ব্যাখ্যা
গত ১৪ জুন ২০২০ এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর প্রথম প্রধান হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. ফখরুল আলম।
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গবেষণার জন্যে এটিই দেশে স্থাপিত প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৪৪ / ৩০৬ · ১৪,৩০১–১৪,৪০০ / ৩০,৮৩২
• ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ বাংলাদেশের দ্বিতীয়বার সামরিক শাসন শুরু করেন।
- এরশাদের শাসনকালে দেশ আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার মধ্যে থাকে।
- এরশাদের সামরিক শাসনের অবসানের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম চলতে থাকে।
- বহু মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রাণ দেন।
- ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের সফল গণঅভ্যুত্থানে সামরিক শাসন অবসান ঘটে।
- গণঅভ্যুত্থান হঠাৎ ঘটে নি; এরশাদের শাসনের প্রথম থেকেই বিরোধী কার্যক্রম চলতে থাকে।
- ১৯৮২ সালের শেষ থেকে ছাত্র সমাজ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে।
- শিক্ষানীতি বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বুদ্ধিজীবীরা সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৮৩ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় জোট ও বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়।
- বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও আন্দোলনে অংশ নেন।
- ১৯৮৭ সালে সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন প্রবল হলেও এরশাদ ক্ষমতায় থাকেন।
- ১৯৯০ সালের শুরু থেকে রাজনৈতিক দলগুলো মিছিল, মিটিং ও হরতাল চালায়।
- সারাদেশের ছাত্র, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠন আন্দোলনে সক্রিয় থাকে।
- ছাত্র সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আন্দোলনকে শক্তিশালী করে।
- ১৯ নভেম্বর ১৯৯০ সালে সরকার পতনের লক্ষ্যে ৮, ৭ ও ৫ দলীয় জোট যৌথ ঘোষণা প্রদান করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন। এরশাদের ক্ষমতা ত্যাগের মধ্যে দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার মার্কিন স্বীকৃতি ।
- ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- এক প্রেস বিবৃতিতে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী উইলিয়াম রজার্স ।
- তখন ঢাকায় নিযুক্ত প্রধান মার্কিন কর্মকর্তা হারবার্ট স্পিভ্যাক।
- যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানকে পৌঁছে দেন যেখানে তাকে জানানো হয় যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়।
- মুজিবুর রহমান ৯ এপ্রিল নিক্সনকে একটি চিঠি পাঠান যেখানে তিনি তার দেশের স্বীকৃতি স্বীকার করেন।
- পূর্বে যে ভূখণ্ডটি বাংলাদেশ রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছিল তা ছিল পাকিস্তানের পূর্ব অংশ।
উৎস: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। [লিঙ্ক]
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো 'নৌকা'।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
⇒ এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।
উৎস: জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
• আফঈদা খন্দকার প্রান্তি:
- ১৮ বছর বয়সী বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি সাতক্ষীরা তথা বাংলাদেশের গর্ব।
- তিনি নারী ফুটবল দলের একজন উদীয়মান তারকা।
- সাতক্ষীরার মেয়ে আফঈদা এর আগে বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে অধিনায়কত্ব করেছেন।
- তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে।
সম্প্রতি,
- এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে স্বাগতিক মিয়ানমারকে ২-১ গোলে হারিয়ে মূল পর্বে প্রথমবারের মত জায়গা করে নিয়েছে লাল-সবুজের নারী দল।যে দলটিকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন আফঈদা।
- অনূর্ধ্ব-২০ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫’এ অধিনায়ক এর দায়িতও পেয়েছেন আফঈদা।
উৎস: বাসস ও বাফুফে ওয়েবসাইট
- বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৮তম বার্ষিক সভায় সাতজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে বাংলা একাডেমি সাম্মানিক ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে।
- প্রতিবছর নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তারা সাম্মানিক পুরস্কার পেয়ে থাকেন।
- ফেলোশিপ প্রাপ্তরা হচ্ছেন:
- ফিলিপ গাইন (সাংবাদিকতা),
- মাহবুব উল্লাহ (অর্থনীতি),
- সমর মজুমদার (শিল্পকলা),
- পারভীন হাসান (ইতিহাস),
- মেরিনা তাবাসসুম (শিল্পকলা),
- মতেন্দ্র মানখিন (সাহিত্য)
- এবং বিজন কুমার শীল (বিজ্ঞান)।]
উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসািইট।
Bangladesh Investment Development Authority (BIDA)
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA-Bangladesh Investment Development Authority) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮৯ সালে - বিনিয়োগ বোর্ড গঠিত হয়।
- ১৯৯৩ সালে গঠিত প্রাইভেটাইজেশন বোর্ড এবং ১৯৮৯ সালে গঠিত বিনিয়োগ বোর্ড একীভূত করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করা হয়- ১ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- BIDA নির্বাহী চেয়ারম্যান- চৌধুরি আশিক মুহাম্মদ বিন হারুন (ডিসেম্বর- ২০২৫) ।
- বিডার লক্ষ- বাংলাদেশের বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করা , যাতে দেশের আত্নসামাজিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ বিনিয়োগ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে- ৭-১০ এপ্রিল ২০২৫ ।
উৎস: বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষে (বিডা) এবং বাংলাপিডিয়া।
• মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড়ের বিস্তীর্ণ ধবংসাবশেষ প্রাচীর পুন্ড্রবর্ধনভূক্তির রাজধানী পুন্ড্রনগরের সুদীর্ঘ প্রায় আড়াই হাজার বছরের গৌরবোজ্জল ইতিহাসের এক নীরব স্বাক্ষী।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।
অন্যদিকে -
• সোনারগাঁও:
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
• সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
• ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন।
উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
MFS:
- MFS-এর পূর্ণরূপ: Mobile Financial Services.
- MFS হচ্ছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন সেবা।
- মোবাইল নম্বরের বিপরীতে অর্থ লেনদেনের জন্য যে একাউন্ট খোলা হয় তাই MFS হিসাব, যেখানে গ্রাহকের টাকা ইলেকট্রনিক উপায়ে জমা থাকে।
- এটা গ্রাহ কদেরকে ব্যাংকিং কার্যক্রমের সাথে মোবাইল নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সেবা দিয়ে থাকে।
- একজন মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ব্যাংকে না গিয়ে বাড়িতে বসে প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেন সম্পাদন করতে পারেন।
- বাংলাদেশে অনেক মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেমন, বিকাশ, নগদ, উপায়, রকেট, বিনিময় ইত্যাদি।
⇒ এই সেবার মাধ্যমে নিজের MFS একাউন্টে নগদ টাকা জমা করা যায়।
- নিজের একাউন্ট হতে অন্যের MFS একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়।
- MFS একাউন্টে জমানো টাকা দিয়ে যে কোন পণ্য ও সেবা কেনাকাটা করা যায়; বিদ্যুৎ গ্যাস পানির বিল, টিউশান ফি ইত্যাদি পরিশোধ করা যায় এবং প্রয়োজনে MFS একাউন্টে জমাকৃত টাকা তোলা যায়।
উৎস: i) Bangladesh Bank.
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
→ বাংলাদেশে ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা ছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহ।
ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ১৯৭০ এর নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
১৯৭০ এর নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ও ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- অবশ্য ১৯৭০ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড়ের ফলে দুর্গত ও উপকূলীয় এলাকায় প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন ১৭ ডিসেম্বরের পরিবর্তে ১৯৭১ সালের ১৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
- নির্বাচনে মোট ২৪টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে জাতীয় পরিষদের পূর্ব পাকিস্তান অংশের জন্য ১৬২টি সাধারণ আসন ও ৭টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট বরাদ্দ ছিল ১৬৯টি আসন।
- জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে ৩০০টি সাধারণ আসন ও ১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট ৩১০টি আসন বরাদ্দ ছিল।
- প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ ২৮৮টি সাধারন আসন ও ১০টি সংরক্ষিত আসন সহ মোট ২৯৮টি আসন লাভ করে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, মোজাম্মেল হক ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
জনপদ:
- তাম্রলিপ্তি জনপদ প্রাচীন বাংলার বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে খুবই খ্যাতি অর্জন করেছিল।
- তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার তমলুক),
- চন্দ্রদ্বীপ (বর্তমান বরিশাল জেলার অন্তর্গত),
- বঙ্গাল (বাখেরগঞ্জ ও খুলনা জেলার সমুদ্র লাগোয়া অঞ্চল) উল্লেখযোগ্য।
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।
উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বঙ্গভঙ্গ:
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর লর্ড কার্জনের সময়ে বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয় যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের সময় ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ হয়।
- এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে লা ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
• দ্বিতীয় ভাগ
• রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
সংবিধানের ১৮(ক) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে -
- ১৮ (১) নং অনুচ্ছেদ: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- ১৬ নং অনুচ্ছেদ: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- ১৯ নং অনুচ্ছেদ: সুযোগের সমতা।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ইংরেজ গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
- দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা এবং পরপর তিন বছর অনাবৃষ্টিজনিত খরার কারণে ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।
উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
• National Institute of Population Research and Training (NIPORT) :
- ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)- গঠিত হয়।
- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এবং মাঠপর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মনোভাবের পরিবর্তনের জন্য বিভিন্ন ধরণের প্রশিক্ষণ প্রদান করে।
- নিপোর্টের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে প্রজনন স্বাস্থ্য, শিশু স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিকে জোরদার করা।
উৎস: niport
• BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।
উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA):
- বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (ENA)।
- ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগেই এটি পুরোদস্তুর সংবাদ সংস্থায় পরিণত হয়।
- এই সংস্থা ঘটনাবহুল বছর ১৯৭০-৭১ সালের সংবাদ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জননন্দিত হয়।
- পরিণতিতে, পাকিস্তানের সামরিক জান্তার কোপানলে পড়ে সংস্থাটি বন্ধ হয়ে যায়।
- এই সংস্থার কার্যক্রম একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময়েই স্থগিত ছিল।
- স্বাধীনতার অব্যবহিত পর ১৯৭১ সালে এনা আবার কার্যক্রম শুরু করে।
- এনা সংবাদ প্রেরণের জন্য পুরোপুরি সরকারি টেলিকম্যুনিকেশন সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- কিন্তু অর্থনৈতিক সংকটের জন্য দুই দশকের পর এর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
- বর্তমানে এনা শুধুমাত্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলা সংবাদপত্র সরবারহ করে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি স্বাধীন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- ৫ জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন ৫ বছরের জন্য গঠিত হয়।
- দেশের সকল নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।
- নির্বাচন কমিশনের যাবতীয় কার্যাবলি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনানুযায়ী সম্পন্ন হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (SSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংবিধান।
- বাংলাদেশের সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় নিয়মতান্ত্রিক প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
• রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানসমূহ বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে।
- নিয়মমাফিক রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত এবং তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে।
⇒ বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রচলিত এবং এদেশকে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সকল কারণেই রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রের প্রধান হওয়ায় সরকারের সকল কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- সংসদে অভিশংসনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে পদচ্যুত করা যায়।
উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ, লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা পাকিস্তান প্রস্তাব নামেও পরিচিত।
লাহোর প্রস্তাব:
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ মুসলিম লীগের বার্ষিক অধিবেশনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ কে ফজলুল হক একটি প্রস্তাব পেশ করেন। জিন্নাহর সভাপতিত্বে প্রস্তাবটি সভায় গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব নামে পরিচিত।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।
- এ প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না। তথাপি এ প্রস্তাব ‘পাকিস্তান প্রস্তাব’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
- এ প্রস্তাব ভারতীয় মুসলমানদের মধ্যে পৃথক আবাসভূমির স্বপ্ন বপন করে।
- কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ লাহোর প্রস্তাবের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২ বার সামরিক আইন জারি করা হয়।
- প্রথমবার খন্দকার মোশতাক কর্তৃক ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট।
- দ্বিতীয়বার ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ কর্তৃক সামরিক আইন জারি করা হয়।
বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন:
- বাংলাদেশ জেলকে নতুনভাবে পরিচিত করতে নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
- কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
- এ প্রতিষ্ঠানের নাম হবে "কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ"।
- ২৬ আগস্ট ২০২৬ তারিখে রাখা হয়।
- কারাগারকে সংশোধনমূলক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে 'বাংলাদেশ জেল'-এর নাম পরিবর্তন করে 'কারেকশন সার্ভিসেস বাংলাদেশ' করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উৎস: বাংলাদেশ জেল কারগার এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [লিঙ্ক]
• নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB):
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (NDB) এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাইতে অবস্থিত।
- এটি BRICS সদস্য দেশগুলোর (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করার উদ্দেশ্যে গঠিত হয়েছে।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ২০১৪ তে;
- কিন্তু কার্যক্রম শুরু করেছে ২০১৫ এ।
উল্লেখ্য,
• NDB-এর মূল ভূমিকা:
• উদীয়মান বাজার ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামো ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মূলধন জোগাড় করা
• উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়নের মাধ্যমে সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধি বৃদ্ধি করা।
• অর্থায়নকৃত প্রকল্পগুলোর পরিবেশগত, সামাজিক ও প্রশাসনিক (ESG) প্রভাব মূল্যায়ন করে ঝুঁকি হ্রাস করা।
• ঋণ, গ্যারান্টি ও ইক্যুইটির মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি খাতের প্রকল্পে সহায়তা প্রদান।
উৎস: Britannica ও NDB Website.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চুড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে,
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি - গাজীপুর (৩.৮৭%)।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।
উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট।
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বিশ্বের তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- একইদিনে চতুর্থ দেশ হিসেবে বুলগেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- পোল্যান্ড বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ১২ মে, ১৯৭২ সালে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC).
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।
তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাতসমূহ (সর্বমোট ১২৭)। (মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত)
এর মধ্যে রয়েছে:
• জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত
ব্রি ধান৬২;
ব্রি ধান৬৪;
ব্রি ধান৭২;
ব্রি ধান৭৪;
ব্রি ধান৮৪;
ব্রি ধান১০০;
ব্রি ধান ১০২;
• খরা সহিষ্ঞু ধানের জাত-
ব্রি ধান ৪৩;
ব্রি ধান ৫৫;
ব্রি ধান ৫৬;
ব্রি ধান ৫৭;
ব্রি ধান ৬৬;
ব্রি ধান ৭১;
ব্রি ধান ৮৩;
• জলমগ্নতা সহিষ্ঞু ধানের জাত:
ব্রি ধান৫১
ব্রি ধান৫২
ব্রি ধান৭৯
ব্রি ধান১০৯
ব্রি ধান১১০
• এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-৮৪, বিআর-৫।
• উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ ধানের জাত- ব্রি ধান-১০৭।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
◉ মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।
উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।
• সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী:
- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
• এ সংশেোধনীর মাধ্যমে বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়।
যেমন-
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।
উৎস: সংবিধান।