বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪৫ / ৩০৬ · ১৪,৪০১১৪,৫০০ / ৩০,৮৩২

১৪,৪০১.
নিচের কোনটি একুশে ফেব্রুয়ারি নিয়ে রচিত নয়?
  1. ক) মন না মতি
  2. খ) ঘর মন জানালা
  3. গ) আর্তনাদ
  4. ঘ) চিলে কোটার সেপাই
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন পরবর্তীকালে ভাষা আন্দোলন নিয়েই বাংলা ভাষায় সবচেয়ে বেশি কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক এবং প্রবন্ধ রচিত হয়েছে।
এর মধ্যে জহির রায়হানের আরেক ফাল্গুন,
দিলারা হাশেমের ঘর মন জানালা,
আনিস সিদ্দিকীর মন না মতি,
শওকত ওসমানের আর্তনাদ উপন্যাস উল্লেখযোগ্য। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের বিখ্যাত সৃষ্টি চিলে কোটার সেপাই ’৬৯ এর গণ-অভ্যূত্থানকে কেন্দ্র করে রচিত।
সূত্র : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস-ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪,৪০২.
মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতার জন্যে প্রদত্ত দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীরপ্রতীক
  3. গ) বীরবিক্রম
  4. ঘ) বীরউত্তম
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসমান্য অবদান ও বীরত্বের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করেন। এগুলো হলো বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম এবং বীরপ্রতীক।
এর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব হলো বীর উত্তম।
বীরশ্রেষ্ঠ- ৭ জন
বীরউত্তম- ৬৮ জন
বীরবিক্রম – ১৭৫ জন
বীরপ্রতীক – ৪২৬ জন
সূত্র : মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট
১৪,৪০৩.
The first independent Nawab of Bengal -
  1. ক) Alivardi Khan
  2. খ) Alauddin Hussain Shah
  3. গ) Shamsuddin Ilyas Shah
  4. ঘ) Murshid Quli Khan
ব্যাখ্যা
• নবাবী শাসনামল (১৭০৭ - ১৭৫৭):
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান ১৭০৭ সালে নবাবী শাসনের সূচনা করেন।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলার ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয় স্বাধীন নবাবী আমল।
- ১৭৬০ - ৬৩ সাল পর্যন্ত মীর কাসিম নবাব ছিলেন।
- ১৭৬৪ সালে তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত নবাব নবাব মীর কাসিম, মোঘল সম্রাট শাহ আলম ও অযোধ্যার নওয়াব সুজাউদ্দৌলা বাহিনীর সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- উক্ত যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলা সহ অন্যান্য অঞ্চলে নবাবী শাসন বিলুপ্ত হয় এবং ইংরেজ উপনেবেশিক যুগ চূড়ান্তভাবে শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪০৪.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম কোথায় অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে অংশগ্রহন করে? 
  1. টোকিও 
  2. লস এঞ্জেলেস
  3. মেক্সিকো সিটি
  4. মস্কো
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।

অলিম্পিক গেমস:

- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলেস-এ অনুষ্ঠিত গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে প্রথম অংশগ্রহণ করে।
- একটি বিভাগে অংশগ্রহণের জন্য ১ জন ক্রীড়াবিদ প্রেরণ করে।
- সাইদুর রহমান ডন ছিলেন সেই প্রতিযোগী।

উৎস: i) Olympics.
ii) Britannica.

১৪,৪০৫.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের ৩০% ধান উৎপাদন করে থাকে চীন, যে উৎপাদন প্রায় ১৪.৮৫ কোটি টন।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

⇒ ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:
1. চীন।
2. ভারত।
3. বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- ধান আমদানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- ধান রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ ভারত।

এছাড়াও বাংলাদেশ -
- সবজি উৎপাদনে ৩য় অবস্থানে,
- আম উৎপাদনে ৮ম অবস্থানে,
- কাঁঠাল উৎপাদনে ২য় অবস্থানে,
- আলু উৎপাদনে ৬ষ্ঠ অবস্থানে,
- পেঁয়াজ উৎপাদনে ৮ম অবস্থানে,
- ইলিশ উৎপাদনে ১ম স্থানে,
- পাট উৎপাদনে ২য় স্থানে,
- মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে ৩য় অবস্থানে,

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
১৪,৪০৬.
’মারমা’ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বাসস্থান কোথায়?
  1. সিলেট
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা

মারমা
- মারমা  বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- মারমা জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- প্রায়শই তাদের আলাদা জনগোষ্ঠী হিসেবে দেখা হয়। 
- ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের মারমা জনসংখ্যা ১,৫৭,৩০১। 
- ২০২২ সালের আদমশুমারিতে তাদের সংখ্যা ২,২৪,২৯৯  জন।

- মারমারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- মারমাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে। 
- ভাষাতাত্ত্বিকদের মতে, মারমাদের ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- বর্ণমালার নাম ম্রাইমাজা। 
- বাম থেকে ডান দিকে লেখার রীতি অনুসারী বর্ণমালা
- উপমহাদেশীয় প্রাচীন ব্রাহ্মী লিপি হতে উদ্ভুত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া, জনশুমারি-২০২২।

১৪,৪০৭.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কোন উপখাতের অবদান সর্বাধিক?
  1. পাইকারি ও খুচরা ব্যবসা
  2. ম্যানুফ্যাকচারিং
  3. পরিবহন ও যোগাযোগ
  4. কৃষি ও বনজ
ব্যাখ্যা
গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে প্রধান খাত সমূহের অবদান:
- কৃষিখাত : ১৩.৪৭ শতাংশ
- শিল্পখাত : ৩৪.৯৯ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৫৩ শতাংশ।
উপখাত সমূহের অবদান:
কৃষিখাতের উপখাত সমূহ:
- কৃষি ও বনজ : ৯.৯ শতাংশ
- মৎস্য : ৩.৫৭ শতাংশ
শিল্পখাতের উপখাত সমূহ:
- ম্যানুফ্যাকচারিং : ২৩.৬৬ শতাংশ
- খনিজ ও খনন : ১.৬১ শতাংশ
- নির্মাণ : ৮.২২ শতাংশ
- বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি সম্পদ : ১.৫১ শতাংশ
সেবাখাতের উপখাত সমূহ:
- পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য : ১৪.০৮ শতাংশ
- হোটেল ও রেস্তোরাঁ : ০.৭৩ শতাংশ
- পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ : ১১.০৪ শতাংশ
- আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা : ৩.৩৬ শতাংশ
- রিয়েল এস্টেট : ৬.১৫ শতাংশ
- লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা : ৩.৭৩ শতাংশ
- শিক্ষা : ২.৪৭ শতাংশ
- স্বাস্থ্য : ২.০৯ শতাংশ
- কমিউনিটি ও ব্যক্তিগত সেবা : ৭.৯০ শতাংশ৷
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যা ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১৪,৪০৮.
'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. ৩য়
  2. ৪র্থ
  3. ৫ম
  4. ৭ম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:

- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত ।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৪০৯.
ইউনিয়ন পরিষদের মোট সদস্য-
  1. ক) ২৫ জন
  2. খ) ২১ জন
  3. গ) ১৮ জন
  4. ঘ) ১৩ জন
ব্যাখ্যা
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় ১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন নির্বাচিত সদস্য এবং ৩ জন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত মহিলা সদস্য নিয়ে। 
- অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪,৪১০.
Sustainable Development Goals (SDGs) এর সর্বমোট লক্ষ্য কয়টি?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ২৭টি
  4. ঘ) ৮টি
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ১৪ নং লক্ষ্যমাত্রায় মহাসাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
 
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট।
১৪,৪১১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একজন ব্যক্তি একাধিক এলাকার সংসদ সদস্য থাকতে পারবেন না?
  1. ৬৬
  2. ৬৮
  3. ৭১
  4. ৭৮
ব্যাখ্যা
দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা:
- সংবিধানের ৭১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকার সংসদ-সদস্য হবেন না।

(২) কোনো ব্যক্তির একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনী এলাকা হইতে নির্বাচনপ্রার্থী হওয়ায় এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় বর্ণিত কোনো কিছুই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না, তবে তিনি যদি একাধিক নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হন তা হলে-
(ক) তাঁহার সর্বশেষ নির্বাচনের ত্রিশ দিনের মধ্যে তিনি কোন নির্বাচনী এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে ইচ্ছুক, তা জ্ঞাপন করে নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বাক্ষরযুক্ত ঘোষণা প্রদান কঢ়বেন এবং তিনি অন্য যে সকল নির্বাচনী এলাকা হতে নির্বাচিত হয়েছিলেন, অতঃপর সেই সকল এলাকার আসনসমূহ শূন্য হবে;
(খ) এই দফার (ক) উপ-দফা মান্য করতে অসমর্থ হলে তিনি যে সকল আসনে নির্বাচিত হয়েছিলেন, সেই সকল আসন শূন্য হবে।

এছাড়া,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ সংসদে নির্বাচিত হবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা,
- ৬৮ নং অনুচ্ছেদ সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি এবং
- ৭৮ নং অনুচ্ছেদ সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি সংক্রান্ত।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৪১২.
বাংলার বারো ভূঁইয়াদের দমন করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. সম্রাট শাহজাহান
  3. শায়েস্তা খান
  4. সম্রাট আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- বাংলায় কররানী বংশের রাজত্ব দুর্বল হয়ে পড়লে বাংলার সোনারগাঁ, খুলনা, বরিশাল প্রভৃতি অঞ্চলে কিছুসংখ্যক জমিদার স্বাধীন রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর পশ্চিম বাংলা ও উত্তর বাংলার অধিকাংশই দখল করে নেন।
- এক দল জমিদার বা ভূস্বামী একযোগে পূর্ব বাংলার ওপর মোগল আক্রমণ প্রতিহত করেন।
- এরাই বারো ভূঁইয়া নামে পরিচিত।
- বারো ভূঁইয়াদের প্রধান ছিলেন ঈশা খাঁ।
- আকবরের সেনাপতি মানসিংহ বারবার চেষ্টা করেও ঈশা খাঁকে পরাজিত করতে পারেননি।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসন আমলেও বারো ভূঁইয়ারা মোগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
- তবে শেষ পর্যন্ত বারো ভূঁইয়াগণ মুঘল সুবাদার ইসলাম খানের হাতে পরাজিত হন এবং মুঘল বশ্যতা স্বীকার করেন।
- ফলে বাংলায় মুঘল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে দক্ষতার সাথে বারভূঁইয়াদের দমন করেন সুবাদার ইসলাম খান।
- ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুবাদার হয়ে আসেন ইসলাম খান চিশতী। তার মূল লক্ষ্য ছিল বারভূঁইয়াদের পরাস্ত করা।
- সুবাদার ইসলাম খান ঢাকায় প্রবেশ করে ঢাকাকে রাজধানী ঘোষণা করেন এবং সম্রাটের নামে তার নতুন নামকরণ করেন - জাহাঙ্গীরনগর। এরপর সেখান থেকে বারভূঁইয়াদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে শুরু করেন।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএএস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪১৩.
বিবিএসের রিপোর্ট অনুসারে, বর্তমানে দেশে সাক্ষরতার হার -
  1. ৭৪.৮ শতাংশ
  2. ৭৬.৮ শতাংশ
  3. ৭৬.২ শতাংশ
  4. ৭৪.২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
দেশে নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর সংখ্যা:
- ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস। 
- দেশে বর্তমান ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সের নাগরিকদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৬.৮ শতাংশ। 
- সেই হিসাবে নিরক্ষর জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ২৩.২ শতাংশ।
- অবশ্য প্রায়োগিক সাক্ষরতার হার আরও কম।

উল্লেখ্য,
বিবিএসের প্রায়োগিক সাক্ষরতা জরিপ ২০২৩–এর তথ্য অনুযায়ী,
- ৭ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের প্রায়োগিক সাক্ষরতা প্রায় ৭৩ শতাংশ।
- ১১ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের এই হার ৭৩ দশমিক ৬৯।

উৎস: ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো। [link]
১৪,৪১৪.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. খুলনা
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।

⇒ প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।

⇒ বোর্ডের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মোট ৪টি বিভাগ রয়েছে; যথা: (১) প্রশাসন ও সংস্থাপন বিভাগ, (২) অর্থ ও পরিকল্পনা বিভাগ, (৩) সম্প্রসারণ ও প্রেষণা বিভাগ এবং (৪) উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ বিভাগ।
- এ ছাড়াও গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনষ্টিটিউটসহ এমআইএস সেল, নিরীক্ষা শাখা, জনসংযোগ শাখা সরাসরি মহাপরিচালকের অধীনে ন্যাস্ত রয়েছে।
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের নুতন অর্গানোগ্রাম প্রণয়নের বিষয়টি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৪,৪১৫.
শশাঙ্কের রাজধানী ছিল -
  1. কোটিবর্ষ
  2. পুণ্ড্রনগর
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নৃপতি শশাঙ্ক সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধের শাসক।
- গুপ্ত শাসনের পর বাংলার গৌড় রাজ্যের তিনি অধিপতি হন।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্কই বাংলার প্রথম নৃপতি যার ভূমিদান করার মতো এবং মুদ্রা প্রকাশ করার মতো স্বাধীন ক্ষমতা ছিল।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু (শৈব) ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৪১৬.
বাংলাদেশের ঘোষিত 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন' এলাকা-
  1. ক) সোনাদিয়া দ্বীপ
  2. খ) গুলশান-বারিধারা লেক
  3. গ) সুন্দরবন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ)
- ভূপ্রাকৃতিক অনুকূল অবস্থার কারণে বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ।
- কিন্তু অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য নানান ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন।
- ইতোমধ্যে দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area - ECA / ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এখন পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
এলাকাগুলো হলো: 
- সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকট, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উৎস: বাংলাদেশের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) - পরিবেশ অধিদপ্তর, portal.gov.bd.
১৪,৪১৭.
বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. পায়রা
  2. মংলা
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

• পায়রা বন্দর:
- পায়রা বন্দর বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর।
- এটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর।
- এটি কলাপাড়ার রাবনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রথম সমুদ্র বন্দর।
- মংলা বন্দর বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর।

তথ্যসূত্র: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট। (লিংক)

১৪,৪১৮.
শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের পুরো নাম কী?
  1. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  2. আবুল কালাম ফজলুল হক
  3. আবদুল কালাম ফজলুল হক
  4. আবদুল কাশেম ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
• এ কে  ফজলুল হক (১৮৭৩-১৯৬২):
- এ.কে ফজলুল হক রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তার পুরো নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক।
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বর্তমান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- লোকপ্রিয়ভাবে ‘শেরে বাংলা’ বা হক সাহেব রূপে পরিচিত।
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে লোকপ্রিয়ভাবে পাকিস্তান প্রস্তাব নামে অভিহিত 'লাহোর প্রস্তাব' উত্থাপনের জন্য জিন্নাহ্ তাঁকে নির্বাচিত করেন।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের নাম কৃষক প্রজা পার্টি (কে.পি.পি)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪১৯.
মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে কখন থেকে চালু করা হয়?
  1. ১ জুলাই, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯৩
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৫
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (VAT):
- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই, ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।
১৪,৪২০.
'মাৎস্যন্যায়' বাংলার কোন সময়কে নির্দেশ করে?
  1. শশাঙ্ক পরবর্তী
  2. ব্রিটিশ শাসনামল
  3. সেন পরবর্তী
  4. পাল পরবর্তী
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান:

- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- মান্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলা যেন পরিণত হয়েছিল মাছের রাজ্যে।
- শাসকের অভাবে সবল অত্যাচার করে দুর্বলের ওপর।
- মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কে মায়া, মমতা, সৌহার্দ্যের যে স্থান তা দখল করে নেয় হিংসা ও দ্বেষ। লামা তারানাথ লিখেছেন, সমগ্র দেশের কোনো রাজা ছিল না।
- এক চরম অরাজক পরিস্থিতিতে বাংলার ইতিহাসে অনেকটা ধূমকেতুর মতো গোপালের আবির্ভাব হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান গোপাল।
- খালিমপুর তাম্রশাসনের বলা হয়েছে যে, মাৎস্যন্যায় দূর করার অভিপ্রায়ে প্রকৃতিগণ গোপালকে রাজা নির্বাচন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪২১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৭.৬%
  2. ১০.৮%
  3. ১৫.৬%
  4. ১৮.৭%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৩%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪,৪২২.
বাংলাদেশে প্রথম কত সালে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৯৪
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রথম ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়।
- ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং
- ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৪,৪২৩.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক কে? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. মুহাম্মদ নূরুল হুদা
  2. সৈয়দ জামিল আহমেদ
  3. আব্দুল্লাহ আল মামুন
  4. আশরাফ সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো:
• চারুকলা বিভাগ,
• নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ,
• সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ,
• গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ,
• প্রশিক্ষণ বিভাগ,
• প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।

- একাডেমির সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক ড. সৈয়দ জামিল আহমেদ। (ডিসেম্বর, ২০২৪)

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৪,৪২৪.
১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমদ
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
২. ফেডারেল সরকার 
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

• সুতরাং, ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।
- বঙ্গবন্ধু ৬ দফাকে 'আমাদের বাঁচার দাবি' আখ্যা দেন। 
- ঐতিহাসিক ৬ দফাকে 'ম্যাগনাকার্টা'র সাথে তুলনা করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৪২৫.
ইপিআর এর সদস্য ছিলেন-
  1. ক) হামিদুর রহমান
  2. খ) নূর মোহাম্মদ শেখ
  3. গ) রুহুল আমিন
  4. ঘ) মোস্তফা কামাল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্যে ৭ জন শহীদ কে সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে ৩ জন (সিপাহী হামিদুর রহমান, সিপাহী মোস্তফা কামাল এবং ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর), ইপিআর থেকে ২ জন (ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ) এবং বিমানবাহিনী (ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান) ও নৌবাহিনী (ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন) থেকে একজন করে। এদের মধ্যে সবার আগে মারা যান ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ (৮ এপ্রিল) এবং সবার শেষে মারা যান ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর)।
সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৪,৪২৬.
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে কত দফা দাবি উত্থাপিত হয়েছিল? 
  1. ১১ দফা 
  2. ১৪ দফা
  3. ২১ দফা
  4. ২২ দফা
ব্যাখ্যা

- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে ২২দফা দাবি উত্থাপিত হয়েছিল। 

• ৬২-র শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরীফ কমিশনের শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে। 
- ৬২-র শিক্ষা কমিশন পশ্চিম পাকিস্তানিদের পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ বৃদ্ধি করে।
- ১৯৬১ সালের শেষ দিকে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে পরিচালিত আন্দোলন দমনে আইয়ুব সরকার গ্রেপ্তার নির্যাতন চালালে ছাত্র গণআন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।
- ১০ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ছাত্ররা ১৭ সেপ্টেম্বর হরতালের ডাক দেয়। 
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র নিহত এবং কয়েক শত আহত হয়।
- তারপর থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস পালিত হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪,৪২৭.
২০২৩ সালের ডিজিটাল জীবনমান সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ৬৩তম
  2. ৬৮তম
  3. ৭৭তম
  4. ৮২তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ডিজিটাল জীবনমান সূচক ২০২৩:

- 'ডিজিটাল কোয়ালিটি অভ লাইফ ইনডেক্স ২০২৩', অর্থাৎ ডিজিটাল জীবনমান (ডিকিউএল) সূচক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান সার্ফশার্ক।
- সার্ফশার্ক-এর ৫ম বার্ষিক ডিকিউএল সূচকে ১২১টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে।
- ইন্টারনেট সামর্থ্য, ইন্টারনেটের মান, ই-অবকাঠামো, ই-নিরাপত্তা, ই-গভর্নমেন্ট-এই পাঁচটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে সার্ফশার্কের ডিজিটাল জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করা হয়।
- জাতিসংঘের ওপেন সোর্স তথ্য, বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য উৎসের উপর ভিত্তি করে সমীক্ষাটি করা হয়েছে।
- ডিজিটাল জীবনমান সূচক ২০২৩-এ শীর্ষ দেশ:
1. ফ্রান্স,
2. ফিনল্যান্ড,
3. ডেনমার্ক,
4. জার্মানি,
5. লুক্সেমবার্গ,
6. স্পেন,
7. এস্টোনিয়া,
8. অস্ট্রিয়া, 
9. সুইজারল্যান্ড, 
10. সিঙ্গাপুর।

উল্লেখ্য,
- সূচকে ১২১টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৮২তম।
- এশিয়ার ৩২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ২৫তম।

উৎস: Surfshark ওয়েবসাইট।
১৪,৪২৮.
আনুমানিক কত সালে শশাঙ্ক গৌড়ে স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ৬০৩ অব্দ
  2. ৬০৬ অব্দ
  3. ৬৩০ অব্দ
  4. ৭৩০ অব্দ
ব্যাখ্যা

গৌড় নগরী:
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের গৌড় রাজ্যের রাজধানী। 
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে গৌড়ের নাম লখনৌতি (প্রদেশের নামে) পরিচিতি পায়।

উল্লেখ্য,
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন। উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৪২৯.
মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে কতটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২৭টি 
  2. ৩০টি 
  3. ১৫টি 
  4. ২১টি 
ব্যাখ্যা

• মৃত্তিকা ভিত্তিক পরিবেশ অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ফসল নির্বাচন:
- মাটির বৈশিষ্ট্য বলতে মাটির শ্রেণি, জৈব পদার্থের মাত্রা, পটাশজাত খনিজের মাত্রা, PH মাত্রা এবং মাটির বন্ধুরতাকে বোঝায়। 
- মাটির প্রকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলাদেশকে ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। 
- কোনো একটি কৃষি পরিবেশ অঞ্চল প্রকৃতপক্ষে সে অঞ্চলের মাটির প্রতিনিধিত্ব করে। 
- এক একটি কৃষি অঞ্চল এক একটি প্রযুক্তিও বটে। 
- কৃষি কর্মকাণ্ডের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ হলো মাটির বৈশিষ্ট্য ও বন্ধুরতা অনুযায়ী ফসল নির্বাচন করা।
- মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল নির্বাচন কৃষি কর্মের একটি অত্যাবশ্যক প্রযুক্তি। 
- এই প্রযুক্তি যত নিখুঁতভাবে ব্যবহার করা যাবে কৃষিকাজের ফলাফলও তত বেশি লাভজনক হবে। 

• মাটির গঠন ও প্রকৃতি অনুযায়ী ৩০টি কৃষি পরিবেশ অঞ্চলকে নিম্নোক্ত ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়। 
- এই অঞ্চলগুলোর মাটির বৈশিষ্ট্যভিত্তিক ফসল নির্বাচন দেখানো হলো।
১। দোআঁশ ও পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চল।
২। কাদা মাটি অঞ্চল।
৩। বরেন্দ্র অঞ্চল ও মধুপুর অঞ্চল।
৪। পাহাড়ি ও পাদভূমি অঞ্চল।
৫। উপকূলীয় অঞ্চল।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

১৪,৪৩০.
ময়মনসিংহের গারোপাহাড়ের অধিবাসী গারো জাতিগোষ্ঠীর প্রকৃত নাম-
  1. ক) কান্দি
  2. খ) নান্দি
  3. গ) মান্দে
  4. ঘ) তান্দি
ব্যাখ্যা

গারোরা নিজেদের আচিক মান্দে (পাহাড়ের মানুষ) বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- সমগ্র গারো সমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। এরা হলো: আওয়ে, আবেং, আত্তং, রূগা, চিবক, চিসক, দোয়াল, মাচ্চি, কচ্চু, আতিয়াগ্রা, মাৎজাংচি, গারা-গানচিং ও মেগাম।
_ বাংলাদেশে আবেং, রূগা, আত্তং, মেগাম, চিবক প্রভৃতি দলভুক্ত গারোরাই বসবাস করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া

১৪,৪৩১.
কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের নাগরিকদের গড় আয়কে কী বলে?
  1. মোট জাতীয় আয়
  2. মোট জাতীয় উৎপাদন
  3. মাথাপিছু আয়
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- মাথাপিছু আয় হলো কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের নাগরিকদের গড় আয়।
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৪,৪৩২.
ঐতিহাসিক ছয় দফায় কোন বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিলো না?
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. বিচার ব্যবস্থা
  3. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
⇒ ঐতিহাসিক ছয় দফায় বিচার ব্যবস্থা উল্লেখ ছিল না।

 ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
- আর এটি ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। 

দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১৪,৪৩৩.
বাংলাদেশের নবম সরকারি ইপিজেড কোথায় নির্মিত হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. পটুয়াখালী
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. ফেনী
ব্যাখ্যা

৯ম ইপিজেড:
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১৪,৪৩৪.
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী লোগোর নকশাকার-
  1. ক) সব্যসাচী হাজরা
  2. খ) রামেন্দু মজুমদার
  3. গ) প্রদীপ চক্রবর্তী
  4. ঘ) খ + গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর লোগো উন্মোচন করা হয় - ২৬ মার্চ, ২০২১।
লোগোর নকশা করেন - রামেন্দু মজুমদার ও প্রদীপ চক্রবর্তী।
স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী জাতীয় পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে নির্বাচিত লোগোটি ১৬ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।
১৪,৪৩৫.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?
  1. তেঁতুলিয়া
  2. শিবগঞ্জ
  3. থানচি
  4. টেকনাফ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের:
- সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- জেলা পঞ্চগড়।

বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের:
- স্থান আখাইনঠং।
- উপজেলা থানচি।
- জেলা বান্দরবান।

বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের:
- স্থান মনাকষা।
- উপজেলা শিবগঞ্জ।
- জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের:
- স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- উপজেলা টেকনাফ।
- জেলা কক্সবাজার।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১৪,৪৩৬.
দেশে 'বাকশাল' গঠন করা হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
বাকশাল:
- বাকশাল ব্যবস্থা ছিল রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা।
- ১৯৭৪ সালের জুন মাসে জাসদ 'বিপ্লবী গণবাহিনী' নামে একটি সশস্ত্র অঙ্গসংগঠন ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' নামে একটি সেল গঠন করে।
- এসকল কারণে ক্ষমতাসীন ও বিরোধীদল সমূহের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহ অবস্থান বিঘ্নিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে সরকার দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।
- ১৯৭৫ সালে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের সকল রাজনৈতিক দল ভেঙে দিয়ে 'বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামীলীগ' বা 'বাকশাল' গঠন করা হয়।
- বাকশাল গঠনের মাধ্যমে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাকশাল কার্যকর হওয়ার কথা ছিলো।
- এর সভাপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
- এর আগে ২৫ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে দেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৩৭.
বাংলাদেশে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (Direct Foreign Investment) হয়েছে?
  1. জাপান
  2. যুক্তরাজ্য
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------ 
• বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ এসেছে — যুক্তরাজ্য থেকে। এর পরিমাণ ৬১৩ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডলার। এটি মোট সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের ২০ দশমিক চার শতাংশ।

বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন: 

- ২০ জুন ২০২৪ তারিখ জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD)  বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- প্রকাশিত প্রতিবেদনের শিরোনাম World Investment Report 2024. 
- প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে (২০২৩ সালে) সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (FDI) হয় ৩,০০৪ মিলিয়ন ডলার।
- বিনিয়োগ প্রাপ্তি ও বিনিয়োগে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র। 

সূত্র- জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCTAD) এর ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ ব্যাংক, ডেইলি স্টার বাংলা।
১৪,৪৩৮.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত’ করা হয়েছে কত নং অনুচ্ছেদে?
  1. ১৪ নং
  2. ২১ নং
  3. ১৭ নং
  4. ২৩ নং
ব্যাখ্যা
→ ১৭ নং অনুচ্ছেদে ’শিক্ষা অধিকার  নিশ্চিত’ করা হয়েছে।

• অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা:

- (ক) একই পদ্ধতির গণমুখী ও সার্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এবং আইনের দ্বারা নির্ধারিত স্তর পর্যন্ত সকল বালক-বালিকাকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষাদান করতে হবে।
- (খ) সমাজের প্রয়োজনের সহিত শিক্ষাকে সঙ্গতিপূর্ণ করার জন্য এবং
- সেই প্রয়োজন সিদ্ধ করিবার উদ্দেশ্যে যথাযথ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও সদিচ্ছাপ্রণোদিত নাগরিক সৃষ্টির জন্য;
- (গ) আইনের দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করিবার জন্য;কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷

এছাড়াও,
- ২৩ নং: জাতীয় সংস্কৃতি।
- ২১ নং: নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ১৪ নং: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১৪,৪৩৯.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ৯টি
  2. ১৪টি
  3. ১২টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪৪০.
'ভাওয়াইয়া' কোন অঞ্চলের গান?
  1. রংপুর
  2. সিলেট
  3. কুষ্টিয়া
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

ভাওয়াইয়া:
- ভাওয়াইয়া উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- ভাওয়াইয়া গান দুই প্রকার- দীর্ঘ সুরবিশিষ্ট ও চটকা সুরবিশিষ্ট।
- প্রথম শ্রেণীর গানে নর-নারীর, বিশেষত নবযৌবনাদের অনুরাগ, প্রেমপ্রীতি ও ভালোবাসার আবেদন ব্যক্ত হয়।
- এরূপ গানের মধ্যে ‘ওকি গাড়িয়াল ভাই’, ‘যে জন প্রেমের ভাব জানে না’, ‘কোন দ্যাশে যান মইশাল বন্দুরে’, ‘নউতোন পিরিতির বড় জ্বালা’ ইত্যাদি অধিক জনপ্রিয়।
- অপরপক্ষে চটকা এক প্রকার রঙ্গগীতি।
- এ গান চটুল ও দ্রুত তালের।
- গ্রাম্য ‘চট’ (অর্থ তাড়াতাড়ি) শব্দটির স্ত্রীলিঙ্গান্তর করে ‘চটকা’ শব্দের উৎপত্তি হয়েছে।
- এ শ্রেণীর গানে যথেষ্ট হাস্যরসের উপাদান থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৪,৪৪১.
মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. সাভার সেনানিবাস
  3. রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস
  4. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা

বিজয় চেতন:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ 'বিজয় চেতন' ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে -এ অবস্থিত।
- সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেন।
- কোর অব মিলিটারি পুলিশের (সিএমপি) ১৭ শহীদ মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতির স্মরণে এটি নির্মাণ করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন। 
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান।
- শিখা চিরন্তন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪,৪৪২.
কোন দেশের সহায়তায় মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে?
  1. ভারত
  2. চীন
  3. জাপান
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ীতে।
- সমুদ্রবন্দরটি নির্মাণে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করছে জাপান সরকার।
- প্রকল্পে মোট ব্যয় হবে ১৭,৭৭৫ কোটি টাকা যার অধিকাংশ জাপানি সংস্থা জাইকা সরবরাহ করবে।
- ২০২৫ সাল নাগাদ এটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হবে। এ বন্দরে বার্ষিক প্রায় ৮ লক্ষ কন্টেইনার উঠানামা করবে।
- তবে এটি স্বতন্ত্র বন্দর না হয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল বন্দর হিসেবে কাজ করবে।
(তথ্যসূত্র: অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
১৪,৪৪৩.
বাংলাদেশে স্বাধীনতার পর প্রথম সামরিক আইন ঘোষণাকারী কে ছিলেন?
  1. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  2.  হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
  3. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  4. আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনে।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।
- যারা সামরিক অভ্যুত্থান সংগঠিত করেছিলেন তারা বঙ্গভবনে থেকে 'ক্ষমতা পরিচালনা' করতে থাকেন।
- ফলে সেনাবাহিনীতে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং ৩ নভেম্বর (১৯৭৫) সেনাবাহিনীর একটি অংশ বিদ্রোহ করে।
- তারা ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফকে সেনাবাহিনী প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করে ও তৎকালীন সেনা প্রধান জিয়াউর রহমানকে অন্তরীণ করে।
- ৫ নভেম্বর খন্দকার মুশতাক পদত্যাগ করলে প্রধান বিচারপতি এ.এস.এম সায়েম রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি ও এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৪৪৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করা হয় কবে?
  1. ক) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬
  2. খ) ০৩ জানুয়ারি ১৯৬৮
  3. গ) ১৯ জুন ১৯৬৮
  4. ঘ) ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। বিচারের জন্যে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান। অপর দুই সদস্য হলেন এম আর খান এবং মুকসুমুল হাকিম।
বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কৌশুলী ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম, আব্দুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ। সরকার পক্ষে প্রধান কৌশুলী ছিলেন মঞ্জুর কাদের এবং অ্যাডভোকেট জেনারেল টি এইচ খান।
এই মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে প্রবল আন্দোলনের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৪,৪৪৫.
মুজিবনগর সরকারকে কতটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৬ টি
  2. খ) ১২ টি
  3. গ) ১৫ টি
  4. ঘ) ১৭ টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল।
- এদিন মুজিবনগর সরকারকে ১২টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়।
- এছাড়া কয়েকটি বিভাগ মন্ত্রিপরিষদের কর্তৃত্বাধীনে থাকে। 

[শুধু মন্ত্রণালয় বললে ১২ টি কিন্তু বিভাগ ও মন্ত্রণালয় বললে ১৫ টি।]

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪৪৬.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে-
  1. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. দাতাগোষ্ঠী
  3. বেসামরিক আমলাতন্ত্র
  4. সংসদীয় বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংসদে বিরোধী দল কর্তৃক গঠিত মন্ত্রিসভা ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ নামে পরিচিত।
- সরকারি দল ও মন্ত্রিসভাকে চাপে রাখার জন্যে বিরোধী দল কর্তৃক ছায়া মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- সরকারের মন্ত্রিসভার আদলে বিরোধী দলের বিভিন্ন সাংসদের সমন্বয়ে ‘ছায়া মন্ত্রিসভা’ গঠন করা হয়।
(তথ্যসূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : স্নাতক শ্রেণী)
১৪,৪৪৭.
অর্থসচিব কর্তৃক স্বাক্ষরিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ক) দশ টাকা
  2. খ) পাঁচ টাকা
  3. গ) একশ টাকা
  4. ঘ) বিশ টাকা
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব নোট বের করে থাকে তাদের ব্যাংক নোট বলা হয়। এসব নোটে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংক নোটের সংখ্যা সাতটি। এগুলো হলো:
- দশ টাকা
- বিশ টাকা
- পঞ্চাশ টাকা
- একশত টাকা
- দুইশত টাকা
- পাঁচশত টাকা এবং
- একহাজার টাকা।

• অন্যদিকে, পাঁচ, দুই ও এক টাকার নোট হলো সরকারি নোট। এসব নোটে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- এসব নোট বের করে অর্থ মন্ত্রণালয়।

তথ্যসূত্র: অর্থ মন্ত্রণালয় এবং প্রথম আলো।
১৪,৪৪৮.
‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বলতে নিচের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. জনসংখ্যার ঋণাত্মক বৃদ্ধির হার
  2. নির্ভরশীল অপেক্ষা কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা অধিক
  3. নির্ভরশীল জনসংখ্যার আধিক্য
  4. স্থিতিশীল জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হলে একটি দেশ দ্রুত উন্নয়ন সাধন করতে পারে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার।
১৪,৪৪৯.
‘শতাব্দীর বঙ্গবন্ধু’ বইটি রচনা করেছেন -
  1. ক) মোহাম্মদ হান্নান
  2. খ) মোস্তফা কামাল
  3. গ) শামসুজ্জামান খান
  4. ঘ) ফকরুল আলম
ব্যাখ্যা
‘শতাব্দীর বঙ্গবন্ধু’ বইটি রচনা করেছেন - মোহাম্মদ হান্নান। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল- ২০২০]
১৪,৪৫০.
পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন মেয়াদে হবে?
  1. ক) ২০১৫-২০১৯
  2. খ) ২০১৬-২০২০
  3. গ) ২০১৭-২০২১
  4. ঘ) ২০১৮-২০২২
ব্যাখ্যা

- পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১৬ থেকে ২০২০ এই মেয়াদে হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫

সূত্রঃ পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

১৪,৪৫১.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
অস্থায়ী সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ করে।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রীসভা:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমেদ,
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী: ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী: আবুল হাসনাত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসেবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিল স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদর দপ্তর ছিল- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৪,৪৫২.
মুক্তিযুদ্ধকালীন এস ফোর্স এর নেতৃত্বে কে ছিলেন?
  1. মেজর কে.এম. সানাউল্লাহ
  2. মেজর শামসুল আলম
  3. মেজর সফিকুর রহমান
  4. মেজর কে.এম. সফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।

• জেড ফোর্স:
- মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

- এস ফোর্স:
- মেজর কে.এম. সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- 'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• কে ফোর্স:
- মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে অক্টোবর মাসে কে ফোর্স গঠিত হয়।
- 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ঢাকা জেলা প্রসাশন ওয়েবসাইট।

১৪,৪৫৩.
স্বাধীনতার পর জাপান কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে জাপানের স্বীকৃতি:
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় ও কূটনৈতিক সম্পর্কের সূচনা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করার পর প্রথম যে কয়টি দেশ স্বীকৃতি দিয়েছে, জাপান তার মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমপর্ণের মাধ্যমে নয় মাস ব্যাপী রক্তক্ষয়ী মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। বাংলাদেশের বিজয় অর্জনে জাপানিপত্র-পত্রিকায় শিরোনাম করল 'Pakistanis Ink Surrender Papers'.
- ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জাপান এয়ার লাইন্সের একটি বিরাট বিমান নানা সাহায্য সামগ্রী নিয়ে ঢাকা পৌঁছায়। জাপানের জনগণ ও স্কুলের ছেলেমেয়েরা জাপান রেডক্রসের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণের জন্য এই সাহায্য দান করেন। জাপানি স্কুল শিশুরা তাদের টিফিনের অর্থ বাঁচিয়ে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশিদের পাশে দাঁড়িয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
-  স্বীকৃতি দান প্রসঙ্গে হায়াকাওয়া বলেন, জাপান স্বাধীন বাংলাদেশকে দ্রুত স্বীকৃতি দিয়েছিল। সিদ্ধান্তটি ছিল অতি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর জাপান কূটনীতির ক্ষেত্রে এই প্রথম স্বতস্ফূর্তভাবে একটা উদ্যোগ নিল।
- ১৯৭২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি: জাপান বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়। জাপান বাংলাদেশে দূতাবাসের কার্যক্রম চালু করে। তাকাশি ওয়ামাদা বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রথম জাপানি রাষ্টদূত।

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৪,৪৫৪.
উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন কে?
  1. রাজ্যবর্ধন
  2. ভাস্করবর্মা
  3. হর্ষবর্ধন
  4. বাণভট্ট
ব্যাখ্যা
শশাঙ্ক:
→ উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।
→ বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
→ শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। 
→ কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
→ বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
→ তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
→ শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৫৫.
বর্তমানে 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৪২৩ জন
  2. ৪২৪ জন
  3. ৪২৫ জন
  4. ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪৫৬.
ভাষা আন্দোলনের সময় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. আবুল কাসেম
  2. অধ্যাপক নুরুল হক ভূইয়া
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায়ে ১৯৫২ সালের ৩১শে জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সভা হয়।
 - উক্ত সর্বদলীয় সভায় কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।

- ২০শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগের কার্যালয়ে এই পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখের জোরালো ভূমিকায় পরদিন ২১শে ফেব্রুয়ারি সরকার ঘোষিত ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এছাড়াও, 
- ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ এর আহবায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ পুনর্গঠন করা (দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ) হলে এর আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।


উৎস:বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ,নবম-দশম শ্রেণী, এবং বাংলাপিডিয়া 

১৪,৪৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৯
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ:
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
- আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।
 - আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন; 
 - প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন।
 - সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন৷ 

অন্যদিকে,
-
অনুচ্ছেদ- ২২: রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ২৪: বিশেষ শৈল্পিক কিংবা ঐতিহাসিক গুরুত্বসম্পন্ন বা তাৎপর্যমন্ডিত স্মৃতিনিদর্শন, বস্তু বা স্থান-সমূহকে বিকৃতি, বিনাশ বা অপসারণ হইতে রক্ষা করিবার জন্য রাষ্ট্র ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন৷
- অনুচ্ছেদ- ১৯ (১): সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,৪৫৮.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
  3. মনোরঞ্জন ধর
  4. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৫৯.
কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারোর পরামর্শ গ্রহণে বাধ্য নয়?
  1. সংসদ অধিবেশন আহবান
  2. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  4. উপরের সবক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। কিন্তু সাংবিধানিকভাবে তার ক্ষমতা খুবই সীমিত।
- তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করে থাকেন।
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।
(তথ্যসূত্রঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৪৬০.
হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় কোন শতকে?
  1. প্রথম শতকে
  2. দ্বিতীয় শতকে
  3. তৃতীয় শতকে
  4. চতুর্থ শতকে
ব্যাখ্যা
হরিকেল:

- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৬১.
বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জামালপুর
  2. খ) কুয়াকাটা
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বিরিশিরি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের প্রথম উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নেত্রকোনা জেলার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
- এই উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ আগস্ট, ১৯৭৭ সালে।
১৪,৪৬২.
কার শাসনামল থেকে বাংলায় নবাবি শাসন চালু হয়?
  1. মীর জুমলা
  2. মুর্শিদকুলী খান
  3. সুজাউদ্দীন খান
  4. আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা
বাংলার নবাবী শাসন (১৭১৭-১৭৫৭ খ্রি.): 
- মুর্শিদকুলী খানের শাসনামল থেকে বাংলায় নবাবী শাসন চালু হয়। 
- মুর্শিদকুলী খানের শাসনামল (১৭১৭ খ্রি.) থেকে সুবা-বাংলার চরিত্রে কিছু শব্দ ও চরিত্রগত পরিবর্তন আসে।
- সুবাকে তখন 'নিজামত' (নবাবী) এবং সুবাদারকে 'নাজিম' (নবাব) বলা হতো।
- আগে মুঘলরা সুবেদার নিয়োগ করতেন।
- এই সময় (১৭১৭ খ্রি.) থেকে নবাবি প্রাপ্তির বিষয়টি বংশগতভাবে অব্যাহত থাকার নিয়ম করা হয়।
- প্রথা হিসেবে মুঘল সম্রাটদের কাছে একটি আবেদন করা হতো।
- নবাবগণ প্রদেশের স্বাধীন শাসকের মর্যাদা লাভ করেন।
- এর ফলে দিল্লির শাসন ব্যবস্থায় প্রদেশের শাসন ক্ষমতায় পারিবারিক উত্তরাধিকারদের আইনগত বৈধতা লাভ ঘটে যা সুবাদারী শাসনে ছিল না।
- মুর্শিদকুলী খানের কোনো পুত্র সন্তান ছিল না।
- নবাবী ব্যবস্থার প্রথম সুযোগ গ্রহণ করেন মুর্শিদকুলী খানের উত্তরাধিকার হিসেবে তাঁর কন্যার স্বামী।
- তাঁর কন্যা জিনাত-উন-নেসার স্বামী সুজাউদ্দীন খান (১৭২৭-১৭৩৯ খ্রি.) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার মতো তিন প্রদেশের স্বাধীন নবাব-এর মর্যাদা নিয়ে সিংহাসনে বসেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৬৩.
কলার চারা পরপর কত দূরত্বে লাগানো উচিত?
  1. ৩ মি. × ৩ মি.
  2. ২ মি. × ২ মি.
  3. ২ মি. × ৩ মি.
  4. ৩ মি. × ৪ মি.
ব্যাখ্যা
কলা চাষ:
- কলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল।
- কলা জনপ্রিয়, সস্তা ও সুস্বাদু ফল।
- এতে মানবদেহের প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান রয়েছে।
- কলার অনেক জাত সেগুলো সবজি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- কলা গাছের গুড়ি কন্দ মাটির নীচে থাকে এটিই আসল কান্ড।
- পাতার পাতাগুলি শক্ত ও ঘনভাবে বিন্যস্ত হয়ে ভুয়াকান্ডে পরিণত হয়।

⇒ কলার জমি নির্বাচন:
- কলার জন্য পর্যাপ্ত সূর্যালোক পায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে।
- সেচ ও নিষ্কাশনের সুবিধা আছে এমন জমি কলা চাষের জন্য উপযোগী।
- তবে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা আছে এমন জমি উত্তম।

⇒ জাত নির্বাচন:
- পৃথিবীতে অনেক চাষযোগ্য জাত রয়েছে।
- বাংলাদেশে কলার জাত সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. পাকা অবস্থায় খাওয়ার উপযোগী কলা: অমৃত সাগর, সবরী, অগ্নীসর, মেহের সাগর, চাম্পা, চিনি চাম্পা, কবরী, এঁটে কলা।
২. আনাজী বা সবজি কলা: ভেড়ারভোগ, চোয়াল পউশ, বেহুলা, মন্দিরা ইত্যাদি।

⇒ জমি তৈরি:
- কলার মূল ততটা গভীর না হলেও বিস্তারশীল।
- মাটিতে শিকড় যাতে ভালোভাবে ছড়িয়ে যেতে পারে সেজন্য ভালো করে তৈরি করে নিতে হবে।
- এরপর ২ মি. × ২ মি. দূরত্বে কাঠি পুঁতে রোপণের অবস্থান ঠিক করে নিতে হবে।
- কাঠিকে কেন্দ্র করে ৫০ সে.মি.× ৫০ সে.মি. গভীর করে গর্ত খুঁড়তে হয়।
- ১০-১৫ দিন গর্ত উম্মুক্ত রাখতে হবে।
- উপরের মাটির সাথে জৈব সার মিশিয়ে গর্তে দিতে হবে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৬৪.
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কে অংশগ্রহণ করেছেন? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ফারুক খান
  2. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  3. লুৎফে সিদ্দিকী
  4. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

• বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলন: 
-  ১৯-২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে World Economic Forum-এর ৫৬তম বার্ষিক সম্মেলন সুইজারল্যান্ডের দাভোসে অনুষ্ঠিত হয়।
 - সুইজারল্যান্ডের দাভোসে গত সপ্তাহে অনুষ্ঠিত বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বার্ষিক সভায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয়ক বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী।
- ডব্লিউইএফের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নরওয়ের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী বর্গে ব্রেন্ডের আমন্ত্রণে বৈঠকে অংশ নিয়ে লুৎফে সিদ্দিকী বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় অংশ নেন। এসব আলোচনায় তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং তা বিশ্বমঞ্চে উপস্থাপন করেন।

তথ্যসূত্র: বাসস। 

১৪,৪৬৫.
'২০২৩ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ'-এ চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. পাকিস্তান
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা
২০২৩ অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ:
- এসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ কাপের দশম সংস্করণ।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৮টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্সআপ: সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- টুর্নামেন্ট সেরা: আশিকুর রহমান শিবলী (বাংলাদেশ)।
- সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী: আশিকুর রহমান শিবলী (বাংলাদেশ)।
- সর্বাধিক উইকেটধারী: রাজ লিম্বানি (ভারত)।

উৎস: ESPN Cricinfo.
১৪,৪৬৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুর জেলা কত নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?–
  1. ১০
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১১টি সেক্টর :
- মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে ১১ জন সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- প্রত্যেক সেক্টর বেশ কয়েকটি সাব- সেক্টরে বিভক্ত ছিল।
- সেক্টরগুলোর পরিচয় নিচে তুলে ধরা হলো-
• এক নম্বর সেক্টর: চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও ফেনী নদী পর্যন্ত এলাকা।
• দুই নম্বর সেক্টর: নোয়াখালী, আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত, কুমিল্লা জেলা, সিলেট জেলার হবিগঞ্জ (বর্তমানে জেলা), ঢাকা ও ফরিদপুর জেলার কিছু অংশ।
• তিন নম্বর সেক্টর: আখাউড়া, ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলা, সিলেট, ঢাকা জেলার অংশবিশেষ ও কিশোরগঞ্জ।
• চার নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল, খোয়াই-শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন ছাড়াও পূর্ব ও উত্তর দিকে ডাউকি সড়ক পর্যন্ত অঞ্চল।
• পাঁচ নম্বর সেক্টর: সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চল, সিলেট-ডাউকি সড়ক থেকে সুনামগঞ্জ ময়মনসিংহ সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
• ছয় নম্বর সেক্টর: রংপুর জেলা, দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহকুমা (বর্তমানে জেলা)।
• সাত নম্বর সেক্টর: দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাঞ্চল, রাজশাহী, পাবনা ও বগুড়া জেলা।
• আট নম্বর সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুরের অধিকাংশ এবং খুলনা জেলার দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত এলাকা।
• নয় নম্বর সেক্টর: দৌলতপুর-সাতক্ষীরা সড়ক থেকে খুলনা জেলার দক্ষিণাঞ্চল, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা।
• দশ নম্বর সেক্টর: দশ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল নৌ-কমান্ডো, সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নৌপথ।
• এগার নম্বর সেক্টর: কিশোরগঞ্জ ছাড়া ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা।

[ফরিদপুরের অধিকাংশ ছিল আট নম্বর সেক্টরে কিছু অংশ ছিল দুই নম্বর সেক্টরে তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে আট নম্বর  উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১৪,৪৬৭.
কার উদ্যোগে বেঙ্গল প্যাক্ট স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. চিত্তরঞ্জন দাস
  3. জওহরলাল নেহরু
  4. সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল
ব্যাখ্যা

বেঙ্গল প্যাক্ট স্বাক্ষরিত হয়েছিল দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের উদ্যোগে।

বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩:

- ব্রিটিশ বিরোধী অহিংস খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করলে, মহাত্মা গান্ধী ১৯২২ সালে এ আন্দোলন প্রত্যাহার করেন।
- আন্দোলন তুঙ্গে থাকা অবস্থায় তা বন্ধ ঘোষণা করার পর পক্ষে-বিপক্ষে মতামত ব্যক্ত হতে থাকে।
- অপরদিকে, ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী প্রাদেশিক আইনসভার দ্বিতীয় নির্বাচন ১৯২৩ সালের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হবার কথা।
- গান্ধীর নেতৃত্বাধীন একটি অংশ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার বিপক্ষে ছিলেন না অপরদিকে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের (সি আর দাশ) এর নেতৃত্বাধীন আরেকটি অংশ নির্বাচনের পক্ষে ছিলেন।
- সি আর দাশের প্রস্তাব কংগ্রেস সম্মেলনে গৃহীত হয়নি এমতাবস্থায়, তিনি তাঁর সমর্থকদের নিয়ে ১৯২২ সালের ৩১শে ডিসেম্বর গঠন করেন স্বরাজ পার্টি।
- সি.আর দাশ ছিলেন সাম্প্রদায়িক ঐক্যের পক্ষের মানুষ। নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে তিনি ব্রিটিশদের সহযোগিতা করতে চাননি বরং নিয়মতান্ত্রিকভাবে ব্রিটিশদের বিরোধিতা করতে চেয়েছিলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে তিনি নিজ প্রদেশ বাংলায় মুসলমান নেতৃবৃন্দের সাথে রাজনৈতিক সমঝোতা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্যে ১৯২৩ সনে এক চুক্তি সাক্ষর করেন যা বেঙ্গল প্যাক্ট নামে পরিচিত।

⇒ বেঙ্গল প্যাক্টের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বাংলায় প্রাদেশিক কাউন্সিল নির্বাচনে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায় জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতিনিধিত্ব করবে।
২. স্থানীয় পরিষদ নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট এলাকার সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায় পাবে শতকরা ৬০ ভাগ আসন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় পাবে শতকরা ৪০ ভাগ আসন।
৩. মুসলমান সম্প্রদায়ের পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থার স্বীকৃতি।
৪. সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য শতকরা ৪৫ ভাগ বরাদ্দ করা হয়। যতদিন পর্যন্ত হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের চাকরি লাভের একই অনুপাত অর্জিত না হবে, ততদিন পর্যন্ত মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্য ৮০ ভাগ চাকরি লাভের বিধান রাখা হয়।
৫. সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে হিন্দু ও মুসলমান উভয় সম্প্রদায় এমন কোন কাজ করবে না যা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে।

উল্লেখ্য,
- হিন্দু ও মুসলমান সম্প্রদায়ের সাম্প্রদায়িক ও রাজনৈতিক সমঝোতার ক্ষেত্রে 'বেঙ্গল প্যাক্ট' নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ ছিল। অনগ্রসর মুসলিম জনগণের উন্নয়নে বেঙ্গল প্যাক্ট নিঃসন্দেহে কার্যকর ছিল। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় একটি অংশের বিরোধীতা ও সি আর দাশের হঠাৎ মৃত্যুতে বেঙ্গল প্যাক্ট মুখ থুবড়ে পড়ে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৪৬৮.
বাংলাদেশে আউশ ধান কাটা হয়-
  1. ক) এপ্রিল-মে মাসে
  2. খ) জুলাই-আগষ্ট মাসে
  3. গ) নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে
  4. ঘ) নভেম্বর-জানুয়ারি মাসে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আউশ ধান কাটা হয় জুলাই-আগষ্ট মাসে। বোনা-আমন ধান কাটা হয় নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে, রোপা আমন ধান কাটা হয় নভেম্বর-জানুয়ারি মাসে, স্থানীয় বোরো ধান কাটা হয় এপ্রিল-মে মাসে, উচ্চফলনশীল বোরো ধান কাটা হয় মে-জুন মাসে।
[সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া]
১৪,৪৬৯.
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ ছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানের পদবী গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্ণর ছিলেন- এ. এন. হামিদুল্লাহ।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। (জুন, ২০২৫)
- তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৩তম গভর্নর।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের মেয়াদ ৪ বছর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪,৪৭০.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটিতে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
  2. মনোরঞ্জন ধর
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৭১.
২০৩২ সালে অলিম্পিক গেমস কোন দেশে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. ইতালি
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
২০৩২ সালে অলিম্পিক গেমস  অনুষ্ঠিত হবে - অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে।

অলিম্পিক গেমস: 
- অলিম্পিক গেমস হলো একটি আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা।
- যেখানে গ্রীষ্মকালীন এবং শীতকালীন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করেন।
- দুই শতাধিক দেশের অংশগ্রহণে মুখরিত এই অলিম্পিক গেমস বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং সর্বোচ্চ সম্মানজনক প্রতিযোগিতা হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- অলিম্পিক গেমস প্রতি চার বছর পরপর ৬ আগস্ট থেকে ১৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।
- গ্রীষ্ম এবং শীতকালীন দুটো প্রকরণ, প্রতিটি দুই বছর পরপর হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) অলিম্পিক গেমস সংক্রান্ত সব কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। 

উল্লেখ্য,
- খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে প্রাচীন গ্রিস শুরু হওয়া প্রাচীন অলিম্পিক গেমস থেকেই মূলত আধুনিক অলিম্পিক গেমসের জন্ম।
- আধুনিক অলিম্পিক গেমস শুরু হয় গ্রিসের এথেন্সে।
- এটি ১৮৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর জনক ফ্রান্সের নাগরিক ব্যরন দ্য কুবার্তো।
- ১৯১৪ সালে কুবার্তো দ্বারা উপস্থাপিত অলিম্পিক পতাকাটি হল প্রোটোটাইপ: এটির সাদা জমিনের কেন্দ্রে পাঁচটি আন্তঃসংলগ্ন রিং রয়েছে - নীল, হলুদ, কালো, সবুজ এবং লাল।
- এই রিংগুলি অলিম্পিকে একসাথে যোগদানকারী 'বিশ্বের পাঁচটি অংশ' প্রতিনিধিত্ব করে।
- ২০২৪ সালে অলিম্পিক গেমসের অনুষ্ঠিত হবে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে।
- ২০২৮ সালে অলিম্পিক গেমসে অনুষ্ঠিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে। 

উৎস: Britannica.

১৪,৪৭২.
মূল্য সংযোজন কর বা (VAT) কোন ধরনের কর?
  1. সম্পূরক কর
  2. পরিপূরক কর
  3. পরোক্ষ কর
  4. প্রত্যক্ষ কর
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
→ প্রথম - মূল্য সংযোজন কর।
→ দ্বিতীয় - আয়কর।
→ তৃতীয় - সম্পূরক শুল্ক।
→ চতুর্থ - আমদানি শুল্ক।
→ পঞ্চম - আবগারি শুল্ক।

উৎস: বাজেট ২০২৩-২৪
১৪,৪৭৩.
'আমার কিছু কথা' বইটির লেখক কে?
  1. কর্নেল সিদ্দিক মালিক
  2. জহির রায়হান
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. আব্দুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
আমার কিছু কথা:
- 'আমার কিছু কথা' বইটির লেখক শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রকাশনী: শিখা প্রকাশনী।
 
উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আরো তিনটি গ্রন্থ হলো: ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী', 'কারাগারের রোজনামচা’, ‘আমার দেখা নয়াচীন'।
 
অন্যদিকে -
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র  'নাইন মান্থস টু ফ্রিডম'। 
- বিখ্যাত মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক কবিতার একটি লাইন Millions of babies in pain।
 
উৎস: আমার কিছু কথা -শেখ মুজিবুর রহমান।
১৪,৪৭৪.
বর্তমান সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান কে? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ড. শাহদীন মালিক
  2. অধ্যাপক আলী রীয়াজ
  3. অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের
  4. ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকী
ব্যাখ্যা

• সংবিধান সংস্কার কমিশন:
- সংবিধান সংস্কার কমিশন হলো ২০২৪ সালে বাংলাদেশ অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একটি কমিশন যার উদ্দেশ্য হলো অতীতের সাংবিধানিক ব্যর্থতার কারণ সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন তৈরি করা এবং একটি নতুন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণতান্ত্রিক সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ নির্বাচনের একটি রোডম্যাপ তৈরি করা।
- ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন’ গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- প্রধান উপদেষ্টা ঘোষিত ৬ষ্ঠ কমিশন এটি।
- সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে আছেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
উল্লেখ্য,
• অন্য আটজন সদস্য হলেন -
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের ও অধ্যাপক মুহাম্মদ ইকরামুল হক, ব্যারিস্টার ইমরান সিদ্দিকী, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া, ব্যারিস্টার এম মঈন আলম ফিরোজী, লেখক ফিরোজ আহমেদ, লেখক ও মানবাধিকারকর্মী মো. মুস্তাইন বিল্লাহ এবং শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হিসেবে আছেন মো. মাহফুজ আলম।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৪,৪৭৫.
বাংলাদেশে মোট নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. ১৬৯টি
  2. ১৭১টি
  3. ১৭৩টি
  4. ১৭০টি
ব্যাখ্যা

চা শিল্প:
- চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, আমদানি বিকল্প পণ্য উ‌‌ৎপাদন এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে চা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশে চা বাগানের সংখ্যা ছিল ১৫০টি।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

অন্যদিকে,
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫ টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯ টি চা বাগান রয়েছে।
- পঞ্চগড় জেলায় ১০ টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৪,৪৭৬.
মুজিবনগর সরকার ছিল -
  1. ক) রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. খ) মন্ত্রিপরিষদ শাসিত
  3. গ) সংসদীয়
  4. ঘ) সামরিক শাসিত
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর: বাংলাদেশের প্রথম সরকার

- ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি), তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলীকে অর্থমন্ত্রী এবং এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। তৎকালীন কর্নেল এম এ জি ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- এই দিন ১০ এপ্রিল গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়। 
- ঘোষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, 'এতদ্বারা আমরা আরো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছি যে, শাসনতন্ত্র প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রপ্রধান এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম উপ-রাষ্ট্র প্রধান পদে অধিষ্ঠিত থাকবেন। রাষ্ট্রপ্রধান প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনীসমূহের সর্বাধিনায়ক পদেও অধিষ্ঠিত থাকবেন। রাষ্ট্রপ্রধানই সর্বপ্রকার প্রশাসনিক ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতার অধিকারী।'

- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থাকে পরিশুদ্ধ করে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের ব্যবস্থার রূপরেখা প্রণয়ন করেন, যার ফলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।
১৪,৪৭৭.
নিন্মলিখিত কে কাগমারী সম্মেলনের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. শেরে বাংলা এ, কে, ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
কাগমারী সম্মেলন:
- কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইলের সন্তোষে অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- এটি পূর্ব বাংলার প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সম্মেলনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য
- সম্মেলনের কিছুদিন পর মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- তিনি ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪৭৮.
কত খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা বিহার উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে?
  1. ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৭৬৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৭৬৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৭৬৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৭৬৫ সালে।
- ১৭৬৫ সালে স্বাক্ষরিত এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

⇒ কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৪৭৯.
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ কয়টি?
  1. ৪টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ১টি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়:
- জাতির মর্যাদা ও গৌরবের প্রতীক ‘বঙ্গভবন’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালের ০১ সেপ্টেম্বর পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হলে নবসৃষ্ট প্রদেশের প্রধান শাসনকর্তা তথা লেফটেন্যান্ট গভর্নরের কার্যালয় ও বাসভবনের প্রয়োজনে বঙ্গভবনের যাত্রা।
- তখন এর নাম ছিল ‘গভর্নমেন্ট হাউজ’।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনের পর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের অন্যান্য সদস্যগণ ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর গভর্নর হাউজে মন্ত্রিপরিষদের সভা করেন।
- ঐ সভায় গভর্নর হাউজকে ‘বঙ্গভবন’ নামে অভিহিত করা হয়।

রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের বিভাগ ২টি। যথা:
i) জন বিভাগ,
ii) আপন বিভাগ।
-  রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিবের নেতৃত্বে এ বিভাগ দু’টি পরিচালিত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট। 
১৪,৪৮০.
বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো কোন দেশের সাথে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ক) শ্রীলঙ্কা
  2. খ) ভারত
  3. গ) নেপাল
  4. ঘ) ভুটান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ভুটানের সাথে প্রথমবারের মতো অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করে ৬ ডিসেম্বর, ২০২০ সালে ঢাকায়।
- উক্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করে ভুটানের অর্থমন্ত্রী লিওনপো লোকনাথ শর্মা এবং বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশী।

[উৎস: ডাইনামিক প্যানেল]
১৪,৪৮১.
কোনটি সিভিল সোসাইটির অংশ?
  1. ক) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ
  2. খ) দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. গ) ক্যাবিনেট
  4. ঘ) সাংসদ
ব্যাখ্যা
সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন, বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন ইত্যাদি সিভিল সোসাইটির অন্তর্ভুক্ত। সিভিল সোসাইটি বা সুশীল সমাজ হলো রাষ্ট্রের চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী। এরা সরকারের অংশ নয় তবে সরকারের কর্মকাণ্ডে প্রভাব রাখে। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ বা টিআইবি বাংলাদেশের একটি আলোচিত বেসরকারি সংস্থা যা সিভিল সোসাইটি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
১৪,৪৮২.
কর্ণফুলী টানেলের জন্য ঋণ দেয় কোন ব্যাংক?
  1. ক) চীনের সাংহাই ব্যাংক
  2. খ) চীনের এক্সিম ব্যাংক
  3. গ) সুইস ব্যাংক
  4. ঘ) জাপানের হিরোশি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- চীনের এক্সিম ব্যাংক এই প্রকল্পের জন্য ৫ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা ঋণ দেয়। বাকি টাকার জোগান দেয় বাংলাদেশ সরকার।
- চায়না কমিউনিকেশন অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি টানেলটি নির্মাণ করছে।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
১৪,৪৮৩.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ প্যানেলে মনোনীত হয়েছেন কে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  2. অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম
  3. অধ্যাপক মো. আহসান হাবীব
  4. অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ প্যানেলভুক্ত প্রথম বাংলাদেশি:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আহসান হাবীব প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘের একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেলে পরিবেশ রসায়নবিদ হিসেবে মনোনীত হয়েছেন।
- জাতিসংঘের এই ইনডিপেনডেন্ট সায়েন্টিফিক প্যানেল অন ইফেক্টস অব নিউক্লিয়ার এ মোট সদস্য রয়েছেন ২১ জন।
- পারমাণবিক যুদ্ধ এবং পারমাণবিক দুর্ঘটনা–পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং এর প্রতিক্রিয়ার বাস্তব চিত্র অনুধাবনে নিউইয়র্কভিত্তিক এই গবেষণা প্যানেল কাজ করবে।

উল্লেখ্য,
- অধ্যাপক আহসান হাবীব ২০২৪ সাল থেকে জাতিসংঘের পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ আন্তর্জাতিক চুক্তির জন্য গঠিত প্যানেলের বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।
- মৌলিক রসায়ন, পরিবেশ রসায়ন, জৈবদূষণ, জীবজগতের ওপর ভারী ধাতুসমূহের প্রভাব, ধূলিকণাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি গবেষণা করেন।
- তাঁর ৮১টি গবেষণা প্রবন্ধ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
১৪,৪৮৪.
বাংলাদেশের প্রথম সরকার ব্যবস্থা কেমন ছিল?
  1. একনায়কতন্ত্র
  2. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  3. উপদেষ্টা শাসিত
  4. সংসদীয় গণতন্ত্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারই বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ছিল।
- কিন্তু পরবর্তীতে সংসদীয় সরকার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র।
- রাষ্ট্রের শাসন বিভাগ, বিচার ও আইন বিভাগ নামে তিনটি বিভাগ রয়েছে।
- সরকার যাবতীয় কার্যাবলির জন্য জাতীয় সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৪৮৫.
‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ (বাকশাল) গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৩-এর ২৩ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৯৭৪-এর ২২ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ১৯৭৪-এর ২৫ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৭৫-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৭৫-এর ২৪ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অন্যান্য রাজনৈতিক দল ভেঙ্গে দিয়ে ‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ (বাকশাল) নামে একটি জাতীয় রাজনৈতিক দল গঠন করেন। এই দলের চেয়ারম্যান হলেন বঙ্গবন্ধু এবং সাধারণ সম্পাদক হলেন এম. মনসুর আলী। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৪৮৬.
অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনা করে কোন বাহিনী?
  1. মুক্তিবাহিনী
  2. মুক্তিফৌজ
  3. নৌ-কমান্ডো বাহিনী
  4. বিমান বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:  
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বাঙালি নৌ-কমান্ডোরা বিভিন্ন অভিযানের মাধ্যমে অত্যন্ত অল্প সময়ে যুদ্ধের গতি সম্পর্কে বিশ্বকে ধারণা দিতে সক্ষম হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট পরিচালিত নৌ-কমান্ডো বাহিনীর প্রথম অভিযান ‘অপারেশন জ্যাকপট’ নামে পরিচিত।
- এদিন রাতে নৌ-কমান্ডোরা একযোগে মংলা, চট্টগ্রাম, চাঁদপুর, নারায়ণগঞ্জ বন্দর আক্রমণ করে এবং পাকিস্তান বাহিনীর ২৬ টি পণ্য ও সমরাস্ত্রবাহী জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দেয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪৮৭.
'স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন-২০৪১’ বাস্তবায়নে গৃহীত রোডম্যাপের স্তম্ভ কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৩টি
  3. ৬টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন 
- স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন প্রতিষ্ঠা ও উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট বাংলাদেশ রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হয়েছে।
- এই রোডম্যাপের চারটি পিলার হচ্ছে
• স্মার্ট সিটিজেন   • স্মার্ট সোসাইটি
• স্মার্ট ইকোনমি    • স্মার্ট গভর্ন্যান্স
-  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ প্রতিষ্ঠার জন্য এখন থেকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে।
-  স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিল্প, পর্যটন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, আর্থিক খাত, ইত্যাদির দক্ষতা বৃদ্ধি ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নত বিশ্বের সমপর্যায়ে নেয়ার লক্ষে ৫ মন্ত্রী, ১ প্রতিমন্ত্রীসহ ৩০ সদস্য বিশিষ্ট স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স গঠন করে গত বছরের ১৬ আগস্ট গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ প্রতিষ্ঠার জন্য এখন থেকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স’ হিসেবে কাজ করবে। 

উৎস:-  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট (লিংক)।
১৪,৪৮৮.
জন স্টুয়ার্ট মিলের মতে, যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে-
  1. স্বাধীনতা নেই
  2. গণতন্ত্র নেই
  3. সরকার নেই
  4. ন্যায়বিচার নেই
ব্যাখ্যা

বিরোধী দল: 
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।
- জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, "যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৪৮৯.
লোকসানের কারণে বিজেএমসি সম্প্রতি কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধ করে দেয়?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ২২টি
  3. গ) ২৫টি
  4. ঘ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
ক্রমাগত লোকসানের কারণে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি বিজেএমসির অধীনে থাকা সর্বশেষ ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল বন্ধের ঘোষণা দেয়।
এর মাধ্যমে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল যুগের অবসান ঘটলো।
এর আগে ২০০২ সালের ৩০ জুন লোকসানের কারনে এশিয়ার বৃহত্তম আদমজী পাটকল বন্ধ ঘোষণা করে সরকার।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১৪,৪৯০.
'বাঘা মসজিদ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. দিনাজপুর
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৪৯১.
বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কোথায়?
  1. খুলনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কক্সবাজার
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত।
- এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্হিত একটি পর্যটন শহর।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার অন্তর্গত।
- কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য ১২০ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - parjatan.gov.bd
১৪,৪৯২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন কে?
  1. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. আব্দুল মান্নান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই হল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই আদেশ জারি করেন।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ এই ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে জারি করা হয়।
- এটি ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে বলবৎ হয়।

- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ এ অধ্যাপক ইউসুফ আলী মুজিবনগরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৬ষ্ঠ অফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৪৯৩.
বাংলাদেশের উপকূলীয় জেলা কয়টি?
  1. ক) ১৯টি
  2. খ) ২০টি
  3. গ) ২১টি
  4. ঘ) ২২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্তমানে জেলা সংখ্যা ৬৪টি এবং উপকূলীয় জেলা সংখ্যা- ১৯টি।
উৎসঃ পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৪,৪৯৪.
বেহুলা-লখিন্দরের বাসর ঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. বগুড়া
  3. নরসিংদী
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বেহুলার বাসর ঘর:
- বেহুলা লক্ষিন্দরের বাসর ঘর একটি প্রাচীন ও ঐতিহাসির স্থাপনা।
- এটি বগুড়া শহর থেকে উত্তরে এবং মহাস্থানগড় থেকে দক্ষিণে গোকুল গ্রামে অবস্থিত।
- স্থানীয়ভাবে এটি বেহুলার বাসর ঘর নামেই অধিক পরিচিত।
- অনেকে এটাকে লক্ষ্মীন্দরের মেধ বলে থাকেন।
- এই ঐতিহাসিক স্তম্ভটির উচ্চতা প্রায় ৪৫ ফুট।
- স্তম্ভের পূর্বার্ধে রয়েছে ২৪ কোণ বিশিষ্ট চৌবাচ্চা সদৃশ একটি কক্ষ।

এছাড়াও,
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থানগড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর কেন্দ্র মহাস্থানগড়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৪৯৫.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)-এর মৌলিক কাজ কী?
  1. জাত উদ্ভব
  2. বীজ, সার সরবরাহ
  3. কৃষি ঋণ বিতরণ
  4. সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি):

- বিএডিসি ১৯৬১ সালে “পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন” নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII, ১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের অন্যান্য কৃষি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের তুলনায় কার্যক্রমে ভিন্নতার কারণে ১৯৭৫ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ ও সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) রাখা হয়।
- ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি-এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে আবার বিএডিসি রাখা হয়।
- বিএডিসি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, যার কেন্দ্র ঢাকা শহর, তবে সেবা সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত।
- মাঠ পর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এবং কিছু ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের নেটওয়ার্ক রয়েছে।

বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে:
- সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণএবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা
- অত্যাবশ্যকীয়কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ।
- ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৪৯৬.
কোন আইনের দ্বারা উপমহাদেশে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে?
  1. ভারত শাসন আইন
  2. রাওলাট আইন
  3. রেগুলেটিং অ্যাক্ট
  4. চার্টার অ্যাক্ট
ব্যাখ্যা

ভারত শাসন আইন:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এটি ছিল ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লবের প্রত্যক্ষ ফল।
- ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট পার্লামেন্ট ইন্ডিয়া অ্যাক্ট আইনের মাধ্যমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে রাজ শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
- ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

১৪,৪৯৭.
আসাদুজ্জামান আসাদ কবে পুলিশের গুলিতে নিহত হন?
  1. ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি
  2. ১৯৬৯ সালের ১৮ জানুয়ারি
  3. ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি
  4. ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারী
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃবৃন্দ মিলে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন।
- উনসত্তরের উত্তাল সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা দাবি ছিল খুবই সময়োপযোগী।
- ৮ই জানুয়ারি পাকিস্তানের ৮টি রাজনৈতিক দল মিলে 'গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ' (ডাক) নামক মোর্চা গঠন করে এবং ৮ দফা দাবি পেশ করে।
- এরপর থেকে 'ডাকসু' ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যৌথ উদ্যোগে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ডাকসুর আহ্বানে ১৪ই জানুয়ারি সমগ্র পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
- ১৮ই জানুয়ারি পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ধর্মঘট পালন করে।
- ধর্মঘট চলাকালীন পুলিশের সাথে ছাত্রদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
- ২০শে জানুয়ারি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করেন।
- হরতাল পালনকালে (১৯৬৯ সালের ২০শে জানুয়ারি) ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
১৪,৪৯৮.
’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’’ গানটির বর্তমান সুরকার কে?
  1. আব্দুল লতিফ
  2. প্রিন্স মাহমুদ
  3. আব্দুর জব্বার
  4. আলতাফ মাহমুদ
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারি গান:
- ’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”
- গানটির বর্তমান সুরকার- আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার,।

১৪,৪৯৯.
বাংলাদেশের প্রথম সংসদীয় গণতন্ত্র কোন সালে প্রবর্তন করা হয়?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) ১৯৯১
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় নির্বাহী প্রধান পদের পরিবর্তন হয়েছে।
- মুজিবনগর সরকারের সময় সরকার প্রধান ছিল রাষ্ট্রপতি।
- স্বাধীনতা অর্জনের পরেই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- পরবর্তীতে সামরিক শাসকগণ আবার রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু করেন।
- কিন্তু অবশেষে ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়।
- এ ব্যবস্থায় সরকারের কেন্দ্রবিন্দু হলেন প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫০০.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. গাজীপুর 
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্বৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।