বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪৭ / ৩০৬ · ১৪,৬০১১৪,৭০০ / ৩০,৮৩২

১৪,৬০১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২৪ নং
  2. ২২ নং
  3. ২৫ নং
  4. ২১ নং
ব্যাখ্যা

•সংবিধান: 
 - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ কথা বলা হয়েছে ২২ নং অনুচ্ছেদে।
 - ২২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।
 - মূলত বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করার জন্য;
 - ১৯৯৪ সালে একটি রিট মামলা করেছিলেন জেলা জজ ও জুডিশিয়াল এসোসিয়েশনের তৎকালীন মহাসচিব মাসদার হোসেন।
 - সেই মামলাটি 'মাসদার হোসন মামলা' নামে পরিচিত, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে যার চূড়ান্ত রায় হয়েছিল ১৯৯৯ সালে।
 - রায়ের আট বছর পর ২০০৭ সালে মূল নির্দেশনাটি বাস্তবায়ন করে বিচার বিভাগকে আলাদা করা হয়েছিল। 

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,৬০২.
পাকিস্তান স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় কত তারিখ?
  1. ক) ২১ জানুয়ারি, ১৯৭৪
  2. খ) ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৫
  4. ঘ) ২৪ জুলাই, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ঐ অনুষ্ঠানের শর্ত হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের নিকট থেকে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি আদায় করে নেন।
- ১৯৭৪ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১৪,৬০৩.
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাসের নাম কী?
  1. জিত্তোবানি
  2. ফেবো
  3. মুই মত্যেই
  4. গঙ্গা মা
ব্যাখ্যা
চাকমা:
- চাকমা সম্প্রদায় দেশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় বসবাস করে।
- অনুমান করা হয় ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা আদি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু বা বিঝু।

উল্লেখ্য,
- চাকমাদের ভাষার নামও চাকমা। চাকমাদের নিজস্ব বর্ণমালা রয়েছে।
- চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো।
- ২০০৪ সালে, প্রকাশিত হয়ে গেছে চাকমা ভাষা ও হরফে দেবপ্রিয় চাকমার লেখা 'ফেবো' নামের একটি উপন্যাস।
- প্রকাশিত খবর অনুসারে এই উপন্যাসের পটভূমি হল ১৯৮৬ সালে খাগড়াছড়ি জেলার লোগাংএ সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ড, আর শিরোনামে ব্যবহৃত শব্দটির দ্বিবিধ অর্থ হল 'ভয়ার্ত মুহূর্ত' ও 'ভয়ঙ্কর প্রাণি'।

এছাড়াও,
- ২০১৩ সালে কে ভি দেবাশীষ চাকমা নামের আরেক জন লেখকেরও চাকমা ভাষায় একটি উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে, যেটির শিরোনাম 'মুই মত্যেই' ('আমি আমার')।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৬০৪.
কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে 'বাংলাপিডিয়া' প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলা একাডেমি
  3. বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
  4. প্রগতি প্রকাশনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি ১৮৬০ সালের সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের অধীনে নিবন্ধিত একটি অরাজনৈতিক, বেসরকারি ও অলাভজনক সংস্থা।
- ১৯৫২ সালে এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণার লক্ষ্যে বাংলাদেশে এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংস্থাটির প্রেরণা ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো উভয়ই কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটির (স্থাপিত ১৭৮৪) উত্তরসূরী।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এ সোসাইটির প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
- ঢাকা মহানগরে ৫ পুরাতন সচিবালয় রোডে (নিমতলী) সোসাইটির কার্যালয় স্থাপিত।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির অন্যতম দায়িত্ব হলো প্রতিমাসে একটি মাসিক সাধারণ সভার আয়োজন করা এবং ওই সভায় গবেষণামূলক প্রবন্ধ উপস্থাপনের ব্যবস্থা করা।
- প্রতিবছর ৩ জানুয়ারি সোসাইটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: বাংলাদেশের ইতিহাস (১৭০৪-১৯৭১) ৩ খণ্ড, বাংলাপিডিয়া-বাংলাদেশ জাতীয় জ্ঞানকোষ (২০০৩) ১৪ খণ্ড, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক সমীক্ষামালা (২০০৮) ১২ খণ্ড, বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ (২০১০) ২৮ খণ্ড, Celebration of 400 Years of Capital Dhaka, ১৮ খণ্ড, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ (২০২০) ১০ খণ্ড, A Survey of Historical Monuments and Sites in Bangladesh: Mainamati-Devaparvata, Gawr-Lakhnawti, Sonargaon-Panam (১৯৯৭) ৩ খণ্ড, বাংলাদেশের ইতিহাস: আঞ্চলিক পরিপ্রেক্ষিতে আদি বাংলা (অনু. ১২০০ সা. অব্দ পর্যন্ত), ২ খণ্ড, বাংলাদেশের ইতিহাস: সুলতানি ও মোগল যুগ (আনু. ১২০০-১৮০০ সা. অব্দ ), ২ খণ্ড। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৬০৫.
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনে ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে শিল্পখাতের অবদান কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১১.০২ শতাংশ
  2. ২৭.২৯ শতাংশ
  3. ৩৭.৯৫ শতাংশ
  4. ৪৫.০০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনে শিল্পখাতের অবদান: 
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ছিল ৩৩.৮৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১০.২০ শতাংশ।
- পোশাকশিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি সরবরাহ, খনিজসম্পদ ও নির্মাণ শিল্প প্রভৃতিকে এই খাতের অন্তর্ভুক্ত করায় জাতীয় অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান অনেক বেড়ে যায়।
- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে এই খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৬৬ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪,৬০৬.
নিম্নের কোন স্থানে পদ্মা ও মেঘনা নদী মিলিত হয়েছে?
  1. গোয়ালন্দে
  2. চাঁদপুরে
  3. হুগলীতে
  4. দুর্লভপুরে
ব্যাখ্যা

পদ্মা নদী: 
- পদ্মা বাংলাদেশের একটি প্রধান নদী।
- এটি হিমালয়ে উৎপন্ন গঙ্গানদীর প্রধান শাখা।
- বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর রাজশাহী এই পদ্মার উত্তর তীরে অবস্থিত।
- হিমালয়ের গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় (মানাকোসা ও দুর্লভপুর ইউনিয়ন) বাংলাদেশে প্রবেশ করে,এখান থেকে নদীটি পদ্মা নাম ধারণ করেছে।
- গঙ্গার অন্য শাখাটি ভাগীরথী নামে ভারতে হুগলীর দিকে প্রবাহিত হয়।
- উৎপত্তিস্থল হতে ২২০০ কিলোমিটার দূরে গোয়ালন্দে যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়ে মিলিত প্রবাহ পদ্মা নামে আরো পূর্ব দিকে চাঁদপুর জেলায় মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- সবশেষে পদ্মা-মেঘনার মিলিত প্রবাহ মেঘনা নাম ধারণ করে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের সাথে মিলিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৬০৭.
ব্রিটিশদের 'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতির উদ্দেশ্য ছিল-
  1. ক) মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা
  2. খ) ব্রিটিশ শাসন দীর্ঘস্থায়ী করা
  3. গ) হিন্দু-মুসলমানদের মধ্যে সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠা
  4. ঘ) অর্থনৈতিক ভিত্তি সুদৃঢ় করা
ব্যাখ্যা

- ব্রিটিশদের 'ভাগ কর ও শাসন কর' নীতির উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ শাসন দীর্ঘস্থায়ী করা।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর থেকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এদেশের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের জন্য প্রথম থেকেই ভাগ কর শাসন কর নীতি কার্যকর করার চেষ্টা চালায়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৪,৬০৮.
উপজাতি কালচারাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. নেত্রকোণা
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি:
- অবস্থান: বিরিশিরি, দুর্গাপুর, নেত্রকোণা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়:  ১৯৭৭ সালে।
- গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একাডেমিকে ১৬-৭-১৯৭৯ তারিখে 'তথ্য সম্প্রচার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের 'ক্রীড়া ও সংস্কৃতি' বিভাগে ন্যস্ত করা হয়। 
- ২০১০ সালে 'উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি-এর পরিবর্তে 'ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি' নামটি প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে।

⇒ অপরদিকে,
- মণিপুরী ললিতকলা একাডেমি, মৌলভীবাজার।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি।
- রাখাইন সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রামু কক্সবাজার। 

 উৎস: ¡) বাংলাপিডিয়া।
          ¡¡) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৪,৬০৯.
'গ্রানোলা ও বিনেলা' কোন ফসলের জাত?
  1. ক) পেঁয়াজ
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) বাঁধাকপি
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
গ্রানোলা ও বিনেলা হলো আলুর দুটি জাত।
আলুর অন্যান্য জাতসমূহের মধ্যে রয়েছে:
- ডায়মন্ড
- কার্ডিনাল
- আইলসা
- চমক
- ধীরা
- আরিন্দা
- রাজা
- বারাকা ইত্যাদি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস এবং কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
১৪,৬১০.
বাংলাদেশের প্রথম খেতাবপ্রাপ্ত ’গ্র্যান্ডমাস্টার’ অর্জন করেন কে?
  1. রিফাত বিন সাত্তার
  2. নিয়াজ মোরশেদ 
  3. জিয়াউর রহমান
  4. হান্নান মাসুদ
ব্যাখ্যা

দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান। 
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান। তিনি
- বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার ৩য় গ্র্যান্ড মাস্টার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব ৪র্থ গ্র্যান্ড মাস্টার।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো। [লিঙ্ক]

১৪,৬১১.
বঙ্গভঙ্গ রদের পর, যখন বাংলা গভর্নর শাসিত প্রদেশে রূপান্তরিত হয়, তখন বাংলার প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন কে?
  1. লর্ড কারমাইকেল
  2. এন্ড্রু ফ্রেজার
  3. ফ্রেডারিক জেমস হ্যালিডে
  4. এডওয়ার্ড বেকার
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদের পর গভর্নর শাসিত প্রদেশ রূপান্তরিত হওয়ার পর বাংলার প্রথম গভর্নর হয়েছিলেন লর্ড কারমাইকেল।

লর্ড কারমাইকেল:

- লর্ড কারমাইকেল বঙ্গভঙ্গ রদের পর এবং গভর্নর শাসিত প্রদেশ হিসেবে রূপান্তরিত হওয়ার পর বাংলার প্রথম গভর্নর।
- তিনি জর্জ ট্রেভেলিয়ান ও লর্ড ডালহৌসীর একান্ত সচিব হিসেবে কাজ করেন।
- ১৮৯৫ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত তিনি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে মিডলটনের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- বাংলার গভর্নর হওয়ার আগে তিনি ভিক্টোরিয়া ও মাদ্রাজের গভর্নর ছিলেন।

⇒ গভর্নর শাসিত প্রদেশ হওয়ার সুবাদে বাংলার গভর্নর স্বশাসনের অধিকার নিয়ে সরাসরি ইন্ডিয়া কাউন্সিল দ্বারা নিযুক্ত হতেন।
- গভর্নরকে পরামর্শ দান ও নির্বাহি দায়িত্ব পালনের জন্য একটি নির্বাহি সভা (executive council) ছিল।

উল্লেখ্য,
⇒ লেফটেন্যান্ট গভর্নর:
- লেফটেন্যান্ট গভর্নর শাসনতান্ত্রিকভাবে সপরিষদ গভর্নর জেনারেলের প্রতিনিধি।
- বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির গভর্নর ছিলেন একই সঙ্গে ভারতের গভর্নর জেনারেল।
- তাঁর পক্ষে প্রদেশের শাসনকার্য পরিচালনা করতেন লেফটেন্যান্ট গভর্নর।
- ১৮৩৫ সালে একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়। 
- ১৮৫৩ সালের সনদ আইনের আওতায় গভর্নর জেনারেলকে বাংলার গভর্নরের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয় এবং ঐ আইন অনুযায়ী তাঁকে বঙ্গ প্রদেশের জন্য স্বতন্ত্র সচিবালয় ও বিধান পরিষদসহ একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়।
- এভাবে ভারতের গভর্নর জেনারেল ১৮৫৪ সালের ১মে স্যার ফ্রেডারিক জেমস হ্যালিডেকে বাংলার প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করেন।
- বঙ্গভঙ্গ সাধিত হওয়ার পর (১৯০৫) সৃষ্ট দুটি নতুন প্রদেশ, যথা বেঙ্গল (এর মধ্যে বিহার ও উড়িষ্যা অন্তর্ভুক্ত ছিল) এবং পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের জন্য দুজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর নিয়োগ করা হয়।
- ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হলে বাংলা পুনরায় একত্রে সংযুক্ত হয়।
- তাতে যে শাসনতান্ত্রিক পরিবর্তন ঘটে তা হলো সপরিষদ একজন গভর্নর মাদ্রাজ ও বোম্বে প্রেসিডেন্সিদ্বয়ের গভর্নরদের মতো একই ক্ষমতা ও কার্যকলাপ সহকারে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি প্রদেশটির শাসনকার্য পরিচালনা করবেন।
- লর্ড কারমাইকেল হলেন বাংলার প্রথম গভর্নর।
- তিনি ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৬১২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ সংবলিত বই কোনটি?
  1. ভাইয়েরা আমার
  2. ভাষণ
  3. মুক্তির পথ
  4. কল-রেডি
ব্যাখ্যা
ভাইয়েরা আমার:

- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ২০০টি ভাষণ সংবলিত বই 'ভাইয়েরা আমার'।
- ১২ জুন, ২০২৩ সালে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- বইটির ভূমিকা ও নামকরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ভাষণসমগ্রটির সংগ্রহ, সংকলন ও সম্পাদনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম।
- বইটি প্রকাশ করে জিনিয়াস পাবলিকেশন।
- বইটিতে প্রতিটি ভাষণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হাইলাইট করে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা হয়েছে।
- এ ছাড়া সূচিতে ভাষণের বিষয়বস্তু, সাল ও তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ১২ জুন, ২০২৩।
১৪,৬১৩.
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন কবে?
  1. ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২২ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা:
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ।
- প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগ সর্বসম্মতিতে রায় দেন।
- আপিল বিভাগ বলছেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
- আর চতুর্দশ সংসদ নির্বাচন থেকে কার্যকর হবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৬ সালে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে সাংবিধানিক রূপ দেওয়া হয়।
- ২০১১ সালের ১০ মে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন তৎকালীন আপিল বিভাগ।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]

১৪,৬১৪.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন- 
  1. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. মওলানা আতাহার আলী
  4. হাজী দানেশ
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট গঠন: 
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মুসলিম লীগ ছিল সবচেয়ে পুরাতন ও বড় রাজনৈতিক দল।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- দলগুলো ছিল-মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বাধীন কৃষক-শ্রমিক পার্টি,
- মওলানা আতাহার আলীর নেতৃত্বাধীন নেজাম-ই-ইসলামী এবং হাজী দানেশের বামপন্থী গণতন্ত্রী দল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে। 

উল্লেখ্য,
[বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় বইতে সংশোধন আকারে বলা হয়েছে যুক্তফ্রন্ট প্রধানত ৫ টি দলের সমন্বয়ে গঠিত। কিন্তু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র ১ম ও ২য় খন্ডে চারটি বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত বলা হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধঃ দলিলপত্র অধিক গ্রহনযোগ্য হওয়ায় ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৬১৫.
বাংলাদেশের প্রশাসনের কয়টি স্তর রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রশাসনের স্তর: 
- বাংলাদেশের প্রশাসনের দুটি স্তর রয়েছে।
যথা: কেন্দ্রীয় প্রশাসন এবং মাঠ প্রশাসন।
- কেন্দ্রিয় প্রশাসনিক কাঠামোর পদসোপান অনুযায়ী সর্বনিম্ন স্তরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হচ্ছেন সহকারী সচিব।
- ধাপের ক্রমানুসারে কর্মকর্তাদের পদবি যথাক্রমে সিনিয়র সহকারী সচিব, উপসচিব, যুগ্ম সচিব, অতিরিক্ত সচিব, সচিব, সিনিয়র সচিব এবং সবার উপরে মন্ত্রী অবস্থান করেন।
- প্রশাসনিক কর্মকান্ড এই কাঠামো স্তরের মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়।
- সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ উপর থেকে নিচের দিকে যায়।
- সচিবের পরামর্শ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন কোনো বিভাগীয় প্রধান, সরাসরি মন্ত্রীর কাছে কোনো প্রস্তাব বা সুপারিশ পাঠাতে পারেন না।
- একটি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একাধিক সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব বা অধস্তন কর্মকর্তা থাকতে পারেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪,৬১৬.
কোনো শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য কোনটি?
  1. ক) সাবাশ বাংলাদেশ
  2. খ) স্বাধীনতার সংগ্রাম
  3. গ) অপরাজেয় বাংলা
  4. ঘ) জাগ্রত চৌরঙ্গী
ব্যাখ্যা
‘অপরাজেয় বাংলা’ কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে স্থাপিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য।
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সম্মুখ প্রাঙ্গনে অবস্থিত। এটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ। ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উদ্বোধন করা হয়।
‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম ভাস্কর্য যা গাজীপুর চৌরাস্তায় অবস্থিত।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৪,৬১৭.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল কোনটি?
  1. সুপ্রীম কোর্ট
  2. জজ কোর্ট
  3. আপিল বিভাগ
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৬১৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ দেয়া হয়?
  1. ক) ১৩৭
  2. খ) ১২৭
  3. গ) ১৩৮(১)
  4. ঘ) ১১৮(২)
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১৩৮(১) অনুচ্ছে অনুযায়ী, প্রত্যেক সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি (চেয়ারম্যান) ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগ হবেন।
- তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক (তবে অর্ধেকের কম নহে) সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হবেন, যার বিশ বৎসর বা ততোধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন সময়ে কার্যরত কোন সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
 
এছাড়াও -
- ১৩৭ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৩৮(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে কোন সরকারী কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্যের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরকম নির্ধারণ করবে, সেরূপ হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৬১৯.
Stop Genocide প্রমাণ্য চলচ্চিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. খান আতাউর রহমান
  2. জহির রায়হান
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. সত্যজিৎ রায়
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- নির্মাতা জহির রায়হান।
-মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড।
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন।
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র-
- Stop Genocide: জহির রায়হান,
- ওরা ১১ জন : চাষী নজরুল ইসলাম,
- আবার তোরা মানুষ হ : খান আতাউর রহমান,
- হাঙ্গর নদী গ্রেনেড : চাষী নজরুল ইসলাম,
- অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী : সুভাষ দত্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৬২০.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ছিলেন?
  1. শিকদার
  2. ফৌজদার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. ওয়াজির
  5. সুবাহদার
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৬২১.
মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন কে?
  1. মাহবুব উদ্দিন আহমেদ
  2. আবদুল মান্নান এম.এন.এ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার গঠন:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ।
- মন্ত্রীপরিষদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ ও স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন গণপরিষদের আওয়ামীলীগের হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- মুজিবনগর সরকারের ভারপ্রাপ্ত ও উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন- তৎকালীন ঝিনাইদহ মহকুমার পুলিশপ্রধান মাহবুব উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে আনসার, পুলিশ ও উপস্থিত মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে গঠিত ১২ সদস্যের একটি যৌথ দল।
- শপথগ্রহণের সময় শতাধিক ভারতীয় ও বিদেশি সাংবাদিক এবং প্রচার মাধ্যম কর্মী উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৪,৬২২.
'শুভ্রা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. তামাক
  2. ভুট্টা
  3. টমেটো
  4. মরিচ
ব্যাখ্যা
 বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
• ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা: উন্নত জাতের ধান।
• সোনালিকা ও আকবর: উন্নত জাতের গম।
• সুমাত্রা ও ম্যানিলা: উন্নত জাতের তামাক।
• বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ: উন্নত জাতের ভুট্টা।
• মহানন্দা, ল্যাংড়া ও মােহনভােগ: উন্নত জাতের আম।
• বাহার: উন্নত জাতের টমেটো।
• যমুনা: উন্নত জাতের মরিচ।
• শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো: উন্নত জাতের বেগুন।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৪,৬২৩.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ মতে, দেশে সেবা খাতে নিযুক্ত রয়েছেন মোট শ্রমশক্তির -
  1. ১৭ শতাংশ
  2. ৩৮ শতাংশ
  3. ৪০ শতাংশ
  4. ৪৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান:
⇒ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ মতে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে -

• সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
- সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮ শতাংশ।

এছাড়াও,
• শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭ শতাংশ।

• কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫ শতাংশ।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪। 
১৪,৬২৪.
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে -
  1. ১৪১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৪১ক নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৫২ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৪২ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংশোধন:

- সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধন বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের জন্যে জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যার দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- সংবিধান সংশোধনী বিলে রাষ্টপতিকে সাত দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়।

- সংবিধান সংশোধন হয়েছে ১৭ বার।
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪,৬২৫.
বাংলাদেশের জাতীয় ফলের নাম কী?
  1. ক) আম
  2. খ) কাঁঠাল
  3. গ) লিচু
  4. ঘ) পেয়াঁরা
ব্যাখ্যা
- জাতীয় ফল : কাঁঠাল
- জাতীয় পাখি : দোয়েল
- জাতীয় গাছ : আম গাছ
- জাতীয় মাছ : ইলিশ
- জাতীয় ফুল : শাপলা
- জাতীয় পশু : রয়েল বেঙ্গল টাইগার
- জাতীয় দিবস : ২৬শে মার্চ।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া)
১৪,৬২৬.
বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা কে?
  1. ক) শেখ মজিবুর রহমান
  2. খ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  3. গ) ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ
  4. ঘ) ড. মুহম্মদ এনামুল হক
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন -  ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

• বাংলা একাডেমি:

 - বাংলা একাডেমির প্রথম নারী ও বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা : ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ। 
- প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (স্পেশাল অফিসার) : মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ।
- প্রথম পরিচালক : ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- প্রথম মহাপরিচালক : অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম।
- প্রথম সভাপতি : মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ।

উৎস:
বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৪,৬২৭.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন কে?
  1. হাসিনা বেগম
  2. হাসিনা খাতুন
  3. হাসিনা আক্তার
  4. হাসিনা আলী
ব্যাখ্যা
প্রথম শহীদ মিনার:
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ- পূর্ব পাশে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।
- ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৬২৮.
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম কতভাগ বনভূমি থাকা আবশ্যক?
  1. ক) ২০ ভাগ
  2. খ) ২৫ ভাগ
  3. গ) ৩০ ভাগ
  4. ঘ) ৪০ ভাগ
ব্যাখ্যা
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোন দেশের মোট আয়তনের ন্যূনতম ২৫ ভাগ বনভূমি থাকতে হয়। তবে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ মোট আয়তনের শতকরা ১৭ ভাগ।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৬২৯.
শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ক) মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অ্যাওয়ার্ড
  2. খ) ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পদক
  3. গ) সাউথ-সাউথ অ্যাওয়ার্ড
  4. ঘ) চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ
ব্যাখ্যা
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG Award 2010 লাভ করেন। 
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য Planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। 

উৎস:- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
১৪,৬৩০.
সেন বংশ কত বছর বাংলা শাসন করে?
  1. প্রায় ৪০০ বছর
  2. প্রায় ১২৮ বছর
  3. প্রায় ৯৫ বছর
  4. প্রায় ৪৮ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলায় সেন বংশের শাসন:
- বাংলার ইতিহাসে সেন রাজাদের উত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায়।
- ১০৯৭-১২২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১২৮ বছর সেনরা বাংলায় রাজত্ব করে। 
- পালদের পতনের পর বাংলায় সেন রাজবংশের উত্থান ঘটে।
- সেন রাজবংশ তাদের শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশির ভাগ এলাকা নিজেদের দখলে আনে।
- ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত হেমন্ত সেন, বিজয় সেন, বল্লাল সেন, লক্ষ্মণ সেন, বিশ্বরূপ সেন, কেশব সেন রাজ্য পরিচালনা করেন।

⇒ বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন।
- সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেওয়া হয় সামন্ত সেনের পুত্র হেমন্ত সেনকে।
- এই বংশের শেষ রাজা ছিলেন লক্ষ্মণ সেন।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া আক্রমণ করলে তিনি প্রতিরোধ না করে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর পালিয়ে আসেন।
- এই অঞ্চলে তিনি আরো ২/৩ বছর রাজত্ব করেন।

⇒ ১২০২ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন। সে সময় সেনদের অস্থায়ী রাজধানী ছিল নদীয়ায়। নদীয়ায় আক্রমণ করা হলে লক্ষ্মণ সেন পূর্ববঙ্গে পালিয়ে যান। এরপর লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যু হলে সেনরা দুর্বল হতে শুরু করে। সামন্ত বিদ্রোহের ফলে বাংলায় সেনদের পতন ঘটে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৪,৬৩১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ১৬ টি
  2. ৬৪ টি
  3. ৪ টি
  4. ১১ টি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর- ১১ টি।

• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট — ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

- সেক্টর নং ১ -  ৫টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- সেক্টর নং ২ -  এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
- সেক্টর নং ৩ - এই সেক্টরে ছিল ১০টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৪ - এই সেক্টরে ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৫ - ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।
- সেক্টর নং ৬ - এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৭ -  এই সেক্টরে ছিল ৮টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৮ -  এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৯ - এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ১০ - এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।
- সেক্টর নং ১১ -  এই সেক্টরকে ৮টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,৬৩২.
বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. নীলফামারি
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের মোট সরকারি ইপিজেড ৮টি।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড।
- এটি নীলফামারী জেলায় অবস্থিত।
- ২০০১ সালে ২১৩.৬৬ একর জমিতে যাত্রা শুরু করে।

- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড- চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।

১৪,৬৩৩.
কত সালে শেরে বাংলা লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন?
  1. ক) ১৯৩০ সালে
  2. খ) ১৯৩৭ সালে
  3. গ) ১৯৪০ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ মুসলিমলীগের লাহোর অধিবেশনে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হলেও ১৯৪৬ সালের দিল্লি অধিবেশনে কেবল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গৃহিত হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৬৩৪.
'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয় কাকে?
  1. শেরে বাংলা এ.কে ফজলুল হক
  2. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- তিনি ছিলেন রাজনীতিক, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। 
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলা হয়।
- হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯২১ থেকে ১৯৫৮ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভা এবং পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য ছিলেন।
- তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন।

• উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ পদ-
- ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র,
- ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী,
- ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী,
- ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী,
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং
- ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,৬৩৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে বৈধতা দেওয়া হয়েছিলো?
  1. চতুর্থ সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন যা ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৫ এপ্রিল সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হয়।
- ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গবন্ধু'র খুনীদের বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গেজেট)
১৪,৬৩৬.
সংবিধানের কত সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়? 
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী 
  2. চতুর্দশ সংশোধনী 
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী 
  4. সপ্তদশ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

• চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এছাড়াও এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

অন্যদিকে,
- ত্রয়োদশ সংশোধনী এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনী এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী সাংসদদের ৫০টি আসনের মেয়াদ পরবর্তী ২৫ বছর পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,৬৩৭.
কোন গাছের কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে?
  1. গর্জন
  2. ধুন্দল
  3. গেওয়া
  4. গরান
ব্যাখ্যা

শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

⇒ কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

⇒ নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

⇒ দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

⇒ রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
পরিবহন শিল্প:
- বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গর্জন, সেগুন, চাপালিশ, প্রভৃতি গাছের কাঠ রেলথের স্লিপার, রেলগাড়ির বগি, লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা, বাস ও ট্রাকের বডি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরি করতে প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৬৩৮.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ২ নং
  2. খ) ৩ নং
  3. গ) ১১ নং
  4. ঘ) ৭ নং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে বিভক্ত করে। ফেনী নদী থেকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইনের পশ্চিমপ্রান্ত এবং ঢাকা শহর ও ফরিদপুরের অংশবিশেষ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত হয়। এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন মেজর খালেদ মোশারফ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর এ টি এম হায়দার ২নং সেক্টরের কমান্ডার নিযুক্ত হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৪,৬৩৯.
বাংলাদেশে আমন ধান আবাদ শুরু হওয়ার সময় কবে?
  1. জুনের শেষ থেকে  সেপ্টেম্বরের শুরু
  2. অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বর
  3. মার্চের শুরু থেকে এপ্রিল
  4. নভেম্বরের শেষ থেকে জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
⇒ আউশ ধান = মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল।
⇒ আমন ধান =  জুনের শেষ  -সেপ্টেম্বরের শুরু।
⇒ বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
⇒ আউশ ধান = মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু।
⇒ আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
⇒ বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

১৪,৬৪০.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. ৫ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১৪,৬৪১.
শালবন বিহার কোথায়?
  1. গাজীপুর
  2. মধুপুর
  3. রাজবাড়ী
  4. কুমিল্লার ময়ানমতি পাহাড়ের পাশে
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- কোটবাড়িতে বার্ডেরকাছে লালমাই পাহাড়ের মাঝামাঝি এলাকায় এ বিহারটির অবস্থান।
- বিহারটির আশপাশে এক সময় শাল-গজারির ঘন বন ছিল বলে এ বিহারটির নামকরণ হয়েছিল শালবন বিহার।
- ধারণা করা হয় যে খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
- শালবন বিহারের প্রতিটি বাহু ১৬৭.৭ মিটার দীর্ঘ।
- বিহারে ঢোকা বা বের হওয়ার মাত্র একটাই পথ ছিল।
- বিহারে সর্বমোট ১৫৫টি কক্ষ আছে।
- এই কক্ষগুলোতে বৌদ্ধ ভিক্ষুরা বিদ্যাশিক্ষা ও ধর্মচর্চা করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননের মাধ্যমে বিহারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে আটটি তাম্রলিপি, প্রায় ৪০০টি স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, অসংখ্য পোড়া মাটির ফলক বা টেরাকোটা, সিলমোহর, ব্রৌঞ্জ ও মাটির মূর্তি পাওয়া গেছে।
- এগুলো বাংলাদেশের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৬৪২.
বাংলা ভাষাকে বাংলাদেশ ব্যতীত যে দেশের রাষ্ট্রভাষা করা হয়েছে-
  1. ক) সোমলিয়া
  2. খ) নেপাল
  3. গ) সিয়েরালিওন
  4. ঘ) লিবিয়া
ব্যাখ্যা
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র। রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

উৎসঃ বিবিসি বাংলা আর্কাইভ ও ব্রিটানিকা।
১৪,৬৪৩.
বাংলাদেশে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• Anti-money laundering Act:
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয় ২০১২ সালে।
- একে ‘মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত করা হয়।

• মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন -
- মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ সংক্রান্ত বিদ্যমান আইন ও অধ্যাদেশ রহিতক্রমে এতদসংক্রান্ত আইন পুনঃপ্রণয়নের উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন।
- এই আইন মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ নামে অভিহিত হইবে।
- ইহা ৩ মাঘ, ১৪১৮ বঙ্গাব্দ/১৬ জানুয়ারি, ২০১২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ হতে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে।

তথ্যসূত্র: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৪,৬৪৪.
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. ক) হিমায়িত খাদ্য
  2. খ) চামড়া
  3. গ) কৃষিজাত পণ্য
  4. ঘ) তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক

• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।

•  এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানির ২.৬৪%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
১৪,৬৪৫.
কর্ম কমিশনের সদস্য পদ পেতে হলে নূন্যতম কত বছর প্রজাতন্ত্রের সহকারী পদে নিযুক্ত থাকতে হয় ?
  1. ক) ২০ বছর
  2. খ) ১৮ বছর
  3. গ) ২৫ বছর
  4. ঘ) ১৫ বছর
ব্যাখ্যা

সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য নিয়োগ সংক্রান্ত অনুপ ১৩৮(১) অনুযায়ী প্রত্যেক সরকারি কর্ম কমিশনের সভাপতি ও অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন: তবে শর্ত থাকে যে, প্রত্যেক কমিশনের যতদূর সম্ভব অর্ধেক সংখ্যক সদস্য এমন ব্যক্তিগণ হইবেন যাহারা কুড়ি বছর বা ততোধিক কাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যেকোনো সময়ে কার্যত কোনো সরকারের কর্মে কোন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।

১৩৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী উক্ত পদের মেয়াদ কাল পাঁচ বছর বা ৬৫ বছর পূর্ণ হওয়া- ইহার মধ্যে যাহা অগ্রগতি সেই কাল পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকিবেন ।


উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

১৪,৬৪৬.
সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক কোন উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. রাজাধিরাজ
  2. মহামতি
  3. দেবনম পিয়
  4. ধর্মচক্রবতী
ব্যাখ্যা

অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন। 
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৬৪৭.
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ কোনটি?
  1. বট গাছ
  2. আম গাছ
  3. কাঁঠাল গাছ
  4. শাল গাছ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বৃক্ষ:

- আম গাছ বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ।
- এ ঘোষণা দেয়া হয় ২০১০ সালের ১৫ নভেম্বর।
- আম গাছ সাধারণত ১১৫-১৩০ ফুট লম্বা এবং সর্বোচ্চ ৩৩ ফুট চওড়া হয়ে থাকে।
- আম গাছ বহু বছর বাঁচে, এর কিছু প্রজাতিকে ৩০০ বছর বয়সেও ফলবতী হতে দেখা যায়।
- এর প্রধান শিকড় মাটির নিচে প্রায় ২০ ফুট গভীর পর্যন্ত যায়।
- আম গাছের পাতা চিরসবুজ, সরল, পর্যায়ক্রমিক; কচি পাতা দেখতে লালচে-গোলাপি রঙের হয়।
- আমের মুকুল বের হয় ডালের ডগা থেকে, মুকুল থেকে শুরু করে আম পাকা পর্যন্ত প্রায় ৩-৬ মাস সময় লাগে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ০৫ জুন ২০১৮।
১৪,৬৪৮.
অনুমোদন প্রাপ্ত সর্বশেষ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কোনটি?
  1. ক) সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিদ্যালয়
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন ও এ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটি
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
দেশের সর্বশেষ অনুমোদন প্রাপ্ত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় হলো সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। গত ২ মার্চ ২০২০ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এর অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি সহ দেশে মোট ২০ টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। দেশে অনুমোদন প্রাপ্ত মোট সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪৭ টি। (সূত্রঃ ইউজিসি ওয়েবসাইট ও ঢাকা ট্রিবিউন)
১৪,৬৪৯.
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত কোনটি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. খনিজ সম্পদ
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. কৃষি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত হল সেবা খাত (Service Sector)। যদিও কৃষি অতীতে প্রধান খাত ছিল, বর্তমানে সেবা খাত দেশের জিডিপিতে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে। 

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ।

⇒ ইতঃপূর্বে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

⇒ সর্বশেষ (মে, ২০২৫) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট। [link]
১৪,৬৫০.
বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের বর্তমান প্রধান কোচ হলেন-  [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. হাসান আল-মামুন
  2. হাভিয়ের কাবরেরা
  3. পিটার বাটলার
  4. ফিল সিমন্স 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পুরুষ জাতীয় ফুটবল দলের বর্তমান প্রধান কোচ হলেন-হাভিয়ের কাবরেরা।

• বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:

- সংক্ষেপে বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- এই সংস্থাটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি ১৯৭৬ সালে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৩ সালে সংস্থাটি তাদের আঞ্চলিক সংস্থা এএফসির সদস্য পদ লাভকরে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বর্তমান হেড কোচ হলেন ফিল সিমন্স।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল হেড কোচ পিটার বাটলার।

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১৪,৬৫১.
‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন'টি প্রণয়ন করে -
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১১ সালে
  3. গ) ২০১২ সালে
  4. ঘ) ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ বা ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা’ বলতে মূলত অতীত ঐতিহ্যের ধারক ও প্রতিনিধিত্বকারী নৃগোষ্ঠীগুলোকে বোঝানো হয়।
- এই নৃগোষ্ঠীগুলো বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও সামাজিক পটপরিবর্তনের মধ্যেও নিজ নিজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে অনেকাংশে ধরে রেখেছে।
- এভাবে তারা নিজস্ব সংস্কৃতির প্রাচীন ঐতিহ্য ও স্বাতন্ত্র্য বজায় রেখেছে। অর্থাৎ, দেশের ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি এবং সংস্কৃতির পরিবর্তনের সাথে তারা মিশে যায়নি একেবারে।
- বরং তাদের সমাজ ব্যবস্থা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপাদানসমূহে অনেকাংশে নিজস্বতা বজায় রেখেছে।

•  সাধারণ কিছু সাদৃশ্যের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য বোঝা যায়। যেমন-
(১) নৃগোষ্ঠীর সদস্যদের মাঝে স্বতন্ত্র পরিচিতি ও জাতিসত্তার চেতনা ;
(২) অতীত ঐতিহ্য, বিশেষত প্রাক-ঔপনিবেশিক যুগের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা ;
স্বতন্ত্র সামাজিক, অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ব্যবস্থা ;
(৫) বসবাসকৃত অঞ্চলের প্রকৃতির সাথে নিবিড় ও গভীর সম্পর্ক;
(৬) আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর অবস্থান অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং আধিপত্যহীন ।

•  এ ধরনের প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নৃগোষ্ঠীগুলোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও বিকাশের জন্য বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান আইন ২০১০' নামে একটি আইন প্রণয়ন করে। এই আইনে বাংলাদেশের ‘অ-বাঙালি’ ও অতীত ঐতিহ্যবাহী জাতিসত্তাগুলোকে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী' নামে আখ্যায়িত করা হয় ।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ৬ষ্ঠ শ্রেণি ও nrigostisanad.gov.bd। 
১৪,৬৫২.
বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা-ডলারের যে বিনিময় হার পদ্ধতি গ্রহণ করেছে তার নাম কী?
  1. নির্ধারিত বিনিময় হার
  2. ফ্লোটিং এক্সচেঞ্জ রেট
  3. ক্রলিং পেগ
  4. মুদ্রা বোর্ড ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা-ডলারের যে বিনিময় হার পদ্ধতি ঠিক করেছে, তার নাম ‘ক্রলিং পেগ’। 
- ‘ক্রলিং পেগ’হচ্ছে দেশিয় মুদ্রার সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার সমন্বয়ের একটি পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে একটি মুদ্রার বিনিময় হারকে একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ওঠানামা করার অনুমতি দেওয়া হয়।
- এক্ষেত্রে মুদ্রার দরের একটি সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন সীমা নির্ধারণ করা থাকে। ফলে একবারেই খুব বেশি বাড়তে পারবে না, আবার কমতেও - পারবে না।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ জানুয়ারি ২০২৪)। 
১৪,৬৫৩.
ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী E- Governance কে নতুন কী নামে অভিহিত করেছেন?
  1. ক) Smart Governance
  2. খ) Digital Governance
  3. গ) Online Governance
  4. ঘ) IT Governance
ব্যাখ্যা
Smart শব্দটির পূর্ণরূপ হলো S= Simple, M = Moral, A = Accountable, R = Responsive, T= Transparent.রেফারেন্সঃ পৌরনীতি ও সুশাসন –প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪,৬৫৪.
বাংলাদেশে তৃতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় কত সালে? 
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে তৃতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালে।

বাংলাদেশে গণভোট:

- রাষ্ট্রের কোন গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোেট বা Referendum বলা হয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার।
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ (প্রশাসনিক)।
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই (প্রশাসনিক)।

• তৃতীয় গণভোট: 
- গণআন্দোলনের মুখে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।
- এরপর পঞ্চম সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয় বিএনপি। ১৬ বছরের রাষ্ট্রপতিশাসিত শাসন থেকে প্রধানমন্ত্রীশাসিত সংসদীয় পদ্ধতি প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট সংসদে বিল পাস হয়।
- সংবিধানে দ্বাদশ সংশোধনীর ওই বিলে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দেবেন কি না, তা নির্ধারণে ওই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- ভোটে অংশগ্রহণের হার ছিল ৩৫ দশমিক ২ শতাংশ, যেখানে ৮৪ দশমিক ৩৮ শতাংশ ভোটার 'হ্যাঁ' ভোট দিয়ে সংসদীয় প্রজাতন্ত্রকে সমর্থন করেন।
- অন্যদিকে ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ ভোটার 'না' ভোট দেন।

উৎস: ¡)বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
         ¡¡)ডেইলি স্টার বাংলা।লিঙ্ক

১৪,৬৫৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. বিচার বিভাগ
  3. আইনসভা
  4. নির্বাচন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
• প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র।
• দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার।
• চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
• পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
• ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
• সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
• অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• নবম অধ্যায় - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
• দশম অধ্যায় - সংবিধানের সংশোধন।
• একাদশ অধ্যায় - বিবিধ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৬৫৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়?
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়। 
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়। 
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৪,৬৫৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৩.২১ শতাংশ
  2. ৩.৩৫ শতাংশ
  3. ১১.২০ শতাংশ
  4. ১১.০২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.০০%।
• শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০০%।
• সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৮.০০%।

সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে –
কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.২১% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী ২০২২-২৩ অর্থবছরে ছিল ২.৬১ শতাংশ।
একই সময়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮.১৮ শতাংশ।
সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০% শতাংশ, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৫.৮৪ শতাংশ।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত) এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- আবার, কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার – ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪,৬৫৮.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কেনার জন্য ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নাম কি?
  1. ক) Accord
  2. খ) Aksa
  3. গ) Alliance
  4. ঘ) Frontex
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কেনার জন্য-
- উত্তর আমেরিকার ক্রেতাদের জোটের নাম - অ্যালায়েন্স,
- ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নাম - অ্যাকর্ড এবং
- যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের অস্ত্র কেনা-বেচা বিষয়ক চুক্তির নাম - আকসা (Acquisition and Cross-Servicing Agreement)।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৪,৬৫৯.
নিম্নোক্ত কোনটির উপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠেছে?
  1. নীতি ও মতের ভিত্তিতে
  2. নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
  3. স্বজাতিবোধের ভিত্তিতে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- এই মতাদর্শের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও ব্যাপক কর্মসূচি রচিত হয় এবং তা বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করা হয়।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৬৬০.
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ৮৩নং
  2. ৮৫নং
  3. ৮৭নং
  4. ৮২নং
ব্যাখ্যা

• বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ- ৮৭নং।
৮৭(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

৮৭(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে

(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,৬৬১.
বাংলাদেশের শিল্পখাতের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব কয়টি সংস্থা রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৬
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে অ-আর্থিক রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থার সংখ্যা - ৪৯টি।
শিল্পখাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থা ৬টি। যথা-
১. বাংলাদেশ বস্ত্রশিল্প কর্পোরেশন
২. বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন
৩. বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন
৪. বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প কর্পোরেশন
৫. বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন
৬. বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন
এছাড়া অন্যান্য খাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত্ব সংস্থা -
- বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি খাতে - ৬টি
- পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে - ৭টি
- বাণিজ্য খাতে - ৩টি
- কৃষি খাতে - ২টি
- নির্মাণ খাতে - ৬টি
- সার্ভিস খাতে - ১৯টি
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

১৪,৬৬২.
কর্ণফুলি পেপার মিলস কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ সালে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন  কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
১৪,৬৬৩.
বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল -
  1. ৭.১৪ কোটি
  2. ৭.৬৪ কোটি
  3. ৮.১৪ কোটি
  4. ৮.৬৪ কোটি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
 
উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
১৪,৬৬৪.
ভারত ভাগ পরিকল্পনা পেশ করেন কে?
  1. ক) লর্ড আরউইন
  2. খ) লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  3. গ) ব্যামফিল্ড ফুলার
  4. ঘ) লর্ড ডাফরিন
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের ৩রা জুন ভারতের শেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারত ভাগ পরিকল্পনা পেশ করেন। এ্র ভিত্তিতেই ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৬৬৫.
অপারেশন সার্চলাইটের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন কে?
  1. ক) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  2. খ) জেনারেল আবদুল হামিদ খান
  3. গ) জেনারেল টিক্কা খান
  4. ঘ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জেনারেল টিক্কা খান

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
১৪,৬৬৬.
৬ষ্ঠ আদমশুমারি বা জনশুমারিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো বা বিবিএসকে সহায়তা করবে কোন দেশের গবেষণা সংস্থা?
  1. ক) ভারত
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) কানাডা
ব্যাখ্যা
৬ষ্ঠ আদমশুমারি বা জনশুমারি অনুষ্ঠিত হবে ২০২১ সালে। এতে জন গণনায় স্যাটেলাইটের সাহায্য নেওয়া হবে। আর এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো বা বিবিএসকে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
[সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো]
১৪,৬৬৭.
অর্থনৈতিক সংকট নিরসনে বাংলাদেশ কত তারিখে নতুন মুদ্রানীতি চালু করে?
  1. ক) ১৫ জুন, ২০২৩
  2. খ) ১৬ জুন, ২০২৩
  3. গ) ১৭ জুন, ২০২৩
  4. ঘ) ১৮ জুন, ২০২৩
ব্যাখ্যা
নতুন মুদ্রানীতি:
- বাংলাদেশের মুদ্রানীতিতে বড় পরিবর্তন এনে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য সংকোচনমূলক নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- ১৮ জুন, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আগামী ছয় মাসের জন্য এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর 'আব্দুর রউফ তালুকদার'।
- আব্দুর রউফ তালুকদার মুদ্রানীতিতে চারটা বিষয়ে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে।
- মে মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯.৯৪%।
- এতদিন ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুদের হার নির্ধারণ করে দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত ৯ অথবা ১০ শতাংশের বেশি ব্যাংকগুলো সুদ নিতে পারতো না।
- এর সাথে মিল রেখে তাদের আমানত সংগ্রহ করতে হতো।
- কিন্তু এখন থেকে ঋণে সুদের হারের সর্বোচ্চ সীমা আর থাকছে না।
- এখন থেকে ঋণের সুদের হার হবে বাজার ভিত্তিক।
- তবে এজন্য একটি রেফারেন্স রেট থাকবে।
- বর্তমানে ট্রেজারি বিলের ছয় মাসের গড় সাত দশমিক ১০ শতাংশ।

উৎস: ১৮ জুন, ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১৪,৬৬৮.
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আবদুল লতিফ
  2. খ) আলতাফ মাহমুদ
  3. গ) আবদুল গাফফার
  4. ঘ) আবদুল জব্বার
ব্যাখ্যা
''আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি......''
• গানটির রচয়িতা সাংবাদিক ও লেখক আবদুল গাফফার চৌধুরী।
• গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
• বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ।
• ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়। 

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৬৬৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতির সময় কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।

⇒ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের পর পর দুই অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ দিন বিরতি থাকে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০ টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,৬৭০.
বাংলাদেশ থেকে প্রথম রপ্তানি করা জাহাজ কোনটি?
  1. এমভি স্টেলা মেরিস
  2. এমভি স্টেলার মেরি
  3. এমভি স্টেলার
  4. এমভি স্টেলার মেরিস
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি:
বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো জাহাজ রপ্তানি করা হয় ২০০৮ সালে।
• জাহাজটির নাম ছিল MV স্টেলা মেরিস (Stella Maris).
• এটি নির্মাণ করেছিল আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড।
• বাংলাদেশের আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ লিমিটেড যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেডকে ৬,১০০ ডিডব্লিউটির এই জাহাজটি রপ্তানি করেছে।
• এটি ডেনমার্কের জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল।
• এই জাহাজটি এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের রপ্তানিকৃত সবচেয়ে বড় জাহাজ হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য, 
- জলবায়ু পরিবর্তন জাহাজ শিল্পকে প্রভাবিত করে।
- সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া ও স্রোতের পরিবর্তন বন্দরের অবকাঠামো ও সমুদ্রপথে সমস্যা সৃষ্টি করে;
- পাশাপাশি জাহাজ শিল্প নিজেও গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনের মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনে অবদান রাখে।

উৎস:
১. The Business Standard;
২. প্রথম আলো।

১৪,৬৭১.
জাতীয় নাগরিক পার্টি (NCP) কখন আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে?
  1. ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
  2. ১৫ জানুয়ারি ২০২৫
  3. ১ মার্চ ২০২৫
  4. ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪
ব্যাখ্যা

National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
 - নাহিদ ইসলামকে দলটির  আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।

১৪,৬৭২.
How many spans are there in the Padma Bridge?
  1. 40
  2. 41
  3. 42
  4. 43
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা সেতু প্রকল্পতে চীনের একটি কোম্পানী কাজ করে।
- মূল সেতুর কাজ করেছে চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড।
- পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- এর ডেকের উচ্চতা ১৩ দশমিক ৬ মিটার।
- পদ্মা সেতু বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মাওয়া প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৬১৭ কিলোমিটার।
- জাজিরা প্রান্তের দৈর্ঘ্য ১০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - দ্যা ডেইলী স্টার, ২৫ জুন ২০২২।
১৪,৬৭৩.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. তথ্য কমিশন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. সরকারি কর্ম কমিশন
  4. মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

উল্লেখ্য,
- ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ এবং
- ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

• সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান: 
- নির্বাচন কমিশন,
- বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন,
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ,
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।

সাংবিধানিক পদ: 
- সাংবিধানিক পদ,
- রাষ্ট্রপতি,
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপ-মন্ত্রী,
- স্পীকার এবং ডেপুটি স্পীকার,
- অ্যাটর্নি জেনারেল,
- প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতি,
- নির্বাচন কমিশনারের সভাপতি ও সদস্যগণ,
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,৬৭৪.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৪.৮৫ কি.মি.
  2. খ) ৫.২০ কি.মি.
  3. গ) ৬.১৫ কি.মি.
  4. ঘ) ৬.৫৫ কি.মি.
ব্যাখ্যা
নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। এটি দেশের দীর্ঘতম সেতু।
মুন্সিগঞ্জের মাওয়া এবং শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্টে এটি নির্মিত হচ্ছে।
পদ্মাসেতুতে স্প্যান সংখ্যা ৪১টি। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর প্রথম স্প্যান এবং ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর সর্বশেষ স্প্যান বসানো হয়।
সেতু নির্মাণের ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হলো চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।
২০২২ সালের এপ্রিল মাসে সেতুটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১৪,৬৭৫.
মুর্শিদকুলী খানের আমলে রাজস্ব বন্দোবস্ত কোন নামে পরিচিত ছিল?
  1. টোডরমল বন্দোবস্ত
  2. শাহ সুজা বন্দোবস্ত
  3. মাল জমিনী
  4. জাফরী বন্দোবস্ত
ব্যাখ্যা

• মুর্শিদকুলী খান (১৭০০–১৭২৭):

- মুর্শিদকুলী খান বাংলায় নওয়াবী শাসনের প্রতিষ্ঠাতা। 
- তিনি প্রাদেশিক দীউয়ান হিসেবে কর্মজীবন শুরু করে একে একে উড়িষ্যা ও বাংলার নাজিম, বিহারের দীউয়ান এবং বিভিন্ন জেলার ফৌজদার পদে অধিষ্ঠিত হন। 

- ১৭০০ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে করতলব খান উপাধি দিয়ে বাংলার দীউয়ান হিসেবে নিয়োগ দেন। 
- তিনি রাজস্ব ও প্রশাসনে দক্ষতা প্রদর্শন করেন এবং সৎ ও বিশ্বস্ত কর্মকর্তা হিসেবে খ্যাত হন। 
- রাজকীয় স্বার্থ ও নাজিমের সঙ্গে বিবাদ সত্ত্বেও সম্রাটের হস্তক্ষেপে তিনি সুরক্ষিত থাকেন। 
- ১৭০৩ সালে তিনি ‘মুর্শিদকুলী খান’ খেতাব লাভ করেন এবং মকসুদাবাদকে মুর্শিদাবাদ নামে পরিচিত করেন।

- ১৭১৬ সালে তিনি বাংলার নাজিম পদে উন্নীত হন। 
- তার আমলে বাংলার রাজস্ব ব্যবস্থা সংস্কারিত হয়, যা “মাল জমিনী” নামে পরিচিত।
- হিন্দু জমিদারদের অগ্রাধিকার দিয়ে রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা হয়। 
- তিনি অভ্যন্তরীণ ও বহির্বাণিজ্যকে উৎসাহিত করেন এবং অসৎ ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তি দিতেন। 
- ইউরোপীয় কোম্পানি এবং আরব, পারস্য ও আর্মেনীয় ব্যবসায়ীরা তার আমলে সক্রিয়ভাবে বাণিজ্যে যুক্ত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,৬৭৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কত তারিখে গৃহীত হয়?
  1. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ২১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ২ মার্চ, ১৯৭২
  4. ৭ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।

- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- আয়তাকার এই পতাকার অনুপাত হচ্ছে অনুপাত: ১০:৬ (৫:৩)।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- সংবিধানের ৪নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।

⇒ ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

উল্লেখ্য
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।

উৎস: i) স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
ii) ২ মার্চ, ২০২২, প্রথম আলো।
১৪,৬৭৭.
দেশে স্থাপিত প্রথম চিনিকল কোনটি?
  1. ক) নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লি.
  2. খ) কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি.
  3. গ) সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি.
  4. ঘ) নাটোর সুগার মিলস লি.
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ ভারতে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে স্থাপিত প্রথম চিনিকল হলো নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড। এটি ১৯৩০ সালে নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার গোপালপুরে স্থাপিত হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে৷
এর মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১৪,৬৭৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য কে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ড. এ এস এম মকসুদ কামাল
  2. ড. মো. আখতারুজ্জামান
  3. ড. নিয়াজ আহমদ খান
  4. ড. এমাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খান।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ রহমান।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূরণ করেছে।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,৬৭৯.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম বৈশিষ্ট্যের একটি-
  1. সরকারি পদে অধিষ্ঠিত হওয়া
  2. দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন
  3. সরাসরি নির্বাচনে অংশগ্রহণ
  4. সরকারি নীতিকে নিজেদের স্বার্থে প্রভাবিত করা
ব্যাখ্যা

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য :
•  দলীয় সংগঠনবিহীন:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়।
- সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

• দলীয় কর্মসূচিবিহীন:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
- এটি নির্দলীয় সংগঠন।
- এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

•  নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
-তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। 

• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না।
- বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
- তবে পরোক্ষভাবে রাজনীতিক নেতৃবৃন্দের সাথে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। 

• বেসরকারি সংগঠন:
- চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সরকারি স্বীকৃতিও সাধারণত থাকে না।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১৪,৬৮০.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে 'মুক্তিবেটি' নামে পরিচিত কে?
  1. তারামন বিবি
  2. সেতারা বেগম
  3. কাঁকন বিবি
  4. আশালতা বৈদ্য
ব্যাখ্যা
মুক্তিবেটি নামে পরিচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর নারী মুক্তিযোদ্ধা হলেন কাঁকন বিবি।

কাঁকন বিবি:
- কাঁকন বিবি ১৯৭১ সালে সংঘটিত বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের এক বীরযোদ্ধা।
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে সুনামগঞ্জ জেলার এক খাসিয়া পরিবারে।
- কাঁকন বিবির আসল নাম কাঁকাত হেনিনচিতা।
- তিনি মুক্তিবেটি নামেও পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি ৫নং সেক্টরে পাকিস্তানি বাহিনীর বিপক্ষে মুক্তিবাহিনীর হয়ে গুপ্তচরের কাজ করেন।
- তারপর কাঁকন বিবি অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলীর কাছে। প্রায় ২০টি যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন তিনি।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে টেংরাটিলায় পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে অংশ নিলে গুলিবিদ্ধ হন।

উল্লেখ্য,
- কাঁকন বিবি কে ১৯৯৭ সালে মৌখিক ভাবে বীর প্রতীক খেতাব দেওয়া হলেও তার গেজেট প্রকাশিত হয়নি।
- ২০১৮ সালের ২১শে মার্চ তিনি মারা যান।

উৎস: i) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী।
ii) প্রথম আলো।
১৪,৬৮১.
BEZA এর প্রধান কাজ হলো-
  1. রপ্তানি আয় বৃদ্ধি করা
  2. বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা
  3. অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা
  4. অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ করা
ব্যাখ্যা
- Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) এর প্রধান কাজ হলেো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা, রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখভাল করা।
- ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর বেজা গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে,
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বেপজা রপ্তানি আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণে কাজ করে।
(তথ্যসূত্রঃ বেজা ওয়েবসাইট)
১৪,৬৮২.
২০২৩ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতি কততম বিজয় দিবস পালন করে?
  1. ৫১তম
  2. ৫২তম
  3. ৫৩তম
  4. ৫৪তম
ব্যাখ্যা
বিজয় দিবস:
- ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে জাতি নিজেদের জন্য বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নাম সংযোজিত করেছিল এক বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে। 
- ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম আর বিপুল সম্পদহানির ভেতর দিয়ে মুক্তির সংগ্রামে সফল হয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা।
- ছিনিয়ে এনেছিলেন চূড়ান্ত বিজয়।
- ২০২৩ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫২ বছর পূর্ণ করছে ও  ৫৩তম বিজয় দিবস উদযাপন করেছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
         ii) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৪,৬৮৩.
চলতি বছর কত হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে?
  1. ক) ৫.৯০ লক্ষ
  2. খ) ৬.৭৭ লক্ষ
  3. গ) ৮.৪৩ লক্ষ
  4. ঘ) ৬.৮২ লক্ষ
ব্যাখ্যা

চলতি বছর ৬.৮২ লক্ষ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে।
- যা থেকে প্রায় ৭৭.২৫ লক্ষ বেল পাটের আঁশ উৎপাদিত হয়েছে।
- ১ বেল = ৩.৫ মণ প্রায়।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

১৪,৬৮৪.
মুক্তিযুদ্ধে কোন দুজন নারী মুক্তিযোদ্ধা ’বীর প্রতীক’ খেতাব পান?
  1. তারামন বিবি ও লায়লা নাজনীন
  2. ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও তারামন বিবি
  3. শিরিন বেগম ও তারামন বিবি
  4. ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও ফাতেমা বেগম
ব্যাখ্যা

​মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।

১৪,৬৮৫.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। উপ রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এএইচএম কামরুজ্জামান। অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী। খন্দকার মুশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী। উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১৪,৬৮৬.
স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের সময়সীমা বাংলাদেশ কত সাল পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছে? 
  1. ২০২৭ সাল
  2. ২০২৮ সাল
  3. ২০২৯ সাল
  4. ২০৩০ সাল 
ব্যাখ্যা

• স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণ:
- এলডিসি থেকে কোন দেশ বের হবে, সে বিষয়ে সুপারিশ করে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) অধীন কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি)।
- এই সুপারিশ ECOSOC-এ অনুমোদিত হয় এবং পরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। 

- তিন বছর পরপর এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়। মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ এবং জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা— এই তিন সূচকের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হয়, কোনো দেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের যোগ্য কি না। 
- যেকোনো দুটি সূচকে উত্তীর্ণ হতে হয় অথবা মাথাপিছু আয় নির্ধারিত সীমার দ্বিগুণ হতে হয়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এসব মানদণ্ড অবশ্য পরিবর্তিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকাভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মূল্যায়নে তিনটি সূচকেই উত্তীর্ণ হয়।
 - ২০২১ সালেই চূড়ান্তভাবে সুপারিশ করা হয়, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে।
 - তবে করোনার কারণে প্রস্তুতির জন্য দুই বছর সময় বাড়ানো হয়।
- ফলে, ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হবে। 
- তবে, ২০২৬ সালে নতুন সরকার দেশি-বিদেশি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করে এলডিসি উত্তরণ-প্রস্তুতির সময়কাল ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে। 

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো। 

১৪,৬৮৭.
বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ব্যাংক কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  2. রূপালী ব্যাংক পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. জনতা ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
পূবালী ব্যাংক পিএলসি
- বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ব্যাংক পূবালী ব্যাংক।
- যেটি ১৯৫৯ সালে “ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড” নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালে এটি পূবালী ব্যাংক নামে সরকারিকরণ করা হয় এবং পুনরায় ১৯৮৩ সালে এটি বেসরকারিকরণ করা হয়।
- কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ এর ১১ক(ক) ধারার বিধান অনুসারে ৯ অক্টোবর থেকে তফসিলি ব্যাংকগুলোর তালিকায় ‘পূবালী ব্যাংক লিমিটেড’র নাম পরিবর্তন করে ‘পূবালী ব্যাংক পিএলসি’ করা হয়েছে।
- কোম্পানি আইন ১৯৯৪-এ সন্নিবেশিত ১১ক (ক) ধারার বিধান অনুসারে, বাংলাদেশে নিবন্ধিত সীমিতদায় পাবলিক ব্যাংক-কোম্পানির নামের শেষে ‘পাবলিক সীমিতদায় কোম্পানি’ বা পিএলসি শব্দটি যোগ করার বিধান রয়েছে।
 
উৎস:- পূবালী ব্যাংক ওয়েবসাইট (লিংক) ।
১৪,৬৮৮.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ১নং আসন কোনটি?
  1. খুলনা - ১
  2. পঞ্চগড় - ১
  3. বান্দরবান - ১
  4. রাঙ্গামাটি - ১
ব্যাখ্যা
পঞ্চগড়-১ আসন হলো জাতীয় সংসদের ১নং আসন।

জাতীয় সংসদ:
- অবস্থান - শেরে বাংলা নগর, ঢাকা।
- স্থপতি - লুই আই কান (যুক্তরাষ্ট্র)।
- সংসদ উদ্বোধন হয় - ২৮ জানুয়ারি, ১৯৮২ সালে।

উল্লেখ্য, 
- সংসদের মোট আসন - ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন - ৩০০টি।
- সংরক্ষিত নারী আসন - ৫০ টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০ নং আসন - বান্দরবান।
- ১ টি করে আসন রয়েছে তিনটি জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি)।

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
১৪,৬৮৯.
The fundamental rights of the citizens as provided in the Bangladesh constitution does not include -
  1. ক) Freedom of speech
  2. খ) Freedom of association
  3. গ) Right to life and liberty
  4. ঘ) Right to happiness
ব্যাখ্যা
• মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত বাংলাদেশের সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদ: 
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা
৩৯। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৬৯০.
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোভিয়েত ইউনিয়ন পাঠিয়েছিল-
  1. সপ্তম নৌবহর
  2. অষ্টম নৌবহর
  3. নবম নৌবহর
  4. ষষ্ঠ নৌবহর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে বৃহৎ শক্তির ভূমিকা:
- মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিল- ভারত এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন, কিউবা, যুগোশ্লাভিয়া, পোল্যান্ড, হাজেরি, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানি প্রভৃতি তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো।
- পাকিস্তানের পক্ষে ছিল- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন।
- জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়ন ৩ বার ভেটো প্রদান করে।
- যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সমর্থনে ভারত মহাসাগরে মূল ভূখণ্ডের বাইরে সবচেয়ে বড় নেভাল ফোর্স সপ্তম নৌক পাঠায়।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন পাঠিয়েছিল- অষ্টম নৌবহর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪,৬৯১.
কাঁঠাল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৫ম
ব্যাখ্যা
কাঁঠাল উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে কাঁঠাল উৎপাদনের শীর্ষে রয়েছে ভারত।
- দেশটিতে প্রতিবছর কাঁঠালের উৎপাদন হয় ২০ লাখ মেট্রিক টন।
- কাঁঠাল উৎপাদনে ভারতের পরেই ২য় তে বাংলাদেশের অবস্থান।
- গত ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়েছে ১৮ লাখ ৩০ হাজার ১৩১ মেট্রিক টন কাঁঠাল।
- কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, দেশে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ৫৮ হাজার ৭০০ হেক্টর জায়গায় কাঁঠালের চাষ হয়েছে।
- বাণিজ্যিকভাবে কাঁঠাল উৎপাদনে শীর্ষে আছে পাঁচ জেলা। সেগুলো হলো- গাজীপুর, বান্দরবান, রাঙামাটি, টাঙ্গাইল ও খাগড়াছড়ি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১৪,৬৯২.
বাংলাদেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে কয়টি? [জুন,২০২৫]
  1. ১৯০ টি
  2. ১৮০ টি
  3. ১৭০ টি
  4. ১৭৫টি
ব্যাখ্যা
নিবন্ধিত চা বাগান:
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [জুন,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- হাবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত ২৫টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৬৯৩.
সর্বশেষ সংবিধানের কততম সংশোধনী গৃহিত হয়? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
  1. ১৫ তম
  2. ১৬ তম
  3. ১৭ তম
  4. ১৮ তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে। (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৪,৬৯৪.
১৯৬৫ সালের ৬ সেপ্টেম্বর শুরু হওয়া ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ কত দিন অব্যাহত ছিল?
  1. ক) ১৯ দিন
  2. খ) ১৭ দিন
  3. গ) ১৪ দিন
  4. ঘ) ১১ দিন
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ:
- ১৯৪৭ সালে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টির পর কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে এই দুই দেশের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত হয়।
- ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই কাশ্মীরকে তাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে মনে করত।
- কাশ্মীর সমস্যাকে কেন্দ্র করে ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ আগস্ট পাকিস্তান বাহিনী ভারত আক্রমণ করলে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ শুরু হয়।
- ৬ সেপ্টেম্বর ভারত লাহোর আক্রমণে অগ্রসর হয়।
- ১৭ দিন যুদ্ধের পর জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় ২৩ সেপ্টেম্বর যুদ্ধ বিরতি ঘোষিত হয়।
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাক্ষরিত ‘তাসখন্দ চুক্তি'র মাধ্যমে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৬৯৫.
হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে?  
  1. অনুচ্ছেদ ১০৫
  2. অনুচ্ছেদ ১০৮ 
  3. অনুচ্ছেদ ১০২  
  4. অনুচ্ছেদ ১০৬  
ব্যাখ্যা

- হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয় সংবিধানের ১০২(২)(খ)(আ)- অনুচ্ছেদের আলোকে। 
- কোনো ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কোনো দায়িত্বে অবৈধভাবে অধিষ্ঠিত থাকলে বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(আ)-এর অধীনে হাইকোর্ট কর্তৃক Quo Warranto জারি করা হয়।   

• Quo Warranto বা কারণ দর্শাও রিট: 
- Quo Warranto একটি ল্যাটিন শব্দ, যার অর্থ "By what authority?" বা "কোন অধিকারে?"। 
- এটি একটি রিট যা সরকারি বা সর্বজনীন পদ অবৈধভাবে দখল বা দাবি করার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। 
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২(২)(খ)(আ)-এর অধীনে হাইকোর্ট বিভাগকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- এর মাধ্যমে হাইকোর্ট বিভাগ সেই ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করে যে সে 'কোন আইনি অধিকার' বা warrant-এর ভিত্তিতে সেই পদ ধারণ করছে। 
- যদি অধিকার অবৈধ প্রমাণিত হয়, তাহলে আদালত তাকে পদ থেকে অপসারণ করতে পারে।
- সাধারণত নিয়োগ প্রক্রিয়া আইনবিরোধী হলে এটি করা হয়। 


• সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০২: সুপ্রীম কোর্ট কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

১০২।(১) কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের দ্বারা অর্পিত অধিকারসমূহের যে কোন একটি বলবৎ করিবার জন্য প্রজাতন্ত্রের বিষয়াবলীর সহিত সম্পর্কিত কোন দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিসহ যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে হাইকোর্ট বিভাগ উপযুক্ত নির্দেশাবলী বা আদেশাবলী দান করিতে পারিবেন।

 (২) হাইকোর্ট বিভাগের নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, আইনের দ্বারা অন্য কোন সমফলপ্রদ বিধান করা হয় নাই, তাহা হইলে
(ক) যে কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে-
(অ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তিকে আইনের দ্বারা অনুমোদিত নয়, এমন কোন কার্য করা হইতে বিরত রাখিবার জন্য কিংবা আইনের দ্বারা তাঁহার করণীয় কার্য করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) প্রজাতন্ত্র বা কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়াবলীর সহিত সংশ্লিষ্ট যে কোন দায়িত্ব পালনে রত ব্যক্তির কৃত কোন কার্য বা গৃহীত কোন কার্যধারা আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে করা হইয়াছে বা গৃহীত হইয়াছে ও তাঁহার কোন আইনগত কার্যকরতা নাই বলিয়া ঘোষণা করিয়া  উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন; অথবা

 (খ) যে কোন ব্যক্তির আবেদনক্রমে-

 (অ) আইনসংগত কর্তৃত্ব ব্যতিরেকে বা বেআইনী উপায়ে কোন ব্যক্তিকে প্রহরায় আটক রাখা হয় নাই বলিয়া যাহাতে উক্ত বিভাগের নিকট সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হইতে পারে, সেইজন্য প্রহরায় আটক উক্ত ব্যক্তিকে উক্ত বিভাগের সম্মুখে আনয়নের নির্দেশ প্রদান করিয়া, অথবা

(আ) কোন সরকারি পদে আসীন বা আসীন বলিয়া বিবেচিত কোন ব্যক্তিকে তিনি কোন্ কর্তৃত্ববলে অনুরূপ পদমর্যাদায় অধিষ্ঠানের দাবী করিতেছেন, তাহা প্রদর্শনের নির্দেশ প্রদান করিয়া উক্ত বিভাগ আদেশদান করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ ১০৫: আপীল বিভাগ কর্তৃক রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা।
- অনুচ্ছেদ ১০৬: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০৮: কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের সংবিধান। 
ii) JURISDICTION OF WRITS AND IT'S EXECUTION IN BANGLADESH. (Link) 
iii) Bangladesh Legal Research Platform (Link) 

১৪,৬৯৬.
'ব্রি ধান-১০০' হচ্ছে একটি -
  1. খরা সহিষ্ণু ধান
  2. জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধান
  3. লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধান
  4. জিংক সমৃদ্ধ ধান
ব্যাখ্যা
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাতসমূহ: 
- ব্রি ধান-৬২, 
- ব্রি ধান-৬৪, 
- ব্রি ধান-৭২, 
- ব্রি ধান-৭৪, 
- ব্রি ধান-৮৪, 
- ব্রি ধান-১০০ প্রভৃতি। 

খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: 
- ব্রি ধান-৪৩, 
- ব্রি ধান-৫৫, 
- ব্রি ধান-৫৬, 
- ব্রি ধান-৫৭, 
- ব্রি ধান-৬৬, 
- ব্রি ধান-৭১, 
- ব্রি ধান-৮৩ প্রভৃতি। 

লবণাক্ততা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: 
- ব্রি ধান-৬৭, 
- ব্রি ধান-৬৯, 
- বিনা ধান-১০ ইত্যাদি। 

জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ: 
- ব্রি ধান-৫১, 
- ব্রি ধান-৫২, 
- ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি। 

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৪,৬৯৭.
‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ কত সালে গঠন করা হয়েছিল?
  1. ক) ১৯৪৭ সালে
  2. খ) ১৯৫২ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
- ১৯৬৮-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুববিরোধী গণআন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হওয়ার সময় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দু কারারুদ্ধ হলে আন্দোলন কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়ে তখন ছাত্ররা এ আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করে।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ডাকসু কার্যালয়ে ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন এবং ডাকসুর যৌথ উদ্যোগে ডাকসুর তৎকালীন সহসভাপতি তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে ‘সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়। 
- সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেয় যার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয় দফা দাবি অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু দাবি ছিল-
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কুখ্যাত অর্ডিন্যান্স বাতিলসহ সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি,
বাক-স্বাধীনতা,
ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
বৃহৎ শিল্পের জাতীয়করণ,
শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি প্রদান,
ট্রেড ইউনিয়ন গঠন,
বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি সম্পদের সঠিক ব্যবহার,
জরুরি আইন,
নিরাপত্তা আইন ও
অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৪,৬৯৮.
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে গণপরিষদের কতজন সদস্য স্বাক্ষর করেননি?
  1. ১ জন
  2. ৪ জন
  3. ৩ জন
  4. ২ জন
ব্যাখ্যা
হস্তলিখিত মূল সংবিধানে গণপরিষদের ৪ জন সদস্য স্বাক্ষর করেননি।

সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর বঙ্গবন্ধুর:

- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- এটি একটি লিখিত দলিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- গণপরিষদের সদস্য চিল মোট ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ তারিখ স্পিকারের আমন্ত্রণে সংবিধানে সর্ব প্রথম স্বাক্ষর দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- প্রথমে সংবিধানের বাংলা এবং পরে ইংরেজি পাঠে।
- তারপর স্বাক্ষর করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ।
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
        ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৪,৬৯৯.
MFS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Financial Services
  2. Mutual Fund Service
  3. Mobile File System
  4. Mobile Fund Services
ব্যাখ্যা
MFS:
- MFS-এর পূর্ণরূপ: Mobile Financial Services.
- Mobile Financial Services হচ্ছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সেবা।
- মোবাইল নম্বরের বিপরীতে অর্থ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট খোলা হয় তাই MFS হিসাব, যেখানে গ্রাহকের টাকা ইলেকট্রনিক উপায়ে জমা থাকে।
- এটা গ্রাহকদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে।
- একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ব্যাংকে না গিয়ে বাড়িতে বসে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।
- বাংলাদেশে অনেক মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন, বিকাশ, নগদ, উপায়, রকেট, বিনিময় ইত্যাদি।

⇒ এই সেবার মাধ্যমে নিজের MFS একাউন্টে নগদ টাকা জমা করা যায়।
- নিজের একাউন্ট হতে অন্যের MFS একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
- MFS একাউন্টে জমানো টাকা দিয়ে যে কোন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করা যায়; বিদ্যুৎ গ্যাস পানির বিল, টিউশান ফি ইত্যাদি পরিশোধ করা যায় এবং প্রয়োজনে MFS একাউন্টে জমাকৃত টাকা তোলা যায়।

উৎস: i) Bangladesh Bank.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১৪,৭০০.
সোনাহাট স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রংপুর
  4. শেরপুর
ব্যাখ্যা
সোনাহাট স্থলবন্দর: 
- এটি  কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলা সীমান্তে অবস্থিত।
- সোনাহাট স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের ধুবড়ী জেলার গোলকগঞ্জ সীমান্ত অবস্থিত।
- স্থলপথে ২৫ অক্টোবর, ২০১২ খ্রিঃ তারিখের স্থলবন্দর ঘোষনা করা হয়।
- পরবর্তীতে ০৯ জুন ২০১৮ খ্রিঃ তারিখে সোনাহাট স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: সোনাহাট স্থলবন্দর ওয়েবসাইট।