম রপ্তানি করা হয়।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো। 
ii) প্রথম আলো।
১৪,৭২৯.
মেথামফেটামাইন কী?
  1. বোমারু বিমান
  2. প্রাচীন জীবাশ্ম
  3. শক্তিশালী মাদক
  4. ক্যান্সার প্রতিরোধক ওষুধ
ব্যাখ্যা
শক্তিশালী মাদক মেথামফেটামাইন:
- ক্রিস্টাল মেথ আইস বা মেথামফেটামাইন এক ধরনের-শক্তিশালী মাদক।
-সম্প্রতি কক্সবাজারের রামুতে পাচারের সময় আইস নামে পরিচিত ক্রিস্টাল মেথসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা।
- ক্রিস্টাল মেথ (Methamphetamine) একটি শক্তিশালী মাদক, যা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র বা মস্তিস্ককে প্রভাবিত করে।
- ইয়াবায় এমফিটামিন থাকে পাঁচ ভাগ আর ক্রিস্টাল মেথ বা আইসের পুরোটাই এমফিটামিন।
- তাই এটি ইয়াবার চেয়ে অনেকগুণ বেশি ক্ষতিকর মাদক যা ইয়াবার চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ প্রতিক্রিয়া তৈরি করে মানবদেহে।

সূত্র- প্রথম আলো।
১৪,৭৩০.
হাজংদের অধিবাস কোথায়?
  1. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা
  2. কক্সবাজার ও রামু
  3. রংপুর ও দিনাজপুর
  4. সিলেট ও মণিপুর
ব্যাখ্যা
• হাজং:
- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।

- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এটি তারা নিজেদের মধ্যেই ব্যবহার করে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:
- বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭৩১.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রং ২টি।

জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রদের পক্ষে পতাকাটি উত্তোলন করেছিলেন তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আ স ম আব্দুর রব।।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২ মার্চ ২০২৩।
১৪,৭৩২.
'সোনালিকা' কোন উন্নত জাতের ফসলের নাম?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
• ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা।
• গম: সোনালিকা ও আকবর
• তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
• আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ।
• টমেটো: বাহার।
• মরিচ: যমুনা।
• বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
• আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৪,৭৩৩.
'জুলাই জাতীয় সনদ' স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কয়টি রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন?
  1. ২৩টি
  2. ২৪টি
  3. ২৫টি
  4. ২৬টি
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ:
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- জুলাই জাতীয় সনদকে চব্বিশের জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে জনগণের ত্যাগ ও রক্তদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রণীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
- এই সনদ বাস্তবায়নে মোট সাত দফা অঙ্গীকার করা হয়েছে।
- জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ২৫টি রাজনৈতিক দলের নেতারা অংশ নিয়েছেন।

⇒ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ২৪টি রাজনৈতিক দলের ৪৮ জন প্রতিনিধি আনুষ্ঠানিকভাবে ওই সনদে সই করেন।
- গণফোরাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকলেও সই করেনি সনদে। 
- এরপর সই করেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ কমিশনের সদস্যরা। 
- সাত দফা অঙ্গীকারনামার ভিত্তিতে প্রণীত ৪০ পৃষ্ঠার এই সনদের তিনটি ভাগের মধ্যে প্রথম ভাগে পটভূমি, দ্বিতীয় ভাগে ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব ও তৃতীয় ভাগে সনদ বাস্তবায়নের সাত দফা অঙ্গীকার রয়েছে। এই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদের পটভূমি ব্যাখ্যা করে সংস্কারযজ্ঞ নিয়ে ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমসহ সংস্কারের ৮৪ দফা তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রাজনৈতিক দলগুলো কী অঙ্গীকার করছে, তা উল্লেখ করার পর স্বাক্ষরের জায়গা রাখা হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Daily Star Bangla.

১৪,৭৩৪.
সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের প্রথম সূত্রপাত ঘটে -
  1. ক) বিহারে
  2. খ) বাংলায়
  3. গ) মহারাষ্ট্রে
  4. ঘ) উত্তর ভারতে
ব্যাখ্যা
- সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের প্রথম সূত্রপাত ঘটে মহারাষ্ট্রে। 
- কিন্তু পরে এ আন্দোলন অধিক জোরদার হয়ে উঠে বাংলায়। 
- বঙ্গভঙ্গ ও স্বদেশী আন্দোলনে সরকারী দমন নীতির মোকাবেলায় বাংলার এক শ্রেণির যুবক বিপ্লব ও সন্ত্রাসবাদের পথ বেছে নেয়। 
- বিভিন্ন গুপ্ত সমিতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তারা বৈপ্লবিক ক্রিয়াকর্ম পরিচালনা করে এবং সশস্ত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বৃটিশ সরকারকে উৎখাতের চেষ্টা করে। 
- গুপ্ত সমিতিগুলোর মধ্যে ‘ঢাকার অনুশীলন সমিতি' ও কলকাতার ‘যুগান্তর সমিতি' ছিল প্রধান। 
- সারাদেশে এসব সংগঠনের অনেক শাখা প্রশাখা ছিল। 
- ‘যুগান্তর’ নামে যুগান্তর সমিতির একটি সাপ্তাহিক পত্রিকাও বের হতো।
-  এ দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মধ্যে ছিলেন অরবিন্দ ঘোষ, বারীন্দ্র ঘোষ, ভূপেন্দ্ৰ নাথ দত্ত প্রমুখ বিপ্লবীগণ। ঢাকার অনুশীলন সমিতির প্রধান সংগঠক ছিলেন পুলিন বিহারী দাস। 
 
উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, ইতিহাস ১ম পত্র; বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪,৭৩৫.
উপজাতিদের বর্ষবরণ উৎসবকে সামগ্রিকভাবে কি বলা হয়?
  1. বৈসাবি
  2. ওয়াংগালা
  3. সংগ্রাই
  4. সোহরাই
ব্যাখ্যা

বৈসাবি
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি। 
- তারা বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালন করে বাংলা নববর্ষ।
- পুরনো বছরের কালিমা আর জীর্ণতাকে ধুয়ে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় তারা। 
- আদিবাসীরা বর্ষবরণ উৎসব পালন করে বিভিন্ন নামে।
- কেউ বৈসু, কেউ সাংগ্রাই আবার কেউ বিজু।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত।
- সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।

অন্যদিকে,
- শুদুমাত্র গারোদের প্রধান উৎসবের নাম ওয়াংগালা।
- শুদুমাত্র মারমাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম সাংগ্রাই।
- সাঁওতালদের সবচেয়ে বড় উৎসবের নাম সোহরাই।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৪,৭৩৬.
বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বাধিক রাজস্ব আয় করে?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) আবগারি শুল্ক
  3. গ) আমদানি শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযােজন কর
ব্যাখ্যা
রাজস্ব বাের্ড কর্তৃক আহরিত করসমূহের উৎস - 
মূল্য সংযােজন কর - ১,৪১,১৯২ (৩৮.২%)।
• আয়, মুনাফা ও মূলধনের উপর কর - ১,২১,০২০ (৩২.৭%)।
• সম্পূরক শুল্ক - ৫৮,৫২৪ (১৫.৮%)।
• আমদানি শুল্ক - ৪৩,৯৯৪ (১১.৯%)।
• আবগারি শুল্ক - ৪,১২৭।   

জেনে রাখা ভালো, 
• বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
• ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
• দেশে বর্তমানে কর প্রদানকারীর সংখ্যা - ২৯ লাখ।    

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩।
১৪,৭৩৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. চতুর্থ
  2. একাদশ
  3. দ্বাদশ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ সংশোধনী: 
-  এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- দেশে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল সৃষ্টি করা হয়।
- যার নাম ছিল বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক লীগ (বাকশাল)।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয়।

অপরদিকে,
- পঞ্চম সংশোধনী: 
- এই সংশোধনীর লক্ষ্য ছিল সামরিক সরকারকে বৈধতা দান।
-  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত জারিকৃত সকল ফরমান,
- আদেশ ও সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দেয়া হয় ৫ম সংশোধনীর মাধ্যমে।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের প্রস্তাবনায় বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম সংযোজন করা হয়।
- সংবিধানের চারটি মূলনীতিতেও পরিবর্তন আনা হয়।
- বাঙালি জাতীয়বাদের বদলে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' ধর্মনিরপেক্ষতার বদলে 'সর্বশক্তিমান আলাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' প্রতিস্থাপন করা হয়।
- এছাড়া সমাজতন্ত্রের বদলে 'অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার অর্থে সমাজতন্ত্র' সংযোজন করা হয়।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ১৬ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ১৮ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ:
- (১) প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
- (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
- (ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হোন। 
- (খ) তাহার বয়স আঠারো (১৮) বৎসরের কম না হয়। 
- (গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
- (ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
- (ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ২৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৭৩৯.
বাংলাদেশে কপিরাইটের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৫০ বছর
  2. ৫৫ বছর
  3. ৬০ বছর
  4. ৬৫ বছর
ব্যাখ্যা
কপিরাইট:
- অজ্ঞাতনামা বা ছদ্মনামীয় কাজের স্বত্বাধিকারীর সংজ্ঞা নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে ‘কপিরাইট বিল, ২০২৩’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
- এতে বলা হয়েছে, কপিরাইটের মেয়াদ হবে ৬০ বছর।

উল্লেখ্য,
- মৌলিক সৃষ্টিকর্মের মালিকানা বা সত্ত্বাধিকারী নিশ্চিত করাই হচ্ছে কপিরাইট।
- সাহিত্য বা যেকোনো লেখা, শিল্পকর্ম, সংগীত, চলচ্চিত্র, স্থাপত্য, আলোকচিত্র, ভাস্কর্য, লেকচার, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, নকশা অর্থাৎ যা কিছু মৌলিকভাবে তৈরি করা হবে, সবকিছুই কপিরাইটের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
- কপিরাইট থাকলে বিনা অনুমতিতে সেগুলো ব্যবহার, পুনর্মুদ্রণ, অনুবাদ, প্রকাশ ইত্যাদি করা হলে এই আইনের আওতায় শাস্তি ও জরিমানা হতে পারে।
- বাংলাদেশে কপিরাইট আইন প্রথম তৈরি হয় ১৯৭৪ সালে।
- পরবর্তীতে ২০০০ সালে নতুন একটি কপিরাইট আইন করা হয়, যা পরে ২০০৫ সালে সংশোধন হয়।

উৎস: i) ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, সমকাল। [link]
         ii) ২৩ এপ্রিল ২০১৯, বিবিসি বাংলা।
১৪,৭৪০.
গণতান্ত্রিক শাসনে ‘বিকল্প সরকার’ বলতে সাধারণত কোনটিকে বোঝায়?
  1. সামরিক বাহিনী
  2. বিরোধী দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা

- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় 'বিকল্প সরকার' বলতে বিরোধী দলকে বোঝানো হয়। 

• বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৪,৭৪১.
পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার আবিষ্কার করেন কে?
  1. ধর্মপাল
  2. কানিংহাম
  3. জর্জ মার্শাল
  4. রাখালদাস
ব্যাখ্যা
- স্যার কানিংহাম সোমপুর বিহার আবিষ্কার করেন।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৭৪২.
বর্তমানে ভ্যাটের সর্বোচ্চ হার কত? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ৯.৫%
  2. ১২%
  3. ২৫%
  4. ১৫%
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে ভ্যাটের সর্বোচ্চ হার -১৫%।

• ভ্যাট:

- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

১৪,৭৪৩.
গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার গঠন করতে কী প্রয়োজন?
  1. নির্বাচনের আগে জনমত সংগ্রহ
  2. সেনা শক্তির সমর্থন
  3. বিচার বিভাগের অনুমোদন
  4. রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্রের বিকাশে রাজনৈতিক দল:
- গণতন্ত্র মানেই হচ্ছে রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি। 
- গণতন্ত্রের সফলতার জন্য রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব অপরিসীম।
- কেননা রাজনৈতিক দলই জনগণের মতামতকে সুসংগঠিত করে এবং জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায়
- রাজনৈতিক দল এর সদস্য ও নেতাদেরকে গণতান্ত্রিক আচার-আচরণে অভ্যস্ত হতে শেখায়।
- জনগণের স্বার্থবিরোধী সরকারকে অপসারণ করে রাজনৈতিক দল গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে।
- এমন সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন পৃথিবী বিভিন্ন দেশে দেখা যায়।
- গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় নির্দিষ্ট সময় অন্তর ক্ষমতার পরিবর্তন হয়।
- সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় সরকার গঠন করা হয়। রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ ছাড়া এ নির্বাচন সম্ভব নয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪,৭৪৪.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পূনর্বাসণ মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠন করা হয় বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

⇒ মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব,
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

⇒ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্ব:
- মুজিবনগর সরকার শাসনব্যবস্থা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন মন্ত্রণালয় গঠন করে।
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করে।
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- এই সরকার গঠনের পর থেকে অগণিত মানুষ দেশকে মুক্ত করার জন্য সশস্ত্র সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং দেশে ও বিদেশে এই যুদ্ধের জনমত গড়ে তোলা ও সমর্থন আদায় করার ক্ষেত্রে এই সরকার বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) দৈনিক ইত্তেফাক।

১৪,৭৪৫.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের মেয়াদকাল-
  1. ৪ বছর
  2. ৬ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমনঃ ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১৪,৭৪৬.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. আমিরুল ইসলাম
  3. ইউসুফ আলী
  4. এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে বোঝানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম  তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭৪৭.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

পানিপথের ৩য় যুদ্ধ:
- পানিপথের ৩য় যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে।

উল্লেখ্য, 
- ১৭৬১ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মারাঠাশক্তি।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে আফগান শাসক আহমদ শাহ আবদালির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় মারাঠাশক্তি।
- অষ্টাদশ শতকের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধগুলোর মধ্যে ভয়াবহতম ছিল এই যুদ্ধ। দু’পক্ষের প্রায় সত্তর হাজার সৈন্য প্রাণ হারিয়েছিলন।
- বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করেও আফগান বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়েছিল পেশওয়া শক্তি।
- পরে মারাঠাদের ওপর বীভৎস হত্যালীলা চালিয়েছিল আফগান সৈন্যরা। 
- এই যুদ্ধে পরাজিত হলে মারাঠা সাম্রাজ্য তছনছ হয়ে যায়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) Britannica.

১৪,৭৪৮.
'প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক (CMLA)' হিসাবে রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মীর্জা কাকে নিয়োগ করেন -
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) নূর খান
  3. গ) ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
• ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর রাত ১০.৩০ মিনিটে পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মেজুর জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক বাহিনীর সহায়তায় তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী মালিক ফিরোজ খান নুনের সংসদীয় সরকারকে উৎখাত করে সমগ্র দেশে সামরিক আইন (Martial Law) জারি করেন ২৪ ক্ষমতা গ্রহণের ক্ষণে ইস্কান্দার মীর্জা দেশে বিরাজমান দুর্নীতি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহারকে পাকিস্তানের অপশাসনের অন্যতম প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করেন ।
- সামরিক শাসন জারির ফরমানে ১৯৫৬ সালের সংবিধান, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকার, কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইনসভা বাতিল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এছাড়াও এ ফরমানবলে রাষ্ট্রপতি জেনারেল (অব.) ইস্কান্দার মীর্জা পরদিন ৮ অক্টোবর পাকিস্তানের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ আইয়ুব খানকে 'প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক' (CMLA) নিযুক্ত করেন।
- রাষ্ট্রপতি ইস্কান্দার মীর্জা ঘোষণা করেন যে, পাকিস্তান রাষ্ট্র এবং ইসলামকে রক্ষা, দুর্নীতি দূর করা এবং শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্যই তিনি সামরিক শাসন জারি করতে বাধ্য হয়েছেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজ্জামেল হক। 
১৪,৭৪৯.
BSTI-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh standards and testing Institute
  2. Bangladesh standards and testing Institution
  3. Bangladesh standards and technical Institution
  4. Bangladesh standards and technical Institute
ব্যাখ্যা
বিএসটিআই:
- BSTI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭ (The Bangladesh Standards and Testing Institution Ordinance, 37 of 1985) এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) কে একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও (Department of Agricultural Grading and Marking) বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।

⇒ বিএসটিআই-এর কাজ:
- পণ্য, সেবা ও প্রক্রিয়ার জাতীয় মান প্রণয়ন, তদানুযায়ী পণ্য পরীক্ষণ ও পণ্যের গুণগত মান সনদ (সার্টিফিকেশন) প্রদান এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।
- এছাড়া দেশব্যাপী ওজন ও পরিমাপের সকল ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং পরিমাপ যন্ত্রসমূহ ভেরিফিকেশন ও ক্যালিব্রেশনের দায়িত্বেও নিয়োজিত।

উৎস: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
১৪,৭৫০.
কে বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটান?
  1. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  2. সুলতান মাহমুদ
  3. বখতিয়ার খিলজি
  4. শেরশাহ 
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন সুলতানি যুগের পতন:
- নুসরত শাহের সময়কাল থেকেই শুরু হয় বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের পতন পর্ব।
- নুসরত শাহের উত্তরাধিকারীগণ ছিলেন দুর্বল।
- তাঁর ছোট ভাই গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ ১৫৩৩ খ্রিষ্টাব্দে ফিরোজ শাহকে হত্যা করে সিংহাসনে বসেন।
- কিন্তু তাতে অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি।
- বরং নুসরত শাহের শাসনকালে রাজ্যে যে ভাঙনের সূচনা হয়েছিল, মাহমুদ শাহের শাসনকালে তা সম্পূর্ণ হয়।
- তাঁর পাঁচ বছরের রাজত্বকালের উল্লেখযোগ্য ঘটনা আফগান যোদ্ধা শেরশাহ শূরের সাথে সংঘর্ষ।
- অবশেষে ১৫৩৮ সালে শেরশাহ গৌড় দখল করলে কেবল হুসেন শাহী বংশের নয়, বরং বাংলার দুই'শ বছরের স্বাধীন সুলতানি যুগের অবসান ঘটে।


 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১৪,৭৫১.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংকলন 'একুশে ফেব্রুয়ারি' গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. শামসুর রাহমান
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. মাহবুব উল আলম চৌধুরী
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক:
- ভাষা আন্দোলনভিত্তিক একুশের প্রথম সংকলন গ্রন্থের নাম: একুশে ফেব্রুয়ারি।

- গ্রন্থটির সম্পাদক: হাসান হাফিজুর রহমান।
- হাসান হাফিজুর রহমানের সাহিত্যচর্চার সূচনা: ছাত্রজীবন থেকেই।
- তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
- একই বছরে (১৯৫২) তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে, তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’।

অন্যদিকে,
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতাটি লেখেন মাহবুব উল আলম চৌধুরী।
- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রথম উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' এর রচয়িতা জহির রায়হান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৪,৭৫২.
বাংলাদেশে বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ড. সিরাজুল আলম
  2. এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন
  3. বেগম তাহমিদা আহমদ
  4. মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
ব্যাখ্যা

প্রধান নির্বাচন কমিশনার:
- নির্বাচন কমিশনার সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার সহ অনধিক চারজন কমিশনার মিলে মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। [জানুয়ারি, ২০২৬]
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।

উল্লেখ্য, 
- অপর চারজন সহকারী কমিশনার:
- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ
- বেগম তাহমিদা আহমদ,
- জনাব আব্দুর রহমানেল মাছউদ,
- মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

১৪,৭৫৩.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয় কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- সাধারণত যেকোন প্রতিষ্ঠিত সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্ব পর্যন্ত বিদায়ী সরকারের নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার হিসেবে দায়িত্ব পালনের প্রথা লক্ষণীয়।
- এ স্বল্পস্থায়ী সরকার দৈনন্দিন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করে এবং নীতি নির্ধারণী কার্যক্রম থেকে বিরত থাকে, যাতে এ সরকারের কার্যাবলী নির্বাচনের ফলাফলে কোনো প্রভাব সৃষ্টি না করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- কোনো সাংবিধানিক সংশোধনী ছাড়াই ১৯৯০ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনীর অধীনে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭৫৪.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের অনুন্নয়ন বাজেটে সবচেয়ে বেশি বরাদ্দ কোন খাতে?
  1. ভর্তুকি ও প্রণোদনা
  2. সুদ
  3. বেতন-ভাতা
  4. পেনশন
ব্যাখ্যা

জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১৪,৭৫৫.
খিয়াংদের গ্রাম কী নামে পরিচিত?
  1. নাম
  2. পাড়া
  3. পুঞ্জি
  4. বারাং
ব্যাখ্যা
খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭৫৬.
‘কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি’ গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে
  2. খ) ১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে
  3. গ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে
  4. ঘ) ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৫ সালের ২রা জানুয়ারি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিপক্ষে একক প্রার্থী দাড় করানোর উদ্দেশ্যে তৎকালীন বিরোধীদলগুলো কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি (কপ) গঠন করে।
- কপে অন্তর্ভুক্ত দলসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- আওয়ামী লীগ
- ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)
- কাউন্সিল মুসলিম লীগ
- নেজামে ইসলাম প্রভৃতি।
- এই জোট থেকে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট পদে ‘কপ’ এর প্রার্থী হিসেবে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর বোন ফাতেমা জিন্নাহ কে প্রার্থী করা হয়।
- কিন্তু মৌলিক গণতন্ত্রীদের সমর্থন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের কারসাজিতে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সহজেই জয় লাভ করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৭৫৭.
'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৪৮
  2. অনুচ্ছেদ-১৪২
  3. অনুচ্ছেদ-১৪৫ক
  4. অনুচ্ছেদ-১৫০
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- 'ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী' বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫০ তে উল্লেখ করা হয়েছে। 

এছাড়াও-
• বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ। 
- অনুচ্ছেদ-১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী। 

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৭৫৮.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়া নির্দেশনা প্রদান করেন?
  1. ক) ২০১০
  2. খ) ২০১১
  3. গ) ২০০৯
  4. ঘ) ২০১২
ব্যাখ্যা
১৯৮৩ সাল থেকে শুরু হয় বিনামূল্যের পাঠ্যবই বিতরণ।
তবে ২০০৯ সাল পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের নির্ধারিত কয়েকটি বিষয়ের বই-ই কেবল শিক্ষার্থীদের দেওয়া হতো।
ঝরেপড়া রোধ করতে ও শতভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ধরে রাখার স্বার্থে ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেয় শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকার।
২০১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে বছরের প্রথম কর্মদিবসে পাঠ্যপুস্তক উৎসব পালন করা হয়।
২০১৪ সাল থেকে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রাক-প্রাথমিকও।
২০১৫ সালে যুক্ত হয়েছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিশুদের ব্রেইল বই ও মাল্টিমিডিয়া সিডি।
আবার বেশ কিছু আদিবাসী গোষ্ঠীর শিশুদের জন্য তাদের বর্ণমালায় পাঠ্যপুস্তক বিনামূল্যে বিতরণ করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

উৎসঃ বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।
১৪,৭৫৯.
টাঙ্গাইল জেলা ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে?
  1. চাকমা
  2. রাখাইন
  3. গারো
  4. খেয়াং
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইল জেলা ও ময়মনসিংহের গারো পাহাড়ে গারো সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে।

গারো:
- গারো  বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- গারো ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় ও বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী আদিবাসী সম্প্রদায়।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- জাতিগত পরিচয়ের ক্ষেত্রে অনেক গারোই নিজেদেরকে মান্দি বলে পরিচয় দেন।
- গারোদের সমাজে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার প্রথা প্রচলিত।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- গারোদের ভাষায় 'মান্দি' শব্দের অর্থ হল 'মানুষ'।
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।

উৎস: নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭৬০.
প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর পরিচালক কে?
  1. শেখ নিয়ামত আলী
  2. আব্দুল জব্বার খান
  3. খান আতাউর রহমান
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা

মুখ ও মুখোশ:
- পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় ।
- মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয় রূপমহল প্রেক্ষাগৃহে।
- এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন পূর্ব পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
          ii) বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।

১৪,৭৬১.
গনভোটের বিধান বাতিল করা হয় কবে?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপুর্ন কোন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোট বা Referendum বলা হয়।
- যখনই কোন ক্রান্তিকাল উপস্থিত হয়, তখন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য জনমত যাচাই করা হয় গনভোটের মাধ্যমে।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল।
- কিন্তু ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে গনভোটের বিধান বাতিল করা হয়।
- গণভোট সংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদ : ৪৮ এবং ৫৬. তবে বর্তমানে এই অনুচ্ছেদ দুটিতে গনভোটের বিধান আর নেই।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার –
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ। (প্রশাসনিক )
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই। (প্রশাসনিক)
- তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ , সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব (একমাত্র সাংবিধানিক )।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

১৪,৭৬২.
উনিশ শতকে উপমহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা কোনটি?
  1. ক) খাসিয়া বিদ্রোহ
  2. খ) গারো বিদ্রোহ
  3. গ) সাঁওতাল বিদ্রোহ
  4. ঘ) রাখাইন বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একটি প্রধান নৃগোষ্ঠী হলো সাঁওতাল। তারা রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায় বাস করে।
- ধারণা করা হয়, সাঁওতালদের পূর্বপুরুষরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশের এসব অঞ্চলে আসে। আমাদের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ঝাড়খণ্ডে সাঁওতালদের বসবাস রয়েছে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত লোক। তাঁদের দেহের রং কালো, উচ্চতা মাঝারি ধরনের এবং চুল কালো ও ঈষৎ ঢেউ খেলানো।

সামাজিক জীবন: সাঁওতাল সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক। তাদের সমাজে পিতার সূত্র ধরে সন্তানের দল ও গোত্র পরিচয় নির্ণয় করা হয়। সাঁওতাল সমাজের মুল ভিত্তি হচ্ছে গ্রাম-পঞ্চায়েত। পঞ্চায়েত পরিচালনার জন্য সাধারণত পাঁচজন সদস্য থাকেন। এরা হলো মাঞ্জহি হারাম, জগমাঞ্জাবি, জাপরানিক, গোড়েৎ ও নায়কি । নায়কিকে তারা পঞ্চায়েত সদস্য নয় বরং ধর্মগুরু হিসাবে মনে করে। 

অর্থনৈতিক জীবন: সাঁওতালদের প্রধান জীবিকা হলো কৃষি। বৃহত্তর রাজশাহী, দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় তারা মূলত কৃষি শ্রমিক হিসাবে কাজ করে। নারী ও পুরুষ উভয়ই ক্ষেতে কাজ করে । তারা ধান, সরিষা, তামাক, মরিচ, তিল, ইক্ষু প্রভৃতি ফসলের চাষ করে। তাছাড়া বাঁশ, বেত, শালপাতা প্রভৃতি দ্বারা নানা প্রকার মাদুর, ঝাড়ু প্রভৃতি তৈরি করে নিজেদের প্রয়োজন মিটায় ও হাটে বিক্রি করে।

ধর্মীর জীবন: সাঁওতালরা প্রধানত প্রকৃতি পূজারি । তবে এদের একাংশ খ্রিষ্ট ধর্ম গ্রহণ করেছে এবং তারা খ্রিষ্ট ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান পালন করে থাকে।

সাংস্কৃতিক জীবন: সাঁওতালদের প্রধান খাদ্য ভাত। তাদের বাড়ির দেয়াল মাটির তৈরি এবং তাতে খড়ের ছাউনি থাকে। সাঁওতালদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে 'সোহরাই' এবং 'বাহা' উল্লেখযোগ্য। তাদের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো ‘ঝুমুর নাচ'। সাঁওতালদের বিবাহ অনুষ্ঠানে আয়োজিত হয় 'দোন' ও 'ঝিকা' নাচ।

- সাঁওতালদের মধ্যে শিক্ষিতের হার খুব কম হলেও বর্তমানে সাঁওতাল পরিবারের ছেলে-মেয়েরা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহী হচ্ছে।
- ১৮৫৫ সালের ৩০ জুন সংঘটিত সাঁওতাল বিদ্রোহ ছিল ইংরেজ শাসন শোষণের বিরুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম ঐতিহাসিক বিদ্রোহ । এই বিদ্রোহের নায়ক দুই ভাই সিধু ও কানুকে সাঁওতালরা বীর হিসেবে ভক্তি করে

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
১৪,৭৬৩.
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১৬ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার:
• ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
• এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
• মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
• এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামারুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড
১৪,৭৬৪.
সম্প্রতি বাংলাদেশের বিপন্ন ভাষার ডকুমেন্টেশনের কাজ করছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. বাংলা একাডেমি
  2. আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

বিপন্ন ভাষার ডকুমেন্টেশন:
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট বর্তমানে বাংলাদেশের ৭টি বিপন্ন ভাষার ডকুমেন্টেশনের কাজ করছে।
- এগুলো হলো:
(১) রেংমিটচ্যা ভাষা: বান্দরবান জেলার আলিকদমে ব্যবহৃত;
(২) খুমি ভাষা: বান্দরবান জেলায় ব্যবহৃত;
(৩) পাত্র ভাষা: সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার কিছু অঞ্চলে ব্যবহৃত;
(৪) কন্দ ভাষা: সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলার কিছু অঞ্চলে ব্যবহৃত;
(৫) মুণ্ডা ভাষা: খুলনা ও বাগেরহাট জেলার কিছু অঞ্চলে ব্যবহৃত;
(৬) খাড়িয়া ভাষা: মৌলভীবাজার জেলার কিছু অঞ্চলে ব্যবহৃত; এবং
(৭) কোডা ভাষা: দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলা এবং রাজশাহী জেলার তানোর ও বাগমারা অঞ্চলে ব্যবহৃত। 

উল্লেখ্য,
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট একটি ভাষা গবেষণা কেন্দ্র।
- এটি মাতৃভাষা সংরক্ষণ, বহুভাষিক শিক্ষা প্রসার এবং বৈশ্বিক ভাষাগত বৈচিত্র্য রক্ষায় নিবেদিত।
- ২০১০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের চেতনায় অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করে, যা ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি ঘোষণার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
- মূলত এ ইনস্টিটিউট তৈরির মূল উদ্দেশ্য– বিশ্বের সব মাতৃভাষা সংরক্ষণ ও গবেষণা, ভাষাগত বৈচিত্র্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় নীতিমালা প্রণয়ন, বহুভাষিক শিক্ষার মাধ্যমে সামাজিক সমন্বয় বৃদ্ধি, বিপন্ন ভাষার ডকুমেন্টেশন ও ডিজিটাল সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে ভাষাসংক্রান্ত জ্ঞান বিনিময়।

উৎস: i) বাংলা ট্রিবিউন।
ii) সমকাল।

১৪,৭৬৫.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি শিল্প কারখানা চালু রয়েছে?
  1. ক) ৭ টি
  2. খ) ৮ টি
  3. গ) ৯ টি
  4. ঘ) ১০ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১০টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।
চালু কারখানাগুলোর মধ্যে
→ ৪টি ইউরিয়া সার কারখানা,
→ ১টি ডিএপি সার কারখানা,
→১টি টিএসপি সার কারখানা,
→ ১টি কাগজ কারখানা,
→ ১টি সিমেন্ট কারখানা,
→ ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও
→ ১টি স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা রয়েছে।
বিসিআইসি’র উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশই বিভিন্ন রাসায়নিক সার, যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার এবং ১০ শতাংশ অন্যান্য সার।

বিসিআইসি’র চালু কারখানাসমূহ:   
→ ১. চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ।   
→ ২. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।   
→ ৩. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।  
→ ৪. আশুগঞ্জ ফাটিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ।
→ ৫. টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ।    
→ ৬. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ।    
→ ৭. কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ।   
→ ৮. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ।   
→ ৯. উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ।    
→ ১০. বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ।    
 
তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩
১৪,৭৬৬.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে 'ইলামতি' জাতের আমের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে ?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নাটোর
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ও নাচোলে 'ইলামতি' জাতের আমের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
আমটি নাবি জাতের অর্থাৎ মৌসুমের শেষ দিকের।
নাবি জাতের আমগুলোর মধ্যে এটি সম্ভাবনাময় বলে মনে করছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারের কৃষিবিদেরা।
এখানকার কৃষিবিদেরা ২০১৩ সালে খুঁজে পেয়েছিলেন আরেকটি নাবি জাতের আম ‘গৌড়মতি’।
উৎস: প্রথম আলো। 
১৪,৭৬৭.
ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে -
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর প্রথম ভুটান ও ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব সহজসাধ্য ছিল না।
- কারণ, পাকিস্তানের বৈরী প্রচারণায় মুসলিম বিশ্বসহ চীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত।
- বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, জাপানসহ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন। 
- বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩০টি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে।
- এ ছাড়া জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ ও ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদসহ ১৪টি আন্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৭৬৮.
BFIU-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Bank Financial Intelligence Unit
  2. Bangladesh Financial Intelligence Unit
  3. Bank Financial Intelligence Unit
  4. Banking & Financial Intelligence Unit
ব্যাখ্যা
BFIU:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউ।
- BFIU- এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Financial Intelligence Unit।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯৭ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে যোগদান করার মাধ্যমে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার সাথে সম্পৃক্ত হয়।
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার অবৈধ হুন্ডি তৎপরতা, বিদেশে অর্থ পাচার এবং মানিলন্ডারিং তৎপরতা প্রতিরোধ ও দমনের কার্যক্রম জোরদারকরণের লক্ষ্যে ২৭ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় টাস্কফোর্স এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের আঞ্চলিক অফিসভিত্তিক ৭টি আঞ্চলিক টাস্কফোর্স গঠন করে এবং এপ্রিল ২০০২ এ দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম দেশ হিসেবে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন জারি করে।
- উক্ত আইনে বর্ণিত দায়িত্ব পালনের জন্য ১৮ জুন ২০০২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক 'মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিভাগ' নামে একটি পৃথক বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে, যা ২০১২ সালে পরিবর্তিত হয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) নাম ধারণ করে।

⇒ উদ্দেশ্য:
- বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) হলো সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসটিআর), নগদ লেনদেন প্রতিবেদন (সিটিআর) এবং রিপোর্টিং এজেন্সি এবং থেকে প্রাপ্ত মানি লন্ডারিং (এমএল) / সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন (টিএফ) সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করার জন্য দায়ী অন্যান্য উত্স এবং প্রাসঙ্গিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে তথ্য/গোয়েন্দা তথ্য প্রচার করা।
- বিএফআইইউ-এর মূল উদ্দেশ্য হল অর্থ পাচার প্রতিরোধ, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন এবং গণবিধ্বংসী অস্ত্রের বিস্তার রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

⇒ নির্বাহী পরিচালক ও উপ-প্রধান: একেএম এহসান,
- পরিচালক: মোহাম্মদ আনিসুর রহমান,
- পরিচালক: মোঃ মোস্তাকুর রহমান।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) BFIU ওয়েবসাইট।
১৪,৭৬৯.
বাংলাদেশ কত সালে OIC এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে 
ব্যাখ্যা

• OIC:
- পূর্ণরূপ: The Organisation of Islamic Cooperation
- এটি ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- OIC  হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর সদস্যপদ লাভ করে।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ. ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র: OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪,৭৭০.
'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' গানটির রচয়িতা -
  1. ক) আলতাফ মাহমুদ
  2. খ) আব্দুল লতিফ
  3. গ) গোবিন্দ হালদার
  4. ঘ) নজরুল ইসলাম বাবু
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্য

- সঙ্গীত শিল্পী আব্দুল লতিফ রচনা করেন এবং নিজেই সুর করেন বিখ্যাত সঙ্গীত 'ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়' এবং 'তোরা ঢাকা শহর রক্তে ভাসাইলি'।
- চট্টগ্রামে কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী লেখেন তাঁর বিখ্যাত 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'।
- ঢাকায় কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ লেখেন তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'স্মৃতির মিনার'।
- আব্দুল গাফফার চৌধুরী রচনা করেন 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি পারি'।


ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়

ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
ওরা কথায় কথায় শিকল পরায় আমার হাতে-পায়ে
ওরা কথায় কথায়,
শিকল পরায় আমাদেরই হাতে-পায়ে
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায় ।।......

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১৪,৭৭১.
কুরুখ নামে পরিচিত কোন জাতিগোষ্ঠী?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মুরং
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) ওঁরাও
ব্যাখ্যা

ওরাঁও রা যে ভাষায় কথা বলেন, তার নাম কুরুখ ভাষা। তাদেরকে কুরুখ জাতিও বলা হয়।
- ওরাওঁ আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তর পুরূষ।
- বাংলাদেশে বর্তমানে রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওরাওঁদের প্রধান বসতিস্থল।

উৎস: http://nrigostisanad.gov.bd/

১৪,৭৭২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় তেলিয়াপাড়া রণকৌশল অনুসারে কুমিল্লা অঞ্চলের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. মেজর কে এম সফিউল্লাহ
  3. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বাহিনীটা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে সেটাকেই মুক্তিবাহিনী বলে।
- এটার কয়েকটা ভাগ ছিল।
- যেমন: একটা ভাগে ছিল সেনাবাহিনী, ইপিআর, পুলিশ, আনসার আর আরেকটা অংশে ছিল ছাত্র-জনতা।
- সবাইকে মিলিয়ে বলা হতো মুক্তিবাহিনী।
- মুক্তি বাহিনীর কয়েকটি অংশের একটি ছিল ‘মুজিব বাহিনী’।

⇒ তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

⇒ এই ৪টি অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক ছিলেন:
ক) চট্টগ্রাম অঞ্চল: মেজর জিয়াউর রহমান,
খ) কুমিল্লা অঞ্চল: মেজর খালেদ মোশাররফ,
গ) সিলেট অঞ্চল: মেজর কে এম সফিউল্লাহ,
ঘ) দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চল: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলকে বিভক্ত করে রাজশাহী অঞ্চলে মেজর নাজমুল হক,
- দিনাজপুর অঞ্চলে মেজর নওয়াজেস উদ্দিন এবং খুলনা অঞ্চলে মেজর জলিলকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
- ৭ই জুলাই ১৯৭১ যুদ্ধের কৌশলগত কারণে সরকার নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনায় 'জেড ফোর্স' ব্রিগেড গঠন করেন।
- এই জেড ফোর্সের অধিনায়ক হলেন লেঃ কর্নেল জিয়াউর রহমান।
- একই ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে 'এস ফোর্স' এবং ১৪ই অক্টোবর 'কে ফোর্স' গঠন করা হয়।
- কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল খালেদ মোশাররফ।
- এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১৪,৭৭৩.
'ইউনেস্কো' কত তারিখে ৭ই মার্চের ভাষণকে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে?
  1. ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর
  2. ২০১৭ সালের ২৩ অক্টোবর
  3. ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর
  4. ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়।
- উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
- এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
- ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয়:
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর ।
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা 'We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History' শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'World's Documentary Heritage' এর মর্যাদা দিয়ে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বঙ্গবন্ধুর সেই অমর ভাষণকে  ইউনেস্কো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭৭৪.
দেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক কতটি?
  1. তিনটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. নয়টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি।
এগুলো হলো:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৪,৭৭৫.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধকে অবলম্বন করে রচিত উপন্যাস?
  1. মায়ের কাছে যাচ্ছি
  2. আমার যত গ্লানি
  3. খোয়াবনামা
  4. প্রসন্ন পাষাণ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস:

• রশীদ করীম রচিত 'আমার যত গ্লানি' উপন্যাস মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক। 
• এটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
• এটি উত্তম পুরুষে রচিত। 
• এই উপন্যাসের এরফান চৌধুরী নামের এক মধ্যবিত্তের আত্মগ্লানি দেখানো হয়েছে।
• স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিক অস্থিরতাকে আশ্রয় করে তিনি এটি রচনা করেন। 
• এতে ১৯৪৭ সাল থেকে ২৬ মার্চ, ১৯৭১ সালের মধ্যকার কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে।
• উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র ঢাকার একটি বহুজাতিক ফার্মের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণির এরফান চৌধুরী।
• উল্লেখ্য, 'মায়ের কাছে যাচ্ছি' ও ‘প্রসন্ন পাষান’ উপন্যাসের লেখক- রশীদ করীম।
• রশীদ করীমের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস ‘উত্তম পুরুষ’ (১৯৬১)।
• 'খোয়াবনামা' আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের দ্বিতীয় এবং সর্বশেষ উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর। 
১৪,৭৭৬.
এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৪]
  1. ভারত
  2. চীন
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• এশিয়ার সর্বাধিক জনবহুল দেশ - ভারত।
--------------------- 
• বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ — ভারত।
- দেশটির জনসংখ্যা ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।
- 'ভারত' এশিয়া মহাদেশের অন্তর্গত।  

[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।] 
--------------------------- 
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২৪।
১৪,৭৭৭.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কতজনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হয়?
  1. ২৯ জন
  2. ৩৪ জন
  3. ৩৫ জন
  4. ৪৪ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র' মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭৭৮.
Which one of the following minerals is found at Gopalpur area of Netrokona district? 
  1. Coal
  2. White clay
  3. Lime stone
  4. Hard rock
  5. None
ব্যাখ্যা
সাদা মাটি/চীনামাটি:
- সাদা মাটি বা চীনামাটি (kaolin) একটি বিশেষ ধরনের মাটি যা প্রধানত সিলিকেট মিনারেল থেকে তৈরি।
- এই সাদা মাটি চীনামাটি হিসেবেও পরিচিত।
- এটি সাধারণত সাদা রঙের, কিন্তু এর গুণমান ও বৈশিষ্ট্য বিভিন্ন হতে পারে।
- এই মাটি সিরামিক, পেপার, পেইন্ট, ওষুধ, প্রসাধনী এবং অন্যান্য অনেক শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর এবং গোপালপুর এলাকা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি, চট্টগ্রাম জেলার হায়দগাঁও এবং চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার বাইটুল ইজ্জত এলাকায় সাদা মাটির তলদেশে বা তলদেশে সাদা মাটির খনি রয়েছে।
- তবে এখানে পাওয়া সাদা মাটি সাধারণত উচ্চ মানের নয় এবং তাই এটি উচ্চ মানের আমদানিকৃত সাদা মাটির সাথে মিশিয়ে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২১ সালের ১৭ জুন জিআই পণ্য সনদ পায় নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পট সাদা মাটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১৪,৭৭৯.
বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ১৯দফা কর্মসূচী প্রণয়ন করেছিলেন?
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা

জিয়াউর রহমান:
- লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেনাপ্রধান এবং বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা, সেই সাথে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি'র প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- তিনি ছিলেন বীর উত্তম ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক এবং বাংলাদেশের নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি।
- জিয়াউর রহমান ১৯৩৬ সালের ১৯ জানুয়ারি বগুড়ার বাগবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। 
⇒ ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমান নিজেকে চেয়ারম্যান করে একটি নতুন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি গঠন করেন।
- ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে দেশের দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিএনপি ৩০০টির মধ্যে ২০৭টি আসনে জয়লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের আর্থ-সামাজিক মুক্তির লক্ষ্যে ১৯ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করেছিলেন। 
-  তিনি ১৯৭৭ সালের ৩০ এপ্রিল দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ওয়েবসাইট।

১৪,৭৮০.
কিওক্রাডাং-এর উচ্চতা প্রায়-
  1. ১০১০ মিটার
  2. ১৫৩০ মিটার
  3. ১২৩০ মিটার
  4. ১৩৬৪ মিটার
ব্যাখ্যা
• দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান এবং চট্টগ্রাম জেলার অংশবিশেষে অবস্থিত পাহাড়সমূহ নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত।
- এ অঞ্চলের পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা প্রায় ৬১০ মিটার।
- এখানকার পাহাড়গুলো পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে ক্রমশ বেড়েছে।

- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ তাজিং ডং বান্দরবান জেলায় অবস্থিত যার বর্তমান নাম বিজয়। এর উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- আবার এ অঞ্চলের দক্ষিণ-পূর্বপ্রান্তে বান্দরবান জেলার কিওক্রাডং পর্বত অবস্থিত যার উচ্চতা ১,২৩০ মিটার।
- এ অঞ্চলে পাহাড়ের মাঝে মাঝে বহু সংকীর্ণ উপত্যকা দেখা যায়।
- এ উপত্যকা দিয়ে কর্ণফুলী, সাঙ্গু, মাতামুহুরী, হালদা, কাসালাং, নাফ প্রভৃতি নদী প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭৮১.
'বিআর ৫' জাতের ধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য -
  1. নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন
  2. খরা সহিষ্ণু
  3. জিংক সমৃদ্ধ
  4. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

⇒ এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত:
- বিআর ৫।

⇒ জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো:
- ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।

⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো:
- ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।

⇒ লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত:
- বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত:
- ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৪,৭৮২.
বিদেশে অবস্থানরত দেশি জনগণের আয় কোনটির অন্তর্ভুক্ত হবে?
  1. GDP
  2. NNP
  3. GNP
  4. GNI
ব্যাখ্যা

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross national income or GNP):
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP-তে অন্তর্ভূক্ত হয়।

⇒ দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হল রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয় ।

অন্যদিকে -
⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP):
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- NNP হলো মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে । সুতরাং,
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP):
- NDP হলো নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ।
- মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন ।

উৎস: i) অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৭৮৩.
কৃষি বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কোন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. আমন ধান
  2. বোরো ধান
  3. আউশ ধান
  4. ইরি ধান
ব্যাখ্যা

- কৃষি বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বোরো ধান উৎপাদিত হয়।
- বোরো ধান (স্থানীয় অন্যান্য): ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
- মোট উৎপাদন: ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আউশ ধান (স্থানীয় অন্যান্য): ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
- আমন ধান (স্থানীয় অন্যান্য):১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন।

• ধান উৎপাদন:

- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
• ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৪,৭৮৪.
গারো উপজাতি কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. সনাতন
  2. বৌদ্ধ
  3. ইসলাম
  4. খ্রিষ্টান
ব্যাখ্যা
গারো উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়। 
- শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 

এছাড়া,
- বাংলাদেশে লুসাই, খাসিয়া ও মাহালী উপজাতির ধর্ম খ্রিস্টান।
- মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব।
- ত্রিপুরা, হাজংদের ধর্ম সনাতন।
- রাখাইন, চাকমা, মারমা, চাক, খুমি, খিয়াং ইত্যাদি উপজাতির ধর্ম বৌদ্ধ।
- পাঙন উপজাতির ধর্ম ইসলাম।

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া।
১৪,৭৮৫.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব?
  1. ক) ১১২৫ জন
  2. খ) ১১৩৫ জন
  3. গ) ১১৪০ জন
  4. ঘ) ১১৪৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৭.০৮ কোটি।
- প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৪০ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৭%।
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত: ১০০.২ : ১০০।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু ৭২.৮ বছর।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.২%।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১৪,৭৮৬.
বাংলার ওয়াহাবিরা কার নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল?
  1. এ.কে ফজলুল হক
  2. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  3. মওলানা ভাসানী
  4. তিতুমীর
ব্যাখ্যা
ওয়াহাবি আন্দোলন:
- পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় প্রায় একই সময়ে দুটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের শুরু হয়।
- পূর্ব বাংলার আন্দোলনটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত।
- আর পশ্চিম বাংলার আন্দোলনের নাম ওয়াহাবি বা ‘তারিক-ই- মুহম্মদীয়া'।
- ওয়াহাবি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তিতুমীর।
- ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে এ আন্দোলন শুরু এবং শেষ হয় ১৮৩১ ক্রিস্টাব্দে তিতুমীরের শাহাদাৎ বরণের মধ্য দিয়ে।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

⇒ ওয়াহাবি আন্দোলনের উদ্দেশ্য -
- তিতুমীরের পরিচালিত তাহরিক-ই-মুহাম্মদীয়া বা ওয়াহাবি আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার।
- পরবর্তিতে এটি একটি ব্যাপক কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়। যা শেষ পর্যন্ত সশস্ত্র সংগ্রামে পরিণত হয়।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন।
- নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ইংরেজ সরকার, জমিদার নীলকরদের ঐক্যবদ্ধ আক্রমণের মুখে তিতুমীর ও তার বাহিনী পরাজিত হয়।
- এ আন্দোলন ব্যর্থ হলেও পরবর্তিকালে স্বাধীনতা আন্দোলনে এই সংগ্রাম প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭৮৭.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন -
  1. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৭ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৯ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৪,৭৮৮.
BEPZA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Export Processing Zonal Authority
  2. Bangladesh Expert Processing Zones Authority
  3. Bangladesh Expert Processing Zone Authority
  4. Bangladesh Export Processing Zones Authority
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zones Authority (BEPZA): 
- BEPZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Export Processing Zones Authority.
- দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষত শিল্পায়নের মাধ্যমে, ত্বরান্বিত করতে সরকার 'উন্মুক্ত দরজা নীতি' গ্রহণ করেছে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
- বেপজা (BEPZA) সরকারের একটি সংস্থা যা ইপিজেডে (EPZ) বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহায়তা প্রদান করে।
- বেপজা সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়, কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করে।
- ইপিজেডে শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ রাখার দায়িত্বও পালন করে বেপজা।
- ইপিজেডের মূল উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ এলাকা তৈরি করা।
- এই এলাকায় জটিল প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত একটি অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ প্রদান করা হয়।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
১৪,৭৮৯.
লক্ষ্মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ক) ৭ জানুয়ারি ১৯১৪
  2. খ) ১৭ মার্চ ১৯১৫
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯১৬
  4. ঘ) ১৯ ডিসেম্বর ১৯১৬
ব্যাখ্যা
১৯১৬ সালে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ভারতের শাসনতান্ত্রিক সরকারের নীতির প্রশ্নে লক্ষ্মৌ শহরে যে চুক্তি সম্পাদন করেন তা-ই ইতিহাসে লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত। এ চুক্তির উদ্দেশ্য হচ্ছে - জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগীতা বৃদ্ধি, স্বরাজ অর্জন ইত্যাদি। [সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস প্রথম পত্র, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা]
১৪,৭৯০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) মিরসরাই
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) বরগুনা
ব্যাখ্যা

• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর:
- উন্নয়ন নিশ্চিতকল্পে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) মাধ্যমে বিভিন্ন স্থানে ২০১৫ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ বছরে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গঠনের মহাপরিকল্পনা নেয় সরকার।
- এই মহাপরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর সবচেয়ে বড়।
- চট্টগ্রামের মিরসরাই, সীতাকুণ্ড ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় এ শিল্পনগরের অবস্থান।
- দেশের বৃহত্তম এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রায় ৩৩,৮০৫ একর জায়গার ওপর নির্মিত হচ্ছে।

১৪,৭৯১.
ঘোড়াশাল সার কারখানায় কোন সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. অ্যামোনিয়া সালফেট 
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৪,৭৯২.
নিচের কোন জেলায় খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন বসবাস করে?
  1. ক) মৌলভীবাজার
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) নেত্রকোনা
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
খাসিয়া সম্প্রদায়:
- খাসিয়া (বা খাসি) বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- তারা আসামে এসেছিল সম্ভবত তিববত থেকে।
 - তাদের প্রধান আবাসস্থল উত্তর-পূর্ব ভারত। 
- খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংশ্লিষ্ট জেলা সমূহের ওয়েবসাইট।
১৪,৭৯৩.
স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?
  1. সোনা মসজিদ
  2. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  3. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
  4. লালবাগ কেল্লা
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার পর প্রথম ডাকটিকিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ছিল।

বাংলাদেশের ডাকটিকিট:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই।
- ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই বাংলাদেশ নামে প্রথম ৮টি ডাকটিকিট প্রকাশিত হয়।
- এই ৮টি ডাকটিকিট স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশের প্রতি বিশ্ব জনমত গড়ে তোলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। 
- ডাকটিকিটগুলোর নকশা করেছিলেন প্রবাসী বাঙালি বিমান মল্লিক।

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রকাশিত প্রথম ডাকটিকিটে ছিল ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি।
- মুক্তিযুদ্ধ শেষে প্রথম স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশিত হয় ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে।
- প্রথম ডাকটিকিটটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র সম্বলিত গাঢ় লাল, নীল ও বেগুনী রঙের।
- ১০ পয়সা মূল্যের এই ডাকটিকিটের বার্তা হলো আমাদের ভূখণ্ড এবং দেশের পরিচয় বিশ্বকে জানানো।
- আর ডাকটিকিটে বাংলাদেশের মাঝ বরারর যাওয়া কর্কটক্রান্তি রেখা দেয়া হয়েছে।
- তারপর বাংলাদেশ ডাকবিভাগ অবিরাম নির্দিষ্ট স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করে চলছে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ঘটনা, উত্তরাধিকার ও সংস্কৃতির উপর।

উল্লেখ্য,
- ২৯ জুলাই জাতীয় ডাকটিকিট দিবস। ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই থেকে বাংলাদেশে 'জাতীয় ডাকটিকিট দিবস' পালিত হয়ে আসছে।

উৎস: i) ডাক অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১৪,৭৯৪.
বর্তমানে বাংলাদেশ কয়টি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছে?
  1. ক) ১৪৫টি
  2. খ) ১৪৭টি
  3. গ) ১৫৩টি
  4. ঘ) ১৫৭টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল। ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো। বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়। 
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে।  রপ্তানি করছে। 


উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১৪,৭৯৫.
আওরঙ্গজেব কত বছর দাক্ষিণাত্যে অবস্থান করেন?
  1. ১৫ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
আওরঙ্গজেব:

- ১৬৫৮ খিষ্টাব্দে আওরঙ্গজেব বাদশাহ আলমগীর উপাধি নিয়ে মোগল সিংহাসনে বসেন।
- ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব।
- ঐতিহাসিক স্টেন্সি লেনপুল আওরঙ্গজেবকে মোগল বংশের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী শাসক বলেছেন।
- তিনি আকবর অপেক্ষা বৃহত্তর সাম্রাজ্য শাসন ও বিশালতর সৈন্যবাহিনীর অধিনায়কত্ব করেছিলেন। সম্রাট হয়েও তিনি সরল ও পবিত্র জীবনযাপন করতেন।
- আওরঙ্গজেবের দাক্ষিণাত্য বিজয়কে তিন পর্যায়ে ভাগ করা যায়।
- আওরঙ্গজেব দীর্ঘ ২৫ বছর (১৬৮২- ১৭০৭ খ্রি.) দাক্ষিণাত্যে অবস্থান করেছিলেন।
- এ সময়ে শম্ভুজী পরাজিত ও নিহত হন এবং তাঁর মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত মোগল- মারাঠা সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৭৯৬.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পোশাক রপ্তানি করে- (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. কানাডা
ব্যাখ্যা

• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র :
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র  বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৮৬৯২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য

• জার্মানীঃ
২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের জার্মানীতে মোট  ৫২৯২.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে যা মোট রপ্তানি আয়ের 10.96% এবং বর্তমানে দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানীকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১৪,৭৯৭.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে কোন পণ্য সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়? [মে, ২০২৫]
  1. প্রক্রিয়াজাত খাদ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. আসবাব পণ্য
  4. কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ- ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য:
- বাংলাদেশ–ভারত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্পর্ক অত্যন্ত গুরত্বপূর্ণ। 
- সর্বশেষ গত ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভারত থেকে বাংলাদেশ ৯০০ কোটি মার্কিন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে।
- তার বিপরীতে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি হয়েছে মাত্র ১৫৭ কোটি ডলারের।
- ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে ভারতে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয় তৈরি পোশাক।
- গত ২০২৩–২৪ অর্থবছরে ভারতে ৫৪ কোটি ৮৮ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছেন বাংলাদেশের উদ্যোক্তারা।

উল্লেখ্য,
- গত ১৭ মে, ২০২৫ নতুন করে স্থলপথে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাকসহ বেশ কিছু পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ভারত সরকার।
- ওই আদেশে বলা হয়, এখন থেকে শুধু ভারতের নব সেবা ও কলকাতা সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করে দেশটির আমদানিকারকেরা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি করতে পারবেন।
- এর আগে গত এপ্রিলে ট্রান্সশিপমেন্টের মাধ্যমে নিজ দেশের বন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে বাংলাদেশের পণ্য যাওয়ার ব্যবস্থাও প্রত্যাহার করে ভারত।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [link]
১৪,৭৯৮.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. রেড ইন্ডিয়ান
  2. পিগমি
  3. বম
  4. ভাইকিং
ব্যাখ্যা
বম জনগোষ্ঠী:
- বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত। 
- বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়।
- এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।
- বমরা শুনথলা (Sunthla) এবং পাংহয় (Panghawi) এই দুইটি গােত্রে বিভক্ত। 
- বম সমাজ পুরুষতান্ত্রিক।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়। 
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। 
- বমদের প্রধান পেশা জুমচাষ। 
- এরা খ্রিস্টান প্রধানত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

অন্যদিকে,
- পিগমি মধ্য আফ্রিকার খর্বকায় উপজাতি।
- ‘ভাইকিং’ নরওয়ের প্রাচীন কঠোর পরিশ্রমী উপজাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান আমেরিকার আদি অধিবাসী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৭৯৯.
সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সৈয়দ মো. মাহফুজুর রহমান
  2. মেরিনা তাবাশ্যুম
  3. সৈয়দ রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’:
- সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- শিক্ষা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর পথপ্রদর্শক ভূমিকা এবং মানবকল্যাণে আজীবন প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পেলেন তিনি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে নোবেল শান্তি পুরস্কারবিজয়ী এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হলো।
- মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিশুদের জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ড বিশ্বব্যাপী শিক্ষার সংকট নিরসন ও নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪,৮০০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. ফরিদপুর
  3. হবিগঞ্জ
  4. কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
​- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

​অন্যদিকে, 
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।