বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪৪ / ৩০৬ · ১৪,৩০১১৪,৪০০ / ৩০,৮৩২

১৪,৩০১.
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিব ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কোথায়?
  1. ক) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিব ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
গত ১৪ জুন ২০২০ এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর প্রথম প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণার জন্যে এটিই দেশে স্থাপিত প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
১৪,৩০২.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে কতজন মুক্তিযোদ্ধার খেতাব বহাল রয়েছে?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৩ জন
  3. ৬৭৪ জন
  4. ৬৭৫ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৩০৩.
‘Civis’ শব্দের অর্থ কী?
  1. নগররাষ্ট্র
  2. নাগরিকতা
  3. নাগরিক
  4. পৌরনীতি
ব্যাখ্যা
• পৌরনীতি ও নাগরিকতা :

- পৌরনীতির ইংরেজি শব্দ সিভিক্স (Civics)।
- Civics শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দ 'সিভিস' (Civis) ও 'সিভিটাস' (Civitas) থেকে এসেছে।
- 'Civis' শব্দের অর্থ নাগরিক (Citizen) 
- ’Civitas' শব্দের অর্থ নগররাষ্ট্র (City State)।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪,৩০৪.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা কার দৌহিত্র ছিলেন?
  1. মুর্শিদকুলি খাঁন
  2. মীর কাসিম
  3. সুজা উদ্দৌলা
  4. আলীবর্দী খাঁন
ব্যাখ্যা
• সিরাজউদ্দৌলা:
- আলীবর্দী খানের কোনো পুত্র ছিল না।
- তার তিন কন্যা আমেনা, ময়মুনা ও ঘষেটি ।
- ময়মুনা ও আমেনার দুই পুত্র ছিল।
- কিন্তু ঘষেটি বেগমের কোনো পুত্র ছিল না।
- আলীবর্দী খান আমেনার পুত্র সিরাজউদ্দৌলাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন।
- এ কারণে তাঁকেই তাঁর জীবিতকালে বাংলার নবাব পদে মনোনীত করে যান।
- আলীবর্দী খান দৌহিত্য ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- সিরাজ ১৭৩৩ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর পিতার নাম মির্জা মুহম্মদ হাসিম মইনুদ্দীন খান।
- ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হয়।
- তখন ১৭৫৬ সালে সিরাজউদ্দৌলা বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার মসনদে আরোহণ করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এসসি, ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩০৫.
১৯৭১ সালে প্রথম কোন কূটনৈতিক বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেন?
  1. কে. এম. শিহাবুদ্দিন
  2. হুমায়ুন রশীদ চৌধূরী
  3. আব্দুস সামাদ
  4. এম মহিউদ্দিন খান
ব্যাখ্যা
প্রথম কূটনৈতিক বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ:
- ১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসাধারণ ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন তৎকালীন দু’জন তরুন বাঙালি কুটনীতিক।
- নয়াদিল্লিস্থ পাকিস্তান হাই কমিশনের সেকেন্ড সেত্রেটারি কে. এম. শিহাবুদ্দিন এবং এসিস্টেন্ট প্রেস এটাচী আমজাদুল হক।
- তাঁরা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে সর্বপ্রথম কূটনীতিকের পদ ছেড়ে দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেন।

⇒ মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হওয়ার পূবের্ই কে. এম. শিহাবুদ্দিন ও আমজাদুল হকের নয়াদিল্লিতে এক প্রেস কনফারেন্স করে কূটনীতিকের পদ ছেড়ে দেন এবং পাকিস্তান সরকারের অন্যায় অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জানান।
- তাঁদের অনুসরণ করে সে সময় ১৯টি দূতাবাসের ১১৫ জন বাঙালি কূটনীতিক বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ ও মুজিবনগরে গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল সরকার গঠনের একদিন পর কলকাতার পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলী এবং সব বাঙালি কূটনীতিক ও স্টাফ একযোগে বাংলাদেশের পক্ষে আনুগত্য জানান।
- 'পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন' নামফলক নামিয়ে ফেলা হয়।
- সেখানে 'বাঙলা দেশ কূটনৈতিক মিশন' নামফলক লাগিয়ে দেওয়া হয়।
- মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।
- এর মাধ্যমে প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করে।

উৎস: i) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
১৪,৩০৬.
স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় কত সালে?
  1. ২০১৮ সাল
  2. ১৯৯৬ সাল
  3. ২০২৪ সাল
  4. ১৯৯০ সাল
ব্যাখ্যা

• ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ বাংলাদেশের দ্বিতীয়বার সামরিক শাসন শুরু করেন।
- এরশাদের শাসনকালে দেশ আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার মধ্যে থাকে।
- এরশাদের সামরিক শাসনের অবসানের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম চলতে থাকে।
- বহু মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রাণ দেন।
- ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের সফল গণঅভ্যুত্থানে সামরিক শাসন অবসান ঘটে।
- গণঅভ্যুত্থান হঠাৎ ঘটে নি; এরশাদের শাসনের প্রথম থেকেই বিরোধী কার্যক্রম চলতে থাকে।
- ১৯৮২ সালের শেষ থেকে ছাত্র সমাজ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে।
- শিক্ষানীতি বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বুদ্ধিজীবীরা সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৮৩ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় জোট ও বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়।
- বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও আন্দোলনে অংশ নেন।
- ১৯৮৭ সালে সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন প্রবল হলেও এরশাদ ক্ষমতায় থাকেন।
- ১৯৯০ সালের শুরু থেকে রাজনৈতিক দলগুলো মিছিল, মিটিং ও হরতাল চালায়।
- সারাদেশের ছাত্র, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠন আন্দোলনে সক্রিয় থাকে।
- ছাত্র সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আন্দোলনকে শক্তিশালী করে।
- ১৯ নভেম্বর ১৯৯০ সালে সরকার পতনের লক্ষ্যে ৮, ৭ ও ৫ দলীয় জোট যৌথ ঘোষণা প্রদান করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন। এরশাদের ক্ষমতা ত্যাগের মধ্যে দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৩০৭.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে কবে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৩
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
  4. ৪ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মার্কিন স্বীকৃতি ।
- ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
​- এক প্রেস বিবৃতিতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম রজার্স ।
​- তখন  ঢাকায় নিযুক্ত প্রধান মার্কিন কর্মকর্তা হারবার্ট স্পিভ্যাক।
​-  যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে পৌঁছে দেন যেখানে তাকে জানানো হয় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। 
​- মুজিবুর রহমান ৯ এপ্রিল নিক্সনকে একটি চিঠি পাঠান যেখানে তিনি তার দেশের স্বীকৃতি স্বীকার করেন। 
​- পূর্বে যে ভূখণ্ডটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল তা ছিল পাকিস্তানের পূর্ব অংশ।

​উৎস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। [লিঙ্ক]

১৪,৩০৮.
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ দপ্তর নয় কোনটি?
  1. ক) জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)
  2. খ) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
  3. গ) গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট
  4. ঘ) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, 
- বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন এবং সংবিধিবদ্ধ একটি সরকারী সংস্থা। 
- এছাড়া, বাদবাকীগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ। 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ দপ্তরসমূহ:-

- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)
- বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা)
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)
- পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীপ কর্তৃপক্ষ
- গভর্ন্যান্স ইনোভেশন ইউনিট
- জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা
- এনজিও বিষয়ক ব্যুরো
- স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স
- উপআঞ্চলিক সহযোগিতা সেল (এসআরসিসি)
- বেসরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (পিইপিজেড)
- জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ)

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১৪,৩০৯.
ঐতিহাসিক ২১-দফা দাবির প্রথম দাবিটি কী ছিল?
  1. পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
  2. বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

⇒ এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:

১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৩১০.
'স্টেলা মেরিস' নির্মাণ করে কোন শিপইয়ার্ড?
  1. খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড
  2. ঢাকা ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস
  3. আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড
  4. ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিমিটেড
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প  বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১ টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে

আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- তবে এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে। এটির শিপইয়ার্ডের আয়তন প্রায় ৮০ হাজার বর্গমিটার।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।
- বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড। 

[উৎস: আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া]
১৪,৩১১.
জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ২৯তম
  2. ৩০তম
  3. ২৭তম 
  4. ৩২তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪,৩১২.
চিলাহাটি স্থল বন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ভুরুঙ্গামারি, কুড়িগ্রাম
  2. খ) কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট
  3. গ) ডোমার, নীলফামারী
  4. ঘ) পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা
• স্থলবন্দর:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে বাংলাদেশের মোট স্থলবন্দরের সংখ্যা ২৫টি।
- যার মধ্যে চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১২ টি।
- চালুকৃত ১২টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- চিলাহাটি স্থলবন্দর অবস্থিত - ডোমার, নীলফামারী
- চিলাহাটি স্থলবন্দরের সাথে ভারতীয় সীমান্তবর্তী জায়গার নাম- লদিবাড়ী, পশ্চিমবঙ্গ।
- সর্বশেষ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে দেশের ২৫তম স্থলবন্দর হিসেবে মুজিবনগর স্থলবন্দরের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ হয়।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
১৪,৩১৩.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ এর কথক ছিলেন -
  1. আবদুল হান্নান
  2. এম আর আখতার হামিদ
  3. এম আর আখতার মুকুল
  4. কামাল লোহানী
ব্যাখ্যা
• এম. আর আখতার মুকুল (১৯২৯-২০০৪):
- এম আর আখতার মুকুল সাংবাদিক, লেখক, সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সাড়া জাগানো অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর কথক।
- তাঁর জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ আগস্ট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের অন্তর্গত চিংগাসপুর গ্রামে।
- ১৯৮৭ সালে দেশে ফিরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র সম্পাদনার দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছুদিন কাজ করেছেন।পরে তিনি ঢাকায় সাগর পাবলিশার্স নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
- এ সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর রচিত ৬০টিরও বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

• এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- পল্লী এক্সপ্রেস (অনুবাদ, ১৯৬০),
- রূপালী বাতাস (১৯৭২),
- রূপালী বাতাস সোনালী আকাশ (১৯৭৩),
- মুজিবের রক্তলাল (১৯৭৬),
- ভাসানী মুজিবের রাজনীতি (১৯৮৪),
- পঞ্চাশ দশকে আমরা ও ভাষা আন্দোলন (১৯৮৫),। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৪,৩১৪.
কত সালে 'বিশেষ ক্ষমতা আইন' প্রণীত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন:
- এই আইনটি ১৯৭৪ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি জারি করা হয়।

• ক্ষমতা:
- এই আইন অনুযায়ী, নির্বাহী কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের জন্য যে কাউকে আটক করতে পারতো।

• উদ্দেশ্য:
- আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশে এই আইনটি পাস করা হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে রাষ্ট্রবিরোধী কিছু কার্যকলাপ প্রতিহত করা এবং কিছু গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা।

• আইনের সংস্করণ:
- আইনটি নিরাপত্তা আইন ১৯৫২, জননিরাপত্তা অর্ডিন্যান্স ১৯৫৮ এবং বাংলাদেশ তফসিলী অপরাধ (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশ ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৫০) এর ধারাবাহিকতায় প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
১৪,৩১৫.
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৬০০ সালে
  2. ১৬০৫ সালে
  3. ১৬১০ সালে
  4. ১৬১৫ সালে
ব্যাখ্যা
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয় এবং ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে। এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৩১৬.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য কে ছিলেন?
  1. মাহমুদ হাসান
  2. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  3. এ এফ রহমান
  4. রমেশচন্দ্র মজুমদার
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম, সর্ববৃহৎ এবং উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯২১ সালের ১ জুলাই আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ঢাকার রমনা এলাকার প্রায় ৬০০ একর জমি নিয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর প্রাথমিক অবকাঠামোর বড় একটি অংশ গড়ে উঠে ঢাকা কলেজের শিক্ষকমণ্ডলী এবং কলেজ ভবনের (বর্তমান কার্জন হল) উপর ভিত্তি করে।
- ৩টি অনুষদ (কলা, বিজ্ঞান ও আইন), ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন ছাত্রছাত্রী এবং ৩টি আবাসিক হল নিয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বাঙ্গালী উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ রহমান।
- ২০২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার শতবর্ষ পূরণ করেছে।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৩১৭.
‘ভারতে রাজভক্ত মুসলমান’ বইয়ের রচয়িতা কে?
  1. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আহমদ খান:
- সিপাহী বিদ্রোহের জন্য ইংরেজ সরকার মুসলমানদের এককভাবে দায়ী করে তাদের বিরুদ্ধে নানা প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করে।
- ভারতীয় মুসলমানদের দুর্দশা সৈয়দ আহমদ খানকে ব্যথিত করে।
- এমতাবস্থায় সৈয়দ আহমদ খান ভারতীয় মুসলমানদের প্রতি ইংরেজ সরকারের মনোভাব পরিবর্তনের জন্য নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তিনি ‘ভারতে সিপাহী বিদ্রোহের কারণ’ এবং ‘ভারতের রাজভক্ত মুসলমান' নামক দুটি বই রচনা করেন।
- তিনি যুক্তি দিয়ে প্রমাণ করেন যে, সিপাহী বিদ্রোহের জন্য মুসলমানরা দায়ী ছিল না।
- বরং বিদ্রোহকালে অধিকাংশ মুসলমান ইংরেজদের পক্ষে ছিল।
- তাঁর যৌক্তিক আলোচনায় মুসলমানদের প্রতি ইংরেজদের দৃষ্টিভঙ্গি যথেষ্ট পরিবর্তন ঘটে।
- উল্লেখ্য যে, সৈয়দ আহমদ খান নিজে ইংরেজ অনুগত ছিলেন।
- তিনি ভারতের মুসলমানদের ভাগ্যোন্নয়নের জন্য তাদেরকেও ইংরেজ অনুগত হওয়ার এবং তাদের সহযোগিতা করার উপদেশ দেন।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩১৮.
খরিপ মৌসুমকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
১৪,৩১৯.
‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তাের কারণে’-গানটির গীতকার
  1. ক) শেখ ওয়াহিদ
  2. খ) কিরণ রায়
  3. গ) শাহ আবদুল করিম
  4. ঘ) কাঙ্গালিনী সুফিয়া
ব্যাখ্যা
'বুড়ি হইলাম তর কারণে', 'আমার মাটির গাছে লাউ ধইরাছে'_এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা গীতিকবি মুক্তিযোদ্ধা শেখ ওয়াহিদুর রহমান।
ওয়াহিদের রচিত গানের সংখ্যা দেড় হাজারের অধিক। তার গানের বিষয়বস্তু, পরমতত্ত্ব, দেহতত্ত্ব, প্রেমতত্ত্ব, গুরুতত্ত্ব, আঞ্চলিক গান, পল্লীগীতি, মুর্শিদি, ভাটিয়ালি, মারফতি, পদাবলি, কীর্তন। আঞ্চলিক গান রচনায় তিনি ছিলেন বিশেষ আগ্রহী। সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় রচিত তার গানের সংখ্যা শতাধিক। ‘পরাণের বন্ধুরে/ বুড়ি হইলাম তোর কারণে’ এবং ‘আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে/লাউটা বড় সোহাগী/লাউয়ের পিছে লাগছে বৈরাগী’ তার এ গান দুটি বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।


সুত্রঃ কালের কণ্ঠ এবং সাপ্তাহিক পত্রিকা
১৪,৩২০.
'তমদ্দুন মজলিশ' কোন আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. শিক্ষা আন্দোলন
  3. স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- 'তমদ্দুন মজলিশ' ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- পরবর্তীতে ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিশ' নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৩২১.
কোন আন্দোলন চলাকালীন প্রথমবারের মত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয়?
  1. ছয় দফা আন্দোলন
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. মহান মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন
- ১৯৭০ এর নির্বাচনের পর ৩ মার্চ, ১৯৭১ আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্বে জাতীয় অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু ইয়াহিয়া খান ১ মার্চেই সেই অধিবেশন স্থগিত করেন।
- এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ২ মার্চ অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।
- অসহযোগ আন্দোলন ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- অসহযোগ মানে সহযোগিতা না করা। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে পূর্ব বাংলার জনগণ তৎকালীন ইয়াহিয়া সরকারের সব রকম সরকারি নির্দেশ অমান্য করে।
- এর ফলে প্রশাসনিক কাঠামো ভেঙ্গে পড়ে ও ট্যাক্স আদায় বন্ধ হয়ে যায়।

- ২ মার্চ, ১৯৭১; অসহযোগ আন্দোলন চলাকালীন ঢাবির বটতলায় প্রথমবারের মত বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম এই জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন শিব নারায়ণ দাস।
- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগের সভায় আপামর জনতার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'জাতির জনক' হিসাবে ঘোষণা দেন আ.স.ম আব্দুর রব।
- ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনতার উদ্দেশ্যে তাঁর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ দেন, যা এদেশের মানুষকে আজও অনুপ্রাণিত করে।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
১৪,৩২২.
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক কে?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. নিগার সুলতানা জ্যোতি
  3. আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
  4. শারমিন আক্তার
ব্যাখ্যা

• আফঈদা খন্দকার প্রান্তি:
- ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি সাতক্ষীরা তথা বাংলাদেশের গর্ব।
- তিনি নারী ফুটবল দলের একজন উদীয়মান তারকা।
- সাতক্ষীরার মেয়ে আফঈদা এর আগে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে অধিনায়কত্ব করেছেন।
- তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।

সম্প্রতি,
- এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে স্বাগতিক মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারিয়ে মূল পর্বে প্রথমবারের মত জায়গা করে নিয়েছে লাল-সবুজের নারী দল।যে দলটিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আফঈদা।
- অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫’এ অধিনায়ক এর দায়িতও পেয়েছেন আফঈদা।

উৎস: বাসস ও বাফুফে ওয়েবসাইট

১৪,৩২৩.
কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে 'বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ, ২০২৫' প্রদান করা হয়েছে?
  1. ৪  জন
  2. ৭ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬  জন
ব্যাখ্যা

- বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৮তম বার্ষিক সভায় সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে।
- প্রতিবছর নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তারা সাম্মানিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন।
- ফেলোশিপ প্রাপ্তরা হচ্ছেন:
- ফিলিপ গাইন (সাংবাদিকতা),
- মাহবুব উল্লাহ (অর্থনীতি),
- সমর মজুমদার (শিল্পকলা),
- পারভীন হাসান (ইতিহাস),
- মেরিনা তাবাসসুম (শিল্পকলা),
- মতেন্দ্র মানখিন (সাহিত্য)
- এবং বিজন কুমার শীল (বিজ্ঞান)।] 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসািইট।

১৪,৩২৪.
ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. হেনরি লুই ডিরোজিও
  2. শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন:
- ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলনের প্রবক্তা হল - হেনরি লুই ডিরোজিও।
- উনিশ শতকের ত্রিশের দশকে হিন্দু কলেজের শিক্ষক ডিরোজিও বাংলার আধুনিকমনস্ক তরুণদের নিয়ে ইয়ং বেঙ্গল আন্দোলন শুরু করেন।
- এ লক্ষ্যে তিনি ১৮২৮ সালে একাডেমি অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।

অনুসারী:
- তার অনুসারী ছিলেন - রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র প্রমুখ।
- ১৮৩১ সালে মাত্র ২৩ বছর বয়সে ডিরোজিও মারা যান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি।
১৪,৩২৫.
দেশের ২৫তম বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন- (মে - ২৫)
  1. বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম
  2. বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  3. বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক
ব্যাখ্যা
- সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দিয়েছে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- বিচারপতি সৈয়দ রেফাত ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাই কোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন।
-  দুই বছর পর ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল হাই কোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান তিনি।

উৎস : বিডি নিউজ-২৪
১৪,৩২৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এর সরকারি বাসভবন -
  1. ক) হোয়াইট হাউস
  2. খ) ওভাল অফিস
  3. গ) পেন্টাগন
  4. ঘ) ওয়াল স্ট্রিট
ব্যাখ্যা
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এর সরকারি বাসভবন ও প্রধান প্রশাসনিক দপ্তরের নাম হচ্ছে হোয়াইট হাউস

• এছাড়া,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট অফিস 'ওভাল অফিস' নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে বহনকারী বিমানের নাম 'এয়ারফোর্স ওয়ান'
- 'ওয়াল স্ট্রিট' হলো নিউইয়র্ক শহরের একটি প্রখ্যাত সড়ক।
- পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ বাজার নিউইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এই সড়কে অবস্থিত।
- পেন্টাগন হচ্ছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১৪,৩২৭.
মধুপুর ও ভাওয়াল গড় বনভূমির প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) চাপালিশ
  2. খ) গর্জন
  3. গ) শাল
  4. ঘ) গরান
ব্যাখ্যা
টাঙ্গাইলের মধুপুর ও গাজীপুর জেলার ভাওয়াল গড়ের বনভূমি শালবন নামে পরিচিত। এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
এছাড়া অন্যান্য বৃক্ষের মধ্যে বহেরা, হরিতকী, কড়ই, শিমুল, অর্জুন ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
১৪,৩২৮.
বাগেরহাট খানজাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজবিশিষ্ট?
  1. ষাট
  2. আশি
  3. একাশি
  4. সাতটি
ব্যাখ্যা
• ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাট শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- তবে নির্মাণশৈলী দেখে ধারণা করা হয় এটি ১৫শ শতাব্দীতে খান জাহানের আমলে তৈরি।
- এটি বাংলার সুলতানি স্থাপত্যশৈলীর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- নাম ষাট গম্বুজ হলেও বাস্তবে মসজিদটির ছাদে ৭৭টি ছোট গম্বুজ এবং কেন্দ্রে চারটি বৃহৎ গম্বুজসহ মোট ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- ৬০টি পাথরের স্তম্ভের উপর এ মসজিদটি স্বমহিমায় দাঁড়িয়ে আছে।
- ষাট গম্বুজ মসজিদের পাশেই রয়েছে 'ঘোড়া দীঘি' ।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো ষাট গম্বুজ মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রাচীন খলিফাতাবাদ রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা হযরত খান জাহান (র) এর মাজারটি ষাট গম্বুজ মসজিদ থেকে আড়াই কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাসস ওয়েবসাইট।
১৪,৩২৯.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA) কোন প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণাধীন?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা

 Bangladesh Investment Development Authority (BIDA)
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA-Bangladesh Investment Development Authority) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮৯ সালে - বিনিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়।
- ১৯৯৩ সালে গঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড এবং ১৯৮৯ সালে গঠিত বিনিয়োগ বোর্ড একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়। 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা  হয়- ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- BIDA নির্বাহী চেয়ারম্যান- চৌধুরি  আশিক মুহাম্মদ বিন হারুন  (ডিসেম্বর- ২০২৫) ।
- বিডার লক্ষ- বাংলাদেশের বিদেশি  বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা , যাতে দেশের আত্নসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ বিনিয়োগ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে- ৭-১০ এপ্রিল ২০২৫ ।

উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (বিডা) এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪,৩৩০.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান -
  1. সোনারগাঁও
  2. ময়নামতি
  3. সোমপুর বিহার
  4. মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা

• মহাস্থানগড়:

- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরের সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।

অন্যদিকে -
• সোনারগাঁও:
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।

• সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

• ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৩৩১.
কোন জেলায় সর্বাধিক ইলিশ আহরিত হয়?
  1. চাঁদপুর
  2. ভোলা
  3. পটুয়াখালী
  4. বরগুনা
ব্যাখ্যা
- মৎস্য পরিসংখ্যা বর্ষগ্রন্থ-২০১৯/২০ অনুযায়ী ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশে মোট ইলিশ উৎপাদিত হয় ৫.৫ লক্ষ মেট্রিক টন।
ইলিশ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ভোলা (১.৭১ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : বরগুনা (৭৩ হাজার টন)
- তৃতীয় : পটুয়াখালী (৭০ হাজার টন)।
(তথ্যসূত্র:মৎস্য পরিসংখ্যা বর্ষগ্রন্থ : ২০১৯-২০২০)
১৪,৩৩২.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের পর পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে যাওয়া হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ
  2. খ) ১৯৭১ সালের ২৭ মার্চ
  3. গ) ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ৩১ মার্চ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাত একটা থেকে দেড়টার মধ্যে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে প্রথমে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যায়।
- এর তিনদিন পর ২৯শে মার্চ বঙ্গবন্ধুকে পশ্চিম পাকিস্তানে (করাচি) নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে লায়ালপুরে (বর্তমান ফয়সালাবাদ) মিয়ানওয়ালি জেলে আটক রাখা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানী কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে ১০ জানুয়ারি স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বিবিসি বাংলা আর্কাইভ।)
১৪,৩৩৩.
বঙ্গভঙ্গ ব্যবস্থা রহিত করেন-
  1. লর্ড বেন্টিংক
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ রদ:

- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- এই সফরে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।
- ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সি ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পূনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ।
- প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩৩৪.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বর্ণপদক-২০২৩’ কে লাভ করেন?
  1. ড. হাসান মাহমুদ
  2. এমএম শাহজাহান সিরাজ
  3. ড. কে এম খালেকুজ্জামান
  4. বেবী মওদুদ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বর্ণপদক-২০২৩
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট সাংবাদিক, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষক ও সাবেক সংসদ-সদস্য বেবী মওদুদকে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব স্বর্ণপদক-২০২৩’ (মরণোত্তর) দেওয়া হয়েছে।
- অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাবি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর পিস অ্যান্ড লিবার্টি।
- প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধু সারাজীবন লড়াই-সংগ্রাম করেছেন।
- বাবার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করার পথ চলায় বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে ছায়ার মতো কাজ করেছেন বেবী মওদুদ। 

উৎস: ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, যুগান্তর।
১৪,৩৩৫.
তমুদ্দিন মজিলিস কোন সালে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫২ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫১ সালে
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিসের ভূমিকা:
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিস' নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।​
- কর্মসূচি: সভা-সমিতি ও লেখনীর মাধ্যমে বাংলা ভাষার পক্ষে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।​
- পুস্তিকা প্রকাশ: ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর, 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' নামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- যেখানে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানানো হয়।

→ রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের গঠন: 
- তারিখ: ডিসেম্বর ১৯৪৭​;
- আহ্বায়ক: নূরুল হক ভূঁইয়া​।

এছাড়াও,
- ১৯৪৮ সালের ১ ফেব্রুয়ারি সংগ্রাম পরিষদের সাথে আলোচনার পর শিক্ষামন্ত্রীফজলুর রহমান আশ্বাস দেন;
- মানি অর্ডার, ফরম, ডাকটিকিট ও মুদ্রায় ইংরেজি-উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় লেখা হবে।
- কিন্তু পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ১৮ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া বক্তৃতায় সুকৌশলে;
- উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে ছাত্রদের মধ্যে হতে 'না' 'না' ধ্বনি সম্বলিত প্রতিবাদ ওঠে।

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৪,৩৩৬.
বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যে কোন শুল্ক ধার্য করা হয়?
  1. ডাম্পিং শুল্ক
  2. রপ্তানি শুল্ক
  3. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
  4. আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১৪,৩৩৭.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক:
- ব্যাংক প্রধাণত দুই ধরনের। যথা: তফসিলভুক্ত এবং অ-তফসিলভুক্ত।
- দেশে সর্বমোট ব্যাংক আছে ৬৬টি, যার মধ্যে ৬১টি তফসিলভুক্ত এবং ৫টি  অ-তফসিলভুক্ত।

• তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৬১টি:
 -তফসিলভুক্ত ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং বিশেষায়িত ব্যাংক।
- আবার বাণিজ্যিক ব্যাংকের মধ্যে রয়েছে রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক, বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• রাষ্ট্রয়াত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি:
১. সোনালী ব্যাংক।
২. জনতা ব্যাংক।     
৩. অগ্রণী ব্যাংক।        
৪. রূপালী ব্যাংক।
৫. বেসিক ব্যাংক।     
৬. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৪৩টি।
যেমন: পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড, এবি ব্যাংক লিমিটেড ইত্যাদি।

বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ৯টি।
যেমন: এইচএসবিসি, উরি ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন ইত্যাদি।

• রাষ্ট্রয়াত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

• অ-তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৫টি:
১. জুবিলী ব্যাংক।
২. গ্রামীণ ব্যাংক।
৩. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক।
৪. কর্মসংস্থান ব্যাংক।
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪,৩৩৮.
হুসেইন মো. এরশাদ ক্ষমতা দখল করেন-
  1. ক) ১২ জুন ১৯৮২
  2. খ) ৬ ডিসেম্বর ১৯৮২
  3. গ) ২৪ মার্চ ১৯৮২
  4. ঘ) ১৮ অক্টোবর ১৯৮১
ব্যাখ্যা
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তারকে সরিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি ক্ষমতা থেকে সরে দাড়ান।
- তিনি প্রায় ৯ বছর বাংলাদেশের ক্ষমতায় ছিলেন।
- এরশাদ ১৪ জুলাই ২০১৯ মারা যান।

সূত্র- বিবিসি বাংলা।
১৪,৩৩৯.
পাল বংশে ধর্মপালের পরে রাজা হয়েছেন কে?
  1. দেবপাল
  2. গোপাল
  3. রামপাল
  4. দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
পাল রাজবংশ:
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে।
- এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সময় উত্তর ভারতের আধিপত্য নিয়ে গুর্জর প্রতিহার, রাষ্ট্রকুট ও পালবংশের মধ্যে ত্রিপক্ষীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ধর্মপালের পর রাজা হলেন তাঁর পুত্র দেবপাল।
- তাঁর শাসনামলে পাল সাম্রাজ্য সবচেয়ে বেশি বিস্তৃত হয়।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে।
- প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
- রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন।
- তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
১৪,৩৪০.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. এবি ব্যাংক পিএলসি
  2. সিটি ব্যাংক পিএলসি
  3. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  4. ডাচ বাংলা ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিল।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে।
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

তথ্যসূত্র - ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪,৩৪১.
সোমপুর বিহারের নির্মাতা কে?
  1. ক) হর্ষবর্ধন
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) বিজয় সেন
  4. ঘ) রামপাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন ধর্মপাল। তিনি প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১) রাজত্ব করেন। বৌদ্ধধর্মের প্রসারে তিনি নওগা জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। এখনো পর্যন্ত সোমপুর বিহার ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় বিহার হিসেবে স্বীকৃত। এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐহিত্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৩৪২.
বাংলাদেশে আমন ধান উত্তোলনের সময় -
  1. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিলে
  2. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  3. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  4. মধ্য জুলাই–আগস্টের শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
১৪,৩৪৩.
যশোর অঞ্চলে নীল বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?
  1. ক) বেণী মাধব
  2. খ) বৈদ্যনাথ
  3. গ) বিষ্ণুচরণ
  4. ঘ) দিগম্বর বিশ্বাস
ব্যাখ্যা
• ১৭৭০-১৭৮০ সালের মধ্যে ইংরেজ আমলে বাংলাদেশে নীল চাষ শুরু হয়। নীল চাষের শুরু দিক থেকেই কৃষকদের উপরে চালানো হতো চরম অত্যাচার। শেষ পর্যন্ত দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া নীল চাষিরা ১৮৫৯ সালে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ শুরু করে। এসব বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় নীলচাষিরাই। 
- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামের দুই ভাই।
- হুগলিতে নেতৃত্ব দেয় বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৩৪৪.
MFS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mobile Finance System
  2. Mobile Finance Finance
  3. Mobile Financial Services
  4. Mobile Fiscal Service
ব্যাখ্যা

MFS:
- MFS-এর পূর্ণরূপ: Mobile Financial Services.
- MFS হচ্ছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সেবা। 
- মোবাইল নম্বরের বিপরীতে অর্থ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট খোলা হয় তাই MFS হিসাব, যেখানে গ্রাহকের টাকা ইলেকট্রনিক উপায়ে জমা থাকে।
- এটা গ্রাহ কদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে।
- একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ব্যাংকে না গিয়ে বাড়িতে বসে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।
- বাংলাদেশে অনেক মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন, বিকাশ, নগদ, উপায়, রকেট, বিনিময় ইত্যাদি।

⇒ এই সেবার মাধ্যমে নিজের MFS একাউন্টে নগদ টাকা জমা করা যায়।
- নিজের একাউন্ট হতে অন্যের MFS একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
- MFS একাউন্টে জমানো টাকা দিয়ে যে কোন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করা যায়; বিদ্যুৎ গ্যাস পানির বিল, টিউশান ফি ইত্যাদি পরিশোধ করা যায় এবং প্রয়োজনে MFS একাউন্টে জমাকৃত টাকা তোলা যায়।

উৎস: i) Bangladesh Bank.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

১৪,৩৪৫.
সংবিধানের ৩৮ নং অনুচ্ছেদের মূল আলোচ্য বিষয় কী?
  1. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ : 
অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৩৪৬.
শেখ রাসেলকে নিয়ে শেখ হাসিনার লেখা বই কোনটি?
  1. ক) আমাদের ছোট রাসেল সোনা
  2. খ) মমতামাখা একটি নাম রাসেল
  3. গ) রাসেলের দিনগুলি
  4. ঘ) আমাদের ছোট রাজকুমার
ব্যাখ্যা
‘আমাদের ছোট রাসেল সোনা’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রচিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জীবনকাহিনির ওপর লেখা বই।
- বাংলা একাডেমি ২০১৯ সালে বইটি প্রকাশ করে। প্রচ্ছদ করেন কাইয়ুম চৌধুরী।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছোটদের উপযোগী করে গল্পের আকারে বইটি লিখেছেন।
- বইতে শেখ রাসেলের শিশুকাল থেকে শুরু করে, তার ছেলেবেলার একাধিক ঘটনা, মা-বাবা, ভাই-বোনদের সঙ্গে তার সময় কাটানো, লেখাপড়া, স্কুলজীবন ইত্যাদি সহজ ভাষায় বর্ণনা করেছেন।
 - এ বইটি পড়ে ছোট্ট রাসেলের ছেলেবেলার জীবন জানা যাবে, জানা যাবে আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের কিছু চিত্র।

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বেশ কয়েকটি গ্রন্থের রচয়িতা।
- তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:-
১। ‘‘শেখ মুজিব আমার পিতা’’,
২। ওরা টোকাই কেন?,
৩। বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম’’,
৪। দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা’’,
৫। ‘‘আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম’’,
৬। আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি’’,
৭। ‘‘সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র’’,
৮। ‘‘সাদা কালো’’,
৯। ‘‘সবুজ মাঠ পেরিয়ে’’,
১০।মুজিব বাংলার, বাংলা মুজিবের,
১১। Miles to Go, The Quest for Vision-2021 (two volumes) ইত্যাদি।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
১৪,৩৪৭.
বাংলাদেশে ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা কে ছিলেন?
  1. পীর মুহসীনুদ্দীন
  2. শাহ ওলিউল্লাহ
  3. মাওলানা কেরামত আলী
  4. হাজী শরীয়তুল্লাহ
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশে ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা ছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ।

ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৩৪৮.
What type of crops named 'Balaka' is?
  1. ক) Rice
  2. খ) June
  3. গ) Wheat
  4. ঘ) Tomato
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের জাত:

- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, শতাব্দী ইত্যাদি।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা ইত্যাদি।
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী ইত্যাদি।
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১ ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১৪,৩৪৯.
একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী
  2. আবদুল মান্নান
  3. বিচারপতি আব সায়িদ চৌধুরী
  4. আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৩৫০.
পাকিস্তানের ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি সাত্তার
  2. বিচারপতি সায়েম 
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. বিচারপতি হামদুর রহমান
ব্যাখ্যা

• ১৯৭০ এর নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।

১৯৭০ এর নির্বাচন:

- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অবশ্য ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দুর্গত ও উপকূলীয় এলাকায় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
- নির্বাচনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তান অংশের জন্য ১৬২টি সাধারণ আসন ও ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট বরাদ্দ ছিল ১৬৯টি আসন।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ৩০০টি সাধারণ আসন ও ১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট ৩১০টি আসন বরাদ্দ ছিল।
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি সাধারন আসন ও ১০টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ২৯৮টি আসন লাভ করে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,৩৫১.
প্রাচীন বাংলার বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে কোন জনপদটি খুবই খ্যাতি অর্জন করেছিল?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. বঙ্গ
  3. তাম্রলিপ্তি
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা

জনপদ: 
- তাম্রলিপ্তি জনপদ প্রাচীন বাংলার বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে খুবই খ্যাতি অর্জন করেছিল।

- তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার তমলুক),
- চন্দ্রদ্বীপ (বর্তমান বরিশাল জেলার অন্তর্গত),
- বঙ্গাল (বাখেরগঞ্জ ও খুলনা জেলার সমুদ্র লাগোয়া অঞ্চল) উল্লেখযোগ্য।
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৩৫২.
'বঙ্গভঙ্গ' কালে ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. লর্ড কর্ণওয়ালিশ
  3. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  4. লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ:
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের সময় ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হয়।
- এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়।
​- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে লা ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪,৩৫৩.
সংবিধানের ৪(৩)নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) জাতীয় প্রতীক
  2. খ) জাতীয় সঙ্গীত
  3. গ) জাতীয় পতাকা
  4. ঘ) জাতির পিতার প্রতিকৃতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ০৪ : জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক
১. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত “আমার সোনার বাংলা”র প্রথম দশ চরণ৷
২. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত৷
৩. প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পর-সংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে  তারকা৷
৪. উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
১৪,৩৫৪.
'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ কোনটি? 
  1. ১৬ নং অনুচ্ছেদে 
  2. ১৮ (১) নং অনুচ্ছেদে 
  3. ১৮ ক নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• দ্বিতীয় ভাগ
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি

সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।

অন্যদিকে -
- ১৮ (১) নং অনুচ্ছেদ: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,৩৫৫.
নিচের কোনটি 'অ-তফসিলী ব্যাংক' নয়?
  1. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. জুবিলী ব্যাংক
  4. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক খাত:
- বর্তমানে দেশে মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি।
- এর মধ্যে -
• রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
• বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।

অ-তফসিলী ব্যাংকগুলো:
- জুবিলী ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

অন্যদিকে -
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক একটি বিশেষায়িত ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪,৩৫৬.
অপারেশন সার্চলাইট এর সার্বিক দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. মেজর জেনারেল খাদিম রাজা
  2. মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
  4. লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
- ২৫ মার্চ দিবাগত মধ্যরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে বাঙালিদের উপর অপারেশন চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
- ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামক ঐ পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি সদরদপ্তর স্থাপন করা হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর তত্ত্বাবধানে প্রথম সদরদপ্তরটি গঠিত হয়।
- ৫৭তম বিগ্রেডের বিগ্রেডিয়ার আরবাবকে শুধু ঢাকা নগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় এবং মেজর জেনারেল খাদিম রাজাকে প্রদেশের অবশিষ্টাংশে অপারেশনের দায়িত্ব দেয়া হয়।
- অপারেশনের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৩৫৭.
'গ্রাফিতি' কোন ভাষার শব্দ?
  1. আরবি শব্দ
  2. বার্মিজ শব্দ
  3. ইটালিয়ান শব্দ
  4. রুশ শব্দ
ব্যাখ্যা
'গ্রাফিতি'
- গ্রাফিতি" ইটালিয়ান শব্দ "Grafitiato" থেকে আসে, যার অর্থ "খচিত"।
- গ্রাফিতি শব্দটি শিলালিপি, চিত্র অঙ্কন এবং এই ধরনের শিল্পব বুজায়। প্রাচীন সমাধি বা ধ্বংসাবশেষের দেয়ালের মধ্যে এইগুলেকে পাওয়া যায়।
- গ্রাফিতি হচ্ছে দেয়ালে বা যেকোনো সারফেসে র‍্যান্ডমলি আঁকা কোন চিত্র। সিম্পল কন্টেন্ট থাকবে, সিম্পল আঁকা থাকবে, কিন্তু পেছনের বোধটা থাকবে খুব গভীর। সহজ ভাষায় এটাই গ্রাফিতি।
- গ্রাফিতি অনেক,অনেক সময় ধরে হয়ে আসছে । প্রকৃতপক্ষে, সম্ভবত এটি গুহার দেয়ালের প্রথম অঙ্কন করা হয়েছিলো পশুর হাড় দিয়ে খোদাই করে। পশুর হাড় দিয়েই প্রথম গ্রাফিতি আঁকা শুরু হয় বলে ভাবা হয়।
- তখন থেকে পরিবর্তন হয়ে আস্তে আস্তে মানুষের বাড়ির অথবা কোনো প্রতিষ্ঠানের  দেয়ালে দেয়ালে, যেখানে মানুষের নজরে আসে এমন জায়গায় গ্রাফিতি  আঁকা শুরু হয়।

সূত্র- ব্রিটানিকা।
১৪,৩৫৮.
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর কে ছিলেন?
  1.  ক্লাইভ
  2. হেস্টিংস
  3. রিপন
  4. কার্টিয়ার
ব্যাখ্যা

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ইংরেজ গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
- দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা এবং পরপর তিন বছর অনাবৃষ্টিজনিত খরার কারণে ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪,৩৫৯.
দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার -
  1. জিয়াউর রহমান
  2. রিফাত বিন সাত্তার
  3. নিয়াজ মোর্শেদ
  4. আব্দুল্লাহ আল রাকিব
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- দাবায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় গ্র্যান্ড মাস্টার জিয়াউর রহমান।
- ২০০২ সালে দ্বিতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার হন জিয়াউর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশি দাবাড়ুদের মধ্যে সর্বোচ্চ ফিদে রেটিং অর্জন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস: i) ২২ মে, ২০২২, কালের কন্ঠ।
         ii)  ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, বাংলাদেশ প্রতিদিন।
১৪,৩৬০.
কোন এলাকাকে 'Marine Protected Area (MPA)' ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ক) সেন্টমার্টিন
  2. খ) সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
  3. গ) পটুয়াখালী ও বরগুনা
  4. ঘ) হিরন পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
'Marine Protected Area (MPA):
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে।
- এর আগে ১৯৯৯ সালে ৫৯০ হেক্টর প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- নতুন ঘোষণায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্র যোগ হয়েছে।
- অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল উপনিবেশ ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এই উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (১২ জানুয়ারি, ২০২২)।
১৪,৩৬১.
নিপোর্ট কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• National Institute of Population Research and Training (NIPORT) :
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)- গঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করা।

উৎস: niport

১৪,৩৬২.
BWMRI কোন দুটি শস্যের উন্নয়ন ও গবেষণার কাজ করে থাকে?
  1. পাট ও আখ
  2. গম ও ভুট্টা
  3. গম ও সরিষা
  4. চা ও তামাক
ব্যাখ্যা

• BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৪,৩৬৩.
'মারাইং তং' পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
মারাইং তং পাহাড়:
- মারাইং তং পাহাড় বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলায় অবস্থিত।
- এই পাহাড় আরও কয়েকটি নামে পরিচিত। যেমন - মারায়ান তং, মারায়ং তং, মেরাই থং জাদি, মারাইং ডং ইত্যাদি।
- পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় ১৬৪০ ফুট।
- এই পাহাড়ের চূড়ায় আছে একটি বৌদ্ধ উপাসনালয়।
- ত্রিপুরা, মারমা, মুরং সহ বেশিকিছু আদিবাসীর বসবাস এই মারায়ন তং পাহাড়ে। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে থাকা আদিবাসী পাড়াগুলাে বিশেষ বৈচিত্রতা যুক্ত করেছে আলীকদমের এই পাহাড়ি সৌন্দর্যে।

তথ্যসূত্র - বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
১৪,৩৬৪.
কে সর্বপ্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  3. কাজী মুহাম্মদ শফিউল্লাহ
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
⇒ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন খন্দকার মোশতাক আহমদ।

বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনে।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় এবং পাকিস্তানের ভাবধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুরু হয়।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
১৪,৩৬৫.
বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা কোনটি?
  1. বিবিসি বাংলা
  2. ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি 
  3. বাসস 
  4. ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA):
- বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA)।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্তুর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- পরিণতিতে, পাকিস্তানের সামরিক জান্তার কোপানলে পড়ে সংস্থাটি বন্ধ হয়ে যায়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।
- এনা সংবাদ প্রেরণের জন্য পুরোপুরি সরকারি টেলিকম্যুনিকেশন সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দুই দশকের পর এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে এনা শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা সংবাদপত্র সরবারহ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,৩৬৬.
বাংলাদেশের সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. তথ্য কমিশন
  4. মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- ৫ জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন ৫ বছরের জন্য গঠিত হয়।

- দেশের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
- নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কার্যাবলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংবিধান।

১৪,৩৬৭.
'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE):
- NAPE-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Primary Education.
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রশিক্ষন ও গবেষণাধর্মী জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯৬৯ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় দুই বছর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আইএড) কোর্স পরিচালিত হত।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজগুলো পরিবর্তন হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহ কলেজ অব এডুকেশনে কশনে মৌলিক শিক্ষা একাডেমি (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ও (National Academy for Primary Education)।
- ২০০৪ সালের ১লা অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত হয়।

⇒ প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার প্রশিক্ষিত ও পেশাগত দক্ষতা সম্পন্ন মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে যোগ্যতাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এ সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য।
- নেপের প্রশাসনিক ব্যবস্থপনায় নির্বাহী কর্মকর্তা- একজন মহাপরিচালক।
- নেপ পরিচালনার জন্য ১৪ সদস্যের বোর্ড অব গভর্নরস রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (NAPE) ওয়েবসাইট।
১৪,৩৬৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ মতে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান কত?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) নবম
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২১।
১৪,৩৬৯.
বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

-  বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।

• রাষ্ট্রপতি: 
- রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানসমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে। 
- নিয়মমাফিক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত এবং তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।

⇒ বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত এবং এদেশকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সকল কারণেই রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ায় সরকারের সকল কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়। 
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা যায়।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৩৭০.
ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব কবে ও কোথায় উত্থাপিত হয়?
  1. ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, লাহোরে
  2. ১৯৩৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর, দিল্লিতে
  3. ১৯৪৬ সালের ৯ এপ্রিল, কলকাতায়
  4. ১৯৪৭ সালের ৩ জুন, করাচিতে
ব্যাখ্যা

- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা পাকিস্তান প্রস্তাব নামেও পরিচিত।

লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন। জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না। তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ লাহোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৩৭১.
'National Judicial Academy' to be established in -
  1. ক) Gazipur
  2. খ) Sylhet
  3. গ) Madaripur
  4. ঘ) Dhaka
ব্যাখ্যা
- পদ্মা সেতুর পাশে মাদারীপুরের শিবচরে ন্যাশনাল জুডিশিয়াল একাডেমি স্থাপন করা হবে। 
-  ‘বিচার বিভাগকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য ন্যাশনাল জুডিশিয়াল একাডেমি স্থাপন করা হচ্ছে। 
 
উৎস: প্রথম আলো। 
১৪,৩৭২.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতবার সামরিক আইন জারি করা হয়েছে?
  1. ক) ১ বার
  2. খ) ২ বার
  3. গ) ৩ বার
  4. ঘ) ৪ বার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২ বার সামরিক আইন জারি করা হয়।
- প্রথমবার খন্দকার মোশতাক কর্তৃক ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট।
- দ্বিতীয়বার ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ কর্তৃক সামরিক আইন জারি করা হয়।

১৪,৩৭৩.
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে মুনসুন অভ্যুত্থান (Monsoon Revolution) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. অ্যান্তোনিও গুতেরেস
  3. ওয়াকার-উজ-জামান
  4. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সংগঠন
ব্যাখ্যা
মুনসুন অভ্যুত্থান (Monsoon Revolution):
- ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানকে মুনসুন অভ্যুত্থান (Monsoon Revolution) হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে ২০২৪ সালের এই অভ্যুত্থানকে মুনসুন অভ্যুত্থান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- ৫ আগস্টের অভ্যুত্থানকে ‘মনসুন অভ্যুত্থান’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, আগামীতে বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষকে মুক্তি ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে তারুণ্যের এই অভ্যুত্থান প্রেরণা জুগিয়ে যাবে।

উল্লেখ্য,
- সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে ১ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলনে নামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
- শুরুতে এ আন্দোলন অহিংস ছিল কিন্তু পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেপরোয়া হলে ১৫ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়।
- অতঃপর শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে যার শেষ পরিণতি ঘটে ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনের মাধ্যমে।
- ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
১৪,৩৭৪.
ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন -
  1. জহিরউদ্দীন মুহম্মদ বাবর
  2. আজহারউদ্দীন মুহম্মদ বাবর
  3. জলিলউদ্দীন মুহম্মদ বাবর
  4. মহিউদ্দীন মুহম্মদ বাবর
ব্যাখ্যা
বাবর:
- জহিরউদ্দীন মুহম্মদ বাবর ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- পিতার দিক থেকে বাবর ছিলেন বিখ্যাত তুর্কি তৈমুর লং-এর অধস্তন পঞ্চম পুরুষ এবং মায়ের দিক থেকে তাঁর পূর্বপুরুষ ছিলেন বিখ্যাত মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান।
- উপমহাদেশে বাবরের প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ মুঘল বংশ নামে পরিচিত হয়েছে মোঙ্গলদের সাথে তাঁর সম্পর্ক থাকার কারণেই।
- বাবর ১৪৮৩ খ্রিস্টাব্দে মধ্য এশিয়ার ফারগানায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ওমর মির্জা ফারগনার শাসনকর্তা ছিলেন।
- পিতার মৃত্যুর পর বাবর বার বছর বয়সে ফারগানার অধিপতি হন।
- ১৫০৪ খ্রিস্টাব্দে উজবেক শাসনের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে প্রথম বারের মতো বাবর কাবুল জয় করেন।
- কাবুল বিজয়ের পরও বাবর পিতৃসিংহাসন পুনরুদ্ধার ও রক্ষায় ব্যর্থ হয়ে ভারতবর্ষের দিকে দৃষ্টি নিবন্ধ করেন।
- কাবুল অধিকারের পর বাবর ভারত বিজয়ের পরিকল্পনা করেন।
- এসময় ভারতের শাসন ক্ষমতায় ছিলেন লোদী সুলতানরা।
- বাবরের আক্রমণের পূর্বে ভারতের শেষ সুলতান ছিলেন ইব্রাহিম লোদী।
- ভারতের কেন্দ্রীয় শক্তির দুর্বলতার সুযোগ গ্রহণ করে বাবর এদেশে মোগল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩৭৫.
নগরায়ণ ও শিল্পায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব কোনটি?
  1. স্তরবিন্যাসের পরিবর্তন
  2. পারস্পরিক সম্পর্কের পরিবর্তন
  3. সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন
  4. সামাজিক প্রতিষ্ঠানের পরিবর্তন
ব্যাখ্যা
সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন:
- নগরায়ণ ও শিল্পায়নের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব হলো সমাজ কাঠামোর পরিবর্তন।
- তাছাড়া নগরে বিভিন্ন বিষয়ে বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা থাকায় সমাজের নানা শ্রেণির মানুষ শহরে ভীড় জমায়।
- এর ফলে সমাজের স্তরবিন্যাসের তথা শ্রেণি কাঠামোয় পরিবর্তন হয়।
- এ প্রেক্ষিতে সমাজ কাঠামোর মধ্যে পরিবর্তন সাধিত হয়।
- সমাজের মানুষের মধ্যে পেশাগত বৈচিত্র্য থাকায় সামাজিক বৈষম্য বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩৭৬.
বাংলাদেশের জেল (কারাগার) প্রতিষ্ঠানের নতুন নাম কী? 
  1. ন্যাশনাল জেল রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার
  2. বাংলাদেশ প্রিজন রিফর্ম অথরিটি
  3. কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ
  4. বাংলাদেশ কারাগার সার্ভিস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন: 
- বাংলাদেশ জেলকে নতুনভাবে পরিচিত করতে নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
-  এ প্রতিষ্ঠানের নাম হবে "কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ"। 
‎- ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাখা হয়।
-
কারাগারকে সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে 'বাংলাদেশ জেল'-এর নাম পরিবর্তন করে 'কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ' করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ জেল কারগার এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [লিঙ্ক]

১৪,৩৭৭.
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) কোন সালে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ২০১৩
  2. ২০১৪
  3. ২০১৫
  4. ২০১৬
ব্যাখ্যা

• নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB): 
-
নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাইতে অবস্থিত।
- এটি BRICS সদস্য দেশগুলোর (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৪ তে;
- কিন্তু কার্যক্রম শুরু করেছে ২০১৫ এ

উল্লেখ্য,
• NDB-এর মূল ভূমিকা:
• উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মূলধন জোগাড় করা
• উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বৃদ্ধি করা।
• অর্থায়নকৃত প্রকল্পগুলোর পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক (ESG) প্রভাব মূল্যায়ন করে ঝুঁকি হ্রাস করা।
• ঋণ, গ্যারান্টি ও ইক্যুইটির মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রকল্পে সহায়তা প্রদান।

উৎস: Britannica ও NDB Website.

১৪,৩৭৮.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিতব্য 'বঙ্গবন্ধু' বায়োপিকের পরিচালক কে?
  1. ক) দয়াল নিহালানি
  2. খ) অতুল তিওয়ারি
  3. গ) শ্যাম বেনেগাল
  4. ঘ) শ্যামা জায়েদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় প্রায় ৩৫ কোটি টাকার বাজেটে নির্মিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে বায়োপিক বঙ্গবন্ধু। এর পরিচালক ভারতের শ্যাম বেনেগাল। সহযোগী পরিচালক দয়াল নিহালানি। চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন অতুল তিওয়ারি এবং শ্যামা জায়েদী। এতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন আরিফিন শুভ। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে আরও ৪৯ জন বাংলাদেশি তারকা অভিনয় করবেন। ১৮ মার্চ থেকে ছবির শুটিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনার জন্যে তা স্থগিত করা হয়। (সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
১৪,৩৭৯.
"জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২" চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন জেলায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
  1. গাজীপুর
  2. ঢাকা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চুড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, 
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি  - গাজীপুর (৩.৮৭%)।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
-  সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।

১৪,৩৮০.
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে শপথ বাক্য কে পাঠ করেন?
  1. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. জেনারেল এম. এ জি ওসমানী
  3. আতাউর রহমান খান
  4. এইচ টি ইমাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:

- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি।
- সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি।
- তাজউদ্দিন আহমেদকে প্রধানমন্ত্রী।
- এম মনসুর আলীকে অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী।
- এ এইচ এম কামরুজ্জামানকে স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রী করে শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম.এ.জি ওসমানী।
- এস.এ সামাদ প্রতিরক্ষা সচিব।
- চীফ অব স্টাফ কর্নেল আবদুর রব।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৩৮১.
প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর
  3. ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি
  4. ১৯৭২ সালের ২৫ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১২ মে, ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো এবং নিউইয়র্ক টাইমস।

১৪,৩৮২.
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
১৪,৩৮৩.
বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. একনেক
  3. এনইসি
  4. পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC).

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,৩৮৪.
২০২১ সালে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত করা হয় কোন বাংলাদেশিকে?
  1. ক) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির
  2. খ) সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  3. গ) ড. এনামুল হক
  4. ঘ) উপরের সকলে
ব্যাখ্যা
-  সাবেক হাইকমিশনার প্রয়াত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীকে পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের জন্য ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মভূষণে ভূষিত করা হয়।
-  প্রখ্যাত প্রন্ততত্ত্ববিদ,লেখক এবং বাংলাদেশের জাদুঘর আন্দোলনের পথিকৃৎ ড.এনামুল হককে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করা হয়।
- বাংলাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কাজী সাজ্জাদ আলী জহির (বীর প্রতীক)কে চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা পদ্মশ্রীতে ভূষিত করা হয়।
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট। 
১৪,৩৮৫.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯২১
  2. ১৯২৫
  3. ১৯২৯
  4. ১৯৩৩
ব্যাখ্যা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় ‘সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন’ এবং ‘পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির’ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান।
- নিয়াজ আহমেদ খান একজন শিক্ষাবিদ ও অধ্যাপক।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের অধ্যাপক এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির বর্তমান উপাচার্য।
- এ পদে নিয়োগ লাভের আগে তিনি ঢাবির উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের সভাপতি এবং ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বিজ্ঞান অনুষদ এর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়।
- প্রথমে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিত এই তিনটি বিভাগ নিয়ে এই অনুষদ যাত্রা শুরু করে।
- বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে কয়েকটি কেন্দ্র আছে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদ যে এলাকায় অবস্থিত তাকে বলা হয় কার্জন হল।

উৎস: i) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৪,৩৮৬.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত সর্বমোট ধানের জাত কতটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. ১০৯টি
  2. ১২৭টি
  3. ১২০টি
  4. ১২৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাতসমূহ (সর্বমোট ১২৭)। (মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত)

এর মধ্যে রয়েছে: 
• জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত
ব্রি ধান৬২;
ব্রি ধান৬৪;
ব্রি ধান৭২;
ব্রি ধান৭৪;
ব্রি ধান৮৪;
ব্রি ধান১০০;
ব্রি ধান ১০২;

• খরা সহিষ্ঞু ধানের জাত-
ব্রি ধান ৪৩;
ব্রি ধান ৫৫;
ব্রি ধান ৫৬;
ব্রি ধান ৫৭;
ব্রি ধান ৬৬;
ব্রি ধান ৭১;
ব্রি ধান ৮৩;

• জলমগ্নতা সহিষ্ঞু ধানের জাত:
ব্রি ধান৫১
ব্রি ধান৫২
ব্রি ধান৭৯
ব্রি ধান১০৯
ব্রি ধান১১০

• এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-৮৪,  বিআর-৫।
• উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-১০৭।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৩৮৭.
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- একটি সরকারের কার্যকালের মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় থেকে নতুন একটি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পূর্ববর্তী সময়ে রাষ্ট্রের প্রশাসন পরিচালনায় নিয়োজিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।

- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৪ বার।
- যথা: ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।

এছাড়াও,
- ২২ জানুয়ারি, ২০০৭ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ধার্য্য হলে দেশব্যাপী রাজনৈতিক সহিংসতা ও সংঘাত ব্যাপক আকার ধারণ করে।
- ১ জানুয়ারি ২০০৭ রাষ্ট্রপতি জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন।
- ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে পুনরায় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন করা হয়।
- এ সরকার ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠানের রোডম্যাপ ঘোষণা করে।
- ৩ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত ড. ফখরুদ্দীন আহমেদের তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩৮৮.
মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী নারী যোদ্ধাদের মধ্যে কে বীর প্রতীক উপাধি পান?
  1. তারামন বিবি
  2. কাকলী রায়
  3. সুলতানা বেগম
  4. রওশন আরা
ব্যাখ্যা

◉ মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।

১৪,৩৮৯.
বঙ্গবন্ধু টানেলের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩.৩২ কিমি
  2. ৫.৩৫ কিমি
  3. ৭.২৪ কিমি
  4. ৯.৩৯ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল:

- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ বাংলাদেশের প্রথম বহুলেন সড়ক টানেল উদ্বোধন করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮শে অক্টোবর ২০২৩ সালে টানেলটি উদ্বোধন করেন।
- বাংলাদেশ সরকার এটির নামকরণ করেছে বঙ্গবন্ধু টানেল।
- দক্ষিণ এশিয়ায় নদীর তলদেশ দিয়ে যানবাহন চলাচলকারী প্রথম টানেল এটি।
- মোট দৈর্ঘ্য – ৯.৩৯ কিমি।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য – ৩.৩১৫ কিমি অথবা ৩.৩২ কিমি।
- এপ্রোচ সড়কের দৈর্ঘ্য – ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলের ধরন – দুই লেনের ডুয়েল টানেল।
- প্রবেশপথ – চট্টগ্রাম বিমানবন্দর ও সমুদ্রবন্দরের কাছে, কর্ণফুলী নদীর ভাটির দিকে নেভি কলেজের কাছে।
- বহির্গমন – আনোয়ারা প্রান্তে সার কারখানার কাছে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৮ অক্টোবর ২০২৩।
১৪,৩৯০.
বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ভ্যাকসিন প্লান্ট কোথায় নির্মিত হবে?
  1. কুমিল্লা
  2. সীতাকুণ্ড
  3. যশোর
  4. গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• প্রথম ভ্যাকসিন প্লান্ট:
- বাংলাদেশের প্রথম সরকারি ভ্যাকসিন প্লান্ট নির্মিত হবে গোপালগঞ্জে।
-এর ফলে ভবিষ্যতে যেকোনো মহামারী বা অতিমারী মোকাবেলায় নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি হবে।
- ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের শেষ নাগাদ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে রাষ্ট্রায়ত্ত ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের সর্বজনীন টিকা কার্যক্রম (ইপিআই) শক্তিশালী হবে। আর ভ্যাকসিন উদ্ভাবনে গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে।
 - প্লান্টটিতে ২০২৮ সালের মধ্যে ছয় ধরনের এবং ২০২৯ সালে আরো নয় ধরনের টিকা উৎপাদন করা সম্ভব হবে। 

উৎস: বণিক বার্তা পত্রিকা রিপোর্ট। [লিঙ্ক]
১৪,৩৯১.
সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স কত নির্ধারণ করা হয়?
  1. ৬২ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. ৭০ বছর
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।

• এ সংশেোধনীর মাধ্যমে বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। 
যেমন-
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

উৎস: সংবিধান।

১৪,৩৯২.
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) টঙ্গি
  2. খ) কোনাবাড়ি
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
জাতীয় কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রঃ কোনাবাড়ী, গাজীপুর।
Source: msw.gov.bd
১৪,৩৯৩.
Who declared military rule for the first time in Pakistan?
  1. Ayub Khan
  2. Muhammad Ali Jinnah
  3. Khawaja Nazimuddin
  4. Iskandar Ali Mirza
  5. Ghulam Mohammad
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩৯৪.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা কে?
  1. চীফ হুইপ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় জাতীয় সংসদের নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তার নেতৃত্বেই জাতীয় সংসদে আইন প্রণীত হয় এবং তার পরামর্শেই রাষ্ট্রপতি সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশের সরকার এবং মন্ত্রিসভার প্রধান।
- এজন্যে তাকে ‘সরকারের স্তম্ভ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

স্পিকার:
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- তার দায়িত্বে জাতীয় সংসদের আসনে বিতর্ক সূচক বিষয়ে আলোচনা করা এবং নির্বাচনে নির্বাচিত সদস্যদের নেতৃত্বে সংসদ চালানো।
- স্পিকার হলেন জাতীয় সংসদের সভাপতি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেনি এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪,৩৯৫.
ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্থ বাংলাদেশী জাহাজটির নাম ছিল -
  1. ক) এমভি বাংলার দূত
  2. খ) এমভি বাংলার অগ্রগতি
  3. গ) এমভি বাংলার সমৃদ্ধি
  4. ঘ) এমভি বাংলার গর্ব
ব্যাখ্যা
২ মার্চ ২০২২ তারিখে ইউক্রেনের কৃষ্ণসাগর তীরের অলভিয়া বন্দরে আটকে পড়া বাংলাদেশি জাহাজ ‘এমভি বাংলার সমৃদ্ধি’তে রাশিয়ার ছোড়া রকেট আঘাত হানে। এতে হাদিসুর রহমান নামে একজন নাবিক নিহত হন।
৩ মার্চ জাহাজে আটকে পড়া ২৮ জন নাবিককে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
পরবর্তীতে জাহাজটিকে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১৪,৩৯৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে -
  1. ময়মনসিংহ জেলা
  2. দিনাজপুর জেলা
  3. কুমিল্লা জেলা
  4. রংপুর জেলা
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- বিভাগ অনুসারে রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষে কুমিল্লা জেলা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষে দিনাজপুর জেলা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষে ময়মনসিংহ জেলা।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৪,৩৯৭.
কোন জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে?
  1. ব্যারাকপুরে
  2. পুরুলিয়া
  3. বর্ধমানে
  4. কলকাতায়
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩৯৮.
একটি দেশে শ্রম, জমি বা মূলধনের সেবার জন্য প্রাপ্ত আয়ের সমষ্টিকে বলা হয়--
  1. গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
  2. গ্রস ডোমেস্টিক ইনকাম
  3. ন্যাশনাল ইনকাম
  4. গ্রস ন্যাশনাল ইনকাম
ব্যাখ্যা
জাতীয় আয় ও এর পরিমাপ:
-  একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত  একটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট দ্রব্য ও সেবাসমূহের সমষ্টিকে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- জিডিপি'র ক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার সমষ্টিকেই বুঝায়।
- তাহলে বলা যায় যে, কোন নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক অর্থবছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে তথা ভৌগোলিক সীমারেখার মধ্যে সে সব দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার সমষ্টিকে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বা মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product - GDP) বলা হয়।

অন্যদিকে,
- মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP): একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৩৯৯.
শিক্ষক সবচেয়ে বেশি শিখতে পারেন কার কাছ থেকে?
  1. প্রধান শিক্ষক
  2. বই
  3. শুভানুধ্যায়ী
  4. ছাত্র
ব্যাখ্যা
- একজন শিক্ষক সবচেয়ে বেশি শিখতে পারেন বই থেকে।
- একটি বই একজন মানুষকে সহজেই সমৃদ্ধ করে তুলতে পারে।
- একমাত্র বইয়ের মধ্যেই আছে সব ধরনের জ্ঞান। তাই জীবনের জন্য বই প্রয়োজন।
- শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে বই পড়ার অভ্যাস দারুণভাবে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় শিক্ষক বাতায়ন।
১৪,৪০০.
বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে কোন জাতিগোষ্ঠীর সাথে?
  1. ক) মোঙ্গলয়েড
  2. খ) অস্ট্রালয়েড
  3. গ) ককেশয়েড
  4. ঘ) নিগ্রয়েড
ব্যাখ্যা
অস্ট্রোলয়েড
- অস্ট্রোলয়েড  প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী। নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে  মনে করেন। এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়।
- প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত। পন্ডিতদের মতে, অস্ট্রোলয়েডদের আদি বাসস্থান মধ্য ভারত থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারত এবং সিংহল থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কাল পরিক্রমায় তাদের একটি দল আদি বাসস্থান ত্যাগ করে বাংলায় অভিবাসন করে। 
এছাড়াও,
-  নেগ্রিটো: প্রস্তরযুগে প্রাচীন ভারতের আদিম মানুষ। বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তীতে আসে নেগ্রিটো জনগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।
- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো- অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।