বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪৩ / ৩০৬ · ১৪,২০১১৪,৩০০ / ৩০,৮৩২

১৪,২০১.
'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কে সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে?
  1. ১৪৬ নং
  2. ৭৫ নং
  3. ৮৭(১) নং
  4. ১৪৫ক নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- 'আন্তর্জাতিক চুক্তি' সম্পর্কেবাংলাদেশের সংবিধানের ১৪৫ক নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
⇒ ১৪৫ক। নং অনুচ্ছেদ:
- বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হবে, এবং রাষ্ট্রপতি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেনঃ তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হবে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- ১৪৬ নং অনুচ্ছেদে 'বাংলাদেশের নামে মামলা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৮৭(১) অনুচ্ছেদে বলা আছে 'বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি'। সংবিধানে বলা হয়েছে, 'প্রত্যেক অর্থবছর সম্পর্কে উক্ত অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয় - সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপিত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,২০২.
প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি গঠিত হয়-
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

• প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি:
- প্রশাসনিক পুনর্গঠন ও সংস্কার কমিটি ১৯৮২ সালের ২৮ এপ্রিল জেনারেল হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সামরিক সরকার কর্তৃক গঠিত একটি প্রশাসনিক সংস্কার কমিটি।
- কমিটির সভাপতি ছিলেন তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার অ্যাডমিরাল এম.এ খান।
- এ কমিটিকে ক্ষমতা বিকেন্দ্রীকরণ এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে একটি সুষ্ঠ ও কার্যকর শাসন পদ্ধতি সুপারিশ করার দায়িত্ব দেয়া হয়।
- কমিটিতে একজন চেয়ারম্যান, একজন সদস্য-সচিব এবং ৩ জন কো-অপ্ট করা সদস্যসহ মোট নয় জন সদস্য ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,২০৩.
নিম্নলিখিতদের মধ্যে কে বিধবা বিবাহের প্রচলনের সাথে যুক্ত ছিলেন?
  1. জ্যোতিরাও ফুলে
  2. ই. ভি. রামাস্বামী নাইকার
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- কোলকাতায় সংস্কৃতি কলেজে অধ্যয়নকালে তার অগাধ পান্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতি স্বরুপ শিক্ষক মন্ডলী তাঁকে বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাগরের অমরকীর্তি হিন্দু বিধবা বিবাহ প্রচলন।
- ১৮২৯ সালে প্রণীত সতীদাহ প্রথা উচ্ছেদ আইনের ফলে হিন্দু বিধবারা সহমরণ থেকে মুক্তি পেলেও বিধবা বিবাহের রীতি না থাকায় বিধবারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।
- ১৮৫৫ সালের ৪ঠা অক্টোবর তিনি হিন্দু সমাজের বিভিন্ন স্তরের ৯৮৭ জনের স্বাক্ষরিত একখানা স্মারকলিপি ভারত সরকারের নিকট পেশ করেন। 
- লর্ড ডার্লহৌসীর সহায়তায় ১৮৫৬ সালের ২৬শে জুলাই বিধবা বিবাহ আইন পাস হলেও তা বাস্তবায়ন সহজ হয়নি।
- ১৮৭০ সালের ১১ই আগষ্ট নিজ পুত্র নারায়নচন্দ্র বন্দোপাধ্যায়ের বিয়ের মাধ্যমে তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।
 
উল্লেখ্য,
- বহুবিবাহ এবং বাল্য বিবাহ রোধেও তিনি প্রয়াস চালান।
 
উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,২০৪.
ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয় -
  1. ১৬০০ সালে
  2. ১৬৫৭ সালে
  3. ১৭০৪ সালে
  4. ১৭৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৪,২০৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে কোন খাত থেকে?
  1. পাট
  2. তৈরি পোশাক
  3. ওষুধ
  4. চা
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.৩৭%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪,২০৬.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ব্রিটেনের 'নাইট' উপাধি লাভ করেন -
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বাবার নাম মরহুম সিদ্দিক হাসান এবং মায়ের নাম মরহুমা সৈয়দা সুফিয়া খাতুন।
- ফজলে হাসান আবেদ ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক উপাধি 'নাইট'।
- দ্বিতীয় বাঙালি এবং স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে এ গৌরবময় উপাধি অর্জন করেন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদ।

অন্যদিকে -
- ২০১৭ সালে ‘নাইট’ উপাধি পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আখলাকুর রহমান চৌধুরী।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম বাঙালি হিসেবে ‘নাইট’ খেতাব পেয়েছিলেন।

উৎস: i) ব্র্যাক ওয়েবসাইট।
ii) ৩ নভেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
১৪,২০৭.
‘বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. মোঃ শাহাবুদ্দিন
  2. ড. মোহাম্মদ ইউনুস
  3. শেখ হাসিনা
  4. সোহরাব হোসেন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেবল সফলভাবে রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছেন না; রান্না, সংগীত ও বই পড়ার প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। এছাড়াও তিনি রাষ্ট্রপরিচালনার ফাঁকে উল্লেখযোগ্য ১০টি গ্রন্থও লিখেছেন।

তার লিখিত গ্রন্থগুলো হলো-
• শেখ মুজিব আমার পিতা
• ওরা টোকাই কেন?
বাংলাদেশে স্বৈরতন্ত্রের জন্ম
• দারিদ্র্য বিমোচন, কিছু ভাবনা
• আমার স্বপ্ন, আমার সংগ্রাম
• আমরা জনগণের কথা বলতে এসেছি
• সামরিকতন্ত্র বনাম গণতন্ত্র
• সাদা কালো
• সবুজ মাঠ পেরিয়ে
• ‘Miles to Go, The Quest for Vision-2021’ (two volumes)।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আরও বেশ কয়েকটি রচিত গ্রন্থ রয়েছে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও রকমারি ডট কম।  
১৪,২০৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রচারণার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কোন শহরটি পরিচিত ছিল?
  1. কলকাতা
  2. বার্মিংহাম
  3. লন্ডন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্রিটেনের ভূমিকা:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যম বিশেষ করে বিবিসি এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং বাঙালিদের সংগ্রাম ও প্রতিরোধ, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের করুণ অবস্থা, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে বিশ্ব জনমতকে জাগ্রত করে তোলে।
- ব্রিটিশ সরকারও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে খুবই সহানুভূতিশীল ছিল।
- লন্ডন ছিল বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,২০৯.
BSTI-এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?
  1. Bangladesh ‍Society for Telecommunication & Information
  2. Bangladesh Standards and Testing Institution
  3. Bangladesh Security & testing Institute
  4. Bangladesh Scientific Testing Institute
ব্যাখ্যা
• BSTI:
- বাংলাদেশের পণ্যের মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠানকারী প্রতিষ্ঠান - BSTI.
- এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI).
এ উপমহাদেশে ১৯৪৬ সালে Indian Standards Institute স্থাপনের মাধ্যমে জাতীয় মান সংস্থার কার্যক্রম শুরু হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালে উপনিবেশিক শাসনের অবসানের সুদীর্ঘ এক যুগেরও বেশী সময় পরে, ১৯৫৮ সালে, তৎকালীন পাকিস্তানে Pakistan Standards Institute (PSI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তার আগে ১৯৫৬ সালে Colombo Plan এর অধীনে ঢাকায় Central Testing Laboratory (CTL) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ঢাকায় ১৯৬৩ সালে PSI এর অফিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে CTL এবং BDSI, এই দুটি সংস্থা পৃথক সত্তা হিসেবে নিজ নিজ দায়িত্বে কার্যরত ছিল।

- বিগত ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধিনস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।

- অতঃপর ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত কৃষিপণ্য বিপনন ও শ্রেণী বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
- উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বিএসটিআই ওয়েবসাইট।
১৪,২১০.
হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত চলচ্চিত্র নয় কোনটি?
  1. চন্দ্রকথা
  2. নন্দিত নরকে
  3. আমার আছে জল
  4. দুই দুয়ারী
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর অন্যন্যা চলচ্চিত্র গুলো হলো,
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০), দুই দুয়ারী (২০০১), চন্দ্রকথা (২০০৩), নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং আমার আছে জল (২০০৮)।

অন্যদিকে,
- নন্দিত নরকে পরিচালনা করেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা চলচ্চিত্রকার বেলাল আহমেদ।
- হুমায়ুন আহমেদ এর জনপ্রিয় উপন্যাস নন্দিত নরকে অবলম্বনে নির্মাণ করা হয় চলচ্চিত্রটি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,২১১.
IMF এর তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ৪.৮%
  2. ৪.৯%
  3. ৮.৭%
  4. ১০%
ব্যাখ্যা

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি:
- IMF এর তথ্যমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৯%।

⇒ ১৪ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) বলেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৪.৯ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩.৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।
- বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভা উপলক্ষে প্রকাশিত ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ বা ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক পূর্বাভাস’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
- আইএমএফের নতুন পূর্বাভাস অনুসারে, এ বছর বৈশ্বিক গড় জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হবে ৩.২ শতাংশ।
- সংস্থাটি বলেছে, ২০৩০ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার হবে ৬.৫ শতাংশ।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ৮.৭ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমএফ। এ হার ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ১০ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংক ৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে বলেছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৮ শতাংশ। এ ছাড়া এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখের পূর্বাভাসে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪,২১২.
কোন পদ্ধতিতে দেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে?
  1. CAPI
  2. CATI
  3. CAWI
  4. PAPI
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক শুমারি:
- অর্থনৈতিক শুমারি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট সময়ে সুনির্ধারিত অর্থনৈতিক বৈশিষ্ট্যের প্রেক্ষিতে একটি নির্দিষ্ট সমগ্রকের (Population) সকল অর্থনৈতিক ইউনিটের পূর্ণাঙ্গ গণনা পদ্ধতি।
- অর্থনৈতিক শুমারির মূল লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে একটি দেশের অর্থনীতিতে যে কাঠামোগত পরিবর্তন ঘটে, সে সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) কর্তৃক ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪র্থ অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক শুমারির মাধ্যমে কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
- এ শুমারির মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের অকৃষি খাত বিশেষ করে শিল্প ও সেবা খাতকে পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নমুখী করার লক্ষ্যে মানসম্মত পরিসংখ্যান প্রণয়ন করা।

উল্লেখ্য,
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ বাংলাদেশের চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারি।
- Computer Assisted Personal Interviewing (CAPI) পদ্ধতিতে মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- Allocation of Business অনুযায়ী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর অর্থনৈতিক শুমারি পরিচালনা করে থাকে।
- পরিসংখ্যান আইন ২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অর্থনৈতিক শুমারি সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য উপাত্তের মাধ্যমে দেশের শিল্প উন্নয়ন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা যাবে, সরকারের প্রেক্ষিত পরিকল্পনা, বদ্বীপ পরিকল্পনা, পরবর্তী ৯ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ এর আলোকে পরিকল্পনা পরিবীক্ষণ, জাতীয় অগ্রাধিকার নির্ধারণ ও সম্পদ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা যাবে।

অন্যদিকে,
- PAPI (Paper and Pencil Interviewing): প্রথাগত কাগজ-কলম ভিত্তিক তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি।
- CATI (Computer-Assisted Telephone Interviewing): টেলিফোনের মাধ্যমে কম্পিউটার সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ।
- CAWI (Computer-Assisted Web Interviewing): ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ ফর্ম পূরণ করে তথ্য সংগ্রহ।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশে ১ম অর্থনৈতিক শুমারি ১৯৮৬ সালের ২৭-২৯ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। এ শুমারির নাম ছিল “কৃষি বহির্ভূত অর্থনৈতিক কার্যক্রম ও অক্ষম ব্যক্তিদের শুমারি-১৯৮৬"।
- ২য় অর্থনৈতিক শুমারিতে ২০০১ এবং ২০০৩ সালে দুটি পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। শহর এলাকায় ২০০১ সালে এবং পল্লী এলাকায় ২০০৩ সালে।
- ৩য় অর্থনৈতিক শুমারি ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

১৪,২১৩.
নিচের কোন জেলায় তঞ্চঙ্গ্যা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. রাজশাহী
  2. রাঙামাটি
  3. রংপুর
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা

তঞ্চঙ্গ্যা:
- তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- পার্বত্য চটগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালি উপজেলার রইস্যাবিলি ও কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার আশেপাশের এলাকায়, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তঞ্চঙ্গ্যা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস।
- তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত জুমচাষ।
- তাদের ভাষা ভারতীয় আর্য ভাষার অন্তর্গত পালি, প্রাকৃত, সদভুত বাংলা ভাষা।
- তারা ১২টি গোত্র বা গছায় বিভক্ত।
- তঞ্চঙ্গ্যারা বিয়েকে সাঙা বলে।
- তারা প্রধাণত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।
- তাদের নিজস্ব ঐতিহ্যবাহী উবাগীত, বারোগীত ও আধুনিক সংগীত বিদ্যমান।

তথ্যসূত্র - সিলেট জেলা ওয়েবসাইট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,২১৪.
“জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।” –এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে? 
  1. ২৮(২)
  2. ২৯(২) 
  3. ২৮(৩
  4. ১৯(৩)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা বলা হয়েছে।
- ১৯ (৩)নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,
“জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।”

অপরদিকে,
- ২৮(২) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভের কথা বলা হয়েছে।
- ২৮(৩) নং অনুচ্ছেদে বিনোদন, বিশ্রাম ও শিক্ষাক্ষেত্রে ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী ও লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।
- ২৯(২) নং অনুচ্ছেদে ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য না করার কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,২১৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি (বাজেট) উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৭৫
  2. অনুচ্ছেদ ৮৫
  3. অনুচ্ছেদ ১০৫
  4. অনুচ্ছেদ ৮৭
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান ও বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি (বাজেট):
- সংবিধানের পঞ্চম ভাগের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের আওতায় ৮৭ থেকে ৯৩ নম্বর অনুচ্ছেদ সরকারি অর্থ ও বাজেট ব্যবস্থার ভিত্তি নির্ধারণ করে।
- এর মধ্যে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং অর্থ-সংক্রান্ত নিয়মাবলী অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৭ নং অনুচ্ছেদে বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি বা বাজেটের উল্লেখ আছে।
- এখানে বলা হয়েছে, প্রতি অর্থবছরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি সংসদে উপস্থাপন করতে হবে, যা প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের বাজেট।
- এই বিবৃতিই সরকারের আয় ও ব্যয়ের প্রাক্কলন হিসেবে কাজ করে।

অন্যদিকে,
• সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- সংসদ তার কার্যপ্রণালী নিজেই নির্ধারণ করবে।
- এবং রাষ্ট্রপতি তা প্রণয়ন করতে পারেন বিধি না থাকলে।
- সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, কোরাম ও সদস্যদের ভোটাধিকার সংক্রান্ত নিয়মাবলীও এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত।

• সংবিধানের ৮৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- সরকারি অর্থের নিয়ন্ত্রণ, জমা ও উত্তোলন সংসদের আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।
- এবং আইন না থাকলে রাষ্ট্রপতি প্রণীত নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

• সংবিধানের ১০৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী:
- সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগ তার প্রদত্ত রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- তবে এই ক্ষমতা সংসদের প্রণীত আইনের বিধান অনুসারে প্রয়োগ করতে হবে।

উৎস: 
১. Laws of Bangladesh;
২. বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান। 

১৪,২১৬.
জনসংখ্যায় দেশের তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ত্রিপুরা
  2. চাকমা
  3. মারমা
  4. গারো
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
• দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি।
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
• জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে - মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
• জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
• ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় - লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উৎস:- জনশুমারি রিপোর্ট ২০২২।
১৪,২১৭.
প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,২১৮.
নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত ফোর্সকে কি বলে ?
  1. ক) এলিট ফোর্স
  2. খ) এস ফোর্স
  3. গ) কে ফোর্স
  4. ঘ) টাস্কফোর্স
ব্যাখ্যা

- প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠিত হয় ১৯৭১ সালে।
- প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী হলেন তাজউদ্দীন আহমেদ বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছে।
- নৌ , সেনা ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে টাস্কফোর্স গঠিত হয়।
- প্রতিরক্ষা বাহিনীর চৌকস ক্যাডারদের সর্বোচ্চ সন্মাননা হলো সোর্ড অব অনার ।
- বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয় ২১ নভেম্বর ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

১৪,২১৯.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয় কোন সালে? 
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা:
- জরুরি অবস্থা বলতে বোঝায় রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও জাতীয় স্বার্থে সংকটকালীন অবস্থায় মৌলিক অধিকারে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ।
- জরুরি অবস্থা সংবিধানে যুক্ত হয় ১৯৭৩ সালের দ্বিতীয় সংশোধনীর মাধ্যমে।
- জরুরি অবস্থার সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ ১৪১(ক), ১৪১(খ), ১৪১(গ)।
- জরুরি অবস্থার মেয়াদ সর্বাধিক ১২০ দিন।
- বাংলাদেশে মোট ৫ বার জরুরি অবস্থা জারি হয়েছে।
- ১ম বার জারি হয় ১৯৭৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর, শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে খাদ্য সংকট, দুর্ভিক্ষ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে জারি করা হয়েছিল। এর ফলে দেশজুড়ে বাকস্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছিল এবং সংবাদপত্রের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়। 
- ২য় বার ১৯৮১ সালের ৩০ মে, জারি করেন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার; কারণ-জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ড পরবর্তী পরিস্থিতি।
- ৩য় বার ১৯৮৭ সালের ২৭ নভেম্বর, জারি করেন জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ; কারণ-রাজনৈতিক অস্থিরতা।
- ৪র্থ বার ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, জারি করেন জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (দ্বিতীয়বার); কারণ-সরকারবিরোধী আন্দোলন।
- ৫ম বার  ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি, জারি করেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা ইয়াজউদ্দীন আহম্মেদ; কারণ- রাজনৈতিক সংকট (১/১১ নামে পরিচিত)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস.এস.এইচ.এল., বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪,২২০.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল কোনটি?
  1. অপারেশন নৌকাবাইচ
  2. অপারেশন ক্যাকটাস লিলি
  3. অপারেশন জ্যাকপট
  4. অপারেশন মংলা
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
১৪,২২১.
সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী, একটি নতুন রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য মোট জেলার কত শতাংশে দলের সক্রিয় কার্যালয় থাকা বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ করা হয়েছে?
  1. ২০% 
  2. ৫% 
  3. ১০% 
  4. ১৫% 
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন: 
- নতুন দল নিবন্ধনের শর্ত শিথিলের লক্ষ্যে ১০% জেলা এবং ৫% উপজেলা/থানায় দলের অফিস থাকা লাগবে।
- এবং ন্যূনতম ৫,০০০ সদস্য থাকার বিধান করা।
- দলের সদস্যদের চাঁদা ন্যূনতম ১০০ টাকা ও কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে অনুদান হিসেবে সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা নেওয়ার বিধান করা।
- এ অনুদান ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রহণের বাধ্যবাধকতা সৃষ্টি এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ট্যাক্স রিটার্নে প্রদর্শনের বিধান করা।
- দলের লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র, শিক্ষক ও শ্রমিক সংগঠন, ভাতৃপ্রতিম বা যে কোনো নামেই হউক না কেন, না থাকার বিধান করা।
- দলের, যে কোনো নামেই হউক না কেন, বিদেশি শাখা না থাকার বিধান করা।
- দলের সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের জন্য দলের তিন বছরের সদস্য পদ থাকা বাধ্যতামূলক করা।
- প্রতি ৫ বছর পর পর দলের নিবন্ধন নবায়ন বাধ্যতামূলক করা।
- পর পর দুটি নির্বাচনে অংশ না নিলে দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান বাতিল করা।

উৎস:  নির্বাচন সংস্কার কমিশন।

১৪,২২২.
রপ্তানি বাণিজ্যে বাংলাদেশের প্রধান গন্তব্যস্থল -
  1. ক) ভারত
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) চীন
  4. ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে। 
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র জার্মানি।
-  ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে; রপ্তানির পরিমাণ – ৮৯৫.০৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট - রপ্তানির ২.৬৪%।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১৪,২২৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের স্মরণে কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধি আছে?
  1. ক) কুমিল্লায়
  2. খ) খুলনায়
  3. গ) চট্টগ্রামে
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

২য় বিশ্বযুদ্ধে মিয়ানমারে (তৎকালীন বার্মা) সংঘটিত যুদ্ধে যে ৪৫ হাজার কমনওয়েলথ সৈন্য নিহত হন তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে মিয়ানমার, আসাম এবং বাংলাদেশে মােট ৯টি সমাধিক্ষেত্র তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশে ২টি কমনওয়েলথ সমাধিক্ষেত্র রয়েছে। যার একটি কুমিল্লার ময়নামতিতে অন্যটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
www.comilla.gov.bd

১৪,২২৪.
বাংলাদেশে কয়টি কমিউনিটি রেডিও স্টেশন রয়েছে?
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৭টি
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত মোট কমিউনিটি রেডিও ১৮টি।
- সম্প্রচারিত (on-air) কমিউনিটি রেডিও ১৪টি।

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।
১৪,২২৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
  4. সচিব
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়:

- বাংলাদেশের জন্য একটি আধুনিক ও সুন্দর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যয়কে সামনে রেখে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়েছিল।
- বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
- মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে বর্তমানে মোট পদসংখ্যা হয়েছে ২৩২ টি।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৪,২২৬.
"দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ" যুক্তরাষ্ট্রের কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. লস অ্যাঞ্জেলেস 
  2. নিউ ইয়র্ক
  3. সান ফ্রান্সিসকো
  4. শিকাগো
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের বন্ধুদের সহমর্মিতার এক উজ্জ্বল নিদর্শন ছিল 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই ঐতিহাসিক কনসার্ট।
- এটি আয়োজন করেছিলেন বিখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর ও ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ব্যান্ড দ্য বিটলসের সদস্য জর্জ হ্যারিসন।
- এই কনসার্টের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্বজনমত তৈরি এবং শরণার্থীদের সহায়তার উদ্দেশ্যে অর্থ সংগ্রহ করা হয়।
- কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন বিশেষ উৎসবের আয়োজন করে।

সূত্র - দৈনিক যুগান্তর ও প্রথম আলো। 
১৪,২২৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১'- এর পরিচালক কে?
  1. ক) জহির রায়হান
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) তারেক মাসুদ
  4. ঘ) তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১'- এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
'স্টপ জেনোসাইড' এবং 'এ স্টেট ইজ বর্ন' জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চিত্র।
'আগামী' ও 'সূচনা' মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।
'মুক্তির গান' ও 'মুক্তির কথা' তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,২২৮.
মুজিবনগর সরকারের কৃষিমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. এএইচএম কামরুজ্জামান
  2. এম মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  5. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,২২৯.
সংবিধানের দশম ভাগের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাচন
  2. সংবিধান সংশোধন
  3. বিবিধ বিষয়াবলি
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১টি ভাগের বিষয়াবলি:
- সংবিধানের প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্রের বৈশিষ্ট্যসমূহ,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা ,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে সংবিধান সংশোধন
- একাদশ ভাগে বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান এবং  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,২৩০.
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই):
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকায় অবস্থিত।

- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- পাটের উন্নয়ন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১৯৫১ সালে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট(বিজেআরআই) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বিজেআরআই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসলের কৃষি গবেষণা, কারিগরী গবেষণা এবং পাট হতে টেক্সটাইল পণ্য উদ্ভাবন সংক্রান্ত গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
- রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র, শেরে বাংলা নগরের মানিক মিয়া এভিনিউতে বিজেআরআই এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো'র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।
- পাটের অঞ্চল ভিত্তিক কৃষি গবেষণার জন্য মানিকগঞ্জে পাটের কেন্দ্রীয় কৃষি পরীক্ষণ স্টেশন।
- রংপুর, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও চান্দিনায় (কুমিল্লা) চারটি আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্র।
- তারাবো (নারায়নগঞ্জ), মনিরামপুর (যশোর) ও কলাপাড়ায় (পটুয়াখালী) তিনটি পাট গবেষণা উপকেন্দ্র।
- নশিপুরে (দিনাজপুর) একটি পাট বীজ উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৪,২৩১.
ঢাকা শহরে 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) জেনারেল রাও ফরমান আলী
  2. খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
  3. গ) জেনারেল টিক্কা খান
  4. ঘ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চলাইট:
- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।
⇒ সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১৪,২৩২.
ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকের নাম কী?
  1. চিরঞ্জীব মুজিব
  2. টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই
  3. মুজিব আমার পিতা
  4. মুজিব: একটি জাতির রূপকার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত সিনেমা:
- ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে জাতির পিতার বায়োপিক ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’। 
- পরিচালনা করেছেন বলিউডের বিখ্যাত পরিচালক শ্যাম বেনেগাল।
- এ সিনেমায় বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।
- বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে নির্মিত আরেক সিনেমা ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়া ভাই’।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘চিরঞ্জীব মুজিব’। 
- ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে নির্মিত সিনেমাটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আহমেদ রুবেল।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে তৈরি হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য টু-ডি অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র ‘মুজিব আমার পিতা’। 
- এটি পরিচালনা করেছেন সোহেল মোহাম্মদ রানা। ২০২১ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে ‘তর্জনী’।
 
উৎস: দৈনিক যুগান্তর, ১৮ ই মার্চ ২০২৩। 
১৪,২৩৩.
মেজর সি আর দত্ত মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) ৩ নং সেক্টর
  2. খ) ৪ নং সেক্টর
  3. গ) ৫ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।

সেক্টর কমান্ডারসমূহ -
→ ১নং সেক্টর - মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর মেজর রফিকুল ইসলাম।
→ ২নং সেক্টর - মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর এ টি এম হায়দার।
→ ৩নং সেক্টর - মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান।

→ ৪নং সেক্টর -
মেজর সি আর দত্ত, ক্যাপ্টেন এ রব।
→ ৫নং সেক্টর - মেজর মীর শওকত আলী।
→ ৬নং সেক্টর - উইং কমান্ডার এম কে বাশার।
→ ৭ নং সেক্টর: মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ. রব, মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

→ ৮ নং সেক্টর - আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
→ ৯ নং সেক্টর: মেজর এম.এ জলিল, মেজর এম. এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন
→ ১০ সেক্টরের দায়িত্ব ছিল নৌ বাহিনীর হাতে, তাই ১০ নং সেক্টরের কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,২৩৪.
বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল কে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. মোঃ আসাদুজ্জামান
  2. রুহুল আমিন
  3. শহীদুল ইসলাম
  4. হুমায়ন কনির
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র: i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,২৩৫.
'চেরাউ নৃত্য' কোন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যের অংশ?
  1. মণিপুরী
  2. বম
  3. লুসাই
  4. খুমি
ব্যাখ্যা
বম নৃ-গোষ্ঠী:
- বম নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের একটি অতি প্রাচীন নৃগোষ্ঠী।
- বমরা কুকি-চিন ভাষাভাষী মঙ্গোলীয় গােষ্ঠীভুক্ত।
- বম জনগােষ্ঠী সবচেয়ে বেশি বাস করে বান্দরবান জেলায়। এ জেলায় রুমা, থানচি, রােয়াংছড়ি ও বান্দরবান সদর থানায় তারা বসবাস করেন। এছাড়া রাঙামাটি জেলায় বিলাইছড়ি থানায়ও এদের আবাস আছে।
- বম নৃগোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা রয়েছে। এ ভাষা তিব্বত-বর্মান ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- বমরা শুনথলা (Sunthla) এবং পাংহয় (Panghawi) এই দুইটি গােত্রে বিভক্ত।
- বম সমাজ পুরুষতান্ত্রিক।
- বমরা মাটিতে খুঁটি পুঁতে উঁচু পাহাড়ের উপর প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে তাতে বাড়িঘর নির্মাণ করে। তাদের ঘরকে মাচাং বলা হয়।
- বমরা তাদের জীবন পরিচালনা করে বম কাস্টমারি ল’ গ্রন্থের নির্দেশিকা অনুযায়ী।
- বমদের বাঁশনৃত্য তাদের জীবনেরই অপরিহার্য অংশ। বমদের চেরাউ নৃত্য ও সঙ্গীত আসলে কোন আনন্দের বা উৎসবের নৃত্য বা গান নয়। এ নৃত্য ও গান পরিবেশিত হয় বম পরিবারের দুঃখ ও শোকের দিনে। 
- বমদের প্রধান পেশা জুমচাষ।
- এরা খ্রিস্টান প্রধানত খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,২৩৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি কত?
  1. ৩.২১%
  2. ৩.৩০%
  3. ৩.৩৭%
  4. ৩.৫০%
ব্যাখ্যা
কৃষি (Agriculture) খাত:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধি ৩.৩০% । 

- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতে ৩.৩০% প্রবৃদ্ধি প্রাক্কলন করা হয়েছে যা সাময়িক হিসাবে ছিলো ৩.২১%।
- উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৩.৩৭%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.০৭ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৪,২৩৭.
রাষ্ট্রের 'বিকল্প সরকার' হিসেবে কাজ করে কে?
  1. বিরোধী দল
  2. সুশীল সমাজ
  3. সরকারি দল
  4. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীসমূহ
ব্যাখ্যা

বিকল্প সরকারঃ 
- 'বিকল্প সরকার' হিসেবে কাজ করে বিরোধী দল। 
- 'বিকল্প সরকার' বলতে বোঝানো হয় এমন একটি রাজনৈতিক দল বা জোট, যারা বর্তমান সরকার ব্যর্থ হলে বা পরবর্তী নির্বাচনে হারলে সেই সরকারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।
- “যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই” উক্তিটি করেন জন স্টুয়ার্ট মিল।
- গণতন্ত্র রক্ষায় বিরোধীদলের বিকল্প নেই।

• বিরোধী দলের ভূমিকা:
- গঠনমূলক সমালোচনা।
- অধিকার বাস্তবায়ন।
- গণতন্ত্র রক্ষা।
- বিকল্প নীতি উত্থাপন।
- সমস্যা চিহ্নিত করা।
- জনমত গঠন।
- প্রার্থী মনোনয়ন।
- পারস্পরিক সম্পর্ক।
- রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
 - রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ।
- জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,২৩৮.
মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান কোন রাজ বংশ?
  1. ক) মৌর্য
  2. খ) পাল
  3. গ) সেন
  4. ঘ) খিলজি
ব্যাখ্যা
• ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে মাৎস্যন্যায় হিসেবে অভিহিত করেন।
• পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
• ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো। 
• ৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনের সূত্রপাতের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,২৩৯.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে কোন বিদেশী বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন?
  1. জর্জ হ্যারিসন
  2. অ্যালেন গিন্সবার্গ
  3. ডব্লিউ. এস. ওডারল্যান্ড
  4. মাদাম মারিও
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে একমাত্র বিদেশি নাগরিক হিসেবে বীর প্রতীক খেতাব লাভ করেন ডব্লিউ এ.এস. ওডারল্যান্ড
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ওডারল্যান্ড ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ওডারল্যান্ড ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ায় মারা যান।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৪,২৪০.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা  কোথায় অবস্থিত?
  1. কমলাপুর
  2. লাকসাম
  3. আখাউড়া
  4. সৈয়দপুর
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা:
- বাংলাদেশ রেলপথ সরকারি মালিকানা ও সরকার কর্তৃক পরিচালিত দেশের একটি মুখ্য পরিবহন সংস্থা।
- দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা সৈয়দপুরে অবস্থিত।
- এ কারণে সৈয়দপুরকে রেলওয়ে শহর বলা হয়।
- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানাটি ১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই রেলওয়ে কারখানাকে কেন্দ্র করেই মূলত সৈয়দপুর শহরের গোড়া পত্তন হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও।
- এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে।
- এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল।
- এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য।
- তারা হলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ইত্তেফাক।
১৪,২৪১.
রাজা রামমোহন রায় কবে 'ঈশ্বরের সমাজ' প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ১৮২২ সালে
  2. ১৮২৮ সালে
  3. ১৮৩০ সালে
  4. ১৮৩৩ সালে
ব্যাখ্যা

রাজা রামমোহন রায়ঃ
- পশ্চিম বঙ্গের হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২ (মতান্তরে ১৭৭৪) সালের ২২শে মে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর বংশগত পদবী ছিল বন্দোপাধ্যায়।
- নবাবের কাছ থেকে রায় রায়হান উপাধি লাভ করেন।
- তিনি হিন্দুদের ধর্মশাস্ত্র উপনিষদ ও বেদান্ত অধ্যয়ন করে একেশ্বর বাদের অস্তিত্ব খুঁজে পান।
- মনযারাতুল্ আদিয়ান শীর্ষক তাঁর প্রথম গবেষণামূলক গ্রন্থটি বিভিন্ন ধর্মের আলোচনায় নিবেদিত। 
- তিনি সতীদাহের মতো কুপ্রথার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলতে সক্ষম হন, যা ১৮২৯ সালে বিশেষ আইনের মাধ্যমে এ প্রথা বন্ধ করতে সরকারকে প্রভাবিত করে।
- ১৮২১ সালে রামমোহন সম্বাদ কৌমুদী নামে বাংলা সংবাদপত্র ও ১৮২২ সালে মিরাত-উল-আখবার নামে ফারসি সংবাদপত্র প্রকাশ করেন।
- ১৮২৮ সালে রাজা রামমোহন ব্রাহ্মসভা (পরবর্তীসময়ে ব্রাহ্মসমাজ) অর্থাৎ ঈশ্বরের সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩০ সালে খেতাবসর্বস্ব মুগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর (১৮০৬-১৮৩৭) রামমোহন রায়কে ‘রাজা’ উপাধিতে ভূষিত করেন 
- ১৮৩৩ সালের ২৭শে সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ডের ব্রিষ্টল নগরীতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া। 

১৪,২৪২.
The Security Printing Corporation Bangladesh Limited (SPCBL) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে 
  2. ১৯৮৭ সালে 
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৮২ সালে 
ব্যাখ্যা

 • দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ :
- বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজি মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়।
- নোট উৎপাদনের পাশাপাশি ১৯৮৯-১৯৯০ সন থেকে , প্রাইজবন্ড, সঞ্চয়পত্র, স্মারক ডাকটিকিট, ইনভেলাপ, পোস্ট কার্ড, সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পোস্টাল স্ট্যাম্প, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেভিনিউ স্ট্যাম্প, সিগারেট ট্যাক্স-লেবেল, বিড়ি-ব্যান্ডরোল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেকবই, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তামূলক ট্যাক্স-টোকেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সনদপত্রের ফরমেট, বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ, বিআইডব্লিউটিএ এর টার্মিনাল টিকেট, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জিএসপি ফরম, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন পেপার সিল ইত্যাদি মুদ্রণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
- এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ জনগণের নিকট ‘টাকশাল’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। 
- দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘এসপিসিবিএল’ বা ‘এসপিসি’ নামেও  পরিচিত।

উৎস: spcbl.

১৪,২৪৩.
সমতটের রাজধানীর নাম কী ছিল?
  1. তাম্রলিপ্ত
  2. বড় কামতা
  3. পুণ্ড্রনগর
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা

সমতট:
- সমতটের অবস্থান ছিল পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায়, বঙ্গের পাশাপাশি।
- সমতটের রাজধানী ছিল বড় কামতা।
- দেবপর্বত কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত ছিল।
- গঙ্গা-ভাগীরথীর পূর্ব তীর থেকে মেঘনার মোহনা পর্যন্ত সমুদ্রকূলবর্তী এলাকা সমতটের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরার প্রাচীন অংশও সমতটের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

অন্যদিকে,
- গৌড়ের রাজধানী - কর্ণসুবর্ণ।
-  পুণ্ড্রর রাজধানীর নাম ছিল- পুণ্ড্রনগর।
- তাম্রলিপ্তি: হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাভ্রলিপ্তি জনপদ। বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তান্দ্রলিপ্তির প্রাণকেন্দ্র। 

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম।

১৪,২৪৪.
বিরোধী দলের কাজ কোনটি?
  1. জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
  2. রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ
  3. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:
• গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

• অধিকার বাস্তবায়ন:
- জনগণের অধিকার বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বিরোধী দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সরকার যাতে জনগণের অধিকার খর্ব করে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারে সে ব্যাপারে বিরোধী দলকে সচেষ্ট থাকতে হয়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

• প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,২৪৫.
আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট বিভাগ কোনটি?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৮ টি বিভাগ রয়েছে। এর মধ্যে আয়তনে সবচেয়ে ছোট বিভাগ ময়মনসিংহ। এর আয়তন ১০৬৬৯ বর্গ কিমি। আয়তনে সবচেয়ে বড় বিভাগ চট্টগ্রাম (৩৩৯০৯ বর্গ কিমি)। জনসংখ্যায় সবচেয়ে বড় বিভাগ ঢাকা এবং সবচেয়ে ছোট বরিশাল বিভাগ। সবচেয়ে বেশি জেলা রয়েছে ঢাকা বিভাগে (১৩ টি)। সবচেয়ে কম চারটি করে জেলা রয়েছে (সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে)। (সূত্রঃ স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
১৪,২৪৬.
অ্যাংলো হিন্দু কলেজ কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. হাজী মুহম্মদ মুহসিন
  4. স্যার সৈয়দ আহমদ
ব্যাখ্যা
রাজা রামমোহন রায়:
→ বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
→ ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তাঁর জন্ম।
→ অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
→ রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘অ্যাংলো হিন্দু কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে ইংরেজি, দর্শন আধুনিক বিজ্ঞান পড়াবার ব্যবস্থা ছিল। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,২৪৭.
সম্প্রতি কোন বাংলাদেশি 'জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন?
  1. শেখ হাসিনা
  2. বুশরা আফরিন
  3. জান্নাতুল বাকেয়া কেকা
  4. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন।

জিসিএ লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড:
- 'গ্লোবাল সেন্টার অন অ্যাডাপটেশন (জিসিএ) লোকাল অ্যাডাপটেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড' লাভ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্থানীয় অভিযোজন কর্মসূচি চালু করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকার জন্য প্রথম এই অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- 'স্থানীয়ভাবে প্রণীত জলবায়ু অভিযোজন কর্মসূচি গ্রহণে অগ্রণী ভূমিকার জন্য বাংলাদেশ এই অ্যাওয়ার্ড জিতেছে।'
-জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে স্থানীয় সরকারের উদ্যোগের ওপর প্রথম দেশ হিসেব ইনোভেশন ইন ডেভলভিং ফাইন্যান্স বিভাগে গ্লোবাল লোকাল অ্যাডাপ্টেশন চ্যাম্পিয়নস অ্যাওয়ার্ড (এলওজিআইসি) পেয়েছে বাংলাদেশ। 

উৎস: Global Center on Adaptation ওয়েবসাইট।
১৪,২৪৮.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ২৯ মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ৯ মার্চ
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক হলো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার-১৯৭২ এর অধীনে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ব্যাংক স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, সদরঘাট, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

এছাড়াও 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, এটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪,২৪৯.
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা কত?
  1. ১০২০ মেগাওয়াট
  2. ১১২০ মেগাওয়াট
  3. ১২২০ মেগাওয়াট
  4. ১৩২০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাগেরহাটে অবস্থিত।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশ-ভারত যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
- প্রকল্পের ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্প ব্যয় ১৬০০০ কোটি টাকা।
- অর্থের যোগান : ECA অর্থায়ন- ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১২,৮০০ কোটি টাকা (এক্সচেঞ্জ রেট ভেরিয়েশন ব্যতিরেকে),বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (ইক্যুইটি)- ১,৬০০ কোটি টাকা এবং এনটিপিসি লি., ভারত (ইক্যুইটি) -১,৬০০ কোটি টাকা।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।প্রথম 
উৎপাদিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র - বিদ্যুৎ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪,২৫০.
১৬ই ডিসেম্বর ২০২৩, কততম বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়?
  1. ৫১ তম
  2. ৫২ তম
  3. ৫৩ তম
  4. ৫৪ তম
ব্যাখ্যা
বিজয় দিবস:
- ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পৃথিবীর মানচিত্রে জাতি নিজেদের জন্য বাংলাদেশ নামের একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের নাম সংযোজিত করেছিল এক বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামে বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে। 
- ৩০ লাখ মানুষের প্রাণ, ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম আর বিপুল সম্পদহানির ভেতর দিয়ে মুক্তির সংগ্রামে সফল হয়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধারা।
- ছিনিয়ে এনেছিলেন চূড়ান্ত বিজয়।
- ২০২৩ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাঙালি জাতি বিজয়ের ৫২ বছর পূর্ণ করছে ও  ৫৩তম বিজয় দিবস উদযাপন করেছে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
         ii) ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৪,২৫১.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের চূড়ায় কী আছে?
  1. নারিকেল পাতা
  2. বটগাছের পাতা
  3. শাপলা পাতা
  4. পাটগাছের পাতা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল যা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল।
- শাপলা ফুলটিকে বেষ্টন করে আছে ধানের দুটি শীষ।
- প্রতীকের চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয়পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতিকে নির্দেশ করা হয়েছে।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি।

- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

⇒ এই জাতীয় প্রতীক কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারেন না।
- শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন।



উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,২৫২.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম কে যে উপাধি দেওয়া হয়-
  1. ক) বীর উত্তম
  2. খ) বীর প্রতীক
  3. গ) বীরঙ্গনা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম
- তারামন বিবি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট

১৪,২৫৩.
পূর্বে আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিলো কোনটি?
  1. ক) লেবানন
  2. খ) তুরস্ক
  3. গ) ইথিওপিয়া
  4. ঘ) মরক্কো
ব্যাখ্যা
ইথিওপিয়া অতীতে এক সময় আবিসিনিয়া নামে পরিচিত ছিলো। আবিসিনিয়া ইথিওপিয়ার একটি অঞ্চল যা এক সময় সাম্রাজ্য ছিলো। তখন বর্তমান ইথিওপিয়া এর অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তা আবিসিনিয়া নামে পরিচিতি পায়।
তবে এখনো কিছু কিছু ভাষা বিশেষত আরব্য ইতিহাস চর্চায় ইথিওপিয়া বুঝাতে আবিসিনিয়া নামটি ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১৪,২৫৪.
সংবিধানের কততম সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. একাদশ সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
- ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল করা হয়েছে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধনে গণভোটের বিধান ফিরে আসছে।
- ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ বাতিল ঘোষণা করে হাই কোর্ট।
-  ২৭ নভেম্বর ২০২৫ পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবিতে হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।

উৎস: বিবিসি [লিংক] এবং বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,২৫৫.
কোন দেশে সড়কের নাম 'বাংলাদেশ স্ট্রিট' রাখা হয়েছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) সিয়েরালিওন
  3. গ) মোজাম্বিক
  4. ঘ) মৌরিতানিয়া
ব্যাখ্যা
• 'বাংলাদেশ স্ট্রিট':
- যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক নগরীর জ্যাকসন হাইটস এলাকার ৭৩ স্ট্রিটের নাম বদলে ফেলা হয়েছে। এখন থেকে সড়কটি 'বাংলাদেশ স্ট্রিট' নামে পরিচিত।
- আনুষ্ঠানিকভাবে সড়কটির নতুন নামকরণ কর হয় বাংলাদেশ স্ট্রিট।
- অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন কুইন্স বরোর ২৫ ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল মেম্বার ও নিউইয়র্ক শহরের সড়ক নামকরণ কমিটির চেয়ারম্যান শেখর কৃষ্ণান।

- জ্যাকসন হাইটসের ৭৩ স্ট্রিটকে বাংলাদেশ স্ট্রিট করার প্রস্তাব আসে ২০২১ সালের সিটি কাউন্সিল নির্বাচনের সময়।
- জ্যাকসন হাইটস বাংলাদেশি বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ফাহাদ সোলায়মান এক মেলায় প্রথম এ দাবি তোলেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২৭ মার্চ, ২০২৩)।
১৪,২৫৬.
সত্তরের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট কয়টি আসনে জয়ী হয়?
  1. ক) ১৬২টি
  2. খ) ১৮৮টি
  3. গ) ২৮৮টি
  4. ঘ) ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৯টি আসন ছিল।
- এর মধ্যে সংরক্ষিত আসন ছিল ৭টি।
- আওয়ামী লীগ ১৬০টি সাধারণ আসন ও ৭টি মহিলা সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১৬৭টি আসন লাভ করে।
- একটি ময়মনসিংহে ও অপরটি রাঙামাটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী জয়লাভ করে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪,২৫৭.
বাংলাদেশ সরকাররের রাজস্বের প্রধান উৎস- 
  1. রেমিটেন্স
  2. কর রাজস্ব
  3. বৈদেশিক বানিজ্য
  4. চামড়া শিল্প
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।

​• কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

​উৎস: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

১৪,২৫৮.
ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. অশোক মৌর্য
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. হর্ষবর্ধন
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা

চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলায় মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা অশোক।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,২৫৯.
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় উৎসে কর ৫% এর স্থলে কত শতাংশ ধরা হয়?
  1. ক) ৭%
  2. খ) ১০%
  3. গ) ৯%
  4. ঘ) ১১%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় উৎসে কর ৫% এর স্থলে ১০% শতাংশ করা হয়।
১৪,২৬০.
'মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' প্রতিষ্ঠা করেন কে? 
  1.  হাজী শরীয়তুল্লাহ্
  2. শহীদ তিতুমীর
  3. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা

নওয়াব আবদুল লতিফ:
- ১৮২৮ সনে ফরিদপুর জেলার রাজাপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- মাত্র উনিশ বছর বয়সে তিনি শিক্ষকতা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৪৯ সালে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন। 
- তিনিই প্রথম সরকারি আমলা যিনি নীলকরদের অত্যাচারের হাত থেকে নীল চাষীদের রক্ষায় এগিয়ে আসেন। 
- ভুপালের নবাবের দরবারেও কিছুকাল প্রধানমন্ত্রীর পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- নওয়াব আবদুল লতিফ মুসলমানদের শিক্ষিত করতে ১৮৬৭ সালে মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি স্থাপন করেন।
- বাংলার মুসলিম সমাজে একটি শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণী হিসেবে গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে তার অবদান গুরুত্বপূণ।
- ১৮৯৩ সালের ১০ জুলাই নওয়াব আবদুল লতিফের জীবনাবসান হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১৪,২৬১.
নিচের কোন স্থাপনা 'গৌড়ের রত্ন’ নামে পরিচিত?
  1. উত্তরা গণভবন
  2. কান্তজির মন্দির
  3. ছোট সোনা মসজিদ
  4. সোমপুর বিহার
ব্যাখ্যা
ছোট সোনা মসজিদ: 
- প্রাচীন বাংলার গৌড়ের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় সেন বংশের রাজাদের স্মৃতিচিহ্ন ও সুলতানী আমলে নির্মিত মসজিদই এ এলাকার ঐতিহাসিক স্থাপনা।
- এই স্থাপনাগুলোর মধ্যে সুলতানী স্থাপত্যের ছোট সোনা মসজিদ অন্যতম।
- ছোট সোনা মসজিদ ১৪৯৩ সালে নির্মাণ করা হয়।
- ওয়ালি মোহাম্মদ মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন বলে শিলালিপি থেকে জানা যায়।
- উত্তর-দক্ষিণে ৮২ ফুট লম্বা ও পূর্ব-পশ্চিমে ৫২.৫ ফুট চওড়া মসজিদটি সম্পূর্ন সোনালী রঙে ঢাকা ছিল তাই একে ‘গৌড়ের রত্ন’ বলা হত।

এছাড়া,
- ইতিহাস খ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী তথা উত্তরা গণভবন নাটোরে অবস্থিত।
- ঢাকার বাইরে প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র বাসভবন নাটোরের উত্তরা গণভবন।
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত সোমপুর বৌদ্ধ বিহার পাল আমলের স্থাপত্য।
- স্থাপত্য শিল্পের উজ্জ্বল নিদর্শন দিনাজপুরের কান্তজীর মন্দির কাহারোল উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নের ঢেপা নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: ট্রাভেল নিউজ.গভ.বিডি এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৪,২৬২.
বাংলাদেশি নতুন ১০০ টাকার নোটে কোন মসজিদের ছবি আছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. তারা মসজিদ
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. ছোট সোনা মসজিদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশি নতুন ১০০ টাকার নোট:
- ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট ১২ আগস্ট, ২০২৫ থেকে বাজারে এসেছে।
- এই ব্যাংক নোট প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত ১০০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটটির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪০ মিমি x ৬২ মিমি।
- নোটটি ১০০ শতাংশ সুতি কাগজে মুদ্রিত এবং নোটে জলছাপ হিসেবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ থাকছে। নোটটিতে থাকছে নীল রঙের আধিক্য।
- নোটের সামনে বাঁ পাশে আছে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি। 
- নোটের মাঝখানের ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা-কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি মুদ্রিত রয়েছে। নোটের পেছন ভাগে আছে সুন্দরবনের ছবি।
- নোটটিতে মোট ১০ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১৪,২৬৩.
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলাকালে আবু সাঈদ কত তারিখে শহীদ হয়েছিলেন?
  1. ৮ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৪ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  4. ২৪ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা
শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।
১৪,২৬৪.
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে কে উপস্থিত ছিলেন? 
  1. জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
  2. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা

• পাক-বাহিনীর আত্মসমর্পণ: 
- সময়: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- স্থান: ঢাকার রেসকোর্স (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) ময়দানে।
- পাকিস্তান ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্য ও অস্ত্র-শস্ত্রসহ ভারতীয় ইস্টার্ন কামান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং আরোরার নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- নিয়াজী পাকিস্তান সরকার ও সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে যৌথ কমান্ডের কাছে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- আতাউল গণি ওসমানী বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- মেজর জিয়াউর রহমান জেড ফোর্সের প্রধান ছিলেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,২৬৫.
জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. চিফ হুইপ
ব্যাখ্যা

সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,২৬৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিধান বর্ণিত আছে–
  1. ১১৮ অনুচ্ছেদে
  2. ১২০ অনুচ্ছেদে
  3. ১২২ অনুচ্ছেদে
  4. ১২১ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭ম অধ্যায় ( নির্বাচন ) এর ১২২ অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার বিধান বর্ণিত আছে।

অনুচ্ছেদ ১২২ –ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা

(১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন।]

১১৮ অনুচ্ছেদ – নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
১২০ অনুচ্ছেদ – নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
১২১ অনুচ্ছেদ – প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
বাংলাদেশ সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন , যা ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ কার্যকর হয়। বাংলাদেশ সংবিধানে,

১ টি প্রস্তাবনা
৪ টি মূলনীতি
১১ টি ভাগ বা অধ্যায়
৭ টি তফসিল এবং
১৫৩ টি অনুচ্ছেদ রয়েছে ।

তথ্যসূত্র – গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান, বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১৪,২৬৭.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ –পুস্তিকার রচয়িতা নন কে?
  1. ক) অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ প্রকাশিত হয়।
এই পুস্তিকার নিবন্ধন সমূহের লেখক ছিলেন,
- কাজী মোতাহার হোসেন
- অধ্যাপক আবুল কাশেম এবং
- আবুল মনসুর আহমদ।
পুস্তিকাটি সম্পাদনা করেন অধ্যাপক আবুল কাশেম।
এই পুস্তিকায় বাংলা ভাষাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা এবং পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ধরা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৪,২৬৮.
কোন কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে আখের ছোবড়া ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) কর্ণফুলি পেপার মিল
  2. খ) খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল
  3. গ) সিলেট পেপার মিল
  4. ঘ) নর্থবেঙ্গল পেপার মিল
ব্যাখ্যা
- পাবনা জেলার পাকশিতে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে। 
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়। 
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।

- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ।

- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়। 
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ। 

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
১৪,২৬৯.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. ১৪২ নং
  2. ১৪৩ নং
  3. ১৪৬ নং
  4. ১৪৮ নং
ব্যাখ্যা

সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে। 

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ-১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ-১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,২৭০.
আগরতলা মামলায় রাজসাক্ষী সহ মোট সাক্ষীর সংখ্যা কতজন ছিল?
  1. ২২২ জন
  2. ২২৪ জন
  3. ২২৭ জন
  4. ২২৯ জন
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন, রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,২৭১.
বাংলাদেশের কোন পাহাড়কে 'পাহাড়ের রানী' বলা হয়?
  1. তাজিংডং
  2. হিমছড়ি
  3. গারো পাহাড়
  4. চিম্বুক পাহাড়
ব্যাখ্যা
• চিম্বুক পাহাড়:
- চিম্বুক পাহাড় অবস্থিত বান্দরবান জেলায়।
- বাংলার দার্জিলিং খ্যাত চিম্বুকের পরিচিত অনেক পুরনো। পাহাড়ের এই দৃশ্যটি অতি চমৎকার। এ পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত এবং সূর্যোদয়ের দৃশ্য যেকোনো পর্যটককে মুগ্ধ করবে।
- এটিকে কালাপাহাড়ও বলা হয়।
- এটিকে বাংলাদেশের পাহাড়ের রানী বলা হয়।

উৎস: বান্দরবান জেলার ওয়েবসাইট।
১৪,২৭২.
বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংক রেট -
  1. ৩.৫%
  2. ৪%
  3. ৪.৫%
  4. ৫%
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে এই হার ব্যাংক হার নামেই পরিচিত।
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০১৯ সালে ব্যাংক রেট ৫% ছিল।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৪,২৭৩.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে মুসলিম আসনে যুক্তফ্রন্ট কতটি আসন লাভ করে?
  1. ১৬৯ টি 
  2. ২২৩টি 
  3. ২২৫টি
  4. ২৩৭টি
ব্যাখ্যা

• যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের ৮ই মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন।
- নির্বাচনে শতকরা ৩৭.১৯ ভাগ ভোটার ভোট দেয়।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন। 

• যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠন:
- শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট ১৪ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও তিনি অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন।
- অন্যান্য সদস্যের মধ্যে আবু হোসেন সরকার বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার;
- সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা,
 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৪,২৭৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের কোন বিভাগে স্বাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. রাজশাহী
  2. রংপুর
  3. সিলেট
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ।
- পুরুষের স্বাক্ষরতার হার ৭৬.৫৬ এবং
- নারীদের স্বাক্ষরতার হার ৭২.৮২ শতাংশ।
- এই হার সর্বোচ্চ ঢাকায় (৭৮.৭৯ শতাংশ)। 
- সর্বনিম্ন ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.০৯ শতাংশ)৷
এছাড়া,
- বরিশাল বিভাগে ৭৭.৫৭ শতাংশ।
- চট্টগ্রাম বিভাগে ৭৬.৫৩ শতাংশ।
- রাজশাহী বিভাগে ৭১.৯১ শতাংশ।
- সিলেট বিভাগে ৭১.৯২ শতাংশ।
- খুলনা বিভাগে ৭৫.০২ শতাংশ এবং
- রংপুর বিভাগে ৭০.৭৫ শতাংশ।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২। লিঙ্ক
১৪,২৭৫.
বুড়িমাড়ী স্থল বন্দর কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ভুরঙ্গামারী
  2. খ) হাতিবান্ধা
  3. গ) পাটগ্রাম
  4. ঘ) আদতমারী
ব্যাখ্যা
• লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী সীমান্তে এ স্থল বন্দর অবস্থিত।
• ভারত, ভূটান এবং নেপালের সঙ্গে স্থলপথে মালামাল আমদানী ও রপ্তানির সুবিধার্থে বুড়িমারী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ বন্দরটি চালু করা হয় ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে।

সূত্র: লালমনিরহাট জেলা
১৪,২৭৬.
কতজন নারী ২০২৪ সালে বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ১০ জন
  4. ১৬ জন
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪: 
- নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ চারজনকে বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ এ ভূষিত করা হয়েছে।
- তারা হলেন: দাবা খেলায় বাংলাদেশের কিংবদন্তি রাণী হামিদ, শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মী পারভীন হাসান, নারী অধিকারকর্মী শিরিন পারভিন হক, শ্রম অধিকার কর্মী ও ফটোগ্রাফার তাসলিমা আখতার।
- পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে রাণী হামিদ বাংলাদেশের প্রথম নারী আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার, পারভীন হাসান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ারপারসন ও সেন্ট্রাল উইমেনস ইউনিভার্সিটির উপাচার্য, শিরিন পারভিন হক নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা এবং তাসলিমা আখতার বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির সভাপতি।

উৎস: The Daily Star বাংলা (ডিসেম্বর ৯, ২০২৪)। 
১৪,২৭৭.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে-
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি
  3. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
  4. ক্রেডিট ডেভেলপমেন্ট ফোরাম
ব্যাখ্যা
বেসরকারী ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর মধ্যে আনয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৬ সালের ২৭ আগস্ট হতে ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সালের ৩২নং আইন) কার্যকর করে।
এই আইনের আওতায় ক্ষুদ্রঋণ সেক্টরের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করণের লক্ষ্যে সরকার ‘মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (এমআরএ)’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।
[উৎসঃ মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি ওয়েবসাইট]
১৪,২৭৮.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী কে? 
  1. হামিদুর রহমান
  2. মৃণাল হক
  3. শামিম শিকদার
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
• রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী — মৃণাল হক।

তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের - ‘বলাকা’
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’,
- হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’,
- পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’,
- ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’,
- সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’,
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট।
১৪,২৭৯.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী কত শতাংশ?
  1. ক) ২১.৯ শতাংশ
  2. খ) ৩৯.০ শতাংশ।
  3. গ) ২০.৪ শতাংশ
  4. ঘ) ৩৭.০৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী,
• জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫ শতাংশ।
• কৃষি খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৪০.৬ শতাংশ।
• জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ।
• শিল্প খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ২০.৪ শতাংশ।
• জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ।
• সেবা খাতে নিয়োজিত জনগোষ্ঠী ৩৯.০ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২
১৪,২৮০.
সংবিধানের কোন অধ্যায়ে মৌলিক অধিকার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. দ্বিতীয় অধ্যায়
  2. তৃতীয় অধ্যায়
  3. চতুর্থ অধ্যায়
  4. পঞ্চম অধ্যায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
প্রথম অধ্যায়- প্রজাতন্ত্র (The Republic);
দ্বিতীয় অধ্যায়- রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (Principles of State Policy);
তৃতীয় অধ্যায়- মৌলিক অধিকার (Fundamental Rights);
চতুর্থ অধ্যায়- নির্বাহী বিভাগ (The Executive);
পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা (The Legislature);
ষষ্ঠ অধ্যায়- বিচার বিভাগ (The Judiciary);
সপ্তম অধ্যায়- নির্বাচন (Elections);
অষ্টম অধ্যায়- মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General);
নবম অধ্যায়- বাংলাদেশের কর্মবিভাগ (Public Service of Bangladesh);
নবম-ক ভাগ- জরুরী বিধানাবলী (Emergency Provisions);
দশম অধ্যায়- সংবিধানের সংশোধন (Amendment of the Constitution);
একাদশ অধ্যায়- বিবিধ (Miscellaneous).
১৪,২৮১.
মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. উইং কমান্ডার এম কে বাশার
  2. মেজর কাজী নুরুজ্জামান
  3. মেজর এম আবদুল জলিল
  4. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ৬ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
৬নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১৪,২৮২.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা ছিল-
  1. ক) স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা চালু
  2. খ) প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. গ) পূর্ব বাংলার স্বাধীনতা
  4. ঘ) বৈদেশিক বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
ছয় দফা ও বাঙালি জাতীয়তাবাদ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন ও শােষণ থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালে ছয় দফা কর্মসূচি ঘােষণা করেন।
- বঙ্গবন্ধুর উদ্দেশ্য ছিল, ছয় দফা দাবি আদায়ের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে বৈষম্যের হাত থেকে রক্ষা করা ।

• দফা গুলো হলোঃ
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪,২৮৩.
কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেওয়া জর্জ হ্যারিসন বিশ্বখ্যাত ব্যান্ডের সদস্য ছিলেন?
  1. দ্য বিটলস
  2. পিংক ফ্লয়েড
  3. দ্য রোলিং স্টোন
  4. নির্‌ভানা
ব্যাখ্যা

• কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটলসের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
- তাতে মোট ৪০,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। কনসার্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।

- কনসার্ট ফর বাংলাদেশে আয়োজক দুই তারকা ছাড়াও অংশ নেন বিটলসের রিংগো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেসটন, লিয়ন রাসেল। রবি শঙ্কর ছাড়াও সরোদ শিল্পী আলী আকবর খান অংশ নিয়েছিলেন এই কনসার্টে।
- এই কনসার্টটি পরিচালনা করেন পল সুইমার। 

- রবি শঙ্কর শুরুতে উদ্যোগটি থেকে বাংলাদেশের জন্য মাত্র ২৫,০০০ ডলার সংগ্রহের আশা করেছিলেন। তবে কনসার্টের টিকিট বিক্রি থেকেই সে সময়ে প্রায় আড়াই লক্ষ ডলারের কাছাকাছি আয় হয়েছিল।
- পরবর্তীতে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ লাইভ' নামে একটি অ্যালবামও প্রকাশ করা হয়।
- সংগৃহীত অর্থ ইউনিসেফের মাধ্যমে শরণার্থীদের প্রদান করা হয়। 

উৎস: প্রথম আলো এবং বিবিসি।

১৪,২৮৪.
আরডিএ(RDA=Rural Development Academy অবস্থিত-
  1. বগুড়া
  2. নওগাঁ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

• পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA): 
- RDA এর পূর্ণরূপ: Rural Development Academy
- স্বাধীনতাত্তোর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিলেন তার মধ্যে দেশের দারিদ্রপীড়িত উত্তরাঞ্চলে পল্লী উন্নয়ন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা অন্যতম। 
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ২.০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের মাধ্যমে একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- অবস্থান: শেরপুর, বগুড়া। 
- একাডেমির মূল দায়িত্ব প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা। 
- একাডেমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে উল্লিখিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে আসছে। 
- বর্তমানে আরডিএ সুনির্দিষ্ট ভিশন ও মিশনকে সামনে রেখে কর্মকান্ড পরিচালনা করে  যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,২৮৫.
আলেকজান্ডারের ভারতবর্ষ আক্রমণের সময় বাংলায় কোন জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া যায়?
  1. তাম্রলিপ্ত
  2. গঙ্গারিডি
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা
গ্রিকবীর আলেকজান্ডার খ্রিস্টপূর্ব ৩২৬-২৭ অব্দে ভারতবর্ষে আক্রমণ করেন।
তার সময়ে বাংলায় ‘গঙ্গারিডি’ নামে একটি শক্তিশালী জনপদের উপস্থিতির উল্লেখ পাওয়া যায়। পদ্মা ও ভাগীরথী নদীর মধ্যবর্তী স্থানে গঙ্গারিডি রাজ্যের অবস্থান ছিলো। ধারণা করা হয় বঙ্গ জনপদকেই গ্রিকরা গঙ্গারিডি হিসেবে উল্লেখ করেছিলো।
একই সময়ে প্রাসিয়র নামে আরেকটি রাজ্যেরও উল্লেখ পাওয়া যায়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৪,২৮৬.
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের কারণ কোনটি?
  1. রাজনৈতিক দল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে
  2. রাজনৈতিক দলটি পরপর দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন না পেলে
  3. জামানাত বাতিল হলে
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিলের কারণ:
• কোন নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নিম্নোক্ত কারণে বাতিল হবে, যথা:
- দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কমিটি কর্তৃক দলকে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হলে কিংবা নিবন্ধন বাতিলের জন্য দলের প্রধান ও সাধারণ সম্পাদক বা মহাসচিবদের সমপর্যায়ের পদাধিকারী কর্তৃক দলীয় সিদ্ধান্তের কার্যবিবরণীসহ কমিশন বরাবর আবেদন করা হলে;
- নিবন্ধিত কোন রাজনৈতিক দল সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত হলে;
- এই আইন ও বিধিমালার অধীন কমিশনে প্রেরিতব্য কোন তথ্য পরপর তিন বছর প্রেরণ করতে ব্যর্থ হলে;
- রাজনৈতিক দলটি পরপর দুইটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করলে;

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১৪,২৮৭.
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালের ১৭ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ:
- ১৯৭৫ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।
- এ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়। তাদের বিচারের আওতায় আনা যাবে না মর্মে ঘোষণা দেয়া হয়।
- ১২ নভেম্বর ১৯৯৬ তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া
১৪,২৮৮.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয়-
  1. ক) ১ জুলাই ১৯৯১
  2. খ) ১০ জুলাই ১৯৯৮
  3. গ) ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
  4. ঘ) ১ জুলাই ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয়ের খাত মূল্য সংযোজন কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- উক্ত আইনের চূড়ান্ত রূপ তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ৩১ মে ১৯৯১ তারিখে একটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করেন।
- অধ্যাদেশের আটটি ধারা (যেগুলি মূসক পদ্ধতিতে নিবন্ধিত হওয়া এবং মূসক কর্তৃপক্ষের নিয়োগ ও ক্ষমতা সংক্রান্ত ছিল) ২ জুন ১৯৯১ থেকে এবং বাকি ধারাগুলি ১ জুলাই ১৯৯১ থেকে কার্যকরী করা হয়।

 উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১৪,২৮৯.
"বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে - এটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৯৪
  2. খ) অনুচ্ছেদ ৯৬
  3. গ) অনুচ্ছেদ  ৯৫
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ  ৯৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪ : সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে তা গঠিত হবে। 
(২) প্রধান বিচারপতি যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন এবং প্রত্যেক বিভাগে রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করবেন।
(৪) প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৯৩ :  অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা।
• অনুচ্ছেদ  ৯৫ :  বিচারক-নিয়োগ।
• অনুচ্ছেদ ৯৬ : বিচারকের পদের মেয়াদ।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৪,২৯০.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারি দলের নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. উপমন্ত্রী
  4. হুইপ
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• রাষ্ট্রীয় কাজের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রী:
- রাষ্ট্রীয় সকল কাজের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী করে থাকেন।
- তিনি যেহেতু প্রশাসনের কেন্দ্রে অবস্থান করেন তাই সকল মন্ত্রণালয়, দন্তর ও অধিদপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধনে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

• জাতির মুখপাত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।
- বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন।

• দলের নেতা:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা।
- সংসদ ও সংসদের বাইরে দলের নীতি নির্ধারণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।
- দলীয় নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভূমিকা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিরোধী দলের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪,২৯১.
ওঁরাও জাতিসত্তার প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. রাস উৎসব
  2. কারাম উৎসব
  3. বুদ্ধ পূর্ণিমা
  4. বৈসুক
ব্যাখ্যা

- ​​ওঁরাওদের প্রধান উৎসব হলো কারাম উৎসব ও সরনা পূজা।

​​ওঁরাও জাতিসত্তা: 

- অবস্থান: ওঁরাও জাতিসত্তা প্রধানত ভারত, নেপাল ও বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
​- বাংলাদেশে তারা মূলত রাজশাহী, নওগাঁ, জয়পুরহাট, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও বগুড়ায় বসবাস করে।
- অন্য নাম: এদের “উরাঁও” বা “কুড়ুখ” নামেও ডাকা হয়।
- উৎপত্তি: ওঁরাও জাতিগোষ্ঠী অস্ট্রো-এশিয়াটিক মূলের হলেও বর্তমানে তারা দ্রাবিড়কৃত।
- তারা মূলত মধ্য ভারতের ছত্তিশগড়, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা অঞ্চল থেকে অভিবাসন করে এসেছে।
- ভাষা: তাদের নিজস্ব ভাষা কুড়ুখ।
- এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত।
- পাশাপাশি তারা বাংলা ভাষাও ব্যবহার করে।
- ধর্ম: প্রথাগতভাবে তারা প্রকৃতি উপাসক (সারনা ধর্ম)।
- বর্তমানে অনেকে হিন্দু ও খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছে।
- পেশা: প্রধানত কৃষিকাজে নিয়োজিত।
- সংস্কৃতি: ওঁরাওদের নিজস্ব গান, নাচ ও উৎসব আছে।
- তাদের প্রধান উৎসব হলো কারাম উৎসব ও সরনা পূজা।
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত চারটি- ১. সারহুল, ২. কারাম, ৩. পশু উৎসব, ৪. খারিয়ানি, ৫. ফাগুয়া, ৭. সোহরায়।


উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

১৪,২৯২.
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনের অধীন শিল্পনগরীর সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৭৫টি
  2. খ) ৭৬টি
  3. গ) ৭৯টি
  4. ঘ) ৮০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১ অনুসারে দেশে বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৭৬টি। এসব শিল্পনগরীতে উৎপাদনরত মোট শিল্প ইউনিটের সংখ্যা ৪,৬৬৬টি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১)
১৪,২৯৩.
অপারেশন সার্চলাইটের সময় ঢাকা শহরের বাইরে নেতৃত্ব দেন কে?
  1. জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজি
  3. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা

অপারেশন সার্চলাইট:
- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।
- সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- ঢাকা শহরের বাহিরে নেতৃত্ব দেন জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১৪,২৯৪.
হাজী মুহম্মদ মহসীনের আদি নিবাস কোথায়?
  1. ক) রোম
  2. খ) পারস্য
  3. গ) জর্ডান
  4. ঘ) চৈনিক
ব্যাখ্যা
- হাজী মুহম্মদ মহসীন ১৭৩২ সালে পশ্চিমবঙ্গের হুগলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল মুহম্মদ ফয়জুল্লাহ এবং মায়ের নাম ছিল জয়নাব খানম। তাদের আদি নিবাস ছিল পারস্যে
- দানশীলতার জন্য ইতিহাসে তিনি ‘দানবীর বা বাংলার হাতেম তাই’ নামে পরিচিত। তিনি ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর প্রভৃতি স্থানে মাদ্রাসার উন্নতি সাধনে প্রচুর অর্থ দান করেন। তিনি তাঁর সমুদয় অর্থ শিক্ষা বিস্তার চিকিৎসা এবং দরিদ্র মানুষের জন্য ব্যয় করেন।
- ১৮০৬ সালে মৃত্যুর ছয় বছর পূর্বে তিনি ‘মহসীন ফান্ড’ নামক একটি ফান্ড গঠন করে তার সমস্ত সম্পত্তি জনহিতকর কাজে দান করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,২৯৫.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে কয়টি খাতে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১২
  2. খ) ১৩
  3. গ) ১৪
  4. ঘ) ১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে বৃহৎ তিনটি খাত- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া, সার্বিকভাবে ১৫টি খাতকে কেন্দ্র করে দেশের জাতীয় আয় পরিমাপ করা হয়। এ ১৫টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপ খাতে বিভক্ত। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য- এ দুটি খাতের সমন্বয়ে বৃহৎ কৃষি খাত গঠিত। আবার খনিজ ও খনন, শিল্প (ম্যানুফ্যাকচারিং), বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সম্পদ এবং নির্মাণ খাত নিয়ে বৃহৎ শিল্প খাত গঠিত। এছাড়াও পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য হােটেল ও রেস্তোরা; পরিবহন, সংরক্ষণ ও যােগাযােগ, আর্থিক প্রতিষ্ঠানিক সেবা, রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা, লােক প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এবং কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা খাতসমূহ নিয়ে বৃহৎ সেবা খাত গঠিত।
১৪,২৯৬.
দেশের প্রথম পাতাল রেলের পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছে -
  1. ক) সানচু কোম্পানি লিমিটেড
  2. খ) আকাই হুন্দাই কোম্পানি লিমিটেড
  3. গ) নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) লিক্কন জাই কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
এক নজরে পাতাল ট্রেন 
• প্রকল্পের নাম:- ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট লাইন-১ (এমআরটি-১)।
• প্রকল্পের মোট ব্যয়:- ৫২ হাজার ৫৬১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। 
• রক্ষণাবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান:- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
• পরামর্শক প্রতিষ্ঠান:- জাপানের নিপ্পন কোই কোম্পানি লিমিটেড (জেভি)। 
• রুট:- ২টি। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর (বিমানবন্দর রুট) পর্যন্ত ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার অংশ ভূগর্ভস্থ হবে ও নতুনবাজার থেকে পূর্বাচল (পূর্বাচল রুট) পর্যন্ত ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার হবে উড়াল। 
• স্টেশন সংখ্যা:- বিমানবন্দর রুটে ১২টি ও পূর্বাচল রুটে ৯টি স্টেশন থাকবে।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর ২০২২
১৪,২৯৭.
সংবিধান অনুসারে অধ্যাদেশ জারি করার ক্ষমতা কার উপর ন্যাস্ত?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রিসভা
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় এবং সংসদ অধিবেশনকাল ব্যতীত সময়ে জরুরি প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি আইনের ন্যায় কার্যকর যে আদেশ জারি করেন তা অধ্যাদেশ নামে পরিচিত।
- সংবিধানের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুাযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করে থাকেন।
- এই অধ্যাদেশ জারির পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশটি উপস্থাপন করতে হয় এবং উপস্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে সংসদ এটি অনুমোদন না করলে ৩০ দিন পর এই অধ্যাদেশ অকার্যকর হয়ে যায়।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪,২৯৮.
কোনটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ?
  1. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
  2. সঞ্চয় স্থানান্তর
  3. ঋণ প্রদান
  4. আমানত গ্রহণ
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় ব্যাংক:
- প্রতিটি দেশে বাধ্যতামূলকভাবে একটি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থাকে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মাধ্যমে মুদ্রা বাজার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থা পরিচালিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরকারের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে থেকে এসকল কার্যাদি সম্পন্ন করে থাকে। এটিকে সরকারের ব্যাংক বলে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাহায্য ছাড়া অর্থ ও মূদ্রা বাজারের স্থিতিশীলতা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সর্বোপরি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্ব অপরিসীম। সৃষ্টির পর থেকেই মুদ্রা প্রচলন, অর্থ সরবরাহ এবং ঋণ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ব্যাংক পালন করে আসছে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।

⇒ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যাবলি:
- মুদ্রা প্রচলন।
- মুদ্রার মুল্যমান সংরক্ষণ।
- মুদ্রা বাজার পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ।
- ঋণ নিয়ন্ত্রণ।
- রিজার্ভ সংরক্ষণ।
- বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- বৈদেশিক মূদ্র্য ও বিনিময় নিয়ন্ত্রণ।
- সরকারের উপদেষ্টা ও প্রতিনিধি।
- সরকারের আর্থিক নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,২৯৯.
চ্যানেল-২৪ এ দেশে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠিকার নাম কী?
  1. নীলাঞ্জনা
  2. অপরাজিতা
  3. জয়ীতা
  4. মেরীনা অ্যাডমিরাল
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠিকা:

- দেশে প্রথমবারের মত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) রোবট সংবাদ পাঠিকার নাম অপরাজিতা।
- চ্যানেল ২৪ এর বুধবার সন্ধ্যা ৭টার বুলেটিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়।
- সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সংবাদ সঞ্চালনার বিষয়টি লক্ষ্য করা
যাচ্ছে।
- চলতি বছরের এপ্রিলে ‘ফেদা' নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায় কুয়েত নিউজ।
- ৯ জুলাই ভারতের একটি বেসরকারি ওড়িশা টেলিভিশন লিমিটেড (ওটিভি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়। এর নাম ছিল লিসা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৯ জুলাই ২০২৩।
১৪,৩০০.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' নিম্নের কোনটির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) নীল বিদ্রোহ
  2. খ) সিপাহী বিদ্রোহ
  3. গ) বঙ্গভঙ্গ
  4. ঘ) ভারতছাড় আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- 'বাহাদুর শাহ পার্ক' এর পূর্বনাম ভিক্টোরিয়া পার্ক। 
- ইহা সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতিবিজড়িত একটি স্থান। 
- পুরানো ঢাকা এলাকার সদরঘাটের সন্নিকটে লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত। 
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে। 
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে। 
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে ভিক্টোরিয়া পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক। 
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য। তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।
 
উৎস : ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট